১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৯৯৫। এখানে ৯৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ৬০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (২০)
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি (১১)
- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (২১)
- গাণিতিক যুক্তি (১০)
- মানসিক দক্ষতা (২)
- সাধারণ বিজ্ঞান (৮)
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি (১)
- ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (৫)
- আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (১৮)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ১. বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য সংকলন ‘চর্যাপদ’ এর আবিষ্কারক-
- ক. ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
- খ. ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
- গ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
- ঘ. ডক্টর সুকুমার সেন
উত্তর: গ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। পরে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে লুইপা আদি কবি হিসেবে পরিচিত, আর কাহ্নপা ও ভুসুকুপাও বিখ্যাত।
এতে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনার কথা রূপকের ভাষায় লেখা আছে। - ২. হিন্দী ‘পদুমাবৎ’ – এর অবলম্বনে ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা-
- ক. দৌলত উজীর বাহরাম খান
- খ. সৈয়দ সুলতান
- গ. আব্দুল করিম সাহিত্যে বিশারদ
- ঘ. আলাওল
উত্তর: ঘ. আলাওল
‘পদ্মাবতী’ কাব্যটি আলাওলের রচনা। আরাকানের রাজসভার কবি আলাওল মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি (অবধি) ভাষার কাব্য ‘পদুমাবৎ’ অবলম্বনে এটি লেখেন। এটি তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য। এতে চিতোরের রানি পদ্মিনীর কাহিনি আছে।
মনে রাখুন:
আলাওলের অন্য কাব্য ‘সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল’, ‘সপ্তপয়কর’ ও ‘তোহফা’।
দৌলত উজির বাহরাম খান লিখেছেন ‘লায়লী-মজনু’, আর সৈয়দ সুলতান লিখেছেন ‘নবীবংশ’। - ৩. তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ প্রথম প্রকাশিত হয়-
- ক. ১৮৪১ সালে
- খ. ১৮৪২ সালে
- গ. ১৮৫০ সালে
- ঘ. ১৮৪৩ সালে
উত্তর: ঘ. ১৮৪৩ সালে
‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৪৩ সালে। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তত্ত্ববোধিনী সভা নামে একটি সংগঠন গড়েছিলেন, আর পত্রিকাটি ছিল সেই সভার মুখপত্র। এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। পত্রিকাটি বাংলা গদ্যের বিকাশে এবং ব্রাহ্ম ধর্মের চিন্তা ছড়িয়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখে।
মনে রাখুন: তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৩৯ সালে। - ৪. উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য-
- ক. অব্যয় ও শব্দাংশে
- খ. নতুন শব্দ গঠনে
- গ. উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পেছনে
- ঘ. ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
উত্তর: গ. উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পেছনে
উপসর্গ (Prefix) ও প্রত্যয় (Suffix) দুটিই শব্দাংশ, যা মূল শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। তাদের মূল পার্থক্য বসার জায়গায়। উপসর্গ শব্দ বা ধাতুর আগে বসে, আর প্রত্যয় শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়। নতুন শব্দ গঠন বা অর্থ বদলানো দুটিরই কাজ, তাই সেগুলো পার্থক্যের কারণ নয়।
উদাহরণ: প্র + কাশ = প্রকাশ (উপসর্গ আগে), কাজ + ঈ = কাজি (প্রত্যয় পরে)। - ৫. যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে বলা হয়-
- ক. স্বরবৃত্ত
- খ. পয়ার
- গ. মাত্রাবৃত্ত
- ঘ. অক্ষরবৃত্ত
উত্তর: ক. স্বরবৃত্ত
স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রতিটি মূল পর্বে চার মাত্রা থাকে। এই ছন্দে প্রতিটি দলকে বা সিলেবলকে এক মাত্রা ধরা হয় এবং প্রতি পর্বের শুরুতে শ্বাসাঘাত পড়ে। এর গতি দ্রুত এবং ছড়ার ঢঙের, তাই একে ছড়ার ছন্দ বা দলবৃত্তও বলা হয়। মাত্রাবৃত্তে মূল পর্ব সাধারণত চার, পাঁচ, ছয় বা সাত মাত্রার হয়, আর অক্ষরবৃত্তে আট বা দশ মাত্রার।
মনে রাখুন: পয়ার অক্ষরবৃত্ত ছন্দের একটি রীতি, যেখানে সাধারণত ৮ + ৬ মাত্রায় ১৪ মাত্রার চরণ থাকে। - ৬. ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ – লাইনটি নিম্নোক্ত একজনের কাব্যে পাওয়া যায় –
- ক. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
- খ. ভারতচন্দ্র রায়
- গ. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
- ঘ. কামিনী রায়
উত্তর: খ. ভারতচন্দ্র রায়
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ পঙ্ক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের। কাহিনিতে দেবী অন্নদা ছদ্মবেশে খেয়ানৌকায় ঈশ্বরী পাটনীর কাছে এলে পাটনী তাঁর কাছে এই বর চান। ভারতচন্দ্র নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
মনে রাখুন:
অন্নদামঙ্গল ১৭৫২ সালের কাছাকাছি রচিত।
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী লিখেছেন ‘চণ্ডীমঙ্গল’, আর মদনমোহন তর্কালঙ্কার লিখেছেন ‘পাখি সব করে রব’ কবিতা। - ৭. পর্তুগিজ ভাষা থেকে নিম্নোক্ত একটি শব্দ বাংলা ভাষায় আত্মীকরণ করা হয়েছে-
- ক. টেবিল
- খ. চেয়ার
- গ. বালতি
- ঘ. শরবত
উত্তর: গ. বালতি
‘বালতি’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ষোলো শতকে পর্তুগিজ বণিকেরা বাংলায় এলে তাদের ব্যবহৃত কিছু জিনিসের নাম আমাদের ভাষায় ঢুকে যায় এবং আজও চলছে। টেবিল ও চেয়ার ইংরেজি শব্দ, আর শরবত আরবি-ফারসি ধারার শব্দ।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: আলমারি, চাবি, পাউরুটি, গির্জা, জানালা, সাবান, বোতাম, পেয়ারা, আনারস।
ইংরেজি শব্দ: টেবিল, চেয়ার, স্কুল, ব্যাংক। - ৮. ‘লাঠালাঠি’ শব্দটির সমাস –
- ক. দ্বন্দ্ব
- খ. বহুব্রীহি
- গ. কর্মধারায়
- ঘ. তৎপুরুষ
উত্তর: খ. বহুব্রীহি
‘লাঠালাঠি’ মানে লাঠিতে লাঠিতে যে মারামারি। একই শব্দ দুবার বসে পরস্পরের প্রতি একই কাজ করার ভাব বোঝালে তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে। এখানে সমস্তপদটি কোনো একটি বস্তু নয়, বরং ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বোঝায়, তাই এটি বহুব্রীহি।
উদাহরণ: হাতাহাতি, কানাকানি, মুখোমুখি, চুলোচুলি। - ৯. বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে নিম্নোক্ত একটি ভাষা থেকে-
- ক. সংস্কৃত
- খ. পালি
- গ. প্রাকৃত
- ঘ. অপ্রভ্রংশ
উত্তর: গ. প্রাকৃত
বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশের ইন্দো-আর্য শাখার ভাষা। এর সরাসরি উৎস প্রাকৃত, বিশেষ করে পূর্বাঞ্চলীয় মাগধী প্রাকৃত। মাগধী প্রাকৃত থেকে মাগধী অপভ্রংশ স্তর পার হয়ে প্রায় ৯০০-১০০০ সালের দিকে বাংলা আলাদা ভাষারূপ নেয়। সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলার জন্ম হয়নি, সংস্কৃত শব্দ বাংলায় এসেছে পরে তৎসম শব্দ হিসেবে।
মনে রাখুন: বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ। - ১০. শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে ভাগ করা যায়-
- ক. দুই ভাগে
- খ. তিন ভাগে
- গ. চার ভাগে
- ঘ. পাঁচ ভাগে
উত্তর: খ. তিন ভাগে
অর্থ অনুসারে বাংলা শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়: যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ়। যৌগিক শব্দে প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের মিলিত অর্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ এক থাকে। রূঢ়ি শব্দ ব্যবহারে এমন একটি অর্থ ধরে যা তার গঠনের অর্থের সঙ্গে মেলে না। আর যোগরূঢ় শব্দ গঠনের অর্থের মধ্য থেকে কেবল একটি বিশেষ অর্থে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়।
উদাহরণ:
যৌগিক: গায়ক, কর্তব্য।
রূঢ়ি: গরু, ঘোড়া, হাত।
যোগরূঢ়: পঙ্কজ (পঙ্কে জন্মায় এমন সব কিছু না বুঝিয়ে শুধু পদ্ম), মহাযাত্রা।
মনে রাখুন: উৎস অনুসারে বাংলা শব্দ পাঁচ ভাগে ভাগ হয়: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। - ১১. ‘মানবজীবন’, ‘মহৎজীবন’, ‘উন্নতজীবন’- প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা-
- ক. এস ওয়াজেদ আলী
- খ. এয়াকুব আলী চৌধুরী
- গ. মোঃ লুৎফর রহমান
- ঘ. মোঃ ওয়াজেদ আলী
উত্তর: গ. মোঃ লুৎফর রহমান
‘মানবজীবন’, ‘মহৎজীবন’ ও ‘উন্নতজীবন’ প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা ডা. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান। তাঁর লেখায় নৈতিকতা, আত্মশক্তি ও চরিত্র গঠনের কথা প্রধান। তিনি মুসলিম সমাজকে শিক্ষা ও আত্মোন্নতির পথে এগিয়ে যেতে উৎসাহ দিয়েছেন।
মনে রাখুন: মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী ‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ প্রবন্ধের লেখক। - ১২. ‘সিরাজুম মুনীরা’ কাব্যের রচয়িতার নাম-
- ক. তালিম হোসেন
- খ. ফররুখ আহমদ
- গ. গোলাম মোস্তফা
- ঘ. আবুল হোসেন
উত্তর: খ. ফররুখ আহমদ
‘সিরাজাম মুনীরা’ ফররুখ আহমদের কাব্যগ্রন্থ। এতে মহানবীর (সা.) জীবন ও আদর্শের কথা কাব্যে এসেছে। ফররুখ আহমদ ইসলামি ঐতিহ্যকে কবিতার বিষয় করায় তাঁকে মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘সাত সাগরের মাঝি’ (১৯৪৪) ও ‘নৌফেল ও হাতেম’।
তিনি জন্মেছিলেন মাগুরা জেলায়। - ১৩. ষড়ঋতু শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. ষড় + ঋতু
- খ. ষড়ু + ঋতু
- গ. ষট + ঋতু
- ঘ. ষট্ + ঋতু
উত্তর: ঘ. ষট্ + ঋতু
‘ষড়ঋতু’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ষট্ + ঋতু। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ‘ষট্’ শব্দের শেষের ট্ ধ্বনিটি অঘোষ, আর পরে স্বরধ্বনি ‘ঋ’ এলে অঘোষ ধ্বনি ঘোষ ধ্বনিতে বদলে ড্ হয়। তাই ষট্ + ঋতু = ষড়ঋতু। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি উদাহরণ।
উদাহরণ: ষট্ + যন্ত্র = ষড়যন্ত্র, ষট্ + আনন = ষড়ানন। - ১৪. ‘বীরবল’ নিম্নোক্ত একজন লেখকের ছদ্মনাম-
- ক. প্রমথ চৌধুরী
- খ. ধূর্জটি প্রসাদ মুখোপাধ্যায়
- গ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
- ঘ. নবীনচন্দ্র সেন
উত্তর: ক. প্রমথ চৌধুরী
‘বীরবল’ প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। তিনি ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যে সাধু রীতির বদলে চলিত রীতি প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালান। তাঁর লেখায় তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও রসবোধ দেখা যায়।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বীরবলের হালখাতা’, ‘তেল-নুন-লকড়ি’ ও ‘চার-ইয়ারী কথা’। - ১৫. ‘লাপাত্তা’ শব্দের ‘লা’ উপসর্গটি বাংলা ভাষায় এসেছে-
- ক. আরবি ভাষা থেকে
- খ. ফরাসি ভাষা থেকে
- গ. হিন্দি ভাষা থেকে
- ঘ. উর্দু ভাষা থেকে
উত্তর: ক. আরবি ভাষা থেকে
‘লা’ একটি আরবি উপসর্গ, যার অর্থ না বা নেই। ‘লাপাত্তা’ শব্দে ‘লা’ আরবি আর ‘পাত্তা’ হলো সন্ধান, তাই এর মানে যার সন্ধান নেই। এভাবে আরও কয়েকটি শব্দ তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ: লাজওয়াব (যার জবাব নেই), লাওয়ারিশ (যার ওয়ারিশ নেই), লাপাত্তা।
মনে রাখুন: আরবি উপসর্গের মধ্যে আম, খাস, লা ও গর পড়ে। - ১৬. ১৯৯৪ সালে যে প্রবন্ধকার বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন-
- ক. হুমায়ুন আজাদ
- খ. আহমদ শরীফ
- গ. ওয়াকিল আহমদ
- ঘ. আব্দুল মতিন খান
উত্তর: গ. ওয়াকিল আহমদ
প্রবন্ধ ও গবেষণায় অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান ওয়াকিল আহমদ। তিনি লোকসাহিত্য ও লোকসংস্কৃতি এবং মধ্যযুগের সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করেছেন। পুরস্কারটি বাংলা একাডেমি প্রতিবছর বিভিন্ন শাখায় সাহিত্যিকদের দেয়।
মনে রাখুন: বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রথম দেওয়া হয় ১৯৬০ সালে। - ১৮. ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা-
- ক. লালন শাহ
- খ. সিরাজ সাঁই
- গ. মদন বাউল
- ঘ. পাগলা কানাই
উত্তর: ক. লালন শাহ
‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ পঙ্ক্তিটি লালন শাহের গানের। লালন বাউল সাধক ও গীতিকার ছিলেন। তাঁর গানে ধর্ম, জাত ও বর্ণের ভেদাভেদের বিরুদ্ধে মানুষের মানবিক পরিচয়কে বড় করে দেখা হয়েছে। বিখ্যাত আরেকটি গানে তিনি প্রশ্ন করেছেন, ‘সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে’।
মনে রাখুন:
লালনের আখড়া কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায়।
তাঁর গানকে লালনগীতি বা বাউল গান বলা হয়। - ১৯. ‘অক্ষির সমীপে’র সংক্ষেপ হলো-
- ক. সমক্ষ
- খ. পরোক্ষ
- গ. প্রত্যক্ষ
- ঘ. নিরপেক্ষ
উত্তর: ক. সমক্ষ
‘অক্ষি’ মানে চোখ, আর ‘সমীপ’ মানে কাছে। চোখের কাছে বা সামনে যা ঘটে, তাকে এক কথায় বলে সমক্ষ। এভাবে ‘অক্ষির সমীপে’ বাক্যাংশের এক কথা সমক্ষ।
মনে রাখুন:
অক্ষির অগোচরে বা চোখের আড়ালে = পরোক্ষ।
অক্ষির সম্মুখে = প্রত্যক্ষ। - ২০. ‘হজরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব’ বাক্যটি নিম্নোক্ত একটি শ্রেণীর-
- ক. মিশ্র
- খ. জটিল
- গ. যৌগিক
- ঘ. সরল
উত্তর: ঘ. সরল
‘হজরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব’ একটি সরল বাক্য। এতে উদ্দেশ্য আছে একটি, ‘হজরত মুহম্মদ (স)’, আর বিধেয়ে আছে একটিই সমাপিকা ক্রিয়া ‘ছিলেন’। কোনো অধীন খণ্ডবাক্য বা সংযোজক অব্যয় নেই, তাই এটি মিশ্র, জটিল বা যৌগিক বাক্য নয়।
মনে রাখুন:
যে বাক্যে একটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যের সঙ্গে এক বা একাধিক অধীন খণ্ডবাক্য থাকে, তা জটিল বা মিশ্র বাক্য।
যে বাক্যে দুই বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয়ে যুক্ত থাকে, তা যৌগিক বাক্য। - ২১. ‘মধুর চেয়েও আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি’।- কবিতায় এই অংশ বিশেষের রচয়িতা-
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
- গ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- ঘ. নির্মলেন্দু গুণ
উত্তর: গ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
‘মধুর চেয়েও আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি’ পঙ্ক্তিটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের রচনা। তাঁর কবিতায় দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। ছন্দের দক্ষতার জন্য তাঁকে ‘ছন্দের জাদুকর’ বলা হয়।
মনে রাখুন: সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যগ্রন্থ ‘সবিতা’, ‘সন্ধিক্ষণ’, ‘বেণু ও বীণা’, ‘কুহু ও কেকা’, ‘তুলির লিখন’।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- ১৭. লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরের সমাধিতে সমাহিত শায়েস্তা খানের এক কন্যার আসল নাম-
- ক. পরীবিবি
- খ. ইরান দুখ্ত
- গ. জাহানারা
- ঘ. মরিয়ম
উত্তর: খ. ইরান দুখ্ত
লালবাগ কেল্লার ভেতরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির সমাধি আছে। তাঁর আসল নাম ইরান দুখত, আর ‘পরীবিবি’ হলো লোকমুখে প্রচলিত ডাকনাম। তিনি শাহজাদা মুহাম্মদ আজমের সঙ্গে বাগদত্তা ছিলেন বলে জানা যায়। তাঁর মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান দুর্গের নির্মাণ অসমাপ্ত রেখে দেন।
মনে রাখুন: লালবাগ কেল্লার প্রধান স্থাপনা পরীবিবির সমাধি, দরবার হল ও একটি মসজিদ। - ৫৯. ব্রিটিশ বণিকদের বিরুদ্ধে একজন চাকমা জুমিয়া নেতা বিদ্রোহের পতাকা উড়িয়েছিলেন, তার নাম-
- ক. রাজা ত্রিদিব রায়
- খ. রাজা ত্রিভুবন চাকমা
- গ. জুম্মা খান
- ঘ. জান বখশ খাঁ
উত্তর: ঘ. জান বখশ খাঁ
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমাদের প্রতিরোধের নেতা ছিলেন জান বখশ খাঁ। কোম্পানি চাকমা অঞ্চলে কর ও কার্পাস বা তুলার বাণিজ্যের ওপর কর্তৃত্ব চাইলে জুমচাষি চাকমারা তা মেনে নেয়নি। অষ্টাদশ শতকের শেষ দিকে তারা কোম্পানির বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরে। এটি পার্বত্য অঞ্চলের প্রথম বড় সংঘবদ্ধ বিদ্রোহগুলোর একটি।
মনে রাখুন:
ত্রিদিব রায় বিংশ শতাব্দীর চাকমা রাজা ছিলেন এবং পাকিস্তান আমলে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন, ব্রিটিশ বণিকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।
ব্রিটিশ আমলে অন্যান্য বিদ্রোহের উদাহরণ সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহ, তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ও সাঁওতাল বিদ্রোহ। - ৭২. ১৮৭৪ সালে ঢাকা শহরে পানি সরবরাহ করার জন্য প্রথম পানি সরবরাহ কার্যক্রম স্থাপিত হয়-
- ক. সদরঘাটে
- খ. চাঁদনীঘাটে
- গ. পোস্তাগোলায়
- ঘ. শ্যামবাজারে
উত্তর: খ. চাঁদনীঘাটে
১৮৭৪ সালে ঢাকার নবাব খাজা আবদুল গনির অর্থানুকূল্যে চাঁদনীঘাটে ঢাকা শহরের প্রথম পানি সরবরাহ ব্যবস্থা (ওয়াটার ওয়ার্কস) স্থাপিত হয়। বুড়িগঙ্গা নদীর পানি পরিশোধন করে শহরে সরবরাহ করা হতো। আগে ঢাকার মানুষ কুয়া, পুকুর ও নদীর পানির ওপর নির্ভর করত। নবাব আবদুল গনি পরে ঢাকায় আরও নানা জনহিতকর কাজ করেছেন।
মনে রাখুন:
আহসান মঞ্জিল নবাব আবদুল গনির পুত্র নবাব আহসানউল্লাহর নামে পরিচিত।
ঢাকার বর্তমান ওয়াসা ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - ৭৩. ঢাকার বড় কাটরা ও ছোট কাটরা শহরের নিম্নোক্ত একটি এলাকায় অবস্থিত?
- ক. চকবাজার
- খ. সদরঘাট
- গ. লালবাগ
- ঘ. ইসলামপুর
উত্তর: ক. চকবাজার
বড় কাটরা ও ছোট কাটরা পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। কাটরা মানে মূলত সরাইখানা বা পান্থশালা, যেখানে ব্যবসায়ী ও পথিকেরা থাকতেন। বড় কাটরা মোগল সুবাদার শাহ সুজার আমলে তৈরি, আর ছোট কাটরা তৈরি করেন সুবাদার শায়েস্তা খান।
মনে রাখুন:
বড় কাটরার নির্মাণ ১৬৪৪ সালের দিকে।
ছোট কাটরার নির্মাণ ১৬৬৩ সালের দিকে।
লালবাগ কেল্লা চকবাজারের কাছে নয়, এটি আলাদা লালবাগ এলাকায় অবস্থিত। - ৮১. বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় দেশের নাম-
- ক. ভারত
- খ. রাশিয়া
- গ. ভুটান
- ঘ. নেপাল
উত্তর: ক. ভারত
১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথমে ভুটান এবং তার পরে ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ভুটান প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল বলে ভারত দ্বিতীয় দেশ। তখন মুক্তিযুদ্ধ চলছিল এবং ভারত সীমান্ত পেরিয়ে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সাহায্য করছিল। এই স্বীকৃতি যুদ্ধের চূড়ান্ত দিনগুলোতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান অনেক শক্ত করে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান, দ্বিতীয় ভারত।
নেপাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালে, স্বাধীনতার পর। - ৮৩. বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. সাঁওতাল
- খ. মাওরি
- গ. মুরং
- ঘ. গারো
উত্তর: খ. মাওরি
মাওরি (Maori) হলো নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী, তাদের বসতি বাংলাদেশে নেই। অন্যদিকে সাঁওতাল, মুরং (ম্রো নামেও পরিচিত) ও গারো বাংলাদেশেরই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। সাঁওতালেরা মূলত উত্তরবঙ্গের রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে, মুরংরা বান্দরবানের পার্বত্য এলাকায় এবং গারোরা ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে থাকে।
মনে রাখুন:
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান তিনটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা।
গারো সমাজ মাতৃসূত্রীয় বলে পরিচিত, অর্থাৎ সন্তান মায়ের বংশপরিচয় পায়। - ৮৪. বাংলাদেশের অতি পরিচিত খাদ্য গোলআলু। এ খাদ্য আমাদের দেশে আনা হয়েছিল-
- ক. ইউরোপের হল্যান্ড থেকে
- খ. দক্ষিণ আমেরিকার পেরু-চিলি থেকে
- গ. আফ্রিকার মিশর থেকে
- ঘ. এশিয়ার থাইল্যান্ড
উত্তর: ক. ইউরোপের হল্যান্ড থেকে
আলুর আদি জন্মস্থান দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত অঞ্চল, বিশেষ করে পেরু ও বলিভিয়ার উঁচু ভূমি। ষোড়শ শতকে ইউরোপীয়েরা প্রথমে এটি ইউরোপে নিয়ে যায়। প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে আমাদের দেশে আলু কোথা থেকে আনা হয়েছে, আর উত্তর হলো ইউরোপের হল্যান্ড থেকে, কারণ ওলন্দাজ বণিকেরাই বাংলায় আলু নিয়ে এসেছিলেন। পেরু-চিলি বিকল্পটি আলুর আদি উৎস হলেও এ দেশে আনার উৎস নয়।
মনে রাখুন:
ইংরেজি Potato নামটি স্প্যানিশ patata শব্দ থেকে এসেছে।
তামাক, টমেটো, মরিচ ও ভুট্টাও আমেরিকা মহাদেশ থেকে এসেছে। - ৮৫. কাপ্তাই থেকে প্লাবিত পার্বত্য চট্টগ্রামের উপত্যকা এলাকা –
- ক. মারিস্যা ভ্যালি
- খ. খাগড়া ভ্যালি
- গ. জাবরী ভ্যালি
- ঘ. ভেঙ্গী ভ্যালি
উত্তর: ঘ. ভেঙ্গী ভ্যালি
১৯৫০-এর দশকের শেষ দিক থেকে ১৯৬০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ করা হয়। বাঁধের ফলে পেছনে বিশাল জলাধার তৈরি হয় এবং আশপাশের অনেক উপত্যকা ডুবে যায়। এগুলোর মধ্যে ভেঙ্গী উপত্যকা (Vengi Valley) ছিল একটি। বহু চাকমা পরিবার তাদের বসতি ও আবাদি জমি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়, যা পরে এই অঞ্চলে অসন্তোষের একটি বড় কারণ হয়।
মনে রাখুন:
কাপ্তাই বাঁধের ফলে সৃষ্ট জলাধারটি কাপ্তাই হ্রদ নামে পরিচিত, এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ।
এখানে দেশের প্রথম ও একমাত্র বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে। - ৮৬. বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ আরম্ভ হয়-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
- ক. সিলেটের মালনীছড়ায়
- খ. সিলেটের তামাবিলে
- গ. পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়িতে
- ঘ. সিলেটের জাফলং-এ
উত্তর: ক. সিলেটের মালনীছড়ায়
বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়ায়। সিলেট ও মৌলভীবাজারের টিলাভূমি ঢালু, ফলে সেখানে পানি জমে না। এখানে প্রচুর বৃষ্টি হয় আর মাটি অম্লীয়, চা গাছের জন্য এ পরিবেশই দরকার। তাই এ অঞ্চলে চা বাগান গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
এর আগে ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে চা লাগানো হয়েছিল।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী নামে পরিচিত। - ৮৭. ‘স্টেপস’ ভাস্কর্যটি সিউল অলিম্পিকের পার্কে স্থান পেয়েছিল। এর ভাস্করের নাম-
- ক. নভেরা আহমেদ
- খ. হামিদুজ্জামান খান
- গ. আবদুল্লাহ খালেদ
- ঘ. সুলতানুল ইসলাম
উত্তর: খ. হামিদুজ্জামান খান
‘স্টেপস’ ভাস্কর্যের স্রষ্টা হামিদুজ্জামান খান। ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় এবং সেই উপলক্ষে সিউল অলিম্পিক পার্কে নানা দেশের ভাস্করদের কাজ স্থান পায়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাঁর ভাস্কর্যটি সেখানে স্থান পেয়েছিল। তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যের অন্যতম পথিকৃৎ।
মনে রাখুন:
আরেক পথিকৃৎ ভাস্কর নভেরা আহমেদ আধুনিক ভাস্কর্যধারার প্রথম দিকের শিল্পী।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা করেছিলেন হামিদুর রাহমান, যিনি পেশায় স্থপতি ও ভাস্কর, আর নভেরা আহমেদ তাঁর সহযোগী ছিলেন। - ৯৫. বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় –
- ক. ৫ মে, ১৯৯৪
- খ. ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪
- গ. ৫ মে, ১৯৯৫
- ঘ. ৭ মে, ১৯৯৫
উত্তর: গ. ৫ মে, ১৯৯৫
বাংলাদেশে গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ স্থানান্তর (Embryo Transfer) হয় ১৯৯৫ সালের ৫ মে। এই পদ্ধতিতে উন্নত জাতের গাভীকে হরমোন দিয়ে একসঙ্গে অনেক ডিম্বাণু তৈরি করানো হয়। নিষিক্ত হওয়ার পর সেই ভ্রূণ বের করে অন্য গাভীর জরায়ুতে বসিয়ে দেওয়া হয়। ফলে একটি ভালো গাভী থেকে একসঙ্গে অনেক বাছুর পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
কৃত্রিম প্রজনন (Artificial Insemination) আলাদা পদ্ধতি, এতে ষাঁড়ের বীর্য গাভীর জরায়ুতে প্রবেশ করানো হয়।
দুটিরই লক্ষ্য গবাদিপশুর জাত উন্নত করা।
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ২২. The sentence with correct punctuations-আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯
- ক. Maria, my student, is on leave to-day.
- খ. Maria my student, is on leave to-day.
- গ. Maria my student is on leave to-day.
- ঘ. Maria my student is, on leave to-day.
উত্তর: ক. Maria, my student, is on leave to-day.
Maria my student হলো একটি appositive, অর্থাৎ ‘my student’ অংশটি Maria কে চেনাচ্ছে। অতিরিক্ত পরিচয় দেওয়া এ ধরনের অংশকে দুই পাশে কমা দিয়ে আলাদা করতে হয়। তাই সঠিক বাক্য: Maria, my student, is on leave to-day। অন্য বিকল্পগুলোয় কমা হয় একটিও নেই, নয়তো ভুল জায়গায় আছে।
উদাহরণ: My brother, a doctor, lives in Dhaka. - ২৩. The antonym for ‘Inimical’-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. Hostile
- খ. Friendly
- গ. Indifferent
- ঘ. Angry
উত্তর: খ. Friendly
Inimical শব্দের অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা ক্ষতিকর। এর বিপরীত শব্দ Friendly, যার অর্থ বন্ধুসুলভ। Hostile হলো Inimical-এর সমার্থক শব্দ, তাই বিপরীত নয়। Indifferent মানে উদাসীন, আর Angry মানে রাগান্বিত।
উদাহরণ: Smoking is inimical to health.
মনে রাখুন: Inimical-এর সমার্থক শব্দ Hostile, Harmful, Adverse। - ২৪. The synonym for ‘efface’-
- ক. Improve
- খ. Exhaust
- গ. Rub out
- ঘ. Cut out
উত্তর: গ. Rub out
Efface শব্দের অর্থ মুছে ফেলা, অর্থাৎ কোনো কিছুকে ঘষে এমনভাবে সরানো যাতে তার চিহ্ন না থাকে। তাই এর সমার্থক Rub out। Improve মানে উন্নত করা, Exhaust মানে ক্লান্ত করা বা নিঃশেষ করা, আর Cut out মানে কেটে বের করা।
উদাহরণ: Time cannot efface the memory of that day.
মনে রাখুন: Efface-এর সমার্থক শব্দ Erase, Delete, Wipe out। - ২৫. The best passive form of the sentence: ‘We don’t like idle people’-
- ক. We are not liked by idle people.
- খ. Idle people are not like us.
- গ. Idle people are not liked by us.
- ঘ. Idle people are not of our liking.
উত্তর: গ. Idle people are not liked by us.
Active voice থেকে Passive voice করতে হলে Object-কে Subject-এর জায়গায় বসাতে হয়, আর ক্রিয়াকে ‘be + past participle’ রূপে লিখতে হয়। আর আগের Subject বসে ‘by’-এর পরে। এখানে ‘We don’t like idle people’ বাক্যে Subject ‘We’ এবং Object ‘idle people’। তাই Passive: Idle people are not liked by us। অন্য বিকল্পগুলো অর্থ বদলে ফেলে বা Voice ঠিক রাখে না।
মনে রাখুন: Present Indefinite Tense-এর Passive গঠন: Subject + am/is/are + past participle। - ২৬. The correct sentence of the followings-
- ক. The Nile is longest river in Africa.
- খ. The Nile is Longest river in the Africa.
- গ. Nile is longest river in Africa.
- ঘ. The Nile is the longest river in Africa.
উত্তর: ঘ. The Nile is the longest river in Africa.
নদীর নামের আগে সাধারণত the বসে, যেমন the Nile, the Padma। Superlative degree-র বিশেষণ longest-এর আগেও the বসে। কিন্তু Africa মহাদেশের নাম, যার আগে article বসে না। তাই সঠিক বাক্য: The Nile is the longest river in Africa।
মনে রাখুন:
দেশ ও মহাদেশের নামের আগে সাধারণত the বসে না, কিন্তু the United States, the Netherlands-এর মতো কিছু নামে বসে।
সাগর ও পর্বতমালার নামের আগেও the বসে, যেমন the Pacific, the Himalayas। - ২৭. Browning was the composer of any of the following poems-
- ক. Two voices
- খ. The Scholar Gipsy
- গ. Andreadel Sarto
- ঘ. Oneone
উত্তর: গ. Andreadel Sarto
‘Andrea del Sarto’ রবার্ট ব্রাউনিংয়ের বিখ্যাত নাট্যিক স্বগতোক্তি (Dramatic monologue), যা তাঁর ‘Men and Women’ (১৮৫৫) সংকলনে আছে। ‘The Scholar-Gipsy’ লিখেছেন ম্যাথিউ আর্নল্ড, আর ‘The Two Voices’ ও ‘Oenone’ লিখেছেন আলফ্রেড টেনিসন।
মনে রাখুন: ব্রাউনিংয়ের অন্য বিখ্যাত কবিতা ‘My Last Duchess’ ও ‘The Ring and the Book’। - ২৮. The right word to fill in the gap of the following sentence- ‘Give her a telephone number to ring ____ she gets lost’-
- ক. whether
- খ. in case
- গ. unless
- ঘ. perhaps
উত্তর: খ. in case
‘In case’ বোঝায় ভবিষ্যতে কোনো সম্ভাব্য ঘটনার জন্য আগে থেকে সাবধানতা নেওয়া। এখানে মেয়েটি পথ হারালে কাজে লাগবে বলে আগেই ফোন নম্বর দেওয়া হচ্ছে, অর্থাৎ হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার জন্য সুরক্ষা। তাই ‘in case’ ঠিক। Whether মানে কি-না, Unless মানে না হলে, আর Perhaps মানে হয়তো, কোনোটাই এখানে অর্থ মেলায় না।
উদাহরণ: Take an umbrella in case it rains. - ২৯. The synonym of ‘Franchise’ –
- ক. Privilege
- খ. Utility
- গ. French
- ঘ. Frankness
উত্তর: ক. Privilege
Franchise শব্দের অর্থ বিশেষ অধিকার বা সুযোগ, যেমন ভোট দেওয়ার অধিকার, অথবা কোনো কোম্পানির পণ্য বিক্রির অনুমতি। তাই এর কাছাকাছি অর্থ Privilege। Utility মানে উপযোগিতা, Frankness মানে স্পষ্টবাদিতা, আর French মানে ফরাসি।
উদাহরণ: Women got the franchise in Britain in the early twentieth century.
মনে রাখুন: Franchise-এর সমার্থক Right, Privilege, Licence। - ৩০. The opposite word of ‘sluggish’-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. Animated
- খ. Dull
- গ. Heavy
- ঘ. Slow
উত্তর: ক. Animated
Sluggish মানে মন্থর এবং শক্তিহীন। এর বিপরীত শব্দ Animated, অর্থাৎ প্রাণবন্ত বা উদ্যমী। Dull, Heavy ও Slow অর্থে Sluggish-এর কাছাকাছি, তাই এগুলো সমার্থক ধারার শব্দ।
উদাহরণ: The sluggish boy became animated when he saw the ball.
মনে রাখুন: Sluggish-এর সমার্থক Lazy, Inactive। - ৩১. The correct spelling is-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. Humourous
- খ. Humourious
- গ. Humorous
- ঘ. Humorious
উত্তর: গ. Humorous
সঠিক বানান Humorous। ব্রিটিশ বানানে বিশেষ্য Humour-এ ‘u’ থাকে, কিন্তু ‘-ous’ প্রত্যয় যোগ করলে ‘u’ বাদ পড়ে, ফলে Humorous হয়। Humourous বা Humorious ভুল।
মনে রাখুন: একই নিয়মে Honour থেকে Honorable বা Honourable দুটি রূপ চলে, আর Labour থেকে Laborious হয়। - ৩২. ‘Equivocation’ means-
- ক. A true statement
- খ. Equal opportunity to get a job
- গ. Free expression of opinions
- ঘ. Two contrary things in the same statement
উত্তর: ঘ. Two contrary things in the same statement
Equivocation মানে দ্ব্যর্থক বা অস্পষ্ট কথা বলা, যাতে সত্য কথার দায় এড়ানো যায়। এ ধরনের বক্তব্যকে দুই রকম, এমনকি পরস্পরবিরোধী অর্থেও বোঝা যায়। তাই একই বক্তব্যে দুটি বিপরীত অর্থ থাকাই এর সঠিক অর্থ। A true statement বা Free expression-এর সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন: Equivocal মানে দ্ব্যর্থক, আর Unequivocal মানে সুস্পষ্ট। - ৩৩. When a person says he’s all in’, it means-
- ক. he is very tired
- খ. He has arrived
- গ. He has finished packing
- ঘ. he has got everything
উত্তর: ক. he is very tired
‘All in’ একটি অনানুষ্ঠানিক বাগধারা, যার অর্থ অত্যন্ত ক্লান্ত। কেউ ‘I’m all in’ বললে সে বোঝাতে চায় যে তার আর শক্তি নেই। তাই সঠিক উত্তর He is very tired।
উদাহরণ: After the long walk, I was all in.
মনে রাখুন: ‘Worn out’ ও ‘Dead tired’ একই অর্থের বাগধারা। - ৩৪. ‘Bill of fare’ is-
- ক. a chart of bus fare
- খ. A price list
- গ. A valuable document
- ঘ. A list of dishes at a restaurant
উত্তর: ঘ. A list of dishes at a restaurant
‘Bill of fare’ একটি পুরোনো ইংরেজি বাগধারা, যার অর্থ খাবারের তালিকা বা মেনু। রেস্তোরাঁয় কী কী খাবার পাওয়া যায় তার তালিকাকেই এই নামে ডাকা হতো। বাস ভাড়ার তালিকা বা দামের তালিকার সঙ্গে এর অর্থ মেলে না।
মনে রাখুন: আজকাল এই অর্থে সাধারণত Menu শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - ৩৫. A ‘bull market’ means that share prices are-
- ক. Falling
- খ. Rising
- গ. Moving
- ঘ. Static
উত্তর: খ. Rising
শেয়ারবাজারে Bull market বলতে এমন সময় বোঝায় যখন শেয়ারের দাম টানা বাড়তে থাকে এবং বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী থাকেন। এর নামের কারণ, ষাঁড় শিং ওপরের দিকে ওঠায়। বিপরীত অবস্থাকে বলে Bear market, যখন দাম নামতে থাকে।
মনে রাখুন: Bear (ভালুক) থাবা নিচের দিকে মারে, তাই Bear market মানে মন্দাভাব। - ৩৬. ‘Blue chips’ are-
- ক. Securities issued by the government
- খ. Industrial shares considered to be a safe investment
- গ. Industrial shares considered to be a risky investment
- ঘ. A list of dishes at a restaurant
উত্তর: খ. Industrial shares considered to be a safe investment
Blue chip হলো বড়, সুপ্রতিষ্ঠিত ও আর্থিকভাবে মজবুত কোম্পানির শেয়ার। এ ধরনের কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত লাভ দেয় এবং বাজারে তাদের সুনাম আছে, তাই এই শেয়ারকে নিরাপদ বিনিয়োগ ধরা হয়। শব্দটি এসেছে পোকার খেলা থেকে, সেখানে নীল চিপের মূল্য সবচেয়ে বেশি।
মনে রাখুন: Bond বা Securities সরকারি ঋণপত্র হতে পারে, কিন্তু Blue chip সরকারের নয়, কোম্পানির শেয়ার। - ৩৭. ‘Razzmatazz’ means-
- ক. A musical instrument
- খ. A well-planned programme
- গ. A noisy activity
- ঘ. A musical drama
উত্তর: গ. A noisy activity
Razzmatazz মানে হইচই ও জাঁকজমকপূর্ণ উত্তেজক কর্মকাণ্ড, যা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য করা হয়। যেমন বড় কোনো অনুষ্ঠানের আগে বিজ্ঞাপন ও আলোর ঝলকানি। তাই সঠিক অর্থ A noisy activity।
উদাহরণ: The film opened with a lot of razzmatazz. - ৩৮. ‘Blockbuster’ means-আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. A large solid piece of store
- খ. A device to cut off a person’s head as a punishment
- গ. Something that makes movement difficult
- ঘ. A powerful explosive to demolish buildings
উত্তর: ঘ. A powerful explosive to demolish buildings
Blockbuster শব্দটি প্রথমে এমন শক্তিশালী বোমাকে বোঝাত, যা একটি পুরো ব্লক বা পাড়া ধ্বংস করে দিতে পারে। এই অর্থেই বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘A powerful explosive to demolish buildings’ সঠিক। পরে শব্দটির অর্থ সম্প্রসারিত হয়ে অসম্ভব জনপ্রিয় ও সফল সিনেমা বা বইকেও বোঝায়।
উদাহরণ: The film became a blockbuster at the box office. - ৩৯. Any one of the following pairs are literary collaborators-
- ক. Eliot and Pound
- খ. Yeats and Eliot
- গ. Pope and Dryden
- ঘ. Shelly and Keats
উত্তর: ক. Eliot and Pound
T. S. Eliot ও Ezra Pound সাহিত্যকর্মে ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। এজরা পাউন্ড এলিয়টের বিখ্যাত কবিতা ‘The Waste Land’-এর পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা করে অনেকটা ছোট ও গোছালো করে দেন। এলিয়ট কবিতাটি পাউন্ডকে উৎসর্গ করেন ‘il miglior fabbro’ (শ্রেষ্ঠ শিল্পী) বলে। Yeats, Pope, Dryden, Shelley ও Keats বন্ধু বা সহযোগী লেখক হিসেবে এমনভাবে পরিচিত নন।
মনে রাখুন: ‘The Waste Land’ প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। - ৪০. The correct sentence of the followings-
- ক. A new cabinet has been sworn in in Dhaka.
- খ. A new cabinet has been sworn in Dhaka.
- গ. A new cabinet has been sworn by in Dhaka.
- ঘ. A new cabinet has sworn in Dhaka.
উত্তর: ক. A new cabinet has been sworn in in Dhaka.
‘Sworn in’ একটি phrasal verb, যার অর্থ শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়া। Passive voice-এ এটি হয় ‘has been sworn in’। তারপর স্থান বোঝাতে ‘in Dhaka’ বসে, তাই দুটি ‘in’ পাশাপাশি আসে। সঠিক বাক্য: A new cabinet has been sworn in in Dhaka। অন্য বিকল্পগুলোয় ‘in’ কম, ‘by’ বাড়তি অথবা ক্রিয়ার রূপ ভুল।
উদাহরণ: The President was sworn in on Monday. - ৪১. ‘To read between the lines’ means-
- ক. To read carefully
- খ. To read only some lines
- গ. To read quickly to save time
- ঘ. To read carefully to find out any hidden meaning
উত্তর: ঘ. To read carefully to find out any hidden meaning
‘To read between the lines’ বাগধারার অর্থ কোনো লেখা বা কথার মধ্যে সরাসরি না বলা গোপন বা অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে নেওয়া। শুধু মনোযোগ দিয়ে পড়া বা দ্রুত পড়া এর অর্থ নয়, কারণ এখানে খেয়াল রাখতে হয় লেখক কী বলেননি, সেটিও।
উদাহরণ: His letter looked polite, but reading between the lines, I understood he was angry. - ৪২. The last word of the proverb, ‘Handsome is that handsome__.’
- ক. works
- খ. thinks
- গ. says
- ঘ. does
উত্তর: ঘ. does
প্রবাদটির পূর্ণ রূপ ‘Handsome is that handsome does’, যার অর্থ মানুষ সুন্দর কর্মের জন্য সুন্দর, চেহারার জন্য নয়। এখানে শেষ শব্দ does, কারণ ‘handsome does’ বলতে সুন্দর আচরণ করা বোঝায়। বাকি বিকল্প works, thinks ও says বসালে প্রবাদের গঠন নষ্ট হয়।
মনে রাখুন: সমার্থক প্রবাদ ‘Beauty is only skin deep’, আর বাংলায় ‘গুণ দিয়ে মানুষের বিচার’।
গাণিতিক যুক্তি
- ৪৩. কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে ৩, ৫ ও ৬ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ হবে ১?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. ৭১
- খ. ৪১
- গ. ৩১
- ঘ. ৩৯
উত্তর: গ. ৩১
যে সংখ্যাকে ৩, ৫ ও ৬ দিয়ে ভাগ করলে প্রতিবার ১ অবশিষ্ট থাকে, সেটি এই তিন সংখ্যার ল.সা.গু.-র গুণিতকের চেয়ে ১ বেশি। ক্ষুদ্রতম হতে হলে সেটি ল.সা.গু.-র চেয়ে ১ বেশি হবে। 3, 5 ও 6-এর ল.সা.গু. = 30, তাই সংখ্যাটি 30 + 1 = 31।
যাচাই: 31 ÷ 3, 31 ÷ 5 ও 31 ÷ 6 প্রতিবারই ভাগশেষ 1। - ৪৪. একটি কাঠের টুকরোর দৈর্ঘ্য আরেকটি টুকরোর দৈর্ঘ্যর ৩ গুণ। টুকরো দুটো সংযুক্ত করা হলে সংযুক্ত টুকরোটির দৈর্ঘ্য ছোট টুকরোর চেয়ে কতগুণ বড় হবে?
- ক. ৩ গুণ
- খ. ৪ গুণ
- গ. ৫ গুণ
- ঘ. ৮ গুণ
উত্তর: খ. ৪ গুণ
ছোট টুকরোর দৈর্ঘ্য x হলে বড় টুকরোর দৈর্ঘ্য 3x। দুটি জোড়া লাগালে মোট দৈর্ঘ্য x + 3x = 4x। তাই সংযুক্ত টুকরোটি ছোট টুকরোর 4x ÷ x = ৪ গুণ। - ৪৫. একটি ত্রিভুজাকৃতি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৮৪ বর্গগজ। ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু হতে ভূমির ওপর অংকতি লম্বের দৈর্ঘ্য ১২ গজ হলে ভূমির দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ১০ গজ
- খ. ১২ গজ
- গ. ১৪ গজ
- ঘ. ৭ গজ
উত্তর: গ. ১৪ গজ
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা। দেওয়া আছে ক্ষেত্রফল 84 বর্গগজ ও উচ্চতা 12 গজ। তাই 84 = ½ × ভূমি × 12 = 6 × ভূমি, অর্থাৎ ভূমি = 84 ÷ 6 = 14 গজ। - ৪৬. x – [ x – {x – (x + 1)}] এর মান কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৫১২৪) ২০১৯
- ক. x+1
- খ. 1
- গ. -1
- ঘ. x-1
উত্তর: গ. -1
বন্ধনী ভেতর থেকে বাইরের দিকে খুলতে হয়।
x - (x + 1) = x - x - 1 = -1
তারপর x - {-1} = x + 1
শেষে x - (x + 1) = -1
তাই রাশিটির মান -1।
মনে রাখুন: বন্ধনীর আগে বিয়োগ চিহ্ন থাকলে ভেতরের প্রতিটি পদের চিহ্ন উল্টে যায়। বন্ধনী খোলার ক্রম প্রথম বন্ধনী (), তারপর দ্বিতীয় বন্ধনী {}, তারপর তৃতীয় বন্ধনী []। - ৪৭. AB ও CD সরলরেখাদ্বয় ‘O’ বিন্দুতে ছেদ করলে নিচের কোন গাণিতিক বাক্যটি সঠিক হবে?
- ক. ∠AOD=∠BOC
- খ. ∠AOD=∠BOD
- গ. ∠BOC=∠AOC
- ঘ. ∠AOD>∠BOC
উত্তর: ক. ∠AOD=∠BOC
দুটি সরলরেখা AB ও CD যখন O বিন্দুতে ছেদ করে, তখন বিপরীত দিকের কোণগুলো বিপ্রতীপ কোণ হয়, আর বিপ্রতীপ কোণ সবসময় সমান। ∠AOD এবং ∠BOC পরস্পর বিপ্রতীপ কোণ, তাই ∠AOD = ∠BOC। ∠AOD ও ∠BOD পাশাপাশি থাকা সন্নিহিত কোণ, যাদের সমষ্টি 180°, সবসময় সমান হয় না।
মনে রাখুন: ∠AOC ও ∠BOD-ও বিপ্রতীপ কোণ, তাই ∠AOC = ∠BOD। - ৪৯. দুটি সংখ্যার গ.সা.গু, বিয়োগফল এবং ল.সা.গু যথাক্রমে ১২, ৬০ এবং ২৪৪৮। সংখ্যা দুটি কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. ১০৮, ১৪৪
- খ. ১১২, ১৪৮
- গ. ১৪৪, ২০৮
- ঘ. ১৪৪, ২০৪
উত্তর: ঘ. ১৪৪, ২০৪
দুটি সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু. = 12 × 2448 = 29376।
প্রতিটি বিকল্প দেখি। বিয়োগফল 60 হতে হবে, আর সংখ্যা দুটি 12-এর গুণিতক হতে হবে। ১৪৪ ও ২০৪ নিলে 204 - 144 = 60 এবং 144 × 204 = 29376, দুটোই মেলে।
আরও দেখা যায়, 144 = 12 × 12 ও 204 = 12 × 17, আর 12 ও 17 পরস্পর মৌলিক, তাই গ.সা.গু. 12। - ৫০. একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ঃ১। এতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৪ঃ১ হবে।আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯
- ক. ৮ গ্রাম
- খ. ৬ গ্রাম
- গ. ৩ গ্রাম
- ঘ. ৪ গ্রাম
উত্তর: ঘ. ৪ গ্রাম
১৬ গ্রাম গহনায় সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১, তাই সোনা 16 × 3/4 = 12 গ্রাম এবং তামা 16 × 1/4 = 4 গ্রাম।
সোনা মেশালে তামা একই থাকে। অনুপাত ৪ : ১ হলে সোনা হবে 4 × 4 = 16 গ্রাম।
তাই আরও মেশাতে হবে 16 - 12 = 4 গ্রাম সোনা। - ৫১. (125/27)-2/3
- ক. ১/২৫
- খ. ৫/২০
- গ. ৯/২৫
- ঘ. ৩/২০
উত্তর: গ. ৯/২৫
ঋণাত্মক সূচক ভগ্নাংশকে উল্টে দেয়। তাই (125/27)^(-2/3) = (27/125)^(2/3)।
27 = 3³ ও 125 = 5³, সুতরাং (27/125)^(1/3) = 3/5।
এর বর্গ (3/5)² = 9/25।
মনে রাখুন: a^(-n) = 1/aⁿ এবং a^(m/n) = (ⁿ√a)ᵐ। - ৫৩. x+y = 0 এবং 2x – y + 3 = 0 সরলরেখা দুটি কোন বিন্দুতে ছেদ করে?
- ক. (১/৩),(১/৩)
- খ. (১, ১)
- গ. (-৩, ৩)
- ঘ. (-১, ১)
উত্তর: ঘ. (-১, ১)
প্রথম সমীকরণ x + y = 0 থেকে x = -y। এটি দ্বিতীয় সমীকরণ 2x - y + 3 = 0-তে বসালে -2y - y + 3 = 0, অর্থাৎ 3y = 3 এবং y = 1। তখন x = -1।
যাচাই: 2(-1) - 1 + 3 = 0।
তাই রেখা দুটি (-1, 1) বিন্দুতে ছেদ করে। - ৫৪. যদি x2 + px + 6 = 0 এর মূল দুটি সমান হয় এবং p>0, তবে p এর মান কত?
- ক. √48
- খ. 0
- গ. √6
- ঘ. √24
উত্তর: ঘ. √24
দ্বিঘাত সমীকরণ (Quadratic equation) ax² + bx + c = 0-এর মূল দুটি সমান হওয়ার শর্ত হলো নিশ্চায়ক (Discriminant) শূন্য হওয়া, অর্থাৎ b² – 4ac = 0। কারণ মূল দুটির সূত্রে বর্গমূলের ভেতরের অংশটিই b² – 4ac, আর সেটি শূন্য হলে দুটি মূলের পার্থক্য আর থাকে না।
এখানে a = 1, b = p, c = 6। তাহলে p² – 4 × 1 × 6 = 0, অর্থাৎ p² = 24, সুতরাং p = ±√24। প্রশ্নে p > 0 বলা আছে, তাই p = √24।
মনে রাখুন:
নিশ্চায়ক ধনাত্মক হলে মূল দুটি বাস্তব ও অসমান।
নিশ্চায়ক শূন্য হলে মূল দুটি বাস্তব ও সমান।
নিশ্চায়ক ঋণাত্মক হলে বাস্তব মূল থাকে না।
মানসিক দক্ষতা
- ৪৮. লুপ্ত সংখ্যাটি কত? ৮১, ২৭, __, ৩, ১।
- ক. ৬
- খ. ৯
- গ. ১২
- ঘ. ১৫
উত্তর: খ. ৯
ধারাটির প্রতিটি পদ আগের পদকে ৩ দিয়ে ভাগ করে পাওয়া যায়। 81 ÷ 3 = 27, 27 ÷ 3 = 9, 9 ÷ 3 = 3, 3 ÷ 3 = 1। তাই লুপ্ত পদটি 9। এটি একটি গুণোত্তর ধারা, যার সাধারণ অনুপাত 1/3।
মনে রাখুন: ধারার সংখ্যাগুলো 3-এর ঘাত: 3⁴, 3³, 3², 3¹, 3⁰। - ৯৩. ১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার হলে, ১৯৯৫ সালের ঐ একই তারিখে হবে-
- ক. বৃহস্পতিবার
- খ. শুক্রবার
- গ. রবিবার
- ঘ. শনিবার
উত্তর: খ. শুক্রবার
এক বছরে ৩৬৫ দিন হলে সপ্তাহের বার এক দিন এগিয়ে যায়, আর অধিবর্ষ হলে এগোয় দুই দিন। কারণ ৭ দিনে এক সপ্তাহ, তাই কেবল ভাগশেষটাই বারের হিসাব বদলায়। ১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯৫ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাঝে ফেব্রুয়ারির ২৯ তারিখ নেই, কারণ ১৯৯৫ অধিবর্ষ নয়। তাই 365 ÷ 7 = 52 ভাগশেষ 1, অর্থাৎ বার এক দিন এগোয়। বৃহস্পতিবারের পরের বার শুক্রবার।
মনে রাখুন:
যে সাল ৪ দিয়ে ভাগ যায়, সেটি অধিবর্ষ। তবে শতবর্ষী সাল ৪০০ দিয়ে ভাগ না গেলে অধিবর্ষ হয় না।
উদাহরণ: ২০০০ অধিবর্ষ, ১৯০০ অধিবর্ষ নয়।
সাধারণ বিজ্ঞান
- ৫২. দুটি লম্বালম্বি শক্তির পরিমাণ ৫N এবং ৪N, তাদের লদ্ধি পরিমাণ কত?
- ক. ৩N
- খ. √১১N
- গ. √৪১N
- ঘ. ১N
উত্তর: গ. √৪১N
দুটি বল পরস্পর লম্বভাবে কাজ করলে লব্ধি পিথাগোরাসের উপপাদ্য দিয়ে বের হয়: R = √(P² + Q²)।
এখানে R = √(5² + 4²) = √(25 + 16) = √41 N।
মনে রাখুন: দুটি বলের মধ্যবর্তী কোণ θ হলে লব্ধি R = √(P² + Q² + 2PQ cos θ), লম্ব হলে cos 90° = 0। - ৮৮. ‘অ্যাকোয়া রেজিয়া’ বলতে বুঝায়-
- ক. কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড
- খ. কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিড
- গ. কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এবং কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ
- ঘ. কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণ
উত্তর: ঘ. কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণ
গাঢ় নাইট্রিক এসিড (HNO3) ও গাঢ় হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) ১ : ৩ অনুপাতে মেশালে অম্লরাজ বা অ্যাকোয়া রেজিয়া (Aqua Regia) তৈরি হয়। ল্যাটিন নামের অর্থ ‘রাজকীয় পানি’। সাধারণ কোনো এসিড সোনা বা প্লাটিনামকে গলাতে পারে না। কিন্তু এই মিশ্রণে নাইট্রিক এসিড সোনাকে জারিত করে, আর হাইড্রোক্লোরিক এসিড থেকে পাওয়া ক্লোরাইড আয়ন সেই সোনার আয়নকে দ্রবণে ধরে রাখে, ফলে ধাতুটি গলে যায়।
মনে রাখুন:
সোনা, প্লাটিনামের মতো রাজকীয় বা নোবেল ধাতু (Noble metal) অম্লরাজে গলে।
এই মিশ্রণ তাজা তৈরি করে ব্যবহার করতে হয়, কারণ সংরক্ষণ করলে এটি অস্থির হয়ে পড়ে। - ৮৯. বায়ুমণ্ডলের চাপের ফলে ভূগর্ভস্থ পানি লিফট পাম্পের সাহায্যে সর্বোচ্চ যে গভীরতা থেকে উঠানো যায়-
- ক. ১ মিটার
- খ. ১০ মিটার
- গ. ১৫ মিটার
- ঘ. ৩০ মিটার
উত্তর: খ. ১০ মিটার
লিফট পাম্প আসলে পানিকে টেনে তোলে না। পাম্পের ভেতরে বায়ুশূন্য স্থান তৈরি হলে বাইরের বায়ুমণ্ডলের চাপ নলের নিচের পানির ওপর কাজ করে এবং পানিকে ঠেলে ওপরে তোলে। বায়ুমণ্ডলের চাপ সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রায় 101325 Pa, তাই এই চাপ সর্বোচ্চ যে উচ্চতার পানির স্তম্ভ ধরে রাখতে পারে তা h = P/(ρg) = 101325/(1000 × 9.8) ≈ 10.3 m। এর চেয়ে গভীর থেকে লিফট পাম্পে পানি তোলা যায় না, তাই উত্তর প্রায় ১০ মিটার।
মনে রাখুন:
গভীর নলকূপ থেকে পানি তুলতে ফোর্স পাম্প বা সাবমার্সিবল পাম্প লাগে।
পারদ বায়ুচাপমাপক যন্ত্রে বায়ুমণ্ডল প্রায় 76 cm পারদস্তম্ভ ধরে রাখে, পারদ পানির চেয়ে ১৩.৬ গুণ ভারী বলে স্তম্ভের উচ্চতা অত কম। - ৯০. টুথপেস্টের প্রধান উপাদান-
- ক. জেলী ও মশলা
- খ. ভোজ্য তেল ও সোডা
- গ. সাবান ও পাউডার
- ঘ. ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল
উত্তর: গ. সাবান ও পাউডার
টুথপেস্টের কাজ দাঁতের ময়লা তুলে ফেলা। এ জন্য এতে সাবান বা ডিটারজেন্টজাতীয় পদার্থ থাকে, যা দাঁতে লেগে থাকা তেল-চর্বির ময়লা আলগা করে ফেনা তৈরি করে। আবার এতে সূক্ষ্ম পাউডার থাকে, যেমন ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, যা হালকা ঘষায় দাঁতের ওপরের দাগ তুলে ফেলে। এ দুটিই এর প্রধান উপাদান। তার সঙ্গে স্বাদের জন্য মশলা এবং দাঁতের ক্ষয় রোধে সামান্য ফ্লোরাইড মেশানো হয়।
মনে রাখুন:
ফ্লোরাইড দাঁতের এনামেল শক্ত করে এবং ক্ষয় ঠেকায়।
পেস্টকে নরম রাখতে গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয়। - ৯১. পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতি হয়-
- ক. সান্দ্রতা
- খ. স্থিতিস্থাপকতা
- গ. প্লবতা
- ঘ. পৃষ্ঠটান
উত্তর: ঘ. পৃষ্ঠটান
তরলের ওপরের তল যেন টানটান পর্দার মতো আচরণ করে এবং যতটা সম্ভব কম ক্ষেত্রফল নিতে চায়, তরলের এই ধর্মকে পৃষ্ঠটান (Surface Tension) বলে। একই আয়তনের মধ্যে গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল সবচেয়ে কম, তাই কোনো বাহ্যিক বল না থাকলে পানির ছোট ফোঁটা গোল আকার নেয়। সান্দ্রতা তরলের প্রবাহে বাধা, স্থিতিস্থাপকতা কঠিন পদার্থের ধর্ম, আর প্লবতা পানিতে ভাসার সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই এগুলো ফোঁটা গোল হওয়ার কারণ নয়।
মনে রাখুন:
তাপমাত্রা বাড়লে পৃষ্ঠটান কমে।
পানিতে সাবান বা ডিটারজেন্ট মেশালে পৃষ্ঠটান কমে যায়।
ফাউন্টেন পেনের কালি ওঠা, পানির ওপর পোকার হাঁটা, সবই পৃষ্ঠটানের উদাহরণ। - ৯২. মুক্তা হলো ঝিনুকের –
- ক. খোলসের টুকরা
- খ. চোখের মণি
- গ. প্রদাহের ফল
- ঘ. জমাট হরমোন
উত্তর: গ. প্রদাহের ফল
মুক্তা (Pearl) ঝিনুকের দেহে তৈরি হয়। ঝিনুকের খোলসের ভেতরে বালুকণা বা পরজীবীর মতো কোনো বাইরের জিনিস ঢুকে গেলে সেখানকার কোমল দেহে প্রদাহ বা অস্বস্তি তৈরি হয়। তখন ঝিনুক সেই জিনিসটির চারপাশে স্তরে স্তরে নেকার (Nacre) নামে একটি পদার্থ জমাতে থাকে, যার প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বোনেট। বছরের পর বছর এভাবে স্তর জমে মুক্তা গড়ে ওঠে। অতএব মুক্তা ঝিনুকের এই প্রদাহের ফল।
মনে রাখুন:
ঝিনুক মোলাস্কা পর্বের প্রাণী।
মুক্তার প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বোনেট।
কৃত্রিমভাবে ঝিনুকের ভেতরে ছোট বস্তু বসিয়ে চাষ করা মুক্তাকে কালচার্ড পার্ল বলে। - ৯৪. পোলিও টীকা আবিস্কারক জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে মারা যান, শহরটির নাম-
- ক. La Martini
- খ. La Zola
- গ. San Antonio
- ঘ. San Hose
উত্তর: খ. La Zola
পোলিও টিকার আবিষ্কারক মার্কিন বিজ্ঞানী জোনাস সাল্ক ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লা হোইয়া (La Jolla) শহরে মারা যান। বিকল্পে নামটি ‘La Zola’ বানানে ছাপা হয়েছে, কিন্তু শহরটি একই। এই শহরেই তাঁর প্রতিষ্ঠিত সাল্ক ইনস্টিটিউট অবস্থিত। তিনি ১৯৫৫ সালে মৃত পোলিও ভাইরাস থেকে তৈরি ইনজেকশনের টিকা সফলভাবে প্রয়োগের ঘোষণা দেন।
মনে রাখুন:
মুখে খাওয়ার জীবিত দুর্বল ভাইরাসের পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন আলবার্ট সাবিন।
পোলিও ভাইরাস স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে পক্ষাঘাত ঘটাতে পারে। - ৯৬. বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৬
- ক. রাজ কাঁকড়া
- খ. গণ্ডার
- গ. পিপীলিকাতুক ম্যানিস
- ঘ. স্নো লোরিস
উত্তর: ক. রাজ কাঁকড়া
যে প্রাণী কোটি কোটি বছর ধরে প্রায় একই রূপে টিকে আছে, তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম (Living Fossil) বলে। রাজ কাঁকড়া বা হর্সশু ক্র্যাব (Horseshoe crab) এমন একটি প্রাণী। এর পূর্বপুরুষেরা প্রায় ৪৫ কোটি বছর আগেও পৃথিবীতে ছিল এবং এখনকার রাজ কাঁকড়ার সঙ্গে তাদের গড়নে মিল আছে। বাংলাদেশের উপকূলে, বিশেষ করে কক্সবাজার ও কুয়াকাটা অঞ্চলে এটি পাওয়া যায়। রাজ কাঁকড়া আসলে কাঁকড়া নয়, এরা মাকড়সা ও বিচ্ছুর আত্মীয়।
মনে রাখুন:
এর রক্ত নীল, কারণ এতে তামাযুক্ত হিমোসায়ানিন থাকে।
অন্য জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ নটিলাস, কোয়েলাকান্থ মাছ ও জিঙ্কগো গাছ।
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি
- ৫৫. ‘ল্যাপটপ’ হলো এক ধরনের-
- ক. পর্বতারোহণ সামগ্রী
- খ. ছোট কুকুর
- গ. বাদ্যযন্ত্র
- ঘ. ছোট কম্পিটার
উত্তর: ঘ. ছোট কম্পিটার
ল্যাপটপ (Laptop) হলো ছোট আকারের বহনযোগ্য কম্পিউটার। ইংরেজি ‘Lap’ মানে কোল, কোলের ওপর রেখে ব্যবহার করা যায় বলেই এর এমন নাম। এতে পর্দা, কিবোর্ড, টাচপ্যাড ও ব্যাটারি একই যন্ত্রের ভেতরে লাগানো থাকে, তাই বিদ্যুতের সংযোগ ছাড়াও কিছুক্ষণ কাজ চালানো যায়। অন্য বিকল্পগুলোর সঙ্গে নামটির কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
ল্যাপটপের চেয়েও ছোট কম্পিউটারের উদাহরণ নোটবুক, ট্যাবলেট ও পামটপ।
আকারে সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী কম্পিউটার সুপার কম্পিউটার, আর ঘরে বা অফিসে ডেস্কের ওপর বসানো কম্পিউটারকে ডেস্কটপ (Desktop) বলে।
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- ৫৬. বাংলাদেশের পাহাড়শ্রেণী ভূ -তাত্ত্বিক যুগের ভূমিরূপ হচ্ছে-
- ক. প্লাইস্টোসিন যুগের
- খ. টারশিয়ারী যুগের
- গ. মায়োসিন যুগের
- ঘ. ডেবোনিয়াস যুগের
উত্তর: খ. টারশিয়ারী যুগের
বাংলাদেশের পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তের পাহাড়শ্রেণী, যেমন চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের পাহাড়, টারশিয়ারি (Tertiary) যুগে তৈরি হয়েছে। সে সময় হিমালয় পর্বত গড়ে ওঠার ধাক্কায় এই অঞ্চলের ভূমিস্তর ভাঁজ খেয়ে ওপরে উঠে আসে, তাই এগুলোকে ভাঁজ পর্বত বলা হয়। দেশের সবচেয়ে পুরোনো ভূমিরূপ কিন্তু এগুলো নয়।
মনে রাখুন:
বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর গড় ও ভাওয়াল গড় প্লাইস্টোসিন (Pleistocene) যুগের ভূমিরূপ।
বাংলাদেশের সমভূমি ও বদ্বীপ অঞ্চল সবচেয়ে নতুন, হলোসিন যুগের পলিতে গঠিত।
টারশিয়ারি পাহাড়ের মধ্যে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ বান্দরবানের তাজিংডং। - ৫৭. বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত স্থানের নাম-
- ক. তেঁতুলিয়া
- খ. পঞ্চগড়
- গ. বাংলাবান্ধা
- ঘ. নকশালবাড়ি
উত্তর: গ. বাংলাবান্ধা
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের স্থান পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা। এখানে একটু সাবধান হওয়া দরকার। পঞ্চগড় হলো জেলার নাম, তেঁতুলিয়া হলো উপজেলার নাম, আর বাংলাবান্ধা হলো সেই উপজেলার সীমান্তের নির্দিষ্ট স্থান। প্রশ্নে নির্দিষ্ট স্থান জানতে চাওয়া হয়েছে বলে উত্তর বাংলাবান্ধা। নকশালবাড়ি আমাদের দেশে নয়, এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি অঞ্চলের একটি এলাকা।
মনে রাখুন:
বাংলাবান্ধায় বাংলাদেশের উত্তরের একটি স্থলবন্দর আছে, যার ওপারে ভারতের ফুলবাড়ী।
বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের স্থান কক্সবাজারের টেকনাফ অঞ্চলে অবস্থিত। - ৫৮. ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ এর মানে-
- ক. একটি খেলার মাঠ
- খ. একটি প্লাবন ভূমির নাম
- গ. বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
- ঘ. ঢাকা সেনানিবাসের পোলা গ্রাউন্ডের নাম
উত্তর: গ. বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ (Swatch of No Ground) হলো বঙ্গোপসাগরের একটি গভীর সমুদ্র-খাদ বা গিরিখাত। ইংরেজি নামের মানে ‘যেখানে তল পাওয়া যায় না’। নাবিকেরা আগের দিনে দড়ি ফেলে গভীরতা মাপত, কিন্তু এখানে দড়ি তলায় পৌঁছাত না। সেই থেকেই এমন নাম। এটি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার ভেতরে পড়েছে এবং গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ থেকে আসা পলি এই খাদ দিয়ে গভীর সাগরে নামে।
মনে রাখুন:
এই খাদকে বাংলায় অনেক সময় ‘সাবমেরিন ক্যানিয়ন’ বলা হয়।
এখানে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য বেশি বলে এলাকাটিকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা (Marine Protected Area) ঘোষণা করা হয়েছে। - ৭১. বাংলাদেশে ঢোকার পর গঙ্গা নদী, ব্রহ্মপুত্র-যমুনার সাথে নিম্নোক্ত একটা জায়গায় মেশে-
- ক. গোয়ালন্দ
- খ. বাহাদুরাবাদ
- গ. ভৈরববাজার
- ঘ. নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: ক. গোয়ালন্দ
গঙ্গা নদী ভারত থেকে বাংলাদেশে ঢুকে পদ্মা নাম নেয়। এরপর রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার সঙ্গে পদ্মার মিলন ঘটে। মিলিত এই স্রোত পদ্মা নামেই বয়ে গিয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সঙ্গে মেশে, তারপর মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পড়ে।
মনে রাখুন:
গঙ্গার প্রধান শাখা পদ্মা, আর ভারতের অংশে শাখাটির নাম ভাগীরথী-হুগলি।
ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশে যমুনা নামে পরিচিত। - ৮২. কক্সবাজার ছাড়া বাংলাদেশের আর একটি আকর্ষণীয় ও পর্যটন অনুকূল সমুদ্র সৈকত-
- ক. নোয়াখালীর ছাগলনাইয়া
- খ. চট্টগ্রামের বাঁশখালি
- গ. খুলনার মংলা
- ঘ. পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
উত্তর: ঘ. পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
কক্সবাজারের পরে বাংলাদেশের আরেকটি প্রসিদ্ধ ও আকর্ষণীয় সমুদ্রসৈকত হলো পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা। এটি দেশের দক্ষিণ উপকূলে কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত। এখানে একই সৈকতে দাঁড়িয়ে সাগরের বুকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়, যা বাংলাদেশের আর কোথাও সম্ভব নয়। এ কারণে কুয়াকাটাকে ‘সাগরকন্যা’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকতগুলোর একটি, দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিলোমিটার।
কুয়াকাটার কাছে বৌদ্ধ মন্দির ও রাখাইন পল্লি দেখার মতো জায়গা।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
- ৬০. নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রস্তাব জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কোন বিশেষ অধিবেশন গৃহীত হয়?
- ক. দ্বিতীয়
- খ. তৃতীয়
- গ. পঞ্চম
- ঘ. ষষ্ঠ
উত্তর: ঘ. ষষ্ঠ
১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ষষ্ঠ বিশেষ অধিবেশনে নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার (New International Economic Order, সংক্ষেপে NIEO) ঘোষণা ও কর্মসূচি গৃহীত হয়। ধনী উত্তরের দেশগুলো বিশ্ববাণিজ্য ও সম্পদের বড় অংশ ভোগ করছিল, আর দরিদ্র দক্ষিণের উন্নয়নশীল দেশগুলো ন্যায্য দামে কাঁচামাল বিক্রি ও প্রযুক্তি পাওয়ার দাবি তুলছিল। সেই দাবির ভিত্তিতেই এই প্রস্তাব আসে।
মনে রাখুন:
এই বিশেষ অধিবেশনটি হয় ১৯৭৪ সালের এপ্রিল-মে মাসে।
ধনী উত্তর ও দরিদ্র দক্ষিণের এই অর্থনৈতিক ব্যবধান নিয়ে আলোচনাকে উত্তর-দক্ষিণ সংলাপ (North-South dialogue) বলা হয়। - ৬১. মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত আয়তনে সর্ববৃহৎ প্রজাতন্ত্রের নাম-
- ক. তাজিকিস্তান
- খ. কাজাখস্তান
- গ. উজবেকিস্তান
- ঘ. কিরগিজস্তান
উত্তর: খ. কাজাখস্তান
মধ্য এশিয়ায় পাঁচটি প্রজাতন্ত্র আছে: কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, কিরগিজস্তান ও তাজিকিস্তান। এগুলো আগে সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল। এদের মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে বড় কাজাখস্তান। দেশটির আয়তন প্রায় ২৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, আর এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ, অর্থাৎ যার কোনো সমুদ্রতীর নেই।
মনে রাখুন:
জনসংখ্যায় মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম দেশ উজবেকিস্তান।
কাজাখস্তানের রাজধানী এখন আস্তানা, আগে আলমাটি ছিল। - ৬২. জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. হারারে, ১৯৮৯ সালে
- খ. বেলগ্রেডে, ১৯৬১ সালে
- গ. হাভানা, ১৯৭৩ সালে
- ঘ. কায়রো, ১৯৭০ সালে
উত্তর: খ. বেলগ্রেডে, ১৯৬১ সালে
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (Non-Aligned Movement, NAM) প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হয় ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে। তখন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ঠান্ডা যুদ্ধ চলছিল, আর নবস্বাধীন দেশগুলো কোনো শক্তিজোটে না গিয়ে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে চেয়েছিল। এই আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন যুগোস্লাভিয়ার টিটো, ভারতের নেহরু, মিসরের নাসের, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণ ও ঘানার নক্রুমা।
মনে রাখুন:
এর আগে ১৯৫৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার বান্দুংয়ে এশীয়-আফ্রিকান সম্মেলন হয়, যা এই আন্দোলনের পটভূমি তৈরি করে।
বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্স সম্মেলনে এই আন্দোলনের সদস্য হয়। - ৬৩. ১৭২৫ সালে বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ চালু হয়েছিল ইউরোপের একটি শহরে, তার নাম এবং রেস্তোরাঁর নাম-
- ক. ইতালির মিলান শহর, মালদিনীয়ানি
- খ. জার্মানির হামবুর্গ শহর, ক্যাসানোভা
- গ. স্পেনের মাদ্রিদ শহর, কাসা বোতিল
- ঘ. ফ্রান্সের টুলোন শহর, লাফ্রাসে
উত্তর: গ. স্পেনের মাদ্রিদ শহর, কাসা বোতিল
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ১৭২৫ সালে যাত্রা শুরু করা ‘সোব্রিনো দে বোতিন’ (Sobrino de Botín), যার সংক্ষিপ্ত নাম কাসা বোতিন, এখনো চালু থাকা বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো রেস্তোরাঁ বলে গিনেস বুকে স্বীকৃত। তাই শহর হিসেবে মাদ্রিদ আর রেস্তোরাঁর নাম হিসেবে কাসা বোতিন মিলিয়েই সঠিক বিকল্প পাওয়া যায়। প্রশ্নের বিকল্পে নামের বানান কিছুটা ভিন্নভাবে লেখা আছে, কিন্তু শহর ও রেস্তোরাঁ একই।
মনে রাখুন:
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ, আর দেশটির সবচেয়ে বড় শহরগুলোর মধ্যে বার্সেলোনা পড়ে।
ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিকের মাঝের ইবেরীয় উপদ্বীপের বড় অংশ জুড়ে স্পেন অবস্থিত। - ৬৪. বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস প্রতিপালিত হয় প্রতি বছরের-
- ক. ৩১ জানুয়ারি
- খ. ৩১ মার্চ
- গ. ৩০ এপ্রিল
- ঘ. ৩১ মে
উত্তর: ঘ. ৩১ মে
প্রতি বছর ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস (World No Tobacco Day) পালিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সদস্য দেশগুলো ১৯৮৭ সালে এই দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তামাক ও ধূমপান ক্যানসার, হৃদরোগ ও ফুসফুসের রোগের বড় কারণ, তাই মানুষকে সচেতন করাই এই দিনের উদ্দেশ্য।
মনে রাখুন:
৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।
১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস।
২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস। - ৬৫. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ উপহার দেয় যে রাষ্ট্র-
- ক. যুক্তরাজ্য
- খ. ফ্রান্স
- গ. জাপান
- ঘ. জার্মানি
উত্তর: খ. ফ্রান্স
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার শতবর্ষ উপলক্ষে ফ্রান্সের জনগণ আমেরিকাকে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ (Statue of Liberty) উপহার দেয়। ফরাসি ভাস্কর ফ্রেডেরিক অগস্ত বার্থোল্ডি মূর্তির নকশা করেন, আর এর ভেতরের লোহার কাঠামো তৈরি করেন প্রকৌশলী গুস্তাভ আইফেল। ১৮৮৬ সালে নিউইয়র্ক বন্দরের লিবার্টি দ্বীপে মূর্তিটি উন্মোচন করা হয়। সুতরাং যুক্তরাজ্য, জাপান বা জার্মানি নয়, উপহারদাতা ফ্রান্স।
মনে রাখুন:
এই দ্বীপের আগের নাম বেডলোস আইল্যান্ড।
১৯৮৪ সালে মূর্তিটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ঢোকে। - ৬৬. নিম্নের যে দেশটি জাতিসংঘের সদস্য নয়-
- ক. নামিবিয়া
- খ. সুইজারল্যান্ড
- গ. কিউবা
- ঘ. পানামা
উত্তর: খ. সুইজারল্যান্ড
পরীক্ষার সময়ে (১৭তম বিসিএস) সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘের সদস্য ছিল না। দেশটি দীর্ঘদিন স্থায়ী নিরপেক্ষতার নীতি মেনে চলত এবং মনে করত যে জাতিসংঘে যোগ দিলে সেই নীতি ক্ষুণ্ণ হতে পারে। নামিবিয়া, কিউবা ও পানামা তখন সদস্য ছিল। নামিবিয়া ১৯৯০ সালে স্বাধীন হয়ে জাতিসংঘের সদস্য হয়।
হালনাগাদ: সুইজারল্যান্ড গণভোটের পর ২০০২ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয়েছে, তাই এখন এই প্রশ্নের উত্তর অন্য রকম হতো। - ৬৭. আধুনিক অলিম্পিকের প্রবর্তক বা জনক-
- ক. বেডেন পাওয়েল
- খ. ব্যারন পিয়ারে দ্য কুবার্তা
- গ. প্যারেজ দ্য কুয়েলার
- ঘ. জুয়ান এন্টনিও সামারাঞ্চ
উত্তর: খ. ব্যারন পিয়ারে দ্য কুবার্তা
ব্যারন পিয়ের দ্য কুবার্তাঁ (Pierre de Coubertin) ছিলেন একজন ফরাসি শিক্ষাবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক। প্রাচীন গ্রিক অলিম্পিকের আদলে আধুনিক অলিম্পিক গেমস চালু করার উদ্যোগ তিনিই নিয়েছিলেন, তাই তাঁকে আধুনিক অলিম্পিকের জনক বলা হয়। তাঁর চেষ্টায় ১৮৯৪ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (IOC) গঠিত হয়, আর ১৮৯৬ সালে গ্রিসের এথেন্সে প্রথম আধুনিক অলিম্পিক হয়।
মনে রাখুন:
হুয়ান আন্তোনিও সামারাঞ্চ পরে (১৯৮০-২০০১) আইওসি-র সভাপতি ছিলেন।
বেডেন পাওয়েল স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
প্রাচীন অলিম্পিক হতো গ্রিসের অলিম্পিয়ায়। - ৬৮. স্বাধীনতার আগে পাপুয়া নিউগিনি কোন দেশের অধীন ছিল?
- ক. ব্রিটেন
- খ. ফ্রান্স
- গ. অস্ট্রেলিয়া
- ঘ. নিউজিল্যান্ড
উত্তর: গ. অস্ট্রেলিয়া
পাপুয়া নিউগিনি ১৯৭৫ সালে স্বাধীনতা পাওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসনের অধীনে ছিল। দ্বীপের উত্তরাংশ প্রথমে জার্মান ও দক্ষিণাংশ ব্রিটিশ দখলে ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পুরো এলাকা অস্ট্রেলিয়ার তত্ত্বাবধানে যায়। স্বাধীন হওয়ার পর দেশটি কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
মনে রাখুন:
দেশটির রাজধানী পোর্ট মোরেসবি।
পাপুয়া নিউগিনি ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি দ্বীপরাষ্ট্র। - ৬৯. আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের ওপর তেল অবরোধ করে-
- ক. ১৯৭০ সালে
- খ. ১৯৭৩ সালে
- গ. ১৯৭৪ সালে
- ঘ. ১৯৭৮ সালে
উত্তর: খ. ১৯৭৩ সালে
১৯৭৩ সালের অক্টোবরে মিসর ও সিরিয়ার সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ হয়, যাকে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ বা ইয়ম কিপ্পুর যুদ্ধ বলা হয়। যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি পশ্চিমা দেশ ইসরায়েলকে সমর্থন করলে আরব তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো (OAPEC) সেই দেশগুলোতে তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অল্প সময়ে কয়েক গুণ বেড়ে যায়, যা ‘প্রথম তেল সংকট’ নামে পরিচিত।
মনে রাখুন:
তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক (OPEC) ১৯৬০ সালে গঠিত হয়। - ৭০. বেনেলাক্স (BENELUX) বলতে যে দেশগুলোকে বোঝায়-
- ক. সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড
- খ. চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, জার্মানি
- গ. বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ
- ঘ. ইংল্যান্ড, আইরিশ প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স
উত্তর: গ. বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ
বেনেলাক্স (BENELUX) নামটি তিনটি দেশের নামের প্রথম অংশ জুড়ে তৈরি: বেলজিয়াম (Belgium), নেদারল্যান্ডস (Netherlands) ও লুক্সেমবার্গ (Luxembourg)। এই তিন দেশ ইউরোপের পশ্চিম-উত্তর অংশে পাশাপাশি অবস্থিত এবং পারস্পরিক শুল্ক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার জন্য একটি অর্থনৈতিক জোট গড়েছে। পরে এই সহযোগিতাই ইউরোপীয় ঐক্যের পথ তৈরিতে সাহায্য করে।
মনে রাখুন:
বেনেলাক্সের তিন দেশই ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
সুইডেন, নরওয়ে ও ফিনল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভিয়া বা নর্ডিক অঞ্চলের দেশ। - ৭৪. ‘করনার স্টোন অব পিস’ – এই স্মৃতিসৌধটি সম্প্রতি স্থাপিত হয়েছে-
- ক. মাকাও
- খ. হাইতি
- গ. ওকিনাওয়া
- ঘ. ভিয়েতনাম
উত্তর: গ. ওকিনাওয়া
‘কর্নারস্টোন অব পিস’ (Cornerstone of Peace) হলো জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে স্থাপিত একটি স্মৃতিসৌধ। এটি ১৯৯৫ সালে স্থাপন করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ওকিনাওয়ার যুদ্ধে যুদ্ধরত সব পক্ষের নিহত মানুষের নাম এখানে কালো গ্র্যানাইট ফলকে খোদাই করা আছে, তাদের জাতি বা পক্ষ আলাদা করা হয়নি। তাই এটি শান্তির প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
ওকিনাওয়ার যুদ্ধ ১৯৪৫ সালে হয়।
এই দ্বীপ জাপানের দক্ষিণ প্রান্তের র্যুকিউ দ্বীপমালার অংশ। - ৭৫. উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা গঠিত হয়েছিল-
- ক. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
- খ. ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪
- গ. ২৬ মে ১৯৫৫
- ঘ. ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
উত্তর: ক. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (North Atlantic Treaty Organization, NATO) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বাড়ছিল, তাই পশ্চিমা দেশগুলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষার জন্য জোট বাঁধে। এর মূল নীতি হলো, একটি সদস্যের ওপর আক্রমণ সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে।
মনে রাখুন:
ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে।
এর বিপরীতে সোভিয়েত নেতৃত্বে ১৯৫৫ সালে ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা গঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠার সময় ন্যাটোর সদস্য ছিল ১২টি দেশ। - ৭৬. ওপেকভূক্ত একমাত্র অ-আরব এশীয় দেশ-
- ক. ইন্দোনেশিয়া
- খ. মালয়েশিয়া
- গ. থাইল্যান্ড
- ঘ. ফিলিপাইন
উত্তর: ক. ইন্দোনেশিয়া
পরীক্ষার সময়ে ইন্দোনেশিয়া ছিল ওপেক (OPEC) সদস্যদের মধ্যে প্রশ্নের বিকল্পগুলোর একমাত্র দেশ, যেটি এশিয়ার অ-আরব দেশ। মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন কখনো ওপেকের সদস্য হয়নি। ওপেক হলো তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন, যা ১৯৬০ সালে বাগদাদে গঠিত হয়।
হালনাগাদ: ইন্দোনেশিয়া ২০০৯ সালে সদস্যপদ স্থগিত করে, ২০১৬ সালে ফিরে আসে এবং একই বছর আবার সদস্যপদ স্থগিত করে। - ৭৭. Persona-non-grata শব্দসমষ্টি যে বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
- ক. রাজনীতিবিদ
- খ. ক্রীড়াবিদ
- গ. ব্যবসায়ী
- ঘ. কূটনীবিদ
উত্তর: ঘ. কূটনীবিদ
Persona non grata হলো একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার মানে ‘অবাঞ্ছিত ব্যক্তি’। কোনো দেশ যদি বিদেশি কূটনীতিকের আচরণে অসন্তুষ্ট হয়, তবে তাঁকে এই ঘোষণা দিতে পারে। তখন তাঁর নিজের দেশ হয় তাঁকে ফিরিয়ে নেয়, নয়তো তাঁর কূটনৈতিক পদ বাতিল করে। এ নিয়ম ১৯৬১ সালের ভিয়েনা কনভেনশনে কূটনৈতিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে আছে। তাই এটি মূলত কূটনীতিকদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
মনে রাখুন:
এর বিপরীত শব্দ Persona grata, যার অর্থ গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। - ৭৮. যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদে ‘Uniting for peace resolution’ গৃহীত হয়েছিল-
- ক. সুয়েজ যুদ্ধ
- খ. কোরীয়া যুদ্ধ
- গ. পাক-ভারত যুদ্ধ ১৯৬৫
- ঘ. ফকল্যান্ড যুদ্ধ
উত্তর: খ. কোরীয়া যুদ্ধ
১৯৫০ সালে কোরিয়া যুদ্ধের সময় নিরাপত্তা পরিষদ সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটোর কারণে কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিল না। তখন সাধারণ পরিষদ ‘শান্তির জন্য ঐক্য’ (Uniting for Peace) প্রস্তাব গ্রহণ করে। এতে বলা হয়, স্থায়ী সদস্যদের ভেটোর কারণে নিরাপত্তা পরিষদ ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদ নিজেই বিষয়টি বিবেচনা করে সম্মিলিত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পারবে।
মনে রাখুন:
প্রস্তাবটি ১৯৫০ সালের নভেম্বরে গৃহীত হয়।
সাধারণ পরিষদের সুপারিশ নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের মতো বাধ্যতামূলক নয়। - ৭৯. সার্ক-এর ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল-
- ক. মালেতে
- খ. কলম্বোতে
- গ. বাঙ্গালোরে
- ঘ. কাঠমান্ডুতে
উত্তর: খ. কলম্বোতে
সার্কের (SAARC, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা) ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন ১৯৯১ সালে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থাটির প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হয় ১৯৮৫ সালে ঢাকায়, আর সেখানেই সার্কের সনদ গৃহীত হয়। মাঝের সম্মেলনগুলো যথাক্রমে বাঙ্গালোর, কাঠমান্ডু, ইসলামাবাদ ও মালেতে হয়েছিল।
মনে রাখুন:
১ম ঢাকা (১৯৮৫), ২য় বাঙ্গালোর (১৯৮৬), ৩য় কাঠমান্ডু (১৯৮৭), ৪র্থ ইসলামাবাদ (১৯৮৮), ৫ম মালে (১৯৯০), ৬ষ্ঠ কলম্বো (১৯৯১), ৭ম ঢাকা (১৯৯৩)।
সার্কের সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। - ৮০. রাশিয়ার যে শহরে হাসপাতালে আক্রমণ করার পর বাধ্য হয়ে রাশিয়া চেচনিয়ার সাথে শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে তার নাম-
- ক. Budennovsk
- খ. Keldavisk
- গ. Dasanova
- ঘ. Gariev
উত্তর: ক. Budennovsk
১৯৯৫ সালের জুনে চেচেন বিদ্রোহী যোদ্ধারা রাশিয়ার বুদিয়োনোভস্ক (Budennovsk) শহরে হামলা চালিয়ে একটি হাসপাতালে শত শত মানুষকে জিম্মি করে। এর ফলে রাশিয়া বাধ্য হয়ে চেচেনদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। চেচনিয়া রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমের ককেশাস অঞ্চলের একটি অঞ্চল, যেটি সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার পর ১৯৯১ সালে নিজেকে স্বাধীন ঘোষণা করে। রাশিয়া তা মানেনি, তাই ১৯৯৪ সাল থেকে সেখানে যুদ্ধ চলছিল।
মনে রাখুন:
চেচনিয়ার রাজধানী গ্রোজনি।
এই যুদ্ধকে প্রথম চেচেন যুদ্ধ বলা হয়, যা ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত চলে।
অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান
১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৬)
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৮তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২৫)
- ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৪)
- ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৩)
- ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২২)
- ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২১)
- ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৯)
- ৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০১৮)
- ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৭)
- ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৫)
- ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৩)
- ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১১)
- ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১০)
- ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৯)
- ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৮)
- ২৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৫)
- ২৬তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৩)
- ২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৯)
- ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৬)
- ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৫)
- ১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি (১৯৯৪)
- ১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৩)
- ১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯০)
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন