জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২। ৯২টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. 'কিংবদন্তি' শব্দের অর্থ—
- ক. কাহিনি
- খ. জনশ্রুতি
- গ. গল্প
- ঘ. রূপকথা
উত্তর: খ. জনশ্রুতি
‘কিংবদন্তি’ শব্দের অর্থ জনশ্রুতি, অর্থাৎ মুখে মুখে চলে আসা প্রচলিত কাহিনি বা কথা। এটি সংস্কৃত ‘কিম্বদন্তী’ থেকে এসেছে। অন্য অপশনের অর্থ কাছাকাছি মনে হলেও আলাদা: কাহিনি মানে আখ্যান, গল্প মানে কথিত বিষয় আর রূপকথা মানে রাজা-রানি ও পরীকেন্দ্রিক অবাস্তব গল্প। ‘কিংবদন্তি’ শব্দটি প্রায়ই প্রশ্নে ‘জনশ্রুতি’ শব্দের সঙ্গে জুড়ে আসে। কোনো ঘটনা সত্য কিনা, তা প্রমাণ ছাড়াই মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়লে সেটি কিংবদন্তি হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
কিংবদন্তি শব্দের সমার্থক: জনশ্রুতি, লোকশ্রুতি, প্রবাদ।
কিংবদন্তি অর্থে কোনো বিখ্যাত ব্যক্তিকেও বলা হয়, যেমন ‘ফুটবল কিংবদন্তি’। - ৫. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা কে?
- ক. বড়ু চণ্ডীদাস
- খ. দীন চণ্ডীদাস
- গ. জয়দেব
- ঘ. বিদ্যাপতি
উত্তর: ক. বড়ু চণ্ডীদাস
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। এই কাব্যে কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই নামের তিনটি প্রধান চরিত্রকে ঘিরে রাধাকৃষ্ণের প্রেমকাহিনি বলা হয়েছে। দীন চণ্ডীদাস নামে আলাদা একজন কবি ছিলেন, তিনি রচনা করেছিলেন বৈষ্ণব পদ। তাই নামের মিল দেখে দুজনকে এক ভাবা ঠিক নয়।
বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে ধরা হয়।
জয়দেব সংস্কৃত ভাষায় ‘গীতগোবিন্দ’ লিখেছিলেন।
বিদ্যাপতি মিথিলার কবি ছিলেন। - ৬. 'চাবুক' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
- ক. ফরাসি
- খ. ফারসি
- গ. আরবি
- ঘ. উর্দু
উত্তর: খ. ফারসি
‘চাবুক’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মুসলিম শাসনের সময় ফারসি ছিল রাজকাজ ও দরবারের ভাষা, তাই দৈনন্দিন জীবনের বহু শব্দ ধীরে ধীরে আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়েছে। ফরাসি (French) ভাষার শব্দ কিন্তু এসেছে অনেক পরে, ইউরোপীয় বণিকদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে। নামের মিল থাকলেও ফারসি আর ফরাসি দুটি আলাদা ভাষা, পরীক্ষায় এই গোলমালটিই বেশি হয়। ফারসি আর আরবিও এক নয়, কারণ ফারসি ইরানের ভাষা, আর আরবি আরব দেশগুলোর ভাষা।
মনে রাখুন:
ফারসি শব্দ: চশমা, চাকর, দরজা, জামদানি, পেয়ালা, কারখানা।
ফরাসি শব্দ: কার্তুজ, ডিপো, রেস্তোরাঁ, আঁতাত।
আরবি শব্দ: আল্লাহ, কুরআন, কলম, কিতাব, কলিজা। - ১৩. ‘দৃষ্টিপাত’-এর লেখক যাযাবরের আসল নাম কী?
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. আবদুল কাদির
- গ. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
- ঘ. হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর: গ. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
‘দৃষ্টিপাত’ ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতার কথা নিয়ে লেখা একটি জনপ্রিয় গ্রন্থ। এর লেখক বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, যিনি সাহিত্যজগতে ‘যাযাবর’ ছদ্মনামে পরিচিত। ছদ্মনাম (Pen name) হলো লেখকের আসল নামের বদলে বই বা লেখায় ব্যবহার করা অন্য নাম। অনেকে নামের মিল দেখে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ভাবতে পারেন, কিন্তু বঙ্কিম ছিলেন উনিশ শতকের ঔপন্যাসিক এবং ‘যাযাবর’ ছদ্মনাম তাঁর নয়। ‘যাযাবর’ শব্দের অর্থ যে মানুষ এক জায়গায় থাকে না, ঘুরে বেড়ায়, আর ভ্রমণকাহিনির লেখকের জন্য নামটি বেশ মানিয়ে যায়।
মনে রাখুন:
যাযাবর: বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়। তাঁর আরেকটি বই ‘পদসঞ্চার’।
বনফুল: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
পরশুরাম: রাজশেখর বসু।
কালকূট: সমরেশ বসু।
বীরবল: প্রমথ চৌধুরী। - ১৮. 'ভুশণ্ডির কাক' বাগধারাটির অর্থ—
- ক. বয়স্ক বহুদর্শী
- খ. নিরেট মূর্খ
- গ. কপটচারী
- ঘ. ভণ্ড সাধু
উত্তর: ক. বয়স্ক বহুদর্শী
‘ভুশণ্ডির কাক’ বাগধারাটির অর্থ বয়স্ক ও বহুদর্শী ব্যক্তি। বাগধারা (Idiom) হলো এমন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ শব্দগুলোর সাধারণ অর্থ থেকে আলাদা হয়ে যায়। পুরাণের কাহিনিতে ভুশণ্ডী নামে এক দীর্ঘজীবী কাকের কথা আছে, যে অনেক যুগের ঘটনা নিজের চোখে দেখেছে। সেই থেকেই বহু অভিজ্ঞতার অধিকারী মানুষকে এভাবে বলা হয়। ‘নিরেট মূর্খ’ বোঝাতে অন্য বাগধারা চলে, এই বাগধারা তা বোঝায় না।
মনে রাখুন:
বুদ্ধির ঢেঁকি = নির্বোধ।
ভিজে বিড়াল = কপটচারী।
বিড়াল তপস্বী = ভণ্ড সাধু।
তালপাতার সেপাই = দুর্বল লোক। - ২০. কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতা কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- ক. সাম্যবাদী
- খ. ফণীমনসা
- গ. অগ্নিবীণা
- ঘ. চিত্তনামা
উত্তর: গ. অগ্নিবীণা
নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)-র অন্তর্ভুক্ত। কবিতাটি ১৯২২ সালের জানুয়ারিতে সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হলে সারা বাংলায় সাড়া পড়ে যায়। কবিতায় কবি নিজেকে সব বাধা ভেঙে এগিয়ে চলা এক অদম্য শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন। এই কবিতার জোরেই তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত হন। ‘সাম্যবাদী’ ও ‘ফণীমনসা’ তাঁর পরের কাব্যগ্রন্থ, আর ‘চিত্তনামা’ দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের স্মরণে লেখা।
মনে রাখুন:
অগ্নিবীণা: প্রথম কাব্যগ্রন্থ, ১৯২২।
প্রথম প্রকাশিত কবিতা: ‘মুক্তি’ (১৯১৯)।
নজরুলের জন্ম ২৪ মে ১৮৯৯, চুরুলিয়ায়; মৃত্যু ২৯ আগস্ট ১৯৭৬, ঢাকায়।
তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি। - ২১. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. পিপিলিকা
- খ. পিপীলিকা
- গ. পীপীলিকা
- ঘ. পিপীলীকা
উত্তর: খ. পিপীলিকা
শুদ্ধ বানান 'পিপীলিকা', অর্থ পিঁপড়া: প্রথম 'পি'-তে হ্রস্ব ই-কার, মাঝের 'পী'-তে দীর্ঘ ঈ-কার এবং শেষের 'লি'-তে আবার হ্রস্ব ই-কার। ক বিকল্পের 'পিপিলিকা'-তে মাঝের দীর্ঘ ঈ-কার নেই, তাই তা ভুল। - ২২. 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
- গ. জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী
- ঘ. সিকান্দার আবু জাফর
উত্তর: ঘ. সিকান্দার আবু জাফর
‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কবি ও নাট্যকার সিকান্দার আবু জাফর। এটি ১৯৫৭ সালে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি সাহিত্যপত্র, যা আধুনিক বাংলা সাহিত্যচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল। অনেকে কাজী নজরুল ইসলামের নাম ভাবেন, কিন্তু নজরুল সম্পাদনা করেছেন ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা। আর ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। এভাবে পত্রিকার নামের সঙ্গে সম্পাদকের নাম মিলিয়ে মুখস্থ রাখলে ভুল কম হয়।
মনে রাখুন:
সিকান্দার আবু জাফর রচিত নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’।
তাঁর লেখা গান: ‘জনতার সংগ্রাম চলবেই’।
তাঁর কাব্যগ্রন্থ: ‘প্রসন্ন প্রহর’, ‘তিমিরান্তিক’।
‘সবুজপত্র’-এর সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী। - ২৬. বহুব্রীহি সমাসের দৃষ্টান্ত কোনটি?
- ক. দশগজি
- খ. ত্রিফলা
- গ. খেয়াঘাট
- ঘ. বর্ণচোরা
উত্তর: ক. দশগজি
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ প্রধান হয় না, বরং তারা অন্য কোনো পদের বিশেষণ হয়ে সেটিকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস (Bahubrihi Compound) বলে। ‘দশগজি’ বলতে ‘দশ গজ পরিমাণ আছে যার’ বোঝায়, তাই এটি সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি। ‘ত্রিফলা’ তিনটি ফলের সমাহার, তাই এটি দ্বিগু সমাস। ‘খেয়াঘাট’ ষষ্ঠী তৎপুরুষ আর ‘বর্ণচোরা’ উপপদ তৎপুরুষ। ‘বহুব্রীহি’ কথাটির আক্ষরিক অর্থ বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার, আর এই অর্থ থেকেই সমাসের নাম এসেছে।
উদাহরণ:
চৌচালা, চারহাতি, তেপায়া, দশানন।
মনে রাখুন:
নঞ্ বহুব্রীহি: অনাথ (নেই নাথ যার)।
ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি: শূলপাণি (শূল পাণিতে যার)। - ২৭. 'তুমি শুয়ে রবে তেতলার পরে, আমরা রহিব নীচে, অথচ তোমারে দেবতা বলিব— সে ভরসা আজ মিছে।'-কবিতার চরণ দুটি কার লেখা?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
- গ. মধুসূদন দত্ত
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
‘তুমি শুয়ে রবে তেতলার পরে, আমরা রহিব নীচে’ লাইন দুটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুলি-মজুর’ কবিতা থেকে নেওয়া। কবিতায় তিনি শ্রমিকদের বঞ্চনা আর ধনীদের বিলাস পাশাপাশি তুলে ধরেছেন। যাঁরা মাটির নিচে খেটে সভ্যতা গড়েছেন, সমাজে তাঁদের কোনো মর্যাদা নেই, এই কথাটিই কবিতার মূল সুর। কবিতার শুরুতে দেখা যায়, রেলে এক বাবু একজন কুলিকে ঠেলে নিচে ফেলে দিয়েছে। কবিতাটি ‘সর্বহারা’ (১৯২৬) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
মনে রাখুন:
‘সাম্যবাদী’ (১৯২৫) কাব্যগ্রন্থের কবিতা: ‘সাম্যবাদী’, ‘নারী’, ‘পাপ’, ‘রাজা-প্রজা’।
‘সর্বহারা’র আরও কবিতা: ‘কৃষকের গান’, ‘শ্রমিকের গান’, ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’। - ২৯. 'বক্তব্য' শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
- ক. √বাক + তব্য
- খ. √বচন + তব্য
- গ. √বচ + তব্য
- ঘ. √বক্তা + তব্য
উত্তর: গ. √বচ + তব্য
‘বক্তব্য’ শব্দটি গঠিত হয়েছে √বচ্ ধাতুর সঙ্গে ‘তব্য’ প্রত্যয় যোগ করে: √বচ্ + তব্য = বক্তব্য। যা বলা উচিত বা বলার যোগ্য, তা বোঝাতে তব্য প্রত্যয় ধাতুর সঙ্গে বসে। এই যোগের সময় চ্ বদলে ক্ হয়ে যায়, তাই ‘বচ্’ থেকে ‘বক্ত’ হয়। ‘বাক’ বা ‘বচন’ আসলে ধাতু নয়, ওগুলো নিজেরাই শব্দ, তাই অন্য অপশনগুলো ঠিক নয়। তব্য একটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
উদাহরণ:
√কৃ + তব্য = কর্তব্য
√শ্রু + তব্য = শ্রোতব্য
√গম্ + তব্য = গন্তব্য
√দা + তব্য = দাতব্য
মনে রাখুন: √বচ্ + তৃ = বক্তা; একই ধাতু থেকে ‘বক্তা’ ও ‘বক্তব্য’ দুটি শব্দই এসেছে। - ৩০. কোনটি বাংলা উপসর্গ?
- ক. উপ
- খ. দর
- গ. গর
- ঘ. ভর
উত্তর: ঘ. ভর
বাংলা উপসর্গ ২১টি, যার একটি হলো ‘ভর’ (যেমন: ভরপেট, ভরসন্ধ্যা)। উপসর্গ (Prefix) হলো এমন অর্থহীন শব্দাংশ, যা অন্য শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। ‘উপ’ সংস্কৃত উপসর্গ (উপকার), ‘দর’ ফারসি (দরপত্তনি) এবং ‘গর’ আরবি উপসর্গ (গরমিল)। তাই একই রকম শোনালেও উপসর্গ কোন ভাষা থেকে এসেছে, সেটি আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
বাংলা উপসর্গ: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, তৎসম।
আরবি উপসর্গের উদাহরণ: আম-দরবার, খাস-কামরা, লা-জবাব। - ৩৬. 'চন্দরা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ছোটগল্পের চরিত্র?
- ক. শাস্তি
- খ. সমাপ্তি
- গ. একরাত্রি
- ঘ. স্ত্রীর পত্র
উত্তর: ক. শাস্তি
‘চন্দরা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শাস্তি’ গল্পের চরিত্র। গল্পে দুই ভাই দুখিরাম ও ছিদাম, তাদের বউ রাধা আর চন্দরার কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। দুখিরাম রাগের মাথায় নিজের স্ত্রীকে হত্যা করলে ছিদাম ভাইকে বাঁচাতে নিজের স্ত্রী চন্দরার ওপর দোষ চাপিয়ে দেয়। চন্দরা অভিমানে সব মেনে নেয় এবং ফাঁসির শাস্তি পায়। অন্য গল্পগুলোর চরিত্র আলাদা। ‘সমাপ্তি’র মৃন্ময়ী, ‘একরাত্রি’র সুরবালা আর ‘স্ত্রীর পত্র’-এর মৃণাল।
মনে রাখুন:
‘শাস্তি’ গল্পটি ‘গল্পগুচ্ছ’-এর অন্তর্গত।
‘স্ত্রীর পত্র’ গল্পে নারী স্বাধীনতার কথা আছে।
‘কাবুলিওয়ালা’র চরিত্র রহমত ও মিনি। - ৪২. 'প্রচ্ছন্ন' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. বিষণ্ণ
- খ. বিরক্ত
- গ. প্রকট
- ঘ. অন্তরায়
উত্তর: গ. প্রকট
‘প্রচ্ছন্ন’ শব্দের অর্থ লুকানো বা গোপন, আর এর বিপরীত শব্দ ‘প্রকট’ অর্থাৎ স্পষ্ট বা প্রকাশিত। ‘ব্যক্ত’ শব্দটিও এখানে বিপরীত অর্থে চলে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ‘বিষণ্ণ’-এর বিপরীত ‘প্রসন্ন’, আর ‘বিরক্ত’-এর বিপরীত ‘অনুরক্ত’। ‘অন্তরায়’ মানে বাধা, তাই এটিও ‘প্রচ্ছন্ন’-এর বিপরীত নয়। প্রচ্ছন্নের সমার্থক শব্দ হলো গুপ্ত, গোপন ও লুক্কায়িত। বিপরীত শব্দের প্রশ্নে প্রথমে শব্দটির অর্থ ঠিক করে নিয়ে তারপর অপশন মেলালে ভুল কম হয়।
মনে রাখুন:
প্রচ্ছন্ন ↔ প্রকট, ব্যক্ত
গুপ্ত ↔ প্রকাশ্য
আবৃত ↔ অনাবৃত
অন্তরায় = বাধা; এর বিপরীত সহায়ক। - ৪৩. 'একাত্তরের যীশু' গল্পের রচয়িতা কে?
- ক. জহির রায়হান
- খ. সেলিনা হোসেন
- গ. শহীদুল জহির
- ঘ. শাহরিয়ার কবির
উত্তর: ঘ. শাহরিয়ার কবির
‘একাত্তরের যীশু’ মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা একটি জনপ্রিয় রচনা, যার রচয়িতা শাহরিয়ার কবির। তিনি মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার নিয়ে সক্রিয় লেখক ও সাংবাদিক। মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা নিয়ে অনেক লেখকই লিখেছেন, তাই নামের তালিকায় ভুল হওয়া স্বাভাবিক। সেজন্য প্রতিটি লেখকের সঙ্গে তাঁর একটি-দুটি বই জুড়ে মনে রাখা ভালো। জহির রায়হানের মুক্তিযুদ্ধের গল্প ‘সময়ের প্রয়োজনে’, আর সেলিনা হোসেনের উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের ‘হাজার বছর ধরে’ ও ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাস।
শহীদুল জহিরের উপন্যাস ‘জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা’।
সেলিনা হোসেনের আরেকটি উপন্যাস ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’। - ৫২. বাংলা ভাষায় রচিত প্রাচীনতম গ্রন্থ 'চর্যাপদ' আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
- ক. ১৯০৫ সালে
- খ. ১৯০৭ সালে
- গ. ১৯১৬ সালে
- ঘ. ১৯১৭ সালে
উত্তর: খ. ১৯০৭ সালে
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে এটি প্রকাশিত হয়। ১৯০৭ সাল আবিষ্কারের বছর, আর ১৯১৬ সাল প্রকাশের বছর, এই দুটি সাল প্রায়ই গোলমাল করে ফেলা হয়।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের কবিদের মধ্যে লুইপা সবচেয়ে প্রাচীন বলে ধরা হয়।
অন্য কবি: কাহ্নপা, ভুসুকুপা, সরহপা।
চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়াদের ধর্মসাধনার গান।
চর্যাপদের সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে।
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ আবিষ্কার করেন বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ (১৯০৯)। - ৫৭. 'সুলতানার স্বপ্ন' কোন ধরনের গ্রন্থ?
- ক. উপন্যাস
- খ. কাব্য
- গ. নাটক
- ঘ. প্রবন্ধ
উত্তর: ক. উপন্যাস
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘সুলতানার স্বপ্ন’ উপন্যাসধর্মী রচনা। তিনি এটি প্রথমে ইংরেজিতে ‘Sultana’s Dream’ নামে লেখেন (১৯০৫), পরে বাংলায় প্রকাশিত হয়। এই কল্পকাহিনিতে নারীরা শাসনকাজ চালায় আর পুরুষেরা অন্দরমহলে থাকে। কাহিনিটি উল্টো এক সমাজের ছবি তুলে ধরে, যাতে পাঠক নিজের সমাজকে নতুন চোখে দেখতে পারে। এতে নারী শিক্ষা ও সমতার কথা বলা হয়েছে।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্যান্য রচনা: ‘মতিচূর’ (প্রবন্ধ), ‘পদ্মরাগ’ (উপন্যাস), ‘অবরোধবাসিনী’।
তিনি ১৯১১ সালে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
রোকেয়া দিবস ৯ ডিসেম্বর। - ৬১. ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিষয়ক গ্রন্থটির নাম কী?
- ক. বাঙ্গলা সাহিত্যের ইতিহাস
- খ. বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
- গ. বাংলা সাহিত্যের কথা
- ঘ. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
উত্তর: গ. বাংলা সাহিত্যের কথা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ নামে দুই খণ্ডের গ্রন্থ লিখেছেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস মানে কোন যুগে কোন লেখক কী লিখেছেন, তার ধারাবাহিক বিবরণ। শহীদুল্লাহ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক, আর এই বইয়ে তিনি সাহিত্যের ধারা আলোচনা করেছেন। অন্য গ্রন্থগুলোর লেখক আলাদা। ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’ লিখেছেন সুকুমার সেন, আর ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ লিখেছেন দীনেশচন্দ্র সেন।
মনে রাখুন:
শহীদুল্লাহর অন্যান্য কাজ: ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’, ‘ভাষা ও সাহিত্য’, ‘বাংলা ব্যাকরণ’।
তিনি ‘বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান’-এরও সম্পাদক ছিলেন।
তাঁর জন্ম ১৮৮৫, মৃত্যু ১৯৬৯ সালে। - ৬৩. সৈয়দ শামসুল হক রচিত নাটক কোনটি?
- ক. কালবেলা
- খ. গণনায়ক
- গ. এখনও ক্রীতদাস
- ঘ. ঢাকা
উত্তর: খ. গণনায়ক
সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের অনেক শাখায় লিখেছেন। তাঁর নাটক ‘গণনায়ক’ (১৯৭৬), আর ‘গণনায়ক’ মূলত ইবসেনের নাটকের রূপান্তর। অন্য নাটকগুলো অন্য লেখকের: ‘এখনও ক্রীতদাস’ আবদুল্লাহ আল-মামুনের, ‘কালবেলা’ সাঈদ আহমদের। পরীক্ষায় নাটকের নামের সঙ্গে নাট্যকারের নাম মিলিয়ে মনে রাখা ভালো। সৈয়দ হক কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার, তিনজন হিসেবেই সমান পরিচিত। তিনি জন্মেছিলেন কুড়িগ্রামে।
মনে রাখুন:
সৈয়দ হকের নাটক: ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ (কাব্যনাটক)।
তিনি ‘সব্যসাচী লেখক’ নামে পরিচিত।
তাঁর কবিতার বই ‘একদা এক রাজ্যে’ এবং উপন্যাস ‘খেলারাম খেলে যা’। - ৬৮. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম কোনটি?
- ক. ভানুসিংহ
- খ. সুনন্দ
- গ. বনফুল
- ঘ. নীললোহিত
উত্তর: গ. বনফুল
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ‘বনফুল’। তিনি চিকিৎসক ও কথাসাহিত্যিক, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটকে তাঁর খ্যাতি। ছদ্মনাম (Pen name) হলো লেখকের আসল নামের বদলে ব্যবহার করা নাম। ভানুসিংহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম, ‘সুনন্দ’ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের আর ‘নীললোহিত’ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের। ফলে অপশনের চারটি ছদ্মনামই চারজন আলাদা লেখকের। বনফুল জন্মেছিলেন ১৮৯৯ সালে বিহারের পূর্ণিয়া জেলায়। পেশায় চিকিৎসক হয়েও তিনি সাহিত্যকে ভালোবেসে বহু বই লিখে গেছেন। তাঁর ছদ্মনাম এত পরিচিত যে আসল নামের চেয়ে ‘বনফুল’ নামেই তাঁকে বেশি লোকে চেনে।
মনে রাখুন:
পরশুরাম: রাজশেখর বসু।
কালকূট: সমরেশ বসু।
অবধূত: দুলাল মুখোপাধ্যায়।
বনফুলের উপন্যাস: ‘জঙ্গম’, ‘স্থাবর’, ‘হাটেবাজারে’। - ৭৩. 'বায়স' শব্দের অর্থ কী?
- ক. কোকিল
- খ. কাক
- গ. ময়ূর
- ঘ. বৃদ্ধ
উত্তর: খ. কাক
‘বায়স’ শব্দের অর্থ কাক। কোকিলের প্রতিশব্দ পিক বা কলকণ্ঠ, ময়ূরের প্রতিশব্দ শিখী বা বর্হী আর বৃদ্ধের প্রতিশব্দ প্রাচীন। প্রতিশব্দ (Synonym) হলো সমান অর্থের ভিন্ন শব্দ, আর পাখির নামের প্রতিশব্দ প্রায়ই সংস্কৃত থেকে আসে, তাই এগুলো পরীক্ষায় বারবার আসে। এ জন্য পাখির নামের প্রতিশব্দ একসঙ্গে মুখস্থ রাখা ভালো। এখানে ‘বায়স’ শব্দটি কাকের জন্য ছাড়া অন্য কিছুর জন্য ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখুন:
বায়স = কাক।
পরভৃত = কোকিল।
হংস = রাজহাঁস।
শিখী = ময়ূর।
ভ্রমরের প্রতিশব্দ মধুকর, অলি।
হাতির প্রতিশব্দ করী, গজ। - ৭৫. কোন শব্দটি সমার্থক নয়?
- ক. দিবাকর
- খ. ভাস্কর
- গ. নিশাকর
- ঘ. বিভাকর
উত্তর: গ. নিশাকর
নিশাকর শব্দের অর্থ চাঁদ, কারণ রাতে (নিশা) চাঁদ আলো দেয়। বাকি তিনটি শব্দ, অর্থাৎ দিবাকর, ভাস্কর ও বিভাকর, ‘সূর্য’-এর প্রতিশব্দ। এই তিন শব্দের শেষে ‘কর’ আছে, যার অর্থ কিরণ বা আলো দানকারী, আর শব্দের প্রথম অংশ অর্থাৎ দিবা, ভা ও বিভা দিন বা দীপ্তি বোঝায়। তাই সমার্থক নয় নিশাকর।
মনে রাখুন:
সূর্যের প্রতিশব্দ: রবি, ভানু, মিহির, দিবাকর, ভাস্কর, প্রভাকর।
চাঁদের প্রতিশব্দ: শশী, সুধাংশু, নিশাকর, হিমাংশু, ইন্দু।
সূর্যের আরও প্রতিশব্দ: অর্ক, আদিত্য, তপন।
চাঁদের আরও প্রতিশব্দ: সোম, বিধু, শশাঙ্ক। - ৮১. 'নিরাকার' শব্দের বিপরীত শব্দ—
- ক. একাকার
- খ. সাকার
- গ. হাহাকার
- ঘ. আকার
উত্তর: খ. সাকার
‘নিরাকার’ মানে যার কোনো আকার নেই। এর বিপরীত শব্দ ‘সাকার’, অর্থাৎ যার আকার আছে। ‘আকার’ শব্দটি ঠিক বিপরীত শব্দ নয়, কারণ ‘নির্’ উপসর্গটি অভাব বোঝায় এবং ‘সা’ থাকা বোঝায়। ‘একাকার’ মানে মিলেমিশে যাওয়া আর ‘হাহাকার’ মানে বিলাপ, তাই ওগুলোর সঙ্গে নিরাকারের বিপরীত সম্পর্ক নেই। আমরা ধর্মকথায় নিরাকার ও সাকার ঈশ্বর শব্দ দুটি শুনি।
মনে রাখুন:
নিরাকার ↔ সাকার
সুখ্যাতি ↔ কুখ্যাতি
শঠ ↔ সাধু
প্রাচ্য ↔ প্রতীচ্য বা পাশ্চাত্য
আস্তিক ↔ নাস্তিক - ৮৪. 'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. দিলওয়ার
- খ. শামসুর রাহমান
- গ. শহীদ কাদরী
- ঘ. মহাদেব সাহা
উত্তর: খ. শামসুর রাহমান
‘নিজ বাসভূমে’ (১৯৭০) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কবি শামসুর রাহমান। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০)। তিনি ১৯২৯ সালে ঢাকায় জন্মেছিলেন এবং ২০০৬ সালে মারা যান। আধুনিক বাংলা কবিতায় তাঁর অবদান এত বড় যে তাঁকে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ধরা হয়। শহীদ কাদরী, মহাদেব সাহা ও দিলওয়ারও কবি, কিন্তু এই বইটি তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: ‘রৌদ্র করোটিতে’, ‘বিধ্বস্ত নীলিমা’, ‘বন্দী শিবির থেকে’, ‘উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ’।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’।
শহীদ কাদরীর কাব্যগ্রন্থ ‘উত্তরাধিকার’। - ৮৬. 'আমি কি ডরাই সখি, ভিখারী রাঘবে?' — পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ক. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- গ. কায়কোবাদ
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
‘আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে?’ চরণটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ থেকে নেওয়া। মেঘনাদের স্ত্রী প্রমীলা তাঁর সখীকে এ কথা বলেছিলেন। কাব্যটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত, এতে নয়টি সর্গ আছে এবং এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা। অমিত্রাক্ষর ছন্দ (Blank verse) হলো এমন ছন্দ, যেখানে পঙ্ক্তির শেষে মিল থাকে না। কাব্যের কাহিনি রামায়ণ থেকে নেওয়া, কিন্তু কবি রাবণের পুত্র মেঘনাদকে এখানে মহান বীর হিসেবে দেখিয়েছেন।
মনে রাখুন:
মধুসূদনের চতুর্দশপদী কবিতাবলী (১৮৬৬) বাংলা সনেটের সূচনা।
তাঁর প্রথম নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’ (১৮৫৯)।
‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’ (১৮৬০) বাংলা ভাষার প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের কাব্য। - ৯০. কাশীরাম দাস কোন গ্রন্থের অনুবাদক?
- ক. রামায়ণ
- খ. গীতগোবিন্দ
- গ. মহাভারত
- ঘ. পদ্মাবতী
উত্তর: গ. মহাভারত
কাশীরাম দাস মধ্যযুগের কবি, যিনি সংস্কৃত মহাকাব্য ‘মহাভারত’ বাংলায় অনুবাদ করেন। এই অনুবাদ বাঙালি পাঠকের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়, কথিত আছে, তিনি বর্ধমান জেলার সিঙ্গি গ্রামের মানুষ ছিলেন। এই অনুবাদ মূল সংস্কৃত বইয়ের হুবহু অনুবাদ নয়, বরং ভাবানুবাদ। তাই সাধারণ পাঠক মহাভারত বলতে প্রায়ই কাশীদাসী মহাভারতকেই বোঝেন। ‘রামায়ণ’ অনুবাদ করেছেন কৃত্তিবাস ওঝা। ‘গীতগোবিন্দ’-এর রচয়িতা জয়দেব আর ‘পদ্মাবতী’ লিখেছেন আলাওল।
মনে রাখুন:
মালাধর বসু ভাগবত অনুবাদ করে ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’ রচনা করেন।
কৃত্তিবাস বাংলা রামায়ণের আদি কবি।
বাংলা ভাষায় প্রথম মহাভারত অনুবাদ করেন কবীন্দ্র পরমেশ্বর, যা ‘পরাগলী মহাভারত’ নামে পরিচিত। - ৯২. ক্রিকেটে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পায় কোন সালে?
- ক. ১৯৯৮
- খ. ২০০০
- গ. ২০০২
- ঘ. ২০০৮
উত্তর: খ. ২০০০
বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির পূর্ণ সদস্যপদ ও টেস্ট মর্যাদা পায়, আর দশম টেস্টখেলুড়ে দেশ হয়। একই বছর ১০ নভেম্বর ঢাকায় ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলে। টেস্ট ক্রিকেট হলো পাঁচ দিনের লম্বা ম্যাচ, যা কেবল পূর্ণ সদস্য দেশগুলো খেলতে পারে। এর আগে ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জিতে বাংলাদেশ ওয়ানডে মর্যাদা পেয়েছিল, যা টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার ভিত্তি তৈরি করে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জেতে ১৯৯৭ সালে (কুয়ালালামপুরে)।
টেস্টে প্রথম জয় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
প্রথম টেস্টে আমিনুল ইসলাম সেঞ্চুরি করেন।
ইংরেজি
- ২. Mr. Ibrahim lives — 35, Rankin Street, Dhaka. To complete the sentence, we need —.
- ক. in
- খ. at
- গ. over
- ঘ. on
উত্তর: খ. at
ঠিকানা বা বাড়ির নম্বরের আগে preposition at বসে। তাই বাক্যটি দাঁড়ায়: Mr. Ibrahim lives at 35, Rankin Street, Dhaka. শহরের নামের আগে সাধারণত in বসে, যেমন lives in Dhaka। রাস্তার নামের আগে কখনো on ব্যবহার হয়, যেমন on Rankin Street। কিন্তু বাড়ির নম্বর থাকলে নির্দিষ্ট ঠিকানা বোঝায়, তাই সেখানে at ব্যবহার হয়।
উদাহরণ:
He lives at 12, Mirpur Road.
She lives in Chattogram.
মনে রাখুন: নির্দিষ্ট বিন্দু বা ঠিকানার আগে at, বড় এলাকার আগে in। - ৪. What is the correct spelling?
- ক. etiquete
- খ. atiquete
- গ. eticate
- ঘ. etiquette
উত্তর: ঘ. etiquette
Etiquette শব্দের অর্থ শিষ্টাচার বা সামাজিক আচরণবিধি। শব্দটি ফরাসি থেকে ইংরেজিতে এসেছে। এর সঠিক বানান e-t-i-q-u-e-t-t-e, যেখানে ‘qu’ একসঙ্গে থাকে এবং শেষে দুটি t ও একটি e বসে। অন্য অপশনের বানান ভুল, কারণ কোথাও q বাদ গেছে, কোথাও শেষের দ্বিত্ব t নেই। বানানের প্রশ্নে এই শব্দটি বেশ জনপ্রিয়, কারণ উচ্চারণ শুনে বানান লিখতে গেলে সহজেই ভুল হয়। বিশেষ করে ‘qu’ অংশটি শুনতে ‘ক’-এর মতো, তাই অনেকেই এখানে k বা c লিখে ফেলে।
মনে রাখুন: ফরাসি থেকে আসা কয়েকটি কঠিন বানান:
bouquet
silhouette
questionnaire
rendezvous - ৭. The word 'arable' is related to —.
- ক. eye
- খ. ear
- গ. land
- ঘ. air
উত্তর: গ. land
Arable শব্দের অর্থ চাষযোগ্য। যে জমিতে লাঙল দিয়ে ফসল ফলানো যায়, তাকে arable land বলে। শব্দটি ল্যাটিন arare (চাষ করা) থেকে এসেছে। তাই এটি সরাসরি land বা জমির সঙ্গে সম্পর্কিত।
উদাহরণ: Arable land is scarce in this region (এই অঞ্চলে চাষযোগ্য জমি কম)।
অন্য অপশনগুলোর অর্থ: eye মানে চোখ, ear মানে কান আর air মানে বাতাস। এগুলোর সঙ্গে arable-এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
Arable land = চাষযোগ্য জমি।
Fertile = উর্বর।
Barren = অনুর্বর।
Fallow = পতিত জমি।
Cultivate = চাষ করা। - ৮. The historical novel 'A Tale of Two Cities' is written by —.
- ক. Charles Dickens
- খ. James Joyce
- গ. Sir W. Scott
- ঘ. Charlotte Bronte
উত্তর: ক. Charles Dickens
‘A Tale of Two Cities’ (১৮৫৯) ইংরেজ ঔপন্যাসিক Charles Dickens-এর ঐতিহাসিক উপন্যাস। ফরাসি বিপ্লবের সময়কার লন্ডন ও প্যারিস শহরকে কেন্দ্র করে এর কাহিনি গড়ে উঠেছে। উপন্যাসের শুরুর বিখ্যাত বাক্যটি হলো “It was the best of times, it was the worst of times”। এর একটি পরিচিত চরিত্র Sydney Carton, যে অন্যের জন্য নিজের প্রাণ দেয়। Dickens ঊনিশ শতকের ভিক্টোরীয় যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখকদের একজন।
মনে রাখুন:
Dickens-এর অন্যান্য রচনা: Oliver Twist, David Copperfield, Great Expectations, Hard Times।
Sir Walter Scott লিখেছেন Ivanhoe।
Charlotte Bronte লিখেছেন Jane Eyre।
James Joyce লিখেছেন Ulysses। - ১৬. We have free ___ to our manager.
- ক. excess
- খ. access
- গ. exces
- ঘ. axcess
উত্তর: খ. access
বাক্যটির অর্থ হলো ‘ম্যানেজারের কাছে আমাদের অবাধ প্রবেশাধিকার আছে’। Access মানে প্রবেশাধিকার বা পৌঁছানোর সুযোগ, আর এটি সাধারণত to-এর সঙ্গে বসে: have access to। Excess মানে আধিক্য বা প্রয়োজনের বেশি, তাই এখানে অর্থ মেলে না। বাকি দুটি অপশন, exces ও axcess, বানানই ভুল।
উদাহরণ:
Students have free access to the library.
Excess of anything is bad.
মনে রাখুন:
Access (noun) = প্রবেশাধিকার; Excess = আধিক্য।
Accessible = সহজলভ্য; Excessive = অতিরিক্ত।
Free access to the internet; excess of food। - ৩২. At last ___ warrior in him was thoroughly aroused.
- ক. a
- খ. the
- গ. an
- ঘ. none
উত্তর: খ. the
যে ব্যক্তি বা বস্তুর কথা আগে থেকে নির্দিষ্ট করা আছে, তার আগে the বসে। এখানে ‘in him’ অংশটি warrior-কে নির্দিষ্ট করছে, অর্থাৎ যেকোনো যোদ্ধা নয়, তার ভেতরের সেই যোদ্ধাটি। তাই warrior শব্দের আগে the বসবে: the warrior in him। প্রশ্নের অপশনে a বা an বসালে শব্দটি অনির্দিষ্ট হয়ে যেত, আর none বসালে বাক্যটি অসম্পূর্ণ শোনাত। এ ছাড়া কোনো common noun যখন গুণ বা ভাব বোঝায়, তখনও আগে the বসতে পারে।
উদাহরণ:
The man in the black coat is my uncle.
The boy sitting there is my brother.
মনে রাখুন:
The ব্যবহার হয় the sun, the moon, the Padma (নদীর নামে), the best (superlative) এবং the first (ordinal)-এর আগে। - ৩৩. Identify feminine gender :
- ক. peer
- খ. parent
- গ. boar
- ঘ. spinster
উত্তর: ঘ. spinster
Spinster শব্দের অর্থ অবিবাহিতা নারী, তাই এটি feminine gender (স্ত্রীলিঙ্গ)। এর masculine রূপ bachelor। Peer মানে অভিজাত পুরুষ বা লর্ড, যার স্ত্রীলিঙ্গ peeress। Boar মানে পুরুষ বন্য শূকর, তার স্ত্রীলিঙ্গ sow। Parent শব্দটি পিতা বা মাতা, দুজনকেই বোঝায়, তাই এটি common gender। এভাবে প্রতিটি অপশনের লিঙ্গ আলাদা করে দেখলে উত্তর সহজে মেলে।
মনে রাখুন:
Common gender: parent, child, student, friend, teacher।
Bachelor ↔ Spinster; Nephew ↔ Niece।
Hero ↔ Heroine; Widower ↔ Widow; Monk ↔ Nun।
Fox ↔ Vixen; Drake ↔ Duck। - ৩৮. 'One who sells various items of daily necessity' is called a —.
- ক. grocer
- খ. grosher
- গ. grocher
- ঘ. grosser
উত্তর: ক. grocer
যে ব্যক্তি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, যেমন চাল, ডাল, তেল ও মসলা বিক্রি করে, তাকে grocer (মুদি দোকানদার) বলে। Grocery বলতে মুদির দোকান বা মুদি সামগ্রী বোঝায়। বাকি তিনটি অপশন grosher, grocher ও grosser ভুল বানান, তাই ইংরেজিতে এ রকম শব্দ নেই। এই ধরনের প্রশ্নে এক শব্দে প্রকাশ (One word substitution) মুখস্থ রাখলে সময় বাঁচে।
উদাহরণ:
The grocer sells rice, oil and salt.
মনে রাখুন:
Butcher = কসাই।
Baker = রুটিওয়ালা।
Florist = ফুল বিক্রেতা।
Stationer = কাগজ-কলম বিক্রেতা।
Draper = কাপড় ব্যবসায়ী।
Fishmonger = মাছ বিক্রেতা। - ৪৫. The antonym of the word 'fantasy' is —.
- ক. veracity
- খ. fancy
- গ. vision
- ঘ. reverie
উত্তর: ক. veracity
Fantasy মানে কল্পনা বা অলীক ভাবনা। এর বিপরীত অর্থ বোঝায় veracity (সত্যতা)। Vision (দিব্যদৃষ্টি বা কল্পিত দৃশ্য), fancy (খেয়াল) ও reverie (দিবাস্বপ্ন) শব্দগুলো কল্পনার কাছাকাছি অর্থ বোঝায়, তাই ওগুলো synonym, antonym নয়। এই ধরনের প্রশ্নে প্রথমে শব্দটির অর্থ মনে করে, তারপর যে অপশনের অর্থ উল্টো, সেটি বেছে নিতে হয়।
উদাহরণ: He lives in a world of fantasy, but she always speaks with veracity.
মনে রাখুন:
Fantasy = কল্পনা, Reverie = দিবাস্বপ্ন।
Veracity = সত্যবাদিতা।
Fantasy-এর আরেক বিপরীত শব্দ reality।
Fantasy-এর সমার্থক শব্দ: imagination, illusion, daydream। - ৪৭. The synonym of the word 'abhor' is —.
- ক. ardent
- খ. hate
- গ. humble
- ঘ. dull
উত্তর: খ. hate
Abhor মানে ঘৃণা করা, অর্থাৎ কিছুকে খুব অপছন্দ করা। তাই এর সমার্থক শব্দ hate। Ardent মানে উৎসাহী বা আবেগে ভরা, humble মানে বিনয়ী আর dull মানে নিস্তেজ বা নির্বোধ। এই তিনটির কোনোটির সঙ্গেই ঘৃণার সম্পর্ক নেই। Abhor শব্দটি ল্যাটিন থেকে এসেছে এবং এটি সাধারণত গভীর অপছন্দ বা ঘেন্না বোঝাতে লেখায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: I abhor cruelty to animals (আমি পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতাকে ঘৃণা করি)।
মনে রাখুন:
Abhor-এর synonym: detest, loathe, abominate।
Abhor-এর বিপরীত: adore, admire, love।
Abhorrence (noun) = ঘৃণা; Abhorrent (adjective) = ঘৃণ্য। - ৪৯. Hardly had I reached home, — the rain started. The right word for the gap is —.
- ক. than
- খ. then
- গ. when
- ঘ. after
উত্তর: গ. when
Hardly, scarcely বা barely দিয়ে বাক্য শুরু হলে বাক্যের দ্বিতীয় অংশে when বসে। গঠনটি এরকম: Hardly + had + subject + past participle ... when + subject + past tense। অর্থাৎ এক কাজ শেষ হতে না হতেই অন্য কাজ শুরু হয়ে গেছে। এখানে ‘Hardly had I reached home, when the rain started’ বাক্যটি শুদ্ধ। Than বসে comparison-এ আর No sooner-এর সঙ্গে, তাই এখানে বসে না।
উদাহরণ:
Scarcely had she seen the snake when she screamed.
মনে রাখুন:
No sooner had he come than it started raining. (No sooner-এর সঙ্গে than)
Hardly/scarcely ... when।
Hardly বাক্যের শুরুতে বসলে had আগে আসে, অর্থাৎ বাক্য ঘুরে যায়। - ৫৪. Select singular number :
- ক. media
- খ. indices
- গ. phenomena
- ঘ. news
উত্তর: ঘ. news
News শব্দের শেষে s থাকলেও শব্দটি singular। তাই ‘The news is true’ বলা হয়, ‘The news are true’ নয়। Media, indices ও phenomena এই তিনটি plural: যথাক্রমে medium, index ও phenomenon-এর বহুবচন। এই শব্দগুলো ল্যাটিন বা গ্রিক থেকে এসেছে বলে এদের বহুবচন গঠনও ইংরেজির সাধারণ নিয়মে হয় না। News গণনা করা যায় না, তাই একটি খবর বোঝাতে a piece of news বলতে হয়।
মনে রাখুন:
শেষে s থাকলেও singular: mathematics, physics, economics, politics, news।
Datum → data; criterion → criteria।
Basis → bases; analysis → analyses। - ৫৫. 'Haiku' is a kind of —.
- ক. novel
- খ. song
- গ. story
- ঘ. poetry
উত্তর: ঘ. poetry
Haiku জাপানে জন্ম নেওয়া একটি ছোট কবিতা, তাই এটি poetry-র একটি ধরন। সাধারণত এতে তিন লাইনে মোট ১৭টি সিলেবল (Syllable) থাকে, ৫-৭-৫ ক্রমে। প্রকৃতি ও ঋতু এর প্রিয় বিষয়, আর অল্প কথায় একটি মুহূর্তের ছবি আঁকাই হাইকুর লক্ষ্য। মাৎসুও বাশো (Matsuo Basho) জাপানের সবচেয়ে বিখ্যাত হাইকু-কবি। উনিশ শতকের শেষ থেকে ইংরেজি সাহিত্যেও এই রীতিতে কবিতা লেখা হতে থাকে।
মনে রাখুন: Short story ও novel গদ্যের রূপ, আর epic হলো দীর্ঘ আখ্যানমূলক কবিতা। - ৫৮. Fill in the blank with the right option : The child has been missing — yesterday.
- ক. from
- খ. since
- গ. through
- ঘ. none of them
উত্তর: খ. since
নির্দিষ্ট সময়ের শুরু বোঝালে since ব্যবহৃত হয়, যেমন: since yesterday, since 2010। কাজটি এখনো চলছে এমন হলে বাক্যটি present perfect tense-এ হয়। এখানে ‘The child has been missing since yesterday’ বাক্যে ‘গতকাল থেকে নিখোঁজ’ বোঝায়। From সাধারণত এমন বাক্যে বসে না, কারণ perfect tense-এর সঙ্গে সময়ের শুরু দেখাতে since লাগে। Through মানে ভেতর দিয়ে, তাই এখানে অর্থই মেলে না।
উদাহরণ:
She has lived here since 2010.
He has been ill for three days.
মনে রাখুন:
Since = নির্দিষ্ট সময়ের শুরু (since Monday)।
For = সময়ের পরিমাণ (for two hours)। - ৬০. The feminine form of the word 'fox' is —.
- ক. Vixen
- খ. Heifer
- গ. Mare
- ঘ. Doe
উত্তর: ক. Vixen
Fox-এর feminine form vixen। বাকি অপশনগুলো অন্য প্রাণীর স্ত্রীলিঙ্গ: heifer হলো বকনা বাছুর বা অল্পবয়সী গাভি (bull-এর স্ত্রী), mare হলো ঘোটকী (horse-এর স্ত্রী) আর doe হলো হরিণী (buck-এর স্ত্রী)। এই কারণে প্রাণীর নামের লিঙ্গভেদ আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হয়, কারণ এগুলো নিয়ম মেনে তৈরি হয় না।
উদাহরণ: The vixen guarded her cubs.
মনে রাখুন:
Lion ↔ Lioness; Tiger ↔ Tigress।
Cock ↔ Hen; Drake ↔ Duck।
Stag ↔ Hind; Ram ↔ Ewe।
Peacock ↔ Peahen; Dog ↔ Bitch। - ৬৬. To express 'joy' we use the word —.
- ক. Alas
- খ. Oh
- গ. Hush
- ঘ. Hurrah
উত্তর: ঘ. Hurrah
আনন্দ প্রকাশে ‘Hurrah’ ব্যবহৃত হয়, যেমন: Hurrah! We have won the match। যে শব্দ হঠাৎ আনন্দ, দুঃখ বা বিস্ময়ের মতো মনের ভাব প্রকাশ করে, তাকে interjection বলে। ‘Alas’ দিয়ে দুঃখ বোঝানো হয়, ‘Oh’ দিয়ে বিস্ময় বা আবেগ, আর ‘Hush’ দিয়ে চুপ করতে বলা হয়। তাই joy বোঝাতে এদের মধ্যে একমাত্র Hurrah-ই মানায়। Interjection-এর পরে সাধারণত বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) বসে।
উদাহরণ:
Alas! He is dead.
Hush! The baby is sleeping.
মনে রাখুন:
Interjection-এর উদাহরণ: Bravo! (প্রশংসা), Fie! (ঘৃণা), Ah! (বিস্ময়)। - ৬৯. The doctor who treats cancer patients is called a/an —.
- ক. Urologist
- খ. Oncologist
- গ. Pathologist
- ঘ. Cardiologist
উত্তর: খ. Oncologist
ক্যান্সার রোগের চিকিৎসক হলেন oncologist। Oncology হলো ক্যান্সার নিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখা। Urologist মূত্রতন্ত্রের চিকিৎসক, pathologist রোগ নির্ণয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন আর cardiologist হৃদরোগের চিকিৎসক। এখানে বাকি তিনজনই চিকিৎসক, কিন্তু তাঁদের কাজের ক্ষেত্র আলাদা। এই ধরনের এক শব্দে প্রকাশের প্রশ্নে বিশেষজ্ঞ-শব্দগুলো একসঙ্গে মুখস্থ রাখলে সুবিধা হয়।
উদাহরণ: The oncologist advised chemotherapy.
মনে রাখুন:
Neurologist = স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ।
Dermatologist = চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ।
Pediatrician = শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ।
Ophthalmologist = চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ।
Psychiatrist = মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ। - ৭৮. The student could not make ___ what the teacher said.
- ক. up
- খ. out
- গ. for
- ঘ. off
উত্তর: খ. out
‘Make out’ phrasal verb-টির অর্থ বুঝতে পারা বা স্পষ্ট করে দেখা। Phrasal verb হলো verb-এর সঙ্গে preposition বা adverb বসে তৈরি হওয়া এমন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ আলাদা হয়ে যায়। এখানে বাক্যের অর্থ ‘ছাত্রটি শিক্ষকের কথা বুঝতে পারেনি’। Make up মানে তৈরি করা বা গড়ে তোলা, make for মানে কোনো দিকে যাওয়া, আর make off মানে পালানো।
উদাহরণ: I cannot make out his handwriting.
মনে রাখুন:
Make up one’s mind = মনস্থির করা।
Make out a cheque = চেক লেখা।
Make do = চালিয়ে নেওয়া।
Make up for = ক্ষতিপূরণ করা। - ৮০. Which one is adjective?
- ক. Dexterous
- খ. Docility
- গ. Difference
- ঘ. Penalise
উত্তর: ক. Dexterous
Dexterous একটি adjective, অর্থ দক্ষ বা নিপুণ, যেমন: a dexterous surgeon। Adjective বিশেষ্যের গুণ বা অবস্থা বোঝায়। Docility মানে বাধ্যতা বা নম্রতা, difference মানে পার্থক্য, দুটোই noun। Penalise মানে শাস্তি দেওয়া, এটি verb। তাই চারটি অপশনের মধ্যে একমাত্র Dexterous-ই adjective। শব্দের শেষে -ity, -ence বা -ility থাকলে সাধারণত noun, -ise থাকলে verb এবং -ous থাকলে adjective হয়, এই নিয়মটি মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজ হয়।
উদাহরণ: The dexterous surgeon finished the operation in an hour.
মনে রাখুন:
Dexterity (noun) = দক্ষতা।
Dexterously (adverb) = দক্ষতার সঙ্গে।
Docile (adjective) = বাধ্য।
Penalty (noun) = শাস্তি। - ৮২. The correct English word for 'বর্ণবাদ' is —.
- ক. apartheid
- খ. apathy
- গ. abjuration
- ঘ. abjection
উত্তর: ক. apartheid
বর্ণবাদের ইংরেজি apartheid। শব্দটি আফ্রিকান্স ভাষার, যা দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৯৪৮ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত চলা বর্ণ-বিভাজন নীতি বোঝানো হতো। নেলসন ম্যান্ডেলা এর বিরুদ্ধে লড়েছেন। বাকি অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: apathy মানে উদাসীনতা, abjuration মানে শপথ করে ত্যাগ, abjection মানে হীনতা। শুরুর অক্ষর এক বলে এগুলো গুলিয়ে ফেলা সহজ।
মনে রাখুন:
Racism ও apartheid শব্দ দুটি কাছাকাছি অর্থ বোঝায়।
ম্যান্ডেলা ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবন্দী ছিলেন, ১৯৯০ সালে মুক্তি পান।
১৯৯৪ সালে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি হন। - ৮৫. The book 'Man and Superman' is a/an —.
- ক. novel
- খ. drama
- গ. collection of short stories
- ঘ. epic
উত্তর: খ. drama
‘Man and Superman’ (১৯০৩) নাটক, লিখেছেন আইরিশ নাট্যকার George Bernard Shaw। নাটক বলতে বোঝায় মঞ্চে অভিনয়ের জন্য লেখা রচনা, যেখানে চরিত্রদের সংলাপের মাধ্যমে কাহিনি এগোয়। Novel হলো গদ্যে লেখা দীর্ঘ কাহিনি, আর epic হলো বীরের কাহিনি নিয়ে লেখা দীর্ঘ কাব্য, তাই এখানে এ দুটি মেলে না। শ-কে আধুনিক ইংরেজি নাটকের অন্যতম প্রধান নাট্যকার ধরা হয়।
মনে রাখুন:
Shaw-এর অন্যান্য নাটক: Pygmalion, Arms and the Man, Saint Joan, Candida।
তিনি ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
Shaw-এর জন্ম ডাবলিনে, ১৮৫৬ সালে। - ৯১. The running of police at a running thief is futile. Here the first word 'running' does the function of a/an —
- ক. noun
- খ. adverb
- গ. adjective
- ঘ. preposition
উত্তর: ক. noun
The running of police বাক্যাংশে ‘running’ বাক্যের কর্তা হিসেবে বসেছে এবং এর পরে of বসে ‘the running of police’ গঠন তৈরি করেছে। কর্তা হিসেবে বসা এই শব্দ ক্রিয়ার মূল থেকে তৈরি হলেও noun-এর কাজ করছে, একে gerund বলে। ‘a running thief’-এ running ‘পলায়নরত’ অর্থে thief-কে বিশেষিত করে, তাই সেখানে এটি adjective। একই -ing রূপ তাই বাক্যে ভিন্ন কাজ করতে পারে।
উদাহরণ:
Swimming is a good exercise. (gerund, noun-এর কাজ)
A running horse. (participle, adjective-এর কাজ)
মনে রাখুন:
শব্দটিকে ‘এই কাজ’ বা ‘সেটি’ দিয়ে বদলানো গেলে সেটি সাধারণত gerund বা noun।
A sleeping bag মানে ঘুমের ব্যাগ (gerund), আর a sleeping baby মানে ঘুমন্ত শিশু (participle)।
গণিত
- ৩. ABC ত্রিভুজের AB = AC এবং ∠A = 80° হলে, ∠B = কত?
- ক. 40°
- খ. 50°
- গ. 60°
- ঘ. 80°
উত্তর: খ. 50°
ত্রিভুজ ABC-তে AB = AC, তাই এটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ। সমান বাহুর বিপরীত কোণ দুটিও সমান, অর্থাৎ ∠B = ∠C। ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি 180°। এই অঙ্কে প্রথমে ত্রিভুজের ধরন চিনে নেওয়াই মূল কাজ, কারণ AB = AC হলেই ভূমিসংলগ্ন কোণ দুটি সমান হয়।
∠A + ∠B + ∠C = 180°
80° + 2∠B = 180°
2∠B = 100°, তাই ∠B = 50°
সূত্র: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে ভূমিসংলগ্ন কোণ = (180° − শীর্ষকোণ) ÷ 2।
মনে রাখুন: সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণ 60°, আর সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমিসংলগ্ন কোণ 45°। - ১১. x + 2/x = 3 হলে, x³ + 8/x³ -এর মান কত?
- ক. 9
- খ. 5
- গ. 3
- ঘ. 1
উত্তর: ক. 9
x + 2/x = 3 হলে ঘন বের করার সূত্র কাজে লাগে। সূত্রটি হলো a³ + b³ = (a + b)³ − 3ab(a + b)। এখানে a = x, b = 2/x, তাই ab = x·(2/x) = 2।
x³ + 8/x³ = (x + 2/x)³ − 3·2·(x + 2/x)
= 3³ − 6 × 3
= 27 − 18 = 9
মনে রাখুন: x + k/x দেওয়া থাকলে x³ + k√k/x³-এর মান বের করতে হলে ab-এর মান আগে দেখে নিতে হয়। এখানে 8 = 2³, তাই b = 2/x ধরা হয়েছে। - ১২. একটি শ্রেণিতে যতজন ছাত্র আছে প্রত্যেকে তত টাকা করে প্রদান করলে মোট ৬,৫৬১ টাকা হয়। ছাত্রসংখ্যা কত?
- ক. ৯২
- খ. ৭৫
- গ. ৯১
- ঘ. ৮১
উত্তর: ঘ. ৮১
ধরি ছাত্রসংখ্যা x। প্রত্যেকে x টাকা করে দিলে মোট টাকা হয় x × x = x² টাকা। প্রশ্নে বলা আছে মোট টাকা ৬,৫৬১, তাই সমীকরণ দাঁড়ায়:
x² = 6561
x = √6561 = 81
যাচাই: 81 × 81 = 6561। তাই ছাত্রসংখ্যা ৮১ জন।
মনে রাখুন: বর্গসংখ্যার শেষ অঙ্ক ১ হলে বর্গমূলের শেষ অঙ্ক ১ বা ৯ হয়। এখানে 80² = 6400 এবং 90² = 8100, তাই বর্গমূল 80 ও 90-এর মাঝে, শেষ অঙ্ক ১ হলে 81।
ট্রিক: 81² = (80 + 1)² = 6400 + 160 + 1 = 6561। আরও মনে রাখুন, কোনো বর্গসংখ্যার শেষ অঙ্ক কখনো ২, ৩, ৭ বা ৮ হয় না। - ১৫. একটি সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ ব্যতীত অপর দুটি কোণের অন্তর 10° হলে, বৃহত্তম কোণটি কত ডিগ্রি?
- ক. 40
- খ. 50
- গ. 45
- ঘ. 60
উত্তর: খ. 50
সমকোণী ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল 180°, আর সমকোণ 90°। তাই অপর দুটি কোণের যোগফল 180 − 90 = 90°। এখন ক্ষুদ্রতম কোণ x হলে বৃহত্তম কোণ হবে x + 10।
x + (x + 10) = 90
2x = 80, x = 40
বৃহত্তম কোণ = 40 + 10 = 50°।
যাচাই: 40 + 50 = 90 এবং 50 − 40 = 10।
শর্টকাট: যোগফল S আর অন্তর d হলে বড় কোণ = (S + d)/2 = (90 + 10)/2 = 50, ছোট কোণ = (S − d)/2 = 40।
মনে রাখুন: সমকোণী ত্রিভুজের দুটি সূক্ষ্মকোণ পরস্পর পূরক, অর্থাৎ যোগফল সবসময় 90°। অন্তর 20° হলে একই নিয়মে কোণ দুটি হতো 55° ও 35°। - ২৫. একটি কলম ২২ টাকায় বিক্রয় করায় ১০% লাভ হলে, কলমটির ক্রয়মূল্য কত?
- ক. ৩০
- খ. ৪০
- গ. ২০
- ঘ. ১০
উত্তর: গ. ২০
১০% লাভে বিক্রয় করলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য হয় ১১০ টাকা। এই অনুপাত থেকে ক্রয়মূল্য বের করা যায়।
বিক্রয়মূল্য ১১০ হলে ক্রয়মূল্য ১০০
বিক্রয়মূল্য ১ হলে ক্রয়মূল্য 100/110
বিক্রয়মূল্য ২২ হলে ক্রয়মূল্য = (100 × 22)/110 = 20 টাকা।
যাচাই: 20-এর ১০% = 2, আর 20 + 2 = 22।
শর্টকাট: ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য ÷ (1 + লাভের হার) = 22 ÷ 1.1 = 20।
মনে রাখুন: ক্ষতি হলে ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য ÷ (1 − ক্ষতির হার)। লাভ বা ক্ষতির হার সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর ধরা হয়, বিক্রয়মূল্যের ওপর নয়। - ৩৫. একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ করা হলে বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত গুণ হবে?
- ক. 2 গুণ
- খ. 3 গুণ
- গ. 4 গুণ
- ঘ. 6 গুণ
উত্তর: গ. 4 গুণ
বৃত্তের ক্ষেত্রফল πr²। ব্যাসার্ধ r হলে ক্ষেত্রফল πr²। ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ, অর্থাৎ 2r হলে ক্ষেত্রফল হয় π(2r)² = 4πr²।
অনুপাত = 4πr² ÷ πr² = 4
অর্থাৎ নতুন ক্ষেত্রফল আগের ক্ষেত্রফলের 4 গুণ হবে। কারণ ব্যাসার্ধ ক্ষেত্রফলের সূত্রে বর্গ হয়ে বসে, তাই ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হলে ক্ষেত্রফল চতুর্গুণ হয়, দ্বিগুণ হয় না।
উদাহরণ: π = 22/7 ধরে r = 7 হলে ক্ষেত্রফল = 154। r = 14 হলে ক্ষেত্রফল = 616, আর 616 ÷ 154 = 4।
মনে রাখুন:
ব্যাসার্ধ n গুণ হলে ক্ষেত্রফল n² গুণ হয়।
পরিধি 2πr, তাই ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হলে পরিধি শুধু 2 গুণ হয়। - ৪৪. ১ + ১/৩ + ১/৯ + ১/২৭ +... অসীম ধারাটির যোগফল কত?
- ক. ৩/২
- খ. ৫/৩
- গ. ৭/৩
- ঘ. ১০/৩
উত্তর: ক. ৩/২
১ + 1/3 + 1/9 + 1/27 + ... একটি গুণোত্তর ধারা (Geometric series), যার প্রথম পদ a = 1 এবং সাধারণ অনুপাত r = 1/3। প্রতিটি পদকে তার আগের পদ দিয়ে ভাগ করলে প্রতিবার একই মান 1/3 পাওয়া যায়, তাই এটি গুণোত্তর ধারা। r-এর মান −1 ও 1-এর মাঝে হওয়ায় অসীম ধারার যোগফল পাওয়া যায়।
S = a/(1 − r) = 1/(1 − 1/3) = 1/(2/3) = 3/2
মনে রাখুন: অসীম গুণোত্তর ধারার যোগফল S = a/(1 − r), যদি |r| < 1 হয়।
উদাহরণ: 1 + 1/2 + 1/4 + ... = 1/(1 − 1/2) = 2।
আর n-সংখ্যক পদের যোগফল S = a(1 − rⁿ)/(1 − r)। - ৫০. a⁻³ = 0.2 হলে, a⁹-এর মান–
- ক. 5
- খ. 25
- গ. 125
- ঘ. 625
উত্তর: গ. 125
a⁻³ = 0.2 হলে 1/a³ = 2/10 = 1/5। দুই পাশের উল্টো করলে a³ = 5 পাওয়া যায়। এখন a⁹-কে a³-এর ঘাত হিসেবে লেখা যায়।
a⁹ = (a³)³ = 5³ = 125
যাচাই: a⁻⁹ = (0.2)³ = 0.008 = 1/125, তাই a⁹ = 125।
মনে রাখুন: a⁻ⁿ = 1/aⁿ এবং (aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ।
শর্টকাট: a⁻³ = 0.2 হলে a⁻⁹ = (a⁻³)³ = (0.2)³। এভাবে সরাসরি ঘাত তুলে নিলেই উত্তর বেরিয়ে আসে, a-এর মান আলাদা করে বের করতে হয় না। - ৬২. দুইটি সংখ্যার অনুপাত 5 : 7 এবং তাদের গ.সা.গু. 4 হলে, সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু. কত?
- ক. 160
- খ. 150
- গ. 140
- ঘ. 35
উত্তর: গ. 140
সংখ্যা দুটির অনুপাত 5 : 7 হলে সংখ্যা দুটি 5x ও 7x ধরা যায়। 5 ও 7 সহ-মৌলিক, অর্থাৎ এদের মধ্যে 1 ছাড়া কোনো সাধারণ গুণনীয়ক নেই, তাই সংখ্যা দুটির গ.সা.গু. হয় x।
x = 4 হলে সংখ্যা দুটি 20 ও 28।
ল.সা.গু. = 5 × 7 × x = 35 × 4 = 140।
যাচাই: সংখ্যা a ও b হলে a × b = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.। এখানে 20 × 28 = 560 = 4 × 140।
মনে রাখুন: অনুপাত a : b (সহ-মৌলিক) এবং গ.সা.গু. x হলে ল.সা.গু. = abx। এই শর্টকাটে সংখ্যা দুটি আলাদা করে বের না করেও উত্তর পাওয়া যায়। - ৭৯. |a − 4| = 3 হলে, a-এর বৃহত্তম মানটি কত?
- ক. 7
- খ. 5
- গ. 3
- ঘ. 1
উত্তর: ক. 7
|a − 4| = 3 মানে a − 4 এর মান 3 অথবা −3, কারণ পরম মান (Absolute value) সবসময় শূন্য বা ধনাত্মক হয় এবং সংখ্যারেখায় শূন্য থেকে দূরত্ব বোঝায়।
a − 4 = 3 হলে a = 7
a − 4 = −3 হলে a = 1
a-এর দুটি মান 7 ও 1, বৃহত্তম মান 7।
যাচাই: |7 − 4| = 3 এবং |1 − 4| = |−3| = 3।
মনে রাখুন: |x| = k (k > 0) হলে x = k অথবা x = −k, অর্থাৎ সমাধান সবসময় দুটি।
উদাহরণ: |x + 2| = 5 হলে x = 3 বা x = −7। - ৮৩. K-এর মান কত হলে 25x² − 10x + k = 0 সমীকরণের মূলদ্বয় সমান ও বাস্তব সংখ্যা হবে?
- ক. 1
- খ. 2
- গ. 3
- ঘ. 4
উত্তর: ক. 1
ax² + bx + c = 0 সমীকরণের মূলদ্বয় সমান ও বাস্তব হওয়ার শর্ত b² − 4ac = 0। এই রাশিকে নিশ্চায়ক (Discriminant) বলে।
এখানে a = 25, b = −10, c = k
(−10)² − 4 × 25 × k = 0
100 − 100k = 0
k = 1
যাচাই: 25x² − 10x + 1 = (5x − 1)², মূল দুটি সমান, x = 1/5।
মনে রাখুন:
b² − 4ac > 0 হলে মূল দুটি বাস্তব ও অসমান।
b² − 4ac = 0 হলে মূল দুটি বাস্তব ও সমান।
b² − 4ac < 0 হলে মূল দুটি অবাস্তব। - ৮৭. 10 জন শ্রমিক একটি কাজের অর্ধেক 7 দিনে সম্পন্ন করতে পারে। এ কাজটি 5 জন শ্রমিক কত দিনে সম্পন্ন করতে পারবে?
- ক. 35
- খ. 42
- গ. 14
- ঘ. 28
উত্তর: ঘ. 28
১০ জন শ্রমিক কাজের অর্ধেক করে ৭ দিনে। তাই পুরো কাজ করতে সময় লাগবে 7 × 2 = 14 দিন। এখানে প্রথমে অর্ধেক কাজকে পুরো কাজে বদলে নেওয়া জরুরি, কারণ প্রশ্নে পুরো কাজের কথা জানতে চাওয়া হয়েছে।
১০ জনে ১৪ দিন লাগলে ১ জনে লাগে 14 × 10 = 140 দিন।
৫ জনে লাগবে 140 ÷ 5 = 28 দিন।
শর্টকাট: লোক অর্ধেক হলে সময় দ্বিগুণ। ১৪ দিনের দ্বিগুণ 28।
মনে রাখুন: লোকসংখ্যা × দিন = মোট কাজ (জন-দিন)। কাজ একই থাকলে লোক বাড়লে দিন কমে, এটি ব্যস্ত সম্পর্ক, তাই M₁D₁ = M₂D₂। - ৮৮. একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের 3/2 গুণ এবং ক্ষেত্রফল 216 বর্গমিটার হলে, ঘরটির পরিসীমা কত মিটার?
- ক. 120
- খ. 60
- গ. 30
- ঘ. 24
উত্তর: খ. 60
ধরি প্রস্থ x মিটার, তাহলে দৈর্ঘ্য 3x/2 মিটার। আয়তের ক্ষেত্রফল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের গুণফল, তাই সমীকরণ দাঁড়ায়:
ক্ষেত্রফল = (3x/2) × x = 216
3x² = 432, x² = 144, x = 12
প্রস্থ 12 মিটার, দৈর্ঘ্য 18 মিটার।
পরিসীমা = 2 × (18 + 12) = 60 মিটার।
শর্টকাট: দৈর্ঘ্য : প্রস্থ = 3 : 2 হলে দৈর্ঘ্য 3k ও প্রস্থ 2k ধরলে 6k² = 216, k = 6, তাই দৈর্ঘ্য 18 ও প্রস্থ 12।
মনে রাখুন: আয়তের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ), ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ।
বিজ্ঞান
- ৯. নিচের কোনটি মৌলিক পদার্থ নয়?
- ক. ডায়মন্ড
- খ. সাদা ফসফরাস
- গ. রম্বিক সালফার
- ঘ. ফসফিন
উত্তর: ঘ. ফসফিন
যে পদার্থকে ভাঙলে একই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো সরল পদার্থ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ (Element) বলে। ডায়মন্ড বা হীরা শুধু কার্বন পরমাণু দিয়ে তৈরি, সাদা ফসফরাস শুধু ফসফরাস পরমাণু দিয়ে তৈরি, আর রম্বিক সালফার শুধু সালফার পরমাণু দিয়ে তৈরি। এগুলো কোনো না কোনো মৌলের রূপ, তাই মৌলিক পদার্থ। ফসফিনের (PH₃) অণুতে ফসফরাস ও হাইড্রোজেন দুই ধরনের পরমাণু আছে, ফলে এটি যৌগ।
মনে রাখুন:
কার্বনের রূপভেদ (বহুরূপতা): হীরা, গ্রাফাইট, ফুলারিন।
সালফারের রূপ: রম্বিক ও মনোক্লিনিক।
ফসফরাসের রূপ: সাদা ও লাল। - ১৪. কোমল পানীয়তে কোনটি বিদ্যমান?
- ক. সাইট্রিক এসিড
- খ. কার্বনিক এসিড
- গ. ইথানয়িক এসিড
- ঘ. টারটারিক এসিড
উত্তর: খ. কার্বনিক এসিড
কোমল পানীয় বা সফট ড্রিংকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উচ্চচাপে পানিতে দ্রবীভূত করা হয়। কার্বন ডাই-অক্সাইড পানির সঙ্গে সামান্য বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড (H₂CO₃) তৈরি করে, যার জন্য পানীয়ের স্বাদে হালকা টক ভাব আসে। বোতলের ঢাকনা খুললে চাপ কমে যায়, তখন গ্যাস বুদবুদ হয়ে বেরিয়ে আসে। কার্বনিক এসিড একটি দুর্বল এসিড, কারণ এটি খুব সহজেই আবার পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডে ভেঙে যায়।
মনে রাখুন:
সোডা ওয়াটারকে কার্বনেটেড ওয়াটার বলে।
CO₂ + H₂O ⇌ H₂CO₃।
সাইট্রিক এসিড লেবুতে, টারটারিক এসিড তেঁতুলে, ইথানয়িক এসিড ভিনেগারে থাকে। - ১৭. যক্ষ্মা রোগের জীবাণু কোনটি?
- ক. Pneumococcus
- খ. Plasmodium
- গ. Mycobacterium tuberculosis
- ঘ. Streptococcus
উত্তর: গ. Mycobacterium tuberculosis
যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis) রোগের জন্য দায়ী জীবাণু হলো Mycobacterium tuberculosis নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। রোগী কাশলে বা হাঁচি দিলে এই জীবাণু বাতাসে ছড়ায়, আর সুস্থ মানুষ শ্বাসের সঙ্গে তা গ্রহণ করলে ফুসফুসে সংক্রমণ শুরু হয়। বাকি তিনটি নামও পরিচিত, কিন্তু সেগুলো অন্য রোগের সঙ্গে জড়িত। Pneumococcus নিউমোনিয়া ঘটায়, Streptococcus গলাব্যথা ও বাতজ্বরের কারণ হতে পারে, আর Plasmodium ব্যাকটেরিয়াই নয়, এটি ম্যালেরিয়ার পরজীবী প্রোটোজোয়া।
মনে রাখুন:
১৮৮২ সালে জার্মান বিজ্ঞানী রবার্ট কখ যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন।
যক্ষ্মার প্রতিষেধক টিকার নাম বিসিজি (BCG)।
প্রতি বছর ২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত হয়। - ২৩. পৃথিবী এবং অন্য যে-কোনো বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ, তাকে বলা হয়–আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) ২০১৯
- ক. অতিযোজন
- খ. মাধ্যাকর্ষণ
- গ. মহাকর্ষ
- ঘ. ত্বরণ
উত্তর: খ. মাধ্যাকর্ষণ
পৃথিবী নিজের কেন্দ্রের দিকে সব বস্তুকে টানে। পৃথিবী এবং অন্য যে-কোনো বস্তুর মধ্যে এই আকর্ষণকে অভিকর্ষ (Gravity) বা মাধ্যাকর্ষণ বলা হয়। ওপরে ছুড়ে দেওয়া ঢিল যে আবার মাটিতে ফিরে আসে, তার কারণ এই টান। আর মহাবিশ্বের যে-কোনো দুটি বস্তু একে অপরকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে বলে মহাকর্ষ (Gravitation)। অর্থাৎ অভিকর্ষ হলো মহাকর্ষেরই একটি বিশেষ রূপ, যেখানে একটি বস্তু পৃথিবী। অতিযোজন জীববিজ্ঞানের ধারণা, আর ত্বরণ হলো বেগ বদলের হার, তাই এ দুটি আকর্ষণের নাম নয়।
মনে রাখুন:
পৃথিবীপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান প্রায় 9.8 m/s²।
মহাকর্ষ সূত্র দিয়েছেন আইজাক নিউটন।
পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে যত ওপরে যাওয়া যায়, g-এর মান ততই কমে। - ৫৩. পানিবাহিত রোগ কোনটি নয়?
- ক. ডায়রিয়া
- খ. টাইফয়েড
- গ. ম্যালেরিয়া
- ঘ. আমাশয়
উত্তর: গ. ম্যালেরিয়া
যে রোগের জীবাণু পানির মাধ্যমে আমাদের দেহে প্রবেশ করে, তাকে পানিবাহিত রোগ বলে। ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও আমাশয়ের জীবাণু দূষিত পানি বা তা দিয়ে ধোয়া খাবারের সঙ্গে পেটে যায়, তাই এগুলো পানিবাহিত। ম্যালেরিয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপারটি আলাদা। এর পরজীবী Plasmodium মানুষের দেহে ঢোকে স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে, পানি পান করে নয়। এ কারণে ম্যালেরিয়াকে বলা হয় মশাবাহিত রোগ।
মনে রাখুন:
পানিবাহিত রোগ: কলেরা, ডায়রিয়া, টাইফয়েড, আমাশয়, জন্ডিস (হেপাটাইটিস-এ)।
মশাবাহিত রোগ: ম্যালেরিয়া (অ্যানোফিলিস), ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া (এডিস)।
ম্যালেরিয়ার জীবাণু আবিষ্কার করেন রোনাল্ড রস। - ৫৬. থার্মোমিটারে কোন পদার্থ থাকে?
- ক. সীসা
- খ. পারদ
- গ. রূপা
- ঘ. দস্তা
উত্তর: খ. পারদ
থার্মোমিটার হলো তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র। এতে পারদ (Mercury) ব্যবহার করার কয়েকটি কারণ আছে। তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেই পারদের আয়তন বেশ ভালোভাবে বাড়ে, ফলে সূক্ষ্ম নলে তার সুতোর মতো ধারা স্পষ্ট ওপরে ওঠে। এটি চকচকে রুপালি, তাই দূর থেকেও পড়া সহজ। এছাড়া পারদ সরু কাচের নলের গায়ে লেগে থাকে না। সীসা, রূপা বা দস্তা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন, তাই এগুলো নলের ভেতর ওঠানামা করতে পারে না।
মনে রাখুন:
পারদ একমাত্র ধাতু, যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে।
পারদের রাসায়নিক প্রতীক Hg।
মানুষের দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় 37°C বা 98.6°F। - ৫৯. কোনটি সৌরজগতের গ্রহ নয়?
- ক. পৃথিবী
- খ. চাঁদ
- গ. বৃহস্পতি
- ঘ. শনি
উত্তর: খ. চাঁদ
সৌরজগতে সূর্যকে ঘিরে ঘুরছে আটটি গ্রহ: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। চাঁদ কোনো গ্রহ নয়, এটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে বলে পৃথিবীর উপগ্রহ (Satellite)। পৃথিবীর এই একটিই প্রাকৃতিক উপগ্রহ আছে। যে বস্তু কোনো গ্রহকে ঘিরে ঘোরে সেটি উপগ্রহ, আর যে বস্তু সরাসরি সূর্যকে ঘিরে ঘোরে সেটি গ্রহ।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি, সবচেয়ে ছোট বুধ।
সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ, সবচেয়ে দূরের নেপচুন।
২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন প্লুটোকে বামন গ্রহ ঘোষণা করে। - ৭০. কোনটি এন্টিবায়োটিক?
- ক. ইনসুলিন
- খ. পেপসিন
- গ. পেনিসিলিন
- ঘ. ইথিলিন
উত্তর: গ. পেনিসিলিন
এন্টিবায়োটিক (Antibiotic) হলো এমন ওষুধ, যা কোনো অণুজীব তৈরি করে এবং অন্য ক্ষতিকর জীবাণুকে মারতে বা বাড়তে বাধা দিতে পারে। পেনিসিলিন একটি ছত্রাক, পেনিসিলিয়াম নোটেটাম থেকে পাওয়া প্রথম এন্টিবায়োটিক। ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের হরমোন, পেপসিন পাকস্থলীর এনজাইম, আর ইথিলিন একটি গ্যাস, যা ফলকে পাকাতে সাহায্য করে। কাজেই এগুলোর কোনোটিই জীবাণুনাশক ওষুধ নয়।
মনে রাখুন:
স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন, ১৯২৯ সালে তা প্রকাশ করেন।
এই কাজের জন্য ১৯৪৫ সালে ফ্লেমিং, হাওয়ার্ড ফ্লোরি ও আর্নস্ট চেইন নোবেল পুরস্কার পান।
এন্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না। - ৭৬. ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার প্রক্রিয়া কোনটি?
- ক. MT test
- খ. তেজস্ক্রিয় বিকিরণ
- গ. বৈদ্যুতিক তরঙ্গ
- ঘ. চৌম্বক তরঙ্গ
উত্তর: খ. তেজস্ক্রিয় বিকিরণ
ক্যান্সারে শরীরের কোষ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে। এই কোষগুলোকে ধ্বংস করার একটি প্রচলিত উপায় হলো রেডিওথেরাপি (Radiotherapy), অর্থাৎ আক্রান্ত স্থানে তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ফেলা। এক্স-রে (X-ray) বা গামা-রে (γ-ray) টিউমারের কোষের ডিএনএ নষ্ট করে দেয়, ফলে কোষ আর বিভাজিত হতে পারে না। বৈদ্যুতিক বা চৌম্বক তরঙ্গ দিয়ে এভাবে কোষ ধ্বংস করা যায় না। আর MT test আসলে ক্যান্সারের নয়, যক্ষ্মা শনাক্তের একটি পরীক্ষা।
মনে রাখুন:
ক্যান্সার চিকিৎসায় কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা-রে ব্যবহৃত হয়।
এছাড়া অস্ত্রোপচার ও কেমোথেরাপি ক্যান্সারের অন্য প্রধান চিকিৎসা।
প্রতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যান্সার দিবস।
বাংলাদেশ
- ১০. 'বাংলাপিডিয়া'র প্রকাশক —
- ক. বাংলা একাডেমি
- খ. ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড
- গ. এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ
- ঘ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর: গ. এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ
বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ ‘বাংলাপিডিয়া’ প্রকাশ করেছে এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ। এটি ২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং বাংলা ও ইংরেজি, দুই ভাষাতেই পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন এর নাম ছিল এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান। জ্ঞানকোষ (Encyclopedia) হলো এমন বই, যেখানে নানা বিষয়ের তথ্য একসঙ্গে সাজানো থাকে। বাংলা একাডেমি মূলত ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণা এবং প্রকাশনার কাজ করে, তাই এই জ্ঞানকোষের প্রকাশক হিসেবে একাডেমির নাম ভাবলে ভুল হবে।
মনে রাখুন:
বাংলাপিডিয়ার প্রধান সম্পাদক ছিলেন সিরাজুল ইসলাম।
এর ইংরেজি নাম National Encyclopedia of Bangladesh।
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালে। - ১৯. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন?
- ক. ২৪তম
- খ. ২৭তম
- গ. ২৯তম
- ঘ. ৩৯তম
উত্তর: গ. ২৯তম
১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ দেন। এর মাধ্যমে বাংলা ভাষা প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের এত বড় মঞ্চে উচ্চারিত হয়। এর মাত্র কয়েকদিন আগে, ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়। ১৯৭২ সালেই সদস্য হওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু চীনের ভেটোর কারণে তা আটকে যায়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ পায় ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪, সদস্যক্রম ১৩৬তম।
বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেন ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। - ২৮. মুসা ইব্রাহীম কোন সালে এভারেস্ট শৃঙ্গে আরোহণ করেন?
- ক. ২০০৮
- খ. ২০০৯
- গ. ২০১০
- ঘ. ২০১১
উত্তর: গ. ২০১০
মুসা ইব্রাহীম ২০১০ সালের ২৩ মে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই কীর্তি গড়েন। এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, উচ্চতা প্রায় ৮,৮৪৯ মিটার এবং এটি নেপাল ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত। এভারেস্ট হিমালয় পর্বতমালার অংশ। তাই এই শৃঙ্গে ওঠা বাংলাদেশের পর্বতারোহীদের জন্য ছিল একটি বড় জাতীয় অর্জন। ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এর চূড়ায় ওঠেন।
মনে রাখুন:
প্রথম বাংলাদেশি নারী এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার (২০১২)।
এম এ মুহিত প্রথম বাংলাদেশি, যিনি দুবার এভারেস্ট জয় করেন।
এভারেস্টের নেপালি নাম সাগরমাথা। - ৩১. বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা কোনটি?
- ক. ইউএনআই
- খ. ইউপিপি
- গ. ইউএনবি
- ঘ. ইউপিআই
উত্তর: গ. ইউএনবি
বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা ইউএনবি (United News of Bangladesh), যা ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরু করে। এটি দেশের প্রথম বেসরকারি সংবাদ সংস্থা। সংবাদ সংস্থা (News agency) এমন প্রতিষ্ঠান, যারা খবর সংগ্রহ করে পত্রিকা, টেলিভিশন ও বেতারের কাছে সরবরাহ করে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার নাম বাসস (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা)।
ইউএনআই ভারতের সংবাদ সংস্থা (United News of India), আর ইউপিআই (United Press International) যুক্তরাষ্ট্রের। ইউপিপি নামে কোনো পরিচিত সংস্থা এখানে মেলে না।
মনে রাখুন:
বাসস প্রতিষ্ঠা: ১৯৭২।
রয়টার্স: যুক্তরাজ্য; এপি: যুক্তরাষ্ট্র; এএফপি: ফ্রান্স।
পিটিআই: ভারত; তাস: রাশিয়া; সিনহুয়া: চীন। - ৩৭. বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয়–
- ক. ১৯৭২ সালে
- খ. ১৯৭৩ সালে
- গ. ১৯৭৪ সালে
- ঘ. ১৯৭৫ সালে
উত্তর: গ. ১৯৭৪ সালে
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি (জনশুমারি) অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। আদমশুমারি (Census) হলো দেশের সব মানুষকে গুনে তাদের বয়স, পেশা ও শিক্ষার মতো তথ্য সংগ্রহ করার কাজ। এই ভূখণ্ডে ব্রিটিশ আমলে প্রথম শুমারি হয়েছিল ১৮৭২ সালে, কিন্তু স্বাধীন দেশের হিসেবে ১৯৭৪-ই প্রথম। এরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে শুমারি হয়েছে। সর্বশেষ ষষ্ঠ শুমারি হয় ২০২২ সালের ১৫ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত। তাতে দেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬.৯৮ কোটি পাওয়া গেছে।
মনে রাখুন:
শুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
শুমারি সাধারণত প্রতি দশ বছর পরপর হয়। - ৩৯. বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য কে ছিলেন?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. বদরুন্নেছা আহমেদ
- খ. ড. রাজিয়া বানু
- গ. নীলিমা ইব্রাহিম
- ঘ. বেগম সাজেদা চৌধুরী
উত্তর: খ. ড. রাজিয়া বানু
১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যের খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন ড. রাজিয়া বানু। অন্য অপশনের নামগুলো অন্য ক্ষেত্রে পরিচিত, যেমন নীলিমা ইব্রাহিম খ্যাতিমান লেখক ও শিক্ষাবিদ, যাঁর বই ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর তা কার্যকর হয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের সংবিধান দিবস ৪ নভেম্বর।
সংবিধানের প্রথম খসড়াকারী ছিলেন ড. কামাল হোসেন (কমিটির সভাপতি)।
বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত এবং এতে ১১টি ভাগ আছে। - ৪১. শেখ মুজিবুর রহমান কখন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন?
- ক. ২৬ মার্চ ১৯৭২
- খ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
- গ. ২৬ মার্চ ১৯৭৩
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩
উত্তর: খ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মিত। ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকীতে, শেখ মুজিবুর রহমান এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। নির্মাণ শেষে ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়। বিজয় দিবসের তারিখ একই হওয়ায় শুধু সাল দেখে অপশন বেছে নিতে হয়।
মনে রাখুন:
স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট।
সৌধটি সাতটি ত্রিভুজাকৃতি স্তম্ভ দিয়ে গড়া, যা স্বাধীনতার সংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতীক।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা করেন হামিদুর রহমান। - ৪৮. ঢাকা রাজধানী স্থাপনকালে মুঘল সুবেদার কে ছিলেন?
- ক. ইসলাম খান
- খ. শাহ সুজা
- গ. শায়েস্তা খান
- ঘ. মীর জুমলা
উত্তর: ক. ইসলাম খান
মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময় বাংলার সুবেদার ছিলেন ইসলাম খান চিশতী। তিনি ১৬১০ সালে রাজমহল থেকে ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে শহরের নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। সুবেদার (Subahdar) ছিলেন মুঘল আমলে প্রদেশের শাসনকর্তা। শায়েস্তা খান পরে সুবেদার হয়ে ঢাকায় অনেক স্থাপনা করেন, কিন্তু রাজধানী স্থাপনের সময় তিনি ছিলেন না। ১৭১৭ সালে মুর্শিদকুলি খান রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে সরিয়ে নেন।
মনে রাখুন:
ঢাকা প্রথম রাজধানী হয় ১৬১০ সালে।
শায়েস্তা খান: ছোট কাটরা নির্মাণ, চাল সস্তা করার জন্য বিখ্যাত।
মীর জুমলা কুচবিহার ও আসাম অভিযান চালিয়েছিলেন। - ৫১. বঙ্গবন্ধু সরকার কত বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেছিলেন?
- ক. ১০০ বিঘা
- খ. ৫০ বিঘা
- গ. ২৫ বিঘা
- ঘ. ১০ বিঘা
উত্তর: গ. ২৫ বিঘা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেন। খাজনা (Land revenue) হলো জমির মালিক বা চাষির সরকারকে দেওয়া কর। এই সিদ্ধান্তে ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিরা সরাসরি উপকৃত হন। একই বছর ভূমি মালিকানার সর্বোচ্চ সীমা ১০০ বিঘা নির্ধারণ করা হয়। অন্য অপশনের ১০০ বিঘা তাই খাজনার সীমা নয়, বরং জমির মালিকানার সীমা।
মনে রাখুন:
২৫ বিঘা পর্যন্ত খাজনা মওকুফ।
জমির সিলিং ১০০ বিঘা (১৯৭২)।
পরে ১৯৮৪ সালে এই সীমা কমিয়ে ৬০ বিঘা করা হয়। - ৭৪. অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
- ক. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি
- খ. শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
- গ. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
- ঘ. শরৎ বসু
উত্তর: গ. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্রিটিশ ভারতের অবিভক্ত বাংলায় সরকারপ্রধানকে তখন প্রধানমন্ত্রী (Premier) বলা হতো, যাকে সাধারণ ভাষায় মুখ্যমন্ত্রীও বলা হয়। ১৯৪৬ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শেষ প্রধানমন্ত্রী হন। প্রথম ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক (১৯৩৭), এরপর খাজা নাজিমুদ্দীন দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সোহরাওয়ার্দীর সময়েই ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হয়, আর তাই তাঁকে অবিভক্ত বাংলার শেষ সরকারপ্রধান ধরা হয়।
মনে রাখুন:
সোহরাওয়ার্দী পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৬–৫৭) হন।
শরৎ বসু অখণ্ড স্বাধীন বাংলার প্রস্তাবক।
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পরে ভারতীয় জনসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন (১৯৫১)।
আন্তর্জাতিক
- ২৪. কোনটি জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা?
- ক. আরবি
- খ. বাংলা
- গ. হিন্দি
- ঘ. পর্তুগিজ
উত্তর: ক. আরবি
জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ছয়টি: আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ ও স্প্যানিশ। বাংলা, হিন্দি ও পর্তুগিজ এই তালিকায় নেই। সুতরাং প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র আরবি অফিসিয়াল ভাষা। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর, আর সেই দিনটিকে আমরা জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করি। প্রতিষ্ঠার সময় ভাষা ছিল পাঁচটি, পরে আরবি যুক্ত হয়ে ছয়টি হয়েছে। কাজের ভাষা অবশ্য দুটি, ইংরেজি ও ফরাসি।
মনে রাখুন:
আরবি ভাষাকে ১৯৭৩ সালে অফিসিয়াল ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
জাতিসংঘের কাজের ভাষা: ইংরেজি ও ফরাসি।
বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্র ১৯৩টি। - ৩৪. মালদ্বীপ কোন সাগরে অবস্থিত?
- ক. ভারত মহাসাগর
- খ. বঙ্গোপসাগর
- গ. আরব সাগর
- ঘ. পারস্য উপসাগর
উত্তর: ক. ভারত মহাসাগর
মালদ্বীপ একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমে শ্রীলঙ্কা ছাড়িয়ে এই প্রবালদ্বীপগুলো ছড়িয়ে আছে। রাজধানী মালে। দেশটি ১৯৬৫ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা পায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতা অত্যন্ত কম বলে মালদ্বীপকে পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু দেশগুলোর একটি ধরা হয়।
বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরেরই অংশ এবং এর তীরে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার। মালদ্বীপ বঙ্গোপসাগরে নয়। আরব সাগর আর পারস্য উপসাগরও ভারত মহাসাগরের বাহু, কিন্তু মালদ্বীপ এগুলোর কোনোটিতে পড়ে না।
মনে রাখুন:
ভারত মহাসাগর আয়তনে তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
ভারত মহাসাগরের দ্বীপ: শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, মাদাগাস্কার, মরিশাস। - ৪০. 'ম্যাকমোহন লাইন' কোন কোন দেশের সীমানা নির্ধারণ করে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. চীন ও পাকিস্তান
- খ. ভারত ও পাকিস্তান
- গ. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
- ঘ. চীন ও ভারত
উত্তর: ঘ. চীন ও ভারত
ম্যাকমোহন লাইন ভারত ও চীনের মধ্যে সীমারেখা। ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ প্রতিনিধি স্যার হেনরি ম্যাকমোহন শিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই রেখা টানেন। এটি ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও তিব্বতের সীমান্তে পড়ে, যা চীন মানতে চায় না। এই সীমানা নিয়ে মতভেদের কারণেই ১৯৬২ সালে ভারত ও চীনের মধ্যে যুদ্ধ বেধেছিল। ব্রিটিশ আমলে টানা রেখা বলে এর নামটি ব্রিটিশ কর্মকর্তার নামেই রয়ে গেছে।
মনে রাখুন:
র্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান (১৯৪৭)।
ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
৩৮ ডিগ্রি সমান্তরাল: উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া। - ৪৬. প্রতিষ্ঠাকালে আরব লীগের সদস্যদেশের সংখ্যা কত ছিল?
- ক. ৫টি
- খ. ৬টি
- গ. ৭টি
- ঘ. ৮টি
উত্তর: গ. ৭টি
আরব লীগ গঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ। আরব দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোই ছিল এর লক্ষ্য। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল ৭টি দেশ: মিসর, ইরাক, জর্ডান (তখন ট্রান্সজর্ডান), লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া ও ইয়েমেন। এই সংখ্যাটাই প্রশ্নের উত্তর, আর পরে নতুন দেশ যোগ হতে হতে বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ২২। সংস্থার সদর দপ্তর মিসরের কায়রোতে।
মনে রাখুন:
আরব লীগের সদর দপ্তর: কায়রো (১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে কিছু সময় তিউনিসে ছিল)।
বাংলাদেশ এর সদস্য নয়, তবে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (OIC)-এর সদস্য।
আরব লীগের প্রথম মহাসচিব আবদুল রহমান হাসান আযযাম। - ৬৪. জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে রাশিয়াকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবে কয়টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল?
- ক. ২৪টি
- খ. ৪৮টি
- গ. ৫৮টি
- ঘ. ৯৩টি
উত্তর: গ. ৫৮টি
২০২২ সালের ৭ এপ্রিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে রাশিয়াকে মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাবে ভোট হয়। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ৯৩টি দেশ, বিপক্ষে ২৪টি। ভোটদানে বিরত থাকে ৫৮টি দেশ। মোট ১৯৩টি সদস্যের মধ্যে বাকি দেশগুলো ভোটে অংশ নেয়নি। এই প্রস্তাব পাস হওয়ায় রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত হয়। ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের পর এই ভোট হয়েছিল। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সব সদস্য রাষ্ট্রের একটি করে ভোট থাকে।
মনে রাখুন:
প্রস্তাব পাস হতে ভোটদানকারী সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট লাগে (বিরতদের হিসাবে ধরা হয় না)।
মানবাধিকার কাউন্সিলের সদর দপ্তর জেনেভা।
কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা ৪৭। - ৬৫. জাপানের আইনসভার নাম —
- ক. কংগ্রেস
- খ. ডায়েট
- গ. সিনেট
- ঘ. নেসেট
উত্তর: খ. ডায়েট
জাপানের আইনসভার নাম ডায়েট (Diet), পুরো নাম ন্যাশনাল ডায়েট। জাপানের সংবিধান একে রাষ্ট্রক্ষমতার সর্বোচ্চ অঙ্গ বলেছে। দেশটির রাজধানী টোকিওতে এর বৈঠক বসে। সংসদের সদস্যরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন, আর সম্রাট এখানে শুধু প্রতীকী প্রধান। এটি দুই কক্ষবিশিষ্ট: নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস আর উচ্চকক্ষ হাউস অব কাউন্সিলরস। অন্য অপশনের কংগ্রেস, সিনেট ও নেসেট আসলে অন্য দেশের আইনসভা বা তার অংশ।
মনে রাখুন:
যুক্তরাষ্ট্র: কংগ্রেস।
ইসরায়েল: নেসেট।
ভারত: পার্লামেন্ট (লোকসভা, রাজ্যসভা)।
ইরান: মজলিস।
জার্মানি: বুন্ডেস্টাগ; রাশিয়া: ডুমা। - ৬৭. মাদার তেরেসা কোন সালে শান্তিতে নোবেল প্রাইজ পান?
- ক. ১৯৭৭
- খ. ১৯৭৮
- গ. ১৯৭৯
- ঘ. ১৯৮০
উত্তর: গ. ১৯৭৯
মাদার তেরেসা ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি কলকাতায় আর্তমানবতার সেবায় ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’ প্রতিষ্ঠা করেন (১৯৫০)। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি অসুস্থ, দরিদ্র ও আশ্রয়হীন মানুষের সেবা করতেন। ১৯৮০ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘ভারতরত্ন’ দেয়। ১৯৮০ সালটি নোবেলের নয়, ভারতরত্নের বছর, এ দুটি আলাদা রাখলে অপশনে ভুল হয় না। নোবেল পুরস্কার প্রতিবছর স্টকহোম ও অসলোতে দেওয়া হয়, আর শান্তি পুরস্কারটি দেওয়া হয় অসলোতে।
মনে রাখুন:
জন্ম ১৯১০ সালে, স্কোপিয়ে (এখন নর্থ মেসিডোনিয়া)।
২০১৬ সালে তাঁকে সাধু ঘোষণা করা হয়।
মৃত্যু ১৯৯৭ সালে, কলকাতায়। - ৭১. 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার' এখন কী নামে পরিচিত?
- ক. আমেরিকান পিস সেন্টার
- খ. জিরো পয়েন্ট
- গ. গ্রাউন্ড জিরো
- ঘ. ওয়ার্ল্ড সিমেট্রি
উত্তর: গ. গ্রাউন্ড জিরো
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সন্ত্রাসী হামলা হয় এবং টুইন টাওয়ার ধসে পড়ে। এরপর ওই স্থানটি ‘গ্রাউন্ড জিরো’ নামে পরিচিতি পায়। শব্দটির মানে বিস্ফোরণের একেবারে কেন্দ্রস্থল। পরে সেখানে স্মৃতিসৌধ ও নতুন ভবন গড়ে ওঠে। জিরো পয়েন্ট, আমেরিকান পিস সেন্টার বা ওয়ার্ল্ড সিমেট্রি নামে এই স্থান পরিচিত নয়।
মনে রাখুন:
৯/১১ হামলার পরিকল্পনাকারী হিসেবে আল-কায়দা অভিযুক্ত।
এর পর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে অভিযান চালায় (২০০১)।
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার ছিল ১১০ তলা।
নতুন ভবনের নাম ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার। - ৭২. 'I Have a Dream' এই ঐতিহাসিক ভাষণটি কার?
- ক. জন এফ কেনেডি
- খ. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
- গ. বারাক ওবামা
- ঘ. জন রবার্ট লুইস
উত্তর: খ. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
‘I Have a Dream’ ভাষণটি দিয়েছিলেন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র। ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটনে লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সামনে লাখো মানুষের সামনে নাগরিক অধিকার ও বর্ণসমতার দাবিতে তিনি এই ভাষণ দেন। অহিংস আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬৪ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পান। সেই সময় তিনি ছিলেন নোবেল শান্তি পুরস্কারের সর্বকনিষ্ঠ প্রাপকদের একজন। জন এফ কেনেডি ও বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, কিন্তু এই ভাষণ তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
কিং আততায়ীর গুলিতে নিহত হন ১৯৬৮ সালে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা।
কিং জন্মেছিলেন ১৯২৯ সালে। - ৭৭. গ্রিসের দার্শনিক নন—
- ক. এরিস্টটল
- খ. প্লেটো
- গ. ভলতেয়ার
- ঘ. সক্রেটিস
উত্তর: গ. ভলতেয়ার
ভলতেয়ার ছিলেন ফরাসি দার্শনিক ও লেখক। তাঁর আসল নাম ফ্রাঁসোয়া-মারি আরুয়ে, আর তিনি ‘ক্যান্ডিড’ নামের বইয়ের জন্য বিখ্যাত। এরিস্টটল, প্লেটো ও সক্রেটিস প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক। সক্রেটিসের শিষ্য প্লেটো আর প্লেটোর শিষ্য এরিস্টটল। সুতরাং প্রশ্নের শর্তে ‘গ্রিসের দার্শনিক নন’ বলতে একমাত্র ভলতেয়ারকেই বোঝায়।
মনে রাখুন:
ভলতেয়ার ফরাসি বিপ্লবের আগে যুক্তিবাদের প্রচারক ছিলেন।
এরিস্টটল ছিলেন আলেকজান্ডারের শিক্ষক।
সক্রেটিস নিজে কিছু লেখেননি, তাঁর কথা জানা যায় প্লেটোর লেখা থেকে।
প্লেটোর বিখ্যাত বই ‘রিপাবলিক’। - ৮৯. ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
- ক. নিউইয়র্ক
- খ. রোম
- গ. জেনেভা
- ঘ. প্যারিস
উত্তর: ঘ. প্যারিস
ইউনেস্কো (UNESCO) জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা, যার সদর দপ্তর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে। সংস্থার সংবিধান গৃহীত হয় ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর এবং কার্যকর হয় ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর। ইউনেস্কো বিশ্বের সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের তালিকা তৈরি করে। বাংলাদেশের বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার আর সুন্দরবন এই বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় আছে।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) জেনেভায়।
খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) রোমে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন