পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৬ নভেম্বর ২০২২। ৯৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →ইংরেজি
- ১. Find out the noun of the word 'acquit' :
- ক. acquition
- খ. acquittal
- গ. acquitation
- ঘ. acquitasion
উত্তর: খ. acquittal
Acquit একটি verb, যার অর্থ আদালতে নির্দোষ ঘোষণা করে খালাস দেওয়া। এর noun হলো acquittal, যার অর্থ খালাস বা অব্যাহতি। বাকি তিনটি শব্দ ইংরেজিতে নেই, কেবল ভুল বানান করে বানানো। Verb থেকে noun বানানোর একটি পরিচিত নিয়ম হলো কিছু verb-এর শেষে -al যোগ করা। তখন verb-এর কাজ বা ঘটনাটিই noun হিসেবে প্রকাশ পায়। Acquit-এর ক্ষেত্রে অবশ্য শেষের t দ্বিত্ব হয়ে tt হয়, তাই acquital লেখা ভুল।
উদাহরণ:
The court ordered his acquittal. (আদালত তার খালাসের আদেশ দিল।)
মনে রাখুন: -al যুক্ত আরও noun: refuse–refusal, approve–approval, arrive–arrival, propose–proposal।
Acquit-এর বিপরীত শব্দ convict (দোষী সাব্যস্ত করা), যার noun conviction। - ২. You must compensate— the loss.
- ক. of
- খ. with
- গ. for
- ঘ. about
উত্তর: গ. for
Compensate verb-টির পরে for বসে, কারণ কীসের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে তা for দিয়ে বোঝানো হয়। ‘You must compensate for the loss’ বাক্যে অর্থ দাঁড়ায় তোমাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। Compensate শব্দের আরেকটি অর্থ খেসারত দেওয়া বা ঘাটতি পূরণ করা। আর ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দিলে compensate someone for something লিখতে হয়। অপশনের of, with বা about এখানে বসে না, কারণ ক্ষতির কারণ বা বিনিময় বোঝাতে for-ই প্রচলিত preposition।
উদাহরণ: The company compensated him for the damage. (কোম্পানি ক্ষতির জন্য তাকে ক্ষতিপূরণ দিল।)
মনে রাখুন:
Noun-এর রূপ compensation, আর adjective compensatory।
একই ধরনের verb: apologise for, pay for, account for। - ৩. The plural of the word 'virus' is—
- ক. viri
- খ. viratum
- গ. many virus
- ঘ. viruses
উত্তর: ঘ. viruses
ইংরেজি noun-এর plural সাধারণত s বা es যোগ করে হয়। Virus শব্দটি ল্যাটিন থেকে এলেও ইংরেজিতে এর plural viruses, কারণ ‘viri’ বা ‘viratum’ ইংরেজিতে চলে না। ‘Many virus’ ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ many-এর পর plural noun বসে। তাই সঠিক রূপ many viruses। এটি জেনে রাখা দরকার, কেননা ল্যাটিন থেকে আসা সব শব্দের plural আলাদা হয় না। কিছু শব্দ ইংরেজি নিয়মেই s বা es নেয়।
মনে রাখুন: ল্যাটিন বা গ্রিক শব্দের আলাদা plural:
radius – radii
datum – data
syllabus – syllabi বা syllabuses
bacterium – bacteria
phenomenon – phenomena - ৪. The phrase 'fight shy of' means—
- ক. avoid
- খ. quarrel
- গ. flee
- ঘ. struggle
উত্তর: ক. avoid
‘Fight shy of’ একটি idiom, যার অর্থ এড়িয়ে চলা বা দূরে থাকা। যেমন ‘He fights shy of speaking in public’ মানে সে লোকসমক্ষে বক্তৃতা এড়িয়ে চলে। শব্দগুলো থেকে যুদ্ধ বা বিবাদের অর্থ মনে এলেও এটি আসলে সংকোচ বা ভয়ে দূরে থাকা বোঝায়। তাই quarrel (ঝগড়া), flee (পালিয়ে যাওয়া) বা struggle (সংগ্রাম করা) নয়, উত্তর avoid। Idiom-এর অর্থ শব্দ ধরে ধরে বোঝা যায় না, গোটা বাক্যাংশটি একসঙ্গে মুখস্থ রাখতে হয়।
উদাহরণ: She fights shy of meeting strangers. (সে অচেনা মানুষের সঙ্গে দেখা করা এড়িয়ে চলে।)
মনে রাখুন: Shy of মানে কোনো কিছু করতে ইতস্তত করা। - ৫. Corona Virus spread— the globe.
- ক. on
- খ. into
- গ. across
- ঘ. above
উত্তর: গ. across
‘Spread across the globe’ মানে পুরো পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া। Across শব্দে কোনো স্থানের এপার থেকে ওপার বা সবদিক জুড়ে বিস্তার বোঝায়। On বা above বসালে অর্থ মেলে না, কারণ এগুলো দিয়ে কোনো কিছুর ওপরে অবস্থান বোঝায়, ছড়িয়ে পড়া নয়। আর into মানে ভেতরে প্রবেশ করা, তাই এটিও এখানে খাটে না। কোনো রোগ বা খবর বিশাল এলাকাজুড়ে ছড়ালে across, throughout বা all over বসানো হয়।
উদাহরণ: The news spread across the country. (খবর দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল।)
মনে রাখুন: একই অর্থে throughout the world এবং all over the world-ও বলা যায়। - ৬. Which of the following is correct?
- ক. No sooner had he seen me before he ran away.
- খ. No sooner had he seen me than he ran away.
- গ. Scarcely had he seen me than he ran away.
- ঘ. Hardly he saw me when he ran away.
উত্তর: খ. No sooner had he seen me than he ran away.
'No sooner' দিয়ে শুরু বাক্যে নিয়ম হলো No sooner + had + subject + V3 + than + V2। অর্থাৎ than-এর আগে past perfect এবং পরে simple past বসে। 'No sooner had he seen me than he ran away' বাক্যটি তাই শুদ্ধ। প্রথম বিকল্পে than-এর জায়গায় before আছে, যা ভুল। তৃতীয় বিকল্পে scarcely-এর সঙ্গে than ব্যবহার হয়েছে, যেখানে when হবে। চতুর্থটিতে hardly-র পরে had না থাকায় কাঠামো ভুল।
মনে রাখুন:
Hardly/Scarcely + had + subject + V3 + when + V2
No sooner + had + subject + V3 + than + V2 - ৭. Which of the following is not related to 'marriage'?
- ক. Monogamy
- খ. Polyandry
- গ. Polyglot
- ঘ. Polygamy
উত্তর: গ. Polyglot
চারটি শব্দের মধ্যে তিনটি বিবাহরীতির নাম, যেগুলো গ্রিক ‘gamy’ (বিবাহ) বা ‘andry’ (পুরুষ) অংশ দিয়ে গড়া। Monogamy মানে একবিবাহ, polygamy মানে বহুবিবাহ, আর polyandry মানে এক নারীর একাধিক স্বামী থাকা। কিন্তু polyglot শব্দের অর্থ বহুভাষাবিদ, যার সঙ্গে বিবাহের সম্পর্ক নেই, তাই এটিই উত্তর। Poly মানে অনেক, আর glot মানে ভাষা। এই কাঠামো মনে রাখলে এ ধরনের আরও শব্দ সহজে চেনা যায়।
মনে রাখুন:
Polygyny: এক পুরুষের একাধিক স্ত্রী
Bigamy: একই সময়ে দুই বিবাহ
Celibacy: অবিবাহিত থাকা
Monolingual: একভাষী - ৮. The correct English translation of the sentence 'ভাসা ভাসা পড়ায় কাজ হবে না' is—
- ক. Reading by fits and starts will not do.
- খ. Reading by bird's eye view will not do.
- গ. Reading at a glance will not do.
- ঘ. Reading intermittently will not do.
উত্তর: খ. Reading by bird's eye view will not do.
‘ভাসা ভাসা’ পড়া মানে গভীরে না গিয়ে ওপর ওপর পড়া। এই ভাবটি bird’s eye view দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে, যার আসল অর্থ ওপর থেকে একনজরে দেখা সার-সংক্ষেপ, ভেতরের খুঁটিনাটি ছাড়া। By fits and starts মানে থেমে থেমে বা অনিয়মিতভাবে, আর intermittently মানেও থেকে থেকে। এ দুটিতে পড়ার ধারাবাহিকতার অভাব বোঝায়, গভীরতার অভাব নয়। At a glance মানে এক নজরে। এগুলো কোনোটিই ভাসা ভাসা ভাবটি ঠিকভাবে ধরে না।
মনে রাখুন:
Superficial reading মানে ভাসা ভাসা পড়া।
Superficial শব্দের অর্থ ওপরসর্বস্ব বা অগভীর।
Thorough reading মানে গভীরভাবে পুরোটা পড়া। - ৯. Fill in the blank of the following sentence : My father went to London by— air.
- ক. the
- খ. no article
- গ. a
- ঘ. an
উত্তর: খ. no article
যাতায়াতের মাধ্যম বোঝাতে ‘by’ preposition-এর পরে কোনো article বসে না। যেমন by air, by road, by train, by bus। তাই ‘My father went to London by air’ সঠিক বাক্য। কিন্তু মাধ্যমটিকে নির্দিষ্ট করে বললে অন্য preposition আসে এবং article লাগে, যেমন ‘in a bus’ বা ‘on the train’। Article ছাড়া এই রূপটি মাধ্যমের সাধারণ ধারণা প্রকাশ করে, কোনো নির্দিষ্ট যানকে নয়।
উদাহরণ:
He goes to school by bus.
She came by taxi.
মনে রাখুন:
On foot (হেঁটে) ব্যতিক্রম, এখানে by নয়, on ব্যবহার হয়।
By car, by sea, by rail, by water একই নিয়মে article ছাড়া লেখা হয়। - ১০. I am fond of swimming. Here 'swimming' is—.
- ক. a verb
- খ. a present participle
- গ. a gerund
- ঘ. an adverb
উত্তর: গ. a gerund
‘I am fond of swimming’ বাক্যে fond of-এর পর swimming এসেছে, অর্থাৎ preposition-এর পরে verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়েছে। Verb-এর শেষে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করলে সেটিকে gerund বলে। এখানে swimming সাঁতার কাটার কাজকে বোঝায়, তাই এটি noun-এর মতো আচরণ করছে। Present participle verb ও adjective-এর কাজ করে, যেমন ‘a swimming boy’ বা ‘He is swimming’। দেখতে একই হলেও কাজ আলাদা হওয়ায় নাম আলাদা।
মনে রাখুন:
Preposition-এর পরের verb সব সময় gerund (verb + ing) হয়।
উদাহরণ: Swimming is a good exercise. (এখানে swimming বাক্যের subject, তাই gerund।) - ১১. — your timely help, I would have failed.
- ক. But for
- খ. For
- গ. Despite
- ঘ. Unless
উত্তর: ক. But for
'But for your timely help, I would have failed' বাক্যে but for মানে 'ছাড়া' বা 'না থাকলে'। অর্থাৎ তোমার সময়মতো সাহায্য না থাকলে আমি ব্যর্থ হতাম। এটি conditional অর্থ প্রকাশ করে, ফলে পরের অংশে would have + V3 বসেছে। Despite মানে সত্ত্বেও, আর unless মানে যদি না, এবং এর পর noun নয় clause বসে। For একা বসালে অর্থ হয় না।
উদাহরণ: But for rain, we would have played. (বৃষ্টি না থাকলে আমরা খেলতাম।) - ১২. The lady guest proceeded as though I (not speak).
- ক. The lady guest proceeded as though I had not spoken.
- খ. The lady guest proceeded as though I did not speak.
- গ. The lady guest proceeded as though I have not spoken.
- ঘ. The lady guest proceeded as though I would not speak.
উত্তর: ক. The lady guest proceeded as though I had not spoken.
As though বা as if দিয়ে শুরু অংশে অবাস্তব বা কল্পিত অবস্থা বোঝায়। নিয়ম অনুযায়ী প্রথম অংশ past tense হলে as though-এর পরের অংশ past perfect হয়। 'The lady guest proceeded' past tense, তাই পরের অংশ 'I had not spoken'। অর্থ দাঁড়ায়, অতিথি মহিলা এমনভাবে চালিয়ে গেলেন, যেন আমি কিছু বলিনি।
মনে রাখুন:
প্রথম অংশ present হলে as if-এর পরে past: He talks as if he knew everything.
প্রথম অংশ past হলে as if-এর পরে past perfect: He talked as if he had known everything. - ১৩. He is— than you.
- ক. much stronger
- খ. very stronger
- গ. more stronger
- ঘ. so stronger
উত্তর: ক. much stronger
Comparative degree (stronger)-এর অর্থ আরও জোরালো করতে চাইলে এর আগে much বসে, very নয়। Very বসে adjective-এর মূল রূপের (positive degree) আগে, যেমন very strong। আবার comparative-এর আগে more বসানো ভুল, কারণ stronger নিজেই comparative, তাকে আবার more দিয়ে বাড়ালে double comparative হয়। তাই সঠিক বাক্য ‘He is much stronger than you’।
উদাহরণ:
He is much stronger than you. (সঠিক)
He is very stronger than you. (ভুল)
মনে রাখুন:
Comparative-এর আগে বসতে পারে much, far, a lot, even, still।
Positive degree-এর আগে বসে very, so, too, quite। - ১৪. The play 'The Hairy Ape' was written by—.
- ক. G. B. Shaw
- খ. William Shakespeare
- গ. Ben Jonson
- ঘ. Eugene O' Neill
উত্তর: ঘ. Eugene O' Neill
‘The Hairy Ape’ নাটকটি লিখেছেন আমেরিকান নাট্যকার ইউজিন ও’নীল (Eugene O’Neill)। নাটকটি ১৯২২ সালে লেখা। শিল্পায়নের যুগে এক ফায়ারম্যানের আত্মপরিচয় খোঁজার কাহিনি এতে আছে। জর্জ বার্নার্ড শ ছিলেন আইরিশ এবং শেক্সপিয়র ও বেন জনসন ইংরেজ নাট্যকার, তাই এঁদের কেউ এই নাটকের লেখক নন। ও’নীল ১৯৩৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তাঁকে আমেরিকান নাটকের জনক বলা হয়।
মনে রাখুন:
তাঁর অন্য নাটক: ‘Long Day’s Journey into Night’, ‘Anna Christie’, ‘Mourning Becomes Electra’।
বার্নার্ড শ-এর নাটক: ‘Pygmalion’, ‘Man and Superman’। - ১৫. The science of teaching is called—.
- ক. phonetics
- খ. pedagogy
- গ. ethics
- ঘ. phonology
উত্তর: খ. pedagogy
শিক্ষাদানের বিজ্ঞান বা শিক্ষণ-পদ্ধতির তত্ত্বকে Pedagogy (শিক্ষাবিজ্ঞান) বলে। শব্দটি গ্রিক paidagōgos থেকে এসেছে, যার অর্থ শিশুদের নেতা বা শিক্ষক। Phonetics মানে উচ্চারণ ও ধ্বনির বিজ্ঞান, phonology মানে ভাষার ধ্বনিব্যবস্থার অধ্যয়ন, আর ethics মানে নীতিশাস্ত্র। এই শব্দগুলো দেখতে কাছাকাছি লাগলেও শিক্ষাদানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, তাই উত্তর pedagogy। শিক্ষকের কাজ ও শিক্ষাদানের কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে গেলে এই শব্দটিই ব্যবহার হয়, যেমন ‘modern pedagogy’ মানে আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি।
মনে রাখুন:
Pedagogue: শিক্ষক বা শিক্ষাবিদ
Philology: ভাষাতত্ত্ব
Etymology: শব্দের উৎপত্তিবিদ্যা
Pedagogic বা pedagogical: শিক্ষণবিষয়ক (adjective) - ১৬. Choose the correct spelling :আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. etiquette
- খ. etiquitte
- গ. etiquet
- ঘ. etyquette
উত্তর: ক. etiquette
সঠিক বানান etiquette, যার অর্থ সামাজিক শিষ্টাচার বা আচার-আচরণ। এটি ফরাসি শব্দ থেকে ইংরেজিতে এসেছে। বানানে এক t, তারপর দুই t এবং শেষে -ette থাকে, এটিই বিভ্রান্তির কারণ। অন্য তিনটি বিকল্পে এই ধ্বনিগুলো ভুল জায়গায় বসানো হয়েছে। ফরাসি থেকে আসা শব্দের বানান উচ্চারণ ধরে লেখা যায় না, তাই এ ধরনের শব্দ আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
-ette দিয়ে শেষ আরও শব্দ: cigarette, silhouette, cassette, brunette।
উদাহরণ: Good etiquette is important at the dinner table. (খাবার টেবিলে ভালো শিষ্টাচার গুরুত্বপূর্ণ।) - ১৭. What is the antonym of 'shabby'?
- ক. honesty
- খ. sagacious
- গ. new
- ঘ. dirty
উত্তর: গ. new
Shabby শব্দের অর্থ জীর্ণ, পুরোনো ও ময়লা অবস্থায় থাকা, বা হীন আচরণ। এর বিপরীত শব্দ new বা smart, অর্থাৎ নতুন ও পরিপাটি। Honesty মানে সততা, যা noun, আর sagacious মানে বিচক্ষণ, তাই অর্থের দিক থেকে এ দুটি মেলে না। Dirty আসলে shabby-এর কাছাকাছি, তাই এটি বিপরীত নয়। Antonym-এর প্রশ্নে অনেক সময় সমার্থক শব্দ ফাঁদ হিসেবে দেওয়া থাকে, তাই সতর্ক থাকতে হয়।
উদাহরণ: He wore a shabby coat. (সে একটি জীর্ণ কোট পরেছিল।)
মনে রাখুন:
Shabby-এর synonym: worn-out, ragged, scruffy।
Shabbiness হলো এর noun। - ১৮. The word 'extrajudicial' means—
- ক. extra facility for judges
- খ. judicious
- গ. a criminal activity
- ঘ. happening outside the normal power of the law
উত্তর: ঘ. happening outside the normal power of the law
Extrajudicial শব্দটি extra (বাইরে) ও judicial (বিচার সংক্রান্ত) মিলিয়ে তৈরি। অর্থ হলো এমন কাজ, যা আইনি বিচারপ্রক্রিয়ার বাইরে ঘটে। যেমন extrajudicial killing মানে বিচার ছাড়াই হত্যা। Judicious মানে বিচক্ষণ, সুবিবেচক, যা আলাদা অর্থ, তাই judicious দেখে বিভ্রান্ত হওয়া চলবে না। শব্দটির বাংলা বিচারবহির্ভূত। Extra উপসর্গটি বহু শব্দে ‘বাইরে’ বা ‘অতিরিক্ত’ বোঝায়।
মনে রাখুন:
Judicial: বিচার সংক্রান্ত
Judiciary: বিচার বিভাগ
Judicious: বিচক্ষণ
উদাহরণ: Extrajudicial punishment is against the law. (বিচারবহির্ভূত শাস্তি আইনবিরোধী।) - ১৯. 'Meat and potatoes' means—
- ক. a special type of curry
- খ. a delicious dish of meat
- গ. a simple and ordinary matter
- ঘ. the most basic and important aspects of something
উত্তর: ঘ. the most basic and important aspects of something
‘Meat and potatoes’ idiom-টির অর্থ কোনো বিষয়ের মূল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা ভিত্তি। রান্নায় মাংস ও আলু খাবারের সবচেয়ে মৌলিক উপাদান, সেই কারণেই এই অর্থ এসেছে। এটি কোনো বিশেষ তরকারির নাম নয়, আবার সুস্বাদু মাংসের পদও নয়। ‘Simple and ordinary’ এর কাছাকাছি মনে হলেও আসল জোর পড়ে মৌলিকতা ও গুরুত্বের ওপর। Idiom মানে এমন বাক্যাংশ, যার অর্থ আলাদা আলাদা শব্দের অর্থ থেকে বোঝা যায় না।
উদাহরণ: The meat and potatoes of the project is the budget. (প্রকল্পের মূল বিষয় বাজেট।)
মনে রাখুন: Meat and potatoes কখনো কখনো adjective-এর মতো ব্যবহৃত হয়, যেমন ‘a meat-and-potatoes issue’। - ২০. Which of the following was written by Chinua Achebe?
- ক. Brave New World
- খ. The Trial
- গ. Ulysses
- ঘ. Things Fall Apart
উত্তর: ঘ. Things Fall Apart
‘Things Fall Apart’ উপন্যাসটি নাইজেরিয়ান লেখক চিনুয়া আচেবে (Chinua Achebe)-এর লেখা, যা ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। এতে আফ্রিকার ইবো সমাজে ঔপনিবেশিক শাসন আসার প্রভাব দেখানো হয়েছে। বাকি বইগুলো অন্য লেখকদের। ‘Brave New World’ লিখেছেন অলডাস হাক্সলি, ‘The Trial’ ফ্রানৎস কাফকা, আর ‘Ulysses’ উপন্যাসটি জেমস জয়েসের। আচেবেকে আধুনিক আফ্রিকান সাহিত্যের জনক বলা হয়।
মনে রাখুন:
আচেবের আরও বই: ‘No Longer at Ease’, ‘Arrow of God’, ‘A Man of the People’।
‘Things Fall Apart’-এর প্রধান চরিত্রের নাম ওকোনকো (Okonkwo)। - ২১. The teacher said to me, "Why were you absent?" The indirect speech of the sentence above is—.
- ক. The teacher asked me why I was absent.
- খ. The teacher asked me why I had been absent.
- গ. The teacher asked me why I have been absent.
- ঘ. The teacher wanted to know why I was absent.
উত্তর: খ. The teacher asked me why I had been absent.
Direct speech থেকে indirect speech করার সময় reporting verb অতীতকালের হলে reported speech-এর tense এক ধাপ পেছনে যায়। 'Why were you absent?' হলো প্রশ্নবোধক বাক্য, যার verb past tense (were)। Past tense পেছনে গেলে past perfect হয়, তাই 'were' হয়ে যায় had been। বাক্যটি হয় 'The teacher asked me why I had been absent'। এছাড়া indirect speech-এ প্রশ্নবোধক ভঙ্গি বদলে সাধারণ বাক্যের ক্রম হয়, তাই 'why I had been' লেখা হয়, 'why had I been' নয়।
মনে রাখুন: Said to হয়ে যায় asked। - ২২. What is the synonym of 'pinnacle'?
- ক. Panacea
- খ. Mountain
- গ. Peak
- ঘ. Phantom
উত্তর: গ. Peak
Pinnacle শব্দের মূল অর্থ পর্বতের চূড়া, আর রূপক অর্থে সর্বোচ্চ অবস্থান বা শীর্ষবিন্দু। এর সমার্থক শব্দ peak, summit, acme। Panacea মানে সব রোগের ওষুধ, phantom মানে ভূত বা অশরীরী ছায়া, আর mountain মানে পাহাড়, যা শৃঙ্গ নয়। Mountain বিশাল পাহাড়কে বোঝায়, কিন্তু pinnacle বোঝায় তার সর্বোচ্চ বিন্দুকে। তাই peak-ই এর সবচেয়ে কাছের শব্দ।
উদাহরণ: He reached the pinnacle of his career. (সে তার পেশার শীর্ষে পৌঁছাল।)
মনে রাখুন:
Pinnacle-এর বিপরীত শব্দ: bottom, base, nadir (সর্বনিম্ন বিন্দু)। - ২৩. The correct passive voice of the sentence 'Who can avoid death?' is—
- ক. By whom death can be avoided?
- খ. Whom can death be avoided?
- গ. By whom can death be avoided?
- ঘ. Who can avoid death by death?
উত্তর: গ. By whom can death be avoided?
Active বাক্য ‘Who can avoid death?’-কে passive করতে হলে who-এর জায়গায় by whom বসে। Interrogative বাক্যে by whom শুরুতে আসে, তারপর auxiliary verb (can), এরপর subject (death), শেষে be + past participle (be avoided)। তাই সঠিক রূপ ‘By whom can death be avoided?’। প্রথম বিকল্পে প্রশ্নবাচক বাক্যের মতো auxiliary আগে বসেনি, আর দ্বিতীয়টিতে by নেই, তাই কাজ কে করছে তা বোঝা যায় না।
মনে রাখুন:
Who দিয়ে শুরু active প্রশ্নের passive-এ by whom ব্যবহার হয়।
উদাহরণ: Who wrote this book? → By whom was this book written? - ২৪. It is high time you— a job.
- ক. seek
- খ. need
- গ. sought
- ঘ. apply for
উত্তর: গ. sought
‘It is time’ বা ‘It is high time’ এর পরে subject বসলে verb-এর past form (V2) ব্যবহার হয়। যদিও কাজটি এখন করার সময় এসেছে, ভাবটি বাস্তবের বিপরীত, যেন আগেই করা উচিত ছিল। তাই সঠিক বাক্য ‘It is high time you sought a job’। Sought হলো seek-এর past form। Subject না থাকলে time-এর পর to + verb বসে। High শব্দটি বসালে বোঝায় যে দেরি হয়ে গেছে, এখনই করা দরকার।
উদাহরণ:
It is high time you went to bed.
It is time to go.
মনে রাখুন: Seek–sought–sought এর তিনটি form। - ২৫. Behave how a gentleman behaves. Here the underlined part is a/an—
- ক. noun clause
- খ. adjectival clause
- গ. adverbial clause
- ঘ. coordinating clause
উত্তর: গ. adverbial clause
‘Behave how a gentleman behaves’ বাক্যে ‘how a gentleman behaves’ অংশটি একটি subordinate clause, যা behave ক্রিয়াটি কীভাবে করতে হবে তা জানাচ্ছে। যে clause ক্রিয়াকে বিশেষিত করে অর্থাৎ কীভাবে, কখন বা কোথায় বোঝায়, তাকে adverbial clause বলে। এখানে ‘কীভাবে’ প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে, তাই এটি manner বোঝায়। Noun clause এখানে হতো না, কারণ অংশটি বাক্যের subject বা object নয়। Coordinating clause দুটি স্বাধীন clause-কে জোড়ে, কিন্তু এটি স্বাধীন নয়।
মনে রাখুন:
Noun clause বাক্যে noun-এর কাজ করে।
Adjective clause কোনো noun-কে বর্ণনা করে।
Adverbial clause কোনো verb, adjective বা adverb-কে বিশেষিত করে।
বাংলা
- ২৬. ব্যাকরণ ও ভাষার মধ্যে কোনটি আগে সৃষ্টি হয়েছে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. ব্যাকরণ
- খ. ভাষা
- গ. ব্যাকরণ ও ভাষা উভয়ই এক সাথে
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ভাষা
ভাষা মানুষ কথা বলার মাধ্যমে আগেই তৈরি করে ফেলেছে, কিন্তু ভাষা কীভাবে চলে তার নিয়ম পরে খুঁজে বের করে লিখে রাখা হয়েছে। সেই লিখিত নিয়মগুলোর সংকলনই ব্যাকরণ। তাই ব্যাকরণ ভাষাকে অনুসরণ করে, ভাষা ব্যাকরণকে নয়। অর্থাৎ ভাষা আগে সৃষ্টি হয়েছে, ব্যাকরণ এসেছে তারপর। আমরা ছোটবেলায় ব্যাকরণ না শিখেও কথা বলতে শিখে যাই, এটিই তার প্রমাণ। ব্যাকরণ আসলে এই চলমান ভাষাকে বিশ্লেষণ করে নিয়মের আকারে সাজায়।
মনে রাখুন:
ব্যাকরণ শব্দের অর্থ হলো যা দিয়ে ভাষাকে বিশ্লেষণ করা যায়।
ভাষার নিয়মের লিখিত রূপই ব্যাকরণ, ভাষা নিজে কোনো লিখিত নিয়ম মেনে জন্মায় না। - ২৭. বাংলা সাহিত্যের আদি কবি কে?
- ক. কাহ্নপা
- খ. ঢেণ্ঢণপা
- গ. লুইপা
- ঘ. ভুসুকুপা
উত্তর: গ. লুইপা
চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। এর পদকর্তাদের মধ্যে লুইপাকে আদি কবি ধরা হয়, কারণ তাঁর পদ দিয়েই চর্যাপদের সংকলন শুরু। কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পদ রচনা করেছেন বলে পরিচিত, আর ভুসুকুপা ও ঢেণ্ঢণপাও পদকর্তা ছিলেন, কিন্তু তাঁরা আদি কবি নন। চর্যাপদের পদগুলো বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনভজনের গান।
মনে রাখুন:
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে।
বই আকারে প্রকাশিত হয় ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে ১৯১৬ সালে।
চর্যাপদের সময়কাল সাধারণত দশম থেকে দ্বাদশ শতক ধরা হয়। - ২৮. রামায়ণের লেখক কে?
- ক. কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস
- খ. বাল্মীকি
- গ. কাহ্নপা
- ঘ. মালাধর বসু
উত্তর: খ. বাল্মীকি
সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ রচনা করেন আদিকবি বাল্মীকি। এতে রাম, সীতা ও লক্ষ্মণের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে, যার সাতটি কাণ্ড আছে। কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস লিখেছেন মহাভারত, যা রামায়ণ থেকে আলাদা মহাকাব্য। বাংলায় রামায়ণ অনুবাদ করেন কৃত্তিবাস ওঝা, আর মালাধর বসু ভাগবত অনুবাদ করেন ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’ নামে। কাহ্নপা রামায়ণের নয়, চর্যাপদের কবি। তাই নামের মিল দেখে বিভ্রান্ত হওয়া ঠিক নয়। রামায়ণ ও মহাভারত ভারতীয় সাহিত্যের দুটি প্রধান মহাকাব্য।
মনে রাখুন:
বাংলা রামায়ণ: কৃত্তিবাসী রামায়ণ
বাংলা মহাভারত: কাশীরাম দাস
কাহ্নপা চর্যাপদের কবি।
রামায়ণের কাণ্ডগুলো: আদি, অযোধ্যা, অরণ্য, কিষ্কিন্ধ্যা, সুন্দর, যুদ্ধ ও উত্তর। - ২৯. 'গীতগোবিন্দ' কোন ভাষায় রচিত?
- ক. প্রাচীন বাংলা
- খ. সংস্কৃত
- গ. ব্রজবুলি
- ঘ. অবহট্ঠ
উত্তর: খ. সংস্কৃত
‘গীতগোবিন্দ’ সংস্কৃত ভাষায় রচিত কাব্য। এর রচয়িতা জয়দেব, যিনি বাংলার সেন রাজা লক্ষ্মণসেনের সভাকবি ছিলেন। কাব্যটির বিষয় রাধা ও কৃষ্ণের প্রেম। এতে বারোটি সর্গ আছে, আর গানের আকারে পদ থাকায় একে গীতিকাব্যও বলা হয়। এটি প্রাচীন বাংলা, ব্রজবুলি বা অবহট্ঠ ভাষায় লেখা নয়। বাংলা ভাষার পদাবলি সাহিত্যে রাধাকৃষ্ণের প্রেমের বিষয়ে পরে এই কাব্যের প্রভাব পড়েছিল।
মনে রাখুন:
লক্ষ্মণসেনের সভায় থাকা পাঁচ কবির নাম: জয়দেব, ধোয়ী, উমাপতিধর, শরণ ও গোবর্ধন আচার্য।
জয়দেব সংস্কৃতে কাব্য লিখলেও বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। - ৩০. বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি কে?
- ক. কানা হরিদত্ত
- খ. মুকুন্দরাম
- গ. চণ্ডীদাস
- ঘ. ভারতচন্দ্র
উত্তর: ঘ. ভারতচন্দ্র
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (১৭১২–১৭৬০) মধ্যযুগের শেষ বড় কবি, যাঁকে অনেকে মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি বলেন। তাঁর রচিত ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে ভাষার সৌন্দর্য ও ছন্দের নিপুণতা চোখে পড়ে। কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দেন। ভারতচন্দ্রের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই মধ্যযুগের অবসান ধরা হয়। তাই মধ্যযুগের শেষ কবি হওয়ায় তাঁর কাব্যে পুরোনো ধারার পরিণত রূপ দেখা যায়। ‘অন্নদামঙ্গল’ মঙ্গলকাব্যের ধারার কাব্য, যেখানে দেবী অন্নদার মহিমা বর্ণিত হয়েছে।
মনে রাখুন:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী (কবিকঙ্কণ) ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের কবি।
চণ্ডীদাস ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর কবি হিসেবে পরিচিত।
‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের বিদ্যাসুন্দর অংশও বিখ্যাত। - ৩১. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. ভাষন
- খ. ভাষণ
- গ. ভাসন
- ঘ. ভাষাণ
উত্তর: খ. ভাষণ
শুদ্ধ বানান ‘ভাষণ’, যার অর্থ বক্তৃতা বা ভাষা দিয়ে কিছু বলা। শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘ভাষ্’ ধাতু থেকে। বাংলা বানানে ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী ঋ, র, ষ-এর পরে সাধারণত ন বদলে ণ হয়। এখানে ষ-এর পরে ন এসেছে, তাই ভাষ + অন = ভাষণ লিখতে হয়। ‘ভাষন’ ও ‘ভাসন’ ভুল, কারণ এতে ণ-ত্ব নিয়ম মানা হয়নি। আবার ‘ভাষাণ’ শব্দে অকারণে একটি আ-কার বসে গেছে।
মনে রাখুন:
‘ষ’ দিয়ে শুদ্ধ শব্দ: ভাষা, উষা, ষড়ঋতু, পাষাণ, মানুষ, ভূষণ, দোষ, বিষয়।
ণ-ত্ব নিয়মে শুদ্ধ শব্দ: কারণ, ভূষণ, তৃণ, রামায়ণ। - ৩২. বাংলা গদ্যের সূচনা হয়–
- ক. নবম শতকে
- খ. ত্রয়োদশ শতকে
- গ. ষোড়শ শতকে
- ঘ. উনিশ শতকে
উত্তর: ঘ. উনিশ শতকে
বাংলা সাহিত্যে গদ্যের সূচনা উনিশ শতকে। ১৮০০ সালে ইংরেজরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে এবং ১৮০১ সালে সেখানে বাংলা বিভাগ চালু হয়। উইলিয়াম কেরি ছিলেন বিভাগের প্রধান, আর রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারসহ পণ্ডিতরা পাঠ্যবই লিখেন। এভাবেই বাংলা গদ্যের নিয়মিত চর্চা শুরু হয়। পরে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে সুন্দর ও সুসংহত রূপ দেন।
মনে রাখুন:
বাংলা পদ্যের সূচনা হয় চর্যাপদ দিয়ে, আর গদ্যের সূচনা উনিশ শতকে।
রামরাম বসুর ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১) বাঙালির লেখা প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের একটি বই ‘প্রবোধচন্দ্রিকা’। - ৩৩. 'নদীমাতৃক' কোন সমাস?
- ক. তৎপুরুষ
- খ. বহুব্রীহি
- গ. কর্মধারয়
- ঘ. অব্যয়ীভাব
উত্তর: খ. বহুব্রীহি
বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদটি অন্য কোনো কিছুকে বোঝায়, পদগুলোর নিজস্ব অর্থ প্রধান থাকে না। ‘নদীমাতৃক’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘নদী মাতা যার’, অর্থাৎ নদী যার মায়ের মতো বা নদীর ওপর নির্ভরশীল (দেশ)। এখানে ‘নদী’ বা ‘মাতা’ নয়, বরং তৃতীয় কোনো পদ বোঝানো হয়েছে, তাই এটি বহুব্রীহি। তৎপুরুষে শেষ পদের অর্থ প্রধান থাকে, আর কর্মধারয়ে বিশেষ্য-বিশেষণের সম্পর্ক থাকে, এখানে দুটির কোনোটিই নেই।
উদাহরণ:
বিগত হয়েছে পত্নী যার = বিপত্নীক
দশ আনন যার = দশানন
মনে রাখুন: ব্যাসবাক্যে ‘যার’ বা ‘যাতে’ থাকলে সাধারণত বহুব্রীহি। - ৩৪. 'ক্ষ' অক্ষরটি কোন কোন অক্ষরের যুক্তরূপ?
- ক. ক্+খ+ম
- খ. ক্+ষ
- গ. খ্+স্+ম
- ঘ. ক্+খ
উত্তর: খ. ক্+ষ
যুক্তবর্ণ ‘ক্ষ’ দুটি ব্যঞ্জনের মিলনে তৈরি, ক্ + ষ = ক্ষ। এখানে খ নেই, যদিও উচ্চারণে খ-এর মতো শোনায়। এ কারণেই অনেকে ভুল করে ক্ + খ ভাবেন। আসলে বাংলা বর্ণমালায় ‘ক্ষ’ ও ‘জ্ঞ’ স্বতন্ত্র বর্ণ নয়, যুক্তবর্ণ। এগুলো ভেঙে লিখলে মূল ব্যঞ্জনগুলো ধরা পড়ে। ক্ষ লেখার সময় হসন্ত যুক্ত করে ক্ আর ষ পাশাপাশি বসানো হয়েছে।
মনে রাখুন:
জ্ঞ = জ্ + ঞ
ঞ্চ = ঞ্ + চ
হ্ম = হ্ + ম
ঙ্গ = ঙ্ + গ - ৩৫. 'পর্যালোচনা' শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ–
- ক. পর্য + আলোচনা
- খ. পরি + আলোচনা
- গ. পর্যা + লোচনা
- ঘ. পর্যা + আলোচনা
উত্তর: খ. পরি + আলোচনা
সন্ধিবিচ্ছেদে ‘পর্যালোচনা’ ভাঙলে পাওয়া যায় পরি + আলোচনা। নিয়মটি হলো ই বা ঈ-এর পর ই/ঈ ছাড়া অন্য কোনো স্বর এলে ই বা ঈ-এর জায়গায় য-ফলা হয়। এখানে পরি-র ই বদলে য-ফলা হয়েছে এবং আ-এর সঙ্গে মিলে ‘পর্যা’ তৈরি হয়েছে। এটি স্বরসন্ধির একটি নিয়ম। বিকল্পে দেওয়া ‘পর্য’ বা ‘পর্যা’ আলাদা শব্দ নয়, কেবল সন্ধির ফলে তৈরি রূপ।
উদাহরণ:
অতি + অন্ত = অত্যন্ত
ইতি + আদি = ইত্যাদি
প্রতি + উষ = প্রত্যুষ
মনে রাখুন: প্রতি + এক = প্রত্যেক, এটিও একই নিয়মে হয়। - ৩৬. 'চন্দ্র' শব্দের তদ্ভব রূপ–
- ক. চন্দ
- খ. চাঁদ
- গ. চান্দ
- ঘ. চন্দ্রিমা
উত্তর: খ. চাঁদ
‘চন্দ্র’ একটি তৎসম শব্দ, অর্থাৎ সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিত বাংলায় এসেছে। এর তদ্ভব রূপ, অর্থাৎ বদলে যাওয়া রূপ, হলো ‘চাঁদ’। চন্দ ও চান্দ রূপগুলো কথ্য বা আঞ্চলিক ব্যবহারে দেখা যায়, কিন্তু প্রমিত তদ্ভব রূপ চাঁদ। ‘চন্দ্রিমা’ তৎসম শব্দ, যার অর্থ জ্যোৎস্না। তদ্ভব মানে ‘তা থেকে উৎপন্ন’, অর্থাৎ সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃতের পথ ধরে বদলে বাংলায় এসেছে। উচ্চারণের সুবিধার জন্য যুক্তব্যঞ্জন ভেঙে বা সহজ হয়ে যাওয়াই এর প্রধান কারণ। এখানে ন্দ্র থেকে ন্দ এবং শেষে আনুনাসিক ধ্বনি এসে চাঁদ হয়েছে।
মনে রাখুন: তৎসম–তদ্ভব জোড়:
হস্ত – হাত
কর্ণ – কান
মস্তক – মাথা
রাত্রি – রাত - ৩৭. 'আষাঢ়ে বৃষ্টি নামে।' বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ক. কর্তায় সপ্তমী
- খ. কর্মে সপ্তমী
- গ. অপাদানে সপ্তমী
- ঘ. অধিকরণে সপ্তমী
উত্তর: ঘ. অধিকরণে সপ্তমী
কারক হলো বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক। যে পদে ক্রিয়া ঘটার সময় বা স্থান বোঝায়, সেটি অধিকরণ কারক। ‘আষাঢ়ে বৃষ্টি নামে’ বাক্যে ‘কখন বৃষ্টি নামে’ প্রশ্ন করলে উত্তর আষাঢ়ে, অর্থাৎ সময়। তাই ‘আষাঢ়ে’ অধিকরণ কারক। ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি সপ্তমী বিভক্তি। কর্তা কারকে ‘কে’ প্রশ্নের উত্তর মেলে, কিন্তু এখানে কে নামছে জিজ্ঞেস করলে উত্তর বৃষ্টি, আষাঢ় নয়।
মনে রাখুন:
অধিকরণ কারকে সময় ও স্থানের জন্য কখন/কোথায় প্রশ্ন করতে হয়।
উদাহরণ: পুকুরে মাছ আছে। (স্থান) - ৩৮. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন–
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. প্রমথ চৌধুরী
- গ. উইলিয়াম কেরী
- ঘ. বুদ্ধদেব বসু
উত্তর: খ. প্রমথ চৌধুরী
‘সবুজপত্র’ বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাময়িকপত্র, যার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। ১৯১৪ সালে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় এবং এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রচলন জোরালো হয়। প্রমথ চৌধুরী ছদ্মনাম নিয়ে লিখতেন ‘বীরবল’ নামে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর পৃষ্ঠপোষক ও নিয়মিত লেখক ছিলেন, কিন্তু সম্পাদক নন। তাই রবীন্দ্রনাথের নাম দেখে ভুল উত্তর বেছে নেওয়া ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর বইয়ের নাম: ‘বীরবলের হালখাতা’, ‘চার-ইয়ারী কথা’, ‘তেল-নুন-লকড়ি’।
সাধু ভাষার জায়গায় চলিত ভাষার প্রতিষ্ঠায় ‘সবুজপত্র’-এর ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। - ৪০. 'সংশপ্তক' কার লেখা?
- ক. মুনীর চৌধুরী
- খ. শহীদুল্লাহ কায়সার
- গ. জহির রায়হান
- ঘ. শওকত ওসমান
উত্তর: খ. শহীদুল্লাহ কায়সার
‘সংশপ্তক’ উপন্যাসটি লিখেছেন শহীদুল্লাহ কায়সার। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৫ সালে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের জীবন, দাঙ্গা ও দুর্ভিক্ষের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের সংগ্রামকে তিনি এখানে তুলে ধরেছেন। ‘সংশপ্তক’ শব্দের অর্থ যে যোদ্ধা মরণপণ করে যুদ্ধে নামে, তাই নামটি উপন্যাসের বিষয়ের সঙ্গে চমৎকার মিলে যায়। শহীদুল্লাহ কায়সার সাংবাদিক ও রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন এবং ‘সংবাদ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর তাঁকে তুলে নেওয়া হয়, আর তিনি ফিরে আসেননি। তাই তাঁকে শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে স্মরণ করা হয়।
মনে রাখুন:
শহীদুল্লাহ কায়সারের অন্য উপন্যাস: সারেং বৌ (১৯৬২), কয়েদী (জেলজীবনের স্মৃতিকথা)।
তাঁর স্মৃতিকথামূলক বই: রাজবন্দীর রোজনামচা।
বিকল্পের অন্যদের পরিচিতি: মুনীর চৌধুরী ‘কবর’ নাটকের, জহির রায়হান ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের এবং শওকত ওসমান ‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসের লেখক। - ৪১. 'মহীয়ান' শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
- ক. মহীয়সী
- খ. মহিয়সী
- গ. মহিয়সি
- ঘ. মহীয়ষী
উত্তর: ক. মহীয়সী
‘মহীয়ান’ হলো পুংলিঙ্গ শব্দ, আর এর স্ত্রীলিঙ্গ হয় ‘মহীয়সী’। সংস্কৃত ব্যাকরণে ঈয়ান-প্রত্যয়ান্ত পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে ‘ঈয়সী’ বসিয়ে স্ত্রীলিঙ্গ গড়া হয়। ‘মহীয়ান’ শব্দের অর্থ অধিক মহান বা গৌরবময়। বানানের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। ‘ঈ’-কার ও দন্ত্য ‘স’ বসেছে বলেই ‘মহীয়সী’ শুদ্ধ। অন্য বিকল্পগুলোতে হ্রস্ব ই-কার কিংবা ‘ষ’ আছে, তাই সেগুলো ভুল। পরীক্ষায় এমন প্রশ্নে সাধারণত বানানের এই সূক্ষ্ম পার্থক্যই যাচাই করা হয়।
মনে রাখুন:
মহান বা মহৎ – মহতী; গরীয়ান – গরীয়সী; বুদ্ধিমান – বুদ্ধিমতী; গুণবান – গুণবতী।
সৎ – সতী; ভগবান – ভগবতী। - ৪২. 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের রচয়িতা–
- ক. শওকত আলী
- খ. শওকত ওসমান
- গ. সত্যেন সেন
- ঘ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
উত্তর: ঘ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসের লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময়ের ঢাকা শহর, মধ্যবিত্ত জীবন ও উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই উপন্যাসের পটভূমি। বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৭ সালে। শওকত ওসমান ও শওকত আলীও উপন্যাসিক, কিন্তু এই বই তাঁদের লেখা নয়। বিকল্পের সত্যেন সেনও একজন কথাসাহিত্যিক ও সংগঠক ছিলেন। ইলিয়াসের লেখার বিশেষত্ব হলো খুঁটিনাটি বর্ণনা এবং সমাজের নিচু স্তরের মানুষের জীবন তুলে ধরা। তাই তাঁকে বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের এক বড় লেখক ধরা হয়।
মনে রাখুন:
ইলিয়াসের অন্য উপন্যাস: খোয়াবনামা (১৯৯৬), যা তেভাগা আন্দোলন ও ১৯৪৩-এর মন্বন্তরের পটভূমিতে লেখা।
তাঁর গল্পগ্রন্থ: অন্য ঘরে অন্য স্বর, দুধভাতে উৎপাত, দোজখের ওম। - ৪৩. 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকার সম্পাদক–
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. মোজাম্মেল হক
- ঘ. মওলানা আকরম খাঁ
উত্তর: ক. কাজী নজরুল ইসলাম
‘দৈনিক নবযুগ’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। কলকাতা থেকে প্রকাশিত এই দৈনিকটি তিনি কমরেড মুজফ্ফর আহমদের সঙ্গে মিলে সম্পাদনা করতেন। পত্রিকাটির মাধ্যমেই নজরুল তাঁর তেজি, প্রতিবাদী লেখা পাঠকের কাছে পৌঁছে দেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা মওলানা আকরম খাঁ এর সম্পাদক ছিলেন না। মওলানা আকরম খাঁ ‘দৈনিক আজাদ’-এর প্রতিষ্ঠাতা, আর তিনি ‘মোহাম্মদী’ পত্রিকাও সম্পাদনা করতেন। নজরুলের সাংবাদিক জীবনের এই অধ্যায় তাঁর সাহিত্যের মতোই বিদ্রোহী সুরে বাঁধা ছিল।
মনে রাখুন:
নজরুল সম্পাদিত অন্য পত্রিকা: ধূমকেতু (১৯২২), লাঙল (১৯২৫)।
‘ধূমকেতু’তে তিনি ভারতবর্ষের পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানিয়েছিলেন। - ৪৪. কোনটি উপন্যাস?
- ক. শেষের কবিতা
- খ. বলাকা
- গ. ডাকঘর
- ঘ. কালান্তর
উত্তর: ক. শেষের কবিতা
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উপন্যাস। এতে অমিত ও লাবণ্যের প্রেম কাব্যিক ভাষায় বর্ণিত হয়েছে। এটি ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে বেরোয় ১৯২৮-২৯ সালে, আর বই হয়ে প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে। বাকি তিনটি অন্য ধরনের রচনা। ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থ, ‘ডাকঘর’ নাটক আর ‘কালান্তর’ প্রবন্ধগ্রন্থ। মজার ব্যাপার হলো, ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাস হলেও এর ভাষা এত কাব্যময় যে অনেকে একে গদ্যে লেখা কবিতার মতো মনে করেন। তাই নাম দেখে রচনার ধরন নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়া চলবে না।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস: গোরা, ঘরে বাইরে, চোখের বালি, চতুরঙ্গ, যোগাযোগ।
বলাকা (১৯১৬), ডাকঘর (১৯১২)। - ৪৫. 'সাহেব' শব্দের বহুবচন কোনটি?
- ক. সাহেবান
- খ. সাহেবগণ
- গ. সাহেবকুল
- ঘ. সাহেবমণ্ডলী
উত্তর: ক. সাহেবান
‘সাহেব’ আরবি-ফারসি উৎসের শব্দ, তাই এর বহুবচন গড়তে ফারসি প্রত্যয় ‘আন’ বসে এবং হয় ‘সাহেবান’। বাংলায় বহুবচনের চিহ্ন শব্দের উৎসের ওপর নির্ভর করে। ‘গণ’, ‘কুল’ বা ‘মণ্ডলী’ সাধারণত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়, এ কারণে ‘সাহেবগণ’ ইত্যাদি এখানে রীতিসম্মত নয়। আবার ‘সাহেব’ শব্দের সঙ্গে ‘রা’ যোগ করে ‘সাহেবরা’ লিখলেও চলে, তবে প্রশ্নে বিকল্প হিসেবে ফারসি রূপটিই সঠিক ধরা হয়েছে। বহুবচন চিনতে হলে আগে শব্দটি কোন ভাষার তা জানা দরকার।
মনে রাখুন:
ফারসি ‘আন’ প্রত্যয়ে বহুবচন: দরবেশ – দরবেশান; সাহেব – সাহেবান।
তৎসম শব্দে ‘গণ’: ছাত্রগণ, কবিগণ; ‘বৃন্দ’: শিক্ষকবৃন্দ। - ৪৬. 'ইত্তেফাক' শব্দের অর্থ
- ক. সম্প্রীতি
- খ. সংবর্ধনা
- গ. সংলাপ
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. সম্প্রীতি
‘ইত্তেফাক’ আরবি উৎসের শব্দ, যা উর্দু ও ফারসির মধ্য দিয়ে বাংলায় এসেছে। এর অর্থ ঐক্য, মিলমিশ বা সম্প্রীতি। অন্য বিকল্পগুলোর কোনোটি এর অর্থ নয়। ‘সংবর্ধনা’ হলো অভ্যর্থনা, আর ‘সংলাপ’ হলো কথোপকথন। তাই ‘কোনোটিই নয়’ বিকল্পও ভুল। মজার ব্যাপার হলো, এই শব্দের নামেই ঢাকার বিখ্যাত দৈনিক ‘ইত্তেফাক’। পত্রিকার নামটির মধ্যেই ঐক্যের ডাক লুকিয়ে ছিল, আর পাকিস্তান আমলে এটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখে।
মনে রাখুন:
সাপ্তাহিক ইত্তেফাক প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে, দৈনিক হিসেবে ১৯৫৩ সালে।
তফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া) এর সম্পাদক হিসেবে বিখ্যাত। - ৪৭. 'রবীন্দ্র' শব্দের কোন সন্ধিবিচ্ছেদটি শুদ্ধ?
- ক. রবী + ইন্দ্র
- খ. রবি + ইন্দ্র
- গ. রবি + ঈন্দ্র
- ঘ. রবী + ঈন্দ্র
উত্তর: খ. রবি + ইন্দ্র
‘রবীন্দ্র’ শব্দটি ‘রবি’ আর ‘ইন্দ্র’ এই দুই শব্দের মিলনে তৈরি। সন্ধি (Euphony) মানে দুটি ধ্বনির মিলন। এখানে হলো স্বরসন্ধি। স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী হ্রস্ব ই-কারের পর হ্রস্ব ই-কার থাকলে দুটি মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়, তাই ‘রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র’। প্রথম অংশের শেষ স্বর ‘ই’ এবং পরের শব্দের প্রথম স্বর ‘ই’, সুতরাং বিচ্ছেদে ‘রবী’ বা ‘ঈন্দ্র’ লেখা ঠিক নয়। সন্ধিবিচ্ছেদ করার সময় মনে রাখতে হয়, মূল শব্দ দুটি সাধারণত হ্রস্ব রূপেই থাকে।
উদাহরণ:
অতি + ইত = অতীত
পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা
গিরি + ঈশ = গিরীশ
মনে রাখুন: ই/ঈ-এর সঙ্গে ই/ঈ মিললে সব সময় দীর্ঘ ঈ হয়। - ৪৮. কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহমূলক কাব্য–
- ক. অগ্নিবীণা
- খ. দোলনচাঁপা
- গ. ছায়ানট
- ঘ. চক্রবাক
উত্তর: ক. অগ্নিবীণা
কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহমূলক কাব্য ‘অগ্নিবীণা’, যা প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। এই কাব্যের প্রথম কবিতা ‘প্রলয়োল্লাস’, আর বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাও এতে আছে। কবিতাগুলোতে অন্যায় ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে বলেই নজরুল ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত। বাকি তিনটি কাব্য মূলত প্রেম ও প্রকৃতির আবেগে ভরা। সেগুলোতে কবির কোমল রূপটি ধরা পড়ে, তাই বিদ্রোহের প্রশ্নে তারা উত্তর হতে পারে না। ‘অগ্নিবীণা’ নামটির অর্থই আগুনের বীণা।
মনে রাখুন:
দোলনচাঁপা (১৯২৩), ছায়ানট (১৯২৫), চক্রবাক (১৯২৯)।
‘বিদ্রোহী’ কবিতা প্রথম ছাপা হয় ‘বিজলী’ পত্রিকায়। - ৪৯. জীবনানন্দ দাশকে 'নির্জনতার কবি' বলে আখ্যায়িত করেছেন–
- ক. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
- খ. অমিয় চক্রবর্তী
- গ. বুদ্ধদেব বসু
- ঘ. শামসুর রাহমান
উত্তর: গ. বুদ্ধদেব বসু
জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতার কবি’ নামে অভিহিত করেছেন বুদ্ধদেব বসু। বুদ্ধদেব বসু নিজে ‘কবিতা’ পত্রিকা সম্পাদনা করতেন এবং এই পত্রিকার মাধ্যমে জীবনানন্দের কবিতাকে পাঠকের কাছে তুলে ধরেন। জীবনানন্দের নিঃসঙ্গ, অন্তর্মুখী কবিতার ভাব থেকেই এমন নামকরণ। তিনি নিজেও প্রকৃতি ও একাকীত্বের ছবি বারবার এঁকেছেন। বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের আধুনিক কবিদের একজন, আর ‘কল্লোল’ যুগের লেখক হিসেবেও পরিচিত। জীবনানন্দকে নিয়ে নানা মনীষীর নানা আখ্যা প্রচলিত, তাই কে কোনটি বলেছেন, তা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথ জীবনানন্দকে ‘চিত্ররূপময়’ কবি বলেছিলেন।
অন্নদাশঙ্কর রায় তাঁকে ‘শুদ্ধতম কবি’ বলে আখ্যা দেন।
জীবনানন্দের কাব্য: ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, রূপসী বাংলা।
বাংলাদেশ
- ৩৯. 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থের রচয়িতা–
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. শেখ মুজিবুর রহমান
- গ. শেখ হাসিনা
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: খ. শেখ মুজিবুর রহমান
‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটি লিখেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জেলে থাকার সময় প্রতিদিনের ঘটনা ও ভাবনা তিনি খাতায় লিখে রাখতেন, সেই লেখাগুলোই এই গ্রন্থে সংকলিত। বইটি ২০১৭ সালে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে। এটি আত্মজীবনীধর্মী দিনলিপি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শেখ হাসিনা বা কাজী নজরুল ইসলাম এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। বঙ্গবন্ধুর জেলজীবনের অভিজ্ঞতা আমরা এই বইয়ের পাশাপাশি তাঁর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইতেও পাই। রোজনামচা বা দিনলিপিতে তারিখ ধরে প্রতিদিনের কথা লেখা হয়, আর আত্মজীবনীতে নিজের জীবনের বড় অংশ স্মৃতি থেকে বলা হয়।
মনে রাখুন:
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২)
‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)
‘রোজনামচা’ মানে দিনলিপি। - ৫০. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই কান কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
- ক. ফ্রান্স
- খ. কানাডা
- গ. যুক্তরাষ্ট্র
- ঘ. যুক্তরাজ্য
উত্তর: গ. যুক্তরাষ্ট্র
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান (Louis I. Kahn) যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন। তাঁর জন্ম ১৯০১ সালে এস্তোনিয়ায়, কিন্তু শৈশবে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান এবং সেখানকার নাগরিক হন। তাই জন্মস্থান দেখে তাঁর নাগরিকত্ব ঠিক করা যায় না। ১৯৭৪ সালে নিউ ইয়র্কে তাঁর মৃত্যু হয়। ঢাকার শেরেবাংলা নগরে এই ভবনের নকশা তাঁর অন্যতম বিখ্যাত কাজ। ভবনটি কংক্রিট আর মার্বেলের বিশাল জ্যামিতিক আকার ও আলোছায়ার খেলার জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। ফ্রান্স, কানাডা বা যুক্তরাজ্যের সঙ্গে তাঁর নাগরিকত্বের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
লুই কানের অন্য কাজ: ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় আর্ট গ্যালারি, সাল্ক ইনস্টিটিউট।
জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা শুরু হয় ১৯৬০-এর দশকে, নির্মাণ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। - ৫১. 'Swatch of No Ground'-এর অবস্থান কোথায়?
- ক. মেক্সিকো উপসাগরে
- খ. পারস্য উপসাগরে
- গ. বঙ্গোপসাগরে
- ঘ. আরব সাগরে
উত্তর: গ. বঙ্গোপসাগরে
‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ (Swatch of No Ground) বঙ্গোপসাগরের একটি গভীর সামুদ্রিক খাদ। সুন্দরবনের দক্ষিণে অবস্থিত এই খাদের গভীরতা এত বেশি যে পুরোনো দিনের নাবিকেরা মাপার দড়ি ফেলেও তল খুঁজে পেতেন না। সেই থেকেই নামটি এসেছে। এর ইংরেজি নামের অর্থও তাই, অর্থাৎ যেখানে মাটির নাগাল মেলে না। একে ‘গঙ্গা খাদ’ বা ‘বঙ্গোপসাগর ক্যানিয়ন’ও বলা হয়। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা বয়ে আনা পলি এই খাদ দিয়েই গভীর সমুদ্রে নেমে যায়। মেক্সিকো উপসাগর, পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
এই এলাকা বাংলাদেশের একটি সামুদ্রিক সংরক্ষিত অঞ্চল।
এখানে ডলফিন, তিমি ও নানা সামুদ্রিক প্রাণীর আবাস আছে। - ৫২. সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ কী প্রকৃতির দ্বীপ?
- ক. প্রবাল দ্বীপ
- খ. কৃত্রিম দ্বীপ
- গ. আগ্নেয় দ্বীপ
- ঘ. ব-দ্বীপ
উত্তর: ক. প্রবাল দ্বীপ
সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ একটি প্রবাল দ্বীপ। কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে নাফ নদীর মোহনার কাছে এই দ্বীপ। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ। প্রবালের মৃত দেহ জমে জমে প্রবাল দ্বীপ তৈরি হয়, আর আগ্নেয় দ্বীপ আগ্নেয়গিরির লাভা থেকে গড়ে ওঠে। ব-দ্বীপ আসলে নদীর পলিতে তৈরি ত্রিকোণাকার ভূমি, দ্বীপ নয়। কৃত্রিম দ্বীপ মানুষ নিজে বানায়, তাই সেন্ট মার্টিনের সঙ্গে তা মেলে না। দ্বীপটির চারপাশের প্রবাল ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য পর্যটকদের বড় আকর্ষণ।
মনে রাখুন:
সেন্ট মার্টিনের স্থানীয় নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থলভাগ। - ৫৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯২১
- খ. ১৯৫২
- গ. ১৯১৫
- ঘ. ১৯৭২
উত্তর: ক. ১৯২১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। এর আগে ১৯১২ সালে নাথান কমিটি গঠিত হয়, এরপর ১৯২০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয় এবং পরের বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু হয়। বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ববঙ্গের মানুষকে শিক্ষার সুযোগ দিতেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা ওঠে। ১৯৫২ সাল ভাষা আন্দোলনের বছর, ১৯৭২ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বছর, আর ১৯১৫ সালের সঙ্গে প্রতিষ্ঠার সম্পর্ক নেই। তাই এগুলো প্রতিষ্ঠার সাল নয়।
মনে রাখুন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য স্যার ফিলিপ হার্টগ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৩ সালে। - ৫৪. 'বাংলাদেশ-১' একটি–
- ক. সেতুর নাম
- খ. ডিজিটাল ডাটা সেন্টারের নাম
- গ. কৃত্রিম উপগ্রহের নাম
- ঘ. বিদ্যুৎকেন্দ্রের নাম
উত্তর: গ. কৃত্রিম উপগ্রহের নাম
‘বাংলাদেশ-১’ (বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১) বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ। এটি ২০১৮ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হয়। এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ নিজস্ব স্যাটেলাইট থাকা দেশের তালিকায় ৫৭তম হয়। সেতু, ডাটা সেন্টার বা বিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, এটি যোগাযোগ উপগ্রহ (Communication Satellite)। এর সাহায্যে টেলিভিশন সম্প্রচার, ইন্টারনেট ও দূরসংযোগ সেবা দেওয়া হয়। উপগ্রহটি ভূস্থির কক্ষপথে বসানো হয়েছে।
মনে রাখুন:
স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র গাজীপুরের জয়দেবপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায়।
উপগ্রহটি তৈরি করেছে ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস। - ৫৫. সোমপুর মহাবিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. রাজশাহী
- খ. নওগাঁ
- গ. জয়পুরহাট
- ঘ. কুমিল্লা
উত্তর: খ. নওগাঁ
সোমপুর মহাবিহার (পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার) নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত। অষ্টম শতকের শেষ ভাগে পাল বংশের রাজা ধর্মপাল এটি নির্মাণ করেন বলে ধরা হয়। এটি উপমহাদেশের অন্যতম বড় বৌদ্ধবিহার, আর এর কেন্দ্রে রয়েছে বিশাল এক মন্দির। বিহারের চার দিকে সারি সারি কক্ষ ছিল, যেখানে ভিক্ষুরা থাকতেন ও পড়াশোনা করতেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়। রাজশাহী, জয়পুরহাট বা কুমিল্লা নয়, নওগাঁই এর অবস্থান।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান: বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ ও পাহাড়পুর (দুটিই ১৯৮৫)।
কুমিল্লার ময়নামতীতে শালবন বিহার আছে। - ৫৬. বাংলাদেশের ভূ-আকৃতিকে কোন গ্রিক বর্ণের মতো মনে করা হয়?
- ক. আলফা
- খ. গামা
- গ. বেটা
- ঘ. ডেল্টা
উত্তর: ঘ. ডেল্টা
বাংলাদেশের ভূ-আকৃতি গ্রিক বর্ণ ডেল্টা (Δ)-এর মতো ত্রিকোণাকার। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়ায় এখানে বিশাল পলিমাটির ভূমি গড়ে উঠেছে। নদীর মোহনায় পলি জমে এ রকম তৈরি হওয়া ত্রিকোণ ভূমিকে ব-দ্বীপ (Delta) বলে। প্রাচীন গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস নীল নদের মোহনার এমন ভূমিকে প্রথম ‘ডেল্টা’ নামে ডেকেছিলেন। আলফা, বেটা বা গামা বর্ণের আকারের সঙ্গে এই ভূমির মিল নেই। ব-দ্বীপের মাটি খুব উর্বর, তাই এখানে ঘন বসতি গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা ব-দ্বীপ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব-দ্বীপ।
অন্যান্য ব-দ্বীপ: নীল নদের ব-দ্বীপ, মিসিসিপি ব-দ্বীপ। - ৫৭. কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
- ক. সুপ্রিম কোর্ট
- খ. নির্বাচন কমিশন
- গ. দুর্নীতি দমন কমিশন
- ঘ. পাবলিক সার্ভিস কমিশন
উত্তর: গ. দুর্নীতি দমন কমিশন
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে সেসব প্রতিষ্ঠান বোঝায়, যেগুলোর কথা সরাসরি সংবিধানে লেখা আছে। সুপ্রিম কোর্ট, নির্বাচন কমিশন এবং সরকারি কর্ম কমিশন সংবিধানে উল্লেখিত। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশন (Anti-Corruption Commission) সংবিধান নয়, ২০০৪ সালের একটি আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত, তাই এটি সংবিধিবদ্ধ (Statutory) সংস্থা। অর্থাৎ সংবিধান যাদের সৃষ্টি করেছে তারা সাংবিধানিক, আর সংসদের আইন যাদের গড়েছে তারা সংবিধিবদ্ধ। সংবিধান সংশোধন ছাড়া সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে সহজে বদলানো যায় না।
মনে রাখুন:
সুপ্রিম কোর্ট – সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদ।
নির্বাচন কমিশন – ১১৮ অনুচ্ছেদ।
মহা হিসাব-নিরীক্ষক – ১২৭ অনুচ্ছেদ।
সরকারি কর্ম কমিশন – ১৩৭ অনুচ্ছেদ। - ৫৮. মহান মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন–
- ক. তাজউদ্দীন আহমদ
- খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- গ. এ এইচ এম কামারুজ্জামান
- ঘ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর: খ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। কিন্তু তিনি তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন, তাই সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী (ভারপ্রাপ্ত) রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সরকার শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায়, যার নাম পরে হয় মুজিবনগর। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী, আর কামারুজ্জামান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তাই তাঁদের কেউ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন না।
মনে রাখুন:
প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ।
অর্থমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
সেনাপ্রধান: কর্নেল এম এ জি ওসমানী। - ৫৯. রামসাগর দিঘি কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. সিলেট
- খ. চট্টগ্রাম
- গ. নীলফামারী
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: ঘ. দিনাজপুর
রামসাগর দিঘি দিনাজপুর জেলার তাজপুর এলাকায় অবস্থিত। দিনাজপুরের রাজা রামনাথ নবাব আলীবর্দী খাঁর সময়ে, আঠারো শতকের মাঝামাঝি, এটি খনন করান। দিঘিটির নাম রাজার নাম থেকেই এসেছে। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দিঘিগুলোর অন্যতম। বিশাল জলাশয়টির চারপাশ উঁচু পাড় দিয়ে ঘেরা, আর দিঘির আশপাশে আজ রামসাগর জাতীয় উদ্যানও রয়েছে। সিলেট, চট্টগ্রাম বা নীলফামারীর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। দিনাজপুর উত্তরবঙ্গের একটি জেলা, আর এই দিঘি দেখতে প্রতি বছর বহু পর্যটক সেখানে যান। প্রাচীনকালে রাজা ও জমিদারেরা মানুষের পানির চাহিদা মেটাতে এমন দিঘি খনন করাতেন।
মনে রাখুন:
দিনাজপুরের বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান: কান্তজীর মন্দির, নয়াবাদ মসজিদ, রামসাগর। - ৭২. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা কত?
- ক. ৪৫
- খ. ৩৫
- গ. ৫০
- ঘ. ৩০
উত্তর: গ. ৫০
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই সংখ্যা ৪৫ থেকে ৫০-এ উন্নীত করা হয়। এই আসনে নারী সদস্যরা সংসদে দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে সপ্তদশ সংশোধনীতে আসন সংরক্ষণের সময়কাল আরও ২৫ বছর বাড়ানো হয়। সংরক্ষিত আসনের উদ্দেশ্য হলো সংসদে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। নারীরা চাইলে সাধারণ আসনেও নির্বাচন করতে পারেন।
মনে রাখুন:
সংসদের মোট আসন ৩৫০: সরাসরি নির্বাচিত ৩০০ ও সংরক্ষিত ৫০।
সংরক্ষিত আসন ছিল ১৯৭২ সালে ১৫, ১৯৭৯ সালে ৩০, ২০০৪ সালে ৪৫। - ৭৩. বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি দূতগণ কার কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন?
- ক. রাষ্ট্রপতি
- খ. প্রধানমন্ত্রী
- গ. স্পীকার
- ঘ. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
উত্তর: ক. রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূতেরা রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র (Credentials) পেশ করেন। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান, তাই কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী বিদেশি দূতেরা তাঁর কাছেই নিয়োগের পরিচয় দেন। প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্রনীতি দেখেন, কিন্তু পরিচয়পত্র গ্রহণ তাঁদের কাজ নয়। স্পীকার সংসদের সভাপতি, তাই তাঁর কাছে এমন পরিচয়পত্র দেওয়ার প্রথা নেই। রাষ্ট্রদূত যে দেশে যান, সেখানে নিজের দেশের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
মনে রাখুন:
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী (সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ) ও প্রধান বিচারপতিকে (৯৫ অনুচ্ছেদ) নিয়োগ দেন।
সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও স্থগিত করেন রাষ্ট্রপতি। - ৭৪. 'মনপুরা ৭০' কী?
- ক. একটি চিত্রকর্ম
- খ. একটি তাস্কর্য
- গ. একটি উপন্যাস
- ঘ. একটি চলচ্চিত্র
উত্তর: ক. একটি চিত্রকর্ম
‘মনপুরা ৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা একটি চিত্রকর্ম। ১৯৭০ সালের নভেম্বরের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ভোলার মনপুরা দ্বীপসহ উপকূলের মানুষ বিপর্যস্ত হয়, আর সেই বিপর্যয়ের দৃশ্য তিনি এই ছবিতে ধরেছেন। ২০০৯ সালে ‘মনপুরা’ নামে একটি চলচ্চিত্রও হয়েছে, তবে এই প্রশ্নের ‘মনপুরা ৭০’ সেই চলচ্চিত্র নয়। এটি তাস্কর্য বা উপন্যাসও নয়। জয়নুল আবেদিন দেশের দুর্যোগ ও মানুষের কষ্টকে বারবার ছবিতে এনেছেন। তাই তাঁকে শিল্পাচার্য উপাধিতে ডাকা হয়।
মনে রাখুন:
জয়নুলের বিখ্যাত ছবি: দুর্ভিক্ষের স্কেচ (১৯৪৩), ম্যাডোনা-৪৩, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী।
তিনি সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন (১৯৭৫)।
আন্তর্জাতিক
- ৬০. UNESCO-এর সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
- ক. লন্ডন
- খ. নিউ ইয়র্ক
- গ. জেনেভা
- ঘ. প্যারিস
উত্তর: ঘ. প্যারিস
ইউনেস্কো (UNESCO)-এর পূর্ণরূপ United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization। জাতিসংঘের এই বিশেষায়িত সংস্থা শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করে এবং বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান ঘোষণা করে। এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে। সংস্থাটি ১৯৪৫ সালে গঠিত হয়। জাতিসংঘের অনেক সংস্থার সদর দপ্তর নিউ ইয়র্কে বা জেনেভায়, তাই সবগুলোর কেন্দ্র এক জায়গায় ভেবে ভুল করার সুযোগ থাকে। লন্ডনে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর নয়, আর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের মূল দপ্তর।
মনে রাখুন:
WHO ও ILO-এর সদর দপ্তর জেনেভায়।
FAO-এর সদর দপ্তর রোমে।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউ ইয়র্কে। - ৬১. কোনটি ASEAN-ভুক্ত দেশ নয়?
- ক. ভিয়েতনাম
- খ. ফিলিপাইন
- গ. থাইল্যান্ড
- ঘ. শ্রীলঙ্কা
উত্তর: ঘ. শ্রীলঙ্কা
আসিয়ান (ASEAN) হলো Association of Southeast Asian Nations, অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংগঠন। ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ব্যাংককে এটি গঠিত হয়। শ্রীলঙ্কা দক্ষিণ এশিয়ার দেশ, তাই সে আসিয়ানের সদস্য নয়। সে সার্কের সদস্য। ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ড তিনটিই আসিয়ানভুক্ত। এ ধরনের প্রশ্নে আগে ঠিক করতে হয় দেশটি কোন অঞ্চলে পড়ে, কারণ আঞ্চলিক সংগঠন সাধারণত নিজের অঞ্চলের দেশ নিয়েই গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৫টি: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড। সদর দপ্তর জাকার্তায়।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালের অক্টোবরে তিমুর-লেস্তে ১১তম সদস্য হয়েছে। পরীক্ষার সময় সদস্য ছিল ১০টি। - ৬২. কোনটি জাতিসংঘে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ?
- ক. স্পেন
- খ. দক্ষিণ আফ্রিকা
- গ. ব্রাজিল
- ঘ. চীন
উত্তর: ঘ. চীন
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পাঁচটি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। সুতরাং বিকল্পগুলোর মধ্যে চীনই স্থায়ী সদস্য। স্পেন, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিল স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে পারে। স্থায়ী সদস্যদের ভেটো (Veto) ক্ষমতা আছে, অর্থাৎ তাদের একজনও ‘না’ বললে কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস হয় না। এই কারণে এই পাঁচ দেশকে ‘পি-ফাইভ’ নামেও ডাকা হয়।
মনে রাখুন:
নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য ১৫: স্থায়ী ৫ ও অস্থায়ী ১০।
অস্থায়ী সদস্যরা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
চীন ১৯৭১ সালে স্থায়ী আসন পায়। - ৬৩. ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অমীমাংসিত সীমানারেখাকে বলা হয়–
- ক. Line of Access Control
- খ. Line of Actual Control
- গ. Line of Control
- ঘ. Line of No Crossing
উত্তর: গ. Line of Control
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীরে অমীমাংসিত সীমানারেখার নাম লাইন অব কন্ট্রোল (Line of Control – LoC)। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই নামটি পাওয়া যায়। অন্যদিকে চীন ও ভারতের মধ্যকার সীমান্তের বাস্তব নিয়ন্ত্রণরেখাকে বলা হয় লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC)। বিকল্পের ‘Line of Access Control’ ও ‘Line of No Crossing’ নামে কোনো প্রচলিত সীমারেখা নেই। লাইন অব কন্ট্রোলের একপাশে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর, অন্যপাশে পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর। কোনো পক্ষই একে স্থায়ী আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবে মেনে নেয়নি, তাই নামেই ‘নিয়ন্ত্রণরেখা’ কথাটি এসেছে।
মনে রাখুন:
র্যাডক্লিফ রেখা: ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ সীমানা।
ম্যাকমোহন লাইন: ভারত-চীন সীমান্ত।
ডুরান্ড লাইন: আফগানিস্তান-পাকিস্তান। - ৬৪. NATO কোন ধরনের জোট?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. সামরিক
- খ. রাজনৈতিক
- গ. সামাজিক
- ঘ. সাংস্কৃতিক
উত্তর: ক. সামরিক
ন্যাটো (NATO) একটি সামরিক জোট। এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization। ১৯৪৯ সালে ওয়াশিংটনে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সোভিয়েত প্রভাবের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলো এটি গঠন করে। এর মূল নীতি হলো, কোনো সদস্য আক্রান্ত হলে সবাই আক্রান্ত বলে ধরা হবে (অনুচ্ছেদ ৫)। এ কারণে ন্যাটোকে সামরিক নিরাপত্তার জোট বলা হয়, রাজনৈতিক, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক সংগঠন নয়।
মনে রাখুন:
সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে।
সদস্য সংখ্যা ৩২টি। ফিনল্যান্ড ২০২৩ ও সুইডেন ২০২৪ সালে যোগ দিয়েছে।
সোভিয়েতদের পাল্টা সামরিক জোট ছিল ওয়ারশ চুক্তি (১৯৫৫)। - ৬৫. 'হাইফা' কোন দেশের বন্দরনগরী?
- ক. ইরান
- খ. ইসরাইল
- গ. কুয়েত
- ঘ. মিশর
উত্তর: খ. ইসরাইল
হাইফা (Haifa) ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী। এটি ভূমধ্যসাগরের তীরে কারমেল পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত। দেশটির বড় একটি বাণিজ্যিক ও শিল্পনগরীও এটি। অন্য বিকল্পের দেশগুলোর বন্দরের নাম আলাদা। ইরানের বন্দর বন্দর আব্বাস, মিশরের বন্দর আলেকজান্দ্রিয়া, পোর্ট সাইদ ও সুয়েজ, আর কুয়েতের প্রধান নগর ও বন্দর কুয়েত সিটি। তাই বন্দরের নাম দেখে দেশ চেনার অভ্যাস করা দরকার।
মনে রাখুন:
ইসরায়েলের অন্য বন্দর: আশদোদ ও ইলাত (লোহিত সাগরে)।
ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেম দাবি করা হয়, তবে তেল আবিব আন্তর্জাতিকভাবে বড় শহর। - ৬৬. চীন কর্তৃক গৃহীত মেগা-প্রকল্প BRI-এর অর্থ হচ্ছে–
- ক. Belt and Road Initiative
- খ. Basic Regional Initiative
- গ. Build Regional Infrastructure
- ঘ. Big Road Infrastructure
উত্তর: ক. Belt and Road Initiative
BRI-এর পূর্ণরূপ Belt and Road Initiative। ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই বিশাল অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক প্রকল্পের ঘোষণা দেন। প্রকল্পের লক্ষ্য স্থলপথে ও সমুদ্রপথে চীনের সঙ্গে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের সংযোগ গড়ে তোলা। একে নতুন সিল্ক রোডও বলা হয়, কারণ প্রাচীন সিল্ক রোড দিয়েই একসময় চীনের রেশম পশ্চিমে যেত। প্রথমে এর নাম ছিল ‘One Belt One Road’। বাকি বিকল্পগুলো নামের মতো শোনালেও আসল নাম নয়।
মনে রাখুন:
প্রকল্পের দুটি অংশ: সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট (স্থলপথ) এবং একুশ শতকের সামুদ্রিক সিল্ক রোড।
বাংলাদেশ ২০১৬ সালে এই প্রকল্পে যোগ দেয়। - ৬৭. কোনটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ নয়?
- ক. ভারত
- খ. পাকিস্তান
- গ. জার্মানি
- ঘ. উত্তর কোরিয়া
উত্তর: গ. জার্মানি
জার্মানির নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র নেই। স্বীকৃত পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ নয়টি। এর মধ্যে এনপিটি (NPT) অনুযায়ী পাঁচটি স্বীকৃত: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন। এর বাইরে ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র আছে। ইসরায়েলের কাছেও অস্ত্র আছে বলে ধারণা করা হয়, তবে তারা তা স্বীকার করেনি। জার্মানি পরমাণু অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার করেই এনপিটিতে যোগ দিয়েছে। ফলে বিকল্পের চার দেশের মধ্যে একমাত্র জার্মানিই অস্ত্রধারী নয়।
মনে রাখুন:
ভারত প্রথম পরমাণু পরীক্ষা করে ১৯৭৪ সালে, পাকিস্তান ১৯৯৮ সালে।
NPT কার্যকর হয় ১৯৭০ সালে। - ৬৮. কোনটি EU-ভুক্ত দেশ নয়?
- ক. ফ্রান্স
- খ. ইতালি
- গ. যুক্তরাজ্য
- ঘ. পোল্যান্ড
উত্তর: গ. যুক্তরাজ্য
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) গঠিত হয় ম্যাস্ট্রিখট চুক্তির (১৯৯২) মাধ্যমে, যা কার্যকর হয় ১৯৯৩ সালে। ফ্রান্স, ইতালি ও পোল্যান্ড এখনো সদস্য। কিন্তু যুক্তরাজ্য ২০১৬ সালের গণভোটের পর ‘ব্রেক্সিট’ (Brexit) প্রক্রিয়ায় ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ইইউ ছেড়ে চলে যায়। তাই সে আর সদস্য নয়। ‘ব্রেক্সিট’ শব্দটি Britain ও Exit শব্দ দুটি মিলিয়ে তৈরি। ইইউ-এর অনেক সদস্য একই মুদ্রা ইউরো ব্যবহার করে, তবে সব সদস্য এই মুদ্রা নেয়নি, যেমন পোল্যান্ড।
মনে রাখুন:
বর্তমানে ইইউ-এর সদস্য ২৭টি।
সদর দপ্তর ব্রাসেলসে।
সর্বশেষ যোগ দেয় ক্রোয়েশিয়া (২০১৩)। - ৬৯. কোন দেশ বাংলা ভাষাকে সে দেশের সরকারি ভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
- ক. কঙ্গো
- খ. সিয়েরা লিওন
- গ. বেনিন
- ঘ. দক্ষিণ সুদান
উত্তর: খ. সিয়েরা লিওন
সিয়েরা লিওনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সেনাদের ভূমিকার সম্মানে দেশটির প্রেসিডেন্ট আহমদ তেজান কাব্বা ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেন বলে বাংলাদেশে সুপরিচিত। কঙ্গো, বেনিন ও দক্ষিণ সুদানে এমন কোনো ঘোষণা হয়নি। সিয়েরা লিওন পশ্চিম আফ্রিকার দেশ, যার রাজধানী ফ্রিটাউন। মাতৃভাষার জন্য আমাদের আত্মত্যাগ বিশ্বের কাছেও স্বীকৃত, আর শান্তিরক্ষী হিসেবে বাংলাদেশের সুনামও এই ঘটনায় ফুটে ওঠে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে বড় অবদান রাখা দেশগুলোর একটি।
একুশে ফেব্রুয়ারি ইউনেস্কো ঘোষিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (১৯৯৯)। - ৭০. ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে NASA মহাশূন্যে যে স্পেস টেলিস্কোপ প্রেরণ করেছে তার নাম–
- ক. Kepler Space Telescope
- খ. James Webb Space Telescope
- গ. Hubble Space Telescope
- ঘ. Neil Armstrong Space Telescope
উত্তর: খ. James Webb Space Telescope
২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর মহাকাশে পাঠানো স্পেস টেলিস্কোপটির নাম জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (JWST)। ফরাসি গায়ানার কুরু উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে অ্যারিয়ান-৫ রকেটে এটি পাঠানো হয়। এটি মূলত অবলোহিত (Infrared) আলোয় মহাবিশ্ব দেখে, এ কারণে অনেক দূরের পুরোনো গ্যালাক্সি ধরতে পারে। ২০২২ সালের ১২ জুলাই এর প্রথম ছবি প্রকাশ করা হয়।
মনে রাখুন:
হাবল টেলিস্কোপ উৎক্ষেপণ ১৯৯০ সালে, কেপলার ২০০৯ সালে।
ওয়েব টেলিস্কোপ পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে (L2 বিন্দুতে) অবস্থান করে। - ৭১. একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কত সাল থেকে শুরু হয়?
- ক. ১৯৭০
- খ. ১৯৭১
- গ. ১৯৭২
- ঘ. ১৯৭৫
উত্তর: খ. ১৯৭১
প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক (ODI) ক্রিকেট ম্যাচ খেলা হয় ১৯৭১ সালের ৫ জানুয়ারি মেলবোর্নে, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে। টেস্ট ম্যাচ বৃষ্টিতে পণ্ড হয়ে গেলে দর্শকদের জন্য এই এক দিনের ম্যাচ আয়োজন করা হয়, আর এভাবেই এ ধারার সূচনা। প্রথম বিশ্বকাপ হয় ১৯৭৫ সালে ইংল্যান্ডে, তাই ১৯৭৫ সাল একদিনের ক্রিকেটের শুরু নয়, বিশ্বকাপের শুরু। ১৯৭০ বা ১৯৭২ সালে এমন কোনো আন্তর্জাতিক একদিনের ম্যাচ হয়নি।
মনে রাখুন:
প্রথম বিশ্বকাপ জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বাংলাদেশ প্রথম বিশ্বকাপ খেলে ১৯৯৯ সালে।
প্রথম টেস্ট ম্যাচ: ১৮৭৭ সালে মেলবোর্নে।
গণিত
- ৭৫. ৬৫৫৯-এর সাথে কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে?
- ক. ২
- খ. ৩
- গ. ৪
- ঘ. ৫
উত্তর: ক. ২
৬৫৫৯-এর সঙ্গে ক্ষুদ্রতম কোন সংখ্যা যোগ করলে পূর্ণবর্গ হয়, তা বের করতে হলে সংখ্যাটির ঠিক পরের পূর্ণবর্গটি খুঁজতে হবে। 80² = 6400 এবং 81² = 6561। 6559 এই দুইয়ের মাঝখানে, আর পরের পূর্ণবর্গ হলো 6561। তাই 6561 − 6559 = 2। অর্থাৎ ২ যোগ করলেই যোগফল 6561 = 81² হয়। বাকি বিকল্প ৩, ৪ বা ৫ যোগ করলে যোগফল 6562, 6563 বা 6564 হয়, যেগুলো পূর্ণবর্গ নয়। কারণ 81² ও 82² = 6724-এর মাঝে কোনো পূর্ণবর্গ নেই।
মনে রাখুন:
সংখ্যার পরের পূর্ণবর্গটি বের করে তার সঙ্গে সংখ্যাটির ব্যবধান নিলেই উত্তর পাওয়া যায়।
শর্টকাট: প্রথমে সংখ্যার কাছাকাছি দুটি পূর্ণবর্গ (এখানে 80² ও 81²) লিখে নিলে হিসাব দ্রুত হয়। - ৭৬. ১ + ২ + ৩ + ৪ ... + ৯৯ = কত?
- ক. ৩৯৫০
- খ. ৩৪৫০
- গ. ৪৯৫০
- ঘ. ৫৯৪০
উত্তর: গ. ৪৯৫০
এটি প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল। সূত্র: S = n(n + 1)/2। এখানে n = 99, তাই S = 99 × 100 / 2 = 9900 / 2 = 4950। গণিতবিদ গাউস ছোটবেলায় ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত যোগফল এই নিয়মেই বের করেছিলেন বলে গল্প প্রচলিত। প্রথম ও শেষ সংখ্যা জোড়া করলে প্রতিটি জোড়ার যোগফল একই হয়, এই ভাবনা থেকেই সূত্রটি আসে।
মনে রাখুন:
সূত্রটি ১ থেকে n পর্যন্ত যে কোনো ক্রমিক সংখ্যার যোগে কাজ করে। যেমন ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত যোগফল 100 × 101 / 2 = 5050।
প্রথম n সংখ্যক বিজোড় সংখ্যার যোগফল n²।
প্রথম n সংখ্যক জোড় সংখ্যার যোগফল n(n + 1)। - ৭৭. এক ব্যক্তি তার আয়ের ১/২ অংশের পরিবর্তে ১/৩ অংশে ব্যয় করলে ৫০০০ টাকা কম খরচ হতো। তার আয় কত?
- ক. ২০,০০০ টাকা
- খ. ২৫,০০০ টাকা
- গ. ৩০,০০০ টাকা
- ঘ. ৩৫,০০০ টাকা
উত্তর: গ. ৩০,০০০ টাকা
আয়ের কত অংশ খরচ হলো, তা নিয়ে সমস্যা। আয় ধরি x টাকা। ১/২ অংশ খরচ করলে খরচ x/2, আর ১/৩ অংশ খরচ করলে খরচ x/3।
পার্থক্য: x/2 − x/3 = (3x − 2x)/6 = x/6।
শর্ত অনুযায়ী x/6 = 5000, তাই x = 5000 × 6 = 30000।
যাচাই: 30000-এর অর্ধেক 15000, আর এক-তৃতীয়াংশ 10000। দুটির পার্থক্য 5000।
মনে রাখুন: ভগ্নাংশের পার্থক্য যদি একটি নির্দিষ্ট অর্থের সমান হয়, তবে ওই পার্থক্যের হর দিয়ে গুণ করলেই মোট পাওয়া যায়।
শর্টকাট: 1/2 − 1/3 = 1/6, তাই মোট = 5000 × 6। - ৭৮. (x^p/x^q)^(p+q) · (x^q/x^r)^(q+r) · (x^r/x^p)^(r+p) = কত?
- ক. 1
- খ. 0
- গ. 2
- ঘ. 10
উত্তর: ক. 1
ঘাতের সূত্র: (x^a / x^b)^c = x^((a−b)c)।
প্রথম পদ: x^((p−q)(p+q)) = x^(p² − q²)।
দ্বিতীয় পদ: x^((q−r)(q+r)) = x^(q² − r²)।
তৃতীয় পদ: x^((r−p)(r+p)) = x^(r² − p²)।
গুণ করলে ঘাত যোগ হয়: p² − q² + q² − r² + r² − p² = 0, ফলে x^0 = 1।
কাজটি সহজ হয় কারণ a² − b² = (a − b)(a + b) সূত্রে প্রতিটি ঘাত বর্গের অন্তররূপে আসে এবং যোগ করলে সবাই কাটাকাটি হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
যেকোনো অশূন্য সংখ্যার শূন্য ঘাত 1।
গুণের সময় ঘাত যোগ হয়, ভাগের সময় ঘাত বিয়োগ হয়। - ৭৯. x − 1/x = 1 হলে, x³ − 1/x³ এর মান কত?
- ক. 1
- খ. 3
- গ. 4
- ঘ. 9
উত্তর: গ. 4
ঘনের সূত্র ব্যবহার করে এটি সহজে সমাধান হয়। সূত্র: (a − b)³ = a³ − b³ − 3ab(a − b)। তাই a³ − b³ = (a − b)³ + 3ab(a − b)।
এখানে a = x, b = 1/x, ab = x × 1/x = 1, a − b = 1।
x³ − 1/x³ = 1³ + 3 × 1 × 1 = 1 + 3 = 4।
মনে রাখুন:
একই নিয়মে x + 1/x = k হলে x³ + 1/x³ = k³ − 3k।
x − 1/x = k হলে x³ − 1/x³ = k³ + 3k। এখানে k = 1, তাই 1 + 3 = 4।
এই সূত্র ছাড়া x-এর মান বের করে বসাতে গেলে অনেক সময় লাগে। - ৮০. দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু. ৮৪ এবং গ.সা.গু. ৭। একটি সংখ্যা ২১ হলে, অপর সংখ্যাটি কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ২৪
- খ. ২৮
- গ. ৩৬
- ঘ. ৪২
উত্তর: খ. ২৮
গ.সা.গু. ও ল.সা.গু.-র একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। দুই সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.।
একটি সংখ্যা 21, অপরটি y হলে 21 × y = 7 × 84 = 588।
y = 588 / 21 = 28।
যাচাই: 21 = 7 × 3 এবং 28 = 7 × 4। 3 ও 4 পরস্পর মৌলিক, তাই গ.সা.গু. 7 এবং ল.সা.গু. 7 × 3 × 4 = 84।
মনে রাখুন:
সূত্রটি কেবল দুটি সংখ্যার ক্ষেত্রে খাটে, তিনটি সংখ্যায় নয়।
গ.সা.গু. সবসময় ল.সা.গু.-র একটি গুণনীয়ক। - ৮১. কোনো স্কুলে একদিন ১৩৫ জন ছাত্র অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতির হার ৩% হলে ঐ স্কুলে ছাত্র সংখ্যা কত?
- ক. ৩০০০
- খ. ৩৫০০
- গ. ৪০০০
- ঘ. ৪৫০০
উত্তর: ঘ. ৪৫০০
অনুপস্থিত ছাত্র মোট ছাত্রের 3%।
3% = 135 জন, তাই 1% = 135 / 3 = 45 জন।
মোট ছাত্র 100% = 45 × 100 = 4500।
যাচাই: 4500-এর 3% = 4500 × 3 / 100 = 135।
বিকল্প পদ্ধতি: মোট ছাত্র x হলে x-এর 3/100 = 135, তাই x = 135 × 100 / 3 = 4500।
মনে রাখুন: শতকরা কোনো অংশের মান দেওয়া থাকলে আগে 1% বের করে নিলে মোট বের করা সহজ হয়। এখানে 135 জন হলো 3 শতাংশ, ১০০ শতাংশ নয়, এ কথাটা খেয়াল রাখতে হবে। - ৮২. cos45° = √3 A হলে A-এর মান কত?
- ক. 1/6
- খ. 6
- গ. √6
- ঘ. 1/√6
উত্তর: ঘ. 1/√6
কোণের ত্রিকোণমিতিক মান মুখস্থ রাখলে এই অঙ্ক সহজে হয়। cos 45° = 1/√2। শর্ত অনুযায়ী 1/√2 = √3 · A।
A = 1 / (√2 · √3) = 1/√6।
√2 × √3 = √6 বলেই হরে √6 এসেছে। বিকল্প '√6' হলে সমীকরণটি মিলত না, কারণ 1/√2 ≠ √3 · √6 = √18।
মনে রাখুন:
sin 45° = cos 45° = 1/√2, tan 45° = 1।
sin 30° = 1/2, cos 30° = √3/2।
sin 60° = √3/2, cos 60° = 1/2। - ৮৩. 4^(x+4) = 32 হলে, x-এর মান কত?
- ক. 1
- খ. −1
- গ. 3/2
- ঘ. −3/2
উত্তর: ঘ. −3/2
সূচকীয় সমীকরণ সমাধানের সহজ উপায় হলো দুই দিকের ভিত্তি এক করা। দুই দিককে 2-এর ঘাতে লিখি: 4 = 2² এবং 32 = 2⁵।
(2²)^(x+4) = 2⁵ ⇒ 2^(2x+8) = 2⁵।
ভিত্তি সমান হলে ঘাত সমান, তাই 2x + 8 = 5।
2x = −3, x = −3/2।
যাচাই: x = −3/2 হলে x + 4 = 5/2, আর 4^(5/2) = (√4)⁵ = 2⁵ = 32।
মনে রাখুন: (a^m)^n = a^(mn)। সূচকের মান ঋণাত্মক বা ভগ্নাংশও হতে পারে। - ৮৪. 2, 5, 6 এর চতুর্থ সমানুপাতী কোনটি?
- ক. 8
- খ. 16
- গ. 15
- ঘ. 30
উত্তর: গ. 15
চতুর্থ সমানুপাতী বের করার নিয়ম আছে। a, b, c-এর চতুর্থ সমানুপাতী x হলে a : b = c : x, অর্থাৎ x = bc / a।
এখানে a = 2, b = 5, c = 6।
x = 5 × 6 / 2 = 15।
যাচাই: 2 : 5 = 6 : 15 (উভয়ই 2/5)।
মনে রাখুন:
মধ্যসমানুপাতী: a ও c-এর মধ্যসমানুপাতী √(ac)।
তৃতীয় সমানুপাতী: a ও b-এর তৃতীয় সমানুপাতী b²/a।
তিনটি রাশির ক্রম ঠিক রেখে ভাগ করতে হয়, তাই কোনটি a আর কোনটি c, তা আগে ঠিক করে নিতে হবে। - ৮৫. 8 + 13 + 18 + ..... ধারাটির n-তম পদ কত?
- ক. 3n + 5
- খ. 5n + 3
- গ. n + 5
- ঘ. n + 3
উত্তর: খ. 5n + 3
এটি সমান্তর ধারা (Arithmetic Progression), কারণ পরপর পদের পার্থক্য সবসময় সমান। প্রথম পদ a = 8, সাধারণ অন্তর d = 13 − 8 = 5।
n-তম পদ = a + (n − 1)d = 8 + 5(n − 1) = 8 + 5n − 5 = 5n + 3।
যাচাই: n = 1 হলে 8, n = 2 হলে 13, n = 3 হলে 18।
মনে রাখুন:
n পদের যোগফল: S = n/2 × {2a + (n − 1)d}।
d ধনাত্মক হলে ধারা বাড়তে থাকে, ঋণাত্মক হলে কমে।
বিকল্প 3n + 5 দিলে প্রথম পদ হয় 8, কিন্তু দ্বিতীয় পদ হয় 11, যা ধারার সঙ্গে মেলে না। - ৮৬. 10 থেকে 20 পর্যন্ত সংখ্যাগুলো থেকে একটি সংখ্যা দৈবভাবে পছন্দ করা হলে, সেই সংখ্যাটির মৌলিক সংখ্যা হবার সম্ভাবনা কত?
- ক. 4/10
- খ. 4/11
- গ. 5/10
- ঘ. 5/11
উত্তর: খ. 4/11
সম্ভাবনা (Probability) মানে অনুকূল ঘটনার সংখ্যাকে মোট ঘটনার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা। 10 থেকে 20 পর্যন্ত মোট সংখ্যা 11টি (10, 11, ..., 20)। এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা 11, 13, 17, 19, মোট 4টি।
সম্ভাবনা = অনুকূল ঘটনা / মোট ঘটনা = 4/11।
মনে রাখুন:
১০ ও ২০ দুটোই গণনায় ধরতে হয়, তাই মোট ১১টি, ১০টি নয়।
মৌলিক সংখ্যা হলো যার গুণনীয়ক কেবল ১ ও সংখ্যাটি নিজে। ১ মৌলিক নয়, আর ২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা।
সম্ভাবনার মান সবসময় ০ ও ১-এর মধ্যে থাকে। - ৮৭. cosθ − sin2θ = 0 হলে, θ-এর মান কত?
- ক. 30°
- খ. 60°
- গ. 45°
- ঘ. 0°
উত্তর: ক. 30°
ত্রিকোণমিতির সমীকরণে sin 2θ-কে ভেঙে লিখতে হয়। sin 2θ = 2 sinθ cosθ বসিয়ে পাই: cosθ − 2 sinθ cosθ = 0।
cosθ(1 − 2 sinθ) = 0।
তাই cosθ = 0 (θ = 90°) অথবা sinθ = 1/2।
sinθ = 1/2 = sin 30°, অতএব θ = 30°। বিকল্পগুলোর মধ্যে 30° আছে।
যাচাই: θ = 30° হলে cos 30° = √3/2 এবং sin 60° = √3/2, ফলে বিয়োগফল 0।
মনে রাখুন:
sin 2θ = 2 sinθ cosθ এবং cos 2θ = cos²θ − sin²θ।
θ = 90° দিলেও সমীকরণ মেলে, কিন্তু সেটি বিকল্পে নেই। - ৮৮. 3x² + 4y² = 12 সমীকরণটির লেখচিত্র কেমন হবে?
- ক. উপবৃত্ত
- খ. বৃত্ত
- গ. অধিবৃত্ত
- ঘ. পরাবৃত্ত
উত্তর: ক. উপবৃত্ত
সমীকরণ 3x² + 4y² = 12 কে 12 দিয়ে ভাগ করলে x²/4 + y²/3 = 1 পাওয়া যায়। এটি x²/a² + y²/b² = 1 আকারের সমীকরণ, যেখানে a² ≠ b², আর এই আকারের লেখচিত্র উপবৃত্ত (Ellipse)। এখানে a² = 4 ও b² = 3, অর্থাৎ দুটি অক্ষ বরাবর দৈর্ঘ্য সমান নয়। a² = b² হলে তা বৃত্ত হতো।
মনে রাখুন:
পরাবৃত্ত y² = 4ax আকারের, অধিবৃত্ত x²/a² − y²/b² = 1 আকারের।
x² ও y²-এর সহগ একই চিহ্নের আর ভিন্ন মানের হলে উপবৃত্ত হয়। চিহ্ন ভিন্ন হলে অধিবৃত্ত। - ৮৯. 28 cm ব্যাসার্ধবিশিষ্ট অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল কত?
- ক. 1223 sq cm
- খ. 1232 sq cm
- গ. 2464 sq cm
- ঘ. 2446 sq cm
উত্তর: খ. 1232 sq cm
অর্ধবৃত্তের ক্ষেত্রফল = (1/2)πr²। এখানে r = 28 cm এবং π = 22/7।
ক্ষেত্রফল = (1/2) × (22/7) × 28 × 28 = (1/2) × 22 × 4 × 28 = 1232 sq cm।
দেখা যায়, 28-কে 7 দিয়ে ভাগ করলে 4 হয়, ফলে হিসাব ছোট হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
পুরো বৃত্তের ক্ষেত্রফল πr² = 2464 sq cm, এর অর্ধেক 1232।
বিকল্পে 2464 দেওয়া আছে, সেটি পুরো বৃত্তের ক্ষেত্রফল, তাই অর্ধবৃত্তের জন্য ভুল।
অর্ধবৃত্তের পরিসীমা = πr + 2r। - ৯০. বৃত্তের স্পর্শক বৃত্তের ব্যাসার্ধের সাথে কী পরিমাণ কোণ উৎপন্ন করে?
- ক. 2π
- খ. π/2
- গ. π
- ঘ. π/4
উত্তর: খ. π/2
বৃত্তের কোনো বিন্দুতে অঙ্কিত স্পর্শক ওই বিন্দুগামী ব্যাসার্ধের সঙ্গে সমকোণ তৈরি করে। সমকোণ মানে 90° বা π/2 রেডিয়ান। তাই উত্তর π/2। π মানে 180° আর 2π মানে 360°। এই ধর্ম জ্যামিতির একটি মূল উপপাদ্য। এর সাহায্যে স্পর্শকের দৈর্ঘ্য বের করতে পিথাগোরাসের সূত্র কাজে লাগে। যেকোনো বৃত্তের জন্য এই ধর্ম সত্য, তাই স্পর্শক ও ব্যাসার্ধের কোণ নিয়ে প্রশ্ন এলে সোজা সমকোণ ধরে নেওয়া যায়।
মনে রাখুন:
বহিঃস্থ বিন্দু থেকে বৃত্তে দুটি স্পর্শক টানলে তাদের দৈর্ঘ্য সমান হয়।
স্পর্শবিন্দুতে স্পর্শক ও ব্যাসার্ধের মধ্যবর্তী কোণ সবসময় 90°।
180° = π রেডিয়ান। - ৯১. ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের সমষ্টি ত্রিভুজের–
- ক. পরিসীমা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর
- খ. পরিসীমা অপেক্ষা বৃহত্তর
- গ. পরিসীমার সমান
- ঘ. পরিসীমার অর্ধেকের চেয়ে ক্ষুদ্রতর
উত্তর: ক. পরিসীমা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর
ত্রিভুজের যেকোনো মধ্যমা তার দুই সন্নিহিত বাহুর যোগফলের অর্ধেকের চেয়ে ছোট। যেমন AD < (AB + AC)/2। তিনটি মধ্যমার জন্য এমন অসমতা যোগ করলে মধ্যমাত্রয়ের সমষ্টি < (2 × পরিসীমা)/2 = পরিসীমা পাওয়া যায়। অর্থাৎ সমষ্টি পরিসীমার চেয়ে ছোট। প্রমাণের ধারণাটি এ রকম। ত্রিভুজ ABC-র মধ্যমা AD হলে D হলো BC-র মধ্যবিন্দু। AD-কে D-র পরে সমান দূরত্বে বাড়িয়ে E নিলে ABEC একটি সামান্তরিক হয়। তখন ত্রিভুজ ABE-তে AE < AB + BE = AB + AC, আর AE = 2AD। তাই 2AD < AB + AC, অর্থাৎ AD < (AB + AC)/2। অন্য দুই মধ্যমার জন্যও একই রকম অসমতা পাওয়া যায়, আর তিনটি যোগ করলেই ফল মেলে।
মনে রাখুন:
মধ্যমাত্রয়ের সমষ্টি পরিসীমার 3/4 অংশের চেয়ে বড়ও হয়।
তাই ‘অর্ধেকের চেয়ে ক্ষুদ্রতর’ ভুল।
তিনটি মধ্যমা ত্রিভুজের ভরকেন্দ্রে ছেদ করে, আর ভরকেন্দ্র প্রতিটি মধ্যমাকে 2 : 1 অনুপাতে ভাগ করে। - ৯২. এক ব্যক্তি ৫০,০০০ টাকা ব্যাংকে জমা করে বছরের সুদ বাবদ ২০০০ টাকা আয় করেন। ঐ ব্যাংকে সুদের হার কত?
- ক. ৪%
- খ. ৫%
- গ. ৬%
- ঘ. ১০%
উত্তর: ক. ৪%
এটি সরল সুদের (Simple Interest) অঙ্ক। সরল সুদের সূত্র: I = Pnr। এখানে মূলধন P = 50000, সময় n = 1 বছর, সুদ I = 2000।
2000 = 50000 × 1 × r ⇒ r = 2000 / 50000 = 0.04।
অর্থাৎ হার 4%।
যাচাই: 50000-এর 4% = 2000।
মনে রাখুন:
সুদের হার % = (সুদ × 100) / (মূলধন × সময়) = (2000 × 100) / 50000 = 4।
সুদাসল = মূলধন + সুদ।
সময় বছরে ধরতে হয়, মাস দেওয়া থাকলে 12 দিয়ে ভাগ করে নিতে হবে।
বিজ্ঞান
- ৯৩. ইনসুলিন কোথায় উৎপন্ন হয়?
- ক. পিত্তাশয়ে
- খ. পাকস্থলীতে
- গ. ইন্টারফেরনে
- ঘ. অগ্ন্যাশয়ে
উত্তর: ঘ. অগ্ন্যাশয়ে
ইনসুলিন (Insulin) একটি হরমোন, যা রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখে। অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াসের ভেতরে আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামে কিছু কোষগুচ্ছ আছে। এদের বিটা (β) কোষ থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন রক্ত থেকে গ্লুকোজ নিয়ে যকৃত ও পেশিকোষে পৌঁছাতে সাহায্য করে, ফলে রক্তের শর্করা কমে। ইনসুলিন কম তৈরি হলে বা ঠিকমতো কাজ না করলে ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ হয়। পিত্তাশয় পিত্ত জমা রাখে এবং পাকস্থলী খাদ্য হজম করে, এরা ইনসুলিন তৈরি করে না।
মনে রাখুন:
ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ব্যান্টিং ও বেস্ট (১৯২১)।
আলফা কোষ থেকে গ্লুকাগন নিঃসৃত হয়, যা রক্তের গ্লুকোজ বাড়ায়। - ৯৪. কোন ধাতু সবচেয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়?
- ক. তামা
- খ. লোহা
- গ. দস্তা
- ঘ. সোনা
উত্তর: গ. দস্তা
ধাতুর ক্ষয় নির্ভর করে তার সক্রিয়তার ওপর। যে ধাতু যত সক্রিয়, বাতাস ও পানির সঙ্গে সে তত সহজে বিক্রিয়া করে। সক্রিয়তা সিরিজে এই চারটি ধাতুর ক্রম হলো দস্তা, লোহা, তামা, সোনা। অর্থাৎ দস্তা (Zinc) সবচেয়ে সক্রিয়, আর সোনা সবচেয়ে নিষ্ক্রিয়। তাই সোনায় সহজে মরিচা বা ক্ষয় ধরে না, বহু বছর মাটিতে পড়ে থাকলেও এটি উজ্জ্বল থাকে। তামা তুলনামূলক কম সক্রিয়, তাই ধীরে ধীরে সবুজ আস্তরণ পড়ে। লোহা মরিচা ধরে ক্ষয় হয়।
মনে রাখুন:
লোহাকে মরিচা থেকে বাঁচাতে দস্তার প্রলেপ (গ্যালভানাইজেশন) দেওয়া হয়।
সোনা, প্লাটিনাম ও রুপা তুলনামূলক নিষ্ক্রিয় ধাতু। - ৯৫. বংশগতি বিদ্যার জনক কে?
- ক. রাদারফোর্ড
- খ. মেন্ডেল
- গ. ডন লিউয়েন হুক
- ঘ. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
উত্তর: খ. মেন্ডেল
বংশগতি বা জিনতত্ত্ব (Genetics) হলো বংশ পরম্পরায় বৈশিষ্ট্য সঞ্চারের বিজ্ঞান। অস্ট্রিয়ার ধর্মযাজক গ্রেগর জোহান মেন্ডেল মটরশুঁটি গাছ নিয়ে অনেক বছর পরীক্ষা করেন। সেই পরীক্ষার ফল থেকে তিনি বংশগতির মূল সূত্রগুলো প্রকাশ করেন ১৮৬৬ সালে। এ জন্য তাঁকে বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয়। তাঁর কাজ প্রথমে কেউ গুরুত্ব দেয়নি, পরে ১৯০০ সালে তিনজন বিজ্ঞানী তা নতুন করে আবিষ্কার করেন। অ্যালেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন, আর রাদারফোর্ড পরমাণুর কেন্দ্রক আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখুন:
মেন্ডেলের সূত্র দুটি: পৃথকীকরণ সূত্র ও স্বাধীন সঞ্চরণ সূত্র।
'জিন' শব্দটি প্রস্তাব করেন জোহানসেন। - ৯৬. মস্তিষ্কের ডোপামিন তৈরির কোষগুলো নষ্ট হলে কী রোগ হয়?
- ক. থ্রম্বোসিন
- খ. প্যারালাইসিস
- গ. এপিলেপসি
- ঘ. পারকিনসন
উত্তর: ঘ. পারকিনসন
আমাদের মস্তিষ্কের কিছু স্নায়ুকোষ ডোপামিন (Dopamine) নামের রাসায়নিক বার্তাবাহক তৈরি করে। ডোপামিন পেশির নড়াচড়াকে মসৃণ ও নিয়ন্ত্রিত রাখে। এই কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হতে থাকলে ডোপামিনের পরিমাণ কমে যায়, আর রোগী হাত-পায়ে কাঁপুনি অনুভব করে। চলাফেরা ধীর হয়ে যায় এবং শরীর শক্ত হয়ে আসে। এই রোগের নাম পারকিনসন (Parkinson's disease)। প্যারালাইসিস মানে অঙ্গ অবশ হয়ে যাওয়া, আর এপিলেপসি হলো খিঁচুনির রোগ, এদের কারণ আলাদা।
মনে রাখুন:
পারকিনসন সাধারণত বয়স্কদের রোগ।
স্মৃতিভ্রংশের রোগের নাম আলঝেইমার।
ব্রিটিশ চিকিৎসক জেমস পারকিনসন ১৮১৭ সালে এই রোগের বর্ণনা দেন। - ৯৭. সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে কী গ্যাস ব্যবহার করা হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৫
- ক. নাইট্রোজেন
- খ. হিলিয়াম
- গ. হাইড্রোজেন
- ঘ. অক্সিজেন
উত্তর: ক. নাইট্রোজেন
সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে ফিলামেন্ট থাকে, যা অনেক উঁচু তাপমাত্রায় জ্বলে। বাল্বে বাতাস থাকলে অক্সিজেনের সঙ্গে ফিলামেন্ট বিক্রিয়া করে পুড়ে যেত। তাই বাল্বের ভেতর থেকে বাতাস সরিয়ে নিষ্ক্রিয় বা কম সক্রিয় গ্যাস ভরা হয়। নাইট্রোজেন এ কাজে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি ফিলামেন্টের সঙ্গে সহজে বিক্রিয়া করে না। বাস্তবে আর্গনের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়, তাতে ফিলামেন্টের আয়ু বাড়ে। অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন দহনে সাহায্য করে বা নিজে জ্বলে, তাই এগুলো ব্যবহার করা চলে না।
মনে রাখুন:
বাল্বের ফিলামেন্ট টাংস্টেনের তৈরি।
টিউবলাইটে পারদ বাষ্প ও আর্গন গ্যাস থাকে। - ৯৮. উদ্ভিদের বৃদ্ধিমাপক যন্ত্রের নাম কী?
- ক. ক্যালোরিমিটার
- খ. স্ফিগমোম্যানোমিটার
- গ. অক্সানোমিটার
- ঘ. পোটোমিটার
উত্তর: গ. অক্সানোমিটার
উদ্ভিদ কত দ্রুত বাড়ছে, তা মাপার জন্য বিশেষ যন্ত্র আছে। অক্সানোমিটার (Auxanometer) এর মধ্যে একটি। এতে উদ্ভিদের শীর্ষের সঙ্গে একটি সরু সুতা বাঁধা থাকে, আর সুতার অন্য প্রান্ত একটি চাকা বা স্কেলের সঙ্গে যুক্ত। গাছ লম্বা হলে সুতা টেনে স্কেলের কাঁটা সরে যায়, এভাবে বৃদ্ধি মাপা হয়। জগদীশচন্দ্র বসু আবিষ্কৃত ক্রেসকোগ্রাফও এমন একটি যন্ত্র, যা গাছের বৃদ্ধি বহুগুণ বড় করে দেখায়। ক্যালোরিমিটার তাপ মাপে, আর স্ফিগমোম্যানোমিটার রক্তচাপ। পোটোমিটার (Potometer) উদ্ভিদের প্রস্বেদন মাপে।
মনে রাখুন:
ক্রেসকোগ্রাফ: জগদীশচন্দ্র বসু।
পোটোমিটার: প্রস্বেদনের হার।
ফটোমিটার: আলোর তীব্রতা।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন