২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৮ আগস্ট ২০০৩। এখানে ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ৬০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (২০)
- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (২০)
- গাণিতিক যুক্তি (১০)
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি (১৪)
- ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (৩)
- আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (১৯)
- সাধারণ বিজ্ঞান (১০)
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি (১)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ১. ‘বাঙ্গলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ কে রচনা করেন?
- ক. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
- খ. সুকুমার সেন
- গ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- ঘ. মুহম্মদ এনামুল হক
উত্তর: গ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা একটি গবেষণাগ্রন্থ, যেখানে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ আলোচনা করা হয়েছে। তিনি মত দিয়েছিলেন যে বাংলা ভাষা গৌড়ী প্রাকৃত থেকে এসেছে। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গ্রন্থ আলাদা, সেটির নাম ‘The Origin and Development of the Bengali Language’ (ODBL)।
মনে রাখুন:
শহীদুল্লাহর আরেকটি বড় কাজ ‘বাংলা ভাষার ব্যাকরণ’। তিনি আঞ্চলিক ভাষার অভিধানও সংকলন করেন।
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত। - ২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?
- ক. শেষের কবিতা
- খ. বলাকা
- গ. ডাকঘর
- ঘ. কালান্তর
উত্তর: ক. শেষের কবিতা
‘শেষের কবিতা’ নামে কবিতা মনে হলেও এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উপন্যাস, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। অন্য অপশনগুলোর ধরন আলাদা: ‘বলাকা’ একটি কাব্যগ্রন্থ (১৯১৬), ‘ডাকঘর’ একটি রূপক নাটক এবং ‘কালান্তর’ একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
মনে রাখুন: ‘ডাকঘর’ নাটকের একটি পরিচিত চরিত্র অমল, যে অসুস্থতার কারণে ঘরে আটকে থাকে এবং বাইরের জগতের কল্পনা করে। - ৩. কাজী নজরুল ইসলামের নামের সাথে জড়িত ‘ধূমকেতু’ কোন ধরনের প্রকাশনা?
- ক. কাব্যগ্রন্থ
- খ. পত্রিকা
- গ. উপন্যাস
- ঘ. ছোটগল্প
উত্তর: খ. পত্রিকা
‘ধূমকেতু’ ছিল কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় ১৯২২ সালে প্রকাশিত একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা। এতে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র লেখা প্রকাশ করতেন। এই পত্রিকায় ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতা ছাপানোর পর রাজদ্রোহের অভিযোগে তাঁকে কারাবন্দি করা হয়।
মনে রাখুন:
নজরুলের সম্পাদিত অন্য পত্রিকা ‘লাঙল’ (১৯২৫) এবং ‘নবযুগ’।
জেলে অনশনের সময় রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘বসন্ত’ গীতিনাট্যটি উৎসর্গ করেন। - ৪. জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. রাখালী
- খ. সোজন বাদিয়ার ঘাট
- গ. নক্শী কাঁথার মাঠ
- ঘ. বালুচর
উত্তর: ক. রাখালী
জসীমউদ্দীন ‘পল্লীকবি’ নামে পরিচিত। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইয়েরই অন্তর্ভুক্ত ‘কবর’ কবিতাটি তিনি ছাত্রাবস্থায় লিখেছিলেন, যা পরে স্কুলপাঠ্য হয়ে বিখ্যাত হয়। পরে প্রকাশিত কাহিনিকাব্যগুলোর মধ্যে ‘নক্শী কাঁথার মাঠ’ (১৯২৯) ও ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ (১৯৩৩) উল্লেখযোগ্য।
মনে রাখুন: ‘বালুচর’ও জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ। তাঁর জনপ্রিয় নাটক ‘পদ্মাপার’। - ৫. ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ক. হাসান হাফিজুর রহমান
- খ. জহির রায়হান
- গ. শহীদুল্লাহ কায়সার
- ঘ. আনোয়ার পাশা
উত্তর: ঘ. আনোয়ার পাশা
‘রাইফেল রোটি আওরাত’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যার লেখক আনোয়ার পাশা। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার শিক্ষক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময়েই উপন্যাসটি লেখেন। বিজয়ের অল্প আগে, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে, আলবদর বাহিনী তাঁকে হত্যা করে। তাই তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী। উপন্যাসটি তাঁর মৃত্যুর পরে ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের উপন্যাস ‘আরেক ফাল্গুন’, ‘হাজার বছর ধরে’।
শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস ‘সংশপ্তক’, ‘সারেং বৌ’।
হাসান হাফিজুর রহমান ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের সম্পাদক ছিলেন। - ৬. জঙ্গম-এর বিপরীতার্থক শব্দ কি?
- ক. অরণ্য
- খ. পর্বত
- গ. স্থাবর
- ঘ. সমুদ্র
উত্তর: গ. স্থাবর
‘জঙ্গম’ শব্দের অর্থ যা চলাফেরা করতে পারে, যেমন মানুষ ও পশু। এর বিপরীত শব্দ ‘স্থাবর’, যার অর্থ যা এক জায়গায় স্থির থাকে, নড়াচড়া করতে পারে না। অপশনের অরণ্য, পর্বত ও সমুদ্র তিনটিই প্রাকৃতিক বস্তুর নাম, এদের মধ্যে ‘স্থাবর’ শব্দটিই ‘জঙ্গম’-এর সরাসরি বিপরীত অর্থ দেয়।
মনে রাখুন:
জঙ্গম সম্পত্তি মানে অস্থাবর সম্পত্তি, যেমন টাকা ও গাড়ি।
স্থাবর সম্পত্তি মানে জমি ও বাড়ির মতো সম্পত্তি, যা সরানো যায় না। - ৭. ‘উৎকর্ষতা’ কি কারণে অশুদ্ধ?
- ক. সন্ধিজনিত
- খ. প্রত্যয়জনিত
- গ. উপসর্গজনিত
- ঘ. বিভক্তিজনিত
উত্তর: খ. প্রত্যয়জনিত
‘উৎকর্ষ’ শব্দটি নিজেই ভাববাচক বিশেষ্য, অর্থাৎ ভালো হওয়ার ভাব বা উন্নতি বোঝায়। এর সঙ্গে আবার ভাব বোঝানোর ‘তা’ প্রত্যয় যোগ করলে একই কাজ দুবার হয়ে যায়। তাই ‘উৎকর্ষতা’ প্রত্যয়জনিত কারণে অশুদ্ধ, আর শুদ্ধ রূপ ‘উৎকর্ষ’।
মনে রাখুন: একই ধরনের অশুদ্ধ রূপের উদাহরণ:
সৌন্দর্যতা, দারিদ্র্যতা, ঔদার্যতা, শ্রেষ্ঠত্বতা।
শুদ্ধ রূপ: সৌন্দর্য, দারিদ্র্য, ঔদার্য, শ্রেষ্ঠত্ব। - ৮. তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে? - এখানে ‘না’ –এর ব্যবহার কি অর্থে?
- ক. না-বাচক
- খ. হ্যাঁ-বাচক
- গ. প্রশ্নবোধক
- ঘ. বিস্ময়সূচক
উত্তর: গ. প্রশ্নবোধক
‘তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে?’ বাক্যে ‘না’ কিছু অস্বীকার করছে না। বক্তা এখানে শ্রোতাকে কথাটি মনে করিয়ে দিয়ে নিশ্চিত হতে চাইছেন, তাই বাক্যটি প্রশ্নের মতো শোনায়। এভাবে বাক্যে ‘না’ প্রশ্নবোধক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখুন: ‘না’ নানা অর্থে বসে।
না-বাচক: সে আজ যাবে না।
প্রশ্নবোধক: তুমি কি যাবে না?
অনুরোধ: একটু বসো না। - ৯. কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- ক. মৃত্যুক্ষুধা
- খ. আলেয়া
- গ. ঝিলিমিলি
- ঘ. মধুমালা
উত্তর: ক. মৃত্যুক্ষুধা
‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস। এতে দরিদ্র মানুষের ক্ষুধা, অভাব ও মৃত্যুর যন্ত্রণার কাহিনি উঠে এসেছে। অপশনের বাকিগুলো উপন্যাস নয়: ‘আলেয়া’, ‘ঝিলিমিলি’ ও ‘মধুমালা’ তাঁর নাটক বা গীতিনাট্য।
মনে রাখুন:
নজরুলের অন্য উপন্যাস: ‘বাঁধনহারা’ (পত্রোপন্যাস), ‘কুহেলিকা’।
নজরুলের প্রথম কাব্য ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’। - ১০. ‘মা যে জননী কান্দে’ কোন ধরনের রচনা?
- ক. কাব্য
- খ. নাটক
- গ. উপন্যাস
- ঘ. প্রবন্ধ
উত্তর: ক. কাব্য
‘মা যে জননী কান্দে’ পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের একটি কাব্যগ্রন্থ। জসীমউদ্দীন গ্রামবাংলার মানুষ ও প্রকৃতির সুখ-দুঃখ নিয়ে কবিতা লিখেছেন, তাই তাঁকে পল্লিকবি বলা হয়। এই বইটি কাব্য, নাটক, উপন্যাস বা প্রবন্ধ নয়।
মনে রাখুন:
জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্য: ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ (১৯২৯), ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ (১৯৩৩), ‘রাখালী’, ‘বালুচর’।
তাঁর লেখা ‘কবর’ কবিতা বহুল পরিচিত। - ১১. কোনটি ঠিক?
- ক. সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)
- খ. কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)
- গ. বহিপীর (নাট
- ঘ. মহাশ্মশান (নাট
উত্তর: গ. বহিপীর (নাট
‘বহিপীর’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নাটক, তাই এই জোড়াটি ঠিক। এতে পীরসাহেবের ভণ্ডামি ও তরুণী তাহেরার আত্মনির্ভরতার কাহিনি আছে। বাকি জোড়াগুলো ভুল, কারণ ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ জসীমউদ্দীনের কাহিনিকাব্য, ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস, আর ‘মহাশ্মশান’ কায়কোবাদের মহাকাব্য।
মনে রাখুন:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস: ‘লালসালু’ (১৯৪৮), ‘চাঁদের অমাবস্যা’।
কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে লেখা। - ১২. ‘কার মাথায় হাত বুলিয়েছ’ – এখানে ‘মাথা’ শব্দের অর্থ –
- ক. স্বভাব নষ্ট করা
- খ. স্পর্ধা বাড়া
- গ. ফাঁকি দেওয়া
- ঘ. কোনো উপায়ে
উত্তর: গ. ফাঁকি দেওয়া
‘মাথায় হাত বুলানো’ বাগধারার অর্থ মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে ঠকানো বা ফাঁকি দিয়ে কিছু আদায় করা। তাই ‘কার মাথায় হাত বুলিয়েছ’ বাক্যের মানে হলো, কাকে ফাঁকি দিয়ে কিছু আদায় করেছ। স্বভাব নষ্ট করা বা স্পর্ধা বাড়ানো অন্য বাগধারার অর্থ।
মনে রাখুন:
মাথা খাওয়া: স্বভাব নষ্ট করা।
মাথায় তোলা: প্রশ্রয় দিয়ে স্পর্ধা বাড়ানো।
মাথা ঘামানো: খুব চিন্তা করা। - ১৩. শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- ক. পথের দাবী
- খ. নিষ্কৃতি
- গ. চরিত্রহীন
- ঘ. দত্তা
উত্তর: ক. পথের দাবী
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী আন্দোলনের কাহিনি আছে, আর এর প্রধান চরিত্র বিপ্লবী সব্যসাচী। উপন্যাসটি ব্রিটিশ শাসকদের কাছে বিপজ্জনক মনে হওয়ায় ১৯২৭ সালে সরকার একে বাজেয়াপ্ত করে। শরৎচন্দ্রের বাকি উপন্যাসগুলোতে এমন রাজনৈতিক বিষয় ছিল না, তাই সেগুলো বাজেয়াপ্ত হয়নি।
মনে রাখুন:
শরৎচন্দ্রের অন্য বিখ্যাত উপন্যাস: ‘শ্রীকান্ত’, ‘দেবদাস’, ‘চরিত্রহীন’, ‘গৃহদাহ’।
তাঁকে অপরাজেয় কথাশিল্পী বলা হয়। - ১৪. কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী?
- ক. আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে
- খ. ভবিষ্যতের বাঙালি
- গ. উন্নত জীবন
- ঘ. সভ্যতা
উত্তর: খ. ভবিষ্যতের বাঙালি
‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ এস ওয়াজেদ আলীর লেখা প্রবন্ধগ্রন্থ। তিনি বিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট মুসলিম প্রাবন্ধিক ও গল্পকার ছিলেন। এ ধরনের প্রশ্নে লেখকের পরিচিত গ্রন্থ চিনে রাখা দরকার, কারণ অপশনের অন্য বইগুলো অন্য লেখকদের।
মনে রাখুন:
এস ওয়াজেদ আলীর একটি পরিচিত গল্পসংকলন ‘গুলদাস্তা’।
তিনি ‘ভবিষ্যতের বাঙালি’র লেখক হিসেবেই বেশি পরিচিত। - ১৫. নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান?
- ক. কষ্ট
- খ. উপনিষৎ
- গ. কল্যাণীয়েষু
- ঘ. আষাঢ়
উত্তর: ঘ. আষাঢ়
বাংলা ভাষায় কিছু শব্দে ‘ষ’ কোনো ণত্ব বা ষত্ব বিধানের নিয়ম ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য রূপে বসে, এমন ষ-কে নিত্য মূর্ধন্য-ষ বলে। ‘আষাঢ়’ এমন একটি শব্দ। বাকি শব্দগুলোতে ষ বসেছে নিয়ম মেনে: ‘কষ্ট’-এ ট-বর্গের আগে এবং ‘কল্যাণীয়েষু’তে এ-কারের পরে ষ বসেছে।
মনে রাখুন:
নিত্য মূর্ধন্য-ষের উদাহরণ: আষাঢ়, ভাষা, ঊষা, ঈষৎ, পাষাণ, ঔষধ, ষোড়শ।
নিয়ম ধরে ষ বসে: কষ্ট, দুষ্ট, নিষ্ঠুর। - ১৬. ‘ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে,’ বলেছেন-
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
- ঘ. প্রমথ চৌধুরী
উত্তর: ঘ. প্রমথ চৌধুরী
‘ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে’ কথাটি প্রমথ চৌধুরীর। তিনি সাধু ভাষার বদলে মুখের কথার কাছাকাছি চলিত ভাষায় সাহিত্য লেখার পক্ষে ছিলেন। ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনার মধ্য দিয়ে তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রতিষ্ঠা ঘটান।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।
তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘বীরবলের হালখাতা’, ‘চার ইয়ারি কথা’।
রবীন্দ্রনাথও সবুজপত্রে চলিত ভাষায় লিখেছিলেন। - ১৭. ‘ অক্ষির সমীপে’ এর সংক্ষেপণ হলো-
- ক. সমক্ষ
- খ. পরোক্ষ
- গ. প্রত্যক্ষ
- ঘ. নিরপেক্ষ
উত্তর: ক. সমক্ষ
‘অক্ষি’ মানে চোখ, আর ‘সমীপে’ মানে কাছে। তাই ‘অক্ষির সমীপে’ বাক্যাংশটিকে এক শব্দে ‘সমক্ষ’ লেখা হয়, যার অর্থ চোখের সামনে। একই অক্ষি শব্দ থেকে আরও কিছু শব্দ তৈরি হয়েছে: ‘প্রত্যক্ষ’ মানে অক্ষির প্রতি, অর্থাৎ চোখে দেখা, আর ‘পরোক্ষ’ মানে চোখের অগোচরে।
মনে রাখুন:
‘সমক্ষ’ বাক্যাংশ সংকোচনের উদাহরণ।
একই ধরনের শব্দ: অক্ষির প্রতি = প্রত্যক্ষ, অক্ষির পর = পরোক্ষ। - ১৮. উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য-
- ক. অব্যয় ও শব্দাংশ
- খ. নতুন শব্দ গঠনে
- গ. উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
- ঘ. ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
উত্তর: গ. উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
উপসর্গ ও প্রত্যয় দুটিই নতুন শব্দ তৈরিতে সাহায্য করে এবং শব্দের অর্থ বদলে দেয়। তাদের মূল পার্থক্য বসার জায়গায়। উপসর্গ বসে শব্দের আগে, যেমন প্র + হার = প্রহার। আর প্রত্যয় বসে ধাতু বা শব্দের পরে, যেমন পড়্ + আ = পড়া।
মনে রাখুন:
সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু।
ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় বসে তা কৃৎ প্রত্যয়, আর শব্দের সঙ্গে বসলে তদ্ধিত প্রত্যয়। - ১৯. ‘তুমি এতক্ষণ কী করেছ?’ – এই বাক্যে ‘কী’ কোন পদ?
- ক. বিশেষণ
- খ. অব্যয়
- গ. সর্বনাম
- ঘ. ক্রিয়া
উত্তর: গ. সর্বনাম
‘তুমি এতক্ষণ কী করেছ?’ বাক্যে ‘কী’ শব্দটি কোনো অজানা বিষয়ের নামের বদলে বসে প্রশ্ন করছে, তাই এটি সর্বনাম। সর্বনাম যখন প্রশ্ন করার জন্য বসে, তখন তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বলে। এখানে ‘কী’ দিয়ে জানতে চাওয়া হচ্ছে কাজটি কী ছিল।
মনে রাখুন:
প্রশ্নবাচক সর্বনাম: কে, কী, কাকে, কার।
সর্বনাম হলো নামের বদলে বসা পদ, যেমন সে, তারা, যিনি। - ২০. ‘আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।’ – এই বাক্যে ‘ আকাশে’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
- ক. কর্তৃকারকে সপ্তমী
- খ. কর্মকারকে সপ্তমী
- গ. অপাদান কারকে তৃতীয়া
- ঘ. অধিকরণ কারকে সপ্তমী
উত্তর: ঘ. অধিকরণ কারকে সপ্তমী
‘আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস’ বাক্যে ‘আকাশে’ শব্দটি ক্রিয়া ঘটার স্থান, অর্থাৎ কোথায় ইতিহাস রাখা হয়নি, তা বোঝাচ্ছে। ক্রিয়ার স্থান বা কাল বোঝালে অধিকরণ কারক হয়। শব্দে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, আর এ-বিভক্তি সপ্তমী বিভক্তি। তাই এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
মনে রাখুন:
অধিকরণ কারকের তিন রকম: স্থানাধিকরণ, কালাধিকরণ ও ভাবাধিকরণ।
উদাহরণ: সে ঢাকায় থাকে (স্থান), সকালে ঘুম ভাঙে (কাল)।
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ২১. There are ____ dangerous drivers.
- ক. a very lot of
- খ. very many of
- গ. very much of
- ঘ. a lot of
উত্তর: ঘ. a lot of
‘A lot of’ countable ও uncountable দুই ধরনের noun-এর আগেই বসতে পারে, তাই ‘There are a lot of dangerous drivers’ সঠিক। ‘A very lot of’ ভুল, কারণ lot-এর আগে very বসে না। ‘Very many of’ দিয়ে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট দলের কথা বোঝায়, যেমন ‘very many of the drivers’, আর ‘much’ কেবল uncountable noun-এর সঙ্গে বসে।
মনে রাখুন:
Countable noun-এর আগে many, a few, fewer বসে।
Uncountable noun-এর আগে much, a little, less বসে।
A lot of ও plenty of দুই ধরনের noun-এর সঙ্গেই চলে। - ২২. I have read the book ____ you lent me.
- ক. that
- খ. whom
- গ. whose
- ঘ. What
উত্তর: ক. that
‘The book’ একটি বস্তু, তাই এর পরে বসা relative pronoun এখানে ‘that’ (বা which) হবে। অর্থাৎ ‘I have read the book that you lent me’ সঠিক। ‘Whom’ মানুষের জন্য object রূপ, ‘whose’ মালিকানা বোঝায়, আর ‘what’ কোনো antecedent ছাড়া বসে, যেমন ‘I know what you did’।
মনে রাখুন:
মানুষের জন্য who বা whom, বস্তুর জন্য which, আর দুটির জন্যই that বসতে পারে।
What নিজেই পূর্বনির্দেশক ধরে নিয়ে বসে, তাই এর আগে আলাদা antecedent থাকে না। - ২৩. Water boils ____ you heat it to 100 centigrade.
- ক. unless
- খ. until
- গ. if
- ঘ. Although
উত্তর: গ. if
পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গরম করলে ফোটে, এটি একটি চিরসত্য ঘটনা। এমন সত্য ঘটনা শর্তের আকারে বলতে হলে ‘if’ বসে, এই গঠনকে zero conditional বলে: if + present simple, present simple। তাই ‘Water boils if you heat it to 100 centigrade’ সঠিক। ‘Unless’ মানে ‘যদি না’, তাই বসালে অর্থ উল্টে যায়।
মনে রাখুন:
Unless = if not, যেমন: Unless you heat it, water will not boil।
Until সময়ের সীমা বোঝায়, আর although বিরোধ বোঝায়। - ২৪. Tell me ____ that.
- ক. whom told you
- খ. that told you
- গ. who told you
- ঘ. told you
উত্তর: গ. who told you
‘Tell me’-এর পরে প্রশ্নবাচক বাক্যটি এখানে noun clause হিসেবে বসেছে। ‘Told’ ক্রিয়ার একটি কর্তা দরকার, যে মানুষটি কথাটি বলেছে তাকে জানতে চাওয়া হচ্ছে। এই কাজ করে ‘who’। তাই ‘Tell me who told you that’ সঠিক। ‘Whom’ কর্ম রূপ, এখানে কর্তা প্রয়োজন, তাই ‘whom told you’ ভুল।
মনে রাখুন:
Who কর্তা হিসেবে, whom কর্ম হিসেবে বসে, যেমন: Whom did you meet?
পরোক্ষ প্রশ্নে বাক্যের গঠন সোজা থাকে, এখানে subject আগে ও verb পরে বসে। - ২৫. I opened the door as soon as I ____ the bell.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. have heard
- খ. was hearing
- গ. am heard
- ঘ. heard
উত্তর: ঘ. heard
‘As soon as’ দিয়ে দুটি কাজ প্রায় একসঙ্গে ঘটেছে বোঝানো হয়। প্রধান বাক্যে ক্রিয়া ‘opened’ simple past, অর্থাৎ ঘটনাটি অতীতে ঘটে গেছে। তাই as soon as-এর অংশেও simple past ‘heard’ বসবে: ‘I opened the door as soon as I heard the bell’। ‘Have heard’ present perfect, তাই অতীতের বাক্যে বসে না।
মনে রাখুন: ভবিষ্যৎ বোঝাতে as soon as-এর পরে present simple বসে, যেমন ‘I will call you as soon as I reach home’। - ২৬. I am looking for someone who ____ play the piano.
- ক. able to
- খ. is able
- গ. can be able to
- ঘ. can
উত্তর: ঘ. can
কারও সামর্থ্য বোঝাতে ‘can’-এর পরে verb-এর মূল রূপ বসে, তাই ‘I am looking for someone who can play the piano’ সঠিক। ‘Able to’ বসাতে হলে আগে be-verb লাগত, যেমন ‘who is able to play’। ‘Is able’ বাক্যে ‘to’ ছাড়া অসম্পূর্ণ, আর ‘can be able to’ একসঙ্গে দুটি সামর্থ্যবোধক রূপ থাকায় অশুদ্ধ।
মনে রাখুন:
Can-এর অতীত রূপ could, আর এর পরেও verb-এর মূল রূপ বসে।
ভবিষ্যতে সামর্থ্য বোঝাতে will be able to ব্যবহার হয়, যেমন: He will be able to swim। - ২৭. Don’t make a noise while your father-
- ক. is being asleep
- খ. is sleeping
- গ. asleep
- ঘ. has slept
উত্তর: খ. is sleeping
‘While’ দিয়ে এখানে একটি চলমান কাজ বোঝানো হচ্ছে: বাবা এখন ঘুমাচ্ছেন। এই অবস্থাকে প্রকাশ করতে present continuous ‘is sleeping’ বসে। ‘Asleep’ একটি adjective, তাই এর আগে ‘is’ বসিয়ে ‘is asleep’ বলা যেত, কিন্তু ‘is being asleep’ ব্যাকরণগতভাবে ঠিক নয়। ‘Has slept’ কাজ শেষ হয়ে গেছে বোঝায়, যা এখানে অর্থ মেলে না।
মনে রাখুন:
Sleep ক্রিয়ার রূপ: sleep, slept, slept।
Asleep adjective, আর তার আগে be-verb বসে, যেমন: The baby is asleep। - ২৮. As the sun ____, I decided to go out.
- ক. shines
- খ. has shone
- গ. shine
- ঘ. was shining
উত্তর: ঘ. was shining
বাক্যটিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কাজটি অতীতে ঘটেছে, কারণ ক্রিয়া ‘decided’। সেই সময় সূর্য আলো দিচ্ছিল, অর্থাৎ অতীতে একটি অবস্থা তখন চলমান ছিল। এমন অবস্থায় past continuous ‘was shining’ বসে: ‘As the sun was shining, I decided to go out’। ‘Shines’ ও ‘has shone’ অতীতের বাক্যে বসে না।
মনে রাখুন:
Past continuous-এর গঠন: was/were + verb-ing।
দুটি কাজ একসঙ্গে অতীতে চলছিল বোঝাতে while বা as ব্যবহার হয়। - ২৯. He gave up ____ football when he got married.
- ক. to play
- খ. playing
- গ. play
- ঘ. of playing
উত্তর: খ. playing
‘Give up’ একটি phrasal verb, যার অর্থ ছেড়ে দেওয়া। এর পরে verb বসলে সেটি gerund, অর্থাৎ verb + ing রূপে বসে। তাই ‘He gave up playing football when he got married’ সঠিক। ‘To play’ বা ‘play’ এখানে বসে না, আর ‘of playing’ বললে অপ্রয়োজনীয় preposition যুক্ত হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
Gerund নেয় এমন আরও কিছু verb: enjoy, avoid, mind, finish, stop।
উদাহরণ: She finished reading the book। - ৩০. I have ____ interest in the matter.
- ক. not
- খ. any
- গ. none
- ঘ. no
উত্তর: ঘ. no
‘I have no interest in the matter’ বাক্যে ‘no’ একটি determiner, যা noun-এর আগে বসে এবং ‘একটুও নেই’ অর্থ বোঝায়। ‘Not’ ক্রিয়াকে নেতিবাচক করে, সরাসরি noun-এর আগে বসে না। ‘Any’ সাধারণত নেতিবাচক ক্রিয়ার পরে বসে, যেমন ‘I don’t have any interest’। আর ‘none’ একটি pronoun, তাই এর পরে সরাসরি noun বসে না।
মনে রাখুন:
No = not any: I have no money = I don’t have any money।
None ব্যবহৃত হয় noun ছাড়া: None of them came। - ৩১. ____ is not the only thing tourists want to see.
- ক. A scenery
- খ. Sceneries
- গ. The sceneries
- ঘ. Scenery
উত্তর: ঘ. Scenery
‘Scenery’ একটি uncountable noun, অর্থাৎ প্রাকৃতিক দৃশ্য বোঝানো এই শব্দের বহুবচন হয় না এবং এর আগে ‘a’ বসে না। বাক্যে দৃশ্যের কথা সাধারণভাবে বলা হচ্ছে, তাই আগে কোনো article ছাড়াই ‘Scenery is not the only thing tourists want to see’ সঠিক। Sceneries বা a scenery শব্দরূপ হিসেবে চলে না।
মনে রাখুন: আরও কিছু uncountable noun: furniture, luggage, information, advice, equipment, news।
এগুলোর আগে a বা an বসে না, বহুবচনের s-ও হয় না। - ৩২. Just now he ____ his dinner but he says he will see you when he’s finished.
- ক. is having
- খ. has had
- গ. was having
- ঘ. Had
উত্তর: ক. is having
‘Just now’ এখানে ‘এই মুহূর্তে’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যের দ্বিতীয় অংশ ‘he will see you when he’s finished’ জানাচ্ছে যে সে এখনো খাচ্ছে এবং খাওয়া শেষ হলে দেখা করবে। কাজটি এখন চলছে, তাই present continuous ‘is having’ সঠিক। এখানে ‘have’ ক্রিয়াটি ‘খাওয়া’ অর্থে বলে continuous রূপ নিতে পারে।
মনে রাখুন:
‘Have’ অধিকার বোঝালে continuous হয় না, যেমন: I have a car।
‘Have’ খাওয়া বা অন্য কাজ বোঝালে continuous হয়, যেমন: He is having lunch। - ৩৩. The children were entrusted ____ the care of their uncle.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
- ক. with
- খ. for
- গ. to
- ঘ. At
উত্তর: গ. to
‘Entrust’ ক্রিয়াটি দুই ধরনের গঠনে ব্যবহৃত হয়: ‘entrust someone with something’ এবং ‘entrust something to someone’। এখানে ‘the care of their uncle’ হলো যার তত্ত্বাবধানে শিশুদের দেওয়া হয়েছে, তাই preposition ‘to’ বসে: ‘The children were entrusted to the care of their uncle’। ‘With’ বসত যদি জিনিসটি, যেমন কাজ বা দায়িত্ব, পরে আসত।
মনে রাখুন:
He entrusted me with the keys.
He entrusted the keys to me.
একই অর্থে ‘hand over to’ও ব্যবহৃত হয়। - ৩৪. He parted ____ his friends in tears.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. with
- খ. from
- গ. against
- ঘ. Beside
উত্তর: খ. from
‘Part’ ক্রিয়ার পরে preposition অর্থ অনুযায়ী বদলায়। কোনো মানুষের কাছ থেকে বিদায় নেওয়া বা আলাদা হওয়া বোঝাতে ‘part from’ বসে। বন্ধুদের কাছ থেকে বিদায় নেওয়া হচ্ছে, তাই ‘He parted from his friends in tears’ সঠিক। আর কোনো জিনিস ছেড়ে দেওয়া বা হাতছাড়া করা বোঝাতে ‘part with’ বসে।
মনে রাখুন:
Part with: He did not want to part with his old car।
Part company with: কারও সঙ্গে সম্পর্ক ছেড়ে দেওয়া। - ৩৫. ‘I’11 have a cup of tea,’my father said,’Because I’m not hungry.’ Which of the following sentence is the correct indirect speech?
- ক. My father said that he will have a cup of tea because he wasn’t hungry.
- খ. My father said that he would have had a cup of tea because he wasn’t hungry.
- গ. My father said that he would have a cup of tea because he wasn’t hungry.
- ঘ. My father said that he had a cup of tea because he wasn’t hungry.
উত্তর: গ. My father said that he would have a cup of tea because he wasn’t hungry.
Indirect speech-এ reporting verb ‘said’ অতীত কালের হলে direct speech-এর verb এক ধাপ অতীতে সরে যায়। তাই ‘will’ হয় ‘would’, ‘am’ হয় ‘was’, আর ‘I’ হয় বক্তার পরিচয় অনুযায়ী ‘he’। এ কারণে ‘My father said that he would have a cup of tea because he wasn’t hungry’ সঠিক। ‘Would have had’ বিকল্পটি অসম্ভব অতীত বোঝায়, আর ‘had’ বসালে অর্থ বদলে যায়।
মনে রাখুন:
will → would, can → could, may → might।
একই নিয়মে now → then, today → that day, tomorrow → the next day। - ৩৬. The expression ‘Lingua franca’ means-
- ক. The common language.
- খ. The first language.
- গ. International language.
- ঘ. The French language.
উত্তর: ক. The common language.
‘Lingua franca’ কথাটি এসেছে ইতালীয় থেকে, এর আক্ষরিক অর্থ ‘ফ্রাঙ্কদের ভাষা’। বাস্তব অর্থে এটি এমন একটি সাধারণ ভাষা, যা ভিন্ন ভিন্ন মাতৃভাষার মানুষ নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করে। এ কারণে ‘the common language’ বিকল্পটি সঠিক। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ব্যবসা, বিজ্ঞান ও পর্যটনে ইংরেজি একটি lingua franca।
মনে রাখুন:
একজন মানুষের জন্মগত ভাষাকে বলে মাতৃভাষা (mother tongue)। - ৩৭. Choose the correct meaning: He raised his eyebrow at my explanation.
- ক. show surprise or disapproval.
- খ. show agreement.
- গ. show happiness.
- ঘ. show indifference.
উত্তর: ক. show surprise or disapproval.
‘Raise one’s eyebrows’ ইডিয়মটির অর্থ ভুরু কুঁচকে বা তুলে বিস্ময় অথবা অসন্তোষ প্রকাশ করা। তাই ‘He raised his eyebrow at my explanation’ বলতে বোঝায়, আমার ব্যাখ্যা শুনে তিনি অবাক বা অসন্তুষ্ট হয়েছেন। সম্মতি, আনন্দ বা উদাসীনতা প্রকাশের সঙ্গে এই ইডিয়মের মিল নেই।
মনে রাখুন:
আরও ইডিয়ম: turn a blind eye (দেখেও না দেখার ভান করা), keep an eye on (নজর রাখা)। - ৩৮. ‘Razzmatazz’ means-
- ক. A musical instrument
- খ. A well-planned programme
- গ. A noisy activity
- ঘ. A musical activity
উত্তর: গ. A noisy activity
‘Razzmatazz’ শব্দের অর্থ হইচই, জাঁকজমক ও চটকদার কর্মকাণ্ড, যা মানুষের নজর কাড়ার উদ্দেশ্যে করা হয়। যেমন বড় খেলার আগে আতশবাজি ও গানবাজনার আয়োজন। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘a noisy activity’ অর্থটি সবচেয়ে কাছের। এটি কোনো বাদ্যযন্ত্র বা সুপরিকল্পিত কর্মসূচির নাম নয়।
মনে রাখুন: এই শব্দটি সাধারণত কিছুটা অবজ্ঞার সুরে ব্যবহৃত হয়, যেমন ‘the razzmatazz of Hollywood’। - ৩৯. the antonym for ‘Recalcitrant’ –
- ক. Compliant
- খ. Passive
- গ. Indifferent
- ঘ. Careful
উত্তর: ক. Compliant
‘Recalcitrant’ মানে অবাধ্য, অর্থাৎ যে নিয়ম বা কর্তৃত্ব মানতে চায় না। এর বিপরীত শব্দ ‘compliant’, যার অর্থ বাধ্য বা নিয়ম মেনে চলে এমন। ‘Passive’ মানে নিষ্ক্রিয় এবং ‘indifferent’ মানে উদাসীন, এই দুটির অর্থ অবাধ্যতার বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
Recalcitrant-এর সমার্থক: Unruly, Disobedient, Stubborn।
Compliant-এর সমার্থক: Obedient, Docile, Submissive। - ৪০. The synonym for ‘Obdurate’ –
- ক. Deceitful
- খ. Stubborn
- গ. Sly
- ঘ. Swindler
উত্তর: খ. Stubborn
‘Obdurate’ মানে একগুঁয়ে, অর্থাৎ যে নিজের মত বা সিদ্ধান্ত থেকে কিছুতেই সরে আসে না। তাই এর সমার্থক শব্দ ‘stubborn’। ‘Deceitful’ মানে প্রতারক, ‘sly’ মানে ধূর্ত, আর ‘swindler’ মানে ঠগ, এই তিনটির অর্থ আলাদা।
মনে রাখুন:
Obdurate-এর আরও সমার্থক: Obstinate, Adamant, Inflexible, Headstrong।
বিপরীত শব্দ: Flexible, Yielding।
গাণিতিক যুক্তি
- ৪১. এক ব্যক্তি একটি দ্রব্য ১২০০ টাকায় কিনে ১৫% লাভে বিক্রয় করল, ক্রেতা ঐ দ্রব্য তৃতীয় এক ব্যক্তির কাছে ৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করল। শেষ বিক্রয়মূল্য কত ছিল?
- ক. ১২৮০
- খ. ১২৮১
- গ. ১৩১০
- ঘ. ১৩১১
উত্তর: ঘ. ১৩১১
প্রথম ব্যক্তি ১২০০ টাকায় কিনে ১৫% লাভে বিক্রি করল, তাই প্রথম বিক্রয়মূল্য = 1200 × 115/100 = 1380 টাকা। এই 1380 টাকা হলো দ্বিতীয় ব্যক্তির ক্রয়মূল্য। সে ৫% ক্ষতিতে বিক্রি করল, তাই শেষ বিক্রয়মূল্য = 1380 × 95/100 = 1311 টাকা।
মনে রাখুন:
লাভে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (100 + লাভ%)/100।
ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (100 − ক্ষতি%)/100। - ৪২. চালের দাম ২৫% বেড়ে যাওয়ায় এক ব্যক্তি চালের ব্যবহার এমনভাবে কমালেন যেন তার সাংসারিক ব্যয় অপরিবর্তিত থাকে। তিনি চালের ব্যবহার শতকরা কত ভাগ কমালেন?
- ক. ২০%
- খ. ১৬%
- গ. ১৮%
- ঘ. ১৫%
উত্তর: ক. ২০%
চালের দাম ২৫% বাড়লে আগের যে চাল ১০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তার জন্য লাগে 125 টাকা। সাংসারিক ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হলে আগের ১০০ টাকার সমান খরচেই চাল কিনতে হবে, ফলে চালের ব্যবহার কমাতে হবে 25/125 × 100 = 20%।
মনে রাখুন: দাম a% বাড়লে ব্যয় ঠিক রাখতে ব্যবহার কমাতে হবে a/(100 + a) × 100 শতাংশ। - ৪৩. একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৫, ৬ ও ৭ মিটার। নিকটতম বর্গমিটারের ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
- ক. ১৬ বর্গমিটার
- খ. ১৫ বর্গমিটার
- গ. ১৭ বর্গমিটার
- ঘ. ১৪ বর্গমিটার
উত্তর: খ. ১৫ বর্গমিটার
তিন বাহু দেওয়া থাকলে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল হেরনের সূত্রে বের করা যায়। অর্ধপরিসীমা s = (5 + 6 + 7)/2 = 9 মিটার। ক্ষেত্রফল = √[s(s − a)(s − b)(s − c)] = √(9 × 4 × 3 × 2) = √216 ≈ 14.7 বর্গমিটার, যা নিকটতম পূর্ণসংখ্যায় ১৫ বর্গমিটার।
মনে রাখুন: হেরনের সূত্র ব্যবহার করতে উচ্চতা জানার দরকার হয় না, শুধু তিন বাহুই যথেষ্ট। - ৪৪. ৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪ – এর পরবর্তী সংখ্যা কত?
- ক. ১৬৯
- খ. ২২৫
- গ. ২৫৬
- ঘ. ২৭২
উত্তর: খ. ২২৫
ধারাটির পদগুলো 9, 36, 81, 144, যা যথাক্রমে 3², 6², 9², 12², অর্থাৎ ৩, ৬, ৯, ১২ প্রভৃতি ৩-এর গুণিতকের বর্গ। পরের গুণিতক ১৫, তাই পরের পদ 15² = 225।
মনে রাখুন: ধারা মেলানোর সময় পদগুলোকে বর্গ বা ঘন সংখ্যার রূপে লিখে দেখা ভালো। - ৪৫. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার হলে তার পরিসীমা কত?
- ক. ৭০ মিটার
- খ. ৭৫ মিটার
- গ. ৮০ মিটার
- ঘ. ৯০ মিটার
উত্তর: গ. ৮০ মিটার
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ x মিটার হলে দৈর্ঘ্য 3x মিটার। ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = 3x × x = 3x² = 300, তাই x² = 100 এবং x = 10। অতএব প্রস্থ 10 মিটার ও দৈর্ঘ্য 30 মিটার। পরিসীমা = 2 × (30 + 10) = 80 মিটার।
মনে রাখুন: আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) এবং কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য² + প্রস্থ²)। - ৪৬. x + y = 7 এবং xy = 10 হলে (x – y)2 -এর মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
- ক. 3
- খ. 6
- গ. 9
- ঘ. 12
উত্তর: গ. 9
(x − y)² = x² − 2xy + y², আর (x + y)² = x² + 2xy + y²। এ দুটি থেকে পাওয়া যায় (x − y)² = (x + y)² − 4xy। মান বসালে 7² − 4 × 10 = 49 − 40 = 9।
মনে রাখুন: এখানে x = 5 ও y = 2 হলে x + y = 7, xy = 10, আর (5 − 2)² = 9, যাচাইয়ে মেলে। - ৪৭. ১ + ৩ + ৫ + ………. + ৩১ = কত?
- ক. ২৫৮
- খ. ২৫৬
- গ. ২৫৪
- ঘ. ২৫২
উত্তর: খ. ২৫৬
১, ৩, ৫, … ৩১ ধারাটি বিজোড় সংখ্যার ধারা। এর পদসংখ্যা (31 + 1)/2 = 16। প্রথম n টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল n², তাই এখানে যোগফল 16² = 256।
মনে রাখুন:
প্রথম n টি স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল n(n + 1)/2।
প্রথম n টি জোড় সংখ্যার যোগফল n(n + 1)। - ৪৮. কোন ভগ্নাংশটি লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশিত?
- ক. ৭৭/১৪৩
- খ. ১০২/২৮৯
- গ. ১১৩/৩৫৫
- ঘ. ৩৪৩/১০০১
উত্তর: গ. ১১৩/৩৫৫
কোনো ভগ্নাংশের লব ও হরের মধ্যে ১ ছাড়া অন্য কোনো সাধারণ উৎপাদক না থাকলে ভগ্নাংশটি লঘিষ্ঠ আকারে থাকে। 113 একটি মৌলিক সংখ্যা এবং 355 = 5 × 71, তাই 113 ও 355-এর সাধারণ উৎপাদক নেই, ফলে ১১৩/৩৫৫ লঘিষ্ঠ আকারে আছে। বাকিগুলোতে সাধারণ উৎপাদক আছে: 77 ও 143-এ 11, 102 ও 289-এ 17, আর 343 ও 1001-এ 7।
মনে রাখুন: ভগ্নাংশ লঘিষ্ঠ করতে লব ও হরকে তাদের গসাগু দিয়ে ভাগ করতে হয়। - ৪৯. এক ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির ৩/৭ অংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্টের ৫/১২ অংশ ব্যয় করে দেখলেন যে তার নিকট ১০০০ টাকা রয়েছে। তার মোট সম্পত্তির মূল্য কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ২০০০ টাকা
- খ. ২৩০০ টাকা
- গ. ২৫০০ টাকা
- ঘ. ৩০০০ টাকা
উত্তর: ঘ. ৩০০০ টাকা
মোট সম্পত্তিকে ১ ধরি। ৩/৭ অংশ ব্যয় করার পর অবশিষ্ট থাকে 1 − 3/7 = 4/7। এই অবশিষ্টের ৫/১২ অংশ ব্যয় করলে থাকে 7/12 অংশ, অর্থাৎ মোট সম্পত্তির 4/7 × 7/12 = 1/3। এই ১/৩ অংশ যদি ১০০০ টাকা হয়, তবে মোট সম্পত্তি 1000 × 3 = 3000 টাকা।
যাচাই: 3000-এর 3/7 ≈ 1286 গেলে থাকে 1714, তার 5/12 ≈ 714 গেলে থাকে 1000। - ৫০. 2x2 + x – 15 – এর উৎপাদক কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
- ক. (x + 3) (2x – 5)
- খ. (x – 3) (2x – 5)
- গ. (x – 3)(2x – 5)
- ঘ. (x + 3)(2x + 5)
উত্তর: ক. (x + 3) (2x – 5)
2x² + x − 15 উৎপাদকে ভাঙতে মধ্যপদ বিভাজন করি। 2 × (−15) = −30, আর −30 = 6 × (−5), যোগফল 1। তাই x = 6x − 5x।
2x² + x − 15 = 2x² + 6x − 5x − 15 = 2x(x + 3) − 5(x + 3) = (x + 3)(2x − 5)।
যাচাই: (x + 3)(2x − 5) = 2x² − 5x + 6x − 15 = 2x² + x − 15।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- ৫১. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
- ক. ২৫৭ জন
- খ. ১৬৩ জন
- গ. ৪৪ জন
- ঘ. ৬৮ জন
উত্তর: ঘ. ৬৮ জন
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য চার ধরনের খেতাব দেওয়া হয়েছে: বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক। এর মধ্যে বীর উত্তম দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব, আর ১৯৭৩ সালের তালিকা অনুযায়ী ৬৮ জনকে এই খেতাব দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন ও বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
মোট খেতাবপ্রাপ্ত ৬৭৬ জন।
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে মতিউর রহমান ও রুহুল আমিন সহ সাতজন রয়েছেন। - ৫২. জিয়া সার কারখানার উৎপাদিত সারের নাম কি?
- ক. অ্যামোনিয়া
- খ. টিএসপি
- গ. ইউরিয়া
- ঘ. সুপার ফসফেট
উত্তর: গ. ইউরিয়া
জিয়া সার কারখানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত একটি সার কারখানা। এটি প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে ইউরিয়া সার তৈরি করে। ইউরিয়া তৈরিতে গ্যাস থেকে পাওয়া হাইড্রোজেন ও বাতাসের নাইট্রোজেন দিয়ে প্রথমে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয়, তারপর অ্যামোনিয়াকে কার্বন ডাইঅক্সাইডের সঙ্গে মিলিয়ে ইউরিয়া পাওয়া যায়। তাই অ্যামোনিয়া এখানে মধ্যবর্তী পণ্য, মূল সার নয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের অন্য ইউরিয়া সার কারখানা: শাহজালাল (ফেঞ্চুগঞ্জ), যমুনা (জামালপুর), ঘোড়াশাল-পলাশ (নরসিংদী), কাফকো (চট্টগ্রাম)।
টিএসপি সার তৈরি করে চট্টগ্রামের টিএসপি কমপ্লেক্স। - ৫৩. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
- ক. জয়নুল আবেদিন
- খ. কামরুল হাসান
- গ. হামিদুর রহমান
- ঘ. হাশেম খান
উত্তর: খ. কামরুল হাসান
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রথম নকশা তৈরি করেন শিব নারায়ণ দাস, ১৯৭১ সালের মার্চে, তখন সবুজ জমিনে লাল বৃত্তের ভেতরে হলুদ রঙে মানচিত্র ছিল। স্বাধীনতার পর মানচিত্র বাদ দিয়ে পতাকার চূড়ান্ত রূপ আঁকেন শিল্পী কামরুল হাসান, আর সেই রূপটি ১৯৭২ সালে গৃহীত হয়। তাই জাতীয় পতাকার ডিজাইনার বলতে কামরুল হাসানকেই ধরা হয়।
মনে রাখুন:
পতাকার সবুজ রং দেশের প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক।
লাল বৃত্ত স্বাধীনতার জন্য শহীদদের রক্ত ও উদীয়মান সূর্যের প্রতীক।
কামরুল হাসান ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারের শিল্পী। - ৫৪. কোন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়?
- ক. আয়কর
- খ. আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক
- গ. ভূমি রাজস্ব
- ঘ. মূল্য সংযোজন কর
উত্তর: ঘ. মূল্য সংযোজন কর
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব মূলত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) মাধ্যমে আদায় হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উৎস মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax, ভ্যাট)। কারণ ভ্যাট প্রায় সব পণ্য ও সেবার কেনাবেচায় আদায় হয়, ফলে এর আওতা আয়কর, শুল্ক বা ভূমি রাজস্বের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশে ভ্যাট চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই, বিক্রয় করের জায়গায়।
আয়কর ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আয়ের ওপর ধার্য হয় এবং এটি প্রত্যক্ষ কর।
ভ্যাট পরোক্ষ কর, কারণ ভোক্তা পণ্যের দামের সঙ্গে এটি দেয়। - ৫৬. ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী’ – সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
- ক. ২৭
- খ. ২৮
- গ. ৩০
- ঘ. ৪৭
উত্তর: ক. ২৭
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। এর পরের ২৮ অনুচ্ছেদ আলাদা বিষয় নিয়ে: এতে ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ৩১ আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার নিয়ে।
অনুচ্ছেদ ৩২ জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার নিয়ে।
অনুচ্ছেদ ৩৯ চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্স্বাধীনতা নিয়ে। - ৫৭. মহিলা পুলিশ প্রথম নিয়োগ করা হয় কোন সালে?
- ক. ১৯৭৪ সালে
- খ. ১৯৭৬ সালে
- গ. ১৯৭৭ সালে
- ঘ. ১৯৭৮ সালে
উত্তর: ক. ১৯৭৪ সালে
বাংলাদেশ পুলিশে প্রথম নারী সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয় ১৯৭৪ সালে। তখন ঢাকায় কয়েকজন নারী পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। এর আগে পুলিশ ছিল প্রায় পুরোপুরি পুরুষনির্ভর, আর নারী আসামি, সাক্ষী ও নারীসংক্রান্ত অপরাধের তদন্তে নারী পুলিশের প্রয়োজন অনুভূত হতো। পরবর্তী সময়ে নারী সদস্যের সংখ্যা ধীরে ধীরে বেড়েছে।
মনে রাখুন: বাংলাদেশ পুলিশের নেতৃত্বে থাকেন মহা-পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি)। - ৫৯. স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিটে কোন ছবি ছিল?
- ক. জাতীয় স্মৃতিসৌধ
- খ. লালবাগের কেল্লা
- গ. সোনা মসজিদ
- ঘ. শহীদ মিনার
উত্তর: ঘ. শহীদ মিনার
স্বাধীনতার পর প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটে শহীদ মিনারের ছবি ছিল। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতিকে ঘিরে এই স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে ওঠে, আর স্বাধীন দেশের নতুন ডাকটিকিটে একে স্থান দেওয়ার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। শহীদ মিনার বাংলাদেশের মুক্তি ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক।
মনে রাখুন:
ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান, ভাস্কর নভেরা আহমেদ।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে, স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। - ৬০. বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯
- ক. জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর
- খ. জাতীয় জাদুঘর
- গ. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
- ঘ. ঢাকা নগর জাদুঘর
উত্তর: গ. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
রাজশাহীর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটিই বাংলাদেশ অঞ্চলের প্রথম জাদুঘর। দিঘাপতিয়ার জমিদার শরৎকুমার রায়, অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ও রমাপ্রসাদ চন্দ প্রমুখের উদ্যোগে এই জাদুঘর গড়ে ওঠে। এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, শিলালিপি ও ভাস্কর্য সংরক্ষিত আছে। বাকি জাদুঘরগুলো এর পরে প্রতিষ্ঠিত।
মনে রাখুন:
ঢাকা জাদুঘর ১৯১৩ সালে গড়ে ওঠে, যা পরে জাতীয় জাদুঘর হয়।
জাতীয় জাদুঘর ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত। - ৬১. বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর-
- ক. চট্টগ্রাম
- খ. বেনাপোল
- গ. হিলি
উত্তর: খ. বেনাপোল
যশোরের বেনাপোল বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর। এর অপর পারে ভারতের পেট্রাপোল, আর ভারতের সঙ্গে স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের বড় অংশ এই পথ দিয়েই হয়। চট্টগ্রাম একটি সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর নয়, আর হিলি দিনাজপুরের একটি তুলনামূলক ছোট স্থলবন্দর।
মনে রাখুন:
অন্যান্য স্থলবন্দর: ভোমরা (সাতক্ষীরা), বুড়িমারী (লালমনিরহাট), তামাবিল (সিলেট), আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)।
বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম ও মোংলা। - ৬২. বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের কবর যে জেলায়-
- ক. নাটোর
- খ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- গ. জয়পুরহাট
- ঘ. নওগাঁ
উত্তর: খ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে শহীদ হন। তাঁকে ঐতিহাসিক সোনা মসজিদ এলাকায় সমাহিত করা হয়, যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। তাই তাঁর সমাধি এই জেলায়।
মনে রাখুন:
সাত বীরশ্রেষ্ঠ: মোস্তফা কামাল, মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর, হামিদুর রহমান, মোহাম্মদ রুহুল আমিন, মুন্সী আবদুর রউফ, মতিউর রহমান, নূর মোহাম্মদ শেখ।
বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। - ৬৩. (তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। বর্তমান তথ্য জানতে ব্যাখ্যা দেখুন।) মার্কিন ডলারে ২০০১-০২ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় প্রায়-
- ক. ৮ বিলিয়ন
- খ. ৬ বিলিয়ন
- গ. ৫ বিলিয়ন
- ঘ. ৭ বিলিয়ন
উত্তর: খ. ৬ বিলিয়ন
২০০১-০২ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর বড় অংশ এসেছিল তৈরি পোশাক, যা তখনই দেশের প্রধান রপ্তানি খাত হয়ে উঠেছিল। পরীক্ষার সময়ের এই হিসাব পরবর্তী বছরগুলোতে বহু গুণ বেড়েছে।
হালনাগাদ: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় বছরে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি, যার প্রায় ৮০ ভাগই তৈরি পোশাক থেকে আসে। - ৬৪. (তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। বর্তমান তথ্য জানতে ব্যাখ্যা দেখুন।) সম্প্রতি ‘সাফ’ ফুটবলে এই দেশের সাথে খেলে বাংলাদেশ শিরোপা পায়-
- ক. মালদ্বীপ
- খ. ভারত
- গ. পাকিস্তান
- ঘ. নেপাল
উত্তর: ক. মালদ্বীপ
২০০৩ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ মালদ্বীপকে হারিয়ে প্রথমবার শিরোপা জেতে। এই জয়ে দেশের ফুটবলে বড় উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছিল। ফাইনালে ভারত, পাকিস্তান বা নেপালের মুখোমুখি হয়ে নয়, মালদ্বীপকেই হারিয়ে এই শিরোপা আসে।
হালনাগাদ: ২০২২ সালে বাংলাদেশের মেয়েদের ফুটবল দল সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে হারিয়ে প্রথমবার শিরোপা জেতে।
মনে রাখুন: সাফ (SAFF) হলো দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন। - ৬৫. (তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়।) বাংলাদেশে সম্প্রতি এই জেলায় চা বাগান করা হয় –
- ক. পঞ্চগড়
- খ. দিনাজপুর
- গ. কুড়িগ্রাম
- ঘ. বান্দরবান
উত্তর: ক. পঞ্চগড়
বাংলাদেশে চা বাগান আগে সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি টিলায় সীমাবদ্ধ ছিল। পরীক্ষার সময়ের কিছু আগে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় জেলায় সমতল ভূমিতে চা চাষ শুরু হয়। সেখানকার মাটি ও জলবায়ু পরীক্ষায় চা চাষের উপযোগী প্রমাণিত হয়, আর এখন পঞ্চগড় বাংলাদেশের নতুন চা অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
পঞ্চগড়ে সমতলে চা চাষের উদ্যোগ ২০০০ সালের কাছাকাছি সময়ে শুরু হয়।
সিলেট বিভাগে (মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট) দেশের বেশির ভাগ চা উৎপাদিত হয়। - ৬৬. আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় কোন সালের কত তারিখে?
- ক. ১৭ এপ্রিল, ২০০২
- খ. ৯ এপ্রিল, ২০০২
- গ. ১৮ মার্চ, ২০০২
- ঘ. ৩ এপ্রিল, ২০০২
উত্তর: খ. ৯ এপ্রিল, ২০০২
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন জাতীয় সংসদে ২০০২ সালের ৯ এপ্রিল পাস হয়। এ আইনের উদ্দেশ্য ছিল চাঁদাবাজি, যানবাহন ভাঙচুর বা চলাচলে বাধা সৃষ্টি, সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতি ইত্যাদি অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা। সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বিচারকাজ শেষ করার বিধান থাকায় একে দ্রুত বিচার আইন বলা হয়।
মনে রাখুন: এ ধরনের আইনের প্রশ্নে সাল ও তারিখ দুটিই মনে রাখতে হয়, কারণ অপশনে একই সালের ভিন্ন তারিখ দেওয়া থাকে।
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- ৫৫. বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কি?
- ক. সেন্টমার্টিন
- খ. মহেশখালী
- গ. হাতিয়া
- ঘ. সন্দ্বীপ
উত্তর: ক. সেন্টমার্টিন
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তের কাছে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। প্রবাল হলো সামুদ্রিক ক্ষুদ্র প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে গড়ে ওঠা শক্ত কাঠামো, আর সেন্টমার্টিনের চারপাশে এমন প্রবালের প্রাচুর্য আছে। স্থানীয়ভাবে দ্বীপটিকে নারকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়। মহেশখালী, হাতিয়া ও সন্দ্বীপ প্রবাল দ্বীপ নয়।
মনে রাখুন:
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের অংশ।
মহেশখালী কক্সবাজারের দ্বীপ, হাতিয়া নোয়াখালীর এবং সন্দ্বীপ চট্টগ্রামের। - ৬৭. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম কি?
- ক. কুতুবদিয়া
- খ. সোনাদিয়া
- গ. পূর্বাশা
- ঘ. নারকেল জিঞ্জিরা
উত্তর: গ. পূর্বাশা
দক্ষিণ তালপট্টি হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা একটি ছোট দ্বীপ, যাকে বাংলাদেশে ‘পূর্বাশা’ বলা হতো। ভারত একে ‘নিউমুর’ বা ‘নিউ মুর আইল্যান্ড’ নামে ডাকত, আর এটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দাবির বিরোধ ছিল। পরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় দ্বীপটি পানির নিচে তলিয়ে যায়। কুতুবদিয়া ও সোনাদিয়া কক্সবাজারের আলাদা দ্বীপ, আর নারকেল জিঞ্জিরা সেন্টমার্টিনের স্থানীয় নাম।
মনে রাখুন: দ্বীপটির অবস্থান সাতক্ষীরার কাছে বঙ্গোপসাগরে। - ৬৮. হালদা ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
- ক. রাঙ্গামাটি
- খ. স্বন্দীপ
- গ. বান্দরবন
- ঘ. খাগড়াছড়ি
উত্তর: ঘ. খাগড়াছড়ি
হালদা ভ্যালি খাগড়াছড়ি জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত একটি উপত্যকা। এখান থেকেই হালদা নদীর উৎস, যা খাগড়াছড়ির পাহাড় থেকে নেমে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে। রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও স্বন্দ্বীপ এই উপত্যকার অবস্থান নয়।
মনে রাখুন:
হালদা নদী ভারতীয় প্রধান কার্প মাছ, অর্থাৎ রুই, কাতলা ও মৃগেলের প্রাকৃতিক ডিম সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত।
একে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
- ৫৮. (তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়।) সম্প্রতি গার্মেন্টসসহ কতিপয় দ্রব্য বিনাশুল্কে কোন দেশে প্রবেশাধিকার পেয়েছে?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. কানাডা
- গ. জাপান
- ঘ. চীন
উত্তর: খ. কানাডা
পরীক্ষার সময়ে (২০০৩ সাল) কানাডা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য পোশাকসহ বেশির ভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার চালু করে। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর একটি হওয়ায় এই সুবিধা পায়, আর এতে দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি উপকৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্র তখন পোশাকে এমন সুবিধা দেয়নি।
মনে রাখুন:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০০১ সালে ‘এভরিথিং বাট আর্মস’ (EBA) উদ্যোগে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে অস্ত্র ছাড়া সব পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয়।
তৈরি পোশাক বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য। - ৬৯. আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী ‘প্যারিস প্যাক্ট’ স্বাক্ষরিত হয়?
- ক. ১৯২৭ সালের ১২ আগস্ট
- খ. ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট
- গ. ১৯২৮ সালের ৩ নভেম্বর
- ঘ. ১৯২৯ সালের ৫ জানুয়ারি
উত্তর: খ. ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট
কেলগ-ব্রিয়াঁ চুক্তি, যাকে প্যারিস প্যাক্টও বলা হয়, ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটির উদ্যোক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্র্যাঙ্ক কেলগ ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরিস্তিদ ব্রিয়াঁ। এতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলো জাতীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে যুদ্ধকে বর্জন করে এবং বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে মেটানোর অঙ্গীকার করে। যদিও চুক্তিটি পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঠেকাতে পারেনি, এটি আন্তর্জাতিক আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
মনে রাখুন: ফ্র্যাঙ্ক কেলগ ১৯২৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। - ৭০. যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত –
- ক. ‘দুটি রেডক্রস কনভেনশন’ নামে
- খ. ‘তিনটি রেডক্রস কনভেনশন’ নামে
- গ. চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ নামে
- ঘ. ‘পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন’ নামে
উত্তর: গ. চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ নামে
১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন চারটি আলাদা চুক্তি নিয়ে গঠিত, তাই এদের ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। প্রথম চুক্তি স্থলযুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈনিকদের সুরক্ষা নিয়ে, দ্বিতীয়টি সমুদ্রযুদ্ধে আহত ও জাহাজডুবির শিকার সৈনিকদের নিয়ে, তৃতীয়টি যুদ্ধবন্দিদের নিয়ে এবং চতুর্থটি যুদ্ধের সময় বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা নিয়ে।
মনে রাখুন:
রেডক্রসের প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট, প্রতিষ্ঠা ১৮৬৩ সালে।
১৯৭৭ সালে এই কনভেনশনের সঙ্গে দুটি অতিরিক্ত প্রোটোকল যুক্ত হয়। - ৭১. স্থায়ী সালিসী আদালত কোথায় অবস্থিত?
- ক. জেনেভায়
- খ. লন্ডনে
- গ. প্যারিসে
- ঘ. হেগে
উত্তর: ঘ. হেগে
স্থায়ী সালিসি আদালত (Permanent Court of Arbitration) ১৮৯৯ সালের প্রথম হেগ শান্তি সম্মেলনের ফলে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে, শান্তি প্রাসাদে। দুই বা ততোধিক রাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধ সালিসের মাধ্যমে মেটানো এই আদালতের কাজ। জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতও (ICJ) একই শহরে অবস্থিত।
মনে রাখুন:
আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (ICC) হেগে অবস্থিত।
সমুদ্র আইন বিষয়ক ট্রাইব্যুনাল (ITLOS) জার্মানির হামবুর্গে। - ৭২. মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কখন আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
- ক. ১৯৫০ সালে
- খ. ১৯৫৫ সালে
- গ. ১৯৬৫ সালে
- ঘ. ১৯৬৬ সালে
উত্তর: ঘ. ১৯৬৬ সালে
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা গ্রহণ করে, কিন্তু ঘোষণাটি আইনত বাধ্যতামূলক ছিল না। তাই মানবাধিকারকে বাস্তবে কার্যকর করার জন্য জাতিসংঘ ১৯৬৬ সালে দুটি চুক্তি গ্রহণ করে: একটি নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার, অন্যটি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার বিষয়ে। এই চুক্তি ১৯৭৬ সালে কার্যকর হয়।
মনে রাখুন:
মানবাধিকার দিবস প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর।
এই তিনটি দলিলকে একত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিল বলা হয়। - ৭৩. ইসিএ (ECA) –এই সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. আদ্দিস আবাবা
- খ. নাইরোবি
- গ. ডাকার
- ঘ. কায়রো
উত্তর: ক. আদ্দিস আবাবা
ECA হলো জাতিসংঘের আফ্রিকা অর্থনৈতিক কমিশন (Economic Commission for Africa)। আফ্রিকার দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য ১৯৫৮ সালে এটি গঠিত হয়। এর সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায়।
মনে রাখুন:
আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তরও আদ্দিস আবাবায়।
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে। - ৭৪. ‘ডেটন শান্তিচুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়-
- ক. ১৯৯০ সালে
- খ. ১৯৯৫ সালে
- গ. ১৯৯২ সালে
- ঘ. ১৯৯৩ সালে
উত্তর: খ. ১৯৯৫ সালে
বসনিয়া যুদ্ধ (১৯৯২-৯৫) থামাতে ১৯৯৫ সালে ডেটন শান্তিচুক্তি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরে ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে আলোচনা শেষ হয় এবং ডিসেম্বরে প্যারিসে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা একটি রাষ্ট্র থাকলেও দুটি অংশে ভাগ হয়: বসনীয়-ক্রোয়াট ফেডারেশন ও সার্ব প্রজাতন্ত্র।
মনে রাখুন: চুক্তির সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ, ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানিয়ো টুজমান ও বসনিয়ার আলিয়া ইজেতবেগোভিচ জড়িত ছিলেন। - ৭৫. কোন চুক্তির মাধ্যমে ইইসি (EEC) প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
- ক. রোম চুক্তি
- খ. ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি
- গ. ভিয়েনা কনভেনশন
- ঘ. ব্রাসেলস্ কনভেনশন
উত্তর: ক. রোম চুক্তি
১৯৫৭ সালে ইতালির রাজধানী রোমে স্বাক্ষরিত রোম চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (European Economic Community, EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ১৯৫৮ সালে কার্যকর হয়। এর প্রাথমিক সদস্য ছিল ছয়টি দেশ: ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, ইতালি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ। ১৯৯২ সালের ম্যাস্ট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠিত হয়।
মনে রাখুন:
ম্যাস্ট্রিক্ট চুক্তি ১৯৯৩ সালে কার্যকর হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। - ৭৬. MIGA কখন গঠিত হয়?
- ক. ১৯৮৮ সালে
- খ. ১৯৮২ সালে
- গ. ১৯৮৫ সালে
- ঘ. ১৯৮৬ সালে
উত্তর: ক. ১৯৮৮ সালে
MIGA হলো Multilateral Investment Guarantee Agency, বাংলায় বহুপাক্ষিক বিনিয়োগ গ্যারান্টি সংস্থা। এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি সংস্থা, যা ১৯৮৮ সালে গঠিত হয়। উন্নয়নশীল দেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যেন রাজনৈতিক ঝুঁকি, যেমন যুদ্ধ বা সম্পত্তি দখলের ভয় ছাড়া বিনিয়োগ করতে পারেন, সে জন্য এই সংস্থা তাঁদের নিশ্চয়তা দেয়।
মনে রাখুন:
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পাঁচটি সংস্থা: IBRD, IDA, IFC, MIGA ও ICSID।
সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি সিতে। - ৭৭. বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার অবস্থিত-
- ক. নিউইয়র্কে
- খ. শিকাগোতে
- গ. টোকিওতে
- ঘ. কুয়ালালামপুর
উত্তর: গ. টোকিওতে
ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার জাপানের ইয়োকোহামা শহরের একটি সুউচ্চ ভবন। ১৯৯৩ সালে নির্মিত এই ভবন অনেক দিন জাপানের সবচেয়ে উঁচু ভবন ছিল। ইয়োকোহামা টোকিও মহানগর অঞ্চলের অংশ, তাই অপশনগুলোর মধ্যে টোকিওই এর অবস্থান বোঝায়। অন্য অপশনের শহরগুলোতে আছে ভিন্ন বিখ্যাত ভবন।
মনে রাখুন:
কুয়ালালামপুরের বিখ্যাত ভবন পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার।
নিউইয়র্কের বিখ্যাত ভবন এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং।
শিকাগোর বিখ্যাত ভবন উইলিস টাওয়ার। - ৭৮. ‘হ্যারিপটার’ কি?
- ক. এক জাতীয় ধাতব পাত্র
- খ. সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
- গ. একজাতীয় গুচ্ছবোমা
- ঘ. এক ধরনের খেলনা
উত্তর: খ. সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
‘হ্যারি পটার’ ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাওলিংয়ের লেখা শিশু-কিশোরদের ফ্যান্টাসি উপন্যাসের সিরিজ। এর প্রথম বই ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার’স স্টোন’ ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয়। অনাথ বালক হ্যারি পটার জাদু বিদ্যালয় হগওয়ার্টসে পড়তে গিয়ে খারাপ জাদুকরের মুখোমুখি হয়, এই নিয়েই গল্প। সিরিজটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া বইগুলোর একটি, তাই এটি সর্বাধিক বিক্রীত শিশুতোষ বই।
মনে রাখুন: সিরিজটিতে মোট সাতটি বই আছে। - ৭৯. বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. গ্রিসে
- খ. মেসোপটেমিয়ায়
- গ. রোমে
- ঘ. ভারতে
উত্তর: খ. মেসোপটেমিয়ায়
টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মাঝের উর্বর অঞ্চলকে মেসোপটেমিয়া বলা হয়, গ্রিক ভাষায় যার অর্থ ‘দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি’। এই এলাকা বর্তমান ইরাকে অবস্থিত। এখানে সুমেরীয় সভ্যতার মধ্য দিয়ে প্রায় ৩৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর একটি গড়ে ওঠে। সুমেরীয়রা কিউনিফর্ম লিপি আবিষ্কার করেন এবং চাকার ব্যবহার শুরু করেন।
মনে রাখুন:
মেসোপটেমিয়ার আরও সভ্যতা: ব্যাবিলনীয় ও অ্যাসিরীয়।
মিসরের সভ্যতা নীল নদের তীরে, আর সিন্ধু সভ্যতা সিন্ধু নদের তীরে গড়ে উঠেছিল। - ৮০. (তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। বর্তমান তথ্য জানতে ব্যাখ্যা দেখুন।) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) পঞ্চম মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স কোথায় এবং কখন অনুষ্ঠিত হবে?
- ক. নভেম্বর ২০০৩ ভারতের ব্যাঙ্গালোর
- খ. ডিসেম্বর ২০০৩ কানাডার অটোয়া
- গ. জানুয়ারি ২০০৪ পাকিস্তানের ইসলামাবাদ
- ঘ. সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুন
উত্তর: ঘ. সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুন
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (World Trade Organization, WTO) পঞ্চম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বরে মেক্সিকোর কানকুনে অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে কৃষি ভর্তুকি নিয়ে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে তীব্র মতভেদ দেখা দেয়, ফলে সম্মেলনটি কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। অন্য অপশনের কোনো স্থানে ওই সম্মেলন হয়নি।
মনে রাখুন:
ডব্লিউটিও প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি, আর সদর দপ্তর জেনেভায়।
প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন হয় ১৯৯৬ সালে সিঙ্গাপুরে, চতুর্থটি ২০০১ সালে কাতারের দোহায়। - ৮১. নিকারাগুয়ার ‘কন্ট্রা’ বিদ্রোহীরা কোন দেশের সমর্থনপুষ্ট ছিল?
- ক. যুক্তরাজ্য
- খ. যুক্তরাষ্ট্র
- গ. কোরিয়া
- ঘ. কিউবা
উত্তর: খ. যুক্তরাষ্ট্র
১৯৭৯ সালে নিকারাগুয়ায় বামপন্থী স্যান্ডিনিস্তা সরকার ক্ষমতায় আসে। এই সরকারের বিরুদ্ধে যারা সশস্ত্র লড়াই চালাত, তারা ‘কন্ট্রা’ বিদ্রোহী নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্র শীতল যুদ্ধের সময় কমিউনিস্টবিরোধী নীতির অংশ হিসেবে তাদের অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সমর্থন করত। এ নিয়ে রিগ্যান প্রশাসনের বিখ্যাত ‘ইরান-কন্ট্রা কেলেঙ্কারি’ ঘটে, যেখানে গোপনে ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে সেই অর্থ কন্ট্রাদের দেওয়া হয়েছিল।
মনে রাখুন: স্যান্ডিনিস্তা নেতা ড্যানিয়েল ওর্তেগা পরে আবার নিকারাগুয়ার প্রেসিডেন্ট হন। - ৮২. ইসরাইল-প্যালেস্টাইন’ রোডম্যাপ’ কর্মসূচির উদ্দেশ্য কি?
- ক. সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
- খ. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন
- গ. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে অবাধ বাণিজ্য স্থাপন
- ঘ. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ
উত্তর: ক. সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধানের জন্য ২০০৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য কোয়ার্টেট, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও রাশিয়া, ‘রোডম্যাপ’ পরিকল্পনা প্রস্তাব করে। এর লক্ষ্য ছিল দুই পক্ষের সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে ইসরায়েলের পাশাপাশি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। অন্য অপশনের সড়ক যোগাযোগ, বাণিজ্য বা সীমানা চিহ্নিতকরণ এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল না।
মনে রাখুন: পরিকল্পনাটি শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। - ৮৩. নিচের কোন দেশটি G-7 ভূক্ত দেশ নয়?
- ক. ফ্রান্স
- খ. রাশিয়া
- গ. কানাডা
- ঘ. জাপান
উত্তর: খ. রাশিয়া
G-7 হলো বিশ্বের সাতটি শিল্পোন্নত অর্থনীতির জোট: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা। রাশিয়া এই সাতটির একটি নয়। ১৯৯৭ সালে রাশিয়াকে যুক্ত করে জোটটি G-8 নামে পরিচিত হয়েছিল, কিন্তু মূল G-7-এর সদস্য রাশিয়া কখনো ছিল না।
হালনাগাদ: ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর রাশিয়াকে বাদ দেওয়া হয়, তাই এখন আবার জোটটি G-7। - ৮৪. ‘ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট’ নিচের কোন সংস্থাকে বোঝায়?
- ক. আইএমএফ
- খ. জাতিসংঘ
- গ. এডিবি
- ঘ. আইডিবি
উত্তর: ক. আইএমএফ
১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস শহরে একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্মেলন হয়। সেখানে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) ও বিশ্বব্যাংক (IBRD) গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ কারণে এই দুটি সংস্থাকে একসঙ্গে ‘ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান’ বলা হয়। অপশনের জাতিসংঘ, এডিবি ও আইডিবি ব্রেটন উডস সম্মেলনের ফল নয়।
মনে রাখুন:
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর দুটিই ওয়াশিংটন ডি সিতে।
আইএমএফ সদস্য দেশগুলোকে লেনদেন ভারসাম্যের সংকটে সাহায্য করে। - ৮৬. A Long Walk to Freedom বইটির লেখক কে?
- ক. হোসে গুসামাও
- খ. রবার্ট মুগাবে
- গ. নেলসন ম্যান্ডেলা
- ঘ. অং সান সুচি
উত্তর: গ. নেলসন ম্যান্ডেলা
‘Long Walk to Freedom’ দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী, যা ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তাঁর শৈশব, বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, ২৭ বছরের কারাজীবন ও মুক্তির কথা আছে। অন্য অপশনের নামগুলো আলাদা: হোসে গুসমাও পূর্ব তিমুরের নেতা, রবার্ট মুগাবে জিম্বাবুয়ের, আর অং সান সু চি মিয়ানমারের নেত্রী।
মনে রাখুন:
ম্যান্ডেলা ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান এবং ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হন।
তিনি বেশির ভাগ বন্দিজীবন রোবেন দ্বীপে কাটান। - ৮৭. ‘ লাইন অব কন্ট্রোল’ বলতে কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখাকে চিহ্নিত করে?
- ক. ইসরাইল ও জর্ডান
- খ. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
- গ. চীন ও তাইওয়ান
- ঘ. ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর: ঘ. ভারত ও পাকিস্তান
লাইন অব কন্ট্রোল (Line of Control, LoC) কাশ্মীরে ভারত ও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত অংশের মধ্যকার সামরিক নিয়ন্ত্রণরেখা। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে আগের যুদ্ধবিরতি রেখাটি এই নাম পায়। এটি আন্তর্জাতিক সীমানা নয়, কিন্তু দুই দেশের সেনাবাহিনী এই রেখা ধরে অবস্থান নিয়ে আছে।
মনে রাখুন:
সিমলা চুক্তিতে সই করেন ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলী ভুট্টো।
কোরিয়ার সামরিক সীমান্ত রেখার নাম ৩৮ অক্ষাংশ রেখা, আর চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে এমন কোনো রেখা নেই।
সাধারণ বিজ্ঞান
- ৮৫. প্রথম ক্লোন শিশু ‘ইভ’ – এর জন্ম তারিখ কত?
- ক. নভেম্বর ২০, ২০০২
- খ. ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
- গ. জানুয়ারি ৭, ২০০৩
- ঘ. মার্চ ২৩, ২০০৩
উত্তর: খ. ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর ‘ক্লোনএইড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ঘোষণা করে যে প্রথম ক্লোন করা মানবশিশুর জন্ম হয়েছে, আর তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইভ’। এই ঘোষণার তারিখই প্রশ্নের উত্তর। তবে এর পক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। ক্লোনিং হলো কোনো জীবের জিনগতভাবে হুবহু একই রকম আরেকটি জীব তৈরি করা।
মনে রাখুন:
বিশ্বের প্রথম ক্লোন করা স্তন্যপায়ী প্রাণী ডলি নামের ভেড়া, ১৯৯৬ সালে স্কটল্যান্ডের রোসলিন ইনস্টিটিউটে জন্ম।
ডলির স্রষ্টা বিজ্ঞানীদের একজন ইয়ান উইলমুট। - ৮৮. মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে স্নায়ু কোষের –
- ক. এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
- খ. অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে
- গ. এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
- ঘ. এক-চতুর্থাংশ বেড়ে গেলে
উত্তর: ক. এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
আমাদের মস্তিষ্ক কাজ করে স্নায়ুকোষ বা নিউরনের মাধ্যমে। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্নায়ুকোষ একবার নষ্ট হলে সাধারণত আর নতুন করে তৈরি হয় না। তাই বয়স বা রোগের কারণে এসব কোষ ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে। পাঠ্যবইয়ের হিসাব অনুযায়ী স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলেই মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমতে শুরু করে।
মনে রাখুন:
স্নায়ুকোষের দেহ থেকে বের হওয়া লম্বা অংশ অ্যাক্সন, ছোট শাখাগুলো ডেনড্রাইট।
স্নায়ুতন্ত্রের একক হলো নিউরন। - ৮৯. রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক কাজ করে অগ্নিতে-
- ক. প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে
- খ. অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
- গ. নাইট্রোজেন সরবরাহ করে
- ঘ. হাইড্রোজেন সরবরাহ করে
উত্তর: খ. অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
আগুন জ্বলতে তিনটি জিনিস লাগে: দাহ্য বস্তু, তাপ ও অক্সিজেন। এর যে কোনো একটি সরিয়ে নিলে আগুন নিভে যায়। রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বা ফেনা বের হয়ে আগুনের ওপর একটি আস্তরণ তৈরি করে। এতে আগুনে বাতাসের অক্সিজেন পৌঁছাতে বাধা পায়, ফলে আগুন নিভে যায়। এই আস্তরণ কখনো অক্সিজেন, নাইট্রোজেন বা হাইড্রোজেন সরবরাহ করে না।
মনে রাখুন:
বৈদ্যুতিক বা তেলের আগুনে পানি ব্যবহার করা উচিত নয়, তখন কার্বন ডাইঅক্সাইড বা ফেনা ব্যবহার হয়।
কার্বন ডাইঅক্সাইড বাতাসের চেয়ে ভারী, তাই আগুনকে ঢেকে ফেলে। - ৯০. আবাসিক বাড়ির বর্তনীতে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়-
- ক. বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে
- খ. অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে
- গ. বৈদ্যুতিক বাল্ব থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্য
- ঘ. বিদ্যুতের ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য
উত্তর: খ. অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে
আবাসিক বাড়ির বর্তনীতে মাঝে মাঝে নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে, যেমন শর্ট সার্কিট বা ওভারলোডের সময়। তখন তার অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুন লাগার আশঙ্কা থাকে। সার্কিট ব্রেকার (Circuit Breaker) এমন সময় নিজে থেকেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়, তাই অতিরিক্ত বিদ্যুৎজনিত দুর্ঘটনা রোধ হয়। এটি বিদ্যুৎ খরচ কমায় না বা বাল্বের আলোও বাড়ায় না।
মনে রাখুন:
ফিউজ একবার গলে গেলে বদলাতে হয়, আর সার্কিট ব্রেকার আবার চালু করা যায়।
ফিউজ তার সাধারণত সিসা ও টিনের সংকর ধাতুর হয়, যার গলনাঙ্ক কম। - ৯১. পরমাণু (Atom) চার্জ নিরপেক্ষ হয়, কারণ পরমাণুতে-
- ক. নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
- খ. প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান
- গ. নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে
- ঘ. ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
উত্তর: ঘ. ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
পরমাণুতে প্রোটন ধনাত্মক চার্জযুক্ত, ইলেকট্রন সমপরিমাণ ঋণাত্মক চার্জযুক্ত, আর নিউট্রন চার্জহীন। কোনো পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যা ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে, তাই ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ পরস্পরকে নিষ্ক্রিয় করে দেয় এবং পরমাণু সার্বিকভাবে চার্জ নিরপেক্ষ হয়। নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকলেও সেটি চার্জ নিরপেক্ষতার কারণ নয়।
মনে রাখুন:
প্রোটন ও নিউট্রনের ভর প্রায় সমান, আর ইলেকট্রনের ভর তার প্রায় ১৮৩৬ ভাগের এক ভাগ।
ইলেকট্রন বেশি বা কম হলে পরমাণু আয়নে পরিণত হয়। - ৯২. মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন?
- ক. ৭০%
- খ. ৭২%
- গ. ৭৩%
- ঘ. ৮০%
উত্তর: গ. ৭৩%
মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শক্তিঘর, কারণ এখানে কোষীয় শ্বসনের মাধ্যমে খাদ্য ভেঙে শক্তি তৈরি হয় এবং সেই শক্তি ATP-তে জমা থাকে। এর গঠনে প্রোটিনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৭৩ শতাংশ, আর বাকি অংশ লিপিড ও সামান্য RNA ও DNA। মাইটোকন্ড্রিয়ার নিজস্ব DNA আছে বলে এটি নিজে নিজে বিভাজিত হতে পারে।
মনে রাখুন:
মাইটোকন্ড্রিয়ায় দুই স্তরের পর্দা থাকে, ভেতরের পর্দার ভাঁজকে ক্রিস্টি বলে।
মাইটোকন্ড্রিয়া নামটি দিয়েছেন কার্ল বেন্ডা, ১৮৯৮ সালে। - ৯৩. মূল নেই কোন উদ্ভিদে?
- ক. ফণীমনসা
- খ. বীরুৎ
- গ. মিউকর
- ঘ. সাইকাস
উত্তর: গ. মিউকর
মিউকর একটি ছত্রাক, যা পাউরুটি বা পচা খাবারে জন্মায়। ছত্রাকের দেহ সূক্ষ্ম সুতার মতো হাইফি দিয়ে গঠিত, তা মূল, কাণ্ড ও পাতায় ভাগ করা নয়। তাই এতে প্রকৃত মূল নেই। মাটি বা খাদ্যের গায়ে আটকে থাকতে মিউকর মূলের মতো রাইজয়েড ব্যবহার করে। ফণীমনসা, বীরুৎ ও সাইকাস, তিনটিই এমন উদ্ভিদ যাদের প্রকৃত মূল আছে।
মনে রাখুন:
ছত্রাকে ক্লোরোফিল নেই, তাই এরা নিজে খাদ্য তৈরি করতে পারে না।
একইভাবে শৈবাল ও ব্রায়োফাইটাতেও প্রকৃত মূল থাকে না। - ৯৪. রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?
- ক. মৃদু রঞ্জন রশ্মি
- খ. বিটা রশ্মি
- গ. গামা রশ্মি
- ঘ. কসমিক রশ্মি
উত্তর: ক. মৃদু রঞ্জন রশ্মি
পুরোনো ধরনের রঙিন টেলিভিশনে একটি পিকচার টিউব থাকত, যেখানে অনেক বেশি বিভবে ছোটানো ইলেকট্রন পর্দার ভেতরের দিকে আঘাত করে ছবি তৈরি করে। এই উচ্চগতির ইলেকট্রনের আঘাতে সামান্য মৃদু রঞ্জন রশ্মি (Soft X-ray) তৈরি হয়। তাই খুব কাছ থেকে দীর্ঘ সময় টেলিভিশন দেখা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলে ধরা হতো। বিটা, গামা ও কসমিক রশ্মি টিভি থেকে বের হয় না।
মনে রাখুন: এখনকার এলসিডি ও এলইডি পর্দায় এমন টিউব থাকে না। - ৯৬. এসবেসটস কি?
- ক. অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
- খ. কম ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
- গ. বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
- ঘ. এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ
উত্তর: ক. অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
এসবেস্টস (Asbestos) আঁশযুক্ত এক ধরনের প্রাকৃতিক সিলিকেট খনিজ, যা আগুনে পোড়ে না এবং তাপ খুব কম পরিবহন করে। এই বৈশিষ্ট্যের জন্য একে অগ্নিনিরোধক পদার্থ হিসেবে ছাদ, পাইপ ও অগ্নিরোধী পোশাকে ব্যবহার করা হতো। তবে এর সূক্ষ্ম আঁশ শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে ঢুকলে অ্যাসবেস্টোসিস ও ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো রোগ হতে পারে, তাই এখন এর ব্যবহার অনেক দেশে সীমিত বা নিষিদ্ধ।
মনে রাখুন: বহুল ব্যবহৃত এসবেস্টসের একটি ধরন ক্রাইসোটাইল বা সাদা এসবেস্টস। - ৯৭. পাহাড়ের উপর রান্না করতে বেশি সময় লাগে কেন?
- ক. বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে
- খ. বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
- গ. পাহাড়ের উপর বাতাস কম থাকায়
- ঘ. পাহাড়ের উপর তাপমাত্রা বেশি থাকায়
উত্তর: খ. বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
পানির স্ফুটনাঙ্ক বায়ুর চাপের ওপর নির্ভর করে: চাপ কমলে পানি কম তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে। পাহাড়ের ওপরে বায়ুমণ্ডলের চাপ কম থাকে, তাই সেখানে পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেই ফোটে। এই কম তাপমাত্রার পানিতে খাবার সিদ্ধ হতে বেশি সময় লাগে, তাই পাহাড়ের ওপর রান্না করতে দেরি হয়। এভারেস্টের চূড়ায় পানি প্রায় ৭০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রায় ফোটে।
মনে রাখুন:
প্রেসার কুকারে চাপ বাড়ানো হয়, ফলে পানি ১০০ ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রায় ফোটে এবং রান্না দ্রুত হয়।
কম বায়ুচাপে স্ফুটনাঙ্ক কমে, বেশি চাপে বাড়ে।
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি
- ৯৫. ল্যাপটপ কি?
- ক. ছোট কুকুর
- খ. পর্বতরোহণ সামগ্রী
- গ. বাদ্যযন্ত্র
- ঘ. ছোট কম্পিউটার
উত্তর: ঘ. ছোট কম্পিউটার
ল্যাপটপ হলো কোলের ওপর রেখে ব্যবহার করা যায় এমন একটি ছোট ও বহনযোগ্য কম্পিউটার। এতে পর্দা, কিবোর্ড, টাচপ্যাড ও ব্যাটারি একসঙ্গে লাগানো থাকে, তাই বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াও কিছুক্ষণ চালানো যায়। নামের ‘ল্যাপ’ মানে কোল, আর ‘টপ’ মানে ওপর, অর্থাৎ কোলের ওপর রাখা যায় এমন কম্পিউটার।
মনে রাখুন:
ডেস্কটপ কম্পিউটার সাধারণত টেবিলে স্থির থাকে।
প্রথম বাণিজ্যিক বহনযোগ্য কম্পিউটার ওসবর্ন ১ (১৯৮১)।
অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান
১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৬)
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৮তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২৫)
- ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৪)
- ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৩)
- ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২২)
- ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২১)
- ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৯)
- ৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০১৮)
- ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৭)
- ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৫)
- ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৩)
- ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১১)
- ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১০)
- ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৯)
- ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৮)
- ২৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৫)
- ২৬তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৩)
- ২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৯)
- ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৬)
- ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৫)
- ১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি (১৯৯৪)
- ১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৩)
- ১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯০)
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন