লিয়ানা বুকস

বিসিক চিফ অডিটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ১২ জুন ২০২১। ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. মহাকবি আলাওল রচিত কাব্য—
    • ক. চন্দ্রাবতী
    • খ. পদ্মাবতী
    • গ. মধুমালতী
    • ঘ. লায়লী-মজনু
    উত্তর: খ. পদ্মাবতী
    মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান রাজসভার কবিদের বিশেষ অবদান ছিল। মহাকবি আলাওল এই সভার সবচেয়ে বিখ্যাত কবি। তিনি মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য 'পদুমাবৎ' অবলম্বনে 'পদ্মাবতী' কাব্য রচনা করেন। রাজমন্ত্রী মাগন ঠাকুরের অনুরোধে এই কাব্য ১৬৫১ সালে রচিত হয় বলে ধরা হয়। বাকি কাব্যগুলো অন্যদের রচনা। 'চন্দ্রাবতী' কোরেশী মাগন ঠাকুরের, 'মধুমালতী' মুহম্মদ কবিরের এবং 'লায়লী-মজনু' দৌলত উজির বাহরাম খানের।
    মনে রাখুন:
    আলাওলের অন্যান্য রচনা: সয়ফুল মুলুক বদিউজ্জামাল, হপ্ত পয়কর, সেকান্দারনামা, তোহফা।
    'পদ্মাবতী' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মানবীয় প্রেমের কাব্য হিসেবে বিখ্যাত।
  2. ২. চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কোথা থেকে?
    • ক. আরাকান রাজগ্রন্থাগার থেকে
    • খ. বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে
    • গ. নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
    • ঘ. সুদূর চীন থেকে
    উত্তর: গ. নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে
    বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদ। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। এরপর ১৯১৬ সালে 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে এটি প্রকাশিত হয়। অনেকে বাঁকুড়ার গোয়ালঘরের কথা বলেন, কিন্তু সেখান থেকে চর্যাপদ নয়, 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'-এর পুথি পাওয়া গেছে।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ, কবির সংখ্যা ২৪ জন।
    আদি কবি লুইপা, আর সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন কাহ্নপা।
    চর্যাপদের সময়কাল সাধারণত ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ ধরা হয়।
  3. ৩. ভারতীয় মৌলিক লিপি কোনটি?
    • ক. ব্রাহ্মী
    • খ. কুটিল
    • গ. খরোষ্ঠী
    • ঘ. নাগরী
    উত্তর: ক. ব্রাহ্মী
    ভারতীয় উপমহাদেশে যত লিপি প্রচলিত আছে, তার প্রধান উৎস ব্রাহ্মী লিপি। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এই লিপি ভারতে ব্যবহার শুরু হয় এবং এটিকেই ভারতের মৌলিক লিপি বলা হয়। পরে ব্রাহ্মী থেকে কুটিল লিপি এবং কুটিল থেকে বাংলা লিপির জন্ম হয়। নাগরী ব্রাহ্মীর পরবর্তী বিবর্তিত রূপ। খরোষ্ঠী লিপি আলাদা, কারণ এটি ডান থেকে বাঁ দিকে লেখা হতো এবং এর উৎস ভারতীয় নয় বলে ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    ব্রাহ্মী লিপি বাঁ থেকে ডানে লেখা হতো।
    সম্রাট অশোকের শিলালিপির বেশিরভাগ ব্রাহ্মী লিপিতে লেখা।
    দেবনাগরী লিপিতে হিন্দি ও সংস্কৃত লেখা হয়।
  4. ৪. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা—
    • ক. চণ্ডীদাস
    • খ. বডু চণ্ডীদাস
    • গ. দ্বিজ চণ্ডীদাস
    • ঘ. দীন চণ্ডীদাস
    উত্তর: খ. বডু চণ্ডীদাস
    'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত কাব্য। এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। চণ্ডীদাস নামে একাধিক কবি থাকায় তাঁকে আলাদা করার জন্য 'বড়ু' উপাধি ব্যবহার করা হয়। বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এই পুথি উদ্ধার করেন। ১৯১৬ সালে এটি গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    কাব্যের বিষয় রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা।
    এতে মোট তেরোটি খণ্ড আছে। প্রথম খণ্ডের নাম জন্মখণ্ড।
    দ্বিজ চণ্ডীদাস ও দীন চণ্ডীদাস অন্য কবি বলে পরিচিত।
  5. ৫. মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্মপ্রচারকের প্রভাব অপরিসীম?আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) ২০১৮
    • ক. শ্রীচৈতন্যদেব
    • খ. শ্রীকৃষ্ণ
    • গ. আদিনাথ
    • ঘ. মনোহর দাশ
    উত্তর: ক. শ্রীচৈতন্যদেব
    মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন শ্রীচৈতন্যদেব। পঞ্চদশ-ষোড়শ শতকে তিনি বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করেন এবং ভক্তির আন্দোলন গড়ে তোলেন। তাঁর জীবন ও বাণীকে ঘিরে বাংলা সাহিত্যে জীবনীকাব্য, পদাবলি ও আরও অনেক রচনা সৃষ্টি হয়, যা সাহিত্যে নতুন ধারা এনে দেয়। শ্রীকৃষ্ণ কোনো ধর্মপ্রচারক নন, তিনি বৈষ্ণবদের উপাস্য দেবতা, আর বাকি দুজন তাঁর সমকালীন পর্যায়ের কেউ নন। চৈতন্যের ছোটবেলার নাম ছিল নিমাই।
    মনে রাখুন:
    চৈতন্যের জীবনীকাব্য: বৃন্দাবন দাসের ‘চৈতন্যভাগবত’, কৃষ্ণদাস কবিরাজের ‘চৈতন্যচরিতামৃত’।
    শ্রীচৈতন্যের জন্ম নবদ্বীপে, ১৪৮৬ সালে।
    বৈষ্ণব পদাবলির কবি: বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস।
  6. ৬. Ballad কী?
    • ক. লোকগীতি
    • খ. লোকগাথা
    • গ. গীতিকা
    • ঘ. গাথা
    উত্তর: গ. গীতিকা
    Ballad হলো সহজ ভাষায় লেখা কাহিনিনির্ভর গান বা কবিতা, যা সাধারণত লোকমুখে প্রচলিত থাকে। বাংলায় এর পরিভাষা গীতিকা। লোকগীত মানে সাধারণ লোকসংগীত, যা কাহিনিনির্ভর হওয়া জরুরি নয়, তাই ballad-এর পরিভাষা হিসেবে ‘গীতিকা’ই প্রচলিত। বাংলা সাহিত্যে সবচেয়ে বিখ্যাত গীতিকা সংকলন ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’, যা সংগ্রহ করেছিলেন চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদনা করেছিলেন দীনেশচন্দ্র সেন।
    মনে রাখুন:
    মৈমনসিংহ গীতিকার বিখ্যাত পালা মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী ও কমলা।
  7. ৭. বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কে?
    • ক. সারদা দেবী
    • খ. চন্দ্রাবতী
    • গ. স্বর্ণকুমারী দেবী
    • ঘ. সুফিয়া কামাল
    উত্তর: খ. চন্দ্রাবতী
    বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী। তিনি বর্তমান কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা। তিনি বাংলায় রামায়ণ রচনা করেন এবং প্রথম নারী রামায়ণ-রচয়িতা হিসেবে পরিচিত। অন্য বিকল্পদের পরিচয় আলাদা: স্বর্ণকুমারী দেবী ঠাকুরবাড়ির লেখিকা ও ঔপন্যাসিক, বেগম রোকেয়া নারীজাগরণের অগ্রদূত আর সুফিয়া কামাল আধুনিক যুগের কবি।
    মনে রাখুন:
    চন্দ্রাবতীর আরেকটি পালা ‘দস্যু কেনারামের পালা’।
    বেগম রোকেয়ার বিখ্যাত বই ‘সুলতানার স্বপ্ন’ ও ‘অবরোধবাসিনী’।
  8. ৮. 'ইউসুফ-জোলেখা' কী জাতীয় রচনা?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
    • ক. নাটক
    • খ. উপন্যাস
    • গ. রোমান্টিক প্রণয়কাব্য
    • ঘ. রম্য রচনা
    উত্তর: গ. রোমান্টিক প্রণয়কাব্য
    'ইউসুফ-জোলেখা' মধ্যযুগের একটি রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। এর কাহিনি ধর্মীয় উৎস থেকে নেওয়া হলেও কবির দৃষ্টিতে এটি ইউসুফ ও জোলেখার প্রেম নিয়ে লেখা। বাংলা ভাষায় প্রথম এই কাব্য রচনা করেন শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের আমলের কবি ছিলেন এবং ফারসি কবি জামীর রচনার অনুসরণে লিখেছিলেন বলে মনে করা হয়। নাটক, উপন্যাস বা রম্য রচনা তখনকার বাংলা সাহিত্যে ছিল না।
    মনে রাখুন:
    শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের প্রথম মুসলমান কবি বলে পরিচিত।
    পরবর্তীকালে আব্দুল হাকিম, ফকির গরীবুল্লাহ প্রমুখও ইউসুফ-জোলেখা নামে কাব্য লিখেছেন।
  9. ৯. পুথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি—
    • ক. সৈয়দ সুলতান
    • খ. ফকির গরীবুল্লাহ
    • গ. হায়াৎ মামুদ
    • ঘ. শেখ ফয়জুল্লাহ
    উত্তর: খ. ফকির গরীবুল্লাহ
    পুথি সাহিত্য মধ্যযুগের শেষ দিকে গড়ে ওঠা সাহিত্যধারা। এতে আরবি, ফারসি, হিন্দি ও উর্দু শব্দ মিশিয়ে এক বিশেষ মিশ্র ভাষা ব্যবহার হতো। এই ধারার প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ফকির গরীবুল্লাহ। তাঁর 'ইউসুফ-জোলেখা', 'আমীর হামজা', 'জঙ্গনামা' ও 'সোনাভান' খুবই জনপ্রিয় ছিল। সৈয়দ হামজা ও শেখ ফয়জুল্লাহও পুথি সাহিত্যের কবি, তবে প্রথম সার্থক কবির মর্যাদা গরীবুল্লাহর।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ হামজার বিখ্যাত রচনা 'মধুমালতী' এবং 'আমীর হামজা'।
    পুথি সাহিত্যের ভাষাকে 'দোভাষী পুথির ভাষা' বলা হয়।
  10. ১০. বাংলা সাহিত্যে কখন গদ্যের সূচনা হয়?
    • ক. নবম শতকে
    • খ. ত্রয়োদশ শতকে
    • গ. ষোড়শ শতকে
    • ঘ. উনিশ শতকে
    উত্তর: ঘ. উনিশ শতকে
    বাংলা সাহিত্যে গদ্যের সূচনা উনিশ শতকে। এর আগে প্রাচীন যুগে (আনুমানিক ৬৫০-১২০০) এবং মধ্যযুগে (১২০১-১৮০০) সাহিত্য প্রায় পুরোটাই পদ্যে লেখা হতো। বিষয়ও ছিল মূলত ধর্ম, দেবদেবীর বন্দনা কিংবা রাজাদের গুণগান। ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর বাংলা গদ্যচর্চা সংগঠিতভাবে শুরু হয়, আর এই সময় থেকেই বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, বাংলা বিভাগ চালু হয় ১৮০১ সালে।
    বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে রামমোহন রায় এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম বিশেষভাবে নেওয়া হয়।
  11. ১১. কেরী সাহেবের মুনশি বলা হয়—
    • ক. রামরাম বসুকে
    • খ. চণ্ডীচরণ মুনশিকে
    • গ. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারকে
    • ঘ. গোলকনাথ শর্মাকে
    উত্তর: ক. রামরাম বসুকে
    উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন। বাংলা শেখার সময় তাঁর শিক্ষক ছিলেন রামরাম বসু, এবং এ কারণেই তাঁকে 'কেরী সাহেবের মুনশি' বলা হয়। রামরাম বসু ফারসিতেও দক্ষ ছিলেন। তাঁর বিখ্যাত রচনা 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' (১৮০১) বাঙালির লেখা প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। বাকি তিনজনও ওই কলেজের পণ্ডিত ছিলেন, তবে কেরীর মুনশি নামে পরিচিত নন।
    মনে রাখুন:
    রামরাম বসুর আরেকটি গ্রন্থ 'লিপিমালা' (১৮০২)।
    মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের রচনা 'প্রবোধচন্দ্রিকা', 'বত্রিশ সিংহাসন'।
    গোলকনাথ শর্মা 'হিতোপদেশ' অনুবাদ করেন।
  12. ১২. ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা হলেন—
    • ক. রাজা রামমোহন রায়
    • খ. কেশবচন্দ্র সেন
    • গ. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঘ. স্বামী বিবেকানন্দ
    উত্তর: ক. রাজা রামমোহন রায়
    ব্রাহ্ম সমাজ উনিশ শতকের বাংলায় ধর্ম ও সমাজ সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন। রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালে এই সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। এটি নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনায় বিশ্বাসী ছিল এবং কুসংস্কার, মূর্তিপূজা ও সতীদাহের মতো প্রথার বিরোধিতা করত। পরে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কেশবচন্দ্র সেন এই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যান, কিন্তু প্রতিষ্ঠাতা নন। স্বামী বিবেকানন্দ প্রতিষ্ঠা করেছেন রামকৃষ্ণ মিশন।
    মনে রাখুন:
    ব্রাহ্ম সমাজের মুখপত্র 'তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা' (১৮৪৩), সম্পাদক অক্ষয়কুমার দত্ত।
    রামমোহন রায়ের চেষ্টায় ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা আইন করে বন্ধ হয়।
  13. ১৩. 'মোস্তফা চরিত' গ্রন্থের রচয়িতা—
    • ক. মুহম্মদ আবদুল হাই
    • খ. মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
    • গ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
    • ঘ. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
    উত্তর: ঘ. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
    ‘মোস্তফা চরিত’ হযরত মুহাম্মদ (স)-এর জীবনীগ্রন্থ। এর রচয়িতা মোহাম্মদ আকরম খাঁ। তিনি একজন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং ‘মাসিক মোহাম্মদী’ ও ‘দৈনিক আজাদ’ পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। দৈনিক আজাদ বাংলাভাষী মুসলমানদের একটি প্রভাবশালী পত্রিকা ছিল। বাকি তিনজন অন্য ক্ষেত্রে বিখ্যাত। মুহম্মদ আবদুল হাই ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন, আর মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ লিখেছেন ‘পারস্য প্রতিভা’। আকরম খাঁর জন্ম ১৮৬৮ সালে।
    মনে রাখুন:
    আকরম খাঁ রচিত অন্য গ্রন্থ: ‘মোসলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস’, ‘সমস্যা ও সমাধান’।
    মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত বই ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’।
  14. ১৪. 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা'– কার কবিতা?
    • ক. শওকত ওসমান
    • খ. সিকান্দার আবু জাফর
    • গ. সুফিয়া কামাল
    • ঘ. শামসুর রাহমান
    উত্তর: ঘ. শামসুর রাহমান
    'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা' শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কবিতা। কবিতাটির আসল শিরোনাম 'তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা'। এতে দীর্ঘ সংগ্রামের পর অর্জিত স্বাধীনতার জন্য আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। কবিতাটি মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা কাব্যগ্রন্থ 'বন্দী শিবির থেকে'-তে (১৯৭২) আছে। শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক, সিকান্দার আবু জাফর 'সংবাদ' ও 'সমকাল' সম্পাদক হিসেবে পরিচিত, আর সুফিয়া কামাল 'সাঁঝের মায়া'র কবি।
    মনে রাখুন:
    শামসুর রাহমানের আরেকটি কবিতা 'স্বাধীনতা তুমি'।
    তাঁর প্রথম কাব্য 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' (১৯৬০)।
  15. ১৫. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?
    • ক. ১৯১০
    • খ. ১৯১১
    • গ. ১৯১২
    • ঘ. ১৯১৩
    উত্তর: ক. ১৯১০
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' বাংলা ভাষায় ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। এতে ভক্তিমূলক গান ও কবিতা আছে। এর কিছু রচনা তিনি নিজে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন এবং এই অনুবাদ 'Song Offerings' নামে ১৯১২ সালে লন্ডনে ছাপা হয়। আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস এর ভূমিকা লেখেন। এই অনুবাদের জন্যই তিনি ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাই ১৯১৩ সালটি গীতাঞ্জলির প্রকাশকাল নয়, পুরস্কার পাওয়ার সাল।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যে নোবেল পাওয়া প্রথম এশীয়।
    ইংরেজি 'গীতাঞ্জলি' ১৯১২ সালে, বাংলা ১৯১০ সালে প্রকাশিত।
  16. ১৬. মানুষের মুখে উচ্চারিত অর্থবোধক ও মনোভাব প্রকাশক ধ্বনিসমষ্টিকে বলে—
    • ক. বর্ণ
    • খ. শব্দ
    • গ. বাক্য
    • ঘ. ভাষা
    উত্তর: ঘ. ভাষা
    ভাষা বলতে আমরা মানুষের মুখের উচ্চারিত এমন ধ্বনির সমষ্টিকে বুঝি, যার অর্থ আছে এবং যার সাহায্যে মনের ভাব প্রকাশ করা যায়। এ কারণে প্রশ্নের বর্ণনাটি ভাষারই সংজ্ঞা। বর্ণ, শব্দ আর বাক্য ভাষারই ক্রমিক স্তর। ধ্বনির লিখিত রূপ হলো বর্ণ, এক বা একাধিক বর্ণ মিলে অর্থ প্রকাশ করলে শব্দ হয়, আর কয়েকটি শব্দ সাজিয়ে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করলে তাকে বাক্য বলে।
    মনে রাখুন:
    ধ্বনি → বর্ণ → শব্দ → বাক্য → ভাষা, এভাবে ছোট থেকে বড় ক্রম মনে রাখা সুবিধাজনক।
    বাংলা ভাষার মূল ধ্বনির সংখ্যা ৩৭টি স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি মিলিয়ে ধরা হয় (সাধারণ বর্ণমালায় ৫০টি বর্ণ)।
  17. ১৭. বাংলা ব্যাকরণ প্রথম রচনা করেন-
    • ক. এন. বি. হ্যালহেড
    • খ. উইলিয়াম কেরী
    • গ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
    • ঘ. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
    উত্তর: ক. এন. বি. হ্যালহেড
    ইংরেজ প্রাচ্যবিদ ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ১৭৭৮ সালে ইংরেজি ভাষায় ‘A Grammar of the Bengal Language’ রচনা করেন। এই বইয়েই প্রথম বাংলা হরফ ছাপার অক্ষরে ব্যবহার করা হয়, আর বাংলা ব্যাকরণের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও মুদ্রিত গ্রন্থ হিসেবে এটি পরিচিত। অবশ্য এর আগে ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ পাদরি মনোএল দা আসসুম্পসাঁও পর্তুগিজ ভাষায় একটি বাংলা ব্যাকরণ লিখেছিলেন।
    মনে রাখুন:
    বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রাজা রামমোহন রায়ের ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ (১৮৩৩)।
    হ্যালহেডের বইয়ের বাংলা হরফ তৈরি করেন চার্লস উইলকিন্স।
  18. ১৮. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. জেষ্ঠ্য
    • খ. জ্যেষ্ঠ্য
    • গ. জ্যেষ্ঠ
    • ঘ. জ্যাষ্ঠ
    উত্তর: গ. জ্যেষ্ঠ
    'জ্যেষ্ঠ' শব্দের অর্থ বয়সে বড় বা অগ্রজ। শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে এবং এর মূল রূপে 'ষ্ঠ' যুক্তবর্ণ আছে, শেষে কোনো বাড়তি 'য' বা ফলা নেই। তাই 'জ্যেষ্ঠ্য' ভুল, কারণ শেষে 'য' যোগ করলে ভুল রূপ তৈরি হয়। 'জেষ্ঠ্য' আর 'জ্যাষ্ঠ' ভুল, কারণ প্রথমটিতে জ্য-ফলা নেই আর দ্বিতীয়টিতে 'এ' কারের জায়গায় 'আ' কার বসেছে।
    মনে রাখুন: কয়েকটি শুদ্ধ বানান:
    স্নেহাস্পদ, মধ্যাহ্ন, অপরাহ্ণ, সান্ত্বনা, দ্বন্দ্ব, পরিষ্কার, মুহুর্মুহু, আবিষ্কার, মরূদ্যান।
    বাংলা বানানে ই-কার, ঈ-কার ও ষ-ত্ব বিধানের কারণে ভুল সবচেয়ে বেশি হয়, তাই শব্দ ধরে ধরে শেখা ভালো।
  19. ১৯. সন্ধিবিচ্ছেদ করুন : 'পুরস্কার'
    • ক. পুর + কার
    • খ. পূর + কার
    • গ. পুরঃ + কার
    • ঘ. পুরসঃ + কার
    উত্তর: গ. পুরঃ + কার
    'পুরস্কার' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ পুরঃ + কার। এখানে প্রথম অংশ 'পুরঃ'-এর শেষে বিসর্গ আছে এবং বিসর্গের আগে 'অ' ধ্বনি আছে। নিয়ম হলো বিসর্গযুক্ত অ বা আ-ধ্বনির পর ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ বদলে স হয়ে যায়। সেই কারণে পুরঃ + কার = পুরস্কার হয়। সন্ধির এই নিয়ম আছে বলে অন্য অপশনগুলো মেলে না। যেমন 'পুর + কার' জুড়লে পুরকার হয়, আর পুরসঃ কোনো গ্রহণযোগ্য রূপ নয়।
    উদাহরণ:
    বাচঃ + পতি = বাচস্পতি।
    নমঃ + কার = নমস্কার।
    নিঃ + ফল = নিষ্ফল (ই-ধ্বনির পরে বিসর্গ বদলে ষ হয়)।
    দুঃ + কৃতি = দুষ্কৃতি।
  20. ২০. 'বাদশা'-এর লিঙ্গান্তর কোনটি?
    • ক. রানি
    • খ. বাদশানী
    • গ. বেগম
    • ঘ. সম্রাজ্ঞী
    উত্তর: গ. বেগম
    বাংলা ভাষায় কিছু শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ আলাদা শব্দ দিয়ে তৈরি হয়, নিয়ম মেনে প্রত্যয় যোগ করে নয়। 'বাদশা' বা 'বাদশাহ'-এর স্ত্রী অর্থে 'বেগম' শব্দটি প্রচলিত। 'সম্রাজ্ঞী' শব্দের অর্থ সম্রাটের স্ত্রী বা নারী সম্রাট, তবে বাদশাহের লিঙ্গান্তর হিসেবে প্রচলিত শব্দ বেগম। 'রানি' রাজার স্ত্রী, এবং 'বাদশানী' প্রমিত বাংলায় প্রচলিত শব্দ নয়। বাংলায় অনেক সময় একই জোড়ার শব্দ আলাদা হয় বলে এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়, কোনো নিয়ম দিয়ে বানানো যায় না। তাই 'ক' প্রত্যয় বা 'ঈ' প্রত্যয় লাগিয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করার চেষ্টা এখানে চলে না।
    মনে রাখুন: ভিন্ন শব্দে পুরুষ-নারী:
    বর-কনে, বাবা-মা, ভাই-বোন, কর্তা-গিন্নি, সাহেব-বিবি, জামাই-মেয়ে, শুক-সারী, বলদ-গাভী।
  21. ২১. দ্বিগু সমাসের উদাহরণ—
    • ক. শতবার্ষিকী
    • খ. মধুমাখা
    • গ. পলান্ন
    • ঘ. দিনকতক
    উত্তর: ক. শতবার্ষিকী
    দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় এবং সমস্ত পদ দিয়ে কোনো সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়। ‘শতবার্ষিকী’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো শত বর্ষের সমাহার, তাই এটি দ্বিগু সমাস। অন্য অপশনগুলোর সমাস আলাদা। ‘মধুমাখা’ মধু দিয়ে মাখা, অর্থাৎ তৃতীয়া তৎপুরুষ। ‘পলান্ন’ পল মিশ্রিত অন্ন, অর্থাৎ মধ্যপদলোপী কর্মধারয়। ‘দিনকতক’ পরিমাণ বোঝায় এবং এর সংখ্যাবাচক অংশ অনির্দিষ্ট। সংখ্যাবাচক পূর্বপদ থাকলেই দ্বিগু হয় না। ‘ত্রিনয়ন’ মানে তিন নয়ন যার, এটি বহুব্রীহি।
    উদাহরণ:
    ত্রিফলা = ত্রি ফলের সমাহার।
    পঞ্চবটী = পঞ্চ বটের সমাহার।
    সপ্তাহ = সপ্ত অহের সমাহার।
    চৌমাথা = চার মাথার সমাহার।
  22. ২২. 'বেওয়ারিশ' কোন সমাসের উদাহরণ?
    • ক. কর্মধারয়
    • খ. তৎপুরুষ
    • গ. বহুব্রীহি
    • ঘ. দ্বিগু
    উত্তর: গ. বহুব্রীহি
    ‘বেওয়ারিশ’ শব্দের অর্থ যার কোনো ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারী নেই। এর ব্যাসবাক্য হলো নেই ওয়ারিশ যার। এখানে সমস্ত পদটি সমস্যমান পদ দুটির কোনোটিকে নয়, বরং তৃতীয় কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাচ্ছে, তাই এটি বহুব্রীহি সমাস। পূর্বপদে ‘বে’ (না-বাচক) থাকায় এর নাম নঞ বহুব্রীহি। নঞ বহুব্রীহিতে পূর্বপদে অ, অন, নি, বে, না এ ধরনের না-বাচক শব্দ বসে।
    উদাহরণ:
    নেই তার যাতে = বেতার।
    নেই উপায় যার = নিরুপায়।
    নেই বোধ যার = অবোধ।
    নেই গোচর যার = অগোচর।
    মনে রাখুন: বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদ দুটির কোনোটির অর্থই প্রধান হয় না।
  23. ২৩. 'পড়াশোনায় মন দাও' বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০২২
    • ক. কর্তায় সপ্তমী
    • খ. কর্মে সপ্তমী
    • গ. অপাদানে শূন্য
    • ঘ. অধিকরণে সপ্তমী
    উত্তর: ঘ. অধিকরণে সপ্তমী
    কারক নির্ণয়ে প্রথমে দেখতে হয় বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে শব্দটির কী সম্পর্ক। 'পড়াশোনায় মন দাও' বাক্যে মনোযোগ দেওয়ার আধার হলো পড়াশোনা। ক্রিয়ার আধার বা স্থান-কাল বোঝালে কারকটি অধিকরণ কারক হয়। শব্দের শেষে 'য়' চিহ্ন থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি। তাই উত্তর অধিকরণে সপ্তমী। কর্তা বা কর্ম নয়, কারণ পড়াশোনা কাজ করছে না, আবার তার ওপর ক্রিয়াও সরাসরি পড়ছে না।
    উদাহরণ:
    সকালে সূর্য ওঠে (কালাধিকরণ)।
    গাছে পাখি ডাকে (স্থানাধিকরণ)।
    ঘরে বাতি জ্বলছে।
    মনে রাখুন: অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি চিহ্ন হলো এ, য়, তে।
  24. ২৪. 'গির্জা' কোন ভাষার অন্তর্গত শব্দ?
    • ক. ফারসি
    • খ. পর্তুগিজ
    • গ. ওলন্দাজ
    • ঘ. পাঞ্জাবি
    উত্তর: খ. পর্তুগিজ
    বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ ঢুকেছে বিভিন্ন জাতির সংস্পর্শে আসার ফলে। 'গির্জা' পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। ষোড়শ শতকে পর্তুগিজ বণিক ও ধর্মপ্রচারকরা বাংলায় এলে তাঁদের সঙ্গে অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় যুক্ত হয়। ফারসি শব্দ বাংলায় এসেছে মুসলিম শাসনের সময়, আর ওলন্দাজ শব্দ এসেছে ওলন্দাজ বণিকদের কাছ থেকে। আরেকটি মজার ব্যাপার হলো, পর্তুগিজরা এ দেশে ধর্মপ্রচার ও ব্যবসার জন্য এসেছিল বলে গির্জা ও পাদ্রির মতো কিছু শব্দও এ ভাষা থেকে এসেছে। পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ চেনার সময় সাধারণত এই তালিকাগুলো মিলিয়ে নিলেই উত্তর মেলে।
    মনে রাখুন: পর্তুগিজ শব্দ:
    আলমারি, বালতি, পেয়ারা, আনারস, চাবি, জানালা, পাউরুটি, সাবান, বারান্দা, তোয়ালে, কামিজ।
    ওলন্দাজ শব্দ: ইস্কাপন, হরতন, রুইতন, তুরুপ, ইস্ক্রু।
  25. ২৫. 'এ যে আমাদের চেনা লোক'– বাক্যে 'চেনা' কোন পদ?
    • ক. বিশেষ্য
    • খ. অব্যয়
    • গ. ক্রিয়া
    • ঘ. বিশেষণ
    উত্তর: ঘ. বিশেষণ
    ‘এ যে আমাদের চেনা লোক’ বাক্যে ‘চেনা’ শব্দটি ‘লোক’ বিশেষ্যের অবস্থা বা পরিচয় বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ কেমন লোক তা বলছে। যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনামের গুণ, অবস্থা বা পরিমাণ প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ বলে। তাই এখানে ‘চেনা’ বিশেষণ। এটি বাক্যের ক্রিয়া নয়, কারণ বাক্যের মূল ক্রিয়াকাজ এখানে প্রকাশ পাচ্ছে না।
    উদাহরণ: সুন্দর ফুল, লাল গোলাপ।
    মনে রাখুন: ক্রিয়ার বা বিশেষণের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করলে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে, যেমন ‘ধীরে চলো’।
  26. ২৬. 'বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে'— বাক্যটিতে 'ছোট' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত?
    • ক. নীচ
    • খ. ইতর
    • গ. নম্র
    • ঘ. ক্ষুদ্র
    উত্তর: গ. নম্র
    একই শব্দ বাক্যের ভেতরে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে। 'বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে' পঙক্তিতে 'ছোট' শব্দটি ক্ষুদ্র আকার বোঝাচ্ছে না। এখানে অর্থ হলো বিনয়ী, নম্র হওয়া, কারণ প্রকৃত বড় হতে হলে অহংকার ত্যাগ করে বিনয়ী হতে হয়। 'নীচ' বা 'ইতর' অর্থে ছোট হলে বড় হওয়ার কথাটি মানে হারাত, আর 'ক্ষুদ্র' বললে আকারের কথা আসত।
    উদাহরণ:
    সে আমার ছোট ভাই (কনিষ্ঠ)।
    ছোট মুখে বড় কথা (অনধিকার চর্চা)।
    মনে রাখুন: এ ধরনের শব্দকে বাগধারা বা বাক্যে অর্থ-ভিন্নতার প্রশ্নে প্রায়ই দেখা যায়।
  27. ২৭. 'শম্বর' অর্থ কী?
    • ক. ব্যাঘ্র
    • খ. জলহস্তী
    • গ. হরিণ
    • ঘ. সিংহ
    উত্তর: গ. হরিণ
    'শম্বর' শব্দের অর্থ হরিণ জাতীয় একটি বড় পশু। বাংলায় একে অনেক সময় 'শাম্বার' বা মৃগও বলা হয়। শম্বরের প্রতিশব্দ হিসেবে মৃগ, কুরঙ্গ, সারঙ্গ ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশনগুলো আলাদা প্রাণী। ব্যাঘ্র মানে বাঘ, জলহস্তী মানে নদী বা হ্রদের হিপোপটেমাস, আর সিংহ হলো বনের রাজা বলে পরিচিত। শব্দের অর্থ মনে রাখার সময় প্রাণীদের নামের প্রতিশব্দ আলাদা করে শিখে রাখা ভালো, কারণ বিসিএস ও অন্য চাকরির পরীক্ষায় 'কোনটির অর্থ হরিণ' বা 'কোনটির অর্থ সিংহ' ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। শম্বর শব্দটি অভিধানে বড় আকারের এক জাতের হরিণকে বোঝায়।
    মনে রাখুন:
    সিংহের প্রতিশব্দ: কেশরী, মৃগরাজ, পশুরাজ, হরি।
    বাঘের প্রতিশব্দ: শার্দূল, ব্যাঘ্র।
    হাতির প্রতিশব্দ: গজ, করী, দ্বিরদ, হস্তী।
  28. ২৮. কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
    • ক. শূণ্য
    • খ. ত্রিভুজ
    • গ. পুন্য
    • ঘ. ভূবন
    উত্তর: খ. ত্রিভুজ
    প্রশ্নে চারটি শব্দের মধ্যে একটিই শুদ্ধ। 'ত্রিভুজ' বানানটি সঠিক, এর অর্থ তিনটি ভুজ বা বাহু আছে যার। অন্য তিনটি ভুল। 'শূণ্য' শব্দটির সঠিক রূপ 'শূন্য', কারণ এতে মূর্ধন্য 'ণ' নয়, দন্ত্য 'ন' বসে। 'পুন্য'-এর শুদ্ধ রূপ 'পুণ্য', আর 'ভূবন'-এর শুদ্ধ রূপ 'ভুবন', কারণ এখানে ঊ-কারের বদলে হ্রস্ব উ-কার হয়। বানান শুদ্ধ করার সহজ কৌশল হলো তৎসম শব্দে ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান মনে রাখা। ঋ, র, ষ-এর পরে সাধারণত ণ বসে, যেমন পুণ্য, ঋণ, কারণ। আবার শূন্য শব্দে এ নিয়ম খাটে না, কারণ শ-এর পরে র, ঋ, ষ নেই।
    মনে রাখুন: কয়েকটি শুদ্ধ বানান:
    যত্ন, তীক্ষ্ণ, ব্যবহৃত, মনঃকষ্ট, মুমূর্ষু, ইতোমধ্যে, অনূর্ধ্ব।
  29. ২৯. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক—আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) ২০১৮
    • ক. সুবচন নির্বাসনে
    • খ. রক্তাক্ত প্রান্তর
    • গ. নূরলদীনের সারাজীবন
    • ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    উত্তর: ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য, যা ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গ্রামীণ জীবনের আতঙ্ক ও প্রতিরোধ ফুটে উঠেছে। ফলে এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। বাকি তিনটি নাটক অন্য বিষয় নিয়ে লেখা। ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের কাহিনি, ‘সুবচন নির্বাসনে’ আব্দুল্লাহ আল-মামুনের সমাজচিত্রমূলক নাটক, আর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ পানিপথের যুদ্ধ নিয়ে মুনীর চৌধুরীর নাটক। নাটক ও কাব্যনাট্যের এই পার্থক্য মনে রাখলে বিকল্পগুলো বাছাই করা সহজ হয়।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ শামসুল হকের আরও নাটক: ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ (১৯৮২), ‘গণনায়ক’।
    মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক।
    সৈয়দ শামসুল হকের জন্ম ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে।

গণিত

  1. ৩০. একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ। এর ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গমিটার হলে তার পরিসীমা কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
    • ক. ২০ মি.
    • খ. ৪০ মি.
    • গ. ৬০ মি.
    • ঘ. ৮০ মি.
    উত্তর: গ. ৬০ মি.
    আয়তের প্রস্থ x মিটার ধরলে দৈর্ঘ্য হবে 1.5x মিটার। ক্ষেত্রফল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের গুণফল, তাই 1.5x × x = 216, অর্থাৎ x² = 216 ÷ 1.5 = 144। এ থেকে x = 12 পাওয়া যায়। তাহলে প্রস্থ 12 মিটার এবং দৈর্ঘ্য 1.5 × 12 = 18 মিটার। পরিসীমা = 2 × (18 + 12) = 60 মিটার।
    মনে রাখুন: আয়তের পরিসীমা = 2 × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ), ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ। দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত দেওয়া থাকলে একটিকে x ধরে অন্যটিকে x দিয়ে প্রকাশ করলে হিসাব সহজ হয়। এখানে দৈর্ঘ্য : প্রস্থ = 3 : 2, তাই 3k × 2k = 216 থেকেও k = 6 এবং একই উত্তর আসে। ক্ষেত্রফলের একক বর্গমিটার, আর পরিসীমার একক মিটার।
  2. ৩১. একজন ঘড়ির দোকানি একটি ঘড়ি ৬২৫ টাকায় বিক্রয় করায় ১০% ক্ষতি হলো। ঘড়িটির ক্রয়মূল্য কত?
    • ক. ৬৪৯.৪৪ টাকা
    • খ. ৯৪৬.৪৪ টাকা
    • গ. ৬৯৪.৪৪ টাকা
    • ঘ. ৯৬৯.৪৪ টাকা
    উত্তর: গ. ৬৯৪.৪৪ টাকা
    ক্রয়মূল্যের ওপর শতকরা ক্ষতি হিসাব করা হয়। ক্রয়মূল্য 100 টাকা ধরলে 10% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য হয় 100 − 10 = 90 টাকা। অর্থাৎ বিক্রয়মূল্য 90 টাকা হলে ক্রয়মূল্য 100 টাকা। তাহলে বিক্রয়মূল্য 625 টাকা হলে ক্রয়মূল্য হবে 625 × 100 ÷ 90 = 694.44 টাকা (প্রায়)। যাচাই: 694.44-এর 10% = 69.44, আর 694.44 − 69.44 = 625।
    মনে রাখুন: ক্ষতি হলে ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য × 100 ÷ (100 − ক্ষতির হার)। লাভ হলে ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য × 100 ÷ (100 + লাভের হার)। শতকরা লাভ-ক্ষতি সব সময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়, বিক্রয়মূল্যের ওপর নয়।
  3. ৩২. ৪ কিমি/ঘণ্টা বেগে চললে কোনো স্থানে পৌঁছাতে যে সময় লাগে ৫ কিমি/ঘণ্টা বেগে চললে তার চেয়ে ১/২ ঘণ্টা কম লাগে। স্থানটির দূরত্ব কত?
    • ক. ৮ কিমি
    • খ. ১০ কিমি
    • গ. ১২ কিমি
    • ঘ. ১১ কিমি
    উত্তর: খ. ১০ কিমি
    দূরত্ব ধরি d কিমি। 4 কিমি/ঘণ্টা বেগে সময় লাগে d/4 ঘণ্টা, আর 5 কিমি/ঘণ্টা বেগে লাগে d/5 ঘণ্টা। শর্ত অনুযায়ী দুই সময়ের পার্থক্য 1/2 ঘণ্টা, তাই d/4 − d/5 = 1/2। বাঁ দিকে হর 20 করে পাই (5d − 4d)/20 = d/20 = 1/2। এ থেকে d = 10। যাচাই: 10/4 = 2.5 ঘণ্টা, 10/5 = 2 ঘণ্টা, পার্থক্য 0.5 ঘণ্টা।
    মনে রাখুন: দুটি ভিন্ন বেগে একই দূরত্ব গেলে দূরত্ব = (বেগ দুটির গুণফল ÷ বেগের পার্থক্য) × সময়ের পার্থক্য। এখানে (4 × 5 ÷ 1) × 1/2 = 10 কিমি। সূত্রটি মনে থাকলে এক ধাপেই উত্তর পাওয়া যায়।
  4. ৩৩. p এর মান কত হলে, 4x² − px + 9 একটি পূর্ণবর্গ হবে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯
    • ক. 8
    • খ. 12
    • গ. 10
    • ঘ. 15
    উত্তর: খ. 12
    x-এর দ্বিঘাত রাশি px-এর মধ্যম পদসহ পূর্ণবর্গ হতে হলে এটি (ax ± b)² আকারের হতে হবে। 4x² = (2x)² এবং 9 = 3², তাই রাশিটি (2x ± 3)²-এর মতো হতে হবে। (2x − 3)² = 4x² − 12x + 9। দেওয়া রাশি 4x² − px + 9-এর সঙ্গে মিলিয়ে পাই p = 12। অর্থাৎ মধ্যপদের সহগ হলো প্রথম ও শেষ পদের বর্গমূলের গুণফলের দ্বিগুণ, 2 × 2 × 3 = 12।
    মনে রাখুন: ax² + bx + c পূর্ণবর্গ হওয়ার শর্ত b² = 4ac। এখানে p² = 4 × 4 × 9 = 144, তাই p = 12 (ঋণাত্মক চিহ্ন আগেই আছে বলে ধনাত্মক মান)।
  5. ৩৪. ঘড়িতে এখন ৮টা বাজে। ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি হলো—
    • ক. ১৫০°
    • খ. ৬০°
    • গ. ১০°
    • ঘ. ১২০°
    উত্তর: ঘ. ১২০°
    ঘড়িতে ঠিক 8টা বাজলে মিনিটের কাঁটা থাকে 12-এর ঘরে এবং ঘণ্টার কাঁটা থাকে 8-এর ঘরে। ঘড়ির পুরো বৃত্ত 360° এবং 12টি ঘরে ভাগ করা, তাই প্রতি ঘরে কোণ 360 ÷ 12 = 30°। 12 থেকে 8 পর্যন্ত এক দিক থেকে দূরত্ব 8 × 30 = 240°, তবে ছোট কোণ ধরতে হয়। তাই কোণ = 360° − 240° = 120°। অন্যদিক থেকে গুনলে 12 থেকে 8 পর্যন্ত 4 ঘর, 4 × 30 = 120°।
    মনে রাখুন: ঘণ্টার কাঁটা প্রতি মিনিটে 0.5° এবং মিনিটের কাঁটা প্রতি মিনিটে 6° ঘোরে। সূত্র: θ = |30H − 5.5M|°। এখানে H = 8, M = 0, তাই 240°, এবং ছোট কোণ 120°।
  6. ৩৫. একটি সংখ্যাকে ৫ দিয়ে ভাগ করে ভাগফলকে ৪ দিয়ে গুণ করলে গুণফল ৬০ হয়। সংখ্যাটি কত?
    • ক. ৭৫
    • খ. ৮০
    • গ. ৮৫
    • ঘ. ৯০
    উত্তর: ক. ৭৫
    সংখ্যাটি z ধরি। প্রথমে একে 5 দিয়ে ভাগ করা হয়েছে, ফলে ভাগফল z/5। এরপর ভাগফলকে 4 দিয়ে গুণ করে পাওয়া যায় (z/5) × 4 = 4z/5। শর্ত অনুযায়ী এটি 60-এর সমান, অর্থাৎ 4z/5 = 60। দুই পক্ষকে 5 দিয়ে গুণ করে পাই 4z = 300, তাই z = 75। যাচাই: 75 ÷ 5 = 15 এবং 15 × 4 = 60।
    মনে রাখুন: ধাপে ধাপে ক্রিয়া করা প্রশ্নে শেষ উত্তর থেকে উল্টো দিকে ফিরে এলে সহজে সংখ্যা পাওয়া যায়। এখানে 60 ÷ 4 = 15 এবং 15 × 5 = 75।
  7. ৩৬. x : y = 5 : 3 হলে (8x − 5y) : (8x + 5y) = কত?
    • ক. 5 : 11
    • খ. 6 : 5
    • গ. 5 : 6
    • ঘ. 3 : 8
    উত্তর: ক. 5 : 11
    দেওয়া আছে x : y = 5 : 3, অর্থাৎ x = 5k এবং y = 3k (k একটি ধনাত্মক সংখ্যা)। এখন 8x − 5y = 8 × 5k − 5 × 3k = 40k − 15k = 25k। আবার 8x + 5y = 40k + 15k = 55k। তাহলে অনুপাত 25k : 55k, k কেটে গেলে হয় 25 : 55 = 5 : 11।
    মনে রাখুন: অনুপাতের মান দেওয়া থাকলে x ও y-কে একই গুণিতক k দিয়ে প্রকাশ করলে সব রাশিতে k কাটাকাটি হয়ে যায়। বিকল্প উপায় হলো x/y = 5/3 ধরে হর ও লব x/y দিয়ে ভাগ করা: (8 × 5/3 − 5) : (8 × 5/3 + 5) = 25/3 : 55/3 = 5 : 11।
  8. ৩৭. এক বিক্রেতা ১০টি কমলা যে দামে কিনে, ৮টি কমলা সেই দামে বিক্রি করে। তার শতকরা কত লাভ হয়?
    • ক. ২৫%
    • খ. ৩০%
    • গ. ৫০%
    • ঘ. ১৬%
    উত্তর: ক. ২৫%
    ধরি ১০টি কমলার ক্রয়মূল্য 10 টাকা, অর্থাৎ প্রতিটির দাম 1 টাকা। তাহলে ৮টি কমলার ক্রয়মূল্য 8 টাকা। বিক্রেতা ৮টি কমলা বিক্রি করে ১০টির ক্রয়মূল্য, অর্থাৎ 10 টাকা পায়। তাহলে 8 টাকার জিনিসে সে 10 টাকা পাচ্ছে এবং লাভ হচ্ছে 2 টাকা। শতকরা লাভ = (2 ÷ 8) × 100 = 25%।
    মনে রাখুন: এ ধরনের প্রশ্নে সূত্র হলো লাভের শতকরা হার = (বেশি সংখ্যা − কম সংখ্যা) ÷ কম সংখ্যা × 100। এখানে (10 − 8) ÷ 8 × 100 = 25%। শতকরা লাভ সব সময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করতে হয়, তাই হর হবে ৮টির ক্রয়মূল্য।
  9. ৩৮. 30 জন লোক কোনো কাজ 24 দিনে করতে পারে। কাজ আরম্ভের 12 দিন পর 15 জন লোক চলে গেলে বাকি লোক কত দিনে অবশিষ্ট কাজ সমাধা করতে পারবে?
    • ক. 24 দিন
    • খ. 20 দিন
    • গ. 15 দিন
    • ঘ. 12 দিন
    উত্তর: ক. 24 দিন
    30 জন লোক 24 দিনে কাজটি শেষ করতে পারে, তাই পুরো কাজ 30 × 24 = 720 জনদিন। কাজ শুরুর 12 দিন পর্যন্ত 30 জন কাজ করেছে, যার মোট পরিমাণ 30 × 12 = 360 জনদিন। এখন বাকি কাজ 720 − 360 = 360 জনদিন। এই সময় 15 জন চলে যাওয়ায় লোক আছে 30 − 15 = 15 জন। তাই বাকি কাজ শেষ করতে সময় লাগবে 360 ÷ 15 = 24 দিন।
    মনে রাখুন: লোক বাড়লে বা কমলে সময়ের হিসাব জনদিন (লোক × দিন) দিয়ে সহজ হয়। মোট কাজের জনদিন স্থির থাকে। অর্ধেক কাজ হয়ে যাওয়ার পর লোক অর্ধেক হলে বাকি অর্ধেক কাজের সময় দ্বিগুণ হয়, অর্থাৎ 12 × 2 = 24 দিন।
  10. ৩৯. একটি শ্রেণিতে ছাত্র এবং ছাত্রীর সংখ্যার অনুপাত ৯ : ৫। মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৫০ হলে ছাত্রের সংখ্যা কত?
    • ক. ৭৩০
    • খ. ৮৯০
    • গ. ৭৮৫
    • ঘ. ৬৭৫
    উত্তর: ঘ. ৬৭৫
    ছাত্র ও ছাত্রীর অনুপাত 9 : 5, তাই ছাত্র 9x জন এবং ছাত্রী 5x জন ধরা যায়। মোট শিক্ষার্থী 9x + 5x = 14x জন। শর্ত অনুযায়ী 14x = 1050, অতএব x = 1050 ÷ 14 = 75। তাহলে ছাত্রের সংখ্যা 9 × 75 = 675 জন, আর ছাত্রীর সংখ্যা 5 × 75 = 375 জন। যাচাই: 675 + 375 = 1050।
    মনে রাখুন: অনুপাতের সমস্যায় মোট ভাগ যোগ করে নিতে হয়। এখানে মোট ভাগ 9 + 5 = 14। প্রতি ভাগে মান 1050 ÷ 14 = 75, এবং ছাত্রের ভাগ 9 হওয়ায় উত্তর 9 × 75 = 675।
  11. ৪০. ০.০০১ × ০.০০০৮৭৫ = ?আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০১৭
    • ক. ০.০০০০০৮৭৫
    • খ. ০.০০০০০১
    • গ. ০.০০০০০০১
    • ঘ. ০.০০০০০০৮৭৫
    উত্তর: ঘ. ০.০০০০০০৮৭৫
    দশমিক সংখ্যা গুণ করার সহজ উপায় হলো দশমিক চিহ্ন ছাড়া মূল সংখ্যা দুটি গুণ করা, তারপর দশমিকের ঘর যোগ করা। 0.001-এ দশমিকের পরে 3টি অঙ্ক আছে এবং 0.000875-এ আছে 6টি অঙ্ক। মোট 3 + 6 = 9টি ঘর। এখন 1 × 875 = 875। এই 875-কে ডান দিক থেকে 9 ঘর পর্যন্ত দশমিক বসালে পাওয়া যায় 0.000000875। অর্থাৎ 875-এর আগে 6টি শূন্য বসবে।
    মনে রাখুন: দশমিক গুণ করার নিয়ম হলো দশমিকের পরের মোট অঙ্কসংখ্যা গুণফলে দশমিকের পরেও থাকবে। 0.001-কে 10⁻³ হিসেবে চিনলে সংখ্যাটির দশমিক তিন ঘর বাঁয়ে সরে যায় বলে ভাবা সহজ।
  12. ৪১. দুটি ধনাত্মক সংখ্যার পার্থক্য ৬ এবং তাদের বর্গের পার্থক্য ১০৮, সংখ্যা দুটির যোগফল কত?
    • ক. ৬
    • খ. ১৮
    • গ. ৮
    • ঘ. ১২
    উত্তর: খ. ১৮
    সংখ্যা দুটি a ও b ধরি, যেখানে a > b। শর্ত অনুযায়ী a − b = 6 এবং a² − b² = 108। বর্গের পার্থক্যের সূত্র অনুযায়ী a² − b² = (a + b)(a − b)। এখানে (a + b) × 6 = 108, তাই a + b = 108 ÷ 6 = 18। অর্থাৎ সংখ্যা দুটির যোগফল 18। যাচাই: a = 12 ও b = 6 হলে পার্থক্য 6 এবং বর্গের পার্থক্য 144 − 36 = 108।
    মনে রাখুন: a² − b² = (a + b)(a − b) সূত্রটি বীজগণিতের একটি মৌলিক সূত্র। দুটি সংখ্যার বর্গের পার্থক্য ও সংখ্যা দুটির পার্থক্য জানা থাকলে যোগফল সরাসরি বর্গের পার্থক্যকে পার্থক্য দিয়ে ভাগ করে পাওয়া যায়।
  13. ৪২. সোনা পানির চেয়ে ১৯ গুণ ভারী এবং তামা পানির চেয়ে ৯ গুণ ভারী। ধাতু দুটো কী অনুপাতে মিশ্রিত করলে উক্ত মিশ্রণ পানির চেয়ে ১৫ গুণ ভারী হবে?
    • ক. ২:৩
    • খ. ৪:৩
    • গ. ৩:২
    • ঘ. ৩:৪
    উত্তর: গ. ৩:২
    সোনার ঘনত্ব পানির 19 গুণ এবং তামার ঘনত্ব 9 গুণ। মিশ্রণের ঘনত্ব 15 হতে হবে। সোনা ও তামা g : c অনুপাতে মেশানো হলে গড় ঘনত্ব (19g + 9c) ÷ (g + c) = 15। এটি সমাধান করলে 19g + 9c = 15g + 15c, তাই 4g = 6c, অর্থাৎ g : c = 6 : 4 = 3 : 2। যাচাই: 3 ভাগ সোনা ও 2 ভাগ তামা নিলে (3 × 19 + 2 × 9) ÷ 5 = 75 ÷ 5 = 15।
    মনে রাখুন: মিশ্রণের প্রশ্নে অ্যালিগেশন পদ্ধতিও কাজ করে। উচ্চ মান 19 থেকে গড় 15 বিয়োগ করলে 4, গড় থেকে নিম্ন মান 9 বিয়োগ করলে 6। এই পার্থক্যগুলো উল্টো করে নিলে অনুপাত পাওয়া যায়: সোনা : তামা = 6 : 4 = 3 : 2।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ৪৩. GPS-এর পূর্ণরূপ কী?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
    • ক. Global Pioneer System
    • খ. Global Postal System
    • গ. Global Positioning System
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. Global Positioning System
    GPS-এর পূর্ণরূপ Global Positioning System। এটি কৃত্রিম উপগ্রহ-নির্ভর একটি দিকনির্দেশনা ব্যবস্থা। পৃথিবীকে ঘিরে ঘোরা অনেকগুলো উপগ্রহ থেকে সংকেত গ্রহণ করে জিপিএস রিসিভার জানতে পারে সে ঠিক কোথায় আছে। কমপক্ষে চারটি উপগ্রহের সংকেত পেলে অবস্থান, উচ্চতা ও সময় নির্ণয় করা যায়। আমাদের মোবাইল ফোনে ম্যাপ দেখার সময় এই ব্যবস্থাই কাজ করে। জিপিএস শুধু অবস্থান নয়, সময়ও নিখুঁতভাবে জানায়। কারণ প্রতিটি উপগ্রহে অত্যন্ত নির্ভুল পারমাণবিক ঘড়ি বসানো থাকে।
    মনে রাখুন:
    জিপিএস আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি।
    রাশিয়ার অনুরূপ ব্যবস্থার নাম গ্লোনাস, ইউরোপের গ্যালিলিও, চীনের বাইডু।
    এসব ব্যবস্থাকে একসঙ্গে GNSS (Global Navigation Satellite System) বলা হয়।
  2. ৪৪. ট্রান্সমিশন স্পিডকে বলা হয়-
    • ক. ব্যান্ডডাকথ
    • খ. ব্যান্ডইন
    • গ. ব্যান্ডআউট
    • ঘ. ব্যান্ডউইথ
    উত্তর: ঘ. ব্যান্ডউইথ
    কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে কতটুকু ডেটা পাঠানো যায়, সেই ক্ষমতা বা গতিকে ব্যান্ডউইথ (Bandwidth) বলে। এর একক bps (bit per second), আর বেশি গতির ক্ষেত্রে Kbps, Mbps বা Gbps ব্যবহার করা হয়।
    মনে রাখুন:
    ন্যারো ব্যান্ড: 45 থেকে 300 bps, যেমন টেলিগ্রাফ।
    ভয়েস ব্যান্ড: 9600 bps পর্যন্ত, যেমন টেলিফোন।
    ব্রড ব্যান্ড: অনেক বেশি গতি, যেমন অপটিক্যাল ফাইবার।
  3. ৪৫. এম.এস. অফিসে ডকুমেন্ট প্রিন্টের জন্য শর্টকাট কোনটি?
    • ক. Ctrl + C
    • খ. Ctrl + V
    • গ. Ctrl + X
    • ঘ. Ctrl + P
    উত্তর: ঘ. Ctrl + P
    এম.এস. অফিস (MS Office) যেমন ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ারপয়েন্টে একটি ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার কিবোর্ড শর্টকাট হলো Ctrl + P। এই কমান্ড দিলেই প্রিন্টের পাতা খোলে, যেখানে আমরা প্রিন্টার, কপির সংখ্যা ও পাতা বেছে নিই। অন্য শর্টকাটগুলো ভিন্ন কাজের। Ctrl + C দিয়ে কপি, Ctrl + V দিয়ে পেস্ট এবং Ctrl + X দিয়ে কাট করা হয়।
    মনে রাখুন:
    Ctrl + Z আগের কাজ ফিরিয়ে আনে (Undo), Ctrl + Y আবার করে (Redo)।
    Ctrl + S ডকুমেন্ট সেভ করে, Ctrl + A সব নির্বাচন করে।
    Ctrl + B লেখা বোল্ড করে, Ctrl + I ইটালিক করে, Ctrl + U আন্ডারলাইন করে।
  4. ৪৬. মৌলিক Logic Gate নয় কোনটি?
    • ক. OR
    • খ. AND
    • গ. NOT
    • ঘ. NOR
    উত্তর: ঘ. NOR
    ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে মৌলিক লজিক গেট তিনটি। এগুলো হলো AND, OR ও NOT। বাকি সব গেট এই তিনটি দিয়েই বানানো যায়। NOR গেট একটি OR গেটের সঙ্গে একটি NOT গেট জুড়ে গঠিত, তাই এটি মৌলিক নয়। NAND ও NOR গেটকে সার্বজনীন গেট (Universal Gate) বলা হয়, কারণ শুধু NAND বা শুধু NOR দিয়ে সব ধরনের গেট বানানো সম্ভব।
    মনে রাখুন:
    X-OR ও X-NOR গেটকে বিশেষ গেট বলা হয়।
    NOT গেটে একটি ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটের উল্টো হয়।
    NOR গেটে সব ইনপুট ০ হলেই কেবল আউটপুট ১ হয়।
  5. ৪৭. নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ নয়?
    • ক. Microsoft Windows
    • খ. Linux
    • গ. Apple Mac
    • ঘ. MS Office
    উত্তর: ঘ. MS Office
    অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) হলো এমন সিস্টেম সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার পরিচালনা করে এবং অন্যান্য প্রোগ্রামকে চলার সুযোগ দেয়। Microsoft Windows, Linux ও Apple-এর Mac OS এ ধরনের সফটওয়্যারের উদাহরণ। কিন্তু এম.এস. অফিস কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। এটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ যেমন লেখা, হিসাব বা উপস্থাপনা করে দেয়। অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটারে কোনো প্রোগ্রাম চালানো যায় না। এটি মেমোরি, ফাইল ও ইনপুট-আউটপুট যন্ত্রের কাজ সমন্বয় করে।
    মনে রাখুন:
    Linux একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, অর্থাৎ এর সোর্স কোড সবাই দেখতে ও বদলাতে পারে।
    মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস।
    উইন্ডোজ তৈরি করে মাইক্রোসফট।
  6. ৪৮. ই-মেইল ঠিকানা লেখার জন্য নিচের কোন ফরম্যাটটি সঠিক?
    উত্তর: ক. [email protected]
    ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল ঠিকানা সবসময় দুটি অংশ নিয়ে গঠিত। প্রথম অংশে ব্যবহারকারীর নাম (User Name) থাকে। দ্বিতীয় অংশে মেইল সার্ভার বা ডোমেইনের নাম (Host বা Domain Name) থাকে। দুই অংশের মাঝখানে একটি @ চিহ্ন বসে, যাকে বাংলায় অ্যাট বা এট বলা হয়। তাই সঠিক রূপ [email protected]। বাকি বিকল্পে হয় দুটি @ চিহ্ন বা কোনো @ চিহ্ন নেই, ফলে সেগুলো বৈধ ঠিকানা নয়।
    মনে রাখুন:
    ইমেইল পাঠানোর প্রোটোকল SMTP, আর ইমেইল গ্রহণের প্রোটোকল POP3 ও IMAP।
    Cc মানে কার্বন কপি, আর Bcc মানে ব্লাইন্ড কার্বন কপি।
    ইমেইলের জনক রে টমলিনসন, যিনি ১৯৭১ সালে @ চিহ্ন ব্যবহার শুরু করেন।
  7. ৪৯. কোনটিকে 'Brain of computer' বলা হয়?
    • ক. RAM
    • খ. ALU
    • গ. CPU
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. CPU
    কম্পিউটারে সব কাজ নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ও প্রক্রিয়া করে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা CPU। মানুষের মস্তিষ্ক যেমন দেহের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, CPU-ও তেমনি কম্পিউটারের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই একে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক (Brain of Computer) বলা হয়। এর প্রধান তিনটি অংশ হলো গাণিতিক যুক্তি একক (ALU), রেজিস্টার ও নিয়ন্ত্রণ একক (Control Unit)। RAM শুধু অস্থায়ী তথ্য ধরে রাখে, আর ALU হলো CPU-র একটি অংশমাত্র।
    মনে রাখুন:
    ALU যোগ-বিয়োগের মতো গাণিতিক কাজ ও তুলনার মতো যৌক্তিক কাজ করে।
    Control Unit কোন কাজ কখন হবে, তা নির্ধারণ করে।
    CPU-র গতি মাপা হয় হার্জে।

আন্তর্জাতিক

  1. ৫০. 'প্ল্যানেট ফিফটি-ফিফটি চ্যাম্পিয়ন' পুরস্কার কোন বিষয়ে অবদান রাখার জন্য দেওয়া হয়?
    • ক. মহাকাশ বিজ্ঞান
    • খ. সাহিত্য
    • গ. নারীর ক্ষমতায়ন
    • ঘ. রসায়ন
    উত্তর: গ. নারীর ক্ষমতায়ন
    'প্ল্যানেট ফিফটি-ফিফটি চ্যাম্পিয়ন' নামের পুরস্কারটি নারী-পুরুষের সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে অবদানের জন্য দেওয়া হয়। জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন (UN Women) এই স্বীকৃতি দেয়। 'প্ল্যানেট ৫০-৫০' কথাটির মানে হলো পৃথিবীতে নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণ। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে এই পুরস্কার পান। তাই বিষয়টি মহাকাশ, সাহিত্য বা রসায়ন নয়।
    মনে রাখুন:
    UN Women ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদরদপ্তর নিউইয়র্কে।
    শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে জাতিসংঘের 'চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ' পুরস্কারও পেয়েছেন।
  2. ৫৮. সিয়ার্স টাওয়ারের স্থপতি কে?
    • ক. এফ. আর. খান
    • খ. লুই আই কান
    • গ. হামিদুর রহমান
    • ঘ. মইনুল হোসেন
    উত্তর: ক. এফ. আর. খান
    শিকাগোর বিখ্যাত সিয়ার্স টাওয়ারের স্থপতি ও কাঠামো প্রকৌশলী ছিলেন বাংলাদেশের সন্তান ফজলুর রহমান খান (এফ. আর. খান)। তিনি ১৯২৯ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে নামকরা স্থপতি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর ডিজাইন করা ‘বান্ডেলড টিউব’ কাঠামো বহুতল ভবন নির্মাণে বিপ্লব আনে। টাওয়ারটি ১১০ তলা, ১৯৭৩ সালে এর নির্মাণ শেষ হয়। ২০০৯ সালে এর নাম বদলে হয় উইলিস টাওয়ার। বিকল্পের লুই আই কান জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি।
    মনে রাখুন:
    তিনি জন হ্যানকক সেন্টারও (শিকাগো) ডিজাইন করেন।
    তাঁর মৃত্যু ১৯৮২ সালে সৌদি আরবে।
  3. ৬০. 'Imperialism, the Highest Stage of Capitalism' বইটি কার লেখা?
    • ক. টমাস হবসন
    • খ. ভি আই লেনিন
    • গ. কার্ল মার্কস
    • ঘ. এন্টনি গ্রামসি
    উত্তর: খ. ভি আই লেনিন
    'Imperialism, the Highest Stage of Capitalism' বইটির লেখক রুশ বিপ্লবী নেতা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন। তিনি ১৯১৬ সালে বইটি লেখেন এবং ১৯১৭ সালে তা প্রকাশিত হয়। এতে তিনি দেখান, পুঁজিবাদ যখন একচেটিয়া রূপ নেয়, তখন বিভিন্ন দেশ উপনিবেশ দখলের প্রতিযোগিতায় নামে। এভাবে সাম্রাজ্যবাদ গড়ে ওঠে। কার্ল মার্কস পুঁজিবাদ নিয়ে 'দাস ক্যাপিটাল' লিখেছিলেন, আর টমাস হবসন ও গ্রামসি ভিন্ন তাত্ত্বিক।
    মনে রাখুন:
    লেনিন ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের নেতা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম সরকারপ্রধান।
    লেনিনের আরেকটি বিখ্যাত রচনা 'রাষ্ট্র ও বিপ্লব' (State and Revolution)।
  4. ৬১. 'সেন্ট হেলেনা' দ্বীপটি কোন সাগরে অবস্থিত?
    • ক. ভূ-মধ্যসাগর
    • খ. আটলান্টিক মহাসাগর
    • গ. পারস্য উপসাগর
    • ঘ. ভারত মহাসাগর
    উত্তর: খ. আটলান্টিক মহাসাগর
    সেন্ট হেলেনা দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দূরবর্তী দ্বীপ, যা আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিম উপকূল থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরে। ব্রিটেন একে নিজেদের অধিকৃত অঞ্চল হিসেবে চালায়। ১৮১৫ সালে ওয়াটারলুর যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে এখানে নির্বাসনে পাঠানো হয়। তিনি এখানেই ১৮২১ সালে মারা যান। ভূমধ্যসাগর বা পারস্য উপসাগরের সঙ্গে এই দ্বীপের কোনো যোগ নেই।
    মনে রাখুন:
    নেপোলিয়নের প্রথম নির্বাসন হয়েছিল এলবা দ্বীপে (১৮১৪), যেখান থেকে তিনি পালিয়ে আসেন।
    ওয়াটারলুর যুদ্ধ হয় ১৮১৫ সালের ১৮ জুন।
  5. ৬২. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়—
    • ক. ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
    • খ. ০১ নভেম্বর ১৯৩৯
    • গ. ০১ মার্চ ১৯৪০
    • ঘ. ১ জুলাই ১৯৪০
    উত্তর: ক. ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, যেদিন নাৎসি জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে। এর কয়েক দিন পরই ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। যুদ্ধ চলে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত। ইউরোপে জার্মানির আত্মসমর্পণের পর জাপান ১৯৪৫ সালের আগস্টে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলার শিকার হয় এবং ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ তারিখে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ করে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম বিশ্বযুদ্ধ হয়েছিল ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত।
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দুই পক্ষ ছিল অক্ষশক্তি (জার্মানি, ইতালি, জাপান) এবং মিত্রশক্তি।
  6. ৬৩. ইরানি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কত সালে?
    • ক. ১৯৬৯ সালে
    • খ. ১৯৭০ সালে
    • গ. ১৯৭৭ সালে
    • ঘ. ১৯৭৯ সালে
    উত্তর: ঘ. ১৯৭৯ সালে
    ইরানে ১৯৭৯ সালে যে গণবিপ্লব ঘটে, তাকে ইসলামি বিপ্লব বা ইরানি বিপ্লব বলে। আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে এই আন্দোলনে সে সময়ের শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভির পতন হয়। রেজা শাহ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন বলে বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। বিপ্লবের পর ইরানে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৮০ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরু হয়, যা ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত চলে।
    মনে রাখুন:
    খোমেনি ফ্রান্স থেকে ১৯৭৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তেহরানে ফিরে আসেন।
    ইরানের রাজধানী তেহরান এবং সরকারি ভাষা ফারসি।
  7. ৬৪. সার্কের সদর দপ্তর কোথায়?
    • ক. ঢাকা
    • খ. নয়াদিল্লি
    • গ. কাঠমান্ডু
    • ঘ. কলম্বো
    উত্তর: গ. কাঠমান্ডু
    সার্ক (দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায়, তবে এর সচিবালয় বা সদরদপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। এই সংস্থার সচিবালয় চালু হয় ১৯৮৭ সালে। সার্কের নেতৃত্বে একজন মহাসচিব থাকেন। প্রস্তাবটি প্রথম আনেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ঢাকা, নয়াদিল্লি বা কলম্বোতে সদরদপ্তর নেই। মনে রাখার সুবিধার জন্য ক্রমটি এভাবে ভাবা যায়: প্রস্তাব বাংলাদেশের, প্রতিষ্ঠা ঢাকায়, সচিবালয় কাঠমান্ডুতে। সার্কের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এর সনদে সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমান মর্যাদা নীতি হিসেবে স্বীকৃত।
    মনে রাখুন:
    সার্কের প্রথম সদস্য সংখ্যা ছিল সাত, পরে আফগানিস্তান যোগ দিলে আট হয়।
    প্রথম সার্ক সম্মেলন হয় ঢাকায় (১৯৮৫)।
  8. ৬৫. চীনের আইনসভার নাম কী?
    • ক. গণকংগ্রেস
    • খ. কংগ্রেস
    • গ. রাজ্যসভা
    • ঘ. পার্লামেন্ট
    উত্তর: ক. গণকংগ্রেস
    চীনের আইনসভার নাম ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস (National People's Congress), যাকে বাংলায় গণকংগ্রেস বলা হয়। এটি চীনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান। প্রায় তিন হাজার প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত এই সংস্থা সাধারণত বছরে একবার, মার্চ মাসে, বৈঠকে বসে। কংগ্রেস, রাজ্যসভা আর পার্লামেন্ট অন্য দেশের আইনসভার নাম। কংগ্রেস যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম, আর রাজ্যসভা ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ।
    মনে রাখুন:
    NPC প্রতি পাঁচ বছর পরপর নির্বাচিত হয়।
    ভারতের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট, যার দুটি কক্ষ লোকসভা ও রাজ্যসভা।
    যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেস, যার দুই কক্ষ সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ।
  9. ৬৬. ভারত ও চীনের সীমান্ত রেখার নাম কী?
    • ক. ম্যাকমোহন লাইন
    • খ. ডুরান্ড লাইন
    • গ. রেড লাইন
    • ঘ. র‍্যাডক্লিফ লাইন
    উত্তর: ক. ম্যাকমোহন লাইন
    ভারত ও চীনের সীমান্ত রেখার নাম ম্যাকমোহন লাইন। ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব স্যার হেনরি ম্যাকমোহন সিমলা সম্মেলনে এই রেখা প্রস্তাব করেন, আর তাঁর নামেই এটি পরিচিত। রেখাটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তিব্বতের সীমানা চিহ্নিত করে। চীন একে মানে না, ফলে এ নিয়ে দুই দেশের বিরোধ আছে। ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত এবং র‍্যাডক্লিফ লাইন ভারত-পাকিস্তান ও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নির্দেশ করে।
    মনে রাখুন:
    র‍্যাডক্লিফ লাইন ১৯৪৭ সালে সিরিল র‍্যাডক্লিফ নির্ধারণ করেন।
    ডুরান্ড লাইন ১৮৯৩ সালে স্যার মর্টিমার ডুরান্ডের নামে হয়।
    ভারত-চীন সীমান্তে আরেকটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল আকসাই চিন।
  10. ৬৭. Treasury Secretary বলা হয়—
    • ক. USA-এর অর্থমন্ত্রীকে
    • খ. ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীকে
    • গ. রাশিয়ার অর্থমন্ত্রীকে
    • ঘ. ভারতের অর্থমন্ত্রীকে
    উত্তর: ক. USA-এর অর্থমন্ত্রীকে
    যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ বিষয়ক কাজ দেখাশোনা করে ট্রেজারি বিভাগ (Department of the Treasury), আর এই বিভাগের প্রধানকে ট্রেজারি সেক্রেটারি (Treasury Secretary) বলা হয়। অন্য দেশে এ পদের নাম আলাদা, তাই ব্রিটেন বা ভারতের অর্থমন্ত্রীকে ট্রেজারি সেক্রেটারি বলা হয় না। ব্রিটেনে অর্থমন্ত্রীর পদবি চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার। ভারতে ও রাশিয়ায় সাধারণ নাম অর্থমন্ত্রী।
    হালনাগাদ: ২০২১ সালে ট্রেজারি সেক্রেটারি ছিলেন জ্যানেট ইয়েলেন, আর ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এই পদে আছেন স্কট বেসেন্ট।
    মনে রাখুন: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলা হয় সেক্রেটারি অব স্টেট।
  11. ৬৮. ইস্তানবুলকে পৃথক করেছে যে প্রণালী—
    • ক. হরমুজ
    • খ. সুন্দা
    • গ. বসফরাস
    • ঘ. জিব্রাল্টার
    উত্তর: গ. বসফরাস
    ইস্তানবুল তুরস্কের বৃহত্তম শহর, যা ইউরোপ ও এশিয়া এই দুই মহাদেশে বিস্তৃত। শহরটিকে দুই ভাগে ভাগ করে বয়ে গেছে বসফরাস প্রণালি। এটি কৃষ্ণসাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। হরমুজ প্রণালি ইরান ও ওমানের মধ্যে, সুন্দা প্রণালি ইন্দোনেশিয়ায় এবং জিব্রাল্টার প্রণালি স্পেন ও মরক্কোর মাঝে অবস্থিত। ইস্তানবুলের পুরোনো নাম কনস্তান্তিনোপল। অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল এই শহর।
    মনে রাখুন:
    ডার্ডেনেলিস প্রণালি মর্মর সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
    তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা, ইস্তানবুল নয়।
    বসফরাসের ওপর সেতু আছে, যা এশিয়া ও ইউরোপকে যুক্ত করে।
    মালাক্কা প্রণালি মালয় উপদ্বীপ ও সুমাত্রার মাঝে অবস্থিত।
  12. ৬৯. 'IUCN'-এর কাজ হলো বিশ্বব্যাপী—
    • ক. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
    • খ. মানবাধিকার সংরক্ষণ করা
    • গ. পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা
    • ঘ. আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা
    উত্তর: ক. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
    IUCN-এর পূর্ণরূপ International Union for Conservation of Nature। এর মূল কাজ বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ (Nature Conservation)। সংস্থাটি ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়, আর এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্ল্যান্ড (Gland) শহরে। বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা ‘IUCN Red List of Threatened Species’ প্রকাশ করা এর সবচেয়ে পরিচিত কাজ। মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের (Amnesty International) মতো সংস্থা।
    মনে রাখুন: IUCN প্রকৃতি সংরক্ষণ করে, সদর দপ্তর গ্ল্যান্ড, আর প্রকাশ করে Red List।

বাংলাদেশ

  1. ৫১. বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা কত?
    • ক. ৪৫৫৪
    • খ. ৪৫৫০
    • গ. ৪৫৭১
    • ঘ. ৪৬০০
    উত্তর: ক. ৪৫৫৪
    ইউনিয়ন পরিষদ (Union Parishad) বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার কাঠামোর সবচেয়ে নিচের স্তর। কয়েকটি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন গঠিত হয় এবং একজন চেয়ারম্যান ও নির্বাচিত সদস্যরা এর কাজ পরিচালনা করেন। পরীক্ষায় সাধারণত সরকারি তথ্য অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪৫৫৪ ধরা হয়। এই সংখ্যা সময়ের সঙ্গে সামান্য বদলাতে পারে, কারণ নতুন ইউনিয়ন গঠিত বা পৌরসভায় রূপান্তরিত হয়।
    মনে রাখুন:
    প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে একজন চেয়ারম্যান ও ৯টি ওয়ার্ডের ৯ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৩ জন নারী সদস্য থাকেন।
    ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর।
    স্থানীয় সরকারের স্তরগুলো হলো ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদ।
  2. ৫২. বাংলাদেশের প্রথম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় নির্মিত হচ্ছে?
    • ক. মোংলা
    • খ. পায়রা
    • গ. শিকলবাধা
    • ঘ. সিদ্ধিরগঞ্জ
    উত্তর: ক. মোংলা
    দেশের প্রথম ভাসমান সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র (Floating solar plant) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় বাগেরহাটের মোংলায়। মোংলা বন্দরের কাছে একটি জলাশয়ের পানির ওপর সোলার প্যানেল ভাসিয়ে এই কেন্দ্র তৈরি করা হয়। জমির স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশে পুকুর, দিঘি বা লেকের পানির ওপর সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন একটি ভালো বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।
    মনে রাখুন: পানির ওপর প্যানেল থাকায় সেগুলো ঠান্ডা থাকে, তাই ভাসমান সৌরকেন্দ্রের দক্ষতা স্থলভিত্তিক কেন্দ্রের চেয়ে কিছুটা বেশি হয়।
  3. ৫৩. বাংলাদেশ সরকার কত বছরের কর্মসূচি হিসেবে ADP ঘোষণা করে?
    • ক. ১ বছর
    • খ. ২ বছর
    • গ. ৩ বছর
    • ঘ. ৪ বছর
    উত্তর: ক. ১ বছর
    ADP-এর পূর্ণরূপ Annual Development Programme, বাংলায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি। নাম থেকেই বোঝা যায় এটি এক বছরের জন্য তৈরি হয়। প্রতিটি অর্থবছরের জন্য সরকার কোন কোন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে এবং কোন প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ থাকবে, তার তালিকাই হলো ADP। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এটি অনুমোদন করে। ADP তাই বাজেটের উন্নয়ন অংশের মূল ভিত্তি।
    মনে রাখুন:
    পরিকল্পনা কমিশন ADP তৈরি করে।
    পাঁচ বছরের জন্য আলাদা পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়।
    একনেকের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী (সরকারপ্রধান)।
  4. ৫৪. বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে কোন দেশ থেকে?
    • ক. জাপান
    • খ. ফ্রান্স
    • গ. যুক্তরাষ্ট্র
    • ঘ. চীন
    উত্তর: গ. যুক্তরাষ্ট্র
    বাংলাদেশ পণ্য বিদেশে বিক্রি করে যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে, তার সবচেয়ে বড় অংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়। এই কারণে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। জাপান, ফ্রান্স বা চীন থেকে এত বেশি আয় আসে না। চীন থেকে আমরা সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করি, আর জাপান বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন সহায়তা দেয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
    ইউরোপে জার্মানি আমাদের বড় রপ্তানি গন্তব্য।
    বৃহত্তম আমদানি উৎস চীন, ভারত দ্বিতীয়।
  5. ৫৫. ১৬২৬৩ নম্বরে কল করলে যে সেবা পাওয়া যায়-
    • ক. কৃষি
    • খ. ফায়ার সার্ভিস
    • গ. পুলিশ
    • ঘ. অ্যাম্বুলেন্স
    উত্তর: ঘ. অ্যাম্বুলেন্স
    ১৬২৬৩ হলো সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘স্বাস্থ্য বাতায়ন’ হটলাইন নম্বর। এই নম্বরে ফোন করে চিকিৎসকের পরামর্শ ও অ্যাম্বুলেন্স সেবার তথ্যসহ নানা স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    ৯৯৯: জাতীয় জরুরি সেবা (পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স)।
    ৩৩৩: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ১৬১২৩: কৃষি কল সেন্টার।
    ১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ।
  6. ৫৬. আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন কে করেন?
    • ক. রাজা রামমোহন রায়
    • খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • গ. স্যার সৈয়দ আহমদ
    • ঘ. লর্ড মেকলে
    উত্তর: ঘ. লর্ড মেকলে
    ভারতীয় উপমহাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল ১৮৩৫ সালের ইংরেজি শিক্ষা আইনে। এর পেছনে ছিলেন লর্ড টমাস ব্যাবিংটন মেকলে, যিনি সে সময় ভারতের গভর্নর জেনারেলের পরিষদে আইন সদস্য ছিলেন। তাঁর বিখ্যাত 'মিনিট অন এডুকেশন' (১৮৩৫) অনুযায়ী ইংরেজি ভাষায় পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞান পড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। রামমোহন রায় ও বিদ্যাসাগর শিক্ষাসংস্কারের জন্য বিখ্যাত, তবে এই ব্যবস্থার প্রবর্তক নন।
    মনে রাখুন:
    উডের ডেসপ্যাচ (১৮৫৪) ভারতের শিক্ষার ম্যাগনা কার্টা নামে পরিচিত।
    কলকাতা, বোম্বে ও মাদ্রাজে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৫৭ সালে।
  7. ৫৭. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কে সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না?
    • ক. Major C.R. Datta
    • খ. Major M.A. Monzur
    • গ. Major Hafiz
    • ঘ. Wing Commander Bashar
    উত্তর: গ. Major Hafiz
    একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে দেশকে মোট এগারোটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। প্রতিটি সেক্টরের জন্য একজন করে কমান্ডার ছিলেন। মেজর সি. আর. দত্ত ৪ নম্বর সেক্টরের, মেজর এম এ মঞ্জুর ৮ নম্বর সেক্টরের এবং উইং কমান্ডার এম কে বাশার ৬ নম্বর সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন। অপশনের বাকি তিনজন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, আর মেজর হাফিজ নামে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না। তাই প্রশ্নের উত্তর তিনিই।
    মনে রাখুন:
    ১ নম্বর সেক্টরে প্রথমে ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বরে মেজর খালেদ মোশাররফ, ৩ নম্বরে মেজর কে এম শফিউল্লাহ।
    ১০ নম্বর সেক্টর ছিল নৌ-কমান্ডো সেক্টর, যার কোনো একক কমান্ডার ছিল না।
  8. ৫৯. বাংলাদেশের কোন আম GI পণ্য স্বীকৃতি পেয়েছে?
    • ক. ল্যাংড়া
    • খ. ফজলি
    • গ. হিমসাগর
    • ঘ. আম্রপালি
    উত্তর: গ. হিমসাগর
    ২০২১ সালের পরীক্ষার সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের আমের মধ্যে ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical Indication, GI) পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছিল শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি বা হিমসাগর আম, ২০১৯ সালে। পরে ২০২২ সালে ফজলি এবং ২০২৩ সালে ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আমও GI স্বীকৃতি পায়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের প্রথম GI পণ্য জামদানি শাড়ি (২০১৬)।
    দ্বিতীয় GI পণ্য ইলিশ মাছ (২০১৭)।

ইংরেজি

  1. ৭০. Find out the common noun—
    • ক. Flock
    • খ. Bunch
    • গ. City
    • ঘ. Dhaka
    উত্তর: গ. City
    Common noun হলো কোনো একই শ্রেণির সব ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম। City (শহর) যেকোনো শহরকে বোঝায়, তাই এটি common noun। Dhaka একটি নির্দিষ্ট শহরের নাম, তাই এটি proper noun। Flock (পশু বা পাখির পাল) এবং Bunch (গুচ্ছ) কোনো দলকে বোঝায়, তাই এ দুটি collective noun। প্রশ্নের চারটি অপশন চার রকম noun-এর উদাহরণ, তাই সংজ্ঞা ধরে ধরে মেলালেই উত্তর পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    Proper noun: Bangladesh, Padma, Rahim।
    Collective noun: team, class, flock, bunch।
    Material noun: gold, water, iron।
    Abstract noun: honesty, beauty, freedom।
  2. ৭১. Honesty is the best policy. Here the word 'honesty' is a—
    • ক. Proper noun
    • খ. Common noun
    • গ. Collective noun
    • ঘ. Abstract Noun
    উত্তর: ঘ. Abstract Noun
    Abstract noun হলো এমন noun, যা কোনো গুণ, অবস্থা, ধারণা বা কাজের নাম প্রকাশ করে, যাকে আমরা চোখে দেখতে বা হাত দিয়ে ছুঁতে পারি না। Honesty মানে সততা, যা একটি গুণ। এটি কোনো নির্দিষ্ট মানুষ বা বস্তুর নাম নয়, তাই proper বা common noun নয়। আবার এটি কোনো দলকেও বোঝায় না, তাই collective noun-ও নয়।
    মনে রাখুন:
    Quality: goodness, kindness, bravery।
    State: childhood, poverty, slavery।
    Action: movement, judgement।
    উদাহরণ: Honest (adjective) থেকে Honesty (abstract noun) তৈরি হয়েছে।
  3. ৭২. There is — milk in the glass.আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯
    • ক. a big amount
    • খ. much
    • গ. small
    • ঘ. a little
    উত্তর: ঘ. a little
    Milk একটি uncountable noun, অর্থাৎ একে গুনে গুনে বলা যায় না। এমন noun-এর আগে পরিমাণ বোঝাতে much, a little, little ইত্যাদি বসে। এখানে বাক্যটি ইতিবাচক এবং গ্লাসে সামান্য কিছু দুধ আছে বোঝানো হয়েছে, তাই 'a little' সবচেয়ে উপযুক্ত। 'much' সাধারণত না-বাচক বা প্রশ্নসূচক বাক্যে বসে। 'a big amount' এখানে ব্যাকরণগতভাবে খাপ খায় না এবং 'small' শুধু 'a small amount' হলে চলত।
    মনে রাখুন:
    Countable noun-এর আগে many, a few, few বসে। উদাহরণ: There are a few books.
    Uncountable noun-এর আগে much, a little, little বসে।
    a little মানে সামান্য কিছু আছে, little মানে প্রায় নেই।
  4. ৭৩. He prefers — European country for spending his vacation.
    • ক. an
    • খ. a
    • গ. the
    • ঘ. none of them
    উত্তর: খ. a
    Article বসার সময় বানান নয়, শব্দের প্রথম ধ্বনি দেখতে হয়। 'European' শব্দটি vowel অক্ষর E দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ 'ইউরোপিয়ান', অর্থাৎ শুরুতে 'ইউ' (/j/) নামের consonant ধ্বনি আছে। তাই এর আগে 'an' নয়, 'a' বসে। সঠিক বাক্য: He prefers a European country for spending his vacation। 'the' বসালে নির্দিষ্ট কোনো দেশ বোঝাত, কিন্তু এখানে যেকোনো একটি ইউরোপীয় দেশের কথা বলা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    a university, a unit, a useful book, a one-eyed man (consonant ধ্বনি)।
    an hour, an honest man, an heir (শুরুতে h নীরব)।
  5. ৭৪. I decided to go — with my friend as I needed some exercise.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
    • ক. for walking
    • খ. for a walk
    • গ. to walk
    • ঘ. walk
    উত্তর: গ. to walk
    'Go for a walk' একটি প্রচলিত ইংরেজি প্রকাশভঙ্গি, যার অর্থ হাঁটতে বের হওয়া বা বেড়াতে যাওয়া। এখানে walk শব্দটি noun হিসেবে বসেছে, তাই এর আগে article 'a' লাগে। অন্য অপশনগুলো ঠিক নয়। 'for walking' ব্যবহার করলে প্রকাশভঙ্গি স্বাভাবিক হয় না, 'to walk' বসালে 'go to walk' অশুদ্ধ হয়, আর শুধু 'walk' বসালে 'go walk' অনানুষ্ঠানিক হয়ে যায়।
    মনে রাখুন: একই ধাঁচের প্রকাশ:
    go for a swim, go for a drive, go for a run।
    take a walk, have a walk ।
  6. ৭৫. Article is used based on—
    • ক. Pronunciation
    • খ. Stress
    • গ. Spelling
    • ঘ. Sound
    উত্তর: ক. Pronunciation
    Article কোন শব্দের আগে বসবে, তা নির্ভর করে শব্দের উচ্চারণের ওপর, বানানের ওপর নয়। একই অক্ষর দিয়ে শুরু হলেও উচ্চারণ ভিন্ন হলে article ভিন্ন হয়। যেমন hour শব্দে h নীরব, তাই 'an hour' হয়। আবার university শব্দটি u দিয়ে শুরু হলেও উচ্চারণ 'ইউ' দিয়ে, তাই 'a university' হয়। এ কারণেই article ব্যবহারের নিয়ম উচ্চারণভিত্তিক।
    মনে রাখুন:
    an MA, an MP, an SOS (এখানে অক্ষরের নাম vowel ধ্বনি দিয়ে শুরু)।
    a one-rupee note, a European, a unit (শুরুতে consonant ধ্বনি)।
  7. ৭৬. Choose the correct sentence :
    • ক. A dog is faithful animal.
    • খ. The dog is a faithful animal.
    • গ. The dog is faithful animal.
    • ঘ. Dog is a faithful animal.
    উত্তর: খ. The dog is a faithful animal.
    কোনো প্রাণীকে তার পুরো জাতির প্রতিনিধি হিসেবে বর্ণনা করতে হলে 'The + singular noun' ব্যবহার করা যায়। 'The dog is a faithful animal' বাক্যে the dog বলতে কোনো একটি নির্দিষ্ট কুকুর নয়, বরং কুকুর জাতিকে বোঝানো হয়েছে। 'faithful animal'-এর আগে article 'a' বসে, কারণ animal একটি singular countable noun। অন্য অপশনগুলোতে হয় 'a' বাদ গেছে, না হয় 'Dog' শব্দের আগে article নেই।
    মনে রাখুন: জাতিবাচক বর্ণনায় তিনটি রূপ চলে:
    The cow is a useful animal.
    A cow is a useful animal.
    Cows are useful animals.
  8. ৭৭. Choose the correct sentence :
    • ক. The Padma is longest river in Bangladesh.
    • খ. The Padma is longest river in the Bangladesh.
    • গ. Padma is longest river in Bangladesh.
    • ঘ. The Padma is the longest river in Bangladesh.
    উত্তর: ঘ. The Padma is the longest river in Bangladesh.
    Superlative degree (সর্বোচ্চ মাত্রা) প্রকাশক adjective-এর আগে সাধারণত the বসে। 'Longest' একটি superlative adjective, তাই এর আগে the আবশ্যক। বাক্যে Padma নদীর নামের আগে the বসেছে, কারণ নদীর নামের আগে সাধারণত the ব্যবহৃত হয়। কিন্তু দেশের নাম Bangladesh-এর আগে the বসে না। তাই সঠিক বাক্য: The Padma is the longest river in Bangladesh।
    মনে রাখুন:
    The Ganges, The Meghna, The Nile (নদীর আগে the)।
    The Himalayas, The Pacific (পর্বতমালা ও মহাসাগরের আগে the)।
    Bangladesh, India, Nepal (বেশিরভাগ দেশের নামের আগে the বসে না)।
  9. ৭৮. Choose the correct sentence :
    • ক. The Lake Chilka is in Orissa.
    • খ. The Lake Chilka is in the Orissa.
    • গ. Lake Chilka is in Orissa.
    • ঘ. Lake Chilka is in the Orissa.
    উত্তর: গ. Lake Chilka is in Orissa.
    একক হ্রদ বা পর্বতের নামের আগে সাধারণত 'the' বসে না। Lake Chilka একটি নির্দিষ্ট হ্রদ, এবং এর নাম 'Lake' দিয়ে শুরু, তাই এর আগে the লাগে না। Orissa একটি স্থানের নাম, তাই এর আগেও the বসে না। সঠিক বাক্য: Lake Chilka is in Orissa। যেসব বাক্যে 'the Lake' বা 'the Orissa' আছে, সেগুলো ভুল।
    মনে রাখুন:
    Lake Victoria, Mount Everest, Lake Baikal (the বসে না)।
    The Great Lakes (একাধিক হ্রদ বোঝালে the বসে)।
    Orissa এখন সরকারি নামে Odisha।
  10. ৭৯. The plural form of 'mouse' is—আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) ২০১৯
    • ক. Mousse
    • খ. Mices
    • গ. Mice
    • ঘ. Mouses
    উত্তর: গ. Mice
    Mouse শব্দের plural হলো mice। এটি একটি irregular plural, অর্থাৎ শব্দের শেষে s বা es যোগ না করে ভেতরের স্বরধ্বনি বদলে বহুবচন তৈরি হয়। তাই Mouses, Mices বা Mousse ভুল। Mousse আলাদা একটি শব্দ, যার অর্থ একধরনের মিষ্টান্ন। Mouse কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের নামও, কিন্তু সেটির বহুবচনও mice। এমন irregular plural গুলো মুখস্থ রাখতে হয়।
    মনে রাখুন: ভেতরের স্বর বদলে হওয়া plural:
    man → men, woman → women।
    foot → feet, tooth → teeth।
    goose → geese, louse → lice।
    child → children (এটি en যোগে হয়)।
    ox → oxen
    sheep ও deer-এর বহুবচন একই থাকে।
  11. ৮০. Which one of the following words is not plural?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯
    • ক. Men
    • খ. Feet
    • গ. Lice
    • ঘ. News
    উত্তর: ঘ. News
    প্রশ্নে বলা হয়েছে কোন শব্দটি plural নয়। Men, feet ও lice এই তিনটিই বহুবচন, কারণ এদের singular যথাক্রমে man, foot ও louse। কিন্তু ‘News’ শব্দের শেষে s থাকলেও এটি singular noun, এবং এর সঙ্গে singular verb বসে। যেমন The news is good। প্রবাদেও এভাবে বলা হয়: No news is good news। এরকম আরও শব্দ আছে, যেমন physics, mathematics ও economics, যারা শেষে s থাকা সত্ত্বেও singular।
    মনে রাখুন:
    Always singular: news, physics, mathematics, politics।
    Always plural: scissors, trousers, spectacles, glasses।
    Scissors বোঝাতে a pair of scissors বলা হয় এবং তার সঙ্গে singular verb বসে।
  12. ৮১. Find out the correct sentence :
    • ক. Over a billion people using Microsoft Windows Operating Systems.
    • খ. Over a billion people uses Microsoft Windows Operating Systems.
    • গ. Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems.
    • ঘ. Over a billion peoples use Microsoft Windows Operating Systems.
    উত্তর: গ. Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems.
    'People' শব্দটি নিজেই বহুবচন, তাই এর আগে a বা পরে s বসে না এবং পরের verb হয় plural। 'Over a billion people use Microsoft Windows Operating Systems' বাক্যে people-এর সঙ্গে plural verb 'use' সঠিকভাবে বসেছে। 'uses' ভুল, কারণ plural subject-এর সঙ্গে verb-এ s যোগ হয় না। 'peoples' সাধারণত তখনই হয়, যখন একাধিক জাতিকে বোঝানো হয়। প্রথম অপশনে 'using' বসানোয় বাক্যে finite verb নেই।
    মনে রাখুন:
    People, police, cattle সবসময় plural verb নেয়।
    The police are coming. People say that he is honest.
  13. ৮২. Choose the correct sentences :
    • ক. The matter was informed to the police.
    • খ. The matter had been informed of the police.
    • গ. The police was informed of the matter.
    • ঘ. The police were informed of the matter.
    উত্তর: ঘ. The police were informed of the matter.
    'Police' শব্দটি দেখতে singular মনে হলেও এটি collective noun, এবং সব সময় plural হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এর পরে plural verb 'were' বসে। 'The police were informed of the matter' বাক্যে inform শব্দটি 'inform somebody of something' ধাঁচে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সঠিক। অন্য অপশনে 'The police was' ভুল এবং 'The matter was informed to the police' ভুল, কারণ inform-এর কর্ম হয় ব্যক্তি, বিষয় নয়।
    মনে রাখুন:
    inform somebody of/about something।
    tell something to somebody।
    The police have arrested him.
  14. ৮৩. Which one is singular number?
    • ক. Data
    • খ. Agenda
    • গ. Index
    • ঘ. Criteria
    উত্তর: গ. Index
    Singular noun হলো এক জন বা একটি বস্তু বোঝানো শব্দ। প্রশ্নে data, agenda ও criteria তিনটিই ল্যাটিন থেকে আসা plural রূপ। এদের singular যথাক্রমে datum, agendum ও criterion। কিন্তু 'index' শব্দটি singular। এর plural হয় indexes অথবা indices। তাই index-ই একমাত্র singular শব্দ। ল্যাটিন শব্দের এই রূপগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, তাই singular আর plural আলাদা করে শিখে রাখা ভালো। Index-এর plural indices হলে গণিত বা বইয়ের নির্ঘণ্ট-সংক্রান্ত অর্থে, আর indexes হলে সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন: ল্যাটিন ও গ্রিক plural:
    phenomenon → phenomena।
    medium → media।
    analysis → analyses।
    crisis → crises।
    bacterium → bacteria।
  15. ৮৪. What will be the plural form of 'Deer'?
    • ক. Deers
    • খ. Deeres
    • গ. Deer
    • ঘ. None
    উত্তর: গ. Deer
    কিছু প্রাণীর plural রূপ একবচনের মতোই থাকে। 'Deer'-এর plural-ও deer, কারণ এই শব্দে বহুবচনে s যোগ হয় না। তাই Deers বা Deeres ভুল। বহুবচন আর একবচন একই রকম থাকে এমন আরও কিছু শব্দ আছে। এরা অনেক সময় শিকারযোগ্য প্রাণী বা মাছ। একই ধরনের আরও কিছু শব্দ: trout, carp, swine। এগুলোকে বহুবচনে s যোগ না করে বাক্যে verb দেখে singular বা plural বোঝা হয়। যেমন The deer are grazing বাক্যে are দেখে বোঝা যায় বহু হরিণের কথা বলা হচ্ছে।
    মনে রাখুন:
    sheep → sheep, fish → fish।
    cattle, salmon, swine, aircraft।
    অন্যদিকে ox → oxen এবং child → children নিয়মের ব্যতিক্রম।
  16. ৮৫. The child cried for — mother.
    • ক. none
    • খ. his
    • গ. her
    • ঘ. its
    উত্তর: ঘ. its
    ‘Child’ শব্দটি common gender-এর noun, অর্থাৎ এতে ছেলে না মেয়ে তা বোঝা যায় না। পুরোনো ব্যাকরণ অনুযায়ী শিশুর ক্ষেত্রে লিঙ্গ অজানা থাকলে pronoun হিসেবে ‘its’ ব্যবহার করা হয়। সেই কারণে বইয়ের উত্তর ‘its mother’। তবে আধুনিক ইংরেজিতে শিশুর ক্ষেত্রে his বা her ব্যবহারই বেশি স্বাভাবিক। পরীক্ষায় common gender-এর প্রশ্নে its উত্তর ধরা হয়। অর্থাৎ বাক্যটির অর্থ শিশুটি তার মায়ের জন্য কাঁদল।
    মনে রাখুন:
    Common gender: baby, child, student, teacher, cousin।
    শিশুর লিঙ্গ জানা থাকলে he বা she ব্যবহার হয়।
    Neuter gender হলো প্রাণহীন বস্তুর নাম, যেমন book, table।
  17. ৮৬. What is the masculine form of 'Bee'?
    • ক. Stag
    • খ. Colt
    • গ. Hart
    • ঘ. Drone
    উত্তর: ঘ. Drone
    Bee-এর পুরুষবাচক রূপ drone, অর্থাৎ পুরুষ মৌমাছি। স্ত্রী মৌমাছির মধ্যে রানি মৌমাছি (queen bee) ডিম পাড়ে, আর শ্রমিক মৌমাছি (worker bee) মধু সংগ্রহ করে। অন্য অপশনের তিনটি শব্দও পুরুষবাচক, তবে ভিন্ন প্রাণীর। Stag মানে পুরুষ হরিণ, Colt অর্থ অশ্বশাবক এবং Hart অর্থ পুরুষ হরিণ। তাই bee-র সঙ্গে মেলে একমাত্র drone। মনে রাখুন, প্রশ্নের অন্য তিনটি শব্দ stag, colt, hart ভিন্ন ভিন্ন প্রাণীর পুরুষ রূপ। Hart হলো পাঁচ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ হরিণ। অন্যদিকে drone শুধুমাত্র মৌমাছির পুরুষ সদস্যের নাম, যারা মধু সংগ্রহ করে না, কেবল রানির সঙ্গে প্রজননে অংশ নেয়।
    মনে রাখুন: পুরুষ-স্ত্রী জোড়া:
    stag/hind, colt/filly, hart/roe।
    drone/bee, gander/goose, drake/duck।
  18. ৮৭. How many types of Gender are there?
    • ক. Four types
    • খ. Two types
    • গ. Three types
    • ঘ. One Types
    উত্তর: ক. Four types
    ব্যাকরণে gender চার প্রকার। প্রথমটি Masculine (পুরুষবাচক), যেমন boy, king। দ্বিতীয়টি Feminine (স্ত্রীবাচক), যেমন girl, queen। তৃতীয়টি Common (উভয় লিঙ্গ বোঝায়), যেমন student, child, teacher। আর চতুর্থটি Neuter (লিঙ্গহীন), যেমন table, book, pen। এই চারটির বাইরে আর কোনো প্রকার নেই। আসলে মূল ভাগ পুরুষ ও স্ত্রী, আর বাকি দুটি তাদের মাঝখানের বা বাইরের অবস্থা। Gender ঠিক করার সময় বাক্যের ভেতরের pronoun দেখেও বোঝা যায়। He হলে masculine, she হলে feminine, it হলে neuter, আর they বা their দিয়ে যেখানে লিঙ্গ অজানা থাকে সেখানে common gender বোঝায়। এভাবে ভাবলে বিষয়টি মনে রাখা সহজ হয়।
    মনে রাখুন: Masculine, Feminine, Common এবং Neuter, এই চারের ক্রম মনে রাখলে প্রশ্ন সহজ হয়।
  19. ৮৮. Between— this is the greatest book. I have ever read.
    • ক. you and I
    • খ. I and you
    • গ. you and me
    • ঘ. me and you
    উত্তর: গ. you and me
    Between একটি preposition (পদান্বয়ী অব্যয়), আর preposition-এর পরে pronoun-এর objective form বসে। You-এর objective form you এবং I-এর objective form me। সুতরাং 'between you and me' সঠিক। 'between you and I' পরীক্ষার ব্যাকরণে ভুল, যদিও কথ্য ইংরেজিতে অনেকে তা বলে। আর 'me and you' বললে ভদ্রতার ক্রম ভাঙে, কারণ ইংরেজিতে অন্যজনকে আগে এবং নিজেকে শেষে রাখাই নিয়ম।
    মনে রাখুন:
    Subjective: I, we, he, she, they।
    Objective: me, us, him, her, them।
    উদাহরণ: He gave it to her and me.
  20. ৮৯. Correct sentence —.
    • ক. Sohel is taller than I.
    • খ. We write with ink.
    • গ. Sohel is taller than me.
    • ঘ. I did not think it was her.
    উত্তর: ক. Sohel is taller than I.
    Than শব্দটি যখন conjunction হিসেবে বসে, তখন তার পরে সম্পূর্ণ clause বোঝাতে subjective form আসে। 'Sohel is taller than I' বাক্যের অর্থ 'Sohel is taller than I am', এখানে am উহ্য আছে বলে I বসে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে 'We write with ink' ভুল, কারণ সঠিক হলো 'in ink'। আর 'Sohel is taller than me' এবং 'it was her' চলিত ইংরেজিতে শোনা গেলেও পরীক্ষার ব্যাকরণে 'I' এবং 'she' হবে।
    মনে রাখুন:
    It was he who did it.
    She is as tall as I (am).
    Linking verb be-এর পরে subjective case বসে।
  21. ৯০. I have a boat made of wood. The underline phrase is—আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০১৯
    • ক. An adverbial phrase
    • খ. Perfect participle phrase
    • গ. Present participle phrase
    • ঘ. Past participle phrase
    উত্তর: ঘ. Past participle phrase
    বাক্যে underlined অংশ 'made of wood' একটি phrase, যা 'boat' শব্দকে বর্ণনা করছে। 'Made' হলো make ক্রিয়ার past participle, এবং এটি বিশেষণের কাজ করে boat কী দিয়ে তৈরি তা জানাচ্ছে। তাই পুরো অংশটি past participle phrase। এটি adverbial phrase নয়, কারণ এটি কোনো ক্রিয়াকে নয়, noun-কে modify করছে। আবার present participle হলে ক্রিয়ার সঙ্গে ing থাকত।
    মনে রাখুন:
    Past participle phrase উদাহরণ: A letter written in haste is often wrong।
    Present participle phrase: A boy standing at the door is my friend।
  22. ৯১. The picture was (to hang) on the wall.
    • ক. The picture was hanging on the wall
    • খ. The picture was hanged on the wall
    • গ. The picture was hung on the wall
    • ঘ. The picture was hang on the wall
    উত্তর: গ. The picture was hung on the wall
    ছবি টাঙানো বা ঝোলানো বোঝাতে hang ক্রিয়ার past ও past participle রূপ হয় hung। তাই বাক্যটি হবে 'The picture was hung on the wall'। Passive voice-এ was বসায় past participle লাগে। কিন্তু মানুষকে ফাঁসি দেওয়া বোঝালে রূপ বদলে হয় hanged। প্রশ্নে hanging বা hang বসালে ব্যাকরণ ঠিক থাকে না, কারণ এখানে passive voice দরকার।
    মনে রাখুন:
    hang – hung – hung (ঝোলানো)।
    hang – hanged – hanged (ফাঁসি দেওয়া)।
    উদাহরণ: The criminal was hanged at dawn.
  23. ৯২. Suddenly finding himself alone, he became frightened. The underline word is—
    • ক. Gerund
    • খ. Past participle
    • গ. Present participle
    • ঘ. Adverb
    উত্তর: গ. Present participle
    বাক্যে 'Suddenly finding himself alone' অংশের 'finding' ক্রিয়ার সঙ্গে ing যুক্ত হয়েছে। এই অংশ 'he' সত্তাকে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ বিশেষণের কাজ করছে। যে ing-যুক্ত রূপ বিশেষণের কাজ করে, তাকে present participle বলে। Gerund সবসময় noun-এর কাজ করে, তাই এখানে gerund নয়। আর 'Suddenly' হলো adverb, সেটি finding শব্দকে modify করছে। আরও একটি উদাহরণ: Having finished his work, he went home। এখানে 'Having finished' perfect participle। Perfect participle বোঝায় যে কাজটি মূল ক্রিয়ার আগে শেষ হয়েছে, কিন্তু আমাদের বাক্যে finding আর became একই সময়ের ঘটনা, তাই এটি সাধারণ present participle।
    মনে রাখুন:
    Gerund: Swimming is a good exercise (বাক্যের subject)।
    Present participle: Seeing the tiger, he ran away।
  24. ৯৩. Choose the correct past participle form of word 'drink'.আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) ২০১৯
    • ক. Drunk
    • খ. Drunker
    • গ. Dronk
    • ঘ. Drank
    উত্তর: ক. Drunk
    Drink ক্রিয়ার তিনটি রূপ হলো drink (present), drank (past) এবং drunk (past participle)। প্রশ্নে past participle চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর drunk। অনেকে drank আর drunk গুলিয়ে ফেলে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো, have বা has থাকলে drunk বসে, যেমন He has drunk water, আর শুধু past tense-এ drank বসে, যেমন He drank water yesterday। Drunker ও Dronk ভুল রূপ।
    মনে রাখুন: একই ধাঁচের ক্রিয়া:
    sing – sang – sung।
    swim – swam – swum।
    begin – began – begun।
  25. ৯৪. Your conduct admits— no excuse.
    • ক. at
    • খ. for
    • গ. from
    • ঘ. of
    উত্তর: ঘ. of
    'Admit of' একটি phrasal verb, যার অর্থ কোনো কিছুর সম্ভাবনা থাকা বা মেনে নেওয়া সম্ভব হওয়া। Conduct এখানে 'admits of no excuse' হলে বোঝায় এমন আচরণের কোনো অজুহাত চলে না। ফলে preposition হিসেবে of বসবে। at, for বা from এখানে খাটে না। শুধু 'admit' ক্রিয়া সরাসরি কর্ম নিয়ে স্বীকার করা অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন He admitted his guilt।
    মনে রাখুন:
    admit of = allow the possibility of।
    admit to = স্বীকার করা। He admitted to the crime.
    admit into = প্রবেশের অনুমতি দেওয়া।
  26. ৯৫. The nurse attended— the patient.
    • ক. on
    • খ. to
    • গ. in
    • ঘ. upon
    উত্তর: খ. to
    'Attend to' একটি phrasal verb, যার অর্থ কারো বা কিছুর দিকে মনোযোগ দেওয়া বা সেবা-যত্ন করা। এখানে nurse রোগীর সেবা-যত্ন করেছে, তাই attend to ব্যবহৃত হয়। 'Attend on' ও কখনো সেবা করা অর্থে চলে, তবে এর অর্থ বেশি আনুষ্ঠানিক ও পুরোনো। প্রশ্নে সাধারণ পরীক্ষার উত্তর হিসেবে to ধরা হয়। in বা upon এখানে বসে না।
    মনে রাখুন:
    attend a meeting (preposition ছাড়া)।
    attend to the customer।
    উদাহরণ: The doctor attended to the injured man.
  27. ৯৬. He accused the man— stealing.
    • ক. of
    • খ. for
    • গ. to
    • ঘ. with
    উত্তর: ক. of
    'Accuse' ক্রিয়ার পরে অভিযোগের বিষয় বোঝাতে of বসে। কাঠামোটি হলো accuse + কেউ + of + অপরাধ। তাই সঠিক বাক্য 'He accused the man of stealing'। এখানে stealing একটি gerund, যা of-এর পরে বসেছে। For, to বা with ব্যবহার করলে প্রকাশ ভুল হয়। অন্যদিকে 'charge' ক্রিয়ার পরে with বসে, তাই দুটি আলাদা রাখা দরকার। Accuse-এর পরে of বসে বলে passive voice-এও একই preposition ব্যবহার হয়। যেমন The man was accused of stealing। প্রায়ই পরীক্ষায় 'accuse of', 'charge with', 'suspect of' এই তিনটি আলাদা preposition মিলিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই তাদের পার্থক্য মনে রাখা ভালো।
    মনে রাখুন:
    accuse somebody of something।
    charge somebody with something।
    blame somebody for something।
  28. ৯৭. I am ashamed— his conduct.
    • ক. to
    • খ. of
    • গ. on
    • ঘ. for
    উত্তর: খ. of
    Ashamed একটি adjective, এবং এর পরে সাধারণত of বসে। কাঠামো হলো ashamed + of + কারণ। ‘I am ashamed of his conduct’ বাক্যের অর্থ তার আচরণের জন্য আমি লজ্জিত। to, on বা for এখানে খাটে না। তবে ashamed-এর পরে infinitive বসতে পারে, যেমন I am ashamed to say this। Ashamed-এর noun রূপ shame (লজ্জা)। এই ধরনের adjective ও preposition-এর জোড়া মুখস্থ রাখতে হয়।
    মনে রাখুন: কিছু adjective ও তাদের preposition:
    proud of, afraid of, fond of, jealous of।
    good at, interested in, angry with/at।
    guilty of, capable of, tired of, full of।

বিসিক: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন