বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী ও অন্যান্য পদ নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৫ জুলাই ২০২৪। ১২৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বিজ্ঞান
- ১. কোনো পরমাণুর চতুর্থ কক্ষের ইলেক্ট্রন সংখ্যা—
- ক. ৯টি
- খ. ১৬টি
- গ. ১৮টি
- ঘ. ৩২টি
উত্তর: ঘ. ৩২টি
কোনো পরমাণুর n-তম কক্ষপথে সর্বোচ্চ 2n² সংখ্যক ইলেকট্রন থাকতে পারে। চতুর্থ কক্ষের জন্য n = 4, তাই ইলেকট্রনের সর্বোচ্চ সংখ্যা 2 × 4² = 2 × 16 = 32। তাই উত্তর ৩২টি। ৯, ১৬ ও ১৮ এই সংখ্যাগুলো অন্য কক্ষের বা অন্য হিসাবের সঙ্গে মেলে, যেমন ১৮ হলো তৃতীয় কক্ষের সর্বোচ্চ সংখ্যা।
মনে রাখুন:
প্রথম কক্ষে সর্বোচ্চ 2টি, দ্বিতীয়তে 8টি এবং তৃতীয়তে 18টি ইলেকট্রন থাকতে পারে।
বাইরের কক্ষে সর্বোচ্চ 8টি ইলেকট্রন থাকলে পরমাণু স্থিতিশীল হয়। - ১১. ক্যান্সার চিকিৎসায় যে বিকিরণ ব্যবহার করা হয় তা হলো–
- ক. আলফা রেস (Alpha rays)
- খ. বিটা রেস (Beta rays)
- গ. গামা রেস (Gamma rays)
- ঘ. এক্স রেস (X-rays)
উত্তর: গ. গামা রেস (Gamma rays)
ক্যান্সারের রেডিওথেরাপিতে উচ্চশক্তির গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়। গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি, তাই এটি দেহের গভীরে থাকা টিউমারের ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে পারে। কোবাল্ট-60 এই কাজে ব্যবহৃত গামা উৎস। আলফা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা খুব কম, কাগজেই আটকে যায়, আর এক্স-রে সাধারণত ছবি তোলার কাজে লাগে।
মনে রাখুন:
ক্ষতিগ্রস্ত হাড় দেখতে এক্স-রে ব্যবহার হয়।
রেডিওথেরাপির সময় সুস্থ কোষের ক্ষতি যতটা সম্ভব কম রাখতে হয়। - ৮৬. কোনো বস্তুর উপর 6 kg ও 8 kg বল সমকোণে কাজ করলে তাদের লব্ধি কত হবে?
- ক. 10 kg
- খ. 5 kg
- গ. 7 kg
- ঘ. 12 kg
উত্তর: ক. 10 kg
একটি বিন্দুতে সমকোণে কাজ করা দুটি বলের লব্ধি পীথাগোরাসের উপপাদ্য দিয়ে পাওয়া যায়: R = √(P² + Q²)।
এখানে R = √(6² + 8²) = √(36 + 64) = √100 = 10 kg-wt।
6, 8, 10 একটি পীথাগোরীয় ত্রয়ী।
মনে রাখুন: সাধারণ সূত্র R = √(P² + Q² + 2PQ cosθ)। θ = 90° হলে cosθ = 0, তাই শেষ পদটি শূন্য হয়ে যায়।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ২. কোনটি Word Processing Software?
- ক. WordPerfect
- খ. WordPad
- গ. MS Word
- ঘ. উপরের সবগুলো
উত্তর: ঘ. উপরের সবগুলো
Word processing software দিয়ে লেখা তৈরি, সম্পাদনা ও সাজানো যায়। WordPerfect, WordPad এবং MS Word তিনটিই এই ধরনের সফটওয়্যার। তাই সবগুলোই সঠিক। MS Word মাইক্রোসফটের তৈরি সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসর, WordPad উইন্ডোজের সঙ্গে আসা সহজ ওয়ার্ড প্রসেসর।
মনে রাখুন:
Notepad সাধারণ টেক্সট এডিটর।
ওয়ার্ড প্রসেসরের ফাইল সাধারণত .docx এক্সটেনশনে সংরক্ষিত হয়। - ৩. কোনটি Operating System নয়?
- ক. C
- খ. DOS
- গ. Linux
- ঘ. Xenix
উত্তর: ক. C
Operating System হলো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণকারী মূল সফটওয়্যার। DOS, Linux ও Xenix তিনটিই অপারেটিং সিস্টেম। C একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, যা দিয়ে প্রোগ্রাম লেখা হয়। ডেনিস রিচি এটি তৈরি করেন।
মনে রাখুন:
জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম: Windows, macOS, Linux, Android, iOS।
ডেনিস রিচি ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরিতেও জড়িত ছিলেন। - ৪. নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
- ক. OMR
- খ. COM
- গ. Plotter
- ঘ. Monitor
উত্তর: ক. OMR
যে ডিভাইস দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ ঢোকানো হয়, তা ইনপুট ডিভাইস। OMR (Optical Mark Reader) উত্তরপত্রের বৃত্তের চিহ্ন পড়ে কম্পিউটারে তথ্য ঢোকায়, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস। প্লটার ও মনিটর আউটপুট ডিভাইস। COM (Computer Output Microfilm) তথ্যকে মাইক্রোফিল্মে আউটপুট দেয়।
মনে রাখুন:
ইনপুট ডিভাইস: কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OCR, MICR।
OMR মূলত MCQ পরীক্ষার উত্তরপত্র পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয়। - ৬. কোনটি Microsoft-এর প্রথম Program?
- ক. Windows XP
- খ. Windows 98
- গ. MS DOS
- ঘ. Windows 7
উত্তর: গ. MS DOS
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো মাইক্রোসফট প্রোডাক্ট MS-DOS (Disk Operating System), যা ১৯৮১ সালে আইবিএম পিসির জন্য প্রকাশিত হয়। এর পরে ১৯৮৫ সালে Windows 1.0 আসে, তারপর Windows 95, 98, XP ও 7। MS-DOS কমান্ড লিখে চালাতে হতো, আর Windows-এ ছবি ও মাউস দিয়ে কাজ করার সুবিধা এসেছে।
মনে রাখুন:
মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে বিল গেটস ও পল অ্যালেন দ্বারা।
প্রতিষ্ঠানটির প্রথম পণ্য ছিল Altair BASIC।
গণিত
- ৫. (1011)₂ + (0101)₂ = ?
- ক. (1100)₂
- খ. (11000)₂
- গ. (011100)₂
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
বাইনারি যোগের নিয়ম: 0 + 0 = 0, 0 + 1 = 1, 1 + 1 = 10 (লিখলে 0, হাতে 1)। (1011)₂ = 11 এবং (0101)₂ = 5, সুতরাং যোগফল 11 + 5 = 16।
16 কে বাইনারিতে লিখলে 16 = 1×2⁴ = (10000)₂। যাচাই: ডানদিক থেকে 1+1 = 0 (হাতে 1), 1+0+1 = 0 (হাতে 1), 0+1+1 = 0 (হাতে 1), 1+0+1 = 0 (হাতে 1), শেষে হাতের 1 বসে, তাই 10000।
বিকল্পগুলোর কোনোটিই এই মানের নয়: 1100 = 12, 11000 = 24, 011100 = 28।
মনে রাখুন: বাইনারিকে দশমিকে বদলাতে প্রতিটি অঙ্ককে 2-এর ঘাত দিয়ে গুণ করে যোগ করতে হয়।
বাংলাদেশ
- ৭. নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
- ক. অনুচ্ছেদ ২৩
- খ. অনুচ্ছেদ ২৪
- গ. অনুচ্ছেদ ২১
- ঘ. অনুচ্ছেদ ২২
উত্তর: ঘ. অনুচ্ছেদ ২২
সংবিধানের ২য় ভাগ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি নিয়ে। এর ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, রাষ্ট্র নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ নিশ্চিত করবে। অন্য অনুচ্ছেদগুলো আলাদা বিষয়ে: ২১ নং নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য, ২৩ নং জাতীয় সংস্কৃতি, আর ২৪ নং জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন।
মনে রাখুন: ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর বিচার বিভাগ কার্যত নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা হয়। - ১২. শেখ মুজিবুর রহমান রচনাবলি ১ম খণ্ড সম্পাদনা করেন–
- ক. আনোয়ার সৈয়দ হক
- খ. সেলিনা হোসেন
- গ. শেখ রেহানা
- ঘ. শেখ হাসিনা
উত্তর: ঘ. শেখ হাসিনা
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত শেখ মুজিবুর রহমান রচনাবলির প্রথম খণ্ডের সম্পাদনা করেছেন শেখ হাসিনা। এই খণ্ডে বঙ্গবন্ধুর তিনটি বিখ্যাত লেখা একসঙ্গে স্থান পেয়েছে: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ এবং ‘আমার দেখা নয়াচীন’।
মনে রাখুন:
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু জেলে থাকার সময় ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে খাতায় লিখেছিলেন। বই আকারে এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
‘কারাগারের রোজনামচা’ তাঁর জেলজীবনের দিনলিপি। - ১৩. 'তমদ্দুন মজলিশ' কী ধরনের সংগঠন?
- ক. রাজনৈতিক
- খ. সামাজিক
- গ. সাংস্কৃতিক
- ঘ. অর্থনৈতিক
উত্তর: গ. সাংস্কৃতিক
তমদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ সালে গঠিত একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেম। পাকিস্তান সৃষ্টির পরপরই এই সংগঠন বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলে ধরে। এ উদ্দেশ্যে তারা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু?’ নামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। সংগঠনটি রাজনৈতিক দল না হয়ে ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চাকেই মুখ্য কাজ হিসেবে নিয়েছিল।
মনে রাখুন:
১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠনেও তমদ্দুন মজলিস উদ্যোগী ছিল।
সংগঠনটি আন্দোলন শুরু করেছিল ১৯৪৭ সালে, অর্থাৎ ১৯৫২ সালের অনেক আগে। - ১৪. বাংলাদেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলার নাম কী?
- ক. যশোর
- খ. ঢাকা
- গ. কুমিল্লা
- ঘ. ময়মনসিংহ
উত্তর: ক. যশোর
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যশোর জেলা সবার আগে শত্রুমুক্ত হয়। দিনটি ছিল ৬ ডিসেম্বর। যশোর সেনানিবাস ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর একটি বড় ঘাঁটি, কিন্তু মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ আক্রমণের মুখে তারা সেখান থেকে সরে যায়। এর কিছুদিন পরেই অন্য জেলাগুলোও একে একে শত্রুমুক্ত হতে থাকে।
মনে রাখুন:
যশোরের পর ৭ ডিসেম্বর মাগুরা এবং ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ শত্রুমুক্ত হয়।
১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। - ১৮. বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়–
- ক. ফার্নেস ওয়েল
- খ. কয়লা
- গ. প্রাকৃতিক গ্যাস
- ঘ. ডিজেল
উত্তর: গ. প্রাকৃতিক গ্যাস
আমাদের দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় প্রাকৃতিক গ্যাস। দেশের বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাওয়া এই গ্যাস তুলনামূলক সস্তা বলে বেশির ভাগ বিদ্যুৎকেন্দ্র এর ওপর নির্ভর করে। গ্যাসের পরে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লা এবং তেলজাতীয় তরল জ্বালানির স্থান। জলবিদ্যুতের অংশ খুবই সামান্য।
মনে রাখুন:
দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে।
আমাদের দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পাবনার রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে। - ১৯. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের মেয়াদ–
- ক. ৩ বছর
- খ. ৪ বছর
- গ. ৫ বছর
- ঘ. ৬ বছর
উত্তর: গ. ৫ বছর
সংবিধানের ১১৮ থেকে ১২৬ অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশন নিয়ে লেখা। ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কয়েকজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে কমিশন গঠিত হয়। কমিশনারদের মেয়াদ কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর। রাষ্ট্রপতি তাঁদের নিয়োগ দেন।
মনে রাখুন:
প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাঁর পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রজাতন্ত্রের কোনো লাভজনক পদে নিয়োগ পান না।
নির্বাচন কমিশনার তাঁর কাজে স্বাধীন এবং শুধু সংবিধান ও আইনের অধীন। - ২০. পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন–
- ক. আবদুল মতিন
- খ. মওলানা ভাসানী
- গ. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর: গ. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে কুমিল্লার সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রথম দাবি তোলেন যে বাংলাকে গণপরিষদের অন্যতম ভাষা করতে হবে। তিনি ছিলেন গণপরিষদে বাংলার পক্ষে প্রথম কণ্ঠ। অন্যদের ভূমিকা আলাদা। আবদুল মতিন ভাষা আন্দোলনের একজন অগ্রণী নেতা, যিনি ‘ভাষা মতিন’ নামে পরিচিত। মওলানা ভাসানী ও শেখ মুজিবুর রহমানও আন্দোলনে ছিলেন, কিন্তু গণপরিষদে দাবিটি তোলেননি।
মনে রাখুন: ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত হন। - ২১. কোন দেশের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ তৈরি করেছে?
- ক. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- খ. ফ্রান্স
- গ. যুক্তরাজ্য
- ঘ. জার্মানি
উত্তর: খ. ফ্রান্স
বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ তৈরি করেছে ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস (Thales Alenia Space) নামের প্রতিষ্ঠান। উপগ্রহটি উৎক্ষেপণ করা হয় ২০১৮ সালের ১১ মে (যুক্তরাষ্ট্রের সময়), বাংলাদেশের সময় ১২ মে। এতে ব্যবহার করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেট। অর্থাৎ নির্মাতা ফ্রান্স হলেও উৎক্ষেপণকারী রকেটটি যুক্তরাষ্ট্রের।
মনে রাখুন:
উপগ্রহটি ভূ-স্থির কক্ষপথে ১১৯.১° পূর্ব দ্রাঘিমায় স্থাপিত।
এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নিজস্ব উপগ্রহ থাকা দেশগুলোর তালিকায় ৫৭তম দেশ হয়। - ২২. 'শিখা চিরন্তন' কোথায় অবস্থিত?
- ক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- খ. ঢাকা সেনানিবাস
- গ. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
- ঘ. চট্টগ্রাম সেনানিবাস
উত্তর: গ. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
শিখা চিরন্তন ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতিকে সব সময় জাগিয়ে রাখার জন্য এখানে একটি শিখা অনবরত জ্বলে। এটি ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ উদ্বোধন করা হয়। এই উদ্যানেই ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন, তাই জায়গাটির গুরুত্ব আরও বেশি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা সেনানিবাসে এই স্মৃতিস্তম্ভটি নেই।
মনে রাখুন: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আগের নাম রেসকোর্স ময়দান। - ২৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি উপাচার্য কে ছিলেন?
- ক. স্যার এ এফ রহমান
- খ. ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার
- গ. ড. মাহমুদ হাসান
- ঘ. বিচারপতি মুহাম্মদ ইব্রাহীম
উত্তর: ক. স্যার এ এফ রহমান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ ফিলিপ জোসেফ হার্টগ। তাঁর পরে স্যার এ এফ রহমান (আবদুর রহমান) প্রথম বাঙালি এবং প্রথম মুসলিম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি ১৯৩৪ সাল থেকে এই দায়িত্ব পালন করেন। তাই ‘প্রথম বাঙালি উপাচার্য’ প্রশ্নের উত্তর তিনি।
মনে রাখুন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই।
রমেশচন্দ্র মজুমদার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বিখ্যাত উপাচার্য ছিলেন, যিনি প্রখ্যাত ঐতিহাসিক। - ২৪. নিচের কোন সংস্থা 'মঙ্গল শোভাযাত্রা'-কে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে?
- ক. ইউনিসেফ
- খ. ইউনেস্কো
- গ. বাংলা একাডেমি
- ঘ. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট
উত্তর: খ. ইউনেস্কো
২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কো (UNESCO) ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’কে মানবজাতির অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (Intangible Cultural Heritage) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এই শোভাযাত্রা পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা বের করেন। এখন এর নাম ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’। বাংলা একাডেমি বা ইউনিসেফ এই স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়।
মনে রাখুন: ইউনেস্কো স্বীকৃত বাংলাদেশের অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে আছে বাউল গান, জামদানি বুনন ও ঢাকার রিকশা-চিত্র। - ২৫. কত সালে 'বঙ্গভঙ্গ রদ' করা হয়?
- ক. ১৯০৫
- খ. ১৯১১
- গ. ১৯১৯
- ঘ. ১৯০৬
উত্তর: খ. ১৯১১
১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বাংলাকে দুই ভাগ করেন, একে বঙ্গভঙ্গ বলে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের তীব্র আন্দোলন ও স্বদেশি আন্দোলন গড়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লি দরবারে রাজা পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ বাতিল করার ঘোষণা দেন। এটি কার্যকর হয় ১৯১২ সালে।
মনে রাখুন:
বঙ্গভঙ্গের ফলে ঢাকা পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী হয়েছিল।
১৯০৬ সালে ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। - ২৬. 'কান্তজিউ মন্দির' কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. ঢাকা
- খ. কুমিল্লা
- গ. খুলনা
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: ঘ. দিনাজপুর
কান্তজিউ মন্দির দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত। দিনাজপুর শহরের প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তরে কাহারোল উপজেলার কান্তনগর গ্রামে এটি রয়েছে। অষ্টাদশ শতকে দিনাজপুরের মহারাজা প্রাণনাথ এর নির্মাণ শুরু করেন এবং তাঁর পুত্র রামনাথ তা শেষ করেন। মন্দিরটি পোড়ামাটির নকশার জন্য বিখ্যাত। ঢাকা, কুমিল্লা বা খুলনায় এটি নেই।
মনে রাখুন: কুমিল্লার ঐতিহাসিক নিদর্শন হলো ময়নামতি, শালবন বিহার ও আনন্দ বিহার। - ২৭. 'জলঢাকা' কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. ঢাকা
- খ. ময়মনসিংহ
- গ. নীলফামারী
- ঘ. জামালপুর
উত্তর: গ. নীলফামারী
জলঢাকা নীলফামারী জেলার একটি উপজেলা। এর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে জলঢাকা নদী। নামের মিল দেখে অনেকে ঢাকা জেলার সঙ্গে ভুল করে, কিন্তু এর সঙ্গে ঢাকার কোনো সম্পর্ক নেই। ময়মনসিংহ বা জামালপুরেও এই নামে উপজেলা নেই।
মনে রাখুন:
নীলফামারী জেলা রংপুর বিভাগের অন্তর্গত।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত। - ২৮. 'গল্লামারী' কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. রংপুর
- খ. নাটোর
- গ. যশোর
- ঘ. খুলনা
উত্তর: ঘ. খুলনা
গল্লামারী খুলনা জেলার একটি স্থান। ১৯৭১ সালে এখানে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা বহু মানুষকে হত্যা করেছিল, এ কারণে এটি বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিত। এখানে এখন গল্লামারী স্মৃতিসৌধ রয়েছে।
মনে রাখুন: খুলনার আরেকটি বধ্যভূমি চুকনগর, যেটি ডুমুরিয়া উপজেলায়। এটিকে একসঙ্গে সর্বাধিক মানুষ হত্যার স্থান বলা হয়। - ২৯. প্রাচীনকালে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে 'অনুত্তর বঙ্গ' বলা হতো?
- ক. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলকে
- খ. উত্তর-পূর্ব অঞ্চলকে
- গ. দক্ষিণ বঙ্গকে
- ঘ. দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলকে
উত্তর: গ. দক্ষিণ বঙ্গকে
প্রাচীন বাংলা একক রাষ্ট্র ছিল না, বরং পুণ্ড্র, গৌড়, বঙ্গ, সমতট, হরিকেল প্রভৃতি জনপদে ভাগ করা ছিল। এর মধ্যে দক্ষিণ অঞ্চলকে ‘অনুত্তর বঙ্গ’ নামে ডাকা হতো। ‘অনুত্তর’ শব্দের অর্থ উত্তর নয়, অর্থাৎ দক্ষিণ। তাই দক্ষিণ বঙ্গই এখানে উত্তর।
মনে রাখুন:
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় দনুজমর্দন দেব চন্দ্রদ্বীপ নামে একটি স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
পুণ্ড্র জনপদ ছিল উত্তরবঙ্গে, যার কেন্দ্র ছিল পুণ্ড্রনগর (বগুড়ার মহাস্থানগড়)। - ৩০. বাংলাদেশে মেট্রোরেলের প্রথম চালকের নাম কী?
- ক. রহিমা সুলতানা
- খ. আব্দুল বাসিত
- গ. মরিয়ম আফিজা
- ঘ. খায়রুজ্জামান
উত্তর: গ. মরিয়ম আফিজা
বাংলাদেশের মেট্রোরেলের প্রথম নারী চালক মরিয়ম আফিজা। তিনি লক্ষ্মীপুরের মেয়ে। ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশে মেট্রোরেলের উদ্বোধনী যাত্রায় তিনি চালকের আসনে ছিলেন। এই পথে প্রথম পর্যায়ে মেট্রোরেল ঢাকার উত্তরা (দিয়াবাড়ি) থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলত।
মনে রাখুন:
ঢাকা মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশ চালু হয়। - ৩৩. বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়–
- ক. ১৯৭২ সালে
- খ. ১৯৭৩ সালে
- গ. ১৯৭৪ সালে
- ঘ. ১৯৭৫ সালে
উত্তর: খ. ১৯৭৩ সালে
স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। এতে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়ী হয়। ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর হলেও তখন সংসদ ছিল গণপরিষদের সদস্যদের নিয়ে গঠিত অস্থায়ী সংসদ। তাই সাধারণ নির্বাচন বলতে ১৯৭৩ সালকেই ধরা হয়।
মনে রাখুন:
দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় ১৯৭৯ সালে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি। - ৩৫. বাংলাদেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নাম কী?
- ক. ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
- খ. পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে
- গ. বাংলাদেশ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
- ঘ. ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে
উত্তর: ক. ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
বাংলাদেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নাম ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। এটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলা থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত গেছে। এর প্রধান উড়ালপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৯.৭৩ কিলোমিটার। এটি তৈরির উদ্দেশ্য ঢাকার যানজট কমানো এবং বিমানবন্দর থেকে শহরের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে দ্রুত যাতায়াত।
মনে রাখুন: পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে ঢাকার পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত, আর এটি প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নয়। - ৩৬. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ প্রান্তে কোন দেশ বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌ-বহর পাঠিয়েছিল?
- ক. ফ্রান্স
- খ. চীন
- গ. সোভিয়েত ইউনিয়ন
- ঘ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর: ঘ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে যখন পাকিস্তানের পরাজয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে আসে, তখন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে বঙ্গোপসাগরে নৌ-বহর পাঠায়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহর (Seventh Fleet), যার মধ্যে বিমানবাহী রণতরী এন্টারপ্রাইজ ছিল। তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন। জবাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভারত মহাসাগরে নিজেদের নৌবহর পাঠিয়ে সাহায্যের ইঙ্গিত দেয়।
মনে রাখুন:
সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো দিয়েছিল।
চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ছিল পাকিস্তানের সমর্থক। - ৪২. ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
- ক. ৭ ডিসেম্বর
- খ. ৮ ডিসেম্বর
- গ. ১১ ডিসেম্বর
- ঘ. ১২ ডিসেম্বর
উত্তর: ঘ. ১২ ডিসেম্বর
২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার অঙ্গীকার ঘোষণা করেছিল। সেই স্মরণে ১২ ডিসেম্বরকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালন করা হতো। ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বোঝানো হয় প্রযুক্তিনির্ভর সরকারি সেবা ও অর্থনীতি।
মনে রাখুন: ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প ঘোষণার সময় লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর দেশ গড়া। - ৪৫. হীরালাল সেন কেন বিখ্যাত?
- ক. কবি হিসেবে
- খ. গল্পকার হিসেবে
- গ. নাট্যকার হিসেবে
- ঘ. চলচ্চিত্রকার হিসেবে
উত্তর: ঘ. চলচ্চিত্রকার হিসেবে
হীরালাল সেন উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি ‘রয়্যাল বায়োস্কোপ কোম্পানি’ গড়ে তুলেছিলেন এবং কলকাতার থিয়েটারের মঞ্চনাটকের দৃশ্য চলচ্চিত্রে ধারণ করে দেখাতেন। তাঁর জন্ম মানিকগঞ্জের বগজুরী গ্রামে। তাই তিনি কবি, গল্পকার বা নাট্যকার নন, তিনি চলচ্চিত্রকার হিসেবেই বিখ্যাত।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ (১৯৫৬)।
উপমহাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য নির্বাক চলচ্চিত্র ‘রাজা হরিশচন্দ্র’ (১৯১৩), নির্মাতা দাদাসাহেব ফালকে। - ৪৬. 'আদি আবাদ' চিত্রকর্মটির শিল্পী–
- ক. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
- খ. শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমদ
- গ. শিল্পী এস এম সুলতান
- ঘ. শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী
উত্তর: গ. শিল্পী এস এম সুলতান
এস এম সুলতান (শেখ মোহাম্মদ সুলতান) বাংলাদেশের খ্যাতনামা চিত্রশিল্পী। তিনি গ্রামীণ কৃষক ও মাটির মানুষের ছবি আঁকতেন, যাঁদের শরীর বলিষ্ঠ ও পেশিবহুল। তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে আছে ‘প্রথম বৃক্ষরোপণ’, ‘চরদখল’, ‘জমি কর্ষণ’ ও ‘আদি আবাদ’। এই ছবিগুলোর বিষয় আবহমান বাংলার কৃষিজীবন।
মনে রাখুন:
এস এম সুলতান ‘লাল মিয়া’ নামেও পরিচিত, কারণ ডাকনাম ছিল লাল মিয়া। তিনি নড়াইলে থাকতেন।
জয়নুল আবেদীন আঁকেন ‘দুর্ভিক্ষ’ ও ‘সংগ্রাম’-এর মতো ছবি। - ৮৭. যমুনা সেতু নির্মাণে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের বালি ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. রাজশাহী
- খ. টাঙ্গাইল
- গ. গোমতী
- ঘ. সিলেট
উত্তর: ঘ. সিলেট
যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণে সিলেট অঞ্চলের বালি ব্যবহার করা হয়েছে। এই সেতু যমুনা নদীর ওপর টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে যুক্ত করেছে। ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন এটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
মনে রাখুন:
যমুনা সেতুর আনুষ্ঠানিক নাম বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতু।
এটি দেশের বৃহত্তম সেতুগুলোর একটি এবং এর ওপর দিয়ে রেলপথ, গ্যাস ও বিদ্যুতের লাইনও গেছে।
আন্তর্জাতিক
- ৮. দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত দেশকে বলা হয়–
- ক. স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র
- খ. নিরপেক্ষ রাষ্ট্র
- গ. বাফার রাষ্ট্র
- ঘ. জিরোসাম রাষ্ট্র
উত্তর: গ. বাফার রাষ্ট্র
দুটি বা তার বেশি শক্তিধর রাষ্ট্রের মাঝখানে থাকা ছোট দেশকে বাফার রাষ্ট্র (Buffer State) বলা হয়। শক্তিধর প্রতিবেশীদের সরাসরি সংঘর্ষ এড়াতে এই দেশটি যেন একটি দেয়ালের মতো কাজ করে। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা। যে দেশের কোনো সমুদ্রতটই নেই, সেটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। যুদ্ধে যে দেশ কোনো পক্ষ নেয় না, সেটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। আর জিরোসাম হলো একটি ধারণা, যেখানে একপক্ষের লাভ মানেই অন্য পক্ষের সমান ক্ষতি, এটি কোনো ধরনের রাষ্ট্র নয়।
মনে রাখুন:
নেপাল ও ভুটান ভারত ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত বলে এদের বাফার রাষ্ট্র বলা হয়।
ঐতিহাসিকভাবে আফগানিস্তান ব্রিটিশ ভারত ও রুশ সাম্রাজ্যের মাঝখানে বাফার রাষ্ট্র ছিল। - ৯. কোনটি জাতিসংঘের সহযোগী নয়?
- ক. ILO
- খ. WHO
- গ. ASEAN
- ঘ. উপরের সবগুলো
উত্তর: গ. ASEAN
ILO (International Labour Organization) ও WHO (World Health Organization) দুটিই জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা। ILO শ্রমিকের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে, আর WHO বিশ্বের মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে। কিন্তু ASEAN (Association of Southeast Asian Nations) জাতিসংঘের কোনো সংস্থা নয়। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর নিজেদের গড়া একটি আঞ্চলিক জোট। তাই এখানে ASEAN-ই উত্তর।
মনে রাখুন:
ILO-র সদর দপ্তর জেনেভায় এবং WHO-র সদর দপ্তরও জেনেভায়।
ASEAN-এর সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়। - ১০. অক্টোবর বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছেন–
- ক. কার্ল মার্কস
- খ. ভি.আই. লেনিন
- গ. ফ্রেডরিক এঙ্গেলস
- ঘ. মাও সেতুং
উত্তর: খ. ভি.আই. লেনিন
১৯১৭ সালে রাশিয়ায় জারের শাসন উৎখাত করে বলশেভিক দল ক্ষমতা নেয়। এই ঘটনাকে অক্টোবর বিপ্লব বলা হয়, কারণ তখন রাশিয়ায় প্রচলিত জুলিয়ান পঞ্জিকা অনুযায়ী ঘটনাটি অক্টোবর মাসে ঘটেছিল। বলশেভিকদের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন (ভি. আই. লেনিন)। কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিক এঙ্গেলস সাম্যবাদী তত্ত্বের জনক, তাঁরা এই বিপ্লবের আগেই মারা গিয়েছিলেন। আর মাও সেতুং চীনের সাম্যবাদী বিপ্লবের নেতা।
মনে রাখুন:
আমাদের চলতি গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকা অনুযায়ী বিপ্লবের দিনটি ছিল ৭ নভেম্বর।
বিপ্লবের পর লেনিন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম সরকারপ্রধান হন। - ১৫. বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
- ক. ১২৭তম
- খ. ১২৮তম
- গ. ১৩২তম
- ঘ. ১৩৬তম
উত্তর: ঘ. ১৩৬তম
বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশকে সদস্যপদ দেওয়া হয়। একই দিনে আরও দুটি দেশ সদস্য হয়: গ্রানাডা (১৩৭তম) এবং গিনি-বিসাউ (১৩৮তম)। সদস্য হওয়ার পথে চীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভেটো দিয়েছিল, কারণ তখনো পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি।
মনে রাখুন: বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন। - ১৬. 'ম্যাকাও' দ্বীপটি কোথায় অবস্থিত?
- ক. আরব সাগর
- খ. দক্ষিণ চীন সাগর
- গ. পীত সাগর
- ঘ. ভূমধ্যসাগর
উত্তর: খ. দক্ষিণ চীন সাগর
ম্যাকাও চীনের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত। এর পাশের সাগরটি হলো দক্ষিণ চীন সাগর। ১৫৫৭ সাল থেকে পর্তুগিজরা এই অঞ্চল শাসন করছিল। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে চারশো বছর পর ১৯৯৯ সালে পর্তুগাল ম্যাকাও চীনের কাছে হস্তান্তর করে। এখন ম্যাকাও চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল (Special Administrative Region)।
মনে রাখুন:
হংকং ১৯৯৭ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে চীনের হাতে আসে।
দুটি অঞ্চলই ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতিতে চলে। - ১৭. বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
- ক. যুক্তরাজ্য
- খ. স্পেন
- গ. পূর্ব জার্মানি
- ঘ. ইতালি
উত্তর: গ. পূর্ব জার্মানি
স্বাধীন বাংলাদেশকে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয় তখনকার পূর্ব জার্মানি (গণতান্ত্রিক জার্মান প্রজাতন্ত্র)। এটি ঘটেছিল ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে। এর পরে যুক্তরাজ্য, ইতালি ও স্পেনসহ পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো স্বীকৃতি দেয়। যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশকে সবার আগে স্বীকৃতি দেয় ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১), তার পরেই ভারত।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর ১৯৭২ সালের শুরুর দিকেই অনেক দেশ স্বীকৃতি দিতে থাকে। - ৩১. কোন দেশে 'কমলা বিপ্লব' সংঘটিত হয়েছিল?
- ক. ফ্রান্স
- খ. ইউক্রেন
- গ. থাইল্যান্ড
- ঘ. যুক্তরাজ্য
উত্তর: খ. ইউক্রেন
২০০৪ সালের নভেম্বরে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নামে। বিরোধী দলের সমর্থকরা কমলা রঙের পোশাক ও পতাকা ব্যবহার করত বলে এই আন্দোলনের নাম হয় কমলা বিপ্লব (Orange Revolution)। এর ফলে ওই নির্বাচন বাতিল হয় এবং নতুন করে নির্বাচন হয়।
মনে রাখুন:
জর্জিয়ার ২০০৩ সালের আন্দোলন গোলাপ বিপ্লব (Rose Revolution) নামে পরিচিত।
তিউনিসিয়ার ২০১০-১১ সালের আন্দোলনকে জুঁই বিপ্লব বলা হয়। - ৩২. 'আমি হিমালয় দেখিনি, আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি।' উক্তিটি করেন–
- ক. ফিদেল কাস্ত্রো
- খ. নেলসন ম্যান্ডেলা
- গ. মার্শাল টিটো
- ঘ. ইন্দিরা গান্ধী
উত্তর: ক. ফিদেল কাস্ত্রো
১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে দেখা হলে কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রো বলেছিলেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, কিন্তু আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি।’ এর মানে তিনি বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিত্বকে হিমালয়ের মতো বিশাল বলে প্রশংসা করেছিলেন।
মনে রাখুন: নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা, আর মার্শাল টিটো ছিলেন যুগোস্লাভিয়ার নেতা। - ৩৪. CEDAW সনদ কোন ধরনের অধিকারের দলিল?
- ক. শিক্ষা
- খ. শ্রম
- গ. শিশু অধিকার
- ঘ. নারী অধিকার
উত্তর: ঘ. নারী অধিকার
CEDAW-র পূর্ণরূপ Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women, অর্থাৎ নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ। এটি নারী অধিকারের আন্তর্জাতিক দলিল। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৭৯ সালে সনদটি গ্রহণ করে এবং ১৯৮১ সালে এটি কার্যকর হয়। একে নারী অধিকারের ‘আন্তর্জাতিক বিল’ও বলা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে এই সনদে অনুস্বাক্ষর করে, তবে কিছু ধারা সংরক্ষণ করে রেখেছিল।
শিশু অধিকারের দলিল হলো CRC (Convention on the Rights of the Child)। - ৩৭. বিদ্রোহী তাইগ্রেয়ান বাহিনী কোন দেশের?
- ক. সোমালিয়া
- খ. ইথিওপিয়া
- গ. সুদান
- ঘ. ঘানা
উত্তর: খ. ইথিওপিয়া
তাইগ্রে (Tigray) ইথিওপিয়ার উত্তরের একটি অঞ্চল। এখানকার শক্তিশালী রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন হলো তাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (TPLF)। ২০২০ সালের নভেম্বরে কেন্দ্রীয় সরকারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের ভয়াবহ সংঘর্ষ শুরু হয়। এই যুদ্ধ প্রায় দুই বছর চলে এবং ২০২২ সালের নভেম্বরে একটি শান্তিচুক্তির মাধ্যমে তার অবসান ঘটে। তাই বিদ্রোহী তাইগ্রেয়ান বাহিনী ইথিওপিয়ার।
মনে রাখুন:
ইথিওপিয়ার রাজধানী আদিস আবাবা, আর এখানেই আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর।
ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ ২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। - ৩৮. বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস কত তারিখে পালিত হয়?
- ক. ৫ ডিসেম্বর
- খ. ৬ ডিসেম্বর
- গ. ৭ ডিসেম্বর
- ঘ. ৮ ডিসেম্বর
উত্তর: ক. ৫ ডিসেম্বর
প্রতিবছর ৫ ডিসেম্বর বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস (World Soil Day) পালিত হয়। মাটির স্বাস্থ্য ও গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করাই এর উদ্দেশ্য। খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) প্রস্তাবটি তোলে, পরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দিনটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। ডিসেম্বরের ৫ তারিখটি বেছে নেওয়ার কারণ, এটি থাইল্যান্ডের রাজা ভূমিবল আদুল্যাদেজের জন্মদিন, যিনি মাটি রক্ষায় কাজ করেছিলেন।
মনে রাখুন:
FAO-র সদর দপ্তর ইতালির রোমে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ৫ জুন, আর মৃত্তিকা দিবস ৫ ডিসেম্বর, দুটিকে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। - ৩৯. আমাজন বন বিশ্বের কত শতাংশ অক্সিজেনের উৎস?
- ক. প্রায় ১০ শতাংশ
- খ. প্রায় ৩০ শতাংশ
- গ. প্রায় ২০ শতাংশ
- ঘ. প্রায় ৪০ শতাংশ
উত্তর: গ. প্রায় ২০ শতাংশ
দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন রেইনফরেস্ট পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বৃষ্টিবন। এর বিশাল গাছপালা প্রচুর কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নিয়ে অক্সিজেন ছাড়ে। তাই সাধারণভাবে বলা হয়, পৃথিবীর প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন এই বন থেকে আসে। এই কারণেই আমাজনকে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ বলা হয়। (বিজ্ঞানীরা অবশ্য বলেন, এই বনের নিজের তৈরি অক্সিজেনের বড় অংশ সেখানকার প্রাণী ও অণুজীবই ব্যবহার করে ফেলে, তবুও জলবায়ু ভারসাম্যে বনটির ভূমিকা অনেক বড়।)
মনে রাখুন:
আমাজন নদী ও বনের বেশির ভাগ অংশ ব্রাজিলে অবস্থিত।
পৃথিবীর বৃহত্তম নদী অববাহিকা হলো আমাজন অববাহিকা। - ৪০. 'বলিভার স্কয়ার' কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. কলম্বিয়া
- খ. বলিভিয়া
- গ. আর্জেন্টিনা
- ঘ. চিলি
উত্তর: ক. কলম্বিয়া
বলিভার স্কয়ার (Plaza de Bolívar) কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতায় অবস্থিত। দক্ষিণ আমেরিকার স্বাধীনতার নেতা সিমন বলিভারের নামে এই চত্বরের নাম, এবং মাঝখানে তাঁর ভাস্কর্য রয়েছে। চত্বরটিকে ঘিরে আছে কলম্বিয়ার জাতীয় ক্যাপিটল, প্রধান গির্জা ও বিচারবিভাগের ভবন। বলিভিয়া দেশটির নামও বলিভারের নাম থেকে এসেছে বলে অনেকে এখানে ভুল করে, কিন্তু চত্বরটি বলিভিয়ায় নয়।
মনে রাখুন:
সিমন বলিভারকে ‘দক্ষিণ আমেরিকার মুক্তিদাতা’ বলা হয়।
কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতা। - ৪১. ২০২০ সালে বুকার পুরস্কার কে পেয়েছেন?
- ক. পল মেডিজ
- খ. ডগলাস স্টুয়ার্ট
- গ. বেথ মরি
- ঘ. রবার্ট মোর
উত্তর: খ. ডগলাস স্টুয়ার্ট
২০২০ সালের ম্যান বুকার পুরস্কার পান স্কটিশ-মার্কিন লেখক ডগলাস স্টুয়ার্ট। তাঁর পুরস্কার জেতা উপন্যাসের নাম ‘শুগি বেইন’ (Shuggie Bain), যা স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোর দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা এক ছেলের গল্প। এটি তাঁর প্রথম উপন্যাস।
মনে রাখুন:
বুকার পুরস্কার ইংরেজি ভাষায় রচিত সেরা উপন্যাসকে দেওয়া হয়।
২০২৫ সালে এ পুরস্কার পান ডেভিড সালাই তাঁর ‘ফ্লেশ’ (Flesh) উপন্যাসের জন্য।
বাংলা
- ৪৩. 'দারিদ্র্য' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- ক. বিষের বাঁশী
- খ. সিন্ধু-হিন্দোল
- গ. সাম্যবাদী
- ঘ. নতুন চাঁদ
উত্তর: খ. সিন্ধু-হিন্দোল
‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘সিন্ধু-হিন্দোল’ (১৯২৭) কাব্যগ্রন্থের কবিতা। এর বিখ্যাত পঙ্ক্তি ‘হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান’। অন্য কাব্যগ্রন্থগুলোর কবিতা আলাদা। ‘নারী’ ও ‘মানুষ’ কবিতা ‘সাম্যবাদী’ (১৯২৫) থেকে নেওয়া, আর ‘বিষের বাঁশী’ (১৯২৪) ব্রিটিশবিরোধী গান ও কবিতার সংকলন।
মনে রাখুন: নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নি-বীণা’ (১৯২২)। - ৪৪. 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন–আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. সুফিয়া কামাল
- গ. জসীমউদ্দীন
- ঘ. জীবনানন্দ দাশ
উত্তর: ঘ. জীবনানন্দ দাশ
‘রূপসী বাংলা’ জীবনানন্দ দাশের লেখা কাব্যগ্রন্থ। এতে বাংলার নদী, মাঠ, পাখি ও প্রকৃতির মায়াময় ছবি আছে। কবির জীবদ্দশায় এটি ছাপা হয়নি, মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়। কবি এর নাম রেখেছিলেন ‘বাংলার ত্রস্ত নীলিমা’, পরে প্রকাশক এটির নাম দেন ‘রূপসী বাংলা’। এই কাব্যের জন্যই তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঝরা পালক’ (১৯২৭) এবং সবচেয়ে বিখ্যাত ‘বনলতা সেন’ (১৯৪২)।
জসীমউদ্দীনকে বলা হয় ‘পল্লিকবি’। - ৪৭. চর্যাপদ আবিষ্কার করেন–
- ক. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- খ. দীনেশচন্দ্র সেন
- গ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
- ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
চর্যাপদ বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন। ১৯০৭ সালে পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। পরে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে ছাপা হয়। এই পুঁথিটি ছিল বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত পদের সংকলন।
মনে রাখুন:
শহীদুল্লাহ ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় চর্যাপদের ভাষা ও ছন্দ নিয়ে গবেষণা করেছেন, কিন্তু আবিষ্কারক নন।
চর্যাপদের কবিদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা ও ভুসুকুপা বিখ্যাত। - ৪৮. অন্ধকার যুগের সাহিত্যিক নিদর্শন–
- ক. সেক শুভোদয়া
- খ. বৈষ্ণব পদাবলী
- গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
- ঘ. কালকেতু উপাখ্যান
উত্তর: ক. সেক শুভোদয়া
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত সময়কে অন্ধকার যুগ বলা হয়। এ সময় তুর্কি আক্রমণ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাংলা ভাষায় কোনো উল্লেখযোগ্য রচনা পাওয়া যায় না। এই যুগের নিদর্শন হিসেবে ধরা হয় হলায়ুধ মিশ্রের ‘সেক শুভোদয়া’, যা সংস্কৃত ভাষায় লেখা হলেও এতে কিছু বাংলা শব্দ ও ছড়া আছে। অন্য বিকল্পগুলো আরও পরের যুগের।
মনে রাখুন:
বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন।
রামাই পণ্ডিতের ‘শূন্যপুরাণ’কেও এই যুগের রচনা হিসেবে ধরা হয়। - ৪৯. ব্রজবুলি একটি–
- ক. কাব্য
- খ. নাটক
- গ. পুথি
- ঘ. ভাষা
উত্তর: ঘ. ভাষা
ব্রজবুলি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা, কাব্য, নাটক বা পুথি নয়। এটি মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে গড়ে উঠেছিল এবং ব্রজ অঞ্চলের হিন্দি ভাষার প্রভাবও এতে আছে। বৈষ্ণব কবিরা রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের পদ লেখার সময় এই মিশ্র ভাষা ব্যবহার করতেন। মৈথিলি কবি বিদ্যাপতিকে এই ভাষার প্রধান কবি ধরা হয়।
মনে রাখুন:
বিদ্যাপতির বিখ্যাত পদ: ‘এ সখি হামারি দুখের নাহি ওর’।
ব্রজবুলি ভাষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ রচনা করেছিলেন। - ৫০. বাংলা সাহিত্যে গদ্যের জনক–
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- ঘ. প্রমথ চৌধুরী
উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর আগে বাংলা গদ্য ছিল এলোমেলো ও যতিচিহ্নহীন। বিদ্যাসাগর বাক্য গঠনে শৃঙ্খলা আনেন, যতিচিহ্ন বসান এবং গদ্যকে সুন্দর ও সাবলীল করে তোলেন। বঙ্কিমচন্দ্রের ভূমিকা অন্য জায়গায়: তিনি সাহিত্যসম্রাট এবং বাংলা উপন্যাসের প্রতিষ্ঠাতা।
মনে রাখুন:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
প্রমথ চৌধুরী ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন। - ৫১. ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুণাকর' উপাধি কে দিয়েছিলেন?
- ক. কৃষ্ণচন্দ্র
- খ. ময়ূরভট্ট
- গ. রাজা গণেশ
- ঘ. দ্বিজ বংশীদাস
উত্তর: ক. কৃষ্ণচন্দ্র
ভারতচন্দ্র রায় মধ্যযুগের শেষ বড় কবি। তিনি নদিয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার কবি ছিলেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রই তাঁর কবিত্বে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দেন। ভারতচন্দ্রের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য ‘অন্নদামঙ্গল’।
মনে রাখুন:
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ পঙ্ক্তিটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের।
ভারতচন্দ্রের মৃত্যুর সঙ্গে মধ্যযুগের সমাপ্তি ধরা হয়। - ৫২. যুগসন্ধিক্ষণের কবি কে?
- ক. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. নবীনচন্দ্র সেন
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র এবং আধুনিক যুগের প্রথম কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মাঝামাঝি সময়ে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কাব্যে পুরোনো ও নতুন দুই যুগের ছাপ দেখা যায়। তাই তাঁকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
মনে রাখুন:
তিনি কবিওয়ালাদের শেষ প্রতিনিধি নামেও পরিচিত।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮১২ থেকে ১৮৫৯ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। - ৫৩. 'ভোরের পাখি' উপাধি খ্যাত কবি–
- ক. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. জীবনানন্দ দাশ
- ঘ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর: ঘ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
বিহারীলাল চক্রবর্তীকে বাংলা গীতিকবিতার জনক বলা হয়। তাঁর কবিতায় আত্মমগ্ন অনুভূতি ও ব্যক্তিগত আবেগ প্রকাশ পেয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলেছেন, কারণ আধুনিক গীতিকবিতার সকাল যেন তাঁর হাতেই শুরু হয়েছিল। তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘সারদামঙ্গল’।
মনে রাখুন: বিহারীলালের অন্যান্য রচনা: বঙ্গসুন্দরী, নিসর্গসন্দর্শন, বন্ধুবিয়োগ, প্রেমপ্রবাহিনী, সাধের আসন। - ৫৪. 'ইউসুফ-জোলেখা' কাব্যের অনুবাদক–
- ক. দৌলত উজির বাহরাম খাঁ
- খ. আলাওল
- গ. সৈয়দ সুলতান
- ঘ. শাহ মুহম্মদ সগীর
উত্তর: ঘ. শাহ মুহম্মদ সগীর
‘ইউসুফ-জোলেখা’ বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। এর রচয়িতা শাহ মুহম্মদ সগীর, যিনি বাংলার প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে স্বীকৃত। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের সময়ে ফারসি কাহিনি অবলম্বনে এটি রচনা করেন। এ কারণে প্রশ্নে তাঁকে অনুবাদক বলা হয়েছে।
মনে রাখুন:
এই কাব্যে নবী ইউসুফ ও জোলেখার প্রেমের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
আলাওলের বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’। - ৫৫. মীর মশাররফ হোসেনের নাটক–
- ক. বিষাদ সিন্ধু
- খ. জমিদার দর্পণ
- গ. কৃষ্ণকুমারী
- ঘ. পলাশীর যুদ্ধ
উত্তর: খ. জমিদার দর্পণ
মীর মশাররফ হোসেনের লেখা বিখ্যাত নাটক ‘জমিদার দর্পণ’ (১৮৭৩)। এতে তিনি জমিদারদের অত্যাচার ও প্রজাদের দুরবস্থার চিত্র এঁকেছেন। মীর মশাররফ হোসেন প্রথম মুসলমান নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক। বাকি বিকল্পগুলো আলাদা: ‘বিষাদ সিন্ধু’ তাঁর উপন্যাস, ‘কৃষ্ণকুমারী’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক, আর ‘পলাশীর যুদ্ধ’ নবীনচন্দ্র সেনের কাব্য।
মনে রাখুন: তাঁর অন্য নাটক: বসন্তকুমারী ও বেহুলা গীতাভিনয়। - ৫৬. 'আলালের ঘরের দুলাল' কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ক. ১৮৫০
- খ. ১৮৭০
- গ. ১৮৫৮
- ঘ. ১৮৯৯
উত্তর: গ. ১৮৫৮
প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। এর আগে লেখাটি ‘মাসিক পত্রিকা’-য় ধারাবাহিকভাবে বেরিয়েছিল। উপন্যাসটি লেখা হয়েছে চলিত ভাষার কাছাকাছি সহজ ভাষায়, যাকে ‘আলালী ভাষা’ বলা হয়। প্রধান চরিত্র মতিলাল, আর ঠকচাচা এর বিখ্যাত চরিত্র। অনেকে এটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস বলেন।
মনে রাখুন: প্যারীচাঁদ মিত্র ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে লিখতেন। - ৫৭. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ–
- ক. পদ্মরাগ
- খ. পদ্মাবতী
- গ. রাজা
- ঘ. আনোয়ারা
উত্তর: ক. পদ্মরাগ
‘পদ্মরাগ’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা উপন্যাস (১৯২৪)। এর নায়িকা সিদ্দিকা, যে নারীদের জন্য একটি আশ্রম গড়ে তোলে। অন্য তিনটি বইয়ের লেখক আলাদা: ‘পদ্মাবতী’ কবি আলাওলের কাব্য, ‘রাজা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক, আর ‘আনোয়ারা’ মোহাম্মদ নজিবর রহমানের উপন্যাস।
মনে রাখুন: রোকেয়ার অন্য বিখ্যাত বই: ‘সুলতানার স্বপ্ন’, ‘অবরোধবাসিনী’, ‘মতিচূর’। - ৫৮. মাইকেল মধুসূদন দত্ত-এর প্রহসন–
- ক. ভাই ভাই এইতো চাই
- খ. বিয়ে পাগলা বুড়ো
- গ. সধবার একাদশী
- ঘ. একেই কি বলে সভ্যতা
উত্তর: ঘ. একেই কি বলে সভ্যতা
‘একেই কি বলে সভ্যতা’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা প্রহসন, যা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। এতে ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত নব্য যুবকদের উচ্ছৃঙ্খল জীবন ও তথাকথিত ‘সভ্যতা’কে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। বাকি বইগুলো অন্য লেখকের: ‘সধবার একাদশী’ দীনবন্ধু মিত্রের প্রহসন, আর ‘বিয়ে পাগলা বুড়ো’-ও দীনবন্ধু মিত্রের।
মনে রাখুন: মধুসূদনের আরেকটি প্রহসন ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’। - ৫৯. বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস–
- ক. আলালের ঘরের দুলাল
- খ. দুর্গেশনন্দিনী
- গ. হুতোম প্যাঁচার নকশা
- ঘ. ঘরে বাইরে
উত্তর: খ. দুর্গেশনন্দিনী
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। এটি ইতিহাসের পটভূমিতে লেখা একটি রোমান্স। এর বিখ্যাত চরিত্র জগৎসিংহ, তিলোত্তমা ও আয়েশা। ‘আলালের ঘরের দুলাল’কে প্রথম বাংলা উপন্যাস বলা হয় বটে, কিন্তু সার্থক উপন্যাসের পূর্ণ রূপ প্রথম দেখা যায় দুর্গেশনন্দিনীতেই।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’ ১৯১৬ সালের উপন্যাস।
‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’র লেখক কালীপ্রসন্ন সিংহ। - ৬০. 'হা-ঘরে' অর্থ–
- ক. গৃহহীন
- খ. ঘরে থাকে না যে
- গ. গৃহে ঐশ্বর্য যার
- ঘ. অনেক গৃহের মালিক
উত্তর: ক. গৃহহীন
‘হা-ঘরে’ শব্দের অর্থ গৃহহীন, অর্থাৎ যার থাকার মতো ঘর নেই। এখানে ‘হা’ উপসর্গের মতো ব্যবহৃত হয়ে অভাব বা শূন্যতা বোঝায়। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা অর্থের: যার ঘরে ঐশ্বর্য আছে বা যার অনেক বাড়ি আছে, এমন মানুষকে ‘হা-ঘরে’ বলা যায় না।
মনে রাখুন: একই ধারার শব্দ ‘হা-ভাতে’, যার অর্থ ক্ষুধার্ত ও দরিদ্র। - ৬১. জসীমউদ্দীনের কোন গ্রন্থটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে?
- ক. রঙ্গিলা নায়ের মাঝি
- খ. রাখালী
- গ. নক্সী কাঁথার মাঠ
- ঘ. বালুচর
উত্তর: গ. নক্সী কাঁথার মাঠ
জসীমউদ্দীনের ‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ (১৯২৯) একটি আখ্যানকাব্য। এতে রূপাই ও সাজু নামে দুই গ্রামীণ তরুণ-তরুণীর করুণ প্রেমকাহিনি বর্ণিত হয়েছে। এই কাব্য ইংরেজিসহ আরও অনেক ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ইংরেজি অনুবাদের নাম ‘The Field of the Embroidered Quilt’।
মনে রাখুন:
জসীমউদ্দীনের অন্য কাব্য: সোজন বাদিয়ার ঘাট, রাখালী, বালুচর, ধানখেত।
তাঁকে বলা হয় ‘পল্লিকবি’। - ৬২. কবি সুকান্তের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- ক. মুন্সীগঞ্জ
- খ. মানিকগঞ্জ
- গ. বাকেরগঞ্জ
- ঘ. গোপালগঞ্জ
উত্তর: ঘ. গোপালগঞ্জ
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম কলকাতায় হলেও তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ায়। তিনি ছিলেন মার্কসবাদী ধারার কবি এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী লেখক। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে আছে ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’, ‘পূর্বাভাস’, ‘অভিযান’ ও ‘হরতাল’। তিনি ‘আকাল’ নামে একটি সংকলনও সম্পাদনা করেছিলেন।
মনে রাখুন: সুকান্ত খুব অল্প বয়সেই, মাত্র ২১ বছর বয়সে মারা যান। - ৬৩. রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থে গতিতত্ত্ব প্রকাশিত হয়েছে?
- ক. সোনার তরী
- খ. বলাকা
- গ. খেয়া
- ঘ. পূরবী
উত্তর: খ. বলাকা
রবীন্দ্রনাথের ‘বলাকা’ (১৯১৬) কাব্যগ্রন্থে গতিতত্ত্বের কথা বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এখানে কবি দেখিয়েছেন, বিশ্বজগৎ সব সময় চলছে, থামা মানেই মৃত্যু, আর গতিই জীবনের প্রাণ। ‘বলাকা’ শব্দের অর্থ বকের সারি। আকাশে উড়ে চলা পাখির ঝাঁকের ছবি দিয়েই কবি এই গতির ভাবনা প্রকাশ করেছেন।
মনে রাখুন:
‘সবুজের অভিযান’ ও ‘শা-জাহান’ এই কাব্যের পরিচিত কবিতা।
এই কাব্যে মুক্তক ছন্দের ব্যবহার দেখা যায়। - ৬৪. জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ–
- ক. ক্রন্দসী
- খ. মাটির দেয়াল
- গ. বেলা অবেলা কালবেলা
- ঘ. চোরাবালি
উত্তর: গ. বেলা অবেলা কালবেলা
‘বেলা অবেলা কালবেলা’ জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মৃত্যুর পরে ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয়। অন্য তিনটি বিকল্প জীবনানন্দের কাব্যগ্রন্থের তালিকায় পড়ে না। জীবনানন্দের কাব্যগুলোর নাম একসঙ্গে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে সহজে ভুল বিকল্প বাদ দেওয়া যায়।
মনে রাখুন: জীবনানন্দের উল্লেখযোগ্য কাব্য: ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির। - ৬৫. 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. অক্ষয়কুমার দত্ত
- গ. দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. সুধীন দত্ত
উত্তর: ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
‘বঙ্গদর্শন’ বাংলা ভাষার বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা, যা ১৮৭২ সালে প্রকাশ শুরু হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘আনন্দমঠ’ এই পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল, আর ‘বন্দে মাতরম’ গানটি এই উপন্যাসেরই অংশ। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
মনে রাখুন: ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাস বই আকারে ১৮৮২ সালে বের হয়। - ৬৬. স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস–
- ক. শেষের কবিতা
- খ. রাজর্ষি
- গ. চোখের বালি
- ঘ. ঘরে বাইরে
উত্তর: ঘ. ঘরে বাইরে
‘ঘরে বাইরে’ (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক উপন্যাস, যার পটভূমি স্বদেশি আন্দোলন। এতে তিনটি প্রধান চরিত্র: নিখিলেশ, তাঁর স্ত্রী বিমলা এবং স্বদেশি নেতা সন্দীপ। উপন্যাসটি প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ‘শেষের কবিতা’ প্রেমের উপন্যাস, ‘রাজর্ষি’ ঐতিহাসিক উপন্যাস এবং ‘চোখের বালি’ সামাজিক উপন্যাস।
মনে রাখুন: ১৯৮৪ সালে সত্যজিৎ রায় ‘ঘরে বাইরে’ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। - ৬৭. 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়–
- ক. ১৯১০ সালে
- খ. ১৯১২ সালে
- গ. ১৯১৪ সালে
- ঘ. ১৯১৬ সালে
উত্তর: গ. ১৯১৪ সালে
‘সবুজপত্র’ প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাটি বাংলা গদ্যে সাধু ভাষার জায়গায় চলিত ভাষার ব্যবহার জনপ্রিয় করে তোলে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকায় লিখেছেন, তাঁর ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাস এখানেই বের হয়েছিল।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ‘বীরবল’।
‘বীরবলী ভাষা’ বলতে তাঁর চলিত গদ্যরীতিকে বোঝানো হয়। - ৬৮. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা কোনটি?
- ক. নৌকাডুবি
- খ. চাঁদের অমাবস্যা
- গ. বিষবৃক্ষ
- ঘ. মৃত্যুক্ষুধা
উত্তর: গ. বিষবৃক্ষ
‘বিষবৃক্ষ’ (১৮৭৩) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সামাজিক উপন্যাস। এর প্রধান চরিত্র নগেন্দ্রনাথ, কুন্দনন্দিনী ও সূর্যমুখী। বাকি বিকল্পগুলো অন্য লেখকের: ‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের, ‘চাঁদের অমাবস্যা’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর এবং ‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস।
মনে রাখুন: বঙ্কিমের আরও কিছু উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা, আনন্দমঠ, কৃষ্ণকান্তের উইল। - ৬৯. 'কল্লোল' সাহিত্য পত্রিকাটির সম্পাদক কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. দীনেশরঞ্জন দাশ
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. রাজেন্দ্রলাল মিত্র
উত্তর: খ. দীনেশরঞ্জন দাশ
‘কল্লোল’ ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা। এর সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব থেকে সরে আসার চেষ্টা করা তরুণ লেখকদের একটি দল গড়ে ওঠে, যাঁদের ‘কল্লোল যুগ’-এর লেখক বলা হয়। পত্রিকাটি টিকেছিল সাত বছর।
মনে রাখুন: কল্লোল যুগের লেখকদের মধ্যে ছিলেন জীবনানন্দ দাশ, বুদ্ধদেব বসু ও প্রেমেন্দ্র মিত্র। - ৭০. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়?
- ক. চিত্রা
- খ. বিসর্জন
- গ. সঞ্চিতা
- ঘ. রাজা
উত্তর: গ. সঞ্চিতা
‘সঞ্চিতা’ কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গানের নির্বাচিত সংকলন, যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি এটি রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেছিলেন। অন্য তিনটি বই রবীন্দ্রনাথেরই: ‘চিত্রা’ কাব্যগ্রন্থ, ‘বিসর্জন’ ও ‘রাজা’ নাটক।
মনে রাখুন: রবীন্দ্রনাথের ‘সোনার তরী’, ‘চিত্রা’ ও ‘মানসী’ তাঁর প্রথম দিকের গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ। - ৭১. কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- ক. ব্যথার দান
- খ. মৃত্যুক্ষুধা
- গ. রিক্তের বেদন
- ঘ. শিউলিমালা
উত্তর: খ. মৃত্যুক্ষুধা
‘মৃত্যুক্ষুধা’ (১৯৩০) কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস। তাঁর অন্য দুটি উপন্যাস ‘বাঁধনহারা’ ও ‘কুহেলিকা’। বাকি তিনটি বিকল্প উপন্যাস নয়, গল্পগ্রন্থ: ‘ব্যথার দান’, ‘রিক্তের বেদন’ ও ‘শিউলিমালা’।
মনে রাখুন: ‘বাঁধনহারা’ নজরুলের প্রথম উপন্যাস, যা পত্রাকারে লেখা। - ৭২. 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাসটি কার রচিত?
- ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- গ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘ. অন্নদাশঙ্কর রায়
উত্তর: ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ (১৯৩৬) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস। এতে গ্রামের মানুষের জীবন ও তাদের ভাগ্যকে পুতুলের নাচের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। মানিকের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘পদ্মানদীর মাঝি’।
মনে রাখুন:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জননী’, ‘দিবারাত্রির কাব্য’ ও ‘শহরতলী’ও পরিচিত।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘গণদেবতা’ ও ‘আরোগ্য নিকেতন’। - ৭৩. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
- ক. কীতদাসের হাসি
- খ. সারেং বউ
- গ. হাঙর নদী গ্রেনেড
- ঘ. কাশবনের কন্যা
উত্তর: গ. হাঙর নদী গ্রেনেড
‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ (১৯৭৬) সেলিনা হোসেনের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এতে মুক্তিযুদ্ধের সময় গ্রামের সাধারণ মানুষের সংগ্রামের ছবি আছে। বাকি বিকল্পগুলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়: ‘ক্রীতদাসের হাসি’ শওকত ওসমানের রূপকধর্মী উপন্যাস, ‘সারেং বউ’ শহীদুল্লা কায়সারের, আর ‘কাশবনের কন্যা’ শামসুদ্দীন আবুল কালামের।
মনে রাখুন: সেলিনা হোসেনের অন্যান্য রচনা: ‘যুদ্ধ’, ‘কাঠকয়লার ছবি’, ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’। - ৭৪. 'কাঁদো নদী কাঁদো'-এর রচয়িতা কে?
- ক. নীলিমা ইব্রাহিম
- খ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
- গ. আবু ইসহাক
- ঘ. আবদুল্লাহ আল মামুন
উত্তর: খ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
‘কাঁদো নদী কাঁদো’ (১৯৬৮) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস। এতে চেতনাপ্রবাহ রীতির ব্যবহার দেখা যায়, আর প্রধান চরিত্র মুহাম্মদ মুস্তফা। এই লেখকের আরও দুটি পরিচিত উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮) এবং ‘চাঁদের অমাবস্যা’। আবু ইসহাকের উপন্যাস ‘সূর্য-দীঘল বাড়ি’।
মনে রাখুন: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ বাংলাদেশের মাজারকেন্দ্রিক ধর্মীয় শোষণের চিত্র। - ৭৫. শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস–
- ক. অরণ্য নীলিমা
- খ. মুক্তি
- গ. অরণ্য গোধূলি
- ঘ. জাহান্নাম হইতে বিদায়
উত্তর: ঘ. জাহান্নাম হইতে বিদায়
‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ শওকত ওসমানের উপন্যাস, যা ১৯৭১ সালে লেখা হয়। এটিকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস বলা হয়। তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে আছে ‘ক্রীতদাসের হাসি’, ‘জননী’ ও ‘দুই সৈনিক’। বাকি বিকল্পগুলো তাঁর উপন্যাসের তালিকায় নেই।
মনে রাখুন: ‘ক্রীতদাসের হাসি’ শওকত ওসমানের রূপক উপন্যাস। - ৭৬. কাব্যনাট্য কোনটি?
- ক. ইবলিশ
- খ. এখনও ক্রীতদাস
- গ. জন্তিস ও বিবিধ বেলুন
- ঘ. নূরলদীনের সারাজীবন
উত্তর: ঘ. নূরলদীনের সারাজীবন
‘নূরলদীনের সারাজীবন’ (১৯৮২) সৈয়দ শামসুল হকের লেখা কাব্যনাট্য। এর বিষয় অষ্টাদশ শতকের শেষে রংপুরের কৃষকদের ইংরেজ ও জমিদার-বিরোধী বিদ্রোহ, যার নেতা ছিলেন নূরলদীন। অন্য বিকল্পগুলো কাব্যনাট্য নয়।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি কাব্যনাট্য ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’।
কাব্যনাট্য বলতে কবিতার ছন্দে লেখা নাটক বোঝায়। - ৭৭. 'বন্দী শিবির থেকে' কার লেখা?
- ক. নির্মলেন্দু গুণ
- খ. শামসুর রাহমান
- গ. মহাদেব সাহা
- ঘ. সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর: খ. শামসুর রাহমান
‘বন্দী শিবির থেকে’ (১৯৭২) শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি দেশের ভেতরেই ছিলেন, ফলে কবিতাগুলোতে তখনকার ভয়, বেদনা ও সংগ্রামের অভিজ্ঞতা ফুটে উঠেছে। নির্মলেন্দু গুণ, মহাদেব সাহা ও সৈয়দ আলী আহসানও কবি, কিন্তু এই কাব্য তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০)।
‘স্বাধীনতা তুমি’ তাঁর বিখ্যাত কবিতা। - ৭৮. ‘যৈবতী কন্যার মন’ কার লেখা?
- ক. সৈয়দ শামসুল হক
- খ. আবদুল্লাহ আল মামুন
- গ. সেলিম আল দীন
- ঘ. রামেন্দ্র মজুমদার
উত্তর: গ. সেলিম আল দীন
‘যৈবতী কন্যার মন’ (১৯৯৩) সেলিম আল দীনের নাটক। তিনি বাংলা নাটকে দেশজ লোকনাট্যের ধারা ও আখ্যান-রীতিকে নতুন করে ফিরিয়ে এনেছিলেন। অন্য বিকল্পের নাট্যকারদের পরিচয় আলাদা: সৈয়দ শামসুল হক কাব্যনাট্যের জন্য, আর আবদুল্লাহ আল মামুন ও রামেন্দ্র মজুমদার নিজস্ব নাট্যধারার জন্য পরিচিত।
মনে রাখুন: সেলিম আল দীনের অন্যান্য পরিচিত নাটক ‘কিত্তনখোলা’, ‘কেরামতমঙ্গল’, ‘চাকা’ ও ‘হাতহদাই’। - ৭৯. 'খেয়াপারের তরণী' কবিতার কবি কে?
- ক. গোলাম মোস্তফা
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. কায়কোবাদ
- ঘ. ফররুখ আহমেদ
উত্তর: খ. কাজী নজরুল ইসলাম
‘খেয়াপারের তরণী’ কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা। এটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নি-বীণা’র (১৯২২) অন্তর্গত। এখানে ‘খেয়া’ শব্দের অর্থ নদী বা জলপথ পার করার নৌকা, আর কবিতায় এটি মুক্তির প্রতীক। অন্য কবিদের মধ্যে কায়কোবাদের পরিচিতি ‘মহাশ্মশান’ কাব্যে, আর ফররুখ আহমদের ‘সাত সাগরের মাঝি’-তে।
মনে রাখুন: অগ্নি-বীণার আরেকটি বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’। - ৮০. ভাষার কোন রীতি তদ্ভব শব্দবহুল?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. সাধুরীতি
- খ. চলিত রীতি
- গ. কথ্যরীতি
- ঘ. বানানরীতি
উত্তর: খ. চলিত রীতি
চলিত রীতিতে তদ্ভব, অর্থাৎ প্রাকৃতের মধ্য দিয়ে আসা সংস্কৃতজাত শব্দ, এবং দেশি শব্দ বেশি থাকে। এই রীতিতে ক্রিয়া ও সর্বনাম সংক্ষিপ্ত রূপে লেখা হয়, যেমন ‘করিতেছি’র জায়গায় ‘করছি’। এই কারণে কথাবার্তা, নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় এই রীতি স্বাভাবিক লাগে। সাধু রীতিতে তৎসম শব্দ বেশি থাকে।
মনে রাখুন:
সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পূর্ণ রূপে লেখা হয়, যেমন ‘করিতেছে’, ‘তাহার’।
প্রমথ চৌধুরী ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতির প্রচলন ঘটান। - ৮১. ব্যাকরণের কোন অংশে 'কারক' আলোচনা করা হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
- ক. ধ্বনিতত্ত্বে
- খ. অর্থতত্ত্বে
- গ. বাক্যতত্ত্বে
- ঘ. রূপতত্ত্বে
উত্তর: ঘ. রূপতত্ত্বে
ব্যাকরণ মূলত চারটি ভাগে আলোচিত হয়: ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব। শব্দের গঠন ও রূপের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা হয় রূপতত্ত্বে, আর কারক ও বিভক্তি এই অংশের বিষয়। কারক হলো বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে অন্য নামপদের সম্পর্ক, এবং এই সম্পর্ক বোঝাতে শব্দে বিভক্তি যুক্ত হয়।
মনে রাখুন: রূপতত্ত্বের অন্যান্য বিষয়: শব্দ, লিঙ্গ, বচন, সমাস, উপসর্গ, প্রত্যয়, ধাতু ও ক্রিয়ার কাল। - ৮২. বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি?
- ক. পাঁচটি
- খ. ছয়টি
- গ. আটটি
- ঘ. দশটি
উত্তর: খ. ছয়টি
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বেশির ভাগ বর্ণের ওপরে একটি মাত্রা বা দাগ থাকে। কিন্তু ছয়টি বর্ণে মাত্রা থাকে না: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ ও ঁ। তাই ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ছয়। স্বরবর্ণের মধ্যেও কয়েকটি মাত্রাহীন বর্ণ আছে, তবে এই প্রশ্ন শুধু ব্যঞ্জনবর্ণ নিয়ে।
মনে রাখুন: বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি (অনুস্বার, বিসর্গ, চন্দ্রবিন্দু সহ) এবং স্বরবর্ণ ১১টি। - ৮৩. কোনটি নাসিক্য ধ্বনি?
- ক. ম
- খ. জ
- গ. ল
- ঘ. প
উত্তর: ক. ম
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস মুখের ভেতরে বাধা পেয়ে মুখ ও নাক, দুই পথ দিয়ে বেরিয়ে আসে, তাকে নাসিক্য ধ্বনি বলা হয়। বাংলায় নাসিক্য ধ্বনি ঙ, ঞ, ণ, ন ও ম। এখানে বিকল্পের মধ্যে একমাত্র ‘ম’ নাসিক্য। ‘জ’ ও ‘প’ স্পর্শ ধ্বনি এবং ‘ল’ পার্শ্বিক ধ্বনি।
মনে রাখুন:
পার্শ্বিক ধ্বনি: ল।
কম্পনজাত বা তাড়নজাত ধ্বনি: র, ড়, ঢ়। - ৮৪. 'রেস্তোরাঁ' কোন ভাষার শব্দ?
- ক. ওলন্দাজ
- খ. জাপানি
- গ. ফরাসি
- ঘ. ইংরেজি
উত্তর: গ. ফরাসি
‘রেস্তোরাঁ’ শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ফরাসি ভাষার শব্দ আমাদের ভাষায় ইউরোপীয় সংস্কৃতির যোগাযোগের ফলে ঢুকেছে। ইংরেজি বা ওলন্দাজ ভাষার শব্দের মতো এগুলোও বাংলার বিদেশি শব্দের অংশ।
মনে রাখুন: ফরাসি শব্দের আরও উদাহরণ: কুপন, ডিপো, কার্তুজ, ক্যাফে, রেনেসাঁ, আঁতাত। - ৮৫. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. শ্বাশত
- খ. শ্বাশ্বত
- গ. শাশত
- ঘ. শাশ্বত
উত্তর: ঘ. শাশ্বত
শুদ্ধ বানান ‘শাশ্বত’, যার অর্থ চিরন্তন বা অনন্তকাল স্থায়ী। শব্দটি এসেছে সংস্কৃত শশ্বৎ থেকে, তাই এতে ‘শ’ ও ‘শ্ব’ আছে। অন্য বিকল্পগুলো ভুল: শ্বাশত, শ্বাশ্বত, শাশত।
মনে রাখুন: আরও শুদ্ধ বানান: শ্মশান, শ্বশুর, শ্বাপদ, শ্মশ্রু।
ইংরেজি
- ৮৮. 'He was rather a disagreeable man.' The word 'disagreeable' in the above sentence is a/an–
- ক. verb
- খ. noun
- গ. adjective
- ঘ. adverb
উত্তর: গ. adjective
‘He was rather a disagreeable man’ বাক্যে disagreeable শব্দটি man নামের noun-কে বর্ণনা করছে, তাই এটি adjective। Adjective যে শব্দের গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, সেই noun বা pronoun-এর আগে বা পরে বসে। এখানে disagreeable মানে অপ্রীতিকর, রুক্ষ বা বিরক্তিকর। শব্দটি কোনো কাজ বোঝায় না বলে verb নয়, আবার কোনো ক্রিয়ার বিশেষণ নয় বলে adverb-ও নয়।
মনে রাখুন: Disagreeable-এর বিপরীত শব্দ agreeable (মনোরম, মিশুক)। - ৮৯. Choose the correct spelling :
- ক. repetition
- খ. repetation
- গ. repeatition
- ঘ. repeatation
উত্তর: ক. repetition
শুদ্ধ বানান repetition, যার অর্থ পুনরাবৃত্তি। শব্দটি এসেছে repeat থেকে, কিন্তু -tion যুক্ত হওয়ার সময় ‘repeat’-এর ‘ea’ বদলে ‘e’ হয়ে যায়, তাই ‘repeatition’ ভুল। বাকি তিনটি বানানও ভুল।
মনে রাখুন: Repeat (verb) থেকে repetitive (adjective) এবং repeatedly (adverb) হয়। - ৯০. The word 'mean' can be used only as–
- ক. a verb
- খ. a verb and a noun
- গ. a verb, a noun and an adjective
- ঘ. a verb, an adjective and an adverb
উত্তর: গ. a verb, a noun and an adjective
Mean শব্দটি তিনটি ভিন্ন part of speech হিসেবে ব্যবহৃত হয়। Verb হিসেবে এর অর্থ বোঝানো, যেমন What does this word mean? Noun হিসেবে অর্থ গড় বা মধ্যবর্তী মান, যেমন The mean score is 75. Adjective হিসেবে অর্থ কৃপণ বা নীচ, যেমন He is a mean person. তাই এটি verb, noun ও adjective তিনটি রূপেই ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন: Means (plural noun) মানে উপায় বা সম্পদ, আর meaning মানে অর্থ। - ৯১. Identify the word which is spelt correctly :
- ক. diarrhoea
- খ. tuberkulosis
- গ. dysentry
- ঘ. neumonia
উত্তর: ক. diarrhoea
শুদ্ধ বানান diarrhoea, যার অর্থ উদরাময় বা পাতলা পায়খানা। অন্য বিকল্পগুলোর শুদ্ধ রূপ হলো tuberculosis (যক্ষ্মা), dysentery (আমাশয়) এবং pneumonia (নিউমোনিয়া বা ফুসফুসের প্রদাহ)। রোগের নামের এই বানানগুলো গ্রিক বা ল্যাটিন মূল থেকে এসেছে বলে উচ্চারণ ও বানান মেলে না, তাই আলাদা করে মনে রাখতে হয়।
মনে রাখুন: আমেরিকান ইংরেজিতে diarrhoea-র বানান diarrhea। - ৯২. Identify the adjective form of the word 'comply':
- ক. compliment
- খ. compliant
- গ. complement
- ঘ. compliance
উত্তর: খ. compliant
Comply মানে মেনে চলা। এর adjective রূপ compliant, যার অর্থ অনুগত বা নিয়ম মেনে চলে এমন। Compliance এর noun রূপ, অর্থ নিয়ম মান্য করা। Compliment মানে প্রশংসা আর complement মানে পরিপূরক, এ দুটি আলাদা শব্দ।
মনে রাখুন: Comply with a rule মানে কোনো নিয়ম মেনে চলা। - ৯৩. When we alleviate something, we make it—.
- ক. less severe
- খ. a lot better
- গ. very unpleasant
- ঘ. more accurate
উত্তর: ক. less severe
Alleviate মানে কষ্ট, ব্যথা বা সমস্যাকে কমানো বা হালকা করা। তাই কিছু alleviate করলে সেটি less severe, অর্থাৎ কম তীব্র হয়ে যায়। যেমন: The medicine alleviated his pain. বাকি বিকল্পগুলো অর্থের দিক থেকে মেলে না, কারণ alleviate কোনো কিছুকে সম্পূর্ণ ভালো বা আরও খারাপ করে না, শুধু তীব্রতা কমায়।
মনে রাখুন: Alleviate-এর সমার্থক শব্দ relieve, ease ও mitigate। - ৯৪. A procrastinator is one who—.
- ক. settles difficult disputes
- খ. delays or postpones actions
- গ. initiates an artistic movements
- ঘ. propagates a new idea
উত্তর: খ. delays or postpones actions
Procrastinator হলো এমন মানুষ, যে কাজ করতে দেরি করে বা কাজ পিছিয়ে দেয়। শব্দটি এসেছে procrastinate (গড়িমসি করা) ক্রিয়া থেকে। বাকি অর্থগুলো অন্য শব্দের: কঠিন বিবাদ মেটানো ব্যক্তি mediator, কোনো শিল্পধারা শুরু করা ব্যক্তি pioneer, আর নতুন ধারণা ছড়ানো ব্যক্তি propagator।
মনে রাখুন: একটি প্রবাদ আছে, Procrastination is the thief of time, অর্থাৎ গড়িমসি সময় চুরি করে। - ৯৫. A palaeontologist is a person who studies–
- ক. the Stone Age
- খ. fossils
- গ. rock formations
- ঘ. pollen grains in flowers
উত্তর: খ. fossils
Palaeontologist (বা paleontologist) হলেন জীবাশ্ম, অর্থাৎ fossils নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞানী। প্রাচীনকালে মরে যাওয়া প্রাণী ও উদ্ভিদের যেসব চিহ্ন পাথরে পাওয়া যায়, তা পরীক্ষা করে তাঁরা পৃথিবীর অতীত জীবনের কথা জানান। পাথরের গঠন নিয়ে যিনি কাজ করেন তিনি geologist, আর পরাগরেণু নিয়ে যিনি কাজ করেন তিনি palynologist।
মনে রাখুন: যিনি প্রাচীন মানব সভ্যতার নিদর্শন খুঁড়ে জানার চেষ্টা করেন তিনি archaeologist (প্রত্নতত্ত্ববিদ)। - ৯৬. What is meant by the word 'ditto'?
- ক. that is
- খ. for example
- গ. as before
- ঘ. and the others
উত্তর: গ. as before
Ditto শব্দের অর্থ ‘as before’, অর্থাৎ আগে যা বলা হয়েছে, তাই আবার। তালিকা বা হিসাবের খাতায় একই কথা বারবার লেখার বদলে ditto (সংক্ষেপে ‘do.’) লিখে দেওয়া হয়। বাকি বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘that is’ বোঝাতে i.e., ‘for example’ বোঝাতে e.g. এবং ‘and the others’ বোঝাতে etc. লেখা হয়।
মনে রাখুন: Ditto marks (〃) হলো ওপরের লাইনের মতোই বোঝানোর চিহ্ন। - ৯৭. 'The German' refers to–
- ক. The German society
- খ. The German people
- গ. The German language
- ঘ. The German territory
উত্তর: খ. The German people
কোনো জাতির নামের আগে ‘the’ বসালে সাধারণত সেই জাতির সব মানুষকে বোঝানো হয়। তাই ‘The German’ বলতে জার্মান জনগণকে বোঝায়। একইভাবে The English মানে ইংরেজ জাতি, The French মানে ফরাসিরা। ভাষা বোঝাতে সাধারণত শুধু German শব্দটি the ছাড়া লেখা হয়, যেমন She speaks German.
মনে রাখুন: The poor, the rich-এর মতো ‘the + adjective’ রূপও বহুবচনের মানুষ বোঝায়। - ৯৮. A stage on which people stand to make speeches is called a-
- ক. dais
- খ. dias
- গ. daias
- ঘ. deis
উত্তর: ক. dais
Dais শব্দের অর্থ বক্তৃতা বা অনুষ্ঠানের জন্য উঁচু করে বানানো মঞ্চ বা বেদি। এর বানান d-a-i-s। বাকি তিনটি বানান ভুল। উচ্চারণ ‘ডেইস’।
মনে রাখুন: Podium মানে বক্তার দাঁড়ানোর ছোট উঁচু বেদি বা মঞ্চ, আর rostrum-ও প্রায় একই অর্থে বোঝায়। - ৯৯. 'My father is a down to earth man.'– Here the expression 'down to earth' means–
- ক. angry and insensitive
- খ. undecisive and cruel
- গ. sad and pathetic
- ঘ. sensible and practical
উত্তর: ঘ. sensible and practical
Down to earth বাগধারার অর্থ বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন, সহজ-সরল ও ব্যবহারিক মনোভাবের। যে মানুষ আকাশকুসুম কল্পনায় ভাসে না, বরং বাস্তবের সঙ্গে পা মিলিয়ে চলে, তাকে down to earth বলা যায়। তাই sensible and practical সঠিক। বাকি বিকল্পগুলো, যেমন রাগী ও অনুভূতিহীন বা দুঃখী, এর অর্থ নয়।
মনে রাখুন: Head in the clouds বাগধারাটি এর বিপরীত, যার অর্থ কল্পনায় বিভোর, বাস্তববোধহীন। - ১০০. Which word has nearly the same meaning as 'grave'?
- ক. vague
- খ. vicious
- গ. serious
- ঘ. gloomy
উত্তর: গ. serious
Grave শব্দটি adjective হিসেবে অর্থ গুরুতর বা গম্ভীর। যেমন: a grave mistake মানে গুরুতর ভুল। তাই এর সবচেয়ে কাছের অর্থ serious। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: vague মানে অস্পষ্ট, vicious মানে হিংস্র বা বিদ্বেষপূর্ণ, gloomy মানে বিষণ্ণ বা অন্ধকারাচ্ছন্ন।
মনে রাখুন: Grave noun হিসেবে কবর বোঝায়। - ১০১. A synonym for 'vigilant' is—.
- ক. watchful
- খ. careful
- গ. mindful
- ঘ. wakeful
উত্তর: ক. watchful
Vigilant মানে সতর্ক, যে মানুষ বিপদ বা গোলমালের দিকে সজাগ নজর রাখে। এর সবচেয়ে কাছের সমার্থক শব্দ watchful। Careful মানে যত্নশীল, mindful মানে সচেতন, আর wakeful মানে ঘুম আসে না এমন বা জেগে থাকা, তাই এগুলো ঠিক এক অর্থ নয়।
মনে রাখুন: Vigilance-এর অর্থ সতর্কতা, আর vigilante মানে যে নিজের হাতে আইন তুলে নেয়। - ১০২. Pick the word that is synonymous with 'modesty' :
- ক. timidity
- খ. humility
- গ. docility
- ঘ. simplicity
উত্তর: খ. humility
Modesty মানে বিনয় বা নম্রতা, অর্থাৎ নিজের গুণ নিয়ে অহংকার না করা। এর সবচেয়ে কাছের সমার্থক শব্দ humility। Timidity মানে ভীরুতা, docility মানে বাধ্যতা বা শান্ত স্বভাব, আর simplicity মানে সরলতা, তাই এগুলোর অর্থ আলাদা।
মনে রাখুন: Modesty-র বিপরীত শব্দ arrogance বা vanity (অহংকার)। - ১০৩. Choose the correct antonym for 'despicable' :
- ক. admirable
- খ. reputable
- গ. tolerable
- ঘ. formidable
উত্তর: ক. admirable
Despicable মানে ঘৃণা করার মতো, অর্থাৎ অত্যন্ত নীচ। এর বিপরীত শব্দ admirable, যার অর্থ প্রশংসার যোগ্য। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ: reputable মানে সুনামসম্পন্ন, tolerable মানে সহনীয়, আর formidable মানে ভয়ংকর বা প্রবল। এগুলোর কোনোটিই নীচতার সরাসরি বিপরীত অর্থ বহন করে না।
মনে রাখুন: Despicable-এর সমার্থক শব্দ contemptible ও vile। - ১০৪. Which word means the opposite of 'hate'?
- ক. abhor
- খ. admire
- গ. loathe
- ঘ. detest
উত্তর: খ. admire
Hate মানে ঘৃণা করা। এর বিপরীত অর্থ admire (প্রশংসা করা, ভালো লাগা)। Abhor, loathe এবং detest তিনটির অর্থই অত্যন্ত ঘৃণা করা, তাই এগুলো hate-এর সমার্থক, বিপরীত নয়।
মনে রাখুন: Hate-এর সরাসরি বিপরীত শব্দ love। প্রশ্নের বিকল্পে love নেই বলে admire সঠিক। - ১০৫. Which one of the following is in plural form?
- ক. syllabus
- খ. curriculum
- গ. bacteria
- ঘ. appendix
উত্তর: গ. bacteria
Bacteria একটি plural form, এর singular হলো bacterium। বাকি তিনটি শব্দ singular: syllabus-এর plural syllabi, curriculum-এর plural curricula এবং appendix-এর plural appendices। এই শব্দগুলো লাতিন থেকে এসেছে বলে এদের plural নিয়ম সাধারণ নিয়ম থেকে আলাদা।
মনে রাখুন:
Crisis-এর plural crises।
Phenomenon-এর plural phenomena।
Medium-এর plural media। - ১০৬. 'Neither she nor her brother — present yesterday.' Choose the correct word to fill in the blank :
- ক. is
- খ. was
- গ. were
- ঘ. are
উত্তর: খ. was
Neither … nor দিয়ে দুটি subject যুক্ত হলে verb দ্বিতীয় subject অনুযায়ী বসে। এখানে দ্বিতীয় subject her brother, যা singular, আর yesterday শব্দে অতীত কাল বোঝায়। তাই verb হবে was। বাক্যটি দাঁড়ায়: Neither she nor her brother was present yesterday. Is বা are বর্তমান কালের, আর were বহুবচনের জন্য, তাই এগুলো এখানে মেলে না।
মনে রাখুন: Either … or এবং not only … but also-এর ক্ষেত্রেও verb নিকটতম subject অনুসারে হয়। - ১০৭. Which one of the following is not a common gender noun?
- ক. comrade
- খ. dancer
- গ. spinster
- ঘ. sibling
উত্তর: গ. spinster
Common gender noun এমন শব্দ, যা পুরুষ ও নারী দুজনকেই বোঝাতে পারে। Comrade, dancer ও sibling এই ধরনের শব্দ, কারণ এগুলো দিয়ে নারী-পুরুষ যে কাউকে বোঝানো যায়। কিন্তু spinster শব্দটি শুধু অবিবাহিতা নারীকে বোঝায়, তাই এটি feminine gender।
মনে রাখুন: Spinster-এর পুংলিঙ্গ bachelor (অবিবাহিত পুরুষ)। - ১০৮. Fill in the blank : 'He always goes to school — foot.'
- ক. with
- খ. over
- গ. by
- ঘ. on
উত্তর: ঘ. on
‘পায়ে হেঁটে’ বোঝাতে ইংরেজিতে on foot বলা হয়, তাই সঠিক বাক্য: He always goes to school on foot। যানবাহনে যাওয়া বোঝাতে সাধারণত by বসে, যেমন by bus, by train। কিন্তু foot কোনো যানবাহন নয়, তাই এখানে by foot বসে না।
মনে রাখুন: On foot ছাড়াও on horseback (ঘোড়ায় চড়ে) বলা হয়, কিন্তু by car, by bus-এ by বসে। - ১০৯. 'He has been unwell — last Monday.' Choose the appropriate preposition to fill in the blank :
- ক. from
- খ. over
- গ. by
- ঘ. since
উত্তর: ঘ. since
Since শব্দটি কোনো ঘটনার শুরুর নির্দিষ্ট সময়বিন্দু বোঝাতে বসে এবং সাধারণত present perfect বা present perfect continuous tense-এর সঙ্গে ব্যবহার হয়। এখানে last Monday একটি নির্দিষ্ট সময়, তাই since সঠিক। সময়ের পরিমাণ বোঝাতে for বসে, যেমন for three days।
মনে রাখুন:
Since + নির্দিষ্ট সময়: since 2020, since morning।
For + সময়ের পরিমাণ: for two hours, for a week। - ১১০. Fill in the blank : 'Professor Anisuzzaman was a scholar — repute.'
- ক. of
- খ. with
- গ. for
- ঘ. in
উত্তর: ক. of
Scholar of repute একটি স্থির প্রকাশ, যার অর্থ সুখ্যাতিসম্পন্ন পণ্ডিত। ‘repute’ শব্দের মানে সুনাম বা খ্যাতি। ‘A man of repute’, ‘a scholar of repute’ এভাবেই preposition ‘of’ বসে। With, for বা in বসালে এই স্বীকৃত প্রকাশটি পাওয়া যায় না।
মনে রাখুন: Man of letters মানে সাহিত্যিক, আর man of means মানে বিত্তবান ব্যক্তি। - ১১১. 'Whenever you go, you can always find beauty.' The sentence above is a–
- ক. Complex sentence
- খ. Compound sentence
- গ. Simple sentence
- ঘ. Compound-Complex sentence
উত্তর: ক. Complex sentence
Complex sentence-এ একটি independent (প্রধান) clause এবং অন্তত একটি dependent (অধীন) clause থাকে। এই বাক্যে ‘Whenever you go’ একটি dependent clause, কারণ এটি নিজে পূর্ণ অর্থ দেয় না। আর ‘you can always find beauty’ independent clause। দুটি clause মিলে বাক্যটি complex sentence হয়েছে। Compound হলে দুটি স্বাধীন clause সংযোজক দিয়ে যুক্ত থাকত।
মনে রাখুন: Whenever, although, because, if, when এ ধরনের subordinating conjunction দিয়ে dependent clause শুরু হয়। - ১১২. Change the narration : She asked me, "Are you happy with your life?"
- ক. She asked me if I am happy with my life.
- খ. She asked me if I was happy with my life.
- গ. She asked me if I had been happy with my life.
- ঘ. She asked me if I were happy with my life.
উত্তর: খ. She asked me if I was happy with my life.
Yes/No প্রশ্নকে (যার উত্তর হ্যাঁ বা না) indirect speech-এ বদলাতে reporting verb asked বসে এবং if বা whether দিয়ে reported অংশ শুরু হয়। Reporting verb অতীত কালের (asked) হলে reported অংশের present tense বদলে past tense হয়ে যায়। তাই Are you happy হয়ে যায় I was happy। আর you বদলে I হয়, কারণ you আসলে প্রশ্নকর্তা যাঁকে বলছেন, সেই ব্যক্তি, অর্থাৎ me। বাক্যটি দাঁড়ায়: She asked me if I was happy with my life.
মনে রাখুন: প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) indirect speech-এ বাদ যায়। - ১১৩. Identify the correct passive form of the sentence : "Who will do the work?"
- ক. Whom the work will be done?
- খ. By whom will the work be done?
- গ. Who the work will be done by?
- ঘ. By who the work will be done?
উত্তর: খ. By whom will the work be done?
Active voice-এর Who will do the work? বাক্যটিকে passive করলে ‘Who’ বদলে ‘By whom’ হয়, কারণ passive-এ কর্তা by-এর পরে বসে এবং object-form ‘whom’ লাগে। Active-এর will do হয়ে passive-এ will be done। তাই শুদ্ধ রূপ: By whom will the work be done?
মনে রাখুন: Will/shall থাকলে passive-এ will be/shall be + past participle বসে। - ১১৪. The idiom 'right away' means–
- ক. without delay
- খ. on the far right
- গ. very obviously
- ঘ. without legal claim
উত্তর: ক. without delay
Right away বাগধারার অর্থ তখনই বা বিলম্ব না করে। যেমন: Please come right away। তাই without delay সঠিক। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ ভিন্ন: on the far right মানে একেবারে ডানদিকে, very obviously মানে স্পষ্টভাবে।
মনে রাখুন: Right away-এর সমার্থক প্রকাশ at once, immediately ও straight away। - ১১৫. 'I don't know how she puts up with him.' Here 'puts up with' means–
- ক. agrees with
- খ. manages
- গ. argues with
- ঘ. tolerates
উত্তর: ঘ. tolerates
Put up with একটি phrasal verb, যার অর্থ সহ্য করা বা মেনে নেওয়া। যেমন: I cannot put up with his rude behaviour. তাই বাক্যটির অর্থ ‘আমি জানি না সে কীভাবে ওকে সহ্য করে’। সঠিক উত্তর tolerates। Agrees with বা argues with অর্থ মেলে না, কারণ বাক্যে সহ্য করার কষ্টের কথা বলা হচ্ছে।
মনে রাখুন:
Put up (থাকা বা মাথা তোলা) এবং put off (পিছিয়ে দেওয়া) আলাদা অর্থ বহন করে। - ১১৬. Fill in the blank : 'As a professional, you must — the latest developments in your field.'
- ক. get along with
- খ. put up for
- গ. keep up with
- ঘ. take up on
উত্তর: গ. keep up with
Keep up with কথাটির অর্থ সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা বা সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবগত থাকা। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: একজন পেশাজীবী হিসেবে নিজের ক্ষেত্রের সর্বশেষ অগ্রগতির সঙ্গে তোমাকে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। Get along with মানে মিলেমিশে চলা, আর বাকি দুটি এখানে অর্থহীন।
মনে রাখুন: Keep up with the times মানে যুগের সঙ্গে তাল মেলানো। - ১১৭. Fill in the blank : 'Would you mind — the accounts one more time?'
- ক. for checking
- খ. to check
- গ. checking
- ঘ. check
উত্তর: গ. checking
Would you mind-এর পরে সব সময় verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত হয়, কারণ mind-এর পর gerund (verb + ing) বসে। তাই সঠিক বাক্য: Would you mind checking the accounts one more time? এখানে to check বা check বসবে না। For checking-ও ভুল, কারণ mind-এর পরে preposition বসে না।
মনে রাখুন: Enjoy, avoid, finish, suggest ও mind-এর পরেও verb + ing বসে। - ১১৮. Finish the sentence : 'I look forward to—.'
- ক. hear from you soon
- খ. hearing from you soon
- গ. have heard you soon
- ঘ. see you soon
উত্তর: খ. hearing from you soon
Look forward to বাক্যাংশে to একটি preposition, তাই এর পরে verb থাকলে তা -ing রূপে (gerund) বসে। সঠিক বাক্য: I look forward to hearing from you soon. অন্য বিকল্পগুলোতে to-এর পর verb-এর মূল রূপ বা অন্য ভুল রূপ আছে।
মনে রাখুন: একই নিয়মে used to, be accustomed to, object to, with a view to-র পরেও verb + ing বসে। - ১১৯. Fill in the blank : 'Our world is facing a/an — environmental crisis that needs to be — as soon as possible.'
- ক. unprecedented, addressed
- খ. acute, prolonged
- গ. severe, solidified
- ঘ. major, jeopardized
উত্তর: ক. unprecedented, addressed
বাক্যটির অর্থ ‘পৃথিবী একটি অভূতপূর্ব পরিবেশগত সংকটের মুখোমুখি, যা যত দ্রুত সম্ভব মোকাবিলা করা দরকার’। Unprecedented মানে যার আগে কোনো নজির নেই, আর address করা মানে কোনো সমস্যার সমাধানে মনোযোগ দেওয়া। বাকি জোড়াগুলো বাক্যে মানায় না: prolonged মানে দীর্ঘায়িত, solidified মানে শক্ত করা, আর jeopardized মানে ঝুঁকিতে ফেলা।
মনে রাখুন: Unprecedented-এর আগে precedent (নজির) শব্দটি আছে। - ১২০. Identify the correct sentence :
- ক. I do not know what is his plan.
- খ. I do not know what his plan is.
- গ. I do not know what is his plan?
- ঘ. I do not know what plan his is.
উত্তর: খ. I do not know what his plan is.
কোনো প্রশ্নবোধক শব্দ (wh-word) যখন বাক্যের মাঝখানে বসে অন্য বাক্যের অংশ হয়ে যায়, তখন আর প্রশ্নের মতো ক্রম থাকে না। তখন ক্রম হয় wh-word + subject + verb। তাই ‘What is his plan?’ প্রশ্নটি অন্য বাক্যের ভেতরে এলে হয় ‘I do not know what his plan is.’ এখানে প্রশ্নবোধক চিহ্নও লাগে না।
মনে রাখুন: একইভাবে Where is he? হয়ে যায় I wonder where he is. - ১২১. The poem 'The Solitary Reaper' is written by–
- ক. William Blake
- খ. William Shakespeare
- গ. William Congreve
- ঘ. William Wordsworth
উত্তর: ঘ. William Wordsworth
‘The Solitary Reaper’ ইংরেজ রোম্যান্টিক কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের কবিতা। একজন স্কটিশ কৃষক-নারীকে মাঠে ফসল কাটতে কাটতে গান গাইতে শুনে কবি এই কবিতা লিখেছিলেন। উইলিয়াম ব্লেকের বিখ্যাত বই Songs of Innocence and Experience, আর উইলিয়াম কনগ্রিভের বিখ্যাত নাটক The Way of the World। শেক্সপিয়র নাটকের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখুন:
ওয়ার্ডসওয়ার্থের অন্য বিখ্যাত রচনা: Daffodils, Tintern Abbey, The Prelude।
কোলরিজের সঙ্গে মিলে তিনি Lyrical Ballads (১৭৯৮) রচনা করেন। - ১২২. 'Jane Eyre' written by–
- ক. Jane Austen
- খ. Emily Bronte
- গ. Charlotte Bronte
- ঘ. Virginia Woolf
উত্তর: গ. Charlotte Bronte
‘Jane Eyre’ (১৮৪৭) শার্লট ব্রন্টির উপন্যাস। এতে এক অনাথ মেয়ে জেন আয়ারের সংগ্রাম ও আত্মমর্যাদার গল্প বলা হয়েছে। শার্লটের বোন এমিলি ব্রন্টি লিখেছেন Wuthering Heights, আর জেন অস্টেনের বিখ্যাত বই Pride and Prejudice ও Emma। ভার্জিনিয়া উলফ আধুনিক যুগের লেখিকা।
মনে রাখুন:
শার্লট ব্রন্টি প্রথমে Currer Bell ছদ্মনামে লিখতেন।
ব্রন্টি তিন বোন: শার্লট, এমিলি ও অ্যান। - ১২৩. In which poem does the following line appear? 'If winter comes, can spring be far behind?'
- ক. Ode to the West Wind
- খ. To a Skylark
- গ. Ode to Autumn
- ঘ. Ode to a Nightingale
উত্তর: ক. Ode to the West Wind
‘If winter comes, can spring be far behind?’ লাইনটি পার্সি বিশি শেলির ‘Ode to the West Wind’ কবিতার শেষ চরণ। এখানে কবি আশা প্রকাশ করেছেন, শীতের পর যেমন বসন্ত আসে, তেমনই দুঃখের পর সুখের দিনও আসবে। শেলির ‘To a Skylark’ নামে আরেকটি বিখ্যাত কবিতা আছে, তবে এই লাইনটি তাতে নেই। ‘Ode to Autumn’ ও ‘Ode to a Nightingale’ জন কিটসের কবিতা।
মনে রাখুন: শেলির বিখ্যাত রচনা: Prometheus Unbound, Adonais। - ১২৪. Who is the author of novel '1984'?
- ক. H.G. Wells
- খ. Arthur C. Clarke
- গ. Issac Asimov
- ঘ. George Orwell
উত্তর: ঘ. George Orwell
‘1984’ উপন্যাসের লেখক জর্জ অরওয়েল। তাঁর আসল নাম এরিক আর্থার ব্লেয়ার, আর তিনি ভারতের মতিহারিতে জন্মেছিলেন। উপন্যাসটি একটি কল্পিত স্বৈরাচারী রাষ্ট্রের কাহিনি, যেখানে ‘বিগ ব্রাদার’ সবার ওপর নজর রাখে। এইচ. জি. ওয়েলস ও আর্থার সি. ক্লার্ক বিজ্ঞান-কল্পকাহিনির লেখক, আর আইজাক আসিমভও তা-ই।
মনে রাখুন: অরওয়েলের আরেকটি বিখ্যাত রচনা Animal Farm। - ১২৫. Which novel is not written by Jane Austen?
- ক. Emma
- খ. Sense and Sensibility
- গ. Persuasion
- ঘ. Little Women
উত্তর: ঘ. Little Women
Emma, Sense and Sensibility এবং Persuasion তিনটিই জেন অস্টেনের উপন্যাস। কিন্তু ‘Little Women’ (১৮৬৮) লিখেছেন মার্কিন লেখিকা লুইসা মে অ্যালকট। তাই এটিই অস্টেনের নয়। উপন্যাসটি চার বোনের বেড়ে ওঠার গল্প।
মনে রাখুন: জেন অস্টেনের অন্য বিখ্যাত বই: Pride and Prejudice, Mansfield Park, Northanger Abbey। - ১২৬. 'A rose by any other name would smell as sweet' is a famous phrase from William Shakespeare's–
- ক. A Midsummer Night's Dream
- খ. Romeo and Juliet
- গ. Antony and Cleopatra
- ঘ. Twelfth Night
উত্তর: খ. Romeo and Juliet
‘A rose by any other name would smell as sweet’ লাইনটি শেক্সপিয়রের ট্র্যাজেডি ‘Romeo and Juliet’-এর। জুলিয়েট এখানে বলতে চান, নামে কিছু আসে যায় না। গোলাপকে অন্য যে নামেই ডাকা হোক, তার সুগন্ধ একই থাকবে। রোমিও মন্টেগু আর জুলিয়েট ক্যাপুলেট, দুই শত্রু পরিবারের সন্তান, তাই নামই তাদের মিলনের বাধা।
মনে রাখুন: শেক্সপিয়রের চার মহান ট্র্যাজেডি: Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth। - ১২৭. Which of the followings is not a play written by William Shakespeare?
- ক. Macbeth
- খ. Pride and Prejudice
- গ. King Lear
- ঘ. The Tempest
উত্তর: খ. Pride and Prejudice
Macbeth, King Lear ও The Tempest তিনটিই শেক্সপিয়রের নাটক। কিন্তু ‘Pride and Prejudice’ (১৮১৩) জেন অস্টেনের উপন্যাস, নাটক নয়। তাই প্রশ্নের উত্তর এটিই।
মনে রাখুন:
Macbeth ও King Lear ট্র্যাজেডি।
The Tempest শেক্সপিয়রের শেষ দিকের রোমান্স-ধরনের নাটক।
বাংলাদেশ রেলওয়ে: অন্যান্য পরীক্ষা
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ রেলওয়ে সহকারী স্টেশন মাস্টার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬
- বাংলাদেশ রেলওয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টেশন মাস্টার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বাংলাদেশ রেলওয়ে ওয়েম্যান নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বাংলাদেশ রেলওয়ে খালাসী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকেট কালেক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাংলাদেশ রেলওয়ে ওয়েম্যান নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- বাংলাদেশ রেলওয়ে (রেলপথ মন্ত্রণালয়) কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাংলাদেশ রেলওয়ে (রেলপথ মন্ত্রণালয়) অফিস সহায়ক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন