৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য): প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১। এখানে ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা আছে। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন: সময় ৬০ মিনিট, প্রতিটি ভুলে −০.৫।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য (২০)
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (২১)
- বাংলাদেশ বিষয়াবলি (২০)
- আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি (১৫)
- মানসিক দক্ষতা (২)
- গাণিতিক যুক্তি (১৪)
- ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (৫)
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য
- ১. What is the correct indirect form of: He said, “You had better see a doctor”
- ক. He advised him to see a doctor.
- খ. He advised that he should see a doctor.
- গ. He suggested that he seen a doctor.
- ঘ. He proposed to see a doctor.
উত্তর: ক. He advised him to see a doctor.
মূল বাক্য: He said, "You had better see a doctor." এখানে 'had better' দিয়ে বক্তা পরামর্শ দিচ্ছেন। পরামর্শ বোঝাতে পরোক্ষ উক্তিতে reporting verb হিসেবে 'advised' বসে। এরপর যাঁকে বলা হয়েছে, তাঁকে object করে (him) to-infinitive যোগ করতে হয়। তাই গঠন দাঁড়ায়: He advised him to see a doctor.
অন্য অপশনগুলোতে ব্যাকরণ ঠিক নেই। অপশন ২-এ 'that he should see' গঠনে ভাব ঠিক থাকলেও পরোক্ষ উক্তির প্রচলিত রূপ নয়, অপশন ৩-এ 'he seen' ভুল ক্রিয়ার রূপ, আর অপশন ৪-এ 'proposed to' পরামর্শের ভাব নষ্ট করে।
মনে রাখুন:
had better / should / ought to → advised/urged + object + to + verb - ২. Identify the word that remains the same in plural form.
- ক. deer
- খ. horse
- গ. elephant
- ঘ. tiger
উত্তর: ক. deer
কিছু বিশেষ্য শব্দের একবচন ও বহুবচন রূপ একই থাকে। Deer এমনই একটি শব্দ: one deer, two deer। একই রকম শব্দ আরও আছে: sheep, fish, swine, salmon, trout, aircraft, species, series। এগুলোতে বহুবচন বোঝাতে s বা es যোগ করতে হয় না।
Horse, elephant ও tiger নিয়মিত বহুবচন নেয়: horses, elephants, tigers। এগুলোর শেষে s যোগ করেই বহুবচন করতে হয়।
মনে রাখুন:
একবচন ও বহুবচন একই: deer, sheep, fish, species, series
অনিয়মিত বহুবচন: man → men, child → children - ৩. Which word is correct?
- ক. Furnitures
- খ. Informations
- গ. Sceneries
- ঘ. Proceeds
উত্তর: ঘ. Proceeds
Proceeds শব্দটি সব সময় বহুবচন রূপে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ বিক্রি, অনুষ্ঠান বা ব্যবসা থেকে পাওয়া অর্থ। যেমন: The proceeds of the sale were donated. অন্য তিনটি শব্দ অগণনীয় বিশেষ্য (Uncountable Noun), তাই এদের শেষে s বসিয়ে বহুবচন করা যায় না। শুদ্ধ রূপ furniture, information ও scenery।
সঠিকভাবে বলতে গেলে একটি আসবাব বোঝাতে 'a piece of furniture', একটি তথ্য বোঝাতে 'a piece of information' বলা হয়।
মনে রাখুন:
অগণনীয় বিশেষ্য: furniture, information, advice, luggage, scenery, news - ৪. To doctor an animal means-
- ক. To treat it
- খ. To sterilize it
- গ. To poison it
- ঘ. To cure it
উত্তর: খ. To sterilize it
'Doctor' শব্দটি সাধারণ অর্থে চিকিৎসক বা চিকিৎসা করা বোঝায়। কিন্তু কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রে 'to doctor an animal' বললে বোঝায় তাকে বন্ধ্যা করা (sterilize), অর্থাৎ পুরুষ প্রাণীকে খোজা করা (castrate) বা স্ত্রী প্রাণীর প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট করা (spay)। এটি শব্দটির একটি বিশেষ ব্যবহার। বিড়াল বা কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে এটি করা হয়।
'Treat' ও 'cure' সাধারণ চিকিৎসা-সংক্রান্ত অর্থ, আর 'poison' মানে বিষ দেওয়া। প্রশ্নে 'doctor an animal'-এর বিশেষ অর্থ চাওয়া হয়েছে।
মনে রাখুন:
doctor (verb) = বদলে ফেলা, ভেজাল দেওয়া; to doctor an animal = sterilize it
উদাহরণ: The cat was doctored. / He doctored the report (জাল করা)। - ৫. The word “flying” in the sentence “Look at the flying bird” is-
- ক. gerund
- খ. participle
- গ. verbal noun
- ঘ. gerundial infinitive
উত্তর: খ. participle
'Look at the flying bird' বাক্যে 'flying' শব্দটি fly ক্রিয়ার সঙ্গে -ing যুক্ত করে তৈরি। এটি 'bird' বিশেষ্যের আগে বসে তাকে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ বিশেষণের কাজ করছে। যে verb-এ -ing যুক্ত হয়ে বিশেষণের কাজ করে, তাকে present participle বলে। এখানে অর্থ: উড়ন্ত পাখি।
Gerund-ও -ing যুক্ত ক্রিয়ারূপ, কিন্তু তা বিশেষ্যের কাজ করে, যেমন 'Flying is fun'। এখানে 'flying' কোনো noun-এর কাজ করছে না, তাই এটি gerund বা verbal noun নয়।
মনে রাখুন:
Verb + ing = বিশেষ্যের কাজ করলে gerund, বিশেষণের কাজ করলে participle - ৬. Identify the determiner in the sentence “Bring me that book”
- ক. bring
- খ. me
- গ. that
- ঘ. book
উত্তর: গ. that
Determiner হলো সেই শব্দ, যা noun-এর আগে বসে সেই noun-এর পরিচয়, সংখ্যা বা পরিমাণ জানায়। Article (a, an, the), demonstrative (this, that, these, those), possessive (my, your), quantifier (some, many) এ সবই determiner। 'Bring me that book' বাক্যে 'that' শব্দটি book-কে নির্দিষ্ট করছে, অর্থাৎ কোন বইটি তা দেখাচ্ছে। তাই that একটি demonstrative determiner।
'Bring' ক্রিয়া, 'me' সর্বনাম এবং 'book' বিশেষ্য।
মনে রাখুন:
Determiner + noun: that book, my pen, some water, the sun - ৭. “A Passage to India” is written by-
- ক. E M Forster
- খ. Nirad C Chauhuri
- গ. Rudyard Kipling
- ঘ. Walt Whitman
উত্তর: ক. E M Forster
'A Passage to India' (১৯২৪) ইংরেজ ঔপন্যাসিক ই. এম. ফরস্টারের (E. M. Forster) বিখ্যাত উপন্যাস। কাহিনির পটভূমি ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারত। একজন ভারতীয় মুসলিম ডাক্তার আজিজ ও ইংরেজদের সম্পর্কের টানাপোড়েন, জাতিগত বিভেদ এবং ঔপনিবেশিক শাসনের সীমাবদ্ধতা এতে ফুটে উঠেছে। উপন্যাসের কেন্দ্রে মারাবার গুহার রহস্যময় ঘটনা।
ফরস্টারের আরও উপন্যাস: Howards End, A Room with a View। কিপলিংয়ের পরিচিত রচনা 'The Jungle Book', আর হুইটম্যানের 'Leaves of Grass'।
মনে রাখুন:
A Passage to India: E. M. Forster - ৮. What is the meaning of “musk”?
- ক. a form of drama
- খ. face cover
- গ. a substance used in making perfume
- ঘ. a disguise
উত্তর: গ. a substance used in making perfume
'Musk' শব্দের অর্থ কস্তুরী, অর্থাৎ পুরুষ কস্তুরী হরিণের পেটের একটি গ্রন্থি থেকে পাওয়া তীব্র সুগন্ধি পদার্থ, যা আতর ও সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে অনেক সুগন্ধিতে কৃত্রিম musk ব্যবহার হয়। তাই শব্দটির অর্থ 'a substance used in making perfume'।
বানান ও উচ্চারণ কাছাকাছি হওয়ায় 'mask' (মুখোশ) ও 'musk'-এ বিভ্রান্তি হয়। 'Mask' মানে মুখ ঢাকা বা মুখোশ, আর 'masque' মানে একধরনের নাটক বা নাট্যরূপ। 'Disguise' মানে ছদ্মবেশ।
মনে রাখুন:
musk = কস্তুরী; mask = মুখোশ; masque = মুখোশ-নাটক - ৯. Go and catch the falling star. Here the “falling” is-
- ক. An adverb
- খ. A preposition
- গ. An adjective
- ঘ. A verb
উত্তর: গ. An adjective
'Go and catch the falling star' বাক্যটি জন ডানের কবিতা 'Song' থেকে নেওয়া। এখানে 'falling' শব্দটি star বিশেষ্যের আগে বসে তাকে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ কেমন তারা: খসে পড়া তারা। যে শব্দ noun-কে বর্ণনা করে, তাকে adjective বলে। গঠনের দিক থেকে 'falling' হলো fall ক্রিয়ার present participle, কিন্তু বাক্যে এর কাজ adjective-এর।
তাই এখানে 'falling' adjective, কারণ প্রশ্নে ব্যবহারের ভিত্তিতে শব্দশ্রেণি জানতে চাওয়া হয়েছে।
মনে রাখুন:
Participle যখন noun-কে বর্ণনা করে, তখন তার কাজ adjective-এর
উদাহরণ: a running horse, a broken window - ১০. Hasan has read most of the ____ of Shakespeare.
- ক. poem
- খ. play
- গ. drama
- ঘ. works
উত্তর: ঘ. works
শূন্যস্থানের আগে 'most of the' আছে, তাই এর পরে বহুবচন বিশেষ্য লাগবে। কিন্তু প্রশ্নে শেক্সপিয়ারের সব রচনা বোঝাতে হবে। 'Works' শব্দটি বহুবচন এবং এর অর্থ কোনো লেখকের সব রচনা বা সৃষ্টিকর্ম। যেমন the works of Rabindranath, the complete works of Shakespeare। তাই বাক্যটি দাঁড়ায়: Hasan has read most of the works of Shakespeare.
Poem, play ও drama একবচন, তাই 'most of the poem' বললে একটি মাত্র কবিতার অধিকাংশ বোঝায়, লেখকের সমগ্র সৃষ্টি নয়।
মনে রাখুন:
most of the + বহুবচন/অগণনীয়: most of the works, most of the money - ১১. Who wrote Dr. Zivago?
- ক. Maxim Gorky
- খ. Boris Pastornak
- গ. Fyodor Dostoevsky
- ঘ. Leo Tolstoy
উত্তর: খ. Boris Pastornak
'Doctor Zhivago' রুশ লেখক ও কবি বরিস পাস্তেরনাকের (Boris Pasternak) উপন্যাস। এতে রুশ বিপ্লব ও গৃহযুদ্ধের পটভূমিতে চিকিৎসক ও কবি ইউরি ঝিভাগোর জীবন ও প্রেমের কাহিনি বলা হয়েছে। সোভিয়েত সরকার বইটির প্রকাশ নিষিদ্ধ করলে এটি ১৯৫৭ সালে ইতালিতে প্রথম প্রকাশিত হয়। ১৯৫৮ সালে পাস্তেরনাক সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান, কিন্তু সরকারি চাপে তা গ্রহণ করেননি।
ম্যাক্সিম গোর্কি লিখেছেন 'মা', দস্তয়েভস্কি 'Crime and Punishment', আর তলস্তয় 'War and Peace'।
মনে রাখুন:
Doctor Zhivago: Boris Pasternak - ১২. Fill in the gap with the correct form of the verb: The police _____ informed yesterday.
- ক. is
- খ. are
- গ. was
- ঘ. were
উত্তর: ঘ. were
'Police' শব্দটি আকারে একবচন মনে হলেও অর্থে এটি সবসময় বহুবচন, কারণ এর দ্বারা পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের বোঝানো হয়। তাই এর ক্রিয়াও বহুবচনের হয়: The police are, the police were। বাক্যে 'yesterday' থাকায় কাল অতীত, তাই 'were' বসবে। বাক্যটি দাঁড়ায়: The police were informed yesterday.
'Was' একবচনের অতীত ক্রিয়া, আর 'is' ও 'are' বর্তমানের রূপ। এগুলো বাক্যের কাল বা বচনের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন:
সর্বদা বহুবচন: police, cattle, people, vermin
সর্বদা বহুবচন ক্রিয়া নেয়: The police have arrived. - ১৩. Complete the sentence. If I were you, I ____ take the money.
- ক. shall
- খ. will
- গ. would
- ঘ. may
উত্তর: গ. would
'If I were you, I would take the money' বাক্যটি Second Conditional-এর অন্তর্গত, যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের এমন কল্পিত অবস্থা বোঝায় যা বাস্তবে সত্য নয়। আমি বাস্তবে 'you' নই, তাই অবস্থাটি কাল্পনিক। এর গঠন: If + past tense (এখানে were), subject + would + base verb। এ কারণে দ্বিতীয় অংশে would বসবে।
কাল্পনিক শর্তে 'were' সব person-এর সঙ্গে ব্যবহার করা যায়, যেমন If I were a bird। Shall বা will বসালে বাক্যটি বাস্তব সম্ভাবনা প্রকাশ করত, আর may অনিশ্চয়তা বোঝায়।
মনে রাখুন:
Second conditional: If + past, would + verb
উদাহরণ: If I were rich, I would travel the world. - ১৪. Would you please find out Bangladesh _____ the map?
- ক. in
- খ. on
- গ. over
- ঘ. at
উত্তর: খ. on
Preposition on ব্যবহৃত হয় কোনো সমতল পৃষ্ঠের ওপর কিছুর অবস্থান বোঝাতে। মানচিত্র কাগজ বা পর্দার ওপর আঁকা সমতল পৃষ্ঠ, তাই বলা হয় 'on the map'। বাক্যটি দাঁড়ায়: Would you please find out Bangladesh on the map? একইভাবে on the page, on the wall, on the table, on the list বলা হয়।
'In' সাধারণত কোনো আধার বা ঘেরা জায়গার ভেতর বোঝায়। 'Over' মানে ওপরে কিন্তু স্পর্শ না করে, আর 'at' নির্দিষ্ট বিন্দু বোঝায়।
মনে রাখুন:
on the map, on the page, on the internet; in the book, in the room - ১৫. Liza had given me two____
- ক. pair of jean
- খ. pairs of jean
- গ. pair of jeans
- ঘ. pairs of jeans
উত্তর: ঘ. pairs of jeans
'Jeans' দুটি পায়ার সমন্বয়ে গড়া পোশাক, তাই শব্দটি সবসময় বহুবচন রূপে থাকে, যেমন trousers, scissors, glasses। এমন শব্দের সংখ্যা বোঝাতে সরাসরি গোনা যায় না, বরং 'a pair of' দিয়ে গুনতে হয়। একটি জিন্স হলো a pair of jeans। দুটি হলে 'pair' বহুবচন হয়ে 'pairs' হয়, কিন্তু 'jeans' একই থাকে। তাই বাক্যটি দাঁড়ায়: Liza had given me two pairs of jeans.
'Jean' এককভাবে একটি কাপড়ের নাম বা ব্যক্তির নাম, জিন্স পোশাক বোঝাতে লাগে jeans।
মনে রাখুন:
single pair: a pair of jeans; two items: two pairs of jeans
একই নিয়ম: pair of trousers, pair of scissors - ১৬. “Giving someone the cold shoulder” means-
- ক. To torture somebody
- খ. To harm somebody
- গ. To appreciate somebody
- ঘ. To ignore somebody
উত্তর: ঘ. To ignore somebody
'Give someone the cold shoulder' একটি idiom, যার অর্থ কাউকে ইচ্ছে করে উপেক্ষা করা বা এড়িয়ে চলা, কথা না বলে বা শীতল আচরণ করে দূরে সরিয়ে রাখা। যেমন: After the argument, she gave him the cold shoulder। অর্থাৎ ঝগড়ার পর সে তাকে অবজ্ঞা করে চলল। এর উৎপত্তি সম্ভবত মধ্যযুগে অনাকাঙ্ক্ষিত অতিথিকে মাংসের ঠান্ডা কাঁধের অংশ খেতে দেওয়ার প্রথা থেকে।
এই বাক্যাংশে কাউকে নির্যাতন (torture), ক্ষতি (harm) বা প্রশংসা (appreciate) করার অর্থ নেই।
মনে রাখুন:
cold shoulder = উপেক্ষা করা; cold feet = ভয়ে পিছিয়ে যাওয়া - ১৭. “September on the Jessore Road” is written by-
- ক. Madhusudan Dutt
- খ. Allen Ginsberg
- গ. Kaisar Hoq
- ঘ. Vikram Seth
উত্তর: খ. Allen Ginsberg
'September on Jessore Road' কবিতাটি মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গের (Allen Ginsberg) লেখা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় লক্ষ লক্ষ শরণার্থী ঢাকা-যশোর সড়ক ধরে ভারতে আশ্রয় নিতে যেত। গিন্সবার্গ সেই সময় ভারতে ছিলেন এবং যশোর রোডের ওপর শরণার্থীদের দুর্দশা দেখে মর্মাহত হয়ে এই কবিতা রচনা করেন। পরে কবিতাটি গান হিসেবেও পরিবেশিত হয়েছে। কবির দীর্ঘ কবিতা 'Howl' (১৯৫৬) বিট প্রজন্মের পরিচায়ক।
মনে রাখুন:
September on Jessore Road: Allen Ginsberg (১৯৭১)
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিদেশি কবিতা: Allen Ginsberg - ১৮. Identify the correctly spelled one.
- ক. Caesarian
- খ. Ceasarian
- গ. Ciserian
- ঘ. Scissorian
উত্তর: ক. Caesarian
শুদ্ধ বানান Caesarian (বা Caesarean)। শব্দটি এসেছে Caesar থেকে, যা রোমান শাসক জুলিয়াস সিজারের নাম। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী তিনি অস্ত্রোপচারে জন্ম নিয়েছিলেন, তাই অস্ত্রোপচারে সন্তান প্রসবের পদ্ধতির নাম Caesarean section, যা ছোট করে C-section বলা হয়। শব্দটির শুরুতে Cae- থাকবে, যেমন Caesar।
Ceasarian, Ciserian ও Scissorian ভুল বানান। 'Scissor' মানে কাঁচি, যার সঙ্গে এই শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
Caesar → Caesarean section
সাধারণ ভুল বানান: Ceasar, Ceaser - ১৯. What is the function of a topic sentence?
- ক. To introduce the topic
- খ. To analyse the topic
- গ. To present the main idea
- ঘ. To expand the idea
উত্তর: গ. To present the main idea
Topic sentence হলো অনুচ্ছেদের (paragraph) সেই বাক্য, যা অনুচ্ছেদের মূল ভাবনা বা প্রধান বক্তব্য (main idea) সংক্ষেপে তুলে ধরে। সাধারণত এটি অনুচ্ছেদের প্রথম বাক্য হিসেবে বসে। পাঠক এই বাক্য থেকেই বুঝে নেন অনুচ্ছেদটি কী নিয়ে। বাকি বাক্যগুলো, অর্থাৎ supporting sentences, উদাহরণ, তথ্য ও ব্যাখ্যা দিয়ে সেই মূল ভাবনাকে বিস্তার ও সমর্থন করে।
তাই topic sentence-এর কাজ মূল ভাবনা উপস্থাপন করা। বিষয় বিশ্লেষণ বা ভাব সম্প্রসারণ করে supporting sentences।
মনে রাখুন:
Paragraph: topic sentence + supporting sentences + concluding sentence - ২০. For God’s sake, hold your tongue and let me love” occurs in a novel by-
- ক. Jane Austin
- খ. Syed Waliullah
- গ. Somerset Maugham
- ঘ. Rabindranath Tagore
উত্তর: ঘ. Rabindranath Tagore
'For God's sake, hold your tongue and let me love' লাইনটি ইংরেজ কবি জন ডানের (John Donne) 'The Canonization' কবিতার প্রথম লাইন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস 'শেষের কবিতা'-র নায়ক অমিত রায় ইংরেজি সাহিত্যে সুপণ্ডিত চরিত্র, যিনি কথাবার্তায় ইংরেজি কবিতার উদ্ধৃতি ব্যবহার করেন। সেখানে এই লাইনটি এসেছে। তাই প্রশ্নের অপশনে উপন্যাসের লেখক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই উত্তর।
জেন অস্টেন ইংরেজ ঔপন্যাসিক (Pride and Prejudice), সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ লিখেছেন 'লালসালু', আর সমারসেট মম লিখেছেন 'Of Human Bondage'।
মনে রাখুন:
শেষের কবিতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯২৯), নায়ক অমিত, নায়িকা লাবণ্য
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- ২১. অধিত্যকা এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. উপত্যকা
- খ. ধিত্যকা
- গ. পার্বত্য
- ঘ. সমতল
উত্তর: ক. উপত্যকা
অধিত্যকা শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বতের ওপরের সমতল ভূমি। এটি পর্বতের উঁচু অংশের সমভূমি, যেমন তিব্বতের মালভূমি। এর বিপরীত উপত্যকা, অর্থাৎ পাহাড়ের পাদদেশের বা দুটি পাহাড়ের মাঝখানের নিচু ভূমি। দুটি শব্দের উপসর্গই বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে: 'অধি' মানে ওপরে এবং 'উপ' মানে নিচের বা নিকটবর্তী।
'পার্বত্য' মানে পাহাড় সংক্রান্ত। 'সমতল' মানে সমান ভূমি, যা অধিত্যকার প্রকৃত বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
অধিত্যকা ↔ উপত্যকা
অনুরূপ জোড়া: শৃঙ্গ ↔ পাদদেশ - ২২. কৃষ্টি শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়-
- ক. কৃ্ষ্ + তি
- খ. কৃষ্ + টি
- গ. কৃ + ইষ্টি
- ঘ. কৃষ্ + ইষ্টি
উত্তর: ক. কৃ্ষ্ + তি
'কৃষ্টি' শব্দটি 'কৃষ্' ধাতুর সঙ্গে 'তি' প্রত্যয় যোগ করে গঠিত। 'কৃষ্' ধাতুর অর্থ চাষ করা বা টানা। ধাতুর ষ-এর পরে 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হলে ষ-এর প্রভাবে ত বদলে ট হয়ে যায় (মূর্ধন্যীভবন), তাই 'কৃষ্ + তি = কৃষ্টি' (ষ্ট)। শব্দটির মূল অর্থ কর্ষণ বা চাষ, যা থেকে সংস্কৃতি বা সাংস্কৃতিক অনুশীলনের অর্থ এসেছে।
'টি' নামে কোনো প্রত্যয় এখানে প্রযোজ্য নয়, আর 'ইষ্টি' প্রত্যয় অন্য ধরনের শব্দে বসে।
মনে রাখুন:
কৃষ্ + তি = কৃষ্টি; দৃশ্ + তি = দৃষ্টি; সৃজ্ + তি = সৃষ্টি - ২৩. ঐহিক এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. ঈদৃশ
- খ. পারত্রিক
- গ. মাঙ্গলিক
- ঘ. আকস্মিক
উত্তর: খ. পারত্রিক
'ঐহিক' শব্দের অর্থ ইহলোক বা এই জগৎ-সংক্রান্ত, অর্থাৎ বর্তমান জীবনের বা পার্থিব বিষয়। এর বিপরীত শব্দ 'পারত্রিক', যার অর্থ পরলোক বা মৃত্যুর পরের জীবন-সংক্রান্ত। 'ইহ' মানে এখানকার বা এই জগৎ, আর 'পরত্র' মানে অন্যত্র, অর্থাৎ পরলোকে। দুটি শব্দ একসঙ্গে বলা হয়: ঐহিক ও পারত্রিক কল্যাণ।
'ঈদৃশ' মানে এমন, 'মাঙ্গলিক' মানে মঙ্গলজনক, আর 'আকস্মিক' মানে হঠাৎ ঘটা। এগুলো ঐহিকের বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
ঐহিক ↔ পারত্রিক; ইহলোক ↔ পরলোক - ২৪. কোনটি শুদ্ধ নয়?
- ক. যন্ত্রনা
- খ. শূদ্র
- গ. সহযােগিতা
- ঘ. স্বতঃস্ফূর্ত
উত্তর: ক. যন্ত্রনা
শুদ্ধ বানান 'যন্ত্রণা', অশুদ্ধ রূপ 'যন্ত্রনা'। বাংলা ণত্ব বিধান অনুযায়ী ঋ, র বা ষ-এর পরে একই শব্দে ন থাকলে সেই ন সাধারণত ণ হয়, মাঝে ক-বর্গ, প-বর্গ, য, ব, হ ইত্যাদি বর্ণ থাকলেও। 'যন্ত্রণা' শব্দে র-এর পরে ন আছে, তাই ণ বসে।
অন্য তিনটি বানান শুদ্ধ: 'শূদ্র' (দীর্ঘ ঊ), 'সহযোগিতা' (হ্রস্ব ই-কার), 'স্বতঃস্ফূর্ত' (বিসর্গসহ, দীর্ঘ ঊ)।
মনে রাখুন:
যন্ত্রণা, তৃণ, কারণ, ঘর্ষণ: র/ষ-এর পরে ণ
ব্যতিক্রম: সংস্কৃত নয় এমন বিদেশি শব্দে ণ হয় না, যেমন কর্নেল, গভর্নর - ২৫. সঠিক বানান নয় কোনটি?
- ক. ধরণি
- খ. মূর্ছা
- গ. গুণ
- ঘ. প্রানী
উত্তর: ঘ. প্রানী
শুদ্ধ বানান 'প্রাণী', অশুদ্ধ রূপ 'প্রানী'। 'প্রাণ' শব্দে র-এর পরে ন আছে। ণত্ব বিধান অনুযায়ী র, ঋ বা ষ-এর পরে একই শব্দে দন্ত্য ন থাকলে তা মূর্ধন্য ণ হয়। তাই প্রাণ, প্রাণী, প্রণাম, রণ ইত্যাদি বানানে ণ বসে।
অন্য তিন বানান শুদ্ধ: 'ধরণি' (পৃথিবী, র-এর পরে ণ), 'মূর্ছা' (অজ্ঞান হওয়া, রেফসহ ছ) এবং 'গুণ'। 'ধরণী'ও শুদ্ধ রূপ।
মনে রাখুন:
ণত্ব: প্রাণ, ধরণী, বর্ণ, কর্ণ, ভরণ
নিয়ম খাটে না: ত-বর্গ যুক্ত হলে, যেমন অর্জুন, দর্শন - ২৬. বাংলা আদি অধিবাসীগণ কোন ভাষাভাষী ছিলেন?
- ক. বাংলা
- খ. সংস্কৃত
- গ. হিন্দি
- ঘ. অস্ট্রিক
উত্তর: ঘ. অস্ট্রিক
বাংলাদেশ ও বাংলা অঞ্চলের আদি অধিবাসীরা ছিলেন অস্ট্রিক (নিষাদ) জনগোষ্ঠীর মানুষ। এঁরা মূলত কৃষিনির্ভর ছিলেন এবং এঁদের ভাষা ছিল অস্ট্রিক পরিবারের ভাষা। আর্যদের আগমনের বহু আগে থেকে তাঁরা এ অঞ্চলে বাস করতেন। পরে দ্রাবিড়, মঙ্গোলীয় ও আর্য জনগোষ্ঠী এসে মিশে যায়। অস্ট্রিক ভাষার প্রভাব বাংলা ভাষায় এখনও দেখা যায়, যেমন কুলা, ডাব, কলা ইত্যাদি শব্দে।
সংস্কৃত আর্যদের ভাষা এবং হিন্দি ও বাংলা অনেক পরের ভাষা।
মনে রাখুন:
বাংলার আদি অধিবাসী: অস্ট্রিক (নিষাদ)
পরে আসে দ্রাবিড়, আর্য, মঙ্গোলীয় - ২৭. কোন সাহিত্যকর্মে সান্ধ্যভাষার প্রয়োগ আছে?
- ক. পদাবলী
- খ. গীতগােবিন্দ
- গ. চর্যাপদ
- ঘ. চৈতন্যজীবনী
উত্তর: গ. চর্যাপদ
চর্যাপদের ভাষাকে সান্ধ্যভাষা বা সন্ধ্যাভাষা বলা হয়। 'সান্ধ্য' শব্দের অর্থ সন্ধ্যার আলো-আঁধারির মতো। এর অর্থ আংশিক স্পষ্ট ও আংশিক অস্পষ্ট। বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকেরা তাঁদের গোপন সাধনতত্ত্ব ও ধর্মীয় রহস্য অন্য মানুষের কাছ থেকে আড়াল রাখার জন্য এই প্রতীকী, দ্ব্যর্থক ভাষা ব্যবহার করেছেন। যেমন চর্যায় নৌকা, হরিণ, ইঁদুর ইত্যাদি রূপকের আড়ালে সাধনার কথা বলা আছে।
পদাবলি, গীতগোবিন্দ বা চৈতন্যজীবনীতে এমন সাংকেতিক ভাষা নেই।
মনে রাখুন:
চর্যাপদ: সান্ধ্যভাষা, বৌদ্ধ সহজিয়া সাধনা, রচনাকাল আনুমানিক ১০ম-১২শ শতক - ২৮. সবুজপত্র পত্রিকাটির সম্পাদক কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. শেখ ফজলুল করিম
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
উত্তর: গ. প্রমথ চৌধুরী
'সবুজপত্র' ১৯১৪ সালের বৈশাখ (১৩২১ বঙ্গাব্দ) মাসে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে সাহিত্যিকদের এক গোষ্ঠী গড়ে ওঠে, যাঁরা সাধু ভাষার বদলে চলিত ভাষা চালু করার আন্দোলন করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখতেন এবং তাঁর অনেক রচনা, যেমন 'ঘরে বাইরে' ও 'চতুরঙ্গ', সবুজপত্রে ছাপা হয়। প্রমথ চৌধুরী ছদ্মনামে লিখতেন 'বীরবল'।
মনে রাখুন:
সবুজপত্র: ১৯১৪, সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী
চলিত ভাষার আন্দোলনের মুখপত্র - ২৯. ‘বাবা’ কোন ভাষার অন্তর্গত শব্দ?
- ক. তৎসম
- খ. তদ্ভব
- গ. ফারসী
- ঘ. তুর্কি
উত্তর: ঘ. তুর্কি
'বাবা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মূল তুর্কি শব্দের অর্থও পিতা বা শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। বাংলা শব্দভান্ডারে নানা ভাষার শব্দ আছে: তৎসম (সংস্কৃত থেকে অবিকৃত, যেমন চন্দ্র, সূর্য), তদ্ভব (সংস্কৃত থেকে বদলে আসা, যেমন চাঁদ, সূর্য), দেশি, বিদেশি। মুসলিম শাসনের সূত্রে আরবি, ফারসি ও তুর্কি শব্দ এসেছে।
তুর্কি থেকে আসা আরও কিছু শব্দ: বেগম, কাঁচি, চাকু, দারোগা, তোপ, লাশ, কুলি, খাঁ। 'বাবা' তৎসম বা তদ্ভব নয়, আবার ফারসিতে পিতা বোঝাতে 'পিদর' ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
তুর্কি শব্দ: বাবা, বেগম, কাঁচি, চাকু, দারোগা, তোপ, লাশ, কুলি - ৩০. ‘অনুকম্পা’ শব্দের ইংরেজি কোনটি?
- ক. Clemency
- খ. Enthral
- গ. Erudition
- ঘ. Fathom
উত্তর: ক. Clemency
'অনুকম্পা' শব্দের অর্থ দয়া, করুণা বা সহানুভূতিপূর্ণ ক্ষমা। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Clemency, যার অর্থ কর্তৃপক্ষের দয়া বা শাস্তিতে নমনীয়তা। যেমন: The judge showed clemency to the young offender (বিচারক তরুণ অপরাধীর প্রতি দয়া দেখালেন)।
অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: Enthral মানে মুগ্ধ বা মোহিত করা, Erudition মানে গভীর পাণ্ডিত্য এবং Fathom মানে গভীরতা মাপা বা কিছু বুঝে ওঠা।
মনে রাখুন:
অনুকম্পা = clemency, mercy, compassion
অনুরূপ: সহানুভূতি = sympathy - ৩২. ‘কিত্তনখােলা’ নাটকটির বিষয়-
- ক. যন্ত্রণাদগ্ধ শহরজীবন
- খ. স্নিগ্ধ-শ্যামল প্রকৃতির রূপ
- গ. লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি
- ঘ. দেশবিভাগজনিত জীবন যন্ত্রণা
উত্তর: গ. লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি
'কিত্তনখোলা' নাট্যকার সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক। এর বিষয় বাংলার লোকায়ত জীবন ও সংস্কৃতি। নাটকে কীর্তনখোলা নদীর তীরে বসা গ্রামীণ মেলাকে কেন্দ্র করে লোকসংগীত, পালা, যাত্রা ও লোকজ আচারের পরিবেশ তুলে ধরা হয়েছে। সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যধারায় দেশজ আঙ্গিক বা 'বাংলার নিজস্ব নাট্যরীতি' ব্যবহারের জন্য পরিচিত।
তাঁর অন্যান্য নাটক: কীর্তনখোলা, কেরামতমঙ্গল, হাত হদাই, চাকা, যৈবতী কন্যার মন।
মনে রাখুন:
কিত্তনখোলা: সেলিম আল দীন; বিষয় লোকজীবন
সেলিম আল দীন: নাট্যকার, জন্ম ১৯৪৯, মৃত্যু ২০০৮ - ৩৩. মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কোনটি?
- ক. সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
- খ. মহান যে পুরুষ = মহাপুরুষ
- গ. কুসুমের মতাে কোমল = কুসুমকোমল
- ঘ. জায়া ও পতি = দম্পতি
উত্তর: ক. সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদটি লোপ পেয়ে সমস্তপদ তৈরি হয়। 'সিংহ চিহ্নিত আসন' ব্যাসবাক্যে 'চিহ্নিত' শব্দটি মাঝখানে আছে। সমাসের সময় এই মধ্যপদ লোপ পায়, ফলে সিংহ + আসন = সিংহাসন হয়। তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয়। আরও উদাহরণ: সিংহচিহ্নিত আসন = সিংহাসন, ঘৃতমিশ্রিত অন্ন = ঘৃতান্ন, ছায়াপ্রধান তরু = ছায়াতরু।
অন্য অপশন: মহাপুরুষ সাধারণ কর্মধারয়, কুসুমকোমল উপমান কর্মধারয়, আর দম্পতি (জায়া ও পতি) দ্বন্দ্ব সমাস।
মনে রাখুন:
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়: সিংহাসন, ঘৃতান্ন, ছায়াতরু - ৩৪. বাক্যের দুটি অংশ থাকে
- ক. প্রসাদগুণ, মাধুৰ্যগুণ
- খ. উপমা, অলংকার
- গ. উদ্দেশ্য, বিধেয়
- ঘ. সাধু, চলিত
উত্তর: গ. উদ্দেশ্য, বিধেয়
যে শব্দসমষ্টি দিয়ে মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়, তাকে বাক্য বলে। প্রতিটি বাক্যের দুটি অংশ থাকে: উদ্দেশ্য (Subject) ও বিধেয় (Predicate)। বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য বলে। আর উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয়, তাকে বিধেয় বলে। যেমন: 'রহিম বই পড়ছে' বাক্যে রহিম উদ্দেশ্য এবং 'বই পড়ছে' বিধেয়।
প্রসাদগুণ ও মাধুর্যগুণ কাব্যের গুণ, উপমা ও অলংকার ভাষার সৌন্দর্যের উপকরণ, আর সাধু ও চলিত ভাষার রীতি। এগুলো বাক্যের অংশ নয়।
মনে রাখুন:
বাক্য = উদ্দেশ্য + বিধেয় - ৩৫. মহাকবি আলাওল রচিত কাব্য-
- ক. চন্দ্রবতী
- খ. পদ্মাবতী
- গ. মধুমালতী
- ঘ. লাইলী মজনু
উত্তর: খ. পদ্মাবতী
মহাকবি সৈয়দ আলাওল (আনুমানিক ১৬০৭-১৬৮০) মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার প্রধান কবি। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য 'পদ্মাবতী' (১৬৪৬), যা মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য 'পদুমাবৎ'-এর অনুবাদ। এতে চিতোরের রাজা রত্নসেন, রানি পদ্মাবতী ও দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। এই কাব্যের জন্যই তাঁকে মহাকবি বলা হয়।
তাঁর অন্য রচনা: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, হপ্তপয়কর, সেকান্দারনামা, তোহফা। 'লাইলী মজনু' লিখেছেন দৌলত উজির বাহরাম খান।
মনে রাখুন:
আলাওল: পদ্মাবতী (১৬৪৬), সেকান্দারনামা, হপ্তপয়কর - ৩৬. উদ্বাসন শব্দের অর্থ কী?
- ক. বাসভূমি থেকে বিতাড়িত হওয়া
- খ. বাসভূমির সম্মুখস্থ ভূমি
- গ. অজ্ঞাত বিষয় প্রকাশ করা
- ঘ. বিকাশ
উত্তর: ক. বাসভূমি থেকে বিতাড়িত হওয়া
'উদ্বাসন' শব্দের অর্থ নিজের বাসস্থান বা দেশ থেকে উচ্ছেদ হওয়া বা বিতাড়িত হওয়া। শব্দটি গঠিত হয়েছে 'উৎ' (উপসর্গ) + 'বাসন' থেকে, যার ভাব বাসস্থান ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হওয়া। এই ভাবের শব্দ 'উদ্বাস্তু', যার অর্থ যাঁরা নিজের বাস্তু বা ভিটেমাটি হারিয়েছেন। দেশভাগ বা যুদ্ধের কারণে এমন মানুষের সংখ্যা বাড়ে।
অন্য অপশনগুলো মিলবে না: 'বাসভূমির সম্মুখস্থ ভূমি' বোঝাতে উঠান বা অঙ্গন, 'অজ্ঞাত বিষয় প্রকাশ' মানে উদ্ঘাটন, আর 'বিকাশ' মানে প্রস্ফুটন।
মনে রাখুন:
উদ্বাসন = উচ্ছেদ, বাস্তুচ্যুতি; উদ্বাস্তু = বাস্তুহারা - ৩৭. “যিনি ন্যায়শাস্ত্র জানেন” এর এককথায় প্রকাশিত রূপ হলাে-
- ক. ন্যায়বাগীশ
- খ. নৈয়ায়িক
- গ. ন্যায়পাল
- ঘ. ন্যায়ঋদ্ধ
উত্তর: খ. নৈয়ায়িক
'ন্যায়শাস্ত্র জানেন যিনি' বাক্যাংশের এককথায় প্রকাশ 'নৈয়ায়িক'। এটি তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত। 'ন্যায়' শব্দের সঙ্গে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং প্রথম স্বরের বৃদ্ধি ঘটে (ন্য-এর অ > ঐ), ফলে 'নৈয়ায়িক' হয়। নৈয়ায়িক হলেন সেই পণ্ডিত, যিনি যুক্তিবিদ্যা বা ন্যায়শাস্ত্রে দক্ষ।
'ন্যায়বাগীশ' ন্যায়শাস্ত্রে পণ্ডিত ব্যক্তির উপাধি, কিন্তু প্রশ্নে যাঁর এককথায় প্রকাশ চাওয়া হয়েছে তা নৈয়ায়িক। 'ন্যায়পাল' হলেন ন্যায় রক্ষাকারী পদধারী, অর্থাৎ ওমবাডসম্যান।
মনে রাখুন:
নৈয়ায়িক = ন্যায়শাস্ত্র জানেন যিনি
বৈয়াকরণ = ব্যাকরণ জানেন যিনি - ৩৮. আমার জ্বর জ্বর লাগছে- ‘জ্বর জ্বর’ শব্দ দুটি অবিকৃতভাবে উচ্চারিত হওয়াকে বলে-
- ক. দ্বিরুক্ত শব্দ
- খ. সার্থক শব্দ
- গ. যুগ্মশব্দ
- ঘ. শব্দদ্বিত্ব
উত্তর: ক. দ্বিরুক্ত শব্দ
একই শব্দ পরপর দুবার বসে যদি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। 'আমার জ্বর জ্বর লাগছে' বাক্যে 'জ্বর জ্বর' শব্দটি দুবার এসেছে, যার অর্থ পুরো জ্বর নয়, জ্বরের মতো ভাব। এভাবে অবিকৃত শব্দের পুনরাবৃত্তি করে ভাবের হালকা মাত্রা, আধিক্য বা ধারাবাহিকতা প্রকাশ করা হয়। যেমন: ঘরে ঘরে (সব ঘরে), ধীরে ধীরে, ভালো ভালো।
দ্বিরুক্ত শব্দের পুনরাবৃত্ত অংশ কখনো বদলেও যায়, যেমন কাপড়-চোপড়, তখন তাকে ধন্যাত্মক বা যুগ্ম শব্দ বলা হয়।
মনে রাখুন:
দ্বিরুক্ত শব্দ: জ্বর জ্বর, ঘরে ঘরে, ধীরে ধীরে - ৩৯. শুদ্ধ বাক্য নয় কোনটি?
- ক. বিদ্বান হলেও তার কোনাে অহংকার নেই।
- খ. ইশ! যদি পাখির মত পাখা পেতাম।
- গ. অকারণে ঋণ করিও না।
- ঘ. হয়তাে সােহমা আসতে পারে।
উত্তর: ঘ. হয়তাে সােহমা আসতে পারে।
'হয়তো সোহমা আসতে পারে' বাক্যটি শুদ্ধ নয়, কারণ এতে একই সম্ভাবনার অর্থ দুবার প্রকাশ পেয়েছে। 'হয়তো' শব্দেই সম্ভাবনা বোঝায় এবং 'আসতে পারে'-তেও সম্ভাবনা বোঝায়। এভাবে একই ভাবকে অকারণে দুবার বলায় বাহুল্য বা পুনরুক্তি দোষ হয়। শুদ্ধ রূপ: 'সোহমা হয়তো আসবে' অথবা 'সোহমা আসতে পারে'।
অন্য বাক্যগুলো শুদ্ধ: 'বিদ্বান হলেও তার কোনো অহংকার নেই', 'ইশ! যদি পাখির মতো পাখা পেতাম' ও 'অকারণে ঋণ করিও না'।
মনে রাখুন:
পুনরুক্তি দোষ: একই অর্থের শব্দ দুবার ব্যবহার করা
ভুল: নিঃসন্দেহে নিশ্চয়ই, আজ অদ্য - ৪৬. ‘উলুবনে মুক্ত ছড়ানাে’ প্রচলিত এমন শব্দগুচ্ছকে বলে-
- ক. প্রবাদ-প্রবচন
- খ. এককথায় প্রকাশ
- গ. ভাবসম্প্রসারণ
- ঘ. বাক্য সংকোচন
উত্তর: ক. প্রবাদ-প্রবচন
'উলুবনে মুক্তা ছড়ানো' এমন একটি শব্দগুচ্ছ, যা শাব্দিক অর্থের বদলে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। এর অর্থ অযোগ্য বা অপাত্রে মূল্যবান কিছু দেওয়া, যেখানে তার কদর হয় না। লোকমুখে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এমন শব্দগুচ্ছ বা বাক্যকে প্রবাদ-প্রবচন বলে। এতে লোকের অভিজ্ঞতা ও জীবনবোধ সংক্ষেপে ধরা থাকে।
ভাবসম্প্রসারণ কোনো উক্তির ভাব বিস্তৃত করে লেখা, এককথায় প্রকাশে একটি শব্দ দিয়ে বাক্যাংশের অর্থ বোঝানো হয়, আর বাক্য সংকোচনে বাক্যকে ছোট করা হয়।
মনে রাখুন:
প্রবাদ: নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা, অতি লোভে তাঁতি নষ্ট - ৪৯. মানুষের দেহের যে সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধ্বনি তৈরিতে সহায়তা করে তাকে বলে?
- ক. বাক প্রত্যঙ্গ
- খ. অঙ্গধ্বনি
- গ. স্বরতন্ত্রী
- ঘ. নাসিকাতন্ত্র
উত্তর: ক. বাক প্রত্যঙ্গ
মানুষের দেহের যেসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধ্বনি উৎপাদনে অংশ নেয়, তাদের একসঙ্গে বাক্প্রত্যঙ্গ বলে। এদের মধ্যে আছে ফুসফুস, শ্বাসনালি, স্বরতন্ত্রী, জিহ্বা, দাঁত, ঠোঁট, তালু, মূর্ধা ও কণ্ঠ। ফুসফুস থেকে আসা বাতাস স্বরতন্ত্রীতে কম্পন তৈরি করে এবং বাকি অঙ্গগুলোর সাহায্যে ভিন্ন ভিন্ন ধ্বনি তৈরি হয়।
স্বরতন্ত্রী (Vocal cord) এবং নাসিকা কেবল বাক্প্রত্যঙ্গের দুটি অংশ, পুরো সমষ্টি নয়। তাই সব অঙ্গের সমষ্টির নাম বাক্প্রত্যঙ্গ।
মনে রাখুন:
বাক্প্রত্যঙ্গ: ফুসফুস, স্বরতন্ত্রী, জিহ্বা, ঠোঁট, তালু, নাসিকা - ৫৩. বাঙ্গালি উপভাষা অঞ্চল কোনটি?
- ক. নন্দীয়া
- খ. ত্রিপুরা
- গ. পুরুলিয়া
- ঘ. বরিশাল
উত্তর: ঘ. বরিশাল
বাংলা ভাষার উপভাষা সাধারণত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়: রাঢ়ী, বঙ্গালি, কামরূপী, বরেন্দ্রী ও ঝাড়খণ্ডী। বঙ্গালি উপভাষা মূলত পূর্ববঙ্গের ভাষা, যা ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলে প্রচলিত। বরিশাল অঞ্চলের ভাষা বঙ্গালি উপভাষার অন্তর্গত।
নদীয়া (নদিয়া) অঞ্চলের ভাষা রাঢ়ী উপভাষার অংশ, যা প্রমিত বাংলার ভিত্তি। পুরুলিয়া অঞ্চলের ভাষা ঝাড়খণ্ডী উপভাষায় পড়ে।
মনে রাখুন:
উপভাষা: রাঢ়ী (পশ্চিম বাংলা), বঙ্গালি (পূর্ববঙ্গ), বরেন্দ্রী (উত্তর), কামরূপী (উত্তর-পূর্ব), ঝাড়খণ্ডী (পশ্চিম প্রান্ত)
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
- ৩১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আজীবনী প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
- ক. ২০১০
- খ. ২০১১
- গ. ২০১২
- ঘ. ২০১৫
উত্তর: গ. ২০১২
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে কারাগারে বন্দি অবস্থায় তিনি এই জীবনস্মৃতি খাতায় লিখেছিলেন। খাতাগুলো দীর্ঘদিন অপ্রকাশিত ছিল। বইটি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড প্রকাশ করে এবং এতে তাঁর শৈশব, ছাত্ররাজনীতি, ভাষা আন্দোলন ও রাজনৈতিক জীবনের শুরুর কথা আছে। তাই তখন তাঁর জীবনীর লেখা ১৯৫৫ সালের কাছাকাছি সময় পর্যন্ত এগিয়েছে।
মনে রাখুন:
অসমাপ্ত আত্মজীবনী: প্রকাশ ২০১২
কারাগারের রোজনামচা: ২০১৭; আমার দেখা নয়াচীন: ২০২০ - ৪০. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া সর্বপ্রথম গণপরিষদে ১৯৭২ সালের কোন তারিখে উত্থাপিত হয়?
- ক. ১১ নভেম্বর
- খ. ১২ অক্টোবর
- গ. ১৬ ডিসেম্বর
- ঘ. ৩ মার্চ
উত্তর: খ. ১২ অক্টোবর
১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া উত্থাপন করেন। খসড়া তৈরির জন্য ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠিত হয়েছিল। গণপরিষদে আলোচনার পর ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর হয়। তাই ৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস।
মূল সংবিধানে ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ এবং ৪টি তফসিল ছিল।
মনে রাখুন:
খসড়া উত্থাপন ১২ অক্টোবর ১৯৭২; গৃহীত ৪ নভেম্বর; কার্যকর ১৬ ডিসেম্বর - ৪১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত “সোমপুর বিহার” এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
- ক. গোপাল
- খ. ধর্মপাল
- গ. মহীপাল
- ঘ. বিগ্রহপাল
উত্তর: খ. ধর্মপাল
নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার (সোমপুর বিহার) নির্মাণ করেন পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল (আনুমানিক ৭৭০-৮১০ সাল)। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহারগুলোর একটি এবং এর চতুর্ভুজাকার আয়তন প্রায় ২৭ একর। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্যের মধ্যে এটি অন্যতম।
পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল। মহীপাল ও বিগ্রহপাল পরবর্তী শাসক।
মনে রাখুন:
সোমপুর বিহার: ধর্মপাল, পাহাড়পুর, নওগাঁ; ইউনেস্কো ১৯৮৫ - ৪২. বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
- ক. হাতিয়া প্রণালী
- খ. জাফোর্ড পয়েন্ট
- গ. সাঙ্গু ভ্যালি
- ঘ. মাতারবাড়ি
উত্তর: গ. সাঙ্গু ভ্যালি
সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক বা অফশোর গ্যাসক্ষেত্র। এটি বঙ্গোপসাগরে চট্টগ্রাম উপকূলের কাছে সাগরের নিচে অবস্থিত এবং ১৯৯৬ সালে আবিষ্কৃত হয়। সাগরের তলদেশে পাওয়া প্রথম বাণিজ্যিক গ্যাসক্ষেত্র হওয়ায় একে সামুদ্রিক বা অফশোর গ্যাসক্ষেত্র বলা হয়।
অন্য অপশন: মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পরিচিত, আর হাতিয়া প্রণালী ও জাফোর্ড পয়েন্ট সামুদ্রিক এলাকার নাম।
মনে রাখুন:
প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র: সাঙ্গু; প্রথম গ্যাসক্ষেত্র: হরিপুর (সিলেট, ১৯৫৫) - ৪৩. বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত?
- ক. ১৩৯
- খ. ১৩৭
- গ. ১৩৮
- ঘ. ১৪০
উত্তর: খ. ১৩৭
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান আছে। সংবিধান ও আইন অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন থাকবে। এটি একাদশ ভাগের (৪র্থ পরিচ্ছেদ) বিধান।
অনুচ্ছেদ ১৩৮ কমিশনের সদস্য নিয়োগ, ১৩৯ সদস্যের কার্যকাল এবং ১৪০ কমিশনের দায়িত্ব নিয়ে। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) চাকরিতে নিয়োগের পরীক্ষা (বিসিএস) আয়োজন করে।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ১৩৭: সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন - ৪৪. প্রতিবছর কোন তারিখে বাংলাদেশ জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯
- ক. ২ ফেব্রুয়ারী
- খ. ৮ ফেব্রুয়ারী
- গ. ৮ মার্চ
- ঘ. ৭ এপ্রিল
উত্তর: ক. ২ ফেব্রুয়ারী
বাংলাদেশে প্রতিবছর ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। অতিরিক্ত জনসংখ্যা বাংলাদেশের উন্নয়নের বড় চ্যালেঞ্জ। পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃস্বাস্থ্য ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোই এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয় ১১ জুলাই। ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই বিশ্বের জনসংখ্যা ৫০০ কোটিতে পৌঁছানোর স্মরণে ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি দিনটিকে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
মনে রাখুন:
জাতীয় জনসংখ্যা দিবস: ২ ফেব্রুয়ারি
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস: ১১ জুলাই - ৪৭. ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকার নাম ছিল-
- ক. জয় বাংলা
- খ. বাংলাদেশ
- গ. স্বাধীনতা
- ঘ. মুক্তির ডাক
উত্তর: ক. জয় বাংলা
১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র হিসেবে সাপ্তাহিক 'জয় বাংলা' পত্রিকা প্রকাশিত হতো। এটি মুক্তিযুদ্ধকালে কলকাতা থেকে বাংলায় প্রকাশিত হতো এবং মুক্তিযুদ্ধের খবর, মুক্তিবাহিনীর অগ্রগতি ও জনগণের মধ্যে প্রেরণা ছড়াত। এর সম্পাদক ছিলেন আবদুল মান্নান।
যুদ্ধকালে 'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র' সরকারের সংবাদ প্রচার করত। 'জয় বাংলা' ধ্বনি মুক্তিযুদ্ধের প্রধান স্লোগান ছিল।
মনে রাখুন:
জয় বাংলা: মুজিবনগর সরকারের সাপ্তাহিক মুখপত্র (১৯৭১) - ৪৮. রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে কোন সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
- ক. তমদ্দুন মজলিস
- খ. ভাষা পরিষদ
- গ. মাতৃভাষা পরিষদ
- ঘ. আমরা বাঙালি
উত্তর: ক. তমদ্দুন মজলিস
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম সংগঠিত উদ্যোগ নেয় তমদ্দুন মজলিস। ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে এই সাংস্কৃতিক সংগঠন গঠিত হয়। পাকিস্তান সৃষ্টির পরপরই এই সংগঠন 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু?' নামে পুস্তিকা প্রকাশ করে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে জনমত গড়ে তোলে। ১৯৪৮ সালে এই সংগঠনের উদ্যোগে 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
ভাষা আন্দোলনের সূচনায় তমদ্দুন মজলিসের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখুন:
তমদ্দুন মজলিস: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭, প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবুল কাসেম - ৫২. ১৯৪৮-১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ‘ভাষা দিবস’ হিসেবে কোন দিনটি পালন করা হতাে?
- ক. ২৫ শে জানুয়ারি
- খ. ১১ ই ফেব্রুয়ারি
- গ. ১১ই মার্চ
- ঘ. ২৫ শে এপ্রিল
উত্তর: গ. ১১ই মার্চ
১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানে সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। ওই দিন ঢাকায় ছাত্রনেতারা পিকেটিং করেন এবং সচিবালয়ের সামনে বিক্ষোভ করার সময় পুলিশের লাঠিচার্জে অনেকে আহত ও গ্রেপ্তার হন। এই ঘটনার পর থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ১১ মার্চ 'ভাষা দিবস' (রাষ্ট্রভাষা দিবস) হিসেবে পালিত হতো। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও ভাষা দিবস হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
ভাষা দিবস (১৯৪৮-৫২): ১১ মার্চ; পরে ২১ ফেব্রুয়ারি
১১ মার্চ ১৯৪৮: রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের ডাকা ধর্মঘট - ৫৪. কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
- ক. কার্তিক – ফাল্গুন
- খ. চৈত্র – বৈশাখ
- গ. ভাদ্র – অশ্রহায়ণ
- ঘ. শ্রাবণ – আশ্বিন
উত্তর: ক. কার্তিক – ফাল্গুন
বাংলাদেশে ফসল চাষের তিনটি প্রধান মৌসুম আছে: রবি, খরিফ-১ ও খরিফ-২। রবি মৌসুম শীতকালীন, যা কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত (আনুমানিক অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে মার্চের মাঝামাঝি)। এ সময় বৃষ্টি কম ও আবহাওয়া শুষ্ক থাকে। এ মৌসুমের প্রধান ফসল গম, সরিষা, আলু, ডাল, বোরো ধান (কিছু অংশ) ও শীতকালীন সবজি।
খরিফ-১ চৈত্র থেকে ভাদ্র, আর খরিফ-২ ভাদ্র থেকে অগ্রহায়ণ পর্যন্ত। খরিফ মৌসুমে আউশ ও আমন ধান ও পাট জন্মে।
মনে রাখুন:
রবি = শীতকালীন (কার্তিক-ফাল্গুন); খরিফ = বর্ষাকালীন - ৫৯. ‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
- ক. হামিদুজ্জামান খান
- খ. রবিউল হুসাইন
- গ. আব্দুর রাজ্জাক
- ঘ. নিতুন কুণ্ডু
উত্তর: ঘ. নিতুন কুণ্ডু
'সাবাস বাংলাদেশ' রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য। ভাস্কর্যটির স্থপতি বা শিল্পী নিতুন কুণ্ডু। এতে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব ও গৌরব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই ভাস্কর্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।
হামিদুজ্জামান খান ও রবিউল হুসাইন বাংলাদেশের অন্য খ্যাতনামা ভাস্কর।
মনে রাখুন:
সাবাস বাংলাদেশ: নিতুন কুণ্ডু, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
অপরাজেয় বাংলা: সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - ৬০. ঢাকা গেইট এর নির্মাতা কে?
- ক. শায়েস্তা খাঁ
- খ. নবাব আবদুল গণি
- গ. লর্ড কার্জন
- ঘ. মীর জুমলা
উত্তর: ঘ. মীর জুমলা
ঢাকা গেট মুঘল আমলে সুবাদার মীর জুমলা নির্মাণ করেন, তাই একে মীর জুমলা গেটও বলা হয়। সপ্তদশ শতকে ঢাকা মুঘল শাসকদের অধীনে সুরক্ষিত শহর ছিল এবং শহরের প্রবেশপথগুলোতে বড় ফটক নির্মিত হয়েছিল। ঢাকা গেট এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকা ও দোয়েল চত্বরের কাছে অবস্থিত। শায়েস্তা খাঁ বুড়িগঙ্গার তীরে লালবাগ কেল্লা সংলগ্ন এলাকার উন্নয়নে পরিচিত, আর লর্ড কার্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে 'কার্জন হল' নামে স্মৃতি রেখেছেন।
মনে রাখুন:
ঢাকা গেট: মীর জুমলা, মুঘল আমল
শায়েস্তা খাঁ: ছোট কাটরা, সাত গম্বুজ মসজিদ - ৬৫. বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান –
- ক. BARI
- খ. BRRI
- গ. BADC
- ঘ. BINA
উত্তর: গ. BADC
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (Bangladesh Agricultural Development Corporation, BADC) দেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদন ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এটি কৃষকদের জন্য মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ করে। সার, সেচের যন্ত্র ও সেচ সুবিধা সম্প্রসারণেও এর ভূমিকা আছে।
BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) গম, আলু ও সবজির জাত নিয়ে গবেষণা করে। BRRI (ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট) ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন করে। BINA (পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) পারমাণবিক পদ্ধতিতে উন্নত জাত তৈরি করে।
মনে রাখুন:
BADC: বীজ উৎপাদন ও বিতরণ; BRRI: ধান গবেষণা (গাজীপুর) - ৬৮. বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে কোন খাতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি?
- ক. কৃষি ও বনজ
- খ. মৎস
- গ. শিল্প
- ঘ. স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
উত্তর: গ. শিল্প
পরীক্ষার সময়ের (২০১৯-২০ অর্থবছরের) অর্থনৈতিক সমীক্ষা ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কৃষি ও সেবা খাতের চেয়ে বেশি ছিল। দেশে তৈরি পোশাক, ওষুধ, ইস্পাত ও নির্মাণশিল্পের সম্প্রসারণ শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি বাড়ায়। কৃষি ও বনজ খাতের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কম, কারণ কৃষি জমি সীমিত এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ওপর নির্ভরশীল।
তবে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে সেবা খাত, কিন্তু প্রবৃদ্ধির হারে শিল্প খাত এগিয়ে।
মনে রাখুন:
জিডিপিতে বৃহত্তম অবদান: সেবা খাত; দ্রুততম প্রবৃদ্ধি: শিল্প খাত - ৬৯. ডিসেম্বর-২০২০ এ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে কয়টি সমোঝতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়?
- ক. ৩টি
- খ. ৫ টি
- গ. ৭ টি
- ঘ. ৯টি
উত্তর: গ. ৭ টি
২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়াল দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হন। এতে সাতটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতার বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল কৃষি, বস্ত্র, জলবিদ্যুৎ ও সংস্কৃতি। একই দিনে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর বন্ধ থাকা চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ পুনরায় চালু করা হয়।
সম্মেলনটি ছিল দুই দেশের প্রথম ভার্চুয়াল শীর্ষ বৈঠক।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ-ভারত ভার্চুয়াল সম্মেলন: ১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ৭টি সমঝোতা স্মারক - ৭০. ১৯৭১ সালে ‘The Concert for Bangladesh’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. চট্টগ্রাম
- খ. কলকাতা
- গ. লন্ডন
- ঘ. নিউইয়র্ক
উত্তর: ঘ. নিউইয়র্ক
'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' (The Concert for Bangladesh) ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের সাহায্যে তহবিল গড়তে ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর ও বিটলসের শিল্পী জর্জ হ্যারিসনের উদ্যোগে এই কনসার্ট হয়। দিনে দুটি অনুষ্ঠান হয়, যাতে বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, রিঙ্গো স্টার প্রমুখ শিল্পীও অংশ নেন। এটি বিশ্বের প্রথম বড় চ্যারিটি কনসার্ট বলে পরিচিত।
মনে রাখুন:
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ: ১ আগস্ট ১৯৭১, নিউইয়র্ক; আয়োজক জর্জ হ্যারিসন ও রবিশঙ্কর - ৭১. নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র?
- ক. ধীরে বহে মেঘনা
- খ. কলমিলতা
- গ. আবার তােরা মানুষ হ
- ঘ. হুলিয়া
উত্তর: ঘ. হুলিয়া
তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত 'হুলিয়া' (১৯৮৪) মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র। 'হুলিয়া' শব্দের অর্থ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। এই প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে এটিকেই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ধরা হয়েছে।
অন্য তিনটি অপশন: 'ধীরে বহে মেঘনা' (১৯৭৩) আলমগীর কবিরের পরিচালনায় নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে। 'আবার তোরা মানুষ হ' ও 'কলমিলতা'ও আলাদা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
মনে রাখুন:
তানভীর মোকাম্মেল: হুলিয়া (১৯৮৪), চিত্রা নদীর পারে, নদীর নাম মধুমতি
ধীরে বহে মেঘনা: আলমগীর কবির (১৯৭৩) - ৮৪. বঙ্গবন্ধু কত সালে এবং কোন শহরে জােট নিরপেক্ষ আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন?
- ক. ১৯৭২, কায়রাে
- খ. ১৯৭৪, নয়া দিল্লী
- গ. ১৯৭৫, বেলগ্রেড
- ঘ. ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
উত্তর: ঘ. ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (NAM) চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেখানে যোগ দেন। সেখানেই তিনি বলেন, ‘বিশ্ব আজ দুই ভাগে বিভক্ত, শোষক আর শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে।’
মনে রাখুন: বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে যোগ দেয়। - ৯০. বঙ্গভঙ্গের ফলে কোন নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হয়েছিল?
- ক. পূর্ববঙ্গ
- খ. পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা
- গ. পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ
- ঘ. পূর্ববঙ্গ ও আসাম
উত্তর: ঘ. পূর্ববঙ্গ ও আসাম
১৯০৫ সালে ভাইসরয় লর্ড কার্জন বাংলা প্রদেশকে ভাগ করেন। এর ফলে ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’ নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হয়, যার রাজধানী ছিল ঢাকা। অন্য অংশ পশ্চিমবঙ্গ হিসেবে কলকাতাকেন্দ্রিক প্রদেশেই থাকে। প্রবল বিরোধিতার মুখে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
মনে রাখুন:
বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর।
পূর্ববঙ্গ ও আসামের প্রথম ছোটলাট ছিলেন ব্যামফিল্ড ফুলার। - ৯১. মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯
- ক. ১৯৯৬
- খ. ১৯৯৮
- গ. ২০০০
- ঘ. ২০০৮
উত্তর: ক. ১৯৯৬
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরোনো বাড়িতে যাত্রা শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন, দলিল ও ছবি সংরক্ষণ করাই এর লক্ষ্য। পরে ২০১৭ সালে জাদুঘরটি আগারগাঁওয়ে নিজস্ব নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
মনে রাখুন: জাদুঘরটি একটি বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
- ৪৫. Global Vaccine Summit অনুষ্ঠিত হয়-
- ক. ৫ মে ২০২০
- খ. ৪ জুন ২০২০
- গ. ৬ জুলাই ২০২০
- ঘ. ৮ আগষ্ট ২০২০
উত্তর: খ. ৪ জুন ২০২০
করোনা মহামারির সময় টিকার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে গ্যাভি (GAVI, The Vaccine Alliance)-র তহবিল সংগ্রহের জন্য ২০২০ সালের ৪ জুন ভার্চুয়াল 'Global Vaccine Summit' অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্যের আয়োজনে এই সম্মেলনে অংশ নেওয়া ৫০টিরও বেশি দেশ ও সংস্থা গ্যাভির জন্য কয়েক বিলিয়ন ডলার অনুদানের প্রতিশ্রুতি দেয়, যা বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোতে শিশুদের টিকা দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশ গ্যাভির সহায়তাপ্রাপ্ত দেশ।
মনে রাখুন:
Global Vaccine Summit: ৪ জুন ২০২০, GAVI-এর জন্য
গ্যাভির সদর দপ্তর: জেনেভা - ৫০. WIPO এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
- ক. জেনেভা
- খ. রোম
- গ. নিউইয়র্ক
- ঘ. ওয়াশিংটন ডিসি
উত্তর: ক. জেনেভা
বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা (World Intellectual Property Organization, WIPO) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। এটি ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা পায়। এর কাজ পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক, কপিরাইট ও শিল্পনকশার মতো মেধাস্বত্ব রক্ষা এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো। জেনেভায় জাতিসংঘের আরও বহু সংস্থার কার্যালয় আছে, যেমন WHO ও WTO।
মনে রাখুন:
WIPO: জেনেভা, ১৯৬৭
বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস: ২৬ এপ্রিল - ৫১. বাংলাদেশের বর্তমান সভাপতির পূর্বে কোন দেশ CVF- এর সভাপতি ছিল?
- ক. মার্শাল আইল্যান্ড
- খ. মালদ্বীপ
- গ. গ্রানাডা
- ঘ. বাহাম
উত্তর: ক. মার্শাল আইল্যান্ড
ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (Climate Vulnerable Forum, CVF) জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জোট, যার সদস্য ৫০টির বেশি উন্নয়নশীল দেশ। সভাপতির দায়িত্ব পালাক্রমে ঘোরে। বাংলাদেশ ২০২০ সালে এই ফোরামের সভাপতির দায়িত্ব নেয় প্রশান্ত মহাসাগরের ছোট দ্বীপরাষ্ট্র মার্শাল আইল্যান্ডসের কাছ থেকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন সভাপতি হন। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে দুটি দেশই ভীষণ ঝুঁকিতে আছে।
মনে রাখুন:
CVF: জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জোট
বাংলাদেশের CVF সভাপতিত্ব: ২০২০ (আগে মার্শাল আইল্যান্ডস) - ৫৬. D-8 Organization for Economic Cooperation বা D8 এর দশম শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- ক. আবুজা
- খ. তেহরান
- গ. ইস্তাম্বুল
- ঘ. ঢাকা
উত্তর: ঘ. ঢাকা
ডি-৮ (D-8 Organization for Economic Cooperation) উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম-প্রধান দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা। সদস্য: বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মিসর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক। ১৯৯৭ সালে এটি গঠিত হয়। এর দশম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল সম্মেলনটি ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ তখন ডি-৮-এর সভাপতি হয়।
হালনাগাদ: ডি-৮-এর ১১তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মিসরের কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়।
মনে রাখুন:
ডি-৮ গঠন: ১৯৯৭; সদর দপ্তর ইস্তাম্বুল - ৫৭. কোন দেশটি সম্প্রতি ইসরাইলের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে?
- ক. সৌদি আরব
- খ. কুয়েত
- গ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
- ঘ. ওমান
উত্তর: গ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
২০২০ সালের ১৩ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) ও ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেয়, যা আব্রাহাম চুক্তি (Abraham Accords) নামে পরিচিত। ১৫ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাত মিসর (১৯৭৯) ও জর্ডানের (১৯৯৪) পর তৃতীয় আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। প্রশ্নের অপশনের মধ্যে সৌদি আরব, কুয়েত ও ওমান তখন এমন সম্পর্ক স্থাপন করেনি।
হালনাগাদ: একই বছর বাহরাইন, সুদান ও মরক্কোও এই ধারায় যোগ দেয়।
মনে রাখুন:
আব্রাহাম চুক্তি: ২০২০, UAE ও বাহরাইন সহ - ৬৩. কোনটি “Bretton Woods Institutions” এর অন্তর্ভূক্ত?
- ক. IDB
- খ. IMF
- গ. WTO
- ঘ. ADB
উত্তর: খ. IMF
ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান (Bretton Woods Institutions) বলতে ১৯৪৪ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা ও অর্থনৈতিক সম্মেলনের মাধ্যমে সৃষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এবং বিশ্বব্যাংক (প্রথমে IBRD, এখন বিশ্বব্যাংক গ্রুপ)। যুদ্ধোত্তর বিশ্বের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পুনর্গঠনের জন্য এগুলো গড়া হয়।
WTO গঠিত হয় ১৯৯৫ সালে, এডিবি ১৯৬৬ সালে এবং আইডিবি (ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক) ১৯৭৫ সালে। এগুলো ব্রেটন উডসের অংশ নয়।
মনে রাখুন:
ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠান: IMF ও বিশ্বব্যাংক - ৬৪. কোন চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের “Thirty years’ war” এর সমাপ্তি ঘটে?
- ক. ভারসাই চুক্তি, ১৯১৯
- খ. ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি, ১৬৪৮
- গ. প্যারিস চুক্তি, ১৭৮৩
- ঘ. লুজান চুক্তি, ১৯২৩
উত্তর: খ. ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি, ১৬৪৮
ইউরোপের ত্রিশ বছরের যুদ্ধ (১৬১৮-১৬৪৮) শুরুতে ধর্মীয় দ্বন্দ্ব, বিশেষ করে ক্যাথলিক ও প্রটেস্ট্যান্টদের সংঘাত থেকে শুরু হলেও পরে বড় শক্তিগুলোর ক্ষমতার লড়াইয়ে রূপ নেয়। ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়ার শান্তিচুক্তির (Peace of Westphalia) মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান হয়। এই চুক্তিতে প্রতিটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের নীতি স্বীকৃত হয়, তাই একে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সূচনা ধরা হয়।
অন্য চুক্তি: ভার্সাই ১৯১৯ (প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ), প্যারিস ১৭৮৩ (মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষ), লুজান ১৯২৩ (তুরস্কের সীমা)।
মনে রাখুন:
ওয়েস্টফেলিয়া: ১৬৪৮, ত্রিশ বছরের যুদ্ধ শেষ - ৬৬. ব্রিটিশ কৃষি বিপ্লব কখন সংঘটিত হয়েছিল?
- ক. ঊনবিংশ শতাব্দীতে
- খ. অষ্টাদশ শতাব্দীতে
- গ. ষোড়শ শতাব্দীতে
- ঘ. চতুর্দশ শতাব্দীতে
উত্তর: খ. অষ্টাদশ শতাব্দীতে
ব্রিটিশ কৃষি বিপ্লব (British Agricultural Revolution) অষ্টাদশ শতাব্দীতে সংঘটিত হয়। এ সময় কৃষিতে নতুন পদ্ধতি চালু হয়: ফসলের পালাক্রম চাষ (চার ফসলি পদ্ধতি, যেমন টার্নিপ ও ক্লোভার), জেথ্রো টাল আবিষ্কৃত বীজ বপনের যন্ত্র (সিড ড্রিল), বাছাই করা পশুপালন এবং জমি ঘেরাও আইন (Enclosure Acts)। এর ফলে খাদ্য উৎপাদন বেড়ে যায়, জনসংখ্যা বাড়ে এবং গ্রামের উদ্বৃত্ত শ্রমিক শহরের কারখানায় যায়। এভাবে শিল্প বিপ্লবের পথ প্রস্তুত হয়।
মনে রাখুন:
কৃষি বিপ্লব: ১৮শ শতক, ব্রিটেন
প্রবর্তক: জেথ্রো টাল, চার্লস টাউনশেন্ড (টার্নিপ টাউনশেন্ড) - ৬৭. মার্কিন-তালেবান ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
- ক. ২ মার্চ, ২০২০
- খ. ২৫ জানুয়ারি, ২০২০
- গ. ৩০ এপ্রিল, ২০২০
- ঘ. ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
উত্তর: ঘ. ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে শান্তিচুক্তি (Doha Agreement) স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বিশেষ দূত জালমে খালিলজাদ এবং তালেবানের পক্ষে মোল্লা আবদুল গনি বারাদার চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো সেনাদের আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করার কথা এবং তালেবান আফগান মাটি অন্য দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার হতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
হালনাগাদ: ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট তালেবান কাবুল দখল করে এবং ৩০ আগস্ট মার্কিন সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়।
মনে রাখুন:
দোহা চুক্তি: ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ - ৭২. সম্প্রতি (সেপ্টেম্বর ২০২০) কোন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মাঝে সংঘর্ষ হয়?
- ক. আর্টসাখ প্রজাতন্ত্র
- খ. নাগার্নো-কারাবাখ
- গ. ইয়েরেভান
- ঘ. নাকার্চভান ছিটমহল
উত্তর: খ. নাগার্নো-কারাবাখ
আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া সংঘর্ষের কেন্দ্রে ছিল নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল। এটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত, কিন্তু এখানকার অধিকাংশ মানুষ আর্মেনীয় বংশোদ্ভূত। ১৯৯০-এর দশকের যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনীয় নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটি নিজেকে 'আর্টসাখ প্রজাতন্ত্র' বলে ঘোষণা করে। ২০২০ সালে ছয় সপ্তাহ লড়াইয়ের পর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়।
হালনাগাদ: ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আজারবাইজান পুরো অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি আর্টসাখ প্রজাতন্ত্রের অবসান ঘটে।
মনে রাখুন:
নাগোর্নো-কারাবাখ: আজারবাইজান বনাম আর্মেনিয়া - ৭৩. কোথায় শেনজেন (Schengen) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
- ক. ১৯৯৫ সালে ডেনমার্কে
- খ. ১৯৮৪ সালে বেলজিয়ামে
- গ. ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে
- ঘ. ১৯৯৬ সালে হাঙ্গেরিতে
উত্তর: গ. ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গে
শেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement) ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন লুক্সেমবার্গের শেনজেন গ্রামে স্বাক্ষরিত হয়। মোজেল নদীতে ভাসমান একটি জাহাজে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডসের প্রতিনিধিরা এতে সই করেন। চুক্তির উদ্দেশ্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ধাপে ধাপে তুলে দেওয়া। এর বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯০ সালে শেনজেন কনভেনশন হয় এবং ১৯৯৫ সাল থেকে তা কার্যকর হয়। এখন শেনজেন এলাকার দেশগুলোর মধ্যে পাসপোর্ট দেখানো ছাড়াই চলাচল করা যায়।
মনে রাখুন:
শেনজেন চুক্তি: ১৯৮৫, লুক্সেমবার্গ; কার্যকর ১৯৯৫ - ৭৬. আধুনিক মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিসের উন্মেষ ঘটে কোন দেশ হতে?
- ক. যুক্তরাজ্য
- খ. যুক্তরাষ্ট্র
- গ. চীন
- ঘ. ভারত
উত্তর: গ. চীন
আধুনিক মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিসের ধারণা এসেছে প্রাচীন চীন থেকে। সেখানে সরকারি কর্মচারী নিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, যাতে বংশ বা পরিচয়ের বদলে যোগ্যতাই প্রাধান্য পায়। পরে ইউরোপে ব্রিটেন ও অন্য দেশগুলো এই ধারণা গ্রহণ করে।
মনে রাখুন: ব্রিটেনে ১৮৫৪ সালের নর্থকোট-ট্রেভেলিয়ান প্রতিবেদনের সুপারিশে মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস চালু হয়। - ৭৮. Sustainable Development Goals (SDG) কয়টি?
- ক. ১৩ টি
- খ. ১৫ টি
- গ. ১৭টি
- ঘ. ৩১ টি
উত্তর: গ. ১৭টি
২০১৫ সালে জাতিসংঘ ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্য টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (Sustainable Development Goals, SDG) গ্রহণ করে। এতে মোট ১৭টি অভীষ্ট ও ১৬৯টি লক্ষ্যমাত্রা আছে। এটি ২০০০ সালে ঘোষিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG)-র পরবর্তী কর্মসূচি, যেখানে লক্ষ্য ছিল ৮টি।
মনে রাখুন: SDG-র প্রথম লক্ষ্য দারিদ্র্য নির্মূল, দ্বিতীয় ক্ষুধা মুক্তি এবং তৃতীয় সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ। - ৮৯. কোন তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা পুনরায় আরােপ করে?
- ক. ১০ আগস্ট, ২০২০
- খ. ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
- গ. ১৮ অক্টোবর, ২০২০
- ঘ. ১৫ জুলাই, ২০২০
উত্তর: খ. ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
২০২০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয় যে ইরানের ওপর জাতিসংঘের আগের সব নিষেধাজ্ঞা আবার কার্যকর হয়েছে। এটি ‘স্ন্যাপব্যাক’ প্রক্রিয়ার অংশ, যা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিতে ছিল। যুক্তরাষ্ট্র আগেই ২০১৮ সালে ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসেছিল।
মনে রাখুন: ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তির নাম JCPOA (Joint Comprehensive Plan of Action)। - ৯৩. ভারতে বছরের কোন দিনটি সিভিল সার্ভিস দিবস (Civil Service Day) হিসেবে পালিত হয়?
- ক. ২১ এপ্রিল
- খ. ২ অক্টোবর
- গ. ২৬ জানুয়ারি
- ঘ. ১০ মে
উত্তর: ক. ২১ এপ্রিল
ভারতে প্রতি বছর ২১ এপ্রিল সিভিল সার্ভিস দিবস পালিত হয়। ১৯৪৭ সালের এই দিনে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল দিল্লিতে প্রথম ব্যাচের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং তাদের ‘ভারতের ইস্পাত কাঠামো’ বলে আখ্যা দেন। অন্য তারিখগুলো ভিন্ন দিবসের: ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তী আর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস।
মনে রাখুন: সর্দার প্যাটেল স্বাধীন ভারতের প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।
মানসিক দক্ষতা
- ৫৫. যদি ICE : COLDNESS, তবে EARTH: ?
- ক. Weight
- খ. Jungle
- গ. Sea
- ঘ. Gravity
উত্তর: ঘ. Gravity
এটি একটি সম্পর্কভিত্তিক সাদৃশ্য (Analogy) প্রশ্ন। ICE : COLDNESS জোড়ায় বরফ হলো বস্তু এবং শীতলতা তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য বা গুণ। একই সম্পর্কে EARTH (পৃথিবী) বস্তু, আর তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হলো মহাকর্ষ বা অভিকর্ষ (Gravity), যার টানে সব বস্তু পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে পড়ে।
Weight (ওজন) বস্তুর ওপর অভিকর্ষ বলের প্রয়োগ, পৃথিবীর নিজস্ব গুণ নয়। Jungle ও Sea পৃথিবীর অংশ, গুণ নয়।
মনে রাখুন:
বস্তু : তার বৈশিষ্ট্য
Fire : Heat, Sugar : Sweetness, Earth : Gravity - ৮৩. নিচের প্রশবােধক স্থানে কোনটি বসবে? 15/A, G/21, 28/N, ?/?
- ক. 54/N
- খ. T/18
- গ. L/52
- ঘ. V/36
উত্তর: ঘ. V/36
ধারার সংখ্যাগুলো 15, 21, 28 এবং তাদের পার্থক্য 6, 7। পরের পার্থক্য 8, তাই পরের সংখ্যা 28 + 8 = 36। আবার বর্ণগুলোর ক্রম A(1), G(7), N(14), যাদের পার্থক্য 6, 7। পরের পার্থক্য 8 ধরলে 14 + 8 = 22, আর ২২তম বর্ণ V। বর্ণ ও সংখ্যা পালা করে আগে-পরে বসছে, তাই পরের জোড়া V/36।
গাণিতিক যুক্তি
- ৫৮. ১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর গড় কত?
- ক. ২৫
- খ. ৩০
- গ. ৩৫
- ঘ. ৪৯
উত্তর: ক. ২৫
পরপর সংখ্যার, অর্থাৎ সমান ব্যবধানের সংখ্যার (সমান্তর ধারা) গড় প্রথম ও শেষ সংখ্যার গড়ের সমান। ১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো এমন ধারা, যেখানে প্রতিটি সংখ্যা আগেরটির চেয়ে ১ বেশি। তাই গড় = (1 + 49) ÷ 2 = 50 ÷ 2 = 25।
বিকল্প নিয়মে মোট সংখ্যা n = 49 হলে যোগফল = n(n + 1)/2 = 49 × 50/2 = 1225। গড় = 1225 ÷ 49 = 25। দুই পদ্ধতিতে উত্তর একই।
মনে রাখুন:
১ থেকে n পর্যন্ত সংখ্যার গড় = (n + 1)/2
উদাহরণ: ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত গড় = 50.5 - ৬১. টাকায় ৩টি এবং টাকায় ৫ টি করে সমান সংখ্যক আমলকি ক্রয় করে এক ব্যক্তি টাকায় ৪টি করে আমলকি বিক্রয় করলেন। ঐ ব্যক্তির শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হলাে তা নির্ণয় করুন।
- ক. ৪.২৫% লাভ
- খ. ৫.২৫% ক্ষতি
- গ. ৬.২৫% ক্ষতি
- ঘ. ৭.২৫% লাভ
উত্তর: গ. ৬.২৫% ক্ষতি
ধরি, প্রত্যেক ধরনের আমলকি ১৫টি করে কেনা হলো, কারণ ৩ ও ৫-এর ল.সা.গু. ১৫। টাকায় ৩টি দরে ১৫টির দাম = 15 ÷ 3 = 5 টাকা। টাকায় ৫টি দরে ১৫টির দাম = 15 ÷ 5 = 3 টাকা। মোট ক্রয়মূল্য = 5 + 3 = 8 টাকা এবং মোট আমলকি = 15 + 15 = 30টি।
বিক্রয়: টাকায় ৪টি দরে ৩০টির দাম = 30 ÷ 4 = 7.5 টাকা।
ক্রয়মূল্য (8) বিক্রয়মূল্যের (7.5) চেয়ে বেশি, তাই ক্ষতি। ক্ষতি = 8 − 7.5 = 0.5 টাকা। শতকরা ক্ষতি = (0.5 ÷ 8) × 100 = 6.25%।
মনে রাখুন:
শতকরা লাভ/ক্ষতি = (লাভ/ক্ষতি ÷ ক্রয়মূল্য) × 100
সমান সংখ্যক দ্রব্য ধরলে ল.সা.গু. নেওয়া সুবিধাজনক - ৭৪. নিচের ধারার শেষ সংখ্যা কত? ৩, ৯, ২৭, ৮১, ….?
- ক. ২৪১
- খ. ২৪৩
- গ. ২৪৫
- ঘ. ২৪৭
উত্তর: খ. ২৪৩
সংখ্যাধারাটি ৩, ৯, ২৭, ৮১, … লক্ষ করলে দেখা যায়, প্রতিটি পদ তার আগের পদকে ৩ দিয়ে গুণ করলে পাওয়া যায়: 3 × 3 = 9, 9 × 3 = 27, 27 × 3 = 81। অর্থাৎ ধারাটি গুণোত্তর ধারা (Geometric Progression), যার সাধারণ অনুপাত 3। অন্যভাবে পদগুলো 3 এর ঘাত: 3^1, 3^2, 3^3, 3^4। তাই পরের পদ হবে 3^5 = 243।
মনে রাখুন:
গুণোত্তর ধারার পরের পদ = আগের পদ × সাধারণ অনুপাত
উদাহরণ: 2, 4, 8, 16, 32 (অনুপাত 2) - ৭৫. secA + tanA = 5/2 হলে, secA – tanA= ?
- ক. 1/2
- খ. 1/5
- গ. 2/5
- ঘ. 5/2
উত্তর: গ. 2/5
ত্রিকোণমিতির একটি মৌলিক সূত্র sec²A - tan²A = 1। এই রাশিকে উৎপাদকে ভাঙলে (secA + tanA)(secA - tanA) = 1। এখানে secA + tanA = 5/2, তাই secA - tanA = 1 ÷ (5/2) = 2/5।
মনে রাখুন:
sin²A + cos²A = 1।
1 + tan²A = sec²A।
1 + cot²A = cosec²A। - ৭৭. বৃত্তের ব্যাস চারগুণ বৃদ্ধি করলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?
- ক. ৪
- খ. ৮
- গ. ১২
- ঘ. ১৬
উত্তর: ঘ. ১৬
বৃত্তের ক্ষেত্রফল A = πr² = π(d/2)² = πd²/4, তাই ক্ষেত্রফল ব্যাসের বর্গের সমানুপাতিক। ব্যাস ৪ গুণ হলে ক্ষেত্রফল হবে 4² = 16 গুণ। অর্থাৎ ক্ষেত্রফল ১৬ গুণ বাড়বে।
মনে রাখুন: ব্যাসার্ধ বা ব্যাস n গুণ হলে ক্ষেত্রফল n² গুণ হয়। - ৭৯. ৩০ কি.মি পথ পাড়ি দিতে জয়নুলের রনির থেকে ২ ঘণ্টা সময় বেশি লেগেছে। জয়নুল যদি তার গতি দ্বিগুণ করত তাহলে রনির থেকে ১ ঘণ্টা সময় কম লাগত। জয়নুলের গতি কত ছিল?
- ক. ৪ কি.মি./ঘন্টা
- খ. ৫ কি.মি./ঘন্টা
- গ. ৬ কি.মি./ঘণ্টা
- ঘ. ৭.৫ কি.মি./ঘণ্টা
উত্তর: খ. ৫ কি.মি./ঘন্টা
ধরি, জয়নুলের গতি v কি.মি./ঘণ্টা এবং রনির সময় t ঘণ্টা। প্রথম শর্তে 30/v - t = 2। জয়নুলের গতি দ্বিগুণ হলে তার সময় 30/(2v) = 15/v, আর তখন রনির চেয়ে ১ ঘণ্টা কম লাগে, তাই t - 15/v = 1। দুটি সমীকরণ যোগ করলে 30/v - 15/v = 3, অর্থাৎ 15/v = 3 এবং v = 5।
যাচাই: জয়নুলের সময় 30/5 = 6 ঘণ্টা, রনির 4 ঘণ্টা (২ ঘণ্টা কম)। গতি দ্বিগুণ হলে জয়নুলের সময় 3 ঘণ্টা, যা রনির চেয়ে ১ ঘণ্টা কম। - ৮১. 5 + 8 + 11 + 14 + …… ধারাটির কত তম পদ 302?
- ক. 60 তম পদ
- খ. 70 তম পদ
- গ. 90 তম পদ
- ঘ. 100 তম পদ
উত্তর: ঘ. 100 তম পদ
ধারাটি সমান্তর ধারা, যার প্রথম পদ a = 5 এবং সাধারণ অন্তর d = 3। n-তম পদ = a + (n - 1)d = 5 + (n - 1) × 3। এই মান 302 হলে 5 + 3(n - 1) = 302, তাই 3(n - 1) = 297, n - 1 = 99 এবং n = 100। অতএব 302 হলো ১০০তম পদ।
মনে রাখুন: সমান্তর ধারায় প্রতিটি পদ আগের পদের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা যোগ করে পাওয়া যায়। - ৮৫. এক ব্যক্তি ব্যাংকে ৫১০ টাকার চেক দিয়ে ২০ টাকার এবং ৫০ টাকার নােট প্রদানের জন্য অনুরােধ করলেন। কত প্রকারে তাঁর অনুরােধ রক্ষা করা সম্ভব?
- ক. ৩ প্রকারে
- খ. ৪ প্রকার
- গ. ৫ প্রকারে
- ঘ. ৬ প্রকারে
উত্তর: গ. ৫ প্রকারে
ধরি, ২০ টাকার নোট a টি এবং ৫০ টাকার নোট b টি। তাহলে 20a + 50b = 510, অর্থাৎ 2a + 5b = 51। ডান পাশ বিজোড়, আর 2a জোড়, তাই 5b বিজোড় হবে, অর্থাৎ b বিজোড়। b = 1, 3, 5, 7, 9 হলে a যথাক্রমে 23, 18, 13, 8, 3। b = 11 হলে 5b = 55 > 51, তাই আর সম্ভব নয়। অতএব মোট ৫ প্রকারে অনুরোধ রক্ষা করা যায়। - ৮৬. $\log_x \frac{1}{9}=-2$ হলে, x এর মান কোনটি?
- ক. 3
- খ. 2
- গ. 1/3
- ঘ. -1/3
উত্তর: ক. 3
log_x(1/9) = -2 মানে x⁻² = 1/9, অর্থাৎ 1/x² = 1/9, তাই x² = 9 এবং x = ±3। লগারিদমের ভিত্তি সর্বদা ধনাত্মক হয় (এবং 1 নয়), তাই x = 3।
যাচাই: 3⁻² = 1/9। - ৯২. একটি চৌবাচ্চায় ৮০০০ লিটার পানি ধরে। চৌবাচ্চাটির দৈর্ঘ্য ২.৫৬ মিটার এবং প্রস্থ ১.২৫ মিটার। চৌবাচ্চাটির গভীরতা কত?
- ক. ১.৫ মিটার
- খ. ২.৫ মিটার
- গ. ৩ মিটার
- ঘ. ৩.৫ মিটার
উত্তর: খ. ২.৫ মিটার
১০০০ লিটার = ১ ঘনমিটার, তাই ৮০০০ লিটার = 8 ঘনমিটার। চৌবাচ্চার আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × গভীরতা, অর্থাৎ 8 = 2.56 × 1.25 × h। 2.56 × 1.25 = 3.2, তাই h = 8 ÷ 3.2 = 2.5 মিটার।
মনে রাখুন: ১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার। - ৯৪. এক বর্গক্ষেত্রের এক বাহু অপর একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমার সমান হলে বর্গক্ষেত্র দুটির কর্ণের অনুপাত কত হবে?
- ক. 1:2
- খ. 5:2
- গ. 2:1
- ঘ. 4:1
উত্তর: ঘ. 4:1
ধরি, দ্বিতীয় বর্গক্ষেত্রের বাহু b। তার পরিসীমা 4b, যা প্রথম বর্গক্ষেত্রের বাহুর সমান। বর্গের কর্ণ = বাহু × √2, তাই প্রথম বর্গের কর্ণ 4b√2 এবং দ্বিতীয় বর্গের কর্ণ b√2। কর্ণের অনুপাত 4b√2 : b√2 = 4 : 1।
মনে রাখুন: বর্গের বাহু a হলে পরিসীমা 4a এবং কর্ণ a√2। - ৯৫. আপনার মােবাইল ফোনের মাসিক বিল এসেছে ৪২০ টাকা। যদি ১ বছর পর ১০% বৃদ্ধি পায় এবং আরাে ৬ মাস পর ২০% বৃদ্ধি পায়, তাহলে ১৮ মাস পর আপনার বিল কত হবে?
- ক. ৪৬০.২০ টাকা
- খ. ৫৫৪.৪০ টাকা
- গ. ৬২০.৬০ টাকা
- ঘ. ৭৩০.৮০ টাকা
উত্তর: খ. ৫৫৪.৪০ টাকা
প্রথমে মাসিক বিল ৪২০ টাকা। এক বছর পর ১০% বাড়লে নতুন বিল 420 × 1.10 = 462 টাকা। আরও ৬ মাস পর, অর্থাৎ ১৮ মাসের মাথায়, বিল ২০% বাড়লে হয় 462 × 1.20 = 554.40 টাকা।
মনে রাখুন: বৃদ্ধির প্রতিবার আগের বিলের ওপর শতকরা হার ধরতে হয়, মূল ৪২০ টাকার ওপর নয়। - ৯৬. P(A) = 1/3; P(B) = 2/3; A ও B স্বাধীন হলে P(B/A) = কত?
- ক. 3/4
- খ. 2/3
- গ. 1/3
- ঘ. 1/4
উত্তর: খ. 2/3
দুটি ঘটনা স্বাধীন হলে একটি ঘটা বা না ঘটার ওপর অন্যটির ঘটার সম্ভাবনা নির্ভর করে না। তাই P(B|A) = P(B) = 2/3।
মনে রাখুন: A ও B স্বাধীন হলে P(A ∩ B) = P(A) × P(B), এখানে 1/3 × 2/3 = 2/9। - ৯৭. $x^2-3x-10>0$ অসমতাটির সমাধান কোনটি?
- ক. (-∞, -1) U (4, +∞)
- খ. (-∞, -2) U (5, +∞)
- গ. (∞, 2) U (5, +∞)
- ঘ. (-5, -∞) U (∞, 2)
উত্তর: খ. (-∞, -2) U (5, +∞)
x² - 3x - 10-কে উৎপাদকে ভাঙলে (x - 5)(x + 2)। দুটি উৎপাদকের গুণফল ধনাত্মক হয় যখন দুটিই ধনাত্মক বা দুটিই ঋণাত্মক। দুটিই ধনাত্মক হলে x > 5, আর দুটিই ঋণাত্মক হলে x < -2। তাই সমাধান (-∞, -2) ∪ (5, ∞)।
যাচাই: x = 6 নিলে 36 - 18 - 10 = 8 > 0, আর x = -3 নিলে 9 + 9 - 10 = 8 > 0।
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- ৬২. গ্রীন হাউস গ্যাসসমূহ নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত চুক্তি “The Kyoto Protocol” জাতিসংঘ কর্তৃক কত সালে গৃহীত হয়?
- ক. ১৯৯৭
- খ. ১৯৯৯
- গ. ২০০৩
- ঘ. ২০০৪
উত্তর: ক. ১৯৯৭
কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol) গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর প্রথম আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি। এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কাঠামো কনভেনশনের (UNFCCC) তৃতীয় সম্মেলনে গৃহীত হয়। চুক্তিটি কার্যকর হয় ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি। এতে উন্নত দেশগুলো ১৯৯০ সালের তুলনায় নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য মেনে নেয়।
পরে ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি এই ধারাকে এগিয়ে নেয়।
মনে রাখুন:
কিয়োটো প্রোটোকল: গৃহীত ১৯৯৭, কার্যকর ২০০৫
মন্ট্রিল প্রোটোকল: ১৯৮৭, ওজোন স্তর রক্ষা - ৮০. বাংলাদেশের ছয় ঋতুর সঠিক অনুক্রম কোনটি?
- ক. গ্রীষ্ম, বর্ষা, বসন্ত, হেমন্ত, শীত ও শরৎ
- খ. বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত ও গ্রীষ্ম
- গ. শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা
- ঘ. গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
উত্তর: ঘ. গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
বাংলা বছর শুরু হয় বৈশাখ মাস দিয়ে, আর প্রতিটি ঋতু দুই মাস করে থাকে। তাই ঋতুর সঠিক ক্রম: গ্রীষ্ম (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ), বর্ষা (আষাঢ়-শ্রাবণ), শরৎ (ভাদ্র-আশ্বিন), হেমন্ত (কার্তিক-অগ্রহায়ণ), শীত (পৌষ-মাঘ) ও বসন্ত (ফাল্গুন-চৈত্র)।
মনে রাখুন: বাংলাদেশকে ‘ষড়ঋতুর দেশ’ বলা হয়। - ৮২. কোনটি যমুনার উপনদী?
- ক. তিস্তা
- খ. ধলেশ্বরী
- গ. ধোলাই
- ঘ. বংশী
উত্তর: ক. তিস্তা
তিস্তা নদী ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং ব্রহ্মপুত্র-যমুনায় মিলিত হয়, তাই এটি যমুনার উপনদী। ধলেশ্বরী যমুনার শাখানদী, অর্থাৎ যমুনা থেকে বেরিয়ে এসেছে। ধোলাই খাল ঢাকার একটি পুরোনো খাল, আর বংশী নদী ধলেশ্বরীর একটি উপনদী।
মনে রাখুন: উপনদী মূল নদীতে এসে মেশে, আর শাখানদী মূল নদী থেকে বেরিয়ে যায়। - ৮৭. IUCN এর কাজ হলাে বিশ্বব্যাপী-
- ক. পানি সম্পদ রক্ষা করা
- খ. সন্ত্রাস দমন করা
- গ. প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা
- ঘ. পরিবেশ দূষণ রােধ করা
উত্তর: গ. প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করা
IUCN-এর পূর্ণরূপ International Union for Conservation of Nature। এটি বিশ্বজুড়ে প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে কাজ করে। বিপন্ন প্রজাতির তালিকা ‘Red List’ এই সংস্থাই প্রকাশ করে।
মনে রাখুন:
IUCN ১৯৪৮ সালে ফ্রান্সে গঠিত হয়।
এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ডে। - ৮৮. কার্টাগেনা প্রটোকল কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?
- ক. ২০০০ সালে
- খ. ২০০১ সালে
- গ. ২০০৩ সালে
- ঘ. ২০০৫ সালে
উত্তর: ক. ২০০০ সালে
জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কার্টাহেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol on Biosafety) ২০০০ সালে গৃহীত হয় এবং স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়। জিনগতভাবে পরিবর্তিত জীবের (GMO) নিরাপদ পরিবহন, ব্যবহার ও হস্তান্তর নিয়ন্ত্রণ করা এর লক্ষ্য। প্রটোকলটি ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।
মনে রাখুন: এটি জীববৈচিত্র্য সনদের অধীনে করা চুক্তি।
অন্যান্য বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন ও সমাধান
১০ম থেকে ৫০তম: সব বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৬)
- ৪৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৮তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২৫)
- ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৫)
- ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৪)
- ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২৩)
- ৪৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২২)
- ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০২১)
- ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০২১)
- ৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৯)
- ৩৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (স্বাস্থ্য) (২০১৮)
- ৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৭)
- ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৬)
- ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৫)
- ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১৩)
- ৩৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১২)
- ৩১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১১)
- ৩০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০১০)
- ২৯তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৯)
- ২৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৮)
- ২৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৫)
- ২৬তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৪)
- ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০৩)
- ২৩তম বিশেষ বিসিএস (মুক্তিযোদ্ধা) প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (২০০১)
- ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৯)
- ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৮)
- ১৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৬)
- ১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৫)
- ১৬তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি (১৯৯৪)
- ১৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯৩)
- ১৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯২)
- ১২তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯১)
- ১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (১৯৯০)
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন