স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৭ আগস্ট ২০১৭। ১০১টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- আন্তর্জাতিক (৯)
- ইংরেজি (২৫)
- বাংলা (২৫)
- গণিত (২১)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (২)
- বাংলাদেশ (১৩)
- বিজ্ঞান (৫)
- সাধারণ জ্ঞান (১)
আন্তর্জাতিক
- ১. 'বেরিং প্রণালি' কোন দুটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. এশিয়া-ইউরোপ
- খ. এশিয়া-আমেরিকা
- গ. এশিয়া-আফ্রিকা
- ঘ. ইউরোপ-আফ্রিকা
উত্তর: খ. এশিয়া-আমেরিকা
বেরিং প্রণালি (Bering Strait) এশিয়ার সর্ব-উত্তর-পূর্ব প্রান্ত এবং উত্তর আমেরিকার সর্ব-উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের মাঝখানে অবস্থিত। এই সরু জলপথটি এশিয়া ও আমেরিকা মহাদেশকে আলাদা করেছে। একই সঙ্গে এটি প্রশান্ত মহাসাগরকে উত্তর মেরু সাগরের (আর্কটিক মহাসাগরের) সঙ্গে যুক্ত করেছে। ডেনমার্কের নাবিক ভিটাস বেরিংয়ের নামে এর নাম রাখা হয়েছে। এই প্রণালির এক পাশে রাশিয়া, অন্য পাশে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা। অন্য তিনটি অপশনে যে মহাদেশ-জোড়া দেওয়া আছে, তাদের আলাদা করেছে অন্য প্রণালি।
মনে রাখুন:
দার্দানেলিস প্রণালি এশিয়া ও ইউরোপকে আলাদা করেছে।
জিব্রাল্টার প্রণালি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে আলাদা করেছে।
বাব-এল-মান্দেব প্রণালি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করে এবং এশিয়া ও আফ্রিকার মাঝখানে অবস্থিত। - ৬. UNHCR-এর সদর দপ্তর কোথায়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. নিউইয়র্ক
- খ. ওয়াশিংটন
- গ. জেনেভা
- ঘ. ব্রাসেলস
উত্তর: গ. জেনেভা
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা UNHCR (United Nations High Commissioner for Refugees) যুদ্ধ, নির্যাতন বা দুর্যোগের কারণে ঘরছাড়া মানুষদের সুরক্ষা ও সাহায্য দেয়। ১৯৫০ সালে এই সংস্থা গঠিত হয়। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে। সংস্থাটি দুইবার (১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে। বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাহায্যের কাজেও এই সংস্থা যুক্ত আছে।
মনে রাখুন:
জেনেভায় আরও আছে WHO, ILO, WTO, ITU, WMO ও WIPO-র সদর দপ্তর।
জাতিসংঘের নিজের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে, আর ইউনেস্কোর সদর দপ্তর প্যারিসে।
প্রতিবছর ২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয়। - ১১. প্রথম আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. ভারত
- খ. অস্ট্রেলিয়া
- গ. বাংলাদেশ
- ঘ. ইংল্যান্ড
উত্তর: গ. বাংলাদেশ
আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি প্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশের ঢাকায়। তখন এর নাম ছিল আইসিসি নকআউট টুর্নামেন্ট। সেই আসরে দক্ষিণ আফ্রিকা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। মজার ব্যাপার হলো, বাংলাদেশ নিজে এই প্রতিযোগিতায় প্রথম অংশ নেয় ২০০০ সালে। আসরটি ছিল ছোট আকারের ওয়ানডে প্রতিযোগিতা, যেখানে হারলেই দল বাদ পড়ত।
মনে রাখুন:
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০০২ সালে ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয়।
২০১৩ সালে ভারত এবং ২০১৭ সালে পাকিস্তান শিরোপা জেতে।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছে ভারত। - ২২. Sustainable Development Goal (SDG) বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে—
- ক. ১ জুলাই ২০১৫
- খ. ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫
- গ. ১ জানুয়ারি ২০১৬
- ঘ. ৩১ জুলাই ২০১৬
উত্তর: গ. ১ জানুয়ারি ২০১৬
জাতিসংঘ ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals, SDG) গ্রহণ করে। এর বাস্তবায়ন শুরু হয় ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে, আর সময়সীমা ঠিক করা হয় ২০৩০ সাল পর্যন্ত। অর্থাৎ ২০১৫ সালে এটি গৃহীত হলেও কার্যকর হয়েছে পরের বছর। এর আগে মিলেনিয়াম উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (MDG) মেয়াদ শেষ হওয়ায় এই নতুন লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
SDG-তে মোট ১৭টি লক্ষ্য ও ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট উপলক্ষ্য আছে।
MDG-র মেয়াদ ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল এবং এতে ৮টি লক্ষ্য ছিল।
SDG-র স্লোগান: কাউকে পেছনে ফেলে নয়। - ৩৪. বিশ্ব পরিবেশ দিবস কবে?
- ক. ২ ফেব্রুয়ারি
- খ. ৩১ মে
- গ. ৫ জুন
- ঘ. ১০ ডিসেম্বর
উত্তর: গ. ৫ জুন
প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। ১৯৭২ সালে স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন হয়েছিল, আর তার স্মরণে ১৯৭৪ সাল থেকে এই দিবস পালন শুরু হয়। ওই সম্মেলনের পরেই জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠিত হয়, যার সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে।
মনে রাখুন:
২ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব জলাভূমি দিবস।
৩১ মে: বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস।
১০ ডিসেম্বর: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। - ৫২. BRICS-ভুক্ত দেশ নয়—
- ক. ব্রাজিল
- খ. রাশিয়া
- গ. ভারত
- ঘ. সিঙ্গাপুর
উত্তর: ঘ. সিঙ্গাপুর
BRICS হলো দ্রুত উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি জোট, যার নাম এসেছে সদস্যদের নামের আদ্যক্ষর থেকে। শুরুতে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীন ছিল, পরে দক্ষিণ আফ্রিকা যুক্ত হয়। সিঙ্গাপুর কখনোই এর সদস্য নয়, তাই এটিই উত্তর। জোটের সদস্যরা মিলে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) গড়েছে, যার সদর দপ্তর চীনের সাংহাইয়ে।
হালনাগাদ: ২০২৪ সালের দিকে মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সদস্য হয় এবং পরে ইন্দোনেশিয়াও যোগ দেয়। - ৭৫. ল্যাটিন আমেরিকান UN Secretary General—
- ক. Kurt Waldheim
- খ. Butros Butros Ghali
- গ. U Thant
- ঘ. Javier Perez de Cueller
উত্তর: ঘ. Javier Perez de Cueller
জাতিসংঘের মহাসচিবদের মধ্যে লাতিন আমেরিকার একজনই ছিলেন, তিনি পেরুর হাভিয়ের পেরেজ দে কুয়েইয়ার (Javier Pérez de Cuéllar)। তিনি ১৯৮২ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত পঞ্চম মহাসচিব ছিলেন। বাকিরা অন্য মহাদেশের: কুর্ট ওয়ালদহাইম অস্ট্রিয়ার, বুতরোস বুতরোস ঘালি মিসরের আর ইউ থান্ট মিয়ানমারের।
মনে রাখুন:
ঘালি ছিলেন ষষ্ঠ মহাসচিব। কফি আনান (ঘানা) ছিলেন সপ্তম আর বান কি মুন (দক্ষিণ কোরিয়া) অষ্টম।
প্রথম মহাসচিব নরওয়ের ট্রিগভি লি।
হালনাগাদ: ২০১৭ সাল থেকে মহাসচিব পর্তুগালের অ্যান্তোনিও গুতেরেস। - ৮১. BIMSTEC-এর সদস্য নয়—
- ক. শ্রীলংকা
- খ. পাকিস্তান
- গ. থাইল্যান্ড
- ঘ. মিয়ানমার
উত্তর: খ. পাকিস্তান
BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation) বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী ও কাছাকাছি দেশগুলোর জোট। এর সদস্য বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান। পাকিস্তান বঙ্গোপসাগরের তীরের দেশ নয়, তাই এটি সদস্য নয়। পাকিস্তান অবশ্য সার্কের (SAARC) সদস্য।
মনে রাখুন:
BIMSTEC-এর সদর দপ্তর ঢাকায়।
জোটটি ১৯৯৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে গঠিত হয়।
নেপাল ও ভুটান ২০০৪ সালে সদস্য হয়। - ৯৩. BREXIT ইস্যুতে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়—
- ক. ২৩ মে ২০১৫
- খ. ২১ জুন ২০১৬
- গ. ২৩ জুন ২০১৬
- ঘ. ২১ জুলাই ২০১৬
উত্তর: গ. ২৩ জুন ২০১৬
যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নে (EU) থাকা না-থাকার প্রশ্নে ২০১৬ সালের ২৩ জুন গণভোট হয়, যা ব্রেক্সিট (Brexit) নামে পরিচিত। ভোটাররা প্রায় ৫১.৯ শতাংশ ভোটে EU ছাড়ার পক্ষে রায় দেন। এই ফলের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন পদত্যাগ করেন।
মনে রাখুন:
Brexit শব্দটি Britain ও Exit মিলে তৈরি।
যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি EU ছাড়ে।
ইংরেজি
- ২. Choose the right words : I am —.
- ক. 1.5 metres high
- খ. 1.5 metres tall
- গ. 1.5 metre high
- ঘ. 1.5 metre tall
উত্তর: খ. 1.5 metres tall
কোনো মানুষের উচ্চতা বোঝাতে আমরা tall ব্যবহার করি, আর বাড়ি, পাহাড় বা টাওয়ারের মতো বস্তুর ক্ষেত্রে সাধারণত high বলা হয়। তাই I am 1.5 metres tall বাক্যটি ঠিক। আবার 1.5 একের চেয়ে বড় সংখ্যা, ফলে metre শব্দটির বহুবচন metres হবে। এই কারণে metre ও high যুক্ত বাকি অপশনগুলো শুদ্ধ নয়।
মনে রাখুন:
She is 5 feet tall. The tower is 100 metres high.
উচ্চতা বোঝাতে আরেকটি শব্দ height (noun)। যেমন, What is your height?
সংখ্যা একের বেশি হলে একক বহুবচন হয়: 2 kilometres, 5 feet। - ৩. 'He became a politician.' — Here the word 'politician' is used as —
- ক. object
- খ. subject
- গ. adverb
- ঘ. complement
উত্তর: ঘ. complement
He became a politician বাক্যে became হলো linking verb (সংযোগকারী ক্রিয়া)। এই ধরনের verb কোনো কাজ বোঝায় না, subject-এর সঙ্গে অন্য একটি শব্দকে জুড়ে দেয়। এর পরে যে word বা phrase বসে subject-এর অর্থ পূর্ণ করে, তাকে complement (পূরক) বলে। এখানে a politician দ্বারা বোঝানো হয়েছে He কী হয়েছে, তাই এটি subject complement। এটি object নয়, কারণ became কোনো কাজ করে অন্য কিছুর ওপর প্রভাব ফেলছে না। আর এটি subject-ও নয়, কারণ বাক্যের subject হলো He।
মনে রাখুন:
Linking verb-এর উদাহরণ হলো be, become, seem, appear, remain।
উদাহরণ: She is a doctor. The boy seems tired. - ১২. Which one is an antonym for 'lunatic'?
- ক. sane
- খ. crazy
- গ. lazy
- ঘ. plain
উত্তর: ক. sane
Lunatic মানে পাগল বা বিকৃত মস্তিষ্কের মানুষ। এর বিপরীত অর্থ হলো sane, অর্থাৎ সুস্থ মস্তিষ্কের বা স্বাভাবিক। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: crazy মানে পাগলাটে, ফলে এটি lunatic-এর সমার্থক। Lazy মানে অলস আর plain মানে সাদাসিধে বা স্পষ্ট। তাই শুধু sane-ই অর্থের দিক থেকে বিপরীত।
মনে রাখুন:
Sane-এর বিপরীত শব্দ insane।
Lunatic-এর সমার্থক শব্দ mad, insane ও crazy।
Sane-এর noun হলো sanity (সুস্থ মনের অবস্থা)। - ১৭. Choose the correct question tag to complete the sentence below : You have bought the book already, —?
- ক. isn't it
- খ. haven't you
- গ. didn't you
- ঘ. did you
উত্তর: খ. haven't you
Question tag-এ মূল বাক্য positive হলে tag negative হয়, আর auxiliary verb আগে এবং subject পরে বসে। এখানে You have bought বাক্যে auxiliary verb হলো have, তাই tag হবে haven't you? Already থাকলেও নিয়মে কোনো পরিবর্তন হয় না। Didn't you বসত যদি বাক্যটি simple past হতো, যেমন You bought the book, didn't you? আর isn't it কেবল It is ধরনের বাক্যের জন্য মানায়।
মনে রাখুন:
She is late, isn't she?
He doesn't know, does he? অর্থাৎ negative বাক্যের পরে tag positive হয়।
I am late-এর tag হয় aren't I? - ২০. Change the word 'clear' into its verb form :
- ক. clarity
- খ. clarify
- গ. cleanse
- ঘ. clearify
উত্তর: খ. clarify
Clear একটি adjective, যার অর্থ পরিষ্কার বা স্পষ্ট। একে verb করতে হলে বলা হয় clarify, অর্থাৎ পরিষ্কার বা স্পষ্ট করা। Clarity হলো noun (স্বচ্ছতা), cleanse মানে শুদ্ধ করা বা ধুয়ে পরিষ্কার করা, আর clearify বলে কোনো শুদ্ধ শব্দ নেই। এই ধরনের শব্দে প্রত্যয় বদলে verb তৈরি হয়, আর মূল শব্দের বানান কিছুটা পাল্টে যায়।
মনে রাখুন:
Clarify-এর noun হলো clarification।
আরও উদাহরণ: pure → purify, simple → simplify, class → classify।
উদাহরণ: Please clarify your point. - ২৬. 'Through and through' means–
- ক. from one end to the other
- খ. straight through
- গ. right through
- ঘ. in every way
উত্তর: ঘ. in every way
Through and through একটি idiom, যার অর্থ সম্পূর্ণভাবে বা সব দিক থেকে, অর্থাৎ in every way। যেমন, He is a gentleman through and through বাক্যে বোঝানো হয়েছে লোকটি আপাদমস্তক ভদ্রলোক। বাকি অপশনগুলো শুধু বাস্তব অর্থে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়া বোঝায়, তাই এখানে মানায় না। Idiom-এর অর্থ শব্দগুলোর আলাদা অর্থ দিয়ে হয় না, পুরো গুচ্ছটি মিলে একটি নতুন অর্থ তৈরি করে।
মনে রাখুন:
Through thick and thin = সব অবস্থায়, সুখে-দুঃখে।
উদাহরণ: He is a patriot through and through. - ২৭. Fill in the blank with the correct word : The old man was — weak to get out of bed.
- ক. most
- খ. so
- গ. very
- ঘ. too
উত্তর: ঘ. too
কোনো গুণ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হলে too + adjective + to + verb কাঠামো ব্যবহার হয়, আর এর অর্থ হয় নেতিবাচক। The old man was too weak to get out of bed মানে বৃদ্ধ লোকটি এত দুর্বল ছিলেন যে বিছানা থেকে উঠতে পারছিলেন না। So weak বসালে পরে সাধারণত that-clause লাগে, যেমন so weak that he could not get up। আর very weak বসালে to-infinitive দিয়ে বাক্য সম্পূর্ণ করা যায় না।
মনে রাখুন:
Too ও very-র পার্থক্য: very-র পরে to-infinitive বসে না।
উদাহরণ: He is too tired to walk. = He is so tired that he cannot walk. - ৪০. Choose the appropriate preposition: Joey wants to stay ___ home tonight.
- ক. of
- খ. for
- গ. with
- ঘ. at
উত্তর: ঘ. at
নিজের বাসায় থাকা বোঝাতে 'stay at home' বা 'at home' বলা হয়। - ৪২. Which one is a synonym for 'random'?
- ক. essential
- খ. choosy
- গ. specific
- ঘ. arbitrary
উত্তর: ঘ. arbitrary
Random মানে এলোমেলো বা কোনো নিয়ম ছাড়া, আর arbitrary-র অর্থও মর্জিমাফিক বা খেয়ালখুশি মতো। তাই এই দুটি শব্দ কাছাকাছি অর্থ বহন করে। বাকি শব্দগুলো আলাদা: essential মানে অপরিহার্য, choosy মানে বাছাইপ্রিয় আর specific মানে নির্দিষ্ট। Specific এখানে বরং random-এর উল্টো অর্থের কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
Random-এর বিপরীত শব্দ systematic।
উদাহরণ: He picked a random card. = He picked an arbitrary card. - ৪৩. The passive form of 'They have won the battle' is —
- ক. The battle have won by them.
- খ. The battle had been won by them.
- গ. The battle was won by them.
- ঘ. The battle has been won by them.
উত্তর: ঘ. The battle has been won by them.
Active voice-এ They have won the battle বাক্যটি present perfect tense। এই tense-এর passive গঠন হলো object + has/have been + verb-এর past participle + by + কর্তা। এখানে object The battle একবচন, তাই has been ব্যবহার করতে হবে: The battle has been won by them। প্রথম অপশনে have won by বসানো হয়েছে, যা গঠনে ভুল। দ্বিতীয় অপশনের had been won past perfect, আর তৃতীয় অপশনের was won simple past, তাই tense মেলে না।
মনে রাখুন:
Past perfect-এর passive হলো had been + past participle।
Simple past-এর passive হলো was/were + past participle। - ৫১. A specialist in eye diseases is called —
- ক. a cardiologist
- খ. an ophthalmologist
- গ. an optician
- ঘ. a urologist
উত্তর: খ. an ophthalmologist
চোখের রোগের চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞকে ophthalmologist বলা হয়। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: cardiologist হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, optician চশমা তৈরি ও বিক্রেতা আর urologist মূত্রতন্ত্রের রোগ বিশেষজ্ঞ। Optician-এর কাজ চোখের চিকিৎসা নয়, চশমা তৈরি করা, তাই এটি একটু বিভ্রান্তিকর অপশন।
মনে রাখুন:
ত্বকের রোগ বিশেষজ্ঞ dermatologist এবং শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ pediatrician।
স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ neurologist এবং হাড়ের চিকিৎসক orthopedist।
ক্যানসার বিশেষজ্ঞ oncologist। - ৫৬. The word 'slowly' is a/an—
- ক. adjective
- খ. adverb
- গ. verb
- ঘ. conjunction
উত্তর: খ. adverb
যে word ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য ক্রিয়াবিশেষণকে modify করে, তাকে adverb বলে। Slowly শব্দটি কাজ কীভাবে হয় তা জানায়, যেমন He walks slowly। এখানে slowly ক্রিয়া walks-এর ধরন বুঝিয়েছে, তাই এটি adverb। Slow শব্দটি adjective, আর তার সঙ্গে -ly যোগ হয়ে slowly হয়েছে।
মনে রাখুন:
Adjective-এর সঙ্গে -ly যোগ করে অনেক adverb তৈরি হয়, যেমন quick → quickly।
কিছু শব্দ adjective ও adverb দুই রকমেই একই থাকে, যেমন fast, hard। - ৫৭. A 'fantasy' is —
- ক. an imaginary story
- খ. a funny film
- গ. a funny play
- ঘ. a real life event
উত্তর: ক. an imaginary story
Fantasy মানে কল্পনার গল্প, যেখানে জাদু, দৈত্য বা অলৌকিক ঘটনা থাকে। এটি বাস্তব জীবনের ঘটনা নয়, তাই real life event ভুল। বাকি দুটি অপশন, funny film আর funny play, কেবল হাসির গল্প বা নাটক বোঝায়। কিন্তু fantasy-তে মজার কিছু থাকতেও পারে, না-ও পারে, মূল কথা হলো কল্পনা।
মনে রাখুন:
Fantasy-এর বিপরীত অর্থ reality।
Fantasy-এর adjective হলো fantastic।
Imaginary মানে কাল্পনিক বা মনগড়া। - ৫৯. Fill in the blank: — English are industrious.
- ক. The
- খ. An
- গ. Each
- ঘ. A
উত্তর: ক. The
কোনো জাতির নাম বোঝাতে জাতিবাচক বিশেষ্যের আগে the বসে। The English মানে ইংরেজ জাতি, তাই The English are industrious বাক্যটি ঠিক। Are verb দেখেও বোঝা যায়, এখানে বহুবচন বোঝানো হচ্ছে। An বা A বসালে একবচন বোঝায়, ফলে are-এর সঙ্গে মেলে না, আর Each বসালে verb একবচন হতো।
মনে রাখুন:
The Bangladeshis, the French, the Chinese এভাবেই লেখা হয়।
গুণবাচক শব্দের আগেও the বসে সমষ্টি বোঝাতে, যেমন the poor, the rich। - ৬৩. A person who writes about his own life writes—
- ক. a diary
- খ. short stories
- গ. a biography
- ঘ. an autobiography
উত্তর: ঘ. an autobiography
যে ব্যক্তি নিজের জীবনের কথা নিজেই লেখে, তার লেখাকে autobiography (আত্মজীবনী) বলে। অন্য কারও জীবনের কথা লিখলে তা biography (জীবনী)। Diary হলো দৈনিক ঘটনার লিখিত রোজনামচা আর short story ছোটগল্প। এগুলোর কোনোটিই নিজের গোটা জীবনের কাহিনি নয়।
মনে রাখুন:
Autobiography-র auto মানে নিজ, আর bio মানে জীবন।
Biography যিনি লেখেন তিনি biographer।
উদাহরণ: The book is an autobiography of a great leader. - ৬৪. Fill in the blank with appropriate word/words: Your dress is dirty. It — cleaning.
- ক. will need
- খ. needs
- গ. is needed
- ঘ. has needed
উত্তর: খ. needs
Your dress is dirty বাক্যে বর্তমান অবস্থার কথা বলা হয়েছে, এবং পোশাকটির পরিষ্কার হওয়া দরকার। Need এখানে নিজেই এমন অর্থ বহন করে, তাই present indefinite tense-এ It needs cleaning বলা হয়। এখানে passive-এর দরকার নেই। Will need ভবিষ্যতের কথা বোঝায়, আর is needed দিলে cleaning-এর আগের গঠন ঠিক থাকে না।
মনে রাখুন:
Need + verb-ing মানে passive অর্থ, যেমন The car needs washing।
Subject যদি কোনো মানুষ হয়, তখন need to ব্যবহার হয়, যেমন He needs to wash the car. - ৬৬. Choose the right indirect speech : "What are you doing?" asked the teacher.
- ক. The teacher asked what he was doing.
- খ. The teacher asked what was he doing.
- গ. The teacher asked what is he doing.
- ঘ. The teacher asked what are you doing.
উত্তর: ক. The teacher asked what he was doing.
Direct speech-এ প্রশ্ন থাকলে indirect speech-এ বাক্যটি statement-এর ক্রমে লেখা হয়, অর্থাৎ question mark বাদ যায় এবং subject আগে ও verb পরে বসে। Reporting verb asked অতীত কালের, তাই are doing হয়ে যায় was doing, আর you বদলে হয় he। সুতরাং বাক্যটি The teacher asked what he was doing।
মনে রাখুন:
Indirect speech-এ what he was doing বলা হয়, what was he doing নয়।
উদাহরণ: He said to me, "Where do you live?" → He asked me where I lived. - ৭২. Choose the correct verb : Each of the boys — present in the class.
- ক. are
- খ. have
- গ. is
- ঘ. were
উত্তর: গ. is
Each of the + বহুবচন noun থাকলেও Each শব্দটি একবচন বোঝায়, কারণ এতে একজন একজন করে ধরা হয়। তাই verb একবচন হবে। Present অবস্থা বোঝাতে এখানে is বসে: Each of the boys is present in the class। Are ও have বহুবচন, আর were অতীতের কথা বোঝায়, তাই সেগুলো মানায় না।
মনে রাখুন:
Every, either, neither ও one of-এর পরেও verb একবচন হয়।
উদাহরণ: Neither of the girls is absent. One of my friends is a doctor. - ৭৭. Choose the correct sentence :
- ক. My sister yesterday visited me.
- খ. My sister has visited me yesterday.
- গ. My sister visited me yesterday.
- ঘ. My sister had visited me yesterday.
উত্তর: গ. My sister visited me yesterday.
Yesterday অতীত সময় বোঝায়, তাই বাক্যটি past indefinite tense-এ হবে। Present perfect বা past perfect-এর সঙ্গে yesterday-র মতো নির্দিষ্ট অতীত সময় বসে না। সঠিক বাক্য My sister visited me yesterday, যেখানে সময়ের শব্দ শেষে এসেছে। প্রথম অপশনে yesterday ভুল জায়গায় আছে, কারণ এটি সাধারণত বাক্যের শেষে বা শুরুতে বসে।
মনে রাখুন:
Present perfect-এর সঙ্গে ago, yesterday, last year চলে না।
উদাহরণ: I have already seen the film. কিন্তু I saw the film last week. - ৮৩. Complete the sentence : Hardly had the train stopped —.
- ক. then we got down
- খ. when we got down
- গ. as we got down
- ঘ. than we got down
উত্তর: খ. when we got down
Hardly, scarcely ও no sooner দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যে দুটি কাজ প্রায় একসঙ্গে ঘটেছে বোঝানো হয়। Hardly/Scarcely-র পরে when বসে, আর No sooner-এর পরে than। তাই Hardly had the train stopped when we got down বাক্যটি ঠিক। এ ধরনের বাক্যে প্রথম অংশে past perfect এবং দ্বিতীয় অংশে simple past থাকে। Then, as বা than এখানে বসালে গঠন ভুল হয়।
মনে রাখুন:
No sooner had the train stopped than we got down।
Hardly ও scarcely-র সঙ্গে সরাসরি নেতিবাচক শব্দ ব্যবহার করা যায় না। - ৮৯. The meaning of the idiom 'bad blood' is —
- ক. friendship
- খ. cruelty
- গ. enmity
- ঘ. infected blood
উত্তর: গ. enmity
Bad blood একটি idiom, যার অর্থ শত্রুতা বা মনোমালিন্য, অর্থাৎ enmity। যেমন, There is bad blood between the two families বাক্যে দুই পরিবারের মধ্যে শত্রুতার কথা বলা হয়েছে। Infected blood মানে আক্ষরিক সংক্রমিত রক্ত, কিন্তু idiom-এ এই অর্থ নেই। Idiom-এর অর্থ শব্দগুলো আলাদাভাবে ধরে বোঝা যায় না, গোটা বাক্যাংশ মিলে একটি নতুন অর্থ তৈরি করে।
মনে রাখুন:
Bad blood-এর বিপরীত অর্থ friendship বা goodwill।
আরেকটি idiom: Blood is thicker than water = আত্মীয়তার টান সবচেয়ে বড়। - ৯০. Fill in the blank : He ran fast lest he — miss the train.
- ক. should
- খ. may
- গ. could
- ঘ. did not
উত্তর: ক. should
Lest মানে ‘পাছে’ বা ‘যাতে না’, আর এর সঙ্গে negative অর্থ আগেই বোঝা যায়। তাই lest-এর পরে আলাদা not বসে না। Lest + subject + should + verb-এর মূল রূপ এই গঠনে বাক্য হয়: He ran fast lest he should miss the train। এর অর্থ, সে দ্রুত দৌড়েছিল, যাতে ট্রেন না ফসকায়। May বা could এখানে মানায় না, কারণ lest-এর সঙ্গে সাধারণত should ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
Lest বাক্যে should-এর বদলে সরাসরি verb-এর মূল রূপও ব্যবহার করা যায়, যেমন lest he miss।
উদাহরণ: Work hard lest you should fail. - ৯১. Who wrote 'The Taming of the Shrew'?
- ক. William Shakespeare
- খ. G.B. Shaw
- গ. W. B. Yeats
- ঘ. John Dryden
উত্তর: ক. William Shakespeare
The Taming of the Shrew একটি comedy নাটক, যার লেখক উইলিয়াম শেক্সপিয়ার (William Shakespeare)। এতে ঝগড়াটে মেয়ে ক্যাথরিনাকে পেত্রুচিও কীভাবে বশ করে, সেই কাহিনি আছে। অন্য অপশনের লেখকরা আলাদা: জি বি শ নাট্যকার (Pygmalion), ডব্লিউ বি ইয়েটস কবি, আর জন ড্রাইডেন Absalom and Achitophel-এর রচয়িতা।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়ারের আরও comedy নাটক A Midsummer Night’s Dream ও Twelfth Night।
তাঁর বিখ্যাত tragedy নাটক Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth। - ৯৪. 'In black and white' means —
- ক. completely right or wrong
- খ. directly
- গ. in writing
- ঘ. painted in black and white
উত্তর: গ. in writing
In black and white একটি idiom, যার অর্থ লিখিত বা ছাপা অবস্থায়। যেমন, I want the agreement in black and white মানে আমি চুক্তিটি লিখিত আকারে চাই। তাই এর সঠিক অর্থ in writing। অন্য অপশনগুলো এই idiom-এর অর্থ নয়: সরাসরি রং বোঝানো একটি আক্ষরিক অর্থ, আর ‘সম্পূর্ণ ঠিক বা ভুল’ অর্থটি অন্য প্রসঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন:
Black and white মানে অনেক সময় স্পষ্ট ভালো-মন্দের ভেদও বোঝায়, তবে এই বাক্যাংশে তা নয়।
উদাহরণ: Get everything in black and white before you sign. - ৯৯. Which one is the correct spelling?
- ক. renessance
- খ. reneisance
- গ. renaissance
- ঘ. renaisance
উত্তর: গ. renaissance
সঠিক বানান renaissance। এর অর্থ নবজাগরণ, যা ইউরোপে চতুর্দশ থেকে সপ্তদশ শতকে ঘটেছিল। শব্দটি ফরাসি থেকে এসেছে, ফরাসিতে এর অর্থ পুনর্জন্ম। এই সময়ে শিল্প, সাহিত্য ও বিজ্ঞানে নতুন প্রাণ আসে। ইতালি থেকে এর শুরু, আর অন্য তিনটি বানান ভুল।
মনে রাখুন:
বানানে ss এবং aissa অংশটি মনে রাখলে ভুল হয় না।
লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ও মাইকেলেঞ্জেলো রেনেসাঁর বিখ্যাত শিল্পী।
উনিশ শতকে বাংলায় যে নবজাগরণ ঘটে, তাকে বাংলার রেনেসাঁ বলা হয়।
বাংলা
- ৪. কোন কাব্যটি শামসুর রাহমানের রচনা নয়?
- ক. রৌদ্র করোটিতে
- খ. বন্দী শিবির থেকে
- গ. বিধ্বস্ত নীলিমা
- ঘ. সোনালী কাবিন
উত্তর: ঘ. সোনালী কাবিন
‘সোনালী কাবিন’ শামসুর রাহমানের নয়, এটি কবি আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। বইটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে সনেটের আঙ্গিকে লেখা দীর্ঘ কবিতা আছে। বাকি তিনটি কাব্য শামসুর রাহমানের লেখা। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন প্রধান কবি, আর মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনা তাঁর অনেক কবিতায় ফুটে উঠেছে। ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ তাঁর বিখ্যাত কবিতা।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের কাব্য: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (১৯৬০), রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩), বিধ্বস্ত নীলিমা (১৯৬৭), বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২)।
আল মাহমুদের কাব্য: লোক লোকান্তর, কালের কলস, সোনালী কাবিন। - ৮. চর্যাপদের কোন পদকর্তা সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন?
- ক. শবরপা
- খ. কাহ্নপা
- গ. ডোম্বীপা
- ঘ. ভুসুকুপা
উত্তর: খ. কাহ্নপা
চর্যাপদ বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন। এর সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে, যেগুলো বিভিন্ন সিদ্ধাচার্য রচনা করেছেন। এঁদের মধ্যে কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি, মোট ১৩টি পদ লিখেছেন, তাই তাঁকে সবচেয়ে বড় পদকর্তা বলা হয়। তাঁর পরেই আছেন ভুসুকুপা, যাঁর পদের সংখ্যা ৮টি। এই পদগুলোতে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনার কথা প্রতীকের আড়ালে বলা হয়েছে।
মনে রাখুন:
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে।
আদি কবি হিসেবে লুইপা পরিচিত।
চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে আরও আছেন শবরপা, ডোম্বীপা, সরহপা ও কুক্কুরীপা। - ৯. 'কল্লোল' সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
- খ. বুদ্ধদেব বসু
- গ. দীনেশরঞ্জন দাশ
- ঘ. নাসির উদ্দিন
উত্তর: গ. দীনেশরঞ্জন দাশ
‘কল্লোল’ ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা। এর সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। পত্রিকাটিকে ঘিরে একদল তরুণ লেখক রবীন্দ্রনাথের প্রভাব থেকে বেরিয়ে নতুন ধারার সাহিত্য রচনার চেষ্টা করেন, তাই এই গোষ্ঠীকে কল্লোল যুগের লেখক বলা হয়। তাঁদের লেখায় বাস্তব জীবনের দারিদ্র্য, সংগ্রাম ও আধুনিক মানুষের জটিল মনের কথা জোরালোভাবে এসেছে। বুদ্ধদেব বসু এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। তিনি পরে ‘প্রগতি’ ও ‘কবিতা’ নামে আলাদা পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
মনে রাখুন: কল্লোলে নিয়মিত লিখতেন অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। - ১০. 'টুঙ্গীপাড়া থেকে' কবিতার কবি কে?
- ক. রফিক আজাদ
- খ. হুমায়ূন আজাদ
- গ. হুমায়ূন আহমেদ
- ঘ. কামাল চৌধুরী
উত্তর: ঘ. কামাল চৌধুরী
‘টুঙ্গীপাড়া থেকে’ কবিতাটি লিখেছেন কবি কামাল চৌধুরী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়াকে কেন্দ্র করে এই কবিতার ভাব গড়ে উঠেছে। অন্য অপশনের কবিদের পরিচয়ও আলাদা। রফিক আজাদ ও হুমায়ূন আজাদ দুজনই বিখ্যাত কবি, আর হুমায়ূন আহমেদ পরিচিত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হিসেবে।
মনে রাখুন:
কামাল চৌধুরীর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে আছে ‘মিছিলের সমান বয়সী’, ‘এসেছি নিজের ভোরে’ ও ‘পান্থশালার ঘোড়া’।
রফিক আজাদের বিখ্যাত কবিতা ‘ভাত দে হারামজাদা’।
বঙ্গবন্ধুর জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ। - ১৩. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য কয় খণ্ডের?
- ক. ১১
- খ. ১৩
- গ. ১৪
- ঘ. ১৫
উত্তর: খ. ১৩
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি লিখেছেন বড়ু চণ্ডীদাস, আর এটি মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন। কাব্যটি মোট তেরোটি খণ্ডে ভাগ করা, যেমন জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড ও রাধাবিরহ। এর তিনটি প্রধান চরিত্র কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই। কাব্যের কাহিনি রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে, যেখানে বড়াই দূতীর কাজ করে।
মনে রাখুন:
১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়ার এক গ্রাম থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন।
১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
চর্যাপদ প্রাচীন যুগের এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম সাহিত্যিক নিদর্শন। - ১৪. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
- ক. আনন্দমঠ
- খ. কপালকুণ্ডলা
- গ. দুর্গেশনন্দিনী
- ঘ. দেবী চৌধুরানী
উত্তর: গ. দুর্গেশনন্দিনী
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’, যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। এটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস বলা হয়। তার পরের বছর, ১৮৬৬ সালে, প্রকাশিত হয় ‘কপালকুণ্ডলা’। এই উপন্যাসের কাহিনি এক কাপালিকের হাতে বেড়ে ওঠা তরুণীকে ঘিরে। ‘আনন্দমঠ’ ও ‘দেবী চৌধুরানী’ তাঁর পরের দিকের লেখা, তাই প্রথম উপন্যাসের উত্তর হিসেবে এগুলো ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
‘আনন্দমঠ’ ১৮৮২ সালে এবং ‘দেবী চৌধুরানী’ ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত। ‘আনন্দমঠ’-এ ‘বন্দে মাতরম’ গানটি আছে।
বঙ্কিমের প্রথম উপন্যাস অবশ্য ইংরেজিতে লেখা Rajmohan’s Wife (১৮৬৪)।
তিনি ১৮৭২ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা প্রকাশ করেন। - ১৫. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. নিরিক্ষণ
- খ. নিরীক্ষণ
- গ. নীরিক্ষণ
- ঘ. নীরীক্ষণ
উত্তর: খ. নিরীক্ষণ
শুদ্ধ বানান হলো ‘নিরীক্ষণ’। শব্দটি এসেছে সংস্কৃত নির্ উপসর্গ আর ঈক্ষণ (দেখা) থেকে, যার অর্থ ভালো করে দেখা। বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানে এর ‘রী’-তে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। অন্য তিনটি রূপ ভুল, কারণ সেগুলোতে প্রথম অক্ষরে দীর্ঘ ঈ-কার বসানো হয়েছে, কিংবা ‘রি’-তে হ্রস্ব ই-কার দেওয়া হয়েছে। বানান মনে রাখার সহজ উপায় হলো মূল শব্দ ঈক্ষণকে মনে রাখা, যার ঈ দীর্ঘ।
মনে রাখুন:
একই মূল থেকে আসা শব্দ পরীক্ষণ, প্রতীক্ষা ও সমীক্ষা।
আরও কয়েকটি শুদ্ধ বানান: নিরীহ, নীরব, নিরাপত্তা। - ১৯. বাংলা সাহিত্যে 'সনেট' এর প্রথম প্রবর্তন করেন কে?
- ক. মহাকবি কায়কোবাদ
- খ. হেমচন্দ্র সেন
- গ. নবীনচন্দ্র সেন
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রথম এনেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ১৮৬০ সালে প্রথম বাংলা সনেট লেখেন এবং এর নাম দেন চতুর্দশপদী কবিতা। সনেট মানে চৌদ্দ পঙ্ক্তির কবিতা, যেখানে একটি বিশেষ ছন্দ ও মিলের নিয়ম মানা হয়। অন্য অপশনের কবিরা মধুসূদনের পরে এসেছেন এবং সনেট রচনায় তাঁকেই অনুসরণ করেছেন।
মনে রাখুন:
ইতালীয় কবি পেত্রার্ককে সনেটের জনক বলা হয়।
মধুসূদনের সনেটের সংকলন ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ (১৮৬৬)।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক মহাকাব্য মধুসূদনের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১)। - ২৫. কোনটি দেশি শব্দ?
- ক. চেয়ার
- খ. টেবিল
- গ. আলমারি
- ঘ. ঢেঁকি
উত্তর: ঘ. ঢেঁকি
যে শব্দ বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে এসেছে এবং বাংলা ভাষায় চলে আসছে, তাকে দেশি শব্দ বলে। ‘ঢেঁকি’ এমনই একটি শব্দ। ‘চেয়ার’ ও ‘টেবিল’ এসেছে ইংরেজি ভাষা থেকে এবং ‘আলমারি’ এসেছে পর্তুগিজ ভাষা থেকে। এগুলো তাই বিদেশি শব্দ। পর্তুগিজ ও ইংরেজদের সঙ্গে যোগাযোগের ফলে আমাদের ভাষায় এমন অনেক নতুন শব্দ ঢুকেছে।
মনে রাখুন:
দেশি শব্দের উদাহরণ: ঝাঁটা, কুলা, ডোবা, খোকা, চুলা, ঝোল, ডাব।
পর্তুগিজ শব্দ: আলমারি, আনারস, বালতি, চাবি, গির্জা, পেঁপে। - ২৯. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক কোনটি?
- ক. কুলীনকুলসর্বস্ব
- খ. শর্মিষ্ঠা
- গ. কৃষ্ণকুমারী
- ঘ. পদ্মাবতী
উত্তর: খ. শর্মিষ্ঠা
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৯) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক। রামনারায়ণ তর্করত্নের 'কুলীনকুলসর্বস্ব' প্রথম মৌলিক নাটক হলেও শিল্পমানে তেমন সার্থক নয়। - ৩১. 'আর্তনাদ' উপন্যাসের পটভূমি কী?
- ক. মুক্তিযুদ্ধ
- খ. স্বদেশি আন্দোলন
- গ. বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
- ঘ. ভাষা আন্দোলন
উত্তর: ঘ. ভাষা আন্দোলন
শওকত ওসমানের ‘আর্তনাদ’ উপন্যাসটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে এর কাহিনি গড়ে উঠেছে। ভাষার দাবিতে ঢাকার রাজপথে যে মানুষ প্রাণ দিয়েছিল, সেই সময়ের আবেগ ও যন্ত্রণা এই উপন্যাসে ফুটে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধ বা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এর বিষয় নয়, তাই বাকি অপশনগুলো ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
শওকত ওসমানের আরও উপন্যাস ‘ক্রীতদাসের হাসি’, ‘জননী’, ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ ও ‘নেকড়ে অরণ্য’।
‘ভাষা আন্দোলন’ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তুঙ্গে ওঠে। - ৩২. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত রচিত উপন্যাস কোনটি?
- ক. স্বপ্নদ্রষ্টা
- খ. রূপজালাল
- গ. আনোয়ারা
- ঘ. সুলতানার স্বপ্ন
উত্তর: ঘ. সুলতানার স্বপ্ন
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত রচনা ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (১৯০৮)। তিনি এটি মূলত ইংরেজিতে Sultana’s Dream নামে লিখেছিলেন। এতে এমন এক কল্পিত দেশের কথা আছে, যেখানে সমাজ চালায় নারীরা আর পুরুষেরা থাকে অন্দরে। রোকেয়া এভাবে সমাজে নারীর অধিকারহীনতার কথা বলেছেন। ‘আনোয়ারা’ উপন্যাসটি লিখেছেন নজিবর রহমান, আর অন্য দুটি গ্রন্থও রোকেয়ার নয়।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার আরও রচনা ‘মতিচুর’, ‘পদ্মরাগ’ ও ‘অবরোধবাসিনী’।
১৯১১ সালে তিনি কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস। - ৩৬. 'রাখালী' কাব্যের রচয়িতা কে?
- ক. রঙ্গলাল সেন
- খ. জসীমউদ্দীন
- গ. আল মাহমুদ
- ঘ. গোবিন্দ দাস
উত্তর: খ. জসীমউদ্দীন
‘রাখালী’ পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। গ্রামবাংলার সহজ জীবন আর প্রকৃতির ছবি তাঁর কবিতার মূল সুর, তাই তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত। তাঁর ভাষা সরল এবং সুরে ভরা, ফলে সাধারণ মানুষও সহজে তাঁর কবিতার রস পায়। অন্য অপশনের কবিদের পরিচয় আলাদা: আল মাহমুদ আধুনিক ধারার কবি এবং ‘সোনালী কাবিন’ তাঁর রচনা।
মনে রাখুন:
জসীমউদ্দীনের অন্যান্য রচনা ‘নকশী কাঁথার মাঠ’, ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’, ‘বালুচর’ ও ‘ধানখেত’।
‘নকশী কাঁথার মাঠ’ কাহিনিকাব্য, যার প্রধান চরিত্র রুপাই ও সাজু। - ৩৯. 'নূরলদীনের সারাজীবন' কোন ধরনের রচনা?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
- ক. নাট্যগ্রন্থ
- খ. উপন্যাস
- গ. কাব্যগ্রন্থ
- ঘ. গল্পগ্রন্থ
উত্তর: ক. নাট্যগ্রন্থ
‘নূরলদীনের সারাজীবন’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি কাব্যনাট্য, অর্থাৎ নাটক, যেটি কবিতার ভাষায় লেখা। এতে ১৭৮০-র দশকে রংপুরে ইংরেজ শাসন ও জমিদারদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে কৃষক নেতা নূরলদীনের বিদ্রোহের কাহিনি আছে। এখানে ইতিহাসের একজন প্রতিবাদী কৃষকনেতাকে নাটকের নায়ক করা হয়েছে। এর ভাষা কবিতার ছন্দে বাঁধা, তাই একে কাব্যনাট্য বলা হয়।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের আরও কাব্যনাট্য ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ ও ‘গণনায়ক’।
তিনি কবিতা, উপন্যাস ও নাটক, সব ধারাতেই লিখেছেন। - ৪১. 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ক. আনোয়ার পাশা
- খ. শওকত ওসমান
- গ. সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ. আনিসুল হক
উত্তর: ক. আনোয়ার পাশা
‘রাইফেল রোটি আওরাত’ মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা উপন্যাস, লেখক আনোয়ার পাশা। বইটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। নামটির মধ্যে রাইফেল (ক্ষমতা), রোটি (খাদ্য) ও আওরাত (নারী) শব্দ আছে, আর এর মাধ্যমে পাকিস্তানি সেনাদের ভোগবাদী ও নিষ্ঠুর মনোভাব ফুটে উঠেছে। উপন্যাসে ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জীবন ও দুঃসময়ের ছবি আছে।
মনে রাখুন:
আনোয়ার পাশার আরও রচনা ‘নীড় সন্ধানী’ ও ‘নিষুতি রাতের গাথা’।
তিনি ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে প্রাণ দেন। ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। - ৪৫. 'দেবতা' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. সুর
- খ. বিভূতি
- গ. দেউল
- ঘ. ভূত
উত্তর: ক. সুর
‘দেবতা’ শব্দের সমার্থক শব্দ সুর। দেব, অমর, ত্রিদশ, নির্জর ও আমর্ত্যও একই অর্থে চলে। বাকি অপশনগুলো আলাদা অর্থ বোঝায়: বিভূতি মানে ঐশ্বর্য বা মহিমা, দেউল মানে মন্দির আর ভূত মানে অতীত বা প্রেতাত্মা। দেবতাদের অমর বলা হয় বলে ‘অমর’ শব্দটিও তাঁদের একটি নাম।
মনে রাখুন:
সুর-এর বিপরীত শব্দ অসুর।
দেবতা শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ দেবী।
মন্দিরের সমার্থক শব্দ দেউল, দেবালয়। - ৫৩. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র কোনটি?
- ক. বেঙ্গল গেজেট
- খ. সংবাদ প্রভাকর
- গ. সম্বাদ কৌমুদী
- ঘ. বঙ্গদর্শন
উত্তর: খ. সংবাদ প্রভাকর
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালে ‘সংবাদ প্রভাকর’ সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশ করেন। ১৮৩৯ সালে এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র হয়ে ওঠে। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত নিজেও একজন কবি, তাঁকে যুগসন্ধির কবি বলা হয়। অন্য তিনটি অপশনের মধ্যে ‘বঙ্গদর্শন’ মাসিক সাহিত্য পত্রিকা এবং ‘সম্বাদ কৌমুদী’ রামমোহন রায়ের সম্পাদিত সাপ্তাহিক পত্র।
মনে রাখুন:
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র ‘দিগদর্শন’ (১৮১৮)।
প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘সমাচার দর্পণ’ (১৮১৮)।
‘বঙ্গদর্শন’ বঙ্কিমচন্দ্রের সম্পাদিত মাসিক পত্রিকা (১৮৭২)। - ৫৪. 'বিছুলি' শব্দের অর্থ কী?
- ক. ফলের খোসা
- খ. ধানের খড়
- গ. মরা ঘাস
- ঘ. ঝরা পাতা
উত্তর: খ. ধানের খড়
‘বিছুলি’ (বিচালি) শব্দের অর্থ ধানের খড়। ধান কাটা ও মাড়াইয়ের পর গাছের যে শুকনো অংশ পড়ে থাকে, গ্রামে সেটিকে বিচালি বা খড় বলা হয়। এটি শুকিয়ে গরুর খাবার ও ঘর ছাওয়ার কাজে লাগে। গ্রামবাংলায় বিচুলি নামেও শব্দটি চলে। ফলের খোসা, মরা ঘাস বা ঝরা পাতা, এগুলোর কোনোটিই এই শব্দের অর্থ নয়।
মনে রাখুন:
খড় ও বিচালি প্রায় একই জিনিস।
ধানের উপরের খোসাকে তুষ বলা হয়। - ৬২. 'বৈষ্ণব পদাবলি'-তে রস কত প্রকার?
- ক. পঞ্চ রস
- খ. ষষ্ঠ রস
- গ. সপ্ত রস
- ঘ. অষ্ট রস
উত্তর: ক. পঞ্চ রস
বৈষ্ণব সাধনায় কৃষ্ণের প্রতি ভক্তের মনোভাব পাঁচ রকম, তাই রসও পাঁচটি। এগুলো হলো শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য ও মধুর। এর মধ্যে মধুর রসকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ধরা হয়, কারণ তাতে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা বর্ণিত হয়। চৈতন্যদেবের প্রভাবে এই ভাবধারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে, আর তার ফলেই পদাবলি সাহিত্য সমৃদ্ধ হয়।
মনে রাখুন:
বৈষ্ণব পদাবলির বিখ্যাত কবিরা হলেন বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস।
বিদ্যাপতির পদ ব্রজবুলি ভাষায় লেখা। - ৭৩. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. অগ্নি-বীণা
- খ. বিষের বাঁশী
- গ. দোলন চাঁপা
- ঘ. সাম্যবাদী
উত্তর: ক. অগ্নি-বীণা
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নি-বীণা’, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এতে ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি আছে, যেটি তাঁকে রাতারাতি বিখ্যাত করে তোলে। এর পরের কাব্যগ্রন্থ ‘দোলন চাঁপা’ (১৯২৩) ও ‘বিষের বাঁশী’ (১৯২৪)। ‘সাম্যবাদী’ আরও পরের, ১৯২৫ সালের রচনা।
মনে রাখুন:
নজরুলের প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’ এবং প্রথম উপন্যাস ‘বাঁধনহারা’।
তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি। - ৮২. 'পূরবী' কাব্যের রচয়িতা কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- গ. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
- ঘ. রজনীকান্ত
উত্তর: ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘পূরবী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি অপশনের কবিরা অন্য কাব্যের জন্য পরিচিত: বিহারীলাল চক্রবর্তী ‘সারদামঙ্গল’ আর ইসমাইল হোসেন সিরাজী ‘অনল প্রবাহ’। রজনীকান্ত সেন পরিচিত ভক্তিমূলক গান ও কবিতার জন্য, যেমন তাঁর ‘বাণী’ ও ‘কল্যাণী’ কাব্য।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবিকাহিনী’ (১৮৭৮)।
‘সোনার তরী’ (১৮৯৪) ও ‘গীতাঞ্জলি’ (১৯১০) তাঁর অন্য বিখ্যাত কাব্য।
তিনি ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান। - ৮৭. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম কোনটি?আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. কৃষ্ণকান্ত
- খ. নীললোহিত
- গ. কমলাকান্ত
- ঘ. কবিকঙ্কন
উত্তর: গ. কমলাকান্ত
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ‘কমলাকান্ত’। ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ (১৮৭৫) রচনায় তিনি এই নামেই লিখেছিলেন। এতে একজন আফিমখোর কমলাকান্ত চরিত্রের মুখ দিয়ে সমাজের নানা বিষয়ে ব্যঙ্গ ও রসিকতা করা হয়েছে। অন্য অপশনের নামগুলো আলাদা ব্যক্তির সঙ্গে জড়িত।
মনে রাখুন:
‘কবিকঙ্কন’ মুকুন্দরামের উপাধি।
‘নীললোহিত’ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
‘বীরবল’ প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম।
‘পরশুরাম’ রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম। - ৮৮. কাকে 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' বলা হয়?
- ক. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
- খ. ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত
- গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- ঘ. অক্ষয় কুমার বড়াল
উত্তর: খ. ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত
আধুনিক বাংলা সাহিত্য শুরুর আগের সময়টাকে যুগসন্ধিকাল বলা হয়, যখন মধ্যযুগ শেষ হয়ে আধুনিক যুগ আসছিল। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯) এই সন্ধির সময়ে কবিতা লিখেছেন। তাঁর কবিতায় পুরোনো ও নতুন দুই ধারারই ছাপ আছে, তাই তাঁকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। ভারতচন্দ্র মধ্যযুগের শেষ বড় কবি, আর মুকুন্দরাম মঙ্গলকাব্যের কবি।
মনে রাখুন:
তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের বিখ্যাত কাব্য ‘অন্নদামঙ্গল’।
মুকুন্দরামের কাব্য ‘চণ্ডীমঙ্গল’। - ৯৭. 'আদালত' কোন ভাষার শব্দ?
- ক. আরবি
- খ. ফারসি
- গ. উর্দু
- ঘ. হিন্দি
উত্তর: ক. আরবি
‘আদালত’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, যার মূল অর্থ বিচার। আরবি শব্দ বাংলায় ঢুকেছে মূলত ধর্ম ও শাসনের মাধ্যমে। বিচার ও আইনের অনেক শব্দ তাই আরবি থেকে আসা, আর আমরা প্রতিদিন সেগুলো ব্যবহার করি। ফারসি ও উর্দু শব্দের মতো মনে হলেও ‘আদালত’-এর উৎস আরবি।
মনে রাখুন:
আরবি শব্দ: আল্লাহ, ওযু, হজ, মসজিদ, দলিল, খাজনা, নবাব।
আইন-আদালত সংক্রান্ত আরবি শব্দ: উকিল, হাকিম, মামলা, মোকদ্দমা।
ফারসি শব্দ: কারখানা, চশমা, দোকান। - ১০০. 'পুরোনো বাংলা গদ্য' গ্রন্থের লেখক কে?
- ক. আনিসুজ্জামান
- খ. মনিরুজ্জামান
- গ. খালেকুজ্জামান ইলিয়াস
- ঘ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর: ক. আনিসুজ্জামান
‘পুরোনো বাংলা গদ্য’ গ্রন্থের লেখক অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। এতে বাংলা গদ্যের প্রাচীন ও প্রাথমিক রূপ নিয়ে আলোচনা আছে। বইটি তাঁর গবেষণার ফল। অন্য অপশনের নামগুলো আলাদা ক্ষেত্রে পরিচিত, যেমন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভাষাবিজ্ঞানী, যাঁর বিখ্যাত বই ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’।
মনে রাখুন:
আনিসুজ্জামানের আরও বিখ্যাত বই ‘মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য’।
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ চর্যাপদের ভাষাকে বাংলা বলে প্রমাণ করতে ভূমিকা রেখেছেন।
গণিত
- ৫. একটি পরীক্ষায় ৬০% গণিতে এবং ৭০% ইংরেজিতে পাস করে। উভয় বিষয়ে ১৫% ফেল করলে উভয় বিষয়ে পাস করে-
- ক. ৬০%
- খ. ৪৫%
- গ. ৩০%
- ঘ. ৬৫%
উত্তর: খ. ৪৫%
গণিতে ফেল ৪০%, ইংরেজিতে ফেল ৩০%, দুটিতেই ফেল ১৫%। তাই অন্তত একটিতে ফেল = ৪০ + ৩০ − ১৫ = ৫৫%, আর উভয় বিষয়ে পাস = ১০০ − ৫৫ = ৪৫%। - ১৬. a² + b² + c² + 2ab − 2bc এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ হবে?
- ক. −2ab
- খ. 2bc
- গ. 2ca
- ঘ. −2ca
উত্তর: ঘ. −2ca
একটি রাশির সঙ্গে কিছু যোগ করে পূর্ণবর্গ বানাতে হলে রাশিটিকে তিন পদের বর্গের মতো গঠনে মেলাতে হয়। প্রশ্নের রাশিতে a², b², c² আছে, আর 2ab ও −2bc আছে। তাই এটি (a + b − c)²-এর সঙ্গে মেলে। বিস্তার করলে পাই: (a + b − c)² = a² + b² + c² + 2ab − 2bc − 2ca। প্রদত্ত রাশিতে −2ca নেই, তাই −2ca যোগ করলেই যোগফল পূর্ণবর্গ হবে।
মনে রাখুন:
(a + b + c)² = a² + b² + c² + 2ab + 2bc + 2ca।
(a − b)² = a² − 2ab + b²।
বর্গের বিস্তারে প্রতিটি পদের বর্গ থাকে, আর দুটি করে পদের গুণফলের দ্বিগুণ থাকে। - ১৮. একটি সমান্তর ধারার সাধারণ অন্তর 9 এবং 7ম পদ 60 হলে 12তম পদটি কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. 89
- খ. 100
- গ. 108
- ঘ. 105
উত্তর: ঘ. 105
সমান্তর ধারার (Arithmetic Progression) n-তম পদের সূত্র হলো a + (n − 1)d, যেখানে a প্রথম পদ এবং d সাধারণ অন্তর। এখানে ৭ম পদ a + 6×9 = 60, তাই a + 54 = 60 এবং a = 6। তাহলে ১২তম পদ = 6 + 11×9 = 6 + 99 = 105।
শর্টকাট: ৭ম পদ থেকে ১২তম পদে যেতে ৫টি ধাপ এগোতে হয়। প্রতিটি ধাপে 9 করে বাড়ে, অর্থাৎ 60 + 5×9 = 105।
মনে রাখুন: n সংখ্যক পদের যোগফল S = n/2 × {2a + (n − 1)d}। - ২৩. 2ⁿ⁺¹ − 2ⁿ = কত?
- ক. 2
- খ. 2ⁿ
- গ. 4
- ঘ. 2ⁿ⁺¹
উত্তর: খ. 2ⁿ
ঘাতের নিয়ম অনুযায়ী 2ⁿ⁺¹ = 2ⁿ × 2¹ = 2ⁿ × 2। তাহলে 2ⁿ⁺¹ − 2ⁿ = 2ⁿ × 2 − 2ⁿ। এখানে 2ⁿ উভয় পদেই আছে, তাই তাকে সাধারণ উৎপাদক হিসেবে বের করে নিই: 2ⁿ(2 − 1) = 2ⁿ × 1 = 2ⁿ। উত্তর তাই 2ⁿ। যাচাই করতে n = 3 ধরলে পাই 2⁴ − 2³ = 16 − 8 = 8 = 2³, যা মিলে যায়।
মনে রাখুন:
aᵐ⁺ⁿ = aᵐ × aⁿ।
aᵐ ÷ aⁿ = aᵐ⁻ⁿ।
a⁰ = 1 (a ≠ 0)। - ২৪. $2^{n+1}-2^n$ = কত?
- ক. 2
- খ. $2^n$
- গ. 4
- ঘ. $2^{n+1}$
উত্তর: খ. $2^n$
$2^{n+1} - 2^n = 2^n(2 - 1) = 2^n$। - ৩৩. log_x(5/2) = −1/2 হলে x এর মান —
- ক. 4/25
- খ. √(5/2)
- গ. √(2/5)
- ঘ. 25/4
উত্তর: ক. 4/25
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_x(5/2) = −1/2 মানে x^(−1/2) = 5/2। উভয় পক্ষকে (−2) ঘাতে তুললে বাঁ দিকে ঘাতের গুণ হয়: (x^(−1/2))^(−2) = x। ডান দিকে পাই (5/2)^(−2), আর ঋণাত্মক ঘাত ভগ্নাংশকে উল্টে দেয়। তাই x = (2/5)² = 4/25।
মনে রাখুন:
log_a(b) = c হলে aᶜ = b।
log_a(1) = 0 এবং log_a(a) = 1।
ঋণাত্মক ঘাতে a⁻ⁿ = 1/aⁿ। - ৩৫. ১, ২, ৩, ৪ অঙ্কগুলো দ্বারা ৩০০০ অপেক্ষা বৃহত্তর কয়টি সংখ্যা গঠন করা যাবে?
- ক. ৮টি
- খ. ১২টি
- গ. ১৬টি
- ঘ. ১৮টি
উত্তর: খ. ১২টি
চার অঙ্কের সংখ্যা ৩০০০-এর চেয়ে বড় হতে হলে হাজারের ঘরে ৩ অথবা ৪ থাকতে হবে, অর্থাৎ ২টি উপায়। হাজারের ঘরে ১ বা ২ থাকলে সংখ্যা ৩০০০-এর ছোট হয়ে যায়। এরপর বাকি ৩টি অঙ্ক বাকি ৩টি ঘরে ৩! = ৬ ভাবে বসানো যায়। তাহলে মোট সংখ্যা = ২ × ৬ = ১২টি।
এখানে ধরা হয়েছে, প্রতিটি অঙ্ক একবারই ব্যবহার করা যাবে।
মনে রাখুন:
n সংখ্যক ভিন্ন বস্তু একসঙ্গে সাজানোর উপায় n!।
৩! = ৩ × ২ × ১ = ৬। - ৪৭. একটি ঘরের প্রস্থ তার দৈর্ঘ্যের ২/৩ অংশ। ঘরটির পরিসীমা ৪০ মিটার হলে তার ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০২২
- ক. ৬০
- খ. ৯৬
- গ. ৯২
- ঘ. ৬৪
উত্তর: খ. ৯৬
ঘরের দৈর্ঘ্য x মিটার হলে প্রস্থ হবে x-এর ২/৩ অংশ, অর্থাৎ 2x/3 মিটার। আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) হওয়ায় 2(x + 2x/3) = 40 পাই। এটি থেকে x + 2x/3 = 20, অর্থাৎ 5x/3 = 20, তাই x = 12। তাহলে দৈর্ঘ্য 12 মিটার ও প্রস্থ 2×12/3 = 8 মিটার। ক্ষেত্রফল = 12 × 8 = 96 বর্গমিটার।
মনে রাখুন:
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) এবং ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × বাহু এবং ক্ষেত্রফল = বাহু²।
যাচাই: 2(12 + 8) = 40। - ৫০. দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৭ এবং তাদের ল.সা.গু. ৩৫০। সংখ্যা দুটির গ.সা.গু.—
- ক. ৫০
- খ. ৯০
- গ. ৩৫
- ঘ. ১০
উত্তর: ঘ. ১০
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৭ হলে সংখ্যা দুটিকে 5x ও 7x ধরা যায়। ৫ ও ৭ পরস্পর মৌলিক, অর্থাৎ এদের সাধারণ উৎপাদক ১ ছাড়া আর নেই। তাই সংখ্যা দুটির গ.সা.গু. x এবং ল.সা.গু. 5 × 7 × x = 35x। 35x = 350 থেকে x = 10। অতএব গ.সা.গু. 10। যাচাই: সংখ্যা দুটি 50 ও 70, এদের গুণফল 3500 = 10 × 350।
মনে রাখুন: দুটি সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.। - ৫৫. 13 cm ব্যাসার্ধবিশিষ্ট বৃত্তের কেন্দ্র হতে একটি জ্যা-এর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত দূরত্ব 5 cm হলে জ্যা-টির দৈর্ঘ্য কত?
- ক. 15 cm
- খ. 12 cm
- গ. 13 cm
- ঘ. 24 cm [চিত্র: বৃত্তে কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত লম্ব 5, ব্যাসার্ধ 13]
উত্তর: ঘ. 24 cm [চিত্র: বৃত্তে কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত লম্ব 5, ব্যাসার্ধ 13]
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর ওপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা-কে সমদ্বিখণ্ডিত করে। তাই কেন্দ্র, জ্যা-এর মধ্যবিন্দু ও জ্যা-এর এক প্রান্ত নিয়ে একটি সমকোণী ত্রিভুজ হয়, যার অতিভুজ ব্যাসার্ধ 13 cm এবং একটি বাহু 5 cm। পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী অর্ধেক জ্যা = √(13² − 5²) = √(169 − 25) = √144 = 12 cm। পুরো জ্যা = 2 × 12 = 24 cm।
মনে রাখুন:
৫, ১২, ১৩ একটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী।
আরও ত্রয়ী: ৩, ৪, ৫ এবং ৮, ১৫, ১৭। - ৬০. একটি ত্রিভুজের একটি কোণের মান 90°; অন্য কোণ দুটির অনুপাত 2 : 3 হলে ছোট কোণটির পূরক কোণ—
- ক. 36°
- খ. 144°
- গ. 54°
- ঘ. 126°
উত্তর: গ. 54°
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। একটি কোণ 90° হলে অপর দুটির সমষ্টি 180° − 90° = 90°। অনুপাত 2 : 3 হলে কোণ দুটি 2x ও 3x, তাই 5x = 90° ও x = 18°। ছোট কোণ 2 × 18° = 36°, আর বড় কোণ 54°। দুটি কোণের সমষ্টি 90° হলে তারা পরস্পরের পূরক কোণ, তাই ছোট কোণটির পূরক কোণ 90° − 36° = 54°।
মনে রাখুন:
পূরক কোণের সমষ্টি 90° আর সম্পূরক কোণের সমষ্টি 180°।
36° কোণের সম্পূরক কোণ 144°। - ৬১. পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর। ৫ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৫ : ২। পুত্রের বর্তমান বয়স কত বছর?
- ক. ১০
- খ. ২০
- গ. ১৫
- ঘ. ৪৫
উত্তর: গ. ১৫
পুত্রের বর্তমান বয়স x হলে পিতার বয়স 60 − x। ৫ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে x + 5 এবং পিতার বয়স 65 − x। প্রশ্নমতে (65 − x) : (x + 5) = 5 : 2, তাই 2(65 − x) = 5(x + 5)। অর্থাৎ 130 − 2x = 5x + 25 ও 7x = 105, ফলে x = 15। যাচাই: পুত্র ১৫ ও পিতা ৪৫, ৫ বছর পরে ৫০ : ২০ = ৫ : ২।
মনে রাখুন:
বয়সের অঙ্কে সময় বদলালে দুজনের বয়সই একই পরিমাণ বাড়ে।
দুজনের বয়সের পার্থক্য কখনো বদলায় না। - ৬৫. ১০০ টাকায় ২৫টি লেবু ক্রয় করে ১০০ টাকায় ২০টি করে বিক্রি করলে শতকরা কত লাভ হবে?
- ক. ২০%
- খ. ২৫%
- গ. ৩০%
- ঘ. ২২%
উত্তর: খ. ২৫%
১০০ টাকায় ২৫টি লেবু কিনলে ২০টি লেবুর ক্রয়মূল্য ১০০ × ২০/২৫ = ৮০ টাকা। ২০টি লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি করলে লাভ হয় 100 − 80 = 20 টাকা। লাভের হার = (20/80) × 100 = 25%। অর্থাৎ ক্রয়মূল্যের ওপর শতকরা হিসাবে লাভ ২৫ টাকা।
মনে রাখুন:
লাভ বা ক্ষতি সব সময় ক্রয়মূল্যের ওপর শতকরা হিসাব করা হয়।
শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × 100।
ক্ষতি হলে শতকরা ক্ষতি = (ক্ষতি ÷ ক্রয়মূল্য) × 100। - ৬৭. একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের একটি কোণের মান 94° হলে অপর একটি কোণের মান হবে—
- ক. 43°
- খ. 47°
- গ. 94°
- ঘ. 88°
উত্তর: ক. 43°
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান দুই বাহুর বিপরীত কোণ দুটি সমান। 94° কোণটি সমান দুটি কোণের একটি হতে পারে না, কারণ তাহলে দুই কোণের সমষ্টিই 188° হয়ে যায়, যা 180°-এর বেশি। তাই 94° শীর্ষকোণ, আর অপর কোণ দুটির প্রতিটি (180° − 94°)/2 = 86°/2 = 43°।
মনে রাখুন:
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°।
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে একটি স্থূলকোণ থাকলে সেটি অবশ্যই শীর্ষকোণ। - ৬৮. ২/৫ এবং ৫/৯ এর গ. সা. গু. কত?
- ক. ১/৪৫
- খ. ২/৪৫
- গ. ৯/৪৫
- ঘ. ৪৫
উত্তর: ক. ১/৪৫
ভগ্নাংশের গ.সা.গু. বের করার সূত্র হলো লবগুলোর গ.সা.গু. ÷ হরগুলোর ল.সা.গু.। এখানে লব ২ ও ৫-এর গ.সা.গু. ১, আর হর ৫ ও ৯-এর ল.সা.গু. ৪৫। তাই গ.সা.গু. = ১/৪৫। যাচাই করা যায়: ১/৪৫ দিয়ে ২/৫ ভাগ করলে ১৮ এবং ৫/৯ ভাগ করলে ২৫ পাই, দুটিই পূর্ণসংখ্যা।
মনে রাখুন:
ভগ্নাংশের ল.সা.গু. = লবগুলোর ল.সা.গু. ÷ হরগুলোর গ.সা.গু.।
এখানে ল.সা.গু. হবে ১০ ÷ ১ = ১০। - ৬৯. একটি সুষম ষড়ভুজের কোণগুলোর পরিমাণ—
- ক. 120°
- খ. 130°
- গ. 720°
- ঘ. 1080°
উত্তর: গ. 720°
n বাহুবিশিষ্ট বহুভুজের কোণগুলোর সমষ্টি (n − 2) × 180°। ষড়ভুজের n = 6, তাই সমষ্টি = 4 × 180° = 720°। প্রশ্নে ‘কোণগুলোর পরিমাণ’ বলা হয়েছে, অর্থাৎ সব কোণের মোট পরিমাণ জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর 720°। সুষম ষড়ভুজের প্রতিটি কোণ আলাদা করে 720° ÷ 6 = 120°, তাই 120° অপশনটি একটি কোণের মান, সমষ্টি নয়।
মনে রাখুন:
সুষম বহুভুজের বহিঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি সব সময় 360°।
সুষম বহুভুজের প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণ = (n − 2) × 180° ÷ n।
পঞ্চভুজের কোণগুলোর সমষ্টি 540°। - ৭০. কোন মূলধন ৫% সরল সুদে ২০ বছরে সুদে-আসলে ৫০০০০ টাকা হয়। মূলধন কত টাকা?
- ক. ২০০০০
- খ. ২২০০০
- গ. ১৬০০০
- ঘ. ২৫০০০
উত্তর: ঘ. ২৫০০০
সরল সুদে সুদ = আসল × হার × সময়। ৫% হারে ২০ বছরে সুদ আসলের 5 × 20 = 100%, অর্থাৎ সুদ আসলের সমান। তাই সুদাসল হয় আসলের দ্বিগুণ। আসল × 2 = 50000 হলে আসল = 25000 টাকা। যাচাই: 25000-এর ৫% হলো 1250 টাকা, ২০ বছরে 25000 টাকা সুদ, আর 25000 + 25000 = 50000।
মনে রাখুন:
সুদাসল = আসল(১ + হার × সময়)।
যে সময়ে সুদ আসলের সমান হয়, সেই সময়ে সুদাসল আসলের দ্বিগুণ। - ৭১. A = {X : X ∈ N এবং X² < 36}, B = {X : X একটি মৌলিক সংখ্যা এবং X² < 36} এবং C = {X : X একটি মৌলিক সংখ্যা এবং X² = 4} হলে, A ∩ B ∩ C সমান—
- ক. {1, 2, 3, 4, 5}
- খ. {2, 3, 5}
- গ. {2}
- ঘ. ∅
উত্তর: গ. {2}
A হলো এমন স্বাভাবিক সংখ্যার সেট, যাদের বর্গ ৩৬-এর চেয়ে ছোট। তাই A = {1, 2, 3, 4, 5}। B হলো সেই সংখ্যাগুলোর মধ্যে যেগুলো মৌলিক, অর্থাৎ B = {2, 3, 5}। C-তে এমন মৌলিক সংখ্যা আছে যার বর্গ ৪, তাই C = {2}। তিনটি সেটেরই সাধারণ উপাদান কেবল 2, তাই A ∩ B ∩ C = {2}।
মনে রাখুন:
১ মৌলিক সংখ্যা নয়, আর ২ হলো একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা।
ছেদ (∩) মানে সবগুলো সেটে সাধারণ উপাদান। - ৭৪. ৪১ হতে ৯০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
- ক. ১২
- খ. ১৩
- গ. ১৪
- ঘ. ১০
উত্তর: ক. ১২
৪১ থেকে ৯০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো একে একে যাচাই করে মৌলিক সংখ্যা পাই: ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, ৭৯, ৮৩, ৮৯। এদের মোট ১২টি। যে সংখ্যার ১ ও নিজেকে ছাড়া আর কোনো গুণনীয়ক নেই, সেটিই মৌলিক। জোড় সংখ্যা এবং ৫ বা ৩ দিয়ে ভাগ যায় এমন সংখ্যাগুলো বাদ দিলে বাকিগুলোর মধ্যেই মৌলিক সংখ্যা খুঁজতে হয়।
মনে রাখুন:
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা মোট ২৫টি।
১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ২, ৩, ৫, ৭। - ৮৪. x + y + z = 3 এবং x² + y² + z² = 5 হলে, xy + yz + zx এর মান কত?
- ক. 0
- খ. 1
- গ. 2
- ঘ. 3
উত্তর: গ. 2
আমরা জানি (x + y + z)² = x² + y² + z² + 2(xy + yz + zx)। প্রশ্নের মান বসালে 3² = 5 + 2(xy + yz + zx), তাই 9 − 5 = 2(xy + yz + zx), অর্থাৎ 2(xy + yz + zx) = 4। এ থেকে xy + yz + zx = 2। যাচাই: x = 2, y = 1, z = 0 নিলে x + y + z = 3 ও x² + y² + z² = 5 মেলে, আর xy + yz + zx = 2।
মনে রাখুন:
x² + y² + z² = (x + y + z)² − 2(xy + yz + zx)।
সূত্রটি দুই দিক থেকেই কাজে লাগে। - ৯৮. (২৪)⁵ কে ন্যূনতম কত দ্বারা গুণ করলে গুণফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে?আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) ২০১৮
- ক. ২
- খ. ৩
- গ. ৬
- ঘ. ২৪
উত্তর: গ. ৬
২৪ = ২³ × ৩, তাই (২৪)⁵ = ২¹⁵ × ৩⁵। কোনো সংখ্যা পূর্ণবর্গ হতে হলে প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের ঘাত জোড় হতে হয়। এখানে ২ ও ৩ উভয়ের ঘাত বিজোড় (১৫ ও ৫), তাই প্রতিটির ঘাত এক করে বাড়াতে হবে। এর জন্য ২ × ৩ = ৬ দিয়ে গুণ করলেই চলে, আর এটিই ন্যূনতম গুণক।
মনে রাখুন:
গুণফল হবে ২¹⁶ × ৩⁶, যা একটি পূর্ণবর্গ।
ঘাত জোড় হলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ, যেমন ২¹⁶ = (২⁸)²।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৭. এক বাইট (byte) সমান—
- ক. ৪ বিট
- খ. ৬ বিট
- গ. ৭ বিট
- ঘ. ৮ বিট
উত্তর: ঘ. ৮ বিট
কম্পিউটারে তথ্যের সবচেয়ে ছোট একক হলো বিট (Bit)। বিট নামটি এসেছে Binary Digit থেকে, আর এটি ০ অথবা ১ হতে পারে। আটটি বিট একসঙ্গে মিলে একটি বাইট (Byte) তৈরি করে। সাধারণত একটি বাইট দিয়ে একটি অক্ষর বা চিহ্ন বোঝানো হয়। মেমোরি বা ফাইলের আকার বোঝাতে আমরা তাই বাইট ও তার বড় একক ব্যবহার করি।
মনে রাখুন:
৪ বিটে ১ নিবল (Nibble) হয়।
১ কিলোবাইট (KB) = ১০২৪ বাইট।
১ মেগাবাইট (MB) = ১০২৪ কিলোবাইট।
১ গিগাবাইট (GB) = ১০২৪ মেগাবাইট। - ৪৪. মুক্ত সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
- ক. রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান
- খ. জি এস ক্যালবি
- গ. বিল গেটস
- ঘ. টিম বার্নার্স লি
উত্তর: ক. রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান
রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান একজন মার্কিন প্রোগ্রামার। তিনি ১৯৮৫ সালে ফ্রি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশন (Free Software Foundation) প্রতিষ্ঠা করেন, যার লক্ষ্য হলো সফটওয়্যার সবার জন্য মুক্ত রাখা, যাতে যে কেউ এটি চালাতে, পড়তে, বদলাতে ও বিলি করতে পারে। অন্য অপশনের ব্যক্তিরা অন্য কাজের জন্য পরিচিত: বিল গেটস মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন।
মনে রাখুন:
স্টলম্যান GNU প্রকল্পেরও প্রতিষ্ঠাতা।
টিম বার্নার্স লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) উদ্ভাবন করেন।
লিনাস টরভাল্ডস ১৯৯১ সালে লিনাক্স কার্নেল তৈরি করেন।
বাংলাদেশ
- ২১. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে নৌকমান্ডো বাহিনী গঠিত হয়–
- ক. ৩নং সেক্টর
- খ. ৫ নং সেক্টর
- গ. ৮ নং সেক্টর
- ঘ. ১০ নং সেক্টর
উত্তর: ঘ. ১০ নং সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১০ নম্বর সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা ছিল না। এই সেক্টরের অধীনেই নৌ-কমান্ডোরা কাজ করতেন। তাঁরা চট্টগ্রাম, মোংলা, চাঁদপুরের মতো বন্দরে জাহাজে মাইন বসিয়ে পাকিস্তানি সেনাদের রসদ ও চলাচল বন্ধ করে দেন। ফলে নদীপথে পাকিস্তানিদের তৎপরতা অনেক কমে যায়।
মনে রাখুন:
নৌ-কমান্ডোদের অপারেশনের একটি বিখ্যাত নাম ‘অপারেশন জ্যাকপট’ (১৫ আগস্ট ১৯৭১)।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ নেয়।
মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (পরে জেনারেল) এম এ জি ওসমানী। - ৩০. কোন সম্রাটের আমলে এদেশে বৌদ্ধধর্মের প্রসার ঘটে?
- ক. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
- খ. সম্রাট অশোক
- গ. সমুদ্রগুপ্ত
- ঘ. ধর্মপাল
উত্তর: খ. সম্রাট অশোক
সম্রাট অশোক (খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৩-২৩২ অব্দ) কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে অনুতপ্ত হয়ে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি রাজকীয় উদ্যোগে এই ধর্মের প্রচারে নামেন, ফলে বাংলা-সহ উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৌদ্ধধর্ম ছড়িয়ে পড়ে। বগুড়ার মহাস্থানগড়ে পাওয়া শিলালিপি থেকে বাংলার সঙ্গে মৌর্য শাসনের যোগের প্রমাণ মেলে। তিনি ধর্ম প্রচারের জন্য পুত্র মহেন্দ্র ও কন্যা সঙ্ঘমিত্রাকে শ্রীলঙ্কায় পাঠান।
মনে রাখুন:
ধর্মপালের সময় (পাল যুগ) বাংলায় বৌদ্ধধর্ম রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পায় এবং পাহাড়পুরের সোমপুর বিহার গড়ে ওঠে।
পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল। - ৩৭. বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এর মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়—
- ক. ২০১১ সালে
- খ. ২০১২ সালে
- গ. ২০১৩ সালে
- ঘ. ২০১৪ সালে
উত্তর: খ. ২০১২ সালে
বঙ্গোপসাগরে সীমানা নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। দুই দেশের আলোচনায় সমাধান না হওয়ায় বাংলাদেশ বিষয়টি জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল (ITLOS)-এ নিয়ে যায়। ২০১২ সালের ১৪ মার্চ ট্রাইব্যুনাল রায় দিলে এই বিরোধের নিষ্পত্তি হয়। রায়ে বাংলাদেশ সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অধিকার-সহ বঙ্গোপসাগরে বড় সমুদ্র এলাকা পায়।
মনে রাখুন:
২০১৪ সালের ৭ জুলাই আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত (PCA) ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধের রায় দেয়।
প্রথমে মিয়ানমার, পরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ এই দুটি বিরোধ আইনি পথে মিটিয়েছে। - ৩৮. বাংলাদেশ ভারতকে বিভক্তকারী সীমারেখার নাম কী?
- ক. র্যাডক্লিফ লাইন
- খ. ম্যাকমোহন লাইন
- গ. ডুরান্ড লাইন
- ঘ. লাইন অব কন্ট্রোল
উত্তর: ক. র্যাডক্লিফ লাইন
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত ভাগের সময় সীমানা ঠিক করার দায়িত্ব পান স্যার সিরিল র্যাডক্লিফ। তাঁর টানা সীমারেখাকে র্যাডক্লিফ লাইন বলা হয়। এই রেখা ১৯৪৭ সালের ১৭ আগস্ট প্রকাশিত হয়। এরই ভিত্তিতে এখন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমানা চিহ্নিত, আর ভারত ও পাকিস্তানের সীমানাও এভাবেই ঠিক হয়েছে। বাকি তিনটি রেখা অন্য দেশের সীমানা নির্দেশ করে।
মনে রাখুন:
ম্যাকমোহন লাইন ভারত ও চীনের সীমারেখা।
ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমারেখা।
লাইন অব কন্ট্রোল কাশ্মীরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অবস্থিত। - ৪৮. অপরাজেয় বাংলার স্থপতি কে?
- ক. হামিদুর রহমান
- খ. শামীম সিকদার
- গ. নিতুন কুণ্ডু
- ঘ. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ
উত্তর: ঘ. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ
‘অপরাজেয় বাংলা’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন চত্বরে স্থাপিত একটি ভাস্কর্য। এর স্থপতি ও শিল্পী সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ। ভাস্কর্যে মুক্তিযুদ্ধের তিন যোদ্ধাকে দেখানো হয়েছে, আর এটি ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়। ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের অদম্য মনোবলের প্রতীক। অন্য অপশনের শিল্পীরাও পরিচিত, যেমন হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকারদের একজন।
মনে রাখুন:
এটি বাংলাদেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত প্রথম ভাস্কর্য।
১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস। - ৪৯. ছয়-দফা দিবস কবে?
- ক. ২৩ ফেব্রুয়ারি
- খ. ১ মার্চ
- গ. ১৭ এপ্রিল
- ঘ. ৭ জুন
উত্তর: ঘ. ৭ জুন
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তির দাবি হিসেবে ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন। এর দাবিতে ৭ জুন সারা পূর্ব পাকিস্তানে ধর্মঘট ডাকা হয়। সেদিন পুলিশের গুলিতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে অনেকে নিহত হন, তাই ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তিসনদ বলা হয়, আর পরে এর ভিত্তিতেই স্বাধীনতার আন্দোলন জোরালো হয়।
মনে রাখুন:
২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের সমাবেশে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়।
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মুজিবনগর সরকার শপথ নেয়। - ৫৮. পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ৮.৮০ কিমি
- খ. ৬.১৫ কিমি
- গ. ৫.৬১ কিমি
- ঘ. ৩.৩৬ কিমি
উত্তর: খ. ৬.১৫ কিমি
পদ্মা সেতুর মূল দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। এটি দ্বিতল সেতু, যার ওপরে সড়ক আর নিচে রেলপথ। এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি যোগাযোগ হয়েছে। সেতুর একপাশে মাওয়া (মুন্সীগঞ্জ), অন্য পাশে জাজিরা (শরীয়তপুর)। অন্য অপশনে যে সংখ্যাগুলো আছে, সেগুলো এই সেতুর দৈর্ঘ্য নয়।
মনে রাখুন:
সেতুটি ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন করা হয়। এই সংযোগ সড়ক নিয়ে মোট দৈর্ঘ্য আরও বেশি।
যমুনা বহুমুখী সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু) ১৯৯৮ সালে চালু হয়, আর এর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। - ৭৬. নির্বাচন কমিশন গঠিত হয় সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী?
- ক. ৬৪
- খ. ৯৪
- গ. ১১৮
- ঘ. ১৩৭
উত্তর: গ. ১১৮
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান আছে। কমিশনে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার থাকেন এবং আরও কয়েকজন কমিশনার থাকতে পারেন। রাষ্ট্রপতি তাঁদের নিয়োগ দেন। এই কমিশন সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করে। বাকি অপশনের অনুচ্ছেদগুলো সংবিধানের অন্য বিষয় নিয়ে।
মনে রাখুন:
১৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন (PSC) গঠনের কথা বলা আছে।
৬৪ নম্বর অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি-জেনারেল, ৯৪ নম্বরে সুপ্রীম কোর্ট এবং ১২৭ নম্বরে মহাহিসাব-নিরীক্ষকের কথা আছে। - ৭৮. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটির সভাপতি—
- ক. অর্থমন্ত্রী
- খ. পরিকল্পনা মন্ত্রী
- গ. প্রধানমন্ত্রী
- ঘ. রাষ্ট্রপতি
উত্তর: গ. প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) দেশের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করে। ২০১৭ সালে এর সভাপতি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী, আর অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রীর মতো মন্ত্রীরা সদস্য হিসেবে থাকতেন। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদেরও (NEC) সভাপতি প্রধানমন্ত্রী। বড় প্রকল্প এই কমিটির অনুমোদন পেলে তবেই কাজ শুরু হতে পারে।
মনে রাখুন:
ECNEC-এর পূর্ণরূপ Executive Committee of the National Economic Council।
পরিকল্পনা কমিশন দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৈরি করে।
হালনাগাদ: অন্তর্বর্তী সরকারের সময় (২০২৪-২৫) প্রধান উপদেষ্টা একনেকের সভাপতিত্ব করেছেন। - ৭৯. পার্বত্য শান্তিচুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়?
- ক. ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
- খ. ২ ডিসেম্বর ১৯৯৬
- গ. ২৩ জুন ১৯৯৬
- ঘ. ২৩ জুন ১৯৯৭
উত্তর: ক. ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফেরাতে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সরকারের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, আর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির পক্ষে সই করেন জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা। তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা। এই চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটে।
মনে রাখুন:
চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। - ৮০. আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির রচয়িতা কে?
- ক. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
- খ. সিকান্দার আবু জাফর
- গ. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
- ঘ. আব্দুল জব্বার
উত্তর: ক. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির কথা লিখেছেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আব্দুল গাফফার চৌধুরী। প্রথম সুর করেন আব্দুল লতিফ, আর পরে আলতাফ মাহমুদ নতুন সুর দেন, যেটি আমরা এখন শুনি। গানটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিতে লেখা এবং একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাতফেরির গান হিসেবে বিখ্যাত। অন্য অপশনের নামগুলো অন্য গানের সঙ্গে জড়িত, যেমন সিকান্দার আবু জাফর ‘জনতার সংগ্রাম চলবেই’ গানের গীতিকার।
মনে রাখুন:
১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে।
দিবসটি আন্তর্জাতিকভাবে পালন শুরু হয় ২০০০ সালে। - ৯৫. চর নির্মল কোথায় অবস্থিত?
- ক. নোয়াখালী
- খ. ভোলা
- গ. রাজশাহী
- ঘ. লক্ষ্মীপুর
উত্তর: গ. রাজশাহী
চর নির্মল রাজশাহী জেলায় পদ্মা নদীর তীরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে অবস্থিত। নদীর স্রোতে জেগে ওঠা এই চরটি রাজশাহীর সীমান্ত এলাকার পরিচিত একটি চর। পদ্মা নদী ভারতে গঙ্গা নামে পরিচিত, আর রাজশাহী শহর এই নদীর তীরেই গড়ে উঠেছে। নদীর ভাঙা-গড়ার ফলে এখানে নতুন নতুন চর জেগে ওঠে।
মনে রাখুন:
রাজশাহীতে পদ্মার বুকে আরও অনেক চর আছে।
নোয়াখালীর হাতিয়া ও ভোলার চর বেশি পরিচিত দ্বীপ-চর অঞ্চল। - ১০১. বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ?
- ক. বঙ্গ
- খ. পুণ্ড্র
- গ. গৌড়
- ঘ. বরেন্দ্র
উত্তর: খ. পুণ্ড্র
প্রাচীন বাংলায় বঙ্গ, পুণ্ড্র, গৌড়, বরেন্দ্র ও আরও কয়েকটি জনপদ ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন বলে ধরা হয় পুণ্ড্রকে, কারণ বৈদিক সাহিত্য ও মহাভারতে পুণ্ড্র জাতির কথা আছে। এর রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়। বাকি জনপদগুলোর নাম ইতিহাসে পরে বেশি পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
পুণ্ড্র বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে বিস্তৃত ছিল।
সমতট ছিল কুমিল্লা অঞ্চলে আর হরিকেল ছিল সিলেট-চট্টগ্রাম অঞ্চলে।
গৌড়ের রাজা শশাঙ্ককে বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা বলা হয়।
বিজ্ঞান
- ২৮. পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ—
- ক. বুধ
- খ. শুক্র
- গ. মঙ্গল
- ঘ. শনি
উত্তর: খ. শুক্র
শুক্র (Venus) সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ। এটি আকার ও গঠনে পৃথিবীর কাছাকাছি বলে একে পৃথিবীর যমজ গ্রহও বলা হয়। সূর্য ও চাঁদের পরে আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তুটি এই গ্রহ, আর ভোর ও সন্ধ্যায় একে শুকতারা ও সন্ধ্যাতারা নামে দেখা যায়। বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকলেও পৃথিবীর কাছে সবচেয়ে বেশি আসে শুক্র।
মনে রাখুন:
শুক্র গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই, আর সৌরজগতে এটিই সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ।
শুক্র অন্যান্য গ্রহের উল্টো দিকে, অর্থাৎ পূর্ব থেকে পশ্চিমে নিজ অক্ষে ঘোরে।
বুধ সবচেয়ে ছোট গ্রহ এবং বৃহস্পতি সবচেয়ে বড় গ্রহ। - ৪৬. পাথ ফাইন্ডার (Path Finder) কী?
- ক. চাঁদে অবতরণকারী নভোযান
- খ. মঙ্গলগ্রহে প্রদর্শনকারী নভোযান
- গ. মহাকাশ স্টেশন
- ঘ. মঙ্গলগ্রহে অবতরণকারী নভোযান
উত্তর: ঘ. মঙ্গলগ্রহে অবতরণকারী নভোযান
পাথফাইন্ডার (Pathfinder) যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তৈরি একটি রোবট-চালিত নভোযান। এটি ১৯৯৭ সালের ৪ জুলাই মঙ্গলগ্রহে অবতরণ করে। এর সঙ্গে সোজার্নার (Sojourner) নামের একটি ছোট রোভার ছিল, যা মঙ্গলের মাটিতে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে। এটি চাঁদে নামা নভোযান বা মহাকাশ স্টেশন নয়, কারণ এর গন্তব্য ছিল মঙ্গল।
মনে রাখুন:
চাঁদে মানুষ নিয়ে প্রথম অবতরণ করে অ্যাপোলো-১১ (১৯৬৯)।
নাসার পারসিভারেন্স রোভার ২০২১ সালে মঙ্গলে নামে।
ভারতের মঙ্গলযান ২০১৪ সালে মঙ্গলের কক্ষপথে পৌঁছায়। - ৮৫. সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর কী গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
- ক. আর্গন
- খ. হাইড্রোজেন
- গ. সালফার
- ঘ. ফসফরাস
উত্তর: ক. আর্গন
সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে টাংস্টেনের সরু তার (ফিলামেন্ট) থাকে। বিদ্যুৎ গেলে এটি খুব গরম হয়ে আলো দেয়। বাতাসে অক্সিজেন থাকলে তারটি পুড়ে যেত, তাই ভিতরে নিষ্ক্রিয় আর্গন (Argon) গ্যাস ভরা থাকে। আর্গন অন্য পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না এবং তুলনামূলক সস্তা। টাংস্টেনের গলনাঙ্ক খুব বেশি বলে এটি ফিলামেন্টের জন্য উপযোগী।
মনে রাখুন:
নিয়ন গ্যাস বিজ্ঞাপনের আলোয় এবং হিলিয়াম বেলুনে ব্যবহার হয়।
আর্গন, নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপ্টন ও জেনন নিষ্ক্রিয় গ্যাস। - ৮৬. তাপ এক ধরনের—
- ক. পদার্থ
- খ. আলো
- গ. বল
- ঘ. শক্তি
উত্তর: ঘ. শক্তি
তাপ একটি শক্তি (Energy), যা উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুর দিকে প্রবাহিত হতে পারে। এর কারণেই আমরা গরম বা ঠান্ডা অনুভব করি। তাপ নিজে কোনো পদার্থ নয়, কারণ এর ভর বা আয়তন নেই। এটি আলো বা বলও নয়, কারণ আলো আরেক ধরনের শক্তি আর বল ঠেলা বা টানকে বোঝায়।
মনে রাখুন:
তাপের SI একক জুল (J), আর তাপমাত্রার SI একক কেলভিন (K)।
তাপ তিনভাবে ছড়ায়: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ। - ৯২. কোন ভিটামিন ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধে সাহায্য করে?
- ক. ভিটামিন 'সি'
- খ. ভিটামিন 'ডি'
- গ. ভিটামিন 'কে'
- ঘ. ভিটামিন 'বি'
উত্তর: গ. ভিটামিন 'কে'
ভিটামিন ‘কে’ (Vitamin K) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। শরীর কেটে গেলে এই ভিটামিনের কাজের ফলে রক্ত জমে ক্ষতস্থান বন্ধ হয় ও রক্তপাত থেমে যায়। এই কারণেই একে রক্ত জমাট বাঁধার ভিটামিন বলা হয়। সবুজ শাকসবজিতে এটি পাওয়া যায়, আবার আমাদের অন্ত্রের কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়াও এটি তৈরি করে।
মনে রাখুন:
ভিটামিন সি-র অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়।
ভিটামিন ডি-র অভাবে রিকেটস হয়।
ভিটামিন এ-র অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
সাধারণ জ্ঞান
- ৯৬. বছরের কোন তারিখে পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়?
- ক. ২১ সেপ্টেম্বর
- খ. ২৩ সেপ্টেম্বর
- গ. ২৩ মার্চ
- ঘ. ২০ মার্চ
উত্তর: খ. ২৩ সেপ্টেম্বর
সূর্য যখন ঠিক নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, তখন সারা পৃথিবীতে দিন-রাত সমান হয়। এমন হয় ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর (বিষুব); বিকল্পে আছে ২৩ সেপ্টেম্বর।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সিনিয়র স্টাফ নার্স (বাতিলকৃত পরীক্ষা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (তড়িৎ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ফার্মাসিস্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন