স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৮ অক্টোবর ২০১৯। ৬০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বিজ্ঞান
- ১. One kg force is equal to—
- ক. 7.8 N
- খ. 8.9 N
- গ. 9.8 N
- ঘ. 11.8 N
উত্তর: গ. 9.8 N
১ কিলোগ্রাম-বল (kgf) হলো ১ কেজি ভরের ওপর পৃথিবীর অভিকর্ষের টান। বলের সূত্র F = mg, তাই 1 kgf = 1 kg × 9.8 m/s² = 9.8 N (নিউটন)।
মনে রাখুন:
বলের SI একক নিউটন (N)।
১ নিউটন হলো ১ কেজি ভরের বস্তুতে ১ m/s² ত্বরণ তৈরি করার বল।
ভূপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ g প্রায় 9.8 m/s²। - ৫৫. The presence of bacteria in water causes—
- ক. hardness
- খ. alkalinity
- গ. diseases
- ঘ. bad taste
উত্তর: গ. diseases
পানিতে রোগজীবাণু ব্যাকটেরিয়া থাকলে তা পান করলে বা তা দিয়ে খাবার তৈরি করলে নানা রোগ হয়। কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয় ও ডায়রিয়া এমনই কিছু রোগ। পানির কাঠিন্য (Hardness) আসে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের লবণ থেকে, ব্যাকটেরিয়া থেকে নয়। আবার ক্ষারত্বও দ্রবীভূত লবণের কারণে হয়।
মনে রাখুন: পানি জীবাণুমুক্ত করতে ফোটানো, ক্লোরিন বা ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। সব ব্যাকটেরিয়া অবশ্য ক্ষতিকর নয়, অনেকগুলো আমাদের উপকারও করে।
আন্তর্জাতিক
- ২. সিরডাপ (CIRDAP)-এর সদর দপ্তর—
- ক. দিল্লি
- খ. ওয়াশিংটন
- গ. ব্যাংকক
- ঘ. ঢাকা
উত্তর: ঘ. ঢাকা
সিরডাপ (CIRDAP) নামটির পূর্ণ রূপ Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific। এটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গ্রামীণ উন্নয়নের আন্তঃসরকারি প্রতিষ্ঠান, যার সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। এর প্রতিষ্ঠা ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) উদ্যোগে। কাজেই আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায় থাকার একটি উদাহরণ এটি।
মনে রাখুন: ঢাকায় সদর দপ্তর আছে এমন আরেকটি আঞ্চলিক সংস্থা বিমসটেক (BIMSTEC)। - ১০. আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস পালিত হয়—
- ক. ২২ জুলাই
- খ. ২৮ জুলাই
- গ. ১৭ আগস্ট
- ঘ. ১৬ সেপ্টেম্বর
উত্তর: ঘ. ১৬ সেপ্টেম্বর
১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। ওজোন স্তর ক্ষয়কারী রাসায়নিক পদার্থ (যেমন সিএফসি) ব্যবহার কমানোর জন্য এই চুক্তি হয়। সেই স্মৃতি ধরে জাতিসংঘ ১৯৯৪ সালে ১৬ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস ঘোষণা করে। ১৯৯৫ সাল থেকে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
মনে রাখুন:
ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নেয়।
১৯৮৫ সালের ভিয়েনা কনভেনশন ছিল ওজোন রক্ষার প্রাথমিক চুক্তি। - ১৩. 'গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল' যেসব দেশ নিয়ে গঠিত–
- ক. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
- খ. আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান
- গ. বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল
- ঘ. কম্বোডিয়া, লাওস ও ভিয়েতনাম
উত্তর: ক. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল (Golden Triangle) হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি দেশ মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চল। এই অঞ্চল আফিম উৎপাদন ও মাদক চোরাচালানের জন্য কুখ্যাত। এই নাম তাই কোনো রাজনৈতিক জোটের নাম নয়। মাদক উৎপাদনের আরেকটি অঞ্চল গোল্ডেন ক্রিসেন্ট, যা আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান নিয়ে গঠিত।
মনে রাখুন: মেকং নদী এই তিন দেশের সীমান্তে মিলিত হয়েছে। - ২৩. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে 'স্ট্যাচু অব লিবার্টি' উপহার দেয়—
- ক. যুক্তরাজ্য
- খ. ইতালি
- গ. ফ্রান্স
- ঘ. জার্মানি
উত্তর: গ. ফ্রান্স
স্ট্যাচু অব লিবার্টি (Statue of Liberty) যুক্তরাষ্ট্রকে উপহার দেয় ফ্রান্স। মার্কিন স্বাধীনতার শতবর্ষ স্মরণে ১৮৮৬ সালে এটি নিউইয়র্ক বন্দরের লিবার্টি দ্বীপে স্থাপিত হয়। ভাস্কর ফ্রেডেরিক অগাস্ট বার্থোল্ডি এর নকশা করেন এবং এর ভেতরের কাঠামো তৈরি করেন প্রকৌশলী গুস্তাভ আইফেল, যিনি প্যারিসের আইফেল টাওয়ারও বানিয়েছিলেন।
মনে রাখুন: মূর্তিটি স্বাধীনতার প্রতীক। এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় আছে। - ২৮. যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা লিখিত গ্রন্থটির নাম—
- ক. উইংস অব ফায়ার
- খ. ফ্রেন্ডস নট মাস্টার
- গ. ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশন
- ঘ. দ্য অডাসিটি অব হোপ
উত্তর: ঘ. দ্য অডাসিটি অব হোপ
বারাক ওবামার রচিত বই ‘The Audacity of Hope’ (২০০৬)। এ ছাড়া তাঁর আরেকটি বিখ্যাত বই ‘Dreams from My Father’। বাকি বইগুলোর লেখক অন্যরা: ‘উইংস অব ফায়ার’ লিখেছেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালাম। ‘ফ্রেন্ডস নট মাস্টার্স’ আইয়ুব খানের আত্মজীবনী। ‘ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশনস’ লিখেছেন স্যামুয়েল হান্টিংটন।
মনে রাখুন: ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান রাষ্ট্রপতি (২০০৯–২০১৭)। - ৪২. ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট–
- ক. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন
- খ. রানীর গ্রীষ্মকালীন নিবাস
- গ. অর্থমন্ত্রীর অফিস ভবন
- ঘ. কমনওয়েলথ মন্ত্রীদের সভা ভবন
উত্তর: ক. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন
লন্ডনের হোয়াইটহল এলাকার কাছে ডাউনিং স্ট্রিট নামে একটি ছোট সড়ক আছে। এর ১০ নম্বর বাড়িটি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। প্রধানমন্ত্রী এখানে থাকেন এবং মন্ত্রিসভার অনেক বৈঠকও এখানেই হয়।
মনে রাখুন:
১১ নম্বর বাড়িটি অর্থমন্ত্রী (Chancellor of the Exchequer)-এর সরকারি বাসভবন।
রানি বা রাজার সরকারি বাসভবন বাকিংহাম প্যালেস।
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট ভবনের নাম ওয়েস্টমিনস্টার প্যালেস। - ৫১. আধুনিক তুরস্কের জনক–
- ক. আনোয়ার পাশা
- খ. কামাল পাশা
- গ. হারুন-অর-রশীদ
- ঘ. জেনারেল তুরগত ওজা
উত্তর: খ. কামাল পাশা
মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক আধুনিক তুরস্কের জনক। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে উসমানীয় সাম্রাজ্য হেরে গেলে তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন এবং ১৯২৩ সালে তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি প্রজাতন্ত্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন। তাঁকে কামাল পাশা নামেও ডাকা হতো। ১৯৩৪ সালে তুরস্কের সংসদ তাঁকে ‘আতাতুর্ক’ উপাধি দেয়, যার অর্থ তুর্কিদের পিতা।
মনে রাখুন: তিনি খিলাফত বিলুপ্ত করেন (১৯২৪), আরবি হরফের বদলে লাতিন হরফ চালু করেন এবং রাজধানী আঙ্কারায় আনেন। - ৫৩. মুসলমান ও পৌত্তলিকদের মধ্যে 'মদিনা সনদ' স্বাক্ষরিত হয়–
- ক. ৬২২ খ্রিষ্টাব্দ
- খ. ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ
- গ. ৬২৫ খ্রিষ্টাব্দ
- ঘ. ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দ
উত্তর: ক. ৬২২ খ্রিষ্টাব্দ
হিজরতের পর মদিনায় গিয়ে নবী মুহাম্মদ (স.) সেখানকার মুসলমান, ইহুদি ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য একটি লিখিত চুক্তি করেন। এটিই ‘মদিনা সনদ’। সাধারণভাবে এর সময় ধরা হয় ৬২২ খ্রিষ্টাব্দ, অর্থাৎ হিজরির প্রথম বছর। ৬২৪ সালে হয় বদরের যুদ্ধ, আর ৬৩০ সালে মক্কা বিজয়।
মনে রাখুন: মদিনা সনদকে পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান বলা হয়। এতে ৪৭টি ধারা ছিল, আর এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সব সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা। - ৫৮. আফ্রিকার মুসলিম রাষ্ট্র–
- ক. সুদান
- খ. নামিবিয়া
- গ. ইথিওপিয়া
- ঘ. কেনিয়া
উত্তর: ক. সুদান
সুদান আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশের একটি মুসলিম-প্রধান দেশ। সেখানকার জনগণের প্রায় ৯০ শতাংশ মুসলমান, সরকারি ভাষা আরবি ও ইংরেজি, আর রাজধানী খার্তুম। নামিবিয়া, ইথিওপিয়া ও কেনিয়ায় খ্রিষ্টানরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ, যদিও ইথিওপিয়া ও কেনিয়ায় উল্লেখযোগ্য মুসলিম জনগোষ্ঠী আছে।
মনে রাখুন: ২০১১ সালে দক্ষিণ সুদান আলাদা হয়ে স্বাধীন দেশ হয়। আফ্রিকার অন্যান্য মুসলিম-প্রধান দেশ মিসর, লিবিয়া, আলজেরিয়া, মরক্কো, সোমালিয়া ও নাইজার। - ৬০. সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম–
- ক. মালদ্বীপ
- খ. নেপাল
- গ. ভুটান
- ঘ. শ্রীলংকা
উত্তর: গ. ভুটান
সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভুটানের ভূখণ্ডের বেশিরভাগই পাহাড় ও বনে ঢাকা। জনসংখ্যা মাত্র ৭-৮ লাখ, তাই প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ২০ জন মানুষ বাস করে, যা সার্কের সব দেশের চেয়ে কম। মালদ্বীপ দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় সেখানে ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
মনে রাখুন:
সার্কের সদস্য ৮টি: বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান (২০০৭ সালে যোগ দেয়)।
সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে।
সবচেয়ে বড় দেশ ভারত, সবচেয়ে ছোট মালদ্বীপ।
ইংরেজি
- ৩. The phrase 'to make good' means—
- ক. to gain something
- খ. to do good works
- গ. to compensate
- ঘ. to help others
উত্তর: গ. to compensate
To make good একটি phrasal verb, এর মূল অর্থ ক্ষতিপূরণ দেওয়া বা ক্ষতি পূরণ করা (to compensate)। কেউ কোনো ক্ষতি বা ভুল করলে তা মিটিয়ে দিলে এই বাক্যাংশ বলা হয়। এর আরেকটি অর্থ সফল হওয়া। বিকল্পগুলোর মধ্যে Compensate-ই সঠিক, কারণ ‘gain’ মানে লাভ করা, যা এখানে ঠিক উল্টো ভাব।
উদাহরণ:
He promised to make good the loss.
মনে রাখুন: Make good-এর অন্য অর্থ হলো কোনো প্রতিশ্রুতি রাখা, যেমন He made good his promise। - ১১. Choose the right form of verb : I reached the station after the train (to leave).
- ক. I reached the station after the train has left.
- খ. I reached the station after the train has been left.
- গ. I reached the station after the train had left.
- ঘ. I reached the station after the train left.
উত্তর: গ. I reached the station after the train had left.
Past tense-এ দুটি কাজের একটি আগে ও আরেকটি পরে ঘটলে আগের কাজটি past perfect এবং পরেরটি past indefinite হয়। এখানে স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই ট্রেন ছেড়ে গিয়েছিল, তাই ট্রেনের ছেড়ে যাওয়া আগের কাজ। After-এর পরের অংশে তাই had left বসবে: I reached the station after the train had left।
মনে রাখুন: Before দিয়ে বললে ক্রম উল্টে যায়। যেমন: The train had left before I reached the station। - ১৬. Which one is correct?
- ক. Iron is more harder than any other metal.
- খ. Iron is more harder of all other metals.
- গ. Iron is harder from any other metal.
- ঘ. Iron is harder than any other metal.
উত্তর: ঘ. Iron is harder than any other metal.
ইংরেজিতে comparative degree-এ দুটি বিষয়ের তুলনা করতে than ব্যবহার করা হয়। Hard-এর comparative রূপ harder, এর আগে more বসে না। ‘Iron is harder than any other metal’ এই গঠনে any other এরপর singular noun বসে। কাজেই এটি শুদ্ধ। বাকি বাক্যগুলোতে ‘more harder’ (double comparative) অথবা than-এর জায়গায় of/from বসানো হয়েছে, তাই ভুল।
মনে রাখুন: Comparative-এ একই শব্দে more ও -er একসঙ্গে ব্যবহার করা চলে না। - ১৮. 'After one's own heart' means—
- ক. to be in high spirit
- খ. with complete devotion
- গ. to one's content
- ঘ. of the same mind
উত্তর: ঘ. of the same mind
After one's own heart একটি idiom। এর অর্থ নিজের মনের মতো বা ঠিক নিজের পছন্দ ও রুচির সঙ্গে মিলে যায় এমন। সাধারণত কোনো মানুষের স্বভাব বা মতের সঙ্গে নিজের মিল পাওয়া গেলে এই কথা বলা হয়। এখানে বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘of the same mind’ (একই মনের) অর্থের সবচেয়ে কাছাকাছি। বাকিগুলো যেমন ‘in high spirit’ (উৎফুল্ল) বা ‘with complete devotion’ (পূর্ণ নিষ্ঠায়) আলাদা অর্থের।
উদাহরণ:
She is a person after my own heart.
মনে রাখুন: Heart-যুক্ত আরও idiom: by heart (মুখস্থ), heart and soul (সর্বান্তঃকরণে)। - ২০. Find out the antonym of 'fickle' :
- ক. firm
- খ. zealous
- গ. apathy
- ঘ. whimsical
উত্তর: ক. firm
Fickle বিশেষণের অর্থ চঞ্চল বা পরিবর্তনশীল, অর্থাৎ যার মন বা মত সহজে বদলে যায়। এর বিপরীত শব্দ firm, যার অর্থ দৃঢ় বা স্থির। Whimsical মানে খেয়ালি, যা fickle-এর কাছাকাছি, তাই সমার্থক। Zealous মানে উৎসাহী এবং apathy মানে উদাসীনতা, যা বিশেষ্য, তাই সঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে মেলে না।
মনে রাখুন:
Fickle-এর সমার্থক: capricious, changeable, inconstant।
Fickle-এর আরও বিপরীত শব্দ constant, steady, resolute। - ২৫. 'Some' is a /an—
- ক. Qualitative Adjective
- খ. Quantitative Adjective
- গ. Descriptive Adjective
- ঘ. Pronominal Adjective
উত্তর: খ. Quantitative Adjective
Adjective যে শব্দ noun-এর পরিমাণ বোঝায়, তাকে Quantitative adjective (পরিমাণবাচক বিশেষণ) বলে। ‘Some’ পরিমাণ বোঝায়, যেমন some water, some money। তাই এটি quantitative adjective। এর অন্যান্য উদাহরণ much, little, enough, all। Qualitative বা descriptive adjective noun-এর গুণ বা বর্ণনা বোঝায়, পরিমাণ নয়।
মনে রাখুন:
Qualitative adjective গুণ বোঝায়, যেমন good, red।
Pronominal adjective সর্বনামের মতো, যেমন this, that। - ২৯. Who is the celebrated mock-heroic poet in English literature?
- ক. Lord Byron
- খ. John Milton
- গ. Alexander Pope
- ঘ. Lord Tennyson
উত্তর: গ. Alexander Pope
Mock-heroic বা mock-epic রচনায় তুচ্ছ বিষয়কে মহাকাব্যিক গাম্ভীর্যে উপস্থাপন করে ব্যঙ্গ করা হয়। ইংরেজি সাহিত্যে এর শ্রেষ্ঠ কবি আলেকজান্ডার পোপ (Alexander Pope)। তাঁর ‘The Rape of the Lock’ (১৭১২-১৪) mock-heroic কাব্য। এতে একটি অভিজাত মেয়ের চুল কাটা নিয়ে মহাকাব্যের ঢঙে হাস্যরস সৃষ্টি করা হয়েছে।
মনে রাখুন:
পোপ অগাস্টান যুগের প্রধান কবি।
তাঁর অন্য রচনা ‘An Essay on Man’ ও ‘The Dunciad’।
মিল্টনের মহাকাব্য ‘Paradise Lost’ (গম্ভীর epic)। - ৩২. Which one is the correct indirect structure? He said, "The train reached at eleven."
- ক. He said that the train has reached at eleven.
- খ. He said that the train had reached at eleven.
- গ. He said that the train reached at eleven.
- ঘ. He said that the train had been reached at eleven.
উত্তর: খ. He said that the train had reached at eleven.
Direct speech-এ reporting verb past tense (said) হলে indirect speech-এ reported অংশের tense এক ধাপ পেছনে যায়। Direct-এ ছিল past indefinite (The train reached), তাই indirect-এ হবে past perfect: the train had reached। Assertive বাক্য বলে মাঝে that বসে: He said that the train had reached at eleven।
মনে রাখুন: Present perfect (has reached) ও past indefinite অপরিবর্তিত রাখা শুধু সার্বজনীন সত্যের বেলায় চলে, এখানে সেটি নয়। - ৩৩. Choose the correct option :
- ক. Sympathy is akin for kindness
- খ. Sympathy is akin to kindness
- গ. Sympathy is akin with kindness
- ঘ. Sympathy is akin on kindness
উত্তর: খ. Sympathy is akin to kindness
Akin শব্দটির অর্থ সদৃশ বা সগোত্র। এর পরে সবসময় preposition ‘to’ বসে: akin to something। তাই বাক্যটি হবে ‘Sympathy is akin to kindness’, অর্থাৎ সহানুভূতি দয়ার সদৃশ। for, with বা on বসালে idiom ভেঙে যায় এবং বাক্যটি ভুল হয়। ইংরেজিতে অনেক adjective ও verb-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition ব্যবহার হয়, যা নিয়ম ধরে নয়, অভ্যাস করে শিখতে হয়।
মনে রাখুন:
Akin to-এর সমার্থক similar to, related to।
কিছু adjective-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition বসে, যেমন fond of, afraid of, jealous of। - ৩৪. Which of these words is not correctly spelt?
- ক. brochure
- খ. canteen
- গ. defecate
- ঘ. grotasque
উত্তর: ঘ. grotasque
শুদ্ধ বানান grotesque, যার অর্থ উদ্ভট বা বিদঘুটে। Grotasque বানান ভুল, কারণ শেষের ‘esque’ অংশটি এখানে ‘asque’ হয়ে গেছে। বাকি তিনটি বানান ঠিক আছে: brochure (পুস্তিকা), canteen (ক্যান্টিন) ও defecate (মলত্যাগ করা)। প্রশ্নে ‘not correctly spelt’ থাকায় যে বানানটি ভুল, সেটিই উত্তর।
মনে রাখুন:
-esque যুক্ত আরও শব্দ: picturesque, statuesque, burlesque।
-esque প্রত্যয়ের অর্থ ‘ধরনের’ বা ‘মতো’। - ৩৫. We learn to read more. It is a—
- ক. Complex sentence
- খ. Compound sentence
- গ. Simple sentence
- ঘ. Exclamatory sentence
উত্তর: গ. Simple sentence
‘We learn to read more’ বাক্যে একটিমাত্র finite verb (learn) আছে এবং একটিই স্বাধীন ভাব প্রকাশ পেয়েছে। কাজেই বাক্যটি simple sentence। ‘to read’ একটি infinitive, finite verb নয়। দুটি স্বাধীন clause থাকলে compound sentence এবং স্বাধীন ও অধীন clause থাকলে complex sentence হয়। এখানে অধীন clause নেই এবং দ্বিতীয় স্বাধীন clauseও নেই।
মনে রাখুন:
Exclamatory sentence বিস্ময় বোঝায়, এখানে সেরকম কিছু নেই।
Simple sentence: একটি subject ও একটি finite verb। - ৩৯. Which one is a faminine gender?
- ক. Bachelor
- খ. Hunter
- গ. Witch
- ঘ. Tiger
উত্তর: গ. Witch
বাংলা বর্ণমালায় কিছু বর্ণ আছে, যেগুলো নিজে একা কোনো শব্দের শুরুতে বসে উচ্চারিত হয় না, সব সময় অন্য একটি বর্ণকে আশ্রয় করে থাকে। এই বর্ণগুলোকে পরাশ্রয়ী বর্ণ বলে। এমন বর্ণ তিনটি: অনুস্বার (ং), বিসর্গ (ঃ) ও চন্দ্রবিন্দু (ঁ)। যেমন ‘বাংলা’ শব্দে ‘ং’ বসেছে ‘বা’-এর পরে, আবার ‘চাঁদ’ শব্দে ‘ঁ’ বসেছে ‘চা’-এর ওপর। এগুলোকে স্বরবর্ণের সঙ্গে যুক্ত করে লিখলে অঁ, অং, অঃ হয়। তাই পরাশ্রয়ী বর্ণের সংখ্যা তিনটি, ছয়, চার বা পাঁচটি নয়।
মনে রাখুন:
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। - ৪০. 'Hamlet' is a/an—
- ক. fiction
- খ. epic
- গ. play
- ঘ. mock-epic
উত্তর: গ. play
‘মহকুমা’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের সময় প্রশাসন ও আদালতের কাজে আরবি ও ফারসি ভাষার অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে, ‘মহকুমা’ তার একটি। আগে জেলার চেয়ে ছোট একটি প্রশাসনিক এলাকাকে মহকুমা বলা হতো। বাংলাদেশে ১৯৮৪ সালের দিকে মহকুমাগুলোকে জেলায় উন্নীত করা হয়, এখন সেই ব্যবস্থা নেই। জেলার নিচে এখন উপজেলা রয়েছে। তুর্কি, ফারসি ও পর্তুগিজ ভাষার শব্দও বাংলায় আছে, তাই উৎস মিলিয়ে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
আরবি শব্দ: আদালত, উকিল, কলম, তওবা, এজলাস, দোয়াত।
ফারসি শব্দ: কারখানা, চশমা, দোকান।
তুর্কি শব্দ: চাকর, দারোগা, বন্দুক।
পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, চাবি, আলপিন। - ৪৬. He is — dramatist of the day. Put an article in the gap.
- ক. A
- খ. The
- গ. No article
- ঘ. An
উত্তর: খ. The
বাক্যটিতে dramatist-এর আগে the বসবে। কারণ ‘dramatist of the day’ বলতে বর্তমান সময়ের একজন বিশেষ নাট্যকারকে বোঝানো হচ্ছে। বাক্যটির অর্থ, তিনি এখনকার সময়ের সবচেয়ে আলোচিত নাট্যকার। এখানে an বা a দিলে যেকোনো একজন নাট্যকার বোঝাত, বিশেষ একজনকে নয়।
মনে রাখুন: এ ধরনের বিশেষ ব্যক্তি বা বস্তু বোঝাতে the ব্যবহার হয়। যেমন the man of the match, the hero of the day, the talk of the town। - ৪৭. First language means the — Language.
- ক. important
- খ. main
- গ. natural
- ঘ. official
উত্তর: গ. natural
First language মানে শিশুর প্রথম শেখা ভাষা, অর্থাৎ যে ভাষা সে জন্ম থেকে মা-বাবা ও চারপাশের মানুষের কাছ থেকে সহজে ও স্বাভাবিকভাবে শেখে। তাই একে natural language বলা যেতে পারে। Official language হলো সরকারি কাজে ব্যবহৃত ভাষা, আর main বা important শব্দ দুটি ভাষা শেখার ধরনকে বোঝায় না।
মনে রাখুন: First language-এর আরেক নাম mother tongue বা native language। পরে শেখা অন্য ভাষাকে second language বলে। - ৪৮. "His father is rich but simple" is an example of—
- ক. simple sentence
- খ. complex sentence
- গ. compound sentence
- ঘ. optative sentence
উত্তর: গ. compound sentence
His father is rich but simple বাক্যে দুটি ভাব but দিয়ে সমান মর্যাদায় যুক্ত হয়েছে। Rich ও simple দুটিই father সম্পর্কে বলা, কিন্তু উভয় অংশ আলাদা ভাব প্রকাশ করছে এবং একটি অন্যটির ওপর নির্ভর করছে না। and, but, or, yet, so জাতীয় সংযোজক (Coordinating conjunction) দিয়ে জোড়া বাক্যকে compound sentence বলা হয়, তাই বইয়ের নিয়মে এটি compound।
মনে রাখুন:
Complex sentence-এ একটি মূল (Principal) clause ও এক বা একাধিক নির্ভরশীল (Subordinate) clause থাকে।
Simple sentence-এ একটিমাত্র finite verb থাকে। - ৫০. The synonym of 'serene' is—
- ক. calm
- খ. severe
- গ. serious
- ঘ. dark
উত্তর: ক. calm
Serene মানে শান্ত, স্থির ও নিস্তরঙ্গ। কোনো আকাশ, সমুদ্র বা মানুষের মন যখন ঝড়হীন ও প্রশান্ত থাকে, তখন তাকে serene বলা হয়। তাই এর কাছাকাছি অর্থ calm। Severe মানে কঠোর বা তীব্র, serious মানে গুরুতর, আর dark মানে অন্ধকার। এগুলোর কোনোটিই শান্ত ভাব বোঝায় না।
মনে রাখুন: Serene-এর বিপরীত শব্দ turbulent বা stormy। Tranquil ও peaceful-ও serene-এর সমার্থক। - ৫৪. The passive structure of the sentence 'Never waste time' is—
- ক. Let not time be wasted
- খ. You should not waste time
- গ. Let not time be ever wasted
- ঘ. Let not time never wasted
উত্তর: গ. Let not time be ever wasted
‘Never waste time’ একটি আদেশসূচক (Imperative) বাক্য। নিষেধাত্মক imperative-কে passive করার সময় সাধারণ নিয়মে Let not + কর্ম + be + (ever) + past participle লেখা হয়। এখানে never থাকায় বইয়ের নিয়মে not-এর সঙ্গে ever যুক্ত হয়ে ‘Let not time be ever wasted’ হয়। ‘You should not waste time’ এখনও active, আর ‘Let not time never wasted’-এ দুবার নেতিবাচক শব্দ ও be না থাকায় গঠন ভুল।
মনে রাখুন: Imperative-এর passive সাধারণত Let দিয়ে হয়। যেমন ‘Open the door’-এর passive ‘Let the door be opened’। - ৫৯. The word 'contiguous' is a/ an—
- ক. Noun
- খ. Adjective
- গ. Verb
- ঘ. Adverb
উত্তর: খ. Adjective
‘গোঁফ খেজুরে’ বাগধারার অর্থ নিতান্ত অলস। যে মানুষ কাজ না করে বসে থাকে, এমনকি খেজুর গাছের নিচে শুয়ে গোঁফে খেজুর পড়ার অপেক্ষা করে, তাকে এই কথা দিয়ে বোঝানো হয়। বাগধারা (Idiom) বলতে এমন কথা বোঝায়, যার শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ আলাদা, কিন্তু একসঙ্গে ব্যবহার করলে বিশেষ একটি অর্থ প্রকাশ পায়। বাকি তিনটি বাগধারার অর্থ ভিন্ন, তাই এগুলো উত্তর নয়।
মনে রাখুন:
খয়ের খাঁ = তোষামোদকারী।
কেতাদুরস্ত = পরিপাটি বা ফিটফাট।
ছা-পোষা = সামান্য আয়ে অনেক পোষ্য নিয়ে চলা গরিব মানুষ।
অকালকুষ্মাণ্ড = অপদার্থ বা অকর্মণ্য।
অন্ধের যষ্টি = একমাত্র অবলম্বন।
বাংলা
- ৪. কোনটি তৎসম শব্দের উদাহরণ?
- ক. চাঁদ
- খ. হস্ত
- গ. আদালত
- ঘ. রিকসা
উত্তর: খ. হস্ত
সংস্কৃত থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়া বাংলায় আসা শব্দকে তৎসম শব্দ বলে। ‘হস্ত’ সংস্কৃত শব্দ, বাংলায় একই রূপে চলে, তাই এটি তৎসম। ‘চাঁদ’ সংস্কৃত ‘চন্দ্র’ থেকে বদলে এসেছে, তাই এটি তদ্ভব। ‘আদালত’ আরবি শব্দ আর ‘রিকশা’ জাপানি ভাষা থেকে আসা বিদেশি শব্দ। বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারকে উৎস অনুযায়ী তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
মনে রাখুন:
তৎসম: চন্দ্র, সূর্য, হস্ত।
তদ্ভব: চাঁদ, সূয্যি, হাত।
অর্ধতৎসম: কৃষ্ণ থেকে কেষ্ট, গৃহিণী থেকে গিন্নি। - ৫. কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যু হয় কত বছর বয়সে?
- ক. আঠারো
- খ. উনিশ
- গ. বিশ
- ঘ. একুশ
উত্তর: ঘ. একুশ
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায়, আর মৃত্যু ১৯৪৭ সালের ১৩ মে। যক্ষ্মা (Tuberculosis) রোগে তিনি যখন মারা যান, তখন তিনি জীবনের একুশতম বছরে ছিলেন, তাই সাহিত্যের ইতিহাসে বলা হয় তিনি মাত্র একুশ বছর বয়সে মারা যান। এত অল্প বয়সেই তিনি অন্যায়, ক্ষুধা আর শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র কবিতা লিখেছিলেন, এ জন্য তাঁকে কিশোর কবি বলা হয়।
মনে রাখুন:
তাঁর কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র, ঘুম নেই, পূর্বাভাস, অভিযান, হরতাল।
‘এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান’ চরণটি তাঁর ‘ছাড়পত্র’ কবিতার। - ৬. বাংলা গদ্যের জনক কাকে বলা হয়?
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- গ. রাজা রামমোহন রায়
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বাংলা গদ্যকে প্রথম সুশৃঙ্খল, সুসংহত ও পাঠযোগ্য রূপ দিয়েছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি বাক্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন বসানো এবং শব্দের ছন্দ ঠিক রাখার রীতি চালু করেন। এ জন্য তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
মনে রাখুন:
তাঁর গ্রন্থ: বেতালপঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস, বর্ণপরিচয়, প্রভাবতী সম্ভাষণ।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সাহিত্য সম্রাট বলা হয়।
প্যারীচাঁদ মিত্র ‘আলালের ঘরের দুলাল’-এ কথ্য ভাষা ব্যবহার করেন। - ৮. 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি'— কবিতাটি কে লিখেছেন?
- ক. হাসান হাফিজুর রহমান
- খ. মাহবুব উল আলম চৌধুরী
- গ. শামসুর রাহমান
- ঘ. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
উত্তর: ঘ. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতা ও কাব্যগ্রন্থের নাম। এটি লিখেছেন কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। এই কবিতায় লেখক বাঙালির সংগ্রামী ঐতিহ্য ও আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন। এটি তাঁর বিখ্যাত রচনা।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের কবিতা: স্বাধীনতা তুমি, আসাদের শার্ট, তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা।
আল মাহমুদের কবিতা: সোনালি কাবিন।
মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী লিখেছেন ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’। - ৯. 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সূত্রপাত করে কোন পত্রিকা?
- ক. ভারতী
- খ. ধূমকেতু
- গ. শিখা
- ঘ. সওগাত
উত্তর: গ. শিখা
১৯২৬ সালে ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ নামে সংগঠন গড়ে ওঠে। তার মুখপত্র ছিল ‘শিখা’ পত্রিকা, যা প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। এই পত্রিকাকে ঘিরেই ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলন শুরু হয়। এর মূল কথা ছিল অন্ধবিশ্বাস ও গোঁড়ামি ছেড়ে যুক্তি ও মুক্তচিন্তার চর্চা করা। এই আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন প্রমুখ।
মনে রাখুন: ‘শিখা’র মূলমন্ত্র ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’। - ১২. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. সুকুমার রায়
- গ. আবদুল গণি হাজারী
- ঘ. প্রমথ চৌধুরী
উত্তর: ঘ. প্রমথ চৌধুরী
‘সবুজপত্র’ পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে। এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী, যিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামেও লিখতেন। এই পত্রিকাকে ঘিরেই বাংলা গদ্যে চলিত রীতির আন্দোলন গড়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখেছেন, কিন্তু তিনি সম্পাদক ছিলেন না। সুকুমার রায় সম্পাদনা করেছেন ভিন্ন পত্রিকা, আর আবদুল গণি হাজারী পত্রিকাটির সম্পাদক নন।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত গ্রন্থ: তেল-নুন-লকড়ি, নীললোহিত, চার-ইয়ারি কথা, বীরবলের হালখাতা।
সুকুমার রায় সম্পাদনা করেছেন ‘সন্দেশ’। - ১৫. 'সমকাল' নামের সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন–
- ক. হাসান হাফিজুর রহমান
- খ. শামসুর রাহমান
- গ. সিকান্দার আবু জাফর
- ঘ. জসীমউদ্দীন
উত্তর: গ. সিকান্দার আবু জাফর
‘সমকাল’ ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত একটি সাহিত্য পত্রিকা। এর সম্পাদক ছিলেন কবি সিকান্দার আবু জাফর। এই পত্রিকাটি আধুনিক ও প্রগতিশীল সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ ছিল। তাঁর রচিত একটি পরিচিত কাব্যনাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’। প্রশ্নের অন্য নামগুলো পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে পরিচিত নয়, তাঁরা কবি বা অন্য কাজে পরিচিত।
মনে রাখুন:
সিকান্দার আবু জাফরের বিখ্যাত কবিতা: ‘বাংলা ছাড়ো’ এবং গান ‘জনতার সংগ্রাম চলবেই’।
হাসান হাফিজুর রহমান ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ সংকলন সম্পাদনা করেন। - ১৭. 'বেগম' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন–
- ক. বেগম রোকেয়া
- খ. নূরজাহান বেগম
- গ. সেলিনা হোসেন
- ঘ. বেগম আকতার কামাল
উত্তর: খ. নূরজাহান বেগম
‘বেগম’ নারীদের জন্য প্রকাশিত প্রথম বাংলা সচিত্র সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই কলকাতা থেকে প্রকাশ শুরু করে। প্রকাশক ছিলেন ‘সওগাত’-এর সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি সুফিয়া কামাল, আর পরে তাঁর কন্যা নূরজাহান বেগম দীর্ঘদিন সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। বিকল্পগুলোর মধ্যে নূরজাহান বেগমই সম্পাদক ছিলেন।
মনে রাখুন: দেশভাগের পর ১৯৫০ সালে পত্রিকাটি ঢাকায় চলে আসে। - ১৯. কোনটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস নয়?
- ক. পদ্মা নদীর মাঝি
- খ. দিবারাত্রির কাব্য
- গ. তিতাস একটি নদীর নাম
- ঘ. পুতুল নাচের ইতিকথা
উত্তর: গ. তিতাস একটি নদীর নাম
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি, দিবারাত্রির কাব্য এবং পুতুল নাচের ইতিকথা তিনটিই তাঁর উপন্যাস। কিন্তু ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ তাঁর লেখা নয়। এই উপন্যাসের লেখক অদ্বৈত মল্লবর্মণ। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরের মালো সম্প্রদায়ের জীবন তুলে ধরা হয়েছে। প্রশ্নে ‘নয়’ শব্দটি থাকায় যে বইটি অন্যের, সেটিই উত্তর।
মনে রাখুন:
মানিকের অন্যান্য উপন্যাস: জননী, শহরতলী, অহিংসা, চতুষ্কোণ।
‘তিতাস একটি নদীর নাম’ ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত। - ২১. 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' উপন্যাসটি কার লেখা?
- ক. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
- খ. মাহমুদুল হক
- গ. হুমায়ূন আহমেদ
- ঘ. আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর: ঘ. আলাউদ্দিন আল আজাদ
‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ (১৯৬০) আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা বিখ্যাত উপন্যাস। এটি মূলত ১৯৪৩ সালের মন্বন্তরের পটভূমিতে লেখা। তিনি ‘ধান শালিকের দেশ’, ‘শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন’ ও ‘কর্ণফুলী’ উপন্যাসও লিখেছেন। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, মাহমুদুল হক বা হুমায়ূন আহমেদের এই নামের কোনো উপন্যাস নেই।
মনে রাখুন: তাঁর ‘স্মৃতিচিহ্ন’ একটি গল্পগ্রন্থ, আর ‘জেগে আছি’ ও ‘মানচিত্র’ কাব্যগ্রন্থ। - ২২. 'সংশপ্তক' উপন্যাসের লেখক কে?
- ক. শহীদুল্লা কায়সার
- খ. জহির রায়হান
- গ. আনোয়ার পাশা
- ঘ. মুনীর চৌধুরী
উত্তর: ক. শহীদুল্লা কায়সার
‘সংশপ্তক’ (১৯৬৫) শহীদুল্লা কায়সারের লেখা বিখ্যাত উপন্যাস। এতে গ্রামবাংলার মানুষের জীবন, শ্রেণিসংগ্রাম এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর আরেকটি পরিচিত উপন্যাস ‘সারেং বৌ’। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে প্রাণ হারান। বাকি তিন লেখকের বইয়ের নাম আলাদা।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের উপন্যাস: হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন।
আনোয়ার পাশার উপন্যাস: রাইফেল রোটি আওরাত।
মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত নাটক ‘কবর’। - ২৬. 'কিংবদন্তি' শব্দটির অর্থ কী?
- ক. অদ্ভুত
- খ. কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- গ. জনশ্রুতি
- ঘ. অলৌকিক
উত্তর: গ. জনশ্রুতি
‘কিংবদন্তি’ শব্দের অর্থ জনশ্রুতি, অর্থাৎ লোকমুখে চলে আসা কাহিনি বা প্রবাদ, যা সত্য নাও হতে পারে। এটি সংস্কৃত শব্দ। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: ‘অদ্ভুত’ মানে বিস্ময়কর, ‘কিংকর্তব্যবিমূঢ়’ মানে কী করা উচিত বুঝতে না পেরে হতবুদ্ধি, আর ‘অলৌকিক’ মানে যা লোকজগতের বাইরে, অর্থাৎ অতিপ্রাকৃত। এগুলো কিংবদন্তির অর্থের কাছাকাছি নয়।
মনে রাখুন: কিংবদন্তির আরও সমার্থক শব্দ জনরব, প্রবাদ, লোকশ্রুতি। - ৩১. 'লালসালু' উপন্যাসে কোন গ্রামটির উল্লেখ রয়েছে?
- ক. কুসুমবাগ
- খ. হাজীপাড়া
- গ. জুম্মাপাড়া
- ঘ. মহব্বতনগর
উত্তর: ঘ. মহব্বতনগর
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)। এর কাহিনি মহব্বতনগর নামের একটি গ্রামকে ঘিরে, যেখানে ভণ্ড মজিদ একটি মাজারকে কেন্দ্র করে ধর্মের নামে গ্রামবাসীকে শোষণ করে। উপন্যাসের কয়েকটি প্রধান চরিত্র মজিদ, রহিমা, জমিলা ও খালেক ব্যাপারী। বাকি তিনটি গ্রামের নাম উপন্যাসের মূল গ্রাম হিসেবে প্রচলিত নয়।
মনে রাখুন:
ওয়ালীউল্লাহর আরও উপন্যাস: চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো।
‘লালসালু’ ইংরেজিতে Tree Without Roots নামে অনূদিত। - ৩৬. বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ শুরু হয়েছে কত সাল থেকে?
- ক. ১৮৫৯
- খ. ১৮০১
- গ. ১৮৬১
- ঘ. ১৮৯৯
উত্তর: খ. ১৮০১
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে সাধারণত তিন যুগে ভাগ করা হয়। প্রাচীন যুগ আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল, মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল এবং আধুনিক যুগ ১৮০১ সাল থেকে। এই সময়ে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা গদ্যচর্চার সূচনা হয়, তাই ১৮০১ সালকে আধুনিক যুগের শুরু ধরা হয়। ১৮৫৯ বা ১৮৬১ সালের মতো সালগুলো আলাদা ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
মনে রাখুন: মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (মৃত্যু ১৭৬০)।
আধুনিক যুগের প্রথম দিকে গদ্যের বিকাশ ঘটে, পরে কবিতা ও উপন্যাসে নতুন ধারা আসে। - ৩৭. 'অরিন্দম' শব্দটির অর্থ কী?
- ক. বন্ধু
- খ. আত্মীয়
- গ. শত্রু দমনকারী
- ঘ. উপকারী
উত্তর: গ. শত্রু দমনকারী
‘অরিন্দম’ শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে। গঠন অরি (শত্রু) + দম (দমন করা), তাই অর্থ শত্রু দমনকারী, অর্থাৎ যিনি শত্রুকে দমন করেন। ব্যাসবাক্য হলো ‘অরিকে দমন করে যে’। এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণও। বন্ধু, আত্মীয় বা উপকারীর সঙ্গে শব্দটির অর্থের কোনো মিল নেই।
মনে রাখুন:
‘অরিন্দম’ নাম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
শত্রুর সমার্থক শব্দ অরি, রিপু, বৈরী। - ৩৮. 'চর্যাপদ' কে আবিষ্কার করেন?
- ক. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
- খ. সুকুমার সেন
- গ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
- ঘ. ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর: গ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
‘মার্তণ্ড’ একটি তৎসম শব্দ, অর্থাৎ সংস্কৃত থেকে অবিকৃতভাবে বাংলায় আসা শব্দ। এর অর্থ সূর্য, তাই সমার্থক শব্দ (Synonym) হিসেবে সূর্যই সঠিক। বাকি তিনটি শব্দের অর্থ আলাদা: নিষ্ঠুর ও কঠোর মানে নির্দয় বা শক্ত স্বভাবের, আর সাধু মানে সৎ ও ধার্মিক মানুষ। এগুলোর কোনোটিই সূর্য বোঝায় না। একই অর্থ প্রকাশ করে এমন একাধিক শব্দকে সমার্থক শব্দ বলে, আর বাংলায় সূর্যের প্রতিশব্দ অনেক। প্রশ্নে এ ধরনের কঠিন তৎসম শব্দ প্রায়ই আসে, তাই প্রতিশব্দের তালিকা মনে রাখা কাজে লাগে।
মনে রাখুন:
সূর্যের সমার্থক শব্দ: দিবাকর, প্রভাকর, ভাস্কর, রবি, তপন, সবিতা, অর্ক, আদিত্য, মিহির, দিনমণি, মার্তণ্ড।
চাঁদের সমার্থক শব্দ: শশী, সুধাংশু, নিশাকর, চন্দ্র, বিধু, ইন্দু। - ৪৪. 'বোমা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
- ক. ফারসি
- খ. পর্তুগিজ
- গ. হিন্দি
- ঘ. তুর্কি
উত্তর: খ. পর্তুগিজ
সমাসে (Compound) একাধিক পদ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি হয়। যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক থাকে এবং পুরো পদটি সমাহার (একত্র হওয়া) বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। ‘শতাব্দী’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো শত অব্দের সমাহার। এখানে পূর্বপদ ‘শত’ সংখ্যাবাচক এবং শতটি বছরের সমষ্টি বোঝায়, তাই এটি দ্বিগু সমাস। ‘উপজেলা’ অব্যয়ীভাব সমাস, কারণ এর পূর্বপদ ‘উপ’ একটি অব্যয়। ‘রাজপথ’ হলো রাজার পথ, তাই এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। দ্বিগু সমাসের সংখ্যাবাচক পদ দেখেই অনেক সময় একে চেনা যায়, তবে সমাহার অর্থটি আছে কি না, সেটাও দেখে নিতে হয়।
উদাহরণ: পঞ্চবটী (পাঁচটি বটের সমাহার), ত্রিফলা (তিন ফলের সমাহার), সপ্তাহ (সাত দিনের সমাহার), ত্রিভুবন (তিন ভুবনের সমাহার)। - ৪৫. কোন গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা?
- ক. ছাড়পত্র
- খ. কুহু ও কেকা
- গ. কেয়ার কাঁটা
- ঘ. ছায়ানট
উত্তর: ঘ. ছায়ানট
বাংলায় একই শব্দ পাশাপাশি দুবার বসালে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। এই দ্বিরুক্তি ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে। ‘ঝির ঝির’ একটি অনুকার অব্যয়, অর্থাৎ কোনো ধ্বনি বা ভাবের অনুকরণে তৈরি শব্দ। বাতাস বইলে যে মৃদু শব্দ হয়, সেটি শোনানোর জন্যই এখানে ‘ঝির ঝির’ বসেছে। তাই বাক্যটিতে দ্বিরুক্তি ধ্বনিব্যঞ্জনা প্রকাশ করছে। বাতাস বার বার বইছে, এমন অর্থ বোঝানোর জন্য শব্দটি বসেনি, তাই পৌনঃপুনিকতা নয়। আবার এতে ভাবের গভীরতা বা সামান্যতার অর্থও নেই।
উদাহরণ: ধ্বনিব্যঞ্জনা: ঝমঝম, টপটপ, কলকল।
উদাহরণ: পৌনঃপুনিকতা: বার বার, ঘুরে ঘুরে।
উদাহরণ: সামান্যতা: জ্বর জ্বর ভাব। - ৫২. 'সাতটি তারার তিমির' কাব্যগ্রন্থটির কবি কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. বুদ্ধদেব বসু
- ঘ. জীবনানন্দ দাশ
উত্তর: ঘ. জীবনানন্দ দাশ
আমরা কোনো বিশেষ বিষয়ের ইংরেজি বা বিদেশি শব্দের ঠিক ঠিক বাংলা অর্থ বোঝানোর জন্য যে শব্দ তৈরি করি বা বেছে নিই, তাকে পারিভাষিক শব্দ (Technical term) বলে। ইংরেজি Post-graduate শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে ‘স্নাতকোত্তর’ শব্দটি গড়ে নেওয়া হয়েছে, তাই এটি পারিভাষিক শব্দ। ‘আনারস’ এসেছে পর্তুগিজ ভাষা থেকে, ‘কিতাব’ আরবি ভাষা থেকে, আর ‘লুঙ্গি’ বর্মি ভাষা থেকে। এগুলো বাংলায় মিশে গেছে ঠিকই, কিন্তু কোনো ইংরেজি শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে তৈরি হয়নি। তাই এগুলো আসলে বিদেশি শব্দ।
উদাহরণ: Chancellor = আচার্য, Vice-Chancellor = উপাচার্য, Secretary = সচিব, Comparative = তুলনামূলক। - ৫৬. বেগম রোকেয়ার লেখা কী নামে প্রকাশিত হতো?
- ক. বেগম রোকেয়া
- খ. মিসেস আর. এস. হোসেন
- গ. রোকেয়া সাখাওয়াত
- ঘ. রোকেয়া হোসেন
উত্তর: খ. মিসেস আর. এস. হোসেন
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম রংপুরের পায়রাবন্দে, ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর। তাঁর বিয়ে হয় ভাগলপুরের সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে। তাঁর প্রথম দিকের লেখা ‘মিসেস আর. এস. হোসেন’ নামে প্রকাশিত হতো। ১৯০২ সালে ‘পিপাসা’ গল্পে প্রথম এই নাম ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
গ্রন্থ: মতিচূর (১ম ও ২য় খণ্ড), সুলতানার স্বপ্ন (ইংরেজিতে Sultana’s Dream), পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী।
তিনি ১৯১১ সালে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
মৃত্যু ৯ ডিসেম্বর ১৯৩২, যে দিনটি বাংলাদেশে রোকেয়া দিবস।
বাংলাদেশ
- ৭. ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত থেকে বর্বর পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী বাংলাদেশে যে সশস্ত্র আক্রমণ চালায় তার নাম দিয়েছিল—
- ক. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
- খ. অপারেশন সার্চলাইট
- গ. ক্লিনহার্ট অপারেশন
- ঘ. কর্ডন অপারেশন
উত্তর: খ. অপারেশন সার্চলাইট
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর যে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে, তার সাংকেতিক নাম ‘অপারেশন সার্চলাইট’। এর পরিকল্পনা করেন জেনারেল টিক্কা খান ও রাও ফরমান আলী। এই রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়।
মনে রাখুন:
অপারেশন সার্চলাইট ছিল ঢাকা কেন্দ্রিক পরিকল্পিত অভিযান।
পরে ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে মুক্তিবাহিনীর অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ হয়।
‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের অভিযান। - ১৪. ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পর পর তিনবার ম্যান অব দ্য ম্যাচ—
- ক. হাবিবুল বাশার
- খ. মাশরাফী বিন মোর্তজা
- গ. মোহাম্মদ রফিক
- ঘ. সাকিব আল হাসান
উত্তর: খ. মাশরাফী বিন মোর্তজা
২০০৬ সালের আগস্ট মাসে কেনিয়ার বিপক্ষে নাইরোবিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা তিনটি ম্যাচেই ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন, আর তিনি সিরিজ সেরাও হন। এভাবে বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পরপর তিনবার ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার জেতেন। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে তিনি ২৬ রানে ৬ উইকেট নেন, যা ওয়ানডেতে বাংলাদেশি বোলারের তখনকার সেরা বোলিং।
মনে রাখুন: মাশরাফির ডাকনাম নড়াইল এক্সপ্রেস। তিনি পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হন। - ২৪. বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক—
- ক. ড. কামাল হোসেন
- খ. আব্দুর রউফ
- গ. শাহ আবদুল হামিদ
- ঘ. মোহাম্মদ উল্লাহ
উত্তর: খ. আব্দুর রউফ
বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লিপিকার বা লেখক ছিলেন আবদুর রউফ। সংবিধানটি ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। খসড়া তৈরির জন্য গঠিত ৩৪ সদস্যের কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন, তাই তিনি সংবিধানের খসড়া রচনার সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু হাতের লেখা বা ক্যালিগ্রাফির কাজটি করেন আবদুর রউফ। ‘লেখক’ শব্দটি এখানে হাতে লেখার অর্থে ধরতে হয়, খসড়া রচনার অর্থে নয়।
মনে রাখুন: গণপরিষদের সদস্য ও সংবিধান-প্রণয়ন কমিটির কাজ থেকে হাতের লেখার কাজ আলাদা। - ২৭. তিন বিঘা করিডোর—
- ক. রংপুর জেলায়
- খ. নীলফামারী জেলায়
- গ. কুড়িগ্রাম জেলায়
- ঘ. লালমনিরহাট জেলায়
উত্তর: ঘ. লালমনিরহাট জেলায়
তিন বিঘা করিডোর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত। এটি ভারতের দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহলের সঙ্গে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সংযোগকারী একটি সরু পথ। আকার ১৭৮ মিটার বাই ৮৫ মিটার। ১৯৯২ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশকে এই পথ চিরস্থায়ী ইজারা দেওয়া হয়, আর ২০১১ সালে ২৪ ঘণ্টাই এই পথ খোলা রাখা হয়।
মনে রাখুন: ছিটমহল বিনিময় হয় ২০১৫ সালের ১ আগস্ট, ফলে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা এখন বাংলাদেশের অংশ। - ৩০. পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়—
- ক. ২১ ফেব্রুয়ারি
- খ. ২৬ মার্চ
- গ. ১ এপ্রিল
- ঘ. ১৪ এপ্রিল
উত্তর: ঘ. ১৪ এপ্রিল
বাংলা সনের প্রথম মাস বৈশাখ, আর প্রথম দিনটিকে বলে পহেলা বৈশাখ। বাংলাদেশে সংশোধিত বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল এই দিন পড়ে। এই দিনে নববর্ষ উদযাপিত হয়। ঢাকার রমনা বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান এবং চারুকলা থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা এ দিনের বিশেষ আয়োজন।
মনে রাখুন:
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস।
সম্রাট আকবরের সময় কৃষিকাজের সুবিধার জন্য বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। - ৪১. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুদিবস বাংলা ১৩৮৩ সনের—
- ক. ১০ ভাদ্র
- খ. ১২ ভাদ্র
- গ. ১০ আশ্বিন
- ঘ. ১২ আশ্বিন
উত্তর: খ. ১২ ভাদ্র
কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) মারা যান। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী সেই দিনটি ছিল ১৩৮৩ সালের ১২ ভাদ্র। ভাদ্র মাস বর্ষাকালের শেষ ভাগে পড়ে, আর আশ্বিন মাস আসে তার পরে, তাই আশ্বিনের দুটি বিকল্প এখানে ঠিক হতে পারে না।
মনে রাখুন:
জন্ম: ২৪ মে ১৮৯৯ (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬), পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে।
১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ভারত থেকে এনে জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়।
তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়। - ৪৩. লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেন–
- ক. শায়েস্তা খান
- খ. আরাত্তু খান
- গ. ইসলাম খান
- ঘ. মুসা খান
উত্তর: ক. শায়েস্তা খান
ঢাকার লালবাগ দুর্গের আসল নাম আওরঙ্গবাদ দুর্গ। ১৬৭৮ সালে সুবাদার যুবরাজ মুহম্মদ আজম এর নির্মাণ শুরু করেন, কিন্তু কিছুদিন পরেই তিনি ঢাকা ছেড়ে চলে যান। পরে সুবাদার শায়েস্তা খান দায়িত্ব নিয়ে নির্মাণ এগিয়ে নেন। তাই প্রচলিত পাঠ্যবইয়ে শায়েস্তা খানকেই এর নির্মাতা বলা হয়। কাজ শেষ হওয়ার আগেই শায়েস্তা খানের কন্যা ইরান দুখত পরীবিবি মারা যান, ফলে দুর্গের কাজ অসমাপ্ত থেকে যায়।
মনে রাখুন:
দুর্গের ভেতরে আছে পরীবিবির সমাধি, লালবাগ মসজিদ ও দেওয়ান-ই-আম।
ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকাকে রাজধানী করেন, আর মুসা খান বারো ভূঁইয়াদের একজন ছিলেন। - ৪৯. ঢাকায় বাংলার প্রথম রাজধানী স্থাপিত হয়–
- ক. ১৫১০ সালে
- খ. ১৫৯০ সালে
- গ. ১৬০০ সালে
- ঘ. ১৬১০ সালে
উত্তর: ঘ. ১৬১০ সালে
মুঘল সুবাদার ইসলাম খান চিশতী ১৬১০ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী ঘোষণা করেন। তখন ঢাকার নাম হয় জাহাঙ্গীরনগর, কারণ সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামে শহরটির নতুন নামকরণ করা হয়।
মনে রাখুন:
ঢাকা পরে ১৬৬০ সালে সুবাদার মীর জুমলার সময় আবার রাজধানী হয়।
১৭১৭ সালে মুর্শিদকুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে সরিয়ে নেন।
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকা পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী হয়। এরপর ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানের এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হয়। - ৫৭. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করার বিধান রয়েছে–
- ক. ২ক
- খ. ৩ক
- গ. ৪ক
- ঘ. ৫ক
উত্তর: গ. ৪ক
সংবিধানে ৪ক অনুচ্ছেদটি পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১) মাধ্যমে যুক্ত হয়েছিল। এতে বলা ছিল, জাতির পিতার প্রতিকৃতি রাষ্ট্রীয় ও সরকারি সব কার্যালয়, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করতে হবে। রাষ্ট্রধর্মের বিধান আছে ২ক অনুচ্ছেদে, আর ৩ক ও ৫ক নামে কোনো অনুচ্ছেদ সংবিধানে ছিল না।
মনে রাখুন: ৪ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত, পতাকা ও প্রতীক বর্ণিত। ৪ক অনুচ্ছেদ বাতিলের প্রস্তাব জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে এসেছে।
স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর (পুর) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর (তড়িৎ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সহকারী প্রকৌশলী (তড়িৎ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নকশাকার (ড্রাফটসম্যান) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন