লিয়ানা বুকস

তথ্য অধিদপ্তর সহকারী তথ্য অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ১ নভেম্বর ২০২২। ৯০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. 'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
    • ক. সিকান্দার আবু জাফর
    • খ. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
    • গ. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
    • ঘ. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
    উত্তর: খ. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
    ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে এটি মাসিক সচিত্র পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। এটি বাঙালি মুসলমান সমাজে সাহিত্য ও প্রগতিশীল চিন্তার প্রসারে বড় ভূমিকা রাখে। নজরুলসহ অনেক লেখক এতে লিখতেন। বিকল্পের অন্যদেরও সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় অবদান আছে, তবে ‘সওগাত’-এর সঙ্গে তাঁদের নাম জড়িত নয়। মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন ভাষাবিজ্ঞানী ও পণ্ডিত। ‘সওগাত’ নারীদের লেখাকেও জায়গা দিত, আর বেগম রোকেয়ার মতো লেখকও এতে লিখেছেন।
    মনে রাখুন:
    ‘সমকাল’ (১৯৫৭) সম্পাদনা করেন সিকান্দার আবু জাফর।
    ‘জেহাদ’ সম্পাদনা করেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন।
  2. ৪. 'পাখির ডাক' কথাটি এককথায় প্রকাশ করলে হবে—
    • ক. কেকা
    • খ. কূজন
    • গ. ঝংকার
    • ঘ. বৃংহিত
    উত্তর: খ. কূজন
    পাখির ডাকের এক কথায় প্রকাশ ‘কূজন’। এক কথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচনে অনেক শব্দের বদলে একটিমাত্র শব্দ বসানো হয়। ‘কেকা’ হলো ময়ূরের ডাক, ‘বৃংহিত’ হাতির ডাক, আর ‘ঝংকার’ হলো বীণা বা নূপুরের ধ্বনি। কাজেই পাখির সাধারণ কলরব বোঝাতে ‘কূজন’ই ঠিক। প্রাণীর ডাকের নাম আলাদা আলাদা, তাই প্রতিটি প্রাণীর ডাক জোড়া করে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজ হয়।
    মনে রাখুন:
    কোকিলের ডাক – কুহু; ঘোড়ার ডাক – হ্রেষা; হাতির ডাক – বৃংহিত।
    ময়ূরের ডাক – কেকা; সিংহের ডাক – গর্জন।
  3. ৫. 'শিখণ্ডী' শব্দের অর্থ কী?
    • ক. কবুতর
    • খ. কোকিল
    • গ. খরগোশ
    • ঘ. ময়ূর
    উত্তর: ঘ. ময়ূর
    ‘শিখণ্ডী’ শব্দের অর্থ ময়ূর। যার মাথায় শিখা বা চূড়া আছে, সেই অর্থে ময়ূরকে শিখণ্ডী বলা হয়। মহাভারতেও শিখণ্ডী নামে এক চরিত্র আছে, যিনি দ্রুপদের পুত্র। কবুতর, কোকিল বা খরগোশের সঙ্গে এই শব্দের কোনো যোগ নেই। বাংলা ভাষায় প্রতিশব্দ (Synonym) থেকে এমন প্রশ্ন বেশি আসে। একই প্রাণীর অনেক প্রতিশব্দ থাকে, তাই কোন শব্দ কোন প্রাণীকে বোঝায়, তা মিলিয়ে রাখা দরকার। ময়ূর ভারতের জাতীয় পাখি। ময়ূরের পেখম মেলে নাচার দৃশ্য বাংলা কবিতায় বারবার এসেছে।
    মনে রাখুন:
    ময়ূরের প্রতিশব্দ: শিখী, কলাপী, বর্হী, কেকী, মযূর।
    কোকিলের প্রতিশব্দ: পিক, কলকণ্ঠ, পরভৃত।
  4. ১৭. 'হুলিয়া' কবিতা কে লিখেছেন?
    • ক. আসাদ চৌধুরী
    • খ. আবুল হাসান
    • গ. ত্রিদিব দস্তিদার
    • ঘ. নির্মলেন্দু গুণ
    উত্তর: ঘ. নির্মলেন্দু গুণ
    ‘হুলিয়া’ কবিতাটি লিখেছেন নির্মলেন্দু গুণ। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ ১৯৭০ সালে প্রকাশিত। ‘হুলিয়া’ শব্দের অর্থ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, আর কবিতায় তার ছায়া পড়েছে। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার আবেগ তাঁর কবিতায় বারবার ফিরে আসে। তাই আধুনিক বাংলা কবিদের মধ্যে তিনি আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। পুলিশ বা আদালত পলাতক আসামিকে ধরতে যে নোটিশ জারি করে, সেটিই হুলিয়া।
    মনে রাখুন:
    নির্মলেন্দু গুণের আরেকটি কাব্যগ্রন্থ: না প্রেমিক না বিপ্লবী।
    আসাদ চৌধুরী, আবুল হাসান ও ত্রিদিব দস্তিদার-ও আধুনিক বাংলা কবি।
  5. ১৯. 'ভানুসিংহ ঠাকুর' কার ছদ্মনাম?
    • ক. অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. দীনবন্ধু মিত্র
    • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঘ. প্যারীচাঁদ মিত্র
    উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    ‘ভানুসিংহ ঠাকুর’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম। কিশোর বয়সে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে তিনি এই নামে কবিতা লিখতেন। সেগুলো ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ নামে বই হয়ে ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে প্যারীচাঁদ মিত্র ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে ‘আলালের ঘরের দুলাল’ লেখেন। ছদ্মনাম মানে লেখক বা কবি যে নামে নিজেকে আড়াল করে লেখেন। ভানুসিংহ নামটি তিনি পুরোনো বৈষ্ণব কবিদের ঢঙে লেখা পদগুলোর জন্য বেছে নিয়েছিলেন। ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’র পদগুলো ব্রজবুলি ভাষায় লেখা।
    মনে রাখুন:
    কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম: হুতোম প্যাঁচা।
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিশুসাহিত্য ও চিত্রশিল্পের জন্য বিখ্যাত।
  6. ২০. নিচের কোন গ্রন্থ ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়?
    • ক. অগ্নিবীণা
    • খ. নীলদর্পণ
    • গ. মেঘনাদবধ কাব্য
    • ঘ. দুর্গেশনন্দিনী
    উত্তর: খ. নীলদর্পণ
    ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি ঢাকা থেকে ১৮৬০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়, লেখক দীনবন্ধু মিত্র। এতে নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও কৃষকদের দুঃখ তুলে ধরা হয়েছে। পরে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন, যা ১৮৬১ সালে প্রকাশ পায়। অন্য তিনটি গ্রন্থ কলকাতা থেকে প্রকাশিত। ‘অগ্নিবীণা’ নজরুলের, ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মধুসূদনের আর ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা। নাটকটি এতই আলোড়ন তুলেছিল যে এর ফলে নীলচাষিদের পক্ষে জনমত গড়ে ওঠে।
    মনে রাখুন:
    নীলদর্পণের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের জন্য রেভারেন্ড জেমস লং শাস্তি পান।
    মেঘনাদবধ কাব্য ১৮৬১ সালে মধুসূদনের লেখা।
    ‘দুর্গেশনন্দিনী’ ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
  7. ২২. 'সংযোজন' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো–
    • ক. সময় + অন
    • খ. সং + জন
    • গ. সম্ + যোজন
    • ঘ. সং + যোজন
    উত্তর: গ. সম্ + যোজন
    ‘সংযোজন’ শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ সম্ + যোজন। নিয়ম: ‘ম্’-এর পরে অন্তঃস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব) বা শ, ষ, স, হ থাকলে ‘ম্’ বদলে অনুস্বার (ং) হয়। এখানে ‘ম্’-এর পর ‘য’ আছে, তাই সম্ + যোজন = সংযোজন। বাকি বিকল্পগুলোর বিচ্ছেদ ভুল। ‘সং + জন’ বা ‘সময় + অন’ ধরলে শব্দটির অর্থই মেলে না। এই নিয়মকে ব্যঞ্জনসন্ধির অংশ ধরা হয়।
    উদাহরণ:
    সম্ + বাদ = সংবাদ
    সম্ + লাপ = সংলাপ
    সম্ + হার = সংহার
    সম্ + সার = সংসার
  8. ২৫. বর্ণ হলো ধ্বনির–
    • ক. লিখিত রূপ
    • খ. উচ্চারিত রূপ
    • গ. ভাবরূপ
    • ঘ. অনুদিত রূপ
    উত্তর: ক. লিখিত রূপ
    ধ্বনি আমরা কানে শুনি, আর সেই ধ্বনিকে লিখে বোঝাতে যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাই বর্ণ। অর্থাৎ বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ। ধ্বনি উচ্চারিত হয় আর বর্ণ লেখা হয়, তাই ‘উচ্চারিত রূপ’ ভুল। ব্যাকরণে মূল ধ্বনিকে বলা হয় ধ্বনি, আর তার প্রতীককে বর্ণ বলে। অনেক সময় একই ধ্বনি একাধিক বর্ণ দিয়ে লেখা হয়, যেমন ‘জ’ ও ‘য’ দুটোরই উচ্চারণ কাছাকাছি।
    মনে রাখুন:
    বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ: স্বরবর্ণ ১১টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
    ধ্বনি মুখে উচ্চারিত, বর্ণ চোখে দেখা যায়।
  9. ২৯. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. মনীষি
    • খ. মনীষী
    • গ. মনিষি
    • ঘ. মনিষী
    উত্তর: খ. মনীষী
    শুদ্ধ বানান ‘মনীষী’। শব্দটি এসেছে ‘মনীষা’ (মনন-শক্তি, প্রজ্ঞা) থেকে। ‘মনীষা’ যার আছে, সেই মনীষী। এতে ‘নী’ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ‘ষী’ ষ-এ দীর্ঘ ঈ-কার। তাই অন্য বানানগুলো ভুল। সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম শব্দের বানান বাংলায় মূলের মতোই রাখা হয়, তাই এসব শব্দে ই-কার ও ঈ-কারের ভুল হলে অর্থও ঠিক থাকে না। বানান মুখস্থের আগে শব্দের মূল জানলে ভুল কম হয়। ‘মনীষী’ মানে জ্ঞানী ও চিন্তাশীল ব্যক্তি, যেমন রবীন্দ্রনাথকে মনীষী বলা চলে।
    মনে রাখুন:
    শুদ্ধ বানান: সমীচীন, আকাঙ্ক্ষা, পাষাণ, বিভীষিকা, মরীচিকা, পিপীলিকা, মুমূর্ষু।
  10. ৩০. কোন বাগধারাটির অর্থ 'কপট'?
    • ক. মেনিমুখো
    • খ. ভিজে বিড়াল
    • গ. ভুষণ্ডির কাক
    • ঘ. ভালুক জ্বর
    উত্তর: খ. ভিজে বিড়াল
    ‘ভিজে বিড়াল’ বাগধারার অর্থ কপট বা ভণ্ড, অর্থাৎ বাইরে নিরীহ কিন্তু ভেতরে ধূর্ত। ভেজা বিড়ালকে দেখে নিরীহ মনে হয়, কিন্তু সে আসলে চতুর। এভাবেই অর্থটি এসেছে। ‘মেনিমুখো’ হলো লাজুক বা ভীরু প্রকৃতির মানুষ, আর ‘ভুষণ্ডির কাক’ মানে দীর্ঘজীবী ব্যক্তি। বাগধারা (Idiom) এমন বাক্যাংশ, যার শব্দগত অর্থ আর প্রকৃত অর্থ আলাদা। তাই এগুলো আক্ষরিক অর্থে বোঝা যায় না, পুরো বাক্যাংশের অর্থ মুখস্থ রাখতে হয়।
    মনে রাখুন:
    অন্য বাগধারা: ঘুঘু দেখেছ ফাঁদ দেখনি – চতুর লোককেও বিপদে পড়তে হয়।
    অমাবস্যার চাঁদ – দুর্লভ ব্যক্তি।
  11. ৩৭. কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের গল্পগ্রন্থ?
    • ক. রিক্তের বেদন
    • খ. যুগবাণী
    • গ. চিত্তনামা
    • ঘ. সঞ্চিতা
    উত্তর: ক. রিক্তের বেদন
    ‘রিক্তের বেদন’ কাজী নজরুল ইসলামের গল্পগ্রন্থ, প্রকাশ ১৯২৫ সালে। তাঁর অন্য গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’ (১৯২২) ও ‘শিউলিমালা’ (১৯৩১)। ‘যুগবাণী’ নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ, যা ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল। ‘চিত্তনামা’ কাব্যগ্রন্থ, আর ‘সঞ্চিতা’ তাঁর নির্বাচিত কবিতার সংকলন। নজরুল কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ সবকিছুতেই লিখেছেন, তাই কোন বই কোন ধরনের, তা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি। ‘ব্যথার দান’ নজরুলের প্রথম গল্পগ্রন্থ। ‘শিউলিমালা’ গল্পগ্রন্থের নামটি শরতের শিউলি ফুলের কথা মনে করিয়ে দেয়, আর ‘রিক্তের বেদন’ নামে রিক্ত মানুষের ব্যথার ইঙ্গিত আছে। নাম দেখে রচনার ধরন আন্দাজ করা তাই কিছুটা সম্ভব।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের উপন্যাস: বাঁধনহারা, কুহেলিকা, মৃত্যুক্ষুধা।
    সঞ্চিতা প্রকাশ: ১৯২৮।
  12. ৪৪. বর্গের কোন কোন বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনির দৃষ্টান্ত?
    • ক. তৃতীয় বর্ণ
    • খ. দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
    • গ. প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
    • ঘ. দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ
    উত্তর: খ. দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
    বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের প্রতিটি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি, কারণ এগুলো উচ্চারণে জোরে নিঃশ্বাস খরচ হয়। যেমন ক-বর্গের খ ও ঘ, চ-বর্গের ছ ও ঝ। প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। তাই ‘তৃতীয় বর্ণ’ বা ‘প্রথম ও দ্বিতীয়’ বিকল্প সঠিক নয়। উচ্চারণের সময় বাতাসের জোর কম হলে অল্পপ্রাণ আর বেশি হলে মহাপ্রাণ ধ্বনি হয়।
    উদাহরণ:
    মহাপ্রাণ: খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ।
    অল্পপ্রাণ: ক, গ, চ, জ, ট, ড, ত, দ, প, ব।
  13. ৪৫. 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'- উদ্ধৃত পঙ্ক্তিটি কোন কাব্য থেকে গৃহীত হয়েছে?
    • ক. চণ্ডীমঙ্গল কাব্য
    • খ. মনসামঙ্গল কাব্য
    • গ. অন্নদামঙ্গল কাব্য
    • ঘ. কালিকামঙ্গল কাব্য
    উত্তর: গ. অন্নদামঙ্গল কাব্য
    ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ পঙ্ক্তিটি অষ্টাদশ শতকের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের অংশ। কাব্যে দেবী অন্নপূর্ণা ছদ্মবেশে খেয়াঘাটে এলে ঈশ্বরী পাটনী তাঁর কাছে এই বর চান। অন্য মঙ্গলকাব্যগুলোতে এই পঙ্ক্তি নেই, কারণ চণ্ডীমঙ্গল, মনসামঙ্গল বা কালিকামঙ্গল আলাদা দেবদেবীর মাহাত্ম্য নিয়ে লেখা। পঙ্ক্তিটির সরল চাওয়াটি আজও বাঙালির মুখে মুখে ফেরে। কাব্যটির রচনাকাল আঠারো শতকের মাঝামাঝি।
    মনে রাখুন:
    ভারতচন্দ্রকে মধ্যযুগের শেষ বড় কবি বলা হয়। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দিয়েছিলেন।
    তাঁর আরও রচনা: সত্যপীরের পাঁচালি, রসমঞ্জরী।
  14. ৫৩. 'জোছনা ও জননীর গল্প' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
    • ক. সৈয়দ শামসুল হক
    • খ. জাহানারা ইমাম
    • গ. হুমায়ূন আহমেদ
    • ঘ. নীলিমা ইব্রাহিম
    উত্তর: গ. হুমায়ূন আহমেদ
    ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ হুমায়ূন আহমেদের লেখা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এতে ১৯৭১ সালের যুদ্ধ, একটি পরিবারের জীবন এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট ও সাহসের কথা ফুটে উঠেছে। জাহানারা ইমামের বিখ্যাত বই ‘একাত্তরের দিনগুলি’, আর সৈয়দ শামসুল হক লিখেছেন ‘নীলদংশন’ ও ‘নিষিদ্ধ লোবান’-এর মতো গ্রন্থ। নীলিমা ইব্রাহিম মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখলেও এই বই তাঁর নয়। হুমায়ূন আহমেদ নাটক ও চলচ্চিত্রেও সমান জনপ্রিয় ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা: আগুনের পরশমণি (চলচ্চিত্র ও উপন্যাস), শ্যামল ছায়া, সূর্যের দিন, জোছনা ও জননীর গল্প।
  15. ৫৭. নীলিমা ইব্রাহীমের বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম—
    • ক. আমি বাঙালি বলছি
    • খ. আমি বীরাঙ্গনা বলছি
    • গ. বীরাঙ্গনার গাথা
    • ঘ. বাঙালি জীবনে রমণী
    উত্তর: খ. আমি বীরাঙ্গনা বলছি
    নীলিমা ইব্রাহীমের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’। এতে ১৯৭১ সালে নির্যাতিত নারীদের সাক্ষাৎকার ও বর্ণনা সংকলিত হয়েছে। এই বইয়ের মাধ্যমে তাঁদের ওপর ঘটে যাওয়া অন্যায়ের কথা প্রথম বড় পরিসরে সবার সামনে আসে। বিকল্পের অন্য নামগুলো তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত নয়। ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’ ধারাবাহিকভাবে বেরিয়ে পরে বই আকারে প্রকাশ পায়।
    মনে রাখুন:
    নীলিমা ইব্রাহীম একজন শিক্ষাবিদ ও লেখক। তাঁর উপন্যাস ‘যে অরণ্যে আলো নেই’।
    ‘বীরাঙ্গনা’ শব্দটি যুদ্ধে নির্যাতিত নারীদের সম্মান জানিয়ে ব্যবহার করা হয়।
  16. ৬২. মধ্যযুগে 'লায়লী-মজনু' কাব্য কে অনুবাদ করেছিলেন?
    • ক. শাহ মুহম্মদ সগীর
    • খ. আলাওল
    • গ. দৌলত উজির বাহরাম খান
    • ঘ. সৈয়দ সুলতান
    উত্তর: গ. দৌলত উজির বাহরাম খান
    ‘লায়লী-মজনু’ কাব্যটি মধ্যযুগের কবি দৌলত উজির বাহরাম খানের রচনা। তিনি ষোড়শ শতকের কবি ছিলেন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাস করতেন। এই কাব্যের কাহিনীর মূল উৎস আরবের লোককথা। পরে ফারসি কবি নিজামী গঞ্জভির কাব্যের মাধ্যমে এটি বহুল প্রচার পায়, আর বাহরাম খান সেই ফারসি ধারার অনুসরণে বাংলায় কাব্যটি লেখেন।
    অন্য কবিদের পরিচয়ও আমাদের জানা দরকার। আলাওল লিখেছেন ‘পদ্মাবতী’, শাহ মুহম্মদ সগীর লিখেছেন ‘ইউসুফ-জোলেখা’ এবং সৈয়দ সুলতান লিখেছেন ‘নবীবংশ’।
    মনে রাখুন:
    দৌলত কাজীর কাব্য ‘লোরচন্দ্রানী’ বা ‘সতীময়না’।
    দৌলত উজির বাহরাম খান ও দৌলত কাজী দুজন আলাদা কবি, নাম মিলে যাওয়ায় অনেকে গুলিয়ে ফেলে।
  17. ৬৮. কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়?
    • ক. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    • খ. রাইফেল রোটি আওরাত
    • গ. আগুনের পরশমণি
    • ঘ. জীবন আমার বোন
    উত্তর: ক. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    প্রশ্নে খুঁজতে হবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়, এমন রচনা। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি কাব্যনাট্য। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা হলেও এটি নাটক, উপন্যাস নয়। তাই প্রশ্নের উত্তর এটিই। পরীক্ষায় এমন প্রশ্নে সাহিত্যের রূপ, অর্থাৎ উপন্যাস, নাটক নাকি কবিতা, সেটাই আসল বিচার্য বিষয়।
    অন্য তিনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ লিখেছেন আনোয়ার পাশা, আর ‘আগুনের পরশমণি’ লিখেছেন হুমায়ূন আহমেদ। এ ধরনের প্রশ্নে সাহিত্যের রূপ, অর্থাৎ উপন্যাস, নাটক নাকি কবিতা, সেটিই আসল বিচার্য বিষয়।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ শামসুল হকের আরও বিখ্যাত কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারাজীবন’।
    কাব্যনাট্য মানে কবিতার ছন্দে লেখা নাটক।
  18. ৭২. ভাষা-আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সাহিত্য সংকলনের সম্পাদকের নাম—
    • ক. আবদুল গাফফার চৌধুরী
    • খ. শামসুর রাহমান
    • গ. মুনীর চৌধুরী
    • ঘ. হাসান হাফিজুর রহমান
    উত্তর: ঘ. হাসান হাফিজুর রহমান
    ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রথম সাহিত্য সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদক ছিলেন কবি ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান। সংকলনটিতে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি নিয়ে কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ স্থান পায়। তৎকালীন সরকার এটিকে ভয় পেয়ে নিষিদ্ধ করেছিল।
    প্রশ্নে সম্পাদকের নাম চাওয়া হয়েছে, তাই লেখকদের নামের সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলে হাসান হাফিজুর রহমানের নামটিই মনে রাখতে হবে।
    মনে রাখুন:
    হাসান হাফিজুর রহমান ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র’ নামে ১৫ খণ্ডের একটি গ্রন্থ সম্পাদনা করেন। এতে মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ নথি স্থান পেয়েছে।
  19. ৭৪. শাক্ত পদাবলির জন্য বিখ্যাত কবি—
    • ক. রামপ্রসাদ সেন
    • খ. রামনিধি গুপ্ত
    • গ. দাশরথি রায়
    • ঘ. এন্টনি ফিরিঙ্গি
    উত্তর: ক. রামপ্রসাদ সেন
    শাক্ত পদাবলি হলো শক্তি বা কালীদেবীর উদ্দেশ্যে রচিত ভক্তিগীতি। মধ্যযুগের শেষ দিকে এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি রামপ্রসাদ সেন। তাঁর রচিত গানকে ‘রামপ্রসাদী সংগীত’ বলা হয়। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ‘কবিরঞ্জন’ উপাধি দেন। শাক্ত শব্দটি এসেছে ‘শক্তি’ থেকে, অর্থাৎ যাঁরা শক্তির উপাসক, তাঁদের গান বলেই এর এই নাম।
    বাকি কবিরা অন্য ধারার জন্য পরিচিত। রামনিধি গুপ্ত (নিধুবাবু) টপ্পা গানের জন্য, দাশরথি রায় পাঁচালির জন্য এবং এন্টনি ফিরিঙ্গি কবিগানের জন্য বিখ্যাত।
    মনে রাখুন:
    রামপ্রসাদের কাব্য ‘বিদ্যাসুন্দর’ ও ‘কালীকীর্তন’।
    শাক্ত পদাবলির বিষয় উমা ও মেনকার সম্পর্ক, অর্থাৎ আগমনী ও বিজয়ার গান।
    বৈষ্ণব পদাবলির বিষয় রাধা-কৃষ্ণের প্রেম।
  20. ৮০. নিচের কোন ব্যক্তি 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না?
    • ক. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    • খ. কাজী আবদুল ওদুদ
    • গ. আবুল ফজল
    • ঘ. কাজী মোতাহার হোসেন
    উত্তর: ক. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলন শুরু হয় ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ গঠনের (১৯২৬) পর, এর মুখপত্র ‘শিখা’ পত্রিকাকে ঘিরে (১৯২৭)। এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে যুক্তি ও বুদ্ধির চর্চা।
    এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল ফজল ও কাজী মোতাহার হোসেন। বেগম রোকেয়া নারীশিক্ষা ও সমাজসংস্কারে অবদান রাখলেও এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন না।
    মনে রাখুন: ‘শিখা’র মূল মন্ত্র ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’।
  21. ৮৩. নিচের কোনটি তৎসম শব্দের উদাহরণ?
    • ক. গিন্নি
    • খ. ভাত
    • গ. হথ
    • ঘ. পুত্র
    উত্তর: ঘ. পুত্র
    তৎসম শব্দ হলো সংস্কৃত থেকে অবিকৃত অবস্থায় বাংলায় আসা শব্দ। ‘তৎ’ মানে তার, আর ‘সম’ মানে সমান, অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান রূপ। ‘পুত্র’ শব্দটি সংস্কৃত থেকে একই রূপে এসেছে, তাই এটি তৎসম।
    অন্য শব্দগুলো কেন তৎসম নয়, তা দেখি। ‘ভাত’ এসেছে সংস্কৃত ‘ভক্ত’ থেকে বদলে গিয়ে, তাই এটি তদ্ভব। ‘গিন্নি’ এসেছে ‘গৃহিণী’ থেকে রূপ বদলে, এটিও তদ্ভব।
    উদাহরণ:
    তৎসম: সূর্য, চন্দ্র, পুত্র, নক্ষত্র।
    তদ্ভব: চাঁদ (চন্দ্র), হাত (হস্ত), মাছ (মৎস্য)।
    মনে রাখুন: বাংলা শব্দভান্ডারে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ শ্রেণির শব্দ আছে।
  22. ৮৫. 'Preliminary' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ—
    • ক. প্রেষণ
    • খ. প্রারম্ভিক
    • গ. প্রকল্প
    • ঘ. প্রায়োগিক
    উত্তর: খ. প্রারম্ভিক
    ‘Preliminary’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ প্রারম্ভিক। এর অর্থ শুরুর দিকের বা প্রাথমিক, অর্থাৎ মূল কাজ শুরুর আগে যা করা হয়। যেমন Preliminary examination হলো প্রারম্ভিক বা প্রাথমিক পরীক্ষা, যা মূল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার আগে নেওয়া হয়। এই ধরনের পারিভাষিক শব্দ প্রশাসনিক ও আইনের লেখায় প্রায়ই ব্যবহার হয়, তাই ইংরেজি শব্দের সঙ্গে বাংলা প্রতিশব্দ মিলিয়ে শেখা ভালো। যেমন Preliminary report মানে প্রারম্ভিক প্রতিবেদন।
    বাকি অপশনের অর্থ আলাদা। প্রেষণ মানে পাঠানো বা প্রেরণ (Deputation), প্রকল্প মানে Project, আর প্রায়োগিক মানে Applied।
    মনে রাখুন:
    Preliminary-এর সমার্থক শব্দ introductory, initial।
    বিপরীত শব্দ final।
    বিসিএস প্রিলি পরীক্ষাও এই preliminary শব্দ থেকেই এসেছে।
  23. ৮৮. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে'র আবিষ্কর্তার নাম—
    • ক. বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ
    • খ. বসন্তকুমার সেন
    • গ. বসন্তকুমার দে
    • ঘ. বাসন্তী সেন
    উত্তর: ক. বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ
    ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি ১৯০৯ সালে বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামে এক গোয়ালঘরের চাল থেকে পাওয়া পুঁথি থেকে আবিষ্কৃত হয়। আবিষ্কারক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ। কাব্যটি ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়। এর কবি বড়ু চণ্ডীদাস। পুঁথি হলো হাতে লেখা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি। আবিষ্কারের সময় পুঁথির প্রথম ও শেষ কয়েকটি পাতা পাওয়া যায়নি, তাই কাব্যটির আসল নাম আর রচনাকাল নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে তর্ক আছে। ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ নামটি পরে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হয়।
    মনে রাখুন:
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আদি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
    চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে।
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি বর্ণিত হয়েছে।

ইংরেজি

  1. ২. Put the correct phrasal verb to complete the sentence : If you — your orders exactly everything will be right.
    • ক. carry of
    • খ. carry on
    • গ. carry up
    • ঘ. carry out
    উত্তর: ঘ. carry out
    ‘Carry out’ একটি phrasal verb, যার অর্থ কোনো আদেশ বা কাজ পালন করা বা সম্পন্ন করা (execute)। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, ‘তুমি যদি নির্দেশ ঠিকঠাক পালন করো, সব ঠিক থাকবে।’ অন্য বিকল্পগুলো এখানে মানায় না। ‘Carry on’ মানে চালিয়ে যাওয়া, আর ‘carry of’ বা ‘carry up’ এখানে কোনো সঠিক অর্থ দেয় না।
    মনে রাখুন:
    Carry out = সম্পন্ন করা (carry out a plan)
    Carry on = চালিয়ে যাওয়া
    Carry off = সফলভাবে করা বা জিতে নেওয়া
  2. ৬. Which verb form is needed in the question : How many Eid Cards— this year?
    • ক. do you send
    • খ. you send
    • গ. are you sending
    • ঘ. were you sending
    উত্তর: গ. are you sending
    বাক্যে ‘this year’ আছে, অর্থাৎ বর্তমান বছরের কথা বলা হচ্ছে, যেটি চলমান সময়। এ ধরনের প্রশ্নে বর্তমানে চলমান কাজ বোঝাতে Present Continuous Tense ব্যবহার করা স্বাভাবিক: ‘How many Eid cards are you sending this year?’ ‘do you send’ সাধারণ অভ্যাস বোঝায়, আর ‘you send’ প্রশ্নের গঠন ঠিক নয় কারণ প্রশ্নবোধক বাক্যে auxiliary verb আগে বসে। ‘were you sending’ অতীত চলমান, তাই চলতি বছরের জন্য মানায় না।
    মনে রাখুন:
    প্রশ্নের গঠন: Wh-word + auxiliary + subject + verb।
    Present Continuous: am/is/are + verb-ing।
    উদাহরণ:
    What are you doing now?
  3. ৭. 'Conflict' is the feature of :
    • ক. a poem
    • খ. a story
    • গ. a drama
    • ঘ. a novel
    উত্তর: গ. a drama
    নাটকের মূল বৈশিষ্ট্য দ্বন্দ্ব বা Conflict। কোনো চরিত্রের সঙ্গে অন্য চরিত্রের, কিংবা নিজের ভেতরে ইচ্ছা ও পরিস্থিতির সংঘাত থেকেই নাটক এগোয় এবং দর্শকের মনে কৌতূহল তৈরি হয়। তাই বলা হয়, ‘Drama is conflict’। গল্প বা উপন্যাসেও দ্বন্দ্ব থাকে, তবে নাটকে এটি কাহিনির প্রাণ। কবিতার মূল জোর ভাব ও সুরে, তাই বিকল্প হিসেবে সেটি কম মানানসই। নাটক মঞ্চে অভিনয়ের জন্য লেখা হয়, আর সেখানে সংলাপের মাধ্যমেই দ্বন্দ্ব ফুটে ওঠে।
    মনে রাখুন:
    নাটকের উপাদান: Plot, Character, Conflict, Dialogue, Climax।
    Aristotle-এর Poetics নাটকতত্ত্বের মূল গ্রন্থ।
  4. ১৩. Complete the sentence using correct question tag : The students are having a test, — ?
    • ক. aren't they
    • খ. are they
    • গ. won't they
    • ঘ. don't they
    উত্তর: ক. aren't they
    বাক্যটির verb ‘are having’ (Present Continuous) এবং বাক্যটি ইতিবাচক। Question tag সবসময় বিপরীত হয়: ইতিবাচক বাক্যে নেতিবাচক tag। auxiliary হিসেবে ‘are’ থাকায় tag হবে ‘aren’t’, আর subject ‘the students’-কে pronoun করলে ‘they’। তাই ‘aren’t they?’। ‘are they’ বসালে বাক্য ও tag দুটোই ইতিবাচক হয়ে যায়, যা নিয়মবিরুদ্ধ। ‘won’t they’ বা ‘don’t they’ বসালে auxiliary মেলে না।
    মনে রাখুন:
    ইতিবাচক বাক্যে negative tag, নেতিবাচক বাক্যে positive tag।
    উদাহরণ:
    She is reading, isn’t she?
    They don’t come, do they?
  5. ১৫. ‘All that glitters is not gold.’ এই বাক্যে ‘that’ শব্দটি কী?
    • ক. a determiner
    • খ. a conjunction
    • গ. an adjective
    • ঘ. a pronoun
    উত্তর: ঘ. a pronoun
    ‘All that glitters is not gold’ বাক্যে ‘that’ একটি Relative Pronoun, যা আগের শব্দ ‘all’-এর কথা ধরে সংযোগ করে এবং একই সঙ্গে ‘glitters’ ক্রিয়ার কর্তা। সাধারণত ‘that’ determiner বা conjunction হিসেবেও আসে, কিন্তু এখানে এটি কোনো noun-এর আগে বসেনি, আর কোনো বাক্যাংশও যুক্ত করেনি, তাই pronoun। প্রবচনটি Shakespeare-এর ‘The Merchant of Venice’ নাটকে ‘glisters’ রূপে আছে। এর অর্থ, যা কিছু চকচক করে তাই সোনা নয়।
    মনে রাখুন:
    Relative pronoun: who, whom, whose, which, that।
    Determiner noun-এর আগে বসে: that book।
    উদাহরণ:
    The man that came here is my uncle.
  6. ২১. Choose the correct articles : I would speak Japanese — way — Japanese speak it.
    • ক. the, a
    • খ. the, the
    • গ. a, a
    • ঘ. a, the
    উত্তর: খ. the, the
    বাক্যটি দাঁড়ায়: ‘I would speak Japanese the way the Japanese speak it.’ প্রথম ‘the’ বসেছে ‘way’-এর আগে, কারণ কোন পদ্ধতি তা পরের অংশে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। দ্বিতীয় ‘the’ বসেছে ‘Japanese’-এর আগে, কারণ এখানে জাপানি জাতির মানুষ বোঝানো হচ্ছে। জাতিবাচক বিশেষণের আগে ‘the’ বসিয়ে পুরো জাতিকে বোঝানো হয়। ‘a’ বসালে কোনো একটি অনির্দিষ্ট পদ্ধতি বা ব্যক্তি বোঝাত, যা এখানে মানায় না।
    মনে রাখুন:
    The French, the British, the Chinese – পুরো জাতিকে বোঝায়।
    ভাষা বোঝালে article বসে না: I speak French।
    উদাহরণ:
    The English love tea.
  7. ২৬. The meaning of 'etiquette' is—
    • ক. a customary code of behaviour
    • খ. the way one sings
    • গ. food habit
    • ঘ. rules and regulation
    উত্তর: ক. a customary code of behaviour
    Etiquette মানে সমাজ বা পেশায় প্রচলিত আচার-আচরণের রীতি, অর্থাৎ ভদ্রতা ও শিষ্টাচারের নিয়ম। তাই সঠিক অর্থ ‘a customary code of behaviour’। বাকিগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে: ‘the way one sings’ গান গাওয়ার ধরন, ‘food habit’ খাদ্যাভ্যাস, ‘rules and regulation’ আইনকানুন। শব্দটি আইন নয়, সামাজিক রীতি বোঝায়, তাই না মানলে শাস্তি হয় না। উচ্চারণ: ‘এটিকেট’।
    মনে রাখুন:
    শব্দটি ফরাসি étiquette থেকে এসেছে।
    Manner = আচরণ; Courtesy = সৌজন্য।
    উদাহরণ:
    Dining etiquette is important in formal dinners.
  8. ৩৩. Who of the following was not a British writer?
    • ক. John Milton
    • খ. Ben Jonson
    • গ. Jonathan Swift
    • ঘ. Harold Pinter
    উত্তর: গ. Jonathan Swift
    জোনাথান সুইফট (Jonathan Swift) জন্মসূত্রে আইরিশ লেখক, ডাবলিনে তাঁর জন্ম। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে তিনি ইংরেজ বা ব্রিটিশ লেখক নন। বিখ্যাত গ্রন্থ ‘Gulliver’s Travels’ (1726) এবং ‘A Tale of a Tub’। অন্যদিকে মিল্টন, বেন জনসন ও হ্যারল্ড পিন্টার ব্রিটিশ লেখক। সুইফট ব্যঙ্গ রচনার জন্য বিখ্যাত, আর তাঁর লেখায় সমাজের ভণ্ডামি ও রাজনীতির সমালোচনা বারবার ফিরে আসে। সুইফটের জন্ম ১৬৬৭ সালে।
    মনে রাখুন:
    John Milton – Paradise Lost; Ben Jonson – Volpone; Harold Pinter – The Birthday Party (নোবেল ২০০৫)।
  9. ৩৪. Select the word that occurs in the plural :
    • ক. information
    • খ. luggage
    • গ. news
    • ঘ. thanks
    উত্তর: ঘ. thanks
    ‘Thanks’ শব্দটি সবসময় বহুবচন রূপে ব্যবহৃত হয়, যেমন: ‘Thanks are due to him.’ বাকি তিনটি শব্দ অগণনীয় (uncountable) ও একবচন। ‘News’ দেখতে বহুবচনের মতো হলেও আসলে একবচন, আর information ও luggage-এর বহুবচন রূপ হয় না। তাই ‘a luggage’ বা ‘informations’ লেখা ভুল। Thanks শব্দের শেষে ‘s’ থাকে বলেই বোঝা যায়, এটি সর্বদা বহুবচনের মতো আচরণ করে।
    মনে রাখুন:
    সবসময় বহুবচন: scissors, trousers, clothes, goods, riches।
    দেখতে বহুবচন, কিন্তু একবচন: news, physics, mathematics।
    উদাহরণ:
    The news is good.
  10. ৩৯. Who is the author of the book 'Nineteen Eighty Four'?
    • ক. Thomas Hardy
    • খ. Emile Zola
    • গ. George Orwell
    • ঘ. Sir Walter Scott
    উত্তর: গ. George Orwell
    ‘Nineteen Eighty-Four’ উপন্যাসের লেখক জর্জ অরওয়েল (George Orwell), যা ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত। তাঁর আসল নাম এরিক আর্থার ব্লেয়ার। এতে ‘বিগ ব্রাদার’ সবকিছু নজরদারি করে, এমন এক সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রের কাহিনি আছে। অন্য তিন লেখকও বিখ্যাত, তবে এই বই তাঁদের নয়। অরওয়েলের লেখায় স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা ফুটে ওঠে। ‘Big Brother is watching you’ বাক্যটি এই উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত।
    মনে রাখুন:
    অরওয়েলের অন্য বই: Animal Farm (1945), Burmese Days, Homage to Catalonia।
    Thomas Hardy – Tess of the d’Urbervilles; Zola – Germinal; Walter Scott – Ivanhoe।
  11. ৪৭. Replace the sentence with a sentence using the verb 'Let' : I'll do that for you—
    • ক. Let's do that for your.
    • খ. Let do that for you.
    • গ. Let me do that for you.
    • ঘ. Let you do that for you.
    উত্তর: গ. Let me do that for you.
    আমরা যখন নিজে কোনো কাজ করে দেওয়ার প্রস্তাব দিই, তখন ‘I will do’-কে ‘Let me do’ আকারে লেখা যায়। Let-এর পরে কর্তা (subject) থাকলে তা objective form-এ বসে, তাই I হয়ে যায় me। এরপর verb-এর মূল রূপ (do) আসে। সুতরাং বাক্যটি হয় Let me do that for you।
    অন্য অপশনগুলোতে ভুল আছে। Let’s মানে Let us, আর শেষে your বসলে বাক্যই অর্থহীন হয়। Let do বা Let you do ব্যাকরণসম্মত নয়।
    মনে রাখুন: Let-এর পরের pronoun সবসময় objective form হয়, যেমন Let him go, Let them come।
  12. ৪৯. Select the correct preposition : She was delighted — her present.
    • ক. by
    • খ. with
    • গ. for
    • ঘ. at
    উত্তর: খ. with
    কোনো উপহারের কারণে খুশি হলে ইংরেজিতে সাধারণত delighted with ব্যবহার করা হয়, যেমন She was delighted with her present। Delight শব্দটির অর্থ আনন্দ, আর delighted মানে আনন্দিত। Preposition নির্বাচন অনেক সময় নিয়ম ধরে হয় না, বরং শব্দের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে যে preposition বসে, সেটিই মুখস্থ রাখতে হয়। ‘by’ সাধারণত কাজের কর্তা বোঝাতে আসে, আর ‘for’ বা ‘at’ এখানে মানায় না।
    মনে রাখুন: Delighted at বা by ব্যবহারও কখনো কখনো দেখা যায়, তবে বস্তুর ক্ষেত্রে পরীক্ষায় with-ই প্রচলিত উত্তর।
    উদাহরণ:
    pleased with, satisfied with, delighted with।
  13. ৫০. Choose the correct spelling :
    • ক. Amatuer
    • খ. Amature
    • গ. Amateur
    • ঘ. Ameteur
    উত্তর: গ. Amateur
    সঠিক বানান Amateur, যার অর্থ অপেশাদার, অর্থাৎ যে ব্যক্তি শখের বশে কোনো কাজ করে, টাকার জন্য নয়। শব্দটি ফরাসি থেকে ইংরেজিতে এসেছে এবং এর শেষে ‘-eur’ থাকে। তাই ‘Amatuer’ বা ‘Ameteur’ বানান ভুল, এবং শেষের ‘-ure’ রূপও ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    Amateur-এর বিপরীত শব্দ Professional।
    শেষে ‘-eur’ থাকা আরও কিছু শব্দ: Chauffeur, Connoisseur, Entrepreneur।
  14. ৫৫. Choose the correct word/words to fill in the gap : Nelson Mandela was — the Nobel Peace Prize in 1993.
    • ক. an award
    • খ. awarding
    • গ. awarded
    • ঘ. to be awarded
    উত্তর: গ. awarded
    বাক্যে ‘was’ আছে, আর Nelson Mandela পুরস্কারটি পেয়েছিলেন, নিজে দেননি। তাই এটি Passive voice, যেখানে be-verb-এর পরে verb-এর past participle (v3) বসে। Award-এর past participle হলো awarded, ফলে was awarded সঠিক।
    An award বা awarding বসালে বাক্যের গঠন ভেঙে যায়, আর to be awarded was-এর পরে বসে না।
    উদাহরণ:
    He was awarded a medal। (Active: They awarded him a medal)।
    মনে রাখুন: Nelson Mandela ১৯৯৩ সালে F. W. de Klerk-এর সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
  15. ৫৬. Choose the correct word/words to fill in the gap : That is— story I have ever heard.
    • ক. incredible
    • খ. the most incredible
    • গ. more incredible
    • ঘ. the more incredible
    উত্তর: খ. the most incredible
    তিনটি বা তার বেশি জিনিসের মধ্যে তুলনায় সবচেয়ে বেশি গুণ বোঝাতে Superlative degree ব্যবহার হয়। এ ধরনের বাক্যে adjective-এর আগে the বসে। ‘That is the most incredible story I have ever heard’ বাক্যে ‘ever heard’ দেখে বোঝা যায় এখানে সবার মধ্যে সবচেয়ে অবিশ্বাস্য গল্পের কথা বলা হচ্ছে।
    Incredible মানে অবিশ্বাস্য। Incredible-কে আলাদা করে বসালে বা more incredible বসালে superlative অর্থ আসে না।
    মনে রাখুন: বড় adjective-এর superlative হয় the most + adjective, যেমন the most beautiful।
  16. ৫৮. The antonym of the word 'humane' is—
    • ক. angry
    • খ. foolish
    • গ. cruel
    • ঘ. callous
    উত্তর: গ. cruel
    Humane মানে দয়ালু বা মানবিক, অর্থাৎ যে অন্যের কষ্ট বোঝে। এর বিপরীত অর্থ cruel, যার মানে নিষ্ঠুর। Angry মানে রাগী, আর foolish মানে বোকা, এ দুটি বিপরীত শব্দ নয়। Callous মানে অনুভূতিহীন বা কঠোর হৃদয়, এটি অনেকটা কাছাকাছি হলেও সরাসরি বিপরীত হিসেবে cruel-ই সবচেয়ে প্রচলিত। দয়া আর নিষ্ঠুরতা পরস্পরের বিপরীত অনুভূতি, তাই এই জোড়াটি মুখস্থ রাখা সহজ।
    মনে রাখুন: Humane-এর অন্যান্য বিপরীত শব্দ inhumane, brutal, merciless।
    উদাহরণ:
    A humane person helps the poor.
    A cruel master beats his servants.
  17. ৬০. Fill in the blank with the right form of verb : He along with his wife and children — (to be) present in the program last night.
    • ক. are
    • খ. is
    • গ. were
    • ঘ. was
    উত্তর: ঘ. was
    Subject-এর পরে ‘along with’, ‘together with’ বা ‘as well as’ থাকলে verb প্রথম subject অনুযায়ী হয়। এখানে প্রথম subject ‘He’, যা একবচন। তাই be-verb একবচন হবে। ‘last night’ থেকে বোঝা যায় ঘটনাটি অতীতের, ফলে verb হয় was।
    Are ও were বহুবচন subject-এর সঙ্গে বসে, আর is বর্তমান কাল বোঝায়।
    উদাহরণ:
    The teacher along with the students was present।
    মনে রাখুন: and দিয়ে যুক্ত subject বহুবচন ধরা হয়, কিন্তু along with দিয়ে যুক্ত অংশ বাদ যায়।
  18. ৬৬. The word 'unchangeable' has —.
    • ক. a prefix
    • খ. a suffix
    • গ. a prefix and suffix
    • ঘ. within
    উত্তর: গ. a prefix and suffix
    শব্দ ভেঙে অর্থ ধরলে সহজে বোঝা যায়। Unchangeable শব্দের মূল অংশ হলো change। এর শুরুতে ‘un-’ যুক্ত হয়ে অর্থ উল্টে দিয়েছে, তাই un- হলো prefix (উপসর্গ)। শেষে ‘-able’ যুক্ত হয়ে বোঝাচ্ছে কাজটি করা যায়, তাই -able হলো suffix (প্রত্যয়)। অতএব শব্দটিতে prefix ও suffix দুটিই আছে।
    অর্থাৎ unchangeable মানে যা বদলানো যায় না। Prefix শব্দের আগে বসে, suffix শব্দের পরে বসে, আর শব্দের ভেতরে কিছু যুক্ত হলে তাকে সাধারণত infix বলা হয়, তবে ইংরেজিতে এর প্রচলন নেই বললেই চলে।
    উদাহরণ:
    Prefix: unhappy, disagree, impossible।
    Suffix: happiness, careful, readable।
    Prefix ও suffix দুটিই: unkindness, disagreement।
  19. ৬৯. Which is the correct sentence?
    • ক. When you are ready, I will start the engine.
    • খ. When you ready, I will start the engine.
    • গ. When you will be ready, I will start the engine.
    • ঘ. When you are ready, I start the engine.
    উত্তর: ক. When you are ready, I will start the engine.
    ইংরেজিতে ‘when’ দিয়ে শুরু হওয়া সময়বাচক অংশে ঘটনা ভবিষ্যতের হলেও Present Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়। আর মূল অংশে ভবিষ্যৎ বোঝাতে Future Indefinite (will + verb) বসে। তাই ‘When you are ready, I will start the engine.’ বাক্যটি সঠিক।
    বাকি অপশনের ভুল আলাদা করে দেখা যায়। দ্বিতীয় অপশনে ‘are’ নেই, তাই বাক্যে ক্রিয়াপদ অনুপস্থিত। তৃতীয় অপশনে অধীন অংশে ‘will be’ বসেছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ। চতুর্থ অপশনে মূল অংশে ‘will’ না থাকায় ভবিষ্যৎ অর্থ প্রকাশ পায়নি।
    উদাহরণ:
    If it rains, we will stay home.
    As soon as he comes, I will tell him.
    মনে রাখুন: when, if, as soon as, before, after-এর পরে সাধারণত will বসে না।
  20. ৭৭. Complete the sentence with an appropriate clause : Our team seldom wins—.
    • ক. even though they have some good players
    • খ. because they have some good players
    • গ. as if they had some good players
    • ঘ. since they have some good players.
    উত্তর: ক. even though they have some good players
    বাক্যে বলা হয়েছে ‘Our team seldom wins’, অর্থাৎ আমাদের দল প্রায় জেতেই না। এর পরে ‘even though they have some good players’ বসালে বোঝায়, ভালো খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও দল জেতে না। এই বৈপরীত্য স্বাভাবিক ও যুক্তিসংগত।
    বাকি অপশনগুলো কেন চলে না তা দেখা যাক। ‘Because’ বা ‘since’ বসালে ভালো খেলোয়াড় থাকাটাই না জেতার কারণ হয়ে যায়, যা অর্থহীন। আর ‘as if’ কল্পনা বা ভান বোঝায়, বাস্তব বৈপরীত্য নয়।
    মনে রাখুন: Even though, although ও though বৈপরীত্য বোঝায়।
    উদাহরণ:
    Although he is poor, he is honest.
  21. ৭৯. The passive form of the sentence 'One must keep one's promises' is —.
    • ক. One's promises are kept
    • খ. One's promises must kept
    • গ. One's promises were kept
    • ঘ. One's promises must be kept
    উত্তর: ঘ. One's promises must be kept
    Modal verb (must, can, may, should) থাকলে passive বাক্য তৈরির নিয়ম হলো: Object + modal + be + past participle (v3)। ‘One must keep one’s promises’ বাক্যে object হলো ‘one’s promises’। এটিকে কর্তা বানিয়ে modal ‘must’-এর পর ‘be’ ও ‘kept’ বসালে হয় ‘One’s promises must be kept’।
    অন্য অপশনগুলোতে ভুল আছে। প্রথম অপশনে modal ‘must’ হারিয়ে গেছে, ফলে অর্থ বদলে গেছে। দ্বিতীয় অপশনে ‘be’ নেই। তৃতীয় অপশনে বাক্যের tense ভুল হয়েছে।
    উদাহরণ:
    You must do the work. → The work must be done.
    She can solve the problem. → The problem can be solved.
  22. ৮১. The passive form of 'Who helped him?' is—
    • ক. By whom he was helped?
    • খ. By whom was he helped?
    • গ. Whom was he helped?
    • ঘ. Whom did he help?
    উত্তর: খ. By whom was he helped?
    ‘Who helped him?’ একটি প্রশ্নবোধক active বাক্য, যেখানে কর্তা (who) অজানা। Passive করতে হলে object ‘him’ কর্তা হয়ে ‘he’ হয়। ‘Who’ বদলে ‘By whom’ হয়ে বাক্যের শুরুতে আসে। এরপর auxiliary verb ‘was’, তারপর কর্তা ‘he’, শেষে past participle ‘helped’ বসে। তাই সঠিক রূপ ‘By whom was he helped?’।
    অন্য অপশনগুলোর গঠন ঠিক নয়। প্রথম অপশনে প্রশ্নের ক্রম নেই, আর তৃতীয় অপশনে ‘By’ বাদ পড়েছে। চতুর্থ অপশন ‘Whom did he help?’ আসলে আলাদা অর্থের active বাক্য।
    মনে রাখুন:
    Who-যুক্ত প্রশ্নের passive-এ ‘By whom’ ব্যবহার হয়।
    উদাহরণ: Who wrote this letter? → By whom was this letter written?
  23. ৮৪. 'The following sentence "This film is very interesting, while that one is boring." shows :
    • ক. contrast
    • খ. reason and cause
    • গ. purpose
    • ঘ. result
    উত্তর: ক. contrast
    বাক্যটিতে দুটি জিনিসের মধ্যে অমিল ফুটে উঠেছে। একটি সিনেমা আকর্ষণীয় (interesting), কিন্তু অন্যটি বিরক্তিকর (boring)। এভাবে অমিল বা বৈপরীত্য দেখানোকে contrast বলে। ‘While’ শব্দটি এখানে ‘অথচ’ বা ‘কিন্তু’ অর্থে বসে এই বৈপরীত্য প্রকাশ করছে।
    বাকি অপশন কেন নয়, তা বোঝা সহজ। কারণ (reason) বোঝালে because বা since থাকত। উদ্দেশ্য (purpose) বোঝালে so that বা in order that থাকত। ফল (result) বোঝালে so… that থাকত।
    মনে রাখুন: Contrast বোঝাতে আরও ব্যবহার হয় but, whereas, however, although, yet।
    উদাহরণ:
    Rina is tall, whereas her sister is short.
  24. ৮৯. The underlined word in the sentence, 'He smelt something burning, so he rang the fire brigade' is — (the word is 'burning').
    • ক. gerund
    • খ. present participle
    • গ. principal verb
    • ঘ. verbal noun
    উত্তর: খ. present participle
    বাক্যটি হলো ‘He smelt something burning, so he rang the fire brigade.’। এখানে ‘burning’ শব্দটি verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত রূপ, তবে এটি কাজ করছে বিশেষণের মতো। কারণ এটি ‘something’-কে বর্ণনা করছে, অর্থাৎ কী পুড়ছে তা বোঝাচ্ছে। যে ing-যুক্ত শব্দ noun বা pronoun-কে বর্ণনা করে, তাকে Present Participle বলে। তাই এখানে সঠিক উত্তর present participle।
    Gerund বা verbal noun noun-এর মতো কাজ করে, যেমন কর্তা বা কর্মের জায়গায় বসে। কিন্তু এখানে burning কোনো noun নয়।
    উদাহরণ:
    Present participle: I saw a boy running.
    Gerund: Running is good exercise.
    মনে রাখুন: ing-যুক্ত শব্দ বিশেষ্যের কাজ করলে gerund, বিশেষণের কাজ করলে participle।

গণিত

  1. ৩. log_√2 16 -এর মান কোনটি?
    • ক. 4
    • খ. 6
    • গ. 8
    • ঘ. 2
    উত্তর: গ. 8
    লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_a(N) = x মানে a^x = N। এখানে 16-কে √2-এর ঘাত হিসেবে লিখতে হবে।
    16 = 2⁴ = (√2)⁸, কারণ (√2)² = 2, তাই (√2)⁸ = (2)⁴ = 16।
    অতএব log_√2 16 = 8।
    শর্টকাট: log_(√2) 16 = log₂16 / log₂√2 = 4 / (1/2) = 8।
    মনে রাখুন:
    লগারিদমের ভিত্তি পরিবর্তনের সূত্র: log_a N = log_c N / log_c a।
    log_(a^m) N = (1/m) log_a N, তাই ভিত্তি √2 = 2^(1/2) হলে মান দ্বিগুণ হয়ে যায়।
    log₂16 = 4, কারণ 2⁴ = 16।
  2. ৮. ৪, ৮, ১৩, ১৯, ২৬, ... ধারাটির ৯ম পদ কত?
    • ক. ৮৩
    • খ. ৫৩
    • গ. ৬৪
    • ঘ. ৩৪
    উত্তর: গ. ৬৪
    ধারাটি: 4, 8, 13, 19, 26, ...। পদগুলোর অন্তর যথাক্রমে 4, 5, 6, 7, অর্থাৎ প্রতিবার অন্তর 1 করে বাড়ছে।
    তাই পরের অন্তরগুলো 8, 9, 10, 11 হবে।
    ৬ষ্ঠ পদ = 26 + 8 = 34; ৭ম = 34 + 9 = 43; ৮ম = 43 + 10 = 53; ৯ম = 53 + 11 = 64।
    সূত্র: n-তম পদ = 4 + (n−1)(n+6)/2; n = 9 হলে 4 + 8 × 15/2 = 64।
  3. ১০. cos²θ − sin²θ = 1/3 হলে, cos⁴θ − sin⁴θ এর মান কত?
    • ক. 3
    • খ. 2
    • গ. 1
    • ঘ. 1/3
    উত্তর: ঘ. 1/3
    বর্গের অন্তরের সূত্র কাজে লাগালে এই অঙ্ক সহজ হয়। সূত্র: a² − b² = (a + b)(a − b)। এখানে a = cos²θ, b = sin²θ, কারণ cos⁴θ = (cos²θ)² এবং sin⁴θ = (sin²θ)²।
    cos⁴θ − sin⁴θ = (cos²θ + sin²θ)(cos²θ − sin²θ)।
    cos²θ + sin²θ = 1 এবং cos²θ − sin²θ = 1/3।
    অতএব মান = 1 × 1/3 = 1/3।
    মনে রাখুন:
    sin²θ + cos²θ = 1 ত্রিকোণমিতির মূল অভেদ।
    cos²θ − sin²θ = cos 2θ। এখানে cos 2θ = 1/3।
  4. ১২. তিনটি ধারাবাহিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল ২১৯। শেষ সংখ্যাটি কত?
    • ক. ৭৫
    • খ. ৭৩
    • গ. ৭৭
    • ঘ. ৭৯
    উত্তর: ক. ৭৫
    ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার অঙ্কে মাঝের সংখ্যাটি গড়ের সমান হয়। তিনটি ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল 219 হলে মধ্যম সংখ্যা = 219 / 3 = 73।
    ক্রমিক বিজোড় সংখ্যা দুই করে ব্যবধানে থাকে, তাই সংখ্যাগুলো 71, 73, 75।
    শেষ সংখ্যা 75।
    যাচাই: 71 + 73 + 75 = 219।
    বিকল্প পদ্ধতি: প্রথম সংখ্যা x হলে x + (x + 2) + (x + 4) = 219, অর্থাৎ 3x + 6 = 219, x = 71। শেষ সংখ্যা 71 + 4 = 75।
    মনে রাখুন: ক্রমিক সংখ্যার সংখ্যা বিজোড় হলে মাঝের সংখ্যাটিই গড়, তাই যোগফলকে সংখ্যার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলেই মাঝেরটি পাওয়া যায়।
  5. ১৪. (a + b) = √7 এবং (a − b) = √5 হলে, 8ab (a² + b²) এর মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
    • ক. 24
    • খ. 28
    • গ. 32
    • ঘ. 40
    উত্তর: ক. 24
    দুটি রাশির যোগফল ও বিয়োগফল দেওয়া থাকলে বর্গ করে সমাধান করা হয়। (a + b)² = 7 এবং (a − b)² = 5।
    4ab = (a + b)² − (a − b)² = 7 − 5 = 2 ⇒ ab = 1/2।
    2(a² + b²) = (a + b)² + (a − b)² = 7 + 5 = 12 ⇒ a² + b² = 6।
    8ab(a² + b²) = 8 × (1/2) × 6 = 24।
    মনে রাখুন:
    (a + b)² + (a − b)² = 2(a² + b²)।
    (a + b)² − (a − b)² = 4ab।
    এই দুটি অভেদ জানা থাকলে a, b-এর আলাদা মান বের না করেই উত্তর মেলে।
  6. ১৬. √(2x−3) + 5 = 3 -এর সমাধান সেট কোনটি?
    • ক. {1/2}
    • খ. { }
    • গ. {7/2}
    • ঘ. {3/2}
    উত্তর: খ. { }
    সমীকরণটি √(2x − 3) + 5 = 3। 5 পাশ বদল করলে √(2x − 3) = −2। কিন্তু বর্গমূলের মান ঋণাত্মক হতে পারে না, কারণ √ চিহ্ন দ্বারা সবসময় অঋণাত্মক মূল বোঝায়। বর্গ করে 2x − 3 = 4 ⇒ x = 7/2 পাওয়া যায়, কিন্তু যাচাইয়ে √4 + 5 = 7 ≠ 3, তাই x = 7/2 অগ্রাহ্য (extraneous)। কোনো সমাধান নেই, সমাধান সেট ফাঁকা সেট { }।
    মনে রাখুন: বর্গমূলযুক্ত সমীকরণ সমাধানের পর মান বসিয়ে যাচাই করা জরুরি।
  7. ২৪. ৬০ জন ছাত্রের মধ্যে ৪২ জন ফেল করলে পাশের হার কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪, এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
    • ক. ২৫%
    • খ. ৩০%
    • গ. ২৮%
    • ঘ. ৪০%
    উত্তর: খ. ৩০%
    মোট ছাত্র 60 জনের মধ্যে ফেল করেছে 42 জন, তাই পাশ করেছে 60 − 42 = 18 জন।
    পাশের হার = (18 / 60) × 100 = 30%।
    বিকল্প পদ্ধতি: ফেলের হার (42/60) × 100 = 70%, তাই পাশ = 100 − 70 = 30%।
    প্রশ্নে ফেলের সংখ্যা দেওয়া, কিন্তু চাওয়া হয়েছে পাশের হার, এ কথাটা খেয়াল না করলে 70% লিখে ভুল হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    শতকরা হার = (অংশ / মোট) × 100।
    পাশ ও ফেল মিলে মোট 100% হয়।
  8. ৩৬. ৫১ জন শিক্ষার্থীর উচ্চতার গণসংখ্যা নিবেশন সারণিতে মধ্যমা কত? উচ্চতা (সে.মি.): ১৫০, ১৫৫, ১৬০, ১৬৫, ১৭০, ১৭৫ | গণসংখ্যা: ৪, ৬, ১২, ১৬, ৮, ৫
    • ক. ১৫৫
    • খ. ১৬০
    • গ. ১৬৫
    • ঘ. ১৭০
    উত্তর: গ. ১৬৫
    মধ্যমা (Median) বের করতে প্রথমে মোট গণসংখ্যা n নিতে হয়। এখানে n = 4 + 6 + 12 + 16 + 8 + 5 = 51। n বিজোড়, তাই মধ্যমা ((n + 1)/2) = 26তম পদ।
    যোজিত গণসংখ্যা: 4, 10, 22, 38, 46, 51।
    26তম পদ 22-এর পরে এবং 38-এর মধ্যে পড়ে, অর্থাৎ ১৬৫ সে.মি. শ্রেণিতে।
    অতএব মধ্যমা ১৬৫ সে.মি.।
    মনে রাখুন:
    n জোড় হলে মধ্যমা হয় n/2-তম ও (n/2 + 1)-তম পদের গড়।
    মধ্যমা বের করার আগে পদগুলো ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজানো থাকতে হয়।
  9. ৪০. একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 5 সে.মি., 6 সে.মি. ও 7 সে.মি. হলে, এর ক্ষেত্রফল কত?
    • ক. 5√5 বর্গ সে.মি.
    • খ. 6√6 বর্গ সে.মি.
    • গ. 6 বর্গ সে.মি.
    • ঘ. 7√7 বর্গ সে.মি.
    উত্তর: খ. 6√6 বর্গ সে.মি.
    তিন বাহু দেওয়া থাকলে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল হেরনের সূত্রে বের করা যায়। অর্ধপরিসীমা s = (5 + 6 + 7)/2 = 9।
    ক্ষেত্রফল = √(s(s − a)(s − b)(s − c)) = √(9 × 4 × 3 × 2)।
    = √216 = √(36 × 6) = 6√6 বর্গ সে.মি.।
    মনে রাখুন:
    অর্ধপরিসীমা s = (a + b + c)/2।
    সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল (√3/4) × বাহু²।
    বিকল্প '6 বর্গ সে.মি.' নেওয়া ঠিক নয়, কারণ এতে বর্গমূলের অংশটি বাদ গেছে। √216 পূর্ণ সংখ্যা নয়।
  10. ৪৬. tan2θ = 1/√3 হলে, θ-এর মান কত?
    • ক. 15°
    • খ. 30°
    • গ. 45°
    • ঘ. 60°
    উত্তর: ক. 15°
    ত্রিকোণমিতির এই অঙ্কে প্রথমে জানা কোণের মান মনে করতে হয়। আমরা জানি tan30° = 1/√3। শর্ত অনুযায়ী tan2θ = 1/√3, তাই 2θ = 30°, অর্থাৎ θ = 15°।
    যাচাই: θ = 15° হলে 2θ = 30° এবং tan30° = 1/√3, শর্ত মিলে যায়।
    এখানে বিকল্প 30° ধরলে 2θ = 60° হয় আর tan60° = √3, যা 1/√3 নয়।
    মনে রাখুন:
    tan30° = 1/√3, tan45° = 1, tan60° = √3।
    2θ-র মান পেলে সবসময় শেষে 2 দিয়ে ভাগ করতে হয়, এটি ভুলে গেলে 30° উত্তর হয়ে যায়।
  11. ৫১. প্রথম ৫০টি স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল কত?
    • ক. ১২৭৫
    • খ. ১০০০
    • গ. ১১২৫
    • ঘ. ১২৫০
    উত্তর: ক. ১২৭৫
    প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফলের সূত্র হলো n(n+1)/2। এখানে n = 50।
    যোগফল = 50 × 51 / 2 = 25 × 51 = 1275।
    সূত্রটি এসেছে এভাবে: 1 + 2 + … + 50 এবং উল্টো ক্রমে 50 + 49 + … + 1 যোগ করলে প্রতিটি জোড়ার যোগফল 51 হয়, জোড়া আছে 50টি, তাই দ্বিগুণ যোগফল 50 × 51। ভাগ করলে মেলে 1275।
    মনে রাখুন: প্রথম n জোড় সংখ্যার যোগফল n(n+1) এবং প্রথম n বিজোড় সংখ্যার যোগফল n²।
  12. ৫৪. ১৯৭৮ সালের ২৫শে জানুয়ারি বুধবার হলে, ১৯৮১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি কী বার হবে?
    • ক. শনিবার
    • খ. সোমবার
    • গ. বুধবার
    • ঘ. রবিবার
    উত্তর: গ. বুধবার
    কোনো তারিখ জানা থাকলে অন্য তারিখের বার বের করতে আমরা মাঝের মোট দিন গুনে ৭ দিয়ে ভাগ করি। ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৮ থেকে ২৫ জানুয়ারি ১৯৮১ পর্যন্ত তিন বছরে ৩৬৫ + ৩৬৫ + ৩৬৬ = ১০৯৬ দিন যায়, কারণ ১৯৮০ সালে ২৯ ফেব্রুয়ারি আছে। ১০৯৬ ÷ ৭ করলে ভাগশেষ থাকে ৪, তাই ২৫ জানুয়ারি ১৯৮১ হয় বুধবার + ৪ = রবিবার।
    এরপর ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি ৩১ দিন। ৩১ ÷ ৭ করলে ভাগশেষ ৩, তাই রবিবার + ৩ দিন = বুধবার।
    মনে রাখুন: সাধারণ বছরে বার ১টি এগিয়ে যায়, আর অধিবর্ষে (লিপ ইয়ার) এগিয়ে যায় ২টি।
  13. ৫৯. ১ বর্গইঞ্চি সমান কত বর্গ সেন্টিমিটার?
    • ক. ১
    • খ. ৬.৪৫১৬
    • গ. ৫.৬৪২৯
    • ঘ. ৭.৫৪৩৮
    উত্তর: খ. ৬.৪৫১৬
    আমরা জানি, ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার। ক্ষেত্রফল মাপার সময় দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ দুই দিকেই মাপ নিতে হয়। তাই ১ বর্গইঞ্চি হলো এমন একটি বর্গক্ষেত্র, যার প্রতিটি বাহু ১ ইঞ্চি লম্বা। এই বাহু দুটিকে সেন্টিমিটারে লিখলে পাই ২.৫৪ সে.মি. × ২.৫৪ সে.মি.।
    হিসাব: 2.54 × 2.54 = 6.4516। অতএব ১ বর্গইঞ্চি = ৬.৪৫১৬ বর্গ সেন্টিমিটার। শুধু ২.৫৪ লিখলে ভুল হতো, কারণ দৈর্ঘ্যের রূপান্তর আর ক্ষেত্রফলের রূপান্তর এক নয়। দৈর্ঘ্যের রূপান্তর সংখ্যাটিকে বর্গ করলেই ক্ষেত্রফলের রূপান্তর পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সে.মি.।
    ১ ফুট = ১২ ইঞ্চি = ৩০.৪৮ সে.মি.।
    ১ বর্গফুট = ১৪৪ বর্গইঞ্চি।
  14. ৬১. ঘড়িতে এখন ৭টা বাজে। ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণের পরিমাপ কত?
    • ক. 120°
    • খ. 150°
    • গ. 145°
    • ঘ. 160°
    উত্তর: খ. 150°
    ঘড়িতে ৭টা বাজলে ঘণ্টার কাঁটা ৭-এর ঘরে, মিনিটের কাঁটা ১২-এর ঘরে থাকে। ঘড়ির পুরো বৃত্ত ৩৬০° এবং ১২টি ঘরের প্রতিটির জন্য কোণ ৩০°।
    ৭ ও ১২-এর মাঝে ৫টি ঘর, তাই কোণ = ৫ × ৩০° = 150°। উল্টো দিকে কোণ হয় ৭ × ৩০° = 210°, আর ছোট কোণটি 150°।
    সূত্র: কোণ = |30H − 5.5M|, এখানে H = 7, M = 0, ফল 210°, ছোট কোণ 360° − 210° = 150°।
    মনে রাখুন: ঘণ্টার কাঁটা প্রতি মিনিটে 0.5° এবং মিনিটের কাঁটা 6° ঘোরে।
  15. ৬৫. একটি আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 15 মিটার এবং প্রস্থ 10 মিটার হলে, আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
    • ক. 40√5
    • খ. 50√5
    • গ. 45
    • ঘ. 45√5
    উত্তর: খ. 50√5
    আয়তক্ষেত্রের কর্ণ তার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থকে নিয়ে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করে, যার অতিভুজ হলো কর্ণ। তাই পীথাগোরাসের সূত্র অনুযায়ী কর্ণ² = দৈর্ঘ্য² + প্রস্থ²।
    এখানে 15² = দৈর্ঘ্য² + 10²। সুতরাং দৈর্ঘ্য² = 225 − 100 = 125, ফলে দৈর্ঘ্য = √125 = 5√5 মিটার।
    ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = 5√5 × 10 = 50√5 বর্গমিটার।
    প্রশ্নে সরাসরি ক্ষেত্রফল চাওয়া হয়েছে, তাই কর্ণের মান থেকে আগে অজানা বাহু বের করতে হবে। এই ধাপ বাদ দিলে ভুল অপশনে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
    মনে রাখুন:
    আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য² + প্রস্থ²)।
    ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ এবং পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
    বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = বাহু × √2।
  16. ৭৫. বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা ১২ সে.মি হলে, এর পরিধি কত সে.মি?
    • ক. ১৭.৪
    • খ. ১৪.৫
    • গ. ৩৫.৫
    • ঘ. ৩৭.৭
    উত্তর: ঘ. ৩৭.৭
    বৃত্তের সবচেয়ে বড় জ্যা হলো তার ব্যাস, কারণ ব্যাস কেন্দ্রের ভেতর দিয়ে যায়। এখানে ব্যাস d = 12 সে.মি., তাই ব্যাসার্ধ r = 6 সে.মি.।
    পরিধি = 2πr = 2 × 3.1416 × 6 = 37.699… ≈ 37.7 সে.মি.।
    সহজ উপায়ে পরিধি = πd = 3.1416 × 12 = 37.7 সে.মি.। π-এর মান 22/7 ধরলে ফল 37.71 হয়, যা একই অপশনের কাছাকাছি।
    মনে রাখুন:
    পরিধি = πd = 2πr।
    ক্ষেত্রফল = πr²।
    বৃত্তের ব্যাস ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ।
    π ≈ 3.1416 বা 22/7।
  17. ৭৮. ১৫ মিটার উচ্চ দালানের ছায়ার দৈর্ঘ্য 5√3 মিটার হলে, সূর্যের উন্নতি কোণ কত?
    • ক. 30°
    • খ. 45°
    • গ. 60°
    • ঘ. 90°
    উত্তর: গ. 60°
    দালানের উচ্চতা ও ছায়ার দৈর্ঘ্য মিলে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়। সূর্যের উন্নতি কোণ θ হলে tanθ = উচ্চতা / ছায়ার দৈর্ঘ্য।
    এখানে tanθ = 15 / (5√3) = 3/√3 = √3।
    ত্রিকোণমিতির সারণি অনুযায়ী tan60° = √3, তাই θ = 60°।
    যাচাই করা যায়: ছায়া 5√3 ≈ 8.66 মি. এবং উচ্চতা 15 মি., অর্থাৎ উচ্চতা ছায়ার প্রায় দেড় গুণের বেশি, যা 45°-এর চেয়ে বড় কোণ নির্দেশ করে।
    মনে রাখুন:
    tan30° = 1/√3, tan45° = 1, tan60° = √3।
    উন্নতি কোণ সবসময় ভূমি থেকে ওপরের দিকে মাপা হয়।
    অবনতি কোণ চোখের সমান্তরাল রেখা থেকে নিচের দিকে মাপা হয়।
  18. ৮২. বৃত্তের কেন্দ্র (−1, 2) এবং ব্যাসার্ধ 3 সে.মি. হলে, বৃত্তটির সমীকরণ কোনটি?
    • ক. x² + y² + 2x + 4y − 4 = 0
    • খ. x² + y² − 4x + 2y − 4 = 0
    • গ. x² + y² − 2x + 4y − 4 = 0
    • ঘ. x² + y² + 2x − 4y − 4 = 0
    উত্তর: ঘ. x² + y² + 2x − 4y − 4 = 0
    বৃত্তের কেন্দ্র (h, k) এবং ব্যাসার্ধ r হলে সমীকরণ (x − h)² + (y − k)² = r²। এখানে h = −1, k = 2, r = 3।
    (x + 1)² + (y − 2)² = 9
    x² + 2x + 1 + y² − 4y + 4 = 9
    x² + y² + 2x − 4y − 4 = 0
    মনে রাখুন: বৃত্তের সাধারণ সমীকরণ x² + y² + 2gx + 2fy + c = 0, কেন্দ্র (−g, −f) এবং ব্যাসার্ধ √(g² + f² − c)।
  19. ৮৬. অমূলদ সংখ্যা কোনটি?
    • ক. √49
    • খ. √7
    • গ. √(8/18)
    • ঘ. 0.5
    উত্তর: খ. √7
    যে সংখ্যাকে p/q আকারে লেখা যায় (যেখানে p, q পূর্ণ সংখ্যা এবং q ≠ 0), তা মূলদ সংখ্যা। যে সংখ্যার দশমিক অংশ অসীম ও অনাবৃত্ত, সেটি অমূলদ।
    এবার অপশনগুলো দেখি। √49 = 7, মূলদ। √(8/18) = √(4/9) = 2/3, মূলদ। 0.5 = 1/2, তাও মূলদ। কিন্তু 7 পূর্ণবর্গ সংখ্যা নয়। √7-এর মান 2.6457… চলতেই থাকে এবং কোনো অংশ পুনরাবৃত্ত হয় না, তাই √7 অমূলদ।
    মনে রাখুন:
    কোনো ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা পূর্ণবর্গ না হলে তার বর্গমূল অমূলদ।
    π ও √2 অমূলদ সংখ্যা।
    মূলদ ও অমূলদ মিলে বাস্তব সংখ্যা গঠিত।
  20. ৮৭. নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা নয়?
    • ক. ২৪১
    • খ. ২৬৩
    • গ. ২৩৩
    • ঘ. ২৫৩
    উত্তর: ঘ. ২৫৩
    কোনো সংখ্যা মৌলিক কি না যাচাই করতে তার বর্গমূলের কাছাকাছি মৌলিক সংখ্যাগুলো দিয়ে ভাগ করে দেখি। ২৫৩-কে ১১ দিয়ে ভাগ করলে ২৩ হয়, কারণ ১১ × ২৩ = ২৫৩। তাই ২৫৩ যৌগিক সংখ্যা।
    ২৪১, ২৬৩ ও ২৩৩ কে ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩ দিয়ে ভাগ করলে নিঃশেষে বিভাজ্য হয় না, তাই এ তিনটি মৌলিক।
    মনে রাখুন: ২ ছাড়া সব মৌলিক সংখ্যা বিজোড়, আর মৌলিক সংখ্যার উৎপাদক শুধু ১ ও সংখ্যাটি নিজে।

বাংলাদেশ

  1. ৯. কোনটি স্থানীয় সরকার নয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
    • ক. পৌরসভা
    • খ. পল্লি বিদ্যুৎ
    • গ. সিটি কর্পোরেশন
    • ঘ. উপজেলা পরিষদ
    উত্তর: খ. পল্লি বিদ্যুৎ
    স্থানীয় সরকার বলতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে প্রশাসন পরিচালনার প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। গ্রামাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ, আর শহরাঞ্চলে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন এর অন্তর্ভুক্ত। পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি গ্রামীণ বিদ্যুৎ বিতরণের সমবায়ভিত্তিক সংস্থা, যা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (REB) অধীনে চলে, স্থানীয় সরকার নয়। এতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত পরিষদ নেই, বরং সেবা দেওয়ার কাজটি মুখ্য। ইউনিয়ন পরিষদ গ্রামীণ স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে নিচের স্তর, আর এর প্রধানকে চেয়ারম্যান বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত।
    পার্বত্য তিন জেলায় আছে পার্বত্য জেলা পরিষদ।
  2. ১৮. স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কী?
    • ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
    • খ. তাজউদ্দিন আহমেদ
    • গ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
    • ঘ. ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
    উত্তর: গ. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
    স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে তাঁকে রাষ্ট্রপতি করে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। তিনি তখন পাকিস্তানে বন্দী, তাই সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির কাজ চালান। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন। এজন্য প্রশ্নের উত্তর সৈয়দ নজরুল ইসলাম নন, কারণ তিনি অস্থায়ী দায়িত্বে ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হলে আবু সাইয়ীদ চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হন।
    ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন।
  3. ২৩. শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে সাফল্যের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কী অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন?
    • ক. জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার
    • খ. সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি
    • গ. প্ল্যানেট ফিফটি-ফিফটি
    • ঘ. এমডিজি অ্যাওয়ার্ড ২০১০
    উত্তর: ঘ. এমডিজি অ্যাওয়ার্ড ২০১০
    বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর হার কমানোর সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে ‘এমডিজি অ্যাওয়ার্ড’ (MDG Award) লাভ করেন। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (MDG) চতুর্থ লক্ষ্য ছিল শিশুমৃত্যু কমানো। ‘প্ল্যানেট ফিফটি-ফিফটি’ পুরস্কারটি নারীর ক্ষমতায়নের জন্য, ২০১৬ সালে পাওয়া। MDG-র সময়সীমা ছিল ২০১৫ সাল পর্যন্ত। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৮টি লক্ষ্যের মধ্যে ৪ নম্বরটি ছিল শিশুমৃত্যু হ্রাস, আর ৫ নম্বরটি মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন। এই পুরস্কারের নাম থেকেই বোঝা যায়, এটি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সাফল্যের স্বীকৃতি।
    মনে রাখুন:
    ইউনেস্কো হুফে-বোয়ানি শান্তি পুরস্কার: ১৯৯৮।
    ২০১৫ সালে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’।
  4. ২৮. 'সোনালিকা' ও 'আকবর' বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কীসের নাম?
    • ক. উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
    • খ. উন্নত জাতের ধানের নাম
    • গ. বেসরকারি কৃষি সংস্থার নাম
    • ঘ. উন্নত জাতের গমের নাম
    উত্তর: ঘ. উন্নত জাতের গমের নাম
    ‘সোনালিকা’ ও ‘আকবর’ উন্নত জাতের গমের নাম। বাংলাদেশে গম নিয়ে গবেষণা করে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)। আমাদের দেশে আরও কয়েকটি উন্নত গমের জাত আছে: কাঞ্চন, আনন্দ, বরকত, প্রতিভা। ধানের জাতের নাম যেমন ব্রি ধান ২৮ বা ইরি। এগুলো যন্ত্রপাতি বা সংস্থার নাম নয়, বরং শস্যের জাতের নাম। গম রবি মৌসুমের শীতকালীন ফসল। বারির সদর দপ্তর গাজীপুরের জয়দেবপুরে।
    মনে রাখুন:
    ধান নিয়ে গবেষণা করে ব্রি (BRRI), গাজীপুরে।
    পাট নিয়ে গবেষণা করে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।
  5. ৩১. 'গম্ভীরা' বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসংগীত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৫
    • ক. চট্টগ্রাম
    • খ. রাঙামাটি
    • গ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
    • ঘ. জামালপুর
    উত্তর: গ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
    ‘গম্ভীরা’ চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের লোকসংগীত। এটি মূলত শিব বা শিবঠাকুরকে উদ্দেশ করে গাওয়া হতো, পরে সমাজ ও রাজনীতির নানা বিষয় এতে ঠাঁই পায়। অঞ্চলভেদে লোকসংগীতের ধরন আলাদা, যেমন ভাওয়াইয়া রংপুর ও উত্তরবঙ্গের এবং ভাটিয়ালি নদীপ্রধান অঞ্চলের গান। চট্টগ্রাম, রাঙামাটি বা জামালপুর অঞ্চলের গানের ধারা ভিন্ন। কোন গান কোন অঞ্চলের, তা মিলিয়ে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না।
    মনে রাখুন:
    ভাটিয়ালি – মাঝিদের গান, নদীর ভাটির দেশ।
    ভাওয়াইয়া – উত্তরবঙ্গ (রংপুর, কুচবিহার) অঞ্চলের গান।
    গম্ভীরা – চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী অঞ্চল।
  6. ৩৮. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মতারিখ কোনটি?
    • ক. ১ মার্চ ১৯১৯
    • খ. ১৭ মার্চ ১৯২০
    • গ. ১৪ আগস্ট ১৯৪৭
    • ঘ. ২১ জুন ১৯৪১
    উত্তর: খ. ১৭ মার্চ ১৯২০
    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ। জন্মস্থান তখনকার ফরিদপুর জেলার (বর্তমান গোপালগঞ্জ) টুঙ্গিপাড়া গ্রাম। বাবার নাম শেখ লুৎফর রহমান ও মায়ের নাম সায়েরা খাতুন। তাঁর জন্মদিন জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়ে এসেছে। বিকল্পের ১ মার্চ ১৯১৯ বা ২১ জুন ১৯৪১ তাঁর জীবনের কোনো উল্লেখযোগ্য তারিখ নয়। ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ পাকিস্তান সৃষ্টির দিন। টুঙ্গিপাড়ায় তাঁর সমাধিসৌধ রয়েছে।
    মনে রাখুন:
    তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত হন।
    ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
  7. ৪৩. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কতটি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
    • ক. ৪
    • খ. ৫
    • গ. ৬
    • ঘ. ২
    উত্তর: ক. ৪
    বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে (মনোগ্রামে) শাপলা ফুল আছে, তার দুই পাশে ধানের শীষ, উপরে তিনটি পাটপাতা আর দুই পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা। শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল, ধান প্রধান ফসল ও পাট অর্থকরী ফসলের প্রতীক। চারটি তারকা সংবিধানের মূলনীতির প্রতীক বলে সাধারণত ধরা হয়। অর্থাৎ ২, ৫ বা ৬টি নয়, ঠিক ৪টি তারকা এতে আছে। শাপলার নিচে ও দু-পাশে জলের ঢেউয়ের ছবিও আছে।
    মনে রাখুন:
    জাতীয় পতাকা: গাঢ় সবুজ জমিনে লাল বৃত্ত।
    জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় ফল কাঁঠাল, জাতীয় পাখি দোয়েল।
  8. ৭০. 'সাবাস বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ঢাকার টিএসসি মোড়ে
    • খ. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
    • গ. রেসকোর্স ময়দানে
    • ঘ. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
    উত্তর: ঘ. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
    ‘সাবাস বাংলাদেশ’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের একটি স্মারক ভাস্কর্য। এর ভাস্কর নিতুন কুণ্ডু। ভাস্কর্যটিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংগ্রামের প্রকাশ ঘটেছে। ঢাকার কোনো স্থানের নাম দেখে এখানে গুলিয়ে ফেললে চলবে না, কারণ ঢাকায় আরও কয়েকটি বিখ্যাত ভাস্কর্য আছে, কিন্তু এটি সেখানে নয়। স্মারক ভাস্কর্য হলো এমন শিল্পকর্ম, যা কোনো ঘটনা বা আত্মত্যাগকে মনে রাখার জন্য তৈরি করা হয়। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনকে ঘিরে এমন অনেক ভাস্কর্য গড়ে উঠেছে, তাই ভাস্কর্যের নাম ও স্থান একসঙ্গে মনে রাখা দরকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেই এগুলো বেশি দেখা যায়।
    মনে রাখুন:
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের কাছে আছে ‘অপরাজেয় বাংলা’, যার ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ।
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও আছে ‘রাজু ভাস্কর্য’।
  9. ৭১. বাংলাদেশ কোন সালে টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদা লাভ করে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) ২০১৯
    • ক. ২০১৮
    • খ. ২০১১
    • গ. ২০০০
    • ঘ. ২০০৩
    উত্তর: গ. ২০০০
    বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির (ICC) পূর্ণ সদস্যপদ পায়। পূর্ণ সদস্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই টেস্ট ক্রিকেট খেলার মর্যাদাও পাওয়া যায়, তাই বছরটি হলো ২০০০। এর পর ওই বছরের নভেম্বরে ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
    মজার ব্যাপার হলো, টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার আগেই বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলা শুরু করেছিল। তাই টেস্ট মর্যাদার সাল আর টেস্ট অভিষেকের মাস গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতে ১৯৯৯ বিশ্বকাপের টিকিট পায়।
    ২০০০ সালের নভেম্বরে টেস্ট অভিষেক হয়, প্রতিপক্ষ ভারত।

আন্তর্জাতিক

  1. ১১. কোন সংস্থা এ পর্যন্ত ০৩ (তিন) বার নোবেল পুরস্কার পেয়েছে?
    • ক. গ্রামীণ ব্যাংক
    • খ. মাদার তেরেসা ফাউন্ডেশন
    • গ. রেডক্রস
    • ঘ. আইসিডিডিআর, বি
    উত্তর: গ. রেডক্রস
    আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি (ICRC) এ পর্যন্ত তিনবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে: ১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে। রেডক্রসের প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট ১৯০১ সালে প্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে একবার পেয়েছে, আর আইসিডিডিআর,বি বা মাদার তেরেসা ফাউন্ডেশন এই সংখ্যায় পৌঁছায়নি। মাদার তেরেসা নিজে ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পান, তবে সেটি একজন ব্যক্তি হিসেবে, ফাউন্ডেশনের নামে নয়।
    মনে রাখুন:
    রেডক্রস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৩ সালে, সদর দপ্তর জেনেভা।
    জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (UNHCR) দুবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে (১৯৫৪, ১৯৮১)।
  2. ২৭. ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় কোন সালে?
    • ক. ১৭৭৯
    • খ. ১৭৮৯
    • গ. ১৭৫৭
    • ঘ. ১৭৯২
    উত্তর: খ. ১৭৮৯
    ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে। ওই বছরের ১৪ জুলাই বিক্ষুব্ধ জনতা বাস্তিল দুর্গ দখল করে, আর সেই দিনটি আজও ফ্রান্সের জাতীয় দিবস। ১৭৯২ সালে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে, আর ১৭৫৭ সাল পলাশীর যুদ্ধের বছর। ১৭৭৯ সালে এমন কোনো বড় ঘটনা ঘটেনি। বিপ্লবের পেছনে ছিল রাজতন্ত্রের অত্যাচার, অভিজাতদের সুবিধা ও সাধারণ মানুষের কষ্ট। ফরাসি বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের ভিত নড়ে যায়। ‘মানুষ ও নাগরিকের অধিকারের ঘোষণা’ ওই বছরই গৃহীত হয়।
    মনে রাখুন:
    বিপ্লবের স্লোগান: স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব।
    রাজা ষোড়শ লুই ১৭৯৩ সালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন।
    ১৭৯৯ সালে নেপোলিয়ন ক্ষমতা নেন।
  3. ৩৫. টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত ২০৩০ এজেন্ডাতে লক্ষ্যমাত্রা কয়টি?
    • ক. ১৫
    • খ. ১৭
    • গ. ২১
    • ঘ. ২৯
    উত্তর: খ. ১৭
    জাতিসংঘ ২০১৫ সালে ‘২০৩০ এজেন্ডা’ গ্রহণ করে, যাতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals – SDGs) ১৭টি এবং এর উপ-লক্ষ্য (Target) ১৬৯টি। এটি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (MDG) স্থলাভিষিক্ত, যার লক্ষ্য ছিল ৮টি। ২০০০ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ছিল MDG, আর ২০১৫ থেকে ২০৩০ পর্যন্ত চলছে SDG। তাই ১৭ সংখ্যাটিই সঠিক, ১৫, ২১ বা ২৯ নয়। ২০৩০ এজেন্ডার মূল স্লোগান হলো ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ (Leave no one behind)।
    মনে রাখুন:
    SDG-র লক্ষ্য ১৭টি, উপ-লক্ষ্য ১৬৯টি।
    প্রথম লক্ষ্য: দারিদ্র্য অবসান।
    MDG-র লক্ষ্য ৮টি, সময়সীমা ২০১৫ সাল।
  4. ৪৮. কোন প্রণালি এশিয়া মহাদেশ ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে?
    • ক. জিব্রাল্টার প্রণালি
    • খ. বসফরাস প্রণালি
    • গ. বাবেল মান্দেব প্রণালি
    • ঘ. বেরিং প্রণালি
    উত্তর: গ. বাবেল মান্দেব প্রণালি
    বাব এল-মানদেব (বাবেল মান্দেব) প্রণালি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে যুক্ত করেছে। এর একপাশে এশিয়ার ইয়েমেন, অন্যপাশে আফ্রিকার জিবুতি ও ইরিত্রিয়া। তাই এটি দুই মহাদেশের মাঝের সীমারেখা।
    অন্য প্রণালিগুলো আলাদা জায়গায়। জিব্রাল্টার প্রণালি আফ্রিকা ও ইউরোপের মাঝে, বসফরাস ইউরোপ ও এশিয়ার মাঝে, আর বেরিং প্রণালি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার মাঝে। এডেন উপসাগর আরব সাগরের একটি অংশ। লোহিত সাগরের উত্তর প্রান্তে সুয়েজ খাল আছে, আর দক্ষিণ প্রান্তে আছে এই বাব এল-মানদেব। দুই প্রান্ত মিলে লোহিত সাগর ভূমধ্যসাগর ও ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
    মনে রাখুন:
    জিব্রাল্টার: আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর।
    বেরিং: প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগর।
    বাব এল-মানদেবের অর্থ ‘অশ্রুর দুয়ার’।
  5. ৫২. 'ইনতেফাদা' শব্দটি কোন জাতির প্রতিরোধ সংগ্রামের সাথে সংশ্লিষ্ট?
    • ক. প্যালেস্টাইন
    • খ. উইঘুর মুসলিম
    • গ. বলিভারিয়ান বিপ্লব
    • ঘ. জেসমিন বিপ্লব
    উত্তর: ক. প্যালেস্টাইন
    ‘ইনতেফাদা’ আরবি শব্দ, এর অর্থ ঝেড়ে ফেলা বা জেগে ওঠা। ইসরায়েলি দখলদারির বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের গণ-প্রতিরোধ আন্দোলনকে এই নামে ডাকা হয়। প্রথম ইনতেফাদা শুরু হয় ১৯৮৭ সালে গাজা ও পশ্চিম তীরে, আর দ্বিতীয় ইনতেফাদা শুরু হয় ২০০০ সালে।
    উইঘুররা চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলের মুসলিম জনগোষ্ঠী, আর জেসমিন বিপ্লব হলো তিউনিসিয়ার আন্দোলন। এ দুটি ইনতেফাদার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বলিভারিয়ান বিপ্লব ভেনেজুয়েলার সঙ্গে জড়িত। ইনতেফাদা শব্দটি আজ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গণ-অভ্যুত্থান অর্থেও ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন: দ্বিতীয় ইনতেফাদাকে আল-আকসা ইনতেফাদাও বলা হয়।
  6. ৬৪. ইবনে সিনা কোন বিষয়ে পণ্ডিত ছিলেন?
    • ক. পদার্থবিজ্ঞান
    • খ. চিকিৎসাবিজ্ঞান
    • গ. জীববিজ্ঞান
    • ঘ. অর্থশাস্ত্র
    উত্তর: খ. চিকিৎসাবিজ্ঞান
    ইবনে সিনা (লাতিন নাম অ্যাভিসেনা) মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত। তিনি দর্শন, গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যাতেও দক্ষ ছিলেন। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় চিকিৎসাবিজ্ঞানে। তাঁর লেখা ‘আল-কানুন ফিত-তিব্ব’ (The Canon of Medicine) বইটি কয়েকশ বছর ধরে ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চিকিৎসাশাস্ত্রের পাঠ্যবই হিসেবে পড়ানো হয়েছে। এ কারণে তাঁকে অনেক সময় ‘চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক’-দের একজন বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    ইবনে সিনার জন্ম ৯৮০ সালে বুখারার কাছে, মৃত্যু ১০৩৭ সালে।
    আরেকটি বিখ্যাত বই ‘কিতাব আশ-শিফা’, যেটি দর্শন ও বিজ্ঞানের বিশ্বকোষের মতো।
    অন্য বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসক আল-রাজি ও আল-জাহরাবি।
  7. ৬৭. কোন দেশ 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিসিয়েটিভ (BRI)'-এর প্রস্তাবকারী?
    • ক. চীন
    • খ. জাপান
    • গ. ভারত
    • ঘ. পাকিস্তান
    উত্তর: ক. চীন
    বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (Belt and Road Initiative – BRI) চীনের একটি বিশাল অবকাঠামো ও বাণিজ্য-উদ্যোগ। ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই ধারণা প্রথম তুলে ধরেন। প্রাচীন সিল্ক রোডের আদলে স্থলপথ ও সমুদ্রপথে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকাকে যুক্ত করাই এর লক্ষ্য। এজন্য একে অনেক সময় ‘নতুন সিল্ক রোড’ও বলা হয়। উদ্যোগটির আওতায় বন্দর, রেলপথ, সড়ক ও জ্বালানি প্রকল্পে চীন বিনিয়োগ করে।
    মনে রাখুন:
    এর আগের নাম ছিল ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ (OBOR)।
    স্থলপথের অংশের নাম ‘সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট’, আর সমুদ্রপথের অংশের নাম ‘একবিংশ শতকের সামুদ্রিক সিল্ক রোড’।
    বাংলাদেশ এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।
  8. ৭৬. 'আরব বসন্ত' বলতে কী বোঝায়?
    • ক. আরব বিশ্বে গণজাগরণ
    • খ. আরব অঞ্চলের বসন্তকাল
    • গ. আরব রাজতন্ত্র
    • ঘ. আরবের নারীদের ক্ষমতায়ন
    উত্তর: ক. আরব বিশ্বে গণজাগরণ
    আরব বসন্ত (Arab Spring) হলো ২০১০ সালের শেষ থেকে আরব বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া গণআন্দোলনের ঢেউ। তিউনিসিয়ায় মোহাম্মদ বুয়াজিজির আত্মাহুতির পর ১৭ ডিসেম্বর ২০১০ এই আন্দোলন শুরু হয়। এরপর তা মিসর, লিবিয়া, ইয়েমেন ও সিরিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ স্বৈরশাসন, দুর্নীতি ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে পথে নামে। নামে ‘বসন্ত’ থাকলেও এর সঙ্গে ঋতুর কোনো সম্পর্ক নেই, এটি নতুন জাগরণের প্রতীক।
    মনে রাখুন:
    তিউনিসিয়ার আন্দোলনকে জেসমিন বিপ্লবও বলা হয়।
    এর ফলে তিউনিসিয়ার জাইন আল-আবিদিন বেন আলী ক্ষমতা ছাড়েন।
    মিসরের শাসক হোসনি মুবারকও ক্ষমতা হারান।
  9. ৯০. কোভিড-১৯ কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোন সময়ে অতিমারী হিসেবে ঘোষণা করে?
    • ক. ডিসেম্বর ২০১৯
    • খ. জানুয়ারি ২০২০
    • গ. ফেব্রুয়ারি ২০২০
    • ঘ. মার্চ ২০২০
    উত্তর: ঘ. মার্চ ২০২০
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২০২০ সালের ১১ মার্চ কোভিড-১৯কে অতিমারি বা মহামারি (Pandemic) ঘোষণা করে। প্রথম রোগী ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে শনাক্ত হয়েছিল, কিন্তু তখনই এটি অতিমারি ছিল না। যে রোগ একসঙ্গে একাধিক মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে পানডেমিক বলা হয়। আর কোনো এলাকায় সীমিত থাকলে সেটি এপিডেমিক (Epidemic)। ডব্লিউএইচও মহামারি ঘোষণার আগে পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছিল, তবে সেটি ছিল ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি। তাই জানুয়ারির তারিখটি অতিমারি ঘোষণার তারিখ নয়, এটা ভুলে গেলে চলবে না।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশে প্রথম কোভিড রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ ২০২০।
    রোগটির নাম COVID-19, ভাইরাসের নাম SARS-CoV-2।
    ডব্লিউএইচও-র সদর দপ্তর জেনেভায়।

বিজ্ঞান

  1. ৩২. NASA পরিচালিত সর্বশেষ মঙ্গলযান কোনটি?
    • ক. ইনজেনুইটি
    • খ. পারসেভারেন্স
    • গ. কিউরিসিটি
    • ঘ. অপরচুনিটি
    উত্তর: খ. পারসেভারেন্স
    মঙ্গল গ্রহে পাঠানো নাসার মঙ্গলযানগুলোর মধ্যে সর্বশেষটির নাম পারসেভারেন্স (Perseverance), যার বাংলা অর্থ অধ্যবসায়। ২০২০ সালের ৩০ জুলাই এটি পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এটি মঙ্গলের জেজেরো গহ্বরে নামে। এর কাজ হলো মঙ্গলে অতীতের জীবনের চিহ্ন খোঁজা এবং ভবিষ্যতে পৃথিবীতে আনার জন্য মাটি-পাথরের নমুনা সংগ্রহ করা। প্রশ্নের বাকি নামগুলো আগের মঙ্গলযানের: কিউরিসিটি ২০১২ সালে এবং অপরচুনিটি ২০০৪ সালে মঙ্গলে নামে। ইনজেনুইটি নামের ছোট হেলিকপ্টারটি পারসেভারেন্সের সঙ্গেই গিয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    পারসেভারেন্স: ২০২১।
    কিউরিসিটি: ২০১২।
    অপরচুনিটি ও স্পিরিট: ২০০৪।
  2. ৪১. কোন দেশ কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-১ উৎক্ষেপণ করেছিল?
    • ক. আমেরিকা
    • খ. সোভিয়েত ইউনিয়ন
    • গ. যুক্তরাজ্য
    • ঘ. ফ্রান্স
    উত্তর: খ. সোভিয়েত ইউনিয়ন
    ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-১ (Sputnik-1) উৎক্ষেপণ করে। এটিই মানুষের পাঠানো পৃথিবীর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ। রুশ ভাষায় স্পুটনিক মানে সহযাত্রী। একটি ছোট ধাতব গোলকের মতো এই উপগ্রহ পৃথিবীকে প্রায় ৯৬ মিনিটে একবার প্রদক্ষিণ করত এবং রেডিও সংকেত পাঠাত। এর নকশার কাজে প্রধান ভূমিকা ছিল সের্গেই কোরোলিওভের। এই উৎক্ষেপণের পরেই শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে মহাকাশ প্রতিযোগিতা। আমেরিকা তাদের প্রথম উপগ্রহ এক্সপ্লোরার-১ পাঠায় ১৯৫৮ সালে।
    মনে রাখুন:
    প্রথম প্রাণী মহাকাশে: কুকুর লাইকা (স্পুটনিক-২, ১৯৫৭)।
    প্রথম মানুষ মহাকাশে: ইউরি গ্যাগারিন (১৯৬১)।
  3. ৪২. 'এভিকালচার' কী?
    • ক. মৎস্য চাষ
    • খ. পাখিপালন বিদ্যা
    • গ. মৌমাছি চাষ
    • ঘ. রেশম চাষ
    উত্তর: খ. পাখিপালন বিদ্যা
    কালচার শব্দের অর্থ চাষ বা পালন। বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ পালনের জন্য আলাদা আলাদা বৈজ্ঞানিক নাম আছে। এভিকালচার (Aviculture) হলো পাখি পালন ও তার প্রজনন-সংক্রান্ত বিদ্যা। এভিস শব্দটি ল্যাটিন, যার অর্থ পাখি। কাজেই মৎস্য চাষ বা মৌমাছি পালনের সঙ্গে এর মিল নেই। মাছ চাষকে বলে পিসিকালচার, মৌমাছি পালনকে বলে এপিকালচার আর রেশম পোকা পালনকে বলে সেরিকালচার। এই শব্দগুলোর গোড়ার অংশ মনে রাখলে প্রশ্ন সহজ হয়, কারণ প্রতিটি ল্যাটিন বা গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে। যেমন পিসিস মানে মাছ, এপিস মানে মৌমাছি এবং সেরিকাম মানে রেশম।
    মনে রাখুন:
    পিসিকালচার: মাছ চাষ।
    এপিকালচার: মৌমাছি পালন।
    সেরিকালচার: রেশম চাষ।
    হর্টিকালচার: বাগান বা ফল-ফুল চাষ।
  4. ৬৩. বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ কোন দেশের?
    • ক. বাংলাদেশ
    • খ. ভারত
    • গ. রাশিয়া
    • ঘ. চীন
    উত্তর: ক. বাংলাদেশ
    বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১) আমাদের দেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-স্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ। ২০১৮ সালের ১২ মে (বাংলাদেশ সময়) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ফ্যালকন-৯ রকেটে এটি মহাকাশে পাঠানো হয়। এর ফলে বাংলাদেশ নিজস্ব উপগ্রহ থাকা দেশগুলোর তালিকায় ৫৭তম স্থান পায়। উপগ্রহটি বাংলাদেশের ১১৯.১° পূর্ব কক্ষপথে অবস্থান করে। এর পরিচালনা করে বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড, আর দেশে এর গ্রাউন্ড স্টেশন গাজীপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায় অবস্থিত।
    মনে রাখুন:
    উপগ্রহটি তৈরি করেছে ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস।
    এটি বাংলাদেশের মালিকানাধীন, উৎক্ষেপণ আমেরিকা থেকে।
  5. ৭৩. চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণকারী মনুষ্যবাহী ১ম মহাকাশযানের নাম কী?
    • ক. অ্যাপোলো-১২
    • খ. অ্যাপোলো-১৪
    • গ. অ্যাপোলো-১১
    • ঘ. অ্যাপোলো-১৫
    উত্তর: গ. অ্যাপোলো-১১
    ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নাসার অ্যাপোলো-১১ (Apollo-11) মিশনের চন্দ্রযান ঈগল চাঁদের পৃষ্ঠে নামে। এটাই চাঁদে অবতরণকারী প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশযান। নীল আর্মস্ট্রং প্রথম চাঁদের মাটিতে পা রাখেন, তাঁর পর পা রাখেন এডউইন বাজ অলড্রিন। তৃতীয় সদস্য মাইকেল কলিন্স মূল যান কলাম্বিয়ায় থেকে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করেন। পরবর্তী মিশনগুলোর মধ্যে অ্যাপোলো-১২ চাঁদে নামে ১৯৬৯ সালের নভেম্বরে, আর অ্যাপোলো-১৪ ও ১৫ নামে ১৯৭১ সালে।
    মনে রাখুন:
    চাঁদে অবতরণের প্রথম মিশন: অ্যাপোলো-১১।
    আর্মস্ট্রংয়ের উক্তি: ‘এটি একজন মানুষের জন্য ছোট পদক্ষেপ, কিন্তু মানবজাতির জন্য বিরাট এক লাফ।’

তথ্য অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন