লিয়ানা বুকস

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ৩১ আগস্ট ২০২২। ৯৩টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

ইংরেজি

  1. ১. He was one of the greatest minds of his time. Here 'minds' refers —
    • ক. emotion
    • খ. intellectual faculties
    • গ. prominence
    • ঘ. being different
    উত্তর: খ. intellectual faculties
    He was one of the greatest minds of his time. এই বাক্যে ‘minds’ শব্দটি দিয়ে মস্তিষ্ক বোঝানো হয়নি, বোঝানো হয়েছে এমন মানুষ, যাঁর বুদ্ধি ও চিন্তাশক্তি অসাধারণ। তাই এর সবচেয়ে কাছের অর্থ intellectual faculties, অর্থাৎ বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা। বাকি অপশনের অর্থ আলাদা: emotion মানে আবেগ, prominence মানে বিশিষ্টতা বা খ্যাতি আর being different মানে ভিন্ন হওয়া।
    মনে রাখুন: ‘a great mind’ বলতে মহান চিন্তাবিদ বা মনীষী বোঝায়, আর ‘mind’ ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহার করলে অর্থ দাঁড়ায় আপত্তি করা বা খেয়াল রাখা।
  2. ২. Which word is misspelt?
    • ক. bureaue
    • খ. burlesque
    • গ. charlatan
    • ঘ. dress
    উত্তর: ক. bureaue
    ইংরেজি bureau শব্দের অর্থ দপ্তর বা কার্যালয়। এর সঠিক বানান b-u-r-e-a-u। প্রশ্নের প্রথম অপশনে শেষে বাড়তি একটি e থাকায় ‘bureaue’ বানানটি ভুল। বাকি তিনটি বানান শুদ্ধ। Burlesque মানে ব্যঙ্গাত্মক অনুকরণ বা প্রহসন, charlatan মানে ভণ্ড বা হাতুড়ে, আর dress মানে পোশাক। ‘Misspelt’ খুঁজতে হলে প্রতিটি অপশনের অক্ষর আলাদা করে মিলিয়ে দেখা ভালো। Bureau-র বহুবচন bureaus বা bureaux। ফরাসি ভাষায় এর মূল অর্থ লেখার টেবিল।
    মনে রাখুন: ফরাসি থেকে আসা শব্দের বানানে ভুল বেশি হয়। যেমন: bureaucracy (আমলাতন্ত্র), restaurant, entrepreneur, rendezvous।
  3. ৮. 'A Passage to India' is written by—.
    • ক. G. B. Shaw
    • খ. Amitav Ghosh
    • গ. Robert Frost
    • ঘ. E. M. Forster
    উত্তর: ঘ. E. M. Forster
    ‘A Passage to India’ (১৯২৪) ইংরেজ ঔপন্যাসিক E. M. Forster-এর লেখা বিখ্যাত উপন্যাস। এতে ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতে ইংরেজ ও ভারতীয়দের সম্পর্কের টানাপোড়েন দেখানো হয়েছে। অন্য লেখকেরা ভিন্ন ঘরানার। G. B. Shaw নাট্যকার, Robert Frost কবি, আর Amitav Ghosh ভারতীয় ঔপন্যাসিক। উপন্যাসের নাম ও লেখকের নাম একসঙ্গে মনে রাখলে এ ধরনের সাহিত্যের প্রশ্নে সহজে উত্তর মেলে।
    মনে রাখুন:
    Forster-এর অন্য উপন্যাস: A Room with a View, Howards End, Where Angels Fear to Tread, The Longest Journey।
    Shaw-এর নাটক: Pygmalion, Man and Superman।
  4. ১০. 'Few and far between' means—
    • ক. infrequent
    • খ. always
    • গ. regular
    • ঘ. yesterday
    উত্তর: ক. infrequent
    ‘Few and far between’ একটি ইডিয়ম, যার অর্থ খুব বিরল বা মাঝেমধ্যে ঘটে এমন। যা সংখ্যায় অল্প এবং একটির সঙ্গে আরেকটির দূরত্ব বেশি, তাকেই এভাবে বোঝানো হয়। তাই সঠিক উত্তর infrequent, যার অর্থ কালেভদ্রে ঘটে এমন। বাকি শব্দগুলোর অর্থ উল্টো বা আলাদা: always মানে সর্বদা, regular মানে নিয়মিত, আর yesterday মানে গতকাল। বিপরীত ভাব বোঝাতে ‘thick and fast’ ইডিয়ম ব্যবহার হয়, যার অর্থ ঘনঘন।
    উদাহরণ: Good teachers are few and far between in remote villages.
    মনে রাখুন: Infrequent-এর বিপরীত frequent।
    Rare ও scarce শব্দ দুটিও কাছাকাছি অর্থ দেয়।
  5. ১৩. The plural form of 'cactus' is—.
    • ক. cactusse
    • খ. cacti
    • গ. cactu
    • ঘ. cacty
    উত্তর: খ. cacti
    Cactus ল্যাটিন থেকে আসা শব্দ, তাই এর বহুবচন ল্যাটিন নিয়মে হয়। ল্যাটিন শব্দের শেষের -us বদলে -i বসিয়ে বহুবচন করা হয়, ফলে cactus থেকে cacti হয়। আজকাল cactuses বলাও চলে, কিন্তু পরীক্ষায় cacti-ই মানা হয়। বাকি অপশনগুলো ভুল বানান। সাধারণ নিয়মে -s বা -es যোগ করে বহুবচন হয়, কিন্তু ল্যাটিন ও গ্রিক থেকে আসা শব্দগুলো নিজেদের মূল ভাষার নিয়ম মেনে চলে।
    উদাহরণ:
    -us → -i: nucleus → nuclei, stimulus → stimuli, radius → radii।
    -um → -a: medium → media, datum → data, bacterium → bacteria।
    -is → -es: crisis → crises, analysis → analyses।
  6. ১৪. The antonym of the word 'grasp' is—.
    • ক. release
    • খ. granite
    • গ. hertz
    • ঘ. hollow
    উত্তর: ক. release
    Grasp ক্রিয়ার অর্থ শক্ত করে ধরা। এর বিপরীত হলো release, যার অর্থ ছেড়ে দেওয়া বা মুক্ত করা। বাকি অপশন বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না, বরং অনেকগুলো আলাদা বিষয়ের শব্দ। Granite হলো এক ধরনের শক্ত পাথর, hollow মানে ফাঁপা বা গর্তযুক্ত, আর hertz কম্পাঙ্কের একক। Grasp-এর আরেকটি অর্থ হলো বুঝতে পারা, যেমন grasp an idea। Release শব্দটি noun ও verb দুই রূপেই ব্যবহার হয়।
    মনে রাখুন:
    Grasp-এর সমার্থক: clutch, grip, seize।
    Release-এর আরও অর্থ: প্রকাশ করা, যেমন release a film (ছবি মুক্তি দেওয়া)।
  7. ১৬. A diary is something you normally write for—.
    • ক. everyone
    • খ. yourself
    • গ. students
    • ঘ. newspaper
    উত্তর: খ. yourself
    Diary মানে দিনলিপি বা ব্যক্তিগত রোজনামচা, যেখানে মানুষ সাধারণত নিজের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি লিখে রাখে। অন্যকে পড়ানোর জন্য নয়, নিজের জন্যই এটি লেখা হয়। তাই শূন্যস্থানে yourself বসে। Everyone, students বা newspaper সাধারণত diary লেখার উদ্দেশ্য নয়, কারণ খবরের কাগজ বা পাঠ্যবই সবার জন্য লেখা হয়, কিন্তু diary একান্ত ব্যক্তিগত।
    মনে রাখুন:
    Diary আর journal কাছাকাছি অর্থের, কিন্তু journal-এ অনেক সময় পেশাগত বা নিয়মিত পর্যবেক্ষণও লেখা হয়।
    Diarrhoea শব্দটির সঙ্গে diary গুলিয়ে ফেললে চলবে না, কারণ ওটি পেটের অসুখ।
  8. ২২. Choose the right preposition: No sane person reads except — pleasure.
    • ক. for
    • খ. on
    • গ. of
    • ঘ. beyond
    উত্তর: ক. for
    এখানে বাক্যটির অর্থ ‘কোনো বিবেচক মানুষ আনন্দ ছাড়া পড়ে না’। ‘Except for’ একসঙ্গে ব্যবহার হলে অর্থ দাঁড়ায় ‘ছাড়া’। আবার ‘for pleasure’ মানে আনন্দের জন্য। তাই শূন্যস্থানে preposition for বসে। On, of বা beyond বসালে বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে না, কারণ এগুলো ‘আনন্দের জন্য’ ভাব প্রকাশ করতে পারে না। পড়ার উদ্দেশ্য বোঝাতে for বসে।
    উদাহরণ:
    Everyone came except for Rahim.
    She reads for pleasure, not for exams.
    মনে রাখুন: Except সাধারণত বাক্যের শেষে বা কোনো অংশের আগে বসে, আর except for প্রায়ই সামগ্রিক বিবৃতির সীমাবদ্ধতা বোঝায়।
  9. ২৪. Complete the sentence : Though it is raining—.
    • ক. yet he will go
    • খ. as he will go
    • গ. still he will go
    • ঘ. he will go
    উত্তর: ঘ. he will go
    Though বা Although দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যে ‘Though’ নিজেই দুই অংশের বৈপরীত্য বোঝায়। তাই একই বাক্যে yet, still বা but বসানো ভুল, কারণ এতে একই অর্থ দুইবার আসে। বাক্যটির আদর্শ রূপ: Though it is raining, he will go. এখানে ‘he will go’ অংশটি Though-clause-এর পরিপূরক মূল বাক্য।
    উদাহরণ:
    Though he is poor, he is honest.
    Although she tried hard, she failed.
    মনে রাখুন: Though-এর বদলে but ব্যবহার করলে বাক্য হয় ‘It is raining, but he will go.’
  10. ৩১. 'Blue blood' means :
    • ক. a colourful blood
    • খ. noble birth
    • গ. wealthy man
    • ঘ. poor people
    উত্তর: খ. noble birth
    ‘Blue blood’ ইডিয়মের অর্থ আভিজাত্য বা উচ্চ বংশ। স্পেনের অভিজাত পরিবারের মানুষের ত্বক ফর্সা হওয়ায় শিরা নীলচে দেখাত বলে এই কথাটির প্রচলন হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তাই সঠিক উত্তর noble birth। এর আক্ষরিক অর্থ নীল রক্ত নয়, ভাবগত অর্থ অভিজাত বংশ। Wealthy man বা poor people অপশন দুটি টাকাপয়সার অবস্থা বোঝায়, বংশমর্যাদা নয়।
    উদাহরণ: He was a blue blood and never mixed with common people.
    মনে রাখুন: ‘Silver spoon’ মানে ধনী পরিবারে জন্ম, আর ‘rags to riches’ মানে গরিব থেকে ধনী হওয়া।
  11. ৩৪. The passive form of 'Panic seized the writer' is—
    • ক. The writer was seized with panic
    • খ. The writer was seized by panic
    • গ. The writer was seized into panic
    • ঘ. The writer was seized for panic
    উত্তর: ক. The writer was seized with panic
    Active voice-এর বাক্য ‘Panic seized the writer’-কে passive করলে কর্ম হয় কর্তা, অর্থাৎ ‘The writer was seized...’ হয়। এরপর ভয় বা আতঙ্ক প্রকাশে seized-এর সঙ্গে ইডিয়মসম্মতভাবে with বসে। ইংরেজিতে ‘seized with panic’ বা ‘seized with fear’ প্রচলিত রূপ। কারণ আতঙ্ক এমন এক অবস্থা, যা হঠাৎ মানুষকে পেয়ে বসে।
    উদাহরণ:
    She was seized with a sudden fear.
    মনে রাখুন: Passive-এ সাধারণ নিয়মে by বসে, কিন্তু কিছু ক্রিয়ার পরে ইডিয়ম অনুযায়ী with, in বা to বসে।
    যেমন, be filled with, be pleased with, be interested in।
  12. ৪০. Choose the correct sentence :
    • ক. Be careful not to loose your money.
    • খ. Be careful not to lose your money.
    • গ. Be careful not to lost your money.
    • ঘ. Be careful not to loosen your money.
    উত্তর: খ. Be careful not to lose your money.
    Lose ক্রিয়ার অর্থ হারানো, আর loose বিশেষণের অর্থ ঢিলা বা আলগা। ‘Be careful not to ...’ কাঠামোতে not to-এর পরে ক্রিয়ার মূল রূপ (base form) বসে। তাই সঠিক বাক্য ‘Be careful not to lose your money.’ Lost হলো lose-এর অতীত রূপ, তাই to-এর পরে বসে না। Loosen মানে ঢিলা করা, এর অর্থও এখানে মানায় না।
    মনে রাখুন:
    Lose – lost – lost (হারানো)।
    Loose (বিশেষণ): a loose shirt (ঢিলা জামা)।
    Lose-এ একটি o, loose-এ দুটি o।
  13. ৪৬. The adjective form of 'gust' is—
    • ক. gusting
    • খ. gusted
    • গ. gusty
    • ঘ. gustly
    উত্তর: গ. gusty
    Gust মানে দমকা হাওয়া, আর এটি একটি noun। Noun-এর সঙ্গে -y যোগ করে adjective করা যায়, তাই gust থেকে gusty হয়, যার অর্থ দমকা হাওয়াযুক্ত বা ঝড়ো। Gusting ও gusted ক্রিয়ার রূপ, অর্থাৎ verb-এর -ing ও past form। আর gustly বলে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই, তাই সেটি ভুল অপশন।
    উদাহরণ:
    noun + -y: wind → windy, rain → rainy, cloud → cloudy, storm → stormy।
    It was a gusty afternoon.
    মনে রাখুন: Gust (noun) এবং gusty (adjective) দুটিই আবহাওয়ার বর্ণনায় ব্যবহার হয়।
  14. ৫৪. Which one is incorrect?
    • ক. He said to me, "You are a fool."
    • খ. He said to me, "You are a foolish."
    • গ. I spent the rest day at home.
    • ঘ. I found all the windows open.
    উত্তর: খ. He said to me, "You are a foolish."
    ‘Foolish’ একটি adjective, যার অর্থ নির্বোধ। আর ‘You are a fool’ বাক্যে ‘fool’ একটি noun, অর্থাৎ বোকা লোক। Article ‘a’-এর পরে সাধারণত noun বা তার আগে বসা adjective থাকে। ‘You are a foolish’ বাক্যে a-এর পরে foolish থাকলেও তারপর কোনো noun নেই, তাই বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ভুল। শুদ্ধ রূপ হবে ‘You are foolish’ অথবা ‘You are a fool’। অন্য বাক্যগুলো শুদ্ধ।
    উদাহরণ:
    He is a fool.
    He is foolish.
    He is a foolish man.
    মনে রাখুন: Adjective ‘a’-এর পরে বসলে তারপর noun থাকতে হয়, যেমন a foolish man।
  15. ৫৭. Which one is gender neutral?
    • ক. waiter
    • খ. mare
    • গ. never
    • ঘ. rooster
    উত্তর: ক. waiter
    যে শব্দ নারী ও পুরুষ উভয়কে বোঝাতে পারে, ইংরেজি ব্যাকরণে তাকে common gender বলে। অপশনগুলোর মধ্যে waiter শব্দটি নিজে নির্দিষ্ট লিঙ্গ বোঝায় না। যে-কেউ খাবার পরিবেশন করলে তাকে waiter বলা যায়, যদিও স্ত্রী রূপ waitress আছে। Mare নিশ্চিতভাবে স্ত্রী ঘোড়া এবং rooster পুরুষ মোরগ। আর ‘never’ শব্দটি adverb, তাই এর কোনো লিঙ্গের প্রশ্নই আসে না।
    মনে রাখুন:
    Common gender-এর উদাহরণ: student, teacher, cousin, friend, parent।
    Neuter gender: table, book, pen।
    Masculine ও feminine জোড়া: horse – mare, cock – hen।
  16. ৬৩. 'Come along with' means :
    • ক. leave
    • খ. accompany
    • গ. guilt
    • ঘ. draw nearer
    উত্তর: খ. accompany
    ‘Come along with’ ইডিয়মের অর্থ কারও সঙ্গে যাওয়া বা কাউকে সঙ্গ দেওয়া। এর সবচেয়ে কাছের শব্দ accompany, অর্থাৎ সঙ্গী হওয়া। বাকি অপশনের অর্থ আলাদা: leave মানে ত্যাগ করা, guilt মানে অপরাধবোধ আর draw nearer মানে কাছে আসা। তাই সঠিক উত্তর accompany। এই ইডিয়মটি সাধারণ কথাবার্তায় বহুল ব্যবহৃত হয় এবং অনুরোধ বা আমন্ত্রণ বোঝাতে বাক্যের শুরুতেও বসে।
    উদাহরণ:
    Will you come along with me to the market?
    The teacher asked the students to come along with her.
    মনে রাখুন: ‘Come along’ কথাটি অনেক সময় ‘তাড়াতাড়ি এসো’ অর্থেও ব্যবহার হয়।
  17. ৭০. If I — hungry, I would have eaten.
    • ক. was
    • খ. were
    • গ. had been
    • ঘ. had
    উত্তর: গ. had been
    বাক্যটি If দিয়ে শুরু হওয়া অতীত অবাস্তব শর্তের বাক্য, যাকে Third conditional বলে। এর কাঠামো: If + past perfect, would have + past participle। বাক্যের দ্বিতীয় অংশে ‘would have eaten’ আছে, তাই প্রথম অংশে had been বসবে। অর্থাৎ অতীতে ক্ষুধা পেলে আমি খেতাম, কিন্তু আসলে তখন ক্ষুধা ছিল না। অন্য অপশনের was বা were এখানে খাটে না, কারণ তারা বর্তমান বা সাধারণ অতীতের শর্ত বোঝায়।
    উদাহরণ:
    If he had studied, he would have passed.
    তুলনা: If I were hungry, I would eat. (বর্তমানের অবাস্তব শর্ত)।
  18. ৭১. She spoke in a very loud voice. Here 'loud' is :
    • ক. noun
    • খ. adverb
    • গ. adjective
    • ঘ. pronoun
    উত্তর: গ. adjective
    She spoke in a very loud voice. বাক্যে ‘loud’ শব্দটি ‘voice’ বিশেষ্যের গুণ বর্ণনা করছে, অর্থাৎ কেমন কণ্ঠস্বর তা জানাচ্ছে। যে শব্দ noun বা pronoun-এর গুণ, সংখ্যা বা অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে adjective বলে। তাই এখানে loud একটি adjective। ‘very’ শব্দটি loud-কে আরও বিশেষিত করেছে বলে সেটি adverb।
    উদাহরণ:
    She has a loud voice. (adjective)
    Don’t talk so loud. (adverb)
    মনে রাখুন: Loud ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবেও আসে। কিন্তু আলোচ্য বাক্যে তার পরে noun আছে বলে এটি adjective।
  19. ৭২. I dream of living — a tropical island.
    • ক. at
    • খ. in
    • গ. within
    • ঘ. on
    উত্তর: ঘ. on
    কোনো দ্বীপে বসবাসের কথা বোঝাতে ‘live on’ ব্যবহার হয়। ইংরেজিতে island-এর আগে সাধারণত preposition on বসে। তাই বাক্যটি দাঁড়ায়: I dream of living on a tropical island. অর্থাৎ আমি ক্রান্তীয় কোনো দ্বীপে বাস করার স্বপ্ন দেখি। বড় দেশ বা শহরের আগে in বসে, কিন্তু দ্বীপের ক্ষেত্রে on ব্যবহৃত হয়।
    উদাহরণ:
    He lives on an island.
    She lives in Dhaka, but works at a bank.
    মনে রাখুন: শহরের আগে in, নির্দিষ্ট ঠিকানার আগে at এবং দ্বীপের আগে on।
  20. ৮১. Fill in the blank : He — very early in the morning.
    • ক. raises
    • খ. rises
    • গ. risen
    • ঘ. rise
    উত্তর: খ. rises
    He rises very early in the morning. বাক্যের কর্তা He, যা third person singular। সাধারণ বর্তমানে (Present Indefinite) তৃতীয় পুরুষ একবচন কর্তার পরে ক্রিয়ায় s/es যুক্ত হয়, তাই rise থেকে rises হয়। Raise ক্রিয়ার অর্থ কিছু উঠানো, আর rise-এর অর্থ নিজে ওঠা। এখানে সকালে ঘুম থেকে ওঠার কথা বলা হচ্ছে, তাই rises সঠিক। Risen হলো past participle, সেটি একা ক্রিয়া হিসেবে বসে না।
    মনে রাখুন:
    Rise – rose – risen (ওঠা)।
    Raise – raised – raised (উঠানো)।
    Rise অকর্মক ক্রিয়া, raise সকর্মক ক্রিয়া।
  21. ৮২. 'Man-of-war' means—
    • ক. a hero in the battle field
    • খ. a man won a battle
    • গ. a man in the battle field
    • ঘ. a sailing ship used in the past for fighting
    উত্তর: ঘ. a sailing ship used in the past for fighting
    ‘Man-of-war’ ইডিয়মের অর্থ যুদ্ধজাহাজ, বিশেষ করে অতীতে পালতোলা যে জাহাজ যুদ্ধের জন্য ব্যবহৃত হতো। তাই অপশনের মধ্যে ‘a sailing ship used in the past for fighting’ সঠিক। অন্য অপশনগুলোতে মানুষ বা যোদ্ধাকে বোঝানো হয়েছে। নাম শুনে সেরকম মনে হলেও এই শব্দ কোনো ব্যক্তিকে বোঝায় না। ‘Man-of-war’ ইডিয়মটি ষোড়শ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর নৌযুদ্ধের কথা মনে করিয়ে দেয়, যখন জাহাজই ছিল সমুদ্রশক্তির প্রধান উপায়।
    মনে রাখুন:
    Man-of-war বলতে সামুদ্রিক প্রাণী Portuguese man-of-war-ও বোঝায়, যা জেলিফিশের মতো দেখতে।
    ইডিয়মের অর্থ প্রতিটি শব্দ আলাদা করে ধরে বোঝা যায় না, পুরো গুচ্ছ থেকে বুঝতে হয়।
  22. ৮৪. 'Pull yourself together' means—
    • ক. calm down
    • খ. get ready
    • গ. go together
    • ঘ. act fast
    উত্তর: ক. calm down
    ‘Pull yourself together’ ইডিয়মের অর্থ নিজেকে সামলে নেওয়া বা শান্ত হওয়া। কেউ রাগ, ভয় বা কান্নায় ভেঙে পড়লে তাকে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে বলার সময় এ কথা ব্যবহার হয়। তাই সঠিক উত্তর calm down। অন্য অপশনের অর্থ আলাদা: get ready মানে প্রস্তুত হওয়া, go together মানে একসঙ্গে যাওয়া এবং act fast মানে দ্রুত কাজ করা। আমরা বাংলায় যেমন ‘নিজেকে সামলে নাও’ বলি, ইংরেজিতে তার সমান কথাটিই এই ইডিয়ম।
    উদাহরণ:
    Pull yourself together and tell us what happened.
    মনে রাখুন: কাছাকাছি অর্থের ইডিয়ম keep your cool, get a grip।
  23. ৮৫. The synonym of the word 'loquacious' means—
    • ক. talkative
    • খ. loosy
    • গ. lore
    • ঘ. angry
    উত্তর: ক. talkative
    Loquacious শব্দের অর্থ অতিশয় কথা বলে এমন, অর্থাৎ বাচাল। এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ talkative। শব্দটি ল্যাটিন loqui (বলা) থেকে এসেছে। বাকি অপশন আলাদা অর্থের: lore মানে পরম্পরাগত জ্ঞান, angry মানে রাগান্বিত, আর loosy ইংরেজিতে প্রচলিত শব্দ নয়। ইংরেজি পরীক্ষায় loquacious শব্দটি প্রায়ই সমার্থক বা বিপরীত শব্দের প্রশ্নে আসে। তাই অর্থটি ভালো করে মনে রাখা দরকার, বিশেষ করে এর বিপরীত শব্দ taciturn-এর সঙ্গে মিলিয়ে।
    মনে রাখুন:
    সমার্থক: garrulous, chatty, voluble।
    বিপরীত: taciturn, reticent (স্বল্পভাষী)।
    একই ল্যাটিন মূলের শব্দ: eloquent, elocution।

বাংলাদেশ

  1. ৩. বাংলাদেশে কোন তারিখে 'গণহত্যা দিবস' পালিত হয়?
    • ক. ১৬ ডিসেম্বর
    • খ. ২৫ মার্চ
    • গ. ২৬ মার্চ
    • ঘ. ২১ ফেব্রুয়ারি
    উত্তর: খ. ২৫ মার্চ
    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে একটি অভিযান চালিয়ে ঢাকায় নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা শুরু করে। সেই কালরাতের স্মরণে ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। ২০১৭ সালে জাতীয় সংসদে প্রস্তাব পাস করে এই দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা হয়। পরের দিন ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা আসে, তাই দুটি দিবস আলাদা।
    মনে রাখুন:
    ২৬ মার্চ: স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।
    ১৬ ডিসেম্বর: বিজয় দিবস।
    ২১ ফেব্রুয়ারি: শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
  2. ১১. বাংলার প্রাচীনতম জনপদ কোনটি?
    • ক. সমতট
    • খ. পুণ্ড্র
    • গ. গৌড়
    • ঘ. হরিকেল
    উত্তর: খ. পুণ্ড্র
    পুণ্ড্র বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদগুলোর একটি। বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে এর বিস্তার ছিল এবং রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন, যা বর্তমানে বগুড়ার মহাস্থানগড়। প্রাচীন সাহিত্যে এই নাম পাওয়া যায়, তাই একে বাংলার প্রাচীনতম জনপদ ধরা হয়। অন্য জনপদগুলোও প্রাচীন, কিন্তু আলাদা অঞ্চলের। সমতট ছিল কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলে, আর হরিকেল ছিল সিলেট-চট্টগ্রাম অঞ্চলে। মহাস্থানগড়ে পাওয়া ব্রাহ্মী লিপির শিলালিপিটি খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকের বলে ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    বঙ্গ: ঢাকা-ফরিদপুর অঞ্চল।
    গৌড়: মালদহ-মুর্শিদাবাদ অঞ্চল, পরে শশাঙ্কের আমলে শক্তিশালী হয়।
    বরেন্দ্র: পুণ্ড্রের অন্তর্গত উত্তরাঞ্চলীয় ভূমি।
  3. ১২. বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে কবে?
    • ক. ২০২৩
    • খ. ২০২৪
    • গ. ২০২৫
    • ঘ. ২০২৬
    উত্তর: ঘ. ২০২৬
    স্বল্পোন্নত দেশ (Least Developed Country, LDC) তালিকা থেকে উত্তরণের তিনটি মানদণ্ড আছে: মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক। বাংলাদেশ ২০১৮ সালে এই শর্তগুলো প্রথমবার পূরণ করে এবং ২০২১ সালে দ্বিতীয়বার পূরণ করে। এরপর ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণের সুপারিশ অনুমোদন করে। বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এলডিসি তালিকায় ঢোকে এবং ঠিক হয় ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর উত্তরণ কার্যকর হবে। সুপারিশের পর থেকে এই পাঁচ বছর হলো প্রস্তুতির সময়।
    মনে রাখুন: জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটির (CDP) সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত হয়।
  4. ১৮. অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কে?
    • ক. অশোক
    • খ. শশাঙ্ক
    • গ. লক্ষণ সেন
    • ঘ. ধর্মপাল
    উত্তর: খ. শশাঙ্ক
    অবিভক্ত বাংলার প্রথম স্বাধীন ও শক্তিশালী রাজা ছিলেন শশাঙ্ক। তিনি সপ্তম শতকের শুরুর দিকে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং কর্ণসুবর্ণকে রাজধানী করেন। এর আগে বাংলা বিভিন্ন বহিরাগত শক্তির অধীনে ছিল। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর দীর্ঘদিন বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা চলে, যাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়। মাৎস্যন্যায় মানে বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, তেমনই শক্তিশালীরা দুর্বলদের ওপর অত্যাচার করে।
    মনে রাখুন:
    পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল, শ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল।
    সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন।
    অশোক ছিলেন মৌর্য সম্রাট, বাংলার রাজা নন।
  5. ১৯. বাংলাদেশ কোন সালে ক্রিকেট ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে?
    • ক. ১৯৯৭ সালে
    • খ. ১৯৯৮ সালে
    • গ. ১৯৯৯ সালে
    • ঘ. ২০২০ সালে
    উত্তর: ক. ১৯৯৭ সালে
    বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি জিতে ওয়ানডে (One Day International) ক্রিকেটের মর্যাদা পায়। এই জয়ের পথ ধরেই দলটি ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়। সেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারিয়ে সবাইকে চমকে দেয়। আইসিসি ট্রফি ছিল তখন অপূর্ণাঙ্গ সদস্য দেশগুলোর জন্য একটি প্রতিযোগিতা, যেখানে ভালো করলে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ মিলত। ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ কেনিয়াকে হারায়।
    মনে রাখুন:
    টেস্ট মর্যাদা: ২০০০ সালের ২৬ জুন।
    প্রথম টেস্ট: ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে ঢাকায়।
    প্রথম বিশ্বকাপ: ১৯৯৯, ইংল্যান্ড।
  6. ২০. মুজিবনগর সরকার কোন তারিখে গঠিত হয়?
    • ক. ১০ এপ্রিল
    • খ. ১০ মে
    • গ. ১০ মার্চ
    • ঘ. ১০ জুন
    উত্তর: ক. ১০ এপ্রিল
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। এই সরকারকে অস্থায়ী সরকার বা প্রবাসী সরকারও বলা হয়। সরকার গঠনের ঘোষণা আসে ১০ এপ্রিল, আর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয় ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় আম্রকাননে। জায়গাটির নাম তখন মুজিবনগর রাখা হয়। তাই ১০ এপ্রিল গঠন ও ১৭ এপ্রিল শপথ, এই দুটি তারিখ আলাদা করে মনে রাখা দরকার। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটিও ১০ এপ্রিল তারিখে জারি হয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    রাষ্ট্রপতি: শেখ মুজিবুর রহমান।
    উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
    প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ।
  7. ২৭. বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলনের সূচনাকারী কে?
    • ক. তিতুমীর
    • খ. হাজী মোহাম্মদ মহসীন
    • গ. হাজী শরীয়তউল্লাহ
    • ঘ. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
    উত্তর: গ. হাজী শরীয়তউল্লাহ
    ফরায়েজী আন্দোলন উনিশ শতকে বাংলায় শুরু হওয়া একটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। ‘ফরজ’ শব্দ থেকে এর নাম এসেছে, কারণ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মুসলমানদের ফরজ বা আবশ্যিক ধর্মীয় কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করা। এর সূচনাকারী হাজী শরীয়তউল্লাহ। তাঁর মৃত্যুর পর পুত্র দুদু মিয়া (মুহসীনউদ্দীন আহমদ) আন্দোলনকে জমিদার-নীলকরদের বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগ্রামে রূপ দেন। ফরিদপুর অঞ্চল ছিল ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র।
    মনে রাখুন:
    তিতুমীর: বাঁশের কেল্লা ও তরিকা-ই-মুহাম্মদিয়া আন্দোলনের নেতা।
    হাজী মুহম্মদ মহসীন: হুগলির ইমামবাড়া ও মহসীন ফান্ডের জন্য পরিচিত।
  8. ৩৫. 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির লেখক কে?
    • ক. শেখ হাসিনা
    • খ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • গ. শেখ রেহানা
    • ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
    উত্তর: ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। তিনি ১৯৬৭ সাল থেকে কারাগারে থাকাকালে খাতায় নিজের জীবনের কথা লেখেন। বইটি অনেক বছর পরে ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তাঁর শৈশব থেকে রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকের কথা আছে। আত্মজীবনী মানে নিজের জীবনের কথা নিজে লেখা বই। প্রশ্নে অন্য নামগুলো তাঁর পরিবারের সদস্য বা কবির, তাই লেখককে আলাদা করে চিনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    বঙ্গবন্ধুর অন্যান্য গ্রন্থ: কারাগারের রোজনামচা (২০১৭), আমার দেখা নয়াচীন (২০২০)।
    বইগুলো তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়।
  9. ৪৩. মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানসূচক সর্বোচ্চ খেতাব কী?
    • ক. বীরপ্রতীক
    • খ. বীরউত্তম
    • গ. বীরবিক্রম
    • ঘ. বীরশ্রেষ্ঠ
    উত্তর: ঘ. বীরশ্রেষ্ঠ
    মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য সরকার চার স্তরে খেতাব দিয়েছে। এগুলো হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম ও বীরপ্রতীক। এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ সর্বোচ্চ। মোট ৬৭৬ জন খেতাবপ্রাপ্ত। বীরশ্রেষ্ঠ পেয়েছেন ৭ জন, বীরউত্তম ৬৮ জন, বীরবিক্রম ১৭৫ জন এবং বীরপ্রতীক ৪২৬ জন। সংখ্যাগুলো যোগ করলে ৭ + ৬৮ + ১৭৫ + ৪২৬ = ৬৭৬ হয়, যা মোট সংখ্যার সঙ্গে মেলে।
    মনে রাখুন: সাত বীরশ্রেষ্ঠ হলেন মুস্তফা কামাল, রুহুল আমিন, মোহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, নূর মোহাম্মদ শেখ, হামিদুর রহমান, মুন্সী আবদুর রউফ ও মতিউর রহমান।
  10. ৪৮. ভাসানচর কোন জেলায় অবস্থিত?
    • ক. চট্টগ্রাম
    • খ. ভোলা
    • গ. নোয়াখালী
    • ঘ. কক্সবাজার
    উত্তর: গ. নোয়াখালী
    ভাসানচর বঙ্গোপসাগরে মেঘনার মোহনায় জেগে ওঠা একটি চর। এর পুরোনো নাম ঠেঙ্গার চর। প্রশাসনিক দিক থেকে এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত। বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের একটি অংশকে ২০২০ সালের শেষ দিকে এখানে সরিয়ে নেয়। দ্বীপটি উঁচু বাঁধ দিয়ে ঘেরা, যাতে জোয়ারের পানি আবাসন এলাকায় না ঢোকে।
    মনে রাখুন:
    রোহিঙ্গাদের বড় শিবির কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে।
    নোয়াখালীর অন্তর্গত দ্বীপ-উপজেলা হলো হাতিয়া।
    হাতিয়া দ্বীপ মেঘনার মোহনায় অবস্থিত, আর ভাসানচর তার কাছেই।
    ভাসানচরে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের থাকার মতো আবাসন তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।
  11. ৫১. পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
    • ক. ৬.০০
    • খ. ৬.১৫
    • গ. ৬.২৫
    • ঘ. ৬.০৫
    উত্তর: খ. ৬.১৫
    পদ্মা সেতু মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। এর ৪১টি স্প্যান ও ৪২টি পিলার আছে। এটি দ্বিতল সেতু, অর্থাৎ ওপর দিয়ে সড়ক আর নিচ দিয়ে রেল চলে। সেতুটি বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি হয়েছে, আর ২০২২ সালের ২৫ জুন এর উদ্বোধন হয়। এই সেতু চালুর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলাগুলোর সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি সড়কযোগাযোগ গড়ে উঠেছে।
    মনে রাখুন:
    যমুনা বহুমুখী সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি ১৯৯৮ সালে চালু হয়।
    পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে সড়ক ও রেল দুটিই যায়, তাই এটি বহুমুখী সেতু।
  12. ৬৫. বাংলাদেশকে দ্বিতীয় স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ কোনটি?
    • ক. ভারত
    • খ. ভুটান
    • গ. নেপাল
    • ঘ. শ্রীলংকা
    উত্তর: ক. ভারত
    স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর তারা এ স্বীকৃতি জানায়। একই দিনে ভারতও স্বীকৃতি দেয় এবং দ্বিতীয় স্বীকৃতিদাতা দেশ হিসেবে পরিচিত। অপশনের নেপাল ও শ্রীলংকা পরে স্বীকৃতি দেয়। অর্থাৎ অপশনগুলোর মধ্যে ভুটান প্রথম আর ভারত দ্বিতীয়, তাই এই প্রশ্নের উত্তর ভারত। স্বাধীনতার পরপরই এই দুটি প্রতিবেশী দেশের স্বীকৃতি বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিক দিক থেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
    মনে রাখুন:
    যুক্তরাজ্যের স্বীকৃতি: ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
    যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি: ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল।
    পাকিস্তানের স্বীকৃতি: ১৯৭৪ সালে।
    চীনের স্বীকৃতি: ১৯৭৫ সালে।
  13. ৯০. ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান কোনটি?
    • ক. পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার
    • খ. ময়নামতি
    • গ. পানাম নগর
    • ঘ. কান্তজী মন্দির
    উত্তর: ক. পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার
    বাংলাদেশের ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান (World Heritage Site) তিনটি: ঐতিহাসিক মসজিদের শহর বাগেরহাট, পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার ও সুন্দরবন। পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার নওগাঁয় অবস্থিত এবং ১৯৮৫ সালে স্বীকৃতি পায়। ময়নামতি, পানাম নগর ও কান্তজী মন্দির বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থান, কিন্তু বিশ্ব ঐতিহ্যের চূড়ান্ত তালিকায় নেই। সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, আর এটি বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশেই বিস্তৃত।
    মনে রাখুন:
    বাগেরহাট: ১৯৮৫।
    পাহাড়পুর: ১৯৮৫।
    সুন্দরবন: ১৯৯৭।
    কান্তজী মন্দির দিনাজপুরে এবং ময়নামতি কুমিল্লায় অবস্থিত।
    বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি তৈরি করে।

বাংলা

  1. ৪. 'পথে ও প্রান্তরে = পথেপ্রান্তরে'-এটি কোন সমাস?
    • ক. দ্বিগু
    • খ. তৎপুরুষ
    • গ. কর্মধারয়
    • ঘ. দ্বন্দ্ব
    উত্তর: ঘ. দ্বন্দ্ব
    ‘পথেপ্রান্তরে’ শব্দের ব্যাসবাক্য ‘পথে ও প্রান্তরে’। এখানে দুটি পদ ‘ও’ দিয়ে যুক্ত, অর্থাৎ দুটি পদেরই সমান গুরুত্ব। যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ সমান গুরুত্ব পায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস (Copulative compound) বলে। এখানে পূর্বপদের বিভক্তি ‘এ’ লোপ পায়নি, তাই এটি অলুক দ্বন্দ্ব। বিভক্তি লোপ না পাওয়াই অলুক সমাসের বৈশিষ্ট্য। দ্বিগু, তৎপুরুষ বা কর্মধারয়ে এমন সমান গুরুত্ব থাকে না। দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্যে সাধারণত ‘ও’, ‘এবং’ বা ‘আর’ বসে।
    উদাহরণ:
    অলুক দ্বন্দ্ব: দুধেভাতে, হাতেকলমে, জলেস্থলে।
    সাধারণ দ্বন্দ্ব: মা-বাবা, ভাইবোন, রাতদিন।
  2. ৬. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো–
    • ক. একদা এক রাজ্যে
    • খ. জন্ম যদি তব বঙ্গে
    • গ. কি চাহ শঙ্খচিল
    • ঘ. রাইফেল রোটি আওরাত
    উত্তর: ঘ. রাইফেল রোটি আওরাত
    আনোয়ার পাশা রচিত ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (১৯৭৩) মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি উপন্যাস। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা এতে উঠে এসেছে। অন্য তিনটি অপশন এই বিষয়ের পরিচিত উপন্যাস নয়, তাই উত্তর এখানে এটিই। আনোয়ার পাশা নিজেও ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ হন, যে দিনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস চেনার সহজ উপায় হলো ১৯৭১ সালের ঘটনা, চরিত্র ও পটভূমির দিকে নজর দেওয়া।
    মনে রাখুন:
    শওকত ওসমান: জাহান্নাম হইতে বিদায়।
    শওকত আলী: যাত্রা।
    আনোয়ার পাশা একজন অধ্যাপক ও লেখক ছিলেন।
  3. ২৬. 'সবুজপত্র' প্রকাশিত হয়–
    • ক. ১৯০৯
    • খ. ১৯১৪
    • গ. ১৯১০
    • ঘ. ১৯২১
    উত্তর: খ. ১৯১৪
    ‘সবুজপত্র’ প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা। এটি ১৯১৪ সালের এপ্রিলে (১৩২১ বঙ্গাব্দের বৈশাখ) প্রকাশিত হয়। প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামেও লিখতেন। এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রচলন জোরালো হয়। রবীন্দ্রনাথও এখানে চলিত ভাষায় লিখতে শুরু করেন। চলিত ভাষা মানে মুখের ভাষার কাছাকাছি ভাষা, আর সাধু ভাষা তার তুলনায় গম্ভীর ও পুরোনো ধাঁচের। পত্রিকার ‘সবুজপত্র’ নামটি রবীন্দ্রনাথ দিয়েছিলেন।
    মনে রাখুন:
    প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধগ্রন্থ: বীরবলের হালখাতা, নানা কথা।
    রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’ ও ‘চতুরঙ্গ’ সবুজপত্রে প্রকাশিত হয়।
  4. ২৮. কোন বাগধারার অর্থ 'পক্ষপাতিত্ব'?
    • ক. অকূল পাথার
    • খ. একাদশে বৃহস্পতি
    • গ. ঢাকের কাঠি
    • ঘ. একচোখা
    উত্তর: ঘ. একচোখা
    ‘একচোখা’ বাগধারার অর্থ পক্ষপাতিত্ব, অর্থাৎ যে একজনের দিকেই ঝুঁকে থাকে এবং ন্যায্য বিচার করে না। একজন মানুষ যেন একটি চোখ দিয়েই দেখে, তাই এমন অর্থ এসেছে। বাকি বাগধারার অর্থ আলাদা। ‘অকূল পাথার’ মানে ভীষণ বিপদ, ‘একাদশে বৃহস্পতি’ মানে সুসময় বা সৌভাগ্য, আর ‘ঢাকের কাঠি’ মানে তোষামোদকারী বা চাটুকার। ‘অকূল পাথার’-এ কূল মানে তীর, তাই এর আক্ষরিক অর্থ তীরহীন সমুদ্র।
    উদাহরণ:
    একচোখা নীতি: বিচারকের একচোখা মনোভাব মানুষকে হতাশ করে।
    মনে রাখুন: পক্ষপাতিত্ব মানে নিরপেক্ষতার উল্টো, অর্থাৎ নিজের পছন্দের একজনের পক্ষ নেওয়া।
  5. ২৯. বাংলা লিপির প্রথম নিদর্শন পাওয়া যায়–
    • ক. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    • খ. চর্যাপদ
    • গ. বৈষ্ণব পদাবলী
    • ঘ. মঙ্গলকাব্য
    উত্তর: খ. চর্যাপদ
    প্রশ্নে যে অপশনগুলো আছে, তার মধ্যে চর্যাপদ বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন। চর্যাপদের পুথিতে আদি বাংলা লিপির প্রাচীন রূপ পাওয়া যায়। ব্রাহ্মী লিপি থেকে ধীরে ধীরে বাংলা লিপির বিকাশ হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন, তাই এটি অনেক পরের। বৈষ্ণব পদাবলী ও মঙ্গলকাব্য আরও পরের রচনা। লিপি বলতে লেখার প্রতীকচিহ্ন বোঝায়, আর ভাষা বলতে মুখের কথা।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে, ১৯০৭ সালে।
    চর্যাপদের রচনাকাল সাধারণত ১০ম-১২শ শতক ধরা হয়।
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস।
  6. ৩৮. 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে'-এটি কার প্রার্থনা?
    • ক. ভাড়ুদত্ত
    • খ. বিদ্যাপতি
    • গ. চণ্ডীদাস
    • ঘ. ঈশ্বরী পাটনী
    উত্তর: ঘ. ঈশ্বরী পাটনী
    ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ উক্তিটি ঈশ্বরী পাটনীর। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে দেবী অন্নপূর্ণা ছদ্মবেশে ঈশ্বরী পাটনীর নৌকায় নদী পার হন। তাঁর পরিচয় পেয়ে খুশি হয়ে দেবী বর দিতে চাইলে ঈশ্বরী পাটনী সামান্য এই প্রার্থনাটি করে। এতে গরিব মানুষের মনের সরল চাওয়া ফুটে ওঠে। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত উক্তি। ভারতচন্দ্র ১৭৫২ সালে ‘অন্নদামঙ্গল’ রচনা করেন। তিনি নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন, আর পাটনী মানে খেয়া পারাপারের মাঝি।
    মনে রাখুন:
    ভারতচন্দ্র ‘রায়গুণাকর’ উপাধি পেয়েছিলেন।
    ভাঁড়ু দত্ত চরিত্রটি মুকুন্দরামের ‘চণ্ডীমঙ্গল’-এর।
  7. ৩৯. কোনটি কাব্যগ্রন্থ নয়?
    • ক. সাধের আসন
    • খ. পুনশ্চ
    • গ. দিবারাত্রির কাব্য
    • ঘ. প্রেমাংশুর রক্ত চাই
    উত্তর: গ. দিবারাত্রির কাব্য
    ‘দিবারাত্রির কাব্য’ নামে কাব্য থাকলেও এটি আসলে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস, যা ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয়। তাই এটি কাব্যগ্রন্থ নয়। বাকি তিনটি কাব্যগ্রন্থ। ‘সাধের আসন’ বিহারীলাল চক্রবর্তীর, ‘পুনশ্চ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এবং ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ নির্মলেন্দু গুণের। নামের মধ্যে ‘কাব্য’ শব্দ থাকলেই বইটি কাব্যগ্রন্থ হয় না, এটাই এখানে মনে রাখার বিষয়। ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ নির্মলেন্দু গুণের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    মানিকের অন্যান্য উপন্যাস: পদ্মা নদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা।
    বিহারীলাল চক্রবর্তীকে বাংলা গীতিকবিতার ভোরের পাখি বলা হয়।
  8. ৪১. কোন কাব্যগ্রন্থগুলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের?
    • ক. মানসী, ক্ষণিকা, বলাকা
    • খ. সোনারতরী, প্রভাতসংগীত, নাম রেখেছি কোমল গান্ধার
    • গ. চিত্রা, চৈতালী, চিনে নেওয়া ক্ষণ
    • ঘ. পূরবী, বীরাঙ্গনা, নন্দিনী
    উত্তর: ক. মানসী, ক্ষণিকা, বলাকা
    মানসী (১৮৯০), ক্ষণিকা (১৯০০) ও বলাকা (১৯১৬), তিনটিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ। বাকি অপশনে বাইরের লেখকের বই মিশে আছে। দ্বিতীয় অপশনে ‘নাম রেখেছি কোমল গান্ধার’ শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ। তৃতীয় অপশনে ‘চিনে নেওয়া ক্ষণ’ রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ নয়। চতুর্থ অপশনে ‘বীরাঙ্গনা’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্য। এভাবে একটি অপশনে তিনটি বইয়ের নাম মিলিয়ে দেখলে ভুল ধরা সহজ হয়। ‘বলাকা’ মুক্তক ছন্দে লেখা এবং এটি ‘সবুজপত্র’ পর্বের রচনা।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য কাব্য: সোনার তরী, চিত্রা, চৈতালী, কল্পনা, গীতাঞ্জলি।
    ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
  9. ৪২. নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়?
    • ক. কৃষ্ণকুমারী
    • খ. শর্মিষ্ঠা
    • গ. অশ্রুমালা
    • ঘ. পদ্মাবতী
    উত্তর: গ. অশ্রুমালা
    ‘অশ্রুমালা’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়, এটি কায়কোবাদের কাব্য। মধুসূদনের নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’ (১৮৫৯), ‘পদ্মাবতী’ (১৮৬০) ও ‘কৃষ্ণকুমারী’ (১৮৬১)। তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম আধুনিক নাট্যকার ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের স্রষ্টা। অমিত্রাক্ষর ছন্দ মানে অন্ত্যমিলহীন ছন্দ, যেখানে চরণের শেষে মিল থাকে না। মধুসূদন ১৮২৪ সালে যশোরের সাগরদাঁড়িতে জন্মেছিলেন এবং ১৮৭৩ সালে মারা যান। তিনি প্রথম বাংলা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা লেখেন। তাঁর প্রহসন ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ ও ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ও পরীক্ষায় আসে।
    মনে রাখুন:
    মধুসূদনের মহাকাব্য: মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১)।
    মধুসূদনের কাব্য: তিলোত্তমাসম্ভব, ব্রজাঙ্গনা, বীরাঙ্গনা, চতুর্দশপদী কবিতাবলি।
    কায়কোবাদের মহাকাব্য: মহাশ্মশান।
  10. ৪৫. শওকত আলীর 'যাত্রা' উপন্যাসের কাহিনি হলো–
    • ক. ভাষা আন্দোলন
    • খ. গণ-অভ্যুত্থান
    • গ. মুক্তিযুদ্ধ
    • ঘ. যুদ্ধবিজয়ের উল্লাস
    উত্তর: গ. মুক্তিযুদ্ধ
    শওকত আলীর ‘যাত্রা’ (১৯৭৬) উপন্যাসের কাহিনি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের শুরুর সময়ে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বেরিয়েছিল, তারই চিত্র এতে ফুটে উঠেছে। তাই ভাষা আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান বা বিজয়ের উল্লাস, কোনোটিই উপন্যাসটির প্রধান বিষয় নয়। ‘যাত্রা’ নামটিও তাই অর্থবহ, কারণ মানুষের পথে নামার ছবিটি এখানে মূল। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রায় এক কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল, আর এই শরণার্থী হওয়ার অভিজ্ঞতা বাংলা সাহিত্যে বারবার এসেছে।
    মনে রাখুন: শওকত আলীর পরিচিত উপন্যাস: পিঙ্গল আকাশ, প্রদোষে প্রাকৃতজন, কুলায় কালস্রোত, ওয়ারিশ।
  11. ৪৭. 'সফেদ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. শুভ্র
    • খ. নিকষ
    • গ. লোহিত
    • ঘ. নীলিমা
    উত্তর: খ. নিকষ
    ‘সফেদ’ একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ সাদা। সাদার বিপরীত রং হলো কালো, আর অপশনগুলোর মধ্যে ‘নিকষ’ শব্দের অর্থ কালো। নিকষ আসলে কষ্টিপাথরকে বলে, যার রং গাঢ় কালো। এই কারণেই আমরা ‘নিকষ কালো’ কথাটি বলি। বাকি অপশনগুলো বিপরীত নয়। শুভ্র শব্দটিও সাদাই বোঝায়, লোহিত মানে লাল, আর নীলিমা মানে নীল আকাশের রং।
    মনে রাখুন:
    সফেদ-এর সমার্থক শব্দ: ধবল, শুভ্র, শ্বেত।
    নিকষ-এর সমার্থক শব্দ: কৃষ্ণ, আঁধার, কালিমা।
    ‘সফেদ’-এর মতো ফারসি শব্দ বাংলায় অনেক আছে, যেমন সফেদা (একধরনের ফল), সাফ (পরিষ্কার)।
  12. ৪৯. 'আমি যে গান গাই, তা যৌবনের গান'– কোন ধরনের বাক্য?
    • ক. সরল
    • খ. জটিল
    • গ. খণ্ড
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. জটিল
    যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ড বাক্য এবং এক বা একাধিক অপ্রধান বা আশ্রিত খণ্ড বাক্য থাকে, তাকে জটিল বাক্য (Complex Sentence) বলে। প্রশ্নের বাক্যে ‘আমি যে গান গাই’ অংশটি আশ্রিত খণ্ড বাক্য, কারণ এটি একা পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না। আর ‘তা যৌবনের গান’ অংশটি প্রধান খণ্ড বাক্য। দুটি অংশ ‘যে … তা’ সম্বন্ধসূচক সর্বনাম দিয়ে যুক্ত হয়েছে। তাই বাক্যটি জটিল।
    মনে রাখুন:
    সরল বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।
    যৌগিক বাক্যে ‘এবং’, ‘কিন্তু’, ‘অথবা’ জাতীয় অব্যয় দিয়ে একাধিক স্বাধীন বাক্য যুক্ত হয়।
    জটিল বাক্যে সাধারণত যে-সে, যেমন-তেমন, যখন-তখন ধরনের জোড়া শব্দ পাওয়া যায়।
  13. ৫২. 'রতন' চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ছোটগল্পের?
    • ক. সমাপ্তি
    • খ. দেনা-পাওনা
    • গ. পোস্টমাস্টার
    • ঘ. মধ্যবর্তিনী
    উত্তর: গ. পোস্টমাস্টার
    ‘রতন’ চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘পোস্টমাস্টার’ গল্পের। গ্রামের পোস্ট অফিসে কলকাতা থেকে আসা পোস্টমাস্টারের সেবাযত্ন করত অনাথ বালিকা রতন। পোস্টমাস্টার বদলি হয়ে চলে গেলে সে মর্মাহত হয়। গল্পটি ১২৯৮ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়। অন্য গল্পের নারী চরিত্র আলাদা: ‘সমাপ্তি’র মৃন্ময়ী, ‘দেনা-পাওনা’র নিরুপমা এবং ‘মধ্যবর্তিনী’র হরসুন্দরী। গল্পের শেষে রতনের নীরব কষ্ট পাঠকের মন ছুঁয়ে যায়, কারণ পোস্টমাস্টার তার ভালোবাসা বুঝতে পারলেও সঙ্গে নিয়ে যান না। এটি রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত ছোটগল্পগুলোর একটি।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছে মোট ৯৫টি গল্প আছে।
    গল্পের শেষ বাক্য ‘পৃথিবীতে কে কাহার!’ রতনের কষ্টে পোস্টমাস্টারের উপলব্ধি প্রকাশ করে।
  14. ৫৬. নিচের কোনটি নজরুল ইসলামের রচনা?
    • ক. গোরা
    • খ. আনন্দমঠ
    • গ. কবি
    • ঘ. বাঁধনহারা
    উত্তর: ঘ. বাঁধনহারা
    ‘বাঁধনহারা’ কাজী নজরুল ইসলামের পত্রোপন্যাস, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এখানে চিঠির মাধ্যমে কাহিনি এগিয়েছে, তাই একে পত্রোপন্যাস বলা হয়। অন্য অপশনগুলো ভিন্ন লেখকের: ‘গোরা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস, ‘আনন্দমঠ’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এবং ‘কবি’ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পত্রোপন্যাস হলো এমন উপন্যাস, যার কাহিনি একাধিক চিঠির আদান-প্রদানের মাধ্যমে গড়ে ওঠে। ‘বাঁধনহারা’ নজরুলের প্রথম উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের উপন্যাস: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা।
    গল্পগ্রন্থ: ব্যথার দান।
    প্রথম কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা।
    নজরুলকে বিদ্রোহী কবি বলা হয়, আর তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’।
  15. ৬১. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. প্রণয়ণ
    • খ. প্রনয়ন
    • গ. প্রনয়ণ
    • ঘ. প্রণয়ন
    উত্তর: ঘ. প্রণয়ন
    ‘প্রণয়ন’ বানানটি শুদ্ধ। এখানে মূর্ধন্য ‘ণ’ বসে, কারণ প্র উপসর্গের র-এর পরে ‘ন’ থাকলে সাধারণত তা ‘ণ’ হয়ে যায়। বাংলা ব্যাকরণে এই নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে। এই নিয়মে নির, পরি ও প্র উপসর্গের পরে অনেক সময় ‘ন’ বদলে ‘ণ’ হয়। অন্য অপশনের ‘প্রণয়ণ’ ও ‘প্রনয়ণ’ বানানে শেষে ‘ণ’ বসেছে, যা ভুল। আর ‘প্রনয়ন’ বানানে প্রথম ‘ন’ ভুল, সেখানে ‘ণ’ হবে।
    উদাহরণ:
    প্রণাম, পরিণত, নির্ণয়, প্রণোদনা।
    ব্যতিক্রম: সমাসবদ্ধ পদে ‘ন’-ই থাকে, যেমন ত্রিনয়ন, দুর্নীতি।
    এই নিয়ম মনে রাখার সহজ উপায়: ঋ, র, ষ-এর পরে এবং কিছু উপসর্গের পরে অনেক সময় ‘ন’ বদলে ‘ণ’ হয়।
  16. ৬৭. বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ মোট কয়টি?
    • ক. ১২টি
    • খ. ১০টি
    • গ. ৮টি
    • ঘ. ১১টি
    উত্তর: ঘ. ১১টি
    যে বর্ণ অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া নিজে উচ্চারিত হয়, তাকে স্বরবর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। ব্যঞ্জনবর্ণ আছে ৩৯টি। তাই বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে তার যে সংক্ষিপ্ত চিহ্ন বসে, সেটিই কার বা স্বরচিহ্ন।
    মনে রাখুন:
    স্বরবর্ণ ১১টি, ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
    স্বরচিহ্নের উদাহরণ: া, ি, ু।
    স্বরবর্ণের মধ্যে দুটি স্বরের মিলিত রূপ হলো ঐ ও ঔ, যাদের সন্ধিস্বর বলা হয়।
  17. ৬৮. 'বাচস্পতি' শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
    • ক. বাচস + পতি
    • খ. বাচ + পতি
    • গ. বাচঃ + তি
    • ঘ. বাচঃ + পতি
    উত্তর: ঘ. বাচঃ + পতি
    ‘বাচস্পতি’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ বাচঃ + পতি। এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। অর্থাৎ সাধারণ সন্ধির নিয়মে এর সব রূপ ব্যাখ্যা করা যায় না, প্রচলিত রূপ হিসেবে এটি সিদ্ধ ধরা হয়। ‘বাচস্পতি’ মানে বাক্যের অধিপতি বা বৃহস্পতি, আবার পণ্ডিত ব্যক্তিকেও বোঝায়। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী ‘বাচঃ’ শব্দের বিসর্গ এখানে স-তে পরিবর্তিত হয়ে ‘বাচস্’ রূপ নেয় এবং পরে ‘পতি’-র প-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাচস্পতি তৈরি হয়। বাংলায় এমন শব্দ সরাসরি মুখস্থ রাখাই সবচেয়ে সহজ।
    মনে রাখুন: নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির আরও উদাহরণ:
    বনস্পতি (বন + পতি)
    বৃহস্পতি (বৃহৎ + পতি)
    কুলটা (কুল + অটা)
    গবাক্ষ (গো + অক্ষ)
    প্রৌঢ় (প্র + ঊঢ়)
  18. ৭৩. 'গো + অক্ষ = গবাক্ষ' এটি কোন ধরনের সন্ধিবিচ্ছেদ–
    • ক. নিপাতনে সিদ্ধ
    • খ. বিসর্গসন্ধি
    • গ. স্বরসন্ধি
    • ঘ. স্বর ব্যঞ্জনসন্ধি
    উত্তর: ক. নিপাতনে সিদ্ধ
    যে সন্ধি সন্ধির সাধারণ নিয়ম মেনে হয় না, অথচ প্রচলিত রূপ হিসেবে শুদ্ধ বলে ধরা হয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। গো + অক্ষ = গবাক্ষ এমনই একটি উদাহরণ, কারণ এখানে ধ্বনির পরিবর্তন সাধারণ নিয়মে ব্যাখ্যা করা যায় না। ‘গবাক্ষ’ শব্দের অর্থ জানালা। বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি তিন প্রকার: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। এই তিনটির বাইরে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির আলাদা তালিকা মুখস্থ রাখতে হয়।
    উদাহরণ:
    কুল + অটা = কুলটা
    প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ়
    অন্য + অন্য = অন্যান্য
    মনে রাখুন: বনস্পতি, বৃহস্পতি ও পতঞ্জলিও নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ।
  19. ৭৪. 'পুস্তক' শব্দটির স্ত্রীলিঙ্গ কোনটি?
    • ক. পুস্তকা
    • খ. পুস্তকি
    • গ. পুস্তিকা
    • ঘ. পুস্তাকিনী
    উত্তর: গ. পুস্তিকা
    ‘পুস্তক’ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে প্রচলিত রূপ ‘পুস্তিকা’। এখানে -ক প্রত্যয়ের স্থানে -িকা যুক্ত হয়েছে। মনে রাখতে হবে, পুস্তিকা বলতে সাধারণত ছোট বই বোঝায়। তবু ব্যাকরণের নিয়মে পুস্তক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে এটিই ধরা হয়, আর অপশনের বাকি রূপগুলো প্রচলিত নয়। বাংলা ব্যাকরণে এমন আরও কিছু শব্দ আছে যাদের স্ত্রীলিঙ্গ গঠনের নিয়ম একই, ফলে নিয়মটি জানা থাকলে অন্য প্রশ্নেও কাজে লাগে। পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক পদ নির্ধারণকে ব্যাকরণে লিঙ্গ বলে।
    মনে রাখুন: -ক → -িকা নিয়মে স্ত্রীলিঙ্গের উদাহরণ:
    নায়ক → নায়িকা
    গায়ক → গায়িকা
    সেবক → সেবিকা
    শিক্ষক → শিক্ষিকা
  20. ৭৫. 'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি —
    • ক. উপন্যাস
    • খ. প্রবন্ধ
    • গ. গল্প
    • ঘ. নাটক
    উত্তর: ক. উপন্যাস
    ‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপন্যাস, যা ১৯২৬ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। এর নায়ক সব্যসাচী ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লবের পথ বেছে নেন। ব্রিটিশ সরকার বইটিকে বিপজ্জনক মনে করে নিষিদ্ধ ও বাজেয়াপ্ত করে। তাই এটি উপন্যাসই, প্রবন্ধ, গল্প বা নাটক নয়। বইটি এতটাই আলোড়ন তোলে যে ১৯২৭ সালে ব্রিটিশ সরকার এর প্রচার বন্ধ করে দেয়। ‘পথের দাবী’ প্রথমে ‘বঙ্গবাণী’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে বের হয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    শরৎচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাস: দেবদাস, শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন, গৃহদাহ, পল্লীসমাজ।
    তাঁকে অপরাজেয় কথাশিল্পী বলা হয়।
  21. ৭৬. বাংলা সাহিত্যে 'ভোরের পাখি' বলা হয় কাকে?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
    • গ. রাজশেখর বসু
    • ঘ. ভারতচন্দ্র
    উত্তর: খ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
    আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার সূচনা করেছিলেন কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলেছেন। সূর্য ওঠার আগে পাখি যেমন প্রথম ডেকে ওঠে, বিহারীলালও তেমনি বাংলা কাব্যে নতুন সুরের প্রথম ডাক শুনিয়েছিলেন। অর্থাৎ উপাধিটি পেয়েছেন বিহারীলাল, আর দাতা রবীন্দ্রনাথ। তাই রবীন্দ্রনাথের নাম এখানে উত্তর নয়। বিহারীলালের কবিতায় ব্যক্তিগত অনুভূতি ও সৌন্দর্যচেতনা প্রথম প্রধান হয়ে ওঠে, যা পরে রবীন্দ্রনাথের কবিতাকে প্রভাবিত করে। তাই তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    বিহারীলালের কাব্য: সারদামঙ্গল (১৮৭৯), বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০), সাধের আসন (১৮৮৯)।
    ভারতচন্দ্র অন্নদামঙ্গলের কবি।
    রাজশেখর বসু ‘পরশুরাম’ ছদ্মনামে ব্যঙ্গরচনার জন্য পরিচিত।
  22. ৮৬. বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গ কয়টি?
    • ক. ১৫টি
    • খ. ৫টি
    • গ. ১০টি
    • ঘ. ২০টি
    উত্তর: ঘ. ২০টি
    বাংলা ভাষায় সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি। এগুলো হলো প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ ও আ। উপসর্গ হলো এমন শব্দাংশ, যা শব্দের আগে বসে অর্থ বদলায় বা নতুন শব্দ গড়ে। নিজে এগুলোর কোনো স্বাধীন অর্থ নেই।
    উদাহরণ:
    প্র + গতি = প্রগতি
    পরা + জয় = পরাজয়
    অপ + মান = অপমান
    মনে রাখুন: বাংলা, আরবি-ফারসি ও ইংরেজি উপসর্গও আছে, যেমন বদ (বদরাগ), বেহিসাব, হাফ (হাফটিকিট)।
  23. ৯২. 'একতারা' শব্দটি যে ভাষা থেকে এসেছে —
    • ক. আরবি
    • খ. তুর্কি
    • গ. ফারসি
    • ঘ. সংস্কৃত
    উত্তর: গ. ফারসি
    ‘একতারা’ শব্দের ‘তার’ অংশটি ফারসি ‘তার’ থেকে এসেছে, যার অর্থ সুতা বা তন্তু। একতারা হলো এক তারের একটি লোকবাদ্যযন্ত্র, যা বাউল ও ভাটিয়ালি গানে বাজানো হয়। এখানে ‘এক’ অংশটি সংস্কৃত থেকে আসা সংখ্যাবাচক শব্দ। এমন মিশ্র শব্দে সাধারণত মূল বিদেশি অংশটিকেই উৎস ধরা হয়, তাই এর উত্তর ফারসি। ফারসি শব্দ বাংলায় এসেছে মুসলিম শাসনের সময়, তাই প্রশাসন, আইন, ব্যবসা ও দৈনন্দিন জীবনের অনেক শব্দে ফারসির ছাপ দেখা যায়।
    মনে রাখুন:
    ফারসি শব্দ: আমদানি, কারিগর, খানসামা, দারোয়ান।
    বাংলায় একতারার মতো আরও লোকবাদ্য আছে: দোতারা, ঢোল, খোল।

গণিত

  1. ৫. একটি ঘনক আকৃতির বাক্সের বাহুর দৈর্ঘ্য ৩ মিটার। বাক্সের আয়তন কত ঘনমিটার?
    • ক. ৯
    • খ. ১৮
    • গ. ২৭
    • ঘ. ৫৪
    উত্তর: গ. ২৭
    ঘনক (Cube) এমন একটি ঘনবস্তু, যার ছয়টি তল সবই সমান বর্গ। ঘনকের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান হয়, তাই আয়তন বের করতে একটি বাহুই তিনবার গুণ করতে হয়।
    সূত্র: আয়তন = a³
    এখানে a = 3 মিটার
    আয়তন = 3 × 3 × 3 = 27 ঘনমিটার
    শর্টকাট: ছোট সংখ্যার ঘন মুখস্থ রাখলে সময় বাঁচে, যেমন 2³ = 8, 3³ = 27, 4³ = 64, 5³ = 125।
    মনে রাখুন: ঘনকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = 6a² (এখানে 54 বর্গমিটার), কর্ণ = a√3।
    আয়তাকার ঘনবস্তুর আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা।
  2. ৭. √(3x−6) + 5 = 2 সমীকরণের সমাধান কোনটি?
    • ক. {5,−5}
    • খ. {5}
    • গ. { }
    • ঘ. {−5}
    উত্তর: গ. { }
    সমীকরণটি √(3x − 6) + 5 = 2। এখান থেকে √(3x − 6) = 2 − 5 = −3 পাওয়া যায়। কিন্তু বর্গমূলের মান (principal root) কখনো ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই বাস্তব সংখ্যায় এর কোনো সমাধান নেই। দুই পক্ষ বর্গ করলে 3x − 6 = 9, অর্থাৎ x = 5 পাওয়া যায়। কিন্তু যাচাই করলে বাঁ পক্ষ হয় √9 + 5 = 3 + 5 = 8, যা ডান পক্ষ 2-এর সমান নয়। তাই x = 5 একটি অতিরিক্ত বা বহিরাগত মূল (extraneous root)। সমাধান সেট ফাঁকা সেট { }।
    মনে রাখুন: বর্গমূলযুক্ত সমীকরণ বর্গ করে সমাধান করলে সব সময় মূল সমীকরণে বসিয়ে যাচাই করতে হয়।
  3. ৯. ০ ÷ ০ = কত?
    • ক. ০
    • খ. ১
    • গ. অনির্ণেয়
    • ঘ. ০.০
    উত্তর: গ. অনির্ণেয়
    কোনো সংখ্যাকে ০ দিয়ে ভাগ করার অর্থ হলো এমন সংখ্যা খোঁজা, যাকে ০ দিয়ে গুণ করলে ভাজ্য পাওয়া যায়। ০ ÷ ০ ক্ষেত্রে ০ × যেকোনো সংখ্যা = ০ সত্য হয়, তাই কোনো একটি নির্দিষ্ট মান পাওয়া যায় না। এ কারণে ০ ÷ ০-এর মানকে অনির্ণেয় (Indeterminate) বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    ৫ ÷ ০ অসংজ্ঞায়িত (Undefined), কারণ কোনো সংখ্যাকে ০ দিয়ে গুণ করে ৫ হয় না।
    ০ ÷ ৫ = ০, অর্থাৎ শূন্যকে অশূন্য সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে শূন্যই হয়।
  4. ১৫. দুটি সংখ্যার যোগফল 16 ও তাদের গুণফল 63 হলে, বড় সংখ্যাটি কত?
    • ক. 7
    • খ. 9
    • গ. 11
    • ঘ. 12
    উত্তর: খ. 9
    দুটি সংখ্যা a ও b ধরি। দেওয়া আছে a + b = 16 এবং ab = 63।
    (a − b)² = (a + b)² − 4ab = 256 − 252 = 4
    তাই a − b = 2
    এখন a + b = 16 ও a − b = 2 যোগ করলে 2a = 18, অর্থাৎ a = 9 এবং b = 7।
    সংখ্যা দুটি 9 ও 7, বড় সংখ্যাটি 9।
    শর্টকাট: 63 = 7 × 9 এবং 7 + 9 = 16, তাই অপশন থেকেই ধরা যায়। সূত্র: (a − b)² = (a + b)² − 4ab।
  5. ২৩. একটি চাকার ব্যাসার্ধ ২২.৪ সেমি। চাকাটি ৫০০ বার ঘুরলে কত মিটার দূরত্ব অতিক্রম করবে?
    • ক. ২২৪
    • খ. ৪৪৮
    • গ. ৬০৮
    • ঘ. ৭০৪
    উত্তর: ঘ. ৭০৪
    চাকা একবার ঘুরলে তার পরিধির সমান দূরত্ব অতিক্রম করে, তাই আগে পরিধি বের করতে হবে।
    পরিধি = 2πr = 2 × (22/7) × 22.4 = 140.8 সেমি
    500 বার ঘুরলে দূরত্ব = 140.8 × 500 = 70400 সেমি
    1 মিটার = 100 সেমি, তাই 70400 ÷ 100 = 704 মিটার
    শর্টকাট: এখানে 22.4 ÷ 7 = 3.2 হওয়ায় হিসাব সহজ হয়: 2 × 22 × 3.2 = 140.8।
    সূত্র: দূরত্ব = পরিধি × ঘূর্ণনসংখ্যা।
    মনে রাখুন: প্রশ্নে উত্তর মিটারে চাওয়া হলে সেন্টিমিটারকে 100 দিয়ে ভাগ করতে ভুলবেন না।
  6. ২৫. ৫ : ৭ :: x : ১৪ হলে, x-এর মান কত?
    • ক. ১৯
    • খ. ১৪
    • গ. ১০
    • ঘ. ২৫
    উত্তর: গ. ১০
    ৫ : ৭ :: x : ১৪ মানে অনুপাত দুটি সমান। অর্থাৎ ৫/৭ = x/১৪।
    আড়াআড়ি গুণ করলে ৭x = ৫ × ১৪ = ৭০
    তাই x = ৭০ ÷ ৭ = ১০
    যাচাই: ১০ : ১৪ = ৫ : ৭ (উভয়কে ২ দিয়ে ভাগ করলে)।
    শর্টকাট: ৭ থেকে ১৪ হতে দ্বিগুণ হয়েছে, তাই ৫-কেও দ্বিগুণ করলে ১০ পাওয়া যায়।
    অনুপাতের নিয়ম: অন্ত্য পদদ্বয়ের গুণফল মধ্য পদদ্বয়ের গুণফলের সমান।
    মনে রাখুন: ৫ : ৭ :: x : ১৪ লিখলে প্রথম ও চতুর্থ পদ অন্ত্য পদ, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পদ মধ্য পদ।
  7. ৩৩. যদি (2a + 2/a)² = 12 হয়, তবে (a² + 1/a²) = কত?
    • ক. 1
    • খ. 2
    • গ. 3
    • ঘ. 4
    উত্তর: ক. 1
    প্রশ্নের শর্ত (2a + 2/a)² = 12।
    বাঁ পক্ষ থেকে 2 সাধারণ উৎপাদক নিলে (2a + 2/a)² = 4(a + 1/a)²
    তাই 4(a + 1/a)² = 12, অর্থাৎ (a + 1/a)² = 3
    সূত্র: a² + 1/a² = (a + 1/a)² − 2
    সুতরাং a² + 1/a² = 3 − 2 = 1
    শর্টকাট: (a + 1/a)² = a² + 1/a² + 2 সম্পর্কটি মনে রাখলে এ ধরনের অঙ্ক এক ধাপে হয়।
    মনে রাখুন: (a − 1/a)² = a² + 1/a² − 2, আর (a + 1/a)² − (a − 1/a)² = 4।
  8. ৩৭. f(x) = |x|/x হলে, f(−10) = কত হবে?
    • ক. 10
    • খ. −10
    • গ. 1
    • ঘ. −1
    উত্তর: ঘ. −1
    f(x) = |x|/x ফাংশনে x = −10 বসালে পাই:
    |−10| = 10
    f(−10) = 10/(−10) = −1
    এখানে মনে রাখতে হবে, মডুলাস চিহ্ন যেকোনো ঋণাত্মক সংখ্যার মান ধনাত্মক করে। কিন্তু হরে −10 থাকায় ভাগফল ঋণাত্মক হয়েছে।
    সাধারণ ধারণা: x > 0 হলে f(x) = 1, আর x < 0 হলে f(x) = −1।
    মনে রাখুন: x = 0 হলে ফাংশনের মান নির্ণয় করা যায় না, কারণ শূন্য দিয়ে ভাগ অসংজ্ঞায়িত।
  9. ৪৪. 5ˣ/5 = 3ˣ/3 হলে, x-এর মান কত?
    • ক. 0
    • খ. 1
    • গ. 5/3
    • ঘ. 3/5
    উত্তর: খ. 1
    সমীকরণটি 5^x / 5 = 3^x / 3।
    5^x / 5 = 5^(x−1) এবং 3^x / 3 = 3^(x−1)
    তাই 5^(x−1) = 3^(x−1)
    দুই পক্ষকে 3^(x−1) দিয়ে ভাগ করলে (5/3)^(x−1) = 1 = (5/3)^0
    ভিত্তি সমান হলে সূচকও সমান, তাই x − 1 = 0, অর্থাৎ x = 1।
    যাচাই: 5/5 = 1 এবং 3/3 = 1।
    সূত্র: ভিন্ন ভিত্তির সূচক সমান হলে সূচক শূন্য হলেই সমতা হয়।
    মনে রাখুন: a^m / a^n = a^(m−n) এবং a^0 = 1।
  10. ৬৪. tanθ = √8 হলে, secθ = কত?
    • ক. √8
    • খ. 3
    • গ. √3
    • ঘ. 8
    উত্তর: খ. 3
    tanθ = লম্ব/ভূমি। এখানে tanθ = √8 = √8/1, তাই ধরি লম্ব = √8 এবং ভূমি = 1। সমকোণী ত্রিভুজে পিথাগোরাসের সূত্র থেকে অতিভুজ বের করা যায়।
    অতিভুজ = √(লম্ব² + ভূমি²) = √(8 + 1) = √9 = 3
    secθ = অতিভুজ/ভূমি = 3/1 = 3
    শর্টকাট: sec²θ = 1 + tan²θ = 1 + 8 = 9, তাই secθ = 3 (θ সূক্ষ্মকোণ হিসেবে)।
    মনে রাখুন: secθ হলো cosθ-এর বিপরীত, অর্থাৎ secθ = 1/cosθ। এখানে cosθ = 1/3।
  11. ৬৬. ১ বর্গফুট = কত বর্গইঞ্চি?
    • ক. ১৫৬
    • খ. ৩৬
    • গ. ১৭২
    • ঘ. ১৪৪
    উত্তর: ঘ. ১৪৪
    ১ ফুটে ১২ ইঞ্চি। বর্গফুট একটি ক্ষেত্রফলের একক, তাই দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ দুটোই ইঞ্চিতে নিতে হবে।
    ১ বর্গফুট = ১ ফুট × ১ ফুট = ১২ ইঞ্চি × ১২ ইঞ্চি = ১৪৪ বর্গইঞ্চি
    এই নিয়মে যেকোনো ক্ষেত্রফলের একক রূপান্তর করা যায়: দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে বর্গ করলেই ক্ষেত্রফলের অনুপাত পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    ১ ঘনফুট = ১২ × ১২ × ১২ = ১৭২৮ ঘনইঞ্চি।
    ১ বর্গগজ = ৯ বর্গফুট, কারণ ১ গজ = ৩ ফুট।
    ১ বর্গইঞ্চি = ৬.৪৫ বর্গসেন্টিমিটার প্রায়, আর ১ ফুট = ১২ ইঞ্চি = প্রায় ৩০.৪৮ সেন্টিমিটার।
  12. ৬৯. ১, ৩, ১১, ৪৩, ... ক্রমানুসারে পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
    • ক. ১৬১
    • খ. ১৭১
    • গ. ১৮১
    • ঘ. ১৯১
    উত্তর: খ. ১৭১
    ধারাটি ১, ৩, ১১, ৪৩ ... মন দিয়ে দেখলে বোঝা যায়, প্রতিটি পদ আগের পদের ৪ গুণ থেকে ১ কম।
    ৪ × ১ − ১ = ৩
    ৪ × ৩ − ১ = ১১
    ৪ × ১১ − ১ = ৪৩
    তাই পরবর্তী পদ = ৪ × ৪৩ − ১ = ১৭২ − ১ = ১৭১
    বিকল্প নিয়ম: পদগুলোর পার্থক্য ২, ৮, ৩২, ... যা প্রতিবার ৪ গুণ হচ্ছে। পরের পার্থক্য ৩২ × ৪ = ১২৮, তাই ৪৩ + ১২৮ = ১৭১।
    মনে রাখুন: ধারার প্রশ্নে প্রথমে পদগুলোর পার্থক্য বা অনুপাত দেখুন, তাতে না মিললে গুণ করে যোগ-বিয়োগের নিয়ম খুঁজুন।
  13. ৮৩. log₂₇ √3 = কত?
    • ক. 1/2
    • খ. 1/3
    • গ. 1/6
    • ঘ. 1/9
    উত্তর: গ. 1/6
    log₂₇ √3 বের করতে 27 ও √3 কে 3-এর ঘাতে লিখি।
    27 = 3³ এবং √3 = 3^(1/2)
    log₂₇ √3 = log_(3³) 3^(1/2)
    সূত্র: log_(a^m) b^n = (n/m) log_a b
    = (1/2)/3 × log₃ 3 = (1/6) × 1 = 1/6
    তাই মান 1/6।
    যাচাই: 27^(1/6) = (3³)^(1/6) = 3^(1/2) = √3।
    মনে রাখুন: ভিত্তি এবং সংখ্যা একই সংখ্যার ঘাত হলে লগারিদম সহজে সরল হয়, আর log_a a = 1 সব সময় সত্য।
    আরও একটি সূত্র: log_a b = 1 / log_b a।
  14. ৮৮. একজন তরুণের আজ জন্মদিন। সামনের জন্মদিনে তার বয়স ১০ বছর পূর্বের বয়সের দ্বিগুণ হয়। তরুণের বর্তমান বয়স কত?
    • ক. ১৯
    • খ. ২১
    • গ. ২৩
    • ঘ. ২৫
    উত্তর: খ. ২১
    বর্তমান বয়স x বছর ধরি। সামনের জন্মদিনে বয়স হবে x + 1, আর ১০ বছর আগে বয়স ছিল x − 10। প্রশ্নের শর্ত হলো, সামনের জন্মদিনের বয়স ১০ বছর আগের বয়সের দ্বিগুণ।
    x + 1 = 2(x − 10)
    x + 1 = 2x − 20
    21 = x
    তরুণের বর্তমান বয়স 21 বছর।
    যাচাই: সামনের জন্মদিনে বয়স 22, আর ১০ বছর আগে ছিল 11 এবং 22 = 2 × 11।
    মনে রাখুন: বয়সের অঙ্কে অজানা সংখ্যাকে x ধরে শর্ত থেকে সমীকরণ বানালে সহজে সমাধান হয়।
  15. ৮৯. একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য ২৬ সে.মি, ২৪ সে.মি ও ১০ সে.মি হলে, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?
    • ক. ১২০
    • খ. ১৪০
    • গ. ১৬৬
    • ঘ. ২৪০
    উত্তর: ক. ১২০
    ত্রিভুজের বাহু তিনটি ২৬, ২৪ ও ১০ সেমি। বাহুগুলো পিথাগোরাসের সূত্রে মিলিয়ে দেখি।
    10² + 24² = 100 + 576 = 676 = 26²
    তাই ত্রিভুজটি সমকোণী, আর ২৬ সেমি অতিভুজ। সমকোণ সংলগ্ন বাহু দুটি ২৪ ও ১০।
    ক্ষেত্রফল = ½ × 24 × 10 = 120 বর্গ সেমি
    শর্টকাট: 5-12-13 পিথাগোরীয় ত্রয়ীর দ্বিগুণ হলো 10-24-26।
    মনে রাখুন: অন্য পরিচিত ত্রয়ী 3-4-5, 8-15-17, 7-24-25। সমকোণী ত্রিভুজ চিনতে পারলে হেরনের সূত্র না লাগিয়ে সরাসরি ½ × ভূমি × উচ্চতা ব্যবহার করা যায়।
  16. ৯১. |−4| + |4| − |−4| + 4 = ?
    • ক. 0
    • খ. 4
    • গ. 8
    • ঘ. 16
    উত্তর: গ. 8
    মডুলাস (Absolute Value) সংখ্যার মান সব সময় অঋণাত্মক করে। অর্থাৎ ধনাত্মক বা ঋণাত্মক যা-ই হোক, মডুলাসের ভেতরের সংখ্যার দূরত্ব ০ থেকে কত তাই এর মান। তাই |−4| = 4 এবং |4| = 4।
    |−4| + |4| − |−4| + 4
    = 4 + 4 − 4 + 4
    = 8
    মনে রাখুন: |−a| = |a| সব সময় সত্য। এখানে তৃতীয় পদের আগে বিয়োগ চিহ্ন থাকায় তা প্রথম পদকে কেটে দেয়, বাকি থাকে |4| + 4 = 8।

বিজ্ঞান

  1. ১৭. সি.এন.জি (CNG) কী?
    • ক. সম্প্রসারিত প্রাকৃতিক গ্যাস
    • খ. সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস
    • গ. সংকুচিত বিউটেন গ্যাস
    • ঘ. এক ধরনের ত্রিচক্রযান
    উত্তর: খ. সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস
    সিএনজি (CNG) কথাটি এসেছে Compressed Natural Gas থেকে, যার বাংলা অর্থ সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন, একে খুব উচ্চ চাপে সংকুচিত করে সিলিন্ডারে ভরা হয়। কম জায়গায় বেশি গ্যাস রাখা যায় বলে এই ব্যবস্থা। যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে সিএনজি পেট্রল বা ডিজেলের চেয়ে কম ধোঁয়া ও দূষণ ছড়ায়। সম্প্রসারিত গ্যাস বা সংকুচিত বিউটেন সিএনজি নয়। বিউটেন এলপিজির অংশ। আমাদের দেশে সিএনজিচালিত ত্রিচক্রযান চলে বলে শেষ বিকল্পটি এসেছে। কিন্তু সিএনজি নিজে যান নয়, এটি জ্বালানি।
    মনে রাখুন:
    সিএনজির প্রধান উপাদান মিথেন (CH₄)।
    এলপিজি তরল গ্যাস, প্রধানত প্রোপেন ও বিউটেন।
  2. ৩২. 'গাছের জীবন আছে' এই তত্ত্ব উদ্ঘাটন করেছিলেন—
    • ক. ইবনে সিনা
    • খ. আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র
    • গ. স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু
    • ঘ. স্যার আইজাক নিউটন
    উত্তর: গ. স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু
    গাছেরও জীবন আছে, তারা প্রাণীর মতোই উদ্দীপনায় সাড়া দেয়, এটি পরীক্ষা করে প্রমাণ করেন বাঙালি বিজ্ঞানী স্যার জগদীশচন্দ্র বসু। তিনি নিজের তৈরি অতি সংবেদনশীল যন্ত্র ক্রেসকোগ্রাফ দিয়ে দেখান, আঘাত, বিষ বা তাপ দিলে গাছের মধ্যে প্রাণীর মতোই সাড়া জাগে। জগদীশচন্দ্র বসু ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন, তাঁর পৈতৃক নিবাস বিক্রমপুরের রাঢ়িখালে, যা এখন মুন্সীগঞ্জ জেলায়। ১৯১৭ সালে তিনি কলকাতায় বসু বিজ্ঞান মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। বেতার তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা করে তিনি অনেকের আগেই মাইক্রোওয়েভ তৈরি ও শনাক্ত করেছিলেন।
    মনে রাখুন:
    জগদীশচন্দ্র বসুর আবিষ্কৃত যন্ত্র: ক্রেসকোগ্রাফ।
    তাঁর মৃত্যু ১৯৩৭ সালের ২৩ নভেম্বর।
  3. ৫৮. CT Scan-এর পূর্ণরূপ কী?
    • ক. Computed Treatment Scan
    • খ. Computed Tomography Scan
    • গ. Computed Tomology Scan
    • ঘ. Computed Therapy Scan
    উত্তর: খ. Computed Tomography Scan
    সিটি স্ক্যান (CT scan) কথাটির পূর্ণরূপ Computed Tomography Scan, কখনো Computerised Tomography Scan-ও লেখা হয়। ‘টোমোগ্রাফি’ শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ টোমোস থেকে, যার অর্থ কাটা অংশ বা খণ্ড। এই পরীক্ষায় একটি এক্স-রে যন্ত্র দেহের চারদিকে ঘুরে অনেক কোণ থেকে ছবি নেয়। কম্পিউটার সেসব ছবি জোড়া দিয়ে দেহের ভেতরের হাড়, মস্তিষ্ক, ফুসফুস বা অন্য অঙ্গের কাটা অংশের মতো বিস্তারিত ছবি তৈরি করে। এটি সাধারণ এক্স-রের চেয়ে অনেক স্পষ্ট ছবি দেয়।
    মনে রাখুন:
    সিটি স্ক্যান আবিষ্কার করেন গডফ্রে হাউন্সফিল্ড (১৯৭১)।
    এমআরআই (MRI) পুরো নাম Magnetic Resonance Imaging; এতে এক্স-রে নয়, চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহৃত হয়।
  4. ৭৮. মানবদেহে ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত?
    • ক. ২৩
    • খ. ৪৪
    • গ. ৪৬
    • ঘ. ৪৮
    উত্তর: গ. ৪৬
    আমাদের দেহের প্রতিটি কোষের নিউক্লিয়াসে ক্রোমোসোম থাকে। মানুষের দেহকোষে ক্রোমোসোমের সংখ্যা ৪৬টি, অর্থাৎ ২৩ জোড়া। এর অর্ধেক এসেছে মায়ের কাছ থেকে আর অর্ধেক বাবার কাছ থেকে। ২৩ জোড়ার মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম, যা দেহের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। বাকি এক জোড়া লিঙ্গ ক্রোমোসোম। নারীর লিঙ্গ ক্রোমোসোম XX এবং পুরুষের XY। ২৩ সংখ্যাটি জোড়ার সংখ্যা, মোট সংখ্যা নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। কোনো ব্যক্তির ক্রোমোসোম সংখ্যা কম বা বেশি হলে নানা রকম জেনেটিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    মনে রাখুন:
    যৌনকোষ (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) ক্রোমোসোম সংখ্যা ২৩টি।
    ডাউন সিনড্রোমে ২১ নম্বর ক্রোমোসোম তিনটি থাকে।
  5. ৭৯. তেঁতুলে কোন এসিড থাকে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৪
    • ক. এসিটিক এসিড
    • খ. টারটারিক এসিড
    • গ. সাইট্রিক এসিড
    • ঘ. সালফিউরিক এসিড
    উত্তর: খ. টারটারিক এসিড
    তেঁতুলের টক স্বাদ আসে টারটারিক এসিড (Tartaric acid) থেকে। এটি একটি জৈব এসিড, যা আঙুর, তেঁতুল ও কিছু ফলে প্রাকৃতিকভাবে থাকে। বিভিন্ন খাবার ও ফলের টক স্বাদের কারণ আলাদা আলাদা এসিড। লেবু ও কমলায় সাইট্রিক এসিড থাকে, আর ভিনেগারে থাকে অ্যাসিটিক এসিড বা ইথানয়িক এসিড। সালফিউরিক এসিড ফল বা খাবারে থাকে না, এটি একটি তীব্র খনিজ এসিড, যা গাড়ির ব্যাটারিতে ব্যবহৃত হয়। টারটারিক এসিড বেকিং পাউডারেও ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি সোডিয়াম বাইকার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়ে।
    মনে রাখুন:
    আপেলে ম্যালিক এসিড।
    টকদইয়ে ল্যাকটিক এসিড।
    পিঁপড়ার কামড়ে ফর্মিক এসিড।
    চা পাতায় ট্যানিক এসিড।
  6. ৮৭. মানুষের চোখের রং নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
    • ক. ডিএনএ
    • খ. আরএনএ
    • গ. নিউক্লিওলাস
    • ঘ. সেন্ট্রোমিয়ার
    উত্তর: ক. ডিএনএ
    আমাদের চোখের রঙ কেমন হবে, তা ঠিক হয় বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া জিনের মাধ্যমে। জিন হলো ডিএনএ (DNA) অণুর নির্দিষ্ট অংশ, যাতে বংশগত তথ্য লেখা থাকে। চোখের মণির আইরিসে মেলানিন নামের রঞ্জক কতটা তৈরি হবে, তা এই জিনগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। মেলানিন বেশি হলে চোখ কালো বা বাদামি, কম হলে নীল বা ধূসর দেখায়। আরএনএ ডিএনএর তথ্য নিয়ে প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে, নিউক্লিওলাস রাইবোসোম তৈরি করে আর সেন্ট্রোমিয়ার ক্রোমোসোমের দুই ক্রোমাটিডকে ধরে রাখে।
    মনে রাখুন:
    ডিএনএর গঠন দ্বি-হেলিক্স, আবিষ্কার করেন ওয়াটসন ও ক্রিক (১৯৫৩)।
    ডিএনএ মূলত নিউক্লিয়াসে থাকে।

আন্তর্জাতিক

  1. ২১. 'ম্যাকমোহন লাইন' কোন কোন দেশের সীমানা নির্ধারণ করে?
    • ক. ভারত ও নেপাল
    • খ. ভারত ও পাকিস্তান
    • গ. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
    • ঘ. ভারত ও চীন
    উত্তর: ঘ. ভারত ও চীন
    ম্যাকমোহন লাইন (McMahon Line) ভারত ও চীনের মধ্যবর্তী সীমানা, যা পূর্ব হিমালয় অঞ্চলে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও চীন-অধিকৃত তিব্বতকে আলাদা করেছে। ১৯১৪ সালের সিমলা সম্মেলনে ব্রিটিশ প্রতিনিধি স্যার হেনরি ম্যাকমোহন এটি প্রস্তাব করেন। চীন এই সীমানা মানে না, ফলে ১৯৬২ সালে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ হয়। সীমারেখাগুলোর নাম প্রায়ই যে ব্রিটিশ কর্মকর্তা এঁকেছিলেন তাঁর নামে হয়।
    মনে রাখুন:
    র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান (বাংলাদেশ)।
    ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
    ১৭তম সমান্তরাল রেখা: উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম (পূর্বে)।
  2. ৩০. UNHCR-এর সদর দপ্তর কোথায়?
    • ক. নিউইয়র্ক
    • খ. ওয়াশিংটন
    • গ. জেনেভা
    • ঘ. রোম
    উত্তর: গ. জেনেভা
    UNHCR-এর পূর্ণ নাম United Nations High Commissioner for Refugees (জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার)। সংস্থাটি শরণার্থীদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনে কাজ করে। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। সংস্থাটি ১৯৫০ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়। শরণার্থী বলতে সেই মানুষদের বোঝায়, যারা যুদ্ধ বা নির্যাতনের ভয়ে নিজের দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরেও UNHCR কাজ করে।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে।
    FAO-এর সদর দপ্তর রোমে।
    WHO ও ILO-এর সদর দপ্তরও জেনেভায়।
  3. ৩৬. কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা ২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করেছে?
    • ক. UNICEF
    • খ. IMF
    • গ. UNDP
    • ঘ. UNESCO
    উত্তর: ঘ. UNESCO
    ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে ইউনেস্কো (UNESCO) ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। ২০০০ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে দিনটি পালিত হচ্ছে। প্রস্তাবের পেছনে কানাডায় বসবাসকারী বাঙালি রফিকুল ইসলামের উদ্যোগ ছিল। ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতিতে নির্মিত।
    মনে রাখুন:
    ইউনেস্কোর সদর দপ্তর প্যারিসে।
    বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্য হয় ১৯৭২ সালে।
    UNICEF শিশুদের জন্য, IMF আন্তর্জাতিক অর্থ লেনদেনের জন্য, আর UNDP উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য কাজ করে।
  4. ৫০. অস্কার পুরস্কার কী?
    • ক. শিশু সাহিত্য পুরস্কার
    • খ. সাহিত্য পুরস্কার
    • গ. চলচ্চিত্র পুরস্কার
    • ঘ. নাট্য পুরস্কার
    উত্তর: গ. চলচ্চিত্র পুরস্কার
    অস্কার পুরস্কার (অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড) চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। যুক্তরাষ্ট্রের Academy of Motion Picture Arts and Sciences প্রতিবছর বিভিন্ন বিভাগে এটি প্রদান করে। প্রথম অনুষ্ঠান হয় ১৯২৯ সালে। বর্তমানে মোট ২৪টি বিভাগে অস্কার দেওয়া হয়। সাহিত্যের জন্য অস্কার নেই, সাহিত্যে সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সম্মান হলো নোবেল পুরস্কার।
    মনে রাখুন:
    ২০২৫ সালে ৯৭তম অস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হয় ‘আনোরা’।
    অস্কার পুরস্কারের মূর্তিটি সোনালি রঙের একজন যোদ্ধার আদলে তৈরি।
    নোবেল পুরস্কার সাহিত্য, শান্তি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে দেওয়া হয়, চলচ্চিত্রের জন্য নয়।
  5. ৫৩. শিক্ষা বিষয়ক SDG কোনটি?
    • ক. SDG-4
    • খ. SDG-3
    • গ. SDG-10
    • ঘ. SDG-7
    উত্তর: ক. SDG-4
    টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals, SDG) জাতিসংঘ ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে গ্রহণ করে। এতে ১৭টি লক্ষ্য ও ১৬৯টি অভীষ্ট আছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের কথা। এর মধ্যে চতুর্থ লক্ষ্য (SDG-4) মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্পর্কিত। বাকি লক্ষ্যগুলো আলাদা বিষয়ের: SDG-3 সুস্বাস্থ্য, SDG-7 সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং SDG-10 অসমতা হ্রাস।
    মনে রাখুন:
    SDG-1: দারিদ্র্য নির্মূল।
    SDG-5: লিঙ্গসমতা।
    SDG-13: জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ।
    এর আগের লক্ষ্য ছিল সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG), যা ২০০০-২০১৫ সালের জন্য ছিল।
  6. ৫৫. জাতিসংঘের 'চ্যাম্পিয়ন অব দি আর্থ' খেতাবপ্রাপ্ত কে?
    • ক. থেরেসা মে
    • খ. অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
    • গ. হিলারি ক্লিনটন
    • ঘ. শেখ হাসিনা
    উত্তর: ঘ. শেখ হাসিনা
    জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ উপাধি দেয়। এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত সর্বোচ্চ সম্মান। ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নীতিনির্ধারণ বিভাগে এই সম্মান পান। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়। অন্য অপশনের কারও নাম এই খেতাবের সঙ্গে জড়িত নয়।
    মনে রাখুন:
    UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে।
    বিশ্ব পরিবেশ দিবস ৫ জুন।
    UNEP প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে।
    বাংলাদেশের এই সম্মানের বিষয়টি পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত প্রশ্নে বারবার আসে।
  7. ৫৯. বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে কোন সালে?
    • ক. ১৯৭৪
    • খ. ১৯৭৩
    • গ. ১৯৭৫
    • ঘ. ১৯৭২
    উত্তর: ক. ১৯৭৪
    অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (OIC) ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে গঠিত হয়। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে এর সদস্যপদ পায়। সে বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের লাহোরে ইসলামি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, আর সেখানে বাংলাদেশ যোগ দেয়। সংস্থাটির সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। বর্তমানে এর সদস্য রাষ্ট্র ৫৭টি।
    মনে রাখুন:
    ২০১১ সালে সংস্থাটির নাম Organisation of the Islamic Conference থেকে বদলে Organisation of Islamic Cooperation করা হয়।
    জাতিসংঘের পরে সদস্যসংখ্যার দিক থেকে এটি বড় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর একটি।
    OIC-এর ইংরেজি নাম বদলের পরও সংক্ষিপ্ত রূপ OIC-ই থেকে গেছে।
  8. ৬০. NATO কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    • ক. ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
    • খ. ৪ মার্চ ১৯৪৯
    • গ. ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯
    • ঘ. ৪ মে ১৯৪৯
    উত্তর: ক. ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
    NATO-র পূর্ণ নাম North Atlantic Treaty Organization। ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হয়। তখন সদস্য ছিল ১২টি দেশ। সংস্থাটির সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। সুইডেন ২০২৪ সালে যোগ দেওয়ায় বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ৩২। এটি একটি সামরিক জোট, যার মূল নীতি হলো একটি সদস্যের ওপর আক্রমণ সবার ওপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে।
    মনে রাখুন:
    ন্যাটোর মুসলিম-প্রধান সদস্য: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
    সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পাল্টা সামরিক জোট ছিল ওয়ারশ চুক্তি (১৯৫৫)।
  9. ৬২. মেসোপটেমিয়া সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?
    • ক. হোয়াংহো নদীর তীরে
    • খ. ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে
    • গ. নীল নদের তীরে
    • ঘ. টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
    উত্তর: ঘ. টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
    মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ ‘দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি’। এই সভ্যতা টাইগ্রিস (দজলা) ও ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর তীরে গড়ে ওঠে। এলাকাটি আজকের ইরাকের প্রধান অংশ এবং আশপাশের কিছু অঞ্চল। নদী দুটির বন্যায় উর্বর পলিমাটি জমত বলে এখানে কৃষিকাজ ভালো হতো। এখানেই সুমেরীয়রা প্রথম লিখন পদ্ধতি কিউনিফর্ম (Cuneiform) উদ্ভাবন করেন।
    মনে রাখুন:
    নীল নদের তীরে মিশরীয় সভ্যতা।
    হোয়াংহো নদীর তীরে চীনা সভ্যতা।
    সিন্ধু নদের তীরে সিন্ধু সভ্যতা।
    মেসোপটেমিয়ার শাসক হাম্মুরাবি তাঁর আইনসংহিতার জন্য বিখ্যাত।
    মেসোপটেমিয়ার একটি বিখ্যাত নগর ছিল ব্যাবিলন।
  10. ৭৭. 'তাস' কোন দেশের সংবাদ সংস্থার নাম?
    • ক. ইউক্রেন
    • খ. রাশিয়া
    • গ. চীন
    • ঘ. মঙ্গোলিয়া
    উত্তর: খ. রাশিয়া
    ‘তাস’ (TASS) রাশিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা। সোভিয়েত আমলে এর পূর্ণ নাম ছিল Telegraph Agency of the Soviet Union। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পরে সংস্থাটি রাশিয়ার জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে চলছে। এর সদর দপ্তর মস্কোতে। সংস্থার নাম ‘তাস’ শুনে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়, কিন্তু এটি রুশ ভাষার সংক্ষেপ থেকে তৈরি। অপশনের অন্য দেশগুলোর সঙ্গে এ নামের সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    রয়টার্স: যুক্তরাজ্য।
    এএফপি: ফ্রান্স।
    এপি: যুক্তরাষ্ট্র।
    সিনহুয়া: চীন।
    পিটিআই: ভারত।
    বাসস: বাংলাদেশ।
    কোনো দেশের সরকারি সংবাদ সংস্থার নামের প্রশ্নে দেশ ও সংস্থার জোড়াটি মিলিয়ে মুখস্থ রাখা ভালো।
  11. ৮০. ২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবল কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
    • ক. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
    • খ. ইংল্যান্ড
    • গ. কাতার
    • ঘ. অস্ট্রেলিয়া
    উত্তর: গ. কাতার
    ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় কাতারে। আরব বিশ্বে এটিই প্রথম বিশ্বকাপ। আসর শুরু হয় ২০ নভেম্বর এবং শেষ হয় ১৮ ডিসেম্বর। এতে ৩২টি দল ৬৪টি ম্যাচ খেলে। ফাইনালে আর্জেন্টিনা পেনাল্টি শুটআউটে ফ্রান্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। সাধারণত বিশ্বকাপ জুন-জুলাইয়ে হয়, কিন্তু কাতারের প্রচণ্ড গরমের কারণে এবার তা শীতকালে আয়োজন করা হয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে।
    এই আসরে প্রথমবার ৪৮টি দল অংশ নেবে।
    কাতার বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট পান ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে।
  12. ৯৩. বিল ক্লিনটন যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রেসিডেন্ট?
    • ক. ৪৩
    • খ. ৪২
    • গ. ৪৮
    • ঘ. ৪১
    উত্তর: খ. ৪২
    বিল ক্লিনটন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৯৯৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। আরকানসাসের গভর্নর থাকার পর তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে ক্ষমতায় আসেন। তাঁর পরে প্রেসিডেন্ট হন জর্জ ডব্লিউ. বুশ, যিনি ৪৩তম। প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের সময় মার্কিন অর্থনীতি দীর্ঘ সময় ধরে স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি পেয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ চার বছর, আর কেউ সর্বোচ্চ দুবার নির্বাচিত হতে পারেন। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে নয়, দুটি আলাদা মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ায় তিনি ৪৫তম ও ৪৭তম।
    মনে রাখুন:
    ৪১তম: জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ।
    ৪৪তম: বারাক ওবামা।
    ৪৫তম ও ৪৭তম: ডোনাল্ড ট্রাম্প।
    ৪৬তম: জো বাইডেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা: ২ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন