৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫। এখানে ১৮৪টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ১২০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (৩২)
- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (৩৫)
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি (২৮)
- আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (১৯)
- ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (১১)
- সাধারণ বিজ্ঞান (১৪)
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি (১৪)
- গাণিতিক যুক্তি (১৩)
- মানসিক দক্ষতা (৮)
- নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন (১০)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ১. ’লুই ভণই গুরু পুছিঅ জান।’- এখানে ’ভণই’ শব্দের অর্থ কী?
- ক. বলে
- খ. ভাবে
- গ. চায়
- ঘ. দেখে
উত্তর: ক. বলে
চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন বাংলা। এখানে ‘ভণই’ শব্দের অর্থ বলে বা বলেন। পদের শেষে কবি এই শব্দ দিয়ে নিজের নাম যুক্ত করতেন, একে ভণিতা বলে। তাই ‘লুই ভণই’ মানে লুইপা বলেন।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে লুইপাকে ধরা হয়।
চর্যাপদে মোট পদ ৫০টি, সাড়ে ছেচল্লিশটি পাওয়া যায়। - ২. ’শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের অংশ নয় কোনটি?
- ক. নৌকা খণ্ড
- খ. হার খণ্ড
- গ. রাধা বিরহ
- ঘ. প্রণয় খণ্ড
উত্তর: ঘ. প্রণয় খণ্ড
বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য তেরোটি খণ্ডে ভাগ করা: জন্ম, তাম্বুল, দান, নৌকা, ভার, ছত্র, বৃন্দাবন, কালীয়দমন, যমুনা, হার, বাণ, বংশী ও রাধাবিরহ। এগুলোর মধ্যে ‘প্রণয় খণ্ড’ বলে কোনো খণ্ড নেই। তাই এটিই কাব্যের অংশ নয়।
মনে রাখুন:
শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
কাব্যের মূল পাত্র কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই। - ৩. বিবৃত স্বরধ্বনি বলতে বোঝায় -
- ক. যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট বেশি খোলে
- খ. যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে জিভ উঁচু হয়
- গ. যে স্বরধ্বনি অবিকৃতভাবে উচ্চারিত হয়
- ঘ. যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে বিকৃতি ঘটে
উত্তর: ক. যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট বেশি খোলে
স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখ বা ঠোঁট বেশি খুললে তাকে বিবৃত স্বরধ্বনি বলে। যেমন আ ও অ্যা। যেসব স্বর উচ্চারণে মুখ কম খোলে, যেমন ই ও উ, সেগুলো সংবৃত স্বরধ্বনি।
মনে রাখুন:
জিভের উচ্চতা অনুযায়ী স্বর উচ্চ, উচ্চমধ্য, নিম্নমধ্য ও নিম্ন, এই চার ভাগে বিভক্ত।
মুখ কতটা খোলে, তা দিয়ে স্বর সংবৃত, অর্ধসংবৃত, অর্ধবিবৃত ও বিবৃত, এই চার ভাগে বিভক্ত। - ৪. মনোয়েল দ্যা আসসুম্পসাঁও অভিধান প্রকাশের আগে কত বছর ধরে শব্দ সংগ্রহ করেন?
- ক. ২-৩ বছর
- খ. ৫-৭ বছর
- গ. ৯-১০ বছর
- ঘ. ১৪-১৫ বছর
উত্তর: গ. ৯-১০ বছর
পর্তুগিজ পাদ্রি মনোএল দা আসসুম্পসাঁও (Manoel da Assumpção) ঢাকার ভাওয়াল অঞ্চলে থাকার সময় দীর্ঘদিন ধরে বাংলা শব্দ সংগ্রহ করেন। প্রায় নয়-দশ বছরের সংগ্রহ থেকে তিনি বাংলা-পর্তুগিজ শব্দকোষ তৈরি করেন। এটি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে ছাপা হয়। একে বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান ধরা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা অক্ষরে ছাপা প্রথম বই হ্যালহেডের ‘A Grammar of the Bengali Language’ (১৭৭৮)। - ৫. 'আলালের ঘরের দুলাল' প্রথমে কোন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়?
- ক. বিবিধার্থ সংগ্রহ
- খ. সংবাদ প্রভাকর
- গ. মাসিক পত্রিকা
- ঘ. বঙ্গদর্শন
উত্তর: গ. মাসিক পত্রিকা
প্যারীচাঁদ মিত্র ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে ‘আলালের ঘরের দুলাল’ লেখেন। লেখাটি প্রথমে ‘মাসিক পত্রিকা’-য় ধারাবাহিকভাবে বের হয়। এ পত্রিকা তিনি রাধানাথ শিকদারের সঙ্গে সম্পাদনা করতেন। পরে ১৮৫৮ সালে বই আকারে ছাপা হয়।
মনে রাখুন:
‘আলালের ঘরের দুলাল’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে ধরা হয়।
এর ভাষা ছিল চলিত বা কথ্যরীতির কাছাকাছি, যাকে আলালি ভাষা বলা হয়। - ৬. 'সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'- কোন কবিতার অংশ?
- ক. পরার্থে
- খ. পাছে লোকে কিছু বলে
- গ. বড় কে
- ঘ. সুখ
উত্তর: ঘ. সুখ
‘সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ লাইন দুটি কামিনী রায়ের ‘সুখ’ কবিতার। কবিতাটির মূল কথা হলো, নিজের সুখ খোঁজার চেয়ে অন্যের জন্য কাজ করাতেই জীবনের সার্থকতা।
মনে রাখুন:
কামিনী রায় বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত নারী কবি।
‘পাছে লোকে কিছু বলে’ কবিতার কবিও কামিনী রায়। - ৭. কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত হয়নি?
- ক. অগ্নিবীণা
- খ. বিষের বাঁশি
- গ. ভাঙার গান
- ঘ. চন্দ্রবিন্দু
উত্তর: ক. অগ্নিবীণা
ব্রিটিশ সরকার নজরুলের কয়েকটি গ্রন্থ বাজেয়াপ্ত করেছিল। এগুলো হলো ‘বিষের বাঁশি’, ‘ভাঙার গান’, ‘চন্দ্রবিন্দু’, ‘প্রলয়শিখা’ ও ‘যুগবাণী’। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ বিদ্রোহের সুরে লেখা হলেও সেটি বাজেয়াপ্ত হয়নি।
মনে রাখুন:
‘অগ্নিবীণা’ ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থে আছে। - ৮. জসীম উদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- ক. বালুচর
- খ. রাখালী
- গ. ধানক্ষেত
- ঘ. মা যে জননী কান্দে
উত্তর: খ. রাখালী
জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’ (১৯২৭)-তে আছে। তিনি পল্লিকবি নামে পরিচিত।
মনে রাখুন:
‘বালুচর’ তাঁর আরেকটি কাব্যগ্রন্থ।
‘নকশী কাঁথার মাঠ’ জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত আখ্যান কাব্য। - ৯. গৌড়ী প্রাকৃত বলতে বোঝায়-
- ক. গৌড় অঞ্চলের মুখের ভাষা
- খ. গৌড় সাহিত্যের স্বাভাবিক রীতি
- গ. গৌড় ভাষার লিখিত নমুনা
- ঘ. গৌড় ভাষার বিকৃত উচ্চারণ
উত্তর: ক. গৌড় অঞ্চলের মুখের ভাষা
প্রাকৃত হলো সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা। গৌড় অঞ্চলের মানুষের মুখে প্রচলিত প্রাকৃতকেই গৌড়ী প্রাকৃত বলা হয়। অনেক ভাষাবিদের মতে এই প্রাকৃত থেকে অপভ্রংশের পথ ধরে বাংলা ভাষা এসেছে।
মনে রাখুন:
বাংলা ভাষার উদ্ভবের ধারা: ইন্দো-ইউরোপীয় → ইন্দো-ইরানীয় → ইন্দো-আর্য → প্রাকৃত → অপভ্রংশ → বাংলা। - ১০. 'Glossary' শব্দের বাংলা পরিভাষা-
- ক. জ্ঞাপনপত্র
- খ. সর্বসাকল্যে
- গ. শব্দার্থপঞ্জি
- ঘ. গুদামজাত
উত্তর: গ. শব্দার্থপঞ্জি
Glossary হলো কোনো বইয়ের কঠিন বা বিশেষ শব্দের অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া তালিকা। তাই এর বাংলা পরিভাষা শব্দার্থপঞ্জি বা শব্দার্থসূচি।
মনে রাখুন:
সর্বসাকল্যে মানে সব মিলিয়ে।
গুদামজাত মানে গুদামে রাখা। - ১১. ১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বানান সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য ছিল-
- ক. বানানকে উচ্চারণের কাছাকাছি নেওয়া
- খ. বানানের ঐতিহ্যকে বজায় রাখা
- গ. বানানের নিয়ম প্রণয়ন করা
- ঘ. বানানে বিকল্প বর্জন করা
উত্তর: গ. বানানের নিয়ম প্রণয়ন করা
১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বানানের বিশৃঙ্খলা দূর করতে একটি সমিতি গঠন করে। এর মূল লক্ষ্য ছিল বাংলা বানানের নির্দিষ্ট নিয়ম ঠিক করা, যাতে সবাই একই নিয়মে লেখে। এতে রবীন্দ্রনাথও যুক্ত ছিলেন।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশে এই কাজ আধুনিক রূপে করেছে বাংলা একাডেমি, ১৯৯২ সালে। - ১২. অভিধানে ং, ঃ, ঁ, - এই বর্ণগুলোর অবস্থান কোথায়?
- ক. স্বরবর্ণের আগে
- খ. স্বরবর্ণের শেষে
- গ. ব্যঞ্জনবর্ণের শেষে
- ঘ. এদের নির্দিষ্ট অবস্থান নেই
উত্তর: খ. স্বরবর্ণের শেষে
বাংলা অভিধানে শব্দ সাজানোর সময় ং, ঃ ও ঁ চিহ্নগুলোকে স্বরবর্ণের পরে এবং ব্যঞ্জনবর্ণের আগে রাখা হয়। এগুলো স্বাধীন ধ্বনি নয়, অন্য ধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়। তাই স্বরবর্ণের শেষে এদের জায়গা।
মনে রাখুন:
এ ক্রমে ঔ-এর পরে ং, ঃ, ঁ এবং তারপর ক আসে। - ১৩. 'গড্ডলিকা প্রবাহ' বাগ্ধারার 'গড্ডল' শব্দের অর্থ কী?
- ক. নদী
- খ. স্রোত
- গ. ভেড়া
- ঘ. মশা
উত্তর: গ. ভেড়া
‘গড্ডল’ শব্দের অর্থ ভেড়া। ভেড়ার পাল যেমন ভেবে না দেখে সামনের ভেড়াকে অনুসরণ করে, তেমনি বিচার না করে অন্যের দেখাদেখি চলাকে ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বলে।
মনে রাখুন:
গড্ডলিকা প্রবাহ বাগ্ধারার অর্থ অন্ধ অনুকরণ।
উদাহরণ:
সবাই বলছে দেখে সে না ভেবেই গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিল। - ১৪. 'এমন পিরিতি কভু নাহি দেখি শুনি।/পরানে পরান বান্ধা আপনা আপনি।।' কার লেখা?
- ক. বিদ্যাপতি
- খ. চণ্ডীদাস
- গ. জ্ঞানদাস
- ঘ. গোবিন্দদাস
উত্তর: খ. চণ্ডীদাস
‘এমন পিরিতি কভু নাহি দেখি শুনি, পরানে পরান বান্ধা আপনা আপনি’ পদটি বৈষ্ণব পদকর্তা চণ্ডীদাসের। রাধা-কৃষ্ণের গভীর প্রেমের সহজ সরল প্রকাশ তাঁর পদের বৈশিষ্ট্য।
মনে রাখুন:
বিদ্যাপতিকে মৈথিল কোকিল বলা হয়।
গোবিন্দদাসকে দ্বিতীয় বিদ্যাপতি বলা হয়। - ১৫. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ পর্বে রচিত বাংলা বইগুলো-
- ক. সংস্কৃত বইয়ের অনুবাদ
- খ. ফারসি বইয়ের অনুবাদ
- গ. ইংরেজি বইয়ের অনুবাদ
- ঘ. পণ্ডিতদের রচিত মৌলিক গ্রন্থ
উত্তর: ক. সংস্কৃত বইয়ের অনুবাদ
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে ইংরেজ কর্মচারীদের বাংলা শেখানোর জন্য যে গ্রন্থগুলো লেখা হয়, তার অনেকগুলোই সংস্কৃত গ্রন্থের অনুবাদ বা ভাবানুবাদ। যেমন গোলোকনাথ শর্মার ‘হিতোপদেশ’ ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের ‘বত্রিশ সিংহাসন’। ফারসি থেকেও কিছু অনুবাদ হয়, তবে সংস্কৃতই প্রধান উৎস।
মনে রাখুন:
চণ্ডীচরণ মুনশির ‘তোতা ইতিহাস’ ফারসি থেকে অনূদিত। - ১৬. সাহিত্যের রূপ ও রীতির বিচারে কোন গ্রন্থটি ব্যতিক্রম?
- ক. বাংলা কাব্য
- খ. দিবারাত্রির কাব্য
- গ. শেষের কবিতা
- ঘ. নদী ও নারী
উত্তর: ক. বাংলা কাব্য
‘দিবারাত্রির কাব্য’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথের এবং ‘নদী ও নারী’ হুমায়ুন কবিরের উপন্যাস। তিনটির নামে কাব্য বা কবিতা থাকলেও এগুলো উপন্যাস। কিন্তু ‘বাংলার কাব্য’ হুমায়ুন কবিরের সমালোচনামূলক গ্রন্থ, তাই রূপ ও রীতিতে এটি আলাদা।
মনে রাখুন:
নাম দেখে সাহিত্যরূপ অনুমান করা ঠিক নয়। - ১৭. 'বিরাট গরু-ছাগলের হাট' - ব্যানারে লেখা এই শিরোনামকে অপপ্রয়োগ বলা যায় না কেন?
- ক. বিরাট শব্দটি হাটকে বিশেষিত করছে
- খ. বিরাট শব্দটি গরু-ছাগলকে বিশেষিত করছে
- গ. বিশেষণের অবস্থান যে-কোনো জায়গায় হতে পারে
- ঘ. বহুল ব্যবহারে প্রয়োগ-অশুদ্ধতা হারিয়েছে
উত্তর: ক. বিরাট শব্দটি হাটকে বিশেষিত করছে
‘বিরাট গরু-ছাগলের হাট’ শিরোনামে ‘বিরাট’ শব্দটি গরু-ছাগলকে নয়, পুরো হাটকে বোঝাচ্ছে। অর্থাৎ হাটটি বিরাট। বিশেষণ যে শব্দকে বিশেষিত করে, তার সঙ্গে অর্থ মিললে প্রয়োগটি অশুদ্ধ নয়। তাই এখানে অপপ্রয়োগ বলা যায় না।
মনে রাখুন:
বিশেষণ সাধারণত বিশেষ্যের আগে বসে। - ১৮. 'অজর' শব্দের বিপরীত কোনটি?
- ক. অমলিন
- খ. বার্ধক্য
- গ. অমর
- ঘ. ব্যাধিগ্রস্ত
উত্তর: খ. বার্ধক্য
‘অজর’ মানে যার জরা বা বার্ধক্য নেই। তাই এর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে বার্ধক্য বা জরা। ‘অমর’ মানে মৃত্যুহীন, যা অজরের কাছাকাছি অর্থের শব্দ। অমলিন মানে মলিন নয় এমন।
মনে রাখুন:
‘অ’ উপসর্গ বা ‘ন’ অর্থে যুক্ত হয়ে অজর শব্দ হয়েছে (ন জরা যার)। - ১৯. 'ব্যাং' শব্দটি 'ং' দিয়ে লিখতে হবে, কারণ-
- ক. এর হসন্ত উচ্চারণ ং হয়
- খ. ্যা-এর পর ং হয়
- গ. ' ং’ বাংলা ভাষার নিজস্ব বর্ণ
- ঘ. ব্যাং একটি একাক্ষর শব্দ
উত্তর: ক. এর হসন্ত উচ্চারণ ং হয়
বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানের নিয়মে শব্দের শেষে হসন্ত ঙ-এর উচ্চারণ থাকলে ‘ঙ’-এর বদলে ‘ং’ লেখা হয়। যেমন রং, সং, ঢং। ‘ব্যাং’ শব্দের শেষেও হসন্ত ঙ-ধ্বনি আছে, তাই এখানে ‘ং’ বসে। - ২০. 'সে কৌতুক করার কৌতূহল সংবরণ করতে পারল না।'- এই বাক্য কী কারণে ত্রুটিপূর্ণ?
- ক. বানান ভুল আছে
- খ. বাক্যের পদবিন্যাস যথাযথ নয়
- গ. অর্থ অনুযায়ী শব্দের প্রয়োগ হয়নি
- ঘ. বিশেষ্য-বিশেষণের অপপ্রয়োগ ঘটেছে
উত্তর: গ. অর্থ অনুযায়ী শব্দের প্রয়োগ হয়নি
‘কৌতুক’ মানে রসিকতা বা মজা, আর ‘কৌতূহল’ মানে কোনো কিছু জানার আগ্রহ। বাক্যে ‘কৌতুক করার কৌতূহল’ বলা হয়েছে, কিন্তু কৌতূহল কিছু করার ইচ্ছা বোঝায় না, বোঝায় জানার আগ্রহ। এখানে শব্দ দুটি অর্থ অনুযায়ী ঠিকভাবে বসেনি। বানান ও পদবিন্যাস ঠিকই আছে, ত্রুটিটি শব্দপ্রয়োগের।
মনে রাখুন:
কৌতুক: রসিকতা
কৌতূহল: জানার আগ্রহ
দুটি শব্দের বানানে হ্রস্ব উ ও দীর্ঘ ঊ-এর পার্থক্য খেয়াল রাখা জরুরি। - ২১. 'নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে ফুলবনে'-এখানে 'নিত্য' শব্দের প্রতিশব্দ কোনটি?
- ক. অতিশয়
- খ. চিরন্তন
- গ. প্রকৃতি
- ঘ. অহরহ
উত্তর: ঘ. অহরহ
‘নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে ফুলবনে’ চরণে ‘নিত্য’ মানে প্রতিদিন বা সব সময়। ‘অহরহ’ শব্দের অর্থও দিন-রাত, অর্থাৎ সব সময়। তাই এটি এখানে ‘নিত্য’-এর প্রতিশব্দ। ‘চিরন্তন’ মানে চিরকাল টিকে থাকে এমন, যা এই চরণের অর্থের সঙ্গে ঠিক মেলে না।
মনে রাখুন:
‘নিত্য’ শব্দের আরও প্রতিশব্দ: সতত, সর্বদা, প্রত্যহ। - ২২. বাংলা একাডেমির 'আধুনিক বাংলা অভিধানে'র সম্পাদক কে?
- ক. আনিসুজ্জামান
- খ. আবু ইসহাক
- গ. মনসুর মুসা
- ঘ. জামিল চৌধুরি
উত্তর: ঘ. জামিল চৌধুরি
বাংলা একাডেমির ‘আধুনিক বাংলা অভিধান’-এর সম্পাদক জামিল চৌধুরী। এতে আধুনিক বাংলা শব্দের অর্থ, প্রমিত বানান ও উচ্চারণ দেওয়া আছে।
মনে রাখুন:
বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
একাডেমির আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ব্যবহারিক বাংলা অভিধান’। এর সম্পাদক মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। - ২৩. কোন মঙ্গলকাব্যে ঐতিহাসিক চরিত্র আছে?
- ক. মনসামঙ্গল
- খ. চণ্ডীমঙ্গল
- গ. অন্নদামঙ্গল
- ঘ. ধর্মমঙ্গল
উত্তর: গ. অন্নদামঙ্গল
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে প্রতাপাদিত্য, মানসিংহ ও ভবানন্দ মজুমদারের মতো ঐতিহাসিক চরিত্র আছে। অন্য মঙ্গলকাব্যগুলোর কাহিনি মূলত দেবদেবী ও লৌকিক চরিত্র নিয়ে।
মনে রাখুন:
ভারতচন্দ্র মধ্যযুগের শেষ বড় কবি। তিনি অষ্টাদশ শতকের কবি।
অন্নদামঙ্গলের তিনটি খণ্ড: অন্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ। - ২৪. কোন কাব্যে আলাওল ব্যক্তিগত জীবনের কথা লিখেছেন?
- ক. পদ্মাবতী
- খ. হপ্তপয়কর
- গ. সিকান্দরনামা
- ঘ. তোহ্ফা
উত্তর: ক. পদ্মাবতী
আলাওল ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের ভূমিকায় নিজের জীবনের কথা লিখেছেন। সেখানে জলদস্যুর আক্রমণে পিতার মৃত্যু এবং আরাকানে এসে রাজসভায় আশ্রয় পাওয়ার কথা আছে।
মনে রাখুন:
আলাওল সপ্তদশ শতকের কবি।
‘হপ্তপয়কর’, ‘সিকান্দরনামা’ ও ‘তোহ্ফা’ তাঁর অন্য কাব্য। - ২৫. 'তুরস্ক-ভ্রমণ' কার লেখা?
- ক. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
- খ. সৈয়দ মুজতবা আলী
- গ. আবু জাফর শামসুদ্দীন
- ঘ. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
উত্তর: ক. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
‘তুরস্ক-ভ্রমণ’ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর লেখা ভ্রমণকাহিনি। বলকান যুদ্ধের সময় তিনি তুরস্কে একটি চিকিৎসক দলের সঙ্গে গিয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বইটি লেখা।
মনে রাখুন:
সিরাজী ‘অনল প্রবাহ’ কাব্যের রচয়িতা।
সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি ‘দেশে বিদেশে’। - ২৬. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসে কোন জীবনদর্শনের রূপায়ণ ঘটেছে?
- ক. মার্কসবাদ
- খ. বাস্তববাদ
- গ. অস্তিত্ববাদ
- ঘ. পরাবাস্তববাদ
উত্তর: গ. অস্তিত্ববাদ
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসে তরুণ শিক্ষক আরেফ আলী নিজের ভয়, দ্বন্দ্ব ও দায় নিয়ে লড়াই করেন। ব্যক্তির এই আত্মজিজ্ঞাসা এবং নিজের সিদ্ধান্ত ও দায় নিজে নেওয়ার ধারণাই অস্তিত্ববাদী (Existentialism) জীবনদর্শনের মূল কথা। তাই এই উপন্যাসে অস্তিত্ববাদের রূপায়ণ ঘটেছে।
মনে রাখুন:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্র অন্য উপন্যাস ‘লালসালু’ ও ‘কাঁদো নদী কাঁদো’।
‘লালসালু’ ধর্মের নামে ব্যবসা নিয়ে লেখা। - ২৭. 'প্রভাতফেরির মিছিল যাবে/ ছড়াও ফুলের বন্যা,/ বিষাদগীতি গাইছে পথে/ তিতুমীরের কন্যা।' - কার লেখা?
- ক. শামসুর রাহমান
- খ. আল মাহমুদ
- গ. আহসান হাবীব
- ঘ. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
উত্তর: খ. আল মাহমুদ
‘প্রভাতফেরির মিছিল যাবে, ছড়াও ফুলের বন্যা’ লাইনগুলো কবি আল মাহমুদের কবিতার। ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে এই কবিতায় প্রভাতফেরির দৃশ্য ফুটে উঠেছে।
মনে রাখুন:
আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালী কাবিন’ ও ‘লোক লোকান্তর’।
আল মাহমুদ ও শামসুর রাহমান দুজনই পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের কবি। - ২৮. 'হরফের ছড়া' কার লেখা বর্ণশিক্ষার বই?
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. ফররুখ আহমদ
- ঘ. বন্দে আলী মিয়া
উত্তর: গ. ফররুখ আহমদ
‘হরফের ছড়া’ শিশুদের বর্ণ শেখানোর জন্য ফররুখ আহমদের লেখা ছড়ার বই। তিনি শিশুদের জন্য ‘পাখির বাসা’ ও ‘নতুন লেখা’ সহ আরও বই লিখেছেন।
মনে রাখুন:
ফররুখ আহমদকে মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়।
তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘সাত সাগরের মাঝি’। - ২৯. 'রক্তকরবী' নাটকের অন্তর্গত বিষয় কী?
- ক. নতুনের জয়গান গাওয়া
- খ. সামন্তবাদের বিলুপ্তি দেখানো
- গ. শ্রমিকদের অপ্রাপ্তি তুলে ধরা
- ঘ. পুঁজিবাদের নেতিবাচক প্রভাব দেখানো
উত্তর: ঘ. পুঁজিবাদের নেতিবাচক প্রভাব দেখানো
রবীন্দ্রনাথের ‘রক্তকরবী’ একটি সাংকেতিক নাটক। এর যক্ষপুরীতে মানুষকে শুধু সোনা তোলার যন্ত্র বানিয়ে রাখা হয়েছে। লোভ ও যন্ত্রনির্ভর পুঁজিবাদী সভ্যতা কীভাবে মানুষের প্রাণ ও আনন্দ কেড়ে নেয়, নাটকে সেটিই দেখানো হয়েছে।
মনে রাখুন:
নাটকের মূল চরিত্র নন্দিনী, রাজা, রঞ্জন ও বিশু পাগল।
নন্দিনী জীবন ও প্রেমের প্রতীক। - ৩০. মীর মশাররফ হোসেন সম্পর্কে কোন তথ্যটি যথার্থ নয়?
- ক. তিন খণ্ডে 'বিষাদ-সিন্ধু' রচনা করেন
- খ. নিজের জীবনী রচনা করেন
- গ. জমিদারি দেখাশোনার কাজ করেছেন
- ঘ. বিবি কুলসুম তাঁর প্রথম স্ত্রী
উত্তর: ঘ. বিবি কুলসুম তাঁর প্রথম স্ত্রী
মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম স্ত্রী ছিলেন আজিজুন্নেসা, আর বিবি কুলসুম ছিলেন দ্বিতীয় স্ত্রী। তাই বিবি কুলসুমকে প্রথম স্ত্রী বলা তথ্যটি সঠিক নয়। বাকি তিনটি তথ্য ঠিক: তিনি তিন পর্বে ‘বিষাদ-সিন্ধু’ লেখেন, ‘আমার জীবনী’ নামে আত্মজীবনী লেখেন এবং জমিদারির ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন।
মনে রাখুন:
‘বিষাদ-সিন্ধু’র তিন পর্ব: মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব।
তাঁর লেখা প্রথম নাটক ‘বসন্তকুমারী’। - ৩১. জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর কোন কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়?
- ক. ঝরাপালক
- খ. রূপসী বাংলা
- গ. বনলতা সেন
- ঘ. সাতটি তারার তিমির
উত্তর: খ. রূপসী বাংলা
জীবনানন্দ দাশ ১৯৫৪ সালে মারা যান। তাঁর ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যের কবিতাগুলো জীবদ্দশায় লেখা হলেও বই আকারে প্রকাশ পায় ১৯৫৭ সালে, মৃত্যুর পরে। ‘ঝরাপালক’, ‘বনলতা সেন’ ও ‘সাতটি তারার তিমির’ তাঁর জীবদ্দশায় প্রকাশিত।
মনে রাখুন:
‘ঝরাপালক’ (১৯২৮) তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
‘বনলতা সেন’ প্রকাশিত হয় ১৯৪২ সালে। - ৩২. 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?' কোন উপন্যাসে আছে?
- ক. বঙ্কিমচন্দ্রের 'কপালকুণ্ডলা'
- খ. রবীন্দ্রনাথের 'গোরা'
- গ. শরৎচন্দ্রের 'চরিত্রহীন'
- ঘ. বিভূতিভূষণের 'আরণ্যক'
উত্তর: ক. বঙ্কিমচন্দ্রের 'কপালকুণ্ডলা'
‘তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?’ উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের। কথাটির অর্থ, অন্য কেউ খারাপ আচরণ করলেও নিজের ভালো আচরণ ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।
মনে রাখুন:
‘কপালকুণ্ডলা’ বঙ্কিমের প্রথম উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’র পরের উপন্যাস।
এর বিখ্যাত চরিত্র কপালকুণ্ডলা, নবকুমার ও কাপালিক।
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ৩৩. A speech made without any previous thought, preparation or practice is called a/an ______.
- ক. free speech
- খ. extempore speech
- গ. maiden speech
- ঘ. rousing speech
উত্তর: খ. extempore speech
যে বক্তৃতা আগে থেকে না ভেবে বা প্রস্তুতি ছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া হয়, তাকে extempore speech বলে। তাই সঠিক উত্তর extempore speech।
মনে রাখুন:
Maiden speech: কারও প্রথম বক্তৃতা, বিশেষ করে সংসদে।
Extempore শব্দটি বিশেষণ ও ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবেও ব্যবহার হয়।
উদাহরণ:
He gave an extempore speech at the party. - ৩৪. Which one has the identical singular and plural form?
- ক. Memorandum
- খ. Stimulus
- গ. Dice
- ঘ. Oasis
উত্তর: গ. Dice
‘Dice’ শব্দটি একবচন ও বহুবচন দুই অর্থেই ব্যবহার করা হয়, যেমন one dice, two dice। অন্য তিনটির বহুবচন আলাদা: memorandum থেকে memoranda, stimulus থেকে stimuli এবং oasis থেকে oases।
মনে রাখুন:
আরও কিছু শব্দের একবচন ও বহুবচন একই: sheep, deer, fish, series, species। - ৩৫. Select the sentence in which 'fast' is an adverb:
- ক. Don't drive so fast!
- খ. Technology is expanding at a fast pace.
- গ. Muslims fast during Ramadan.
- ঘ. Ushashi went on a 24-hour fast to detox.
উত্তর: ক. Don't drive so fast!
Verb-কে বিশেষিত করে এমন শব্দ adverb। ‘Don’t drive so fast!’ বাক্যে fast শব্দটি drive ক্রিয়া কীভাবে হচ্ছে তা বলছে, তাই এটি adverb। অন্য বাক্যগুলোতে fast শব্দের কাজ ভিন্ন।
মনে রাখুন:
Technology is expanding at a fast pace: fast এখানে noun pace-কে বিশেষিত করছে, তাই adjective।
Muslims fast during Ramadan: fast এখানে verb (রোজা রাখা)।
Ushashi went on a 24-hour fast: fast এখানে noun (উপবাস)। - ৩৬. 'It was a cowardly attack on a defenceless man.' Here 'cowardly' is a/an ______.
- ক. adverb
- খ. adjective
- গ. noun
- ঘ. conjunction
উত্তর: খ. adjective
‘Cowardly’ শব্দটি -ly দিয়ে শেষ হলেও এটি adverb নয়, adjective। কারণ এটি noun ‘attack’-কে বিশেষিত করছে এবং বলছে আক্রমণটি কেমন (কাপুরুষোচিত)।
মনে রাখুন:
noun-এর সঙ্গে -ly যোগ করে adjective হয়: friendly, lovely, cowardly, lonely।
সাধারণত adjective-এর সঙ্গে -ly যোগ হলে adverb হয়: quick → quickly। - ৩৭. 'The river flows past the village.' Here 'past' is a/an-
- ক. noun
- খ. verb
- গ. adverb
- ঘ. preposition
উত্তর: ঘ. preposition
Preposition noun বা pronoun-এর আগে বসে এবং সেই noun-এর সঙ্গে বাক্যের অন্য অংশের সম্পর্ক দেখায়। ‘The river flows past the village’ বাক্যে past শব্দটি the village-এর আগে বসে নদী ও গ্রামের সম্পর্ক বোঝাচ্ছে (গ্রামের পাশ দিয়ে)। তাই এটি preposition।
উদাহরণ:
He walked past. (past এখানে adverb, কারণ এর পরে কোনো noun নেই) - ৩৮. 'Ihana sleeps only for four hours a night.' In this sentence the verb 'sleeps' is ______ .
- ক. causative
- খ. intransitive
- গ. transitive
- ঘ. factitive
উত্তর: খ. intransitive
‘Sleeps’ ক্রিয়ার কোনো object নেই। ‘for four hours a night’ অংশটি শুধু সময় বোঝায়। Object ছাড়াই যে verb-এর অর্থ সম্পূর্ণ হয়, তাকে intransitive verb বলে। তাই এখানে sleeps একটি intransitive verb।
মনে রাখুন:
Transitive verb-এর object থাকে। যেমন She reads a book.
Intransitive verb-এর object থাকে না। যেমন She sleeps well. - ৩৯. 'He started teaching Hamlet.' Here 'teaching' is a/an-
- ক. participle
- খ. infinitive
- গ. verbal noun
- ঘ. gerund
উত্তর: ঘ. gerund
‘He started teaching Hamlet’ বাক্যে teaching শব্দটি verb-এর সঙ্গে ing যোগে হয়েছে এবং started ক্রিয়ার object হিসেবে noun-এর কাজ করছে। আবার নিজেও Hamlet-কে object হিসেবে নিয়েছে, অর্থাৎ verb-এর গুণও ধরে রেখেছে। যে শব্দ verb-এর গুণ রেখে noun-এর কাজ করে, তাকে gerund বলে।
মনে রাখুন:
Gerund আর present participle-এর রূপ এক (verb + ing), কিন্তু কাজ আলাদা। Gerund noun-এর কাজ করে, participle adjective-এর কাজ করে।
উদাহরণ:
Swimming is good for health. (gerund) - ৪০. Fill in the blank with the appropriate preposition: 'She was married _______ a rich man'.
- ক. with
- খ. to
- গ. of
- ঘ. off
উত্তর: খ. to
কারও সঙ্গে বিয়ে বোঝাতে ইংরেজিতে ‘married to’ বলা হয়। তাই সঠিক বাক্য: She was married to a rich man।
মনে রাখুন:
married to: কারও সঙ্গে বিবাহিত।
আরও কিছু preposition-নির্ভর শব্দ: engaged to, devoted to, married to। - ৪১. Which gender is the word 'sibling"?
- ক. Masculine
- খ. Feminine
- গ. Neuter
- ঘ. Common
উত্তর: ঘ. Common
‘Sibling’ মানে ভাই বা বোন, যা পুরুষ ও নারী দুজনকেই বোঝাতে পারে। যে noun পুরুষ ও নারী দুই লিঙ্গই বোঝায়, তাকে common gender বলে। তাই sibling common gender।
মনে রাখুন:
Common gender-এর আরও উদাহরণ: student, teacher, child, parent, friend। - ৪২. Find out the correctly spelt word:
- ক. reminiscence
- খ. reminescence
- গ. remeniscence
- ঘ. reminicence
উত্তর: ক. reminiscence
শুদ্ধ বানান reminiscence, যার অর্থ স্মৃতিচারণ। বানানটি remi-nis-cence এভাবে ভাগ করে মনে রাখা সহজ। শব্দটিতে দুটি ‘n’ নেই, আছে একটি n ও একটি s।
উদাহরণ:
He loves reminiscence about his childhood. - ৪৩. The idiom 'smell a rat' means to _______.
- ক. detect bad smell
- খ. be in a bad mood
- গ. suspect something wrong
- ঘ. see hidden meaning
উত্তর: গ. suspect something wrong
‘Smell a rat’ idiom-এর অর্থ কোনো কিছুতে গোলমাল বা চালাকি আছে বলে সন্দেহ করা। এর আক্ষরিক অর্থ ধরলে চলবে না।
উদাহরণ:
When he refused to show the receipt, I smelt a rat.
মনে রাখুন:
আরও কিছু idiom: let the cat out of the bag (গোপন কথা ফাঁস করা), a red herring (বিভ্রান্তিকর বিষয়)। - ৪৪. Select the synonym for 'inclement':
- ক. affable
- খ. mild
- গ. rough
- ঘ. genial
উত্তর: গ. rough
‘Inclement’ বিশেষ করে আবহাওয়া সম্পর্কে ব্যবহৃত হয়, অর্থ কঠোর বা প্রতিকূল (ঝড়ো, খারাপ)। তাই এর সমার্থক rough। Affable (মিশুক), mild (মৃদু) ও genial (অমায়িক) তিনটিই নরম বা সদয় অর্থের শব্দ, প্রায় বিপরীত।
উদাহরণ:
The match was cancelled due to inclement weather. - ৪৫. Tell me frankly why you did this. the underlined part is a/an-
- ক. adjective clause
- খ. noun clause
- গ. adverbial clause
- ঘ. adverbial phrase
উত্তর: খ. noun clause
‘Tell me frankly why you did this’ বাক্যে ‘why you did this’ অংশটি tell ক্রিয়ার object হিসেবে বসেছে। অর্থাৎ এটি বাক্যে noun-এর কাজ করছে। যে clause বাক্যে noun-এর কাজ করে, তাকে noun clause বলে।
মনে রাখুন:
Noun clause সাধারণত that, what, why, how, whether দিয়ে শুরু হয়।
সহজ উপায়: clause-টির জায়গায় ‘it’ বা ‘something’ বসানো যায় কি না দেখা। - ৪৬. The prefix 'non' can be added to ______.
- ক. office
- খ. regular
- গ. partisan
- ঘ. obey
উত্তর: গ. partisan
‘Non’ উপসর্গের অর্থ নয় বা না। এটি যোগ করে nonpartisan (নির্দলীয়) শব্দ তৈরি হয়। অন্য শব্দগুলোর সঙ্গে আলাদা prefix বসে: regular থেকে irregular এবং obey থেকে disobey। Office শব্দের আগে non সাধারণত বসে না।
মনে রাখুন:
nonpartisan: নির্দলীয়, কোনো দলের পক্ষ না নেওয়া।
আরও কিছু non-যুক্ত শব্দ: nonsense, nonviolent, nonstop। - ৪৭. Identify the correct passive form: 'I heard her sing.'
- ক. She was heard sing by me.
- খ. She was heard to be sung by me.
- গ. She was heard sung by me.
- ঘ. She was heard to sing by me.
উত্তর: ঘ. She was heard to sing by me.
Active voice-এ hear, see, make ইত্যাদির পরে to ছাড়া infinitive বসে। কিন্তু passive করলে সেই to ফিরে আসে। তাই ‘I heard her sing’ passive হলে হয় ‘She was heard to sing by me’।
মনে রাখুন:
Active: I saw him go. Passive: He was seen to go.
Active: They made him work. Passive: He was made to work. - ৪৮. Which sentence is correct?
- ক. One of my sisters are a nurse.
- খ. One of my sister is a nurse.
- গ. One of my sisters is a nurse.
- ঘ. One of my sister's are a nurse.
উত্তর: গ. One of my sisters is a nurse.
‘One of’ গঠনের পরে noun বহুবচন হয়, কিন্তু বাক্যের আসল কর্তা (subject) হলো ‘one’। ‘One’ একবচন, তাই verb-ও একবচন (is) বসে। সুতরাং সঠিক বাক্য ‘One of my sisters is a nurse’।
মনে রাখুন:
‘Each of’, ‘either of’, ‘neither of’-এর পরেও একই নিয়ম।
উদাহরণ:
One of the boys is absent. - ৪৯. Select the right determiner: 'She works as ______ FBI analyst.'
- ক. a
- খ. an
- গ. the
- ঘ. none of the above
উত্তর: খ. an
Article a বা an কোনটি বসবে, তা ঠিক হয় পরের শব্দের উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি দেখে, বানান দেখে নয়। FBI-এর F উচ্চারিত হয় ‘এফ’, যা স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু। তাই এর আগে an বসে: an FBI analyst।
মনে রাখুন:
an hour (h নিঃশব্দ), an MBA, an honest man।
a university, a European (শুরুতে ‘ইউ’ ধ্বনি)। - ৫০. 'We met Medha carrying a bouquet of red roses.' Here 'carrying' is a/an ______.
- ক. gerund
- খ. infinitive
- গ. verbal noun
- ঘ. participle
উত্তর: ঘ. participle
‘We met Medha carrying a bouquet of red roses’ বাক্যে carrying শব্দটি verb-এর সঙ্গে ing যোগে তৈরি হয়ে Medha-র সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে, অর্থাৎ adjective-এর কাজ করছে। Verb + ing যখন noun বা pronoun-কে বিশেষিত করে, তখন তাকে present participle বলে।
মনে রাখুন:
Gerund noun-এর কাজ করে, participle adjective-এর কাজ করে।
উদাহরণ:
I saw a boy playing football. - ৫১. 'Five years have passed since his father died'. Identify the correct simple form of the sentence from the following options:
- ক. His father has died five years ago.
- খ. His father died five years ago.
- গ. His father has died for five years.
- ঘ. His father died since five years.
উত্তর: খ. His father died five years ago.
‘Five years have passed since his father died’ বাক্যের অর্থ পাঁচ বছর আগে তার বাবা মারা গেছেন। অতীতের নির্দিষ্ট সময় ago দিয়ে বোঝানো হলে simple past বসে, present perfect নয়। তাই সঠিক বাক্য ‘His father died five years ago’।
মনে রাখুন:
ago-এর সঙ্গে সবসময় simple past বসে।
Since বা for-এর সঙ্গে বসে present perfect। - ৫২. Choose the antonym of 'controversy':
- ক. contention
- খ. bickering
- গ. unanimity
- ঘ. dispute
উত্তর: গ. unanimity
‘Controversy’ মানে বিতর্ক বা মতবিরোধ। এর বিপরীত ‘unanimity’, যার অর্থ সবার এক মত হওয়া। Contention, bickering ও dispute তিনটিই বিরোধ বা ঝগড়া অর্থের শব্দ, তাই এগুলো synonym।
মনে রাখুন:
Unanimous: সর্বসম্মত।
উদাহরণ:
The committee passed the bill by unanimity. - ৫৩. 'For God's sake hold your tongue, and let me love.' This line is taken from the poem ______.
- ক. To His Coy Mistress
- খ. The Canonization
- গ. The Definition of Love
- ঘ. The Sun Rising
উত্তর: খ. The Canonization
‘For God’s sake hold your tongue, and let me love’ লাইনটি জন ডানের (John Donne) ‘The Canonization’ কবিতার প্রথম লাইন। কবি এখানে প্রেমকে এমন এক ধর্মীয় আদর্শ হিসেবে দেখান, যার প্রেমিক-প্রেমিকারা সন্তের মতো পূজনীয় হওয়ার যোগ্য।
মনে রাখুন:
ডান মেটাফিজিক্যাল কবিদের প্রধান কবি।
‘To His Coy Mistress’ ও ‘The Definition of Love’ লিখেছেন অ্যান্ড্রু মারভেল।
‘The Sun Rising’-ও ডানের কবিতা। - ৫৪. The one-act play 'Riders to the Sea' was written by ______.
- ক. G. B. Shaw
- খ. Oscar Wilde
- গ. J. M. Synge
- ঘ. John Galsworthy
উত্তর: গ. J. M. Synge
‘Riders to the Sea’ আইরিশ নাট্যকার জে. এম. সিঞ্জ (J. M. Synge) রচিত একাঙ্ক নাটক। এতে সমুদ্র একে একে বৃদ্ধা মরিয়ার (Maurya) সব ছেলেকে কেড়ে নেয়। নাটকের মূল সুর মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির সংঘাত এবং মায়ের বেদনা।
মনে রাখুন:
সিঞ্জ আইরিশ সাহিত্য আন্দোলনের (Irish Literary Revival) নাট্যকার।
তাঁর আরেকটি বিখ্যাত নাটক ‘The Playboy of the Western World’। - ৫৫. 'Neither a borrower nor a lender be, For loan oft loses both itself and friend.' This extract is taken from Shakespeare's play _______ .
- ক. Macbeth
- খ. King Lear
- গ. Measure for Measure
- ঘ. Hamlet
উত্তর: ঘ. Hamlet
‘Neither a borrower nor a lender be, for loan oft loses both itself and friend’ উপদেশটি শেক্সপিয়রের ‘Hamlet’ নাটকের। পলোনিয়াস (Polonius) তাঁর ছেলে লেয়ার্টিসকে বিদায়ের সময় এই কথা বলেন। এর অর্থ, ধার দিলে টাকা ও বন্ধু দুটিই হারানোর ভয় থাকে।
মনে রাখুন:
একই দৃশ্যে পলোনিয়াস আরেকটি বিখ্যাত উপদেশ দেন: “This above all: to thine own self be true.” - ৫৬. Who composed the elegiac poem 'Thyrsis'?
- ক. Thomas Gray
- খ. Matthew Arnold
- গ. John Milton
- ঘ. P. B. Shelley
উত্তর: খ. Matthew Arnold
‘Thyrsis’ ম্যাথু আর্নল্ডের (Matthew Arnold) লেখা শোকগাথা (elegy)। বন্ধু কবি আর্থার হিউ ক্লাফের মৃত্যুতে তিনি কবিতাটি লেখেন। Elegy হলো মৃত ব্যক্তির স্মরণে লেখা বিলাপ-কবিতা।
মনে রাখুন:
টমাস গ্রের বিখ্যাত elegy ‘Elegy Written in a Country Churchyard’।
শেলির ‘Adonais’ কিটসের মৃত্যুতে লেখা elegy।
মিল্টনের ‘Lycidas’-ও elegy। - ৫৭. Who is the writer of the famous essay 'Tradition and the Individual Talent'?
- ক. George Orwell
- খ. Aldous Leonard Huxley
- গ. T. S. Eliot
- ঘ. Francis Bacon
উত্তর: গ. T. S. Eliot
‘Tradition and the Individual Talent’ টি. এস. এলিয়টের (T. S. Eliot) বিখ্যাত সমালোচনামূলক প্রবন্ধ, ১৯১৯ সালে প্রকাশিত। এতে তিনি বলেন, কবি ঐতিহ্যের ধারার অংশ, আর কবিতা ব্যক্তিত্বের প্রকাশ নয়, বরং ব্যক্তিত্ব থেকে মুক্তি।
মনে রাখুন:
এলিয়টের বিখ্যাত কবিতা ‘The Waste Land’ (১৯২২)।
তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। - ৫৮. 'Our sweetest songs are those that tell of saddest thought.' -This oft-quoted line occurs in Shelley's notable poem _____ .
- ক. To a Skylark
- খ. Ode to the West Wind
- গ. Adonais
- ঘ. The Cloud
উত্তর: ক. To a Skylark
‘Our sweetest songs are those that tell of saddest thought’ লাইনটি পি. বি. শেলির ‘To a Skylark’ কবিতার। কবি বলেছেন, মানুষের আনন্দের মধ্যেও দুঃখ মিশে থাকে। এর বিপরীতে স্কাইলার্ক পাখির গান পুরোপুরি নির্মল আনন্দের।
মনে রাখুন:
‘Ode to the West Wind’-এর শেষ লাইন: “If Winter comes, can Spring be far behind?”
শেলি কিটসের মৃত্যুতে ‘Adonais’ লেখেন। - ৫৯. Who authored the futuristic novel 'Brave New World'?
- ক. E. M. Forster
- খ. Virginia Woolf
- গ. Aldous Leonard Huxley
- ঘ. Graham Greene
উত্তর: গ. Aldous Leonard Huxley
‘Brave New World’ (১৯৩২) অল্ডাস হাক্সলির (Aldous Huxley) লেখা ভবিষ্যৎমুখী (dystopian) উপন্যাস। এতে প্রযুক্তি ও নিয়ন্ত্রণে বাঁধা এক কৃত্রিম সুখের সমাজ দেখানো হয়েছে।
মনে রাখুন:
ডিস্টোপিয়া (Dystopia) মানে এমন কল্পিত সমাজ, যেখানে মানুষ নিয়ন্ত্রণ ও দমনের মধ্যে বাস করে।
জর্জ অরওয়েলের ‘1984’ও একটি বিখ্যাত ডিস্টোপিয়ান উপন্যাস। - ৬০. 'Good fences make good neighbors'. -The line was written by _______ .
- ক. Robert Graves
- খ. Robert Frost
- গ. Ezra Pound
- ঘ. Carl Sandburg
উত্তর: খ. Robert Frost
‘Good fences make good neighbors’ লাইনটি রবার্ট ফ্রস্টের (Robert Frost) ‘Mending Wall’ কবিতার। কবিতায় প্রতিবেশী বারবার এ কথা বলে, আর কবি প্রশ্ন তোলেন দেয়ালের আদৌ দরকার আছে কি না।
মনে রাখুন:
ফ্রস্টের আরও কবিতা: ‘The Road Not Taken’, ‘Stopping by Woods on a Snowy Evening’।
ফ্রস্ট আমেরিকান কবি। - ৬১. 'Cowards die many times before their deaths: The valiant never taste of death but once'. In which play of Shakespeare do you find this quote?
- ক. Julius Caesar
- খ. Romeo and Juliet
- গ. The Tempest
- ঘ. Twelfth Night
উত্তর: ক. Julius Caesar
‘Cowards die many times before their deaths; the valiant never taste of death but once’ উক্তিটি শেক্সপিয়রের ‘Julius Caesar’ নাটকের। সিজার তাঁর স্ত্রী ক্যালপুর্নিয়াকে এ কথা বলেন, যখন তিনি সিজারকে সেনেটে যেতে বারণ করেন। এর অর্থ, ভীরু মানুষ ভয়ে বারবার মরে, কিন্তু সাহসী মানুষ মৃত্যুর স্বাদ একবারই পায়।
মনে রাখুন:
এ নাটকের আরেকটি বিখ্যাত উক্তি: “Et tu, Brute?” - ৬২. 'Knowledge comes, but wisdom lingers.' This quote is extracted from Tennyson's poem titled ______ .
- ক. Morte d' Arthur
- খ. The Lotos-Eaters
- গ. Tithonus
- ঘ. Locksley Hall
উত্তর: ঘ. Locksley Hall
‘Knowledge comes, but wisdom lingers’ লাইনটি টেনিসনের (Tennyson) ‘Locksley Hall’ কবিতার। জ্ঞান দ্রুত আসে, কিন্তু প্রজ্ঞা বা বিবেচনা আসতে দেরি করে, এটাই কবির বক্তব্য।
মনে রাখুন:
জ্ঞান (knowledge) মানে তথ্য জানা, প্রজ্ঞা (wisdom) মানে তা বুঝে ঠিকভাবে প্রয়োগ করা।
টেনিসনের আরও রচনা: ‘In Memoriam’, ‘Ulysses’। - ৬৩. The tragedy 'Samson Agonistes' was penned by ______.
- ক. Christopher Marlowe
- খ. Henrick Ibsen
- গ. John Milton
- ঘ. Arthur Miller
উত্তর: গ. John Milton
‘Samson Agonistes’ জন মিল্টনের (John Milton) লেখা ট্র্যাজেডি, যা গ্রিক নাটকের রীতিতে রচিত। অন্ধ ও বন্দি স্যামসন শেষ শক্তি দিয়ে মন্দির ভেঙে শত্রুদের সঙ্গে নিজেও ধ্বংস হয়ে যান।
মনে রাখুন:
মিল্টনের মহাকাব্য ‘Paradise Lost’ (১৬৬৭)।
‘Samson Agonistes’ ১৬৭১ সালে প্রকাশিত হয়। - ৬৪. Who is the playwright of the absurd drama 'Waiting for Godot'?
- ক. Jean Genet
- খ. Samuel Beckett
- গ. Harold Pinter
- ঘ. Tom Stoppard
উত্তর: খ. Samuel Beckett
‘Waiting for Godot’ স্যামুয়েল বেকেটের (Samuel Beckett) লেখা অ্যাবসার্ড নাটক। এতে দুজন মানুষ গোডো নামের একজনের জন্য অপেক্ষা করে, কিন্তু সে কখনো আসে না। জীবনের অর্থহীনতা এ নাটকের মূল বিষয়।
মনে রাখুন:
Beckett ও Pinter উভয়েই Theatre of the Absurd ধারার নাট্যকার।
বেকেট ১৯৬৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। - ৬৫. 'It's strange - but true; for truth is always strange; Stranger than fiction. This quote is taken from a poem of _____. [Correct: Tis strange,- but true.....]
- ক. Mark Twain
- খ. Robert Herrick
- গ. Lord Byron
- ঘ. Franz Kafka
উত্তর: গ. Lord Byron
‘’Tis strange, but true; for truth is always strange; stranger than fiction’ লাইনটি লর্ড বায়রনের (Lord Byron) দীর্ঘ ব্যঙ্গকাব্য ‘Don Juan’ থেকে নেওয়া। এখান থেকেই “Truth is stranger than fiction” প্রবাদটি ছড়িয়েছে।
মনে রাখুন:
‘Don Juan’ বায়রনের অসমাপ্ত কাব্য।
মার্ক টোয়েনও একই ধরনের কথা বলেছেন, তবে এই লাইনটি বায়রনের। - ৬৬. Who wrote the novella 'Heart of Darkness'?
- ক. Joseph Conrad
- খ. Doris Lessing
- গ. John Osborne
- ঘ. Thomas Hardy
উত্তর: ক. Joseph Conrad
‘Heart of Darkness’ জোসেফ কনরাডের (Joseph Conrad) লেখা উপন্যাসিকা (novella)। কঙ্গো নদী ধরে মার্লোর যাত্রা এবং ঔপনিবেশিক শোষণের অন্ধকার দিক এতে ফুটে উঠেছে।
মনে রাখুন:
Novella হলো উপন্যাসের চেয়ে ছোট, ছোটগল্পের চেয়ে বড় আকারের গদ্যকাহিনি।
কনরাডের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘Lord Jim’।
টমাস হার্ডি লিখেছেন ‘Tess of the d’Urbervilles’। - ৬৭. Who was the writer of the autobiographical as well as political essay 'Shooting and Elephant'? [Correct: Shooting an Elephant]
- ক. Francis Bacon
- খ. George Orwell
- গ. Joseph Addison
- ঘ. Charles Lamb
উত্তর: খ. George Orwell
‘Shooting an Elephant’ জর্জ অরওয়েলের (George Orwell) লেখা আত্মজৈবনিক ও রাজনৈতিক প্রবন্ধ। বার্মায় পুলিশ অফিসার থাকার সময় তিনি অনিচ্ছায় একটি হাতি মেরেছিলেন। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে তিনি সাম্রাজ্যবাদের অসারতা দেখিয়েছেন।
মনে রাখুন:
অরওয়েলের বিখ্যাত রচনা ‘Animal Farm’ ও ‘1984’।
ফ্রান্সিস বেকন ও জোসেফ অ্যাডিসন প্রবন্ধকার, তবে এই প্রবন্ধ তাঁদের নয়।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- ৬৮. কোন মুসলিম চিন্তাবিদ প্রথম 'দ্বি-জাতি তত্ত্ব' সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেন?
- ক. আল্লামা ইকবাল
- খ. সৈয়দ আহমদ খান
- গ. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
- ঘ. মওলানা আকরম খাঁ
উত্তর: খ. সৈয়দ আহমদ খান
স্যার সৈয়দ আহমদ খান উনিশ শতকের শেষ দিকে বলেন, হিন্দু ও মুসলমান দুটি আলাদা জাতি এবং তাদের স্বার্থও আলাদা। তাই তাঁকেই দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রথম স্পষ্ট প্রবক্তা ধরা হয়। পরে মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের সময় এই তত্ত্বকে রাজনৈতিক দাবির রূপ দেন।
মনে রাখুন:
সৈয়দ আহমদ খান আলীগড় আন্দোলনের নেতা।
তিনি আলীগড়ে মুহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। - ৬৯. কোন বছর পাকিস্তান সরকার বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
- ক. ১৯৫২
- খ. ১৯৫৪
- গ. ১৯৫৬
- ঘ. ১৯৬৯
উত্তর: গ. ১৯৫৬
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়। এই সংবিধানে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অর্থাৎ বাংলা অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় ১৯৫৬ সালে।
মনে রাখুন:
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়।
ভাষা আন্দোলনের শহিদ দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২। - ৭০. 'তমদ্দুন মজলিস'-এর নেতা জনাব আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন?
- ক. রসায়ন বিজ্ঞান
- খ. গণিত
- গ. ইতিহাস
- ঘ. পদার্থ বিজ্ঞান
উত্তর: ঘ. পদার্থ বিজ্ঞান
তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তিনি ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে তমদ্দুন মজলিস গঠন করেন। এটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম সাংগঠনিক উদ্যোগ।
মনে রাখুন:
তমদ্দুন মজলিস রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু?’ নামে পুস্তিকা প্রকাশ করে। - ৭১. স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান 'জল্লাদের দরবার' এর রচয়িতা কে ছিলেন?
- ক. কল্যাণ মিত্র
- খ. রাজু আহমেদ
- গ. এম আর আকতার মুকুল
- ঘ. নারায়ণ ঘোষ (মিতা)
উত্তর: ক. কল্যাণ মিত্র
মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘জল্লাদের দরবার’-এর রচয়িতা কল্যাণ মিত্র। এটি ছিল ব্যঙ্গাত্মক অনুষ্ঠান, যেখানে পাকিস্তানি শাসকদের ব্যঙ্গ করা হতো।
মনে রাখুন:
এম আর আখতার মুকুল লিখতেন ও পাঠ করতেন ‘চরমপত্র’।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম চালু হয় চট্টগ্রামের কালুরঘাট থেকে। - ৭২. কোন তারিখে আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন?
- ক. ১৮ জানুয়ারি ১৯৬৯
- খ. ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯
- গ. ২২ জানুয়ারি ১৯৬৯
- ঘ. ২৪ জানুয়ারি ১৯৬৯
উত্তর: খ. ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯
ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকায় মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। তাঁর মৃত্যু উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানকে আরও তীব্র করে। তাঁর স্মরণে ঢাকার আইয়ুব গেটের নাম হয় আসাদ গেট।
মনে রাখুন:
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা।
১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সার্জেন্ট জহুরুল হক শহিদ হন। - ৭৩. 'ঢাকা প্রকাশ' সাপ্তাহিক পত্রিকাটির প্রথম সম্পাদক কে?
- ক. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
- খ. সিকান্দর আবু জাফর
- গ. শামসুর রাহমান
- ঘ. রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: ক. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
‘ঢাকা প্রকাশ’ ১৮৬১ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকা, যার প্রথম সম্পাদক কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। পূর্ববঙ্গের সাংবাদিকতার ইতিহাসে এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী পত্রিকা।
মনে রাখুন:
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা ঢাকা প্রকাশ।
অন্য নাম দুটি, সিকান্দর আবু জাফর ও শামসুর রাহমান, বিংশ শতকের সাহিত্যিক ও সম্পাদক। - ৭৪. সেরিকালচার বলতে বোঝায়-
- ক. তুলা চাষ
- খ. নীল চাষ
- গ. রেশম পোকা চাষ
- ঘ. তামাক চাষ
উত্তর: গ. রেশম পোকা চাষ
সেরিকালচার (Sericulture) মানে রেশম পোকা পালন করে রেশম উৎপাদন করা। রেশম পোকা তুঁত পাতা খায়, তাই তুঁত চাষও এর সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশে রাজশাহী রেশম চাষের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখুন:
আরও কিছু -culture শব্দ: Apiculture (মৌমাছি পালন), Pisciculture (মাছ চাষ), Horticulture (বাগান-ফলের চাষ), Floriculture (ফুলের চাষ)। - ৭৫. ছায়া প্রেমী (shadow loving) অর্থনৈতিক ফসল কোনটি?
- ক. আখ
- খ. তামাক
- গ. ধান
- ঘ. চা
উত্তর: ঘ. চা
চা গাছ সরাসরি কড়া রোদ সহ্য করতে পারে না। তাই চা বাগানে ছায়া দেওয়ার জন্য আলাদা গাছ লাগানো হয়। এ কারণে চাকে ছায়াপ্রেমী (shade-loving) অর্থকরী ফসল বলা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশে চা চাষ সবচেয়ে বেশি হয় সিলেট বিভাগে, বিশেষ করে মৌলভীবাজারে।
চা গাছের জন্য ঢালু জমি ভালো, কারণ গোড়ায় পানি জমলে গাছ মরে যায়। - ৭৬. বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশে কোন ফসলের চাষ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে?
- ক. ভূট্টা
- খ. পাট
- গ. ধান
- ঘ. গোল আলু
উত্তর: ক. ভূট্টা
গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে ভুট্টার চাষ খুব দ্রুত বেড়েছে। এর কারণ হাঁস-মুরগি ও মাছের খাবার তৈরিতে ভুট্টার চাহিদা বিপুল। একসময় প্রায় অপরিচিত এই ফসলের আবাদি জমি ও উৎপাদন অন্য ফসলের তুলনায় অনেক বেশি হারে বেড়েছে।
মনে রাখুন:
ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য, তবে বৃদ্ধির হারে ভুট্টা এগিয়ে।
পাটের আবাদি জমি ও উৎপাদন বহু বছর ধরে ওঠানামা করেছে। - ৭৭. ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা-
- ক. প্রায় উনিশ কোটি
- খ. প্রায় সাড়ে ষোলো কোটি
- গ. প্রায় আঠারো কোটি
- ঘ. প্রায় সতেরো কোটি
উত্তর: ঘ. প্রায় সতেরো কোটি
২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনার চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখ, অর্থাৎ প্রায় সতেরো কোটি।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশে প্রতি দশ বছর পরপর জনশুমারি হয়। আগের শুমারি হয়েছিল ২০১১ সালে।
২০১১ সালে জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৪ কোটি ৪০ লাখ। - ৭৮. ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রধানত-
- ক. দারিদ্র হ্রাস করে
- খ. ভিক্ষাবৃত্তি হ্রাস করে
- গ. নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে
- ঘ. নারীর অংশগ্রহণ হ্রাস করে
উত্তর: গ. নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে
ক্ষুদ্রঋণের গ্রহীতাদের বেশির ভাগই গ্রামের নারী। ঋণ নিয়ে তাঁরা হাঁস-মুরগি, গবাদি পশু পালন বা ছোট ব্যবসা চালান, ফলে অর্থনৈতিক কাজে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। তাই গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর প্রধান প্রভাব নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণের পথিকৃৎ ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক।
তিনি ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। - ৭৯. বর্তমানে পৃথিবীর কোন্ দেশে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছে?
- ক. সৌদি আরব
- খ. মালয়েশিয়া
- গ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
- ঘ. ইতালি
উত্তর: ক. সৌদি আরব
বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বড় অংশ সৌদি আরবে কাজ করে। জনশক্তি রপ্তানির হিসাবেও দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবই বাংলাদেশের শীর্ষ গন্তব্য। তাই এ প্রশ্নের উত্তর সৌদি আরব।
মনে রাখুন:
প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) বড় অংশও আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে।
প্রবাসী আয় বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান খাত। - ৮০. বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা হলো-
- ক. ০৬-০৮ শতাংশ
- খ. ০১-০৫ শতাংশ
- গ. ০৯-১২ শতাংশ
- ঘ. ১৩-১৫ শতাংশ
উত্তর: ক. ০৬-০৮ শতাংশ
উন্নয়নশীল দেশে প্রবৃদ্ধি চালু রাখতে কিছুটা মূল্যস্ফীতি থাকে। বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য ৬ থেকে ৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতিকে সহনশীল ধরা হয়। এর বেশি হলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা দ্রুত কমে যায়।
মনে রাখুন:
মূল্যস্ফীতি (Inflation) মানে পণ্যের সাধারণ দামস্তর বাড়া।
মূল্যস্ফীতি মাপা হয় ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI) দিয়ে। - ৮১. বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি করা অর্থ পাচার করা হয়-
- ক. যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ায়
- খ. যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে
- গ. যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনে
- ঘ. শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে
উত্তর: ঘ. শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে
২০১৬ সালে হ্যাকাররা নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভে রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে অর্থ সরায়। প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনে একটি ব্যাংকের মাধ্যমে চলে যায় এবং প্রায় ২ কোটি ডলার শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হয়। শ্রীলঙ্কায় পাঠানো অর্থ আটকানো গিয়েছিল।
মনে রাখুন:
ঘটনাটি ঘটে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
চুরির সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন আতিউর রহমান। - ৮২. অর্থ পাচারের কারণ নয় কোনটি?
- ক. অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করা
- খ. কর ফাঁকি না দেয়া
- গ. কোম্পানির মুনাফা লুকানো
- ঘ. দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতি না থাকা
উত্তর: খ. কর ফাঁকি না দেয়া
অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করা, কোম্পানির মুনাফা লুকানো, কর ফাঁকি দেওয়া এবং দেশে বিনিয়োগের ভালো পরিবেশ না থাকা, এগুলো অর্থ পাচারের কারণ। কিন্তু কর ফাঁকি না দেওয়া মানে আইন মেনে কর দেওয়া। তাই এটি অর্থ পাচারের কারণ নয়।
মনে রাখুন:
অর্থ পাচার মানে অবৈধভাবে দেশের টাকা বিদেশে পাঠানো।
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন বাংলাদেশে আছে। - ৮৩. বাংলাদেশ কোন্ দুটি দেশ হতে সিংহভাগ সয়াবিন তেল আমদানী করে?
- ক. মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া
- খ. ভারত ও চীন
- গ. জার্মানি ও ভিয়েতনাম
- ঘ. আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল
উত্তর: ঘ. আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল
বাংলাদেশ সয়াবিন তেল ও সয়াবিন বীজের বড় অংশ দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে আমদানি করে। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে মূলত পাম তেল আসে।
মনে রাখুন:
ভোজ্যতেলের চাহিদার বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়।
সয়াবিন তেল ও পাম তেল দেশের প্রধান আমদানিকৃত ভোজ্যতেল। - ৮৪. বিশ্বব্যাংকের মতে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণ নয় কোনটি?
- ক. বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি পাওয়া
- খ. অভ্যন্তরীণ জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধি
- গ. দুর্বল মুদ্রানীতি
- ঘ. টাকার অবমূল্যায়ন
উত্তর: ক. বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি পাওয়া
টাকার অবমূল্যায়ন হলে আমদানি পণ্যের দাম বাড়ে। জ্বালানির দাম বাড়লে উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বাড়ে। আর দুর্বল মুদ্রানীতি বাজারে টাকার জোগান ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তিনটিই মূল্যস্ফীতি বাড়ায়। কিন্তু বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বাড়লে টাকা শক্তিশালী হয়, তাই এটি মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণ নয়।
মনে রাখুন:
মুদ্রানীতি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক। - ৮৫. বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম-
- ক. ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড
- খ. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
- গ. পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
- ঘ. ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর: গ. পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা, যার দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা প্রায় ২,৮০০ টন ইউরিয়া। তাই বৃহত্তম সার কারখানার নাম পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।
মনে রাখুন:
যমুনা সার কারখানা জামালপুরের তারাকান্দিতে।
শাহজালাল সার কারখানা সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে।
জিয়া সার কারখানা আশুগঞ্জে। - ৮৬. বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা-
- ক. প্রেসিডেন্ট
- খ. জাতীয় সংসদ
- গ. বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
- ঘ. হাই কোর্ট
উত্তর: গ. বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সংবিধানবিরোধী আইন বাতিল করার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের। তাই বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধানের রক্ষক ও অভিভাবক বলা হয়।
মনে রাখুন:
সুপ্রিম কোর্টের দুটি বিভাগ: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ। - ৮৭. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য সংবিধানের যে সংশোধন বাতিল করতে হবে-
- ক. পঞ্চদশ
- খ. দ্বাদশ
- গ. একাদশ
- ঘ. ত্রয়োদশ
উত্তর: ক. পঞ্চদশ
২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। তাই এই ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে পঞ্চদশ সংশোধনীর সংশ্লিষ্ট অংশ বাতিল করতে হবে। ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) দিয়ে এ ব্যবস্থা চালু হয়েছিল।
মনে রাখুন:
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানকে বলা হতো প্রধান উপদেষ্টা।
পঞ্চদশ সংশোধনীতে আরও অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছিল। - ৮৮. জুলাই শহিদ দিবস কোনটি?
- ক. ০১ জুলাই
- খ. ২৯ জুলাই
- গ. ০৫ আগস্ট
- ঘ. ১৬ জুলাই
উত্তর: ঘ. ১৬ জুলাই
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর দিনটিকে ‘জুলাই শহিদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
মনে রাখুন:
আবু সাঈদ ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতন ঘটে। - ৮৯. বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কবে শপথ গ্রহণ করেন?
- ক. ২০২৪ সালের ০৫ আগস্ট
- খ. ২০২৪ সালের ০৮ আগস্ট
- গ. ২০২৪ সালের ০৬ আগস্ট
- ঘ. ২০২৪ সালের ০৯ আগস্ট
উত্তর: খ. ২০২৪ সালের ০৮ আগস্ট
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট বঙ্গভবনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। তাঁকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মনে রাখুন:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে প্রধান উপদেষ্টা বলা হয়। - ৯০. বাংলাদেশে মোট কতবার জরুরি অবস্থা জারী করা হয়েছে?
- ক. ৫ বার
- খ. ৩ বার
- গ. ৪ বার
- ঘ. ৭ বার
উত্তর: ক. ৫ বার
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে মোট পাঁচবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এই পাঁচ সময় হলো ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৮৭, ১৯৯০ ও ২০০৭ সাল।
মনে রাখুন:
সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদে জরুরি অবস্থা জারির বিধান আছে।
২০০৭ সালের জরুরি অবস্থা জারি হয় ১১ জানুয়ারি। - ৯১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল কত সালে আইনে পরিণত হয়?
- ক. ০৭ মার্চ ১৯১৭
- খ. ১৮ মার্চ ১৯২০
- গ. ২১ মার্চ ১৯১৯
- ঘ. ১১ মার্চ ১৯১৮
উত্তর: খ. ১৮ মার্চ ১৯২০
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইনি ভিত্তি 'দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট' (The Dacca University Act), যা ১৯২০ সালের ১৮ মার্চ ভারতীয় আইনসভায় পাস হয় এবং পরে গভর্নর জেনারেলের সম্মতিতে আইনে পরিণত হয়। এই আইনের ভিত্তিতে ১৯২১ সালের ১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
মনে রাখুন:
প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার পি. জে. হার্টগ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে ১৯১২ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ব বাংলার ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা ছিল। - ৯২. বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো-
- ক. বিকেন্দ্রীভূত
- খ. ফেডারেল
- গ. রাজতান্ত্রিক
- ঘ. কেন্দ্রীভূত
উত্তর: ঘ. কেন্দ্রীভূত
রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো দুই ধরনের হতে পারে: যুক্তরাষ্ট্রীয় (federal), যেখানে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যের নিজস্ব ক্ষমতা থাকে, আর এককেন্দ্রিক (unitary), যেখানে ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে। বাংলাদেশ এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র। এখানে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে চলে, তাই প্রশাসনিক কাঠামো কেন্দ্রীভূত।
মনে রাখুন:
সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশকে একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র বলা হয়েছে।
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর উদাহরণ। - ৯৩. টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করেন-
- ক. সাকিব-আল-হাসান
- খ. মমিনুল হক
- গ. নাজমুল হোসেন শান্ত
- ঘ. মুশফিকুর রহিম
উত্তর: ঘ. মুশফিকুর রহিম
বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে ২০০ রান করেন। এটিই টেস্ট ক্রিকেটে কোনো বাংলাদেশির প্রথম দ্বিশতক (ডাবল সেঞ্চুরি)।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।
অন্য বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যেও পরবর্তী সময়ে দ্বিশতক হয়েছে, তবে প্রথম মুশফিক। - ৯৪. ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় কোন পত্রিকাটি নিষিদ্ধ ছিল?
- ক. দৈনিক ইত্তেফাক
- খ. বাংলাদেশ অবজার্ভার
- গ. দৈনিক গণকণ্ঠ
- ঘ. বাংলাদেশ টাইমস
উত্তর: গ. দৈনিক গণকণ্ঠ
১৯৭৫ সালে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা চালু হয়। এরপর জুন মাসের সংবাদপত্র অধ্যাদেশে সরকারি নিয়ন্ত্রণে মাত্র চারটি দৈনিক রাখা হয়: দৈনিক বাংলা, দৈনিক ইত্তেফাক, বাংলাদেশ অবজার্ভার ও বাংলাদেশ টাইমস। বাকি সব পত্রিকা বন্ধ করা হয়, ফলে 'দৈনিক গণকণ্ঠ' নিষিদ্ধ হয়।
মনে রাখুন:
বাকশাল (বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ) ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয়। - ৯৫. ওয়াসফিয়া নাজরীন বিখ্যাত-
- ক. অ্যাথলেট হিসেবে
- খ. ক্রিকেটার হিসেবে
- গ. এভারেস্টজয়ী হিসেবে
- ঘ. নারী উদ্যোক্তা হিসেবে
উত্তর: গ. এভারেস্টজয়ী হিসেবে
ওয়াসফিয়া নাজরীন বাংলাদেশের পর্বতারোহী। তিনি ২০১২ সালে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন। পরে তিনি সাত মহাদেশের সর্বোচ্চ সাতটি শৃঙ্গ (সেভেন সামিট) জয় করা প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে খ্যাতি পান।
মনে রাখুন:
এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাংলাদেশি এম এ মুহিত (২০১০)।
এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী নিশাত মজুমদার (২০১২)।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
- ৯৬. সম্প্রতি পেরুতে খুঁজে পাওয়া ৩৫০০ বছরের পুরোনো শহরের নাম কী?
- ক. মাচুপিচু
- খ. কোরাল
- গ. পেনিকো
- ঘ. কুস্কো
উত্তর: গ. পেনিকো
পেরুর প্রত্নতাত্ত্বিকেরা ২০২৫ সালে 'পেনিকো' (Peñico) নামে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছরের পুরোনো একটি শহরের সন্ধান প্রকাশ করেন। শহরটি পেরুর উপকূল ও আন্দিজ অঞ্চলের মধ্যে বাণিজ্যে ভূমিকা রাখত এবং প্রাচীন কারাল সভ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত। মাচুপিচু ও কুস্কো ইনকা সভ্যতার পরিচিত স্থান।
মনে রাখুন:
কারাল সভ্যতাকে আমেরিকা মহাদেশের প্রাচীনতম নগরসভ্যতাগুলোর একটি ধরা হয়।
ইনকা সভ্যতার রাজধানী ছিল কুস্কো। - ৯৭. ১৯৪৭ সালে প্যালেস্টাইনকে বিভাজনের পরিকল্পনা জাতিসংঘের কোন প্রস্তাবের মাধ্যমে গৃহীত হয়?
- ক. ১৮০ নং প্রস্তাব
- খ. ১৮১ নং প্রস্তাব
- গ. ১৬০ নং প্রস্তাব
- ঘ. ১৬১ নং প্রস্তাব
উত্তর: খ. ১৮১ নং প্রস্তাব
১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৮১ নম্বর প্রস্তাব গ্রহণ করে। এতে ফিলিস্তিনকে একটি আরব ও একটি ইহুদি রাষ্ট্রে ভাগ করার এবং জেরুজালেমকে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণে রাখার পরিকল্পনা ছিল।
মনে রাখুন:
ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ মে।
প্রস্তাবটি আরব পক্ষ প্রত্যাখ্যান করে। - ৯৮. নিম্নের কোন দেশটি 'গোলান হাইটস্' বিরোধের একটি পক্ষ?
- ক. লেবানন
- খ. জর্ডান
- গ. সিরিয়া
- ঘ. সৌদি আরব
উত্তর: গ. সিরিয়া
গোলান মালভূমি (Golan Heights) সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল এটি দখল করে, তাই এই বিরোধের দুই পক্ষ সিরিয়া ও ইসরায়েল। অঞ্চলটি রাজনৈতিক ও পানিসম্পদের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখুন:
ইসরায়েল ১৯৮১ সালে একতরফাভাবে গোলান নিজ ভূখণ্ডে যুক্ত করে, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। - ৯৯. নিচের কোন সভ্যতার সময়কালে ওজন পরিমাপ ও দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছিল?
- ক. সিন্ধু সভ্যতা
- খ. মিশরীয় সভ্যতা
- গ. গ্রিক সভ্যতা
- ঘ. অ্যাসেরীয় সভ্যতা
উত্তর: ক. সিন্ধু সভ্যতা
সিন্ধু সভ্যতার হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোতে একই মাপের পাথরের বাটখারা এবং দাগ কাটা মাপকাঠি পাওয়া গেছে। এ থেকে বোঝা যায়, এই সভ্যতায় ওজন ও দৈর্ঘ্য মাপার একটি প্রমিত পদ্ধতি চালু ছিল।
মনে রাখুন:
সিন্ধু সভ্যতা একটি নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা, সুপরিকল্পিত পথ ও নিকাশি ব্যবস্থা তার বৈশিষ্ট্য।
সভ্যতাটি প্রায় ৩০০০ থেকে ১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মধ্যে বিকশিত হয়। - ১০০. ন্যাটো (NATO) চার্টারের কোন ধারায় সম্মিলিত প্রতিরক্ষার কথা উল্লেখ আছে?
- ক. আর্টিকেল-২
- খ. আর্টিকেল-৩
- গ. আর্টিকেল-৫
- ঘ. আর্টিকেল-৬
উত্তর: গ. আর্টিকেল-৫
উত্তর আটলান্টিক চুক্তির (ন্যাটো চার্টার) ৫ নম্বর ধারায় সম্মিলিত প্রতিরক্ষার নীতি আছে। কোনো একটি সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা সব সদস্যের ওপর হামলা বলে ধরা হবে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর এই ধারা প্রথমবার কার্যকর হয়।
মনে রাখুন:
ন্যাটো ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত; সদর দপ্তর ব্রাসেলসে। - ১০১. রোম সংবিধি (Rome Statute) এর ফলে কোন সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. International Court of Justice (ICJ)
- খ. International Criminal Court (ICC)
- গ. International Atomic Energy Agency (IAEA)
- ঘ. European Union (EU)
উত্তর: খ. International Criminal Court (ICC)
রোম সংবিধি (Rome Statute) ১৯৯৮ সালে গৃহীত হয় এবং ২০০২ সালের ১ জুলাই কার্যকর হয়। এর ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (International Criminal Court, ICC) গঠিত হয়। এটি গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের মতো অপরাধে ব্যক্তির বিচার করে। সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগে।
মনে রাখুন:
ICJ জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ, যা রাষ্ট্রগুলোর বিরোধ নিষ্পত্তি করে; এটি আলাদা প্রতিষ্ঠান। - ১০২. কোন দেশগুলো মেডিসিন লাইন/সীমানা দ্বারা বিভক্ত?
- ক. ব্রাজিল ও বলিভিয়া
- খ. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
- গ. জার্মানি ও পোল্যান্ড
- ঘ. মিশর ও সুদান
উত্তর: খ. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যবর্তী ৪৯° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর সীমানা 'মেডিসিন লাইন' নামে পরিচিত। উনিশ শতকে সিটিং বুলের মতো আদিবাসী নেতারা এই রেখা পার হয়ে কানাডায় আশ্রয় নিলে মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের আর ধাওয়া করতে পারত না। তাই তারা সীমান্তকে এমন এক নিরাপদ রেখা মনে করত, যা যেন ওষুধের মতো রক্ষা করে।
মনে রাখুন:
৪৯° উত্তর অক্ষাংশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পশ্চিম অংশের সীমারেখা।
ভারত-পাকিস্তানের র্যাডক্লিফ লাইন ও কোরিয়ার ৩৮° সমান্তরাল অন্য বিখ্যাত সীমারেখা। - ১০৩. বাংলাদেশ কখন নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য (CEDAW) দূরীকরণ সনদে সম্মতি জানায়?
- ক. ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪
- খ. ৬ নভেম্বর ১৯৮৪
- গ. ৫ আগস্ট ১৯৮৫
- ঘ. ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭
উত্তর: খ. ৬ নভেম্বর ১৯৮৪
জাতিসংঘ ১৯৭৯ সালে নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ (CEDAW) গ্রহণ করে। বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর এতে যোগ দেয়, তবে সনদের কয়েকটি ধারায় সংরক্ষণ রাখে।
মনে রাখুন:
CEDAW কে নারী অধিকারের আন্তর্জাতিক বিল বলা হয়।
১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাধারণ পরিষদ এটি গ্রহণ করে এবং ১৯৮১ সালে কার্যকর হয়। - ১০৪. যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' ইরানে কবে হামলা করে?
- ক. ২০ জুন ২০২৫
- খ. ২১ জুন ২০২৫
- গ. ২২ জুন ২০২৫
- ঘ. ২৩ জুন ২০২৫
উত্তর: গ. ২২ জুন ২০২৫
২০২৫ সালের ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' (Operation Midnight Hammer) নামে ইরানের ফর্দো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এতে বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান থেকে বাংকার ধ্বংসকারী বোমা ফেলা হয়।
মনে রাখুন:
এই হামলা ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের সময় ঘটে। - ১০৫. আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে বৈধ কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম রাষ্ট্র কোনটি?
- ক. ইরাক
- খ. চীন
- গ. রাশিয়া
- ঘ. পাকিস্তান
উত্তর: গ. রাশিয়া
২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে রাশিয়া প্রথম দেশ হিসেবে তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে তালেবানের যোগাযোগ থাকলেও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রথম রাশিয়াই দিয়েছে।
মনে রাখুন:
১৯৯৬-২০০১ সময়ের তালেবান শাসনকে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত স্বীকৃতি দিয়েছিল। - ১০৬. 'The One Big Beautifull Bill Act' এ USA হতে remittance প্রেরণ করতে কী পরিমাণ কর ধার্য করা হয়েছে?
- ক. ৫%
- খ. ৩%
- গ. ১%
- ঘ. ২%
উত্তর: গ. ১%
২০২৫ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাস হওয়া 'One Big Beautiful Bill Act' এ বিদেশে নগদ অর্থ পাঠানোর (remittance) ওপর ১ শতাংশ কর ধার্য করা হয়েছে। খসড়া পর্যায়ে হার বেশি প্রস্তাব করা হলেও চূড়ান্ত আইনে তা ১ শতাংশ হয়। এই কর ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর এবং মূলত নগদ বা মানি অর্ডারের মাধ্যমে পাঠানো অর্থে প্রযোজ্য, ব্যাংক হিসাব থেকে পাঠানো অর্থে নয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে। - ১০৭. কিয়োটো প্রটোকলের বিষয়বস্তু কী?
- ক. ওজোনস্তরের ক্ষয় হ্রাস
- খ. জৈব নিরাপত্তা
- গ. জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষা
- ঘ. গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস
উত্তর: ঘ. গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস
১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত কিয়োটো প্রটোকলের মূল লক্ষ্য ছিল উন্নত দেশগুলোর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানো। ওজোনস্তর রক্ষার জন্য আলাদা চুক্তি মন্ট্রিল প্রটোকল, আর জৈব নিরাপত্তার জন্য কার্টাহেনা প্রটোকল।
মনে রাখুন:
কিয়োটো প্রটোকল ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
জীববৈচিত্র্য সুরক্ষার চুক্তি জীববৈচিত্র্য সনদ (১৯৯২)। - ১০৮. বিশ্ব পরিবেশ দিবস কোনটি?
- ক. ৫ জুন
- খ. ২২ এপ্রিল
- গ. ৬ জুলাই
- ঘ. ৫ জুলাই
উত্তর: ক. ৫ জুন
প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। ১৯৭২ সালে স্টকহোমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলনের প্রথম দিন, ৫ জুনকে স্মরণ করে দিনটি নির্ধারিত হয়। ২২ এপ্রিল ধরিত্রী দিবস (Earth Day)।
মনে রাখুন:
বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে।
এর তত্ত্বাবধানে আছে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)। - ১০৯. Climate Vulnerable Form (CVF) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ২০০৮
- খ. ২০০৯
- গ. ২০১১
- ঘ. ২০১০
উত্তর: খ. ২০০৯
জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জোট ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (CVF) ২০০৯ সালে মালদ্বীপের উদ্যোগে গঠিত হয়। বাংলাদেশ এর সদস্য এবং একসময় এর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছে।
মনে রাখুন:
CVF এর সদস্য দেশগুলো জলবায়ু ঝুঁকির বিপরীতে অভিযোজন ও অর্থায়ন নিয়ে সম্মিলিত অবস্থান নেয়। - ১১০. ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি কবে সম্পাদিত হয়?
- ক. ১৯৬০
- খ. ১৯৬৬
- গ. ১৯৭৪
- ঘ. ১৯৭৫
উত্তর: ক. ১৯৬০
সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি (Indus Waters Treaty) বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ১৯৬০ সালে করাচিতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সই হয়। এতে পূর্বের তিন নদী (রাভি, বিয়াস, শতদ্রু) ভারত এবং পশ্চিমের তিন নদী (সিন্ধু, ঝিলাম, চেনাব) পাকিস্তান ব্যবহারের অধিকার পায়।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালের এপ্রিলে ভারত চুক্তিটি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। - ১১১. UNOPS এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. United Nations Organization for Peace and Security
- খ. United Nations Office for Public Service
- গ. United Nations Office for Project Service
- ঘ. United Nations Operations and planning system
উত্তর: গ. United Nations Office for Project Service
UNOPS এর পূর্ণরূপ United Nations Office for Project Services। সংস্থাটি জাতিসংঘ ও বিভিন্ন সরকারকে উন্নয়ন, মানবিক ও শান্তিরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করে। এর সদর দপ্তর ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে।
মনে রাখুন:
UNOPS এর কাজ অবকাঠামো, ক্রয় ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা। - ১১২. বর্তমানে অর্থনীতির ব্যাপ্তি অনুসারে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট কোনটি?
- ক. EU
- খ. WTO
- গ. RCEP
- ঘ. AU
উত্তর: গ. RCEP
RCEP (Regional Comprehensive Economic Partnership) গঠিত হয়েছে আসিয়ানের ১০টি দেশ এবং চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড নিয়ে। এই জোট বিশ্বের মোট জিডিপির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ধারণ করে, ফলে অর্থনীতির আকারে এটিই বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য জোট। WTO আঞ্চলিক জোট নয়, এটি বৈশ্বিক বাণিজ্য সংস্থা।
মনে রাখুন:
RCEP চুক্তি ২০২০ সালে সই হয় এবং ২০২২ সালে কার্যকর হয়।
ভারত আলোচনায় ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত যোগ দেয়নি। - ১১৩. জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা বা জাতিসংঘ পর্যটন (পূর্বতন UNWTO) এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. তুরিন, ইতালি
- খ. মাদ্রিদ, স্পেন
- গ. প্যারিস, ফ্রান্স
- ঘ. ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি
উত্তর: খ. মাদ্রিদ, স্পেন
জাতিসংঘ পর্যটন (UN Tourism), যার আগের নাম ছিল UNWTO (United Nations World Tourism Organization), এর সদর দপ্তর স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে।
মনে রাখুন:
সংস্থাটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা, যা টেকসই ও দায়িত্বশীল পর্যটনকে উৎসাহ দেয়।
বিশ্ব পর্যটন দিবস ২৭ সেপ্টেম্বর। - ১১৪. কোন দেশটি OPEC এর সদস্য নয়?
- ক. ইন্দোনেশিয়া
- খ. নাইজেরিয়া
- গ. বাংলাদেশ
- ঘ. গ্যাবন
উত্তর: গ. বাংলাদেশ
ওপেক (OPEC) হলো পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা। বাংলাদেশ তেল রপ্তানিকারক দেশ নয় এবং কখনো এর সদস্য হয়নি, তাই উত্তর বাংলাদেশ। নাইজেরিয়া ও গ্যাবন সদস্য। ইন্দোনেশিয়া একসময় সদস্য ছিল, তবে ২০১৬ সালে সদস্যপদ স্থগিত করে।
মনে রাখুন:
ওপেকের সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
এটি ১৯৬০ সালে বাগদাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- ১১৫. বাংলাদেশের দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত ভারতের কোন রাজ্যের সাথে?
- ক. মেঘালয়
- খ. আসাম
- গ. পশ্চিমবঙ্গ
- ঘ. ত্রিপুরা
উত্তর: গ. পশ্চিমবঙ্গ
ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত আছে: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। এর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সীমান্ত পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে, প্রায় ২,২০০ কিলোমিটার। এরপর দৈর্ঘ্যের ক্রমে ত্রিপুরা, মেঘালয়, মিজোরাম ও আসাম।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ও ভারতের মোট স্থলসীমান্ত প্রায় ৪,১৫০ কিলোমিটার।
মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত প্রায় ২৭০ কিলোমিটার। - ১১৬. প্রতি ৩০° দ্রাঘিমার স্থানান্তরে সময়ের ব্যবধান কত মিনিট হয়?
- ক. ১৫ মিনিট
- খ. ৩০ মিনিট
- গ. ৬০ মিনিট
- ঘ. ১২০ মিনিট
উত্তর: ঘ. ১২০ মিনিট
পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় 360° ঘোরে, তাই ১° ঘুরতে সময় লাগে 24 × 60 ÷ 360 = 4 মিনিট। অতএব 30° দ্রাঘিমার ব্যবধানে সময়ের পার্থক্য 30 × 4 = 120 মিনিট, অর্থাৎ ২ ঘণ্টা।
মনে রাখুন:
১৫° দ্রাঘিমায় ১ ঘণ্টা সময়ের ব্যবধান হয়।
পূর্ব দিকে গেলে সময় এগিয়ে যায়, পশ্চিমে গেলে পিছিয়ে যায়। - ১১৭. বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডরের মাঝখানে?
- ক. মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী
- খ. হরমুজ ও পক প্রণালী
- গ. সুয়েজ খাল ও জিব্রাল্টার প্রণালী
- ঘ. জিব্রাল্টার ও বসফরাস প্রণালী
উত্তর: ক. মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী
বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের উত্তরে অবস্থিত। এর পূর্বে মালাক্কা প্রণালী ও পশ্চিমে হরমুজ প্রণালী, যা পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিশ্ববাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ। এই দুই সামুদ্রিক করিডরের মাঝামাঝি হওয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখুন:
মালাক্কা প্রণালী মালয় উপদ্বীপ ও সুমাত্রার মধ্যে অবস্থিত।
হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে। - ১১৮. হিমালয় পর্বতমালার উদ্ভব কোন দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষে হয়েছে?
- ক. ইউরেশিয়ান ও আফ্রিকান
- খ. ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান ও ইউরেশিয়ান
- গ. আমেরিকান ও ইউরেশিয়ান
- ঘ. প্যাসিফিক ও ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান
উত্তর: খ. ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান ও ইউরেশিয়ান
হিমালয় পর্বতমালা ভারতীয় (ইন্দো-অস্ট্রেলীয়) প্লেট ও ইউরেশীয় প্লেটের সংঘর্ষে তৈরি। ভারতীয় প্লেট উত্তর দিকে সরে ইউরেশীয় প্লেটের সঙ্গে ধাক্কা খায়। দুটি মহাদেশীয় প্লেট ঘন ও ভারী হওয়ায় একটি অন্যটির নিচে সহজে যেতে পারে না, ফলে ভূত্বক ভাঁজ হয়ে ওপরে ওঠে। এই প্রক্রিয়া এখনো চলছে।
মনে রাখুন:
হিমালয় ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
এই সংঘর্ষের ফলে ভূমিকম্পের প্রবণতা তৈরি হয়। - ১১৯. বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর অবস্থান করে?
- ক. ট্রপোমণ্ডল
- খ. থার্মোমণ্ডল
- গ. স্ট্র্যাটোমণ্ডল
- ঘ. মেসোমণ্ডল
উত্তর: গ. স্ট্র্যাটোমণ্ডল
ওজোনস্তর বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোমণ্ডলে (Stratosphere), ভূপৃষ্ঠ থেকে মোটামুটি ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার উচ্চতায় থাকে। এই স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet ray) শুষে নিয়ে জীবজগৎকে রক্ষা করে।
মনে রাখুন:
ট্রপোমণ্ডলে আবহাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ওজোন (O₃) এর অণুতে তিনটি অক্সিজেন পরমাণু থাকে। - ১২০. ভূতাত্ত্বিক গঠন অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে সবচেয়ে পুরাতন শিলা গঠন পাওয়া যায়?
- ক. সিলেট
- খ. দিনাজপুর
- গ. পার্বত্য চট্টগ্রাম
- ঘ. মধ্যভাগের উচ্চভূমি
উত্তর: খ. দিনাজপুর
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমের দিনাজপুর-রংপুর অঞ্চল ভূতাত্ত্বিকভাবে একটি স্থিতিশীল ভূখণ্ড, যেখানে অল্প গভীরে প্রাক-ক্যামব্রিয়ান যুগের ভিত্তিশিলা পাওয়া যায়। দিনাজপুরের মধ্যপাড়ার কঠিন শিলাও এই প্রাচীন শিলার অংশ। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের পাহাড় টারশিয়ারি যুগের, তাই তুলনায় অনেক নবীন।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের প্রাচীনতম ভূতাত্ত্বিক অঞ্চল বরেন্দ্রভূমি নয়, বরং দিনাজপুর-রংপুরের প্রাক-ক্যামব্রিয়ান অংশ।
বরেন্দ্রভূমি প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান। - ১২১. কনরাড বিযুক্তি ভূ-অভ্যন্তরের কোন স্তরসমূহের মাঝে অবস্থান করে?
- ক. সিয়াল ও সিমা
- খ. অশ্বমণ্ডল ও গুরুমণ্ডল
- গ. গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল
- ঘ. সিমা ও অশ্বমণ্ডল
উত্তর: ক. সিয়াল ও সিমা
ভূত্বকের ওপরের স্তর সিয়াল (Sial), যা সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম সমৃদ্ধ। নিচের স্তর সিমা (Sima), যা সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ। এই দুই স্তরের সীমানাকে কনরাড বিযুক্তি (Conrad discontinuity) বলে। ভূত্বক ও গুরুমণ্ডলের সীমানা হলো মোহো বিযুক্তি।
মনে রাখুন:
গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডলের সীমানা গুটেনবার্গ বিযুক্তি। - ১২২. বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
- ক. চুনাপাথর
- খ. কাঁচবালি
- গ. কয়লা
- ঘ. খনিজ লবণ
উত্তর: গ. কয়লা
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদ কয়লা। দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ী ও দীঘিপাড়া এবং জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে কয়লার মজুত পাওয়া গেছে। বড়পুকুরিয়াই দেশের একমাত্র কয়লাখনি, যেখান থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা তোলা হয়েছে।
মনে রাখুন:
চুনাপাথর পাওয়া যায় জয়পুরহাট ও সুনামগঞ্জের টাকেরঘাটে।
কাচবালি পাওয়া যায় শেরপুরের ভাওয়ালগড়ে। - ১২৩. এল নিনো বাংলাদেশ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক আবহাওয়ায় কীভাবে প্রভাব ফেলে?
- ক. শীতকালীন তাপমাত্রা বৃদ্ধি
- খ. বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে
- গ. গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা কমায়
- ঘ. ঘূর্ণিঝড় বৃদ্ধি পায়
উত্তর: খ. বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়ম সৃষ্টি করে
এল নিনো (El Niño) হলো প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব-মধ্য অংশে সমুদ্রের পানির স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উষ্ণ হয়ে যাওয়া। এতে বায়ুপ্রবাহের ধরন বদলে যায় এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মৌসুমি বৃষ্টিপাত অনিয়মিত বা কম হয়। তাই এর প্রভাব বর্ষার বৃষ্টিপাতের ধরনে অনিয়মের মধ্য দিয়ে দেখা যায়।
মনে রাখুন:
এল নিনোর বিপরীত ঘটনা লা নিনা (La Niña), যখন সমুদ্র স্বাভাবিকের চেয়ে ঠান্ডা হয়। - ১২৪. বাংলাদেশের 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন' কবে প্রণীত হয়?
- ক. ২০০৫
- খ. ২০০৮
- গ. ২০১২
- ঘ. ২০১৫
উত্তর: গ. ২০১২
বাংলাদেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন (Disaster Management Act) ২০১২ সালে প্রণীত হয়। এই আইনে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস ও সাড়াদানের কাজ আইনি কাঠামোর মধ্যে আনা হয়।
মনে রাখুন:
২০১০ সালে 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা' গৃহীত হয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করে। - ১২৭. কোন্ গ্যাস গ্রিন হাউস ইফেক্ট ঘটায়?
- ক. হাইড্রোজেন
- খ. নাইট্রোজেন
- গ. অক্সিজেন
- ঘ. মিথেন
উত্তর: ঘ. মিথেন
মিথেন (CH₄) পৃথিবীর বিকিরিত তাপ শুষে নিয়ে বায়ুমণ্ডলকে উষ্ণ রাখে, তাই এটি গ্রিনহাউস গ্যাস। কার্বন ডাইঅক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড ও জলীয় বাষ্পও এই দলে পড়ে। নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন এভাবে তাপ ধরে রাখে না।
মনে রাখুন:
ধানক্ষেত ও গবাদিপশুর পাচন থেকে মিথেন নির্গত হয়।
তাপ ধরে রাখার ক্ষমতায় মিথেন কার্বন ডাইঅক্সাইডের চেয়ে বেশি শক্তিশালী।
সাধারণ বিজ্ঞান
- ১২৫. তরঙ্গের বেলায় কোন্টি সত্য?
- ক. তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে
- খ. শব্দতরঙ্গ একধরনের তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ
- গ. সকল তরঙ্গেই প্রতিফলন-প্রতিসরণ হয় না
- ঘ. তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অনুপাত
উত্তর: ক. তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে
তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ (Electromagnetic wave), যেমন বেতার তরঙ্গ, আলো ও এক্স-রে, শূন্যস্থানে আলোর বেগে, প্রায় 3 × 10⁸ m/s বেগে চলে। শব্দ যান্ত্রিক তরঙ্গ, যার চলার জন্য মাধ্যম লাগে। তরঙ্গবেগ কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল (v = fλ), অনুপাত নয়। আর প্রতিফলন ও প্রতিসরণ সব তরঙ্গেই ঘটে।
মনে রাখুন:
তরঙ্গ দুই প্রকার: যান্ত্রিক ও তড়িৎচৌম্বক।
তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ। - ১২৬. হিগের কণার (Higgs Particle) প্রকৃতির সাথে কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর নাম জড়িয়ে আছে?
- ক. স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু
- খ. সত্যেন্দ্র নাথ বসু
- গ. প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম
- ঘ. ড. কুদরত-ই-খুদা
উত্তর: খ. সত্যেন্দ্র নাথ বসু
হিগস কণা (Higgs boson) একটি বোসন কণা। বোসন কণাগুলোর নাম সত্যেন্দ্রনাথ বসুর (S. N. Bose) নামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সময় আইনস্টাইনের সঙ্গে মিলে যে পরিসংখ্যান (বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান) দেন, তা এসব কণার আচরণ ব্যাখ্যা করে।
মনে রাখুন:
বোসন কণার স্পিন পূর্ণসংখ্যা, যেমন ফোটন।
হিগস কণাকে জনপ্রিয় ভাষায় 'ঈশ্বর কণা' বলা হয়। - ১২৮. বিরল ভূতল খনিজ (Rare-Earth Minerals) সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?
- ক. এর মধ্যে ১৫টি ধাতু রয়েছে
- খ. লিথিয়াম এই খনিজের মধ্যে অন্যতম সদস্য
- গ. এর অসাধারণ চৌম্বক ধর্ম রয়েছে
- ঘ. ইউক্রেন এ খনিজ উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে আছে
উত্তর: গ. এর অসাধারণ চৌম্বক ধর্ম রয়েছে
বিরল মৃত্তিকা মৌল (Rare-earth elements) মোট ১৭টি: ১৫টি ল্যানথানাইড এবং স্ক্যান্ডিয়াম ও ইট্রিয়াম। এদের মধ্যে নিওডিমিয়াম ও সামারিয়ামের মতো মৌলের জোরালো চৌম্বক ধর্ম আছে। এ কারণে শক্তিশালী চুম্বক, বৈদ্যুতিক মোটর ও বায়ুকলে এদের ব্যবহার হয়। লিথিয়াম এই দলে পড়ে না, আর উৎপাদনে শীর্ষে চীন।
মনে রাখুন:
১৫ সংখ্যাটি শুধু ল্যানথানাইডের।
লিথিয়াম ব্যাটারিতে ব্যবহৃত একটি আলাদা ধাতু। - ১২৯. কোন ধাতু পানিতে ফেললে আগুন ধরে যায়?
- ক. সোডিয়াম
- খ. ম্যাগনেসিয়াম
- গ. রেডিয়াম
- ঘ. ইউরেনিয়াম
উত্তর: ক. সোডিয়াম
সোডিয়াম পানির সঙ্গে খুব জোরে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড ও হাইড্রোজেন গ্যাস তৈরি করে। এই বিক্রিয়ায় এত তাপ বের হয় যে হাইড্রোজেন গ্যাস জ্বলে ওঠে। তাই সোডিয়ামকে কেরোসিনে ডুবিয়ে রাখা হয়।
মনে রাখুন:
বিক্রিয়াটি: 2Na + 2H₂O → 2NaOH + H₂।
পটাসিয়াম আরও তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে। - ১৩০. EPI-এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. Extended Program on immunization
- খ. Expanded program on immunization
- গ. Essential polio immunization
- ঘ. Extended pediatric immunization
উত্তর: খ. Expanded program on immunization
EPI এর পূর্ণরূপ Expanded Programme on Immunization, অর্থাৎ সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি। এর মাধ্যমে শিশুদের যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, পোলিও ও হাম প্রভৃতি রোগের টিকা দেওয়া হয়। বাংলাদেশে কর্মসূচিটি ১৯৭৯ সালে শুরু হয়।
মনে রাখুন:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ১৯৭৪ সালে কর্মসূচিটি চালু করে।
যক্ষ্মার টিকার নাম বিসিজি। - ১৩১. কোন স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়?
- ক. জেমস ওয়েব
- খ. পাথ ফাইন্ডার
- গ. স্পিটজার
- ঘ. জন কেপলার
উত্তর: ক. জেমস ওয়েব
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয় এবং এটি হাবলের উত্তরসূরি হিসেবে গণ্য। এটি অবলোহিত আলোয় কাজ করে, ফলে ধুলোমেঘের ভেতর দিয়ে এবং আরও দূরের প্রাচীন মহাবিশ্ব দেখতে পারে।
মনে রাখুন:
হাবল স্পেস টেলিস্কোপ ১৯৯০ সালে পাঠানো হয়, মূলত দৃশ্যমান আলোয় কাজ করে।
কেপলার টেলিস্কোপ নতুন গ্রহ খোঁজার জন্য। - ১৩২. QR কোডে ব্যবহৃত হয় -
- ক. তড়িৎ চৌম্বকত্ব
- খ. রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি
- গ. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
- ঘ. অপটিক্যাল রিডিং
উত্তর: ঘ. অপটিক্যাল রিডিং
কিউআর (QR) কোড হলো সাদা-কালো ছোট বর্গের বিশেষ নকশা। ক্যামেরা বা স্ক্যানার আলোর প্রতিফলন পড়ে এই নকশা বিশ্লেষণ করে তথ্য বের করে, তাই এতে অপটিক্যাল রিডিং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। রেডিও তরঙ্গে পড়া হয় RFID ট্যাগ।
মনে রাখুন:
QR এর পূর্ণরূপ Quick Response।
এটি প্রথম জাপানে ১৯৯৪ সালে তৈরি হয়। - ১৩৩. ইথার সম্বন্ধে কোনটি মিথ্যা?
- ক. এটি একটি রাসায়নিক তরল পদার্থ
- খ. এটি একটি কাল্পনিক মাধ্যম যা মহাবিশ্বে সর্বত্র বিরাজমান ছিল
- গ. এ মাধ্যম ছাড়া তাড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালন সম্ভব নয়
- ঘ. এ কাল্পনিক মাধ্যমটির স্থিতিস্থাপক ধর্ম ছিলো
উত্তর: গ. এ মাধ্যম ছাড়া তাড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালন সম্ভব নয়
উনিশ শতকে বিজ্ঞানীরা ভাবতেন, আলো চলার জন্য সর্বত্র ছড়ানো 'ইথার' (luminiferous ether) নামে একটি কাল্পনিক স্থিতিস্থাপক মাধ্যম দরকার। মাইকেলসন-মর্লির পরীক্ষা ও আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব দেখিয়েছে, তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ মাধ্যম ছাড়াই শূন্যস্থানে চলতে পারে। তাই 'মাধ্যম ছাড়া সঞ্চালন সম্ভব নয়' কথাটি মিথ্যা। রসায়নে ইথার একটি তরল যৌগ, তবে এখানে আলোচ্য ধারণাটি পদার্থবিজ্ঞানের।
মনে রাখুন:
শব্দের জন্য মাধ্যম অবশ্যই লাগে, আলোর জন্য লাগে না।
সূর্যের আলো শূন্যস্থান পেরিয়ে পৃথিবীতে আসে। - ১৩৪. আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দের কম্পাঙ্ক কত?
- ক. ০.০১-০১ মেগাহার্জ
- খ. ০১-১০ মেগাহার্জ
- গ. ১০-২০ মেগাহার্জ
- ঘ. ২০-৩০ মেগাহার্জ
উত্তর: খ. ০১-১০ মেগাহার্জ
আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে মানুষের শোনার সীমা (২০,০০০ হার্জ) ছাড়িয়ে যাওয়া শব্দোত্তর তরঙ্গ (Ultrasound) ব্যবহার হয়। চিকিৎসায় সাধারণত ১ থেকে ১০ মেগাহার্জের কাছাকাছি কম্পাঙ্ক ব্যবহার করা হয়। কম্পাঙ্ক যত বেশি, ছবি তত সূক্ষ্ম হয়, কিন্তু তরঙ্গ তত কম গভীরে পৌঁছায়।
মনে রাখুন:
মানুষ প্রায় ২০ হার্জ থেকে ২০,০০০ হার্জ পর্যন্ত শব্দ শোনে।
আল্ট্রাসাউন্ড আয়নিত বিকিরণ নয়, তাই গর্ভকালীন পরীক্ষায় নিরাপদ বলে গণ্য। - ১৩৫. কোনটি শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে?
- ক. খনিজ লবণ
- খ. ভিটামিন
- গ. স্নেহ
- ঘ. আমিষ
উত্তর: ঘ. আমিষ
আমিষ বা প্রোটিন (Protein) অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে তৈরি, আর প্রতিটি অ্যামিনো অ্যাসিডে নাইট্রোজেন থাকে। তাই খাদ্য উপাদানের মধ্যে আমিষই শরীরে নাইট্রোজেন জোগায়। শর্করা ও স্নেহে সাধারণত কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন থাকে, নাইট্রোজেন থাকে না।
মনে রাখুন:
আমিষ শরীর গঠন ও ক্ষয়পূরণের কাজ করে।
আমিষের উৎস: মাছ, মাংস, ডিম, ডাল। - ১৩৬. হাইড্রোজেন বোমায় ক্রিয়া করে-
- ক. ফিশন বিক্রিয়া
- খ. ফিউশন বিক্রিয়া
- গ. ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই
- ঘ. সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া
উত্তর: গ. ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই
হাইড্রোজেন বোমায় ফিউশন (Fusion) ঘটাতে কোটি ডিগ্রি তাপমাত্রা লাগে। এই তাপ জোগাতে প্রথমে একটি ছোট ফিশন (Fission) বোমা বিস্ফোরিত হয়, তারপর হালকা নিউক্লিয়াস জুড়ে ফিউশন শুরু হয়। তাই এতে ফিশন ও ফিউশন দুটোই কাজ করে।
মনে রাখুন:
পরমাণু বোমা (অ্যাটম বোমা) শুধু ফিশন বিক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে।
সূর্যের শক্তির উৎস ফিউশন। - ১৩৭. কোন গ্রহে 'Curiosity' মহাকাশযানটি প্রেরণ করা হয়?
- ক. শনি
- খ. মঙ্গল
- গ. বৃহস্পতি
- ঘ. ইউরেনাস
উত্তর: খ. মঙ্গল
নাসার রোবটযান 'কিউরিওসিটি' (Curiosity) ২০১১ সালে পাঠানো হয় এবং ২০১২ সালে মঙ্গল গ্রহের গেল ক্রেটারে (Gale Crater) অবতরণ করে। মঙ্গলে একসময় অণুজীবের বেঁচে থাকার উপযোগী পরিবেশ ছিল কি না, তা অনুসন্ধান করাই এর কাজ।
মনে রাখুন:
মঙ্গলের অপর রোভার: স্পিরিট, অপরচুনিটি, পারসিভিয়ারেন্স। - ১৩৮. ফিটকিরিতে কত অণু পানি থাকে?
- ক. ২৪
- খ. ১৫
- গ. ০৭
- ঘ. ০৫
উত্তর: ক. ২৪
ফিটকিরি (Alum) হলো পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেটের কেলাস, যার সংকেত K₂SO₄·Al₂(SO₄)₃·24H₂O। অর্থাৎ প্রতিটি অণুর সঙ্গে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে।
মনে রাখুন:
ফিটকিরি ঘোলা পানি পরিষ্কার করতে ব্যবহার হয়।
তুঁতে (CuSO₄·5H₂O) এ ৫ অণু কেলাস পানি থাকে। - ১৩৯. 'Necessary evil' কোনটি?
- ক. প্রস্বেদন
- খ. অভিস্রবন
- গ. ব্যাপন
- ঘ. শোষণ
উত্তর: ক. প্রস্বেদন
প্রস্বেদন (Transpiration) প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ পাতা দিয়ে প্রচুর পানি হারায়, যা উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আবার এই পানি হারানোর টানেই মূল থেকে পানি ও খনিজ লবণ ওপরে ওঠে এবং পাতা ঠান্ডা থাকে। উপকার ও ক্ষতি দুটোই আছে বলে প্রস্বেদনকে 'অত্যাবশ্যক অমঙ্গল' (Necessary evil) বলা হয়।
মনে রাখুন:
প্রস্বেদন মূলত পাতার পত্ররন্ধ্র (stomata) দিয়ে ঘটে।
ব্যাপন ও অভিস্রবণ কোষে পদার্থ চলাচলের প্রক্রিয়া।
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি
- ১৪০. Precision Agriculture এ সাধারণত নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
- ক. ইনফ্রা রেড ইমেজিং
- খ. আই.ও.টি (IoT), সেন্সর
- গ. তার মাধ্যম সম্পন্ন নেটওয়ার্ক
- ঘ. ও.এল.ই.ডি (OLED) ডিসপ্লে
উত্তর: খ. আই.ও.টি (IoT), সেন্সর
সূক্ষ্ম কৃষি (Precision Agriculture) মানে জমির প্রতিটি অংশের মাটির আর্দ্রতা, পুষ্টি ও ফসলের অবস্থা মেপে সেই অনুযায়ী সার, পানি ও কীটনাশক দেওয়া। এই তথ্য সংগ্রহের জন্য মাঠে সেন্সর বসিয়ে ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) এর মাধ্যমে যুক্ত করা হয়, ফলে কৃষক সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
মনে রাখুন:
এতে জিপিএস ও ড্রোনও ব্যবহৃত হয়।
সুবিধা: অপচয় ও খরচ কমে, উৎপাদন বাড়ে। - ১৪১. অপারেটিং সিস্টেমে ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবহার করা হয়-
- ক. অনেক বেশি ডেটা সংরক্ষণের জন্য
- খ. ক্লাউডে ডেটা সংরক্ষণের জন্য
- গ. সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়াতে
- ঘ. এক্সটারনাল মেমোরি সংযোগের জন্য
উত্তর: গ. সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়াতে
ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory) হলো এমন কৌশল, যেখানে RAM ভরে গেলে অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্ক বা SSD এর একটি অংশকে RAM এর মতো ব্যবহার করে। এতে প্রোগ্রামের কাছে মনে হয় RAM আসলের চেয়ে বড়, যদিও ডিস্ক RAM এর চেয়ে ধীর। তাই এটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM এর সামর্থ্য বাড়ায়।
মনে রাখুন:
মেমোরির এই অংশকে পেজ ফাইল বা সোয়াপ স্পেস বলে।
ডিস্কের ওপর বেশি নির্ভর করলে কম্পিউটার ধীর হয়ে যায়। - ১৪২. কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং করা হয় কী পরিমাপের জন্য?
- ক. সিস্টেমের দাম
- খ. সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance)
- গ. শুধু বিদ্যুৎ শক্তি খরচের পরিমাণ
- ঘ. স্টোরেজের ধারণ ক্ষমতা
উত্তর: খ. সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance)
বেঞ্চমার্কিং (Benchmarking) হলো নির্দিষ্ট মানের পরীক্ষা চালিয়ে কম্পিউটার, প্রসেসর বা গ্রাফিক্স কার্ডের কাজের গতি ও দক্ষতা মাপা। এর ফল দিয়ে বিভিন্ন সিস্টেমের কর্মক্ষমতা (Performance) তুলনা করা যায়।
মনে রাখুন:
কর্মক্ষমতা মাপার একক যেমন FLOPS, MIPS। - ১৪৩. নিচের কোন ডিভাইসটি প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
- ক. রাউটার
- খ. সুপার কম্পিউটার
- গ. হাই-অ্যান্ড সার্ভার
- ঘ. মাইক্রোকন্ট্রোলার
উত্তর: ঘ. মাইক্রোকন্ট্রোলার
এম্বেডেড সিস্টেম (Embedded System) হলো কোনো যন্ত্রের ভেতরে বসানো ছোট কম্পিউটার, যা একটি নির্দিষ্ট কাজ করে, যেমন ওয়াশিং মেশিন বা মাইক্রোওয়েভ ওভেন নিয়ন্ত্রণ। এর মূল অংশ হলো মাইক্রোকন্ট্রোলার, যার একটি চিপেই প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট-আউটপুট থাকে। সুপারকম্পিউটার ও সার্ভার সাধারণ কাজের বড় কম্পিউটার, এম্বেডেড নয়।
মনে রাখুন:
এম্বেডেড সিস্টেমের উদাহরণ: গাড়ির ইঞ্জিন নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল ঘড়ি। - ১৪৪. ই-কমার্সে সুরক্ষিত অনলাইন লেনদেনে প্রধানত কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
- ক. DHCP
- খ. SMTP
- গ. HTTPS
- ঘ. ARP
উত্তর: গ. HTTPS
HTTPS হলো HTTP এর নিরাপদ রূপ। এখানে TLS (আগে SSL) এর মাধ্যমে ব্রাউজার ও সার্ভারের মধ্যে তথ্য সংকেতায়িত (encrypted) হয়। তাই কার্ড নম্বর বা পাসওয়ার্ড মাঝপথে কেউ পড়তে পারে না। DHCP আইপি ঠিকানা বণ্টন করে, SMTP ইমেইল পাঠায়, ARP আইপি থেকে MAC ঠিকানা খুঁজে বের করে।
মনে রাখুন:
HTTPS ডিফল্ট পোর্ট 443, আর HTTP এর 80। - ১৪৫. বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
- ক. রাউটার
- খ. সুইচ
- গ. ব্রিজ
- ঘ. হাব
উত্তর: ক. রাউটার
রাউটার (Router) আইপি ঠিকানা দেখে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেটের পথ ঠিক করে দেয়, যেমন বাসার নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত করে। সুইচ, হাব ও ব্রিজ মূলত একই নেটওয়ার্কের ভেতরের যন্ত্রগুলো যুক্ত করে।
মনে রাখুন:
রাউটার OSI মডেলের নেটওয়ার্ক স্তরে (স্তর ৩) কাজ করে।
গেটওয়েও ভিন্ন নেটওয়ার্ক যুক্ত করতে পারে। - ১৪৬. ক্লাউড কম্পিউটিং এর কোন মডেলটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্রোগ্রামারদেরকে প্লাটফর্ম সরবরাহ করে?
- ক. laaS
- খ. SaaS
- গ. PaaS
- ঘ. DaaS
উত্তর: গ. PaaS
PaaS (Platform as a Service) মডেলে ক্লাউড প্রতিষ্ঠান প্রোগ্রামারদের অপারেটিং সিস্টেম, ডেটাবেস ও উন্নয়নের সরঞ্জামসহ একটি প্রস্তুত প্ল্যাটফর্ম দেয়। প্রোগ্রামার শুধু নিজের অ্যাপ্লিকেশন লেখেন। IaaS দেয় সার্ভার ও স্টোরেজের মতো অবকাঠামো, আর SaaS দেয় তৈরি সফটওয়্যার।
মনে রাখুন:
PaaS এর উদাহরণ: Google App Engine, Heroku।
SaaS এর উদাহরণ: Gmail। - ১৪৭. একটি কম্পিউটার সিস্টেমে (১১০০১০১১)২ বাইনারি সংখ্যাটির মান ডেসিমেল এ কত হবে?
- ক. – ৫২
- খ. - ৫৩
- গ. ২০৩
- ঘ. উপরের সবকটি হতে পারে
উত্তর: ঘ. উপরের সবকটি হতে পারে
সংখ্যাটি (11001011)₂। এটিকে চিহ্নহীন সংখ্যা ধরলে মান 128 + 64 + 8 + 2 + 1 = 203। প্রথম বিটকে চিহ্ন বিট ধরলে সংখ্যাটি ঋণাত্মক, তখন ১ এর পরিপূরক পদ্ধতিতে বিট উল্টে 00110100 = 52 হয়, মান −52। ২ এর পরিপূরক পদ্ধতিতে 1 যোগ করে 00110101 = 53 হয়, মান −53। কোন পদ্ধতিতে সংখ্যাটি সংরক্ষিত তা বলা না থাকায় তিনটি মানই হতে পারে।
মনে রাখুন:
ঋণাত্মক সংখ্যা কম্পিউটারে সাধারণত ২ এর পরিপূরক পদ্ধতিতে রাখা হয়। - ১৪৮. কোন CPU আর্কিটেকচার স্মার্টফোনে বেশি ব্যবহৃত হয়?
- ক. X86
- খ. X64
- গ. Qualcomm
- ঘ. RISC
উত্তর: ঘ. RISC
স্মার্টফোনের প্রায় সব প্রসেসর ARM নকশার, আর ARM হলো RISC (Reduced Instruction Set Computer) ধরনের আর্কিটেকচার। সহজ ও ছোট নির্দেশ ব্যবহারের ফলে এগুলো কম বিদ্যুৎ খরচ করে, তাই ব্যাটারিচালিত যন্ত্রে উপযোগী। X86 ও X64 সাধারণত ডেস্কটপ ও ল্যাপটপে ব্যবহৃত হয়, আর Qualcomm একটি কোম্পানির নাম।
মনে রাখুন:
X86 হলো CISC (Complex Instruction Set Computer) আর্কিটেকচার। - ১৪৯. কম্পিউটার টার্ন অন এর সময় সঠিক অর্ডার নিচের কোনটি?
- ক. POST → Kernel → Bootloader
- খ. Kernel → POST → Bootloader
- গ. Kernel → Bootloader → POST
- ঘ. POST → Bootloader → Kernel
উত্তর: ঘ. POST → Bootloader → Kernel
কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে BIOS বা UEFI হার্ডওয়্যার ঠিক আছে কি না যাচাই করে, একে POST (Power-On Self Test) বলে। এরপর বুটলোডার চালু হয়ে ডিস্ক থেকে অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেল মেমোরিতে তোলে, তারপর কার্নেল কাজ শুরু করে। তাই ক্রম: POST, বুটলোডার, কার্নেল।
মনে রাখুন:
কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ। - ১৫০. কোন ধরনের Storage Device সবচেয়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন?
- ক. HDD
- খ. Floppy Disk
- গ. SSD
- ঘ. SSHD
উত্তর: গ. SSD
SSD (Solid State Drive) এ ঘোরার মতো কোনো যান্ত্রিক অংশ নেই, ডেটা ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপে সংরক্ষিত হয়। তাই এটি পড়া-লেখায় সবচেয়ে দ্রুত। HDD তে ঘূর্ণায়মান চাকতি থাকে, SSHD হলো HDD এর সঙ্গে সামান্য ফ্ল্যাশ মেমোরি জোড়া মিশ্র যন্ত্র, আর ফ্লপি ডিস্ক পুরোনো ধীর মাধ্যম।
মনে রাখুন:
SSD কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং ঝাঁকুনিতে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। - ১৫১. ধরা যাক Algorithm A এর running time O(n2) এবং Algorithm B এর running time O(n)। তাহলে নিচের কোনটি সবচেয়ে সঠিক?
- ক. Algorithm A, Algorithm B এর চেয়ে ধীর গতির
- খ. Algorithm A, Algorithm B এর চেয়ে দ্রুত গতির
- গ. Algorithm A, Algorithm B এর চেয়ে asymptotically ধীর গতির
- ঘ. Algorithm B সর্বদা Algorithm A এর চেয়ে দ্রুত চলে
উত্তর: গ. Algorithm A, Algorithm B এর চেয়ে asymptotically ধীর গতির
Big-O নোটেশন বলে, ইনপুট n অনেক বড় হলে চলার সময় কীভাবে বাড়ে। n বড় হলে n² অবশ্যই n এর চেয়ে দ্রুত বাড়ে, তাই A অ্যালগরিদম B এর চেয়ে asymptotically ধীর। কিন্তু ছোট ইনপুটে ধ্রুবক গুণকের কারণে A দ্রুতও হতে পারে, তাই 'সবসময় B দ্রুত' বলা যায় না।
মনে রাখুন:
Asymptotic মানে ইনপুট খুব বড় হলে আচরণ।
সাধারণ ক্রম: O(1) < O(log n) < O(n) < O(n²)। - ১৫২. LLM চালানোর জন্য নিম্নোক্ত কম্পিউটারের কোন যন্ত্রাংশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
- ক. RAM
- খ. Processor
- গ. Graphics Card
- ঘ. Storage Device
উত্তর: গ. Graphics Card
বড় ভাষা মডেল (LLM) চালাতে বিপুল পরিমাণ ম্যাট্রিক্স গুণ একসঙ্গে করতে হয়। গ্রাফিক্স কার্ডের GPU তে হাজার হাজার ছোট কোর সমান্তরালে এই হিসাব করতে পারে, আর এর নিজস্ব দ্রুত মেমোরিতে (VRAM) মডেল রাখা যায়। তাই LLM চালাতে গ্রাফিক্স কার্ড সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখুন:
CPU অল্প কিন্তু শক্তিশালী কোর দিয়ে ক্রমিক কাজে ভালো।
GPU সমান্তরাল কাজে ভালো। - ১৫৩. Quantum Computing এর জনক কাকে মনে করা হয়?
- ক. David Deutsch
- খ. Richard Feynman
- গ. Paul Benloff
- ঘ. Alexei Kitaev
উত্তর: ক. David Deutsch
১৯৮৫ সালে ডেভিড ডয়েচ (David Deutsch) সর্বজনীন কোয়ান্টাম কম্পিউটারের তাত্ত্বিক রূপরেখা, অর্থাৎ কোয়ান্টাম টুরিং মেশিনের বর্ণনা দেন। এ কারণে তাঁকে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জনক বলা হয়।
মনে রাখুন:
রিচার্ড ফাইনম্যান ও পল বেনিওফ ১৯৮০-র দশকের গোড়ায় এ ধারণার সূচনায় ভূমিকা রাখেন।
কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট (qubit) ব্যবহার করে।
গাণিতিক যুক্তি
- ১৫৪. যদি কোনো বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ 10% বৃদ্ধি করা হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
- ক. 20%
- খ. 25%
- গ. 21%
- ঘ. 16%
উত্তর: গ. 21%
বাহু 10% বাড়লে নতুন বাহু হয় আগের 1.1 গুণ। বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বাহুর বর্গের সমান, তাই নতুন ক্ষেত্রফল = 1.1 × 1.1 = 1.21 গুণ। অর্থাৎ ক্ষেত্রফল বাড়ে 21%।
মনে রাখুন:
সূত্র: x% বাড়লে ক্ষেত্রফল বাড়ে 2x + x²/100 %। এখানে 20 + 1 = 21%। - ১৫৫. 100 টাকা 10% হারে 5 বছরের জন্য বিনিয়োগ করা হলে, সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?
- ক. 10.05 টাকা
- খ. 11.05 টাকা
- গ. 12.05 টাকা
- ঘ. 13.05 টাকা
উত্তর: খ. 11.05 টাকা
সরল সুদে 5 বছরে সুদ = 100 × 10 × 5 ÷ 100 = 50 টাকা। চক্রবৃদ্ধি সুদে মোট টাকা = 100 × (1.1)⁵ = 161.051 টাকা, তাই চক্রবৃদ্ধি সুদ 161.051 − 100 = 61.051 টাকা। পার্থক্য = 61.05 − 50 = 11.05 টাকা (প্রায়)।
মনে রাখুন:
চক্রবৃদ্ধি মূলধন = P(1 + r)^n।
সুদের হার ও সময় সমান হলে চক্রবৃদ্ধি সুদ সরল সুদের চেয়ে বেশি হয়। - ১৫৬. যদি $x=\sqrt5+\sqrt3$ এবং $y=\sqrt5-\sqrt3$ হয়, তবে $x^3+y^3$ এর মান কত?
- ক. 18√5
- খ. 22√5
- গ. 28√5
- ঘ. 32√5
উত্তর: গ. 28√5
এখানে x + y = (√5 + √3) + (√5 − √3) = 2√5 এবং xy = (√5)² − (√3)² = 2। সূত্র x³ + y³ = (x + y)³ − 3xy(x + y) এ মান বসিয়ে পাই (2√5)³ − 3 × 2 × 2√5 = 40√5 − 12√5 = 28√5।
মনে রাখুন:
(2√5)³ = 8 × 5√5 = 40√5।
x³ + y³ = (x + y)³ − 3xy(x + y)। - ১৫৭. |x - 5| < 2, x ∈ IN অসমতাটির সমাধান সেট কোনটি?
- ক. (3, 7)
- খ. [3, 7]
- গ. {4, 5, 6}
- ঘ. {3, 4, 5, 6, 7}
উত্তর: গ. {4, 5, 6}
|x − 5| < 2 মানে −2 < x − 5 < 2, অর্থাৎ 3 < x < 7। x একটি স্বাভাবিক সংখ্যা (N) হওয়ায় 3 ও 7 এর মধ্যবর্তী সংখ্যা 4, 5, 6। অসমতায় সমান চিহ্ন নেই, তাই 3 ও 7 বাদ। সমাধান সেট {4, 5, 6}।
মনে রাখুন:
(3, 7) বাস্তব সংখ্যার ব্যবধান, কিন্তু প্রশ্নে x স্বাভাবিক সংখ্যা চাওয়া হয়েছে। - ১৫৮. যদি $5x^3-2x^2+x+k=0$ এর একটি উৎপাদক $(x-3)$ হয়, তাহলে $k$ এর মান কত?
- ক. 50
- খ. 60
- গ. – 120
- ঘ. - 60
উত্তর: গ. – 120
উৎপাদক উপপাদ্য (Factor theorem) অনুযায়ী (x − 3) উৎপাদক হলে x = 3 বসালে রাশির মান 0 হবে। তাই 5 × 27 − 2 × 9 + 3 + k = 135 − 18 + 3 + k = 120 + k = 0, ফলে k = −120।
মনে রাখুন:
(x − a) উৎপাদক হলে f(a) = 0।
অবশিষ্ট উপপাদ্যে f(x) কে (x − a) দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ f(a)। - ১৫৯. নিচের সিরিজের ফাঁকা যায়গায় কোন সংখ্যা হবে? 243, 81, ___ , 9, 3, 1
- ক. 9
- খ. 27
- গ. 12
- ঘ. 6
উত্তর: খ. 27
সংখ্যাগুলোর প্রতিটি আগেরটির ৩ ভাগের ১ ভাগ, অর্থাৎ 3 দিয়ে ভাগ করে পাওয়া যায়: 243 ÷ 3 = 81, 81 ÷ 3 = 27, 27 ÷ 3 = 9, 9 ÷ 3 = 3, 3 ÷ 3 = 1। তাই ফাঁকা স্থানে 27।
মনে রাখুন:
এটি সাধারণ অনুপাত 1/3 এর গুণোত্তর ধারা।
243 = 3⁵। - ১৬০. যদি logx324 = 4 হয়, তবে x এর মান কত?
- ক. 3√2
- খ. 4√2
- গ. 5√2
- ঘ. √2
উত্তর: ক. 3√2
লগারিদমের সংজ্ঞায় log_x 324 = 4 মানে x⁴ = 324। 324 = 18² হওয়ায় x⁴ = (18)², অর্থাৎ x² = 18। তাই x = √18 = 3√2।
মনে রাখুন:
log_a b = c হলে a^c = b।
ভিত্তি ধনাত্মক ও 1 ছাড়া হতে হয়। - ১৬১. একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম ও দ্বিতীয় পদ যথাক্রমে 27 এবং 9, তাহলে ধারাটির দশম পদ কত?
- ক. 1/3
- খ. 1/525
- গ. 1/729
- ঘ. 1/615
উত্তর: গ. 1/729
গুণোত্তর ধারায় সাধারণ অনুপাত r = দ্বিতীয় পদ ÷ প্রথম পদ = 9 ÷ 27 = 1/3। n তম পদ = ar^(n−1), তাই দশম পদ = 27 × (1/3)⁹ = 3³ ÷ 3⁹ = 1/3⁶ = 1/729।
মনে রাখুন:
গুণোত্তর ধারার n তম পদ = ar^(n−1)।
3⁶ = 729। - ১৬২. একটি বৃত্তস্থ বর্গের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য 2 সে.মি. হলে, ঐ বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত?
- ক. π
- খ. 2π
- গ. √2π
- ঘ. 2√2π
উত্তর: খ. 2π
বৃত্তে অন্তর্লিখিত বর্গের কর্ণ বৃত্তের ব্যাস হয়। বর্গের বাহু 2 সেমি হলে কর্ণ = 2√2 সেমি। তাই বৃত্তের ব্যাসার্ধ √2 সেমি এবং ক্ষেত্রফল = π × (√2)² = 2π বর্গ সেমি।
মনে রাখুন:
বর্গের কর্ণ = বাহু × √2।
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²। - ১৬৩. 4 জন তাঁতী 4 দিনে 4টি মাদুর তৈরি করতে পারে। একই হারে 8 জন তাঁতী 8 দিনে কতটি মাদুর তৈরি করতে পারবে?
- ক. 8টি
- খ. 12টি
- গ. 16টি
- ঘ. 20টি
উত্তর: গ. 16টি
৪ জন ৪ দিনে ৪টি মাদুর বানায়, অর্থাৎ ১ জন ৪ দিনে ১টি মাদুর বানায়। তাই ১ জন ৮ দিনে ২টি মাদুর বানাবে। ৮ জন ৮ দিনে 8 × 2 = 16টি মাদুর বানাবে।
মনে রাখুন:
কাজ = জনসংখ্যা × সময় × কাজের হার।
এখানে ৪ জন-দিনে ১ মাদুর, আর ৮ জন × ৮ দিন = ৬৪ জন-দিনে 16 মাদুর। - ১৬৪. (0, 0) এবং (3, 3) বিন্দুগামী সরলরেখার সমীকরণ কোনটি?
- ক. y = x
- খ. y = 3x
- গ. y = x + 3
- ঘ. y = 3x + 3
উত্তর: ক. y = x
দুই বিন্দু (0, 0) ও (3, 3) দিয়ে যাওয়া রেখার ঢাল = (3 − 0) ÷ (3 − 0) = 1। রেখাটি মূলবিন্দু দিয়ে যায়, তাই y-ছেদক 0। সমীকরণ y = 1 × x + 0, অর্থাৎ y = x।
মনে রাখুন:
দুই বিন্দুর ঢাল m = (y₂ − y₁)/(x₂ − x₁)।
y = x রেখাটি প্রথম ও তৃতীয় চতুর্ভাগকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। - ১৬৫. যদি nC12 = nC8 হয়, তবে 22Cn এর মান কত?
- ক. 230
- খ. 231
- গ. 232
- ঘ. 233
উত্তর: খ. 231
nCr = nC(n − r) সূত্র থেকে nC12 = nC8 হলে 12 + 8 = n, অর্থাৎ n = 20। তাহলে 22C20 = 22C2 = (22 × 21) ÷ 2 = 231।
মনে রাখুন:
nCr = nC(n − r)।
22C20 কে সরাসরি না গুণে 22C2 ধরলে হিসাব সহজ হয়। - ১৬৬. একটি ব্যাগে 2টি লাল, 3টি সবুজ এবং 2টি নীল বল আছে। যদি দৈবভাবে 2টি বল নেওয়া হয়, তাহলে বল দুটির কোনটিই নীল না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
- ক. 10/21
- খ. 11/21
- গ. 2/7
- ঘ. 5/7
উত্তর: ক. 10/21
নীল নয় এমন বল আছে 2 + 3 = 5টি। এখান থেকে ২টি বাছার উপায় 5C2 = 10। মোট ৭টি বল থেকে ২টি বাছার উপায় 7C2 = 21। তাই কোনোটিই নীল না হওয়ার সম্ভাবনা 10/21।
মনে রাখুন:
সম্ভাবনা = অনুকূল ফল ÷ মোট ফল।
কমপক্ষে একটি নীল হওয়ার সম্ভাবনা 1 − 10/21 = 11/21।
মানসিক দক্ষতা
- ১৬৭. Seed : Sapling :: Egg : ?
- ক. Omlette
- খ. Chicken
- গ. Yolk
- ঘ. Chick
উত্তর: ঘ. Chick
সম্পর্কটি হলো উদ্ভিদের বীজ থেকে চারা (sapling) জন্মানোর মতো ডিম থেকে ছানা (chick) ফোটা। অর্থাৎ বীজ ও ডিম উভয়ই জীবনচক্রের প্রথম ধাপ, আর পরের ধাপ যথাক্রমে চারা ও ছানা। Chicken পূর্ণবয়স্ক মুরগি, তাই তা মেলে না।
মনে রাখুন:
Omelette ডিম থেকে তৈরি খাবার, Yolk ডিমের হলুদ অংশ। - ১৬৮. যদি MFNPO অর্থ 'Lemon' হয়, তবে NBOHP অর্থ কী?
- ক. Mango
- খ. Table
- গ. Light
- ঘ. Shirt
উত্তর: ক. Mango
LEMON এর প্রতিটি অক্ষর বর্ণমালার এক ধাপ পরের অক্ষর দিয়ে লেখা হয়েছে: L→M, E→F, M→N, O→P, N→O, ফলে MFNPO। NBOHP থেকে প্রতিটি অক্ষর এক ধাপ পিছিয়ে নিলে N→M, B→A, O→N, H→G, P→O, অর্থাৎ MANGO।
মনে রাখুন:
কোড করার নিয়ম জানা থাকলে উল্টো ধাপে ভাঙাই সমাধান। - ১৬৯. একজন ব্যক্তি ৪ মাইল উত্তরে, ১২ মাইল পূর্বে এবং তারপরে ১২ মাইল উত্তরে ভ্রমণ করেন। তিনি শুরুর বিন্দু থেকে কত দূরে আছেন?
- ক. ২৮ মাইল
- খ. ২৪ মাইল
- গ. ২১ মাইল
- ঘ. ২০ মাইল
উত্তর: ঘ. ২০ মাইল
মোট উত্তরে যাওয়া 4 + 12 = 16 মাইল, আর পূর্বে 12 মাইল। উত্তর ও পূর্ব পরস্পর লম্ব, তাই শুরুর বিন্দু থেকে দূরত্ব হবে অতিভুজ। পিথাগোরাসের উপপাদ্যে √(16² + 12²) = √(256 + 144) = √400 = 20 মাইল।
মনে রাখুন:
16, 12, 20 হলো 4, 3, 5 এর চার গুণ। - ১৭০. পাঁচজন ব্যক্তি গোল হয়ে বসে আছে এবং মাঝখানে তাকিয়ে তাস খেলছে। রাজিবের বামদিকে রয়েছে মুকুল, বিজয় রয়েছে অনিক ও নুরুলের মাঝখানে এবং অনিকের ডান দিকে। তাহলে নুরুলের ডান দিকে কে রয়েছে?
- ক. অনিক
- খ. বিজয়
- গ. মুকুল
- ঘ. রাজিব
উত্তর: গ. মুকুল
সবাই মাঝখানে মুখ করে বসলে নিজের বাম পাশের জন ঘড়ির কাঁটার দিকে থাকে। রাজিবের বামে মুকুল, তাই ঘড়ির কাঁটার দিকে রাজিবের পরে মুকুল। বিজয় অনিকের ডানে ও নুরুল ও অনিকের মাঝে, তাই ঘড়ির কাঁটার দিকে ক্রম নুরুল, বিজয়, অনিক। পুরো চক্র: নুরুল, বিজয়, অনিক, রাজিব, মুকুল। নুরুলের ডান পাশে মুকুল।
মনে রাখুন:
গোল হয়ে বসলে বাম পাশ ঘড়ির কাঁটার দিক, ডান পাশ উল্টো দিক। - ১৭১. A যদি B এর সাথে খাপখায় যেমনভাবে C, D এর সাথে, তাহলে নিচের জোড়াগুলোর মধ্যে কোন জোড়া যুক্তিযুক্তভাবে খাপ খায়?
- ক. পাখিকে যেমন দৌড়াতে হয়, মাছকে তেমন সাঁতার কাটতে হয়
- খ. আঁধারের বিপরীত যেমন উজ্জল, তেমনি নীরবতার বিপরীত হলো উচ্চশব্দ
- গ. খাদ্য যেমন খাবারের জন্য, পানি তেমনি পান করার জন্য
- ঘ. রঙ যেমন ছায়াযুক্ত হয়, গতি তেমনি দ্রুত হয়
উত্তর: গ. খাদ্য যেমন খাবারের জন্য, পানি তেমনি পান করার জন্য
খাদ্যের কাজ খাওয়া আর পানির কাজ পান করা, তাই দুই জোড়াতেই বস্তু ও তার ব্যবহারের একই সম্পর্ক বোঝায়। অন্য জোড়াগুলোতে এই মিল নেই: পাখির বৈশিষ্ট্য ওড়া, দৌড়ানো নয়; আর বিপরীত শব্দের জোড়া উদাহরণ যুক্তি-সম্পর্কের সমান্তরাল নয়।
মনে রাখুন:
উপমা প্রশ্নে প্রথমে সম্পর্কটি এক বাক্যে বলে অন্য জোড়ায় বসিয়ে মেলাতে হয়। - ১৭২. নিম্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে কোন বানানটি সঠিক খুঁজে বের করুন?
- ক. Randezvos
- খ. Rendezvous
- গ. Rondezvous
- ঘ. Rendavous
উত্তর: খ. Rendezvous
শুদ্ধ বানান Rendezvous। এটি ফরাসি শব্দ, অর্থ পূর্বনির্ধারিত সাক্ষাৎ বা সাক্ষাতের স্থান। ফরাসি উচ্চারণে শেষের s ও z অক্ষরের উচ্চারণ হয় না।
মনে রাখুন:
বানান মনে রাখার উপায়: Rendez + vous (ফরাসি 'আপনারা')। - ১৭৩. একটি গিয়ার ট্রেনে তিনটি গিয়ার আছে, গিয়ার 'এ' এর ১২টি দাঁত, গিয়ার 'বি' এর ৩৬টি দাঁত, এবং গিয়ার 'সি' এর ২৪টি দাঁত আছে। যদি গিয়ার 'এ' কে ঘড়ির কাঁটা যেদিকে ঘোরে সেদিকে ঘোরানো হয়, তাহলে গিয়ার 'সি' কোন দিকে ঘুরবে?
- ক. ঘড়ির কাঁটার দিকে
- খ. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
- গ. স্থির
- ঘ. একেবারে ঘুরবে না
উত্তর: ক. ঘড়ির কাঁটার দিকে
পাশাপাশি লেগে থাকা দুটি গিয়ার সবসময় উল্টো দিকে ঘোরে। A ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে B ঘোরে বিপরীত দিকে, আর B এর সঙ্গে লাগানো C আবার ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরে। দাঁতের সংখ্যা শুধু ঘূর্ণনের গতি বদলায়, দিক নয়।
মনে রাখুন:
অন্তর গিয়ার বা মাঝের গিয়ার শুধু দিক ঠিক রাখে, গতির অনুপাত বদলায় না।
কম দাঁতের গিয়ার বেশি দাঁতের গিয়ারের চেয়ে দ্রুত ঘোরে। - ১৭৪. পৃথিবীর কক্ষপথের বিভিন্ন বিন্দু থেকে দেখলে কোন ঘটনার কারণে একটি নক্ষত্রের অবস্থানের আপাত পরিবর্তন ঘটে?
- ক. ডপলার ইফেক্ট
- খ. রেডশিক্ট
- গ. কসমিক
- ঘ. প্যারালেক্স
উত্তর: ঘ. প্যারালেক্স
পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরার সময় কক্ষপথের দুই ভিন্ন প্রান্ত থেকে কাছের নক্ষত্রকে দেখলে তা দূরের নক্ষত্রের পটে সামান্য সরে যায় বলে মনে হয়। এই আপাত সরণকে লম্বন (Parallax) বলে। এই কোণ মেপে নক্ষত্রের দূরত্ব বের করা হয়।
মনে রাখুন:
ডপলার ইফেক্ট ও রেডশিফট নক্ষত্রের গতি ও আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
এক পারসেক = ৩.২৬ আলোকবর্ষ।
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন
- ১৭৫. নিচের কোনটি পেশাগত নৈতিকতার উপাদান?
- ক. স্বজনপ্রীতি
- খ. সাম্প্রদায়িকতা
- গ. দরিদ্রতা
- ঘ. দক্ষতা
উত্তর: ঘ. দক্ষতা
পেশাগত নৈতিকতা (Professional ethics) মানে নিজের পেশার কাজ সততা, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে করা। তাই দক্ষতা এর একটি উপাদান। স্বজনপ্রীতি ও সাম্প্রদায়িকতা নৈতিকতার বিরোধী আচরণ, আর দারিদ্র্য একটি আর্থসামাজিক অবস্থা।
মনে রাখুন:
অন্য উপাদান: সততা, দায়িত্বশীলতা, গোপনীয়তা রক্ষা, সময়ানুবর্তিতা। - ১৭৬. উদ্দেশ্য নৈতিকতার আলোচ্য বিষয় কোনটি?
- ক. উদ্দেশ্য
- খ. ফলাফল
- গ. প্রক্রিয়া
- ঘ. উপরের সবগুলো
উত্তর: খ. ফলাফল
পরিণামবাদী বা উদ্দেশ্যবাদী নৈতিকতা (Teleological ethics) কোনো কাজ ভালো না মন্দ তা কাজের ফলাফল দেখে বিচার করে। যে কাজে বেশি মানুষের বেশি মঙ্গল হয়, তাকে ভালো ধরা হয়। তাই এর আলোচ্য বিষয় ফলাফল।
মনে রাখুন:
উপযোগবাদ (Utilitarianism) এর উদাহরণ।
বিপরীতে কর্তব্যবাদী নৈতিকতা (Deontological ethics) কাজের নিয়ম ও কর্তব্যকে গুরুত্ব দেয়। - ১৭৭. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে- এ বিষয়ে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
- ক. অনুচ্ছেদ-২১
- খ. অনুচ্ছেদ-১৮
- গ. অনুচ্ছেদ-২৮
- ঘ. অনুচ্ছেদ-২৬
উত্তর: খ. অনুচ্ছেদ-১৮
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের শিরোনাম 'জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা'। এর প্রথম দফায় বলা আছে, জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে। দ্বিতীয় দফায় গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধ এবং স্বাস্থ্যহানিকর মাদক ও পানীয় বর্জনের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আছে।
মনে রাখুন:
১৮ অনুচ্ছেদ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ 'রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি' এর অংশ। - ১৭৮. 'সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা'-বিষয়টি সংবিধান মতে-
- ক. নৈতিক বিষয়
- খ. মানবাধিকার
- গ. মৌলিক অধিকার
- ঘ. নিয়োগ ও কর্মের শর্ত
উত্তর: গ. মৌলিক অধিকার
সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারগুলো আছে। এর ২৯ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদলাভের ক্ষেত্রে সব নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে। তাই এটি মৌলিক অধিকার।
মনে রাখুন:
২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদে বৈষম্যের নিষেধ আছে। - ১৭৯. মানুষের মধ্যে সামাজিক মূল্যেবোধ গড়ে উঠে-
- ক. আইনের বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে
- খ. সামাজিকীকরণের মাধ্যমে
- গ. অর্থনৈতিক প্রণোদনার মাধ্যমে
- ঘ. উচ্চমানের প্রযুক্তি অনুসরণের মাধ্যমে
উত্তর: খ. সামাজিকীকরণের মাধ্যমে
সামাজিক মূল্যবোধ (Social values) মানুষ জন্ম থেকে শেখে না, সমাজের সঙ্গে মিশে আয়ত্ত করে। পরিবার, বিদ্যালয়, বন্ধু ও সমাজের সংস্পর্শে মানুষ ধীরে ধীরে রীতিনীতি এবং ভালো-মন্দের ধারণা শেখে। এই প্রক্রিয়াকে সামাজিকীকরণ (Socialization) বলে। আইন বা অর্থ বাইরে থেকে আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু ভেতর থেকে মূল্যবোধ তৈরি করে না।
মনে রাখুন:
পরিবার সামাজিকীকরণের প্রথম ও প্রধান প্রতিষ্ঠান। - ১৮০. বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি-
- ক. মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
- খ. মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা
- গ. প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
- ঘ. উপরের সবকটি
উত্তর: ঘ. উপরের সবকটি
সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সব পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ থাকবে। তিনটি বিষয়ই এই অনুচ্ছেদে আছে।
মনে রাখুন:
১১ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অংশ। - ১৮১. সুশাসন বিষয়ক ধারণাটি প্রথম কোন খ্রিষ্টাব্দে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের রিপোর্টে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে-
- ক. ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে
- খ. ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে
- গ. ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে
- ঘ. ২০০২ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর: গ. ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে
বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে আফ্রিকা বিষয়ক এক প্রতিবেদনে 'সুশাসন' (Good Governance) শব্দটি ব্যবহার করে। এরপর ১৯৯২ সালের 'Governance and Development' প্রতিবেদনে ধারণাটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। তাই বিস্তারিত উপস্থাপনের সাল ১৯৯২।
মনে রাখুন:
সুশাসনের উপাদান: স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন, অংশগ্রহণ। - ১৮২. সুশাসন বিষয়ক ধারণাটি কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রথম তাদের প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে-
- ক. ইউএনডিপি
- খ. বিশ্বব্যাংক
- গ. ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক
- ঘ. ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
উত্তর: খ. বিশ্বব্যাংক
বিশ্বব্যাংক (World Bank) ১৯৯২ সালের 'Governance and Development' প্রতিবেদনে সুশাসনের ধারণা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে। সেখানে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন ও দক্ষ জনপ্রশাসনকে সুশাসনের উপাদান হিসেবে দেখানো হয়।
মনে রাখুন:
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দুর্নীতি-বিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা, তারা দুর্নীতির ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে। - ১৮৩. জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশনটি গৃহীত হয়?
- ক. ৩১ জানুয়ারি ২০০৩
- খ. ৩১ অক্টোবর ২০০৬
- গ. ৩১ অক্টোবর ২০০৩
- ঘ. ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
উত্তর: গ. ৩১ অক্টোবর ২০০৩
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন (UNCAC) গ্রহণ করে। এটি ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হয়।
মনে রাখুন:
৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস।
বাংলাদেশ ২০০৭ সালে এই কনভেনশনে যোগ দেয়। - ১৮৪. ৭ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা-
- ক. ১৯২টি
- খ. ১০৯টি
- গ. ১৯০টি
- ঘ. ১৯১টি
উত্তর: ঘ. ১৯১টি
২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশন (UNCAC) এর পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রের সংখ্যা ছিল ১৯১। বাংলাদেশ ২০০৭ সালে কনভেনশনে যোগ দেয়।
মনে রাখুন:
কনভেনশনটি দুর্নীতি প্রতিরোধ, অপরাধীকরণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও অর্থ ফেরত আনার বিষয় নিয়ে কাজ করে।
অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান
১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৬)
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৮তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২৫)
- ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৪)
- ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৩)
- ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২২)
- ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২১)
- ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৯)
- ৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০১৮)
- ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৭)
- ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৫)
- ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৩)
- ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১১)
- ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১০)
- ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৯)
- ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৮)
- ২৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৫)
- ২৬তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৩)
- ২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৯)
- ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৬)
- ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৫)
- ১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি (১৯৯৪)
- ১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৩)
- ১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯০)
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন