১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৯৯৪। এখানে ৯৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ৬০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (২০)
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (২০)
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি (১৬)
- আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (১৯)
- ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (২)
- সাধারণ বিজ্ঞান (৮)
- গাণিতিক যুক্তি (১১)
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ১. Which of the following sentences is correct?
- ক. I forbade him from going
- খ. I forbade him to go
- গ. I forbade him going
- ঘ. I forbade him not to go
উত্তর: খ. I forbade him to go
Forbid ক্রিয়ার গঠন হলো forbid + object + to-infinitive, অর্থাৎ ‘কাউকে কিছু করতে নিষেধ করা’। তাই ‘I forbade him to go’ শুদ্ধ। Forbid নিজেই নিষেধ বোঝায়, তাই এর পরে আরেকটি ‘not’ বসালে বাক্যের অর্থ জটিল ও ভুল হয়ে যায়। ‘Forbid … from going’ ঠিক নয়, যদিও prohibit-এর সঙ্গে from ব্যবহার করা যায়।
মনে রাখুন:
Forbid-এর রূপ forbid, forbade, forbidden।
উদাহরণ: He was forbidden to enter.
Prohibit someone from doing something। - ২. Which of the following is a correct proverb?
- ক. Fools rush in where angels fear to tread.
- খ. Fools rush in where an angel fears to tread.
- গ. A fool rushes in where an angle fears to tread.
- ঘ. Fools rush in where the angels fear to tread.
উত্তর: ক. Fools rush in where angels fear to tread.
প্রবাদটির নির্দিষ্ট রূপ হলো ‘Fools rush in where angels fear to tread.’ এর অর্থ নির্বোধ মানুষ এমন কাজে তাড়াহুড়ো করে ঝাঁপিয়ে পড়ে, যেখানে বিজ্ঞ মানুষ সাবধানতার কারণে যেতে ভয় পায়। প্রবাদে fools ও angels দুটিই বহুবচন, আর angels-এর আগে কোনো article বসে না।
মনে রাখুন:
প্রবাদটি ইংরেজ কবি আলেকজান্ডার পোপের ‘An Essay on Criticism’ থেকে নেওয়া।
Angle (কোণ) আর angel (স্বর্গদূত) আলাদা শব্দ। - ৩. Which of the following sentences is correct?
- ক. Why you have done this?
- খ. Why did you have done this?
- গ. Why have you done this?
- ঘ. Why you had done this?
উত্তর: গ. Why have you done this?
Wh-question বা ‘why, what, where’ দিয়ে শুরু প্রশ্নে auxiliary verb সাধারণত subject-এর আগে বসে। ‘Why have you done this?’ বাক্যে ‘have’ auxiliary, আর ‘done’ Present Perfect Tense-এর past participle, তাই এটি শুদ্ধ। ‘Why you have done this?’ ও ‘Why you had done this?’ বাক্যে statement-এর ক্রম রয়ে গেছে, আর ‘did you have done’ বাক্যে দুটি tense মিশে গেছে।
মনে রাখুন: Present Perfect-এর গঠন have/has + past participle।
উদাহরণ: Where have you been? - ৪. Which of the following sentences is correct?
- ক. That shirt which he bought is blue in colour.
- খ. The shirt that which he bought is blue in colour.
- গ. Which shirt he bought is blue in colour.
- ঘ. The shirt which he bought is blue in colour.
উত্তর: ঘ. The shirt which he bought is blue in colour.
‘The shirt which he bought is blue in colour’ বাক্যে ‘which he bought’ একটি relative clause, যা কোন শার্টের কথা বলা হচ্ছে তা নির্দিষ্ট করে। নির্দিষ্ট জিনিস বোঝাতে এর আগে definite article ‘the’ বসে। ‘that which’ একসঙ্গে ব্যবহার করলে একই কাজ দুবার করা হয়, তাই সেটি ভুল। প্রথম বাক্যে ‘That shirt which’ বসলে বাক্যটি আরও আড়ষ্ট হয়, আর শেষ অপশনে ‘which’ বাক্যের শুরুতে প্রশ্নের মতো বসে যায়।
মনে রাখুন: জিনিস বা প্রাণীর ক্ষেত্রে relative pronoun হিসেবে which বা that বসে, মানুষের ক্ষেত্রে who বা whom। - ৫. The correct passive of ‘Sheila was writing a letter’ is –
- ক. A letter was writing by sheila.
- খ. A letter was being writing by sheila
- গ. A letter was being written by sheila
- ঘ. A letter was been written by sheila
উত্তর: গ. A letter was being written by sheila
‘Sheila was writing a letter’ বাক্যের verb ‘was writing’ Past Continuous Tense-এ আছে। Past Continuous Tense-এর Passive গঠন হলো was/were + being + past participle। Active-এর object ‘a letter’ Passive-এ subject হয়, আর verb হয় ‘was being written’। তাই সঠিক Passive বাক্য ‘A letter was being written by Sheila.’
মনে রাখুন:
Present Continuous-এর Passive: am/is/are + being + past participle।
উদাহরণ: She is writing a letter → A letter is being written by her. - ৪০. Which of the following sentences is correct?
- ক. One of my friends are a lawyer
- খ. One of my friends is a lawyer
- গ. One of my friend is a lawyer
- ঘ. One of my friends are lawyers
উত্তর: খ. One of my friends is a lawyer
‘One of + বহুবচন বিশেষ্য’ গঠনে আসল কর্তা (Subject) হলো ‘One’, যা একবচন। ‘my friends’ বহুবচন হলেও সেটি শুধু বোঝায় কাদের মধ্য থেকে একজনের কথা বলা হচ্ছে। তাই ক্রিয়াও একবচন হবে। সঠিক বাক্য: One of my friends is a lawyer। ‘One of my friend’ ভুল, কারণ ‘of’-এর পরে বহুবচন বিশেষ্য বসে। ‘are’ বসালে ক্রিয়া ভুলভাবে বহুবচন কর্তার সঙ্গে মিলে যায়।
উদাহরণ:
One of the boys is absent.
Each of the students has a book. - ৪১. The word ‘ecological’ is related to –
- ক. atmosphere
- খ. pollusion
- গ. environment
- ঘ. demography
উত্তর: গ. environment
Ecological শব্দটি Ecology থেকে এসেছে। Ecology (বাস্তুবিদ্যা) হলো সেই বিজ্ঞান, যেখানে জীব কীভাবে একে অপরের সঙ্গে এবং নিজের পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে তা পড়া হয়। তাই Ecological শব্দের সম্পর্ক Environment (পরিবেশ)-এর সঙ্গে। Atmosphere মানে বায়ুমণ্ডল, Pollution মানে দূষণ আর Demography মানে জনতত্ত্ব বা জনসংখ্যাবিদ্যা।
মনে রাখুন: Ecosystem (বাস্তুতন্ত্র) হলো কোনো এলাকার সব জীব ও তাদের পরিবেশের সম্মিলিত ব্যবস্থা। - ৪২. The synonym of ‘genesis’ is –
- ক. introduction
- খ. preface
- গ. beginning
- ঘ. foreword
উত্তর: গ. beginning
Genesis শব্দের অর্থ উৎপত্তি বা শুরু, তাই এর সমার্থক শব্দ Beginning। Introduction, Preface ও Foreword বইয়ের শুরুর অংশ বোঝায়, কোনো কিছুর উৎপত্তি বোঝায় না, ফলে সেগুলো ঠিক সমার্থক নয়। শব্দটি গ্রিক, আর বাইবেলের প্রথম গ্রন্থের নামও Genesis, কারণ তাতে সৃষ্টির শুরুর কথা আছে।
মনে রাখুন: Genesis-এর সমার্থক শব্দ Origin, Birth, Start; বিপরীত শব্দ End, Termination। - ৪৩. The word ‘homogeneous’ means –
- ক. of the same kind
- খ. of the same race
- গ. of the same place
- ঘ. of the same density
উত্তর: ক. of the same kind
Homogeneous শব্দের অর্থ সমজাতীয়, অর্থাৎ যার সব অংশ একই ধরনের। যেমন বিশুদ্ধ দুধ বা চিনির দ্রবণ সব জায়গায় একই রকম, তাই সেটি একটি homogeneous মিশ্রণ। শব্দটির বিপরীত শব্দ Heterogeneous, যার অর্থ ভিন্ন ভিন্ন জাতের বা বিজাতীয়।
মনে রাখুন: Homo- উপসর্গের অর্থ একই, আর Hetero- মানে ভিন্ন। তাই Homogeneous ও Heterogeneous শব্দ দুটি জোড়ায় মনে রাখা ভালো। - ৪৪. The word ‘imbibe’ means—
- ক. to learn
- খ. to tinge
- গ. to drink
- ঘ. to acquire
উত্তর: গ. to drink
Imbibe শব্দের মূল অর্থ পান করা। আলংকারিক অর্থে একে জ্ঞান বা ধারণা শুষে নেওয়ার অর্থেও ব্যবহার করা হয়, কিন্তু প্রথম ও মূল অর্থ পান করা। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে To drink-ই সঠিক। Tinge মানে হালকা রং দেওয়া, আর Acquire মানে অর্জন করা।
উদাহরণ:
He imbibed several glasses of juice.
Children imbibe good manners from their parents. - ৫৫. Something which is obnoxious means that it is –
- ক. very dangerous
- খ. very ugly
- গ. very pleasant
- ঘ. very unpleasant
উত্তর: ঘ. very unpleasant
Obnoxious শব্দের অর্থ অত্যন্ত অপ্রীতিকর বা বিরক্তিকর, যে বস্তু বা মানুষ দেখলে বা শুনলে অন্যের খারাপ লাগে। তাই এর সঠিক অর্থ very unpleasant। Dangerous মানে বিপজ্জনক, Ugly মানে কুৎসিত, আর Pleasant মানে সুখকর, যা এখানে উল্টো অর্থ।
উদাহরণ: His obnoxious behaviour annoyed everyone.
মনে রাখুন: Obnoxious-এর সমার্থক শব্দ Offensive, Hateful; বিপরীত শব্দ Pleasant, Agreeable। - ৫৬. A pilgrim is a person who undertakes a journey to a –আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. holy place
- খ. a bazar
- গ. a mosque
- ঘ. a new country
উত্তর: ক. holy place
Pilgrim শব্দের অর্থ তীর্থযাত্রী, অর্থাৎ যিনি ধর্মীয় কারণে কোনো পবিত্র স্থানে ভ্রমণ করেন। তাই সঠিক বিকল্প holy place। মসজিদও পবিত্র স্থান হতে পারে, কিন্তু Pilgrim-এর সংজ্ঞায় সব ধর্মের পবিত্র স্থান পড়ে, তাই ব্যাপক অর্থের holy place-ই ঠিক উত্তর।
উদাহরণ: Millions of pilgrims go to Makkah every year for Hajj.
মনে রাখুন: Pilgrimage হলো তীর্থযাত্রা। - ৫৭. Shakespeare is known mostly for his –
- ক. poetry
- খ. novels
- গ. autobiography
- ঘ. plays
উত্তর: ঘ. plays
উইলিয়াম শেক্সপিয়র প্রধানত নাট্যকার হিসেবেই বিখ্যাত। তিনি ‘হ্যামলেট’, ‘ম্যাকবেথ’, ‘ওথেলো’, ‘কিং লিয়ার’ ও ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’-এর মতো কালজয়ী নাটক লিখেছেন। তিনি ১৫৪টি সনেটও রচনা করেছিলেন, কিন্তু তাঁর খ্যাতির মূল ভিত্তি নাটক।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়রের ট্র্যাজেডি চারটি: Hamlet, Othello, King Lear, Macbeth।
তাঁর জন্ম ১৫৬৪ সালে স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভনে। - ৫৮. A person who writes about his own life writes –
- ক. a chronicle
- খ. an autobiography
- গ. a biography
- ঘ. a diary
উত্তর: খ. an autobiography
যে ব্যক্তি নিজের জীবনের কাহিনি নিজে লেখেন, সেই লেখাকে বলে Autobiography (আত্মজীবনী)। অন্য কেউ কারও জীবনকথা লিখলে সেটি Biography (জীবনী)। Chronicle হলো ঘটনাপঞ্জি, আর Diary হলো দিনলিপি।
উদাহরণ: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজের লেখা, তাই এটি আত্মজীবনী। - ৫৯. In Which century was the Victorian period ?
- ক. 17th century
- খ. 18th century
- গ. 19th century
- ঘ. 20th century
উত্তর: গ. 19th century
ভিক্টোরীয় যুগ (Victorian period) বলতে রানি ভিক্টোরিয়ার শাসনকাল বোঝায়, যা ১৮৩৭ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত চলেছিল। এই সময় ১৮০১ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে পড়ে বলে এটি ঊনবিংশ শতাব্দীর (19th century) যুগ। ইংরেজি সাহিত্যে এ যুগের বিখ্যাত লেখকদের মধ্যে চার্লস ডিকেন্স, টেনিসন ও ব্রাউনিং আছেন।
মনে রাখুন: ভিক্টোরিয়ার পরের যুগকে বলা হয় এডওয়ার্ডীয় যুগ (Edwardian period)। - ৮৫. The antonym of ‘indifference’ is –
- ক. ardour
- খ. compassion
- গ. anxiety
- ঘ. concern
উত্তর: ক. ardour
Indifference শব্দের অর্থ উদাসীনতা, অর্থাৎ কোনো কিছুর প্রতি আগ্রহ বা অনুভূতির অভাব। এর বিপরীত হলো প্রবল আগ্রহ বা উদ্দীপনা, যা Ardour শব্দের অর্থ। তাই Ardour সবচেয়ে স্পষ্ট বিপরীত শব্দ। Compassion মানে করুণা, Anxiety মানে দুশ্চিন্তা, আর Concern মানে হালকা উদ্বেগ বা যত্নবোধ, তাই এগুলো উদাসীনতার ঠিক উল্টো ভাব নয়।
উদাহরণ: She spoke with ardour about her country’s freedom.
মনে রাখুন: Ardour-এর সমার্থক শব্দ Zeal, Passion, Enthusiasm। - ৮৬. Three score is –
- ক. thirty times
- খ. three hundred times
- গ. three times twenty
- ঘ. more than three
উত্তর: গ. three times twenty
ইংরেজিতে Score শব্দের অর্থ বিশ। তাই Three score মানে তিন বার বিশ, অর্থাৎ 3 × 20 = 60। এই গণনা পুরোনো ইংরেজি রীতির অংশ।
উদাহরণ: Three score and ten means seventy years, which is often called a person’s normal lifespan.
মনে রাখুন: Dozen মানে বারো, Gross মানে ১২ ডজন বা ১৪৪। - ৮৭. An Ordinance is –
- ক. a book
- খ. an arms factory
- গ. a news paper journal
- ঘ. a law
উত্তর: ঘ. a law
Ordinance শব্দের অর্থ অধ্যাদেশ, অর্থাৎ সরকারের বা কোনো কর্তৃপক্ষের জারি করা আইনের মতো আদেশ। বাংলাদেশে সংসদ ভেঙে থাকলে বা অধিবেশন না চললে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জরুরি প্রয়োজনে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। পরে সংসদের পরবর্তী বৈঠকে সেটি পেশ করে অনুমোদন নিতে হয়। অধ্যাদেশ তাই সাময়িকভাবে আইনের মতোই কাজ করে।
মনে রাখুন: Ordnance বানান ও অর্থ আলাদা, এর মানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ। এই কারণে ‘arms factory’ শব্দটি এর সঙ্গে জুড়ে ভুল হয়। - ৮৮. A fantasy is—
- ক. an imaginary story
- খ. a funny film
- গ. a history record
- ঘ. a real-life event
উত্তর: ক. an imaginary story
Fantasy হলো কল্পনার ওপর ভর করে তৈরি গল্প বা ভাবনা, যার সঙ্গে বাস্তবের যোগ কম। তাই এর অর্থ an imaginary story। ‘A funny film’ বোঝায় comedy, আর ‘history record’ হলো ইতিহাসের তথ্য, ‘real-life event’ এর সম্পূর্ণ উল্টো।
উদাহরণ: Harry Potter is a famous fantasy novel.
মনে রাখুন: Fantasy-এর বিপরীত শব্দ Reality। - ৮৯. Something that is ‘fresh’ is something –
- ক. recently printed or published
- খ. in fairly good condition
- গ. disrespectful
- ঘ. pleasant
উত্তর: খ. in fairly good condition
Fresh শব্দের অর্থ তাজা, নতুন, যা বাসি বা পুরোনো নয়, বরং ভালো অবস্থায় আছে। যেমন fresh fruit মানে সদ্য সংগ্রহ করা ভালো ফল। এই অর্থের সবচেয়ে কাছের বিকল্প in fairly good condition।
উদাহরণ: The vegetables in the market are fresh.
মনে রাখুন: Fresh-এর বিপরীত শব্দ Stale (বাসি), আর Fresh air মানে টাটকা বাতাস।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ৬. কোন গ্রন্থটি ঢাকা হতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল?
- ক. মেঘনাদবধ কাব্য
- খ. দুর্গেশনন্দিনী
- গ. নীলদর্পণ
- ঘ. অগ্নিবীণা
উত্তর: গ. নীলদর্পণ
দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটক ১৮৬০ সালে ঢাকার বাংলা প্রেস থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। এতে নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও কৃষকদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পরে মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন এবং পাদরি জেমস লং তা প্রকাশ করে শাস্তি পান।
মনে রাখুন:
অন্য তিনটি বই কলকাতা থেকে প্রকাশিত: মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১), দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫), অগ্নিবীণা (১৯২২)। - ৭. ‘পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?’ কথাটি কার?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. মীর মশাররফ হোসেন
- ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
‘পথিক, তুমি কি পথ হারাইয়াছ?’ উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬) উপন্যাসের। সমুদ্রতীরের জঙ্গলে নবকুমার সঙ্গীদের হারিয়ে পথ হারিয়ে ফেলেন। তখন কাপালিকের আশ্রয়ে বেড়ে ওঠা কপালকুণ্ডলা তাঁকে এই প্রশ্নটি করে, আর এখান থেকেই দুজনের পরিচয়ের শুরু।
মনে রাখুন:
‘কপালকুণ্ডলা’ বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক উপন্যাস, প্রধান চরিত্র নবকুমার, কপালকুণ্ডলা ও কাপালিক।
বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)। - ৮. প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ কোনটি?
- ক. উৎকর্ষতা
- খ. উৎকর্ষ
- গ. উৎকৃষ্ট
- ঘ. উৎকৃষ্টতা
উত্তর: খ. উৎকর্ষ
‘উৎকর্ষ’ শব্দটি নিজেই একটি বিশেষ্য, যার অর্থ উন্নতি বা শ্রেষ্ঠত্ব। তাই এর সঙ্গে আবার ‘তা’ প্রত্যয় যোগ করে ‘উৎকর্ষতা’ লিখলে একই ভাব দুবার প্রকাশ পায়, ফলে প্রত্যয়গতভাবে সেটি অশুদ্ধ। ‘উৎকৃষ্ট’ শব্দটি বিশেষণ, আর এর সঙ্গে ‘তা’ জুড়ে ‘উৎকৃষ্টতা’ লেখাও বাড়তি গঠন, কারণ ‘উৎকর্ষ’ দিয়েই সেই ভাব প্রকাশ করা যায়।
মনে রাখুন:
বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবার ‘তা’ বা ‘ত্ব’ যোগ করা ঠিক নয়। যেমন ‘সৌন্দর্য’ বিশেষ্য, তাই ‘সৌন্দর্যতা’ ভুল। - ৯. ‘অচিন’ শব্দের ‘অ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
- ক. নেতিবাচক
- খ. বিয়োগান্ত
- গ. নঞর্থক
- ঘ. অজানা
উত্তর: গ. নঞর্থক
‘অচিন’ শব্দের অর্থ যা চেনা নয়। এখানে ‘অ’ উপসর্গ (Prefix) ‘চিন’ (চেনা) শব্দের আগে বসে তার উল্টো অর্থ, অর্থাৎ না-বাচক বা নঞর্থক ভাব তৈরি করেছে। ‘নেতিবাচক’ কথাটি সাধারণ ভাষায় একই কথা বোঝালেও ব্যাকরণে এ অর্থের নাম নঞর্থক, তাই সেটিই সঠিক পরিভাষা।
উদাহরণ: অজানা, অচেনা, অকেজো, অসুখ, অমিল।
মনে রাখুন: ‘অনা’ উপসর্গও না-বাচক অর্থ দেয়, যেমন অনাচার, অনাবৃষ্টি। - ২৫. যা চিরস্থায়ী নয় –
- ক. অস্থায়ী
- খ. ক্ষণস্থায়ী
- গ. ক্ষণিক
- ঘ. নশ্বর
উত্তর: ঘ. নশ্বর
যা চিরকাল থাকে না, একদিন ধ্বংস হয়ে যায়, তাকে এক কথায় বলে নশ্বর। ‘অস্থায়ী’, ‘ক্ষণস্থায়ী’ বা ‘ক্ষণিক’ কথাগুলো অল্প সময় টিকে থাকার ভাব বোঝায়, কিন্তু ধ্বংসশীল হওয়ার পুরো ভাব দেয় না। তাই ‘যা চিরস্থায়ী নয়’ বাক্যাংশটির সঠিক এক কথা নশ্বর।
মনে রাখুন: নশ্বরের বিপরীত শব্দ অবিনশ্বর, যার অর্থ যা কখনো নষ্ট হয় না। - ২৬. Intellectual শব্দের বাংলা অর্থ –
- ক. বুদ্ধিমান
- খ. মননশীল
- গ. বুদ্ধিজীবী
- ঘ. মেধাবী
উত্তর: গ. বুদ্ধিজীবী
ইংরেজি Intellectual শব্দের বাংলা পরিভাষা বুদ্ধিজীবী, অর্থাৎ যিনি জ্ঞান ও চিন্তার কাজ করে সমাজে অবদান রাখেন এবং জীবিকা চালান। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা অর্থ বোঝায়: বুদ্ধিমান হলো Intelligent, আর মেধাবী হলো Talented বা Meritorious।
মনে রাখুন: ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা দেশের বহু বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে, তাই ওই দিনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। - ২৮. ‘অবমূল্যায়ন ও ‘অবদান’ শব্দ দুটিতে ‘অব’ উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক?
- ক. শব্দ দুটিতে উপসটি মোটামুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
- খ. শব্দ দুটিতে উপসাগটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
- গ. দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু রকম
- ঘ. দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ আপাতবিচারে ভিন্ন হলেও আসলে এক
উত্তর: গ. দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু রকম
‘অব’ উপসর্গটি সব শব্দে একই অর্থ দেয় না। ‘অবমূল্যায়ন’ শব্দে ‘অব’ হীনতা বা কম অর্থ দিয়েছে, কারণ এর মানে মূল্য কমিয়ে ধরা। কিন্তু ‘অবদান’ শব্দে ‘অব’ এমন কোনো নেতিবাচক অর্থ দেয়নি, সেখানে এটি নিচু থেকে দেওয়া বা সাধারণভাবে দেওয়ার ভাব প্রকাশ করে। তাই দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম।
উদাহরণ: অবনমন (নিচে নামা), অবজ্ঞা (হীন জ্ঞান), অবগাহন (ডুব দিয়ে স্নান)। - ২৯. ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।’-এই উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো?
- ক. সওগাত
- খ. সমকাল
- গ. মোহাম্মদী
- ঘ. শিখা
উত্তর: ঘ. শিখা
‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’ বাক্যটি ‘শিখা’ পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় ছাপা হতো। ১৯২৬ সালে ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ নামে একটি সংগঠন তৈরি হয় এবং তার মুখপত্র হিসেবে ‘শিখা’ প্রকাশিত হয়। এই সংগঠন ও পত্রিকাকে ঘিরেই ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’ গড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রধান ব্যক্তিরা ছিলেন আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন প্রমুখ।
‘সওগাত’ সম্পাদনা করেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন, আর ‘মোহাম্মদী’র সম্পাদক মওলানা আকরম খাঁ। - ৬০. কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘সঞ্চিতা’ কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন?
- ক. বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. বীরজাসুন্দরী দেবী
- ঘ. মুজাফফর আহমদ
উত্তর: খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচিত কবিতার সংকলন ‘সঞ্চিতা’ ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। নজরুল গ্রন্থটি উৎসর্গ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে, ‘বিশ্বকবি-সম্রাট’ সম্বোধন করে। মজার ব্যাপার হলো, রবীন্দ্রনাথও আগে তাঁর ‘বসন্ত’ গীতিনাট্যটি নজরুলকে উৎসর্গ করেছিলেন।
মনে রাখুন:
নজরুলের ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২) তিনি উৎসর্গ করেন বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে।
‘বিষের বাঁশি’ ও ‘ভাঙার গান’ নজরুলের আরও দুটি কাব্যগ্রন্থ। - ৬১. কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ?
- ক. গণদেবতা
- খ. বিষবৃক্ষ
- গ. আরণ্যকে
- ঘ. ঘরে-বাইরে
উত্তর: ঘ. ঘরে-বাইরে
‘ঘরে-বাইরে’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এর পটভূমি স্বদেশি আন্দোলন, আর প্রধান চরিত্র নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ। বাকি উপন্যাসগুলো অন্য লেখকদের: ‘গণদেবতা’ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ‘বিষবৃক্ষ’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এবং ‘আরণ্যক’ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
মনে রাখুন: রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাস গোরা, চোখের বালি, শেষের কবিতা, যোগাযোগ। - ৬২. ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. হাসান হাফিজুর রহমান
- খ. বেগম সুফিয়া কামাল
- গ. মুনীর চৌধুরী
- ঘ. আবুল বরকত
উত্তর: ক. হাসান হাফিজুর রহমান
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর ১৯৫৩ সালে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ নামে একটি সংকলন প্রকাশিত হয়। এটিই ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন গ্রন্থ, যার সম্পাদক ছিলেন কবি হাসান হাফিজুর রহমান। এতে ভাষা আন্দোলনের কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ স্থান পায়।
মনে রাখুন: হাসান হাফিজুর রহমান পরে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র’ সম্পাদনা করেন। - ৬৩. ‘রোহিণী’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
- ক. চরিত্রহীন
- খ. গৃহদাহ
- গ. কৃষ্ণকান্তের উইল
- ঘ. সংশপ্তক
উত্তর: গ. কৃষ্ণকান্তের উইল
রোহিণী চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ (১৮৭৮) উপন্যাসে আছে। সে এক তরুণী বিধবা, যে গোবিন্দলালের প্রেমে পড়ে এবং কাহিনির মূল ট্র্যাজেডির কেন্দ্রে থাকে। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা লেখকদের: ‘চরিত্রহীন’ ও ‘গৃহদাহ’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের, আর ‘সংশপ্তক’ শহীদুল্লা কায়সারের।
মনে রাখুন: ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’-এর অন্য প্রধান চরিত্র ভ্রমর ও গোবিন্দলাল। - ৬৪. বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে?
- ক. বাংলার প্রকৃতির কথা
- খ. বাংলার মানুষের কথা
- গ. বাংলার ইতিহাসের কথা
- ঘ. বাংলার সংস্কৃতির কথা
উত্তর: ক. বাংলার প্রকৃতির কথা
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। গানে আকাশ, বাতাস, আমের বন, ধানের খেত ও নদীর কথা আছে। অর্থাৎ বাংলার প্রকৃতির ছবিই এখানে প্রধান। প্রকৃতির প্রতি এই মুগ্ধতার ভেতর দিয়েই কবি মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন।
মনে রাখুন:
গানটির প্রথম ১০ চরণ জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত।
১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সময় এটি লেখা হয়, আর ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে বাজানো হয়। - ৮৪. জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান কোন জেলায়?
- ক. বরিশাল জেলা
- খ. ঢাকা জেলা
- গ. ফরিদপুর জেলা
- ঘ. রাজশাহী জেলা
উত্তর: ক. বরিশাল জেলা
কবি জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বরিশালের নদী, মাঠ ও গ্রামবাংলার প্রকৃতি তাঁর বহু কবিতায় ফিরে এসেছে। এজন্য তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
তাঁর প্রথম কাব্য ‘ঝরা পালক’ (১৯২৭), আর বিখ্যাত কাব্য ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘বনলতা সেন’, ‘মহাপৃথিবী’ ও ‘রূপসী বাংলা’।
তিনি ১৯৫৪ সালে কলকাতায় ট্রাম দুর্ঘটনায় মারা যান। - ৯০. মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’-এই পংক্তিটি কার রচনা?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. শেখ ফজলল করিম
- ঘ. শামসুর রাহমান
উত্তর: গ. শেখ ফজলল করিম
‘মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’ পঙ্ক্তিটি শেখ ফজলল করিমের ‘স্বর্গ ও নরক’ কবিতার। কবিতার শুরুতেই তিনি প্রশ্ন করেছেন, ‘কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর?’ এর উত্তরে তিনি বলেছেন, স্বর্গ ও নরক আকাশ বা পাতালে নেই, তা আছে মানুষের নিজের কাজ ও মনের মধ্যেই। মানুষের ভালো কাজই তাকে সুর বা দেবতার মতো করে, আর মন্দ কাজ তাকে অসুর বানায়।
মনে রাখুন: শেখ ফজলল করিম বাংলা সাহিত্যের একজন মুসলিম কবি ও প্রাবন্ধিক। - ৯১. বাংলা একাডেমি কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে
- খ. ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে
- গ. ১৩৫৫ বঙ্গাব্দে
- ঘ. ১৩৫২ বঙ্গাব্দে
উত্তর: ক. ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে
ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকে মাতৃভাষার চর্চা ও গবেষণার জন্য ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঢাকার বর্ধমান হাউসে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিকল্পে ১৩৫৫ ও ১৩৫২ সাল আছে বঙ্গাব্দে, কিন্তু এগুলো বাংলা সন, খ্রিস্টাব্দ ১৯৫৫ ও ১৯৫২ এর সঙ্গে মেলে না। তাই সঠিক উত্তর ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ।
মনে রাখুন:
একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণে অমর একুশে গ্রন্থমেলা শুরু হয়।
বাংলা একাডেমি প্রতিবছর সাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেয়। - ৯২. সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০২২
- ক. বাক্যের সরল ও জটিল রূপে
- খ. শব্দের রূপগত ভিন্নতায়
- গ. তৎসম ও অতৎসম শব্দের ব্যবহারে
- ঘ. ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
উত্তর: ঘ. ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে। সাধু ভাষায় ক্রিয়া ও সর্বনাম পূর্ণরূপে লেখা হয়, আর চলিত ভাষায় সেগুলো সংক্ষিপ্ত ও মুখের ভাষার কাছাকাছি হয়। শব্দভান্ডারে তৎসম ও অতৎসম শব্দ দুই ভাষাতেই মিশে থাকে, তাই সেটি মূল পার্থক্য নয়।
উদাহরণ:
সাধু: করিয়াছিলাম, তাহারা, ইহা। চলিত: করেছিলাম, তারা, এটা।
মনে রাখুন: ‘আলালের ঘরের দুলাল’ (প্যারীচাঁদ মিত্র) ও ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ (কালীপ্রসন্ন সিংহ) চলিত রীতির আগের দিকের লেখা, আর চলিত ভাষা সাহিত্যে প্রতিষ্ঠিত করেন প্রমথ চৌধুরী ‘সবুজপত্র’ পত্রিকায়। - ৯৩. সমগ্র পবিত্র কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ কে করেন?
- ক. গোলাম মোস্তফা
- খ. ফররুখ আহমদ
- গ. ভাই গিরিশচন্দ্র সেন
- ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: গ. ভাই গিরিশচন্দ্র সেন
ব্রাহ্মসমাজের নেতা ভাই গিরিশচন্দ্র সেন ১৮৮৬ সালে সমগ্র কুরআন শরিফের প্রথম বাংলা অনুবাদ সম্পূর্ণ করেন। তিনি আরবি ভাষা শিখে এই কাজটি করেছিলেন। এর আগে কুরআনের কিছু অংশের অনুবাদ হয়েছিল, কিন্তু পুরো গ্রন্থের অনুবাদ এটিই প্রথম।
মনে রাখুন: গিরিশচন্দ্র সেন ‘মৌলভী’ উপাধিও পেয়েছিলেন। তিনি ইসলামি অন্য বহু গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করেন। - ৯৪. ‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন ?
- ক. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
- খ. তফাজ্জল হোসেন
- গ. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
- ঘ. সিকানদার আবু জাফর
উত্তর: ঘ. সিকানদার আবু জাফর
‘সমকাল’ ছিল ১৯৫৭ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি সাহিত্য পত্রিকা, যার সম্পাদক ছিলেন কবি সিকান্দার আবু জাফর। তিনি কবি, নাট্যকার ও সাংবাদিক। পত্রিকাটি তৎকালীন পূর্ব বাংলার প্রগতিশীল সাহিত্যচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ ছিল।
মনে রাখুন:
সিকান্দার আবু জাফরের বিখ্যাত নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’।
আকরম খাঁ ‘মাসিক মোহাম্মদী’ ও ‘দৈনিক আজাদ’ সম্পাদনা করেন। - ৯৫. ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
- গ. খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন
- ঘ. মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন
উত্তর: ঘ. মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন
‘সওগাত’ পত্রিকা ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশ করেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন, আর তিনিই এর সম্পাদক ছিলেন। পত্রিকাটি মুসলিম সমাজে প্রগতিশীল চিন্তা ও আধুনিক সাহিত্যচর্চা ছড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। নজরুল ইসলামসহ অনেক নবীন লেখক এই পত্রিকায় লিখে পরিচিত হন।
মনে রাখুন: ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর নাসিরউদ্দীন ঢাকায় এসে ‘সওগাত’ প্রকাশ করেন, আর তাঁর ‘বেগম’ পত্রিকা নারীদের জন্য আলাদা ছিল।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- ১০. বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসেছিল?
- ক. ইংরেজরা
- খ. ওলন্দাজরা
- গ. ফরাসিরা
- ঘ. পর্তুগিজরা
উত্তর: ঘ. পর্তুগিজরা
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে পর্তুগিজরাই সবার আগে বাংলায় আসে। ১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামা সমুদ্রপথে ভারতের কালিকট বন্দরে পৌঁছান, আর তার পরে ষোলো শতকের শুরুতে পর্তুগিজ বণিকেরা বাংলার চট্টগ্রাম ও সপ্তগ্রাম বন্দরে বাণিজ্য শুরু করে। পরে একে একে ওলন্দাজ (ডাচ), ইংরেজ ও ফরাসিরা বাংলায় আসে।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজরা চট্টগ্রামকে বলত ‘পোর্তো গ্র্যান্ডে’ (বড় বন্দর) আর সপ্তগ্রামকে বলত ‘পোর্তো পেকেনো’ (ছোট বন্দর)।
ইউরোপীয় বণিকদের আগমনের ক্রম: পর্তুগিজ, ওলন্দাজ, ইংরেজ, ফরাসি। - ১১. জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
- ক. অ্যামেনিয়া
- খ. টিএসপি
- গ. সুপার ফসফেট
- ঘ. ইউরিয়া
উত্তর: ঘ. ইউরিয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত জিয়া সার কারখানা প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার তৈরি করে। বাংলাদেশের প্রায় সব বড় সার কারখানাই গ্যাসভিত্তিক, কারণ আমাদের দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস তুলনামূলক সহজে পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
ইউরিয়া সার কারখানা: শাহজালাল (সিলেট), যমুনা (জামালপুর), ঘোড়াশাল-পলাশ, চিটাগাং ইউরিয়া (CUFL), কাফকো (চট্টগ্রাম)।
টিএসপি ও ডিএপি সার কারখানা চট্টগ্রামে অবস্থিত। - ১২. ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’—এর গীতিকার কে?
- ক. মরহুম আলতাফ মাহমুদ
- খ. মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
- গ. ড. মনিরুজ্জামান
- ঘ. ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
উত্তর: খ. মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু। গানটিতে সুর দিয়েছেন আনোয়ার পারভেজ এবং কণ্ঠ দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। বাংলাদেশের জনপ্রিয় গানগুলোর গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীর নাম একসঙ্গে মনে রাখলে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
মনে রাখুন: আলতাফ মাহমুদ ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের সুরকার, গীতিকার নন। - ১৩. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
- ক. জয়নুল আবেদিন
- খ. কামরুল হাসান
- গ. হাসেম খান
- ঘ. হামিদুর রহমান
উত্তর: খ. কামরুল হাসান
বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন শিল্পী কামরুল হাসান। পতাকাটিতে গাঢ় সবুজ জমিনের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত আছে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় প্রথম যে পতাকা ওড়ানো হয়, তার লাল বৃত্তের ভেতরে সোনালি রঙে বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল। পরে সেই মানচিত্র বাদ দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে প্রথম পতাকা ওড়ানো হয়।
জয়নুল আবেদিন ‘দুর্ভিক্ষের চিত্র’-এর শিল্পী, আর হামিদুর রহমান শহীদ মিনারের স্থপতি। - ১৪. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয় সংবিধানের কত নম্বর সংশোধনীর মাধ্যমে?
- ক. ১০
- খ. ১১
- গ. ১২
- ঘ. ১৩
উত্তর: গ. ১২
১৯৯১ সালের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের বদলে আবার সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয়। এই ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারের নির্বাহী প্রধান হন, আর রাষ্ট্রপতি হন নামমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান। এর আগে ১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় ব্যবস্থা বাদ দিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা এবং একদলীয় বাকশাল গঠন করা হয়েছিল।
মনে রাখুন: ১৯৯১ সালের আগস্টে সংসদ সংশোধনীটি পাস করে। - ২৭. কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল?
- ক. গৌড়
- খ. সোনারগাঁও
- গ. ঢাকা
- ঘ. হুগলী
উত্তর: গ. ঢাকা
মুঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল ঢাকা। ১৬১০ সালে সুবাদার ইসলাম খান চিশতি রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় সরিয়ে আনেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামে শহরের নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। মুঘল আমলের বড় একটি সময় ঢাকাই ছিল বাংলার রাজধানী, যদিও মাঝে কিছুকাল রাজমহল আবার রাজধানী হয়েছিল।
মনে রাখুন:
১৭১৭ সালে মুর্শিদকুলী খান রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে সরিয়ে নেন।
গৌড় ছিল সুলতানি আমলের অন্যতম রাজধানী, আর সোনারগাঁও ছিল স্বাধীন সুলতানদের রাজধানী। - ৪৫. স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়?
- ক. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
- খ. ৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩
- গ. ৪ মার্চ, ১৯৭২
- ঘ. ২৬ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর: গ. ৪ মার্চ, ১৯৭২
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা চালু করার কাজ শুরু হয়। ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম কাগজের নোট বাজারে ছাড়ে, যার মধ্যে ১০০ টাকার নোটও ছিল। এর আগে পাকিস্তানি মুদ্রা ব্যবহৃত হতো, আর কিছুদিন সেগুলোর ওপর বাংলাদেশের ছাপ দিয়েও চালানো হয়েছিল।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের মুদ্রার একক টাকা, আর টাকার প্রতীক ‘৳’।
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যেটি নোট ছাপানোর ক্ষমতা রাখে। - ৪৬. স্বাধীন বাংলাদেশকে কখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দান করে?
- ক. ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
- খ. ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- গ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
- ঘ. ৪ এপ্রিল ১৯৭২
উত্তর: ঘ. ৪ এপ্রিল ১৯৭২
মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সরকার পাকিস্তানের পক্ষে ছিল, কিন্তু স্বাধীনতার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে ৪ এপ্রিল ১৯৭২-ই সঠিক।
মনে রাখুন:
ভুটান ও ভারত ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, ভুটান আগে।
যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
পাকিস্তান স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৪ সালে। - ৪৭. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ‘উপজেলা বাতিল’ বিলটি কখন পাস হয়েছিল?
- ক. ১৯৯২ সালে
- খ. ১৯৯৩ সালে
- গ. ১৯৯১ সালে
- ঘ. ১৯৯০ সালে
উত্তর: ক. ১৯৯২ সালে
স্বাধীনতার পর ১৯৮২ সালে সামরিক শাসক এরশাদ উপজেলা ব্যবস্থা চালু করেন। পরে ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসা সরকার অধ্যাদেশ জারি করে উপজেলা পরিষদ বাতিল করে। ১৯৯২ সালে জাতীয় সংসদ এই বাতিলের বিলটি পাস করে। অনেক বছর পর ১৯৯৮ সালে নতুন উপজেলা পরিষদ আইন তৈরি হয় এবং ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে ব্যবস্থাটি আবার চালু হয়। - ৪৮. ঢাকা পৌরসভা কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
- ক. ১৯০৬ সালে
- খ. ১৮৬৪ সালে
- গ. ১৯১৯ সালে
- ঘ. ১৯৪০ সালে
উত্তর: খ. ১৮৬৪ সালে
ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৪ সালে। তখন এটি ছিল শহরের নাগরিক সেবার জন্য গঠিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। কালক্রমে এটি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। ২০১১ সালে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য সিটি কর্পোরেশনকে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুই ভাগ করা হয়। - ৪৯. লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন কে?
- ক. শায়েস্তা খান
- খ. টিপু সুলতান
- গ. শাহ সুজা
- ঘ. ইসলাম খান
উত্তর: ক. শায়েস্তা খান
ঢাকার লালবাগ কেল্লার নির্মাণ ১৬৭৮ সালে শুরু করেন সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা মুহাম্মদ আজম। কিছুদিন পরেই তিনি দিল্লি ফিরে যান, ফলে কাজ থেমে যায়। পরে সুবাদার শায়েস্তা খান দায়িত্ব নিয়ে নির্মাণ এগিয়ে নেন, কিন্তু তাঁর কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর তিনি কাজ অসমাপ্ত রেখে দেন। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে তাই শায়েস্তা খানই উত্তর।
মনে রাখুন:
লালবাগ কেল্লার ভেতরে পরী বিবির সমাধি, দরবার হল ও একটি মসজিদ আছে।
ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকাকে রাজধানী করেন, আর শায়েস্তা খানের শাসনকালে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত। - ৬৯. বাংলাদেশের লাগা উত্তরে অবস্থিত—-।
- ক. নেপাল ও ভুটান
- খ. পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
- গ. পশ্চিমবঙ্গ ও কুচবিহার
- ঘ. পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম
উত্তর: খ. পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য আছে। নেপাল ও ভুটান উত্তরে থাকলেও তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি সীমান্ত নেই, মাঝখানে ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর বা চিকেন’স নেক নামের সরু অংশ আছে। কুচবিহার আলাদা রাজ্য নয়, এটি পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলা।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের পূর্ব সীমান্তে ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মিয়ানমারের চিন-রাখাইন অংশ।
পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। - ৭০. উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
- ক. লর্ড মিন্টো
- খ. লর্ড কার্জন
- গ. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
- ঘ. লর্ড ওয়াভেল
উত্তর: গ. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
লর্ড মাউন্টব্যাটেন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল। ১৯৪৭ সালের আগস্টে ভারত ভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়, তখন ব্রিটিশ শাসনের শেষ প্রতিনিধি ছিলেন তিনি। বিকল্পগুলোর বাকি তিনজন আগের সময়ের: লর্ড কার্জন ও লর্ড মিন্টো ভাইসরয় ছিলেন বিশ শতকের গোড়ায়, আর লর্ড ওয়াভেল তাঁর ঠিক আগের ভাইসরয়।
মনে রাখুন: ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস। - ৭১. অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো কোথায় অবস্থিত?
- ক. চট্টগ্রাম
- খ. ঢাকা
- গ. মংলা
- ঘ. খুলনা
উত্তর: খ. ঢাকা
অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো (Inland Container Depot, ICD) ঢাকার কমলাপুরে অবস্থিত। চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি করা কন্টেইনার রেলপথে এখানে এনে শুল্ক নিষ্পত্তি করা হয়, ফলে ব্যবসায়ীদের চট্টগ্রামে গিয়ে পণ্য ছাড়াতে হয় না। এতে বন্দরের ওপর চাপ কমে এবং রাজধানীর ব্যবসায়ীদের সুবিধা হয়।
মনে রাখুন: নারায়ণগঞ্জের পানগাঁওয়েও নদীপথের একটি কন্টেইনার টার্মিনাল আছে। - ৭২. জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত ১৯৯৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান –
- ক. সপ্তম
- খ. অষ্টম
- গ. নবম
- ঘ. দশম
উত্তর: গ. নবম
জাতিসংঘের ১৯৯৪ সালের জনসংখ্যা প্রতিবেদন অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ ছিল বিশ্বে নবম। তখন তালিকার শীর্ষে ছিল চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, রাশিয়া, পাকিস্তান ও জাপান।
হালনাগাদ: বর্তমানে জনসংখ্যায় বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম। - ৮৩. বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু কোনটি?
- ক. ভৈরব সেতু
- খ. হার্ডিঞ্জ সেতু
- গ. ব্রহ্মপুত্র সেতু
- ঘ. তিস্তা সেতু
উত্তর: খ. হার্ডিঞ্জ সেতু
পরীক্ষার সময়ে বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু ছিল হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। ১৯১৫ সালে পাবনা জেলার পাকশীতে পদ্মা নদীর ওপর এটি তৈরি হয়, দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৮ কিলোমিটার। তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের নামে সেতুটির নাম। ভৈরব সেতু, ব্রহ্মপুত্র সেতু ও তিস্তা সেতু তুলনায় ছোট ছিল।
মনে রাখুন: পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঢাকা-খুলনা রেলপথকে পদ্মা পার করায়।
হালনাগাদ: পরে যমুনা ও পদ্মা নদীতে আরও দীর্ঘ সেতুতে রেললাইন চালু হওয়ায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ আর দীর্ঘতম রেলসেতু নয়।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
- ১৫. Asia Pacific Economic Co-operation (APEC ) ফোরামের নভেম্বর, ১৯৯৩-এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোন সদস্য দেশের সরকার প্রধান অনুপস্থিত ছিলেন ?
- ক. মালয়েশিয়া
- খ. ফিলিপাইন
- গ. অস্ট্রেলিয়া
- ঘ. জাপান
উত্তর: ক. মালয়েশিয়া
১৯৯৩ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে এপেক (APEC) নেতাদের প্রথম বৈঠক বসে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ সেই বৈঠকে যোগ দেননি। কারণ তিনি এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে পূর্ব এশীয় অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর মতো আলাদা জোটের পক্ষে ছিলেন এবং এপেককে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের একটি মঞ্চ মনে করতেন।
মনে রাখুন: এপেকের (Asia-Pacific Economic Cooperation) পূর্ণ নাম এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা ফোরাম, এটি ১৯৮৯ সালে গঠিত হয়। - ১৬. গিরিজা প্রসাদ কৈরালা কত তারিখে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন?
- ক. ৮ জুলাই, ১৯৯৪
- খ. ৯ জুলাই, ১৯৯৪
- গ. ১০ জুলাই, ১৯৯৪
- ঘ. ১১ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর: গ. ১০ জুলাই, ১৯৯৪
নেপালের প্রধানমন্ত্রী গিরিজা প্রসাদ কৈরালা ১৯৯৪ সালের ১০ জুলাই পদত্যাগ করেন। সংসদে রাজার ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের ভোটে তাঁর সরকার হেরে যায়, কারণ নিজের দলের একাংশই বিরোধিতা করেছিল। এর ফলে সংসদ ভেঙে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পথ খুলে যায়।
মনে রাখুন: গিরিজা প্রসাদ কৈরালা নেপালে ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনের পর প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, তিনি নেপালি কংগ্রেসের নেতা ছিলেন। - ১৭. Hubble Telescope-এর ত্রুটি সংশোধনকল্পে মহাশূন্যে কোন নভোযানে নভোচারীগণকে প্রেরণ করা হয়েছিল?
- ক. Endeavour
- খ. Challanger
- গ. Pathfinder
- ঘ. Apollo
উত্তর: ক. Endeavour
১৯৯০ সালে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ (Hubble Space Telescope) মহাকাশে পাঠানোর পর দেখা যায় যে এর প্রধান আয়নায় গঠনগত ত্রুটি আছে। তাই ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে নাসার স্পেস শাটল এন্ডেভার (Endeavour) নভোচারীদের নিয়ে টেলিস্কোপের কাছে যায়। নভোচারীরা মহাশূন্যে হেঁটে টেলিস্কোপে সংশোধক যন্ত্র বসিয়ে ত্রুটিটি সারান।
মনে রাখুন:
চ্যালেঞ্জার শাটল ১৯৮৬ সালে উৎক্ষেপণের পরই বিস্ফোরিত হয়।
পাথফাইন্ডার ছিল মঙ্গল গ্রহে পাঠানো নভোযান (১৯৯৭), আর অ্যাপোলো কর্মসূচি চাঁদে মানুষ নামানোর জন্য। - ১৮. রুয়ান্ডার প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট সরকার কবে শপথ গ্রহণ করেন?
- ক. ৮ জুলাই, ১৯৯৪
- খ. ১৯ জুলাই, ১৯৯৪
- গ. ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
- ঘ. ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর: খ. ১৯ জুলাই, ১৯৯৪
১৯৯৪ সালের গণহত্যার সময় রুয়ান্ডান প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট (RPF) রাজধানী কিগালি দখল করে নেয়। এর পর ১৯৯৪ সালের ১৯ জুলাই পাস্তুর বিজিমুঙ্গুকে প্রেসিডেন্ট করে তাদের নতুন সরকার শপথ নেয়। এই সরকারে ফ্রন্টের নেতা পল কাগামে ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
মনে রাখুন: রুয়ান্ডায় ১৯৯৪ সালের এপ্রিল থেকে প্রায় একশো দিন ধরে হুতু চরমপন্থীরা তুতসিদের গণহত্যা চালায়। - ১৯. পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত তিউনিসিয়ায় নির্বাসিত জীবন ছেড়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে কবে গাজা ভূখণ্ডে আসেন?
- ক. ১১ জুলাই ১৯৯৪
- খ. ১২ জুলাই ১৯৯৪
- গ. ১৩ জুলাই ১৯৯৪
- ঘ. ১ জুলাই ১৯৯৪
উত্তর: ঘ. ১ জুলাই ১৯৯৪
ওসলো চুক্তির পর ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (PLO) চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত ১৯৯৪ সালের ১ জুলাই নির্বাসন শেষে গাজা ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। তিনি এর আগে বহু বছর তিউনিসিয়ায় পিএলওর সদর দপ্তর রেখে নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন। গাজায় পৌঁছে তিনি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (Palestinian Authority) নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
মনে রাখুন:
আরাফাত ১৯৯৪ সালে ইসরায়েলের ইৎজাক রবিন ও শিমন পেরেজের সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
ওসলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৩ সালে। - ৩৫. জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে কবে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রবিন একটি ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন?
- ক. ২৪ জুলাই ১৯৯৪
- খ. ২৬ অক্টোবর ১৯৯৪
- গ. ২৫ জুলাই ১৯৯৪
- ঘ. ২৭ জুলাই ১৯৯৪
উত্তর: গ. ২৫ জুলাই ১৯৯৪
জর্ডান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৪৮ সাল থেকে যুদ্ধাবস্থা চলছিল। ১৯৯৪ সালের ২৫ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইৎজাক রবিন ওয়াশিংটন ঘোষণায় স্বাক্ষর করে সেই যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসান ঘোষণা করেন। এর তিন মাস পরে ১৯৯৪ সালের ২৬ অক্টোবর দুই দেশ পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
মনে রাখুন: ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করা প্রথম আরব দেশ মিসর (১৯৭৯), দ্বিতীয় জর্ডান (১৯৯৪)। - ৩৬. বি-৫২ কি?
- ক. এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
- খ. এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
- গ. এক ধরনের বোমারু বিমান
- ঘ. ভূমি হতে শূন্যে নিক্ষেপণযোগ্য এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র
উত্তর: গ. এক ধরনের বোমারু বিমান
বি-৫২ হলো যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দূরপাল্লার ভারী বোমারু বিমান, যার পুরো নাম বোয়িং বি-৫২ স্ট্র্যাটোফোর্ট্রেস। প্রথম ওড়ে ১৯৫২ সালে। এটি পারমাণবিক বোমাসহ বহু রকম বোমা বহন করতে পারে। ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে শুরু করে পরবর্তী বহু সংঘাতে এই বিমান ব্যবহার করা হয়েছে। এটি যাত্রীবাহী বিমান, হেলিকপ্টার বা ক্ষেপণাস্ত্র নয়।
মনে রাখুন: বি অক্ষরটি ইংরেজি Bomber শব্দের সংক্ষেপ, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানের নামে এটি বোমারু বিমান বোঝায়। - ৩৭. ‘Straw vote বলতে কি বোঝায়?
- ক. Unofficial poll of public opinion
- খ. Poll based on random representations
- গ. ‘Yes No vote
- ঘ. Manipulated elections
উত্তর: ক. Unofficial poll of public opinion
Straw vote বা straw poll হলো জনমত যাচাই করার জন্য নেওয়া অনানুষ্ঠানিক ভোট। কোনো নির্বাচনের আগে কোন প্রার্থী বা মত কতটা জনপ্রিয় তা আন্দাজ করতে এটি করা হয়। এর ফল আইনগতভাবে কার্যকর নয়, বরং বাতাস কোন দিকে বইছে তা বোঝার উপায়। শব্দটি এসেছে খড় উড়িয়ে হাওয়ার দিক দেখার পুরোনো রীতি থেকে।
মনে রাখুন: Referendum হলো কোনো বিষয়ে সরকারি আনুষ্ঠানিক গণভোট, আর Plebiscite সাধারণত আঞ্চলিক ভাগ্য নির্ধারণে ভোট। - ৩৮. ‘Rotary International’ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯০৩ সালে
- খ. ১৯০৫ সালে
- গ. ১৯৬১ সালে
- ঘ. ১৯১২ সালে
উত্তর: খ. ১৯০৫ সালে
রোটারি ইন্টারন্যাশনাল (Rotary International) একটি আন্তর্জাতিক সমাজসেবামূলক সংগঠন। আইনজীবী পল হ্যারিস ১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম দিকে সদস্যরা পালা করে একে অন্যের কার্যালয়ে বসতেন, আর সেই ঘূর্ণন (rotation) থেকেই নামটি এসেছে।
মনে রাখুন:
এর আদর্শবাক্য ‘Service Above Self’ (নিজের আগে সেবা)।
রোটারির বড় কাজ পোলিও নির্মূল কর্মসূচি। - ৩৯. বার্লিনের দেয়াল কোন সালে নির্মিত হয়েছিল?
- ক. ১৯৪৬ সালে
- খ. ১৯৪৮ সালে
- গ. ১৯৬১ সালে
- ঘ. ১৯৬২ সালে
উত্তর: গ. ১৯৬১ সালে
পূর্ব জার্মানি থেকে বহু মানুষ পশ্চিম বার্লিনের পথে পশ্চিম জার্মানিতে চলে যাচ্ছিল। এ প্রবাহ ঠেকাতে পূর্ব জার্মান সরকার ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট বার্লিনকে দুই ভাগ করে দেয়াল তুলতে শুরু করে। প্রায় আটাশ বছর পর ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর এই দেয়াল ভেঙে পড়ে এবং ১৯৯০ সালে জার্মানি আবার এক হয়।
মনে রাখুন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও বার্লিন মিত্রশক্তির চার অংশে ভাগ হয়েছিল। পশ্চিম অংশ ছিল পুঁজিবাদী, পূর্ব অংশ সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত প্রভাবে। - ৫০. আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) কবে হতে এর কার্যক্রম শুরু করে?
- ক. ১৯৪৫ সাল হতে
- খ. ১৯৪৬ সাল হতে
- গ. ১৯৪৭ সাল হতে
- ঘ. ১৯৪৮ সাল হতে
উত্তর: গ. ১৯৪৭ সাল হতে
১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রেটন উডসে এক সম্মেলনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund, IMF) গঠনের সিদ্ধান্ত হয়, আর ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে এর আর্থিক লেনদেনের কাজ শুরু হয় ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ থেকে। প্রশ্নে ‘কার্যক্রম শুরু’ বলা হয়েছে, তাই ১৯৪৭ সালই উত্তর।
মনে রাখুন:
আইএমএফের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।
বিশ্বব্যাংকও একই ব্রেটন উডস সম্মেলনের ফল। - ৫১. NATO কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট
- খ. ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
- গ. ১৯৫১ সালের ৪ মে
- ঘ. ১৯৫১ সালের ৪ মে
উত্তর: খ. ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (North Atlantic Treaty Organization, NATO) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে গঠিত হয়। এটি সদস্য দেশগুলোর যৌথ প্রতিরক্ষার সামরিক জোট। এর মূল নীতি হলো কোনো এক সদস্য আক্রান্ত হলে সবাই তাকে নিজেদের ওপর আক্রমণ বলে ধরবে। শুরুতে সদস্য ছিল ১২টি দেশ।
মনে রাখুন:
ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে।
ন্যাটোর বিপরীতে সোভিয়েত নেতৃত্বে ১৯৫৫ সালে ওয়ারশ চুক্তি গঠিত হয়। - ৫২. ইয়াল্টা কনফারেন্স কবে অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৩৩ সালে
- খ. ১৯৪৩ সালে
- গ. ১৯৪৫ সালে
- ঘ. ১৯৪৭ সালে
উত্তর: গ. ১৯৪৫ সালে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রিমিয়া উপদ্বীপের ইয়াল্টায় যুক্তরাষ্ট্রের রুজভেল্ট, ব্রিটেনের চার্চিল ও সোভিয়েত নেতা স্তালিন বৈঠকে বসেন। সেখানে যুদ্ধের পর জার্মানির ভাগ্য এবং জাতিসংঘ গঠনের অনেক বিষয় ঠিক হয়।
মনে রাখুন:
তেহরান সম্মেলন হয় ১৯৪৩ সালে।
পটসডাম সম্মেলন হয় ১৯৪৫ সালের জুলাই-আগস্টে। - ৫৪. ১৯৯৪-এ নববর্ষের দিনে কার নেতৃত্বাধীন কাবুল শহর আক্রমণ করে?
- ক. নজিবুল্লাহ
- খ. আহমেদ শাহ মাসুদ
- গ. আবদুর রশীদ দোস্তাম
- ঘ. গুলবুদ্দীন হেকমতিয়ার
উত্তর: গ. আবদুর রশীদ দোস্তাম
আফগানিস্তানে ১৯৯২ সালে নজিবুল্লাহ সরকারের পতনের পর মুজাহিদিন গোষ্ঠীগুলো নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ে নামে। ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি উজবেক সেনাপতি জেনারেল আবদুর রশীদ দোস্তাম গুলবুদ্দীন হেকমতিয়ারের সঙ্গে জোট বেঁধে কাবুলে প্রেসিডেন্ট বুরহানুদ্দীন রব্বানীর সরকারের ওপর হামলা চালান।
মনে রাখুন: রব্বানী সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন আহমদ শাহ মাসুদ, আর ১৯৯৬ সালে তালেবান কাবুল দখল করে। - ৭৮. ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার পার্লামেন্টের নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে?
- ক. রাশিয়াস চয়েস
- খ. লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
- গ. স্যোশাল ডেমোক্রেটিক পার্টি
- ঘ. দ্য কমিউনিস্ট পার্টি
উত্তর: খ. লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
রাশিয়ায় ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে নতুন সংবিধানের অধীনে প্রথম পার্লামেন্ট (স্টেট দুমা) নির্বাচন হয়। ভ্লাদিমির ঝিরিনোভস্কির লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এই নির্বাচনে দলভিত্তিক ভোটে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে সবাইকে অবাক করে দেয়। তাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পাওয়া দল হিসেবে তারাই আত্মপ্রকাশ করে। রাশিয়াস চয়েস দল তখন ক্ষমতাসীন সংস্কারপন্থীদের জোট ছিল, তারা কিছু কম ভোট পায়।
মনে রাখুন: ঝিরিনোভস্কি উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন, আর তখন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন বরিস ইয়েলৎসিন। - ৭৯. ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা কারা?
- ক. স্টইচকভ ও রোবের্তো
- খ. সালেনকো ও আর্ডেসন
- গ. সালেনকো ও স্টইচকভ
- ঘ. আর্ডেসন ও রোবের্তো
উত্তর: গ. সালেনকো ও স্টইচকভ
১৯৯৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ হয় যুক্তরাষ্ট্রে। এই আসরে রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কো এবং বুলগেরিয়ার হ্রিস্টো স্টইচকভ ৬টি করে গোল করে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। সালেঙ্কো ক্যামেরুনের বিপক্ষে এক ম্যাচেই ৫ গোল করেন, যা বিশ্বকাপের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। ব্রাজিলের রোমারিও ও ইতালির রবার্তো বাজ্জো করেন ৫টি করে গোল।
মনে রাখুন: ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ জেতে ব্রাজিল, ফাইনালে ইতালিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে। - ৮০. ১৯৬৫ সালের আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
- ক. ১৫টি
- খ. ৬টি
- গ. ১১টি
- ঘ. ১০টি
উত্তর: গ. ১১টি
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ৫টি স্থায়ী সদস্য আছে, যাদের ভেটো ক্ষমতা আছে। ১৯৬৫ সালের আগে অস্থায়ী সদস্য ছিল ৬টি, ফলে মোট সদস্য ছিল ১১টি। সেই বছর সনদ সংশোধন করে অস্থায়ী সদস্য বাড়িয়ে ১০টি করা হয়, তাই মোট সদস্য সংখ্যা হয় ১৫।
মনে রাখুন:
স্থায়ী সদস্য: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
অস্থায়ী সদস্যরা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। - ৮১. গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে কবে দেশের ক্ষমতা দখল করে?
- ক. ২১ জুলাই ১৯৯৪
- খ. ২২ জুলাই ১৯৯৪
- গ. ২৩ জুলাই ১৯৯৪
- ঘ. ২৪ জুলাই ১৯৯৪
উত্তর: খ. ২২ জুলাই ১৯৯৪
গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী ১৯৯৪ সালের ২২ জুলাই রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে। তরুণ সেনা কর্মকর্তা ইয়াহিয়া জাম্মেহের নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট দাউদা জাওয়ারা ক্ষমতাচ্যুত হন। জাওয়ারা স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় ৩০ বছর দেশ চালিয়েছিলেন।
মনে রাখুন: জাম্মেহ ২০১৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন, এরপর নির্বাচনে জয়ী আদামা বারো প্রেসিডেন্ট হন। - ৮২. নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা কবে নিজেকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন?
- ক. ৭ জুন ১৯৯৪
- খ. ১ জুলাই ১৯৯৪
- গ. ১১ জুন ১৯৯৪
- ঘ. ১২ জুলাই ১৯৯৪
উত্তর: গ. ১১ জুন ১৯৯৪
নাইজেরিয়ায় ১৯৯৩ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে মাসুদ কাশিমাওয়ো অলাডিপো (এমকেও) আবিওলা জয়ী হন। কিন্তু সামরিক সরকার নির্বাচনের ফল বাতিল করে দেয়। এর এক বছর পর ১৯৯৪ সালের ১১ জুন তিনি নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। এর কিছুদিন পরেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মনে রাখুন: আবিওলা ১৯৯৮ সালে হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা যান। ১৯৯৯ সালে নাইজেরিয়ায় আবার বেসামরিক শাসন ফিরে আসে।
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- ২০. উপকূলে কোনো একটি স্থানে পরপর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হলো –
- ক. প্রায় ১২ ঘণ্টা
- খ. প্রায় ২৪ ঘণ্টা
- গ. প্ৰায় ৬ ঘণ্টা
- ঘ. চাঁদের তিথি অনুসারে ভিন্ন
উত্তর: ক. প্রায় ১২ ঘণ্টা
পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর একবার ঘুরতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়। এই সময়ের মধ্যে কোনো স্থান চাঁদের দিকে মুখ করে একবার আর চাঁদের উল্টো দিকে একবার আসে, আর দুই অবস্থানেই সেখানে জোয়ার হয়। ফলে এক দিনে দুবার জোয়ার হয়। চাঁদও নিজের কক্ষপথে এগিয়ে যায়, তাই চক্রটি পুরো হতে ২৪ ঘণ্টা ৫০ মিনিট লাগে, অর্থাৎ পরপর দুই জোয়ারের ব্যবধান প্রায় ১২ ঘণ্টা ২৫ মিনিট।
মনে রাখুন:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ প্রায় এক সরলরেখায় থাকে, তখন হয় ভরা কোটাল (Spring tide)।
অষ্টমী তিথিতে হয় মরা কোটাল (Neap tide)। - ৭৩. কর্কটক্রান্তি রেখা—
- ক. বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে
- খ. বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে
- গ. বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে
- ঘ. বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত
উত্তর: গ. বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে
কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer) পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা। বাংলাদেশের অক্ষাংশ প্রায় ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর, তাই এই রেখা দেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে চলে গেছে। ঢাকার কাছাকাছি এলাকা ও কুমিল্লা জেলা এই রেখার ওপর বা এর কাছে পড়ে।
মনে রাখুন:
২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ঠিক ওপরে লম্ব ভাবে কিরণ দেয়।
দক্ষিণ গোলার্ধে একই রকম রেখার নাম মকরক্রান্তি (২৩.৫° দক্ষিণ), আর মাঝখানের রেখা নিরক্ষরেখা।
সাধারণ বিজ্ঞান
- ২১. নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়—
- ক. ধমনির ভেতর দিয়ে
- খ. শিরার ভেতর দিয়ে
- গ. স্নায়ুর ভেতর দিয়ে
- ঘ. ল্যাকটিয়ালের ভেতর দিয়ে
উত্তর: ক. ধমনির ভেতর দিয়ে
হৃৎপিণ্ড প্রতিবার সংকুচিত হলে রক্তকে ধমনির (Artery) ভেতরে জোরে ঠেলে দেয়। তখন ধমনির স্থিতিস্থাপক প্রাচীর ঢেউয়ের মতো একটু প্রসারিত হয়ে আবার আগের অবস্থায় ফেরে। এই ঢেউই আমাদের নাড়ির স্পন্দন (Pulse), যা কবজির ধমনিতে আঙুল রাখলে টের পাওয়া যায়। শিরায় রক্তের চাপ কম থাকে বলে সেখানে এমন স্পন্দন অনুভূত হয় না।
মনে রাখুন:
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের নাড়ির স্পন্দন মিনিটে প্রায় ৭২ বার।
ধমনি হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত বহন করে নিয়ে যায়, আর শিরা রক্ত ফিরিয়ে আনে হৃৎপিণ্ডে। - ২২. চাঁদে কোনো শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন?
- ক. চাঁদে কোনো জীব নেই তাই
- খ. চাঁদে কোনো পানি নেই তাই
- গ. চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই
- ঘ. চাঁদের মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ অপেক্ষা কম তাই
উত্তর: গ. চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই তাই
শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ (Mechanical wave), তাই চলার জন্য কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় কোনো মাধ্যম দরকার হয়। পৃথিবীতে আমরা বাতাসের মধ্য দিয়ে আসা শব্দ শুনতে পাই। কিন্তু চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই, অর্থাৎ শব্দকে বহন করার মতো কোনো মাধ্যম নেই। তাই সেখানে কেউ শব্দ করলেও তা অন্যের কানে পৌঁছায় না। মাধ্যাকর্ষণ কম হওয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন: শূন্য মাধ্যমে শব্দ চলে না, কিন্তু আলো ও অন্যান্য তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ চলতে পারে। - ২৪. রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয় ?
- ক. মৃদু রঞ্জন রশ্মি
- খ. গামা রশ্মি
- গ. বিটা রশ্মি
- ঘ. কসমিক রশ্মি
উত্তর: ক. মৃদু রঞ্জন রশ্মি
পুরোনো রঙিন টেলিভিশনে ছবি দেখানোর জন্য পিকচার টিউব (CRT) থাকত। এর ভেতরে উচ্চ বিভবে ত্বরিত ইলেকট্রন পর্দায় আঘাত করলে সামান্য পরিমাণে মৃদু রঞ্জন রশ্মি (Soft X-ray) তৈরি হয়। অনেক কাছ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে দেখলে এটি ক্ষতিকর হতে পারে। গামা বা বিটা রশ্মি তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আসে, আর কসমিক রশ্মি আসে মহাশূন্য থেকে, এগুলোর সঙ্গে টেলিভিশনের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন: এক্স-রে রশ্মি আবিষ্কার করেন উইলহেলম রন্টজেন (১৮৯৫)। - ৫৩. ধূমকেতু শুমেকার লেভী-৯-এর ভাঙ্গা টুকরোটি কবে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে?
- ক. ১৫ জুলাই, ১৯৯৪
- খ. ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
- গ. ১৮ জুলাই, ১৯৯৪
- ঘ. ১৭ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর: খ. ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
শুমেকার-লেভি ৯ (Shoemaker-Levy 9) ধূমকেতুটি বৃহস্পতি গ্রহের প্রবল মাধ্যাকর্ষণের টানে ছিঁড়ে অনেকগুলো টুকরোয় ভাগ হয়ে যায়। এই টুকরোগুলো ১৯৯৪ সালের ১৬ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত একের পর এক বৃহস্পতিতে আছড়ে পড়ে। প্রথম টুকরোটি আঘাত হানে ১৬ জুলাই। এটি ছিল মানুষের দেখা সৌরজগতের দুটি বস্তুর প্রথম সরাসরি সংঘর্ষ।
মনে রাখুন: বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ, তাই ধূমকেতু ও গ্রহাণু প্রায়ই এর টানে পড়ে। - ৭৪. পানির জীব হয়েও বাতাসে নিশ্বাস নেয় –
- ক. পটকা মাছ
- খ. হাঙ্গর
- গ. শুশুক
- ঘ. জেলী ফিস
উত্তর: গ. শুশুক
শুশুক বা ডলফিন পানিতে বাস করলেও মাছ নয়, এটি স্তন্যপায়ী প্রাণী (Mammal)। এর ফুলকা নেই, ফুসফুস আছে, তাই কিছুক্ষণ পরপর পানির ওপরে উঠে বাতাস থেকে শ্বাস নিতে হয়। অন্যদিকে হাঙর ও পটকা মাছ ফুলকা দিয়ে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন নিয়ে শ্বাস নেয়। জেলিফিশেরও ফুসফুস নেই।
মনে রাখুন:
শুশুক বাচ্চা প্রসব করে এবং তাদের দুধ খাওয়ায়।
তিমিও স্তন্যপায়ী প্রাণী, আর সুন্দরবন ও নদীতে শুশুক পাওয়া যায়। - ৭৫. পিট কয়লার বৈশিষ্ট্য হলো—
- ক. মাটির অনেক গভীরে থাকে
- খ. ভিজা ও নরম
- গ. পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়
- ঘ. দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনায় অধিক
উত্তর: খ. ভিজা ও নরম
কয়লা তৈরি হয় লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়া উদ্ভিদ থেকে। পিট (Peat) কয়লা সেই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ, যখন উদ্ভিদের দেহাবশেষ পুরোপুরি কয়লায় পরিণত হয়নি। তাই এতে পানি বেশি থাকে, ফলে এটি ভেজা ও নরম। কার্বনের পরিমাণ কম বলে এর দহনক্ষমতা বা তাপ উৎপাদনও কম, অর্থাৎ অন্য কয়লার তুলনায় অধিক নয়।
মনে রাখুন:
কার্বন বাড়ার ক্রম: পিট, লিগনাইট, বিটুমিনাস, অ্যানথ্রাসাইট।
অ্যানথ্রাসাইট সবচেয়ে উন্নত মানের কয়লা। - ৭৬. আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতুনির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ—
- ক. কম্পিউটার
- খ. অফসেট পদ্ধতি
- গ. ফটো লিথোগ্রাফী
- ঘ. প্রসেস ক্যামেরা
উত্তর: গ. ফটো লিথোগ্রাফী
আগে ছাপাখানায় ধাতুর তৈরি অক্ষর (টাইপ) একটি একটি করে সাজিয়ে ছাপার ব্লক বানানো হতো। ফটো লিথোগ্রাফি (Photolithography) পদ্ধতিতে আলোকচিত্রের সাহায্যে লেখা ও ছবি সরাসরি প্লেটে তুলে ফেলা যায়, তাই আর ধাতব অক্ষরের দরকার হয় না। এভাবে ছাপার কাজ অনেক দ্রুত ও সহজ হয়ে গেছে।
মনে রাখুন:
চলনযোগ্য ধাতব হরফে ছাপার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন জোহানেস গুটেনবার্গ (প্রায় ১৪৫০ সালে)।
অফসেট ছাপাও আলোকচিত্রভিত্তিক প্লেট ব্যবহার করে। - ৭৭. ডিজিট্যাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য—
- ক. ডিজিট্যাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ
- খ. বোতাম টিপে ডায়াল করা
- গ. অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার
- ঘ. নতুন ধরনের মাইক্রোফোন
উত্তর: ক. ডিজিট্যাল সিগন্যালে বার্তা প্রেরণ
ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে কথাকে ডিজিটাল সংকেতে, অর্থাৎ ০ ও ১ দিয়ে তৈরি সংকেতে রূপান্তর করে পাঠানো হয়। সংকেত এভাবে পাঠালে পথে গোলমাল কম হয় এবং শব্দের মান ভালো থাকে। বোতাম টিপে ডায়াল করা অ্যানালগ ফোনেও সম্ভব, আর অপটিক্যাল ফাইবার ডিজিটাল ফোনের জন্য আবশ্যিক নয়, তাই এগুলো প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়।
মনে রাখুন: অ্যানালগ সংকেত ক্রমাগত বদলায়, আর ডিজিটাল সংকেত কেবল দুটি স্তরে (০ ও ১) থাকে।
গাণিতিক যুক্তি
- ২৩. বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত –
- ক. ৩
- খ. ২২/৭
- গ. ২৫/৯
- ঘ. প্রায় ৫
উত্তর: খ. ২২/৭
বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত সব বৃত্তের জন্যই একটি ধ্রুবক সংখ্যা। এই ধ্রুবকের নাম পাই (π)। এর মান প্রায় 3.1416, আর সহজ হিসাবের জন্য একে 22/7 ধরা হয়। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে 22/7-ই সঠিক।
মনে রাখুন:
পরিধি = 2πr, ক্ষেত্রফল = πr²।
π একটি অমূলদ সংখ্যা, তাই 22/7 এর প্রকৃত মান নয়, কেবল কাছাকাছি মান। - ৩০. একজন দোকানদার ৭% ক্ষতিতে একটি দ্রব্য বিক্রয় করল। যদি দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হতো এবং বিক্রয়মূল্য ৩১ টাকা বেশি হতো, তাহলে তার ২০% লাভ হতো । দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?
- ক. ১০০ টাকা
- খ. ২০০ টাকা
- গ. ৩০০ টাকা
- ঘ. ৪০০ টাকা
উত্তর: খ. ২০০ টাকা
মনে করি দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য x টাকা। ৭% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য হয় 0.93x। ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে নতুন ক্রয়মূল্য 0.9x, আর তাতে ২০% লাভ ধরলে বিক্রয়মূল্য হয় 0.9x × 1.2 = 1.08x।
তাই বিক্রয়মূল্যের বাড়তি অংশ 1.08x - 0.93x = 0.15x।
বিকল্পের মধ্যে x = 200 নিলে 0.15 × 200 = 30 টাকা বাড়তি হয়, যা প্রশ্নের শর্তের সবচেয়ে কাছাকাছি। তাই ক্রয়মূল্য ২০০ টাকা।
মনে রাখুন: ক্ষতির বেলায় বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (১০০ - ক্ষতির শতকরা হার)/১০০, লাভের বেলায় (১০০ + লাভের শতকরা হার)/১০০। - ৩১. দু ব্যক্তি একত্রে একটি কাজ ৮দিনে করতে পারে। প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি ১২ দিনে করতে পারে। দ্বিতীয় ব্যক্তি একাকী কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
- ক. ২০
- খ. ২২
- গ. ২৪
- ঘ. ২৬
উত্তর: গ. ২৪
দুজনে মিলে এক দিনে কাজের 1/8 অংশ করে, আর প্রথম ব্যক্তি একা এক দিনে করে 1/12 অংশ। তাই দ্বিতীয় ব্যক্তি একা এক দিনে করে 1/8 - 1/12 = 3/24 - 2/24 = 1/24 অংশ। এক দিনে 1/24 অংশ করলে পুরো কাজ শেষ করতে তার লাগবে ২৪ দিন।
মনে রাখুন: কাজের সমস্যায় পুরো কাজকে ১ ধরে প্রতিদিনের কাজের অংশ বের করলে হিসাব সহজ হয়। - ৩২. ৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ এবং ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ একত্রে ৫০০ টাকা হলে সুদের হার কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
- ক. ৫%
- খ. ৬%
- গ. ১০%
- ঘ. ১২%
উত্তর: গ. ১০%
সরল সুদের হিসাবে সুদ = আসল × সময় × হার/100। ধরা যাক সুদের হার r%। তাহলে ৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ হয় 500 × 4 × r/100 = 20r, আর ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ হয় 600 × 5 × r/100 = 30r।
দুই সুদ একত্রে ৫০০ টাকা, তাই 20r + 30r = 50r = 500, অর্থাৎ r = 10। সুদের হার ১০%।
মনে রাখুন: সরল সুদে সুদাসল = আসল + সুদ = আসল × (1 + সময় × হার/100)। - ৩৩. কোন লঘিষ্ঠ সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে?
- ক. ৮৯
- খ. ১৪১
- গ. ২৪৮
- ঘ. ১৭০
উত্তর: খ. ১৪১
যে সংখ্যার সঙ্গে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ ও ৪৮, তিনটি দিয়েই বিভাজ্য হয়, সেই যোগফল অবশ্যই এই তিন সংখ্যার সাধারণ গুণিতক। যোগফলটি যত ছোট হবে, মূল সংখ্যাও তত ছোট হবে, তাই যোগফল হবে এদের ল.সা.গু.।
24 = 2³ × 3, 36 = 2² × 3², 48 = 2⁴ × 3। তাই ল.সা.গু. = 2⁴ × 3² = 144।
সংখ্যাটি 144 - 3 = 141।
মনে রাখুন: ‘এর সঙ্গে কিছু যোগ করলে’ ধরনের প্রশ্নে ল.সা.গু. থেকে যোগ করা অংশ বিয়োগ করতে হয়, আর ‘বিয়োগ করলে’ ধরনের প্রশ্নে যোগ করতে হয়। - ৩৪. নিম্নলিখিত চারটি সংখ্যার মধ্যে কোনটির ভাজক সংখ্যা বিজোড়?
- ক. ২০৪৮
- খ. ৫১২
- গ. ১০২৪
- ঘ. ৪৮
উত্তর: গ. ১০২৪
কোনো সংখ্যার ভাজকগুলো সাধারণত জোড়ায় জোড়ায় থাকে। যেমন ১২-এর ভাজক ১ ও ১২, ২ ও ৬, ৩ ও ৪। কিন্তু সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হলে একটি ভাজক নিজের সঙ্গেই জোড় বাঁধে, যেমন ৩৬-এর ক্ষেত্রে ৬। তাই কেবল পূর্ণবর্গ সংখ্যারই ভাজকের সংখ্যা বিজোড় হয়।
১০২৪ = 2¹⁰ = 32², এটি পূর্ণবর্গ। ভাজক সংখ্যা = (10 + 1) = 11, যা বিজোড়।
বাকিগুলো পূর্ণবর্গ নয়: ২০৪৮ = 2¹¹ (ভাজক ১২টি), ৫১২ = 2⁹ (১০টি), ৪৮ = 2⁴ × 3 (১০টি)।
মনে রাখুন: N = pᵃ × qᵇ হলে ভাজক সংখ্যা = (a + 1)(b + 1)। - ৬৫. চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3 হলে বৃহত্তম কোণের পরিমাণ হবে –আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭ ও আরও ১টি
- ক. 100°
- খ. 115°
- গ. 135°
- ঘ. 225°
উত্তর: গ. 135°
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি 360°। কোণগুলোর অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3, অর্থাৎ মোট অংশ 1 + 2 + 2 + 3 = 8। তাই এক অংশ = 360° ÷ 8 = 45°।
বৃহত্তম কোণ তিন অংশের সমান, অর্থাৎ 3 × 45° = 135°।
মনে রাখুন: ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°, আর n বাহুর বহুভুজের কোণের সমষ্টি (2n - 4) সমকোণ। - ৬৬. দুটি ত্রিভুজের মধ্যে কোন উপাদানগুলো সমান হওয়া সত্ত্বেও ত্রিভুজ দুটি সর্বসম নাও হতে পারে?
- ক. দুই বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণ
- খ. দুই কোণ ও এক বাহু
- গ. তিন কোণ
- ঘ. তিন বাহু
উত্তর: গ. তিন কোণ
দুটি ত্রিভুজের তিনটি কোণ সমান হলে তাদের আকৃতি একই হয়, কিন্তু আকার ছোট-বড় হতে পারে। যেমন একটি ত্রিভুজের বাহুগুলো দ্বিগুণ করলে কোণ একই থাকে, অথচ ত্রিভুজ দুটি এক নয়। তাই তারা সদৃশ (Similar) হয়, সর্বসম (Congruent) হওয়া জরুরি নয়। অন্য তিনটি শর্তে ত্রিভুজ দুটি অবশ্যই সর্বসম হয়।
মনে রাখুন: সর্বসমতার শর্ত: বাহু-কোণ-বাহু (SAS), বাহু-বাহু-বাহু (SSS), কোণ-বাহু-কোণ (ASA) এবং সমকোণী ত্রিভুজে অতিভুজ-বাহু। - ৬৭. a : b = 4 : 7 এবং b : c = 5 : 6 হলে a : b : c = কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
- ক. 4 : 7 : 6
- খ. 20 :35 : 24
- গ. 20 : 35 : 42
- ঘ. 24 : 35 : 30
উত্তর: গ. 20 : 35 : 42
a : b = 4 : 7 এবং b : c = 5 : 6। দুই অনুপাতে b-এর মান এক করতে হবে। b-এর মান ৭ ও ৫, তাই ল.সা.গু. 35 ধরি।
a : b = 4 : 7 = 20 : 35 (৫ দিয়ে গুণ করে), b : c = 5 : 6 = 35 : 42 (৭ দিয়ে গুণ করে)।
অতএব a : b : c = 20 : 35 : 42। - ৬৮. a + b + c = 9, a² + b² + c² = 29 হলে ab + bc + ca এর মান কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ৩৬৯৭) ২০১৯
- ক. 52
- খ. 46
- গ. 26
- ঘ. 22
উত্তর: গ. 26
আমরা জানি, (a + b + c)² = a² + b² + c² + 2(ab + bc + ca)।
মান বসালে 9² = 29 + 2(ab + bc + ca), অর্থাৎ 81 = 29 + 2(ab + bc + ca)।
তাই 2(ab + bc + ca) = 52 এবং ab + bc + ca = 26।
মনে রাখুন: a³ + b³ + c³ - 3abc = (a + b + c)(a² + b² + c² - ab - bc - ca)। - ৯৬. a2+ b2- c2+ 2aba2- b2+ c2+ 2ac =?
- ক. a+b+c
- খ. a+ b- ca- b+ c
- গ. a- b+ ca+ b- c
- ঘ. a+ b- ca+ b+ c
উত্তর: খ. a+ b- ca- b+ c
রাশিটি হলো (a² + b² - c² + 2ab) ÷ (a² - b² + c² + 2ac)।
লব = a² + 2ab + b² - c² = (a + b)² - c² = (a + b + c)(a + b - c)
হর = a² + 2ac + c² - b² = (a + c)² - b² = (a + c + b)(a + c - b)
সাধারণ উৎপাদক (a + b + c) কেটে গেলে থাকে (a + b - c)/(a - b + c)।
মনে রাখুন: x² - y² = (x + y)(x - y) এই সূত্র ব্যবহার করে বীজগণিতের ভগ্নাংশ সহজ করা যায়।
অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান
১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৬)
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৮তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২৫)
- ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৪)
- ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৩)
- ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২২)
- ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২১)
- ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৯)
- ৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০১৮)
- ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৭)
- ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৫)
- ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৩)
- ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১১)
- ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১০)
- ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৯)
- ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৮)
- ২৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৫)
- ২৬তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৩)
- ২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৯)
- ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৬)
- ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৫)
- ১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি (১৯৯৪)
- ১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৩)
- ১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯০)
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন