১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৯৯২। এখানে ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ৬০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (১৯)
- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (২০)
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি (১৯)
- আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (১৯)
- সাধারণ বিজ্ঞান (১০)
- গাণিতিক যুক্তি (১০)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ১. “বউ কথা কও, বউ কথা কও কও কথা অভিমানিনী সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে যাবে কত যামিনী”- এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
- ক. বেনজীর আহমেদ
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. জীবনানন্দ দাশ
- ঘ. শামসুর রহমান
উত্তর: খ. কাজী নজরুল ইসলাম
‘বউ কথা কও, বউ কথা কও, কও কথা অভিমানিনী’ কাজী নজরুল ইসলামের একটি জনপ্রিয় গানের চরণ। এখানে পাখির ‘বউ কথা কও’ ডাকের সঙ্গে অভিমানী প্রিয়ার ছবি মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। নজরুল প্রায় তিন হাজার গান রচনা করেছেন, যেগুলো নজরুলগীতি নামে পরিচিত।
মনে রাখুন: নজরুলকে ‘বিদ্রোহী কবি’ বলা হয় এবং তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি। - ২. বাংলা সাহিত্যে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয় কাকে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. রাজশেখর বসু
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঘ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর: ঘ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা সাহিত্যে আধুনিক গীতিকবিতার ধারার প্রবর্তক। তিনি নিজের অনুভূতি ও কল্পনাকে কবিতায় প্রকাশের পথ খুলে দেন, ফলে তাঁর পরে রবীন্দ্রনাথের মতো কবিরা সেই পথ ধরে এগিয়ে যান। এ কারণেই রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলেছেন, অর্থাৎ যিনি নতুন যুগের সকালবেলায় প্রথম গান গেয়েছেন।
মনে রাখুন: বিহারীলালের বিখ্যাত কাব্য ‘সারদামঙ্গল’ (১৮৭৯), আর অন্য কাব্যগুলোর মধ্যে ‘বঙ্গসুন্দরী’ ও ‘সাধের আসন’ পরিচিত। - ৩. বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. জগৎ মোহিনী
- খ. বসন্ত কুমারী
- গ. আয়না
- ঘ. মোহনী প্রেমপাল
উত্তর: খ. বসন্ত কুমারী
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেন। তাঁর প্রথম নাটকের নাম ‘বসন্তকুমারী’ (১৮৭৩)। একই বছর তিনি ‘জমীদার দর্পণ’ নাটকও রচনা করেন, যেখানে জমিদারদের অত্যাচারের চিত্র আছে। বিকল্পগুলোর অন্য নামগুলো সঠিক নয়।
মনে রাখুন:
মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’।
তাঁর অন্যান্য নাটক: ‘জমীদার দর্পণ’, ‘বসন্তকুমারী’। - ৪. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. বিভিসীকা
- খ. বিভীষিকা
- গ. বীভিষিকা
- ঘ. বীভিষীকা
উত্তর: খ. বিভীষিকা
শুদ্ধ বানান ‘বিভীষিকা’। শব্দটির অর্থ ভয় দেখানো দৃশ্য বা আতঙ্ক। এই বানানে ‘বি’তে হ্রস্ব ই-কার, ‘ভী’তে দীর্ঘ ঈ-কার এবং ‘ষি’তে মূর্ধন্য ষ ও হ্রস্ব ই-কার বসে। বাকি বিকল্পগুলোতে এই তিনটি জায়গার কোনো না কোনোটিতে ভুল হয়েছে।
মনে রাখুন: শব্দের গঠন ‘বি + ভীষিকা’ মনে রাখলে ই-কার ও ঈ-কারের জায়গা মনে থাকে। - ৫. কোন খ্যাতিমান লেখক ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন?
- ক. প্রমথনাথ বিশী
- খ. প্রথম চৌধুরী
- গ. প্রেমেন্দ্র মিত্র
- ঘ. প্রমথ নাথ বসু
উত্তর: খ. প্রথম চৌধুরী
‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন প্রমথ চৌধুরী। তিনি ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা প্রকাশ করে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রচলন ঘটান। তাঁর লেখায় তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও ব্যঙ্গের ছোঁয়া ছিল।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর রচনা: ‘বীরবলের হালখাতা’, ‘চার-ইয়ারি কথা’।
তিনি সাধু ভাষার বদলে মুখের ভাষার কাছাকাছি চলিত ভাষায় লেখার পক্ষে ছিলেন। - ২৮. বাংলা ভাষার আদিস্তরের স্থিতিকাল কোনটি?
- ক. দশম থেকে চর্তুদশ শতাব্দী
- খ. একাদশ থেকে পঞ্চাদশ শতাব্দী
- গ. দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী
- ঘ. ত্রয়োদশ থেকে সপ্তাদশ শতাব্দী
উত্তর: ক. দশম থেকে চর্তুদশ শতাব্দী
বাংলা ভাষার ইতিহাস সাধারণত তিন স্তরে ভাগ করা হয়: আদি, মধ্য ও আধুনিক। আদিস্তরের নিদর্শন হিসেবে একমাত্র পাওয়া গেছে চর্যাপদ, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গান। প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দীর সময়সীমাই আদিস্তরের স্থিতিকাল।
মনে রাখুন:
১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন।
চর্যাপদের আদি কবি লুইপা, আর এর ভাষা পুরোনো বাংলা। - ২৯. যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কি?
- ক. একটি জটিল ও একটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
- খ. একটি সংযুক্ত ও একটি বিযুক্ত বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
- গ. দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
- ঘ. দুটি মিশ্র বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
উত্তর: গ. দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
দুই বা তার বেশি স্বাধীন সরল বাক্য যদি সংযোজক অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য (Compound sentence) বলে। এতে সংযুক্ত প্রতিটি বাক্য নিজে নিজে সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে। তাই দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে গঠনই যৌগিক বাক্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
উদাহরণ: সে গরিব, কিন্তু সৎ।
মনে রাখুন: যৌগিক বাক্যে এবং, ও, কিন্তু, অথবা, তাই-এর মতো অব্যয় ব্যবহার হয়। আর একটি প্রধান বাক্যের সঙ্গে এক বা একাধিক অধীন বাক্য থাকলে সেটি জটিল বা মিশ্র বাক্য। - ৩০. ‘রাবনের চিতা’ বাগধারাটির অর্থ কি?
- ক. অনিষ্টে ইষ্ট লাভ
- খ. চির অশান্তি
- গ. অরাজক দেশ
- ঘ. সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া বাঁধানো
উত্তর: খ. চির অশান্তি
রাবণের চিতার আগুন কখনো নেভে না বলে বিশ্বাস করা হয়, এ কারণেই ‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটি এমন অশান্তি বোঝায়, যা কখনো শেষ হয় না। অর্থাৎ এর অর্থ চির অশান্তি। বাক্যে ব্যবহার করলে বোঝায়, কোনো মানুষের মনে বা সংসারে সারাক্ষণ জ্বলে থাকা দুঃখ।
উদাহরণ: সংসারে অভাব তার কাছে রাবণের চিতা হয়ে আছে।
মনে রাখুন: রামায়ণ-সম্পর্কিত আরেকটি বাগধারা ‘সাতকাণ্ড রামায়ণ’, যার অর্থ দীর্ঘ বিস্তারিত বিবরণ। - ৩১. কোনটি ইব্রাহীম খাঁর গ্রন্থ নয়?
- ক. আনোয়ার পাশা
- খ. ইস্তাম্বুল যাত্রীর পথ
- গ. কুচবরণের কন্যে
- ঘ. সোনার শিকল
উত্তর: গ. কুচবরণের কন্যে
প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ বাংলা সাহিত্যের একজন লেখক, যাঁর পরিচয় নাট্যকার ও ভ্রমণকাহিনির লেখক হিসেবে। তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে ‘আনোয়ার পাশা’ আছে, আর তুরস্ক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে ‘ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র’ লিখেছেন। ‘কুচবরণের কন্যে’ তাঁর রচনা নয়।
মনে রাখুন: ইব্রাহীম খাঁর আরেকটি বিখ্যাত নাটক ‘কামাল পাশা’। - ৩২. কোন প্রবচনটি ’হতভাগ্য’ অর্থে ব্যবহৃত?
- ক. আট কপালে
- খ. উড়নচণ্ডী
- গ. ছা-পোষা
- ঘ. ভূশক্তির কাক
উত্তর: ক. আট কপালে
‘আট কপালে’ কথাটির অর্থ হতভাগ্য বা মন্দ ভাগ্যের মানুষ। ভাগ্যকে এখানে কপালের লিখন ধরা হয়েছে, আর ‘আট’ শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে ভাগ্য ভালো নয়। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা। ‘উড়নচণ্ডী’ মানে অমিতব্যয়ী, ‘ছা-পোষা’ মানে অল্প আয়ে সংসারের ভার বহন করতে গিয়ে কষ্টে থাকা মানুষ, আর ‘ভূশণ্ডীর কাক’ মানে দীর্ঘজীবী ও বহু অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।
উদাহরণ: লোকটি এমন আট কপালে যে যা-ই করে, তাতেই ক্ষতি হয়। - ৩৩. কার সম্পাদনায় ‘সংবাদ প্রভাকর’ প্রথম প্রকাশিত হয়?
- ক. প্রমথনাথ চৌধুরী
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- গ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- ঘ. দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
‘সংবাদ প্রভাকর’ ১৮৩১ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। পরে ১৮৩৯ সালে এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকায় রূপ নেয়। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন কবি, আর তাঁকে যুগসন্ধির কবি বলা হয়, কারণ তাঁর কবিতায় প্রাচীন ও আধুনিক যুগের মিলন দেখা যায়।
মনে রাখুন: বাংলা ভাষায় প্রথম সংবাদপত্র শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত ‘সমাচার দর্পণ’ (১৮১৮), যার সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। - ৬৫. মৌলিক শব্দ কোনটি?
- ক. গোলাপ
- খ. শীতল
- গ. নেয়ে
- ঘ. গৌরব
উত্তর: ক. গোলাপ
যে শব্দকে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ (Root word) বলে। ‘গোলাপ’ শব্দটিকে ভাঙলে ‘গো’ ও ‘লাপ’-এর মতো কোনো অর্থবোধক অংশ মেলে না, তাই এটি মৌলিক। অন্যদিকে বাকি তিনটি শব্দ প্রত্যয় যোগে তৈরি সাধিত শব্দ: ‘শীতল’ (শীত + ল), ‘নেয়ে’ (নাও + ইয়া) এবং ‘গৌরব’ (গুরু + অ)।
মনে রাখুন:
মৌলিক শব্দের উদাহরণ: হাত, মাছ, ঘর, জল, ফুল।
মৌলিক শব্দ থেকেই প্রত্যয়, উপসর্গ বা সমাসযোগে সাধিত শব্দ তৈরি হয়। - ৬৬. যার কোন মূল্য নেই, তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটি হয়?
- ক. ডাকাবুকা
- খ. তুলশী বনের বাঘ
- গ. তামার বিষ
- ঘ. ঢাকের বাঁয়া
উত্তর: ঘ. ঢাকের বাঁয়া
‘ঢাকের বাঁয়া’ বাগধারার অর্থ অপ্রয়োজনীয় বা মূল্যহীন জিনিস। ঢাক বাজানোর সময় বাঁয়ার কোনো কাজ থাকে না, কারণ বাঁয়া তবলার সঙ্গে বাজে, ঢাকের সঙ্গে নয়। এই থেকেই যার কোনো দাম বা প্রয়োজন নেই, তাকে ঢাকের বাঁয়া বলা হয়।
মনে রাখুন:
ডাকাবুকা — নির্ভীক, দুঃসাহসী।
তামার বিষ — অর্থের কুপ্রভাব।
তুলসী বনের বাঘ — ভণ্ড বা কপট লোক। - ৬৭. ’আমীর হামজা’ কাব্য রচনা করেন কে?
- ক. আলাওল
- খ. ফকির গরীবুল্লাহ
- গ. সৈয়দ হামজা
- ঘ. রেজাউদৌলা
উত্তর: খ. ফকির গরীবুল্লাহ
‘আমীর হামজা’ পুঁথিকাব্যের প্রথম অংশ রচনা করেন ফকির গরীবুল্লাহ। পরে সৈয়দ হামজা বাকি অংশ লিখে কাব্যটি শেষ করেন। ফকির গরীবুল্লাহকে দোভাষী পুঁথির সার্থক কবি বলা হয়। দোভাষী পুঁথি বলতে সেই পুঁথি বোঝায়, যাতে বাংলার সঙ্গে আরবি, ফারসি ও হিন্দুস্তানি শব্দ মিশে থাকে।
মনে রাখুন:
ফকির গরীবুল্লাহর অন্য রচনা: ইউসুফ-জোলেখা, সোনাভান, সত্যপীরের পুঁথি, জঙ্গনামা।
আলাওলের বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’। - ৬৮. বাংলা লিপির উৎস কি?
- ক. সংস্কৃত লিপি
- খ. চীনা লিপি
- গ. আরবী লিপি
- ঘ. ব্রাহ্মী লিপি
উত্তর: ঘ. ব্রাহ্মী লিপি
বাংলা লিপির উৎস ব্রাহ্মী লিপি। প্রাচীন ভারতে প্রচলিত এই লিপি থেকে ধীরে ধীরে গুপ্ত লিপি ও কুটিল লিপি হয়ে ক্রমে বাংলা লিপি রূপ পেয়েছে। সংস্কৃত কোনো লিপির নাম নয়, এটি একটি ভাষা, যা প্রাচীনকালে ব্রাহ্মী ও পরে দেবনাগরী লিপিতে লেখা হতো।
মনে রাখুন:
দেবনাগরী, ওড়িয়া, গুজরাটি, গুরুমুখী প্রভৃতি লিপিও ব্রাহ্মী থেকে এসেছে।
আরবি, ফারসি ও উর্দু লেখা হয় ডান থেকে বাঁয়ে, কিন্তু ব্রাহ্মী থেকে আসা লিপিগুলো লেখা হয় বাঁ থেকে ডানে। - ৬৯. বর্ণ হচ্ছে?
- ক. শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ
- খ. একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ
- গ. ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক
- ঘ. ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ
উত্তর: গ. ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক
ধ্বনি হলো মুখ থেকে উচ্চারিত শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ। সেই ধ্বনিকে লিখে বোঝানোর জন্য আমরা যে চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করি, তাকে বর্ণ (Letter) বলে। তাই বর্ণ হলো ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক। ধ্বনি শোনা যায়, আর বর্ণ চোখে দেখা যায়।
মনে রাখুন:
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে, এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনির গুচ্ছকে অক্ষর (Syllable) বলে। - ৯৫. কবি জসিম ঊদ্দীনের জীবনকাল কোনটি?
- ক. ১৯০৩-১৯৭৬
- খ. ১৮৮৯-১৯৬৬
- গ. ১৮৯৯-১৯৭৯
- ঘ. ১৯১০-১৯৮৭
উত্তর: ক. ১৯০৩-১৯৭৬
পল্লিকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালে ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালে মারা যান। তাই তাঁর জীবনকাল ১৯০৩–১৯৭৬। গ্রামবাংলার জীবন তাঁর কবিতার মূল বিষয়, আর এজন্যই তাঁকে পল্লিকবি বলা হয়।
মনে রাখুন:
কাব্য: নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯), সোজন বাদিয়ার ঘাট, রাখালী, বালুচর।
নাটক: পদ্মাপার, বেদের মেয়ে।
আত্মজীবনী: যাঁদের দেখেছি, জীবনকথা। - ৯৬. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ’নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতায় কবির উপলব্ধি হচ্ছে-
- ক. ভবিষ্যৎ বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়
- খ. বাঁধা-বিপত্তি প্রতিভাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে
- গ. প্রকৃতি বিপুল ঐশ্বর্য্যের অধিকারী
- ঘ. ভাঙ্গার পরেই গড়ার কাজ শুরু হয়
উত্তর: ক. ভবিষ্যৎ বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়
রবীন্দ্রনাথের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতা ‘প্রভাতসংগীত’ কাব্যের অন্তর্গত। এতে অন্ধকার গুহায় বন্দি এক ঝরনা হঠাৎ প্রভাতের আলো দেখে জেগে ওঠে এবং বাইরের বিশাল পৃথিবীতে ছুটে যেতে চায়। এর মধ্য দিয়ে কবি নিজের ভেতরের প্রতিভার জাগরণ এবং সামনের বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনার উপলব্ধিকে প্রকাশ করেছেন। তাই কবিতার বক্তব্য হলো ভবিষ্যৎ বিচিত্র ও সম্ভাবনাময়।
মনে রাখুন: ‘প্রভাতসংগীত’ প্রকাশিত হয় ১৮৮৩ সালে। - ৯৭. জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত-
- ক. সমাজ
- খ. পানি
- গ. মিছিল
- ঘ. নদী
উত্তর: ঘ. নদী
যে বিশেষ্য একই জাতের সব প্রাণী বা বস্তুকে বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য (Common noun) বলে। ‘নদী’ বললে কোনো একটি বিশেষ নদী নয়, বরং এ জাতের সব নদীকেই বোঝায়, তাই এটি জাতিবাচক। ‘সমাজ’ ও ‘মিছিল’ অনেক মানুষের সমষ্টি বোঝায় বলে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য, আর ‘পানি’ বস্তুর নাম বলে বস্তুবাচক বিশেষ্য।
উদাহরণ:
জাতিবাচক: মানুষ, গরু, নদী, পাহাড়।
সমষ্টিবাচক: সভা, দল, পরিবার।
বস্তুবাচক: দুধ, সোনা, তেল।
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ৬. You should show good manners in the company of young ladies. -Which is the appropriate phrase for the underlined expression above?
- ক. behave gently
- খ. practise manners
- গ. behave yourself
- ঘ. do not talk rudely
উত্তর: ক. behave gently
‘Show good manners’ বাক্যাংশের অর্থ ভদ্র ও মার্জিত আচরণ করা, অর্থাৎ নম্র ও সংযতভাবে আচরণ করা। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘behave gently’ এর সবচেয়ে কাছের অর্থ। ‘Behave yourself’ সাধারণত দুষ্টুমি করা শিশুকে শাসন করে বলা হয়, তাই এখানে সেটি মানায় না।
মনে রাখুন: Good manners-এর কাছাকাছি শব্দ politeness, courtesy।
উদাহরণ: He always behaves gently with his elders. - ৭. The invention of computer has turned over a new leaf in the history of modern technology. -Which of the following is nearest in meaning of the italicized idiom above?
- ক. Created a new history
- খ. began a new civiliztion
- গ. opened a new chapter
- ঘ. created a sensation
উত্তর: গ. opened a new chapter
‘Turn over a new leaf’ বাগধারার সাধারণ অর্থ আগের অভ্যাস ছেড়ে নতুনভাবে শুরু করা। প্রশ্নের বাক্যে বলা হয়েছে কম্পিউটারের আবিষ্কার আধুনিক প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন একটি পর্যায় শুরু করেছে। তাই এখানে বাগধারাটির অর্থ ‘opened a new chapter’। ‘Created a sensation’ মানে আলোড়ন সৃষ্টি করা, যা অন্য একটি বাগধারার অর্থ।
মনে রাখুন: Turn over a new leaf বাক্যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে বললে অর্থ হয় জীবনের ধারা পাল্টে ভালো পথে চলা।
উদাহরণ: After the accident, he turned over a new leaf. - ৮. Trying unitedly we were able to have our project approved against strong oppositions. -Which of the following says nearly the same as ‘against’ above?
- ক. in the wake of
- খ. in the guise of
- গ. in the plea of
- ঘ. in the teeth of
উত্তর: ঘ. in the teeth of
‘In the teeth of’ বাগধারার অর্থ প্রবল বিরোধিতা বা বাধা সত্ত্বেও। বাক্যে বলা হয়েছে, জোরালো বিরোধিতার মধ্যেও আমরা আমাদের প্রকল্প অনুমোদন করিয়ে নিয়েছি, তাই এখানে ‘against’-এর জায়গায় ‘in the teeth of’ বসে। ‘In the wake of’ মানে পরে বা ফলস্বরূপ, ‘in the guise of’ মানে ছদ্মবেশে আর ‘in the plea of’ মানে অজুহাতে।
উদাহরণ: He went out in the teeth of a storm. - ৯. Not many people can commit such a heinous crime in cold blood. -What does the italicized idiom above mean?
- ক. in cool brain and calculated thought
- খ. so patiently and thoughtfully
- গ. so impatiently and thoughtlessly
- ঘ. stirred by sudden emotion
উত্তর: ক. in cool brain and calculated thought
‘In cold blood’ বাগধারার অর্থ আবেগ বা রাগের বশে নয়, বরং ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে কিছু করা, বিশেষ করে নিষ্ঠুর কাজ। তাই ‘heinous crime in cold blood’ বলতে এমন জঘন্য অপরাধ বোঝায়, যা কেউ ভেবেচিন্তে ও হিসাব করে করেছে। এর বিপরীত ধারণা হলো হঠাৎ রাগ বা উত্তেজনায় কিছু করে ফেলা।
মনে রাখুন: In cold blood-এর কাছাকাছি অর্থ deliberately বা with premeditation।
উদাহরণ: The soldier was killed in cold blood. - ১০. The condition of most slum dwellers is so miserable that it cannot be described in words.- Which is the best phrase for the underlined expression above?
- ক. beggars description
- খ. cuts to the quick
- গ. boils down to this
- ঘ. keeps open house
উত্তর: ক. beggars description
‘Beggar description’ বাগধারার অর্থ এত খারাপ বা এত অসাধারণ যে ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। বস্তিবাসীদের দুর্দশা এতটাই করুণ যে শব্দে ফোটানো যায় না, তাই ‘beggars description’ উপযুক্ত। ‘Cut to the quick’ মানে মনে গভীর আঘাত দেওয়া, ‘boil down to’ মানে সংক্ষেপে দাঁড়ানো আর ‘keep open house’ মানে সবাইকে স্বাগত জানানো।
উদাহরণ: The beauty of the scene beggared description. - ৩৪. A speech full of too many word is-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. A big speech
- খ. Maiden speech
- গ. An unimportant speech
- ঘ. A verbose speech
উত্তর: ঘ. A verbose speech
যে বক্তৃতা বা লেখায় প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি শব্দ ব্যবহার করা হয়, তাকে verbose বলে। তাই ‘A speech full of too many words’ হলো ‘a verbose speech’। ‘Maiden speech’ মানে কারও প্রথম বক্তৃতা, বিশেষ করে সংসদে নতুন সদস্যের প্রথম ভাষণ।
মনে রাখুন: Verbose-এর সমার্থক শব্দ wordy, long-winded, prolix, আর এর বিপরীত শব্দ concise।
উদাহরণ: His verbose speech made the audience restless. - ৩৫. To meet trouble half-way means-
- ক. To be puzzled
- খ. To get nervous
- গ. To be disappointed
- ঘ. To bear up
উত্তর: খ. To get nervous
‘To meet trouble half-way’ বাগধারার অর্থ কোনো বিপদ আসার আগেই তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা। যে মানুষ এভাবে আগেভাগে চিন্তা করে, সে অকারণে অস্থির ও নার্ভাস হয়ে পড়ে। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘to get nervous’ অর্থের সবচেয়ে কাছে। ‘To bear up’ মানে কষ্ট সহ্য করে দৃঢ় থাকা।
মনে রাখুন: এর বিপরীত উপদেশ হলো ‘Don’t cross the bridge until you come to it’, অর্থাৎ বিপদ আসার আগে ভেবে সময় নষ্ট করো না। - ৩৬. ‘Paradise Lost’ attempted to-
- ক. Justify the ways of man to God
- খ. Justify the ways of God to man
- গ. Show that the Satan and God have equal power
- ঘ. Explain why good and evil are necessary
উত্তর: খ. Justify the ways of God to man
জন মিল্টনের মহাকাব্য ‘Paradise Lost’ (১৬৬৭)-এর শুরুতে কবি নিজেই বলেছেন, তাঁর লক্ষ্য ‘to justify the ways of God to men’, অর্থাৎ মানুষের কাছে ঈশ্বরের কর্মপন্থাকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করা। কাব্যে আদম ও হাওয়ার পতনের কাহিনি বলা হয়েছে। বিকল্প ‘justify the ways of man to God’ উল্টো অর্থ প্রকাশ করে, তাই ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
মিল্টনের অন্যান্য রচনা: ‘Paradise Regained’, ‘Samson Agonistes’।
মিল্টন দৃষ্টিশক্তি হারানোর পর এই মহাকাব্য রচনা করেন। - ৩৭. What is the meaning of the idiom ‘a round dozen’?
- ক. a little less than a dozen
- খ. a little more than a dozen
- গ. a full dozen
- ঘ. round about a dozen
উত্তর: গ. a full dozen
‘A round dozen’ বাগধারায় ‘round’ মানে সম্পূর্ণ, অর্থাৎ ঠিক পুরো এক ডজন বা বারোটি। এখানে আনুমানিক বোঝানো হয়নি, তাই ‘a little less’ বা ‘a little more’ অর্থ ঠিক নয়। ‘Round about a dozen’ মানে প্রায় এক ডজন, যা আনুমানিক সংখ্যা বোঝায়।
মনে রাখুন: এক ডজনে ১২টি, আর এক গ্রস-এ ১২ ডজন, অর্থাৎ ১৪৪টি। - ৩৮. What is the meaning of ‘Soft Soap’?
- ক. Flatter for self motives
- খ. To speak ill of others
- গ. To speak high of others
- ঘ. To recognise about a dozen
উত্তর: ক. Flatter for self motives
‘Soft soap’ বাগধারার অর্থ কাউকে তোষামোদ করা, সাধারণত নিজের কোনো সুবিধা আদায়ের জন্য। নরম সাবান যেমন সহজে পিছলে যায় ও মসৃণ করে দেয়, তেমনি মিষ্টি কথায় কারও মন গলিয়ে দেওয়া বোঝায়। তাই ‘flatter for self motives’ সঠিক।
মনে রাখুন: Soft soap-এর কাছাকাছি বাগধারা butter up ও blarney, যেগুলোও তোষামোদ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: He tried to soft soap the manager to get a promotion. - ৭০. People who assume that no evil can befall them are foolishly-
- ক. ardent
- খ. complacent
- গ. confident
- ঘ. apprehensive
উত্তর: খ. complacent
Complacent শব্দের অর্থ নিজের অবস্থায় এমন তৃপ্ত ও নিরাপদ বোধ করা যে সম্ভাব্য বিপদ চোখে পড়ে না। যারা ধরে নেয় তাদের কোনো অমঙ্গল হবে না, তারা ঠিক এই রকম অতি-নিশ্চিন্ত, তাই বাক্যটির ফাঁকা জায়গায় complacent বসে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ardent মানে উৎসাহী, confident মানে আত্মবিশ্বাসী (এটি ভালো অর্থে ব্যবহৃত হয়, ‘foolishly’-র সঙ্গে মানায় না) আর apprehensive মানে শঙ্কিত।
মনে রাখুন: Complacent-এর সমার্থক smug ও self-satisfied, আর বিপরীত শব্দ apprehensive বা worried। - ৭১. One who unduly forwards in rendering serving for others is not generally liked in society.- Which of the following words represents truely the character of the person mentioned above?
- ক. benevolent
- খ. official
- গ. officious
- ঘ. burreaucratic
উত্তর: গ. officious
Officious শব্দের অর্থ যে অযাচিতভাবে অন্যকে সাহায্য বা উপদেশ দিতে বেশি আগ্রহী হয় এবং নাক গলায়। প্রশ্নে যার কথা বলা হয়েছে, সে অন্যের কাজে অকারণে এগিয়ে যায় বলে সমাজে অপ্রিয়, তাই এর চরিত্র officious শব্দে ঠিকভাবে ধরা পড়ে। Benevolent মানে দয়ালু ও হিতৈষী, যা ভালো অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি অপছন্দের মানুষের ক্ষেত্রে মানায় না। Official মানে দাপ্তরিক এবং bureaucratic মানে লাল ফিতার কর্মকর্তাতান্ত্রিক।
মনে রাখুন: Officious-এর সমার্থক meddlesome ও interfering। - ৭২. What kind of man is quite the opposite type of ‘supercilious’?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
- ক. Affable
- খ. Haughty
- গ. Disdainful
- ঘ. Wicked
উত্তর: ক. Affable
Supercilious মানে অহংকারী, যে নিজেকে বড় ভেবে অন্যকে তুচ্ছ করে। এর বিপরীত স্বভাবের মানুষ হলো Affable, যে বন্ধুসুলভ, নম্র ও সহজে মিশতে পারে। অন্য তিনটি অপশন বিপরীত নয়, বরং কাছাকাছি অর্থের: Haughty মানে উদ্ধত, Disdainful মানে অবজ্ঞাকারী, আর Wicked মানে দুষ্ট।
মনে রাখুন: Supercilious-এর সমার্থক arrogant ও condescending, আর বিপরীত শব্দ humble, modest ও courteous। - ৭৩. How many eggs have your hens___this month? -Which is the following words best completes the above sentence?
- ক. lain
- খ. laid
- গ. lay
- ঘ. lied
উত্তর: খ. laid
Lay একটি সকর্মক ক্রিয়া, যার অর্থ কোনো কিছু নামিয়ে রাখা, আর মুরগির ডিম পাড়া বোঝাতেও এটি ব্যবহৃত হয়। এর রূপ হলো lay, laid, laid। বাক্যে ‘have’ আছে, অর্থাৎ Present Perfect Tense, তাই এখানে Past Participle বসবে। সেজন্য সঠিক বাক্য ‘How many eggs have your hens laid this month?’
মনে রাখুন:
Lie (শুয়ে থাকা) ক্রিয়ার রূপ lie, lay, lain।
Lie (মিথ্যা বলা) ক্রিয়ার রূপ lie, lied, lied।
তাই lain ও lied এখানে ভুল। - ৭৪. The walls of our house have been painted_____green. -Which is the correct preposition in the blank above?
- ক. no preposition
- খ. by
- গ. in
- ঘ. with
উত্তর: ক. no preposition
কোনো কিছুর রং বদলে দেওয়ার কথা বোঝাতে paint ক্রিয়ার পরে রংটি সরাসরি বসে, মাঝখানে কোনো preposition লাগে না। যেমন: ‘The walls have been painted green.’ এখানে green শব্দটি walls-এর অবস্থা বা রং বোঝাচ্ছে (একে Object Complement বলা যায়)। কিন্তু যন্ত্র বা উপাদান বোঝাতে with বসে।
উদাহরণ:
He painted the door with a brush.
The door was painted by him. - ৮৯. Can you tell me where____? Which of the following is the best clause in the above sentence?
- ক. does Mr. Ali live
- খ. Mr. Alive does live
- গ. Mr. Ali lives
- ঘ. lives Mr. Ali
উত্তর: গ. Mr. Ali lives
‘where Mr. Ali lives’ অংশটি একটি embedded বা indirect question। প্রশ্নবোধক বাক্য যখন অন্য বাক্যের ভেতরে অংশ হয়ে আসে, তখন সেটি আর সরল প্রশ্নের মতো থাকে না, বরং সাধারণ বিবৃতির কাঠামো নেয়। অর্থাৎ question word-এর পর আগে subject, তারপর verb বসে এবং do/does/did লাগে না। তাই সঠিক বাক্য ‘Can you tell me where Mr. Ali lives?’
উদাহরণ:
Where does he live? (সরল প্রশ্ন)
Do you know where he lives? (embedded প্রশ্ন) - ৯০. What is the full name of the great American short story writer O’Henry?
- ক. Walt Whitman
- খ. William Sydney Porter
- গ. Marjorie Kinnan Rawlings
- ঘ. Mark Twain
উত্তর: খ. William Sydney Porter
O. Henry ছদ্মনাম, তাঁর আসল নাম William Sydney Porter। তিনি আমেরিকান ছোটগল্পকার এবং তাঁর গল্পের শেষে হঠাৎ চমকপ্রদ মোড় আসে বলে তিনি বিখ্যাত। Walt Whitman আমেরিকান কবি, তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘Leaves of Grass’। Mark Twain-ও ছদ্মনাম, তাঁর আসল নাম Samuel Clemens।
মনে রাখুন: O. Henry-র বিখ্যাত গল্প ‘The Gift of the Magi’ ও ‘The Last Leaf’। - ৯১. Now-a-days many villages are lit______electricity. – Which is the correct preposition in the above blank?
- ক. with
- খ. by
- গ. from
- ঘ. on
উত্তর: খ. by
Light ক্রিয়ার past participle হলো lit। বিদ্যুৎ গ্রামগুলোকে আলোকিত করে, অর্থাৎ বিদ্যুৎ এখানে আলো দেওয়ার মাধ্যম। এই অর্থে কর্মের কর্তা বা মাধ্যম বোঝাতে by বসে, তাই সঠিক বাক্য ‘Many villages are lit by electricity.’
মনে রাখুন: Light ক্রিয়ার রূপ light, lit, lit; আবার lighted-ও ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: The street was lit by lamps. - ৯২. The second anniversary celebration of our college will be held on December 15.- Which of the following is the correct phrase for ‘will be held’ above?
- ক. takes off
- খ. comes off
- গ. will bring about
- ঘ. will come round
উত্তর: খ. comes off
‘Come off’ phrasal verb-এর অর্থ পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটা বা অনুষ্ঠিত হওয়া। তাই ‘will be held’-এর জায়গায় ‘comes off’ বসানো যায়। ‘Take off’ মানে খুলে ফেলা বা উড়াল দেওয়া, ‘bring about’ মানে ঘটানো আর ‘come round’ মানে ঘুরে আসা বা জ্ঞান ফেরা, এগুলো এই বাক্যের অর্থে মানায় না।
উদাহরণ:
The programme came off well.
He came round after an hour. - ৯৩. Dog days means-আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯
- ক. a period of being carefree
- খ. a period of having youthful flings
- গ. a period of misfortune
- ঘ. hot weather
উত্তর: ঘ. hot weather
Dog days মানে গ্রীষ্মের সবচেয়ে গরম দিনগুলো। প্রাচীনকালে মানুষ লক্ষ করেছিল, এই সময়ে আকাশের উজ্জ্বলতম তারা সিরিয়াস (Sirius), যাকে Dog Star বলা হয়, সূর্যের সঙ্গে একই সময়ে ওঠে। তারা ভাবত, সূর্য ও এই তারার মিলিত তাপেই এত গরম পড়ে। সেই থেকেই এই সময়কে dog days বলা হয়।
মনে রাখুন: এখন কথাটি অনেক সময় নিষ্ক্রিয় ও গুমোট সময় বোঝাতেও ব্যবহার হয়।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- ১১. দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. কুড়িগ্রাম
- খ. নীলফামারী
- গ. পঞ্চগড়
- ঘ. লালমনিরহাট
উত্তর: ঘ. লালমনিরহাট
দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত, যা এক সময় ভারতের ভূখণ্ডে ঘেরা ছিটমহল ছিল। তিনবিঘা করিডোরের মাধ্যমে এটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। নীলফামারী, কুড়িগ্রাম বা পঞ্চগড়ে এ ছিটমহল নেই।
মনে রাখুন: ১৯৯২ সালে তিনবিঘা করিডোর বাংলাদেশিদের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়, আর ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়। - ১২. ‘দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ’ কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
- ক. বালেশ্বর
- খ. হাড়িয়াভাঙ্গা
- গ. রূপসা
- ঘ. ভৈরব
উত্তর: খ. হাড়িয়াভাঙ্গা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ সাতক্ষীরা ও ভারতের সীমান্ত বরাবর বহমান হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা একটি ছোট চর। ১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের পর এটি দেখা দেয়। ভারত একে নিউ মুর (New Moore) দ্বীপ বলত। দ্বীপটি এখন সমুদ্রে তলিয়ে গেছে।
মনে রাখুন: ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হয়। - ১৩. জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
- ক. হামিদুর রহমান
- খ. তানভীর কবীর
- গ. মাইনুল হোসেন
- ঘ. নিতুন কুণ্ডু
উত্তর: গ. মাইনুল হোসেন
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা করেছেন স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। এটি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নির্মিত। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার ছিলেন হামিদুর রহমান, আর নিতুন কুণ্ডু ‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যের শিল্পী, তাই এই তিনজনকে গুলিয়ে ফেলা চলবে না।
মনে রাখুন: জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট। - ১৪. বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
- ক. ঢাকা
- খ. ময়নামতি
- গ. রাজশাহী
- ঘ. সোনারগাঁও
উত্তর: ঘ. সোনারগাঁও
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে ১৯৭৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সোনারগাঁও প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী ছিল, আর এখানকার পানাম নগরও বিখ্যাত।
মনে রাখুন: জয়নুল আবেদিন ১৯৪৮ সালে ঢাকায় আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন, আর তাঁর বিখ্যাত চিত্রমালা ‘মন্বন্তর’ (১৯৪৩-এর দুর্ভিক্ষ নিয়ে)। - ৩৯. পুর্নভরা, নাগর, কুলিখ ও টাঙ্গন কোন নদীর উপনদী?
- ক. মহানন্দা
- খ. ব্রহ্মপুত্র
- গ. কুমার
- ঘ. যমুনা
উত্তর: ক. মহানন্দা
পুনর্ভবা, নাগর, কুলিক ও টাঙ্গন উত্তরবঙ্গের নদী, আর এ চারটিই মহানন্দা নদীর উপনদী। মহানন্দা ভারতের দার্জিলিং অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের পঞ্চগড় ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভেতর দিয়ে বয়ে গিয়ে পদ্মায় মিলিত হয়। তাই এই নদীগুলোকে মহানন্দার উপনদী বলা হয়।
মনে রাখুন: মহানন্দা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় পদ্মায় পড়েছে। - ৪০. ’ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামক ভয়াবহ দূর্ভিক্ষ কত সালে ঘটে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) ২০১৯
- ক. বাংলা ১৭০৬ সালে
- খ. বাংলা ১১৭৬ সালে
- গ. বাংলা ১৩৭৬ সালে
- ঘ. ইংরেজি ১৮৭৬ সালে
উত্তর: খ. বাংলা ১১৭৬ সালে
১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে, অর্থাৎ বাংলা ১১৭৬ সালে বাংলায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হয়। বাংলা সালের শেষ দুই অঙ্ক ৭৬ ছিল বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়। এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়। তখন বাংলার শাসন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে ছিল এবং গভর্নর ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস।
মনে রাখুন:
বঙ্কিমচন্দ্রের ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের পটভূমিতে এই দুর্ভিক্ষ আছে।
আরেকটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ১৩৫০ বাংলা (১৯৪৩ খ্রিষ্টাব্দ), যাকে পঞ্চাশের মন্বন্তর বলা হয়। - ৪১. ’জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী’- এটি কার ঘোষণা?
- ক. তিতুমীর
- খ. ফকির মজনু শাহ
- গ. দুদু মিয়া
- ঘ. হাজী শরীয়তউল্লাহ
উত্তর: গ. দুদু মিয়া
হাজী শরীয়তউল্লাহর পুত্র দুদু মিয়া (মুহসিনউদ্দিন) ফরায়েজি আন্দোলনকে জমিদারবিরোধী কৃষক আন্দোলনে রূপ দেন। তিনি ঘোষণা করেন, জমির মালিক আল্লাহ, তাই জমিদারের খাজনা আদায় করা আল্লাহর আইনের পরিপন্থী। এই ঘোষণা তাঁকে কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে। বাকি বিকল্পগুলোর মধ্যে তিতুমীর বাঁশের কেল্লা তৈরি করে ব্রিটিশ ও জমিদারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন।
মনে রাখুন:
ফরায়েজি আন্দোলনের প্রবর্তক হাজী শরীয়তউল্লাহ।
ফকির মজনু শাহ ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা। - ৪২. বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী কি ছিল?
- ক. সিপাহী
- খ. ল্যান্স নায়েক
- গ. হাবিলদার
- ঘ. ক্যাপ্টেন
উত্তর: ক. সিপাহী
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ হামিদুর রহমান ছিলেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একজন সিপাহী। ১৯৭১ সালের অক্টোবরে সিলেট সীমান্তের ধলই সীমান্ত ফাঁড়ির যুদ্ধে সাহসের সঙ্গে লড়ে তিনি শহীদ হন। ল্যান্স নায়েক পদে ছিলেন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ও মুন্সী আবদুর রউফ, আর ক্যাপ্টেন ছিলেন মোহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।
মনে রাখুন: বীরশ্রেষ্ঠ মোট সাতজন। - ৪৩. যমুনা নদী কোথায় পতিত হয়েছে?
- ক. পদ্মায়
- খ. বঙ্গোপসাগরে
- গ. ব্রহ্মপুত্র
- ঘ. মেঘনায়
উত্তর: ক. পদ্মায়
তিব্বতে সাংপো নামে উৎপন্ন হয়ে ব্রহ্মপুত্র ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বাংলাদেশে এর প্রধান ধারাটির নাম যমুনা। যমুনা দক্ষিণে এগিয়ে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। বঙ্গোপসাগরে সরাসরি যমুনা পড়ে না, আর মেঘনার সঙ্গে মিলন হয় পদ্মা-যমুনার মিলিত ধারার, চাঁদপুরের কাছে।
মনে রাখুন: পদ্মা ও মেঘনা চাঁদপুরে মিলে মেঘনা নামেই বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। - ৪৪. বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা কোনটি?
- ক. পঞ্চগড়
- খ. ঠাকুরগাঁও
- গ. দিনাজপুর
- ঘ. লালমনিরহাট
উত্তর: ক. পঞ্চগড়
পঞ্চগড় বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা। এর তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা বাংলাদেশের সর্বউত্তরের স্থান। ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও লালমনিরহাট জেলাও উত্তরবঙ্গে, কিন্তু সেগুলো পঞ্চগড়ের দক্ষিণে অবস্থিত।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের স্থান কক্সবাজারের টেকনাফ। - ৭৫. বাংলাদেশের সংবিধান র্সবপ্রথম কোন তারিখে গণপরিষদে উত্থাপিত হয়?
- ক. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
- খ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
- গ. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৩
উত্তর: ক. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে উত্থাপন করা হয়। এরপর আলোচনা শেষে ৪ নভেম্বর ১৯৭২ গণপরিষদ সংবিধান গ্রহণ করে এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়। উত্থাপনের তারিখ ও কার্যকর হওয়ার তারিখ আলাদা, তাই পরীক্ষায় এ দুটি গুলিয়ে ফেললে ভুল হয়।
মনে রাখুন:
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
খসড়া কমিটি গঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল, সদস্য ছিলেন ৩৪ জন।
মূল সংবিধানে ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ এবং ৪টি তফসিল ছিল। - ৭৬. ১৯৫২ সালে তৎকালীন ভাষা আন্দোলন কিসের জন্ম দিয়েছিল?
- ক. এক রাজনৈতিক মতবাদের
- খ. এক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের
- গ. এক নতুন জাতীয় চেতনার
- ঘ. এক নতুন সমাজ ব্যবস্থার
উত্তর: গ. এক নতুন জাতীয় চেতনার
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বাঙালিরা প্রথমবারের মতো নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে ভিত্তি করে একজোট হয়। ধর্মের পরিচয় ছাপিয়ে বাঙালি পরিচয়ই তখন বড় হয়ে ওঠে, আর এভাবে জন্ম নেয় বাঙালি জাতীয়তাবাদ, অর্থাৎ এক নতুন জাতীয় চেতনা। এই চেতনাই পরে ১৯৫৪-র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ছয় দফা, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের পথ তৈরি করে।
মনে রাখুন:
ভাষা আন্দোলনের শহীদ দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি।
১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো এ দিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে, আর ২০০০ সাল থেকে দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। - ৭৭. ঘোড়াশাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
- ক. টিএসপি
- খ. ইউরিয়া
- গ. পটাশ
- ঘ. এমোনিয়াম সালফেট
উত্তর: খ. ইউরিয়া
নরসিংদী জেলার ঘোড়াশালে অবস্থিত ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার তৈরি করে। ইউরিয়া নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ সার, যা ধান ও অন্যান্য ফসলের পাতা সবুজ করে এবং বৃদ্ধি বাড়ায়। দেশের প্রায় সব বড় ইউরিয়া কারখানাই গ্যাসভিত্তিক।
মনে রাখুন:
টিএসপি (TSP) সার তৈরি হয় চট্টগ্রামের টিএসপি কমপ্লেক্সে।
অন্য ইউরিয়া কারখানা: শাহজালাল (সিলেট), যমুনা (জামালপুর), আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), চট্টগ্রাম ইউরিয়া ও কাফকো (চট্টগ্রাম)। - ৭৮. বাংলাদেশের মৎস্য আইনে কত সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের রুই জাতীয় মাছের পোনা মারা নিষেধ?
- ক. ১৮ সেন্টিমিটার
- খ. ২০ সেন্টিমিটার
- গ. ২৩ সেন্টিমিটার
- ঘ. ২৫ সেন্টিমিটার
উত্তর: গ. ২৩ সেন্টিমিটার
রুই জাতীয় মাছ, অর্থাৎ রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশের পোনা ছোট থাকতেই ধরে ফেললে মাছ বংশবৃদ্ধির সুযোগ পায় না এবং দেশে মাছের উৎপাদন কমে যায়। এই কারণে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ও বিধিমালায় ২৩ সেন্টিমিটারের (প্রায় ৯ ইঞ্চি) চেয়ে ছোট রুই জাতীয় মাছ ধরা, কেনাবেচা ও মজুত করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মনে রাখুন:
জাটকা বা ইলিশের ২৫ সেন্টিমিটারের ছোট বাচ্চা ধরা নিষিদ্ধ।
প্রতিবছর নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত জাটকা ধরা নিষিদ্ধ থাকে।
মা ইলিশ রক্ষায় আশ্বিনের প্রথম পূর্ণিমার আগের ও পরের ১১ দিন (মোট ২২ দিন) ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ। - ৭৯. বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নিমার্ণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
- ক. নারায়নগঞ্জ
- খ. কক্সবাজার
- গ. চট্টগ্রাম
- ঘ. খুলনা
উত্তর: ঘ. খুলনা
খুলনা শিপইয়ার্ড বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা। এটি খুলনার কাছে রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত এবং সেখানে নৌবাহিনী ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনের জন্য জাহাজ ও নৌযান তৈরি হয়। নদীপথে সহজে নৌযান নামানোর সুবিধা থাকায় নদীর তীরেই এমন কারখানা গড়ে তোলা হয়।
মনে রাখুন:
নারায়ণগঞ্জে আছে ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস।
চট্টগ্রামে আছে ড্রাইডক ও চট্টগ্রাম বন্দর, যেখানে নৌযান মেরামত হয়। - ৮৫. কোন ব্যাংক বাংলাদেশের দারিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশ ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে?
- ক. কৃষি ব্যাংক
- খ. গ্রামীণ ব্যাংক
- গ. সমবায় ব্যাংক
- ঘ. ইসলামী ব্যাংক
উত্তর: খ. গ্রামীণ ব্যাংক
গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান, যা কোনো জামানত না নিয়ে গরিব মানুষকে, বিশেষ করে গ্রামের নারীদের, ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) দেয়। এই ঋণ নিয়ে অনেক পরিবার ছোট ব্যবসা করে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছে, আর এজন্যই ব্যাংকটি দেশে ও বিদেশে সুনাম পেয়েছে। ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
মনে রাখুন:
গ্রামীণ ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে।
এটি ১৯৮৩ সালে স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসেবে আইনি স্বীকৃতি পায়। - ৮৬. চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল কি?
- ক. আখের ছোবড়া
- খ. বাঁশ
- গ. জারুল গাছ
- ঘ. নল-খগড়া
উত্তর: খ. বাঁশ
রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর তীরে কর্ণফুলী পেপার মিলস অবস্থিত। এই কারখানা পার্বত্য চট্টগ্রামের বনে প্রচুর পাওয়া বাঁশকে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে কাগজ তৈরি করে। বাঁশ থেকে মণ্ড (Pulp) বানিয়ে সেই মণ্ড দিয়ে কাগজ হয়।
মনে রাখুন:
খুলনার নিউজপ্রিন্ট মিলের কাঁচামাল গেওয়া কাঠ।
সিলেটের ছাতকে আছে ছাতক পেপার মিল, যার কাঁচামাল ছিল নলখাগড়া ও ঘাস। - ৮৭. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
- ক. কামরুল হাসান
- খ. জয়নুল আবেদিন
- গ. হাশেম খান
- ঘ. হামিদুর রহমান
উত্তর: ক. কামরুল হাসান
বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন শিল্পী কামরুল হাসান। এই পতাকায় গাঢ় সবুজ জমির মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত আছে। ১৯৭১ সালের প্রথম পতাকার লাল বৃত্তের ভেতরে বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল, কিন্তু মানচিত্র ঠিকমতো আঁকা ও দুই দিক থেকে একই রকম দেখানো কঠিন বলে পরে তা বাদ দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
প্রথম পতাকা তৈরিতে ছাত্রনেতা আ.স.ম. আবদুর রব, শাহজাহান সিরাজ ও অন্যদের ভূমিকা ছিল।
শিল্পী কামরুল হাসান ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারের জন্যও পরিচিত।
পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬। - ৮৮. মুজিবনগরে কোন তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল?
- ক. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
- খ. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
- গ. ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
- ঘ. ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
উত্তর: খ. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয় এবং প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। এরপর ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে এই সরকার শপথ নেয় এবং জায়গাটির নাম হয় মুজিবনগর। ২৬ মার্চ ছিল স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম দিন, কিন্তু মুজিবনগর সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র জারির দিন হিসেবে ১০ এপ্রিলকেই ধরা হয়।
মনে রাখুন:
রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (অনুপস্থিতিতে), উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
- ১৫. ১৯৯৭ সালে এশিয়ার কোন রাষ্ট্রে ‘একদেশ, দুই নীতি’ চালু হবে?
- ক. লাওস
- খ. ভিয়েতনাম
- গ. মঙ্গোলিয়া
- ঘ. গণচীন
উত্তর: ঘ. গণচীন
‘এক দেশ, দুই নীতি’ (One Country, Two Systems) নীতির প্রস্তাব করেছিলেন চীনের নেতা দেং শিয়াওপিং। ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটেন হংকংকে চীনের হাতে ফিরিয়ে দেয়। তখন থেকে গণচীন এই নীতি অনুযায়ী হংকংকে নিজের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল (Special Administrative Region) হিসেবে শাসন করছে। এতে হংকং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিজের পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও আইনব্যবস্থা বজায় রাখতে পারে।
মনে রাখুন: ১৯৯৯ সালে পর্তুগাল ম্যাকাও চীনকে ফিরিয়ে দেয়, আর সেখানেও এই নীতি চলে। - ১৬. এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি কি?
- ক. জাপানকে সাহায্য করা
- খ. ভিয়েতনামকে দমন করা
- গ. ‘আসিয়ান’ জোটকে সমর্থন করা
- ঘ. দক্ষিণ কোরিয়াকে রক্ষা করা
উত্তর: গ. ‘আসিয়ান’ জোটকে সমর্থন করা
ঠান্ডা যুদ্ধের সময় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমাজতন্ত্রের প্রভাব ঠেকানো ছিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান লক্ষ্য। সেই নীতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র আসিয়ান (ASEAN) জোটকে সমর্থন দিয়েছে, তাই প্রশ্নে এটিই এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি। জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হলেও এখানে আঞ্চলিক জোটকে সমর্থনই মূল নীতি।
মনে রাখুন: ১৯৬৭ সালে ব্যাংককে আসিয়ান গঠিত হয়। - ১৭. জার্মানি ব্যতিরেকে কোন দেশের প্রায় সকল নাগরিক জার্মান ভাষায় কথা বলে?
- ক. সুইজারল্যান্ড
- খ. পোল্যান্ড
- গ. অষ্ট্রিয়া
- ঘ. ডেনমার্ক
উত্তর: গ. অষ্ট্রিয়া
অস্ট্রিয়ার প্রায় সব মানুষের মাতৃভাষা জার্মান, তাই জার্মানি ছাড়া এই দেশটিই এমন, যার প্রায় সব নাগরিক জার্মান ভাষায় কথা বলে। সুইজারল্যান্ডে জার্মানের পাশাপাশি ফরাসি, ইতালীয় ও রোমান্শ ভাষাও সরকারিভাবে চলে, ফলে সেখানে সবাই জার্মান বলে না। পোল্যান্ডে পোলিশ আর ডেনমার্কে ডেনিশ ভাষা প্রচলিত।
মনে রাখুন: অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। - ১৮. রাজীব গান্ধীকে হত্যার জন্য বোমা বহনকারী আত্মঘাতী মহিলার নাম কি?
- ক. নলিনী
- খ. নাথু
- গ. থানু
- ঘ. আনু
উত্তর: গ. থানু
১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরে নির্বাচনী সভায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী নিহত হন। বোমা বহনকারী নারী ছিলেন শ্রীলঙ্কার তামিল সংগঠন এলটিটিইর সদস্য থেনমোঝি রাজারত্নম, যিনি ধানু বা থানু নামে পরিচিত ছিলেন। নলিনী এই ষড়যন্ত্রের অন্য একজন অভিযুক্ত।
মনে রাখুন: LTTE-র পূর্ণরূপ Liberation Tigers of Tamil Eelam। - ৪৫. দক্ষিণ কুরিয়ার মুদ্রার নাম কি?
- ক. ইয়েন
- খ. পেসো
- গ. ইউয়ান
- ঘ. উয়ন
উত্তর: ঘ. উয়ন
দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রার নাম উয়ন (Won)। অন্য দেশের মুদ্রার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। ইয়েন (Yen) জাপানের মুদ্রা, ইউয়ান (Yuan) চীনের এবং পেসো (Peso) ফিলিপাইনসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রা।
মনে রাখুন: উত্তর কোরিয়ার মুদ্রাও উয়ন নামে পরিচিত, তবে দুই দেশের মুদ্রা আলাদা। - ৪৬. ইরাক-ইরান যুদ্ধবিরতি তদারকীতে অংশগ্রহণকারী জাতিসংঘ বাহিনীর সংক্ষিপ্ত নাম কি?
- ক. UNIMOG
- খ. UNGOMAP
- গ. UNFICP
- ঘ. UNIIMOG
উত্তর: ঘ. UNIIMOG
১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণের জন্য জাতিসংঘ যে সামরিক পর্যবেক্ষক দল পাঠায়, তার নাম United Nations Iran-Iraq Military Observer Group, সংক্ষেপে UNIIMOG। অন্য সংক্ষিপ্ত নামগুলো ভিন্ন অভিযানের। UNGOMAP আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সংক্রান্ত দল, আর UNFICYP সাইপ্রাসে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী।
মনে রাখুন: ইরান-ইরাক যুদ্ধ ১৯৮০ সালে শুরু হয়ে ১৯৮৮ সালে শেষ হয়। - ৪৭. প্রতি বছর অক্টোবর মাসের কোনদিন বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Habitat Day) পালিত হয়ে থাকে?
- ক. প্রথম সোমবার
- খ. দ্বিতীয় সোমবার
- গ. তৃতীয় সোমবার
- ঘ. চতুর্থ সোমবার
উত্তর: ক. প্রথম সোমবার
প্রতি বছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস (World Habitat Day) পালিত হয়। মানুষের বাসস্থান ও বসতির অবস্থা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোই এই দিবসের উদ্দেশ্য। বন্ধনীতে দেওয়া World Habitat Day-ই আসল দিবসের নাম, আর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় প্রতি বছর ৫ জুন।
মনে রাখুন: জাতিসংঘ ১৯৮৫ সালে দিবসটি ঘোষণা করে এবং ১৯৮৬ সাল থেকে পালিত হচ্ছে। - ৪৮. কোনটি জাতিসংঘের বহুমুখী ও প্রাক-প্রাথমিক সহযোগিতা বাস্তবায়নের সর্ববৃহৎ মাধ্যম?
- ক. UNV
- খ. DTCD
- গ. UNFPA
- ঘ. UNDP
উত্তর: ঘ. UNDP
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (United Nations Development Programme, UNDP) জাতিসংঘের কারিগরি ও উন্নয়ন সহযোগিতার সবচেয়ে বড় তহবিল ও মাধ্যম। বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের উন্নয়ন কাজ এই সংস্থার মাধ্যমেই সমন্বিত হয়। UNFPA জনসংখ্যা নিয়ে কাজ করে আর UNV (United Nations Volunteers) স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচি পরিচালনা করে।
মনে রাখুন: UNDP প্রতি বছর মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে, আর এর সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। - ৪৯. ক্যাটালন কোন দেশের ভাষা?
- ক. স্পেন
- খ. বেলজিয়াম
- গ. নাইজেরিয়া
- ঘ. মঙ্গোলিয়া
উত্তর: ক. স্পেন
ক্যাটালান (Catalan) ভাষা স্পেনের কাতালোনিয়া অঞ্চলের ভাষা। কাতালোনিয়ার রাজধানী বার্সেলোনা। এই ভাষা ভ্যালেন্সিয়া ও বালেয়ারিক দ্বীপপুঞ্জেও কিছুটা প্রচলিত। ছোট রাষ্ট্র অ্যান্ডোরার রাষ্ট্রভাষাও ক্যাটালান।
মনে রাখুন: স্পেনের সরকারি ভাষা কাস্তিলিয়ান স্প্যানিশ, তবে কাতালোনিয়ায় ক্যাটালানও সরকারি স্বীকৃতি পেয়েছে। - ৬০. ‘গ্লাসনস্ত’- এর অর্থ কি?
- ক. সমাজতন্ত্রের সংগঠন
- খ. সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান
- গ. খোলামেলা আলোচনা
- ঘ. সমাজতন্ত্রের পরিবর্তে গঠনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
উত্তর: গ. খোলামেলা আলোচনা
‘গ্লাসনস্ত’ (Glasnost) একটি রুশ শব্দ, যার অর্থ খোলামেলা ভাব বা প্রকাশ্যতা। ১৯৮৫ সালে ক্ষমতায় এসে সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ রাষ্ট্র ও সমাজে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং খোলামেলা আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে এই নীতি চালু করেন। তাই এর অর্থ খোলামেলা আলোচনা।
মনে রাখুন:
গ্লাসনস্তের সঙ্গী নীতি ছিল পেরেস্ত্রোইকা (Perestroika), যার অর্থ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পুনর্গঠন।
এই দুই নীতির পরিণতিতে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায়। - ৬১. কোনটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নয়?
- ক. IBRD
- খ. IDA
- গ. IMF
- ঘ. IFC
উত্তর: গ. IMF
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ভেতরে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আছে, যেমন IBRD (পুনর্গঠন ও উন্নয়নের আন্তর্জাতিক ব্যাংক), IDA (আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা) এবং IFC (আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থা)। এগুলো সবই বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund, IMF) বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনে জন্ম নিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু এটি আলাদা প্রতিষ্ঠান। তাই IMF বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ নয়।
মনে রাখুন:
IMF-এর কাজ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও লেনদেন ভারসাম্য নিয়ে, আর বিশ্বব্যাংকের কাজ দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে ঋণ দেওয়া।
দুটিরই সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে।
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্য দুটি প্রতিষ্ঠান MIGA ও ICSID। - ৬২. কোনটি ‘ওআইসি’ -এর অঙ্গসংস্থা নয়?
- ক. আর্ন্তজাতিক ইসলামী আদালত
- খ. সাধারণ সচিবালয়
- গ. ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র
- ঘ. ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তর: ক. আর্ন্তজাতিক ইসলামী আদালত
ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organisation of Islamic Cooperation, OIC) ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। সংস্থার সাধারণ সচিবালয় এর প্রধান প্রশাসনিক অঙ্গ, আর ইসলামী বাণিজ্য উন্নয়ন কেন্দ্র (ICDT) ও ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IDB) ওআইসির পরিচালনায় কাজ করা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আন্তর্জাতিক ইসলামী আদালতের সনদ ১৯৮৭ সালে তৈরি হলেও পর্যাপ্ত সদস্যরাষ্ট্র অনুমোদন না করায় এটি কখনো কার্যকর হয়নি, তাই এটি ওআইসির কোনো সক্রিয় অঙ্গসংস্থা নয়।
মনে রাখুন:
ওআইসির আগের নাম ছিল ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC), ২০১১ সালে নাম বদলে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা করা হয়।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে ওআইসির সদস্য হয়। - ৬৩. কখন থেকে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের লেনদেন শুরু হয়?
- ক. ১৯৬৫ সালে
- খ. ১৯৬৬ সালে
- গ. ১৯৬৭ সালে
- ঘ. ১৯৬৮ সালে
উত্তর: খ. ১৯৬৬ সালে
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (Asian Development Bank, ADB) ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং একই বছর ডিসেম্বরে এর কার্যক্রম শুরু হয়। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর দারিদ্র্য কমানো ও উন্নয়নে ঋণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়াই এর মূল কাজ।
মনে রাখুন:
ADB-এর সদর দপ্তর ম্যানিলায়, এর প্রথম সভাপতি ছিলেন জাপানের তাকেশি ওয়াতানাবে।
বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ADB-এর সদস্য হয়। - ৬৪. ভারতীয় জনতা পার্টির মতে অধিকৃত কাশ্মীরীদের সংগ্রামের একমাত্র সমাধান হচ্ছে-।
- ক. জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠান
- খ. সিমলা চুক্তি অনুযায়ী সমস্যার সমাধান করা
- গ. পাকিস্তানের সাথে যোগ দিতে না দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করা
- ঘ. সংবিধান থেকে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করা
উত্তর: ঘ. সংবিধান থেকে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করা
ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা দিয়েছিল। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বরাবরই মনে করত, এই বিশেষ মর্যাদা তুলে দিয়ে কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে পুরোপুরি একীভূত করাই সমস্যার একমাত্র সমাধান। সেই অবস্থান থেকে ২০১৯ সালের আগস্টে বিজেপি সরকার ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে এবং রাজ্যটিকে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ নামে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে।
মনে রাখুন: গণভোট বা স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবি বিজেপির নীতি ছিল না। ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর প্রশ্নে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার ভিত্তি। - ৮০. পপি উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোন দেশগুলোকে ‘গোল্ডেন ট্রায়েঙ্গেল’ বলা হয়?
- ক. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও চীন
- খ. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
- গ. মিয়ানমার, আফগানিস্তান ও কম্বোডিয়া
- ঘ. ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
উত্তর: খ. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্ত যেখানে মিলেছে, সেই পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর পপি চাষ হয়। পপি গাছ থেকে আফিম ও হেরোইন তৈরি হয় বলে এ তিন দেশের মিলিত অঞ্চলকে গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল (Golden Triangle) বলা হয়। অন্যদিকে ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের পপি উৎপাদক অঞ্চলের নাম গোল্ডেন ক্রিসেন্ট (Golden Crescent)।
মনে রাখুন:
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল: মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস।
গোল্ডেন ক্রিসেন্ট: ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান। - ৮১. তাসখন্দ চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়?
- ক. ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
- খ. ১৯৬৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর
- গ. ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি
- ঘ. ১৯৬৭ সালের ৩০ জানুয়ারি
উত্তর: গ. ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি
১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর যুদ্ধ থামাতে সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় আলোচনা হয়। সেই আলোচনার ফলে ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি উজবেকিস্তানের তাসখন্দে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার নাম তাসখন্দ চুক্তি। এতে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী।
মনে রাখুন:
চুক্তির পরদিন তাসখন্দেই শাস্ত্রী মারা যান।
সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সেই কোসিগিন ছিলেন মধ্যস্থতাকারী।
এই চুক্তির পর পূর্ব পাকিস্তানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ছয় দফা পেশ করেন। - ৮২. বিশ্বখ্যাত ‘মোনালিসা’ চিত্রটির চিত্রকর কে?
- ক. মাইকেল অ্যাঞ্জেলা
- খ. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
- গ. পাবলো পিকাসো
- ঘ. ভ্যানগণ
উত্তর: খ. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
‘মোনালিসা’ ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা বিখ্যাত চিত্র। এটি তিনি ষোড়শ শতকের শুরুতে আঁকেন, আর এখন ছবিটি প্যারিসের ল্যুভর জাদুঘরে রাখা আছে।
মনে রাখুন:
লিওনার্দোর আরেকটি বিখ্যাত ছবি ‘দ্য লাস্ট সাপার’ (The Last Supper)।
মাইকেল অ্যাঞ্জেলো ‘দ্য লাস্ট জাজমেন্ট’ ও সিস্টিন চ্যাপেলের ছাদচিত্রের জন্য বিখ্যাত।
পিকাসোর বিখ্যাত ছবি ‘গের্নিকা’। - ৮৩. কোন দেশটি আরবলীগের অর্ন্তভুক্ত নয়?
- ক. জর্ডান
- খ. লেবানন
- গ. ইরান
- ঘ. বাহরাইন
উত্তর: গ. ইরান
আরব লীগ ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত আরবভাষী দেশগুলোর জোট। এর সদর দপ্তর মিসরের কায়রোয়। জর্ডান, লেবানন ও বাহরাইন তিনটিই আরব দেশ এবং আরব লীগের সদস্য। কিন্তু ইরানের প্রধান ভাষা ফারসি, আর ইরান আরব দেশ নয়, তাই দেশটি আরব লীগের সদস্য হয়নি।
মনে রাখুন:
আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল মিসর, ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান ও সৌদি আরব।
তুরস্ক ও ইরান মুসলিম দেশ হলেও আরব লীগের সদস্য নয়। - ৮৪. কোনটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম সংশ্লিষ্ট বিষয়?
- ক. ধর্ম
- খ. জাতি
- গ. সংস্কৃতি
- ঘ. ভাষা
উত্তর: গ. সংস্কৃতি
দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে ধর্ম, জাতিসত্তা ও ভাষা বারবার রাজনৈতিক সংঘাত ও আন্দোলনের কারণ হয়েছে। যেমন ধর্মের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হয়, আর ভাষার প্রশ্নে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন হয়। এসব বিষয় সরাসরি রাজনৈতিক দাবি ও বিরোধ তৈরি করে। তুলনায় সংস্কৃতি এই অঞ্চলের নানা মানুষকে বরং কাছাকাছি আনে, তাই রাজনীতির সঙ্গে এর সরাসরি সংশ্লিষ্টতা সবচেয়ে কম।
মনে রাখুন: দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থার নাম সার্ক (SAARC), যার প্রতিষ্ঠা ১৯৮৫ সালে ঢাকায়।
সাধারণ বিজ্ঞান
- ১৯. রেলওয়ে ষ্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনে বাঁশি বাজাতে থাকলে প্লাটফরমে দাঁড়ানো ব্যক্তির কাছে বাঁশির কম্পনাঙ্ক-
- ক. আসলের সমান হবে
- খ. আসলের চেয়ে বেশি হবে
- গ. আসলের চেয়ে কম হবে
- ঘ. আসল গতির সাথে সম্পর্কযুক্তভাবে কমে যাবে
উত্তর: খ. আসলের চেয়ে বেশি হবে
শব্দের উৎস শ্রোতার দিকে এগিয়ে এলে প্রতি সেকেন্ডে বেশি সংখ্যক তরঙ্গ শ্রোতার কানে পৌঁছায়। এতে শ্রোতার কাছে শব্দের কম্পাঙ্ক আসল কম্পাঙ্কের চেয়ে বেশি মনে হয়, ফলে বাঁশির আওয়াজ তীক্ষ্ণ শোনায়। এই ঘটনাকে ডপলার ক্রিয়া (Doppler Effect) বলে। ট্রেন চলে যাওয়ার সময় একই কারণে কম্পাঙ্ক কমে যায়, তখন আওয়াজ খাদে নামে।
মনে রাখুন: ডপলার ক্রিয়া আলোর ক্ষেত্রেও ঘটে, যা দিয়ে নক্ষত্র আমাদের দিকে আসছে নাকি দূরে সরে যাচ্ছে তা বোঝা যায়। - ২০. দৃশ্যমান বর্ণালির ক্ষুদ্রতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য কোন রঙের আলোর?
- ক. লাল
- খ. সবুজ
- গ. নীল
- ঘ. বেগুনী
উত্তর: ঘ. বেগুনী
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালি (Visible spectrum) বেগুনি থেকে লাল পর্যন্ত বিস্তৃত। এর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, প্রায় ৪০০ ন্যানোমিটার, আর লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৭০০ ন্যানোমিটার।
মনে রাখুন:
বর্ণালির রঙের ক্রম: বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল (বেনীআসহকলা)।
তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, কম্পাঙ্ক তত বেশি। - ২১. কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচাইতে কম?
- ক. শূণ্যতায়
- খ. কঠিন পদার্থে
- গ. তরল পদার্থে
- ঘ. বায়বীয় পদার্থে
উত্তর: ঘ. বায়বীয় পদার্থে
শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের কণার কম্পন দরকার হয়। গ্যাসীয় পদার্থে কণাগুলো সবচেয়ে দূরে দূরে থাকে, তাই কম্পন এক কণা থেকে অন্য কণায় পৌঁছাতে বেশি সময় লাগে। এ কারণে বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে কম। শূন্যস্থানে কোনো কণা নেই বলে সেখানে শব্দ চলতেই পারে না, তাই সেখানে শব্দের বেগের প্রশ্নই ওঠে না।
মনে রাখুন: শব্দের বেগ কঠিনে সবচেয়ে বেশি, তরলে তার চেয়ে কম এবং গ্যাসে সবচেয়ে কম। - ২২. বজ্রপাতের সময় আপনি নিজের গাড়ী করে যাচ্ছেন। নিজেকে সুরক্ষা রাখার জন্য আপনি কোন উপায়টি গ্রহণ করবেন?
- ক. গাড়ির মধ্যে বসে থাকবেন
- খ. কোন গাছের তলায় আশ্রয় নিবেন
- গ. বাইরে এসে মাটির উপর শুয়ে থাকবেন
- ঘ. বাইরে এসে আকাশের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকবেন
উত্তর: ক. গাড়ির মধ্যে বসে থাকবেন
বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতরে বসে থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ। ধাতব দেহের গাড়ি ফ্যারাডে খাঁচার (Faraday Cage) মতো কাজ করে, ফলে বজ্রের বিদ্যুৎ গাড়ির বাইরের ধাতব আবরণ ধরে মাটিতে চলে যায়, ভেতরের মানুষের ক্ষতি হয় না। তবে জানালা বন্ধ রাখতে হয় এবং গাড়ির ধাতব অংশ ছোঁয়া উচিত নয়। অন্যদিকে গাছের নিচে দাঁড়ালে বজ্র গাছের মধ্য দিয়ে মানুষের দেহে আসতে পারে, তাই সেটি সবচেয়ে বিপজ্জনক। খোলা জায়গায় শুয়ে থাকা বা দাঁড়িয়ে থাকাও নিরাপদ নয়।
মনে রাখুন: বজ্রনিরোধক দণ্ড (Lightning conductor) আবিষ্কার করেন বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন। - ২৩. কিসের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. প্রতিফলন
- খ. প্রতিধ্বনি
- গ. প্রতিসরণ
- ঘ. প্রতিসরাঙ্ক
উত্তর: খ. প্রতিধ্বনি
সমুদ্রের গভীরতা মাপতে জাহাজ থেকে পানির নিচে শব্দ পাঠানো হয়। সেই শব্দ সমুদ্রের তলদেশে ধাক্কা খেয়ে প্রতিধ্বনি হিসেবে ফিরে আসে। শব্দ যেতে ও ফিরে আসতে যে সময় লাগে, তা মেপে গভীরতা বের করা হয়: গভীরতা = (শব্দের বেগ × সময়) ÷ 2। এই যন্ত্রব্যবস্থাকে সোনার (SONAR, Sound Navigation and Ranging) বলে।
মনে রাখুন: বাদুড় অন্ধকারে একই ধরনের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে পথ চেনে। - ৫০. কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
- ক. পুকুরে
- খ. বিলে
- গ. নদীতে
- ঘ. সাগরে
উত্তর: ঘ. সাগরে
সাগরের পানিতে প্রচুর লবণ মেশানো থাকে, তাই এর ঘনত্ব পুকুর বা নদীর মিষ্টি পানির চেয়ে বেশি। কোনো বস্তু তরলে ডুবালে তরল তাকে উপরের দিকে যে বল দেয়, তাকে প্লবতা (Buoyancy) বলে। তরলের ঘনত্ব বেশি হলে এই ঊর্ধ্বমুখী বলও বেশি হয়, ফলে শরীর সহজে ভেসে থাকে। এ কারণে সাগরে সাঁতার কাটা সহজ।
মনে রাখুন: মরু সাগর (Dead Sea) এত লবণাক্ত যে সেখানে মানুষ সহজেই না ডুবে ভাসতে পারে। - ৫১. ‘এভিকালচার’ বলতে কি বুঝায়?
- ক. উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি
- খ. পাখিপালন বিষয়াদি
- গ. বাজ পাখিপালন বিষয়াদি
- ঘ. উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনা
উত্তর: খ. পাখিপালন বিষয়াদি
এভিকালচার (Aviculture) শব্দটি লাতিন avis (পাখি) থেকে এসেছে। এর অর্থ পাখি পালন, তাদের যত্ন ও প্রজনন সংক্রান্ত বিদ্যা। উড্ডয়ন বা উড়োজাহাজ সংক্রান্ত বিদ্যার নাম এভিয়েশন (Aviation), তাই দুটিকে গুলিয়ে ফেলা চলবে না।
মনে রাখুন:
অ্যাপিকালচার: মৌমাছি পালন।
সেরিকালচার: রেশম পোকা পালন।
পিসিকালচার: মাছ চাষ।
হর্টিকালচার: বাগান বা ফলের চাষ। - ৫২. এক কুইণ্টাল ওজনে কত কিলোগ্রাম হয়?
- ক. ১ কিলোগ্রাম
- খ. ১০ কিলোগ্রাম
- গ. ১০০ কিলোগ্রাম
- ঘ. ১০০০ কিলোগ্রাম‘
উত্তর: গ. ১০০ কিলোগ্রাম
মেট্রিক পদ্ধতিতে ১ কুইন্টাল (Quintal) সমান ১০০ কিলোগ্রাম। ১০ কুইন্টাল মিলে হয় ১ মেট্রিক টন, অর্থাৎ ১০০০ কিলোগ্রাম।
মনে রাখুন: বাংলাদেশে প্রচলিত পুরোনো একক ১ মণ প্রায় ৩৭.৩২ কিলোগ্রাম। - ৫৩. কোন রঙের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়?
- ক. সাদা
- খ. কালো
- গ. লাল
- ঘ. ধূসর
উত্তর: খ. কালো
যে বস্তু ভালো তাপ শোষণ করে, সে ভালো তাপ বিকিরণও করে। কালো রং সবচেয়ে ভালো তাপ শোষক এবং একই সঙ্গে সবচেয়ে ভালো বিকিরকও। তাই কালো কাপে গরম চা রাখলে কাপ থেকে তাপ দ্রুত বাইরে ছড়িয়ে পড়ে এবং চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়। সাদা বা চকচকে পৃষ্ঠ তাপ কম বিকিরণ করে, ফলে সাদা কাপে চা বেশিক্ষণ গরম থাকে।
মনে রাখুন: গরমকালে সাদা বা হালকা রঙের কাপড় পরলে কম গরম লাগে, কারণ সাদা রং তাপ কম শোষণ করে। - ৫৪. সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে সাধারণত কি গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
- ক. নাইট্রোজেন
- খ. হিলিয়াম
- গ. নিয়ন
- ঘ. অক্সিজেন
উত্তর: ক. নাইট্রোজেন
সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে একটি খুব সরু টাংস্টেন তারের ফিলামেন্ট (Filament) থাকে। বিদ্যুৎ গেলে এই তার প্রায় ২৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি গরম হয়ে আলো দেয়। তখন বাল্বের ভেতরে অক্সিজেন থাকলে টাংস্টেন সঙ্গে সঙ্গে পুড়ে অক্সাইড হয়ে যেত, তাই বাল্বে অক্সিজেন রাখা হয় না। এর বদলে নাইট্রোজেন বা আর্গনের মতো নিষ্ক্রিয় (বিক্রিয়া করে না এমন) গ্যাস ভরা হয়। অপশনের মধ্যে নাইট্রোজেনই সেই গ্যাস।
মনে রাখুন:
আধুনিক বাল্বে সাধারণত আর্গন ও সামান্য নাইট্রোজেনের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
টাংস্টেনের গলনাঙ্ক অনেক বেশি (প্রায় ৩৪২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস), তাই ফিলামেন্ট হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
নিয়ন গ্যাস ব্যবহার হয় বিজ্ঞাপনের নিয়ন সাইনে, বাল্বে নয়।
গাণিতিক যুক্তি
- ২৪. দুই অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যার এককের অঙ্ক দশকের অঙ্ক অপেক্ষা ৩ বেশি। সংখ্যাটি এর অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টির তিনগুণ অপেক্ষা ৪ বেশি। সংখ্যাটি কত?
- ক. ৪৭
- খ. ৩৬
- গ. ২৫
- ঘ. ১৪
উত্তর: গ. ২৫
ধরি, দশকের অঙ্ক x। তাহলে এককের অঙ্ক x + 3, আর সংখ্যাটি 10x + (x + 3) = 11x + 3। অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টি x + (x + 3) = 2x + 3। শর্ত অনুযায়ী 11x + 3 = 3(2x + 3) + 4 = 6x + 13, তাই 5x = 10 এবং x = 2। অতএব সংখ্যাটি 25।
যাচাই: ২ + ৫ = ৭, আর 3 × 7 + 4 = 25। - ২৫. একটি ঘড়িতে ৬টার ধ্বনি ঠিক ৬টায় শুরু করে বাজতে ৫ সেকেন্ড সময় লাগে, ঐ ঘড়িতে ১২টার ঘণ্টাধ্বনি বাজতে কত সময় লাগবে? ঘণ্টাধ্বনি সমান সময় ব্যবধানে বাজে।
- ক. ১১ সেকেন্ড
- খ. ১০ সেকেন্ড
- গ. ১২ সেকেন্ড
উত্তর: ক. ১১ সেকেন্ড
ঘণ্টা বাজার সময় প্রতিটি ধ্বনির মাঝে সমান ফাঁক থাকে। ৬টি ধ্বনির মাঝে ৫টি ফাঁক, আর ৫টি ফাঁকে সময় লাগে ৫ সেকেন্ড, তাই প্রতি ফাঁকে সময় লাগে ১ সেকেন্ড। ১২টি ধ্বনির মাঝে ১১টি ফাঁক থাকে, তাই মোট সময় 11 × 1 = 11 সেকেন্ড।
মনে রাখুন: n সংখ্যক ধ্বনির মাঝে ফাঁক থাকে (n - 1)টি, আর ধ্বনি বাজতে যে সময় ধরা হয়, তা ফাঁকগুলোর মোট সময়। - ২৬. এক গোয়ালা তার `n’ সংখ্যক গাভীকে চার পুত্রের মধ্যে নিম্ন লিখিতভাবে বণ্টন করে দিল: ১ম পুত্রকে ১/২ অংশ, ২য় পুত্রকে ১/৪ অংশ, ৩য় পুত্রকে ১/৫ অংশ এবং বাকী ৭টি গাভী ৪র্থ পুত্রকে দিল। ঐ গোয়ালার গাভীর সংখ্যা কত ছিল?
- ক. ১০০টি
- খ. ১৪০টি
- গ. ১৮০টি
- ঘ. ২০০টি
উত্তর: খ. ১৪০টি
প্রথম তিন পুত্র গাভীর মোট 1/2 + 1/4 + 1/5 অংশ পেয়েছে। সাধারণ হর ২০ নিলে এটি 10/20 + 5/20 + 4/20 = 19/20। তাই বাকি 1 - 19/20 = 1/20 অংশ পেয়েছে চতুর্থ পুত্র, যা ৭টি গাভী। অতএব মোট গাভী n = 7 × 20 = 140।
যাচাই: ১৪০-এর অর্ধেক ৭০, চার ভাগের একভাগ ৩৫, পাঁচ ভাগের একভাগ ২৮, আর ৭০ + ৩৫ + ২৮ + ৭ = ১৪০। - ২৭. ১৮ ফুৃট উঁচু একটি খুঁটি এমনভাবে ভেঙ্গে গেল যে, ভাঙ্গা অংশটি বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভূমির সঙ্গে ৩০° কোণে স্পর্শ করলো। খুঁটিটি মাটি থেকে কত ফুট উঁচুতে ভেঙ্গে গিয়েছিল?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
- ক. ১২ ফুট
- খ. ৯ ফুট
- গ. ৬ ফুট
- ঘ. ৩ ফুট
উত্তর: গ. ৬ ফুট
ধরি, খুঁটিটি মাটি থেকে h ফুট উচ্চতায় ভেঙেছে। তাহলে ভাঙা অংশের দৈর্ঘ্য (18 - h) ফুট। এই অংশ অতিভুজ হয়ে মাটির সঙ্গে 30° কোণ তৈরি করে, আর h হলো তার বিপরীত বাহু। তাই sin 30° = h/(18 - h) = 1/2। এ থেকে 18 - h = 2h, অর্থাৎ h = 6 ফুট।
মনে রাখুন: 30° কোণের বিপরীত বাহু সবসময় অতিভুজের অর্ধেক হয়। - ৫৫. সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় যথাক্রমে ৩ ও ৪ সেন্টিমিটার হলে এর অতিভুজের মান কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
- ক. ৬ সে.মি.
- খ. ৫ সে.মি.
- গ. ৮ সে.মি.
- ঘ. ৭ সে.মি.
উত্তর: খ. ৫ সে.মি.
সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভুজ (Hypotenuse) বলে। পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী অতিভুজের বর্গ বাকি দুই বাহুর বর্গের সমষ্টির সমান। অর্থাৎ অতিভুজ² = 3² + 4² = 9 + 16 = 25, তাই অতিভুজ = √25 = 5 সেন্টিমিটার।
মনে রাখুন:
যে তিনটি সংখ্যা এই সূত্র মেনে চলে, তাদের পিথাগোরীয় ত্রয়ী বলে। যেমন (3, 4, 5), (5, 12, 13), (8, 15, 17)।
অতিভুজ সবসময় ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহু হয়। - ৫৬. একটি আয়তকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি ও প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে, ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
- ক. ৮ % (বৃদ্ধি)
- খ. ৮% (হ্রাস)
- গ. ১০৮% (বৃদ্ধি)
- ঘ. ১০৮% (হ্রাস)
উত্তর: ক. ৮ % (বৃদ্ধি)
কোনো রাশি ২০% বাড়লে সেটি আগের মানের 1.2 গুণ হয়, আর ১০% কমলে 0.9 গুণ হয়। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের গুণফল, তাই নতুন ক্ষেত্রফল = 1.2 × 0.9 = 1.08 গুণ। ক্ষেত্রফল ১০০ থেকে বেড়ে ১০৮ হলো, অর্থাৎ ৮% বৃদ্ধি পেয়েছে।
মনে রাখুন: দুটি রাশির একটি x% বাড়লে আর অন্যটি y% কমলে গুণফলের পরিবর্তন = x − y − (xy/100)। এখানে 20 − 10 − (200/100) = ৮% বৃদ্ধি। - ৫৭. কোনটি সামন্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র?
- ক. ১/২ (ভূমি × উচ্চতা)
- খ. দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
- গ. ২ (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ)
- ঘ. ভূমি × উচ্চতা
উত্তর: ঘ. ভূমি × উচ্চতা
একটি সামান্তরিক (Parallelogram) আকারের কাগজের একপাশ থেকে একটি ত্রিভুজ আকারের টুকরো কেটে অন্য পাশে জোড়া লাগালে একটি আয়তক্ষেত্র তৈরি হয়। ওই আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য হয় সামান্তরিকের ভূমি আর প্রস্থ হয় তার উচ্চতা। কাটা ও জোড়ায় ক্ষেত্রফল বদলায় না, তাই সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা। এখানে উচ্চতা মানে দুই সমান্তরাল বাহুর মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব, পাশের হেলানো বাহুর দৈর্ঘ্য নয়।
মনে রাখুন:
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ½ × ভূমি × উচ্চতা।
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½ × কর্ণ দুটির গুণফল। - ৫৮. 1/2 {(a + b)2 + (a – b)2}= কত?
- ক. a2 + b2
- খ. a2 – b2
- গ. (a + b)2/2 – (a – b)2/2
- ঘ. (a + b)2 + (a – b)2
উত্তর: ক. a2 + b2
প্রথমে (a + b)² ও (a − b)² আলাদাভাবে লিখি: (a + b)² = a² + 2ab + b² এবং (a − b)² = a² − 2ab + b²। দুটি যোগ করলে মাঝের 2ab ও −2ab কেটে যায়, ফলে যোগফল হয় 2a² + 2b² = 2(a² + b²)। এর অর্ধেক নিলে পাওয়া যায় a² + b²।
মনে রাখুন:
(a + b)² + (a − b)² = 2(a² + b²)
(a + b)² − (a − b)² = 4ab
এই দুটি অভেদ অনেক অঙ্কে কাজে লাগে। - ৫৯. am . an = am + n কখন হবে?
- ক. m ধনাত্মক হলে
- খ. n ধনাত্মক হলে
- গ. m ও n ধনাত্মক হলে
- ঘ. m ধনাত্মক ও n ঋণাত্মক হলে
উত্তর: গ. m ও n ধনাত্মক হলে
সূচকের গুণের সূত্র হলো aᵐ × aⁿ = aᵐ⁺ⁿ। এখানে a-কে m বার এবং n বার গুণ করে একসঙ্গে লিখলে মোট (m + n) বার a গুণ হয়, তাই সূত্রটি প্রমাণ করা হয় m ও n ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা ধরে। সেজন্য প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সূত্রটি তখনই খাটে, যখন m ও n দুটিই ধনাত্মক। পরে a ≠ 0 হলে শূন্য ও ঋণাত্মক সূচকের জন্যও একই সূত্রকে সংজ্ঞার মাধ্যমে বাড়ানো হয়।
মনে রাখুন:
aᵐ ÷ aⁿ = aᵐ⁻ⁿ
(aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ
a⁰ = 1 (a ≠ 0) - ৯৪. শতকরা ৫ টাকা হার সুদে ২০ বছরে সুদ-আসলে ৫০,০০০ টাকা হলে মূলধন কত?
- ক. ২০,০০০ টাকা
- খ. ২৫,০০০ টাকা
- গ. ৩০,০০০ টাকা
- ঘ. ৩৫,০০০ টাকা
উত্তর: খ. ২৫,০০০ টাকা
সরল সুদে সুদ = (আসল × সুদের হার × সময়) / 100। এখানে ২০ বছরে ৫% হারে সুদ হয় আসলের 5 × 20 = 100%, অর্থাৎ সুদ আসলের সমান। তাই সুদ-আসল = আসল + আসল = 2 × আসল।
2 × আসল = 50000
আসল = 25000 টাকা।
মনে রাখুন: সুদ-আসল = আসল × (1 + (r × n)/100)। এখানে 1 + 1 = 2 গুণ।
অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান
১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৬)
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৮তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২৫)
- ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৪)
- ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৩)
- ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২২)
- ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২১)
- ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৯)
- ৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০১৮)
- ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৭)
- ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৫)
- ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৩)
- ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১১)
- ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১০)
- ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৯)
- ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৮)
- ২৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৫)
- ২৬তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৩)
- ২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৯)
- ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৬)
- ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৫)
- ১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি (১৯৯৪)
- ১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৩)
- ১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯০)
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন