লিয়ানা বুকস

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নকশাকার (ড্রাফটসম্যান) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ৯ মার্চ ২০২২। ৭৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলাদেশ

  1. ১. ভাসানচর রোহিঙ্গা আশ্রয় প্রকল্প কোন জেলার অন্তর্গত?
    • ক. বরিশাল
    • খ. চট্টগ্রাম
    • গ. নোয়াখালী
    • ঘ. লক্ষ্মীপুর
    উত্তর: গ. নোয়াখালী
    ভাসানচর বঙ্গোপসাগরের একটি চর, যা প্রশাসনিকভাবে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত। মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা এই চরে সরকার রোহিঙ্গাদের একটি অংশের জন্য আশ্রয় প্রকল্প গড়ে তুলেছে। ক্যাম্পগুলোয় ভিড় কমানোর উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ। তাই বরিশাল, চট্টগ্রাম বা লক্ষ্মীপুর নয়, উত্তর হবে নোয়াখালী। ভাসানচর নামটি এসেছে ‘ভাসান’ থেকে, কারণ চরটি নদীর পলি জমে সাগরের বুকে ভেসে ওঠা ভূমি। এখানে বন্যা ঠেকাতে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে এবং রোহিঙ্গাদের জন্য ঘর, হাসপাতাল ও স্কুল তৈরি হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    ভাসানচর হাতিয়া উপজেলার চর ঈশ্বর ইউনিয়নের অংশ।
    কক্সবাজারের কুতুপালং ও নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী শিবিরগুলোর একটি।
  2. ৬. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদে 'শিক্ষার অধিকারের' বিষয়টি বর্ণিত আছে?
    • ক. ১৫
    • খ. ১৬
    • গ. ১৭
    • ঘ. ১৮
    উত্তর: গ. ১৭
    বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি আছে। এর মধ্যে ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ রাষ্ট্র একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষা এবং সবার জন্য বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করবে। শিক্ষার অধিকার মৌলিক অধিকারের (তৃতীয় ভাগ) অংশ নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অংশ। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো আদালতের মাধ্যমে সরাসরি বলবৎ করা যায় না, কিন্তু আইন প্রণয়নের সময় এগুলো রাষ্ট্রের পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করে। সংবিধানের ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদ এই নির্দেশনার মধ্যেই পড়ে।
    মনে রাখুন:
    অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
    অনুচ্ছেদ ১৬: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
    অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
  3. ১০. ছোট সোনা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
    • ক. বাংলাদেশ
    • খ. ভারত
    • গ. শ্রীলংকা
    • ঘ. থাইল্যান্ড
    উত্তর: ক. বাংলাদেশ
    ছোট সোনা মসজিদ বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। মধ্যযুগে সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের শাসনামলে (১৪৯৩-১৫১৯ খ্রিষ্টাব্দ) এটি নির্মিত হয়। মসজিদের গম্বুজে একসময় সোনালি আস্তরণ ছিল বলে একে ‘সোনা মসজিদ’ বলা হয়। একই এলাকায় আরও একটি বড় মসজিদ আছে, যার নাম বড় সোনা মসজিদ। প্রাচীন গৌড়-লখনৌতি অঞ্চলের এই মসজিদ বাংলার সুলতানি আমলের স্থাপত্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। প্রশ্নে ভারত, শ্রীলংকা ও থাইল্যান্ড দেওয়া থাকলেও মসজিদটি বাংলাদেশেরই।
    মনে রাখুন:
    আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলকে বাংলার সুলতানি যুগের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
    সুলতানি আমলের আরও দুটি নিদর্শন: ষাট গম্বুজ মসজিদ (বাগেরহাট) ও আদিনা মসজিদ।
  4. ১৪. বাংলাদেশের সংসদ ভবনের স্থপতির নাম কী?
    • ক. Frank Lloyd Wright
    • খ. Louis I. Kahn
    • গ. Le Corbusier
    • ঘ. Charles Correa
    উত্তর: খ. Louis I. Kahn
    জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান (Louis I. Kahn)। তিনি এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হন। ঢাকার শেরেবাংলা নগরে তাঁর নকশা করা এই ভবন আধুনিক স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। ভবনটি ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়। এর কংক্রিটের বিশাল জ্যামিতিক কাঠামো ও আলো-ছায়ার খেলা দুনিয়াজুড়ে প্রশংসিত। অন্য তিন স্থপতি আলাদা দেশের মানুষ। ফ্র্যাঙ্ক লয়েড রাইট আমেরিকান, লে করবুজিয়ে ফরাসি-সুইস, আর চার্লস কোরিয়া ভারতীয় স্থপতি।
    মনে রাখুন:
    ঢাকা আর্ট ইনস্টিটিউটের স্থপতি মাজহারুল ইসলাম।
    কানের নকশায় আলো ও জ্যামিতির ব্যবহার বিশেষভাবে প্রশংসিত।
  5. ১৭. বাংলাদেশের আবহাওয়া হলো–
    • ক. ট্রপিক্যাল
    • খ. ওয়ার্ম-হিউমিড
    • গ. শুষ্ক
    • ঘ. শীতল
    উত্তর: ক. ট্রপিক্যাল
    বাংলাদেশের অবস্থান কর্কটক্রান্তি রেখার কাছে, তাই এর আবহাওয়া ক্রান্তীয় (Tropical) ধরনের। এখানে সারা বছর উষ্ণ আবহাওয়া থাকে এবং মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টি হয়। এ কারণে একে ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুও বলা হয়। অন্য বিকল্পগুলো ঠিক নয়, কারণ আমাদের দেশ শুষ্ক মরু অঞ্চলের মতো নয় এবং সারা বছর শীতলও থাকে না। গ্রীষ্মে গরম বেশি, বর্ষায় বৃষ্টি বেশি, আর শীতে ঠান্ডা কম। এই কারণেই আবহাওয়াকে সাধারণভাবে ট্রপিক্যাল বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশে ছয়টি ঋতু থাকলেও মূলত গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীত এই তিনটি ঋতু স্পষ্ট বোঝা যায়।
    শীতকালে আবহাওয়া শুষ্ক ও মনোরম থাকে।
    কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের প্রায় মাঝ দিয়ে গেছে।
  6. ১৮. বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
    • ক. উত্তর
    • খ. দক্ষিণ
    • গ. পূর্ব
    • ঘ. পশ্চিম
    উত্তর: ক. উত্তর
    বরেন্দ্রভূমি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশে রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট, দিনাজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে অবস্থিত। এটি প্লেইস্টোসিন যুগের পুরোনো পলিগঠিত ভূমি, অর্থাৎ বহু হাজার বছর আগে নদীর বয়ে আনা পলি জমে এটি তৈরি হয়েছে। এই এলাকার মাটির রং লালচে বলে একে ‘বরেন্দ্র লাল মাটি’ বলা হয়। প্রাচীন বরেন্দ্র জনপদের নামেই এর নামকরণ হয়েছে। চারপাশের নদীবিধৌত নতুন সমভূমির তুলনায় বরেন্দ্রভূমি কিছুটা উঁচু, তাই বর্ষায় সহজে প্লাবিত হয় না। দক্ষিণ, পূর্ব বা পশ্চিম নয়, উত্তর অংশেই এর অবস্থান।
    মনে রাখুন:
    প্লাবনভূমির চেয়ে বরেন্দ্রভূমি কিছুটা উঁচু।
    অন্য প্লেইস্টোসিন চত্বর: মধুপুর ও ভাওয়াল গড়।
  7. ১৯. প্রাচীন শহর পুন্ড্রনগর কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ভারত
    • খ. পাকিস্তান
    • গ. বাংলাদেশ
    • ঘ. থাইল্যান্ড
    উত্তর: গ. বাংলাদেশ
    পুণ্ড্রনগর বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত। করতোয়া নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই প্রাচীন নগরী ছিল পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী। মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত শিলালিপি (মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি) বাংলাদেশের প্রাচীনতম লিপি, যা আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকের। এ থেকে বোঝা যায়, আড়াই হাজার বছরেরও আগে এই অঞ্চলে সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল। প্রশ্নের বাকি দেশগুলোর কোনোটিতে এই নগর নেই। এটি বাংলাদেশেরই প্রত্নস্থল। মহাস্থানগড় এখন দেশের অন্যতম প্রধান প্রত্নস্থল হিসেবে পরিচিত এবং প্রতিবছর বহু দর্শনার্থী সেখানে যান।
    মনে রাখুন:
    পুণ্ড্রনগর পরে পুণ্ড্রবর্ধন নামে পরিচিত হয়।
    মহাস্থানগড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নাম: শাহ সুলতান বলখী মাহীসওয়ার।
  8. ২৩. স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দ্বিতীয় দেশ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৬
    • ক. নেপাল
    • খ. ভুটান
    • গ. ভারত
    • ঘ. সোভিয়েত রাশিয়া
    উত্তর: গ. ভারত
    বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশ ভুটান। তারা ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দেয়। ওই একই দিনে ভারত দ্বিতীয় দেশ হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি জানায়। ভারত মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল, ফলে সেখানে প্রায় এক কোটি শরণার্থী আশ্রয় পেয়েছিল। নেপাল ও সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয় এর পরে, ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে। তাই দ্বিতীয় দেশ হিসেবে নেপাল বা সোভিয়েত রাশিয়া বেছে নেওয়া ভুল।
    মনে রাখুন:
    ভুটান: প্রথম (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)।
    ভারত: দ্বিতীয় (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)।
    পাকিস্তান ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
  9. ৩২. ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত?
    • ক. হিন্দু রীতি
    • খ. মোঘল
    • গ. সুলতানি
    • ঘ. আধুনিক
    উত্তর: গ. সুলতানি
    ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত। এটি সুলতানি আমলের স্থাপত্যরীতিতে তৈরি, যেখানে ইট ও পোড়ামাটির ব্যবহার দেখা যায়। খান জাহান আলী পঞ্চদশ শতকে এই মসজিদ নির্মাণ করেন। নাম ষাট গম্বুজ হলেও এতে আসলে ৭৭টি গম্বুজ আছে। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়। মোঘল রীতিতে সাধারণত লাল পাথর ও বড় গম্বুজের ব্যবহার বেশি, আর আধুনিক রীতি তো অনেক পরের। তাই এখানে সুলতানি শৈলীই সঠিক।
    মনে রাখুন:
    মোঘল স্থাপত্যের দৃষ্টান্ত: লালবাগ কেল্লা।
    বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য: বাগেরহাটের মসজিদ শহর, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার ও সুন্দরবন।
  10. ৩৭. শিখাড়া (Shikhara) কীসের অংশ?
    • ক. হিন্দু মন্দির
    • খ. বাংলা কুঁড়েঘর
    • গ. মসজিদ
    • ঘ. নৌকা
    উত্তর: ক. হিন্দু মন্দির
    শিখর বা শিখাড়া (Shikhara) হলো হিন্দু মন্দিরের একটি অংশ। উত্তর ভারতীয় ও বাংলার মন্দির স্থাপত্যে গর্ভগৃহের ওপরে যে উঁচু চূড়া বা মিনারের মতো কাঠামো থাকে, তাকে শিখর বলে। এটি পর্বতশৃঙ্গের মতো ওপরের দিকে সরু হয়ে উঠে যায়। এটি বাংলা কুঁড়েঘর, মসজিদ বা নৌকার কোনো অংশ নয়। এই চূড়ার শীর্ষে সাধারণত একটি কলস বা আমলক বসানো থাকে। উত্তর ভারতের নাগর রীতির মন্দিরে শিখর বাঁকানো ঢালের মতো ওপরে উঠে, দক্ষিণ ভারতে একে বিমান বলে।
    মনে রাখুন:
    মন্দিরের ভেতরের প্রধান কক্ষকে বলে গর্ভগৃহ।
    বাংলার মন্দির স্থাপত্যে চালা, রত্ন ও শিখর রীতি দেখা যায়।
    মুসলিম স্থাপত্যে গম্বুজ ও মিনার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
  11. ৩৯. লালবাগ কেল্লা কোন স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত?
    • ক. আদি মুসলিম
    • খ. সুলতানি
    • গ. মোঘল
    • ঘ. ব্রিটিশ
    উত্তর: গ. মোঘল
    লালবাগ কেল্লা ঢাকার পুরোনো অংশে অবস্থিত মোঘল স্থাপত্যের নিদর্শন। ১৬৭৮ সালে মোঘল শাহজাদা মুহাম্মদ আজম এর নির্মাণ শুরু করেন। পরে সুবাদার শায়েস্তা খান দায়িত্ব নেন, কিন্তু তাঁর কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর কাজ অসমাপ্ত থাকে। কেল্লাটি আসলে দুর্গ ও প্রাসাদ মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। কেল্লার ভেতরে আছে পরী বিবির মাজার, দরবার হল ও লালবাগ মসজিদ। মোঘল আমলে ঢাকা ছিল বাংলার রাজধানী, আর সেই সময়ের স্থাপত্যে মোঘল রীতির প্রভাব স্পষ্ট দেখা যায়।
    মনে রাখুন:
    সুলতানি রীতির উদাহরণ: ষাট গম্বুজ মসজিদ।
    ব্রিটিশ রীতির উদাহরণ: আহসান মঞ্জিলের কিছু অংশ।
    মোঘল আমলের আরও নিদর্শন: ছোট কাটরা ও বড় কাটরা।
  12. ৪০. ঢাকার আর্ট কলেজের (Institute) স্থপতি কে?
    • ক. রবিউল হুসাইন
    • খ. মাজহারুল ইসলাম
    • গ. রফিক আজম
    • ঘ. সামসুল ওয়ারেস
    উত্তর: খ. মাজহারুল ইসলাম
    ঢাকা আর্ট কলেজ, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের স্থপতি মাজহারুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশে আধুনিক স্থাপত্যের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় গ্রন্থাগারের মতো ভবনও তিনি নকশা করেছেন। তিনি লুই কানকে জাতীয় সংসদ ভবনের নকশা করার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে ভূমিকা রেখেছিলেন। এই প্রশ্নে অন্য তিন নামও পরিচিত ব্যক্তির, কিন্তু ইনস্টিটিউট ভবনের নকশা তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান।
    বাংলাদেশের প্রখ্যাত স্থপতিদের মধ্যে মাজহারুল ইসলাম অন্যতম।
    মাজহারুল ইসলাম একাধিক পাবলিক ভবনের নকশা করেন, যার মধ্যে চারুকলা ইনস্টিটিউট সবচেয়ে পরিচিত।
  13. ৪৩. শালবন বিহার কী?
    • ক. বৌদ্ধ বিহার
    • খ. বৌদ্ধ মন্দির
    • গ. হিন্দু মন্দির
    • ঘ. হিন্দু মঠ
    উত্তর: ক. বৌদ্ধ বিহার
    শালবন বিহার কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। সপ্তম শতকের শেষ বা অষ্টম শতকের শুরুর দিকে দেব বংশের রাজা শ্রীভবদেব এটি নির্মাণ করেন। বিহারটিতে অনেকগুলো ভিক্ষুকক্ষ রয়েছে, যেখানে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা থাকতেন ও ধর্মচর্চা করতেন। বিহার মানে ভিক্ষুদের বাসস্থান ও শিক্ষাকেন্দ্র, আর মন্দির মানে পূজার স্থান। শালবন বিহার প্রধানত বাসস্থান ও শিক্ষার জন্য তৈরি, তাই এটি মন্দির নয়, বিহার।
    মনে রাখুন:
    পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (সোমপুর মহাবিহার) নওগাঁয় অবস্থিত।
    ১৯৮৫ সালে পাহাড়পুর ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত হয়।
    ময়নামতি এলাকার আরও একটি নিদর্শন কুটিলামুড়া।
  14. ৪৫. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির রচয়িতা–
    • ক. আব্দুল লতিফ
    • খ. আলতাফ মাহমুদ
    • গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
    • ঘ. শামসুর রাহমান
    উত্তর: গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
    ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির গীতিকার আবদুল গাফফার চৌধুরী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে লেখা কবিতাটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনে প্রকাশিত হয়। এর প্রথম সুর দেন আবদুল লতিফ, আর পরে আলতাফ মাহমুদের সুরই বেশি জনপ্রিয় হয়। তাই সুরকারের নাম দেখে গীতিকারকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। আবদুল গাফফার চৌধুরী ২০২২ সালে লন্ডনে মারা যান।
    মনে রাখুন:
    আলতাফ মাহমুদ ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রাখা সুরকার, ১৯৭১ সালে শহিদ হন।
    শামসুর রাহমান একুশের আরেক বিখ্যাত কবি, তাঁর কবিতা ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’।
  15. ৫০. বিনত বিবির মসজিদ কোন স্থাপত্যশৈলীর অন্তর্গত?
    • ক. বৌদ্ধ
    • খ. মোঘল
    • গ. সুলতানি
    • ঘ. ভিক্টোরিয়ান
    উত্তর: গ. সুলতানি
    বিনত বিবির মসজিদ ঢাকার নারিন্দায় অবস্থিত। এটি সুলতানি আমলে সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনকালে পঞ্চদশ শতকে নির্মিত হয়। শিলালিপি অনুযায়ী মোসাম্মৎ বখত বিনত (বিবি) এই মসজিদ তৈরি করেন। এটি ঢাকার সবচেয়ে প্রাচীন টিকে থাকা মসজিদগুলোর একটি। মসজিদটির নির্মাতা একজন নারী, এই দিকটিও একে বিশেষ করে তুলেছে। এর গঠনে সুলতানি স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, তাই এটি বৌদ্ধ, মোঘল বা ভিক্টোরিয়ান নয়, সুলতানি রীতির অন্তর্গত।
    মনে রাখুন:
    সুলতানি আমলের আরও মসজিদ: ষাট গম্বুজ, ছোট সোনা মসজিদ, আদিনা মসজিদ।
    মোঘল রীতির উদাহরণ: লালবাগ কেল্লা।
  16. ৫৭. রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের সময়কাল–
    • ক. ২০১০-২০৪১
    • খ. ২০২০-২০৪১
    • গ. ২০২২-২০৪১
    • ঘ. ২০২১-২০৪১
    উত্তর: ঘ. ২০২১-২০৪১
    রূপকল্প ২০৪১ হলো বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা, যার সময়কাল ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল। এর লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ আয়ের উন্নত দেশে পরিণত করা এবং অতিদারিদ্র্য দূর করা। এর আগের রূপকল্প ২০২১ ছিল ২০১০-২০২১ সময়ের জন্য। তাই ২০১০, ২০২০ বা ২০২২ সাল থেকে শুরু বলা ভুল। দুটি রূপকল্পের মধ্যে সম্পর্ক এই যে, ২০২১ শেষ হতেই ২০২১ থেকে ২০৪১ পর্যন্ত নতুন পরিকল্পনা শুরু হয়।
    মনে রাখুন:
    এটি বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (Perspective Plan) ব্যবহার করা হয়।
    ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ আরেকটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
  17. ৭৬. বাংলাদেশ সরকার এ পর্যন্ত মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা করেছে?
    • ক. ৭টি
    • খ. ৯টি
    • গ. ৮টি
    • ঘ. ৬টি
    উত্তর: গ. ৮টি
    বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রথমটি ১৯৭৩-৭৮ সালের জন্য এবং অষ্টমটি ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য। ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে। বাকিগুলো হলো দ্বিতীয় (১৯৮০-৮৫), তৃতীয় (১৯৮৫-৯০), চতুর্থ (১৯৯০-৯৫), পঞ্চম (১৯৯৭-২০০২), ষষ্ঠ (২০১১-১৫) ও সপ্তম (২০১৬-২০)। প্রথম আর দ্বিতীয় পরিকল্পনার মাঝখানে একটি দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনাও (১৯৭৮-৮০) ছিল, কিন্তু এটি পঞ্চবার্ষিক নয়। আমরা তাই গোনার সময় শুধু পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলোই ধরব। ষষ্ঠ পরিকল্পনা শুরুর আগে কিছু বছর কোনো পরিকল্পনা ছিল না, ফলে সময়কালের ফাঁক দেখা যায়।
    মনে রাখুন: পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ২. ক্রিপ্টোকারেন্সি ধারণাটি—
    • ক. অর্থনৈতিক লেনদেন সম্পর্কিত
    • খ. কূটনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত
    • গ. যুদ্ধ সম্পর্কিত
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. অর্থনৈতিক লেনদেন সম্পর্কিত
    ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurrency) বা গুপ্তমুদ্রা হলো এক ধরনের ডিজিটাল মুদ্রা, যা শুধু ইন্টারনেটেই আছে, হাতে ধরা যায় না। এর লেনদেন গোপন সংকেত বা এনক্রিপশনের মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকে এবং কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলে। তাই এটি অর্থনৈতিক লেনদেনের সঙ্গে সম্পর্কিত ধারণা, কূটনীতি বা যুদ্ধের সঙ্গে নয়। এ ধরনের মুদ্রায় ক্রেতা ও বিক্রেতা সরাসরি লেনদেন করতে পারেন, মাঝখানে ব্যাংকের দরকার হয় না। তবে এর দাম খুব দ্রুত ওঠানামা করে বলে এতে ঝুঁকিও অনেক।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন (Bitcoin), যার উদ্ভাবক হিসেবে ছদ্মনাম সাতোশি নাকামোতো ব্যবহৃত হয়।
    এর পেছনের প্রযুক্তির নাম ব্লকচেইন (Blockchain)।
    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনকে বৈধ বলে স্বীকৃতি দেয়নি।

বিজ্ঞান

  1. ৩. 'সবুজ গ্রহ' বলা হয় কোনটিকে?
    • ক. মঙ্গল
    • খ. নেপচুন
    • গ. প্লুটো
    • ঘ. ইউরেনাস
    উত্তর: ঘ. ইউরেনাস
    ইউরেনাস (Uranus) গ্রহের বায়ুমণ্ডলে মিথেন গ্যাস আছে। এই মিথেন সূর্যের লাল আলো শোষণ করে এবং নীল-সবুজ আলো প্রতিফলিত করে, তাই গ্রহটিকে সবুজাভ নীল দেখায় এবং একে সবুজ গ্রহ বলা হয়। সূর্য থেকে দূরত্বের হিসাবে ইউরেনাসের অবস্থান সপ্তম এবং আকারে এটি তৃতীয় বৃহত্তম। মঙ্গলকে বলা হয় লাল গ্রহ, আর নেপচুন সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরের গ্রহ।
    মনে রাখুন:
    ইউরেনাস পাশ ফিরে গড়িয়ে চলার মতো করে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
    উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে ইউরেনাস আবিষ্কার করেন।
    ২০০৬ সালে প্লুটো গ্রহের মর্যাদা হারিয়ে বামন গ্রহ হয়।
  2. ১৩. 'অটিজম' কোন ধরনের সমস্যা?
    • ক. মস্তিষ্কের বৃদ্ধিজনিত সমস্যা
    • খ. মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা
    • গ. শ্রবণশক্তির ঘাটতিজনিত সমস্যা
    • ঘ. মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা
    উত্তর: ঘ. মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা
    অটিজম বা অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (Autism) মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা। এ সমস্যা থাকলে শিশুর শৈশব থেকেই কথা বলা, অন্যের সঙ্গে মেলামেশা ও আচরণে অসুবিধা দেখা যায়। এটি মস্তিষ্ক কীভাবে বিকশিত হয় তার সঙ্গে জড়িত, তাই রক্তক্ষরণ বা শ্রবণশক্তির ঘাটতিজনিত সমস্যা নয়। এটি রোগ নয়, ছোঁয়াচেও নয়। সঠিক সময়ে ধরা পড়লে বিশেষ শিক্ষা ও থেরাপির মাধ্যমে শিশুর অনেক উন্নতি সম্ভব।
    মনে রাখুন:
    প্রতি বছর ২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস।
    বাংলাদেশে অটিজম নিয়ে কাজে অবদানের জন্য সায়মা ওয়াজেদ পুতুল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন।
    অটিজমের লক্ষণ সাধারণত দুই-তিন বছর বয়সের মধ্যেই দেখা যায়।
  3. ৫১. 'সুপার বাগ' কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
    • ক. সমুদ্রের তেল উত্তোলনে
    • খ. সমুদ্রের তেল অপসারণে
    • গ. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ে
    • ঘ. সমুদ্রের সীমানা নির্ণয়ে
    উত্তর: খ. সমুদ্রের তেল অপসারণে
    সুপার বাগ (Superbug) হলো জেনেটিক প্রযুক্তিতে তৈরি এক বিশেষ ব্যাকটেরিয়া, যা সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়া অপরিশোধিত তেল খেয়ে ফেলতে পারে। জাহাজডুবি বা তেল-কূপের দুর্ঘটনায় সমুদ্রে তেল ছড়ালে জলজ প্রাণী মারা যায় ও পরিবেশ নষ্ট হয়। সুপার বাগ সেই তেল ভেঙে ফেলে ক্ষতিহীন পদার্থে পরিণত করে, তাই এটি তেল অপসারণে কাজে লাগে। এটি তেল উত্তোলন, গভীরতা মাপা বা সীমানা নির্ণয়ের কোনো কাজে ব্যবহৃত হয় না।
    মনে রাখুন:
    সুপার বাগ তৈরি করেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন বিজ্ঞানী আনন্দ মোহন চক্রবর্তী।
    এটি ব্যাকটেরিয়া সুডোমোনাস প্রজাতির জিন পরিবর্তন করে তৈরি।
    অণুজীব দিয়ে দূষণ পরিষ্কারকে জৈব প্রতিকার (Bioremediation) বলে।
  4. ৬৪. রক্ত তঞ্চনে (Blood Coagulation) সাহায্য করে কোন খনিজ মৌল?
    • ক. ক্যালসিয়াম
    • খ. ম্যাগনেসিয়াম
    • গ. সালফার
    • ঘ. ফসফরাস
    উত্তর: ক. ক্যালসিয়াম
    রক্ত জমাট বাঁধার জন্য ক্যালসিয়াম আয়ন অপরিহার্য। শরীর কেটে গেলে রক্তের অণুচক্রিকা ভেঙে প্রোথ্রম্বিনেজ নামের পদার্থ বের হয়। ক্যালসিয়ামের উপস্থিতিতে এটি প্রোথ্রম্বিনকে থ্রম্বিনে রূপান্তর করে। এরপর থ্রম্বিন রক্তের দ্রবণীয় ফাইব্রিনোজেনকে অদ্রবণীয় ফাইব্রিনে পরিণত করে, যা সুতোর জালের মতো রক্তকণিকা আটকে জমাট বাঁধায়। ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ও ফসফরাসের এ কাজে মূল ভূমিকা নেই।
    মনে রাখুন:
    ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত গঠনেও দরকার।
    ভিটামিন K রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোথ্রম্বিন তৈরিতে সাহায্য করে।
    সুস্থ মানুষের রক্ত জমাট বাঁধতে সাধারণত কয়েক মিনিট লাগে।

বাংলা

  1. ৪. সৈয়দ শামসুল হক রচিত নাটক—
    • ক. পরাণের গহীন ভিতর
    • খ. নিষিদ্ধ লোবান
    • গ. নূরলদীনের সারাজীবন
    • ঘ. প্রণীত জীবন
    উত্তর: গ. নূরলদীনের সারাজীবন
    ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্যনাট্য। এতে রংপুর অঞ্চলের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে, যিনি ১৭৮৩ সালে ব্রিটিশ শাসন ও জমিদারদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলেন। ‘পরাণের গহীন ভিতর’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি নাটক নয়। কাব্যনাট্য মানে কবিতার ছন্দে লেখা নাটক। কাব্যনাট্যে সংলাপ কবিতার ছন্দে লেখা হয়, তাই এতে নাটকের গতি আর কাব্যের সৌন্দর্য একসঙ্গে মেলে। নূরলদীনের সারাজীবন বাংলা কাব্যনাট্যের একটি শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে গণ্য।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ শামসুল হকের আরও নাটক: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (কাব্যনাট্য), গণনায়ক, ঈর্ষা।
    তিনি কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হিসেবে খ্যাত।
  2. ১২. কোন লেখক 'জননী সাহসিকা' বলে পরিচিত?
    • ক. সেলিনা হোসেন
    • খ. সুফিয়া কামাল
    • গ. জাহানারা ইমাম
    • ঘ. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    উত্তর: খ. সুফিয়া কামাল
    কবি সুফিয়া কামাল (১৯১১-১৯৯৯) ‘জননী সাহসিকা’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশের নারী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসী ভূমিকা ছিল বলে মানুষ তাঁকে এই নামে ডাকে। তিনি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী ছিলেন। কবি হিসেবে তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’ ও ‘মন ও জীবন’। অন্য তিনজনের পরিচয় আলাদা। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারী জাগরণের অগ্রদূত, জাহানারা ইমাম মুক্তিযুদ্ধে সন্তান হারানোর পর ‘শহিদ জননী’ নামে পরিচিত হন, আর সেলিনা হোসেন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক।
    মনে রাখুন:
    বেগম রোকেয়ার বিখ্যাত রচনা ‘সুলতানার স্বপ্ন’ ও ‘অবরোধবাসিনী’।
    সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’।
  3. ১৫. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. পিপীলিকা
    • খ. পিপিলিকা
    • গ. পিপীলীকা
    • ঘ. পিপিলীকা
    উত্তর: ক. পিপীলিকা
    ‘পিপীলিকা’ শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে এবং এর অর্থ পিঁপড়া। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বানান মূল রূপ অনুসারে লিখতে হয়। এই শব্দে প্রথম ‘পি’-তে হ্রস্ব ই, দ্বিতীয় ‘পী’-তে দীর্ঘ ঈ এবং শেষ ‘কা’-তে আ-কার থাকে। অর্থাৎ শুদ্ধ রূপ পিপীলিকা। অন্য তিনটি বিকল্পে ই-কার ও ঈ-কারের জায়গা বদলে গেছে, তাই সেগুলো অশুদ্ধ। এ ধরনের প্রশ্নে সংস্কৃত মূল শব্দ জানা থাকলে বানান মনে রাখা সহজ হয়।
    মনে রাখুন:
    আরও কিছু শুদ্ধ বানান: অমাবস্যা, আকাঙ্ক্ষা, তিতিক্ষা, নিশীথিনী, গীতাঞ্জলি।
    আরও কিছু শুদ্ধ বানান: ঊর্ধ্ব, মনীষী, ভৌগোলিক।
  4. ১৬. চন্দ্রাবতী কে?
    • ক. পদ্মাবতী কাব্যের চরিত্র
    • খ. বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাট্যকার
    • গ. 'কঙ্কাবতী' নাটকের চরিত্র
    • ঘ. বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি
    উত্তর: ঘ. বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি
    চন্দ্রাবতী বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি ষোড়শ শতকে ময়মনসিংহ (বর্তমান কিশোরগঞ্জ) অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা দ্বিজ বংশীদাস মনসামঙ্গল কাব্যের কবি ছিলেন, আর কন্যা সেই সাহিত্যিক পরিবেশেই বড় হন। চন্দ্রাবতী রামায়ণের একটি বাংলা রূপ রচনা করেন, যা ‘চন্দ্রাবতীর রামায়ণ’ নামে পরিচিত। এখানে ‘বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাট্যকার’ বলে যে বিকল্প আছে, তা তাঁর পরিচয় নয়। চন্দ্রাবতী কবি, নাট্যকার নন। কবিতা রচনা করেই তিনি বাংলা সাহিত্যে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন।
    মনে রাখুন:
    তাঁর আরও রচনা: মলুয়া, দস্যু কেনারামের পালা (ময়মনসিংহ গীতিকার অংশ)।
    ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে।
  5. ২০. 'নেই আঁকড়া' বাগধারাটির অর্থ—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৭
    • ক. দলপতি
    • খ. একগুঁয়ে
    • গ. কপট ব্যক্তি
    • ঘ. সৎ মানুষ
    উত্তর: খ. একগুঁয়ে
    ‘নেই আঁকড়া’ বাগধারার অর্থ একগুঁয়ে বা জেদি। যে মানুষ কিছুতেই কারও কথা বোঝে না এবং নিজের জেদ ছাড়ে না, তার জন্য এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়। বাগধারা হলো এমন বাক্যাংশ, যার অর্থ শব্দের সাধারণ অর্থ থেকে আলাদা। তাই এগুলো আলাদাভাবে মুখস্থ করতে হয়। বাকি বিকল্পগুলো অন্য বাগধারার অর্থ। যেমন দলপতি বোঝায় ‘পালের গোদা’, কপট ব্যক্তি বোঝায় ‘ভিজে বিড়াল’।
    উদাহরণ:
    এই নেই আঁকড়া ছেলেকে বোঝানো অসম্ভব।
    মনে রাখুন:
    ভিজে বিড়াল: কপটাচারী।
    পালের গোদা: দলপতি।
    অমাবস্যার চাঁদ: দুর্লভ বস্তু বা ব্যক্তি।
  6. ২২. ৭ই মার্চের পটভূমিতে রচিত কবিতা–
    • ক. 'বাতাসে লাশের গন্ধ'– রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
    • খ. 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো'– নির্মলেন্দু গুণ
    • গ. 'বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়'– শামসুর রাহমান
    • ঘ. 'আমার পরিচয়'– সৈয়দ শামসুল হক
    উত্তর: খ. 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো'– নির্মলেন্দু গুণ
    ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ দেওয়ার পটভূমিতে কবি নির্মলেন্দু গুণ লিখেছেন ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’। কবিতায় ভাষণ শোনার জন্য জমায়েত হওয়া মানুষের আকুতি ও ইতিহাসের ধারা ফুটে উঠেছে। অন্য কবিতাগুলো ভিন্ন বিষয়ে: ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর লেখা।
    মনে রাখুন:
    শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’, ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’।
    ৭ মার্চের ভাষণ ২০১৭ সালে ইউনেস্কোর ‘মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ তালিকায় স্থান পেয়েছে।
  7. ২৫. 'প্রাচুর্য'-এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়—
    • ক. প্রচুর + ই
    • খ. প্রচুর + অ
    • গ. প্রচুর + য
    • ঘ. প্রচুর + য্য
    উত্তর: গ. প্রচুর + য
    ‘প্রাচুর্য’ শব্দটি তৈরি হয়েছে প্রচুর + য (ষ্ণ্য) দিয়ে, এটি তদ্ধিত প্রত্যয়। প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার ফলে শব্দের প্রথম স্বর ‘অ’ বদলে ‘আ’ হয়েছে (প্র → প্রা) এবং শেষে ‘র্য’ গঠিত হয়েছে। এ ধরনের পরিবর্তনকে আদ্যস্বরের বৃদ্ধি বলে। তাই ‘প্রচুর + ই’ বা ‘প্রচুর + অ’ ধরলে ‘প্রাচুর্য’ পাওয়া যায় না। আমরা লক্ষ করলে দেখি, প্রচুর শব্দের মূল বিশেষণ ভাবকে এই প্রত্যয় বিশেষ্যে বদলে দেয়।
    উদাহরণ:
    মধুর + য = মাধুর্য, চতুর + য = চাতুর্য।
    তরুণ + য = তারুণ্য, কবি + য = কাব্য।
    মনে রাখুন: তদ্ধিত প্রত্যয় বসে নাম শব্দের (বিশেষ্য, বিশেষণ) পরে, আর কৃৎ প্রত্যয় বসে ধাতুর পরে।
  8. ২৯. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয়–
    • ক. প্রত্যয়
    • খ. ধাতু
    • গ. অনুসর্গ
    • ঘ. বিভক্তি
    উত্তর: খ. ধাতু
    ক্রিয়াপদের যে মূল অংশের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে নানা রূপ তৈরি হয়, তাকে ধাতু বলে। যেমন ‘করছে’, ‘করবে’, ‘করেছিল’ সব রূপের মূল ‘কর্’। কাল ও পুরুষ অনুযায়ী বিভক্তি বদলায়, কিন্তু ধাতু একই থাকে। প্রত্যয় ও বিভক্তি ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দকে নতুন রূপ দেয়, আর অনুসর্গ আলাদা শব্দ হিসেবে বসে। সুতরাং ক্রিয়াপদের মূল অংশ হিসেবে ধাতুই ঠিক উত্তর।
    মনে রাখুন:
    ধাতু তিন প্রকার: মৌলিক, সাধিত ও যৌগিক বা সংযোগমূলক।
    উদাহরণ: খা, যা, কর্।
    ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া তৈরি হয়।
  9. ৩১. কোনটি বিরামচিহ্ন নয়?
    • ক. -
    • খ. ,
    • গ. ঃ
    • ঘ. ;
    উত্তর: গ. ঃ
    বিরামচিহ্ন হলো বাক্য লেখার সময় থামা বা ভাগ করা বোঝানোর চিহ্ন, যেমন কমা (,), সেমিকোলন (;) ও হাইফেন (-)। ‘ঃ’ হলো বিসর্গ, বাংলা বর্ণমালার একটি বর্ণ। সুতরাং এটি বিরামচিহ্ন নয়। বিসর্গের উচ্চারণ প্রায় ‘হ’-এর মতো, যেমন ‘দুঃখ’ শব্দে। পড়ার সময় বিরামচিহ্ন দেখে আমরা কতক্ষণ থামব তা ঠিক করি, কিন্তু বিসর্গ শব্দের ভেতরের ধ্বনি তৈরি করে। এই পার্থক্য মনে রাখলে প্রশ্নটির উত্তর সহজে মেলে।
    মনে রাখুন:
    প্রধান বিরামচিহ্ন: দাঁড়ি (।), কমা, সেমিকোলন, কোলন, প্রশ্নচিহ্ন, বিস্ময়চিহ্ন।
    বিসর্গ ব্যঞ্জনবর্ণের তালিকায় আসে, আবার সংযুক্ত হয় স্বরধ্বনির সঙ্গে।
  10. ৩৩. 'পাখি'-এর সমার্থক শব্দ—
    • ক. বিটলি
    • খ. বিগ্রহ
    • গ. বিজয়ী
    • ঘ. বিহগ
    উত্তর: ঘ. বিহগ
    ‘পাখি’ শব্দের একটি সমার্থক শব্দ বিহগ। ‘বিহ’ মানে আকাশ আর ‘গ’ মানে যে চলে, অর্থাৎ যে আকাশে বিচরণ করে। এভাবে শব্দের গঠন জানলে অর্থ মনে রাখা সহজ হয়। বাকি বিকল্পগুলো পাখির সমার্থক নয়। বিগ্রহ মানে মূর্তি বা যুদ্ধ, আর বিজয়ী মানে যে জয় করেছে। দেখতে ‘বি’ দিয়ে শুরু হওয়ায় শব্দগুলোকে এক রকম মনে হতে পারে, কিন্তু অর্থ একেবারে আলাদা। বিটলি শব্দটিও পাখির সমার্থক নয়।
    মনে রাখুন:
    পাখির আরও সমার্থক শব্দ: খগ, বিহঙ্গ, পক্ষী, দ্বিজ, শকুন্ত, বিহঙ্গম।
    ‘দ্বিজ’ মানে দুবার জন্মায় যে, কারণ পাখি প্রথমে ডিম রূপে, পরে বাচ্চা রূপে জন্ম নেয়।
  11. ৩৪. বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
    • ক. কবিতা
    • খ. নাটক
    • গ. উপন্যাস
    • ঘ. ছোটগল্প
    উত্তর: ক. কবিতা
    বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা কবিতা। বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ পদ বা গানের আকারে লেখা, আর এটি মূলত কবিতা। চর্যাপদের পদগুলো সাধন-ভজনের গান হলেও সেগুলোর ছন্দ ও ভাষা কাব্যিক। নাটক, উপন্যাস ও ছোটগল্প এসেছে অনেক পরে, আধুনিক যুগে, অর্থাৎ উনবিংশ শতাব্দীতে। তাই প্রাচীনতম শাখা বলতে কবিতাই বুঝতে হবে।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে।
    মাইকেল মধুসূদন দত্তকে আধুনিক বাংলা কাব্যের জনক বলা হয়।
    বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’ বলে পরিচিত।
  12. ৩৫. 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
    • ক. সত্যজিৎ রায়
    • খ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    • ঘ. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
    উত্তর: খ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এটি তাঁর প্রথম উপন্যাস, ১৯২৯ সালে প্রকাশিত। এর কেন্দ্রীয় চরিত্র অপু ও দুর্গা। পরের অংশ ‘অপরাজিত’-তে অপুর বড় হওয়ার গল্প আছে। সত্যজিৎ রায় এই উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৫৫ সালে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, তাই প্রশ্নে তাঁর নাম থাকলেও তিনি চলচ্চিত্রকার, উপন্যাসের লেখক নন। বিভূতিভূষণের গ্রামজীবনের বর্ণনা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।
    মনে রাখুন:
    বিভূতিভূষণের অন্যান্য উপন্যাস: অপরাজিত, আরণ্যক, আদর্শ হিন্দু হোটেল, ইছামতি, দৃষ্টিপ্রদীপ।
    সত্যজিৎ রায়ের ‘অপু ত্রয়ী’র প্রথম ছবি পথের পাঁচালী।
  13. ৪৯. কোনটি বিদেশি শব্দ নয়?
    • ক. আদালত
    • খ. চিনি
    • গ. পাউরুটি
    • ঘ. সূর্য
    উত্তর: ঘ. সূর্য
    ‘সূর্য’ সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম শব্দ, তাই এটি বিদেশি শব্দ নয়। বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ সরাসরি সংস্কৃত থেকে আসে এবং রূপ বদলায় না। বাকিগুলো বিদেশি: আদালত আরবি, চিনি চীনা এবং পাউরুটি পর্তুগিজ শব্দ (পর্তুগিজ ‘পাঁও’ থেকে)। বাংলা ভাষা ইতিহাসের নানা সময়ে বিদেশিদের সঙ্গে মেলামেশার ফলে এসব শব্দ গ্রহণ করেছে। তাই পরীক্ষায় শব্দের উৎস ভাষা চেনা জরুরি। তৎসম শব্দ হলো সংস্কৃত ভাষারই শব্দ, যেমন চন্দ্র, নদী ও পুষ্প।
    মনে রাখুন:
    পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, চাবি, বালতি, পেয়ারা।
    আরবি শব্দ: কলম, কিতাব, আদালত।
    ফারসি শব্দ: কারখানা, দোকান, চশমা।
  14. ৫২. আদর্শ বাক্যের গুণ কয়টি?
    • ক. চারটি
    • খ. পাঁচটি
    • গ. তিনটি
    • ঘ. ছয়টি
    উত্তর: গ. তিনটি
    একটি বাক্য তখনই আদর্শ বা শুদ্ধ হয়, যখন তাতে তিনটি গুণ থাকে: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। আকাঙ্ক্ষা মানে বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে শ্রোতার জানার ইচ্ছা। আসত্তি মানে পদগুলোর যথাযথ বিন্যাস এবং যোগ্যতা মানে অর্থগত সংগতি। এই তিনটির কোনো একটি না থাকলে বাক্য অর্থবহ ও শুদ্ধ হয় না। তাই গুণের সংখ্যা তিন।
    উদাহরণ:
    ‘আমি ভাত খাই।’ (যোগ্যতা আছে)
    ‘আমি আগুন খাই’ বললে যোগ্যতা থাকে না।
    মনে রাখুন: আকাঙ্ক্ষার অভাবে বাক্য অসম্পূর্ণ থাকে, যেমন শুধু ‘আমি’ লিখলে মনে প্রশ্ন জাগে কী।
  15. ৫৫. কাজী নজরুল ইসলাম 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কত সালে লিখেছিলেন?
    • ক. ১৯২১
    • খ. ১৯২০
    • গ. ১৯২২
    • ঘ. ১৯১৯
    উত্তর: ক. ১৯২১
    কাজী নজরুল ইসলাম ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি রচনা করেন ১৯২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে। ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় এটি প্রথম প্রকাশিত হলে বাংলা সাহিত্যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। কবিতাটি পরে ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২) কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়। তাই রচনার সাল ১৯২১, আর প্রকাশের সাল ১৯২২। প্রশ্নে রচনার সাল চাওয়ায় উত্তর ১৯২১। আমরা অনেক সময় প্রকাশের সালকেই রচনার সাল ভেবে ভুল করি, তাই দুটি আলাদা করে মনে রাখা ভালো। কবিতায় কবি নিজেকে বিদ্রোহী বলে ঘোষণা করেছেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজের তেজ প্রকাশ করেছেন।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের অন্যান্য রচনা: দোলনচাঁপা, সর্বহারা, ছায়ানট।
    তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
    ‘অগ্নিবীণা’ তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
  16. ৫৯. 'বাগধারা' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
    • ক. ভাষাতত্ত্বে
    • খ. ধ্বনিতত্ত্বে
    • গ. বাক্যতত্ত্বে
    • ঘ. রূপতত্ত্বে
    উত্তর: গ. বাক্যতত্ত্বে
    বাগধারা বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়, কারণ বাগধারা এমন বাক্যাংশ, যার অর্থ আক্ষরিক অর্থ থেকে আলাদা এবং বাক্যের ভেতরে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি পরিবর্তন, সন্ধি ও ণত্ব-ষত্ব বিধান আছে, আর রূপতত্ত্বে শব্দ গঠন, প্রকৃতি-প্রত্যয় ও বচন আলোচিত হয়। ভাষাতত্ত্ব ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট অংশ নয়, এটি ভাষা নিয়ে সার্বিক বিজ্ঞান। তাই বাগধারার জায়গা বাক্যতত্ত্ব।
    উদাহরণ:
    ‘অক্কা পাওয়া’ মানে মারা যাওয়া।
    ‘চোখের বালি’ মানে অপ্রিয় ব্যক্তি।
    মনে রাখুন: বাগধারা বাক্যের ভেতরে এসে নিজের আক্ষরিক অর্থ হারায়।
  17. ৬৭. উপসর্গ সাধারণত কোথায় বসে?
    • ক. বাক্যের শেষে
    • খ. শব্দের শেষে
    • গ. শব্দের পূর্বে
    • ঘ. শব্দের মধ্যে
    উত্তর: গ. শব্দের পূর্বে
    উপসর্গ হলো এমন অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা শব্দের আগে বসে শব্দের অর্থের পরিবর্তন করে, নতুন অর্থ আনে বা অর্থ জোরালো করে। যেমন ‘প্র + গতি = প্রগতি’। তাই উপসর্গ শব্দের শুরুতে বসে, আর প্রত্যয় বসে শেষে। উপসর্গ নিজে স্বাধীনভাবে বাক্যে বসতে পারে না, তাই একে শব্দাংশ বলা হয়। শব্দের শেষে বা মাঝে নয়, বাক্যের শেষেও নয়, কেবল শব্দের পূর্বেই এর স্থান।
    মনে রাখুন:
    উপসর্গ তিন প্রকার: বাংলা (২১টি), তৎসম বা সংস্কৃত (২০টি) এবং বিদেশি।
    উদাহরণ:
    বাংলা: অ, অনা, আ।
    সংস্কৃত: প্র, পরা, অপ, সম্।
  18. ৭২. 'মেঘে মেঘে' শব্দদ্বৈত কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
    • ক. ব্যাপ্তি
    • খ. বহুত্ব
    • গ. প্রকর্ষ
    • ঘ. ঈষৎ স্বল্পতা
    উত্তর: ক. ব্যাপ্তি
    ‘মেঘে মেঘে’ হলো শব্দদ্বৈত, যেখানে একই শব্দ দুইবার ব্যবহৃত। ‘মেঘে মেঘে বেলা গেল’ বাক্যে সব জায়গা জুড়ে মেঘ বোঝানো হয়েছে, অর্থাৎ ব্যাপ্তি। একটি জিনিস বহু জায়গায় ছড়িয়ে আছে বোঝাতে এই ধরনের দ্বিত্ব ব্যবহার হয়। শব্দদ্বৈত ব্যাপ্তি ছাড়াও আরও নানা অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন বহুত্ব ও ঈষৎ স্বল্পতা।
    উদাহরণ:
    ব্যাপ্তি: ঘরে ঘরে খবর পৌঁছাল।
    বহুত্ব: গাছে গাছে ফুল ফুটেছে।
    ঈষৎ স্বল্পতা: ভালো ভালো ছেলে।
    মনে রাখুন: শব্দদ্বৈতে একই শব্দ দুবার বসে বলে একে দ্বিরুক্ত শব্দও বলা হয়।
  19. ৭৩. তুমি এতক্ষণ কী করেছ?-এ বাক্যে 'কী' কোন পদ?
    • ক. সর্বনাম
    • খ. অব্যয়
    • গ. ক্রিয়া
    • ঘ. বিশেষণ
    উত্তর: ক. সর্বনাম
    ‘তুমি এতক্ষণ কী করেছ?’ বাক্যে ‘কী’ শব্দটি প্রশ্ন করছে এবং ‘করেছ’ ক্রিয়ার কর্মের জায়গায় বসেছে। যে সর্বনাম প্রশ্ন বোঝায়, তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বলে। তাই এখানে ‘কী’ সর্বনাম পদ। ‘কী’ কখনও অব্যয় হিসেবে বসে, যেমন ‘তুমি কি যাবে?’ বাক্যে ‘কি’ প্রশ্ন বোঝায়, কিন্তু এটি কর্মের জায়গা নেয় না। অর্থাৎ বাক্যে শব্দটি কী কাজ করছে তা দেখেই পদ ঠিক করতে হয়।
    মনে রাখুন:
    প্রশ্নবাচক সর্বনাম: কে, কী, কার, কাকে, কোন।
    ‘কী’ বিশেষণ হিসেবেও বসতে পারে, যেমন ‘কী বই পড়ছ?’।
  20. ৭৪. 'পুতুল নাচের ইতিকথা' গ্রন্থের রচয়িতা—
    • ক. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • ঘ. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    উত্তর: খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ উপন্যাসের রচয়িতা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। উপন্যাসটি ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। এতে গ্রামীণ জীবনের মানুষের অসহায়তা এবং অদৃশ্য শক্তির হাতে তাদের নিয়ন্ত্রিত হওয়ার চিত্র ফুটে উঠেছে। মূল চরিত্র শশী ডাক্তার ও কুসুম। বিভূতিভূষণ, তারাশঙ্কর ও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ও বাংলা সাহিত্যের বড় লেখক, কিন্তু এই উপন্যাস তাঁদের নয়। বিভূতিভূষণের বিখ্যাত বই ‘পথের পাঁচালী’, তারাশঙ্করের বিখ্যাত উপন্যাস ‘গণদেবতা’ ও ‘আরোগ্য নিকেতন’। মানিকের এই উপন্যাসে গ্রামের মানুষের ভাগ্য ও বিজ্ঞানমনস্ক ডাক্তারের দ্বন্দ্ব বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে।
    মনে রাখুন:
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যান্য উপন্যাস: পদ্মানদীর মাঝি, দিবারাত্রির কাব্য, জননী, শহরতলী।
    পদ্মানদীর মাঝিও ১৯৩৬ সালের রচনা।

ইংরেজি

  1. ৫. Please come — the bathroom.
    • ক. out of
    • খ. over
    • গ. on
    • ঘ. in
    উত্তর: ক. out of
    কোনো জায়গার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা বোঝাতে ‘come out of’ ব্যবহার করা হয়। বাথরুম থেকে আসতে বলা হয়েছে, তাই ‘Please come out of the bathroom’ সঠিক। এখানে out of মানে ভেতর থেকে বাইরে। over, on বা in বসালে বেরিয়ে আসার অর্থ পাওয়া যায় না। যেমন in মানে ভেতরে, যা উল্টো অর্থ দেয়। ইংরেজিতে ‘out of’ এবং ‘outside’ কাছাকাছি অর্থ বোঝালেও ব্যবহারে একটু পার্থক্য আছে। ‘Out of’ সাধারণত কোনো ভেতরের জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার গতি বোঝায়, আর ‘outside’ বাইরের অবস্থান বোঝায়।
    উদাহরণ:
    He came out of the room.
    Come in. (ভেতরে এসো) বনাম Come out. (বাইরে এসো)
    মনে রাখুন: ‘out of’ একটি যৌগিক preposition, যার পর noun বসে।
  2. ৭. The phrase 'over head and ears' means—
    • ক. emotionally
    • খ. easily
    • গ. critically
    • ঘ. completely
    উত্তর: ঘ. completely
    ‘Over head and ears’ ইডিয়মটির অর্থ সম্পূর্ণভাবে বা আপাদমস্তক ডুবে থাকা, যেমন: He is over head and ears in debt, অর্থাৎ সে ঋণে আপাদমস্তক ডুবে আছে। তাই অপশনগুলোর মধ্যে মিল আছে completely-র সঙ্গে। বাকি অপশনের অর্থ আলাদা। Emotionally মানে আবেগপ্রবণভাবে, easily মানে সহজে আর critically মানে সমালোচনামূলকভাবে। ইডিয়ম হলো এমন বাক্যাংশ, যার অর্থ শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ থেকে আলাদা। তাই ইডিয়মের অর্থ আলাদা করে মুখস্থ করতে হয়। Over head and ears-এর আক্ষরিক অর্থ মাথা আর কান ছাড়িয়ে যাওয়া, তবে এটি দিয়ে কোনো পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ ডুবে থাকা বোঝায়।
    মনে রাখুন:
    কাছাকাছি অর্থের ইডিয়ম: head over heels (সম্পূর্ণভাবে, বিশেষ করে প্রেমে পড়া বোঝাতে)।
    উদাহরণ:
    She is over head and ears in work.
  3. ৮. What is the masculine form of 'bee'?
    • ক. drone
    • খ. colt
    • গ. stag
    • ঘ. beetle
    উত্তর: ক. drone
    Bee (মৌমাছি) শব্দের পুরুষবাচক রূপ drone, অর্থাৎ পুরুষ মৌমাছি। মৌচাকে রানি মৌমাছি ডিম পাড়ে, কর্মী মৌমাছিরা খাবার জোগাড় করে, আর drone-এর প্রধান কাজ রানির সঙ্গে প্রজনন। বাকি অপশনগুলোও প্রাণীবাচক শব্দ, তবে অন্য পরিচয়ের। Colt হলো ঘোড়ার বাচ্চা, stag হলো পুরুষ হরিণ আর beetle হলো একধরনের পোকা। ইংরেজিতে অনেক প্রাণীর পুরুষ ও স্ত্রীবাচক রূপ আলাদা। মৌমাছির ক্ষেত্রে পুরুষ drone, আর রানি queen নামে পরিচিত। প্রশ্নে এ ধরনের লিঙ্গান্তরের জোড়া মুখস্থ থাকলে ভুল অপশন সহজে বাদ দেওয়া যায়।
    মনে রাখুন: পুরুষ-স্ত্রী জোড়া: bull–cow, stag–hind, cock–hen, ram–ewe, drake–duck।
    উদাহরণ:
    A drone cannot make honey.
  4. ৯. 'He went a hunting'. Here 'a' is used as a/an —.
    • ক. determiner
    • খ. preposition
    • গ. indefinite article
    • ঘ. modifier
    উত্তর: খ. preposition
    ‘He went a hunting’ বাক্যে ‘a’ শব্দটি article নয়। এটি on বা in অর্থে বসা একটি পুরোনো preposition। ‘a-hunting’ মানে শিকারে, অর্থাৎ বাক্যটির ভাবার্থ হলো ‘সে শিকারে গেল’। একসময় ইংরেজিতে ক্রিয়ার সঙ্গে এভাবে ‘a’ বসানোর চল ছিল। আমরা যদি ‘a’-কে article ধরি, তাহলে তার পরে একটি noun আসার কথা, আর hunting এখানে ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করছে। তাই ‘a’-কে preposition বলাই ঠিক। এখন অবশ্য এই রীতি প্রায় উঠে গেছে, তবু সাহিত্যে আর পরীক্ষায় এর দেখা মেলে।
    উদাহরণ:
    He went a-fishing. (সে মাছ ধরতে গেল)
    The child fell asleep. (a + sleep, অর্থাৎ ঘুমে)
    মনে রাখুন:
    a-walking, a-sleep, a-foot: এগুলোতে ‘a’ মানে on।
    Article হলো a, an ও the, আর এরা সব সময় noun-এর আগে বসে।
  5. ১১. Which one is the antonym of 'gallant'?
    • ক. valiant
    • খ. naive
    • গ. coward
    • ঘ. gullible
    উত্তর: গ. coward
    Gallant শব্দের অর্থ সাহসী বা বীর। এই অর্থের ঠিক উল্টো ভাব প্রকাশ করে coward, যার অর্থ ভীরু বা কাপুরুষ। তাই gallant-এর বিপরীত শব্দ coward। Valiant শব্দটি আসলে gallant-এর সমার্থক, কারণ এর মানেও সাহসী। Naive মানে সরল ও অনভিজ্ঞ, আর gullible মানে যে সহজে বিশ্বাস করে ঠকে যায়। এই দুটি শব্দ সাহসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাই বিপরীত শব্দ হতে পারে না। পরীক্ষায় সমার্থক আর বিপরীত শব্দ পাশাপাশি দেওয়া থাকে, তাই প্রশ্নে কোনটি চাওয়া হয়েছে তা খেয়াল করা জরুরি।
    মনে রাখুন:
    Gallant-এর সমার্থক: brave, courageous, heroic।
    Gallant-এর বিপরীত: timid, cowardly, fearful।
    Gallant শব্দটি কখনো কখনো নারীর প্রতি সৌজন্যশীল পুরুষ বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়।
  6. ২৪. Which one is a similar word to 'levity'?
    • ক. lewdness
    • খ. frivolity
    • গ. modesty
    • ঘ. stupidity
    উত্তর: খ. frivolity
    Levity মানে চপলতা বা অগম্ভীর আচরণ, অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও হালকা ভাব দেখানো। এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ frivolity, যার মানে অসার আমোদ বা ছেলেমানুষি। দুটি শব্দেই গাম্ভীর্যের অভাব বোঝায়, তাই এরা সমার্থক। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা। Lewdness মানে অশ্লীলতা, modesty মানে শালীনতা আর stupidity মানে নির্বুদ্ধিতা। লক্ষ রাখতে হবে, lewdness দেখতে levity-র মতো মনে হলেও অর্থ একেবারে আলাদা।
    উদাহরণ:
    He treated the serious matter with levity. (সে গুরুতর বিষয়কে হালকাভাবে নিল)
    মনে রাখুন:
    Levity-র বিপরীত শব্দ gravity বা seriousness।
    Levity-র আরেকটি সমার্থক শব্দ flippancy।
  7. ৩০. My father is — F.R.C.S.
    • ক. a
    • খ. an
    • গ. the
    • ঘ. no article
    উত্তর: খ. an
    Article কোন শব্দের আগে বসবে, তা নির্ভর করে শব্দটির উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি স্বরধ্বনি নাকি ব্যঞ্জনধ্বনি তার ওপর। F.R.C.S. উচ্চারণ করলে শুরু হয় ‘এফ’ (ef) দিয়ে, যার প্রথম ধ্বনি স্বরধ্বনি। যদিও F একটি consonant letter, তার উচ্চারণ স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয়। তাই এর আগে an বসে। F.R.C.S. হলো Fellow of the Royal College of Surgeons-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। An-এর মতোই M.A., M.B.B.S. ও F.C.P.S.-এর আগেও an বসে।
    উদাহরণ:
    an M.P., an hour, an honest man।
    a university, a European।
    মনে রাখুন: বানান নয়, উচ্চারণের প্রথম ধ্বনিই article ঠিক করে।
  8. ৪৪. Find out the correct sentence :
    • ক. Two-third of the apple is rotten
    • খ. Two-thirds of the apple is rotten
    • গ. Two-third of the apple are rotten
    • ঘ. Two-thrids of the apple are rotten
    উত্তর: খ. Two-thirds of the apple is rotten
    ভগ্নাংশ বোঝাতে ‘two-thirds’ লিখতে হয়, কারণ লব ২ হওয়ায় হরের শেষে s যুক্ত হয়ে বহুবচনের মতো রূপ নেয়। তাই ‘Two-third’ ভুল। আবার ভগ্নাংশের পর ‘of’-এর noun একবচন (the apple) হলে verb-ও একবচন হয়। তাই ‘Two-thirds of the apple is rotten’ সঠিক। ‘are rotten’ ভুল, কারণ apple একবচন। আর ‘thrids’ বানানটিও ভুল। অর্থাৎ নিয়মটি হলো, verb কোন noun-এর সঙ্গে মিলবে তা ভগ্নাংশের পরের noun দেখে ঠিক করতে হয়।
    উদাহরণ:
    Two-thirds of the students are present. (students বহুবচন, তাই are)
    One-third of the water is polluted. (water uncountable, তাই is)
    মনে রাখুন: লব ১ হলে হরে s বসে না, যেমন one-third।
  9. ৪৬. 'A barking dog seldom bites'. Here 'barking' is a/an —.
    • ক. gerund
    • খ. present participle
    • গ. verbal noun
    • ঘ. intransitive verb
    উত্তর: খ. present participle
    ‘A barking dog seldom bites’ বাক্যে barking শব্দটি dog noun-কে বিশেষিত করছে এবং শব্দটি ক্রিয়ামূলক। যে ing-যুক্ত শব্দ verb থেকে হয়ে adjective-এর মতো কাজ করে, তাকে present participle বলে। Gerund noun-এর মতো কাজ করে, যেমন ‘Barking is his habit’। এখানে barking কোনো বিশেষ্যের কাজ করছে না, তাই এটি gerund নয়। তাই সঠিক উত্তর present participle। Gerund আর present participle দেখতে একই (ing-যুক্ত), পার্থক্য কেবল বাক্যে তাদের কাজে।
    উদাহরণ:
    The running water is cold. (participle)
    Running is a good exercise. (gerund)
    মনে রাখুন: Noun-এর কাজ করলে gerund, adjective-এর কাজ করলে participle।
  10. ৪৭. The teacher infused a new spirit — the students.
    • ক. in
    • খ. to
    • গ. at
    • ঘ. into
    উত্তর: ঘ. into
    Infuse শব্দের মানে সঞ্চার করা, অর্থাৎ কোনো কিছু কারও মনে প্রবেশ করানো। ‘infuse something into someone’ এই কাঠামো ব্যবহার করা হয়। তাই ‘The teacher infused a new spirit into the students’ সঠিক। এখানে into বোঝায় শিক্ষার্থীদের মনের ভেতরে প্রবেশ। in, to বা at বসালে বাক্যটি স্বাভাবিক হয় না। বিকল্পভাবে ‘infuse the students with a new spirit’ ও বলা যায়।
    উদাহরণ:
    The coach infused confidence into the team.
    The coach infused the team with confidence.
    মনে রাখুন: Infuse-এর অর্থ: instill, inspire।
  11. ৫৩. Fill in the blank : He takes a lot of interest — game.
    • ক. for
    • খ. in
    • গ. at
    • ঘ. with
    উত্তর: খ. in
    আগ্রহ বা কৌতূহল বোঝাতে interest শব্দের পর preposition ‘in’ বসে। তাই ‘He takes a lot of interest in game’ সঠিক। কোনো জিনিসে আমাদের মন লেগে থাকে বলে ‘in’-এর মতো ভেতরের ভাব প্রকাশ করা preposition এখানে মানায়। এ ধরনের আরও কিছু নির্ভরশীল preposition মনে রাখা দরকার, কারণ ভুল preposition দিলে বাক্যের অর্থ নষ্ট হয়।
    উদাহরণ:
    She is interested in music.
    He is fond of music. (of)
    He is good at maths. (at)
    মনে রাখুন: Interest in, fond of, good at, afraid of।
  12. ৫৪. Which of the following is spelt incorrectly?
    • ক. aggravation
    • খ. air freshner
    • গ. bourgeois
    • ঘ. maintenance
    উত্তর: খ. air freshner
    সঠিক বানান air freshener, যার অর্থ ঘর সুগন্ধি বা সতেজ রাখার দ্রব্য। ‘freshner’ লেখা ভুল, কারণ fresh শব্দের সঙ্গে -en এবং -er দুটি অংশ জোড়া লাগে। বাকি তিনটি শব্দের বানান ঠিক: aggravation মানে অবস্থা আরও খারাপ করা, bourgeois মানে মধ্যবিত্ত বা বুর্জোয়া শ্রেণি আর maintenance মানে রক্ষণাবেক্ষণ। তাই ভুল বানানের শব্দ হিসেবে air freshner বেছে নিতে হবে। আমরা যখন -er যুক্ত করি, তখন মূল শব্দের বানান ঠিক রেখে তার সঙ্গে প্রত্যয়ের অংশটুকুও পুরো লিখতে হয়। এ ধরনের বানান প্রশ্ন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
    মনে রাখুন:
    Maintenance বানানটি maintain থেকে আলাদা, ‘ai’-এর জায়গায় ‘e’ বসে।
    Bourgeois শব্দটি ফরাসি থেকে এসেছে।
  13. ৫৮. Our teacher teaches Mathematics — English.
    • ক. across
    • খ. besides
    • গ. beside
    • ঘ. both
    উত্তর: খ. besides
    ‘Besides’ মানে ছাড়াও বা তা ছাড়া। ‘Our teacher teaches Mathematics besides English’ বাক্যের অর্থ শিক্ষক ইংরেজি ছাড়াও গণিত পড়ান। ‘Beside’ মানে পাশে, তাই অর্থ মেলে না। ‘Across’ মানে আড়াআড়ি এবং ‘both’ এখানে ব্যাকরণগতভাবে অচল, কারণ both দুটি বিষয়কে and দিয়ে জুড়ে ব্যবহার করতে হয়। দেখতে কাছাকাছি হলেও beside আর besides-এর অর্থে বড় পার্থক্য আছে।
    উদাহরণ:
    He sat beside me. (আমার পাশে)
    Besides football, he plays cricket. (ফুটবল ছাড়াও)
    মনে রাখুন: Besides = in addition to, Beside = by the side of।
  14. ৬০. Please, stop — so many mistakes.
    • ক. to make
    • খ. make
    • গ. making
    • ঘ. makes
    উত্তর: গ. making
    ‘Stop’ ক্রিয়ার পরে অন্য কোনো কাজের কথা এলে সাধারণত সেই verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়। তাই ‘Please, stop making so many mistakes’ সঠিক। এখানে ভুল করা বন্ধ করতে বলা হচ্ছে, তাই gerund (making) বসে। ‘Stop to make’ বললে অর্থ বদলে যায়, তখন বোঝায় কোনো কাজ থামিয়ে ভুল করার জন্য দাঁড়ানো। অর্থাৎ ing দিলে কাজটি থেমে যায়, আর to দিলে থামার উদ্দেশ্য বোঝায়।
    উদাহরণ:
    He stopped smoking. (ধূমপান ছাড়ল)
    He stopped to smoke. (ধূমপানের জন্য থামল)
    মনে রাখুন: Gerund-এর সঙ্গে চলে এমন verb: enjoy, avoid, finish, mind, stop।
  15. ৬১. Please, do not laugh — those beggars.
    • ক. for
    • খ. against
    • গ. at
    • ঘ. from
    উত্তর: গ. at
    কাউকে উপহাস বা বিদ্রূপ করা বোঝাতে ‘laugh at’ ব্যবহার করা হয়। তাই ‘Please, do not laugh at those beggars’ সঠিক। Laugh at মানে ঠাট্টা করা, আর শুধু laugh মানে হাসা। অর্থাৎ preposition বদলালে বাক্যের অর্থও বদলে যায়। For, against ও from এ অর্থে বসে না, তাই বাক্যটি অর্থবহ হয় না। এমন কিছু নির্ভরশীল preposition আমাদের আলাদা করে মনে রাখতে হয়, কারণ নিয়ম দিয়ে এদের বের করা যায় না।
    উদাহরণ:
    Don’t laugh at the poor.
    Laugh with him. (তার সঙ্গে হাসো)
    মনে রাখুন: Look at, laugh at, smile at, point at, aim at।
  16. ৬২. He got too tired — overwork.
    • ক. because of
    • খ. because off
    • গ. on
    • ঘ. for
    উত্তর: ক. because of
    কোনো ঘটনার কারণ বোঝাতে ‘because of’ ব্যবহার করা হয়, যার পরে noun বা noun phrase আসে। ‘He got too tired because of overwork’ মানে অতিরিক্ত কাজের কারণে সে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ল। এখানে overwork একটি noun, তাই ‘because of’ ঠিক বসে। ‘Because off’ ভুল বানান ও অর্থহীন। On বা for বসালেও কারণ বোঝানোর স্বাভাবিক অর্থ আসে না।
    মনে রাখুন:
    ‘Because’-এর পর পূর্ণ clause বসে। উদাহরণ: He is tired because he worked hard.
    Because of = on account of = owing to।
    Because of-এর পরে সাধারণত noun বা pronoun আসে, কিন্তু because-এর পরে subject ও verb থাকে।
  17. ৬৩. Identify the correct singular form :
    • ক. lice
    • খ. agenda
    • গ. alumnus
    • ঘ. antennae
    উত্তর: গ. alumnus
    Alumnus মানে একজন প্রাক্তন ছাত্র, আর এর বহুবচন alumni। তাই প্রশ্নের চারটি শব্দের মধ্যে alumnus-ই একবচন রূপ। বাকি তিনটি শব্দের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আলাদা। Lice শব্দটি louse (উকুন)-এর বহুবচন এবং antennae শব্দটি antenna-এর বহুবচন। Agenda শব্দটি agendum-এর বহুবচন, যদিও আধুনিক ইংরেজিতে agenda একবচন হিসেবেও ব্যবহার হয়। আমরা এ ধরনের শব্দ দেখলে মনে রাখব যে ল্যাটিন শব্দের বহুবচন গঠনের নিয়ম আলাদা।
    মনে রাখুন:
    ল্যাটিন শব্দ: datum–data, medium–media, stimulus–stimuli।
    Alumna–alumnae: নারী প্রাক্তন ছাত্রী।
    Louse–lice, mouse–mice: অনিয়মিত বহুবচন।
  18. ৬৫. Choose the correct sentence :
    • ক. Cows are sold dear.
    • খ. He gave me many good advices.
    • গ. They want your reply.
    • ঘ. I live here for five days.
    উত্তর: গ. They want your reply.
    ‘They want your reply’ বাক্যটি present indefinite tense-এ বিশুদ্ধ। অন্যগুলোয় ভুল আছে। ‘many good advices’ ভুল, কারণ advice uncountable noun এবং তার বহুবচন হয় না। ‘I live here for five days’ ভুল, কারণ ‘for + সময়কাল’ থাকলে সাধারণত perfect tense (have been living) বসে। আর ‘Cows are sold dear’ বাক্যে adverb হিসেবে ‘dearly’ বসানোই আধুনিক রীতি। তাই চারটির মধ্যে একমাত্র তৃতীয় বাক্যটি নির্ভুল।
    উদাহরণ:
    He gave me much good advice. (শুদ্ধ রূপ)
    I have lived here for five days.
    মনে রাখুন: Uncountable noun: advice, furniture, information, luggage, news।
  19. ৬৮. He failed (keep) his promise. Choose the right form of verb :
    • ক. in keeping
    • খ. keeping
    • গ. kept
    • ঘ. to keep
    উত্তর: ঘ. to keep
    ‘Fail’ ক্রিয়ার পর কোনো কাজের কথা বললে infinitive (to + verb) বসে। তাই ‘He failed to keep his promise’ সঠিক। এর অর্থ সে প্রতিজ্ঞা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। ‘Keeping’ বা ‘in keeping’ বসালে গঠন ঠিক থাকে না। ‘Kept’ বসলে verb-এর রূপ ভুল হয়, কারণ fail-এর পরে সরাসরি past form বসে না। এ নিয়ম ‘manage to’, ‘decide to’, ‘hope to’-এর ক্ষেত্রেও খাটে।
    উদাহরণ:
    He failed to pass the exam.
    She managed to finish the work.
    মনে রাখুন: Infinitive-এর সঙ্গে চলে এমন verb: want, hope, decide, promise, fail।

আন্তর্জাতিক

  1. ২১. 'Less is more' এটি কোন স্থপতির দর্শন?
    • ক. Frank Lloyd Wright
    • খ. Mies Van Der Rohe
    • গ. Muzharul Islam
    • ঘ. Richard Vrooman
    উত্তর: খ. Mies Van Der Rohe
    'Less is more' বা 'কম মানেই বেশি' উক্তিটি স্থাপত্যে আধুনিকতাবাদী (Modernist) ধারার বিখ্যাত দর্শন, যার প্রবক্তা জার্মান-আমেরিকান স্থপতি মিস ফান ডার রোহে (Ludwig Mies van der Rohe)। তাঁর মত ছিল, অনাবশ্যক সাজসজ্জা বাদ দিয়ে সরল গড়ন ও আধুনিক উপকরণ, যেমন ইস্পাত ও কাচ দিয়ে নির্মাণই সুন্দর। ফ্র্যাঙ্ক লয়েড রাইট প্রকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে নির্মাণের 'জৈব স্থাপত্য' (Organic architecture) ধারার জন্য বিখ্যাত।
    মনে রাখুন:
    মিসের বিখ্যাত কাজ: ফার্নসওয়ার্থ হাউস, বার্সেলোনা প্যাভিলিয়ন, সিগ্রাম বিল্ডিং।
    মুজহারুল ইসলাম বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যের অগ্রদূত।
  2. ২৬. 'Doric Order' কারা বেশি ব্যবহার করেছিল?
    • ক. বাইজেনটাইন
    • খ. রোমান
    • গ. গ্রিক
    • ঘ. জার্মান
    উত্তর: গ. গ্রিক
    প্রাচীন স্থাপত্যে স্তম্ভের গড়ন ও অলংকরণ অনুযায়ী কয়েকটি রীতি বা অর্ডার (Order) ছিল। ডরিক অর্ডার প্রাচীন গ্রিক স্থপতিদের তৈরি সবচেয়ে সরল ও মজবুত রীতি। এর স্তম্ভ মোটা, মাথায় সাদামাটা গোল প্যাডের মতো শীর্ষ থাকে, আর ভিত্তিতে আলাদা কোনো ভিত নেই। গ্রিসের এথেন্সের পার্থেনন মন্দির এই রীতির সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ। ডরিক স্তম্ভে সাধারণত ২০টির মতো খাঁজ কাটা থাকে, যা এর গড়নে একধরনের কঠোর সৌন্দর্য আনে। রোমানরা পরে কিছু রীতি বদলে ও অলংকরণ জুড়ে নিজেদের স্থাপত্যে ব্যবহার করে।
    মনে রাখুন:
    গ্রিক তিন অর্ডার: ডরিক, আয়োনিক ও কোরিন্থিয়ান।
    আয়োনিক অর্ডারের স্তম্ভশীর্ষে পেঁচানো ভলিউট থাকে।
    কোরিন্থিয়ান অর্ডারে স্তম্ভশীর্ষ অ্যাকান্থাস পাতার নকশায় অলংকৃত।
  3. ২৭. রেনেসাঁ আন্দোলন কোথায় শুরু হয়েছিল?
    • ক. গ্রিস
    • খ. রোম
    • গ. ইতালি
    • ঘ. ফ্রান্স
    উত্তর: গ. ইতালি
    রেনেসাঁ (Renaissance) শব্দের অর্থ পুনর্জন্ম বা নবজাগরণ। মধ্যযুগের অন্ধকার কাটিয়ে জ্ঞানচর্চার নতুন জাগরণ প্রথম শুরু হয় ইতালিতে, বিশেষ করে চতুর্দশ শতকে ফ্লোরেন্স শহরে। এরপর তা সারা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। ইতালি গ্রিক ও রোমান ঐতিহ্যের প্রাচীন নিদর্শনে ভরপুর ছিল, তাই সেখানেই এর সূচনা হয়। গ্রিস ও রোম প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র হলেও রেনেসাঁ আন্দোলন সেখানে শুরু হয়নি। ফ্রান্সে এটি আসে পরে।
    মনে রাখুন:
    পেত্রার্ককে রেনেসাঁর অগ্রদূত বলা হয়।
    বিখ্যাত রেনেসাঁ শিল্পী: লিওনার্দো দা ভিঞ্চি, মাইকেলেঞ্জেলো, রাফায়েল।
    বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত রাজা রামমোহন রায়।
  4. ২৮. ইট কোন দেশের প্রধান নির্মাণ উপকরণ?
    • ক. অস্ট্রেলিয়া
    • খ. ইতালি
    • গ. বাংলাদেশ
    • ঘ. নাগাসিটি
    উত্তর: গ. বাংলাদেশ
    বাংলাদেশ পলিমাটির দেশ। এখানে পাথর প্রায় নেই বললেই চলে, কিন্তু নদীবিধৌত কাদামাটি প্রচুর। এই মাটি পুড়িয়ে ইট বানানো সহজ ও সস্তা। তাই এ দেশে ঘরবাড়ি, সেতু, রাস্তা ও দালান নির্মাণের প্রধান উপকরণ ইট। প্রাচীন মসজিদ, মন্দির ও জমিদারবাড়ির বেশিরভাগই ইটে তৈরি। বাংলাদেশে ইটের ভাটা তাই গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে আছে। এ কারণে ইট আমাদের স্থাপত্যঐতিহ্য ও আধুনিক নির্মাণ দুই ক্ষেত্রেই সবচেয়ে প্রচলিত উপকরণ। বিদেশে যেখানে পাথর বা কাঠ সহজে মেলে, সেখানে এই নির্ভরতা কম।
    মনে রাখুন:
    পাহাড়পুরের সোমপুর বিহার ও ষাট গম্বুজ মসজিদ ইটের স্থাপত্যের বিখ্যাত উদাহরণ।
    ইটের ভাটার ধোঁয়া বায়ুদূষণের একটি বড় কারণ।
  5. ৩৬. আন্তর্জাতিক নারী দিবস কত তারিখে পালিত হয়?
    • ক. ১৯ এপ্রিল
    • খ. ৮ মার্চ
    • গ. ১৭ মার্চ
    • ঘ. ৯ ডিসেম্বর
    উত্তর: খ. ৮ মার্চ
    আন্তর্জাতিক নারী দিবস প্রতিবছর ৮ মার্চ পালিত হয়। নারীর অধিকার, সমতা ও অবদানকে সম্মান জানানোই এই দিনের উদ্দেশ্য। ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন শুরু করে। এরপর ১৯৭৭ সালে সাধারণ পরিষদ সদস্য দেশগুলোকে দিনটি পালনের আহ্বান জানায়। এর পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা ও ভোটাধিকারের দাবিতে করা আন্দোলনের ইতিহাস। অন্য তারিখগুলো এই দিবসের নয়। যেমন ১৯ এপ্রিল বা ৯ ডিসেম্বর আলাদা কোনো দিবসের তারিখ।
    মনে রাখুন:
    ক্লারা জেটকিন ১৯১০ সালে কোপেনহেগেনে নারী দিবসের প্রস্তাব দেন।
    ৮ মার্চের ঐতিহ্য নারী শ্রমিকদের আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত।
    জাতিসংঘ পালন শুরু করার বছর (১৯৭৫) আন্তর্জাতিক নারী বর্ষও ছিল।
  6. ৩৮. 'নাসা' কোন দেশের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র?
    • ক. যুক্তরাজ্য
    • খ. যুক্তরাষ্ট্র
    • গ. ভারত
    • ঘ. চীন
    উত্তর: খ. যুক্তরাষ্ট্র
    NASA-এর পূর্ণরূপ National Aeronautics and Space Administration। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, যা ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে। ১৯৬৯ সালে এই সংস্থার অ্যাপোলো ১১ অভিযানে মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে। সেই অভিযানের নভোচারী ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং, বাজ অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্স। তাই নাসা যুক্তরাজ্য, ভারত বা চীনের নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা।
    মনে রাখুন:
    ভারতের মহাকাশ সংস্থা ইসরো (ISRO), চীনের CNSA, ইউরোপের ESA।
    মহাকাশে প্রথম মানুষ ইউরি গ্যাগারিন (সোভিয়েত ইউনিয়ন), ১৯৬১ সালে।
    চাঁদে প্রথম পা রাখেন নিল আর্মস্ট্রং।
  7. ৪১. পৃথিবীর বিখ্যাত গিরিখাত গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন কোন মহাদেশে অবস্থিত?
    • ক. এশিয়া
    • খ. উত্তর আমেরিকা
    • গ. দক্ষিণ আমেরিকা
    • ঘ. ইউরোপ
    উত্তর: খ. উত্তর আমেরিকা
    গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন উত্তর আমেরিকা মহাদেশের যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত। কলোরাডো নদী লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মাটি ও পাথর কেটে এই বিশাল গিরিখাত তৈরি করেছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪৪৬ কিলোমিটার, আর গভীরতা কোথাও কোথাও ১৮০০ মিটারের বেশি। ১৯৭৯ সালে এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত হয়। গিরিখাতের স্তরে স্তরে সাজানো পাথরের দেয়ালে পৃথিবীর কোটি কোটি বছরের ইতিহাস ধরা আছে। তাই এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা বা ইউরোপে নয়, উত্তর আমেরিকাতেই এর অবস্থান।
    মনে রাখুন:
    কলোরাডো নদী ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগরে পড়েছে।
    গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন জাতীয় উদ্যান ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত।
  8. ৪২. 'Pantheon' (প্যান্থিয়ন) কোন দেশের একটি গোলাকার মন্দির?
    • ক. বাইজেন্টাইন
    • খ. রোমান
    • গ. গ্রিক
    • ঘ. জার্মান
    উত্তর: খ. রোমান
    প্যান্থিয়ন প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের এক বিখ্যাত গোলাকার মন্দির, যা এখন ইতালির রোম শহরে অবস্থিত। সম্রাট হাড্রিয়ানের সময়ে (দ্বিতীয় শতক) এটি পুনর্নির্মিত হয়। এর বিশাল গম্বুজ কংক্রিটের তৈরি, যা রোমান প্রকৌশলের উৎকর্ষের প্রমাণ। গম্বুজের মাঝখানে একটি খোলা গোলাকার জানালা আছে, যার নাম ওকুলাস। পরে এই মন্দিরকে গির্জায় পরিণত করা হয়। রোমানরা নির্মাণকাজে কংক্রিট ব্যবহারে খুব দক্ষ ছিল। তাই এটি বাইজেন্টাইন, গ্রিক বা জার্মান নয়, রোমান স্থাপত্যের নিদর্শন।
    মনে রাখুন:
    কলোসিয়াম ও ফোরাম রোমান স্থাপত্যের আরও দুটি বিখ্যাত নিদর্শন।
    গ্রিক স্থাপত্যের নিদর্শন: পার্থেনন (এথেন্স)।
  9. ৪৮. 'Hagia Sophia'-এর স্থাপত্যশৈলী হচ্ছে—
    • ক. রোমান স্থাপত্য
    • খ. ভারতীয় স্থাপত্য
    • গ. বাইজেন্টাইন স্থাপত্য
    • ঘ. বেঙ্গল স্থাপত্য
    উত্তর: গ. বাইজেন্টাইন স্থাপত্য
    হাজিয়া সোফিয়া (আয়া সোফিয়া) বাইজেন্টাইন স্থাপত্যের এক অসাধারণ উদাহরণ। তুরস্কের কনস্ট্যান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তানবুল) শহরে সম্রাট জাস্টিনিয়ানের নির্দেশে ৫৩২-৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মিত হয়। এর বিশাল কেন্দ্রীয় গম্বুজ বাইজেন্টাইন স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য। এটি প্রথমে গির্জা ছিল, ১৪৫৩ সালে অটোমানরা মসজিদে পরিণত করে, ১৯৩৪ সালে জাদুঘর হয় এবং ২০২০ সালে আবার মসজিদে রূপান্তরিত হয়। তাই রোমান, ভারতীয় বা বেঙ্গল নয়, বাইজেন্টাইন স্থাপত্যই সঠিক উত্তর।
    মনে রাখুন:
    আয়া সোফিয়ার স্থপতি ইসিদোরোস ও আন্থেমিয়োস।
    ১৪৫৩ সালে অটোমান সুলতান দ্বিতীয় মেহমেদ কনস্ট্যান্টিনোপল জয় করেন।
  10. ৫৬. মার্বেল কোন দেশে পর্যাপ্ত পাওয়া যায়?
    • ক. বাংলাদেশ
    • খ. গ্রিস
    • গ. ইংল্যান্ড
    • ঘ. ভুটান
    উত্তর: খ. গ্রিস
    মার্বেল একধরনের রূপান্তরিত শিলা, যা চুনাপাথর তাপ ও চাপে বদলে তৈরি হয়। এটি দিয়ে মূর্তি, মেঝে ও স্থাপনা বানানো হয়। দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে মার্বেলের জন্য সবচেয়ে প্রসিদ্ধ দেশ গ্রিস, যেখানে পেন্টেলিকন পর্বত ও প্যারোস দ্বীপের মার্বেল প্রাচীনকাল থেকে বিখ্যাত। বাংলাদেশে মার্বেল পাওয়া যায় না, ইংল্যান্ড ও ভুটানও এর জন্য পরিচিত নয়। অন্য শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলার তৈরি হওয়ার এই ধারণা ভূগোলে গুরুত্বপূর্ণ।
    মনে রাখুন:
    ইতালির কারারা বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত মার্বেল উৎপাদন অঞ্চল।
    এথেন্সের পার্থেনন মার্বেলে তৈরি।
    চুনাপাথর থেকে মার্বেল, কাদাপাথর থেকে স্লেট হয়।
  11. ৬৬. নালন্দা মহাবিহার কী?
    • ক. বিখ্যাত বাজার
    • খ. হাসপাতাল
    • গ. কমিউনিটি সেন্টার
    • ঘ. প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয়
    উত্তর: ঘ. প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয়
    নালন্দা মহাবিহার প্রাচীন ভারতের বিহার রাজ্যে (প্রাচীন মগধ) অবস্থিত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয়। পঞ্চম শতকে গুপ্ত সম্রাট কুমারগুপ্ত এর প্রতিষ্ঠা করেন বলে মনে করা হয়। এখানে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়তে আসত এবং শিক্ষক ও ছাত্রদের জন্য থাকার ব্যবস্থাও ছিল। চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এখানে অধ্যয়ন করেন। দ্বাদশ শতকের শেষে বখতিয়ার খলজির আক্রমণে এটি ধ্বংস হয়। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়। বাজার, হাসপাতাল বা কমিউনিটি সেন্টার নয়, এটি পড়াশোনার কেন্দ্র।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় ছিল সোমপুর মহাবিহার (পাহাড়পুর)।
  12. ৬৯. শান্তির জন্য শেখ মুজিবুর রহমান কবে 'জুলিও কুরী' পুরস্কার পান–
    • ক. ১৯৭৩ সালের ২৩ মে
    • খ. ১৯৭৩ সালের ২৪ মে
    • গ. ১৯৭৩ সালের ২৩ জুন
    • ঘ. ১৯৭৩ সালের ২৪ জুন
    উত্তর: ক. ১৯৭৩ সালের ২৩ মে
    বিশ্বশান্তি পরিষদ (World Peace Council) ১৯৭৩ সালের ২৩ মে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রদান করে। বিশ্বশান্তি আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেওয়া হয়। পদকটি ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী ফ্রেডেরিক জোলিও-কুরির নামে। প্রশ্নের অন্য তারিখগুলোর মধ্যে মাস বা দিন বদলে দেওয়া হয়েছে, তাই তারিখটি সতর্কভাবে মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন।
    ১৯৭৩ সালেই বাংলাদেশ NAM-এর সদস্য হয়।
    বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফেরেন।
  13. ৭০. কোন দেশ থেকে সর্বপ্রথম করোনা ভাইরাসের ‘ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট’ সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানানো হয়?
    • ক. ভারত
    • খ. দক্ষিণ আফ্রিকা
    • গ. ইতালি
    • ঘ. চীন
    উত্তর: খ. দক্ষিণ আফ্রিকা
    করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন (Omicron) প্রথম শনাক্ত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়। ২০২১ সালের নভেম্বরে দেশটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (WHO) বিষয়টি জানায়, আর সংস্থাটি এটিকে উদ্বেগজনক ধরন ঘোষণা করে। করোনা ভাইরাস নিজে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল চীনের উহানে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। তাই চীনকে উত্তর ধরা ঠিক নয়, কারণ প্রশ্নে ওমিক্রন ধরনের কথা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, মূল ভাইরাসের কথা নয়। ভারত এ ক্ষেত্রে ডেলটা ধরনের জন্য পরিচিত, আর ইতালি এই তালিকায় কোনো নতুন ধরনের জন্য প্রথম নয়।
    মনে রাখুন:
    ডেলটা ধরন প্রথম শনাক্ত হয় ভারতে।
    WHO গ্রিক বর্ণমালা দিয়ে ধরনগুলোর নাম দেয়: আলফা, বেটা, গামা, ডেলটা।
  14. ৭১. কোন শহরটি 'বিগ অ্যাপল' নামে পরিচিত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
    • ক. প্যারিস
    • খ. নিউ ইয়র্ক
    • গ. সিঙ্গাপুর
    • ঘ. লন্ডন
    উত্তর: খ. নিউ ইয়র্ক
    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরকে ‘বিগ অ্যাপল’ (The Big Apple) বলা হয়। বিশাল অট্টালিকা, ব্যস্ততা ও সুযোগ-সুবিধার জন্য এই নাম চালু হয়েছে। অন্য শহরগুলোর ডাকনাম আলাদা। প্যারিস ‘আলোর শহর’ ও ‘ভালোবাসার শহর’ নামে পরিচিত। শহরের এসব ডাকনাম ভূগোল ও সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্নে প্রায়ই আসে, তাই শহর আর তার ডাকনাম জোড়া মিলিয়ে মনে রাখা ভালো। নিউইয়র্ক শহর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহর এবং এখানেই জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত। এই শহরে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ কাজে আসেন, তাই একে বিশাল সুযোগের জায়গা মনে করা হয়।
    মনে রাখুন:
    লন্ডনের ডাকনাম ‘দ্য বিগ স্মোক’।
    সিঙ্গাপুরকে ‘গার্ডেন সিটি’ বলা হয়।
    ব্যাংকক ‘এঞ্জেলের শহর’ নামে পরিচিত।
  15. ৭৫. 'Fallingwater'-এর স্থপতি কে?
    • ক. Louis I Kahn
    • খ. Frank Lloyd Wright
    • গ. Le Corbusier
    • ঘ. Charles Correa
    উত্তর: খ. Frank Lloyd Wright
    পেনসিলভেনিয়ার বিয়ার রান নদীর ঝরনার ওপর তৈরি বিখ্যাত বাসভবন ফলিং ওয়াটার (Fallingwater)। এর স্থপতি মার্কিন স্থপতি ফ্র্যাঙ্ক লয়েড রাইট (Frank Lloyd Wright)। তিনি ১৯৩৫ সালে কাজ শুরু করেন এবং ১৯৩৭ সালে নির্মাণ শেষ হয়। বাড়িটি ঝরনার ঠিক ওপরে বারান্দার মতো বেরিয়ে আছে, যা প্রকৃতির সঙ্গে স্থাপত্যের মিলনের এক অসাধারণ উদাহরণ। ঝরনার ওপর বাড়ি তোলায় ঝরনার শব্দ ও দৃশ্য ঘরের ভেতরেই পাওয়া যায়। এর কংক্রিটের কাঠামো পাথরের তাকের সঙ্গে লাগানো, ফলে বাড়িটি যেন প্রকৃতিরই অংশ হয়ে গেছে।
    মনে রাখুন:
    রাইটের স্থাপত্যদর্শন ছিল জৈব স্থাপত্য (Organic architecture)।
    লুই কান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি।
    লে করবুজিয়ে ভারতের চণ্ডীগড় শহরের নকশা করেন।
  16. ৭৭. শরণার্থীদের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে সাহিত্য রচনা করে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন—
    • ক. লুইজ গ্লিক
    • খ. বব ডিলান
    • গ. আবদুলরাজাক গুরনাহ
    • ঘ. গুন্টার গ্রাস
    উত্তর: গ. আবদুলরাজাক গুরনাহ
    ২০২১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান তানজানিয়ার ঔপন্যাসিক আবদুলরাজাক গুরনাহ (Abdulrazak Gurnah)। উপনিবেশবাদের প্রভাব এবং শরণার্থীদের ভাগ্য নিয়ে আপসহীন ও সহানুভূতিশীল লেখার জন্য তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘প্যারাডাইস’ (১৯৯৪), ‘বাই দ্য সি’ (২০০১) ও ‘ডেজারশন’ (২০০৫)। অন্য তিন লেখকও নোবেলজয়ী, কিন্তু তাঁদের পুরস্কারের কারণ ভিন্ন।
    মনে রাখুন:
    লুইজ গ্লিক ২০২০ সালের সাহিত্যে নোবেলজয়ী (যুক্তরাষ্ট্র)।
    বব ডিলান ২০১৬ সালে এবং গুন্টার গ্রাস ১৯৯৯ সালে এই পুরস্কার পেয়েছেন।
    হালনাগাদ: ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পান হাঙ্গেরির লাসলো ক্রাসনাহোরকাই।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন