পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩। ৮০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলাদেশ
- ১. বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
- ক. চতুর্থ তফসিল
- খ. পঞ্চম তফসিল
- গ. ষষ্ঠ তফসিল
- ঘ. সপ্তম তফসিল
উত্তর: খ. পঞ্চম তফসিল
২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে যুক্ত হয়। তফসিল (Schedule) হলো সংবিধানের শেষে জুড়ে দেওয়া বিশেষ দলিল বা তালিকা। ষষ্ঠ তফসিলে আছে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, আর সপ্তম তফসিলে মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। সংবিধানের মূল অংশের পাশাপাশি এসব তফসিল রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল সংরক্ষণ করে। ভাষণের বিখ্যাত লাইন ছিল, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।
মনে রাখুন:
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণটি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) দেওয়া হয়।
ইউনেস্কো ২০১৭ সালে এই ভাষণকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ (Memory of the World) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। - ২. রাষ্ট্র কয়টি উপাদান নিয়ে গঠিত?
- ক. ৩টি
- খ. ৪টি
- গ. ২টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: খ. ৪টি
নাগরিকতা ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনুযায়ী রাষ্ট্র গঠনের মৌলিক উপাদান চারটি। এগুলো হলো জনসমষ্টি বা জনসংখ্যা, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। জনসংখ্যা ছাড়া রাষ্ট্র চলতে পারে না, ভূখণ্ড ছাড়া মানুষ বসবাসের জায়গা পায় না, সরকার আইন প্রয়োগ ও শাসন করে, আর সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রকে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেয়। কোনো কোনো আলোচনায় অন্য স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতিকেও আনুষঙ্গিক শর্ত হিসেবে ধরা হয়, তবে মূল উপাদান চারটিই। তাই রাষ্ট্র গড়ে উঠতে এই চারটির মধ্যে একটিও বাদ দিলে চলে না। উদাহরণস্বরূপ, ভূখণ্ড ও জনসংখ্যা থাকলেও নিজস্ব সরকার ও সার্বভৌমত্ব না থাকলে তাকে স্বাধীন রাষ্ট্র বলা যায় না।
মনে রাখুন:
সার্বভৌমত্বের দুই রূপ: অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক।
রাষ্ট্র স্থায়ী, আর সরকার পরিবর্তনশীল। - ৩. বাংলাদেশের 'সংবিধান দিবস' কবে?
- ক. ৪ নভেম্বর
- খ. ১২ অক্টোবর
- গ. ১৬ ডিসেম্বর
- ঘ. ১০ মে
উত্তর: ক. ৪ নভেম্বর
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান কার্যকর হয় একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর। গৃহীত হওয়ার তারিখ হিসেবে ৪ নভেম্বরই সংবিধান দিবস হিসেবে পরিচিত, আর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস। তাই সংবিধান দিবস নিয়ে প্রশ্ন এলে গ্রহণের তারিখটিই ধরতে হয়। গণপরিষদের সদস্য ছিলেন ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যরা।
মনে রাখুন:
সংবিধানের খসড়া কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
খসড়া কমিটির সদস্য ছিলেন ৩৪ জন।
মূল সংবিধানে ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও ৪টি তফসিল ছিল।
বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত ও সুপরিবর্তনীয়-দুষ্পরিবর্তনীয় মিশ্র প্রকৃতির। - ৪. বাংলাদেশে এ পর্যন্ত জনশুমারি হয়েছে–
- ক. ৪ বার
- খ. ৫ বার
- গ. ৬ বার
- ঘ. ৭ বার
উত্তর: গ. ৬ বার
স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ছয়টি জনশুমারি হয়েছে। এগুলো ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে। সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ সালের ১৫ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত চলে। শুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। জনশুমারিতে দেশের মোট মানুষের সংখ্যা, বয়স, শিক্ষা, পেশা ও বাসস্থানের হিসাব নেওয়া হয়। এর ভিত্তিতেই সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়নের পরিকল্পনা করে। জনশুমারি ও গৃহগণনা নাম হওয়ার কারণ, এতে মানুষের পাশাপাশি বাসগৃহেরও হিসাব থাকে।
মনে রাখুন:
২০১১ সাল পর্যন্ত শুমারি প্রতি দশ বছরে হয়েছে, ২০২১ সালের শুমারি করোনার কারণে ২০২২ সালে হয়।
ব্রিটিশ ভারতে প্রথম আদমশুমারি হয়েছিল ১৮৭২ সালে। - ৫. ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয়–
- ক. ১৯৯০ সালে
- খ. ১৯৯১ সালে
- গ. ১৯৯২ সালে
- ঘ. ১৯৯৩ সালে
উত্তর: গ. ১৯৯২ সালে
ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয় ১৯৯২ সালে, ১৯ জানুয়ারি। এর নেতৃত্বে ছিলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যায় জড়িত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে কমিটিটি গড়ে ওঠে। ১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ কমিটির উদ্যোগে গণ-আদালত বসে, যেখানে গোলাম আযমের প্রতীকী বিচার করা হয়। দালাল বলতে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগীদের বোঝানো হয়, আর কমিটির দাবি ছিল তাদের বিচার। জাহানারা ইমাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে নিহত শহীদ রুমীর মা।
মনে রাখুন:
জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা হিসেবে বিখ্যাত।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয় ২০১০ সালে। - ৬. 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের–
- ক. ওয়াশিংটন ডিসিতে
- খ. নিউ ইয়র্কে
- গ. বোস্টনে
- ঘ. গেটিসবার্গে
উত্তর: খ. নিউ ইয়র্কে
‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থীদের সাহায্যের জন্য এটি আয়োজন করেন সেতারশিল্পী পণ্ডিত রবিশংকর ও ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী জর্জ হ্যারিসন। অনুষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গড়ে তোলে। এটিকে বিশ্বের প্রথম বড় দাতব্য সংগীতানুষ্ঠান বলা হয়। একই দিনে বিকেলে ও রাতে দুটি অনুষ্ঠান হয়েছিল। কনসার্টের আয় থেকে ইউনিসেফের মাধ্যমে বাংলাদেশের শরণার্থীদের সহায়তায় অর্থ পাঠানো হয়।
মনে রাখুন:
জর্জ হ্যারিসন বিখ্যাত ব্যান্ড দ্য বিটলসের সদস্য ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বব ডিলান ও এরিক ক্ল্যাপটনও গান গেয়েছিলেন। - ৭. বাংলাদেশের একমাত্র দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ–
- ক. ১৯৮০-৮২
- খ. ১৯৭৮-৮০
- গ. ১৯৭৬-৭৮
- ঘ. ১৯৭৭-৭৯
উত্তর: খ. ১৯৭৮-৮০
বাংলাদেশের একমাত্র দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত। দুই বছর মেয়াদের পরিকল্পনাকে দ্বিবার্ষিক বলে। এটি প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ঠিক পরেই এসেছিল। এরপর ১৯৮০–৮৫ মেয়াদে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা শুরু হয়। পরিকল্পনা মানে সরকারের নির্দিষ্ট সময়ের উন্নয়ন কর্মসূচি। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের পরিকল্পনা নেওয়া হয়, কিন্তু ১৯৭৮ সালে একবারই দুই বছর মেয়াদের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। তখন রাষ্ট্রপতি ছিলেন জিয়াউর রহমান।
মনে রাখুন:
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ১৯৭৩–৭৮, আর তখন ১৯৭২-৭৩ বছরটিকে প্রস্তুতিকাল ধরা হতো।
তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ১৯৮৫–৯০।
পরিকল্পনা তৈরি করে পরিকল্পনা কমিশন। - ১২. সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ কী কী?
- ক. সুন্দরী ও গর্জন
- খ. সুন্দরী ও গামার
- গ. সুন্দরী ও গরান
- ঘ. সুন্দরী ও সেগুন
উত্তর: গ. সুন্দরী ও গরান
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী ও গরান। সুন্দরী গাছের আধিক্যের কারণেই বনের নাম সুন্দরবন। এখানকার অন্যান্য গাছ গেওয়া, পশুর, বাইন, কেওড়া, গোলপাতা ও হেঁতাল। এসব গাছ জোয়ার-ভাটার লবণাক্ত পানিতে টিকে থাকতে পারে। গর্জন, গামার ও সেগুন সুন্দরবনের গাছ নয়, সেগুলো পাহাড়ি বা শালবনের গাছ হিসেবে পরিচিত। সুন্দরবন বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে বিস্তৃত।
মনে রাখুন:
সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার এখানকার বিখ্যাত প্রাণী।
১৯৯৭ সালে সুন্দরবন ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত হয়। - ১৬. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে কে নিয়োগ প্রদান করেন?
- ক. জাতীয় সংসদ
- খ. রাষ্ট্রপতি
- গ. স্পিকার
- ঘ. বাংলাদেশের বিচারপতি
উত্তর: খ. রাষ্ট্রপতি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেন। তবে তিনি যাকে-তাকে নিয়োগ দিতে পারেন না। সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন যে সংসদ সদস্য, রাষ্ট্রপতিকে তাঁকেই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করতে হয়। সংসদ নিজে নিয়োগ দেয় না, সংসদ শুধু আস্থা দেখায়। আমাদের সংবিধানে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান, আর প্রধানমন্ত্রী সরকারের প্রধান। সংবিধান ঠিক করে দিয়েছে কে কাকে নিয়োগ দেবেন। যেমন, প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি, আর অন্য বিচারকদের নিয়োগও রাষ্ট্রপতিই দেন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করে। এভাবে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ-ক্ষমতা সংবিধানের নানা অনুচ্ছেদে ছড়িয়ে আছে।
মনে রাখুন:
প্রধানমন্ত্রী ছাড়া অন্য মন্ত্রীদের নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে।
মন্ত্রিসভা সংসদের কাছে যৌথভাবে দায়ী থাকে।
মন্ত্রীদের অন্তত নয়-দশমাংশ সংসদ সদস্য হতে হয়। - ১৭. মাতৃতান্ত্রিক পরিবার–
- ক. খাসিয়াদের
- খ. সাঁওতালদের
- গ. মণিপুরীদের
- ঘ. চাকমাদের
উত্তর: ক. খাসিয়াদের
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর বেশিরভাগই পিতৃতান্ত্রিক, অর্থাৎ পরিবারের বংশধারা বাবার নাম ধরে চলে। এর ব্যতিক্রম হলো খাসিয়া ও গারো সম্প্রদায়, যাদের সমাজ মাতৃতান্ত্রিক (Matrilineal)। এখানে বংশপরিচয় মায়ের দিক থেকে ধরা হয় এবং সম্পত্তির উত্তরাধিকারও সাধারণত মেয়েরাই পান। সাঁওতাল, মণিপুরী ও চাকমাদের পরিবার পিতৃতান্ত্রিক। মাতৃতান্ত্রিক শব্দটির ইংরেজি matrilineal আর পিতৃতান্ত্রিকের ইংরেজি patrilineal। দুটি শব্দের ভেদ মনে রাখা দরকার। বাংলাদেশে পরিবারের এই ভিন্ন রীতি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির বৈচিত্র্য দেখায়।
মনে রাখুন:
খাসিয়াদের বাস প্রধানত সিলেট অঞ্চলে, আর গারোদের বাস ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ চাকমা।
গারোদের নিজেদের পরিচয় মান্দি। - ৩৯. বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর প্রধান কারণ–
- ক. বিলম্বিত প্রসব
- খ. প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ
- গ. প্রসব পরবর্তী প্রদাহ
- ঘ. প্রি-একলাম্পশিয়া
উত্তর: খ. প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ
বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণ প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ (Haemorrhage), বিশেষ করে সন্তান জন্মের পরে হওয়া রক্তক্ষরণ। এই রক্তক্ষরণ খুব অল্প সময়ে প্রাণঘাতী হতে পারে, তাই দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতিতে প্রসব করানো এত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় বড় কারণ প্রি-একলাম্পশিয়া বা একলাম্পশিয়া (খিঁচুনি ও উচ্চ রক্তচাপ)। এর পরে আছে বিলম্বিত প্রসব, সংক্রমণ ও অনিরাপদ গর্ভপাত।
মনে রাখুন:
মাতৃমৃত্যু অনুপাত মাপা হয় প্রতি লাখ জীবিত জন্মে মায়ের মৃত্যুর সংখ্যা দিয়ে।
নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য গর্ভকালীন চেকআপ, প্রশিক্ষিত সেবিকা ও জরুরি প্রসূতি সেবা দরকার।
আন্তর্জাতিক
- ৮. ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় কত সালে?
- ক. ১৭৮৮
- খ. ১৭৮৯
- গ. ১৭৯০
- ঘ. ১৭৯১
উত্তর: খ. ১৭৮৯
ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে। ওই বছরের ১৪ জুলাই প্যারিসের জনতা বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে দখল করে, যা বিপ্লবের প্রতীকী সূচনা। বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব। এর পর ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত ঘটনাধারা চলে। ওই বছরেই মানুষ ও নাগরিকের অধিকার ঘোষণা প্রকাশিত হয়। বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রভাবে সারা ইউরোপে রাজা ও অভিজাতদের ক্ষমতার ভিত নড়ে যায়, আর জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্রের ধারণা ছড়িয়ে পড়ে।
মনে রাখুন:
ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
১৭৯৩ সালে ষোড়শ লুইকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
১৭৯৯ সালে নেপোলিয়ন ক্ষমতা নেন। - ৯. টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
- ক. আসাম
- খ. মণিপুর
- গ. মিজোরাম
- ঘ. নাগাল্যান্ড
উত্তর: খ. মণিপুর
টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে অবস্থিত। এটি বরাক নদীর ওপর প্রস্তাবিত, যেখানে বরাক ও টুইভাই নদী মিলেছে। বাংলাদেশের সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় বাঁধটি নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বেগ জানিয়েছে, কারণ বরাকের পানি সিলেট ও সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের নদীগুলোতে প্রবাহিত হয়। বাঁধ হলে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়। টিপাইমুখ বাঁধের উদ্দেশ্য জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ, কিন্তু নিচের দিকের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আশঙ্কা করে যে এতে পরিবেশ ও কৃষির ক্ষতি হতে পারে।
মনে রাখুন:
বরাক নদীই বাংলাদেশে প্রবেশ করে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুই শাখায় ভাগ হয়।
গঙ্গার ওপর ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজ ১৯৭৫ সালে চালু হয়। - ১০. শিল্পবিপ্লব কোন দেশে শুরু হয়?
- ক. ইংল্যান্ড
- খ. যুক্তরাষ্ট্র
- গ. জার্মানি
- ঘ. ফ্রান্স
উত্তর: ক. ইংল্যান্ড
শিল্পবিপ্লব প্রথম শুরু হয় ইংল্যান্ডে, আনুমানিক ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ সালের মধ্যে। ইংল্যান্ডে কয়লা ও লোহার প্রাচুর্য, পুঁজি এবং ঔপনিবেশিক বাজার থাকায় সেখানে কারখানা গড়ে ওঠে। বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আবিষ্কার এই পরিবর্তনের গতি বাড়ায়। বিশেষ করে কাপড় বোনার কলের উন্নতিতে বস্ত্রশিল্প সবার আগে বদলে যায়। মজার ব্যাপার হলো, শিল্পবিপ্লবের ফলে কারখানার চাহিদা বাড়ায় গ্রামের মানুষ দলে দলে শহরে আসতে শুরু করে। এভাবেই শিল্পনগরী ও শ্রমিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে।
মনে রাখুন:
বাষ্পীয় ইঞ্জিন উন্নত করেন জেমস ওয়াট।
পরে শিল্পবিপ্লব ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়ে।
বস্ত্রশিল্পের শহর ছিল ম্যানচেস্টার। - ১১. ইউনেস্কোর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- ক. নিউ ইয়র্ক
- খ. জেনেভা
- গ. প্যারিস
- ঘ. মিউনিখ
উত্তর: গ. প্যারিস
ইউনেস্কোর (UNESCO) পূর্ণরূপ United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization। জাতিসংঘের এই সংস্থার সদর দপ্তর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে। শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির মাধ্যমে বিশ্বশান্তি গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য। সংস্থাটি ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর কার্যকর হয়। জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর নিউ ইয়র্কে হলেও ইউনেস্কো আলাদা বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে প্যারিসে কাজ করে। তাই সদর দপ্তরের প্রশ্নে জেনেভা বা মিউনিখ ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
বিশ্ব ঐতিহ্যস্থান ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
বাংলাদেশের সুন্দরবন, বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ এবং পাহাড়পুরের সোমপুর বিহার এই তালিকায় আছে।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউ ইয়র্কে, আর জেনেভায় আছে আরও কিছু জাতিসংঘ সংস্থা। - ১৫. সার্কে (SAARC) কোন সদস্য দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
- ক. বাংলাদেশ
- খ. ভারত
- গ. পাকিস্তান
- ঘ. মালদ্বীপ
উত্তর: ঘ. মালদ্বীপ
সার্কভুক্ত আটটি দেশের মধ্যে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি মালদ্বীপে। দেশটি ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত, তাই কম জায়গায় অনেক মানুষ গাদাগাদি করে থাকে। ঘনত্ব মানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে গড়ে কত মানুষ বাস করে। আমাদের বাংলাদেশেও ঘনত্ব অনেক বেশি, কিন্তু মালদ্বীপের পরেই তার স্থান। উল্টো দিকে সবচেয়ে কম ঘনত্ব ভুটানে।
মনে রাখুন:
সার্কের সদস্য ৮টি: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান।
আয়তনে ও জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট সদস্য মালদ্বীপ, সবচেয়ে বড় ভারত।
সার্কের সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে। - ১৮. বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ সংগঠন নয় কোনটি?
- ক. IBRD
- খ. IFC
- গ. IFAD
- ঘ. MIGA
উত্তর: গ. IFAD
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পাঁচটি অঙ্গ সংগঠন আছে: IBRD, IDA, IFC, MIGA ও ICSID। এগুলোর মধ্যে IFAD নেই। IFAD-এর পূর্ণরূপ International Fund for Agricultural Development, এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যেটি গ্রামীণ দারিদ্র্য কমাতে ও কৃষিতে ঋণ ও অনুদান দিতে কাজ করে। ১৯৭৭ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ইতালির রোমে।
মনে রাখুন:
IBRD সদস্য দেশগুলোকে ঋণ দেয়, IDA সবচেয়ে গরিব দেশগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ দেয়।
IFC বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করে, MIGA বিনিয়োগের ঝুঁকিতে নিশ্চয়তা দেয়, আর ICSID বিনিয়োগ-বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে।
বিজ্ঞান
- ১৩. ভিটামিন 'বি'-এর অভাবে–
- ক. বেরিবেরি রোগ হয়
- খ. রিকেটস্ রোগ হয়
- গ. স্কার্ভি রোগ হয়
- ঘ. রাতকানা রোগ হয়
উত্তর: ক. বেরিবেরি রোগ হয়
ভিটামিন বি আসলে একটি গোষ্ঠী, যাকে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বলা হয়। এর মধ্যে ভিটামিন B₁ (থায়ামিন) স্নায়ুর কাজ ও শর্করার বিপাকে সাহায্য করে। এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়, যার লক্ষণ হলো ক্ষুধামান্দ্য, অবসন্নতা, হাত-পায়ের দুর্বলতা ও স্নায়বিক সমস্যা। ঢেঁকিছাঁটা বা ছাঁটাই না করা চালের তুষে B₁ থাকে, আর অতিরিক্ত পালিশ করা সাদা চালে তা নষ্ট হয়ে যায়। রিকেটস হয় ভিটামিন ডি-র অভাবে, স্কার্ভি ভিটামিন সি-র অভাবে এবং রাতকানা ভিটামিন এ-র অভাবে।
মনে রাখুন:
B₂ (রিবোফ্লাভিন) অভাবে ঠোঁট ও জিহ্বা ফেটে যায়।
B₁₂ অভাবে রক্তস্বল্পতা (পারনিশাস অ্যানিমিয়া) হয়। - ১৪. রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডার গ্যাস (LPG)-এর প্রধান উপাদান হলো–
- ক. মিথেন
- খ. ইথেন
- গ. প্রোপেন
- ঘ. বিউটেন
উত্তর: ঘ. বিউটেন
এলপিজি (LPG) এর পূর্ণরূপ Liquefied Petroleum Gas, অর্থাৎ তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস। এটি প্রোপেন (C₃H₈) ও বিউটেন (C₄H₁₀) এই দুটি হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। চাপ দিলে এই গ্যাসগুলো সহজেই তরল হয়ে যায়, তাই কম জায়গায় বেশি গ্যাস সিলিন্ডারে ভরা যায়। রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের গ্যাসে বিউটেনের অংশ বেশি থাকে। মিথেন প্রাকৃতিক গ্যাস, যাকে সিএনজিতে (CNG) সংকুচিত করে ব্যবহার করা হয়, আর ইথেনও অন্য ধরনের গ্যাস।
মনে রাখুন:
LPG বায়ুর চেয়ে ভারী, তাই লিক করলে নিচের দিকে জমে।
লিক ধরা যাওয়ার জন্য এতে গন্ধযুক্ত ইথাইল মার্ক্যাপ্টান মেশানো হয়। - ৪০. বৃক্কের একক হলো–
- ক. নিউরন
- খ. নেফ্রন
- গ. পেসমেকার
- ঘ. হেমোটোসাইট
উত্তর: খ. নেফ্রন
কিডনি বা বৃক্ক আমাদের রক্ত ছেঁকে বর্জ্য আলাদা করে প্রস্রাব তৈরি করে। এর গঠন ও কাজের একক হলো নেফ্রন (Nephron)। প্রতিটি নেফ্রনে একটি ছাঁকনির মতো গঠন (গ্লোমেরুলাস) এবং একটি সরু নালি থাকে। প্রত্যেক বৃক্কে প্রায় দশ লক্ষ নেফ্রন থাকে। নিউরন হলো স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কাজের একক। পেসমেকার হৃৎপিণ্ডের স্পন্দনের তাল ঠিক রাখে, আর হেমাটোসাইট রক্তকোষের সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ।
মনে রাখুন:
দুটি বৃক্ক থাকে, শিমের বীজের মতো দেখতে।
বৃক্ক অকেজো হয়ে গেলে ডায়ালাইসিস বা বৃক্ক প্রতিস্থাপন করা হয়।
প্রস্রাবের প্রধান বর্জ্য ইউরিয়া। - ৪১. রক্তচাপ মাপার জন্য কোন যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়?
- ক. স্ফিগমোম্যানোমিটার
- খ. থার্মোমিটার
- গ. ম্যানোমিটার
- ঘ. ব্যারোমিটার
উত্তর: ক. স্ফিগমোম্যানোমিটার
রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নাম স্ফিগমোম্যানোমিটার (Sphygmomanometer)। বাহুতে একটি কাপড়ের ব্যান্ড জড়িয়ে তাতে বাতাস ভরা হয় এবং পারদ বা ডায়ালের সাহায্যে চাপ পড়া হয়। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের স্বাভাবিক রক্তচাপ প্রায় 120/80 mmHg, যার প্রথম সংখ্যা সিস্টোলিক, দ্বিতীয়টি ডায়াস্টোলিক চাপ। থার্মোমিটার শরীরের তাপমাত্রা মাপে, ম্যানোমিটার বদ্ধ গ্যাসের চাপ মাপে, আর ব্যারোমিটার বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপে। রক্তচাপ বেশি হলে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে, যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে তাই আগেভাগেই সমস্যা ধরা যায়।
মনে রাখুন:
সিস্টোলিক চাপ হৃৎপিণ্ড সংকুচিত হওয়ার সময়ের চাপ।
ডায়াস্টোলিক চাপ হৃৎপিণ্ড প্রসারিত হওয়ার সময়ের চাপ। - ৪২. মানবদেহে কয় জোড়া AUTOSOME আছে?
- ক. ২২ জোড়া
- খ. ২৩ জোড়া
- গ. ২৬ জোড়া
- ঘ. ১ জোড়া
উত্তর: ক. ২২ জোড়া
মানুষের প্রতিটি দেহকোষে ক্রোমোজোম থাকে ৪৬টি, অর্থাৎ ২৩ জোড়া। এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোজোম (Autosome), যারা দেহের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং নারী-পুরুষে একই রকম। বাকি ১ জোড়াকে সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ ক্রোমোজোম বলে, যা শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করে। নারীর লিঙ্গ ক্রোমোজোম XX, আর পুরুষের XY। তাই ২৩ জোড়ার সবগুলো অটোজোম নয়। অটোজোম দেহের গঠন, রং ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জিন বহন করে, যা পিতামাতা উভয়ের কাছ থেকে সমানভাবে আসে।
মনে রাখুন:
জনন কোষ (শুক্রাণু বা ডিম্বাণু) তে ক্রোমোজোম থাকে ২৩টি।
শিশুর লিঙ্গ নির্ধারিত হয় পিতার শুক্রাণুর X বা Y ক্রোমোজোম থেকে। - ৪৩. ডেঙ্গু রোগটি (DENGUE) কোন মশার মাধ্যমে ছড়ায়?
- ক. AEDES AEGYPTI
- খ. ANOPHELES
- গ. CULEX
- ঘ. ASIAN TIGER
উত্তর: ক. AEDES AEGYPTI
ডেঙ্গু ভাইরাসঘটিত জ্বর। এডিস ইজিপ্টি (Aedes aegypti) নামের মশা এই ভাইরাস বহন করে, এবং এর স্ত্রী মশার কামড়ে রোগটি ছড়ায়। এডিস মশার গায়ে সাদা-কালো ডোরা থাকে বলে একে বাঘ মশাও বলে। এরা সাধারণত জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে, যেমন ফুলের টব, পুরোনো টায়ার ও ডাবের খোসায় ডিম পাড়ে। অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া ছড়ায়, আর কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া ছড়ায়। এশিয়ান টাইগার (Asian Tiger) হলো এডিস আলবোপিক্টাস মশার ডাকনাম। এটিও কিছু ক্ষেত্রে ডেঙ্গু ছড়াতে পারে, তবে প্রধান বাহক এডিস ইজিপ্টি।
মনে রাখুন:
ডেঙ্গু রোধের প্রধান উপায় বাড়ির আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া।
এডিস মশা দিনের বেলায় কামড়ায়। - ৪৪. কোন ভিটামিনের অভাবে Night blindness হয়?
- ক. Vit. C
- খ. Vit. A
- গ. Vit. B complex
- ঘ. Vit. D
উত্তর: খ. Vit. A
আমাদের চোখের রেটিনায় রড কোষ ও কোন কোষ নামে দুই ধরনের আলোগ্রাহী কোষ আছে। কম আলোয় দেখার কাজ করে রড কোষ, আর এর রঞ্জক রোডপসিন তৈরির জন্য ভিটামিন এ দরকার। ভিটামিন এ-র অভাব হলে এই রঞ্জক ঠিকমতো তৈরি হয় না, তাই অন্ধকারে বা কম আলোয় ভালো দেখা যায় না, একেই রাতকানা (Night Blindness) বলে। গাজর, পেঁপে, কলিজা ও হলুদ-কমলা সবজিতে এই ভিটামিন প্রচুর থাকে।
মনে রাখুন:
ভিটামিন সি-র অভাবে স্কার্ভি, ভিটামিন ডি-র অভাবে রিকেটস, ভিটামিন বি₁-এর অভাবে বেরিবেরি।
ভিটামিন এ চর্বিতে দ্রবণীয়। - ৪৫. মানবদেহের রক্তে মূলত কত ধরনের কোষ থাকে?
- ক. ৮ ধরনের
- খ. ৩ ধরনের
- গ. ২ ধরনের
- ঘ. ১ ধরনের
উত্তর: খ. ৩ ধরনের
মানুষের রক্ত তরল রক্তরসের মধ্যে ভাসমান তিন ধরনের কোষ বা কণিকা নিয়ে গঠিত। লোহিত রক্তকণিকা (RBC) হিমোগ্লোবিন ধারণ করে অক্সিজেন বহন করে, শ্বেত রক্তকণিকা (WBC) জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে এবং অণুচক্রিকা (Platelet) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। রক্তরসের বেশির ভাগই পানি, তাতে নানা লবণ, প্রোটিন ও হরমোন মিশে থাকে। রক্তরস ও কণিকা মিলে রক্ত গঠিত হয়, আর রক্তকে একটি তরল যোজক কলা বলা হয়।
মনে রাখুন:
লোহিত কণিকা অস্থিমজ্জায় তৈরি হয়।
প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে রক্ত থাকে আনুমানিক ৫-৬ লিটার।
অণুচক্রিকা আসলে পূর্ণাঙ্গ কোষ নয়, কোষের টুকরো। - ৪৬. নিচের কোনটি Reducing sugar?
- ক. স্টার্চ
- খ. সেলুলোজ
- গ. গ্লুকোজ
- ঘ. গ্লাইকোজেন
উত্তর: গ. গ্লুকোজ
যে শর্করা তার অণুতে মুক্ত অ্যালডিহাইড (–CHO) বা কিটোন (>C=O) মূলক রাখে এবং ফেলিং দ্রবণ বা টলেন্স বিকারককে বিজারিত করতে পারে, তাকে বিজারক শর্করা (Reducing Sugar) বলে। গ্লুকোজে অ্যালডিহাইড মূলক আছে, তাই এটি বিজারক শর্করা। ফ্রুক্টোজ, গ্যালাকটোজ ও ম্যালটোজও বিজারক। স্টার্চ, সেলুলোজ ও গ্লাইকোজেন হলো পলিস্যাকারাইড, যাদের অণুতে এমন মুক্ত মূলক থাকে না বা থাকলেও নগণ্য, তাই এরা বিজারক শর্করা নয়।
মনে রাখুন:
সুক্রোজ বিজারক নয়, কারণ গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের মুক্ত মূলক গ্লাইকোসিডিক বন্ধনে আটকে থাকে।
ফেলিং দ্রবণ বিজারক শর্করার সঙ্গে ইটের মতো লাল অধঃক্ষেপ দেয়। - ৪৭. নিচের কোন হরমোনের অভাবে Diabetes mellitus হয়?
- ক. গ্লুকাগন
- খ. কর্টিসল
- গ. ইনসুলিন
- ঘ. ইস্ট্রোজেন
উত্তর: গ. ইনসুলিন
অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন রক্তের গ্লুকোজকে কোষে প্রবেশ করতে সাহায্য করে এবং বাড়তি গ্লুকোজকে যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমায়। ইনসুলিনের অভাব বা কাজ না করলে রক্তে গ্লুকোজ জমে বেড়ে যায় এবং ডায়াবেটিস মেলাইটাস (Diabetes Mellitus) হয়। এর লক্ষণ হলো বারবার পিপাসা, বেশি প্রস্রাব, ক্ষুধা, ওজন কমে যাওয়া ও ক্ষত দেরিতে সারা। গ্লুকাগন বরং রক্তে গ্লুকোজ বাড়ায়, ইস্ট্রোজেন নারী হরমোন, আর কর্টিসল অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির হরমোন।
মনে রাখুন:
ডায়াবেটিস দুই ধরনের: টাইপ-১ (ইনসুলিন তৈরি হয় না) ও টাইপ-২ (শরীর ইনসুলিনে সাড়া দেয় না)।
১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। - ৪৮. সংক্রামক ব্যাধি কোনটি?
- ক. এইডস
- খ. ডায়াবেটিস
- গ. উচ্চ রক্তচাপ
- ঘ. ক্রনিক রেনাল ফেইলিউর
উত্তর: ক. এইডস
যে রোগ রোগজীবাণুর মাধ্যমে এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়ায়, তাকে সংক্রামক রোগ বলে। এইডস (AIDS) এইচআইভি (HIV) নামের ভাইরাস থেকে হয়, যা রক্ত, অনিরাপদ যৌন সংসর্গ ও সংক্রমিত সুই-সিরিঞ্জের মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায়। তাই এটি সংক্রামক রোগ। পক্ষান্তরে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও ক্রনিক রেনাল ফেইলিউর অসংক্রামক রোগ, এগুলো জীবনযাপন, বংশগতি বা অঙ্গের ত্রুটি থেকে হয়, অন্যকে ছোঁয়াচের মতো ছড়ায় না।
মনে রাখুন:
এইডসের পূর্ণরূপ Acquired Immuno Deficiency Syndrome।
HIV শরীরের টি-হেল্পার শ্বেত কণিকাকে আক্রমণ করে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ক্ষয় করে। - ৪৯. আয়োডিনের অভাবে কোন রোগ হয়?
- ক. টিটেনি
- খ. গলগণ্ড
- গ. ক্যান্সার
- ঘ. রিকেটস
উত্তর: খ. গলগণ্ড
থাইরয়েড গ্রন্থি গলার সামনের দিকে থাকে এবং থাইরক্সিন হরমোন তৈরি করে। থাইরক্সিন তৈরির জন্য আয়োডিন অপরিহার্য। খাবারে আয়োডিনের ঘাটতি হলে হরমোন কম তৈরি হয়, আর গ্রন্থি তার ঘাটতি পূরণ করতে ফুলে ওঠে। এই ফোলা অবস্থাকেই গলগণ্ড (Goitre) বলে। তাই আমাদের দেশে আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। টিটেনি ক্যালসিয়ামের ঘাটতি ও প্যারাথাইরয়েড সমস্যায় হয়, আর রিকেটস ভিটামিন ডি-র অভাবে হয়। আয়োডিনের দৈনিক চাহিদা খুব সামান্য, প্রায় ১৫০ মাইক্রোগ্রামের মতো, কিন্তু এই সামান্য পরিমাণের অভাবেও গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়।
মনে রাখুন:
আয়োডিনের উৎস: সামুদ্রিক মাছ, সামুদ্রিক শৈবাল ও আয়োডিনযুক্ত লবণ।
শিশুদের আয়োডিনের অভাবে বুদ্ধির বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। - ৫০. সবচেয়ে Common type of anaemia কোনটি?
- ক. Megaloblastic anaemia
- খ. Aplastic anaemia
- গ. Thalassemia
- ঘ. Iron deficiency anaemia
উত্তর: ঘ. Iron deficiency anaemia
রক্তে লোহিত কণিকা বা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে তাকে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা বলে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা (Iron Deficiency Anaemia)। হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য আয়রন লাগে, তাই খাবারে আয়রন কম থাকলে বা রক্তক্ষরণে আয়রন হারিয়ে গেলে এটি হয়। নারী ও শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়। অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ায় অস্থিমজ্জা রক্তকোষ তৈরি করতে পারে না, থ্যালাসেমিয়া বংশগত রোগ, আর মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া ভিটামিন B₁₂ বা ফলিক এসিডের অভাবে হয়।
মনে রাখুন:
আয়রনের উৎস: কলিজা, লাল মাংস, কচু শাক, ডাল।
ভিটামিন সি আয়রন শোষণে সাহায্য করে। - ৫১. নিম্নলিখিতদের মধ্যে সারা বিশ্বে মহিলাদের সর্বাধিক ক্যান্সার কোনটি?
- ক. জরায়ু
- খ. স্তন
- গ. পাকস্থলী
- ঘ. থাইরয়েড
উত্তর: খ. স্তন
বিশ্বজুড়ে নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে ক্যান্সার ধরা পড়ে, সেটি স্তন ক্যান্সার (Breast Cancer)। এতে স্তনের কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে এবং পিণ্ডের মতো গঠন তৈরি করে। আগেভাগে ধরা পড়লে চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়া যায়, তাই নারীদের নিজে নিজে স্তন পরীক্ষা ও ম্যামোগ্রাফির পরামর্শ দেওয়া হয়। জরায়ুমুখের ক্যান্সারও নারীদের মধ্যে বেশ প্রচলিত, তবে সংখ্যায় স্তন ক্যান্সারের পরে।
মনে রাখুন:
জরায়ুমুখের ক্যান্সারের একটি বড় কারণ এইচপিভি (HPV) ভাইরাস, যার টিকা আছে।
পুরুষদের মধ্যে ফুসফুস ও প্রস্টেট ক্যান্সার বেশি দেখা যায়।
অক্টোবর মাস স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসেবে পালিত হয়। - ৫২. মানবদেহে সবচেয়ে লম্বা Bone কোনটি?
- ক. TIBIA
- খ. FIBULA
- গ. FEMUR
- ঘ. HUMERUS
উত্তর: গ. FEMUR
মানবদেহের সবচেয়ে লম্বা ও সবচেয়ে মজবুত হাড় হলো উরুর হাড়, যার নাম ফিমার (Femur)। এটি নিতম্ব থেকে হাঁটু পর্যন্ত বিস্তৃত এবং আমাদের শরীরের ভার বহন করে। টিবিয়া হলো পায়ের নিচের অংশের মোটা হাড়, ফিবুলা তার পাশের সরু হাড়, আর হিউমেরাস উপরের বাহুর হাড়। এগুলো সবই ফিমারের চেয়ে ছোট। শরীরের সবচেয়ে ছোট হাড় কানের ভেতরে থাকে।
মনে রাখুন:
কানের স্টেপিস হাড়টি দেহের ক্ষুদ্রতম হাড়।
প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে মোট হাড় থাকে ২০৬টি।
শিশুদের হাড়ের সংখ্যা বেশি, কারণ অনেক হাড় বড় হওয়ার সময় জুড়ে যায়। - ৫৩. Covid-19 রোগটি নিচের কোনটি?
- ক. PANDEMIC
- খ. ENDEMIC
- গ. EPIDEMIC
- ঘ. SPORADIC
উত্তর: ক. PANDEMIC
কোনো সংক্রামক রোগ যখন এক অঞ্চলে সীমাবদ্ধ না থেকে একাধিক মহাদেশে বা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে মহামারি বা প্যানডেমিক (Pandemic) বলে। কোভিড-১৯ ঠিক এমনই ছিল। ২০১৯ সালের শেষে চীনে শুরু হয়ে এটি অল্প সময়ে প্রায় সব দেশে ছড়িয়ে যায়, আর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে প্যানডেমিক ঘোষণা করে। এন্ডেমিক রোগ কোনো অঞ্চলে স্থায়ীভাবে থাকে, এপিডেমিক একটি এলাকায় হঠাৎ বেড়ে যায়, আর স্পোর্যাডিক ছড়ানো-ছিটানো কয়েকটি ঘটনা।
মনে রাখুন:
আগের প্যানডেমিকের উদাহরণ: স্প্যানিশ ফ্লু (১৯১৮ সাল), সোয়াইন ফ্লু (২০০৯ সাল)।
বাংলাদেশে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়াকে স্থানিক বা এন্ডেমিক ধরা হয়। - ৫৪. কোন ভিটামিনের অভাবে RICKET রোগ হয়?
- ক. Vit C
- খ. Vit K
- গ. Vit D
- ঘ. Vit A
উত্তর: গ. Vit D
হাড় শক্ত ও মজবুত রাখতে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস দরকার, আর শরীর সেগুলো ঠিকমতো শুষে নিতে পারে ভিটামিন ডি-র সাহায্যে। শিশুদের এই ভিটামিনের অভাব হলে হাড় নরম হয়ে বেঁকে যায়, পা ধনুকের মতো বাঁকা হয়, বুকের খাঁচা বিকৃত হয়। এই রোগের নাম রিকেটস (Rickets)। বড়দের একই কারণে হলে তাকে অস্টিওম্যালেশিয়া বলে। সূর্যের আলোতে আমাদের ত্বকে এই ভিটামিন তৈরি হয়, তাই একে সূর্যালোক ভিটামিনও বলা হয়।
মনে রাখুন:
ভিটামিন এ-র অভাবে রাতকানা, সি-র অভাবে স্কার্ভি, কে-র অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে দেরি।
ডিমের কুসুম, মাছের তেল ও দুধে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। - ৫৫. মানবদেহে Normal temperature কত?
- ক. 96.5°F
- খ. 97.8°F
- গ. 98.4°F
- ঘ. 98.6°F
উত্তর: গ. 98.4°F
সুস্থ মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় 98.4°F, যা সেলসিয়াস স্কেলে প্রায় 36.9°C। সেলসিয়াস থেকে রূপান্তরের নিয়মে F = (9/5) × C + 32 = (9/5) × 36.9 + 32 ≈ 98.4। আমাদের দেহের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস তাপমাত্রা প্রায় এই মানে ধরে রাখে, তাই বাইরের পরিবেশ ঠান্ডা বা গরম হলেও শরীরের তাপমাত্রা প্রায় একই থাকে। সাধারণত 100.4°F-এর বেশি হলে জ্বর বলা হয়। তাপমাত্রা পরিবর্তনের সময় ঘাম বের হওয়া বা শরীর কেঁপে ওঠা, এই দুই উপায়ে শরীর নিজেই ঠান্ডা বা গরম করে নেয়।
মনে রাখুন:
ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে 94°F থেকে 108°F পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
হাইপোথ্যালামাসকে শরীরের থার্মোস্ট্যাট বলা হয়। - ৫৬. মানবদেহে Largest Artery কোনটি?
- ক. CAROTID
- খ. AORTA
- গ. FEMORAL
- ঘ. RENAL
উত্তর: খ. AORTA
যে রক্তনালি হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত শরীরের দিকে নিয়ে যায়, তাকে ধমনি (Artery) বলে। হৃৎপিণ্ডের বাম নিলয় থেকে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত যে সবচেয়ে মোটা ধমনিতে বেরিয়ে আসে, তার নাম মহাধমনি বা এওর্টা (Aorta)। এখান থেকে শাখা-প্রশাখা বেরিয়ে সারা দেহে রক্ত পৌঁছে দেয়। ক্যারোটিড ধমনি মাথা ও গলায় রক্ত নিয়ে যায়, ফিমোরাল ধমনি উরুতে এবং রেনাল ধমনি বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। এরা সবাই এওর্টার শাখা।
মনে রাখুন:
ধমনির দেয়াল পুরু ও স্থিতিস্থাপক।
ফুসফুসীয় ধমনি একমাত্র ধমনি যা অক্সিজেনবিহীন রক্ত বহন করে।
দেহের সবচেয়ে বড় শিরা ভেনা কাভা। - ৫৭. Red blood cell-এর Life span কত দিন?
- ক. ৮০ দিন
- খ. ৯০ দিন
- গ. ১১০ দিন
- ঘ. ১২০ দিন
উত্তর: ঘ. ১২০ দিন
লোহিত রক্তকণিকা (RBC) অস্থিমজ্জায় তৈরি হয় এবং প্রায় ১২০ দিন রক্তে থাকে। এরপর পুরোনো কণিকাগুলো প্লীহা ও যকৃতে ভেঙে যায়, তাই প্লীহাকে লোহিত কণিকার কবরস্থান বলা হয়। ভাঙা কণিকার হিমোগ্লোবিন থেকে আয়রন আবার নতুন কণিকা তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে শ্বেত রক্তকণিকা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ বাঁচে, আর অণুচক্রিকার আয়ু প্রায় ৫ থেকে ৯ দিন।
মনে রাখুন:
লোহিত কণিকার সংখ্যা পুরুষে প্রায় ৫০ লক্ষ প্রতি ঘন মিলিমিটারে, নারীতে কিছুটা কম।
প্রাপ্তবয়স্কের লোহিত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না।
হিমোগ্লোবিনের কারণে রক্ত লাল। - ৫৮. স্বাভাবিক Pulse rate কোনটি?
- ক. প্রতি মিনিটে ৬৪ বার
- খ. প্রতি মিনিটে ৭২ বার
- গ. প্রতি মিনিটে ৮৮ বার
- ঘ. প্রতি মিনিটে ৯৪ বার
উত্তর: খ. প্রতি মিনিটে ৭২ বার
হৃৎপিণ্ডের প্রতিটি সংকোচনে ধমনির দেয়ালে যে ঢেউ ওঠে, তাকে নাড়ির স্পন্দন বা পালস (Pulse) বলে। কবজির কাছে আঙুল রেখে একে গুনে দেখা যায়। প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক পালস রেট প্রতি মিনিটে গড়ে ৭২ বার, সাধারণত ৬০ থেকে ১০০ এর মধ্যে থাকে। শিশুদের হৃৎস্পন্দন তুলনায় বেশি হয়, আর দৌড়ানো বা উত্তেজনার সময়ও তা বেড়ে যায়। ঘুমন্ত বা বিশ্রামে থাকা মানুষের পালস কিছুটা কমে। ব্যায়ামে প্রশিক্ষিত ক্রীড়াবিদদের বিশ্রামকালীন পালস রেট প্রায়ই কম হয়, কারণ তাঁদের হৃৎপিণ্ড প্রতিটি স্পন্দনে বেশি রক্ত পাম্প করতে পারে।
মনে রাখুন:
হৃৎস্পন্দন গণনার যন্ত্রের নাম স্টেথোস্কোপ।
শিশুর পালস রেট প্রতি মিনিটে প্রায় ১০০-১২০। - ৫৯. নিচের কোনটি Fungal infection?
- ক. Tuberculosis
- খ. Measles
- গ. Ring worm
- ঘ. Gonorrhea
উত্তর: গ. Ring worm
রিং ওয়ার্ম (Ring Worm) আসলে কোনো কৃমি নয়, এটি ত্বকের একটি ছত্রাকজনিত সংক্রমণ, যাকে দাদ বলে। ত্বকে গোল আংটির মতো লাল চাকা তৈরি হয় এবং চুলকায়। এ কারণে ইংরেজি নামে 'ওয়ার্ম' শব্দ এসেছে। টিউবারকিউলোসিস (যক্ষ্মা) এবং গনোরিয়া ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, আর মিজলস (হাম) ভাইরাসজনিত রোগ। ছত্রাকের কারণে হওয়া অন্যান্য রোগ হলো অ্যাথলিট'স ফুট ও নখের ছত্রাক সংক্রমণ। ত্বকের ভাঁজ, মাথার ত্বক ও পায়ের আঙুলের ফাঁকে এই সংক্রমণ বেশি হয় এবং আর্দ্র ও ঘামযুক্ত পরিবেশে ছত্রাক দ্রুত বাড়ে। অন্যের তোয়ালে বা কাপড় ব্যবহার করলে এটি ছড়াতে পারে।
মনে রাখুন:
ছত্রাক সংক্রমণের উদাহরণ: দাদ, ক্যান্ডিডিয়াসিস।
ছত্রাকের দেহে ক্লোরোফিল নেই, তাই এরা পরভোজী। - ৬০. Exclusive breast feeding বলতে কত মাসের জন্য বোঝায়?
- ক. ৩ মাস
- খ. ৬ মাস
- গ. ৯ মাস
- ঘ. ২ বছর
উত্তর: খ. ৬ মাস
শিশুর জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোকে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং (Exclusive Breastfeeding) বলে। এই সময় বাইরের পানি, খাবার, এমনকি বোতলের দুধও দেওয়া হয় না। মায়ের দুধে শিশুর বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি এবং রোগ প্রতিরোধের অ্যান্টিবডি থাকে। এর ফলে শিশুর ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার ঝুঁকি কমে। ছয় মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের সঙ্গে ঘরে তৈরি নরম পুষ্টিকর খাবার যোগ করতে হয়।
মনে রাখুন:
জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের শালদুধ খাওয়ানো উচিত।
বুকের দুধ দুই বছর বা তার বেশি সময় খাওয়ানো চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আগস্টের প্রথম সপ্তাহ বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ। - ৬১. 'Plaster of Paris' কোথায় ব্যবহৃত হয়?
- ক. হৃদরোগের চিকিৎসায়
- খ. হাঁপানির চিকিৎসায়
- গ. হাড়ভাঙার চিকিৎসায়
- ঘ. ডায়রিয়ার চিকিৎসায়
উত্তর: গ. হাড়ভাঙার চিকিৎসায়
প্লাস্টার অব প্যারিস (Plaster of Paris) হলো ক্যালসিয়াম সালফেটের অর্ধজলীয় লবণ (CaSO₄·½H₂O), যা সাদা গুঁড়া। জিপসামকে (CaSO₄·2H₂O) প্রায় 120°C-এ গরম করে এটি তৈরি করা হয়। পানি মেশালে এটি কিছুক্ষণের মধ্যে জমে শক্ত হয়ে যায় এবং ফুলে ওঠে, ফলে ছাঁচের প্রতিটি অংশে ঢুকে যায়। এ কারণে ভাঙা হাড় জোড়া দেওয়ার সময় ব্যান্ডেজের উপর প্লাস্টার করে হাড়কে স্থির রাখা হয়। এছাড়া মূর্তি ও খেলনা তৈরি এবং দেয়ালের সাজসজ্জায় এটি ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
জিপসাম = CaSO₄·2H₂O।
প্লাস্টার অব প্যারিস শুকনো স্থানে রাখতে হয়, নইলে বাতাসের আর্দ্রতায় জমে যায়। - ৬২. নিচের কোন খাবার থেকে সবচেয়ে বেশি ক্যালরি পাওয়া যায়?
- ক. শর্করা
- খ. স্নেহজাতীয় পদার্থ
- গ. প্রোটিন
- ঘ. ভিটামিন
উত্তর: খ. স্নেহজাতীয় পদার্থ
আমাদের খাবারের তিনটি প্রধান উপাদান শর্করা, স্নেহ বা চর্বি এবং আমিষ বা প্রোটিন থেকে শক্তি পাওয়া যায়। এক গ্রাম খাদ্য দেহে সম্পূর্ণ জারিত হলে যে তাপ উৎপন্ন হয়, তা-ই ওই খাদ্যের ক্যালরি মান। স্নেহজাতীয় পদার্থের (Fat) ক্যালরি মান সবচেয়ে বেশি, প্রতি গ্রামে প্রায় ৯ কিলোক্যালরি। অথচ শর্করা ও প্রোটিন থেকে প্রতি গ্রামে পাওয়া যায় মাত্র প্রায় ৪ কিলোক্যালরি। ভিটামিন দেহের বিভিন্ন কাজ ঠিকমতো চালাতে সাহায্য করে, কিন্তু এটি থেকে কোনো শক্তি পাওয়া যায় না। সে কারণেই চর্বিকে শক্তির সবচেয়ে ঘন উৎস বলা হয়।
মনে রাখুন:
শর্করা ও প্রোটিন: প্রতি গ্রামে প্রায় ৪ কিলোক্যালরি।
স্নেহ: প্রতি গ্রামে প্রায় ৯ কিলোক্যালরি।
দেহে সঞ্চিত অতিরিক্ত শক্তি চর্বি হিসেবে জমা থাকে।
ইংরেজি
- ১৯. Identify the correct sentence :
- ক. He had come home yesterday.
- খ. He did come home yesterday.
- গ. He came home yesterday.
- ঘ. He has come home yesterday.
উত্তর: গ. He came home yesterday.
বাক্যে yesterday (গতকাল) থাকায় কাজটি অতীতের নির্দিষ্ট একটি সময়ে হয়েছে, তাই এখানে Past Indefinite Tense বসবে। সঠিক বাক্য হলো He came home yesterday. Has come বা had come দিয়ে নির্দিষ্ট অতীত সময় (yesterday, last week, ago) বোঝানো যায় না। Did come অংশত ব্যাকরণসম্মত হলেও সেটি জোর দিয়ে বলার (emphatic) রূপ, সাধারণ বাক্য নয়।
মনে রাখুন:
Present perfect-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট অতীত সময়বাচক শব্দ বসে না। তাই He has come yesterday ভুল।
এ ধরনের সময়বাচক শব্দ: yesterday, last night, a week ago, in 2010। - ২০. Do not laugh at the lame man. The passive form of this sentence is–
- ক. Let not the lame man be laughed at.
- খ. You should not laugh at the lame man.
- গ. The lame man not be laughed at.
- ঘ. The lame man is not laughed at.
উত্তর: ক. Let not the lame man be laughed at.
Do not laugh at the lame man বাক্যটি নিষেধ বোঝায়, তাই এটি Imperative sentence। নিষেধসূচক Imperative বাক্যকে Passive করতে Let not দিয়ে শুরু করা হয়: Let not + object + be + verb-এর past participle। এখানে object হলো the lame man, আর laugh at-এর past participle হলো laughed at। সুতরাং সঠিক বাক্য Let not the lame man be laughed at. Verb-এর সঙ্গে থাকা preposition (at) passive-এও থেকে যায়।
উদাহরণ:
Do not insult the poor. → Let not the poor be insulted.
মনে রাখুন: হ্যাঁবোধক আদেশে Let + object + be + past participle বসে। যেমন, Open the door. → Let the door be opened. - ২১. The antonym of the word 'transitory' is–
- ক. temporary
- খ. permanent
- গ. short lived
- ঘ. transparent
উত্তর: খ. permanent
Transitory শব্দের অর্থ ক্ষণস্থায়ী, অর্থাৎ যা বেশিক্ষণ টেকে না। এর বিপরীত অর্থ হলো চিরস্থায়ী, ইংরেজিতে permanent। Temporary (সাময়িক) ও short-lived (অল্পদিনের) শব্দ দুটি transitory-এর সমার্থক, তাই বিপরীত নয়। Transparent মানে স্বচ্ছ, যার অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা, যদিও দেখতে শব্দটি কিছুটা কাছাকাছি। ইংরেজিতে প্রায় সমার্থক আরও কিছু শব্দ মনে রাখা সুবিধার, কারণ transitory ও transient একই অর্থের। শব্দের শেষে -ory থাকলে অনেক সময় এটি বিশেষণ হয়, যেমন compulsory, mandatory, satisfactory। এতে শব্দ চিনতে সুবিধা হয়।
উদাহরণ: The joy of victory is transitory, but the lesson it teaches is permanent.
মনে রাখুন:
Transitory-এর সমার্থক: fleeting, momentary, ephemeral।
Permanent-এর সমার্থক: lasting, enduring, perpetual। - ২২. A person, who writes about his own life, writes–
- ক. a diary
- খ. a biography
- গ. an autobiography
- ঘ. a chronicle
উত্তর: গ. an autobiography
যে ব্যক্তি নিজের জীবনের কথা নিজে লেখেন, তাঁর লেখা বইকে বলা হয় আত্মজীবনী, ইংরেজিতে autobiography (auto = নিজে, bio = জীবন, graph = লেখা)। অন্যের জীবনের কথা কেউ লিখলে সেটি biography বা জীবনী। Diary হলো দৈনন্দিন ঘটনার লিপি, আর chronicle হলো ঘটনার কালানুক্রমিক বিবরণ। তাই নিজের জীবনের কথা লেখার ক্ষেত্রে autobiography-ই ঠিক শব্দ।
মনে রাখুন:
Memoir হলো স্মৃতিকথা, যেখানে লেখক জীবনের নির্দিষ্ট অংশ বা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
Biographer মানে যিনি অন্যের জীবনী লেখেন।
Autobiographer মানে যিনি নিজের জীবনী লেখেন। - ২৩. সে কি গতকাল বাড়ি এসেছে? The correct translation of this sentence is–
- ক. Did he come home yesterday?
- খ. Did he came home yesterday?
- গ. Had he come home yesterday?
- ঘ. Has he come home yesterday?
উত্তর: ক. Did he come home yesterday?
বাংলা বাক্যে 'এসেছে' থাকলেও 'গতকাল' শব্দটি অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময় বোঝায়। ইংরেজিতে নির্দিষ্ট অতীত সময়ের সঙ্গে Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়, তাই সঠিক অনুবাদ Did he come home yesterday? প্রশ্নবোধক বাক্যে Did থাকলে মূল verb সবসময় base form-এ বসে, তাই 'Did he came' ভুল। Had he come বা Has he come দিয়ে yesterday বোঝানো যায় না।
গঠন: Did + subject + verb-এর base form + extension + ?
উদাহরণ: Did you go to school yesterday? - ২৪. 'At sixes and sevens' means–
- ক. in danger
- খ. aimlessly
- গ. perplexed
- ঘ. in a confusing state
উত্তর: ঘ. in a confusing state
At sixes and sevens একটি ইডিয়ম (Idiom), যার অর্থ এলোমেলো, বিশৃঙ্খল বা বিভ্রান্ত অবস্থা। যেমন, কোনো অনুষ্ঠানের আগে সব কিছু গোছানো না থাকলে বলা যায় everything is at sixes and sevens. তাই সঠিক উত্তর in a confusing state। Aimlessly মানে লক্ষ্যহীনভাবে, in danger মানে বিপদে, আর perplexed মানে কোনো ব্যক্তির হতবুদ্ধি অবস্থা, যা এই ইডিয়মের চেয়ে কিছুটা আলাদা, কারণ ইডিয়মটি সাধারণত জিনিসপত্র বা পরিস্থিতির এলোমেলো অবস্থা বোঝায়।
উদাহরণ: After the sudden transfer, the whole office was at sixes and sevens.
মনে রাখুন: একই অর্থের আরও শব্দ: in disorder, in a mess, topsy-turvy। - ২৫. The synonym for 'patient' is–
- ক. impatient
- খ. sad
- গ. calm
- ঘ. fretful
উত্তর: গ. calm
Patient বিশেষণ হিসেবে মানে ধৈর্যশীল বা সহনশীল, যে মানুষ রাগ না করে শান্তভাবে অপেক্ষা করতে পারে। তাই এর কাছাকাছি অর্থ calm (শান্ত)। Impatient হলো এর বিপরীত, অর্থাৎ অধৈর্য। Fretful মানে খিটখিটে বা অস্থির, তাই সেটিও বিপরীত ধারার শব্দ। Sad মানে দুঃখিত, যার সঙ্গে patient-এর সম্পর্ক নেই।
উদাহরণ: A patient teacher explains the lesson again and again without anger.
মনে রাখুন:
Patient শব্দটি বিশেষ্য হিসেবে রোগী বোঝায়। যেমন, The nurse cares for every patient.
Patient-এর noun রূপ patience (ধৈর্য)। - ২৬. 'Do call a taxi' What kind of sentences is this?
- ক. Imperative
- খ. Interrogative
- গ. Optative
- ঘ. Assertive
উত্তর: ক. Imperative
Do call a taxi বাক্যে কাউকে অনুরোধ বা আদেশ করা হচ্ছে, তাই এটি Imperative sentence। এ ধরনের বাক্যে সাধারণত subject (you) উহ্য থাকে এবং বাক্য verb দিয়ে শুরু হয়। এখানে শুরুতে Do বসিয়ে অনুরোধটিকে আরও জোরালো করা হয়েছে, এটাই Do-এর কাজ। Interrogative বাক্য প্রশ্ন করে, Optative বাক্য ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ করে, আর Assertive বাক্য কোনো তথ্য জানায়।
উদাহরণ:
Do come to my house. (অবশ্যই আমার বাড়িতে এসো)
মনে রাখুন: Imperative বাক্য আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, নিষেধ বা প্রার্থনা বোঝায়। - ২৭. Choose the correctly spelt word :
- ক. atshma
- খ. gonorrhoea
- গ. diarhoea
- ঘ. diptheria
উত্তর: খ. gonorrhoea
সঠিক বানান gonorrhoea। অন্য তিনটি বানানে ভুল আছে: atshma-র শুদ্ধ রূপ asthma, diarhoea-র শুদ্ধ রূপ diarrhoea (দুটি r), আর diptheria-র শুদ্ধ রূপ diphtheria (phth)। রোগের নামগুলো স্বাস্থ্যসেবা পেশার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বলে এগুলোর বানান মনে রাখা জরুরি। এসব শব্দ গ্রিক বা ল্যাটিন থেকে এসেছে বলে বানানে ph, rrh, th-এর মতো জটিল বর্ণগুচ্ছ থাকে। ইংরেজি বানান ভুল হওয়ার প্রধান কারণ হলো উচ্চারণ ও বানানের মিল না থাকা। তাই কঠিন শব্দ আলাদা করে লিখে অভ্যাস করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। Gonorrhoea একটি যৌনবাহিত সংক্রামক রোগের নাম।
মনে রাখুন:
Asthma (হাঁপানি), diarrhoea (ডায়রিয়া), diphtheria (ডিপথেরিয়া), pneumonia (নিউমোনিয়া)।
Pneumonia-তে শুরুর p উচ্চারিত হয় না। - ২৮. Use the right form of verb: I wish I (be) a great businessman.
- ক. is
- খ. am
- গ. were
- ঘ. was
উত্তর: গ. were
Wish বাক্যে সাধারণত এমন ইচ্ছা প্রকাশ পায়, যা বাস্তবে পূরণ হয়নি বা পূরণ হওয়া কঠিন। এ ধরনের ইচ্ছায় wish-এর পরের অংশে verb-এর past form বসে, আর be verb হলে সব subject-এর সঙ্গে were বসে। তাই সঠিক বাক্য I wish I were a great businessman. (আমি যদি একজন বড় ব্যবসায়ী হতাম!) Is বা am বর্তমান বাস্তবতা বোঝায়, তাই এখানে চলে না।
উদাহরণ:
I wish I were a bird.
মনে রাখুন: কথ্য ইংরেজিতে অনেক সময় was ব্যবহার হয়, কিন্তু নিয়মসম্মত ব্যাকরণে were-ই ঠিক। - ২৯. Which one is an example of a positive degree?
- ক. much
- খ. more
- গ. less
- ঘ. last
উত্তর: ক. much
Adjective বা adverb-এর তুলনা করার তিনটি ধাপ থাকে: positive, comparative ও superlative। Much হলো positive degree, এর comparative more ও superlative most। Less হলো little-এর comparative, আর last হলো late-এর superlative। তাই প্রশ্নে যে শব্দটি মূল (তুলনাহীন) রূপে আছে, সেটি much। More একই সঙ্গে much বা many-র comparative। তুলনার এই ধাপগুলো ভালো করে জানা দরকার, কারণ প্রশ্ন সাধারণত উল্টো দিক থেকে আসে। যেমন, এই শব্দটির comparative কোনটি বা superlative কোনটি। Positive degree-তে কোনো তুলনা থাকে না, শুধু গুণ বোঝায়।
মনে রাখুন:
Much/many → more → most।
Little → less → least।
Good/well → better → best।
Late → later/latter → latest/last। - ৩০. Nursing is a noble profession. In this sentence 'nursing' is used as a/an–
- ক. participle
- খ. gerund
- গ. verb
- ঘ. adjective
উত্তর: খ. gerund
Nursing is a noble profession বাক্যে nursing বাক্যের subject, অর্থাৎ এটি noun-এর কাজ করছে। Verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়ে যখন noun-এর কাজ করে, তাকে gerund বলে। এখানে nursing মানে সেবাকাজ বা নার্সিং পেশা। Participle হলে সেটি adjective-এর মতো কাজ করত, যেমন a nursing mother। তুলনা করলে ভেদটি পরিষ্কার হয়। সাধারণ verb হতে হলে এর আগে auxiliary লাগত, তাই এটি verb-ও নয়। Gerund চেনার সহজ উপায় হলো এই শব্দটির জায়গায় অন্য noun বসানো। যেমন Nursing is a noble profession বাক্যে nursing-এর জায়গায় teaching বা medicine বসালেও বাক্য ঠিক থাকে। এতে বোঝা যায় এটি noun-এর কাজ করছে।
উদাহরণ:
Swimming is good exercise. (Gerund)
A swimming boy is smiling. (Participle) - ৩১. Fill in the blank: He lives — honest means.
- ক. by
- খ. on
- গ. with
- ঘ. for
উত্তর: ক. by
Live by সংযোজনের অর্থ হলো কোনো উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করা। তাই 'honest means' অর্থাৎ সৎ উপায়ে জীবন চালানো বোঝাতে He lives by honest means বলা হয়। Live on দিয়ে সাধারণত খাবার বা আয়ের উৎস বোঝানো হয়, যেমন live on rice। কাজেই এখানে by-ই সবচেয়ে উপযুক্ত। With ও for এখানে অর্থ ঠিকভাবে প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন:
Live by + উপায়: live by begging, live by honest labour।
Live on + খাবার/আয়: live on fruits, live on a small income। - ৩২. Dhaka is becoming one of the — cities in Asia.
- ক. more busiest
- খ. most busiest
- গ. busiest
- ঘ. busy
উত্তর: গ. busiest
One of the-এর পরে সবসময় superlative degree-র adjective বসে, এবং তার পরের noun বহুবচন হয়। Busy-র superlative হলো busiest, কারণ y-এর আগে ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে y বদলে i হয়ে est যোগ হয়। 'More busiest' বা 'most busiest' ভুল, কারণ superlative-এর আগে আবার more বা most বসানো যায় না। Dhaka is becoming one of the busiest cities in Asia.
মনে রাখুন:
One of the + superlative + plural noun। যেমন, one of the best students, one of the tallest buildings।
Busy-busier-busiest, happy-happier-happiest। - ৩৩. He insisted — my going there.
- ক. on
- খ. over
- গ. to
- ঘ. of
উত্তর: ক. on
Insist on একটি phrasal verb, যার অর্থ জোর দিয়ে কিছু চাওয়া বা বলা। Insist শব্দটির পরে preposition হিসেবে on বসে, আর তার পরে noun বা gerund আসে। He insisted on my going there বাক্যের অর্থ, তিনি আমার সেখানে যাওয়ার ব্যাপারে জোর দিয়েছিলেন। এখানে my হলো going-এর আগে বসা possessive, যা gerund-এর আগে ব্যবহৃত হয়। Over, to বা of এই অর্থে বসে না।
উদাহরণ:
She insisted on paying the bill.
মনে রাখুন: Insist on-এর মতো আরও কিছু: depend on, rely on, persist in, believe in। - ৩৪. You had better — home.
- ক. to go
- খ. gone
- গ. go
- ঘ. went
উত্তর: গ. go
Had better একটি modal-এর মতো কাজ করে, যার অর্থ 'করাই ভালো'। এর পরে সবসময় verb-এর base form বসে, to বসে না। তাই সঠিক বাক্য You had better go home. 'To go', 'gone' বা 'went' এখানে চলে না। নেতিবাচক করতে হলে not এর পরে বসে: You had better not go home. Modal verb-এর মতো আচরণ করলেও had better আসলে একটি আলাদা গঠন। এর অর্থ পরামর্শ বা সতর্কবাণী, যেমন 'তোমার এখন বাড়ি যাওয়াই ভালো, নইলে সমস্যা হতে পারে'। এই কারণে ইংরেজিতে had better কথাবার্তায় দ্রুত আদেশ বা পরামর্শ দিতে ব্যবহার হয়।
উদাহরণ:
You had better see a doctor.
মনে রাখুন: Would rather, had better, should, must, can-এর পরেও to ছাড়া base verb বসে। - ৩৫. My daughter goes to — university everyday.
- ক. a
- খ. an
- গ. the
- ঘ. no article
উত্তর: ঘ. no article
কোনো প্রতিষ্ঠানে তার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে যাওয়া বোঝালে প্রতিষ্ঠানের নামের আগে article বসে না। যেমন, go to school মানে পড়তে যাওয়া, go to hospital মানে চিকিৎসার জন্য যাওয়া। এখানে মেয়েটি প্রতিদিন পড়াশোনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়, তাই বসবে no article। My daughter goes to university every day. বাক্যটি এভাবেই শুদ্ধ হয়।
উদাহরণ:
He goes to college. (সে পড়তে যায়)
He went to the college to meet the principal. (অন্য কাজে যাওয়া বোঝালে the বসে)
মনে রাখুন: একই নিয়ম go to bed, go to prison, go to church-এর ক্ষেত্রেও খাটে। - ৩৬. One should take care of — health.
- ক. his
- খ. one's
- গ. once
- ঘ. everybody's
উত্তর: খ. one's
One সর্বনামটি দিয়ে সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়। এর possessive (সম্বন্ধবাচক) রূপ হলো one's। তাই One should take care of one's health. Subject যদি one হয়, তাহলে বাক্যের পরের অংশেও সাধারণত one বা one's-ই ব্যবহার করা হয়, his বা everybody's নয়। 'Once' শব্দের অর্থ একবার, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। Indefinite pronoun হিসেবে one দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে না বুঝিয়ে সবাইকে বোঝানো হয়। এমন বাক্যে পরের pronoun-ও one-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বসে। মিল না থাকলে বাক্য ভুল হয়ে যায়।
উদাহরণ: One must do one's duty।
মনে রাখুন: ব্রিটিশ ইংরেজিতে one-এর পরে one's বসে, আর মার্কিন ইংরেজিতে অনেক সময় his বসানো হয়। - ৩৭. Pick the correctly written possessive case :
- ক. Girls' college
- খ. Girl's college
- গ. Women' club
- ঘ. At ones' wit's end
উত্তর: ক. Girls' college
Possessive case-এ plural noun s-এ শেষ হলে শুধু apostrophe (') দেওয়া হয়। Girls' college মানে বালিকাদের কলেজ, তাই এটি শুদ্ধ। Girl's college লিখলে কলেজটি একজন বালিকার বলে মনে হয়। Women বহুবচন হলেও s-এ শেষ হয় না, তাই এর possessive রূপ women's, অর্থাৎ 'Women' club' ভুল। 'At ones' wit's end'-এ one's হবে।
মনে রাখুন:
Boys' school, ladies' room (s দিয়ে শেষ plural → শুধু ')।
Children's park, men's hostel (s ছাড়া plural → 's)। - ৩৮. Which of the following is written by Shakespeare?
- ক. Man and Superman
- খ. The Importance of Being Earnest
- গ. The Tempest
- ঘ. All For Love
উত্তর: গ. The Tempest
The Tempest উইলিয়াম শেক্সপিয়রের (William Shakespeare) শেষ দিকের একটি নাটক, যাকে সাধারণত tragicomedy বা romance বলা হয়। নাটকটি প্রায় ১৬১১ সালের কাছাকাছি সময়ে লেখা বলে ধরা হয়। বাকি তিনটি নাটক অন্যদের: Man and Superman (১৯০৩) লিখেছেন জর্জ বার্নার্ড শ, The Importance of Being Earnest (১৮৯৫) লিখেছেন অস্কার ওয়াইল্ড, আর All for Love লিখেছেন জন ড্রাইডেন। ইংরেজি সাহিত্যের নাট্যকারদের মধ্যে শেক্সপিয়রের স্থান সবার ওপরে। তাঁর নাটকের সংখ্যা প্রায় ৩৭টি। তাঁর জন্ম ইংল্যান্ডের স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভনে, আর তিনি লন্ডনের গ্লোব থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়রের চার ট্র্যাজেডি: Hamlet, Othello, King Lear, Macbeth।
তাঁর কমেডি: A Midsummer Night's Dream, Twelfth Night।
বাংলা
- ৬৩. চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত এটি প্রথম প্রমাণ করেন–
- ক. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
- খ. সুকুমার সেন
- গ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে। পুঁথিটি তখন পাওয়া গেলেও এর ভাষা কী, তা নিয়ে মতভেদ ছিল। কেউ একে অসমিয়া, কেউ ওড়িয়া বা মৈথিলি বলতেন। ১৯২৬ সালে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর The Origin and Development of the Bengali Language (ODBL) গ্রন্থে ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রথম প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা বাংলা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহও এ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন, কিন্তু প্রথম প্রমাণ সুনীতিকুমারের।
মনে রাখুন:
চর্যাপদ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে, নাম 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা'।
চর্যাপদের আদি কবি লুইপা। - ৬৪. 'কবিকঙ্কণ' কার উপাধি?
- ক. বিজয় গুপ্ত
- খ. দ্বিজ মাধব
- গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- ঘ. ভারতচন্দ্র
উত্তর: গ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একজন প্রধান কবি। মেদিনীপুরের জমিদার রঘুনাথ রায় তাঁর কবিত্বে খুশি হয়ে তাঁকে 'কবিকঙ্কণ' উপাধি দেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্য চণ্ডীমঙ্গল, যাকে অভয়ামঙ্গলও বলা হয়। এই কাব্যে কালকেতু-ফুল্লরার কাহিনি এবং ধনপতি সদাগরের কাহিনি আছে। তাই কবিকঙ্কণ বলতে বিজয় গুপ্ত, দ্বিজ মাধব বা ভারতচন্দ্রকে বোঝানো ঠিক নয়। মঙ্গলকাব্যের কবিদের উপাধি ও কাব্যের নাম মিলিয়ে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য জরুরি। কবিকঙ্কণ উপাধির অর্থ হলো কবিদের মধ্যে অলংকারস্বরূপ। মুকুন্দরাম কাব্যে সাধারণ মানুষের বারো মাসের দুঃখের বর্ণনা দিয়েছেন, যাকে বারমাস্যা বলা হয়।
মনে রাখুন:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর উপাধি পেয়েছিলেন, তাঁর কাব্য অন্নদামঙ্গল।
বিজয় গুপ্ত মনসামঙ্গলের কবি, দ্বিজ মাধব চণ্ডীমঙ্গলের আরেক কবি।
মনসামঙ্গলের অন্য কবি: নারায়ণ দেব, বিপ্রদাস পিপিলাই। - ৬৫. 'কবর' নাটকটির রচয়িতা–
- ক. জসীমউদ্দীন
- খ. মুনীর চৌধুরী
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. শামসুর রাহমান
উত্তর: খ. মুনীর চৌধুরী
‘কবর’ নাটকটি লিখেছেন মুনীর চৌধুরী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন, আর সেখানেই ১৯৫৩ সালে এই একাঙ্ক নাটকটি রচনা করেন। একাঙ্ক নাটক বলতে সেই নাটককে বোঝায়, যা একটিমাত্র অঙ্কে শেষ হয়। নাটকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের কবর ঘিরে একটি করুণ আবহ তৈরি করা হয়েছে। জসীমউদ্দীনেরও ‘কবর’ নামে একটি বিখ্যাত রচনা আছে, কিন্তু সেটি কবিতা, নাটক নয়। তাই নাম এক বলে দুটিকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না।
মনে রাখুন:
মুনীর চৌধুরীর অন্য নাটক: রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য।
জসীমউদ্দীনের ‘কবর’ কবিতাটি ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থে আছে। - ৬৬. কোন বইটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নয়?
- ক. শেষের কবিতা
- খ. শেষ বিকেলের মেয়ে
- গ. সোনার তরী
- ঘ. নৌকাডুবি
উত্তর: খ. শেষ বিকেলের মেয়ে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’ ও ‘নৌকাডুবি’, আর কাব্যগ্রন্থ ‘সোনার তরী’। কিন্তু ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’ তাঁর রচনা নয়। এটি জহির রায়হানের লেখা উপন্যাস। জহির রায়হান একাধারে লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। তিনি ‘হাজার বছর ধরে’ ও ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসও লিখেছেন, আর ‘জীবন থেকে নেওয়া’ ছবির পরিচালক হিসেবেও তিনি বিখ্যাত। মজার ব্যাপার হলো, এই প্রশ্নে তিনটি বইয়ের নামই রবীন্দ্রনাথের, তাই একটি অচেনা নাম খুঁজে বের করাই এখানে আসল কাজ।
মনে রাখুন:
শেষের কবিতা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত।
সোনার তরী কাব্যগ্রন্থ ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত।
নৌকাডুবি ১৯০৬ সালে প্রকাশিত। - ৬৭. কাজী নজরুল ইসলাম যে কবিতা রচনা করার জন্য কারাবরণ করেন–
- ক. বিদ্রোহী
- খ. আনন্দময়ীর আগমনে
- গ. জীবন-বন্দনা
- ঘ. সাম্যবাদী
উত্তর: খ. আনন্দময়ীর আগমনে
কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালে নিজের সম্পাদিত ‘ধূমকেতু’ পত্রিকায় ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটি প্রকাশ করেন। ব্রিটিশ সরকার এই কবিতায় রাজদ্রোহের গন্ধ পায় এবং তাঁকে কারাদণ্ড দেয়। জেলে থাকাকালেই রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘বসন্ত’ গীতিনাট্য উৎসর্গ করেন। অন্যদিকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি তাঁকে ‘বিদ্রোহী কবি’ পরিচিতি এনে দেয়। তবে কারাবাসের কারণ সেটি নয়, এই পার্থক্যটিই পরীক্ষায় আসে। আদালতে তিনি এক বছরের কারাদণ্ড পান। ‘ধূমকেতু’ ছিল তাঁর সম্পাদিত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা।
মনে রাখুন:
পরবর্তী সময়ে তাঁর ‘প্রলয়শিখা’ কাব্যগ্রন্থটিও সরকার বাজেয়াপ্ত করে।
‘বিদ্রোহী’ কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে ‘বিজলী’ পত্রিকায়।
কারাগারে তিনি দীর্ঘ অনশন করেছিলেন। - ৬৮. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস 'মা' রচনা করেন–
- ক. হুমায়ূন আহমেদ
- খ. হুমায়ূন আজাদ
- গ. সৈয়দ শামসুল হক
- ঘ. আনিসুল হক
উত্তর: ঘ. আনিসুল হক
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা ‘মা’ উপন্যাসের লেখক আনিসুল হক। তিনি একাধারে সাংবাদিক, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সাহিত্যে বারবার ফিরে এসেছে, আর অনেক লেখকই এই বিষয়ে উপন্যাস লিখেছেন। তাই কোন বইয়ের লেখক কে, সেটা আলাদা করে মনে রাখা দরকার, কারণ প্রশ্নের অপশনে একই ধরনের নামের লেখকেরা পাশাপাশি থাকেন। হুমায়ূন আহমেদ ও হুমায়ূন আজাদের নামে প্রথম অংশ এক, তাই এ দুটিকে গুলিয়ে ফেলা সহজ।
মনে রাখুন:
হুমায়ূন আহমেদ: জোছনা ও জননীর গল্প, আগুনের পরশমণি।
সৈয়দ শামসুল হক: নিষিদ্ধ লোবান।
হুমায়ূন আজাদ প্রধানত কবি, প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক, তাঁর বিখ্যাত বই ‘নারী’। - ৬৯. 'আমার দেখা নয়াচীন'-এর প্রকাশকাল–
- ক. ২০২০, ফেব্রুয়ারি
- খ. ২০২১, ফেব্রুয়ারি
- গ. ২০২০, মার্চ
- ঘ. ২০২০, এপ্রিল
উত্তর: ক. ২০২০, ফেব্রুয়ারি
‘আমার দেখা নয়াচীন’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তৃতীয় গ্রন্থ, যেটি বাংলা একাডেমি থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয়। বইটি তাঁর ১৯৫২ সালে চীন ভ্রমণের স্মৃতি। তিনি বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে নতুন চীন কেমন, তা নিজের চোখে দেখেছিলেন। ২০২০ সাল ছিল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী বছর, কারণ তিনি জন্মেছিলেন ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ। সেই উপলক্ষে বইটি প্রকাশ করা হয়।
মনে রাখুন:
অসমাপ্ত আত্মজীবনী (২০১২), কারাগারের রোজনামচা (২০১৭), আমার দেখা নয়াচীন (২০২০)।
এই তিনটি বই বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়। - ৭০. 'হ্ণ' যুক্ত ব্যঞ্জনের বিশ্লিষ্ট রূপ হলো–
- ক. হ্+ম
- খ. হ্+ণ
- গ. হ্+ন
- ঘ. থ্+ন
উত্তর: খ. হ্+ণ
যুক্তবর্ণ ‘হ্ণ’ তৈরি হয়েছে হ ও ণ-এর মিলনে, অর্থাৎ হ্ + ণ। এটি পূর্বাহ্ণ ও অপরাহ্ণ শব্দে দেখা যায়। হ্ন (হ্ + ন) ও হ্ণ আলাদা যুক্তবর্ণ, তাই দুটিকে গুলিয়ে ফেলা চলবে না। পার্থক্যটা ছোট, কিন্তু অপশনে দুটিই পাশাপাশি দেওয়া থাকে। ‘থ্+ন’ বা ‘হ্+ম’ অন্য যুক্তবর্ণের রূপ, কাজেই সেগুলো এখানে মানায় না।
মনে রাখুন:
ক্ষ = ক্ + ষ, জ্ঞ = জ্ + ঞ, হ্ম = হ্ + ম, হ্ন = হ্ + ন, ঞ্জ = ঞ্ + জ, ঙ্ক = ঙ্ + ক।
হ্ন-এর উদাহরণ: চিহ্ন, মধ্যাহ্ন।
হ্ম-এর উদাহরণ: ব্রাহ্মণ, ব্রহ্ম। - ৭১. 'জিহ্বা' শব্দের উচ্চারণ–
- ক. জিওবা
- খ. জিব্বা
- গ. জিবহা
- ঘ. জিউভা
উত্তর: ঘ. জিউভা
বাংলা উচ্চারণের নিয়মে হ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হলে (হ্ব) শব্দটির উচ্চারণে ভ-ধ্বনি আসে এবং আগের স্বরটি কিছুটা ছড়িয়ে যায়। তাই ‘জিহ্বা’ শব্দের উচ্চারণ লেখা হয় ‘জিউভা’ বা কাছাকাছি রূপে। একই নিয়মে ‘আহ্বান’ শব্দের উচ্চারণ আওভান। আমরা যেভাবে লিখি, উচ্চারণ সবসময় সেভাবে হয় না। যুক্তব্যঞ্জন বা হ-যুক্ত বর্ণে বানান ও ধ্বনি প্রায়ই মেলে না, তাই এ ধরনের শব্দের উচ্চারণ আলাদা করে মনে রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
যুগ্ম – জুগ্মো, সত্য – শোত্তো, মনীষা – মোনিশা।
বিদ্বান – বিদ্দান, পদ্ম – পদ্দো। - ৭২. 'একাত্তরের দিনগুলি' রচনা করেন–
- ক. সুফিয়া কামাল
- খ. রাবেয়া খাতুন
- গ. জাহানারা ইমাম
- ঘ. নীলিমা ইব্রাহিম
উত্তর: গ. জাহানারা ইমাম
‘একাত্তরের দিনগুলি’ লিখেছেন জাহানারা ইমাম। বইটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়, এবং এটি দিনলিপির আকারে লেখা। এতে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় তাঁর দেখা ও অনুভব করা ঘটনাগুলো আছে। তাঁর ছেলে রুমী মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে শহীদ হন, আর এ কারণে জাহানারা ইমাম ‘শহীদ জননী’ নামে পরিচিত। দিনলিপি মানে প্রতিদিনের ঘটনা তারিখ ধরে ধরে লিখে রাখা লেখা।
মনে রাখুন:
তাঁর অন্য বই: গজকচ্ছপ, সাতটি তারার ঝিকিমিকি, ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস।
১৯৯২ সালে তিনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণ-আদালতের আন্দোলন গড়ে তোলেন। - ৭৩. 'নয়নচারা' গল্পের রচয়িতা–
- ক. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
- খ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
- গ. আল মাহমুদ
- ঘ. সেলিনা হোসেন
উত্তর: ক. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
‘নয়নচারা’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮) এক ভণ্ড মোল্লা মজিদের কাহিনি। ‘নয়নচারা’ তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থের নাম, আর এই নামে একটি গল্পও আছে। তাঁর লেখার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের মনের ভেতরের টানাপড়েনকে তুলে ধরা। তাই তাঁকে অনেকে আমাদের সাহিত্যে আধুনিক চেতনার একজন পথিকৃৎ মনে করেন। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১৯২২ সালে চট্টগ্রামে জন্মেছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্যারিসে মারা যান।
মনে রাখুন:
উপন্যাস: লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো।
গল্পগ্রন্থ: নয়নচারা, দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
নাটক: বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ, সুড়ঙ্গ। - ৭৪. 'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি / সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।' –চরণদ্বয়ের লেখক–
- ক. জীবনানন্দ দাশ
- খ. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
- গ. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
- ঘ. বিদ্যাপতি
উত্তর: খ. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি’ চরণ দুটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা। তিনি উনিশ শতকের কবি ও সংস্কৃত পণ্ডিত, যিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু ছিলেন। তাঁর রচিত ‘শিশুশিক্ষা’ বইটি শিশুদের পড়ানোর জন্য খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। ‘পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল’ চরণটিও একই বই থেকে নেওয়া এবং একই কবির। কবিতাগুলো সহজ ভাষায় নীতিশিক্ষা দেয় বলে বহু প্রজন্ম এগুলো মুখস্থ করেছে। মদনমোহন তর্কালঙ্কারের জন্ম ১৮১৭ সালে, আর মৃত্যু ১৮৫৮ সালে।
মনে রাখুন:
মদনমোহন তর্কালঙ্কারের কাব্য: রসতরঙ্গিনী, বাসবদত্তা।
কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার লিখেছেন ‘সদ্ভাবশতক’।
বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি, তিনি বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন। - ৭৫. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. স্বশুর
- খ. শ্বসুর
- গ. শশুর
- ঘ. শ্বশুর
উত্তর: ঘ. শ্বশুর
সঠিক বানান শ্বশুর। শব্দটির প্রথমে শ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে (শ্ব), তারপর শু ও র আছে। অন্য বানানগুলোতে হয় ব-ফলা বাদ গেছে, নয়তো শ-ষ-স গুলিয়ে গেছে। আমরা তিনটি স-এর ধ্বনি প্রায় একই রকম উচ্চারণ করি, তাই বানানে ভুল হওয়া সহজ। এ ধরনের বানান ভুল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে, তাই আলাদা করে মুখস্থ রাখা ভালো। ব-ফলা যুক্ত আরও কিছু শব্দ হলো শ্বাস, শ্বেত ও স্বাগত।
মনে রাখুন:
শ্বশুরের স্ত্রী শাশুড়ি, এখানে ব-ফলা নেই।
শুদ্ধ বানান: কুজ্ঝটিকা, মরীচিকা, সমীচীন, নিরীক্ষণ, জ্যেষ্ঠ। - ৭৬. 'যদ্যপি আমার গুরু' প্রবন্ধটির রচয়িতা–
- ক. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
- খ. আহমদ ছফা
- গ. আসাদ চৌধুরী
- ঘ. রফিক আজাদ
উত্তর: খ. আহমদ ছফা
‘যদ্যপি আমার গুরু’ আহমদ ছফার রচনা। বইটি তাঁর স্মৃতিমূলক লেখা, যেখানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ও আলাপচারিতা তুলে ধরেন। নাম থেকেই বোঝা যায়, লেখক এখানে নিজের গুরুকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন। আহমদ ছফা কবি, প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক, বাংলাদেশের মননশীল সাহিত্যে তাঁর বিশেষ স্থান আছে। আবদুর রাজ্জাক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক। আহমদ ছফা ১৯৪৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০১ সালে মারা যান।
মনে রাখুন:
আহমদ ছফার উপন্যাস: সূর্য তুমি সাথী, ওঙ্কার, গাভী বিত্তান্ত।
তাঁর অন্য বই: অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী, বাঙালি মুসলমানের মন। - ৭৭. 'লুঙ্গি' শব্দটি এসেছে যে ভাষা থেকে–
- ক. আরবি
- খ. ফারসি
- গ. বর্মি
- ঘ. হিন্দি
উত্তর: গ. বর্মি
‘লুঙ্গি’ শব্দটি বর্মি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মিয়ানমারে (বর্মায়) কোমরে জড়িয়ে পরার এই কাপড়কে লুঙ্গি বলা হয়, আর সেখান থেকেই শব্দটি আমাদের ভাষায় ঢুকেছে। বর্মি ভাষার আরেকটি শব্দ ফুঙ্গি, যার অর্থ বৌদ্ধ ভিক্ষু। বাংলা ভাষায় আরবি, ফারসি, তুর্কি, পর্তুগিজ, ইংরেজি ও আরও অনেক ভাষার শব্দ মিশে আছে, তাই শব্দের উৎস আলাদা করে মনে রাখা দরকার। শব্দের উৎস অনুযায়ী বাংলা শব্দ চার ভাগে ভাগ করা হয়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। লুঙ্গি বিদেশি শব্দের দলে পড়ে।
মনে রাখুন:
আরবি শব্দ: কলম, কিতাব, আদালত।
ফারসি শব্দ: কারখানা, দোকান, চশমা।
বর্মি শব্দ: লুঙ্গি, ফুঙ্গি।
পর্তুগিজ শব্দ: আলমারি, বালতি, চাবি। - ৭৮. 'আকাশ' শব্দের সমার্থক শব্দ–আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
- ক. অন্তরিক্ষ
- খ. বিটু
- গ. প্রভাকর
- ঘ. সুধাকর
উত্তর: ক. অন্তরিক্ষ
আকাশের সমার্থক শব্দ অনেক: গগন, অম্বর, ব্যোম, নভঃ, অন্তরিক্ষ ও আসমান (ফারসি)। তাই সঠিক উত্তর অন্তরিক্ষ। অন্য দুটি শব্দ আকাশ বোঝায় না। প্রভাকর মানে সূর্য, কারণ প্রভা বা আলো যে তৈরি করে সে প্রভাকর। সুধাকর মানে চাঁদ, কারণ সুধা বা অমৃতের আধার বলে চাঁদকে এই নামে ডাকা হয়। সমার্থক শব্দের প্রশ্নে এভাবে শব্দের গড়ন ভেবে অর্থ মিলিয়ে নিলে ভুল কম হয়। সমার্থক শব্দ মানে এমন শব্দ, যাদের অর্থ প্রায় এক। আকাশের আরও কিছু প্রতিশব্দ হলো নভ, শূন্য ও খ।
মনে রাখুন:
সূর্যের সমার্থক: রবি, ভাস্কর, দিবাকর, প্রভাকর।
চাঁদের সমার্থক: শশী, সুধাকর, হিমাংশু, নিশাকর। - ৭৯. 'Surgeon'-এর পরিভাষা–
- ক. অস্থি চিকিৎসক
- খ. শল্য চিকিৎসক
- গ. দন্ত চিকিৎসক
- ঘ. সার্জেন্ট
উত্তর: খ. শল্য চিকিৎসক
ইংরেজি Surgeon শব্দের বাংলা পরিভাষা শল্য চিকিৎসক, অর্থাৎ যিনি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা করেন। বিকল্পগুলোর মধ্যে সার্জেন্ট নামটি শুনতে কাছাকাছি হলেও সেটি পুলিশ বা সেনাবাহিনীর একটি পদ, তাই ধ্বনি দেখে ভুল করা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
অস্থি চিকিৎসক = Orthopaedist
দন্ত চিকিৎসক = Dentist
মুক্তাঞ্চল = Agora
বন্ধক = Mortgage
পরিভাষা মানে কোনো বিদেশি শব্দের জন্য বাংলায় ব্যবহৃত প্রতিশব্দ। - ৮০. 'গৌরচন্দ্রিকা' বাগধারাটির অর্থ–
- ক. বাড়তি বোঝা
- খ. রূপের মোহ
- গ. ভূমিকা
- ঘ. ফিটফাট
উত্তর: গ. ভূমিকা
‘গৌরচন্দ্রিকা’ বাগধারার অর্থ ভূমিকা। বৈষ্ণব কীর্তনের আসরে মূল পালা শুরুর আগে গৌরাঙ্গ (শ্রীচৈতন্য) বন্দনার গান গাওয়া হতো, যার নাম গৌরচন্দ্রিকা। মূল বিষয়ে যাওয়ার আগে সেই প্রস্তুতিমূলক অংশ থেকেই শব্দটি এসেছে, তাই এখন যেকোনো ভূমিকা বা প্রস্তাবনা বোঝাতে এটি বলা হয়। আমরা ঠাট্টা করেও বলি, মূল কথায় আসার আগে এত গৌরচন্দ্রিকা কেন? বাগধারার আরেকটি উদাহরণ ‘অন্ধের যষ্টি’, যার অর্থ একমাত্র অবলম্বন।
মনে রাখুন:
ভিজে বিড়াল – কপট, ভালোমানুষের ভান করা লোক।
তুলসী বনের বাঘ – ভণ্ড সাধু।
বাগধারা মানে এমন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ আভিধানিক অর্থ থেকে আলাদা।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন