লিয়ানা বুকস

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা/সহকারী কনস্যুলার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ১৮ মে ২০২২। ১০০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

ইংরেজি

  1. ১. What is the plural of 'spectrum'?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
    • ক. spectrums
    • খ. spectra
    • গ. species
    • ঘ. image
    উত্তর: খ. spectra
    যে শব্দের শেষে -um থাকে, সাধারণত বহুবচনে -um বাদ গিয়ে -a বসে। তাই spectrum-এর বহুবচন spectra। এ ধরনের শব্দ ল্যাটিন ভাষা থেকে এসেছে বলে এদের বহুবচনও ল্যাটিন নিয়মে হয়। Spectrums রূপটি সাধারণ ব্যবহারে নেই, আর species ও image এর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। Species শব্দটি একবচন ও বহুবচন দুই অর্থেই একই থাকে।
    উদাহরণ: The spectrum of light has seven colours; many spectra are studied in physics.
    মনে রাখুন:
    Datum → data; medium → media; stratum → strata।
    Bacterium → bacteria; curriculum → curricula।
    Memorandum → memoranda; addendum → addenda।
    ব্যতিক্রম: museum → museums।
  2. ৫. I could barely make out the traffic signs through the rain. Here 'make out' means—
    • ক. discern
    • খ. violate
    • গ. obey
    • ঘ. await
    উত্তর: ক. discern
    ‘Make out’ মানে অনেক কষ্টে দেখতে পাওয়া বা বুঝতে পারা। বাক্যের অর্থ, ‘বৃষ্টির মধ্যে আমি ট্রাফিক সংকেত খুব কষ্টে দেখতে পাচ্ছিলাম’। এর কাছাকাছি অর্থ discern। বাকি অপশনের অর্থ: violate (লঙ্ঘন করা), obey (মান্য করা), await (অপেক্ষা করা)। এ তিনটির কোনোটি এখানে বসালে বাক্যের অর্থ মেলে না।
    উদাহরণ: I could not make out what he said.
    মনে রাখুন:
    Discern = দেখে চিনে নেওয়া।
    Make out = বোঝা বা স্পষ্ট দেখা।
    Barely = কোনোমতে।
    Discern-এর আরও synonym: perceive, distinguish।
  3. ৬. Which one is the correct passive voice in the following sentence? Who taught her grammar?
    • ক. By whom she was taught grammar?
    • খ. By whom was she taught grammar?
    • গ. She was taught grammar by who?
    • ঘ. Who was she taught grammar by?
    উত্তর: খ. By whom was she taught grammar?
    Active voice-এ প্রশ্নের শুরুতে Who থাকলে passive-এ By whom দিয়ে বাক্য শুরু হয়। ‘Who taught her grammar?’ এর passive: By whom was she taught grammar? এখানে taught past tense, তাই was বসেছে। এই রূপেই প্রশ্নবোধক বাক্যের ক্রমে was আগে আসে এবং কর্তা পরে বসে। ‘She was taught grammar by who?’ বা ‘Who was she taught grammar by?’ গঠনে ঠিক নয়, আর ‘By whom she was taught grammar?’ বাক্যে was আগে বসেনি।
    উদাহরণ:
    Who wrote the letter? → By whom was the letter written?
    মনে রাখুন:
    Whom did you see? → Who was seen by you?
    প্রশ্নে Who কর্তা হলে passive-এর শুরুতে By whom বসে।
  4. ৮. Which one is the correct sentence? He said, "I shall go home tomorrow."
    • ক. He said that he would go home the next day.
    • খ. He said that he would go home tomorrow.
    • গ. He said that he would have gone home the next day.
    • ঘ. He said that he should go home tomorrow.
    উত্তর: ক. He said that he would go home the next day.
    Direct narration থেকে indirect-এ রূপান্তরে reporting verb past হলে shall বদলে would হয়। আর tomorrow হয়ে যায় the next day। তাই ‘He said, “I shall go home tomorrow.”’ বাক্যের indirect রূপ: He said that he would go home the next day। অন্য অপশনে tomorrow রেখে দেওয়া হয়েছে, আর কোথাও would have gone বসানো হয়েছে, যা অতীতের কাজের জন্য প্রযোজ্য, এখানে নয়। Time-এর শব্দ বদলের নিয়ম মনে রাখা জরুরি।
    মনে রাখুন:
    Today → that day
    Yesterday → the previous day
    Now → then
    Here → there
    Next week → the following week
  5. ৯. Which one is the incorrect spelling :
    • ক. Freshner
    • খ. Forlorn
    • গ. Foreign
    • ঘ. Fruity
    উত্তর: ক. Freshner
    শুদ্ধ বানান freshener, অর্থ সতেজকারক বা বিশুদ্ধকারক পদার্থ, যেমন air freshener। Freshner বানানে e বাদ পড়েছে। বাকি তিনটি, forlorn (পরিত্যক্ত, নিঃসঙ্গ), foreign (বিদেশি) আর fruity (ফলের স্বাদযুক্ত) শুদ্ধ। Fresh শব্দের সঙ্গে -en যোগ করে freshen (সতেজ করা) verb হয়, আর তার সঙ্গে -er যোগ করলে freshener হয়।
    উদাহরণ: She put an air freshener in the room.
    মনে রাখুন:
    Fresh + en = freshen (verb); freshen + er = freshener।
    Foreign শব্দটি i-before-e নিয়মের ব্যতিক্রম।
  6. ১২. 'Beggarly' is a/an—
    • ক. Adverb
    • খ. Adjective
    • গ. Verb
    • ঘ. Noun
    উত্তর: খ. Adjective
    Beggarly একটি adjective, অর্থ ভিখারির মতো, দরিদ্র বা নীচ, যেমন: a beggarly pay। Beggar (ভিখারি) noun, আর beggarly তার adjective রূপ। শব্দের শেষে -ly থাকলেই সেটি adverb হয় না। সাধারণত adjective-এর শেষে -ly যোগ করলে adverb হয়, যেমন quick থেকে quickly। কিন্তু noun-এর শেষে -ly যোগ করলে অনেক সময় adjective হয়, যেমন friend থেকে friendly।
    উদাহরণ: He was paid a beggarly sum for his work.
    মনে রাখুন:
    -ly যুক্ত adjective: friendly, lovely, lonely, manly, costly।
    Beggar (noun) → beggarly (adjective)।
  7. ১৯. Identify the correct question tag : Let us attend the party.
    • ক. Shall not we?
    • খ. Shall we?
    • গ. Shan't we?
    • ঘ. None of these
    উত্তর: খ. Shall we?
    ইংরেজিতে ‘Let us’ দিয়ে শুরু হওয়া বাক্য সাধারণত প্রস্তাব বা অনুরোধ বোঝায়। এমন বাক্যের শেষে question tag হিসেবে ‘Shall we?’ বসে। এখানেও তাই বাক্যটি হবে: Let us attend the party, shall we? বাকি অপশনের ‘Shall not we?’ ইংরেজিতে চলে না, আর ‘Shan’t we?’ এই ধরনের বাক্যে ব্যবহৃত হয় না।
    উদাহরণ:
    Let us go for a walk, shall we?
    মনে রাখুন: ‘Let me’ দিয়ে শুরু হলে tag হয় ‘will you?’, আর সাধারণ আদেশসূচক বাক্যে tag হয় ‘will you?’ বা ‘won’t you?’। যেমন: Open the door, will you?
  8. ২৪. He is holding — honorary post.
    • ক. a
    • খ. an
    • গ. the
    • ঘ. no article
    উত্তর: খ. an
    ইংরেজিতে ‘a’ বা ‘an’ বসবে কি না, তা শব্দের বানান দেখে ঠিক হয় না। ঠিক হয় শব্দের প্রথম ধ্বনি স্বরধ্বনি না ব্যঞ্জনধ্বনি, তা দেখে। ‘Honorary’ শব্দটি h দিয়ে শুরু হলেও h-এর উচ্চারণ হয় না, শব্দটি উচ্চারিত হয় ‘অনারারি’ ধরনে, অর্থাৎ স্বরধ্বনি দিয়ে। তাই এখানে ‘an’ বসবে: He is holding an honorary post. অর্থাৎ সে একটি সম্মানসূচক পদে আছে।
    উদাহরণ:
    an hour, an honest man, an heir.
    এর বিপরীতে h উচ্চারিত হলে ‘a’ বসে, যেমন a house, a hotel, a horse।
    মনে রাখুন: আবার বানান স্বরবর্ণ হলেও উচ্চারণ ব্যঞ্জনের মতো হলে ‘a’ বসে, যেমন a university, a European, a one-taka note।
  9. ২৫. Find out the antonym of the words underlined in the following sentence : She used to disparage her neighbour every now and then.
    • ক. please
    • খ. praise
    • গ. belittle
    • ঘ. denigrate
    উত্তর: খ. praise
    Disparage মানে কাউকে ছোট করে বলা, তাচ্ছিল্য করা বা নিন্দা করা। এর বিপরীত কাজ হলো প্রশংসা করা, অর্থাৎ praise। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে belittle মানে খাটো করা এবং denigrate মানে কলঙ্ক লেপন করা বা হেয় করা। এই দুটি Disparage-এর সমার্থক, বিপরীত নয়। Please মানে সন্তুষ্ট করা, এটি বিপরীত শব্দের মতো মনে হলেও praise-এর মতো সরাসরি বিপরীতার্থক নয়। বাক্যটির অর্থ হলো, সে প্রায়ই প্রতিবেশীর নিন্দা করত।
    মনে রাখুন:
    Disparage-এর synonym: belittle, deprecate, criticize, run down।
    Disparage-এর antonym: praise, extol, applaud, laud।
  10. ৩২. We worked hard — succeeding in the test.
    • ক. for
    • খ. to
    • গ. on
    • ঘ. with a view to
    উত্তর: ঘ. with a view to
    ‘উদ্দেশ্য’ বোঝাতে ‘with a view to’ ব্যবহার হয়। এর পরে verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়, অর্থাৎ with a view to + verb-ing। এখানে ‘succeeding’ ing-যুক্ত রূপে আছে, তাই ‘with a view to’ বসালে বাক্যটি শুদ্ধ হয়: We worked hard with a view to succeeding in the test। ‘to’ বা ‘for’ বসালে এখানে সঠিক গঠন হয় না।
    উদাহরণ:
    He went abroad with a view to earning money.
    এই ধরনের আরও গঠন: look forward to, be used to, object to। এদের পরেও verb-ing বসে।
  11. ৪৪. Identify the incorrect word/phrase indicated by A, B, C or D in the following sentence : Jahanara had(A) better to change(B) her subject if(C) she plans to be admitted(D) to a good university.
    • ক. had
    • খ. to change
    • গ. if
    • ঘ. to be admitted
    উত্তর: খ. to change
    ‘Had better’ একটি বিশেষ গঠন, যার অর্থ ‘করাই ভালো’। এর পরে সরাসরি verb-এর base form বসে এবং মাঝখানে ‘to’ বসে না। তাই বাক্যে ‘had better to change’ ভুল, শুদ্ধ রূপ ‘had better change’। সুতরাং ভুল অংশটি ‘to change’। বাকি অংশগুলো ঠিক আছে। ‘if she plans to be admitted’-এ plans-এর পরে to-infinitive বসানো স্বাভাবিক।
    উদাহরণ:
    You had better see a doctor.
    মনে রাখুন: একই নিয়ম would rather, can, must, may-এর পরেও খাটে। এদের পরেও ‘to’ বসে না।
  12. ৪৬. 'Bureau' is originally a/an — word.
    • ক. English
    • খ. German
    • গ. Dutch
    • ঘ. French
    উত্তর: ঘ. French
    Bureau শব্দটির উৎস ফরাসি (French) ভাষা। ফরাসিতে এর মূল অর্থ ছিল ঢাকনা দেওয়ার মোটা কাপড় এবং পরে লেখার টেবিল। ইংরেজিতে এসে শব্দটি সরকারি দপ্তর বা কার্যালয় অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই শব্দ থেকেই bureaucracy (আমলাতন্ত্র) শব্দ তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ যেখানে সরকারি কাজ দপ্তরের মাধ্যমে চলে, সেই ব্যবস্থাকেই এই নামে ডাকা হয়। অর্থাৎ ‘bureau’ শব্দের মূল অর্থ কাপড় থেকে সরতে সরতে লেখার টেবিলে, তারপর সেই টেবিল যেখানে রাখা হয় সেই ঘরে এবং শেষে পুরো দপ্তরে এসে পৌঁছেছে।
    মনে রাখুন: ফরাসি থেকে ইংরেজিতে আসা আরও কিছু শব্দ:
    menu, café, ballet, restaurant, chauffeur।
    Bureau-এর বহুবচন bureaus বা bureaux।
  13. ৫১. The weather (be) bad, we cannot go out.
    • ক. is
    • খ. was
    • গ. been
    • ঘ. being
    উত্তর: ঘ. being
    বাক্যে ‘The weather’ আর ‘we cannot go out’ দুটি আলাদা পূর্ণ ভাব। শুধু কমা দিয়ে দুটি স্বাধীন বাক্য জোড়া লাগালে ইংরেজিতে ব্যাকরণগত ভুল হয়। তাই প্রথম অংশকে absolute বাক্যাংশে রূপ দিতে হয়: The weather being bad, we cannot go out। এখানে ‘being’ কারণ বোঝায়, অর্থাৎ আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় আমরা বাইরে যেতে পারি না।
    উদাহরণ:
    The sun having set, we returned home.
    মনে রাখুন: Absolute construction-এ বিশেষ্যটির কোনো সংযোজক থাকে না, কেবল তার সঙ্গে participle (being/having + v₃) বসে।
  14. ৫৭. Fill in the blank with the correct word/phrase. If you had come in time, I —.
    • ক. will go
    • খ. would go
    • গ. should go
    • ঘ. would have gone
    উত্তর: ঘ. would have gone
    এটি Third Conditional বাক্য। If-অংশে past perfect (had come) থাকলে মূল অংশে ‘would have + past participle’ বসে। এখানে ‘would have gone’ বসালে বাক্যটি হয়: If you had come in time, I would have gone। অতীতে যা ঘটেনি তার কাল্পনিক ফল এভাবে বোঝানো হয়।
    উদাহরণ:
    If he had studied, he would have passed.
    মনে রাখুন: ‘If + past simple’ হলে মূল অংশে would + verb বসে; ‘If + present simple’ হলে will + verb বসে।
  15. ৫৮. The bus — arrives late during bad weather.
    • ক. used to
    • খ. everyday
    • গ. always
    • ঘ. today
    উত্তর: গ. always
    বাক্যে verb ‘arrives’ present indefinite tense-এ আছে এবং বাক্যটি অভ্যাস বা সর্বদা ঘটে এমন কিছু বোঝায়। খারাপ আবহাওয়ায় বাস সব সময় দেরিতে আসে, এই অর্থে ‘always’ খাপ খায়। ‘used to’ বসালে verb-এর রূপ ‘arrive’ হতো, আর সেটি অতীতের অভ্যাস বোঝায়। ‘every day’ দুই শব্দে লিখতে হয়, আর এটি এখানে অর্থ মেলায় না। ‘today’ একটি নির্দিষ্ট দিনের কথা বলে, যা ‘during bad weather’-এর সঙ্গে মেলে না।
    মনে রাখুন: Frequency adverb (always, usually, never) সাধারণত main verb-এর আগে এবং be verb-এর পরে বসে।
  16. ৬৫. William Shakespeare is known mostly for his—
    • ক. poetry
    • খ. novels
    • গ. prose
    • ঘ. plays
    উত্তর: ঘ. plays
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র (১৫৬৪–১৬১৬) ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত নাট্যকার, তাই তিনি প্রধানত তাঁর নাটকের (plays) জন্যই পরিচিত। তিনি কবিতা ও সনেটও লিখেছেন, কিন্তু তাঁর খ্যাতির মূল জায়গা নাটক। তিনি এলিজাবেথীয় যুগের লেখক, অর্থাৎ রানি প্রথম এলিজাবেথের সময়কার। তাঁর লেখা নাটকের মধ্যে ট্র্যাজেডি, কমেডি ও ঐতিহাসিক নাটক সবই আছে। শেক্সপিয়রের জন্ম ইংল্যান্ডের স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভনে, আর তিনি ‘গ্লোব’ থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    চার ট্র্যাজেডি: Hamlet, Othello, King Lear, Macbeth।
    কমেডি: A Midsummer Night’s Dream, The Merchant of Venice।
    তিনি ১৫৪টি সনেট লিখেছেন।
  17. ৬৬. Which one is correct in meaning? 'To read between the lines' means—
    • ক. To concentrate
    • খ. To read carefully
    • গ. To suspect
    • ঘ. To grasp the hidden meaning
    উত্তর: ঘ. To grasp the hidden meaning
    ‘To read between the lines’ ইডিয়মের অর্থ লেখার অন্তর্নিহিত বা গোপন অর্থ বুঝে নেওয়া। অর্থাৎ যা সরাসরি বলা হয়নি, তাও ধরতে পারা। এটি কেবল মনোযোগ দিয়ে পড়া (read carefully) নয়, আবার সন্দেহ করাও নয়। আক্ষরিক অর্থে দুই লাইনের মাঝখানের ফাঁকা জায়গা পড়া যায় না, তাই বোঝাই যায় এখানে কথাটি রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
    উদাহরণ:
    A good reader can read between the lines of a letter.
    মনে রাখুন:
    To read between the lines: to grasp the hidden meaning।
    Beat about the bush: ঘুরিয়ে বলা।
    Once in a blue moon: কালেভদ্রে।
  18. ৬৯. Let us go for a walk — the river.
    • ক. across
    • খ. through
    • গ. along
    • ঘ. over
    উত্তর: গ. along
    ‘Along’ মানে কোনো সরল রেখা বা নদী, পথ, সড়কের পাশ ধরে চলা। নদীর ধার ধরে হাঁটতে চাইলে ‘walk along the river’ বলা হয়। তাই বাক্যটি হবে: Let us go for a walk along the river। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। Across মানে আড়াআড়ি পার হওয়া, through মানে ভেতর দিয়ে যাওয়া এবং over মানে ওপর দিয়ে অতিক্রম করা। এগুলো ‘নদী বরাবর হাঁটা’ অর্থে খাপ খায় না।
    উদাহরণ:
    We walked along the beach.
    He swam across the river.
    The train passed through a tunnel.
    The plane flew over the hills.
  19. ৭০. The word subterfuge means —
    • ক. subtlety
    • খ. trickery
    • গ. simplicity
    • ঘ. naive
    উত্তর: খ. trickery
    Subterfuge মানে ছল বা চালাকি, অর্থাৎ কোনো কিছু লুকানোর জন্য বা দায় এড়াতে কৌশল ব্যবহার করা। Trickery শব্দের অর্থও চাতুরী বা প্রতারণা, তাই দুটি শব্দ সমার্থক। বাক্যে বললে He obtained the document by subterfuge মানে সে ছলনার আশ্রয় নিয়ে নথিটি জোগাড় করেছে।
    অন্য শব্দগুলো পুরোপুরি মেলে না। Cunning মানে ধূর্ত, যা স্বভাবের গুণ বোঝায়, ছলনার কাজ নয়। Subtlety মানে সূক্ষ্মতা, আর Simplicity মানে সরলতা, যা Subterfuge-এর বিপরীত ভাব দেয়।
    মনে রাখুন:
    Subterfuge-এর সমার্থক: Trickery, Deception, Ruse।
    Subterfuge-এর বিপরীত: Honesty, Candour।
  20. ৭৩. Identify the correct sentence :
    • ক. Kamal takes pride for wealth.
    • খ. Kamal takes pride at wealth.
    • গ. Kamal takes pride from wealth.
    • ঘ. Kamal takes pride in wealth.
    উত্তর: ঘ. Kamal takes pride in wealth.
    ‘Take pride in’ একটি নির্দিষ্ট গঠন, যার অর্থ কোনো কিছুতে গর্ববোধ করা। এখানে pride-এর সঙ্গে সঠিক preposition ‘in’। তাই শুদ্ধ বাক্য হলো: Kamal takes pride in wealth। for, at বা from বসালে বাক্যটি শুদ্ধ হয় না, কারণ ইংরেজিতে অনেক শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition ছাড়া অন্য কিছু চলে না। এগুলো নিয়ম খাটিয়ে নয়, অভ্যাস করে মনে রাখতে হয়।
    উদাহরণ:
    She takes pride in her work.
    মনে রাখুন: কিছু শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition আসে। যেমন proud of, confidence in, fond of, interest in।
  21. ৭৪. It was long since we — you last.
    • ক. meet
    • খ. had met
    • গ. met
    • ঘ. would meet
    উত্তর: খ. had met
    ‘It is/was long since’ গঠনে since-এর আগের অংশ যদি past indefinite হয়, তাহলে since-এর পরের অংশে সাধারণত past perfect tense বসে। কারণ since-এর পরের ঘটনা আগের ঘটনার আগে ঘটেছিল। তাই এখানে ‘had met’ হবে: It was long since we had met you last। অর্থাৎ আমরা শেষবার আপনার সঙ্গে দেখা করার পর অনেক সময় কেটে গিয়েছিল।
    উদাহরণ:
    It is long since I saw you. (বর্তমানের ক্ষেত্রে past indefinite)
    It was long since he had seen her.
    মনে রাখুন: ঘটনা আগে পরে ঘটলে আগেরটিতে past perfect, পরেরটিতে past indefinite বসে।
  22. ৭৬. Synonym of CONSOLIDATE is —
    • ক. Contrive
    • খ. Connive
    • গ. Unite
    • ঘ. Conspire
    উত্তর: গ. Unite
    Consolidate শব্দের অর্থ একত্র করা বা দৃঢ় করা। এর কাছাকাছি অর্থ ‘unite’, অর্থাৎ ঐক্যবদ্ধ করা। বাকি শব্দগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে। Contrive মানে কৌশলে কিছু বানানো, Connive মানে অন্যায় দেখেও না দেখার ভান করা বা গোপন যোগসাজশ করা, আর Conspire মানে ষড়যন্ত্র করা। তিনটি শব্দই Con- দিয়ে শুরু হওয়ায় সহজে গুলিয়ে যায়। Consolidate শব্দের নামরূপ consolidation, যার অর্থ একত্রীকরণ বা সংহতকরণ।
    উদাহরণ:
    The company tried to consolidate its position in the market.
    মনে রাখুন: Consolidate-এর synonym: strengthen, combine, merge।
  23. ৮০. Find the correct one : He is coming back—.
    • ক. on next Thursday
    • খ. at next Thursday
    • গ. in next Thursday
    • ঘ. next Thursday
    উত্তর: ঘ. next Thursday
    ইংরেজিতে next, last, this, every দিয়ে শুরু হওয়া সময়ের শব্দের আগে সাধারণত কোনো preposition বসে না। তাই ‘next Thursday’ লিখতেই হয়, তার আগে on, at বা in বসে না। শুদ্ধ বাক্য: He is coming back next Thursday। অন্যদিকে নির্দিষ্ট দিন সরাসরি বললে on বসে, যেমন on Thursday। দুই গঠনের এই পার্থক্যটিই পরীক্ষায় ধরা হয়। আরও একটি নিয়ম হলো, আগামী বা গত কোনো সময় বোঝাতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করলে preposition বাদ যায়, আর ‘at night’, ‘in the morning’ ইত্যাদি অন্য নিয়মে চলে।
    উদাহরণ:
    I will meet him next week. (on next week নয়)
    She came last night.
    See you on Monday.
  24. ৮৭. Cynophobia কী?
    • ক. Fear of gravity
    • খ. Fear of pain
    • গ. Fear of spider
    • ঘ. Fear of dogs
    উত্তর: ঘ. Fear of dogs
    Cynophobia শব্দটি গ্রিক ‘kyon’ (কুকুর) ও ‘phobos’ (ভয়) থেকে এসেছে। তাই এর অর্থ কুকুরে ভয়, অর্থাৎ fear of dogs। এটি মানুষের এক ধরনের অযৌক্তিক ভীতি বা phobia। ইংরেজিতে এমন অনেক শব্দ আছে, যেগুলোর শেষে -phobia বসে বিশেষ কিছুর প্রতি ভয় বোঝায়, আর শুরুর অংশ দেখলে সেই জিনিসটি বোঝা যায়। শব্দের শেষের অংশ -phobia আলাদা করে জানলে আরও নতুন ভীতির নাম বোঝা সহজ হয়, যেমন Xenophobia মানে বিদেশি বা অচেনা মানুষের প্রতি ভয় বা ঘৃণা।
    মনে রাখুন:
    Arachnophobia: মাকড়সায় ভয়।
    Claustrophobia: বদ্ধ জায়গায় ভয়।
    Acrophobia: উচ্চতায় ভয়।
    Hydrophobia: পানিতে ভয়।
    Algophobia: ব্যথায় ভয়।
  25. ৯১. He is— to— any kind of work with due sincerity.
    • ক. fond, perform
    • খ. reluctant, entrust
    • গ. determined, undertake
    • ঘ. willing, ignore
    উত্তর: গ. determined, undertake
    বাক্যে প্রথম ফাঁকে এমন শব্দ চাই যা সংকল্প বা প্রস্তুতি বোঝায়, আর দ্বিতীয় ফাঁকে কাজের দায়িত্ব নেওয়ার ভাব। ‘determined’ মানে সংকল্পবদ্ধ এবং ‘undertake’ মানে কোনো কাজের দায়িত্ব গ্রহণ করা। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: সে আন্তরিকতার সঙ্গে যেকোনো কাজের দায়িত্ব নিতে দৃঢ়সংকল্প। অন্য অপশনের মধ্যে reluctant মানে অনিচ্ছুক, entrust মানে দায়িত্ব দেওয়া এবং ignore মানে অগ্রাহ্য করা, যা এখানে অর্থ মেলায় না।
    মনে রাখুন: Determined to + verb অর্থাৎ কোনো কিছু করতে বদ্ধপরিকর।
  26. ৯৯. William Wordsworth is a —
    • ক. Classical poet
    • খ. Victorian poet
    • গ. Romantic poet
    • ঘ. Elizabethan poet
    উত্তর: গ. Romantic poet
    ওয়ার্ডসওয়ার্থ (১৭৭০–১৮৫০) ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি। ১৭৯৮ সালে তিনি কোলরিজের সঙ্গে ‘Lyrical Ballads’ প্রকাশ করেন, যার মাধ্যমে রোমান্টিক আন্দোলন শুরু হয়। তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, সরল জীবন ও আবেগের প্রাধান্য থাকায় তিনি ‘প্রকৃতির কবি’ নামে পরিচিত। তাই তাঁকে ক্লাসিক্যাল বা ভিক্টোরীয় যুগের কবি বলা যায় না। ওয়ার্ডসওয়ার্থ ১৮৪৩ সালে ইংল্যান্ডের ‘পোয়েট লরিয়েট’ বা রাজকবি হয়েছিলেন।
    মনে রাখুন:
    বিখ্যাত রচনা: The Prelude, Tintern Abbey, ‘I Wandered Lonely as a Cloud’ (Daffodils)।
    অন্য রোমান্টিক কবি: কিটস, শেলি, বায়রন, কোলরিজ।

গণিত

  1. ২. কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
    • ক. ০.০৩
    • খ. ০.৩
    • গ. ১/৩
    • ঘ. ২/৩
    উত্তর: ঘ. ২/৩
    সংখ্যাগুলোকে দশমিকে সাজিয়ে তুলনা করি।
    ০.০৩, ০.৩, ১/৩ ≈ ০.৩৩, ২/৩ ≈ ০.৬৭
    এদের মধ্যে ২/৩ সবচেয়ে বড়। কারণ ০.০৩ আর ০.৩ খুব ছোট, আর ১/৩ প্রায় ০.৩৩, যা ০.৬৭-এর প্রায় অর্ধেক।
    শর্টকাট: ১/২ বা ০.৫-এর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, ২/৩ একমাত্র সংখ্যা যা ০.৫-এর চেয়ে বড়, বাকি তিনটি ০.৫-এর চেয়ে ছোট।
    মনে রাখুন: ভগ্নাংশের হর সমান হলে লব বড় যার, সেটি বড়। আর ১/৩ = ০.৩৩৩..., ২/৩ = ০.৬৬৬...।
    হর আলাদা হলে আড়গুণন করেও তুলনা করা যায়, যেমন ১/৩ ও ২/৩-এ হর সমান, তাই সরাসরি লব দেখলেই হয়।
  2. ৩. ৫/৭ × ৭/৫ ÷ ১ − ০.০১ = কত?
    • ক. ১.৯
    • খ. ০.৯
    • গ. ০.৯৯
    • ঘ. ১.০১
    উত্তর: গ. ০.৯৯
    প্রথমে ৫/৭ × ৭/৫ বের করি। লব আর হর কেটে যায়, তাই গুণফল ১। কারণ ৫/৭ আর ৭/৫ একে অপরের উল্টো ভগ্নাংশ।
    ১ ÷ ১ = ১
    ১ − ০.০১ = ০.৯৯
    মনে রাখুন: কোনো ভগ্নাংশকে তার উল্টো ভগ্নাংশ দিয়ে গুণ করলে ফল ১ হয়।
    BODMAS নিয়মে আগে ভাগ ও গুণ, তারপর যোগ ও বিয়োগ করতে হয়। এখানে ভাগ আগে করায় বিয়োগের আগে ১ পাওয়া যায়। শেষে ১ থেকে ০.০১ বাদ দিলে ০.৯৯ হয়, তাই অপশনের ১.০১ বা ১.৯ নয়।
  3. ১০. x + 1/x = 4 হলে, x³ + 1/x³ = কত?
    • ক. 52
    • খ. 64
    • গ. 76
    • ঘ. 80
    উত্তর: ক. 52
    x + 1/x = 4 হলে ঘন বের করার সূত্র ব্যবহার করি: x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x)। সূত্রটি আসে (x + 1/x)³-এর বিস্তার থেকে, যেখানে মাঝের পদগুলো 3(x + 1/x)-তে পরিণত হয়।
    = 4³ − 3 × 4
    = 64 − 12 = 52
    যাচাই: x² + 1/x² = 4² − 2 = 14। তাহলে x³ + 1/x³ = (x + 1/x)(x² − 1 + 1/x²) = 4 × 13 = 52।
    মনে রাখুন: x + 1/x = a হলে x³ + 1/x³ = a³ − 3a। আর x² + 1/x² = a² − 2।
    বর্গের সূত্রটি মনে থাকলে ঘনের সূত্রও সহজে মনে পড়ে, আর এই দুটি সূত্র বীজগণিতের প্রশ্নে বারবার কাজে লাগে।
  4. ১৪. log_√3 81 = কত?
    • ক. 4
    • খ. 27√3
    • গ. 8
    • ঘ. 1/8
    উত্তর: গ. 8
    ৮১-কে ৩-এর ঘাত হিসেবে লিখলে ৮১ = 3⁴। আবার √3-এর ঘাত হিসেবে লিখলে 3⁴ = (√3)⁸, কারণ √3 = 3^(1/2) এবং তাই (√3)⁸ = 3⁴।
    log_{√3} 81 = log_{√3} (√3)⁸
    = 8 × log_{√3} √3
    = 8 × 1 = 8
    শর্টকাট: √3 = 3^(1/2) বলে log_{√3} 81 = 2 × log₃ 81 = 2 × 4 = 8।
    মনে রাখুন: log_a a = 1 এবং log_a (aⁿ) = n।
    ভিত্তি যদি a^k হয়, তাহলে লগারিদমের মান 1/k গুণ হয়ে যায়, আর এখানে k = 1/2 হওয়ায় মান দ্বিগুণ হয়েছে।
  5. ২৬. logₐ2 × log₂4 × log₂c = কত?
    • ক. 1
    • খ. 0
    • গ. log c/a
    • ঘ. 2logₐc
    উত্তর: ঘ. 2logₐc
    প্রথমে প্রথম দুটি লগ একত্র করি। ভিত্তি পরিবর্তনের সূত্র অনুযায়ী log_a b × log_b c = log_a c। সেই হিসেবে logₐ2 × log₂4 = logₐ4 = 2 logₐ2। এবার এই মানকে log₂c দিয়ে গুণ করলে পাই 2 logₐ2 × log₂c। আবার logₐ2 × log₂c = logₐc। অতএব ফল 2 logₐc।
    শর্টকাট: লগের শিকলে মাঝের ভিত্তিগুলো কেটে যায়। এখানে log₂4 = 2 হওয়ায় ফল সরাসরি 2 × (logₐ2 × log₂c) = 2 logₐc।
  6. ৩৫. ১ + ২ + ২² + ...... n সংখ্যক পদ পর্যন্ত = কত?
    • ক. ২ⁿ − ১
    • খ. ২ⁿ⁻¹ − ১
    • গ. ১ − ২ⁿ
    • ঘ. ১/২ⁿ
    উত্তর: ক. ২ⁿ − ১
    এটি একটি গুণোত্তর ধারা, কারণ প্রতিটি পদ আগের পদের দ্বিগুণ। প্রথম পদ a = 1 এবং সাধারণ অনুপাত r = 2। সূত্র অনুযায়ী n সংখ্যক পদের যোগফল S = a(rⁿ − 1)/(r − 1)। মান বসালে S = 1 × (2ⁿ − 1)/(2 − 1) = 2ⁿ − 1। যাচাই করি: n = 3 হলে 1 + 2 + 4 = 7 এবং 2³ − 1 = 7।
    শর্টকাট: 1 + 2 + 4 + ... ধারার n পদের যোগফল সব সময় 2ⁿ − 1, আর n-তম পদটি 2ⁿ⁻¹।
  7. ৩৬. Φ = {x : x³ = 9 এবং x জোড় সংখ্যা} এই সেটটিকে কী সেট বলা হয়?
    • ক. উপসেট (Sub set)
    • খ. অসীম সেট (Infinite set)
    • গ. ফাঁকা সেট (Null set)
    • ঘ. শক্তি সেট (Power set)
    উত্তর: গ. ফাঁকা সেট (Null set)
    কোনো সেটে যদি একটিও উপাদান না থাকে, তাহলে তাকে ফাঁকা সেট (Null set) বলে। এই সেটের শর্ত হলো x³ = 9 এবং x জোড় সংখ্যা। x³ = 9 সমীকরণের বাস্তব সমাধান ∛9, যা পূর্ণসংখ্যাই নয়, জোড় সংখ্যা তো দূরের কথা। তাই শর্ত পূরণ করে এমন কোনো উপাদান নেই, ফলে সেটটি ফাঁকা। প্রতীক Φ বা { } দিয়ে ফাঁকা সেট বোঝানো হয়।
    মনে রাখুন: ফাঁকা সেট যেকোনো সেটের উপসেট। আর n সংখ্যক উপাদানের সেটের উপসেট সংখ্যা 2ⁿ, ফাঁকা সেটের শক্তি সেটে উপাদান ১টি।
  8. ৪১. দুটি সংখ্যার গ.সা.গু. ১৬ এবং ল.সা.গু. ১৯২। একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপর সংখ্যাটি কত?
    • ক. ৬০
    • খ. ৬২
    • গ. ৬৪
    • ঘ. ৬৮
    উত্তর: গ. ৬৪
    দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের গ.সা.গু. ও ল.সা.গু.-র গুণফলের সমান। অর্থাৎ প্রথম সংখ্যা × দ্বিতীয় সংখ্যা = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.। প্রশ্নের মান বসালে 48 × x = 16 × 192 হয়। তাহলে x = (16 × 192)/48 = 16 × 4 = 64। যাচাই: 64 = 16 × 4 এবং 48 = 16 × 3, আর 3 ও 4 পরস্পর মৌলিক, তাই গ.সা.গু. 16 এবং ল.সা.গু. 16 × 3 × 4 = 192।
    শর্টকাট: অপর সংখ্যা = (গ.সা.গু. × ল.সা.গু.) ÷ প্রদত্ত সংখ্যা।
    মনে রাখুন: গ.সা.গু. সব সময় প্রতিটি সংখ্যার গুণনীয়ক, আর ল.সা.গু. প্রতিটি সংখ্যার গুণিতক।
  9. ৫২. নিচের কোন সংখ্যাটি অমূলদ নয়?
    • ক. ∛8
    • খ. √12
    • গ. √18
    • ঘ. √27
    উত্তর: ক. ∛8
    মূলদ সংখ্যা (Rational number) হলো সেই সংখ্যা, যাকে p/q আকারে লেখা যায়, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q শূন্য নয়। এখানে ∛8 = ∛(2³) = 2, আর 2 = 2/1, তাই এটি মূলদ। বাকি তিনটি সংখ্যা বর্গমূল, কিন্তু পূর্ণবর্গ নয়: √12 = 2√3, √18 = 3√2 এবং √27 = 3√3। এদের প্রত্যেকের মধ্যে অমূলদ বর্গমূল √3 বা √2 আছে, তাই এরা অমূলদ। সুতরাং অমূলদ নয় এমন সংখ্যা ∛8।
    মনে রাখুন: পূর্ণবর্গ নয় এমন ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যার বর্গমূল সব সময় অমূলদ, যেমন √2, √3, √5।
  10. ৫৬. অর্ধবৃত্তের ব্যাসের দুই প্রান্ত ও পরিধির যেকোনো বিন্দুকে যুক্ত করলে যে কোণ তৈরি হয় (অর্ধবৃত্তস্থ কোণ), তার সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
    • ক. অর্ধবৃত্তস্থ কোণ এক সরলকোণের সমান
    • খ. অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সমকোণের সমান
    • গ. অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সর্বদাই একটি সূক্ষ্মকোণ
    • ঘ. অর্ধবৃত্তস্থ কোণের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই
    উত্তর: খ. অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সমকোণের সমান
    অর্ধবৃত্তস্থ কোণ বলতে বৃত্তের ব্যাসকে ভিত্তি ধরে পরিধির কোনো বিন্দুতে যে কোণ তৈরি হয়, সেটিকে বোঝায়। ব্যাসের ওপর দাঁড়ানো চাপের কেন্দ্রস্থ কোণ ১৮০° (সরলকোণ), আর বৃত্তস্থ কোণ সব সময় একই চাপের কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক। তাই অর্ধবৃত্তস্থ কোণ = ১৮০° ÷ ২ = ৯০°, অর্থাৎ সমকোণ। এটি সূক্ষ্মকোণ নয় এবং এর আকারও অনির্দিষ্ট নয়, কারণ পরিধির যেকোনো বিন্দুতেই মান ৯০°।
    মনে রাখুন: এই ধর্ম ব্যবহার করে বৃত্তের ব্যাস দিয়ে সমকোণী ত্রিভুজ আঁকা যায়।
    সূত্র: কেন্দ্রস্থ কোণ = ২ × বৃত্তস্থ কোণ।
  11. ৬৩. বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের (যার চার শীর্ষ বৃত্তের পরিধির ওপর থাকে) বিপরীত কোণদ্বয়ের সমষ্টি—
    • ক. ৩৬০°
    • খ. ২৭০°
    • গ. ৯০°
    • ঘ. ১৮০°
    উত্তর: ঘ. ১৮০°
    বৃত্তস্থ চতুর্ভুজ হলো এমন চতুর্ভুজ, যার চারটি শীর্ষ বিন্দুই একটি বৃত্তের পরিধিতে অবস্থিত। এর বিপরীত কোণ দুটির যোগফল সব সময় ১৮০°। অর্থাৎ ∠A + ∠C = ১৮০° এবং ∠B + ∠D = ১৮০°। কারণ বিপরীত কোণ দুটি বৃত্তের পুরো পরিধির বিপরীত দুই চাপের ওপর দাঁড়ানো, যাদের মোট কেন্দ্রস্থ কোণ ৩৬০°, আর বৃত্তস্থ কোণ তার অর্ধেক। তাই যোগফল ৩৬০° এর অর্ধেক, অর্থাৎ ১৮০°।
    মনে রাখুন: যেকোনো চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি ৩৬০°।
    বৃত্তস্থ চতুর্ভুজের বহিঃস্থ কোণ বিপরীত অন্তঃস্থ কোণের সমান।
  12. ৭৭. ১ + ২ + ৩ + ৪ + ... + ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর যোগফল কত?
    • ক. ৫৫০০
    • খ. ৫০৫০
    • গ. ৫০০৫
    • ঘ. ৫৫০
    উত্তর: খ. ৫০৫০
    প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফলের সূত্র n(n+1)/2। এখানে n = 100। তাই যোগফল = 100 × 101/2 = 50 × 101 = 5050। এই সূত্র ব্যবহার করলে যেকোনো ধারার যোগফল দ্রুত বের করা যায়, ১ থেকে ১০০ বা ১ থেকে ২০০ হলেও একইভাবে করা যায়।
    মজার ব্যাপার হলো, এই সূত্রের পেছনের ধারণা ছোট্ট গাউস বের করেছিলেন। তিনি সংখ্যাগুলোকে জোড়ায় নেন: 1 + 100, 2 + 99, ..., প্রতি জোড়ার যোগফল 101 এবং এমন জোড়া 50টি।
    মনে রাখুন:
    প্রথম n সংখ্যক জোড় সংখ্যার যোগফল n(n+1)।
    প্রথম n সংখ্যক বিজোড় সংখ্যার যোগফল n²।
  13. ৭৮. x² + 1 = √2x হলে, x² + 1/x² = কত?
    • ক. 2
    • খ. 1
    • গ. 0
    • ঘ. 3
    উত্তর: গ. 0
    প্রদত্ত শর্ত x² + 1 = √2 x। উভয় পক্ষকে x দিয়ে ভাগ করলে x + 1/x = √2। এবার x² + 1/x²-এর জন্য সূত্র (x + 1/x)² = x² + 1/x² + 2। সুতরাং x² + 1/x² = (√2)² − 2 = 2 − 2 = 0।
    মনে রাখুন: x + 1/x জানা থাকলে x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2 এবং x − 1/x জানা থাকলে x² + 1/x² = (x − 1/x)² + 2।
  14. ৮৪. logₑ√x + logₑ∛x + logₑ∜x = কত?
    • ক. 13/12 logₑx
    • খ. logₑx
    • গ. 1/2 logₑx
    • ঘ. logₑ√x
    উত্তর: ক. 13/12 logₑx
    লগের সূত্র অনুযায়ী logₑ(x^a) = a logₑx। প্রথমে প্রতিটি মূলকে ঘাত আকারে লিখি: √x = x^(1/2), ∛x = x^(1/3), ∜x = x^(1/4)। তাহলে যোগফল = (1/2) logₑx + (1/3) logₑx + (1/4) logₑx = (1/2 + 1/3 + 1/4) logₑx। এখন 1/2 + 1/3 + 1/4 = (6 + 4 + 3)/12 = 13/12। অতএব ফল (13/12) logₑx।
    শর্টকাট: একই ভিত্তির লগ যোগ করলে ঘাতের যোগফল নেওয়া যায়, তাই ঘাতগুলো আগে যোগ করুন।
  15. ৮৫. একটি বৃত্তের পরিধি ৪৪ সে.মি. হলে বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
    • ক. ১৭৬ বর্গ সে. মি.
    • খ. ১৫৪ বর্গ সে. মি.
    • গ. ১৮৮ বর্গ সে. মি.
    • ঘ. ১৩২ বর্গ সে. মি.
    উত্তর: খ. ১৫৪ বর্গ সে. মি.
    পরিধি = 2πr, এখানে π = 22/7। প্রশ্ন অনুযায়ী 2 × 22/7 × r = 44, তাহলে r = 44 × 7/(2 × 22) = 7 সে.মি.। এবার ক্ষেত্রফল = πr² = 22/7 × 7 × 7 = 22 × 7 = 154 বর্গ সে.মি.। সুতরাং বৃত্তটির ক্ষেত্রফল 154 বর্গ সে.মি.।
    শর্টকাট: পরিধি C হলে ক্ষেত্রফল = C²/(4π) = 44 × 44 × 7/(4 × 22) = 154।
    মনে রাখুন: ব্যাসার্ধ বের করে নিলে ক্ষেত্রফলের পাশাপাশি ব্যাস (2r = 14 সে.মি.) জানাও সহজ হয়।
  16. ৮৬. একটি অষ্টভুজ ক্ষেত্রের অন্তঃস্থ কোণের পরিমাণ কত সমকোণ?
    • ক. ১৬ সমকোণ
    • খ. ১২ সমকোণ
    • গ. ৮ সমকোণ
    • ঘ. ৬ সমকোণ
    উত্তর: খ. ১২ সমকোণ
    n বাহুবিশিষ্ট যেকোনো বহুভুজের অন্তঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি (2n − 4) সমকোণ। অষ্টভুজের বাহু ৮টি, তাই n = 8। সুতরাং কোণসমষ্টি = (2 × 8 − 4) = 12 সমকোণ। অন্যভাবে, (8 − 2) × 180° = 1080° এবং 1080° ÷ 90° = 12 সমকোণ। দুই পদ্ধতিতেই একই উত্তর মেলে। অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টি জানলে সুষম বহুভুজের প্রতিটি কোণ সহজে বের করা যায়, যেমন সুষম অষ্টভুজের ক্ষেত্রে 1080° ÷ 8 = 135°।
    মনে রাখুন:
    সুষম অষ্টভুজের প্রতিটি অন্তঃকোণ 135°।
    যেকোনো বহুভুজের বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি 4 সমকোণ বা 360°।
  17. ৮৯. a + 1/a = 5 হলে, a/(a² + a + 1) = কত?
    • ক. 25
    • খ. 1/5
    • গ. 1/6
    • ঘ. 30
    উত্তর: গ. 1/6
    a + 1/a = 5 থেকে উভয় পক্ষকে a দিয়ে গুণ করে পাই a² + 1 = 5a। এখন প্রদত্ত রাশির হরে a² + 1-এর জায়গায় 5a বসাই: a² + a + 1 = 5a + a = 6a। অতএব a/(a² + a + 1) = a/6a = 1/6।
    শর্টকাট: প্রদত্ত রাশির উল্টোটা নিই: (a² + a + 1)/a = a + 1 + 1/a = 5 + 1 = 6। তাই মূল রাশি = 1/6।
  18. ৯২. ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট ৪ ঘণ্টার কত অংশ?
    • ক. ১/৩ অংশ
    • খ. ২/৩ অংশ
    • গ. ১/৪ অংশ
    • ঘ. ৩/৪ অংশ
    উত্তর: ক. ১/৩ অংশ
    দুটি রাশির তুলনা করতে হলে একই এককে আনতে হয়। ৪ ঘণ্টা = ৪ × ৬০ = ২৪০ মিনিট এবং ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট = ৬০ + ২০ = ৮০ মিনিট। তাহলে অংশ = ৮০/২৪০। লব ও হরকে ৮০ দিয়ে ভাগ করলে পাই ১/৩ অংশ। সুতরাং ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট ৪ ঘণ্টার ১/৩ অংশ।
    মনে রাখুন: অংশ বের করার সূত্র = ছোট রাশি ÷ বড় রাশি, তবে দুটোই একই এককে হতে হবে।
    এখানে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট = ৪/৩ ঘণ্টা, আর (৪/৩) ÷ ৪ = ১/৩, এভাবেও মেলে।
  19. ৯৪. P সংখ্যক সংখ্যার গড় M এবং Q সংখ্যক সংখ্যার গড় N হলে, সবগুলো সংখ্যার গড় কত?
    • ক. (M+N)/2
    • খ. (PM+QN)/2
    • গ. (PM+QN)/(P+Q)
    • ঘ. (PM+QN)/(M+N)
    উত্তর: গ. (PM+QN)/(P+Q)
    গড় = সংখ্যাগুলোর যোগফল ÷ সংখ্যার পরিমাণ। P সংখ্যক সংখ্যার গড় M হলে তাদের যোগফল PM। Q সংখ্যক সংখ্যার গড় N হলে যোগফল QN। মোট সংখ্যা P + Q এবং মোট যোগফল PM + QN। অতএব সবগুলোর গড় = (PM + QN)/(P + Q)। (M + N)/2 শুধু তখনই সঠিক, যখন P = Q হয়।
    উদাহরণ: ৫টি সংখ্যার গড় ১০ ও ৫টি সংখ্যার গড় ২০ হলে মোট গড় = (৫০ + ১০০)/১০ = ১৫।
    মনে রাখুন: গড় সব সময় ক্ষুদ্রতম ও বৃহত্তম সংখ্যার মাঝামাঝি থাকে।
  20. ১০০. দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৮। উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাতটি ২ : ৩ হয়। সংখ্যা দুটি কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
    • ক. ৭ ও ১১
    • খ. ১২ ও ১৮
    • গ. ১০ ও ২৪
    • ঘ. ১০ ও ১৬
    উত্তর: ঘ. ১০ ও ১৬
    সংখ্যা দুটিকে ৫x ও ৮x ধরি। প্রতিটির সঙ্গে ২ যোগ করলে অনুপাত হয় (৫x + ২) : (৮x + ২) = ২ : ৩। আড়াআড়ি গুণ করে পাই ৩(৫x + ২) = ২(৮x + ২)। অর্থাৎ ১৫x + ৬ = ১৬x + ৪, ফলে x = ২। সংখ্যা দুটি ৫ × ২ = ১০ এবং ৮ × ২ = ১৬।
    যাচাই: (১০ + ২) : (১৬ + ২) = ১২ : ১৮ = ২ : ৩।

বাংলা

  1. ৪. 'হাঘরে' কোন সমাস?
    • ক. বহুব্রীহি
    • খ. অব্যয়ীভাব
    • গ. দ্বিগু
    • ঘ. কর্মধারয়
    উত্তর: খ. অব্যয়ীভাব
    পূর্বপদে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়ে নতুন একটি অব্যয়ের মতো পদ হলে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। ‘হাঘরে’ শব্দে ‘হা’ অভাব বোঝায়, তাই এর ব্যাসবাক্য ‘ঘরের অভাব’। যার ঘর নেই বা যে অত্যন্ত গরিব, তাকেই আমরা হাঘরে বলি। সমাসের ভেতরের সম্পর্ক খুলে লেখাকে ব্যাসবাক্য বলে, আর এখানে খুলে লিখলে অভাবের অর্থই প্রধান থাকে। বহুব্রীহি হলে অন্য একটি পদকে বোঝাত, কিন্তু এখানে প্রাধান্য অভাব-অর্থের।
    উদাহরণ:
    হাভাতে = ভাতের অভাব
    নিরামিষ = আমিষের অভাব
    আমরণ = মরণ পর্যন্ত
    প্রতিদিন = প্রত্যেক দিন
    উপকূল = কূলের সমীপে
  2. ১৩. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবন্ধগ্রন্থ?
    • ক. কালান্তর
    • খ. ডাকঘর
    • গ. বলাকা
    • ঘ. চিত্রা
    উত্তর: ক. কালান্তর
    ‘কালান্তর’ (১৯৩৭) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবন্ধ-গ্রন্থ, যেখানে সমাজ, রাজনীতি ও সভ্যতার বিষয়ে তাঁর চিন্তা আছে। বাকি তিনটি অন্য শাখার: ‘ডাকঘর’ নাটক (১৯১২), ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থ (১৯১৬) আর ‘চিত্রা’ কাব্যগ্রন্থ (১৮৯৬)। প্রবন্ধ হলো কোনো বিষয়ে যুক্তি দিয়ে সাজানো গদ্যরচনা, তাই কবিতার বই বা নাটকের সঙ্গে এর পার্থক্য সহজেই বোঝা যায়।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য প্রবন্ধ-গ্রন্থ: ‘বিচিত্র প্রবন্ধ’, ‘সভ্যতার সংকট’, ‘সাহিত্যের পথে’।
    তিনি ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য নোবেল পান।
    রবীন্দ্রনাথের জন্ম ১৮৬১ ও মৃত্যু ১৯৪১ সালে।
  3. ১৫. ‘মা গো ভাবনা কেন, আমরা তোমার শান্তিপ্রিয়’ — মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গানটির রচয়িতা কে?
    • ক. গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার
    • খ. সলিল চৌধুরী
    • গ. রজনীকান্ত সেন
    • ঘ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
    উত্তর: ক. গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার
    ‘মা গো ভাবনা কেন, আমরা তোমার শান্তিপ্রিয়’ গানটি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার রচনা করেন। এটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল জোগাত। অন্যদের পরিচয় আলাদা: ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা’ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গান, রজনীকান্ত সেন ‘মায়ের দেওয়া মোটা কাপড়’ গানের রচয়িতা। তাই গান ও গীতিকারকে একসঙ্গে মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার একাত্তরে ‘শোন একটি মুজিবরের থেকে’ গানটিও লেখেন।
    সলিল চৌধুরী কবি ও সুরকার।
    ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানের রচয়িতা গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
    ‘একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে’ গানের রচয়িতা গোবিন্দ হালদার।
  4. ১৬. বিদ্যাপতি কোথাকার কবি ছিলেন?
    • ক. মিথিলার
    • খ. নবদ্বীপের
    • গ. বর্ধমানের
    • ঘ. বৃন্দাবনের
    উত্তর: ক. মিথিলার
    কবি বিদ্যাপতি মিথিলার অধিবাসী, তাঁর জন্ম মিথিলার বিসফি গ্রামে। তিনি মৈথিলী, সংস্কৃত ও অবহট্ঠ ভাষায় পদ রচনা করেন। মিথিলার রাজা শিবসিংহের সভাকবি ছিলেন। মিথিলা বর্তমান বিহার ও নেপালের কিছু অংশ জুড়ে অবস্থিত এলাকা। নবদ্বীপ, বর্ধমান ও বৃন্দাবন বাংলা অঞ্চল বা তীর্থের জায়গা, বিদ্যাপতির জন্মস্থান নয়।
    মনে রাখুন:
    বিদ্যাপতির উপাধি ‘মৈথিল কোকিল’।
    বিদ্যাপতির পদ অনুকরণ করে বাংলায় ব্রজবুলি ভাষা গড়ে ওঠে।
    তাঁর সংস্কৃত রচনা ‘পুরুষপরীক্ষা’, অবহট্ঠ রচনা ‘কীর্তিলতা’।
    বৈষ্ণব পদাবলির কবি হিসেবে বিদ্যাপতির পাশে চণ্ডীদাসের নামও উচ্চারিত হয়।
  5. ১৭. মধ্যযুগের প্রথম কবি কে?
    • ক. বড়ু চণ্ডীদাস
    • খ. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
    • গ. বিদ্যাপতি
    • ঘ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    উত্তর: ক. বড়ু চণ্ডীদাস
    বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন হিসেবে ধরা হয় বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যকে। রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি নিয়ে লেখা এই কাব্যের পুঁথি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়ার একটি গ্রাম থেকে উদ্ধার করেন। তাই এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাসকেই মধ্যযুগের আদিকবি বলা হয়। বাকি তিনজন তাঁর পরের যুগের কবি।
    মনে রাখুন:
    বড়ু চণ্ডীদাসের প্রকৃত নাম অনন্ত।
    বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি, তাঁকে ‘মৈথিল কোকিল’ বলা হয়।
    মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর কাব্য ‘চণ্ডীমঙ্গল’ বা ‘অভয়ামঙ্গল’।
    ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগের শেষ কবি, তাঁর কাব্য ‘অন্নদামঙ্গল’।
  6. ২১. "কতরূপ স্নেহ করি, দেশের কুকুর ধরি,— বিদেশের ঠাকুর ফেলিয়া।" —কার উক্তি?
    • ক. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
    • খ. গোবিন্দচন্দ্র দাস
    • গ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    • ঘ. যতীন্দ্রমোহন বাগচী
    উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    ‘কতরূপ স্নেহ করি, দেশের কুকুর ধরি, বিদেশের ঠাকুর ফেলিয়া’ পঙ্‌ক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ‘স্বদেশ’ কবিতার অংশ। তিনি দেশপ্রেমের কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, আমরা বিদেশি ঠাকুর ফেলে দেশের কুকুরকেও আদর করি। অর্থাৎ দেশের সামান্য জিনিসও আমাদের কাছে বিদেশের দামি জিনিসের চেয়ে প্রিয়। তাঁকে প্রাচীন ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়, কারণ তাঁর কবিতায় পুরোনো ধারা আর নতুন যুগের ছোঁয়া দুটোই দেখা যায়।
    মনে রাখুন:
    তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’ (১৮৩১)।
    তিনি ‘যুগসন্ধির কবি’ নামে পরিচিত।
    ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় রে’ পঙ্‌ক্তিটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ কাব্যের।
  7. ২৩. আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙ্গালি কবি কে?
    • ক. কোরেশী মাগন ঠাকুর
    • খ. মরদন
    • গ. দৌলত কাজী
    • ঘ. আলাওল
    উত্তর: গ. দৌলত কাজী
    আরাকান রাজসভায় বাংলা সাহিত্যচর্চার সূচনা করেন দৌলত কাজী। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। তিনি আরাকানরাজ শ্রীসুধর্মার সেনাপতি আশরাফ খানের আশ্রয়ে থেকে ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কাব্য রচনা শুরু করেন। কাব্যটি শেষ হওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হলে পরে আলাওল তা সম্পূর্ণ করেন। এই কাব্যের মাধ্যমে বাংলায় মানবিক প্রেমের কাহিনিনির্ভর রোমান্টিক ধারার সূচনা হয়।
    মনে রাখুন:
    আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘পদ্মাবতী’।
    কোরেশী মাগন ঠাকুর ছিলেন আরাকান রাজসভার মন্ত্রী ও কবি-পৃষ্ঠপোষক, আলাওল তাঁর আশ্রয়ে কাব্য লিখেছেন।
  8. ২৭. 'পথের দাবী' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
    • ক. সত্যেন সেন
    • খ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
    • গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ঘ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    উত্তর: গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা। এটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসে ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী আন্দোলনের কথা থাকায় ব্রিটিশ সরকার বইটি বাজেয়াপ্ত বা নিষিদ্ধ করে। এর প্রধান চরিত্র সব্যসাচী নামের এক বিপ্লবী। তাই এই উপন্যাসকে শরৎচন্দ্রের রাজনৈতিক উপন্যাস বলা হয়, যেখানে তাঁর অন্য বইগুলোর মতো শুধু পারিবারিক বা সামাজিক গল্প নেই। শরৎচন্দ্রের লেখায় সাধারণ মানুষের সুখদুঃখ ফুটে ওঠে বলে তিনি সব শ্রেণির পাঠকের কাছে খুব জনপ্রিয় ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    শরৎচন্দ্রের অন্য উপন্যাস: শ্রীকান্ত, দেবদাস, পল্লীসমাজ, চরিত্রহীন, গৃহদাহ, শেষ প্রশ্ন।
    তাঁকে ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ বলা হয়।
    ‘পথের দাবী’ প্রথমে ‘বঙ্গবাণী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে বের হয়েছিল।
  9. ৩১. কোনটি শুদ্ধ বানান?
    • ক. সান্তনা
    • খ. সমিচীন
    • গ. ইতিমধ্যে
    • ঘ. সান্ত্বনা
    উত্তর: ঘ. সান্ত্বনা
    সঠিক বানান ‘সান্ত্বনা’। এখানে ‘ত্ব’ যুক্তবর্ণ আছে, অর্থাৎ ন্ত-এর পরে ত আর তার সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে। ‘সান্তনা’ ভুল, কারণ এতে ব-ফলা বাদ পড়ে গেছে। ‘সমিচীন’ও ভুল, এর শুদ্ধ রূপ ‘সমীচীন’ (দীর্ঘ ঈ)। বাংলা একাডেমির নিয়মে ‘ইতোমধ্যে’ লেখার প্রবণতা বেশি, তবে চার অপশনের মধ্যে ‘সান্ত্বনা’ই নিঃসন্দেহে নির্ভুল। বাংলা বানানে যুক্তবর্ণের ফলা বাদ পড়লে শব্দ ভুল হয়ে যায়, তাই ‘ন্ত’ ও ‘ত্ব’-এর মতো যুক্তাক্ষর ভেঙে লিখে অভ্যাস করা ভালো। সান্ত্বনা শব্দের অর্থ শোকার্ত মানুষকে প্রবোধ দেওয়া বা আশ্বাস দেওয়া।
    মনে রাখুন:
    শুদ্ধ বানান: প্রাণিবিদ্যা, মন্ত্রিসভা, শিরশ্ছেদ, ইতঃপূর্বে, সমীচীন, সান্ত্বনা।
    আরও কিছু ব্ব-ফলা-যুক্ত শুদ্ধ বানান: স্বাগত, দ্বন্দ্ব, উজ্জ্বল, বিদ্বান।
  10. ৩৩. 'তাপ' শব্দের বিপরীতার্থক কোনটি?
    • ক. শীতল
    • খ. শৈত্য
    • গ. উত্তাপ
    • ঘ. হিম
    উত্তর: খ. শৈত্য
    ‘তাপ’ মানে গরম বা উষ্ণতা। এর সরাসরি বিপরীত হলো ‘শৈত্য’, যার অর্থ ঠান্ডা ভাব বা শীতলতা। ‘শীতল’ ও ‘হিম’ বিশেষণ হিসেবে ঠান্ডাকে বোঝায়, কিন্তু ‘তাপ’ একটি বিশেষ্য, তাই তার বিপরীত শব্দও বিশেষ্য হওয়াই ভালো, আর সেটি ‘শৈত্য’। ‘উত্তাপ’ তাপের সমার্থক, বিপরীত নয়। বিপরীত শব্দ বাছাইয়ের সময় শব্দটি বিশেষ্য না বিশেষণ, সেটিও দেখে নিতে হয়। এভাবে প্রতিটি শব্দের পদ চিনে বিপরীত শব্দ খোঁজা পরীক্ষায় ভুল এড়ানোর ভালো উপায়।
    মনে রাখুন: বিপরীত শব্দের কয়েকটি জোড়া:
    উদ্ধত—বিনীত।
    বিপন্ন—নিরাপদ।
    আশু—বিলম্ব।
    চাক্ষুষ—অগোচর।
  11. ৩৭. সঠিক প্রকৃতি + প্রত্যয় নিষ্পন্ন হয়েছে কোনটিতে?
    • ক. ভাস + স্বর = ভাস্বর
    • খ. ভাস + বর = ভাস্বর
    • গ. ভাস + অর = ভাস্বর
    • ঘ. ভাস + সর = ভাস্বর
    উত্তর: খ. ভাস + বর = ভাস্বর
    ‘ভাস্বর’ শব্দের অর্থ উজ্জ্বল বা দীপ্তিমান। এটি তৎসম শব্দ। ‘ভাস্’ ধাতু (প্রকৃতি) এবং ‘বর’ প্রত্যয় যোগ করে শব্দটি গঠিত হয়েছে, অর্থাৎ ভাস্ + বর = ভাস্বর। অন্য অপশনগুলোতে ‘স্বর’, ‘অর’ ও ‘সর’ নামে যে প্রত্যয় দেখানো হয়েছে, সেগুলো এই শব্দ গঠনে খাটে না। প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে বসে নতুন শব্দ গড়ার অংশ। প্রত্যয় ও বিভক্তি আলাদা জিনিস। প্রত্যয় শব্দ বা ধাতুর পরে বসে নতুন শব্দ গড়ে, আর বিভক্তি শব্দের পরে বসে বাক্যে তার সম্পর্ক বোঝায়।
    মনে রাখুন: এই প্রত্যয়ে আরও শব্দ:
    ঈশ্বর (ঈশ্ + বর)।
    স্থাবর (স্থা + বর)।
    নশ্বর (নশ্ + বর)।
  12. ৩৮. বাংলা ভাষায় ব্যঞ্জনবর্ণ কয়টি?
    • ক. ২৯টি
    • খ. ৩৯টি
    • গ. ১৯টি
    • ঘ. ৪৯টি
    উত্তর: খ. ৩৯টি
    বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। ১১ আর ৩৯ যোগ করলে ৫০ হয়, তাই হিসাব মেলে। বর্ণ গোনার সময় ং, ঃ ও ঁ সহ ব্যঞ্জনবর্ণ ধরা হয়, এটি মনে না রাখলে ৩৬ বা ৩৭ বলে ভুল হয়ে যেতে পারে। বাংলা বর্ণমালার বর্ণ আর ধ্বনি একই সংখ্যক নয়, কারণ বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ।
    মনে রাখুন:
    স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘কার’ বলে।
    ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘ফলা’ বলে।
    ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে ং, ঃ, ঁ।
  13. ৪০. 'মহুয়া' পালার কবি কে?
    • ক. দ্বিজ ঈশান
    • খ. মনসুর বয়াতি
    • গ. চন্দ্রকুমার
    • ঘ. দ্বিজ কানাই
    উত্তর: ঘ. দ্বিজ কানাই
    ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত ‘মহুয়া’ পালাটি দ্বিজ কানাইয়ের রচনা। এতে নদের চাঁদ ও মহুয়ার করুণ প্রেমকাহিনি আছে। ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে, আর সম্পাদনা করেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন। তাই চন্দ্রকুমার ‘মহুয়া’র কবি নন, তিনি এর সংগ্রাহক। পরীক্ষায় কবি আর সংগ্রাহকের এই তফাত ধরার জন্যই চন্দ্রকুমারকে অপশনে রাখা হয়। ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলোয় গ্রামবাংলার প্রেম, ত্যাগ ও সমাজের বাধার কথা সরল ভাষায় বলা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    ‘দেওয়ানা মদিনা’র রচয়িতা মনসুর বয়াতি।
    ময়মনসিংহ গীতিকার অন্য পালা: মলুয়া, চন্দ্রাবতী, কমলা, কাজলরেখা, দেওয়ান ভাবনা।
    দ্বিজ ঈশান ‘কমলা’ ইত্যাদির সঙ্গে যুক্ত।
  14. ৫০. ‘পঞ্চগ্রাম’ উপন্যাস কে লিখেছেন?
    • ক. সৈয়দ মুজতবা আলী
    • খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. শওকত ওসমান
    • ঘ. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    উত্তর: ঘ. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    ‘পঞ্চগ্রাম’ উপন্যাসের লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। এটি তাঁর বিখ্যাত ‘গণদেবতা’ উপন্যাসের পরের অংশ হিসেবে পরিচিত। দুটি উপন্যাসেই বীরভূমের গ্রামীণ জীবনে নবজাগরণ ও সামাজিক পরিবর্তনের ছবি ফুটে উঠেছে। ‘গণদেবতা’র জন্য তিনি জ্ঞানপীঠ পুরস্কার পান। ‘গণদেবতা’ ও ‘পঞ্চগ্রাম’ উপন্যাসে গ্রামের মানুষের বদলে যাওয়া জীবন, কৃষক ও কারিগরদের সংগ্রাম আর পুরোনো সমাজের ভাঙন ধরা পড়েছে। এ কারণে দুটি বই একসঙ্গে পড়লে একটি পূর্ণ ছবি পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    তারাশঙ্করের অন্যান্য রচনা: ধাত্রীদেবতা, কবি, হাঁসুলী বাঁকের উপকথা, আরোগ্য নিকেতন।
    ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
    ‘চাঁদের অমাবস্যা’র লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
    তারাশঙ্কর ‘আরোগ্য নিকেতন’ উপন্যাসের জন্যও খ্যাতি পেয়েছেন।
  15. ৫৫. 'অপরের ধন'-এর একক্থায় প্রকাশ কী?
    • ক. অনাদি
    • খ. পরস্ব
    • গ. অনাস্থা
    • ঘ. অনার্জিত
    উত্তর: খ. পরস্ব
    কোনো বাক্যাংশের বদলে একটি শব্দ বসানোর নাম বাক্য সংকোচন বা একক্থায় প্রকাশ। ‘অপরের ধন’ বোঝাতে ‘পরস্ব’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়, যেখানে ‘পর’ অর্থ অন্য, আর ‘স্ব’ মানে ধন বা সম্পত্তি। বাকি শব্দের অর্থ আলাদা: ‘অনাদি’ মানে যার শুরু নেই, ‘অনাস্থা’ মানে আস্থার অভাব এবং ‘অনার্জিত’ মানে যা অর্জন করা হয়নি। এমন বাক্য সংকোচনে একটি শব্দ পুরো বাক্যাংশের অর্থ ধরে রাখে, তাই লেখা সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর হয়।
    মনে রাখুন:
    যে মেয়ের বিয়ে হয়নি: অনূঢ়া।
    যা দমন করা কঠিন: দুর্দমনীয়।
    মেঘের ধ্বনির মতো গম্ভীর: জীমূতমন্দ্র।
  16. ৫৯. 'কল্কে পাওয়া' বাগধারার অর্থ কী?
    • ক. পাত্তা পাওয়া
    • খ. টাকা পাওয়া
    • গ. সম্মান পাওয়া
    • ঘ. পদোন্নতি পাওয়া
    উত্তর: ক. পাত্তা পাওয়া
    ‘কল্কে পাওয়া’ বাগধারার অর্থ পাত্তা পাওয়া বা গুরুত্ব পাওয়া। কল্কে শব্দের আক্ষরিক অর্থ হুঁকোর মাথার যে অংশে তামাক সাজানো হয়, কিন্তু বাগধারা হিসেবে এর অর্থ কাউকে গণ্য করা বা ধর্তব্যের মধ্যে আনা। অর্থাৎ প্রচলিত কথায় যাকে কেউ পাত্তা দেয় না, সে কল্কে পায় না। বাগধারা হলো এমন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ আক্ষরিক নয়, বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
    উদাহরণ:
    ওকে কেউ কল্কে দেয় না, মানে ওকে কেউ পাত্তা দেয় না।
    মনে রাখুন:
    ধর্মের ষাঁড়: স্বেচ্ছাচারী।
    বকধার্মিক: ভণ্ড সাধু।
    ধোপদুরস্ত: পরিপাটি।
  17. ৬১. 'আলালের ঘরের দুলাল' কার রচনা?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
    • ক. টেকচাঁদ ঠাকুর
    • খ. রামরাম বসু
    • গ. কালীপ্রসন্ন সিংহ
    • ঘ. রামগতি ন্যায়রত্ন
    উত্তর: ক. টেকচাঁদ ঠাকুর
    ‘আলালের ঘরের দুলাল’ রচনা করেন প্যারীচাঁদ মিত্র, যিনি ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে লিখতেন। এটি বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। এর ভাষা কথ্য ও সহজ, যাকে বলা হয় আলালি ভাষা। অপশনে ছদ্মনামটি দেওয়া আছে, তাই মূল লেখকের নাম আর ছদ্মনাম মিলিয়ে নিতে হয়। সহজ ও কথ্য ভাষায় লেখা হওয়ায় সাধারণ পাঠকের কাছে বইটি সহজেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্যারীচাঁদ মিত্র সাধুভাষার ভারী শব্দ এড়িয়ে ঘরোয়া বাংলা ব্যবহার করেছিলেন।
    মনে রাখুন:
    রামরাম বসুর ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১) বাঙালির লেখা প্রথম মুদ্রিত গদ্যগ্রন্থ।
    কালীপ্রসন্ন সিংহের উল্লেখযোগ্য রচনা ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ ও মহাভারতের অনুবাদ।
  18. ৬৪. 'চর্যাপদ' কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
    • ক. ১৮০৭
    • খ. ১৯০৭
    • গ. ১৯০৯
    • ঘ. ১২০৭
    উত্তর: খ. ১৯০৭
    চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। পরে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে এটি প্রকাশিত হয়। মূল পুঁথির নাম ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’। পুঁথিটির ভাষা পুরোনো বাংলা, তাই ভাষাবিদরা বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশ জানতে এটি নিয়ে অনেক গবেষণা করেছেন।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচনা।
    পদকর্তাদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা প্রমুখ।
    এর রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতক।
  19. ৬৭. ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?আরও এসেছে: বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার (জেনারেল) ২০২২, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
    • ক. বর্ণ
    • খ. শব্দ
    • গ. ধ্বনি
    • ঘ. বাক্য
    উত্তর: গ. ধ্বনি
    ভাষার সবচেয়ে ছোট একক হলো ধ্বনি (Sound)। আমরা মুখ দিয়ে যে আলাদা আলাদা আওয়াজ করি, সেগুলোই ধ্বনি। কয়েকটি ধ্বনি মিলে একটি শব্দ তৈরি হয়, আবার কয়েকটি শব্দ মিলে তৈরি হয় বাক্য। বাক্য তাই ভাষার সবচেয়ে বড় একক।
    বর্ণ আসলে ধ্বনির লিখিত রূপ। ধ্বনি আমরা শুনি, আর বর্ণ আমরা দেখি। তাই বর্ণ ভাষার ক্ষুদ্রতম একক নয়।
    মনে রাখুন:
    ভাষার একক ছোট থেকে বড় ক্রমে: ধ্বনি, শব্দ, বাক্য।
    ধ্বনি নিয়ে আলোচনা হয় ধ্বনিতত্ত্বে।
  20. ৭৫. 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর'— এখানে টাপুর টুপুর কোন পদ?
    • ক. বিশেষ্য
    • খ. বিশেষণ
    • গ. ক্রিয়া
    • ঘ. অব্যয়
    উত্তর: ঘ. অব্যয়
    ‘টাপুর টুপুর’ বৃষ্টির টুপটাপ শব্দের অনুকরণ, তাই এটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। ধ্বন্যাত্মক শব্দ সাধারণত অব্যয় পদের শ্রেণিতে পড়ে। বাক্যে ‘পড়ে’ ক্রিয়াটির সঙ্গে এটি কেবল ধ্বনির ভাব যুক্ত করেছে, নিজে কোনো নাম বা গুণ প্রকাশ করেনি। এই শব্দ জোড়া শব্দের মতো দ্বিরুক্ত আকারে আসে। বিশেষ্য কোনো নাম বোঝায় আর বিশেষণ গুণ বোঝায়, কিন্তু এখানে তেমন কিছু নেই। বাংলা ভাষায় এমন ধ্বন্যাত্মক শব্দ অনেক আছে, আর সেগুলো বাক্যে ধ্বনির ছবি এঁকে দেয়। শব্দ দুবার বসে বলে একে অনেক সময় দ্বিরুক্ত শব্দও বলা হয়।
    উদাহরণ: ঝমঝম, কনকন, হু হু, ঝরঝর।
    মনে রাখুন: অব্যয় পদের রূপ বদলায় না, তাই ধ্বন্যাত্মক শব্দকে অব্যয় বলা হয়।
  21. ৮৮. বাক্যের ৩টি গুণ কী কী?
    • ক. আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও বিধেয়
    • খ. যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয়
    • গ. আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
    কোনো বাক্য অর্থপূর্ণ ও সার্থক হতে হলে তাতে তিনটি গুণ থাকা চাই: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। আকাঙ্ক্ষা মানে বক্তব্য পরিষ্কার করতে পরের শব্দ শোনার আগ্রহ। আসত্তি মানে শব্দগুলোর পরপর সঠিক ক্রমে বসা। যোগ্যতা মানে শব্দগুলোর অর্থগত সংগতি। উদ্দেশ্য ও বিধেয় বাক্যের অংশ, গুণ নয়, তাই প্রথম ও দ্বিতীয় অপশন ঠিক নয়। এই তিন গুণের একটিও না থাকলে বাক্য সার্থক হয় না, যেমন ‘পাখি আকাশে’ বললে বক্তব্য অসম্পূর্ণ থেকে যায় বলে আকাঙ্ক্ষা মেটে না।
    উদাহরণ:
    ‘আমি ভাত খাই’ সার্থক বাক্য।
    ‘আমি পানি খাই চেয়ার’ আসত্তি ও যোগ্যতার অভাবে অর্থহীন।
  22. ৯০. 'স্বেচ্ছা'-এর সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
    • ক. স্ব + ইচ্ছা
    • খ. স্বে + ইচ্ছা
    • গ. স্ব + ঈচ্ছা
    • ঘ. স্বে + ঈচ্ছা
    উত্তর: ক. স্ব + ইচ্ছা
    সন্ধি বিচ্ছেদের সময় ধ্বনির পরিবর্তন মনে রাখতে হয়। ‘স্বেচ্ছা’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘স্ব’ ও ‘ইচ্ছা’ থেকে। কারণ অ-কারের সঙ্গে ই-কার মিলিত হলে এ-কার হয় এবং সেটি আগের ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়, অর্থাৎ স্ব + ইচ্ছা = স্বেচ্ছা। এই নিয়ম স্বরসন্ধির অন্তর্গত। এর উল্টো রূপ ‘স্বে + ইচ্ছা’ বা ‘স্ব + ঈচ্ছা’ নামে কোনো শব্দাংশ হয় না। সন্ধি হলো দুটি ধ্বনির মিলন, আর বিচ্ছেদে সেই মিলন ভেঙে আলাদা করা হয়। স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলে।
    উদাহরণ:
    শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা।
    যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট।
    সর্ব + ঈশ্বর = সর্বেশ্বর।
  23. ৯৫. 'পতাকা' শব্দের সমার্থক কোনটি?
    • ক. অর্ণব
    • খ. কেতন
    • গ. রাতুল
    • ঘ. দার
    উত্তর: খ. কেতন
    ‘পতাকা’ শব্দের সমার্থক শব্দ কেতন। এ ছাড়া নিশান, ধ্বজ, ঝাণ্ডা, বৈজয়ন্তী শব্দগুলোও পতাকা বোঝায়। বাকি অপশনের অর্থ আলাদা: অর্ণব মানে সমুদ্র, রাতুল মানে লাল বর্ণের বা রক্তিম, আর দার মানে স্ত্রী। সমার্থক শব্দে সাধারণত একই বস্তু বা ভাব বোঝায়, তাই অর্থ না জানলে অপশন বাছাই কঠিন। পতাকার আরও কিছু প্রতিশব্দ হলো ধ্বজা ও কেতু। এসব শব্দ অনেক সময় কবিতা ও গানে ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন:
    ‘ঝাণ্ডা’ হিন্দি-উর্দু থেকে আসা শব্দ।
    ‘সমুদ্র’-এর সমার্থক শব্দ অর্ণব, সিন্ধু, জলধি, সাগর।
  24. ৯৬. 'কবর' নাটকটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত?
    • ক. মুক্তিযুদ্ধ
    • খ. দুর্ভিক্ষ
    • গ. দেশভাগ
    • ঘ. ভাষা আন্দোলন
    উত্তর: ঘ. ভাষা আন্দোলন
    মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকের প্রেক্ষাপট ভাষা আন্দোলন। তিনি ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়ে কারাগারে বন্দি থাকার সময় নাটকটি রচনা করেন। ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এটি প্রথম মঞ্চস্থ হয়। কাহিনিতে ভাষা শহীদদের কবর থেকে জেগে ওঠার কল্পনা আছে। নাটকটি আমেরিকান লেখক আরউইন শ-র ‘Bury the Dead’ নাটকের আদলে লেখা। নাটকটি এক অঙ্কের এবং এটি মুনীর চৌধুরীর সবচেয়ে বিখ্যাত রচনা। ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা বলে এটি ভাষা শহীদদের স্মরণে মঞ্চস্থ হয়।
    মনে রাখুন:
    মুনীর চৌধুরীর অন্যান্য নাটক: রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য, পলাশী ব্যারাক।
    ১৯৭১ সালে তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী হন।
  25. ৯৭. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
    • ক. জননী
    • খ. কাঁদো নদী কাঁদো
    • গ. রাইফেল রোটি আওরাত
    • ঘ. সংশপ্তক
    উত্তর: গ. রাইফেল রোটি আওরাত
    আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এর কাহিনি ১৯৭১ সালের ২৫ ও ২৬ মার্চের মাত্র দুদিনের ঘটনা নিয়ে। ‘আরেক ফাল্গুন’ ভাষা-আন্দোলনের উপন্যাস। ‘কালো বরফ’ ও ‘অগ্নিসাক্ষী’ অন্য প্রেক্ষাপটের উপন্যাস।
    মনে রাখুন:
    লেখক আনোয়ার পাশা মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ হন।
    এটি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা প্রথম দিকের উপন্যাসগুলোর একটি।

বাংলাদেশ

  1. ৭. 'আমার দেখা নয়াচীন' গ্রন্থের লেখক কে?
    • ক. শেখ মুজিবুর রহমান
    • খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • গ. তাজউদ্দীন আহমদ
    • ঘ. মুহাম্মদ আবদুল হাই
    উত্তর: ক. শেখ মুজিবুর রহমান
    ‘আমার দেখা নয়াচীন’ গ্রন্থটি শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা। ১৯৫২ সালে শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি চীন সফর করেন, সেই অভিজ্ঞতা এই বইয়ে লিপিবদ্ধ। বইটি ২০২০ সালে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। তাঁর অন্য দুটি বই কারাগারে বসে লেখা, আর এই বইটি চীন ভ্রমণের স্মৃতি, তাই তিনটি বইয়ের বিষয় আলাদা। বঙ্গবন্ধুর এই বইগুলো তাঁর নিজের হাতে লেখা ডায়েরির খাতা থেকে পরে ছাপা হয়েছে। এখানে লেখকের নামে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম, কিন্তু প্রকাশের সাল নিয়ে প্রশ্ন হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    অসমাপ্ত আত্মজীবনী (২০১২)।
    কারাগারের রোজনামচা (২০১৭)।
    আমার দেখা নয়াচীন (২০২০)।
    মুহাম্মদ আবদুল হাই ছিলেন ভাষাবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।
  2. ২২. বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম টেস্ট ক্রিকেটে শতরান করেন—
    • ক. আমিনুল ইসলাম
    • খ. আকরাম খান
    • গ. হাবিবুল বাশার
    • ঘ. নাঈমুর রহমান
    উত্তর: ক. আমিনুল ইসলাম
    বাংলাদেশ ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে। সেই অভিষেক টেস্টেই আমিনুল ইসলাম বুলবুল ১৪৫ রানের ইনিংস খেলেন। এভাবে তিনি বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে প্রথম শতরান করা ব্যাটসম্যান হন। তখন দলের অধিনায়ক ছিলেন নাঈমুর রহমান। প্রশ্নের বাকি তিনজনও বাংলাদেশের ক্রিকেটার, তাই নামগুলো গুলিয়ে ফেলা সহজ।
    মনে রাখুন:
    ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জিতে বাংলাদেশ ওয়ানডে মর্যাদা পায়।
    ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট খেলুড়ে দেশের মর্যাদা পায়।
    হাবিবুল বাশার ও আকরাম খান পরবর্তীকালে বাংলাদেশের অধিনায়ক হয়েছেন।
  3. ২৯. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য কোন অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়েছে?
    • ক. অনুচ্ছেদ ২০
    • খ. অনুচ্ছেদ ২১
    • গ. অনুচ্ছেদ ২২
    • ঘ. অনুচ্ছেদ ২৩
    উত্তর: খ. অনুচ্ছেদ ২১
    বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলা আছে। এর ২১ নম্বর অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে বলা আছে, সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। আর জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।
    মনে রাখুন:
    অনুচ্ছেদ ২০: কর্ম হইতেছে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়।
    অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
    অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি।
  4. ৩০. ঢাকায় কবে প্রথম সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয়?
    • ক. ১৯৮৪
    • খ. ১৯৮৫
    • গ. ১৯৮৬
    • ঘ. ১৯৮৯
    উত্তর: খ. ১৯৮৫
    দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সাফ গেমসের প্রথম আসর বসে ১৯৮৪ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে। এর পরের আসর অর্থাৎ দ্বিতীয় সাফ গেমস ১৯৮৫ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। সুতরাং ঢাকায় প্রথমবার এই গেমস হয় ১৯৮৫ সালে। প্রশ্নে ‘প্রথম’ বলতে এখানে ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম আসরকেই বোঝানো হয়েছে। অনেকে ভুল করে ১৯৮৪ সালকে বেছে নেন, কারণ সেটি পুরো গেমসের প্রথম আসরের সাল।
    মনে রাখুন:
    পরে ঢাকায় আরও দুবার এই গেমস হয়, ১৯৯৩ ও ২০১০ সালে।
    এই গেমস এখন সাউথ এশিয়ান গেমস (SA Games) নামে পরিচিত।
  5. ৩৪. বাংলাদেশের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রদূত কে?
    • ক. তাহমিনা হক ডলি
    • খ. জাকিয়া আক্তার
    • গ. সুরাইয়া বেগম
    • ঘ. মাহমুদা হক চৌধুরী
    উত্তর: ঘ. মাহমুদা হক চৌধুরী
    বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে মাহমুদা হক চৌধুরীর নাম গ্রহণ করা হয়। স্বাধীনতার কিছু পরেই বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে নারীদের পথচলা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে আরও নারী রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে প্রশ্নের চার জনের মধ্যে প্রথম রাষ্ট্রদূত হিসেবে তাঁরই নাম মানা হয়। এখানে প্রশ্নটি মূলত কূটনীতির ইতিহাস থেকে এসেছে, তাই নামের পাশাপাশি পদটির পরিচয় জেনে রাখা কাজে লাগে।
    মনে রাখুন:
    রাষ্ট্রদূত হলেন একটি দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি (Ambassador)।
    কমনওয়েলথভুক্ত দেশের ক্ষেত্রে এই পদকে বলা হয় হাইকমিশনার।
    রাষ্ট্রদূতের কাজ নিজের দেশের স্বার্থ রক্ষা করা এবং যে দেশে তিনি থাকেন, সেই দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখা।
  6. ৪২. দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু-১ কোন মহাকাশযানে উৎক্ষেপণ করা হয়?
    • ক. ফ্যালকন-৫
    • খ. ফ্যালকন-৯
    • গ. নভোতরী-১০
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. ফ্যালকন-৯
    বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু-১’। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ২০১৮ সালের ১২ মে স্পেসএক্স কোম্পানির ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। উপগ্রহটি ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমার কক্ষপথ-স্লটে স্থাপিত। এর ফলে বাংলাদেশ নিজস্ব উপগ্রহধারী দেশগুলোর সারিতে যুক্ত হয়। ‘ফ্যালকন-৫’ বা ‘নভোতরী-১০’ নামে এখানে কোনো সঠিক যান নেই। এর মাধ্যমে দেশে টেলিভিশন চ্যানেল ও ইন্টারনেট সংযোগের মতো সেবা পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    উপগ্রহ নিয়ন্ত্রণের গাজীপুর ও বেতবুনিয়া (রাঙামাটি) ভূ-কেন্দ্র আছে।
    উপগ্রহটি পরিচালনার জন্য গঠিত কোম্পানির নাম বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএসসিএল)।
  7. ৪৩. বাংলাদেশের প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত গ্র্যান্ডমাস্টার কে?
    • ক. রিফাত বিন সাত্তার
    • খ. এনামুল হক রাজিব
    • গ. নিয়াজ মোরশেদ
    • ঘ. জিয়াউর রহমান
    উত্তর: গ. নিয়াজ মোরশেদ
    নিয়াজ মোরশেদ বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার। তিনি ১৯৮৭ সালে আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থা ফিডে (FIDE) থেকে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব পান এবং এভাবে দক্ষিণ এশিয়ারও প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টারদের একজন হন। দাবায় এই খেতাব পেতে একজন খেলোয়াড়কে নির্দিষ্ট রেটিং ও তিনটি জিএম নর্ম অর্জন করতে হয়। প্রশ্নের অন্য নামগুলোও বাংলাদেশের দাবাড়ুর নাম, তবে তাঁরা নিয়াজ মোরশেদের পরে খেতাব পেয়েছেন।
    মনে রাখুন: পরবর্তীকালে বাংলাদেশের আরও কয়েকজন দাবাড়ু জিএম খেতাব পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে জিয়াউর রহমান, এনামুল হোসেন রাজীব ও রিফাত বিন সাত্তার রয়েছেন।
  8. ৬০. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জাতিসংঘে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিনিধি কে ছিলেন?
    • ক. আলেক্সি কোসিগিন
    • খ. নিকোলাই টিখোনোভ
    • গ. ইয়াকফ মালিক
    • ঘ. আন্দ্রে গ্রোমিকো
    উত্তর: গ. ইয়াকফ মালিক
    ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সোভিয়েত ইউনিয়নের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন ইয়াকভ মালিক। তিনি বাংলাদেশের পক্ষে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটো প্রয়োগের সময় এই ভূমিকা রাখেন। বাকিরা অন্য পদে ছিলেন। আন্দ্রেই গ্রোমিকো ছিলেন সোভিয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আলেক্সি কোসিগিন প্রধানমন্ত্রী। সে সময় সোভিয়েত রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন নিকোলাই পদগর্নি, যিনি ১৯৭১ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়ে চিঠি দেন।
    মনে রাখুন: ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে একাধিকবার ভেটো দেয়।
  9. ৬২. বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ....' রচিত হয় বাংলা কোন সনে?
    • ক. ১৩১০
    • খ. ১৩১৫
    • গ. ১৩১২
    • ঘ. ১৩১৪
    উত্তর: গ. ১৩১২
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি লেখেন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময়। বাংলা সনে সেটি ১৩১২। গানের প্রথম দশ পঙ্‌ক্তি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। গানটির সুর বাউল গান থেকে অনুপ্রাণিত বলা হয়। বঙ্গভঙ্গের ঝড়ের মধ্যে বাঙালির স্বদেশপ্রেম জাগাতেই এই গান লেখা হয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    জাতীয় সংগীত হিসেবে এই অংশ ১৯৭১ সালের মুজিবনগর সরকারের সময় থেকে গাওয়া হয় এবং স্বাধীনতার পর সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
    সংবিধানের ৪(১) অনুচ্ছেদে এই গানের কথা আছে।
    ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন-অধিনায়ক’-ও রবীন্দ্রনাথের রচনা।
  10. ৬৮. জাতীয় পাট দিবস কবে?
    • ক. ০৬ মার্চ
    • খ. ০৮ মার্চ
    • গ. ১৬ মার্চ
    • ঘ. ১৮ মার্চ
    উত্তর: ক. ০৬ মার্চ
    বাংলাদেশে প্রতিবছর ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস পালন করা হয়। পাট বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে একে সোনালি আঁশ বলা হতো। ২০১৯ সালে মন্ত্রিসভা এই দিবসের প্রস্তাব অনুমোদন করে এবং ওই বছরই প্রথমবার দিবসটি জাতীয়ভাবে পালিত হয়। পাটের এই দিনে পাটের ব্যবহার, পাটজাত পণ্য আর পাটচাষির উন্নতির কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়।
    মনে রাখুন:
    পাটের বৈজ্ঞানিক নাম Corchorus capsularis (সাদা পাট) ও Corchorus olitorius (তোষা পাট)।
    ২০১০ সালে পাটের জিনোম রহস্য উন্মোচন করেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম।
  11. ৭১. GMT বা গ্রিনিচ মান সময়ের সাথে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য কত ঘণ্টা?
    • ক. ৬ ঘণ্টা
    • খ. ৮ ঘণ্টা
    • গ. ১০ ঘণ্টা
    • ঘ. ৫ ঘণ্টা
    উত্তর: ক. ৬ ঘণ্টা
    পৃথিবী নিজের অক্ষে ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘোরে। অতএব প্রতি ১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের ব্যবধান হয় ২৪ × ৬০ ÷ ৩৬০ = ৪ মিনিট। বাংলাদেশের প্রমাণ দ্রাঘিমারেখা ৯০° পূর্ব। সুতরাং গ্রিনিচ থেকে ব্যবধান ৯০ × ৪ = ৩৬০ মিনিট = ৬ ঘণ্টা। দেশটি পূর্বে হওয়ায় বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচের চেয়ে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে থাকে। অর্থাৎ গ্রিনিচে দুপুর ১২টা হলে ঢাকায় সন্ধ্যা ৬টা।
    মনে রাখুন:
    ০° দ্রাঘিমারেখা (মূল মধ্যরেখা) লন্ডনের গ্রিনিচের ওপর দিয়ে গেছে।
    বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টাইম = GMT + ৬।
  12. ৭২. 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
    • ক. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
    • খ. তফাজ্জল হোসেন
    • গ. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন
    • ঘ. সিকান্দার আবু জাফর
    উত্তর: ঘ. সিকান্দার আবু জাফর
    ‘সমকাল’ সাহিত্য পত্রিকা ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদক ছিলেন কবি ও নাট্যকার সিকান্দার আবু জাফর। অন্য নামগুলোও বিখ্যাত সম্পাদকের, কিন্তু তাঁদের পত্রিকা ভিন্ন। তাই পরীক্ষায় সম্পাদকের নাম আর পত্রিকার নাম জোড়া মিলিয়ে মনে রাখা দরকার। ‘সমকাল’ প্রকাশের পর তা পূর্ব পাকিস্তানের প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুখপত্র হয়ে ওঠে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত এই মাসিক পত্রিকায় সেই সময়ের নতুন লেখকদের রচনাও ছাপা হতো।
    মনে রাখুন:
    তফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া): দৈনিক ইত্তেফাক।
    মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন: সওগাত।
    মোহাম্মদ আকরম খাঁ: মাসিক মোহাম্মদী, দৈনিক আজাদ।
    সিকান্দার আবু জাফরের নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’।
  13. ৮১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়া আর কতজন আওয়ামী লীগ নেতার নাম রয়েছে?
    • ক. ১ জন
    • খ. ২ জন
    • গ. ৩ জন
    • ঘ. অন্য কারো নাম নেই
    উত্তর: খ. ২ জন
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি হয়। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়া আওয়ামী লীগের আরও দুজনের নাম আছে: সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী। ঘোষণাপত্রে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। আর শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয় অধ্যাপক ইউসুফ আলীকে। এই ঘোষণাপত্রকে ‘মুজিবনগর সরকারের ঘোষণাপত্র’ বা ‘স্বাধীনতার সনদ’ও বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মেহেরপুরের আম্রকাননে (বৈদ্যনাথতলা) সরকার শপথ নেয়, জায়গাটির নাম হয় মুজিবনগর।
    তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হন।
  14. ৮২. ঢাকা মিরপুরের শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
    • ক. শামীম শিকদার
    • খ. হামিদুজ্জামান খান
    • গ. মঈনুল হোসেন
    • ঘ. মোস্তফা হারুন কুদ্দুস
    উত্তর: ঘ. মোস্তফা হারুন কুদ্দুস
    ঢাকার মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরে নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত। এর স্থপতি মোস্তফা হারুন কুদ্দুস। অন্য স্মৃতিসৌধগুলোর স্থপতি আলাদা। তাই পরীক্ষায় স্মৃতিসৌধ আর স্থপতির নাম জোড়া মিলিয়ে মনে রাখা দরকার। প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়, এবং এই স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
    মনে রাখুন:
    রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধের স্থপতি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও জামি আল শাফি।
    জাতীয় স্মৃতিসৌধ (সাভার) স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
    শহীদ মিনারের বর্তমান নকশা হামিদুর রহমান।
  15. ৯৩. বাংলাদেশে প্রথম কবে কাগজের নোট চালু করা হয়?
    • ক. ৪ জানুয়ারি, ১৯৭২
    • খ. ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
    • গ. ৪ মার্চ, ১৯৭২
    • ঘ. ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
    উত্তর: গ. ৪ মার্চ, ১৯৭২
    স্বাধীনতার পর নতুন দেশের নিজস্ব মুদ্রা চালুর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথম কাগজের নোট প্রচলন করে। দেশের মুদ্রার নাম টাকা, প্রতীক ৳। নোট ছাপানো ও প্রচলনের একমাত্র কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ব্যাংক। অপশনগুলোতে মাস ছাড়া বাকি সবকিছু এক, তাই মাসটি মনে রাখাই আসল। টাকা চালু হওয়ার আগে পাকিস্তানি মুদ্রা চলছিল, তাই নতুন নোট স্বাধীন দেশের অর্থব্যবস্থার একটি বড় প্রতীক।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, এর সদর দপ্তর ঢাকার মতিঝিলে।
    এক টাকার নোট ছাপে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাকিগুলো ছাপে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আন্তর্জাতিক

  1. ১১. মহাবীর আলেকজান্ডারের শিক্ষক ছিলেন কে?
    • ক. সফোক্লিস
    • খ. এরিস্টটল
    • গ. প্লেটো
    • ঘ. সক্রেটিস
    উত্তর: খ. এরিস্টটল
    মহাবীর আলেকজান্ডার ম্যাসিডনের রাজা দ্বিতীয় ফিলিপের পুত্র। তাঁর শিক্ষক ছিলেন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল। রাজা ফিলিপ ছেলেকে শেখানোর জন্য তাঁকেই নিযুক্ত করেছিলেন। এরিস্টটল ছিলেন প্লেটোর ছাত্র আর প্লেটো ছিলেন সক্রেটিসের ছাত্র। সফোক্লিস ছিলেন একজন গ্রিক নাট্যকার, দার্শনিক নন, তাই তিনি আলেকজান্ডারের শিক্ষক হননি। আলেকজান্ডার খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৬ অব্দে মাত্র কুড়ি বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন এবং পারস্য থেকে ভারতের সীমান্ত পর্যন্ত অভিযান চালান। তাঁর কৃতিত্বের পেছনে শিক্ষক এরিস্টটলের জ্ঞানচর্চার প্রভাবও কম ছিল না।
    মনে রাখুন:
    গুরুশিষ্য ধারা: সক্রেটিস → প্লেটো → এরিস্টটল → আলেকজান্ডার।
    প্লেটোর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য রিপাবলিক’, এরিস্টটলের ‘পলিটিক্স’।
    সফোক্লিসের বিখ্যাত নাটক ‘ইডিপাস রেক্স’।
  2. ১৮. মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা কত সালে নাগরিকত্ব হারায়?
    • ক. ১৯৭২
    • খ. ১৯৮২
    • গ. ১৯৯২
    • ঘ. ২০০২
    উত্তর: খ. ১৯৮২
    মিয়ানমারে (সাবেক বার্মা) ১৯৮২ সালে একটি নতুন নাগরিকত্ব আইন করা হয়। এই আইনে মোট ১৩৫টি জাতিগোষ্ঠীকে দেশের নিজস্ব জাতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, কিন্তু রোহিঙ্গারা সেই তালিকায় জায়গা পায়নি। ফলে আইনের বলে তারা নিজেদের বাসভূমিতেই নাগরিকত্ব হারিয়ে রাষ্ট্রহীন (Stateless) জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়। এ কারণেই আজও রোহিঙ্গা সংকটের আলোচনায় ১৯৮২ সালের আইনের কথা বারবার ওঠে।
    মনে রাখুন:
    মিয়ানমার ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন হয় ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি।
    ১৯৬২ সালে জেনারেল নে উইন সামরিক শাসন শুরু করেন।
    রোহিঙ্গাদের আবাস প্রধানত রাখাইন (পূর্বনাম আরাকান) রাজ্যে।
    ২০১৭ সালের আগস্টের পর বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
  3. ২০. Grand National Assembly কোন দেশের পার্লামেন্ট?
    • ক. অস্ট্রিয়া
    • খ. তুরস্ক
    • গ. হল্যান্ড
    • ঘ. গ্রেট ব্রিটেন
    উত্তর: খ. তুরস্ক
    তুরস্কের এক কক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টের নাম গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (Grand National Assembly of Turkey)। এই সংসদ দেশটির রাজধানী আঙ্কারায় অবস্থিত এবং এর সদস্যসংখ্যা ৬০০। বিভিন্ন দেশের সংসদের নাম আলাদা হয়, আর পরীক্ষায় সেই নামগুলো মিলিয়ে দেখতে বলা হয়। যেমন গ্রেট ব্রিটেনের পার্লামেন্ট হাউস অব কমন্স ও হাউস অব লর্ডস নিয়ে গঠিত, আর অস্ট্রিয়া বা হল্যান্ডের সংসদের নাম একেবারেই অন্যরকম।
    মনে রাখুন:
    তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা, বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুল।
    ২০২২ সালে দেশটি আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের নাম ‘তুর্কিয়ে’ (Türkiye) ব্যবহারের অনুরোধ জানায়।
    অস্ট্রিয়ার সংসদের নাম ন্যাশনালরাট ও বুন্ডেসরাট, হল্যান্ডের নাম স্টেটস জেনারেল।
  4. ২৮. কোন দেশের পুরাতন নাম 'আবিসিনিয়া'?
    • ক. লিবিয়া
    • খ. মিশর
    • গ. ইথিওপিয়া
    • ঘ. ইরাক
    উত্তর: গ. ইথিওপিয়া
    আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার পুরোনো নাম আবিসিনিয়া। এটি আফ্রিকার প্রাচীনতম স্বাধীন দেশগুলোর একটি, আর এর রাজধানী আদ্দিস আবাবা। দেশের নাম বদল পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই অন্য অপশনগুলোও জানা দরকার। যেমন ইরাকের প্রাচীন নাম মেসোপটেমিয়া, আর মিশরকে প্রাচীনকালে কেমেট নামে ডাকা হতো। এভাবে নামগুলো মিলিয়ে নিলে ভুল অপশন সহজেই বাদ পড়ে। আফ্রিকা মহাদেশের পূর্ব দিকে অবস্থিত দেশটি কখনো পুরোপুরি ইউরোপীয় উপনিবেশের অধীনে যায়নি বলে এর স্বাধীনতার ইতিহাস বেশ গৌরবের।
    মনে রাখুন:
    শ্রীলঙ্কার পূর্বনাম সিংহল ও সিলন।
    মিয়ানমারের পূর্বনাম বার্মা।
    থাইল্যান্ডের পূর্বনাম শ্যাম।
    ঘানার পূর্বনাম গোল্ড কোস্ট।
  5. ৪৮. ১১ জুলাই ২০২১ কোন ধনাঢ্য ব্যক্তি প্রথমবারের মতো মহাকাশে ঘুরে আসেন?
    • ক. বিল গেটস
    • খ. এলন মাস্ক
    • গ. রিচার্ড ব্রানসন
    • ঘ. জেফ বেজোস
    উত্তর: গ. রিচার্ড ব্রানসন
    ২০২১ সালের ১১ জুলাই ব্রিটিশ ধনকুবের স্যার রিচার্ড ব্রানসন নিজের প্রতিষ্ঠান ভার্জিন গ্যালাকটিকের ‘ইউনিটি-২২’ নামের মহাকাশযানে চড়ে মহাকাশের কিনারায় যান। তিনি এই যাত্রায় নিজের কোম্পানির আরও কয়েকজনের সঙ্গে ছিলেন। এর কিছুদিন পর, ২০ জুলাই ২০২১, অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ব্লু অরিজিনের ‘নিউ শেফার্ড’ যানে প্রায় ১১ মিনিটের একটি মহাকাশ যাত্রা করেন। তাই তারিখটি দেখেই উত্তর বাছতে হয়। মহাকাশযানটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৮৬ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠেছিল বলে জানা যায়, যা মহাকাশের কিনারা হিসেবে ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    ব্রানসন ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা।
    বিল গেটস মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা।
    এলন মাস্ক টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা।
  6. ৫৩. জিব্রাল্টার প্রণালি কোন কোন দেশকে পৃথক করেছে?
    • ক. পর্তুগাল ও মরক্কো
    • খ. মৌরিতানিয়া ও স্পেন
    • গ. আলবেনিয়া ও স্পেন
    • ঘ. মরক্কো ও স্পেন
    উত্তর: ঘ. মরক্কো ও স্পেন
    জিব্রাল্টার প্রণালি আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে। এই প্রণালির উত্তরে ইউরোপের দেশ স্পেন এবং দক্ষিণে আফ্রিকার দেশ মরক্কো। অর্থাৎ প্রণালিটি দুটি মহাদেশের মাঝখানের সংকীর্ণ জলপথ। পরীক্ষায় প্রণালি আর তাদের সংযোজিত জলভাগ মিলিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই কয়েকটি জানা থাকলে সুবিধা হয়। প্রণালি হলো দুটি বড় জলভাগের মাঝখানে সরু জলপথ, যা দুই পাশের স্থলভাগকে আলাদা করে।
    মনে রাখুন:
    প্রণালির উত্তর তীরে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল জিব্রাল্টার আছে।
    সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করে।
    বসফরাস প্রণালি কৃষ্ণ সাগর ও মর্মর সাগরকে যুক্ত করে।
  7. ৫৪. WTO প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
    • ক. ১৯৪৮
    • খ. ১৯৯১
    • গ. ১৯৮৫
    • ঘ. ১৯৯৫
    উত্তর: ঘ. ১৯৯৫
    বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization, WTO) ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। এর আগে ১৯৪৮ সাল থেকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম চালু রাখত গ্যাট (GATT), অর্থাৎ শুল্ক ও বাণিজ্য-সংক্রান্ত সাধারণ চুক্তি। উরুগুয়ে রাউন্ডের আলোচনার পর গ্যাটের স্থলে WTO গঠিত হয়। সংস্থাটির সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিরোধ মেটানোর একটি স্থায়ী সংস্থা পাওয়া যায়, যেটি গ্যাটের ছিল না। WTO-র সদস্যদের মধ্যে বাণিজ্য-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাও আছে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ ১৯৯৫ সালের শুরু থেকেই WTO-র সদস্য।
    ১৯৪৮ সাল গ্যাটের সূচনাকাল।
  8. ৭৯. কোন সনে সুয়েজ খালের খনন কাজ শেষ করা হয়?
    • ক. ১৮৬০
    • খ. ১৮৬৫
    • গ. ১৮৬৭
    • ঘ. ১৮৬৯
    উত্তর: ঘ. ১৮৬৯
    সুয়েজ খাল মিসরে অবস্থিত। ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপস এর খনন শুরু করেন ১৮৫৯ সালের ২৫ এপ্রিল। প্রায় দশ বছর কাজ করার পর খালটি চালু হয় ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর। এটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করে এবং এর ফলে ইউরোপ থেকে এশিয়ায় যাওয়ার জাহাজপথ আফ্রিকা ঘুরে যাওয়ার চেয়ে অনেক ছোট হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিসরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের খালটি জাতীয়করণ করেন।
    খালটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৯৩ কিলোমিটার।
    পানামা খাল প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করে।
  9. ৮৩. সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
    • ক. থিম্পু
    • খ. কাঠমুন্ডু
    • গ. নয়াদিল্লী
    • ঘ. ইসলামাবাদ
    উত্তর: গ. নয়াদিল্লী
    সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (SAARC Disaster Management Centre, SDMC) ২০০৬ সালে ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে কেন্দ্রের কার্যক্রম ভারতেরই গুজরাট রাজ্যের গান্ধীনগরে সরিয়ে নেওয়া হয়। প্রশ্নের চার অপশনের মধ্যে ভারতের একমাত্র শহর নয়াদিল্লি, তাই এটিই নির্দিষ্ট উত্তর। বাকি শহরগুলো সার্কের অন্য দেশের রাজধানী বা অন্য কেন্দ্রের অবস্থান। সার্ক আঞ্চলিক সহযোগিতার সংস্থা, যার পূর্ণ নাম South Asian Association for Regional Cooperation।
    মনে রাখুন:
    সার্কের সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে।
    সার্ক কৃষি তথ্য কেন্দ্র (SAIC) ঢাকায়।
    সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে।
    সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায়।

বিজ্ঞান

  1. ৩৯. স্বর্ণের গহনা তৈরির সময় স্বর্ণকারগণ কোন এসিড ব্যবহার করেন?
    • ক. নাইট্রিক এসিড
    • খ. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
    • গ. সালফিউরিক এসিড
    • ঘ. নাইট্রাস এসিড
    উত্তর: ক. নাইট্রিক এসিড
    স্বর্ণ থেকে খাদ বা অন্য ধাতুর মিশ্রণ আলাদা করতে স্বর্ণকাররা নাইট্রিক এসিড (HNO₃) ব্যবহার করেন। কারণ স্বর্ণ একটি নিষ্ক্রিয় ধাতু, তাই নাইট্রিক এসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না। কিন্তু তামা, রুপা বা অন্য খাদ ধাতু এই এসিডে গলে যায়। এতে খাঁটি স্বর্ণ পড়ে থাকে এবং গহনার ঝকঝকে উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। হাইড্রোক্লোরিক বা সালফিউরিক এসিডের এভাবে খাদ বেছে ফেলার কাজে তেমন ব্যবহার নেই।
    মনে রাখুন:
    স্বর্ণকে গলাতে পারে একমাত্র অম্লরাজ (Aqua regia)।
    অম্লরাজ হলো ১ ভাগ নাইট্রিক ও ৩ ভাগ হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণ।
    স্বর্ণের খাঁটিত্ব ক্যারেটে মাপা হয়, ২৪ ক্যারেট সবচেয়ে খাঁটি।
  2. ৪৫. কত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলা হয়?
    • ক. ০° সেলসিয়াস
    • খ. − ৮° সেলসিয়াস
    • গ. − ২৭৩° সেলসিয়াস
    • ঘ. − ২৯১° সেলসিয়াস
    উত্তর: গ. − ২৭৩° সেলসিয়াস
    যে তাপমাত্রার চেয়ে কম তাপমাত্রা সম্ভব নয়, তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা (Absolute zero) বলে। গ্যাসের আয়তন ও তাপমাত্রার সম্পর্ক থেকে বোঝা যায়, চাপ স্থির রেখে প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস কমালে গ্যাসের আয়তন 0°C-এর আয়তনের 1/273 অংশ করে কমে। তাই −273°C-এ তাত্ত্বিকভাবে আয়তন শূন্য হয়ে যায়। এই বিন্দুতে অণুগুলোর গতি প্রায় থেমে যায়। ০° সেলসিয়াস হলো বরফ গলার তাপমাত্রা, তা পরম শূন্য নয়।
    মনে রাখুন:
    পরম শূন্য তাপমাত্রা = 0 K = −273.15°C।
    কেলভিন স্কেলে 0°C = 273 K।
    কেলভিন স্কেলের প্রবর্তক লর্ড কেলভিন।
  3. ৪৭. রক্তশূন্যতা দেখা দেয় নিচের কোনটির অভাবে?
    • ক. আয়রন
    • খ. ভিটামিন-এ
    • গ. ক্যালসিয়াম
    • ঘ. আয়োডিন
    উত্তর: ক. আয়রন
    আমাদের রক্তের লোহিত কণিকায় হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) নামের একটি প্রোটিন থাকে। এটিই ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে দেহের কোষে পৌঁছে দেয়। হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য আয়রন বা লৌহ অপরিহার্য। খাদ্যে আয়রন কম থাকলে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না, ফলে রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া (Anaemia) দেখা দেয়। রোগীর তখন দুর্বল লাগে, মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায় এবং অল্পেই হাঁপ ধরে।
    মনে রাখুন:
    ভিটামিন বি-১২ ও ফলিক এসিডের অভাবেও এক ধরনের রক্তশূন্যতা হয়।
    ভিটামিন এ-র অভাবে রাতকানা, আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড, ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় দুর্বল হয়।
    আয়রনের ভালো উৎস কলিজা, কচু শাক ও ডাল।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ৪৯. কম্পিউটার ভাইরাস কী?
    • ক. একটি ক্ষতিকারক জীবাণু
    • খ. একটি ক্ষতিকারক সার্কিট
    • গ. একটি ক্ষতিকারক ডিভাইস
    • ঘ. একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
    উত্তর: ঘ. একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম
    কম্পিউটার ভাইরাস কোনো জীবন্ত জীবাণু নয়। এটি আসলে একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম বা কোড, যা নিজের অনুলিপি তৈরি করে অন্য ফাইলে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবহারকারী না জেনেই আক্রান্ত ফাইল খুললে কম্পিউটারে তথ্য নষ্ট হয়, গতি কমে যায়, অথবা সিস্টেম অচল হয়ে পড়ে। এটি জীবাণু, সার্কিট বা যন্ত্র কোনোটিই নয়, কারণ এটি পুরোপুরি সফটওয়্যারের জিনিস।
    মনে রাখুন:
    পরিচিত ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার: I Love You, Morris Worm, Nimda, CIH।
    ভাইরাস থেকে বাঁচতে আমরা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি।
    অজানা উৎসের ইমেইল সংযুক্তি না খোলা ভাইরাস থেকে বাঁচার একটি সহজ উপায়।
  2. ৯৮. GPRS-এর পূর্ণরূপ কী?
    • ক. General Packet Radio Service
    • খ. Global Protect Radiation Service
    • গ. General Preference Radio Service
    • ঘ. Global Packet Reminder Service
    উত্তর: ক. General Packet Radio Service
    GPRS-এর পূর্ণরূপ General Packet Radio Service। এটি মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট ও তথ্য আদান-প্রদানের একটি প্রযুক্তি। এতে তথ্যকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভেঙে পাঠানো হয়, যাকে প্যাকেট সুইচিং বলে। এ কারণে ব্যবহারকারী ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও প্রতিটি মুহূর্তের জন্য আলাদা লাইন দখল করতে হয় না। জিপিআরএস সাধারণত ২জি (GSM) নেটওয়ার্কের সম্প্রসারিত রূপ বলে একে ২.৫জি বলা হয়। এই প্রযুক্তি আসার পর মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্রাউজ করা, ইমেইল পাঠানো এবং ছবি আদান-প্রদান সহজ হয়ে যায়। পরে আরও দ্রুতগতির থ্রিজি, ফোরজি ও ফাইভজি প্রযুক্তি এসেছে।
    মনে রাখুন:
    GSM = Global System for Mobile Communications।
    SMS = Short Message Service।
    MMS = Multimedia Messaging Service।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন