৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। এখানে ১৯৫টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ১২০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি (১৫)
- সাধারণ বিজ্ঞান (১৪)
- ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (১৩)
- আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (১৭)
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি (২৮)
- নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন (১০)
- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (৩৭)
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (৩৮)
- মানসিক দক্ষতা (৫)
- গাণিতিক যুক্তি (১৮)
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি
- ১. কম্পিউটার সিপিইউ (CPU) – এর কোন অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে?
- ক. এএলইউ (ALU)
- খ. কন্ট্রোল ইউনিট (control unit)
- গ. রেজিস্টার সেট (Register set)
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. এএলইউ (ALU)
কম্পিউটারের সিপিইউর (Central Processing Unit) তিনটি প্রধান অংশ: গাণিতিক ও যুক্তি একক (ALU), নিয়ন্ত্রণ একক (Control Unit) ও রেজিস্টার। এর মধ্যে ALU যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগের মতো গাণিতিক হিসাব করে এবং দুটি সংখ্যা তুলনা করার মতো যুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেয়। কন্ট্রোল ইউনিট নির্দেশ অনুযায়ী কাজগুলো পরিচালনা করে, আর রেজিস্টার অল্প সময়ের জন্য ডেটা ধরে রাখে।
মনে রাখুন: ALU-এর পূর্ণরূপ Arithmetic Logic Unit। - ২. একটি ২(দুই) ইনপুট লজিক সেটের আউটপুট ০ হবে, যদি এর ইনপুটগুলো সমান হয় – এর উক্তিটি কোন সেটের জন্য সত্য?
- ক. AND
- খ. NOR
- গ. Ex-OR
- ঘ. OR
উত্তর: গ. Ex-OR
এক্সক্লুসিভ-অর (Ex-OR) গেটে দুটি ইনপুট আলাদা হলে আউটপুট ১ হয়, আর ইনপুট দুটি সমান হলে, অর্থাৎ দুটিই ০ বা দুটিই ১ হলে, আউটপুট ০ হয়। তাই প্রশ্নের শর্ত Ex-OR গেটের জন্য সত্য। AND, OR ও NOR গেটে এই নিয়ম খাটে না।
মনে রাখুন:
AND গেটে দুই ইনপুটই ১ হলে আউটপুট ১।
OR গেটে যেকোনো একটি ১ হলে আউটপুট ১।
NOR গেট OR গেটের উল্টো ফল দেয়। - ৩. কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
- ক. C
- খ. DOS
- গ. CP/M
- ঘ. XENIX
উত্তর: ক. C
C একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, অর্থাৎ এর সাহায্যে সফটওয়্যার লেখা হয়, কিন্তু এটি কম্পিউটারকে চালু ও পরিচালনা করে না। তাই এটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। DOS, CP/M ও XENIX তিনটিই কম্পিউটার চালানোর অপারেটিং সিস্টেম।
মনে রাখুন:
C ভাষা ডেনিস রিচি তৈরি করেন।
উইন্ডোজ, লিনাক্স ও ম্যাকওএস জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
DOS-এর পূর্ণরূপ Disk Operating System। - ৪. ক্লাউড সার্ভার নিচের কোনটিতে সবচেয়ে ভালো বর্ণনা করা সম্ভব?
- ক. নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার
- খ. একটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার
- গ. ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
- ঘ. উপরের কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing) বলতে বোঝায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা, যেমন সার্ভার, স্টোরেজ বা সফটওয়্যার, সরবরাহ করা। ব্যবহারকারীকে নিজের কম্পিউটার বা সার্ভার কিনতে হয় না, আর যতটুকু সেবা নেন সাধারণত ততটুকুর জন্যই খরচ দেন। তাই ক্লাউড সার্ভারের সবচেয়ে ভালো বর্ণনা হলো চাহিদা অনুযায়ী সেবা দেওয়া।
মনে রাখুন: ক্লাউড সেবার তিনটি ধরন IaaS, PaaS ও SaaS। - ৫. IP-V6 এড্রেস কত বিটের?
- ক. ১২৮
- খ. ৩২
- গ. ১২
- ঘ. ৬
উত্তর: ক. ১২৮
ইন্টারনেটে প্রতিটি যন্ত্রকে চেনার জন্য একটি ঠিকানা লাগে, যাকে আইপি (IP) অ্যাড্রেস বলে। IPv6 ঠিকানা ১২৮ বিটের। আগের IPv4 ঠিকানা ছিল ৩২ বিটের, যা দিয়ে প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন ঠিকানা তৈরি করা যায়। ঠিকানার ঘাটতি মেটাতেই অনেক বড় আকারের IPv6 চালু হয়।
মনে রাখুন:
IPv4-এর ঠিকানা ডট দিয়ে লেখা হয়, যেমন 192.168.1.1।
IPv6 ঠিকানা হেক্সাডেসিমেলে লেখা হয় এবং কোলন দিয়ে ভাগ করা থাকে। - ৬. নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
- ক. OMR
- খ. COM
- গ. Plotter
- ঘ. Monitor
উত্তর: ক. OMR
অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader, OMR) কাগজের ওপর পেনসিল বা কলমের দাগ পড়ে কম্পিউটারে তথ্য পাঠায়, তাই এটি একটি ইনপুট ডিভাইস। বিসিএস প্রিলিমিনারি, এসএসসি, এইচএসসির মতো পরীক্ষার উত্তরপত্র OMR দিয়েই পরীক্ষা হয়। প্লটার, মনিটর ও COM (কম্পিউটার আউটপুট মাইক্রোফিল্ম) ফলাফল দেখায় বা ছাপে, তাই এগুলো আউটপুট ডিভাইস।
মনে রাখুন: ইনপুট ডিভাইসের আরও উদাহরণ কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার ও ওএমআর। - ৭. ইউনিকোডের মাধ্যমে সম্ভাব্য কতগুলো চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
- ক. ২৫৬ টি
- খ. ৪০৯৬ টি
- গ. ৬৫৫৩৬ টি
- ঘ. ৪২৯৪৯৬৭২৯৬ টি
উত্তর: গ. ৬৫৫৩৬ টি
ইউনিকোড (Unicode) এমন একটি আন্তর্জাতিক কোড, যা সব ভাষার অক্ষর ও চিহ্নকে একই পদ্ধতিতে কম্পিউটারে প্রকাশ করতে দেয়। প্রচলিত ইউনিকোড ১৬ বিট দিয়ে একটি অক্ষর প্রকাশ করে। ১৬ বিটে 2^16 = 65536টি আলাদা সংকেত তৈরি করা যায়, তাই ৬৫৫৩৬টি চিহ্ন নির্দিষ্ট করা সম্ভব।
মনে রাখুন:
ASCII ৭ বিটের কোড, যাতে ১২৮টি চিহ্ন থাকে।
বাংলা অক্ষর কম্পিউটারে লেখা সহজ হয়েছে ইউনিকোডের কারণে। - ৮. এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টিমের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
- ক. এটির নির্মাতা গুগল
- খ. এটি লিনাক্স কার্নেল নির্ভর
- গ. এটি প্রধানত টাচস্ক্রিন মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি
- ঘ. উপরের সবগুলো সঠিক
উত্তর: ঘ. উপরের সবগুলো সঠিক
অ্যান্ড্রয়েড (Android) এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম, যাতে তিনটি বৈশিষ্ট্যই সঠিক। প্রথমত এটি গুগলের তৈরি ও পরিচালিত। দ্বিতীয়ত এটি লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, অর্থাৎ এর মূল অংশ লিনাক্স দিয়ে চলে। তৃতীয়ত এটি প্রধানত টাচস্ক্রিন ফোন ও ট্যাবলেটের জন্য বানানো। তাই উপরের সবগুলোই সঠিক।
মনে রাখুন:
অ্যান্ড্রয়েডের সংস্করণগুলো আগে মিষ্টির নামে ছিল, যেমন কিটক্যাট ও ললিপপ।
অ্যান্ড্রয়েড মূলত ওপেন সোর্স প্রকল্প। - ৯. আইওএস (IOS) মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
- ক. অ্যাপল
- খ. গুগল
- গ. মাইক্রোসফট
- ঘ. আইবিএম
উত্তর: ক. অ্যাপল
আইওএস (iOS) অ্যাপল কোম্পানির নিজস্ব মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, যা আইফোন, আইপ্যাড ও আইপড টাচে চলে। অ্যাপল এটি নিজেই তৈরি করে ও বাজারজাত করে। গুগলের মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড, আর মাইক্রোসফটের ছিল উইন্ডোজ ফোন।
মনে রাখুন:
অ্যাপলের ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের নাম ম্যাকওএস।
আইফোন প্রথম বাজারে আসে ২০০৭ সালে।
অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে স্টিভ জবস অন্যতম। - ১০. EDSAC কম্পিউটার -এ ডাটা সংরক্ষণের জন্য কি ধরনের মেমোরি ব্যবহার হতো?
- ক. RAM
- খ. ROM
- গ. Mercury Delay Lines
- ঘ. Registors
উত্তর: গ. Mercury Delay Lines
EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) প্রথম দিকের একটি স্টোরড-প্রোগ্রাম কম্পিউটার, যা ১৯৪৯ সালে ব্রিটেনের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হয়। তখন আধুনিক RAM ছিল না। তাই এতে তথ্য ধরে রাখতে পারদ ভরা নলের ভেতর দিয়ে শব্দতরঙ্গ চালানো হতো, যার নাম মার্কারি ডিলে লাইন (Mercury Delay Line)।
মনে রাখুন:
EDSAC তৈরি করেন মরিস উইলকস।
স্টোরড-প্রোগ্রাম ধারণার ভিত্তি দেন জন ফন নয়মান। - ১১. ই-কমার্স সাইট amazon.com কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৯০ সালে
- খ. ১৯৮৮ সালে
- গ. ১৯৯৪ সালে
- ঘ. ১৯৯৮ সালে
উত্তর: গ. ১৯৯৪ সালে
জেফ বেজোস ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অ্যামাজন প্রতিষ্ঠা করেন, আর ১৯৯৫ সালে ওয়েবসাইট চালু হয়। শুরুতে এটি অনলাইনে বই বিক্রি করত, পরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
আলিবাবা ১৯৯৯ সালে জ্যাক মা প্রতিষ্ঠা করেন।
ইবে (eBay) ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
গুগল ১৯৯৮ সালে এবং ফেসবুক ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে। - ১২. ই-মেইল আদান প্রদানে ব্যবহৃত SMTP এর পূর্ণরূপ কি?
- ক. Simple Message Transmission Protocol
- খ. Strategic Mail Transfer Protocol
- গ. Strategic Mail Transmission Protocol
- ঘ. Simple Mail Transfer Protocol
উত্তর: ঘ. Simple Mail Transfer Protocol
ই-মেইল পাঠানোর নিয়মকানুনের নাম SMTP, যার পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol। এটি মেইলকে প্রেরকের কম্পিউটার থেকে মেইল সার্ভারে এবং এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে পাঠায়। সার্ভার থেকে মেইল নামিয়ে আনার জন্য POP3 বা IMAP ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
প্রোটোকল হলো নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানের নির্দিষ্ট নিয়ম।
ওয়েবসাইট দেখার প্রোটোকল HTTP, আর ফাইল স্থানান্তরের প্রোটোকল FTP। - ১৩. TCP দিয়ে কোনটি বোঝানো হয়?
- ক. প্রোগ্রাম
- খ. প্রোটোকল
- গ. প্রোগ্রামিং
- ঘ. ফ্লোচার্ট
উত্তর: খ. প্রোটোকল
TCP-এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol, অর্থাৎ এটি একটি প্রোটোকল। প্রোটোকল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানের নির্দিষ্ট নিয়ম। TCP ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে পাঠায় এবং নিশ্চিত করে যে সেগুলো ঠিক ক্রমে ও পুরোপুরি গন্তব্যে পৌঁছেছে।
মনে রাখুন:
ইন্টারনেটের মূল প্রোটোকল স্যুট TCP/IP।
IP প্যাকেটকে ঠিকানা অনুযায়ী গন্তব্যে নিয়ে যায়।
ফ্লোচার্ট হলো প্রোগ্রামের ধাপের চিত্ররূপ। - ১৪. Push এবং Pop নিচের কার সাথে সম্পর্কিত?
- ক. Queue
- খ. Stack
- গ. Union
- ঘ. Array
উত্তর: খ. Stack
স্ট্যাক (Stack) এমন একটি ডেটা কাঠামো, যেখানে শেষে যে উপাদান ঢোকে সেটিই আগে বের হয়। একে LIFO (Last In, First Out) বলে। স্ট্যাকে উপাদান ঢোকানোকে Push আর বের করাকে Pop বলে। তাই Push ও Pop স্ট্যাকের সঙ্গে সম্পর্কিত। কিউ-তে এর বদলে Enqueue ও Dequeue শব্দ ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
কিউ (Queue) FIFO (First In, First Out) নিয়মে চলে।
স্ট্যাকের উদাহরণ: একটির ওপর আরেকটি থালা সাজিয়ে রাখা। - ১৫. ওয়াই-ফাই (Wi- Fi) নেটওয়ার্কে সংযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটির সংযোগ মাধ্যম কোনটি?
- ক. তামার তার
- খ. অপটিক্যাল ফাইবার
- গ. তারহীন সংযোগ
- ঘ. উপরের সবকটি
উত্তর: গ. তারহীন সংযোগ
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে তারহীনভাবে কম্পিউটার, মোবাইল বা অন্য ডিভাইসকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করে। তাই এর সংযোগ মাধ্যম তারহীন সংযোগ। তামার তার (যেমন ইথারনেট ক্যাবল) ও অপটিক্যাল ফাইবার তারযুক্ত সংযোগের মাধ্যম।
মনে রাখুন:
ওয়াই-ফাইয়ের জন্য ব্যবহৃত মান IEEE 802.11।
ওয়াই-ফাই সাধারণত ২.৪ গিগাহার্জ ও ৫ গিগাহার্জ কম্পাঙ্কে কাজ করে।
ব্লুটুথও আরেকটি তারহীন প্রযুক্তি।
সাধারণ বিজ্ঞান
- ১৬. আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ –
- ক. ধুলিকণা
- খ. বায়ুস্তর
- গ. বৃষ্টির কণা
- ঘ. অতিবেগুনি রশ্মি
উত্তর: গ. বৃষ্টির কণা
বৃষ্টির পরে বাতাসে ভাসমান ছোট ছোট পানির কণায় সূর্যের আলো ঢোকে। সেই আলো কণার ভেতরে প্রতিসরিত হয়, ভেতরের পিঠে একবার পূর্ণ প্রতিফলিত হয় এবং আবার বেরিয়ে আসে। এ সময় সাদা আলো সাতটি রঙে ভাগ হয়ে যায়, একে বিচ্ছুরণ (Dispersion) বলে। আর তাতেই আকাশে রংধনু দেখা যায়। তাই রংধনুর কারণ বৃষ্টির কণা।
মনে রাখুন:
রংধনুর রংগুলো বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।
রংধনু দেখতে সূর্য পর্যবেক্ষকের পেছনে এবং বৃষ্টি সামনে থাকতে হয়। - ১৭. ইস্টের সংশ্লিষ্টতা নেই কোন শিল্পে?
- ক. মদ্য শিল্পে
- খ. রুটি শিল্পে
- গ. সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
- ঘ. এক কোষীয় প্রোটিন তৈরিতে
উত্তর: গ. সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
ইস্ট (Yeast) এক ধরনের এককোষী ছত্রাক, যা চিনিকে গাঁজন (Fermentation) করে অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে। তাই মদ শিল্প ও রুটি শিল্পে ইস্ট ব্যবহৃত হয়, আর এককোষী প্রোটিন তৈরিতেও এটি কাজে লাগে। কিন্তু সাইট্রিক অ্যাসিড শিল্পে তৈরি হয় অ্যাসপারজিলাস নাইজার (Aspergillus niger) নামের আরেক ছত্রাক দিয়ে। তাই সাইট্রিক অ্যাসিড উৎপাদনে ইস্টের সংশ্লিষ্টতা নেই।
মনে রাখুন: ইস্টের বৈজ্ঞানিক নাম স্যাকারোমাইসিস সেরেভিসিয়ে। - ১৮. চন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের-
- ক. দশ ভাগের একভাগ
- খ. ছয় ভাগের একভাগ
- গ. তিন ভাগের একভাগ
- ঘ. চার ভাগের একভাগ
উত্তর: খ. ছয় ভাগের একভাগ
চাঁদের ভর ও ব্যাসার্ধ পৃথিবীর চেয়ে অনেক কম, তাই সেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ। বস্তুর ওজন W = mg, তাই g কমলে ওজনও ছয় ভাগের এক ভাগ হয়ে যায়। তাই চাঁদে বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের ছয় ভাগের একভাগ। কিন্তু ভর সব জায়গায় একই থাকে।
মনে রাখুন:
পৃথিবীতে 60 কেজি ওজনের মানুষ চাঁদে প্রায় 10 কেজি ওজন অনুভব করবে।
চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই, তাই সেখানে শব্দ শোনা যায় না। - ১৯. মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তরের (First line of defence) অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
- ক. লাইসোজাইম
- খ. গ্যাসট্রিক জুস
- গ. সিলিয়া
- ঘ. লিস্ফোসাইট
উত্তর: ঘ. লিস্ফোসাইট
মানবদেহে রোগ প্রতিরোধের প্রথম প্রতিরক্ষাস্তর জীবাণুকে দেহে ঢুকতেই দেয় না। ত্বক, শ্বাসনালির সিলিয়া, চোখের পানি ও লালার লাইসোজাইম এবং পাকস্থলীর অম্লীয় গ্যাস্ট্রিক রস এই স্তরের অংশ। কিন্তু লিম্ফোসাইট শ্বেতরক্তকণিকার একটি ধরন, যা জীবাণু ঢোকার পর নির্দিষ্টভাবে লড়াই করে। তাই এটি প্রথম নয়, পরের স্তরের প্রতিরক্ষার অংশ।
মনে রাখুন:
লাইসোজাইম জীবাণুর কোষপ্রাচীর ভেঙে ফেলে।
লিম্ফোসাইট দুই রকম, বি-কোষ ও টি-কোষ, যারা অ্যান্টিবডি তৈরিতে অংশ নেয়। - ২০. নিচের কোনটি ভাইরাসের জন্য সত্য নয়?
- ক. ডিএনএ বা আরএনএ থাকে
- খ. শুধুমাত্র জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে
- গ. স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত
- ঘ. রাইবোজোম থাকে
উত্তর: ঘ. রাইবোজোম থাকে
ভাইরাসের গঠন খুব সরল: এতে শুধু ডিএনএ বা আরএনএ থাকে, আর তাকে ঘিরে থাকে প্রোটিনের আবরণ। এতে রাইবোজোম থাকে না, তাই ভাইরাস নিজে প্রোটিন বানাতে পারে না। সে কারণে ভাইরাস শুধু জীবন্ত কোষের ভেতরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে। জীবকোষের বাইরে ভাইরাসকে স্ফটিকের মতো জড় অবস্থায় রাখা যায়। তাই ‘রাইবোজোম থাকে’ বক্তব্যটি ভাইরাসের জন্য সত্য নয়।
মনে রাখুন: ভাইরাসকে জড় ও জীবের মধ্যবর্তী বস্তু বলা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের ওপর কাজ করে না। - ২১. তাপ ইঞ্জিনের কাজ –
- ক. যান্ত্রিকশক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর
- খ. তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
- গ. বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
- ঘ. তাপশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর
উত্তর: খ. তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
তাপ ইঞ্জিন (Heat Engine) জ্বালানি পুড়িয়ে পাওয়া তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। পেট্রল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ও বাষ্পীয় ইঞ্জিন তাপ ইঞ্জিনের উদাহরণ। এর উল্টো প্রক্রিয়ায় যান্ত্রিক শক্তি থেকে তাপ হয়, যেমন ঘর্ষণে।
মনে রাখুন:
বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে বৈদ্যুতিক মোটর।
যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে ডায়নামো বা জেনারেটর। - ২২. শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?
- ক. ২৮০ m/s
- খ. ০
- গ. ৩৩২ m/s
- ঘ. ১১২০ m/s
উত্তর: খ. ০
শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, যা মাধ্যমের কণার কম্পনের মধ্য দিয়ে এগোয়। তাই শব্দ চলতে কঠিন, তরল বা বায়বীয় কোনো একটি মাধ্যম লাগে। শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা নেই, ফলে সেখানে শব্দ চলতে পারে না এবং এর বেগ শূন্য।
মনে রাখুন:
বায়ুতে শব্দের বেগ প্রায় ৩৩২ মি/সে (০° সেলসিয়াসে)।
পানিতে এই বেগ বায়ুর চেয়ে বেশি, আর ইস্পাতে আরও বেশি।
আলো শূন্য মাধ্যমেও চলতে পারে, কারণ এটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। - ২৩. দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি কোন রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে?
- ক. হাইপো-থাইরয়ডিজম
- খ. রাতকানা
- গ. এনিমিয়া
- ঘ. কোয়াশিয়রকর
উত্তর: ক. হাইপো-থাইরয়ডিজম
সামুদ্রিক মাছ ও শৈবালে প্রচুর আয়োডিন থাকে। আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন তৈরির জন্য দরকার। এর অভাবে গ্রন্থিটি যথেষ্ট হরমোন তৈরি করতে পারে না, এ অবস্থাকে হাইপোথাইরয়েডিজম (Hypothyroidism) বলে, আর গলগণ্ড (গয়টার) এর একটি রূপ। তাই খাবারে সামুদ্রিক মাছ বা শৈবাল রাখলে এ রোগের প্রাদুর্ভাব কমে।
মনে রাখুন:
রাতকানা হয় ভিটামিন এ-র অভাবে।
এনিমিয়া হয় আয়রনের অভাবে।
কোয়াশিয়রকর হয় আমিষের অভাবে। - ২৪. গ্রিনহাউজ কি?
- ক. কাচের তৈরি ঘর
- খ. সবুজ আলোর আলোকিত ঘর
- গ. সবুজ ভবনের নাম
- ঘ. সবুজ গাছপালা
উত্তর: ক. কাচের তৈরি ঘর
গ্রিনহাউস (Greenhouse) হলো কাচ বা স্বচ্ছ আবরণে ঘেরা ঘর, যেখানে ঠান্ডা দেশে গাছ লাগানো হয়। সূর্যের আলো কাচ ভেদ করে ভেতরে ঢোকে, কিন্তু ভেতরের তাপ সহজে বাইরে বেরোতে পারে না। ফলে ঘরের ভেতরটা গরম থাকে এবং শীতেও গাছ বাঁচে। বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোও পৃথিবীর তাপ এভাবে আটকে রাখে বলে এই প্রভাবকে গ্রিনহাউস প্রভাব বলা হয়।
মনে রাখুন: গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড প্রধান। - ২৫. কোনটি জারক পদার্থ নয়?
- ক. হাইড্রোজেন
- খ. অক্সিজেন
- গ. ক্লোরিন
- ঘ. ব্রোমিন
উত্তর: ক. হাইড্রোজেন
যে পদার্থ অন্য পদার্থ থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে বা তাকে অক্সিজেন যোগ করে, তাকে জারক পদার্থ বলে। অক্সিজেন, ক্লোরিন ও ব্রোমিন ইলেকট্রন নিতে চায়, তাই এরা জারক। কিন্তু হাইড্রোজেন সাধারণত ইলেকট্রন ছেড়ে দেয় এবং অন্য পদার্থ থেকে অক্সিজেন সরিয়ে নেয়, তাই এটি বিজারক পদার্থ।
মনে রাখুন:
জারণ মানে ইলেকট্রন ত্যাগ, আর বিজারণ মানে ইলেকট্রন গ্রহণ।
জারক পদার্থ নিজে বিজারিত হয়।
বিজারক পদার্থ নিজে জারিত হয়। - ২৬. নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে কি বলা হয়?
- ক. ফিশন
- খ. মেসন
- গ. ফিউশন
- ঘ. ফিউশন ও মেসন
উত্তর: ক. ফিশন
একটি ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙে দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হওয়াকে নিউক্লীয় ফিশন (Nuclear Fission) বা নিউক্লিয়াসের বিভাজন বলে। এতে প্রচুর শক্তি বের হয়। উল্টো ঘটনায়, দুটি হালকা নিউক্লিয়াস জুড়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস হলে তাকে ফিউশন বলে। মেসন একধরনের মৌলিক কণা, কোনো বিক্রিয়ার নাম নয়।
মনে রাখুন:
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ফিশনের নীতিতে চলে।
সূর্য ও হাইড্রোজেন বোমায় ফিউশন ঘটে।
বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনায়। - ২৮. বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?
- ক. মেরু অঞ্চলে
- খ. বিষুব অঞ্চলে
- গ. পাহাড়ের ওপর
- ঘ. পৃথিবীর কেন্দ্রে
উত্তর: ক. মেরু অঞ্চলে
বস্তুর ওজন W = mg, তাই যেখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ g বেশি, সেখানে ওজনও বেশি। পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়, মেরুর দিকে কিছুটা চাপা। তাই মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং g সবচেয়ে বেশি। ফলে সেখানে বস্তুর ওজনও সবচেয়ে বেশি। পৃথিবীর কেন্দ্রে g শূন্য, তাই সেখানে ওজনও শূন্য।
মনে রাখুন: বিষুব অঞ্চলে g সবচেয়ে কম, তাই ওজনও সবচেয়ে কম। ভর সব জায়গায় একই থাকে। - ২৯. প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন কি পরিমাণ থাকে?
- ক. ৪০-৫০ ভাগ
- খ. ৬০-৭০ ভাগ
- গ. ৮০-৯০ ভাগ
- ঘ. ৩০-২৫ ভাগ
উত্তর: গ. ৮০-৯০ ভাগ
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন (CH₄), যার পরিমাণ সাধারণত ৮০ থেকে ৯০ ভাগ। বাকি অংশে থাকে ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন ও অন্যান্য গ্যাস। বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাসে মিথেনের ভাগ আরও বেশি, প্রায় ৯৫ শতাংশের কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর, যা ১৯৫৫ সালে আবিষ্কৃত হয়।
প্রাকৃতিক গ্যাস চাপ দিয়ে তরল করলে এলএনজি এবং সংকুচিত করলে সিএনজি হয়। - ৩০. চা পাতায় কোন ভিটামিন থাকে?
- ক. ভিটামিন ই
- খ. ভিটামিন কে
- গ. ভিটামিন বি কমপ্লিক্স
- ঘ. ভিটামিন এ
উত্তর: গ. ভিটামিন বি কমপ্লিক্স
চা পাতায় ক্যাফেইন ও ট্যানিনের পাশাপাশি অল্প পরিমাণে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে। চায়ের উদ্দীপক গুণ আসে ক্যাফেইন থেকে, আর ট্যানিন চায়ের কষা স্বাদ ও রং দেয়।
মনে রাখুন:
চায়ের বৈজ্ঞানিক নাম ক্যামেলিয়া সিনেনসিস।
সিলেট বাংলাদেশের প্রধান চা-উৎপাদক অঞ্চল।
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত।
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- ২৭. ধরিত্রী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. আফ্রিকার জোহানেসবার্গে
- খ. ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোতে
- গ. ইতালির রোমে
- ঘ. যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে
উত্তর: খ. ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোতে
১৯৯২ সালের জুনে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCED) হয়, যা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত। এই সম্মেলনে ‘এজেন্ডা ২১’ গৃহীত হয় এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক কনভেনশন স্বাক্ষরের জন্য খোলা হয়।
মনে রাখুন:
জোহানেসবার্গে ২০০২ সালে টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক বিশ্ব সম্মেলন হয়েছিল।
স্টকহোমে ১৯৭২ সালে প্রথম মানব পরিবেশ সম্মেলন হয়।
রিও-তে ২০১২ সালে ‘রিও+২০’ সম্মেলন হয়। - ৩৩. বাংলাদেশের নিম্নলিখিত জেলাসমূহের মধ্যে কোন জেলায় নিচু ভূমির (Low land) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
- ক. হবিগঞ্জ
- খ. গোপালগঞ্জ
- গ. কিশোরগঞ্জ
- ঘ. মুন্সীগঞ্জ
উত্তর: গ. কিশোরগঞ্জ
কিশোরগঞ্জ জেলার বড় অংশ হাওর অঞ্চল, যা বছরের অনেকটা সময় বর্ষার পানিতে ডুবে থাকে। ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম, নিকলী ও ইটনার মতো উপজেলাগুলো নিচু ভূমির জন্য পরিচিত। তাই দেওয়া জেলাগুলোর মধ্যে কিশোরগঞ্জে নিচু ভূমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
মনে রাখুন:
হাওর হলো বর্ষায় পানিতে ডোবা বড় নিচু জলাভূমি।
বাংলাদেশের হাওর অঞ্চল প্রধানত সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।
টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জে, আর এটি রামসার সাইট। - ৩৪. বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
- ক. মেঘনা
- খ. যমুনা
- গ. পদ্মা
- ঘ. কর্ণফুলী
উত্তর: ক. মেঘনা
প্রচলিত হিসাবে মেঘনাকে বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী ধরা হয়। সিলেট অঞ্চলে সুরমা নামে শুরু হয়ে এই নদী আরও পরে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে, আর দেশের ভেতরে এর প্রবাহ পথ সবচেয়ে দীর্ঘ। অন্যদিকে পদ্মা ও যমুনা প্রশস্ত হলেও দেশের ভেতর তাদের প্রবাহপথ তুলনায় ছোট।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের প্রধান নদী তিনটি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা।
কর্ণফুলী চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী, আর এর মোহনায় চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত। - ৩৫. বাংলাদেশের কোন অঞ্চল বেশি খরাপ্রবণ?
- ক. উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
- খ. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
- গ. দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
- ঘ. দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
উত্তর: খ. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল, বিশেষ করে রাজশাহী ও বরেন্দ্র এলাকায় বৃষ্টিপাত কম হয় এবং গ্রীষ্মে তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে। এখানকার মাটি পানি কম ধরে রাখে এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তরও নেমে যাচ্ছে। এসব কারণে উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল দেশের সবচেয়ে বেশি খরাপ্রবণ।
মনে রাখুন:
বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি লালচে ও কাঁকরযুক্ত, আর এখানে সেচের জন্য গভীর নলকূপ ব্যবহৃত হয়।
দেশে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় রাজশাহী ও নাটোর অঞ্চলে। - ৩৬. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের পরিবেশ বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচের (FCDI) কারণে খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে?
- ক. বরেন্দ্র অঞ্চল
- খ. মধুপুর গড় অঞ্চল
- গ. উপকূলীয় অঞ্চল
- ঘ. চলন বিল অঞ্চল
উত্তর: ক. বরেন্দ্র অঞ্চল
বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ (Flood Control, Drainage and Irrigation, FCDI) প্রকল্প নদী ও জলাশয়ের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বদলে দেয়। এতে মাছের প্রজনন, জলাভূমির জীববৈচিত্র্য ও মাটির উর্বরতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বরেন্দ্র অঞ্চলের মতো উঁচু ও খরাপ্রবণ এলাকায় সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনার বড় হস্তক্ষেপে পরিবেশের ওপর চাপ পড়ে। তাই এই প্রশ্নের উত্তর বরেন্দ্র অঞ্চল।
মনে রাখুন:
মধুপুর গড় ও বরেন্দ্র দুটোই প্লাইস্টোসিন যুগের উঁচু ভূমি।
চলন বিল দেশের বৃহত্তম বিল। - ৩৭. বাংলাদেশে বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত নিম্নের কোন স্টেশনে রেকর্ড করা হয়?
- ক. সিলেট
- খ. টেকনাফ
- গ. কক্সবাজার
- ঘ. সন্দ্বীপ
উত্তর: ক. সিলেট
সিলেট অঞ্চল ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মৌসুমি বায়ু আর্দ্র বাতাস নিয়ে এসে এই পাহাড়ে বাধা পায় এবং প্রচুর বৃষ্টি ঝরায়। এ কারণে সিলেটে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টির স্থান মেঘালয়ের মৌসিনরামও কাছেই।
মনে রাখুন:
দেশের সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয় রাজশাহী, নাটোর ও পশ্চিমাঞ্চলে।
বাংলাদেশে বর্ষাকাল মোটামুটি জুন থেকে সেপ্টেম্বর। - ৩৮. নিম্নের কোন নিয়ামকটি একটি অঞ্চলের বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না?
- ক. অক্ষরেখা
- খ. দ্রাঘিমারেখা
- গ. উচ্চতা
- ঘ. সমুদ্রস্রোত
উত্তর: খ. দ্রাঘিমারেখা
কোনো অঞ্চলের জলবায়ু নির্ধারণে কয়েকটি বিষয় কাজ করে। অক্ষাংশ বা অক্ষরেখা ঠিক করে সূর্যরশ্মি কতটা খাড়াভাবে পড়বে, ফলে তাপমাত্রা বদলায়। উচ্চতা বাড়লে তাপমাত্রা কমে, আর সমুদ্রস্রোত উপকূলের তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত প্রভাবিত করে। কিন্তু দ্রাঘিমারেখা শুধু স্থানের সময়ের পার্থক্য নির্দেশ করে, তাই এটি জলবায়ু নির্ধারণ করে না।
মনে রাখুন:
জলবায়ুর অন্য নিয়ামক সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ ও পর্বতের অবস্থান।
প্রতি ১৫° দ্রাঘিমায় সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা। - ৩৯. নিম্নের কোন আপদটি (Hazard) পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ?
- ক. সড়ক দুর্ঘটনা
- খ. তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ
- গ. বায়ু দূষণ
- ঘ. ক্যান্সার
উত্তর: গ. বায়ু দূষণ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) হিসাবে বায়ুদূষণ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরিবেশগত স্বাস্থ্যঝুঁকি। ঘরের ভেতরের ও বাইরের দূষিত বাতাস মিলিয়ে প্রতিবছর কয়েক মিলিয়ন মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। দূষিত বাতাসে থাকা সূক্ষ্ম কণা ফুসফুস ও হৃৎপিণ্ডের রোগ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
মনে রাখুন:
বায়ুদূষণের সূক্ষ্ম কণাকে PM2.5 বলে।
বায়ুর মান মাপার সূচকের নাম এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI)।
ঢাকা প্রায়ই বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় আসে। - ৪০. সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত ছিলো?
- ক. নতুন দিল্লি
- খ. কলম্বো
- গ. ঢাকা
- ঘ. কাঠমান্ডু
উত্তর: ক. নতুন দিল্লি
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (SAARC Disaster Management Centre, SDMC) ২০০৬ সালে ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে এটি গুজরাটের গান্ধীনগরে সরিয়ে নেওয়া হয়, আর সে কারণেই প্রশ্নে ‘অবস্থিত ছিল’ বলা হয়েছে। তাই উত্তর নতুন দিল্লি।
মনে রাখুন:
সার্কের সদর দপ্তর কাঠমান্ডুতে।
সার্ক কৃষি কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার চারটি পর্যায়: প্রশমন, প্রস্তুতি, সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার। - ৪১. কোন পর্যায়ে দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয়?
- ক. উদ্ধার পর্যায়ে
- খ. প্রভাব পর্যায়ে
- গ. সতর্কতা পর্যায়ে
- ঘ. পুনর্বাসন পর্যায়ে
উত্তর: ঘ. পুনর্বাসন পর্যায়ে
দুর্যোগের পর ঘরবাড়ি, ফসল, রাস্তা ও অন্যান্য অবকাঠামোর কতটা ক্ষতি হয়েছে তা মেপে দেখা হয়। এরপর সেই হিসাবের ভিত্তিতে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করা হয়। তাই দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয় পুনর্বাসন পর্যায়ে।
মনে রাখুন:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার চক্রে আছে দুর্যোগ-পূর্ব (প্রশমন ও প্রস্তুতি), দুর্যোগকালীন (সাড়াদান) এবং দুর্যোগ-পরবর্তী (পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন) ধাপ।
উদ্ধার কাজ সাড়াদান পর্যায়ের অংশ। - ৪২. নিম্নের কোন দুর্যোগটি বাংলাদেশের জনগণের জীবিকা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে?
- ক. ভূমিকম্প
- খ. সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি
- গ. ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস
- ঘ. খরা ও বন্যা
উত্তর: খ. সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি
সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়লে উপকূলের নিচু জমি স্থায়ীভাবে ডুবে যায় বা লবণাক্ত হয়ে পড়ে। তখন সেখানকার কৃষি ও মাছ ধরার মতো পেশা বদলাতে হয়, অনেক মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র যেতে হয়। এই প্রভাব ধীরে ধীরে ঘটে কিন্তু দীর্ঘদিন থাকে। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা ও খরার ক্ষতি তুলনামূলকভাবে স্বল্পমেয়াদি।
মনে রাখুন:
সমুদ্রপৃষ্ঠ বাড়ার কারণে উপকূলে লবণাক্ততা বাড়ে।
এর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চিংড়ি চাষ বেড়েছে এবং ধান চাষ কমেছে। - ৭৬. নিম্নের কোনটি গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়?
- ক. নাইট্রাস অক্সাইড
- খ. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
- গ. অক্সিজেন
- ঘ. মিথেন
উত্তর: গ. অক্সিজেন
যে গ্যাস পৃথিবী থেকে বেরিয়ে যাওয়া তাপ (অবলোহিত রশ্মি) শোষণ করে বায়ুমণ্ডলকে গরম রাখে, তাকে গ্রিনহাউস গ্যাস (Greenhouse gas) বলে। কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড এমন গ্যাস। কিন্তু অক্সিজেন এই তাপ শোষণ করে না, তাই এটি গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
মনে রাখুন: অন্য গ্রিনহাউস গ্যাস জলীয় বাষ্প, ওজোন ও ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC)। - ৭৭. জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP) ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা (WMO) এর মিলিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা লাভ করে –
- ক. IPCC
- খ. COP 21
- গ. Green Peace
- ঘ. Sierra Club
উত্তর: ক. IPCC
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) ও বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) ১৯৮৮ সালে যৌথভাবে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আন্তঃসরকার প্যানেল (Intergovernmental Panel on Climate Change, IPCC) গঠন করে। এটি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন তৈরি করে। COP-21 প্যারিসে ২০১৫ সালের জলবায়ু সম্মেলন, আর গ্রিনপিস ও সিয়েরা ক্লাব বেসরকারি পরিবেশ সংগঠন।
মনে রাখুন: IPCC ২০০৭ সালে সাবেক মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি আল গোরের সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
- ৩১. BRICS এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. চীনের সাংহাই
- খ. সদরদপ্তর নাই
- গ. প্রিটোরিয়া
- ঘ. নয়াদিল্লী
উত্তর: খ. সদরদপ্তর নাই
ব্রিকস (BRICS) ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার একটি জোট। এই জোটের কোনো স্থায়ী সদর দপ্তর বা সচিবালয় নেই। সদস্য দেশগুলো পালা করে বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে। সাংহাইতে আছে ব্রিকসের নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর, কিন্তু সেটি জোটের সদর দপ্তর নয়।
হালনাগাদ: ২০২৪ সালে মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্রিকসের সদস্য হয়, আর ২০২৫ সালে ইন্দোনেশিয়া যুক্ত হয়।
মনে রাখুন: নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ২০১৪ সালে ঘোষিত হয় এবং ২০১৫ সালে কার্যক্রম শুরু করে। - ৩২. SDR (Special Drawing Rights) সুবিধা প্রবর্তনের জন্য কত সালে IMF এর গঠনতন্ত্র (Articles) সংশোধন করা হয়েছিল?
- ক. ১৯৬৯
- খ. ১৯৭১
- গ. ১৯৭৫
- ঘ. ১৯৭৮
উত্তর: ক. ১৯৬৯
বিশেষ আহরণ অধিকার (Special Drawing Rights, SDR) আইএমএফ তৈরি করা একধরনের আন্তর্জাতিক সঞ্চিত সম্পদ। সদস্য দেশগুলো সংকটের সময় এই সুবিধা দিয়ে অন্য সদস্যের কাছ থেকে মুদ্রা সংগ্রহ করতে পারে। এই সুবিধা চালুর জন্য ১৯৬৯ সালে আইএমএফ প্রথমবারের মতো তার গঠনতন্ত্র সংশোধন করে। ১৯৭০ সালে SDR প্রথম বরাদ্দ হয়।
মনে রাখুন:
SDR-এর মূল্য কয়েকটি প্রধান মুদ্রার ঝুড়ি দিয়ে নির্ধারিত হয়।
ইসলামিক দিনার আইএমএফের SDR-এর সমান ধরা হয়। - ৭১. ‘কালাপানি’ কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?
- ক. ভারত ও নেপাল
- খ. পাকিস্তান ও চীন
- গ. ভূটান ও ভারত
- ঘ. বাংলাদেশ ও ভারত
উত্তর: ক. ভারত ও নেপাল
কালাপানি ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের একটি এলাকা, যা ভারত, নেপাল ও চীনের সীমান্ত মিলনস্থলের কাছে। এটি ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নেপাল এলাকাটিকে নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। কালী নদীর উৎস নিয়ে দুই দেশের ব্যাখ্যা আলাদা, আর এটিই বিরোধের মূল কারণ। তাই কালাপানি ভারত ও নেপালের অমীমাংসিত ভূখণ্ড।
মনে রাখুন: ২০২০ সালে নেপাল নতুন মানচিত্রে কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা নিজের এলাকা হিসেবে দেখায়। - ৭২. সলোমন- দ্বীপপুঞ্জ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
- ক. ভারত মহাসাগর
- খ. প্রশান্ত মহাসাগর
- গ. আটলান্টিক মহাসাগর
- ঘ. আর্কটিক মহাসাগর
উত্তর: খ. প্রশান্ত মহাসাগর
সলোমন দ্বীপপুঞ্জ (Solomon Islands) দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত, পাপুয়া নিউগিনির পূর্বে। এটি অনেকগুলো ছোট-বড় দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি স্বাধীন দেশ। এর রাজধানী হোনিয়ারা, যা গুয়াডালকানাল দ্বীপে অবস্থিত।
মনে রাখুন:
দেশটি ১৯৭৮ সালে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা পায়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গুয়াডালকানালে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বড় লড়াই হয়েছিল। - ৭৩. চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম কি?
- ক. তুর্কমেন
- খ. উইঘুর
- গ. তাজিক
- ঘ. কাজাখ
উত্তর: খ. উইঘুর
চীনের জিনজিয়াং (Xinjiang) অঞ্চলের প্রধান মুসলিম জনগোষ্ঠী উইঘুর (Uyghur)। তারা তুর্কি ভাষাভাষী এবং ইসলাম ধর্মের অনুসারী। অঞ্চলটিতে কাজাখ ও কিরগিজ মুসলিমও কম সংখ্যায় বাস করে। এর রাজধানী উরুম্চি।
মনে রাখুন: জিনজিয়াং চীনের সবচেয়ে বড় প্রশাসনিক অঞ্চল এবং আনুষ্ঠানিকভাবে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। - ৭৪. সম্প্রতি ভারত Google কে নিচের কোন প্রোগ্রামের জন্য ছবি তোলা থেকে বিরত করে?
- ক. Google Earth
- খ. Street View
- গ. Road Image
- ঘ. Google Map
উত্তর: খ. Street View
২০১৬ সালে ভারত সরকার নিরাপত্তার কারণে গুগলকে স্ট্রিট ভিউ (Street View) সেবার জন্য দেশের রাস্তাঘাটের ছবি তোলার অনুমতি দেয়নি। স্ট্রিট ভিউ হলো এমন একটি সেবা, যেখানে মানচিত্রে রাস্তার পাশ থেকে তোলা চারদিকের ৩৬০ ডিগ্রি ছবি দেখা যায়। গুগল আর্থ বা গুগল ম্যাপ অন্য সেবা।
হালনাগাদ: ২০২২ সালে ভারতের কিছু স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিলে গুগল ভারতে স্ট্রিট ভিউ চালু করে। - ৭৫. সংবিধান অনুযায়ী মিয়ানমারের সংসদে কত শতাংশ আসন অনির্বাচিত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে?
- ক. ২৫%
- খ. ৩৫%
- গ. ৪৫%
- ঘ. ৫৫%
উত্তর: ক. ২৫%
মিয়ানমারের ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী সংসদের দুই কক্ষেই ২৫ শতাংশ আসন অনির্বাচিত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত। সংবিধান সংশোধনে ৭৫ শতাংশের বেশি ভোট লাগে, তাই সেনাবাহিনী কার্যত ভেটো ক্ষমতা পায়। ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে।
মনে রাখুন: মিয়ানমারে আং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (NLD) ২০১৫ ও ২০২০ সালের নির্বাচনে জেতে। - ৭৮. World Development Report নিম্নের কোন সংস্থাটির বার্ষিক প্রকাশনা?
- ক. UNDP
- খ. World Bank
- গ. IMF
- ঘ. BRICS
উত্তর: খ. World Bank
বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন (World Development Report) বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক প্রকাশনা। প্রতি বছর এতে একটি নির্দিষ্ট উন্নয়ন বিষয়ে বিশ্লেষণ থাকে। UNDP প্রকাশ করে মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন (Human Development Report), আর IMF প্রকাশ করে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক। BRICS কোনো প্রকাশনা সংস্থা নয়, এটি পাঁচটি উদীয়মান অর্থনীতির জোট। - ৭৯. IMF এর সদর দপ্তর অবস্থিত –
- ক. ওয়াশিংটন ডিসি
- খ. নিউইয়র্ক
- গ. জেনেভা
- ঘ. রোম
উত্তর: ক. ওয়াশিংটন ডিসি
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (International Monetary Fund, IMF) সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে। বিশ্বব্যাংকেরও সদর দপ্তর একই শহরে। ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনে দুটি প্রতিষ্ঠান গড়ার সিদ্ধান্ত হয়।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) জেনেভায় এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) রোমে। - ৮০. বিশ্বব্যাংক সংশ্লিষ্ট কোন সংস্থ্যাটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে?
- ক. IFC
- খ. IBRD
- গ. MIGA
- ঘ. ICSID
উত্তর: ক. IFC
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের যে প্রতিষ্ঠান উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতে ঋণ, বিনিয়োগ ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করে, তার নাম আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থা (International Finance Corporation, IFC)। IBRD সরকারগুলোকে ঋণ দেয়, MIGA বিনিয়োগের রাজনৈতিক ঝুঁকির বিমা দেয় এবং ICSID বিনিয়োগ-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
মনে রাখুন: বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পাঁচ প্রতিষ্ঠান: IBRD, IDA, IFC, MIGA ও ICSID। এর মধ্যে IDA স্বল্প আয়ের দেশগুলোকে সুদবিহীন বা কম সুদের ঋণ দেয়। - ৮১. জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য :
- ক. জাপান , জার্মানি, ফ্রান্স , ব্রিটেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র
- খ. ফ্রান্স , রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন
- গ. যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেন, ব্রাজিল, চীন, নাইজেরিয়া
- ঘ. উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, ভারত, ইসলায়েল, চীন
উত্তর: খ. ফ্রান্স , রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য হলো ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য (ব্রিটেন) ও চীন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী শক্তি হিসেবে এরা এই মর্যাদা পায়। এদের প্রত্যেকের ভেটো (Veto) ক্ষমতা আছে, অর্থাৎ একজন ভেটো দিলে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস হয় না।
মনে রাখুন: জাপান, জার্মানি, ভারত ও ব্রাজিল স্থায়ী সদস্যপদ পেতে চেষ্টা করছে, কিন্তু এখনো সদস্য নয়। - ৮২. ‘Law of the Sea Convention’ অনুযায়ী উপকূল থেকে কত দূরত্ব পর্যন্ত ‘Exclusive Economic Zone’ হিসেবে গণ্য?
- ক. ২২ নটিক্যাল মাইল
- খ. ৪৪ নটিক্যাল মাইল
- গ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
- ঘ. ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর: গ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন (United Nations Convention on the Law of the Sea, UNCLOS) অনুযায়ী উপকূলের ভিত্তিরেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এলাকা একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone, EEZ)। এই এলাকার মাছ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদের ওপর উপকূলীয় দেশের একচেটিয়া অধিকার থাকে।
মনে রাখুন:
আঞ্চলিক সমুদ্র ১২ নটিক্যাল মাইল এবং সন্নিহিত অঞ্চল ২৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত।
বাংলাদেশ ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে (ITLOS) এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে (PCA) সমুদ্রসীমা বিরোধে জয়ী হয়। - ৮৩. ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি যা Joint Comprehensive Plan of Action নামে পরিচিত তা সই হয়-
- ক. ২ এপ্রিল ২০১৫
- খ. ১৪ জুলাই ২০১৫
- গ. ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪
- ঘ. ১০ ডিসেম্বর ২০১৩
উত্তর: খ. ১৪ জুলাই ২০১৫
২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ইরান ও P5+1 দেশগুলোর (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানি) মধ্যে Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) চুক্তি সই হয়। এতে ইরান নিজের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে রাজি হয় এবং বিনিময়ে তার ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়।
মনে রাখুন: যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময় এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায়। - ৮৪. ‘গ্রিনপিস’ যাত্রা শুরু করে-
- ক. ১৯৪৫
- খ. ২০১১
- গ. ২০১৩
- ঘ. ১৯৭১
উত্তর: ঘ. ১৯৭১
গ্রিনপিস (Greenpeace) পরিবেশ রক্ষার একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠন। ১৯৭১ সালে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে একদল কর্মী আলাস্কার কাছে মার্কিন পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদে জাহাজে করে রওনা হলে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে।
মনে রাখুন: গ্রিনপিসের বিখ্যাত জাহাজের নাম ‘রেইনবো ওয়ারিয়র’। - ৮৫. ‘Black Lives Matter’ কি?
- ক. একটি গ্রন্থের নাম
- খ. একটি পানীয়
- গ. বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
- ঘ. একটি NGO
উত্তর: গ. বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
‘Black Lives Matter’ (BLM) যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের বিরুদ্ধে পুলিশি সহিংসতা ও বর্ণবৈষম্যের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা একটি বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন। ২০১৩ সালে একজন কৃষ্ণাঙ্গ কিশোরের হত্যাকারীকে আদালত খালাস দিলে এর শুরু হয়। ২০২০ সালে জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর আন্দোলনটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
মনে রাখুন: এই আন্দোলনের স্লোগান ‘Black Lives Matter’, যার অর্থ কৃষ্ণাঙ্গদের জীবনও মূল্যবান। - ৮৬. মাথাপিছু গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণে সবচেয়ে বেশি দায়ী নিচের কোন দেশটি?
- ক. রাশিয়া
- খ. যুক্তরাষ্ট্র
- গ. ইরান
- ঘ. জার্মানি
উত্তর: খ. যুক্তরাষ্ট্র
মাথাপিছু গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হিসাবে মোট নিঃসরণকে দেশের জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্পে জ্বালানি অনেক বেশি ব্যবহার করে। তাই দেওয়া চারটি দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মাথাপিছু নিঃসরণ সবচেয়ে বেশি। রাশিয়া, ইরান ও জার্মানির মাথাপিছু নিঃসরণ তুলনায় কম।
মনে রাখুন: মোট নিঃসরণে সবচেয়ে বড় দেশ চীন, আর তার পরে যুক্তরাষ্ট্র। - ৮৭. কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়?
- ক. NATO
- খ. SALT
- গ. NPT
- ঘ. CTBT
উত্তর: ক. NATO
ন্যাটো (NATO) একটি সামরিক জোট, যার সদস্য দেশগুলো একে অপরকে সামরিক নিরাপত্তা দেয়। তাই এটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। SALT হলো কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ আলোচনা, NPT পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি এবং CTBT পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি। এই তিনটি অস্ত্র কমানো বা সীমিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত।
মনে রাখুন: NPT ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৭০ সালে কার্যকর হয়।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- ৪৩. পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন -
- ক. লর্ড রিপন
- খ. লর্ড কার্জন
- গ. লর্ড মিন্টো
- ঘ. লর্ড হার্ডিঞ্জ
উত্তর: খ. লর্ড কার্জন
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়। তখন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন। এই প্রদেশের রাজধানী ছিল ঢাকা। পরে ১৯১১ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় বঙ্গভঙ্গ রদ হয়, আর লর্ড মিন্টো কার্জনের পরের ভাইসরয় ছিলেন।
মনে রাখুন:
পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন ব্যামফিল্ড ফুলার।
বঙ্গভঙ্গ ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর কার্যকর হয়।
স্বদেশি আন্দোলন বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা থেকেই শুরু হয়। - ৪৪. ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল –
- ক. ধানের শীষ
- খ. নৌকা
- গ. লাঙল
- ঘ. বাইসাইকেল
উত্তর: খ. নৌকা
১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। তারা ২১ দফা কর্মসূচি নিয়ে নির্বাচনে নামে এবং বিপুল ব্যবধানে জয় পায়।
মনে রাখুন:
যুক্তফ্রন্টের তিন প্রধান নেতা এ. কে. ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী।
নির্বাচনে ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন পায়। - ৪৫. ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
- ক. বিল অব রাইটস
- খ. ম্যাগনাকার্টা
- গ. পিটিশন অব রাইটস
- ঘ. মুখ্য আইন
উত্তর: খ. ম্যাগনাকার্টা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের জন্য ছয় দফা দাবি পেশ করেন। এটি বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত। ইংল্যান্ডে ১২১৫ সালে রাজা জনের সঙ্গে সামন্তদের স্বাক্ষরিত ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta) ছিল নাগরিক অধিকারের প্রথম ঐতিহাসিক সনদ। তাই ছয় দফাকে ম্যাগনা কার্টার সঙ্গে তুলনা করা হয়।
মনে রাখুন:
ইংল্যান্ডের ‘পিটিশন অব রাইটস’ ১৬২৮ সালে এবং ‘বিল অব রাইটস’ ১৬৮৯ সালে হয়।
ছয় দফার প্রতি দাবি সংক্ষেপে: ফেডারেল সরকার, দুটি আলাদা মুদ্রা, নিজস্ব আয় ও বৈদেশিক বাণিজ্য, আলাদা আধা-সামরিক বাহিনী। - ৪৬. বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন নবাব কে?
- ক. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
- খ. মুর্শিদ কুলী খান
- গ. ইলিয়াস শাহ
- ঘ. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
উত্তর: খ. মুর্শিদ কুলী খান
মুর্শিদকুলি খান মুঘল সম্রাটের অধীনে থেকেও বাংলার ওপর কার্যত স্বাধীন শাসন কায়েম করেন এবং সম্রাটকে নামমাত্র কর পাঠাতেন। তাই তাঁকে বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব বলা হয়। তিনি ১৭১৭ সালে রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে সরিয়ে নেন। আর সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব।
মনে রাখুন:
ইলিয়াস শাহ বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান (১৩৪২ সালে)।
আলাউদ্দিন হুসেন শাহের শাসনামল (১৪৯৩–১৫১৯) বাংলার স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত। - ৪৭. আলুর একটি জাত -
- ক. ডায়মন্ড
- খ. রূপালী
- গ. ড্রামহেড
- ঘ. ব্রিশাইল
উত্তর: ক. ডায়মন্ড
‘ডায়মন্ট’ (প্রচলিত উচ্চারণে ডায়মন্ড) বাংলাদেশে বহুল চাষ হওয়া একটি উচ্চফলনশীল আলুর জাত। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ‘ড্রামহেড’ বাঁধাকপির জাত।
মনে রাখুন:
আলুর অন্য জাত: কার্ডিনাল, ডায়মন্ড, গ্রানুলা, ফেলসিনা, এস্টারিক্স।
বাংলাদেশের প্রধান আলু উৎপাদনকারী জেলা মুন্সিগঞ্জ, বগুড়া, রংপুর ও জয়পুরহাট। - ৪৮. বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় –
- ক. আউশ ধান
- খ. আমন ধান
- গ. বোরো ধান
- ঘ. ইরি ধান
উত্তর: গ. বোরো ধান
বাংলাদেশে মোট চাল উৎপাদনের সবচেয়ে বড় অংশ আসে বোরো মৌসুম থেকে। শুষ্ক মৌসুমে সেচ দিয়ে উচ্চফলনশীল জাতের বোরো ধান চাষ করা হয় এবং এর ফলন বেশি। তাই দেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় বোরো ধান।
মনে রাখুন:
আমন ধান সবচেয়ে বেশি জমিতে চাষ হয়ে থাকে, তবে ফলন তুলনায় কম।
বোরো ধানের চাষ হয় অগ্রহায়ণ-পৌষে, আর কাটা হয় বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠে।
ইরি আসলে একটি ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান (IRRI), যার জাতকে প্রচলিত কথায় ইরি ধান বলা হয়। - ৪৯. প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান –
- ক. BARI
- খ. BRRI
- গ. BADC
- ঘ. BINA
উত্তর: গ. BADC
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (Bangladesh Agricultural Development Corporation, BADC) কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা, যা সরকারিভাবে মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও কৃষকদের কাছে বিতরণ করে। এ ছাড়া সার ও সেচের উপকরণ বিতরণেও এর ভূমিকা আছে। BARI, BRRI ও BINA মূলত গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যারা নতুন জাত উদ্ভাবন করে।
মনে রাখুন:
BARI গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত।
BRRI গাজীপুরে অবস্থিত।
BINA ময়মনসিংহে অবস্থিত। - ৫০. ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে নারী-পুরুষের অনুপাত –
- ক. ১০০ : ১০৬
- খ. ১০০ : ১০০.৬
- গ. ১০০ : ১০০.৩
- ঘ. ১০০ : ১০০
উত্তর: গ. ১০০ : ১০০.৩
লিঙ্গ অনুপাত বলতে প্রতি ১০০ জন নারীর বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা বোঝায়। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জন নারীর বিপরীতে পুরুষ ছিল ১০০.৩ জন, অর্থাৎ নারী ও পুরুষের অনুপাত ১০০ : ১০০.৩। দেশে নারী ও পুরুষের সংখ্যা প্রায় সমান।
হালনাগাদ: ২০২২ সালের আদমশুমারিতে এই অনুপাত ১০০ নারীর বিপরীতে পুরুষ ৯৭.৭ জন।
মনে রাখুন: ২০১১ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৪ কোটি ৯৭ লাখ। - ৫১. সরকারি হিসাব মতে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু –
- ক. ৬৫.৪ বছর
- খ. ৬৭.৫ বছর
- গ. ৭০.৯ বছর
- ঘ. ৭২.৬ বছর
উত্তর: ঘ. ৭২.৬ বছর
বাংলাদেশের গড় আয়ু ধাপে ধাপে বেড়েছে, কারণ স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টির মান উন্নত হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নমুনা নিবন্ধন জরিপ অনুযায়ী ২০১৯ সালে দেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২.৬ বছর।
মনে রাখুন:
স্বাধীনতার সময় গড় আয়ু ছিল প্রায় ৪৭ বছর।
নারীদের গড় আয়ু সাধারণত পুরুষদের চেয়ে কিছুটা বেশি।
গড় আয়ু একটি দেশের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। - ৫২. ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা-
- ক. ৪.৪ জন
- খ. ৫.০ জন
- গ. ৫.৪ জন
- ঘ. ৫.৫ জন
উত্তর: ক. ৪.৪ জন
খানা বা পরিবার (Household) বলতে একই রান্নাঘরে খাওয়া একদল মানুষকে বোঝায়। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিটি খানায় গড়ে ৪.৪ জন মানুষ বাস করত।
মনে রাখুন:
আগের শুমারিগুলোতে খানার গড় আকার বেশি ছিল, যেমন ১৯৮১ সালে প্রায় ৫.৫।
খানার আকার কমে আসা পরিবার পরিকল্পনার সফলতার একটি লক্ষণ। - ৫৩. যে বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক –
- ক. ঢাকা বিভাগ
- খ. রাজশাহী বিভাগ
- গ. বরিশাল বিভাগ
- ঘ. খুলনা বিভাগ
উত্তর: গ. বরিশাল বিভাগ
২০১১ সালের আদমশুমারির হিসাবে বিভাগগুলোর মধ্যে বরিশাল বিভাগে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ছিল। সবচেয়ে কম ছিল সিলেট বিভাগে। সাক্ষরতার হার মানে সাত বছর বা তার বেশি বয়সী যে জনগোষ্ঠী লিখতে ও পড়তে পারে, তাদের হার।
মনে রাখুন:
জাতীয় পর্যায়ে ২০১১ সালে সাক্ষরতার হার ছিল প্রায় ৫১.৮ শতাংশ (সাত বছর ও তার বেশি বয়সীদের)।
সাক্ষরতার হারে নারীরা পুরুষদের চেয়ে এখনো কিছুটা পিছিয়ে। - ৫৪. বাংলাদেশে তৈরি জাহাজ ‘স্টেলা মেরিস’ রপ্তানি হয়েছে-
- ক. ফিনল্যান্ড
- খ. ডেনমার্কে
- গ. নরওয়েতে
- ঘ. সুইডেনে
উত্তর: খ. ডেনমার্কে
‘স্টেলা মেরিস’ বাংলাদেশে তৈরি একটি সমুদ্রগামী জাহাজ। আনন্দ শিপইয়ার্ডে তৈরি এই জাহাজটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে রপ্তানি করা হয়। এটি বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে রপ্তানি হওয়া প্রথম সমুদ্রগামী জাহাজ। এ ঘটনা প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ তৈরি করতে পারে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের অন্য জাহাজ নির্মাণ কারখানা ওয়েস্টার্ন মেরিন ও খুলনা শিপইয়ার্ড।
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্প উদীয়মান রপ্তানি খাতের মধ্যে একটি। - ৫৫. বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর-
- ক. পেট্রাপোল
- খ. কৃষ্ণনগড়
- গ. ডউকি
- ঘ. মোহাদিপুর
উত্তর: ক. পেট্রাপোল
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের ঠিক ওপারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল স্থলবন্দর। এই পথেই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্থলবাণিজ্য হয়। দুই বন্দর মিলে একটি সীমান্ত পারাপার কেন্দ্র তৈরি করেছে।
মনে রাখুন:
বেনাপোল-পেট্রাপোল পথে ঢাকা-কলকাতা বাস ও ট্রেন যাতায়াত করে।
বাংলাদেশের অন্য স্থলবন্দর: বুড়িমারী (লালমনিরহাট), হিলি (দিনাজপুর), সোনামসজিদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ), তামাবিল (সিলেট)। - ৫৬. বাংলাদেশে সরকারি EPZ সংখ্যা –
- ক. ৬টি
- খ. ৮টি
- গ. ১০টি
- ঘ. ১২টি
উত্তর: খ. ৮টি
রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (Export Processing Zone, EPZ) বিদেশি ও দেশি বিনিয়োগকারীদের রপ্তানিমুখী শিল্প গড়ে তোলার জন্য বিশেষ সুবিধাসহ নির্দিষ্ট এলাকা। বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (BEPZA) অধীনে সরকারি ইপিজেড ৮টি: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কর্ণফুলী ও আদমজী। কোরিয়ান ইপিজেড বেসরকারি।
মনে রাখুন:
দেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রামে, যা ১৯৮৩ সালে চালু হয়।
দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকার সাভারে। - ৫৭. বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে –
- ক. চীন
- খ. ভারত
- গ. যুক্তরাজ্য
- ঘ. থাইল্যান্ড
উত্তর: ক. চীন
প্রশ্নটি জানতে চায় কোন দেশ বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পণ্য পাঠায়। বাংলাদেশের আমদানির সবচেয়ে বড় উৎস চীন, কারণ যন্ত্রপাতি, কাপড়, সুতা ও কাঁচামালের একটি বড় অংশ সেখান থেকে আসে। ভারত দ্বিতীয় বড় আমদানি উৎস, আর সেখান থেকে চাল, সুতা ও তুলা বেশি আসে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো, বিশেষ করে জার্মানি।
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। - ৫৮. বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে –
- ক. ব্র্যাক ব্যাংক
- খ. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
- গ. এবি ব্যাংক
- ঘ. সোনালী ব্যাংক
উত্তর: খ. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ২০১১ সালে। এই সেবা এখন ‘রকেট’ নামে পরিচিত। মোবাইল ব্যাংকিং মানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টাকা পাঠানো ও গ্রহণ করার ব্যবস্থা। পরে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিকাশ একই বছর চালু হয় এবং খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনে চলে।
নগদ ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা। - ৫৯. ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন –
- ক. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
- খ. অর্থ মন্ত্রণালয়
- গ. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
- ঘ. শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর: ক. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা। এটি আমদানি শুল্ক, দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও বাণিজ্য নীতি বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেয়। কোন শিল্পকে শুল্ক সুবিধা দেওয়া হবে, তাও এই কমিশন বিশ্লেষণ করে।
মনে রাখুন:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন।
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - ৬০. বাংলাদেশের কোন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়?
- ক. প্রথম
- খ. দ্বিতীয়
- গ. সপ্তম
- ঘ. অষ্টম
উত্তর: গ. সপ্তম
সপ্তম জাতীয় সংসদে (১৯৯৬–২০০১) প্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়। এতে সংসদ সদস্যরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করার সুযোগ পান, যা সংসদীয় জবাবদিহিতা বাড়ায়। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে দায়বদ্ধ।
মনে রাখুন:
সপ্তম সংসদের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা।
সংসদে প্রতিদিন প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকে, আর প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরের জন্য আলাদা দিন নির্ধারিত থাকে। - ৬১. মাত্র ১টি সংসদীয় আসন –
- ক. লক্ষ্মীপুর জেলায়
- খ. মেহেরপুর জেলায়
- গ. ঝালকাঠী জেলায়
- ঘ. রাঙামাটি জেলায়
উত্তর: ঘ. রাঙামাটি জেলায়
বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের প্রতিটিতে একটি করে সংসদীয় আসন আছে। অর্থাৎ রাঙামাটি জেলায় মাত্র ১টি আসন। মেহেরপুর ও ঝালকাঠিতে আসন দুটি করে, আর লক্ষ্মীপুরে আসন চারটি।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে বেশি আসন আছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জের মতো জেলায়।
জাতীয় সংসদে মোট সরাসরি নির্বাচিত আসন ৩০০টি। - ৬২. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত ‘ধীরে বহে মেঘনা’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
- ক. আলমগীর কবির
- খ. খান আতাউর রহমান
- গ. হুমায়ূন আহমেদ
- ঘ. সুভাষ দত্ত
উত্তর: ক. আলমগীর কবির
‘ধীরে বহে মেঘনা’ (১৯৭৩) মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র, আর এর পরিচালক আলমগীর কবির। আলমগীর কবির বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক, যিনি ‘সূর্যকন্যা’ ও ‘সীমানা পেরিয়ে’ ছবিও নির্মাণ করেন।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্য চলচ্চিত্র: জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’, চাষী নজরুল ইসলামের ‘ওরা ১১ জন’।
খান আতাউর রহমান ‘অনিয়ম’ ও ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ চলচ্চিত্রের জন্য পরিচিত। - ৬৩. জাতীয় সংসদে ‘কাস্টিং’ ভোট কি?
- ক. সংসদ নেতার ভোট
- খ. হুইপের ভোট
- গ. স্পিকারের ভোট
- ঘ. রাষ্ট্রপতির ভোট
উত্তর: গ. স্পিকারের ভোট
সংসদে কোনো প্রস্তাবের পক্ষে ও বিপক্ষে ভোট সমান হলে সিদ্ধান্ত ঠিক করার জন্য স্পিকার যে ভোট দেন, তাকে কাস্টিং ভোট (Casting Vote) বলে। সাধারণ অবস্থায় স্পিকার ভোট দেন না, কেবল ভোট সমান হলেই এই ক্ষমতা ব্যবহার করেন। তাই কাস্টিং ভোট স্পিকারের ভোট।
মনে রাখুন:
সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নির্বাচন ও দায়িত্বের কথা আছে।
স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার সংসদ পরিচালনা করেন। - ৬৪. NILG এর পূর্ণরূপ-
- ক. National Information Legal Guide
- খ. National Institute Local Government
- গ. National Identity Licence Guide
- ঘ. National Industrial League Group
উত্তর: খ. National Institute Local Government
NILG-এর পূর্ণরূপ National Institute of Local Government, বাংলায় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট। এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত একটি প্রতিষ্ঠান, যা ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার প্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়। প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন।
মনে রাখুন:
ইউনিয়ন পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে নিচের স্তর।
স্থানীয় সরকারের অন্য স্তর উপজেলা ও জেলা পরিষদ। - ৬৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা-
- ক. ২৬
- খ. ২৭
- গ. ২৮
- ঘ. ৩১
উত্তর: ক. ২৬
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য বিসিএস (Bangladesh Civil Service) পরীক্ষা হয়, আর সরকারি কর্ম কমিশন এই পরীক্ষা নেয়। বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডার থাকে, যেমন প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র, কর, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য। সময়ের সঙ্গে কিছু ক্যাডার একীভূত হওয়ায় সংখ্যা বদলেছে। বর্তমানে বিসিএস ক্যাডারের সংখ্যা ২৬টি।
মনে রাখুন: বিসিএস ক্যাডার দুই ধরনের: সাধারণ ক্যাডার (যেমন প্রশাসন ও পুলিশ) এবং বিশেষায়িত বা কারিগরি ক্যাডার (যেমন স্বাস্থ্য ও প্রকৌশল)। - ৬৬. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের উল্লেখ আছে-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. ১৩০
- খ. ১৩১
- গ. ১৩৭
- ঘ. ১৪০
উত্তর: গ. ১৩৭
বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগে সরকারি কর্মকর্তাদের বিষয় আছে। এর দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের কথা বলা হয়েছে। ১৩৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে, আইনের মাধ্যমে এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission) গঠন করা হবে। পরবর্তী অনুচ্ছেদগুলোতে কমিশনের সদস্য নিয়োগ, মেয়াদ ও কাজের কথা আছে।
মনে রাখুন:
সরকারি কর্ম কমিশন বিসিএসসহ সরকারি চাকরির পরীক্ষা নেয়।
সংবিধানের নবম ভাগের প্রথম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় কর্মের (সার্ভিসেস) কথা আছে। - ৬৭. অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
- ক. ২ ভাগে
- খ. ৪ ভাগে
- গ. ৫ ভাগে
- ঘ. ৮ ভাগে
উত্তর: ক. ২ ভাগে
টারশিয়ারি (Tertiary) যুগে তৈরি বাংলাদেশের পাহাড়গুলো অবস্থান অনুযায়ী দুই ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়, যেখানে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চল পড়ে। দ্বিতীয় ভাগ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়, যেগুলো ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ছড়িয়ে আছে।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের ভূমিরূপ তিন ভাগে ভাগ হয়: টারশিয়ারি পাহাড়, প্লাইস্টোসিন কালের চত্বর (বরেন্দ্র, মধুপুর ও লালমাই) এবং সাম্প্রতিক কালের প্লাবনভূমি। - ৬৮. বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম দেশ কোনটি?
- ক. সেনেগাল
- খ. মালয়েশিয়া
- গ. মালদ্বীপ
- ঘ. পাকিস্তান
উত্তর: ক. সেনেগাল
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর অনেক দেশ ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। আরব নয় এমন মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে আফ্রিকার সেনেগাল সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। এশিয়ার মুসলিম প্রধান দেশ মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে।
মনে রাখুন: পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। - ৬৯. বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব –
- ক. বীর প্রতীক
- খ. বীরশ্রেষ্ঠ
- গ. বীর উত্তম
- ঘ. বীর বিক্রম
উত্তর: ঘ. বীর বিক্রম
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য সরকার চার ধরনের খেতাব দেয়। মর্যাদার ক্রম অনুযায়ী প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ, দ্বিতীয় বীরউত্তম, তৃতীয় বীরবিক্রম এবং চতুর্থ বীরপ্রতীক। তাই তৃতীয় খেতাব বীরবিক্রম।
মনে রাখুন:
বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীরউত্তম ৬৮ জন, বীরবিক্রম ১৭৫ জন ও বীরপ্রতীক ৪২৬ জন।
বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্তরা সবাই শহীদ। - ৭০. ক্রিকেটে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পায়-
- ক. ১৯৯৭ সালে
- খ. ১৯৯৯ সালে
- গ. ২০০১ সালে
- ঘ. ২০০০ সালে
উত্তর: ঘ. ২০০০ সালে
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (International Cricket Council, ICC) ২০০০ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশকে টেস্ট খেলার মর্যাদা দেয়। এর আগে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতে ওয়ানডে মর্যাদা পায় এবং ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে সবার নজর কাড়ে। একই বছর ২০০০ সালের নভেম্বরে ঢাকায় ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট খেলে।
মনে রাখুন: বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আইসিসির সহযোগী সদস্য হয়।
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন
- ৮৮. একজন যোগ্য প্রশাসক ও ব্যবস্থাপকের অত্যাবশকীয় মৌলিক গুণাবলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ গুণ কোনটি?
- ক. দায়িত্বশীলতা
- খ. নৈতিকতা
- গ. দক্ষতা
- ঘ. সরলতা
উত্তর: খ. নৈতিকতা
একজন প্রশাসক বা ব্যবস্থাপকের নানা গুণ থাকা দরকার, যেমন দায়িত্বশীলতা, দক্ষতা ও সরলতা। কিন্তু নৈতিকতা (Ethics) থাকলে তিনি ঠিক-বেঠিক বিচার করে সৎভাবে সিদ্ধান্ত নেন। নৈতিকতা না থাকলে দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতাও ভুল পথে ব্যবহৃত হতে পারে। তাই যোগ্য প্রশাসকের মৌলিক গুণের মধ্যে নৈতিকতাকে শ্রেষ্ঠ ধরা হয়।
মনে রাখুন: নৈতিকতা ভালো-মন্দ ও ন্যায়-অন্যায়ের বিচারবোধ, আর মূল্যবোধ সেই বিচারের ভিত্তি। - ৮৯. আমাদের চিরন্তন মূল্যবোধ কোনটি?
- ক. সত্য ও ন্যায়
- খ. সার্থকতা
- গ. শঠতা
- ঘ. অসহিষ্ণুতা
উত্তর: ক. সত্য ও ন্যায়
যে মূল্যবোধ সবসময় ও সব সমাজে ভালো বলে স্বীকৃত, তাকে চিরন্তন মূল্যবোধ বলে। সত্য ও ন্যায় এমন মূল্যবোধ, কারণ কোনো যুগে বা সমাজে সত্য ও ন্যায়কে খারাপ বলা হয়নি। শঠতা ও অসহিষ্ণুতা নেতিবাচক আচরণ, আর সার্থকতা সবার জন্য সমান অর্থ বোঝায় না।
মনে রাখুন: চিরন্তন মূল্যবোধের উদাহরণ সততা, ন্যায়বিচার, মানবতা ও সহমর্মিতা। - ৯০. রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ কাকে বলা হয়?
- ক. রাজনীতি
- খ. বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়
- গ. সংবাদ মাধ্যম
- ঘ. যুবশক্তি
উত্তর: গ. সংবাদ মাধ্যম
আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগকে রাষ্ট্রের তিন স্তম্ভ ধরা হয়। সংবাদমাধ্যম এই তিনটির কাজ নজরে রাখে এবং জনগণকে সত্য তথ্য জানায়। তাই একে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ (Fourth Estate) বলা হয়। সংবাদমাধ্যম স্বাধীন হলে সরকারের জবাবদিহি বাড়ে।
মনে রাখুন: গণতন্ত্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। - ৯১. সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে কোন মূল্যবোধটি গুরুত্বপূর্ণ নয়?
- ক. বিশ্বস্ততা
- খ. সৃজনশীলতা
- গ. নিরপেক্ষতা
- ঘ. জবাবদিহিতা
উত্তর: খ. সৃজনশীলতা
সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে বিশ্বস্ততা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা অপরিহার্য মূল্যবোধ। এগুলো না থাকলে জনগণ সরকারের ওপর আস্থা হারায়। সৃজনশীলতা ভালো গুণ হলেও নিয়ম ও আইনের কাঠামোর মধ্যে চলা সরকারি সিদ্ধান্তে এটি মৌলিক মূল্যবোধ হিসেবে ধরা হয় না।
মনে রাখুন: সরকারি কর্মকর্তার তিনটি মূল দায়: আইন মেনে চলা, নিরপেক্ষ থাকা এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি করা। - ৯২. UNDP সুশাসন নিশ্চিতকরণে কয়টি উপাদান উল্লেখ করেছে?
- ক. ৬ টি
- খ. ৭টি
- গ. ৮টি
- ঘ. ৯টি
উত্তর: ঘ. ৯টি
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (United Nations Development Programme, UNDP) সুশাসনের ৯টি বৈশিষ্ট্য বা উপাদান উল্লেখ করেছে।
মনে রাখুন:
অংশগ্রহণ, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, সংবেদনশীলতা, ঐকমত্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি, কার্যকারিতা ও দক্ষতা, জবাবদিহিতা এবং কৌশলগত দূরদৃষ্টি। - ৯৩. কোনটি ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়?
- ক. পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ
- খ. আইনের শাসন
- গ. সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ
- ঘ. অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ
উত্তর: গ. সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ
ন্যায়পরায়ণতা মানে সবার সঙ্গে সমান ও নিরপেক্ষ আচরণ। আইনের শাসন, অধিকার ও সুযোগে সমতা এবং পুরস্কার ও শাস্তিতে সমতা ন্যায়পরায়ণতার মূলনীতি। কিন্তু উচ্চশিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ প্রশাসনিক দক্ষতার বিষয়, তাকে ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি বলা যায় না।
মনে রাখুন: ন্যায়বিচারের মূল কথা হলো সমান অবস্থায় সমান আচরণ এবং পক্ষপাতহীনতা। - ৯৪. সরকারি চাকরিতে সততার মাপকাঠি কি?
- ক. যথা সময়ে অফিসে আগমন ও অফিস ত্যাগ করা
- খ. দাপ্তরিক কাজে কোনো অবৈধ সুবিধা গ্রহণ না করা
- গ. নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা
- ঘ. ঊর্ধবতন কর্তৃপক্ষের যে কোনো নির্দেশ প্রতিপালন করা
উত্তর: গ. নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা
শুধু ঠিক সময়ে অফিসে আসা বা অবৈধ সুবিধা না নেওয়া সততার একটি অংশ, পুরো সততা নয়। আর ঊর্ধ্বতনের যেকোনো নির্দেশ মানা সততা নয়, কারণ নির্দেশ অন্যায় হলে তা মানাও অনৈতিক। প্রকৃত সততা হলো লোভ বা পক্ষপাত ছাড়া নিয়ম মেনে নিজের দায়িত্ব সম্পূর্ণ পালন করা।
মনে রাখুন: সরকারি চাকরিতে সততার তিনটি দিক: স্বার্থহীনতা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা। - ৯৫. নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান কি?
- ক. সততা ও নিষ্ঠা
- খ. কর্তব্যপরায়ণতা
- গ. মায়া ও মমতা
- ঘ. উদারতা
উত্তর: ক. সততা ও নিষ্ঠা
নৈতিক শক্তি মানে প্রলোভন বা চাপের মুখেও ঠিক কাজটি করার মনের জোর। এই জোরের মূলে সততা ও নিষ্ঠা, কারণ এ দুটি গুণ থাকলে মানুষ সত্যের পক্ষে অটল থাকতে পারে। কর্তব্যপরায়ণতা, মায়া-মমতা ও উদারতাও ভালো গুণ, কিন্তু নৈতিক শক্তির ভিত্তি সততা ও নিষ্ঠা।
মনে রাখুন: নৈতিক শক্তি দিয়েই মানুষ দুর্নীতির প্রলোভন ঠেকাতে পারে। - ৯৬. সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সঙ্গে সুশীল সমাজের, সরকারের সঙ্গে শাসিত জনগণের, শাসকের সঙ্গে শাসিতের সম্পর্ক বোঝায় -উক্তিটি কার?
- ক. এরিস্টটল
- খ. জন স্টুয়ার্ট মিল
- গ. ম্যাককরনী
- ঘ. মেকিয়াভেলি
উত্তর: গ. ম্যাককরনী
সুশাসন (Good governance) শব্দের এই সংজ্ঞাটি ম্যাককরনীর (McCorney)। তাঁর মতে সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সঙ্গে সুশীল সমাজের, সরকারের সঙ্গে শাসিত জনগণের এবং শাসকের সঙ্গে শাসিতের সম্পর্ক বোঝায়। এখানে সুশাসনকে দুই পক্ষের পারস্পরিক সম্পর্ক হিসেবে দেখা হয়েছে।
মনে রাখুন: সুশাসনের মূল উপাদান স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন ও জনগণের অংশগ্রহণ। - ৯৭. জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয় হলো-
- ক. সুশাসন
- খ. আইনের শাসন
- গ. রাজনীতি
- ঘ. মানবাধিকার
উত্তর: ক. সুশাসন
সুশাসন (Good governance) এমন একটি ধারণা, যা জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসন তিনটিকেই একসঙ্গে জড়িয়ে রাখে। প্রশাসন কতটা স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী, সুশাসন তা দিয়ে মাপা হয়। আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুশাসনের অংশ, কিন্তু একা তারা এই তিন পক্ষের সম্পর্ক পুরোপুরি বোঝায় না।
মনে রাখুন: ইংরেজি Governance শব্দের বাংলা শাসন, আর Good governance-এর বাংলা সুশাসন।
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ৯৮. Choose the appropriate preposition in the blank of the following sentence: The family doesn’t feel _____ going outing this season.
- ক. in
- খ. on
- গ. like
- ঘ. of
উত্তর: গ. like
‘Feel like’ একটি বাক্যাংশ, যার অর্থ কোনো কিছু করার ইচ্ছা হওয়া। এর পরে gerund, অর্থাৎ verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত রূপ বসে। তাই সঠিক বাক্য: The family doesn’t feel like going outing this season, অর্থাৎ পরিবারটির এ মৌসুমে বেড়াতে যেতে ইচ্ছা করছে না।
উদাহরণ: I don’t feel like eating anything now.
মনে রাখুন: Gerund-এর পর বসা একই ধরনের গঠন: look forward to going, be used to working। - ৯৯. fill in the blank with appropriate use of tense: I couldn’t mend the computer myself, so I ______ at a shop.
- ক. had it mended
- খ. had it mend
- গ. did it mend
- ঘ. had mended
উত্তর: ক. had it mended
অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া বোঝাতে ইংরেজিতে ‘have + object + past participle’ গঠন ব্যবহার হয়। বাক্যে বলা হচ্ছে, নিজে কম্পিউটার সারাতে পারেনি, তাই দোকানে সারিয়ে নিয়েছে। ঘটনাটি অতীতের, তাই ‘had it mended’ বসে।
উদাহরণ: I had my hair cut yesterday.
মনে রাখুন: Active হলো ‘The mechanic mended it’, আর Causative হলো ‘I had it mended’। - ১০০. Use the appropriate article: I saw _____ one-eyed man when I was walking on the road.
- ক. a
- খ. an
- গ. the
- ঘ. no article is needed
উত্তর: ক. a
Article বসাতে হলে পরের শব্দের বানান নয়, প্রথম উচ্চারিত ধ্বনি দেখতে হয়। ‘One’ শব্দের উচ্চারণ ‘ওয়ান’, যার শুরুতে ব্যঞ্জনধ্বনি ‘w’ আছে। তাই এর আগে ‘a’ বসে: a one-eyed man।
উদাহরণ: a university, a European, a one-way street।
মনে রাখুন: স্বরধ্বনির উচ্চারণ দিয়ে শুরু হলে ‘an’ বসে, যেমন an hour, an honest man। - ১০১. The word ‘omnivorous’ means :
- ক. eating all types of food
- খ. eating only fruits
- গ. eating only meat
- ঘ. eating grass and plants only
উত্তর: ক. eating all types of food
Omnivorous মানে সর্বভুক, অর্থাৎ যে প্রাণী উদ্ভিদ ও প্রাণী দুই ধরনের খাবারই খায়। মানুষ, কাক ও ভালুক সর্বভুক। শুধু মাংস খেলে তাকে carnivorous বলে, আর শুধু উদ্ভিদ খেলে herbivorous।
মনে রাখুন: Omni- উপসর্গের অর্থ সব, আর -vorous মানে খাদক। এজন্য omnivore মানে সবকিছু-খাদক। - ১০২. Complete the following sentence choosing the appropriate option: It’s raining cats and dogs, so - -
- ক. Watch out for falling animals.
- খ. Make sure you take an umbrella.
- গ. Keep your pets inside.
- ঘ. Keep the windows open.
উত্তর: খ. Make sure you take an umbrella.
‘It’s raining cats and dogs’ একটি idiom, যার অর্থ মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এর আক্ষরিক অর্থ ধরলে বিড়াল ও কুকুর আকাশ থেকে পড়ছে, কিন্তু আসলে তা নয়। প্রবল বৃষ্টি হলে সবচেয়ে যুক্তিসংগত পরামর্শ ছাতা সঙ্গে নেওয়া। তাই সঠিক বাক্য: Make sure you take an umbrella।
মনে রাখুন: Idiom-এর অর্থ আক্ষরিক নয়, বরং ভিন্ন একটি ভাব প্রকাশ করে। - ১০৩. The phrase ‘Achilles’ heel’ means:
- ক. A strong point
- খ. A weak point
- গ. A permanent solution
- ঘ. A serious idea
উত্তর: খ. A weak point
‘Achilles’ heel’ কথাটির অর্থ কোনো শক্তিশালী মানুষ বা ব্যবস্থার দুর্বল জায়গা। গ্রিক পুরাণে বীর অ্যাকিলিসের সারা শরীর অজেয় ছিল, শুধু গোড়ালি ছাড়া। ট্রয়ের যুদ্ধে সেই গোড়ালিতেই তির লেগে তাঁর মৃত্যু হয়। তাই কথাটি দিয়ে দুর্বলতা বা ব্যর্থতার একমাত্র জায়গা বোঝানো হয়।
উদাহরণ: His temper is his Achilles’ heel. - ১০৪. He worked with all sincerity. Here the phrase “with all sincerity” is _____.
- ক. A noun phrase
- খ. An adjective phrase
- গ. An infinitive phrase
- ঘ. An adverbial phrase
উত্তর: ঘ. An adverbial phrase
‘With all sincerity’ অংশটি জানাচ্ছে সে কীভাবে কাজ করেছে। অর্থাৎ এটি ক্রিয়া ‘worked’-কে বিশেষিত করছে এবং ক্রিয়ার ধরন বা পদ্ধতি বোঝাচ্ছে। যে বাক্যাংশ ক্রিয়াকে এভাবে বিশেষিত করে, তাকে adverbial phrase বলে। এখানে ‘with’ preposition দিয়ে শুরু হওয়া ‘with all sincerity’ একটি শব্দগুচ্ছ, যা adverb-এর মতো কাজ করছে।
উদাহরণ: She spoke in a low voice. (এখানে ‘in a low voice’ adverbial phrase) - ১০৫. This is the book I lost. Here ‘I lost’ is-
- ক. A noun clause
- খ. An adverbial clause
- গ. An adjective clause
- ঘ. None of the three
উত্তর: গ. An adjective clause
‘This is the book I lost’ বাক্যে ‘(that) I lost’ অংশটি ‘book’ noun-কে বিশেষিত করছে, অর্থাৎ কোন বইয়ের কথা হচ্ছে তা বলছে। যে clause কোনো noun বা pronoun-কে বিশেষিত করে, তাকে adjective clause বলে। এখানে relative pronoun ‘that’ উহ্য আছে। তাই ‘I lost’ একটি adjective clause।
উদাহরণ: The man who helped me is my uncle.
মনে রাখুন: Noun clause noun-এর কাজ করে, আর adverbial clause ক্রিয়াকে বিশেষিত করে। - ১০৬. Which do you think is the nearest in meaning to ‘proviso’:
- ক. sanction
- খ. substitute
- গ. stipulation
- ঘ. directive
উত্তর: গ. stipulation
Proviso শব্দের অর্থ কোনো চুক্তি বা নিয়মের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া শর্ত। এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ stipulation, কারণ stipulation মানেও চুক্তিতে নির্দিষ্ট করে দেওয়া শর্ত। Sanction মানে অনুমোদন বা নিষেধাজ্ঞা, Substitute মানে বিকল্প এবং Directive মানে নির্দেশ।
উদাহরণ: He agreed to sign the contract with the proviso that the price would not rise. - ১০৭. Cassandra is a night owl, so she doesn’t usually get up until about:
- ক. 11 a.m
- খ. 11 p.m
- গ. 7 a.m
- ঘ. 7 p.m
উত্তর: ক. 11 a.m
‘Night owl’ বাগধারার অর্থ যে মানুষ অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকে। পেঁচা রাতে জেগে থাকে বলে এই নাম। এমন মানুষ সাধারণত সকালে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠে। তাই ক্যাসান্দ্রা সকাল ১১টার আগে সাধারণত ওঠেন না। রাত ১১টা বা সন্ধ্যা ৭টায় ওঠা অর্থহীন, আর সকাল ৭টা ভোরে ওঠার মানুষের সময়।
মনে রাখুন: ‘Early bird’ বলা হয় যে সকালে তাড়াতাড়ি ওঠে। - ১০৮. Select the word that is the most closely opposite in meaning to the capitalized word : DELETERIOUS-
- ক. toxic
- খ. spurious
- গ. harmless
- ঘ. lethal
উত্তর: গ. harmless
Deleterious শব্দের অর্থ ক্ষতিকর। এর বিপরীত শব্দ harmless, অর্থাৎ ক্ষতিহীন বা নিরীহ। Toxic মানে বিষাক্ত ও lethal মানে প্রাণঘাতী, দুটিই ক্ষতিকর অর্থের কাছাকাছি, তাই সমার্থক ধারার শব্দ। Spurious মানে নকল বা ভেজাল।
উদাহরণ: Smoking has a deleterious effect on health.
মনে রাখুন: Deleterious-এর সমার্থক শব্দ Harmful, Damaging, Injurious। - ১০৯. Gerontion is a poem by _______.
- ক. T. S Eliot
- খ. W. B Yeats
- গ. Mathew Arnold
- ঘ. Robert Browning
উত্তর: ক. T. S Eliot
‘Gerontion’ টি. এস. এলিয়টের একটি কবিতা, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়। এক জীর্ণ বৃদ্ধের স্বগতোক্তির মাধ্যমে কবিতায় আধুনিক সভ্যতার আত্মিক শূন্যতা ফুটে উঠেছে। এলিয়টের আরও বিখ্যাত রচনা আছে।
মনে রাখুন:
এলিয়টের অন্য বিখ্যাত কবিতা ‘The Waste Land’ (১৯২২) ও ‘The Love Song of J. Alfred Prufrock’।
তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। - ১১০. Fill in the blank. ”_______” is Shakespeare’s last play.
- ক. As You Like It
- খ. Macbeth
- গ. Tempest
- ঘ. Othello
উত্তর: গ. Tempest
সাধারণভাবে ‘The Tempest’-কে শেক্সপিয়রের একক রচনায় লেখা শেষ নাটক ধরা হয়। এটি ১৬১০-১১ সালের দিকে লেখা। As You Like It, Macbeth ও Othello এর অনেক আগের রচনা। The Tempest একটি রোম্যান্টিক নাটক, যেখানে প্রসপেরো একটি দ্বীপে নির্বাসিত জাদুকর।
মনে রাখুন: শেক্সপিয়রের জন্ম ১৫৬৪ ও মৃত্যু ১৬১৬ সালে। - ১১১. Who has written the poem ”Elegy Written in a Country Churchyard”?
- ক. Thomas Gray
- খ. P. B Shelley
- গ. Robert Frost
- ঘ. Y. B Yeats
উত্তর: ক. Thomas Gray
‘Elegy Written in a Country Churchyard’ টমাস গ্রে (Thomas Gray) লেখা বিখ্যাত শোককবিতা, যা ১৭৫১ সালে প্রকাশিত হয়। কবি গ্রামের একটি গির্জার কবরস্থানে সাধারণ মানুষের কবর দেখে জীবন ও মৃত্যু নিয়ে ভাবেন। কবিতাটি দেখায় যে সাধারণ মানুষের জীবনও গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানের যোগ্য।
মনে রাখুন: গ্রে অষ্টাদশ শতকের কবি, আর ‘Elegy’ কবিতাটি বিলাপ বা শোকের কবিতা। - ১১২. Who has written the play ‘Volpone’?
- ক. John Webster
- খ. Ben Jonson
- গ. Christopher Marlowe
- ঘ. William Shakespeare
উত্তর: খ. Ben Jonson
‘Volpone’ (১৬০৬) বেন জনসনের (Ben Jonson) লেখা একটি ব্যঙ্গাত্মক কমেডি। এতে ধনী ভলপোন মৃত্যুর ভান করে লোভী মানুষদের ঠকায়। এই কাহিনির মাধ্যমে লেখক মানুষের লোভ ও লালসাকে ব্যঙ্গ করেছেন। বেন জনসন শেক্সপিয়রের সমসাময়িক ছিলেন।
মনে রাখুন: বেন জনসনের অন্য বিখ্যাত নাটক ‘The Alchemist’ ও ‘Every Man in His Humour’। - ১১৩. Shakespeare composed much of his plays in what sort of verse?
- ক. Alliterative
- খ. Sonnet form
- গ. Iambic pentameter
- ঘ. Dactylic Hexameter
উত্তর: গ. Iambic pentameter
শেক্সপিয়র তাঁর নাটকের বেশির ভাগ অংশ লিখেছেন blank verse বা অমিত্রাক্ষর ছন্দে, যার মাত্রা iambic pentameter। এই ছন্দে প্রতি লাইনে পাঁচটি পর্ব (foot) থাকে এবং প্রতিটি পর্বে একটি হালকা ও একটি জোরালো উচ্চারণের অক্ষর থাকে। এর শব্দের তাল মানুষের স্বাভাবিক কথার কাছাকাছি, তাই নাটকের সংলাপের জন্য এটি উপযুক্ত।
উদাহরণ: Shall I compare thee to a summer’s day?
মনে রাখুন: শেক্সপিয়র ১৫৪টি সনেটও লিখেছেন, যেগুলোও iambic pentameter-এ। - ১১৪. The repetition of beginning consonant sound is known as ______.
- ক. personification
- খ. onomatopoeia
- গ. alliteration
- ঘ. rhyme
উত্তর: গ. alliteration
পরপর কয়েকটি শব্দের শুরুতে একই ব্যঞ্জনধ্বনি বারবার এলে তাকে alliteration বলে, বাংলায় অনুপ্রাস। এটি কবিতায় ধ্বনির সৌন্দর্য আনে। Onomatopoeia হলো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দ, যেমন buzz, আর rhyme হলো লাইনের শেষে ধ্বনির মিল।
উদাহরণ: Peter Piper picked a peck of pickled peppers. - ১১৫. Which of the following is not a poetic tradition?
- ক. The Epic
- খ. The Comic
- গ. The Occult
- ঘ. the Tragic
উত্তর: গ. The Occult
Epic (মহাকাব্য), Comic (হাস্যরসাত্মক) ও Tragic (বিয়োগান্ত) সাহিত্যের স্বীকৃত ধারা। কিন্তু Occult মানে গুপ্তবিদ্যা বা অলৌকিক রহস্যময় বিষয়, এটি কোনো কাব্যধারা নয়।
মনে রাখুন: Epic-এর উদাহরণ হোমারের ‘Iliad’ ও মিল্টনের ‘Paradise Lost’। - ১১৬. What is a funny poem of five lines called?
- ক. Quartet
- খ. Limerick
- গ. Sixtet
- ঘ. Haiku
উত্তর: খ. Limerick
পাঁচ লাইনের মজার কবিতাকে Limerick বলে। এর মিলের ছক aabba, অর্থাৎ ১, ২ ও ৫ নম্বর লাইনের মিল এবং ৩ ও ৪ নম্বর লাইনের মিল। ইংরেজ কবি এডওয়ার্ড লিয়ার এ ধরনের কবিতাকে জনপ্রিয় করেন। Haiku তিন লাইনের জাপানি কবিতা, Quartet চার লাইনের স্তবক, আর Sixtet ছয় লাইনের স্তবক।
মনে রাখুন: Haiku-তে ৫-৭-৫ অক্ষরের তিনটি লাইন থাকে। - ১১৭. Who wrote ”Biographia Literaria”?
- ক. Lord Byron
- খ. P. B Shelley
- গ. S. T Coleridge
- ঘ. Charles Lamb
উত্তর: গ. S. T Coleridge
‘Biographia Literaria’ (১৮১৭) স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজের (S. T. Coleridge) লেখা। এতে তাঁর জীবনের কিছু কথার সঙ্গে সাহিত্যতত্ত্ব আলোচিত হয়েছে। বিশেষ করে কবিতা ও কল্পনাশক্তি (Imagination) নিয়ে তাঁর মত এই বইয়ে আছে। কোলরিজ ইংরেজ রোমান্টিক যুগের কবি ও সমালোচক।
মনে রাখুন: কোলরিজের বিখ্যাত কবিতা ‘The Rime of the Ancient Mariner’ ও ‘Kubla Khan’। - ১১৮. Robert Browning was a _____ poet.
- ক. Romantic
- খ. Victorian
- গ. Modern
- ঘ. Elizabethan
উত্তর: খ. Victorian
রবার্ট ব্রাউনিং (Robert Browning, ১৮১২-১৮৮৯) ভিক্টোরীয় যুগের কবি। তিনি dramatic monologue ধাঁচের কবিতার জন্য বিখ্যাত, যেখানে একজন চরিত্র শ্রোতার সামনে নিজের কথা বলে যায়। রোমান্টিক যুগ তাঁর আগের সময়, আর এলিজাবেথীয় যুগ ষোলো শতকের শেষ ও সতেরো শতকের গোড়ার।
মনে রাখুন: ব্রাউনিংয়ের বিখ্যাত কবিতা ‘My Last Duchess’ ও ‘Andrea del Sarto’। তিনি কবি এলিজাবেথ ব্যারেট ব্রাউনিংকে বিয়ে করেন। - ১১৯. Othello gave Desdemona ______ as a token of love :
- ক. Ring
- খ. Handkerchief
- গ. Pendant
- ঘ. Bangles
উত্তর: খ. Handkerchief
শেক্সপিয়রের ‘Othello’ নাটকে ওথেলো ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে ডেসডিমোনাকে একটি রুমাল (handkerchief) দিয়েছিলেন। ডেসডিমোনা রুমালটি হারিয়ে ফেললে ইয়াগো সেটি কাজে লাগিয়ে ওথেলোকে বোঝায় যে তাঁর স্ত্রী অবিশ্বস্ত। এই সন্দেহ থেকেই নাটকের ট্র্যাজেডি ঘটে।
মনে রাখুন: ‘Othello’ শেক্সপিয়রের চার মহান ট্র্যাজেডির একটি, আর এর খলনায়ক ইয়াগো। - ১২০. P. B. Shelley’s Adonais’ is an elegy on the death of _______.
- ক. John Milton
- খ. S. T. Coleridge
- গ. John Keats
- ঘ. Lord Byron
উত্তর: গ. John Keats
পি. বি. শেলির ‘Adonais’ (১৮২১) কবি জন কিটসের মৃত্যুতে লেখা শোককবিতা, অর্থাৎ elegy। কিটস ১৮২১ সালে মাত্র ২৫ বছর বয়সে রোমে মারা যান। শেলি কবিতাটিতে কিটসকে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়া অমর কবি হিসেবে দেখিয়েছেন।
মনে রাখুন: কিটসের বিখ্যাত কবিতা ‘Ode to a Nightingale’ ও ‘Ode on a Grecian Urn’। - ১২১. The comparison of unlike things using the words like or as is known to be-
- ক. metaphor
- খ. simile
- গ. alliteration
- ঘ. personification
উত্তর: খ. simile
দুটি আলাদা জিনিসের মধ্যে ‘like’ বা ‘as’ শব্দ দিয়ে তুলনা করাকে simile (উপমা) বলে। যেমন ‘as brave as a lion’। Metaphor-এ এই শব্দগুলো ছাড়াই সরাসরি বলা হয় যে একটি জিনিস অন্যটি, যেমন ‘He is a lion’। Personification-এ নির্জীব বস্তুকে মানুষের গুণ দেওয়া হয়।
উদাহরণ: Her smile is like sunshine. - ১২২. ‘Restoration period’ in English literature refers to –
- ক. 1560
- খ. 1660
- গ. 1760
- ঘ. 1866
উত্তর: খ. 1660
ইংল্যান্ডে ১৬৪৯ সালে রাজা প্রথম চার্লসের মৃত্যুদণ্ডের পর কিছুকাল রাজতন্ত্র ছিল না এবং অলিভার ক্রমওয়েলের পিউরিটান শাসন চলে। ১৬৬০ সালে দ্বিতীয় চার্লস সিংহাসনে ফিরে এলে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত (Restore) হয়। সেই বছর থেকে শুরু হওয়া ইংরেজি সাহিত্যের যুগকে Restoration period বলে।
মনে রাখুন:
এ যুগের বিখ্যাত লেখক জন ড্রাইডেন ও উইলিয়াম কনগ্রিভ।
এ সময় পিউরিটানদের নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়ে থিয়েটার আবার চালু হয়। - ১২৩. ‘The Sun Also Rises’ is a novel written by - –
- ক. Charles Dickens
- খ. Herman Melville
- গ. Earnest Hemingway
- ঘ. Thomas Hardy
উত্তর: গ. Earnest Hemingway
‘The Sun Also Rises’ (১৯২৬) আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম বড় উপন্যাস। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর যে তরুণ প্রজন্ম জীবনের অর্থ খুঁজে পাচ্ছিল না, তাদের কথা এতে আছে। এই প্রজন্মকে ‘Lost Generation’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
হেমিংওয়ের অন্য বিখ্যাত উপন্যাস ‘A Farewell to Arms’ ও ‘The Old Man and the Sea’।
তিনি ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। - ১২৪. Telephone : Cable : : Radio :?
- ক. Microphone
- খ. Wireless
- গ. Electricity
- ঘ. Wire
উত্তর: খ. Wireless
Telephone : Cable :: Radio : ? সাদৃশ্য-প্রশ্নে প্রথম জোড়ার সম্পর্ক বুঝে নিতে হয়। টেলিফোনের সংকেত যায় তারের (cable) মাধ্যমে। রেডিওর সংকেত তার ছাড়া বাতাসের মধ্য দিয়ে যায়, অর্থাৎ wireless মাধ্যমে। তাই সম্পর্কটি যন্ত্র ও তার সংকেত চলার মাধ্যম, আর উত্তর Wireless।
মনে রাখুন: ‘Wireless’ শব্দের অর্থ তারবিহীন, আর রেডিওকে আগে ‘wireless’ বলা হতো। - ১২৫. Find out the correct synonym of ‘TENUOUS’-
- ক. Vital
- খ. Thin
- গ. Careful
- ঘ. Dangerous
উত্তর: খ. Thin
Tenuous শব্দের অর্থ সরু, পাতলা বা দুর্বল, এমন কিছু যার ভিত্তি মজবুত নয়। তাই এর সমার্থক শব্দ Thin। Vital মানে অত্যন্ত জরুরি, Careful মানে সতর্ক, আর Dangerous মানে বিপজ্জনক।
উদাহরণ: The evidence against him was tenuous.
মনে রাখুন: Tenuous-এর সমার্থক Slight, Weak, Flimsy। - ১২৬. Which of the following words is in singular form?
- ক. formulae
- খ. agenda
- গ. oases
- ঘ. radius
উত্তর: ঘ. radius
Radius শব্দটি একবচন, আর এর বহুবচন radii। বাকি তিনটি শব্দ লাতিন ভাষা থেকে আসা বহুবচন রূপ: formulae হলো formula-র বহুবচন, oases হলো oasis-এর বহুবচন, আর agenda হলো agendum-এর বহুবচন।
মনে রাখুন:
Crisis-এর বহুবচন crises, Phenomenon-এর বহুবচন phenomena।
Syllabus-এর বহুবচন syllabi বা syllabuses। - ১২৭. Choose the correct sentence:
- ক. All of it depend on you
- খ. All of it are depending on you
- গ. All of it depends on you
- ঘ. All of it are depended on you
উত্তর: গ. All of it depends on you
‘All of it’ এখানে একটি অবিভাজ্য জিনিসকে বোঝায়, অর্থাৎ ‘it’ একবচন। তাই ক্রিয়া একবচন হবে। সঠিক বাক্য: All of it depends on you। ‘All of them’ হলে ক্রিয়া বহুবচন হতো। ‘Depend’ শব্দ simple present-এ তৃতীয় পুরুষ একবচন কর্তার সঙ্গে ‘-s’ নেয়।
উদাহরণ: All of the money is gone. All of the books are gone. - ১২৮. A rolling stone gathers no moss. The complex form of the sentence is - -
- ক. Since a stone is rolling, it gathers no moss.
- খ. Though a stone rolls, it gathers no moss.
- গ. A stone what rolls gathers no moss.
- ঘ. A stone that rolls, gathers no moss.
উত্তর: ঘ. A stone that rolls, gathers no moss.
Simple বাক্যকে complex করতে একটি অধীন খণ্ডবাক্য, যেমন relative clause, যোগ করা হয়। ‘A rolling stone’ অংশটিকে ‘a stone that rolls’ করলে বাক্যে ‘that rolls’ একটি adjective clause তৈরি হয়। তাই সঠিক বাক্য: A stone that rolls gathers no moss। অর্থ একই থাকে, শুধু গঠন বদলায়।
মনে রাখুন: প্রবাদটির অর্থ যে মানুষ বারবার জায়গা বা পেশা বদলায়, সে কিছুই জমাতে পারে না। - ১২৯. A chart was ”appended” to the report Here ‘appended’ means - -
- ক. changed
- খ. removed
- গ. joined
- ঘ. shortened
উত্তর: গ. joined
Append শব্দের অর্থ কোনো লেখা বা দলিলের শেষে কিছু জুড়ে দেওয়া। তাই ‘a chart was appended to the report’ মানে রিপোর্টের সঙ্গে একটি ছক জুড়ে দেওয়া হয়েছে, অর্থাৎ joined। বিকল্পের অন্য শব্দগুলো, changed, removed ও shortened, এর অর্থ বোঝায় না।
উদাহরণ: A list of names was appended to the letter.
মনে রাখুন: Appendix মানে বইয়ের শেষে যোগ করা অতিরিক্ত অংশ। - ১৩০. The mother sat vigilantly beside the sick baby. Here ‘vigilantly’ is-
- ক. a noun
- খ. an adverb
- গ. an adjective
- ঘ. none of the three
উত্তর: খ. an adverb
‘Vigilantly’ শব্দটি জানাচ্ছে মা কীভাবে বসে ছিলেন, অর্থাৎ এটি ক্রিয়া ‘sat’-কে বিশেষিত করছে। ক্রিয়াকে বিশেষিত করে যে শব্দ, তা adverb। ‘Vigilant’ হলো এর adjective রূপ, যার অর্থ সতর্ক, আর ‘-ly’ যোগ করে adverb তৈরি হয়েছে।
উদাহরণ: The guard watched the gate vigilantly. - ১৩১. The new offer of job was ”alluring” Here ‘alluring’ means - –
- ক. unexpected
- খ. tempting
- গ. disappointing
- ঘ. ordinary
উত্তর: খ. tempting
Alluring শব্দের অর্থ আকর্ষণীয় বা লোভনীয়, যা মানুষকে নিজের দিকে টানে। তাই চাকরির প্রস্তাবটি alluring মানে সেটি tempting ছিল। Unexpected মানে অপ্রত্যাশিত, Disappointing মানে হতাশাজনক, আর Ordinary মানে সাধারণ।
উদাহরণ: The alluring smell of fresh bread made him hungry.
মনে রাখুন: Alluring-এর সমার্থক Attractive, Tempting, Charming। - ১৩২. “Who planted this tree here?” The correct passive voice of this sentence is-
- ক. By whom was the tree planted here?
- খ. Who the tree had been planted hereby?
- গ. The tree was planted here by whom?
- ঘ. By whom had the tree been planted here?
উত্তর: ক. By whom was the tree planted here?
Active voice-এর বাক্যটি ‘Who planted this tree here?’। Who দিয়ে শুরু হওয়া প্রশ্নকে Passive করতে ‘By whom’ দিয়ে শুরু করতে হয়। মূল বাক্য Past indefinite, তাই Passive-এ ‘was + past participle’ বসে। অতএব সঠিক Passive: By whom was the tree planted here?
উদাহরণ: Who wrote this letter? → By whom was this letter written? - ১৩৩. Frailty thy name is women. Here ”Frailty”is :
- ক. A noun
- খ. An adjective
- গ. An adverb
- ঘ. A verb
উত্তর: ক. A noun
‘Frailty’ শব্দের অর্থ দুর্বলতা, এটি একটি গুণবাচক বিশেষ্য (Abstract noun), আর বাক্যে কর্তা হিসেবে বসেছে। এর adjective রূপ frail। উক্তিটি শেক্সপিয়রের ‘Hamlet’ নাটকের, যেখানে হ্যামলেট মায়ের দ্রুত দ্বিতীয় বিয়ের কথা ভেবে এ কথা বলেন।
মনে রাখুন: Abstract noun এমন বস্তুর নাম, যা ছোঁয়া যায় না, যেমন honesty, beauty, frailty। - ১৩৪. Education is ”enlightening” Here ‘enlightening’ is - -:
- ক. A gerund
- খ. A participle
- গ. An infinitive
- ঘ. A finite verb
উত্তর: খ. A participle
‘Education is enlightening’ বাক্যে ‘enlightening’ শব্দটি verb-এর ‘-ing’ রূপ হলেও ক্রিয়ার কাজ করছে না। বরং এটি education কেমন, তা বর্ণনা করছে, অর্থাৎ adjective-এর মতো কাজ করছে। যে ‘-ing’ রূপ adjective-এর কাজ করে, তাকে present participle বলে। Gerund বসত যদি সেটি বিশেষ্যের কাজ করত।
উদাহরণ: A barking dog seldom bites. (এখানে barking participle)
Swimming is good exercise. (এখানে swimming gerund)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ১৩৫. কোনটি বাগধারা বোঝায়?
- ক. চৈত্র সংক্রান্তি
- খ. পৌষ সংক্রান্তি
- গ. শিরে সংক্রান্তি
- ঘ. শিব-সংক্রান্তি
উত্তর: গ. শিরে সংক্রান্তি
‘শিরে সংক্রান্তি’ একটি বাগধারা, যার অর্থ আসন্ন বিপদ বা মাথার ওপর বিপদ ঝুলে থাকা। চৈত্র সংক্রান্তি, পৌষ সংক্রান্তি ও শিব-সংক্রান্তি নির্দিষ্ট দিনের নাম, এগুলো বাগধারা নয়, এদের কোনো আলংকারিক অর্থ নেই।
উদাহরণ: পরীক্ষা এসে গেল, অথচ পড়া হয়নি, এখন শিরে সংক্রান্তি। - ১৩৬. কোনটি মৌলিক শব্দ?
- ক. মানব
- খ. গোলাপ
- গ. একাঙ্ক
- ঘ. ধাতব
উত্তর: খ. গোলাপ
যে শব্দকে ভেঙে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। ‘গোলাপ’ এমন শব্দ। অন্যদিকে ‘মানব’ গঠিত হয়েছে মনু + অ প্রত্যয়ে, ‘ধাতব’ ধাতু + অ প্রত্যয়ে এবং ‘একাঙ্ক’ এক + অঙ্ক সমাসে। তাই এগুলো সাধিত শব্দ।
মনে রাখুন: গঠন অনুসারে বাংলা শব্দ মৌলিক ও সাধিত, এই দুই ভাগে বিভক্ত। - ১৩৭. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র লেখা?
- ক. বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
- খ. বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
- গ. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
- ঘ. বাংলা সাহিত্যের কথা
উত্তর: ঘ. বাংলা সাহিত্যের কথা
‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিষয়ক গ্রন্থ, যা দুই খণ্ডে প্রকাশিত। ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ দীনেশচন্দ্র সেনের এবং ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’ সুকুমার সেনের লেখা।
মনে রাখুন: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষাতত্ত্ব ও প্রাচীন সাহিত্যের গবেষক, তিনি ‘ভাষা ও সাহিত্য’ গ্রন্থেরও লেখক। - ১৩৮. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?
- ক. মুনীর চৌধুরী
- খ. হাসান হাফিজুর রহমান
- গ. শামসুর রাহমান
- ঘ. গাজীউল হক
উত্তর: খ. হাসান হাফিজুর রহমান
ভাষা আন্দোলনকে নিয়ে প্রকাশিত প্রথম সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’, যা ১৯৫৩ সালে বের হয়। এর সম্পাদক ছিলেন কবি হাসান হাফিজুর রহমান। মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলন নিয়ে ‘কবর’ নাটক লিখেছেন, আর শামসুর রাহমান ও গাজীউল হক অন্য কাজের জন্য পরিচিত।
মনে রাখুন: ‘কবর’ নাটক মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে জেলে বসে লেখেন। - ১৩৯. নিচের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ?
- ক. নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব
- খ. অনূর্বর, ঊর্ধবগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি
- গ. ভূরিভূরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃশ্বসা
- ঘ. রানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য
উত্তর: ক. নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব
প্রথম গুচ্ছের তিনটি বানানই অশুদ্ধ। শুদ্ধ রূপ হলো নিক্বণ, সূচ্যগ্র ও অনূর্ধ্ব। বাকি গুচ্ছগুলোতে শুদ্ধ বানানও আছে, যেমন অনূর্বর, ভূরিভূরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃশ্বসা, রানি, বিকিরণ ও দুরতিক্রম্য শুদ্ধ। তাই সবগুলো বানান অশুদ্ধ কেবল প্রথম গুচ্ছে।
মনে রাখুন: ‘ঊর্ধ্ব’ ও ‘অনূর্ধ্ব’ বানানে ঊ-কার ও ‘র্ধ্ব’ যুক্ত থাকে। - ১৪০. বাংলাদেশে ‘গ্রাম থিয়েটার’- এর প্রবর্তক কে?
- ক. মমতাজউদদীন আহমদ
- খ. আব্দুল্লাহ আল মামুন
- গ. সেলিম আল দীন
- ঘ. রামেন্দু মজুমদার
উত্তর: গ. সেলিম আল দীন
নাট্যকার সেলিম আল দীন বাংলাদেশে গ্রাম থিয়েটারের প্রবর্তক। শহরের মঞ্চের বাইরে গ্রামের মানুষের কাছে নাটক পৌঁছে দিতে এবং বাংলার নিজস্ব নাট্যরীতি গড়তে তিনি এই আন্দোলন শুরু করেন। তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘কীর্তনখোলা’ ও ‘হাত হদাই’।
মনে রাখুন: সেলিম আল দীন বাংলার পুরোনো আখ্যান ও পালাগানের ধারায় নাটক লেখার চেষ্টা করেন। - ১৪১. ‘সমভিব্যাহারে’ শব্দটির অর্থ কী?
- ক. একাগ্রতায়
- খ. সমান ব্যবহারে
- গ. সম ভাবনায়
- ঘ. একযোগে
উত্তর: ঘ. একযোগে
‘সমভিব্যাহারে’ শব্দের অর্থ একসঙ্গে বা একযোগে, অর্থাৎ কারও সঙ্গে মিলে। সাধারণত সংযোগ বা সঙ্গ বোঝাতে এ শব্দ লেখায় ব্যবহৃত হয়। একাগ্রতা, সমান ব্যবহার বা সম ভাবনার সঙ্গে এর অর্থের মিল নেই।
উদাহরণ: তিনি পুত্রের সমভিব্যাহারে কলকাতা গেলেন। - ১৪২. শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কী রস বলে?
- ক. ভাবরস
- খ. মধুর রস
- গ. প্রেমরস
- ঘ. লীলারস
উত্তর: খ. মধুর রস
বৈষ্ণব পদাবলিতে ভক্তির পাঁচটি রস আছে: শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য ও মধুর। রাধা-কৃষ্ণের প্রেম মধুর রসের উদাহরণ। অলংকারশাস্ত্রে প্রেমের এই ভাবকে শৃঙ্গার রস বলে, আর বৈষ্ণব পদাবলিতে শৃঙ্গার রসকেই মধুর রস বলা হয়।
মনে রাখুন: বৈষ্ণব পদাবলির বিখ্যাত কবি চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস। - ১৪৩. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?
- ক. Buddhist Mystic Songs
- খ. চর্যাগীতিকা
- গ. চর্যাগীতিকোষ
- ঘ. হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা
উত্তর: ক. Buddhist Mystic Songs
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ চর্যাপদ নিয়ে ইংরেজিতে ‘Buddhist Mystic Songs’ নামে একটি গ্রন্থ সম্পাদনা করেন, যা ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদিত গ্রন্থ, যেখানে চর্যাপদ প্রথম ছাপা হয়।
মনে রাখুন: চর্যাপদের পুঁথি ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কার করেন। - ১৪৪. ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?
- ক. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
- খ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
- গ. চন্দ্রকুমার দে
- ঘ. দীনেশচন্দ্র সেন
উত্তর: গ. চন্দ্রকুমার দে
‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ ও ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ সম্পাদনা করেন দীনেশচন্দ্র সেন, কিন্তু এর পালাগুলো গ্রামে গ্রামে ঘুরে সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। তাই লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে। এগুলো গ্রামবাংলার লোকজীবনের প্রেম ও বেদনার কাহিনি।
মনে রাখুন: ‘মহুয়া’, ‘মলুয়া’ ও ‘কমলা’ মৈমনসিংহ গীতিকার বিখ্যাত পালা। - ১৪৫. ‘জলে-স্থলে’ কী সমাস?
- ক. সমার্থক দ্বন্দ্ব
- খ. বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব
- গ. অলুক দ্বন্দ্ব
- ঘ. একশেষ দ্বন্দ্ব
উত্তর: গ. অলুক দ্বন্দ্ব
যে দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। ‘জলে-স্থলে’ সমস্তপদে দুই অংশেই ‘এ’ বিভক্তি রয়ে গেছে, তাই এটি অলুক দ্বন্দ্ব। এর ব্যাসবাক্য জলে ও স্থলে।
উদাহরণ: হাতে-কলমে, দুধে-ভাতে, ঘরে-বাইরে। - ১৪৬. ‘ঔ’ কোন ধরনের স্বরধ্বনি?
- ক. যৌগিক স্বরধ্বনি
- খ. তালব্য স্বরধ্বনি
- গ. মিলিত স্বরধ্বনি
- ঘ. কোনোটি নয়
উত্তর: ক. যৌগিক স্বরধ্বনি
‘ঔ’ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বর। দুটি স্বরধ্বনি দ্রুত একসঙ্গে উচ্চারিত হয়ে একটি ধ্বনির মতো শোনালে তাকে যৌগিক স্বর বলে। ‘ঔ’ তৈরি হয়েছে ও + উ মিলে। একইভাবে ‘ঐ’ তৈরি হয়েছে ও + ই মিলে।
মনে রাখুন: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি, যার মধ্যে ঐ ও ঔ যৌগিক স্বর। - ১৪৭. ‘বিস্ময়াপন্ন’ সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
- ক. বিস্ময় দ্বারা আপন্ন
- খ. বিস্ময়ে আপন্ন
- গ. বিস্ময়কে আপন্ন
- ঘ. বিস্ময়ে যে আপন্ন
উত্তর: গ. বিস্ময়কে আপন্ন
‘বিস্ময়াপন্ন’ সমস্ত পদটির অর্থ বিস্ময় প্রাপ্ত হয়েছে এমন। ‘আপন্ন’ শব্দের অর্থ প্রাপ্ত। তাই এর ব্যাসবাক্য ‘বিস্ময়কে আপন্ন’। এখানে ‘কে’ বিভক্তির মাধ্যমে প্রথম পদটি দ্বিতীয়া বিভক্তিযুক্ত, তাই সমাসটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ।
উদাহরণ: দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখাপন্ন, সংকটকে আপন্ন = সংকটাপন্ন। - ১৪৮. কবি কায়কোবাদ রচতি ‘মহাশ্মশান’ কাব্যের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল - -
- ক. পলাশীর যুদ্ধ
- খ. তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
- গ. ১৯৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
- ঘ. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
উত্তর: খ. তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ তিন খণ্ডের মহাকাব্য। এর কাহিনি ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ, যেখানে আহমদ শাহ আবদালির কাছে মারাঠারা পরাজিত হয়। কাব্যটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়। ‘মহাশ্মশান’ নামের কারণ যুদ্ধক্ষেত্রে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু।
মনে রাখুন: কায়কোবাদের আসল নাম কাজেম আল কোরায়শী, আর তাঁর আরেকটি কাব্য ‘অশ্রুমালা’। - ১৪৯. সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ কোনটি?
- ক. রহু চণ্ডালের হাড়
- খ. কৈবর্ত খণ্ড
- গ. ফুল বউ
- ঘ. অলীক মানুষ
উত্তর: ঘ. অলীক মানুষ
‘অলীক মানুষ’ সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের বিখ্যাত উপন্যাস, এর জন্য তিনি ভারতের সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান। ‘রহু চণ্ডালের হাড়’ অভিজিৎ সেনের লেখা এবং ‘কৈবর্ত খণ্ড’ সত্যেন সেনের লেখা।
মনে রাখুন: সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘নিলঘরের ঘরামি’। - ১৫০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?
- ক. ১৯১০
- খ. ১৯১১
- গ. ১৯১২
- ঘ. ১৯১৩
উত্তর: ক. ১৯১০
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলা কাব্য ‘গীতাঞ্জলি’ ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। এর কিছু কবিতা নিজে ইংরেজিতে অনুবাদ করে তিনি ১৯১২ সালে ‘Song Offerings’ নামে প্রকাশ করেন। এর জন্য ১৯১৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান, যা এশিয়ার প্রথম নোবেল।
মনে রাখুন: ইংরেজি ‘Song Offerings’-এর ভূমিকা লেখেন ডব্লিউ. বি. ইয়েটস। - ১৫১. ‘আসাদের শার্ট’ কবিতার লেখক কে?
- ক. আল মাহমুদ
- খ. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
- গ. অমিয় চক্রবর্তী
- ঘ. শামসুর রাহমান
উত্তর: ঘ. শামসুর রাহমান
‘আসাদের শার্ট’ শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কবিতা। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে শহিদ ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদকে নিয়ে কবিতাটি লেখা। রক্তমাখা শার্টটি এখানে সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠেছে। কবিতাটি তাঁর ‘নিজ বাসভূমে’ কাব্যগ্রন্থে আছে।
মনে রাখুন: শামসুর রাহমানের ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ বিখ্যাত কবিতা। - ১৫২. ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’ –এর অর্থ কী?
- ক. কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয়
- খ. কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
- গ. কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয়
- ঘ. কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয়
উত্তর: খ. কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’ নামটির অর্থ কোনটি আচরণীয় আর কোনটি আচরণীয় নয়, তা নির্ণয় করা। ‘চর্যা’ মানে আচরণ বা সাধনার পথ, আর ‘অচর্যা’ মানে যা আচরণযোগ্য নয়। নেপালের পুঁথিতে চর্যাপদ এই নামেই পাওয়া যায়।
মনে রাখুন: চর্যাপদে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনার কথা রূপকের ভাষায় আছে। - ১৫৩. ‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনি অবলম্বনে লেখা?
- ক. শৈবধর্ম
- খ. বৌদ্ধ সহজযান
- গ. নাথধর্ম
- ঘ. কোনোটি নয়
উত্তর: গ. নাথধর্ম
শেখ ফয়জুল্লাহর ‘গোরক্ষবিজয়’ নাথ সাহিত্যের একটি কাব্য। কাহিনিতে গুরু মীননাথ ভোগবিলাসে মজে গেলে তাঁর শিষ্য গোরক্ষনাথ গুরুকে উদ্ধার করেন। নাথধর্মে যোগসাধনার মাধ্যমে দেহকে ধরে রাখার কথা বলা হয়। তাই কাব্যটি নাথধর্মের কাহিনি অবলম্বনে লেখা।
মনে রাখুন: নাথ সাহিত্যের আরও বিখ্যাত রচনা ‘ময়নামতীর গান’ বা ‘গোপীচন্দ্রের গান’। - ১৫৪. শাক্ত পদাবলির জন্য বিখ্যাত-
- ক. রামনিধি গুপ্ত
- খ. দাশরথি রায়
- গ. এন্টনি ফিরিঙ্গি
- ঘ. রামপ্রসাদ সেন
উত্তর: ঘ. রামপ্রসাদ সেন
দেবী কালী বা শ্যামাকে নিয়ে লেখা গানকে শাক্ত পদাবলি বলে, আর এর বিখ্যাত কবি রামপ্রসাদ সেন। তাঁর গান ‘রামপ্রসাদী সুর’ নামে পরিচিত। এই গানে ভক্ত মাতৃরূপে দেবীকে ডাকে ও নিজের অভিমান জানায়। রামনিধি গুপ্ত টপ্পা গানের জন্য, দাশরথি রায় পাঁচালির জন্য এবং অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি কবিগানের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখুন: শাক্ত পদাবলির আরেক কবি কমলাকান্ত ভট্টাচার্য। - ১৫৫. ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. হুমায়ুন আজাদ
- খ. হেলাল হাফিজ
- গ. আসাদ চৌধুরী
- ঘ. রফিক আজাদ
উত্তর: ক. হুমায়ুন আজাদ
‘অলৌকিক ইস্টিমার’ হুমায়ুন আজাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। হেলাল হাফিজের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘যে জলে আগুন জ্বলে’। হুমায়ুন আজাদ কবি হওয়ার পাশাপাশি ভাষাবিজ্ঞানী ও প্রাবন্ধিক।
মনে রাখুন: হুমায়ুন আজাদের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘নারী’ (১৯৯২)। - ১৫৬. ‘Custom’ শব্দের পরিভাষা কোনটি যথার্থ?
- ক. আইন
- খ. প্রথা
- গ. শুল্ক
- ঘ. রাজস্বনীতি
উত্তর: খ. প্রথা
‘Custom’ শব্দের বাংলা পরিভাষা প্রথা। সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রীতি বোঝাতে এ শব্দ ব্যবহার হয়। তবে বহুবচন ‘Customs’ শুল্ক অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন Customs duty মানে শুল্ক। প্রশ্নে একবচন Custom থাকায় উত্তর প্রথা।
মনে রাখুন: Law মানে আইন, আর Revenue policy মানে রাজস্বনীতি। - ১৫৭. কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় ‘কালাপাহাড়’- কে স্মরণ করেছেন কেন?
- ক. ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে
- খ. ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে
- গ. প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে
- ঘ. প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে
উত্তর: ঘ. প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে
কালাপাহাড় ছিলেন ইতিহাসের এক সেনাপতি, যিনি বহু মন্দির ও মূর্তি ভেঙেছিলেন বলে কথিত। নজরুল তাঁকে প্রচলিত ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কার ভাঙার প্রতীক হিসেবে স্মরণ করেছেন। তাঁর কাছে কালাপাহাড় এমন বিদ্রোহী, যে প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল।
মনে রাখুন: নজরুলকে ‘বিদ্রোহী কবি’ বলা হয়, আর তাঁর ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - ১৫৮. ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল!’ -এ বিখ্যাত বর্ণনা কোন উপন্যাসের?
- ক. বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’
- খ. রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’
- গ. বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’
- ঘ. রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’
উত্তর: গ. বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’
‘প্রদীপ নিবিয়া গেল!’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের বিখ্যাত বাক্য। বাক্যটি আসন্ন বিপদ বা দুঃখজনক পরিণতির আভাস দেয়। এই উপন্যাসের কাহিনি নবকুমার ও কপালকুণ্ডলাকে ঘিরে।
মনে রাখুন: ‘কপালকুণ্ডলা’ ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। - ১৫৯. ‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।’ -কার উক্তি?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. মীর মশাররফ হোসেনের
- খ. ইসমাইল হোসেন সিরাজীর
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: ক. মীর মশাররফ হোসেনের
‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই, সে মানুষ নহে’ উক্তিটি মীর মশাররফ হোসেনের। তিনি ‘বিষাদ-সিন্ধু’র লেখক। তাঁর সময়ে অনেক বাঙালি মুসলমান উর্দু বা ফারসিকে নিজেদের সাহিত্যের ভাষা ভাবতেন। কিন্তু তিনি মাতৃভাষা বাংলায় সাহিত্যচর্চার পক্ষে কথা বলেন।
মনে রাখুন:
মীর মশাররফ হোসেনের আরও রচনা ‘জমিদার দর্পণ’ নাটক ও ‘গাজী মিয়ার বস্তানী’। - ১৬০. বর্গের কোন বর্ণসমূহের ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি?
- ক. তৃতীয় বর্ণ
- খ. দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
- গ. প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
- ঘ. দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ
উত্তর: খ. দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখ থেকে বেশি বাতাস বের হলে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি এবং কম বাতাস বের হলে অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে। প্রতিটি বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ, যেমন ক, গ। আর দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ, যেমন খ, ঘ। পঞ্চম বর্ণ নাসিক্য ধ্বনি।
মনে রাখুন: বর্গের বাইরে হ ও কিছু ঊষ্ম বর্ণও মহাপ্রাণ ধ্বনি। - ১৬১. ‘কদাকার’ শব্দটি কোন উপসর্গযোগে গঠিত?
- ক. দেশি উপসর্গযোগে
- খ. বিদেশি উপসর্গযোগে
- গ. সংস্কৃত উপসর্গযোগে
- ঘ. কোনোটি নয়
উত্তর: ক. দেশি উপসর্গযোগে
‘কদাকার’ শব্দটি ‘কদ’ উপসর্গ ও ‘আকার’ শব্দের যোগে গঠিত। এখানে ‘কদ’ একটি দেশি বা খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যার অর্থ কুৎসিত বা খারাপ। অর্থাৎ কদাকার মানে কুৎসিত আকারের। সংস্কৃত উপসর্গ প্র, পরা, অপ, সম প্রভৃতি, যেগুলো সংখ্যায় ২০টি, তার মধ্যে ‘কদ’ পড়ে না।
মনে রাখুন: কিছু বাংলা উপসর্গ অ, অনা, আ, কু, নি, পাতি, বি, সা, সু। - ১৬২. মুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয় কোন ছন্দে?
- ক. মাত্রাবৃত্ত
- খ. অক্ষরবৃত্ত
- গ. মুক্তক
- ঘ. স্বরবৃত্ত
উত্তর: ঘ. স্বরবৃত্ত
স্বরবৃত্ত ছন্দে প্রতিটি দলকে বা অক্ষরকে এক মাত্রা ধরা হয়, সেটি মুক্ত হোক বা বদ্ধ। এই ছন্দ দ্রুত ও ছড়ার ঢঙের, তাই একে ছড়ার ছন্দ বা দলবৃত্ত বলা হয়। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে বদ্ধাক্ষর বা যৌগিক স্বরের অক্ষরকে সাধারণত দুই মাত্রা ধরা হয়, তাই সেখানে মুক্ত ও বদ্ধ অক্ষরের মাত্রা সমান নয়।
মনে রাখুন: স্বরবৃত্তের মূল পর্ব চার মাত্রার। - ১৬৩. নিচের কোনটি অশুদ্ধ?
- ক. অহিংস – সহিংস
- খ. প্রসন্ন – বিষন্ন
- গ. দোষী – নির্দোষী
- ঘ. নিষ্পাপ – পাপিনী
উত্তর: গ. দোষী – নির্দোষী
‘নির্’ উপসর্গ যোগ হলে ‘দোষ’ শব্দ থেকে ‘নির্দোষ’ হয়, যার অর্থ দোষহীন। এই শব্দ নিজেই বিশেষণ, তাই এর শেষে আবার ‘ঈ’ প্রত্যয় যোগ করা ভুল। তাই ‘দোষী – নির্দোষী’ জোড়াটি অশুদ্ধ। সঠিক বিপরীত জোড়া ‘দোষী – নির্দোষ’।
মনে রাখুন:
বিশেষণ ‘সহিংস’-এর বিপরীত ‘অহিংস’।
‘প্রসন্ন’-এর বিপরীত ‘বিষণ্ণ’, যেটি ‘ণ্ণ’ দিয়ে লেখা হয়। - ১৬৪. ‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম কী?
- ক. বুদ্ধদেব বসু
- খ. দীনেশরঞ্জন দাশ
- গ. সজনীকান্ত দাস
- ঘ. প্রেমেন্দ্র মিত্র
উত্তর: খ. দীনেশরঞ্জন দাশ
‘কল্লোল’ পত্রিকা ১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ, আর তাঁর সঙ্গে ছিলেন গোকুলচন্দ্র নাগ। এই পত্রিকাকে ঘিরে রবীন্দ্র-পরবর্তী আধুনিক সাহিত্যিকদের একটি দল গড়ে ওঠে, যাকে ‘কল্লোল যুগ’ বলা হয়।
মনে রাখুন: কল্লোল গোষ্ঠীর বিখ্যাত লেখকদের মধ্যে বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র ও অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত ছিলেন। - ১৬৫. ‘আমি এ কথা, এ ব্যথা, সুখ ব্যাকুলতা কাহার চরণতলে দিব নিছনি।।’- রবীন্দ্রনাথের এ গানে ‘নিছনি’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. অপনোদন অর্থে
- খ. পূজা অর্থে
- গ. বিলানো অর্থে
- ঘ. উপহার অর্থে
উত্তর: খ. পূজা অর্থে
‘নিছনি’ শব্দের অর্থ প্রিয়জনের মঙ্গলের জন্য কিছু উৎসর্গ বা নিবেদন করা। গানের লাইনে কবি নিজের কথা, ব্যথা ও সুখের ব্যাকুলতা কার চরণের তলে নিবেদন করবেন, সেই প্রশ্ন করেছেন। তাই এখানে ‘নিছনি’ পূজা বা নিবেদনের অর্থে এসেছে। অপনোদন মানে দূর করা, আর বিলানো মানে বিতরণ করা।
মনে রাখুন: ‘নিছনি’ প্রাচীন বা মধ্যযুগীয় বাংলা শব্দ, বৈষ্ণব পদাবলিতেও এর প্রয়োগ আছে। - ১৬৬. ‘ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।’- কে বলেছেন?
- ক. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
- খ. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. কাজী আব্দুল ওদুদ
উত্তর: ক. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
‘ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম’ উক্তিটি মোতাহের হোসেন চৌধুরীর। তাঁর ‘সংস্কৃতি-কথা’ প্রবন্ধ থেকে এটি নেওয়া। তিনি ঢাকার ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং যুক্তিনির্ভর চিন্তা ও সংস্কৃতিচর্চার পক্ষে লিখেছেন।
মনে রাখুন: মোতাহের হোসেন চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘সংস্কৃতি-কথা’ ও ‘সভ্যতা’। - ১৬৭. কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- ক. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
- খ. তার কথা শুনে আমি আশ্চার্যান্বিত হলাম।
- গ. তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
- ঘ. সেদিন থেকে তিনি সেখান আর যায় না।
উত্তর: খ. তার কথা শুনে আমি আশ্চার্যান্বিত হলাম।
প্রতিটি বাক্য আলাদা করে দেখতে হবে। প্রথম বাক্যে ‘স্বপরিবারে’ ভুল, শুদ্ধ রূপ ‘সপরিবারে’। তৃতীয় বাক্যে ‘পরশ্রীকাতরতা’ মানে অন্যের ভালো দেখে হিংসা, তাই এতে মুগ্ধ হওয়া অর্থের দিক থেকে অসংগত। চতুর্থ বাক্যে ‘সেখান’ ভুল, শুদ্ধ ‘সেখানে’। তাই দ্বিতীয় বাক্যটিই, যেখানে ‘আশ্চর্যান্বিত’ শব্দটি আছে, সঠিক।
মনে রাখুন: ‘আশ্চর্য’ বানানে র-ফলা ও য-ফলা দুটিই আছে। - ১৬৮. Ode কী?
- ক. শোককবিতা
- খ. পত্রকাব্য
- গ. খণ্ড কবিতা
- ঘ. কোরাসগান
উত্তর: ঘ. কোরাসগান
Ode শব্দটি এসেছে গ্রিক ‘ওইদে’ থেকে, যার অর্থ গান। প্রাচীন গ্রিসে ওড দলবেঁধে কোরাসে গাওয়া হতো। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘কোরাসগান’ই সবচেয়ে কাছের উত্তর। পরে এটি গম্ভীর ও আবেগময় গীতিকবিতার নাম হয়ে যায়, যা কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবকে সম্বোধন করে লেখা হয়।
মনে রাখুন: শোককবিতাকে বলে Elegy, আর খণ্ড কবিতাকে বলে Lyric। - ১৬৯. মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?
- ক. বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
- খ. আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
- গ. ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা
- ঘ. ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
উত্তর: ঘ. ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের ধ্বনিবিজ্ঞান-বিষয়ক গ্রন্থ ‘ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব’, যা ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে বাংলা ধ্বনির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ আছে এবং বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে এটি একটি মৌলিক গ্রন্থ।
মনে রাখুন: মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের আরও গ্রন্থ ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতি’ ও ‘ভাষা ও সাহিত্য’। - ১৭০. কোনটি ‘অগ্নি’র সমার্থক শব্দ নয়?
- ক. পাবক
- খ. বহ্নি
- গ. হুতাশন
- ঘ. প্রজ্বলিত
উত্তর: ঘ. প্রজ্বলিত
পাবক, বহ্নি ও হুতাশন তিনটি শব্দই ‘অগ্নি’ বা আগুনের সমার্থক শব্দ। কিন্তু ‘প্রজ্বলিত’ মানে জ্বলে উঠেছে এমন, এটি বিশেষণ, আগুনের নাম নয়। তাই এটি অগ্নির সমার্থক শব্দ নয়।
মনে রাখুন: অগ্নির অন্য সমার্থক শব্দ অনল, শিখা, দহন, বৈশ্বানর। - ১৭১. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. Achivement
- খ. Acheivment
- গ. Achievement
- ঘ. Acheivement
উত্তর: গ. Achievement
শুদ্ধ বানান Achievement। শব্দটি এসেছে ক্রিয়া Achieve থেকে। ‘ie’ বানানের একটি নিয়ম হলো, ‘c’ ছাড়া অন্য অক্ষরের পর ‘i’ আগে এবং ‘e’ পরে বসে (i before e except after c)। Achieve-এর শেষের ‘e’ রেখে ‘-ment’ যোগ হয়ে Achievement গঠিত।
উদাহরণ: believe, field, piece (ie), আর receive, ceiling (ei)। - ১৭২. বিভা : কিরণ : : সুবলিত :?
- ক. সুবিদিত
- খ. সুগঠিত
- গ. সুবিনীত
- ঘ. বিধিত
উত্তর: খ. সুগঠিত
বিভা ও কিরণ সমার্থক শব্দ, দুটিই আলো বোঝায়। এই সম্পর্ক ধরে ‘সুবলিত’ শব্দের সমার্থক শব্দ খুঁজতে হবে। ‘সুবলিত’ মানে সুগঠিত বা সুন্দরভাবে গড়া। তাই জোড়াটি সুবলিত : সুগঠিত। সুবিদিত মানে সুপরিচিত, আর সুবিনীত মানে অত্যন্ত বিনয়ী।
উদাহরণ: তাঁর সুবলিত দেহ সবার নজর কাড়ে।
মানসিক দক্ষতা
- ১৭৩. If LOYAL is coded as ‘JOWAJ’, then PRONE is coded as - -
- ক. QRPNF
- খ. NRMND
- গ. ORNMG
- ঘ. NRMNC
উত্তর: ঘ. NRMNC
LOYAL থেকে JOWAJ কীভাবে হলো দেখি। প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম অক্ষর দুই ধাপ পিছিয়েছে: L→J, Y→W, L→J। দ্বিতীয় ও চতুর্থ অক্ষর O ও A একই আছে।
এই নিয়মে PRONE: P→N, R→R, O→M, N→N, E→C। তাই কোডটি NRMNC। - ১৮২. ভোর বেলায় আপনি বেড়াতে বের হয়েছেন। বের হওয়ার সময় সূর্য আপনার সামনে ছিল। কিছুক্ষণ পরে আপনি বামদিকে ঘুরলেন, কয়েক মিনিট পরে আপনি ডানদিকে ঘুরলেন। এখন আপনার মুখ কোনদিকে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. পূর্ব
- খ. পশ্চিম
- গ. উত্তর
- ঘ. দক্ষিণ
উত্তর: ক. পূর্ব
ভোরবেলায় সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে। সূর্য সামনে ছিল, তাই শুরুতে মুখ ছিল পূর্ব দিকে।
পূর্ব দিকে মুখ করে বামে ঘুরলে মুখ হয় উত্তর দিকে।
এরপর ডানে ঘুরলে আবার মুখ পূর্ব দিকে ফিরে আসে।
তাই এখন মুখ পূর্ব দিকে।
মনে রাখুন: পূর্ব দিকে মুখ করলে ডান হাত দক্ষিণে এবং বাম হাত উত্তরে থাকে। - ১৮৩. একটি মোটা ও একটি চিকন হাতলওয়ালা স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে একই মাপের দুটি স্ক্রু-কে কাঠবোর্ডের ভিতরে সমান গভীরতায় প্রবেশ করাতে চাইলে কোনটি ঘটবে?
- ক. মোটা হাতলের ড্রাইভারকে বেশিবার ঘুরাতে হবে
- খ. চিকন হাতলের ড্রাইভারকে বেশিবার ঘুরাতে হবে
- গ. দু’টিকে একই সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. দু’টিকে একই সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে
স্ক্রু একবার ঘুরলে কতটা ভেতরে ঢুকবে, তা নির্ভর করে স্ক্রুর প্যাঁচের দূরত্বের ওপর, হাতলের মোটা-চিকনের ওপর নয়। দুটি স্ক্রুই একই মাপের, তাই সমান গভীরতায় ঢোকাতে দুটিকেই সমান সংখ্যকবার ঘোরাতে হবে। মোটা হাতলের ড্রাইভার শুধু কম বল প্রয়োগে ঘোরাতে সুবিধা দেয়, ঘোরানোর সংখ্যা কমায় না।
মনে রাখুন: স্ক্রুর দুটি প্যাঁচের মধ্যবর্তী দূরত্বকে পিচ (pitch) বলে। - ১৮৬. কোনো নৌকাকে বেশি গতিতে চালাতে হলে, বৈঠা ব্যবহার করতে হবে –
- ক. পিছনে
- খ. সামনে
- গ. ডান পার্শ্বে
- ঘ. বাম পার্শ্বে
উত্তর: ক. পিছনে
নৌকার বৈঠা পানিকে পেছনের দিকে ঠেলে। নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী প্রতিটি ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। তাই পানিও নৌকাকে সমান বলে সামনের দিকে ঠেলে। ফলে নৌকা এগিয়ে যায়। নৌকা দ্রুত চালাতে হলে তাই বৈঠা পেছনের দিকে চালাতে হয়।
মনে রাখুন: নিউটনের তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। - ১৮৯. একটি লন রোলারকে যদি দুইজন ব্যক্তির একজন টেনে নেয় ও একজন ঠেলে নেয় তবে কার বেশি কষ্ট হবে?
- ক. টেনে নেয়া ব্যক্তির
- খ. ঠেলে নেয়া ব্যক্তির
- গ. দু’জনের সমান কষ্ট হবে
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. ঠেলে নেয়া ব্যক্তির
লন রোলার ঠেললে হাতলের বলের কিছু অংশ নিচের দিকে কাজ করে এবং রোলারকে মাটির সঙ্গে আরও চেপে ধরে। এতে ঘর্ষণ বাড়ে। টানলে বলের কিছু অংশ ওপরের দিকে কাজ করে এবং রোলারের ভার কিছুটা কমায়, তাই ঘর্ষণ কমে। অতএব ঠেলে নেওয়া ব্যক্তির বেশি কষ্ট হবে।
মনে রাখুন: ঘর্ষণ বল পৃষ্ঠের ওপর বস্তু কতটা চেপে বসে তার ওপর নির্ভর করে।
গাণিতিক যুক্তি
- ১৭৪. 10% মুনাফায় 3000 টাকা এবং 8% মুনাফায় 2000 টাকা বিনিয়োগ করলে মোট মূলধনের উপর গড়ে শতকরা কত হারে মুনাফা পাওয়া যাবে?
- ক. 9%
- খ. 9.2%
- গ. 8%
- ঘ. 8.2%
উত্তর: খ. 9.2%
মোট মুনাফা = 3000 টাকার 10% + 2000 টাকার 8% = 300 + 160 = 460 টাকা।
মোট মূলধন = 3000 + 2000 = 5000 টাকা।
গড় মুনাফার হার = (460 ÷ 5000) × 100 = 9.2%। - ১৭৫. 100 টাকায় 10 টি ডিম কিনে 100 টাকায় 8 টি ডিম বিক্রয় করলে শতকরা লাভ কত হবে?
- ক. 16%
- খ. 20%
- গ. 25%
- ঘ. 28%
উত্তর: গ. 25%
১০টি ডিমের ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা, তাই ১টির ক্রয়মূল্য 100 ÷ 10 = 10 টাকা।
৮টি ডিমের বিক্রয়মূল্য ১০০ টাকা, তাই ১টির বিক্রয়মূল্য 100 ÷ 8 = 12.5 টাকা।
লাভ = 12.5 - 10 = 2.5 টাকা, তাই শতকরা লাভ = (2.5 ÷ 10) × 100 = 25%। - ১৭৬. দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা, অংকদ্বয়ের স্থান বিনিময়ের ফলে 54 বৃদ্ধি পায়। অংক দুটির যোগফল 12 হলে সংখ্যাটি কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০১৯
- ক. 57
- খ. 75
- গ. 39
- ঘ. 93
উত্তর: গ. 39
সংখ্যাটির দশকের অঙ্ক x ও এককের অঙ্ক y হলে সংখ্যাটি 10x + y। স্থান বদল করলে 10y + x।
(10y + x) - (10x + y) = 54, অর্থাৎ 9(y - x) = 54, তাই y - x = 6।
আবার x + y = 12। যোগ করলে 2y = 18, তাই y = 9 এবং x = 3। সংখ্যাটি 39।
যাচাই: 93 - 39 = 54। - ১৭৭. একটি সমান্তর অনুক্রমের সাধারণ অন্তর 10 এবং 6-তম পদটি 52 হলে 15-তম পদটি–
- ক. 140
- খ. 142
- গ. 148
- ঘ. 150
উত্তর: খ. 142
সমান্তর অনুক্রমে প্রতিটি পদ আগের পদের চেয়ে সাধারণ অন্তর (d) বেশি। 6-তম পদ থেকে 15-তম পদে যেতে 15 - 6 = 9 বার d যোগ করতে হয়। তাই 15-তম পদ = 52 + 9 × 10 = 142।
মনে রাখুন: n-তম পদ = a + (n - 1)d। - ১৭৮. একটি গুণোত্তর অনুক্রমে তৃতীয় পদটি 20 এবং ষষ্ঠ (6-তম) পদটি 160 হলে প্রথম পদটি - –
- ক. 5
- খ. 10
- গ. 12
- ঘ. 8
উত্তর: ক. 5
গুণোত্তর অনুক্রমে প্রথম পদ a ও সাধারণ অনুপাত r হলে তৃতীয় পদ ar² = 20 এবং ষষ্ঠ পদ ar⁵ = 160।
ভাগ করলে r³ = 160 ÷ 20 = 8, তাই r = 2।
প্রথম পদ a = 20 ÷ r² = 20 ÷ 4 = 5। - ১৭৯. 17 সে.মি., 15 সে.মি., 8 সে.মি বাহু বিশিষ্ট ত্রিভুজটি হবে - -
- ক. সমবাহু
- খ. সমদ্বিবাহু
- গ. সমকোণী
- ঘ. স্থূলকোণী
উত্তর: গ. সমকোণী
ত্রিভুজের তিন বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া থাকলে পিথাগোরাসের উপপাদ্য দিয়ে এর ধরন বোঝা যায়। বড় বাহুর বর্গ অন্য দুই বাহুর বর্গের যোগফলের সমান হলে ত্রিভুজ সমকোণী হয়।
এখানে 8² + 15² = 64 + 225 = 289 = 17²। তাই ত্রিভুজটি সমকোণী, আর ১৭ সেমি বাহুটি এর অতিভুজ।
মনে রাখুন: যোগফল বড় বাহুর বর্গের চেয়ে কম হলে ত্রিভুজ স্থূলকোণী, আর বেশি হলে সূক্ষ্মকোণী। - ১৮০. 13 সেমি ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের একটি জ্যা- এর দৈর্ঘ্য 24 সেমি হলে কেন্দ্র থেকে উক্ত জ্যা- এর লম্ব দূরত্ব কত সেমি?
- ক. 3
- খ. 4
- গ. 5
- ঘ. 6
উত্তর: গ. 5
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে কোনো জ্যা-এর ওপর লম্ব টানলে তা জ্যা-কে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। তাই জ্যা-এর অর্ধেক 24 ÷ 2 = 12 সেমি।
কেন্দ্র, জ্যা-এর মধ্যবিন্দু ও জ্যা-এর এক প্রান্ত মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ হয়, যার অতিভুজ ব্যাসার্ধ 13 সেমি।
লম্ব দূরত্ব = √(13² - 12²) = √(169 - 144) = √25 = 5 সেমি। - ১৮১. 10 টি জিনিসের মধ্যে 2 টি এক জাতীয় এবং বাকিগুলো ভিন্ন ভিন্ন জিনিস। ঐ জিনিসগুলো থেকে প্রতিবারে 5 টি নিয়ে কত প্রকারে বাছাই করা যায়?
- ক. 170
- খ. 182
- গ. 190
- ঘ. 192
উত্তর: খ. 182
১০টি জিনিসের মধ্যে ২টি এক জাতীয়, আর বাকি ৮টি ভিন্ন। তাই ৫টি নেওয়ার উপায় এক জাতীয় জিনিস কতটি নেওয়া হলো, তার ওপর নির্ভর করে।
একটিও না নিলে 8টি ভিন্ন জিনিস থেকে ৫টি: C(8,5) = 56।
একটি নিলে বাকি ৪টি ৮টি থেকে: C(8,4) = 70।
দুটিই নিলে বাকি ৩টি ৮টি থেকে: C(8,3) = 56।
মোট = 56 + 70 + 56 = 182। - ১৮৪. ৫-এর কত শতাংশ ৭ হবে ?
- ক. ৪০
- খ. ১২৫
- গ. ৯০
- ঘ. ১৪০
উত্তর: ঘ. ১৪০
৫-এর x শতাংশ ৭ হলে, 5 × x/100 = 7। তাই x = (7 ÷ 5) × 100 = 140।
অর্থাৎ ৭ হলো ৫-এর ১৪০ শতাংশ।
মনে রাখুন: ‘ক কত শতাংশ খ-এর’ হলে (ক ÷ খ) × 100 হিসাব করতে হয়। - ১৮৫. ০.৪ X ০.০২ X ০.০৮ =?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯
- ক. ০.৬৪
- খ. ০.০৬৪
- গ. ০.০০০৬৪
- ঘ. ৬.৪০
উত্তর: গ. ০.০০০৬৪
দশমিক সংখ্যার গুণে প্রথমে দশমিক বিন্দু বাদ দিয়ে গুণ করতে হয়। 4 × 2 × 8 = 64।
দশমিকের পরে অঙ্ক আছে 0.4-এ ১টি, 0.02-এ ২টি ও 0.08-এ ২টি, মোট 5টি।
তাই গুণফল 64-কে পাঁচ ঘর দশমিকে লিখলে 0.00064। - ১৮৭. ২০০৯ সালের ২৮ আগস্ট শুক্রবার ছিল। ঐ বছরের ১ অক্টোবর কি বার ছিল।
- ক. বুধবার
- খ. বৃহস্পতিবার
- গ. শুক্রবার
- ঘ. শনিবার
উত্তর: খ. বৃহস্পতিবার
২৮ আগস্ট থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত দিন গুনি। আগস্টের বাকি দিন 31 - 28 = 3, সেপ্টেম্বরের ৩০ দিন এবং অক্টোবরের ১ দিন, মোট 3 + 30 + 1 = 34 দিন।
34 ÷ 7 = 4, ভাগশেষ 6। তাই শুক্রবারের ৬ দিন পর বার হবে বৃহস্পতিবার।
মনে রাখুন: ভাগশেষ হলো সাত দিনের চক্রের বাইরে বাড়তি দিনের সংখ্যা। - ১৮৮. কোনো বৃত্তের ব্যাসার্ধ যদি ২০% কমে, তবে উক্ত বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত % কমবে?
- ক. ১০%
- খ. ২০%
- গ. ৩৬%
- ঘ. ৪০%
উত্তর: গ. ৩৬%
বৃত্তের ক্ষেত্রফল πr², অর্থাৎ ব্যাসার্ধের বর্গের সমানুপাতিক। ব্যাসার্ধ ২০% কমলে নতুন ব্যাসার্ধ 0.8r।
নতুন ক্ষেত্রফল = π(0.8r)² = 0.64πr², অর্থাৎ আগের 64%।
তাই ক্ষেত্রফল কমে 100 - 64 = 36%। - ১৯০. 261 টি আম তিন ভাইয়ের মধ্যে 1/3 :1/5 :1/9 অনুপাতে ভাগ করে দিলে প্রথম ভাই কতটি আম পাবে?
- ক. 45
- খ. 81
- গ. 90
- ঘ. 135
উত্তর: ঘ. 135
ভাগের অনুপাত 1/3 : 1/5 : 1/9। হর 3, 5 ও 9-এর ল.সা.গু. 45, তাই ৪৫ দিয়ে গুণ করলে অনুপাত 15 : 9 : 5।
অনুপাতের যোগফল 15 + 9 + 5 = 29।
প্রথম ভাই পাবে 261 × 15/29 = 9 × 15 = 135টি আম। - ১৯১. x2– 3x + 1 = 0 হলে (x2 – 1/x2) এর মান কত?
- ক. 5√3
- খ. 3√5
- গ. 4√5
- ঘ. 6√5
উত্তর: খ. 3√5
x² - 3x + 1 = 0 সমীকরণকে x দিয়ে ভাগ করলে x - 3 + 1/x = 0, অর্থাৎ x + 1/x = 3।
(x - 1/x)² = (x + 1/x)² - 4 = 9 - 4 = 5, তাই বড় মূলের জন্য x - 1/x = √5।
এখন x² - 1/x² = (x + 1/x)(x - 1/x) = 3 × √5 = 3√5। - ১৯২. x2 – 5x+6 < 0 হলে-
- ক. 2 < x < 3
- খ. -3 < x < -2
- গ. x < 2
- ঘ. x < 3
উত্তর: ক. 2 < x < 3
x² - 5x + 6 = (x - 2)(x - 3)। দুটি গুণনীয়কের গুণফল ঋণাত্মক (< 0) হতে হলে একটি ধনাত্মক ও অন্যটি ঋণাত্মক হতে হবে।
এটি ঘটে কেবল x যখন 2 ও 3-এর মাঝখানে থাকে। x < 2 হলে দুটোই ঋণাত্মক, আর x > 3 হলে দুটোই ধনাত্মক, দুই ক্ষেত্রেই গুণফল ধনাত্মক।
তাই 2 < x < 3। - ১৯৩. logx(3/2) = -1/2 হলে, x এর মান-
- ক. 4/9
- খ. 9/4
- গ. √(3/2)
- ঘ. √(⅔)
উত্তর: ক. 4/9
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_x(3/2) = -1/2 মানে x^(-1/2) = 3/2।
অর্থাৎ 1/√x = 3/2, তাই √x = 2/3।
দুই পাশ বর্গ করলে x = (2/3)² = 4/9। - ১৯৪. একটি আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 15 মি. এবং প্রস্থ 10 মি. হলে আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
- ক. 35√5
- খ. 40√5
- গ. 45√5
- ঘ. 50√5
উত্তর: ঘ. 50√5
আয়তক্ষেত্রের কর্ণ, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করে, যার অতিভুজ কর্ণ।
দৈর্ঘ্য = √(15² - 10²) = √(225 - 100) = √125 = 5√5 মিটার।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = 5√5 × 10 = 50√5 বর্গমিটার। - ১৯৫. একটি থলিতে 6 টি নীল বল, 8 টি সাদা বল এবং 10 টি কালো বল আছে। দৈবভাবে একটি বল তুললে সেটি সাদা না হবার সম্ভবনা কত?
- ক. 2/3
- খ. 1/3
- গ. 3/4
- ঘ. 1/4
উত্তর: ক. 2/3
থলিতে মোট বল 6 + 8 + 10 = 24টি। এর মধ্যে সাদা নয়, অর্থাৎ নীল বা কালো বল 6 + 10 = 16টি।
সাদা না হওয়ার সম্ভাবনা = 16/24 = 2/3।
মনে রাখুন: কোনো ঘটনা না ঘটার সম্ভাবনা = 1 - ঘটার সম্ভাবনা। এখানে সাদা হওয়ার সম্ভাবনা 8/24 = 1/3, তাই 1 - 1/3 = 2/3।
অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান
১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৬)
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৮তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২৫)
- ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৪)
- ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৩)
- ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২২)
- ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২১)
- ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৯)
- ৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০১৮)
- ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৭)
- ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৫)
- ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৩)
- ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১১)
- ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১০)
- ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৯)
- ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৮)
- ২৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৫)
- ২৬তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৩)
- ২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৯)
- ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৬)
- ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৫)
- ১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি (১৯৯৪)
- ১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৩)
- ১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯০)
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন