লিয়ানা বুকস

২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২৩ মার্চ ২০০১। এখানে ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ৬০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

সাধারণ বিজ্ঞান

  1. ১. কোনো বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?
    • ক. খনির ভেতর
    • খ. পাহাড়ের ওপর
    • গ. মেরু অঞ্চলে
    • ঘ. বিষুব অঞ্চলে
    উত্তর: গ. মেরু অঞ্চলে
    কোনো বস্তুর ওজন W = mg, যেখানে m ভর এবং g অভিকর্ষজ ত্বরণ। ভর সবখানে একই থাকে, তাই ওজন নির্ভর করে g-এর ওপর। পৃথিবী মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা, তাই মেরু পৃথিবীর কেন্দ্রের সবচেয়ে কাছে এবং সেখানে g সবচেয়ে বেশি। তাছাড়া মেরুতে পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবও নেই। তাই বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি।
    মনে রাখুন:
    পাহাড়ের চূড়ায় কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়ে, আর খনির গভীরে নামলে g কমে। দুই ক্ষেত্রেই ওজন কমে।
    বিষুব অঞ্চলে পৃথিবী ফুলে আছে এবং ঘূর্ণনের প্রভাবও সবচেয়ে বেশি, তাই সেখানে ওজন কম।
  2. ২. প্রকৃতিতে সবচেয়ে শক্ত পদার্থ কোনটি?
    • ক. পিতল
    • খ. হীরা
    • গ. ইস্পাত
    • ঘ. গ্রানাইট
    উত্তর: খ. হীরা
    প্রকৃতিতে পাওয়া সবচেয়ে শক্ত পদার্থ হীরা। হীরা কার্বনের একটি রূপ, যেখানে প্রতিটি কার্বন পরমাণু আরও চারটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে দৃঢ় সমযোজী বন্ধনে যুক্ত থেকে ত্রিমাত্রিক কাঠামো তৈরি করে। এই দৃঢ় কাঠামোর কারণেই হীরা এত শক্ত। এ জন্য কাচ কাটার কাজে হীরা ব্যবহৃত হয়। ইস্পাত, পিতল ও গ্র্যানাইট শক্ত হলেও হীরার সমান নয়।
    মনে রাখুন:
    কার্বনের আরেকটি রূপ গ্রাফাইট নরম, পিচ্ছিল এবং বিদ্যুৎ পরিবাহী।
    খনিজের কাঠিন্য মাপার মোহ স্কেলে হীরার মান সর্বোচ্চ, ১০।
  3. ৩. ক্যাসেটের ফিতার শব্দ রক্ষিত থাকে কি হিসেবে?
    • ক. বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে
    • খ. মেমোরী চিপ হিসেবে
    • গ. চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
    • ঘ. কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে
    উত্তর: গ. চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
    ক্যাসেট টেপের ফিতায় আয়রন অক্সাইডের মতো চৌম্বক পদার্থের মিহি গুঁড়ার প্রলেপ থাকে। রেকর্ড করার সময় শব্দকে প্রথমে বিদ্যুৎ সংকেতে রূপান্তর করা হয়। এই সংকেত একটি ছোট তড়িৎচুম্বকের মাধ্যমে ফিতার কণাগুলোকে সংকেতের ধরন অনুযায়ী চুম্বকিত করে। ফলে শব্দ চৌম্বক ক্ষেত্র হিসেবে ফিতায় জমা থাকে। বাজানোর সময় প্রক্রিয়াটি উল্টো দিকে চলে, আর সংরক্ষিত চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে আবার বিদ্যুৎ সংকেত ও শব্দ তৈরি হয়।
    মনে রাখুন: কম্পিউটারের হার্ডডিস্কও তথ্য চৌম্বক ক্ষেত্র হিসেবে সংরক্ষণ করে।
  4. ৪. ফারেনহাইট ও সেলসিয়াসের স্কেলে কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে?
    • ক. ০°
    • খ. ১০০°
    • গ. ৪°
    • ঘ. -৪০°
    উত্তর: ঘ. -৪০°
    সেলসিয়াস (C) ও ফারেনহাইট (F) স্কেলের সম্পর্ক C/5 = (F − 32)/9। দুই স্কেলে একই পাঠ x হলে C = F = x বসিয়ে পাই x/5 = (x − 32)/9, অর্থাৎ 9x = 5x − 160। তাই 4x = −160 এবং x = −40।
    সুতরাং −40° তাপমাত্রায় দুটি স্কেলই একই মান দেখায়।
    মনে রাখুন:
    পানির হিমাঙ্ক 0°C = 32°F এবং স্ফুটনাঙ্ক 100°C = 212°F।
    কেলভিন স্কেলে K = C + 273।
  5. ৫. অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন কোনটি?
    • ক. পেনিসিলিন
    • খ. ইনসুলিন
    • গ. ফোলিক এসিড
    • ঘ. অ্যামিনো এসিড
    উত্তর: খ. ইনসুলিন
    অগ্ন্যাশয় (Pancreas) নামের গ্রন্থির মধ্যে আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স নামে কিছু কোষগুচ্ছ থাকে। এগুলো থেকে ইনসুলিন (Insulin) নামে একটি হরমোন নিঃসৃত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজ বা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসুলিন কম তৈরি হলে রক্তে শর্করা বেড়ে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়। পেনিসিলিন একটি অ্যান্টিবায়োটিক, ফোলিক অ্যাসিড একটি ভিটামিন আর অ্যামিনো অ্যাসিড আমিষের উপাদান, এগুলো কোনোটিই হরমোন নয়।
    মনে রাখুন: ইনসুলিন প্রথম আবিষ্কার করেন ব্যান্টিং ও বেস্ট, ১৯২১ সালে। আর রক্তে শর্করা বাড়ায় গ্লুকাগন হরমোন।
  6. ৬. টেস্টিং সল্ট-এর রাসায়নিক নাম কি?
    • ক. মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট
    • খ. সোডিয়াম গ্লুটামেট
    • গ. পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট
    • ঘ. সোডিয়াম মনোগ্লুটামেট
    উত্তর: ক. মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট
    টেস্টিং সল্ট নামে বাজারে যা পাওয়া যায়, তার রাসায়নিক নাম মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট (Monosodium Glutamate, সংক্ষেপে MSG)। এটি গ্লুটামিক অ্যাসিডের সোডিয়াম লবণ। এটি খাবারে মেশালে খাবারের স্বাদ ও ঘ্রাণ বেড়ে যায়। অন্য অপশনের পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট আসলে বেকিং সোডার মতো একটি ভিন্ন যৌগ।
    মনে রাখুন: ১৯০৮ সালে জাপানি বিজ্ঞানী কিকুনাই ইকেদা সামুদ্রিক শৈবাল থেকে গ্লুটামেট আলাদা করেন, আর এর স্বাদের নাম দেন ‘উমামি’।
  7. ৭. তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় কোন পদার্থ?
    • ক. তরল পদার্থ
    • খ. বায়বীয় পদার্থ
    • গ. কঠিন পদার্থ
    • ঘ. নরম পদার্থ
    উত্তর: খ. বায়বীয় পদার্থ
    একই পরিমাণ তাপ দিলে বায়বীয় পদার্থ বা গ্যাস সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়, তারপর তরল, আর কঠিন পদার্থ সবচেয়ে কম প্রসারিত হয়। এর কারণ হলো গ্যাসের অণুগুলোর মধ্যে আকর্ষণ খুব দুর্বল এবং ফাঁকা জায়গা অনেক বেশি। তাই তাপ পেলে অণুগুলো সহজেই দূরে সরে যেতে পারে। কঠিন পদার্থে অণুগুলো দৃঢ়ভাবে আটকে থাকে বলে তাদের প্রসারণ খুব কম।
    মনে রাখুন: পানি এর একটি ব্যতিক্রম। ০° থেকে ৪° সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম করলে পানি সংকুচিত হয়, আর ৪° সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
  8. ৮. পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কি কি থাকে ?
    • ক. নিউট্রন ও প্রোটন
    • খ. ইলেক্ট্রন ও প্রোটন
    • গ. নিউট্রন ও পজিট্রন
    • ঘ. ইলেক্ট্রন ও পজিট্রন
    উত্তর: ক. নিউট্রন ও প্রোটন
    পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস নামে একটি ছোট ও ভারী অংশ থাকে। এই নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে প্রোটন (ধনাত্মক আধানযুক্ত) ও নিউট্রন (আধানহীন)। ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের ভেতরে থাকে না, তারা বাইরে বিভিন্ন কক্ষপথে ঘোরে। আর পজিট্রন হলো ইলেকট্রনের প্রতিকণা, যা স্বাভাবিক পরমাণুর অংশ নয়।
    মনে রাখুন:
    প্রোটন ও নিউট্রনকে একত্রে নিউক্লিওন বলে।
    প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যার যোগফলকে ভরসংখ্যা বলা হয়।
  9. ৯. মাটির পাত্রে পানি ঠাণ্ডা থাকে কেন?
    • ক. মাটির পাত্র পানি থেকে তাপ শোষণ করে
    • খ. মাটির পাত্র ভালো তাপ পরিবাহী
    • গ. মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
    • ঘ. মাটির পাত্র তাপ কুপরিবাহী
    উত্তর: গ. মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
    মাটির পাত্রের গায়ে অসংখ্য অতি ছোট ছিদ্র থাকে। এসব ছিদ্র দিয়ে ভেতরের পানি ধীরে ধীরে চুঁইয়ে বাইরে আসে এবং সেখান থেকে বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। বাষ্পীভবনের জন্য তাপ লাগে, আর সেই তাপ নেওয়া হয় পাত্রের ভেতরের পানি থেকে। ফলে পানির তাপমাত্রা কমে যায় এবং পানি ঠান্ডা থাকে।
    মনে রাখুন:
    বাষ্পীভবনে ঠান্ডা হওয়ার আরেকটি উদাহরণ ঘামের শুকানো, ঘাম শুকানোর সময় দেহের তাপ নিয়ে যায় বলে আমাদের আরাম লাগে।
    গ্রামে এ জন্যই মাটির কলসি বা মটকার পানি গরমের দিনে ঠান্ডা থাকে।
  10. ১০. আকাশ মেঘলা থাকলে গরম বেশি লাগে কেন?
    • ক. মেঘ উত্তম তাপ পরিবাহক
    • খ. সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মেঘ তাপ উৎপন্ন করে
    • গ. বজ্রপাতের ফলে তাপ উৎপন্ন হয় বলে
    • ঘ. মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে
    উত্তর: ঘ. মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে
    দিনের বেলায় সূর্যের আলোয় ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয় এবং পরে সেই তাপ অবলোহিত রশ্মির আকারে ওপরের দিকে বিকিরণ করে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে সেই তাপ সহজে মহাশূন্যে বেরিয়ে যায়। কিন্তু আকাশে মেঘ থাকলে মেঘ ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় এবং আবার নিচের দিকে ফিরিয়ে দেয়। ফলে তাপ আটকে থাকে এবং আমাদের গরম বেশি লাগে।
    মনে রাখুন: একই কারণে মেঘলা রাত পরিষ্কার রাতের চেয়ে বেশি উষ্ণ থাকে।
  11. ১১. জীবের বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন করে?
    • ক. নিউক্লিওলাস
    • খ. নিউক্লিয়াস
    • গ. ক্রোমোজোম
    • ঘ. নিউক্লিওপ্লাজম
    উত্তর: গ. ক্রোমোজোম
    জীবের কোষের নিউক্লিয়াসের ভেতরে সুতার মতো ক্রোমোজোম (Chromosome) থাকে। ক্রোমোজোম DNA ও আমিষ দিয়ে গঠিত, আর DNA-র নির্দিষ্ট অংশ হলো জিন (Gene)। এই জিনই বাবা-মায়ের বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে বহন করে নিয়ে যায়, তাই ক্রোমোজোম বংশগতির বাহক। নিউক্লিয়াস কোষের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র, যার ভেতরে ক্রোমোজোম থাকে, কিন্তু সরাসরি বৈশিষ্ট্য বহন করে ক্রোমোজোমই।
    মনে রাখুন:
    মানুষের দেহকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬টি, অর্থাৎ ২৩ জোড়া।
    ক্রোমোজোম শব্দের অর্থ রঙিন বস্তু, কারণ রঞ্জকে এটি সহজে রঙিন হয়।
  12. ১২. প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে সবচেয়ে মৃদু পানি পাওয়া যায়?
    • ক. সাগর
    • খ. হ্রদ
    • গ. নদী
    • ঘ. বৃষ্টি
    উত্তর: ঘ. বৃষ্টি
    পানি কতটা কঠিন বা মৃদু তা নির্ভর করে এতে দ্রবীভূত ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের লবণের ওপর। এই লবণ বেশি থাকলে পানি খর বা কঠিন হয়, আর কম থাকলে মৃদু হয়। বৃষ্টির পানি মেঘের জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে তৈরি হয়, তাই এতে ওই লবণ প্রায় থাকে না। এ কারণে বৃষ্টির পানি প্রকৃতির সবচেয়ে মৃদু পানি। নদী, হ্রদ ও সাগরের পানি মাটি ও পাথরের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় নানা লবণ গ্রহণ করে।
    মনে রাখুন: খর পানিতে সাবান ভালো ফেনা করে না।
  13. ১৩. রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?
    • ক. কিডনির পাথর গলাতে
    • খ. পিত্তপাথর গলাতে
    • গ. গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
    • ঘ. নতুন পরমাণু তৈরিতে
    উত্তর: গ. গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
    যে পরমাণুর নিউক্লিয়াস অস্থির এবং তেজস্ক্রিয় রশ্মি ছেড়ে ভেঙে যায়, তাকে রেডিও আইসোটোপ বলে। থাইরয়েড গ্রন্থি স্বাভাবিকভাবেই আয়োডিন শোষণ করে। তাই রোগীকে তেজস্ক্রিয় আয়োডিন (আয়োডিন-131) খাওয়ালে তা থাইরয়েডে জমা হয়। এর বিকিরণ মেপে গলগণ্ডসহ থাইরয়েডের রোগ নির্ণয় করা যায়। কিডনি বা পিত্তের পাথর গলাতে রেডিও আইসোটোপ ব্যবহার করা হয় না, আর নতুন পরমাণুও এর মাধ্যমে তৈরি হয় না।
    মনে রাখুন:
    কোবাল্ট-60 ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
    কার্বন-14 দিয়ে প্রাচীন জীবাশ্ম বা বস্তুর বয়স নির্ণয় করা হয়।
  14. ১৪. বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে থাকে –
    • ক. পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
    • খ. অনেকগুলো ছোট ছোট দাঁতের দাগ
    • গ. ক্ষতস্থান থেকে প্রচুর রক্ষপাত হতে থাকে
    • ঘ. ক্ষতস্থানে প্রচুর বিষ লেগে থাকে
    উত্তর: ক. পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
    বিষধর সাপের ওপরের চোয়ালে দুটি লম্বা ও ফাঁপা বিষদাঁত থাকে, যার ভেতর দিয়ে শিকারের দেহে বিষ ঢোকে। তাই কামড় দিলে ক্ষতস্থানে পাশাপাশি দুটি গভীর দাঁতের দাগ দেখা যায়। নির্বিষ সাপের এমন বিষদাঁত থাকে না, তাদের কামড়ে অনেকগুলো ছোট ছোট দাঁতের দাগ পড়ে।
    মনে রাখুন:
    বিষধর সাপের উদাহরণ: গোখরা, কেউটে, চন্দ্রবোড়া, শঙ্খিনী।
    নির্বিষ সাপের উদাহরণ: দাঁড়াশ, ঢোঁড়া।
  15. ১৫. লোকভর্তি হল ঘরে শূন্য ঘরের চেয়ে শব্দ ক্ষীণ হয়, কারণ –
    • ক. লোকভর্তি ঘরে মানুষের সোরগোল হয়
    • খ. শূন্য ঘর নীরব থাকে
    • গ. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
    • ঘ. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়
    উত্তর: গ. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
    শব্দ কোনো নরম বা ছিদ্রযুক্ত বস্তুতে লাগলে তার একটি বড় অংশ শোষিত হয়ে যায়। মানুষের শরীর ও পোশাক নরম, তাই লোকভর্তি হলঘরে শব্দ বেশি শোষিত হয় এবং শব্দ ক্ষীণ শোনায়। শূন্য ঘরে শোষণ কম হয়, আর দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে শব্দ বারবার ফিরে আসে, তাই শব্দ জোরালো শোনায় এবং কখনো প্রতিধ্বনিও হয়।
    মনে রাখুন: সিনেমা হল বা অডিটোরিয়ামের দেয়ালে এ জন্যই পর্দা বা শব্দশোষক উপাদান লাগানো হয়।
  16. ১৭. ‘পিসিকালচার’ বলতে কি বোঝায়?
    • ক. হাঁস-মুরগি পালন
    • খ. মৌমাছি পালন
    • গ. মৎস্য চাষ
    • ঘ. রেশম চাষ
    উত্তর: গ. মৎস্য চাষ
    পিসিকালচার (Pisciculture) মানে মাছ চাষ। লাতিন piscis শব্দের অর্থ মাছ, আর culture মানে চাষ বা পালন। অন্য অপশনগুলোর আলাদা নাম আছে: হাঁস-মুরগি পালনকে পোলট্রি, মৌমাছি পালনকে এপিকালচার (Apiculture) এবং রেশম চাষকে সেরিকালচার (Sericulture) বলা হয়।
    মনে রাখুন: ফুল চাষের নাম ফ্লোরিকালচার, আর ফল ও সবজি চাষের নাম হর্টিকালচার।
  17. ১৮. উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র –
    • ক. ক্রনোমিটার
    • খ. ক্রোসকোগ্রাফ
    • গ. ট্যাকোমিটার
    • ঘ. ওডোমিটার
    উত্তর: গ. ট্যাকোমিটার
    ট্যাকোমিটার (Tachometer) ঘূর্ণায়মান কোনো অংশ কত বেগে ঘুরছে তা মাপে। উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বা প্রপেলারের ঘূর্ণনবেগ জানতে এটি কাজে লাগে। ক্রনোমিটার সূক্ষ্ম সময় মাপে আর ওডোমিটার যানবাহনের অতিক্রান্ত দূরত্ব মাপে। ক্রেসকোগ্রাফ নামের যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু, যা দিয়ে গাছের বৃদ্ধির হার মাপা হয়।
    মনে রাখুন: উড়োজাহাজের গতিবেগ মাপার যন্ত্র সাধারণভাবে এয়ারস্পিড ইন্ডিকেটর নামে পরিচিত।
  18. ১৯. মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র –
    • ক. স্ফিগমোম্যানোমিটার
    • খ. স্টেথস্কোপ
    • গ. ইকোকার্ডিওগ্রাফ
    • ঘ. কার্ডিগ্রাফ
    উত্তর: ক. স্ফিগমোম্যানোমিটার
    মানুষের রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নাম স্ফিগমোম্যানোমিটার (Sphygmomanometer)। এতে হাতে একটি ফিতা জড়িয়ে বাতাস পাম্প করে রক্তনালি চেপে ধরা হয়, তারপর বাতাস ছেড়ে দিয়ে রক্তপ্রবাহের শব্দ শোনা হয়। স্টেথোস্কোপ দিয়ে শুধু হৃৎস্পন্দন ও ফুসফুসের শব্দ শোনা যায়, রক্তচাপ মাপা যায় না। ইকোকার্ডিওগ্রাফ শব্দতরঙ্গ দিয়ে হৃৎপিণ্ডের ছবি তোলে।
    মনে রাখুন: স্বাভাবিক রক্তচাপ প্রায় 120/80 mmHg, যেখানে বড় সংখ্যাটি সিস্টোলিক ও ছোট সংখ্যাটি ডায়াস্টোলিক চাপ।
  19. ২০. বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ –
    • ক. কম হয়
    • খ. বেশি হয়
    • গ. একই হয়
    • ঘ. খুব কম হয়
    উত্তর: গ. একই হয়
    পুরোনো ধরনের পাখার রেগুলেটরে একটি রোধ (Resistance) ব্যবহার করা হয়। পাখার গতি কমাতে হলে এই রোধ বিদ্যুৎ প্রবাহের পথে বসে যায় এবং পাখার জন্য কম বিদ্যুৎ যায়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহের বাকি শক্তি রোধে তাপ হয়ে নষ্ট হয়, তাই পাখা ধীরে ঘুরলেও মোট বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই থাকে। এজন্য বিদ্যুৎ খরচ একই হয় বলে ধরা হয়।
    মনে রাখুন: আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটরে গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচও কমে।
  20. ২১. রেক্টিফাইড স্পিরিট হলো –
    • ক. ৯০% ইথাইল অ্যালকোহল + ১০% পানি
    • খ. ৮০% ইথাইল অ্যালকোহল + ২০% পানি
    • গ. ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি
    • ঘ. ৯৮% ইথাইল অ্যালকোহল + ২% পানি
    উত্তর: গ. ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি
    রেক্টিফাইড স্পিরিট হলো প্রায় ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল ও ৫% পানির মিশ্রণ। চিনি বা গুড় গাঁজিয়ে পাওয়া তরলকে পাতন করলে এই মিশ্রণ পাওয়া যায়। এর চেয়ে বেশি বিশুদ্ধ অ্যালকোহল সাধারণ পাতনে পাওয়া যায় না, কারণ ওই অনুপাতে মিশ্রণটি একই তাপমাত্রায় ফোটে এবং একসঙ্গে বাষ্প হয়। সম্পূর্ণ বা প্রায় ১০০% বিশুদ্ধ অ্যালকোহলকে অ্যাবসোলিউট অ্যালকোহল বলে।
    মনে রাখুন: মিথাইলেটেড স্পিরিট হলো ইথাইল অ্যালকোহলের সঙ্গে মিথানল মেশানো মিশ্রণ, যা পান করার অযোগ্য।
  21. ২২. তামার সাথে নিচের কোনটি মেশালে পিতল হয় ?
    • ক. নিকেল
    • খ. টিন
    • গ. সিসা
    • ঘ. দস্তা (জিঙ্ক)
    উত্তর: ঘ. দস্তা (জিঙ্ক)
    দুই বা তার বেশি ধাতু মিশিয়ে যে নতুন ধাতব পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে সংকর ধাতু বলে। তামার সঙ্গে দস্তা বা জিংক মেশালে পিতল (Brass) তৈরি হয়। তামার সঙ্গে টিন মেশালে হয় কাঁসা বা ব্রোঞ্জ। নিকেল ও সিসা মেশালে আলাদা সংকর তৈরি হয়, পিতল নয়।
    মনে রাখুন: পিতল দিয়ে সাধারণত বাদ্যযন্ত্র, কল-কব্জা ও জিনিসপত্র তৈরি হয়। আর ব্রোঞ্জ ও কাঁসা দিয়ে মূর্তি, ঘণ্টা ও থালা তৈরি হয়।
  22. ২৫. এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভরসংখ্যা বেড়ে যায় বলে তাদের বলা হয় –
    • ক. আইসোটোপ
    • খ. আইসোটোন
    • গ. আইসোমার
    • ঘ. আইসোবার
    উত্তর: ক. আইসোটোপ
    কোনো মৌলের সব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা সমান থাকে। কিন্তু কিছু পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা আলাদা হতে পারে, ফলে ভরসংখ্যাও আলাদা হয়। এমন পরমাণুদের আইসোটোপ (Isotope) বলে। যেমন কার্বন-12 ও কার্বন-14 দুটিতেই প্রোটন ৬টি, কিন্তু নিউট্রন ৬টি আর ৮টি। আইসোটোন বলতে নিউট্রন সংখ্যা সমান, আইসোবার বলতে ভরসংখ্যা সমান বোঝায়।
    মনে রাখুন: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ: প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম।
  23. ৪০. ফনোগ্রাফ কে আবিষ্কার করেন?
    • ক. রন্টজেন
    • খ. ফ্যারাডে
    • গ. মার্কনি
    • ঘ. এডিসন
    উত্তর: ঘ. এডিসন
    ফনোগ্রাফ এমন একটি যন্ত্র, যা শব্দ রেকর্ড করে আবার বাজিয়ে শোনাতে পারে। ১৮৭৭ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন এটি আবিষ্কার করেন। অন্য অপশনের বিজ্ঞানীরা অন্য আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত: রন্টজেন এক্স-রে, ফ্যারাডে তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ এবং মার্কনি বেতার যোগাযোগ।
    মনে রাখুন: এডিসন ১৮৭৯ সালে ব্যবহারযোগ্য বৈদ্যুতিক বাতিও তৈরি করেন।
  24. ৯৭. পেট্রোলের আগুন পানি দ্বারা নেভানো যায় না, কারণ ----
    • ক. পেট্রোলের সাথে পানি মিশে যায়
    • খ. পেট্রোল পানির সাথে মিশে না
    • গ. পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা
    • ঘ. খ ও গ উভয়ই ঠিক
    উত্তর: ঘ. খ ও গ উভয়ই ঠিক
    পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা এবং পানির সঙ্গে মেশে না। তাই পেট্রোলের আগুনে পানি ঢাললে পেট্রোল পানির ওপর ভেসে থাকে এবং জ্বলতেই থাকে। পানি এখানে আগুন নেভায় না, বরং ভাসমান জ্বলন্ত পেট্রোল চারদিকে ছড়িয়ে আগুন আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই দুটি কারণই সঠিক। এমন আগুন নেভাতে বালু, ফোম বা কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহার করা হয়।
    মনে রাখুন: তেল ও পানির এই আচরণের কারণ ঘনত্বের পার্থক্য: পানির ঘনত্ব বেশি, তেলের কম।

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

  1. ১৬. কম্পিউটারে কোনটি নেই?
    • ক. স্মৃতি
    • খ. বুদ্ধি বিবেচনা
    • গ. দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা
    • ঘ. নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা
    উত্তর: খ. বুদ্ধি বিবেচনা
    কম্পিউটার একটি যন্ত্র, যা মানুষের দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করে। নিজে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কম্পিউটারের নেই, অর্থাৎ এর নিজস্ব বুদ্ধি-বিবেচনা নেই। ভুল নির্দেশ দিলে সে ভুল ফলই দেয়, একে বলা হয় GIGO (Garbage In, Garbage Out)। অন্য তিনটি অপশন কম্পিউটারের গুণ: কম্পিউটারের স্মৃতি বা মেমরি আছে, সে ক্লান্ত না হয়ে দীর্ঘক্ষণ কাজ করতে পারে এবং নির্ভুলভাবে হিসাব করে।
    মনে রাখুন: কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য: গতি, নির্ভুলতা, স্মৃতি ধারণক্ষমতা ও অক্লান্তভাবে কাজ করার ক্ষমতা।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

  1. ২৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার কতটি?
    • ক. ২৯টি
    • খ. ২২টি
    • গ. ২১টি
    • ঘ. ২৬টি
    উত্তর: ক. ২৯টি
    বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) এ সরকারের বিভিন্ন বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা ক্যাডার থাকে, যেমন প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা। পরীক্ষার সময়ে (২০০১ সাল) এই ক্যাডার ছিল ২৯টি।
    হালনাগাদ: পরে কয়েকটি ক্যাডার একীভূত হওয়ায় বর্তমানে ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি।
    মনে রাখুন: বিসিএস পরীক্ষা নেয় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC)। প্রথম বিসিএস পরীক্ষা হয় ১৯৮১ সালে।
  2. ২৪. বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় কোন খাত থেকে?
    • ক. পাট ও পাটজাত দ্রব্য
    • খ. চা
    • গ. তৈরি পোশাক
    • ঘ. চিংড়ি মাছ
    উত্তর: গ. তৈরি পোশাক
    বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক (Readymade Garments, RMG) থেকে, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ ভাগেরও বেশি। আশির দশকে এই শিল্প গড়ে উঠতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে পাটকে সরিয়ে প্রধান রপ্তানি খাত হয়ে ওঠে। পাট ও পাটজাত দ্রব্য, চা ও চিংড়ি এখন তুলনায় ছোট খাত।
    মনে রাখুন: তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলো।
  3. ২৬. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
    • ক. আট
    • খ. দশ
    • গ. এগার
    • ঘ. পনের
    উত্তর: গ. এগার
    মুক্তিযুদ্ধকালে সারা দেশে যুদ্ধ পরিচালনা করা সহজ করার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে এই বিভাজন চূড়ান্ত হয়। প্রতিটি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, আর তাঁরা মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধ পরিকল্পনা করে নিজ নিজ এলাকায় অভিযান চালাতেন।
    মনে রাখুন: ১১টি সেক্টরের সঙ্গে জেড ফোর্স, কে ফোর্স ও এস ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড বাহিনী ছিল। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম এ জি ওসমানী।
  4. ২৭. ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?
    • ক. মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান
    • খ. মেজর জেনারেল মঞ্জুর
    • গ. মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
    • ঘ. মেজর জেনারেল এইচ এম এরশাদ
    উত্তর: গ. মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। ওই সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ। এ ঘটনার কিছুদিন পর, আগস্টের শেষ দিকে, তাঁর জায়গায় মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হন।
    মনে রাখুন: জিয়াউর রহমান তখন সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে কে এম শফিউল্লাহ এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন।

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

  1. ২৮. Food and Agricultural Organisation-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত ?
    • ক. রোম
    • খ. জেনেভা
    • গ. ব্যাংকক
    • ঘ. প্যারিস
    উত্তর: ক. রোম
    খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (Food and Agriculture Organization, FAO) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। এর সদর দপ্তর ইতালির রাজধানী রোমে। সংস্থাটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা দূর করা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষির উন্নয়ন করা এর প্রধান কাজ। জেনেভায় থাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), আর প্যারিসে ইউনেস্কো।
    মনে রাখুন: প্রতিবছর ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়, যা FAO প্রতিষ্ঠার দিন স্মরণ করে।
  2. ২৯. ‘The Asian Drama’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • ক. অমর্ত্য সেন
    • খ. গুনার মিরডাল
    • গ. মাইকেল লিফটন
    • ঘ. উইলয়াম রস্টো
    উত্তর: খ. গুনার মিরডাল
    ‘Asian Drama: An Inquiry into the Poverty of Nations’ বইটি সুইডিশ অর্থনীতিবিদ গুনার মিরডালের লেখা। ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত এই বইয়ে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর দারিদ্র্য ও অনুন্নয়নের কারণ বিশ্লেষণ করেছেন। মিরডাল ১৯৭৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান। অন্য অপশনের উইলিয়াম রস্টো ‘The Stages of Economic Growth’ লিখেছেন, আর অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে নোবেল পান।
    মনে রাখুন: গুনার মিরডালের আরেকটি বিখ্যাত বই ‘An American Dilemma’।
  3. ৩১. IFC বলতে কি বোঝায়?
    • ক. ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
    • খ. ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ক্যাপিটাল
    • গ. ইন্টারন্যাশনাল ফুড করপোরেশন
    • ঘ. এগুলোর কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
    IFC-এর পূর্ণরূপ International Finance Corporation। এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৫৬ সালে গঠিত হয়। এর কাজ উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও ঋণ দেওয়া এবং ব্যবসার উন্নতি ঘটানো। সংস্থাটির সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে।
    মনে রাখুন: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্য প্রতিষ্ঠান: IBRD, IDA, MIGA ও ICSID।
  4. ৩২. Organizatioin of African Unity কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    • ক. ১৯৬০ সালে
    • খ. ১৯৬২ সালে
    • গ. ১৯৬৩ সালে
    • ঘ. ১৯৬৪ সালে
    উত্তর: গ. ১৯৬৩ সালে
    অর্গানাইজেশন অব আফ্রিকান ইউনিটি (OAU) ১৯৬৩ সালের ২৫ মে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় প্রতিষ্ঠিত হয়। আফ্রিকার স্বাধীন দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা ছিল এর লক্ষ্য। ২০০২ সালে এর জায়গায় আফ্রিকান ইউনিয়ন (African Union) গঠিত হয়।
    মনে রাখুন: আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তরও আদ্দিস আবাবায়।
  5. ৩৫. কত সালে পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল?
    • ক. ১৯৪৮ সালে
    • খ. ১৯৬০ সালে
    • গ. ১৯৬৭ সালে
    • ঘ. ১৯৭৩ সালে
    উত্তর: গ. ১৯৬৭ সালে
    ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠিত হওয়ার সময় জেরুজালেম ভাগ হয়ে যায়: পশ্চিম অংশ ইসরায়েলের আর পূর্ব অংশ জর্ডানের হাতে থাকে। ১৯৬৭ সালের জুন মাসে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ হয়, যা ছয় দিনের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে। একই যুদ্ধে ইসরায়েল পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা, গোলান মালভূমি ও সিনাই উপদ্বীপও দখল করে।
    মনে রাখুন: পূর্ব জেরুজালেমে মুসলমানদের পবিত্র মসজিদ আল-আকসা অবস্থিত।
  6. ৩৬. ‘No Fly Zone’ কোন দেশে অবস্থিত?
    • ক. ইরাক
    • খ. কুয়েত
    • গ. আফগানিস্তান
    • ঘ. ইসরাইল
    উত্তর: ক. ইরাক
    কোনো এলাকার আকাশে নির্দিষ্ট দেশের বা সব সামরিক বিমানের ওড়া নিষিদ্ধ করা হলে তাকে ‘নো ফ্লাই জোন’ (No Fly Zone) বলে। ১৯৯১ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা ইরাকের উত্তর ও দক্ষিণ অংশে এমন নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করে। এর উদ্দেশ্য ছিল ইরাকি সরকার যেন কুর্দি ও শিয়া জনগোষ্ঠীর ওপর আকাশ থেকে হামলা চালাতে না পারে।
    মনে রাখুন: এমন নিষিদ্ধ আকাশসীমা পরে বসনিয়া (১৯৯২-৯৩) এবং লিবিয়ায় (২০১১) ঘোষণা করা হয়েছিল।
  7. ৩৭. মাইকেল অ্যাঞ্জেলো কোন দেশের শিল্পী?
    • ক. অস্ট্রিয়া
    • খ. গ্রিস
    • গ. সুইডেন
    • ঘ. ইতালি
    উত্তর: ঘ. ইতালি
    মাইকেল অ্যাঞ্জেলো, অর্থাৎ মিকেলাঞ্জেলো, ইতালির রেনেসাঁ যুগের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর। রোমের সিস্টিন চ্যাপেলের ছাদে আঁকা চিত্রকর্ম এবং ‘ডেভিড’ ভাস্কর্য তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ। তিনি ‘পিয়েতা’ ভাস্কর্যও তৈরি করেন। তাই তাঁর দেশ ইতালি।
    মনে রাখুন: ইতালির আরেক বিখ্যাত রেনেসাঁ শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি, যিনি ‘মোনালিসা’ ও ‘দ্য লাস্ট সাপার’ এঁকেছেন।
  8. ৩৮. ম্যাকমোহন লাইন কোন কোন দেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে?
    • ক. চীন ও রাশিয়া
    • খ. চীন ও ভারত
    • গ. ভারত ও পাকিস্তান
    • ঘ. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
    উত্তর: খ. চীন ও ভারত
    ম্যাকমোহন লাইন ভারত ও চীনের (তিব্বতসহ) মধ্যে পূর্ব দিকের সীমারেখা। ১৯১৪ সালে সিমলা সম্মেলনে ব্রিটিশ ভারতের প্রতিনিধি স্যার হেনরি ম্যাকমোহন এই রেখা প্রস্তাব করেন। চীন এই রেখাকে মানে না, ফলে ১৯৬২ সালে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বাধে। অন্য অপশনগুলোর সীমারেখাও আলাদা: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে র‍্যাডক্লিফ লাইন এবং পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে ডুরান্ড লাইন।
    মনে রাখুন: ডুরান্ড লাইন ১৮৯৩ সালে নির্ধারিত হয় এবং র‍্যাডক্লিফ লাইন ১৯৪৭ সালে।
  9. ৪১. ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
    • ক. রিয়াদ
    • খ. কায়রো
    • গ. কুয়েত
    • ঘ. জেদ্দা
    উত্তর: ঘ. জেদ্দা
    ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (Islamic Development Bank, IDB) ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (OIC) সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে সাহায্য করে। এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে। ব্যাংকটি ১৯৭৫ সালে কাজ শুরু করে। বাংলাদেশও এর সদস্য।
    মনে রাখুন: OIC-এর সচিবালয়ও জেদ্দায়, যদিও রিয়াদ সৌদি আরবের রাজধানী।
  10. ৪২. বেলজিয়ামের মুদ্রার নাম কি?
    • ক. শিলিং
    • খ. ফ্রাংক
    • গ. পাউন্ড
    • ঘ. ক্রোনা
    উত্তর: খ. ফ্রাংক
    পরীক্ষার সময়ে (২০০১ সাল) বেলজিয়ামের মুদ্রা ছিল বেলজিয়ান ফ্রাঁ বা ফ্রাংক। শিলিং একসময় অস্ট্রিয়ার মুদ্রা ছিল, পাউন্ড ব্রিটেনের, আর ক্রোনা সুইডেনের।
    হালনাগাদ: ২০০২ সাল থেকে বেলজিয়ামে ইউরো (Euro) মুদ্রা চালু হয়েছে, তাই এখন দেশটির মুদ্রা ইউরো।
    মনে রাখুন: ফ্রাঁ ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডেরও মুদ্রা ছিল। ফ্রান্সে এখন ইউরো চলে, আর সুইজারল্যান্ডে এখনো সুইস ফ্রাঁ চলে।
  11. ৪৩. কোনটি ‘চির শাস্তির শহর’ নামে পরিচিত?
    • ক. রোম
    • খ. এথেন্স
    • গ. ডেনিস
    • ঘ. ওসলো
    উত্তর: ক. রোম
    ইতালির রাজধানী রোমকে ‘চিরন্তন নগরী’ (Eternal City) বলা হয়। প্রাচীন রোমানরা বিশ্বাস করত, তাদের এই নগরী কখনো ধ্বংস হবে না। রোম সাত পাহাড়ের ওপর অবস্থিত বলে একে ‘সাত পাহাড়ের নগরী’ও বলা হয়।
    মনে রাখুন: অন্যান্য শহরের উপনাম: ভেনিস ‘জলের শহর’, প্যারিস ‘আলোর শহর’।
  12. ৪৪. বাবেল মান্দেব কোন ভাষার শব্দ?
    • ক. ফারসি
    • খ. উর্দু
    • গ. আরবি
    • ঘ. ইংরেজি
    উত্তর: গ. আরবি
    বাব-এল-মান্দেব (Bab-el-Mandeb) আরবি শব্দ, যার অর্থ ‘অশ্রুর দ্বার’ বা ‘শোকের তোরণ’। এটি একটি সরু সমুদ্রপ্রণালী, যা লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর একপাশে এশিয়ার ইয়েমেন, আর অন্য পাশে আফ্রিকার জিবুতি ও ইরিত্রিয়া। সুয়েজ খাল দিয়ে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে চলাচলকারী জাহাজকে এই প্রণালী পার হতে হয়।
    মনে রাখুন: সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।
  13. ৪৫. জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র সর্বোচ্চ কত জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে?
    • ক. তিনজন
    • খ. চারজন
    • গ. পাঁচজন
    • ঘ. ছয়জন
    উত্তর: গ. পাঁচজন
    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব থাকে। জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র অধিবেশনে সর্বোচ্চ পাঁচজন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে। তবে প্রতিনিধি যতজনই থাকুন, প্রতিটি দেশের ভোট থাকে একটি। তাই ছোট-বড় সব দেশের ভোটের মূল্য সমান।
    মনে রাখুন: নিরাপত্তা পরিষদে পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা আছে, কিন্তু সাধারণ পরিষদে কোনো ভেটো নেই।
  14. ৪৬. পিএলও কখন গঠিত হয়?
    • ক. ১৯৬৪ সালে
    • খ. ১৯৬৫ সালে
    • গ. ১৯৬৬ সালে
    • ঘ. ১৯৬৭ সালে
    উত্তর: ক. ১৯৬৪ সালে
    ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা, বা পিএলও (Palestine Liberation Organization), ১৯৬৪ সালে গঠিত হয়। ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য লড়াই করাই এর মূল লক্ষ্য। ১৯৬৯ সাল থেকে ইয়াসির আরাফাত এর প্রধান ছিলেন এবং দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেন।
    মনে রাখুন: ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির পর ১৯৯৪ সালে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ গঠিত হয়, যার প্রথম প্রধান ছিলেন ইয়াসির আরাফাত।
  15. ৪৭. নক্রুমা কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
    • ক. নাইজেরিয়া
    • খ. আবিসিনিয়া
    • গ. কঙ্গো
    • ঘ. ঘানা
    উত্তর: ঘ. ঘানা
    কোয়ামে নক্রুমা (Kwame Nkrumah) আফ্রিকার ঘানা দেশের নেতা। তিনি ঘানার স্বাধীনতা আন্দোলন পরিচালনা করেন এবং ১৯৫৭ সালে ব্রিটিশ শাসনমুক্ত স্বাধীন ঘানার প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৬০ সালে ঘানা প্রজাতন্ত্র হলে তিনি প্রথম রাষ্ট্রপতি হন। ঘানা সাব-সাহারা আফ্রিকার প্রথম দেশ, যেটি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে স্বাধীনতা পায়। আগে এর নাম ছিল গোল্ড কোস্ট।
    মনে রাখুন: নক্রুমা আফ্রিকার ঐক্য আন্দোলনের (প্যান-আফ্রিকান) একজন প্রধান নেতা ছিলেন। ১৯৬৬ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে তিনি ক্ষমতা হারান।

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

  1. ৩০. নিম্নলিখিত শহরের কোনটি আলবেনিয়ার রাজধানী ?
    • ক. বুদাপেস্ট
    • খ. এথেন্স
    • গ. প্ৰাগ
    • ঘ. তিরানা
    উত্তর: ঘ. তিরানা
    আলবেনিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী তিরানা। অন্য অপশনগুলো অন্য দেশের রাজধানী: বুদাপেস্ট হাঙ্গেরির, এথেন্স গ্রিসের এবং প্রাগ চেক প্রজাতন্ত্রের।
    মনে রাখুন: আলবেনিয়া আদ্রিয়াটিক সাগরের তীরে অবস্থিত এবং গ্রিস ও মন্টিনিগ্রোর প্রতিবেশী।
  2. ৩৩. বান্দুং কোথায় অবস্থিত?
    • ক. মালয়েশিয়া
    • খ. ভিয়েতনাম
    • গ. থাইল্যান্ড
    • ঘ. ইন্দোনেশিয়া
    উত্তর: ঘ. ইন্দোনেশিয়া
    বান্দুং ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের একটি শহর। ১৯৫৫ সালে এখানে এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা বান্দুং সম্মেলন নামে পরিচিত। উপনিবেশবাদের বিরোধিতা ও দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার এই সম্মেলন পরে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে।
    মনে রাখুন: ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তাও জাভা দ্বীপে অবস্থিত। বান্দুং সম্মেলনে নেহরু, নাসের, চৌ এন লাই ও সুকর্ণ অংশ নেন।
  3. ৩৪. পানামা খাল কোন কোন মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
    • ক. আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর
    • খ. আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
    • গ. প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগর
    • ঘ. ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
    উত্তর: খ. আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
    পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা যোজক কেটে তৈরি করা একটি কৃত্রিম জলপথ। এটি পূর্ব দিকে আটলান্টিক মহাসাগর ও পশ্চিম দিকে প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। ১৯১৪ সালে খালটি চালু হয়। এর ফলে জাহাজকে দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে যেতে হয় না, ফলে যাত্রাপথ অনেক ছোট হয়ে যায়।
    মনে রাখুন: ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে সুয়েজ খাল, যা ১৮৬৯ সালে চালু হয়।
  4. ৩৯. কোনটি নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত?
    • ক. হেমারফেস্ট
    • খ. কুইবেক
    • গ. তিব্বত
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. হেমারফেস্ট
    নরওয়ে ইউরোপের উত্তর দিকের একটি দেশ, যার একটি বড় অংশ উত্তর মেরুবৃত্তের ওপরে পড়েছে। মেরুবৃত্তের কাছাকাছি অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে সূর্য কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্ত যায় না, ফলে মধ্যরাতেও সূর্য আকাশে দেখা যায়। এ কারণে নরওয়েকে ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’ বলা হয়। হ্যামারফেস্ট নরওয়ের একটি উত্তরের শহর, যেখানে এই ঘটনা দেখা যায়, তাই এই বিকল্পটি উত্তর।
    মনে রাখুন: কুইবেক কানাডার একটি প্রদেশ এবং তিব্বত চীনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এদের ‘নিশীথ সূর্য’ বলে পরিচিতি নেই।

গাণিতিক যুক্তি

  1. ৪৮. ৭২ কেজি ওজনবিশিষ্ট একটি মিশ্রণ A-এর ১৭ ভাগ, B-এর ৩ ভাগ এবং C-এর ৪ ভাগ দ্বারা গঠিত। মিশ্রণে B কতটুকু আছে?
    • ক. ৯ কেজি
    • খ. ১২ কেজি
    • গ. ১৭ কেজি
    • ঘ. ৫১ কেজি
    উত্তর: ক. ৯ কেজি
    মিশ্রণটি তিনটি উপাদান নিয়ে তৈরি, যেখানে A-এর 17 ভাগ, B-এর 3 ভাগ এবং C-এর 4 ভাগ আছে। তাই মোট ভাগ 17 + 3 + 4 = 24। ৭২ কেজি মিশ্রণের 24 ভাগের মধ্যে B আছে 3 ভাগ। সুতরাং B-এর পরিমাণ = 72 × 3/24 = 9 কেজি।
    যাচাই: A = 72 × 17/24 = 51 কেজি, C = 72 × 4/24 = 12 কেজি। 51 + 9 + 12 = 72।
  2. ৪৯. একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১৬ একক এবং অপর প্রত্যেক বাহুদ্বয় ১০ একক। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?
    • ক. ২৪
    • খ. ৩৬
    • গ. ৪৮
    • ঘ. ৫০
    উত্তর: গ. ৪৮
    সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের শীর্ষ থেকে ভূমির ওপর লম্ব টানলে লম্বটি ভূমিকে সমান দুই ভাগ করে। ভূমি ১৬ একক, তাই প্রতি ভাগ ৮ একক। এখন সমকোণী ত্রিভুজে পীথাগোরাসের উপপাদ্য বসিয়ে উচ্চতা = √(10² − 8²) = √(100 − 64) = √36 = 6 একক।
    সুতরাং ক্ষেত্রফল = (1/2) × ভূমি × উচ্চতা = (1/2) × 16 × 6 = 48 বর্গ একক।
  3. ৫০. ২০ সদস্যবিশিষ্ট একটি ফুটবল দল থেকে একজন অধিনায়ক ও একজন সহ-অধিনায়ক কতভাবে নির্বাচন করা যাবে?
    • ক. ২০
    • খ. ১৯০
    • গ. ৩৮০
    • ঘ. ৭৬০
    উত্তর: গ. ৩৮০
    ২০ জনের দল থেকে একজন অধিনায়ক ও একজন সহ-অধিনায়ক বাছাই করতে হবে। দুটি পদ আলাদা, তাই ‘ক অধিনায়ক, খ সহ-অধিনায়ক’ এবং ‘খ অধিনায়ক, ক সহ-অধিনায়ক’ দুটি ভিন্ন নির্বাচন। অধিনায়ক বাছাই করা যায় 20 ভাবে। তারপর বাকি 19 জন থেকে সহ-অধিনায়ক বাছাই করা যায় 19 ভাবে। মোট উপায় 20 × 19 = 380।
    এটি বিন্যাস বা Permutation: 20P2 = 20 × 19 = 380।
    মনে রাখুন: পদের ক্রম গুরুত্বহীন হলে সমাবেশ (Combination) হয়, যেমন দুজনকে শুধু নির্বাচন করলে 20C2 = 190।
  4. ৫১. কোনো সমাস্তর প্রগমনে প্রথম দুটি যদি ৫ ও ১৭ হয়, তবে তৃতীয় সংখ্যাটি কত?
    • ক. ২২
    • খ. ২৫
    • গ. ২৯
    • ঘ. ৮৫
    উত্তর: গ. ২৯
    সমান্তর প্রগমনে (Arithmetic Progression) পরপর দুই পদের পার্থক্য সবসময় সমান থাকে, যাকে সাধারণ অন্তর বলে। এখানে প্রথম দুই পদ ৫ ও ১৭, তাই সাধারণ অন্তর d = 17 − 5 = 12। তৃতীয় পদ = দ্বিতীয় পদ + d = 17 + 12 = 29।
    মনে রাখুন: n-তম পদ = a + (n − 1)d, যেখানে a প্রথম পদ। এখানে ধারাটি 5, 17, 29, 41, …।
  5. ৫২. ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ……..ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯
    • ক. ৫৫
    • খ. ৪০
    • গ. ৬৮
    • ঘ. ৮৯
    উত্তর: ক. ৫৫
    ধারাটির নিয়ম খুঁজতে দেখি, ৩ = ১ + ২, ৫ = ২ + ৩, ৮ = ৩ + ৫, ১৩ = ৫ + ৮, ২১ = ৮ + ১৩ এবং ৩৪ = ১৩ + ২১। অর্থাৎ প্রতিটি সংখ্যা তার আগের দুটি সংখ্যার যোগফল। তাই পরের সংখ্যা 21 + 34 = 55।
    মনে রাখুন: এই ধারাকে ফিবোনাচ্চি ধারা (Fibonacci Sequence) বলে। প্রকৃতিতে ফুলের পাপড়ির সংখ্যা ও শামুকের খোলের প্যাঁচে এই ধারার সংখ্যা পাওয়া যায়।
  6. ৫৩. ১/২ এর শতকরা কত ৩/৪ হবে?
    • ক. ১২০%
    • খ. ১২৫%
    • গ. ১৪০%
    • ঘ. ১৫০%
    উত্তর: ঘ. ১৫০%
    ১/২ এর x% = ৩/৪ ধরি। তাহলে x = (3/4) ÷ (1/2) × 100 = (3/4) × 2 × 100 = (3/2) × 100 = 150। অর্থাৎ ৩/৪ হলো ১/২-এর ১৫০%।
    যাচাই: ১/২-এর ১৫০% = (1/2) × (150/100) = (1/2) × (3/2) = 3/4।
    মনে রাখুন: একটি সংখ্যা অন্যটির শতকরা কত, তা বের করতে প্রথম সংখ্যাকে দ্বিতীয় সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে ১০০ দিয়ে গুণ করতে হয়।
  7. ৫৪. যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে তেল বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?
    • ক. ২০%
    • খ. ১৬%
    • গ. ১১%
    • ঘ. ৯%
    উত্তর: ক. ২০%
    আগে ১০০ টাকায় যে পরিমাণ তেল কেনা যেত, দাম ২৫% বাড়লে সেই একই পরিমাণ তেলের দাম হয় ১২৫ টাকা। খরচ ১০০ টাকাই রাখতে চাইলে ১২৫ টাকার তেলের জায়গায় ১০০ টাকার তেল কিনতে হবে, অর্থাৎ ২৫ টাকার তেল কম ব্যবহার করতে হবে। সুতরাং ব্যবহার কমাতে হবে (25 ÷ 125) × 100 = 20%।
    মনে রাখুন: দাম a% বাড়লে ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে ব্যবহার কমাতে হয় a/(100 + a) × 100 শতাংশ।
  8. ৫৫. কোনো স্কুলে ৭০% শিক্ষার্থী ইংরেজি এবং ৮০% শিক্ষার্থী বাংলায় পাস করেছে। কিন্তু ১০% উভয় বিষয়ে ফেল করেছে। যদি উভয় বিষয়ে ৩০০ জন শিক্ষার্থী পাস করে থাকে তবে ঐ স্কুলে কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯
    • ক. ৪০০ জন
    • খ. ৫০০ জন
    • গ. ৫৬০ জন
    • ঘ. ৭৬০ জন
    উত্তর: খ. ৫০০ জন
    মোট শিক্ষার্থী ১০০ ধরি। ১০% উভয় বিষয়ে ফেল, তাই অন্তত এক বিষয়ে পাস করেছে 100 − 10 = 90%। ইংরেজিতে পাস ৭০% এবং বাংলায় পাস ৮০%। দুই সংখ্যা যোগ করলে যারা উভয় বিষয়ে পাস করেছে তারা দুবার গোনা হয়। তাই উভয় বিষয়ে পাস = 70 + 80 − 90 = 60%।
    ৬০% শিক্ষার্থী = ৩০০ জন, তাই মোট শিক্ষার্থী = 300 × 100/60 = 500 জন।
  9. ৯৫. একজন মাঝি স্রোতের অনুকূলে ২ ঘণ্টায় ৫ মাইল যায় এবং ৪ ঘণ্টায় প্রাথমিক অবস্থানে ফিরে আসে। তার মোট ভ্রমণে প্রতি ঘণ্টায় গড়বেগ কত?
    • ক. ৫৬
    • খ. ১২৩
    • গ. ১১৭
    • ঘ. ৩৩৪
    উত্তর: খ. ১২৩
    গড়বেগ বের করতে মোট দূরত্বকে মোট সময় দিয়ে ভাগ করতে হয়। মাঝি ৫ মাইল যায় ২ ঘণ্টায়, আর একই পথে ফিরে আসে ৪ ঘণ্টায়। সুতরাং মোট দূরত্ব 5 + 5 = 10 মাইল এবং মোট সময় 2 + 4 = 6 ঘণ্টা। গড়বেগ = 10 ÷ 6 = 5/3 = 1 2/3 মাইল প্রতি ঘণ্টা।
    মনে রাখুন: যাওয়ার বেগ আর ফেরার বেগের গড় (সরল গড়) নিলে ভুল হয়, কারণ দুই যাত্রায় সময় আলাদা।
  10. ৯৬. M সংখ্যক সংখ্যার গড় A এবং N সংখ্যক সংখ্যার গড় B. সবগুলো সংখ্যার গড় কত?
    • ক. A+ B2
    • খ. AM+ BN2
    • গ. AM+ BNM+ N
    • ঘ. AM+ BNA+ B
    উত্তর: গ. AM+ BNM+ N
    M সংখ্যক সংখ্যার গড় A হলে তাদের যোগফল = AM। N সংখ্যক সংখ্যার গড় B হলে তাদের যোগফল = BN। সব সংখ্যার মোট যোগফল = AM + BN এবং মোট সংখ্যা = M + N। সুতরাং সবগুলোর গড় = (AM + BN)/(M + N)।
    উদাহরণ: ৩টি সংখ্যার গড় ৪ এবং ২টি সংখ্যার গড় ৯ হলে ৫টির গড় = (3 × 4 + 2 × 9)/5 = 30/5 = 6।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য

  1. ৫৬. চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্যধারার চরিত্র?
    • ক. চণ্ডীমঙ্গল
    • খ. মনসামঙ্গল
    • গ. ধর্মমঙ্গল
    • ঘ. অন্নদামঙ্গল
    উত্তর: খ. মনসামঙ্গল
    চাঁদ সওদাগর মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান পুরুষ চরিত্র। মনসামঙ্গল হলো সর্পদেবী মনসার মাহাত্ম্য প্রচারের কাব্য। চাঁদ ছিলেন শিবের ভক্ত, তাই তিনি মনসাকে দেবী বলে স্বীকার করতে এবং তাঁর পূজা করতে রাজি হননি। এই বিরোধে মনসা চাঁদের ছয় পুত্র ও সাত ডিঙা বাণিজ্যতরী নষ্ট করেন। শেষে বেহুলা তাঁর স্বামী লখিন্দরের প্রাণ ফিরিয়ে আনেন।
    মনে রাখুন:
    মনসামঙ্গলের প্রধান কবিরা: বিপ্রদাস পিপিলাই, বিজয় গুপ্ত, নারায়ণ দেব, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।
    মঙ্গলকাব্যের তিন প্রধান ধারা: মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল।
  2. ৫৭. ’ইউসুফ-জোলেখা’ প্রণয়কাব্য অনুবাদ করেছেন –
    • ক. দৌলত উজির বাহরাম খান
    • খ. মাগন ঠাকুর
    • গ. আলাল
    • ঘ. শাহ্ মুহম্মদ সগীর
    উত্তর: ঘ. শাহ্ মুহম্মদ সগীর
    ‘ইউসুফ-জোলেখা’ প্রণয়কাব্যটির রচয়িতা শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি বলে পরিচিত এবং চতুর্দশ-পঞ্চদশ শতকের কবি। কাব্যে তিনি ধর্মীয় গ্রন্থে বর্ণিত নবী ইউসুফ ও জোলেখার প্রেমকাহিনি বাংলা ভাষায় লিখেছেন। অপশনের অন্যরা অন্য কাব্য লিখেছেন: দৌলত উজির বাহরাম খান ‘লাইলী মজনু’ এবং মাগন ঠাকুর ‘চন্দ্রাবতী’।
    মনে রাখুন: আলাওলের বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’।
  3. ৫৮. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘প্রান্তিবিলাস’ কোন নাটকের গদ্য অনুবান?
    • ক. মার্চেন্ট অব ডেনিস
    • খ. কমেডি অব এররস
    • গ. অ্যা মিডসামার নাইটস ড্রিম
    • ঘ. টেমিং অব দ্য
    উত্তর: খ. কমেডি অব এররস
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের একজন প্রধান শিল্পী। তাঁর ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (১৮৬৯) উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ‘The Comedy of Errors’ নাটকের গদ্য অনুবাদ। দুই জোড়া যমজ ভাইয়ের পরিচয় গোলমালের মজার কাহিনি এই নাটকে আছে। অন্য অপশনগুলো শেক্সপিয়রের অন্য নাটক: The Merchant of Venice, A Midsummer Night’s Dream ও The Taming of the Shrew।
    মনে রাখুন: বিদ্যাসাগরের অন্য বইগুলো: বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, বর্ণপরিচয়।
  4. ৫৯. কখনো উপন্যাস লেখেননি –
    • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
    • খ. জীবনানন্দ দাশ
    • গ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
    • ঘ. বুদ্ধদেব বসু
    উত্তর: গ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
    সুধীন্দ্রনাথ দত্ত আধুনিক বাংলা কবিতার একজন প্রধান কবি। তিনি মূলত কবি ও প্রাবন্ধিক ছিলেন, আর জীবনে কোনো উপন্যাস লেখেননি। অন্য তিনজন উপন্যাস লিখেছেন: নজরুল ইসলামের উপন্যাস ‘বাঁধনহারা’, ‘মৃত্যুক্ষুধা’ ও ‘কুহেলিকা’। জীবনানন্দ দাশ ‘মাল্যবান’ এবং বুদ্ধদেব বসু ‘তিথিডোর’সহ বহু উপন্যাস রচনা করেন।
    মনে রাখুন: সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যগ্রন্থ: তন্বী, অর্কেস্ট্রা, ক্রন্দসী, উত্তরফাল্গুনী, সংবর্ত। তিনি ‘পরিচয়’ পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
  5. ৬০. ‘দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা –আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
    • ক. শওকত ওসমান
    • খ. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত
    • গ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    • ঘ. হাসান অজিতুল হক
    উত্তর: গ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    ‘দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থটির লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক, যাঁর লেখায় সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন ও গ্রামবাংলার চিত্র ফুটে উঠেছে। তাঁর বিখ্যাত দুটি উপন্যাস ‘চিলেকোঠার সেপাই’ ও ‘খোয়াবনামা’।
    মনে রাখুন: ইলিয়াসের অন্য গল্পগ্রন্থ: অন্য ঘরে অন্য স্বর, খোঁয়ারি, দোজখের ওম।
  6. ৬১. রোহিণী-বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?
    • ক. বিষবৃক্ষ-চতুরঙ্গ-চরিত্রহীন
    • খ. কৃষ্ণকান্তের উইল-যোগাযোগ-পথের দাবি
    • গ. দুর্গেশনন্দিনী-চোখের বালি-গৃহদাহ
    • ঘ. কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
    উত্তর: ঘ. কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
    এই তিনটি নারী চরিত্র তিন বিখ্যাত লেখকের তিনটি উপন্যাসের। রোহিণী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের চরিত্র, বিনোদিনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’র এবং কিরণময়ী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘চরিত্রহীন’-এর। তিনটি বই একসঙ্গে শুধু শেষ অপশনেই আছে, তাই সেটিই উত্তর।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমের অন্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, বিষবৃক্ষ, আনন্দমঠ।
    রবীন্দ্রনাথের ‘চতুরঙ্গ’ ও ‘যোগাযোগ’ এবং শরৎচন্দ্রের ‘পথের দাবী’ ও ‘গৃহদাহ’ অন্য অপশনে আছে।
  7. ৬২. ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’-এ প্রার্থনাটি করেছে –
    • ক. ভাঁডুদত্ত
    • খ. চাঁদ সওদাগর
    • গ. ঈশ্বরী পাটনী
    • ঘ. নলকুবের
    উত্তর: গ. ঈশ্বরী পাটনী
    ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ প্রার্থনাটি করেছে ঈশ্বরী পাটনী। সে ছিল খেয়াঘাটের মাঝি। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে দেবী অন্নদা ছদ্মবেশে তার নৌকায় নদী পার হন এবং পাটনীর সেবায় খুশি হয়ে বর দিতে চান। তখন গরিব পাটনী নিজের জন্য কিছু না চেয়ে সন্তানের সুখ চায়, আর বলে আমার সন্তান যেন দুধে-ভাতে থাকে।
    মনে রাখুন: ভারতচন্দ্রকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। ‘অন্নদামঙ্গল’ ১৭৫২ সালের কাছাকাছি রচিত।
  8. ৬৩. ‘হ্ম’-এর বিশ্লিষ্ট রূপ –
    • ক. ক + ঘ
    • খ. ক + ষ + ণ
    • গ. ক + ষ + ম
    • ঘ. হ্+ম
    উত্তর: ঘ. হ্+ম
    যুক্তবর্ণ দুই বা তার বেশি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে তৈরি হয়। ‘হ্ম’ যুক্তবর্ণটি হ্ + ম মিলে গঠিত, যেমন ‘ব্রাহ্মণ’ ও ‘ব্রহ্ম’ শব্দে। দেখতে ‘ক্ষ’-এর মতো মনে হতে পারে, কিন্তু ‘ক্ষ’ গঠিত হয় ক্ + ষ দিয়ে। আর ক্ + ষ + ম মিলে ‘ক্ষ্ম’ হয়, যেমন ‘যক্ষ্মা’, এবং ক্ + ষ + ণ মিলে ‘ক্ষ্ণ’ হয়, যেমন ‘তীক্ষ্ণ’।
    মনে রাখুন: হ-এর আরও যুক্তরূপ: হ্ন (চিহ্ন), হ্ল (আহ্লাদ), হ্ব (জিহ্বা)।
  9. ৬৪. নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে –আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
    • ক. কল্যাণীয়া
    • খ. সুচরিতেষু
    • গ. শ্রদ্ধাস্পদাসু
    • ঘ. প্রীতিভাজনেষু
    উত্তর: গ. শ্রদ্ধাস্পদাসু
    চিঠিতে প্রাপকের বয়স, সম্পর্ক ও লিঙ্গ অনুযায়ী আলাদা সম্বোধন লেখা হয়। শ্রদ্ধার পাত্র বা শ্রদ্ধেয় নারীকে সম্বোধনে ‘শ্রদ্ধাস্পদাসু’ লেখা হয়। সংস্কৃত নিয়মে পুরুষবাচক সম্বোধন ‘-এষু’ দিয়ে আর নারীবাচক সম্বোধন ‘-আসু’ দিয়ে শেষ হয়। তাই ‘সুচরিতেষু’ ও ‘প্রীতিভাজনেষু’ পুরুষ প্রাপকের জন্য। আর ছোট নারীর জন্য লেখা হয় ‘কল্যাণীয়াসু’।
    মনে রাখুন:
    পুরুষের জন্য: শ্রদ্ধাস্পদেষু, কল্যাণীয়েষু।
    নারীর জন্য: শ্রদ্ধাস্পদাসু, কল্যাণীয়াসু।
  10. ৬৫. ‘পেয়ারা’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
    • ক. হিন্দি
    • খ. উর্দু
    • গ. পর্তুগীজ
    • ঘ. গ্রিক
    উত্তর: গ. পর্তুগীজ
    কোনো ভাষা অন্য ভাষার সংস্পর্শে এলে সেই ভাষার শব্দ গ্রহণ করে। ষোড়শ শতকে পর্তুগিজ বণিকেরা বাংলায় এলে তাদের মাধ্যমে বেশ কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় ঢোকে। ‘পেয়ারা’ তেমনই একটি পর্তুগিজ শব্দ।
    মনে রাখুন:
    পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, চাবি, বালতি, গির্জা, আলমারি, পেরেক, সাবান, কামরা।
    তুর্কি শব্দ: চাকর, বেগম, কাঁচি। ফারসি শব্দ: কারখানা, দোকান, চশমা।
  11. ৬৬. সমার্থক শব্দগুচ্ছ সনাক্ত করুন –
    • ক. দীর্ঘিকা, নদী, প্রণালী
    • খ. শৈবলিনী, তরঙ্গিণী, সরিৎ
    • গ. গাঙ, তটিনী, অর্ণব
    • ঘ. স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু
    উত্তর: খ. শৈবলিনী, তরঙ্গিণী, সরিৎ
    সমার্থক শব্দ বলতে একই বা কাছাকাছি অর্থের একাধিক শব্দ বোঝায়। শৈবলিনী, তরঙ্গিণী ও সরিৎ তিনটিরই অর্থ নদী, তাই এটিই সমার্থক শব্দগুচ্ছ। অন্য গুচ্ছগুলোতে ভিন্ন অর্থের শব্দ মিশে আছে। প্রথম গুচ্ছে দীর্ঘিকা মানে দিঘি। তৃতীয় গুচ্ছে অর্ণব মানে সমুদ্র। চতুর্থ গুচ্ছে সিন্ধু মানে সমুদ্র (বা সিন্ধু নদ) আর নির্ঝরিণী মানে ঝরনা।
    মনে রাখুন: নদীর আরও প্রতিশব্দ: তটিনী, স্রোতস্বিনী, প্রবাহিণী, তরঙ্গিণী।
  12. ৬৭. শুদ্ধ বানানের শব্দগুচ্ছ সনাক্ত করুন –
    • ক. ভবিষ্যত, ভৌগলিক, যক্ষ্মা
    • খ. যশলাভ, সদ্যোজাত, সম্বৰ্ধনা
    • গ. স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
    • ঘ. ঐক্যতান, কেবলমাত্র, উপরোক্ত
    উত্তর: গ. স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
    এই প্রশ্নে চারটি শব্দগুচ্ছের মধ্যে যেটিতে ভুল বানান নেই সেটি বাছতে হবে। প্রথম গুচ্ছে ‘ভবিষ্যত’ ও ‘ভৌগলিক’ ভুল, শুদ্ধ রূপ ‘ভবিষ্যৎ’ ও ‘ভৌগোলিক’। দ্বিতীয় গুচ্ছে ‘যশলাভ’ ও ‘সম্বর্ধনা’ ভুল, শুদ্ধ রূপ ‘যশোলাভ’ ও ‘সংবর্ধনা’। চতুর্থ গুচ্ছে ‘ঐক্যতান’ ও ‘উপরোক্ত’ ভুল, শুদ্ধ রূপ ‘ঐকতান’ ও ‘উপর্যুক্ত’, আর ‘কেবলমাত্র’-এ অর্থের পুনরাবৃত্তি আছে। তৃতীয় গুচ্ছের ‘স্বায়ত্তশাসন’, ‘আভ্যন্তর’ ও ‘জন্মবার্ষিক’ শব্দগুলো এখানে শুদ্ধ রূপে আছে, তাই এটিই উত্তর।
    মনে রাখুন: ‘সদ্যোজাত’ বানানটি শুদ্ধ। আর বিশেষ্য রূপ ‘জন্মবার্ষিকী’ সাধারণভাবে বেশি ব্যবহৃত হয়।
  13. ৬৮. ‘প্রাতরাশ’-এর সন্ধি –
    • ক. প্রাত+রাশ
    • খ. প্রাতঃ + রাশ
    • গ. প্রাতঃ + আশ
    • ঘ. প্ৰাত + আশ
    উত্তর: গ. প্রাতঃ + আশ
    ‘প্রাতরাশ’ শব্দের অর্থ সকালের খাবার। এটি সন্ধি করে গঠিত: প্রাতঃ + আশ = প্রাতরাশ। এটি বিসর্গ সন্ধি। নিয়ম হলো, অ-কারের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে স্বরবর্ণ এলে বিসর্গ ‘র’ হয়ে যায় এবং সেই র পরের স্বরের সঙ্গে যুক্ত হয়। তাই ‘প্রাতঃ’-এর বিসর্গ ‘র’ হয়ে ‘আশ’-এর আ-এর সঙ্গে মিলে ‘রা’ হয়েছে।
    মনে রাখুন: একই নিয়মে অন্তঃ + আত্মা = অন্তরাত্মা, পুনঃ + আয় = পুনরায়।
  14. ৬৯. যে পদে বাক্যের ক্রিয়াপদটির গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা ইত্যাদি প্রকৃতিগত অবস্থা বোঝায়, তাকে বলা হয় –
    • ক. ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য
    • খ. ক্রিয়াবিশেষণ
    • গ. ক্রিয়াবিশেষ্যজাত বিশেষণ
    • ঘ. ক্রিয়াবিভক্তি
    উত্তর: খ. ক্রিয়াবিশেষণ
    পদ বা শব্দ বাক্যে ব্যবহারের ভিত্তিতে নানা প্রকার হয়। যে পদ ক্রিয়ার ধরন, গুণ, পরিমাণ বা অবস্থা বোঝায়, অর্থাৎ ক্রিয়া কীভাবে ঘটছে তা জানায়, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। যেমন ‘ধীরে ধীরে হাঁটো’ বাক্যে ‘ধীরে ধীরে’ হাঁটার ধরন বোঝায়। আর ‘সে খুব দ্রুত দৌড়াল’ বাক্যে ‘খুব’ ও ‘দ্রুত’ দুটিই ক্রিয়াবিশেষণ।
    মনে রাখুন: বিশেষণের আগে বসে যে পদ তার গুণ বা মাত্রা বোঝায়, তাকে বিশেষণের বিশেষণ বলে। যেমন ‘খুব ভালো’-তে ‘খুব’।
  15. ৭০. ‘রামগরুড়ের ছানা’ কথাটির অর্থ –
    • ক. কাল্পনিক জন্তু
    • খ. গোমড়ামুখো লোক
    • গ. মুরগি
    • ঘ. পুরাণোক্ত পাখি
    উত্তর: খ. গোমড়ামুখো লোক
    ‘রামগরুড়ের ছানা’ কথাটির অর্থ গোমড়ামুখো, অর্থাৎ যে লোক সবসময় মুখ ভার করে থাকে, হাসতে জানে না। সুকুমার রায়ের ‘আবোল তাবোল’ বইয়ের বিখ্যাত ছড়ায় ‘রামগরুড়ের ছানা, হাসতে তাদের মানা’ কথাটি আছে। সেখানে এই কাল্পনিক প্রাণীরা সব সময় গম্ভীর থাকে।
    মনে রাখুন: সুকুমার রায় ছিলেন সত্যজিৎ রায়ের বাবা। তাঁর অন্য বিখ্যাত বই: হ য ব র ল, পাগলা দাশু।
  16. ৭১. নিচের কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি?
    • ক. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
    • খ. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
    • গ. ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
    • ঘ. পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো সাত
    উত্তর: গ. ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
    বাংলায় সম্পূর্ণ তারিখ লেখার সময় সাধারণত মাস ও সালের মাঝখানে কমা বসে, যেমন ‘২৬ মার্চ, ১৯৭১’। তাই প্রথম দুটি অপশনে বিরামচিহ্ন ঠিক আছে। আর ‘পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো সাত’ অপশনেও দিন ও সালের মাঝে কমা ঠিক জায়গায় আছে। কিন্তু ‘ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২’-তে মাস ও সালের মাঝখানে কমা নেই, তাই সেখানে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি।
    মনে রাখুন: স্থান আর তারিখ আলাদা করতে মাঝখানে কমা বসে, যেমন ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২।
  17. ৭২. ‘বামেতর’ শব্দটির অর্থ –
    • ক. বামচোখ
    • খ. ডান
    • গ. ইতর
    • ঘ. বাম দিক
    উত্তর: খ. ডান
    ‘বামেতর’ শব্দটি বাম + ইতর = বামেতর সন্ধি দিয়ে তৈরি। এখানে ‘ইতর’ মানে অন্য। অর্থাৎ ‘বামেতর’ মানে বাম থেকে ভিন্ন, আর বামের উল্টো দিক হলো ডান। তাই বামেতর শব্দের অর্থ ডান। এখানে অ-কারের পর ই-কার এলে দুটি মিলে এ-কার হয়েছে।
    মনে রাখুন: একই নিয়মে গণ + ঈশ = গণেশ, মহা + ঈশ = মহেশ।
  18. ৭৩. প্রথম বাংলা ‘থিসরাস’ বা সমার্থক শব্দের অভিধান সংকলন করেছেন –
    • ক. অশোক মুখোপাধ্যায়
    • খ. জগন্নাত চক্রবর্তী
    • গ. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
    • ঘ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
    উত্তর: গ. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
    বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দের অভিধানকে থিসরাস (Thesaurus) বলে। এর পাশে সাধারণ অভিধানে শব্দের অর্থ থাকে, কিন্তু থিসরাসে একই অর্থের নানা শব্দ একসঙ্গে সাজানো থাকে। বাংলা ভাষার প্রথম থিসরাস ‘যথাশব্দ’, যার সংকলক বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান। তিনি পরে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হয়েছিলেন।
    মনে রাখুন: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার একজন বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী, যিনি ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ ও আঞ্চলিক ভাষার অভিধান সংকলন করেছিলেন।
  19. ৭৪. ‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগধারাটির অর্থ –
    • ক. তীরে পৌঁছার ঝক্কি
    • খ. সঞ্চয়ের প্রকৃতি
    • গ. মুমূর্ষু অবস্থা
    • ঘ. আসন্ন বিপদ
    উত্তর: খ. সঞ্চয়ের প্রকৃতি
    ‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগ্ধারার অর্থ সঞ্চয়ের নেশা বা প্রবৃত্তি। নিরানব্বই সংখ্যাটি একশোর ঠিক আগের সংখ্যা, তাই নিরানব্বই টাকা জমা হলে মানুষের মনে একশো পূর্ণ করার ঝোঁক জাগে। এরপর সে আরও জমাতে চায়, আর এই নেশা বাড়তে থাকে। এভাবে সঞ্চয়ের নেশায় আচ্ছন্ন হওয়াকে ‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বলে।
    মনে রাখুন: কাছাকাছি অর্থের আরেকটি বাগ্ধারা ‘টাকার কুমির’, যার অর্থ প্রচুর ধনী।
  20. ৭৫. যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা তা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে বলা হয় –
    • ক. সমাস
    • খ. অব্যয়ীভাব সমাস
    • গ. কর্মধারয় সমাস
    • ঘ. নিত্য সমাস
    উত্তর: ঘ. নিত্য সমাস
    সমাস হলো একাধিক পদকে মিলিয়ে একটি পদে পরিণত করার প্রক্রিয়া। সাধারণত সমাসের ব্যাসবাক্য বা বিশ্লেষণ করা যায়, কিন্তু কিছু সমাসে ব্যাসবাক্য হয় না। কখনো ব্যাসবাক্য করতে গেলেও অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়। এই সমাসকে নিত্য সমাস বলে। যেমন ‘অন্য গ্রাম’ বোঝাতে বলতে হয় ‘গ্রামান্তর’, আর ‘কেবল দর্শন’ বোঝাতে ‘দর্শনমাত্র’।
    মনে রাখুন: সমাস প্রধানত ছয় প্রকার: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব। নিত্য সমাস আলাদা একটি শ্রেণি।

ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য

  1. ৭৬. Complete the following sentence. If I had known you were coming—
    • ক. I would go to the station.
    • খ. I had gone to the station.
    • গ. I would have gone to the station.
    • ঘ. I would be going to the station.
    উত্তর: গ. I would have gone to the station.
    ইংরেজিতে Conditional sentence-এ অতীতের এমন শর্ত বোঝানো হয়, যা বাস্তবে ঘটেনি এবং এখন আর বদলানো যায় না, তখন তাকে Third conditional বলে। এর গঠন: If + past perfect, would have + past participle। প্রশ্নের শর্তাংশে ‘had known’ আছে, তাই মূল বাক্যে ‘would have gone’ বসে। ঠিক বাক্য: ‘If I had known you were coming, I would have gone to the station.’
    মনে রাখুন:
    Second conditional: If I knew, I would go.
    First conditional: If he comes, I will go.
  2. ৭৭. Choose the correct option : Even as harvesting was going on—
    • ক. the rainy season began.
    • খ. the rainy season was began.
    • গ. the rainy season had began.
    • ঘ. the rainy season begins.
    উত্তর: ক. the rainy season began.
    ‘Even as’ মানে ঠিক সেই সময়ে বা সেই মুহূর্তে। বাক্যের প্রথম অংশ ‘harvesting was going on’ অতীতের একটি চলমান ঘটনা, তাই দ্বিতীয় ঘটনাটিও অতীতের এবং সেটি হঠাৎ ঘটে গেছে। এমন ক্ষেত্রে simple past হয়, তাই ‘the rainy season began’ সঠিক। ‘was began’ আর ‘had began’ ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ, কারণ began নিজেই past form এবং এর past participle হলো begun।
    মনে রাখুন: begin–began–begun। একটি চলমান অতীত ঘটনার মধ্যে আরেকটি ছোট ঘটনা ঘটলে সেটি Simple past হয়।
  3. ৭৮. Which phrase contains words opposed to each other in meaning?
    • ক. Hopes and aspiration.
    • খ. Heat and dust.
    • গ. Reproduction and death.
    • ঘ. Emerged and advanced.
    উত্তর: গ. Reproduction and death.
    Opposed in meaning মানে বিপরীত অর্থের শব্দের জোড়া। ‘Reproduction’ মানে সন্তান বা প্রাণের উৎপাদন, অর্থাৎ নতুন জীবনের সৃষ্টি। আর ‘death’ মানে মৃত্যু, অর্থাৎ জীবনের অবসান। এরা পরস্পরের বিপরীত ধারণা। অন্য জোড়াগুলোয় বিপরীত অর্থ নেই: hopes ও aspiration কাছাকাছি অর্থের, heat ও dust শুধু পাশাপাশি আসা দুটি জিনিস, আর emerged ও advanced দুটিই এগিয়ে আসার ধারণা দেয়।
    মনে রাখুন: বিপরীত শব্দের জোড়া: birth–death, rise–fall, success–failure।
  4. ৭৯. Find out the correct translation. সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।
    • ক. It is raining from morning.
    • খ. It has been raining from morning.
    • গ. It has been drizzling since morning.
    • ঘ. It is drizzling sicne morning.
    উত্তর: গ. It has been drizzling since morning.
    বাংলা ‘গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি’র ইংরেজি drizzle, অর্থাৎ ফোঁটা ফোঁটা হালকা বৃষ্টি। ‘সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে’ বলতে বোঝায় বৃষ্টি সকাল থেকে শুরু হয়ে এখনো চলছে। এমন চলমান ঘটনা Present perfect continuous tense-এ প্রকাশ পায়, আর নির্দিষ্ট সময়বিন্দু বোঝাতে since বসে। তাই ‘It has been drizzling since morning.’ সঠিক।
    মনে রাখুন:
    গঠন: has/have been + verb-ing।
    For বসে সময়ের দৈর্ঘ্যের আগে, since বসে সময়বিন্দুর আগে।
  5. ৮০. Maiden speech means—
    • ক. First speech
    • খ. Last speech
    • গ. Early speech
    • ঘ. Late speech
    উত্তর: ক. First speech
    Maiden শব্দের একটি অর্থ কারও জীবনে প্রথম, অর্থাৎ আগে কখনো করা হয়নি। তাই maiden speech মানে কারও প্রথম বক্তৃতা, বিশেষ করে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সংসদে দেওয়া প্রথম ভাষণ। Last, early বা late কোনোটি এখানে মেলে না।
    মনে রাখুন: Maiden voyage মানে জাহাজের প্রথম যাত্রা, আর maiden name মানে বিয়ের আগে নারীর নাম।
  6. ৮১. A person whose ‘head’ is in the clouds is—
    • ক. proud
    • খ. a day dreamer
    • গ. an aviator
    • ঘ. useless
    উত্তর: খ. a day dreamer
    ‘Have one’s head in the clouds’ বাগ্ধারার অর্থ বাস্তবতা থেকে দূরে কল্পনার জগতে ডুবে থাকা। যে মানুষ এমন করে, সে সবসময় আকাশকুসুম ভাবে এবং বাস্তবের কাজে মন দেয় না। তাকে day dreamer বা দিবাস্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়। Proud মানে গর্বিত আর aviator মানে বিমানচালক, যার সঙ্গে বাগ্ধারাটির সম্পর্ক নেই।
    উদাহরণ: He is a dreamer; he always has his head in the clouds.
    মনে রাখুন: কাছাকাছি অর্থের আরেকটি বাগ্ধারা to build castles in the air, অর্থাৎ অবাস্তব কল্পনা করা।
  7. ৮২. Identify the correct sentence :
    • ক. she had faith in and hopes for the future.
    • খ. She had faith and hopes for the future.
    • গ. she had faith and hopes in the future.
    • ঘ. she had faith and hopes in future.
    উত্তর: ক. she had faith in and hopes for the future.
    ইংরেজিতে কিছু শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition বসে। Faith-এর সঙ্গে বসে in (have faith in) এবং hope-এর সঙ্গে বসে for (hope for)। একই বাক্যে দুটি শব্দের preposition আলাদা হলে দুটিই লিখতে হয়, ফলে ‘She had faith in and hopes for the future’ সঠিক। এই বাক্যে প্রথম preposition ‘in’ এর object ‘the future’ পরে একবারই লেখা হয়েছে, যা দুই preposition-এর সঙ্গেই মেলে।
    উদাহরণ:
    He was interested in and fond of music.
    She is afraid of and angry with him.
    মনে রাখুন: Faith in, hope for, belief in, trust in, desire for।
  8. ৮৩. Choose the correct tense—
    • ক. Javed was so exhausted that he lain down for a sleep.
    • খ. Javed was so exhausted that he had laid down for a sleep.
    • গ. Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep,
    • ঘ. Javed was so exhausted that he will lay down for a sleep.
    উত্তর: গ. Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep,
    So … that গঠনে প্রথম অংশে কারণ এবং দ্বিতীয় অংশে ফল বলা হয়। প্রথম অংশ ‘Javed was so exhausted’ অতীতে, তাই ফলের অংশের ক্রিয়াও অতীত রূপে হতে হয়। ‘He will lay down’ ভবিষ্যৎ, তাই তা মেলে না। ‘He lain down’ অশুদ্ধ, কারণ lain হলো past participle এবং এর আগে has বা had লাগে। ‘Had laid down’ও ঠিক নয়, কারণ lay ক্রিয়ার পরে একটি object লাগে, নিজেকে শোয়ানো বোঝাতে lie ব্যবহার হয়। তাই ‘he was lying down for a sleep’ গ্রহণযোগ্য।
    মনে রাখুন:
    Lie–lay–lain (শোয়া, object লাগে না)।
    Lay–laid–laid (শোয়ানো বা রাখা, object লাগে)।
    উদাহরণ: He lay on the bed. She laid the book on the table.
  9. ৮৪. The captain left the boat, because it—
    • ক. turned down
    • খ. turned up
    • গ. turned bottom
    • ঘ. turned over.
    উত্তর: ঘ. turned over.
    ‘Turn over’ ক্রিয়ার একটি অর্থ উল্টে যাওয়া। নৌকা বা গাড়ি উল্টে গেলে ইংরেজিতে বলা হয় it turned over। প্রশ্নের বাক্যে ক্যাপ্টেন নৌকা ছেড়ে চলে গেছে, কারণ নৌকাটি উল্টে গিয়েছিল। ‘Turn down’ মানে প্রত্যাখ্যান করা বা আওয়াজ কমানো, আর ‘turn up’ মানে হাজির হওয়া বা আওয়াজ বাড়ানো।
    মনে রাখুন: Capsize আর overturn প্রায় একই অর্থের শব্দ, দুটিই নৌকা উল্টে যাওয়া বোঝায়।
  10. ৮৫. One should be careful about—duty.
    • ক. his
    • খ. her
    • গ. one’s
    • ঘ. the
    উত্তর: গ. one’s
    বাক্যের কর্তা হিসেবে সাধারণভাবে ‘one’ বসলে পরে সেই কর্তার অধিকার বোঝাতে ‘one’s’ বসে। অর্থাৎ ‘one’-এর possessive form হলো ‘one’s’। তাই ঠিক বাক্য ‘One should be careful about one’s duty.’ ‘His’ বা ‘her’ বসালে কর্তার সঙ্গে সর্বনামের মিল থাকে না।
    মনে রাখুন: কর্তা one হলে বাক্যে অন্য সর্বনাম এলে সেটি one বা one’s হয়, যেমন One must do one’s best।
  11. ৮৬. Three fourths of the work—finished.
    • ক. have been
    • খ. had
    • গ. has been
    • ঘ. were
    উত্তর: গ. has been
    ইংরেজিতে ‘fraction of + noun’ গঠনে verb মিলিয়ে নিতে হয় of-এর পরের noun-এর সঙ্গে। এখানে noun ‘the work’, যা একবচন ও অগণনযোগ্য। তাই verb-ও একবচন হবে, আর কাজটি শেষ হয়ে বর্তমানে ফল রেখে গেছে বোঝাতে present perfect দরকার। ঠিক বাক্য ‘Three fourths of the work has been finished.’
    উদাহরণ:
    Two thirds of the students are present. (students বহুবচন)
    Half of the money has been spent. (money একবচন)
  12. ৮৭. We waited until the plane—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
    • ক. did not take off
    • খ. took off
    • গ. had not taken off
    • ঘ. had taken off
    উত্তর: খ. took off
    Until শব্দের মধ্যেই ‘না হওয়া পর্যন্ত’ অর্থ আছে, তাই এর পরে আবার not বসালে অর্থ নেতিবাচক হয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। প্রশ্নের বাক্যে বলা হচ্ছে আমরা প্লেন ছাড়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি। অতীতের কাহিনি, তাই ‘until the plane took off’ সঠিক।
    মনে রাখুন: ‘Not until’ ঠিক হয় বাক্যের শুরুতে, যেমন Not until the plane took off did we leave।
  13. ৮৮. I spent — with the patient.
    • ক. sometimes
    • খ. sometime
    • গ. some time
    • ঘ. some times
    উত্তর: গ. some time
    ‘Some time’ দুই শব্দ আলাদা করে লিখলে মানে কিছু সময়, যেমন ‘I spent some time with the patient’, অর্থাৎ রোগীর সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটালাম। এক শব্দে ‘sometime’ মানে কোনো এক অনির্দিষ্ট সময়ে (যেমন Come sometime tomorrow)। আর ‘sometimes’ মানে মাঝে মাঝে, যেমন He sometimes comes late। ‘Some times’ বহুবচনে ‘কয়েকবার’ বোঝায়, তাই এই বাক্যে মেলে না।
    মনে রাখুন: Sometime, sometimes ও some time-এর পার্থক্য প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
  14. ৮৯. Choose the correct sentence.
    • ক. Rahim ate almost the whole fish.
    • খ. Rahim almost ate the whole fish.
    • গ. Almost Rahim ate whole fish.
    • ঘ. Rahim ate the whole fish almost.
    উত্তর: ক. Rahim ate almost the whole fish.
    ‘Almost’ ক্রিয়াবিশেষণ, যা যে শব্দকে বিশেষিত করে ঠিক তার আগে বসাতে হয়। রহিম মাছটির প্রায় পুরোটা খেয়েছে, তাই ‘almost’ বসবে ‘the whole fish’ অংশের আগে: ‘Rahim ate almost the whole fish.’ ‘Rahim almost ate the whole fish’ বললে বোঝায় সে খেতে খেতেও শেষমেশ খায়নি। অন্য অপশনগুলোতে almost-এর অবস্থান ঠিক নয়।
    মনে রাখুন: Only, almost, nearly এসব শব্দ যার অর্থ বদলাতে চান তার ঠিক আগে বসান।
  15. ৯০. Choose the right preposition for the sentence. She argued—me about the marriage.
    • ক. with
    • খ. for
    • গ. to
    • ঘ. from
    উত্তর: ক. with
    ইংরেজিতে ‘argue’ ক্রিয়ার সঙ্গে ব্যক্তির আগে with এবং বিষয়ের আগে about বসে। তাই কারও সঙ্গে তর্ক করা বোঝাতে ‘argue with someone’ বলা হয়। ঠিক বাক্য ‘She argued with me about the marriage.’
    মনে রাখুন: Argue with someone about something। কিছুর পক্ষে বা বিপক্ষে তর্ক করতে for ও against বসে, যেমন argue for a plan, argue against a plan।
  16. ৯১. Choose the right preposition for the sentence. I count…..your help.
    • ক. after
    • খ. upon
    • গ. for
    • ঘ. with
    উত্তর: খ. upon
    ‘Count on’ বা ‘count upon’ বাগ্ধারা মানে কারো ওপর ভরসা করা বা নির্ভর করা। তাই ‘I count upon your help’ বাক্যের অর্থ আমি তোমার সাহায্যের ওপর নির্ভর করি। ‘Count for’ মানে মূল্য থাকা এবং ‘count after’ আলাদা কোনো সাধারণ ব্যবহার নয়, ‘count with’ও এখানে মেলে না।
    মনে রাখুন: Depend on, rely on, count on এই তিনটি প্রায় সমার্থক।
  17. ৯২. Identify the correct passive form— Open the window.
    • ক. The window shoud be opened.
    • খ. Let the window be opened.
    • গ. Let the window be opened by you.
    • ঘ. The window must be opened.
    উত্তর: খ. Let the window be opened.
    Imperative বাক্য বা আদেশসূচক বাক্যকে Passive voice-এ নিতে হলে সাধারণত Let দিয়ে শুরু করে ‘Let + object + be + past participle’ গঠন বসাতে হয়। ‘Open the window’ বাক্যের passive হলো ‘Let the window be opened.’ এখানে সাধারণত ‘by you’ যোগ করা হয় না, কারণ আদেশ তো প্রাপকের প্রতিই দেওয়া হচ্ছে।
    উদাহরণ:
    Close the door. → Let the door be closed.
    Do it at once. → Let it be done at once.
  18. ৯৩. Choose the appropriate meaning of the idiom ‘swan song.’আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
    • ক. First work
    • খ. Last work
    • গ. Middle work
    • ঘ. Early work.
    উত্তর: খ. Last work
    ‘Swan song’ বাগ্ধারার অর্থ কারও শেষ কাজ, শেষ পরিবেশনা বা শেষ রচনা। প্রচলিত বিশ্বাস, রাজহাঁস সারা জীবন নীরব থাকে এবং মৃত্যুর ঠিক আগে একবার অপূর্ব সুরে গান গায়। সেখান থেকেই এই বাগ্ধারার জন্ম।
    উদাহরণ: That film was the actor’s swan song.
    মনে রাখুন: Swan song-এর সমার্থক last work, farewell performance।
  19. ৯৪. Complete the sentence– Trees have—off their leaves.
    • ক. thrown
    • খ. fallen
    • গ. cast
    • ঘ. Put
    উত্তর: গ. cast
    ‘Cast off’ ক্রিয়ার অর্থ ঝেড়ে ফেলা, খসিয়ে ফেলা বা ত্যাগ করা। শীতকালে গাছ পাতা খসিয়ে ফেলে, তাই বলা হয় ‘Trees have cast off their leaves.’ Thrown off বা put off এখানে স্বাভাবিক নয়। Fallen বসালে off আর প্রয়োজন থাকে না।
    মনে রাখুন: Cast-cast-cast, এই ক্রিয়ার তিনটি রূপই এক।
    উদাহরণ: The snake cast off its skin.

অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান

১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন