লিয়ানা বুকস

১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ১৯৯৩। এখানে ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ৬০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য

  1. ১. ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’ – চরণ দুটি কার লেখা?
    • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
    • খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • গ. গোলাম মোস্তফা
    • ঘ. শেখ ফজলল করিম
    উত্তর: ক. কাজী নজরুল ইসলাম
    ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’ চরণ দুটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। এটি প্রার্থনামূলক গানের অংশ, যেখানে কবি সৃষ্টিকর্তার কাছে সুন্দর ও কল্যাণময় জীবন চেয়েছেন। নজরুল গজল, শ্যামাসংগীত ও ইসলামি গানের পাশাপাশি এমন প্রার্থনা সংগীতও রচনা করেছেন।
    মনে রাখুন:
    নজরুলকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়, আর তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’।
    তাঁর কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা, সর্বহারা, সাম্যবাদী।
    তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
  2. ২. যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না-
    • ক. পতিত
    • খ. অনুর্বব
    • গ. ঊষর
    • ঘ. বন্ধ্যা
    উত্তর: গ. ঊষর
    যে জমিতে কোনো ফসল জন্মায় না, তাকে এক কথায় ঊষর বলে। মাটিতে লবণ বা অন্য কারণে এমন জমি চাষের অযোগ্য হয়ে যায়। ‘পতিত’ জমিতে ফসল হতে পারে, শুধু কেউ চাষ করে না। ‘অনুর্বর’ জমিতে ফসল কম হয়, একেবারে হয় না এমন নয়। ‘বন্ধ্যা’ শব্দ সাধারণত সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম নারীকে বোঝায়।
    মনে রাখুন:
    যে জমিতে প্রচুর ফসল জন্মায় তাকে বলে উর্বর।
    যে জমিতে একবার ফসল হয় তাকে বলে একফসলি জমি।
  3. ৩. ‘অপমান’ শব্দের ‘ অপ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
    • ক. বিপরীত
    • খ. নিকৃষ্ট
    • গ. বিকৃত
    • ঘ. অভাব
    উত্তর: ক. বিপরীত
    ‘অপমান’ শব্দটি ‘অপ’ উপসর্গ ও ‘মান’ শব্দ মিলে গঠিত। এখানে ‘অপ’ মানের উল্টো অবস্থা, অর্থাৎ সম্মানহীনতা বোঝাচ্ছে, তাই উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উপসর্গ হলো যে অব্যয় শব্দাংশ অন্য শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন অর্থ তৈরি করে।
    মনে রাখুন: ‘অপ’ উপসর্গের অর্থ কয়েকটি, যেমন বিপরীত (অপমান, অপকার), নিকৃষ্ট (অপকর্ম, অপযশ), বিকৃত (অপভাষা)।
  4. ৪. ‘সোনালী কাবিন’ এর রচয়িতা কে?
    • ক. হাসান হাফিজুর রহমান
    • খ. আল-মাহমুদ
    • গ. হুমায়ুন আজাদ
    • ঘ. শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    উত্তর: খ. আল-মাহমুদ
    ‘সোনালী কাবিন’ আল মাহমুদের সবচেয়ে পরিচিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। এর সনেটগুচ্ছে গ্রামবাংলার জীবন, প্রেম ও মাটির গন্ধ মিশে আছে। আল মাহমুদ ষাটের দশকের একজন প্রধান কবি।
    মনে রাখুন:
    আল মাহমুদের অন্য কাব্য: লোক লোকান্তর, কালের কলস, মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো।
    তিনি ২০১৩ সালে একুশে পদক পান।
  5. ৫. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন?
    • ক. বিসর্জন
    • খ. ডাকঘর
    • গ. বসন্ত
    • ঘ. অচলায়তন
    উত্তর: গ. বসন্ত
    ১৯২৩ সালে কাজী নজরুল ইসলাম যখন কারাগারে, তখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘বসন্ত’ গীতিনাট্যটি নজরুলকে উৎসর্গ করেন। এটি দুই কবির সম্পর্কের একটি স্মরণীয় ঘটনা, আর এতে নজরুল খুব অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।
    মনে রাখুন:
    গীতিনাট্য মূলত গানের মাধ্যমে বলা নাটক।
    রবীন্দ্রনাথের ‘ডাকঘর’ ও ‘অচলায়তন’ রূপক-সাংকেতিক ধারার নাটক, আর ‘বিসর্জন’ কাব্যনাট্য।
  6. ৬. বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম-
    • ক. সুন্দরম
    • খ. লোকায়ত
    • গ. উত্তরাধিকার
    • ঘ. কিছুধ্বনি
    উত্তর: গ. উত্তরাধিকার
    ‘উত্তরাধিকার’ বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা। পরীক্ষার সময়ে এটি ত্রৈমাসিক হিসেবে বের হতো, অর্থাৎ বছরে চারবার প্রকাশিত হতো। বাংলা একাডেমি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, আর ভাষা ও সাহিত্যের নানা বিষয়ে এ ধরনের পত্রিকা প্রকাশ করে।
    মনে রাখুন: বাংলা একাডেমির আরেকটি পত্রিকা ‘বাংলা একাডেমি পত্রিকা’।
  7. ৭. ‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ এর প্রধান লেখক ছিলেন-
    • ক. কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ
    • খ. মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন প্রমুখ
    • গ. মোহাম্মদ আকরাম খাঁ, মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখ
    • ঘ. কাজী ইমদাদুল হক, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রমুখ
    উত্তর: ক. কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ
    ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ ১৯২৬ সালে ঢাকায় গঠিত হয় এবং এই সংগঠন ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের সূচনা করে। এর মূল লেখকদের মধ্যে ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন, কাজী মোতাহার হোসেন ও আবুল ফজল। এঁদের মুখপত্র ছিল ‘শিখা’ পত্রিকা, আর এর স্লোগান ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’।
    মনে রাখুন: ‘শিখা’ পত্রিকা ১৯২৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
  8. ৮. ‘ঠক চাচা’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
    • ক. আলালের ঘরের দুলাল
    • খ. জোহরা
    • গ. মৃত্যুক্ষুধা
    • ঘ. হাজার বছর ধরে
    উত্তর: ক. আলালের ঘরের দুলাল
    ‘ঠকচাচা’ প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাসের একটি ধূর্ত ও কূটবুদ্ধি চরিত্র। তিনি বাবুরাম বাবুর পরামর্শদাতা হয়ে ছলচাতুরি করেন। প্যারীচাঁদ মিত্র ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে এ উপন্যাস লিখেছিলেন।
    মনে রাখুন:
    ‘আলালের ঘরের দুলাল’ ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সামাজিক উপন্যাস বলা হয়।
    এর ভাষা ছিল সহজ কথ্য রীতির, যা ‘আলালী ভাষা’ নামে পরিচিত।
  9. ৯. ‘বঙ্গদর্শন ‘ পত্রিকা কোন সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
    • ক. ১৮৬৫
    • খ. ১৮৭২
    • গ. ১৮৭৫
    • ঘ. ১৮৮১
    উত্তর: খ. ১৮৭২
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৭২ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ মাসিক পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাই বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে এবং এতে বঙ্কিমের অনেক উপন্যাস ধারাবাহিকভাবে বের হয়। যেমন ‘বিষবৃক্ষ’ ও ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ এখানেই প্রথম ছাপা হয়।
    মনে রাখুন: বঙ্গদর্শনের পরবর্তী সম্পাদকদের মধ্যে ছিলেন সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
  10. ১০. ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য-
    • ক. জীবনানুভূতির গভীরতায়
    • খ. দূষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্মতায়
    • গ. কাহিনীর সরলতা ও জটিলতায়
    • ঘ. ভাষার প্রকারভেদে
    উত্তর: ক. জীবনানুভূতির গভীরতায়
    জীবনকে কতটা গভীরভাবে অনুভব ও প্রকাশ করা হয়েছে, এর ওপরই ট্র্যাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য দাঁড়ায়। ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্ত নাটক মানুষের গভীর দুঃখ ও করুণ পরিণতি দেখায়। কমেডি বা মিলনান্তক নাটক হাসির মাধ্যমে জীবনের হালকা দিক তুলে ধরে। আর ফার্স বা প্রহসন নিছক তামাশা ও অতিরঞ্জিত হাস্যরস নিয়ে গড়ে ওঠে, যেখানে জীবনের গভীরতা প্রায় থাকে না।
    মনে রাখুন:
    ট্র্যাজেডির উদাহরণ: সেক্সপিয়রের ‘হ্যামলেট’।
    প্রহসনের উদাহরণ: মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘একেই কি বলে সভ্যতা’।
  11. ১১. সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য-
    • ক. তৎসম ও অতৎসম শব্দের ব্যবহারে
    • খ. ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
    • গ. শব্দের কথা ও লেখা রূপে
    • ঘ. বাক্যের সরলতা ও জটিলতায়
    উত্তর: খ. ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
    সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য দেখা যায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে। সাধু ভাষায় এগুলো পূর্ণরূপে লেখা হয়, আর চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত ও মুখের মতো রূপ নেয়। শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপ বা বাক্যের জটিলতা এই পার্থক্যের মূল কথা নয়।
    উদাহরণ:
    সাধু: করিয়াছিলাম, তাহারা, যাইতেছে।
    চলিত: করেছিলাম, তারা, যাচ্ছে।
    মনে রাখুন: চলিত ভাষার প্রধান প্রবক্তা প্রমথ চৌধুরী (‘সবুজপত্র’ পত্রিকায়)।
  12. ১২. ‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন _____ ।
    • ক. বিনয় ঘোষ
    • খ. সিকান্‌দার আবু জাফর
    • গ. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
    • ঘ. তফাজ্জল হোসেন
    উত্তর: খ. সিকান্‌দার আবু জাফর
    ‘সমকাল’ ১৯৫৭ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি সাহিত্য পত্রিকা, আর এর সম্পাদক ছিলেন কবি সিকান্দার আবু জাফর। এই পত্রিকাকে ঘিরে পূর্ব বাংলার একদল নতুন লেখক গড়ে ওঠেন এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যচর্চার একটি কেন্দ্র তৈরি হয়।
    মনে রাখুন:
    সিকান্দার আবু জাফরের বিখ্যাত কাব্য ‘প্রসন্ন প্রহর’ ও ‘বৈরী বৃষ্টিতে’, নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’।
  13. ১৩. ‘প্রভাত চিন্তা ‘, ‘নিভূত চিন্তা’, ‘নিশীত চিন্তা’ প্রভূতি গ্রন্থের রচয়িতা-
    • ক. কালীপ্রসন্ন সিংহ
    • খ. কালীপ্রসন্ন ঘোষ
    • গ. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
    • ঘ. এস ওয়াজেদ আলী
    উত্তর: খ. কালীপ্রসন্ন ঘোষ
    ‘প্রভাত চিন্তা’, ‘নিভৃত চিন্তা’ ও ‘নিশীথ চিন্তা’ কালীপ্রসন্ন ঘোষের চিন্তামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ। তিনি উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক। তিনি ঢাকা থেকে ‘বান্ধব’ নামের মাসিক পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। নামের মিল থাকলেও কালীপ্রসন্ন সিংহ আলাদা লেখক, যিনি মহাভারতের বাংলা অনুবাদ ও ‘হুতোম প্যাঁচার নক্‌শা’র জন্য বিখ্যাত।
    মনে রাখুন: কালীপ্রসন্ন ঘোষের আরেকটি গ্রন্থ ‘ভ্রান্তি বিনোদ’।
  14. ১৪. ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ এই উক্তিটি কার?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. কাজী আবদুল ওদুদ
    • গ. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
    • ঘ. প্রমথ চৌধুরী
    উত্তর: ঘ. প্রমথ চৌধুরী
    ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর, যা তাঁর ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে আছে। এর অর্থ প্রকৃত শিক্ষা অন্যের কাছ থেকে গিলে নেওয়া যায় না, মানুষ নিজের চেষ্টা ও আগ্রহে বই পড়ে তা অর্জন করে। তাই শিক্ষক শুধু পথ দেখান, শেখার কাজটি শিক্ষার্থীকে নিজেই করতে হয়।
    মনে রাখুন:
    প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন এবং তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা ‘সবুজপত্র’।
    তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষা প্রতিষ্ঠার অগ্রপথিক।
    তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘তেল-নুন-লকড়ি’ ও ‘বীরবলের হালখাতা’।
  15. ১৫. শুদ্ধ বানানটি নির্দেশ করুন-
    • ক. মুহুর্মুহু
    • খ. মূহুর্মুহু
    • গ. মুর্হুমূর্হু
    • ঘ. মুর্হুর্মূহু
    উত্তর: ক. মুহুর্মুহু
    শুদ্ধ বানান ‘মুহুর্মুহু’, যার অর্থ বারবার বা ঘন ঘন। শব্দটি ‘মুহুঃ’ শব্দের দ্বিত্ব থেকে এসেছে, আর এর প্রতিটি ‘মু’ ও ‘হু’-তে হ্রস্ব উ-কার বসে। ‘মুহূর্ত’ (ক্ষণকাল) শব্দের বানান কিন্তু আলাদা, সেখানে ‘হূ’-তে দীর্ঘ ঊ-কার বসে।
    মনে রাখুন:
    মুহূর্ত (ক্ষণকাল) — দীর্ঘ ঊ-কার।
    মুহুর্মুহু (বারবার) — হ্রস্ব উ-কার।
    উদাহরণ: মুহুর্মুহু করতালি পড়ল।
  16. ১৬. দ্যুলোকে শব্দের যথার্থ সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
    • ক. দুঃ + লোক
    • খ. দিব্‌ + লোক
    • গ. দ্বি + লোক
    • ঘ. দ্বিঃ + লোক
    উত্তর: খ. দিব্‌ + লোক
    ‘দ্যুলোক’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ দিব্ + লোক। এখানে ‘দিব্’ শব্দের ‘ব্’ ধ্বনিটি ‘উ’-তে পরিণত হয় এবং শব্দটি ‘দ্যু’ রূপ নেয়। এভাবে দিব্ + লোক = দ্যুলোক, যার অর্থ স্বর্গ বা আকাশলোক। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি উদাহরণ।
    মনে রাখুন:
    দ্যুলোক ও ভূলোক মিলে বোঝায় আকাশ ও পৃথিবী।
    অন্য ব্যঞ্জনসন্ধি: তৎ + হিত = তদ্ধিত।
  17. ১৭. ‘তাপ’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ-
    • ক. শৈত্য
    • খ. শীতল
    • গ. উত্তাপ
    • ঘ. হিম
    উত্তর: ক. শৈত্য
    ‘তাপ’ একটি বিশেষ্য পদ, তাই এর বিপরীত শব্দও বিশেষ্য হতে হবে। ‘শৈত্য’ বিশেষ্য এবং তাপের ঠিক উল্টো অবস্থা অর্থাৎ ঠান্ডাকে বোঝায়। তাই এটিই যথাযথ বিপরীত শব্দ। ‘শীতল’ বিশেষণ পদ, আর ‘হিম’ কাছাকাছি অর্থের হলেও এটি তাপের সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে চলে না। ‘উত্তাপ’ তাপেরই সমার্থক।
    মনে রাখুন:
    শৈত্যের বিপরীত উষ্ণতা বা তাপ।
    শীতলের বিপরীত উষ্ণ বা গরম।
  18. ১৮. ‘ইচ্ছা’ বিশেষ্যের বিশেষণ নির্দেশ করুন।
    • ক. ইচ্ছাময়
    • খ. ঐচ্ছিক
    • গ. ইচ্ছুক
    • ঘ. অনিচ্ছা
    উত্তর: গ. ইচ্ছুক
    যে মানুষ কিছু করতে ইচ্ছা করে, তাকে বলা হয় ‘ইচ্ছুক’। তাই ‘ইচ্ছা’ বিশেষ্যের বিশেষণ রূপ হলো ‘ইচ্ছুক’। এভাবে বিশেষ্য থেকে বিশেষণ তৈরি হলে শব্দের রূপ বদলে যায়। ‘অনিচ্ছা’ নিজেই বিশেষ্য, ‘ঐচ্ছিক’ মানে ইচ্ছাধীন বা অবশ্যপালনীয় নয় এমন, আর ‘ইচ্ছাময়’ বলতে সাধারণত ঈশ্বরকে বোঝানো হয়।
    মনে রাখুন:
    বিশেষ্য থেকে বিশেষণ: দিন—দৈনিক, মন—মানসিক, সমাজ—সামাজিক।
    ইচ্ছুক শব্দটি ইচ্ছা + উক প্রত্যয়ে গঠিত।
  19. ১৯. কোন বাক্যটিতে সমধাতুজ কর্ম আছে?
    • ক. সে বই পড়ছে
    • খ. সে গভীর চিন্তায় মগ্ন
    • গ. সে ঘুমিয়ে আছে
    • ঘ. সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না
    উত্তর: ঘ. সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না
    একই ধাতু থেকে তৈরি কর্ম যখন ক্রিয়ার সঙ্গে বসে, তখন সেই কর্মকে সমধাতুজ কর্ম বলে। ‘সে যে চাল চেলেছে’ বাক্যে ‘চাল’ ও ‘চেলেছে’ একই ধাতু থেকে এসেছে, তাই এখানে সমধাতুজ কর্ম আছে। ‘সে বই পড়ছে’ বাক্যে ‘বই’ সাধারণ কর্ম, কারণ ‘বই’ ও ‘পড়ছে’ ধাতুগতভাবে আলাদা।
    উদাহরণ:
    সে এক অদ্ভুত খেলা খেলছে।
    সে গান গাইছে।
    মনে রাখুন: সমধাতুজ কর্ম বাক্যের ভাব স্পষ্ট করে বা জোর দেয়।

ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য

  1. ২০. The speaker failed to make the audience ______ to him patiently. – Which of the following is the correct verb form in the blank above
    • ক. to listen
    • খ. listening
    • গ. listened
    • ঘ. listen
    উত্তর: ঘ. listen
    Make একটি causative verb। Active voice-এ ‘make + object’-এর পর to ছাড়া verb-এর মূল রূপ (bare infinitive) বসে। তাই সঠিক বাক্য ‘The speaker failed to make the audience listen to him patiently.’ কিন্তু Passive voice-এ to যুক্ত হয়, যেমন ‘The audience was made to listen.’
    মনে রাখুন:
    let, make, see, hear, help-এর পরে active-এ bare infinitive বসে।
    উদাহরণ: She made me laugh. / I saw him go.
  2. ২১. Which of the following ages in literary history is the latest?
    • ক. The Augustan Age
    • খ. The Victorian Age
    • গ. The Georgian Age
    • ঘ. The Restoration Age
    উত্তর: গ. The Georgian Age
    সাহিত্যের ইতিহাসে এই যুগগুলোর সময়কাল আলাদা। Restoration Age শুরু হয় ১৬৬০ সালে, Augustan Age মোটামুটি অষ্টাদশ শতকের প্রথম দিকে, আর Victorian Age ১৮৩৭ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত। Georgian Age (কবিতার ক্ষেত্রে প্রায় ১৯১০–১৯৩৬) এগুলোর পরে এসেছে, তাই এটিই সবচেয়ে পরের যুগ।
    মনে রাখুন (ক্রম):
    Elizabethan → Jacobean → Caroline → Commonwealth → Restoration → Augustan → Romantic → Victorian → Georgian।
  3. ২২. The first English dictionary was compiled by-
    • ক. Iazak Walton
    • খ. Samuel Johnson
    • গ. Samuel Butler
    • ঘ. Sir Thomas Browne
    উত্তর: খ. Samuel Johnson
    Samuel Johnson ১৭৫৫ সালে ‘A Dictionary of the English Language’ প্রকাশ করেন, যা প্রথম বড় ও পূর্ণাঙ্গ ইংরেজি অভিধান হিসেবে গণ্য। তিনি প্রায় নয় বছর ধরে এই অভিধান সংকলন করেন। তাই প্রথম ইংরেজি অভিধানের সংকলক হিসেবে তাঁর নামই বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    Johnson-এর অন্য রচনা ‘The Lives of the Poets’ ও ‘Rasselas’।
    Izaak Walton ‘The Compleat Angler’ লিখেছেন।
    Samuel Butler ‘Hudibras’-এর কবি।
  4. ২৩. My uncle has three sons, ____ work in the same office. Which of the following is the best form of pronoun in the above sentence?
    • ক. All of them
    • খ. Who all
    • গ. they all
    • ঘ. All of whom
    উত্তর: ঘ. All of whom
    বাক্যে দুটি উপবাক্যকে কমা দিয়ে জুড়তে হলে একটি সংযোজক (relative) pronoun লাগে। ‘three sons’-এর কথা বলে তাদের সবার কাজের কথা বোঝাতে ‘all of whom’ বসে, কারণ whom এখানে sons-কে নির্দেশ করে এবং বাক্য দুটিকে জোড়ে। তাই সঠিক বাক্য ‘My uncle has three sons, all of whom work in the same office.’ ‘They all’ বা ‘all of them’ বসালে শুধু কমা দিয়ে দুটি স্বাধীন বাক্য জুড়ে যায়, যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
    উদাহরণ: He has two cars, both of which are red.
  5. ২৪. People always remember patriots. Which of the following is the best passive form of the above sentence?
    • ক. The patriots will always be remembered by people
    • খ. The patriots are always being remembered
    • গ. People are always remembered by The patriots
    • ঘ. The patriots are always remembered
    উত্তর: ঘ. The patriots are always remembered
    Active voice-এর object ‘patriots’ Passive voice-এ subject হয় এবং Simple Present-এর verb হয় ‘are remembered’। এখানে ‘always’ শব্দটি be verb-এর পরে বসে। Active-এর কর্তা ‘people’ সাধারণ ও অনির্দিষ্ট, তাই ‘by people’ বাদ দেওয়া যায়। ফলে সঠিক Passive বাক্য ‘The patriots are always remembered.’
    মনে রাখুন: Passive-এ কর্তা অনির্দিষ্ট (people, they, someone) হলে ‘by + agent’ অংশ সাধারণত বাদ যায়।
  6. ২৫. What is the meaning of the word ‘intrepid’?
    • ক. arrogant
    • খ. belligerent
    • গ. questioning
    • ঘ. fearless
    উত্তর: ঘ. fearless
    Intrepid মানে নির্ভীক ও সাহসী, বিশেষ করে বিপদের মুখোমুখি হওয়ার ক্ষেত্রে। তাই এর অর্থ fearless। Belligerent মানে যুদ্ধপ্রিয় বা ঝগড়াটে, Arrogant মানে অহংকারী আর Questioning মানে প্রশ্নকারী, ফলে এগুলো এখানে মেলে না।
    মনে রাখুন: Intrepid-এর সমার্থক brave, courageous ও dauntless, আর বিপরীত শব্দ timid, cowardly।
  7. ২৬. What is the meaning of the expression ‘bottom line’?
    • ক. The final step
    • খ. The end of a road
    • গ. The last line of a book
    • ঘ. The essential point
    উত্তর: ঘ. The essential point
    ‘Bottom line’ মানে কোনো বিষয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা মূল কথা। শব্দবন্ধটি এসেছে হিসাবের খাতা থেকে, যেখানে আয়-ব্যয়ের তালিকার সবচেয়ে নিচের লাইনে লাভ বা ক্ষতি লেখা থাকে এবং সেটিই সবচেয়ে জরুরি তথ্য। এখন দৈনন্দিন কথায় এটি বোঝায় সারকথা।
    উদাহরণ: The bottom line is that we need more money.
    মনে রাখুন: Bottom line-এর সমার্থক essential point বা crux।
  8. ২৭. The word ‘plurality’ means-
    • ক. The letter ‘S’
    • খ. Men and women
    • গ. Chaos and confusion
    • ঘ. The holding of more than one office at a time
    উত্তর: ঘ. The holding of more than one office at a time
    Plurality শব্দের একটি অর্থ একই সময়ে দুই বা ততোধিক পদ বা দায়িত্ব ধারণ করা। অনেক সময় plurality বলতে বহুসংখ্যা বা বহুবচনের অবস্থাও বোঝায়, আর রাজনীতিতে এটি বোঝায় সবচেয়ে বেশি ভোট পেলেও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়াকে। প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে একসঙ্গে একাধিক পদ ধারণ করাই সঠিক অর্থ।
    মনে রাখুন: Plurality-র সঙ্গে majority গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। Majority মানে মোট ভোটের অর্ধেকের বেশি।
  9. ২৮. ‘Pediatric’ relates to the treatment of –
    • ক. Adults
    • খ. Children
    • গ. Old people
    • ঘ. Women
    উত্তর: খ. Children
    Pediatric শব্দটি শিশুদের চিকিৎসা-সংক্রান্ত। Pediatrician হলেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। Pediatrics শাখাটি জন্ম থেকে কৈশোর পর্যন্ত শিশুর স্বাস্থ্য ও রোগ নিয়ে কাজ করে।
    মনে রাখুন:
    Geriatrics — বৃদ্ধদের চিকিৎসা।
    Gynecology — নারীদের প্রজনন-স্বাস্থ্যের চিকিৎসা।
    Cardiology — হৃদরোগের চিকিৎসা।
  10. ২৯. ‘Boot leg’ means to-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
    • ক. distribute
    • খ. export
    • গ. import
    • ঘ. smuggle
    উত্তর: ঘ. smuggle
    Bootleg ক্রিয়ার অর্থ বেআইনিভাবে কোনো জিনিস, বিশেষ করে মদ, তৈরি করা, বহন করা বা বিক্রি করা। আমেরিকায় মদ নিষিদ্ধ থাকার সময় (১৯২০-এর দশকে) চোরাই মদ বুটের ভেতরে লুকিয়ে বয়ে নেওয়া হতো, সেই থেকে এই শব্দের জন্ম। তাই এর কাছাকাছি অর্থ smuggle, অর্থাৎ চোরাচালান করা।
    মনে রাখুন: Bootlegger মানে বেআইনি মদ ব্যবসায়ী, আর bootleg-এর আরেক অর্থ বেআইনি নকল (যেমন bootleg CD)।
  11. ৩০. Are you doing anything special ____ the weekend? -fill in the gap with appropriate preposition.
    • ক. in
    • খ. for
    • গ. on
    • ঘ. at
    উত্তর: ঘ. at
    সপ্তাহান্ত বোঝাতে ব্রিটিশ ইংরেজিতে ‘at the weekend’ বলা হয়, আর আমেরিকান ইংরেজিতে বলা হয় ‘on the weekend’। প্রশ্নের অপশনে ‘on’ ও ‘at’ দুটিই আছে, কিন্তু প্রচলিত আদর্শ ব্যাকরণ-পরীক্ষার নিয়মে ব্রিটিশ রীতি অনুসরণ করা হয়, তাই সঠিক বাক্য ‘Are you doing anything special at the weekend?’
    মনে রাখুন:
    at night, at noon, at Christmas, at the weekend — সময়ের নির্দিষ্ট বিন্দুতে at বসে।
    in the morning, on Friday, on the weekend (AmE)।
  12. ৩১. Which of the following is a correct sentence?
    • ক. He was too clever not to miss the point
    • খ. He was to clever to miss the point
    • গ. He was too clever to miss the point
    • ঘ. He was too clever to grasp the point
    উত্তর: গ. He was too clever to miss the point
    ‘too … to’ গঠনটি নেতিবাচক অর্থ দেয়, অর্থাৎ কাজটি করার ক্ষমতা বা সুযোগ নেই বোঝায়। তাই ‘He was too clever to miss the point’ মানে সে এত চালাক ছিল যে বিষয়টি তার চোখ এড়ায়নি। এখানে কোনো অতিরিক্ত ‘not’ বসে না, আর ‘to’ নয়, ‘too’ লিখতে হয়। ‘too clever to grasp the point’ বাক্যের অর্থ যুক্তিসংগত নয়, কারণ চালাক মানুষ তো বিষয় ধরতে পারে।
    মনে রাখুন: too…to গঠনের সঙ্গে অতিরিক্ত নেতিবাচক শব্দ (not, never) ব্যবহার করা ভুল।
    উদাহরণ: He is too weak to walk.
  13. ৩২. The ‘Poet Laureate’ is-
    • ক. the best poet of the country
    • খ. a winner of the Noble Prize in poetry
    • গ. the Court Poet of England
    • ঘ. a classical poet
    উত্তর: গ. the Court Poet of England
    Poet Laureate হলেন ব্রিটিশ রাজা বা রানি কর্তৃক সরকারিভাবে নিযুক্ত কবি, যিনি রাজদরবার ও জাতীয় অনুষ্ঠানের জন্য কবিতা লেখেন। এ কারণে তাঁকে ইংল্যান্ডের রাজকবি বা court poet বলা হয়। নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত কবি বা শ্রেষ্ঠ কবির সঙ্গে এই পদের কোনো সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    ইংল্যান্ডের প্রথম সরকারি Poet Laureate ছিলেন জন ড্রাইডেন (১৬৬৮)।
    ওয়ার্ডসওয়ার্থ, টেনিসন ও টেড হিউজও এই পদে ছিলেন।
  14. ৩৩. Which of the following school of literary writings is connected with a medical theory?
    • ক. Comedy of Manners
    • খ. Theater of the Absurd
    • গ. Heroic Tragedy
    • ঘ. Comedy of Humours
    উত্তর: ঘ. Comedy of Humours
    Comedy of Humours-এর ভিত্তি প্রাচীন চিকিৎসাতত্ত্ব, যাতে মনে করা হতো মানুষের শরীরে চার ধরনের তরল (humour) থাকে: রক্ত, শ্লেষ্মা, পিত্ত ও কৃষ্ণ পিত্ত। কোনো একটি তরল বেশি হলে মানুষের স্বভাব তার দ্বারা বিকৃত হয়, আর নাটকের চরিত্রগুলো তেমন একপেশে স্বভাবের হয়। বেন জনসন এই ধারাকে জনপ্রিয় করেন।
    মনে রাখুন:
    বেন জনসনের বিখ্যাত নাটক ‘Every Man in His Humour’ ও ‘Volpone’।
    Comedy of Manners-এ সমাজের আচার-আচরণ ব্যঙ্গ করা হয়।
  15. ৩৪. Who of the following was both a poet and painter?
    • ক. Keats
    • খ. Donne
    • গ. Blake
    • ঘ. Spenser
    উত্তর: গ. Blake
    William Blake একাধারে কবি ও চিত্রশিল্পী ছিলেন। তিনি নিজের কবিতার সঙ্গে নিজেই খোদাই করা ছবি (engraving) এঁকে বই ছাপতেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘Songs of Innocence’ (১৭৮৯) ও ‘Songs of Experience’ (১৭৯৪)। অন্য তিনজন কবি Keats, Donne ও Spenser শুধু কবি হিসেবেই পরিচিত।
    মনে রাখুন: Blake-এর বিখ্যাত কবিতা ‘The Tyger’ ও ‘The Lamb’। তিনি রোম্যান্টিক যুগের অগ্রদূত।
  16. ৩৫. What is the synonym of ‘incredible’?
    • ক. Unbelievable
    • খ. Unthinkable
    • গ. Unlikely
    • ঘ. Unthinking
    উত্তর: ক. Unbelievable
    Incredible মানে অবিশ্বাস্য, অর্থাৎ যা বিশ্বাস করা কঠিন। তাই এর সমার্থক শব্দ unbelievable। Unthinkable মানে চিন্তারও অতীত, Unlikely মানে সম্ভাবনাহীন আর Unthinking মানে চিন্তাহীন, এগুলোর অর্থ আলাদা।
    মনে রাখুন:
    Incredible-এর বিপরীত credible (বিশ্বাসযোগ্য)।
    Incredible আর incredulous এক নয়। Incredulous মানে অবিশ্বাসী মনোভাবসম্পন্ন।
  17. ৩৬. What is the antonym of ‘famous’?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
    • ক. Opaque
    • খ. illiterate
    • গ. Obscure
    • ঘ. Immature
    উত্তর: গ. Obscure
    Famous মানে বহু মানুষের কাছে সুপরিচিত। এর বিপরীত হলো Obscure, যার অর্থ অখ্যাত বা অপরিচিত। Opaque মানে অস্বচ্ছ, Illiterate মানে নিরক্ষর আর Immature মানে অপরিণত, এগুলো বিপরীত অর্থ দেয় না।
    মনে রাখুন:
    Famous-এর সমার্থক renowned, celebrated, eminent।
    Obscure-এর আরেক অর্থ অস্পষ্ট বা দুর্বোধ্য।
  18. ৩৭. ‘Plebiscite’ is a term related to –
    • ক. Medicine
    • খ. Technology
    • গ. Law
    • ঘ. Politics
    উত্তর: ঘ. Politics
    Plebiscite হলো কোনো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রশ্নে একটি দেশ বা অঞ্চলের সব ভোটারের সরাসরি ভোট। যেমন কোনো অঞ্চল কোন দেশের অন্তর্ভুক্ত হবে, তা ঠিক করতে গণভোট নেওয়া হয়। তাই এটি রাজনীতির পরিভাষা।
    মনে রাখুন:
    Plebiscite ও referendum প্রায় সমার্থক, বাংলায় দুটিই গণভোট।
    বাংলাদেশে ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
  19. ৩৮. Who wrote ‘beauty is truth, truth beauty’?
    • ক. Shakespeare
    • খ. Wordsworth
    • গ. Keats
    • ঘ. Eliot
    উত্তর: গ. Keats
    ‘Beauty is truth, truth beauty’ পঙ্‌ক্তিটি জন কিটসের ‘Ode on a Grecian Urn’ কবিতার শেষ অংশে আছে, যা ১৮১৯ সালে লেখা হয় এবং ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়। গ্রিসের এক প্রাচীন মৃৎপাত্রের গায়ের ছবি দেখে কবি বোঝেন, সৌন্দর্য ও সত্য আসলে অভিন্ন। কিটস রোম্যান্টিক যুগের কবি।
    মনে রাখুন:
    কিটসের অন্য কবিতা ‘Ode to a Nightingale’, ‘To Autumn’, ‘Endymion’।
    ‘A thing of beauty is a joy for ever’ পঙ্‌ক্তিটিও কিটসের ‘Endymion’ থেকে।
  20. ৩৯. Many islands make up-
    • ক. an isles
    • খ. an archipelago
    • গ. a peninsula
    • ঘ. a continent
    উত্তর: খ. an archipelago
    Archipelago হলো অনেকগুলো দ্বীপের সমষ্টি বা দ্বীপপুঞ্জ, যা সাধারণত সাগরের মধ্যে ছড়িয়ে থাকে। তাই ‘many islands make up an archipelago’। Peninsula হলো তিন দিকে জলবেষ্টিত ভূখণ্ড, আর continent মহাদেশ, যা বিশাল স্থলভাগ। Isles আসলে বহুবচন, তাই ‘an isles’ ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
    উদাহরণ: Indonesia and the Philippines are archipelagos.
    মনে রাখুন: জাপান ও মালদ্বীপও দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত দেশ।
  21. ৫৪. Wisdom শব্দের বাংলা অর্থ - -
    • ক. জ্ঞান
    • খ. বুদ্ধি
    • গ. মেধা
    • ঘ. প্রজ্ঞা
    উত্তর: ঘ. প্রজ্ঞা
    Wisdom শব্দের অর্থ শুধু জ্ঞান নয়, বরং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার গভীর ক্ষমতা। বাংলায় এর যথাযথ প্রতিশব্দ ‘প্রজ্ঞা’। Knowledge মানে জ্ঞান, intelligence মানে বুদ্ধি আর talent বা brilliance মানে মেধা।
    মনে রাখুন: Wise ব্যক্তিকে বলে প্রাজ্ঞ বা বিজ্ঞ, আর wisdom-এর বিপরীত folly (নির্বুদ্ধিতা)।

গাণিতিক যুক্তি

  1. ৪০. ১ বর্গইঞ্চি কত বর্গ সেন্টিমিটারের সমান?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
    • ক. ০.০৯২৯
    • খ. ৭.৩২
    • গ. ৬.৪৫
    • ঘ. ৬৪.৫০
    উত্তর: গ. ৬.৪৫
    ১ ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার। বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বাহুর বর্গ, তাই ১ বর্গইঞ্চি হলো ১ ইঞ্চি বাহুবিশিষ্ট বর্গের ক্ষেত্রফল।
    ১ বর্গইঞ্চি = 2.54 × 2.54 = 6.4516 বর্গ সেন্টিমিটার, প্রায় ৬.৪৫।
    মনে রাখুন: দৈর্ঘ্যের এককের অনুপাত বর্গ করলে ক্ষেত্রফলের এককের অনুপাত পাওয়া যায়, আর ঘন করলে আয়তনের।
    ১ ইঞ্চি = 2.54 সেমি, ১ ফুট = 30.48 সেমি।
  2. ৪১. পরস্পরকে স্পর্শ করে আছে এমন তিনটি বৃত্তের কেন্দ্র P, Q, R এবং PQ=a, QR=b, RP=c হলে P কেন্দ্রিক বৃত্তের ব্যাস হবে-
    • ক. a + b + c
    • খ. b + c – a
    • গ. c + a – b
    • ঘ. a – b + c
    উত্তর: গ. c + a – b
    তিনটি বৃত্ত একে অপরকে বাইরে থেকে স্পর্শ করলে যে কোনো দুই কেন্দ্রের দূরত্ব ওই দুই বৃত্তের ব্যাসার্ধের যোগফলের সমান হয়। P, Q ও R কেন্দ্রের বৃত্তের ব্যাসার্ধ যথাক্রমে p, q, r ধরি।
    p + q = a, q + r = b, r + p = c
    যোগ করলে 2(p + q + r) = a + b + c, তাই p + q + r = (a + b + c)/2।
    এখান থেকে p = (a + b + c)/2 − b = (c + a − b)/2।
    P কেন্দ্রের বৃত্তের ব্যাস = 2p = c + a − b।
  3. ৪২. ১ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার যোগফল-আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
    • ক. ৪৮৫০
    • খ. ৪৯৫০
    • গ. ৫৭৫০
    • ঘ. ৫৯৫০
    উত্তর: খ. ৪৯৫০
    ১ থেকে n পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফলের সূত্র হলো n(n + 1)/2। এখানে n = 99, তাই যোগফল = 99 × 100/2 = 4950।
    মনে রাখুন:
    সূত্রটি এসেছে এভাবে: প্রথম ও শেষ সংখ্যা, দ্বিতীয় ও শেষের আগের সংখ্যা ইত্যাদি জোড়ার যোগফল সমান হয়। এখানে 1 + 99 = 100, আর এমন জোড়া ৪৯টি এবং মাঝখানে একা ৫০। তাই 49 × 100 + 50 = 4950।
    ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত যোগফল 5050।
  4. ৪৩. a = 1, b = -1, c = 2, d = – 2 হলে a – ( – b) – ( – c) – (- d) এর মান কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
    • ক. 0
    • খ. 1
    • গ. 2
    • ঘ. 3
    উত্তর: ক. 0
    বন্ধনীর আগে ঋণাত্মক চিহ্ন থাকলে বন্ধনী খোলার সময় ভেতরের চিহ্ন উল্টে যায়। তাই a − (−b) − (−c) − (−d) = a + b + c + d।
    মান বসালে 1 + (−1) + 2 + (−2) = 0।
    মনে রাখুন: ঋণাত্মক সংখ্যা বিয়োগ করা আর ধনাত্মক সংখ্যা যোগ করা একই কথা।
  5. ৪৪. ৬৪ কিলোগ্রাম বালি ও পাথরের টুকরোর মিশ্রণে বালির পরিমাণ ২৫%। কত কিলোগ্রাম বালি মিশালে নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরোর পরিমাণ ৪০% হবে?
    • ক. ৯.৬
    • খ. ১১.০
    • গ. ৪৮.০
    • ঘ. ৫৬.০
    উত্তর: ঘ. ৫৬.০
    ৬৪ কিলোগ্রামের ২৫% বালি, অর্থাৎ 64 × 0.25 = 16 কেজি বালি এবং 64 − 16 = 48 কেজি পাথর। এখন বালি মেশালে পাথরের পরিমাণ বদলায় না, শুধু মোট ওজন বাড়ে। তাই নতুন মিশ্রণে ৪৮ কেজি পাথর যদি মোটের ৪০% হয়, তাহলে মোট ওজন = 48 ÷ 0.4 = 120 কেজি।
    অতএব মেশাতে হবে বালি = 120 − 64 = 56 কেজি।
    মনে রাখুন: যে উপাদান বদলায় না, তাকে ধরেই মিশ্রণের অঙ্ক সহজে সমাধান হয়।
  6. ৪৫. একটি ৫০ মিটার লম্বা মই একটি খাড়া দেওয়ালের সাথে হেলান দিয়ে রাখা হয়েছে। মইয়ের এক প্রান্ত মাটি হতে ৪০ মিটার উচ্চে দেয়ালকে স্পর্শ করে। মই- এর অপর প্রান্ত হতে দেওয়ালের দূরত্ব ____ মিটার।আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০২২
    • ক. ১০
    • খ. ৩০
    • গ. ২০
    • ঘ. ২৫
    উত্তর: খ. ৩০
    মই, দেয়াল ও মাটি মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করে, যার অতিভুজ হলো মই। পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী মইয়ের নিচের প্রান্ত থেকে দেয়ালের দূরত্ব = √(50² − 40²) = √(2500 − 1600) = √900 = 30 মিটার।
    মনে রাখুন: 30, 40, 50 সংখ্যাত্রয় (3, 4, 5)-এরই দশ গুণ, তাই এটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী।
  7. ৪৬. কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
    • ক. ০.৩
    • খ. √০.৩
    • গ. ২/৫
    • ঘ. ১/৩
    উত্তর: খ. √০.৩
    সংখ্যাগুলোকে দশমিকে লিখে তুলনা করি: 0.3, √0.3 ≈ 0.548, 2/5 = 0.4 এবং 1/3 ≈ 0.333। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় √0.3। এর কারণ হলো ০ ও ১-এর মাঝের কোনো সংখ্যার বর্গমূল সেই সংখ্যার চেয়ে বড় হয়, কারণ ভগ্নাংশকে ভগ্নাংশ দিয়ে গুণ করলে গুণফল আরও ছোট হয়।
    মনে রাখুন: ১-এর চেয়ে বড় সংখ্যার ক্ষেত্রে উল্টো হয়, বর্গমূল সংখ্যার চেয়ে ছোট হয়।
  8. ৪৭. কোন সংখ্যার ২/৭ অংশ ৬৪-এর সমান?
    • ক. ১৮২৭
    • খ. ২৪৮
    • গ. ২১৭
    • ঘ. ২২৪
    উত্তর: ঘ. ২২৪
    সংখ্যাটি x ধরি। প্রশ্ন অনুযায়ী x-এর ২/৭ অংশ ৬৪।
    (2/7) × x = 64
    x = 64 × 7/2 = 32 × 7 = 224।
    যাচাই: 224-এর ২/৭ = 224 × 2/7 = 64। মিলে যায়।
  9. ৪৮. (2 + x) + 3 = 3(x + 2) হলে x এর মান কত?
    • ক. -1/2
    • খ. 1/2
    • গ. 1/3
    • ঘ. 2/3
    উত্তর: ক. -1/2
    সমীকরণটি (2 + x) + 3 = 3(x + 2)। বাঁ দিকে বন্ধনী খুলে পাই x + 5, আর ডান দিকে 3x + 6।
    x + 5 = 3x + 6
    5 − 6 = 3x − x
    −1 = 2x, তাই x = −1/2।
    যাচাই: বাঁ দিক = 1.5 + 3 = 4.5 আর ডান দিক = 3 × 1.5 = 4.5।

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

  1. ৪৯. আকাবা কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
    • ক. মিয়ানমার
    • খ. জর্ডান
    • গ. ইরাক
    • ঘ. ইসরাইল
    উত্তর: খ. জর্ডান
    আকাবা জর্ডানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর। এটি লোহিত সাগরের উত্তর প্রান্তের আকাবা উপসাগরের তীরে অবস্থিত। জর্ডান স্থলবেষ্টিত প্রায় দেশ, তাই সমুদ্রে যাওয়ার এই ছোট পথটি তার আমদানি-রপ্তানির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
    মনে রাখুন:
    আকাবা উপসাগরের তীরে জর্ডান ছাড়াও ইসরায়েল (এইলাত), মিসর ও সৌদি আরবের উপকূল আছে।
    জর্ডানের রাজধানী আম্মান।
  2. ৫০. ‘রিয়েল’ কোন দেশের মুদ্রার নাম?
    • ক. লুক্সেমবার্গ
    • খ. ব্রাজিল
    • গ. কানাডা
    • ঘ. মঙ্গোলিয়া
    উত্তর: খ. ব্রাজিল
    ‘রিয়েল’ (Real) ব্রাজিলের মুদ্রার নাম। ১৯৯৪ সালে মুদ্রাস্ফীতি সামলাতে দেশটি এই মুদ্রা চালু করে। অন্য দেশগুলোর মুদ্রা আলাদা: কানাডার ডলার, মঙ্গোলিয়ার তুগরিক, আর লুক্সেমবার্গের ইউরো।
    মনে রাখুন:
    ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের মুদ্রা রুপি, বাংলাদেশের টাকা।
    ইরানের মুদ্রা রিয়াল, আর সৌদি আরবের রিয়াল, এ দুটির বানান কাছাকাছি হলেও এগুলো ব্রাজিলের রিয়েল থেকে আলাদা।
  3. ৫১. (তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। তবে এতে বর্তমান সময়ের সঠিক উত্তর রয়েছে, তাই বাতিল করা হয় নি) ‘The World Economic Forum’ কর্তৃক নির্ধারিত International Competitiveness Ranking- এ ২০১৯ সালে কোন দেশ সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছে?
    • ক. যুক্তরাষ্ট্র
    • খ. সিঙ্গাপুর
    • গ. হংকং
    • ঘ. নেদারল্যান্ড
    উত্তর: খ. সিঙ্গাপুর
    ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (World Economic Forum) ২০১৯ সালের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে (Global Competitiveness Index) সিঙ্গাপুর সর্বোচ্চ স্থান পায় এবং যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে। ওই সূচকে মোট ১৪১টি দেশ ছিল, আর যুক্তরাষ্ট্র হয় দ্বিতীয়।
    মনে রাখুন:
    ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা, আর এর বার্ষিক সম্মেলন হয় দাভোসে।
    প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭১ সালে।
  4. ৫৬. 2020 সালের অলিম্পিক গেমস কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
    • ক. লসএঞ্জেলস
    • খ. আটলান্টা
    • গ. টোকিও
    • ঘ. নয়াদিল্লি
    উত্তর: গ. টোকিও
    ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আয়োজক শহর জাপানের টোকিও। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারির কারণে খেলাটি এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালের ২৩ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়, যদিও নাম ‘টোকিও ২০২০’ই থাকে। অলিম্পিকের ইতিহাসে এভাবে পিছিয়ে দেওয়া এই প্রথম।
    মনে রাখুন:
    ২০২৪ সালের অলিম্পিক হয় প্যারিসে।
    ২০২৮ সালের আয়োজক শহর লস অ্যাঞ্জেলেস।
    আটলান্টা ১৯৯৬ সালের অলিম্পিক আয়োজন করেছিল।
  5. ৫৭. (তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। তবে এতে বর্তমান সময়ের সঠিক উত্তর রয়েছে, তাই বাতিল করা হয় নি) ২০১৯ সালের Wimbledon টেনিস প্রতিযোগিতায় men’s singles- এ কে চ্যাম্পিয়ন হন?
    • ক. Simona Halep
    • খ. Novak Djokovic
    • গ. Andre Agassi
    • ঘ. Lauren Davis
    উত্তর: খ. Novak Djokovic
    ২০১৯ সালের উইম্বলডন (Wimbledon) টেনিসে পুরুষ এককের ফাইনালে নোভাক জোকোভিচ (সার্বিয়া) রজার ফেদেরারকে পাঁচ সেটের দীর্ঘ লড়াইয়ে হারিয়ে শিরোপা জেতেন। একই বছর নারী এককে সিমোনা হালেপ (রোমানিয়া) চ্যাম্পিয়ন হন। তাই অপশনে হালেপের নাম থাকলেও পুরুষ এককের জন্য সঠিক নাম জোকোভিচ।
    মনে রাখুন: উইম্বলডন ইংল্যান্ডের লন্ডনে ঘাসের কোর্টে খেলা হয়, আর এটি চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের একটি।
  6. ৫৮. নিম্নের কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত?
    • ক. IJSG
    • খ. APEC
    • গ. SAARC
    • ঘ. ADB
    উত্তর: ক. IJSG
    আন্তর্জাতিক পাট সমীক্ষা দল (International Jute Study Group, IJSG) পাট ও পাটজাত পণ্যের উন্নয়ন, বাজার ও গবেষণা নিয়ে কাজ করা সংস্থা। এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। অন্য সংস্থাগুলোর সদর দপ্তর আলাদা জায়গায়: সার্কের নেপালের কাঠমান্ডুতে, এডিবির ফিলিপাইনের ম্যানিলায় আর APEC-এর সিঙ্গাপুরে।
    মনে রাখুন: বিমসটেক (BIMSTEC)-এর সচিবালয় বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত। এ ছাড়া ডি-৮ (D-8) সংস্থার সচিবালয় ইস্তাম্বুলে।
  7. ৫৯. ওয়াল স্ট্রিট কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ডালাস
    • খ. লন্ডন
    • গ. নিউইয়র্ক
    • ঘ. হংকং
    উত্তর: গ. নিউইয়র্ক
    ওয়াল স্ট্রিট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনের নিম্ন অংশে অবস্থিত একটি সরু রাস্তা। এই রাস্তাতেই নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ ও বড় বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় আছে, তাই ‘ওয়াল স্ট্রিট’ নামটি মার্কিন পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতের প্রতীক হয়ে গেছে।
    মনে রাখুন:
    লন্ডনের আর্থিক কেন্দ্রের নাম দ্য সিটি।
    প্রতিটি দেশে এমন আর্থিক এলাকা আছে, কিন্তু ওয়াল স্ট্রিটকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী বলা হয়।
  8. ৬০. ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংককে (IDB) দেয় বাংলাদেশের চাঁদার হার কত?
    • ক. ২৫.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
    • খ. ১৫.৫ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
    • গ. ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
    • ঘ. কোনো চাঁদা দিতে হয় না
    উত্তর: গ. ১০.০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার
    ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (Islamic Development Bank, IDB) ১৯৭৫ সালে সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে কার্যক্রম শুরু করে। সদস্য দেশগুলো ব্যাংকের মূলধনে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা দেয়, যা হিসাব করা হয় ইসলামিক দিনারে। এই হিসাবে বাংলাদেশের চাঁদার পরিমাণ ১০ মিলিয়ন ইসলামিক দিনার।
    মনে রাখুন:
    ইসলামিক দিনার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের এসডিআর (SDR)-এর সমান ধরা হয়।
    আইডিবি ওআইসির (OIC) সদস্য দেশগুলোকে উন্নয়ন ঋণ দেয়।
  9. ৬৪. বিশ্বব্যাংক -এর কোন অঙ্গ সংগঠনটি ‘Soft Ioan Window’ নামে পরিচিত?
    • ক. IBRD
    • খ. IDA
    • গ. IFC
    • ঘ. EDI
    উত্তর: খ. IDA
    আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (International Development Association, IDA) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান, যা সবচেয়ে গরিব দেশগুলোকে শূন্য বা খুব কম সুদে এবং দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ দেয়। ঋণের শর্ত নমনীয় বলে একে বিশ্বব্যাংকের ‘সফট লোন উইন্ডো’ বলা হয়। অন্যদিকে IBRD তুলনামূলকভাবে বাজার সুদে মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে ঋণ দেয়।
    মনে রাখুন:
    IDA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে।
    IFC বেসরকারি খাতকে ঋণ ও বিনিয়োগ সহায়তা দেয়।
  10. ৬৫. আফ্রিকা মহাদেশের মানচিত্রে Horns of Africa -তে কোন দেশটি অবস্থিত?
    • ক. ইথিওপিয়া
    • খ. নাইজেরিয়া
    • গ. কেনিয়া
    • ঘ. সুদান
    উত্তর: ক. ইথিওপিয়া
    আফ্রিকা মহাদেশের পূর্ব প্রান্তে গণ্ডারের শিংয়ের মতো যে অংশ ভারত মহাসাগরের দিকে বেরিয়ে আছে, তাকে হর্ন অব আফ্রিকা (Horn of Africa) বলে। ইথিওপিয়া, সোমালিয়া, ইরিত্রিয়া ও জিবুতি এই অঞ্চলের দেশ। অপশনের মধ্যে ইথিওপিয়াই এখানে পড়ে, আর নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার, কেনিয়া পূর্ব আফ্রিকার এবং সুদান উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশ।
    মনে রাখুন: ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবা, আর সোমালিয়ার মোগাদিশু।
  11. ৭৩. নিচের কোন তারিখে পিএলও-ইসরাইল পারস্পরিক স্বীকৃতি দলিলে স্বাক্ষর করে?
    • ক. ১০ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
    • খ. ১১ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
    • গ. ১৩ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
    • ঘ. ২০ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
    উত্তর: গ. ১৩ সেপ্টম্বর, ১৯৯৩
    ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও) ও ইসরায়েল পরস্পরকে স্বীকৃতি দেয়। এই স্বীকৃতির ভিত্তিতেই ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে ‘নীতির ঘোষণাপত্র’ (অসলো চুক্তি) স্বাক্ষরিত হয়। ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইৎজাক রবিন চুক্তিটিতে হাত মেলান, আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন তখন উপস্থিত ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    অসলো চুক্তির আলোচনা নরওয়ের রাজধানী অসলোয় গোপনে হয়েছিল।
    ১৯৯৪ সালে আরাফাত, রবিন ও শিমন পেরেস নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
  12. ৭৪. রিওডি জেনিরিওতে অনুষ্ঠিত ‘ধরিত্রী সম্মেলন’ – এ কত দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছিল?
    • ক. ১৫০
    • খ. ১৫৬
    • গ. ১৭৮
    • ঘ. ১৭৯
    উত্তর: ঘ. ১৭৯
    ১৯৯২ সালের জুনে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCED) হয়, যা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত। এতে ১৭৯টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। সম্মেলনের মূল লক্ষ্য ছিল পরিবেশ রক্ষা করে উন্নয়ন চালিয়ে যাওয়ার পথ খোঁজা।
    মনে রাখুন:
    এই সম্মেলনে ‘এজেন্ডা ২১’ গৃহীত হয়।
    জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ কাঠামো কনভেনশন (UNFCCC) ও জীববৈচিত্র্য কনভেনশন এখানেই স্বাক্ষরের জন্য খোলা হয়।
    ১৯৭২ সালে স্টকহোমে প্রথম মানব পরিবেশ সম্মেলন হয়েছিল।
  13. ৭৫. জাতিসংঘ ‘আদিবাসী ভাষা বর্ষ’ হিসাবে কোন সালকে ঘোষণা করেছে?
    • ক. ২০১৭ সাল
    • খ. ২০১৮ সাল
    • গ. ২০১৯ সাল
    • ঘ. ২০২০ সাল
    উত্তর: গ. ২০১৯ সাল
    বিপন্ন আদিবাসী ভাষাগুলো রক্ষার দিকে বিশ্বের মনোযোগ টানতে জাতিসংঘ ২০১৯ সালকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা বর্ষ (International Year of Indigenous Languages) ঘোষণা করে। বিশ্বে যত ভাষা আছে, তার একটি বড় অংশ বিলুপ্তির ঝুঁকিতে আছে, এ কারণেই এই উদ্যোগ।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দেয়।
    ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
  14. ৭৬. (তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। বর্তমানে গ্রহণযোগ্যতা নেই।) ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে কম্বোডিয়ার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কোন দল বিজয়ী হয়েছে?
    • ক. ফুনসিনপেক
    • খ. সিপিপি
    • গ. খেমাররুজ
    • ঘ. কেপিএলএনএফ
    উত্তর: ক. ফুনসিনপেক
    ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে (UNTAC) কম্বোডিয়ায় নির্বাচন হয়। এতে প্রিন্স নরোদম রণরিদ্ধের নেতৃত্বাধীন রাজতন্ত্রপন্থী দল ফুনসিনপেক (FUNCINPEC) সবচেয়ে বেশি আসন পায়। কিন্তু হুন সেনের কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি (সিপিপি) ক্ষমতা ছাড়তে চায়নি, তাই শেষ পর্যন্ত দুই দল মিলে যৌথ সরকার গঠন করে। এরপর কম্বোডিয়া আবার রাজতন্ত্রে ফিরে যায়।
    মনে রাখুন: কম্বোডিয়ায় ক্ষমতায় থাকার সময় খেমাররুজের নেতা ছিলেন পল পট, যার শাসনামলে (১৯৭৫–৭৯) বহু মানুষ নিহত হয়।
  15. ৭৭. নিচের কোন দেশটি Group of Seven(G-7) এর সদস্য নয়?
    • ক. কানাডা
    • খ. ইতালি
    • গ. সুইডেন
    • ঘ. জাপান
    উত্তর: গ. সুইডেন
    জি-৭ (Group of Seven) বিশ্বের সাতটি উন্নত শিল্পোন্নত অর্থনীতির জোট। এর সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা। সুইডেন উন্নত দেশ হলেও জি-৭-এর সদস্য নয়।
    মনে রাখুন:
    রাশিয়াকে যুক্ত করে একসময় এটি জি-৮ হয়েছিল, পরে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর রাশিয়াকে বাদ দেওয়া হয়।
    জি-২০ আরও বড় জোট, যাতে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোও আছে।
  16. ৭৮. বিশ্বের কোন শহর ‘নিষিদ্ধ শহর’ নামে পরিচিত?
    • ক. লাসা
    • খ. উলানবটোর
    • গ. পিয়ংইয়ং
    • ঘ. কাবুল
    উত্তর: ক. লাসা
    তিব্বতের রাজধানী লাসা চারদিকে উঁচু হিমালয়ের পাহাড়ে ঘেরা একটি দুর্গম শহর। দীর্ঘদিন সেখানে বিদেশিদের প্রবেশ প্রায় নিষিদ্ধ ছিল, আর এ কারণেই লাসাকে ‘নিষিদ্ধ শহর’ (Forbidden City) বলা হয়। চীনের বেইজিংয়ের প্রাচীন প্রাসাদ নগরও ‘নিষিদ্ধ নগরী’ নামে পরিচিত, তবে প্রশ্নের অপশনে সেটি নেই।
    মনে রাখুন:
    লাসার বিখ্যাত প্রাসাদ পোতালা, যেখানে দালাই লামা থাকতেন।
    উলানবাটর মঙ্গোলিয়ার রাজধানী, আর পিয়ংইয়ং উত্তর কোরিয়ার।
  17. ৭৯. ‘League of Arab States’ এর বর্তমান সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
    • ক. তিউনেসিয়া
    • খ. কায়রো
    • গ. রাবাত
    • ঘ. জেদ্দা
    উত্তর: খ. কায়রো
    আরব লীগ (League of Arab States) ১৯৪৫ সালে কায়রোয় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর মিসরের রাজধানী কায়রোতে। ১৯৭৯ সালে মিসর ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করলে আরব দেশগুলো রাগ করে সদর দপ্তর তিউনিসে সরিয়ে নেয় এবং মিসরের সদস্যপদ স্থগিত করে। ১৯৯০ সালে সদর দপ্তর আবার কায়রোতে ফিরে আসে।
    মনে রাখুন:
    আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ৬।
    জেদ্দায় আছে ওআইসির সদর দপ্তর, আর রাবাত মরক্কোর রাজধানী।
  18. ৮০. বাংলাদেশ নিচে উল্লিখিত কোন সময়ের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল?
    • ক. ১৯৭৮-৭৯
    • খ. ১৯৭৯-৮০
    • গ. ১৯৮০-৮১
    • ঘ. ১৯৮১-৮২
    উত্তর: খ. ১৯৭৯-৮০
    বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং ১৯৭৯-৮০ মেয়াদে প্রথমবারের মতো নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়। এরপর দ্বিতীয়বার সদস্য হয় ২০০০-০১ মেয়াদে।
    মনে রাখুন:
    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পাঁচটি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন), আর অস্থায়ী সদস্য ১০টি।
    অস্থায়ী সদস্যের মেয়াদ ২ বছর।
  19. ৮১. The United Nations University কোন শহরে অবস্থিত?
    • ক. লন্ডন
    • খ. ব্রাসেলস
    • গ. নিউইয়র্ক
    • ঘ. টোকিও
    উত্তর: ঘ. টোকিও
    জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় (United Nations University, UNU) ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় জাপানের রাজধানী টোকিওতে। এটি বিশ্বের নানা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলে শান্তি, উন্নয়ন ও পরিবেশের মতো বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে গবেষণা করে।
    মনে রাখুন: জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে, আর আন্তর্জাতিক বিচার আদালত নেদারল্যান্ডসের হেগে।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

  1. ৫২. পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের স্থান কততম?
    • ক. অষ্টম
    • খ. নবম
    • গ. দ্বাদশ
    • ঘ. চতুর্দশ
    উত্তর: ক. অষ্টম
    জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম বৃহত্তম দেশ। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখ। বাংলাদেশ আয়তনে ছোট হলেও এত মানুষের কারণে জনঘনত্বে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি।
    মনে রাখুন:
    জনসংখ্যায় শীর্ষ দেশ ভারত ও চীন, তারপর যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান।
  2. ৫৩. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনায় সম্মিলিত নদী অববাহিকার কত শতাংশ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত?
    • ক. ৪
    • খ. ১৪
    • গ. ৭
    • ঘ. ৩৩
    উত্তর: গ. ৭
    গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা তিনটি নদীর সম্মিলিত অববাহিকার আয়তন প্রায় ১৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যার বেশির ভাগই ভারত, চীন, নেপাল ও ভুটানে পড়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের অংশ মাত্র প্রায় ৭ শতাংশ। তবে এই তিন নদীর প্রায় সব পানি বাংলাদেশ দিয়েই বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে, আর এ কারণেই উজানের দেশগুলোর সঙ্গে পানি বণ্টন আমাদের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ।
    মনে রাখুন: এই অববাহিকাকে বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ গঠনকারী অববাহিকা বলা হয়।
  3. ৫৫. স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশের কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
    • ক. ৯ টি
    • খ. ১০ টি
    • গ. ১১ টি
    • ঘ. ১২ টি
    উত্তর: গ. ১১ টি
    মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে মুজিবনগর সরকারের সামরিক সম্মেলনে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। প্রতিটি সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার দায়িত্বে ছিলেন। ১০ নম্বর সেক্টর ছিল বিশেষ, কারণ এটি নৌ-কমান্ডোদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল এবং এর কোনো আলাদা ভৌগোলিক এলাকা ছিল না।
    মনে রাখুন:
    প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী।
    সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যে ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ (২ নম্বর) ও মেজর রফিকুল ইসলাম (১ নম্বর)।
  4. ৬১. বাংলাদেশে সারা বছর নাব্য নদীপথের দৈর্ঘ্য কত?
    • ক. ২৪,১৪০ কিমি
    • খ. ৫,৪০০ কিমি
    • গ. ১১,০০০ কিমি
    • ঘ. ৮,৫০০ কিমি
    উত্তর: খ. ৫,৪০০ কিমি
    বর্ষাকালে নদীগুলো পানিতে ভরে যায় বলে নৌপথের দৈর্ঘ্য অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু শুকনো মৌসুমে অনেক নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় নৌযান চলতে পারে না। এই কারণে সারা বছর চলাচলযোগ্য নৌপথ কম, প্রায় ৫,৪০০ কিলোমিটার। বর্ষাকালে চলাচলযোগ্য নৌপথ ২৪,১৪০ কিলোমিটারের কাছাকাছি।
    মনে রাখুন: নৌপথ ও বন্দর দেখাশোনা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BIWTA)।
  5. ৬২. বাংলাদেশের GDP-তে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ?
    • ক. ১৫.৩৩
    • খ. ৭৫
    • গ. ৩২
    • ঘ. ১৩.৪৭
    উত্তর: ঘ. ১৩.৪৭
    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প ও সেবা খাত দ্রুত বড় হয়েছে, তাই মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) কৃষির অংশ বছর বছর কমছে। এই প্রশ্নে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৪৭ শতাংশ ধরা হয়েছে। অথচ স্বাধীনতার সময় জিডিপিতে কৃষির অংশ ছিল প্রায় অর্ধেক। তবু কৃষি এখনো সবচেয়ে বেশি মানুষের কর্মসংস্থান দেয়।
    মনে রাখুন: কৃষি খাতের পাঁচটি উপখাত হলো শস্য ও শাকসবজি, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য, বনজ ও অন্যান্য কৃষি।
  6. ৬৩. বাংলাদেশ ও মিয়ানমার কোন নদী দ্বারা বিভক্ত?
    • ক. নাফ
    • খ. কর্ণফুলী
    • গ. নবগঙ্গা
    • ঘ. ভাগীরথী
    উত্তর: ক. নাফ
    নাফ নদী বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। এই নদীই দুই দেশের সীমানা তৈরি করেছে। কর্ণফুলী ও নবগঙ্গা বাংলাদেশের ভেতরের নদী, আর ভাগীরথী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদী।
    মনে রাখুন: নাফ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কিলোমিটার। নাফ নদীর মোহনার কাছে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ অবস্থিত।
  7. ৬৬. কোন নেতা ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন?
    • ক. তিতুমীর
    • খ. সৈয়দ আহমদ বেরেলভি
    • গ. দুদু মিয়া
    • ঘ. হাজী শরীয়ত উল্লাহ
    উত্তর: ঘ. হাজী শরীয়ত উল্লাহ
    হাজী শরীয়তউল্লাহ উনিশ শতকের গোড়ায় ফরায়েজি আন্দোলন শুরু করেন এবং এর নেতৃত্ব দেন। ‘ফরজ’ শব্দ থেকে ফরায়েজি নামটি এসেছে, কারণ তিনি ইসলামের অবশ্য পালনীয় ফরজ বিধানগুলো মেনে চলতে মুসলমানদের আহ্বান জানাতেন। তাঁর মৃত্যুর পর ছেলে দুদু মিয়া আন্দোলনকে জমিদারদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলনে রূপ দেন।
    মনে রাখুন:
    তিতুমীর বারাসাতে ওয়াহাবি আন্দোলনের নেতা, বাঁশের কেল্লা গড়েছিলেন।
    সৈয়দ আহমদ বেরেলভি ছিলেন ভারতের মুজাহিদ আন্দোলনের নেতা।
  8. ৬৭. তেঁতুলিয়া কোন জেলায় অবস্থিত?
    • ক. দিনাজপুর
    • খ. পঞ্চগড়
    • গ. জয়পুরহাট
    • ঘ. লালমনিরহাট
    উত্তর: খ. পঞ্চগড়
    তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় জেলার একটি উপজেলা। এটি বাংলাদেশের উত্তরতম উপজেলা এবং এর বাংলাবান্ধা দেশের সর্বোত্তর প্রান্তে অবস্থিত। এখান থেকে ভারত ও নেপালের কাছাকাছি হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা শৃঙ্গ দেখা যায় বলেও জায়গাটি পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্ত টেকনাফ উপজেলার ছেঁড়া দ্বীপ।
    সবচেয়ে ঠান্ডা এলাকা হিসেবে তেঁতুলিয়ার নাম প্রায়ই আসে।
  9. ৬৮. কে বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত করেন?
    • ক. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
    • খ. নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ
    • গ. সুবাদার ইসলাম খান
    • ঘ. নবাব শায়েস্ত খান
    উত্তর: খ. নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ
    নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ ১৭১৭ সালে বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে সরিয়ে নেন এবং নিজের নামে শহরের নাম রাখেন মুর্শিদাবাদ। তিনি মুঘল সম্রাটের অধীনে বাংলার দেওয়ান ছিলেন এবং পরে সুবাদার হন। তাঁর সময় থেকেই বাংলা প্রায় স্বাধীন নবাবি শাসনে চলতে শুরু করে।
    মনে রাখুন:
    ইসলাম খান ১৬১০ সালে রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় আনেন।
    সিরাজউদ্দৌলা পলাশীর যুদ্ধে (১৭৫৭) পরাজিত হন।
    শায়েস্তা খান ঢাকার লালবাগ কেল্লার নির্মাণ শুরু করান।
  10. ৬৯. ১৯০৫ সালে নবগঠিত প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন-
    • ক. ব্যামফিল্ড ফুলার
    • খ. লর্ড মিন্টো
    • গ. লর্ড কার্জন
    • ঘ. ওয়ারেন হেস্টিংস
    উত্তর: ক. ব্যামফিল্ড ফুলার
    ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ গঠিত হয়, যার রাজধানী ছিল ঢাকা। এর প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার। বঙ্গভঙ্গ করেন তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন, আর লর্ড মিন্টো ছিলেন তাঁর পরবর্তী ভাইসরয়।
    মনে রাখুন:
    বঙ্গভঙ্গ ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর কার্যকর হয়।
    ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয় এবং ১৯১২ সালে কার্যকর হয়।
  11. ৭০. হিমছড়ি কোন শহরের নিকট অবস্থিত?
    • ক. চট্টগ্রাম
    • খ. খুলনা
    • গ. কক্সবাজার
    • ঘ. রাজশাহী
    উত্তর: গ. কক্সবাজার
    হিমছড়ি কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে সমুদ্রের তীরে অবস্থিত একটি পর্যটন এলাকা। এখানকার পাহাড়ি ঝরনা, সবুজ বন ও সমুদ্রের দৃশ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে। কক্সবাজার থেকে টেকনাফ যাওয়ার মেরিন ড্রাইভ সড়কটি হিমছড়ির পাশ দিয়েই গেছে।
    মনে রাখুন:
    কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্রসৈকতগুলোর একটি।
    ইনানী ও লাবণী সৈকত কক্সবাজারেই অবস্থিত।
  12. ৭১. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে ‘৩৬০ আউলিয়ার দেশ’ বলা হয়?
    • ক. চট্টগ্রাম
    • খ. সিলেট
    • গ. ঢাকা
    • ঘ. রাজশাহী
    উত্তর: খ. সিলেট
    প্রচলিত আছে, হযরত শাহজালাল (রহ.) ১৩০৩ সালে তাঁর ৩৬০ জন সঙ্গী বা আউলিয়া নিয়ে সিলেটে ইসলাম প্রচারে আসেন এবং এখানকার রাজা গৌর গোবিন্দকে পরাজিত করেন। এই কারণে সিলেট অঞ্চলকে ‘৩৬০ আউলিয়ার দেশ’ বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    হযরত শাহজালালের মাজার সিলেট শহরে অবস্থিত।
    সিলেটের আরেকটি পরিচিত মাজার হযরত শাহ পরানের।
  13. ৭২. বাংলাদেশের পানি সম্পদের চাহিদা সবচেয়ে বেশি কোন খাতে?
    • ক. আবাসিক
    • খ. কৃষি
    • গ. পরিবহন
    • ঘ. শিল্প
    উত্তর: খ. কৃষি
    বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ, আর কৃষির জন্য সবচেয়ে বেশি পানি লাগে। বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে বোরো ধানের ক্ষেত সেচের পানির ওপর নির্ভর করে। এর তুলনায় আবাসিক, পরিবহন ও শিল্প খাতে পানির চাহিদা অনেক কম। তাই পানি সম্পদের সবচেয়ে বেশি চাহিদা কৃষি খাতে।
    মনে রাখুন:
    দেশে সেচের পানির বড় অংশ আসে ভূগর্ভস্থ পানি থেকে।
    বোরো মৌসুম মোটামুটি নভেম্বর থেকে মে মাস।
  14. ৮২. বাংলাদেশর মোট রপ্তানি আয়ে রেডিমেড গার্মেন্টস-এর অংশ কত?
    • ক. ৪১.৯%
    • খ. ৫৬.৮%
    • গ. ৭৪.৬%
    • ঘ. ৮৩.৫%
    উত্তর: ঘ. ৮৩.৫%
    তৈরি পোশাক বা রেডিমেড গার্মেন্টস (RMG) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য, আর দেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে এই খাত থেকে। প্রশ্নের হিসাবে মোট রপ্তানি আয়ে এর অংশ ৮৩.৫%। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই হার সাধারণত ৮০ শতাংশের ওপরে থাকে।
    মনে রাখুন:
    তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে চীনের পরে দ্বিতীয় (ভিয়েতনামের সঙ্গে প্রতিযোগিতায়)।
    এই খাতের বেশির ভাগ শ্রমিক নারী।
    দেশের প্রধান রপ্তানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
  15. ৮৩. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্ধারিত আসনে মহিলা সদস্যের সংখ্যা কত?
    • ক. ৩০
    • খ. ৫০
    • গ. ৩৫
    • ঘ. ৪০
    উত্তর: ক. ৩০
    পরীক্ষার সময়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ছিল ৩০টি। এই আসনগুলোতে সাধারণ আসনের নির্বাচিত সদস্যরা ভোট দিয়ে নারী সদস্য নির্বাচন করেন। পরে সংবিধান সংশোধন করে এ সংখ্যা বাড়ানো হয়।
    হালনাগাদ: বর্তমানে (পঞ্চদশ সংশোধনীর পর) জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৫০টি, আর মোট সংসদ সদস্য ৩৫০ জন।
  16. ৮৪. সেন্টমার্টিন দ্বীপ-এর অপর নাম কি?
    • ক. নারিকেল জিঞ্জিরা
    • খ. সোনাদিয়া
    • গ. কুতুবদিয়া
    • ঘ. নিঝুম দ্বীপ
    উত্তর: ক. নারিকেল জিঞ্জিরা
    সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যা কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা, কারণ এখানে প্রচুর নারকেল গাছ আছে। সোনাদিয়া, কুতুবদিয়া ও নিঝুম দ্বীপ আলাদা দ্বীপ।
    মনে রাখুন:
    নিঝুম দ্বীপ নোয়াখালী জেলায়।
    কুতুবদিয়া ও সোনাদিয়া কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
    সেন্ট মার্টিনের দক্ষিণ প্রান্তের ছোট অংশের নাম ছেঁড়া দ্বীপ।
  17. ৮৫. ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে _____ ।
    • ক. ১৬ কোটি ২৮ লাখ
    • খ. ১৭ কোটি ৩৬ লক্ষ
    • গ. ১৮ কোটি ৫০ লক্ষ
    • ঘ. ১৯ কোটি ৬৮ লক্ষ
    উত্তর: খ. ১৭ কোটি ৩৬ লক্ষ
    জনসংখ্যার প্রক্ষেপণ (Projection) মানে বর্তমান জন্ম ও মৃত্যুর হার ধরে ভবিষ্যতে জনসংখ্যা কত হতে পারে তার হিসাব করা। পরীক্ষার সময়ের প্রক্ষেপণে ২০২১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৩৬ লাখ ধরা হয়েছিল।
    হালনাগাদ: ২০২২ সালের আদমশুমারিতে বাংলাদেশের প্রকৃত জনসংখ্যা পাওয়া যায় প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখ।
    মনে রাখুন: দেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে, আর এরপর ১০ বছর পরপর শুমারি হয়।
  18. ৮৬. বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
    • ক. এক
    • খ. দুই
    • গ. তিন
    • ঘ. চার
    উত্তর: ঘ. চার
    ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র (Earth Station) মহাকাশের কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে সংকেত আদান-প্রদান করে ফোন, টিভি ও ইন্টারনেটের মতো যোগাযোগ চালায়। পরীক্ষার সময়ের হিসাবে বাংলাদেশে এমন কেন্দ্র ছিল চারটি। দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র রাঙামাটির বেতবুনিয়ায় স্থাপিত হয় ১৯৭৫ সালে।
    মনে রাখুন:
    বেতবুনিয়া কেন্দ্র আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ উপগ্রহ সংস্থা ইন্টেলস্যাটের (INTELSAT) সঙ্গে যুক্ত ছিল।
    বাংলাদেশের নিজস্ব প্রথম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ ২০১৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়।
  19. ৮৭. গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে?
    • ক. ৬ ঘণ্টা
    • খ. সাড়ে ৫ ঘণ্টা
    • গ. সাড়ে ৬ ঘণ্টা
    • ঘ. ৫ ঘণ্টা
    উত্তর: ক. ৬ ঘণ্টা
    পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘোরে, তাই প্রতি ১৫° দ্রাঘিমায় ১ ঘণ্টা সময়ের পার্থক্য হয়। বাংলাদেশ গ্রিনিচের প্রায় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত, তাই সময়ের পার্থক্য = 90 ÷ 15 = 6 ঘণ্টা। পূর্ব দিকের স্থানে সূর্য আগে ওঠে বলে বাংলাদেশের সময় গ্রিনিচের চেয়ে ৬ ঘণ্টা আগে।
    মনে রাখুন:
    ভারতীয় প্রমাণ সময় গ্রিনিচের চেয়ে সাড়ে ৫ ঘণ্টা আগে।
    গ্রিনিচ রেখা (০° দ্রাঘিমা) লন্ডনের গ্রিনিচ থেকে যায়।

সাধারণ বিজ্ঞান

  1. ৮৮. আকাশ নীল দেখায় কেন?
    • ক. নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি বলে
    • খ. নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে
    • গ. নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
    • ঘ. নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে
    উত্তর: গ. নীল আলোর বিক্ষেপণ অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
    সূর্যের সাদা আলোতে সাতটি রং থাকে, আর প্রতিটি রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলাদা। এই আলো বায়ুর অণুতে লেগে চারদিকে ছড়িয়ে যায়, একে আলোর বিক্ষেপণ (Scattering) বলে। র‍্যালে বিক্ষেপণের (Rayleigh scattering) নিয়ম অনুযায়ী তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট হয়, আলো তত বেশি ছড়ায়। নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য লাল আলোর চেয়ে ছোট, তাই নীল আলো অনেক বেশি ছড়িয়ে আমাদের চোখে আসে এবং আকাশ নীল দেখায়।
    মনে রাখুন:
    সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় লাল আলো সবচেয়ে কম বিক্ষিপ্ত হয়, তাই আকাশ লালচে দেখায়।
    বিপদ-সংকেতে লাল আলো ব্যবহার হয়, কারণ এর বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম এবং এটি অনেক দূর থেকে দেখা যায়।
  2. ৮৯. ‘স্ট্রোক’ আকস্মিক অজ্ঞান বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে – এটি কি?
    • ক. হৃৎপিণ্ডের সজোরে সংকোচন বা বন্ধ হয়ে যাওয়া
    • খ. মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
    • গ. হৃৎপিণ্ডের অংশবিশেষের অসাড়তা
    • ঘ. ফুসফুসে হঠাৎ বিকল হয়ে যাওয়া
    উত্তর: খ. মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা
    স্ট্রোক (Stroke) হলো মস্তিষ্কের রক্তনালির সমস্যা। মস্তিষ্কের কোনো রক্তনালি ফেটে রক্তক্ষরণ হলে বা রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল আটকে গেলে মস্তিষ্কের কোষ অক্সিজেন ও পুষ্টি পায় না। তখন রোগী হঠাৎ অজ্ঞান হতে পারে, এক পাশ অবশ হতে পারে, এমনকি মারাও যেতে পারে। হৃৎপিণ্ডের রক্তনালি বন্ধ হলে তাকে বলে হার্ট অ্যাটাক।
    মনে রাখুন:
    স্ট্রোক দুই ধরনের: রক্তনালি বন্ধ হয়ে হওয়া (ইসকেমিক) ও রক্তনালি ফেটে হওয়া (হেমোরেজিক)।
    উচ্চ রক্তচাপ স্ট্রোকের প্রধান কারণ।
  3. ৯০. কোনটি রক্তের কাজ নয়?
    • ক. কলা (Tissue) হতে ফুসফুসে বর্জ্য পদার্থ বহন করা
    • খ. ক্ষুদ্রান্ত্র হতে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা
    • গ. হরমোন বিতরণ করা
    • ঘ. জারক রস (enzyme) বিতরণ করা
    উত্তর: ঘ. জারক রস (enzyme) বিতরণ করা
    রক্ত দেহের পরিবহন ব্যবস্থার প্রধান মাধ্যম। এটি ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে খাদ্যের সারবস্তু কোষে পৌঁছে দেয়, কোষের বর্জ্য পদার্থ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুস বা বৃক্কে নিয়ে যায় এবং হরমোনও এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বয়ে নেয়। কিন্তু জারক রস বা এনজাইম পরিপাকতন্ত্রের নালির ভেতরেই কাজ করে এবং গ্রন্থি থেকে নালিপথে সরাসরি খাদ্যে মিশে যায়। রক্ত এগুলো বিতরণ করে না।
    মনে রাখুন:
    হরমোন নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে সরাসরি রক্তে মেশে।
    রক্তের অন্য কাজ রোগ প্রতিরোধ এবং দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণ।
  4. ৯১. বাতাসের নাইট্রোজেন কিভাবে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে?
    • ক. সরাসরি মাটিতে মিশ্রিত হয়ে জৈব বস্তু প্রস্তুত করে
    • খ. ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে উদ্ভিদের গ্রহণ উপযোগী বস্তু প্রস্তুত করে
    • গ. পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার ফলে
    • ঘ. মাটির অজৈব লবণকে পরিবর্তিত করে
    উত্তর: খ. ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে উদ্ভিদের গ্রহণ উপযোগী বস্তু প্রস্তুত করে
    বাতাসের প্রায় ৭৮% নাইট্রোজেন, কিন্তু উদ্ভিদ এই গ্যাসকে সরাসরি গ্রহণ করতে পারে না। কিছু ব্যাকটেরিয়া, যেমন শিম-জাতীয় গাছের শিকড়ের গুটিতে থাকা রাইজোবিয়াম (Rhizobium), বাতাসের নাইট্রোজেনকে নাইট্রেট ও অ্যামোনিয়ার মতো যৌগে পরিণত করে। উদ্ভিদ এই যৌগ শোষণ করে প্রোটিন তৈরি করে, ফলে মাটির উর্বরতা বাড়ে। এই প্রক্রিয়াকে নাইট্রোজেন সংবন্ধন (Nitrogen Fixation) বলে।
    মনে রাখুন:
    মাটিতে মুক্তভাবে থাকা অ্যাজোটোব্যাক্টর ও নীলাভ-সবুজ শৈবালও নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
    মেঘের বজ্রপাতেও সামান্য নাইট্রোজেন যৌগে পরিণত হয়।
  5. ৯২. ”গ্রীন হাউজ ইফেক্টের’ পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি কি হবে?
    • ক. উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
    • খ. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
    • গ. নাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
    • ঘ. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
    উত্তর: খ. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
    গ্রিনহাউস প্রভাবে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ে। তাতে মেরু অঞ্চল ও পর্বতের বরফ গলে এবং সমুদ্রের পানি তাপে প্রসারিত হয়, ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ে। বাংলাদেশের উপকূলের বড় অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে খুব সামান্য উঁচু, তাই সবচেয়ে গুরুতর প্রত্যক্ষ ক্ষতি হবে নিম্নভূমি তলিয়ে যাওয়া।
    মনে রাখুন:
    গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড প্রধান।
    সমুদ্রপৃষ্ঠ বাড়লে লবণাক্ততাও বাড়ে এবং কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  6. ৯৩. ‘নিত্য ব্যবহার্য বহু’ এরোসোলের’ কৌটায় এখন লেখা থাকে ‘সিএফসি’ বিহীন। সিএফসি গ্যাস কেন ক্ষতিকারক?
    • ক. ফুসফুসে রোগ সৃষ্টি করে
    • খ. গ্রিন হাউজ ইফেক্টে অবদান রাখে
    • গ. ওজোনস্তরে ফুটো সৃষ্টি করে
    • ঘ. দাহ্য বলে অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা ঘটায়
    উত্তর: গ. ওজোনস্তরে ফুটো সৃষ্টি করে
    সিএফসি (Chlorofluorocarbon) এমন যৌগ, যা আগে এরোসোল স্প্রে ও ফ্রিজে ব্যবহার হতো। এটি বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে (স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে) পৌঁছে অতিবেগুনি রশ্মিতে ভেঙে ক্লোরিন পরমাণু ছাড়ে। একটি ক্লোরিন পরমাণু বহু ওজোন অণু ভেঙে ফেলে, ফলে ওজোনস্তর পাতলা হয়ে ফুটোর মতো সৃষ্টি হয় এবং সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে বেশি আসে।
    মনে রাখুন:
    ওজোনস্তর রক্ষায় ১৯৮৭ সালের মন্ট্রিল প্রটোকল করা হয়।
    অতিবেগুনি রশ্মির কারণে ত্বকের ক্যান্সার ও চোখের ছানি বাড়ে।
  7. ৯৪. আলট্রাসনোগ্রাফি কি?
    • ক. নতুন ধরনের এক্সরে
    • খ. ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
    • গ. শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ
    • ঘ. শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
    উত্তর: খ. ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
    আলট্রাসনোগ্রাফি (Ultrasonography) এমন পরীক্ষা, যাতে মানুষের শোনার সীমার চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দতরঙ্গ দেহে পাঠানো হয়। এই তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বেশি, তাই তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট। বিভিন্ন অঙ্গ থেকে প্রতিধ্বনি ফিরে এলে কম্পিউটার তা দিয়ে ভেতরের ছবি তৈরি করে। এতে এক্স-রের মতো ক্ষতিকর বিকিরণ নেই, তাই গর্ভের শিশুর পরীক্ষাতেও এটি নিরাপদ।
    মনে রাখুন:
    আলট্রাসনিক শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ কিলোহার্জের বেশি।
    শব্দ-তরঙ্গ দিয়ে পিত্তথলি বা কিডনির পাথর ভাঙার পদ্ধতির নাম লিথোট্রিপসি।
  8. ৯৫. বাংলাদেশে তড়িৎ-এর কম্পাঙ্ক (frequency) প্রতি সেকেন্ডে ৫০ সাইকেল-এর তাৎপর্য কি?
    • ক. প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার বদ্ধ হয়
    • খ. প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ একক দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে
    • গ. প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়
    • ঘ. প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার উঠানামা করে
    উত্তর: গ. প্রতি সেকেন্ডে বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ বার দিক বদলায়
    আমাদের বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating Current, AC), যার দিক নির্দিষ্ট সময় পরপর বদলায়। ৫০ সাইকেল প্রতি সেকেন্ড অর্থাৎ ৫০ হার্জ কম্পাঙ্ক মানে প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহ ৫০টি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করে। প্রতি চক্রে প্রবাহ একবার এক দিকে চলে, তারপর দিক বদলে উল্টো দিকে চলে এবং আবার আগের দিকে ফেরে। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহ ৫০ বার করে দিক বদলের এই পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করে। তাই অপশনের মধ্যে ‘৫০ বার দিক বদলায়’ উত্তরটি গ্রহণ করা হয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ, ভারত ও ইউরোপে AC-এর কম্পাঙ্ক ৫০ হার্জ, যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ হার্জ।
    বাংলাদেশে সাধারণত ২২০ ভোল্টের AC সরবরাহ করা হয়।
  9. ৯৬. নদীর একপাশ থেকে গুণ টেনে নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব হয় কিভাবে?
    • ক. যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
    • খ. নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে
    • গ. গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে
    • ঘ. পাল ব্যবহার করে
    উত্তর: ক. যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
    নদীর পাড় থেকে গুণ টানলে নৌকার ওপর পাড়ের দিকে একটি তির্যক টান পড়ে, ফলে নৌকা পাড়ের দিকে সরে যেতে চায়। মাঝি তখন হাল ঠিকমতো ঘুরিয়ে রাখেন। হাল ঘোরানো থাকলে পানির বাধা এমন এক বল তৈরি করে, যা পাশের দিকের এই টানকে ভারসাম্যে রাখে। তাই নৌকা মাঝনদীতে থেকেই সামনে এগোতে পারে। এখানে নিউটনের গতিসূত্র ও বলের বিভাজন কাজ করে।
    মনে রাখুন: কোনো বলকে দুটি ভিন্ন দিকের অংশে ভাগ করা যায়, একে বলের উপাংশ বলে।
  10. ৯৭. ডিজিট্যাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে ওঠে তা কিসের ভিত্তিতে তৈরি?
    • ক. এলইডি
    • খ. সিলিকন চিপ
    • গ. এলসিডি
    • ঘ. আইসি
    উত্তর: গ. এলসিডি
    ডিজিটাল ঘড়ি ও ক্যালকুলেটরে যে কালচে ও অনুজ্জ্বল লেখা ফুটে ওঠে, তা তৈরি হয় তরল স্ফটিক প্রদর্শনী (Liquid Crystal Display, LCD) দিয়ে। বিদ্যুৎ দিলে তরল স্ফটিকের অণুগুলো এমনভাবে ঘুরে যায় যে আলো আটকে যায়, ফলে সেই অংশ কালো দেখায়। এলইডি (LED) নিজে আলো ছড়ায়, তাই তার লেখা উজ্জ্বল হয়।
    মনে রাখুন:
    LCD নিজে আলো দেয় না, আশপাশের আলোয় দেখা যায়, আর বিদ্যুৎ খুব কম খরচ করে।
    আইসি (IC) বা সিলিকন চিপ হলো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ভেতরের সার্কিট, লেখা ফোটানোর মাধ্যম নয়।

অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান

১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন