জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ৭৪টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে—
- ক. ধ্বনি
- খ. বর্ণ
- গ. শব্দ
- ঘ. বাক্য
উত্তর: ক. ধ্বনি
ভাষার সবচেয়ে ছোট একক হলো ধ্বনি (Sound)। আমরা যখন মুখ দিয়ে কথা বলি, তখন যে আওয়াজ তৈরি হয়, তার ক্ষুদ্রতম অংশই ধ্বনি। ধ্বনিকে লিখে বোঝানোর চিহ্ন হলো বর্ণ। অর্থাৎ ধ্বনি আমরা শুনি, আর বর্ণ আমরা দেখি। অনেক ধ্বনি মিলে শব্দ হয় আর শব্দ মিলে বাক্য হয়। যেমন ‘জল’ শব্দটিতে জ, অ ও ল এই তিনটি ধ্বনি আছে। ধ্বনি নিয়ে আলোচনার অংশকে ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব বলে।
মনে রাখুন:
ধ্বনি → শব্দ → বাক্য, এই ক্রমে ভাষার একক বড় হয়।
বাংলা ধ্বনিকে প্রধানত স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
ধ্বনির লিখিত প্রতীক বর্ণ। - ৭. বাংলা স্বরধ্বনি কয়টি?
- ক. ৯টি
- খ. ১১টি
- গ. ৭টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: খ. ১১টি
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি। অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ এই এগারোটি বর্ণ নিয়ে স্বরবর্ণ গঠিত। ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, এবং সব মিলিয়ে বর্ণমালায় ৫০টি বর্ণ আছে। তবে ধ্বনিবিজ্ঞানের দিক থেকে মৌলিক স্বরধ্বনি সাতটি, যা অন্য একটি প্রশ্নে আসে। কাজেই প্রশ্নে ‘স্বরবর্ণ’ বা ‘বর্ণমালা’ বললে ১১টি, আর ‘মৌলিক স্বরধ্বনি’ বললে ৭টি লিখতে হয়। এই পার্থক্যটা মনে রাখা জরুরি।
মনে রাখুন:
স্বরবর্ণ ১১টি, ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি।
হ্রস্বস্বর: অ, ই, উ, ঋ। দীর্ঘস্বর: আ, ঈ, ঊ, এ, ঐ, ও, ঔ। - ১১. বাংলা সাহিত্যে সার্থক মহাকাব্যের রচয়িতা—
- ক. নবীনচন্দ্র সেন
- খ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- গ. মীর মশাররফ হোসেন
- ঘ. কায়কোবাদ
উত্তর: খ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। রামায়ণের কাহিনি নিয়ে লেখা হলেও মধুসূদন এতে রাবণ ও মেঘনাদকে বীর হিসেবে দেখিয়েছেন। কাব্যটি নয়টি সর্গে লেখা। তিনি বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রচলন করেন। মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ গদ্যে লেখা, আর নবীনচন্দ্র সেন ও কায়কোবাদ মহাকাব্য লিখলেও মধুসূদনের মতো পথিকৃৎ নন। এভাবে সনাতন ধারার বদলে তিনি নতুন এক কাব্যরীতি এনে বাংলা কবিতাকে আধুনিক যুগে পৌঁছে দেন, তাই তাঁকে আধুনিক বাংলা কবিতার পথিকৃৎ বলা হয়।
মনে রাখুন:
নবীনচন্দ্র সেনের মহাকাব্য: রৈবতক, কুরুক্ষেত্র, প্রভাস।
কায়কোবাদের মহাকাব্য: মহাশ্মশান।
মধুসূদনের অন্য রচনা: তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য, চতুর্দশপদী কবিতাবলি। - ১৩. নিচের কোনটি নিত্য সমাস?
- ক. রাজপুত্র
- খ. গৃহান্তর
- গ. সস্ত্রীক
- ঘ. গায়েহলুদ
উত্তর: খ. গৃহান্তর
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো সব সময় সমাসবদ্ধ অবস্থায় থাকে এবং আলাদা করে ব্যাসবাক্য দেওয়া যায় না, বরং অন্য কোনো শব্দ দিয়ে অর্থ বোঝাতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। গৃহান্তর মানে অন্য গৃহ, কিন্তু ‘অন্য’ শব্দটি সমাসে নেই। তাই এটি নিত্য সমাস। রাজপুত্র ষষ্ঠী তৎপুরুষ, সস্ত্রীক বহুব্রীহি এবং গায়েহলুদ অলুক তৎপুরুষ সমাস। অলুক সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাই ‘গায়ে’ শব্দটি ঠিক থাকে।
উদাহরণ:
নিত্য সমাস: গ্রামান্তর (অন্য গ্রাম), দেশান্তর (অন্য দেশ), কেবলই, সর্বদা।
মনে রাখুন: ‘নিত্য’ মানে সব সময়, এই সমাসে সমস্ত পদটি সব সময় সমাসবদ্ধ থাকে। - ১৬. 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?
- ক. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
- খ. আহমদ ছফা
- গ. সিকান্দার আবু জাফর
- ঘ. রাহাত খান
উত্তর: ক. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
‘দৈনিক আজাদ’ পত্রিকা প্রকাশ করেন মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ, তিনি এর সম্পাদকও ছিলেন। পত্রিকাটি ১৯৩৬ সালে কলকাতায় শুরু হয়, পরে দেশভাগের পর ঢাকায় আসে। মুসলিম সমাজের জাগরণে এর বড় ভূমিকা ছিল। অন্য বিকল্পে সিকান্দার আবু জাফর ‘সমকাল’-এর সম্পাদক ছিলেন। আহমদ ছফা ও রাহাত খানও লেখক ও সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত। সিকান্দার আবু জাফর ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকও লিখেছেন। পত্রিকার নাম আর সম্পাদকের নাম একসঙ্গে মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যায়।
মনে রাখুন:
আকরম খাঁ ‘মোস্তফা চরিত’ নামে নবীজির জীবনী লিখেছেন।
‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এর সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া।
আকরম খাঁ ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকারও সম্পাদক ছিলেন। - ২২. 'লালসালু' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কোন জাতীয় রচনা?
- ক. উপন্যাস
- খ. ছোটগল্প
- গ. নাটক
- ঘ. কাব্যগ্রন্থ
উত্তর: ক. উপন্যাস
‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা উপন্যাস, প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। এতে মজিদ নামের এক ভণ্ড লোক মাজার বানিয়ে ধর্মের নামে গ্রামের মানুষদের ঠকায়। কাহিনির গ্রামের নাম মহব্বতনগর। কাহিনিটি ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে একটি সাহসী প্রতিবাদ। তাই এটি সামাজিক সমস্যামূলক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। উপন্যাসের নাম ‘লালসালু’ আসলে মাজার ঢাকা লাল কাপড়কে বোঝায়, যার আড়ালে মজিদ নিজের স্বার্থ হাসিল করে।
মনে রাখুন:
লালসালুর অন্য চরিত্র: রহিমা, জমিলা, খালেক ব্যাপারী, আক্কাস।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্য উপন্যাস: চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো।
তাঁর নাটক ‘বহিপীর’ও বিখ্যাত।
লালসালুর ইংরেজি অনুবাদের নাম ‘Tree Without Roots’। - ২৫. পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান—
- ক. গোপালগঞ্জ
- খ. ফরিদপুর
- গ. পিরোজপুর
- ঘ. বিক্রমপুর
উত্তর: খ. ফরিদপুর
পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মসাল ১৯০৩। গ্রামের সহজ জীবন ও মাটির ভালোবাসা তাঁর কবিতায় ফুটে ওঠে, তাই তাঁকে পল্লীকবি বলা হয়। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুরের গোবিন্দপুর, যা এখন আম্বিকাপুর নামে পরিচিত। গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর ও বিক্রমপুর এই এলাকাগুলো তাঁর জন্মস্থান নয়। ১৯৭৬ সালে তিনি ঢাকায় মারা যান। কবিদের জন্মস্থানের জেলা মনে রাখলে পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না।
মনে রাখুন:
জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্য: নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট।
তাঁর অন্য কাব্য: রাখালী, বালুচর, ধানখেত।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘কবর’।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই ‘জীবন কথা’। - ২৬. ‘রচনার শিল্পগুণ’ প্রবন্ধটি কার লেখা?
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- ঘ. বিহারীলাল
উত্তর: খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
প্রদত্ত বিকল্প অনুযায়ী ‘রচনার শিল্পগুণ’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ। বঙ্কিমচন্দ্র উপন্যাসের পাশাপাশি বহু প্রবন্ধও লিখেছেন, যেমন ‘লোকরহস্য’, ‘কমলাকান্তের দপ্তর’। - ২৭. শওকত ওসমান কবে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ১৯২২ সালে
- খ. ১৯১৭ সালে
- গ. ১৯২৫ সালে
- ঘ. ১৯২৩ সালে
উত্তর: খ. ১৯১৭ সালে
কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের জন্ম ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি, পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে। তাঁর আসল নাম শেখ আজিজুর রহমান। তিনি ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার হিসেবে বিখ্যাত। ১৯৯৮ সালে তিনি মারা যান। অন্য বছরগুলো (১৯২২, ১৯২৩, ১৯২৫) তাঁর জন্মের সঙ্গে মেলে না। সাহিত্যিকদের জন্মসাল পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই লেখকের নামের সঙ্গে প্রধান বইগুলো মিলিয়ে মনে রাখা ভালো। তাঁর বইগুলোর মধ্যে সমাজ ও রাজনীতির প্রতি গভীর মনোযোগের ছাপ পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
শওকত ওসমানের উপন্যাস: জননী, ক্রীতদাসের হাসি, জাহান্নাম হইতে বিদায়, নেকড়ে অরণ্য।
‘ক্রীতদাসের হাসি’ রূপক উপন্যাস।
‘নেকড়ে অরণ্য’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। - ৩০. 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসের লেখকের নাম কী?
- ক. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
- খ. আবুজাফর শামসুদ্দীন
- গ. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
- ঘ. জসীমউদ্দীন
উত্তর: গ. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
‘কাশবনের কন্যা’ শামসুদ্দীন আবুল কালামের লেখা উপন্যাস, ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়। গ্রামবাংলার মানুষ ও প্রকৃতি এতে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। অন্য বিকল্পের লেখকদের পরিচয় আলাদা: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ‘লালসালু’র লেখক, আবুজাফর শামসুদ্দীন গদ্যলেখক ও গবেষক, আর জসীমউদ্দীন পল্লীকবি। উপন্যাসের নাম আর লেখকের নাম মিলিয়ে মনে রাখাই এই ধরনের প্রশ্নের সহজ উপায়। ‘কাশবন’ মানে কাশফুলের বন, যা শরৎকালের পরিচিত দৃশ্য। পাঠ্যবইয়ে এই ধরনের লেখকদের নামের তালিকা প্রায়ই আসে, তাই উপন্যাসের নামের সঙ্গে লেখককে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
শামসুদ্দীন আবুল কালামের অন্য উপন্যাস: আলমনগরের উপকথা, জায়জঙ্গল, সমুদ্রবাসর।
‘লালসালু’র লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
‘নকশী কাঁথার মাঠ’-এর কবি জসীমউদ্দীন। - ৩৪. কোন বানানটি বিশুদ্ধ?
- ক. আশার
- খ. আসার
- গ. আষাঢ়
- ঘ. আষাড়
উত্তর: গ. আষাঢ়
‘আষাঢ়’ একটি বাংলা মাসের নাম। বানানে এতে মূর্ধন্য ষ আছে এবং শেষে ঢ় (ঢ-এর নিচে ফোঁটা) আছে। ‘আষাড়’-এ শেষ বর্ণ ড় লেখা হয়েছে, তাই সেটি ভুল। ‘আশার’ ও ‘আসার’ ঠিক বানানের আলাদা শব্দ, কিন্তু মাসের নামের সঙ্গে মেলে না। আষাঢ় বাংলা বছরের তৃতীয় মাস, বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠের পরে আসে। এই সময় প্রচুর বৃষ্টি হয়, তাই বর্ষার প্রথম মাস হিসেবে আষাঢ় পরিচিত।
মনে রাখুন: ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী যেসব শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ষ হয়:
ভাষা, পাষাণ, মানুষ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ
বাংলা মাসের কঠিন বানান: শ্রাবণ, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, ফাল্গুন, চৈত্র। - ৩৬. প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কী?
- ক. হুতোম প্যাঁচা
- খ. অবধূত
- গ. বীরবল
- ঘ. টেকচাঁদ ঠাকুর
উত্তর: গ. বীরবল
প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন। তাঁর সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকায় তিনি বীরবল নামে চলিত ভাষার প্রবন্ধ ছাপতেন। হুতোম প্যাঁচা ছদ্মনামে কালীপ্রসন্ন সিংহ, টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে প্যারীচাঁদ মিত্র লিখেছেন। আর অবধূত কালিকানন্দের ছদ্মনাম। প্রমথ চৌধুরী ছিলেন রবীন্দ্রনাথের ভাইঝি ইন্দিরা দেবীর স্বামী। তাঁর ছোটগল্পের বই ‘চার ইয়ারি কথা’ও পরিচিত। বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার রীতিকে সাহিত্যে প্রতিষ্ঠিত করার কৃতিত্ব তাঁর, আর তাঁর ভাষার ধার ও রসবোধ ‘বীরবলী ভঙ্গি’ নামে পরিচিত।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধ: বীরবলের হালখাতা।
প্যারীচাঁদ মিত্রের বিখ্যাত রচনা ‘আলালের ঘরের দুলাল’।
কালীপ্রসন্ন সিংহের বিখ্যাত রচনা ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’।
অন্য ছদ্মনাম: বনফুল (বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়), পরশুরাম (রাজশেখর বসু)। - ৩৯. কোনটি সার্থক বাক্যের গুণাবলির মধ্যে পড়ে না?
- ক. আকাঙ্ক্ষা
- খ. আসক্তি
- গ. যোগ্যতা
- ঘ. আসত্তি
উত্তর: খ. আসক্তি
বাক্যকে অর্থপূর্ণ করার জন্য তিনটি গুণ লাগে: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। আকাঙ্ক্ষা মানে অর্থ বোঝার আগ্রহ, আসত্তি মানে পদগুলোর সঠিক জায়গায় সাজানো এবং যোগ্যতা মানে শব্দের অর্থগত সংগতি। বিকল্পে ‘আসক্তি’ আর ‘আসত্তি’ দুটি দেওয়া আছে। এর মধ্যে ‘আসত্তি’ বাক্যের গুণ, আর ‘আসক্তি’ আলাদা শব্দ, যার অর্থ অতিরিক্ত নেশা বা অনুরাগ। দুটি শব্দের বানান কাছাকাছি, তাই পরীক্ষায় এই ফাঁদে অনেকেই পড়ে।
উদাহরণ:
আকাঙ্ক্ষার অভাব: ‘আমি আজ’ (বক্তব্য অসম্পূর্ণ থাকে)।
যোগ্যতার অভাব: ‘আমি আগুন খাই’ (অর্থগত সংগতি নেই)।
আসত্তির অভাব: ‘খাই ভাত আমি’ (পদের ক্রম এলোমেলো)। - ৪৮. মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. নিষিদ্ধ লোবান
- খ. নেকড়ে অরণ্য
- গ. রাত্রিশেষ
- ঘ. বন্দী শিবির থেকে
উত্তর: ঘ. বন্দী শিবির থেকে
‘বন্দী শিবির থেকে’ কবি শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, যার পটভূমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। যুদ্ধের সময়কার যন্ত্রণা ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা এতে প্রকাশ পেয়েছে। এটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। অন্য বিকল্পগুলোর পরিচয় আলাদা: ‘নিষিদ্ধ লোবান’ সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যগ্রন্থ, ‘নেকড়ে অরণ্য’ শওকত ওসমানের উপন্যাস, আর ‘রাত্রিশেষ’ আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। শামসুর রাহমান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আরও কবিতা লিখেছেন, যেমন ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির অন্য কাব্য: যখন উদ্যত সঙ্গীন (হাসান হাফিজুর রহমান)।
শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’। - ৫১. 'সন্ধি' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৬, এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯, এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
- ক. ধ্বনিতত্ত্ব
- খ. রূপতত্ত্ব
- গ. বাক্যতত্ত্ব
- ঘ. বাগর্থতত্ত্ব
উত্তর: ক. ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাকরণের চারটি ভাগের মধ্যে ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology) এমন অংশ, যেখানে ধ্বনির প্রকৃতি, উচ্চারণ, ধ্বনির পরিবর্তন ও সংযোগ আলোচিত হয়। দুটি ধ্বনি পাশাপাশি এলে মিশে যাওয়াকে সন্ধি বলে, তাই সন্ধি ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্গত। রূপতত্ত্বে শব্দ ও পদ, বাক্যতত্ত্বে বাক্যের গঠন, আর বাগর্থতত্ত্বে শব্দের অর্থ আলোচিত হয়। সন্ধি তিন প্রকার: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গ সন্ধি। যেমন বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়, এটি স্বরসন্ধি। সুতরাং ব্যাকরণের কোন আলোচনা কোন অংশে পড়ে, তা আলাদা করে জানা থাকলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না।
মনে রাখুন:
ধ্বনিতত্ত্বে আরও আছে ণত্ব ও ষত্ব বিধান।
সমাস, প্রত্যয় ও উপসর্গ রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। - ৬০. 'নীল ময়ূরের যৌবন' উপন্যাসের রচয়িতার নাম—
- ক. সুফিয়া কামাল
- খ. রাজিয়া বেগম
- গ. রাবেয়া খাতুন
- ঘ. সেলিনা হোসেন
উত্তর: ঘ. সেলিনা হোসেন
‘নীল ময়ূরের যৌবন’ সেলিনা হোসেনের লেখা উপন্যাস। এটি ১৯৮২ সালে প্রকাশিত হয়। সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের একজন প্রধান ঔপন্যাসিক, যাঁর লেখায় মুক্তিযুদ্ধ ও গ্রামীণ মানুষের জীবন বারবার এসেছে। তাঁর জন্ম ১৯৪৭ সালে রাজশাহীতে। অন্য লেখকদের মধ্যে সুফিয়া কামাল ছিলেন কবি, তাঁকে ‘জননী সাহসিকা’ বলা হয়। উপন্যাসের নাম আর লেখকের নাম মিলিয়ে মনে রাখাই এই ধরনের প্রশ্নের সহজ উপায়।
মনে রাখুন:
সেলিনা হোসেনের অন্য উপন্যাস: হাঙর নদী গ্রেনেড, যুদ্ধ, পোকামাকড়ের ঘরবসতি, কাঁটাতারে প্রজাপতি।
তাঁর উপন্যাস ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’ও বিখ্যাত।
সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’। - ৭০. কোনটি 'সূর্য'-এর সমার্থক শব্দ?
- ক. রবি
- খ. শশী
- গ. পবন
- ঘ. বসুধা
উত্তর: ক. রবি
সূর্যের বহু প্রতিশব্দ বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। এর মধ্যে রবি অন্যতম, এবং এটি অপশনে থাকা একমাত্র সঠিক শব্দ। বাকি তিনটি শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা। শশী মানে চাঁদ, পবন মানে বাতাস এবং বসুধা মানে পৃথিবী। অনেকে শশী আর রবিকে গুলিয়ে ফেলে, তাই শশী যে রাতের আলো দেয় সেটা মনে রাখলে ভুল হবে না।
মনে রাখুন:
সূর্যের প্রতিশব্দ: রবি, তপন, ভানু, দিনেশ, অর্ক, আদিত্য, ভাস্কর, প্রভাকর, মিহির, দিবাকর।
চাঁদের প্রতিশব্দ: শশী, চন্দ্র, সুধাংশু, বিধু, নিশাকর।
পৃথিবীর প্রতিশব্দ: বসুধা, ধরণী, ক্ষিতি, মেদিনী, অবনী। - ৭৩. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য নয়?
- ক. মানসী
- খ. সোনার তরী
- গ. চোখের বালি
- ঘ. গীতাঞ্জলি
উত্তর: গ. চোখের বালি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবি হিসেবে বিখ্যাত হলেও তিনি উপন্যাসও লিখেছেন। 'চোখের বালি' (১৯০৩) তাঁর একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, কাব্য নয়। এতে বিনোদিনী, মহেন্দ্র, আশালতা ও বিহারীর জটিল সম্পর্ক ফুটে উঠেছে। বাংলা সাহিত্যে একে আধুনিক উপন্যাসের সূচনাকারী রচনা মনে করা হয়। বাকি তিনটিই কাব্যগ্রন্থ। মানসী ১৮৯০ সালে, সোনার তরী ১৮৯৪ সালে এবং গীতাঞ্জলি ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস: গোরা, ঘরে বাইরে, চতুরঙ্গ, শেষের কবিতা, যোগাযোগ।
গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings-এর জন্য তিনি ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
ইংরেজি
- ২. Choose the correct preposition : Be aware — lies.
- ক. at
- খ. of
- গ. about
- ঘ. to
উত্তর: খ. of
Be aware of এই গঠনটি ইংরেজিতে একটি নির্দিষ্ট প্রকাশ। Aware মানে সচেতন বা সতর্ক, এবং এর পরে সাধারণত of বসে। তাই Be aware of lies সঠিক, অর্থাৎ মিথ্যা সম্পর্কে সতর্ক থাকো। অন্য preposition বসালে গঠনটি ভুল হয়। এটি এমন একটি নিয়ম, যা কোনো যুক্তিতে নয়, ব্যবহারের অভ্যাসে মুখস্থ রাখতে হয়। Aware-এর বিপরীত শব্দ unaware, তার পরেও of বসে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়: Be aware of pickpockets।
মনে রাখুন: কিছু adjective-এর নির্দিষ্ট preposition:
afraid of, proud of, fond of, capable of
good at, interested in, angry with, surprised at
Beware of dogs বললে কুকুর থেকে সাবধান বোঝায়। - ৩. Fill in the blank with the right option : River is a/an — noun.
- ক. proper
- খ. abstract
- গ. collective
- ঘ. common
উত্তর: ঘ. common
কোনো শ্রেণির প্রত্যেক সদস্যের সাধারণ নামকে Common Noun বলে। River মানে নদী, যে কোনো নদীকে এই নামে ডাকা যায়, তাই এটি common noun। নির্দিষ্ট নদীর নাম হলে proper noun হতো, যেমন Padma। Abstract noun গুণ বা অবস্থার নাম, যেমন honesty। আর collective noun দলের নাম, যেমন team। Proper noun নির্দিষ্ট একটিকে বোঝায়, আর common noun সেই শ্রেণির যে কোনোটিকে বোঝায়, এই পার্থক্যটা মনে রাখলে প্রশ্নের উত্তর সহজ হয়।
মনে রাখুন:
Common noun-এর উদাহরণ: man, city, book, river।
Proper noun-এর উদাহরণ: Dhaka, Padma, Karim।
ইংরেজিতে নদীর নামের আগে সাধারণত the বসে, যেমন the Padma। - ৪. Which one is the correct spelling?
- ক. desiase
- খ. disease
- গ. desease
- ঘ. disese
উত্তর: খ. disease
Disease শব্দের অর্থ রোগ বা অসুখ। এর সঠিক বানান d-i-s-e-a-s-e। শব্দটি dis (অভাব) এবং ease (স্বস্তি) থেকে তৈরি, অর্থাৎ স্বস্তি নেই এমন অবস্থা। অন্য বানানগুলো ভুল, কারণ সেগুলোতে অক্ষর উলটোপালটা বসেছে। Disease আর decease শব্দ দুটি গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়, কারণ decease মানে মৃত্যু। রোগ নিয়ে আলোচনায় আরও কয়েকটি শব্দ আসে। কোনো এলাকায় হঠাৎ অনেক মানুষের রোগ হলে তাকে epidemic (মহামারি) বলে, আর সারা বিশ্বে ছড়ালে বলে pandemic।
মনে রাখুন: ভুল হয় এমন কিছু শব্দ:
separate, necessary, accommodation, occurrence
Contagious disease মানে ছোঁয়াচে রোগ। - ৬. Fill in the blank with the right option : The poor — born to suffer.
- ক. are
- খ. is
- গ. were
- ঘ. has
উত্তর: ক. are
The poor এমন একটি গঠন, যেখানে the-এর পরে adjective বসে পুরো শ্রেণিকে বোঝায়। এখানে ‘গরিব মানুষেরা’ অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে। এই ধরনের শব্দকে বহুবচন ধরা হয়, তাই verb-ও বহুবচনের হয়। সেজন্য are সঠিক। Is একবচনের জন্য, were অতীতের জন্য, আর has এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানায় না। বাক্যটি একটি সাধারণ সত্য প্রকাশ করছে, তাই Present Indefinite Tense-এর verb দরকার। The poor মানে poor people, তাই পুরো শব্দগুচ্ছ এক ব্যক্তির নয়, বহু মানুষের কথা বলে।
উদাহরণ:
The rich are not always happy.
The old need care.
The young are the future. - ১২. Complete the sentence : — is observed as the Victory Day in Bangladesh.
- ক. 16th December
- খ. 17th April
- গ. 26th March
- ঘ. 14th December
উত্তর: ক. 16th December
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার রমনা রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে, তাই ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস। পাকিস্তানের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজি আত্মসমর্পণের দলিলে সই করেন। বাক্যের শুরুতে বসানোর জন্য 16th December-ই সঠিক। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এই আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয় এবং বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
মনে রাখুন:
১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস।
এখানে is observed হলো passive voice, যার অর্থ পালন করা হয়।
ইংরেজিতে তারিখ লেখার সময় সংখ্যার পরে th বসে, যেমন 16th December। - ২০. What is the antonym of 'noble'?
- ক. grand
- খ. dignified
- গ. elevated
- ঘ. mean
উত্তর: ঘ. mean
Noble শব্দের অর্থ মহৎ বা উচ্চবংশের। এর বিপরীত শব্দ Mean, যার অর্থ হীন বা নীচ। Grand মানে বিশাল বা জমকালো, Dignified মানে মর্যাদাপূর্ণ এবং Elevated মানে উন্নত। তিনটিই noble-এর কাছাকাছি অর্থ বহন করে, তাই এগুলো বিপরীত নয়। একই শব্দ অন্য অর্থেও আসে। Noble শব্দটি noun হিসেবে অভিজাত ব্যক্তিকে বোঝায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়: He is a noble man, and his deeds are never mean।
মনে রাখুন:
Noble-এর synonym: honourable, lofty।
Noble-এর আরেক antonym ignoble (হীন চরিত্রের)।
Mean শব্দের আরেক অর্থ ‘কৃপণ’ এবং ক্রিয়া হিসেবে ‘বোঝানো’। - ২৪. Which one of the following is singular number?
- ক. phenomenon
- খ. lice
- গ. mice
- ঘ. crises
উত্তর: ক. phenomenon
Phenomenon শব্দটির অর্থ ঘটনা বা বিস্ময়কর কিছু, এবং এটি একবচন। এর বহুবচন Phenomena। শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে, তাই এর বহুবচন গঠনও সাধারণ নিয়মের মতো নয়। অন্য শব্দগুলো বহুবচন: lice হলো louse-এর, mice হলো mouse-এর এবং crises হলো crisis-এর বহুবচন। এই ধরনের শব্দে একবচন আর বহুবচনের রূপ আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হয়।
মনে রাখুন: Latin বা Greek থেকে আসা শব্দের বিশেষ বহুবচন:
crisis → crises
basis → bases
criterion → criteria
datum → data
medium → media
bacterium → bacteria
nucleus → nuclei - ২৮. Use the right form of verb in the following sentence : I wish I — a car.
- ক. have
- খ. shall have
- গ. have had
- ঘ. had
উত্তর: ঘ. had
‘I wish’ দিয়ে বাক্য শুরু হলে সাধারণত এমন ইচ্ছা বোঝায়, যা বর্তমানে পূরণ হয়নি বা পূরণ হওয়া সম্ভব নয়। এমন ক্ষেত্রে wish-এর পরের অংশে verb-এর past form বসে। তাই I wish I had a car সঠিক, যার মানে আমার যদি একটা গাড়ি থাকত। Have ও shall have ইচ্ছা পূরণের পরিস্থিতি বোঝায় না। Have had ভুল গঠন।
উদাহরণ:
I wish I were rich.
He talks as if he knew everything.
It is time we went home. - ৩৩. What is the synonym of 'pardon'?
- ক. condemn
- খ. accuse
- গ. forgive
- ঘ. convict
উত্তর: গ. forgive
Pardon মানে ক্ষমা করা। ক্ষমা করা বোঝাতে Forgive শব্দটিও ব্যবহার হয়, তাই এটি pardon-এর সমার্থক শব্দ। অন্য বিকল্পগুলো উলটো অর্থ বহন করে: Condemn মানে নিন্দা করা, Accuse মানে অভিযুক্ত করা এবং Convict মানে দোষী সাব্যস্ত করা। শব্দটি noun হিসেবেও আসে। কাউকে অপরাধের শাস্তি থেকে মুক্তি দিলে সেটিও pardon। আর কারও কথা শুনতে না পেলে ভদ্রভাবে I beg your pardon বলা হয়। উদাহরণ: The king pardoned the prisoner।
মনে রাখুন:
Pardon-এর অন্য সমার্থক শব্দ: excuse, absolve।
Pardon-এর বিপরীত শব্দ punish (শাস্তি দেওয়া)। - ৪০. Choose the verb phrase:
- ক. ought to obey
- খ. what a pity
- গ. at the point of
- ঘ. with black eyes
উত্তর: ক. ought to obey
Verb phrase হলো এমন একাধিক শব্দ, যারা একসঙ্গে মিলে verb-এর কাজ করে। Ought to obey-তে ought to (উচিত) আর obey (মান্য করা) একসঙ্গে ‘মান্য করা উচিত’ অর্থ দেয়, তাই এটি verb phrase। What a pity একটি exclamatory phrase, at the point of preposition phrase এবং with black eyes একটি prepositional phrase। Phrase আর clause আলাদা জিনিস। Phrase-এ কোনো subject ও predicate থাকে না, তাই এটি পূর্ণ বাক্য নয়। উদাহরণ: You ought to obey your parents।
মনে রাখুন: Phrase-এর কয়েকটি ধরন:
Noun phrase, Verb phrase, Adjective phrase, Prepositional phrase
Verb phrase-এর আরও উদাহরণ: used to, have to, be going to। - ৪১. Choose the correct option : Would you mind — the door?
- ক. open
- খ. to open
- গ. opening
- ঘ. opened
উত্তর: গ. opening
Would you mind-এর পরে সব সময় verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত রূপ (gerund) বসে। Mind verb-টির পরে এভাবেই নিয়ম আছে। তাই Would you mind opening the door? সঠিক, যার মানে আপনি কি দরজাটা খুলে দেবেন? Open, to open ও opened এখানে বসে না। এই গঠন ভদ্রভাবে অনুরোধ করতে ব্যবহার হয়। Mind-এর পরে infinitive বসালে ভুল হয়, কারণ নিয়মটি মুখস্থ রাখতে হয়। অনুমতি চাইলে অন্য গঠন চলে, যেমন Would you mind if I opened the window?
মনে রাখুন: এই verb-গুলোর পরে gerund বসে:
enjoy, avoid, finish, stop, mind, suggest
উদাহরণ: I enjoy reading. She avoided answering. - ৪২. The phrase 'Bakers dozen' means—
- ক. 13
- খ. 12
- গ. 11
- ঘ. 24
উত্তর: ক. 13
Baker’s dozen কথাটির অর্থ ১৩টি। সাধারণ ডজন ১২টিতে হয়। মধ্যযুগের ইংল্যান্ডে রুটিওয়ালারা ওজনে কম দেওয়ার শাস্তির ভয়ে ১২টির জায়গায় ১৩টি রুটি দিত। সেখান থেকেই এই কথার চল হয়েছে। অর্থাৎ বাড়তি একটি রুটি ছিল নিরাপত্তার জন্য। এই কথাটি ইডিয়ম হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ: He gave me a baker’s dozen of mangoes। অর্থাৎ সে আমাকে ১৩টি আম দিল। বাংলায় আমরা এমন কিছুকে ‘একটু বেশি দেওয়া’ বলতে পারি, তাই ইডিয়মটির ভাবটি সহজে মনে রাখা যায়।
মনে রাখুন:
Dozen = ১২
Score = ২০
Gross = ১৪৪ (১২ ডজন)
Three score and ten = ৭০ - ৪৫. Which one of the following is an incorrect sentence?
- ক. I owed it to him to be honest.
- খ. I know that he is an honest man.
- গ. They know that he was honest.
- ঘ. He know him to be honest.
উত্তর: ঘ. He know him to be honest.
Present Indefinite Tense-এ কর্তা (subject) যদি third person singular হয়, তাহলে verb-এর শেষে s বা es যুক্ত হয়। He একবচন, কিন্তু know-এর সঙ্গে s নেই, তাই ঘ বাক্যটি ভুল। অন্য তিনটি বাক্য শুদ্ধ। I owed it to him to be honest এবং I know that he is an honest man ঠিক গঠনের বাক্য, আর They know that he was honest-এও কোনো ভুল নেই।
মনে রাখুন:
He knows him to be honest.
I know, You know, They know কিন্তু He knows। - ৫৩. Choose the correct option : — are present at the meeting.
- ক. He, I and you
- খ. You, he and I
- গ. I, you and he
- ঘ. He, you and I
উত্তর: খ. You, he and I
ইংরেজিতে একাধিক ব্যক্তির উল্লেখ থাকলে সাধারণত ভদ্রতার খাতিরে অন্যদের আগে বলে নিজেকে শেষে রাখা হয়। এজন্য দ্বিতীয় পুরুষ, তৃতীয় পুরুষ ও প্রথম পুরুষের ক্রম হয়: You, he and I। তাই You, he and I are present at the meeting সঠিক। অনেকে একে ২-৩-১ ক্রম বলে মনে রাখে। বহুবচনের বেলায় ক্রম আলাদা, সেখানে প্রথম পুরুষ আগে আসে।
মনে রাখুন: দোষ স্বীকার বা খারাপ কাজের ক্ষেত্রে ক্রম উলটে হয় (১-২-৩):
I, you and he are guilty of the crime.
বহুবচনে ক্রম হয় ১-২-৩: We, you and they. - ৫৪. Choose the correct preposition for the sentence : I reminded him — his appointment.
- ক. of
- খ. to
- গ. on
- ঘ. about
উত্তর: ক. of
Remind someone of something মানে কাউকে কিছু মনে করিয়ে দেওয়া, এবং এই অর্থে remind-এর পরে of বসে। তাই I reminded him of his appointment সঠিক। অন্য বিকল্প (to, on, about) এখানে মানায় না। Remember আর remind আলাদা, কারণ remember মানে নিজে স্মরণ করা আর remind মানে অন্যকে স্মরণ করানো। Remind-এর মতো আরও কিছু verb-এর পরে of বসে, যেমন accuse of, convince of ও rob of।
উদাহরণ:
He reminds me of my father.
Remind me to call him. (এখানে of নয়, to + verb বসেছে)
মনে রাখুন: Remind someone of + noun, কিন্তু remind someone to + verb। - ৫৫. Choose the correct option : You will help me, — you?
- ক. will
- খ. not will
- গ. won't
- ঘ. don't
উত্তর: গ. won't
Tag question-এ মূল বাক্য হ্যাঁ-বোধক হলে tag নেতিবাচক হয় এবং মূল বাক্যের auxiliary verb-ই tag-এ ফিরে আসে। মূল বাক্যে will আছে, তাই tag-এ will not-এর সংক্ষিপ্ত রূপ won’t বসবে। সুতরাং You will help me, won’t you? সঠিক। Don’t এখানে মানায় না, কারণ auxiliary will। মূল বাক্য নেতিবাচক হলে tag হ্যাঁ-বোধক হয়, যেমন She doesn’t smoke, does she?
মনে রাখুন:
He is a student, isn’t he?
You can swim, can’t you?
Let us go, shall we?
Open the door, will you? (আদেশসূচক বাক্যে will you বসে)
I am late, aren’t I? - ৫৭. What is the meaning of the phrase 'of late'?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯
- ক. long ago
- খ. occasionally
- গ. long since
- ঘ. recently
উত্তর: ঘ. recently
‘Of late’ ইডিয়মটির অর্থ সম্প্রতি বা ইদানীং। তাই এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ recently। অন্য বিকল্পগুলো ভিন্ন সময়ের কথা বলে: Long ago মানে অনেক আগে, long since-ও দীর্ঘ সময় আগে বোঝায় এবং occasionally মানে মাঝে মাঝে। অর্থাৎ এই তিনটি অতীতের দূরের সময় বা বিরতির কথা বলে, আর of late কাছের সময় বোঝায়। উদাহরণ: He has been absent of late। অর্থাৎ সে ইদানীং অনুপস্থিত।
মনে রাখুন: সময় সংক্রান্ত কিছু idiom:
at once = এক্ষুনি
now and then = মাঝে মাঝে
for good = চিরতরে
in the long run = শেষ পর্যন্ত - ৫৮. A barking dog seldom bites. In the sentence 'barking' is—
- ক. a gerund
- খ. an adverb
- গ. a verb
- ঘ. an adjective
উত্তর: ঘ. an adjective
A barking dog seldom bites বাক্যে barking শব্দটি dog-এর বিশেষণ হিসেবে কাজ করছে, কারণ এটি কুকুরটি কেমন, তা বর্ণনা করছে। Verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়ে যখন কোনো noun-এর আগে বসে সেটির বিশেষণ হিসেবে কাজ করে, তখন তাকে participle বলে। তাই এখানে barking একটি adjective। Gerund হলে শব্দটি noun-এর কাজ করত। কথাটি একটি প্রবাদ, যার অর্থ যে বেশি চেঁচায়, সে সাধারণত কাজে কম করে।
উদাহরণ:
Gerund: Barking is a habit of dogs.
Adjective: a running horse, a crying baby.
মনে রাখুন: Seldom মানে খুব কম, অর্থাৎ rarely। - ৬৯. Which of the following is a compound sentence?
- ক. Look before you leap.
- খ. Do or die.
- গ. All's well that ends well.
- ঘ. A drowning man catches at a straw.
উত্তর: খ. Do or die.
Compound sentence (যৌগিক বাক্য) হলো এমন বাক্য, যেখানে দুই বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য (Independent clause) and, but, or, so, else-এর মতো সংযোজক (Coordinating conjunction) দিয়ে যুক্ত থাকে। 'Do or die' বাক্যে 'or' দিয়ে 'Do' এবং 'die' নামের দুটি স্বাধীন নির্দেশ যুক্ত হয়েছে, তাই এটি compound sentence। বাকি তিনটি অন্য ধরনের। 'Look before you leap' একটি simple sentence, আর 'All's well that ends well' এবং 'A drowning man catches at a straw' বাক্যেও কোনো সংযোজক নেই।
মনে রাখুন:
Simple sentence: একটি মাত্র স্বাধীন বাক্য থাকে।
Complex sentence: একটি স্বাধীন বাক্যের সঙ্গে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য (Subordinate clause) থাকে।
উদাহরণ: He is poor but he is honest. (Compound) - ৭২. Which of the following is correctly spelt?
- ক. maintenance
- খ. maintainence
- গ. maintinance
- ঘ. maintainse
উত্তর: ক. maintenance
ইংরেজি Maintenance শব্দটির অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ। শব্দটি এসেছে maintain ক্রিয়া থেকে। সমস্যা হলো, ক্রিয়ার বানান maintain হলেও বিশেষ্য করার সময় 'ai' বদলে যায়, তাই Maintenance-এ 'ten' থাকে, 'tain' নয়। এই কারণেই maintainence, maintinance বা maintainse ভুল বানান। প্রথম অপশনটিই শুদ্ধ। শব্দটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এটিকে main + ten + ance ভেঙে দেখা, অর্থাৎ main-এর পর ten এবং তারপর ance। একইভাবে Maintain ক্রিয়ার অর্থ বজায় রাখা বা রক্ষণাবেক্ষণ করা, আর Maintenance শব্দটি যন্ত্রপাতি, ভবন বা সড়কের নিয়মিত যত্ন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। অফিসের ভাষায় 'maintenance cost' মানে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়।
মনে রাখুন: ক্রিয়া থেকে বিশেষ্য করার সময় বানান বদলের আরও উদাহরণ:
pronounce → pronunciation (pronounciation নয়)।
enter → entrance।
Other commonly misspelt words: Accommodation, Necessary, Environment, Occurrence।
বিজ্ঞান
- ৫. ধাতুর যে ধর্মের কারণে পিটিয়ে পাত (Sheet) এ পরিণত করা যায় তা হলো—
- ক. Ductility
- খ. Brittleness
- গ. Malleability
- ঘ. Toughness
উত্তর: গ. Malleability
ধাতুর যে ধর্মের কারণে একে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পাতলা পাত বা শিটে পরিণত করা যায়, তাকে ম্যালিয়েবিলিটি (Malleability) বা ঘাতসহতা বলে। স্বর্ণ, রুপা, অ্যালুমিনিয়াম ও তামা এ ধর্মে ভালো। অন্য ধর্মগুলো ভিন্ন। ডাকটিলিটি (Ductility) হলো টেনে সরু তার বানানোর ধর্ম। ব্রিটলনেস (Brittleness) হলো ভঙ্গুরতা, যাতে বস্তু আঘাত পেলে সহজে ভেঙে যায়। টাফনেস (Toughness) হলো আঘাত বা শক্তি শোষণ করার সামর্থ্য।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে ম্যালিয়েবল ধাতু স্বর্ণ।
ঢালাই লোহা (Cast Iron) ও কাচ ভঙ্গুর পদার্থের উদাহরণ।
দ্রুত ঠান্ডা করা শক্ত ইস্পাতও ভঙ্গুর হয়। - ১৮. ১০০ ওয়াট ও ২০০ ভোল্টবিশিষ্ট একটি বাতির রোধ কত?
- ক. ১০০ ওহম
- খ. ২০০ ওহম
- গ. ৪০০ ওহম
- ঘ. ৫০ ওহম
উত্তর: গ. ৪০০ ওহম
বৈদ্যুতিক বাতির গায়ে লেখা ওয়াট হলো ক্ষমতা (P) এবং ভোল্ট হলো কার্যকর বিভব (V)। ক্ষমতার সূত্র P = V²/R থেকে রোধ R = V²/P পাওয়া যায়। ভোল্ট ও ওয়াট দেওয়া থাকলে এভাবে সরাসরি রোধ বের করা যায়। এখান থেকে বাতিতে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহও I = P/V = 100/200 = 0.5 A হিসেবে মেলে।
R = (200)²/100
= 40000/100
= 400 Ω
শর্টকাট: ভোল্টের বর্গকে ওয়াট দিয়ে ভাগ করলেই বাতির রোধ পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
P = VI = I²R = V²/R।
একই ভোল্টে বেশি ওয়াটের বাতির রোধ কম হয়।
বিদ্যুৎ খরচের একক কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh), যাকে এক ইউনিট বলা হয়। - ৩৭. এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমান-
- ক. ১৪.৭ কেজি/সে.মি.²
- খ. ১.০৩৩ কেজি/মি.²
- গ. ১.০৩৩ কেজি/সে.মি.²
- ঘ. ১ কেজি/মি.²
উত্তর: গ. ১.০৩৩ কেজি/সে.মি.²
১ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ ≈ ১.০৩৩ কেজি (বল) প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার, যা ১৪.৭ পাউন্ড প্রতি বর্গ ইঞ্চি বা ১,০১,৩২৫ প্যাসকেলের সমান। ১৪.৭ সংখ্যাটি পাউন্ড/ইঞ্চি² এককে, কেজি/সেমি² এ নয়। - ৪৩. স্থির তরলের ক্ষেত্রে শেয়ার পীড়ন হলো :
- ক. সর্বোচ্চ
- খ. শূন্য
- গ. অপ্রত্যাশিত
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. শূন্য
কোনো তরল স্থির থাকলে তার ভেতরের স্তরগুলোর মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকে না। শেয়ার পীড়ন (Shear Stress) তৈরি হয় তখনই, যখন তরলের এক স্তর অন্য স্তরের ওপর দিয়ে পিছলে যায় এবং স্তরগুলোর মধ্যে সান্দ্র বল কাজ করে। স্থির তরলে এ ধরনের আপেক্ষিক গতি নেই, ফলে শেয়ার পীড়ন শূন্য। স্থির তরলের ভেতরে শুধু লম্ব বা চাপজনিত পীড়ন থাকে, যা সব দিকে সমান।
মনে রাখুন:
শেয়ার পীড়ন = সান্দ্রতা গুণাঙ্ক × বেগের পরিবর্তনের হার।
পাস্কালের সূত্র অনুসারে আবদ্ধ তরলে চাপ সব দিকে সমানভাবে ছড়ায়।
তরল ও গ্যাস উভয়কে প্রবাহী বলে। - ৪৯. থার্মোডাইনামিক্স-এর প্রথম সূত্রটি কোন সমীকরণ দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
- ক. W = JH
- খ. H = JW
- গ. W = J + H
- ঘ. H = J + W [যখন J তাপের যান্ত্রিক তুল্যাংক, W কাজ ও H তাপ প্রকাশ করে।]
উত্তর: ক. W = JH
তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র শক্তির সংরক্ষণ নীতির সঙ্গে মিলে যায়। এ সূত্রের প্রাচীন রূপ হলো যান্ত্রিক শক্তি কাজে লাগিয়ে যে তাপ পাওয়া যায়, তা কাজের সমানুপাতিক। এই সম্পর্ককে লেখা হয় W = JH, যেখানে W কাজ, H উৎপন্ন তাপ এবং J তাপের যান্ত্রিক তুল্যাঙ্ক। J-এর মান প্রায় ৪.২ জুল প্রতি ক্যালরি। জুল এই তুল্যাঙ্কের মান পরীক্ষা করে বের করেন।
মনে রাখুন:
আধুনিক রূপ: ΔQ = ΔU + ΔW।
দ্বিতীয় সূত্র তাপের স্বতঃস্ফূর্ত প্রবাহের দিক এবং ইঞ্জিনের দক্ষতার সীমা নির্ধারণ করে।
তাপ এবং কাজের একক জুল। - ৫২. একটি বস্তুর দূরত্ব পরিবর্তনের হারকে বলা হয়—
- ক. ত্বরণ
- খ. বেগ
- গ. মোমেন্টাম
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. বেগ
বস্তুর অবস্থান বা দূরত্ব সময়ের সঙ্গে যে হারে বদলায়, সেই হারকে বেগ (Velocity) বলে। অর্থাৎ বেগ = সরণ ÷ সময়। দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করলে দ্রুতি (Speed) পাওয়া যায়। ত্বরণ নির্দেশ করে বেগের পরিবর্তনের হার, আর ভরবেগ (Momentum) হলো ভর ও বেগের গুণফল। প্রশ্নে দূরত্বের পরিবর্তনের হার জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর বেগ। বেগের মান ও দিক দুটোই আছে, তাই এটি সদিক রাশি। দ্রুতির শুধু মান আছে, দিক নেই। দুটির একক এক হলেও তাদের ধারণা আলাদা।
মনে রাখুন:
বেগ সদিক রাশি, দ্রুতি অদিক রাশি।
ত্বরণ = বেগের পরিবর্তন ÷ সময়।
বেগের SI একক মিটার/সেকেন্ড (ms⁻¹)। - ৬৪. কোন ধাতুর Ductility সর্বোচ্চ?
- ক. Mild Steel
- খ. Copper
- গ. Zinc
- ঘ. Aluminium
উত্তর: ক. Mild Steel
ডাকটিলিটি (Ductility) হলো ধাতুকে টেনে সরু তারে পরিণত করার ধর্ম। ধাতু যত বেশি প্রসারিত হয়ে ভাঙার আগে দীর্ঘ হতে পারে, তাকে তত বেশি নমনীয় বা ডাকটাইল ধরা হয়। প্রযুক্তিগত বইয়ের প্রচলিত ক্রম অনুযায়ী এই ধর্মে সোনা, রুপা, প্ল্যাটিনামের পরেই লোহা বা মৃদু ইস্পাত (Mild Steel) থাকে, তারপর তামা, অ্যালুমিনিয়াম ও জিংক। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে তাই মৃদু ইস্পাত সবচেয়ে বেশি ডাকটাইল।
মনে রাখুন:
সব ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে ডাকটাইল সোনা।
ঢালাই লোহা ও কাচ ডাকটাইল নয়, বরং ভঙ্গুর।
ডাকটিলিটির জন্যই তামা দিয়ে বৈদ্যুতিক তার তৈরি হয়। - ৬৮. Rubber-এর অপর নাম—
- ক. Plastomer
- খ. Elastomer
- গ. Resin
- ঘ. Soft Plastic
উত্তর: খ. Elastomer
ইলাস্টোমার (Elastomer) হলো এমন পলিমার, যা টানলে বা চাপ দিলে অনেকটা বেড়ে বা বদলে যায়, আর বল সরিয়ে নিলে আগের আকারে ফিরে আসে। প্রাকৃতিক রাবার এ ধরনের পদার্থ, তাই ইলাস্টোমার রাবারের আরেক নাম। এর আণবিক শৃঙ্খলের মধ্যে আকর্ষণ দুর্বল থাকে এবং ইয়ং মডুলাসও কম। প্লাস্টোমার বলতে সাধারণত শক্ত প্লাস্টিক বোঝায়, যা একবার বিকৃত হলে আর পূর্ববস্থায় ফেরে না।
মনে রাখুন:
প্রাকৃতিক রাবার রাবার গাছের ল্যাটেক্স থেকে পাওয়া যায়।
ভলকানাইজেশনে রাবারের সঙ্গে সালফার মেশানো হয়, এতে রাবার আরও শক্ত ও টেকসই হয়।
রাবারের মূল একক আইসোপ্রিন। - ৭১. একটি গ্যাসের রুদ্ধতাপীয় প্রসারণ কোন সূত্র দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
- ক. PV = constant
- খ. PVᵞ = constant
- গ. PV⁰ = constant
- ঘ. PVᵅ = constant
উত্তর: খ. PVᵞ = constant
গ্যাসের রুদ্ধতাপীয় (Adiabatic) প্রসারণে গ্যাস ও পরিবেশের মধ্যে কোনো তাপ আদান-প্রদান হয় না। এখানে গ্যাসের চাপ ও আয়তনের সম্পর্ক হলো PVᵞ = ধ্রুবক। γ হলো গ্যাসের স্থির চাপ ও স্থির আয়তনে আপেক্ষিক তাপের অনুপাত (Cp/Cv)। সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় তাপমাত্রা স্থির থাকে বলে সম্পর্ক হয় PV = ধ্রুবক, যাকে বয়েলের সূত্র বলে। রুদ্ধতাপীয় প্রসারণে গ্যাস নিজের অভ্যন্তরীণ শক্তি খরচ করে কাজ করে, তাই তাপমাত্রা কমে যায়।
মনে রাখুন:
γ সব সময় ১-এর চেয়ে বেশি।
এক পরমাণুক গ্যাসের γ = ১.৬৭ এবং দ্বি-পরমাণুক গ্যাসের γ = ১.৪।
বাংলাদেশ
- ৮. বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ ২০২০ মোট কয়টি দল অংশ নিয়েছিল?
- ক. ৬টি
- খ. ৭টি
- গ. ৪টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: ঘ. ৫টি
বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর শুরু হয়ে ১৮ ডিসেম্বর শেষ হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেয় মোট পাঁচটি দল, তাই উত্তর ৫টি। শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয় জেমকন খুলনা। টুর্নামেন্টটি ঢাকার শের-এ-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এই ধরনের প্রশ্নে দলের সংখ্যা মনে রাখাই আসল কাজ, কারণ বিকল্পে ৪, ৫, ৬ ও ৭ পাশাপাশি দেওয়া থাকে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) প্রথম হয় ২০১২ সালে।
প্রথম বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস।
২০২০ সালটি ছিল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী বা ‘মুজিববর্ষ’। - ৯. বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ছয়দফা কর্মসূচি কোথায় ঘোষণা করেছিলেন?
- ক. ইসলামাবাদ
- খ. ঢাকা
- গ. লাহোর
- ঘ. করাচি
উত্তর: গ. লাহোর
ছয় দফা কর্মসূচি শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে ঘোষণা করেন। ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক জাতীয় সম্মেলন বসে। সেখানে পূর্ব পাকিস্তানের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য তিনি এই ছয় দফা প্রস্তাব রাখেন। পরে ২৩ মার্চ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। এই কর্মসূচিকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
মনে রাখুন:
৭ জুন ১৯৬৬: ছয় দফার দাবিতে হরতাল পালিত হয়।
১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দেওয়া হয়।
১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান ঘটে। - ১০. বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ঢাকা
- খ. বরেন্দ্র
- গ. সিলেট
- ঘ. চট্টগ্রাম
উত্তর: খ. বরেন্দ্র
বাংলাদেশের প্রাচীনতম জাদুঘর রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। বরেন্দ্র অঞ্চলের পুরোনো মূর্তি, শিলালিপি ও পুঁথি সংগ্রহ করার জন্য ১৯১০ সালে বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতি এটি প্রতিষ্ঠা করে। এর প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে ছিলেন শরৎকুমার রায়, অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ও রমাপ্রসাদ চন্দ। ঢাকা জাদুঘর এর পরে ১৯১৩ সালে গড়ে ওঠে। পরে ১৯৮৩ সালে এটি জাতীয় জাদুঘরে রূপ নেয়। পুরোনো নিদর্শন সংরক্ষণের এই উদ্যোগ বাংলাদেশে প্রত্নতত্ত্ব চর্চার ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
মনে রাখুন:
বরেন্দ্র জাদুঘর এখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে।
বর্তমানে ঢাকার জাতীয় জাদুঘর শাহবাগে অবস্থিত।
বাংলাদেশের প্রাচীন পুরাকীর্তি মহাস্থানগড় বগুড়ায় এবং পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নওগাঁয় অবস্থিত। - ১৪. বাংলাদেশে কোভিড-১৯-এর ভ্যাক্সিন প্রথম ব্যবহৃত হয়েছে—
- ক. অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড
- খ. সিনোভ্যাক্সের করোনাভ্যাক
- গ. ফাইজারের বায়োএনটেক
- ঘ. জনসন এন্ড জনসন-জনসেন
উত্তর: ক. অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা-কোভিশিল্ড
২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া শুরু হয়। এটি ছিল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড। টিকা প্রথম নিয়েছিলেন নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা, তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে কাজ করতেন। তার আগে ভারত বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে বিশ লাখ ডোজ টিকা পাঠায়। বিকল্পে থাকা অন্য টিকাগুলো পরে ব্যবহার শুরু হয়। টিকা দেওয়া শুরু হওয়ার আগে সরকার নিবন্ধনের জন্য ‘সুরক্ষা’ নামে একটি অ্যাপ চালু করে, যেখানে মানুষ নাম লিখিয়ে টিকা নিতে পারত।
মনে রাখুন:
ফাইজার ও সিনোভ্যাকের টিকা কোভিশিল্ডের পরে ব্যবহৃত হয়।
সেরাম ইনস্টিটিউট ভারতের পুনেতে অবস্থিত।
কোভিড-১৯ রোগের কারণ SARS-CoV-2 ভাইরাস। - ১৭. বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা কে?
- ক. ফররুখ আহমদ
- খ. মহাদেব সাহা
- গ. আল মাহমুদ
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
বাংলাদেশের রণসংগীত ‘চল চল চল’ কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। কবিতাটি তাঁর ‘সন্ধ্যা’ কাব্যগ্রন্থে আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই গান মুক্তিযোদ্ধাদের মনে সাহস জোগাত। ১৯৭২ সালে এটি রণসংগীত হিসেবে গৃহীত হয়। নজরুল বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর জন্ম ১৮৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে। ১৯৭২ সালে তাঁকে ঢাকায় আনা হয় এবং ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকায় তিনি মারা যান। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, রণসংগীত ও জাতীয় কবির নাম আলাদা করে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য খুব দরকারি।
মনে রাখুন:
জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ রবীন্দ্রনাথের লেখা।
নজরুলের প্রথম কাব্য ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’। - ১৯. মুক্তিযুদ্ধে 'ক্র্যাক প্ল্যাটুন' কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
- ক. চট্টগ্রাম
- খ. খুলনা
- গ. ঢাকা
- ঘ. বরিশাল
উত্তর: গ. ঢাকা
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহরে গেরিলা পদ্ধতিতে পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আঘাত হানা তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের দলকে ক্র্যাক প্ল্যাটুন বলা হয়। তাঁরা হঠাৎ আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যেতেন, যাকে ‘হিট অ্যান্ড রান’ কৌশল বলে। এই দলের সদস্যদের মধ্যে রুমি, আজাদ, বদি ও জুয়েল বীরত্বের জন্য পরিচিত। আজাদ ও রুমির মতো অনেকেই পরে ধরা পড়ে শহিদ হন। ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাঁরা আঘাত হানেন।
মনে রাখুন:
রুমি ছিলেন লেখিকা জাহানারা ইমামের ছেলে। তাঁর মায়ের লেখা ‘একাত্তরের দিনগুলি’ বইয়ে রুমির কথা আছে।
মুক্তিযুদ্ধে সর্বাধিনায়ক ছিলেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী।
মুক্তিবাহিনীর অঞ্চল ছিল ১১টি সেক্টর। - ২১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন তারিখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার প্রথম বক্তৃতা করেন?
- ক. ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি
- খ. ১৯২৮ সালের ১০ এপ্রিল
- গ. ১৯৩০ সালের ১০ মে
- ঘ. ১৯৩২ সালের ১০ আগস্ট
উত্তর: ক. ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি এখানে তাঁর প্রথম বক্তৃতা দেন, যার বিষয় ছিল ‘The Meaning of Art’। কয়েক দিন পরে আরেকটি বক্তৃতাও তিনি দেন। এর অন্য তারিখগুলো (১৯২৮, ১৯৩০, ১৯৩২) এই বক্তৃতার সঙ্গে মেলে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালে, অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়টির বয়স তখন মাত্র কয়েক বছর।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র জন্য নোবেল পুরস্কার পান।
তাঁর জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে, মৃত্যু ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট।
১৯২১ সালে তিনি বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেন।
জমিদারি দেখাশোনার সূত্রে তিনি কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বহুদিন কাটিয়েছেন। - ২৩. হালদা নদী কীসের জন্য বিখ্যাত?
- ক. মাতৃ মৎস্যভাণ্ডার
- খ. পর্যটন
- গ. রামসার সাইট
- ঘ. নদীবন্দর
উত্তর: ক. মাতৃ মৎস্যভাণ্ডার
হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র জোয়ারভাটার প্রভাবযুক্ত স্বাভাবিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। প্রতি বছর বর্ষার শুরুর দিকে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউস জাতীয় মাছ এখানে ডিম ছাড়ে এবং জেলেরা সেই ডিম সংগ্রহ করে পোনা তৈরি করেন। নদীটি খাগড়াছড়ির পাহাড় থেকে নেমে চট্টগ্রামের কালুরঘাটের কাছে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে। এ কারণে হালদাকে দেশের ‘মাতৃ মৎস্যভাণ্ডার’ বলা হয়। এই নদীতে গাঙ্গেয় শুশুকও (ডলফিন) দেখা যায়।
মনে রাখুন:
হালদা নদীর পাশে রাউজান ও হাটহাজারী উপজেলা।
হালদা নদীর পোনা সারা দেশের মৎস্যচাষে ব্যবহৃত হয়।
পর্যটন, রামসার সাইট বা নদীবন্দর হালদার পরিচয় নয়। - ৩১. রাতারগুল কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. রাঙামাটি
- খ. সাতক্ষীরা
- গ. সিলেট
- ঘ. কক্সবাজার
উত্তর: গ. সিলেট
রাতারগুল সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত একটি মিঠাপানির জলাবন (Swamp Forest)। বর্ষাকালে বনের গাছগুলোর নিচের অংশ পানিতে ডুবে যায়, তখন নৌকায় করে বনের ভেতর দিয়ে ঘোরা যায়। বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বলে এটি প্রসিদ্ধ। এখানকার প্রধান গাছ হিজল ও করচ। বাংলাদেশের আরও কিছু উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক এলাকা আছে, যেগুলোর অবস্থান আলাদা জেলায়। ফলে সিলেট অঞ্চলের পর্যটনে রাতারগুল আজ বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।
মনে রাখুন:
সুন্দরবন লোনা পানির ম্যানগ্রোভ বন, আর রাতারগুল মিঠাপানির জলাবন।
সুন্দরবন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে বিস্তৃত।
টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জে অবস্থিত এবং এটি রামসার সাইট। - ৩২. Exclusive Economic Zone (EEZ)-এর দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ১০০ নটিক্যাল মাইল
- খ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
- গ. ৪০০ নটিক্যাল মাইল
- ঘ. ৩০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর: খ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
কোনো দেশের উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সমুদ্র এলাকায় সেই দেশের যে বিশেষ অর্থনৈতিক অধিকার থাকে, তাকে একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone বা EEZ) বলে। এই এলাকার জীবিত ও খনিজ সম্পদ ব্যবহার করার অধিকার ওই দেশেরই থাকে। তাই EEZ-এর বিস্তার ২০০ নটিক্যাল মাইল। সমুদ্র আইন নিয়ে ১৯৮২ সালের জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশনে (UNCLOS) এই নিয়ম ঠিক করা হয়েছে।
মনে রাখুন:
ভূখণ্ডগত সমুদ্র (Territorial Sea) ১২ নটিক্যাল মাইল।
সন্নিহিত অঞ্চল ২৪ নটিক্যাল মাইল।
বাংলাদেশের মহীসোপান ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত।
মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধের রায় হয় ২০১২ সালে আর ভারতের সঙ্গে ২০১৪ সালে।
১ নটিক্যাল মাইল প্রায় ১.৮৫২ কিলোমিটার। - ৩৫. নাচোল বিদ্রোহের নেত্রীর নাম কী?
- ক. প্রীতিলতা
- খ. লক্ষ্মীরাণী
- গ. কাদম্বিনী
- ঘ. ইলা মিত্র
উত্তর: ঘ. ইলা মিত্র
১৯৪৯-৫০ সালে বৃহত্তর রাজশাহী জেলার নাচোল এলাকায় (বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা) সাঁওতাল কৃষকরা জমিদারি শোষণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। এটি নাচোল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। এই বিদ্রোহের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র। পরে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং কারাগারে তাঁর ওপর নির্মম নির্যাতন চালায়। আন্দোলনের মূল দাবি ছিল তেভাগা, অর্থাৎ ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ পাবে কৃষক। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবী, যিনি চট্টগ্রামে ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণে নেতৃত্ব দেন। এই বিদ্রোহের কারণে ইলা মিত্র সাহসী নেত্রী হিসেবে সবার কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
মনে রাখুন: ইলা মিত্রকে ‘নাচোলের রানি’ বলা হয়। - ৪৪. বাংলাদেশ কোন সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করবে?
- ক. ২০২৪
- খ. ২০২৮
- গ. ২০২৬
- ঘ. ২০৩০
উত্তর: গ. ২০২৬
জাতিসংঘ আয়ের মাথাপিছু পরিমাণ, মানব সম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকি, এই তিনটি মানদণ্ড দিয়ে বিচার করে কোনো দেশ স্বল্পোন্নত (LDC) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্য কি না ঠিক করে। বাংলাদেশ ২০১৮ ও ২০২১ সালের মূল্যায়নে তিনটি সূচকেই যোগ্যতা অর্জন করে। ২০২১ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর উত্তরণের দিন ঠিক করে। সুতরাং পরীক্ষার সময় উত্তর ছিল ২০২৬।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় আসে।
উত্তরণের জন্য পাঁচ বছরের প্রস্তুতিকাল দেওয়া হয়। - ৪৬. বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
- ক. ভারত
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. অস্ট্রেলিয়া
- ঘ. জাপান
উত্তর: গ. অস্ট্রেলিয়া
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য চার ধরনের খেতাব ঘোষণা করে: বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম ও বীরপ্রতীক। বীরপ্রতীক খেতাব পাওয়া একমাত্র বিদেশি উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন। তিনি নেদারল্যান্ডসে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন। মোট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন। এই খেতাবগুলো মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া সর্বোচ্চ স্বীকৃতি।
মনে রাখুন:
বীরশ্রেষ্ঠ সাতজন: মতিউর রহমান, মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ রুহুল আমিন, মোহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, হামিদুর রহমান, মুন্সী আবদুর রউফ ও নূর মোহাম্মদ শেখ।
খেতাবের সংখ্যা: বীরশ্রেষ্ঠ ৭, বীরউত্তম ৬৮, বীরবিক্রম ১৭৫, বীরপ্রতীক ৪২৬। - ৫০. নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর স্প্যান সংখ্যা কতটি?
- ক. ৩৯টি
- খ. ৪০টি
- গ. ৪১টি
- ঘ. ৪২টি
উত্তর: গ. ৪১টি
পদ্মা বহুমুখী সেতু মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে। সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। এর স্প্যান সংখ্যা ৪১টি, প্রতিটি স্প্যান ১৫০ মিটার লম্বা। হিসাবটি মিলিয়ে দেখা যায়: 41 × 150 = 6150 মিটার, অর্থাৎ ৬.১৫ কিলোমিটার। ২০২২ সালের ২৫ জুন সেতুটি উদ্বোধন করা হয়। এটি বাংলাদেশের অর্থায়নে তৈরি দেশের বৃহত্তম সেতু।
মনে রাখুন:
পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে সড়ক ও রেল দুটিই চলে।
এর আগে বাংলাদেশের বৃহত্তম সেতু ছিল যমুনা সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু), যা ১৯৯৮ সালে চালু হয়।
পদ্মা সেতুর কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলাগুলো সরাসরি ঢাকার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। - ৫৯. 'ভাসানচর' কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. চট্টগ্রাম
- খ. ভোলা
- গ. নোয়াখালী
- ঘ. কক্সবাজার
উত্তর: গ. নোয়াখালী
ভাসানচর নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অংশ। এটি মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা একটি চর। ‘ভাসানচর’ নামের অর্থ নদীতে জেগে ওঠা ভাসমান চর। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সরকার এখানে প্রথমে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একটি অংশকে স্থানান্তর শুরু করে। বিকল্পে থাকা চট্টগ্রাম, ভোলা ও কক্সবাজারের সঙ্গে ভাসানচরের সম্পর্ক নেই। কক্সবাজারেই মূল রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো আছে। ভাসানচর গড়ে তোলার সময় সরকার সেখানে বন্যা থেকে রক্ষার জন্য বাঁধ ও আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করেছে।
মনে রাখুন:
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প অবস্থিত।
কুতুপালং বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী শিবির।
২০১৭ সালের আগস্ট থেকে মিয়ানমার থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। - ৬৫. দুই টাকার নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
- ক. অর্থসচিব
- খ. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
- গ. অর্থমন্ত্রী
- ঘ. প্রধানমন্ত্রী
উত্তর: ক. অর্থসচিব
আমাদের দেশে কাগজি নোট দুই ধরনের। এক ধরন হলো সরকারি নোট, যা সরকারের পক্ষ থেকে ছাপা হয় এবং এতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে। অন্য ধরন হলো ব্যাংক নোট, যাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। দুই টাকার নোট সরকারি নোটের মধ্যে পড়ে, তাই এতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর দেখা যায়। অর্থমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী কোনো নোটেই স্বাক্ষর করেন না।
মনে রাখুন:
সরকারি নোট প্রচলিত ছিল ১ ও ২ টাকার। ৫ টাকার নোটও সরকারি নোটের মতো ছিল।
১০ টাকা ও তার বেশি মূল্যমানের নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষরে বের হয়।
নোট ছাপানোর দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের, আর মুদ্রা তৈরির দায়িত্ব সরকারের। - ৬৭. কোভিড-১৯ ভাইরাস বাংলাদেশে প্রথম কবে শনাক্ত হয়?
- ক. ২০ ডিসেম্বর ২০১৯
- খ. ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০
- গ. ০৮ মার্চ ২০২০
- ঘ. ০১ এপ্রিল ২০২০
উত্তর: গ. ০৮ মার্চ ২০২০
২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়। পরে এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম তিনজন রোগী শনাক্ত করার কথা জানায়। এই তারিখটি আমাদের মনে রাখতে হবে, কারণ ২০১৯ সালের ডিসেম্বর হলো বিশ্বে প্রথম রোগী পাওয়ার সময়, বাংলাদেশের নয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশে কোভিডে প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ২০২০ সালের ১৮ মার্চ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ মার্চ কোভিড-১৯কে অতিমারি (Pandemic) ঘোষণা করে।
বাংলাদেশে কোভিডের টিকাদান শুরু হয় ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি। - ৭৪. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি অনুচ্ছেদ আছে?আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) ২০১৯
- ক. ১৩৩টি
- খ. ১৪৩টি
- গ. ১৫৩টি
- ঘ. ১৭৩টি
উত্তর: গ. ১৫৩টি
বাংলাদেশের সংবিধান আমাদের দেশের সর্বোচ্চ আইন। এতে একটি প্রস্তাবনা, এগারোটি ভাগ এবং মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে। ১৩৩ বা ১৪৩ নয়, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে বলেই সংবিধানকে সংখ্যায় মনে রাখা সুবিধাজনক। সংবিধান গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর এবং কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
মনে রাখুন:
সংবিধানের মূলনীতি আছে চারটি, প্রথমে এগুলো ছিল জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
সংবিধানের প্রস্তাবনার পরে ১ নম্বর অনুচ্ছেদে বাংলাদেশকে একটি একক প্রজাতন্ত্র বলা হয়েছে।
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
সাধারণ জ্ঞান
- ১৫. Cast Iron তৈরিতে ব্যবহৃত ফার্নেস হল-
- ক. Bessemer Converter
- খ. Cupola furnace
- গ. Open hearth furnace
- ঘ. Blast furnace
উত্তর: খ. Cupola furnace
ব্লাস্ট ফার্নেসে লোহার আকরিক গলিয়ে পিগ আয়রন তৈরি হয়। সেই পিগ আয়রন স্ক্র্যাপের সঙ্গে কিউপোলা ফার্নেসে আবার গলিয়ে কাস্ট আয়রন তৈরি করা হয়, তাই কাস্ট আয়রনের ফার্নেস হলো কিউপোলা। - ৪৭. একটি হিমায়ন চক্রের হিমায়ক কর্তৃক তাপ শোষিত হয়
- ক. কন্ডেন্সারে
- খ. ইভাপোরেটরে
- গ. কম্প্রেসরে
- ঘ. থ্রোটল ভালভে
উত্তর: খ. ইভাপোরেটরে
হিমায়ক ইভাপোরেটরে বাষ্পে পরিণত হওয়ার সময় চারপাশ থেকে সুপ্ত তাপ শোষণ করে, ফলে ভেতরটা ঠান্ডা হয়। কন্ডেন্সারে এই তাপ বাইরে বর্জন করা হয়। - ৫৬. CPM এর পূর্ণ অভিব্যক্তি হলো
- ক. Common Project Method
- খ. Common Path Method
- গ. Critical Project Method
- ঘ. Critical Path Method
উত্তর: ঘ. Critical Path Method
CPM এর পূর্ণরূপ Critical Path Method। প্রকল্পের যে কাজগুলো দেরি হলে পুরো প্রকল্প দেরি হয়, সেই পথ (critical path) খুঁজে সময় পরিকল্পনা করা হয় এই পদ্ধতিতে।
আন্তর্জাতিক
- ২৯. ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন—
- ক. ইউনেস্কো
- খ. বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
- গ. ইউনিসেফ
- ঘ. নিরাপত্তা পরিষদ
উত্তর: খ. বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
২০২০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পায় জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (World Food Programme)। ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই করা, সংঘাতপীড়িত এলাকায় শান্তির পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখা এবং ক্ষুধাকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা ঠেকানোর জন্য তারা এই সম্মান পায়। সংস্থাটি ১৯৬১ সালে যাত্রা শুরু করে। ইউনেসকো, ইউনিসেফ ও নিরাপত্তা পরিষদও জাতিসংঘের অঙ্গ হলেও ২০২০ সালে এরা নোবেল পায়নি।
মনে রাখুন:
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সদর দপ্তর ইতালির রোমে।
২০১৯ সালের শান্তিতে নোবেল পান ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ।
২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পান বাংলাদেশের ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক। - ৬১. রাখাইনের পূর্বনাম কী?
- ক. রেঙ্গুন
- খ. আরাকান
- গ. কাচিন
- ঘ. শান
উত্তর: খ. আরাকান
মিয়ানমারের পশ্চিম উপকূলে বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেঁষে যে প্রদেশটি আছে, তার বর্তমান নাম রাখাইন (Rakhine)। এই অঞ্চলটি আগে আরাকান নামে পরিচিত ছিল। ইতিহাসে আরাকান এক সময় স্বাধীন রাজ্য ছিল এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের সঙ্গে এর যোগাযোগ ছিল নিবিড়। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যেও আরাকানের রাজসভার বিশেষ ভূমিকা আছে। বাকি অপশনগুলো আলাদা জায়গার নাম, রেঙ্গুন হলো ইয়াঙ্গুনের পুরোনো রূপ, আর কাচিন ও শান মিয়ানমারের অন্য দুটি রাজ্য।
মনে রাখুন:
রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিত্তে (আগের নাম আকিয়াব)।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মূলত এই রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী, যারা নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
মধ্যযুগের কবি আলাওল আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন। - ৬৩. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদরদপ্তর কোথায়?
- ক. রোম
- খ. প্যারিস
- গ. হেগ
- ঘ. জেনেভা
উত্তর: ঘ. জেনেভা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization, সংক্ষেপে WHO) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা সারা বিশ্বের জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে। সংস্থাটির গঠনতন্ত্র ১৯৪৬ সালে তৈরি হয় এবং ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এটি কার্যকর হয়। সেই কারণেই প্রতিবছর ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হয়। রোম, প্যারিস বা হেগ এই সংস্থার সদরদপ্তর নয়। রোমে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত অবস্থিত।
মনে রাখুন:
WHO-এর আঞ্চলিক দপ্তর ছয়টি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের দপ্তর ভারতের নয়াদিল্লিতে।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে WHO-এর সদস্য হয়।
জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) সদরদপ্তরও আছে।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৩৮. DVD-এর চেয়ে বেশি Data store করা যায় কোনটিতে?
- ক. CD Rom
- খ. Floppy
- গ. Blue Ray Disk
- ঘ. Red Ray Disk
উত্তর: গ. Blue Ray Disk
তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত অপটিক্যাল ডিস্কগুলো লেজার রশ্মি দিয়ে পড়া হয়। লেজার রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট হয়, ডিস্কে তত বেশি তথ্য রাখা যায়। ব্লু-রে ডিস্কে নীল-বেগুনি লেজার ব্যবহৃত হয়, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। তাই এতে সবচেয়ে বেশি তথ্য থাকে। একটি সাধারণ সিডিতে প্রায় ৭০০ মেগাবাইট ও ডিভিডিতে সাধারণত ৪.৭ গিগাবাইট (দুই স্তরে ৮.৫ গিগাবাইট) থাকে। ব্লু-রের এক স্তরে ২৫ গিগাবাইট, আর একাধিক স্তরে আরও অনেক বেশি তথ্য রাখা যায়। ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা মাত্র ১.৪৪ মেগাবাইট।
মনে রাখুন: Red Ray নামে কোনো ডিস্ক প্রচলিত নেই, রেড লেজার ব্যবহৃত হয় ডিভিডিতে। - ৬২. www (world wide web)-এর জনক কে?
- ক. বিল গেটস
- খ. স্টিভ জবস
- গ. টিম বার্নার্স লি
- ঘ. জেফ বেজোস
উত্তর: গ. টিম বার্নার্স লি
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) বা সংক্ষেপে www উদ্ভাবন করেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee)। তিনি তখন সুইজারল্যান্ডের পারমাণবিক গবেষণা সংস্থা সার্নে (CERN) কাজ করতেন। ১৯৮৯ সালে তিনি এর প্রস্তাব দেন এবং ১৯৯১ সালে এটি সবার জন্য উন্মুক্ত হয়। অন্য তিনজনের পরিচয় আলাদা। বিল গেটস মাইক্রোসফটের, স্টিভ জবস অ্যাপলের এবং জেফ বেজোস অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা।
মনে রাখুন:
ইন্টারনেট ও www এক জিনিস নয়। ইন্টারনেট হলো নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক, আর www হলো ইন্টারনেটের ওপর চলা তথ্যের ব্যবস্থা।
ওয়েব পাতা তৈরির ভাষা HTML এবং এ পাতা স্থানান্তরের প্রোটোকল HTTP। - ৬৬. কম্পিউটার মনিটরকে আরও বলা হয়—
- ক. DVU
- খ. UVD
- গ. VDU
- ঘ. CCTV
উত্তর: গ. VDU
কম্পিউটার মনিটর এমন একটি যন্ত্র, যা কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকৃত তথ্য আমাদের সামনে দৃশ্যমান আকারে দেখায়। একে ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিট (VDU) বলা হয়, কারণ এটি ছবি ও লেখা প্রদর্শন করে। মনিটর একটি আউটপুট ডিভাইস। পর্দার ছবি যত স্পষ্ট হয়, সেটি রেজোলিউশনের ওপর নির্ভর করে। রেজোলিউশন বেশি হলে পর্দা আরও পরিষ্কার দেখায়।
মনে রাখুন:
মনিটরের ছবির ক্ষুদ্রতম একককে পিক্সেল বলে।
পুরোনো মনিটর ছিল CRT প্রকারের, আধুনিক মনিটর LCD বা LED প্রকারের।
CCTV (Closed Circuit Television) নিরাপত্তা নজরদারির ক্যামেরা ব্যবস্থা, মনিটরের অন্য নাম নয়।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি): অন্যান্য পরীক্ষা
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) অফিস সহায়ক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন