লিয়ানা বুকস

৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২৭ মে ২০১১। এখানে ৯৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ৬০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য

  1. ১. বাংলা গদ্যের জনক কে?
    • ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • গ. উইলিয়াম কেরী
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর: ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতিচিহ্নের যথাযথ ব্যবহার করেন, ফলে বাক্যের গঠন সুশৃঙ্খল হয় এবং পড়তে সুবিধা হয়। তিনি গদ্যকে সংযত, সুশ্রাব্য ও শিল্পসম্মত রূপ দেন। উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মাধ্যমে বাংলা গদ্যের প্রাথমিক ভিত্তি তৈরিতে সাহায্য করেন, কিন্তু গদ্যকে শিল্পরূপ দিয়েছেন বিদ্যাসাগরই।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘সাহিত্য সম্রাট’ বলা হয়।
    ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮০০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
  2. ২. ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের লেখক কে?
    • ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • খ. তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
    • গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ঘ. আনন্দমোহন বাগচী
    উত্তর: ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। উপন্যাসটি ১৮৮২ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এর পটভূমি সন্ন্যাসী বিদ্রোহ, যেখানে সন্তানদল নামে একদল সন্ন্যাসী দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য লড়াই করে। এই উপন্যাসেই আছে বিখ্যাত ‘বন্দে মাতরম্’ গান।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)।
    তিনি ১৮৭২ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা প্রকাশ করেন।
    অন্য উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল।
  3. ৩. ‘বিদ্রোহী’ কবিতা কোন কাব্যের অন্তর্গত?
    • ক. দোলনচাঁপা
    • খ. বিষের বাঁশী
    • গ. সাম্যবাদী
    • ঘ. অগ্নিবীণা
    উত্তর: ঘ. অগ্নিবীণা
    ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা-র (১৯২২) অন্তর্গত। কবিতাটির জন্যই নজরুল ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত হন। অগ্নিবীণায় আরও আছে ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘কামাল পাশা’ ও ‘শাত-ইল-আরব’-এর মতো কবিতা। বাকি তিনটি গ্রন্থও নজরুলের, কিন্তু ‘বিদ্রোহী’ সেগুলোর কোনোটিতে নেই।
    মনে রাখুন:
    দোলনচাঁপা (১৯২৩), বিষের বাঁশী (১৯২৪): নজরুলের কাব্যগ্রন্থ।
    সাম্যবাদী (১৯২৫): নজরুলের কবিতা সংকলন।
  4. ৪. তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মেছিলেন কোন কবি?
    • ক. জসীমউদ্‌দীন
    • খ. ফররুখ আহমদ
    • গ. আবুল হাসান
    • ঘ. শহীদ কাদরী
    উত্তর: ক. জসীমউদ্‌দীন
    পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে তাঁর নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামবাংলার মানুষ, প্রকৃতি ও লোকজীবন তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়। তিনি ‘পল্লীকবি’ নামে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    জসীমউদ্‌দীনের বিখ্যাত রচনা: রাখালী, নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, ধানখেত।
    ফররুখ আহমদের বিখ্যাত কাব্য ‘সাত সাগরের মাঝি’।
  5. ৫. ‘ছিন্নপত্রে’র অধিকাংশ পত্র কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা?
    • ক. ইন্দিরা দেবী
    • খ. কাদম্বরী দেবী
    • গ. মৃণালিনী দেবী
    • ঘ. মৈত্রেয়ী দেবী
    উত্তর: ক. ইন্দিরা দেবী
    ‘ছিন্নপত্র’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিঠির সংকলন। এর বেশির ভাগ চিঠি তিনি লিখেছিলেন তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে। তখন রবীন্দ্রনাথ পূর্ববঙ্গের শিলাইদহ, পতিসর ও শাহজাদপুরে জমিদারি দেখাশোনার জন্য থাকতেন, আর নদীর বুকে ভাসমান বজরায় বসে প্রকৃতি ও গ্রামজীবনের ছবি এই চিঠিগুলোতে ধরে রেখেছেন। কাদম্বরী দেবী ছিলেন রবীন্দ্রনাথের বৌঠান, আর মৃণালিনী দেবী তাঁর স্ত্রী।
    মনে রাখুন: ইন্দিরা দেবী রবীন্দ্রনাথের মেজদা সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা।
  6. ৬. মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ কোন ধরনের কাব্য?
    • ক. মহাকাব্য
    • খ. সনেট
    • গ. পত্রকাব্য
    • ঘ. গীতিকাব্য
    উত্তর: গ. পত্রকাব্য
    মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ একটি পত্রকাব্য, কারণ এর কবিতাগুলো চিঠির আকারে লেখা। পুরাণের এগারোজন নারী চরিত্র তাঁদের প্রিয়জন বা স্বামীকে চিঠি লিখছেন, এই ভাবনায় কাব্যটি রচিত। রোমান কবি ওভিদের ‘হিরোইদেস’ কাব্যের আদলে এটি লেখা। বাংলা সাহিত্যে এটিই প্রথম পত্রকাব্য। ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মহাকাব্য, আর ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ সনেটের সংকলন।
    মনে রাখুন: বীরাঙ্গনা কাব্য ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
  7. ৭. আলাওলের ‘তোহফা’ কোন ধরনের কাব্য?
    • ক. আত্মজীবনী
    • খ. প্রণয়কাব্য
    • গ. নীতিকাব্য
    • ঘ. জঙ্গনামা
    উত্তর: গ. নীতিকাব্য
    আলাওলের ‘তোহফা’ একটি নীতিকাব্য। এটি ফারসি ভাষার একটি নীতিগ্রন্থের অনুবাদ, আর এতে ধর্ম ও নৈতিক আচরণের উপদেশ দেওয়া হয়েছে। তাই একে প্রণয়কাব্য, আত্মজীবনী বা যুদ্ধকাব্য বলা যায় না। আলাওল আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন এবং সপ্তদশ শতকে লেখালেখি করেছেন।
    মনে রাখুন:
    আলাওলের অন্য রচনা: পদ্মাবতী, সয়ফুলমূলক বদিউজ্জামাল, সপ্তপয়কর, সিকান্দরনামা।
    ‘পদ্মাবতী’ মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্যের অনুবাদ।
  8. ৮. ‘উজবুক’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
    • ক. ফার্সি
    • খ. তুর্কি
    • গ. পর্তুগিজ
    • ঘ. আরবি
    উত্তর: খ. তুর্কি
    ‘উজবুক’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, এর অর্থ নির্বোধ বা বোকা। মুসলিম শাসনের সময় তুর্কি সৈন্য ও প্রশাসকদের মাধ্যমে এ ধরনের অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় ঢুকে পড়ে। আমরা অনেক সময় এসব শব্দকে ফারসি বা আরবি মনে করে ভুল করি।
    মনে রাখুন:
    তুর্কি শব্দ: চাকর, কাঁচি, বাবুর্চি, বেগম, দারোগা, বন্দুক, বাহাদুর।
    ফারসি শব্দ: কারখানা, চশমা, দোকান।
  9. ৯. সমাসবদ্ধ শব্দ ‘আনত’ কোন সমাসের উদাহরণ?
    • ক. বহুব্রীহি
    • খ. কর্মধারয়
    • গ. সুপসুপা
    • ঘ. অব্যয়ীভাব
    উত্তর: ঘ. অব্যয়ীভাব
    ‘আনত’ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। এর ব্যাসবাক্য ‘ঈষৎ নত’। এখানে ‘আ’ অব্যয়টি ঈষৎ বা সামান্য অর্থ প্রকাশ করছে এবং অর্থে তারই প্রাধান্য, আর যে সমাসে অব্যয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অন্য সমাসে এমন হয় না। যেমন কর্মধারয়ে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে একটি সমস্ত পদ হয়, আর বহুব্রীহিতে সমস্ত পদ অন্য কিছুকে বোঝায়।
    উদাহরণ:
    আকণ্ঠ (কণ্ঠ পর্যন্ত), প্রতিদিন (দিন দিন), যথাসাধ্য (সাধ্য অনুযায়ী)।
  10. ১০. অশোক সৈয়দ কার ছদ্মনাম?
    • ক. আবদুল মান্নান সৈয়দ
    • খ. সৈয়দ আজিজুল হক
    • গ. আবু সয়ীদ আইয়ুব
    • ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
    উত্তর: ক. আবদুল মান্নান সৈয়দ
    ‘অশোক সৈয়দ’ কবি ও সমালোচক আবদুল মান্নান সৈয়দের ছদ্মনাম। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি, আর তাঁর পরিচিত কাব্যগ্রন্থ ‘জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ’। অন্য অপশনের সৈয়দ শামসুল হক আলাদা একজন বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার, তাঁর ছদ্মনাম এটি নয়।
    মনে রাখুন: আবদুল মান্নান সৈয়দ জীবনানন্দ দাশ ও নজরুল ইসলাম নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ লেখালেখি করেছেন।
  11. ১১. সন্ধি-সাধিত শব্দ ‘পরস্পর’ কোন ধরনের সন্ধির দৃষ্টান্ত?
    • ক. ব্যঞ্জন ধ্বনি
    • খ. স্বরধ্বনি
    • গ. নিপাতনে সিদ্ধ
    • ঘ. বিসর্গ সন্ধি
    উত্তর: গ. নিপাতনে সিদ্ধ
    ‘পরস্পর’ শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির দৃষ্টান্ত। পর + পর মিলে শব্দটি তৈরি হয়েছে, কিন্তু সন্ধির কোনো সাধারণ নিয়মে মাঝখানে ‘স’ আসার কথা নয়। যে সন্ধি কোনো নিয়ম না মেনে প্রচলিত রূপে সিদ্ধ হয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। আমরা এমন শব্দগুলোকে মুখস্থ করে নিই।
    উদাহরণ:
    বৃহস্পতি, বনস্পতি, আশ্চর্য, গোষ্পদ, মনীষা, কুলটা।
  12. ১২. ‘অদিতি’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
    • ক. পৃথ্বী
    • খ. নীর
    • গ. ক্ষিতি
    • ঘ. অবনী
    উত্তর: খ. নীর
    ‘অদিতি’ শব্দের অর্থ পৃথিবী। পৃথ্বী, ক্ষিতি ও অবনী এই তিনটি শব্দও পৃথিবীর সমার্থক। কিন্তু নীর শব্দের অর্থ জল বা পানি, তাই এটি অদিতির সমার্থক নয়।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর অন্য সমার্থক শব্দ: ধরণী, ধরিত্রী, বসুধা, মেদিনী, বসুন্ধরা।
    পানির সমার্থক শব্দ: জল, বারি, সলিল, নীর, অম্বু।
  13. ১৩. ‘পরাগলী মহাভারত’ খ্যাত গ্রন্থের অনুবাদকের নাম কী?
    • ক. সঞ্চয়
    • খ. কবীন্দ্র পরমেশ্বর
    • গ. শ্রীকর নন্দী
    • ঘ. কাশীরাম দাস
    উত্তর: খ. কবীন্দ্র পরমেশ্বর
    চট্টগ্রামের শাসক পরাগল খাঁর আদেশে কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারত বাংলায় অনুবাদ করেন। পৃষ্ঠপোষক পরাগল খাঁর নাম অনুসারে এটি ‘পরাগলী মহাভারত’ নামে পরিচিত। পরাগল খাঁ বাংলার সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের একজন সেনাপতি ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    পরাগলের পুত্র ছুটি খাঁর আদেশে শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধ পর্ব অনুবাদ করেন।
    সপ্তদশ শতকের কাশীরাম দাসের মহাভারত বাংলায় সবচেয়ে জনপ্রিয়।
  14. ১৪. ‘বটতলার উপন্যাস’ গ্রন্থের লেখকের নাম কী?
    • ক. দিলারা হাশেম
    • খ. রাজিয়া খান
    • গ. রিজিয়া রহমান
    • ঘ. সেলিনা হোসেন
    উত্তর: খ. রাজিয়া খান
    ‘বটতলার উপন্যাস’ রচনা করেছেন রাজিয়া খান। তিনি বাংলাদেশের একজন উল্লেখযোগ্য নারী ঔপন্যাসিক, আর তাঁর আরেকটি পরিচিত উপন্যাস ‘অনুকল্প’। অন্য অপশনের লেখকরাও বাংলাদেশের বিখ্যাত নারী কথাসাহিত্যিক, কিন্তু তাঁদের রচনা আলাদা।
    মনে রাখুন:
    রিজিয়া রহমানের বিখ্যাত উপন্যাস: রক্তের অক্ষর, বং থেকে বাংলা।
    সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস: হাঙর নদী গ্রেনেড, পোকামাকড়ের ঘরবসতি।
  15. ১৫. Quarterly শব্দের অর্থ কী?
    • ক. সাপ্তাহিক
    • খ. পাক্ষিক
    • গ. ষান্মাসিক
    • ঘ. ত্রৈমাসিক
    উত্তর: ঘ. ত্রৈমাসিক
    ‘Quarterly’ শব্দের অর্থ ত্রৈমাসিক, অর্থাৎ যা প্রতি তিন মাসে একবার ঘটে বা প্রকাশিত হয়। Quarter মানে এক-চতুর্থাংশ, আর বছরের এক-চতুর্থাংশ তিন মাস, সেখান থেকেই এই অর্থ এসেছে। অন্য অপশনগুলোর ইংরেজি আলাদা: সাপ্তাহিক হলো Weekly, পাক্ষিক হলো Fortnightly, আর ষান্মাসিক হলো Half-yearly।
    মনে রাখুন:
    মাসিক: Monthly।
    বার্ষিক: Annual বা Yearly।
    দ্বিমাসিক: Bi-monthly।
  16. ১৬. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. নিশিথিনী
    • খ. নিশীথীনি
    • গ. নিশিথীনী
    • ঘ. নিশীথিনী
    উত্তর: ঘ. নিশীথিনী
    শুদ্ধ বানান নিশীথিনী। ‘নিশীথ’ শব্দের অর্থ মধ্যরাত বা রাত্রি, আর এর বানানে শ-এর পরে দীর্ঘ ঈ-কার বসে। শব্দটির সঙ্গে স্ত্রীবাচক ‘ইনী’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিশীথিনী গঠিত হয়, যার অর্থ রাত্রি। তাই প্রথম ঈ দীর্ঘ আর শেষের ‘থি’ হ্রস্ব ই-কার দিয়ে লেখা হয়।
    মনে রাখুন: রাতের অন্য সমার্থক শব্দ রজনী, যামিনী, শর্বরী ও নিশা।
  17. ১৭. শিখণ্ডী শব্দের অর্থ কী?
    • ক. কবুতর
    • খ. কোকিল
    • গ. খরগোশ
    • ঘ. ময়ূর
    উত্তর: ঘ. ময়ূর
    ‘শিখণ্ডী’ শব্দের অর্থ ময়ূর। ‘শিখণ্ড’ মানে ময়ূরের পুচ্ছ বা পেখম, আর যার শিখণ্ড আছে সে শিখণ্ডী, অর্থাৎ ময়ূর। কবুতর, কোকিল বা খরগোশ কোনোটিই এর অর্থ নয়। মহাভারতেও শিখণ্ডী নামে একটি চরিত্র আছে, যিনি ভীষ্মের পতনের কারণ হয়েছিলেন।
    মনে রাখুন: ময়ূরের অন্য সমার্থক শব্দ শিখী, মযূর ও বর্হী।
  18. ১৮. সাহিত্যে অলঙ্কার প্রধানত কত প্রকার?
    • ক. ৬
    • খ. ২
    • গ. ৪
    • ঘ. ৫
    উত্তর: খ. ২
    বাংলা অলংকার প্রধানত দুই প্রকার: শব্দালংকার ও অর্থালংকার। যে অলংকার শব্দের ধ্বনিগত সৌন্দর্য বাড়ায়, তাকে শব্দালংকার বলে, আর যে অলংকার শব্দের অর্থের সৌন্দর্য বাড়ায়, তাকে অর্থালংকার বলে।
    উদাহরণ:
    শব্দালংকার: অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ, বক্রোক্তি।
    অর্থালংকার: উপমা, রূপক, উৎপ্রেক্ষা, অতিশয়োক্তি।
  19. ১৯. গাড়ি চলে না, চলে না, নারে……..গানের গীতিকার কে?
    • ক. সঞ্জীব চৌধুরী
    • খ. বাপ্পা মজুমদার
    • গ. শাহ্‌ আবদুল করিম
    • ঘ. দাশরথি রায়
    উত্তর: গ. শাহ্‌ আবদুল করিম
    ‘গাড়ি চলে না, চলে না রে’ গানটির গীতিকার বাউল শাহ আবদুল করিম। তিনি সুনামগঞ্জের উজানধল গ্রামের লোককবি ও বাউল সাধক, আর তাঁকে অনেকে বাউলসম্রাট বলেন। ২০০১ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। তাঁর গানে মানবপ্রেম, দেশপ্রেম ও আধ্যাত্মিক চিন্তা ফুটে উঠেছে।
    মনে রাখুন:
    আরেকটি বিখ্যাত গান: ‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’।
    দাশরথি রায় ঊনবিংশ শতকের পাঁচালি রচয়িতা।
  20. ২০. অধ্যাপক আহমদ শরীফের মৃত্যু সন কোনটি?
    • ক. ১৯৯৭
    • খ. ১৯৯৮
    • গ. ১৯৯৯
    • ঘ. ২০০০
    উত্তর: গ. ১৯৯৯
    অধ্যাপক আহমদ শরীফ ১৯৯৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান গবেষক ও প্রগতিশীল চিন্তাবিদ ছিলেন। মৃত্যুর পর তাঁর দেহ চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণার জন্য দান করা হয়, যা তখন বেশ আলোচিত হয়েছিল।
    মনে রাখুন: তাঁর পরিচিত গ্রন্থ ‘বিচিত্র চিন্তা’ ও ‘মধ্যযুগের সাহিত্যে সমাজ ও সংস্কৃতির রূপ’।

ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য

  1. ২১. In each of the following questions, out of the given alternative, choose the one that best expresses the meaning of the given word : Sporadic-
    • ক. Consistent
    • খ. Uniform
    • গ. Frequent
    • ঘ. Scattered
    উত্তর: ঘ. Scattered
    ‘Sporadic’ শব্দের অর্থ মাঝেমধ্যে ঘটে এমন, কখনো বা এখানে-সেখানে ছড়ানো। যে ঘটনা নিয়মিত নয় এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ঘটে, তাকে sporadic বলা হয়। তাই এর কাছাকাছি অর্থ Scattered। বাকি তিনটি শব্দ নিয়মিততার ধারণা প্রকাশ করে। Consistent মানে সংগতিপূর্ণ বা নিয়মিত, Uniform মানে একরকম, আর Frequent মানে ঘনঘন।
    উদাহরণ:
    There were sporadic outbreaks of violence in the city.
    মনে রাখুন: Sporadic-এর বিপরীত শব্দ regular বা constant।
  2. ২২. Omnipotent-
    • ক. Feeble
    • খ. Supreme
    • গ. Impotent
    • ঘ. Vulnerable
    উত্তর: খ. Supreme
    ‘Omnipotent’ শব্দের অর্থ সর্বশক্তিমান, অর্থাৎ যার ক্ষমতা সীমাহীন। দেওয়া শব্দগুলোর মধ্যে এর কাছাকাছি অর্থ Supreme, যার মানে সর্বোচ্চ বা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। বাকি তিনটি শব্দ দুর্বলতা বোঝায়। Feeble মানে দুর্বল, Impotent মানে ক্ষমতাহীন, আর Vulnerable মানে ঝুঁকির মুখে থাকা বা সহজে আঘাতযোগ্য।
    মনে রাখুন:
    Omnipresent: সর্বত্র বিরাজমান।
    Omniscient: সর্বজ্ঞ।
    Omnipotent: সর্বশক্তিমান।
  3. ২৩. In each of the following questions, choose the word opposite in meaning of the given word: Repeal-
    • ক. Abolish
    • খ. Enact
    • গ. Annul
    • ঘ. Nullify
    উত্তর: খ. Enact
    ‘Repeal’ মানে কোনো আইনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা। এর বিপরীত শব্দ Enact, যার অর্থ আইন প্রণয়ন করা বা আইনে পরিণত করা। বাকি তিনটি শব্দ repeal-এর সমার্থক। Abolish মানে বিলোপ করা, Annul মানে বাতিল করা, আর Nullify মানে অকার্যকর করা।
    উদাহরণ:
    The parliament repealed the old law.
    The parliament enacted a new law.
    মনে রাখুন: Repeal-এর আরেকটি সমার্থক শব্দ revoke।
  4. ২৪. Antonym of Equity is –
    • ক. Uprightness
    • খ. Justice
    • গ. Integrity
    • ঘ. Bias
    উত্তর: ঘ. Bias
    ‘Equity’ মানে ন্যায্যতা বা নিরপেক্ষ আচরণ। এর বিপরীত শব্দ Bias, যার অর্থ পক্ষপাত বা একপেশে মনোভাব। বাকি তিনটি শব্দ equity-র কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। Uprightness মানে সততা, Justice মানে ন্যায়বিচার, আর Integrity মানে নীতিনিষ্ঠা।
    উদাহরণ:
    The judge treated both sides with equity.
    মনে রাখুন: Bias-এর সমার্থক শব্দ prejudice ও partiality।
  5. ২৫. In each of the following questions, out of the four alternatives, choose the one which can be substituted for the given words/sentence : A formal composition or speech expressing high praise of somebody-
    • ক. elegy
    • খ. eulogy
    • গ. caricature
    • ঘ. exaggeration
    উত্তর: খ. eulogy
    যে আনুষ্ঠানিক রচনা বা বক্তৃতায় কোনো ব্যক্তির উচ্চ প্রশংসা করা হয়, তাকে eulogy বলে। প্রায়ই কারও মৃত্যুর পর শোকসভায় এই প্রশংসা করা হয়। ‘Elegy’ হলো শোকের কবিতা, যা মৃত ব্যক্তির স্মরণে লেখা হয়, কিন্তু প্রশংসার রচনা নয়। ‘Caricature’ হলো অতিরঞ্জিত ব্যঙ্গচিত্র, আর ‘exaggeration’ মানে অতিরঞ্জন।
    মনে রাখুন: কবরের ফলকে লেখা সংক্ষিপ্ত স্মৃতিবাক্যকে বলে epitaph।
  6. ২৬. The word ‘Shrug’ indicating doubt or indifference is associated with-
    • ক. shoulders
    • খ. head
    • গ. forehead
    • ঘ. eyebrows
    উত্তর: ক. shoulders
    ‘Shrug’ মানে সন্দেহ, উদাসীনতা বা অনীহা বোঝাতে অল্পক্ষণের জন্য কাঁধ ওপরে তোলা। তাই এই শব্দটি সম্পর্কিত shoulders বা কাঁধের সঙ্গে। মাথা, কপাল বা ভুরু এর সঙ্গে জড়িত নয়।
    উদাহরণ:
    He shrugged his shoulders when I asked him the reason.
    মনে রাখুন: শরীরের অঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত আরও কিছু ক্রিয়া: nod মাথা নাড়া, wink চোখ টেপা, frown ভুরু কুঁচকানো।
  7. ২৭. Fill in the blanks in the following sentence by selecting the most appropriate alternative : He is quite _____ in dealing with people.
    • ক. unsubtle
    • খ. imprudent
    • গ. diplomatic
    • ঘ. impolite
    উত্তর: গ. diplomatic
    বাক্যটির অর্থ লোকের সঙ্গে ব্যবহারে সে খুবই ____। এখানে প্রশংসাসূচক কোনো শব্দ বসলে অর্থ মেলে, আর diplomatic শব্দের অর্থ কূটনৈতিক বা কৌশলী, অর্থাৎ যে মানুষের সঙ্গে সুন্দরভাবে ও বুদ্ধি করে আচরণ করতে জানে। বাকি তিনটি শব্দ নেতিবাচক। Unsubtle মানে স্থূল বা সূক্ষ্মতাহীন, Imprudent মানে অবিবেচক, আর Impolite মানে অভদ্র।
    উদাহরণ:
    A good manager is diplomatic with the staff.
    মনে রাখুন: Diplomatic-এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ tactful।
  8. ২৮. They suffered much ____ tornado had hit their village.
    • ক. untill
    • খ. since
    • গ. as if
    • ঘ. let alone
    উত্তর: খ. since
    বাক্যটির অর্থ হলো, ঘূর্ণিঝড় তাদের গ্রামে আঘাত হানার পর থেকে তারা অনেক কষ্ট ভোগ করেছে। এখানে ‘since’ বসালে বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে, কারণ since এখানে ‘যেহেতু’ বা ‘যখন থেকে’ অর্থে কারণ ও সময়ের সম্পর্ক প্রকাশ করে। ‘Untill’ বানানটিই ভুল (সঠিক until), আর ‘as if’ ও ‘let alone’ এই বাক্যে অর্থ মেলাতে পারে না।
    উদাহরণ:
    Since it was raining, we stayed at home.
    মনে রাখুন: Since সাধারণত কারণ বা সময়ের সূচনা বোঝায়।
  9. ২৯. One of the four sentences, given below is grammatically wrong. Choose the wrong sentence:
    • ক. The land is belonged to an old lady.
    • খ. They parted from one another suddenly.
    • গ. The leader expressed himself forcibly.
    • ঘ. Mother bought me an icecream.
    উত্তর: ক. The land is belonged to an old lady.
    বাক্যগুলোর মধ্যে ভুল বাক্য The land is belonged to an old lady। ‘Belong’ একটি অকর্মক ক্রিয়া (Intransitive Verb), আর অকর্মক ক্রিয়ার কর্ম থাকে না বলে এটি Passive Voice-এ ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক বাক্য ‘The land belongs to an old lady.’। বাকি তিনটি বাক্য ব্যাকরণগতভাবে ঠিক।
    মনে রাখুন: Belong সবসময় to-এর সঙ্গে বসে, যেমন This book belongs to me।
  10. ৩০. One of the four sentences, given below is grammatically wrong. Choose the wrong sentence :
    • ক. He was always arguing with his brother.
    • খ. His failure resulted for lack of attention.
    • গ. When will you write to him about your plan?
    • ঘ. Who was the boy you were all laughing at?
    উত্তর: খ. His failure resulted for lack of attention.
    বাক্যগুলোর মধ্যে ভুল বাক্য His failure resulted for lack of attention। ‘Result’ ক্রিয়ার সঙ্গে ‘for’ বসে না। ফল বোঝাতে ‘result in’ এবং কারণ বোঝাতে ‘result from’ ব্যবহার করা হয়। তাই শুদ্ধ বাক্য ‘His failure resulted from lack of attention.’। বাকি তিনটি বাক্য ঠিক।
    উদাহরণ:
    His carelessness resulted in failure. (ফল বোঝাচ্ছে)
    The failure resulted from carelessness. (কারণ বোঝাচ্ছে)
  11. ৩১. Choose the correct spelt word :
    • ক. Volantory
    • খ. Volantary
    • গ. Voluntary
    • ঘ. Voluntory
    উত্তর: গ. Voluntary
    শুদ্ধ বানান Voluntary। এর অর্থ স্বেচ্ছায় করা, অর্থাৎ কোনো জোর বা বাধ্যবাধকতা ছাড়াই করা কাজ। শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ‘voluntas’ থেকে, যার অর্থ ইচ্ছা। বানানের ভুল হওয়ার একটি কারণ হলো ‘lun’-এর বদলে ‘lan’ বা ‘lon’ লেখা।
    উদাহরণ:
    He joined the Red Crescent as a voluntary worker.
    মনে রাখুন: Voluntary-এর বিপরীত শব্দ compulsory।
  12. ৩২. Choose the correct spelt word :
    • ক. Accilerate
    • খ. Accelerate
    • গ. Accelerrate
    • ঘ. Accilarate
    উত্তর: খ. Accelerate
    শুদ্ধ বানান Accelerate (a-c-c-e-l-e-r-a-t-e), যার অর্থ গতি বাড়ানো বা ত্বরান্বিত করা। শব্দটিতে দুটি ‘c’ এবং একটি ‘l’ ও একটি ‘r’ থাকে। প্রায়ই ‘cc’-এর পরের স্বরবর্ণ ‘i’ লিখে ভুল হয়, কিন্তু সঠিক বর্ণ ‘e’। পদার্থবিজ্ঞানেও ত্বরণের (Acceleration) ধারণা একই ধাতু থেকে এসেছে।
    উদাহরণ:
    The driver accelerated the car.
    মনে রাখুন: Accelerate-এর বিপরীত শব্দ decelerate।
  13. ৩৩. Choose the correct spelt word :
    • ক. Tsunami
    • খ. Sunami
    • গ. suname
    • ঘ. Sunamee
    উত্তর: ক. Tsunami
    শুদ্ধ বানান Tsunami। শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ ‘বন্দরের ঢেউ’। ইংরেজি উচ্চারণে শুরুর ‘T’ ধ্বনি উচ্চারিত হয় না, তাই অনেকেই ভুল করে ‘Sunami’ লিখে ফেলে। কিন্তু বানানে ‘T’ লিখতেই হয়। সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প হলে এই ধরনের বিশাল ঢেউ তৈরি হয়।
    মনে রাখুন: ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে ভয়াবহ সুনামি হয়েছিল।
  14. ৩৪. Of the four alternatives, find the one that best fits into the blank space : While living in poverty, the poet had to _____ a great deal of sufferings.
    • ক. see through
    • খ. put up with
    • গ. pass by
    • ঘ. fall back
    উত্তর: খ. put up with
    ‘Put up with’ ইডিয়মের অর্থ সহ্য করা বা মেনে নেওয়া। বাক্যটির অর্থ, দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করার সময় কবিকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল। এই অর্থে put up with বসে। বাকি ইডিয়মগুলোর অর্থ আলাদা। See through মানে ভেতর পর্যন্ত বোঝা বা শেষ পর্যন্ত যাওয়া, pass by মানে পাশ দিয়ে চলে যাওয়া, আর fall back মানে পিছু হটা।
    উদাহরণ:
    I cannot put up with this noise any longer।
    মনে রাখুন: Put up with-এর সমার্থক শব্দ tolerate ও endure।
  15. ৩৫. Wordsworth introduced the readers ______ a new kind of poetry.
    • ক. with
    • খ. at
    • গ. to
    • ঘ. by
    উত্তর: গ. to
    ‘Introduce’ ক্রিয়ার পরে যে ব্যক্তিকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, তার জন্য to বসে। অর্থাৎ ‘introduce someone to something’। তাই বাক্যটি দাঁড়ায় Wordsworth introduced the readers to a new kind of poetry। ‘With’, ‘at’ বা ‘by’ বসালে ব্যাকরণ ঠিক থাকে না।
    উদাহরণ:
    Let me introduce you to my friend.
    মনে রাখুন: উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ ইংরেজ রোম্যান্টিক কবি, আর তিনি কোলরিজের সঙ্গে ‘লিরিক্যাল ব্যালাডস’ প্রকাশ করেন।
  16. ৩৬. _____ his earlier study, the Professor’s new study indicates a general warning trend in global weather.
    • ক. In contrast of
    • খ. in contrast to
    • গ. In contrast by
    • ঘ. In contrast as
    উত্তর: খ. in contrast to
    দুটি ভিন্ন বিষয়ের মধ্যে পার্থক্য বোঝাতে ইংরেজিতে in contrast to বাক্যাংশ ব্যবহৃত হয়। বাক্যটিতে অধ্যাপকের নতুন গবেষণাকে আগের গবেষণার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, তাই ‘in contrast to’ বসবে। ‘In contrast of’, ‘in contrast by’ বা ‘in contrast as’ প্রচলিত বাক্যাংশ নয়।
    উদাহরণ:
    In contrast to his brother, he is very shy.
    মনে রাখুন: বিপরীত বোঝাতে ‘as opposed to’ বা ‘unlike’-ও ব্যবহার করা যায়।
  17. ৩৭. Only those who are not serious to their success work by ____ and starts.
    • ক. long odds
    • খ. against time
    • গ. every inch
    • ঘ. fits
    উত্তর: ঘ. fits
    ‘By fits and starts’ ইডিয়মের অর্থ অনিয়মিতভাবে, থেমে থেমে কাজ করা। যারা সাফল্যের ব্যাপারে গম্ভীর নয়, তারা অল্প সময় কাজ করে আবার থেমে যায়, আর এই অর্থ প্রকাশ করতে fits বসে। অন্য অপশনগুলোর বাক্যাংশ আলাদা। ‘By long odds’ মানে অনেক ব্যবধানে, আর ‘against time’ মানে সময়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে।
    উদাহরণ:
    He studies by fits and starts, not regularly.
    মনে রাখুন: By fits and starts-এর বিপরীত অর্থ regularly বা steadily।
  18. ৩৮. Choose the word/words that best fits into the underlined word given in the sentence: Crafty men condemn studies, simple men admire them and wise men use them.
    • ক. Denounce
    • খ. Laud
    • গ. Compliment
    • ঘ. Acclaim
    উত্তর: ক. Denounce
    ‘Condemn’ মানে কঠোরভাবে নিন্দা করা বা অনুমোদন না করা। তাই এর কাছাকাছি অর্থ Denounce, অর্থাৎ প্রকাশ্যে নিন্দা করা। বাকি তিনটি শব্দের অর্থ প্রশংসা করা। Laud মানে প্রশংসা করা, Compliment মানে তারিফ করা, আর Acclaim মানে সোচ্চার প্রশংসা করা।
    মনে রাখুন: Condemn-এর বিপরীত শব্দ praise বা approve।
  19. ৩৯. The following idiom is followed by some alternatives, choose the one that best expresses its meaning. To end in smoke-
    • ক. To create fire
    • খ. To go through suffering
    • গ. To come to nothing
    • ঘ. To see fire
    উত্তর: গ. To come to nothing
    ‘To end in smoke’ ইডিয়মের অর্থ to come to nothing, অর্থাৎ কোনো পরিকল্পনা বা আশা শেষ পর্যন্ত কিছুই ফল না দিয়ে শেষ হয়ে যাওয়া। ধোঁয়া যেমন মিলিয়ে যায়, তেমনই ব্যর্থ উদ্যোগও কোনো চিহ্ন না রেখে হারিয়ে যায়।
    উদাহরণ:
    All his plans ended in smoke.
    মনে রাখুন: Come to nothing আর fall through প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

  1. ৪০. কম্পিউটার-টু- কম্পিউটারের তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয়-
    • ক. ই-মেইল
    • খ. ইন্টারকম
    • গ. ইন্টারনেট
    • ঘ. টেলিকমিউনিকেশন
    উত্তর: গ. ইন্টারনেট
    কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তি ইন্টারনেট (Internet)। এটি সারা বিশ্বের অসংখ্য কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি বিশাল সংযোগ ব্যবস্থা। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য পাঠানো যায়। ই-মেইল ইন্টারনেটের একটি সেবা মাত্র, পুরো প্রযুক্তি নয়। ইন্টারকম একটি ছোট এলাকার মধ্যে কথোপকথনের ব্যবস্থা, আর টেলিকমিউনিকেশন দূরবর্তী যোগাযোগের সাধারণ নাম।
    মনে রাখুন: ইন্টারনেটের সূচনা ১৯৬৯ সালে ‘আরপানেট’ (ARPANET) দিয়ে হয়, আর ১৯৮৯ সালে টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ধারণা দেন।

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

  1. ৪১. বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ময়নামতি
    • খ. সোনারগাঁ
    • গ. ঢাকা
    • ঘ. পাহাড়পুর
    উত্তর: খ. সোনারগাঁ
    বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে অবস্থিত। সোনারগাঁ এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল এবং সেখানে এখনো অনেক প্রাচীন স্থাপত্য ও লোকজ ঐতিহ্যের নিদর্শন রয়ে গেছে। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে ১৯৭৫ সালে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়। এখানে আমাদের লোকশিল্প, কারুশিল্প ও গ্রামীণ জীবনের নানা সামগ্রী সংরক্ষিত আছে।
    মনে রাখুন:
    ময়নামতিতে আছে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ।
    পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলায়, আর এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ।
  2. ৪২. জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত রিপোর্ট ১৯৯৪ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান কত?
    • ক. সপ্তম
    • খ. নবম
    • গ. একাদশ
    • ঘ. ত্রয়োদশ
    উত্তর: খ. নবম
    জাতিসংঘের ১৯৯৪ সালের জনসংখ্যা প্রতিবেদন অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ ছিল পৃথিবীর নবম বৃহত্তম দেশ। কোনো দেশের জনসংখ্যা বাড়ে বলে বিশ্বে তার অবস্থানও সময়ের সঙ্গে বদলায়। তাই প্রশ্নে যে বছরের কথা বলা থাকে, সেই বছরের হিসাবই ধরতে হয়।
    হালনাগাদ: বর্তমানে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে অষ্টম।
  3. ৪৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    • ক. ১৯২১
    • খ. ১৯২৫
    • গ. ১৯২৯
    • ঘ. ১৯৩৩
    উত্তর: ক. ১৯২১
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করা হলে ঢাকা পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী হয়েছিল, কিন্তু ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ঢাকা সেই মর্যাদা হারায়। এর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়টি যাত্রা শুরু করে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার পি জে হার্টগ।
    এটি ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ নামে পরিচিত ছিল।
  4. ৪৪. বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়?
    • ক. ১৩৭
    • খ. ১৩৮
    • গ. ১৪৭
    • ঘ. ১৫০
    উত্তর: ক. ১৩৭
    বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission) প্রতিষ্ঠার বিধান আছে। আমাদের সংবিধানের নবম ভাগে প্রজাতন্ত্রের কর্ম সম্পর্কে বলা হয়েছে, আর এর দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে ১৩৭ থেকে ১৪১ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত কর্ম কমিশনের গঠন, দায়িত্ব ও কার্যাবলি আলোচিত হয়েছে। এই কমিশন সরকারি চাকরিতে নিয়োগের জন্য পরীক্ষা গ্রহণ করে, যেমন বিসিএস পরীক্ষা।
    মনে রাখুন: নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান আছে সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে।
  5. ৪৫. কে বাংলার সাল গণনা শুরু করেন?
    • ক. লক্ষ্মণ সেন
    • খ. ইলিয়াস শাহ্‌
    • গ. বিজয় সেন
    • ঘ. আকবর
    উত্তর: ঘ. আকবর
    বাংলা সন গণনা শুরু করেন মুঘল সম্রাট আকবর। খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য তিনি চান্দ্র হিজরি সনের সঙ্গে সৌর সনের মিল ঘটিয়ে এই নতুন সন চালু করেন। এর ফলে ফসল কাটার সময়ের সঙ্গে খাজনা আদায়ের সময় মিলে যেত, আর এ কারণে এই সনকে ‘ফসলি সন’ও বলা হয়। বাংলা সন ৯৬৩ হিজরি সনের সঙ্গে সংগতি রেখে গণনা শুরু হয়। পরে বাংলা একাডেমি ১৯৮৭ সালে সংস্কার করে সন গণনার নিয়ম আরও সহজ করে, আর এখন ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ হিসেবে পালিত হয়।
    মনে রাখুন: লক্ষ্মণ সেন ও বিজয় সেন সেন বংশের রাজা, আর ইলিয়াস শাহ বাংলার সুলতান ছিলেন।
  6. ৪৬. গম্ভীরা বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
    • ক. চট্টগ্রাম
    • খ. রাঙামাটি
    • গ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
    • ঘ. জামালপুর
    উত্তর: গ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
    গম্ভীরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের জনপ্রিয় লোকসংগীত। এতে সাধারণত নানা ও নাতির মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে সমাজের নানা সমস্যা ও অসংগতি তুলে ধরা হয়। গম্ভীরা মূলত শিবের পূজাকে কেন্দ্র করে চৈত্র মাসে গাওয়া হতো, পরে এটি সামাজিক সমালোচনার গানে রূপ নেয়।
    মনে রাখুন:
    ভাওয়াইয়া: রংপুর ও কুচবিহার অঞ্চলের লোকগান।
    ভাটিয়ালি: নদীপথের মাঝিদের গান।
    জারি: ময়মনসিংহ ও ঢাকা অঞ্চলের লোকগান।
  7. ৪৭. রেলপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব কত?
    • ক. ৬২৭ কি.মি.
    • খ. ৫২৯ কি.মি.
    • গ. ৪১২ কি.মি.
    • ঘ. ৩০৭ কি.মি.
    উত্তর: গ. ৪১২ কি.মি.
    পরীক্ষার সময়ে রেলপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব ছিল ৪১২ কিলোমিটার। তখন ঢাকা থেকে খুলনা যাওয়ার রেলপথ ছিল যমুনা বহুমুখী সেতু হয়ে, ঈশ্বরদী ও যশোর পর্যন্ত বেশ ঘুরে। সোজাসুজি পথ না থাকায় রেলপথের দূরত্ব সড়কপথের চেয়ে অনেক বেশি ছিল।
    মনে রাখুন: ঈশ্বরদী পাবনা জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলজংশন।
  8. ৪৮. নিম্নলিখিত কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ বর্তমানে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পায়?
    • ক. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    • খ. জাপান
    • গ. দক্ষিণ কোরিয়া
    • ঘ. জার্মানি
    উত্তর: খ. জাপান
    পরীক্ষার সময়ে বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহায়তা পেত, সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় দাতা ছিল জাপান। জাপান যমুনা সেতুসহ অনেক বড় অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে। এখনও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (JICA) মারফত আমাদের দেশে বড় উন্নয়ন-সহযোগী হিসেবে কাজ করছে।
    মনে রাখুন: ঢাকার মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-৬) নির্মাণেও জাপানের অর্থায়ন আছে।
  9. ৪৯. বাংলাদেশ কোন সাল থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করছে?
    • ক. ১৯৮৮
    • খ. ১৯৮৫
    • গ. ১৯৭৫
    • ঘ. ১৯৭৯
    উত্তর: ক. ১৯৮৮
    বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেয়। সে বছর ইরান-ইরাক যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণের জন্য গঠিত মিশনে (UNIIMOG) বাংলাদেশি পর্যবেক্ষকরা কাজ শুরু করেন। পরে নামিবিয়ার মিশনসহ আরও অনেক মিশনে বাংলাদেশের সদস্যরা অংশ নেন। শান্তিরক্ষা বাহিনীতে সদস্য পাঠানো দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এখন অগ্রণী দেশগুলোর একটি।
    মনে রাখুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী নীল হেলমেট পরে বলে একে ‘নীল হেলমেট’ বাহিনীও বলে।

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

  1. ৫০. হাজার হ্রদের দেশ কোনটি?
    • ক. নরওয়ে
    • খ. ফিনল্যান্ড
    • গ. ইন্দোনেশিয়া
    • ঘ. জাপান
    উত্তর: খ. ফিনল্যান্ড
    ফিনল্যান্ডকে ‘হাজার হ্রদের দেশ’ বলা হয়। বরফ যুগে হিমবাহের ক্ষয়ের ফলে জমিতে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছিল, আর পরে সেগুলোতে পানি জমে হ্রদ হয়। নামে হাজার হলেও দেশটিতে আসলে লক্ষাধিক হ্রদ আছে।
    মনে রাখুন:
    নরওয়ে: মধ্যরাতের সূর্যের দেশ।
    জাপান: উদীয়মান সূর্যের দেশ।
    ইন্দোনেশিয়া: হাজার দ্বীপের দেশ।
  2. ৫১. পূর্বে কোন দেশটি শ্যামদেশ নামে পরিচিত ছিল?
    • ক. মালয়েশিয়া
    • খ. ইন্দোনেশিয়া
    • গ. থাইল্যান্ড
    • ঘ. মায়ানমার
    উত্তর: গ. থাইল্যান্ড
    থাইল্যান্ডের পুরোনো নাম ছিল শ্যামদেশ (Siam)। ১৯৩৯ সালে দেশটির নাম বদলে থাইল্যান্ড রাখা হয়। এর রাজধানী ব্যাংকক। থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ, যা কখনো ইউরোপীয় শক্তির উপনিবেশ হয়নি। অন্য অপশনের দেশগুলোর নাম আলাদা। মায়ানমারের পুরোনো নাম বার্মা।
    মনে রাখুন: থাইল্যান্ডে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র চালু আছে।
  3. ৫২. হারারে’র পূর্ব নাম কি?
    • ক. সলসব্যারী
    • খ. রোডেসিয়া
    • গ. জিবুতি
    • ঘ. জায়ারে
    উত্তর: ক. সলসব্যারী
    জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারের আগের নাম ছিল সলসব্যারী (Salisbury)। ১৯৮২ সালে শহরটির নাম বদলে হারারে রাখা হয়। সলসব্যারী ছিল ঔপনিবেশিক যুগের নাম, আর সেই সময় দেশটির নামও ছিল রোডেশিয়া। ১৯৮০ সালে স্বাধীনতার পর দেশটির নাম হয় জিম্বাবুয়ে। জিবুতি একটি আলাদা দেশ, আর জায়ারে ছিল বর্তমান কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পুরোনো নাম।
    মনে রাখুন: রোডেশিয়া নামটি ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী সেসিল রোডসের নামে রাখা হয়েছিল।
  4. ৫৩. কবে ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয়?
    • ক. ১৭৮৯
    • খ. ১৭৯১
    • গ. ১৭৯৫
    • ঘ. ১৮০০
    উত্তর: ক. ১৭৮৯
    ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে, ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মধ্য দিয়ে। এই বিপ্লবের আদর্শ ছিল সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতা। বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের অবসান হয় এবং মানুষের অধিকার ঘোষণা করা হয়। পরে ১৭৯৯ সালে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ক্ষমতা দখল করেন।
    মনে রাখুন: ১৭৮৯ সালেই ‘মানুষ ও নাগরিকের অধিকারের ঘোষণা’ গৃহীত হয়।
  5. ৫৪. কার্ল মার্কস কোন দেশে মৃত্যুবরণ করেন?
    • ক. জার্মানি
    • খ. ফ্রান্স
    • গ. যুক্তরাজ্য
    • ঘ. রাশিয়া
    উত্তর: গ. যুক্তরাজ্য
    কার্ল মার্কস জার্মানির ট্রিয়ার শহরে জন্ম নেন, কিন্তু রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দেশ ছাড়তে হয়। জীবনের শেষ অংশ তিনি লন্ডনে কাটান এবং ১৮৮৩ সালে সেখানেই মারা যান। তাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন যুক্তরাজ্যে। লন্ডনের হাইগেট কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
    মনে রাখুন: মার্কসের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দাস ক্যাপিটাল’ (১৮৬৭), আর ফ্রেডরিখ এঙ্গেলসের সঙ্গে লেখা ‘কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’ (১৮৪৮)।
  6. ৫৫. আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ কে ছিলেন?
    • ক. দাউদ খাঁ
    • খ. জহির শাহ
    • গ. নাদির শাহ
    • ঘ. নজীবুল্লাহ
    উত্তর: খ. জহির শাহ
    আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ ছিলেন জহির শাহ। তিনি ১৯৩৩ সাল থেকে দীর্ঘদিন দেশ শাসন করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি যখন বিদেশে ছিলেন, তখন তাঁর আত্মীয় মোহাম্মদ দাউদ খান অভ্যুত্থান করে ক্ষমতা নেন, রাজতন্ত্রের অবসান ঘটান এবং দেশকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন। নাদির শাহ ছিলেন জহির শাহের পিতা, আর নজীবুল্লাহ ছিলেন কমিউনিস্ট আমলের প্রেসিডেন্ট।
    মনে রাখুন: জহির শাহ ২০০৭ সালে মারা যান।
  7. ৫৬. স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সর্বপ্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি দান করে?
    • ক. ইরাক
    • খ. ইরান
    • গ. সৌদি আরব
    • ঘ. আলজেরিয়া
    উত্তর: ঘ. আলজেরিয়া
    ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (PLO) জাতীয় পরিষদ আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ঘোষণা দেয়। সেদিনই আলজেরিয়া প্রথম দেশ হিসেবে এই রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। তখন ফিলিস্তিনি নেতা ছিলেন ইয়াসির আরাফাত।
    মনে রাখুন: ২০১২ সালে জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে ‘অসদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র’-এর মর্যাদা দেয়।
  8. ৫৭. ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ কোন দুটি রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে?
    • ক. ইসরাইল ও জর্ডান
    • খ. ভারত ও পাকিস্তান
    • গ. চীন ও তাইওয়ান
    • ঘ. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
    উত্তর: খ. ভারত ও পাকিস্তান
    লাইন অব কন্ট্রোল (Line of Control, LoC) হলো কাশ্মীরে ভারত ও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত অংশের মাঝখানের সীমারেখা। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তি হয়, আর তার পর আগের যুদ্ধবিরতি রেখা লাইন অব কন্ট্রোল নামে পরিচিত হয়। এটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত নয়, বরং কাশ্মীর বিরোধের একটি অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ রেখা।
    মনে রাখুন: উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মাঝে আছে অসামরিক অঞ্চল (DMZ), যা ৩৮ ডিগ্রি অক্ষরেখার কাছাকাছি।
  9. ৫৮. মধ্য আমেরিকার কোন দেশে স্থায়ী সেনাবাহিনী নেই?
    • ক. কলাম্বিয়া
    • খ. নিকারাগুয়া
    • গ. কোস্টারিকা
    • ঘ. এল সালভাদর
    উত্তর: গ. কোস্টারিকা
    মধ্য আমেরিকার দেশ কোস্টারিকা ১৯৪৮ সালে তাদের সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করে। তখন দেশটির নেতা ছিলেন হোসে ফিগুয়েরেস ফেরার। সেনাবাহিনীর পেছনে ব্যয় না করে দেশটি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বেশি অর্থ খরচ করে। কলম্বিয়া, নিকারাগুয়া ও এল সালভাদরের সেনাবাহিনী আছে। কলম্বিয়া আবার মধ্য আমেরিকার নয়, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ।
    মনে রাখুন: কোস্টারিকার রাজধানী সান হোসে, আর ১৯৯০ সালে পানামাও সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করে।

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

  1. ৫৯. পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বেশি গম উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?
    • ক. অস্ট্রেলিয়া
    • খ. কানাডা
    • গ. যুক্তরাষ্ট্র
    • ঘ. চীন
    উত্তর: ঘ. চীন
    গম উৎপাদনে পৃথিবীতে প্রথম স্থানে আছে চীন। এর পরে ভারত ও রাশিয়ার অবস্থান। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া গম রপ্তানিতে এগিয়ে আছে, কিন্তু তাদের মোট উৎপাদন চীনের চেয়ে কম, কারণ চীনের জনসংখ্যা ও চাষের জমি অনেক বেশি।
    মনে রাখুন:
    ধান উৎপাদনেও চীন ও ভারত শীর্ষ দুটি দেশ।
    গমের প্রধান ফলন হয় শীতকালে (রবি শস্য)।
  2. ৭৩. প্রবল জোয়ারের কারণ, যখন-
    • ক. সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে অবস্থান করে
    • খ. চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে
    • গ. পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
    • ঘ. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
    উত্তর: ঘ. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী যথাক্রমে এক সরলরেখায় অবস্থান করে
    সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী যখন একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন সূর্য ও চাঁদের আকর্ষণ একই দিকে কাজ করে এবং সম্মিলিত টানে সমুদ্রের পানি অনেক ওপরে ওঠে। একে প্রবল জোয়ার (Spring Tide) বা ভরা কোটাল বলে। এটি ঘটে অমাবস্যা ও পূর্ণিমায়। চাঁদ বা সূর্যের পৃথিবীর কাছাকাছি আসা প্রবল জোয়ারের মূল কারণ নয়।
    মনে রাখুন:
    সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণে থাকলে (অষ্টমী তিথিতে) মৃদু জোয়ার বা মরা কোটাল হয়।
    প্রতিদিন সাধারণত দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।

সাধারণ বিজ্ঞান

  1. ৬০. কোনটি অর্ধ-পরিবাহী (Semi-conductor) নয়?
    • ক. লোহা
    • খ. সিলিকন
    • গ. জার্মেনিয়াম
    • ঘ. গ্যালিয়াম
    উত্তর: ক. লোহা
    অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) এমন পদার্থ, যার তড়িৎ পরিবাহিতা পরিবাহী ও অপরিবাহীর মাঝামাঝি। সিলিকন ও জার্মেনিয়াম এর বিখ্যাত উদাহরণ, আর গ্যালিয়াম আর্সেনাইড যৌগ হিসেবে অর্ধপরিবাহী ব্যবহৃত হয়। কিন্তু লোহা একটি ধাতু, আর ধাতু সুপরিবাহী, তাই লোহা অর্ধপরিবাহী নয়।
    মনে রাখুন: ট্রানজিস্টর, ডায়োড ও কম্পিউটারের চিপ অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরি হয়।
  2. ৬১. আইসোটোপের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
    • ক. ভর সংখ্যা সমান থাকে
    • খ. নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
    • গ. প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
    • ঘ. প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
    উত্তর: ঘ. প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
    যে পরমাণুগুলোর প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা আলাদা, তাদের আইসোটোপ (Isotope) বলে। প্রোটন সংখ্যা সমান বলে এরা একই মৌলের পরমাণু। নিউট্রন সংখ্যা আলাদা হওয়ার জন্য এদের ভর সংখ্যা আলাদা হয়, তাই আইসোটোপের ক্ষেত্রে সঠিক কথা হলো প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে।
    উদাহরণ:
    হাইড্রোজেনের আইসোটোপ: প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম।
    মনে রাখুন: ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা আলাদা হলে তাদের আইসোবার বলে।
  3. ৬২. ভারী পানি (Heavy water) এর সংকেত হচ্ছে –
    • ক. 2H2O2
    • খ. H2O
    • গ. D2O
    • ঘ. HD2O2
    উত্তর: গ. D2O
    ভারী পানির (Heavy Water) সংকেত D2O। সাধারণ পানির হাইড্রোজেনের জায়গায় হাইড্রোজেনের ভারী আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম (D) থাকলে তাকে ভারী পানি বলে। পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি কমানোর জন্য এটি মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন: হ্যারল্ড ইউরে ১৯৩১ সালে ডিউটেরিয়াম আবিষ্কার করেন।
  4. ৬৩. জারণ বিক্রিয়ায় ঘটে-
    • ক. ইলেক্ট্রন বর্জন
    • খ. ইলেক্ট্রন গ্রহণ
    • গ. ইলেক্ট্রন আদান-প্রদান
    • ঘ. তড়িৎ ধনাত্মক মৌলের বা মূলকের অপসারণ
    উত্তর: ক. ইলেক্ট্রন বর্জন
    যে বিক্রিয়ায় কোনো পরমাণু বা আয়ন ইলেকট্রন ত্যাগ করে, তাকে জারণ (Oxidation) বলে। এ সময় ওই পরমাণু বা আয়নের জারণ সংখ্যা বাড়ে। উল্টো দিকে ইলেকট্রন গ্রহণকে বিজারণ (Reduction) বলে। জারণ ও বিজারণ সবসময় একই সঙ্গে ঘটে, তাই একে রেডক্স বিক্রিয়া বলা হয়।
    মনে রাখুন: প্রাচীন সংজ্ঞায় অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া কিংবা হাইড্রোজেন হারানোও জারণ।
  5. ৬৪. বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়-
    • ক. ট্রান্সমিটারের সাহায্যে
    • খ. স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
    • গ. স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
    • ঘ. এডাপটারের সাহায্যে
    উত্তর: গ. স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে
    বিদ্যুতের উচ্চ ভোল্টেজ থেকে নিম্ন ভোল্টেজ পাওয়া যায় স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমারের সাহায্যে। ট্রান্সফরমার (Transformer) পরিবর্তী প্রবাহের ভোল্টেজ বদলায় পারস্পরিক আবেশের নীতিতে। স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীতে প্যাঁচের সংখ্যা কম থাকে, তাই ভোল্টেজ কমে যায়। স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার উল্টো কাজ করে, অর্থাৎ ভোল্টেজ বাড়ায়।
    মনে রাখুন: ট্রান্সফরমার শুধু পরিবর্তী প্রবাহে (AC) কাজ করে, আর অ্যাডাপ্টার পরিবর্তী প্রবাহকে একমুখী প্রবাহে (DC) পরিণত করে।
  6. ৬৫. কাজ ও বলের একক যথাক্রমে-
    • ক. নিউটন ও মিটার
    • খ. জুল ও ডাইন
    • গ. ওয়াট ও পাউন্ড
    • ঘ. প্যাসকেল ও কিলোগ্রাম
    উত্তর: খ. জুল ও ডাইন
    কাজের SI একক জুল (Joule), আর CGS পদ্ধতিতে বলের একক ডাইন (Dyne)। এক নিউটন বল প্রয়োগে বস্তু বলের দিকে এক মিটার সরলে এক জুল কাজ হয়। অন্য অপশনগুলোতে একক ও রাশির ক্রম মেলে না। নিউটন বলের একক, মিটার দূরত্বের একক, ওয়াট ক্ষমতার একক, পাউন্ড ভরের একক, আর প্যাসকেল চাপের একক।
    মনে রাখুন: ১ নিউটন = ১০⁵ ডাইন।
  7. ৬৬. আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় –
    • ক. মেঘের অসংখ্য জলকণা/বরফকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
    • খ. দুখণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষ হলে
    • গ. মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে
    • ঘ. মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
    উত্তর: ক. মেঘের অসংখ্য জলকণা/বরফকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
    আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর কারণ মেঘের অসংখ্য জলকণা ও বরফকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হওয়া। মেঘের ভেতরে বাতাসের ওপরে-নিচে ছুটে চলা জলকণা ও বরফকণা পরস্পরের সঙ্গে ঘষা খায়, ফলে মেঘের এক অংশে ধনাত্মক আর অন্য অংশে ঋণাত্মক আধান জমে। দুই অংশের মধ্যে বা মেঘ ও ভূমির মধ্যে বিভব পার্থক্য খুব বেশি হয়ে গেলে হঠাৎ করে আধান ছুটে যায়, আর তাতেই আলোর ঝলকানি দেখা যায়। এই ঝলকানির সময় বাতাস প্রচণ্ড গরম হয়ে ফুলে ওঠে, ফলে বজ্রধ্বনি শোনা যায়।
    মনে রাখুন:
    আলো শব্দের চেয়ে অনেক দ্রুত চলে, তাই আমরা আগে বিদ্যুৎ চমক দেখি, পরে বজ্রের শব্দ শুনি।
    বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন ১৭৫২ সালে ঘুড়ি উড়িয়ে প্রমাণ করেন যে বজ্র একধরনের বিদ্যুৎ।
  8. ৬৭. কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাসে (Inert gas) আটটি ইলেকট্রন নেই?
    • ক. হিলিয়াম
    • খ. নিয়ন
    • গ. আর্গন
    • ঘ. জেনন
    উত্তর: ক. হিলিয়াম
    হিলিয়ামের পরমাণুতে মোট দুটি ইলেকট্রন থাকে, কারণ এর পারমাণবিক সংখ্যা ২। এই দুটি ইলেকট্রনই একমাত্র কক্ষপথে থাকে এবং কক্ষপথটি এতেই পূর্ণ হয়। নিয়ন, আর্গন ও জেননের সর্বশেষ কক্ষপথে আটটি করে ইলেকট্রন থাকে, আর এই আটটি ইলেকট্রনের বিন্যাসকে অষ্টক (Octet) বলে। তাই এদের মধ্যে একমাত্র হিলিয়ামই ব্যতিক্রম।
    মনে রাখুন: নিষ্ক্রিয় গ্যাস ছয়টি: হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন ও রেডন।
  9. ৬৮. এপিকালচার বলতে বুঝায়-
    • ক. রেশমের চাষ
    • খ. মৎস্য চাষ
    • গ. মৌমাছির চাষ
    • ঘ. পাখিপালন বিদ্যা
    উত্তর: গ. মৌমাছির চাষ
    এপিকালচার (Apiculture) মানে মৌমাছি পালন, যেখানে মধু ও মোম উৎপাদনের জন্য মৌমাছির কলোনি রাখা হয়। বাকি অপশনগুলোর নাম আলাদা। রেশম চাষকে বলে সেরিকালচার (Sericulture), মৎস্য চাষকে বলে পিসিকালচার (Pisciculture), আর পাখিপালনকে বলে অ্যাভিকালচার (Aviculture)।
    মনে রাখুন: ফুল চাষকে বলে ফ্লোরিকালচার, আর ফল ও সবজি চাষকে বলে হর্টিকালচার।
  10. ৬৯. বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছেন –
    • ক. স্টিফেন হকিং
    • খ. জি লেমেটার
    • গ. আব্দুস সালাম
    • ঘ. এডুইন হাবল
    উত্তর: ক. স্টিফেন হকিং
    মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্ব বলে, প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত এক বিন্দু থেকে মহাবিশ্ব প্রসারিত হতে শুরু করে। তত্ত্বটির প্রাথমিক ধারণা দেন বেলজিয়ামের জর্জ লেমেটার, আর এডুইন হাবল মহাবিশ্ব যে প্রসারিত হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করেন। পরে স্টিফেন হকিং রজার পেনরোজের সঙ্গে কাজ করে এই তত্ত্বের আধুনিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন, যেখানে মহাবিশ্বের শুরু একটি সিঙ্গুলারিটি থেকে হয়েছিল বলে দেখানো হয়।
    মনে রাখুন: ‘বিগ ব্যাং’ নামটি প্রথম ব্যবহার করেন ফ্রেড হয়েল ১৯৪৯ সালে।
  11. ৭০. বায়ুমন্ডলে যে স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়-
    • ক. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
    • খ. ট্রাপোস্ফিয়ার
    • গ. আয়োনোস্ফিয়ার
    • ঘ. ওজোন স্তর
    উত্তর: গ. আয়োনোস্ফিয়ার
    বায়ুমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ার (Ionosphere) স্তর বেতার তরঙ্গকে প্রতিফলিত করে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ও অন্য বিকিরণে এই স্তরের গ্যাসের অণু আয়নিত হয়ে থাকে। এই আয়নিত স্তর বেতার তরঙ্গকে পৃথিবীর দিকে ফিরিয়ে দেয়, আর এভাবে বহু দূরের জায়গায় বেতার সংকেত পৌঁছায়। ট্রপোস্ফিয়ারে আবহাওয়ার ঘটনা ঘটে, আর ওজোন স্তর স্ট্রাটোস্ফিয়ারে থেকে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নেয়।
    মনে রাখুন: আয়নোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার ওপর থেকে শুরু হয়।
  12. ৭১. অপটিক্যাল ফাইবার (Optical fibre) হচ্ছে-
    • ক. খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল
    • খ. খুব সূক্ষ্ম সুপরিবাহী তামার তার তন্তু নল
    • গ. খুব সরু এসবেস্টোস ফাইবার নল
    • ঘ. সূক্ষ্ম প্লাস্টিক ঘটিত নল
    উত্তর: ক. খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল
    অপটিক্যাল ফাইবার (Optical Fibre) হলো খুব সরু ও নমনীয় কাচের তন্তু, যার ভেতর দিয়ে আলো যাতায়াত করে। ফাইবারের ভেতরের আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের (Total Internal Reflection) মাধ্যমে বারবার প্রতিফলিত হয়ে তন্তুর বাঁক ঘুরেও এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছায়। এর সাহায্যে ইন্টারনেট ও টেলিফোনের তথ্য খুব দ্রুত পাঠানো যায়। তামার তার বিদ্যুৎ বহন করে, আলো নয়।
    মনে রাখুন:
    চিকিৎসায় এন্ডোস্কোপে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহৃত হয়।
    চার্লস কাও ‘ফাইবার অপটিকসের জনক’ নামে পরিচিত, আর তিনি ২০০৯ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
  13. ৭২. সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম-
    • ক. ক্রোনোমিটার
    • খ. কম্পাস
    • গ. সিসমোগ্রাফ
    • ঘ. সেক্সট্যান্ট
    উত্তর: ক. ক্রোনোমিটার
    সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের যন্ত্র ক্রোনোমিটার (Chronometer)। এটি একটি অত্যন্ত নির্ভুল ঘড়ি, যা গ্রিনিচের সময় দেখায়। জাহাজে স্থানীয় সময়ের সঙ্গে এই গ্রিনিচ সময়ের পার্থক্য মেপে দ্রাঘিমাংশ বের করা হয়, কারণ প্রতি এক ঘণ্টার পার্থক্যে দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য ১৫°। অন্য যন্ত্রগুলোর কাজ আলাদা। সেক্সট্যান্ট দিয়ে সূর্য বা তারার কোণ মেপে অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়, কম্পাস দিক নির্দেশ করে, আর সিসমোগ্রাফ ভূমিকম্প মাপে।
    মনে রাখুন: জন হ্যারিসন ১৮ শতকে নির্ভুল সামুদ্রিক ক্রোনোমিটার তৈরি করেন।
  14. ৭৪. কোলেস্টেরল এক ধরনের ____ ।
    • ক. অসম্পৃক্ত এলকোহল
    • খ. জৈব এসিড
    • গ. পলিমার
    • ঘ. এমিনো এসিড
    উত্তর: ক. অসম্পৃক্ত এলকোহল
    কোলেস্টেরল (Cholesterol) এক ধরনের অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল। এটি একটি স্টেরয়েড, যার অণুতে একটি হাইড্রক্সিল (-OH) মূলক আর একটি দ্বিবন্ধন আছে। প্রাণীদেহে কোষঝিল্লি গঠন, কিছু হরমোন ও ভিটামিন ডি তৈরিতে কোলেস্টেরল কাজে লাগে। তবে রক্তে এর পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে ধমনির ভেতরে জমে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
    মনে রাখুন:
    কোলেস্টেরল শুধু প্রাণিজ খাবারে পাওয়া যায়, উদ্ভিজ্জ খাবারে নেই।
    HDL ভালো কোলেস্টেরল, আর LDL ক্ষতিকর কোলেস্টেরল।
  15. ৭৫. কৃষি জমিতে প্রধানত চুন ব্যবহার করা হয়-
    • ক. মাটির ক্ষয় রোধের জন্য
    • খ. মাটির অম্লতা বৃদ্ধির জন্য
    • গ. মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
    • ঘ. মাটির জৈব পদার্থ বৃদ্ধির জন্য
    উত্তর: গ. মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
    চুন একটি ক্ষারীয় পদার্থ। তাই অম্লীয় মাটিতে চুন দিলে এটি অম্লকে প্রশমিত করে মাটির অম্লতা হ্রাস করে। অম্লীয় মাটিতে অনেক ফসল ভালো হয় না এবং গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নিতে পারে না। চুন দিয়ে মাটির অম্লতা কমালে মাটির পরিবেশ ফসল চাষের উপযোগী হয়।
    মনে রাখুন: মাটির পিএইচ (pH) ৭-এর কম হলে মাটি অম্লীয়, আর ৭-এর বেশি হলে মাটি ক্ষারীয়।
  16. ৭৬. কোন আলোক তরঙ্গে (Light spectrum) মানব চোখে দেখতে পাওয়া যায়?
    • ক. ১০ থেকে ৪০০ নেমি (nm)
    • খ. ৪০০ থেকে ৭০০ নেমি (nm)
    • গ. ১০০ মাইক্রোমিটার (um) থেকে ১ মি(m)
    • ঘ. ১ মি(m) – এর ঊধবে
    উত্তর: খ. ৪০০ থেকে ৭০০ নেমি (nm)
    মানুষের চোখ প্রায় ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো দেখতে পায়, আর এই পরিসরকে দৃশ্যমান বর্ণালি (Visible Spectrum) বলে। এর মধ্যেই বেগুনি থেকে লাল পর্যন্ত সাতটি রং থাকে। বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, আর লাল আলোর সবচেয়ে বেশি। ৪০০ ন্যানোমিটারের চেয়ে ছোট তরঙ্গ অতিবেগুনি, আর ৭০০ ন্যানোমিটারের চেয়ে বড় তরঙ্গ অবলোহিত, এগুলো আমরা দেখতে পাই না।
    মনে রাখুন: ১ ন্যানোমিটার = ১০⁻⁹ মিটার।
  17. ৭৭. হীরক উজ্জ্বল দেখার কারণ –
    • ক. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
    • খ. প্রতিসরণের জন্য
    • গ. প্রতিফলনের জন্য
    • ঘ. অপবর্তনের জন্য
    উত্তর: ক. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
    হীরকের প্রতিসরাঙ্ক খুব বেশি, প্রায় ২.৪২। তাই এর সংকট কোণ খুব ছোট, প্রায় ২৪°। হীরকের ভেতরে ঢোকা আলো তার তলগুলোতে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয়ে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের (Total Internal Reflection) মধ্য দিয়ে যায়। শেষে কয়েকটি তল দিয়ে আলো বেরিয়ে আসে বলে হীরক ঝকঝকে উজ্জ্বল দেখায়। কারিগররা হীরার তল কেটে এমনভাবে বসান যাতে এই প্রতিফলন সবচেয়ে বেশি হয়।
    মনে রাখুন: মরীচিকা ও অপটিক্যাল ফাইবারেও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে।
  18. ৭৮. মানব দেহে সাধারণভাবে ক্রোমোজোম থাকে-
    • ক. ২৫ জোড়া
    • খ. ২৪ জোড়া
    • গ. ২৩ জোড়া
    • ঘ. ২০ জোড়া
    উত্তর: গ. ২৩ জোড়া
    মানুষের দেহকোষে মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে, অর্থাৎ ২৩ জোড়া। এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম বা দেহ ক্রোমোজোম, আর বাকি এক জোড়া লিঙ্গ ক্রোমোজোম। নারীর লিঙ্গ ক্রোমোজোম XX এবং পুরুষের XY। শুক্রাণু ও ডিম্বাণুতে ক্রোমোজোমের সংখ্যা অর্ধেক, অর্থাৎ ২৩টি।
    মনে রাখুন: একুশ নম্বর ক্রোমোজোম একটি বেশি থাকলে ডাউন সিনড্রোম হয়।

গাণিতিক যুক্তি

  1. ৭৯. রহিম, করিম এবং গাজী তিন জনে একটি কাজ করতে পারে যথাক্রমে 15, 6 এবং 10 দিনে। তাহারা একত্রে তিন জনে কাজটি কত দিনে শেষ করতে পারবে?
    • ক. 3 দিন
    • খ. 18 দিন
    • গ. 7 দিন
    • ঘ. 15 দিন
    উত্তর: ক. 3 দিন
    রহিম, করিম ও গাজী একা যথাক্রমে ১৫, ৬ ও ১০ দিনে কাজটি শেষ করে। তাই তিনজন একসঙ্গে এক দিনে করে মোট কাজের
    1/15 + 1/6 + 1/10 = (2 + 5 + 3)/30 = 10/30 = 1/3 অংশ।
    এক দিনে কাজের এক-তৃতীয়াংশ হলে পুরো কাজ শেষ হতে সময় লাগবে ৩ দিন।
    মনে রাখুন: একসঙ্গে সময় = 1 ÷ (এক দিনের মোট কাজ)।
  2. ৮০. কোনো সংখ্যার 40% এর সাথে 42 যোগ করলে ফলাফল হবে ঐ সংখ্যাটি। উহা কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
    • ক. 70
    • খ. 80
    • গ. 90
    • ঘ. 75
    উত্তর: ক. 70
    সংখ্যাটি x ধরি। প্রশ্ন অনুযায়ী সংখ্যাটির ৪০% এর সঙ্গে ৪২ যোগ করলে সংখ্যাটিই পাওয়া যায়:
    0.4x + 42 = x
    42 = x - 0.4x = 0.6x
    x = 42 ÷ 0.6 = 70
    অতএব সংখ্যাটি ৭০।
    যাচাই: ৭০-এর ৪০% = ২৮, আর 28 + 42 = 70।
  3. ৮১. কোন সংখ্যার 60% থেকে 60 বিয়োগ করলে ফলাফল হবে 60। তবে সংখ্যাটি হত?
    • ক. 250
    • খ. 100
    • গ. 200
    • ঘ. 300
    উত্তর: গ. 200
    সংখ্যাটি x ধরি। প্রশ্ন অনুযায়ী সংখ্যাটির ৬০% থেকে ৬০ বিয়োগ করলে ফল ৬০ হয়:
    0.6x - 60 = 60
    0.6x = 120
    x = 120 ÷ 0.6 = 200
    অতএব সংখ্যাটি ২০০।
    যাচাই: ২০০-এর ৬০% = ১২০, আর 120 - 60 = 60।
  4. ৮২. একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় যথাক্রমে 4cm এবং 6cm হয় তবে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০২২
    • ক. 6
    • খ. 8
    • গ. 12
    • ঘ. 24
    উত্তর: গ. 12
    রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে। তাই রম্বসের ক্ষেত্রফল কর্ণ দুটির গুণফলের অর্ধেক:
    ক্ষেত্রফল = (1/2) × 4 × 6 = 12 বর্গ সেমি।
    মনে রাখুন: রম্বসের চার বাহু সমান, কিন্তু কোণ সমকোণ নয়।
  5. ৮৩. 3x-7y+10=0 এবং y – 2x – 3=0 এর সমাধান-
    • ক. x = 1, y = -1
    • খ. x =1, y = 1
    • গ. x =-1, y= -1
    • ঘ. x = -1, y = 1
    উত্তর: ঘ. x = -1, y = 1
    প্রথমে দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে y-এর মান x-এর মাধ্যমে লিখি: y = 2x + 3। এখন প্রথম সমীকরণে বসাই:
    3x - 7(2x + 3) + 10 = 0
    3x - 14x - 21 + 10 = 0
    -11x - 11 = 0, তাই x = -1
    তখন y = 2(-1) + 3 = 1।
    অতএব সমাধান x = -1, y = 1।
    যাচাই: 3(-1) - 7(1) + 10 = -3 - 7 + 10 = 0।
  6. ৮৪. যদি a + b = 2, ab =1 হয় তবে a এবং b এর মান যথাক্রমে-আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯
    • ক. 0, 2
    • খ. 1, 1
    • গ. -1, 3
    • ঘ. -3, -4
    উত্তর: খ. 1, 1
    a + b = 2 এবং ab = 1 হলে a ও b হলো t² - 2t + 1 = 0 সমীকরণের মূল। এই সমীকরণকে লেখা যায় (t - 1)² = 0, তাই t = 1। অতএব a = 1 এবং b = 1।
    যাচাই: 1 + 1 = 2 এবং 1 × 1 = 1।
    মনে রাখুন: কোনো দ্বিঘাত সমীকরণের মূল দুটির যোগফল ও গুণফল জানা থাকলে সমীকরণটি হয় t² - (যোগফল)t + (গুণফল) = 0।
  7. ৮৫. দুটি সংখ্যার যোগফল 48 এবং তাদের গুণফল 432। তবে বড় সংখ্যাটি কত?
    • ক. 36
    • খ. 37
    • গ. 38
    • ঘ. 40
    উত্তর: ক. 36
    সংখ্যা দুটির যোগফল ৪৮ ও গুণফল ৪৩২ হলে সংখ্যা দুটি হলো t² - 48t + 432 = 0 সমীকরণের মূল। একে উৎপাদকে ভাঙলে
    (t - 36)(t - 12) = 0
    অতএব সংখ্যা দুটি ৩৬ ও ১২, আর বড় সংখ্যাটি ৩৬।
    যাচাই: 36 + 12 = 48 এবং 36 × 12 = 432।
  8. ৮৬. 0, 1, 2 এবং 3 দ্বারা গঠিত চার অঙ্কের বৃহত্তম এবং ক্ষুদ্রতম সংখ্যার বিয়োগফল-আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০১৯
    • ক. 3147
    • খ. 2287
    • গ. 2987
    • ঘ. 2187
    উত্তর: ঘ. 2187
    ০, ১, ২ ও ৩ দিয়ে চার অঙ্কের সংখ্যা তৈরি করতে হবে। বৃহত্তম সংখ্যা পেতে বড় অঙ্কগুলো আগে বসাই, তাই বৃহত্তম সংখ্যা 3210। ক্ষুদ্রতম সংখ্যার প্রথম ঘরে ০ বসানো যায় না, কারণ তাতে চার অঙ্কের সংখ্যা হয় না। তাই প্রথমে ১ বসিয়ে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা 1023। বিয়োগফল:
    3210 - 1023 = 2187।
  9. ৮৭. 1²+2²+3²+…..+x² – এর মান কত?
    • ক. x(x+1)/2
    • খ. x
    • গ. ²
    • ঘ. x(x+1)(2x+1)/6
    উত্তর: ঘ. x(x+1)(2x+1)/6
    প্রথম x সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টির সূত্র:
    1² + 2² + 3² + … + x² = x(x + 1)(2x + 1)/6।
    যাচাই: x = 2 হলে 1 + 4 = 5, আর সূত্রে 2 × 3 × 5/6 = 5। x(x + 1)/2 হলো ১ থেকে x পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর সমষ্টির সূত্র, বর্গের নয়।
    মনে রাখুন: প্রথম x সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার ঘনের সমষ্টি = [x(x + 1)/2]²।
  10. ৮৮. যদি 642/3+ 6251/2 = 3k হয় তবে kএর মান-
    • ক. 12(⅖)
    • খ. 13(⅔)
    • গ. 11(⅓)
    • ঘ. 9(⅔)
    উত্তর: খ. 13(⅔)
    প্রশ্নটি হলো 64^(2/3) + 625^(1/2) = 3k। প্রথমে প্রতিটি পদের মান বের করি:
    64^(2/3) = (4³)^(2/3) = 4² = 16
    625^(1/2) = √625 = 25
    তাই 3k = 16 + 25 = 41, অতএব k = 41/3 = 13⅔।
    মনে রাখুন: a^(m/n) = (ⁿ√a)^m, তাই 64^(2/3) মানে ৬৪-এর ঘনমূলের বর্গ।
  11. ৮৯. কোনটি সবচেয়ে ছোট?
    • ক. 2/11
    • খ. 3/11
    • গ. 2/13
    • ঘ. 4/15
    উত্তর: গ. 2/13
    দেওয়া ভগ্নাংশগুলো 2/11, 3/11, 2/13 ও 4/15। যেসব ভগ্নাংশের লব সমান, তাদের মধ্যে যার হর বড় সে ছোট। তাই 2/13 < 2/11। দশমিকে লিখে মিলিয়ে দেখি:
    2/11 ≈ 0.182, 3/11 ≈ 0.273, 2/13 ≈ 0.154, 4/15 ≈ 0.267
    এদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট 2/13।
  12. ৯০. যদি Q/P = 1/4 হয় তবে (P+Q)/(P-Q) এর মান-
    • ক. 5/3
    • খ. 2/3
    • গ. 3/5
    • ঘ. 5/7
    উত্তর: ক. 5/3
    Q/P = 1/4 হলে P = 4Q। এখন (P + Q)/(P - Q)-এর মানে P-এর জায়গায় 4Q বসাই:
    (4Q + Q)/(4Q - Q) = 5Q/3Q = 5/3।
    অতএব মান 5/3।
  13. ৯১. log2(1/32) এর মান-
    • ক. 125
    • খ. – 5
    • গ. 15
    • ঘ. – 15
    উত্তর: খ. – 5
    ১/৩২ কে ২-এর ঘাত হিসেবে লেখা যায়: 1/32 = 2^(-5)। তাই
    log₂(1/32) = log₂(2^(-5)) = -5।
    মনে রাখুন: log_a(a^n) = n।
  14. ৯২. (4x2-16) এবং 6x2+24x+24 এর গসাগু-
    • ক. x + 2
    • খ. x + 4
    • গ. x + 2
    • ঘ. 2(x + 2)
    উত্তর: ঘ. 2(x + 2)
    গসাগু বের করতে আগে রাশি দুটিকে উৎপাদকে ভাঙি:
    4x² - 16 = 4(x² - 4) = 4(x + 2)(x - 2)
    6x² + 24x + 24 = 6(x² + 4x + 4) = 6(x + 2)²
    সংখ্যা অংশ ৪ ও ৬-এর গসাগু ২, আর সাধারণ বীজগাণিতিক উৎপাদক (x + 2)। তাই গসাগু 2(x + 2)।
    মনে রাখুন: গসাগু বের করতে সাধারণ উৎপাদকগুলোর সবচেয়ে ছোট ঘাত নিতে হয়।
  15. ৯৩. x3-x2 কে x-2 দ্বারা ভাগ করলে অবশেষে থাকবে-
    • ক. 2
    • খ. 4
    • গ. -6
    • ঘ. -8
    উত্তর: খ. 4
    ভাগশেষ উপপাদ্য (Remainder Theorem) অনুযায়ী কোনো বহুপদী f(x)-কে (x - a) দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ f(a) হয়। এখানে f(x) = x³ - x² এবং ভাজক x - 2, তাই a = 2:
    f(2) = 2³ - 2² = 8 - 4 = 4
    অতএব ভাগশেষ ৪।
  16. ৯৪. যদি a2+1/a2= 51 হয় তবে a – 1/a এর মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০২২
    • ক. ±9
    • খ. ±7
    • গ. ±5
    • ঘ. ±3
    উত্তর: খ. ±7
    এখানে a² + 1/a² = 51 দেওয়া আছে। পূর্ণবর্গের সূত্র কাজে লাগাই:
    (a - 1/a)² = a² + 1/a² - 2 = 51 - 2 = 49
    তাই a - 1/a = ±7।
    মনে রাখুন: (a + 1/a)² = a² + 1/a² + 2, এই সূত্রটিও প্রায়ই লাগে।
  17. ৯৫. f(x) = x3– 2x + 10 হলে f(0) = কত?
    • ক. 1
    • খ. 5
    • গ. 8
    • ঘ. 10
    উত্তর: ঘ. 10
    f(x) = x³ - 2x + 10 ফাংশনে x-এর জায়গায় ০ বসালে
    f(0) = 0³ - 2 × 0 + 10 = 10।
    অতএব f(0)-এর মান ১০।
  18. ৯৬. (x – 4)2 + (y + 3)2= 100 বৃত্তের কেন্দ্রীয় স্থানাংক কত?
    • ক. (0,0)
    • খ. (4,- 3)
    • গ. (- 4,3)
    • ঘ. (10,10)
    উত্তর: খ. (4,- 3)
    বৃত্তের সমীকরণের আদর্শ রূপ (x - h)² + (y - k)² = r², আর এর কেন্দ্র (h, k) এবং ব্যাসার্ধ r। দেওয়া সমীকরণ (x - 4)² + (y + 3)² = 100-কে লেখা যায় (x - 4)² + (y - (-3))² = 10²। তাই h = 4, k = -3 এবং r = 10। অতএব কেন্দ্রের স্থানাঙ্ক (4, -3), আর ব্যাসার্ধ ১০।
    মনে রাখুন: সমীকরণে x ও y-এর সঙ্গে যে চিহ্ন থাকে, কেন্দ্রের স্থানাঙ্কে তার উল্টো চিহ্ন বসে।
  19. ৯৭. একটি ত্রিভুজাকৃতি মাঠের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 20m, 21 m এবং 29 m হলে এর ক্ষেত্রফল কত?
    • ক. 200m2
    • খ. 210m2
    • গ. 290m2
    • ঘ. 300m2
    উত্তর: খ. 210m2
    বাহু তিনটির বর্গ মিলিয়ে দেখি: 20² + 21² = 400 + 441 = 841 = 29²। অতএব ত্রিভুজটি সমকোণী, যার লম্ব বাহু দুটি ২০ মি ও ২১ মি আর অতিভুজ ২৯ মি। ক্ষেত্রফল:
    (1/2) × 20 × 21 = 210 বর্গমিটার।
    মনে রাখুন: সমকোণী ত্রিভুজের বাহুর ২০, ২১, ২৯ একটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী।
  20. ৯৮. যদি দুটি সংখ্যার যোগফল এবং গুণফল যথাক্রমে 20 এবং 96 হয়, তবে সংখ্যা দুইটির ব্যস্তানুপাতিক যোগফল কত হবে?
    • ক. 1/8
    • খ. 1/6
    • গ. 3/4
    • ঘ. 5/24
    উত্তর: ঘ. 5/24
    সংখ্যা দুটি a ও b ধরি। দেওয়া আছে a + b = 20 এবং ab = 96। কোনো সংখ্যার ব্যস্ত সংখ্যা হলো তার উল্টো, তাই ব্যস্ত সংখ্যার যোগফল:
    1/a + 1/b = (a + b)/ab = 20/96 = 5/24
    যাচাই: সংখ্যা দুটি আসলে ১২ ও ৮, কারণ 12 + 8 = 20 এবং 12 × 8 = 96। আর 1/12 + 1/8 = (2 + 3)/24 = 5/24।

অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান

১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন