বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০২৩। ৮০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. বাংলা ভাষায় অনুনাসিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- ক. ৭টি
- খ. ৪টি
- গ. ১১টি
- ঘ. ৩টি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ৭টি
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি (Basic Vowel Sound) ৭টি: ই, এ, অ্যা, আ, অ, ও, উ। এদের প্রত্যেকটি নাক ও মুখ দিয়ে একসঙ্গে বাতাস বের করে উচ্চারণ করা যায়। তখন তাকে অনুনাসিক স্বরধ্বনি (Nasalized Vowel) বলে, আর লেখায় তা চন্দ্রবিন্দু (ঁ) দিয়ে বোঝানো হয়, যেমন ‘চাঁদ’ ও ‘বাঁশ’ শব্দের আঁ। তাই অনুনাসিক স্বরধ্বনিও ৭টি।
মনে রাখুন:
প্রশ্নটি ধ্বনি নিয়ে, বর্ণ নিয়ে নয়।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি, যার মধ্যে ঐ ও ঔ যৌগিক স্বরের (Diphthong) প্রতীক।
ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, আর মোট বর্ণ ৫০টি। - ২. আরবি থেকে আগত বাংলা শব্দগুচ্ছ কোনটি?
- ক. আওয়াজ-নজরানা-ফরমান
- খ. কলম-হাকিম-দখল
- গ. দরিয়া-আজাদ-সুদ
- ঘ. দাম-উর্দি-ভরসা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. কলম-হাকিম-দখল
‘কলম’, ‘হাকিম’ ও ‘দখল’, তিনটিই আরবি থেকে আগত শব্দ। আদালত ও প্রশাসন-সংক্রান্ত অনেক আরবি শব্দ বাংলায় এসেছে। অপর শব্দগুচ্ছগুলো আলাদা ভাষার: আওয়াজ, নজরানা, ফরমান এবং দরিয়া, আজাদ, সুদ মূলত ফারসি শব্দ। আর দাম, উর্দি, ভরসা শব্দগুলো ভিন্ন ভিন্ন উৎসের, যেমন ‘দাম’ এসেছে গ্রিক থেকে। তাই এটিও আরবি শব্দগুচ্ছ নয়।
মনে রাখুন:
আরবি শব্দ: উকিল, এজলাস, রায়, কানুন, মোক্তার, কিতাব, ঈমান, হজ, জাকাত।
ফারসি শব্দ: দরবার, দফতর, দোকান, আওয়াজ, আজাদ।
বাংলায় বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে উৎস অনুযায়ী দল করে শেখা সুবিধাজনক। - ৩. 'বন্ধন' শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস কোনটি?
- ক. ব + ন্ + ধ + ন্
- খ. বন্ + ধন্
- গ. ব + ন্ধ + ন
- ঘ. বান্ + ধন্
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. বন্ + ধন্
অক্ষর (Syllable) হলো নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে এক ঝোঁকে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। এটি উচ্চারণের একক, লেখার বর্ণ নয়। ‘বন্ধন’ উচ্চারণ করলে শব্দটি দুই ঝোঁকে ভাগ হয়: বন্ + ধন্। দুটি অক্ষরই ব্যঞ্জনধ্বনিতে শেষ হওয়ায় এদের বলে রুদ্ধাক্ষর (Closed Syllable)। (C)-তে লেখার যুক্তবর্ণ ‘ন্ধ’ অক্ষত রাখা হয়েছে, কিন্তু উচ্চারণে ‘ন্’ প্রথম অক্ষরের শেষে আর ‘ধ’ দ্বিতীয় অক্ষরের শুরুতে বসে।
মনে রাখুন: স্বরধ্বনিতে শেষ হলে মুক্তাক্ষর (Open Syllable), ব্যঞ্জনধ্বনিতে শেষ হলে রুদ্ধাক্ষর। যেমন ‘কলম’ = ক (মুক্ত) + লম্ (রুদ্ধ)। - ৪. 'Township'-এর বাংলা পরিভাষা কী?
- ক. শহর
- খ. নগরায়ন
- গ. নগরবিদ্যা
- ঘ. উপশহর
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. উপশহর
বাংলা একাডেমির প্রশাসনিক পরিভাষা (Terminology) অনুযায়ী ‘Township’-এর বাংলা ‘উপশহর’, অর্থাৎ বড় শহরের পাশে গড়ে ওঠা ছোট আবাসিক বা পরিকল্পিত জনপদ। ‘শহর’ হলো Town বা City-র পরিভাষা। নগরায়ন হলো Urbanization, অর্থাৎ নগর গড়ে ওঠার প্রক্রিয়া, আর নগরবিদ্যা নগর-সংক্রান্ত শাস্ত্র। এগুলো কাছাকাছি ধারণা হলেও Township নয়।
মনে রাখুন:
Ordinance = অধ্যাদেশ
Notification = প্রজ্ঞাপন
Memorandum = স্মারকলিপি
Genocide = গণহত্যা
Circular = পরিপত্র
Municipality = পৌরসভা - ৫. কোনটি যৌগিক শব্দ?
- ক. বাঁশি
- খ. কর্তব্য
- গ. প্রবীণ
- ঘ. জলধি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. কর্তব্য
যে শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় থেকে পাওয়া অর্থ (ব্যুৎপত্তিগত অর্থ) আর প্রচলিত অর্থ একই, তাকে যৌগিক শব্দ বলে। ‘কর্তব্য’ = কৃ + তব্য, অর্থ ‘যা করা উচিত’, আর প্রচলিত অর্থও তা-ই, তাই এটি যৌগিক শব্দ। ‘বাঁশি’ ও ‘প্রবীণ’ রূঢ়ি শব্দ, কারণ এদের প্রচলিত অর্থ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে আলাদা। যেমন প্রবীণ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ‘প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি’, কিন্তু প্রচলিত অর্থ বয়স্ক বা অভিজ্ঞ। আর ‘জলধি’ যোগরূঢ়: জল ধারণ করে এমন অনেক কিছু থাকলেও শব্দটি শুধু সমুদ্র বোঝায়।
মনে রাখুন:
যৌগিক: কর্তব্য, গায়ক, মিতালি।
রূঢ়ি: প্রবীণ, বাঁশি, হস্তী।
যোগরূঢ়: জলধি, পঙ্কজ, রাজপুত। - ৬. সকর্মক ক্রিয়া কোনটি?
- ক. ছেলেটা কথা শোনে
- খ. ছেলেটা কানে শোনে না
- গ. আমি রাতে খাব না
- ঘ. পাখিটি আকাশে উড়ছে
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ছেলেটা কথা শোনে
ক্রিয়াকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া গেলে বাক্যে কর্ম (Object) আছে, আর যে ক্রিয়ার কর্ম থাকে তাকে সকর্মক ক্রিয়া (Transitive Verb) বলে। ‘ছেলেটা কথা শোনে’ বাক্যে প্রশ্ন করা যায়, ছেলেটা কী শোনে? উত্তর ‘কথা’, তাই ‘শোনে’ এখানে সকর্মক। (B)-তে ‘কানে’ শোনার মাধ্যম, কর্ম নয়। (C)-তে ‘রাতে’ সময় বোঝায় এবং কী খাবে তা বলা নেই। (D)-তে ‘আকাশে’ স্থান বোঝায়। তিনটিতেই ক্রিয়া অকর্মক (Intransitive)।
মনে রাখুন: একই ক্রিয়া (খাওয়া, শোনা) কর্ম থাকলে সকর্মক, না থাকলে অকর্মক হয়। - ৭. 'পঞ্চমুখ' কথাটির অর্থ কী?
- ক. নিন্দাবাক্য
- খ. পঞ্চমুখের সমাহার
- গ. বহুমুখী প্রতিভা
- ঘ. প্রশংসামুখর হওয়া
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. প্রশংসামুখর হওয়া
‘পঞ্চমুখ’ কথাটি সাধারণত ‘প্রশংসায় পঞ্চমুখ’ রূপে ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ কারো প্রশংসায় মুখর হওয়া, যেন পাঁচ মুখে প্রশংসা করা। এটি নিন্দা নয়, প্রশংসা বোঝায়। ‘পঞ্চ’ দেখে ‘বহুমুখী প্রতিভা’ বা ‘পঞ্চমুখের সমাহার’ ভাবা ঠিক নয়, কারণ বাগ্ধারার অর্থ আক্ষরিক হয় না। বাগ্ধারায় ‘পঞ্চ’ সংখ্যা বোঝায় না, প্রশংসার আধিক্য বোঝায়।
উদাহরণ: ফলাফল দেখে শিক্ষকেরা ছাত্রটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
মনে রাখুন:
‘পঞ্চ’ দিয়ে আরেকটি বাগ্ধারা ‘পঞ্চত্ব প্রাপ্তি’, অর্থ মৃত্যু।
বাগ্ধারা এমন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ শব্দগুলোর সাধারণ অর্থ থেকে আলাদা হয়ে যায়। - ৮. যে কারকে ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করা হয়, তাকে কোন কারক বলে?
- ক. কর্তৃ কারক
- খ. কর্ম কারক
- গ. করণ কারক
- ঘ. অপাদান কারক
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. অপাদান কারক
যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত বা রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক (Ablative Case) বলে। অর্থাৎ অপাদান কারক ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করে। এটি ‘কোথা থেকে’ বা ‘কী থেকে’ প্রশ্নের উত্তর দেয়, আর এতে সাধারণত হতে, থেকে, চেয়ে অনুসর্গ বসে। বাকি কারকগুলো আলাদা: কর্তৃ কারক ক্রিয়া সম্পাদনকারীকে (কে?), কর্ম কারক যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া হয় তাকে (কী বা কাকে?), আর করণ কারক ক্রিয়ার উপায় বা মাধ্যমকে (কী দিয়ে?) নির্দেশ করে।
উদাহরণ:
গাছ থেকে পাতা পড়ে।
মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়ে।
দুধ থেকে দই হয়। - ৯. 'নীলদর্পণ' নাটকে 'শ্যামচাঁদ' হলো—
- ক. একটি চরিত্র
- খ. কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ
- গ. চামড়ার তৈরি চাবুক
- ঘ. হাতে পাওয়া চাঁদ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. চামড়ার তৈরি চাবুক
দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ (১৮৬০) নাটকে নীলকরদের অত্যাচারের চিত্র আঁকা হয়েছে। সেখানে ‘শ্যামচাঁদ’ হলো চামড়ার তৈরি চাবুক, যা দিয়ে নীলকরেরা চাষিদের মারত। এটি কোনো চরিত্রের নাম নয়। নাটকটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়, আর এর ইংরেজি অনুবাদ ‘Nil Darpan’ প্রকাশের দায়ে পাদ্রি জেমস লং দণ্ডিত হন।
মনে রাখুন:
নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র প্রতিবাদী রায়ত তোরাপ, গোলোক বসু, নবীনমাধব ও ক্ষেত্রমণি।
নীলকর চরিত্র উড ও রোগ সাহেব।
দীনবন্ধু মিত্রের আরও রচনা: ‘সধবার একাদশী’ ও ‘জামাই বারিক’। - ১০. নিচের কোন বাক্য সংকোচনটি ভুল?
- ক. হনন করার ইচ্ছা = জিগীষা
- খ. যে নারীর হাসি সুন্দর = সুস্মিতা
- গ. যার দুহাত সমান চলে = সব্যসাচী
- ঘ. যা বলা হয়নি = অনুক্ত
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. হনন করার ইচ্ছা = জিগীষা
‘হনন করার ইচ্ছা’ অর্থাৎ হত্যা করার ইচ্ছার এক কথায় প্রকাশ ‘জিঘাংসা’। ‘জিগীষা’ মানে জয় করার ইচ্ছা, তাই (A)-র জোড়াটি ভুল। শব্দ দুটি দেখতে কাছাকাছি বলে গুলিয়ে যায়। হন্ (হত্যা করা) ধাতু থেকে জিঘাংসা এবং জি (জয় করা) ধাতু থেকে জিগীষা। বাকি তিনটি জোড়া সঠিক: যে নারীর হাসি সুন্দর = সুস্মিতা, যার দুহাত সমান চলে = সব্যসাচী, যা বলা হয়নি = অনুক্ত।
মনে রাখুন:
জিঘাংসা = হত্যার ইচ্ছা, জিগীষা = জয়ের ইচ্ছা, জিজীবিষা = বেঁচে থাকার ইচ্ছা।
পিপাসা = পান করার ইচ্ছা, জিজ্ঞাসা = জানার ইচ্ছা, বুভুক্ষা = ভোজনের ইচ্ছা, লিপ্সা = লাভের ইচ্ছা। - ১১. 'শ্রমবিমুখ' অর্থ কোন বাগধারার মধ্যে রয়েছে?
- ক. আমড়া কাঠের ঢেঁকি
- খ. ননীর পুতুল
- গ. খয়ের খাঁ
- ঘ. ঠোঁট কাটা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ননীর পুতুল
‘ননীর পুতুল’ বাগ্ধারার অর্থ শ্রমবিমুখ বা শ্রমকাতর। ননী মানে মাখন, আর মাখন দিয়ে তৈরি পুতুল যেমন সামান্য তাপেই গলে যায়, তেমনি অতি আদরে বড় হওয়া মানুষ কষ্ট সইতে পারে না। অন্য বাগ্ধারাগুলোর অর্থ আলাদা। কাছাকাছি অর্থের আরেকটি বাগ্ধারা ‘কুঁড়ের বাদশা’, অর্থ অত্যন্ত অলস।
মনে রাখুন:
আমড়া কাঠের ঢেঁকি = অপদার্থ, অকেজো।
খয়ের খাঁ = চাটুকার, তোষামোদকারী।
ঠোঁট কাটা = বেহায়া বা স্পষ্টভাষী।
গোবর গণেশ = বোকা ও অকর্মণ্য। - ১২. 'কি' এবং 'কী' যথাক্রমে—
- ক. বিশেষ্য ও অব্যয় পদ
- খ. সর্বনাম ও বিশেষণ পদ
- গ. ক্রিয়া ও বিশেষ্য পদ
- ঘ. অব্যয় ও সর্বনাম পদ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. অব্যয় ও সর্বনাম পদ
বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানের নিয়মে যে প্রশ্নের উত্তর ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়ে দেওয়া যায়, সেখানে ‘কি’ বসে। এটি অব্যয় পদ (Indeclinable)। আর যে প্রশ্নের উত্তর ব্যাখ্যা করে দিতে হয়, সেখানে ‘কী’ বসে এবং এটি সর্বনাম পদ (Pronoun)। তাই ‘কি’ ও ‘কী’ যথাক্রমে অব্যয় ও সর্বনাম। বিস্ময় বা আধিক্য বোঝাতেও ‘কী’ বসে, তখন এটি বিশেষণ বা ক্রিয়াবিশেষণের কাজ করে।
উদাহরণ:
তুমি কি যাবে? (উত্তর হ্যাঁ বা না)
তোমার নাম কী? (উত্তর ব্যাখ্যামূলক)
কী সুন্দর দৃশ্য! (বিস্ময়) - ১৩. কোন বানানটি অশুদ্ধ?
- ক. বুদ্ধিজীবী
- খ. পুরষ্কার
- গ. আবিষ্কার
- ঘ. শারীরিক
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. পুরষ্কার
শুদ্ধ বানান ‘পুরস্কার’, তাই অশুদ্ধ বানানটি ‘পুরষ্কার’। এখানে নিয়ম হলো, বিসর্গের আগে অ বা আ থাকলে বিসর্গের জায়গায় ‘স’ হয়। পুরঃ + কার = পুরস্কার। আর বিসর্গের আগে ই বা উ থাকলে ‘ষ’ হয়, যেমন আবিঃ + কার = আবিষ্কার। ‘আবিষ্কার’ ও ‘পরিষ্কার’-এর সঙ্গে মিলিয়ে অনেকে ‘পুরষ্কার’কেও শুদ্ধ ভাবে। কিন্তু ‘পুরঃ’-তে বিসর্গের আগে অ আছে, তাই সেখানে স বসে। বুদ্ধিজীবী ও শারীরিক বানান দুটিও শুদ্ধ।
মনে রাখুন:
অ/আ-এর পরে স: পুরস্কার, নমস্কার, তিরস্কার, ভাস্কর।
ই/উ-এর পরে ষ: আবিষ্কার, বহিষ্কার, নিষ্কাম, দুষ্কর। - ১৪. 'সুকঠিন' শব্দে 'সু' উপসর্গ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. উত্তম
- খ. সহজ
- গ. বিশেষ রূপে
- ঘ. আতিশয্য
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. আতিশয্য
তৎসম উপসর্গ ‘সু’ তিনটি প্রধান অর্থে বসে। ‘সুকঠিন’ মানে অত্যন্ত কঠিন, অর্থাৎ কঠিনতার মাত্রা বাড়ানো হয়েছে, তাই এখানে ‘সু’ আতিশয্য অর্থে ব্যবহৃত। কঠিন জিনিস এখানে ভালো বা সহজ হয়ে যায়নি, তাই ‘উত্তম’ বা ‘সহজ’ অর্থ খাটে না। আর ‘বিশেষ রূপে’ অর্থটি মূলত ‘বি’ উপসর্গের, যেমন বিশুদ্ধ।
মনে রাখুন:
উত্তম: সুকণ্ঠ, সুনাম।
সহজ: সুগম, সুলভ।
আতিশয্য: সুচতুর, সুধীর, সুকঠিন।
‘সু’-এর বিপরীত উপসর্গ ‘দুর্’: সুগম–দুর্গম, সুনাম–দুর্নাম। - ১৫. বিপরীতার্থক শব্দযোগে দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ নয় কোনটি?
- ক. লাভ-লোকসান
- খ. আয়-ব্যয়
- গ. স্বর্গ-নরক
- ঘ. ছেলে-বুড়ো
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. স্বর্গ-নরক
দ্বন্দ্ব সমাসে (Copulative Compound) পূর্বপদ ও পরপদ দুটিই প্রধান। আয়-ব্যয়, লাভ-লোকসান ও ছেলে-বুড়ো বিপরীতার্থক শব্দযোগে দ্বন্দ্ব, কারণ পদগুলো একে অপরের বিপরীত অবস্থা বোঝায়। কিন্তু ‘স্বর্গ-নরক’ বিরোধার্থক শব্দযোগে দ্বন্দ্বের উদাহরণ, যেমন দা-কুমড়া ও অহি-নকুল, তাই এটি বিপরীতার্থক দলের নয়। দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্যে পদগুলোর মাঝে ‘ও’, ‘এবং’ বা ‘আর’ বসে: আয় ও ব্যয় = আয়-ব্যয়।
মনে রাখুন:
বিপরীতার্থক: আয়-ব্যয়, জমা-খরচ, লাভ-লোকসান, ছোট-বড়।
বিরোধার্থক: দা-কুমড়া, অহি-নকুল, স্বর্গ-নরক।
মিলনার্থক: মা-বাপ, চা-বিস্কুট। - ১৬. কোন বইটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা নয়?
- ক. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
- খ. আমার দেখা নয়াচীন
- গ. কারাগারের রোজনামচা
- ঘ. রাজবন্দীর জবানবন্দী
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. রাজবন্দীর জবানবন্দী
‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ বঙ্গবন্ধুর নয়, কাজী নজরুল ইসলামের রচনা। ‘ধূমকেতু’ পত্রিকায় ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতা প্রকাশের দায়ে রাজদ্রোহ মামলায় বন্দি অবস্থায় তিনি ১৯২৩ সালের ৭ জানুয়ারি আদালতের জন্য এই জবানবন্দী লেখেন। বিচারে তাঁর এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয়। এই সময়েই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘বসন্ত’ নাটক নজরুলকে উৎসর্গ করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাকি তিনটি বই তাঁরই লেখা।
মনে রাখুন: বঙ্গবন্ধুর গ্রন্থ প্রকাশের ক্রমে:
অসমাপ্ত আত্মজীবনী (২০১২)
কারাগারের রোজনামচা (২০১৭)
আমার দেখা নয়াচীন (২০২০) - ১৭. কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতার নাম কী?
- ক. প্রলয়োল্লাস
- খ. বিদ্রোহী
- গ. কামাল পাশা
- ঘ. কোরবানী
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. প্রলয়োল্লাস
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)। এতে মোট ১২টি কবিতা আছে, আর প্রথম কবিতা ‘প্রলয়োল্লাস’ (‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’)। দ্বিতীয় কবিতা বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’, যা ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। ‘বিদ্রোহী’ সবচেয়ে বিখ্যাত বলে অনেকে এটিকেই প্রথম কবিতা ভাবে। ‘কামাল পাশা’ ও ‘কোরবানী’ এই কাব্যেরই কবিতা, তবে প্রথম নয়।
মনে রাখুন:
কাব্যটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করা হয়।
ক্রম মনে রাখার উপায় হলো, আগে প্রলয়ের উল্লাস, তারপর বিদ্রোহ।
‘অগ্নিবীণা’র আরও কবিতা: শাত-ইল-আরব, খেয়াপারের তরণী ও মোহররম।
নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’। - ৪৮. 'শোনো একটি মুজিবরের থেকে' গানটির গীতিকার কে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০২২
- ক. গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
- খ. অংশুমান রায়
- গ. উপেন তরফদার
- ঘ. দিনেন্দ্র চৌধুরী
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে’ গানটির গীতিকার (Lyricist) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। গানটির সুরকার ও শিল্পী অংশুমান রায়। ১৯৭১ সালের এপ্রিলে কলকাতার আকাশবাণী থেকে এটি প্রথম প্রচারিত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের প্রবলভাবে অনুপ্রাণিত করে। অংশুমান রায়ের কণ্ঠে গানটি সবচেয়ে পরিচিত বলে অনেকে তাঁকেই গীতিকার ভাবে, কিন্তু তিনি এর সুরকার ও শিল্পী।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধের আরেকটি বিখ্যাত গান ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’-র গীতিকার গোবিন্দ হালদার, আর সুরকার ও শিল্পী আপেল মাহমুদ।
‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। - ৪৯. জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন—
- ক. ১৯৬৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর
- খ. ১৯৬৯ সালের ২৬ মার্চ
- গ. ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
- ঘ. ১৯৭০ সালের ২৩ জুন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা (Agartala Conspiracy Case) প্রত্যাহার করা হলে শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি পান। পরদিন, অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ছাত্রসমাজের দেওয়া গণসংবর্ধনায় তোফায়েল আহমেদ তাঁকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তোফায়েল আহমেদ তখন ডাকসুর সহ-সভাপতি ছিলেন। পরে ৩ মার্চ ১৯৭১ আ স ম আবদুর রব তাঁকে ‘জাতির জনক’ হিসেবে ঘোষণা করেন।
মনে রাখুন:
২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯: আগরতলা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তি।
২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯: ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি।
৩ মার্চ ১৯৭১: ‘জাতির জনক’ ঘোষণা।
আগরতলা মামলা দায়ের হয় ১৯৬৮ সালে, আর এতে শেখ মুজিব ছিলেন এক নম্বর আসামি। - ৫০. মুক্তিযুদ্ধে 'বীর প্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত সিতারা বেগমের পদবি কী ছিল?
- ক. সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট
- খ. লেফটেন্যান্ট
- গ. মেজর
- ঘ. ক্যাপ্টেন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ক্যাপ্টেন
সিতারা বেগম ছিলেন সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল কোরের (Army Medical Corps) একজন ক্যাপ্টেন, অর্থাৎ ডাক্তার। মুক্তিযুদ্ধে তিনি ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’ পরিচালনা করে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা দেন। মুক্তিযুদ্ধে ‘বীর প্রতীক’ খেতাব পাওয়া নারী মাত্র দুজন, তাই এ বিষয়ে প্রশ্ন বারবার আসে।
মনে রাখুন:
বীর প্রতীক পাওয়া দুই নারী: ক্যাপ্টেন (ডা.) সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি (১১ নম্বর সেক্টর)।
তারামন বিবি কুড়িগ্রামের মেয়ে।
বীরত্বসূচক খেতাবের ক্রম: বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন), বীর উত্তম (৬৮ জন), বীর বিক্রম (১৭৫ জন), বীর প্রতীক (৪২৬ জন)। - ৫১. বঙ্গবন্ধু প্রথম কত সালে কারাবরণ করেন?
- ক. ১৯৩৮
- খ. ১৯৪৭
- গ. ১৯৩৫
- ঘ. ১৯৪২
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ১৯৩৮
বঙ্গবন্ধু প্রথম কারাবরণ করেন ১৯৩৮ সালে, যখন তিনি গোপালগঞ্জে স্কুলের ছাত্র। ব্রিটিশ আমলের এই ঘটনায় তিনি ৭ দিন জেলে ছিলেন, যার বর্ণনা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে আছে। রাজনৈতিক জীবনে তিনি মোট ৪৬৮২ দিন কারাগারে কাটান, যার বেশিরভাগই পাকিস্তান আমলে। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়, তাই ১৯৩৮ সালে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছরের কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’।
১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস। - ৫২. উৎপাদন খাতে নিয়োজিত মাঝারি শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদের মূল্য কত হতে হয়?
- ক. ১৫ কোটি টাকা
- খ. ১০ কোটি টাকা
- গ. ৫ কোটি টাকা
- ঘ. ৫০ কোটি টাকা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ১৫ কোটি টাকা
জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬ অনুযায়ী উৎপাদনশীল (Manufacturing) খাতে মাঝারি শিল্প হলো সেই শিল্প, যার জমি ও কারখানা ভবন বাদে স্থায়ী সম্পদের (Fixed Asset) মূল্য ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা, অথবা শ্রমিক সংখ্যা ১২১ থেকে ৩০০ জন। তাই মাঝারি শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদ ১৫ কোটি টাকা। ৫০ কোটি টাকা হলো মাঝারি শিল্পের ঊর্ধ্বসীমা, এর বেশি হলে শিল্পটি বৃহৎ শিল্প হিসেবে গণ্য হয়।
মনে রাখুন: উৎপাদন খাতে স্থায়ী সম্পদ (জমি ও ভবন বাদে) অনুযায়ী শ্রেণি:
কুটির: ১০ লাখ টাকার কম
মাইক্রো: ১০ লাখ থেকে ৭৫ লাখ
ক্ষুদ্র: ৭৫ লাখ থেকে ১৫ কোটি
মাঝারি: ১৫ কোটি থেকে ৫০ কোটি
বৃহৎ: ৫০ কোটির বেশি - ৫৪. কোনটি নিয়ন্ত্রিত শিল্প?
- ক. সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল
- খ. পারমাণবিক শক্তি
- গ. হাইটেক শিল্প
- ঘ. সিকিউরিটিজ প্রিন্টিং
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল
শিল্পনীতিতে ‘নিয়ন্ত্রিত শিল্প’ (Controlled Industry) হলো সেসব শিল্প, যা বেসরকারি খাতেও স্থাপন করা যায়, তবে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমতি বা ছাড়পত্র নিতে হয়। সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল (Ocean-going Shipping) এমন একটি নিয়ন্ত্রিত শিল্প। পারমাণবিক শক্তি এবং সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও মিন্টিং (নোট ও ধাতব মুদ্রা তৈরি) অবশ্য ‘সংরক্ষিত শিল্প’ (Reserved Industry), যা শুধু সরকারই স্থাপন করতে পারে। আর হাইটেক শিল্পকে সরকার উৎসাহ দেয়, এটি নিয়ন্ত্রিত শিল্পের তালিকায় নেই।
মনে রাখুন:
সংরক্ষিত শিল্প: শুধু সরকারি খাতে (অস্ত্র ও গোলাবারুদ, পারমাণবিক শক্তি, সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও মিন্টিং)।
নিয়ন্ত্রিত শিল্প: বেসরকারি খাতেও করা যায়, তবে সরকারের অনুমতি লাগে (সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল, গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ)। - ৫৫. পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ অনুযায়ী কোনটি পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক শিল্পের শ্রেণি বিভাজন নয়?
- ক. সবুজ
- খ. হলুদ
- গ. কমলা
- ঘ. লাল
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঙ. কোনোটিই নয়
পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩ (Environment Conservation Rules 2023) মার্চ ২০২৩-এ জারি হয়ে ১৯৯৭ সালের বিধিমালার স্থলাভিষিক্ত হয়। এই বিধিমালা অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তর (Department of Environment) শিল্প ও প্রকল্পকে পরিবেশের ওপর প্রভাব অনুযায়ী চারটি শ্রেণিতে ভাগ করে: সবুজ (Green), হলুদ (Yellow), কমলা (Orange) ও লাল (Red)। প্রশ্নের চারটি রংই এই শ্রেণিবিভাগে আছে, তাই শ্রেণিবিভাগের বাইরের কোনো রং option-এ নেই। অতএব সঠিক উত্তর কোনোটিই নয়।
মনে রাখুন:
সবুজ শ্রেণিতে দূষণের ঝুঁকি সবচেয়ে কম, লাল শ্রেণিতে সবচেয়ে বেশি।
পুরোনো ১৯৯৭ সালের বিধিমালায় হলুদ শ্রেণি ছিল না, ছিল সবুজ, কমলা-ক, কমলা-খ ও লাল। - ৫৯. 'আমি বিজয় দেখেছি' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. মঈদুল হাসান
- খ. এম. আর. আখতার মুকুল
- গ. মুনতাসীর মামুন
- ঘ. মেজর রফিকুল ইসলাম
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. এম. আর. আখতার মুকুল
‘আমি বিজয় দেখেছি’ গ্রন্থের লেখক এম. আর. আখতার মুকুল। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘চরমপত্র’-এর রচয়িতা ও পাঠকও ছিলেন তিনিই। অনুষ্ঠানটি ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় পড়া হতো এবং পাকিস্তানি সেনাদের নিয়ে ব্যঙ্গ করত। ‘আমি বিজয় দেখেছি’ তাঁর সেই সময়ের স্মৃতিকথা।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আরও দুটি পরিচিত গ্রন্থ:
‘মূলধারা ’৭১’: মঈদুল হাসান।
‘লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে’: মেজর রফিকুল ইসলাম।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সম্প্রচার ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট থেকে শুরু হয়।
ইংরেজি
- ১৮. I submitted my graduation ____ last month.
- ক. dishertation
- খ. dissertation
- গ. discertation
- ঘ. deshertation
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. dissertation
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির জন্য জমা দেওয়া দীর্ঘ গবেষণাপত্র বা অভিসন্দর্ভকে বলে dissertation, তাই বাক্যটি হবে I submitted my graduation dissertation last month. শব্দটি ভাঙলে হয় dis-ser-ta-tion: শুরুতে ‘dis’, তারপর পরপর দুটি s (ss), আর শেষে -tion। অপর বানানগুলোতে ভুল আছে: একটিতে অপ্রয়োজনীয় h ঢুকেছে, আরেকটিতে dis-এর বদলে des বসেছে, আর অন্যটিতে ss-এর জায়গায় sc বসেছে। তিনটিই ভুল বানান।
মনে রাখুন:
Dissertation মানে অভিসন্দর্ভ বা গবেষণাপত্র, কাছাকাছি অর্থে thesis শব্দটিও ব্যবহৃত হয়।
বানান ভুল হয় এমন আরও শব্দ: necessary (একটি c, দুটি s), occurrence (দুটি c, দুটি r) ও accommodation (দুটি c, দুটি m)। - ১৯. Archaeology is related to —
- ক. the study of new cultures
- খ. the study of art and music
- গ. the study of medicine
- ঘ. the study of human history
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. the study of human history
Archaeology (প্রত্নতত্ত্ব) শব্দটি এসেছে গ্রিক arkhaios (প্রাচীন) এবং -logy (বিদ্যা) থেকে। খননে পাওয়া নিদর্শন ও প্রাচীন স্থাপনা পরীক্ষা করে মানুষের অতীত ইতিহাস জানার বিদ্যাই প্রত্নতত্ত্ব, তাই উত্তর হলো the study of human history। নতুন সংস্কৃতির পাঠ এর অর্থ নয়, কারণ archaeology পুরোনো জিনিস নিয়ে কাজ করে। শিল্পকলা ও সংগীত কিংবা চিকিৎসাবিদ্যার সঙ্গেও এর সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
Anthropology: নৃবিজ্ঞান, মানুষ ও তার সংস্কৃতির বিদ্যা।
Paleontology: জীবাশ্মবিদ্যা।
Numismatics: মুদ্রাবিদ্যা।
একই মূল থেকে এসেছে archaic (প্রাচীন, সেকেলে)। - ২০. I ____ the opportunity ____ account.
- ক. turn, in
- খ. turn, down
- গ. turned, at
- ঘ. turned, to
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. turned, to
এই বাক্যে idiom ‘turn (something) to account’ বসে, যার অর্থ কোনো কিছুকে নিজের সুবিধা বা লাভের কাজে লাগানো। দুটি শূন্যস্থানে turned ও to বসালে বাক্য হয়: I turned the opportunity to account. অর্থাৎ আমি সুযোগটিকে কাজে লাগিয়েছিলাম। Turn in মানে জমা দেওয়া বা ঘুমাতে যাওয়া, আর turn down মানে প্রত্যাখ্যান করা। এই দুটির পরে ‘account’ বসালে বাক্য অর্থহীন হয়। ‘Turned at account’ নামে কোনো প্রচলিত প্রকাশ নেই।
মনে রাখুন: Account নিয়ে আরও কিছু phrase:
take into account = বিবেচনায় নেওয়া।
on account of = কারণে।
call to account = জবাবদিহি চাওয়া। - ২১. Identify the correct positive form of the sentence: Milk is the most nutritious food.
- ক. Very few food is as nutritious as milk.
- খ. No other food as nutritious as is milk.
- গ. No food as nutritious as milk is.
- ঘ. No other food is as nutritious as milk.
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. No other food is as nutritious as milk.
এই প্রশ্নে Superlative degree থেকে Positive degree-তে বদলাতে হবে। নিয়মটি হলো: Subject + is + the most + adjective + noun থেকে হয় No other + noun + is + as + adjective + as + subject। তাই সঠিক রূপ: No other food is as nutritious as milk. (A)-তে ‘Very few ... as ... as’ গঠন বসে ‘one of the most’ ধরনের বাক্যের জন্য, তা ছাড়া ‘Very few food is’-ও ভুল। (B) ও (C)-তে verb-এর অবস্থান ভুল, ফলে বাক্য অসম্পূর্ণ। (C)-তে other বাদ পড়ায় দুধ নিজেও ‘No food’-এর মধ্যে পড়ে যায়, যা যুক্তিহীন।
মনে রাখুন:
Superlative থেকে Comparative: Milk is more nutritious than any other food.
‘One of the most’ হলে Positive: Very few + বহুবচন noun + are as ... as। - ২২. Identify the meaning of the idiom: an arm and a leg.
- ক. a reasonable amount of money
- খ. a huge amount of money
- গ. a fair amount of money
- ঘ. a negligible amount of money
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. a huge amount of money
Idiom ‘an arm and a leg’ সাধারণত ‘cost an arm and a leg’ রূপে বসে। এর অর্থ খুব বেশি দাম বা বিপুল পরিমাণ টাকা, যেন একটি হাত আর একটি পা দিয়ে দাম মেটাতে হচ্ছে। Reasonable ও fair amount যথাক্রমে যুক্তিসংগত ও মোটামুটি ভালো পরিমাণ বোঝায়, আর negligible মানে নগণ্য, যা প্রায় উল্টো অর্থ।
উদাহরণ:
The new car cost him an arm and a leg.
মনে রাখুন: একই ভাবের আরেকটি idiom pay through the nose (অতিরিক্ত দাম দেওয়া)। বিপরীত ভাব dirt cheap (একেবারে সস্তা)। - ২৩. If I were rich, I ____ around the world.
- ক. will travel
- খ. can travel
- গ. would travel
- ঘ. want to travel
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. would travel
এটি Conditional Sentence-এর দ্বিতীয় ধরন (Second Conditional), যা বর্তমানের কাল্পনিক বা অবাস্তব অবস্থা বোঝায়। এখানে বক্তা আসলে ধনী নন। এর গঠন: If + subject + past simple (be-এর ক্ষেত্রে সব subject-এর সঙ্গে were), subject + would + V1। তাই সঠিক বাক্য: If I were rich, I would travel around the world. Will travel বসে First Conditional-এ, আর can travel বাস্তব সম্ভাবনা বোঝায়, কাল্পনিক অবস্থা নয়। Want to travel বসালে if-clause-এর কাল্পনিক ভাবের সঙ্গে প্রধান clause-এর কাল মেলে না।
মনে রাখুন:
First: If + present, will + V1।
Second: If + past (were), would/could/might + V1।
Third: If + had + V3, would have + V3। - ২৪. Choose the correct sentence.
- ক. No sooner he graduated he got a job.
- খ. No sooner had he graduated than he got a job.
- গ. No sooner had he graduated then he had got a job.
- ঘ. No sooner he had graduated he got a job.
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. No sooner had he graduated than he got a job.
‘No sooner ... than’ গঠনে No sooner বাক্যের শুরুতে এলে inversion হয়: No sooner + had + subject + past participle + than + subject + past simple। তাই সঠিক বাক্য: No sooner had he graduated than he got a job. অর্থাৎ স্নাতক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে চাকরি পেয়ে গেল। (A) ও (D)-তে had-এর inversion নেই এবং than বাদ পড়েছে। (C)-তে than-এর জায়গায় then বসেছে, আর দ্বিতীয় অংশে ‘had got’ ভুল, সেখানে past simple got লাগে।
মনে রাখুন: No sooner-এ তুলনার ভাব (sooner) আছে, তাই এর সঙ্গী than, then নয়। Hardly/Scarcely-এর সঙ্গী when বা before, আর এগুলো শুরুতে এলেও inversion হয়। - ২৫. Choose the correct translation: 'তোমার লৌকিকতা এখন থাক।'
- ক. Just lay beside your formalities.
- খ. Just lay by your formalities.
- গ. Just lay aside your formalities.
- ঘ. Just lay on your formalities.
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. Just lay aside your formalities.
‘লৌকিকতা এখন থাক’ মানে আনুষ্ঠানিকতা বা ভদ্রতার আড়ম্বর সরিয়ে রাখো। Phrasal verb lay aside-এর অর্থ সরিয়ে রাখা বা বাদ দেওয়া, তাই সঠিক অনুবাদ: Just lay aside your formalities. Lay by মানে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করা এবং lay on মানে ব্যবস্থা বা সরবরাহ করা। দুটির অর্থ এখানে মেলে না। ‘Lay beside’ কোনো প্রচলিত phrasal verb নয়।
মনে রাখুন:
Lay aside = put aside (সরিয়ে রাখা, বাদ দেওয়া)।
Lay by = save (সঞ্চয় করা)।
Lay off = ছাঁটাই করা।
Lay on = ব্যবস্থা করা।
Stand on ceremony = লৌকিকতা মেনে চলা। - ২৬. Synonym of 'Indigenous' is —
- ক. Alien
- খ. Local
- গ. Poor
- ঘ. Modern
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. Local
Indigenous মানে দেশীয় বা স্থানীয়, অর্থাৎ কোনো অঞ্চলে আদিকাল থেকে জন্মানো বা বসবাসকারী। Indigenous people মানে আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং indigenous plants মানে দেশীয় উদ্ভিদ। তাই এর সমার্থক শব্দ Local। Alien মানে বিদেশি, যা Indigenous-এর প্রায় বিপরীত। Poor মানে দরিদ্র আর Modern মানে আধুনিক, তাই এ দুটির সঙ্গে অর্থের মিল নেই।
মনে রাখুন:
Indigenous = native = local = aboriginal।
বিপরীত শব্দ: foreign, alien, exotic।
প্রতি বছর ৯ আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালিত হয়। - ২৭. I attended the ceremony and distributed prizes ____ three winners.
- ক. by
- খ. between
- গ. for
- ঘ. among
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. among
পুরস্কার বণ্টন করা হয়েছে তিনজন বিজয়ীর মধ্যে, অর্থাৎ দুইয়ের বেশি জনের একটি দলে। এমন ভাগাভাগি বোঝাতে among বসে: I attended the ceremony and distributed prizes among three winners. Between সাধারণত দুইজন বা দুটি পক্ষের ক্ষেত্রে বসে। For বসালে বোঝায় ‘বিজয়ীদের জন্য’, তাতে বণ্টনের ভাব আসে না। আর by বসালে অর্থ দাঁড়ায় ‘বিজয়ীদের দ্বারা’, যা বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন: দুইজনের মধ্যে between, দুইয়ের বেশি জনের দলে among, যেমন divide/share/distribute among the students। তবে আলাদা আলাদা পক্ষের পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে দুইয়ের বেশি হলেও between বসে, যেমন a treaty between three countries। - ২৮. A celebration of 100 years is called ____
- ক. Century
- খ. Golden Jubilee
- গ. Centennial
- ঘ. Silver Jubilee
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. Centennial
১০০ বছর পূর্তির উদ্যাপনকে বলে Centennial (শতবার্ষিকী), একই অর্থে Centenary-ও চলে। শব্দটির মূল লাতিন centum, অর্থ ১০০। Century শব্দেও ১০০ বছর বোঝায়, তবে সেটি কেবল শতাব্দী নামের সময়কাল, উদ্যাপন নয়। Golden Jubilee হলো ৫০ বছর পূর্তি আর Silver Jubilee হলো ২৫ বছর পূর্তি।
মনে রাখুন:
Silver Jubilee = ২৫ বছর।
Golden Jubilee = ৫০ বছর।
Centennial = ১০০ বছর।
Sesquicentennial = ১৫০ বছর।
Bicentennial = ২০০ বছর।
Cent- মূল থেকে এসেছে century, centimetre ও centenarian (শতবর্ষী মানুষ)।
উদাহরণ: বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২০ সালে মুজিববর্ষ পালিত হয়। - ২৯. Which of the following is a verb?
- ক. Apparent
- খ. Appertain
- গ. Applause
- ঘ. Appetizer
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. Appertain
Appertain একটি verb, অর্থ কোনো কিছুর সঙ্গে সম্পর্কিত বা সংশ্লিষ্ট হওয়া, কিংবা কারো অধিকারভুক্ত হওয়া। এটি সাধারণত to-সহ বসে, যেমন the duties appertaining to the post (পদটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব)। Apparent একটি adjective (স্পষ্ট), Applause একটি noun (করতালি) এবং Appetizer একটি noun (মূল খাবারের আগে দেওয়া ক্ষুধাবর্ধক হালকা খাবার)। Appetizer-এ ‘-ize’ দেখে একে verb ভাবা ঠিক নয়, কারণ শেষে -er যোগ হয়ে এটি noun হয়েছে।
মনে রাখুন:
-ent/-ant সাধারণত adjective: apparent, brilliant।
-er/-or যুক্ত শব্দ সাধারণত noun: appetizer, organizer।
Applause (noun) ও applaud (verb) আলাদা। - ৩০. Choose the past participle of 'Slide'.
- ক. Slided
- খ. Slide
- গ. Slid
- ঘ. Slidded
- ঙ. None of these
উত্তর: গ. Slid
Slide (পিছলে যাওয়া) একটি অনিয়মিত ক্রিয়া (Irregular Verb)। এর তিন রূপ: slide, slid, slid। অর্থাৎ Past ও Past Participle দুটোই slid। Slided বা slidded নামে কোনো শব্দ নেই, কারণ নিয়মিত ক্রিয়ার মতো -ed যোগ করে এর রূপ বানানো যায় না। Past Participle বসে has, have বা had-এর পরে, যেমন has slid বা had slid।
উদাহরণ: The plate had slid off the table.
মনে রাখুন: কাছাকাছি ধাঁচের অনিয়মিত ক্রিয়া hide–hid–hidden এবং bite–bit–bitten। কিন্তু glide নিয়মিত, এর রূপ glide–glided–glided। - ৩১. Choose the simple sentence of: I knew that they were horribly expensive.
- ক. I knew and they were horribly expensive.
- খ. I knew them but they were horribly expensive.
- গ. It was known that they were horribly expensive.
- ঘ. I knew them to be horribly expensive.
- ঙ. None of these
উত্তর: ঘ. I knew them to be horribly expensive.
I knew that they were horribly expensive বাক্যটিতে একটি principal clause (I knew) আর একটি noun clause (that they were horribly expensive) আছে, তাই এটি Complex sentence। Simple sentence বানাতে that-clause ভেঙে object ও to-infinitive বসাতে হয়: they হয় them, were হয় to be। তাই সঠিক রূপ: I knew them to be horribly expensive. (A) ও (B)-তে and/but দিয়ে দুটি স্বাধীন clause জোড়া হয়েছে, ফলে এগুলো Compound sentence। (C)-তে that-clause থেকেই গেছে, তাই সেটি এখনো Complex।
মনে রাখুন: Simple sentence-এ একটিই finite verb থাকে। Know/believe/think/find + that-clause সাধারণত এভাবে বদলায়, যেমন I believe that he is honest থেকে I believe him to be honest। - ৩২. Nomenclature means —
- ক. a collection of books on human civilization
- খ. a system of words used to name things in a particular discipline
- গ. a civilization of ancient times
- ঘ. a study of new culture
- ঙ. None of these
উত্তর: খ. a system of words used to name things in a particular discipline
Nomenclature (নামকরণ পদ্ধতি, পরিভাষা) মানে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় বা শাস্ত্রে জিনিসের নাম দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত শব্দ বা নামের একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা। শব্দটি এসেছে লাতিন nomen (নাম) থেকে। জীববিজ্ঞানে দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature) এর পরিচিত উদাহরণ। এই পদ্ধতির প্রচলন করেন সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস, আর মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens। বাকি তিনটি option-এর কোনোটিই নামকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখুন:
Nomen মূল থেকে এসেছে nominate (মনোনীত করা) ও nominal (নামমাত্র)।
দ্বিপদ নামের প্রথম অংশ গণ (Genus) ও দ্বিতীয় অংশ প্রজাতি (Species)।
বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris tigris।
গণিত
- ৩৩. একটি সমকোণী ত্রিভুজের অন্য দুটি কোণের সমষ্টি কত?
- ক. ৬০°
- খ. ৯০°
- গ. ১২০°
- ঘ. ১৮০°
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৯০°
যেকোনো ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সবসময় 180°। সমকোণী ত্রিভুজে একটি কোণ 90°, তাই বাকি দুই কোণের সমষ্টি পেতে মোট থেকে সমকোণ বাদ দিলেই হয়।
180° − 90° = 90°
যাচাই: 30°-60°-90° ত্রিভুজে 30° + 60° = 90°, আবার 45°-45°-90° ত্রিভুজে 45° + 45° = 90°।
মনে রাখুন:
এই দুই কোণ পরস্পর পূরক কোণ (Complementary Angles) এবং দুটিই সূক্ষ্মকোণ।
180° হলো তিন কোণের মোট সমষ্টি, দুই কোণের নয়।
সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভুজ বলে, আর পিথাগোরাসের সূত্র a² + b² = c² এখানেই খাটে। - ৩৪. তুহিনের জন্ম তারিখ ২৬ জানুয়ারি ১৯৮৯। ২৬ নভেম্বর ২০২৩ সালে তার বয়স কত হবে?
- ক. ৩৪ বছর ৯ মাস ২৯ দিন
- খ. ৩৪ বছর ১০ মাস ০ দিন
- গ. ৩৪ বছর ১০ মাস ১ দিন
- ঘ. ৩৫ বছর ১০ মাস ১ দিন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৩৪ বছর ১০ মাস ০ দিন
বয়স মানে নির্দিষ্ট তারিখ ও জন্ম তারিখের ব্যবধান। নির্দিষ্ট তারিখ থেকে জন্ম তারিখ বিয়োগ করতে হয়, আগে দিন, তারপর মাস, তারপর বছর। কোনো ঘরে বিয়োগ না চললে পাশের বড় এককের ঘর থেকে ধার নিতে হয়। এখানে দুই তারিখেই দিন ২৬, তাই ধার লাগবে না।
দিন: 26 − 26 = 0
মাস: 11 − 1 = 10
বছর: 2023 − 1989 = 34
তাই বয়স ৩৪ বছর ১০ মাস ০ দিন। যাচাই: ২৬ জানুয়ারি ২০২৩-এ বয়স পূর্ণ ৩৪ বছর, আর সেখান থেকে ২৬ নভেম্বর ঠিক ১০ মাস।
মনে রাখুন: শুরু ও শেষ দুই দিনই গুনে ১ দিন বাড়ালে ভুল হয়। - ৩৫. একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ৬ সেন্টিমিটার হলে ঐ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার?
- ক. ৩√৩
- খ. ৪√৩
- গ. ৬√৩
- ঘ. ৯√৩
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ৯√৩
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র (√3/4) × a², যেখানে a হলো বাহুর দৈর্ঘ্য। সূত্রটি আসে ‘ক্ষেত্রফল = 1/2 × ভূমি × উচ্চতা’ থেকে। শীর্ষ থেকে ভূমিতে লম্ব টানলে ভূমি সমান দুই ভাগে ভাগ হয়, আর পিথাগোরাসের উপপাদ্য দিয়ে উচ্চতা পাওয়া যায় (√3/2)a।
ক্ষেত্রফল = (√3/4) × 6² = (√3/4) × 36 = 9√3 বর্গ সেমি
অন্যভাবে: উচ্চতা = (√3/2) × 6 = 3√3, ক্ষেত্রফল = 1/2 × 6 × 3√3 = 9√3
মনে রাখুন: 3√3 হলো ত্রিভুজের উচ্চতা, ক্ষেত্রফল নয়। - ৩৬. একটি বাক্সে ১০টি লাল ও ১৫টি নীল মার্বেল আছে। একটি বালক চোখ বাঁধা অবস্থায় প্রতিবারে একটি করে পরপর দুইটি মার্বেল উঠালে (প্রথমটি বাক্সে ফেরত না রেখে) দুইটি একই রঙের মার্বেল পাবার সম্ভাবনা কত?
- ক. 1/2
- খ. 4/5
- গ. 3/5
- ঘ. 3/20
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. 1/2
একই রঙ দুইভাবে হতে পারে, দুটিই লাল অথবা দুটিই নীল। এই দুই ঘটনা একসঙ্গে ঘটে না, তাই সম্ভাবনা যোগ করতে হবে। প্রথমটি ফেরত না রাখায় দ্বিতীয়বারে মোট মার্বেল ও ওই রঙের মার্বেল, দুটিই ১ করে কমে যায়। মোট মার্বেল ২৫টি।
দুটিই লাল: 10/25 × 9/24 = 3/20
দুটিই নীল: 15/25 × 14/24 = 7/20
একই রঙ: 3/20 + 7/20 = 1/2
সমাবেশ দিয়েও মেলে: (10C2 + 15C2) ÷ 25C2 = (45 + 105) ÷ 300 = 1/2।
মনে রাখুন: 3/20 শুধু দুটিই লাল হওয়ার সম্ভাবনা, নীল-নীল এতে যোগ করা হয়নি। - ৩৭. f(x) = ২ − √৩ হলে {f(x)}২-এর মান কত?
- ক. ১
- খ. ৭ − ৪√৩
- গ. ২ + √৩
- ঘ. ৭ + ৪√৩
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৭ − ৪√৩
{f(x)}² মানে (2 − √3)²। এখানে (a − b)² = a² − 2ab + b² সূত্র লাগবে, যেখানে a = 2 এবং b = √3, আর মনে রাখতে হবে (√3)² = 3।
(2 − √3)² = 4 − 4√3 + 3 = 7 − 4√3
যাচাই: √3 ≈ 1.732 ধরলে 2 − √3 ≈ 0.268 এবং তার বর্গ ≈ 0.072। আবার 7 − 4 × 1.732 = 0.072, মিলে গেছে।
মনে রাখুন: মাঝের পদ 2ab বাদ দিয়ে a² − b² ধরলে ভুল করে ১ পাওয়া যায়। আর মাঝের পদের চিহ্ন ভুল হলে 7 + 4√3 আসে, যা (2 + √3)²-এর মান। - ৩৮. একটি পার্টিতে কিছু লোক উপস্থিত ছিল। তারা প্রত্যেকে সকলের সাথে করমর্দন করায় মোট ২১টি করমর্দন হলো। ঐ পার্টিতে মোট কত জন উপস্থিত ছিল?
- ক. ৬
- খ. ৭
- গ. ৮
- ঘ. ৯
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৭
ধরি, পার্টিতে n জন ছিল। প্রতিটি করমর্দনে দুজন মানুষ লাগে, আর A-এর সঙ্গে B-এর করমর্দন এবং B-এর সঙ্গে A-এর করমর্দন একই ঘটনা। তাই মোট করমর্দন = n জন থেকে ২ জন বাছাইয়ের উপায় = nC2 = n(n − 1)/2।
n(n − 1)/2 = 21
n(n − 1) = 42, অর্থাৎ n² − n − 42 = 0
(n − 7)(n + 6) = 0, তাই n = 7 (ঋণাত্মক মান বাদ)
যাচাই: 7 × 6/2 = 21।
মনে রাখুন: 2 দিয়ে ভাগ না করলে প্রতিটি করমর্দন দুবার গোনা হয়। - ৩৯. যদি a, b, c, d চারটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যা হয়, নিচের কোনটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা?
- ক. abcd + 1
- খ. abcd + 2
- গ. ab + cd
- ঘ. abcd − 1
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. abcd + 1
ধরি, a = n, b = n + 1, c = n + 2 এবং d = n + 3। তাহলে ad = n² + 3n এবং bc = n² + 3n + 2। অর্থাৎ প্রথম ও শেষ সংখ্যার গুণফল আর মাঝের দুটির গুণফলের পার্থক্য সবসময় ২। ধরি m = n² + 3n + 1, তাহলে abcd = (m − 1)(m + 1) = m² − 1। অতএব abcd + 1 = m², যা সবসময় পূর্ণবর্গ।
যাচাই: 1, 2, 3, 4 বসালে গুণফল 24 এবং 24 + 1 = 25 = 5²। আবার 2, 3, 4, 5 বসালে 120 + 1 = 121 = 11²।
মনে রাখুন: চারটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল + 1 সবসময় পূর্ণবর্গ। অন্য option-গুলো (26, 14, 23) পূর্ণবর্গ নয়। - ৪০. তিন অংকের বৃহত্তম সংখ্যা হতে কোন লঘিষ্ঠ সংখ্যা বিয়োগ করলে বিয়োগফল ৬, ১২ ও ১৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে?
- ক. ২০
- খ. ২৩
- গ. ২৫
- ঘ. ২৭
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ২৭
তিন অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা ৯৯৯। কোনো সংখ্যা ৬, ১২ ও ১৮ তিনটি দিয়েই বিভাজ্য হলে সেটি তাদের লসাগু (LCM)-এর গুণিতক হয়। তাই সবচেয়ে কম বিয়োগ করতে চাইলে ৯৯৯-কে LCM দিয়ে ভাগ করে যে ভাগশেষ থাকে, ঠিক সেটুকুই বিয়োগ করতে হবে।
6 = 2 × 3, 12 = 2² × 3, 18 = 2 × 3², তাই LCM = 2² × 3² = 36
999 = 36 × 27 + 27, তাই ভাগশেষ 27
যাচাই: 999 − 27 = 972, আর 972 ÷ 6 = 162, 972 ÷ 12 = 81, 972 ÷ 18 = 54।
মনে রাখুন: একসঙ্গে সবগুলো দিয়ে বিভাজ্যতার জন্য লাগে LCM, গসাগু বা গুণফল নয়। - ৪১. একটি ৪৮ মিটার লম্বা খুঁটি ভেঙে গিয়ে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভূমির সাথে ৩০° কোণ উৎপন্ন করে। খুঁটিটি কত উঁচুতে ভেঙেছিল?
- ক. ১৪ মিটার
- খ. ১৬ মিটার
- গ. ১৮ মিটার
- ঘ. ২০ মিটার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ১৬ মিটার
ধরি, খুঁটিটি মাটি থেকে x মিটার উঁচুতে ভেঙেছে। তাহলে দাঁড়িয়ে থাকা অংশ x মিটার, যা মাটির সঙ্গে লম্ব। ভাঙা অংশ (48 − x) মিটার, যা হেলে পড়ে সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ হয়েছে। ৩০° কোণটি মাটিতে, তাই এর বিপরীত বাহু হলো দাঁড়িয়ে থাকা অংশ x।
sin 30° = x/(48 − x) = 1/2
2x = 48 − x, তাই 3x = 48 এবং x = 16 মিটার
যাচাই: ভাঙা অংশ 32 মিটার এবং 16/32 = 1/2।
মনে রাখুন: ৩০° কোণের বিপরীত বাহু অতিভুজের অর্ধেক। অতিভুজ হলো শুধু ভাঙা অংশ, পুরো ৪৮ মিটার নয়। - ৪২. 3x2 − x/2 + 5 = 0 সমীকরণটিতে x-এর সহগ (coefficient) কত?
- ক. −1
- খ. −1/2
- গ. 1/2
- ঘ. 1
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. −1/2
সহগ (Coefficient) হলো কোনো পদে চলকের সঙ্গে গুণ আকারে থাকা সংখ্যা, চিহ্নসহ। দ্বিঘাত সমীকরণের আদর্শ রূপ ax² + bx + c = 0, যেখানে b হলো x-এর সহগ। প্রদত্ত সমীকরণে x-এর পদ −x/2। একে সংখ্যা × x আকারে লিখলে পাওয়া যায় (−1/2) × x।
3x² + (−1/2)x + 5 = 0
a = 3, b = −1/2, c = 5
তাই x-এর সহগ −1/2।
মনে রাখুন: পদের আগের বিয়োগ চিহ্নও সহগের অংশ। চিহ্ন বাদ দিলে ভুল করে 1/2 পাওয়া যায়। - ৪৩. ৬০ মিটার দীর্ঘ একটি মেট্রোরেলের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কি.মি. হলে রেললাইনের পাশে একটি খুঁটি অতিক্রম করতে মেট্রোরেলটির কত সময় লাগবে?
- ক. ১.০ সেকেন্ড
- খ. ৪.৫ সেকেন্ড
- গ. ৩.৬ সেকেন্ড
- ঘ. ১ মিনিট
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ৩.৬ সেকেন্ড
ট্রেন কোনো খুঁটির মতো বিন্দু পার হতে নিজের দৈর্ঘ্যের সমান পথ যায়, তাই সময় = ট্রেনের দৈর্ঘ্য ÷ বেগ। দূরত্ব মিটারে আর বেগ km/h-এ, তাই আগে বেগকে m/s-এ নিতে হবে। 1 km/h = 5/18 m/s।
বেগ = 60 × 5/18 = 50/3 m/s
সময় = 60 ÷ (50/3) = 180/50 = 3.6 সেকেন্ড
মনে রাখুন: একক না মিলিয়ে 60 ÷ 60 = 1 ধরলে ভুল হয়। সংক্ষিপ্ত উপায়: সময় = দৈর্ঘ্য × 3.6 ÷ বেগ (km/h)। - ৪৪. একটি দ্রব্য ২৪ টাকায় বিক্রয় করায় যত ক্ষতি হলো, ৪৮ টাকায় বিক্রয় করলে তার অর্ধেক লাভ হতো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?
- ক. ৪০ টাকা
- খ. ৩২ টাকা
- গ. ২০ টাকা
- ঘ. ১৬ টাকা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ৪০ টাকা
ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য x টাকা। ২৪ টাকায় বিক্রি করলে ক্ষতি x − 24, আর ৪৮ টাকায় বিক্রি করলে লাভ 48 − x। শর্ত অনুযায়ী লাভ হলো ক্ষতির অর্ধেক, অর্থাৎ ক্ষতি = 2 × লাভ।
x − 24 = 2(48 − x)
x − 24 = 96 − 2x, তাই 3x = 120
x = 40 টাকা
যাচাই: ক্ষতি 16 টাকা, লাভ 8 টাকা, আর 8 হলো 16-এর অর্ধেক।
মনে রাখুন: ‘অর্ধেক’ কোন দিকে বসবে, তা উল্টে ফেললে 32 পাওয়া যায়, যা ভুল। - ৪৫. একটি সমবাহু ত্রিভুজের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ২ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল ৩√৩ বর্গমিটার বৃদ্ধি পায়। ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য কত মিটার?
- ক. ২৪
- খ. ৩২
- গ. ৪
- ঘ. ২
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. ২
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল (√3/4)a²। ধরি, মূল বাহু a মিটার। প্রতিটি বাহু ২ মিটার বাড়লে নতুন বাহু হয় (a + 2) মিটার, আর ক্ষেত্রফল ৩√৩ বর্গমিটার বাড়ে।
(√3/4)[(a + 2)² − a²] = 3√3
(a + 2)² − a² = 4a + 4, তাই √3(a + 1) = 3√3
a + 1 = 3, অর্থাৎ a = 2 মিটার
যাচাই: পুরোনো ক্ষেত্রফল √3, নতুন বাহু 4 হলে ক্ষেত্রফল 4√3, বৃদ্ধি 3√3।
মনে রাখুন: 4 হলো বাড়ানোর পরের বাহু, প্রশ্নে মূল বাহু চাওয়া হয়েছে। - ৪৬. কোন সংখ্যার ৪৮% থেকে ৪৮ বিয়োগ করলে বিয়োগফল ৪৮ হবে?
- ক. ৪৮
- খ. ২০০
- গ. ৯৬
- ঘ. ১০০
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ২০০
ধরি, সংখ্যাটি x। শর্ত অনুযায়ী x-এর ৪৮% থেকে ৪৮ বিয়োগ করলে বিয়োগফল ৪৮ হয়।
0.48x − 48 = 48
0.48x = 96
x = 96 ÷ 0.48 = 200
যাচাই: 200-এর 48% = 96, আর 96 − 48 = 48।
মনে রাখুন: 96 হলো সংখ্যাটির ৪৮%, পুরো সংখ্যা নয়। সংক্ষিপ্ত উপায়: 48% = 96 হলে 1% = 2, তাই 100% = 200।
শতকরার প্রশ্নে আগে বুঝে নিতে হয় কোন রাশিটি ১০০% ধরা হচ্ছে, কারণ ভুলটা সাধারণত সেখানেই হয়। - ৪৭. x − 1/x = √2 হলে x2 + 1/x2 = কত?
- ক. 2√2
- খ. 2
- গ. 4
- ঘ. 0
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. 4
x ও 1/x-এর গুণফল সবসময় ১, তাই x-এর মান আলাদা করে বের না করেই উত্তর পাওয়া যায়। (a − b)² = a² − 2ab + b² সূত্রে a = x এবং b = 1/x নিলে ab = 1 হয়। অর্থাৎ (x − 1/x)² = x² − 2 + 1/x², তাই x² + 1/x² = (x − 1/x)² + 2।
(x − 1/x)² = (√2)² = 2
x² + 1/x² = 2 + 2 = 4
মনে রাখুন: x − 1/x দেওয়া থাকলে 2 যোগ করতে হয়, আর x + 1/x দেওয়া থাকলে x² + 1/x² = (x + 1/x)² − 2। দুটি গুলিয়ে ফেললে ভুল হয়।
সাধারণ জ্ঞান
- ৫৩. কোনটি পরিবেশবান্ধব শিল্প ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত '5R strategy'-এর অংশ নয়?
- ক. Refuse
- খ. Reduce
- গ. Recycle
- ঘ. Rework
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. Rework
পরিবেশবান্ধব শিল্প ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য কমানোর ‘5R strategy’-র পাঁচটি অংশ হলো Refuse (অপ্রয়োজনীয় জিনিস নিতে অস্বীকার করা), Reduce (ব্যবহার কমানো), Reuse (পুনঃব্যবহার), Repurpose (অন্য কাজে লাগানো) ও Recycle (পুনঃচক্রায়ণ)। কোনো কোনো সংস্করণে Repurpose-এর জায়গায় Rot থাকে, অর্থাৎ জৈব বর্জ্য পচিয়ে সার বানানো। কিন্তু Rework (ত্রুটিপূর্ণ পণ্য নতুন করে মেরামত বা তৈরি করা) এই তালিকার অংশ নয়।
মনে রাখুন: 5R-এর ভিত্তি 3R, অর্থাৎ Reduce, Reuse, Recycle। ক্রমটিও গুরুত্বপূর্ণ: আগে বর্জ্য তৈরিই না করা (Refuse, Reduce), তারপর পুনঃব্যবহার, আর Recycle শেষের দিকে। - ৫৭. কে 'সীমান্ত গান্ধী' নামে পরিচিত?
- ক. খান আবদুল গাফফার খান
- খ. ইন্দিরা গান্ধী
- গ. ফিরোজ গান্ধী
- ঘ. মহাত্মা গান্ধী
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. খান আবদুল গাফফার খান
খান আবদুল গাফফার খান ‘সীমান্ত গান্ধী’ (Frontier Gandhi) নামে পরিচিত। তিনি ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পশতুন নেতা ছিলেন এবং মহাত্মা গান্ধীর মতো অহিংস (Non-violent) পথে ‘খুদাই খিদমতগার’ আন্দোলন গড়ে তোলেন, তাই তাঁকে এই নাম দেওয়া হয়। মানুষ তাঁকে ‘বাদশাহ খান’ নামেও ডাকত। তাঁর অনুগামীরা লাল পোশাক পরত বলে তারা ‘লাল কুর্তা’ নামেও পরিচিত ছিল।
মনে রাখুন:
জীবনকাল: ১৮৯০–১৯৮৮ সাল।
১৯৮৭ সালে তিনি প্রথম অ-ভারতীয় হিসেবে ভারতরত্ন সম্মাননা পান। দ্বিতীয় অ-ভারতীয় ভারতরত্ন প্রাপক নেলসন ম্যান্ডেলা (১৯৯০)। - ৫৮. ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
- ক. টিকা প্রদানে
- খ. আমদানি-রপ্তানিতে
- গ. জৈবসার উৎপাদনে
- ঘ. পশু পালনে
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. আমদানি-রপ্তানিতে
ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট (Phytosanitary Certificate) হলো উদ্ভিদ সংগনিরোধ সনদ। এটি প্রমাণ করে যে আমদানি বা রপ্তানি করা ফল, সবজি, বীজ বা শস্যের মতো উদ্ভিদজাত পণ্যে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও রোগজীবাণু নেই। নামটিও সে কথাই বলে, কারণ ‘Phyto’ মানে উদ্ভিদ আর ‘Sanitary’ মানে স্বাস্থ্যসম্মত। এই সনদ ছাড়া অনেক দেশ উদ্ভিদজাত পণ্য ঢুকতে দেয় না, যাতে নতুন রোগ বা পোকা তাদের ফসলে ছড়াতে না পারে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশে এই সনদ দেয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং।
আন্তর্জাতিক মান ঠিক করে আন্তর্জাতিক উদ্ভিদ সংরক্ষণ কনভেনশন (IPPC)। - ৬০. Special Drawing Right (SDR)-এ কোন মুদ্রা ব্যবহৃত হয় না?
- ক. ব্রিটিশ পাউন্ড
- খ. চাইনিজ রেনমিনবি
- গ. ফ্রেঞ্চ ফ্রাঁ
- ঘ. জাপানিজ ইয়েন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ফ্রেঞ্চ ফ্রাঁ
SDR (Special Drawing Right) হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) ১৯৬৯ সালে সৃষ্টি করা একটি আন্তর্জাতিক রিজার্ভ সম্পদ। এর মূল্য ঠিক হয় পাঁচটি মুদ্রার একটি ঝুড়ি (Basket) দেখে: মার্কিন ডলার, ইউরো, চীনা রেনমিনবি, জাপানি ইয়েন ও ব্রিটিশ পাউন্ড। ঝুড়িতে মার্কিন ডলারের ভার সবচেয়ে বেশি। ফরাসি ফ্রাঁ এখন এই ঝুড়িতে নেই, কারণ ১৯৯৯ সালে ফ্রান্স ইউরো গ্রহণ করলে ইউরো ফ্রাঁর জায়গা নেয়।
মনে রাখুন:
রেনমিনবি ঝুড়িতে যুক্ত হয় ১ অক্টোবর ২০১৬।
SDR-এর ডাকনাম ‘Paper Gold’।
IMF-এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে। - ৬১. 'ভূমধ্যসাগরের বাতিঘর' বলা হয় কোন আগ্নেয়গিরিকে?
- ক. স্ট্রম্বোলি
- খ. এটনা
- গ. পাভলভ
- ঘ. সান্তা মারিয়া
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. স্ট্রম্বোলি
ইতালির ইওলিয়ান দ্বীপপুঞ্জের (Aeolian Islands) স্ট্রম্বোলি আগ্নেয়গিরি প্রায় অবিরাম অগ্ন্যুৎপাত করে, আর রাতে এর আলো বহু দূর থেকে নাবিকদের চোখে পড়ে। তাই একে ‘ভূমধ্যসাগরের বাতিঘর’ (Lighthouse of the Mediterranean) বলা হয়। দ্বীপটি সিসিলি দ্বীপের উত্তরে ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত। এটনা আরেকটি বিখ্যাত আগ্নেয়গিরি হলেও এর পরিচয় ভিন্ন।
মনে রাখুন:
এটনা ইতালির সিসিলি দ্বীপের সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।
ভিসুভিয়াস ৭৯ খ্রিস্টাব্দে পম্পেই নগরী ধ্বংস করে।
পাভলভ যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায়, আর সান্তা মারিয়া গুয়াতেমালায়। - ৬২. কোন চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে?
- ক. ভিয়েনা চুক্তি
- খ. ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি
- গ. ভার্সাই চুক্তি
- ঘ. ইয়াল্টা চুক্তি
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ভার্সাই চুক্তি
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪–১৯১৮) আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় ভার্সাই চুক্তির (Treaty of Versailles) মাধ্যমে। ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে এটি স্বাক্ষরিত হয়। এর আগে ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর যুদ্ধবিরতি (Armistice) হয়েছিল, কিন্তু যুদ্ধের চূড়ান্ত অবসান ঘটে এই চুক্তিতে। চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধের দায় নিতে এবং ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়।
মনে রাখুন:
জাতিপুঞ্জ (League of Nations) গঠনও এই চুক্তির ফল।
ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি (১৬৪৮) ত্রিশ বছরের যুদ্ধ শেষ করে।
ইয়াল্টা সম্মেলন (১৯৪৫) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের ঘটনা।
ভিয়েনা কংগ্রেস (১৮১৫) নেপোলিয়নের পতনের পর ইউরোপের মানচিত্র নতুন করে সাজায়। - ৬৩. নিম্নের কোন গ্রন্থটির রচয়িতা Niccolò Machiavelli?
- ক. Why Nations Fail: The Origins of Power, Prosperity, and Poverty
- খ. On the Social Contract
- গ. The Anarchy
- ঘ. The Prince
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. The Prince
‘The Prince’ (ইতালীয় ভাষায় Il Principe) বইটির লেখক ফ্লোরেন্সের রাষ্ট্রচিন্তাবিদ নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি (Niccolò Machiavelli)। ১৫১৩ সালে লেখা এই বইয়ে তিনি আলোচনা করেছেন, শাসক কীভাবে ক্ষমতা অর্জন করবেন ও ধরে রাখবেন। এ কারণে ম্যাকিয়াভেলিকে আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। বইটি তাঁর মৃত্যুর পর ১৫৩২ সালে ছাপা হয়। চতুর ও কূটকৌশলী আচরণ বোঝাতে আজও ‘ম্যাকিয়াভেলীয়’ (Machiavellian) শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
‘On the Social Contract’: জাঁ-জাক রুশো (১৭৬২)।
‘Why Nations Fail’: ড্যারন অ্যাসেমোগলু ও জেমস এ. রবিনসন (২০১২)।
‘The Anarchy’: উইলিয়াম ড্যালরিম্পল (২০১৯)। - ৬৪. 'দ্য মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্ট' কোথায় অবস্থিত?
- ক. নিউইয়র্ক
- খ. বোস্টন
- গ. টরেন্টো
- ঘ. লন্ডন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. নিউইয়র্ক
‘দ্য মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্ট’ (The Met) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে, ফিফথ অ্যাভিনিউতে অবস্থিত। ১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘর যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম শিল্প জাদুঘর। এর সংগ্রহে মিসরীয় সভ্যতার নিদর্শন থেকে আধুনিক চিত্রকলা পর্যন্ত নানা যুগের শিল্পকর্ম আছে। নিউইয়র্ক শহরে আরও পরিচিত জাদুঘর MoMA ও Guggenheim।
মনে রাখুন:
লুভর (Louvre): প্যারিস, যেখানে মোনালিসা আছে।
ব্রিটিশ মিউজিয়াম: লন্ডন।
হারমিটেজ: রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ।
প্রাডো: স্পেনের মাদ্রিদ। - ৬৫. গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক-২০২৪ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. মাদ্রিদ, স্পেন
- খ. টোকিও, জাপান
- গ. স্টকহোম, সুইডেন
- ঘ. প্যারিস, ফ্রান্স
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. প্যারিস, ফ্রান্স
২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক (৩৩তম আসর) অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে, ২৬ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত। প্যারিস এর আগে ১৯০০ ও ১৯২৪ সালেও গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক আয়োজন করেছিল, তাই এটি শহরটির তৃতীয় আয়োজন। এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কোনো স্টেডিয়ামে না হয়ে সেন নদীতে হয়, যা অলিম্পিকের ইতিহাসে নতুন।
মনে রাখুন:
২০২০ সালের আসর টোকিওতে হওয়ার কথা ছিল, করোনার কারণে তা হয় ২০২১ সালে।
পরের আসর ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং ২০৩২ সালে ব্রিসবেনে। - ৬৬. COP-28 জলবায়ু সম্মেলনের আয়োজক দেশ কোনটি?
- ক. বাহরাইন
- খ. যুক্তরাজ্য
- গ. যুক্তরাষ্ট্র
- ঘ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনের ২৮তম আসর (COP28) আয়োজন করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সম্মেলনটি দুবাইয়ের এক্সপো সিটিতে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে, আর এর সভাপতি ছিলেন আমিরাতের সুলতান আল জাবের। এই সম্মেলনে জলবায়ু বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সাহায্য করতে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিল চালু করার সিদ্ধান্ত হয়।
মনে রাখুন:
COP হলো জাতিসংঘের জলবায়ু কাঠামো সনদের (UNFCCC) Conference of the Parties।
COP21: প্যারিস (২০১৫), যেখানে প্যারিস চুক্তি হয়।
COP26: গ্লাসগো, যুক্তরাজ্য (২০২১)।
COP27: শারম আল-শেখ, মিসর (২০২২)।
COP29: বাকু, আজারবাইজান (২০২৪)। - ৬৭. OpenAI-এর GPT-4 আনুষ্ঠানিকভাবে কবে উন্মুক্ত করা হয়?
- ক. ৩০ নভেম্বর, ২০২২
- খ. ১৪ মার্চ, ২০২৩
- গ. ৩০ জুন, ২০২২
- ঘ. ০১ মার্চ, ২০২৩
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ১৪ মার্চ, ২০২৩
OpenAI তাদের বৃহৎ ভাষা মডেল (Large Language Model) GPT-4 আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করে ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ। এর আগে ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর GPT-3.5-ভিত্তিক ChatGPT চালু হয়, আর ২০২৩ সালের ১ মার্চ ChatGPT-এর API ডেভেলপারদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। তাই ১৪ মার্চের আগের তারিখগুলো আলাদা ঘটনার। GPT-4 লেখার পাশাপাশি ছবিও বুঝতে পারে।
মনে রাখুন:
GPT-এর পূর্ণরূপ Generative Pre-trained Transformer।
OpenAI-এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে। - ৬৮. ২০২৩ সালে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে কোন বার্তা সংস্থা?
- ক. অস্ট্রেলিয়ান অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এএপি)
- খ. এজেন্সি ফ্রান্স প্রেস (এএফপি)
- গ. অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)
- ঘ. পিআর নিউজওয়্যার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)
২০২৩ সালে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP) পুলিৎজার পুরস্কার পায়। ইউক্রেনের মারিউপোল শহরে রুশ অবরোধের সাহসী সংবাদ পরিবেশনের জন্য তারা ‘জনসেবা’ (Public Service) বিভাগে এই সম্মান অর্জন করে। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে এএফপি ফ্রান্সের বার্তা সংস্থা, আর এএপি অস্ট্রেলিয়ার।
মনে রাখুন:
পুলিৎজার পুরস্কার যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিকতার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার, সাহিত্য ও সংগীতেও দেওয়া হয়।
কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ১৯১৭ সাল থেকে এটি পরিচালনা করছে।
পুরস্কারের নাম সংবাদপত্র প্রকাশক জোসেফ পুলিৎজারের নামে। - ৬৯. পদ্মা সেতু দিয়ে প্রথম (পরীক্ষামূলক) ট্রেন চলাচলের তারিখ কোনটি?
- ক. ২৫ জুন, ২০২২
- খ. ৪ এপ্রিল, ২০২৩
- গ. ২৫ এপ্রিল, ২০২৩
- ঘ. ১ মে, ২০২৩
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৪ এপ্রিল, ২০২৩
পদ্মা সেতুর রেলপথে প্রথম পরীক্ষামূলক ট্রেন চলে ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল, মাওয়া–ভাঙ্গা অংশে। পদ্মা সেতু একটি দ্বিতল সেতু, যার ওপরে সড়কপথ আর নিচে রেলপথ। সড়কপথ উদ্বোধনের তারিখ ২৫ জুন ২০২২, আর রেলপথ খুলেছে তার অনেক পরে, তাই এই দুই তারিখ গুলিয়ে ফেললে চলবে না। সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে।
মনে রাখুন:
সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
ঢাকা–ভাঙ্গা রেলপথ উদ্বোধন হয় ১০ অক্টোবর ২০২৩।
যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয় ১ নভেম্বর ২০২৩ থেকে।
সেতুটি দেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত। - ৭০. ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (জুলাই ২০২০ – জুন ২০২৫) অনুযায়ী ২০২৫ সালের মধ্যে অতি দারিদ্র্যের হার কত শতাংশে নামানোর লক্ষ্য ধরা হয়?
- ক. ৮.৫%
- খ. ৭.৪%
- গ. ৫.৪%
- ঘ. ৪.৮%
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ৭.৪%
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (জুলাই ২০২০ – জুন ২০২৫) ২০২৫ সালের মধ্যে অতি দারিদ্র্যের (Extreme Poverty) হার ৭.৪ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ধরা হয়। একই পরিকল্পনায় সার্বিক দারিদ্র্যের হারের লক্ষ্য ১৫.৬ শতাংশ। অতি দারিদ্র্য মানে যাদের আয় এতই কম যে তারা ন্যূনতম খাদ্যের চাহিদাও মেটাতে পারে না।
মনে রাখুন:
এই পরিকল্পনায় ২০২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ছিল ৮.৫১ শতাংশ, যা অতি দারিদ্র্যের লক্ষ্যের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
খানা আয়-ব্যয় জরিপ (HIES) ২০২২ অনুযায়ী দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ ও অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ।
দীর্ঘমেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১–২০৪১ বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি। - ৮০. কোন কাল্পনিক রেখা থেকে অক্ষাংশ গণনা করা হয়?
- ক. কর্কটক্রান্তি
- খ. মকরক্রান্তি
- গ. বিষুবরেখা
- ঘ. মূল মধ্যরেখা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. বিষুবরেখা
অক্ষাংশ (Latitude) হলো কোনো স্থানের বিষুবরেখা (Equator) থেকে উত্তর বা দক্ষিণে কৌণিক দূরত্ব। বিষুবরেখা ০° অক্ষাংশ, তাই অক্ষাংশ গণনা শুরু হয় সেখান থেকেই এবং মেরুতে গিয়ে তা সর্বোচ্চ ৯০° হয়। দ্রাঘিমাংশ (Longitude) গণনা হয় মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) থেকে, তাই দুটি গুলিয়ে ফেললে ভুল হবে।
মনে রাখুন:
মূল মধ্যরেখা গ্রিনিচ দিয়ে গেছে, এর মান ০°, আর দ্রাঘিমাংশ সর্বোচ্চ ১৮০°।
প্রতি ১° দ্রাঘিমাংশে সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট।
কর্কটক্রান্তি ২৩.৫° উত্তরে, বাংলাদেশের মাঝখান দিয়ে গেছে।
মকরক্রান্তি ২৩.৫° দক্ষিণে।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৫৬. দেশে চালু হওয়া প্রথম জাতীয় ইন্টারনেট ব্রাউজার কোনটি?
- ক. বায়ান্ন
- খ. মুক্তি
- গ. তর্জনী
- ঘ. একাত্তর
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. তর্জনী
‘তর্জনী’ বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় ইন্টারনেট ব্রাউজার (Browser)। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (ICT Division) ২০২৩ সালের ৭ মার্চ এটিকে মোবাইল অ্যাপ হিসেবে চালু করে। ব্রাউজার হলো এমন সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে আমরা ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট দেখি। Chrome, Firefox ও Edge এমন ব্রাউজারের পরিচিত উদাহরণ।
মনে রাখুন:
প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন: পিপীলিকা (২০১৩)।
দেশে তৈরি প্রথম ল্যাপটপ: দোয়েল (২০১১)।
বিজ্ঞান
- ৭১. যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদের কী বলা হয়?
- ক. আইসোটোপ
- খ. আইসোটোন
- গ. আইসোবার
- ঘ. আইসোমার
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. আইসোটোন
যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা (Z) ও ভর সংখ্যা (A) আলাদা, তাদের আইসোটোন (Isotone) বলে। নাম কাছাকাছি হওয়ায় আইসোটোপের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা সহজ, কিন্তু আইসোটোপে নিউট্রন নয়, প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে। ভর সংখ্যা হলো প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যা, তাই নিউট্রন সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন আলাদা হলে ভর সংখ্যা আলাদা হয়।
উদাহরণ: 14C, 15N ও 16O-এ প্রোটন যথাক্রমে ৬, ৭ ও ৮টি, কিন্তু তিনটিতেই নিউট্রন ৮টি।
মনে রাখুন:
প্রোটন সংখ্যা সমান: আইসোটোপ (Isotope), যেমন হাইড্রোজেনের প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম।
ভর সংখ্যা সমান: আইসোবার (Isobar), যেমন 40Ar ও 40Ca।
প্রোটন ও ভর সংখ্যা দুটোই সমান, কিন্তু শক্তিস্তর ভিন্ন: নিউক্লীয় আইসোমার (Isomer)। - ৭২. দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে কোনটি?
- ক. লোহিত রক্ত কণিকা
- খ. অনুচক্রিকা
- গ. হিমোগ্লোবিন
- ঘ. শ্বেত রক্তকণিকা
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. শ্বেত রক্তকণিকা
শ্বেত রক্তকণিকা (White Blood Cell বা WBC) আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার মূল সৈনিক। নিউট্রোফিল ও মনোসাইট জীবাণুকে গিলে ফেলে ধ্বংস করে, এই প্রক্রিয়ার নাম ফ্যাগোসাইটোসিস (Phagocytosis)। আর লিম্ফোসাইট তৈরি করে অ্যান্টিবডি (Antibody), যা জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়ে। শ্বেত রক্তকণিকা অস্থিমজ্জায় তৈরি হয়, আর সংক্রমণ হলে এর সংখ্যা সাধারণত বেড়ে যায়।
মনে রাখুন:
লোহিত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে অক্সিজেন পরিবহন করে, এর আয়ু প্রায় ১২০ দিন।
অণুচক্রিকা (Platelet) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
শ্বেত রক্তকণিকার প্রকার: নিউট্রোফিল, লিম্ফোসাইট, মনোসাইট, ইওসিনোফিল ও বেসোফিল। - ৭৩. পৃথিবী কোন গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত?
- ক. আকাশগঙ্গা
- খ. অ্যান্ড্রোমিডা
- গ. স্যাজিটেরিয়াস ডোয়ার্ফ
- ঘ. অ্যালকিয়োনেস
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. আকাশগঙ্গা
আমাদের সৌরজগৎ, আর তাই পৃথিবীও, আকাশগঙ্গা (Milky Way) গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত। আকাশগঙ্গা একটি সর্পিল (Spiral) গ্যালাক্সি, যার ব্যাস প্রায় ১ লক্ষ আলোকবর্ষ। সূর্য এর কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে, একটি বাহুর মধ্যে অবস্থান করে। রাতের আকাশে যে হালকা আলোর পটি দেখা যায়, সেটি আমাদের গ্যালাক্সিরই বহু তারার আলো, তাই একে ছায়াপথও বলা হয়।
মনে রাখুন:
অ্যান্ড্রোমিডা আমাদের নিকটতম বড় সর্পিল গ্যালাক্সি।
স্যাজিটেরিয়াস ডোয়ার্ফ আকাশগঙ্গার চারপাশে ঘোরা একটি ক্ষুদ্র উপগ্রহ-গ্যালাক্সি।
অ্যালকিয়োনেস একটি বিশাল রেডিও গ্যালাক্সি।
আকারের দিক থেকে গ্যালাক্সি তিন ধরনের: সর্পিল, উপবৃত্তাকার ও অনিয়মিত। - ৭৪. পানিতে কোনটি কলয়েড তৈরি করবে?
- ক. চিনি
- খ. অ্যালকোহল
- গ. সাবান
- ঘ. লবণ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. সাবান
সাবান পানিতে মিশলে এর অনেক অণু একসঙ্গে জোট বেঁধে মাইসেল (Micelle) নামের বড় কণা তৈরি করে। এই কণা প্রকৃত দ্রবণের কণার চেয়ে বড়, কিন্তু তলানি পড়ার মতো বড় নয়, তাই সাবান-পানি একটি কলয়েড (Colloid)। চিনি, লবণ ও অ্যালকোহল পানিতে অণু বা আয়ন হয়ে সম্পূর্ণ মিশে যায়, ফলে এরা প্রকৃত দ্রবণ (True Solution) তৈরি করে। কলয়েডের ভেতর দিয়ে আলো গেলে আলোর পথ দেখা যায়, একে টিন্ডাল প্রভাব (Tyndall Effect) বলে।
উদাহরণ: দুধ, কুয়াশা, মেঘ ও ভাতের মাড়। - ৭৫. সময়ের সাথে সরণের পরিবর্তনের হারকে কী বলে?
- ক. দ্রুতি
- খ. বেগ
- গ. গতি
- ঘ. ত্বরণ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. বেগ
সময়ের সঙ্গে সরণের (Displacement) পরিবর্তনের হারকে বেগ (Velocity) বলে। সরণ হলো নির্দিষ্ট দিকে অবস্থানের পরিবর্তন, তাই বেগ একটি ভেক্টর রাশি (Vector Quantity), আর এর SI একক m/s। সূত্র: বেগ = সরণ ÷ সময়। দৈনন্দিন কথায় দ্রুতি ও বেগ প্রায় একই মনে হয়, কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানে এরা আলাদা।
মনে রাখুন:
দূরত্বের পরিবর্তনের হার দ্রুতি (Speed), এটি স্কেলার রাশি।
বেগের পরিবর্তনের হার ত্বরণ (Acceleration), এর একক m/s²।
বৃত্তাকার পথে সমান দ্রুতিতে ঘুরলেও দিক বদলায় বলে বেগ বদলায়। - ৭৬. ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর প্রধানত কী দিয়ে গঠিত?
- ক. সেলুলোজ
- খ. কাইটিন
- গ. পেপটিডোগ্লাইকেন
- ঘ. লিপোপ্রোটিন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. পেপটিডোগ্লাইকেন
ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীর (Cell Wall) প্রধানত পেপটিডোগ্লাইকেন (Peptidoglycan) দিয়ে গঠিত, যাকে মিউরিনও (Murein) বলা হয়। এটি শর্করা ও ছোট পেপটাইড শিকল মিলে তৈরি জালের মতো একটি যৌগ। গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ায় এর স্তর পুরু, আর গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ায় স্তরটি পাতলা এবং তার বাইরে লিপিডসমৃদ্ধ একটি বাড়তি আবরণ থাকে। গ্রাম রঞ্জন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন ডেনমার্কের হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান গ্রাম। পেনিসিলিন ব্যাকটেরিয়ার এই প্রাচীর তৈরিতে বাধা দিয়ে জীবাণু মারে।
মনে রাখুন:
উদ্ভিদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজের (Cellulose) তৈরি।
ছত্রাকের কোষপ্রাচীর কাইটিনের (Chitin) তৈরি।
মাইকোপ্লাজমা নামের ব্যাকটেরিয়ায় কোষপ্রাচীর থাকে না। - ৭৭. ফল পাকানোর জন্য দায়ী কোনটি?
- ক. ইথিলিন
- খ. গ্লাইকোজেন
- গ. প্রোপিন
- ঘ. মিথিলিন
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ইথিলিন
ইথিলিন (Ethylene, C2H4) একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন, যা ফল পাকানোর কাজে মূল ভূমিকা রাখে। পাকা ফল নিজেও ইথিলিন ছাড়ে, তাই কাঁচা ফল পাকা ফলের পাশে রাখলে তা তাড়াতাড়ি পাকে। ইথিলিন একমাত্র গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন। বাণিজ্যিকভাবে ফল পাকাতে ইথিলিন ব্যবহার করা হয়, আর কার্বাইড ব্যবহার করে ফল পাকানো ক্ষতিকর ও বেআইনি।
মনে রাখুন:
গ্লাইকোজেন প্রাণীদেহের সঞ্চিত শর্করা, যা যকৃৎ ও পেশিতে জমা থাকে।
প্রোপিন (C3H6) একটি হাইড্রোকার্বন গ্যাস।
মিথিলিন কোনো উদ্ভিদ হরমোন নয়।
অন্য উদ্ভিদ হরমোন: অক্সিন (বৃদ্ধি), সাইটোকাইনিন (কোষ বিভাজন), জিব্বারেলিন (কাণ্ডের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি) ও অ্যাবসিসিক অ্যাসিড। - ৭৮. হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের প্রসারণকে বলা হয়—
- ক. সিস্টোল
- খ. ডায়াস্টোল
- গ. পালস
- ঘ. রক্তচাপ
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ডায়াস্টোল
হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠ (Chamber) শিথিল হয়ে প্রসারিত হওয়াকে ডায়াস্টোল (Diastole) বলে। এই সময় প্রকোষ্ঠগুলো রক্তে ভরে ওঠে। এর উল্টো প্রক্রিয়া সংকোচন, যাকে সিস্টোল (Systole) বলে, আর তখন রক্ত ধমনিতে পাম্প হয়ে যায়। একবার সংকোচন ও একবার প্রসারণ মিলে একটি হৃদচক্র, যা বিশ্রামে প্রায় ০.৮ সেকেন্ডের হয়।
মনে রাখুন:
প্রতিটি হৃৎস্পন্দনে ধমনির গায়ে যে স্পন্দন অনুভূত হয়, তা পালস (Pulse)।
স্বাভাবিক রক্তচাপ প্রায় 120/80 mmHg, যার ওপরের সংখ্যা সিস্টোলিক ও নিচের সংখ্যা ডায়াস্টোলিক চাপ।
রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নাম স্ফিগমোম্যানোমিটার। - ৭৯. পানির ছোট ফোঁটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতির হয়—
- ক. সান্দ্রতা
- খ. প্লবতা
- গ. স্থিতিস্থাপকতা
- ঘ. পৃষ্ঠটান
- ঙ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ঘ. পৃষ্ঠটান
তরলের উপরিতল সবসময় সংকুচিত হয়ে সবচেয়ে কম ক্ষেত্রফল নিতে চায়, এই ধর্মকে পৃষ্ঠটান (Surface Tension) বলে। তরলের অণুগুলো পরস্পরকে আকর্ষণ করে, আর এই টানই পৃষ্ঠকে টানটান পর্দার মতো করে রাখে। নির্দিষ্ট আয়তনের জন্য গোলকের (Sphere) পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল সবচেয়ে কম, তাই পৃষ্ঠটানের কারণে পানির ছোট ফোঁটা গোলাকার হয়।
মনে রাখুন:
সান্দ্রতা (Viscosity) তরলের প্রবাহে বাধা দেওয়ার ধর্ম।
প্লবতা (Buoyancy) তরলের ঊর্ধ্বমুখী চাপ।
স্থিতিস্থাপকতা (Elasticity) বিকৃত বস্তুর আগের আকারে ফিরে আসার ধর্ম।
পৃষ্ঠটানের আরও উদাহরণ: কৈশিকতা, সাবানের বুদবুদ এবং পানির ওপর হালকা সুই ভেসে থাকা।
বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
বিসিক প্রমোশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা: ২ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে
বিসিক: অন্যান্য পরীক্ষা
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বিসিক সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, পরিদর্শন কর্মকর্তা ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিসিক চিফ অডিটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বিসিক বিভিন্ন পদ নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বিসিক প্রধান নিরীক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বিসিক শিল্পনগরী কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
আরও সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩
- রাজউক সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) বিভিন্ন পদ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি (পিজিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- তিতাস গ্যাস সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩
- বাপেক্স সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বিসিআইসি সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাখরাবাদ গ্যাস (বিজিডিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি (বিজিএফসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল) সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১১
- পেট্রোবাংলা সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সহকারী পরিচালক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন জুনিয়র অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
- দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) অফিসার (জেনারেল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সহকারী পরিচালক (এডি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন