২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২ ফেব্রুয়ারি ২০০১। এখানে ৯৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ৬০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (২০)
- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (১৯)
- গাণিতিক যুক্তি (১০)
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি (২০)
- ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (৬)
- আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (১৫)
- সাধারণ বিজ্ঞান (৮)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কার রচনা ?
- ক. দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
- খ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
- গ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- ঘ. সুকুমার সেন
উত্তর: ক. দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে প্রথম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ দীনেশচন্দ্র সেনের ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’। এটি ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইয়ে তিনি প্রাচীন যুগ থেকে নিজের সময় পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যের ধারা গুছিয়ে তুলে ধরেন। এ কারণেই একে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বই ধরা হয়।
মনে রাখুন:
দীনেশচন্দ্র সেন ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেন।
সুকুমার সেনের বিখ্যাত বই ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’। - ২. ‘ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ কে রচনা করেন?
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
- গ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- ঘ. মুহম্মদ এনামুল হক
উত্তর: খ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
‘ভাষা-প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ লিখেছেন ভাষাবিজ্ঞানী সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। বইটি ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ বই। তিনি ইংরেজিতে লেখা ‘The Origin and Development of the Bengali Language’ (ODBL, ১৯২৬) বইয়ের জন্যও বিখ্যাত। এই গবেষণায় বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশের ইতিহাস বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আলোচিত হয়েছে।
মনে রাখুন: বিদ্যাসাগরের ব্যাকরণ-বিষয়ক বই ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’। সুনীতিকুমারের আরেকটি পরিচিত গ্রন্থ ‘বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা’। - ৩. ‘পদাবলী’র প্রথম কবি কে?
- ক. শ্রীচৈতন্য
- খ. বিদ্যাপতি
- গ. চণ্ডীদাস
- ঘ. জ্ঞানদাস
উত্তর: খ. বিদ্যাপতি
পদাবলী সাহিত্যের আদি কবি হিসেবে বিদ্যাপতিকে ধরা হয়। তিনি চতুর্দশ ও পঞ্চদশ শতকের কবি এবং মিথিলার অধিবাসী ছিলেন। তাই তাঁর পদ মৈথিলি ভাষায় লেখা। রাধা-কৃষ্ণের প্রেম নিয়ে লেখা তাঁর পদ বাংলার বৈষ্ণব কবিদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ কারণে তাঁকে ‘মৈথিল কোকিল’ বলা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদ লেখা কবিদের মধ্যে চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস বিখ্যাত।
শ্রীচৈতন্য ছিলেন বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক, কবি নন। তাঁর জীবন নিয়েও অনেক কাব্য লেখা হয়েছে। - ৪. দোভাষী পুঁথি বলতে কি বোঝায়?
- ক. দুই ভাষার রচিত পুঁথি
- খ. কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষার রচিত পুঁথি
- গ. তৈরি করা কৃতিম ভাষার রচিত পুঁথি
- ঘ. আঞ্চলিক বাংলায় রচিত পুঁথি
উত্তর: খ. কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষার রচিত পুঁথি
দোভাষী পুঁথি এক বিশেষ ধরনের পুঁথি, যেখানে আরবি, ফারসি, উর্দু ও হিন্দি শব্দ মিশিয়ে বাংলা লেখা হতো। শব্দের এই মিশ্রণ থেকেই নাম ‘দোভাষী’, তবে এখানে ভাষা দুটি নয়, বরং কয়েকটি ভাষার শব্দ মেশানো হতো। আঠারো ও উনিশ শতকে এই মিশ্র ভাষায় লেখা পুঁথি সাধারণ মুসলমান পাঠকের মধ্যে খুব জনপ্রিয় হয়েছিল।
মনে রাখুন:
দোভাষী পুঁথির প্রধান কবিদের মধ্যে ফকির গরীবুল্লাহ ও সৈয়দ হামজা বিখ্যাত।
অন্য নামে একে মুসলমানি বাংলা বা মিশ্রভাষারীতি বলা হয়। - ৫. ‘সঞ্চয়িতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. জসীমউম্দীন
উত্তর: ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘সঞ্চয়িতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন। ১৯৩১ সালে কবির সত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে বইটি প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ নিজেই তাঁর অসংখ্য কবিতা থেকে বাছাই করে এটি তৈরি করেন। নাম প্রায় একই হওয়ায় অনেকে কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা-সংকলন ‘সঞ্চিতা’-র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন।
মনে রাখুন:
নজরুলের ‘সঞ্চিতা’ প্রকাশিত হয় ১৯২৮ সালে।
জীবনানন্দ দাশের নির্বাচিত কবিতার সংকলন ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ নামে পরিচিত। - ৬. রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক?
- ক. চোখের বালি
- খ. বলাকা
- গ. ঘরে-বাইরে
- ঘ. রক্তকরবী
উত্তর: ঘ. রক্তকরবী
‘রক্তকরবী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাটক। এটি একটি সাংকেতিক বা রূপক নাটক। নাটকে যক্ষপুরীর রাজা শ্রমিকদের খাটিয়ে সোনা তোলান। সেখানে নন্দিনী নামের একটি মেয়ে এসে এই শোষণের বিরুদ্ধে সাহস ও প্রাণের জয় ঘোষণা করে। বাকি তিনটি বিকল্প অন্য ধরনের বই। ‘চোখের বালি’ ও ‘ঘরে-বাইরে’ উপন্যাস, আর ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থ।
মনে রাখুন: রবীন্দ্রনাথের আরও কয়েকটি নাটক:
ডাকঘর, মুক্তধারা, বিসর্জন, রাজা। - ৭. কোন কবিতা রচনার কারণে নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল?
- ক. বিদ্রোহী
- খ. আনন্দময়ীর আগমনে
- গ. কাণ্ডারী হুশিয়ার
- ঘ. অগ্রপথিক
উত্তর: খ. আনন্দময়ীর আগমনে
১৯২২ সালে কাজী নজরুল ইসলাম ‘ধূমকেতু’ নামে একটি পত্রিকা বের করেন। এই পত্রিকায় ছাপা ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁর বিরুদ্ধে রাজদ্রোহের মামলা করে। এর ফলে তাঁকে এক বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। কারাগারে বন্দিদের প্রতি দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদে তিনি অনশনও করেছিলেন।
মনে রাখুন:
নজরুলের বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ১৯২২ সালে ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
রবীন্দ্রনাথ ‘বসন্ত’ গীতিনাট্য নজরুলকে উৎসর্গ করেছিলেন। - ৮. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা কোনটি?
- ক. বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
- খ. মুক্তি
- গ. হেবা
- ঘ. বিদ্রোহী
উত্তর: ক. বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা ‘বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী’, যা একটি গদ্যরচনা। এটি ১৯১৯ সালে ‘সওগাত’ পত্রিকায় ছাপা হয়। তখন নজরুল সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে করাচিতে ছিলেন। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’, কিন্তু প্রশ্নে ‘লেখা’ বলা হয়েছে বলে এখানে প্রথম গদ্যরচনাটিই উত্তর। ‘বিদ্রোহী’ প্রকাশিত হয় আরও পরে, ১৯২২ সালে।
মনে রাখুন: নজরুলকে বলা হয় ‘বিদ্রোহী কবি’। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)। - ৯. সওগাত পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন
- খ. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
- গ. কাজী আব্দুল ওদুদ
- ঘ. সিকান্দার আবু জাফর
উত্তর: ক. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন
‘সওগাত’ বাঙালি মুসলমান সমাজের একটি প্রভাবশালী সাহিত্য পত্রিকা। এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। পত্রিকাটি ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। এতে নজরুল ইসলামসহ অনেক নবীন মুসলমান লেখক লেখার সুযোগ পান, তাই বাঙালি মুসলমান সমাজের সাহিত্যচর্চায় পত্রিকাটির ভূমিকা অনেক। পরে ১৯৪৭ সালের পর এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হতে থাকে।
মনে রাখুন: কাজী আবদুল ওদুদ ‘শিখা’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, আর সিকান্দার আবু জাফর ‘সমকাল’ সম্পাদনা করতেন। - ১০. ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটির কবি কে?
- ক. ফররুখ আহমদ
- খ. আহসান হাবিব
- গ. শামসুর রাহমান
- ঘ. হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর: ক. ফররুখ আহমদ
‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে। এতে মুসলিম ঐতিহ্যের গৌরব ও নতুন জাগরণের ডাক ফুটে উঠেছে। এ কারণে তাঁকে মুসলিম রেনেসাঁর কবি বলা হয়।
মনে রাখুন: ফররুখ আহমদের আরও কয়েকটি রচনা:
কাব্যগ্রন্থ: সিরাজাম মুনীরা।
কাব্যনাট্য: নৌফেল ও হাতেম। - ১১. ‘পথের দাবি’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- গ. সত্যেন সেন
- ঘ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর: ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা রাজনৈতিক উপন্যাস। এর নায়ক সব্যসাচী নামের এক বিপ্লবী, যিনি ব্রিটিশ শাসন উৎখাতের চেষ্টা করেন। উপন্যাসটি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বক্তব্য রেখেছিল বলে সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে।
মনে রাখুন: শরৎচন্দ্রের আরও কয়েকটি উপন্যাস:
দেবদাস, শ্রীকান্ত, পরিণীতা, গৃহদাহ। - ১২. অপলাপ শব্দের অর্থ কি?
- ক. অস্বীকার
- খ. মিথ্যা
- গ. প্রলাপ
- ঘ. অসদালাপ
উত্তর: ক. অস্বীকার
‘অপলাপ’ শব্দের অর্থ অস্বীকার করা, অর্থাৎ সত্য কথা চেপে যাওয়া বা তাকে উড়িয়ে দেওয়া। আমরা সাধারণত ‘সত্যের অপলাপ’ কথাটি ব্যবহার করি, যার মানে সত্যকে অস্বীকার করা বা গোপন করা। শব্দটি ‘প্রলাপ’-এর মতো শোনায় বলে অনেকে এর অর্থ অসংলগ্ন কথা ভাবেন, কিন্তু সেটি ভুল।
মনে রাখুন: ‘আলাপ’-যুক্ত কয়েকটি শব্দ:
প্রলাপ মানে অর্থহীন কথা।
বিলাপ মানে শোকে কান্না।
সংলাপ মানে কথোপকথন। - ১৩. পদ বা পদাবলী বলতে কি বুঝায়?
- ক. লাচাড়ী ছন্দে রচতি পদ্য বা কবিতাবলী
- খ. পদ্যাকারে রচতি দেবস্তুতিমূলক রচনা
- গ. বাউল বা মরমী গীতি
- ঘ. বৌদ্ধ বা বৈষ্ণবীয় ধর্মের গূঢ় বিশয়ের বিশেষ সৃষ্টি
উত্তর: খ. পদ্যাকারে রচতি দেবস্তুতিমূলক রচনা
পদ বা পদাবলী বলতে পদ্যে রচিত, দেবদেবীর স্তুতি বা লীলাবিষয়ক গান ও কবিতাকে বোঝায়। বৈষ্ণব পদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের লীলা, আবার শাক্ত পদাবলীতে শ্যামা ও উমার কথা গাওয়া হয়। তাই পদাবলীর পরিধি শুধু বৌদ্ধ বা বৈষ্ণব ধর্মের গূঢ় বিষয়ে সীমিত নয়, বরং সব ধরনের দেবস্তুতিমূলক পদ্যরচনাকে এ নামে ডাকা যায়। বাউল বা মরমী গান ও লাচাড়ি ছন্দের কবিতা আলাদা ধরন।
মনে রাখুন:
বৈষ্ণব পদাবলীর কবি: বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস।
শাক্ত পদাবলীর কবি: রামপ্রসাদ সেন, কমলাকান্ত ভট্টাচার্য। - ১৪. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক যুগ) কারা রচনা করেন?
- ক. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান
- খ. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আব্দুল হাই
- গ. মুহম্মদ আব্দুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা
- ঘ. মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর: ঘ. মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক যুগ)’ বইটি যৌথভাবে লিখেছেন ভাষাবিজ্ঞানী মুহম্মদ আবদুল হাই এবং কবি ও সমালোচক সৈয়দ আলী আহসান। বইটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয়। বাকি বিকল্পের নামগুলো ভুল জোড়ায় সাজানো হয়েছে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ লিখেছেন ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’, যা প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য নিয়ে।
মনে রাখুন: মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের আরেকটি বিখ্যাত বই ‘ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব’। - ১৫. কোনটি ঠিক?
- ক. গোরা (নাট্যগ্রন্থ)
- খ. বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থ)
- গ. পথের দাবী (উপন্যাস)
- ঘ. একাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস)
উত্তর: গ. পথের দাবী (উপন্যাস)
‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস, তাই বন্ধনীর ধরনসহ এই জোড়াই সঠিক। বাকি তিনটিতে ধরন ভুল দেওয়া আছে। ‘গোরা’ রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস, নাট্যগ্রন্থ নয়। ‘বিদ্রোহী’ নজরুলের বিখ্যাত কবিতা, কাব্যগ্রন্থ নয়। আর ‘একাত্তরের দিনগুলি’ জাহানারা ইমামের লেখা স্মৃতিকথা বা দিনলিপি, যা উপন্যাস নয়।
মনে রাখুন: জাহানারা ইমামকে ‘শহীদ জননী’ বলা হয়, কারণ মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ছেলে রুমী শহীদ হন। - ১৬. কোনটি হযরত মুহম্মদ (স) -এর জীবনী গ্রন্থ?
- ক. মরুমায়া
- খ. মরু ভাস্কর
- গ. মরুতীর্থ
- ঘ. মরু কুসুম
উত্তর: খ. মরু ভাস্কর
‘মরু-ভাস্কর’ কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য, যাতে হযরত মুহম্মদ (স)-এর জীবনকাহিনী বর্ণিত হয়েছে। ‘ভাস্কর’ মানে সূর্য, তাই মরু-ভাস্কর কথাটির অর্থ মরুভূমির সূর্য। আরব মরুভূমির অন্ধকার দূর করে যিনি আলো ছড়িয়েছেন, মহানবীকে সেই সূর্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
মনে রাখুন: গোলাম মোস্তফার ‘বিশ্বনবী’ (১৯৪২) গদ্যে লেখা মহানবীর বিখ্যাত জীবনী। - ১৭. পদাবলী লিখেছেন-
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. মাইকেল মধুসূদন
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- ঘ. কায়কোবাদ
উত্তর: ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘পদাবলী’ নামে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৈশোরের একটি রচনা আছে। ১৬ বছর বয়সে তিনি ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে বৈষ্ণব পদের ঢঙে কবিতা লেখেন। এগুলো ব্রজবুলি ভাষায় লেখা এবং ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ নামে ১৮৮৪ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। অন্য বিকল্পের কবিদের পরিচিতি আলাদা। মাইকেল মধুসূদন অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত যুগসন্ধির কবি এবং কায়কোবাদ ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যের রচয়িতা।
মনে রাখুন: ব্রজবুলি মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে তৈরি কৃত্রিম কবিভাষা। - ১৮. ‘বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ এর সম্পাদক কে?
- ক. মুহম্মদ আব্দুল হাই
- খ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- গ. মুহম্মদ এনামুল হক
- ঘ. আহমদ শরীফ
উত্তর: ঘ. আহমদ শরীফ
বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’-এর সম্পাদক আহমদ শরীফ। বাংলা একাডেমি ঢাকায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়নে কাজ করে এবং অভিধান, বই ও গবেষণা প্রকাশ করে। অন্য বিকল্পের মধ্যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদনা করেন বাংলা একাডেমির ‘আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’।
মনে রাখুন: বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালে, আর ১৯৭২ সালে এর নতুন রূপ দেওয়া হয়। - ১৯. ‘ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!’ – এই বাক্যের ‘কী’ এর অর্থ-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
- ক. ভয়
- খ. রাগ
- গ. বিরক্তি
- ঘ. বিপদ
উত্তর: গ. বিরক্তি
‘ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!’ বাক্যে ‘কী’ কোনো প্রশ্ন করছে না। বক্তা এখানে নিজের মনের অবস্থা প্রকাশ করছেন। ভিক্ষুক একটানা পিছু নিয়েছে বলে তিনি বিরক্ত। তাই এই ‘কী’ বিরক্তি বোঝায়। বাংলায় ‘কী’ শব্দটি বাক্যের ভাব অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ:
কী সুন্দর ফুল! এখানে ‘কী’ বিস্ময় প্রকাশ করছে।
তুমি কী খাবে? এখানে ‘কী’ প্রশ্ন বোঝাচ্ছে। - ২০. ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ-
- ক. সাহায্যকারী
- খ. তোষামুদে
- গ. বাদক
- ঘ. স্বাস্থ্যহীন লোক
উত্তর: খ. তোষামুদে
‘ঢাকের কাঠি’ একটি বাগধারা, যার অর্থ তোষামোদকারী বা মোসাহেব। ঢাক নিজে বাজে না, কাঠির আঘাতে বাজে। তেমনি যে মানুষ অন্যের হয়ে প্রশংসা করে বেড়ায় বা তার কথায় সায় দেয়, তাকে ঢাকের কাঠি বলে। বাগধারার এই অর্থ শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ থেকে আলাদা, তাই ঢাকের বাদক বা সাহায্যকারী এখানে ঠিক নয়।
উদাহরণ: বড়লোকের চারপাশে ঢাকের কাঠির অভাব হয় না।
মনে রাখুন: ‘তেলামাথায় তেল দেওয়া’ মানে যার আছে তাকেই আরও দেওয়া।
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ২১. Each question below consists of a related pair of words. Select the pair that best expresses a relationship similar to that expressed in the original pair. Submission – Yielding.
- ক. Subjection – Liberation
- খ. Restrain – Indulge
- গ. Compliant – Acquiescent
- ঘ. Restriction – Relaxation
উত্তর: গ. Compliant – Acquiescent
Submission মানে নতি স্বীকার করা এবং Yielding মানে মেনে নেওয়া, তাই এই দুই শব্দ সমার্থক। প্রশ্নে এই সম্পর্কের মতো জোড়া খুঁজতে হবে। Compliant মানে আদেশ বা নিয়ম মেনে চলা, আর Acquiescent মানে বিনা আপত্তিতে মেনে নেওয়া। তাই এরাও সমার্থক। বাকি জোড়াগুলো বিপরীতার্থক, যেমন subjection ও liberation, restrain ও indulge, restriction ও relaxation।
মনে রাখুন: Acquiesce মানে বিনা আপত্তিতে সম্মতি দেওয়া, যেমন acquiesce in a decision। - ২২. Vacillate – Hesitate.
- ক. Persevere – Waiver
- খ. Impulsive – Deliberate
- গ. Obstinate – Accommodating
- ঘ. Irresolute – Indecisive
উত্তর: ঘ. Irresolute – Indecisive
Vacillate মানে সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে দুদিকে দুলতে থাকা, আর Hesitate মানে দ্বিধা করা। তাই শব্দ দুটি সমার্থক। যে বিকল্পের শব্দ দুটির মধ্যে একই সমার্থক সম্পর্ক আছে, সেটিই উত্তর। Irresolute মানে অস্থিরচিত্ত, আর Indecisive মানে সিদ্ধান্ত নিতে না পারা, তাই এই জোড়া সমার্থক। বাকি জোড়াগুলোর অর্থ আলাদা। Impulsive ও deliberate বিপরীত, আর obstinate ও accommodating-ও বিপরীত।
মনে রাখুন: Vacillate-এর বিপরীত শব্দ resolve বা decide। - ২৩. Assert – Dissent.
- ক. Affirm – Object
- খ. Reject – Disapprove
- গ. Acknowledge – Recognize
- ঘ. Endorse – Ratify
উত্তর: ক. Affirm – Object
Assert মানে জোর দিয়ে কিছু বলা বা দাবি করা, আর Dissent মানে ভিন্নমত পোষণ করা বা মেনে না নেওয়া। তাই এই দুই শব্দ বিপরীত অর্থের। যে জোড়ায় একই বিপরীত সম্পর্ক আছে, সেটিই উত্তর। Affirm মানে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করা এবং object মানে আপত্তি জানানো, তাই এই জোড়াও বিপরীত। বাকি তিনটি জোড়ায় শব্দ দুটি কাছাকাছি অর্থের, যেমন acknowledge ও recognize, endorse ও ratify।
মনে রাখুন: Dissent-এর বিপরীত শব্দ assent বা agree। - ২৪. Distort – Twist.
- ক. Straighten – Bend
- খ. Deform – Reform
- গ. Harmonize – Balance
- ঘ. Observe – Blur
উত্তর: গ. Harmonize – Balance
Distort মানে বিকৃত করা এবং Twist মানে মোচড় দিয়ে বাঁকানো। দুটি শব্দই আকার বা অর্থ বদলে ফেলা বোঝায়, তাই এরা সমার্থক। যে জোড়ার শব্দগুলোর মধ্যে একই সমার্থক সম্পর্ক আছে সেটিই উত্তর। Harmonize মানে সুর বা সামঞ্জস্য আনা এবং Balance মানে ভারসাম্য রাখা। দুটোরই মূল ভাব মিল তৈরি করা, তাই এরা কাছাকাছি অর্থের। বাকি তিনটি জোড়ায় শব্দ দুটির অর্থ উল্টো দিকের।
মনে রাখুন: Distort-এর কাছাকাছি শব্দ twist, warp ও deform। - ২৫. Government has been entrusted _____ elected politicians.
- ক. with
- খ. for
- গ. to
- ঘ. At
উত্তর: গ. to
‘Entrust’ ক্রিয়ার দুটি গঠন আছে। একটি হলো entrust someone with something, অর্থাৎ ব্যক্তির পরে with এবং জিনিসের আগে কাজ। অন্যটি হলো entrust something to someone। এই বাক্যে যে জিনিসটিকে দায়িত্ব হিসেবে দেওয়া হয়েছে তা হলো government, আর যাদের দেওয়া হয়েছে তারা elected politicians। অর্থাৎ জিনিসটি আগে এসেছে, তাই ব্যক্তির আগে ‘to’ বসবে: Government has been entrusted to elected politicians।
উদাহরণ: We entrusted the keys to him। We entrusted him with the keys। - ২৬. He has paid the penalty _____ his crimes _____ five years in prison.
- ক. for, with
- খ. at, by
- গ. about, at
- ঘ. after, in
উত্তর: ক. for, with
‘Pay the penalty for’ কাঠামোর অর্থ কোনো অপরাধের জন্য শাস্তি ভোগ করা, তাই প্রথম ফাঁকে ‘for’ বসে। শাস্তিটি কী দিয়ে মেটানো হলো তা বোঝাতে দ্বিতীয় ফাঁকে ‘with’ আসে। পুরো বাক্য: He has paid the penalty for his crimes with five years in prison। অর্থাৎ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে সে অপরাধের মূল্য মিটিয়েছে।
মনে রাখুন: কয়েকটি phrase-এর নির্দিষ্ট preposition:
punish someone for a crime মানে অপরাধের জন্য শাস্তি দেওয়া।
pay for মানে মূল্য দেওয়া। - ২৭. The path ______ paved, so we were able to walk through the path.
- ক. was
- খ. had been
- গ. has been
- ঘ. Being
উত্তর: খ. had been
বাক্যে দুটি কাজ অতীতে ঘটেছে। প্রথমে পথটি পাকা করা হয়েছিল, তারপর আমরা সেখান দিয়ে হাঁটতে পেরেছি। অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছে, সেটির জন্য Past Perfect Tense ব্যবহার হয়। পথ নিজে পাকা হয়নি, বরং কেউ করেছে, তাই বাক্যটি passive। তাই সঠিক রূপ ‘had been paved’।
মনে রাখুন: Past Perfect Passive-এর গঠন হলো had been + verb-এর past participle।
উদাহরণ: The road had been repaired before the rain began। - ২৮. In spite of my requests, he did not _____.
- ক. give in
- খ. fall in
- গ. get off
- ঘ. give forth
উত্তর: ক. give in
‘Give in’ একটি phrasal verb, যার অর্থ হার মানা বা শেষ পর্যন্ত রাজি হয়ে যাওয়া। ‘In spite of my requests’ বলায় বোঝা যায়, অনুরোধ সত্ত্বেও লোকটি রাজি হয়নি। তাই ‘he did not give in’ বাক্যটি মানায়। অন্য বিকল্পগুলো এখানে মেলে না। ‘Fall in’ মানে সারিতে দাঁড়ানো বা ধসে পড়া, ‘get off’ মানে নামা এবং ‘give forth’ মানে বের করা বা প্রকাশ করা।
মনে রাখুন: give up মানে ছেড়ে দেওয়া এবং give away মানে বিলিয়ে দেওয়া। - ২৯. The children studied in a class room _____ windows were never opened.
- ক. that
- খ. which
- গ. where
- ঘ. whose
উত্তর: ঘ. whose
বাক্যে শ্রেণিকক্ষ এবং জানালা দুটি জিনিস আছে, আর জানালাগুলো শ্রেণিকক্ষের অংশ। এমন মালিকানা বা সম্পর্ক বোঝাতে Relative Pronoun ‘whose’ ব্যবহার হয়। তাই বাক্যটি হবে: The children studied in a classroom whose windows were never opened। এখানে ‘that’ বা ‘which’ বসালে ‘classroom which windows’ হয়, যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
মনে রাখুন: whose ব্যক্তি এবং বস্তু দুই ক্ষেত্রেই মালিকানা বোঝাতে পারে।
উদাহরণ: I know a man whose son is a doctor। - ৩০. To stay healthy, we must plan to have a balanced _____.
- ক. food
- খ. diet
- গ. outlook
- ঘ. figure
উত্তর: খ. diet
সুস্থ থাকার জন্য শরীরের দরকারমতো সব পুষ্টি, যেমন শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন ও খনিজ, একসঙ্গে খেতে হয়। এমন খাদ্যতালিকাকে ইংরেজিতে ‘balanced diet’ বলে। Diet মানে নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস। ‘Balanced food’ প্রচলিত প্রকাশ নয়। ‘Outlook’ মানে দৃষ্টিভঙ্গি এবং ‘figure’ মানে দেহের গড়ন, তাই এ দুটিও এখানে মানায় না।
মনে রাখুন: সুষম খাদ্য বা balanced diet-এ খাদ্যের ছয়টি উপাদান থাকে: শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। - ৩১. We must keep our fingers _____ that the weather will stay fine for the picnic tomorrow.
- ক. raised
- খ. pointed
- গ. lifted
- ঘ. crossed
উত্তর: ঘ. crossed
‘Keep one’s fingers crossed’ একটি Idiom। এর অর্থ কোনো কিছু ভালো হওয়ার আশায় থাকা বা শুভকামনা করা। মধ্যমা আঙুলকে তর্জনীর ওপর তুলে ক্রস বানিয়ে ভাগ্যের সহায়তা চাওয়ার রীতি থেকে কথাটি এসেছে। তাই বাক্যে ‘crossed’ বসে এবং বাক্যটির অর্থ, আমরা আশা করছি আগামীকালের পিকনিকে আবহাওয়া ভালো থাকবে।
মনে রাখুন: ‘Fingers crossed’ সংক্ষেপেও বলা যায়, যেমন: Fingers crossed, he will pass। - ৩২. They have _____ their support for our case.
- ক. pledged
- খ. disavowed
- গ. provided
- ঘ. deferred
উত্তর: ক. pledged
‘Pledge’ মানে প্রতিশ্রুতি দেওয়া। ‘Pledge support’ বাক্যাংশের অর্থ কারও পক্ষে সমর্থন দেওয়ার কথা দেওয়া। তাই বাক্যটি হবে: They have pledged their support for our case। বাকি শব্দগুলো এখানে অর্থের দিক থেকে মেলে না। Disavow মানে অস্বীকার করা, provide মানে সরবরাহ করা এবং defer মানে পিছিয়ে দেওয়া। সমর্থনের সঙ্গে ‘provided’ বসলে অর্থ অস্পষ্ট হয়।
মনে রাখুন: pledge মানে অঙ্গীকার বা শপথ। যেমন pledge allegiance মানে আনুগত্যের শপথ নেওয়া। - ৩৩. Cul-de-sac
- ক. selection
- খ. dead end
- গ. error
- ঘ. bubble
উত্তর: খ. dead end
‘Cul-de-sac’ একটি ফরাসি শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ থলের তলা। ইংরেজিতে এর মানে এমন রাস্তা, যার এক মুখ বন্ধ, অর্থাৎ dead end। রূপক অর্থে এমন পরিস্থিতিকেও cul-de-sac বলা হয়, যেখানে আর এগোনোর কোনো উপায় থাকে না। Selection মানে নির্বাচন, error মানে ভুল এবং bubble মানে বুদবুদ। এগুলো অর্থের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন: ইংরেজিতে ঢুকে পড়া কয়েকটি ফরাসি শব্দ: déjà vu, rendezvous, cliché। - ৩৪. Parcel
- ক. quarrel
- খ. piece of land
- গ. postage
- ঘ. unobstructed view
উত্তর: খ. piece of land
‘Parcel’ শব্দের সবচেয়ে পরিচিত অর্থ মোড়ক করা প্যাকেট। কিন্তু এর আরেকটি অর্থ আছে, জমির একটি নির্দিষ্ট খণ্ড, যেমন a parcel of land। প্রশ্নের বিকল্পে ‘piece of land’ সেই অর্থটিই প্রকাশ করছে। বাকি বিকল্পগুলো অন্য অর্থের। Quarrel মানে ঝগড়া, postage মানে ডাকমাশুল এবং unobstructed view মানে বাধাহীন দৃশ্য।
মনে রাখুন: Parcel out মানে ভাগ করে দেওয়া। Part and parcel মানে কোনো কিছুর অবিচ্ছেদ্য অংশ। - ৩৫. Ruminant
- ক. Cud-chewing animal
- খ. Soup
- গ. Gossip
- ঘ. Noise-maker
উত্তর: ক. Cud-chewing animal
Ruminant মানে জাবর কাটা প্রাণী (Cud-chewing animal)। এসব প্রাণী খাবার প্রথমে তাড়াতাড়ি গিলে নিয়ে পাকস্থলীর একটি অংশে রাখে। পরে সেই আধা-হজম হওয়া খাবার, যাকে জাবর (Cud) বলে, মুখে ফিরিয়ে এনে আবার ভালো করে চিবায়। গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া এ ধরনের প্রাণী। এদের পাকস্থলী চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।
মনে রাখুন: জাবর কাটা প্রাণীর পাকস্থলীর চার অংশ হলো রুমেন, রেটিকুলাম, ওমেসাম ও অ্যাবোমেসাম। - ৩৬. Read the following passage and answer questions (36-40):- On the face of it, telescopes and data bases sound like very different things. Telescopes sit on the top of mountains, and are pointed at the skies data bases sit on computer hard disks, humming away and going no where. Yet they have something in common; both allow astronomers to explore the universe. Modern telescopes are highly automated pieces of machinery equipped with digital sensors that produce reams of observational data. Such data can be stored, processed and distributed just like other digital information. This means it is no longer necessary for an astronomer actually to visit a telescope to make observation.
- ক. Telescopes and data bases complement each other for the astronomer
- খ. Telescopes and data bases are both becoming relevant for the astronomer
- গ. Telescopes and data bases have nothing in common for the astronomer
- ঘ. Telescopes and data bases can be confusing to the astronomer
উত্তর: ক. Telescopes and data bases complement each other for the astronomer
অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রথম দেখায় টেলিস্কোপ ও ডেটাবেস আলাদা জিনিস মনে হয়। কিন্তু দুটিই জ্যোতির্বিদদের মহাবিশ্ব অনুসন্ধানে সাহায্য করে। আধুনিক টেলিস্কোপ প্রচুর তথ্য তৈরি করে, আর সেই তথ্য ডেটাবেসে জমা থাকে এবং পরে ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ একটি আরেকটির কাজের পরিপূরক। তাই ‘complement each other’ বিকল্পটি সঠিক। ‘Nothing in common’ অনুচ্ছেদের কথার বিপরীত।
মনে রাখুন: Complement মানে পরিপূরক, আর compliment মানে প্রশংসা। বানান ও অর্থ দুটিই আলাদা। - ৩৭. Data bases sit on computer disks, humming away implies.
- ক. Data bases are singing instrument
- খ. Data bases are useless and static
- গ. Data bases make soft-sound but ate working away
- ঘ. Data bases are things of the past
উত্তর: গ. Data bases make soft-sound but ate working away
‘Humming away’ কথাটির অর্থ নিচু গুঞ্জন তুলে একটানা কাজ করে যাওয়া। অনুচ্ছেদে ডেটাবেসকে কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে নীরবে কাজ করতে থাকা কিছু হিসেবে দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ ডেটাবেস মৃদু শব্দ করে একটানা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাই ‘make soft-sound but are working away’ সঠিক। ডেটাবেস অকেজো বা পুরোনো জিনিস নয়, আর গানের যন্ত্রও নয়।
মনে রাখুন: Hum মানে মৃদু সুরে গুনগুন করা বা যন্ত্রের মৃদু শব্দ। - ৩৮. Modern data base produce reams of observational data.
- ক. Data bases produce a lot of information
- খ. Data bases are pecked with paper
- গ. Data bases create information instantly
- ঘ. Data bases are of limited use in strong information
উত্তর: ক. Data bases produce a lot of information
‘Ream’ মূলত কাগজের একটি বড় বান্ডিলকে বোঝায়, সাধারণত ৫০০ শিট। এ থেকেই ‘reams of’ কথাটি এসেছে, যার অর্থ প্রচুর পরিমাণ। তাই ‘produce reams of observational data’ মানে প্রচুর পর্যবেক্ষণলব্ধ তথ্য তৈরি করা। বিকল্পের মধ্যে ‘a lot of information’ এই অর্থ প্রকাশ করে। বাকি বিকল্পগুলো ঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন: ‘Reams of paper’ বা ‘reams of data’ বলা হয় বিশাল পরিমাণ বোঝাতে। - ৩৯. A good title for the passage will be-
- ক. Telescope and exploration of the universe.
- খ. Digital telescope and exploration of the universe.
- গ. Astronomers and exploration of the universe.
- ঘ. Space exploration in the new millennium.
উত্তর: খ. Digital telescope and exploration of the universe.
অনুচ্ছেদের মূল বিষয় হলো, ডিজিটাল সেন্সরযুক্ত আধুনিক টেলিস্কোপ প্রচুর তথ্য তৈরি করে এবং সেই তথ্য ডেটাবেসে জমিয়ে রাখা যায়। এর ফলে জ্যোতির্বিদদের আর টেলিস্কোপের কাছে যেতেই হয় না। অর্থাৎ ডিজিটাল প্রযুক্তি মহাবিশ্ব অনুসন্ধানের পদ্ধতি বদলে দিয়েছে। তাই ‘Digital telescope and exploration of the universe’ শিরোনামটি মূল বিষয়ের সবচেয়ে কাছে। সাধারণ ‘Telescope’ শব্দটি ডিজিটাল দিকটিকে বাদ দেয়।
মনে রাখুন: ভালো শিরোনাম অনুচ্ছেদের মূল ভাব একটি ছোট বাক্যাংশে প্রকাশ করে।
গাণিতিক যুক্তি
- ৪০. একটি সংখ্যা ৬৫০ থেকে যত বড় ৮২০ থেকে তত ছোট। সংখ্যাটি কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ৭৩০
- খ. ৭৩৫
- গ. ৮০০
- ঘ. ৭৮০
উত্তর: খ. ৭৩৫
সংখ্যাটি ৬৫০ থেকে যত বড়, ৮২০ থেকে ঠিক তত ছোট। তার মানে সংখ্যাটি ৬৫০ ও ৮২০-এর ঠিক মাঝখানে। দুটি সংখ্যার ঠিক মাঝের সংখ্যা তাদের গড়। তাই
(650 + 820) ÷ 2 = 1470 ÷ 2 = 735।
যাচাই: 735 − 650 = 85 এবং 820 − 735 = 85, দুটি ব্যবধান সমান।
মনে রাখুন: দুটি সংখ্যার মাঝখানের সংখ্যা তাদের যোগফলের অর্ধেক। - ৪১. কোনো পরীক্ষার্থীর ৮০% গণিতে এবং ৭০% বাংলায় পাস করলো। উভয় বিষয়ে পাস করলো ৬০%, উভয় বিষয়ে শতকরা কত জন ফেল করলো?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০২২
- ক. ১৫%
- খ. ১০%
- গ. ১২%
- ঘ. ১১%
উত্তর: খ. ১০%
পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৮০% গণিতে এবং ৭০% বাংলায় পাস করেছে, আর ৬০% দুটিতেই পাস করেছে। যারা অন্তত একটিতে পাস করেছে, তাদের সংখ্যা বের করতে দুবার গোনা দুই বিষয়ে পাস করাদের একবার বাদ দিতে হয়। তাই
অন্তত এক বিষয়ে পাস = 80 + 70 − 60 = 90%
কোনোটিতেই পাস করেনি অর্থাৎ উভয় বিষয়ে ফেল = 100 − 90 = 10%।
মনে রাখুন: সূত্র n(A ∪ B) = n(A) + n(B) − n(A ∩ B)। - ৪২. কোন কোন স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা ৩৪৬ কে ভাগ করলে প্রতি ক্ষেত্রে ৩১ অবশিষ্ট থাকে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) ২০১৯
- ক. ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫
- খ. ৩৫, ৪০, ৬৫, ১১০, ৩১৫
- গ. ৩৫, ৪৫, ৭০, ১০৫, ৩১৫
- ঘ. ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১১০, ৩১৫
উত্তর: ক. ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫
কোনো সংখ্যাকে ভাগ করলে ভাগশেষ ৩১ থাকলে ভাজক সংখ্যাটির 346 − 31 = 315-এর গুণনীয়ক হবে। আবার ভাগশেষ সবসময় ভাজকের চেয়ে ছোট হয়, তাই ভাজক অবশ্যই ৩১-এর চেয়ে বড় হতে হবে। এখন 315 = 3² × 5 × 7। এর গুণনীয়কগুলো 1, 3, 5, 7, 9, 15, 21, 35, 45, 63, 105, 315। এর মধ্যে ৩১-এর চেয়ে বড় গুণনীয়ক হলো 35, 45, 63, 105 ও 315।
মনে রাখুন: ভাজ্য − ভাগশেষ সংখ্যাটি ভাজক দিয়ে নিঃশেষে বিভাজ্য। - ৪৩. একটি দ্রব্য ৩৮০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০ টাকা ক্ষতি হলো। ক্ষতির শতকরা হার কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. ৪%
- খ. ৬%
- গ. ৫%
- ঘ. ৭%
উত্তর: গ. ৫%
বিক্রয়মূল্য ৩৮০ টাকা এবং এতে ২০ টাকা ক্ষতি হয়েছে। তার মানে দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ছিল 380 + 20 = 400 টাকা। ক্ষতির শতকরা হার সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়, তাই
ক্ষতির হার = (20 ÷ 400) × 100 = 5%।
মনে রাখুন: ক্ষতি = ক্রয়মূল্য − বিক্রয়মূল্য, আর ক্ষতি ও লাভ দুটোরই শতকরা হার ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব হয়। - ৪৪. দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১৯৯ হলে বড় সংখ্যাটি কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. ৭০
- খ. ৮০
- গ. ৯০
- ঘ. ১০০
উত্তর: ঘ. ১০০
দুটি ক্রমিক সংখ্যা n ও n + 1 হলে তাদের বর্গের অন্তর
(n + 1)² − n² = 2n + 1
প্রশ্ন অনুযায়ী 2n + 1 = 199, তাই 2n = 198 এবং n = 99। অর্থাৎ ছোট সংখ্যা ৯৯ এবং বড় সংখ্যা 99 + 1 = 100।
যাচাই: 100² − 99² = 10000 − 9801 = 199।
মনে রাখুন: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর সংখ্যা দুটির যোগফলের সমান। - ৪৫. x+y = 12 এবং x-y = 2 হলে xy – এর মান কত?
- ক. 35
- খ. 140
- গ. 70
- ঘ. 144
উত্তর: ক. 35
দুটি সমীকরণ যোগ করলে y কেটে যায়:
(x + y) + (x − y) = 12 + 2
2x = 14, তাই x = 7
এখন x + y = 12 থেকে y = 12 − 7 = 5। সুতরাং xy = 7 × 5 = 35।
যাচাই: x − y = 7 − 5 = 2, যা প্রশ্নের শর্তের সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন: x আর y-র যোগফল ও বিয়োগফল জানা থাকলে যোগ দিয়ে 2x এবং বিয়োগ দিয়ে 2y পাওয়া যায়। - ৪৬. এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর চেয়ে ৫ বছরের বড়। তার স্ত্রীর বয়স ছেলের বয়সের ৪ গুণ। ৫ বছর পরে ছেলের বয়স ১২ বছর হলে বর্তমান ঐ ব্যক্তির বয়স কত?
- ক. ৬৫ বছর
- খ. ২৮ বছর
- গ. ৩৩ বছর
- ঘ. ৫৩ বছর
উত্তর: গ. ৩৩ বছর
প্রথমে ছেলের বয়স বের করতে হবে। ৫ বছর পরে তার বয়স হবে ১২, তাই এখনকার বয়স 12 − 5 = 7 বছর। স্ত্রীর বয়স ছেলের ৪ গুণ, অর্থাৎ 4 × 7 = 28 বছর। আর ব্যক্তিটি স্ত্রীর চেয়ে ৫ বছরের বড়, তাই তার বয়স
28 + 5 = 33 বছর।
মনে রাখুন: বয়সের অঙ্কে ‘এত বছর পরে’ থাকলে আগে বর্তমান বয়স বের করে তারপর অন্য সম্পর্ক ধরতে হয়। - ৪৭. ৬০ মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট একটি বাঁশকে ৩ : ৭ : ১০ অনুপাতে ভাগ করলে টুকরাগুলোর সাইজ কত?
- ক. ৮ মিটার; ২২ মিটার; ৩০ মিটার
- খ. ১০ মিটার; ২০ মিটার; ৩০ মিটার
- গ. ৯ মিটার; ২১ মিটার; ৩০ মিটার
- ঘ. ১২ মিটার; ২০ মিটার; ২৮ মিটার
উত্তর: গ. ৯ মিটার; ২১ মিটার; ৩০ মিটার
অনুপাতে ভাগ করার আগে ভাগগুলোর যোগফল বের করতে হয়: 3 + 7 + 10 = 20। বাঁশের দৈর্ঘ্য ৬০ মিটার, তাই এক ভাগের দৈর্ঘ্য 60 ÷ 20 = 3 মিটার। এখন প্রতিটি টুকরার দৈর্ঘ্য
3 × 3 = 9 মিটার, 7 × 3 = 21 মিটার এবং 10 × 3 = 30 মিটার।
যাচাই: 9 + 21 + 30 = 60।
মনে রাখুন: ভাগ করার পরে টুকরাগুলোর যোগফল সবসময় মূল দৈর্ঘ্যের সমান হয়। - ৪৮. একটি প্রকৃত ভগ্নাংশের হর ও লবের অন্তর ২ , হর ও লব উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যায় তার সঙ্গে ১/৪ যোগ করলে যোগফল ১ হয়, ভগ্নাংশটি কত?
- ক. ৭/৯
- খ. ৯/১১
- গ. ১১/১৩
- ঘ. ১৩/১৫
উত্তর: খ. ৯/১১
প্রকৃত ভগ্নাংশ মানে লব হরের চেয়ে ছোট। হর ও লবের অন্তর ২, তাই লব x ধরলে ভগ্নাংশটি x/(x + 2)। উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করলে হয় (x − 3)/(x − 1)। শর্ত অনুযায়ী এর সঙ্গে 1/4 যোগ করলে ১ হয়, তাই
(x − 3)/(x − 1) = 1 − 1/4 = 3/4
4x − 12 = 3x − 3, তাই x = 9।
ভগ্নাংশটি 9/11।
যাচাই: 6/8 + 1/4 = 3/4 + 1/4 = 1। - ৪৯. কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম ?
- ক. ০.৩
- খ. ১/৩
- গ. √(০.৩)
- ঘ. ২/৫
উত্তর: গ. √(০.৩)
চারটি সংখ্যাকে দশমিকে লিখে তুলনা করা সবচেয়ে সহজ। সংখ্যাগুলো হলো 0.3, 1/3 = 0.333..., 2/5 = 0.4 এবং √0.3 ≈ 0.548। তাই সবচেয়ে বড় হলো √0.3। এর কারণও আছে: ০ ও ১-এর মাঝের কোনো সংখ্যার বর্গমূল নিলে সংখ্যাটি বড় হয়ে যায়। এখানে 0.3 থেকে √0.3 হয়ে প্রায় 0.548 হয়েছে।
মনে রাখুন: ১-এর চেয়ে বড় সংখ্যার বর্গমূল নিলে সংখ্যাটি ছোট হয়, আর ১-এর চেয়ে ছোট ধনাত্মক সংখ্যার বর্গমূল নিলে বড় হয়।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- ৫০. বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তির মেয়াদ-
- ক. ১০ বছর
- খ. ২০ বছর
- গ. ২৫ বছর
- ঘ. ৩০ বছর
উত্তর: ঘ. ৩০ বছর
১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর, অর্থাৎ এটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে (জানুয়ারি থেকে মে) ফারাক্কা পয়েন্টে গঙ্গার পানি কীভাবে ভাগ হবে তা ঠিক করা আছে।
মনে রাখুন: তখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এইচ ডি দেবগৌড়া। - ৫১. বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প কোনটি?
- ক. পাট
- খ. তৈরি পোশাক
- গ. চা
- ঘ. মাছ
উত্তর: খ. তৈরি পোশাক
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক (Ready-Made Garments) শিল্প থেকে। আশির দশকে এ খাত দ্রুত বাড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে পাট ও পাটজাত দ্রব্যকে ছাড়িয়ে যায়। এখন দেশের মোট রপ্তানি আয়ের বেশির ভাগই এই খাত থেকে আসে।
মনে রাখুন:
এক সময় পাট ছিল প্রধান রপ্তানি পণ্য, তাই একে সোনালি আঁশ বলা হয়।
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সও বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম বড় উৎস। - ৫২. কুমিল্লা বার্ড (BARD) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. মোহাম্মদ আইয়ুব খান
- খ. আখতার হামিদ খান
- গ. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
- ঘ. এ কে ফজলুল হক
উত্তর: খ. আখতার হামিদ খান
কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (Bangladesh Academy for Rural Development), সংক্ষেপে BARD, প্রতিষ্ঠা করেন ড. আখতার হামিদ খান, ১৯৫৯ সালে। তিনি গ্রামীণ মানুষের উন্নয়নের জন্য একটি পদ্ধতি তৈরি করেন, যা ‘কুমিল্লা মডেল’ নামে পরিচিত। এর একটি প্রধান অংশ ছিল দ্বিস্তর সমবায় ব্যবস্থা, অর্থাৎ গ্রামে প্রাথমিক সমবায় সমিতি এবং থানা পর্যায়ে কেন্দ্রীয় সমিতি।
মনে রাখুন:
আখতার হামিদ খান ১৯৬৩ সালে র্যামন ম্যাগসেসাই পুরস্কার পান।
পরে তিনি পাকিস্তানের করাচিতে অরাঙ্গি পাইলট প্রজেক্ট শুরু করেন। - ৫৩. ছয়-দফা দাবি প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
- ক. ঢাকায়
- খ. লাহোরে
- গ. করাচিতে
- ঘ. নারায়ণগঞ্জে
উত্তর: খ. লাহোরে
ছয় দফা বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের দাবির কর্মসূচি। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে এটি প্রথম উত্থাপন করেন। পরে ঢাকায় এই দাবিকে কেন্দ্র করে আন্দোলন গড়ে ওঠে। বাঙালি জাতি একে ‘মুক্তির সনদ’ বলে অভিহিত করে।
মনে রাখুন:
১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফার সমর্থনে সারা দেশে হরতাল হয়।
১৯৬৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে আসামি করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দেওয়া হয়। - ৫৪. বাংলায় চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা কে প্রবর্তন করেন?
- ক. কর্নওয়ালিস
- খ. ক্লাইভ
- গ. জন মেয়ার
- ঘ. ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর: ক. কর্নওয়ালিস
ব্রিটিশ শাসনের সময় জমির খাজনা আদায়ের একটি স্থায়ী ব্যবস্থা দরকার হয়ে পড়েছিল। তাই গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (Permanent Settlement) চালু করেন। এতে জমিদারেরা সরকারকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা দিলে জমির স্থায়ী মালিক হতেন, আর সেই খাজনা কখনো বাড়ানো হতো না। অন্য নামগুলোর মধ্যে ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচশালা ও ইজারা বন্দোবস্ত করেছিলেন, আর ক্লাইভ ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে জয়লাভ করেন।
মনে রাখুন:
১৭৬৫ সালে ইংরেজ কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি পায়।
১৯৫০ সালে পূর্ব বাংলায় জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়। - ৫৭. বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
- ক. ময়নামতি
- খ. সোনারগাঁও
- গ. ঢাকা
- ঘ. পাহাড়পুর
উত্তর: খ. সোনারগাঁও
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়, আর এই জাদুঘর তারই অংশ। সোনারগাঁও মধ্যযুগে বাংলার একটি প্রাচীন রাজধানী ছিল। ময়নামতি কুমিল্লায় বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষের জন্য এবং পাহাড়পুর নওগাঁয় সোমপুর বিহারের জন্য বিখ্যাত।
মনে রাখুন: জয়নুল আবেদিনের বিখ্যাত চিত্রমালা ‘দুর্ভিক্ষ’। তাঁকে শিল্পাচার্য উপাধি দেওয়া হয়। - ৫৮. বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের?
- ক. রাঙ্গামাটি
- খ. রংপুর
- গ. কুমিল্লা
- ঘ. সিলেট
উত্তর: ঘ. সিলেট
মণিপুরী নৃত্য সিলেট অঞ্চলের মণিপুরী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী নাচ। এই জনগোষ্ঠীর মানুষ মূলত মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় বাস করে। এ নাচের সবচেয়ে পরিচিত রূপ রাসনৃত্য, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের লীলা কোমল ভঙ্গিতে ফুটিয়ে তোলা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মণিপুরী নৃত্যে মুগ্ধ হয়ে শান্তিনিকেতনে এর প্রচলন করেছিলেন।
মনে রাখুন: রাঙ্গামাটিতে চাকমা ও মারমা প্রভৃতি পাহাড়ি জনগোষ্ঠী বাস করে, আর এদের নাচও আলাদা। রংপুর ও কুমিল্লার সঙ্গে মণিপুরী নাচের কোনো বিশেষ সম্পর্ক নেই। - ৫৯. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
- ক. আট
- খ. দশ
- গ. এগার
- ঘ. পনের
উত্তর: গ. এগার
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য সারা বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে মুজিবনগরে অনুষ্ঠিত সামরিক কমান্ডারদের সম্মেলনে এই ভাগ চূড়ান্ত হয়। প্রতিটি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার দায়িত্বে ছিলেন। এ ছাড়া সেক্টরের বাইরে নিয়মিত বাহিনী হিসেবে তিনটি ব্রিগেড, জেড ফোর্স, এস ফোর্স ও কে ফোর্স গঠিত হয়।
মনে রাখুন: মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (পরে জেনারেল) এম এ জি ওসমানী। - ৬১. বাংলাদেশ কত সালে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
- ক. ১৯৭২ সালে
- খ. ১৯৭৩ সালে
- গ. ১৯৭৪ সালে
- ঘ. ১৯৭৫ সালে
উত্তর: গ. ১৯৭৪ সালে
১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের লাহোরে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনেই বাংলাদেশ সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই সম্মেলনে যোগ দেন। এর একই সময়ে পাকিস্তানও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
মনে রাখুন: ১৯৭৪ সালেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়, সেটি ১৭ সেপ্টেম্বর। - ৬৯. বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত?
- ক. ১৩৬
- খ. ১৩৭
- গ. ১৩৮
- ঘ. ১৪০ (২)
উত্তর: খ. ১৩৭
সরকারি চাকরিতে যোগ্য লোক নিয়োগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের সংবিধানে একটি স্বাধীন সংস্থার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যার নাম সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission)। সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে আইনের দ্বারা এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের বিধান আছে। এই কমিশন সরকারি চাকরিতে নিয়োগের জন্য পরীক্ষা নেয়। অনুচ্ছেদ ১৪০-এ কমিশনের কার্যাবলি বর্ণিত আছে।
মনে রাখুন: ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর এই কমিশন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) নামে কাজ করছে। এটি সংবিধানের নবম ভাগে আছে। - ৭০. জাতির জনক বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের কোথায় বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করেন?
- ক. স্বস্তি পরিষদের
- খ. সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে
- গ. ইকোসকে (ECOSOC)
- ঘ. ইউনেস্কোতে (UNESCO)
উত্তর: খ. সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন। ঠিক এর এক সপ্তাহ আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ পেয়েছিল। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এটিই ছিল প্রথম বাংলা ভাষণ। নিরাপত্তা পরিষদ, ইকোসক বা ইউনেস্কোতে নয়, বক্তৃতাটি হয়েছিল সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে।
মনে রাখুন: ২০১৭ সালে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়। - ৭১. মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিন আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন?
- ক. জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
- খ. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
- গ. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
- ঘ. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
উত্তর: খ. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজী এবং ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। বাংলাদেশের পক্ষে সেখানে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার, যিনি তখন মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান সেনাপতি ছিলেন। প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানী সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।
মনে রাখুন: ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস। - ৭৬. আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
- ক. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
- খ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
- গ. ৭ মার্চ, ১৯৭১
- ঘ. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
উত্তর: ক. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। এর কয়েক দিন পরে, ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায়, যার নাম পরে মুজিবনগর রাখা হয়, সরকার শপথ নেয় এবং ঘোষণাপত্রটি পাঠ করা হয়। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, আর ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনারা অপারেশন সার্চলাইট শুরু করে।
মনে রাখুন: ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস। - ৭৮. কোন আরব দেশ সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
- ক. ইরাক
- খ. মিশর
- গ. কুয়েত
- ঘ. জর্ডান
উত্তর: ক. ইরাক
স্বাধীনতার সময় অনেক আরব দেশ পাকিস্তানের পক্ষে ছিল। ইরাক সেই পরিস্থিতিতে আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সবার আগে, ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। তাই বাংলাদেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে এই স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ। মিশর, কুয়েত ও জর্ডানও পরে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
মনে রাখুন: বিশ্বে সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১) এবং ভারত। - ৭৯. সোনালী আঁশের দেশ কোনটি?
- ক. ভারত
- খ. শ্রীলঙ্কা
- গ. পাকিস্তান
- ঘ. বাংলাদেশ
উত্তর: ঘ. বাংলাদেশ
পাট বাংলাদেশের একসময়ের প্রধান অর্থকরী ফসল ছিল। এর আঁশের রং সোনালি এবং এটি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আসত। তাই পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়, আর সেই কারণে বাংলাদেশকে সোনালি আঁশের দেশ বলা হয়। পাটের বৈজ্ঞানিক নাম Corchorus।
মনে রাখুন:
২০১০ সালে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে পাটের জিনোম আবিষ্কৃত হয়।
বাংলাদেশ পাট রপ্তানিতে বিশ্বে প্রথম সারির দেশ, আর পাট উৎপাদনে ভারতের পরেই। - ৮০. বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম কি ছিল?
- ক. বর্ধমান হাউজ
- খ. বাংলা ভবন
- গ. আহসান মঞ্জিল
- ঘ. চামেলী হাউজ
উত্তর: ক. বর্ধমান হাউজ
ঢাকার বর্ধমান হাউস একসময় বর্ধমানের মহারাজার বাড়ি ছিল। পরে এটি পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ভাষা আন্দোলনের পর বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চার জন্য ১৯৫৫ সালে এই ভবনে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম বর্ধমান হাউস।
মনে রাখুন:
বাংলা একাডেমি প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’র আয়োজন করে।
আহসান মঞ্জিল ঢাকার নবাব পরিবারের প্রাসাদ, যা এখন জাদুঘর। - ৮১. ঢাকা বিভাগে কয়টি জেলা আছে?
- ক. ১৫ টি
- খ. ১৭ টি
- গ. ১৪ টি
- ঘ. ১৩ টি
উত্তর: ঘ. ১৩ টি
২০১৫ সালে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত হলে ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা ও শেরপুর ঢাকা বিভাগ থেকে আলাদা হয়ে যায়, তাই বর্তমানে ঢাকা বিভাগে জেলা ১৩টি। ১৭টি ছিল এর আগের হিসাব। - ৮২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০১৯
- ক. ১৯০৫ সালে
- খ. ১৯১১ সালে
- গ. ১৯৩৫ সালে
- ঘ. ১৯২১ সালে
উত্তর: ঘ. ১৯২১ সালে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকা নতুন প্রদেশের রাজধানী হয়েছিল, কিন্তু ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে পূর্ব বাংলার মানুষ ক্ষতিপূরণ হিসেবে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি জানায়। সেই দাবির ফলে ১৯২০ সালে আইন পাস হয় এবং ১৯২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি যাত্রা শুরু করে।
মনে রাখুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন পি জে হার্টগ। এর প্রতীক বা মনোগ্রাম হলো ‘Truth Shall Prevail’-এর মতো বাণী, যার বাংলা অর্থ ‘সত্যই জয়ী হবে’। - ৮৬. সতীদাহ প্রথা কবে রহিত হয়?
- ক. ১৮১৯ সালে
- খ. ১৮২৯ সালে
- গ. ১৮৩৯ সালে
- ঘ. ১৮৪৯ সালে
উত্তর: খ. ১৮২৯ সালে
সতীদাহ ছিল এমন একটি কুপ্রথা, যেখানে স্বামীর মৃত্যুর পর বিধবা স্ত্রীকে স্বামীর চিতায় জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হতো। রাজা রামমোহন রায় এই প্রথার বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন করেন। তাঁর প্রচেষ্টায় গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ১৮২৯ সালে আইন করে এই প্রথা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন।
মনে রাখুন:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের চেষ্টায় ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়।
রামমোহন রায়কে ‘ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ’ বলা হয়। - ৮৮. দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. নীলফামারী
- খ. কুড়িগ্রাম
- গ. লালমনিরহাট
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: গ. লালমনিরহাট
দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের একটি ছিটমহল ছিল, যা ভারতের ভূখণ্ড দিয়ে ঘেরা। এটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত। তিনবিঘা করিডোর নামে একটি সরু পথ দিয়ে এটিকে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, যা ১৯৯২ সালে বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
মনে রাখুন: ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ও ভারত নিজ নিজ ছিটমহল বিনিময় করে, ফলে ছিটমহলের সমস্যা মিটে যায়।
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- ৫৫. বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা কোনটি?
- ক. দিনাজপুর
- খ. ঠাকুরগাঁ
- গ. লালমনিরহাট
- ঘ. পঞ্চগড়
উত্তর: ঘ. পঞ্চগড়
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়। এই জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা দেশের সর্বউত্তর প্রান্তে অবস্থিত। এখানকার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের একটি পথ। আকাশ পরিষ্কার থাকলে তেঁতুলিয়া থেকে হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতশৃঙ্গ দেখা যায়। দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও লালমনিরহাট পঞ্চগড়ের চেয়ে দক্ষিণে বা কম উত্তরে অবস্থিত।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের জেলা কক্সবাজার, যার টেকনাফ উপজেলা দেশের দক্ষিণ প্রান্তে। - ৫৬. সিলেট কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- ক. আড়িয়াল খাঁ
- খ. সুরমা
- গ. চন্দনা
- ঘ. রূপসা
উত্তর: খ. সুরমা
সিলেট শহর সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত। সুরমা ও কুশিয়ারা নদী সিলেট ও আশপাশের অঞ্চলের প্রধান নদী, যারা ভারতের বরাক নদী থেকে বেরিয়েছে এবং পরে মিলে মেঘনা নাম নিয়েছে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে আড়িয়াল খাঁ মাদারীপুর ও ফরিদপুর অঞ্চলের নদী, আর রূপসা খুলনার নদী।
মনে রাখুন: কয়েকটি শহর ও তাদের নদী: ঢাকা-বুড়িগঙ্গা, চট্টগ্রাম-কর্ণফুলী, খুলনা-রূপসা, বরিশাল-কীর্তনখোলা, রাজশাহী-পদ্মা। - ৭৫. পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি?
- ক. আফ্রিকা
- খ. ইউরোপ
- গ. এশিয়া
- ঘ. উত্তর আমেরিকা
উত্তর: গ. এশিয়া
এশিয়া আয়তন ও জনসংখ্যা দুই দিক থেকেই পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ। এর আয়তন প্রায় ৪ কোটি ৪৫ লাখ বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। পৃথিবীর অর্ধেকের বেশি মানুষ এই মহাদেশে বাস করে।
মনে রাখুন:
আয়তনের ক্রমে মহাদেশ: এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, অ্যান্টার্কটিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া।
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া। - ৭৭. হেলসিংকি কোন দেশের রাজধানী?
- ক. সুইডেন
- খ. নরওয়ে
- গ. ফিনল্যান্ড
- ঘ. পোল্যান্ড
উত্তর: গ. ফিনল্যান্ড
হেলসিংকি ফিনল্যান্ডের রাজধানী, যা বাল্টিক সাগরের অংশ ফিনল্যান্ড উপসাগরের তীরে অবস্থিত। অন্য অপশনগুলো ভিন্ন দেশের রাজধানী নয়, বরং ওই দেশগুলোর নিজেদের রাজধানী আলাদা: সুইডেনের স্টকহোম, নরওয়ের অসলো এবং পোল্যান্ডের ওয়ারশ।
মনে রাখুন: ফিনল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ককে একসঙ্গে স্ক্যান্ডিনেভিয়া বা নর্ডিক দেশ বলা হয়। - ৯৭. গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া এই দেশের জন্য ভয়াবহ আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে-
- ক. সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে
- খ. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যেতে পারে
- গ. নদ-নদীর পানি কমে যেতে পারে
- ঘ. ওজোন স্তরের ক্ষতি নাও হতে পারে
উত্তর: ক. সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে
গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন ও অন্যান্য গ্যাস পৃথিবীর বাতাসে তাপ আটকে রাখে, ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ে। তাপ বাড়লে মেরু অঞ্চল ও পাহাড়ের বরফ গলে, আর সমুদ্রের পানিও প্রসারিত হয়। তাতে সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যায়। বাংলাদেশ একটি নিচু ব-দ্বীপ অঞ্চল, তাই উপকূলের বিশাল এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
মনে রাখুন: প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস: কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড ও ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC)। - ৯৮. আমাদের দেশে বনায়নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ-
- ক. গাছপালা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে
- খ. গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
- গ. দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কোনো অবদান নেই
- ঘ. ঝড় ও বন্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়
উত্তর: খ. গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
গাছ সালোকসংশ্লেষণের সময় বাতাস থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড নেয় এবং অক্সিজেন ছাড়ে। এই অক্সিজেন আমাদের শ্বাসের জন্য অপরিহার্য, তাই গাছ বাতাসকে নির্মল রাখে এবং জীবজগৎকে বাঁচায়। বনায়ন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, মাটির ক্ষয় রোধ করে এবং ঝড়-বন্যার ক্ষতি কমায়। কাঠ, জ্বালানি ও অন্যান্য বনজ সম্পদের মাধ্যমে বন দেশের অর্থনীতিতেও অবদান রাখে।
মনে রাখুন: একটি দেশের পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য মোট ভূমির অন্তত ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা দরকার বলে ধরা হয়। বাংলাদেশের সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
- ৬০. ইসলামী সম্মেলন সংস্থার প্রধান কার্যালয় কোথায়?
- ক. তেহরান
- খ. জেদ্দা
- গ. কায়রো
- ঘ. রিয়াদ
উত্তর: খ. জেদ্দা
ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (Organisation of the Islamic Conference, OIC) বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর একটি সংগঠন। এর প্রধান কার্যালয় বা সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে। সংস্থাটি ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে গঠিত হয়। ২০১১ সালে এর নাম বদলে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organisation of Islamic Cooperation) রাখা হয়।
মনে রাখুন: তেহরান ইরানের, কায়রো মিশরের এবং রিয়াদ সৌদি আরবের রাজধানী, কিন্তু OIC-এর সদর দপ্তর এগুলোর কোনোটিতে নয়। - ৬২. অমর্ত্য সেন কোন বিষয়ে গবেষণা করে নোবেল পুরস্কার পান?
- ক. দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য
- খ. উন্নয়নের গতিধারা
- গ. মাইক্রোক্রেডিট
- ঘ. বৈদেশিক সাহায্য
উত্তর: ক. দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য
অমর্ত্য সেন একজন ভারতীয় অর্থনীতিবিদ, যিনি ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান। কল্যাণ অর্থনীতি (Welfare Economics) বিষয়ে তাঁর অবদানই এই পুরস্কারের কারণ। বিশেষ করে দুর্ভিক্ষ কেন হয় এবং দারিদ্র্য কীভাবে মাপা যায়, এ নিয়ে তাঁর গবেষণা সবচেয়ে বিখ্যাত। তিনি দেখিয়েছেন যে অনেক সময় খাদ্যের অভাব নয়, বরং মানুষের কেনার সামর্থ্য না থাকাই দুর্ভিক্ষের কারণ হয়।
মনে রাখুন:
অমর্ত্য সেনের বিখ্যাত বই: Poverty and Famines।
ক্ষুদ্রঋণ বা মাইক্রোক্রেডিটের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ২০০৬ সালে। - ৬৩. জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) -এর আগামী শীর্ষ সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হবে?
- ক. দিল্লী
- খ. ডারবান
- গ. ঢাকা
- ঘ. বাকুতে
উত্তর: গ. ঢাকা
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (Non-Aligned Movement, NAM) এমন দেশগুলোর সংগঠন, যারা ঠান্ডা যুদ্ধের সময় কোনো সামরিক শক্তিজোটে যোগ দেয়নি। পরীক্ষার সময়ে এর আগামী শীর্ষ সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে বলে ঠিক ছিল। পরে সম্মেলনটি ২০০৩ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়। ডারবান ১৯৯৮ সালের সম্মেলনের স্থান ছিল।
মনে রাখুন: জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে ছিলেন নেহরু, নাসের ও টিটো। - ৬৪. উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (GCC) এর সদস্য সংখ্যা কত?
- ক. ৬
- খ. ৭
- গ. ৮
- ঘ. ৫
উত্তর: ক. ৬
উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (Gulf Cooperation Council, GCC) পারস্য উপসাগরের তীরের আরব দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সংগঠন। এর সদস্য ৬টি দেশ: সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান। ১৯৮১ সালে সংস্থাটি গঠিত হয়। এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের রিয়াদে।
মনে রাখুন: ইরাক, ইরান ও ইয়েমেন উপসাগরের তীরের কাছে অবস্থিত হলেও GCC-এর সদস্য নয়। - ৬৫. BIMSTEC কি ধরনের সংগঠন?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. রাজনৈতিক
- খ. অর্থনৈতিক
- গ. বাণিজ্যিক
- ঘ. সামাজিক
উত্তর: খ. অর্থনৈতিক
বিমসটেক (BIMSTEC) হলো বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী ও আশপাশের দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতার সংগঠন। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড মিলে এটি গঠন করে। তাই সংগঠনটি মূলত অর্থনৈতিক সংগঠন। পরে মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান যোগ দিলে সদস্য সংখ্যা হয় ৭। সংগঠনটির সচিবালয় ঢাকায়।
মনে রাখুন: BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation। - ৬৬. সার্ক কোন সালে কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯৮৫ সালে ঢাকায়
- খ. ১৯৮৩ সালে দিল্লীতে
- গ. ১৯৮৪ সালে কলম্বোতে
- ঘ. ১৯৮৬ সালে মালেতে
উত্তর: ক. ১৯৮৫ সালে ঢাকায়
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক (SAARC) ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে সাতটি দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান সার্ক সনদে স্বাক্ষর করেন। এই সংস্থার ধারণা প্রথম দিয়েছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এর সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে।
মনে রাখুন: সার্কের সদস্য প্রথমে ছিল ৭টি, ২০০৭ সালে আফগানিস্তান অষ্টম সদস্য হয়। সংস্থার প্রতীক হলো আটটি হাতের একসঙ্গে ধরা একটি বৃত্ত, যেখানে বৃত্তের ভেতরে একটি প্রতীক আছে। - ৬৭. জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ১৯৩
- খ. ১৮৯
- গ. ১৭০
- ঘ. ১৭৫
উত্তর: ক. ১৯৩
বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র ১৯৩টি; সর্বশেষ ২০১১ সালে দক্ষিণ সুদান ১৯৩তম সদস্য হয়। ১৮৯ ছিল ২০০০ সালের দিকের পুরোনো সংখ্যা, এখন তা প্রযোজ্য নয়। - ৬৮. বাংলাদেশ কতবার স্বস্তি পরিষদের সদস্যপদ লাভ করে?
- ক. ২ বার
- খ. ৩ বার
- গ. ১ বার
- ঘ. ৪ বার
উত্তর: ক. ২ বার
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য ছাড়া ১০টি অস্থায়ী সদস্য থাকে, যারা দুই বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হয়। পরীক্ষার সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ দুইবার এই অস্থায়ী সদস্য হয়েছে: প্রথমবার ১৯৭৯-৮০ মেয়াদে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-০১ মেয়াদে। তাই উত্তর দুই বার।
মনে রাখুন: স্থায়ী সদস্য পাঁচটি: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। তাদের ভেটো ক্ষমতা আছে। - ৭২. রাশিয়ার কুরস্ক নামক সাবমেরিনটির ওজন কত টন?
- ক. ১২,৮০০ টন
- খ. ১৩,৯০০ টন
- গ. ২৪,০০০ টন
- ঘ. ১৫,০০০ টন
উত্তর: গ. ২৪,০০০ টন
কুরস্ক (Kursk) ছিল রাশিয়ার একটি পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন। ২০০০ সালের আগস্ট মাসে বারেন্টস সাগরে মহড়া চলাকালে এটি দুর্ঘটনায় ডুবে যায় এবং ভেতরের সব নাবিক মারা যান। পানির নিচে ডুবে থাকা অবস্থায় সাবমেরিনটির ওজন ছিল প্রায় ২৪,০০০ টন। এটি ছিল ওস্কার-২ শ্রেণির সাবমেরিন।
মনে রাখুন: কুরস্ক নামটি রাশিয়ার একটি শহরের নাম থেকে এসেছে, যেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিখ্যাত ট্যাংক যুদ্ধ হয়। - ৭৩. (তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন হলেও অপশনে বর্তমান সময়ের সঠিক উত্তর রয়েছে।) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মতে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কোনটি?
- ক. সোমালিয়া ও দক্ষিণ সুদান
- খ. নাইজেরিয়া ও ভেনেজুয়েলা
- গ. বাংলাদেশ
- ঘ. ভারত
উত্তর: ক. সোমালিয়া ও দক্ষিণ সুদান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (Transparency International) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যার সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিনে। সংস্থাটি প্রতি বছর বিভিন্ন দেশের দুর্নীতির মাত্রা মেপে একটি তালিকা (Corruption Perceptions Index) প্রকাশ করে। পরীক্ষার সময়ে (২০০০ সালের কাছাকাছি) সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে নাইজেরিয়ার নাম এসেছিল। বাংলাদেশও কয়েক বছর তালিকার একেবারে নিচে ছিল।
হালনাগাদ: পরবর্তী বছরগুলোর সূচকে সোমালিয়া ও দক্ষিণ সুদান তালিকার সবচেয়ে নিচের সারিতে থাকে।
মনে রাখুন: TI সূচকে যে দেশ যত কম স্কোর পায়, সেই দেশের দুর্নীতি তত বেশি ধরা হয়। - ৭৪. (তৎকালীন সাম্প্রতিক তথ্যের প্রশ্ন। বর্তমান সময়ের তথ্য জানার জন্য ব্যাখ্যা দেখুন।) ২০০০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন কে?
- ক. প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং
- খ. হোমস জে হেকম্যান
- গ. পাও সিংজিয়ান
- ঘ. এরিক ক্যান্ডেল
উত্তর: ক. প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং
২০০০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পান দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং (Kim Dae-jung)। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য তাঁর ‘সানশাইন নীতি’ এবং নিজের দেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য সংগ্রামের কারণে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
অপশনের অন্য নামগুলোও ২০০০ সালের নোবেলজয়ী: জেমস হেকম্যান (অর্থনীতি), এরিক ক্যান্ডেল (চিকিৎসা) এবং গাও সিংজিয়ান (সাহিত্য)।
শান্তি পুরস্কারই একমাত্র নোবেল পুরস্কার, যা নরওয়ের অসলোতে দেওয়া হয়। - ৮৩. সুইডেনের মুদ্রার নাম কি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫
- ক. পাউন্ড
- খ. ডলার
- গ. ক্রোনা
- ঘ. পেসো
উত্তর: গ. ক্রোনা
সুইডেনের মুদ্রার নাম ক্রোনা (Krona)। পাউন্ড ব্রিটেন প্রভৃতি দেশের মুদ্রা, ডলার যুক্তরাষ্ট্র ও আরও অনেক দেশের মুদ্রা, আর পেসো মেক্সিকো ও ফিলিপাইনের মতো দেশের মুদ্রা। নরওয়ে ও ডেনমার্কের মুদ্রার নামও ক্রোন (Krone), যা ক্রোনার মতোই শোনায়।
মনে রাখুন: ক্রোনা শব্দের অর্থ মুকুট। আইসল্যান্ডের মুদ্রার নামও ক্রোনা। - ৮৪. NAM -এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?
- ক. ১০০
- খ. ১২০
- গ. ১১৪
- ঘ. ১১০
উত্তর: খ. ১২০
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (Non-Aligned Movement, NAM) ঠান্ডা যুদ্ধের সময় এমন দেশগুলোকে একত্র করেছিল, যারা যুক্তরাষ্ট্র বা সোভিয়েত ইউনিয়ন কোনো পক্ষেই যোগ দিতে চায়নি। ২০০১ সালের দিকে এর সদস্য ছিল প্রায় ১১৪টি দেশ। পরে সদস্য বেড়ে ১২০টিতে দাঁড়ায়। এই সংখ্যাই এখন সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা হিসেবে বলা হয়।
মনে রাখুন:
প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হয় ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেডে।
বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এই আন্দোলনের সদস্য হয়। - ৮৫. কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট যে অট্টালিকায় অবস্থিত তার নাম কি?
- ক. মার্লবোরো হাউজ
- খ. হোয়াইট হাউজ
- গ. বাকিংহাম প্রাসাদ
- ঘ. দি চেকার্স
উত্তর: ক. মার্লবোরো হাউজ
কমনওয়েলথ সচিবালয় (Commonwealth Secretariat) লন্ডনের মার্লবোরো হাউসে অবস্থিত। এটি ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কমনওয়েলথ হলো প্রধানত সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোর একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। অন্য অপশনগুলো আলাদা ভবনের নাম: হোয়াইট হাউস মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন, বাকিংহাম প্রাসাদ ব্রিটিশ রাজপরিবারের লন্ডনের বাসভবন, আর চেকার্স ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর গ্রামীণ বাসভবন।
মনে রাখুন: বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের এপ্রিলে কমনওয়েলথের সদস্য হয়। - ৮৭. প্রথম সাফ গেমস কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. ঢাকা
- খ. নয়াদিল্লী
- গ. কলম্বো
- ঘ. কাঠমান্ডু
উত্তর: ঘ. কাঠমান্ডু
দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আগে সাফ গেমস (SAF Games) নামে পরিচিত ছিল, এখন একে দক্ষিণ এশীয় গেমস (South Asian Games) বলা হয়। এর প্রথম আসর ১৯৮৪ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়। এর পরের বছর, ১৯৮৫ সালে, দ্বিতীয় আসর বসে ঢাকায়, অর্থাৎ বাংলাদেশ সেটির আয়োজক ছিল।
মনে রাখুন: বাংলাদেশ পরে ১৯৯৩ ও ২০১০ সালেও এই গেমসের আয়োজন করে।
সাধারণ বিজ্ঞান
- ৮৯. নিউট্রন আবিষ্কার করেন-
- ক. কিউরি
- খ. রাদারফোর্ড
- গ. চ্যাডউইক
- ঘ. থমসন
উত্তর: গ. চ্যাডউইক
নিউট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের একটি কণা, যার কোনো আধান নেই। ১৯৩২ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জেমস চ্যাডউইক এটি আবিষ্কার করেন, আর এর জন্য ১৯৩৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান। নিউট্রন চার্জহীন বলে বিদ্যুৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্রে বিচ্যুত হয় না, তাই এটি ধরা পড়তে দেরি হয়েছিল। অন্য অপশনের আবিষ্কারকেরা: থমসন ইলেকট্রন, রাদারফোর্ড নিউক্লিয়াস ও প্রোটন।
মনে রাখুন: ইলেকট্রন আবিষ্কার ১৮৯৭ সালে (থমসন) এবং নিউক্লিয়াস আবিষ্কার ১৯১১ সালে (রাদারফোর্ড)। - ৯০. যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা সমান নয় তাদের বলা হয়-
- ক. আইসোটোপ
- খ. আইসোমার
- গ. আইসোটোন
- ঘ. আইসোবার
উত্তর: গ. আইসোটোন
পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে, আর প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যার যোগফল হলো ভরসংখ্যা। যে পরমাণুগুলোর নিউট্রন সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভরসংখ্যা আলাদা, তাদের বলা হয় আইসোটোন (Isotone)। যেমন কার্বন-14 ও নাইট্রোজেন-15, দুটিতেই নিউট্রন আছে ৮টি করে।
মনে রাখুন:
আইসোটোপ: প্রোটন সংখ্যা সমান, ভরসংখ্যা আলাদা (যেমন হাইড্রোজেন-1 ও ডিউটেরিয়াম)।
আইসোবার: ভরসংখ্যা সমান, প্রোটন সংখ্যা আলাদা (যেমন আর্গন-40 ও ক্যালসিয়াম-40)। - ৯১. উড়োজাহাজের গতি নির্ণয়াক যন্ত্র-
- ক. ক্রনোমিটার
- খ. ট্যাকোমিটার
- গ. হাইগ্রোমিটার
- ঘ. ওডোমিটার
উত্তর: খ. ট্যাকোমিটার
ট্যাকোমিটার (Tachometer) এমন একটি যন্ত্র, যা কোনো ঘূর্ণায়মান অংশের গতি বা ঘূর্ণনবেগ (মিনিটে কত পাক) মাপে। উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বা প্রপেলার কত বেগে ঘুরছে তা জানতে এটি ব্যবহার করা হয়। অন্য অপশনগুলোর কাজ আলাদা: ক্রনোমিটার সূক্ষ্ম সময় মাপে, হাইগ্রোমিটার বাতাসের আর্দ্রতা মাপে আর ওডোমিটার যানবাহনের অতিক্রান্ত দূরত্ব মাপে।
মনে রাখুন: বায়ুর তুলনায় উড়োজাহাজের গতি মাপার যন্ত্রকে এয়ারস্পিড ইন্ডিকেটর বলা হয়। সমুদ্রে জাহাজের গতি মাপা হয় নট (Knot) এককে। - ৯২. ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র-
- ক. ব্যারোমিটার
- খ. সেক্সট্যান্ট
- গ. সিসিমোগ্রাফ
- ঘ. ম্যানোমিটার
উত্তর: গ. সিসিমোগ্রাফ
সিসমোগ্রাফ (Seismograph) এমন একটি যন্ত্র, যা ভূমিকম্পের কম্পন রেকর্ড করে। এই রেকর্ড থেকে ভূমিকম্পের উৎস এবং শক্তি জানা যায়। ব্যারোমিটার বায়ুর চাপ মাপে, সেক্সট্যান্ট দিয়ে কৌণিক দূরত্ব মাপা হয় (যেমন নাবিকের সূর্য বা তারার উচ্চতা), আর ম্যানোমিটার গ্যাসের চাপ মাপে।
মনে রাখুন:
ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার স্কেলের নাম রিখটার স্কেল।
ভূমিকম্পের উৎসস্থলকে ফোকাস এবং ঠিক তার ওপরে ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে এপিসেন্টার বা কেন্দ্র বলে। - ৯৩. রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রশ্মি বের হয়-
- ক. গামা রশ্মি
- খ. বিটা রশ্মি
- গ. রঞ্জন রশ্মি
- ঘ. কসমিক রশ্মি
উত্তর: গ. রঞ্জন রশ্মি
পুরোনো ধাঁচের রঙিন টেলিভিশনের ভেতরে একটি বিশেষ নল থাকে, যার নাম পিকচার টিউব বা ক্যাথোড রে টিউব। এতে উচ্চ বিভবে ইলেকট্রন ছুটে গিয়ে পর্দায় আঘাত করে, আর তাতে সামান্য রঞ্জন রশ্মি (X-ray) তৈরি হয়। এটি ক্ষতিকর, তাই খুব কাছ থেকে অনেকক্ষণ টিভি না দেখার পরামর্শ দেওয়া হতো। পর্দায় সীসামিশ্রিত কাচ থাকায় ক্ষতির পরিমাণ কমে যায়।
মনে রাখুন: রঞ্জন রশ্মি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী উইলহেলম রন্টজেন, ১৮৯৫ সালে। - ৯৪. সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয়-
- ক. পরমাণুর ফিশন পদ্ধতিতে
- খ. পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
- গ. রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে
- ঘ. তেজস্ক্রিয়তার ফলে
উত্তর: খ. পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
সূর্যের কেন্দ্রে তাপমাত্রা প্রায় দেড় কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস আর চাপও প্রচণ্ড। সেখানে হাইড্রোজেনের হালকা নিউক্লিয়াসগুলো পরস্পর মিলে ভারী হিলিয়ামের নিউক্লিয়াস তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ার নাম নিউক্লীয় ফিউশন (Nuclear Fusion)। বিক্রিয়ায় কিছু ভর শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (E = mc²), আর সেই শক্তিই আলো ও তাপ হয়ে সূর্য থেকে পৃথিবীতে আসে। ফিশন বা বিদারণে ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙে যায়, যা পারমাণবিক বোমা ও চুল্লিতে ঘটে।
মনে রাখুন: হাইড্রোজেন বোমা ফিউশন পদ্ধতিতে কাজ করে। - ৯৫. ডেঙ্গু জ্বরের বাহক-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. অ্যানোফিলিস
- খ. কিউলেক্স
- গ. এডিস
- ঘ. সকল ধরনের মশা
উত্তর: গ. এডিস
ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত জ্বর। এডিস (Aedes) গণের মশা, বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টাই এই ভাইরাস এক মানুষ থেকে অন্য মানুষের দেহে ছড়ায়। এডিস মশা মূলত দিনের বেলায় কামড়ায় এবং জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া এবং কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া ছড়ায়, তাই সব ধরনের মশা ডেঙ্গুর বাহক নয়।
মনে রাখুন: চিকুনগুনিয়াও এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। - ৯৬. পেনিসিলিয়াম আবিষ্কার করেন-
- ক. রবার্ট হুক
- খ. টমাস এডিসন
- গ. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
- ঘ. জেমস ওয়াট
উত্তর: গ. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে লক্ষ করেন, তাঁর পরীক্ষাগারে ফেলে রাখা একটি পাত্রে পেনিসিলিয়াম নামে এক ছত্রাক জন্মেছে এবং তার আশপাশের ব্যাকটেরিয়া মরে যাচ্ছে। এই পর্যবেক্ষণ থেকেই তিনি পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন, যা পৃথিবীর প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক। এ জন্য তিনি ১৯৪৫ সালে হাওয়ার্ড ফ্লোরে ও আর্নস্ট চেইনের সঙ্গে নোবেল পুরস্কার পান।
মনে রাখুন: রবার্ট হুক কোষ আবিষ্কার করেন, টমাস এডিসন বৈদ্যুতিক বাতি তৈরি করেন আর জেমস ওয়াট বাষ্পীয় ইঞ্জিনের উন্নতি ঘটান।
অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান
১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৬)
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৮তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২৫)
- ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৪)
- ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৩)
- ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২২)
- ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২১)
- ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৯)
- ৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০১৮)
- ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৭)
- ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৫)
- ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৩)
- ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১১)
- ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১০)
- ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৯)
- ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৮)
- ২৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৫)
- ২৬তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৩)
- ২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৯)
- ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৬)
- ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৫)
- ১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি (১৯৯৪)
- ১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৩)
- ১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯০)
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন