১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৯৯১। এখানে ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ৬০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (১৫)
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (১৭)
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি (১৬)
- গাণিতিক যুক্তি (১৬)
- ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (৫)
- সাধারণ বিজ্ঞান (১৩)
- আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (১৪)
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি (১)
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ১. What is the synonym of ‘Incite’?
- ক. Instigate
- খ. Permit
- গ. Urge
- ঘ. Deceive
উত্তর: ক. Instigate
Incite মানে কাউকে কোনো কাজ করতে, বিশেষ করে মন্দ কাজ করতে উসকে দেওয়া বা প্ররোচিত করা, যেমন incite a riot (দাঙ্গায় উসকানি দেওয়া)। Instigate শব্দেরও একই অর্থ, তাই এটিই সবচেয়ে কাছের সমার্থক শব্দ। Urge মানে জোর দিয়ে অনুরোধ করা বা তাড়া দেওয়া, তাতে খারাপ কাজে উসকানির সেই ভাবটি থাকে না। Permit মানে অনুমতি দেওয়া এবং Deceive মানে প্রতারণা করা।
মনে রাখুন:
Incite-এর অন্য সমার্থক শব্দ: provoke, stir up, abet।
বিপরীত শব্দ: restrain, discourage। - ২. What is the antonym of ‘Honorary’?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. Official
- খ. Honorable
- গ. Salaried
- ঘ. Literary
উত্তর: গ. Salaried
Honorary শব্দের অর্থ এমন পদ বা দায়িত্ব, যেটি সম্মানের জন্য দেওয়া হয় এবং যার জন্য কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক নেওয়া হয় না। যেমন honorary secretary মানে অবৈতনিক সচিব। এর বিপরীত হলো Salaried, অর্থাৎ বেতনভুক্ত। Official মানে সরকারি বা দাপ্তরিক, তা honorary-র বিপরীত নয়। আর Honorable মানে সম্মানিত, যা বরং কাছাকাছি অর্থের।
মনে রাখুন: Honorary-র সমার্থক শব্দ unpaid, voluntary, nominal।
উদাহরণ: He was given an honorary degree by the university. - ৩. What is the verb of the word ‘Ability’?
- ক. Ableness
- খ. Able
- গ. Ably
- ঘ. Enable
উত্তর: ঘ. Enable
ইংরেজিতে শব্দের এক রূপ থেকে অন্য রূপ তৈরি হয় বিভিন্ন উপায়ে। Ability একটি বিশেষ্য, যার অর্থ সামর্থ্য বা ক্ষমতা। এর বিশেষণ রূপ able। বিশেষণ able-এর আগে en- উপসর্গ যোগ করে ক্রিয়া enable (সক্ষম করা বা সুযোগ দেওয়া) গঠিত হয়। বাকি অপশনের Ableness বিশেষ্য এবং Ably ক্রিয়াবিশেষণ, ক্রিয়া নয়।
মনে রাখুন:
শব্দের রূপ: ability (noun), able (adjective), ably (adverb), enable (verb)।
en- দিয়ে গঠিত আরও ক্রিয়া: enrich, enlarge, endanger।
উদাহরণ: The new road will enable villagers to reach the market quickly. - ৪. Who is the author of ‘For Whom the Bell Tolls’?
- ক. Charles Dickens
- খ. Homer
- গ. Lord Tennyson
- ঘ. Ernest Hemingway
উত্তর: ঘ. Ernest Hemingway
‘For Whom the Bell Tolls’ উপন্যাসটির লেখক মার্কিন সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (Ernest Hemingway)। এটি ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়। স্পেনের গৃহযুদ্ধের পটভূমিতে রবার্ট জর্ডান নামে এক মার্কিন যোদ্ধার কাহিনি এতে বলা হয়েছে। বইয়ের নামটি এসেছে কবি জন ডনের একটি রচনা থেকে।
মনে রাখুন:
হেমিংওয়ের অন্য রচনা: A Farewell to Arms, The Old Man and the Sea, The Sun Also Rises।
The Old Man and the Sea-এর জন্য তিনি ১৯৫৩ সালে পুলিৎজার পুরস্কার এবং ১৯৫৪ সালে নোবেল পুরস্কার পান। - ৫. Fill in the blank ‘He has assured me _____ safety.’
- ক. with
- খ. at
- গ. for
- ঘ. of
উত্তর: ঘ. of
ইংরেজিতে কিছু ক্রিয়ার সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition বসে। Assure ক্রিয়ার পরে যে বিষয়ে কাউকে আশ্বস্ত করা হয়, তার আগে of বসে। তাই বাক্যটি হবে ‘He has assured me of safety.’ অর্থাৎ সে আমাকে নিরাপত্তার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছে। অন্য preposition এই ক্ষেত্রে ব্যবহার করা চলে না।
মনে রাখুন:
Assure someone of something, আবার assure someone that-clause: He assured me that I was safe।
একই ধরনের গঠন: convince of, remind of, inform of, accuse of, suspect of। - ৬. ‘May Allah help you’ What kind of sentence is this?
- ক. Optative
- খ. Imperative
- গ. Assertive
- ঘ. Exclamatory
উত্তর: ক. Optative
Optative sentence হলো এমন বাক্য, যা দিয়ে প্রার্থনা, আশীর্বাদ, শুভকামনা বা অভিশাপ প্রকাশ পায়। সাধারণত May দিয়ে এ ধরনের বাক্য শুরু হয়। ‘May Allah help you’ বাক্যে আল্লাহর কাছে সাহায্যের প্রার্থনা বোঝানো হয়েছে, তাই এটি Optative। Imperative বাক্য আদেশ বা অনুরোধ বোঝায়, Assertive সাধারণ বিবৃতি দেয় আর Exclamatory আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
May you live long.
Long live Bangladesh!
God bless you. - ৭. A rolling stone gathers no moss. What ‘rolling’ is?
- ক. Gerund
- খ. Verbal noun
- গ. Participle
- ঘ. Adjective
উত্তর: গ. Participle
Participle হলো ক্রিয়া থেকে তৈরি এমন শব্দ, যা বিশেষণের মতো কাজ করে। ‘A rolling stone gathers no moss’ বাক্যে rolling শব্দটি stone বিশেষ্যটিকে বিশেষিত করে, অর্থাৎ কেমন পাথর তা বলে (গড়ানো পাথর)। তাই rolling এখানে Present Participle। Gerund আর Verbal noun বিশেষ্যের কাজ করে, যেমন Swimming is a good exercise বাক্যে swimming।
মনে রাখুন: ক্রিয়ার সঙ্গে -ing যোগ হলে শব্দটি কাজ দেখে চেনা যায়: বিশেষ্যের কাজ করলে Gerund এবং বিশেষণের কাজ করলে Participle। - ৮. ‘He has been ill _____ Friday last’ fill in the blank.
- ক. Since
- খ. In
- গ. From
- ঘ. On
উত্তর: ক. Since
কোনো কাজ বা অবস্থা অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময়বিন্দু থেকে এখনো চলছে বোঝাতে Perfect tense-এর বাক্যে since বসে। ‘Friday last’ মানে গত শুক্রবার, যা একটি নির্দিষ্ট দিন। তাই বাক্যটি হবে ‘He has been ill since Friday last.’ অর্থাৎ সে গত শুক্রবার থেকে অসুস্থ।
মনে রাখুন:
Since বসে নির্দিষ্ট সময়বিন্দুর আগে: since 2010, since morning।
For বসে সময়ের পরিমাণের আগে: for two days, for a long time। - ৯. Which is the noun form of the word ‘beautiful’?
- ক. Beauteous
- খ. Beauty
- গ. Beautifully
- ঘ. Beautify
উত্তর: খ. Beauty
Beautiful একটি বিশেষণ, যার অর্থ সুন্দর। এর বিশেষ্য রূপ Beauty, অর্থাৎ সৌন্দর্য। অন্য অপশনগুলোর রূপ আলাদা: Beautify ক্রিয়া (সুন্দর করা), Beautifully ক্রিয়াবিশেষণ (সুন্দরভাবে) আর Beauteous একটি প্রাচীন বা কাব্যিক বিশেষণ, যার অর্থও সুন্দর।
মনে রাখুন: Beauty-র সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দ: beautician (রূপসজ্জাকর), beautify (verb)।
উদাহরণ: The beauty of the Sundarbans attracts many tourists. - ১০. ‘Hold water’ means-
- ক. Keep water
- খ. Drink water
- গ. Bear examination
- ঘ. Store water
উত্তর: গ. Bear examination
‘Hold water’ বাগ্ধারার আক্ষরিক অর্থ পানি ধরে রাখা হলেও এর প্রকৃত অর্থ কোনো যুক্তি, তত্ত্ব বা দাবি পরীক্ষা করার পরেও টিকে থাকা, অর্থাৎ যুক্তিযুক্ত বা বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণিত হওয়া। বাক্যে সাধারণত নেতিবাচক রূপে এটি বেশি ব্যবহার হয়। অন্য অপশনগুলো এর আক্ষরিক অর্থ, বাগ্ধারার অর্থ নয়।
উদাহরণ:
His excuse does not hold water. (তার অজুহাত টেকে না।)
Will this theory hold water? - ১১. ‘Out and Out’ means-
- ক. Not at all
- খ. Thoroughly
- গ. To be last
- ঘ. Man of outside
উত্তর: খ. Thoroughly
‘Out and out’ বাগ্ধারার অর্থ সম্পূর্ণভাবে বা পুরোপুরি, অর্থাৎ Thoroughly। এটি সাধারণত কোনো মন্দ গুণকে জোর দিয়ে বোঝাতে বসে, যেমন an out and out liar মানে একেবারে মিথ্যাবাদী। শব্দটি বিশেষণ হিসেবেও চলে এবং ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবেও।
উদাহরণ: He is an out and out rascal.
মনে রাখুন: Out and out-এর সমার্থক: completely, utterly, downright। - ১২. Choose the correct sentence-
- ক. Rich is not always happy
- খ. The rich is not always happy
- গ. The rich is not happy always
- ঘ. The rich are not always happy
উত্তর: ঘ. The rich are not always happy
‘The’ এবং একটি adjective একসঙ্গে বসে একটি পুরো শ্রেণির মানুষকে বোঝাতে পারে। যেমন the rich মানে ধনী লোকেরা এবং the poor মানে গরিব লোকেরা। এরা বহুবচন, তাই ক্রিয়া হয় একবচনের is নয়, বহুবচনের are। আর always সাধারণত be-verb-এর পরে বসে, তাই ঠিক বাক্য ‘The rich are not always happy.’ Rich is not always happy-তে the বাদ পড়েছে এবং বাকি দুটিতে ক্রিয়া একবচন।
মনে রাখুন: একই গঠনের উদাহরণ: the young, the old, the blind, the wise। - ১৩. Choose the correct sentence –আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. He had been hunged for murder
- খ. He has been hunged for murder
- গ. He was hanged for murder
- ঘ. He was hunged of murder
উত্তর: গ. He was hanged for murder
Hang ক্রিয়ার দুটি আলাদা past রূপ আছে। কোনো মানুষকে মৃত্যুদণ্ড হিসেবে ফাঁসি দেওয়া বোঝাতে past ও past participle হয় hanged। আর কোনো জিনিস ঝোলানো বোঝালে রূপ হয় hung। ‘Hunged’ নামে ইংরেজিতে কোনো রূপ নেই। তাই ‘He was hanged for murder’ সঠিক বাক্য, কারণ খুনের শাস্তি ফাঁসি। ‘Murder’-এর আগে for বসে, of বসে না।
উদাহরণ:
The murderer was hanged at dawn.
She hung the picture on the wall. - ১৪. ‘Syntax’ means –আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০২২
- ক. Manner of speech
- খ. Sentence building
- গ. Supplementary tax
- ঘ. Synchronizing act
উত্তর: খ. Sentence building
Syntax শব্দের অর্থ বাক্যগঠন, অর্থাৎ ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ সাজিয়ে কীভাবে শুদ্ধ বাক্য গড়তে হয় তা আলোচনা করা হয়। শব্দের গঠন নিয়ে যে আলোচনা তার নাম Morphology, আর শব্দ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনাকে বলে Semantics। এভাবে Syntax-এর অর্থ Sentence building।
মনে রাখুন: ভাষাবিজ্ঞানের অন্য শাখা: Phonetics (ধ্বনিবিজ্ঞান), Morphology (রূপতত্ত্ব)। - ১৫. ‘Justice delayed is justice denied’ was stated by –
- ক. Disraeli
- খ. Emerson
- গ. Gladstone
- ঘ. Shakespeare
উত্তর: গ. Gladstone
‘Justice delayed is justice denied’ কথাটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম ইউয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোনের (William Ewart Gladstone) উক্তি হিসেবে বহুল পরিচিত। এর অর্থ, বিচার পেতে অযথা দেরি হলে সেটি আসলে বিচার না পাওয়ারই সমান। বিচারব্যবস্থার ধীরগতির সমালোচনায় এই উক্তি এখনো ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখুন: গ্ল্যাডস্টোন উনিশ শতকে চারবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আর ডিজরেইলি তাঁর প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ১৬. ‘বৈরাগ্য সাধনে ____ সে আমার নয়।’ শূন্যস্থান পূরণ করুন।
- ক. আনন্দ
- খ. মুক্তি
- গ. বিশ্বাস
- ঘ. আশ্বাস
উত্তর: খ. মুক্তি
পূর্ণ চরণটি হলো ‘বৈরাগ্যসাধনে মুক্তি, সে আমার নয়।’ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নৈবেদ্য’ কাব্যের ‘মুক্তি’ কবিতার একটি চরণ। এখানে কবি বলতে চেয়েছেন, তিনি সংসার ছেড়ে বৈরাগী হয়ে মুক্তি চান না। বরং সংসারের অসংখ্য বন্ধনের মধ্যে থেকেই তিনি মহানন্দময় মুক্তির স্বাদ পেতে চান। রবীন্দ্রনাথের জীবনদর্শনের একটি প্রধান সুর এখানে ধরা পড়ে।
মনে রাখুন: ‘নৈবেদ্য’ রবীন্দ্রনাথের একটি ভক্তিমূলক কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯০১ সালে প্রকাশিত হয়। - ১৭. সমাস ভাষাকে –
- ক. সংক্ষেপ করে
- খ. বিস্তৃত করে
- গ. ভাষারূপ ক্ষুণ্ন করে
- ঘ. অর্থবোধক করে
উত্তর: ক. সংক্ষেপ করে
সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ। যখন একাধিক পদ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি হয়, তখন বাক্য ছোট ও সংক্ষিপ্ত হয়। যেমন ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’ বলার বদলে সমাসের মাধ্যমে বলি ‘সিংহাসন’। তাই সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে।
মনে রাখুন:
সমাসের প্রধান প্রকার ছয়টি: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব।
সমাস ভেঙে পদগুলো আলাদা করে দেখানোকে ব্যাসবাক্য বলে। - ১৮. ‘সূর্য ‘ এর প্রতিশব্দ –আরও এসেছে: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সহকারী পরিচালক ২০২০
- ক. সুধাংশু
- খ. শশাঙ্ক
- গ. বিধু
- ঘ. আদিত্য
উত্তর: ঘ. আদিত্য
সূর্যের অনেক প্রতিশব্দ আছে, যেমন রবি, ভানু, দিবাকর, ভাস্কর, প্রভাকর, মিহির, অর্ক, তপন ও আদিত্য। দেবমাতা অদিতির পুত্র হিসেবে সূর্যকে আদিত্য বলা হয়। অন্য তিনটি অপশন চাঁদের প্রতিশব্দ। সুধাংশু মানে যাঁর কিরণে সুধা (অমৃত) আছে, শশাঙ্ক মানে যাঁর গায়ে শশ বা খরগোশের চিহ্ন, আর বিধু মানে চাঁদ।
মনে রাখুন: চাঁদের আরও প্রতিশব্দ: চন্দ্র, শশী, হিমাংশু, নিশাকর, সোম। - ১৯. ‘অর্ধচন্দ্র’ এর অর্থ –
- ক. গলা ধাক্কা দেয়া
- খ. অমাবস্যা
- গ. দ্বিতীয়ত
- ঘ. কাস্তে
উত্তর: ক. গলা ধাক্কা দেয়া
‘অর্ধচন্দ্র’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ অর্ধেক চাঁদ বা আধখানা চাঁদ। কিন্তু ‘অর্ধচন্দ্র দেওয়া’ বাগ্ধারায় এর অর্থ গলাধাক্কা দিয়ে কাউকে বের করে দেওয়া। কেউ গলায় আঙুল বাঁকা করে ধাক্কা দিলে তার আকার অনেকটা অর্ধচন্দ্রের মতো দেখায়, সেখান থেকেই এই বাগ্ধারার জন্ম।
মনে রাখুন: কাছাকাছি অর্থের আরেকটি বাগ্ধারা ‘গলাধাক্কা’। অমাবস্যা এখানে ভুল উত্তর, কারণ অমাবস্যায় চাঁদ দেখাই যায় না। - ২০. কোনটি শুদ্ধ?
- ক. সৌজন্নতা
- খ. সৌজন্যতা
- গ. সৌজনতা
- ঘ. সৌজন্য
উত্তর: ঘ. সৌজন্য
‘সুজন’ শব্দ থেকে ষ্ণ্য (য) প্রত্যয়ের সাহায্যে ‘সৌজন্য’ শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার অর্থ ভদ্রতা। শব্দটি নিজেই ভাববাচক বিশেষ্য, তাই এর সঙ্গে আবার ‘তা’ যোগ করার দরকার নেই। যোগ করলে একই অর্থের প্রত্যয় দুবার বসে, তাই ‘সৌজন্যতা’ অশুদ্ধ। শুদ্ধ রূপ ‘সৌজন্য’।
মনে রাখুন: একই কারণে এসব অশুদ্ধ: সৌন্দর্যতা (শুদ্ধ সৌন্দর্য), দারিদ্র্যতা (শুদ্ধ দারিদ্র্য), ঐক্যতা (শুদ্ধ ঐক্য), মাধুর্যতা (শুদ্ধ মাধুর্য)। - ২১. বেগম রোকেয়ার রচনা কোনটি?
- ক. ভাষা ও সাহিত্য
- খ. আয়না
- গ. লালসালু
- ঘ. অবরোধবাসিনী
উত্তর: ঘ. অবরোধবাসিনী
‘অবরোধবাসিনী’ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচনা। এতে তৎকালীন সমাজে পর্দাপ্রথার নামে নারীদের দুর্দশা ও নির্যাতনের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশনের লেখক আলাদা: ‘আয়না’ আবুল মনসুর আহমদের এবং ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্য বিখ্যাত রচনা: মতিচূর (প্রবন্ধ), সুলতানার স্বপ্ন (ইংরেজি Sultana’s Dream), পদ্মরাগ (উপন্যাস)।
তিনি নারীশিক্ষার জন্য ১৯১১ সালে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। - ২২. বাংলা গীতি কবিতায় ভোরের পাখি কে?
- ক. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- খ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: ক. বিহারীলাল চক্রবর্তী
গীতিকবিতা (Lyric Poetry) হলো কবির নিজের অনুভূতি ও আবেগের প্রকাশ। বাংলা সাহিত্যে এই ধারার সূচনা করেন বিহারীলাল চক্রবর্তী, তাই তিনি বাংলা গীতিকবিতার পথিকৃৎ। ভোরের পাখি যেমন সূর্য ওঠার আগে প্রথম গান শুরু করে, তেমনি তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার সূচনা করেছিলেন বলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলেছেন।
মনে রাখুন:
বিহারীলালের বিখ্যাত কাব্য ‘সারদামঙ্গল’ (১৮৭৯)।
তাঁর অন্য কাব্য: বঙ্গসুন্দরী, নিসর্গসন্দর্শন, সাধের আসন। - ২৩. কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
- ক. একটা গোপনীয় কথা বলি
- খ. একটি গোপন কথা বলি
- গ. একটি গোপণ কথা বলি
- ঘ. একটি গুপ্ত কথা বলি
উত্তর: খ. একটি গোপন কথা বলি
‘গোপন’ শব্দটি নিজেই বিশেষণ, যার অর্থ লুকানো বা অপ্রকাশ্য। তাই ‘একটি গোপন কথা বলি’ শুদ্ধ বাক্য। বাক্যের ‘গোপনীয়’ রূপটি মূলত দাপ্তরিক ও লিখিত ভাষায় চলে, আর ‘একটা’ কথ্য রূপ। ‘গোপণ’ বানানটি ভুল, কারণ এখানে ণ-ত্ব বিধানের কোনো কারণ নেই এবং ‘গোপন’-এ দন্ত্য ন হয়। আর ‘গুপ্ত কথা’ সাধারণ কথায় শোনা যায় না। এই সব বিবেচনায় শুদ্ধ রূপ ‘একটি গোপন কথা বলি’।
মনে রাখুন: ভুল বানান মনে রাখতে হলে দেখুন কোথায় ণ বসে না: তৎসম শব্দে ঋ, র, ষ-এর পরে ণ বসে (যেমন কারণ, ঋণ), কিন্তু ‘গোপন’-এর মধ্যে এর কোনোটিই নেই। - ২৪. শিষ্টাচার’ – এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. নিষ্ঠা
- খ. সদাচার
- গ. সততা
- ঘ. সংযম
উত্তর: খ. সদাচার
শিষ্টাচার মানে ভদ্র, মার্জিত ও শালীন আচরণ, অর্থাৎ শিষ্ট (ভদ্র) লোকের আচার। এর সমার্থক শব্দ সদাচার, যার অর্থ সৎ ও ভালো আচরণ। অন্য অপশনগুলো আলাদা অর্থ বহন করে: নিষ্ঠা মানে একাগ্রতা বা আন্তরিক অনুরাগ, সততা মানে সৎ থাকার গুণ আর সংযম মানে নিজের আবেগ বা ইচ্ছা সামলে রাখা।
মনে রাখুন: শিষ্টাচার-এর আরও সমার্থক: ভদ্রতা, সৌজন্য, শালীনতা। বিপরীত শব্দ: অশিষ্টাচার বা অভদ্রতা। - ২৫. ‘সংশয়’ – এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. নির্ভয়
- খ. বিস্ময়
- গ. প্রত্যয়
- ঘ. দ্বিধা
উত্তর: গ. প্রত্যয়
সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ বা অনিশ্চয়তা, অর্থাৎ কোনো বিষয়ে মন দোলাচলে থাকা। এর বিপরীত হলো প্রত্যয়, যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে দ্বিধা সংশয়ের কাছাকাছি অর্থ বোঝায়, তাই সেটি সমার্থক। নির্ভয় মানে ভয়হীন, আর বিস্ময় মানে আশ্চর্য হওয়া, এগুলো সংশয়ের বিপরীত নয়।
মনে রাখুন: সংশয়ের সমার্থক শব্দ সন্দেহ, দ্বিধা, অনিশ্চয়তা। প্রত্যয় শব্দের আরেক অর্থ ব্যাকরণের শব্দ গঠনের অংশ, তবে এখানে অর্থ বিশ্বাস। - ২৬. ‘ক্ষমার যোগ্য’ – এর বাক্য সংকোচন-
- ক. ক্ষমার্হ
- খ. ক্ষমাপ্রার্থী
- গ. ক্ষমা
- ঘ. ক্ষমাপ্রদ
উত্তর: ক. ক্ষমার্হ
বাক্য সংকোচন বা বাক্য সংকোচনে একটি লম্বা বাক্যাংশকে এক শব্দে প্রকাশ করা হয়। ‘অর্হ’ শব্দের অর্থ যোগ্য। তাই ‘ক্ষমার যোগ্য’ বোঝাতে ক্ষমা + অর্হ = ক্ষমার্হ বলা হয়। ক্ষমাপ্রার্থী মানে যে ক্ষমা চায়, আর ক্ষমাপ্রদ মানে যা ক্ষমা দেয়, তাই এরা ঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখুন:
প্রশংসার যোগ্য = প্রশংসনীয়
পূজার যোগ্য = পূজ্য
ক্ষমার যোগ্য = ক্ষমার্হ, ক্ষমণীয় - ২৮. ‘মোস্তফা চরিত’ গ্রন্থের রচয়িতা-
- ক. মুহম্মদ আব্দুল হাই
- খ. মোঃ বরকতুল্লাহ
- গ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- ঘ. মাওলানা আকরম খাঁ
উত্তর: ঘ. মাওলানা আকরম খাঁ
‘মোস্তফা চরিত’ গ্রন্থটির লেখক মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ। এতে তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনী লিখেছেন। বইটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। আকরম খাঁ একজন সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদও ছিলেন এবং তিনি দৈনিক আজাদ পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
মনে রাখুন: আকরম খাঁর সম্পাদিত বা প্রতিষ্ঠিত পত্রিকা: মাসিক মোহাম্মদী, দৈনিক আজাদ (১৯৩৬)। - ২৯. ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থের রচয়িতা-
- ক. মুহম্মদ আব্দুল হাই
- খ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- গ. আবুল মনসুর আহ্মদ
- ঘ. আতাউর রহমান
উত্তর: গ. আবুল মনসুর আহ্মদ
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ আবুল মনসুর আহমদের লেখা রাজনৈতিক স্মৃতিকথা। এতে তিনি ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তান আমল পর্যন্ত বাংলার রাজনীতির নিজের চোখে দেখা ঘটনা তুলে ধরেছেন। তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন।
মনে রাখুন:
আবুল মনসুর আহমদের ব্যঙ্গ-রচনা: আয়না (১৯৩৫), ফুড কনফারেন্স, গালিভরের সফরনামা।
আতাউর রহমান খান লিখেছেন ‘ওজারতির দুই বছর’ ও ‘স্বৈরাচারের দশ বছর’। - ৩০. পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক-
- ক. ভরতচন্দ্র রায়
- খ. দৌলত কাজী
- গ. সৈয়দ হামজা
- ঘ. আব্দুল হাকিম
উত্তর: গ. সৈয়দ হামজা
পুঁথি সাহিত্য বলতে বাংলায় আরবি-ফারসি শব্দ মেশানো দোভাষী পুঁথির ধারাকে বোঝানো হয়, যা মূলত মুসলমান সমাজে জনপ্রিয় ছিল। ফকির গরীবুল্লাহ এই ধারার প্রথম বড় কবি। তাঁর পর আঠারো শতকের কবি সৈয়দ হামজা এই ধারার একজন প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত। দৌলত কাজী ও আবদুল হাকিম মধ্যযুগের কবি হলেও তাঁদের রচনা দোভাষী পুঁথির নয়, আর ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মঙ্গলকাব্যের শেষ প্রধান কবি। তাই অপশনের মধ্যে পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীন কবি সৈয়দ হামজা।
মনে রাখুন: সৈয়দ হামজার রচনা: আমীর হামজা, মধুমালতী, জৈগুনের পুঁথি, হাতেমতাই। - ৩১. ‘চাচা কাহিনীর’ লেখক-
- ক. সৈয়দ শামসুল হক
- খ. সৈয়দ মুজতবা আলী
- গ. শওকত ওসমান
- ঘ. ফররুখ আহমেদ
উত্তর: খ. সৈয়দ মুজতবা আলী
‘চাচা কাহিনী’ সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি রম্য গল্পের বই। সৈয়দ মুজতবা আলী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত রম্য-রচয়িতা ও ভ্রমণ-লেখক। এই বইয়ে বার্লিনের প্রবাসী ভারতীয়দের আড্ডা এবং তাদের চাচার মজার গল্প আছে। অন্য লেখকেরা অন্য বইয়ের জন্য পরিচিত: সৈয়দ শামসুল হক ‘খেলারাম খেলে যা’, শওকত ওসমান ‘জননী’ ও ‘ক্রীতদাসের হাসি’, আর ফররুখ আহমদ ‘সাত সাগরের মাঝি’।
মনে রাখুন: মুজতবা আলীর আরও বিখ্যাত বই: দেশে বিদেশে, পঞ্চতন্ত্র, জলে ডাঙ্গায়, শবনম। - ৩২. বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. শব্দ
- খ. কারক
- গ. পদ
- ঘ. ক্রিয়াপদ
উত্তর: গ. পদ
কোনো শব্দ বা ধাতুর শেষে বিভক্তি যুক্ত হলে সেটি বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে। বিভক্তিযুক্ত এই শব্দ বা ধাতুকে পদ (Parts of Speech) বলে। যেমন ‘বই’ একটি শব্দ, কিন্তু ‘বইটি’ বা ‘বইয়ে’ পদ। একইভাবে ‘কর্’ ধাতু, আর ‘করে’ ক্রিয়াপদ। বিভক্তি ছাড়া শব্দ সরাসরি বাক্যে বসতে পারে না। ক্রিয়াপদ হলো পদের একটি প্রকার মাত্র, সব বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুর নাম নয়।
মনে রাখুন: পদ পাঁচ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয়। - ৩৩. ‘রাজলক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা ঔপন্যাসিক-
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র
- খ. শরৎচন্দ্র
- গ. তারাশংকর
- ঘ. নজরুল ইসলাম
উত্তর: খ. শরৎচন্দ্র
রাজলক্ষ্মী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের একটি প্রধান নারী চরিত্র। তিনি বাইজি হিসেবে পিয়ারী বাইজি নামেও পরিচিত ছিলেন, আর কাহিনিতে শ্রীকান্তের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা প্রকাশ পায়। শ্রীকান্ত উপন্যাস চার খণ্ডে প্রকাশিত।
মনে রাখুন: শরৎচন্দ্রের অন্য বিখ্যাত উপন্যাস: দেবদাস, পথের দাবী, চরিত্রহীন, গৃহদাহ। তাঁকে অপরাজেয় কথাশিল্পী বলা হয়।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- ২৭. __ সেপ্টেম্বর বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস। শূন্যস্থান পূরণ করুন।
- ক. ৮
- খ. ৬
- গ. ১০
- ঘ. ৫
উত্তর: ক. ৮
প্রতি বছর ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৬৫ সালে এই দিনটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়, আর ১৯৬৬ সাল থেকে পৃথিবীজুড়ে দিনটি পালিত হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো পড়তে ও লিখতে না জানা মানুষের সংখ্যা কমানো এবং সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরা।
মনে রাখুন: ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। - ৫০. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত কত?
- ক. ৯ : ৫
- খ. ১১ : ৭
- গ. ১০ : ৬
- ঘ. ৮ : ৬
উত্তর: গ. ১০ : ৬
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আয়তাকার, যার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬। পতাকার জমিন গাঢ় সবুজ, আর তার মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত আছে, যার ব্যাসার্ধ দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। সবুজ রং বাংলার সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, আর লাল বৃত্ত মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রক্ত এবং উদীয়মান সূর্যের প্রতীক।
মনে রাখুন: ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো হয়েছিল। তখন লাল বৃত্তের ভেতরে হলুদ রঙে মানচিত্র ছিল, যা স্বাধীনতার পর বাদ দেওয়া হয়। - ৫৩. বাসস একটি-
- ক. সংবাদ সংস্থার নাম
- খ. একটি প্রেস ক্লাবের নাম
- গ. একটি খবরের কাগজের নাম
- ঘ. একটি বিদেশী কোম্পানির নাম
উত্তর: ক. সংবাদ সংস্থার নাম
বাসস হলো বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (Bangladesh Sangbad Sangstha), অর্থাৎ দেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা। সংবাদ সংস্থা দেশ-বিদেশের খবর সংগ্রহ করে পত্রপত্রিকা, রেডিও ও টেলিভিশনের কাছে সরবরাহ করে। স্বাধীনতার পরে ১৯৭২ সালে বাসস প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি কোনো প্রেস ক্লাব, খবরের কাগজ বা বিদেশি কোম্পানি নয়।
মনে রাখুন:
স্বাধীনতার আগে এই কাজ করত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তান (এপিপি)।
অন্য বিখ্যাত সংবাদ সংস্থা: রয়টার্স (যুক্তরাজ্য), এএফপি (ফ্রান্স), এপি (যুক্তরাষ্ট্র)। - ৫৪. বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়-
- ক. ২৬ মার্চ
- খ. ১৬ ডিসেম্বর
- গ. ২১ ফেব্রুয়ারি
- ঘ. ১৪ ডিসেম্বর
উত্তর: ঘ. ১৪ ডিসেম্বর
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বিজয় যখন প্রায় নিশ্চিত, তখন পরাজয় আসন্ন বুঝে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দেশীয় সহযোগী আলবদর-আলশামস বাহিনী পরিকল্পিতভাবে দেশের বহু শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিককে ধরে নিয়ে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ড ঘটে ১৪ ডিসেম্বর, তাই প্রতি বছর এই দিনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়। বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে জাতি এভাবে তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়েছিল।
মনে রাখুন:
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
রায়েরবাজার ও মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী বধ্যভূমি আছে। - ৫৬. চীন- বাংলাদেশে মৈত্রী সেতু-১ নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য-
- ক. ঢাকা শহরকে নদীর ওপারে বিস্তৃত করা
- খ. বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সুসম্পর্কের স্থায়ী বন্ধন সৃষ্টি করা
- গ. ঢাকা-আরিচা রোডে যানবাহন চলাচলের চাপ কমানো
- ঘ. দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা
উত্তর: ঘ. দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-১ চীনের সহায়তায় নির্মিত হয়েছিল। সেতু বানানোর সাধারণ উদ্দেশ্য হলো নদীতে আটকে থাকা সড়কপথকে জোড়া দেওয়া। এই সেতু ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ সহজ ও দ্রুত করেছে। দুই দেশের বন্ধুত্বের নাম সেতুর সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও বাস্তবে সেতুটি নির্মাণের মূল কারণ ছিল পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন।
মনে রাখুন: ঢাকার আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (বিআইসিসি) আগে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র নামে পরিচিত ছিল। - ৫৭. হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়-
- ক. ১৯৪৭ সালে
- খ. ১৯৮৬ সালে
- গ. ১৯৮৫ সালে
- ঘ. ১৯৮৪ সালে
উত্তর: খ. ১৯৮৬ সালে
সিলেটের হরিপুরে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। আমাদের দেশে তেলের চেয়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত অনেক বেশি, তাই তেল আবিষ্কারকে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা বলে ধরা হয়। হরিপুরের এই তেল পরে অল্প সময় উৎপাদনের পর বন্ধ হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
হরিপুরেই আগে, ১৯৫৫ সালে, গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল।
বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র তাই সিলেটের হরিপুর। - ৫৮. মিশুকের স্থপতি কে?
- ক. মোস্তফা মনোয়ার
- খ. হামিদুর রহমান
- গ. শামীম শিকদার
- ঘ. হামিদুজ্জামান খান
উত্তর: ক. মোস্তফা মনোয়ার
১৯৮৫ সালে ঢাকায় সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয়। সেই আসরের মাসকট (Mascot), অর্থাৎ প্রতীক চরিত্র, ছিল ‘মিশুক’ নামের একটি হরিণ শাবক। এর নকশা করেন শিল্পী মোস্তফা মনোয়ার।
মনে রাখুন:
মোস্তফা মনোয়ার একজন শিল্পী ও পুতুল-নাট্যকার, শিশুদের অনুষ্ঠান ‘সিসিমপুর’-এর সঙ্গে তাঁর নাম জড়িত।
মাসকট হলো কোনো ক্রীড়া বা অনুষ্ঠানের শুভংকর প্রতীক। - ৫৯. বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়?
- ক. রংপুর
- খ. ময়মনসিংহ
- গ. টাঙ্গাইল
- ঘ. ফরিদপুর
উত্তর: ঘ. ফরিদপুর
পরীক্ষার সময়ে (১১তম বিসিএস) সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হতো ফরিদপুর জেলায়। পাট জন্মায় বর্ষার পানিতে ডোবা নিচু ও উর্বর পলিমাটিতে, ফরিদপুর অঞ্চলে সেই সুবিধা ছিল, তাই এখানে পাটের ফলন ভালো হতো। পাটের ভালো আঁশ পাওয়ার জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া এবং প্রচুর পানির দরকার হয়।
মনে রাখুন:
পাটকে বলা হয় সোনালি আঁশ।
পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম, ২০১০ সালে।
হালনাগাদ: সাম্প্রতিক বছরগুলোর হিসাবে ফরিদপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল প্রভৃতি জেলায় পাট বেশি উৎপন্ন হয়। - ৬০. বাংলাদেশের মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় কত?
- ক. ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
- খ. ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
- গ. ২ কোটি একর
- ঘ. ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
উত্তর: ক. ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
বাংলাদেশের মোট আয়তন প্রায় ১ লক্ষ ৪৭ হাজার বর্গকিলোমিটার, আর এর বড় অংশই সমতল ও উর্বর কৃষিজমি। পরীক্ষার সময়ের হিসাব অনুযায়ী দেশের আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ধরা হতো প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর। জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরবাড়ি, রাস্তা ও শিল্পের জন্য আবাদি জমি কমছে, ফলে এই পরিসংখ্যান সময়ের সঙ্গে বদলায়।
মনে রাখুন: দেশের মোট জমির অর্ধেকের বেশি এলাকা চাষের আওতায়, আর বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান। - ৬১. উপকূল হতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
- ক. ২৫০ নটিক্যাল মাইল
- খ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
- গ. ২২৫ নটিক্যাল মাইল
- ঘ. ১০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর: খ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন (UNCLOS, ১৯৮২) অনুযায়ী একটি উপকূলীয় দেশ ভিত্তিরেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সমুদ্র এলাকায় একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone) ভোগ করে। এই এলাকায় মাছ ধরা, তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও অন্যান্য সম্পদ আহরণের অধিকার সেই দেশেরই থাকে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমাও ২০০ নটিক্যাল মাইল।
মনে রাখুন:
ভিত্তিরেখা থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় রাজ্যসীমা (Territorial Sea), আর ২৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সংলগ্ন এলাকা।
২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি হয়। - ৬২. মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. করতোয়া
- খ. গঙ্গা
- গ. ব্রহ্মপুত্র
- ঘ. মহানন্দা
উত্তর: ক. করতোয়া
মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন নগরকেন্দ্র, যার প্রাচীন নাম পুণ্ড্রনগর। এটি করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। একসময় এই নগর ছিল পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের রাজধানী, আর আজ এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম পরিচিত নগর-দুর্গগুলোর একটি।
মনে রাখুন:
মহাস্থানগড়ে পাওয়া ব্রাহ্মী লিপির শিলালিপি বাংলাদেশের প্রাচীনতম লিপি।
মহাস্থানগড়ের পাশে শাহ সুলতান বলখীর মাজার আছে। - ৬৩. ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো-
- ক. অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
- খ. ঔষধ শিল্পে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার নিশ্চিত করা
- গ. ঔষধ শিল্পে দেশীয় শিল্পপতিদের অগ্রাধিকার দেয়া
- ঘ. বিদেশী শিল্পপতিদের দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহারে বাধ্য করা
উত্তর: ক. অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
১৯৮২ সালের জাতীয় ঔষধ নীতির (Drug Policy) প্রধান লক্ষ্য ছিল অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর ওষুধের উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ করা। এর ফলে বহু ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ নিষিদ্ধ হয়। পাশাপাশি জরুরি ওষুধের একটি তালিকা তৈরি হয় এবং দেশীয় ওষুধশিল্প এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। দেশীয় কাঁচামাল বা দেশীয় শিল্পপতিদের অগ্রাধিকার এর পরের ফল, মূল উদ্দেশ্য নয়।
মনে রাখুন: এই নীতি ১৯৮২ সালে ঔষধ (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ হিসেবে জারি হয়। - ৬৪. বিকেএসপি হলো-
- ক. একটি ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থার নাম
- খ. একটি সংবাদ সংস্থার নাম
- গ. একটি কিশোর ফুটবল টিমের নাম
- ঘ. একটি সঙ্গীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম
উত্তর: ক. একটি ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থার নাম
বিকেএসপি (BKSP) মানে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি ঢাকার কাছে সাভারে অবস্থিত। এখানে প্রতিভাবান শিশু-কিশোররা স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেট, ফুটবল, সাঁতার, অ্যাথলেটিক্সসহ নানা খেলায় নিয়মিত প্রশিক্ষণ নেয়। বিকেএসপি কোনো সংবাদ সংস্থা, ফুটবল দল বা সঙ্গীত প্রতিষ্ঠান নয়।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের অনেক জাতীয় দলের খেলোয়াড় বিকেএসপি থেকে উঠে এসেছেন। - ৬৫. মা ও মনি’ হলো-
- ক. একটি উপন্যাসের নাম
- খ. একটি প্রসাধনী শিল্পের নাম
- গ. একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
- ঘ. একটি গরিব মা ও মেয়ের গল্প কাহিনী
উত্তর: গ. একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
‘মা ও মণি’ হলো একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম, যেটি পরীক্ষার সময়ে প্রচলিত ছিল। এটি কোনো উপন্যাস, প্রসাধনী শিল্প বা গরিব মা-মেয়ের গল্পের নাম নয়। প্রশ্নে নামগুলো ইচ্ছা করেই সাহিত্য ও প্রসাধনীর দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই নামের ধরন দেখে নয়, জানা তথ্য থেকে উত্তর বাছতে হয়। - ৬৬. প্রাচীন ‘চন্দ্রদ্বীপ’ -এর বর্তমান নাম-
- ক. মালদ্বীপ
- খ. সন্দ্বীপ
- গ. বরিশাল
- ঘ. হাতিয়া
উত্তর: গ. বরিশাল
প্রাচীন বাংলার একটি জনপদের নাম চন্দ্রদ্বীপ। এর অবস্থান ছিল বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে। মধ্যযুগে এই অঞ্চল বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নামেও পরিচিত ছিল। মালদ্বীপ ভারত মহাসাগরের একটি আলাদা দেশ, আর সন্দ্বীপ ও হাতিয়া বঙ্গোপসাগরের দুটি দ্বীপ, এগুলোর সঙ্গে চন্দ্রদ্বীপের কোনো মিল নেই।
মনে রাখুন:
প্রাচীন জনপদ বরেন্দ্র বা পুণ্ড্র উত্তরবঙ্গে।
সমতট কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলে।
হরিকেল সিলেট-চট্টগ্রাম অঞ্চলে। - ৮৫. সর্বপ্রথমে যে উফশি ধান এ দেশে চালু হয়ে এখনো বর্তমান রয়েছে তা হলো-
- ক. ইরি – ৮
- খ. ইরি – ১
- গ. ইরি – ২০
- ঘ. ইরি – ৩
উত্তর: ক. ইরি – ৮
ষাটের দশকের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (International Rice Research Institute, IRRI) উদ্ভাবিত ইরি-৮ বাংলাদেশে প্রথম উচ্চফলনশীল (উফশী) ধান হিসেবে চালু হয়। এই জাত সাধারণ দেশি ধানের চেয়ে অনেক বেশি ফলন দেয় এবং দেশে সবুজ বিপ্লবের সূচনা করে। ইরি-৮ বোরো মৌসুমে চাষ হয় এবং এখনো কিছু এলাকায় চাষ হচ্ছে।
মনে রাখুন:
ইরি (IRRI) ফিলিপাইনের লস বানোসে অবস্থিত।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) গাজীপুরের জয়দেবপুরে, এখান থেকে ব্রি ধান-১ ইত্যাদি জাত বের হয়েছে।
গাণিতিক যুক্তি
- ৩৪. চালের মূল্য ১২% কমে যাওয়ায় ৬,০০০ টাকায় পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল চালের বর্তমান মূল্য কত?
- ক. ৭৫০ টাকা
- খ. ৭০০ টাকা
- গ. ৭২০ টাকা
- ঘ. ৭৫ টাকা
উত্তর: গ. ৭২০ টাকা
দাম কমার পর এক কুইন্টাল চালের দাম p টাকা ধরি। আগের দাম ছিল p ÷ 0.88 টাকা। ৬,০০০ টাকায় এখন পাওয়া যায় 6000/p কুইন্টাল, আর আগে পাওয়া যেত 6000 × 0.88 / p কুইন্টাল।
বাড়তি চাল = 1 কুইন্টাল, তাই 6000/p − 5280/p = 1, অর্থাৎ 720/p = 1। এখান থেকে p = 720 টাকা।
মনে রাখুন: ব্যয়ের মোট টাকা স্থির থাকলে দাম কমার ফলে বাড়তি পরিমাণ বের করতে দুই অবস্থার পরিমাণ বিয়োগ করতে হয়। - ৩৫. একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য বিস্তারের ৩ গুণ। দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার হলে, ক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
- ক. ১২৮ মিটার
- খ. ১৪৪ মিটার
- গ. ৬৪ মিটার
- ঘ. ৯৬ মিটার
উত্তর: ক. ১২৮ মিটার
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য তার প্রস্থের তিন গুণ, তাই প্রস্থ = 48 ÷ 3 = 16 মিটার। আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2 × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = 2 × (48 + 16) = 2 × 64 = 128 মিটার।
মনে রাখুন: আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ। এখানে তা 48 × 16 = 768 বর্গমিটার। - ৩৬. ক ঘণ্টায় ১০ কি.মি. এবং খ ঘণ্টায় ১৫ কি.মি. বেগে একই স্থান থেকে রাজশাহীর পথে রওয়ানা হলো। ক ১০.১০ মিনিটের সময় এবং খ ৯.৪০ মিনিটের সময় রাজশাহী পৌঁছল। রওয়ানা হওয়ার স্থান থেকে রাজশাহীর দূরত্ব কত কি.মি.?
- ক. ২০ কিমি
- খ. ২৫ কিমি
- গ. ১৫ কিমি
- ঘ. ২৮ কিমি
উত্তর: গ. ১৫ কিমি
ক ও খ একই জায়গা থেকে রওনা হয়েছে, কিন্তু খ ৯টা ৪০ মিনিটে এবং ক ১০টা ১০ মিনিটে পৌঁছেছে। তাই খ ৩০ মিনিট, অর্থাৎ 1/2 ঘণ্টা আগে পৌঁছেছে। দূরত্ব d কিমি হলে ক-এর সময় d/10 ঘণ্টা এবং খ-এর সময় d/15 ঘণ্টা।
সময়ের পার্থক্য d/10 − d/15 = 1/2, অর্থাৎ d/30 = 1/2, তাই d = 15 কিমি।
মনে রাখুন: দূরত্ব = বেগ × সময়, আর একই দূরত্বে সময়ের অনুপাত বেগের উল্টো অনুপাতের সমান। - ৩৭. ১৯, ৩৩, ৫১, ৭৩, ___ পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
- ক. ৮৫
- খ. ১২১
- গ. ৯৯
- ঘ. ৯৮
উত্তর: গ. ৯৯
সংখ্যা ধারার নিয়ম বের করতে পরপর দুই সংখ্যার পার্থক্য দেখি: 33 − 19 = 14, 51 − 33 = 18, 73 − 51 = 22। পার্থক্যগুলো প্রতিবার 4 করে বাড়ছে। তাই পরের পার্থক্য হবে 22 + 4 = 26, আর পরের সংখ্যা 73 + 26 = 99।
মনে রাখুন: পার্থক্যগুলো সমান হলে ধারাটি সমান্তর ধারা, আর পার্থক্যের পার্থক্য সমান হলে ধারাটি দ্বিঘাত নিয়মে চলে। - ৩৮. একটি ক্রিকেট দলে যতজন স্ট্যাম্প আউট হলো তার দেড়গুণ কট আউট হলো এবং মোট উইকেটের অর্ধেক বোল্ড আউট হলো। এই দলের কতজন কট আউট হলো?
- ক. ৪ জন
- খ. ৩ জন
- গ. ২ জন
- ঘ. ৫ জন
উত্তর: খ. ৩ জন
ক্রিকেট দলের একটি ইনিংসে সর্বোচ্চ ১০টি উইকেট পড়তে পারে, তাই মোট উইকেট 10। স্টাম্পড আউট x জন হলে কট আউট 1.5x জন। বোল্ড আউট মোট উইকেটের অর্ধেক, অর্থাৎ 10 ÷ 2 = 5 জন।
তাহলে x + 1.5x + 5 = 10, বা 2.5x = 5, x = 2। কট আউট 1.5 × 2 = 3 জন। - ৩৯. একটি বন্দুকের গুলি প্রতি সেকেন্ডে ১,৫৪০ ফুট গতিবেগে লক্ষ্যভেদ করে। এক ব্যক্তি বন্দুক ছুঁড়বার ৩ সেকেন্ড পরে লক্ষ্যভেদের শব্দ শুনতে পায়। শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে ১১০০ ফুট। লক্ষ্য বস্তুর দূরত্ব কত?
- ক. ২০২৫ ফুট
- খ. ১৯২৫ ফুট
- গ. ১৯৭৫ ফুট
- ঘ. ১৮৭৫ ফুট
উত্তর: খ. ১৯২৫ ফুট
গুলি লক্ষ্যে পৌঁছাতে সময় নেয় d/1540 সেকেন্ড, তারপর লক্ষ্যভেদের শব্দ ফিরে আসতে সময় লাগে d/1100 সেকেন্ড। মোট সময় 3 সেকেন্ড, তাই d/1540 + d/1100 = 3। হর ল.সা.গু 7700 নিয়ে পাই (5d + 7d)/7700 = 3, বা 12d = 23100। তাই d = 1925 ফুট।
মনে রাখুন: গতিবেগ সূত্র: দূরত্ব = বেগ × সময়। - ৪০. a – {a – (a + 1)} = কত?
- ক. a – 1
- খ. 1
- গ. a
- ঘ. a + 1
উত্তর: ঘ. a + 1
গণিতে বন্ধনী খোলার সময় ভেতরের বন্ধনী আগে খুলতে হয়। ভেতরের অংশ a − (a + 1) = a − a − 1 = −1। তাহলে বাইরের বন্ধনীসহ রাশিটি দাঁড়ায় a − {−1}। ঋণাত্মক চিহ্নের আগে বিয়োগ থাকলে তা যোগ হয়ে যায়, তাই a − {−1} = a + 1।
মনে রাখুন: বন্ধনীর আগে বিয়োগ চিহ্ন থাকলে বন্ধনী খোলার সময় ভেতরের প্রতিটি চিহ্ন উল্টে যায়। - ৪১. একটি পাত্রে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ঃ২। যদি পানি অপেক্ষা দুধের পরিমাণ ৬ লিটার বেশি হয় তবে পানির পরিমাণ-
- ক. ১৪ লিটার
- খ. ৬ লিটার
- গ. ১০ লিটার
- ঘ. ৪ লিটার
উত্তর: ঘ. ৪ লিটার
দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ২। তাই দুধ 5x লিটার এবং পানি 2x লিটার ধরি। দুধ পানির চেয়ে ৬ লিটার বেশি, তাই 5x − 2x = 6, অর্থাৎ 3x = 6 এবং x = 2। সুতরাং পানির পরিমাণ 2 × 2 = 4 লিটার।
যাচাই করি: দুধ 10 লিটার, পানি 4 লিটার, অনুপাত 10 : 4 = 5 : 2 এবং পার্থক্য 6 লিটার। - ৪২. ক-এর বেতন খ-এর বেতন অপেক্ষা শতকরা ৩৫ টাকা বেশি হলে খ-এর বেতন ক-এর বেতন অপেক্ষা কত টাকা কম?
- ক. ২৭ টাকা
- খ. ২৫.৯৩ টাকা
- গ. ৪০ টাকা
- ঘ. ২৫.৫০ টাকা
উত্তর: খ. ২৫.৯৩ টাকা
খ-এর বেতন ১০০ টাকা ধরি। ক-এর বেতন খ-এর চেয়ে ৩৫% বেশি, তাই ক-এর বেতন 135 টাকা। ক-এর তুলনায় খ-এর বেতন কম 135 − 100 = 35 টাকা। শতকরা কম = (35 ÷ 135) × 100 = 25.93%।
মনে রাখুন: কম বা বেশি কতটা হলো তা সবসময় যার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে তার মানের ওপর শতকরা ধরতে হয়, তাই এখানে ভিত্তি ক-এর বেতন। - ৪৩. ১০টি সংখ্যার যোগফল ৪৬২। এদের প্রথম ৪টির সংখ্যার গড় ৫২ এবং শেষের ৫টির সংখ্যার গড় ৩৮। পঞ্চম সংখ্যাটি কত?
- ক. ৬০
- খ. ৬৪
- গ. ৬২
- ঘ. ৫০
উত্তর: খ. ৬৪
দশটি সংখ্যার যোগফল 462। প্রথম চারটির গড় 52, তাই তাদের যোগফল 4 × 52 = 208। শেষ পাঁচটির গড় 38, তাই তাদের যোগফল 5 × 38 = 190। প্রথম চারটি ও শেষ পাঁচটি মিলে ৯টি সংখ্যা হয়, বাকি ১টি হলো পঞ্চম সংখ্যা।
সুতরাং পঞ্চম সংখ্যা = 462 − (208 + 190) = 462 − 398 = 64। - ৪৪. এক মিটার সমান কত ইঞ্চি?
- ক. ৩৭.৩৯ ইঞ্চি
- খ. ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
- গ. ৩৯.৪৭ ইঞ্চি
- ঘ. ৩৮.৫৫ ইঞ্চি
উত্তর: খ. ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
মিটার ও ইঞ্চি দুটি আলাদা পদ্ধতির একক, তাই এদের সম্পর্ক মনে রাখতে হয়। প্রমাণ মান অনুযায়ী 1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার। আবার 1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার। সুতরাং 1 মিটার = 100 ÷ 2.54 = 39.37 ইঞ্চি (প্রায়)।
মনে রাখুন:
1 মিটার ≈ 3.28 ফুট।
1 ফুট = 12 ইঞ্চি, আর 1 গজ = 3 ফুট।
1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল। - ৪৫. একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধকে যদি r থেকে বৃদ্ধি করে r + n করা হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হয়। r এর মান কত?
- ক. n/(√2-1)
- খ. n+√2
- গ. √(2n)
- ঘ. √[2(n+1)]
উত্তর: ক. n/(√2-1)
বৃত্তের ক্ষেত্রফল πr²। ব্যাসার্ধ r + n হলে ক্ষেত্রফল π(r + n)²। এটি আগের ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণ হলে π(r + n)² = 2πr², তাই (r + n)² = 2r² এবং r + n = √2 r।
এখান থেকে n = √2 r − r = r(√2 − 1)। তাহলে r = n/(√2 − 1)।
মনে রাখুন: বৃত্তের ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ করতে ব্যাসার্ধ √2 গুণ করতে হয়, কারণ ক্ষেত্রফল ব্যাসার্ধের বর্গের সমানুপাতিক। - ৪৬. (15 ÷ 15 × 15)/(15 ÷ 15 এর 15) = কত?
- ক. 122
- খ. 225
- গ. 1225
- ঘ. 125
উত্তর: খ. 225
এমন হিসাবে ‘এর’ কথাটি গুণের মতো কাজ করে এবং ভাগ বা গুণের আগে ‘এর’ অংশটি হিসাব করতে হয় (BODMAS-এর ‘of’ অংশ)। লবে 15 ÷ 15 × 15 = 1 × 15 = 15। হরে ‘15 ÷ 15 এর 15’-তে আগে 15 এর 15 = 225 করি, তারপর 15 ÷ 225 = 1/15।
তাহলে রাশির মান = 15 ÷ (1/15) = 15 × 15 = 225।
মনে রাখুন: সরলীকরণের ক্রম: বন্ধনী, এর (of), ভাগ, গুণ, যোগ, বিয়োগ। - ৪৭. (x + 3)(x – 3) কে x² – 6 দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?
- ক. -6
- খ. 3
- গ. 6
- ঘ. -3
উত্তর: ঘ. -3
(x + 3)(x − 3) হলো দুই বর্গের অন্তরের সূত্র, যার মান x² − 3² = x² − 9। এখন এই রাশিকে x² − 6 দিয়ে ভাগ করতে হবে। x² − 9 কে লেখা যায় (x² − 6) − 3, তাই ভাগফল 1 এবং ভাগশেষ −3। কারণ ভাজকের ঘাত ২, আর ভাগশেষের ঘাত তার চেয়ে কম হতে হয়, এখানে −3 একটি ধ্রুবক।
মনে রাখুন: ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ। এখানে x² − 9 = (x² − 6) × 1 + (−3)। - ৪৮. a3-b3 = 513 এবং a-b = 3হয়, তবে ab এর মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৫
- ক. 54
- খ. 35
- গ. 45
- ঘ. 55
উত্তর: ক. 54
a³ − b³ রাশির একটি পরিচিত সূত্র হলো a³ − b³ = (a − b)³ + 3ab(a − b)। প্রশ্নে a³ − b³ = 513 এবং a − b = 3 দেওয়া আছে। মান বসালে 513 = 3³ + 3ab × 3 = 27 + 9ab। তাই 9ab = 486, অর্থাৎ ab = 54।
মনে রাখুন: একই ধরনের সূত্র: a³ + b³ = (a + b)³ − 3ab(a + b)। - ৪৯. ২ টা ১৫ মিনিটের সময় ঘন্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যে কত ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়?
- ক. ২৩°
- খ. ২২.৫°
- গ. ২০°
- ঘ. ২৩.৫°
উত্তর: খ. ২২.৫°
ঘড়ির ডায়ালে ৩৬০° কোণ আছে এবং ১২টি ঘর, তাই প্রতি ঘণ্টার ঘরে ৩০°। ২টা ১৫ মিনিটে মিনিটের কাঁটা ৩-এ থাকে, যা ১২ থেকে 90° দূরে। ঘণ্টার কাঁটা ২-এর ঘর থেকে ১৫ মিনিটে আরও 15 × 0.5 = 7.5° সরে গেছে, তাই তার অবস্থান 2 × 30 + 7.5 = 67.5°। তাহলে কোণ = 90 − 67.5 = 22.5°।
সূত্র দিয়েও মেলে: θ = |30H − 5.5M| = |60 − 82.5| = 22.5°।
মনে রাখুন: ঘণ্টার কাঁটা প্রতি মিনিটে 0.5° এবং মিনিটের কাঁটা প্রতি মিনিটে 6° ঘোরে।
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- ৫১. বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী কোনটি?
- ক. মেঘনা
- খ. পদ্মা
- গ. ব্রহ্মপুত্র
- ঘ. যমুনা
উত্তর: ক. মেঘনা
পদ্মা, যমুনা আর সুরমা-কুশিয়ারার পানি নিয়ে মেঘনা বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে। উজানে সুরমা ও কুশিয়ারা ভৈরব বাজারের কাছে মিলে মেঘনা নাম নিয়েছে, তারপর চাঁদপুরে পদ্মা এসে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তিনটি বড় প্রবাহের পানি একসঙ্গে বহন করে বলে নিচের দিকে মেঘনার প্রশস্ততা ও পানিপ্রবাহ সবচেয়ে বেশি, তাই একে বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী বলা হয়।
মনে রাখুন:
চাঁদপুরে পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
পদ্মা গঙ্গার প্রধান শাখা, আর যমুনা ব্রহ্মপুত্রের নিম্নাংশের নাম। - ৫৫. বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?
- ক. সিলেটের বনভূমি
- খ. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
- গ. ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
- ঘ. খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
উত্তর: গ. ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
শাল একটি পত্রঝরা বৃক্ষ, যার কাঠ শক্ত ও টেকসই। বাংলাদেশে শালবনের প্রধান এলাকা গাজীপুরের ভাওয়াল ও টাঙ্গাইলের মধুপুরের বনভূমি। এই এলাকার মাটি লালচে, উঁচু ও কিছুটা শুকনো, আর শালগাছ এ ধরনের মাটিতেই ভালো জন্মায়। তাই এই দুটি অঞ্চলকে শালবনের জন্য বিখ্যাত বলা হয়।
মনে রাখুন:
ভাওয়াল ও মধুপুরের শালবনকে বলা হয় ভাওয়াল-মধুপুর গড় বা শালবন।
সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বন, আর পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের বন চিরসবুজ বা ক্রান্তীয় আর্দ্র পাতাবাহার বন। - ৬৯. আমেরিকাকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
- ক. ফ্লোরিডা
- খ. পক
- গ. জিব্রাল্টার
- ঘ. বেরিং
উত্তর: ঘ. বেরিং
বেরিং প্রণালী রাশিয়ার সর্বপূর্ব প্রান্ত ও যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কাকে আলাদা করেছে। এর একপাশে এশিয়া মহাদেশ, অন্যপাশে উত্তর আমেরিকা। অন্য প্রণালীগুলো আলাদা স্থানে অবস্থিত: পক প্রণালী ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে, আর জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে।
মনে রাখুন:
ফ্লোরিডা প্রণালী যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে।
মালাক্কা প্রণালী মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার মধ্যে।
বেরিং প্রণালী প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। - ৭১. আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয়-
- ক. ৭ জুলাই
- খ. ৯ মার্চ
- গ. ৫ জুন
- ঘ. ২১ মে
উত্তর: গ. ৫ জুন
১৯৭২ সালের ৫ জুন সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন শুরু হয়। এটি ছিল পরিবেশ নিয়ে বিশ্বের প্রথম বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলন। সেই সম্মেলনের স্মরণে জাতিসংঘ ৫ জুনকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ঘোষণা করে, আর ১৯৭৪ সাল থেকে দিনটি প্রতি বছর পালিত হচ্ছে।
মনে রাখুন:
বিশ্ব পানি দিবস ২২ মার্চ, বিশ্ব বন দিবস ২১ মার্চ।
আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস ২২ মে।
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এই সম্মেলনের ফলেই গঠিত হয়, এর সদর দপ্তর নাইরোবিতে। - ৮৯. সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ-
- ক. বায়ু প্রবাহের প্রভাব
- খ. সমুদ্রের পানিতে তাপ পরিচালনা
- গ. সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
- ঘ. সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
উত্তর: ক. বায়ু প্রবাহের প্রভাব
সমুদ্রের ওপর দিয়ে নিয়মিত বয়ে যাওয়া বায়ু পানির ওপরের স্তরকে ঠেলে নিয়ে যায়, আর এভাবেই সমুদ্রস্রোত তৈরি হয়। তাই বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ। এর পাশাপাশি পানির ঘনত্ব ও তাপমাত্রার পার্থক্য এবং পৃথিবীর আবর্তন গতিও স্রোতের দিক ও গতিকে প্রভাবিত করে।
মনে রাখুন:
গাল্ফ স্ট্রিম একটি উষ্ণ স্রোত, আর ল্যাব্রাডর ও হামবোল্ট শীতল স্রোত।
সাইক্লোন সমুদ্রে ঘটলেও স্রোত সৃষ্টির নিয়মিত কারণ নয়।
সাধারণ বিজ্ঞান
- ৫২. ইউরিয়া সারের কাঁচামাল-
- ক. অপরিশোধিত তেল
- খ. ক্লিংকার
- গ. এমোনিয়া
- ঘ. মিথেন গ্যাস
উত্তর: ঘ. মিথেন গ্যাস
ইউরিয়া সার তৈরির মূল কাঁচামাল প্রাকৃতিক গ্যাস, যার প্রধান উপাদান মিথেন (CH4)। প্রথমে মিথেন থেকে হাইড্রোজেন নেওয়া হয়। এই হাইড্রোজেন বাতাসের নাইট্রোজেনের সঙ্গে মিলে অ্যামোনিয়া (NH3) তৈরি করে। তারপর অ্যামোনিয়া কার্বন ডাইঅক্সাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ইউরিয়া দেয়। অ্যামোনিয়া তাই কারখানার মাঝের ধাপের পদার্থ, আর শুরুর কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস।
মনে রাখুন:
ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেন থাকে প্রায় ৪৬ ভাগ, তাই এটি সবচেয়ে বেশি নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ সার।
সিমেন্ট তৈরিতে ক্লিংকার লাগে, ইউরিয়ায় নয়। - ৮৩. ধানের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে-
- ক. বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে
- খ. পাতা দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে
- গ. কীটপতঙ্গের সাহায্যে
- ঘ. ফুলে ফুলে সংস্পর্শে
উত্তর: ক. বাতাসের সাহায্যে পরাগ ঝরে পড়ে
ধান ঘাস-জাতীয় উদ্ভিদ, আর ঘাস-জাতীয় উদ্ভিদের ফুল সাধারণত বায়ুপরাগী ধরনের। ধানের ফুল খুব ছোট, এতে উজ্জ্বল রঙের পাপড়ি বা মধু থাকে না, তাই কীটপতঙ্গ একে আকর্ষণ করে না। এর পরাগরেণু হালকা ও শুকনো, যা বাতাসের সাহায্যে ঝরে বা উড়ে গর্ভমুণ্ডে পৌঁছায়।
মনে রাখুন:
গম, ভুট্টা ও বাঁশও বায়ুপরাগী।
কীটপতঙ্গের সাহায্যে পরাগায়ন হয় সরিষা, কুমড়ার মতো রঙিন ও মধুযুক্ত ফুলে।
পরাগরেণু পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ডে পৌঁছানোকে পরাগায়ন (Pollination) বলে। - ৮৪. সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে-
- ক. ১০ কিমি
- খ. ১০ নিউটন
- গ. ২৭ কিমি
- ঘ. ৫ কিমি
উত্তর: খ. ১০ নিউটন
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রায় 101325 প্যাসকেল, অর্থাৎ প্রতি বর্গমিটারে প্রায় 1,01,325 নিউটন। এখন 1 বর্গমিটার = 10000 বর্গসেন্টিমিটার, তাই প্রতি বর্গসেন্টিমিটারে চাপ = 101325 ÷ 10000 ≈ 10 নিউটন। বাকি অপশনগুলোতে কিলোমিটার, অর্থাৎ দৈর্ঘ্যের একক আছে, যা চাপের একক হতে পারে না।
মনে রাখুন:
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পারদ স্তম্ভের উচ্চতায় 76 সেন্টিমিটার, যাকে 1 অ্যাটমোস্ফিয়ার বলে।
চাপ = বল ÷ ক্ষেত্রফল, এর একক প্যাসকেল (Pa)। - ৮৬. ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। কারণ এতে-
- ক. বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে
- খ. সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
- গ. লোহাকে টেম্পারিং করা হয়েছে
- ঘ. সব বিজাতীয় দ্রব্য বের করে দেয়া হয়েছে
উত্তর: খ. সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
ইস্পাত আসলে লোহারই একটি সংকর, যাতে সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন, সাধারণত ২ শতাংশের কম, মেশানো থাকে। কার্বনের এই পরিমিত মাত্রা লোহার কেলাসের গঠনকে শক্ত করে, ফলে ইস্পাত সাধারণ লোহার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন ও টেকসই হয়। আকরিক আলাদা বলে নয়, বরং কার্বনের পরিমাণের কারণেই ইস্পাত আলাদা।
মনে রাখুন:
কাস্ট আয়রনে (ঢালাই লোহা) কার্বন থাকে প্রায় ২ থেকে ৪ শতাংশ, তাই সেটি শক্ত হলেও ভঙ্গুর।
পিটা লোহায় (Wrought iron) কার্বন খুব কম থাকে।
স্টেইনলেস স্টিলে লোহা, কার্বনের সঙ্গে ক্রোমিয়াম ও নিকেল থাকে। - ৮৭. প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো-
- ক. নাইট্রোজেন গ্যাস
- খ. মিথেন
- গ. হাইড্রোজেন গ্যাস
- ঘ. কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর: খ. মিথেন
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন (CH4)। বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫ শতাংশের বেশি, তাই আমাদের গ্যাস প্রায় শুকনো ও বিশুদ্ধ। এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে ইথেন, প্রোপেন, নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড থাকে।
মনে রাখুন:
সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাসকে সিএনজি (CNG) বলে, যার প্রধান উপাদানও মিথেন।
এলপিজিতে মূলত প্রোপেন ও বিউটেন থাকে।
মিথেন একটি গ্রিনহাউস গ্যাসও। - ৮৮. মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে বলা হয়-
- ক. পরমাণু
- খ. ইলেকট্রন
- গ. অণু
- ঘ. প্রোটন
উত্তর: ক. পরমাণু
মৌলিক পদার্থের যে ক্ষুদ্রতম কণা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে, তাকে পরমাণু (Atom) বলে। অণু (Molecule) হলো এক বা একাধিক পরমাণুর সমষ্টি, যা স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। কিন্তু বিক্রিয়ার সময় অণুর বন্ধন ভেঙে যায় এবং পরমাণুগুলোই নতুনভাবে যুক্ত হয়। ইলেকট্রন ও প্রোটন পরমাণুর ভেতরের কণা, এরা আলাদাভাবে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না।
মনে রাখুন:
পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস, তাতে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে।
ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘোরে। - ৯০. কাজ করার সামর্থ্যকে বলে-
- ক. ক্ষমতা
- খ. কাজ
- গ. শক্তি
- ঘ. বল
উত্তর: গ. শক্তি
কোনো বস্তু বা ব্যবস্থার কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি (Energy) বলে। শক্তি বেশি থাকলে বেশি কাজ করা যায়। কাজ ও শক্তির একক একই, জুল (J)। আর কাজ করার হারকে বলে ক্ষমতা (Power), যার একক ওয়াট (W)।
মনে রাখুন:
ক্ষমতা = কাজ ÷ সময়।
গতিশক্তি = ½mv², স্থিতিশক্তি = mgh।
শক্তির সংরক্ষণ সূত্র অনুযায়ী শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না, শুধু এক রূপ থেকে অন্য রূপে বদলায়। - ৯১. রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো-
- ক. দর্পণের কাজ করে
- খ. আতষীকাচের কাজ করে
- গ. লেন্সের কাজ করে
- ঘ. প্রিজমের কাজ করে
উত্তর: ঘ. প্রিজমের কাজ করে
বৃষ্টির পরে আকাশে সূর্যের আলোর বিপরীত দিকে রংধনু দেখা যায়। সূর্যের সাদা আলো বৃষ্টির ফোঁটায় ঢোকার সময় প্রতিসরিত হয় এবং বিভিন্ন রঙে ভেঙে যায়, যেমনটি কাচের প্রিজমে ঘটে। ফোঁটার ভেতরের দেয়ালে আলো একবার প্রতিফলিত হয়ে আবার বেরিয়ে এলে আমরা সাতটি রঙের বাঁকা ফিতার মতো রংধনু দেখি। তাই পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে।
মনে রাখুন:
আলো ভেঙে বিভিন্ন রঙে ভাগ হওয়াকে বিচ্ছুরণ (Dispersion) বলে।
সাতটি রঙ: বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।
রংধনুর বাইরের কিনারায় লাল ও ভেতরের কিনারায় বেগুনি রঙ থাকে। - ৯২. কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো-
- ক. জিপসাম
- খ. বালি
- গ. সাজি মাটি
- ঘ. চুনাপাথর
উত্তর: খ. বালি
কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল বালি, যার মূল উপাদান সিলিকন ডাইঅক্সাইড বা সিলিকা (SiO2)। বালির সঙ্গে সোডা অ্যাশ (সোডিয়াম কার্বনেট) ও চুনাপাথর মিশিয়ে অনেক উচ্চ তাপে গলানো হয়, তারপর ঠান্ডা করলে কাচ তৈরি হয়। চুনাপাথর ও সোডা সহায়ক উপাদান, আর কাচের গঠনের ভিত্তি হলো সিলিকা।
মনে রাখুন:
সাধারণ জানালার কাচকে সোডা-লাইম গ্লাস বলে।
কাচে রং আনতে বিভিন্ন ধাতব অক্সাইড মেশানো হয়।
জিপসাম ও চুনাপাথর সিমেন্ট তৈরিতেও লাগে। - ৯৪. মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের দেশে প্রচলিত তাতে মাইক্রোওয়েভ অধিকাংশ দূরত্ব অতিক্রম করে-
- ক. ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে
- খ. ভূমি ও আয়নোস্ফেয়ারের মধ্যে প্রতিফলন হতে হতে
- গ. বিশেষ ধরনের ক্যাবলের মধ্য দিয়ে
- ঘ. খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়
উত্তর: ঘ. খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়
মাইক্রোওয়েভ খুব উচ্চ কম্পাঙ্কের বিদ্যুৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। এই তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ারে প্রতিফলিত না হয়ে ভেদ করে মহাকাশে চলে যায়, তাই আয়নোস্ফিয়ার দিয়ে ফিরিয়ে আনা যায় না। এ কারণে ভূমিতে বসানো উঁচু টাওয়ারের অ্যান্টেনা থেকে পরের টাওয়ারের অ্যান্টেনায় খোলা জায়গা দিয়ে সরলরেখায় পাঠাতে হয়, একে দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) যোগাযোগ বলে। পৃথিবীর বক্রতার জন্য টাওয়ারগুলো নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর বসাতে হয়।
মনে রাখুন: অপেক্ষাকৃত নিম্ন কম্পাঙ্কের রেডিও তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ারে প্রতিফলিত হয়ে অনেক দূরে পৌঁছাতে পারে। - ৯৫. মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত ?
- ক. ২৪ জোড়া
- খ. ২৬ জোড়া
- গ. ২৩ জোড়া
- ঘ. ২৫ জোড়া
উত্তর: গ. ২৩ জোড়া
মানুষের প্রতিটি দেহকোষে ২৩ জোড়া, অর্থাৎ মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। এর ২২ জোড়া অটোজোম বা দেহ ক্রোমোজোম, আর বাকি ১ জোড়া লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। শুক্রাণু ও ডিম্বাণুতে ক্রোমোজোমের সংখ্যা অর্ধেক, অর্থাৎ ২৩টি করে।
মনে রাখুন:
নারীর লিঙ্গ ক্রোমোজোম XX, পুরুষের XY।
শিশুর লিঙ্গ নির্ধারিত হয় পিতার শুক্রাণু X না Y বহন করছে, তার ওপর। - ৯৬. সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে-
- ক. ট্রান্সফরমার
- খ. জেনারেটর
- গ. স্টোরেজ ব্যাটারি
- ঘ. ক্যাপাসিটার
উত্তর: গ. স্টোরেজ ব্যাটারি
সৌরকোষ (Solar Cell) সূর্যের আলোকশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর করে, তাই আলো না থাকলে রাতে এটি বিদ্যুৎ দিতে পারে না। দিনের বেলায় তৈরি বিদ্যুৎ স্টোরেজ ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি হিসেবে জমা করে রাখলে রাতে সেই ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যায়। ট্রান্সফরমার শুধু ভোল্টেজ বদলায়, আর জেনারেটর যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে, এদের কেউই বিদ্যুৎ জমিয়ে রাখে না।
মনে রাখুন:
আলো থেকে বিদ্যুৎ তৈরির এই ঘটনাকে আলোক-তড়িৎ (ফটোভোল্টাইক) ক্রিয়া বলে।
সৌরকোষ সাধারণত সিলিকন দিয়ে তৈরি হয় এবং সরাসরি DC বিদ্যুৎ দেয়। - ৯৭. বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
- ক. একই হয়
- খ. বেশি হয়
- গ. কম হয়
- ঘ. খুব কম হয়
উত্তর: ক. একই হয়
সাধারণ রেগুলেটরে পাখার গতি কমানোর জন্য সার্কিটে একটি রোধ জুড়ে দেওয়া হয়। গতি কমলে পাখা যে বিদ্যুৎশক্তি আর নিচ্ছে না, সেই শক্তি রেগুলেটরের রোধে তাপ হয়ে নষ্ট হয়। ফলে পাখা ধীরে ঘুরলেও মোট বিদ্যুৎ খরচ প্রায় আগের মতোই থাকে। আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটরে অবশ্য গতি কমলে খরচও কমে।
মনে রাখুন: বিদ্যুৎ খরচ মাপার একক কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh), একে সাধারণভাবে এক ইউনিট বলা হয়।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
- ৬৭. আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA) -এর সদর দপ্তর-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ভিয়েনা
- খ. বন
- গ. জেনেভা
- ঘ. রোত
উত্তর: ক. ভিয়েনা
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (International Atomic Energy Agency, IAEA) ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়। সংস্থাটি পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার উৎসাহিত করে এবং পরমাণু প্রযুক্তি যেন সামরিক কাজে অপব্যবহার না হয়, সেটি পর্যবেক্ষণ করে। এটি জাতিসংঘের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত একটি স্বতন্ত্র সংস্থা।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘের ইউরোপীয় দপ্তর জেনেভায়, কিন্তু আইএইএ-র সদর দপ্তর ভিয়েনায়।
সংস্থাটি ও তার তৎকালীন মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলবারাদি ২০০৫ সালে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। - ৬৮. জাপানের পার্লামেন্টের নাম-
- ক. ডায়েট
- খ. পিনসাস
- গ. নেসেট
- ঘ. সোরা
উত্তর: ক. ডায়েট
জাপানের আইনসভার নাম ডায়েট (Diet)। এর দুটি কক্ষ আছে, নিম্নকক্ষের নাম প্রতিনিধি পরিষদ আর উচ্চকক্ষের নাম কাউন্সিলর পরিষদ। নেসেট ইসরায়েলের আইনসভা, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখুন:
জার্মানির সংসদ বুন্ডেসটাগ, ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভা, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস, চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।
ইসরায়েলের নেসেট, ইরানের মজলিস, রাশিয়ার ডুমা। - ৭০. সাউথ কমিশনের চেয়ারম্যান –
- ক. জেনারেল সুহার্তো
- খ. রবার্ট মুগাবে
- গ. জুলিয়াস নায়ারে
- ঘ. ফিডেল ক্যাস্ট্রো
উত্তর: গ. জুলিয়াস নায়ারে
উন্নয়নশীল দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করার জন্য ১৯৮৭ সালে সাউথ কমিশন (South Commission) গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান ছিলেন তানজানিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস নায়ারে। এই কমিশনের কাজ ছিল দক্ষিণের দেশগুলোকে উত্তরের ধনী দেশগুলোর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে সাহায্য করা।
মনে রাখুন:
ধনী উত্তর ও দরিদ্র দক্ষিণের ব্যবধানকে বলা হয় উত্তর-দক্ষিণ বিভাজন।
জুলিয়াস নায়ারেকে তানজানিয়ায় ‘মওয়ালিমু’ (শিক্ষক) বলে সম্মান করা হয়। - ৭২. জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. ২৪ অক্টোবর
- খ. ২৪ আগস্ট
- গ. ২৪ ডিসেম্বর
- ঘ. ২৪ নভেম্বর
উত্তর: ক. ২৪ অক্টোবর
১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশের অনুমোদনে কার্যকর হয় এবং সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। এই কারণে প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়। সনদে স্বাক্ষর হয়েছিল তার কিছুদিন আগে, ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন সান ফ্রান্সিসকোতে।
মনে রাখুন:
প্রতিষ্ঠার সময় জাতিসংঘের সদস্য ছিল ৫১টি দেশ।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়। - ৭৩. নামিবিয়ার রাজধানী-
- ক. কারাভু
- খ. উইন্ডহুক
- গ. প্রিটোরিয়া
- ঘ. কোয়াভি
উত্তর: খ. উইন্ডহুক
আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত দেশ নামিবিয়া দীর্ঘদিন দক্ষিণ আফ্রিকার শাসনে ছিল। ১৯৯০ সালে এটি স্বাধীনতা লাভ করে, আর এর রাজধানী উইন্ডহুক। প্রিটোরিয়া নামিবিয়ার নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী।
মনে রাখুন:
দক্ষিণ আফ্রিকার তিনটি রাজধানী: প্রিটোরিয়া (প্রশাসনিক), কেপটাউন (আইন বিভাগীয়), ব্লুমফন্টেইন (বিচার বিভাগীয়)।
নামিবিয়ায় বিখ্যাত নামিব মরুভূমি আছে। - ৭৪. ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ঋণ প্রদান করে-
- ক. স্বাভাবিক সুদে
- খ. বিনা সুদে
- গ. অল্প সুদে
- ঘ. অতি সামান্য সুদে
উত্তর: খ. বিনা সুদে
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (Islamic Development Bank) ইসলামী শরিয়াহ মেনে চলে, যেখানে সুদ নেওয়া নিষিদ্ধ। তাই এই ব্যাংক সদস্য দেশগুলোকে সুদ ছাড়া অর্থায়ন করে। এর বদলে তারা সেবা মাশুল নেয় অথবা লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে কাজ করে।
মনে রাখুন:
ব্যাংকটির সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়।
এটি ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (বর্তমান নাম ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা, OIC) সদস্য দেশগুলোর জন্য কাজ করে। - ৭৫. ওডারনীস নদী –
- ক. পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
- খ. পশ্চিম জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্যে সীমা নির্ধারক
- গ. পশ্চিম জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
- ঘ. সংযুক্ত জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমা নির্ধারক
উত্তর: ক. পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
ওডার ও নিস নদী মিলে যে রেখা তৈরি হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সেটিই পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের সীমানা হয়। সেই কারণে একে ওডার-নিস রেখা বলা হয়। জার্মানি একীভূত হওয়ার পর ১৯৯০ সালে এই রেখা জার্মানি ও পোল্যান্ডের স্থায়ী সীমানা হিসেবে স্বীকৃত হয়।
মনে রাখুন:
জার্মানি ১৯৪৯ সালে পূর্ব ও পশ্চিম, এই দুই ভাগে ভাগ হয়।
১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর দুই জার্মানি একত্র হয়। - ৭৬. ‘হারারে’ -এর পুরাতন নাম-
- ক. সলসবেরি
- খ. ফরমোজা
- গ. পেট্রোগ্রাড
- ঘ. রোডেসিয়া
উত্তর: ক. সলসবেরি
আফ্রিকার দেশ জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারের আগের নাম ছিল সলসবেরি। ১৯৮২ সালে নাম বদলে হারারে রাখা হয়। রোডেসিয়া কোনো শহরের নয়, বরং জিম্বাবুয়ে দেশটিরই আগের নাম ছিল।
মনে রাখুন:
জিম্বাবুয়ে ১৯৮০ সালে স্বাধীন হয়।
রোডেসিয়া নামটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসক সেসিল রোডসের নাম থেকে এসেছে।
পেট্রোগ্রাড রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের পুরোনো নাম, আর ফরমোজা তাইওয়ানের পুরোনো নাম। - ৭৭. পবিত্রভূমি কোনটিকে বলা হয়?
- ক. প্যালেস্টাইন
- খ. জেরুজালেম
- গ. জেদ্দা
- ঘ. তায়েফ
উত্তর: খ. জেরুজালেম
জেরুজালেম শহরটি ইহুদি, খ্রিষ্টান ও মুসলিম, এই তিন ধর্মের কাছেই পবিত্র, তাই একে পবিত্রভূমি বলা হয়। মুসলমানদের কাছে এখানকার আল-আকসা মসজিদ প্রথম কিবলা ও মিরাজের স্মৃতিবিজড়িত স্থান। খ্রিষ্টানদের কাছে এখানকার চার্চ অব দ্য হোলি সেপালকার যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়া ও পুনরুত্থানের স্থান হিসেবে পরিচিত। ইহুদিদের কাছে পবিত্র হলো পশ্চিম প্রাচীর বা ওয়েস্টার্ন ওয়াল।
মনে রাখুন:
জেদ্দা সৌদি আরবের বন্দরনগরী, আর তায়েফ মক্কার কাছের শহর, এগুলো পবিত্রভূমি নামে পরিচিত নয়।
মুসলমানদের পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনা। - ৭৮. এডেন কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
- ক. ইয়েমেন
- খ. কাতার
- গ. ওমান
- ঘ. ইরাক
উত্তর: ক. ইয়েমেন
এডেন ইয়েমেনের প্রধান সমুদ্রবন্দর। এটি আরব সাগরের অংশ এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত। লোহিত সাগরে ঢোকার পথ বাব-আল-মান্দাব প্রণালীর কাছে হওয়ায় এই বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেশি। ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সুয়েজ খাল হয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিরতিস্থল।
মনে রাখুন:
ইয়েমেনের রাজধানী সানা।
কাতারের রাজধানী দোহা, ওমানের রাজধানী মাস্কাট, ইরাকের রাজধানী বাগদাদ। - ৭৯. মালদ্বীপের মুদ্রার নাম কি?
- ক. রুপী
- খ. ডলার
- গ. পাউন্ড
- ঘ. রুপাইয়া
উত্তর: ঘ. রুপাইয়া
মালদ্বীপের মুদ্রার নাম রুফিয়া (Rufiyaa), যেটি অনেকে বাংলায় রুপাইয়া লেখেন। এক রুফিয়াকে ১০০ লারিতে ভাগ করা হয়। রুপী নামের মুদ্রা চলে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালে, তাই নামের মিল দেখে বিভ্রান্ত হওয়া ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের মুদ্রা টাকা, ভুটানের গুলট্রাম।
মালদ্বীপের রাজধানী মালে। - ৮০. [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। বর্তমানে এটি প্রয়োজনীয় নয়।] ১৯৯২ সালে বিশ্ব অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয় কোথায়?
- ক. বার্সিলোনা
- খ. জুরিখ
- গ. বার্লিন
- ঘ. ব্রাসেলস
উত্তর: ক. বার্সিলোনা
১৯৯২ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক স্পেনের বার্সেলোনা শহরে অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল সেই বছরের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক, আর একই বছরে শীতকালীন অলিম্পিক হয়েছিল ফ্রান্সের আলবার্টভিলে।
মনে রাখুন:
আধুনিক অলিম্পিক শুরু হয় ১৮৯৬ সালে গ্রিসের এথেন্সে।
১৯৯৬ সালের অলিম্পিক হয় যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
অলিম্পিক প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়। - ৮১. আফটা (AFTA) বলতে কি বোঝায়-
- ক. একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী
- খ. পূর্ব আফ্রিকার একটি সংবাদ সংস্থা
- গ. একটি বিমান সংস্থা
- ঘ. একটি সামরিক চুক্তি
উত্তর: ক. একটি বাণিজ্যিক গোষ্ঠী
AFTA হলো ASEAN Free Trade Area, বাংলায় আসিয়ান মুক্ত বাণিজ্য এলাকা। ১৯৯২ সালে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো নিজেদের মধ্যে আমদানি শুল্ক ধাপে ধাপে কমিয়ে বাণিজ্য সহজ করার জন্য এটি গঠন করে। তাই এটি একটি বাণিজ্যিক জোট, কোনো সংবাদ সংস্থা, বিমান সংস্থা বা সামরিক চুক্তি নয়।
মনে রাখুন:
আসিয়ান (ASEAN) গঠিত হয় ১৯৬৭ সালে, সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়।
দক্ষিণ এশিয়ার সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য ব্যবস্থার নাম সাফটা (SAFTA)। - ৮২. আন্তর্জাতিক রোটারি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা-
- ক. W. Wilson
- খ. Paul Harris
- গ. Baden Powel
- ঘ. H. Wilson
উত্তর: খ. Paul Harris
রোটারি ইন্টারন্যাশনাল একটি সেবামূলক সংগঠন। মার্কিন আইনজীবী পল হ্যারিস ১৯০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে প্রথম রোটারি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন পেশার মানুষ পালা করে একে অন্যের কার্যালয়ে বা বাড়িতে মিলিত হতেন বলে ক্লাবের নাম হয় রোটারি (Rotary)। বেডেন পাওয়েল এই সংগঠনের নন, তিনি স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
মনে রাখুন:
লায়ন্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মেলভিন জোন্স (১৯১৭)।
রোটারির সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ইভান্সটনে।
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি
- ৯৩. কম্পিউটারের সফটওয়্যার বলতে বুঝানো হয়-
- ক. এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল
- খ. তথ্য দেয়া ও তথ্য নেয়ার অংশ বিশেষ
- গ. যেসব অংশ মুদ্রায়িত অবস্থায় থাকে
- ঘ. কম্পিউটার তৈরির নকশা
উত্তর: ক. এর প্রোগ্রাম বা কর্ম পরিকল্পনার কৌশল
কম্পিউটারকে কী কাজ কীভাবে করতে হবে, তা নির্দেশনার আকারে লিখে দিতে হয়। এই নির্দেশনার একটি তালিকাকে প্রোগ্রাম (Program) বলে, আর এক বা একাধিক প্রোগ্রামের সমষ্টি হলো সফটওয়্যার (Software)। সফটওয়্যারকে আমরা ছুঁয়ে দেখতে পারি না। কম্পিউটারের যেসব অংশ ছোঁয়া যায়, যেমন মনিটর, কিবোর্ড ও প্রসেসর, সেগুলো হার্ডওয়্যার (Hardware)।
মনে রাখুন:
সফটওয়্যার দুই ধরনের: সিস্টেম সফটওয়্যার (যেমন অপারেটিং সিস্টেম) এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (যেমন ওয়ার্ড প্রসেসর)।
অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান
১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৬)
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৮তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২৫)
- ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৪)
- ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৩)
- ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২২)
- ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২১)
- ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৯)
- ৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০১৮)
- ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৭)
- ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৫)
- ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৩)
- ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১১)
- ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১০)
- ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৯)
- ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৮)
- ২৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৫)
- ২৬তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৩)
- ২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৯)
- ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৬)
- ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৫)
- ১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি (১৯৯৪)
- ১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৩)
- ১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯০)
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন