স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (তড়িৎ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯। ৬১টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলাদেশ
- ১. বাংলাদেশের কোন জেলায় আগর চাষ হয়?
- ক. কুমিল্লা
- খ. রংপুর
- গ. খাগড়াছড়ি
- ঘ. মৌলভীবাজার
উত্তর: ঘ. মৌলভীবাজার
আগর একটি সুগন্ধি কাঠ, যা আগরবাতি, আতর ও সুগন্ধি তেল তৈরিতে লাগে। বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে আগর চাষের জন্য মৌলভীবাজার জেলা সবচেয়ে পরিচিত, বিশেষ করে শ্রীমঙ্গল ও বড়লেখা এলাকা। এই জেলার জলবায়ু ও টিলাযুক্ত মাটি আগর গাছের জন্য উপযোগী। মজার ব্যাপার হলো, গাছের ভেতরে একটি বিশেষ ছত্রাকের সংক্রমণ হলে রজন তৈরি হয়ে কাঠ সুগন্ধি হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
সিলেট অঞ্চল চা, আগর ও রাবার চাষের জন্য বিখ্যাত।
আগর গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Aquilaria agallocha। - ২. বঙ্গবন্ধু কর্তৃক 'ছয় দফা' কোথায় ঘোষিত হয়েছিল?
- ক. ঢাকা
- খ. চট্টগ্রাম
- গ. লাহোর
- ঘ. কলকাতা
উত্তর: গ. লাহোর
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে ছয় দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের স্বায়ত্তশাসনের দাবি ছিল এর মূল কথা। সম্মেলনের বিষয় নির্ধারণী কমিটিতে তাঁর প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি, তাই তিনি ঢাকায় ফিরে এসে ২৩ মার্চ ছয় দফা প্রচার শুরু করেন।
মনে রাখুন:
ছয় দফাকে বাঙালির ‘মুক্তির সনদ’ বলা হয়।
১৯৬৮ সালে আগরতলা মামলা দেওয়া হয়, আর ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান ছিল তার পরের ঘটনা। - ১০. ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তিস্থল কোথায়?
- ক. গঙ্গোত্রী হিমবাহ
- খ. হিমালয়ের উত্তর খণ্ডে
- গ. তিব্বত
- ঘ. কাঞ্চনজংগা পর্বত
উত্তর: গ. তিব্বত
ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি তিব্বতে, হিমালয়ের উত্তর দিকের হিমবাহ অঞ্চলে। সেখানে এর নাম ইয়ারলুং সাংপো। নদটি তিব্বত পেরিয়ে ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ঢোকে এবং আসাম দিয়ে বয়ে কুড়িগ্রামের কাছে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। গঙ্গোত্রী হিমবাহ গঙ্গা নদীর উৎস, ব্রহ্মপুত্রের নয়।
মনে রাখুন:
ভারতের আসামে এই নদের নাম ব্রহ্মপুত্র, আর অরুণাচলে তার একটি অংশের নাম দিহং।
বাংলাদেশে এসে এটি যমুনা নামে পরিচিত।
গোয়ালন্দের কাছে যমুনা পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়। - ১৪. ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. খুলনা
- খ. বাগেরহাট
- গ. যশোর
- ঘ. কুষ্টিয়া
উত্তর: খ. বাগেরহাট
ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত। পঞ্চদশ শতকে খান জাহান আলী এই অঞ্চলে একটি ছোট রাজ্য গড়ে তোলেন, আর তাঁর সময়েই মসজিদটি তৈরি হয়। নাম ষাট গম্বুজ হলেও এতে গম্বুজের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি, প্রচলিত হিসাবে ৮১টি। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো ‘ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী বাগেরহাট’ নামে এই অঞ্চলকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ঠাঁই দেয়।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের মধ্যে ষাট গম্বুজ মসজিদই সবচেয়ে বড় প্রাচীন মসজিদগুলোর একটি। বাগেরহাটে খান জাহান আলীর মাজারও আছে। - ১৫. শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা সংবিধানের কোন তফসিলে লিপিবদ্ধ আছে?
- ক. পঞ্চম তফসিল
- খ. ষষ্ঠ তফসিল
- গ. দ্বিতীয় তফসিল
- ঘ. সপ্তম তফসিল
উত্তর: খ. ষষ্ঠ তফসিল
বাংলাদেশের সংবিধানে স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কিত তিনটি আলাদা তফসিল আছে, যা পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১) মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ষষ্ঠ তফসিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা রাখা হয়েছে। প্রশ্নের উত্তর তাই ষষ্ঠ তফসিল।
মনে রাখুন:
পঞ্চম তফসিলে আছে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ।
সপ্তম তফসিলে আছে ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (মুজিবনগর সরকার)।
ঘোষণাটি দেওয়া হয় ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে। - ১৮. মুক্তিযুদ্ধকালে ২নং সেক্টরের কমান্ডার কে ছিলেন?
- ক. কর্নেল শওকত আলী
- খ. মেজর রফিকুল ইসলাম
- গ. মেজর খালেদ মোশাররফ
- ঘ. মেজর আবু তাহের
উত্তর: গ. মেজর খালেদ মোশাররফ
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। ২ নম্বর সেক্টরের এলাকা ছিল ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর ও নোয়াখালীর অংশ, আর এর প্রথম অধিনায়ক ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ। পরে সেপ্টেম্বরে মেজর এ. টি. এম. হায়দার দায়িত্ব নেন।
মনে রাখুন:
১ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক মেজর রফিকুল ইসলাম।
৫ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন মীর শওকত আলী।
১১ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক মেজর আবু তাহের। - ২০. কোন নদীটি ভারতের বরাক নদী থেকে উৎপত্তি হয়েছে?
- ক. যাদুকাটা নদী
- খ. হালদা নদী
- গ. ডাউকি নদী
- ঘ. সুরমা নদী
উত্তর: ঘ. সুরমা নদী
ভারতের মণিপুরের পাহাড় থেকে বরাক নদী বেরিয়ে আসামের কাছাড় অঞ্চলের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশের সীমান্তের দিকে এগিয়ে আসে। বাংলাদেশে ঢোকার ঠিক আগে নদীটি দুই ভাগ হয়ে যায়। উত্তর দিকের শাখাটির নাম সুরমা এবং দক্ষিণ দিকের শাখাটির নাম কুশিয়ারা। তাই বরাক থেকে উৎপন্ন নদী সুরমা।
মনে রাখুন:
সুরমা ও কুশিয়ারা আবার মিলিত হয়ে মেঘনা নাম নেয়।
হালদা নদীর উৎস খাগড়াছড়ির পাহাড়ি অঞ্চল, এটি মাছের প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে বিখ্যাত। - ২৮. বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কয়টি?
- ক. ২টি
- খ. ৩টি
- গ. ৪টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: খ. ৩টি
২০১৯ সালে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছিল তিনটি: ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এগুলোর মধ্যে ঢাকার বিমানবন্দরটিই দেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ত। বাকি বিমানবন্দরগুলো তখন প্রধানত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হতো। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আগে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামে পরিচিত ছিল, ২০১০ সালে এর নাম বদলানো হয়।
মনে রাখুন: কক্সবাজার বিমানবন্দরকেও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ হয়েছে। নতুন তথ্যের জন্য সাম্প্রতিক সরকারি তালিকা দেখা দরকার। - ৩১. বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী কবে পালিত হবে?
- ক. ২০২১ সালে
- খ. ২০২০ সালে
- গ. ২০১৯ সালে
- ঘ. ২০২২ সালে
উত্তর: খ. ২০২০ সালে
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাই তাঁর জন্মশতবার্ষিকী পড়ে ২০২০ সালে। সে বছর ১৭ মার্চ থেকে ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপন শুরুর কথা ছিল। করোনা মহামারির কারণে কর্মসূচি পিছিয়ে যায় এবং মুজিববর্ষ ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত হন, আর তাঁর সমাধি টুঙ্গিপাড়ায়।
মনে রাখুন: ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে তাঁর ভাষণ ২০১৭ সালে ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ রেজিস্টারে স্থান পায়। - ৫৯. 'লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে' বইয়ের লেখকের নাম কী?
- ক. জাহানারা ইমাম
- খ. হাসান ইমাম
- গ. মেজর রফিকুল ইসলাম
- ঘ. হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর: গ. মেজর রফিকুল ইসলাম
‘লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে’ বইটির লেখক মেজর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ১ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন। বইটিতে তাঁর যুদ্ধের অভিজ্ঞতা লেখা আছে। জাহানারা ইমামের বিখ্যাত বই ‘একাত্তরের দিনগুলি’, আর হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘জোছনা ও জননীর গল্প’। ১ নম্বর সেক্টরের এলাকা ছিল চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল। বীর উত্তম বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব।
মনে রাখুন: মেজর রফিকুল ইসলাম ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালের রাতে চট্টগ্রামে মেজর জিয়াউর রহমানের সঙ্গে ছিলেন। - ৬০. বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?
- ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- খ. তাজউদ্দীন আহমদ
- গ. এম. মনসুর আলী
- ঘ. এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান
উত্তর: খ. তাজউদ্দীন আহমদ
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়। শেখ মুজিবুর রহমান তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন, তাই তিনি ছিলেন রাষ্ট্রপতি আর তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন উপ-রাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হন তাজউদ্দীন আহমদ।
১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার (বর্তমান মেহেরপুর) বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে এই সরকার শপথ নেয়। জায়গাটির নাম তখন রাখা হয় মুজিবনগর, আর সরকারকে তাই মুজিবনগর সরকার বলা হয়।
মনে রাখুন:
অর্থমন্ত্রী: এম. মনসুর আলী।
স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী: এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।
ইংরেজি
- ৩. Find out the correct sentence :
- ক. Do you know where does he live?
- খ. He has gone for a work.
- গ. They will arrive by the by.
- ঘ. He sold all his furnitures.
উত্তর: গ. They will arrive by the by.
চারটি বাক্যের মধ্যে তিনটিতে স্পষ্ট ব্যাকরণ ভুল আছে। প্রশ্নবোধক রূপের বদলে সাধারণ রূপ দরকার, তাই Do you know where he lives হবে। ‘Work’ অর্থে কাজ হলে এটি uncountable, তাই for work হবে। আর furniture uncountable noun, তার বহুবচন হয় না। বাকি রইল ‘by the by’, যার প্রচলিত অর্থ প্রসঙ্গক্রমে বা কথাপ্রসঙ্গে। বাক্যটির অর্থ কিছুটা বেমানান হলেও এতে ব্যাকরণের ভুল নেই, তাই এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য বিকল্প।
মনে রাখুন: Furniture, luggage, information সবই uncountable। - ১১. 'A Passage to India' is a famous—
- ক. Drama
- খ. Novel
- গ. Treatise
- ঘ. Comedy
উত্তর: খ. Novel
‘A Passage to India’ একটি উপন্যাস (Novel)। ইংরেজ লেখক ই. এম. ফরস্টার এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশ করেন। ব্রিটিশ-শাসিত ভারতে ইংরেজ ও ভারতীয়দের সম্পর্কের টানাপোড়েন এর মূল বিষয়। বইটি নাটক নয়, কারণ এতে সংলাপের চেয়ে গল্পের বর্ণনাই মুখ্য। এটি comedy নয়, আবার treatise বা তত্ত্বমূলক প্রবন্ধও নয়। উপন্যাসের ঘটনা ঘটে চন্দ্রপুর নামের একটি কাল্পনিক শহর ও মারাবার গুহা ঘিরে। প্রধান চরিত্র ডক্টর আজিজ ও ফিল্ডিং।
মনে রাখুন: ফরস্টারের আরও বিখ্যাত উপন্যাস ‘Howards End’ ও ‘A Room with a View’। - ১৩. Fill in the blank. The bell had already been—
- ক. rang
- খ. rings
- গ. rung
- ঘ. ring
উত্তর: গ. rung
এখানে ‘had already been’ লেখা আছে, তাই বাক্যটি কর্মবাচ্যে (Passive voice) চলছে। কর্মবাচ্যে be-verb-এর পরে মূল verb-এর past participle বসে। Ring-এর রূপগুলো হলো ring – rang – rung, অর্থাৎ past participle হলো rung। সুতরাং বাক্যটি দাঁড়ায় ‘The bell had already been rung.’
মনে রাখুন: Rang হলো past form, এটি ‘been’-এর পরে বসে না। একই রকম আরও কিছু verb: sing – sang – sung, drink – drank – drunk। - ১৬. Identify the word with right spelling :
- ক. handcuff
- খ. handcuf
- গ. handcupp
- ঘ. hancalf
উত্তর: ক. handcuff
Handcuff শব্দের অর্থ হাতকড়া। শব্দটি hand (হাত) ও cuff (কব্জির বেড়ি) মিলে তৈরি, আর cuff-এর শেষে দুটি f আছে। তাই সঠিক বানান handcuff। Handcuf-এ একটি f বাদ পড়েছে, handcupp-এ শেষ অক্ষর ভুল, আর hancalf আসলে কোনো ইংরেজি শব্দই নয়।
উদাহরণ: The police put handcuffs on him.
মনে রাখুন: Handcuff শব্দটি বহুবচন handcuffs রূপেই বেশি ব্যবহৃত হয়।
ডবল f দিয়ে শেষ হওয়া আরও শব্দ: stuff, cliff, staff। - ১৭. I have returned just now. Here the underlined words function as—
- ক. preposition
- খ. adverb
- গ. adjective
- ঘ. conjunction
উত্তর: খ. adverb
‘Just now’ কথাটির অর্থ এইমাত্র। এটি কখন কাজটি ঘটেছে তা জানায়, অর্থাৎ ক্রিয়া ‘have returned’-কে বিশেষিত করছে। যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ (Adverb) বলে। এখানে সময় বোঝানো হয়েছে বলে এটি adverb of time।
মনে রাখুন: Preposition কোনো noun বা pronoun-এর আগে বসে, আর adjective noun-কে বিশেষিত করে। ‘Just now’ এর কোনোটিই করছে না। - ২৫. The correct translation of the sentence 'আমিই সেখানে যাব' is—
- ক. I also will go there.
- খ. I will go there too.
- গ. It is I who will go there.
- ঘ. It is I who will be go there.
উত্তর: গ. It is I who will go there.
বাংলায় ‘আমিই’ বা ‘তুমিই’ জাতীয় জোর দেওয়া কথাকে ইংরেজিতে প্রকাশ করতে ‘It is + pronoun + who/that’ কাঠামো ব্যবহার করা হয়। ‘আমিই যাব’ বোঝাতে লেখা হয় ‘It is I who will go there.’ এখানে I বসে কারণ it is-এর পরে subject-form pronoun আসে। ‘I also will go’ আর ‘I will go there too’ বাক্যে ‘ও’ বা ‘-ও’ অর্থ আসে, ‘-ই’ নয়। চতুর্থ বাক্যে ‘be go’ ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
উদাহরণ:
তুমিই এটা করেছ: It is you who did it.
সে-ই দোষী: It is he who is guilty. - ৩০. The doctor who treats cancer is a/an—
- ক. cardiologist
- খ. neurologist
- গ. oncologist
- ঘ. nephrologist
উত্তর: গ. oncologist
যে চিকিৎসক ক্যান্সারের চিকিৎসা করেন, তাঁকে oncologist বলে। Onco- অংশের অর্থ টিউমার বা পিণ্ড। বাকি শব্দগুলো অন্য অঙ্গের রোগের বিশেষজ্ঞ বোঝায়, তাই ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সেগুলো সঠিক উত্তর নয়। Oncology হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে টিউমার ও ক্যান্সারের গবেষণা ও চিকিৎসা হয়।
মনে রাখুন:
Cardiologist হৃদরোগের চিকিৎসক।
Neurologist স্নায়ুরোগের চিকিৎসক।
Nephrologist কিডনির রোগের চিকিৎসক।
Dermatologist ত্বকের রোগের চিকিৎসক।
Ophthalmologist চোখের রোগের চিকিৎসক।
Orthopaedist হাড় ও গাঁটের রোগের চিকিৎসক। - ৩৩. Who of the following is a novelist?
- ক. P.B Shelley
- খ. Matthew Arnold
- গ. Charles Dickens
- ঘ. Francis Bacon
উত্তর: গ. Charles Dickens
চার্লস ডিকেন্স (১৮১২–১৮৭০) ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘ডেভিড কপারফিল্ড’, ‘অলিভার টুইস্ট’, ‘গ্রেট এক্সপেক্টেশনস’ ও ‘এ টেল অব টু সিটিজ’। বাকিরা অন্য ধারার লেখক: পি. বি. শেলি ও ম্যাথিউ আর্নল্ড কবি, আর ফ্রান্সিস বেকন প্রাবন্ধিক। ডিকেন্সের জন্ম ইংল্যান্ডের পোর্টসমাউথে। তাঁর আরও দুটি পরিচিত উপন্যাস ‘হার্ড টাইমস’ ও ‘পিকউইক পেপার্স’।
মনে রাখুন: ডিকেন্সের লেখায় সাধারণত তৎকালীন লন্ডনের গরিব মানুষের জীবন ফুটে ওঠে। - ৩৬. Choose the word that is closest in meaning. The affluent society—
- ক. evil
- খ. wealthy
- গ. organised
- ঘ. modern
উত্তর: খ. wealthy
Affluent শব্দের অর্থ ধনী বা সমৃদ্ধ। ‘The affluent society’ বলতে এমন সমাজ বোঝায়, যেখানে মানুষের হাতে প্রচুর অর্থসম্পদ আছে। Wealthy শব্দেরও অর্থ ধনী, তাই এটিই সবচেয়ে কাছের অর্থ। বাকিগুলোর অর্থ আলাদা: evil মন্দ, organised সুসংগঠিত, modern আধুনিক। Affluent শব্দের noun রূপ affluence, অর্থাৎ সম্পদের প্রাচুর্য। ‘The Affluent Society’ নামে অর্থনীতিবিদ জন কেনেথ গলব্রেইথের একটি বিখ্যাত বইও আছে (১৯৫৮)।
মনে রাখুন: Affluent-এর সমার্থক rich, prosperous ও opulent, আর বিপরীত শব্দ poor বা needy। - ৩৮. Identify plural number :
- ক. Iron
- খ. Cattle
- গ. Studio
- ঘ. Poetry
উত্তর: খ. Cattle
কিছু ইংরেজি শব্দ দেখতে একবচনের মতো হলেও আসলে বহুবচন অর্থ বোঝায় এবং বহুবচনের verb নেয়। Cattle (গবাদিপশু) তেমন একটি শব্দ, যেমন The cattle are grazing। বাকিগুলো একবচন: iron মানে লোহা, studio মানে স্টুডিও (বহুবচন studios) এবং poetry মানে কবিতা। Cattle আসলে সমষ্টিবাচক বহুবচন, তাই এর শেষে s যোগ হয় না এবং এর আগে a বা an বসে না।
মনে রাখুন: Police, people ও poultry শব্দগুলোও সবসময় বহুবচনের মতো ব্যবহৃত হয়। - ৪০. He bestows favours on whoever he likes. Here 'bestows' means—
- ক. receives
- খ. despises
- গ. collects
- ঘ. gives
উত্তর: ঘ. gives
‘Bestow’ ক্রিয়ার অর্থ কাউকে কিছু দান করা বা দেওয়া। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, ‘সে যাকে ইচ্ছা তাকে অনুগ্রহ দান করে।’ তাই সবচেয়ে কাছের অর্থ gives। Receives নেওয়া, despises ঘৃণা করা, আর collects সংগ্রহ করা, এর কোনোটিই এখানে খাটে না।
মনে রাখুন: Bestow বসে ‘bestow something on someone’ কাঠামোয়। যেমন: The king bestowed honours on the soldiers. - ৪১. The past tense of the word 'spring' is—
- ক. Spring
- খ. Sprang
- গ. Sprung
- ঘ. Springed
উত্তর: খ. Sprang
Spring ক্রিয়ার তিনটি রূপ হলো spring – sprang – sprung। এর মধ্যে past tense, অর্থাৎ অতীত কালের রূপ ‘sprang’। Sprung হলো past participle, যেটি have, has বা had-এর পরে বসে। ‘Springed’ বলে কোনো রূপ নেই, কারণ এটি অনিয়মিত ক্রিয়া।
উদাহরণ:
The cat sprang onto the table.
The cat has sprung onto the table.
মনে রাখুন: Sing, ring ও drink ক্রিয়াগুলোও একই ধরনের নিয়মে বদলায়। - ৪৪. Choose the correct sentence :
- ক. She dyed her black hair
- খ. She dyed her hair black.
- গ. She died her hair black.
- ঘ. She dye her hair black.
উত্তর: খ. She dyed her hair black.
কোনো কিছুর রং বদলানো বোঝাতে ‘dye’ ক্রিয়াটি ব্যবহার হয়, যার past form হলো ‘dyed’। ‘Died’ এসেছে ‘die’ (মরা) থেকে, তাই ‘She died her hair’ ভুল। আবার ‘dye something + colour’ কাঠামোতে রংটি বস্তুর পরে বসে। তাই ‘She dyed her hair black’ সঠিক। A বাক্যে ‘black hair’ বলায় অর্থ ও কাঠামো দুটিই ঠিক নয়, আর D বাক্যে ‘dye’ ক্রিয়ায় past form নেই।
মনে রাখুন: Dye-এর ing রূপ dyeing, আর die-এর ing রূপ dying। - ৪৬. Fill in the blank with preposition. Fish abounds— this pond.
- ক. in
- খ. at
- গ. of
- ঘ. on
উত্তর: ক. in
‘Abound’ ক্রিয়ার অর্থ প্রচুর পরিমাণে থাকা। এর পরে preposition হিসেবে in বা with বসে। ‘Fish abounds in this pond’ বাক্যের অর্থ এই পুকুরে প্রচুর মাছ আছে। Abound at বা abound on প্রচলিত নয়, আর of বসালে অর্থ ও গঠন দুটোই ঠিক থাকে না।
মনে রাখুন: ‘abound in’ ও ‘abound with’ প্রায় সমার্থক। যেমন: The forest abounds with deer.
Abound-এর noun রূপ abundance (প্রাচুর্য) এবং adjective রূপ abundant। - ৪৭. Fill in the blank. The— struck the groper.
- ক. lightning
- খ. lightening
- গ. litening
- ঘ. light
উত্তর: ক. lightning
‘Lightning’ হলো মেঘের আলোকবিদ্যুৎ, যা আকাশে চমকায় এবং মাটিতে আঘাত করে। বাক্যে ‘struck’ ক্রিয়ার সঙ্গে এটাই খাপ খায়। ‘Lightening’ আসে ‘lighten’ (হালকা করা) থেকে, আর ‘litening’ নামে কোনো শব্দই নেই। ‘Light’ মানে সাধারণ আলো, যা কিছুকে আঘাত করে না।
মনে রাখুন: ‘Lightning’ বানানে e থাকে না। ‘Thunder’ হলো বজ্রের শব্দ, আর lightning হলো তার আলো। - ৫০. Identify the masculine gender :
- ক. Drone
- খ. Niece
- গ. Vixen
- ঘ. Sow
উত্তর: ক. Drone
Drone হলো পুরুষ মৌমাছি, তাই এটি পুংলিঙ্গ (Masculine gender)। মৌচাকে ড্রোনের কাজ রানি মৌমাছির সঙ্গে মিলন, আর এর হুল থাকে না। বাকি শব্দগুলো স্ত্রীলিঙ্গ: niece মানে ভাইঝি বা ভাগনি, vixen মানে স্ত্রী শিয়াল, sow মানে স্ত্রী শূকর। Masculine gender বা পুংলিঙ্গ বলতে পুরুষ জাতীয় প্রাণী বা ব্যক্তিকে বোঝায়।
মনে রাখুন:
Niece-এর পুংলিঙ্গ nephew, vixen-এর পুংলিঙ্গ fox, sow-এর পুংলিঙ্গ boar।
আরও জোড়া: bull – cow, ram – ewe, drake – duck। - ৫১. Choose the right option. It is 4:30— my watch.
- ক. at
- খ. on
- গ. in
- ঘ. by
উত্তর: ঘ. by
‘By my watch’ কথাটির অর্থ ‘আমার ঘড়ি অনুযায়ী’। কোনো ব্যক্তির ঘড়ি অনুসারে সময় জানাতে preposition ‘by’ বসে। তাই বাক্যটির অর্থ, আমার ঘড়িতে এখন ৪টা ৩০। At, on ও in এখানে বসে না।
উদাহরণ: It is ten o’clock by my watch.
মনে রাখুন: ঘড়ি ধীর বা দ্রুত চললে বলা হয় ‘My watch is slow’ বা ‘fast’। - ৫৩. He has a voracious appetite. Here 'voracious' means—
- ক. fatal
- খ. huge
- গ. gluttonous
- ঘ. vengeful
উত্তর: গ. gluttonous
‘Voracious’ শব্দের অর্থ পেটুক বা অতিরিক্ত খায় এমন। ‘Voracious appetite’ মানে রাক্ষুসে ক্ষুধা। Gluttonous শব্দেরও অর্থ পেটুক, তাই দুটি সমার্থক। বাকিগুলোর অর্থ আলাদা: fatal মারাত্মক, huge বিশাল, vengeful প্রতিহিংসাপরায়ণ। Voracious শব্দের noun রূপ voracity।
মনে রাখুন: Voracious reader মানে যে অনেক বই পড়ে। Voracious-এর বিপরীত শব্দ abstemious (মিতাহারী)।
Voracious-এর আরও সমার্থক ravenous, greedy ও insatiable। - ৫৮. The synonym of 'adore' is—
- ক. worship
- খ. wicked
- গ. peculiar
- ঘ. insolent
উত্তর: ক. worship
‘Adore’ শব্দের অর্থ গভীরভাবে ভালোবাসা বা পূজা করা। ‘Worship’ শব্দেরও অর্থ উপাসনা বা পূজা করা, তাই এটি সমার্থক। বাকিগুলোর অর্থ আলাদা: wicked দুষ্ট, peculiar অদ্ভুত, আর insolent উদ্ধত বা অভদ্র। Adore শব্দের noun রূপ adoration, অর্থাৎ গভীর ভালোবাসা বা শ্রদ্ধা।
মনে রাখুন: Adore-এর আরও সমার্থক love, cherish ও revere, আর বিপরীত শব্দ detest বা despise। - ৬১. Justice should be done to the victim. Here the underlined word is a/an—
- ক. noun
- খ. pronoun
- গ. adjective
- ঘ. adverb
উত্তর: ক. noun
‘Justice’ শব্দের অর্থ ন্যায়বিচার বা ন্যায়পরায়ণতা, তাই এটি একটি বিশেষ্য (Noun)। বাক্যে ‘Justice’ কর্তার জায়গায় বসেছে, অর্থাৎ ‘ন্যায়বিচার করা হওয়া উচিত’ বোঝাচ্ছে। যে শব্দ ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের নাম বোঝায়, সেটিই noun। Justice, honesty ও freedom জাতীয় শব্দ ভাবের নাম, তাই এগুলো noun। কোনো শব্দ কোন শ্রেণির, তা বাক্যে তার কাজ দেখে ঠিক করতে হয়।
মনে রাখুন: Justice-এর adjective রূপ ‘just’ এবং adverb রূপ ‘justly’। ‘-ice’ দিয়ে শেষ হওয়া অনেক শব্দ noun হয়, যেমন: service, notice, practice।
বাংলা
- ৪. কিশোরদের জন্য রচিত হুমায়ুন আজাদের গ্রন্থ কোনখানি?
- ক. লাল নীল দীপাবলি
- খ. ওটেন সাহেবের বাংলো
- গ. হাত কাটা রবিন
- ঘ. অপারেশন কাঁকনপুর
উত্তর: ক. লাল নীল দীপাবলি
হুমায়ুন আজাদ মূলত কবি, প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত, তবে তিনি কিশোরদের জন্যও লিখেছেন। তাঁর কিশোর উপন্যাসের নাম ‘লাল নীল দীপাবলি’। অন্য তিনটি বই কিশোরদের জন্য হলেও সেগুলো তাঁর লেখা নয়।
মনে রাখুন:
‘ওটেন সাহেবের বাংলো’ শওকত ওসমানের লেখা কিশোর উপন্যাস।
‘হাত কাটা রবিন’ মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস।
হুমায়ুন আজাদের অন্যান্য বই: ‘ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না’, ‘বুকপকেটে জোনাকি পোকা’, ‘আব্বুকে মনে পড়ে’। - ৭. 'চৈতন্য-চরিত'-এর শ্রেষ্ঠ রচয়িতা হলেন—
- ক. কৃষ্ণদাস কবিরাজ
- খ. রূপরাম চক্রবর্তী
- গ. নরহরি চক্রবর্তী
- ঘ. গোবিন্দদাস কবিরাজ
উত্তর: ক. কৃষ্ণদাস কবিরাজ
মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও শিক্ষা নিয়ে বাংলায় অনেক জীবনীকাব্য লেখা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ও শ্রেষ্ঠ বইটির নাম ‘চৈতন্যচরিতামৃত’, যেটি লিখেছেন কৃষ্ণদাস কবিরাজ। তাঁর বইয়ে জীবনীর সঙ্গে বৈষ্ণব দর্শনের গভীর আলোচনাও আছে। গোবিন্দদাস কবিরাজ আলাদা একজন কবি, তিনি পদাবলির কবি হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
বৃন্দাবন দাস লিখেছেন ‘চৈতন্যভাগবত’, এটি চৈতন্যজীবনীর প্রথম গ্রন্থ।
জয়ানন্দ লিখেছেন ‘চৈতন্যমঙ্গল’, আর লোচনদাসও এ নামে একটি বই লিখেছেন।
চৈতন্যদেবের জন্ম ১৪৮৬ খ্রিষ্টাব্দে নবদ্বীপে। - ১২. কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'বিদ্রোহী' কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- ক. অগ্নিবীণা
- খ. সর্বহারা
- গ. ছায়ানট
- ঘ. চক্রবাক
উত্তর: ক. অগ্নিবীণা
কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)-র অন্তর্গত। কবিতাটি প্রথম ছাপা হয় সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় ১৯২২ সালের জানুয়ারিতে, আর তারপর ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়। এটি প্রকাশের পরই নজরুল ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত হন। ‘সর্বহারা’, ‘ছায়ানট’ ও ‘চক্রবাক’ তাঁর অন্য কাব্যগ্রন্থ।
মনে রাখুন: ‘অগ্নিবীণা’র আরও কবিতা ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘আগমনী’, ‘রক্তাম্বরধারিণী মা’ ও ‘খেয়াপারের তরণী’। - ২২. কোনটি কর্মধারয় সমাসঘটিত শব্দ?
- ক. হাঁটুজল
- খ. আজকাল
- গ. মাথাপিছু
- ঘ. কবিগুরু
উত্তর: ক. হাঁটুজল
কর্মধারয় সমাসে দুটি পদই একই বিষয়কে বোঝায়। এর একটি ভেদ হলো মধ্যপদলোপী কর্মধারয়, যেখানে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের একটি পদ লোপ পায়। ‘হাঁটুজল’-এর ব্যাসবাক্য ‘হাঁটু পরিমাণ জল’। এখানে মাঝের ‘পরিমাণ’ পদটি বাদ পড়ে ‘হাঁটুজল’ হয়েছে, তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয়। কর্মধারয় সমাসে দুটি পদের মধ্যে বিশেষণ ও বিশেষ্যের সম্পর্ক থাকে এবং পরপদের অর্থই প্রধান হয়।
মনে রাখুন:
আজকাল (আজ ও কাল) দ্বন্দ্ব সমাস।
মাথাপিছু (প্রতি মাথায়) অব্যয়ীভাব সমাস।
কবিগুরু (কবিদের গুরু) তৎপুরুষ সমাস।
উদাহরণ: নীলপদ্ম (নীল যে পদ্ম), মহাজন (মহান যে জন)। - ২৩. 'গরু'-র সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. রেণু
- খ. বেণু
- গ. ধেনু
- ঘ. মেনু
উত্তর: গ. ধেনু
‘গরু’ শব্দের সমার্থক শব্দ ‘ধেনু’। এছাড়া গাভী, গো ও সুরভিও গরুর প্রতিশব্দ। অন্য তিনটি শব্দের অর্থ ভিন্ন: রেণু মানে ধুলোর কণা বা ফুলের পরাগ, বেণু মানে বাঁশ বা বাঁশি, আর মেনু হলো খাবারের তালিকা। বানানে মিল থাকলেও এগুলো গরুর প্রতিশব্দ নয়।
মনে রাখুন: ‘ষাঁড়’ বা ‘বৃষ’ পুরুষ গরুকে বোঝায়, আর ‘ধেনু’ প্রধানত দুধেল গাভীকে বোঝায়।
গরুর স্ত্রীলিঙ্গ গাভী, আর পুংলিঙ্গ ষাঁড় বা বলদ। - ২৪. জসীমউদ্দীনের রচিত স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ হচ্ছে—
- ক. সোজন বাদিয়ার ঘাট
- খ. ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়
- গ. রঙ্গিলা নায়ের মাঝি
- ঘ. এক পয়সার আলতা
উত্তর: খ. ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়
জসীমউদ্দীন গ্রামবাংলার কবি, তাই তাঁকে ‘পল্লিকবি’ বলা হয়। তাঁর স্মৃতিকথামূলক বই ‘ঠাকুরবাড়ির আঙিনায়’, যেখানে তিনি রবীন্দ্রনাথের পরিবারের সঙ্গে নিজের পরিচয়ের স্মৃতি লিখেছেন। অন্য বইগুলো স্মৃতিকথা নয়: ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ প্রেমের আখ্যানকাব্য, আর ‘রঙিলা নায়ের মাঝি’ গানের সংকলন।
মনে রাখুন:
জসীমউদ্দীনের আরেকটি স্মৃতিকথা ‘যাদের দেখেছি’।
তাঁর প্রথম কাব্য ‘রাখালী’ (১৯২৭), বিখ্যাত কাব্য ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’। - ২৬. 'আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে' পঙক্তিটির রচয়িতা হচ্ছেন—
- ক. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- খ. গোবিন্দচন্দ্র দাস
- গ. জীবনানন্দ দাশ
- ঘ. বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: গ. জীবনানন্দ দাশ
‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে’ পঙ্ক্তিটি জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতার। বাংলার নদী, মাঠ ও পাখির প্রতি কবির গভীর ভালোবাসা ফুটে উঠেছে এতে। তাই তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
‘রূপসী বাংলা’ কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
জীবনানন্দের অন্যান্য কাব্য ‘ঝরা পালক’ ও ‘বনলতা সেন’।
‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি’ পঙ্ক্তিটিও তাঁরই। - ৩২. 'ণ-ত্ব' বিধির বাইরে স্বতঃসিদ্ধভাবে 'ণ' বসেছে কোন শব্দে?
- ক. অর্পণ
- খ. রাবণ
- গ. কঙ্কণ
- ঘ. বরণ
উত্তর: গ. কঙ্কণ
বাংলায় সাধারণ নিয়মে র, ঋ বা ষ-এর পরে ‘ন’ বসলে তা ‘ণ’ হয়ে যায়, একে ণ-ত্ব বিধান বলে। কিন্তু কিছু শব্দে এই নিয়ম ছাড়াই স্বভাবত ‘ণ’ বসে। ‘কঙ্কণ’ তেমন একটি শব্দ। বাকি তিনটি শব্দ, অর্থাৎ অর্পণ, রাবণ ও বরণ, ণ-ত্ব বিধানের নিয়মেই ‘ণ’ পেয়েছে, কারণ এদের ‘র’-এর পর ‘ণ’ এসেছে।
মনে রাখুন: স্বভাবত ‘ণ’ বসে এমন কিছু শব্দ: গণ, বাণিজ্য, লাবণ্য, বাণী, মাণিক্য, চাণক্য, কণা, গুণ, পণ্য। - ৩৪. উপসর্গ বসে—
- ক. শব্দের পরে
- খ. বাক্যের পূর্বে
- গ. বাক্যের মধ্যে
- ঘ. শব্দের পূর্বে
উত্তর: ঘ. শব্দের পূর্বে
উপসর্গ হলো এমন শব্দাংশ, যা নিজে স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে না, কিন্তু অন্য শব্দের আগে বসে তার অর্থ বদলে দেয় বা নতুন অর্থ যোগ করে। যেমন ‘আ’ + ‘হার’ = আহার। উপসর্গ সবসময় শব্দের পূর্বে বসে, আর শব্দের পরে বসে যে অংশ, তাকে প্রত্যয় বলে।
মনে রাখুন:
বাংলা উপসর্গ ২১টি।
সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
তাছাড়া আছে বিদেশি উপসর্গ, যেমন: হর, বে, না, গর। - ৩৫. শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস—
- ক. খাঁচায়
- খ. ওঙ্কার
- গ. জলাঙ্গী
- ঘ. চৌরি
উত্তর: গ. জলাঙ্গী
শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘জলাঙ্গী’। এছাড়া ‘দুই সৈনিক’ ও ‘নেকড়ে অরণ্য’ও তাঁর মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির লেখা। অন্য বইগুলো অন্য লেখকের: ‘খাঁচায়’ রশীদ হায়দারের, আর ‘ওঙ্কার’ আহমদ ছফার। শওকত ওসমানের জন্ম ১৯১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে, আর তিনি মারা যান ১৯৯৮ সালে ঢাকায়।
মনে রাখুন:
শওকত ওসমানের অন্য বিখ্যাত উপন্যাস ‘ক্রীতদাসের হাসি’ ও ‘জননী’।
আসল নাম শেখ আজিজুর রহমান, আর শওকত ওসমান তাঁর ছদ্মনাম। - ৩৭. বেনামে রচিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের গ্রন্থ কোনটি?
- ক. বোধোদয়
- খ. ভ্রান্তিবিলাস
- গ. ব্রজবিলাস
- ঘ. জীবনচরিত
উত্তর: গ. ব্রজবিলাস
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর কয়েকটি বই নিজের নামে না ছাপিয়ে বেনামে লিখেছেন। ‘ব্রজবিলাস’ তার মধ্যে একটি, যেখানে লেখক হিসেবে লেখা ছিল ‘কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য’। বাকি বইগুলো তাঁর নিজের নামেই ছাপা: ‘বোধোদয়’ শিশুদের জন্য এবং ‘ভ্রান্তিবিলাস’ শেক্সপিয়ারের কমেডি অব এররস অবলম্বনে লেখা।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরের অন্যান্য বেনামি বই ‘অতি অল্প হইল’ ও ‘আবার অতি অল্প হইল’।
তাঁর উদ্যোগে ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়। - ৪৫. শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে—
- ক. সাত সাগরের মাঝি
- খ. একচক্ষু হরিণ
- গ. রাজা যায় রাজা আসে
- ঘ. নিরালোকে দিব্যরথ
উত্তর: ঘ. নিরালোকে দিব্যরথ
‘নিরালোকে দিব্যরথ’ শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০)। বাকি তিনটি বই অন্য কবির: ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদের, ‘একচক্ষু হরিণ’ আল মাহমুদের এবং ‘রাজা যায় রাজা আসে’ আবুল হাসানের। কবি শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০৬ সালে মারা যান।
মনে রাখুন: শামসুর রাহমানের আরও কাব্য ‘রৌদ্র করোটিতে’, ‘বিধ্বস্ত নীলিমা’ ও ‘বন্দী শিবির থেকে’।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’। - ৪৯. মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য কোনটি?
- ক. রঙ্গমতী
- খ. বঙ্গনারী
- গ. ব্রজাঙ্গনা
- ঘ. বীরাঙ্গনা
উত্তর: ঘ. বীরাঙ্গনা
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ (১৮৬২) বাংলা সাহিত্যের একটি পত্রকাব্য। এতে পৌরাণিক নারীরা তাঁদের প্রিয়জনকে চিঠি লেখেন। কাব্যটি লেখা হয়েছে অমিত্রাক্ষর ছন্দে। অন্য তিনটি নাম ঠিক নয়: ‘ব্রজাঙ্গনা’ তাঁর রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক গীতিকাব্য, ‘রঙ্গমতী’ ও ‘বঙ্গনারী’ তাঁর কাব্য নয়।
মনে রাখুন:
মধুসূদনের মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১)।
তাঁর প্রথম নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’ এবং প্রথম সনেট সংকলন ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’। - ৫২. কোন জন 'চর্যাপদ'-এর পদকার?
- ক. চণ্ডীদাস
- খ. লুইপা
- গ. আলাওল
- ঘ. বিদ্যাপতি
উত্তর: খ. লুইপা
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। এর পদগুলো রচনা করেছেন বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকেরা। এঁদের মধ্যে আদি পদকর্তা লুইপা। অন্য তিনজন মধ্যযুগের কবি: চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদকার, বিদ্যাপতি মৈথিলী কবি এবং আলাওল আরাকান রাজসভার কবি। চর্যাপদের রচনাকাল মোটামুটি দশম থেকে দ্বাদশ শতক ধরা হয়। আবিষ্কারের পর ১৯১৬ সালে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ছাপা হয়।
মনে রাখুন:
১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন।
সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন কাহ্নপা।
চর্যাপদের ভাষাকে ‘সন্ধ্যাভাষা’ বলা হয়। - ৫৪. 'বড়ায়ি' চরিত্রটি পাওয়া যায়—
- ক. শূন্যপুরাণে
- খ. মঙ্গলকাব্যে
- গ. লোকসাহিত্যে
- ঘ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে
উত্তর: ঘ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে
‘বড়ায়ি’ চরিত্রটি বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যে পাওয়া যায়। এখানে বড়ায়ি রাধা ও কৃষ্ণের মিলন ঘটানোর দূতীর ভূমিকা পালন করে। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন। কাব্যটির পুঁথি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ আবিষ্কার করেন, আর এটি ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত। পুঁথিটি পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গোয়ালঘর থেকে পাওয়া গিয়েছিল। কাব্যটি ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
কাব্যটির প্রধান তিন চরিত্র কৃষ্ণ, রাধা ও বড়ায়ি।
‘শূন্যপুরাণ’ রামাই পণ্ডিতের নামে প্রচলিত ধর্মগ্রন্থ। - ৫৫. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র হচ্ছে—
- ক. জ্ঞানান্বেষণ
- খ. দিগ্দর্শন
- গ. বঙ্গদর্শন
- ঘ. আর্যদর্শন
উত্তর: খ. দিগ্দর্শন
বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র ‘দিগ্দর্শন’। এটি ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর মিশন থেকে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় মাসিক হিসেবে প্রকাশিত হয়। একই বছর মার্শম্যান ‘সমাচার দর্পণ’ নামে সাপ্তাহিক সংবাদপত্রও বের করেন, যেটি বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র। ‘বঙ্গদর্শন’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত (১৮৭২), এটি অনেক পরের পত্রিকা। জন ক্লার্ক মার্শম্যান উইলিয়াম কেরির সহযোগী এবং শ্রীরামপুরের মিশনারি ছিলেন।
মনে রাখুন: ‘আর্যদর্শন’ প্রকাশিত হয় ১৮৭৪ সালে। - ৫৬. 'বিষাদসিন্ধু' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. মীর মশাররফ হোসেন
- গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- ঘ. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর: খ. মীর মশাররফ হোসেন
‘বিষাদসিন্ধু’ মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস। এটি কারবালার করুণ ঘটনা নিয়ে লেখা এবং তিনটি পর্বে বিভক্ত: মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব। বঙ্কিমচন্দ্র, মাইকেল বা রোকেয়া এটি লেখেননি। মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে, আর মৃত্যু ১৯১২ সালে। ‘বিষাদসিন্ধু’ ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
মশাররফ হোসেনের নাটক ‘জমিদার দর্পণ’ (১৮৭৩)।
তাঁর আত্মজীবনী ‘আমার জীবনী’।
‘রত্নবতী’ ও ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ও তাঁর লেখা। - ৫৭. 'অনিষ্ট'-র বিপরীত অর্থবোধক শব্দ হচ্ছে—
- ক. নিষ্ট
- খ. ইষ্ট
- গ. শিষ্ট
- ঘ. তিষ্ঠ
উত্তর: খ. ইষ্ট
‘অনিষ্ট’ শব্দের অর্থ ক্ষতি বা অমঙ্গল। ‘ইষ্ট’ শব্দের অর্থ মঙ্গল বা কল্যাণ। তাই এ দুটি বিপরীতার্থক। ‘অ’ উপসর্গ বা নঞর্থক উপসর্গ যোগ করে এখানে বিপরীত অর্থ তৈরি হয়েছে। ‘শিষ্ট’ আর ‘তিষ্ঠ’ আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, আর ‘নিষ্ট’ নামে কোনো প্রচলিত শব্দ নেই। ইষ্ট শব্দটির মূল অর্থ কাম্য বা প্রিয়। এই অর্থ থেকেই ‘ইষ্টদেবতা’ শব্দ এসেছে।
মনে রাখুন: ‘শিষ্ট’-এর বিপরীত ‘অশিষ্ট’, আর ‘ইষ্ট’ ও ‘অনিষ্ট’ জোড়া পরীক্ষায় বহুবার আসে।
আরও বিপরীত জোড়া: ন্যায় – অন্যায়, শুভ – অশুভ।
বিজ্ঞান
- ৫. করোনার কারণে কোন গ্যাসের সৃষ্টি হয়?
- ক. CO₂
- খ. O₂
- গ. O₃
- ঘ. সবকয়টি
উত্তর: গ. O₃
উচ্চ ভোল্টেজের তারের চারপাশের বাতাসে বিদ্যুৎ ক্ষরণ হলে সেখানে হালকা নীলচে আলো দেখা যায় এবং আশপাশের বাতাস আয়নিত হয়ে ওঠে। এই ঘটনাকে করোনা নিঃসরণ (Corona Discharge) বলে। এই সময় বাতাসের অক্সিজেন অণু ভেঙে নতুন করে জুড়ে গিয়ে ওজোন (O₃) তৈরি হয়। তাই উত্তর ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড বা সাধারণ অক্সিজেন নয়।
মনে রাখুন: ওজোন হলো অক্সিজেনেরই একটি রূপ (বহুরূপতা)। বজ্রপাতের সময়ও বাতাসে অল্প ওজোন তৈরি হয় বলে ঝড়ের পরে একটা বিশেষ গন্ধ পাওয়া যায়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৬. নিচের কোন গেইটটি ইউনিভার্সাল গেইট হিসেবে পরিচিত?
- ক. OR
- খ. AND
- গ. NOT
- ঘ. NAND
উত্তর: ঘ. NAND
যে গেইট (Logic Gate) দিয়ে অন্য সব গেইটের কাজ করিয়ে নেওয়া যায়, তাকে সার্বজনীন গেইট (Universal Gate) বলে। NAND গেইটকে শুধু বারবার সাজিয়েই NOT, AND ও OR গেইটের কাজ পাওয়া যায়, তাই এটি ইউনিভার্সাল গেইট। OR, AND ও NOT এককভাবে সব গেইট বানাতে পারে না।
মনে রাখুন:
NAND ও NOR, এই দুটিই ইউনিভার্সাল গেইট।
NAND মানে AND-এর পরে NOT, আর NOR মানে OR-এর পরে NOT।
NAND গেইটের আউটপুট শুধু তখনই 0 হয়, যখন দুটি ইনপুটই 1 হয়। - ২৯. Decimal 14-এর বাইনারি কত?
- ক. 1110
- খ. 1010
- গ. 1000
- ঘ. 1111
উত্তর: ক. 1110
দশমিক সংখ্যাকে বাইনারিতে বদলাতে ২ দিয়ে বারবার ভাগ করে ভাগশেষগুলো নিচ থেকে উপরে লিখতে হয়।
14 ÷ 2 = 7, ভাগশেষ 0
7 ÷ 2 = 3, ভাগশেষ 1
3 ÷ 2 = 1, ভাগশেষ 1
1 ÷ 2 = 0, ভাগশেষ 1
নিচ থেকে উপরে পড়লে পাই 1110। যাচাই: 1×8 + 1×4 + 1×2 + 0×1 = 14।
মনে রাখুন: বাইনারি পদ্ধতিতে শুধু ০ ও ১ এই দুটি অঙ্ক ব্যবহার হয়, তাই এর ভিত্তি ২।
আন্তর্জাতিক
- ৮. কোন দেশটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়?
- ক. রাশিয়া
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. ফ্রান্স
- ঘ. জার্মানি
উত্তর: ঘ. জার্মানি
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (Security Council) মোট ১৫টি সদস্য থাকে। এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য, বাকি ১০টি অস্থায়ী। স্থায়ী সদস্য হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। জার্মানি অর্থনৈতিকভাবে অনেক শক্তিশালী হলেও স্থায়ী সদস্য নয়।
মনে রাখুন:
স্থায়ী সদস্যদের ভেটো (Veto) ক্ষমতা আছে, অর্থাৎ একজন ‘না’ বললেই কোনো মূল প্রস্তাব পাস হয় না।
অস্থায়ী সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
নিরাপত্তা পরিষদের দায়িত্ব আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা। - ৯. ব্রিটেনের রানি তার দেশ ব্যতীত অন্য কোন দেশের রানি হিসেবে বিবেচিত হন?
- ক. ডেনমার্ক
- খ. ফ্রান্স
- গ. জার্মানি
- ঘ. কানাডা
উত্তর: ঘ. কানাডা
যুক্তরাজ্যের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ শুধু ব্রিটেনেরই নন, কমনওয়েলথভুক্ত আরও কয়েকটি স্বাধীন দেশেরও রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। এই দেশগুলোকে কমনওয়েলথ রাজ্য (Commonwealth realm) বলা হয়। কানাডা তাদেরই একটি। ডেনমার্কের নিজস্ব রাজতন্ত্র আছে, আর ফ্রান্স ও জার্মানি প্রজাতন্ত্র, তাই সেখানে ব্রিটেনের রানির কোনো ভূমিকা নেই।
মনে রাখুন: কানাডা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জ্যামাইকা ও পাপুয়া নিউগিনি এই তালিকায় পড়ে।
হালনাগাদ: রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে মারা যান। তাঁর পর তৃতীয় চার্লস রাজা হিসেবে এখন এসব দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। - ১৯. নিচের কোন দেশ জাতিসংঘের সদস্য নয়?
- ক. ইসরাইল
- খ. পাকিস্তান
- গ. ইরাক
- ঘ. তাইওয়ান
উত্তর: ঘ. তাইওয়ান
জাতিসংঘের সদস্য হতে হলে একটি রাষ্ট্রকে সাধারণ পরিষদের সম্মতি এবং নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ পেতে হয়। ইসরাইল, পাকিস্তান ও ইরাক এই পথেই সদস্য হয়েছে। তাইওয়ান ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের আসনটি হারায়, এরপর সেই আসন পায় গণচীন (পিআরসি), তাই তাইওয়ান এখন সদস্য নয়।
মনে রাখুন: তাইওয়ানের সরকারি নাম রিপাবলিক অব চায়না। চীন একে নিজের অংশ বলে দাবি করে। - ২১. কোন দেশটি SAARC-এর সদস্য নয়?
- ক. নেপাল
- খ. ভুটান
- গ. শ্রীলংকা
- ঘ. মিয়ানমার
উত্তর: ঘ. মিয়ানমার
সার্ক (SAARC) বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার সদস্য ৮টি দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান। মিয়ানমার এই তালিকায় নেই। দেশটি আসিয়ান (ASEAN) ও বিমসটেকের সদস্য। সার্কে মিয়ানমার পর্যবেক্ষক হিসেবে যুক্ত। সার্কের সদস্য প্রথমে ছিল ৭টি দেশ, পরে আফগানিস্তান যুক্ত হওয়ায় এখন ৮টি।
মনে রাখুন:
সার্কের সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠা ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর, ঢাকায়।
আফগানিস্তান ২০০৭ সালে অষ্টম সদস্য হয়।
সার্কের ধারণা প্রথম দেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। - ২৭. ইয়াসির আরাফাত কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
- ক. লেবানন
- খ. প্যালেস্টাইন
- গ. সিরিয়া
- ঘ. মিশর
উত্তর: খ. প্যালেস্টাইন
ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনের জনগণের নেতা ছিলেন। তিনি ১৯২৯ সালে কায়রোতে জন্মগ্রহণ করলেও নিজেকে ফিলিস্তিনি বলে পরিচয় দিতেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফিলিস্তিনের মুক্তি সংস্থা (পিএলও)-র চেয়ারম্যান ছিলেন এবং পরে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রথম প্রেসিডেন্ট হন।
মনে রাখুন:
১৯৯৪ সালে ইসরায়েলের ইৎজাক রবিন ও শিমন পেরেজের সঙ্গে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
তিনি ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর মারা যান। - ৩৯. ন্যাটোর (NATO) সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. ব্রাসেলস
- খ. জেনেভা
- গ. প্যারিস
- ঘ. হেগ
উত্তর: ক. ব্রাসেলস
ন্যাটো (NATO) অর্থাৎ উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে। ১৯৪৯ সালে সংস্থা গঠনের পর প্রথমে এর কার্যালয় ছিল লন্ডনে, তারপর ১৯৫২ সালে প্যারিসে। ফ্রান্স ১৯৬৬ সালে ন্যাটোর সামরিক কাঠামো থেকে সরে যাওয়ায় ১৯৬৭ সালে সদর দপ্তর ব্রাসেলসে নেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
ন্যাটো গঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল, ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ১২টি দেশ। - ৪২. কুয়েতের মুদ্রার নাম কী?
- ক. কুয়েতি দিনার
- খ. কুয়েতি ডলার
- গ. রিয়াল
- ঘ. রুপিয়া
উত্তর: ক. কুয়েতি দিনার
কুয়েতের মুদ্রার নাম কুয়েতি দিনার (KWD)। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান মুদ্রাগুলোর একটি। দেশটির রাজধানী কুয়েত সিটি। ‘কুয়েতি ডলার’ নামে কোনো মুদ্রা নেই। রিয়াল সৌদি আরব, কাতার ও ওমানের মতো দেশের মুদ্রা, আর রুপিয়াহ ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রা। কুয়েত মধ্যপ্রাচ্যে পারস্য উপসাগরের তীরের একটি দেশ, যা তেলসম্পদের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখুন:
বাহরাইন ও জর্ডানের মুদ্রাও দিনার।
মালদ্বীপের মুদ্রা রুফিয়া। - ৪৩. ইউরোপের সর্ব উত্তরের দেশ কোনটি?
- ক. নরওয়ে
- খ. ডেনমার্ক
- গ. সুইডেন
- ঘ. স্পেন
উত্তর: ক. নরওয়ে
ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উত্তরে আছে নরওয়ে, কারণ এর বড় অংশ আর্কটিক বৃত্তের ভেতরে। নরওয়ের অধীন স্বালবার্ড দ্বীপপুঞ্জ উত্তর মেরুর আরও কাছে। সুইডেন ও ডেনমার্ক স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশ হলেও নরওয়ের মতো এত উত্তরে নয়, আর স্পেন ইউরোপের দক্ষিণ-পশ্চিমে। নরওয়ের উপকূল ফিয়র্ড নামের গভীর ও সরু খাঁড়ির জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখুন: নরওয়েতে গ্রীষ্মকালে ‘মধ্যরাতের সূর্য’ দেখা যায়, অর্থাৎ মাঝরাতেও সূর্য ডোবে না। নরওয়ের রাজধানী অসলো। - ৪৮. 'মানাগুয়া' কোন দেশের রাজধানী?
- ক. পানামা
- খ. এল সালভাদর
- গ. নিকারাগুয়া
- ঘ. মেক্সিকো
উত্তর: গ. নিকারাগুয়া
মানাগুয়া মধ্য আমেরিকার দেশ নিকারাগুয়ার রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর। শহরটি মানাগুয়া হ্রদের তীরে অবস্থিত। অন্য তিন দেশের রাজধানী আলাদা: পানামার পানামা সিটি, এল সালভাদরের সান সালভাদর এবং মেক্সিকোর মেক্সিকো সিটি। নিকারাগুয়া মধ্য আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশ, আর সেখানকার প্রধান ভাষা স্প্যানিশ।
মনে রাখুন:
নিকারাগুয়ার মুদ্রা কর্ডোবা।
মধ্য আমেরিকার আরও কয়েকটি দেশের রাজধানী: কোস্টারিকার সান হোসে, হন্ডুরাসের তেগুসিগালপা।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সিনিয়র স্টাফ নার্স (বাতিলকৃত পরীক্ষা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ফার্মাসিস্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন