পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২১ জানুয়ারি ২০২৩। ৭২টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. নিচের কোনটির সাহায্যে মানুষ সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে?
- ক. ইঙ্গিতের সাহায্যে
- খ. কণ্ঠধ্বনির সাহায্যে
- গ. চিত্রাঙ্কনের সাহায্যে
- ঘ. ইশারার সাহায্যে
উত্তর: খ. কণ্ঠধ্বনির সাহায্যে
মানুষ সবচেয়ে সূক্ষ্মভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে কণ্ঠধ্বনির সাহায্যে। মুখ, কণ্ঠ ও নাকের সাহায্যে উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনির সমষ্টিই ভাষা। ইঙ্গিত, ইশারা ও চিত্রের মাধ্যমে মোটামুটি ভাব বোঝানো যায়, কিন্তু সূক্ষ্ম অনুভূতি, যুক্তি বা জটিল চিন্তা প্রকাশ করতে ভাষার ধ্বনির মতো সামর্থ্য এদের নেই। এ কারণেই মানুষ অন্য প্রাণীর চেয়ে আলাদা, কারণ সে ধ্বনির মাধ্যমে বিমূর্ত ভাবনাও অন্যকে জানাতে পারে। ‘ভাষা’ শব্দটি সংস্কৃত ‘ভাষ্’ ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ কথা বলা।
মনে রাখুন: ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি। ধ্বনি দিয়ে শব্দ, শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি হয়। - ২. বাংলা ভাষার মূল উৎস —আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
- ক. বৈদিক ভাষা
- খ. অনার্য ভাষা
- গ. হিন্দি ভাষা
- ঘ. কানাডি ভাষা
উত্তর: ক. বৈদিক ভাষা
বাংলা ভাষা ভারতীয় আর্যভাষা পরিবারের সদস্য। এর মূল উৎস বৈদিক ভাষা, যে ভাষায় ঋগ্বেদ রচিত হয়েছিল। বৈদিক থেকে লোকমুখে বদলাতে বদলাতে প্রাকৃত ভাষা তৈরি হয়, প্রাকৃতের পরিবর্তিত রূপ অপভ্রংশ (অবহট্ঠ), আর তার থেকেই ধীরে ধীরে বাংলা ভাষার জন্ম। অনার্য ভাষা, হিন্দি বা কানাডি ভাষা থেকে বাংলার জন্ম হয়নি। হিন্দি বাংলার বোন-ভাষা, বাংলার মতো সেও একই আর্য পরিবারের সন্তান।
মনে রাখুন:
ভারতীয় আর্যভাষার তিনটি স্তর: প্রাচীন (বৈদিক, সংস্কৃত), মধ্য (প্রাকৃত, পালি) ও নব্য (বাংলা, হিন্দি, অসমিয়া, ওড়িয়া প্রভৃতি)।
বাংলা ভাষার জন্ম আনুমানিক ৬৫০-৭০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে, আর আদি নিদর্শন চর্যাপদ। - ৩. বাংলা বর্ণমালার পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা, মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা যথাক্রমে–আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. ৩২, ৮, ১০
- খ. ৩২, ৮, ১১
- গ. ৩২, ৮, ৯
- ঘ. ৩২, ৮, ১২
উত্তর: ক. ৩২, ৮, ১০
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে, ১১টি স্বরবর্ণ ও ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ। লেখার সময় বর্ণের মাথায় রেখা বা মাত্রা থাকে কি না, তা দেখে এদের তিন ভাগে ভাগ করা হয়। ৩২টি বর্ণের মাথায় পুরো মাত্রা থাকে, ৮টির মাত্রা থাকে অর্ধেক, আর ১০টির কোনো মাত্রাই নেই। ৩২ + ৮ + ১০ যোগ করলে ঠিক ৫০ হয়, তাই এই মিলটিই সঠিক। বাংলা লিপিতে মাত্রা বা রেখা বর্ণের মাথার ওপর টানা হয়, যা একটি শব্দের বর্ণগুলোকে একসঙ্গে জুড়ে রাখে।
মনে রাখুন:
অর্ধমাত্রার বর্ণ: খ, গ, ণ, থ, ধ, প, ষ, স।
বাংলা বর্ণমালার মূল ব্রাহ্মী লিপি। - ৪. উচ্চারণস্থান অনুযায়ী কোনগুলো তালব্য বর্ণ?
- ক. ঙ, হ
- খ. য, য়
- গ. ক, ড়
- ঘ. ও, ঔ
উত্তর: খ. য, য়
মুখের ভেতরে তালু বা শক্ত তালুর কাছে জিভের ছোঁয়ায় যে ধ্বনি উচ্চারিত হয়, তাকে তালব্য ধ্বনি বলে। তালব্য বর্ণ হলো চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, শ, য ও য়। প্রশ্নে দেওয়া সবগুলো মিলিয়ে দেখলে 'য, য়' জোড়াটিই এই তালিকায় পড়ে। ঙ ও হ অন্য স্থানে উচ্চারিত হয়, তাই প্রথম বিকল্প ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
কণ্ঠ্য বর্ণ: অ, আ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, হ।
মূর্ধন্য বর্ণ: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ষ, র, ড়, ঢ়।
দন্ত্য বর্ণ: ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স।
ওষ্ঠ্য বর্ণ: প, ফ, ব, ভ, ম, উ, ঊ। - ৫. খাঁটি বাংলায় কোন সন্ধি নেই?
- ক. স্বরসন্ধি
- খ. ব্যঞ্জনসন্ধি
- গ. বিসর্গসন্ধি
- ঘ. বাংলা সন্ধি
উত্তর: গ. বিসর্গসন্ধি
খাঁটি বাংলা শব্দে সন্ধি দুই প্রকার, স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। বিসর্গসন্ধি সংস্কৃত নিয়মের সন্ধি, তাই এটি শুধু সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম শব্দেই হয়, খাঁটি বাংলায় হয় না। কারণ বিসর্গ (ঃ) বাংলা শব্দের নিজস্ব ধ্বনি নয়, এটি সংস্কৃত থেকে আসা। স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি দুটিই খাঁটি বাংলায় আছে, তাই ‘A ও B উভয়’ কথাটি ভুল।
উদাহরণ:
খাঁটি বাংলার স্বরসন্ধি: কত + এক = কতেক।
খাঁটি বাংলার ব্যঞ্জনসন্ধি: কাঁদ + না = কান্না।
মনে রাখুন: খাঁটি বাংলায় সন্ধি দুই প্রকার। তৎসম শব্দে সন্ধি তিন প্রকার, স্বর, ব্যঞ্জন ও বিসর্গ। - ৬. 'তন্ময়' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. তৎ + ময়
- খ. তনু + ময়
- গ. তৃৎ + ময়
- ঘ. তন + ময়
উত্তর: ক. তৎ + ময়
সন্ধি মানে দুটি ধ্বনির মিলন। ‘তন্ময়’ শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় তৎ + ময়। এখানে নিয়মটি হলো, প্রথম পদের শেষে ৎ বা দ্ থাকলে এবং পরে ন্ বা ম্ থাকলে ৎ বা দ্ বদলে ন্ হয়। তাই ৎ বদলে ন্ হয়ে তন্ময় তৈরি হয়েছে। এর অর্থ তাতে বা তার মধ্যে মগ্ন।
উদাহরণ:
মৃৎ + ময় = মৃন্ময়
তদ্ + মধ্যে = তন্মধ্যে
চিৎ + ময় = চিন্ময়
জগৎ + নাথ = জগন্নাথ
মনে রাখুন: বাক্ + ময় = বাঙ্ময়, কারণ ক্ ও ম্-এর সন্ধিতে ঙ্ হয়। - ৭. কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি?
- ক. তত + অধিক = ততোধিক
- খ. ষষ্ + থ = ষষ্ঠ
- গ. বন + পতি = বনস্পতি
- ঘ. সম্ + বাদ = সংবাদ
উত্তর: গ. বন + পতি = বনস্পতি
যেসব সন্ধি কোনো নির্দিষ্ট নিয়মে মেলে না, কিন্তু ভাষায় প্রচলিত হয়ে গেছে, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। 'বন + পতি = বনস্পতি' এমন একটি সন্ধি, কারণ কোনো নিয়মে মাঝখানে 'স্' আসে না, অথচ শব্দটি এভাবেই সিদ্ধ। বাকি বিকল্পগুলো কোনো না কোনো নিয়ম মেনে তৈরি। যেমন 'সম্ + বাদ = সংবাদ' এ ম্-এর জায়গায় ং হয়েছে, আর 'ষষ্ + থ = ষষ্ঠ' এ ষ-এর প্রভাবে থ বদলে ঠ হয়েছে।
মনে রাখুন:
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ: বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি, পর + পর = পরস্পর, মনস্ + ঈষা = মনীষা, আশ্চর্য, সীমন্ত, গোষ্পদ। - ৮. ক্রিয়া-প্রকৃতির অন্য নাম কী?
- ক. ধাতু
- খ. উপসর্গ
- গ. অনুসর্গ
- ঘ. প্রত্যয়
উত্তর: ক. ধাতু
ক্রিয়াপদের যে মূল অংশের আর ভাঙা যায় না, তাকে ক্রিয়া-প্রকৃতি বা ধাতু (Root) বলে। যেমন 'করছি', 'করব', 'করলাম' শব্দগুলোর মূল অংশ 'কর্', সেটিই ধাতু। এর সঙ্গে বিভিন্ন বিভক্তি বা প্রত্যয় যোগ করে নানা কাল ও পুরুষের ক্রিয়াপদ তৈরি হয়। উপসর্গ ও অনুসর্গ আলাদা ধরনের শব্দাংশ, তাই এগুলো ক্রিয়া-প্রকৃতির অন্য নাম নয়।
মনে রাখুন:
ধাতু দুই প্রকার: মৌলিক ধাতু (যা ভাঙা যায় না, যেমন কর্, যা, খা) ও সাধিত ধাতু (যা অন্য শব্দ থেকে তৈরি, যেমন ঘুম থেকে ঘুমা)। - ৯. 'শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে এলেন'-এ বাক্যটি কোন কালের ক্রিয়া?
- ক. সাধারণ বর্তমান
- খ. ঘটমান বর্তমান
- গ. নিত্যবৃত্ত অতীত
- ঘ. সাধারণ অতীত
উত্তর: ঘ. সাধারণ অতীত
বাক্যে ক্রিয়ার কাল দেখতে হলে ক্রিয়াটি কখন ঘটেছে তা বুঝতে হয়। ‘শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে এলেন’ বাক্যে আসার কাজটি আগেই শেষ হয়ে গেছে, এবং অতীতের একটি সাধারণ ঘটনা হিসেবে বলা হয়েছে। এতে কাজ চলতে থাকার ভাব নেই, অভ্যাসের ভাবও নেই। তাই এটি সাধারণ অতীত (Simple Past)। ‘এলেন’ ক্রিয়ার রূপই সাধারণ অতীতের রূপ।
উদাহরণ:
সাধারণ অতীত: প্রদীপ নিভে গেল।
ঘটমান অতীত: সে বই পড়ছিল।
নিত্যবৃত্ত অতীত: ছোটবেলায় আমরা নদীতে সাঁতার কাটতাম।
মনে রাখুন: সাধারণ বর্তমানের উদাহরণ ‘সে আসে’, আর ঘটমান বর্তমানের উদাহরণ ‘সে আসছে’। - ১০. 'আদেশ, উপদেশ, নিষেধ' এগুলো ক্রিয়ার কোন ভাব?
- ক. সাপেক্ষ ভাব
- খ. অনুজ্ঞা ভাব
- গ. নির্দেশক ভাব
- ঘ. আকাঙ্ক্ষা ভাব
উত্তর: খ. অনুজ্ঞা ভাব
ক্রিয়ার যে রূপ দেখে বোঝা যায় বক্তা কোন মনোভাব নিয়ে কথা বলছেন, তাকে ক্রিয়ার ভাব (Mood) বলে। আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ বা নিষেধ বোঝালে সেটি অনুজ্ঞা ভাব। যেমন 'সত্য কথা বলো' বা 'মিথ্যা বোলো না'। নির্দেশক ভাবে শুধু ঘটনা জানানো হয় বা প্রশ্ন করা হয়, আর সাপেক্ষ ভাবে শর্ত বা অনুমান থাকে।
মনে রাখুন:
ক্রিয়ার ভাব তিন প্রকার: নির্দেশক, অনুজ্ঞা ও সাপেক্ষ।
উদাহরণ:
নির্দেশক: আমি ভাত খাই।
অনুজ্ঞা: তুমি এখানে বসো।
সাপেক্ষ: যদি বৃষ্টি হয়, তাহলে খেলা বন্ধ থাকবে। - ১১. গাছটা মড়মড় করে ভেঙে পড়ল। – এখানে 'মড়মড়' কোন অনুকৃতির ধ্বন্যাত্মক শব্দ?
- ক. অনুভূতির কাল্পনিক
- খ. বস্তুর ধ্বনির
- গ. জীবজন্তুর ধ্বনির
- ঘ. মানুষের ধ্বনির
উত্তর: খ. বস্তুর ধ্বনির
কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। ধ্বনিটি কীসের, সেই অনুযায়ী এর শ্রেণি ঠিক করা হয়। ‘মড়মড়’ শব্দে গাছ বা কাঠ ভাঙার আওয়াজ ফুটে ওঠে, আর গাছ একটি বস্তু। তাই এটি বস্তুর ধ্বনির অনুকরণ। প্রাণীর ডাক হলে সেটি হতো জীবজন্তুর ধ্বনি, যেমন ‘ঘেউ ঘেউ’। ধ্বন্যাত্মক শব্দ সাধারণত একই ধ্বনি দুইবার বসিয়ে তৈরি হয়, যেমন মড়মড়, খটখট, ঝমঝম। এতে ধ্বনির ছবিটি পাঠকের কানে বাজে।
মনে রাখুন:
বস্তুর ধ্বনি: ঝমঝম, ঢংঢং, খটখট।
জীবজন্তুর ধ্বনি: কা-কা, ম্যা-ম্যা, ঘেউ ঘেউ।
মানুষের ধ্বনি: হা-হা, হিহি।
অনুভূতির ধ্বনি: কনকন, টনটন। - ১২. 'এতক্ষণ অপেক্ষা করলাম কিন্তু গাড়ি পেলাম না' – এটি কোন শ্রেণির বাক্য?
- ক. সরল
- খ. জটিল
- গ. মিশ্র
- ঘ. যৌগিক
উত্তর: ঘ. যৌগিক
সম্পূর্ণ স্বাধীন দুটি বা তার বেশি বাক্য যখন অব্যয় দিয়ে জোড়া লাগে, তখন সেটি যৌগিক বাক্য (Compound Sentence)। 'এতক্ষণ অপেক্ষা করলাম' এবং 'গাড়ি পেলাম না' দুটি স্বাধীন বাক্য, আর 'কিন্তু' অব্যয়টি তাদের জুড়ে দিয়েছে। কোনো খণ্ডবাক্য অন্যটির ওপর নির্ভর করছে না, তাই এটি জটিল বা মিশ্র নয়।
মনে রাখুন:
যৌগিক বাক্যের সংযোজক অব্যয়: এবং, ও, কিন্তু, অথবা, তবু, সুতরাং।
জটিল বাক্যে থাকে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য, যেমন: যে পরিশ্রম করে, সে সফল হয়। - ১৩. বাক্য কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে কী বসে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫, এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৭
- ক. কোলন
- খ. সেমিকোলন
- গ. উদ্ধৃতি চিহ্ন
- ঘ. হাইফেন
উত্তর: খ. সেমিকোলন
লিখতে গিয়ে কতক্ষণ থামতে হবে, তা বোঝানোর জন্য বিরামচিহ্ন (Punctuation) ব্যবহার করা হয়। কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে কম বিরতি বোঝাতে সেমিকোলন (;) বসে। বাক্যের দুটি অংশ আলাদা হলেও সম্পর্কযুক্ত থাকলে এটি কাজে লাগে।
উদাহরণ: আগে নিজে করো; তারপর অন্যকে বলো।
মনে রাখুন:
কমা (,) এ বিরতির সময় সবচেয়ে কম, প্রায় এক বলার সমান।
কোলন (:) বসে কোনো তালিকা বা উদাহরণ শুরুর আগে।
দাঁড়ি (।) বাক্য শেষ করে এবং সবচেয়ে বেশি বিরতি দেয়।
প্রশ্নচিহ্ন (?) বসে প্রশ্নের শেষে, আর বিস্ময়চিহ্ন (!) বসে আবেগ প্রকাশে। - ১৪. 'হাইফেন'-কে বাংলায় কী বলে?
- ক. সংকোচ চিহ্ন
- খ. সংক্ষেপণ চিহ্ন
- গ. বিয়োজক চিহ্ন
- ঘ. সংযোগ চিহ্ন
উত্তর: ঘ. সংযোগ চিহ্ন
দুটি শব্দ বা শব্দাংশকে জুড়ে দেওয়ার ছোট দাগকে ইংরেজিতে হাইফেন (Hyphen, -) বলে। বাংলায় এর নাম যোগচিহ্ন বা সংযোগ চিহ্ন। সমাসবদ্ধ পদ লেখার সময়, বা একই শব্দের দুই অংশ আলাদা করে দেখাতে এটি বসে। যেমন ‘প্রীতি-উপহার’। বিয়োজক বা বিভাজক ধরনের কোনো চিহ্ন একে বোঝায় না। যোগচিহ্নের ব্যবহারে অর্থ বোঝা সহজ হয়। যেমন ‘সুখ-দুঃখ’ লিখলে দুটি আলাদা শব্দ জুড়ে দ্বন্দ্ব সমাস বোঝায়।
মনে রাখুন:
দ্বন্দ্ব সমাসের পদ লিখতে হাইফেন বসে, যেমন সুখ-দুঃখ, ভাই-বোন।
উর্ধ্বকমা (’) লোপ চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার হয়।
হাইফেন (-) আর ড্যাশ (–) এক নয়, ড্যাশ কিছুটা লম্বা। - ১৫. কোন বানানটি ভুল?
- ক. মুমূর্ষু
- খ. আড়ষ্ট
- গ. সংগীত
- ঘ. আকাঙ্খা
উত্তর: ঘ. আকাঙ্খা
প্রশ্নের চারটি বানানের মধ্যে মুমূর্ষু, আড়ষ্ট ও সংগীত শুদ্ধ। শুদ্ধ বানান ‘আকাঙ্ক্ষা’, যার অর্থ ইচ্ছা বা বাসনা। এখানে ঙ-এর পর ক এবং ক্ষ যুক্ত হয়ে ঙ্ক্ষ হয়েছে। কিন্তু ‘আকাঙ্খা’ বানানে খ বসে গেছে, তাই এটি ভুল। এ ধরনের যুক্তবর্ণ মনে রাখার একমাত্র উপায় বারবার লিখে অভ্যাস করা। এই বানানটি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে, তাই এর রূপ বদলানো যায় না। পরীক্ষায় এমন যুক্তবর্ণের বানানই সবচেয়ে বেশি ভুল হয়।
মনে রাখুন:
শুদ্ধ বানান: নিশীথিনী, অপরাহ্ণ, মীমাংসা, উজ্জ্বল, ধন্বন্তরি।
ভুল বানান: আকাংখা, উজ্জল।
‘সংগীত’ ও ‘সঙ্গীত’ দুটোই বাংলা একাডেমির মতে গ্রহণযোগ্য। - ১৬. 'অটবি বায়ুবশে উঠিত সে উচ্ছ্বসি'–বাক্যটির 'অটবি' শব্দটির প্রতিশব্দ কোনটি?
- ক. কুসুম
- খ. অরণ্য
- গ. মনোরম
- ঘ. রবি
উত্তর: খ. অরণ্য
‘অটবি’ একটি তৎসম শব্দ, যার মানে বন বা অরণ্য। উদ্ধৃত লাইনে বায়ুর প্রবাহে বনের উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠার কথা বলা হয়েছে, তাই অর্থ মেলে। ‘কুসুম’ মানে ফুল, ‘রবি’ মানে সূর্য, আর ‘মনোরম’ শব্দের অর্থ সুন্দর, তাই এগুলো উত্তর নয়। অটবি শব্দটি কবিতা বা সাহিত্যের ভাষায় বেশি দেখা যায়, দৈনন্দিন কথায় আমরা বন বা জঙ্গল বলি। প্রতিশব্দের প্রশ্নে বাক্যের প্রসঙ্গ বুঝে অর্থ মেলাতে হয়।
মনে রাখুন:
‘অরণ্য’-এর অন্যান্য প্রতিশব্দ: কানন, বিপিন, কান্তার, বন, জঙ্গল।
‘সূর্য’-এর প্রতিশব্দ: রবি, ভানু, দিবাকর, প্রভাকর।
‘ফুল’-এর প্রতিশব্দ: কুসুম, পুষ্প, সুমন। - ১৭. রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?
- ক. চন্দ্রমুখ
- খ. অরুণরাঙা
- গ. ক্রোধানল
- ঘ. বর্ণচোরা
উত্তর: গ. ক্রোধানল
রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানকে একেবারে অভিন্ন ধরা হয়, ব্যাসবাক্যে ‘রূপ’ শব্দটি বসে। ‘ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল’, অর্থাৎ ক্রোধকেই আগুন বলা হয়েছে। ‘চন্দ্রমুখ’ শব্দের ব্যাসবাক্যে ‘রূপ’ নেই, সেখানে তুলনা চলে, আর ‘অরুণরাঙা’ ও ‘বর্ণচোরা’ অন্য শ্রেণির সমাস। রূপক কর্মধারয় চেনার সহজ উপায় হলো, ব্যাসবাক্যে ‘রূপ’ শব্দটি আছে কি না দেখা এবং উপমেয় ও উপমানকে এক করে নেওয়া।
উদাহরণ:
বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু
মন রূপ মাঝি = মনমাঝি
শোক রূপ অনল = শোকানল
মনে রাখুন: কর্মধারয় সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়, আর পরপদের অর্থই প্রধান। - ১৮. 'তার যেন সেখানে যাওয়া হয়' বাক্যটি কোন বাচ্য?
- ক. কর্তৃবাচ্য
- খ. কর্মবাচ্য
- গ. ভাববাচ্য
- ঘ. কর্মকর্তৃবাচ্য
উত্তর: গ. ভাববাচ্য
বাচ্য (Voice) বলে দেয়, বাক্যে কর্তা, কর্ম না ক্রিয়া, কার ওপর জোর পড়েছে। যে বাক্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার ভাবটিই মুখ্য, সেটি ভাববাচ্য। ‘তার যেন সেখানে যাওয়া হয়’ বাক্যে কর্ম নেই, শুধু যাওয়ার ভাবটি প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি ভাববাচ্য। এতে কর্তা সাধারণত ষষ্ঠী বিভক্তি নেয়। বাংলায় বাচ্য চার ধরনের: কর্তৃবাচ্য, কর্মবাচ্য, ভাববাচ্য ও কর্মকর্তৃবাচ্য।
উদাহরণ:
ভাববাচ্য: আমার খাওয়া হলো না।
কর্তৃবাচ্য: সে বই পড়ে।
কর্মবাচ্য: বইটি পড়া হলো।
মনে রাখুন: কর্মকর্তৃবাচ্যে কর্মই কর্তার মতো হয়ে যায়, যেমন ‘ঘণ্টা বাজে’। - ৫৮. বাংলা একাডেমি কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে
- খ. ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে
- গ. ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে
- ঘ. ১৩৫২ বঙ্গাব্দে
উত্তর: ক. ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে
ভাষা আন্দোলনের ফল হিসেবে বাংলা ভাষার চর্চা ও গবেষণার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান গড়ার দাবি ওঠে। সেই দাবির প্রেক্ষিতে ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে এর কার্যক্রম চলত ঢাকার বর্ধমান হাউসে। বঙ্গাব্দে এই বছরটি ১৩৬২ সাল, ১৩৫৫ নয়। আর ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দ হলো ভাষা আন্দোলনের বছর, একাডেমি প্রতিষ্ঠার বছর নয়। এই দুই ভুল অপশন দিয়ে পরীক্ষার্থীদের ধাঁধায় ফেলা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ছিলেন ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে একাডেমি অমর একুশে গ্রন্থমেলার আয়োজন করে।
একাডেমি থেকে বাংলা ভাষার অভিধান, বিশ্বকোষসহ নানা গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
ইংরেজি
- ১৯. 'Light' is to 'dark' as 'cold' is to—
- ক. hot
- খ. heat
- গ. cool
- ঘ. winter
উত্তর: ক. hot
‘Light is to dark’ সম্পর্কটি বিপরীত শব্দের সম্পর্ক। Light (আলো)-এর বিপরীত dark (অন্ধকার)। একই সম্পর্কে cold (ঠান্ডা)-এর বিপরীত শব্দ hot (গরম)। Heat মানে তাপ, যা noun, আর cool মানে শীতল, যা cold-এর খুব কাছাকাছি, বিপরীত নয়। Winter মানে শীতকাল। Analogy প্রশ্নে দুটি জোড়ার মধ্যে সম্পর্ক একই থাকতে হয়। এখানে দুই জোড়াতেই প্রথম শব্দের বিপরীত অর্থ দ্বিতীয় শব্দ হয়েছে।
মনে রাখুন: এই ধরনের Analogy প্রশ্নে আগে প্রথম জোড়ার সম্পর্ক (সমার্থক, বিপরীত, অংশ ও সম্পূর্ণ) চিনে নিয়ে দ্বিতীয় জোড়ায় বসাতে হয়।
অন্য উদাহরণ: Up is to down as in is to out. - ২০. I cannot— to pay such high prices.আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯
- ক. able
- খ. but
- গ. try
- ঘ. afford
উত্তর: ঘ. afford
'I cannot afford to pay such high prices' বাক্যে afford মানে সামর্থ্য থাকা বা খরচ বহনের ক্ষমতা থাকা। Afford সাধারণত can, could বা be able to-এর সঙ্গে ব্যবহার হয় এবং এর পর to + verb বসে। Able-এর পর to থাকলে আগে be verb লাগে (cannot be able নয়)। But এখানে অর্থ মেলে না, আর try বসালে বাক্যটি বেমানান হয়।
উদাহরণ: We can't afford to waste time. (আমাদের সময় নষ্ট করার সুযোগ নেই।) - ২১. What is the antonym of 'Queer'?
- ক. Integrated
- খ. Orderly
- গ. Abnormal
- ঘ. Odd
উত্তর: খ. Orderly
Queer শব্দের অর্থ অদ্ভুত, অস্বাভাবিক বা খাপছাড়া। এর বিপরীত অর্থ হবে স্বাভাবিক, নিয়মমাফিক বা সুশৃঙ্খল। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে Orderly (সুশৃঙ্খল, নিয়মমাফিক) সবচেয়ে কাছের বিপরীত। Abnormal (অস্বাভাবিক) ও Odd (অদ্ভুত) তো Queer-এর সমার্থক, তাই বিপরীত নয়। Integrated মানে সংযুক্ত বা একীভূত। এ ধরনের প্রশ্নে আগে প্রশ্নের শব্দটির অর্থ ঠিক করে নিয়ে তার বিপরীত অর্থের শব্দ খুঁজতে হয়। অনেক সময় সমার্থক শব্দ বিকল্পের মধ্যে ফাঁদ হিসেবে থাকে।
মনে রাখুন: Queer-এর synonym হলো strange, peculiar, bizarre, eccentric; antonym হলো normal, usual, ordinary।
উদাহরণ: He has a queer habit of talking to himself. - ২২. Vice results — misery.
- ক. to
- খ. for
- গ. with
- ঘ. in
উত্তর: ঘ. in
Result শব্দটি verb হিসেবে বসলে তার সঙ্গে সাধারণত দুটি preposition আসে। Result in মানে কোনো কিছুর ফল হিসেবে অন্য কিছু ঘটা, আর result from মানে কোনো কারণ থেকে উৎপন্ন হওয়া। 'Vice results in misery' বাক্যে অর্থ দাঁড়ায় পাপ দুর্দশা ডেকে আনে, তাই in বসবে।
উদাহরণ:
Hard work results in success. (কঠোর পরিশ্রমের ফল সাফল্য।)
Success results from hard work. (সাফল্য আসে কঠোর পরিশ্রম থেকে।)
Vice মানে পাপ বা অসৎ আচরণ, আর misery মানে দুর্দশা। - ২৩. 'Out and out' means—
- ক. Not at all
- খ. Thoroughly
- গ. To be last
- ঘ. Man of outside
উত্তর: খ. Thoroughly
‘Out and out’ বাগধারাটি adjective বা adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ পুরোপুরি, সম্পূর্ণরূপে। অর্থাৎ Thoroughly এর সমার্থক। যেমন ‘He is an out and out liar’ মানে লোকটি একেবারে চরম মিথ্যাবাদী। Not at all মানে একদমই নয়, To be last মানে শেষ হওয়া। ইংরেজি বাগধারায় প্রায়ই দুটি শব্দ and দিয়ে জুড়ে একটি অর্থ তৈরি হয়, যেমন safe and sound (নিরাপদ ও সুস্থ)। Idiom-এর অর্থ শব্দ ধরে ধরে বোঝা যায় না, তাই পুরো বাগধারাটি একসঙ্গে মনে রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
Out and out-এর অন্য সমার্থক শব্দ: completely, utterly, entirely।
Out of the blue মানে হঠাৎ, আর out of order মানে অকেজো বা বিকল। - ২৪. Choose the correct preposition 'My brother has no interest— music.'
- ক. for
- খ. in
- গ. with
- ঘ. at
উত্তর: খ. in
Interest শব্দটির পর সাধারণত in বসে, যখন কারও আগ্রহ কোনো বিষয়ে বোঝানো হয়। তাই ‘My brother has no interest in music’ বাক্যটি শুদ্ধ। কোন শব্দ কোন preposition নেয়, তার সবসময় যুক্তি থাকে না, এটি অভ্যাসের বিষয়। তাই এ ধরনের জোড়া মুখস্থ রাখা ভালো।
উদাহরণ:
She is interested in science. (সে বিজ্ঞানে আগ্রহী।)
He takes an interest in sports. (সে খেলাধুলায় আগ্রহ রাখে।)
মনে রাখুন: Interest-এর সঙ্গে অন্য কিছু শব্দ: fond of, keen on, good at।
ব্যাংকের সুদ বোঝাতে বলা হয় interest on a loan। - ২৫. This is— useful book for research.
- ক. an
- খ. a
- গ. the
- ঘ. none
উত্তর: খ. a
Article বসানোর নিয়মে 'a' বসে এমন শব্দের আগে, যার উচ্চারণ ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শুরু হয়। 'Useful' শব্দের বানান u দিয়ে শুরু হলেও উচ্চারণ 'ইউজফুল', অর্থাৎ শুরুতে ব্যঞ্জনধ্বনি 'য়' শোনা যায়। তাই আগে an নয়, a বসবে। এখানে book একটি নির্দিষ্ট নয়, সাধারণ একটি বই, তাই the-ও বসে না।
মনে রাখুন:
a university, a European, a one-eyed man (উচ্চারণে ব্যঞ্জন দিয়ে শুরু)।
an hour, an honest man, an heir (উচ্চারণে স্বর দিয়ে শুরু, কারণ h নিঃশব্দ)। - ২৬. The phrase 'Achilles heel' means—
- ক. A strong point
- খ. A weak point
- গ. A permanent solution
- ঘ. A serious idea
উত্তর: খ. A weak point
Achilles’ heel বলতে বোঝায় কারও এমন একটি দুর্বল জায়গা বা দুর্বলতা, যেখানে সবচেয়ে সহজে আঘাত করা যায়। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী বীর অ্যাকিলিসের শরীর অজেয় ছিল, কিন্তু তাঁর গোড়ালিতে তীর লাগলে তিনি মারা যান। সেই গোড়ালিই ছিল তাঁর একমাত্র দুর্বল স্থান। সেখান থেকেই এই phrase তৈরি হয়েছে। তাই এর অর্থ A weak point। মজার ব্যাপার হলো, এখন যেকোনো শক্তিশালী মানুষ বা প্রতিষ্ঠানের গোপন দুর্বলতাকেই Achilles’ heel বলা হয়।
মনে রাখুন:
Strong point নয়, বরং weakness, vulnerable spot।
গ্রিক পুরাণ থেকে আসা আরও phrase: Trojan horse, Pandora’s box, Herculean task। - ২৭. What is the adjective of the word 'Heart'?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. Heart
- খ. Hearten
- গ. Heartening
- ঘ. Heartful
উত্তর: গ. Heartening
Heart একটি noun। এর সঙ্গে ing যুক্ত করে adjective তৈরি হয়েছে heartening, যার অর্থ উৎসাহব্যঞ্জক, মনে সাহস জোগায় এমন। Hearten নিজে একটি verb (উৎসাহ দেওয়া), আর heartful সাধারণ ইংরেজিতে প্রচলিত শব্দ নয়। প্রসঙ্গত, heart থেকে আরও কিছু adjective হয়: hearty, heartless, heartfelt। Part of speech পাল্টালে শব্দের রূপও বদলে যায়, তাই noun থেকে adjective বানানোর সাধারণ প্রত্যয় মনে রাখা দরকার, যেমন -ful, -less, -ous।
উদাহরণ: It is a heartening news for us. (এটি আমাদের জন্য উৎসাহজনক খবর।)
মনে রাখুন: Heartening-এর বিপরীত শব্দ disheartening, যার অর্থ হতাশাজনক। - ২৮. Had I known in advance, I— enough money.
- ক. would take
- খ. would have taken
- গ. take
- ঘ. wanted to take
উত্তর: খ. would have taken
বাক্যটি Third Conditional-এর নিয়মে গঠিত, যেখানে অতীতে ঘটেনি এমন কিছু কল্পনা করা হয়। এই নিয়মে if-clause-এ Had + V3 থাকলে main clause-এ would have + V3 বসে। তাই সঠিক বাক্য: Had I known in advance, I would have taken enough money। এর অর্থ আগে জানলে আমি যথেষ্ট টাকা নিতাম, কিন্তু আসলে আগে জানিনি, তাই নিইনি। would take বা will take বসালে অতীতের কল্পনার ভাব আসে না।
মনে রাখুন:
Had I known = If I had known।
উদাহরণ: If he had studied, he would have passed।
সূত্র: If + had + V3, would have + V3। - ২৯. A person who knows many language is called—
- ক. multi-lingual
- খ. bilingual
- গ. polyglot
- ঘ. monolingual
উত্তর: গ. polyglot
যিনি অনেক ভাষা জানেন, তাঁকে বলে polyglot (বহুভাষাবিদ)। ‘Poly’ মানে অনেক এবং ‘glot’ মানে ভাষা, তাই শব্দটির গঠনই অর্থ বলে দেয়। Bilingual বলতে বোঝায় দুই ভাষা জানা, monolingual মানে এক ভাষা জানা, আর multi-lingual হলো একাধিক ভাষায় সম্পর্কিত বিশেষণ, যা ব্যক্তির পরিচয় নয়। Polyglot শব্দটি ব্যক্তি এবং বিশেষণ দুই অর্থেই ব্যবহৃত হয়। One word substitution অংশে এমন শব্দ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
মনে রাখুন:
Polyglot: বহুভাষাবিদ
Linguist: ভাষাবিজ্ঞানী
Philologist: ভাষাতত্ত্ববিদ
উদাহরণ: She is a polyglot who speaks five languages. - ৩০. 'Macbeth' is—
- ক. a play
- খ. a novel
- গ. an essay
- ঘ. a poem
উত্তর: ক. a play
Macbeth উইলিয়াম শেক্সপিয়র (William Shakespeare)-এর রচিত একটি নাটক (play), যাকে ট্র্যাজেডি ধরা হয়। এতে স্কটল্যান্ডের সেনাপতি ম্যাকবেথ ক্ষমতার লোভে রাজাকে হত্যা করে নিজেই রাজা হন, কিন্তু অপরাধবোধ ও ভয়ে শেষ পর্যন্ত তাঁর পতন ঘটে। এটি উপন্যাস, প্রবন্ধ বা কবিতা নয়। Macbeth লেখা হয়েছে আনুমানিক ১৬০৬ সালের কাছাকাছি সময়ে, আর এটি শেক্সপিয়রের সবচেয়ে ছোট ট্র্যাজেডি।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়রের চারটি প্রধান ট্র্যাজেডি: Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth।
শেক্সপিয়র ১৫৬৪ সালে স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৬১৬ সালে মারা যান।
তাঁর সনেট (poem) সংখ্যা ১৫৪টি। - ৩১. He did it— his own accord.
- ক. of
- খ. at
- গ. by
- ঘ. on
উত্তর: ক. of
‘Of one’s own accord’ একটি idiom, যার অর্থ কারও নিজের ইচ্ছায়, কেউ না বললেও। সুতরাং ‘He did it of his own accord’ মানে সে কাজটি স্বেচ্ছায় করেছে। Accord শব্দের আসল অর্থ মিল বা সম্মতি, আর এর আগে সাধারণ preposition of-ই বসে। Idiom-এ preposition বদলে ফেললে অর্থই নষ্ট হয়ে যায়, তাই by, on বা at বসালে ‘of one’s own accord’ বাগধারাটি আর ঠিক থাকে না।
মনে রাখুন:
With one accord: সবাই একসঙ্গে বা সর্বসম্মতিক্রমে।
In accord with: কোনো কিছুর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।
Of one’s own free will-ও একই অর্থ প্রকাশ করে। - ৩২. The word 'Lunar' is related to—
- ক. sun
- খ. planet
- গ. moon
- ঘ. air
উত্তর: গ. moon
Lunar একটি adjective, যার অর্থ চাঁদ সম্পর্কিত। যেমন lunar eclipse (চন্দ্রগ্রহণ) আর lunar month (চান্দ্রমাস)। এর সঙ্গে সম্পর্কিত moon হলো noun। Sun-এর adjective solar, আর planet-এর সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ planetary। তাই sun, planet বা air কোনোটিই Lunar-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ইংরেজিতে প্রাকৃতিক জিনিসের adjective প্রায়ই ল্যাটিন মূল থেকে আসে। Lunar শব্দটি এসেছে ল্যাটিন luna (চাঁদ) থেকে, আর solar এসেছে sol (সূর্য) থেকে।
মনে রাখুন:
Solar: সূর্য সম্পর্কিত
Lunar: চাঁদ সম্পর্কিত
Stellar: তারা সম্পর্কিত
Terrestrial: পৃথিবী সম্পর্কিত - ৩৩. 'Right and left' means—
- ক. indiscriminately
- খ. quickly
- গ. carefully
- ঘ. Everywhere
উত্তর: ঘ. Everywhere
‘Right and left’ বাগধারাটির অর্থ সব দিকে, সবখানে বা বেপরোয়াভাবে এখানে-সেখানে। যেমন ‘He was spending money right and left’ মানে সে চারদিকে অকাতরে টাকা খরচ করছিল। এটি সবদিক বোঝায় বলে everywhere বিকল্পটি মিলে যায়। Indiscriminately অর্থ বিচার না করে, যা কিছুটা কাছাকাছি হলেও এখানে ঠিক নয়। Idiom-এ দুটি বিপরীত শব্দ জুড়ে সম্পূর্ণতা বোঝানো হয়, যেমন ‘here and there’ মানে এখানে-সেখানে, ‘day and night’ মানে সব সময়।
মনে রাখুন:
Right, left and centre-ও একই অর্থে ব্যবহার হয়।
Right away মানে এখনই বা সঙ্গে সঙ্গে। - ৩৪. Love for the whole world is called—
- ক. Misogyny
- খ. Benevolence
- গ. Misanthropy
- ঘ. Philanthropy
উত্তর: ঘ. Philanthropy
সমগ্র মানবজাতির প্রতি ভালোবাসা বা তাদের কল্যাণের ইচ্ছাকে Philanthropy (মানবহিতৈষণা) বলে, আর যিনি এমন করেন তিনি philanthropist। Misanthropy-র মানে মানুষকে ঘৃণা করা, Misogyny-র মানে নারীর প্রতি বিদ্বেষ। Benevolence মানে দয়া বা সদিচ্ছা, কিন্তু সমগ্র মানবপ্রেম বোঝাতে Philanthropy-ই সঠিক। ইংরেজি Philanthropy শব্দটি গ্রিক phil- (ভালোবাসা) ও anthropos (মানুষ) থেকে এসেছে। তাই মানুষকে ভালোবাসা, অর্থাৎ মানবপ্রেম, এর আক্ষরিক অর্থ। ঠিক উল্টোটা Misanthropy, যেখানে mis- মানে ঘৃণা।
মনে রাখুন:
Philanthropist: মানবহিতৈষী
Misanthrope: মানবদ্বেষী
Misogynist: নারীবিদ্বেষী
Philogynist: নারীপ্রেমী
Phil- মানে ভালোবাসা, আর mis- মানে ঘৃণা। - ৩৫. 'To meet trouble halfway' means :
- ক. to get nervous
- খ. to be puzzled
- গ. to be disappointed
- ঘ. to bear up
উত্তর: ক. to get nervous
'To meet trouble halfway' মানে কোনো বিপদ আসার আগেই তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা বা আগাম উদ্বিগ্ন হওয়া। অর্থাৎ বিপদ আসুক বা না আসুক, মনে মনে ঘাবড়ে যাওয়া। এই অর্থের সবচেয়ে কাছের বিকল্প to get nervous। Puzzled মানে বিভ্রান্ত, disappointed মানে হতাশ, আর bear up মানে সাহসের সঙ্গে সামলে নেওয়া। এর কোনোটিই idiom-এর অর্থ নয়।
মনে রাখুন: একই ভাব প্রকাশের প্রবাদ: Don't cross the bridge before you come to it (ঘটনা ঘটার আগে দুশ্চিন্তা কোরো না)। - ৩৬. Which of the following can be both masculine and feminine?
- ক. Nun
- খ. Monk
- গ. Spinster
- ঘ. Spouse
উত্তর: ঘ. Spouse
Gender-এর ক্ষেত্রে যে শব্দ পুরুষ ও নারী দুই অর্থেই ব্যবহার করা যায়, তাকে common gender বলে। Spouse মানে জীবনসঙ্গী, অর্থাৎ স্বামী বা স্ত্রী দুজনই হতে পারেন, তাই শব্দটি masculine ও feminine দুটোই হতে পারে। Nun শুধু নারী সন্ন্যাসিনী, Monk শুধু পুরুষ সন্ন্যাসী, আর Spinster অবিবাহিতা নারীকে বোঝায়। ইংরেজিতে gender শব্দের রূপ ও অর্থ দেখে চার ভাগে ভাগ করা হয়: masculine, feminine, common ও neuter।
মনে রাখুন:
Common gender-এর আরও উদাহরণ: teacher, doctor, student, parent, friend, cousin।
যে শব্দ প্রাণহীন বস্তু বোঝায়, তাকে neuter gender বলে। - ৩৭. The correct proverb is—
- ক. Silence is value
- খ. Silence is capital
- গ. Silence is meritorious
- ঘ. Silence is golden
উত্তর: ঘ. Silence is golden
ইংরেজি প্রবাদ ‘Silence is golden’ মানে চুপ থাকা বা কম কথা বলা অনেক সময় বেশি মূল্যবান। অকারণে কথা বলার চেয়ে নীরবতা অনেক ক্ষেত্রে ভালো ফল দেয়। বাকি বিকল্পগুলো ইংরেজি প্রবাদ হিসেবে প্রচলিত নয়। সোনার মতো মূল্যবান বলেই golden শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। প্রবাদে সোনার তুলনা দিয়ে নীরবতার মূল্য বোঝানো হয়েছে। এমন প্রবাদের সঠিক রূপ মুখস্থ রাখতে হয়, কারণ একটি শব্দ বদলালেই প্রবাদ আর প্রবাদ থাকে না।
মনে রাখুন:
এর পরিপূরক প্রবাদ: Speech is silver, silence is golden. (কথা রুপো, নীরবতা সোনা।)
আরও প্রবাদ: Honesty is the best policy. (সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।) - ৩৮. Have you ever— to London?
- ক. been
- খ. went
- গ. go
- ঘ. visit
উত্তর: ক. been
'Have you ever ___ to London?' প্রশ্নে have ও ever আছে, তাই বাক্যটি present perfect tense। এই tense-এ have/has-এর পর verb-এর past participle (V3) বসে। কোথাও গিয়ে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে 'be' verb-এর past participle হয় been। তাই 'Have you ever been to London?'। Went হলো past tense, go ও visit এখানে ব্যাকরণগতভাবে মেলে না।
উদাহরণ:
She has been to Cox's Bazar twice.
Gone আর been-এর পার্থক্য: He has gone to Dhaka মানে সে এখনো সেখানে আছে, আর He has been to Dhaka মানে সে গিয়েছিল ও ফিরে এসেছে।
গণিত
- ৩৯. 9, 36, 81 ... এর ৬ষ্ঠ পদের সংখ্যাটি কত?
- ক. ২৮৯
- খ. ৩২৪
- গ. ২৫৬
- ঘ. ৩৬১
উত্তর: খ. ৩২৪
সংখ্যাগুলো ভালো করে দেখলে বোঝা যায়, 9 = 3², 36 = 6², 81 = 9²। অর্থাৎ ক্রমে ৩-এর গুণিতকগুলোর বর্গ বসছে: 3², 6², 9², 12², 15², 18²। ৬ষ্ঠ পদের সংখ্যাটি তাই 18² = 324।
সূত্র: n-তম পদ = (3n)²। এখানে n = 6 হলে (18)² = 324।
ধারার পদগুলো হলো 9, 36, 81, 144, 225, 324।
মনে রাখুন: ধারা থেকে পদ বের করতে প্রথমে নিয়মটি খুঁজে নিয়ে সূত্র লিখে নেওয়া ভালো।
শর্টকাট: n-তম পদ = 9n², আর 9 × 36 = 324। - ৪০. ১৪৩ টাকাকে ২ : ৪ : ৫ অনুপাতে ভাগ করলে বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০১৯
- ক. ৪৩
- খ. ৪৪
- গ. ৩৯
- ঘ. ৪২
উত্তর: গ. ৩৯
অনুপাত 2 : 4 : 5 এর যোগফল 2 + 4 + 5 = 11। মোট 143 টাকাকে 11 ভাগ করলে প্রতি ভাগ 143 ÷ 11 = 13 টাকা।
বৃহত্তম অংশ = 13 × 5 = 65 টাকা
ক্ষুদ্রতম অংশ = 13 × 2 = 26 টাকা
পার্থক্য = 65 − 26 = 39 টাকা।
মাঝের অংশ 13 × 4 = 52 টাকা। তিন অংশের যোগফল 26 + 52 + 65 = 143, যা প্রশ্নের সঙ্গে মেলে।
শর্টকাট: অনুপাতের পার্থক্য (5 − 2 = 3) নিয়ে সরাসরি 13 × 3 = 39 লেখা যায়। - ৪১. বার্ষিক ১২% মুনাফার কত বছরে ১০০০০ টাকার মুনাফা ৪৮০০ টাকা হবে?
- ক. ৬ বছর
- খ. ৮ বছর
- গ. ১০ বছর
- ঘ. ৪ বছর
উত্তর: ঘ. ৪ বছর
সরল মুনাফার সূত্র: I = P × n × r, যেখানে I মুনাফা, P আসল, n সময়, r হার (শতাংশ হিসাবে নিলে 100 দিয়ে ভাগ)।
4800 = 10000 × n × (12/100)
4800 = 1200 × n
n = 4800 ÷ 1200 = 4 বছর।
যাচাই: এক বছরের মুনাফা 10000 এর 12% = 1200 টাকা, ৪ বছরে 1200 × 4 = 4800 টাকা, যা প্রশ্নের সঙ্গে মেলে।
শর্টকাট: n = I × 100/(P × r) = 4800 × 100/(10000 × 12) = 4।
মনে রাখুন: সরল মুনাফায় প্রতি বছর মুনাফা সমান থাকে, তাই সময় দ্বিগুণ হলে মুনাফাও দ্বিগুণ হয়। - ৪২. পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান গড় বয়স ২০ বছর। দুই বছর পর দুই পুত্রের গড় বয়স ১২ হলে, পিতার বর্তমান বয়স কত?
- ক. ৪০ বছর
- খ. ৩০ বছর
- গ. ৩৬ বছর
- ঘ. ৪২ বছর
উত্তর: ক. ৪০ বছর
মোট বয়স = গড় × সংখ্যা। পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান মোট বয়স 20 × 3 = 60 বছর।
দুই বছর পর দুই পুত্রের গড় 12, মোট 12 × 2 = 24 বছর।
এই দুই বছরে প্রত্যেকের বয়স 2 বছর করে বেড়েছে, তাই বর্তমানে দুই পুত্রের মোট বয়স 24 − (2 × 2) = 20 বছর।
পিতার বর্তমান বয়স = 60 − 20 = 40 বছর।
মনে রাখুন: গড়ের প্রশ্নে সব সময় আগে মোট বের করে নিলে সহজে সমাধান হয়। - ৪৩. x − 1/x = 5 হলে, (x − 1/x)² এর মান কত?
- ক. ২৫
- খ. ২৭
- গ. ২৬
- ঘ. ২৯
উত্তর: ক. ২৫
প্রশ্নে বলা হয়েছে x − 1/x = 5, আর বের করতে হবে (x − 1/x)² এর মান। এখানে নতুন কোনো সূত্র লাগছে না, কারণ বন্ধনীর ভেতরের রাশিটির মানই দেওয়া আছে।
(x − 1/x)² = 5² = 25।
মনে রাখুন: x − 1/x = a হলে x² + 1/x² = a² + 2, আর x + 1/x = a হলে x² + 1/x² = a² − 2। এখান থেকে এই মান পাওয়া যায়: x² + 1/x² = 27। - ৪৪. x − y = 10 এবং xy = 30 হলে, x³ − y³ এর মান কত?
- ক. ১৭০০
- খ. ১৯০০
- গ. ২০০০
- ঘ. ১৮০০
উত্তর: খ. ১৯০০
সূত্র: x³ − y³ = (x − y)³ + 3xy(x − y)।
x − y = 10 এবং xy = 30 বসালে
= 10³ + 3 × 30 × 10
= 1000 + 900
= 1900।
এই সূত্রটি ঘন বিয়োগের জন্য খুব কাজের, কারণ x ও y আলাদাভাবে না জেনেও উত্তর বের করা যায়।
যাচাই: x² + y² = (x − y)² + 2xy = 100 + 60 = 160, তাই x³ − y³ = (x − y)(x² + xy + y²) = 10 × (160 + 30) = 1900।
মনে রাখুন: x³ + y³ = (x + y)³ − 3xy(x + y)। - ৪৫. 9x² − 9x − 4 এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ কর।
- ক. (3x + 1)(3x − 4)
- খ. (3x − 1)(3x − 4)
- গ. (3x − 1)(3x + 4)
- ঘ. (3x + 1)(3x + 4)
উত্তর: ক. (3x + 1)(3x − 4)
মধ্যপদ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে 9x² − 9x − 4 কে উৎপাদকে ভাঙতে গেলে প্রথম ও শেষ পদের গুণফল 9 × (−4) = −36 নিতে হবে। এমন দুটি সংখ্যা খুঁজতে হবে, যাদের গুণফল −36 ও যোগফল −9, সংখ্যা দুটি −12 ও 3।
9x² − 12x + 3x − 4
= 3x(3x − 4) + 1(3x − 4)
= (3x − 4)(3x + 1)।
যাচাই: (3x + 1)(3x − 4) = 9x² − 12x + 3x − 4 = 9x² − 9x − 4। - ৪৬. a + b = 5 এবং a − b = 3 হলে, ab-এর মান কত?
- ক. 4
- খ. 6
- গ. 8
- ঘ. 12
উত্তর: ক. 4
a + b = 5 এবং a − b = 3 যোগ করলে 2a = 8, তাই a = 4। এরপর b = 5 − 4 = 1।
ab = 4 × 1 = 4।
শর্টকাট: 4ab = (a + b)² − (a − b)² = 25 − 9 = 16, তাই ab = 16 ÷ 4 = 4।
মনে রাখুন: (a + b)² − (a − b)² = 4ab এই সূত্রটি অনেক ক্ষেত্রে সময় বাঁচায়। - ৪৭. ১ থেকে ২৫ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যার গড় কত?
- ক. ১১
- খ. ১৩
- গ. ১৪
- ঘ. ১২
উত্তর: খ. ১৩
১ থেকে n পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যার যোগফল n(n + 1)/2, আর সংখ্যা আছে n টি। তাই গড় = [n(n + 1)/2] ÷ n = (n + 1)/2। অর্থাৎ গড় বের করতে যোগ করার দরকারই পড়ে না, শুধু শেষ সংখ্যায় ১ যোগ করে ২ দিয়ে ভাগ করলেই হয়।
এখানে n = 25 হলে গড় = (25 + 1)/2 = 13। যাচাই করা যায় এভাবে: যোগফল = 25 × 26/2 = 325, আর 325 ÷ 25 = 13।
মনে রাখুন:
ক্রমিক সংখ্যার গড় সব সময় প্রথম ও শেষ সংখ্যার গড়ের সমান, অর্থাৎ (1 + 25)/2 = 13।
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত গড় = 101/2 = 50.5।
প্রথম n টি স্বাভাবিক বিজোড় সংখ্যার গড় n, আর প্রথম n টি জোড় সংখ্যার গড় n + 1। - ৪৮. লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার ও ৫ কিলোমিটার। নদীপথে ৩০ কিলোমিটার গিয়ে আবার ফিরে আসতে কত ঘণ্টা সময় লাগবে?
- ক. ৩
- খ. ৪.৫
- গ. ৮
- ঘ. ৫
উত্তর: খ. ৪.৫
নদীতে স্রোত থাকলে লঞ্চের কার্যকর বেগ বদলে যায়। স্রোতের অনুকূলে গেলে স্রোত লঞ্চকে সাহায্য করে, তাই বেগ হয় 15 + 5 = 20 কি.মি./ঘণ্টা। প্রতিকূলে গেলে স্রোত বাধা দেয়, তাই বেগ হয় 15 − 5 = 10 কি.মি./ঘণ্টা।
স্রোতের অনুকূলে ৩০ কিলোমিটার যেতে সময় লাগে 30/20 = 1.5 ঘণ্টা।
প্রতিকূলে ফিরতে সময় লাগে 30/10 = 3 ঘণ্টা।
মোট সময় = 1.5 + 3 = 4.5 ঘণ্টা।
মজার ব্যাপার হলো, কোন দিকে আগে যাওয়া হচ্ছে তাতে মোট সময় বদলায় না, কারণ দুই দিকের সময়ই যোগ হচ্ছে।
মনে রাখুন:
স্থির পানিতে বেগ = (অনুকূল বেগ + প্রতিকূল বেগ)/2 = (20 + 10)/2 = 15।
স্রোতের বেগ = (অনুকূল বেগ − প্রতিকূল বেগ)/2 = (20 − 10)/2 = 5।
যাওয়া-আসার মোট সময় = d/(v + u) + d/(v − u)। - ৪৯. ১২ জন শ্রমিক ৩ দিনে ৭২০ টাকা আয় করে। ৯ জন শ্রমিক কতদিনে সমপরিমাণ টাকা আয় করে?
- ক. ৬ দিনে
- খ. ৪ দিনে
- গ. ৮ দিনে
- ঘ. ১০ দিনে
উত্তর: খ. ৪ দিনে
এই অঙ্কে মোট আয় একই থাকছে, তাই মোট কাজও একই। কাজের পরিমাণকে শ্রমিক ও দিনের গুণফল দিয়ে মাপা যায়। এখানে কাজ = 12 × 3 = 36 জন-দিন। এখন ৯ জন শ্রমিক একই কাজ করলে সময় লাগবে 36 ÷ 9 = 4 দিন।
আরেকভাবেও ভাবা যায়। একজন শ্রমিক একদিনে আয় করে 720 ÷ 36 = 20 টাকা। তাই ৯ জন শ্রমিক ৪ দিনে আয় করে 9 × 4 × 20 = 720 টাকা, যা প্রশ্নের শর্তের সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন:
শ্রমিক কমলে দিন বাড়ে, এটি ব্যস্তানুপাত। তাই 12 × 3 = 9 × x লিখলেই x = 4 পাওয়া যায়।
শ্রমিক বাড়লে দিন কমে, যেমন ১২ জনের জায়গায় ১৮ জন হলে দিন হতো 36 ÷ 18 = 2। - ৫০. ক্ষুদ্রতম কোন সংখ্যাকে ১৬, ২৪ এবং ৩৬ দ্বারা ভাগ করলে যথাক্রমে ৬, ১৪, ২৬ ভাগশেষ থাকবে?
- ক. ১৪৪
- খ. ১৩৪
- গ. ১৫৪
- ঘ. ১৬৪
উত্তর: খ. ১৩৪
ভাজক ও ভাগশেষের পার্থক্য দেখি: 16 − 6 = 10, 24 − 14 = 10, 36 − 26 = 10। প্রতিবারই পার্থক্য সমান 10। তাই সংখ্যাটি হবে ভাজকগুলোর ল.সা.গু. থেকে 10 কম।
16 = 2⁴, 24 = 2³ × 3, 36 = 2² × 3², তাই ল.সা.গু. = 2⁴ × 3² = 144।
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = 144 − 10 = 134।
যাচাই: 134 কে 16 দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ 6, 24 দিয়ে 14, আর 36 দিয়ে 26 আসে।
বিজ্ঞান
- ৫১. শিশুদের রিকেট হয়–
- ক. ভিটামিন ডি-এর অভাবে
- খ. ভিটামিন এ-এর অভাবে
- গ. ভিটামিন সি-এর অভাবে
- ঘ. ভিটামিন কে-এর অভাবে
উত্তর: ক. ভিটামিন ডি-এর অভাবে
আমাদের হাড় শক্ত ও মজবুত থাকার জন্য ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস দরকার। ভিটামিন ডি এই দুটি খনিজকে খাদ্য থেকে শোষণ করতে এবং হাড়ে জমা করতে সাহায্য করে। তাই শিশুর দেহে ভিটামিন ডি কম পড়লে হাড় নরম থেকে যায় এবং রিকেট (Rickets) রোগ হয়। এতে শিশুর পা বাঁকা হয়ে যায়, বুকের হাড় উঁচু হয়ে ওঠে এবং হাড়ে ব্যথা হয়। মজার ব্যাপার হলো, আমাদের ত্বক সূর্যের আলোতে নিজেই ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে। বড়দের একই কারণে যে রোগ হয়, তার নাম অস্টিওম্যালেসিয়া।
মনে রাখুন:
ভিটামিন এ-এর অভাবে রাতকানা, সি-এর অভাবে স্কার্ভি।
ভিটামিন কে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। - ৫২. ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন কে?
- ক. রবার্ট কুক
- খ. লিউয়েন হুক
- গ. রবার্ট হুক
- ঘ. এডওয়ার্ড জেনার
উত্তর: খ. লিউয়েন হুক
ব্যাকটেরিয়া এত ছোট যে খালি চোখে দেখা যায় না। ওলন্দাজ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েনহুক (Antonie van Leeuwenhoek) নিজের হাতে তৈরি সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে ১৬৭০-এর দশকে প্রথম এই জীবাণু দেখেন। এ কারণেই তাঁকে ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়। ব্যাকটেরিয়া নামটি অনেক পরে, ১৮২৯ সালে, জার্মান বিজ্ঞানী এরেনবার্গ দেন। রবার্ট হুক এই পরিচয়ের ক্ষেত্রে ভিন্ন, তিনি ১৬৬৫ সালে কোষ আবিষ্কার করেছিলেন। আর এডওয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ সালে গুটিবসন্তের টিকা উদ্ভাবন করেন।
মনে রাখুন:
কোষের আবিষ্কারক: রবার্ট হুক (১৬৬৫)।
টিকার জনক: এডওয়ার্ড জেনার।
জীবাণুতত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত লুই পাস্তুর ও রবার্ট কখ। - ৫৪. মানুষের গায়ের রং কোন উপাদানের ওপর নির্ভর করে?
- ক. মেলানিন
- খ. থায়ামিন
- গ. ক্যারোটিন
- ঘ. হিমোগ্লোবিন
উত্তর: ক. মেলানিন
আমাদের ত্বকের রং নির্ভর করে মেলানিন (Melanin) নামের একটি রঞ্জক পদার্থের ওপর। ত্বকের গভীর স্তরে মেলানোসাইট নামে বিশেষ কোষ আছে, যেগুলো এই রঞ্জক তৈরি করে। যার ত্বকে মেলানিন বেশি থাকে, তার গায়ের রং তত গাঢ় হয়। আর মেলানিন কম থাকলে ত্বক ফর্সা দেখায়। মেলানিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নিয়ে ত্বককে ক্ষতি থেকে বাঁচায়। ক্যারোটিন গাজরের মতো খাবারে থাকে এবং এটি দেহে ভিটামিন এ-তে পরিণত হয়। হিমোগ্লোবিন রক্তের লাল রঞ্জক, আর থায়ামিন ভিটামিন বি১।
মনে রাখুন:
মেলানিনের অভাবে যে রোগ হয়, তার নাম অ্যালবিনিজম।
মেলানিন চুল ও চোখের রঙের জন্যও দায়ী। - ৫৫. গোদ রোগের জন্য দায়ী কোন জীবাণু?
- ক. ফাইলেরিয়া কৃমি
- খ. প্লাজমোডিয়াম
- গ. এ্যামিবা
- ঘ. সালমোনেলা
উত্তর: ক. ফাইলেরিয়া কৃমি
গোদ বা ফাইলেরিয়াসিস (Filariasis) একটি পরজীবীঘটিত রোগ। এর জন্য দায়ী উচেরেরিয়া ব্যানক্রফটি (Wuchereria bancrofti) নামের সুতার মতো সরু কৃমি, যাকে ফাইলেরিয়া কৃমি বলে। কিউলেক্স জাতের স্ত্রী মশা এক মানুষকে কামড়ে কৃমির লার্ভা অন্য মানুষের দেহে ছড়িয়ে দেয়। কৃমিগুলো লসিকাবাহীতে জমে লসিকা চলাচলে বাধা দেয়, ফলে পা, হাত বা অণ্ডকোষ ফুলে মোটা হয়ে যায়। প্লাজমোডিয়াম একটি প্রোটোজোয়া, যা ম্যালেরিয়া ঘটায়। অ্যামিবা আমাশয়ের এবং সালমোনেলা টাইফয়েডের জীবাণু। রোগটি ধীরে ধীরে বাড়ে এবং অনেক বছর পরে লক্ষণ প্রকাশ পায়, তাই একে প্রতিরোধ করাই সবচেয়ে ভালো।
মনে রাখুন:
ম্যালেরিয়া ছড়ায় অ্যানোফিলিস মশায়।
ডেঙ্গু ছড়ায় এডিস মশায়।
গোদ ছড়ায় কিউলেক্স মশায়। - ৫৯. পানির ছোট ফোঁটা পানির কোন গুণের কারণে গোলাকৃতি হয়?
- ক. আর্দ্রতা
- খ. স্থিতিস্থাপকতা
- গ. প্লবতা
- ঘ. পৃষ্ঠটান
উত্তর: ঘ. পৃষ্ঠটান
পানির ফোঁটার উপরিভাগের অণুগুলো ভেতরের দিকে টান অনুভব করে, কারণ তাদের চারপাশের অণুগুলো সবদিক থেকে তাদের টানতে থাকে। এই টানের ফলে তরলের পৃষ্ঠ যেন এক টানটান পর্দার মতো আচরণ করে। একে পৃষ্ঠটান (Surface tension) বলে। পৃষ্ঠটান সবসময় তরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল সবচেয়ে কম রাখার চেষ্টা করে। আর একই আয়তনের মধ্যে গোলকের পৃষ্ঠক্ষেত্রফল সবচেয়ে কম। এ কারণেই বৃষ্টির ফোঁটা, শিশিরবিন্দু ও সাবানের বুদবুদ গোলাকার হয়।
মনে রাখুন:
পৃষ্ঠটানের জন্যই পানির ওপর সুই বা পোকা ভেসে থাকতে পারে।
তাপমাত্রা বাড়লে তরলের পৃষ্ঠটান কমে।
সাবান বা ডিটারজেন্ট মেশালে পানির পৃষ্ঠটান কমে যায়। - ৬২. কোন ভিটামিন তাপে নষ্ট হয়?
- ক. ভিটামিন এ
- খ. ভিটামিন সি
- গ. ভিটামিন বি
- ঘ. ভিটামিন ডি
উত্তর: খ. ভিটামিন সি
ভিটামিন সি-এর রাসায়নিক নাম অ্যাসকরবিক এসিড (Ascorbic acid)। এটি পানিতে সহজে দ্রবীভূত হয় এবং তাপ, আলো ও বাতাসের সংস্পর্শে খুব সহজে নষ্ট হয়ে যায়। সে কারণে সবজি বা ফল বেশিক্ষণ ধরে সেদ্ধ করলে তার বেশিরভাগ ভিটামিন সি আর থাকে না। এই ভিটামিনের অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়, যাতে মাড়ি ফুলে রক্ত পড়ে। ভিটামিন এ ও ডি চর্বিতে দ্রবণীয় এবং রান্নার তাপে তুলনামূলকভাবে কম নষ্ট হয়।
মনে রাখুন:
ভিটামিন সি-এর উৎস: আমলকী, পেয়ারা, লেবু, কমলা।
পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: বি-কমপ্লেক্স ও সি।
চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: এ, ডি, ই, কে। - ৬৬. Polio রোগের Vaccine—
- ক. OPV
- খ. BCG
- গ. Rubella
- ঘ. Mumps
উত্তর: ক. OPV
পোলিও (Polio) একটি ভাইরাসঘটিত রোগ, যাতে শিশুর হাত-পা অবশ হয়ে যেতে পারে। এই রোগ ঠেকাতে দুই ধরনের টিকা আছে। একটি হলো খাওয়ার পোলিও টিকা, যার নাম অরাল পোলিও ভ্যাকসিন (OPV), অন্যটি ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া নিষ্ক্রিয় পোলিও ভ্যাকসিন (IPV)। আমাদের দেশে শিশুদের ফোঁটা আকারে যে টিকা খাওয়ানো হয়, সেটি ওপিভি। বিসিজি (BCG) যক্ষ্মার টিকা, আর রুবেলা ও মাম্পস (Mumps) আলাদা ভাইরাসজনিত রোগ, এদের টিকাও আলাদা। শিশুদের পোলিও টিকা নিয়মিত খাওয়ালে এই রোগ নির্মূল করা সম্ভব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৪ সালে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলকে পোলিওমুক্ত ঘোষণা করেছে।
মনে রাখুন:
যক্ষ্মার টিকা: বিসিজি।
হাম-রুবেলার টিকা: এমআর।
ইনজেকশনের পোলিও টিকা তৈরি করেন জোনাস সল্ক। - ৬৭. পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির শরীরে Amino Acid-এর সংখ্যা–
- ক. ২২টি
- খ. ২০টি
- গ. ১০টি
- ঘ. ৮টি
উত্তর: খ. ২০টি
প্রোটিন তৈরি হয় অ্যামাইনো এসিড (Amino acid) নামের ছোট ছোট একককে একটার পর একটা জুড়ে। প্রকৃতিতে এমন অ্যামাইনো এসিড অনেক আছে, কিন্তু আমাদের দেহের প্রোটিন তৈরিতে প্রধানত ২০টি অ্যামাইনো এসিড কাজ করে। এর মধ্যে ৮টি অত্যাবশ্যকীয়। দেহ এগুলো নিজে তৈরি করতে পারে না, তাই খাবার থেকে জোগাড় করতে হয়। শিশুদের জন্য দরকার আরও কয়েকটি। বাকি ১২টি অনত্যাবশ্যকীয়, যেগুলো দেহের ভেতরেই সংশ্লেষিত হয়।
মনে রাখুন:
প্রোটিনের মৌলিক উপাদান অ্যামাইনো এসিড।
অ্যামাইনো এসিডে একটি অ্যামাইনো গ্রুপ (-NH₂) ও একটি কার্বক্সিল গ্রুপ (-COOH) থাকে।
ডিম, মাছ, মাংস ও দুধ ভালো প্রোটিনের উৎস। - ৬৮. মানুষের দেহে হাড়ের সংখ্যা–
- ক. ১৩৮
- খ. ২০৬
- গ. ৩০৬
- ঘ. ৪০৬
উত্তর: খ. ২০৬
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহকাঠামোতে মোট ২০৬টি হাড় থাকে। নবজাতক শিশুর দেহে হাড়ের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি, প্রায় ৩০০টি। শিশু বড় হওয়ার সময় এদের কিছু কিছু হাড় পরস্পর জুড়ে যায়, যেমন মাথার খুলির হাড় ও মেরুদণ্ডের নিচের দিকের হাড়। ফলে শেষ পর্যন্ত সংখ্যা দাঁড়ায় ২০৬। শিশুর শুরুর দিকের হাড়ের একটি বড় অংশ নরম তরুণাস্থি, যা পরে শক্ত হাড়ে পরিণত হয়।
মনে রাখুন:
মানুষের মেরুদণ্ডে কশেরুকা ৩৩টি।
দেহের সবচেয়ে বড় হাড় ফিমার, যা উরুতে থাকে।
সবচেয়ে ছোট হাড় স্টেপিস, যা কানের ভেতরে থাকে। - ৬৯. মানুষের মুখে কর্তন দন্ত কয়টি?
- ক. ৪টি
- খ. ৬টি
- গ. ৮টি
- ঘ. ১০টি
উত্তর: গ. ৮টি
মানুষের মুখে চার ধরনের দাঁত থাকে। প্রতিটি দাঁতের গড়ন ও কাজ আলাদা। সামনের দিকে যে সমতল ও ধারালো দাঁতগুলো খাবার কেটে নেয়, সেগুলো কর্তন দাঁত (Incisor)। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের উপরের চোয়ালে ৪টি ও নিচের চোয়ালে ৪টি, মোট ৮টি কর্তন দাঁত থাকে। কর্তনের পাশে থাকে চোখা ছেদন দাঁত, যা খাবার ছিঁড়তে সাহায্য করে। এর সংখ্যা ৪। তারপর অগ্রপেষণ দাঁত ৮টি এবং পেষণ দাঁত ১২টি, এগুলো খাবার চিবিয়ে গুঁড়ো করে। সব মিলিয়ে প্রাপ্তবয়স্কের দাঁত ৩২টি।
মনে রাখুন:
দাঁতের সংখ্যা ৮ + ৪ + ৮ + ১২ = ৩২।
শিশুর দুধের দাঁত ২০টি।
দাঁতের বাইরের আবরণ এনামেল, যা দেহের সবচেয়ে শক্ত অংশ। - ৭০. কোন রক্ত গ্রুপকে 'সর্বজনীন' দাতা বলা হয়?
- ক. ও পজিটিভ
- খ. বি পজিটিভ
- গ. এ পজিটিভ
- ঘ. এবি পজিটিভ
উত্তর: ক. ও পজিটিভ
রক্তের গ্রুপ ঠিক হয় লোহিত কণিকার ওপর অ্যান্টিজেন আছে কি না, তার ওপর। O গ্রুপের রক্তে এ ও বি দুই অ্যান্টিজেনই অনুপস্থিত। এ কারণে এই রক্ত গ্রহণ করলে অন্য গ্রুপের রোগীর দেহে সাধারণত প্রতিক্রিয়া হয় না, আর O গ্রুপকে তাই সর্বজনীন দাতা (Universal donor) বলা হয়। সবচেয়ে নিরাপদ ধরা হয় O নেগেটিভ রক্ত, কারণ তাতে আরএইচ ফ্যাক্টরও নেই। প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে O গ্রুপের একমাত্র বিকল্প হলো O পজিটিভ। অন্যদিকে AB গ্রুপ সবার রক্ত নিতে পারে, তাই সে সর্বজনীন গ্রহীতা।
মনে রাখুন:
সর্বজনীন দাতা: O গ্রুপ।
সর্বজনীন গ্রহীতা: AB গ্রুপ।
রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করেন কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার। - ৭১. মানুষের দৈনিক গড়ে কত মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল দরকার?
- ক. ১০০
- খ. ১০০০
- গ. ১২০০
- ঘ. ২০০০
উত্তর: খ. ১০০০
কোলেস্টেরল (Cholesterol) এক ধরনের চর্বিজাতীয় পদার্থ। আমাদের কোষের আবরণ ও কয়েকটি হরমোন তৈরিতে এটি দরকার। দেহের প্রতিদিনের প্রয়োজন প্রায় ১০০০ মিলিগ্রাম, যার বেশিরভাগই যকৃত নিজে তৈরি করে। বাকিটা খাবার থেকে আসে। তাই কোলেস্টেরল যেহেতু দেহ নিজেই বানাতে পারে, খাবারে বেশি খাওয়ার দরকার হয় না। রক্তে কোলেস্টেরল বেশি জমলে ধমনি সরু হয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। কোলেস্টেরল রক্তের মধ্য দিয়ে লাইপোপ্রোটিন নামের বাহকের সঙ্গে চলাচল করে। এই বাহক দুই ধরনের, তাই কোলেস্টেরলের ভালো ও খারাপ ভেদ করা হয়।
মনে রাখুন:
এইচডিএল (HDL) ভালো কোলেস্টেরল, আর এলডিএল (LDL) ক্ষতিকর।
কোলেস্টেরল শুধু প্রাণিজ উৎসে থাকে, উদ্ভিজ্জ খাবারে থাকে না। - ৭২. Exclusive Breast Feeding বলতে শিশু জন্মের কয়মাস বোঝায়?
- ক. ছয় মাস
- খ. তিন মাস
- গ. বারো মাস
- ঘ. নয় মাস
উত্তর: ক. ছয় মাস
সদ্যোজাত শিশুর জন্য মায়ের দুধ সবচেয়ে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) পরামর্শ দেয়, শিশু জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ খাবে। পানি, মধু বা অন্য কোনো খাবার এ সময়ে দেওয়া চলবে না। একে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং (Exclusive Breast Feeding) বলে। ছয় মাসের পর মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার শুরু করতে হয়, আর দুই বছর বা তারও বেশি সময় বুকের দুধ চালিয়ে যাওয়া ভালো।
মনে রাখুন:
শিশুর জন্মের পর প্রথম যে হলুদ ঘন দুধ বের হয়, তার নাম শালদুধ (Colostrum)।
শালদুধে রোগ প্রতিরোধকারী অ্যান্টিবডি থাকে।
প্রতিবছর ১-৭ আগস্ট বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত হয়।
আন্তর্জাতিক
- ৫৩. IAEA-এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. International Association for Environmental Aid
- খ. International Atomic Energy Agency
- গ. International Academy for Environmental Research
- ঘ. International Association for Economic Aid
উত্তর: খ. International Atomic Energy Agency
IAEA-এর পূর্ণরূপ International Atomic Energy Agency, বাংলায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা। ১৯৫৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়। সংস্থাটি পারমাণবিক শক্তির নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করে। পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার ঠেকাতে বিভিন্ন দেশে পরিদর্শনও চালায়। এটি জাতিসংঘের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত একটি স্বতন্ত্র সংস্থা। যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার ১৯৫৩ সালে ‘শান্তির জন্য পরমাণু’ (Atoms for Peace) নামের যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় সংস্থাটি গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
IAEA ও এর তৎকালীন মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলবারাদি ২০০৫ সালে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
অপশনের বাকি সংস্থাগুলো আসলে নেই, কারণ IAEA-এর A মানে Atomic আর E মানে Energy। - ৬১. SDG-এর Goal কয়টি?
- ক. ১৭টি
- খ. ৮টি
- গ. ১০৫টি
- ঘ. ১১৭টি
উত্তর: ক. ১৭টি
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals বা SDG) জাতিসংঘ ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে গ্রহণ করে। এতে মোট ১৭টি লক্ষ্য (Goal) আছে এবং ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য (Target)। এগুলো পূরণের সময়সীমা ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৫ বছর। এ কারণে একে ‘এজেন্ডা ২০৩০’ও বলা হয়। দারিদ্র্য দূর করা, ক্ষুধামুক্তি, সুস্বাস্থ্য, মানসম্মত শিক্ষা, জলবায়ু রক্ষা ইত্যাদি এর অন্তর্ভুক্ত। ‘কেউ পিছনে পড়ে থাকবে না’ কথাটিই এর মূল প্রতিপাদ্য।
মনে রাখুন:
SDG-এর আগের লক্ষ্য ছিল সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG), যাতে ৮টি লক্ষ্য ছিল এবং সময়কাল ২০০০ থেকে ২০১৫।
SDG-এর ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রথমটি হলো দারিদ্র্য নির্মূল, দ্বিতীয়টি ক্ষুধার অবসান।
বাংলাদেশ
- ৫৬. বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় কত তারিখে?
- ক. ৪ মার্চ, ১৯৭২
- খ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
- গ. ২৬ মার্চ, ১৯৭২
- ঘ. ৩ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর: ক. ৪ মার্চ, ১৯৭২
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ পাকিস্তানি রুপি বাদ দিয়ে নিজস্ব মুদ্রা টাকা চালু করে। ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ এক টাকা ও একশো টাকার নোটসহ প্রথম নোট বাজারে আসে। এই নোট ছাপা হয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের নামে। সেই দিন থেকেই বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রার যাত্রা শুরু হয়। পরে ১৯৭৩ সালে প্রথম ধাতব মুদ্রা চালু হয়। তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে মনে রাখা ভালো যে ১৬ ডিসেম্বর হলো বিজয় দিবস ও বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার দিন, আর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। মুদ্রা চালুর দিন এই দুটির কোনোটিই নয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
বাংলাদেশের মুদ্রার প্রতীক ৳।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক, যা নোট ছাপানোর দায়িত্ব পালন করে। - ৫৭. বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার কবে শপথ গ্রহণ করেছিল?
- ক. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
- খ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
- গ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ঘ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
উত্তর: ক. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার বা অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। কিন্তু সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয় ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে। ১০ এপ্রিল ছিল গঠনের ঘোষণা, আর ১৭ এপ্রিল ছিল শপথ গ্রহণ, তাই প্রশ্নে শপথের তারিখ চাইলে উত্তর ১৭ এপ্রিল। ওই অনুষ্ঠানেই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয় এবং স্থানটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর। সরকারের কাজকর্ম পরে কলকাতা থেকে চালানো হয়েছিল। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ হলো বিজয় দিবস, শপথের দিন নয়।
মনে রাখুন:
রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (অনুপস্থিত)
উপ-রাষ্ট্রপতি (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি): সৈয়দ নজরুল ইসলাম
প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ - ৬০. 'মুজিবনগর দিবস' কত তারিখে?
- ক. ১০ এপ্রিল
- খ. ১৫ এপ্রিল
- গ. ১৭ এপ্রিল
- ঘ. ২০ এপ্রিল
উত্তর: গ. ১৭ এপ্রিল
মুজিবনগর দিবস পালিত হয় ১৭ এপ্রিল। ১৯৭১ সালের এই দিনে মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। তখন জায়গাটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর, আর এখান থেকেই সরকারের নামকরণ। ১০ এপ্রিল সরকার গঠিত হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু শপথ হয় ১৭ এপ্রিল, আর সেই দিনটিকেই দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এই সরকারের নেতৃত্বেই পরে মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক কাজ পরিচালিত হয়।
মনে রাখুন:
অস্থায়ী সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে।
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ১০ এপ্রিল জারি হয় এবং ১৭ এপ্রিল পাঠ করা হয়।
সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (পরে জেনারেল) এম এ জি ওসমানী। - ৬৩. বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা কী ধরনের?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) ২০১৯
- ক. সমাজতান্ত্রিক
- খ. গণতান্ত্রিক
- গ. সংসদীয় গণতন্ত্র
- ঘ. সংসদীয়
উত্তর: গ. সংসদীয় গণতন্ত্র
বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা সংসদীয় গণতন্ত্র। এতে জনগণ ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচন করে, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হন এবং মন্ত্রিসভা সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকে। রাষ্ট্রের প্রধান রাষ্ট্রপতি হলেও প্রকৃত শাসনক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকে। ‘গণতান্ত্রিক’ ও ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দ দুটি শাসনব্যবস্থার ধরন বোঝায় না, আর ‘সংসদীয়’ কথাটি অসম্পূর্ণ, এতে গণতন্ত্রের উল্লেখ নেই। ১৯৭২ সালের সংবিধানে সংসদীয় ব্যবস্থা ছিল। পরে মাঝখানে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু হয় এবং ১৯৯১ সালে আবার সংসদীয় ব্যবস্থায় ফেরা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশে এককেন্দ্রিক (Unitary) সরকারব্যবস্থা প্রচলিত।
আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ, আসন সংখ্যা ৩০০।
সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর। - ৬৪. 'কারাগারের রোজনামচা' একটি–
- ক. নাটক
- খ. দিনলিপি
- গ. উপন্যাস
- ঘ. কাব্য
উত্তর: খ. দিনলিপি
‘কারাগারের রোজনামচা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা গ্রন্থ। ‘রোজনামচা’ মানে প্রতিদিনের ঘটনার লেখা, অর্থাৎ দিনলিপি। বিভিন্ন সময় জেলে থাকার সময় তিনি এটি লেখেন, ষাটের দশকের শেষ দিকের ঘটনা এতে আছে। বইটি ২০১৭ সালে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে। নাটক, উপন্যাস বা কাব্য নয়, এটি একজন নেতার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও ভাবনার বিবরণ। দিনলিপি বা রোজনামচা সাহিত্যের একটি আলাদা ধারা, যেখানে লেখক প্রতিদিনের ঘটনা তারিখ ধরে ধরে লিখে রাখেন।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধুর অন্য দুটি বই: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২) ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ও বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত। - ৬৫. লাহোর প্রস্তাব কোন সালে গৃহীত হয়?
- ক. ১৯৪০
- খ. ১৯৪১
- গ. ১৯৪২
- ঘ. ১৯৩৭
উত্তর: ক. ১৯৪০
১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়। প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন তৎকালীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক। এতে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মুসলমানপ্রধান এলাকাগুলো নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়। পরে এটিই পাকিস্তান প্রস্তাব নামে পরিচিতি পায়। অধিবেশনটি হয়েছিল তিন দিন ধরে, আর প্রস্তাবটি পাস হয় শেষ দিনে। প্রস্তাবে বলা হয়েছিল এলাকাগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম রাষ্ট্র।
মনে রাখুন:
প্রস্তাবের সমর্থক ছিলেন চৌধুরী খালিকুজ্জামান।
সভাপতি ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন