লিয়ানা বুকস

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২৩ জুন ২০১৬। ৯৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন—
    • ক. লুইপা
    • খ. শবরপা
    • গ. কাহ্নপা
    • ঘ. ভুসুকুপা
    উত্তর: গ. কাহ্নপা
    চর্যাপদ বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শন। বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকেরা সাধনার গোপন কথা গানের আকারে এতে লিখে গেছেন। সেই পদকর্তাদের মধ্যে কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন, তাঁর পদের সংখ্যা ১৩টি। এরপর ভুসুকুপার পদ আছে ৮টি, আর লুইপা ও শবরপা প্রত্যেকে মাত্র ২টি করে পদ লিখেছেন। তাই সংখ্যার হিসাবে সবার আগে কাহ্নপার নাম আসে।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদের আদি কবি লুইপা, কিন্তু পদের সংখ্যায় সবার আগে কাহ্নপা।
    চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে।
    ১৯১৬ সালে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে ছাপা হয়।
    চর্যাপদের রচনাকাল মোটামুটি দশম থেকে দ্বাদশ শতক ধরা হয়।
  2. ২. Epic শব্দের পরিভাষা কী?
    • ক. কিংবদন্তি
    • খ. পুরাণ
    • গ. মহাকাব্য
    • ঘ. বিস্মৃত কাহিনি
    উত্তর: গ. মহাকাব্য
    ইংরেজি Epic শব্দের বাংলা পরিভাষা মহাকাব্য। মহাকাব্য হলো বিশাল পরিসরে লেখা বীরত্ব ও জাতীয় জীবনের কাহিনি, যেখানে একটি জাতির আদর্শ, যুদ্ধ আর ইতিহাস ধরা থাকে। এটি দুই রকমের হয়। যে মহাকাব্য আপনা থেকে লোকমুখে গড়ে ওঠে এবং পরে লেখা হয়, তাকে জাত মহাকাব্য বলে। আর কবি যদি সচেতনভাবে নিজে শিল্পের নিয়ম মেনে লেখেন, তাহলে তাকে সাহিত্যিক মহাকাব্য বলে। কিংবদন্তি (Legend) বা পুরাণ (Myth) এই শব্দের পরিভাষা নয়।
    উদাহরণ:
    জাত মহাকাব্য: রামায়ণ, মহাভারত, ইলিয়াড, ওডিসি।
    সাহিত্যিক মহাকাব্য: ইনিড, প্যারাডাইস লস্ট, মেঘনাদবধ কাব্য।
    মনে রাখুন: বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক মহাকাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’।
  3. ৩. 'আফতাব' শব্দের সমার্থক কোনটি?
    • ক. অর্ণব
    • খ. রাতুল
    • গ. জলধি
    • ঘ. অর্ক
    উত্তর: ঘ. অর্ক
    ‘আফতাব’ ফারসি শব্দ, এর অর্থ সূর্য। সূর্যের আরও কয়েকটি প্রতিশব্দ হলো অর্ক, রবি, তপন, ভানু, সবিতা ও প্রভাকর, তাই এখানে সমার্থক শব্দ অর্ক। বাকি বিকল্পগুলো সূর্যের নাম নয়। অর্ণব ও জলধি দুটিই সমুদ্রের নাম, আর রাতুল মানে লাল বা রক্তিম।
    মনে রাখুন:
    সমুদ্রের প্রতিশব্দ সাগর, পাথার, জলধি, সিন্ধু, দরিয়া ও অর্ণব।
    চাঁদের প্রতিশব্দ শশী, শশাঙ্ক, সোম, নিশাকর ও ইন্দু।
    ‘আফতাব’-এর মতো ফারসি থেকে আসা আরও কয়েকটি শব্দ: মাহতাব (চাঁদের আলো), আসমান (আকাশ), জমিন (মাটি)।
  4. ৪. বাংলা লিপির উৎস—
    • ক. সংস্কৃত লিপি
    • খ. ব্রাহ্মী লিপি
    • গ. চীনা লিপি
    • ঘ. আরবি লিপি
    উত্তর: খ. ব্রাহ্মী লিপি
    বাংলা লিপির আদি উৎস ব্রাহ্মী লিপি। সম্রাট অশোকের শিলালিপি এই ব্রাহ্মী লিপিতে লেখা। প্রাচীন ভারতে ব্রাহ্মী থেকে নানা ধারা তৈরি হয়। তার একটি ধারা ধীরে ধীরে বদলে পূর্বী বা প্রাচ্য লিপি হয় এবং সেখান থেকেই বাংলা লিপি গড়ে ওঠে। সংস্কৃত কোনো লিপির নাম নয়, কারণ সংস্কৃত ভাষা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লিপিতে লেখা হয়েছে। আর চীনা ও আরবি লিপির সঙ্গে বাংলা লিপির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    দেবনাগরী লিপিও ব্রাহ্মী থেকে এসেছে, কিন্তু সেটি বাংলার উৎস নয়, বাংলার পাশের আরেকটি ধারা।
    ব্রাহ্মী লিপি বাঁ দিক থেকে ডান দিকে লেখা হতো, আরবি লিপি লেখা হয় ডান দিক থেকে বাঁ দিকে।
  5. ৫. 'ইনকিলাব' শব্দের অর্থ—
    • ক. আন্দোলন
    • খ. সন্ত্রাস
    • গ. বিপ্লব
    • ঘ. চিরন্তন
    উত্তর: গ. বিপ্লব
    ‘ইনকিলাব’ আরবি শব্দ, এর প্রধান অর্থ বিপ্লব। পুরোনো ব্যবস্থা ভেঙে নতুন ব্যবস্থা আনার যে মৌলিক পরিবর্তন, তাকেই বিপ্লব (Revolution) বলে। ‘আন্দোলন’ শব্দটির অর্থ আরও সাধারণ, কোনো দাবিতে জনসাধারণের জেগে ওঠা। তাই অভিধানের প্রথম ও মূল অর্থ ধরলে ‘ইনকিলাব’ মানে বিপ্লবই। সন্ত্রাস মানে ভীতি সৃষ্টি, আর চিরন্তন মানে যা চিরকাল আছে।
    মনে রাখুন:
    ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানের অর্থ বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।
    আরবি থেকে আসা আরও কয়েকটি শব্দ: ইনসান (মানুষ), কিতাব (বই), কলম, আদালত।
    ‘ইনকিলাব’-এর বাংলা প্রতিশব্দ বিপ্লব, বিদ্রোহ বা আমূল পরিবর্তন।
  6. ৬. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. বিভিসীকা
    • খ. বিভীষিকা
    • গ. বীভিষিকা
    • ঘ. বীভীষীকা
    উত্তর: খ. বিভীষিকা
    শুদ্ধ বানান বিভীষিকা। এর অর্থ ভয় দেখানো বা আতঙ্ক। শব্দটি ভয় অর্থের ‘ভী’ ধাতু থেকে এসেছে। তাই এতে ভী-র দীর্ঘ-ঈকার থাকে। শব্দের শুরুতে ‘বি’ উপসর্গের হ্রস্ব-ই থাকে, আর মাঝে ‘ষি’ বসে। ফলে বানানের ক্রম হয় হ্রস্ব-ই, দীর্ঘ-ঈ, তারপর ষি। যেখানে দুটোই দীর্ঘ বা দুটোই হ্রস্ব লেখা, সেসব বানান ভুল।
    মনে রাখুন:
    ‘ইকা’ প্রত্যয়ের কয়েকটি শুদ্ধ বানান: মরীচিকা, বীথিকা, দীপিকা, গীতিকা, নীহারিকা।
    সংস্কৃত থেকে আসা শব্দের বানান মুখস্থ করতে হয়, কারণ উচ্চারণ শুনে হ্রস্ব বা দীর্ঘ ধরা যায় না।
    ‘ক্ষণিকা’ ও ‘কণিকা’-তে হ্রস্ব-ই বসে।
  7. ৭. 'চাচা কাহিনী' গ্রন্থের লেখক—
    • ক. শওকত ওসমান
    • খ. সৈয়দ মুজতবা আলী
    • গ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    • ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
    উত্তর: খ. সৈয়দ মুজতবা আলী
    ‘চাচা কাহিনী’ সৈয়দ মুজতবা আলীর রম্যরচনা। এতে চাচা নামের এক রসিক মানুষের মুখে নানা মজার গল্প বলা হয়েছে। সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯০৪ সালে সিলেটে জন্মেছিলেন। তিনি বহু ভাষা জানতেন, আর তাঁর লেখায় পাণ্ডিত্যের সঙ্গে হালকা রসিকতা মিশে থাকত। ভ্রমণকাহিনি ‘দেশে বিদেশে’ ও রম্যরচনা ‘পঞ্চতন্ত্র’-এর জন্যও তিনি বিখ্যাত।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ মুজতবা আলীর আরও কয়েকটি বই: ময়ূরকণ্ঠী, জলে ডাঙায়, শবনম।
    শওকত ওসমানের উপন্যাস: জননী, ক্রীতদাসের হাসি।
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস: লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো।
    সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
  8. ৮. বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ কোনটি?
    • ক. ৯০১–১২০০ খ্রি.
    • খ. ১২০১–১৩৫০ খ্রি.
    • গ. ১২০১–১৮০০ খ্রি.
    • ঘ. ১৩০১–১৯০০ খ্রি.
    উত্তর: গ. ১২০১–১৮০০ খ্রি.
    বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগে মধ্যযুগ ধরা হয় ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। মোটামুটি এই সময়ে তুর্কি বিজয় ঘটে এবং এরপর থেকে মধ্যযুগ শুরু হয়। ১৮০০ সালের পর, বিশেষ করে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ স্থাপনের পরে, আধুনিক যুগের সূচনা হয়। এর আগের সময়কে প্রাচীন যুগ বলা হয়, যার একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ।
    মনে রাখুন:
    মধ্যযুগের প্রথম দিকের ১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত সময়টিকে অন্ধকার যুগ বলা হয়, কারণ এ সময়ের কোনো লিখিত সাহিত্য পাওয়া যায়নি।
    মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’, যা ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার এক গ্রাম থেকে আবিষ্কৃত হয়।
    আধুনিক যুগ ১৮০১ সাল থেকে চলছে বলে গণ্য করা হয়।
  9. ৯. খনার খ্যাতির কারণ—
    • ক. ধাঁধা
    • খ. ছড়া
    • গ. শ্লোক
    • ঘ. বচন
    উত্তর: ঘ. বচন
    খনা প্রাচীন বাংলার একজন বিদুষী নারী বলে লোকমুখে পরিচিত। তিনি কৃষি, আবহাওয়া ও জ্যোতিষ নিয়ে ছোট ছোট ছন্দোবদ্ধ উপদেশ বলেছিলেন, যেগুলো খনার বচন নামে পরিচিত। কখন বীজ বুনতে হবে বা কোন লক্ষণ দেখলে বৃষ্টি হবে, সে কথা সহজ ভাষায় এই বচনে বলা আছে। চাষিরা সেগুলো মুখে মুখে মনে রাখত, তাই আজও এগুলো লোকমুখে শোনা যায়। ধাঁধা, ছড়া বা শ্লোক নয়, বচনই খনার আসল পরিচয়।
    মনে রাখুন:
    খনার বচন ও ডাকের বচন দুটিই বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন।
    ‘বচন’ হলো ছোট ছন্দোবদ্ধ উপদেশবাক্য, আর ‘ধাঁধা’ হলো প্রশ্নের মতো করে বলা হেঁয়ালি।
    বচনের বিষয়: কৃষি, আবহাওয়া ও দৈনন্দিন জীবনের নিয়ম।
  10. ১০. 'শশাঙ্ক' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ—
    • ক. শশ + অঙ্ক
    • খ. শস + অঙ্ক
    • গ. শশা + অঙ্ক
    • ঘ. শসা + অঙ্ক
    উত্তর: ক. শশ + অঙ্ক
    ‘শশাঙ্ক’ শব্দটি ভাঙলে হয় শশ + অঙ্ক। এখানে শশ মানে খরগোশ। চাঁদের গায়ে খরগোশের মতো দাগ দেখা যায় বলে শশ-অঙ্ক বা শশাঙ্ক শব্দের অর্থ চাঁদ। পূর্বপদের শেষে অ এবং পরপদের শুরুতে অ থাকলে দুটি মিলে আ হয়, আর এই নিয়মে সন্ধি হওয়ায় একে স্বরসন্ধি বলে। মজার ব্যাপার হলো, প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজার নামও শশাঙ্ক।
    উদাহরণ:
    নর + অধম = নরাধম
    নব + অন্ন = নবান্ন
    সূর্য + অস্ত = সূর্যাস্ত
    মনে রাখুন: অ + আ হলেও আ হয়, যেমন হিম + আলয় = হিমালয়।
  11. ১১. কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়?
    • ক. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    • খ. নরকে লাল গোলাপ
    • গ. বর্ণচোরা
    • ঘ. ইলিশ
    উত্তর: ঘ. ইলিশ
    এখানে ‘ইলিশ’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়, তাই এটিই উত্তর। অন্য তিনটির বিষয় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য, ‘নরকে লাল গোলাপ’ আলাউদ্দিন আল আজাদের এবং ‘বর্ণচোরা’ মমতাজউদদীন আহমদের নাটক। এগুলোতে যুদ্ধের সময়ের আতঙ্ক, প্রতিরোধ আর মানুষের সংগ্রামের ছবি আছে।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ শামসুল হক বাংলা কাব্যনাট্যের একজন প্রধান লেখক।
  12. ১২. 'সে নাকি আসবে না'—এ বাক্যে 'না' অব্যয়টি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
    • ক. প্রশ্ন
    • খ. বিস্ময়
    • গ. সংশয়
    • ঘ. অনুমান
    উত্তর: গ. সংশয়
    ‘সে নাকি আসবে না’ বাক্যে বক্তা নিজে নিশ্চিত নন, অন্যের মুখে শোনা কথার ওপর ভর করে বলছেন। এই দ্বিধা বা অনিশ্চয়তার ভাবকে সংশয় (Doubt) বলে। ‘নাকি’ শব্দটির সঙ্গে ‘না’ যোগ হওয়ায় বাক্যে সংশয়ের ভাব ফুটে উঠেছে। প্রশ্ন বোঝালে বাক্যের শেষে উত্তর আশা করা হয়, আর বিস্ময় বোঝালে হঠাৎ অবাক হওয়ার ভাব থাকে। এই বাক্যে সেসব নেই।
    উদাহরণ:
    প্রশ্ন: তুমি খাবে না?
    বিস্ময়: ভুলে যাবে না!
    সংশয়: সে নাকি আসবে না।
    মনে রাখুন: ‘না’ অব্যয় কখনো নিষেধ, কখনো প্রশ্ন, কখনো সংশয় বোঝায়, তাই বাক্যের ভাব দেখে অর্থ ঠিক করতে হয়।
  13. ১৪. 'বাজার শেষ করে বাড়ি'- বাক্যটিতে কোন গুণের অভাব ঘটেছে?
    • ক. যোগ্যতা
    • খ. আকাঙ্ক্ষা
    • গ. আসত্তি
    • ঘ. মাধুর্য
    উত্তর: খ. আকাঙ্ক্ষা
    একটি বাক্যে বক্তব্য পুরোপুরি বোঝার জন্য যে শব্দ আগে বা পরে প্রয়োজন, সেই দাবিকে আকাঙ্ক্ষা (Expectancy) বলে। ‘বাজার শেষ করে বাড়ি’ বললে শ্রোতা জানতে চায়, বাড়ি কী? যাব, না ফিরব? ক্রিয়াপদটি না থাকায় ভাব সম্পূর্ণ হয়নি, তাই এখানে আকাঙ্ক্ষা গুণের অভাব ঘটেছে। ‘বাজার শেষ করে বাড়ি ফিরলাম’ লিখলে বাক্যটি সম্পূর্ণ হয়।
    মনে রাখুন:
    বাক্যের তিনটি গুণ: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
    যোগ্যতা: শব্দের অর্থের মিল, যেমন ‘বর্ষার রৌদ্র’ বললে মিল থাকে না।
    আসত্তি: শব্দগুলো ঠিক ক্রমে পাশাপাশি বসা।
  14. ১৫. ধাতু চিহ্ন বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
    • ক. >
    • খ. <
    • গ. =>
    • ঘ. √
    উত্তর: ঘ. √
    ব্যাকরণে ধাতু বোঝাতে মূল চিহ্ন হিসেবে বর্গমূলের মতো √ ব্যবহার করা হয়। ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ, যার সঙ্গে নানা বিভক্তি যোগ হয়ে ক্রিয়ার রূপ তৈরি হয়। √ চিহ্ন দিয়ে বোঝানো হয়, শব্দটি একটি মূল ধাতু। যেমন √কৃ থেকে করে, করিলাম ইত্যাদি রূপ হয়।
    উদাহরণ: √গম, √কৃ, √দেখ।
    মনে রাখুন:
    > চিহ্ন মানে আগের রূপ থেকে পরের রূপে বদলানো, যেমন হস্ত > হাত।
    < চিহ্ন মানে পরের রূপ থেকে আগের রূপের উৎপত্তি।
    = চিহ্ন দিয়ে সমান বোঝানো হয়।
  15. ১৬. 'জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন' কোন ধরনের রচনা?
    • ক. নাটক
    • খ. উপন্যাস
    • গ. গল্প
    • ঘ. রম্যরচনা
    উত্তর: ক. নাটক
    ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ একটি নাটক। এর রচয়িতা সেলিম আল-দীন, যিনি বাংলাদেশের নাট্যসাহিত্যের বিশিষ্ট নাট্যকার। তিনি পশ্চিমা নাট্যরীতির বদলে লোকজ বাংলা নাট্যরীতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর অনেক নাটকে বাংলার গ্রামীণ গান, কথা আর আঙ্গিকের ছোঁয়া পাওয়া যায়। নাটক বলেই উপন্যাস, গল্প বা রম্যরচনা কোনোটিই এখানে উত্তর নয়।
    মনে রাখুন:
    সেলিম আল-দীনের আরও নাটক: কিত্তনখোলা, কেরামতমঙ্গল, হাতহদাই।
    তাঁর নাট্যদল ঢাকা থিয়েটারের সঙ্গে নাট্য আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ছিলেন।
  16. ১৭. কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি?
    • ক. মার্চ ২৬, ১৯৭১
    • খ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
    • গ. ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
    • ঘ. চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১
    উত্তর: ঘ. চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১
    তারিখ লেখার সময় সাধারণত দিন, মাস ও সালের মাঝে কমা বসে, আর স্থানের নাম আলাদা থাকলে তার পরেও কমা দিতে হয়। এই নিয়মে ‘ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২’ ঠিক আছে। কিন্তু ‘চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ ১৯৭১’-এ মাস ও সালের মাঝখানে কমা নেই, তাই বিরামচিহ্ন যথাযথ হয়নি। সঠিক রূপ হবে ‘চট্টগ্রাম, ২৬ মার্চ, ১৯৭১’।
    মনে রাখুন:
    কমা (,) অল্প বিরতি বোঝায়, আর দাঁড়ি (।) পূর্ণ বিরতি।
    সেমিকোলন (;) কমার চেয়ে বেশি আর দাঁড়ির চেয়ে কম বিরতি বোঝায়।
    প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) প্রশ্নের শেষে বসে।
  17. ১৮. 'কর্মে ক্লান্তি নাই যার'—এককথায় প্রকাশ—
    • ক. অক্লান্ত কর্মী
    • খ. অক্লান্ত
    • গ. ক্লান্তিহীন
    • ঘ. অবিশ্রাম
    উত্তর: ক. অক্লান্ত কর্মী
    যে বাক্যাংশ একটি শব্দে প্রকাশ করা যায়, তাকে বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বলে। যিনি কাজ করে ক্লান্ত হন না, এমন মানুষকে এখানে ‘অক্লান্ত কর্মী’ বলা হয়েছে। ‘অক্লান্ত’ শব্দটি বিশেষণ, কিন্তু প্রশ্নে কর্মের কথা বলা হয়েছে, তাই মানুষকে বোঝাতে কর্মী শব্দটিও দরকার হয়। ক্লান্তিহীন আর অবিশ্রাম শব্দের অর্থ এর কাছাকাছি হলেও বাক্যাংশ অনুযায়ী ঠিক বসে না।
    মনে রাখুন:
    ক্লান্তি নেই যার, সে অক্লান্ত। আর যা বিশ্রাম ছাড়া চলে, তা অবিশ্রাম।
    যিনি কম কথা বলেন, তিনি মিতভাষী।
  18. ১৯. 'ফুল্লরা' চরিত্রটি মধ্যযুগের কোন কাব্যে পাওয়া যায়?
    • ক. চণ্ডীমঙ্গল
    • খ. অন্নদামঙ্গল
    • গ. মনসামঙ্গল
    • ঘ. ধর্মমঙ্গল
    উত্তর: ক. চণ্ডীমঙ্গল
    ফুল্লরা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের চরিত্র, সে ব্যাধ কালকেতুর স্ত্রী। এই কাব্যে দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচার করা হয়েছে। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোতে এক এক দেবদেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি থাকে, তাই কাব্যের চরিত্র দেখেই কাব্য চেনা যায়। চণ্ডীমঙ্গলে ফুল্লরার সঙ্গে আছেন ধনপতি, খুল্লনাও।
    মনে রাখুন:
    চণ্ডীমঙ্গলের বিখ্যাত কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী, যাঁকে কবিকঙ্কণ বলা হয়।
    মনসামঙ্গল: চাঁদ সওদাগর, বেহুলা, লখিন্দর।
    ধর্মমঙ্গল: লাউসেন।
    অন্নদামঙ্গল: ঈশ্বরী পাটনী, রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
  19. ২০. কোন দুটি যৌগিক বর্ণ?
    • ক. এ, ঐ
    • খ. ই, ঔ
    • গ. ঐ, ঔ
    • ঘ. ও, ঐ
    উত্তর: গ. ঐ, ঔ
    যে বর্ণ বিশ্লেষণ করলে দুটি বর্ণের ধ্বনি পাওয়া যায়, সেটি যৌগিক বর্ণ। ঐ ভাঙলে পাওয়া যায় ও + ই, আর ঔ ভাঙলে ও + উ। তাই ঐ ও ঔ যৌগিক বর্ণ। অন্য স্বরবর্ণ যেমন এ বা ই ভাঙা যায় না, সেগুলো মৌলিক। তাই এ, ই বা ও-র সঙ্গে ঐ ও ঔ মিলিয়ে দেওয়া বিকল্পগুলো ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    ঐ আর ঔ-কে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বরও বলা হয়।
    বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি।
    মৌলিক স্বর: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, এ, ও।
  20. ২১. ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করেন যিনি—
    • ক. কৃপণ
    • খ. মিতব্যয়ী
    • গ. ব্যয়কুণ্ঠ
    • ঘ. হিসাবি
    উত্তর: গ. ব্যয়কুণ্ঠ
    ব্যয় করতে যিনি কুণ্ঠাবোধ করেন বা সংকোচ করেন, তাঁকে এককথায় ব্যয়কুণ্ঠ বলে। কৃপণ আর ব্যয়কুণ্ঠ শব্দ দুটি কাছাকাছি মনে হলেও আলাদা। কৃপণ হলো সে, যে খরচ না করে শুধু জমাতেই ভালোবাসে। মিতব্যয়ী তাঁকে বলা হয়, যিনি হিসাব করে প্রয়োজনমতো খরচ করেন, আর এটি প্রশংসার শব্দ।
    মনে রাখুন:
    আয় বুঝে ব্যয় করেন যিনি, তিনি হিসাবি।
    যিনি অপ্রয়োজনে বেশি খরচ করেন, তিনি অমিতব্যয়ী বা অপব্যয়ী।
    মিতব্যয়ী শব্দের বিপরীত অমিতব্যয়ী।
  21. ২২. 'সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • গ. জীবনানন্দ দাশ
    • ঘ. জসীমউদদীন
    উত্তর: খ. কাজী নজরুল ইসলাম
    ‘সঞ্চিতা’ কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গানের সংকলন, ১৯২৮ সালে প্রকাশিত। নজরুল নিজেই তাঁর আগের নানা বই থেকে বাছাই করা লেখা এতে একসঙ্গে রেখেছিলেন এবং বইটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। নামের মিল দেখে অনেকে ‘সঞ্চয়িতা’-র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে, কিন্তু সেটি রবীন্দ্রনাথের নিজের বাছাই করা কবিতার সংকলন।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা (১৯২২), বিষের বাঁশি, ছায়ানট।
    নজরুল বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
    জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্য ‘রূপসী বাংলা’, আর জসীমউদদীনের ‘নকশী কাঁথার মাঠ’।
  22. ২৩. 'বীরবল' কার ছদ্মনাম?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. প্রমথ চৌধুরী
    • গ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
    • ঘ. সমরেশ বসু
    উত্তর: খ. প্রমথ চৌধুরী
    ‘বীরবল’ প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। তিনি ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা সম্পাদনা করে বাংলায় চলিত ভাষায় সাহিত্য লেখার আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর হাতেই চলিত ভাষা সাহিত্যে মর্যাদা পায়, আর ‘বীরবলী ঢং’ নামে তাঁর তীক্ষ্ণ ও রসিক গদ্যের ধরন পরিচিত হয়ে ওঠে।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের ছদ্মনাম ভানুসিংহ।
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল।
    সমরেশ বসুর ছদ্মনাম কালকূট।
    প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ ‘চার ইয়ারি কথা’।
  23. ২৪. প্র, পরা—কোন ধরনের উপসর্গ?
    • ক. সংস্কৃত উপসর্গ
    • খ. বাংলা উপসর্গ
    • গ. বিদেশি উপসর্গ
    • ঘ. খাঁটি বাংলা উপসর্গ
    উত্তর: ক. সংস্কৃত উপসর্গ
    উপসর্গ হলো শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করার অংশ। প্র, পরা, অপ, সম প্রভৃতি বিশটি উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, তাই এগুলোকে তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ বলে। বাংলা উপসর্গ বলতে অ, অঘা, অজ, আড় ইত্যাদি বোঝায়, যেগুলো খাঁটি বাংলা শব্দের আগে বসে। আর বিদেশি উপসর্গ হলো কার, হর, হাফ, আম ইত্যাদি, যেগুলো ফারসি বা ইংরেজি থেকে এসেছে।
    মনে রাখুন:
    সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, বাংলা উপসর্গ ২১টি।
    সংস্কৃত উপসর্গের উদাহরণ: প্র + গতি = প্রগতি, পরা + জয় = পরাজয়।
    বাংলা উপসর্গের উদাহরণ: অ + জানা = অজানা।
  24. ২৫. 'মৃত্যুক্ষুধা' গ্রন্থের রচয়িতা—
    • ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • খ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
    উত্তর: গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    ‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস, ১৯৩০ সালে প্রকাশিত। এতে দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও নারীর কষ্টের জীবনের কথা আছে। উপন্যাসের নায়িকা রুবি। বাকি তিনজন লেখকও নামকরা ঔপন্যাসিক, কিন্তু এই উপন্যাস তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের আরও দুটি উপন্যাস বাঁধনহারা (১৯২৭) ও কুহেলিকা।
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস পদ্মানদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা।
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস দেবদাস, শ্রীকান্ত।
    সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কাব্য ‘অনল প্রবাহ’।

বাংলাদেশ

  1. ১৩. পোস্টাল কোড কী নির্দেশ করে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
    • ক. প্রাপকের এলাকা
    • খ. ডাকবিভাগের নাম
    • গ. পোস্ট অফিসের নাম
    • ঘ. প্রেরকের এলাকা
    উত্তর: ক. প্রাপকের এলাকা
    পোস্টাল কোড বা ডাক সংকেত হলো কয়েকটি অঙ্কের একটি সংখ্যা, যা চিঠি বা পার্সেল যে এলাকায় পৌঁছাবে সেই এলাকাকে চিনিয়ে দেয়। ঠিকানায় এটি লেখা থাকলে ডাকঘর খুব সহজে চিঠি বাছাই করে ঠিক জায়গায় পাঠাতে পারে। অর্থাৎ পোস্টাল কোড প্রাপকের এলাকা নির্দেশ করে, প্রেরকের এলাকা নয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশে পোস্টাল কোড ৪ অঙ্কের, যেমন ঢাকা জিপিও-র কোড ১০০০।
    প্রতিটি ডাকঘরের নিজস্ব কোড আছে।
    আন্তর্জাতিক ডাক ব্যবস্থা দেখাশোনা করে বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন, যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের বার্নে।
    বিশ্ব ডাক দিবস ৯ অক্টোবর।
  2. ৭৫. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের ভূমি উঁচু?
    • ক. দক্ষিণ অঞ্চল
    • খ. উত্তর অঞ্চল
    • গ. পূর্ব অঞ্চল
    • ঘ. পশ্চিম অঞ্চল
    উত্তর: খ. উত্তর অঞ্চল
    বাংলাদেশের বেশির ভাগ অংশ পলি দিয়ে গড়া সমতল। তবে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে বরেন্দ্রভূমি ও দিনাজপুরের উঁচু জমি আছে, যেখানে ভূমির উচ্চতা তুলনামূলক বেশি। দক্ষিণের উপকূল অঞ্চল সমুদ্রতল থেকে খুব সামান্য উঁচু। তাই প্রশ্নের উত্তর উত্তর অঞ্চল।
    মনে রাখুন:
    পাহাড়ি এলাকা আছে দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব কোণে।
    বরেন্দ্রভূমি পুরোনো পলিতে গঠিত।
    দেশের সবচেয়ে উঁচু শৃঙ্গ বান্দরবানের সাকা হাফং (তাজিংডং)।
  3. ৭৬. বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
    • ক. বুড়িগঙ্গা
    • খ. হোয়াংহো
    • গ. শীতলক্ষ্যা
    • ঘ. সিন্ধু
    উত্তর: ক. বুড়িগঙ্গা
    ঢাকা শহরকে বন্যার হাত থেকে রক্ষার জন্য বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে সদরঘাট এলাকায় ১৮৬৪ সালে একটি বাঁধ তৈরি করা হয়। ঢাকা বিভাগের তৎকালীন কমিশনার চার্লস থমাস বাকল্যান্ডের নামে এর নাম হয় বাকল্যান্ড বাঁধ। এখন এটি নদীর পাড় ধরে হাঁটার জায়গা হিসেবেও পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    ঢাকা শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদী।
    বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে আছে সদরঘাট, যা ঢাকার প্রধান নদীবন্দর।
    হোয়াংহো চীনের নদী আর সিন্ধু পাকিস্তানের নদী।
  4. ৭৭. বাংলার প্রথম রাজা কে ছিলেন?
    • ক. শশাঙ্ক
    • খ. গোপাল
    • গ. লক্ষণ সেন
    • ঘ. ধর্মপাল
    উত্তর: ক. শশাঙ্ক
    প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা ছিলেন শশাঙ্ক। তিনি গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং কর্ণসুবর্ণকে রাজধানী করেন। তাঁর শাসনের পর বাংলায় কিছুকাল অরাজকতা চলে, যা মাৎস্যন্যায় নামে পরিচিত। এই বিশৃঙ্খলা শেষ করতে বাংলার প্রধানেরা মিলে গোপালকে রাজা নির্বাচিত করেন।
    মনে রাখুন:
    পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল।
    পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল।
    সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষণ সেন।
    শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুর দিকে রাজত্ব করেছিলেন।
  5. ৭৮. ছয়-দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন—
    • ক. এ কে ফজলুল হক
    • খ. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
    • গ. মাওলানা ভাসানী
    • ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
    উত্তর: ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
    ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক জাতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন। এতে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবি ছিল। এই দাবি ধীরে ধীরে বাঙালির মুক্তির আন্দোলনে রূপ নেয়। ফজলুল হক, সোহরাওয়ার্দী বা ভাসানী কেউই এই দফাগুলোর রচয়িতা নন।
    মনে রাখুন:
    ফজলুল হক ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
    ছয় দফার পর ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয়।
    ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এর পরের ঘটনা।
  6. ৭৯. বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
    • ক. সেনাবাহিনী প্রধান
    • খ. প্রতিরক্ষামন্ত্রী
    • গ. প্রধানমন্ত্রী
    • ঘ. রাষ্ট্রপতি
    উত্তর: ঘ. রাষ্ট্রপতি
    বাংলাদেশের সংবিধানের ৬১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর সর্বাধিনায়ক। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানরা তাঁরই অধীনে কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান, কিন্তু সর্বাধিনায়কের পদ রাষ্ট্রপতির। প্রতিরক্ষামন্ত্রী মন্ত্রণালয় দেখেন, কিন্তু বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নন।
    মনে রাখুন:
    রাষ্ট্রপ্রধান রাষ্ট্রপতি, সরকারপ্রধান প্রধানমন্ত্রী।
    রাষ্ট্রপতিকে সংসদ সদস্যরা নির্বাচন করেন।
    সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
  7. ৮০. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশে সেক্টরের সংখ্যা ছিল—
    • ক. ৯টি
    • খ. ১০টি
    • গ. ১১টি
    • ঘ. ১২টি
    উত্তর: গ. ১১টি
    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে এই ভাগ ঠিক করা হয়েছিল। প্রতিটি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, আর সেক্টরগুলো আরও ছোট ৬৪টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত ছিল। মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী।
    মনে রাখুন:
    ১১টি সেক্টর ছাড়াও বিশেষ ভূমিকায় ছিল কে ফোর্স, এস ফোর্স ও জেড ফোর্স।
    জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।
    ১০ নম্বর সেক্টর ছিল নৌ-কমান্ডো সেক্টর, যার নির্দিষ্ট কোনো এলাকা ছিল না।
  8. ৮১. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন—
    • ক. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
    • খ. মাওলানা ভাসানী
    • গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
    • ঘ. তাজউদ্দীন আহমদ
    উত্তর: গ. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
    মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। শেখ মুজিবুর রহমান তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী (ভারপ্রাপ্ত) রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মওলানা ভাসানী এই সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি ছিলেন, রাষ্ট্রপতি নন।
    মনে রাখুন:
    ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় এই সরকার শপথ নেয়, যে জায়গার নাম পরে মুজিবনগর হয়।
    সরকারের অন্য মন্ত্রীরা ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
  9. ৮২. ঢাকা কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের নাম—
    • ক. বন্ধু
    • খ. একতা
    • গ. মৈত্রী
    • ঘ. পদ্মা
    উত্তর: গ. মৈত্রী
    ঢাকা-কলকাতা রেল সংযোগের ট্রেনটির নাম মৈত্রী এক্সপ্রেস। এটি ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে চালু হয়। মৈত্রী শব্দের অর্থ বন্ধুত্ব, আর নামের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্ব বোঝানো হয়েছে। বন্ধু, একতা বা পদ্মা নামের ট্রেনও আছে, কিন্তু সেগুলো অন্য পথে চলে।
    মনে রাখুন:
    একতা এক্সপ্রেস ঢাকা-দিনাজপুর।
    পদ্মা এক্সপ্রেস ঢাকা-রাজশাহী।
    বন্ধন এক্সপ্রেস খুলনা-কলকাতা।
    মিতালি এক্সপ্রেস ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি।
  10. ৮৩. মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অবস্থান ঢাকার—
    • ক. মিরপুর
    • খ. শাহবাগ
    • গ. সেগুনবাগিচা
    • ঘ. ক্যান্টনমেন্ট
    উত্তর: গ. সেগুনবাগিচা
    ২০১৬ সালে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ছিল ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরোনো বাড়িতে। ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ সেটি সেখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধের ছবি, দলিল ও স্মারক সংরক্ষিত আছে। এটি একটি বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে ওঠা জাদুঘর।
    মনে রাখুন:
    ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধের আরও একটি স্মৃতিস্থান জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে।
    হালনাগাদ: ২০১৭ সালের এপ্রিলে জাদুঘরটি আগারগাঁওয়ে নতুন ভবনে সরানো হয়েছে।
  11. ৮৪. বাংলাদেশে মসলা গবেষণা কেন্দ্রের অবস্থান—
    • ক. খুলনা
    • খ. বগুড়া
    • গ. রাজশাহী
    • ঘ. রাজবাড়ী
    উত্তর: খ. বগুড়া
    বাংলাদেশের মসলা গবেষণা কেন্দ্র বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BARI) অধীনে মসলা জাতীয় ফসল, যেমন হলুদ, আদা, মরিচ ও পেঁয়াজ নিয়ে গবেষণা করে। BARI-এর প্রধান কার্যালয় গাজীপুরের জয়দেবপুরে।
    মনে রাখুন:
    রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রাজশাহীতে।
    ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) গাজীপুরে।
    চা গবেষণা ইনস্টিটিউট শ্রীমঙ্গলে।
    ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ঈশ্বরদীতে।

ইংরেজি

  1. ২৬. Fill in the blank: She is fond of — to music.
    • ক. listen
    • খ. listens
    • গ. listening
    • ঘ. listened
    উত্তর: গ. listening
    Be fond of গঠনে of একটি preposition। Preposition-এর পরে কোনো verb বসলে সেটি verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত হয়ে gerund (ক্রিয়ামূলক বিশেষ্য) রূপে বসে। তাই fond of-এর পরে listen নয়, listening বসে। এখানে to একটি preposition, যা listening-এর পরে music-এর সঙ্গে বসেছে। সঠিক বাক্য: She is fond of listening to music।
    মনে রাখুন:
    Proud of, tired of, capable of, interested in-এর পরেও verb + ing বসে।
    Look forward to, object to, be used to-এর পরেও verb + ing বসে।
    উদাহরণ: He is tired of waiting.
  2. ২৭. Choose the direct speech of the sentence: She told me to stand up.
    • ক. She said, "Do stand up."
    • খ. She said to me, "Stand up."
    • গ. She told, "Stand up."
    • ঘ. She said me, "Stand up."
    উত্তর: খ. She said to me, "Stand up."
    Indirect speech-এ told + object + to + verb থাকলে সেটি আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশসূচক বাক্য। Direct speech-এ এর রূপ হয় said to + object, তারপর quotation-এর ভেতরে মূল আদেশ। তাই reporting verb told বদলে said to হয়, আর to বাদ দিয়ে verb-এর মূল রূপ quotation-এ বসে। আমরা ‘She told me to stand up’ বাক্যের direct রূপ পাই: She said to me, "Stand up."
    উদাহরণ:
    He told me to go. → He said to me, "Go."
    She requested me to help. → She said to me, "Please help."
    মনে রাখুন: ‘Said me’ বা ‘told, ...’ ভুল গঠন, কারণ say-এর পরে সরাসরি object বসে না, বসে to।
  3. ২৮. Which is the correct sentence?
    • ক. This is a true.
    • খ. This is true fact.
    • গ. This is fact.
    • ঘ. This is a fact.
    উত্তর: ঘ. This is a fact.
    Fact একটি countable noun, তাই singular হলে এর আগে a বসে: This is a fact। A true একা বসে না, কারণ true একটি adjective এবং তার পরে noun দরকার। আবার ‘true fact’ বাহুল্য, কারণ fact মানেই সত্য বিষয়। আর article ছাড়া ‘This is fact’ বললে countable noun-এর আগে a না থাকায় বাক্যটি ঠিক হয় না।
    মনে রাখুন:
    Countable singular noun-এর আগে a বা an বসে, যেমন a book, an apple।
    Uncountable noun-এর আগে a বসে না, যেমন water।
    Fact-এর বহুবচন facts।
  4. ২৯. The antonym of the word 'baddy'.
    • ক. Well
    • খ. Evil
    • গ. Satanic
    • ঘ. Goody
    উত্তর: ঘ. Goody
    Baddy (বা baddie) অনানুষ্ঠানিক ইংরেজিতে সিনেমা-গল্পের খলনায়ক বা খারাপ লোককে বোঝায়। এর বিপরীত শব্দ goody (goodie), অর্থাৎ নায়ক বা ভালো চরিত্র। Well মানে ভালোভাবে, যা baddy-র বিপরীত noun নয়। Evil ও Satanic বরং baddy-র কাছাকাছি অর্থের শব্দ, তাই এগুলো বিপরীত হতে পারে না।
    মনে রাখুন:
    Baddy-র বিপরীত goody।
    Good guy ও bad guy এই অর্থেই বলা হয়।
    উদাহরণ: In the film the goodies win in the end.
  5. ৩০. Class : Student ::
    • ক. Team : Player
    • খ. Meeting : Teacher
    • গ. Common : Ordinary
    • ঘ. Bird : Beast
    উত্তর: ক. Team : Player
    Analogy-তে প্রথম জোড়ার সম্পর্ক ঠিক করে নিয়ে সেটি দ্বিতীয় জোড়ায় বসাতে হয়। Class গঠিত হয় Student (ছাত্র) নিয়ে, তেমনি Team গঠিত হয় Player (খেলোয়াড়) নিয়ে। এটি সমষ্টি ও তার একক সদস্যের সম্পর্ক। বাকি বিকল্পে এই সম্পর্ক নেই। Common ও Ordinary সমার্থক শব্দ, আর Bird ও Beast ভিন্ন প্রাণী। Meeting ও Teacher-এর মধ্যে সমষ্টি ও সদস্যের সম্পর্কও নেই।
    মনে রাখুন:
    Analogy-তে সম্পর্ক কয়েক রকমের হয়: সমার্থক, বিপরীতার্থক, সমষ্টি-সদস্য, কাজ-যন্ত্র।
    উদাহরণ: Flock : Sheep :: Herd : Cattle.
  6. ৩১. 'Vice-versa' refers to—
    • ক. for example
    • খ. face to face
    • গ. namely
    • ঘ. the terms being exchanged
    উত্তর: ঘ. the terms being exchanged
    Vice-versa ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, অর্থ ‘উল্টোভাবেও একই’। যেমন ‘A likes B and vice versa’ মানে B-ও A-কে পছন্দ করে। অর্থাৎ পরস্পরের জায়গা বদলে নিলেও কথা সত্য থাকে, তাই এর উত্তর the terms being exchanged। বাকি বিকল্পগুলো অন্য শব্দগুচ্ছের অর্থ: for example, namely ও face to face কোনোটিই vice versa-র অর্থ নয়।
    মনে রাখুন:
    For example হলো e.g., আর ‘that is’ হলো i.e.।
    Namely-এর সংক্ষিপ্ত রূপ viz.।
    Etc. এসেছে et cetera থেকে, অর্থ এবং আরও অন্যান্য।
  7. ৩২. Fill in the blanks: She aspires — a scientific career.
    • ক. to
    • খ. for
    • গ. from
    • ঘ. by
    উত্তর: ক. to
    Aspire verb-টির সঙ্গে standard ইংরেজিতে preposition to বসে: aspire to something। অর্থ কোনো উচ্চ লক্ষ্যে পৌঁছানোর আকাঙ্ক্ষা করা। তাই সঠিক বাক্য She aspires to a scientific career। আমরা মনে রাখতে পারি, for বসলে সাধারণত long for বা yearn for-এর মতো গঠন হয়।
    মনে রাখুন:
    Aspire-এর noun রূপ aspiration, adjective রূপ aspiring।
    আরও কয়েকটি verb + preposition: depend on, aim at, look for।
  8. ৩৩. 'Procession' is a — term.
    • ক. mythological
    • খ. religious
    • গ. political
    • ঘ. banking
    উত্তর: খ. religious
    Procession মানে শোভাযাত্রা বা মিছিল, যেখানে অনেক মানুষ সারি বেঁধে একসঙ্গে হাঁটে। এটি ধর্মীয় উৎসবে বেশি দেখা যায়, যেমন মহররমের মিছিল বা পূজার শোভাযাত্রা। তাই এই শব্দটিকে এখানে religious term ধরা হয়েছে। Mythological মানে পুরাণ-সংক্রান্ত, political মানে রাজনীতি-সংক্রান্ত, আর banking মানে ব্যাংক-সংক্রান্ত, এগুলোর সঙ্গে procession-এর সম্পর্ক কম।
    মনে রাখুন: Procession-এর মতো ধর্মীয় শব্দ: pilgrimage (তীর্থযাত্রা), sermon (ধর্মোপদেশ), congregation (সমবেত ভক্তমণ্ডলী)।
  9. ৩৪. Choose the correct sentence.
    • ক. Though he is strong but he is lazy.
    • খ. Though he is strong, he is lazy.
    • গ. Though he is strong, yet he is lazy.
    • ঘ. Though he is strong or he is lazy.
    উত্তর: খ. Though he is strong, he is lazy.
    Though বা Although ব্যবহার করলে অন্য clause-এ আর কোনো conjunction, যেমন but বা yet বসে না। Though he is strong, he is lazy বাক্যে শুধু একটি conjunction আছে, তাই এটি শুদ্ধ। বাকি বাক্যগুলোতে but, yet বা or যোগ করায় দ্বিতীয় একটি conjunction বেশি হয়ে ভুল হয়েছে। Or এখানে অর্থের দিক থেকেও খাপ খায় না।
    মনে রাখুন:
    Because-এর সঙ্গে so বসে না, Although-এর সঙ্গে but বসে না।
    উদাহরণ:
    Although it rained, we went out.
    Because he was ill, he stayed at home.
  10. ৩৫. 'When wisdom brings no profit / To be wise is to suffer,' is taken from—
    • ক. King Lear
    • খ. Dr. Faustus
    • গ. Sons and Lovers
    • ঘ. King Oedipus
    উত্তর: ঘ. King Oedipus
    উদ্ধৃতিটি গ্রিক নাট্যকার সফোক্লিসের ট্র্যাজেডি King Oedipus (Oedipus Rex) থেকে নেওয়া। নাটকে অন্ধ ভবিষ্যদ্বক্তা টাইরেসিয়াস এ কথা বলেন, কারণ তিনি সত্য জেনেও রাজাকে বাঁচাতে পারছিলেন না। অর্থাৎ জ্ঞান থাকলেও তা কাজে না এলে জ্ঞানী হওয়া কষ্টেরই কারণ হয়। অন্য নাটক ও উপন্যাসের সঙ্গে এই কথার কোনো মিল নেই।
    মনে রাখুন:
    King Lear ও Hamlet শেক্সপিয়রের।
    Dr. Faustus লিখেছেন ক্রিস্টোফার মার্লো।
    Sons and Lovers ডি এইচ লরেন্সের উপন্যাস।
    সফোক্লিসের আরও একটি বিখ্যাত নাটক Antigone।
  11. ৩৭. Fill in the blank: Turjo — the tree with an axe.
    • ক. cut down
    • খ. cut off
    • গ. cut out
    • ঘ. cut in
    উত্তর: ক. cut down
    Cut down মানে কেটে ফেলে দেওয়া, বিশেষ করে গাছ কেটে ফেলা। তাই সঠিক বাক্য Turjo cut down the tree with an axe। Cut off মানে কেটে বিচ্ছিন্ন করা, যেমন বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া। Cut out মানে কেটে আকার দেওয়া বা বাদ দেওয়া। আর cut in মানে কথার মাঝে বাধা দেওয়া। কুড়াল দিয়ে গাছ ফেলার অর্থ কেবল cut down দেয়।
    মনে রাখুন:
    Cut down on মানে কোনো কিছুর পরিমাণ কমানো, যেমন cut down on sugar।
    Phrasal verb-এর অর্থ আলাদা আলাদা প্রসঙ্গে বদলে যায়, তাই বাক্য দেখে ঠিক করতে হয়।
  12. ৩৮. He advised me — smoking.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
    • ক. giving
    • খ. to give up
    • গ. in giving up
    • ঘ. from giving up
    উত্তর: খ. to give up
    Advise-এর পরে object এবং তারপর to + verb বসে: advised me to give up। Give up মানে ছেড়ে দেওয়া। তাই বাক্যের অর্থ দাঁড়ায়, সে আমাকে ধূমপান ছাড়তে পরামর্শ দিয়েছিল। আর ‘advised me giving up’ বা ‘advised me from giving up’ ব্যাকরণসম্মত নয়, কারণ object-এর পরে infinitive লাগে।
    মনে রাখুন:
    Advise + object + to-infinitive, কিন্তু advise-এর পর সরাসরি gerund-ও বসে (He advised giving up smoking), তবে সেখানে object থাকে না।
    Advice (উপদেশ) noun, advise (উপদেশ দেওয়া) verb।
  13. ৩৯. Five miles — a long distance.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
    • ক. are
    • খ. were
    • গ. is
    • ঘ. have
    উত্তর: গ. is
    দূরত্ব, সময় বা টাকার পরিমাণ বহুবচন আকারে লেখা থাকলেও সেটিকে একটি সম্পূর্ণ একক হিসেবে ধরা হয়, তাই verb বসে singular। এখানে five miles আলাদা পাঁচটি মাইল নয়, একটি দূরত্ব। আর তাই Five miles is a long distance। A long distance-এর a থাকায় বোঝা যায়, এখানে একটিমাত্র দূরত্বের কথা বলা হচ্ছে।
    উদাহরণ:
    Ten kilometres is a long walk.
    Fifty taka is enough.
    Two hours is not enough.
  14. ৪০. 'Hamlet' is written by—
    • ক. Christopher Marlowe
    • খ. William Congreve
    • গ. William Shakespeare
    • ঘ. John Webster
    উত্তর: গ. William Shakespeare
    Hamlet উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি, যাতে ডেনমার্কের যুবরাজ হ্যামলেট পিতার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করেন। নাটকের ঘটনা এলসিনোর দুর্গে ঘটে। শেক্সপিয়র ১৫৬৪ সালে জন্মেছিলেন এবং ১৬১৬ সালে মারা যান। বাকি তিনজন লেখকও নাট্যকার, কিন্তু Hamlet তাঁদের লেখা নয়।
    মনে রাখুন:
    শেক্সপিয়রের চারটি প্রধান ট্র্যাজেডি Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth।
    ক্রিস্টোফার মার্লোর নাটক Doctor Faustus।
    উইলিয়াম কংগ্রিভের নাটক The Way of the World।
    জন ওয়েবস্টারের নাটক The Duchess of Malfi।
  15. ৪১. I wish—
    • ক. I am a magician
    • খ. I were a magician
    • গ. I had been a magician
    • ঘ. I will be a magician
    উত্তর: খ. I were a magician
    I wish দিয়ে বাস্তবে সম্ভব নয় এমন ইচ্ছা বোঝালে পরের অংশে past form বসে। Be verb-এর ক্ষেত্রে সব person-এর সঙ্গেই were ব্যবহার হয়, এমনকি I বা he-এর সঙ্গেও। তাই I wish I were a magician, অর্থাৎ আমি যদি জাদুকর হতাম, কিন্তু আমি আসলে জাদুকর নই। বর্তমান সময়ের কাল্পনিক ইচ্ছায় am বা will be বসে না।
    মনে রাখুন:
    Past-এর অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝাতে I wish + had + v3 বসে, যেমন I wish I had studied.
    If-এর কাল্পনিক বাক্যেও একই নিয়ম: If I were a bird, I would fly.
  16. ৪২. 'Quorum' fits best with the meaning.
    • ক. required number
    • খ. allowed number
    • গ. number
    • ঘ. additional number
    উত্তর: ক. required number
    Quorum হলো কোনো সভা বা সংসদের বৈধ কাজ শুরু করার জন্য সর্বনিম্ন যতজন সদস্য উপস্থিত থাকা দরকার, সেই সংখ্যা। তাই Quorum মানে required number। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এই সংখ্যা ৬০ জন, অর্থাৎ ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না থাকলে অধিবেশন চলে না। Allowed number বা additional number বললে এর আসল ভাবটি ধরা পড়ে না।
    মনে রাখুন:
    সংবিধানের ৭৫ নম্বর অনুচ্ছেদে সংসদের কোরামের কথা আছে।
    সংসদের মোট আসন ৩০০টি।
    কোরাম না থাকলে স্পিকার সভা মুলতবি করে দেন।
  17. ৪৩. What is the adjective of the word 'Tax'?
    • ক. Taxable
    • খ. Taxation
    • গ. Taxability
    • ঘ. Taxing
    উত্তর: ক. Taxable
    Tax মানে কর। এর noun রূপ taxation (করারোপ), আর adjective রূপ taxable, যার অর্থ করযোগ্য। Taxing আসলে V-ing রূপের adjective, যার অর্থ কঠিন বা ক্লান্তিকর, যেমন a taxing task। তাই ‘করযোগ্য’ বোঝাতে taxable ঠিক বসে। Taxability শব্দটিও আছে, তবে সেটি noun, অর্থ করযোগ্যতা।
    উদাহরণ:
    This income is taxable.
    Taxation is a source of government revenue.
    মনে রাখুন: -able প্রত্যয় যোগ হলে ‘যা করা যায়’ অর্থ হয়, যেমন readable, washable।
  18. ৪৪. 'Whom did she accuse?' Choose the right passive voice.
    • ক. Who was accused by her?
    • খ. Who had been accused by her?
    • গ. Who was being accused by her?
    • ঘ. Who has been accused by her?
    উত্তর: ক. Who was accused by her?
    Wh-word দিয়ে শুরু হওয়া প্রশ্নে whom থাকলে passive-এ whom বদলে who বসে এবং auxiliary verb এসে যায়। এখানে active-এর verb simple past, তাই passive-এ was accused বসে। Subject she হয় by her। এভাবে Whom did she accuse? থেকে হয় Who was accused by her? বাকি বিকল্পগুলোতে had been, was being বা has been থাকায় tense বদলে গেছে।
    উদাহরণ: Whom did you call? → Who was called by you?
    মনে রাখুন: Passive-এর গঠন হলো be-verb + past participle, এবং tense অপরিবর্তিত থাকে।
  19. ৪৫. Which one is correct?
    • ক. Here come he
    • খ. Here comes he
    • গ. Here he comes
    • ঘ. Here come Ali
    উত্তর: গ. Here he comes
    বাক্যের শুরুতে Here বা There এলে সাধারণত verb আগে আসে এবং subject পরে বসে। কিন্তু subject যদি সর্বনাম (pronoun) হয়, তাহলে এই inversion হয় না, তখন বলতে হয় Here he comes। Subject বিশেষ্য হলে বলা যায় Here comes Ali, তবে সেখানে singular বিশেষ্যের সঙ্গে comes বসে, আর তাই Here come Ali ভুল। Here come he এবং Here comes he সর্বনামের ক্ষেত্রেও ভুল।
    উদাহরণ:
    Here comes the bus.
    Here it comes.
    মনে রাখুন: There-এর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম: There goes the bell, কিন্তু There she goes.
  20. ৪৬. The Latin expression 'i.e' stands for—
    • ক. idest
    • খ. ideal energy
    • গ. inner edition
    • ঘ. in Europe
    উত্তর: ক. idest
    i.e. ল্যাটিন id est-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যার ইংরেজি অর্থ that is। কোনো কথার ব্যাখ্যা বা বিশদ দিতে এটি ব্যবহার করা হয়। বিকল্পগুলোর মধ্যে ideal energy, inner edition বা in Europe কোনোটিই এর পূর্ণরূপ নয়।
    মনে রাখুন:
    e.g. এসেছে exempli gratia থেকে, অর্থ for example।
    viz. মানে namely।
    A.M. মানে ante meridiem (দুপুরের আগে), P.M. মানে post meridiem (দুপুরের পরে)।
    উদাহরণ: He loves fruits, i.e. mango and banana.
  21. ৪৭. Come on, it's time to go home. Here 'home' is a/an—
    • ক. noun
    • খ. adjective
    • গ. adverb
    • ঘ. pronoun
    উত্তর: গ. adverb
    ‘Time to go home’-এ go একটি intransitive verb, আর home এখানে বলছে কোথায় যাওয়া হবে, অর্থাৎ ক্রিয়ার দিক বা স্থান। তাই home এখানে adverb। Home যখন বিশেষ্য, তখন সেটি a বা the-এর পরে বসে, যেমন My home is large। আর adjective হলে বিশেষ্যের আগে বসে, যেমন a home remedy (ঘরোয়া প্রতিকার)।
    উদাহরণ:
    He went home. (adverb)
    Home is sweet. (noun)
    মনে রাখুন: Adverb ক্রিয়ার আগে বা পরে বসে ক্রিয়া কীভাবে, কোথায় বা কখন হচ্ছে তা বোঝায়।
  22. ৪৮. 'A mental illness in which somebody has a strong desire, which they cannot control to steal things' is expressed by—
    • ক. insomnia
    • খ. kleptomania
    • গ. anemia
    • ঘ. amnesia
    উত্তর: খ. kleptomania
    যে মানসিক রোগে মানুষ চুরির ইচ্ছা সামলাতে পারে না, তাকে kleptomania বলে। এই রোগীর কাছে চুরি করা লাভের কাজ নয়, বরং ভেতরের একটা জোর। Insomnia মানে অনিদ্রা, anemia মানে রক্তস্বল্পতা, আর amnesia মানে স্মৃতিলোপ। তাই বিবরণ অনুযায়ী উত্তর kleptomania।
    মনে রাখুন:
    Klepto শব্দের মানে চোর, mania মানে প্রবল ঝোঁক।
    Pyromania মানে আগুন লাগানোর প্রবল ঝোঁক।
    রোগীকে kleptomaniac বলা হয়।
  23. ৪৯. It's time you— your mistakes.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
    • ক. realised
    • খ. had realised
    • গ. realise
    • ঘ. have realised
    উত্তর: ক. realised
    It's time বা It's high time-এর পরে subject থাকলে সাধারণত past tense বসে, যদিও কথাটি বর্তমান সময়ের। অর্থাৎ কাজটা করার সময় এসে গেছে, বরং কিছুটা দেরি হয়ে গেছে। তাই It's time you realised your mistakes। Had realised বা have realised এখানে ঠিক নয়, কারণ এই গঠনে সরল past form ব্যবহার হয়।
    মনে রাখুন:
    Subject না থাকলে It's time to realise এভাবে to + verb বসে।
    উদাহরণ: It's high time we left.
  24. ৫০. 'Out and Out' means—
    • ক. not at all
    • খ. brave
    • গ. thoroughly
    • ঘ. whole heartedly
    উত্তর: গ. thoroughly
    Out and out একটি idiom, অর্থ পুরোপুরি বা সম্পূর্ণভাবে। ইংরেজিতে thoroughly শব্দটিও একই অর্থ বোঝায়। যেমন an out-and-out liar মানে সম্পূর্ণ মিথ্যাবাদী। Not at all এর অর্থ মোটেই না, যা একেবারে উল্টো। আর brave মানে সাহসী।
    মনে রাখুন:
    আরও কয়েকটি idiom: by and by মানে একটু পরে, now and then মানে মাঝে মাঝে, off and on মানে থেমে থেমে।
    Idiom-এর অর্থ শব্দের আভিধানিক অর্থ থেকে আলাদা হয়।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ৩৬. 'RAM' means—
    • ক. random-access memory
    • খ. read and memorize
    • গ. reading and money
    • ঘ. real African monkey
    উত্তর: ক. random-access memory
    RAM-এর পূর্ণরূপ Random Access Memory। কম্পিউটার যখন কোনো প্রোগ্রাম চালায়, তখন সেই তথ্য সাময়িকভাবে এখানে জমা থাকে, তাই একে প্রধান বা অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM-এর তথ্য মুছে যায়, আর এ জন্য একে ভোলাটাইল মেমোরিও বলে। এর পূর্ণরূপ থেকেই বোঝা যায়, যেকোনো জায়গার তথ্য সরাসরি তুলে আনা যায়।
    মনে রাখুন:
    ROM-এর পূর্ণরূপ Read Only Memory, এর তথ্য বিদ্যুৎ গেলেও থাকে, তাই এটি স্থায়ী মেমোরি।
    Cache মেমোরি RAM-এর চেয়েও দ্রুত।
    কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয় CPU-কে।
  2. ৬৩. সকল নেটওয়ার্কের জননী কোনটি?
    • ক. ই-মেইল
    • খ. ইন্টারনেট
    • গ. মোবাইল
    • ঘ. টেলিফোন
    উত্তর: খ. ইন্টারনেট
    ইন্টারনেট হলো পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য ছোট-বড় নেটওয়ার্কের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক। এর সঙ্গে বহু নেটওয়ার্ক যুক্ত হয়ে তথ্য আদানপ্রদান করে, তাই একে সকল নেটওয়ার্কের জননী (Mother of all networks) বলা হয়। ই-মেইল, মোবাইল বা টেলিফোন সবই ইন্টারনেট বা অন্য নেটওয়ার্কের ওপর চলা সেবা বা মাধ্যম, নিজে সকল নেটওয়ার্কের জননী নয়।
    মনে রাখুন:
    ইন্টারনেটের পূর্বসূরি ছিল আরপানেট (ARPANET), যা ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে চালু হয়।
    ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) উদ্ভাবন করেন টিম বার্নার্স-লি।
    ইন্টারনেট ও ওয়েব এক জিনিস নয়, ওয়েব ইন্টারনেটের ওপর চলে।

গণিত

  1. ৫১. কোন সংখ্যার ৩৭% হ্রাস পেলে ৩/৮ হয়?
    • ক. ১৫/৪২
    • খ. ২৫/২৮
    • গ. ৫/৪২
    • ঘ. ২৫/৪২
    উত্তর: ঘ. ২৫/৪২
    সংখ্যাটি x ধরি। ৩৭% কমলে থাকে ৬৩%, অর্থাৎ 0.63x। শর্ত অনুসারে 0.63x = 3/8।
    x = 3/(8 × 0.63) = 300/(8 × 63) = 25/42।
    যাচাই: 25/42 × 63/100 = (25 × 63)/(42 × 100) = 1575/4200 = 3/8, তাই উত্তর মেলে।
    মনে রাখুন:
    p% কমলে বাকি থাকে (100 − p)%।
    p% বাড়লে হয় (100 + p)%।
  2. ৫২. পরপর দুটি পূর্ণ সংখ্যা নির্ণয় করুন যাদের বর্গের পার্থক্য হবে ৫৩।
    • ক. 25, 26
    • খ. 26, 27
    • গ. 27, 28
    • ঘ. 28, 29
    উত্তর: খ. 26, 27
    পরপর দুটি সংখ্যা n ও n + 1 হলে বর্গের পার্থক্য (n + 1)² − n² = 2n + 1, অর্থাৎ সংখ্যা দুটির যোগফল। 2n + 1 = 53 হলে 2n = 52, তাই n = 26। সংখ্যা দুটি 26 ও 27।
    যাচাই: 27² − 26² = 729 − 676 = 53।
    মনে রাখুন:
    পরপর দুটি সংখ্যার বর্গের পার্থক্য সংখ্যা দুটির যোগফলের সমান।
    এই নিয়ম a² − b² = (a + b)(a − b) সূত্র থেকে আসে, কারণ a − b = 1।
  3. ৫৩. তিনটি ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল ৫৭। মধ্যম সংখ্যাটি কত?
    • ক. ১৯
    • খ. ২১
    • গ. ২৩
    • ঘ. ১৭
    উত্তর: ক. ১৯
    ক্রমিক বিজোড় সংখ্যা তিনটির মধ্যমটি x ধরলে সংখ্যা তিনটি x − 2, x, x + 2। যোগফল (x − 2) + x + (x + 2) = 3x, আর এটি 57 দেওয়া আছে। তাই 3x = 57, অর্থাৎ x = 19।
    যাচাই: 17 + 19 + 21 = 57।
    মনে রাখুন:
    ক্রমিক সংখ্যার যোগফলকে সংখ্যার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মধ্যম সংখ্যা পাওয়া যায়।
    ক্রমিক জোড় সংখ্যার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম খাটে, কারণ ব্যবধান 2।
  4. ৫৪. দুটি সংখ্যার অন্তর ১২। বড়টির সঙ্গে ১ যোগ করলে ছোটটির দ্বিগুণ হয়। সংখ্যা দুটি কত?
    • ক. ৩৫, ২৩
    • খ. ২০, ৮
    • গ. ৩০, ১৮
    • ঘ. ২৫, ১৩
    উত্তর: ঘ. ২৫, ১৩
    দুটি সংখ্যার অন্তর ১২ হলে ছোট সংখ্যা x ধরলে বড় সংখ্যা x + 12। শর্ত হলো, বড়টির সঙ্গে ১ যোগ করলে ছোটটির দ্বিগুণ হয়। তাই x + 12 + 1 = 2x, অর্থাৎ x + 13 = 2x, ফলে x = 13। বড় সংখ্যা 13 + 12 = 25।
    যাচাই: 25 + 1 = 26 = 2 × 13, আর 25 − 13 = 12।
    মনে রাখুন: দুই সংখ্যার প্রশ্নে ছোটটিকে x ধরলে সমীকরণ সহজ হয়।
  5. ৫৫. কত জনের মধ্যে ১২৫টি কমলা ও ১৪৫টি কলা সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যায়?
    • ক. ২৫ জন
    • খ. ১৫ জন
    • গ. ৩৫ জন
    • ঘ. ৫ জন
    উত্তর: ঘ. ৫ জন
    ১২৫টি কমলা ও ১৪৫টি কলা একই সংখ্যক জনের মধ্যে সমানভাবে ভাগ হবে, অর্থাৎ জনসংখ্যা দুই সংখ্যারই সাধারণ উৎপাদক। এখন 125 = 5³ এবং 145 = 5 × 29, তাই গ.সা.গু. 5। অতএব ৫ জনের মধ্যে ভাগ করা যায়। ২৫ জন নিলে ১৪৫টি কলা সমান ভাগ হয় না, কারণ 145 ÷ 25 পূর্ণসংখ্যা নয়।
    যাচাই: প্রত্যেকে কমলা 25টি ও কলা 29টি পায়।
    মনে রাখুন: সমান ভাগের সর্বোচ্চ সংখ্যা বের করতে গ.সা.গু. লাগে।
  6. ৫৬. দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ এবং তাদের গ.সা.গু. ৮ হলে ল.সা.গু. কত?
    • ক. ২০০
    • খ. ২২৪
    • গ. ২৪০
    • ঘ. ২৪৮
    উত্তর: গ. ২৪০
    দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ হলে সংখ্যা দুটি 5x ও 6x ধরা যায়। এদের গ.সা.গু. x, কারণ ৫ ও ৬ পরস্পর মৌলিক, আর ল.সা.গু. 5 × 6 × x = 30x। গ.সা.গু. 8 দেওয়া আছে, তাই x = 8 এবং ল.সা.গু. = 30 × 8 = 240।
    যাচাই: সংখ্যা 40 ও 48, গুণফল 1920, আর গ.সা.গু. × ল.সা.গু. = 8 × 240 = 1920।
    মনে রাখুন: দুটি সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.।
  7. ৫৭. ৯০ কোন সংখ্যার ৭৫%?
    • ক. ১০০
    • খ. ১২০
    • গ. ৭৫
    • ঘ. ৯০
    উত্তর: খ. ১২০
    সংখ্যাটি x হলে x-এর 75% = 90, অর্থাৎ (75/100)x = 90। এখান থেকে x = 90 × 100/75 = 120।
    যাচাই: 120 এর 75% = 120 × 3/4 = 90।
    শর্টকাট: 75% মানে 3/4, তাই 90 কে 3 দিয়ে ভাগ করে 4 দিয়ে গুণ করলে 120 হয়।
    মনে রাখুন:
    25% = 1/4, 50% = 1/2, 75% = 3/4।
    মূল সংখ্যা খুঁজতে হলে প্রাপ্ত মানকে 100 দিয়ে গুণ করে শতকরা হার দিয়ে ভাগ করতে হয়।
  8. ৫৮. ৩, ৯, ৪ এর ৪র্থ সমানুপাতিক কত?
    • ক. ১২
    • খ. ১৬
    • গ. ১৮
    • ঘ. ২০
    উত্তর: ক. ১২
    ৩, ৯, ৪ এর চতুর্থ সমানুপাতিক x হলে 3 : 9 = 4 : x হবে। সমানুপাতে মধ্যপদ দুটির গুণফল প্রান্তপদ দুটির গুণফলের সমান, তাই 3 × x = 9 × 4। এখান থেকে x = (9 × 4)/3 = 12।
    যাচাই: 3 : 9 = 1 : 3 এবং 4 : 12 = 1 : 3।
    মনে রাখুন:
    a, b, c এর চতুর্থ সমানুপাতিক = (b × c)/a।
    a : b = c : d হলে ad = bc।
  9. ৫৯. ক্রয়মূল্য : বিক্রয়মূল্য = ৫ : ৬, লাভ কত?
    • ক. ২০%
    • খ. ২৫%
    • গ. ৩০%
    • ঘ. ১৫%
    উত্তর: ক. ২০%
    ক্রয়মূল্য : বিক্রয়মূল্য = ৫ : ৬ হলে ক্রয়মূল্য 5x ও বিক্রয়মূল্য 6x ধরা যায়। বিক্রয়মূল্য বেশি, তাই লাভ হয়েছে। লাভ = 6x − 5x = x। লাভের শতকরা হার = (x/5x) × 100 = 20%।
    যাচাই: ক্রয়মূল্য 100 টাকা হলে বিক্রয়মূল্য 120 টাকা, লাভ 20 টাকা।
    মনে রাখুন:
    লাভের হার সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর ধরা হয়।
    লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য।
  10. ৬০. x⁴ − 3x − 2 কে x + 1 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কী হবে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) ২০১৯
    • ক. ১
    • খ. ২
    • গ. ৩
    • ঘ. ৪
    উত্তর: খ. ২
    ভাগশেষ উপপাদ্য অনুসারে x + 1 দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ হয় x = −1 বসিয়ে পাওয়া মান। (−1)⁴ − 3(−1) − 2 = 1 + 3 − 2 = 2। তাই ভাগশেষ 2। এখানে (−1)⁴ = 1, কারণ জোড় ঘাতে ঋণাত্মক সংখ্যা ধনাত্মক হয়।
    মনে রাখুন:
    x − a দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ f(a)।
    x + a দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ f(−a)।
    ভাগশেষ 0 হলে (x − a) রাশিটির উৎপাদক।
  11. ৬১. bc/((a−b)(a−c)) + ca/((b−c)(b−a)) + ab/((c−a)(c−b)) = ?
    • ক. ০
    • খ. ১
    • গ. a+b+c
    • ঘ. −১
    উত্তর: খ. ১
    এই রাশিমালাটি প্রতিসম, তাই a, b, c-এর সুবিধাজনক মান বসিয়ে এর মান যাচাই করা যায়। আমরা a = 1, b = 2, c = 3 বসাই।
    প্রথম পদ = bc/((a−b)(a−c)) = 6/((−1)(−2)) = 3।
    দ্বিতীয় পদ = ca/((b−c)(b−a)) = 3/((−1)(1)) = −3।
    তৃতীয় পদ = ab/((c−a)(c−b)) = 2/((2)(1)) = 1।
    যোগফল = 3 − 3 + 1 = 1।
    মনে রাখুন:
    লবে a, b, c থাকলে যোগফল 0, আর লবে bc, ca, ab থাকলে যোগফল 1।
    এ ধরনের প্রতিসম রাশিতে সুবিধাজনক মান বসিয়ে যাচাই করা দ্রুত পদ্ধতি।
  12. ৬২. log₂64 + log₂8-এর মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫, এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
    • ক. ১২৮
    • খ. ৭
    • গ. ৯
    • ঘ. ২
    উত্তর: গ. ৯
    লগারিদমের মান বের করতে সংখ্যাকে ভিত্তির ঘাত হিসেবে লিখতে হয়। 64 = 2⁶ এবং 8 = 2³, তাই log₂64 = 6 ও log₂8 = 3। যোগফল 6 + 3 = 9।
    শর্টকাট: log₂64 + log₂8 = log₂(64 × 8) = log₂512 = 9, কারণ 512 = 2⁹।
    মনে রাখুন:
    log m + log n = log(mn)।
    log m − log n = log(m/n)।
    log_a a = 1 এবং log 1 = 0।
  13. ৬৫. a/b + b/a = 6 হলে a²/b² + b²/a² + 2 এর মান কত?
    • ক. ৪০
    • খ. ৩৬
    • গ. ৩২
    • ঘ. ৩০
    উত্তর: খ. ৩৬
    আমরা জানি (x + y)² = x² + y² + 2xy। এখানে x = a/b এবং y = b/a ধরলে xy = (a/b) × (b/a) = 1, তাই 2xy = 2।
    সুতরাং (a/b + b/a)² = a²/b² + b²/a² + 2। বাঁ দিকে a/b + b/a = 6 বসালে মান হয় 6² = 36।
    মনে রাখুন:
    এখান থেকে a²/b² + b²/a² = 36 − 2 = 34।
    a + 1/a = k হলে a² + 1/a² = k² − 2।
  14. ৬৬. log₅ ∛5 = ?
    • ক. ১/৩
    • খ. ১/৫
    • গ. ৩/৫
    • ঘ. ৫/৩
    উত্তর: ক. ১/৩
    ঘনমূল মানে 1/3 ঘাত, তাই ∛5 = 5^(1/3)। লগারিদমের ঘাত সূত্র অনুযায়ী log₅ 5^(1/3) = (1/3) log₅ 5। যেহেতু log₅ 5 = 1, তাই মান হয় 1/3 × 1 = 1/3।
    মনে রাখুন:
    log_a a = 1 এবং log m^n = n log m।
    বর্গমূলের জন্য ঘাত 1/2, ঘনমূলের জন্য ঘাত 1/3।
    উদাহরণ: log₂ √2 = 1/2।
  15. ৬৭. A = ৩০° হলে 2tanA / tan²A = ?
    • ক. ২
    • খ. ২/√৩
    • গ. ৪
    • ঘ. ২√৩
    উত্তর: ঘ. ২√৩
    প্রথমে রাশিটিকে সরল করি: 2tanA/tan²A = 2/tanA, কারণ লব ও হর থেকে একটি tanA কেটে যায়। A = 30° হলে tanA = 1/√3, তাই মান = 2 ÷ (1/√3) = 2√3।
    মনে রাখুন:
    tan30° = 1/√3, tan45° = 1, tan60° = √3।
    sin30° = 1/2, cos30° = √3/2।
    cot A = 1/tan A, তাই 2/tanA = 2cotA = 2√3।
  16. ৬৮. 9^(x+2) = 81 হলে x = ?
    • ক. ০
    • খ. ১
    • গ. ২
    • ঘ. ৩
    উত্তর: ক. ০
    প্রথমে 81-কে 9-এর ঘাত হিসেবে লিখি। 81 = 9², তাই 9^(x+2) = 9²। ভিত্তি সমান হলে ঘাত সমান হয়, অর্থাৎ x + 2 = 2, সুতরাং x = 0।
    যাচাই: x = 0 হলে 9^(0+2) = 9² = 81।
    মনে রাখুন:
    a^m = a^n হলে m = n (a ≠ 0, 1 হলে)।
    a⁰ = 1।
  17. ৭২. ০.০১ × ০.০১ = ?
    • ক. ০.০১
    • খ. ০.১
    • গ. ০.০০১
    • ঘ. ০.০০০১
    উত্তর: ঘ. ০.০০০১
    ০.০১ মানে 1/100, তাই 0.01 × 0.01 = (1/100) × (1/100) = 1/10000 = 0.0001।
    শর্টকাট: দশমিকের পর ২ অঙ্ক ও ২ অঙ্ক মিলে মোট ৪ অঙ্ক হবে, আর 1 × 1 = 1। তাই ডানদিক থেকে ৪ ঘর গুনে দশমিক বসালে 0.0001 পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    দশমিক গুণের সময় দুই সংখ্যার দশমিকের পরের অঙ্কসংখ্যা যোগ করে গুণফলে দশমিক বসে।
    উদাহরণ: 0.2 × 0.3 = 0.06।
  18. ৭৩. সমকোণী ত্রিভুজের কোনটি বৃহত্তম বাহু?
    • ক. ভূমি
    • খ. অতিভুজ
    • গ. লম্ব
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. অতিভুজ
    সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভুজ (Hypotenuse) বলে। পিথাগোরাসের সূত্র অনুযায়ী অতিভুজের বর্গ বাকি দুই বাহুর বর্গের যোগফলের সমান। যোগফল সবসময় প্রতিটি বর্গের চেয়ে বড় হয়, তাই অতিভুজ সবচেয়ে বড় বাহু। ভূমি ও লম্ব দুটিই অতিভুজের চেয়ে ছোট।
    মনে রাখুন:
    (অতিভুজ)² = (ভূমি)² + (লম্ব)²।
    উদাহরণ: 3, 4, 5 বাহুর ত্রিভুজে 5² = 3² + 4², আর 5 অতিভুজ।
    সমকোণী ত্রিভুজের বাকি দুটি কোণ সূক্ষ্মকোণ।
  19. ৭৪. সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
    • ক. (√৩/৪)a²
    • খ. (√৩/২)a²
    • গ. (১/২)a²
    • ঘ. (৩/২)a²
    উত্তর: ক. (√৩/৪)a²
    সমবাহু ত্রিভুজের বাহু a হলে উচ্চতা (√3/2)a। এটি পাওয়া যায় ভূমির মধ্যবিন্দু ধরে পিথাগোরাসের সূত্রে: উচ্চতা² = a² − (a/2)² = (3/4)a²। ক্ষেত্রফল = (1/2) × ভূমি × উচ্চতা = (1/2) × a × (√3/2)a = (√3/4)a²।
    যাচাই: a = 2 হলে ক্ষেত্রফল (√3/4) × 4 = √3।
    মনে রাখুন: সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা 3a এবং প্রতিটি কোণ 60°।

বিজ্ঞান

  1. ৬৪. ক্যান্সার চিকিৎসায় কোনটি ব্যবহার করা হয়?
    • ক. এমআরআই
    • খ. কেমোথেরাপি
    • গ. এনজিওগ্রাফি
    • ঘ. আলট্রাসনোগ্রাফি
    উত্তর: খ. কেমোথেরাপি
    ক্যান্সারে শরীরের কিছু কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকে। কেমোথেরাপি (Chemotherapy) নামের চিকিৎসায় বিশেষ রাসায়নিক ওষুধ দিয়ে এই ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা বা তাদের বৃদ্ধি বন্ধ করা হয়। অন্য তিনটি পদ্ধতি রোগ নির্ণয়ের জন্য, চিকিৎসার জন্য নয়।
    মনে রাখুন:
    এমআরআই: চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে শরীরের ভেতরের ছবি তোলা।
    আলট্রাসনোগ্রাফি: শব্দতরঙ্গ দিয়ে ছবি তোলা।
    এনজিওগ্রাফি: রক্তনালির ছবি তোলা।
    ক্যান্সারের অন্যান্য চিকিৎসা: অস্ত্রোপচার ও রেডিওথেরাপি (বিকিরণ চিকিৎসা)।
  2. ৬৯. ক্যাসেটের ফিতার শব্দ রক্ষিত থাকে কী হিসাবে?
    • ক. বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে
    • খ. মেমোরিচিপ হিসেবে
    • গ. চুম্বক হিসেবে
    • ঘ. কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে
    উত্তর: গ. চুম্বক হিসেবে
    ক্যাসেটের ফিতায় লোহার অক্সাইড বা ক্রোমিয়াম ডাই-অক্সাইডের মতো চৌম্বক পদার্থের সূক্ষ্ম কণার আস্তরণ থাকে। রেকর্ড করার সময় শব্দের সংকেত থেকে তৈরি হওয়া চৌম্বক ক্ষেত্র এই কণাগুলোকে চুম্বকিত করে দেয়। ক্ষেত্র সরিয়ে নিলেও চুম্বকত্ব থেকে যায়, তাই শব্দ চুম্বক হিসেবেই জমা থাকে। এটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র, মেমোরিচিপ বা কার্বন ক্ষেত্র নয়।
    মনে রাখুন: চালানোর সময় এই চৌম্বক নকশা থেকে আবার বিদ্যুৎ সংকেত তৈরি করে শব্দ ফিরিয়ে আনা হয়।
    সিডিতে তথ্য জমা থাকে লেজার দিয়ে পড়া গর্তের আকারে।
  3. ৭০. টিউব লাইটে সাধারণত কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
    • ক. হাইড্রোজেন
    • খ. আর্গন
    • গ. নিয়ন
    • ঘ. নাইট্রোজেন
    উত্তর: খ. আর্গন
    টিউব লাইটের কাচের নলের ভেতরে অল্প পরিমাণ পারদের বাষ্প ও আর্গন (Argon) গ্যাস ভরা থাকে। বিদ্যুৎ চালালে এই গ্যাসের মধ্য দিয়ে ডিসচার্জ হয়ে অতিবেগুনি রশ্মি তৈরি হয়, যা নলের ভেতরের ফসফর আস্তরণে পড়ে দৃশ্যমান আলো দেয়। আর্গন নিষ্ক্রিয় গ্যাস, তাই এটি নলের ভেতরের জিনিসের ক্ষয় ঠেকায়।
    মনে রাখুন:
    সাধারণ বাল্বে ভরা থাকে নাইট্রোজেন বা আর্গন।
    বিজ্ঞাপনের নিয়ন বাতিতে নিয়ন গ্যাস থাকে।
    টিউব লাইট সাধারণ বাল্বের চেয়ে কম বিদ্যুতে বেশি আলো দেয়।
  4. ৭১. কোনটি সোয়াইন ফ্লু-এর ভাইরাস?
    • ক. H₂N₁
    • খ. N₁H₁
    • গ. H₁N₁
    • ঘ. HN
    উত্তর: গ. H₁N₁
    সোয়াইন ফ্লু (Swine flu) ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের একটি ধরন, যার নাম H1N1। ভাইরাসের গায়ের দুটি প্রোটিনের নাম হেমাগ্লুটিনিন (H) এবং নিউরামিনিডেজ (N)। এই ভাইরাসে প্রথম ধরনের হেমাগ্লুটিনিন ও প্রথম ধরনের নিউরামিনিডেজ আছে, তাই এর নাম H1N1। নামটি H আগে, N পরে লেখা হয়, তাই N₁H₁ বা H₂N₁ ঠিক নয়। ২০০৯ সালে এটি মহামারির রূপ নেয়।
    মনে রাখুন:
    বার্ড ফ্লুর ভাইরাসের নাম H5N1।
    H1N1 প্রথমে শূকরের মধ্যে ছড়ায়, তাই নাম সোয়াইন ফ্লু।
  5. ৮৮. সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?
    • ক. পৃথিবী
    • খ. মঙ্গল
    • গ. বুধ
    • ঘ. শুক্র
    উত্তর: গ. বুধ
    সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ (Mercury)। এটি আকারে সবচেয়ে ছোট এবং সূর্যকে সবচেয়ে কম সময়ে, প্রায় ৮৮ দিনে, প্রদক্ষিণ করে। সূর্যের খুব কাছে থাকায় এর দিনের তাপ খুব বেশি হয়। পৃথিবী ও মঙ্গল সূর্য থেকে বুধের চেয়ে দূরে।
    মনে রাখুন:
    পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র।
    মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়।
    সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রম: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন।
  6. ৯৫. টমেটোতে কোন এসিড থাকে?
    • ক. এসিটিক এসিড
    • খ. অক্সালিক এসিড
    • গ. ম্যালিক এসিড
    • ঘ. সাইট্রিক এসিড
    উত্তর: খ. অক্সালিক এসিড
    আমাদের পাঠ্যবইয়ে টমেটোর এসিড হিসেবে অক্সালিক এসিডের কথা বলা হয়, তাই প্রচলিত উত্তর এটি। তবে বৈজ্ঞানিকভাবে টমেটোতে সাইট্রিক ও ম্যালিক এসিডই বেশি থাকে, তাই উত্তরটি নিয়ে মতভেদ আছে।
  7. ৯৭. আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রধান কারণ কী?
    • ক. বৃষ্টি
    • খ. কুয়াশা
    • গ. বায়ুপ্রবাহ
    • ঘ. মেঘ
    উত্তর: গ. বায়ুপ্রবাহ
    আবহাওয়া হলো কোনো জায়গার নির্দিষ্ট সময়ের তাপমাত্রা, বৃষ্টি, বাতাস ও আর্দ্রতার অবস্থা। বায়ু যখন এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে বয়ে যায়, তখন সে তাপ ও জলীয় বাষ্প বহন করে নিয়ে যায়। ফলে নতুন জায়গায় তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত বদলে যায়। তাই আবহাওয়া বদলের প্রধান নিয়ামক হিসেবে বায়ুপ্রবাহকে ধরা হয়। বৃষ্টি, কুয়াশা ও মেঘ আবহাওয়ারই রূপ, এগুলো পরিবর্তনের মূল কারণ নয়।
    উদাহরণ: গ্রীষ্মে দক্ষিণ থেকে আসা আর্দ্র মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে বৃষ্টি আনে।
    মনে রাখুন: আবহাওয়া অল্প সময়ের অবস্থা, আর জলবায়ু কোনো স্থানের দীর্ঘদিনের গড় আবহাওয়া।

আন্তর্জাতিক

  1. ৮৫. আফ্রিকার কোন দেশে বাংলাকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে?
    • ক. মিশর
    • খ. লাইবেরিয়া
    • গ. সিয়েরা লিওন
    • ঘ. আইভরিকোস্ট
    উত্তর: গ. সিয়েরা লিওন
    পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সেনারা ভালো কাজ করেছিলেন। এই অবদানের স্বীকৃতিতে ২০০২ সালে সিয়েরা লিওন সরকার বাংলাকে বিশেষ মর্যাদা দেয় বলে বাংলাদেশের পাঠ্যে বলা হয়। পাশের দেশ লাইবেরিয়া ও আইভরিকোস্টের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ সেনা প্রেরণকারী দেশগুলোর একটি।
    সিয়েরা লিওনের রাজধানী ফ্রিটাউন।
  2. ৮৬. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০১৬ সালের কোন মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
    • ক. সেপ্টেম্বর
    • খ. অক্টোবর
    • গ. নভেম্বর
    • ঘ. ডিসেম্বর
    উত্তর: গ. নভেম্বর
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী প্রতি চার বছর পর নভেম্বর মাসের প্রথম সোমবারের পরের মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। ২০১৬ সালে এই নির্বাচন হয় ৮ নভেম্বর, যাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ডেমোক্রেটিক দলের হিলারি ক্লিনটন।
    মনে রাখুন:
    নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি শপথ নেন পরের বছরের ২০ জানুয়ারি।
    ২০২০ সালের নির্বাচনে জো বাইডেন জেতেন।
    মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেন ইলেকটোরাল কলেজের সদস্যরা।
  3. ৮৭. ভারতের উপরাষ্ট্রপতি—
    • ক. আবুল কালাম
    • খ. হামিদ আনসারী
    • গ. ফারুক আব্দুল্লাহ
    • ঘ. জাকির হোসেন
    উত্তর: খ. হামিদ আনসারী
    ২০১৬ সালে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন মোহাম্মদ হামিদ আনসারী। তিনি ২০০৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে এই পদে ছিলেন। বাকি তিনটি নামের কেউ উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন না, যেমন আবুল কালাম আজাদ ছিলেন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী।
    মনে রাখুন:
    ভারতের উপরাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার সভাপতি হন।
    ২০১৭ সালে ভেঙ্কাইয়া নাইডু উপরাষ্ট্রপতি হন, ২০২২ সালে জগদীপ ধনখড়।
    হালনাগাদ: ২০২৫ সালে সি পি রাধাকৃষ্ণন ভারতের উপরাষ্ট্রপতি হন।
  4. ৮৯. কুয়েতের রাজধানী—
    • ক. আবুধাবি
    • খ. কুয়েত
    • গ. দুবাই
    • ঘ. রিয়াদ
    উত্তর: খ. কুয়েত
    কুয়েত একটি আরব দেশ, যার রাজধানীর নাম কুয়েত সিটি। দেশের নাম আর রাজধানীর নাম প্রায় এক হওয়ায় বিকল্পে শুধু ‘কুয়েত’ লেখা আছে। আবুধাবি ও দুবাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের শহর, আর রিয়াদ সৌদি আরবের রাজধানী।
    মনে রাখুন:
    সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি, দুবাই নয়।
    সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ।
    কাতারের রাজধানী দোহা, ওমানের মাস্কাট, বাহরাইনের মানামা।
    কুয়েতের মুদ্রা কুয়েতি দিনার।
  5. ৯০. ILO-এর সদর দফতর—
    • ক. প্যারিস
    • খ. জেনেভা
    • গ. লন্ডন
    • ঘ. রোম
    উত্তর: খ. জেনেভা
    ILO-এর পূর্ণরূপ International Labour Organization (আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা)। ১৯১৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। এটি এখন জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। সংস্থাটি শ্রমিকের অধিকার, কর্মঘণ্টা ও কাজের পরিবেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মান ঠিক করে দেয়।
    মনে রাখুন:
    ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস।
    ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়।
    জেনেভায় আরও সদর দপ্তর আছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর।
  6. ৯১. মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম—
    • ক. বাথ
    • খ. রিংগিত
    • গ. ইয়েন
    • ঘ. দিনার
    উত্তর: খ. রিংগিত
    মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম রিংগিত (Ringgit)। অন্য বিকল্পগুলো অন্য দেশের মুদ্রা, তাই একটি দেশের মুদ্রার নামের সঙ্গে দেশ মিলিয়ে মনে রাখা সহজ হয়। বাথ থাইল্যান্ডের, ইয়েন জাপানের, আর দিনার একাধিক দেশে ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন:
    জাপানের মুদ্রা ইয়েন।
    থাইল্যান্ডের মুদ্রা বাথ।
    ইরাক, কুয়েত, জর্ডানের মুদ্রা দিনার।
    ভারতের মুদ্রা রুপি, চীনের মুদ্রা ইউয়ান।
  7. ৯২. শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট—
    • ক. প্রেমাদাসা
    • খ. মাহিন্দা রাজাপাকসে
    • গ. সিরিসেনা
    • ঘ. বন্দরনায়েক
    উত্তর: গ. সিরিসেনা
    ২০১৬ সালে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট ছিলেন মৈত্রীপালা সিরিসেনা। তিনি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে মাহিন্দা রাজাপাকসেকে হারিয়ে এই পদে আসেন। রানাসিংহে প্রেমাদাসা আগের একজন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, আর বন্দরনায়েক শ্রীলঙ্কার পরিচিত রাজনৈতিক পরিবারের নাম।
    মনে রাখুন:
    সিরিমাভো বন্দরনায়েক বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।
    শ্রীলঙ্কার রাজধানী শ্রী জয়বর্ধনেপুরা কোট্টে, বাণিজ্যিক রাজধানী কলম্বো।
    হালনাগাদ: ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিশানায়েকে।
  8. ৯৩. ২০১৬ সালে এশিয়া কাপ বিজয়ী দেশ কোনটি?
    • ক. বাংলাদেশ
    • খ. পাকিস্তান
    • গ. ভারত
    • ঘ. শ্রীলংকা
    উত্তর: গ. ভারত
    ২০১৬ সালের এশিয়া কাপ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রথমবারের মতো টি-২০ ফরম্যাটে খেলা হয়। ফাইনালে ভারত বাংলাদেশকে হারিয়ে শিরোপা জেতে। তাই ওই বছরের বিজয়ী দেশ ভারত।
    মনে রাখুন:
    এশিয়া কাপ ক্রিকেট আয়োজন করে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (ACC)।
    ভারত ২০১৮ সালেও এশিয়া কাপ জিতেছিল।
    ২০২২ সালের এশিয়া কাপ জেতে শ্রীলঙ্কা।
  9. ৯৪. বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
    • ক. মালদ্বীপ
    • খ. পাপুয়া নিউগিনি
    • গ. ভ্যাটিকান সিটি
    • ঘ. কুয়েত
    উত্তর: গ. ভ্যাটিকান সিটি
    আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট স্বাধীন দেশ ভ্যাটিকান সিটি, যার আয়তন প্রায় ০.৪৪ বর্গ কিলোমিটার। এটি ইতালির রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত এবং ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের ধর্মগুরু পোপের আবাস। ১৯২৯ সালে ল্যাটেরান চুক্তির মাধ্যমে এটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মর্যাদা পায়। মালদ্বীপ, পাপুয়া নিউগিনি বা কুয়েত আয়তনে অনেক বড়।
    মনে রাখুন:
    ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান, তারপর মোনাকো।
    এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ মালদ্বীপ।
    আয়তনে সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া।
  10. ৯৬. ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দফতর কোথায়?
    • ক. লন্ডন
    • খ. ব্রাসেলস
    • গ. বন
    • ঘ. প্যারিস
    উত্তর: খ. ব্রাসেলস
    ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে। ইউরোপীয় কমিশনসহ ইউনিয়নের প্রধান অনেক প্রতিষ্ঠান সেখানেই কাজ করে। লন্ডন, বন বা প্যারিসে ইউনিয়নের সদর দপ্তর নেই।
    মনে রাখুন:
    ১৯৯৩ সালে মাস্ট্রিখট চুক্তি কার্যকর হলে EU নাম হয়।
    ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের কার্যালয় ফ্রাঙ্কফুর্টে।
    ২০১২ সালে EU নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়।
    হালনাগাদ: ব্রিটেন ২০২০ সালে EU ছেড়ে গেছে, বর্তমানে সদস্য ২৭টি।
  11. ৯৮. জাতিসংঘের পতাকায় কোন দুটি রং আছে?
    • ক. নীল ও লাল
    • খ. নীল ও সাদা
    • গ. লাল ও সাদা
    • ঘ. সবুজ ও সাদা
    উত্তর: খ. নীল ও সাদা
    জাতিসংঘের পতাকা হালকা নীল রঙের। এর মাঝখানে সাদা রঙে জাতিসংঘের প্রতীক আছে, যাতে পৃথিবীর মানচিত্র দুটি জলপাই শাখা দিয়ে ঘেরা। অর্থাৎ পতাকায় নীল ও সাদা, এই দুটি রং আছে। লাল বা সবুজ রং এই পতাকায় নেই।
    মনে রাখুন:
    জলপাই শাখা শান্তির প্রতীক।
    জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর, এই দিনটি জাতিসংঘ দিবস।
    জাতিসংঘের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন