স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সিনিয়র স্টাফ নার্স (বাতিলকৃত পরীক্ষা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৬ অক্টোবর ২০১৭। ৮৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →গণিত
- ১. ৫ টাকায় ২টি দরে কমলা ক্রয় করে ৩৫ টাকায় কয়টি করে কমলা বিক্রয় করলে শতকরা ৪০ টাকা লাভ হবে?
- ক. ৮টি
- খ. ১০টি
- গ. ১২টি
- ঘ. ১৪টি
উত্তর: খ. ১০টি
৫ টাকায় ২টি কমলা কিনলে একটি কমলার ক্রয়মূল্য হয় 5 ÷ 2 = 2.5 টাকা। লাভের হার ৪০% হলে বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের ১৪০% হতে হবে, অর্থাৎ একটি কমলা বিক্রি করতে হবে 2.5 × 1.4 = 3.5 টাকায়। তাহলে ৩৫ টাকায় কমলা দিতে হবে 35 ÷ 3.5 = 10টি।
যাচাই করে দেখা যাক। ১০টি কমলা কিনতে খরচ হয় 10 × 2.5 = 25 টাকা। সেই ১০টি ৩৫ টাকায় বিক্রি করলে লাভ হয় 35 − 25 = 10 টাকা, আর 10/25 × 100 = 40%। তাই উত্তরটি মেলে।
মনে রাখুন:
লাভ বা ক্ষতির অঙ্কে আগে এক একক জিনিসের ক্রয়মূল্য বের করলে হিসাব সহজ হয়।
লাভ হলে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (100 + লাভের হার)/100।
লাভ বা ক্ষতির শতকরা হার সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর ধরা হয়, বিক্রয়মূল্যের ওপর নয়। - ২. a + a⁻¹ = √3 হলে, a² + a⁻²-এর মান—
- ক. 3
- খ. 2
- গ. 1
- ঘ. 0
উত্তর: গ. 1
এখানে a + a⁻¹ = √3 দেওয়া আছে। দুই পাশকে বর্গ করলে পাই (a + 1/a)² = a² + 2 + a⁻², অর্থাৎ 3 = a² + a⁻² + 2। তাই a² + a⁻² = 3 − 2 = 1। মজার ব্যাপার হলো, এখানে a-এর মান বের না করেই আমরা উত্তর পেয়ে গেলাম। এ ধরনের অঙ্কে সরাসরি বর্গ করাই সবচেয়ে সহজ পথ।
মনে রাখুন:
a² + a⁻² = (a + a⁻¹)² − 2।
a² + a⁻² = (a − a⁻¹)² + 2।
ঘন করলে a³ + a⁻³ = (a + a⁻¹)³ − 3(a + a⁻¹)। এই অঙ্কে তাই মান হয় 3√3 − 3√3 = 0। - ৩. log_x(1/27) = −3 হলে, x এর মান—
- ক. −3
- খ. 3
- গ. −1/3
- ঘ. 1/3
উত্তর: খ. 3
লগের সংজ্ঞা (Logarithm) অনুযায়ী log_x(1/27) = −3 মানে x⁻³ = 1/27। এখন 1/27 = 1/3³ = 3⁻³। তাহলে x⁻³ = 3⁻³ পাওয়া যায়। দুই পাশে ঘাত সমান হলে ভিত্তিও সমান হয়, তাই x = 3। যাচাই করলে দেখা যায়, 3⁻³ = 1/27, যা প্রশ্নের শর্তের সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন:
log_a N = m হলে a^m = N, আবার a^m = N হলে log_a N = m।
যেকোনো ভিত্তির জন্য log_a 1 = 0 এবং log_a a = 1।
উদাহরণ: log_2 8 = 3, কারণ 2³ = 8। - ৪. |x − 5| ≤ 4 হলে, নিচের যে ব্যবধি সত্য তা হলো—
- ক. x ∈ (1, 9)
- খ. x ∈ [1, 9)
- গ. x ∈ (1, 9]
- ঘ. x ∈ [1, 9]
উত্তর: ঘ. x ∈ [1, 9]
পরম মান (Absolute value) |x − 5| ≤ 4 মানে −4 ≤ x − 5 ≤ 4। এখন সব পাশে ৫ যোগ করলে পাই 1 ≤ x ≤ 9। এখানে সমান চিহ্ন (=) আছে, তাই ১ আর ৯ দুটি সংখ্যাই ব্যবধির মধ্যে পড়ে। ফলে এটি একটি বন্ধ ব্যবধি (Closed interval) [1, 9]। অন্য তিনটি ব্যবধিতে এক বা দুই প্রান্ত বাদ গেছে বলে সেগুলো ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
|x − a| ≤ r হলে x-এর মান a − r থেকে a + r পর্যন্ত, দুই প্রান্তসহ। ছোট চিহ্ন (<) হলে প্রান্ত বাদ যেত।
(a, b) হলো খোলা ব্যবধি, যেখানে a ও b ধরা হয় না। [a, b] হলো বন্ধ ব্যবধি, যেখানে a ও b দুটিই ধরা হয়।
|x − 5| > 4 হলে x < 1 অথবা x > 9 হবে। - ৫. x√0.09 = 3 হলে, x এর মান—
- ক. 3/10
- খ. 1/3
- গ. 10
- ঘ. 10/3
উত্তর: গ. 10
দশমিকের বর্গমূল বের করতে হলে সংখ্যাটিকে আগে ভগ্নাংশে লিখে নেওয়া সহজ। 0.09 = 9/100, তাই √0.09 = 3/10 = 0.3। যাচাই করলেও মেলে, কারণ 0.3 × 0.3 = 0.09। এখন x × 0.3 = 3 হলে x = 3 ÷ 0.3 = 10।
মনে রাখুন:
বর্গমূল নিলে দশমিকের পরের অঙ্কসংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়। √0.09 = 0.3 (২ ঘর থেকে ১ ঘর), আবার √0.0009 = 0.03।
√0.01 = 0.1 এবং √0.25 = 0.5। - ৬. ΔABC এর BC বাহুকে D বিন্দু পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। ∠A = 60°, ∠B = 90° হলে, ∠ACD এর মান—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. 150°
- খ. 180°
- গ. 140°
- ঘ. 160°
উত্তর: ক. 150°
ত্রিভুজের কোনো একটি বাহু বাড়ালে যে বাইরের কোণ তৈরি হয়, তাকে বহিঃস্থ কোণ (Exterior angle) বলে। এই কোণটি তার বিপরীত দুই অন্তঃস্থ কোণের যোগফলের সমান। এখানে BC বাহুকে D পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, তাই ∠ACD = ∠A + ∠B = 60° + 90° = 150°।
যাচাই করে দেখি। ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল 180°, তাই ∠C = 180° − 60° − 90° = 30°। আবার ∠ACB ও ∠ACD মিলে সরলকোণ হয়, তাই 30° + 150° = 180°। হিসাব ঠিকই আছে।
মনে রাখুন:
ত্রিভুজের বহিঃস্থ কোণ সবসময় তার প্রত্যেক বিপরীত অন্তঃস্থ কোণের চেয়ে বড় হয়।
ত্রিভুজের তিন বহিঃস্থ কোণের যোগফল 360°। - ৭. একটি সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ 25 মিটার। অপর বাহুদ্বয়ের একটি অপরটির 3/4 অংশ হলে, অপর বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্যের অনুপাত—
- ক. 3:4
- খ. 1:2
- গ. 3:5
- ঘ. 2:1
উত্তর: ক. 3:4
প্রশ্নে বলা হয়েছে, একটি বাহু অপরটির 3/4 অংশ। তাই বড় বাহুকে 4x ধরলে ছোট বাহু হয় 3x। সমকোণী ত্রিভুজে পিথাগোরাসের সূত্র (Pythagorean theorem) অনুযায়ী (3x)² + (4x)² = 25²। এ থেকে 25x² = 625, তাই x² = 25 এবং x = 5। বাহু দুটি হলো 15 ও 20 মিটার। এদের অনুপাত 15 : 20 = 3 : 4।
আসলে উত্তর এমনিতেই 3 : 4, কারণ আমরা শুরুতেই বাহু দুটিকে 3x ও 4x ধরেছি। অতিভুজের মান কেবল বাহুর আসল দৈর্ঘ্য বের করতে লাগে।
মনে রাখুন:
৩, ৪, ৫ একটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী (Pythagorean triple)। অতিভুজ ২৫ হলে বাহু দুটি এর গুণিতক ১৫ ও ২০।
আরও কিছু পিথাগোরীয় ত্রয়ী: (5, 12, 13), (8, 15, 17), (7, 24, 25)। - ৯. ০.২̇৪̇ (অর্থাৎ ০.২৪২৪২৪…) এর সমান ভগ্নাংশটি—
- ক. ১/৩
- খ. ৮/৩৩
- গ. ৯/২৮
- ঘ. ৯/৯২
উত্তর: খ. ৮/৩৩
পৌনঃপুনিক বা আবর্তিত দশমিকে (Recurring decimal) যে অংশটি বারবার আসে, তার উপরে বিন্দু বসানো হয়। এখানে ০.২̇৪̇ মানে ০.২৪২৪২৪…, অর্থাৎ ২৪ বারবার আসছে। আবর্তিত অংশে দুটি অঙ্ক আছে, তাই হর হবে ৯৯ এবং ভগ্নাংশটি হয় 24/99। লব ও হরকে ৩ দিয়ে ভাগ করলে পাই 8/33।
যাচাই করা যায়, 8 ÷ 33 = 0.242424… হয়।
মনে রাখুন:
আবর্তিত অংশে যতটি অঙ্ক থাকে, হরে ততটি ৯ বসে। যেমন ০.৩̇ = 3/9 = 1/3, ০.১̇২̇ = 12/99।
দশমিকের পরেই যদি আবর্তন শুরু না হয়, তখন হরে ৯-এর সঙ্গে ০ বসে। যেমন ০.১২̇ = (12 − 1)/90 = 11/90। - ১০. ছ'টি ক্রমিক পূর্ণ সংখ্যার প্রথম তিনটির গড় ৮ হলে, শেষ তিনটির যোগফল—
- ক. ২৯
- খ. ৩১
- গ. ৩৩
- ঘ. ৩৫
উত্তর: গ. ৩৩
ছয়টি ক্রমিক পূর্ণ সংখ্যার প্রথম তিনটির গড় ৮। ক্রমিক তিন সংখ্যার গড় হয় মাঝের সংখ্যাটি, তাই মাঝের সংখ্যা ৮ এবং প্রথম তিনটি সংখ্যা ৭, ৮, ৯। এর পরের তিনটি সংখ্যা ১০, ১১, ১২ এবং তাদের যোগফল 10 + 11 + 12 = 33।
আরেকভাবেও করা যায়। পরের তিনটি সংখ্যার প্রত্যেকটি আগের তিনটির সংশ্লিষ্ট সংখ্যার চেয়ে ৩ বেশি। তাই যোগফল বাড়বে 3 × 3 = 9। প্রথম তিনটির যোগফল 3 × 8 = 24, আর 24 + 9 = 33।
মনে রাখুন:
ক্রমিক সংখ্যার গড় সবসময় মাঝের সংখ্যা (বা দুটি মাঝের সংখ্যার গড়)।
কোনো সংখ্যাগুচ্ছের যোগফল = গড় × সংখ্যার পরিমাণ।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৮. Drone কী?
- ক. যাত্রীবাহী দ্রুতগামী বিমান
- খ. যাত্রীবিহীন বিমান
- গ. চালকসহ বিমান
- ঘ. চালকবিহীন বিমান
উত্তর: ঘ. চালকবিহীন বিমান
ড্রোন (Drone) হলো এমন ছোট আকাশযান, যার ভেতরে কোনো চালক বসে না। একে দূর থেকে রিমোট কন্ট্রোল দিয়ে চালানো হয়, অথবা আগে থেকে দেওয়া প্রোগ্রামের নির্দেশ মেনে এটি নিজে নিজেই উড়ে। তাই এটি চালকবিহীন বিমান। যাত্রীবাহী বা চালকসহ বিমানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। ছবি তোলা, নজরদারি, জরিপ আর পণ্য পাঠানোর মতো কাজে ড্রোন ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখুন:
ড্রোনের আরেক নাম মানববিহীন আকাশযান (UAV – Unmanned Aerial Vehicle)।
ইংরেজি drone শব্দের আদি অর্থ পুরুষ মৌমাছি, যা গুনগুন শব্দ করে। ড্রোনের শব্দও অনেকটা তেমন।
বাংলায় ড্রোনের উড়ার জন্য সাধারণত চার বা তার বেশি পাখা (প্রপেলার) ব্যবহার করা হয়।
বাংলা
- ১১. বাংলা সাহিত্যে গদ্যের জনক কে?
- ক. প্যারীচাঁদ মিত্র
- খ. রাজা রামমোহন
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর আগে বাংলা গদ্যে ছেদ-যতির নিয়ম ছিল না, ফলে লেখা পড়তে কষ্ট হতো। বিদ্যাসাগর বাক্যের গড়নে ছন্দ ও শৃঙ্খলা আনেন এবং প্রথম বিরামচিহ্ন (Punctuation) সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করেন। এতে গদ্য সহজে পড়া ও বোঝা যায়। রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘বাংলা ভাষার প্রথম যথার্থ শিল্পী’ বলেছিলেন।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরের গ্রন্থ: বেতালপঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস, বর্ণপরিচয়।
প্যারীচাঁদ মিত্রকে (আলালের ঘরের দুলাল) বাংলা কথ্য গদ্যের পথিকৃৎ বলা হয়।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা সাহিত্যের ‘সাহিত্যসম্রাট’ বলা হয়, আর তিনি উপন্যাসের ধারার প্রধান লেখক। - ১২. 'নানা'-এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. তত
- খ. বহু
- গ. দুই
- ঘ. এক
উত্তর: ঘ. এক
কোনো শব্দের উল্টো অর্থের শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলে। ‘নানা’ মানে বিভিন্ন বা অনেক রকম, আর এর বিপরীত হলো ‘এক’। যেমন নানা মত × এক মত। ‘বহু’ শব্দটি অনেক অর্থে ‘নানা’-র কাছাকাছি, তাই সেটি সমার্থক ঘেঁষা, বিপরীত নয়। ‘দুই’ আর ‘তত’ এখানে অর্থের দিক থেকে মেলে না।
মনে রাখুন:
একই ধরনের আরেকটি জোড়া যত × তত। এগুলো সংখ্যা বা পরিমাণবাচক শব্দের বিপরীত।
আরও কিছু জোড়া: অল্প × বেশি, কম × অধিক, অনেক × অল্প। - ১৩. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক কোনটি?
- ক. নবান্ন
- খ. রাজা
- গ. ইডিপাস
- ঘ. কৃষ্ণকুমারী
উত্তর: খ. রাজা
‘রাজা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক, যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি তিনটি অন্য লেখকের রচনা। ‘নবান্ন’ বিজন ভট্টাচার্যের নাটক, ‘কৃষ্ণকুমারী’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের, আর ‘ইডিপাস’ গ্রিক নাট্যকার সফোক্লিসের নাটক, যা বাংলায় অনুবাদ করেছেন সৈয়দ আলী আহসান।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য নাটক: ডাকঘর, রক্তকরবী, বিসর্জন, মুক্তধারা, তাসের দেশ।
রবীন্দ্রনাথের রূপক-সাংকেতিক নাটক: রাজা, ডাকঘর, অচলায়তন, রক্তকরবী, মুক্তধারা।
‘নবান্ন’ (১৯৪৪) নাটকে বাংলার মন্বন্তরের চিত্র আছে, আর ‘কৃষ্ণকুমারী’ (১৮৬১) বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক হিসেবে পরিচিত। - ১৪. 'পদ্মাবতী' কাব্যের রচয়িতা আলাওল কোন যুগের কবি?
- ক. প্রাচীন যুগের
- খ. মধ্যযুগের
- গ. আধুনিক যুগের
- ঘ. উত্তর আধুনিক যুগের
উত্তর: খ. মধ্যযুগের
আলাওল সতেরো শতকের কবি, তিনি আরাকান রাজসভায় থেকে কাব্য লিখেছেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিন যুগে ভাগ করা হয়। প্রাচীন যুগ ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল, মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল, আর আধুনিক যুগ ১৮০১ সাল থেকে। আলাওল এই মধ্যযুগের কবি। ‘পদ্মাবতী’ তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য, যেটি মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি ‘পদুমাবত’ অবলম্বনে লেখা।
মনে রাখুন:
আলাওলের অন্য রচনা: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জমাল, সিকান্দরনামা, হপ্তপয়কর, তোহফা।
আলাওল ‘সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কাব্যের শেষ অংশও রচনা করেন। কাব্যটি শুরু করেছিলেন দৌলত কাজী।
আরাকান রাজসভার আরেক বিখ্যাত কবি দৌলত কাজী। - ১৫. কোন শব্দটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ?
- ক. ঘনঘন
- খ. টনটন
- গ. বইটই
- ঘ. ধনজন
উত্তর: খ. টনটন
কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। এমন শব্দ দুবার বসালে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি (Onomatopoeic reduplication) হয়। ‘টনটন’ ব্যথার অনুভূতির ধ্বনিরূপ, তাই এটি ঠিক উদাহরণ। অন্য তিনটি আলাদা ধরনের। ‘ঘনঘন’ মানে বারবার, এটি শব্দদ্বৈত হলেও কোনো ধ্বনির অনুকরণ নয়। ‘বইটই’ হলো অনুকার দ্বিরুক্তি, যেখানে দ্বিতীয় অংশে প্রথম শব্দের সঙ্গে মিল রেখে একটি অর্থহীন বা সহায়ক শব্দ বসে। আর ‘ধনজন’ যুগ্মশব্দ।
উদাহরণ:
ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি: ঝমঝম, মড়মড়, কনকন, টিপটিপ।
অনুকার দ্বিরুক্তি: বইটই, জল-টল, ভাত-টাত। - ১৬. 'যখন আমার জনকের নাম শেখ মুজিবুর রহমান'— পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ক. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
- খ. অতুল প্রসাদ সেন
- গ. সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ. নির্মলেন্দু গুণ
উত্তর: গ. সৈয়দ শামসুল হক
‘যখন আমার জনকের নাম শেখ মুজিবুর রহমান’ পঙ্ক্তিটি সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’ কবিতার। কবিতাটিতে কবি নিজের জাতিগত ও রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরেছেন এবং বাঙালির স্বাধীনতার চেতনাকে প্রকাশ করেছেন। অন্য তিন কবির সঙ্গে এই পঙ্ক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ও অতুল প্রসাদ সেন গান ও নাটকের জন্য পরিচিত, আর নির্মলেন্দু গুণ স্বাধীনতা নিয়ে আলাদা কবিতা লিখেছেন।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের নাট্যকাব্য ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ এবং ‘নূরলদীনের সারাজীবন’।
‘নূরলদীনের সারাজীবন’-এ রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের (১৭৮৩) নেতা নূরলদীনের কথা আছে।
নির্মলেন্দু গুণের বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’। - ১৭. কোন শব্দটি উপসর্গযোগে গঠিত?
- ক. আগাছা
- খ. আবার
- গ. আরাম
- ঘ. আনাজ
উত্তর: ক. আগাছা
উপসর্গ হলো এমন শব্দাংশ, যা অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। ‘আগাছা’ শব্দে ‘আ’ উপসর্গ ‘গাছ’ শব্দের আগে বসে নিকৃষ্ট বা অপ্রয়োজনীয় অর্থ দিয়েছে, অর্থাৎ যে গাছ কোনো কাজে লাগে না। বাকি তিনটি শব্দ আলাদা ধরনের। ‘আরাম’ ও ‘আনাজ’ মূল শব্দ, আর ‘আবার’ একটি অব্যয় শব্দ, যা উপসর্গযোগে গঠিত নয়।
মনে রাখুন:
বাংলা উপসর্গ ২১টি, যেমন অ, অনা, আ, আড়, কু, নি, বি।
বাংলা উপসর্গ ছাড়াও সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি এবং বিদেশি উপসর্গ আছে।
উদাহরণ: অকাজ, অনাদর, আকাল, কুকাজ, নিখুঁত। - ১৮. প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম কোনটি?
- ক. আবুল ফজল
- খ. আবদুল হাই
- গ. কাজেম আল কোরেশী
- ঘ. শেখ আজিজুর রহমান
উত্তর: ঘ. শেখ আজিজুর রহমান
শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক। তাঁর ‘জননী’ (১৯৫৮) উপন্যাসটি তাঁকে বিশেষ পরিচিতি দেয়। ‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসে তিনি রূপকের আশ্রয়ে সমাজের অত্যাচারের কথা বলেছেন। পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় জন্ম নেওয়া এই লেখক পরে ঢাকায় বসবাস করেন।
মনে রাখুন:
উপন্যাস: ক্রীতদাসের হাসি, জাহান্নাম হইতে বিদায়, চৌরসন্ধি, জন্ম যদি তব বঙ্গে।
গল্পগ্রন্থ: পিজরাপোল। - ১৯. কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- ক. সিন্ধু হিন্দোল
- খ. অগ্নি-বীণা
- গ. ভাঙার গান
- ঘ. বিষের বাঁশী
উত্তর: খ. অগ্নি-বীণা
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নি-বীণা’, যেটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থেরই অংশ। কবিতাটি প্রথম ছাপা হয় ‘বিজলী’ পত্রিকায়, আর এর জন্য কবি ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিতি পান। ‘সিন্ধু-হিন্দোল’, ‘ভাঙার গান’ ও ‘বিষের বাঁশী’ নজরুলেরই অন্য কাব্যগ্রন্থ, কিন্তু ‘বিদ্রোহী’ সেগুলোর অংশ নয়।
মনে রাখুন:
‘অগ্নি-বীণা’র অন্য কবিতা: প্রলয়োল্লাস, আগমনী, কামালপাশা, খেয়াপারের তরণী।
নজরুলের অন্য কাব্য: দোলনচাঁপা (১৯২৩), বিষের বাঁশী (১৯২৪), ভাঙার গান (১৯২৪), সিন্ধু-হিন্দোল (১৯২৭)।
নজরুল বাংলাদেশের জাতীয় কবি। - ২০. কোনটি মহাকাব্য?
- ক. মহাশ্মশান
- খ. নীলদর্পণ
- গ. দুর্গেশনন্দিনী
- ঘ. সারদামঙ্গল
উত্তর: ক. মহাশ্মশান
যে দীর্ঘ কাহিনিকাব্যে কোনো বীরের জীবন বা কোনো বড় ঘটনা মহিমার সঙ্গে বর্ণিত হয়, তাকে মহাকাব্য বলে। কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ (১৯০৪) পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ নিয়ে লেখা মহাকাব্য। বাকিগুলোর ধরন আলাদা। ‘নীলদর্পণ’ দীনবন্ধু মিত্রের নাটক, ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস এবং ‘সারদামঙ্গল’ বিহারীলাল চক্রবর্তীর গীতিকাব্য।
মনে রাখুন:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বৃত্রসংহার’ এবং নবীনচন্দ্র সেনের ‘রৈবতক’ও মহাকাব্যের ধারার রচনা।
কায়কোবাদ মুসলমান লেখকদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্যকার হিসেবে পরিচিত। - ২১. কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
- ক. হাঙর নদী গ্রেনেড
- খ. শবনম
- গ. আরেক ফাল্গুন
- ঘ. চিলেকোঠার সেপাই
উত্তর: ক. হাঙর নদী গ্রেনেড
প্রশ্নে দুটি শর্ত আছে। রচনাটি উপন্যাস হতে হবে এবং তার পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ হতে হবে। সেলিনা হোসেনের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের গ্রামবাংলার সংগ্রাম ফুটে উঠেছে। অন্য উপন্যাসগুলোর পটভূমি আলাদা। জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ ভাষা আন্দোলনের, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের, আর সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘শবনম’ প্রেমের কাহিনি।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘আর কত দিন’।
সেলিনা হোসেনের আরেকটি পরিচিত উপন্যাস ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’।
জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা, তাই একে মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস বলা যাবে না। - ২২. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক কে?
- ক. ঈশ্বরগুপ্ত
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঘ. প্রমথ চৌধুরী
উত্তর: ঘ. প্রমথ চৌধুরী
বাংলা সাহিত্যে সাধু ভাষার পাশে চলিত ভাষার প্রচলন ঘটাতে প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ নামে মাসিক পত্রিকা বের করেন এবং এর সম্পাদক ছিলেন। তিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ঘরে বাইরে’ ও ‘চতুরঙ্গ’ উপন্যাস এই পত্রিকাতেই ছাপা হয়। বাকি তিন সম্পাদকের পত্রিকা আলাদা, যেমন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ‘সংবাদ প্রভাকর’ ও বঙ্কিমচন্দ্র ‘বঙ্গদর্শন’।
মনে রাখুন:
সংবাদ প্রভাকর (১৮৩১) – ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
বঙ্গদর্শন (১৮৭২) – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
প্রমথ চৌধুরীর গ্রন্থ: তেল-নুন-লকড়ি, চার-ইয়ারি কথা। - ২৩. ‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে নিম্নরূপে—
- ক. ষ্ + ণ
- খ. ষ্ + ঞ
- গ. য্ + ঞ
- ঘ. ষ্ + জ
উত্তর: ক. ষ্ + ণ
‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি মূর্ধন্য ‘ষ’ আর মূর্ধন্য ‘ণ’ মিলে তৈরি, অর্থাৎ ষ্ + ণ = ষ্ণ। ‘কৃষ্ণ’ ও ‘উষ্ণ’ শব্দে আমরা এই যুক্তবর্ণটি দেখতে পাই। অন্য বিকল্পে ‘ঞ’ বা ‘জ’ বসানো হয়েছে, কিন্তু ‘ষ্ণ’-এর দ্বিতীয় অংশ ‘ণ’, ‘ঞ’ নয়, তাই সেগুলো ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
ক্ষ = ক্ + ষ, জ্ঞ = জ্ + ঞ, ঞ্জ = ঞ্ + জ।
ষ্ট = ষ্ + ট, ষ্ঠ = ষ্ + ঠ।
হ্ম = হ্ + ম, যেমন ব্রাহ্মণ। - ২৪. কোনগুলো ওষ্ঠ্যধ্বনি?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯
- ক. চ ছ জ ঝ
- খ. প ফ ব ভ
- গ. ত থ দ ধ
- ঘ. য র ল শ
উত্তর: খ. প ফ ব ভ
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট একসঙ্গে লাগে, তাকে ওষ্ঠ্যধ্বনি বলে। প, ফ, ব, ভ, ম এই ধ্বনিগুলো ওষ্ঠ্য। অন্য দলগুলো অন্য জায়গা থেকে উচ্চারিত হয়। চ ছ জ ঝ তালুর সাহায্যে উচ্চারিত হয় বলে তালব্য, আর ত থ দ ধ দাঁতের সাহায্যে উচ্চারিত হয় বলে দন্ত্য।
মনে রাখুন:
কণ্ঠ্যধ্বনি ক খ গ ঘ ঙ।
মূর্ধন্যধ্বনি ট ঠ ড ঢ ণ।
ওষ্ঠ্যধ্বনি প ফ ব ভ ম। - ২৫. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. সহযোগীতা
- খ. প্রতিযোগিতা
- গ. বৈশিষ্ট্যতা
- ঘ. শ্রদ্ধাঞ্জলী
উত্তর: খ. প্রতিযোগিতা
শুদ্ধ বানান ‘প্রতিযোগিতা’। ‘প্রতিযোগী’ শব্দের সঙ্গে ‘তা’ যুক্ত হলে ঈ-কার হ্রস্ব ই-কার হয়ে যায়। অন্য শুদ্ধ রূপগুলো হলো সহযোগিতা, বৈশিষ্ট্য ও শ্রদ্ধাঞ্জলি। ‘বৈশিষ্ট্য’ শব্দটি নিজেই ভাববাচক, তাই এর সঙ্গে আবার ‘তা’ বসানো ভুল। আর ‘অঞ্জলি’ শব্দটি ই-কারান্ত, ঈ-কারান্ত নয়।
মনে রাখুন:
‘ই’ বা ‘ঈ’ প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে ‘তা’, ‘ত্ব’ যুক্ত হলে সাধারণত হ্রস্ব ই-কার হয়। যেমন মন্ত্রিত্ব, দায়িত্ব।
এক শব্দে দুবার ভাব প্রকাশ করা ঠিক নয়। যেমন সৌজন্য ঠিক, সৌজন্যতা ভুল।
বাংলাদেশ
- ২৬. 'সালাম সালাম হাজার সালাম' গানটির গায়ক কে?
- ক. আব্দুল জব্বার
- খ. আবদুল হাদী
- গ. মাহমুদুন্নবী
- ঘ. খুরশীদ আলম
উত্তর: ক. আব্দুল জব্বার
‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ গানটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে গাওয়া গান। এর গীতিকার ফজলে খোদা। গানটি গেয়েছেন শিল্পী আব্দুল জব্বার। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়ে এই গান মানুষকে সাহস জুগিয়েছিল। বাকি তিনজন শিল্পীও বাংলা গানের পরিচিত নাম, কিন্তু এই গানের গায়ক তাঁরা নন।
মনে রাখুন:
আব্দুল জব্বারের আরও কিছু গান: ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘ওরে নীল দরিয়া’, ‘তুমি কি দেখেছ কভু’।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাটে প্রথম চালু হয়। - ৩২. বাংলা আদি অধিবাসীগণ কোন ভাষাভাষী ছিলেন?
- ক. বাংলা
- খ. হিন্দি
- গ. অস্ট্রিক
- ঘ. সংস্কৃত
উত্তর: গ. অস্ট্রিক
বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন অধিবাসীরা অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, এঁদের ভাষাও অস্ট্রিক ভাষাগোষ্ঠীর। কোল, ভীল, সাঁওতাল, মুণ্ডা প্রভৃতি আদিবাসী গোষ্ঠী এঁদেরই বংশধর। প্রাচীন সাহিত্যে এঁদের নিষাদ বলা হতো। বাংলা বা হিন্দি তখনও গড়ে ওঠেনি, আর সংস্কৃত ভাষা এসেছে আর্যদের সঙ্গে অনেক পরে।
মনে রাখুন: পরে বাংলায় আসে দ্রাবিড়, আর্য ও মোঙ্গলীয় জনগোষ্ঠী।
বাংলার প্রাচীন জনপদের মধ্যে ছিল পুণ্ড্র, বঙ্গ, গৌড় ও সমতট। - ৩৪. স্বাধীনতা উত্তর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র কোনটি?
- ক. জীবন থেকে নেয়া
- খ. লেট দেয়ার বি লাইট
- গ. ওরা ১১ জন
- ঘ. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
উত্তর: গ. ওরা ১১ জন
স্বাধীনতার পর মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা নিয়ে নির্মিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র চাষী নজরুল ইসলামের পরিচালনায় ‘ওরা ১১ জন’ (১৯৭২)। এর কাহিনিতে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার সংগ্রাম দেখানো হয়েছে। ‘জীবন থেকে নেয়া’ মুক্তিযুদ্ধের আগে ১৯৭০ সালে জহির রায়হান তৈরি করেন, আর ‘লেট দেয়ার বি লাইট’ তাঁর অসমাপ্ত প্রামাণ্যচিত্র।
মনে রাখুন:
চাষী নজরুল ইসলামের আরও ছবি: সংগ্রাম, হাঙর নদী গ্রেনেড।
জহির রায়হান ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি নিখোঁজ হন।
আন্তর্জাতিক
- ২৭. ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম কী?
- ক. নরেন্দ্র মোদি
- খ. এ পি জে আব্দুল কালাম
- গ. মমতা ব্যানার্জী
- ঘ. রামনাথ কোবিন্দ
উত্তর: ঘ. রামনাথ কোবিন্দ
পরীক্ষার সময় ২০১৭ সালের অক্টোবর। তখন ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন রামনাথ কোবিন্দ। তিনি ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই ভারতের ১৪তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। ভারতে রাষ্ট্রপতি সংসদ ও রাজ্যের আইনসভার সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন, আর প্রধানমন্ত্রী সরকার চালান। অন্য বিকল্পের মধ্যে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী এবং মমতা ব্যানার্জী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। আর এ পি জে আব্দুল কালাম ছিলেন ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি।
মনে রাখুন:
ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ।
রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ৫ বছর।
কোবিন্দের আগের রাষ্ট্রপতি ছিলেন প্রণব মুখার্জী।
হালনাগাদ: ২০২২ সালের ২৫ জুলাই থেকে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। - ২৮. রেড ইন্ডিয়ান কাদের বলা হয়?
- ক. ইন্ডিয়ান আদি অধিবাসীগণ
- খ. ইন্দোনেশিয়ার আদি অধিবাসীগণ
- গ. আমেরিকায় আগত ভারতবাসীগণ
- ঘ. আমেরিকার আদি অধিবাসীগণ
উত্তর: ঘ. আমেরিকার আদি অধিবাসীগণ
কলম্বাস ১৪৯২ সালে আমেরিকা মহাদেশে পৌঁছান। তিনি ভেবেছিলেন তিনি ভারতে এসেছেন, তাই সেখানকার আদি বাসিন্দাদের ‘ইন্ডিয়ান’ বলে ডাকেন। তাঁদের গায়ের রং ও চেহারার কারণে পরে এঁরা রেড ইন্ডিয়ান নামে পরিচিত হন। অর্থাৎ রেড ইন্ডিয়ান হলো আমেরিকার আদি অধিবাসী, ভারত বা ইন্দোনেশিয়ার লোক নন।
মনে রাখুন:
আমেরিকার আদি অধিবাসীদের এখন সাধারণত ‘নেটিভ আমেরিকান’ বলা হয়।
কলম্বাস যে দ্বীপপুঞ্জে প্রথম পৌঁছান, ভুল ধারণার কারণে সেগুলোর নাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ হয়ে যায়।
‘আমেরিকা’ নামটি এসেছে ইতালীয় অভিযাত্রী আমেরিগো ভেসপুচির নাম থেকে। - ২৯. যুক্তরাষ্ট্রের নারীগণ কোন সালে ভোটাধিকার অর্জন করেন?
- ক. ১৯০২
- খ. ১৯২০
- গ. ১৯৩১
- ঘ. ১৯৪৭
উত্তর: খ. ১৯২০
যুক্তরাষ্ট্রে ১৯২০ সালে সংবিধানের ১৯তম সংশোধনীর মাধ্যমে নারীরা ভোটাধিকার পান। এর আগে নারীদের ভোটাধিকারের দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলন চলে। ১৮৪৮ সালে নিউইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম বড় নারী সম্মেলন হয়। এই আন্দোলনের পথিকৃৎদের মধ্যে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন ও সুজান বি অ্যান্থনি।
মনে রাখুন:
১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ড বিশ্বে প্রথম নারীদের ভোটাধিকার দেয়।
১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়ার নারীরা কেন্দ্রীয় নির্বাচনে এই অধিকার পান।
ফিনল্যান্ড ১৯০৬ সালে ইউরোপে প্রথম নারীদের ভোটাধিকার দেয়।
ব্রিটেনে ১৯১৮ সালে ত্রিশ বছরের বেশি বয়সী নারীরা ভোটাধিকার পান। - ৩০. রোহিঙ্গা শরণার্থীগণ মিয়ানমারের কোন অঞ্চলের অধিবাসী?
- ক. কোচিন
- খ. শান
- গ. নর্থ রাখাইন স্টেট
- ঘ. রেঙ্গুন
উত্তর: গ. নর্থ রাখাইন স্টেট
রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের পশ্চিম উপকূলের রাখাইন রাজ্যের (আগের আরাকান) বাসিন্দা, বিশেষ করে এর উত্তরাংশ নর্থ রাখাইনের। এই অঞ্চল বাংলাদেশের কক্সবাজার ও নাফ নদীর ওপারে অবস্থিত। মিয়ানমার সরকার তাদের নাগরিকত্ব দেয়নি। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে তারা নাগরিকের তালিকা থেকে বাদ পড়ে। তাই ১৯৭৮, ১৯৯২ ও ২০১৭ সালে অত্যাচারের মুখে তারা বাংলাদেশে চলে আসে। কোচিন, শান ও রেঙ্গুন মিয়ানমারের অন্য অঞ্চল, সেগুলো রোহিঙ্গাদের আবাস নয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের সবচেয়ে বড় শিবির কক্সবাজারের কুতুপালং।
রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিত্তে (আগের আকিয়াব)।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। - ৩১. নিশীথ সূর্যের দেশ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. সুইডেন
- খ. ফিনল্যান্ড
- গ. ইংল্যান্ড
- ঘ. নরওয়ে
উত্তর: ঘ. নরওয়ে
পৃথিবীর উত্তর মেরুর কাছের দেশগুলোতে গ্রীষ্মকালে অনেক সপ্তাহ সূর্য পুরোপুরি অস্ত যায় না, রাতেও আকাশে সূর্য দেখা যায়। নরওয়ের উত্তরাংশে মে থেকে জুলাই পর্যন্ত এমন হয়, তাই নরওয়েকে নিশীথ সূর্যের দেশ (Land of the Midnight Sun) বলা হয়। সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের উত্তরাংশেও কিছুদিন এমন দেখা যায়, কিন্তু পরিচিতি পেয়েছে নরওয়ে। ইংল্যান্ড এত উত্তরে নয় বলে সেখানে এ ঘটনা ঘটে না।
মনে রাখুন:
নরওয়ের রাজধানী অসলো।
জাপানকে বলা হয় উদীয়মান সূর্যের দেশ (Land of the Rising Sun)।
ফিনল্যান্ডকে বলা হয় হাজার হ্রদের দেশ।
ভুটানকে বলা হয় বজ্রপাতের দেশ (Land of the Thunder Dragon)। - ৩৩. ভারতে প্রথম প্রতীক মুদ্রা প্রবর্তন করেন কে?
- ক. ইলতুৎমিশ
- খ. শেরশাহ
- গ. লর্ড কর্নওয়ালিশ
- ঘ. মুহম্মদ বিন তুঘলক
উত্তর: ঘ. মুহম্মদ বিন তুঘলক
মুহম্মদ বিন তুঘলক দিল্লির সুলতান ছিলেন ১৩২৫ থেকে ১৩৫১ সাল পর্যন্ত। রুপার মুদ্রার ঘাটতি মেটাতে তিনি তামা ও পিতলের প্রতীক মুদ্রা (Token currency) চালু করেন, যার মূল্য রুপার মুদ্রার সমান ধরা হয়। কিন্তু জাল মুদ্রার ছড়াছড়িতে এই ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়। ফলে সুলতান শেষে প্রতীক মুদ্রা তুলে নিতে বাধ্য হন।
মনে রাখুন:
রাজধানী দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে সরানোও তাঁর বিখ্যাত পরিকল্পনা ছিল।
ইলতুৎমিশ রুপার টাকা ও তামার জিতল চালু করেন।
শেরশাহ রুপার ‘রুপিয়া’ মুদ্রা চালু করেন।
লর্ড কর্নওয়ালিশ ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন। - ৫০. International Nurse Day কবে?
- ক. ১২ মে
- খ. ১২ জানুয়ারি
- গ. ১২ অক্টোবর
- ঘ. ১২ ডিসেম্বর
উত্তর: ক. ১২ মে
আধুনিক সেবিকা পেশার জননী ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মদিন ১২ মে (১৮২০ সাল)। তাঁর সম্মানে প্রতিবছর এই দিনটি আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ক্রিমিয়ার যুদ্ধে (১৮৫৪) আহত সৈনিকদের সেবা করে তিনি বিখ্যাত হন। রাতে হাতে বাতি নিয়ে রোগীদের দেখতে যেতেন বলে সৈনিকরা তাঁকে ‘দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প’ বলত।
মনে রাখুন:
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ১৮৬০ সালে লন্ডনের সেন্ট টমাস হাসপাতালে নার্সিং প্রশিক্ষণ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
বিজ্ঞান
- ৩৫. কোনটি Upper Limb এর bone নয়?
- ক. Femur
- খ. Ulna
- গ. Radius
- ঘ. Humerus
উত্তর: ক. Femur
আমাদের হাতের উপরের অংশের হাড় হলো হিউমেরাস (Humerus), আর কনুইয়ের নিচের দুটি হাড় রেডিয়াস (Radius) ও আলনা (Ulna)। এ তিনটিই ঊর্ধ্ব অঙ্গের (Upper limb) হাড়। কিন্তু ফিমার (Femur) হলো ঊরুর হাড়, যা পায়ের অংশ। তাই ফিমার ঊর্ধ্ব অঙ্গের হাড় নয়।
মনে রাখুন:
ফিমার মানবদেহের সবচেয়ে লম্বা ও শক্ত হাড়।
নিম্ন অঙ্গের অন্য হাড়: টিবিয়া, ফিবুলা ও প্যাটেলা (হাঁটুর বাটি)।
ঊর্ধ্ব অঙ্গের সঙ্গে কাঁধের হাড় ক্ল্যাভিকল ও স্ক্যাপুলা যুক্ত থাকে।
প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে মোট ২০৬টি হাড় থাকে। - ৩৬. কোন মশার কামড়ে চিকুনগুনিয়া জ্বর হয়?
- ক. কিউলেক্স
- খ. এনোফিলিস
- গ. এডিস
- ঘ. Sand fly
উত্তর: গ. এডিস
চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত জ্বর, যা এডিস (Aedes) মশার কামড়ে ছড়ায়। এডিস মশা পরিষ্কার জমা পানিতে ডিম পাড়ে এবং দিনের বেলা কামড়ায়। এই মশাই ডেঙ্গুও ছড়ায়। অন্য মশাগুলোর সঙ্গে এই রোগের সম্পর্ক নেই। কিউলেক্স ও অ্যানোফিলিস মশা অন্য রোগের বাহক, আর বালিমাছি মশা নয়, এটি আলাদা এক পতঙ্গ।
মনে রাখুন:
ম্যালেরিয়া ছড়ায় স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা।
ফাইলেরিয়া ছড়ায় কিউলেক্স মশা।
কালাজ্বর ছড়ায় বালিমাছি (Sand fly)।
এডিস মশা ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও জিকা ভাইরাস ছড়ায়। - ৩৭. নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয় মানবদেহের কোন অঙ্গ?
- ক. কলিজা
- খ. হৃৎপিণ্ড
- গ. ফুসফুস
- ঘ. প্লীহা
উত্তর: গ. ফুসফুস
নিউমোনিয়া এমন রোগ, যাতে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের সংক্রমণে ফুসফুসের বায়ুথলিতে প্রদাহ হয় এবং থলিতে তরল জমে। তাই আক্রান্ত অঙ্গ ফুসফুস (Lung)। এতে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। যকৃত (কলিজা), হৃৎপিণ্ড ও প্লীহা এই রোগে আক্রান্ত হয় না।
মনে রাখুন:
পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ নিউমোনিয়া।
প্রতিবছর ১২ নভেম্বর বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস পালিত হয়।
নিউমোনিয়ার একটি পরিচিত জীবাণু স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনিয়ে নামের ব্যাকটেরিয়া। - ৩৮. মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত?
- ক. ৯৭.২° ফা.
- খ. ৯৪.৮° ফা.
- গ. ৯৬.৪° ফা.
- ঘ. ৯৮.৪° ফা.
উত্তর: ঘ. ৯৮.৪° ফা.
সুস্থ মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট। তাপমাত্রা সবসময় ঠিক এক থাকে না, দিনের সময় ও শরীরের অবস্থা অনুযায়ী সামান্য কমবেশি হয়। অন্য বিকল্পগুলোর মান স্বাভাবিকের চেয়ে কম। সেলসিয়াস থেকে ফারেনহাইটে যেতে সূত্র F = (9/5) C + 32। তাই (9/5) × 37 + 32 = 98.6, তবে পরীক্ষায় সাধারণত ৯৮.৪° ধরা হয়।
মনে রাখুন:
৯৮.৪° ফারেনহাইট প্রায় ৩৭° সেলসিয়াসের সমান।
মানুষের শরীরের তাপমাত্রা মাপার থার্মোমিটারকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার ৩৫° থেকে ৪২° সেলসিয়াস (৯৪° থেকে ১০৮° ফারেনহাইট) পর্যন্ত মাপতে পারে। - ৩৯. ডায়াবেটিস (Diabetes) রোগ হয়—
- ক. ইনসুলিনের অভাবে
- খ. থাইরোক্সিনের অভাবে
- গ. ইস্ট্রোজেনের অভাবে
- ঘ. গ্রোথ হরমোনের অভাবে
উত্তর: ক. ইনসুলিনের অভাবে
আমাদের অগ্ন্যাশয়ের একটি অংশের নাম আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স। সেখানকার বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন (Insulin) নামে হরমোন তৈরি হয়, যা রক্তের গ্লুকোজকে কোষে ঢুকতে সাহায্য করে। ইনসুলিনের অভাব হলে রক্তে গ্লুকোজ জমে যায় এবং প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এই রোগকেই ডায়াবেটিস (বহুমূত্র) বলে।
মনে রাখুন:
থাইরক্সিনের অভাবে গলগণ্ড হয়, আর গলগণ্ড মূলত আয়োডিনের অভাবে হয়।
বৃদ্ধি হরমোনের অভাবে বামনত্ব দেখা দেয়।
ইনসুলিন আবিষ্কারের সঙ্গে ব্যান্টিং ও বেস্টের নাম জড়িত (১৯২১)।
আলফা কোষ থেকে গ্লুকাগন নামে আরেকটি হরমোন তৈরি হয়, যা রক্তের গ্লুকোজ বাড়ায়। - ৪০. খাবার স্যালাইন বানানোর পর খাওয়ানো যাবে—
- ক. ৬ ঘণ্টা
- খ. ১২ ঘণ্টা
- গ. ৩ ঘণ্টা
- ঘ. ২ ঘণ্টা
উত্তর: খ. ১২ ঘণ্টা
ঘরে বা প্যাকেট থেকে বানানো খাবার স্যালাইন (Oral Rehydration Solution, ORS) বেশিক্ষণ রেখে দিলে তা দূষিত হতে পারে। তাই পাঠ্যবইয়ের নিয়ম অনুযায়ী বানানোর পর ১২ ঘণ্টার মধ্যে খাওয়াতে হয়। এর পরে বাকি থাকলে ফেলে দিয়ে নতুন করে বানাতে হবে।
মনে রাখুন:
ডায়রিয়ায় শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়, খাবার স্যালাইন সেই ঘাটতি পূরণ করে।
খাবার স্যালাইনের আবিষ্কারে বাংলাদেশের বড় ভূমিকা আছে। ১৯৭১ সালে শরণার্থী শিবিরে কলেরার চিকিৎসায় ডা. দিলীপ মহলানবিশ একে ব্যাপকভাবে কাজে লাগান।
ঢাকার আইসিডিডিআর,বি (ICDDR,B) ডায়রিয়া নিয়ে গবেষণার জন্য বিশ্বখ্যাত। - ৪১. পানিবাহিত রোগ কোনটি?
- ক. গলগণ্ড
- খ. হেপাটাইটিস A
- গ. ম্যালেরিয়া
- ঘ. কালাজ্বর
উত্তর: খ. হেপাটাইটিস A
পানিবাহিত রোগ হলো যে রোগের জীবাণু দূষিত পানির মাধ্যমে ছড়ায়। হেপাটাইটিস A ভাইরাস দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায় এবং যকৃতের প্রদাহ ঘটায়। অন্য রোগগুলো আলাদা পথে ছড়ায়। গলগণ্ড হয় আয়োডিনের অভাবে, ম্যালেরিয়া ছড়ায় অ্যানোফিলিস মশা, আর কালাজ্বর ছড়ায় বালিমাছি (Sand fly)।
মনে রাখুন:
হেপাটাইটিস A ও E পানিবাহিত, আর B ও C মূলত রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়।
কলেরা, টাইফয়েড ও আমাশয় পানিবাহিত রোগের পরিচিত উদাহরণ।
কলেরার জীবাণু ভিব্রিও কলেরি নামের ব্যাকটেরিয়া। - ৪২. হিমোগ্লোবিনের কাজ—
- ক. নাইট্রোজেন বহন করা
- খ. হাইড্রোজেন বহন করা
- গ. অক্সিজেন বহন করা
- ঘ. হিলিয়াম বহন করা
উত্তর: গ. অক্সিজেন বহন করা
হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) লোহিত রক্তকণিকার ভেতরের একটি লৌহযুক্ত প্রোটিন। ফুসফুসে এটি অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন তৈরি করে এবং দেহের সব কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। এই লোহার জন্যই রক্তের রং লাল। নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন বা হিলিয়াম বহন করা এর কাজ নয়।
মনে রাখুন:
হিমোগ্লোবিন কম হলে রক্তশূন্যতা (Anaemia) হয়।
একটি হিমোগ্লোবিন অণু সর্বোচ্চ ৪টি অক্সিজেন অণু বহন করতে পারে।
কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেনের চেয়ে অনেক দৃঢ়ভাবে যুক্ত হয়, তাই এই গ্যাস বিষাক্ত।
লোহিত রক্তকণিকা অস্থিমজ্জায় তৈরি হয় এবং এর আয়ু প্রায় ১২০ দিন। - ৪৩. এন্টিবায়োটিকের কাজ—
- ক. জীবাণু ধ্বংস করা
- খ. জীবাণুর বংশ বৃদ্ধি করা
- গ. ভাইরাস ধ্বংস করা
- ঘ. জীবাণু বহন করা
উত্তর: ক. জীবাণু ধ্বংস করা
এন্টিবায়োটিক (Antibiotic) এমন ওষুধ, যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে বা তাদের বংশবৃদ্ধি আটকে দেয়। তাই এর মূল কাজ জীবাণু ধ্বংস করা। এন্টিবায়োটিক ভাইরাসের ওপর কাজ করে না, তাই সর্দি-কাশির মতো ভাইরাসজনিত রোগে এটি দিয়ে লাভ হয় না। এটি জীবাণুর বংশ বাড়ায় না বা জীবাণু বহনও করে না।
মনে রাখুন:
পেনিসিলিন প্রথম এন্টিবায়োটিক। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত নয়।
অপ্রয়োজনে বা অসম্পূর্ণ কোর্সে এন্টিবায়োটিক খেলে জীবাণু ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
ভাইরাসের চিকিৎসায় অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহার হয়। - ৪৪. প্রোটিন বেশি থাকে—
- ক. ছোলার ডালে
- খ. অড়হর ডালে
- গ. মসুর ডালে
- ঘ. মাষকলাই ডালে
উত্তর: গ. মসুর ডালে
ডাল আমাদের প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। দেওয়া ডালগুলোর মধ্যে মসুর ডালে প্রোটিন সবচেয়ে বেশি, প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ২৫ গ্রাম। ছোলা ও অড়হর ডালে তা তুলনায় কিছু কম। মাষকলাই ডালেও প্রোটিন বেশি, তবে মসুরের চেয়ে কম।
মনে রাখুন:
ডালের প্রোটিনে মিথিওনিনের ঘাটতি থাকে, তাই ভাতের সঙ্গে ডাল খেলে প্রোটিনের গুণ বাড়ে।
উদ্ভিজ্জ খাবারের মধ্যে সয়াবিনে সবচেয়ে বেশি প্রোটিন থাকে।
প্রাণিজ প্রোটিনের উৎস মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ।
প্রোটিনের অভাবে শিশুদের কোয়াশিয়রকর রোগ হয়। - ৪৫. মানবদেহে প্রতিদিন পানির প্রয়োজন কত?
- ক. ৩ লিটার
- খ. ৫ লিটার
- গ. ১ লিটার
- ঘ. ৬ লিটার
উত্তর: ক. ৩ লিটার
আমাদের শরীর প্রতিদিন ঘাম, প্রস্রাব ও নিঃশ্বাসের মাধ্যমে পানি হারায়। সেই ঘাটতি পূরণ করতে একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ লিটার পানি দরকার। খাবার ও পানীয় থেকেও কিছু পানি আসে। গরমে বা পরিশ্রমে এর চেয়ে বেশি লাগতে পারে। তাই দেওয়া বিকল্পের মধ্যে ৩ লিটারই সবচেয়ে কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
শরীরের ওজনের প্রায় ৬০-৭০ ভাগই পানি।
রক্তরসের প্রায় ৯০ ভাগ পানি।
পানি শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে এবং বর্জ্য বের করতে সাহায্য করে। - ৪৬. সাধারণত রোগীর Pulse দেখা হয় কোথায়?
- ক. Ulnar artery
- খ. Radial artery
- গ. Femoral artery
- ঘ. Brachial artery
উত্তর: খ. Radial artery
নাড়ি বা পালস (Pulse) হলো ধমনির দেয়ালের তালে তালে স্পন্দন, যা প্রতিটি হৃৎস্পন্দনের সঙ্গে সৃষ্টি হয়। কবজির ঠিক ওপরে বুড়ো আঙুলের দিকে থাকা রেডিয়াল ধমনি ত্বকের খুব কাছে এবং নিচে হাড় আছে, তাই আঙুল দিয়ে সহজে অনুভব করা যায়। এ কারণে সাধারণত এখানেই পালস দেখা হয়। ফিমোরাল ও ব্র্যাকিয়াল ধমনিতেও পালস পাওয়া যায়, কিন্তু সেগুলো সাধারণ পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখুন:
প্রাপ্তবয়স্কের স্বাভাবিক পালস প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার।
রক্তচাপ মাপার সময় সাধারণত ব্র্যাকিয়াল ধমনি ব্যবহার করা হয়।
গলার পাশে ক্যারোটিড ধমনিতে জরুরি অবস্থায় পালস দেখা হয়। - ৪৭. সংক্রামক ব্যাধি কোনটি?
- ক. ডায়াবেটিস
- খ. উচ্চ রক্তচাপ
- গ. যক্ষ্মা
- ঘ. হাঁপানি
উত্তর: গ. যক্ষ্মা
যে রোগের জীবাণু এক মানুষ থেকে অন্য মানুষে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে সংক্রামক রোগ বলে। যক্ষ্মা (Tuberculosis) মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামের ব্যাকটেরিয়ায় হয় এবং কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হাঁপানি এক মানুষ থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়ায় না, এগুলো অসংক্রামক রোগ।
মনে রাখুন:
যক্ষ্মা প্রতিরোধে শিশুকে বিসিজি (BCG) টিকা দেওয়া হয়।
রবার্ট কখ ১৮৮২ সালে যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন।
প্রতিবছর ২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত হয়। - ৪৮. একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ কতদিন পর পর রক্ত দান করতে পারেন?
- ক. ১২ মাস
- খ. ৭ মাস
- গ. ৩ মাস
- ঘ. ৬ মাস
উত্তর: গ. ৩ মাস
একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ রক্ত দেওয়ার পর শরীর নতুন রক্ত তৈরি করে ঘাটতি পূরণ করে নিতে কিছুদিন সময় নেয়। তাই নিরাপদে রক্ত দিতে হলে অন্তত ৩ মাস পর পর রক্ত দান করা যায়। এর চেয়ে কম সময়ে বারবার রক্ত দিলে শরীর দুর্বল হতে পারে।
মনে রাখুন:
রক্তদাতার বয়স সাধারণত ১৮ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে হতে হয় এবং ওজন কমপক্ষে ৪৫ কেজি লাগে।
কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার ১৯০১ সালে ABO রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করেন।
প্রতিবছর ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালিত হয়।
সর্বজনীন দাতা (Universal donor) হলো O নেগেটিভ গ্রুপ। - ৪৯. জন্ম নিয়ন্ত্রণের অস্থায়ী পদ্ধতি কোনটি?
- ক. Copper T
- খ. Ligation
- গ. Vasectomy
- ঘ. Hysterectomy
উত্তর: ক. Copper T
কপার-টি (Copper T) তামার তারে মোড়ানো ছোট T-আকৃতির একটি ডিভাইস, যা জরায়ুর ভেতরে বসানো হয়। এটি অস্থায়ী জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি, কারণ প্রয়োজন হলে খুলে ফেলা যায় এবং তখন আবার সন্তান ধারণ সম্ভব। অন্য তিনটি ব্যবস্থা স্থায়ী। লাইগেশন (নারীর নল বন্ধ করা) ও ভ্যাসেকটমি (পুরুষের নালি বন্ধ করা) স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি। হিস্টেরেকটমি অস্ত্রোপচারে জরায়ু কেটে ফেলা হয়, ফলে আর সন্তান ধারণ সম্ভব হয় না।
মনে রাখুন:
অস্থায়ী পদ্ধতির উদাহরণ: খাবার বড়ি, কনডম, ইনজেকশন, ইমপ্যান্ট।
কপার-টি একবার বসালে কয়েক বছর পর্যন্ত কাজ করে, প্রয়োজন হলে তখনই খুলে ফেলা যায়।
কনডম জন্মনিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি যৌন সংক্রামক রোগ থেকেও রক্ষা করে। - ৫১. রক্তে বিলিরুবিন বেড়ে গেলে কী হয়?
- ক. Anemia
- খ. Cyanosis
- গ. Jaundice
- ঘ. Clubbing
উত্তর: গ. Jaundice
যকৃত পুরোনো লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে বিলিরুবিন (Bilirubin) নামে হলুদ রঙ্গক তৈরি করে। যকৃতের রোগ বা পিত্তনালি বন্ধ হলে এই রঙ্গক রক্তে বেড়ে যায় এবং চামড়া ও চোখ হলুদ দেখায়। এই অবস্থাকে জন্ডিস (Jaundice) বলে। অন্য তিনটি অবস্থা আলাদা কারণে হয়।
মনে রাখুন:
রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে রক্তশূন্যতা (Anaemia) হয়।
অক্সিজেনের অভাবে ত্বক নীলচে হলে তাকে সায়ানোসিস (Cyanosis) বলে।
আঙুলের ডগা মোটা ও বাঁকা হয়ে গেলে তাকে ক্লাবিং (Clubbing) বলে।
নবজাতকদের মধ্যে জন্ডিস অনেক সময় দেখা যায়।
হেপাটাইটিস ভাইরাস যকৃতের প্রদাহ ঘটিয়ে জন্ডিস করতে পারে। - ৫২. Ovary শরীরের কোন অংশে অবস্থিত?
- ক. গলায়
- খ. বুকে
- গ. তলপেটে
- ঘ. পেটে
উত্তর: গ. তলপেটে
ডিম্বাশয় (Ovary) নারীর প্রজননতন্ত্রের অঙ্গ। জরায়ুর দুই পাশে একটি করে, মোট দুটি বাদামের মতো আকারের ডিম্বাশয় তলপেটের শ্রোণী গহ্বরে থাকে। এখানে ডিম্বাণু তৈরি হয় এবং ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন নিঃসৃত হয়। তাই গলা, বুক বা ওপরের পেট নয়, তলপেটই এর অবস্থান।
মনে রাখুন:
পুরুষের প্রজননতন্ত্রে অণ্ডকোষ শুক্রাণু ও টেস্টোস্টেরন তৈরি করে।
ডিম্বাণু নিষিক্ত হয় ফ্যালোপিয়ান নালিতে, তারপর জরায়ুতে গিয়ে ভ্রূণ হিসেবে বাড়তে থাকে।
অণ্ডকোষ থাকে দেহের বাইরে অণ্ডথলিতে। - ৫৩. সবুজ শাকসবজিতে কোনটি বেশি থাকে?
- ক. Vitamin A
- খ. Vitamin C
- গ. Vitamin B
- ঘ. Vitamin K
উত্তর: ক. Vitamin A
সবুজ ও হলুদ শাকসবজিতে বিটা-ক্যারোটিন থাকে, শরীর এটিকে ভিটামিন A-তে বদলে নেয়। ভিটামিন A চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে, আর এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। চর্বিতে দ্রবণীয় বলে সবজি একটু তেলে রান্না করলে শরীর একে ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারে। সবুজ শাকে অল্প ভিটামিন C ও K-ও থাকে, কিন্তু পাঠ্যবইয়ে সবুজ শাকের প্রধান ভিটামিন হিসেবে A-কেই ধরা হয়।
মনে রাখুন:
ভিটামিন A-র আরও উৎস: গাজর, মিষ্টি কুমড়া, কলিজা, ডিমের কুসুম।
ভিটামিন A, D, E ও K চর্বিতে দ্রবণীয়।
ভিটামিন C-র ভালো উৎস লেবু, আমলকী ও পেয়ারা। - ৫৪. Penicillin কে আবিষ্কার করেন?
- ক. Robert Brown
- খ. Alexander Fleming
- গ. Robert Koch
- ঘ. Joseph Lister
উত্তর: খ. Alexander Fleming
১৯২৮ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং লক্ষ করেন, একটি ছত্রাক (পেনিসিলিয়াম) তাঁর পেট্রিডিশের ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলেছে। এভাবেই প্রথম এন্টিবায়োটিক পেনিসিলিন (Penicillin) আবিষ্কৃত হয়। এ কাজের জন্য তিনি ১৯৪৫ সালে হাওয়ার্ড ফ্লোরি ও আর্নস্ট চেইনের সঙ্গে নোবেল পুরস্কার পান।
মনে রাখুন:
রবার্ট কখ যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন, আর জোসেফ লিস্টার জীবাণুনাশক ব্যবহার চালু করেন।
রবার্ট ব্রাউন ১৮৩১ সালে কোষের নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন।
ফ্লেমিং ১৯২১ সালে লাইসোজাইম নামের জীবাণুনাশক উৎসেচকও আবিষ্কার করেন। - ৫৫. Normal Saline এ কী আছে?
- ক. 0.9% Sodium chloride
- খ. 0.5% Sodium chloride
- গ. 0.75% Sodium chloride
- ঘ. 3% Sodium chloride
উত্তর: ক. 0.9% Sodium chloride
নরমাল স্যালাইন (Normal Saline) হলো পানিতে ০.৯% সোডিয়াম ক্লোরাইড মেশানো দ্রবণ, অর্থাৎ ১০০ মিলিলিটারে ০.৯ গ্রাম লবণ। এর লবণের মাত্রা রক্তরসের মতো বলে শিরায় দিলে কোষের কোনো ক্ষতি হয় না। তাই একে আইসোটনিক দ্রবণ বলা হয়। বেশি ঘন দ্রবণে (যেমন ৩%) কোষ থেকে পানি বেরিয়ে কোষ কুঁচকে যায়, আর বেশি পাতলা দ্রবণে কোষ ফুলে ওঠে।
মনে রাখুন:
৫% ডেক্সট্রোজ ও রিংগার্স ল্যাকটেট অন্য দুটি পরিচিত শিরায় দেওয়ার দ্রবণ।
৩% সোডিয়াম ক্লোরাইড হাইপারটোনিক দ্রবণ, যা বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
নরমাল স্যালাইনে প্রতি লিটারে ৯ গ্রাম লবণ থাকে। - ৫৬. কত'র নিচে হৃৎস্পন্দন হলে Bradycardia বলে?
- ক. ৬০/মিনিট
- খ. ৭০/মিনিট
- গ. ৮০/মিনিট
- ঘ. ১০০/মিনিট
উত্তর: ক. ৬০/মিনিট
হৃৎপিণ্ড প্রাপ্তবয়স্কের বিশ্রামে সাধারণত মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার স্পন্দিত হয়। মিনিটে ৬০-এর নিচে নেমে গেলে তাকে ব্র্যাডিকার্ডিয়া (Bradycardia) বলে, আর ১০০-এর ওপরে উঠলে ট্যাকিকার্ডিয়া (Tachycardia)। নিয়মিত ক্রীড়াবিদদের হৃদস্পন্দন স্বাভাবিকভাবেই কম থাকতে পারে, তাই সবসময় এটি রোগের লক্ষণ নয়।
মনে রাখুন:
‘ব্র্যাডি’ মানে ধীর, ‘ট্যাকি’ মানে দ্রুত।
হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে সাইনো-অ্যাট্রিয়াল নোড (SA node), যাকে প্রাকৃতিক পেসমেকার বলা হয়।
গড়ে প্রাপ্তবয়স্কের হৃৎস্পন্দন মিনিটে প্রায় ৭২ বার। - ৫৭. রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা 200 mg/dL এর বেশি কোন রোগে?
- ক. Diabetes
- খ. Asthma
- গ. Jaundice
- ঘ. Anaemia
উত্তর: ক. Diabetes
ডায়াবেটিসে ইনসুলিনের অভাবে বা কাজ না করার কারণে রক্তের গ্লুকোজ কোষে ঢুকতে পারে না, ফলে রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে যায়। খাওয়ার পর যেকোনো সময়ের পরীক্ষায় এই মাত্রা ২০০ mg/dL বা তার বেশি হলে এবং লক্ষণ থাকলে ডায়াবেটিস ধরা হয়। হাঁপানি, জন্ডিস বা রক্তশূন্যতায় রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা এভাবে বাড়ে না।
মনে রাখুন:
খালি পেটে গ্লুকোজ ১২৬ mg/dL-এর বেশি হলেও ডায়াবেটিস ধরা হয়।
সুস্থ মানুষের খালি পেটে গ্লুকোজ সাধারণত ৭০ থেকে ১০০ mg/dL।
প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত হয়। - ৫৮. Dialysis করা প্রয়োজন হয় কোন রোগে?
- ক. Respiratory failure
- খ. Hepatic failure
- গ. Cardiac failure
- ঘ. Renal failure
উত্তর: ঘ. Renal failure
কিডনি বা বৃক্ক রক্ত ছেঁকে ইউরিয়া ও অন্যান্য বর্জ্য প্রস্রাব হিসেবে বের করে দেয়। কিডনি অকেজো হলে (Renal failure) এই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তখন যন্ত্রের সাহায্যে রক্ত পরিশোধন করা হয়, একে ডায়ালাইসিস (Dialysis) বলে। ফুসফুস, যকৃৎ বা হৃৎপিণ্ডের অকার্যকারিতায় ডায়ালাইসিস করা হয় না, এসব ক্ষেত্রে অন্য চিকিৎসা লাগে।
মনে রাখুন:
ডায়ালাইসিসের পরে স্থায়ী সমাধান হলো কিডনি প্রতিস্থাপন।
ডায়ালাইসিস দুই ধরনের: হিমোডায়ালাইসিস ও পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস।
প্রতিটি কিডনিতে প্রায় ১০ লাখ নেফ্রন থাকে। - ৫৯. কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস কখন দেয়া হয়?
- ক. Respiratory failure
- খ. Liver failure
- গ. Cardiac arrest
- ঘ. Renal failure
উত্তর: ক. Respiratory failure
ফুসফুস যখন নিজে থেকে শরীরে যথেষ্ট অক্সিজেন ঢোকাতে বা কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের করতে পারে না, তখন তাকে শ্বাসতন্ত্রের অকার্যকারিতা (Respiratory failure) বলে। তখন যন্ত্র (ভেন্টিলেটর) বা মুখে মুখ লাগিয়ে কৃত্রিম শ্বাস দেওয়া হয়। অন্য অবস্থাগুলোতে কৃত্রিম শ্বাসের বদলে আলাদা চিকিৎসা লাগে।
মনে রাখুন:
হৃৎপিণ্ড থেমে গেলে (Cardiac arrest) বুকে চাপ দিয়ে সিপিআর (CPR) করতে হয়।
সিপিআর-এ সাধারণত ৩০ বার বুকে চাপের পর ২ বার কৃত্রিম শ্বাস দেওয়া হয়।
CPR-এর পুরো নাম Cardiopulmonary Resuscitation। - ৬০. Hypoxia কখন হয়?
- ক. Oxygen কমে গেলে
- খ. Carbon dioxide বেড়ে গেলে
- গ. Oxygen বেড়ে গেলে
- ঘ. Carbon dioxide কমে গেলে
উত্তর: ক. Oxygen কমে গেলে
Hypoxia শব্দটি এসেছে ‘হাইপো’ (কম) আর ‘অক্সিয়া’ (অক্সিজেন) থেকে। শরীরের কলায় প্রয়োজনের তুলনায় অক্সিজেন কমে গেলে এই অবস্থা হয়। উঁচু পাহাড়ে বা ফুসফুসের রোগে এমন হতে পারে এবং ঠোঁট নীলচে দেখায়। কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়া বা কমা এই শব্দের অর্থ নয়।
মনে রাখুন:
কার্বন-ডাই-অক্সাইড বেড়ে যাওয়াকে Hypercapnia বলে।
শরীরে অক্সিজেন একেবারে না থাকলে তাকে Anoxia বলে।
পালস অক্সিমিটার দিয়ে রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা মাপা হয়, যা সুস্থ মানুষের ৯৫ থেকে ১০০ শতাংশ।
শব্দের শেষের অংশ দেখে বিশেষজ্ঞ চেনা যায়: -ology মানে বিদ্যা বা শাস্ত্র, আর -ologist মানে সেই শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞ। আবার -iatrician বা -iatrist দিয়েও চিকিৎসক বোঝানো হয়, যেমন paediatrician ও psychiatrist। - ৬১. কত ওজনের Newborn বাচ্চাকে Low Birth Weight বলে?
- ক. ৩ কেজির নিচে
- খ. ২½ কেজির নিচে
- গ. ২ কেজির নিচে
- ঘ. ১½ কেজির নিচে
উত্তর: খ. ২½ কেজির নিচে
জন্মের সময় শিশুর ওজন ২৫০০ গ্রাম বা ২½ কেজির কম হলে তাকে কম জন্ম-ওজনের শিশু (Low Birth Weight) বলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই মান নির্ধারণ করেছে। এমন শিশুদের সংক্রমণ ও অপুষ্টির ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই ৩ কেজি নয়, ২½ কেজিই এখানে সীমারেখা। ২ কেজি বা ১½ কেজির নিচের শিশুরা আরও ঝুঁকিতে থাকে, কিন্তু মান ধরা হয় ২½ কেজি।
মনে রাখুন: শিশুর স্বাভাবিক জন্ম-ওজন গড়ে ৩ কেজির কাছাকাছি।
১৫০০ গ্রামের নিচে হলে তাকে খুব কম জন্ম-ওজনের শিশু বলে। - ৬২. কোন টীকাটি ইপিআই প্রোগ্রামে দেয়া হয় না?
- ক. MMR
- খ. BCG
- গ. DPT
- ঘ. Polio
উত্তর: ক. MMR
ইপিআই (EPI – Expanded Programme on Immunization) হলো বাংলাদেশে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি। এতে বিসিজি, পোলিও, ডিপিটি (বর্তমানে পেন্টাভ্যালেন্ট), হাম-রুবেলা প্রভৃতি টিকা দেওয়া হয়। এম.এম.আর (হাম, মাম্পস, রুবেলা) তখন এই তালিকায় ছিল না, তাই এটিই এমন টিকা, যা ইপিআই-তে দেওয়া হয় না।
মনে রাখুন:
বিসিজি যক্ষ্মার, ডিপিটি ডিপথেরিয়া-হুপিং কাশি-ধনুষ্টংকারের টিকা।
বাংলাদেশে ইপিআই কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৭৯ সালে।
বিসিজি টিকা জন্মের পরপরই দেওয়া হয়। - ৬৩. কোনটি ভেক্টরবাহিত রোগ নয়?
- ক. ম্যালেরিয়া
- খ. কালাজ্বর
- গ. ইনফ্লুয়েঞ্জা
- ঘ. ডেঙ্গু জ্বর
উত্তর: গ. ইনফ্লুয়েঞ্জা
রোগজীবাণু বহন করে অন্যকে সংক্রমিত করে এমন প্রাণীকে ভেক্টর (Vector) বলে। ম্যালেরিয়ার ভেক্টর অ্যানোফিলিস মশা, ডেঙ্গুর এডিস মশা, আর কালাজ্বরের বালিমাছি। ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাস হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়, এর কোনো ভেক্টর নেই। তাই এটিই ভেক্টরবাহিত রোগ নয়।
মনে রাখুন:
ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়া যায়।
চিকুনগুনিয়া ছড়ায় এডিস মশা, আর ফাইলেরিয়া ছড়ায় কিউলেক্স মশা।
প্লেগের জীবাণু ইঁদুরের গায়ের মাছির মাধ্যমে ছড়ায়।
সাধারণ নিয়ম: যে কাজ করে তাকে বোঝাতে অনেক সময় -er বা -or বসে, যেমন teacher, editor। তবে cobbler, tailor ও butcher এভাবে ভিন্ন শেষাংশের পেশা-শব্দ, এগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হয়। - ৬৪. কোনটি Water Soluble vitamin?
- ক. Vitamin C
- খ. Vitamin A
- গ. Vitamin D
- ঘ. Vitamin K
উত্তর: ক. Vitamin C
ভিটামিন সি (অ্যাসকরবিক এসিড) পানিতে দ্রবণীয়, তাই শরীর তা জমিয়ে রাখতে পারে না এবং প্রতিদিন খাবারে নিতে হয়। ভিটামিন A, D, E ও K চর্বিতে দ্রবণীয় এবং এগুলো শরীরে জমা থাকতে পারে। তাই দেওয়া বিকল্পের মধ্যে কেবল ভিটামিন সি-ই পানিতে দ্রবণীয়।
মনে রাখুন:
ভিটামিন সি-র অভাবে স্কার্ভি হয়। লেবু, কমলা, আমলকী ও পেয়ারা এর ভালো উৎস।
ভিটামিন বি-কমপ্লেক্সও পানিতে দ্রবণীয়।
ভিটামিন B₁-এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।
ভিটামিন D-র অভাবে শিশুদের রিকেটস হয়। - ৬৫. মানুষের দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছের অন্তর্ভুক্তি যে রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করে—
- ক. রিকেটস
- খ. অস্টিওমাইলাইটিস
- গ. হাইপোথাইরয়েডিজম
- ঘ. আর্থ্রাইটিস
উত্তর: গ. হাইপোথাইরয়েডিজম
সামুদ্রিক মাছে প্রচুর আয়োডিন থাকে। থাইরয়েড গ্রন্থি এই আয়োডিন দিয়ে থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করে, যা শরীরের বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। আয়োডিনের অভাব হলে থাইরক্সিন কমে গিয়ে হাইপোথাইরয়েডিজম হয়, তাই খাদ্যে সামুদ্রিক মাছ থাকলে এ রোগের ঝুঁকি কমে। রিকেটস ভিটামিন D ও ক্যালসিয়ামের অভাবে হয়, অন্য রোগগুলোর সঙ্গে আয়োডিনের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ডও হয়, তাই আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়া উচিত।
গর্ভবতী মায়ের আয়োডিনের অভাব হলে শিশুর ক্রেটিনিজম হতে পারে।
থাইরয়েড গ্রন্থি গলার সামনের দিকে থাকে। - ৬৬. অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হলো—
- ক. গ্লুকোজ
- খ. গ্লাইকোজেন
- গ. আমিষ
- ঘ. গ্যালাকটোজ
উত্তর: খ. গ্লাইকোজেন
আমরা বেশি খাবার খেলে শরীর অতিরিক্ত গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেন (Glycogen) নামে জটিল শর্করায় বদলে যকৃত ও পেশিতে জমিয়ে রাখে। শরীরে গ্লুকোজের ঘাটতি হলে যকৃত এই গ্লাইকোজেন ভেঙে আবার গ্লুকোজ তৈরি করে। তাই যকৃতে জমা থাকা চিনি গ্লুকোজ নয়, গ্লাইকোজেন। আমিষ হলো প্রোটিন, আর গ্যালাকটোজ দুধের শর্করার একটি অংশ।
মনে রাখুন:
গ্লাইকোজেনকে ‘প্রাণিজ শ্বেতসার’ বলা হয়।
গাছে শর্করা জমা হয় শ্বেতসার (স্টার্চ) হিসেবে।
ইনসুলিন গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেনে বদলাতে সাহায্য করে।
শেকসপিয়র নাট্যকার হওয়ার পাশাপাশি কবিও ছিলেন। তাঁর সনেটগুলো ১৬০৯ সালে একসঙ্গে প্রকাশিত হয়। তাঁর নাটক মঞ্চস্থ হতো লন্ডনের বিখ্যাত গ্লোব থিয়েটারে। - ৬৭. কোন ডালের সঙ্গে ল্যাথাইরিজমের সম্পর্ক আছে?
- ক. মসুর
- খ. মুগ
- গ. খেসারি
- ঘ. মাষকলাই
উত্তর: গ. খেসারি
খেসারি ডালে বিটা-অক্সালিল অ্যামিনো অ্যালানিন (BOAA) নামে একটি বিষাক্ত পদার্থ থাকে। দীর্ঘদিন প্রধান খাদ্য হিসেবে খেসারি ডাল খেলে এটি স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করে পা অবশ হয়ে যায়, একে ল্যাথাইরিজম (Lathyrism) বলে। মসুর, মুগ বা মাষকলাইয়ের সঙ্গে এই রোগের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
ডালটি অল্প পরিমাণে খেলে বা অন্য খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ঝুঁকি কমে।
খেসারির বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাথাইরাস সাটাইভাস (Lathyrus sativus), তা থেকেই রোগের নাম।
ডাল শিমজাতীয় গাছ, যার শিকড়ের গুটিতে থাকা রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া বাতাসের নাইট্রোজেন মাটিতে জমা করে। - ৬৮. মানবদেহে ক্রোমোজোম সাধারণত কয় জোড়া থাকে?
- ক. ২৩ জোড়া
- খ. ৪৬ জোড়া
- গ. ২১ জোড়া
- ঘ. ৪২ জোড়া
উত্তর: ক. ২৩ জোড়া
মানুষের প্রতিটি দেহকোষে মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে, অর্থাৎ ২৩ জোড়া। এর ২২ জোড়া অটোজোম (দেহ গঠনের) এবং বাকি ১ জোড়া লিঙ্গ নির্ধারণকারী। নারীর লিঙ্গ ক্রোমোজোম XX আর পুরুষের XY। ৪৬ হলো মোট সংখ্যা, জোড়ার সংখ্যা নয়, তাই ৪৬ জোড়া ভুল।
মনে রাখুন:
জননকোষে (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) ক্রোমোজোম থাকে ২৩টি।
ক্রোমোজোম গঠিত হয় ডিএনএ ও প্রোটিন দিয়ে।
২১তম ক্রোমোজোম একটি বেশি থাকলে ডাউন সিনড্রোম হয়। - ৬৯. স্ট্রোক শরীরের কোন অংশের রোগ?
- ক. মস্তিষ্ক
- খ. যকৃত
- গ. কিডনি
- ঘ. প্লীহা
উত্তর: ক. মস্তিষ্ক
মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত চলাচল হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে বা মস্তিষ্কের কোনো রক্তনালি ফেটে গেলে স্ট্রোক (Stroke) হয়। তখন সেই অংশের কোষ অক্সিজেন না পেয়ে মারা যায়, ফলে শরীরের এক পাশ অবশ বা কথা বলতে অসুবিধা হয়। তাই স্ট্রোক মস্তিষ্কের রোগ, যকৃত, কিডনি বা প্লীহার নয়।
মনে রাখুন:
উচ্চ রক্তচাপ স্ট্রোকের প্রধান ঝুঁকি।
স্ট্রোক প্রধানত দুই ধরনের: রক্ত জমাট বেঁধে নালি বন্ধ হওয়া এবং রক্তনালি ফেটে যাওয়া।
প্রতিবছর ২৯ অক্টোবর বিশ্ব স্ট্রোক দিবস পালিত হয়। - ৭০. ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস কী?
- ক. কলা
- খ. আম
- গ. দুধ
- ঘ. মুরগি
উত্তর: গ. দুধ
ক্যালসিয়াম আমাদের হাড় ও দাঁত গড়ে তোলে এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে, তাই এটি এর প্রধান উৎস। কলা, আম বা মুরগিতে ক্যালসিয়াম থাকে খুব কম। ছোট মাছ ও সবুজ শাকেও ক্যালসিয়াম থাকে।
মনে রাখুন:
ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের রিকেটস হতে পারে, তবে এর সঙ্গে ভিটামিন D-ও দরকার।
প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় ভঙ্গুর হয়ে অস্টিওপোরোসিস হতে পারে।
শরীরের ক্যালসিয়ামের প্রায় ৯৯ ভাগ হাড় ও দাঁতে থাকে। - ৭১. মানুষের শরীরে কত প্রকারের রক্তকণিকা আছে?
- ক. তিন
- খ. চার
- গ. দুই
- ঘ. পাঁচ
উত্তর: ক. তিন
রক্তে তিন ধরনের কণিকা থাকে। লোহিত রক্তকণিকা অক্সিজেন বহন করে, শ্বেত রক্তকণিকা জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে, আর অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। এই তিনটি ছাড়া রক্তে আর কোনো কণিকা নেই, তাই সংখ্যাটি তিন।
মনে রাখুন:
রক্তের তরল অংশের নাম রক্তরস (Plasma)।
লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না এবং এটি সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি।
শ্বেত রক্তকণিকা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে, তাই একে দেহের সৈনিকও বলা হয়।
পরীক্ষায় antonym প্রশ্নে আগে শব্দটির সরাসরি উল্টো অর্থ খুঁজে নিতে হয়। যেমন smooth পৃষ্ঠ হাত দিয়ে মসৃণ লাগে, আর rough পৃষ্ঠ খসখসে লাগে। এই অনুভূতির পার্থক্যই শব্দ দুটিকে বিপরীত করেছে।
ইংরেজি
- ৭২. In the sense of 'lack of rainfall', which of the following words is right?
- ক. draught
- খ. drought
- গ. draft
- ঘ. drauft
উত্তর: খ. drought
Drought মানে খরা, অর্থাৎ বৃষ্টির অভাবে দীর্ঘদিন শুকনো আবহাওয়া। ‘বৃষ্টির অভাব’ অর্থে এই বানানটিই সঠিক। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। draught মানে বাতাসের ঝাপটা বা এক ঢোক পানীয়, draft মানে খসড়া। Drauft বলে কোনো ইংরেজি শব্দ নেই।
মনে রাখুন:
Flood-এর বিপরীত অবস্থা drought।
Draught horse মানে ভারী বোঝা টানা ঘোড়া।
Draft of a letter মানে চিঠির খসড়া।
বানান মনে রাখার সহজ উপায় হলো crux থেকে ‘c’ দিয়ে শুরু হওয়া অংশটি মনে রাখা। Crucial বানানের মাঝখানের অংশে ‘c’ ও ‘i’ আছে, ‘t’, ‘s’ বা ‘z’ নেই। - ৭৩. A doctor who studies and treats diseases of the nerve is—
- ক. a paediatrician
- খ. an oncologist
- গ. a nephrologist
- ঘ. a neurologist
উত্তর: ঘ. a neurologist
Neurologist হলেন স্নায়ুরোগের চিকিৎসক। এই শব্দের শুরুতে neuro মানে স্নায়ু আর -logist মানে বিশেষজ্ঞ। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। paediatrician শিশুরোগ চিকিৎসক, oncologist ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, nephrologist কিডনি রোগের বিশেষজ্ঞ।
মনে রাখুন:
Cardiologist হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, dermatologist চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ।
Ophthalmologist চোখের চিকিৎসক, gynaecologist নারীরোগ বিশেষজ্ঞ।
Psychiatrist মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, orthopaedist হাড়ের চিকিৎসক। - ৭৪. The word 'beautify' is—
- ক. a noun
- খ. an adverb
- গ. a verb
- ঘ. an adjective
উত্তর: গ. a verb
Beautify মানে সুন্দর করা, এটি একটি verb। শব্দের শেষে -ify যুক্ত হলে সাধারণত verb তৈরি হয়। এখানে মূল শব্দ beauty (noun), তার সঙ্গে -ify বসে verb হয়েছে। অন্য রূপগুলো হলো beautiful (adjective) আর beautifully (adverb)।
উদাহরণ:
Simple – simplify, Pure – purify, Clear – clarify।
Glory – glorify, Solid – solidify।
মনে রাখুন: Verb তৈরির অন্য প্রত্যয় -ize ও -en। যেমন modernize, sweeten। - ৭৫. Which of the following is a correct sentence?
- ক. Ten miles are a long distance.
- খ. Ten miles are long distance.
- গ. Ten miles is long distance.
- ঘ. Ten miles is a long distance.
উত্তর: ঘ. Ten miles is a long distance.
দূরত্ব, সময়, ওজন বা টাকার পরিমাণকে একটি একক হিসেবে ধরা হয়, তাই সেগুলোর সঙ্গে singular verb বসে। ফলে Ten miles-এর পর is আসে। আবার distance countable noun, তাই এর আগে article ‘a’ দরকার। এভাবে সঠিক বাক্য হয় Ten miles is a long distance। ‘are’ বসানো বা ‘a’ বাদ দেওয়া ভুল।
উদাহরণ:
Five years is a long time.
Fifty rupees is not enough.
মনে রাখুন: News, physics, mathematics এসব শব্দ দেখতে plural মনে হলেও singular verb নেয়। - ৭৬. One who mends shoes is a—
- ক. carpenter
- খ. butcher
- গ. cobbler
- ঘ. potter
উত্তর: গ. cobbler
Cobbler মানে মুচি, যে জুতা মেরামত করে। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। carpenter কাঠমিস্ত্রি, butcher কসাই আর potter কুমার, যে মাটির পাত্র বানায়।
মনে রাখুন:
Tailor – দর্জি, blacksmith – কামার, goldsmith – স্বর্ণকার।
Mason – রাজমিস্ত্রি, barber – নাপিত।
Shoemaker জুতা তৈরি করে, আর cobbler জুতা মেরামত করে। - ৭৭. The English translation of 'আমরা না হেসে পারলাম না' is —
- ক. We did nothing but laugh.
- খ. We laughed and did nothing.
- গ. We could not but laugh.
- ঘ. We did not laugh but could not do anything.
উত্তর: গ. We could not but laugh.
‘না করে পারলাম না’ অর্থ বোঝাতে ইংরেজিতে ‘could not but + verb (base form)’ গঠন ব্যবহার হয়। তাই ‘আমরা না হেসে পারলাম না’ হলো We could not but laugh। ‘We did nothing but laugh’ মানে ‘আমরা হাসা ছাড়া আর কিছুই করলাম না’, অর্থাৎ ‘শুধু হাসলাম’। এ বাক্যে ‘পারলাম না’ ভাবটি নেই বলে তা ঠিক অনুবাদ নয়।
উদাহরণ: I could not but admire his courage.
মনে রাখুন:
একই অর্থে could not help + V-ing বলা যায়। যেমন We could not help laughing।
Cannot but-এর পর সবসময় verb-এর base form বসে। - ৭৮. Find out the correct sentence :
- ক. More you read more you learn.
- খ. The more you read more you learn.
- গ. More you read, the more you learn.
- ঘ. The more you read the more you learn.
উত্তর: ঘ. The more you read the more you learn.
দুটি বিষয়ের একসঙ্গে বাড়া বা কমা বোঝাতে ইংরেজিতে ‘The + comparative, the + comparative’ গঠন ব্যবহার হয়। দুই অংশের শুরুতেই The বসে। তাই সঠিক বাক্য হলো The more you read the more you learn। অন্য বাক্যগুলোতে এক বা দুই জায়গায় The বাদ পড়েছে।
উদাহরণ:
The sooner, the better.
The higher you climb, the colder it becomes.
মনে রাখুন: এই গঠনে comparative degree মানে more, better, higher এ ধরনের শব্দ ব্যবহার হয়। - ৭৯. The book 'A Tale of Two Cities' is written by—
- ক. Thomas Hardy
- খ. Charles Dickens
- গ. Jonathan Swift
- ঘ. George Orwell
উত্তর: খ. Charles Dickens
‘A Tale of Two Cities’ (১৮৫৯) চার্লস ডিকেন্সের ঐতিহাসিক উপন্যাস। এর কাহিনি ফরাসি বিপ্লবের সময় লন্ডন ও প্যারিসকে ঘিরে। উপন্যাসের শুরুর বিখ্যাত বাক্য ‘It was the best of times, it was the worst of times’। অন্য লেখকরা অন্য বই লিখেছেন। থমাস হার্ডি লিখেছেন ‘Tess of the d’Urbervilles’, জোনাথান সুইফট ‘Gulliver’s Travels’ আর জর্জ অরওয়েল ‘Animal Farm’।
মনে রাখুন: ডিকেন্সের অন্য উপন্যাস: Oliver Twist, David Copperfield, Great Expectations।
চার্লস ডিকেন্স ১৮১২ সালে জন্ম নেন এবং ১৮৭০ সালে মারা যান। - ৮০. Who of the following is known as a dramatist?
- ক. William Wordsworth
- খ. William Shakespeare
- গ. John Keats
- ঘ. P.B. Shelley
উত্তর: খ. William Shakespeare
উইলিয়াম শেকসপিয়র (William Shakespeare) ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার (Dramatist)। ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কিটস ও শেলি তিনজনই কবি। শেকসপিয়র ১৫৬৪ সালে স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-এভনে জন্ম নেন এবং ১৬১৬ সালে মারা যান।
মনে রাখুন:
শেকসপিয়রের ট্র্যাজেডি: Hamlet, Macbeth, Othello, King Lear।
শেকসপিয়রের কমেডি: A Midsummer Night’s Dream, Twelfth Night।
ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কিটস ও শেলি ইংরেজি রোমান্টিক কবি। - ৮১. To complete the sentence 'A businessman has set— this school', we need—
- ক. down
- খ. up
- গ. for
- ঘ. out
উত্তর: খ. up
Set up একটি phrasal verb, যার অর্থ প্রতিষ্ঠা করা বা স্থাপন করা। তাই ‘A businessman has set up this school’ বাক্যে বিদ্যালয় স্থাপন করার অর্থটি ঠিক বসে। Set down মানে নামিয়ে রাখা বা লিখে রাখা, আর set out মানে যাত্রা শুরু করা। Set for নামে প্রচলিত কোনো phrasal verb নেই।
উদাহরণ:
They set up a new company.
He set up a hospital in the village.
মনে রাখুন: Set off মানে যাত্রা শুরু করা বা বিস্ফোরণ ঘটানো। - ৮২. The phrase ‘at the outset’ means—
- ক. In the end
- খ. In the middle
- গ. At the beginning
- ঘ. Before the end
উত্তর: গ. At the beginning
Outset মানে শুরু বা আরম্ভ। তাই at the outset মানে শুরুতে বা প্রথমেই। এর সমার্থক at the beginning। বাকি বিকল্পগুলো উল্টো দিকের, যেমন in the end মানে শেষে আর in the middle মানে মাঝখানে।
উদাহরণ: At the outset, he refused to help.
মনে রাখুন:
From the outset মানে একেবারে শুরু থেকে।
Synonym: initially, at first। - ৮৩. Which of the following is not a singular number?
- ক. analysis
- খ. poetry
- গ. cattle
- ঘ. alms
উত্তর: গ. cattle
Cattle শব্দটি আকারে singular মনে হলেও সবসময় plural হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং plural verb নেয়। যেমন The cattle are grazing। Analysis ও poetry singular। আর alms এখানে singular হিসেবে ধরা হয়েছে, তাই প্রশ্নের শর্তে এটি ‘not singular’ নয়।
উদাহরণ: Police, people, cattle এই তিনটি শব্দ সবসময় plural verb নেয়।
মনে রাখুন:
Analysis-এর plural হলো analyses।
News, physics ও mathematics দেখতে plural মনে হলেও singular। - ৮৪. Which of the following is a common gender?
- ক. prince
- খ. ewe
- গ. spouse
- ঘ. mare
উত্তর: গ. spouse
যে noun পুরুষ ও নারী দুজনকেই বোঝাতে পারে, তাকে common gender বলে। Spouse মানে স্বামী বা স্ত্রী, তাই এটি common gender। Prince masculine, আর ewe (ভেড়ী) ও mare (ঘোড়ী) feminine।
উদাহরণ: Child, student, parent, teacher সবই common gender।
মনে রাখুন:
Prince – princess, ewe – ram, mare – stallion।
প্রাণহীন জিনিস বোঝাতে neuter gender হয়। যেমন book, table। - ৮৫. The antonym of the word 'smooth' is—
- ক. hard
- খ. rough
- গ. sharp
- ঘ. plain
উত্তর: খ. rough
Smooth মানে মসৃণ, আর এর বিপরীত rough, যার অর্থ এবড়োখেবড়ো বা অমসৃণ। Hard মানে শক্ত, sharp মানে ধারালো আর plain মানে সমতল বা সাদাসিধে। এগুলো smooth-এর সরাসরি বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
Rough-এর আরেক অর্থ রূঢ় বা কর্কশ।
আরও কিছু বিপরীত জোড়া: hard – soft, sharp – blunt।
Smooth-এর সমার্থক শব্দ even বা level। - ৮৬. Which of the following has the correct spelling?
- ক. Crucial
- খ. Crutial
- গ. Crustial
- ঘ. Crusial
উত্তর: ক. Crucial
সঠিক বানান Crucial, যার অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা সংকটময়। অন্য তিনটি ভুল বানান। শব্দটি ল্যাটিন crux (ক্রুশ) থেকে এসেছে।
উদাহরণ: Water is crucial for life.
মনে রাখুন:
Crux শব্দের অর্থ মূল বিষয় বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
Crucify, excruciating শব্দও একই ল্যাটিন শব্দ থেকে এসেছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (তড়িৎ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ফার্মাসিস্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন