চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ক্যামেরাম্যান নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৮ এপ্রিল ২০১৯। ১৮৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. কোনটি তদ্ভব শব্দ?
- ক. চাঁদ
- খ. সূর্য
- গ. নক্ষত্র
- ঘ. গগন
উত্তর: ক. চাঁদ
যে শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত ভাষার ভিতর দিয়ে বদলে বাংলায় এসেছে, তাকে তদ্ভব শব্দ বলে। ‘তদ্ভব’ মানে তা থেকে জাত। ‘চাঁদ’ শব্দটি সংস্কৃত ‘চন্দ্র’ থেকে এভাবে বদলে এসেছে, তাই এটি তদ্ভব। অন্যদিকে ‘সূর্য’, ‘নক্ষত্র’ ও ‘গগন’ সংস্কৃত থেকে একই রূপে বাংলায় এসেছে, তাই এগুলো তৎসম।
উদাহরণ:
তদ্ভব: চাঁদ (চন্দ্র), হাত (হস্ত), মাছ (মৎস্য)।
তৎসম: সূর্য, নক্ষত্র, গগন।
মনে রাখুন: সংস্কৃত থেকে কিছুটা বদলে আসা শব্দকে অর্ধতৎসম বলে, যেমন জ্যোছনা (জ্যোৎস্না) ও গিন্নি (গৃহিণী)। - ৩. 'সাহিত্য সম্রাট' কার উপাধি?
- ক. নজিবুর রহমান
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘সাহিত্য সম্রাট’ উপাধিতে ভূষিত। তিনিই বাংলা উপন্যাসকে শিল্পসম্মত রূপ দেন। তাঁর প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)। ‘বন্দে মাতরম’ গানটি তাঁর ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে আছে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বলা হয় ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’, আর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি পান সংস্কৃত কলেজ থেকে।
মনে রাখুন:
নজিবুর রহমান ‘সাহিত্যরত্ন’ নামে পরিচিত, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘আনোয়ারা’।
বঙ্কিমচন্দ্র ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকাও সম্পাদনা করতেন। - ৫. 'পাথরে পাঁচকিল' বাগধারাটির অর্থ কী?
- ক. পাথরে আঘাত
- খ. সুখের সময়
- গ. কঠিন কাজ
- ঘ. খারাপ সময়
উত্তর: খ. সুখের সময়
‘পাথরে পাঁচ কিল’ বাগধারাটির অর্থ সুসময় বা সৌভাগ্য। এই বাগধারার ভাব হলো, যার কপাল ভালো, তার কপালে সবকিছু ভালো ঘটে। এর ঠিক উল্টো অর্থের বাগধারা হলো ‘শনির দৃষ্টি’ বা ‘শনির দশা’, যার মানে দুঃসময় বা দুর্ভাগ্য। তাই ‘খারাপ সময়’ এখানে সঠিক উত্তর নয়। কঠিন কাজ বোঝাতে অন্য বাগধারা ব্যবহৃত হয়, আর আঘাত বোঝানোও এর অর্থ নয়।
মনে রাখুন: ‘পৌষ মাস’ বাগধারাটিও সুখ ও সৌভাগ্যের সময় বোঝায়। - ৭. 'শূন্যপুরাণ' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- ক. শ্রীকর নন্দী
- খ. বিজয় গুপ্ত
- গ. রামাই পণ্ডিত
- ঘ. আলাওল
উত্তর: গ. রামাই পণ্ডিত
‘শূন্যপুরাণ’ গ্রন্থের রচয়িতা রামাই পণ্ডিত। এটি ধর্মঠাকুরের পূজা নিয়ে লেখা, এর কিছু অংশ গদ্যে ও কিছু অংশ পদ্যে রচিত, তাই একে গদ্য-পদ্য মিশ্র রচনা বলা হয়। বইটির মধ্যে সৃষ্টিতত্ত্ব ও ধর্মপূজার বিধি আছে। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সন্ধিকালের নিদর্শন হিসেবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
মনে রাখুন: বিজয় গুপ্ত ‘পদ্মপুরাণ’ লিখেছেন, আলাওল লিখেছেন ‘পদ্মাবতী’, আর শ্রীকর নন্দী ‘মহাভারত’ অনুবাদ করেছিলেন। - ১০. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. সমীচীন
- খ. সমীচিন
- গ. সমিচীন
- ঘ. সমিচিন
উত্তর: ক. সমীচীন
শুদ্ধ বানান ‘সমীচীন’। এতে ‘মী’ ও ‘চী’ দুটিতেই দীর্ঘ ঈ-কার আছে, আর শেষে বসে দন্ত্য ‘ন’। শব্দটির অর্থ উচিত, যথাযথ বা যুক্তিসংগত। শেষের ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয় না, কারণ ণত্ব বিধান অনুযায়ী ঋ, র বা ষ-এর প্রভাব থাকলে তবেই ন বদলে ণ হয়। ‘সমীচীন’-এ এমন কিছু নেই, তাই ‘সমীচীণ’ ভুল।
উদাহরণ: এ সময়ে চুপ থাকাই সমীচীন।
মনে রাখুন: ‘-চীন’ অংশে দীর্ঘ ঈ-কার ও দন্ত্য ‘ন’ বসে এমন শব্দ একসঙ্গে মনে রাখা ভালো: সমীচীন, প্রাচীন, অর্বাচীন। - ১২. 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকটির রচয়িতা কে?
- ক. জসীমউদদীন
- খ. মুনীর-চৌধুরী
- গ. সেলিম আল দীন
- ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর: খ. মুনীর-চৌধুরী
‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। এই নাটকে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা এসেছে, যদিও এর ভেতর দিয়ে লেখক তাঁর সময়ের সংকটও ফুটিয়ে তুলেছেন। মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের সময় জেলে বসে ‘কবর’ নাটকটি লিখেছিলেন, যা তাঁকে অমর করেছে। ১৯৭১ সালে তিনি শহীদ হন।
মনে রাখুন: তাঁর অন্য নাটক: কবর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য, পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য। - ১৪. 'নীরব' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. নী + রব
- খ. নি + রব
- গ. নিঃ + রব
- ঘ. নীর + অব
উত্তর: গ. নিঃ + রব
‘নীরব’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ হলো নিঃ + রব। বিসর্গ সন্ধির একটি নিয়ম এখানে কাজ করেছে: ই বা উ স্বরের পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে র থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং আগের হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়ে যায়। অর্থাৎ নিঃ-এর ই হয়ে যায় ঈ। ফলে নিঃ + রব = নীরব। নী + রব বা নীর + অব বিচ্ছেদ করলে শব্দের মূল গঠন পাওয়া যায় না।
উদাহরণ:
নিঃ + রস = নীরস।
নিঃ + রোগ = নীরোগ। - ১৫. 'কড়ি দিয়ে কিনলাম' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. বিমল মিত্র
উত্তর: ঘ. বিমল মিত্র
‘কড়ি দিয়ে কিনলাম’ উপন্যাসের লেখক বিমল মিত্র। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘সাহেব বিবি গোলাম’, যার চলচ্চিত্ররূপও দর্শকদের মন জয় করেছিল। এর বাইরে ‘বেগম মেরী বিশ্বাস’ও তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা। রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্র বা শরৎচন্দ্র এ উপন্যাস লেখেননি।
মনে রাখুন:
শরৎচন্দ্রের উপন্যাস: দেবদাস, শ্রীকান্ত, পথের দাবী।
বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, আনন্দমঠ। - ১৬. 'লালসালু' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ক. সৈয়দ শামসুল হক
- খ. মুনীর চৌধুরী
- গ. জসীমউদদীন
- ঘ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
উত্তর: ঘ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
‘লালসালু’ উপন্যাসের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে মজিদ নামের এক ভণ্ড মানুষের কথা আছে, যে একটি মিথ্যা মাজারকে কেন্দ্র করে গ্রামের অজ্ঞ মানুষদের ধর্মের নামে শোষণ করে। লেখক নিজেই উপন্যাসটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন, যার নাম ‘Tree Without Roots’। সৈয়দ শামসুল হক, মুনীর চৌধুরী ও জসীমউদদীন বাংলা সাহিত্যের অন্য ধারার লেখক।
মনে রাখুন: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্য উপন্যাস: চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো। - ১৭. কোনটি হুমায়ুন আজাদের কাব্যগ্রন্থ?
- ক. নববসন্ত
- খ. রাত্রি শেষ
- গ. লাল নীল দীপাবলি
- ঘ. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
উত্তর: ঘ. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ হুমায়ুন আজাদের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৯২ সালে প্রকাশিত। তাঁর কবিতায় সমাজের অন্যায় ও ভণ্ডামির প্রতি তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে। বাকি তিনটি বিকল্পের মধ্যে ‘রাত্রি শেষ’ আহসান হাবীবের কাব্যগ্রন্থ। আর ‘লাল নীল দীপাবলি’ হুমায়ুন আজাদের একটি বই হলেও এটি কাব্যগ্রন্থ নয়, বাংলা সাহিত্য নিয়ে লেখা গ্রন্থ।
মনে রাখুন:
তাঁর অন্য কাব্য: অলৌকিক ইস্টিমার, জ্বলো চিতাবাঘ, কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু।
তাঁর উপন্যাস: ছাপাখানার ভূত, সব কিছু ভেঙে পড়ে।
তাঁর গবেষণা-গ্রন্থ: নারী। - ২০. সমাস ভাষাকে কী করে?
- ক. সংক্ষেপ করে
- খ. বিস্তৃত করে
- গ. অর্থপূর্ণ করে
- ঘ. অর্থের রূপান্তর ঘটায়
উত্তর: ক. সংক্ষেপ করে
সমাস (Compound) শব্দের অর্থই সংক্ষেপণ বা মিলন। যখন একাধিক পদ মিলে একটি পদ হয়, তখন লম্বা বাক্যাংশ ছোট হয়ে যায়, তাই সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে। ‘দেশের সেবা’ না বলে আমরা ‘দেশসেবা’ বলি, এতে কথা সংক্ষিপ্ত হয়।
উদাহরণ:
দেশের সেবা = দেশসেবা
মা ও বাবা = মা-বাবা
মনে রাখুন:
সমাসবদ্ধ শব্দকে ভেঙে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায়, তাকে ব্যাসবাক্য বলে।
প্রধান সমাস: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু, অব্যয়ীভাব। - ২২. 'অর্থের কুপ্রভাব' বোঝাতে কোন বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়?
- ক. ব্যাঙের আধুলি
- খ. যক্ষের ধন
- গ. তামার বিষ
- ঘ. ছকড়া নকড়া
উত্তর: গ. তামার বিষ
‘তামার বিষ’ বাগধারাটির অর্থ অর্থের কুপ্রভাব, অর্থাৎ টাকাপয়সা মানুষকে খারাপ পথে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা। বাকি বাগধারার অর্থ আলাদা: ‘ব্যাঙের আধুলি’ মানে সামান্য সঞ্চয় বা অল্প সম্পদ, ‘যক্ষের ধন’ মানে যে ধন কেউ ব্যবহার করে না এবং ‘ছকড়া নকড়া’ মানে অবজ্ঞা, খুব সস্তা মনে করা। প্রতিটি বাগধারার শব্দ দেখে অর্থ আন্দাজ করা যায় না, তাই আলাদা করে শিখতে হয়।
মনে রাখুন: ‘যক্ষের ধন’ বলতে কৃপণের সম্পদ বোঝায়। - ২৩. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. দ্বন্দ্ব
- খ. দন্দ্ব
- গ. দ্বন্ধ
- ঘ. দন্দ
উত্তর: ক. দ্বন্দ্ব
শুদ্ধ বানান ‘দ্বন্দ্ব’। এটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ ‘দ্বন্দ্ব’ থেকে, যার অর্থ কলহ, বিবাদ, সংঘাত বা মল্লযুদ্ধ। এছাড়া এই শব্দের অর্থ জোড়া বা যুগলও। বাংলায় একে সমাসের একটি শ্রেণি অর্থে ব্যবহার করা হয়, দ্বন্দ্ব সমাস। এতে দুই বা ততোধিক পদ ‘ও’, ‘এবং’ অর্থে যুক্ত হয়ে সমাস গঠিত হয়, যেমন মা-বাবা, ভাই-বোন।
মনে রাখুন: এই শব্দের বানানে দ্ব এবং ন্দ্ব দুটিই যুক্তবর্ণ, তাই ভুল বানানে প্রায়ই ‘দন্দ’ লেখা হয়। - ২৪. 'চর্যাপদ' কে আবিষ্কার করেন?
- ক. ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- খ. মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
- গ. ভূদেব চৌধুরী
- ঘ. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: খ. মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে তালপাতার পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। পুঁথিতে মোট ৫০টি পদ ছিল, যার সাড়ে ছেচল্লিশটি পাওয়া গেছে।
মনে রাখুন: চর্যাপদের কবিদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা ও ভুসুকুপা উল্লেখযোগ্য। - ২৫. মুসলিম জাগরণের লেখিকা কে?
- ক. বেগম রোকেয়া
- খ. নূরজাহান বেগম
- গ. নবাব ফয়জুন্নেছা
- ঘ. শামসুন্নাহার মাহমুদ
উত্তর: ক. বেগম রোকেয়া
মুসলিম নারীজাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২)। তিনি নারীশিক্ষা প্রসারে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন এবং লেখনীর মাধ্যমে অবরোধপ্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। তাঁর জন্ম রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে।
মনে রাখুন:
প্রবন্ধ: মতিচুর, অবরোধবাসিনী।
উপন্যাস: পদ্মরাগ। ইংরেজি রচনা: Sultana’s Dream।
আমরা তাঁর জন্মদিন ও মৃত্যুদিন ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস হিসেবে পালন করি।
নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর পরিচিত বই ‘রূপজালাল’। - ৩০. 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' উপন্যাসের লেখক কে?
- ক. আবুল ফজল
- খ. শামসুর রাহমান
- গ. আলাউদ্দিন আল আজাদ
- ঘ. সৈয়দ মুজতবা আলী
উত্তর: গ. আলাউদ্দিন আল আজাদ
‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ উপন্যাসটি লিখেছেন আলাউদ্দিন আল আজাদ। তিনি পূর্ব বাংলার আধুনিক কথাসাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ লেখক। উপন্যাসটি ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। আবুল ফজল, শামসুর রাহমান ও সৈয়দ মুজতবা আলীর পরিচিতি অন্য রচনায়, তাঁরা এই উপন্যাসের লেখক নন।
মনে রাখুন:
আলাউদ্দিন আল আজাদের অন্য উপন্যাস: শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন, কর্ণফুলী, ক্ষুধা ও আশা, স্বপ্নশীলা।
তিনি ‘জেগে আছি’ গল্পগ্রন্থ এবং ‘মানচিত্র’ কাব্যগ্রন্থও লিখেছেন। - ৩২. 'কপালকুণ্ডলা' চরিত্রটির রচয়িতা কে?
- ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. বিমল মিত্র
- ঘ. নবীন চন্দ্র সেন
উত্তর: খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
‘কপালকুণ্ডলা’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা উপন্যাস, যার প্রধান নারী চরিত্রের নামও কপালকুণ্ডলা। তিনি সমুদ্রতীরে কাপালিকের আশ্রয়ে বড় হয়েছিলেন। উপন্যাসটি ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। শরৎচন্দ্র, বিমল মিত্র ও নবীন চন্দ্র সেনের লেখা অন্য ধারার, তাই এই চরিত্রটি তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
এ উপন্যাসের অন্য চরিত্র: নবকুমার, মতিবিবি (লুৎফুন্নিসা), কাপালিক।
বঙ্কিমচন্দ্রের অন্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী, আনন্দমঠ, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল। - ৩৩. কোনটি 'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক নয়?
- ক. জলধি
- খ. সিন্ধু
- গ. বারীশ
- ঘ. তটিনী
উত্তর: ঘ. তটিনী
সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হলো জলধি, সিন্ধু, বারীশ, সাগর, অর্ণব, রত্নাকর। এদের সবার অর্থ বিশাল জলরাশি। কিন্তু তটিনী মানে নদী, তাই এটি সমুদ্রের প্রতিশব্দ নয়। নদী ও সমুদ্র দুটিই জলের ভাণ্ডার হলেও এদের আকার ও প্রকৃতি আলাদা, আর বাংলায় এদের প্রতিশব্দও আলাদা।
মনে রাখুন:
নদীর আরও কিছু প্রতিশব্দ: সরিৎ, স্রোতস্বিনী, তরঙ্গিনী, প্রবাহিনী, শৈবলিনী। - ৩৪. 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কোন শ্রেণির রচনা?
- ক. রম্যরচনা
- খ. স্মৃতি চারণমূলক কাব্য
- গ. কাব্য নাট্য
- ঘ. নৃত্যনাট্য
উত্তর: গ. কাব্য নাট্য
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা কাব্যনাট্য। কাব্যনাট্য হলো এমন নাটক, যার সংলাপ কবিতার ছন্দে লেখা হয়। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি গ্রামের মানুষের ভয়, প্রতীক্ষা আর প্রতিরোধের কথা এসেছে। রম্যরচনা হাস্যরস ও লঘু ভঙ্গিতে লেখা গদ্য, আর নৃত্যনাট্যে গান ও নাচ দিয়ে কাহিনি বলা হয়, তাই এগুলো এখানে মেলে না।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের অন্য কাব্যনাট্য: নূরলদীনের সারাজীবন, গণনায়ক, ঈর্ষা, এখানে এখন। - ৩৭. 'চুল'-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. পিক
- খ. চিকুর
- গ. লোচন
- ঘ. সুত
উত্তর: খ. চিকুর
‘চুল’-এর সমার্থক শব্দ হলো চিকুর, কেশ, অলক, কুন্তল, কচ। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: পিক মানে কোকিল, লোচন মানে চোখ, আর সুত মানে পুত্র। তাই এখানে সঠিক উত্তর চিকুর। প্রতিশব্দের প্রশ্নে সমার্থক শব্দ ও অন্য অর্থের শব্দকে আলাদা করে চিনতে পারা জরুরি।
মনে রাখুন: ‘চোখ’-এর প্রতিশব্দ নয়ন, নেত্র, আঁখি, লোচন, চক্ষু।
‘কোকিল’-এর আরেক নাম পিক। - ৩৮. ইংরেজি 'Semicolon' শব্দের পরিভাষা হচ্ছে —
- ক. কমা
- খ. অর্ধকমা
- গ. অর্ধচ্ছেদ
- ঘ. ড্যাশ
উত্তর: গ. অর্ধচ্ছেদ
Semicolon বাক্যের ভেতরে কমার চেয়ে বড় আর দাঁড়ির চেয়ে ছোট বিরতি বোঝায়। এর বাংলা পরিভাষা অর্ধচ্ছেদ (;)। কমা হলো ছোট বিরতির চিহ্ন, আর ‘অর্ধকমা’ নামে কোনো প্রচলিত পরিভাষা নেই। ড্যাশ (—) আলাদা একটি যতিচিহ্ন, যা বাক্যের মধ্যে ব্যাখ্যা বা বিরতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
Comma = কমা বা পাদচ্ছেদ (,)।
Full stop = দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ (।)।
Colon = দ্বিবিন্দু বা কোলন (:)। - ৪০. 'বরফ গলা নদী' রচনাটি কোন শ্রেণির রচনা?
- ক. কাব্যগ্রন্থ
- খ. গীতিনাট্য
- গ. উপন্যাস
- ঘ. মহাকাব্য
উত্তর: গ. উপন্যাস
‘বরফ গলা নদী’ একটি উপন্যাস। এটি লিখেছেন কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান, আর বইটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। কাব্যগ্রন্থ হলো কবিতার বই, গীতিনাট্য হলো গানের মধ্য দিয়ে বলা নাটক, আর মহাকাব্য হলো বড় আকারের বীরগাথা। ‘বরফ গলা নদী’ এসব শ্রেণির কোনোটিতেই পড়ে না, কারণ এটি গদ্যে লেখা একটি পূর্ণাঙ্গ কাহিনি। জহির রায়হান একই সঙ্গে সাহিত্য ও চলচ্চিত্র, দুই মাধ্যমেই কাজ করে গেছেন, তাই তাঁর নাম পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের অন্য উপন্যাস: হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, শেষ বিকেলের মেয়ে, তৃষ্ণা, আর কতদিন।
তাঁর পরিচালিত বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০)। - ৪১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছেন?
- ক. বসন্ত
- খ. শ্যামলী
- গ. খেয়া
- ঘ. বলাকা
উত্তর: ক. বসন্ত
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বসন্ত’ নামের গীতিনাট্যটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। বইটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়। ঋতুরাজ বসন্তের আনন্দ ও যৌবনের জয়গান এই রচনার মূল বিষয়। মজার ব্যাপার হলো, দুই কবির মধ্যে এভাবে শ্রদ্ধা ও স্নেহের আদানপ্রদান হয়েছিল। বাকি তিনটি ‘শ্যামলী’, ‘খেয়া’ ও ‘বলাকা’ রবীন্দ্রনাথেরই রচনা, তবে সেগুলো নজরুলকে উৎসর্গ করা হয়নি।
মনে রাখুন:
নজরুলও তাঁর ‘সঞ্চিতা’ কাব্যসংকলন রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেছিলেন।
‘বসন্ত’ একটি গীতিনাট্য, কাব্যগ্রন্থ নয়। - ৪৩. 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. প্রমথ চৌধুরী
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. প্যারীচাঁদ মিত্র
উত্তর: খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
মাসিক পত্রিকা ‘বঙ্গদর্শন’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭২ সালে, আর এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এই পত্রিকাকে ঘিরে একদল শক্তিশালী লেখক গড়ে ওঠেন, ফলে বাংলা গদ্যসাহিত্য অনেক দূর এগিয়ে যায়। বঙ্কিমের ‘বিষবৃক্ষ’ প্রভৃতি উপন্যাস প্রথমে এখানেই ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়েছিল। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও কিছুদিন বঙ্গদর্শনের সম্পাদনা করেছেন, তবে প্রথম সম্পাদক বঙ্কিমই।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরী ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) সম্পাদনা করেন।
প্যারীচাঁদ মিত্র লিখেছেন ‘আলালের ঘরের দুলাল’। - ৪৫. ‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণ নিয়ে গঠিত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ২৫৯৪) ২০১৯
- ক. ক + ম
- খ. খ + ম
- গ. ক + ষ
- ঘ. ক + খ
উত্তর: গ. ক + ষ
‘ক্ষ’ একটি যুক্তবর্ণ, অর্থাৎ দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে একটি রূপ তৈরি হয়েছে। এখানে ক্ ও ষ জুড়ে গেছে, তাই ক্ + ষ = ক্ষ। ‘ক’ আর ‘ম’ কিংবা ‘খ’ আর ‘ম’ জুড়ে এই আকৃতি হয় না। উচ্চারণে ‘ক্ষ’ প্রায়ই ‘খ’-এর মতো শোনায়, তাই এর গঠন নিয়ে ভুল হয়ে যায়। যুক্তবর্ণের গঠন ভালো করে জানা থাকলে বানান ও ব্যাকরণের অনেক প্রশ্ন সহজ হয়।
মনে রাখুন:
জ্ঞ = জ্ + ঞ।
হ্ম = হ্ + ম।
ঙ্ক = ঙ্ + ক।
ঙ্গ = ঙ্ + গ। - ৪৬. কাজী নজরুল ইসলাম-এর 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
- ক. বিষের বাঁশী
- খ. ভাঙার গান
- গ. দোলন চাঁপা
- ঘ. অগ্নিবীণা
উত্তর: ঘ. অগ্নিবীণা
‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’র অন্তর্গত। বইটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। কবিতাটি ১৯২২ সালে ‘বিজলী’ পত্রিকায় ছাপা হয়ে সারা দেশে বিপুল আলোড়ন তোলে এবং নজরুলকে ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে পরিচিত করে। ‘বিষের বাঁশী’ ও ‘ভাঙার গান’ নজরুলের আলাদা দুটি কাব্যগ্রন্থ, আর ‘দোলন চাঁপা’ও তাঁরই আরেকটি বই, তবে ‘বিদ্রোহী’ এগুলোর কোনোটিতে নেই।
মনে রাখুন:
অগ্নিবীণার অন্য কবিতা: প্রলয়োল্লাস, ধূমকেতু, কামাল পাশা, আনোয়ার, খেয়াপারের তরণী, কোরবানী, মোহররম। - ৪৮. 'গৃহদাহ' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. টেকচাঁদ ঠাকুর
উত্তর: ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
‘গৃহদাহ’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা উপন্যাস, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়। এতে অচলা, মহিম ও সুরেশের জটিল সম্পর্কের কাহিনি আছে। শরৎচন্দ্র সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও সমাজের নানা সংকট নিয়ে লিখে খুব জনপ্রিয় হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রমথ চৌধুরী ও টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র) অন্য ধারার লেখক, তাই এই উপন্যাস তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
শরৎচন্দ্রের অন্য উপন্যাস: দেবদাস, পল্লিসমাজ, চরিত্রহীন, শ্রীকান্ত, দেনাপাওনা, পথের দাবী। - ৫০. 'Quarterly' শব্দের পরিভাষা কী?
- ক. সাপ্তাহিক
- খ. পাক্ষিক
- গ. মাসিক
- ঘ. ত্রৈমাসিক
উত্তর: ঘ. ত্রৈমাসিক
Quarterly শব্দের অর্থ বছরে চারবার, অর্থাৎ তিন মাস পরপর যা প্রকাশিত হয়। এর বাংলা পরিভাষা ত্রৈমাসিক। Quarter শব্দের অর্থ চার ভাগের এক ভাগ, আর একটি বছরের এক-চতুর্থাংশ হলো তিন মাস। সাপ্তাহিক পত্রিকা সপ্তাহে একবার, পাক্ষিক পত্রিকা পনেরো দিনে একবার এবং মাসিক পত্রিকা মাসে একবার বের হয়, তাই এগুলো ত্রৈমাসিকের পরিভাষা নয়। সময়ের ব্যবধান ধরে এ রকম পরিভাষা চেনা জরুরি।
মনে রাখুন:
Weekly = সাপ্তাহিক।
Fortnightly = পাক্ষিক।
Monthly = মাসিক।
Half-yearly = ষাণ্মাসিক।
Annual = বার্ষিক। - ৫২. 'সব্যসাচী' কোন লেখকের উপাধি?
- ক. সৈয়দ শামসুল হক
- খ. জহির রায়হান
- গ. মুনীর চৌধুরী
- ঘ. শামসুর রাহমান
উত্তর: ক. সৈয়দ শামসুল হক
সৈয়দ শামসুল হক (১৯৩৫–২০১৬) কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, কাব্যনাট্য, প্রবন্ধ ও অনুবাদ, সব ক্ষেত্রেই সমান দক্ষতায় লিখেছেন। তাই তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। ‘সব্যসাচী’ মূলত মহাভারতের অর্জুনের নাম, কারণ তিনি দুই হাতেই তির ছুড়তে পারতেন। সেই অর্থে যে লেখক দুই হাতেই লিখতে পারেন, অর্থাৎ নানা ধারায় সমান দক্ষ, তাঁকে সব্যসাচী বলা হয়।
মনে রাখুন: তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা ‘নীল দংশন’, ‘খেলারাম খেলে যা’ ও ‘নূরলদীনের সারাজীবন’। - ৫৫. 'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ কী?
- ক. সাহায্যকারী
- খ. বাদক
- গ. তোষামুদে
- ঘ. প্রিয়জন সমাগম
উত্তর: গ. তোষামুদে
‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ তোষামুদে বা মোসাহেব। ঢাক বাজানো হয় কাঠি দিয়ে, আর কাঠি যেমন ঢাকের তালে তালে বাজতে থাকে, তেমনি যে মানুষ সব সময় বড়লোকের তোষামোদ করে এবং তাঁর গুণগান করে বেড়ায়, তাকেই এখানে বোঝানো হয়েছে। বাদক ঢাক বাজায় ঠিকই, কিন্তু বাগধারার অর্থ সেটি নয়। বাগধারার অর্থ শব্দের সাধারণ মানে থেকে আলাদা হয়, তাই আক্ষরিক অর্থ ধরে উত্তর বাছলে ভুল হতে পারে।
মনে রাখুন:
চাঁদের হাট = সুখী ও পূর্ণ সংসার।
তেলা মাথায় তেল দেওয়া = ধনীকে আরও দেওয়া। - ৫৮. মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?
- ক. সোনার তরী
- খ. বৃক্ষমঙ্গল
- গ. বিষাদসিন্ধু
- ঘ. পরাণের গহীন ভিতরে
উত্তর: গ. বিষাদসিন্ধু
‘বিষাদসিন্ধু’ মীর মশাররফ হোসেনের লেখা। এটি কারবালার ঘটনা নিয়ে রচিত গদ্যকাব্য। তাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম বড় মুসলমান গদ্যলেখক বলা হয়। বাকি রচনাগুলো অন্য লেখকের: ‘সোনার তরী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ, আর ‘বৃক্ষমঙ্গল’ ও ‘পরাণের গহীন ভিতরে’ তাঁর রচনা নয়। মীর মশাররফ হোসেনের লেখায় তৎকালীন সমাজের অনেক ছবি পাওয়া যায়, বিশেষ করে ‘জমিদার দর্পণ’ নাটকে জমিদারের অত্যাচারের কথা এসেছে।
মনে রাখুন:
মীর মশাররফের অন্য রচনা: জমিদার দর্পণ (নাটক), রত্নবতী, গাজী মিয়ার বস্তানী, উদাসীন পথিকের মনের কথা। - ৫৯. বাংলা ভাষায় 'সনেট'-এর প্রবর্তক কে?
- ক. রজনীকান্ত সেন
- খ. অতুলপ্রসাদ সেন
- গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা ভাষায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। সনেট হলো চৌদ্দ লাইনের একটি কবিতা, আর বাংলায় তিনি একে চতুর্দশপদী নাম দেন। তাঁর ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ বাংলা ভাষার প্রথম সনেটসংকলন, যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতিকবিতার ধারার কবি, আর রজনীকান্ত সেন ও অতুলপ্রসাদ সেন গানের জন্য বিখ্যাত, তাই সনেটের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
মধুসূদনের মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১), যা বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য।
তিনি বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক। - ৬০. 'মহাযাত্রা' শব্দের অর্থ কী?
- ক. মহাসমারোহে যাত্রা
- খ. বিরাট আকারের যাত্রা
- গ. নামকরা যাত্রা
- ঘ. মৃত্যু যাত্রা
উত্তর: ঘ. মৃত্যু যাত্রা
‘মহাযাত্রা’ শব্দের অর্থ মৃত্যুযাত্রা। আলাদা করে দেখলে মহা মানে বড় আর যাত্রা মানে গমন, কিন্তু এই শব্দ দুটি জুড়ে গিয়ে মানুষের জীবন ছেড়ে চিরতরে চলে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করে। তাই এটি সাধারণ কোনো বড় যাত্রা, জাঁকজমকের যাত্রা বা নামকরা যাত্রা নয়। বাংলায় এ রকম বেশ কিছু শব্দ আছে, যার সমাসবদ্ধ অর্থ আলাদা ভাব প্রকাশ করে, যেমন মহাপ্রস্থান।
মনে রাখুন:
মহাপ্রস্থান শব্দটিও মৃত্যুকে বোঝায়।
মৃত্যুর অন্য প্রতিশব্দ: পরলোকগমন, ইহলোক ত্যাগ। - ৬১. 'মহাশ্মশান' কাব্যগ্রন্থখানি কে রচনা করেছেন?
- ক. মীর মশাররফ হোসেন
- খ. কায়কোবাদ
- গ. মধুসূদন দত্ত
- ঘ. নরেন বিশ্বাস
উত্তর: খ. কায়কোবাদ
‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যটির রচয়িতা কায়কোবাদ। এতে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) এবং মুসলমান ও মারাঠাদের সংঘাতের কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে। এটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়। কায়কোবাদের আসল নাম কাজেম আল কোরেশী, আর তাঁকে মুসলমান কবিদের মধ্যে অন্যতম সফল মহাকাব্যকার ধরা হয়। মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, তাই ‘মহাশ্মশান’ তাঁর নয়।
মনে রাখুন:
কায়কোবাদের অন্য কাব্য: অশ্রুমালা, অমিয়ধারা, শিবমন্দির, বিরহ-বিলাপ, কুসুমকানন। - ৬২. 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা' কবিতাটি কার রচনা?
- ক. শামসুর রাহমান
- খ. নির্মলেন্দু গুণ
- গ. মহাদেব সাহা
- ঘ. আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর: ক. শামসুর রাহমান
‘তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা’ পঙ্ক্তিটি কবি শামসুর রাহমানের ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’ কবিতার অংশ, যা ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থে আছে। কবিতায় স্বাধীনতার জন্য সাধারণ মানুষের ত্যাগের ছবি ফুটে উঠেছে। কবিতাটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এবং এর ভাষা খুবই সরল ও আবেগময়। শামসুর রাহমানকে বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার প্রধান কবিদের একজন ধরা হয়।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের আরও কিছু বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ’। - ৬৪. কোনটি 'খবর' শব্দের সমার্থক নয়?
- ক. সন্দেশ
- খ. বার্তা
- গ. সংবাদ
- ঘ. গুজব
উত্তর: ঘ. গুজব
‘খবর’ শব্দটির অর্থ হলো কোনো ঘটনার তথ্য বা বিবরণ। এই অর্থে আমরা সংবাদ, বার্তা, সন্দেশ, খবর শব্দগুলো প্রায় একইভাবে ব্যবহার করি। অন্যদিকে গুজব মানে যাচাই করা হয়নি এমন রটনা বা জনশ্রুতি। এতে কোনো নিশ্চিত তথ্য থাকে না, তাই এটি খবরের সমার্থক নয়।
মনে রাখুন:
খবর-এর সমার্থক শব্দ: সংবাদ, বার্তা, সন্দেশ, তথ্য, বৃত্তান্ত।
গুজব-এর কাছাকাছি শব্দ: রটনা, জনরব, কিংবদন্তি। - ৬৫. 'হুতোম পেঁচা' কার ছদ্মনাম?
- ক. প্যারীচাঁদ মিত্র
- খ. বিমল মিত্র
- গ. কালীপ্রসন্ন সিংহ
- ঘ. কালিকানন্দ
উত্তর: গ. কালীপ্রসন্ন সিংহ
‘হুতোম পেঁচা’ ছদ্মনামে লিখেছিলেন কালীপ্রসন্ন সিংহ। তাঁর ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ (১৮৬২) কলকাতার সমাজ ও জীবনের চিত্র তুলে ধরে, আর এতে কথ্য ভাষার ব্যবহার লক্ষ করার মতো। তিনি মহাভারতের বাংলা অনুবাদের জন্যও পরিচিত। প্যারীচাঁদ মিত্র আরেকজন বিখ্যাত গদ্যলেখক, তবে তাঁর ছদ্মনাম আলাদা, তাই ভুল করে এই অপশন নেওয়া ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর, আর তাঁর রচনা ‘আলালের ঘরের দুলাল’।
দুটি রচনাই বাংলা গদ্যে কথ্যরীতির সূচনার উদাহরণ। - ৬৯. 'ছন্দের যাদুকর' বলা হয় কোন কবিকে?
- ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- খ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- গ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
- ঘ. কুসুমকুমারী দেবী
উত্তর: খ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা কবিতার ছন্দে অনেক নতুনত্ব এনেছেন। অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত, এই তিন ধরনের ছন্দেই তিনি দক্ষ ছিলেন। তাঁর কবিতা পড়লে ধ্বনির তাল ও দোলা সহজেই টের পাওয়া যায়। এই দক্ষতার জন্যই তাঁকে ‘ছন্দের যাদুকর’ বলা হয়। মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত, তবে ‘ছন্দের যাদুকর’ উপাধি তাঁর নয়।
মনে রাখুন:
সত্যেন্দ্রনাথের কাব্য: সবিতা, সন্ধিক্ষণ, বেণু ও বীণা, কুহু ও কেকা।
মধুসূদন দত্তকে বলা হয় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। - ৭২. 'যা দমন করা কষ্টকর'– একক কথায় বলে—
- ক. অদম্য
- খ. দুর্দমনীয়
- গ. দুর্নিবার
- ঘ. অনিবার্য
উত্তর: খ. দুর্দমনীয়
‘যা দমন করা কষ্টকর’-এর এক কথায় প্রকাশ দুর্দমনীয়। দুর্ মানে কষ্টকর বা কঠিন, আর দমনীয় মানে দমন করার যোগ্য। অর্থাৎ যাকে দমন করতে খুব কষ্ট হয়। অদম্য শব্দের অর্থ আলাদা, কারণ তার মানে যাকে দমন করা যায় না। কষ্টকর হওয়া আর একেবারেই অসম্ভব হওয়ার মধ্যে এই পার্থক্য থাকে। দুর্নিবার ও অনিবার্য শব্দ দুটিও নিবারণ নিয়ে, দমন নিয়ে নয়, তাই এখানে খাটে না।
মনে রাখুন:
অদম্য = যাকে দমন করা যায় না।
দুর্নিবার = যা নিবারণ করা কষ্টকর।
অনিবার্য = যা নিবারণ করা যায় না। - ৭৫. স্বরবর্ণের মাত্রাবিহীন বর্ণ কয়টি?
- ক. ৪টি
- খ. ৭টি
- গ. ৮টি
- ঘ. ১১টি
উত্তর: ক. ৪টি
বাংলা বর্ণমালায় মাথার ওপর আড়াআড়ি দাগকে মাত্রা বলে। কিছু বর্ণে এই দাগ একেবারেই থাকে না, কিছু বর্ণে অর্ধেক মাত্রা থাকে, আর বাকিগুলোতে পূর্ণ মাত্রা থাকে। মাত্রাহীন বর্ণ মোট ১০টি, যার মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি আর ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি। প্রশ্নে শুধু স্বরবর্ণের মাত্রাহীন বর্ণ জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর ৪টি। স্বরবর্ণ মোট ১১টি, কিন্তু সবগুলোর মাথায় মাত্রা নেই। ১০টির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা এই প্রশ্নের একটি প্রচলিত ফাঁদ।
মনে রাখুন:
মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি (স্বর ৪টি, ব্যঞ্জন ৬টি)।
অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি (ব্যঞ্জন ৭টি, স্বর ১টি)। - ৭৬. 'কবর' কবিতার রচয়িতা কে?
- ক. জসীমউদদীন
- খ. মুনীর চৌধুরী
- গ. আল-মাহমুদ
- ঘ. রফিক আজাদ
উত্তর: ক. জসীমউদদীন
‘কবর’ কবিতার রচয়িতা পল্লিকবি জসীমউদদীন। কবিতাটি তাঁর ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এতে এক বৃদ্ধ দাদুর কবরের পাশে বসে থাকার বেদনাময় গ্রামীণ জীবনের ছবি আছে, আর ভাষা অত্যন্ত সরল ও আবেগময়। গ্রামবাংলার মানুষ, তাদের সুখ-দুঃখ আর প্রকৃতির ছবি জসীমউদদীনের কবিতার প্রধান বিষয়, তাই তাঁকে পল্লিকবি বলা হয়। বাকি অপশনের কবিরা অন্য ধারার।
মনে রাখুন:
জসীমউদদীনের অন্য কাব্য: নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, ধানখেত। - ৭৭. ভাষার মূল উপকরণ কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০১৯
- ক. ধ্বনি
- খ. বাক্য
- গ. অক্ষর
- ঘ. বর্ণ
উত্তর: খ. বাক্য
ভাষার মূল উপকরণ বাক্য। আমরা মনের ভাব প্রকাশ করি বাক্যের মাধ্যমে, কারণ ধ্বনি দিয়ে শব্দ, আর শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি হয়, আর বাক্যই সম্পূর্ণ অর্থ বোঝাতে পারে। একটি আলাদা ধ্বনি বা শব্দ শুনলে আমরা অনেক সময় পুরো ভাবটি বুঝতে পারি না। বর্ণ আর অক্ষর লিখিত রূপের অংশ, কিন্তু ভাষার মূল ভিত্তি হলো বাক্য। এই প্রশ্নে ধ্বনিকে ক্ষুদ্রতম একক ভেবে ভুল করার সম্ভাবনা থাকে।
মনে রাখুন: ব্যাকরণে ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, আর বাক্য হলো পূর্ণ অর্থ প্রকাশের একক। - ৭৮. বাংলা সাহিত্যে আদি নিদর্শন কী?
- ক. পুথিসাহিত্য
- খ. চর্যাপদ
- গ. পালাগান
- ঘ. ধর্মকথা
উত্তর: খ. চর্যাপদ
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ। এটি পুরোনো বাংলা ভাষায় লেখা বৌদ্ধ সাধকদের গান ও দোহার সংকলন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করে। পুথিসাহিত্য ও পালাগান এর অনেক পরের রচনা, তাই আদি নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদই ধরা হয়।
মনে রাখুন:
চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচনা।
এর রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতক।
চর্যাপদের আদি কবি লুইপা। - ৮৩. 'খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়'— কার রচনা?
- ক. লালন শাহ
- খ. হাসন রাজা
- গ. পাগলা কানাই
- ঘ. কাঙ্গাল হরিনাথ
উত্তর: ক. লালন শাহ
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা বাউল সাধক লালন শাহ। এখানে ‘খাঁচা’ বলতে মানুষের দেহ আর ‘অচিন পাখি’ বলতে প্রাণ বা আত্মাকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ দেহের ভেতরে প্রাণ আসে-যায়, অথচ আমরা তাকে চিনতে পারি না। লালন ১৮৯০ সালে কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় মারা যান। হাসন রাজা, পাগলা কানাই ও কাঙ্গাল হরিনাথও মরমি ধারার গীতিকার, তবে এই গানটি লালনের।
মনে রাখুন:
লালনের গান লালনগীতি নামে পরিচিত।
হাসন রাজা সিলেটের মরমি কবি। - ৮৬. ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
- ক. ধ্বনি
- খ. শব্দ
- গ. বর্ণ
- ঘ. অক্ষর
উত্তর: ক. ধ্বনি
ভাষার সবচেয়ে ছোট একক হলো ধ্বনি (Sound)। আমরা মুখ দিয়ে যে আলাদা আলাদা আওয়াজ করি, সেগুলোই ধ্বনি। কয়েকটি ধ্বনি মিলে একটি শব্দ তৈরি হয়, আবার কয়েকটি শব্দ মিলে তৈরি হয় বাক্য। বাক্য তাই ভাষার সবচেয়ে বড় একক।
বর্ণ আসলে ধ্বনির লিখিত রূপ। ধ্বনি আমরা শুনি, আর বর্ণ আমরা দেখি। তাই বর্ণ ভাষার ক্ষুদ্রতম একক নয়।
মনে রাখুন:
ভাষার একক ছোট থেকে বড় ক্রমে: ধ্বনি, শব্দ, বাক্য।
ধ্বনি নিয়ে আলোচনা হয় ধ্বনিতত্ত্বে। - ৮৮. 'ফটিক' চরিত্রটি কোন রচনাকারের সৃষ্টি?
- ক. জসীমউদদীন
- খ. কায়কোবাদ
- গ. নজরুল ইসলাম
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘ফটিক’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘ছুটি’র প্রধান চরিত্র। সে গ্রামের দুরন্ত এক কিশোর। কলকাতায় মামার বাড়িতে এসে সে খুব একা বোধ করে, নতুন পরিবেশে কেউ তাকে আপন করে নেয় না, শেষে অসুখে মারা যায়। গল্পটি ছোটদের মনের অনুভূতির এক করুণ রূপ। জসীমউদদীন, কায়কোবাদ বা নজরুল ইসলামের কোনো রচনায় এই চরিত্র নেই।
মনে রাখুন:
‘পোস্টমাস্টার’ গল্পের চরিত্র রতন।
‘সুভা’ গল্পের নায়িকা সুভা।
‘সমাপ্তি’ গল্পের নায়িকা মৃন্ময়ী। - ৮৯. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'রাজর্ষি' একটি—
- ক. উপন্যাস
- খ. কাব্যগ্রন্থ
- গ. নাটক
- ঘ. কাব্যনাট্য
উত্তর: ক. উপন্যাস
‘রাজর্ষি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা ১৮৮৭ সালে প্রকাশিত হয়। এর কাহিনি ত্রিপুরার রাজপরিবার নিয়ে, যেখানে রাজা গোবিন্দমাণিক্য ও রঘুপতি পুরোহিতের দ্বন্দ্ব আছে। পরে রবীন্দ্রনাথ এই কাহিনি থেকেই ‘বিসর্জন’ নাটক লেখেন। তাই নাটক বা কাব্যনাট্য নয়, ‘রাজর্ষি’ গদ্যে লেখা একটি উপন্যাস। কাব্যগ্রন্থ মানে কবিতার বই, যার সঙ্গে এই রচনার কোনো মিল নেই।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাস: চোখের বালি, গোরা, ঘরে-বাইরে, চতুরঙ্গ, যোগাযোগ, শেষের কবিতা। - ৯১. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস কোনটি?
- ক. অরণ্য নীলিমা
- খ. নিয়ত মন্তাজ
- গ. জাহান্নাম হইতে বিদায়
- ঘ. লালসালু
উত্তর: গ. জাহান্নাম হইতে বিদায়
শওকত ওসমান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ উপন্যাসটি লিখেছেন। তাঁর আরও কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা আছে, যেমন ‘নেকড়ে অরণ্য’ ও ‘দুই সৈনিক’। প্রশ্নের বাকি তিনটি অপশন মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস নয়। ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা, যা ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এবং এর বিষয় ধর্মকে পুঁজি করে প্রতারণা। পটভূমির দিকে নজর দিলে এ ধরনের প্রশ্নে উত্তর বাছা সহজ হয়।
মনে রাখুন:
‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস (১৯৪৮), যেখানে ধর্মকে পুঁজি করে প্রতারণা দেখানো হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা শওকত ওসমানের অন্য রচনা: নেকড়ে অরণ্য, দুই সৈনিক। - ৯৩. কবি শামসুর রাহমান কোন সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- ক. ২০০৪
- খ. ২০০৫
- গ. ২০০৬
- ঘ. ২০০৯
উত্তর: গ. ২০০৬
কবি শামসুর রাহমান ২০০৬ সালের আগস্ট মাসে ঢাকায় মারা যান। তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্মেছিলেন। বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে তিনি পরিচিত। তাঁর কবিতায় নগরজীবন, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও মানুষের বেদনা বারবার ফিরে এসেছে। ২০০৪, ২০০৫ বা ২০০৯ সালে তাঁর মৃত্যু হয়নি।
মনে রাখুন:
তাঁর কাব্য: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, বিধ্বস্ত নীলিমা, নিরালোকে দিব্যরথ, বন্দী শিবির থেকে।
তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন। - ৯৬. 'যে উপকারীর অপকার করে'—এককথায় বলে—
- ক. কৃতঘ্ন
- খ. শত্রুঘ্ন
- গ. অকৃতজ্ঞ
- ঘ. অপকারী
উত্তর: ক. কৃতঘ্ন
‘যে উপকারীর অপকার করে’-এর এক কথায় প্রকাশ কৃতঘ্ন। কৃত মানে উপকার, আর ঘ্ন মানে নাশকারী। অর্থাৎ যে ব্যক্তি উপকারীর উল্টো ক্ষতি করে। অকৃতজ্ঞ শব্দটি তার চেয়ে হালকা, কারণ সে শুধু উপকার স্বীকার করে না, কিন্তু ক্ষতি করে না। শত্রুঘ্ন শব্দের অর্থ যে শত্রুকে হত্যা করে, আর অপকারী মানে যে ক্ষতি করে, তবে উপকারীর বিরুদ্ধে নয়। এ ধরনের এক কথায় প্রকাশে সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
শত্রুঘ্ন = যে শত্রুকে হত্যা করে।
অকৃতজ্ঞ = যে উপকার স্বীকার করে না।
কৃতজ্ঞ = যে উপকার স্বীকার করে। - ১১৫. 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের—
- ক. কবিতার নাম
- খ. গল্প সংকলনের নাম
- গ. উপন্যাসের নাম
- ঘ. কাব্য সংকলনের নাম
উত্তর: গ. উপন্যাসের নাম
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। নাম শুনে কবিতার বই মনে হলেও এর কাহিনি গদ্যে লেখা। তবে ভাষা এত কাব্যিক যে একে কাব্যধর্মী উপন্যাস বলা হয়। এর প্রধান দুই চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাস: চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে, চতুরঙ্গ, যোগাযোগ, চার অধ্যায়।
তাঁর গল্পসংকলন: গল্পগুচ্ছ। - ১৬৯. 'কবর' নাটকের নাট্যকার কে?
- ক. কবীর চৌধুরী
- খ. মুনীর চৌধুরী
- গ. কবি জসীমউদ্দীন
- ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর: খ. মুনীর চৌধুরী
‘কবর’ নাটকের নাট্যকার মুনীর চৌধুরী। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতি নিয়ে এই নাটক লেখা, যা তিনি জেলখানায় বসে লিখেছিলেন। ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের উদ্যোগে এটি প্রথম মঞ্চস্থ হয়। কমিউনিস্ট নেতা রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে এটি লেখা হয়, আর এর কাঠামোয় আরউইন শ-এর ‘Bury the Dead’ নাটকের প্রভাব আছে।
মনে রাখুন:
মুনীর চৌধুরীর অন্য নাটক: রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর তাঁকে হত্যা করা হয়।
ইংরেজি
- ২. Who was the famous poet of Victorian age?
- ক. Samuel Taylor Coleridge
- খ. Alfred Lord Tennyson
- গ. TS Eliot
- ঘ. William Blake
উত্তর: খ. Alfred Lord Tennyson
ভিক্টোরীয় যুগ হলো ইংল্যান্ডে রানী ভিক্টোরিয়ার শাসনকাল, ১৮৩৭ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত। এ যুগের সবচেয়ে বিখ্যাত কবি অ্যালফ্রেড লর্ড টেনিসন (Alfred Lord Tennyson)। কোলরিজ ও ব্লেক আগের রোম্যান্টিক যুগের কবি, আর টি. এস. এলিয়ট বিশ শতকের আধুনিক যুগের কবি।
মনে রাখুন:
টেনিসনের বিখ্যাত কবিতা: In Memoriam, Ulysses, The Charge of the Light Brigade।
ভিক্টোরীয় যুগের আরেক কবি রবার্ট ব্রাউনিং। - ৪. What do you mean by the word 'Syllable'?
- ক. Parts of a syllabus
- খ. Synonym of a syllabus
- গ. Parts of a word
- ঘ. None of the above
উত্তর: গ. Parts of a word
Syllable মানে শব্দাংশ বা অক্ষর, অর্থাৎ কোনো শব্দকে একবারে যতটুকু ধ্বনি উচ্চারণ করা যায়, সেই অংশ। এর কেন্দ্রে সাধারণত একটি স্বরধ্বনি থাকে। যেমন ‘water’ শব্দে দুটি syllable: wa-ter। আর ‘syllabus’ মানে পাঠ্যসূচি, যা অন্য একটি শব্দ, তাই syllable-কে syllabus-এর অংশ বা সমার্থক বলা ভুল।
উদাহরণ:
One syllable: book, cat।
Two syllables: ta-ble, pa-per।
Three syllables: beau-ti-ful। - ৬. English is a language where as — English is a nation.
- ক. an
- খ. a
- গ. the
- ঘ. none of the above
উত্তর: গ. the
ভাষার নামের আগে সাধারণত the বসে না। তাই ‘English is a language’ ঠিক আছে। কিন্তু যখন English বলতে ইংরেজ জাতিকে বোঝানো হয়, তখন এর আগে the বসে। অর্থাৎ ‘The English are a nation.’ লিখতে হয়। এই কারণে খালি জায়গায় the বসবে।
উদাহরণ:
The French, the Chinese, the Bengalis ইত্যাদি জাতি বোঝাতে the লাগে।
He speaks French (ভাষা)। এখানে the লাগে না। - ৮. 'By hook or by crook' means :
- ক. At any cost
- খ. Trying hard
- গ. Heart and soul
- ঘ. Never say die
উত্তর: ক. At any cost
‘By hook or by crook’ একটি idiom, যার অর্থ যেভাবেই হোক বা যেকোনো উপায়ে, অর্থাৎ at any cost। যেমন ‘He wanted to win by hook or by crook.’ মানে সে ন্যায়-অন্যায় যেভাবেই হোক জিততে চাইল। ‘Heart and soul’ মানে সর্বান্তঃকরণে, আর ‘never say die’ মানে কখনো হাল না ছাড়া।
মনে রাখুন: এই idiom-এর ভেতরের শব্দের আক্ষরিক অর্থ ধরে বিচার না করে পুরো বাক্যাংশের অর্থ মনে রাখতে হয়। - ৯. Select the passive voice of "His behaviour surprised me."
- ক. I was surprised at his behaviour.
- খ. I was surprise with his behaviour.
- গ. I was surprised to his behaviour.
- ঘ. I was surprised his behaviour.
উত্তর: ক. I was surprised at his behaviour.
Active voice থেকে passive voice-এ নিতে হলে object-কে subject করে বসাতে হয়। ‘His behaviour surprised me.’ বাক্যে object হলো me, তাই passive-এ I আসে এবং verb হয় ‘was surprised’। কিন্তু surprise শব্দটির পরে সাধারণত at বসে, তাই ‘I was surprised at his behaviour.’ লিখতে হয়। with বা to ব্যবহার করা এখানে ঠিক নয়।
মনে রাখুন: কিছু verb-এর পরে by-এর বদলে অন্য preposition বসে, যেমন be pleased with, be interested in, be surprised at। - ১১. The synonym of 'sagacious' is—
- ক. malicious
- খ. malice
- গ. judicious
- ঘ. critical
উত্তর: গ. judicious
Sagacious মানে বিচক্ষণ বা বুদ্ধিমান, যার বিবেচনাশক্তি তীক্ষ্ণ। এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ হলো judicious, মানে যে সুবিবেচক। Malicious মানে বিদ্বেষপরায়ণ, malice মানে বিদ্বেষ, আর critical মানে সংকটপূর্ণ বা সমালোচনামূলক। এগুলো sagacious-এর সঙ্গে মেলে না। Malicious ও malice দেখতে একই মূল থেকে এসেছে বলে এগুলোর অর্থ একই ধরনের, কিন্তু sagacious-এর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন: Sagacious-এর আরও কাছাকাছি শব্দ: wise, shrewd, prudent।
এর বিপরীত শব্দ foolish বা unwise। - ১৩. What part of speech is the word 'befool'?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৭
- ক. verb
- খ. adverb
- গ. adjective
- ঘ. pronoun
উত্তর: ক. verb
‘Befool’ একটি verb, যার অর্থ কাউকে বোকা বানানো বা ঠকানো। Fool শব্দটির আগে be উপসর্গ যুক্ত হয়ে এটি তৈরি, তাই এটি verb। যেমন ‘He befooled me with his false promises.’ Adverb, adjective বা pronoun হিসেবে এর ব্যবহার নেই।
মনে রাখুন: Be- উপসর্গ যোগে তৈরি আরও verb: befriend (বন্ধু হওয়া), becalm (শান্ত করা), belittle (ছোট করে দেখা)। - ১৮. Find out the correct sentence :
- ক. Always respect who is senior from you.
- খ. Always respect who is senior of you.
- গ. Always respect who is senior to you.
- ঘ. Always respect who is senior than you.
উত্তর: গ. Always respect who is senior to you.
Senior শব্দের পরে তুলনা বোঝাতে than নয়, to বসে। কারণ senior, junior, superior ও inferior শব্দ Latin থেকে এসেছে এবং এদের পরে to ব্যবহার হয়। তাই শুদ্ধ বাক্য হলো ‘Always respect who is senior to you.’। from, of বা than এখানে ভুল।
মনে রাখুন: To বসে এমন শব্দ: prefer, inferior, superior, junior, senior, prior।
উদাহরণ: He is junior to me। I prefer tea to coffee। - ১৯. He said, "I shall go to office". Indirect form is—
- ক. He said that he shall go to office.
- খ. He said that he would go to office.
- গ. He said that he will go to office.
- ঘ. He said that he should go to office.
উত্তর: খ. He said that he would go to office.
Direct speech-এর বাক্যে যখন shall থাকে এবং reporting verb past tense (said) হয়, তখন indirect-এ shall বদলে would হয়। প্রথম পুরুষ I বদলে he হয়, কারণ বক্তা নিজের কথা বলছে। তাই indirect form হবে ‘He said that he would go to office.’। Shall, will বা should ব্যবহার করলে tense মিলবে না।
মনে রাখুন: Past reporting verb থাকলে can→could, may→might, will→would, shall→should (শুধু প্রশ্ন বা উপদেশে) হয়। - ২১. Complete the following sentence: If you had invited me —
- ক. I would go
- খ. I might go
- গ. I would have gone
- ঘ. I had gone
উত্তর: গ. I would have gone
Conditional বাক্যে if-clause-এর verb যদি past perfect (had invited) হয়, তবে result clause-এ would have + past participle বসে। এটি অতীতে ঘটেনি এমন কোনো ঘটনা বোঝায়। তাই ‘If you had invited me, I would have gone.’ বাক্যটি ঠিক।
উদাহরণ:
If he had studied, he would have passed।
If I were rich, I would buy a car (present unreal)।
মনে রাখুন: Past perfect + would have + p.p. হলো Third Conditional। - ২৬. Which of the following can be both masculine and feminine?
- ক. Nun
- খ. Monk
- গ. Spinster
- ঘ. Spouse
উত্তর: ঘ. Spouse
যে শব্দ পুরুষ ও নারী উভয়কেই বোঝাতে পারে, তাকে Common Gender বলে। Spouse মানে জীবনসঙ্গী, স্বামী কিংবা স্ত্রী দুজনের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়। Nun শুধু নারী সন্ন্যাসী, monk শুধু পুরুষ সন্ন্যাসী এবং spinster অবিবাহিতা নারী, তাই এগুলো কেবল feminine বা masculine। শব্দ দেখে লিঙ্গ আলাদা করতে পারলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজ হয়।
মনে রাখুন: Common gender-এর আরও উদাহরণ: teacher, doctor, child, parent, friend। - ২৭. 'Helen' is the heroine of —
- ক. Macbeth
- খ. Hamlet
- গ. Iliad
- ঘ. As You Like It
উত্তর: গ. Iliad
Helen, Paris, Hector ও Agamemnon হোমারের মহাকাব্য ‘ইলিয়াড’ (Iliad)-এর চরিত্র। হেলেনকে ট্রয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে সুন্দরী নারী বলা হয়। তাঁকে নিয়ে গ্রিক ও ট্রয়বাসীর মধ্যে যুদ্ধ বাধে, যা ট্রয়ের যুদ্ধ নামে পরিচিত। Macbeth, Hamlet ও As You Like It শেক্সপিয়ারের নাটক, যেখানে এই চরিত্র নেই।
মনে রাখুন: ইলিয়াডের আরেক বিখ্যাত চরিত্র অ্যাকিলিস। ইলিয়াড ও ওডিসি দুটিরই রচয়িতা হোমার। - ২৮. The antonym of the word 'meek' is —
- ক. lazy
- খ. fierce
- গ. strong
- ঘ. weak
উত্তর: খ. fierce
Meek শব্দের অর্থ নম্র, শান্ত বা ধৈর্যশীল। যে মানুষ সহজে রাগে না, কারও সঙ্গে ঝগড়া করে না, তাকে meek বলা হয়। তাই এর বিপরীত শব্দ হবে এমন কিছু, যা রাগী ও হিংস্র স্বভাব বোঝায়, আর সেই অর্থ আছে fierce শব্দে। বাকিগুলো মেলে না, কারণ lazy মানে অলস, strong মানে শক্তিশালী আর weak মানে দুর্বল। এগুলোর কোনোটিই নম্রতার উল্টো ভাব প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন:
Meek-এর সমার্থক শব্দ: Humble, Gentle, Docile।
Meek-এর বিপরীত শব্দ: Fierce, Aggressive, Arrogant। - ২৯. A liar is — by all.
- ক. admired
- খ. disgraced
- গ. hated
- ঘ. praised
উত্তর: গ. hated
বাক্যটির অর্থ হলো, মিথ্যাবাদীকে সবাই কী করে? মিথ্যাবাদীর কথা কেউ বিশ্বাস করে না, তাই মানুষ তাকে অপছন্দ ও ঘৃণা করে। সেই অর্থে বসবে hated, অর্থাৎ A liar is hated by all। Admired আর praised মানে প্রশংসা করা, যা মিথ্যাবাদীর জন্য মানায় না। Disgraced মানে অপমানিত বা সম্মান হারানো, যা কোনো ঘটনার ফলে হয়, সবার মনোভাব হিসেবে বাক্যে স্বাভাবিক শোনায় না।
মনে রাখুন: কর্মবাচ্যের বাক্যে কর্তার আগে by বসে, তাই এখানে past participle (Hated) ব্যবহার করা হয়েছে। - ৩১. The correct proverb is —
- ক. Silence is value
- খ. Silence is capital
- গ. Silence is meritorious
- ঘ. Silence is golden
উত্তর: ঘ. Silence is golden
ইংরেজিতে Silence is golden একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ। এর অর্থ, অনেক সময় চুপ থাকাই সবচেয়ে ভালো, কারণ অকারণে কথা বললে বিপদ বা অশান্তি বাড়তে পারে। বাকি বাক্যগুলো, যেমন Silence is value বা Silence is capital, কোনো প্রচলিত প্রবাদ নয়।
মনে রাখুন:
Silence is golden-এর কাছাকাছি বাংলা কথা: কথা রূপা, নীরবতা সোনা।
একই ধরনের আরেকটি প্রবাদ: Speech is silver, silence is golden। - ৩৫. Which spelling is wrong?
- ক. solution
- খ. pollution
- গ. illution
- ঘ. dilution
উত্তর: গ. illution
Solution, pollution ও dilution তিনটিই শুদ্ধ বানান। Illution বলে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই। শব্দটি আসলে illusion, যার অর্থ বিভ্রম বা মায়া। মরুভূমিতে দূর থেকে পানি দেখার মতো ভুল দেখাকে illusion বলে। বানানের নিয়মে -tion ও -sion শেষে আলাদা শব্দ তৈরি করে, তাই এ দুটি ভালো করে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন: Illusion (বিভ্রম) আর allusion (ইঙ্গিত) এবং delusion (ভ্রান্ত বিশ্বাস) দেখতে কাছাকাছি, তাই বানান ও অর্থ আলাদা করে মনে রাখা দরকার। - ৩৬. What is the synonym of 'Delude'?
- ক. Demand
- খ. Permit
- গ. Aggravate
- ঘ. Deceive
উত্তর: ঘ. Deceive
Delude মানে প্রতারণা করা বা ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্ত করা। এই অর্থ আছে deceive শব্দে, তাই এটিই সমার্থক। বাকিগুলোর অর্থ আলাদা: demand মানে দাবি করা, permit মানে অনুমতি দেওয়া, আর aggravate মানে অবস্থা আরও খারাপ করা। যেমন ‘He tried to delude her with false promises’ বাক্যে delude-এর জায়গায় deceive বসানো যায়।
মনে রাখুন: Delude-এর কাছাকাছি শব্দ: mislead, cheat, fool, trick। - ৩৯. Which one is the correct spelling?
- ক. questioriare
- খ. quationaire
- গ. questionnaire
- ঘ. questionire
উত্তর: গ. questionnaire
সঠিক বানান questionnaire, যার অর্থ প্রশ্নমালা। কোনো বিষয়ে অনেক মানুষের মতামত জানতে যে প্রশ্নের তালিকা তৈরি করা হয়, তাকে questionnaire বলে। এর বানানে দুটি n এবং শেষে -aire থাকে। শব্দটি question থেকে এসেছে, তাই শুরুটা question দিয়েই হয়। বাকি অপশনের বানান ভুল।
মনে রাখুন: একই ধরনের ফরাসি উৎসের শব্দ: millionaire, doctrinaire। - ৪২. Which of the following is very near to the underlined words 'life and death'.
- ক. very dangerous
- খ. out and out
- গ. extremely serious
- ঘ. by and large
উত্তর: গ. extremely serious
Life and death এই বাক্যাংশের অর্থ অত্যন্ত গুরুতর, অর্থাৎ যে বিষয়ের ওপর কারও বেঁচে থাকা বা মরে যাওয়া নির্ভর করে। যেমন, It is a matter of life and death বললে বোঝায় বিষয়টি খুবই জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ। এই অর্থের সবচেয়ে কাছের অপশন হলো extremely serious। Very dangerous শুধু বিপদের কথা বলে, কিন্তু জরুরি ও গুরুতর হওয়ার ভাবটি তাতে পুরোপুরি আসে না। বাকি দুটি অপশন আলাদা একটি করে বাগধারা, যেগুলোর অর্থ অন্য।
মনে রাখুন:
Out and out মানে সম্পূর্ণভাবে বা আপাদমস্তক।
By and large মানে মোটের ওপর। - ৪৪. Which word is an adjective?
- ক. organic
- খ. organ
- গ. organise
- ঘ. organically
উত্তর: ক. organic
Organic একটি adjective, যার অর্থ জৈব বা দেহযন্ত্রসংক্রান্ত। Organ একটি noun, অর্থ অঙ্গ বা যন্ত্র। Organise একটি verb, অর্থ সংগঠিত করা। আর organically একটি adverb, অর্থ স্বাভাবিক বা জৈবভাবে। শব্দের শেষ অংশ দেখে তাদের শ্রেণি বোঝা যায়, যেমন -ic প্রায়ই adjective-এর চিহ্ন এবং -ly প্রায়ই adverb-এর চিহ্ন।
মনে রাখুন: Organic farming মানে রাসায়নিক সার ছাড়া চাষ। - ৪৭. Which one is the noun form?
- ক. horrible
- খ. horror
- গ. horrify
- ঘ. horribly
উত্তর: খ. horror
Horror একটি noun, যার অর্থ আতঙ্ক বা বিভীষিকা। একই মূল থেকে তৈরি অন্য শব্দগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণিতে পড়ে। Horrible একটি adjective, অর্থ ভয়ংকর। Horrify একটি verb, অর্থ আতঙ্কিত করা। আর horribly একটি adverb, অর্থ ভয়ংকরভাবে। একটি মূল শব্দ থেকে এভাবে noun, adjective, verb ও adverb চেনার অভ্যাস word form-এর প্রশ্নে খুব কাজে লাগে। যেমন, The horror of the war shocked everyone বাক্যে horror বসেছে noun হিসেবে।
মনে রাখুন:
Horror-এর adjective রূপ horrible বা horrific।
Horror-এর verb রূপ horrify। - ৪৯. Which spelling is not correct?
- ক. committee
- খ. receive
- গ. psychology
- ঘ. seperate
উত্তর: ঘ. seperate
ইংরেজি বানানে চারটি অপশনের মধ্যে একটি ভুল আছে। Committee, receive ও psychology তিনটিই শুদ্ধ বানান। শেষ অপশনের বানান ভুল, এর শুদ্ধ রূপ separate, যার অর্থ পৃথক বা আলাদা। এই শব্দের মাঝখানে -par- থাকে, -per- নয়। মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো, separate শব্দের ভেতরে a rat লুকিয়ে আছে (sep-a-rat-e)। এ ধরনের বানান ভুল পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
মনে রাখুন:
Receive বানানে নিয়ম হলো i before e, except after c, তাই c-এর পরে ei বসে।
Committee বানানে m ও t দুটি করে। - ৫১. A person who knows many language is called—
- ক. a multi-lingual
- খ. bilingual
- গ. polyglot
- ঘ. monolingual
উত্তর: গ. polyglot
যে ব্যক্তি অনেক ভাষা জানে, তাকে polyglot বলে। Poly মানে বহু আর glot মানে ভাষা। Bilingual বলতে বোঝায় যে দুটি ভাষা জানে, আর monolingual বলতে একটি ভাষা জানা ব্যক্তিকে বোঝায়। Multi-lingual শব্দটি সাধারণত বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ব্যক্তিকে বোঝাতে polyglot-ই পরিচিত One word substitution।
মনে রাখুন: Linguist মানে ভাষাবিজ্ঞানী বা যিনি ভাষা নিয়ে চর্চা করেন। - ৫৩. I reached the station after the train (to leave).
- ক. I reached the station after the train has left.
- খ. I reach the station after the train has been left.
- গ. I reached the station after the train left.
- ঘ. I reached the station after the train had left.
উত্তর: ঘ. I reached the station after the train had left.
বাক্যে দুটি ঘটনা আছে: স্টেশনে পৌঁছানো আর ট্রেন ছেড়ে যাওয়া। ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার ঘটনাটি আগে ঘটেছে, তাই সেটি past perfect tense-এ (had left) হবে। পরে ঘটা ঘটনাটি past indefinite (reached) থাকবে। ফলে সঠিক বাক্য I reached the station after the train had left।
মনে রাখুন: অতীতের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছে, সেটির জন্য past perfect ব্যবহার করা হয়। - ৫৪. Which of the following is written by Robert Herrick?
- ক. Patriotism
- খ. Justice
- গ. The Patriot
- ঘ. To Daffodils
উত্তর: ঘ. To Daffodils
Robert Herrick সপ্তদশ শতকের ইংরেজ কবি, আর To Daffodils তাঁর বিখ্যাত কবিতা। এতে ড্যাফোডিল ফুলের ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্যের সঙ্গে মানুষের স্বল্পায়ু জীবনের তুলনা করা হয়েছে। Carpe diem বা বর্তমান সময়ের সদ্ব্যবহারের ভাবনা তাঁর কবিতায় প্রায়ই দেখা যায়।
মনে রাখুন: Herrick-এর আরেকটি পরিচিত কবিতা To the Virgins, to Make Much of Time, আর তাঁর কাব্যগ্রন্থের নাম Hesperides। - ৫৬. The phrase 'End in smoke' means—
- ক. Come to nothing
- খ. Catch fire
- গ. Destruct
- ঘ. Stop smoking
উত্তর: ক. Come to nothing
End in smoke বাগধারার অর্থ কোনো ফল না দিয়ে শেষ হয়ে যাওয়া, অর্থাৎ come to nothing। যেমন, All his plans ended in smoke বললে বোঝায় তার সব পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়ে গেছে। আগুন নিভে গেলে যেমন কেবল ধোঁয়া পড়ে থাকে এবং সেটিও মিলিয়ে যায়, ঠিক তেমনি পরিকল্পনা কিছুই না দিয়ে শেষ হয়। Catch fire মানে আগুন ধরা, Destruct মানে ধ্বংস করা, আর Stop smoking মানে ধূমপান ছাড়া, এগুলোর কোনোটিই এই বাগধারার অর্থ নয়।
মনে রাখুন: Go up in smoke বলেও একই অর্থ বোঝানো যায়। - ৫৭. The correct antonym for ‘superficial’ is —
- ক. careless
- খ. indifferent
- গ. sufficient
- ঘ. deep
উত্তর: ঘ. deep
Superficial শব্দের অর্থ ভাসা-ভাসা বা উপর-উপর, যা গভীরে যায় না। যেমন, a superficial knowledge মানে সামান্য ও অগভীর জ্ঞান। তাই এর বিপরীত শব্দ deep, অর্থাৎ গভীর। Careless মানে অমনোযোগী আর indifferent মানে উদাসীন, দুটির অর্থ কাছাকাছি, কিন্তু কোনোটিই superficial-এর উল্টো অর্থ দেয় না। Sufficient মানে যথেষ্ট, সেটিও এই প্রসঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক। Antonym-এর প্রশ্নে শব্দের প্রকৃত ভাব বুঝে বিপরীত ভাবটি খুঁজতে হয়।
মনে রাখুন: Superficial-এর সমার্থক শব্দ shallow, surface-level। - ৬৩. Which of the following words is a verb also?
- ক. Mister
- খ. Master
- গ. Mistress
- ঘ. Mastery
উত্তর: খ. Master
Master শব্দটি noun হিসেবে ‘প্রভু’ বা ‘ওস্তাদ’ বোঝায়, আবার verb হিসেবে ‘আয়ত্ত করা’ বা ‘দক্ষতা অর্জন করা’ বোঝায়। যেমন, He mastered English মানে সে ইংরেজি ভাষা আয়ত্ত করেছে। বাকি তিনটি শব্দ mister, mistress ও mastery সাধারণত শুধু noun হিসেবেই ব্যবহার হয়। Mister পুরুষের নামের আগে বসে, mistress হলো নারী প্রভু বা শিক্ষিকা এবং mastery মানে দক্ষতা বা কর্তৃত্ব। ইংরেজিতে এ রকম অনেক শব্দ আছে, যা noun ও verb দুই রূপেই ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন: Master-এর verb রূপ: master – mastered – mastered। - ৬৬. He deals — rice.
- ক. with
- খ. for
- গ. of
- ঘ. in
উত্তর: ঘ. in
Deal in কথাটির অর্থ কোনো জিনিসের ব্যবসা বা কারবার করা, তাই He deals in rice বাক্যের অর্থ সে চালের ব্যবসা করে। অন্যদিকে deal with কথাটির অর্থ কারও সঙ্গে ব্যবহার করা বা কোনো সমস্যা সামলানো। এখানে বলা হচ্ছে একজন ব্যবসায়ীর কথা, যার পণ্য হলো চাল, তাই preposition হিসেবে in বসবে। Deal for বা deal of এ ধরনের অর্থে চলে না। Preposition ঠিক করার সময় আগের verb-এর সঙ্গে কোনটি স্বাভাবিকভাবে বসে, তা মনে রাখাই সহজ উপায়।
উদাহরণ:
She deals with customers politely।
The shop deals in garments। - ৬৭. Write down the minutes of the meeting. Here the word 'minutes' means —
- ক. time limit
- খ. written records
- গ. details of the meeting
- ঘ. summary of the meeting
উত্তর: খ. written records
Minutes শব্দটি ‘সময়ের একক’ ছাড়াও আরেকটি অর্থে ব্যবহৃত হয়, আর সেটি হলো সভার কার্যবিবরণী। Write down the minutes of the meeting বাক্যে সভায় যা আলোচনা হয়েছে ও যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার দাপ্তরিক লিখিত রেকর্ড লেখার কথা বলা হয়েছে। তাই written records সবচেয়ে ঠিক উত্তর। Time limit বা সময়সীমা এখানে প্রযোজ্য নয়, আর details বা summary সরাসরি minutes-এর অর্থ নয়, কারণ minutes হলো সংরক্ষিত দাপ্তরিক নথি।
মনে রাখুন:
Minutes সাধারণত সভার সচিব বা নির্ধারিত কর্মকর্তা লেখেন।
সভা শুরুর আগে সাধারণত আগের সভার minutes পড়ে শোনানো হয় ও অনুমোদন নেওয়া হয়। - ৬৮. What type of noun the word 'Rice' is?
- ক. Proper noun
- খ. Common noun
- গ. Abstract noun
- ঘ. Material noun
উত্তর: ঘ. Material noun
Rice একটি material noun। যে noun কোনো বস্তুর নাম বোঝায়, যা দিয়ে অন্য জিনিস তৈরি বা ব্যবহার করা হয় এবং যা গুনে নয়, পরিমাণ দিয়ে মাপা হয়, তাকে material noun বলে। আমরা বলি এক কেজি চাল, কিন্তু এক টুকরো চাল বলি না। Proper noun হলো কোনো ব্যক্তি বা স্থানের নির্দিষ্ট নাম, যেমন Dhaka। Common noun হলো একই শ্রেণির সবাইকে বোঝানো নাম, যেমন boy। আর abstract noun হলো গুণ বা ভাবের নাম, যেমন honesty।
উদাহরণ:
Rice, salt, milk, gold, water।
মনে রাখুন: Material noun সাধারণত uncountable হয়, তাই সামনে a বা an বসে না। - ৭০. Which one is the verb form?
- ক. identity
- খ. identify
- গ. identification
- ঘ. identified
উত্তর: খ. identify
Identify একটি verb, যার অর্থ শনাক্ত করা। Identity একটি noun, অর্থ পরিচয়। Identification-ও একটি noun, অর্থ শনাক্তকরণ। আর identified হলো verb-এর past form বা past participle, অর্থাৎ ক্রিয়াটির অতীত রূপ। প্রশ্নে মূল verb রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর identify। যেমন, Police identified the thief বাক্যে identified হলো past tense, কিন্তু মূল রূপ identify। Word form শেখার সময় শব্দের শেষ অংশ বা suffix দেখে শ্রেণি চেনা সহজ হয়।
মনে রাখুন:
-fy দিয়ে শেষ হওয়া বহু শব্দ verb, যেমন simplify, classify, justify।
-tion বা -ity দিয়ে শেষ হওয়া শব্দ সাধারণত noun। - ৭১. Trace the correct sentence :
- ক. Ever you been to London?
- খ. Have you ever been to London?
- গ. Have you been to London?
- ঘ. Have you had been to London?
উত্তর: খ. Have you ever been to London?
সঠিক বাক্য Have you ever been to London? কারণ জীবনের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে present perfect tense ব্যবহার হয়, আর এতে ever বসে have-এর পরে। Ever you been কাঠামোটি ভুল, আর have you had been কথাটিও ব্যাকরণসম্মত নয়। Have you been to London-ও শুদ্ধ হতে পারে, তবে ever না থাকলে অভিজ্ঞতার প্রশ্নটি তেমন স্পষ্ট হয় না।
মনে রাখুন: Ever প্রশ্নে এবং never উত্তরে বেশি ব্যবহার হয়। - ৭৩. The word 'Climax' means :
- ক. beginning of the plot
- খ. middle of the plot
- গ. end of the plot
- ঘ. height of the plot
উত্তর: ঘ. height of the plot
Climax শব্দের অর্থ নাটক বা গল্পের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ও সর্বোচ্চ বিন্দু। গল্পের শুরুতে চরিত্র ও পরিবেশের পরিচয় থাকে, মাঝখানে দ্বন্দ্ব ধীরে ধীরে বাড়ে, আর climax-এ এসে সেই দ্বন্দ্ব চূড়ান্ত রূপ নেয়। এরপর ঘটনা সমাধানের দিকে এগোয়। তাই climax-এর অর্থ height of the plot। Beginning বা middle বা end কোনোটিই climax-এর অর্থ নয়, কারণ climax গল্পের শুরু, মাঝ বা শেষ নয়, বরং সর্বোচ্চ উত্তেজনার বিন্দু।
মনে রাখুন: Anti-climax মানে উত্তেজনা বাড়ার পর হঠাৎ সাদামাটা পরিণতি। - ৭৪. What is the masculine form of 'Duchess'?
- ক. King
- খ. Duke
- গ. Dutch
- ঘ. Lord
উত্তর: খ. Duke
Duchess হলো ডিউকের স্ত্রী, কিংবা কোনো ডাচির নারী শাসক। এর পুরুষবাচক শব্দ Duke। ইংরেজি অভিজাত পদবির নারী ও পুরুষ রূপ আলাদা হয়, আর এগুলো gender-এর প্রশ্নে প্রায়ই আসে। King ও Lord নিজেরাই পুরুষবাচক শব্দ, কিন্তু Duchess-এর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নেই, কারণ Duchess-এর সঠিক জোড়া হলো Duke। Dutch আসলে নেদারল্যান্ডসের মানুষ বা ভাষাকে বোঝায়, তাই ওই অপশনটি এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখুন:
King – Queen।
Emperor – Empress।
Lord – Lady।
Count – Countess। - ৭৯. What do you mean by the word 'expunge'?
- ক. to delete
- খ. to add
- গ. to improve
- ঘ. to include
উত্তর: ক. to delete
Expunge মানে মুছে ফেলা বা সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া, তাই কাছাকাছি অর্থ delete। যেমন, The name was expunged from the record বললে বোঝায় নামটি নথি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। এই শব্দটি বিশেষ করে লিখিত রেকর্ড বা নথি থেকে কিছু তুলে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। বাকি অপশনগুলো উল্টো ভাব বোঝায়: add মানে যোগ করা, improve মানে উন্নত করা, আর include মানে অন্তর্ভুক্ত করা। তাই এগুলোর কোনোটিই সঠিক নয়।
মনে রাখুন: Expunge-এর সমার্থক erase, remove, wipe out। - ৮০. The word 'pathetic' means —
- ক. hypothetic
- খ. sympathetic
- গ. tragic
- ঘ. pleasing
উত্তর: গ. tragic
Pathetic শব্দের অর্থ করুণ বা দুঃখজনক, যা দেখলে বা শুনলে মনে মায়া জাগে। তাই কাছাকাছি অর্থ tragic। Sympathetic শব্দটি দেখতে কাছাকাছি হলেও এর অর্থ আলাদা, সহানুভূতিশীল, অর্থাৎ যে অন্যের কষ্টে ব্যথিত হয়। Hypothetic মানে অনুমানভিত্তিক, আর pleasing মানে আনন্দদায়ক। আকৃতির মিল দেখে অর্থ ধরে নিলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হয়।
মনে রাখুন: Pathetic ও sympathetic-এর মূল অংশ একই (গ্রিক pathos, অর্থ অনুভূতি), তবে ব্যবহার আলাদা।
Sympathy মানে সহানুভূতি, আর pathos মানে করুণ রস বা অনুভূতি। - ৮১. 'A white elephant' means —
- ক. an elephant with white colour
- খ. a hoarder
- গ. a costly thing
- ঘ. a store house
উত্তর: গ. a costly thing
A white elephant বলতে এমন জিনিস বোঝায়, যা অনেক দামি ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয়বহুল, অথচ কাজে লাগে না। প্রচলিত গল্প অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে সাদা হাতি রাজার কাছে পবিত্র ছিল, কিন্তু তাকে পুষতে বিপুল খরচ হতো। তাই অর্থ a costly thing।
মনে রাখুন: সাদা হাতি বলতে যদি শুধু রঙ বোঝানো হতো, তাহলে প্রথম অপশন ঠিক হতো, কিন্তু phrase-এর অর্থ তা নয়। - ৮২. He retired — a pension.
- ক. from
- খ. into
- গ. to
- ঘ. on
উত্তর: ঘ. on
Retire on a pension অর্থ পেনশন নিয়ে অবসরে যাওয়া। এখানে on বসে, কারণ অবসরের পর জীবনধারণ পেনশনের ওপর নির্ভর করে। Retire from মানে কোনো চাকরি বা পদ থেকে সরে যাওয়া, যেমন retire from service। দুটি ভিন্ন preposition দুটি ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে। কোথা থেকে অবসর নেওয়া হচ্ছে বোঝাতে from বসে, আর কীসের ওপর নির্ভর করে অবসর জীবন চলছে বোঝাতে on বসে। প্রশ্নে চাকরির কথা না থেকে পেনশনের কথা আছে, তাই on-ই ঠিক।
মনে রাখুন: He retired from the army on a pension। - ৮৪. Which is an example of verbal noun?
- ক. Writing a good letter is difficult.
- খ. The writing of a good letter is difficult.
- গ. Good letter writing is difficult.
- ঘ. It is very difficult to write a good letter.
উত্তর: খ. The writing of a good letter is difficult.
Verbal noun-এর বিশেষত্ব হলো, verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত হয়ে তা noun-এর মতো কাজ করে, এর আগে the থাকে এবং পরে of বসে। এখানে The writing of a good letter পুরো অংশটিই এই কাঠামোতে আছে। অন্য বাক্যগুলো gerund বা infinitive ব্যবহার করেছে।
মনে রাখুন: Verbal noun-এর আগে the এবং পরে of থাকে, কিন্তু gerund-এ সাধারণত থাকে না। - ৮৫. We should have no sympathy— war criminals of 1971.
- ক. with
- খ. for
- গ. at
- ঘ. to
উত্তর: খ. for
Sympathy শব্দের পরে সাধারণত for বসে, যেমন sympathy for the victims, অর্থাৎ ভুক্তভোগীদের প্রতি সহানুভূতি। এ বাক্যে বলা হচ্ছে ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি আমাদের কোনো সহানুভূতি থাকা উচিত নয়, তাই for ঠিক। With ব্যবহার হয় যখন কারও অনুভূতি বা মতের সঙ্গে একমত হওয়া বোঝায়, যেমন I have sympathy with his view। এখানে কোনো মতের সঙ্গে একমত হওয়ার প্রসঙ্গ নেই, বরং কারও প্রতি করুণা বোঝানো হচ্ছে। তাই with নয়, for-ই বসবে।
মনে রাখুন: Have sympathy for someone মানে কারও প্রতি করুণা বোধ করা। - ৮৭. The word 'army' is a —
- ক. proper noun
- খ. common noun
- গ. collective noun
- ঘ. material noun
উত্তর: গ. collective noun
Army একটি collective noun, কারণ এটি বহু সৈনিকের সমষ্টিকে একটি নামে প্রকাশ করে। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা স্থানের নাম হলে proper noun হতো, আর কোনো বস্তুর উপাদান বোঝালে material noun হতো।
উদাহরণ:
Army, committee, class, group, team, jury।
মনে রাখুন: Collective noun-এর সঙ্গে একক হিসেবে ভাবলে singular verb, আর সদস্যদের আলাদা ভাবে ধরলে plural verb বসে। - ৯০. The word 'least' is the superlative degree of —
- ক. little
- খ. less
- গ. none
- ঘ. lesser
উত্তর: ক. little
Least শব্দটি little-এর superlative degree। Little শব্দের তিনটি রূপ হলো little – less – least, অর্থাৎ positive, comparative ও superlative। এগুলো নিয়মমাফিক -er বা -est যোগ করে তৈরি হয় না, তাই irregular degree বলা হয়। Lesser আলাদা একটি adjective, যা মূলত ছোট বা কম গুরুত্বপূর্ণ বোঝায়, যেমন the lesser evil, তাই সেটি superlative নয়। None সংখ্যা বা পরিমাণ বোঝায়, এর কোনো degree নেই।
মনে রাখুন:
Good – better – best।
Many/Much – more – most।
Far – farther/further – farthest/furthest। - ৯২. He could not win but learned a lot. Which parts of speech is the word 'but'?
- ক. An adjective
- খ. An adverb
- গ. A verb
- ঘ. A conjunction
উত্তর: ঘ. A conjunction
He could not win but learned a lot বাক্যে but শব্দটি দুটি অংশকে বিপরীত ভাবে যুক্ত করেছে: সে জিততে পারেনি, কিন্তু অনেক কিছু শিখেছে। যে শব্দ দুটি clause বা বাক্যকে জোড়া লাগায়, তাকে conjunction বলে। তাই এখানে but হলো conjunction। Adjective কোনো noun-এর গুণ বোঝায়, adverb ক্রিয়ার ধরন বোঝায়, আর verb কাজ বোঝায়, কিন্তু but এখানে এসবের কোনোটিই করছে না। Part of speech চেনার জন্য বাক্যে শব্দটির কাজ দেখতে হয়, শুধু শব্দ দেখে নয়।
মনে রাখুন: But কখনো preposition-ও হয়, যেমন Everyone but him came। - ৯৪. Which of the following is in the correct plural form of the word?
- ক. phenomenons
- খ. phenomenon
- গ. phenomene
- ঘ. phenomenas
উত্তর: ক. phenomenons
ইংরেজিতে phenomenon শব্দের প্রচলিত বহুবচন phenomena, কারণ শব্দটি গ্রিক নিয়মে বহুবচন হয়। কিন্তু প্রশ্নের অপশনে phenomena নেই। এখন অপশনগুলো দেখা যাক। Phenomenon তো একবচন, তাই বহুবচন হিসেবে তা চলে না। Phenomene ও phenomenas সম্পূর্ণ ভুল রূপ। Phenomenons রূপটিকে কিছু অভিধান বহুবচন হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাই অপশনের মধ্যে সবচেয়ে ঠিক উত্তর phenomenons।
মনে রাখুন:
Criterion – criteria।
Basis – bases।
Crisis – crises।
এই শব্দগুলো গ্রিক ও ল্যাটিন নিয়মে বহুবচন হয়। - ৯৫. 'To carry coals to Newcastle' means —
- ক. To do something meaningless
- খ. To do something meaningful
- গ. To meet the demand of coal there
- ঘ. None of the above
উত্তর: ক. To do something meaningless
To carry coals to Newcastle কথাটির অর্থ এমন কাজ করা, যা অপ্রয়োজনীয় ও অর্থহীন। Newcastle ছিল ইংল্যান্ডের কয়লা উত্তোলনের বিখ্যাত শহর। যেখানে কয়লা এমনিতেই প্রচুর পাওয়া যায়, সেখানে আলাদা করে কয়লা নিয়ে যাওয়া বোকামি। এ কারণে বাগধারাটি অপ্রয়োজনীয় কাজ বোঝাতে ব্যবহার হয়। বাংলায় এর কাছাকাছি কথা তেলা মাথায় তেল দেওয়া। কাজেই এটি meaningful কাজ নয়, আর কয়লার চাহিদা মেটানোর কথাও এখানে বলা হচ্ছে না।
মনে রাখুন: অন্য কাছাকাছি phrase: Sell ice to Eskimos। - ৯৭. Who wrote 'The Odyssey and The Iliad'?
- ক. Milton
- খ. Homer
- গ. Virgil
- ঘ. Hofmann
উত্তর: খ. Homer
The Iliad ও The Odyssey মহাকাব্য দুটির রচয়িতা প্রাচীন গ্রিক কবি Homer। The Iliad-এ ট্রয় যুদ্ধের কাহিনি আছে, আর The Odyssey-তে যুদ্ধের পর বীর ওডিসিউসের দেশে ফেরার দীর্ঘ যাত্রা বর্ণিত। Milton লিখেছেন Paradise Lost, যা ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত মহাকাব্য। Virgil লিখেছেন The Aeneid, যা ল্যাটিন ভাষার মহাকাব্য। ইংরেজি সাহিত্যে এই দুটি রচনাকে epic বা মহাকাব্য বলা হয়।
মনে রাখুন:
Milton – Paradise Lost।
Virgil – The Aeneid।
Homer – The Iliad ও The Odyssey।
গণিত
- ৯৮. U সেটের উপসেট সংখ্যা 64 হলে, U এর সদস্য সংখ্যা কত?
- ক. 2
- খ. 4
- গ. 5
- ঘ. 6
উত্তর: ঘ. 6
কোনো সেটের সদস্য সংখ্যা n হলে তার উপসেট সংখ্যা 2^n। এখানে 2^n = 64 = 2^6, তাই n = 6। যাচাই করলে 2^6 = 64 মেলে।
মনে রাখুন: প্রকৃত উপসেট সংখ্যা 2^n − 1 এবং প্রকৃত ও ফাঁকা বাদে 2^n − 2। - ১০৪. 3, a, b, 81 গুণোত্তর ধারাভুক্ত হলে b = কত?
- ক. ৯
- খ. ১২
- গ. ১৮
- ঘ. ২৭
উত্তর: ঘ. ২৭
3, a, b, 81 গুণোত্তর ধারার পদ হলে সাধারণ অনুপাত q ধরলে চতুর্থ পদ 3q³ = 81, অর্থাৎ q³ = 27 এবং q = 3। তাহলে a = 3 × 3 = 9 আর b = 9 × 3 = 27। যাচাই করা যায়: 3, 9, 27, 81, প্রতিটি পদকে 3 দিয়ে গুণ করলে পরের পদ আসে।
মনে রাখুন: গুণোত্তর ধারার n-তম পদ = ar^(n−1)। - ১০৬. x − 1/x = 2 হলে, (x + 1/x)² = ?
- ক. 4
- খ. 16
- গ. 8
- ঘ. 6
উত্তর: গ. 8
এখানে সরাসরি x-এর মান বের না করেও সমাধান করা যায়। আমরা জানি, (x + 1/x)² = (x − 1/x)² + 4·x·(1/x)। যেহেতু x·(1/x) = 1, তাই (x + 1/x)² = (x − 1/x)² + 4 = 2² + 4 = 8।
মনে রাখুন:
(a + b)² = (a − b)² + 4ab
(a − b)² = (a + b)² − 4ab
একই নিয়মে x + 1/x = 3 হলে (x − 1/x)² = 9 − 4 = 5 হয়। - ১০৭. log₂64 + log₂8 -এর মান কত?
- ক. 9
- খ. 27
- গ. 18
- ঘ. 10
উত্তর: ক. 9
লগারিদমের মূল কথা হলো, log₂64 মানে ২-কে কত ঘাত দিলে ৬৪ হয়। যেহেতু 64 = 2⁶, তাই log₂64 = 6। একইভাবে 8 = 2³, তাই log₂8 = 3। দুটি যোগ করলে 6 + 3 = 9। আরেকভাবেও করা যায়: log₂64 + log₂8 = log₂(64 × 8) = log₂512 = log₂2⁹ = 9।
মনে রাখুন:
log(ab) = log a + log b
log(a/b) = log a − log b
log_a(aⁿ) = n - ১০৯. একটি ঘনক আকৃতির বাক্সের বাহুর দৈর্ঘ্য ৩ মিটার হলে বাক্সের তলের মোট ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
- ক. ৯
- খ. ১৮
- গ. ২৭
- ঘ. ৫৪
উত্তর: ঘ. ৫৪
ঘনকের (Cube) ছয়টি তল থাকে এবং প্রতিটি তল বর্গাকার। বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে একটি তলের ক্ষেত্রফল a²। তাই মোট তলের ক্ষেত্রফল = 6a² = 6 × 3² = 6 × 9 = 54 বর্গমিটার।
মনে রাখুন:
ঘনকের আয়তন = a³ = 27 ঘনমিটার
ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য = a√3
ঘনকের ১২টি ধার ও ৮টি শীর্ষবিন্দু আছে। - ১১০. ৫ সেমি ব্যাসার্ধের বৃত্তের কেন্দ্র হতে ৩ সেমি দূরত্বে অবস্থিত জ্যা-এর দৈর্ঘ্য কত সেমি?
- ক. ৪
- খ. ৮
- গ. ৯
- ঘ. ৫
উত্তর: খ. ৮
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর ওপর লম্ব টানলে লম্বটি জ্যা-কে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। কেন্দ্র O থেকে জ্যা AB-এর ওপর লম্ব OD, তাই D হলো AB-এর মধ্যবিন্দু। সমকোণী ত্রিভুজ ODB-তে পিথাগোরাসের সূত্র খাটিয়ে পাই DB² = OB² − OD² = 5² − 3² = 25 − 9 = 16, অতএব DB = 4 সেমি। পুরো জ্যা AB = 2 × 4 = 8 সেমি।
মনে রাখুন: ৪ সেমি হলো জ্যা-এর অর্ধেক, পুরো জ্যা নয়। এই ভুল উত্তরটিই এখানে অপশনে দেওয়া আছে।
৩-৪-৫ এই তিন সংখ্যাকে পিথাগোরীয় ত্রয়ী বলা হয়। - ১১২. (৩, −৫) বিন্দুটি কোন চতুর্ভাগে অবস্থিত?
- ক. ১ম
- খ. ২য়
- গ. ৩য়
- ঘ. ৪র্থ
উত্তর: ঘ. ৪র্থ
স্থানাঙ্ক-তলে কোনো বিন্দুর অবস্থান x ও y-এর চিহ্ন দেখে বোঝা যায়। (3, −5) বিন্দুতে x ধনাত্মক এবং y ঋণাত্মক। যে চতুর্ভাগে x ধনাত্মক ও y ঋণাত্মক, সেটি ৪র্থ চতুর্ভাগ।
মনে রাখুন:
১ম চতুর্ভাগ: (+, +)
২য় চতুর্ভাগ: (−, +)
৩য় চতুর্ভাগ: (−, −)
৪র্থ চতুর্ভাগ: (+, −)
চতুর্ভাগগুলো ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে গোনা হয়। - ১১৩. (x − y, 3) = (0, x + 2y) হলে (x, y) = ?
- ক. (−1, −1)
- খ. (1, 3)
- গ. (−1, −3)
- ঘ. (1, 1)
উত্তর: ঘ. (1, 1)
দুটি ক্রমজোড় সমান হলে তাদের প্রথম উপাদান প্রথমটির সঙ্গে এবং দ্বিতীয় উপাদান দ্বিতীয়টির সঙ্গে সমান হয়। তাই x − y = 0 এবং x + 2y = 3। প্রথম সমীকরণ থেকে x = y। এটি দ্বিতীয়টিতে বসালে y + 2y = 3, অর্থাৎ 3y = 3, তাই y = 1 এবং x = 1। সুতরাং (x, y) = (1, 1)। যাচাই: (1 − 1, 3) = (0, 3) এবং (0, 1 + 2) = (0, 3), দুটি মেলে। - ১১৭. ৫০০ টাকায় কোন জিনিস ক্রয় করে শতকরা ৮ টাকা লাভে বিক্রয় করা হলে বিক্রয়মূল্য কত টাকা হবে?
- ক. ১০৮
- খ. ২০৮
- গ. ৫৪০
- ঘ. ৫৮০
উত্তর: গ. ৫৪০
লাভের হার সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়। ক্রয়মূল্য 500 টাকা এবং লাভ 8%, তাই লাভ = 500 × 8/100 = 40 টাকা। অতএব বিক্রয়মূল্য = 500 + 40 = 540 টাকা। সরাসরিও করা যায়: 500 × 108/100 = 540।
মনে রাখুন:
বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য + লাভ
লাভ% = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × 100
ক্ষতির ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য − ক্ষতি। - ১১৮. ২৮ সেমি ব্যাসার্ধের বৃত্তের পরিধি কত সেমি?
- ক. ৮৮
- খ. ১৭৬
- গ. ২৪৯
- ঘ. ৪৯০
উত্তর: খ. ১৭৬
বৃত্তের পরিধি (Circumference) বের করার সূত্র 2πr, যেখানে r হলো ব্যাসার্ধ। এখানে r = 28 সেমি এবং π = 22/7 ধরলে পরিধি = 2 × (22/7) × 28 = 2 × 22 × 4 = 176 সেমি।
মনে রাখুন:
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²
পরিধি = πd, যেখানে d ব্যাস
আর্ধবৃত্তের পরিধি = πr + 2r - ১২৩. 1 + tan²θ = 4 হলে, θ = কত?
- ক. 0°
- খ. 30°
- গ. 45°
- ঘ. 60°
উত্তর: ঘ. 60°
আমরা জানি 1 + tan²θ = sec²θ। শর্ত অনুযায়ী sec²θ = 4, তাই secθ = 2। যেহেতু secθ = 1/cosθ, তাই cosθ = 1/2। cos60° = 1/2, অতএব θ = 60°। যাচাই: tan60° = √3, তাই 1 + 3 = 4, মেলে।
মনে রাখুন:
sin²θ + cos²θ = 1
1 + cot²θ = cosec²θ
sin30° = 1/2, cos60° = 1/2, tan45° = 1 - ১২৪. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য বিস্তারের ৩ গুণ। ক্ষেত্রফল ১২০০ বর্গমিটার হলে এর পরিসীমা কত?
- ক. ১৩০ মিটার
- খ. ১৪০ মিটার
- গ. ১৫০ মিটার
- ঘ. ১৬০ মিটার
উত্তর: ঘ. ১৬০ মিটার
বিস্তার x হলে দৈর্ঘ্য 3x হয়। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × বিস্তার, তাই 3x × x = 1200, অর্থাৎ x² = 400 এবং x = 20। বিস্তার 20 মিটার এবং দৈর্ঘ্য 60 মিটার। পরিসীমা = 2 × (দৈর্ঘ্য + বিস্তার) = 2 × (60 + 20) = 160 মিটার।
মনে রাখুন:
আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য² + বিস্তার²)
বর্গের পরিসীমা = 4 × বাহু - ১২৫. গ্যাসের দাম ৪০% বেড়ে যাওয়ায় কোনো পরিবার গ্যাসের ব্যবহার এমনভাবে কমান যে গ্যাসের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকলো। গ্যাসের ব্যবহার শতকরা কত কমিয়েছিল?
- ক. ৮২.৫৭%
- খ. ৮২.৭৫%
- গ. ২৮.৫৭%
- ঘ. ২৮.৭৫%
উত্তর: গ. ২৮.৫৭%
ধরা যাক আগে পরিবারটি 100 টাকার গ্যাস কিনত। দাম 40% বাড়লে একই পরিমাণ গ্যাসের দাম হয় 140 টাকা। কিন্তু ব্যয় অপরিবর্তিত থাকলে তারা এখন 100 টাকাতেই কিনবে। অর্থাৎ 140 টাকার গ্যাসের জায়গায় 100 টাকার গ্যাস কিনবে, তাই কমল 40 টাকার গ্যাস। শতকরা কমা = (40/140) × 100 = 28.57%।
মনে রাখুন: দাম p% বাড়লে ব্যবহার কমাতে হবে (p/(100 + p)) × 100 %। উল্টো দিকে দাম p% কমলে ব্যবহার (p/(100 − p)) × 100 % বাড়ানো যায়। - ১২৬. বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা মুনাফায় ২০০০ টাকা ব্যাংকে জমা রাখলে দ্বিতীয় বছরান্তে সবৃদ্ধি মূলধন কত?
- ক. ২২০০ টাকা
- খ. ২৩০০ টাকা
- গ. ২৪০০ টাকা
- ঘ. ২৫০০ টাকা
উত্তর: গ. ২৪০০ টাকা
প্রশ্নে মুনাফা সরল হারে ধরা হয়েছে। সরল মুনাফা = (আসল × হার × সময়)/100 = (2000 × 10 × 2)/100 = 400 টাকা। দুই বছর পরের সবৃদ্ধি মূলধন (Amount) = আসল + মুনাফা = 2000 + 400 = 2400 টাকা। চক্রবৃদ্ধি হারে হিসাব করলে 2420 টাকা হতো, কিন্তু সেটি অপশনে নেই।
মনে রাখুন:
সবৃদ্ধি মূলধন = আসল + মুনাফা
সরল মুনাফা বছরে বছরে একই থাকে, চক্রবৃদ্ধিতে মুনাফার ওপরও মুনাফা ধরা হয়। - ১৩১. 3x = y + 3 সরলরেখাটির উপরিস্থ বিন্দু কোনটি?
- ক. (0, −2)
- খ. (−2, 3)
- গ. (1, 1)
- ঘ. (2, 3)
উত্তর: ঘ. (2, 3)
কোনো বিন্দু রেখার ওপর থাকলে বিন্দুর স্থানাঙ্ক সমীকরণকে সিদ্ধ করে। (2, 3) বসালে বাম দিক 3x = 6, ডান দিক y + 3 = 3 + 3 = 6, তাই মেলে। অন্যগুলো মেলে না: (0, −2) বসালে 0 ≠ 1, (−2, 3) বসালে −6 ≠ 6, আর (1, 1) বসালে 3 ≠ 4।
মনে রাখুন: সরলরেখার সমীকরণ y = mx + c আকারে লিখলে m হলো ঢাল। এখানে y = 3x − 3, তাই ঢাল 3 এবং y-অক্ষের ছেদ −3। - ১৩২. ∛(1+x) = 2 হলে, x এর মান কত?
- ক. 1
- খ. 2
- গ. 5
- ঘ. 7
উত্তর: ঘ. 7
ঘনমূলের চিহ্ন সরাতে উভয় পক্ষকে ঘন করি। ∛(1 + x) = 2 হলে 1 + x = 2³ = 8। অতএব x = 8 − 1 = 7। যাচাই: ∛(1 + 7) = ∛8 = 2।
মনে রাখুন: ঘনসংখ্যা 1, 8, 27, 64, 125। বর্গমূলের ক্ষেত্রে বর্গ করতে হয়, ঘনমূলে ঘন। - ১৩৬. জোড় মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
- ক. ১টি
- খ. ২টি
- গ. অসংখ্য
- ঘ. ৩টি
উত্তর: ক. ১টি
মৌলিক সংখ্যা এমন সংখ্যা, যাকে ১ ও নিজে ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না। জোড় সংখ্যা মানেই ২ দিয়ে ভাগ যায়। তাই ২-এর চেয়ে বড় কোনো জোড় সংখ্যা মৌলিক হতে পারে না, কারণ তাকে ২ দিয়েও ভাগ করা যাবে। ২ নিজে মৌলিক, তাই জোড় মৌলিক সংখ্যা মাত্র একটি।
মনে রাখুন:
২ সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা।
১ মৌলিকও নয়, যৌগিকও নয়।
মৌলিক সংখ্যা অসংখ্য। - ১৩৮. সূর্যের উন্নতি কোণ 60° হলে একটি মিনারের ছায়ার দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় 240 মিটার। মিনারের উচ্চতা কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. 240√3
- খ. 204√3
- গ. 24√3
- ঘ. 420√3
উত্তর: ক. 240√3
সূর্যের উন্নতি কোণ হলো সূর্যের রশ্মি ভূমির সঙ্গে যে কোণ তৈরি করে। মিনারটি ভূমির সঙ্গে লম্ব, তাই মিনার, ছায়া ও সূর্যরশ্মি একটি সমকোণী ত্রিভুজ গড়ে। এখানে ভূমি অর্থাৎ ছায়া 240 মিটার এবং কোণ 60°। tanθ = লম্ব/ভূমি, তাই tan60° = উচ্চতা/240। tan60° = √3, অতএব উচ্চতা = 240√3 মিটার।
মনে রাখুন: কোণ 45° হলে উচ্চতা আর ছায়া সমান হয়, কারণ tan45° = 1। - ১৪০. একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 4√3 বর্গমিটার হলে বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
- ক. √3/4 মিটার
- খ. √3 মিটার
- গ. 4 মিটার
- ঘ. 16 মিটার
উত্তর: গ. 4 মিটার
সমবাহু ত্রিভুজের বাহু a হলে ক্ষেত্রফল (√3/4)a²। শর্ত অনুযায়ী (√3/4)a² = 4√3। দুই পক্ষ থেকে √3 বাদ দিলে a²/4 = 4, তাই a² = 16 এবং a = 4 মিটার।
মনে রাখুন:
সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = (√3/2)a
পরিসীমা = 3a - ১৪১. x + y = 14 হলে, xy এর বৃহত্তম মান কত?
- ক. ২৮
- খ. ৪৯
- গ. ৬৩
- ঘ. ৮০
উত্তর: খ. ৪৯
x + y = 14 হলে y = 14 − x, তাই xy = x(14 − x) = 14x − x²। এই রাশিকে পূর্ণবর্গ আকারে লিখলে xy = 49 − (x − 7)²। বর্গ কখনো ঋণাত্মক হয় না, তাই (x − 7)² সবচেয়ে কম হয় 0, যখন x = 7। তখন xy-এর বৃহত্তম মান 49।
মনে রাখুন: দুটি ধনাত্মক সংখ্যার যোগফল স্থির থাকলে তাদের গুণফল সবচেয়ে বড় হয় সংখ্যা দুটি সমান হলে। আবার গুণফল স্থির থাকলে যোগফল সবচেয়ে ছোট হয় সংখ্যা দুটি সমান হলে। - ১৪২. একটি বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ৮০ মিটার প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ১০% বাড়লে ক্ষেত্রফল কত বাড়বে?
- ক. ২১%
- খ. ২৫%
- গ. ৩০%
- ঘ. ৩৫%
উত্তর: ক. ২১%
বর্গের বাহু 10% বাড়লে নতুন বাহু হয় আগের বাহুর 110/100 = 1.1 গুণ। ক্ষেত্রফল বাহুর বর্গ, তাই নতুন ক্ষেত্রফল হয় 1.1² = 1.21 গুণ। অর্থাৎ ক্ষেত্রফল বাড়ে 21%। বাহুর দৈর্ঘ্য ৮০ মিটার হোক বা অন্য কিছু, ফল একই থাকে।
মনে রাখুন: দুটি রাশি যথাক্রমে a% ও b% বাড়লে গুণফল বাড়ে a + b + ab/100 শতাংশ। এখানে 10 + 10 + 1 = 21। - ১৪৪. ২০১৪ সালে গ্রামীণ ফোনের সিমের দাম ১০০ টাকা ছিল। ২ বছরের জন্য প্রতিবছর সিমের দাম ১০% করে বৃদ্ধি পেলে ২০১৬ সালে সিমের দাম কত ছিল?
- ক. ১২০ টাকা
- খ. ১২৪ টাকা
- গ. ১২১ টাকা
- ঘ. ১২২ টাকা
উত্তর: গ. ১২১ টাকা
প্রতি বছর দাম 10% বাড়ছে, আর এখানে বৃদ্ধি আগের বছরের দামের ওপর ধরতে হবে। ১ম বছর শেষে দাম হয় 100 × 110/100 = 110 টাকা। ২য় বছর শেষে দাম হয় 110 × 110/100 = 121 টাকা। অতএব ২০১৬ সালে সিমের দাম 121 টাকা। সরাসরি: 100 × (1.1)² = 121।
মনে রাখুন: প্রতি বছর একই হারে বাড়লে সূত্র P × (1 + r/100)ⁿ। এটি চক্রবৃদ্ধি হারের সূত্রের মতোই। - ১৪৫. একটি সংখ্যা ৫৬০ থেকে যতবড় ৮০০ থেকে তত ছোট। সংখ্যাটি কত?
- ক. ৬৭৫
- খ. ৬৮০
- গ. ৬৩০
- ঘ. ৬৫৫
উত্তর: খ. ৬৮০
সংখ্যাটি 560 থেকে যতটা বড়, 800 থেকে ততটাই ছোট। তার মানে সংখ্যাটি 560 ও 800-এর ঠিক মাঝখানে। মাঝখানের সংখ্যা পেতে দুটির গড় নিই: (560 + 800)/2 = 1360/2 = 680। যাচাই: 680 − 560 = 120 এবং 800 − 680 = 120।
মনে রাখুন: x − 560 = 800 − x সমীকরণ থেকেও 2x = 1360 অর্থাৎ x = 680 পাওয়া যায়। - ১৪৮. কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. 150°
- খ. 180°
- গ. 360°
- ঘ. 540°
উত্তর: গ. 360°
ত্রিভুজের প্রতিটি শীর্ষে একটি করে বহিঃস্থ কোণ ধরলে তিনটি বহিঃস্থ কোণ পাওয়া যায়। প্রতিটি শীর্ষে অন্তঃস্থ কোণ ও বহিঃস্থ কোণ মিলে 180°। তিন শীর্ষে মোট 3 × 180° = 540°। এর মধ্যে তিন অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টি 180°। তাই বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = 540° − 180° = 360°।
মনে রাখুন:
যেকোনো উত্তল বহুভুজের বহিঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি সবসময় 360°।
ত্রিভুজের একটি বহিঃস্থ কোণ তার বিপরীত দুই অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টির সমান। - ১৪৯. 3ⁿ ÷ 3ⁿ⁻¹ = কত?
- ক. 2
- খ. 3
- গ. 1
- ঘ. 1.5
উত্তর: খ. 3
একই ভিত্তির ঘাতের ভাগে ঘাত বিয়োগ হয়। তাই 3ⁿ ÷ 3ⁿ⁻¹ = 3^(n − (n − 1)) = 3¹ = 3। আরেকভাবে, 3ⁿ⁻¹ = 3ⁿ/3, সুতরাং 3ⁿ ÷ (3ⁿ/3) = 3।
মনে রাখুন:
aᵐ × aⁿ = aᵐ⁺ⁿ
aᵐ ÷ aⁿ = aᵐ⁻ⁿ
(aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ
a⁰ = 1 - ১৫০. একটি কার ওয়াশার ৮টি কার ওয়াশ করে ৩৬ মিনিটে। এ হারে তিন ঘণ্টায় কয়টি কার ওয়াশ করবে?
- ক. ৮০টি
- খ. ৪০টি
- গ. ৫০টি
- ঘ. ৬০টি
উত্তর: খ. ৪০টি
প্রথমে সময়কে একক মিনিটে আনি। 3 ঘণ্টা = 180 মিনিট। 36 মিনিটে 8টি গাড়ি ধুলে 1 মিনিটে ধোয়া হয় 8/36 টি। তাই 180 মিনিটে ধোয়া হবে (8 × 180)/36 = 40টি। অন্যভাবে, 180 মিনিটে 36 মিনিটের পাঁচটি ভাগ আছে, তাই 8 × 5 = 40।
মনে রাখুন: সময় বাড়লে কাজের পরিমাণও বাড়ে, একে সরল সমানুপাত বলে। এ জাতীয় অঙ্কে সময়ের একক এক করে নেওয়া জরুরি। - ১৫১. (4ˣ − 1)/(2ˣ − 1) এর মান কোনটি?
- ক. 2ˣ−1
- খ. 2ˣ+1
- গ. 2ˣ⁺¹
- ঘ. 2ˣ⁻¹
উত্তর: খ. 2ˣ+1
4ˣ কে লেখা যায় (2²)ˣ = (2ˣ)²। তাই লবটি (2ˣ)² − 1², যা a² − b² আকারের। এটি (a + b)(a − b) হিসেবে ভাঙলে লব = (2ˣ + 1)(2ˣ − 1)। হরও 2ˣ − 1। সাধারণ উৎপাদক 2ˣ − 1 কেটে দিলে থাকে 2ˣ + 1।
মনে রাখুন:
a² − b² = (a + b)(a − b)
(aᵐ)ⁿ = aᵐⁿ
কাটার আগে দেখে নিতে হবে হর শূন্য নয়, এখানে x ≠ 0। - ১৫৬. 400 এর লগ 4 হলে ভিত্তি কত?
- ক. √5
- খ. 2√4
- গ. 2√5
- ঘ. √2
উত্তর: গ. 2√5
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_x 400 = 4 মানে x⁴ = 400। এখান থেকে x = 400^(1/4) = (20²)^(1/4) = √20 = 2√5। যাচাই: (2√5)⁴ = 16 × 25 = 400।
মনে রাখুন:
log_a N = x হলে aˣ = N
log_a a = 1, log_a 1 = 0
অপশনের 2√4 = 4, আর 4⁴ = 256, তাই এটি নয়। - ১৫৮. a³ + 1/a³ = 18 হলে, a + 1/a = কত?
- ক. 6
- খ. 3
- গ. 0
- ঘ. 1
উত্তর: খ. 3
a + 1/a = t ধরি। তাহলে t³ = a³ + 1/a³ + 3(a + 1/a), অর্থাৎ a³ + 1/a³ = t³ − 3t। শর্ত অনুযায়ী t³ − 3t = 18। অপশন থেকে t = 3 বসিয়ে পাই 27 − 9 = 18, মেলে। অন্য অপশনে মেলে না, যেমন t = 6 হলে 216 − 18 = 198।
মনে রাখুন:
(a + 1/a)³ = a³ + 1/a³ + 3(a + 1/a)
(a − 1/a)³ = a³ − 1/a³ − 3(a − 1/a) - ১৬০. ২৪ লিটার দুধ ও পানির মিশ্রণে ২০% পানি আছে। ঐ মিশ্রণে কতটুকু পানি মেশালে মিশ্রণে ৪০% পানি হবে?
- ক. ৮ লিটার
- খ. ৪ লিটার
- গ. ৬ লিটার
- ঘ. ১০ লিটার
উত্তর: ক. ৮ লিটার
মিশ্রণ 24 লিটার, তাতে পানি 20%, অর্থাৎ পানি = 24 × 20/100 = 4.8 লিটার। আরও x লিটার পানি মেশালে পানি হয় (4.8 + x) লিটার এবং মিশ্রণ হয় (24 + x) লিটার। শর্ত অনুযায়ী 4.8 + x = 0.4(24 + x) = 9.6 + 0.4x। এখান থেকে 0.6x = 4.8, তাই x = 8 লিটার। যাচাই: পানি 12.8 লিটার, মিশ্রণ 32 লিটার, 12.8/32 = 40%।
মনে রাখুন: দুধের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। এখানে দুধ 19.2 লিটার, যা নতুন মিশ্রণের 60%। তাই মিশ্রণ = 19.2/0.6 = 32 লিটার, যোগ করা পানি 32 − 24 = 8। - ১৬৪. f(x) = x² − 4x + 4 হলে, f(2) = ?
- ক. 0
- খ. 2
- গ. 3
- ঘ. 4
উত্তর: ক. 0
f(x) = x² − 4x + 4 একটি ফাংশন। f(2) পেতে x-এর জায়গায় 2 বসাই: f(2) = 2² − 4 × 2 + 4 = 4 − 8 + 4 = 0। আসলে f(x) = (x − 2)², তাই x = 2 হলে মান 0।
মনে রাখুন: (a − b)² = a² − 2ab + b²। এখানে a = x ও b = 2 ধরলে x² − 4x + 4 পাই। - ১৬৬. 5³ˣ⁻⁷ = 3³ˣ⁻⁷ হলে, x = কত?
- ক. 3/5
- খ. 1/2
- গ. 7/5
- ঘ. 7/3
উত্তর: ঘ. 7/3
দুই পক্ষে ঘাত একই (3x − 7), কিন্তু ভিত্তি আলাদা (5 ও 3)। ভিন্ন ভিত্তির ঘাত সমান হতে হলে ঘাতটি শূন্য হতে হবে, কারণ শুধু তখনই 5⁰ = 3⁰ = 1। তাই 3x − 7 = 0, ফলে x = 7/3। যাচাই: দুই পক্ষই 1 হয়।
মনে রাখুন: aᵐ = bᵐ এবং a ≠ b হলে m = 0 (ধনাত্মক a, b-র ক্ষেত্রে)। a⁰ = 1। - ১৭০. প্রতি ডজন কলা ৪৮ টাকায় কিনে ৫০ টাকায় কয়টি কলা বিক্রি করলে ২৫% লাভ হয়?
- ক. ১০টি
- খ. ১২টি
- গ. ১৫টি
- ঘ. ১৩টি
উত্তর: ক. ১০টি
এক ডজন কলা মানে ১২টি। ১২টি কলার দাম 48 টাকা, তাই প্রতিটি কলার ক্রয়মূল্য 48/12 = 4 টাকা। 25% লাভ করতে হলে প্রতিটির বিক্রয়মূল্য হবে 4 × 125/100 = 5 টাকা। অতএব 50 টাকায় বিক্রি করতে হবে 50/5 = 10টি কলা।
মনে রাখুন:
লাভ হলে বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য × (100 + লাভ%)/100
এক ডজন = ১২টি, এক গ্রোস = ১৪৪টি। - ১৭২. ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
- ক. ১৫
- খ. ১৭
- গ. ২৫
- ঘ. ২৯
উত্তর: ক. ১৫
১ থেকে ৫০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো: 2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19, 23, 29, 31, 37, 41, 43, 47। গুনে দেখি এরা মোট 15টি। ১ মৌলিক নয় বলে এটি গোনা হয়নি।
মনে রাখুন:
১ থেকে ১০০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২৫টি।
২ ছাড়া সব মৌলিক সংখ্যা বিজোড়। - ১৭৫. কোনো পরীক্ষায় একটি সংখ্যাকে বর্গ করে তা থেকে ৯ বিয়োগ করতে বলা হলো কিন্তু একজন পরীক্ষার্থী ভুলবশত প্রথমে বিয়োগ করে পরে বর্গ করল। ফলাফল পূর্বের মতোই রয়ে গেল, সংখ্যাটি কত?
- ক. ৯
- খ. ৮
- গ. ৫
- ঘ. ৬
উত্তর: গ. ৫
সংখ্যাটি x ধরি। প্রথম অবস্থায় বর্গ করে ৯ বিয়োগ করলে x² − 9। ভুলভাবে ৯ বিয়োগ করে বর্গ করলে (x − 9)²। দুটির ফল সমান বলে x² − 9 = (x − 9)² = x² − 18x + 81। x² কেটে দিলে −9 = −18x + 81, অর্থাৎ 18x = 90, তাই x = 5। যাচাই: 5² − 9 = 16 এবং (5 − 9)² = 16।
মনে রাখুন: (a − b)² = a² − 2ab + b²। বর্গ আর বিয়োগের ক্রম বদলালে ফল সাধারণত আলাদা হয়। - ১৭৬. ক : খ = ৩ : ৪ এবং খ : গ = ৫ : ৮ হলে, ক : খ : গ কত?
- ক. ১৫ : ২০ : ৩২
- খ. ১৬ : ১৫ : ২০
- গ. ২০ : ১৬ : ২০
- ঘ. ২০ : ১৫ : ১৬
উত্তর: ক. ১৫ : ২০ : ৩২
ক : খ = 3 : 4 এবং খ : গ = 5 : 8। দুই অনুপাতে খ-এর মান আলাদা (4 ও 5), তাই 4 ও 5-এর ল.সা.গু. 20 ধরে মান সমান করি। প্রথম অনুপাতকে 5 দিয়ে গুণ করলে ক : খ = 15 : 20। দ্বিতীয়টিকে 4 দিয়ে গুণ করলে খ : গ = 20 : 32। এবার খ-এর মান সমান, তাই ক : খ : গ = 15 : 20 : 32।
মনে রাখুন: ধারাবাহিক অনুপাত বের করতে মাঝের রাশির মান ল.সা.গু. দিয়ে মিলিয়ে নিতে হয়। - ১৭৯. কোন সংখ্যার দ্বিগুণের সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ৭ বেশি হয়?
- ক. ৩
- খ. ৪
- গ. ৫
- ঘ. ৬
উত্তর: খ. ৪
সংখ্যাটি x ধরি। এর দ্বিগুণের সঙ্গে 3 যোগ করলে হয় 2x + 3। এটি সংখ্যাটি অপেক্ষা 7 বেশি, তাই 2x + 3 = x + 7। x-এর পদগুলো এক পাশে এনে পাই x = 7 − 3 = 4। যাচাই: 2 × 4 + 3 = 11 এবং 4 + 7 = 11।
মনে রাখুন: ‘অপেক্ষা বেশি’ কথাটির অর্থ যোগ। প্রশ্নের শব্দ থেকে সমীকরণ গড়াই এ ধরনের অঙ্কের মূল কাজ। - ১৮৩. বার্ষিক ১২.৫% সরল সুদে কত বছরে সুদ-আসলের সমান হবে?
- ক. ৪ বছরে
- খ. ৮ বছরে
- গ. ৭ বছরে
- ঘ. ৫ বছরে
উত্তর: খ. ৮ বছরে
সরল সুদের সূত্র হলো I = P × n × r/100, যেখানে P আসল, n সময় আর r সুদের হার। এখানে সুদ আসলের সমান হতে হবে, অর্থাৎ I = P। তাহলে P = P × n × 12.5/100, ফলে n = 100/12.5 = 8। তাই ৮ বছরে সুদ আসলের সমান হবে।
মনে রাখুন: সুদ আসলের সমান হতে লাগে n = 100/r বছর। যেমন হার 10% হলে লাগে 10 বছর, আর 20% হলে 5 বছর। আর সুদ-আসল (Amount) আসলের দ্বিগুণ হতেও একই সময় লাগে, কারণ তখন সুদ আসলের সমান। - ১৮৪. ৪, ৭, ১০, ১৩, … তালিকার জন্য কোন রাশিটি প্রযোজ্য?
- ক. ২ক+১
- খ. ৪ক+১
- গ. ৩ক+১
- ঘ. ৪ক+৩
উত্তর: গ. ৩ক+১
সংখ্যাগুলো ৪, ৭, ১০, ১৩ ধরে ধরে বাড়ছে, প্রতিবার ৩ করে। এটি একটি সমান্তর ধারা (Arithmetic Progression), যার প্রথম পদ 4 ও সাধারণ অন্তর 3। তাই ক-তম পদ = 4 + (ক − 1) × 3 = 3ক + 1। যাচাই করা যায়: ক = 1 হলে 4, ক = 2 হলে 7, ক = 3 হলে 10, ক = 4 হলে 13। বাকি রাশিগুলো মেলে না, যেমন 4ক + 1-এ ক = 1 বসালে 5 পাওয়া যায়।
মনে রাখুন: সমান্তর ধারার n-তম পদ = a + (n − 1)d। - ১৮৫. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ১.৫ গুণ। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৩৮৪ বর্গমিটার হলে এর পরিসীমা কত?
- ক. ৪০ মিটার
- খ. ৮০ মিটার
- গ. ১৬০০ বর্গমিটার
- ঘ. ৪০০ বর্গমিটার
উত্তর: খ. ৮০ মিটার
প্রস্থ x মিটার হলে দৈর্ঘ্য হবে 1.5x মিটার। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ, তাই 1.5x² = 384। এ থেকে x² = 256 এবং x = 16। কাজেই প্রস্থ 16 মিটার, দৈর্ঘ্য 24 মিটার, আর যাচাই করলে 24 × 16 = 384 মেলে। পরিসীমা = 2(24 + 16) = 80 মিটার।
মনে রাখুন: প্রশ্নে পরিসীমা চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তরের একক মিটার হবে। বর্গমিটার হলো ক্ষেত্রফলের একক, তাই 1600 বা 400 বর্গমিটারের মতো বিকল্প ভুল। - ১৮৭. x⁴ = 9 হলে এবং x ধনাত্মক হলে, x = ?
- ক. 3
- খ. 1.5
- গ. √3
- ঘ. 4
উত্তর: গ. √3
x⁴ = 9 হলে (x²)² = 9, তাই x² = 3 (ধনাত্মক মান নিতে হবে, কারণ x²-এর মান ঋণাত্মক হতে পারে না)। এখন x ধনাত্মক হওয়ায় x = √3। যাচাই করি: (√3)⁴ = (√3)² × (√3)² = 3 × 3 = 9। বাকি বিকল্পগুলো মেলে না, যেমন 3⁴ = 81 আর 1.5⁴ = 5.0625।
মনে রাখুন: x⁴ = a হলে x = a^(1/4), অর্থাৎ বর্গমূলের বর্গমূল নিতে হয়।
বাংলাদেশ
- ৯৯. কোন জেলাকে 'সাগরকন্যা' বলা হয়?
- ক. খুলনা
- খ. চট্টগ্রাম
- গ. ভোলা
- ঘ. পটুয়াখালী
উত্তর: ঘ. পটুয়াখালী
পটুয়াখালী জেলাকে সাগরকন্যা বলা হয়। এ জেলার কুয়াকাটা সৈকত বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত, আর সেখান থেকে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়। এ কারণে কুয়াকাটা বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র। প্রতিটি জেলা বা শহরের একটি করে পরিচিত উপাধি আছে, আর পরীক্ষায় এগুলো প্রায়ই আসে। চট্টগ্রাম, খুলনা ও ভোলার উপাধি আলাদা।
মনে রাখুন:
চট্টগ্রাম বন্দরনগরী নামে পরিচিত।
খুলনা নদীবিধৌত শিল্পাঞ্চল। - ১০৫. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত কী?
- ক. ১০ : ৬
- খ. ১০ : ৮
- গ. ১৫ : ৬
- ঘ. ১৫ : ৮
উত্তর: ক. ১০ : ৬
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আয়তাকার, যার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ : ৬ (সরল করলে ৫ : ৩)। গাঢ় সবুজ জমিনের মাঝে লাল বৃত্ত থাকে, যার ব্যাসার্ধ পতাকার দৈর্ঘ্যের ৫ ভাগের ১ ভাগ। বৃত্তটি পতাকার ঠিক মাঝখানে না বসিয়ে একটু বাঁ দিকে সরিয়ে বসানো হয়, যাতে পতাকা উড়লে মাঝখানে দেখায়।
মনে রাখুন:
সবুজ রং বাংলার প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক।
লাল বৃত্ত মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রক্তের প্রতীক। - ১১৪. উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত?
- ক. নাটোর
- খ. দিনাজপুর
- গ. রংপুর
- ঘ. নীলফামারী
উত্তর: ক. নাটোর
উত্তরা গণভবন নাটোর শহরের কাছে অবস্থিত। এটি আসলে দিঘাপতিয়া রাজবাড়ির অংশ ছিল। দিঘাপতিয়ার জমিদার পরিবার এই প্রাসাদ তৈরি করেছিল। পরে এটি সরকারের হাতে আসে এবং গণভবন হিসেবে ব্যবহার হয়। এখানে বিদেশি অতিথিদের আপ্যায়নসহ নানা সরকারি অনুষ্ঠান হয়েছে, পরে এর একটি অংশ জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
নাটোরের আরেকটি বিখ্যাত স্থাপনা নাটোর রাজবাড়ি, যেখানে রানি ভবানীর স্মৃতি জড়িয়ে আছে।
নাটোর জেলা রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত। - ১২১. বাংলাদেশের বিখ্যাত মণিপুরি নাচ কোন অঞ্চলের?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
- ক. সিলেট
- খ. রাজশাহী
- গ. রংপুর
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: ক. সিলেট
মণিপুরি নৃত্য বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের, বিশেষ করে মৌলভীবাজার ও সিলেটে বসবাসকারী মণিপুরি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য। এটি ধর্মীয় ভাবধারার ধীর লয়ের নাচ, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের লীলা ও রাসলীলা ফুটে ওঠে। মণিপুরি নৃত্য ভারতের শাস্ত্রীয় নৃত্যগুলোর মধ্যেও একটি।
মনে রাখুন:
অন্য লোকনৃত্য: জারি নাচ (ময়মনসিংহ, ঢাকা অঞ্চল), ধুপ নাচ (খুলনা, যশোর অঞ্চল), কুম্ভ নাচ (রংপুর, রাজশাহী অঞ্চল)।
চাকমা ও মারমাদের নাচ পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায়। - ১২২. লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন কে?
- ক. মীর জুমলা
- খ. আকবর
- গ. বাবর
- ঘ. শায়েস্তা খান
উত্তর: ঘ. শায়েস্তা খান
ঢাকার লালবাগ কেল্লা মুঘল আমলের একটি দুর্গ। ১৬৭৮ সালে সুবাদার মুহম্মদ আজম এর নির্মাণ শুরু করেন, কিন্তু কয়েক মাস পরেই তিনি ঢাকা ছেড়ে চলে যান। এরপর সুবাদার শায়েস্তা খান এর কাজ এগিয়ে নেন। পরিবারের সদস্য ইরান দুখত বা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান নির্মাণ থামিয়ে দেন, তাই কেল্লার কাজ পুরো শেষ হয়নি। আজ শায়েস্তা খানের নামটিই এই দুর্গের সঙ্গে বেশি জড়িয়ে আছে।
মনে রাখুন:
কেল্লার ভেতরে তিনটি প্রধান স্থাপনা: পরী বিবির সমাধি, দরবার হল ও হাম্মামখানা এবং লালবাগ মসজিদ।
শায়েস্তা খানের সময়ে টাকায় আট মণ চাল মিলত, এ জন্য ঢাকার পুরোনো গেটে লেখা ছিল। - ১২৭. বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন কে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫
- ক. লক্ষণ সেন
- খ. বিজয় সেন
- গ. আকবর
- ঘ. ঈশা খাঁ
উত্তর: গ. আকবর
বাংলা সন চালু হয় মুঘল সম্রাট আকবরের সময়। তখন খাজনা আদায় হতো হিজরি চান্দ্র সন ধরে, কিন্তু চান্দ্র বছর সৌর ঋতুর সঙ্গে মেলে না, ফলে ফসল ওঠার আগেই কৃষকদের খাজনা দিতে হতো। এ সমস্যা মেটাতে আকবর সৌর বছরের সঙ্গে মিলিয়ে নতুন সন প্রবর্তনের আদেশ দেন। রাজসভার জ্যোতির্বিদ আমীর ফতেহউল্লাহ সিরাজী এর হিসাব তৈরি করেন। সম্রাটের সিংহাসনে আরোহণের বছর ধরে এই সনের গণনা শুরু হয়, আর এটি ‘ফসলি সন’ নামেও পরিচিত ছিল।
মনে রাখুন: ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমি বাংলা সন সংস্কারের একটি প্রস্তাব তৈরি করে। এর ভিত্তিতে ১৯৮৭ সালে সংস্কার কার্যকর হয়। এখন পহেলা বৈশাখ সবসময় ১৪ এপ্রিল পড়ে। - ১৩০. কোন নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমানায় অবস্থিত?
- ক. কর্ণফুলী
- খ. নাফ
- গ. সাঙ্গু
- ঘ. ফেনী
উত্তর: খ. নাফ
নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সীমান্ত তৈরি করেছে। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার পাশ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। টেকনাফ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত, আর নদীর অপর পারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য। কর্ণফুলী, সাঙ্গু ও ফেনী নদী বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বয়ে গেছে বা অন্য দেশের সীমান্তে আছে, কিন্তু মিয়ানমারের সীমানা তৈরি করেনি।
মনে রাখুন:
কর্ণফুলী চট্টগ্রামের প্রধান নদী, সাঙ্গু বান্দরবানের নদী, আর ফেনী নদী ত্রিপুরা সীমান্তে।
নাফ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কিলোমিটার। - ১৩৪. বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা কে?
- ক. ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
- খ. মার্ক টালি
- গ. আন্দ্রে মালরো
- ঘ. এডওয়ার্ড কেনেডি
উত্তর: ক. ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে একমাত্র উইলিয়াম এ. এস. ওডারল্যান্ড বীরপ্রতীক খেতাব পান। তিনি নেদারল্যান্ডসে জন্মেছিলেন, পরে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞ কমান্ডো ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি ঢাকা অঞ্চলে গেরিলা যুদ্ধে অংশ নেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেন।
মনে রাখুন:
মার্ক টালি ছিলেন বিবিসির সাংবাদিক, যুদ্ধের খবর প্রচার করেছেন।
আন্দ্রে মালরো ফরাসি লেখক, বাংলাদেশের পক্ষে সরব ছিলেন।
এডওয়ার্ড কেনেডি মার্কিন সিনেটর, শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। - ১৩৫. বাংলাদেশের টাকা মিউজিয়াম কোথায় অবস্থিত?
- ক. মিরপুর, ঢাকা
- খ. সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ
- গ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
- ঘ. লালবাজার রোড, চট্টগ্রাম
উত্তর: ক. মিরপুর, ঢাকা
বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা জাদুঘর ঢাকার মিরপুরে, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রশিক্ষণ একাডেমির ভবনে অবস্থিত। এখানে প্রাচীন মুদ্রা, ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের মুদ্রা-নোট এবং বাংলাদেশের টাকার ইতিহাস সাজানো আছে। সোনারগাঁওয়ে আছে লোকশিল্প জাদুঘর, আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে বিভিন্ন বিভাগীয় সংগ্রহশালা। চট্টগ্রামের লালবাজার রোড এই জাদুঘরের ঠিকানা নয়। জাদুঘরের নাম আর অবস্থান একসঙ্গে মনে রাখা পরীক্ষায় কাজে লাগে।
মনে রাখুন:
জাতীয় জাদুঘর ঢাকার শাহবাগে।
বাংলাদেশের মুদ্রা ও নোটের ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক। - ১৪৩. বঙ্গভঙ্গ রদ হয় কোন সালে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫
- ক. ১৯০৫
- খ. ১৯১০
- গ. ১৯১১
- ঘ. ১৯১২
উত্তর: গ. ১৯১১
১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বাংলা প্রদেশকে দুই ভাগ করেন। এতে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ হয়, যার রাজধানী ঢাকা। কিন্তু কলকাতার হিন্দু নেতারা এর তীব্র বিরোধিতা করে স্বদেশি আন্দোলন শুরু করেন। শেষে ১৯১১ সালে দিল্লি দরবারে সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন। এটি কার্যকর হয় ১৯১২ সালে। একই সময়ে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরানোর কথাও ঘোষিত হয়।
মনে রাখুন:
বঙ্গভঙ্গ: ১৬ অক্টোবর ১৯০৫।
বঙ্গভঙ্গ রদের পর ১৯১২ সালে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের আশ্বাস দেওয়া হয়, যা ১৯২১ সালে বাস্তব হয়। - ১৫৪. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারোজন'-এর পরিচালক কে?
- ক. সুভাষ দত্ত
- খ. আমজাদ হোসেন
- গ. চাষী নজরুল ইসলাম
- ঘ. তারেক মাসুদ
উত্তর: গ. চাষী নজরুল ইসলাম
‘ওরা এগারোজন’ মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত ১৯৭২ সালের চলচ্চিত্র, যার পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। এগারোজন মুক্তিযোদ্ধার একটি দলের লড়াই নিয়ে এর কাহিনি। স্বাধীনতার ঠিক পরে নির্মিত হওয়ায় এটিকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম দিকের চলচ্চিত্র হিসেবে ধরা হয়। তিনি আরও পরিচালনা করেছেন ‘সংগ্রাম’ ও ‘আমার জন্মভূমি’-র মতো কাজ। বাকি পরিচালকদের পরিচিত ছবি আলাদা।
মনে রাখুন:
তারেক মাসুদ পরিচালনা করেছেন ‘মাটির ময়না’।
আমজাদ হোসেন পরিচালনা করেন ‘নয়নমনি’।
সুভাষ দত্ত পরিচালনা করেন ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’। - ১৫৭. বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
- ক. ফ্রান্স
- খ. পোল্যান্ড
- গ. জার্মানি
- ঘ. হাঙ্গেরি
উত্তর: গ. জার্মানি
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে ইউরোপের কয়েকটি দেশ দ্রুত স্বীকৃতি দেয়। এ তালিকায় তৎকালীন পূর্ব জার্মানি (জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র) ছিল প্রথম সারিতে। এখানে অপশনের মধ্যে জার্মানিই প্রথম, তারপর পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরি, আর ফ্রান্স ফেব্রুয়ারিতে স্বীকৃতি দেয়। এর আগে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে ভুটান ও ভারত স্বীকৃতি দিয়েছিল।
মনে রাখুন:
স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ভুটান, ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
ভারত ওই একই দিন স্বীকৃতি দেয়।
যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দেয় ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২। - ১৫৯. বাংলাদেশ সাইবার আর্মি কী?
- ক. অনুবাদক
- খ. লেখক
- গ. সেনাবাহিনীর একটি সংস্থা
- ঘ. বাংলাদেশী হ্যাকারদের একটি গ্রুপ
উত্তর: ঘ. বাংলাদেশী হ্যাকারদের একটি গ্রুপ
বাংলাদেশ সাইবার আর্মি বলতে বাংলাদেশি হ্যাকারদের একটি দলকে বোঝায়। এটি সরকারি বা সেনাবাহিনীর কোনো সংস্থা নয়। নাম শুনে সামরিক সংস্থা মনে হলেও এটি স্বেচ্ছাসেবী ও অনানুষ্ঠানিক একটি গ্রুপ। এটি কোনো অনুবাদক বা লেখকের নামও নয়। হ্যাকিং মানে অন্যের কম্পিউটার বা ওয়েবসাইটে অনুমতি ছাড়া ঢোকা, আর এটি আইনত অপরাধ। তাই সাইবার জগতে নিরাপদ থাকতে সবার সচেতন হওয়া দরকার।
মনে রাখুন: বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে অনুমতি ছাড়া কম্পিউটারে প্রবেশ দণ্ডনীয়। - ১৬১. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কোনটি?
- ক. ১ জানুয়ারি
- খ. ৩১ ডিসেম্বর
- গ. ২১ ফেব্রুয়ারি
- ঘ. ১ মার্চ
উত্তর: গ. ২১ ফেব্রুয়ারি
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালে এই দিনে ঢাকায় ভাষার দাবিতে মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। বাংলাদেশের উদ্যোগে ও কানাডা প্রবাসী কয়েকজন বাঙালির প্রস্তাবে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকো এই দিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বজুড়ে এটি পালিত হচ্ছে।
মনে রাখুন:
১ মার্চ ও ৩১ ডিসেম্বর এ ধরনের কোনো দিবস নয়।
২০০০ সাল থেকে প্রতি বছর পালিত। - ১৮৬. বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে 'দোয়েল' কীসের নাম?
- ক. কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
- খ. কৃষি সংস্থার নাম
- গ. উন্নত জাতের গম শস্য
- ঘ. কৃষি খামারের নাম
উত্তর: গ. উন্নত জাতের গম শস্য
বাংলাদেশে গমের নানা উন্নত জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে, আর 'দোয়েল' তেমনই একটি উন্নত জাতের গমের নাম। এখানে নামটি পাখির নামের মতো শোনায় বলে অনেকে ভুল করেন, কিন্তু কৃষির প্রসঙ্গে এটি কোনো যন্ত্র, সংস্থা বা খামারের নাম নয়।
মনে রাখুন:
আমাদের দেশে উদ্ভাবিত গমের কয়েকটি জাত: কাঞ্চন, আকবর, বরকত, বলাকা, শতাব্দী ও দোয়েল।
গম আমাদের দেশে প্রধানত শীতকালে (রবি মৌসুমে) চাষ হয়।
বিজ্ঞান
- ১০০. কচুশাকে কোন উপাদান বেশি থাকে?
- ক. আয়োডিন
- খ. ভিটামিন
- গ. লোহা
- ঘ. ক্যালসিয়াম
উত্তর: গ. লোহা
কচুশাকে লোহা বা আয়রন তুলনামূলক বেশি থাকে। আমাদের শরীরের রক্তে হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) নামে একটি পদার্থ আছে, যা অক্সিজেন বহন করে। লোহা এই হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে, তাই রক্তস্বল্পতায় কচুশাক খাওয়া উপকারী। অন্য উপাদানগুলোও সামান্য পরিমাণে থাকে, তবে লোহার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। এ কারণে প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি উপাদান হিসেবে লোহা ধরা হয়।
মনে রাখুন:
আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড (Goitre) হয়।
ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত শক্ত রাখে। - ১০২. ১ ক্যালরি = কত জুল?
- ক. ৪.২
- খ. ২.৮
- গ. ৪.৯
- ঘ. ৫
উত্তর: ক. ৪.২
তাপ এক ধরনের শক্তি। SI পদ্ধতিতে তাপের একক জুল (J), আর আগের একক ক্যালরি (cal)। এই দুটির সম্পর্ক হলো 1 cal = 4.2 J, আরও সূক্ষ্মভাবে হিসাব করলে 4.18 J। এক ক্যালরি হলো এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1°C বাড়াতে যে পরিমাণ তাপ লাগে। পরীক্ষায় সাধারণত 4.2 ধরা হয়, তাই 4.9 বা 2.8-এর মতো সংখ্যা ঠিক নয়।
মনে রাখুন: 1 kcal = 1000 cal = 4200 J। - ১০৩. কোনো বস্তুকণা r ব্যাসার্ধবিশিষ্ট বৃত্তাকার পথে অর্ধেক ঘুরে আসলে তার অতিক্রান্ত দূরত্ব কত?
- ক. 2πr
- খ. πr
- গ. 2r
- ঘ. 0
উত্তর: খ. πr
পূর্ণ বৃত্ত ঘুরলে অতিক্রান্ত দূরত্ব বৃত্তের পরিধির সমান, অর্থাৎ 2πr। অর্ধেক ঘুরলে সেটি অর্ধ-পরিধি, অর্থাৎ 2πr/2 = πr। এখানে মনে রাখতে হবে, দূরত্ব আর সরণ আলাদা। দূরত্ব হলো বস্তুটি আসলে কত পথ চলেছে, আর সরণ হলো শুরুর বিন্দু থেকে শেষ বিন্দু পর্যন্ত সরলরেখার ব্যবধান। অর্ধেক ঘুরলে সরণ হয় ব্যাস, অর্থাৎ 2r।
মনে রাখুন: পূর্ণ ঘুরলে সরণ 0, কিন্তু দূরত্ব 2πr।
দূরত্ব স্কেলার রাশি, সরণ ভেক্টর রাশি। - ১০৮. চাপ বাড়লে কোন পদার্থের গলনাঙ্ক বেড়ে যায়?
- ক. বিসমাথ
- খ. মোম
- গ. অ্যান্টিমনি
- ঘ. ঢালাই লোহা
উত্তর: খ. মোম
বেশিরভাগ পদার্থ গলে তরল হলে তাদের আয়তন বাড়ে, আবার চাপ দিলে আয়তন বাড়াতে বাধা পায়। তাই এ ধরনের পদার্থকে গলাতে বেশি তাপ লাগে, অর্থাৎ চাপ বাড়লে গলনাঙ্ক বাড়ে। মোম এমনই একটি পদার্থ। অন্যদিকে বরফ, বিসমাথ ও অ্যান্টিমনির মতো পদার্থ জমাট বাঁধার সময় আয়তনে বাড়ে, গলার সময় কমে। চাপ বাড়ালে এদের গলা সহজ হয়, তাই এদের গলনাঙ্ক কমে যায়।
মনে রাখুন:
চাপে গলনাঙ্ক বাড়ে: মোম, সীসা, তামা।
চাপে গলনাঙ্ক কমে: বরফ, বিসমাথ (Bismuth), অ্যান্টিমনি, ঢালাই লোহা।
মজার ব্যাপার হলো, বরফের ওপর স্কেটিং করা সহজ হয় এই কারণেই। স্কেটের নিচের চাপে বরফ সামান্য গলে পিচ্ছিল স্তর তৈরি করে। - ১১১. সবচেয়ে হালকা গ্যাস কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. হাইড্রোজেন
- খ. নাইট্রোজেন
- গ. হিলিয়াম
- ঘ. আর্গন
উত্তর: ক. হাইড্রোজেন
হাইড্রোজেন (Hydrogen) পর্যায় সারণির প্রথম মৌল এবং এর পরমাণুতে মাত্র একটি প্রোটন ও একটি ইলেকট্রন থাকে। তাই এর ঘনত্ব সবচেয়ে কম এবং এটি সবচেয়ে হালকা গ্যাস। এর পারমাণবিক ভর প্রায় 1.008। হিলিয়াম (Helium) দ্বিতীয় হালকা গ্যাস, তবে এটি বিস্ফোরক নয় বলে বেলুন ও এয়ারশিপ ভরতে নিরাপদে ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
হাইড্রোজেন দাহ্য, হিলিয়াম অদাহ্য।
নাইট্রোজেন বাতাসের প্রায় ৭৮ ভাগ।
আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা বাতাসে প্রায় ০.৯৩ ভাগ আছে। - ১১৬. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কোনটি?
- ক. সূর্য রশ্মি
- খ. পীটকয়লা
- গ. পেট্রোল
- ঘ. প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর: ক. সূর্য রশ্মি
যে শক্তির উৎস ব্যবহার করলে শেষ হয়ে যায় না, বরং প্রকৃতিতে বারবার ফিরে আসে, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable energy) বলে। সূর্যের আলো এমনই একটি উৎস। সূর্য থেকে প্রতিদিন আমরা বিপুল পরিমাণ শক্তি পাই, যা সোলার প্যানেলে বিদ্যুতে রূপ নিতে পারে। পিট কয়লা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাস লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মাটির নিচে জমা হওয়া জীবাশ্ম জ্বালানি। একবার পুড়িয়ে ফেললে এগুলো সহজে ফিরে পাওয়া যায় না, তাই এগুলো অনবায়নযোগ্য।
মনে রাখুন: নবায়নযোগ্য উৎসের উদাহরণ হলো সূর্যের আলো, বায়ু, জলপ্রবাহ, জোয়ার-ভাটা ও জৈবগ্যাস। - ১২৯. সূর্যের আলো থেকে আগত শক্তির কতটুকু সবুজ উদ্ভিদ ব্যবহার করে?
- ক. ১%
- খ. ২%
- গ. ৩%
- ঘ. ৮%
উত্তর: ক. ১%
সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের (Photosynthesis) মাধ্যমে সূর্যের আলো থেকে খাদ্য তৈরি করে। কিন্তু সূর্য থেকে পৃথিবীতে যে আলো আসে, তার খুব সামান্য অংশই এ কাজে লাগে, সাধারণভাবে প্রায় ১ শতাংশ। বাকি অংশ প্রতিফলিত হয়, শোষিত হয়ে তাপ হয়ে যায় বা অন্যভাবে হারায়।
মনে রাখুন:
সালোকসংশ্লেষণে ক্লোরোফিল আলোর শক্তি শোষণ করে।
কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে শর্করা ও অক্সিজেন তৈরি হয়। - ১৩৯. বেগকে সময় দ্বারা ভাগ করে এর সাথে ভর গুণ করলে কী পাওয়া যায়?
- ক. ঘনত্ব
- খ. ভর
- গ. আয়তন
- ঘ. বল
উত্তর: ঘ. বল
বেগকে সময় দিয়ে ভাগ করলে ত্বরণ (a = v/t) পাওয়া যায়। এই ত্বরণকে ভর দিয়ে গুণ করলে ma পাওয়া যায়। নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী, F = ma, অর্থাৎ ফল হলো বল (Force)।
মনে রাখুন:
বলের একক নিউটন (N), 1 N = 1 kg·m/s²
বলের মাত্রা MLT⁻²
ঘনত্ব হলো ভর ÷ আয়তন, তাই এটি আলাদা রাশি। - ১৪৬. কত তাপমাত্রায় ১ ঘন সেমি বিশুদ্ধ পানির ওজন ১ গ্রাম?
- ক. 4°C
- খ. 4°F
- গ. 100°C
- ঘ. 100°F
উত্তর: ক. 4°C
পানির একটি বিশেষ ধর্ম হলো, ঠান্ডা করতে করতে 4°C-এ পৌঁছালে এর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। এই তাপমাত্রায় 1 ঘন সেমি বিশুদ্ধ পানির ভর ঠিক 1 গ্রাম, অর্থাৎ ঘনত্ব 1 g/cm³। আরও ঠান্ডা করলে পানি বিস্তৃত হতে থাকে এবং 0°C-এ বরফ হয়ে আয়তন আরও বাড়ে। তাই বরফ পানিতে ভাসে।
মনে রাখুন: 4°F হলো প্রায় −15.6°C, সেখানে পানি জমে বরফ হয়ে যায়। আর 100°C ও 100°F একেবারে আলাদা তাপমাত্রা। - ১৫২. সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?
- ক. ৪টি
- খ. ৫টি
- গ. ৬টি
- ঘ. ৭টি
উত্তর: গ. ৬টি
সুষম খাদ্য (Balanced diet) বলতে এমন খাদ্য বোঝায়, যাতে শরীরের প্রয়োজনীয় সব উপাদান সঠিক অনুপাতে থাকে। সাধারণভাবে খাদ্যের ছয়টি উপাদান ধরা হয়: শর্করা, আমিষ, স্নেহ বা চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। এর বাইরে আঁশ (Roughage) হজমে সাহায্য করে বলে অনেক বই একে আলাদা সপ্তম উপাদান হিসেবেও ধরে, কিন্তু প্রচলিত পাঠ্যবইয়ে ছয়টিই গণনা হয়।
মনে রাখুন:
শক্তি দেয়: শর্করা ও স্নেহ।
দেহ গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে: আমিষ।
রোগ প্রতিরোধ ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে: ভিটামিন ও খনিজ। - ১৫৩. কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
- ক. 4K
- খ. 273K
- গ. 277K
- ঘ. 27K
উত্তর: গ. 277K
পানি ঠান্ডা করলে সাধারণত ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু 4°C-এর নিচে নামলে অণুগুলো এমনভাবে সাজাতে শুরু করে যে আয়তন আবার বাড়ে। তাই 4°C-এই পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। কেলভিন স্কেলে এর মান 273 + 4 = 277 K (সঠিকভাবে 277.15 K)। 273 K হলো 0°C, অর্থাৎ পানির হিমাঙ্ক।
মনে রাখুন:
T(K) = t(°C) + 273
পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C = 373 K
শীতের দেশে পুকুর উপর থেকে জমে, নিচের পানি 4°C-এ থেকে মাছেদের বাঁচিয়ে রাখে। - ১৫৫. CNG-এর পূর্ণরূপ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. Compressed Nuclear Gas
- খ. Compressed Natural Gas
- গ. Centre for National Growth
- ঘ. All of them
উত্তর: খ. Compressed Natural Gas
CNG-এর পূর্ণরূপ Compressed Natural Gas, বাংলায় সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস। এর প্রধান উপাদান মিথেন। উচ্চ চাপে গ্যাসকে সিলিন্ডারে ভরে গাড়ির জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পেট্রোল বা ডিজেলের তুলনায় এটি কম দূষণ ঘটায়। বাংলাদেশে বাস, অটোরিকশা, প্রাইভেট কার ও টেম্পোতে CNG চলে।
মনে রাখুন:
LPG = Liquefied Petroleum Gas, যার প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন।
বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশ মিথেন। - ১৬৫. ওজনের মাত্রা কোনটি?
- ক. (MLT⁻¹)
- খ. (MLT⁻²)
- গ. (ML²T⁻¹)
- ঘ. (ML²T²)
উত্তর: খ. (MLT⁻²)
ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর অভিকর্ষ বল, অর্থাৎ ওজন W = mg। তাই ওজন একটি বল এবং এর মাত্রা বলের মাত্রার সমান। বল = ভর × ত্বরণ। ত্বরণ = বেগ/সময় = (L/T)/T = LT⁻²। অতএব বলের মাত্রা MLT⁻²।
মনে রাখুন:
ভর ও ওজন এক নয়। ভর স্থির, ওজন স্থানভেদে বদলায়।
ভরবেগের মাত্রা MLT⁻¹।
শক্তির মাত্রা ML²T⁻²। - ১৭৩. এক্স রে আবিষ্কার করেন—
- ক. মার্কনী
- খ. নিউটন
- গ. ফ্যারাডে
- ঘ. রন্টজেন
উত্তর: ঘ. রন্টজেন
১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন। তিনি ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে পরীক্ষা করার সময় দেখেন, একটি অজানা রশ্মি কাগজ ও মাংস ভেদ করে যায়। অজানা বলেই তিনি এর নাম দেন এক্স-রে। এই আবিষ্কারের জন্য ১৯০১ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার পান।
মনে রাখুন:
মার্কনী রেডিও বা বেতার তারবিহীন যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত।
ফ্যারাডে তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ আবিষ্কার করেন।
নিউটন মহাকর্ষ ও গতির সূত্র দেন। - ১৭৮. রক্তশূন্যতা বলতে কী বোঝায়?
- ক. রক্তে হিমোগ্লোবিন হ্রাস পাওয়া
- খ. রক্তরসের পরিমাণ কমে যাওয়া
- গ. রক্তের পরিমাণ কমে যাওয়া
- ঘ. রক্তে অণুচক্রিকার পরিমাণ কমে যাওয়া
উত্তর: ক. রক্তে হিমোগ্লোবিন হ্রাস পাওয়া
রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া (Anaemia) হলো রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া। হিমোগ্লোবিন লোহিত রক্তকণিকায় থাকে এবং ফুসফুস থেকে অক্সিজেন বহন করে সারা দেহে পৌঁছায়। এর অভাব হলে শরীর দুর্বল লাগে, মুখ ফ্যাকাশে হয় ও হাঁপ ধরে। আয়রনের অভাব এর একটি সাধারণ কারণ।
মনে রাখুন:
অণুচক্রিকা (Platelet) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ। - ১৮১. কোথায় অভিকর্ষজ ত্বরণ 'g'-এর মান সবচেয়ে বেশি?
- ক. বিষুবীয় অঞ্চলে
- খ. ভূপৃষ্ঠে
- গ. ভূকেন্দ্রে
- ঘ. মেরু অঞ্চলে
উত্তর: ঘ. মেরু অঞ্চলে
অভিকর্ষজ ত্বরণ 'g'-এর মান বের করা হয় g = GM/R² সূত্র দিয়ে, যেখানে M হলো পৃথিবীর ভর আর R হলো পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব। অর্থাৎ কেন্দ্র থেকে দূরত্ব যত কম হবে, g-এর মান তত বেশি হবে। পৃথিবী পুরোপুরি গোলাকার নয়, মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা। তাই মেরুতে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং সেখানে g-এর মান সবচেয়ে বেশি, প্রায় 9.83 m/s²। বিষুব অঞ্চলে ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি, তাই সেখানে g সবচেয়ে কম, প্রায় 9.78 m/s²।
মনে রাখুন:
ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে g-এর মান কমে।
ভূকেন্দ্রে g-এর মান শূন্য।
স্থানভেদে g বদলায়, কিন্তু মহাকর্ষীয় ধ্রুবক G-এর মান সর্বত্র একই থাকে। - ১৮২. ১ গ্রাম শর্করা কত কিলো ক্যালরি তাপ উৎপন্ন করে?
- ক. ৩
- খ. ৪
- গ. ৫
- ঘ. ৬
উত্তর: খ. ৪
আমরা যে খাবার খাই, শরীরে তা জারিত হয়ে তাপশক্তি দেয়। এই শক্তিকে ক্যালরি (Calorie) এককে মাপা হয়। ১ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrate) শরীরে জারিত হলে প্রায় ৪ কিলোক্যালরি তাপ উৎপন্ন করে। এ কারণে ভাত, রুটি ও আলুর মতো শর্করাজাতীয় খাবারই আমাদের শক্তির প্রধান উৎস।
মনে রাখুন:
১ গ্রাম আমিষ (প্রোটিন) থেকেও প্রায় ৪ কিলোক্যালরি তাপ পাওয়া যায়।
১ গ্রাম স্নেহ বা চর্বি থেকে প্রায় ৯ কিলোক্যালরি তাপ পাওয়া যায়, তাই খাদ্যের মধ্যে চর্বিই সবচেয়ে বেশি শক্তি দেয়।
আন্তর্জাতিক
- ১০১. 'আকাবা' কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
- ক. ইরাক
- খ. ইসরাইল
- গ. জর্ডান
- ঘ. দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর: গ. জর্ডান
আকাবা (Aqaba) জর্ডানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর। এটি দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে লোহিত সাগরের আকাবা উপসাগরের তীরে অবস্থিত। জর্ডানের কোনো সরাসরি ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল নেই, তাই দেশটির সমুদ্রপথে বাণিজ্যের প্রধান ভরসা এই বন্দর। ইরাক, ইসরাইল বা দক্ষিণ আফ্রিকার বন্দরের তালিকায় আকাবা পড়ে না। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আকাবার অবস্থান মিলিয়ে দেখলে মনে রাখা সহজ হয়।
মনে রাখুন: জর্ডানের রাজধানী আম্মান। - ১১৯. ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম বাংলায় এসেছিল?
- ক. ইংরেজ
- খ. পর্তুগিজ
- গ. ডাচ
- ঘ. ফরাসি
উত্তর: খ. পর্তুগিজ
ইউরোপের নাবিকরা সমুদ্রপথে ভারত উপমহাদেশে আসার পথ খুঁজছিল। ১৪৯৮ সালে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা কালিকট বন্দরে পৌঁছান। এরপর পর্তুগিজরা ষোড়শ শতকের শুরুর দিকে বাংলায় আসে এবং চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে বাণিজ্যকেন্দ্র গড়ে তোলে। তাই ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আসে।
মনে রাখুন: এরপর ক্রমে ওলন্দাজ (ডাচ), ইংরেজ, ফরাসি ও দিনেমার বণিকেরা আসে। পর্তুগিজ জলদস্যুরা বাংলায় ‘হার্মাদ’ নামে পরিচিত ছিল। - ১২৮. বিশ্বে জনসংখ্যায় শীর্ষে কোন দেশ?
- ক. চীন
- খ. ভারত
- গ. কানাডা
- ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর: ক. চীন
পরীক্ষার সময়, অর্থাৎ ২০১৯ সালে, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ছিল চীন। তখন চীনের জনসংখ্যা প্রায় ১৪০ কোটি, আর ভারতের প্রায় ১৩৭ কোটি। ভারত ক্রমে চীনের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছিল। এ ছাড়া তৃতীয় স্থানে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। কানাডা জনসংখ্যায় এই দেশগুলোর তুলনায় অনেক পেছনে ছিল, কারণ দেশটি আয়তনে বড় হলেও সেখানে মানুষ কম।
হালনাগাদ: জাতিসংঘের হিসাবে ২০২৩ সালের এপ্রিলে ভারত চীনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হয়েছে। - ১৩৩. কোন দেশ এশিয়া ও ইউরোপ উভয় মহাদেশে অবস্থিত?
- ক. ইরান
- খ. ইরাক
- গ. তুরস্ক
- ঘ. আফগানিস্তান
উত্তর: গ. তুরস্ক
তুরস্ক এমন একটি দেশ, যার অধিকাংশ অংশ এশিয়ায় (আনাতোলিয়া) এবং ছোট অংশ ইউরোপে (থ্রেস)। দুই অংশকে আলাদা করেছে বসফরাস প্রণালি। ইস্তানবুল শহরও এ কারণে দুই মহাদেশে ছড়িয়ে আছে। এ ধরনের দেশকে আন্তঃমহাদেশীয় দেশ বলা হয়। ইরান, ইরাক ও আফগানিস্তান পুরোপুরি এশিয়ার দেশ, তাই তারা এই শর্ত পূরণ করে না।
মনে রাখুন:
আন্তঃমহাদেশীয় দেশ: তুরস্ক, রাশিয়া, কাজাখস্তান ও মিসর (আফ্রিকা-এশিয়া)।
বসফরাস প্রণালি কৃষ্ণ সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। - ১৩৭. বিশ্বের কোন শহর নিষিদ্ধ শহর নামে পরিচিত?
- ক. লাসা
- খ. কাবুল
- গ. পিয়ংইয়ং
- ঘ. কাঠমান্ডু
উত্তর: ক. লাসা
লাসা তিব্বতের রাজধানী। অতীতে বিদেশিদের জন্য তিব্বতে প্রবেশ ছিল প্রায় নিষিদ্ধ, বিশেষ করে লাসায় ঢুকতে দেওয়া হতো না। উঁচু পাহাড়ে ঘেরা, দুর্গম ও বৌদ্ধ ধর্মগুরু দালাই লামার আবাসস্থল বলে একে ‘নিষিদ্ধ নগরী’ বলা হতো। বেইজিংয়ের রাজপ্রাসাদ কমপ্লেক্সকেও ইংরেজিতে ‘Forbidden City’ বলা হয়, তবে অপশনে সেটি নেই।
মনে রাখুন:
লাসার বিখ্যাত পোতালা প্রাসাদ।
কাঠমান্ডু নেপালের রাজধানী, কাবুল আফগানিস্তানের, পিয়ংইয়ং উত্তর কোরিয়ার। - ১৬২. কোন বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
- ক. রুয়ান্ডা
- খ. ইরিত্রিয়া
- গ. সিয়েরা লিওন
- ঘ. লাইবেরিয়া
উত্তর: গ. সিয়েরা লিওন
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওনে গৃহযুদ্ধ থামাতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী পাঠায়, এবং সেখানে বাংলাদেশি সেনাদের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। এ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সিয়েরা লিওনের সরকার ২০০২ সালে বাংলাকে একটি সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়। এটি বিদেশের মাটিতে বাংলা ভাষার অনন্য সম্মান। রুয়ান্ডা, ইরিত্রিয়া ও লাইবেরিয়া এই তালিকায় নেই।
মনে রাখুন:
সিয়েরা লিওনের রাজধানী ফ্রিটাউন।
বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বের শীর্ষ অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর একটি। - ১৬৩. ম্যাক্সিম গোর্কীর 'মা' উপন্যাস কোন ভাষায় রচিত?
- ক. রুশ
- খ. ইংরেজি
- গ. তুর্কি
- ঘ. ফরাসি
উত্তর: ক. রুশ
ম্যাক্সিম গোর্কি রুশ সাহিত্যের বিখ্যাত লেখক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘মা’ (Mother) রুশ ভাষায় লেখা। এর পটভূমি রাশিয়ার শ্রমিক আন্দোলন। উপন্যাসে এক শ্রমিকের মা ধীরে ধীরে ছেলের বিপ্লবী চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেও আন্দোলনের অংশ হন। এটি ১৯০৬ সালের কাছাকাছি প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
গোর্কির আসল নাম আলেক্সেই পেশকভ।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক ত্রয়ী: আমার ছেলেবেলা, জীবনের পথে, আমার বিশ্ববিদ্যালয়। - ১৬৭. নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের কী বলা হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
- ক. কুর্দি
- খ. মাউরি
- গ. তাতার
- ঘ. রেড ইন্ডিয়ান
উত্তর: খ. মাউরি
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নাম মাউরি (Maori)। তারা পলিনেশীয় বংশোদ্ভূত এবং প্রায় সাত শ বছর আগে সমুদ্রপথে এ দ্বীপে আসে বলে ধারণা করা হয়। মাউরিরা বেশিরভাগ বাস করে উত্তর দ্বীপে। তাদের ঐতিহ্যবাহী যুদ্ধনৃত্য ‘হাকা’ খুব বিখ্যাত, যা নিউজিল্যান্ডের রাগবি দল খেলার আগে দেখায়।
মনে রাখুন:
রেড ইন্ডিয়ান উত্তর আমেরিকার আদিবাসী।
কুর্দিরা তুরস্ক, ইরাক, ইরান ও সিরিয়া অঞ্চলের জাতি।
অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী অ্যাবরিজিনি। - ১৬৮. ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. ইরান
- খ. ইরাক
- গ. মিশর
- ঘ. সিরিয়া
উত্তর: খ. ইরাক
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি। কথিত আছে, ব্যাবিলনের রাজা দ্বিতীয় নেবুচাদনেজার তাঁর স্ত্রীর মন ভালো করার জন্য এটি তৈরি করান। স্ত্রী মিদিয়া অঞ্চলের পাহাড়ি সবুজ ভালোবাসতেন। ব্যাবিলন নগরী ছিল ইউফ্রেটিস নদীর তীরে, বর্তমান ইরাকে। এই উদ্যানের অস্তিত্ব নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ আছে, কারণ এর কোনো নিশ্চিত প্রত্নতাত্ত্বিক চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
মনে রাখুন: প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে এখনো টিকে আছে শুধু গিজার বৃহৎ পিরামিড, মিশরে। - ১৭১. 'লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প' কার উপাধি?
- ক. সরোজিনী
- খ. ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল
- গ. মাদার তেরেসা
- ঘ. যামিনী রায়
উত্তর: খ. ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলকে ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প’ বলা হয়। তিনি ইংরেজ নার্স। ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় তিনি আহত সৈনিকদের সেবা করতেন, রাতে হাতে লণ্ঠন নিয়ে ওয়ার্ডে ঘুরে রোগীদের দেখতেন, তাই সৈনিকেরা তাঁকে এই নাম দেয়। তাঁকে আধুনিক নার্সিং-এর জনক বলা হয়। তাঁর জন্মদিন ১২ মে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে পালিত হয়।
মনে রাখুন:
সরোজিনী নাইডুকে ‘ভারতকোকিলা’ বলা হতো।
মাদার তেরেসা কলকাতায় সেবামূলক কাজ করেন ও ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পান। - ১৭৪. 'বাজারের শহর' বলা হয় কোন শহরকে?
- ক. দুবাই
- খ. কুয়ালালামপুর
- গ. কায়রো
- ঘ. রাবাত
উত্তর: গ. কায়রো
‘বাজারের শহর’ বলতে সাধারণত কায়রোকে বোঝানো হয়। মিসরের রাজধানী কায়রোর খান আল-খলিলি নামের প্রাচীন বাজারটি খুব বিখ্যাত, যেখানে সুগন্ধি, মসলা, হস্তশিল্প ও স্মারক কেনাবেচা হয়। কায়রো নীল নদের তীরে অবস্থিত। দুবাই, কুয়ালালামপুর ও রাবাত আধুনিক বাণিজ্য বা অন্য কারণে পরিচিত, কিন্তু এই উপাধি তাদের নয়।
মনে রাখুন:
কায়রোকে ‘হাজার মিনারের শহর’-ও বলা হয়।
দুবাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের বড় বাণিজ্যিক শহর।
রাবাত মরক্কোর রাজধানী, কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়ার। - ১৭৭. Chancellor of the Exchequer বলা হয়—
- ক. যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীকে
- খ. রাশিয়ার অর্থমন্ত্রীকে
- গ. ভারতের অর্থমন্ত্রীকে
- ঘ. যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীকে
উত্তর: ঘ. যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীকে
যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীকে Chancellor of the Exchequer বলা হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরেই মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং দেশের বাজেট পেশ করেন। তাঁর অফিস ১১ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে। অন্য দেশের অর্থমন্ত্রীর পদবি আলাদা। যেমন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থমন্ত্রীকে বলা হয় Secretary of the Treasury। রাশিয়া ও ভারতের অর্থমন্ত্রীর পদবির সঙ্গে Exchequer শব্দটির কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: Foreign Secretary।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: Secretary of State।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ১২০. www-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
- ক. World Wide Web
- খ. World Wide Wan
- গ. Worldwide Wireless Windows
- ঘ. Worldwide Wirefree Woofer
উত্তর: ক. World Wide Web
WWW-এর পূর্ণরূপ World Wide Web। এটি ইন্টারনেটের ওপর গড়া এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে ওয়েবপেজ একে অপরের সঙ্গে হাইপারলিংক দিয়ে যুক্ত থাকে। আমরা ব্রাউজারে যে ওয়েবসাইট দেখি, সেগুলো এই ওয়েবের অংশ। ইন্টারনেট আর ওয়েব অবশ্য এক জিনিস নয়, ইন্টারনেট হলো নেটওয়ার্কের জাল, আর ওয়েব সেই জালের ওপর চালু একটি সেবা।
মনে রাখুন:
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের উদ্ভাবক টিম বার্নার্স-লি, ১৯৮৯ সালে।
ওয়েবপেজ দেখার প্রোটোকল HTTP (HyperText Transfer Protocol)। - ১৪৭. কম্পিউটারের কাজের গতি কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
- ক. ন্যানো সেকেন্ড
- খ. ঘণ্টা
- গ. মিনিট
- ঘ. সেকেন্ড
উত্তর: ক. ন্যানো সেকেন্ড
কম্পিউটার যে কাজ করে তা অত্যন্ত দ্রুত, তাই তার গতি সেকেন্ডের খুব ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ দিয়ে মাপা হয়। সাধারণত মিলিসেকেন্ড, মাইক্রোসেকেন্ড, ন্যানোসেকেন্ড ও পিকোসেকেন্ড ব্যবহার করা হয়। ১ ন্যানোসেকেন্ড মানে এক সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ (10⁻⁹ সেকেন্ড)। আধুনিক কম্পিউটারের গতি এই এককেই প্রকাশ করা হয়।
মনে রাখুন:
১ মিলিসেকেন্ড = 10⁻³ সেকেন্ড।
১ মাইক্রোসেকেন্ড = 10⁻⁶ সেকেন্ড।
১ পিকোসেকেন্ড = 10⁻¹² সেকেন্ড। - ১৮০. সফটওয়্যার কত প্রকার?
- ক. ৪ প্রকার
- খ. ৭ প্রকার
- গ. ৯ প্রকার
- ঘ. ২ প্রকার
উত্তর: ঘ. ২ প্রকার
সফটওয়্যার মূলত দুই প্রকার: সিস্টেম সফটওয়্যার (System software) ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application software)। সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার পরিচালনা করে এবং অন্য প্রোগ্রাম চালানোর জন্য ভিত্তি তৈরি করে। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ করে, যেমন লেখালেখি বা ছবি দেখা। বইয়ে সফটওয়্যারকে আরও ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হলেও মূল শ্রেণিবিভাগ দুটিই।
মনে রাখুন:
সিস্টেম সফটওয়্যার: অপারেটিং সিস্টেম (উইন্ডোজ, লিনাক্স), ডিভাইস ড্রাইভার।
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: ওয়ার্ড প্রসেসর, ব্রাউজার, গেম।
চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন