৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৭ মে ২০২২। এখানে ১৯২টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ১২০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (৩৫)
- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (৩৫)
- গাণিতিক যুক্তি (১৫)
- সাধারণ বিজ্ঞান (১৪)
- ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (১১)
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি (১৫)
- মানসিক দক্ষতা (১০)
- আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (১৮)
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি (২৯)
- নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন (১০)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ১. ‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের রচয়িতার নাম-
- ক. সৈয়দ মুজতবা আলী
- খ. কাজী আবদুল ওদুদ
- গ. নজিবর রহমান
- ঘ. রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন
উত্তর: গ. নজিবর রহমান
আনোয়ারা বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস, যা ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়। এর লেখক নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন। উপন্যাসে মুসলিম সমাজের পারিবারিক জীবন, সতীত্ব ও পতিভক্তির আদর্শ ফুটে উঠেছে। আনোয়ারা নামের নায়িকা চরিত্রের কাহিনি একসময় পাঠকদের কাছে খুবই সমাদৃত হয়েছিল।
মনে রাখুন:
নজিবর রহমানের আরেকটি উপন্যাস প্রেমের সমাধি।
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের উপন্যাস পদ্মরাগ।
কাজী আবদুল ওদুদের বিখ্যাত উপন্যাস নদীবক্ষে।
সৈয়দ মুজতবা আলীর উপন্যাস শবনম। - ২. ধ্বনি-পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ-বিপর্যয়-এর দৃষ্টান্ত?
- ক. রতন
- খ. কবাট
- গ. পিচাশ
- ঘ. মুলুক
উত্তর: গ. পিচাশ
ধ্বনি-পরিবর্তনের নিয়মে বর্ণ-বিপর্যয় (Metathesis) হলো শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির পরস্পর জায়গা বদল। উদাহরণ হিসেবে পিশাচ শব্দের শ ও চ জায়গা বদল করে হয় পিচাশ। অন্যদিকে রতন শব্দটি রত্ন থেকে স্বরভক্তির নিয়মে হয়েছে, আর কবাট ও মুলুক শব্দে দুটি ব্যঞ্জন জায়গা বদল করেনি। তাই বর্ণ-বিপর্যয়ের দৃষ্টান্ত পিচাশ।
উদাহরণ:
বাক্স থেকে বাস্ক
পিশাচ থেকে পিচাশ
লাফ থেকে ফাল
মনে রাখুন:
অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি ও স্বরভক্তি আলাদা ধ্বনি পরিবর্তন। - ৩. নিচের কোনটি ‘অগ্নি’র সমার্থক শব্দ নয়?
- ক. বহ্নি
- খ. আবীর
- গ. বায়ুসখা
- ঘ. বৈশ্বানর
উত্তর: খ. আবীর
অগ্নির সমার্থক শব্দ অনেক, যেমন অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, কৃশানু, বৈশ্বানর ও বায়ুসখা। এর মধ্যে বহ্নি, বায়ুসখা ও বৈশ্বানর অগ্নির প্রতিশব্দ। বায়ুসখা বলার কারণ বাতাস আগুনের সঙ্গী বা বন্ধু। অন্যদিকে আবীর হলো হোলি উৎসবে ব্যবহৃত রঙিন গুঁড়া, এর সঙ্গে আগুনের সমার্থকতা নেই। তাই উত্তর আবীর।
মনে রাখুন:
অগ্নির আরেক নাম দহন।
আবীরের সঙ্গে বসন্ত উৎসব ও হোলির সম্পর্ক।
কুশানু শব্দটি কৃশানু রূপেও লেখা হয়। - ৪. ‘দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রুধারা’ – এই উক্তিটি নিচের কোন পারিভাষিক অলংকার দ্বারা শোভিত?
- ক. অপহৃতি
- খ. যমক
- গ. অর্থোন্নতি
- ঘ. অভিযোজন
উত্তর: ক. অপহৃতি
অপহ্নুতি (Apahnuti) অলংকারে উপমেয়কে অস্বীকার করে উপমানকে সত্য বলে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখানে দেশের নদীর ধারাকে বলা হয়েছে জল নয়, বরং অশ্রুধারা। অর্থাৎ নদীর জল অস্বীকার করে তাকে অশ্রু বলা হয়েছে। এই নিষেধপূর্বক অন্য কিছু প্রতিষ্ঠা করার কৌশলই অপহ্নুতি। এখানে নিষেধ আছে এবং অন্য কিছু আরোপও আছে।
উদাহরণ:
এ তো মুখ নয়, চাঁদ।
মনে রাখুন:
যমক শব্দের ধ্বনিগত অলংকার, যেখানে একই শব্দ বিভিন্ন অর্থে পুনরাবৃত্ত হয়।
অপহ্নুতি অর্থালংকার।
অর্থালংকার অর্থের চমৎকারিত্ব সৃষ্টি করে। - ৫. ‘যথারীতি’ কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
- ক. অব্যয়ীভাব
- খ. দ্বিগু
- গ. বহুব্রীহি
- ঘ. দ্বন্দ্ব
উত্তর: ক. অব্যয়ীভাব
যে সমাসে পূর্বপদ অব্যয় এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান থাকে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। সমস্ত পদটি সাধারণত অব্যয়ের মতো ব্যবহৃত হয়। যথারীতি শব্দের ব্যাসবাক্য রীতিকে অতিক্রম না করে। এখানে পূর্বপদ যথা অব্যয় এবং এর অর্থ অনুযায়ী অতিক্রম না করা, তাই এটি অব্যয়ীভাব সমাস।
উদাহরণ:
যথাসাধ্য (সাধ্যকে অতিক্রম না করে)
প্রতিদিন (দিন দিন)
আমরণ (মরণ পর্যন্ত)
মনে রাখুন:
দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক।
দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধান। - ৬. ‘মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি’ – কথাটি সংকোচন করলে হবে –
- ক. তন্ময়
- খ. মন্ময়
- গ. মৃন্ময়
- ঘ. চিন্ময়
উত্তর: গ. মৃন্ময়
এক কথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচনে মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি এই বাক্যাংশের জন্য শব্দ মৃন্ময়। যেমন মৃন্ময় পাত্র বা মাটির তৈরি পাত্র। মৃৎ বা মৃত্তিকা শব্দের সঙ্গে ময় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সন্ধির নিয়মে মৃন্ময় হয়। অন্যদিকে তন্ময় মানে একাগ্র বা তাতে ডুবে থাকা, চিন্ময় মানে চেতনা বা জ্ঞানে পূর্ণ।
উদাহরণ:
মৃৎ + ময় = মৃন্ময়
চিৎ + ময় = চিন্ময়
তৎ + ময় = তন্ময়
মনে রাখুন:
ৎ-এর পরে ম থাকলে সন্ধিতে ন্ম হয়। - ৭. ‘অর্ধচন্দ্র’ কথাটির অর্থ –
- ক. অমাবস্যা
- খ. গলাধাক্কা দেওয়া
- গ. কাছে টানা
- ঘ. কাস্তে
উত্তর: খ. গলাধাক্কা দেওয়া
অর্ধচন্দ্র একটি বাগ্ধারা বা ইডিয়ম, যার অর্থ গলাধাক্কা। কাউকে গলায় হাত দিয়ে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়ার সময় হাতের আঙুলের আকৃতি অর্ধচন্দ্রের মতো দেখায়। সেখান থেকেই এই বাগ্ধারার জন্ম। বাক্যে ব্যবহার, যেমন অপমান করে তাকে অর্ধচন্দ্র দিয়ে বের করে দেওয়া হলো।
মনে রাখুন:
অমাবস্যা মানে চাঁদহীন রাত।
কাস্তে অর্ধচন্দ্রাকৃতি যন্ত্র, কিন্তু বাগ্ধারার অর্থ নয়।
বাগ্ধারার অর্থ আক্ষরিক অর্থ থেকে আলাদা। - ৮. ‘হরতাল’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
- ক. পর্তুগিজ
- খ. হিন্দি
- গ. গুজরাটি
- ঘ. ফরাসি
উত্তর: গ. গুজরাটি
বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ এসেছে, যেমন আরবি, ফারসি, তুর্কি, পর্তুগিজ, ইংরেজি ও গুজরাটি। হরতাল শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে। এর মূল হাট (দোকান) ও তালা (বন্ধ) অর্থাৎ দোকানে তালা দেওয়া। মহাত্মা গান্ধী ১৯১৯ সালে রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে শব্দটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেন, পরে বাংলায় এটি চালু হয়।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: আলমারি, চাবি, বালতি।
গুজরাটি শব্দ: হরতাল, খাদি।
হিন্দি শব্দ: চাটাই, পানি। - ৯. কোনটি ‘জিগীষা’র সম্প্রসারিত প্রকাশ?
- ক. জানিবার ইচ্ছা
- খ. জয় করিবার ইচ্ছা
- গ. হনন করিবার ইচ্ছা
- ঘ. যুদ্ধ করিবার ইচ্ছা
উত্তর: খ. জয় করিবার ইচ্ছা
কিছু ইচ্ছা-বোধক শব্দ সংস্কৃত সন্ প্রত্যয়যোগে হয়। জিগীষা শব্দের অর্থ জয় করার ইচ্ছা, কারণ এটি জি ধাতু (জয় করা) থেকে এসেছে। তাই জিগীষার সম্প্রসারিত রূপ জয় করিবার ইচ্ছা। অন্য ইচ্ছাবাচক শব্দগুলো আলাদা, যেমন জানার ইচ্ছা জিজ্ঞাসা, হনন করার ইচ্ছা জিঘাংসা।
উদাহরণ:
জিজ্ঞাসা (জানার ইচ্ছা)
জিঘাংসা (হত্যার ইচ্ছা)
বুভুক্ষা (খাওয়ার ইচ্ছা)
পিপাসা (পান করার ইচ্ছা)
শুশ্রূষা (শোনার ইচ্ছা) - ১০. নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?
- ক. পছন্দ
- খ. হিসাব
- গ. ধূলি
- ঘ. শৌখিন
উত্তর: গ. ধূলি
উৎস অনুযায়ী বাংলা শব্দকে চার ভাগে ভাগ করা হয়: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও দেশি-বিদেশি শব্দ। যেসব সংস্কৃত শব্দ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ (Tatsama) বলে। ধূলি সংস্কৃত শব্দ, বাংলায় একই রূপে চলে, তাই এটি তৎসম। পছন্দ ফারসি শব্দ, হিসাব আরবি শব্দ, আর শৌখিন আরবি-ফারসি মূলের শব্দ।
উদাহরণ:
তৎসম: চন্দ্র, সূর্য, নদী, পুষ্প
তদ্ভব: চাঁদ, সূর্য থেকে সুয্যি, হাত
মনে রাখুন:
তৎ মানে তার, সম মানে সমান, অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান। - ১১. নিচের কোনটি বাংলা ধাতুর দৃষ্টান্ত?
- ক. কহ্
- খ. কথ্
- গ. বুধ্
- ঘ. গঠ্
উত্তর: ক. কহ্
ধাতু (Root) হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ। বাংলা ধাতু দুই রকম: সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম বা সাধিত ধাতু এবং বাংলা ভাষায় নিজস্বভাবে তৈরি ধাতু। কহ্ বাংলা ভাষার নিজস্ব ধাতু, যা থেকে কহা, কহিল ইত্যাদি রূপ হয়। কথ্ ও বুধ্ সংস্কৃত থেকে নেওয়া ধাতু, বাংলা ধাতু নয়।
উদাহরণ:
খাঁটি বাংলা ধাতু: কর্, চল্, ধর্, বল্, খা, যা, কহ্
সংস্কৃত ধাতু: কথ্, বুধ্, গম্
মনে রাখুন:
ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। - ১২. কোনটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ নয়?
- ক. ব্যথার দান
- খ. দোলনচাঁপা
- গ. সোনার তরী
- ঘ. শিউলিমালা
উত্তর: গ. সোনার তরী
নজরুলের গ্রন্থ চেনার সময় তাঁর কাব্য ও গদ্যের সংকলনগুলো আলাদা করে মনে রাখা দরকার। ব্যথার দান নজরুলের প্রথম গল্পগ্রন্থ, দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থ, শিউলিমালা গল্পগ্রন্থ। অন্যদিকে সোনার তরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ (১৮৯৪), তাই এটি নজরুলের নয়।
মনে রাখুন:
নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা।
নজরুলের উপন্যাস: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা।
সোনার তরী কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের নামকবিতা। - ১৩. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. মুমুর্ষু
- খ. মূমুর্ষূ
- গ. মুমূর্ষু
- ঘ. মূমূর্ষ
উত্তর: গ. মুমূর্ষু
বাংলা বানানে উ-কার ও ঊ-কার নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই ভুল করে। মুমূর্ষু শব্দটি মৃ ধাতু থেকে সন্ প্রত্যয় যোগে গঠিত, যার অর্থ মরতে ইচ্ছুক, অর্থাৎ মৃত্যুপথযাত্রী। শুদ্ধ বানান মুমূর্ষু: প্রথম মু-তে হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় মূ-তে দীর্ঘ ঊ-কার এবং শেষে ষু-তে হ্রস্ব উ-কার। বাকি রূপগুলো ভুল।
মনে রাখুন:
সংস্কৃত থেকে আসা শব্দের বানান আলাদা করে মুখস্থ করতে হয়।
মূর্খ, মূর্ছা, মূক শব্দে ঊ-কার আছে।
মুহূর্ত শব্দের বানানে প্রথম উ হ্রস্ব, শেষের ঊ দীর্ঘ। - ১৪. ‘ইতরবিশেষ’ বলতে বােঝায় -
- ক. দুর্বৃত্ত
- খ. চালাকি
- গ. পার্থক্য
- ঘ. অপদার্থ
উত্তর: গ. পার্থক্য
ইতরবিশেষ শব্দটি ইতর ও বিশেষ এই দুটি শব্দের মিলনে তৈরি। এর অর্থ পার্থক্য বা তারতম্য। সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যেমন দুই ভাইয়ের আচরণে ইতরবিশেষ নেই, অর্থাৎ কোনো তফাত নেই। দুর্বৃত্ত, চালাকি ও অপদার্থ এই শব্দের অর্থ নয়।
উদাহরণ:
দুটি প্রস্তাবে ইতরবিশেষ কিছু নেই।
মনে রাখুন:
ইতর শব্দের আরেক অর্থ নিম্নশ্রেণির।
দুর্বৃত্ত মানে খারাপ চরিত্রের মানুষ।
অপদার্থ মানে অকর্মণ্য। - ১৫. নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির দৃষ্টান্ত কোনটি?
- ক. গো + অক্ষ = গবাক্ষ
- খ. পৌ + অক = পাবক
- গ. বি + অঙ্গ = বঙ্গ
- ঘ. যতি + ইন্দ্র = যতীন্দ্র
উত্তর: ক. গো + অক্ষ = গবাক্ষ
সন্ধির সাধারণ নিয়ম না মেনে যে সন্ধি প্রচলিত রূপে সিদ্ধ হয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। গো + অক্ষ = গবাক্ষ বাংলা ব্যাকরণে নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির দৃষ্টান্ত হিসেবে ধরা হয়। অন্যদিকে পৌ + অক = পাবক এবং যতি + ইন্দ্র = যতীন্দ্র স্বরসন্ধির নিয়মে হওয়া সন্ধি।
উদাহরণ:
কুল + অটা = কুলটা
গো + অক্ষ = গবাক্ষ
অন্য + অন্য = অন্যোন্য
মনে রাখুন:
নিপাতন মানে নিয়মের বাইরে।
অ + অ = আ, ই + ই = ঈ এগুলো সাধারণ স্বরসন্ধির নিয়ম। - ১৬. নিচের কোন বাক্যটি প্রয়ােগগত দিক থেকে শুদ্ধ?
- ক. আমি কারও সাতেও নেই, সতেরােতেও নেই।
- খ. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
- গ. তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।
- ঘ. সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম ।
উত্তর: গ. তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।
বাক্যের প্রয়োগশুদ্ধি যাচাই করতে বাগ্ধারার সঠিক রূপ ও শব্দের শুদ্ধ গঠন লক্ষ করতে হয়। তার দু'চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল বাক্যটি প্রয়োগের দিক থেকে ঠিক। বাকিগুলো ভুল: সাতেও নেই, সতেরোতেও নেই এর শুদ্ধ রূপ সাতে-পাঁচে নেই, স্বপরিবারে ভুল, শুদ্ধ রূপ সপরিবারে, আর ভূতের মজুরি ভুল, শুদ্ধ বাগ্ধারা ভূতের বেগার।
মনে রাখুন:
সহ বোঝাতে সপরিবারে লিখতে হয়।
বাগ্ধারার শব্দ বদলানো যায় না।
ভূতের বেগার খাটা মানে নিষ্ফল পরিশ্রম করা। - ১৭. নিচের কোনটি যৌগিক বাক্য?
- ক. দোষ স্বীকার করলে তােমাকে শাস্তি দেওয়া হবে না।
- খ. তিনি বেড়াতে এসে কেনাকাটা করলেন।
- গ. মহৎ মানুষ বলে সবাই তাঁকে সম্মান করেন।
- ঘ. ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী।
উত্তর: ঘ. ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী।
বাক্য গঠন অনুযায়ী তিন ধরনের: সরল, জটিল ও যৌগিক। যে বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, তবে, অথবা ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য (Compound Sentence) বলে। ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী বাক্যে ছেলেটি চঞ্চল এবং (ছেলেটি) মেধাবী দুটি স্বাধীন বাক্য তবে দিয়ে যুক্ত, তাই এটি যৌগিক। অন্যগুলো একটি প্রধান ক্রিয়ার সরল বা জটিল বাক্য।
মনে রাখুন:
জটিল বাক্যে একটি প্রধান ও এক বা একাধিক অধীন খণ্ডবাক্য থাকে।
যদি, যখন, যে ইত্যাদি অব্যয় জটিল বাক্যের চিহ্ন।
সরল বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে। - ১৮. ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের উপাস্য ‘চণ্ডী’ কার স্ত্রী?
- ক. জগন্নাথ
- খ. বিষ্ণু
- গ. প্রজাপতি
- ঘ. শিব
উত্তর: ঘ. শিব
চণ্ডীমঙ্গল মধ্যযুগের বাংলা মঙ্গলকাব্যের একটি ধারা, যার উপাস্য দেবী চণ্ডী। পৌরাণিক ধারণায় চণ্ডী দেবী শিবের স্ত্রী, তিনি পার্বতী, দুর্গা ও গৌরীর আরেক রূপ। এই কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, যাঁর উপাধি কবিকঙ্কণ। তাঁর কাব্যের দুটি প্রধান চরিত্র কালকেতু-ফুল্লরা ও ধনপতি সদাগর।
মনে রাখুন:
অন্য মঙ্গলকাব্য: মনসামঙ্গল, ধর্মমঙ্গল, অন্নদামঙ্গল।
মনসামঙ্গলের কবি বিজয় গুপ্ত ও বিপ্রদাস পিপলাই।
মঙ্গলকাব্য দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের কাব্য। - ১৯. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?
- ক. নেপালের রাজদরবার থেকে
- খ. গোয়ালঘর থেকে
- গ. পাঠশালা থেকে
- ঘ. কান্তজীর মন্দির থেকে
উত্তর: খ. গোয়ালঘর থেকে
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বড়ু চণ্ডীদাস রচিত বাংলা সাহিত্যের আদি-মধ্যযুগের একমাত্র নিদর্শন। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে চর্যাপদ উদ্ধার হয় নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে।
মনে রাখুন:
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৯০৭)।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের বিষয় রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা।
এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। - ২০. বিদ্যাপতি মূলত কোন ভাষার কবি ছিলেন?
- ক. মারাঠি
- খ. হিন্দি
- গ. মৈথিলি
- ঘ. গুজরাটি
উত্তর: গ. মৈথিলি
বিদ্যাপতি চতুর্দশ-পঞ্চদশ শতকের কবি, তাঁর জন্ম মিথিলা অঞ্চলে। তিনি মৈথিলি ভাষায় রাধা-কৃষ্ণ প্রেমবিষয়ক পদ রচনা করেন। তাঁর পদের ভাষা বাংলা ও মৈথিলির মিশ্রণে পরবর্তীকালে ব্রজবুলি ভাষার জন্ম দেয়। বাঙালি বৈষ্ণব কবিরা এই পদ খুবই সম্মান করতেন। তাই তিনি মূলত মৈথিলি ভাষার কবি।
মনে রাখুন:
বিদ্যাপতির উপাধি মৈথিল কোকিল।
ব্রজবুলিতে গোবিন্দদাসও পদ লিখেছেন।
বাংলা বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি চণ্ডীদাস। - ২১. ‘মনােরমা’ বঙ্কিমচন্দ্রের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- ক. কৃষ্ণকান্তের উইল
- খ. দুর্গেশনন্দিনী
- গ. মৃণালিনী
- ঘ. বিষবৃক্ষ
উত্তর: গ. মৃণালিনী
মনোরমা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃণালিনী (১৮৬৯) উপন্যাসের একটি উল্লেখযোগ্য নারী চরিত্র। উপন্যাসের পটভূমি বখতিয়ার খলজির বঙ্গ আক্রমণ এবং নদীয়ার রাজা লক্ষ্মণ সেনের শেষ সময়। এর মূল চরিত্র হেমচন্দ্র ও মৃণালিনী। দুর্গেশনন্দিনীর নায়িকা তিলোত্তমা ও আয়েষা, বিষবৃক্ষের নায়িকা কুন্দনন্দিনী ও সূর্যমুখী, কৃষ্ণকান্তের উইলে ভ্রমর ও রোহিণী।
মনে রাখুন:
মৃণালিনীতে পশুপতি ও গিরিজায়া নামেও চরিত্র আছে।
বঙ্কিমের প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫)।
আনন্দমঠ থেকে বন্দেমাতরম গান এসেছে। - ২২. ‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- ক. খেয়া
- খ. মানসী
- গ. কল্পনা
- ঘ. সােনার তরী
উত্তর: খ. মানসী
ব্যক্ত প্রেম ও গুপ্ত প্রেম কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানসী (১৮৯০) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এই কাব্যগ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ নিজস্ব কবিপ্রতিভার বিকাশ ঘটান। মানসীতে অনন্ত প্রেম, ভুলে, নিষ্ফল কামনা, বঙ্গবীর, সিন্ধুতরঙ্গ ইত্যাদি কবিতা আছে। সোনার তরীর কবিতার মধ্যে আছে সোনার তরী ও বসুন্ধরা, কল্পনায় আছে বর্ষামঙ্গল ও দুঃসময়।
মনে রাখুন:
মানসী ১৮৯০ সালে প্রকাশিত।
সোনার তরী ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত।
খেয়া ১৯০৬ সালে প্রকাশিত। - ২৩. ‘অভীক’ রবীন্দ্রনাথের কোন গল্পের নায়ক?
- ক. নষ্টনীড়
- খ. নামঞ্জুর গল্প
- গ. রবিবার
- ঘ. ল্যাবরেটরি
উত্তর: গ. রবিবার
রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনের গল্পগ্রন্থ তিনসঙ্গী (১৯৪০) তিনটি গল্প নিয়ে গঠিত: রবিবার, শেষ কথা ও ল্যাবরেটরি। রবিবার গল্পের নায়ক অভীক, এক বিদ্রোহী যুবক, যে ধর্মীয় রীতিনীতি মানে না এবং বিভা নামের মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। তাই অভীক রবিবার গল্পের নায়ক। নষ্টনীড়ের নায়ক অমল ও ভূপতি, ল্যাবরেটরির নায়িকা সোহিনী।
মনে রাখুন:
তিনসঙ্গী রবীন্দ্রনাথের জীবনের শেষ দিকের রচনা।
অভীক রবিবার গল্পে বিভার প্রেমিক।
ল্যাবরেটরি গল্পের প্রধান নারী চরিত্র সোহিনী। - ২৪. ‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ – কার রচিত পংক্তি?
- ক. রজনীকান্ত সেন
- খ. ইসমাইল হােসেন সিরাজী
- গ. কামিনী রায়
- ঘ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর: গ. কামিনী রায়
সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে পঙ্ক্তিটি কামিনী রায়ের সুখ কবিতার। এর মূল ভাব হলো, মানুষের সুখ নিজের জন্য নয়, পরের উপকারেই প্রকৃত সুখ। কামিনী রায় (১৮৬৪-১৯৩৩) ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী অনার্স স্নাতকদের একজন ছিলেন, কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে সংস্কৃতে অনার্স করেন।
মনে রাখুন:
কামিনী রায়ের কাব্যগ্রন্থ আলো ও ছায়া, নির্মাল্য।
রজনীকান্ত সেনের বিখ্যাত গান মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নেরে ভাই।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাটক চন্দ্রগুপ্ত, সাজাহান। - ২৫. ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।’ - এই মনােবাঞ্ছাটি কার?
- ক. ভবানন্দের
- খ. ভাঁড়ুদত্তের
- গ. ঈশ্বরী পাটুনীর
- ঘ. ফুল্লরার
উত্তর: গ. ঈশ্বরী পাটুনীর
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে পঙ্ক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামঙ্গল কাব্যের অংশ। দেবী অন্নদা ছদ্মবেশে খেয়াঘাটে নদী পার হওয়ার সময় নৌকার মাঝি ঈশ্বরী পাটনীর কাছে বর দিতে চাইলে সে নিজের জন্য কিছু না চেয়ে সন্তানের কল্যাণ কামনা করে। এই চরণে মায়ের স্নেহের পরিচয় মেলে।
মনে রাখুন:
ভারতচন্দ্র নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি।
ভাঁড়ুদত্ত চণ্ডীমঙ্গলের ধূর্ত চরিত্র, ফুল্লরা কালকেতুর স্ত্রী।
ভবানন্দ মজুমদার অন্নদামঙ্গলের চরিত্র। - ২৬. নিচের কোন ব্যক্তি ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না?
- ক. কাজী আবদুল ওদুদ
- খ. এস ওয়াজেদ আলি
- গ. আবুল ফজল
- ঘ. আবদুল কাদির
উত্তর: খ. এস ওয়াজেদ আলি
বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন গড়ে ওঠে ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজকে কেন্দ্র করে। এর মুখপত্র শিখা। এর মূল ভাব ছিল যুক্তি ও বুদ্ধির আলোয় সমাজকে দেখা এবং কুসংস্কার থেকে মুক্তি। কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল ফজল, আবদুল কাদির এ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এস ওয়াজেদ আলি এই গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন না।
মনে রাখুন:
আবুল হুসেন মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
শিখা পত্রিকার স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।
কাজী মোতাহার হোসেনও এই গোষ্ঠীর বিশিষ্ট সদস্য। - ২৭. নিচের কোন কাব্য কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার ধারক?
- ক. বিষের বাঁশী
- খ. অগ্নি-বীণা
- গ. সিন্ধু-হিন্দোল
- ঘ. চক্রবাক
উত্তর: খ. অগ্নি-বীণা
নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা (১৯২২) প্রথম কাব্যগ্রন্থ। এতে প্রলয়োল্লাস কবিতায় হিন্দু পৌরাণিক ধারণা (শিব ও প্রলয়) এবং মোহররম ও কামাল পাশা কবিতায় মুসলিম ঐতিহ্যের ব্যবহার আছে। দুই সংস্কৃতির প্রতীককে সমান মর্যাদায় গ্রহণ করায় একে তাঁর উদার ঐতিহ্যভাবনার ধারক বলা হয়।
মনে রাখুন:
অগ্নিবীণার বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী।
বিষের বাঁশী ১৯২৪ সালে প্রকাশিত।
সিন্ধু-হিন্দোল ও চক্রবাক পরবর্তী কাব্যগ্রন্থ। - ২৮. নিচের কোনটি বিশ শতকের পত্রিকা?
- ক. শনিবারের চিঠি
- খ. বঙ্গদর্শন
- গ. তত্ত্ববােধিনী
- ঘ. সংবাদ প্রভাকর
উত্তর: ক. শনিবারের চিঠি
বাংলা সাময়িকপত্রের ইতিহাসে উনিশ শতকের পত্রিকাগুলো এই: সংবাদ প্রভাকর (১৮৩১), তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা (১৮৪৩) ও বঙ্গদর্শন (১৮৭২)। বিশ শতকে প্রকাশিত শনিবারের চিঠি ১৯২৪ সালে সজনীকান্ত দাসের সম্পাদনায় বের হয়, তাই এটিই বিশ শতকের পত্রিকা।
মনে রাখুন:
সংবাদ প্রভাকরের সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
তত্ত্ববোধিনীর সম্পাদক অক্ষয়কুমার দত্ত।
বঙ্গদর্শনের সম্পাদক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - ২৯. নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- ক. দিবারাত্রির কাব্য
- খ. শেষের কবিতা
- গ. পল্লী-সমাজ
- ঘ. কবিতার কথা
উত্তর: ঘ. কবিতার কথা
উপন্যাস ও প্রবন্ধ আলাদা করে চিনতে হয়। কবিতার কথা জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ, এটি উপন্যাস নয়। দিবারাত্রির কাব্য মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস, শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস এবং পল্লী-সমাজ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস। তাই উপন্যাস নয় কবিতার কথা।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দ দাশের উপন্যাস মাল্যবান, সুতীর্থ।
মানিকের উপন্যাস পদ্মানদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা।
শরৎচন্দ্রের উপন্যাস দেবদাস, শ্রীকান্ত। - ৩০. ‘বাঙালি ও বাঙলা সাহিত্য’ গ্রন্থ কে রচনা করেছেন?
- ক. দীনেশচন্দ্র সেন
- খ. গোপাল হালদার
- গ. আহমদ শরীফ
- ঘ. সুকুমার সেন
উত্তর: গ. আহমদ শরীফ
বাঙালি ও বাঙলা সাহিত্য গবেষণাগ্রন্থের লেখক ড. আহমদ শরীফ। তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও সমাজ নিয়ে গবেষণার জন্য বিখ্যাত। দীনেশচন্দ্র সেনের বিখ্যাত বই বঙ্গভাষা ও সাহিত্য, সুকুমার সেনের বিখ্যাত বই বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস, আর গোপাল হালদারের বই বাঙলা সাহিত্যের রূপরেখা।
মনে রাখুন:
আহমদ শরীফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার অধ্যাপক ছিলেন।
তাঁর আরেকটি বই বিচিত্র চিন্তা।
তিনি বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক ছিলেন। - ৩১. ‘খােকা’ ও ‘রঞ্জু’ মাহমুদুল হক-এর কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- ক. কালাে বরফ
- খ. খেলাঘর
- গ. অনুর পাঠশালা
- ঘ. জীবন আমার বােন
উত্তর: ঘ. জীবন আমার বােন
মাহমুদুল হকের জীবন আমার বোন উপন্যাসে খোকা ও রঞ্জু দুই ভাইবোন। উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মার্চের উত্তাল ঢাকার পটভূমিতে লেখা। কালো বরফ, খেলাঘর ও অনুর পাঠশালা তাঁর অন্য উপন্যাস, যেগুলোর কাহিনি আলাদা।
মনে রাখুন:
মাহমুদুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস কালো বরফ ও খেলাঘর।
জীবন আমার বোন তাঁর প্রথম উপন্যাস। - ৩২. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নাটক কোনটি?
- ক. কবর
- খ. বহিপীর
- গ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
- ঘ. ওরা কদম আলী
উত্তর: খ. বহিপীর
বহিপীর সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক, যা ১৯৬০ সালে প্রকাশিত। এতে ভণ্ড পীর বহিপীর এবং ধর্মের নামে প্রতারণা ও কুসংস্কারের সমালোচনা আছে। অন্য নাটকগুলো ভিন্ন লেখকের: কবর মুনীর চৌধুরীর, পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় সৈয়দ শামসুল হকের, আর ওরা কদম আলী মামুনুর রশীদের।
মনে রাখুন:
ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো।
তাঁর আরেকটি নাটক তরঙ্গভঙ্গ।
কবর নাটকটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। - ৩৩. মীর মশাররফ হােসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি –
- ক. মহাকাব্য
- খ. ইতিহাস গ্রন্থ
- গ. উপন্যাস
- ঘ. ইতিহাস-আশ্রিত জীবনীগ্রন্থ
উত্তর: গ. উপন্যাস
বিষাদসিন্ধু মীর মশাররফ হোসেনের রচনা, যা তিন খণ্ডে (মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব, এজিদ বধ পর্ব) প্রকাশিত। এতে কারবালার করুণ ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। ঐতিহাসিক ঘটনা ভিত্তি করে প্রধানত গদ্যে লেখা এই কাহিনি ইতিহাস ও কল্পনার মিশ্রণ। বাংলা সাহিত্যে এটিকে উপন্যাস বলা হয়। আর কাব্যে রচিত না হওয়ায় এটি মহাকাব্য নয়।
মনে রাখুন:
মশাররফ হোসেনের নাটক জমিদার দর্পণ।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনা আমার জীবনী।
বিষাদসিন্ধুর কাহিনি কারবালার যুদ্ধকে ঘিরে। - ৩৪. ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক-শিক্ষকের নাম-
- ক. আবদুল কাদের
- খ. খতিব মিয়া
- গ. আক্কাস আলী
- ঘ. আরেফ আলী
উত্তর: ঘ. আরেফ আলী
চাঁদের অমাবস্যা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস (১৯৬৪)। গ্রামে আসা যুবক শিক্ষক আরেফ আলী এক অমাবস্যার রাতে এক হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য দেখে ফেলে এবং নিজের ভেতরের দ্বন্দ্বে ভুগতে থাকে। উপন্যাসে বিবেক ও ভয়ের মধ্যকার টানাপোড়েন প্রধান বিষয়। উপন্যাসে আক্কাস আলী ও খতিব মিয়া নামেও চরিত্র আছে।
মনে রাখুন:
আরেফ আলী নামটি এ উপন্যাসের শিক্ষকের।
অমাবস্যার রাতে ঘটনা ঘটে।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জন্ম চট্টগ্রামে। - ৩৫. ‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’ – পংক্তিটির রচয়িতা-
- ক. বিদ্যাপতি
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. গােবিন্দদাস
- ঘ. কৃষ্ণদাস কবিরাজ
উত্তর: খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান পঙ্ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী থেকে নেওয়া। কিশোর বয়সে রবীন্দ্রনাথ বৈষ্ণব পদাবলির ঢঙে ভানুসিংহ ছদ্মনামে ব্রজবুলি ভাষায় এই পদগুলো লেখেন। রাধার মুখে মৃত্যুকেই শ্যামের মতো বলা এই পদের বিশেষত্ব। বিদ্যাপতি ও গোবিন্দদাস প্রকৃত বৈষ্ণব পদকর্তা, কিন্তু এই পঙ্ক্তি তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী গ্রন্থাকারে ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত।
কৃষ্ণদাস কবিরাজের রচনা চৈতন্যচরিতামৃত।
ব্রজবুলি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ৩৬. Select the appropriate preposition: ‘Are you doing’ anything special ___ the weekend?’
- ক. at
- খ. with
- গ. on
- ঘ. for
উত্তর: ক. at
সপ্তাহান্ত বোঝাতে ব্রিটিশ ইংরেজিতে সাধারণত at the weekend বলা হয়, আর আমেরিকান ইংরেজিতে on the weekend। ছুটির দিন বা বিশেষ সময়ের প্রসঙ্গে weekend-এর আগে at ব্যবহারই এখানে সঠিক ধরা হয়। অন্য কয়েকটি সময়বাচক শব্দের সঙ্গেও at ব্যবহার হয়।
উদাহরণ:
Are you doing anything special at the weekend?
at night, at noon, at Christmas
মনে রাখুন:
নির্দিষ্ট দিন বা তারিখের আগে on বসে, যেমন on Friday, on 5 May।
মাস, বছর ও ঋতুর আগে in বসে। - ৩৭. What is the plural form of ‘sheep’?
- ক. sheeps
- খ. sheep
- গ. sheepes
- ঘ. sheepses
উত্তর: খ. sheep
ইংরেজিতে কিছু noun-এর একবচন ও বহুবচন একই রূপে থাকে। sheep এমনই একটি শব্দ, তাই বহুবচনেও sheep লেখা হয়, যেমন one sheep ও ten sheep। sheeps, sheepes বা sheepses ইংরেজিতে নেই। এ ধরনের আরও শব্দ আছে, যাদের বহুবচনে কোনো পরিবর্তন হয় না।
উদাহরণ:
sheep এর বহুবচন sheep
deer এর বহুবচন deer
fish এর বহুবচন fish
species এর বহুবচন species
মনে রাখুন:
ব্যতিক্রমী বহুবচন: man থেকে men, child থেকে children। - ৩৮. ‘Sweet are the uses of adversity’ is quoted from Shakespeare’s –
- ক. Julius Caesar
- খ. Macbeth
- গ. Comedy of Errors
- ঘ. As you Like It
উত্তর: ঘ. As you Like It
Sweet are the uses of adversity উক্তিটি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের কমেডি As You Like It (১৫৯৯-১৬০০ সালের কাছাকাছি রচিত) নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কে নির্বাসিত Duke Senior বলেন। তিনি আর্ডেন বনে নির্বাসনের কষ্ট মেনে নিয়ে বলেন, বিপদের ভেতর থেকেও মানুষ উপকার পায়। এই উক্তির অর্থ হলো দুঃসময়েরও একটি ভালো দিক থাকে।
মনে রাখুন:
As You Like It-এর নায়িকা Rosalind।
এই নাটকেই All the world's a stage উক্তিটি আছে, বলেছেন Jaques।
Julius Caesar ও Macbeth ট্র্যাজেডি, Comedy of Errors কমেডি। - ৩৯. What is the verb form of the word ‘ability’?
- ক. capable
- খ. inability
- গ. enable
- ঘ. unable
উত্তর: গ. enable
Ability একটি noun, যার অর্থ সামর্থ্য বা যোগ্যতা। এর verb রূপ হলো enable, যার অর্থ কাউকে সক্ষম করা। able থেকে en- উপসর্গ যোগ করে enable গঠিত। অন্য শব্দগুলো: capable ও unable adjective, inability noun।
উদাহরণ:
The grant enabled her to study abroad.
মনে রাখুন:
অনুরূপভাবে strength থেকে strengthen, length থেকে lengthen হয়।
শব্দ-রূপান্তরে এই ধরনের উপসর্গ বা প্রত্যয়ের নিয়ম মনে রাখতে হয়। - ৪০. The word ‘equivocation’ refers to –
- ক. stating like an author
- খ. two contradictory things in the same statement
- গ. free expression of opinions
- ঘ. a true statement
উত্তর: খ. two contradictory things in the same statement
Equivocation (দ্ব্যর্থবোধক কথা) বলতে এমন বক্তব্য বোঝায়, যার একাধিক অর্থ হতে পারে এবং সেগুলো পরস্পরবিরোধীও হতে পারে। সত্য এড়াতে বা বিভ্রান্ত করতে মানুষ কখনো এভাবে বলে। শেক্সপিয়ারের ম্যাকবেথ নাটকে Porter এই equivocator-এর কথা বলে, তাতেও এই অর্থ ধরা পড়ে। তাই সঠিক উত্তর two contradictory things in the same statement।
মনে রাখুন:
Equivocate ক্রিয়া, equivocal বিশেষণ।
Unequivocal মানে সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন।
Ambiguous মানে অস্পষ্ট বা একাধিক অর্থবোধক। - ৪১. “Life’s but a walking shadow, a poor player, That struts and frets his hour upon the stage, And then is heard no more;” These memorable lines in Shakespearean tragedy are spoken by –
- ক. Lady Macbeth
- খ. Banquo
- গ. Duncan
- ঘ. Macbeth
উত্তর: ঘ. Macbeth
Life's but a walking shadow, a poor player... লাইনগুলো শেক্সপিয়ারের ট্র্যাজেডি Macbeth-এর পঞ্চম অঙ্কে ম্যাকবেথ নিজে বলেন। লেডি ম্যাকবেথের মৃত্যুর খবর শুনে তিনি বলেন, Tomorrow, and tomorrow, and tomorrow ইত্যাদি। জীবন তাঁর কাছে মঞ্চের এক দুর্বল অভিনেতার মতো, যে কিছুক্ষণ চেঁচিয়ে মঞ্চ ছেড়ে চলে যায়। তাই বক্তা Macbeth।
মনে রাখুন:
ম্যাকবেথের পাঁচটি অঙ্ক।
অন্য চরিত্র Banquo ও Duncan।
জীবনকে মঞ্চের সঙ্গে তুলনার আরেকটি উক্তি As You Like It-এ আছে। - ৪২. Which of the following words is spelt correctly?
- ক. authoratative
- খ. autheritative
- গ. authoritative
- ঘ. authoratative
উত্তর: গ. authoritative
Authoritative শব্দটি authority (কর্তৃপক্ষ) শব্দ থেকে গঠিত। তাই এর বানানে authority-র মতোই মাঝখানে ori আছে, authoratative বা autheritative ভুল। এর অর্থ নির্ভরযোগ্য বা কর্তৃত্বসম্পন্ন। প্রশ্নের প্রথম ও শেষ বিকল্প একই, তাই সঠিক বানান শুধু authoritative।
মনে রাখুন:
authority-র adjective authoritative, আরেকটি রূপ authoritarian (স্বৈরাচারী)।
শব্দের মূল বানান জানলে তার সম্পর্কিত শব্দের বানান সহজ হয়। - ৪৩. Find out the active form of the sentence: “By whom can our country be saved?”
- ক. Who can save our country?
- খ. Our country has been saved by who?
- গ. Who save our country?
- ঘ. Who will save our country?
উত্তর: ক. Who can save our country?
Passive voice থেকে active-এ রূপান্তরে প্রশ্নবোধক বাক্যে By whom দিয়ে শুরু হলে active-এ শুরুতে Who বসে। এখানে modal verb can অপরিবর্তিত থাকে এবং be saved ভেঙে save হয়। কর্ম our country থাকে। তাই By whom can our country be saved? এর active রূপ Who can save our country?
উদাহরণ:
By whom was the letter written? এর active Who wrote the letter?
মনে রাখুন:
Passive-এ by-এর পরের শব্দ active-এ কর্তা হয়।
Modal verb active ও passive উভয়ে একই থাকে। - ৪৪. “All changed, changed utterly: A terrible beauty is born.” This extract is taken from W. B. Yeats’ poem titled -
- ক. No Second Troy
- খ. Easter 1916
- গ. The Second Coming
- ঘ. The Wild Swans at Coole
উত্তর: খ. Easter 1916
All changed, changed utterly: A terrible beauty is born লাইনটি আইরিশ কবি W. B. Yeats-এর Easter, 1916 কবিতার ধ্রুবপদ। ১৯১৬ সালের ইস্টার সপ্তাহে ডাবলিনে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ হয় এবং এর নেতাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কবিতায় ইয়েটস এই ঘটনায় আয়ারল্যান্ডের মানুষের জীবনে আসা আমূল পরিবর্তনের কথা বলেন।
মনে রাখুন:
The Second Coming কবিতায় Things fall apart; the centre cannot hold লাইনটি আছে।
ইয়েটস ১৯২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
The Wild Swans at Coole তাঁর আরেকটি পরিচিত কবিতা। - ৪৫. Identify the correct passive form: ‘Do not close the door.’
- ক. Let not the door close.
- খ. Let not the door be closed.
- গ. Let not the door close.
- ঘ. Let not door closed.
উত্তর: খ. Let not the door be closed.
Imperative বাক্যের passive-এ সাধারণত Let দিয়ে শুরু করে Let + object + be + past participle গঠন হয়। নিষেধাত্মক বাক্য হলে Let-এর পর not বসে। তাই Do not close the door এর passive Let not the door be closed। প্রশ্নের প্রথম ও তৃতীয় বিকল্প একই এবং be closed নেই, আর চতুর্থ বিকল্পে ব্যাকরণ ভুল।
উদাহরণ:
Open the window. এর passive Let the window be opened.
Do not touch the wire. এর passive Let not the wire be touched.
মনে রাখুন:
অনুরোধসূচক বাক্যে Please থাকলে passive-এ you are requested to ব্যবহার করা যায়। - ৪৬. The poetic drama ‘Murder in the Cathedral’ was written by -
- ক. Harlod Pinter
- খ. G. B. Shaw
- গ. T. S. Eliot
- ঘ. Samuel Beckett
উত্তর: গ. T. S. Eliot
Murder in the Cathedral ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত T. S. Eliot-এর কাব্যনাটক (Poetic Drama)। এর কাহিনি ক্যান্টারবারির আর্চবিশপ টমাস বেকেটের হত্যা, যিনি ১১৭০ সালে ক্যান্টারবারি ক্যাথিড্রালে নিহত হন। এলিয়ট ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। হ্যারল্ড পিন্টার ও স্যামুয়েল বেকেট নাট্যকার, কিন্তু এই নাটক তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
এলিয়টের বিখ্যাত কবিতা The Waste Land।
স্যামুয়েল বেকেটের নাটক Waiting for Godot।
বার্নার্ড শ-র নাটক Pygmalion, Man and Superman। - ৪৭. ‘All for Love’ is a drama written by -
- ক. John Dryden
- খ. William Congreve
- গ. John Bunyan
- ঘ. Francis Bacon
উত্তর: ক. John Dryden
All for Love জন ড্রাইডেন (John Dryden) রচিত একটি ট্র্যাজেডি, ১৬৭৭ সালে প্রকাশিত। এটি শেক্সপিয়ারের Antony and Cleopatra নাটকের কাহিনি অবলম্বনে লেখা, তবে ড্রাইডেনের নিজস্ব ধাঁচে। এর সাব-টাইটেল The World Well Lost। জন বানিয়ান লিখেছেন The Pilgrim's Progress, আর ফ্রান্সিস বেকন লেখক ও প্রাবন্ধিক।
মনে রাখুন:
জন ড্রাইডেন প্রথম ইংরেজ poet laureate।
উইলিয়াম কংগ্রিভের নাটক The Way of the World।
ড্রাইডেনের যুগকে Restoration Age বলে। - ৪৮. Sitting happily, the chicken laid eggs. The underlined part is a/an -
- ক. noun clause
- খ. subordinate clause
- গ. independent clause
- ঘ. coordinate clause
উত্তর: খ. subordinate clause
Sitting happily, the chicken laid eggs বাক্যে Sitting happily অংশটি মূল বাক্যের অর্থের ওপর নির্ভরশীল। এটি আসলে While it was sitting happily এর সংক্ষিপ্ত রূপ, তাই এটিকে subordinate clause ধরা হয়। অর্থ প্রকাশ করতে এটি নিজে সম্পূর্ণ নয়। মূল clause হলো the chicken laid eggs, যা independent clause।
মনে রাখুন:
Subordinate clause মূল clause ছাড়া স্বাধীনভাবে বাক্য হয় না।
Independent clause নিজে সম্পূর্ণ অর্থ দেয়।
Coordinate clause দুটি স্বাধীন clause কে and, but ইত্যাদি দিয়ে যুক্ত করে। - ৪৯. Caliban is an important character from Shakespeare’s -
- ক. The Tempest
- খ. Hamlet
- গ. Macbeth
- ঘ. Othello
উত্তর: ক. The Tempest
Caliban উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের শেষ জীবনের কমেডি-রোম্যান্স The Tempest-এর একটি চরিত্র। সে দ্বীপের আদি অধিবাসী, অর্ধ-মানব ও অর্ধ-দানবরূপী, যাকে প্রস্পেরো দাস বানিয়ে রাখে। পরবর্তীকালের সমালোচকেরা ক্যালিবানকে ঔপনিবেশিক শাসনে নিপীড়িত মানুষের প্রতীক হিসেবে দেখেন। নাটকের অন্য চরিত্র Prospero, Miranda ও Ariel।
মনে রাখুন:
Caliban-এর মা Sycorax।
Ariel একজন বাতাসের আত্মা।
Hamlet, Macbeth ও Othello ট্র্যাজেডি। - ৫০. What kind of noun is ‘river’?
- ক. Material
- খ. Collective
- গ. Proper
- ঘ. Common
উত্তর: ঘ. Common
Noun পাঁচ ধরনের: proper, common, collective, material ও abstract। যে noun একই জাতীয় যেকোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানকে বোঝায়, সেটি common noun। river শব্দটি যেকোনো নদীকে বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট নদীকে নয়, তাই এটি common noun। কিন্তু Padma বা Meghna বললে তা নির্দিষ্ট নদী, তাই proper noun হতো।
উদাহরণ:
Common: boy, city, country
Proper: Rahim, Dhaka, Bangladesh
Collective: team, flock
Material: gold, water
মনে রাখুন:
Proper noun-এর প্রথম অক্ষর সবসময় capital হয়। - ৫১. ‘Caesar and Cleopatra’ is -
- ক. a tragedy by William Shakespeare
- খ. a poem by Lord Byron
- গ. a play by Bernard Shaw
- ঘ. a novel by S. T. Coleridge
উত্তর: গ. a play by Bernard Shaw
Caesar and Cleopatra আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ (George Bernard Shaw) রচিত নাটক, যা ১৮৯৮ সালে লেখা হয়। এতে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার ও মিশরের রানি ক্লিওপেট্রার সম্পর্ক বর্ণিত। শেক্সপিয়ারের নাটকের নাম Antony and Cleopatra, আর বায়রনের কবিতা বা কোলরিজের উপন্যাস হিসেবে এই নাম নেই।
মনে রাখুন:
শ-র আরও নাটক Pygmalion, Arms and the Man, Saint Joan।
শ ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
কোলরিজ মূলত কবি। - ৫২. Identify the right tense: ‘My father _____ before I came’.
- ক. would be leaving
- খ. had been leaving
- গ. had left
- ঘ. will leave
উত্তর: গ. had left
অতীতের দুটি ঘটনার একটি অপরটির আগে ঘটলে আগে ঘটা ঘটনায় Past Perfect Tense এবং পরে ঘটা ঘটনায় Simple Past ব্যবহৃত হয়। এখানে আমার আসার (came) আগেই বাবা চলে গিয়েছিলেন, তাই আগের ঘটনায় had + past participle, অর্থাৎ had left। before-এর আগে যে clause থাকে, সেখানে এই নিয়ম প্রযোজ্য।
উদাহরণ:
The patient had died before the doctor came.
The train had left when I reached the station.
মনে রাখুন:
General structure: Subject + had + past participle।
Before-এর পরের clause Simple Past থাকে। - ৫৩. Which of the following words is spelt incorrectly?
- ক. reminescence
- খ. glycerin
- গ. idiosyncrasy
- ঘ. lexicography
উত্তর: ক. reminescence
Reminiscence শব্দের অর্থ স্মৃতিচারণ, এর সঠিক বানান reminiscence: remin-i-scence। reminescence বানানে i-এর জায়গায় e বসানো ভুল। অন্য তিনটি শব্দের বানান সঠিক: glycerin, idiosyncrasy (স্বভাবের বিশেষত্ব) এবং lexicography (অভিধান রচনা)।
মনে রাখুন:
Reminisce ক্রিয়া, reminiscent বিশেষণ।
lexicographer মানে অভিধান-প্রণেতা।
চর্চা করে বানান মুখস্থ করতে হয়। - ৫৪. Who wrote the picaresque novel titled ‘Tom Jones’?
- ক. Samuel Richardson
- খ. Horace Walpole
- গ. Henry Fielding
- ঘ. Laurence Sterne
উত্তর: গ. Henry Fielding
Tom Jones ১৭৪৯ সালে প্রকাশিত হেনরি ফিল্ডিং (Henry Fielding)-এর উপন্যাস, পুরো নাম The History of Tom Jones, a Foundling। এতে কুড়িয়ে পাওয়া সন্তান টম জোনসের জীবনের নানা ঘটনা ও অভিযান বর্ণিত। তাই একে picaresque উপন্যাসের ধারায় ধরা হয়। ফিল্ডিংকে ইংরেজি উপন্যাসের জনক বলা হয়।
মনে রাখুন:
স্যামুয়েল রিচার্ডসনের উপন্যাস Pamela।
হোরেস ওয়ালপোলের উপন্যাস The Castle of Otranto।
লরেন্স স্টার্নের উপন্যাস Tristram Shandy। - ৫৫. The story of ‘Moby Dick’ centers on -
- ক. a mermaid
- খ. a whale
- গ. a crocodile
- ঘ. a shark
উত্তর: খ. a whale
Moby-Dick (১৮৫১) আমেরিকান লেখক হারমান মেলভিলের (Herman Melville) উপন্যাস। এর কেন্দ্রে মবি ডিক নামের এক বিশাল সাদা শুক্রাণু তিমি (Sperm Whale)। জাহাজ Pequod-এর ক্যাপ্টেন আহাব এই তিমির কাছে পা হারিয়ে প্রতিশোধের নেশায় তাকে খুঁজে বেড়ায়। কাহিনির বর্ণনাকারী ইশমায়েল।
মনে রাখুন:
হেমিংওয়ের The Old Man and the Sea-এর কেন্দ্রে মার্লিন মাছ।
Moby-Dick মেলভিলের সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস।
মেলভিল আমেরিকান লেখক। - ৫৬. ‘He prayeth best, who loveth best.’ - Who said it?
- ক. John Milton
- খ. John Donne
- গ. Lord Byron
- ঘ. S.T. Coleridge
উত্তর: ঘ. S.T. Coleridge
He prayeth best, who loveth best লাইনটি স্যামুয়েল টেলর কোলরিজের (S. T. Coleridge) বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা The Rime of the Ancient Mariner (১৭৯৮)-এর অংশ। কবিতায় প্রাচীন নাবিক আলবাট্রস পাখি হত্যার পাপের পর বুঝতে পারে, ছোট-বড় সব প্রাণীকে ভালোবাসাই শ্রেষ্ঠ উপাসনা। লাইনটির পরের অংশে আছে, যিনি আমাদের ভালোবাসেন, সেই ঈশ্বর সবকিছু সৃষ্টি করে ভালোবাসেন।
মনে রাখুন:
Rime of the Ancient Mariner প্রকাশিত হয় Lyrical Ballads-এ।
Lyrical Ballads কোলরিজ ও ওয়ার্ডসওয়ার্থ যৌথভাবে প্রকাশ করেন।
মিল্টনের মহাকাব্য Paradise Lost। - ৫৭. The controlling sentence of a paragraph is known as -
- ক. content modulator
- খ. terminator
- গ. thesis statement
- ঘ. topic sentence
উত্তর: ঘ. topic sentence
একটি paragraph-এর মূল ভাব যে বাক্যে প্রকাশ পায় এবং যা বাকি বাক্যগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে topic sentence বলে। সাধারণত এটি paragraph-এর শুরুতে থাকে, তবে কখনো মাঝে বা শেষেও আসতে পারে। বাকি বাক্যগুলো এর ব্যাখ্যা বা সমর্থন করে। Thesis statement হলো পুরো essay-র কেন্দ্রীয় বক্তব্য, একটি paragraph-এর নয়।
মনে রাখুন:
Paragraph-এর অংশ: topic sentence, supporting sentences ও concluding sentence।
Essay-র তিন অংশ: introduction, body ও conclusion।
সব sentence topic sentence-এর সঙ্গে সংগত হওয়া উচিত। - ৫৮. Choose the correct comparative form of the sentence: ‘Very few boys are as industrious as Zaman.’
- ক. Zaman is one of the most industrious boys.
- খ. Zaman is more industrious than most other boys.
- গ. Zaman is really industrious like other boys.
- ঘ. Zaman is as industrious as other boys.
উত্তর: খ. Zaman is more industrious than most other boys.
Degree of comparison-এ তিনটি রূপ থাকে। Positive: Very few boys are as industrious as Zaman। Comparative: Zaman is more industrious than most other boys। Superlative: Zaman is one of the most industrious boys। নিয়ম হলো Very few ... as ... as থেকে comparative-এ more ... than most other এবং superlative-এ one of the most হয়। তাই comparative রূপ Zaman is more industrious than most other boys।
উদাহরণ:
Very few girls are as clever as Rina. এর comparative Rina is cleverer than most other girls।
মনে রাখুন:
Comparative-এ than বসে।
সুপারলেটিভে the এবং -est বা most ব্যবহৃত হয়। - ৫৯. Identify the appropriate preposition: Your opinion is identical __ mine.
- ক. for
- খ. in
- গ. with
- ঘ. by
উত্তর: গ. with
কিছু adjective-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition বসে। Identical শব্দের পরে সাধারণত with বা to বসে। তাই Your opinion is identical with mine সঠিক বাক্য। for, in বা by এই ক্ষেত্রে বসে না।
উদাহরণ:
identical with, similar to
different from, superior to
prefer one thing to another
মনে রাখুন:
Superior, inferior, senior, junior শব্দের পরে to বসে।
Adjective-এর পর সঠিক preposition মুখস্থ করতে হয়। - ৬০. ‘Paradise Lost’ attempted to -
- ক. justify the ways of man to God
- খ. show that Satan and God have equal power
- গ. justify the ways of God to man
- ঘ. explain why both good and evil are necessary
উত্তর: গ. justify the ways of God to man
Paradise Lost জন মিল্টনের (John Milton) মহাকাব্য, যা ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত। কাব্যের শুরুতে কবি ঘোষণা করেন, তাঁর উদ্দেশ্য to justify the ways of God to men, অর্থাৎ মানুষের কাছে ঈশ্বরের পথের যৌক্তিকতা প্রমাণ করা। আদম ও হাওয়ার পতনের কাহিনির মধ্য দিয়ে তিনি দেখান, ঈশ্বরের বিধান ন্যায়সংগত। তাই সঠিক উত্তর justify the ways of God to man। বিপরীত রূপ justify the ways of man to God ভুল।
মনে রাখুন:
Paradise Lost-এর ছন্দ blank verse।
এর সিক্যুয়েল Paradise Regained।
মিল্টনের শোকগাথা Lycidas। - ৬১. “Oh, lift me as a wave, a leaf, a cloud! I fall upon the thorns of life! I bleed!” The extract is taken from P. B. Shelley’s poem -
- ক. The Cloud
- খ. To a Skylark
- গ. Ode to the West Wind
- ঘ. Adonais
উত্তর: গ. Ode to the West Wind
Oh, lift me as a wave, a leaf, a cloud! I fall upon the thorns of life! I bleed! লাইনগুলো পি. বি. শেলির (Percy Bysshe Shelley) Ode to the West Wind কবিতার চতুর্থ স্তবকের অংশ। এখানে কবি পশ্চিমা বাতাসের কাছে প্রার্থনা করছেন, সে যেন তাঁকে ঢেউ, পাতা বা মেঘের মতো উড়িয়ে নেয়। কবিতার শেষ লাইন If Winter comes, can Spring be far behind? বিখ্যাত।
মনে রাখুন:
To a Skylark ও The Cloud শেলির আরও বিখ্যাত কবিতা।
Adonais কবি কিটসের মৃত্যুতে লেখা শোকগাথা।
Ode to the West Wind-এর ছন্দ terza rima। - ৬২. Who wrote the short story ‘The Ant and the Grasshopper’?
- ক. Guy de Maupassant
- খ. W. Somerset Maugham
- গ. J. K. Rawlings
- ঘ. O’ Henry
উত্তর: খ. W. Somerset Maugham
The Ant and the Grasshopper একটি ছোটগল্প, যার লেখক ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ও গল্পকার ডব্লিউ. সমারসেট মম (W. Somerset Maugham)। ঈশপের চেনা কাহিনিতে পরিশ্রমী পিঁপড়া ও অলস ঝিঁঝি পোকা আছে। মম গল্পে এর উল্টো ছবি আঁকেন, যেখানে অলস ভাই শেষে ধনী মহিলাকে বিয়ে করে সম্পত্তির মালিক হয়, আর পরিশ্রমী ভাই বঞ্চিত থাকে।
মনে রাখুন:
মমের উপন্যাস Of Human Bondage ও The Moon and Sixpence।
গি দ্য মোপাসাঁ ফরাসি গল্পকার।
ও হেনরি আমেরিকান গল্পকার, তাঁর গল্প The Gift of the Magi। - ৬৩. The word ‘vital’ is a/an -
- ক. noun
- খ. adverb
- গ. adjective
- ঘ. verb
উত্তর: গ. adjective
শব্দের শ্রেণিবিভাগ বা Parts of Speech বাক্যে ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে। Vital শব্দের অর্থ অত্যাবশ্যক বা প্রাণের জন্য জরুরি। এটি noun-কে বিশেষিত করে, যেমন vital role বা vital information, তাই এটি adjective। এর adverb রূপ vitally এবং noun রূপ vitality।
উদাহরণ:
Water is vital for life.
He played a vital role.
মনে রাখুন:
Adjective noun বা pronoun-এর গুণ বোঝায়।
Adverb verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করে। - ৬৪. ‘To get along with’ means -
- ক. to adjust
- খ. to interest
- গ. to accompany
- ঘ. to walk
উত্তর: ক. to adjust
Get along with একটি phrasal verb, যার অর্থ কারও সঙ্গে বনিবনা করে চলা বা মানিয়ে নেওয়া। যেমন He gets along well with his colleagues। প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে এই অর্থের সবচেয়ে কাছে to adjust, কারণ এখানে অন্যের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার ভাব আছে। to accompany ও to walk শব্দাংশের আক্ষরিক অর্থ ধরলে আসে, কিন্তু প্রকৃত অর্থ নয়।
উদাহরণ:
She gets along with everyone in the class.
মনে রাখুন:
Get along-এর আরেক অর্থ অগ্রসর হওয়া।
Phrasal verb-এর অর্থ শব্দাংশ থেকে বোঝা যায় না, পুরো অংশ মুখস্থ করতে হয়। - ৬৫. The synonym for ‘panoramic’ is -
- ক. scenic
- খ. narrow
- গ. limited
- ঘ. restricted
উত্তর: ক. scenic
Panoramic শব্দটি panorama (বিস্তৃত দৃশ্য) থেকে এসেছে। এর অর্থ এমন দৃশ্য, যেখানে চারদিকের বহুদূর পর্যন্ত দেখা যায়। scenic শব্দের অর্থ মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যযুক্ত, তাই এটি সবচেয়ে কাছের সমার্থক। narrow, limited ও restricted-এর অর্থ সংকীর্ণ ও সীমিত, যা panoramic-এর বিপরীত ভাব দেয়।
উদাহরণ:
The hotel offers a panoramic view of the sea.
মনে রাখুন:
Panorama শব্দটি গ্রিক pan (সব) ও horama (দৃশ্য) থেকে এসেছে।
Panoramic-এর বিপরীত limited বা restricted। - ৬৬. The antonym for ‘slothful’ is -
- ক. playful
- খ. sluggish
- গ. energetic
- ঘ. quarrelsome
উত্তর: গ. energetic
Slothful শব্দের অর্থ অলস বা কুঁড়ে, যে কাজ করতে চায় না। শব্দটি sloth থেকে এসেছে, sloth মানে আলস্য এবং একই নামের ধীরগতির প্রাণী। এর বিপরীত energetic, অর্থাৎ কর্মঠ ও উদ্যমী। sluggish মানে মন্থর, এটি slothful-এর সমার্থক, বিপরীত নয়।
উদাহরণ:
A slothful student rarely finishes his homework.
মনে রাখুন:
Slothful-এর বিপরীত শব্দ industrious, diligent বা active।
সাত মারাত্মক পাপের একটি sloth। - ৬৭. Alexander Pope’s ‘Essay on Man’ is a -
- ক. novel
- খ. treatise
- গ. short story
- ঘ. poem
উত্তর: ঘ. poem
An Essay on Man আলেকজান্ডার পোপের (Alexander Pope) একটি দার্শনিক কবিতা, যা ১৭৩৩-৩৪ সালে প্রকাশিত। নামে essay থাকলেও এটি গদ্যে নয়, heroic couplet ছন্দে লেখা। এতে বিশ্বে মানুষের স্থান ও ঈশ্বরের বিধান সম্পর্কে আলোচনা আছে। বিখ্যাত পঙ্ক্তি The proper study of mankind is man।
মনে রাখুন:
পোপের অন্যান্য কবিতা The Rape of the Lock ও The Dunciad।
Heroic couplet মানে মিল দেওয়া দুই লাইনের iambic pentameter।
পোপ অগাস্টান যুগের প্রধান কবি। - ৬৮. ‘By and large’ means -
- ক. everywhere
- খ. very large
- গ. mostly
- ঘ. far away
উত্তর: গ. mostly
By and large একটি idiom, যার অর্থ মোটের ওপর, সাধারণভাবে বা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। এর ব্যবহার যেমন By and large, the students passed the exam, অর্থাৎ মোটামুটি সবাই পাশ করেছে। তাই এর কাছের অর্থ mostly। everywhere, very large বা far away এর আক্ষরিক অর্থ ধরলে আসে, কিন্তু idiom-এর অর্থ নয়।
মনে রাখুন:
Generally, on the whole ও by and large সমার্থক।
Idiom-এর আক্ষরিক অর্থ আর প্রকৃত অর্থ আলাদা। - ৬৯. Francis Bacon is an illustrious -
- ক. essayist
- খ. dramatist
- গ. novelist
- ঘ. journalist
উত্তর: ক. essayist
ফ্রান্সিস বেকন (Francis Bacon, ১৫৬১-১৬২৬) ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম প্রধান প্রবন্ধকার, তাই তাঁকে ইংরেজি প্রবন্ধের জনক বলা হয়। তাঁর Essays (প্রথম প্রকাশ ১৫৯৭) সংক্ষিপ্ত, গভীর অর্থবহ ও আপ্তবাক্যধর্মী বাক্যের জন্য বিখ্যাত। তাই illustrious essayist। তিনি দার্শনিক ও রাষ্ট্রনায়কও ছিলেন।
মনে রাখুন:
বেকনের আরেকটি বই Novum Organum ও The Advancement of Learning।
Essays-এর প্রবন্ধ: Of Studies, Of Truth।
Of Studies-এর বিখ্যাত উক্তি Reading maketh a full man। - ৭০. ‘He could not win but learnt a lot.’ Which part of speech is the word ‘but’?
- ক. an adverb
- খ. a verb
- গ. an adjective
- ঘ. a conjunction
উত্তর: ঘ. a conjunction
Conjunction হলো সেই শব্দ, যা দুটি শব্দ, বাক্যাংশ বা clause-কে যুক্ত করে। He could not win but learnt a lot বাক্যে but দুটি clause জুড়েছে: He could not win এবং (he) learnt a lot। এ ধরনের সংযোগ বোঝাতে but ব্যবহৃত হয়, তাই এটি conjunction। অবশ্য but কখনো preposition বা adverb হিসেবেও আসে, তবে এই বাক্যে এর কাজ যুক্ত করা।
উদাহরণ:
He is poor but honest.
She tried hard but failed.
মনে রাখুন:
Coordinating conjunction: and, but, or, so।
Subordinating conjunction: because, although, if।
গাণিতিক যুক্তি
- ৭১. $2\log_{10}5+\log_{10}36-\log_{10}9=?$
- ক. 2
- খ. 100
- গ. 37
- ঘ. 4.6
উত্তর: ক. 2
লগারিদমের তিনটি নিয়ম এখানে কাজে লাগে: n·log a = log aⁿ, log a + log b = log(ab) এবং log a - log b = log(a/b)।
প্রথমে 2log₁₀5 = log₁₀5² = log₁₀25।
এবার সব একসঙ্গে: log₁₀25 + log₁₀36 - log₁₀9 = log₁₀(25 × 36 ÷ 9)।
ভিতরের অংশ: 25 × 36 = 900, এবং 900 ÷ 9 = 100।
তাই মান = log₁₀100 = log₁₀10² = 2।
মনে রাখুন:
log₁₀10 = 1
log₁₀1 = 0
log a + log b = log(ab)। - ৭২. ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ হলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?
- ক. লাভ ২৫%
- খ. ক্ষতি ২৫%
- গ. লাভ ১০%
- ঘ. ক্ষতি ৫০%
উত্তর: ঘ. ক্ষতি ৫০%
শতকরা লাভ-ক্ষতি ক্রয়মূল্যের ওপর নির্ণয় করা হয়।
ধরি বিক্রয়মূল্য = 100 টাকা।
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ, তাই ক্রয়মূল্য = 200 টাকা।
ক্রয়মূল্য বেশি, বিক্রয়মূল্য কম, তাই ক্ষতি হয়।
ক্ষতি = 200 - 100 = 100 টাকা।
শতকরা ক্ষতি = (100 ÷ 200) × 100 = 50%।
মনে রাখুন:
শতকরা লাভ বা ক্ষতি সবসময় ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে হিসাব হয়।
লাভ = বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য, যখন বিক্রয়মূল্য বেশি। - ৭৩. $f:\mathbb R\to\mathbb R,\ f(x)=2x+1$ হলে $f^{-1}(2)$ এর মান কত?
- ক. 0
- খ. 1/2
- গ. 5
- ঘ. 1
উত্তর: খ. 1/2
f(x) = 2x + 1 ফাংশনের ইনভার্স ফাংশনের মান f⁻¹(2) মানে এমন একটি x, যার জন্য f(x) = 2।
তাহলে 2x + 1 = 2।
2x = 2 - 1 = 1।
x = 1/2।
তাই f⁻¹(2) = 1/2।
যাচাই: f(1/2) = 2 × (1/2) + 1 = 2। সঠিক।
মনে রাখুন:
ইনভার্স বের করতে y = f(x) থেকে x কে y-এর মাধ্যমে প্রকাশ করতে হয়।
এখানে f⁻¹(y) = (y - 1)/2। - ৭৪. ABC ত্রিভুজে B কোণের পরিমাণ ৪৮° এবং AB = AC। যদি E এবং F AB এবং AC-কে এমনভাবে ছেদ করে যেন EF || BC হয়, তাহলে ∠A + ∠AFE =?
- ক. ১৩২°
- খ. ১৮০°
- গ. ১০৮°
- ঘ. ১৬০°
উত্তর: ক. ১৩২°
ABC ত্রিভুজে AB = AC, তাই এটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ এবং সমান বাহুর বিপরীত কোণ সমান।
∠B = ∠C = 48°।
∠A = 180° - 48° - 48° = 84°।
EF || BC হওয়ায় অনুরূপ কোণ সমান, তাই ∠AFE = ∠ACB = 48°।
অতএব ∠A + ∠AFE = 84° + 48° = 132°।
মনে রাখুন:
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°।
সমান্তরাল রেখার অনুরূপ কোণ সমান।
AEF ত্রিভুজও সমদ্বিবাহু হয়। - ৭৫. $\log_{10}x=-1$ হলে $x$ এর মান কোনটি?
- ক. 0.1
- খ. 0.01
- গ. 1/10000
- ঘ. 0.001
উত্তর: ক. 0.1
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুসারে log₁₀x = -1 মানে x = 10⁻¹।
ঋণাত্মক সূচকের নিয়ম: a⁻ⁿ = 1/aⁿ।
তাই 10⁻¹ = 1/10 = 0.1।
তাই x = 0.1।
যাচাই: log₁₀0.1 = log₁₀10⁻¹ = -1।
মনে রাখুন:
log₁₀0.01 = -2
log₁₀0.001 = -3
অর্থাৎ 10-এর ঋণাত্মক ঘাত দিলে দশমিক পাওয়া যায়। - ৭৬. যদি -5, p,q,16 সমান্তর অনুক্রমে থাকে, তাহলে p ও q এর মান হবে যথাক্রমে –
- ক. -2,9
- খ. 2,9
- গ. -2,-9
- ঘ. 2,-9
উত্তর: খ. 2,9
সমান্তর অনুক্রমে (Arithmetic Sequence) পরপর দুটি পদের পার্থক্য সমান থাকে, যাকে সাধারণ অন্তর d বলে।
প্রথম পদ a = -5, চতুর্থ পদ = 16।
চতুর্থ পদ = a + 3d।
16 = -5 + 3d।
3d = 21, তাই d = 7।
p = -5 + 7 = 2।
q = 2 + 7 = 9।
যাচাই: 9 + 7 = 16। সঠিক।
মনে রাখুন:
n-তম পদ = a + (n - 1)d।
সমান্তর অনুক্রমে মাঝের পদ দুই পাশের পদের গড়। - ৭৭. $i^{-49}$ এর মান কত?
- ক. -1
- খ. i
- গ. 1
- ঘ. -i
উত্তর: ঘ. -i
জটিল সংখ্যার i-এর ঘাত চক্রাকারে পুনরাবৃত্ত হয়: i¹ = i, i² = -1, i³ = -i, i⁴ = 1।
i⁴⁹ = (i⁴)¹² × i = 1 × i = i।
তাই i⁻⁴⁹ = 1/i⁴⁹ = 1/i।
লব ও হরকে i দিয়ে গুণ করলে 1/i = i/i² = i/(-1) = -i।
মনে রাখুন:
1/i = -i
i⁴ⁿ = 1
ঋণাত্মক ঘাতের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। - ৭৮. ১৮ এবং ৭২ এর গুণোত্তর গড় কোনটি?
- ক. ৪৫
- খ. ১২৯৩
- গ. ৩৬
- ঘ. ৪
উত্তর: গ. ৩৬
দুটি ধনাত্মক সংখ্যা a ও b-এর গুণোত্তর গড় (Geometric Mean) = √(ab)।
18 ও 72 এর গুণফল = 18 × 72 = 1296।
গুণোত্তর গড় = √1296 = 36 (কারণ 36 × 36 = 1296)।
যাচাই: 18, 36, 72 গুণোত্তর ধারায় আছে, কারণ 36/18 = 2 এবং 72/36 = 2।
মনে রাখুন:
গাণিতিক গড় = (a + b)/2, এক্ষেত্রে 45।
গুণোত্তর গড় সবসময় গাণিতিক গড়ের চেয়ে ছোট বা সমান। - ৭৯. $1-1+1-1+\cdots$ ধারার $n$ সংখ্যক পদের যোগফল কত?
- ক. 0
- খ. 1
- গ. [1+(-1)n]
- ঘ. (1/2)[1-(-1)n]
উত্তর: ঘ. (1/2)[1-(-1)n]
ধারাটি 1 - 1 + 1 - 1 + ... যার পদগুলো একটি করে 1 ও -1 পর্যায়ক্রমে আসে।
n জোড় হলে পদগুলো জোড়ায় জোড়ায় (1 - 1) ভাগ হয়, ফলে যোগফল 0।
n বিজোড় হলে শেষে একটি 1 অবশিষ্ট থাকে, ফলে যোগফল 1।
সূত্র (1/2)[1 - (-1)ⁿ] যাচাই:
n জোড় হলে (-1)ⁿ = 1, তাই (1/2)(1 - 1) = 0।
n বিজোড় হলে (-1)ⁿ = -1, তাই (1/2)(1 + 1) = 1।
অন্য বিকল্প [1 + (-1)ⁿ] জোড় n-এর জন্য 2 দেয়, তা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
গুণোত্তর ধারার সূত্র a(1 - rⁿ)/(1 - r) এখানে a = 1, r = -1 দিলে একই ফল পাওয়া যায়। - ৮০. একটি সুষম বহুভুজের প্রত্যেকটি কোণ ১৬৮°। এর বাহুসংখ্যা কতগুলো হবে?
- ক. ৩০
- খ. ২০
- গ. ১৮
- ঘ. ১০
উত্তর: ক. ৩০
সুষম বহুভুজের সব কোণ ও বাহু সমান। বহিঃকোণের নিয়ম সহজ: যেকোনো বহুভুজের বহিঃকোণগুলোর সমষ্টি 360°।
প্রতিটি অন্তঃকোণ 168°।
প্রতিটি বহিঃকোণ = 180° - 168° = 12°।
বাহুসংখ্যা n = 360° ÷ 12° = 30।
যাচাই: অন্তঃকোণ সূত্র (n - 2) × 180°/n = 28 × 180/30 = 168°। সঠিক।
মনে রাখুন:
সুষম বহুভুজের প্রতিটি বহিঃকোণ = 360°/n।
অন্তঃকোণের সমষ্টি = (n - 2) × 180°। - ৮১. একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ২ সে.মি. এবং উচ্চতা x সে.মি. হলে, x এর মান কোনটি?
- ক. √2
- খ. √3
- গ. ২
- ঘ. ৩
উত্তর: খ. √3
সমবাহু ত্রিভুজের শীর্ষ থেকে ভূমিতে লম্ব টানলে ভূমি দুই সমান ভাগে ভাগ হয়, ফলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ পাওয়া যায়।
বাহু = 2 সে.মি., তাই ভূমির অর্ধেক = 1 সে.মি.।
পিথাগোরাসের সূত্রে x² + 1² = 2²।
x² = 4 - 1 = 3।
x = √3 সে.মি.।
সূত্র: উচ্চতা = (√3/2) × বাহু = (√3/2) × 2 = √3।
মনে রাখুন:
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4) × বাহু²।
এখানে ক্ষেত্রফল = √3 বর্গ সে.মি.। - ৮২. $\sqrt[4]{x^3}=2$ হলে $x^{3/2}=?$
- ক. 8
- খ. 16
- গ. 4
- ঘ. 64
উত্তর: গ. 4
প্রশ্নে বলা আছে ⁴√(x³) = 2, অর্থাৎ x^(3/4) = 2। আমরা x^(3/2) চাই, আর 3/2 হলো 3/4-এর দ্বিগুণ। তাই দুই পাশ বর্গ করলে (x^(3/4))² = 2², অর্থাৎ x^(3/2) = 4।
মনে রাখুন: সূচক বিধি (aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ। এখানে (x^(3/4))² = x^(3/4 × 2) = x^(3/2)। - ৮৩. P(A) = 1/3, P(B) = 3/4 হলে A ও B স্বাধীন হলে P(AUB) এর মান কত?
- ক. 3/ 4
- খ. 1/3
- গ. 5/6
- ঘ. এর কোনটি নয়।
উত্তর: গ. 5/6
দুটি ঘটনা A ও B স্বাধীন হলে তাদের একসঙ্গে ঘটার সম্ভাবনা আলাদা সম্ভাবনার গুণফল। তাই P(A ∩ B) = (1/3) × (3/4) = 1/4।
এখন P(A ∪ B) = P(A) + P(B) - P(A ∩ B) = 1/3 + 3/4 - 1/4 = 4/12 + 9/12 - 3/12 = 10/12 = 5/6।
মনে রাখুন: ঘটনা দুটি পরস্পর বর্জনশীল হলে P(A ∩ B) = 0, আর স্বাধীন হলে P(A ∩ B) = P(A) × P(B)। - ৮৪. বাস্তব সংখ্যায় | 3x+2 | < 7 অসমতাটির সমাধান:
- ক. -3 < x < 3
- খ. -5/3 < x < 5/3
- গ. -3 < x < 5/3
- ঘ. 5/3 < x < -5/3
উত্তর: গ. -3 < x < 5/3
পরমমান অসমতা |a| < b মানে -b < a < b। তাই |3x + 2| < 7 থেকে -7 < 3x + 2 < 7।
সবখান থেকে 2 বিয়োগ করলে -9 < 3x < 5।
সবখানে 3 দিয়ে ভাগ করলে -3 < x < 5/3।
মনে রাখুন: |a| > b হলে a > b অথবা a < -b হয়। - ৮৫. $6a^2bc$ এবং $4a^3b^2c^2$-এর সংখ্যা সহগের গ.সা.গু. নিচের কোনটি?
- ক. a2bc
- খ. 2a2bc
- গ. 2a2b2c2
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: ঘ. কোনটিই নয়
প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে শুধু সংখ্যা সহগের গ.সা.গু.। সহগ দুটি 6 ও 4, আর এদের গ.সা.গু. 2। বিকল্পগুলোর প্রথম তিনটিতে a, b, c চলক আছে, তাই সেগুলো শুধু সংখ্যা নয়। ফলে সঠিক উত্তর ‘কোনটিই নয়’।
মনে রাখুন: পুরো রাশি দুটির গ.সা.গু. বের করতে সহগের গ.সা.গু.-কে চলকের সর্বনিম্ন ঘাতের গুণফলের সঙ্গে গুণ করতে হয়। তাতে 6a²bc ও 4a³b²c²-এর গ.সা.গু. 2a²bc।
সাধারণ বিজ্ঞান
- ৮৬. সুপরিবাহী পদার্থে valence band এবং conduction band –
- ক. আলাদা থাকে
- খ. ওভারল্যাপ থাকে
- গ. অনেক দূরে থাকে
- ঘ. কোনটিই নয়
উত্তর: খ. ওভারল্যাপ থাকে
পরিবাহী পদার্থে যোজন ব্যান্ড (Valence band) ও পরিবহন ব্যান্ড (Conduction band) একটি আরেকটির ওপর উঠে ওভারল্যাপ করে থাকে। ফলে যোজন ব্যান্ডের ইলেকট্রন কোনো বাড়তি শক্তি ছাড়াই পরিবহন ব্যান্ডে চলে যেতে পারে এবং সহজে বিদ্যুৎ চলে। তাই সুপরিবাহীতে ব্যান্ড দুটি ওভারল্যাপ থাকে।
মনে রাখুন:
অন্তরকে ব্যান্ড দুটির মধ্যে বড় শক্তি ব্যবধান (Energy gap) থাকে।
অর্ধপরিবাহীতে এই ব্যবধান অল্প, যেমন সিলিকন ও জার্মেনিয়াম। - ৮৭. ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে –
- ক. সিলভার ব্রোমাইডের
- খ. সিলভার ক্লোরাইডের
- গ. অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের
- ঘ. সিলভার ফ্লোরাইডের
উত্তর: ক. সিলভার ব্রোমাইডের
ফটোগ্রাফিক প্লেট বা ফিল্মের ওপর সিলভার ব্রোমাইডের (AgBr) আবরণ থাকে। আলো পড়লে সিলভার ব্রোমাইড ভেঙে গিয়ে রুপার সূক্ষ্ম কণা তৈরি করে। এতে ছবির অদৃশ্য ছাপ পড়ে, যা ডেভেলপারে ডুবিয়ে দৃশ্যমান করা হয়। আলোর প্রতি এই সংবেদনশীলতার কারণে ছবি তোলায় এই যৌগ ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখুন: ফটোগ্রাফিতে ছবিকে স্থায়ী করার প্রক্রিয়ায় সোডিয়াম থায়োসালফেট (হাইপো) ব্যবহার করা হয়। - ৮৮. বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়?
- ক. নাইট্রোজেন
- খ. পটাশিয়াম
- গ. অক্সিজেন
- ঘ. ফসফরাস
উত্তর: ক. নাইট্রোজেন
বজ্রপাতের সময় প্রচণ্ড উত্তাপে বাতাসের নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন যুক্ত হয়ে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে। এটি বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে মিশে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড হয়, তারপর বৃষ্টির পানিতে মিশে নাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করে। এই অ্যাসিড মাটির যৌগের সঙ্গে নাইট্রেট হিসেবে জমা হয়, যা উদ্ভিদ সার হিসেবে শোষণ করে। তাই বজ্রবৃষ্টিতে মাটিতে নাইট্রোজেন বাড়ে।
মনে রাখুন: বাতাসের নাইট্রোজেনকে উদ্ভিদের ব্যবহারযোগ্য যৌগে পরিণত করাকে নাইট্রোজেন সংবন্ধন বলে। রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়াও সিমজাতীয় উদ্ভিদের মূলে এই কাজ করে। - ৮৯. ফলিক এসিডের অন্য নাম কোনটি?
- ক. ভিটামিন বি ১২
- খ. ভিটামিন বি ৬
- গ. ভিটামিন বি ১
- ঘ. ভিটামিন বি ৯
উত্তর: ঘ. ভিটামিন বি ৯
ফলিক অ্যাসিড (Folic acid) হলো ভিটামিন বি-৯-এর আরেক নাম। এটি নতুন কোষ তৈরিতে এবং লোহিত রক্তকণিকা গঠনে কাজে লাগে। গর্ভাবস্থায় এটি খুব জরুরি, কারণ এর অভাবে গর্ভের শিশুর স্নায়ুনালির ত্রুটি, যেমন স্পাইনা বিফিডা, হতে পারে।
মনে রাখুন:
ভিটামিন বি-১২-এর নাম কোবালামিন, বি-৬-এর নাম পিরিডক্সিন এবং বি-১-এর নাম থায়ামিন।
ফলিক অ্যাসিডের অভাবে রক্তস্বল্পতা (Anaemia) হয়। - ৯০. যে কারণে শৈশব-অন্ধত্ব হতে পারে তা হলো –
- ক. এইচআইভি/এইডস
- খ. ম্যালেরিয়া
- গ. হাম
- ঘ. যক্ষা
উত্তর: গ. হাম
হাম (Measles) ভাইরাসজনিত রোগ। হামে আক্রান্ত অপুষ্ট শিশুর শরীরে ভিটামিন এ-এর ঘাটতি দ্রুত বাড়ে এবং চোখের কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এভাবে শিশুর অন্ধত্ব হতে পারে। তাই শৈশব-অন্ধত্বের একটি বড় কারণ হাম।
মনে রাখুন:
ভিটামিন এ-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
হামের টিকা শিশুদের এই বিপদ থেকে রক্ষা করে। - ৯১. শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল দিতে হয় –
- ক. বছরে একবার
- খ. বছরে দুইবার
- গ. বছরে তিনবার
- ঘ. এর কোনটিই নয়
উত্তর: খ. বছরে দুইবার
বাংলাদেশে প্রতি বছর দুবার জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন হয়, যেখানে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। অর্থাৎ বছরে দুবার। এতে শিশুদের রাতকানা রোগ ও অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
মনে রাখুন: ভিটামিন এ-এর উৎস কলিজা, ডিমের কুসুম, দুধ, গাজর, মিষ্টি কুমড়া ও লালশাক। - ৯২. ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য তার যে গঠন দায়ী তা হলো -
- ক. পিল্লি
- খ. ফ্লাজেলা
- গ. শীথ
- ঘ. ক্যাপসুলস
উত্তর: খ. ফ্লাজেলা
ফ্ল্যাজেলা (Flagella) চাবুকের মতো লম্বা সুতাকৃতির অঙ্গ। ব্যাকটেরিয়া এটি ঘুরিয়ে তরলের মধ্যে চলাচল করে। তাই ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য দায়ী গঠন ফ্ল্যাজেলা। পিলাই (Pili) ছোট সুতোর মতো গঠন, যা কোনো কিছুর গায়ে আটকে থাকতে সাহায্য করে। আর ক্যাপসুল ব্যাকটেরিয়ার কোষকে সুরক্ষা দেয়।
মনে রাখুন: ফ্ল্যাজেলার সংখ্যা ও অবস্থান অনুসারে ব্যাকটেরিয়া চার রকম: মনোট্রিকাস, লফোট্রিকাস, অ্যাম্ফিট্রিকাস ও পেরিট্রিকাস। - ৯৩. ‘কেপলার-৪৫২বি’ কী?
- ক. একটি মহাকাশযান
- খ. পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
- গ. সূর্যের মতো একটি নক্ষত্র
- ঘ. NASA-এর অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ
উত্তর: খ. পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
কেপলার-৪৫২বি (Kepler-452b) নাসার কেপলার মহাকাশ টেলিস্কোপে শনাক্ত করা একটি গ্রহ, যার ঘোষণা আসে ২০১৫ সালে। এটি পৃথিবীর চেয়ে কিছুটা বড় এবং সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে বাসযোগ্য দূরত্বে প্রদক্ষিণ করে। তাই একে ‘পৃথিবীর মতো গ্রহ’ বা ‘পৃথিবী ২.০’ বলা হয়। এর এক বছর প্রায় ৩৮৫ দিনের।
মনে রাখুন: গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৪০০ আলোকবর্ষ দূরে। - ৯৪. ধারালো যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার ভাল পদ্ধতি –
- ক. বয়লিং
- খ. বেনজিন ওয়াশ
- গ. ফরমালিন ওয়াশ
- ঘ. কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন
উত্তর: ঘ. কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন
ধারালো যন্ত্র, যেমন কাঁচি, ব্লেড ও স্ক্যালপেল, ফুটন্ত পানিতে বা উচ্চ তাপে রাখলে ধার নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই এ ধরনের যন্ত্রকে জীবাণুমুক্ত করার ভালো পদ্ধতি রাসায়নিক জীবাণুনাশকে ডুবিয়ে রাখা, যাকে কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন বলে। এতে যন্ত্রের ধার ঠিক থাকে এবং জীবাণুও মরে।
মনে রাখুন: সাধারণ যন্ত্র জীবাণুমুক্ত করতে অটোক্লেভ (উচ্চ চাপের বাষ্প) ব্যবহার করা হয়। - ৯৫. সাবানের আয়নিক গ্রুপ হলো -
- ক. R3NH+
- খ. SO3-Na+
- গ. R2NH2+
- ঘ. COO-Na+
উত্তর: ঘ. COO-Na+
সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ। তাই এর আয়নিক গ্রুপ -COO⁻Na⁺। চর্বি বা তেলকে ক্ষার, যেমন সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড, দিয়ে ফোটালে সাবান তৈরি হয়। এই বিক্রিয়ার নাম সাবানীকরণ (Saponification)। ডিটারজেন্টের আয়নিক গ্রুপ সাধারণত -SO₃⁻Na⁺।
মনে রাখুন: ডিটারজেন্ট কঠিন পানিতেও ফেনা দেয়, কিন্তু সাবান কঠিন পানিতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে অদ্রবণীয় লবণ তৈরি করে। - ৯৬. কোন জোড়াটি বেমানান?
- ক. যক্ষ্মার জীবাণু : রবার্ট কচ
- খ. হোমিওপ্যাথি: হ্যানিম্যান
- গ. ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক
- ঘ. এনাটমি : ভেসলিয়াস
উত্তর: গ. ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক
বেমানান জোড়াটি ‘ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক’। রবার্ট হুক ১৬৬৫ সালে কর্কের টুকরোয় প্রথম কোষ (Cell) দেখেন ও এর নাম দেন। ব্যাকটেরিয়া প্রথম দেখেন অ্যান্টনি ভন লিউয়েনহুক। বাকি জোড়াগুলো ঠিক: যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন রবার্ট কখ, হোমিওপ্যাথির জনক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান, আর অ্যানাটমির জনক ভেসালিয়াস।
মনে রাখুন: লিউয়েনহুক ১৬৭৬ সালে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যাকটেরিয়া দেখেন। - ৯৭. এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোন-এর মৌলিক উপাদান –
- ক. প্রোটিন
- খ. ক্যালসিয়াম
- গ. ভিটামিন
- ঘ. লবণ
উত্তর: ক. প্রোটিন
এনজাইম, অ্যান্টিবডি ও অনেক হরমোনের মৌলিক উপাদান প্রোটিন বা আমিষ। এনজাইম দেহে রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বাড়ায়, অ্যান্টিবডি রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে লড়ে, আর ইনসুলিনের মতো হরমোন প্রোটিন দিয়ে তৈরি। তাই এদের সবার মৌলিক উপাদান প্রোটিন।
মনে রাখুন: কিছু হরমোন, যেমন কর্টিসল ও টেস্টোস্টেরন, প্রোটিন নয়, বরং স্টেরয়েড জাতীয়। - ৯৯. পরম শূন্য তাপমাত্রা কোনটি?
- ক. ২৭৩° সেন্টিগ্রেড
- খ. -২৭৩° ফারেনহাইট
- গ. ০° সেন্টিগ্রেড
- ঘ. ০° কেলভিন
উত্তর: ঘ. ০° কেলভিন
যে তাপমাত্রায় পদার্থের অণুগুলোর তাপীয় গতি সর্বনিম্ন হয়, তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা (Absolute zero) বলে। কেলভিন স্কেলে এটি 0 K। এটি সেলসিয়াস স্কেলে প্রায় -273.15 °C এবং ফারেনহাইট স্কেলে প্রায় -459.67 °F। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে ০° কেলভিন সঠিক।
মনে রাখুন: K = °C + 273। - ১০০. আদর্শ ভোল্টেজ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ কত?
- ক. অসীম
- খ. শূন্য
- গ. অতি ক্ষুদ্র
- ঘ. অনেক বড়
উত্তর: খ. শূন্য
আদর্শ ভোল্টেজ উৎস এমন একটি কাল্পনিক উৎস, যার প্রান্তীয় ভোল্টেজ বর্তনীতে প্রবাহ যত বদলায়, ততই অপরিবর্তিত থাকে। এটি তখনই সম্ভব, যখন উৎসের ভেতরে কোনো বিভব ক্ষয় হয় না। অর্থাৎ এর অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য।
মনে রাখুন: আদর্শ বিদ্যুৎ প্রবাহ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ অসীম।
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- ৯৮. মকরক্রান্তি রেখা কোনটি?
- ক. ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
- খ. ২৩°৩০′ উত্তর অক্ষাংশ
- গ. ২৩°৩০′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
- ঘ. ২৩°৩০′ পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ
উত্তর: ক. ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
মকরক্রান্তি রেখা (Tropic of Capricorn) বিষুবরেখার দক্ষিণে ২৩°৩০′ অক্ষাংশ বরাবর একটি কাল্পনিক রেখা। উত্তর গোলার্ধে একই অক্ষাংশের রেখাকে বলে কর্কটক্রান্তি রেখা। ২২ ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখার ঠিক ওপরে লম্বভাবে কিরণ দেয়।
মনে রাখুন:
মকরক্রান্তি অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর দিয়ে গেছে।
কর্কটক্রান্তি বাংলাদেশ ও ভারতের ওপর দিয়ে গেছে। - ১৬৩. বিগত কপ-২৬ কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. জেনেভা
- খ. প্যারিস
- গ. গ্লাসগো
- ঘ. ব্রাসেলস
উত্তর: গ. গ্লাসগো
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ কাঠামো সনদের (UNFCCC) সদস্য দেশগুলোর বার্ষিক সম্মেলন হলো কপ (COP)। এর ২৬তম সম্মেলন ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে হয়। সম্মেলনে গৃহীত "গ্লাসগো জলবায়ু চুক্তিতে" বৈশ্বিক উষ্ণতা শিল্পবিপ্লবের আগের তুলনায় 1.5° সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার লক্ষ্য এবং কয়লার ব্যবহার ধাপে ধাপে কমানোর কথা বলা হয়।
মনে রাখুন: কপ-২৭ হয় মিশরের শারম আল-শেখে (২০২২), কপ-২৮ দুবাইয়ে (২০২৩)। - ১৭৪. কোন ধরনের শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে?
- ক. আগ্নেয় শিলা
- খ. রূপান্তরিত শিলা
- গ. পাললিক শিলা
- ঘ. উপরের কোনটিই নয়
উত্তর: গ. পাললিক শিলা
জীবাশ্ম (fossil) হলো কোটি কোটি বছর আগের উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ বা তার ছাপ, যা পাথরে সংরক্ষিত থাকে। নদী বা সাগরের তলদেশে পলি স্তরে স্তরে জমে যে পাললিক শিলা (Sedimentary Rock) তৈরি হয়, তাতে মরা উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহ চাপা পড়ে জীবাশ্ম হয়ে যায়। তাই জীবাশ্ম মূলত পাললিক শিলায় পাওয়া যায়।
মনে রাখুন: আগ্নেয় শিলা গলিত ম্যাগমা ঠান্ডা হয়ে তৈরি হয়, সেই প্রচণ্ড তাপে জীবদেহ পুড়ে যায়। রূপান্তরিত শিলায় তাপ ও চাপে জীবাশ্ম সাধারণত নষ্ট হয়ে যায়।
উদাহরণ: বেলেপাথর, চুনাপাথর ও শেল পাললিক শিলা। - ১৭৫. নিচের কোন দুর্যোগের কার্যকর পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়?
- ক. বন্যা
- খ. ভূমিকম্প
- গ. ঘূর্ণিঝড়
- ঘ. খরা
উত্তর: খ. ভূমিকম্প
কোনো দুর্যোগের কার্যকর পূর্বাভাস দেওয়া যায় যদি তার লক্ষণ আগে থেকে দেখা যায় ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা যায়। উপগ্রহ ও রাডারের তথ্য দিয়ে ঘূর্ণিঝড় কয়েক দিন আগে থেকে বোঝা যায়। উজানের বৃষ্টি ও নদীর পানির উচ্চতা দেখে বন্যার পূর্বাভাস দেওয়া যায়। বৃষ্টিপাতের ধরন দেখে খরার আভাসও মেলে। কিন্তু ভূমিকম্প হঠাৎ ভূগর্ভের প্লেটে জমা চাপ মুক্ত হয়ে ঘটে, আর কবে, কোথায় ও কত মাত্রায় ঘটবে তা আগে থেকে নিখুঁতভাবে বলার কোনো নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি নেই। তাই ভূমিকম্পের কার্যকর পূর্বাভাস সম্ভব নয়। - ১৭৬. কোনটি নবায়নযােগ্য সম্পদ?
- ক. প্রাকৃতিক গ্যাস
- খ. চুনাপাথর
- গ. বায়ু
- ঘ. কয়লা
উত্তর: গ. বায়ু
যে সম্পদ ব্যবহার করলেও প্রকৃতিতে আবার পূরণ হয়ে যায় বা কখনো ফুরায় না, তাকে নবায়নযোগ্য সম্পদ (Renewable Resource) বলে। বায়ুপ্রবাহ কখনো শেষ হয় না, তাই বায়ু নবায়নযোগ্য। এ দিয়ে বায়ুকল চালিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা যায়।
মনে রাখুন: প্রাকৃতিক গ্যাস ও কয়লা জীবাশ্ম জ্বালানি, যা তৈরি হতে লাখ লাখ বছর লাগে। চুনাপাথর খনিজ সম্পদ। এরা একবার তুলে ফেললে আর ফিরে আসে না, তাই অনবায়নযোগ্য। সূর্যের আলো, পানি ও জোয়ার-ভাটাও নবায়নযোগ্য। - ১৭৭. নিচের কোনটি বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র?
- ক. বাখরাবাদ
- খ. হরিপুর
- গ. তিতাস
- ঘ. হবিগঞ্জ
উত্তর: গ. তিতাস
বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে মজুদের দিক থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্র সবচেয়ে বড়। ১৯৬২ সালে শেল কোম্পানি এটি আবিষ্কার করে। দেওয়া বিকল্পগুলোর বাখরাবাদ (কুমিল্লা), হরিপুর (সিলেট) ও হবিগঞ্জ ক্ষেত্র তুলনায় ছোট।
মনে রাখুন: দৈনিক উৎপাদনে সবচেয়ে এগিয়ে হবিগঞ্জের বিবিয়ানা, কিন্তু তা প্রশ্নে বিকল্প হিসেবে নেই। বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর, ১৯৫৫ সালে। - ১৭৮. বাংলাদেশে জি-কে প্রকল্প একটি-
- ক. জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
- খ. নদী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প
- গ. জল পরিবহন প্রকল্প
- ঘ. সেচ প্রকল্প
উত্তর: ঘ. সেচ প্রকল্প
গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প, সংক্ষেপে জি-কে প্রকল্প (G-K Project), বাংলাদেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার কাছে পদ্মা নদী থেকে পানি তুলে খাল ও কপোতাক্ষ নদের মাধ্যমে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও যশোর অঞ্চলের কৃষিজমিতে পানি পৌঁছে দেওয়া হয়। এতে শুকনো মৌসুমেও ফসল ফলানো সম্ভব হয়।
মনে রাখুন: বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প কাপ্তাইয়ে (কর্ণফুলী নদীতে), সেটি জি-কে নয়। জি-কে একটি সেচ প্রকল্প। - ১৭৯. COP 26-এ COP মানে কী?
- ক. কনফারেন্স অব প্যারিস
- খ. কনফারেন্স অব দ্য পাওয়ার
- গ. কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস
- ঘ. কনফারেন্স অব দ্য প্রটোকল
উত্তর: গ. কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস
COP-এর পূর্ণরূপ Conference of the Parties, অর্থাৎ পক্ষগুলোর সম্মেলন। এখানে "পক্ষ" বলতে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ কাঠামো সনদে (UNFCCC) স্বাক্ষর করা দেশগুলোকে বোঝায়। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোর ধরিত্রী সম্মেলনে এই সনদ গৃহীত হয়, ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়। ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিনে প্রথম কপ হয়, এরপর প্রতিবছর হয়। ২৬তম সম্মেলন, তাই নাম COP 26। - ১৮০. বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয় কোনটি?
- ক. ঘন ঘন বন্যা
- খ. সমুদ্র দূষণ
- গ. ত্রুটিপূর্ণ সমুদ্র শাসন
- ঘ. উপরের কোনটিই নয়
উত্তর: ক. ঘন ঘন বন্যা
ব্লু ইকোনমি (Blue Economy) মানে সাগর ও সমুদ্রসম্পদকে টেকসইভাবে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো, যেমন মাছ ধরা, সমুদ্রবন্দর, নৌ-পরিবহন ও সমুদ্রতলের খনিজ। বাংলাদেশ ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে ও ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা মামলায় জিতে প্রায় ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকা পেয়েছে, তাই এ খাতের সম্ভাবনা বড়।
এর চ্যালেঞ্জ হলো সমুদ্র দূষণ, সমুদ্র ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবলের অভাব, অবৈধ মাছ ধরা ইত্যাদি। কিন্তু ঘন ঘন বন্যা মূলত নদী ও স্থলভাগের সমস্যা, তাই এটি ব্লু ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয়। - ১৮১. ডাউকি ফন্ট বরাবর একটি প্রচণ্ড ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশের কোন নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করে?
- ক. ব্ৰহ্মপুত্র নদী
- খ. পদ্মা নদী
- গ. কর্ণফুলি নদী
- ঘ. মেঘনা নদী
উত্তর: ক. ব্ৰহ্মপুত্র নদী
ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ বাংলাদেশে আগে ছিল ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে পুরোনো খাতে। ১৭৮৭ সালের মহাবন্যা ও ভূমিকম্পজনিত ভূমির পরিবর্তনের পর নদটি সেই খাত ছেড়ে পশ্চিম দিকে সরে আসে। নতুন খাতের নাম যমুনা, আর পুরোনো খাত পরিচিত হয় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে। ডাউকি চ্যুতি (Dauki Fault) ভারতের মেঘালয়ের শিলং মালভূমির দক্ষিণ সীমায় অবস্থিত একটি ভূ-ফাটল, যা বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের উত্তরে পড়ে।
মনে রাখুন: যমুনা নদী গঙ্গার শাখা পদ্মার সঙ্গে মিলেছে, পরে মেঘনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। - ১৮২. বাংলাদেশের প্রথম কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
- ক. কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি
- খ. সাভার, ঢাকা
- গ. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
- ঘ. বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
উত্তর: ঘ. বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
বাংলাদেশের প্রথম কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়ায়। এটি পাশের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লায় চলে। এর ক্ষমতা ২৫০ মেগাওয়াট (১২৫ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট)।
মনে রাখুন: কাপ্তাইয়ে (রাঙামাটি) কর্ণফুলী নদীর ওপর দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, ১৯৬২ সালে চালু।
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি
- ১০১. নিচের কোনটি Structured Query Language নয়?
- ক. Java
- খ. MySQL
- গ. Oracle
- ঘ. উপরের সবগুলো
উত্তর: ঘ. উপরের সবগুলো
SQL (Structured Query Language) হলো ডেটাবেস থেকে তথ্য খোঁজা, যোগ করা ও পরিবর্তন করার একটি ভাষা। Java একটি সাধারণ প্রোগ্রামিং ভাষা। MySQL ও Oracle হলো ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার (DBMS), যারা SQL ব্যবহার করে। এদের কোনোটিই নিজে Structured Query Language নয়। তাই উত্তর ‘উপরের সবগুলো’।
মনে রাখুন: SQL-এর মূল কমান্ড SELECT, INSERT, UPDATE ও DELETE। - ১০২. ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থায় Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করে –
- ক. FTP Server
- খ. Firewall
- গ. DNS Server
- ঘ. Gateway
উত্তর: গ. DNS Server
ইন্টারনেটে আমরা মনে রাখার সুবিধার জন্য নাম ব্যবহার করি, যেমন www.example.com। কিন্তু কম্পিউটার একে অপরকে চেনে সংখ্যার ঠিকানা বা আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) দিয়ে। এই নামকে সংখ্যায় রূপান্তরের কাজটি করে ডিএনএস সার্ভার (DNS Server)। DNS-এর পূর্ণরূপ Domain Name System। এটি অনেকটা ফোনবইয়ের মতো, যেখানে নাম দেখে নম্বর খুঁজে পাওয়া যায়।
মনে রাখুন: FTP ফাইল আদান-প্রদানের প্রটোকল। ফায়ারওয়াল (Firewall) নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা দেয়। গেটওয়ে (Gateway) দুটি ভিন্ন নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে। - ১০৩. নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?
- ক. CaaS
- খ. laaS
- গ. PaaS
- ঘ. SaaS
উত্তর: ক. CaaS
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে (Cloud Computing) সেবা দেওয়া হয় প্রধানত তিন ধরনের মডেলে। IaaS (Infrastructure as a Service) দেয় সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কের মতো অবকাঠামো। PaaS (Platform as a Service) দেয় প্রোগ্রাম বানানো ও চালানোর প্ল্যাটফর্ম। SaaS (Software as a Service) দেয় তৈরি সফটওয়্যার, যা ব্রাউজারে ব্যবহার করা যায়। CaaS নামে এই তিনের বাইরে মূল সেবা মডেল নেই, তাই এটিই উত্তর।
উদাহরণ: আমাজন EC2 হলো IaaS, গুগল অ্যাপ ইঞ্জিন PaaS, আর জিমেইল SaaS। - ১০৪. অ্যামাজন-এর ক্লাউড প্লাটফর্ম কোনটি?
- ক. Azure
- খ. AWS
- গ. Cloudera
- ঘ. উপরের সবগুলো
উত্তর: খ. AWS
অ্যামাজন তাদের ক্লাউড সেবার নাম দিয়েছে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস, সংক্ষেপে AWS (Amazon Web Services)। এটি বিশ্বের অন্যতম বড় ক্লাউড সেবাদাতা।
মনে রাখুন: Azure হলো মাইক্রোসফটের ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম। গুগলের ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের নাম Google Cloud Platform। ক্লাউডেরা (Cloudera) বিগ ডেটা ও ডেটা ব্যবস্থাপনার সমাধান দেওয়া একটি প্রতিষ্ঠান, অ্যামাজনের নয়। তাই "উপরের সবগুলো" ঠিক নয়। - ১০৫. নিচের কোন সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহক নিজ Computer System ব্যবহার করতে পারেন না এবং Computer System-কে ব্যবহার উপযোগী করতে অর্থ দাবি করা হয়?
- ক. Phishing
- খ. Denial of Service
- গ. Ransomware
- ঘ. Man-in-the-Middle
উত্তর: গ. Ransomware
কিছু আক্রমণে কম্পিউটারের ফাইল গোপন সংকেতে (encryption) আটকে দেওয়া হয় বা পুরো সিস্টেম লক করে দেওয়া হয়। তখন ব্যবহারকারী আর নিজের কম্পিউটার চালাতে পারেন না। এরপর খুলে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা দাবি করা হয়, সাধারণত বিটকয়েনে। একে বলে র্যানসমওয়্যার (Ransomware)। ransom মানে মুক্তিপণ, নামটি সেখান থেকেই এসেছে। WannaCry এর পরিচিত উদাহরণ।
মনে রাখুন: ফিশিং (Phishing) হলো ভুয়া ইমেইল বা ওয়েবসাইটে ভুলিয়ে পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেওয়া। ডিনায়াল অব সার্ভিস (Denial of Service) সার্ভারকে অতিরিক্ত অনুরোধে অচল করে দেয়। ম্যান-ইন-দ্য-মিডল (Man-in-the-Middle) আক্রমণে মাঝপথে তথ্য আড়ি পাতা হয়। - ১০৬. SCSI-এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. Small Computer System Interface
- খ. Small Computer Software Interface
- গ. Small Computer Storage Interface
- ঘ. Small Computer Standard Interface
উত্তর: ক. Small Computer System Interface
SCSI-এর পূর্ণরূপ Small Computer System Interface, উচ্চারণ "স্কাজি"। এটি কম্পিউটারের সঙ্গে হার্ডডিস্ক, স্ক্যানার, টেপ ড্রাইভ ও প্রিন্টারের মতো যন্ত্র যুক্ত করার একটি আদর্শ মান (standard) ও সংযোগ পদ্ধতি। সার্ভারে এর ব্যবহার বেশি দেখা যেত।
মনে রাখুন: একই পরিবারের আরেকটি পরিচিত শব্দ IDE। সাধারণ কম্পিউটারে এখন বেশি চলে SATA। - ১০৭. নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসাবে কাজ করে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. Scanner
- খ. Mouse
- গ. Touch Screen
- ঘ. Projector
উত্তর: গ. Touch Screen
যে যন্ত্র দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ দেওয়া হয় তা ইনপুট ডিভাইস (Input Device), আর যার মাধ্যমে ফলাফল পাওয়া যায় তা আউটপুট ডিভাইস (Output Device)। টাচ স্ক্রিনে (Touch Screen) আমরা আঙুল ছুঁইয়ে নির্দেশ দিই, আবার একই পর্দায় ফলাফলও দেখি। তাই এটি একসঙ্গে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস।
মনে রাখুন: স্ক্যানার ও মাউস শুধু ইনপুট ডিভাইস। প্রজেক্টর শুধু আউটপুট ডিভাইস। মডেম ও নেটওয়ার্ক কার্ডও ইনপুট-আউটপুট দুই কাজই করে। - ১০৮. নিচের কোন Octal সংখ্যাটি Decimal সংখ্যা ৫৫-এর সমতুল্য?
- ক. ৫৫
- খ. ৭৭
- গ. ৬৭
- ঘ. ৮৭
উত্তর: গ. ৬৭
দশমিক সংখ্যাকে অক্টালে (Octal, ভিত্তি 8) নিতে বারবার 8 দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষগুলো নিচ থেকে উপরে সাজাতে হয়।
55 ÷ 8 = 6, ভাগশেষ 7
6 ÷ 8 = 0, ভাগশেষ 6
ভাগশেষ নিচ থেকে উপরে পড়লে হয় 67। তাই (55)₁₀ = (67)₈।
যাচাই: 6 × 8 + 7 = 48 + 7 = 55।
মনে রাখুন: অক্টালে শুধু 0 থেকে 7 অঙ্ক থাকে, তাই 87 কোনো বৈধ অক্টাল সংখ্যাই নয়। - ১০৯. নিচের কোনটি systern software নয়?
- ক. Linux
- খ. Android
- গ. Mozilla Firefox
- ঘ. Apple iOS
উত্তর: গ. Mozilla Firefox
সফটওয়্যার দুই প্রধান ভাগে বিভক্ত। সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার চালায় ও অন্য সফটওয়্যারের চলার ভিত্তি তৈরি করে। অপারেটিং সিস্টেম এর প্রধান উদাহরণ। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ করে। মজিলা ফায়ারফক্স একটি ওয়েব ব্রাউজার, অর্থাৎ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, তাই এটি সিস্টেম সফটওয়্যার নয়।
মনে রাখুন: Linux, Android ও Apple iOS সবই অপারেটিং সিস্টেম, তাই সিস্টেম সফটওয়্যার। - ১১০. এক মেশিন থেকে অন্য মেশিনে ই-মেইল মেসেজ স্থানান্তর করতে কোন TCP/IP প্রটোকল ব্যবহার হয়?
- ক. FTP
- খ. RPC
- গ. SNMP
- ঘ. SMTP
উত্তর: ঘ. SMTP
ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল হলো SMTP (Simple Mail Transfer Protocol)। মেইল ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে এবং এক মেইল সার্ভার থেকে আরেক মেইল সার্ভারে বার্তা পৌঁছে দেয় এই প্রটোকল। এটি TCP/IP পরিবারের অংশ।
মনে রাখুন: ইমেইল গ্রহণের প্রটোকল POP3 ও IMAP। FTP ফাইল স্থানান্তরের জন্য। SNMP নেটওয়ার্কের যন্ত্রপাতি পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য। RPC এক কম্পিউটারের প্রোগ্রাম থেকে অন্য কম্পিউটারের প্রক্রিয়া চালানোর জন্য। - ১১১. যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম নিজে নিজেই অন্য কম্পিউটারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কপি হয় তাকে ____বলে।
- ক. Program Virus
- খ. Worms
- গ. Trojan Horse
- ঘ. Boot Virus
উত্তর: খ. Worms
যে ক্ষতিকর প্রোগ্রাম অন্য কোনো ফাইল বা প্রোগ্রামের সঙ্গে না জুড়ে নিজেই নিজের অনুলিপি তৈরি করে এবং নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট দিয়ে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে ওয়ার্ম (Worm) বলে। এ কারণে ওয়ার্ম খুব দ্রুত ছড়ায় ও নেটওয়ার্কের গতি কমিয়ে দেয়।
মনে রাখুন: ভাইরাস (Virus) কোনো প্রোগ্রামে নিজেকে জুড়ে দেয় এবং সেই প্রোগ্রাম চালু হলে ছড়ায়। ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) ভালো সফটওয়্যারের ছদ্মবেশে ঢোকে, কিন্তু নিজে অনুলিপি তৈরি করে না। বুট ভাইরাস (Boot Virus) ডিস্কের বুট সেক্টরকে আক্রমণ করে।
উদাহরণ: ILOVEYOU ও Morris ওয়ার্ম। - ১১২. নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি 4G Standard প্রস্তুতকরণে সম্পৃক্ত?
- ক. ISO
- খ. ITU
- গ. 3GPP
- ঘ. ETSI
উত্তর: খ. ITU
মোবাইল প্রজন্মের মান ঠিক করার দায়িত্ব জাতিসংঘের সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (ITU, International Telecommunication Union)। ITU তাদের IMT-Advanced নামের মানদণ্ডে 4G-র শর্ত নির্ধারণ করে দিয়েছে, যেমন চলন্ত অবস্থায় প্রায় 100 Mbps ও স্থির অবস্থায় প্রায় 1 Gbps গতি। তাই 4G স্ট্যান্ডার্ড তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে ITU-ই এখানে উত্তর।
মনে রাখুন: 3GPP প্রযুক্তি-নির্দেশিকা তৈরি করে, যেমন LTE-Advanced, যা এই শর্ত পূরণ করে। ISO আন্তর্জাতিক মান নির্ধারক সংস্থা। ETSI ইউরোপের টেলিযোগাযোগ মান সংস্থা। - ১১৩. নিচের কোনটি Open Source Software?
- ক. Google Chrome
- খ. Microsoft Windows
- গ. Zoom
- ঘ. Adobe Photoshop
উত্তর: ক. Google Chrome
যে সফটওয়্যারের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে এবং যা কেউ দেখতে, বদলাতে ও বিতরণ করতে পারে, তা ওপেন সোর্স সফটওয়্যার (Open Source Software)। গুগল ক্রোম ব্রাউজার তৈরি হয়েছে ওপেন সোর্স ক্রোমিয়াম (Chromium) প্রকল্পের ভিত্তিতে। তাই দেওয়া চারটির মধ্যে এটিই ওপেন সোর্স হিসেবে গণ্য।
মনে রাখুন: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, জুম ও অ্যাডোবি ফটোশপ মালিকানাধীন বাণিজ্যিক সফটওয়্যার, এদের সোর্স কোড গোপন। ওপেন সোর্সের পরিচিত উদাহরণ লিনাক্স, মজিলা ফায়ারফক্স ও অ্যান্ড্রয়েডের মূল অংশ। - ১১৪. নিচের কোন Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে?
- ক. FTP
- খ. HTTPS
- গ. TCP
- ঘ. DNS
উত্তর: খ. HTTPS
সাধারণ HTTP-তে তথ্য সরাসরি পাঠানো হয়, তাই মাঝপথে কেউ ধরে ফেললে পড়তে পারে। HTTPS (Hypertext Transfer Protocol Secure) তথ্যকে SSL/TLS পদ্ধতিতে এনক্রিপ্ট করে পাঠায়। ফলে ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা অনলাইন কেনাকাটার মতো গোপনীয় তথ্য নিরাপদে আদান-প্রদান করা যায়। ব্রাউজারের ঠিকানায় তালার চিহ্ন দেখে আমরা HTTPS চিনতে পারি।
মনে রাখুন: FTP-তে ফাইল পাঠানো হয়, TCP নির্ভরযোগ্য সংযোগ তৈরি করে, DNS নাম থেকে আইপি ঠিকানা বের করে। এদের কেউই নিজে তথ্য এনক্রিপ্ট করে না। - ১১৫. Piconet কী?
- ক. Wifi Network
- খ. Wide Area Network
- গ. Bluetooth Network
- ঘ. 5G Network
উত্তর: গ. Bluetooth Network
ব্লুটুথ (Bluetooth) প্রযুক্তিতে একটি প্রধান যন্ত্র (master) ও তার সঙ্গে যুক্ত সর্বোচ্চ সাতটি সক্রিয় যন্ত্র (slave) মিলে যে ছোট নেটওয়ার্ক তৈরি করে, তাকে পিকোনেট (Piconet) বলে। কয়েকটি পিকোনেট একসঙ্গে জুড়ে গেলে তৈরি হয় স্ক্যাটারনেট (Scatternet)।
উদাহরণ: মোবাইল ফোনের সঙ্গে হেডফোন ও স্মার্টওয়াচ যুক্ত হলে ফোনটি মাস্টার হিসেবে একটি পিকোনেট গঠন করে।
মানসিক দক্ষতা
- ১১৬. P এবং Q দুই ভাই। R এবং S দুই বোন। P-এর ছেলে হলো S-এর ভাই। তাহলে Q হলো R-এর –
- ক. পুত্র
- খ. ভাই
- গ. পিতা
- ঘ. চাচা
উত্তর: ঘ. চাচা
প্রশ্নে বলা আছে P-এর ছেলে হলো S-এর ভাই। এর অর্থ S-ও P-এর সন্তান, আর S বোন, তাই S হলো P-এর মেয়ে। R ও S দুই বোন, কাজেই R-ও P-এরই মেয়ে। Q হলো P-এর ভাই। আমাদের দেখতে হবে R-এর সঙ্গে Q-এর সম্পর্ক, অর্থাৎ বাবার ভাই। বাংলায় বাবার ভাইকে বলে চাচা। তাই Q হলো R-এর চাচা। - ১১৭. স্টেপলারের সাথে যেমন স্টেপল, সুচের সাথে তেমন –
- ক. ছিদ্ৰ
- খ. কাপড়
- গ. সুতা
- ঘ. সেলাই মেশিন
উত্তর: গ. সুতা
এই ধরনের প্রশ্নে প্রথম জোড়ার সম্পর্ক ধরে দ্বিতীয় জোড়া মেলাতে হয়। স্টেপলার (stapler) কাজ করে স্টেপল দিয়ে, স্টেপল পরানো ছাড়া কাগজ আটকানো যায় না। একইভাবে সুচ কাজ করে সুতা দিয়ে, সুতা ছাড়া সেলাই হয় না। তাই উত্তর সুতা।
মনে রাখুন: কাপড় সুচের কাজের জিনিস, সুচের উপকরণ নয়। সেলাই মেশিন সুচ ব্যবহার করে, কিন্তু সুচের সঙ্গে সুতার সম্পর্কের মতো নয়। - ১১৮. 165135 যদি Peace হয়, তবে 1215225 –
- ক. Lead
- খ. Love
- গ. Loop
- ঘ. Castle
উত্তর: খ. Love
এটি বর্ণ-সংখ্যার সংকেত। ইংরেজি বর্ণমালায় প্রতিটি বর্ণের একটি ক্রমিক নম্বর আছে: A = 1, B = 2, C = 3, D = 4, E = 5, এভাবে Z = 26 পর্যন্ত। এই নিয়মে PEACE হয় P = 16, E = 5, A = 1, C = 3, E = 5, অর্থাৎ 16 5 1 3 5, লিখলে 165135। নিয়ম মিলে গেল।
এবার 1215225 ভাঙলে পাই 12, 15, 22, 5। বর্ণমালায় 12 = L, 15 = O, 22 = V, 5 = E। তাই শব্দটি LOVE। - ১১৯. ২০১৮ সালের ১২ জানুয়ারি শুক্রবার হলে, একই বছরের ১৭ মার্চ কী বার ছিল?
- ক. শনিবার
- খ. সোমবার
- গ. বৃহস্পতিবার
- ঘ. শুক্রবার
উত্তর: ক. শনিবার
আমরা ১২ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত কত দিন, তা বের করে সাতে ভাগ করব। ভাগশেষ দেখে বার ঠিক করা যায়।
জানুয়ারির বাকি দিন 31 - 12 = 19। ২০১৮ সাল অধিবর্ষ নয়, তাই ফেব্রুয়ারিতে 28 দিন। এরপর মার্চের 17 দিন। মোট 19 + 28 + 17 = 64 দিন।
64 ÷ 7 = 9, ভাগশেষ 1। তাই শুক্রবারের এক দিন পরের বার, অর্থাৎ শনিবার।
মনে রাখুন: যে সাল ৪ দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য, সেটি সাধারণত অধিবর্ষ। তবে শতাব্দীর সাল ৪০০ দিয়ে বিভাজ্য হলে তবেই অধিবর্ষ। - ১২০. ৫, ৭, ১০, ১৪, ……… ২৫ ধারার শূন্যস্থানের সংখ্যাটি কত?
- ক. ১৭
- খ. ১৮
- গ. ১৯
- ঘ. ২১
উত্তর: গ. ১৯
ধারাটির পরপর পদের পার্থক্য দেখি। 7 - 5 = 2, 10 - 7 = 3, 14 - 10 = 4। পার্থক্যগুলো 2, 3, 4 করে এক এক বাড়ছে। তাই পরের পার্থক্য 5, অর্থাৎ পরের পদ 14 + 5 = 19। তার পরের পার্থক্য 6, আর 19 + 6 = 25, যা প্রশ্নে দেওয়া শেষ পদের সঙ্গে মেলে। তাই ফাঁকা স্থানে বসবে 19। - ১২১. কোনো কিছুর কারণ জানতে হলে আমরা ইংরেজিতে যে প্রশ্ন করি তা সাধারণত কোন শব্দটি দিয়ে শুরু হয়?
- ক. how
- খ. what
- গ. why
- ঘ. who
উত্তর: গ. why
কারণ জানতে চাইলে ইংরেজিতে "Why" দিয়ে প্রশ্ন শুরু করা হয়। কারণ কী, তা জানতে চাওয়াই এর কাজ।
উদাহরণ: Why are you late? অর্থাৎ তুমি দেরি করলে কেন?
মনে রাখুন: How দিয়ে পদ্ধতি বা উপায় জানতে চাওয়া হয় (How did you do it?)। What দিয়ে বস্তু বা বিষয় (What is this?)। Who দিয়ে ব্যক্তি (Who is he?)। - ১২২. নিম্নের কোন গুচ্ছের শব্দগুলো বর্ণনানুক্রমিকভাবে সাজানো রয়েছে?
- ক. নিম্নোক্ত, নিদর্শন, নিরাসক্ত, নিরাময়, নিষ্ক্রিয়, নিসর্গ
- খ. নিদর্শন, নিম্নোক্ত, নিরাময়, নিরাসক্ত, নিষ্ক্রিয়, নিসর্গ
- গ. নিষ্ক্রিয়, নিসর্গ, নিম্নোক্ত, নিদর্শন, নিরাসক্ত, নিরাময়
- ঘ. নিদর্শন, নিরাসক্ত, নিষ্ক্রিয়, নিসর্গ, নিম্নোক্ত, নিরাময়
উত্তর: খ. নিদর্শন, নিম্নোক্ত, নিরাময়, নিরাসক্ত, নিষ্ক্রিয়, নিসর্গ
শব্দকোষে শব্দ সাজানোর নিয়ম হলো প্রথম বর্ণ মিলিয়ে, মিললে দ্বিতীয় বর্ণ, তারপর তৃতীয় বর্ণ, এভাবে এগোনো। এখানে সব শব্দ "নি" দিয়ে শুরু, তাই তৃতীয় বর্ণ দেখতে হবে: নিদর্শনে দ, নিম্নোক্তে ম, নিরাময় ও নিরাসক্তে র, নিষ্ক্রিয়তে ষ, নিসর্গে স। বাংলা বর্ণমালায় দ, ম, র, ষ, স এই ক্রমে আসে।
নিরাময় ও নিরাসক্ত দুটিতেই "নিরা" আছে, তাই পরের বর্ণ দেখি। ম আগে, স পরে। সুতরাং সঠিক ক্রম হলো নিদর্শন, নিম্নোক্ত, নিরাময়, নিরাসক্ত, নিষ্ক্রিয়, নিসর্গ। - ১২৩. যদি PLAY-এর কোড ৮১২৩ এবং RHYME-এর কোড ৪৯৩৬৭ হয়, তাহলে MALE-এর কোড হবে -
- ক. ৬৩২৩
- খ. ৬১৯৮
- গ. ৬২১৭
- ঘ. ৬২৮৫
উত্তর: গ. ৬২১৭
কোডের প্রতিটি অক্ষরের জন্য একটি করে অঙ্ক ঠিক করা আছে। এটি বের করতে দুটি শব্দের কোড পাশাপাশি মেলাতে হয়।
PLAY = 8123 থেকে P = 8, L = 1, A = 2, Y = 3।
RHYME = 49367 থেকে R = 4, H = 9, Y = 3, M = 6, E = 7। এখানে Y-এর মান দুই জায়গাতেই 3, তাই নিয়মটি ঠিক।
এবার MALE-এ M = 6, A = 2, L = 1, E = 7 বসালে কোড হয় 6217। - ১২৪. এই সিরিজটিতে পরের সংখ্যাটি কত? ৩ ৫ ৮ ১৩ ২১
- ক. ২৪
- খ. ২৬
- গ. ২৯
- ঘ. ৩৪
উত্তর: ঘ. ৩৪
ধারাটির সংখ্যাগুলোর সম্পর্ক খুঁজতে আগের সংখ্যার সঙ্গে মিলিয়ে দেখি। 3 + 5 = 8, 5 + 8 = 13, 8 + 13 = 21। অর্থাৎ প্রতিটি সংখ্যা তার আগের দুটি সংখ্যার যোগফল। তাই পরের সংখ্যা 13 + 21 = 34।
মনে রাখুন: এই ধরনের ধারাকে ফিবোনাচি ধারা (Fibonacci sequence) বলে। মূল ধারাটি 1, 1, 2, 3, 5, 8, 13, 21, 34, 55 এভাবে চলে। - ১২৫. একটি দেয়ালঘড়িতে যখন ৩টা বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা যদি পূর্বদিকে থাকে তবে মিনিটের কাঁটা কোন দিকে থাকবে?
- ক. উত্তর
- খ. পশ্চিম
- গ. দক্ষিণ
- ঘ. পূর্ব
উত্তর: ক. উত্তর
ঘড়ির ডায়ালে 12 থেকে 3-এর দূরত্ব ঘড়ির এক-চতুর্থাংশ, অর্থাৎ 360° ÷ 4 = 90°। তিনটায় ঘণ্টার কাঁটা থাকে 3-এর ঘরে, আর মিনিটের কাঁটা থাকে 12-এর ঘরে।
3-এর ঘর যদি পূর্বদিকে হয়, তাহলে 12-এর ঘর থাকবে তার থেকে 90° বামে। পূর্ব মুখ করে দাঁড়ালে বাঁ হাত থাকে উত্তরদিকে। তাই 12-এর ঘর উত্তরদিকে, অর্থাৎ মিনিটের কাঁটা উত্তর দিকে থাকবে।
মনে রাখুন: তখন ঘড়ির 6 থাকবে দক্ষিণে এবং 9 থাকবে পশ্চিমে। ডায়ালের চারটি দিক ঘড়ির কাঁটার ক্রমে পূর্ব, দক্ষিণ, পশ্চিম, উত্তর হয়ে যায়।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
- ১২৬. UNESCO কত তারিখে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
- ক. ১৮ নভেম্বর ১৯৯৯
- খ. ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
- গ. ১৯ নভেম্বর ২০০১
- ঘ. ২০ নভেম্বর ২০০১
উত্তর: খ. ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতির পেছনে আছে ভাষা আন্দোলন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকায় সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে প্রাণ দেন। কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালামের উদ্যোগে এই দিনটিকে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব ওঠে। বাংলাদেশের প্রস্তাবের পর ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে ইউনেস্কোর (UNESCO) ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (International Mother Language Day) ঘোষণা করা হয়।
মনে রাখুন: ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে এই দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয় এবং সরকারি ছুটি থাকে। - ১৪১. কোন দেশ বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
- ক. লাইবেরিয়া
- খ. নামিবিয়া
- গ. হাইতি
- ঘ. সিয়েরা লিওন
উত্তর: ঘ. সিয়েরা লিওন
২০০২ সালে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন বাংলাকে সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়। সেখানকার গৃহযুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রতি সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত। সিয়েরা লিওনের মূল সরকারি ভাষা ইংরেজি।
মনে রাখুন: লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওন দুটিই পশ্চিম আফ্রিকার দেশ, কিন্তু বাংলাকে এই মর্যাদা দিয়েছে শুধু সিয়েরা লিওন। - ১৫৫. কোন দেশ থেকে ‘আরব বসন্ত’-এর সূচনা হয়?
- ক. মিশর
- খ. তিউনিশিয়া
- গ. লিবিয়া
- ঘ. সিরিয়া
উত্তর: খ. তিউনিশিয়া
আরব বসন্ত (Arab Spring) ২০১০ সালের শেষ দিকে তিউনিসিয়া থেকে শুরু হয়। ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর সিদি বুজিদ শহরে ফল বিক্রেতা মোহাম্মদ বুয়াজিজি পুলিশের হয়রানির প্রতিবাদে নিজের গায়ে আগুন দেন। এ ঘটনায় সারা দেশে গণ-আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে এবং ২০১১ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট বেন আলী দেশ ছেড়ে পালান। একে জুঁই বিপ্লবও (Jasmine Revolution) বলা হয়।
মনে রাখুন: এরপর আন্দোলন ছড়ায় মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন ও সিরিয়ায়। - ১৫৬. কোন সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে?
- ক. ২০১০
- খ. ২০১২
- গ. ২০১৪
- ঘ. ২০১৬
উত্তর: গ. ২০১৪
২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সরকারবিরোধী আন্দোলনে প্রেসিডেন্ট ইয়ানুকোভিচ ক্ষমতাচ্যুত হলে রাশিয়া ক্রিমিয়ায় সেনা নামায়। ১৬ মার্চ ২০১৪ ক্রিমিয়ায় একটি বিতর্কিত গণভোট হয়, আর ১৮ মার্চ রাশিয়া ক্রিমিয়াকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার চুক্তি করে। বেশির ভাগ দেশ এই সংযুক্তিকে স্বীকৃতি দেয়নি। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।
মনে রাখুন: ক্রিমিয়া কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে অবস্থিত উপদ্বীপ। এর বন্দরনগরী সেভাস্তোপোল রাশিয়ার নৌঘাঁটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। - ১৫৭. কোন দেশটি ভেনিজুয়েলার প্রতিবেশী রাষ্ট্র নয়?
- ক. গায়ানা
- খ. বলিভিয়া
- গ. ব্রাজিল
- ঘ. কলাম্বিয়া
উত্তর: খ. বলিভিয়া
ভেনিজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলের দেশ। এর স্থলসীমান্ত পশ্চিমে কলম্বিয়া, দক্ষিণে ব্রাজিল ও পূর্বে গায়ানার সঙ্গে। বলিভিয়া মহাদেশের মাঝামাঝি, ভেনিজুয়েলা থেকে অনেক দক্ষিণে। মাঝখানে ব্রাজিল ও কলম্বিয়ার বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড পড়ে, তাই বলিভিয়া ভেনিজুয়েলার প্রতিবেশী নয়।
মনে রাখুন: ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাস। এটি খনিজ তেলের মজুদে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি। - ১৫৮. ‘নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি’ কোন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট?
- ক. ভিয়েতনাম
- খ. উত্তর কোরিয়া
- গ. চীন
- ঘ. রাশিয়া
উত্তর: গ. চীন
চীনের কূটনীতিকরা নিজ দেশের স্বার্থ রক্ষায় সমালোচনার জবাবে যে আক্রমণাত্মক ও কড়া ভাষা ব্যবহার করেন, তাকে নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি (Wolf Warrior Diplomacy) বলা হয়। এই নামটি এসেছে চীনের জনপ্রিয় অ্যাকশন চলচ্চিত্র "উলফ ওয়ারিয়র" ও তার সিক্যুয়েল "উলফ ওয়ারিয়র ২" থেকে। ২০১৯-২০ সালের পর থেকে এ শব্দটি বেশি আলোচিত।
মনে রাখুন: চীনের আরেক পরিচিত কূটনীতির নাম পাণ্ডা কূটনীতি, যেখানে উপহার হিসেবে পাণ্ডা দিয়ে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়া হয়। - ১৫৯. নিচের কোন দেশটি ASEAN জোটভুক্ত নয়?
- ক. লাওস
- খ. হংকং
- গ. ভিয়েতনাম
- ঘ. কম্বােডিয়া
উত্তর: খ. হংকং
আসিয়ান (ASEAN, Association of Southeast Asian Nations) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর জোট। এর সদস্য হতে হলে স্বাধীন রাষ্ট্র হতে হয়। হংকং কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র নয়, এটি চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল, তাই আসিয়ানের সদস্য হতে পারে না। লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া আসিয়ানের সদস্য।
মনে রাখুন: আসিয়ান ১৯৬৭ সালে ব্যাংককে গঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড। সচিবালয় জাকার্তায়।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালের অক্টোবরে তিমুর-লেস্তে আসিয়ানের ১১তম সদস্য হয়েছে। - ১৬০. নিচের কোন দেশটি ডি-৮ এর সদস্য নয়?
- ক. জর্ডান
- খ. ইরান
- গ. মিশর
- ঘ. মালয়েশিয়া
উত্তর: ক. জর্ডান
ডি-৮ (D-8) আটটি মুসলিম-প্রধান উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা। এর আটজন সদস্য বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক। জর্ডান এই সংস্থার সদস্য নয়। তাই উত্তর জর্ডান।
মনে রাখুন: সংস্থাটি ১৯৯৭ সালে গঠিত হয়, এর সচিবালয় ইস্তাম্বুলে।
হালনাগাদ: ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আজারবাইজান নবম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছে। - ১৬১. World Economic Forum- এর বাৎসরিক অধিবেশন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. প্যারিস
- খ. জুরিখ
- গ. দাভোস
- ঘ. বার্ন
উত্তর: গ. দাভোস
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (World Economic Forum, WEF) বিশ্বের রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের আলোচনার একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চ। এর বার্ষিক সভা প্রতিবছর জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের আল্পস পর্বতের কোলের শহর দাভোসে বসে, তাই একে "দাভোস সম্মেলন"ও বলা হয়।
মনে রাখুন: ১৯৭১ সালে ক্লাউস শোয়াব এই সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। এর সদর দপ্তর জেনেভার কাছে কোলোনিতে। - ১৬২. ‘তাসখন্দ চুক্তি’ কোন দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
- ক. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
- খ. ভারত ও আফগানিস্তান
- গ. পাকিস্তান ও ভারত
- ঘ. আফগানিস্তান ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর: গ. পাকিস্তান ও ভারত
১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হয়। যুদ্ধ শেষে সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি উজবেকিস্তানের তাসখন্দে (তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ) এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান এতে সই করেন। পরদিনই তাসখন্দে শাস্ত্রীর মৃত্যু হয়।
মনে রাখুন: মধ্যস্থতা করেন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সেই কোসিগিন। - ১৬৪. বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি কখন শেষ হবে?
- ক. ২০৪০
- খ. ২০২৬
- গ. ২০২৪
- ঘ. ২০৩০
উত্তর: খ. ২০২৬
ভারত গঙ্গা নদীর পানি ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে শুকনো মৌসুমে বাংলাদেশ পানির সংকটে পড়ে। এ সমস্যা সমাধানে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি করেন। তাই ৩০ বছর পরে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
মনে রাখুন: চুক্তি অনুযায়ী প্রতিবছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ফারাক্কায় পানির ভাগ ১০ দিন পরপর হিসাব করে নির্ধারিত হয়। - ১৬৫. কোন দেশকে ইউরােপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়?
- ক. জার্মানি
- খ. ইতালি
- গ. পোল্যান্ড
- ঘ. ইউক্রেন
উত্তর: ঘ. ইউক্রেন
ইউক্রেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মাটি চেরনোজেম (Chernozem), অর্থাৎ কালো উর্বর মাটি, যা খুব উর্বর। এখানে প্রচুর গম, ভুট্টা, বার্লি ও সূর্যমুখী ফলে, এবং এসবের বড় অংশ বিদেশে রপ্তানি হয়। এ কারণে ইউক্রেনকে "ইউরোপের রুটির ঝুড়ি" (Breadbasket of Europe) বলা হয়।
মনে রাখুন: ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। দেশটির সূর্যমুখী তেল উৎপাদন বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়। - ১৬৬. গণতন্ত্রের ধারণা উৎসারিত হয় প্রথম কোন দেশে?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. প্রাচীন গ্রীস
- গ. প্রাচীন রােম
- ঘ. প্রাচীন ভারত
উত্তর: খ. প্রাচীন গ্রীস
গণতন্ত্রের প্রথম রূপ দেখা যায় খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকে প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স নগররাষ্ট্রে। সেখানে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকরা সরাসরি সভায় বসে আইন ও সিদ্ধান্ত নিতেন, একে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলে। Democracy শব্দটিও গ্রিক demos (জনগণ) ও kratos (শাসন) থেকে এসেছে।
মনে রাখুন: আধুনিক গণতন্ত্র প্রতিনিধিত্বমূলক, যেখানে জনগণ ভোট দিয়ে প্রতিনিধি বেছে নেয়। আব্রাহাম লিংকনের সংজ্ঞায় গণতন্ত্র হলো জনগণের, জনগণের দ্বারা ও জনগণের জন্য সরকার। - ১৬৭. কখন এবং কোথায় International Union for Conservation of Nature (IUCN) প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৪৮, ফ্রান্স
- খ. ১৯৪৯, সুইজারল্যান্ড
- গ. ১৯৬১, রােম
- ঘ. ১৯৫২, লন্ডন
উত্তর: ক. ১৯৪৮, ফ্রান্স
আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ ইউনিয়ন (IUCN) প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় কাজ করা বিশ্বের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম পরিবেশ সংস্থাগুলোর একটি। ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফঁতেনব্লো শহরে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্ল্যান্ডে।
মনে রাখুন: IUCN বিপন্ন প্রজাতির তালিকা রেড লিস্ট (Red List) প্রকাশ করে। - ১৬৮. কোন দুটি আরব রাষ্ট্র ক্যাম্প ডেভিড (Camp David) চুক্তি স্বাক্ষরের ফলশ্রুতিতে ইসরাইলের সঙ্গে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে?
- ক. জর্ডান ও মিশর
- খ. কুয়েত ও বাহরাইন
- গ. লিবিয়া ও ওমান
- ঘ. তিউনিশিয়া ও আলজেরিয়া
উত্তর: ক. জর্ডান ও মিশর
১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় ক্যাম্প ডেভিডে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৭৯ সালে মিশর ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তিচুক্তি হয়। মিশরই প্রথম আরব রাষ্ট্র, যে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি ও কূটনৈতিক সম্পর্ক দেয়। এরপর ১৯৯৪ সালে জর্ডানও ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করে। ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করা এই দুই আরব রাষ্ট্রের নাম মিলিয়ে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে জর্ডান ও মিশরই সঠিক জোড়া।
মনে রাখুন: ১৯৭৮ সালে সাদাত ও বেগিন যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। কুয়েত, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেনি। - ১৭০. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ কত সময়ের জন্য?
- ক. ১ বছর
- খ. ২ বছর
- গ. ৪ বছর
- ঘ. ৫ বছর
উত্তর: খ. ২ বছর
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের (Security Council) সদস্য ১৫টি। এর ৫টি স্থায়ী, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্য সাধারণ পরিষদের ভোটে দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। প্রতিবছর এদের অর্ধেক, অর্থাৎ ৫টি পদে নির্বাচন হয়, ফলে একসঙ্গে সবাই বদলে যায় না।
মনে রাখুন: অস্থায়ী সদস্য একটানা পরপর দুই মেয়াদে থাকতে পারে না। স্থায়ী সদস্যদের ভেটো (veto) ক্ষমতা আছে, অস্থায়ীদের নেই। - ১৭১. আন্তর্জাতিক আদালতের একজন বিচারক কয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন?
- ক. তিন বছর
- খ. সাত বছর
- গ. চার বছর
- ঘ. নয় বছর
উত্তর: ঘ. নয় বছর
আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (International Court of Justice, ICJ) জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। এর ১৫ জন বিচারক নয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন। নির্বাচন করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদ। প্রতি তিন বছর পরপর এক-তৃতীয়াংশ বিচারকের পদে নতুন নির্বাচন হয়। তাই কোনো বিচারকের মেয়াদ নয় বছর।
মনে রাখুন: আদালতের স্থান নেদারল্যান্ডসের হেগ। এখানে শুধু রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি হয়, ব্যক্তির মামলা চলে না। - ১৭৩. ২০২২ সালে কোন দেশ জাতিসংঘের শান্তিস্থাপন কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. সুইজারল্যান্ড
- গ. বাংলাদেশ
- ঘ. ভারত
উত্তর: গ. বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিশন (Peacebuilding Commission, PBC) ২০০৫ সালে গঠিত হয়। সংঘাতের পর যে দেশে শান্তি ফিরেছে, সেখানে শান্তি টিকিয়ে রাখতে এই কমিশন কাজ করে। বাংলাদেশ ২০২২ সালে এর সভাপতির দায়িত্ব পায়। সভাপতি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা।
মনে রাখুন: বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠানো দেশগুলোর অন্যতম প্রধান। ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক সীমান্ত মিশন দিয়ে দেশটির শান্তিরক্ষা কার্যক্রম শুরু।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- ১২৭. বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষক কে?
- ক. জাতীয় সংসদ
- খ. শাসন বিভাগ
- গ. সুপ্রিম কোর্ট
- ঘ. আইন মন্ত্রণালয়
উত্তর: গ. সুপ্রিম কোর্ট
সংবিধান হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। কোনো আইন বা সরকারি কাজ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল করার ক্ষমতা আছে সুপ্রিম কোর্টের। সংবিধানের ১০১ ও ১০২ অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়ার চূড়ান্ত অধিকারও এই আদালতের। তাই সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সংবিধানের রক্ষক ও অভিভাবক।
মনে রাখুন: জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন করে, শাসন বিভাগ আইন কার্যকর করে। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ আছে। - ১২৮. বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী?
- ক. পুণ্ড্রু
- খ. তাম্রলিপ্ত
- গ. গৌড়
- ঘ. হরিকেল
উত্তর: ক. পুণ্ড্রু
প্রাচীন বাংলায় বিভিন্ন জনপদ ছিল, যেমন পুণ্ড্র, গৌড়, বঙ্গ, সমতট, হরিকেল ও তাম্রলিপ্ত। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ পুণ্ড্র। ঐতরেয় ব্রাহ্মণ ও মহাভারতের মতো প্রাচীন গ্রন্থে এর নাম পাওয়া যায়। এর অবস্থান ছিল উত্তরবঙ্গে, বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে। রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা আজকের বগুড়ার মহাস্থানগড়।
মনে রাখুন: মহাস্থানগড়ে বাংলার প্রাচীনতম লিপি ব্রাহ্মী অক্ষরে লেখা মহাস্থান শিলালিপি পাওয়া গেছে, যা মৌর্য যুগের বলে ধরা হয়। - ১২৯. বাংলাদেশের বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
- ক. সমতট
- খ. পুণ্ড্রু
- গ. বঙ্গ
- ঘ. হরিকেল
উত্তর: গ. বঙ্গ
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলো ভৌগোলিক অবস্থানে আলাদা ছিল। বঙ্গ জনপদ ছিল বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে ব্রহ্মপুত্র, পদ্মা ও মেঘনার অববাহিকায়। বর্তমান ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাই ঢাকা প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের অংশ।
মনে রাখুন: সমতট ছিল বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলে। পুণ্ড্র ছিল উত্তরবঙ্গে। হরিকেল ছিল বাংলার পূর্বপ্রান্তে, প্রায় সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে। - ১৩০. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন মুক্তিযােদ্ধাকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়?
- ক. ৭ জন
- খ. ৬৮ জন
- গ. ১৭৫ জন
- ঘ. ৪২৬ জন
উত্তর: গ. ১৭৫ জন
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার চার স্তরের খেতাব দিয়েছে। বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন। মোট খেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা ৬৭৬।
মনে রাখুন: বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবটি সবচেয়ে বড়। এই সাতজন হলেন মতিউর রহমান, রুহুল আমিন, মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ হামিদুর রহমান, নূর মোহাম্মদ শেখ, আবদুর রউফ ও মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর। - ১৩১. মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) ২০১৯
- ক. তাজউদ্দিন আহমেদ
- খ. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
- গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- ঘ. এম মনসুর আলী
উত্তর: খ. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের (অস্থায়ী সরকার) মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামান। তাই উত্তর তিনি।
মনে রাখুন: রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী। পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ। মুজিবনগর সরকারের শপথ ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায়। - ১৩২. কোন শাসকদের আমলে বাংলাভাষী অঞ্চল ‘বাঙ্গালা’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে?
- ক. মৌর্য
- খ. গুপ্ত
- গ. পাল
- ঘ. মুসলিম
উত্তর: ঘ. মুসলিম
এই অঞ্চলের একটি সর্বজনীন নাম হয়ে ওঠার পেছনে আছে এক দীর্ঘ ইতিহাস। প্রাচীনকালে অঞ্চলটি ছিল গৌড়, বঙ্গ, পুণ্ড্র ইত্যাদি আলাদা জনপদে বিভক্ত। চৌদ্দ শতকের মাঝামাঝি, ১৩৫২ সালে, সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ লখনৌতি, সাতগাঁও ও সোনারগাঁও একত্র করে পুরো অঞ্চলে একক শাসন গড়েন এবং "শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" উপাধি নেন। এরপর থেকে মুসলিম শাসনামলে সমগ্র অঞ্চলটি "বাঙ্গালা" নামে পরিচিত হয়।
মনে রাখুন: ইলিয়াস শাহি বংশের রাজধানী ছিল প্রথমে লখনৌতি, পরে পান্ডুয়া। - ১৩৩. বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?
- ক. শশাঙ্ক
- খ. মুর্শিদ কুলি খান
- গ. সিরাজউদ্দৌলা
- ঘ. আব্বাস আলী মীর্জা
উত্তর: খ. মুর্শিদ কুলি খান
মুর্শিদ কুলি খান ১৭১৭ সালে বাংলার নাজিম ও দেওয়ান হয়ে সুবাহ বাংলার ক্ষমতা পান। মুঘল সম্রাটকে নামেমাত্র রাজস্ব পাঠালেও তিনি কার্যত স্বাধীনভাবে শাসন চালান, রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে সরান এবং পদটিকে বংশানুক্রমিক করে দেন। তাই তাঁকে বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব বলা হয়।
মনে রাখুন: শশাঙ্ক প্রাচীন গৌড়ের রাজা, তিনি বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা। সিরাজউদ্দৌলা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব, ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন। - ১৩৪. চীনদেশের কোন ভ্রমণকারী গুপ্তযুগে বাংলাদেশে আগমন করেন?
- ক. হিউয়েন সাং
- খ. ফা হিয়েন
- গ. আই সিং
- ঘ. এদের সকলেই
উত্তর: খ. ফা হিয়েন
গুপ্ত যুগে চীন থেকে বাংলায় আসা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন (Fa-Hien)। তিনি গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের আমলে পঞ্চম শতকের শুরুতে ভারতে আসেন এবং বাংলার তাম্রলিপ্ত বন্দরে প্রায় দুই বছর থেকে বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ সংগ্রহ করেন। এরপর সমুদ্রপথে দেশে ফেরেন।
মনে রাখুন: হিউয়েন সাং এসেছিলেন সপ্তম শতকে, হর্ষবর্ধনের সময়ে। আই-ৎসিংও সপ্তম শতকের পরিব্রাজক। এঁরা গুপ্ত যুগের পরের। তাই "এদের সকলেই" ঠিক নয়। - ১৩৫. কোনাে নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি মামলা করতে পারেন?
- ক. ৪৪
- খ. ৪৭
- গ. ১০২
- ঘ. ১০৩
উত্তর: গ. ১০২
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার আছে। সেগুলো রাষ্ট্র লঙ্ঘন করলে নাগরিক হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন (Writ Petition) করতে পারেন। এই আবেদন শুনে আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের, যা দেওয়া আছে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে। তাই মামলা করার বিধান ১০২ অনুচ্ছেদ।
মনে রাখুন: ৪৪ অনুচ্ছেদ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্টে যাওয়ার অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়, আর ১০২ অনুচ্ছেদ সেই মামলা গ্রহণ ও আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেয়। রিটের প্রকার পাঁচটি: হেবিয়াস করপাস, ম্যান্ডামাস, প্রহিবিশন, সার্টিওরারি ও কো-ওয়ারেন্টো। - ১৩৬. বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি-
- ক. এককেন্দ্রিক
- খ. যুক্তরাষ্ট্রীয়
- গ. রাজতন্ত্র
- ঘ. রাষ্ট্রপতিশাসিত
উত্তর: ক. এককেন্দ্রিক
সরকার পদ্ধতি দুই ধরনের হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রীয় (Federal) পদ্ধতিতে কেন্দ্র ও অঙ্গরাজ্যের আলাদা সরকার থাকে। এককেন্দ্রিক (Unitary) পদ্ধতিতে সব ক্ষমতা একটি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১ অনুচ্ছেদে বলা আছে, বাংলাদেশ একটি একক প্রজাতন্ত্র। তাই বাংলাদেশের সরকার এককেন্দ্রিক।
মনে রাখুন: বাংলাদেশে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু, যেখানে প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান। যুক্তরাষ্ট্রীয় ও রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থার উদাহরণ যুক্তরাষ্ট্র। - ১৩৭. BSTI-এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?
- ক. Bangladesh Salt Testing Institute
- খ. Bangladesh Strategic Training Institute
- গ. Bangladesh Standards and Testing Institution
- ঘ. Bangladesh Society for Telecommunication and Information
উত্তর: গ. Bangladesh Standards and Testing Institution
BSTI-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Standards and Testing Institution, বাংলায় বাংলাদেশ মান ও পরীক্ষণ প্রতিষ্ঠান। এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় মান নির্ধারক সংস্থা। পণ্যের মান নির্ধারণ ও পরীক্ষা, ওজন ও পরিমাপের মানদণ্ড দেখা এবং মান চিহ্ন (সিএম মার্ক) প্রদান এর কাজ। - ১৩৮. বঙ্গভঙ্গের কারণে কোন নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হয়েছিল?
- ক. পূর্ববঙ্গ ও বিহার
- খ. পূর্ববঙ্গ ও আসাম
- গ. পূর্ববঙ্গ ও উড়িষ্যা
- ঘ. পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর: খ. পূর্ববঙ্গ ও আসাম
১৯০৫ সালে ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলে বাংলা প্রদেশকে দুই ভাগ করেন। পূর্ব বাংলা ও আসাম নিয়ে গঠিত হয় নতুন প্রদেশ "পূর্ববঙ্গ ও আসাম", রাজধানী হয় ঢাকা, প্রথম ছোটলাট ব্যামফিল্ড ফুলার। অন্য অংশে থাকে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা, রাজধানী কলকাতা।
মনে রাখুন: হিন্দু সম্প্রদায়ের তীব্র আন্দোলন ও স্বদেশি আন্দোলনের মুখে ১৯১১ সালে সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করেন। ১৯১২ সালে তা কার্যকর হয়। - ১৩৯. ‘তমদ্দুন মজলিশ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
- ক. হাজী শরিয়ত উল্লাহ
- খ. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
- গ. আবুল কাশেম
- ঘ. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর: গ. আবুল কাশেম
ভাষা আন্দোলনের আগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়। এটি একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন, যা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবি তোলে। তারা "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু?" নামে পুস্তিকা প্রকাশ করে, যা রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের প্রথম লিখিত দলিল।
মনে রাখুন: তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগেই ১৯৪৭ সালের শেষ দিকে প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, যার আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া। ১৯৪৮ সালের মার্চে নতুন করে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। - ১৪০. ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানাে একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি কে রচনা করেন?
- ক. মুনীর চৌধুরী
- খ. জহির রায়হান
- গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি" গানটি লিখেছেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনার পর তিনি এটি রচনা করেন। গানের প্রথম সুর করেন আবদুল লতিফ, আর বর্তমানে যে সুরে গানটি গাওয়া হয় তা আলতাফ মাহমুদের।
মনে রাখুন: ভাষা আন্দোলনের নাটক "কবর" লিখেছেন মুনীর চৌধুরী। জহির রায়হান "আরেক ফাল্গুন" উপন্যাস ও "জীবন থেকে নেয়া" চলচ্চিত্রের জন্য পরিচিত। - ১৪২. নিম্নের কোন পত্রিকাটির প্রকাশনা উপলক্ষ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন?
- ক. সবুজপত্র
- খ. শনিবারের চিঠি
- গ. কল্লোল
- ঘ. ধূমকেতু
উত্তর: ঘ. ধূমকেতু
১৯২২ সালের আগস্টে কাজী নজরুল ইসলাম "ধূমকেতু" নামে অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। পত্রিকাটির জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাণী পাঠান: "আয় চলে আয়, রে ধূমকেতু, আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু, দুর্দিনের এই দুর্গশিরে উড়িয়ে দে তোর বিজয়কেতন।" ধূমকেতুর মতোই এ পত্রিকা ব্রিটিশ শাসকের ঘুম হারাম করেছিল।
মনে রাখুন: সবুজপত্রের সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। কল্লোলের সম্পাদক দীনেশরঞ্জন দাশ। শনিবারের চিঠির সম্পাদক সজনীকান্ত দাস। - ১৪৩. বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?
- ক. ২টি
- খ. ৩টি
- গ. ৪টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: গ. ৪টি
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের মাঝখানে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা। তার দুই পাশে ধানের শীষ। উপরে পাটগাছের তিনটি পাতা পরস্পরযুক্ত। পাতাগুলোর দুই পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা আছে। প্রতীকটি ১৯৭২ সালে গৃহীত হয়।
মনে রাখুন: জাতীয় পতাকায় আছে সবুজ জমির মাঝে লাল বৃত্ত। পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬। - ১৪৪. বাঙালির মুক্তির সনদ ‘ছয় দফা’ কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘােষণা করা হয়েছিল?
- ক. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪
- খ. ২২ মার্চ ১৯৫৮
- গ. ২০ এপ্রিল ১৯৬২
- ঘ. ২৩ মার্চ ১৯৬৬
উত্তর: ঘ. ২৩ মার্চ ১৯৬৬
শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন। প্রস্তাবটি সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে স্থান না পাওয়ায় তিনি সম্মেলন ত্যাগ করেন। এরপর ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আওয়ামী লীগ "আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি" নামে পুস্তিকা প্রকাশ করে কর্মসূচিটি আনুষ্ঠানিকভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরে। তাই উত্তর ২৩ মার্চ ১৯৬৬।
মনে রাখুন: ছয় দফার প্রধান দাবি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন, যার মধ্যে ছিল ফেডারেল সরকার, দুই অংশের জন্য আলাদা মুদ্রা বা আলাদা রিজার্ভ ব্যাংক। - ১৪৫. ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার গ্রাম’ – জাতির পিতা কবে এই ঘােষণা দেন?
- ক. ২৬ মার্চ ১৯৭১
- খ. ৭ মার্চ ১৯৭১
- গ. ৩ মার্চ ১৯৭১
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
উত্তর: খ. ৭ মার্চ ১৯৭১
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বিকেলে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাখো মানুষের সামনে ভাষণ দেন। তাতে তিনি বলেন, "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।" এই ভাষণই ছিল স্বাধীনতার পক্ষে জাতিকে ডাক দেওয়ার চূড়ান্ত বার্তা।
মনে রাখুন: ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (Memory of the World) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস আর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস। - ১৪৬. বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
- ক. বান্দরবান
- খ. ময়মনসিংহ
- গ. রাজশাহী
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: ক. বান্দরবান
পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে ও পুড়িয়ে সেই জমিতে ধান, তুলা, ভুট্টাসহ নানা ফসল একসঙ্গে বোনার পদ্ধতিকে জুম চাষ (Shifting Cultivation) বলে। এতে লাঙল বা সেচের প্রয়োজন হয় না, তাই সমতল নয়, পাহাড়ি অঞ্চলে এর প্রচলন। বাংলাদেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে জুম চাষ হয়। তাই উত্তর বান্দরবান।
মনে রাখুন: এ চাষ করেন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মানুষ। ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও দিনাজপুর সমতল অঞ্চল। - ১৪৭. বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে?
- ক. চট্টগ্রাম
- খ. সিলেট
- গ. পঞ্চগড়
- ঘ. মৌলভীবাজার
উত্তর: ঘ. মৌলভীবাজার
বাংলাদেশের চা বাগানের প্রায় অর্ধেকের বেশি মৌলভীবাজার জেলায়, কারণ সেখানকার টিলাময় ভূমি ও প্রচুর বৃষ্টিপাত চা চাষের উপযোগী। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল "চায়ের রাজধানী" নামে পরিচিত। এখানেই বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত।
মনে রাখুন: সিলেট জেলায়ও চা বাগান আছে, কিন্তু সংখ্যায় মৌলভীবাজারের পরে। চট্টগ্রামে বাংলাদেশের প্রাচীনতম চা বাগানগুলো রয়েছে। পঞ্চগড়ে সমতলে চা চাষ তুলনামূলক নতুন। - ১৪৮. ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত?
- ক. অনুচ্ছেদ ৩৮
- খ. অনুচ্ছেদ ৫০
- গ. অনুচ্ছেদ ৪১
- ঘ. অনুচ্ছেদ ১০০
উত্তর: গ. অনুচ্ছেদ ৪১
সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারগুলো আছে। এর ৪১ অনুচ্ছেদে ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে, যেখানে প্রত্যেক নাগরিক আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা সাপেক্ষে যে কোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন ও প্রচারের অধিকারী।
মনে রাখুন: ৩৮ অনুচ্ছেদ সংগঠনের স্বাধীনতা, ৩৯ অনুচ্ছেদ চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা ও বাক্স্বাধীনতা, ৪০ অনুচ্ছেদ পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা। ১০০ অনুচ্ছেদ সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন সংক্রান্ত। ৫০ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল। - ১৪৯. বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি (জনগণনা) কবে অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৭২ সালে
- খ. ১৯৭৩ সালে
- গ. ১৯৭৪ সালে
- ঘ. ১৯৭৫ সালে
উত্তর: গ. ১৯৭৪ সালে
এই প্রশ্নে "প্রথম" বলতে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি বোঝানো হয়েছে। এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর হয়েছে ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে। শুমারি প্রতি দশ বছরে একবার হওয়ার কথা, কিন্তু ২০২১ সালের শুমারি কোভিডের কারণে এক বছর পিছিয়ে ২০২২ সালে হয়।
মনে রাখুন: ব্রিটিশ আমলে এ অঞ্চলে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে। - ১৫০. বাংলাদেশের জিডিপি (GDP)-তে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?
- ক. কৃষি
- খ. শিল্প
- গ. বাণিজ্য
- ঘ. সেবা
উত্তর: ঘ. সেবা
কোনো দেশের অর্থনীতির উৎপাদনকে তিন খাতে ভাগ করা হয়: কৃষি, শিল্প ও সেবা। বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবা খাতের অংশ সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৫০ শতাংশ। এর মধ্যে আছে ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবহন, ব্যাংক-বিমা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি। শিল্প খাতের অংশ প্রায় ৩৫ শতাংশ, আর কৃষির অংশ ১২ শতাংশের কাছাকাছি।
মনে রাখুন: বাণিজ্য সেবা খাতেরই একটি উপখাত, তাই আলাদা করে বড় অংশ নয়। - ১৫১. ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার কত?
- ক. ৫.৬৮%
- খ. ৯.৯৪%
- গ. ৭.৬৬%
- ঘ. ৬.৯৪%
উত্তর: ঘ. ৬.৯৪%
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সংশোধিত চূড়ান্ত হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৯৪ শতাংশ। এর আগের ২০১৯-২০ অর্থবছরে করোনার কারণে প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছিল ৩.৪৫ শতাংশে। তাই ২০২০-২১-এ অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়ায়।
মনে রাখুন: ২০২০-২১-এর সাময়িক হিসাবে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ৫.৪৩ শতাংশ। পরে তা সংশোধন হয়। - ১৫২. বিশ্বব্যাংক কবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে?
- ক. ১ জুন ২০১৪
- খ. ১ জুন ২০১৫
- গ. ১ জুলাই ২০১৫
- ঘ. ১ জুলাই ২০১৬
উত্তর: গ. ১ জুলাই ২০১৫
বিশ্বব্যাংক প্রতিবছর ১ জুলাই মাথাপিছু মোট জাতীয় আয়ের (GNI per capita) ভিত্তিতে দেশগুলোকে চার ভাগে ভাগ করে: নিম্ন আয়, নিম্ন-মধ্যম আয়, উচ্চ-মধ্যম আয় ও উচ্চ আয়। ২০১৪ সালের হিসাবে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১,০৮০ ডলার হয়ে নিম্ন আয়ের সীমা পেরোয়। তাই ২০১৫ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়।
মনে রাখুন: বাংলাদেশ ২০১৮ সালে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (LDC) তালিকা থেকে উত্তরণের তিনটি শর্তই প্রথমবার পূরণ করে। - ১৫৩. বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কী ধরণের স্যাটেলাইট হবে?
- ক. কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট
- খ. ওয়েদার স্যাটেলাইট
- গ. আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
- ঘ. ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট
উত্তর: গ. আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
২০১৮ সালের ১২ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে ফ্যালকন-৯ রকেটে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি একটি যোগাযোগ বা কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট। পরিকল্পনা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ হবে পৃথিবী পর্যবেক্ষণ বা আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট (Earth Observation Satellite), যা আবহাওয়া, কৃষি, নদী ও দুর্যোগের ছবি তুলে তথ্য পাঠাবে।
মনে রাখুন: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব ভূ-স্থির উপগ্রহ পেয়েছে। - ১৫৪. বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনার (Perspective Plan) সময়সীমা কত?
- ক. ২০২১-২০৩০
- খ. ২০২৪-২০৩২
- গ. ২০২১-২০৪১
- ঘ. ২০২২-২০৫০
উত্তর: গ. ২০২১-২০৪১
বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (Perspective Plan) দীর্ঘমেয়াদি, ২০ বছরের পরিকল্পনা। প্রথমটি ছিল ২০১০-২০২১, যার নাম রূপকল্প ২০২১। দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়সীমা ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল। এর মূল লক্ষ্য ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়া।
মনে রাখুন: এর অধীনে পাঁচসালা পরিকল্পনা তৈরি হয়। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২০-২০২৫। - ১৬৯. মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ (Concert for Bangladesh) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
- ক. নিউইয়র্ক
- খ. বােস্টন
- গ. লন্ডন
- ঘ. ক্যানবেরা
উত্তর: ক. নিউইয়র্ক
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের লাখ লাখ শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নেয়। তাদের সাহায্যের জন্য অর্থ তুলতে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে "কনসার্ট ফর বাংলাদেশ" হয়। আয়োজন করেন ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী জর্জ হ্যারিসন ও ভারতীয় সেতারবাদক রবি শংকর। এতে বব ডিলান, রিঙ্গো স্টার ও এরিক ক্ল্যাপটনের মতো শিল্পীও অংশ নেন।
মনে রাখুন: এটি বিশ্বে প্রথম বড় আকারের দাতব্য সংগীতানুষ্ঠান বলে ধরা হয়। এর ফলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গড়ে ওঠে। - ১৭২. ইসলাম ও সুফিমতের প্রভাবে ভারতবর্ষে ঘটেছিল-
- ক. বর্ণবাদের পুনরুত্থান
- খ. রাষ্ট্রবিপ্লব
- গ. চিন্তাবিপ্লব
- ঘ. অভিবাসন বিপ্লব
উত্তর: গ. চিন্তাবিপ্লব
ভারতবর্ষে বহু শতাব্দী ধরে বর্ণভেদ ও জাতিভেদ প্রথা সমাজে কঠোরভাবে চালু ছিল। ইসলামের সাম্যের বাণী এবং সুফি সাধকদের প্রেম, সহনশীলতা ও মানবতার শিক্ষা সেই প্রথার ভিত্তিতে নাড়া দেয়। এর প্রভাবে ভক্তি আন্দোলনের মতো নতুন ধর্মীয় ও সামাজিক চিন্তাধারা গড়ে ওঠে, যেখানে রামানন্দ, কবীর ও গুরু নানকের মতো সাধকরা জাতিভেদ অস্বীকার করেছেন। তাই এর ফল ছিল চিন্তাবিপ্লব।
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন
- ১৮৩. জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল অনুসারে ‘শুদ্ধাচার’ হচ্ছে-
- ক. শুদ্ধভাবে কার্যসম্পাদনের কৌশল
- খ. সরকারী কর্মকর্তাদের আচরণের মানদণ্ড
- গ. সততা ও নৈতিকতা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ
- ঘ. দৈনন্দিন কার্যক্রমে অনুসৃতব্য মানদণ্ড
উত্তর: গ. সততা ও নৈতিকতা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ
শুদ্ধাচার শব্দের সাধারণ অর্থ সৎ ও পবিত্র আচরণ। ২০১২ সালে সরকার জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল (National Integrity Strategy) অনুমোদন করে। এতে শুদ্ধাচারের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে: সাধারণ অর্থে শুদ্ধাচার হলো সততা ও নৈতিকতা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ। ব্যাপক অর্থে এর মধ্যে সমাজের কালোত্তীর্ণ মানদণ্ড, নীতি ও প্রথার প্রতি আনুগত্যও পড়ে।
মনে রাখুন: ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র তিন স্তরেই শুদ্ধাচার প্রযোজ্য। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে এর অংশ হলো জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা। - ১৮৪. বাংলাদেশে দুর্নীতিকে দণ্ডনীয় ঘোষণা করা হয়েছে যে বিধানে-
- ক. ১৮৬০ সালে প্রণীত দণ্ডবিধিতে
- খ. ২০০৪ সালে প্রণীত দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে
- গ. ২০১৮ সালে প্রণীত সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালাতে
- ঘ. উপরের সবগুলােতে
উত্তর: ঘ. উপরের সবগুলােতে
বাংলাদেশে দুর্নীতিকে একাধিক আইন ও বিধান দণ্ডনীয় করেছে। ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধিতে সরকারি কর্মচারীর ঘুষ গ্রহণ, প্রতারণা ও অসাধু আচরণকে অপরাধ বলা হয়েছে। ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে দুর্নীতির অনুসন্ধান ও মামলা করার ক্ষমতা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-তে দুর্নীতিকে অসদাচরণ ধরে বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থা আছে। তিনটিতেই দুর্নীতি দণ্ডনীয় বলে উত্তর "উপরের সবগুলোতে"।
মনে রাখুন: ফৌজদারি শাস্তি আদালত দেয়, আর বিভাগীয় শাস্তি দেয় চাকরির কর্তৃপক্ষ। - ১৮৫. অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে-
- ক. বিনিয়ােগ বৃদ্ধি পায়
- খ. দুর্নীতি দূর হয়
- গ. প্রতিষ্ঠানের সুনাম হয়
- ঘ. যােগাযােগ বৃদ্ধি পায়
উত্তর: ক. বিনিয়ােগ বৃদ্ধি পায়
সুশাসন (Good Governance) থাকলে আইনের শাসন নিশ্চিত থাকে, নীতিমালা স্থিতিশীল থাকে, চুক্তি রক্ষা হয় এবং ঘুষ ও দুর্নীতির ঝুঁকি কমে। এতে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীরা ঝুঁকিহীন পরিবেশ পান, ফলে বিনিয়োগ বাড়ে। বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধিও বাড়ে।
মনে রাখুন: সুশাসন দুর্নীতিকে কমায়, কিন্তু একেবারে নির্মূল করে না, তাই "দুর্নীতি দূর হয়" এখানে সঠিক নয়। আর সুনাম বা যোগাযোগ বৃদ্ধি সুশাসনের সরাসরি অর্থনৈতিক ফল নয়। - ১৮৬. জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরােধী কনভেনশনের নাম-
- ক. UNCLOS
- খ. UNCTAD
- গ. UNCAC
- ঘ. CEDAW
উত্তর: গ. UNCAC
জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের নাম United Nations Convention against Corruption, সংক্ষেপে UNCAC। ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এটি গ্রহণ করে, ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে এটি কার্যকর হয়। এটি দুর্নীতিবিরোধী প্রথম বৈশ্বিক আইনি দলিল। বাংলাদেশ ২০০৭ সালে এতে অনুসমর্থন করে।
মনে রাখুন: UNCLOS হলো সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন, UNCTAD বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন, আর CEDAW নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ। ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস। - ১৮৭. গণতান্ত্রিক মূল্যবােধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান-
- ক. নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য
- খ. স্বচ্ছ নির্বাচন কমিশন
- গ. শক্তিশালী রাজনৈতিক দল
- ঘ. পরমতসহিষ্ণুতা
উত্তর: ঘ. পরমতসহিষ্ণুতা
গণতন্ত্র শুধু ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা নয়, এটি একটি জীবনধারা। সেখানে সবাই নিজের মত প্রকাশের অধিকার পায়, আর অন্যের মতও শুনতে হয়। ভিন্ন মত সহ্য করা ও সম্মান দেখানোর এই মনোভাবকে পরমতসহিষ্ণুতা বলে। এটি না থাকলে নির্বাচন, দল বা কমিশন থাকলেও গণতন্ত্র টেকে না। তাই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পরমতসহিষ্ণুতা।
মনে রাখুন: স্বচ্ছ নির্বাচন কমিশন ও শক্তিশালী রাজনৈতিক দল গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠান, মূল্যবোধ নয়। নেতার প্রতি অন্ধ আনুগত্য গণতন্ত্রের বিরোধী। - ১৮৮. সরকারি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ‘স্বার্থের সংঘাত’ (conflict of interest)- এর উদ্ভব হয় যখন গৃহীতব্য সিদ্ধান্তের সঙ্গে-
- ক. সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্মকর্তার নিজের বা পরিবারের সদস্যদের স্বার্থ জড়িত থাকে
- খ. প্রভাবশালী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের স্বার্থ জড়িত থাকে
- গ. সরকারি স্বার্থ জড়িত থাকে
- ঘ. উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের স্বার্থ জড়িত থাকে
উত্তর: ক. সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্মকর্তার নিজের বা পরিবারের সদস্যদের স্বার্থ জড়িত থাকে
স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) তখন ঘটে, যখন কোনো সরকারি কর্মকর্তা এমন সিদ্ধান্ত নেন, যার সঙ্গে তাঁর নিজের বা পরিবারের ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত। তখন তাঁর পক্ষে নিরপেক্ষভাবে সরকারি দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে যায়। যেমন নিজের আত্মীয়ের প্রতিষ্ঠানকে সরকারি কাজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত।
মনে রাখুন: এ অবস্থায় কর্মকর্তার উচিত ওই সিদ্ধান্ত থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া এবং স্বার্থের কথা প্রকাশ করা। - ১৮৯. রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতিপ্রবণতার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী-
- ক. আইনের প্রয়ােগের অভাব
- খ. নৈতিকতা ও মূল্যবােধের অভাব
- গ. দুর্বল পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা
- ঘ. অসৎ নেতৃত্ব
উত্তর: খ. নৈতিকতা ও মূল্যবােধের অভাব
আইন, তদারকি ও নেতৃত্বের দুর্বলতা দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু সুযোগ পেলেও সবাই দুর্নীতি করে না। যার ভেতরে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ দৃঢ় আছে, সে সুযোগ থাকলেও অসৎ পথে যায় না। তাই দুর্নীতিপ্রবণতার সবচেয়ে বড় কারণ হলো নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অভাব।
মনে রাখুন: দুর্নীতি রোধে আইন ও প্রতিষ্ঠান দরকার, তবে নৈতিক শিক্ষাই এর গোড়ার প্রতিষেধক। - ১৯০. প্রাথমিকভাবে একজন মানুষের মানবীয় গুণাবলি ও সামাজিক মুল্যবােধের বিকাশ ঘটে-
- ক. সমাজে বসবাসের মাধ্যমে
- খ. বিদ্যালয়ে
- গ. পরিবারে
- ঘ. রাষ্ট্রের মাধ্যমে
উত্তর: গ. পরিবারে
শিশু জন্মের পর থেকেই প্রথম যে পরিবেশে বড় হয়, তা হলো পরিবার। বাবা-মা ও অন্য সদস্যদের কাছ থেকেই সে সততা, সহমর্মিতা, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধের মতো মানবীয় গুণ শেখে। তাই পরিবারকে মানুষের প্রথম পাঠশালা বলা হয়। বিদ্যালয়, সমাজ ও রাষ্ট্র পরে এই শিক্ষাকে আরও বিকশিত করে। - ১৯১. ‘সততার জন্য সদিচ্ছা’র কথা বলেছেন-
- ক. ডেকার্ট
- খ. ডেভিড হিউম
- গ. ইমানুয়েল কান্ট
- ঘ. জন লক
উত্তর: গ. ইমানুয়েল কান্ট
জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্টের (Immanuel Kant) নৈতিক দর্শনের মূল কথা হলো সদিচ্ছা (Good Will)। তাঁর মতে এই পৃথিবীতে সদিচ্ছাই একমাত্র জিনিস, যা কোনো শর্ত ছাড়াই ভালো। কোনো কাজ সুফলের আশায় নয়, কর্তব্যবোধ থেকে করলেই তা নৈতিক। তাঁর এই ধারণা "Groundwork of the Metaphysics of Morals" (১৭৮৫) গ্রন্থে আছে।
মনে রাখুন: কান্ট কর্তব্যের নীতি (Deontology) বা কর্তব্যবাদের প্রবক্তা। - ১৯২. যে গুণের মাধ্যমে মানুষ ‘ভুল’ ও ‘শুদ্ধ’-এর পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে, তা হচ্ছে-
- ক. সততা
- খ. সদাচার
- গ. কর্তব্যবােধ
- ঘ. মূল্যবােধ
উত্তর: ঘ. মূল্যবােধ
মূল্যবোধ (Values) হলো মানুষের এমন বিশ্বাস ও মানদণ্ড, যার সাহায্যে সে ভুল-শুদ্ধ, ভালো-মন্দ ও ন্যায়-অন্যায় বিচার করে এবং সে অনুযায়ী আচরণ ঠিক করে। সততা, কর্তব্যবোধ ও সদাচার মূল্যবোধেরই একেকটি প্রকাশ বা ফল। ভুল ও শুদ্ধের পার্থক্য করার মানদণ্ড আসলে মূল্যবোধ নিজেই, তাই উত্তর মূল্যবোধ।
অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান
১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৬)
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৮তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২৫)
- ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৪)
- ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৩)
- ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২২)
- ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২১)
- ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৯)
- ৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০১৮)
- ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৭)
- ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৫)
- ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৩)
- ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১১)
- ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১০)
- ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৯)
- ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৮)
- ২৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৫)
- ২৬তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৩)
- ২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৯)
- ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৬)
- ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৫)
- ১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি (১৯৯৪)
- ১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৩)
- ১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯০)
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন