বাংলাদেশ টেলিভিশন উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৬ জানুয়ারি ২০২৩। ৫৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য কোনটি?
- ক. হরতাল
- খ. নিষিদ্ধ লোবান
- গ. প্রলয়-শিখা
- ঘ. অনল প্রবাহ
উত্তর: গ. প্রলয়-শিখা
‘প্রলয়-শিখা’ কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ, যেটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়। এর কবিতায় ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রবল বিদ্রোহের সুর ছিল, তাই সরকার বইটি বাজেয়াপ্ত করে। অন্য তিনটি বই নজরুলের নয়। ‘হরতাল’ সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ, ‘নিষিদ্ধ লোবান’ সৈয়দ শামসুল হকের রচনা, আর ‘অনল প্রবাহ’ সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কাব্যগ্রন্থ। নজরুল ১৮৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়ায় জন্মেছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি জাতীয় কবির মর্যাদা পান, আর ১৯৭৬ সালে ঢাকায় মারা যান।
মনে রাখুন:
নজরুলের অন্য কাব্য: অগ্নিবীণা (১৯২২), বিষের বাঁশি (১৯২৪), ভাঙার গান, সর্বহারা, ফণিমনসা।
বিষের বাঁশি ও ভাঙার গানও বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। - ৪. 'সবার উপরে মানুষ সত্য তার উপরে নাই'– কথাগুলো কোন কবির?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. কবি চণ্ডীদাস
- ঘ. কবি জসীমউদদীন
উত্তর: গ. কবি চণ্ডীদাস
‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’ চরণটি চণ্ডীদাসের। তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদকর্তা, যাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মানবতাবাদী কবি হিসেবে মনে করা হয়। এই চরণে মানবতার প্রতি তাঁর গভীর বিশ্বাস ফুটে উঠেছে, অর্থাৎ মানুষের চেয়ে বড় আর কিছু নেই। চণ্ডীদাস প্রধানত রাধা-কৃষ্ণের প্রেম নিয়ে পদ লিখেছেন, বিশেষ করে পূর্বরাগ পর্যায়ে তাঁর পদ অসাধারণ। পূর্বরাগ মানে দেখা হওয়ার আগে বা প্রথম দেখায় জেগে ওঠা অনুরাগ।
মনে রাখুন:
বড়ু চণ্ডীদাস ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা।
বাঁকুড়ার এক গ্রাম থেকে ১৯০৯ সালে এর পুঁথি আবিষ্কৃত হয়। - ৮. কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
- ক. জননী
- খ. ঘরে-বাইরে
- গ. দেয়াল
- ঘ. সংশপ্তক
উত্তর: গ. দেয়াল
‘দেয়াল’ হুমায়ূন আহমেদের ২০১৩ সালের উপন্যাস, যার পটভূমিতে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি ও ইতিহাস এসেছে। অন্য তিনটি বইয়ের বিষয় আলাদা। ‘জননী’ শওকত ওসমানের উপন্যাস, ‘ঘরে-বাইরে’ রবীন্দ্রনাথের রচনা এবং ‘সংশপ্তক’ শহীদুল্লা কায়সারের উপন্যাস। তাই চারটির মধ্যে ‘দেয়াল’-ই এখানে সবচেয়ে কাছের উত্তর। বই চেনার সময় লেখকের নামের সঙ্গে বিষয় মিলিয়ে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না। ‘জননী’ উপন্যাসটি ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস: জোছনা ও জননীর গল্প, আগুনের পরশমণি (হুমায়ূন আহমেদ)।
শহীদুল্লা কায়সারের অন্য বিখ্যাত উপন্যাস: সারেং বৌ। - ৯. 'লাবণ্য' কোন পদ?
- ক. বিশেষ্য
- খ. বিশেষণ
- গ. অব্যয়
- ঘ. সর্বনাম
উত্তর: ক. বিশেষ্য
যে শব্দ কোনো বস্তু, ব্যক্তি, গুণ বা ভাবের নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য (Noun) বলে। ‘লাবণ্য’ মানে কমনীয় সৌন্দর্য বা কান্তি। এটি একটি গুণ বা ভাবের নাম, তাই এটি বিশেষ্য পদ। আবার যে শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বোঝায়, তাকে বিশেষণ বলে। লাবণ্য বিশেষণ হতে হলে রূপ বদলে ‘লাবণ্যময়’ বা ‘লাবণ্যবতী’ হতে হয়। ভাববাচক বিশেষ্য বলতে এমন কিছু বোঝায়, যাকে ছোঁয়া যায় না কিন্তু অনুভব করা যায়।
মনে রাখুন:
আরও কিছু ভাববাচক বিশেষ্য: খ্যাতি, শোক, বিশ্বাস, সৌহার্দ্য।
বিশেষণ: লাবণ্যময়ী, সুন্দর।
বিশেষ্য ছয় ধরনের: সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, গুণবাচক ও ক্রিয়াবাচক। - ১০. বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন কোনটি?
- ক. চর্যাগীতিকা
- খ. শূন্যপুরাণ
- গ. শেখ শুভোদয়া
- ঘ. বৈষ্ণব পদাবলি
উত্তর: ক. চর্যাগীতিকা
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ বা চর্যাগীতিকা। এতে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকেরা গানের মাধ্যমে তাঁদের সাধনার কথা প্রকাশ করেছেন। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন, আর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়। অন্য অপশনগুলো এর পরের কালের রচনা, তাই আদি নিদর্শন হিসেবে সেগুলো ধরা যায় না। চর্যাপদের ভাষাকে প্রাচীন বাংলা ধরা হয়।
মনে রাখুন:
শূন্যপুরাণ রামাই পণ্ডিতের রচনা বলে প্রচলিত।
বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের রচনা।
চর্যাপদের কবিদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা ও ভুসুকুপা প্রসিদ্ধ।
লুইপাকে চর্যাপদের আদি কবি ধরা হয়। - ১১. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র কোনটি?
- ক. সংবাদ প্রভাকর
- খ. সমাচার দর্পণ
- গ. সবুজপত্র
- ঘ. দিগ্দর্শন
উত্তর: খ. সমাচার দর্পণ
বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র ‘সমাচার দর্পণ’। জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় এটি শ্রীরামপুর থেকে ১৮১৮ সালের ২৩ মে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হয়। এর আগে একই বছর এপ্রিল মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র ‘দিগ্দর্শন’ বের হয়। সংবাদ পরিবেশন যার প্রধান কাজ, সেটি সংবাদপত্র। আর যেখানে নানা বিষয়ের লেখা থাকে এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর বের হয়, সেটি সাময়িকপত্র। তাই দুটির পার্থক্য মনে রাখা দরকার। ‘সমাচার দর্পণ’ ছাপা হতো শ্রীরামপুর মিশন প্রেসে।
মনে রাখুন:
সংবাদ প্রভাকর (১৮৩১) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের পত্রিকা।
সবুজপত্র (১৯১৪) প্রমথ চৌধুরীর পত্রিকা। - ২৩. প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম কোনটি?
- ক. বনফুল
- খ. বীরবল
- গ. যাযাবর
- ঘ. নীললোহিত
উত্তর: খ. বীরবল
প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল। তিনি বাংলা গদ্যে চলিত ভাষা প্রবর্তনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। ১৯১৪ সালে তিনি ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা সম্পাদনা করে চলিত রীতির প্রচার শুরু করেন। ছদ্মনাম মানে লেখক যে নামে নিজের আসল পরিচয় আড়াল করে লেখেন। বাকি তিনটি নাম অন্য লেখকদের। বনফুল বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম, যাযাবর বিনয় মুখোপাধ্যায়ের, আর নীললোহিত সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের। প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালে যশোরে জন্মেছিলেন এবং ১৯৪৬ সালে মারা যান। তাঁর স্ত্রী ইন্দিরা দেবী ছিলেন রবীন্দ্রনাথের ভাইঝি। চলিত ভাষা মুখের ভাষার কাছাকাছি, আর সাধু ভাষা তুলনায় গম্ভীর।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর বই: বীরবলের হালখাতা, চার-ইয়ারি কথা, তেল-নুন-লকড়ি। - ২৬. 'উপকার করার ইচ্ছা'-এর এককথায় প্রকাশ কী?
- ক. উপকারিচ্ছু
- খ. উপকারী
- গ. সাহায্যকারী
- ঘ. উপচিকীর্ষা
উত্তর: ঘ. উপচিকীর্ষা
‘উপকার করার ইচ্ছা’ এই বাক্যাংশের এককথায় প্রকাশ উপচিকীর্ষা। ‘কীর্ষা’ শব্দাংশ ইচ্ছা বোঝায়, যেমন জিগীষা মানে জয়ের ইচ্ছা। এভাবে ইচ্ছাবাচক শব্দের গড়ন মনে রাখলে এককথায় প্রকাশের প্রশ্নে সুবিধা হয়। ‘উপকারিচ্ছু’ শুদ্ধ রূপ নয়, আর ‘উপকারী’ মানে যে উপকার করে, ইচ্ছা নয়। ‘সাহায্যকারী’ও সাহায্য করে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়। এককথায় প্রকাশ মানে একটিমাত্র শব্দে পুরো বাক্যাংশের অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া।
মনে রাখুন:
জিগীষা – জয় করার ইচ্ছা।
বুভুক্ষা – খাওয়ার ইচ্ছা।
মুমূর্ষু – মরতে ইচ্ছুক।
দুরতিক্রম্য – যা সহজে অতিক্রম করা যায় না।
ভূতপূর্ব – যা আগে ছিল, এখন নেই। - ২৭. বাংলা উপন্যাস সাহিত্যে 'মজিদ' চরিত্রটি কোন ঔপন্যাসিকের সৃষ্টি?
- ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- খ. আবু ইসহাক
- গ. হুমায়ূন আহমেদ
- ঘ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
উত্তর: ঘ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
মজিদ চরিত্রটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের (১৯৪৮)। মজিদ একটি গ্রামে নিজেকে মাজারের খাদেম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে ধর্মের নামে মানুষকে ভয় দেখায় এবং নিজের স্বার্থ হাসিল করে। উপন্যাসে ভণ্ডামি ও কুসংস্কারের এই রূপ ফুটে উঠেছে। অন্য অপশনের লেখকেরা এই চরিত্রের স্রষ্টা নন। যেমন আবু ইসহাক ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’র লেখক, আর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পদ্মা নদীর মাঝি’র। ‘লালসালু’ নামের সালু হলো এক ধরনের কাপড়। মজিদ এই লাল কাপড় দিয়ে একটি কবর ঢেকে মাজার বানায়, আর সেখান থেকেই উপন্যাসের নাম এসেছে।
মনে রাখুন:
‘লালসালু’-র অন্য চরিত্র: রহিমা, জমিলা, খালেক ব্যাপারী, আক্কাস।
এর ইংরেজি অনুবাদ Tree Without Roots। - ৩৫. 'ভাঁড়ুদত্ত' কোন কাব্যের চরিত্র?
- ক. চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যান
- খ. অন্নদামঙ্গল কাব্যের মানসিংহ ভবানন্দ উপাখ্যান
- গ. মনসামঙ্গল
- ঘ. ধর্মমঙ্গল
উত্তর: ক. চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যান
ভাঁড়ু দত্ত মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের কালকেতু উপাখ্যানের একটি ধূর্ত চরিত্র। কালকেতু রাজা হলে ভাঁড়ু দত্ত তার কাছে নিজের মূল্য বাড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নানা ছলচাতুরি করে কালকেতুর ক্ষতি করে। এই কারণে ধূর্ত, প্রতারক মানুষকে অনেক সময় ভাঁড়ু দত্ত বলে ডাকা হয়। চণ্ডীমঙ্গল মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি ধারা, যেখানে দেবী চণ্ডীর মহিমা প্রচার করা হয়েছে। মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধিতে পরিচিত এবং তাঁকে মঙ্গলকাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি ধরা হয়।
মনে রাখুন:
চণ্ডীমঙ্গলের আদি কবি মানিক দত্ত।
অন্য চরিত্র: কালকেতু, ফুল্লরা, মুরারি শীল, ধনপতি, খুল্লনা। - ৩৬. একটি সার্থক বাক্যের প্রধান লক্ষণ কয়টি?
- ক. দুই
- খ. তিন
- গ. চার
- ঘ. পাঁচ
উত্তর: খ. তিন
একটি সার্থক বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ আছে: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। আকাঙ্ক্ষা মানে বাক্য শুনে বাকিটা জানার আগ্রহ। আসত্তি মানে পদগুলো পাশাপাশি সাজানো থাকা। যোগ্যতা মানে শব্দগুলোর অর্থগত সংগতি। এই তিনটির কোনোটি না থাকলে বাক্য অর্থহীন বা অসম্পূর্ণ মনে হয়। তাই পরীক্ষায় ‘সার্থক বাক্যের গুণ’ জানতে চাইলে এই তিনটিই উত্তর, দুই বা চার নয়।
উদাহরণ:
‘আমি ভাত খাই’ সার্থক বাক্য।
‘আমি আগুন খাই’ বাক্যে যোগ্যতা নেই।
মনে রাখুন: বাক্যে ‘আমি ভাত’ বললে আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থেকে যায়, কারণ ক্রিয়া ছাড়া বক্তব্য শেষ হয় না। - ৩৭. 'মৈমনসিংহ গীতিকা' গ্রন্থটি সংকলন করেন কে?
- ক. প্রফুল্লচন্দ্র সেন
- খ. হীরালাল সেন
- গ. দীনেশচন্দ্র সেন
- ঘ. অমর্ত্য সেন
উত্তর: গ. দীনেশচন্দ্র সেন
‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ ময়মনসিংহ অঞ্চলের পালাগানের সংকলন। চন্দ্রকুমার দে এই গীতিকাগুলো মাঠ থেকে সংগ্রহ করেন, আর ড. দীনেশচন্দ্র সেন এগুলোর সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন (প্রথম খণ্ড ১৯২৩)। প্রশ্নের অপশনে সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে নেই, তাই সংকলক ও সম্পাদক হিসেবে পরিচিত দীনেশচন্দ্র সেনই এখানে উত্তর। গীতিকা মানে গানের আকারে বলা কাহিনি, যা গ্রামের মানুষ মুখে মুখে গেয়ে ও শুনে এসেছে। চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষ ছিলেন। দীনেশচন্দ্র সেন পরে ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ নামেও আরও কয়েক খণ্ড সংকলন সম্পাদনা করেন।
মনে রাখুন:
প্রসিদ্ধ পালা: মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, কমলা, কঙ্ক ও লীলা। - ৩৮. 'হ্ণ' কোন দুটি বর্ণের যুক্তরূপ?
- ক. হ্+ন
- খ. হ্+ণ
- গ. ন্+হ
- ঘ. ণ্+হ
উত্তর: খ. হ্+ণ
'হ্ণ' যুক্তবর্ণটি হ ও ণ মিলে তৈরি হয়েছে, অর্থাৎ হ্ + ণ। এটি পূর্বাহ্ণ, অপরাহ্ণ শব্দে দেখা যায়। হ্ন (হ্ + ন) ও হ্ম (হ্ + ম) আলাদা যুক্তবর্ণ, তাই দেখতে কাছাকাছি হলেও এদের গুলিয়ে ফেলা যাবে না। 'ণ্+হ' বা 'ন্+হ' এ ধরনের বিন্যাস বাংলায় এই রূপে লেখা হয় না।
মনে রাখুন:
স্থ = স্ + থ, ক্ষ = ক্ + ষ, জ্ঞ = জ্ + ঞ, ঞ্চ = ঞ্ + চ, ষ্ণ = ষ্ + ণ। - ৩৯. 'কবিতার কথা' কার প্রবন্ধগ্রন্থ?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. জীবনানন্দ দাশ
- ঘ. জসীমউদদীন
উত্তর: গ. জীবনানন্দ দাশ
‘কবিতার কথা’ জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ। বইটি তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবিতা নিয়ে তাঁর ভাবনা আছে। এর বিখ্যাত বক্তব্য: ‘সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি।’ জীবনানন্দকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়, কারণ বাংলার প্রকৃতি তাঁর কবিতায় গভীরভাবে ধরা পড়েছে। পরীক্ষায় লেখকের সঙ্গে প্রবন্ধগ্রন্থ আর কাব্যগ্রন্থের পার্থক্য করতে পারাও জরুরি। জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালে ট্রামের ধাক্কায় আহত হয়ে মারা যান।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দের কাব্য: ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির, রূপসী বাংলা।
তাঁকে ‘নির্জনতার কবি’ বলা হয়। - ৪০. 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. বুদ্ধদেব বসু
- খ. সমর সেন
- গ. জীবনানন্দ দাশ
- ঘ. নির্মলেন্দু গুণ
উত্তর: গ. জীবনানন্দ দাশ
‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ, যেটি ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রথম কাব্য ‘ঝরা পালক’-এর পর এটি দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। এর কবিতায় জীবনানন্দের নিজস্ব স্বর ও চিত্রধর্মী ভাষা পরিষ্কার হয়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথ তাঁর কবিতাকে ‘চিত্ররূপময়’ বলেছিলেন। বইটি বুদ্ধদেব বসুকে উৎসর্গ করা। বুদ্ধদেব বসু নিজেও কবি, তাই তাঁকে এই বইয়ের লেখক ভেবে ভুল করা চলবে না। ‘বনলতা সেন’ কবিতাটি শুরু হয় ‘হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে’ দিয়ে।
মনে রাখুন:
বনলতা সেন (১৯৪২), রূপসী বাংলা (মৃত্যুর পরে প্রকাশিত)।
তাঁকে ‘নির্জনতার কবি’ ও ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়। - ৪৮. 'অদৃশ্য' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. বাস্তব
- খ. দৃশ্যমান
- গ. দৃষ্টমান
- ঘ. সদৃশ
উত্তর: খ. দৃশ্যমান
‘অদৃশ্য’ মানে যা দেখা যায় না। এর বিপরীত শব্দ ‘দৃশ্যমান’, অর্থাৎ যা দেখা যায়। ‘বাস্তব’ মানে সত্য বা প্রকৃত, ‘সদৃশ’ মানে সমান বা একই রকম, আর ‘দৃষ্টমান’ শব্দটি এই অর্থে প্রচলিত নয়। বিপরীত শব্দের প্রশ্নে প্রথমে মূল শব্দের অর্থ ভেবে নিয়ে অপশনগুলো মিলিয়ে দেখলে সুবিধা হয়। অ-উপসর্গ প্রায়ই নেতিবাচক অর্থ দেয়, তাই অদৃশ্যের উল্টো দিক ‘যা দেখা যায়’। অদৃশ্য-এর মতো সদৃশ-এর বিপরীত শব্দ হলো বিসদৃশ।
মনে রাখুন:
খাতক – মহাজন, প্রতীচ্য – প্রাচ্য, নিরত – বিরত, আশু – বিলম্ব। - ৪৯. 'পায়ের তলায় সর্ষে' বাগধারার অর্থ কী?
- ক. অলুক্ষণে
- খ. আসন্ন বিপদ
- গ. অস্থির
- ঘ. অকর্মণ্য
উত্তর: গ. অস্থির
‘পায়ের তলায় সর্ষে’ বাগধারার অর্থ অস্থির। পায়ের নিচে সর্ষে থাকলে যেমন স্থির হয়ে দাঁড়ানো যায় না, তেমনই যে মানুষ এক জায়গায় বেশিক্ষণ থাকতে পারে না, তার ক্ষেত্রে এটি বলা হয়। অপশনের ‘আসন্ন বিপদ’ অর্থটি আসলে আরেকটি বাগধারার, ‘শিরে সংক্রান্তি’র। বাগধারার প্রশ্নে এভাবে অর্থ ধরে ধরে মেলাতে হয়, কারণ অপশনে প্রায়ই অন্য বাগধারার অর্থ বসিয়ে দেওয়া থাকে।
উদাহরণ: পরীক্ষার আগের রাতে তার পায়ের তলায় সর্ষে, কিছুতেই স্থির থাকতে পারছে না।
মনে রাখুন:
শিরে সংক্রান্তি – আসন্ন বিপদ।
বাগধারা হলো এমন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ শব্দের আভিধানিক অর্থ থেকে আলাদা। - ৫১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ কয়টি?
- ক. উনিশ
- খ. বিশ
- গ. একুশ
- ঘ. বাইশ
উত্তর: গ. একুশ
আমাদের ভাষায় উৎস অনুযায়ী উপসর্গ কয়েক ধরনের। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আব, আন, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা। উপসর্গ হলো এমন অব্যয়, যা শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে বা অর্থ বদলে দেয়। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম। তাই ২১টি খাঁটি বাংলা আর ২০টি সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা গুলিয়ে ফেললে চলবে না।
উদাহরণ:
অজ + পাড়াগাঁ = অজপাড়াগাঁ।
ভর + পেট = ভরপেট।
পাতি + হাঁস = পাতিহাঁস। - ৫৬. 'সময়টা প্রশান্তির জন্য প্রশস্ত নয়'– এ বাক্যে 'প্রশস্ত' কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ক. প্রশংসা
- খ. নিন্দা
- গ. অনুপযুক্ত
- ঘ. উপযুক্ত
উত্তর: ঘ. উপযুক্ত
শব্দের অর্থ প্রসঙ্গ অনুযায়ী বদলাতে পারে। ‘প্রশস্ত’ শব্দের সাধারণ অর্থ চওড়া, কিন্তু ‘সময়টা প্রশান্তির জন্য প্রশস্ত নয়’ বাক্যে এর অর্থ উপযুক্ত, অর্থাৎ সময়টি প্রশান্তির জন্য সুবিধাজনক নয়। এখানে চওড়া অর্থ বসালে বাক্যের মানে দাঁড়ায় না, তাই প্রসঙ্গ দেখে অর্থ ঠিক করতে হয়। শব্দটি সংস্কৃত, বিশেষণ পদ। ‘প্রশস্ত’ শব্দের সঙ্গে ‘প্রশস্তি’ গুলিয়ে ফেললে চলবে না, কারণ প্রশস্তি মানে প্রশংসা। একই শব্দ প্রসঙ্গ বদলে আলাদা অর্থ দেয়, যেমন ‘কনক’ মানে সোনা, আবার ধুতুরাও।
মনে রাখুন:
প্রশস্ত শব্দের আরও অর্থ: প্রশংসিত, উৎকৃষ্ট, উদার।
প্রশস্ত শব্দের বিপরীত সাধারণত সংকীর্ণ।
প্রশান্তি মানে গভীর শান্তি।
ইংরেজি
- ২. Which one of the following is incorrect?
- ক. Inform the police of the matter.
- খ. Who is to bell the cat?
- গ. Cut the sentence.
- ঘ. He prevented me from going there.
উত্তর: গ. Cut the sentence.
Cut the sentence দিয়ে 'বাক্যটি কেটে দাও' অর্থ প্রকাশ করা যায় না। লেখা কেটে বাদ দেওয়া বোঝাতে strike out the sentence বা delete the sentence বলা হয়। বাকি তিনটি বাক্য শুদ্ধ: Inform the police of the matter (inform someone of something), Who is to bell the cat? (বিপদের কাজে কে এগিয়ে যাবে?) আর He prevented me from going there (prevent someone from doing)।
মনে রাখুন: Prevent/stop/keep + object + from + verb-ing। যেমন, She stopped him from leaving। - ৫. The adjective form of 'contempt' is–
- ক. contemplation
- খ. contemptable
- গ. contemptible
- ঘ. contempt
উত্তর: গ. contemptible
Contempt একটি noun বা বিশেষ্য, যার অর্থ ঘৃণা বা অবজ্ঞা। এর adjective রূপ contemptible, অর্থাৎ ঘৃণার যোগ্য বা তুচ্ছ। ‘Contemptable’ বানানটি ভুল, আর contemplation মানে গভীর চিন্তা, যা সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ। আরেকটি adjective হলো contemptuous, কিন্তু এর অর্থ যে নিজে অবজ্ঞা করে, অর্থাৎ অবজ্ঞাপূর্ণ। তাই contemptible বলে অবজ্ঞার পাত্রকে, আর contemptuous বলে অবজ্ঞাকারীকে।
উদাহরণ:
His behaviour was contemptible. (তার আচরণ ঘৃণ্য ছিল)
She gave him a contemptuous look. (সে তাকে অবজ্ঞার দৃষ্টিতে তাকাল)
মনে রাখুন: Contempt-এর সমার্থক শব্দ scorn, disdain। - ৬. He said to her, "What a cold day!" Select the correct Indirect speech :
- ক. He told her that what it was a cold day.
- খ. He exclaims that it was a cold day.
- গ. He exclaims sorrowfully that it was a cold day.
- ঘ. He exclaimed that it was a very cold day.
উত্তর: ঘ. He exclaimed that it was a very cold day.
Exclamatory বাক্যকে indirect speech-এ বদলাতে reporting verb হিসেবে exclaimed বা exclaimed with joy/sorrow বসে। তারপর that দিয়ে assertive আকারে বাকি অংশ লেখা হয়। Reporting verb অতীত (said) হওয়ায় কালও অতীত হয়: is → was। What a cold day! থেকে হয় it was a very cold day। তাই সঠিক বাক্য He exclaimed that it was a very cold day.
নিয়ম: What a/an + adjective + noun! → that + subject + was/were + very + adjective + noun।
উদাহরণ: She said, "How beautiful the flower is!" → She exclaimed that the flower was very beautiful. - ৭. The word 'each' is an example of–
- ক. personal pronoun
- খ. demonstrative pronoun
- গ. indefinite pronoun
- ঘ. distributive pronoun
উত্তর: ঘ. distributive pronoun
Each, either ও neither শব্দগুলো ব্যক্তি বা বস্তুকে আলাদা আলাদা করে বোঝায়, তাই এদের distributive pronoun (বিভাজক সর্বনাম) বলে। ‘Each’ মানে প্রত্যেকে। Distributive pronoun সবসময় singular verb নেয়, কারণ এটি একজন একজন করে ধরে। বাকি শ্রেণির সঙ্গে মিলিয়ে নিলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়। Personal pronoun হলো I, he, they, demonstrative pronoun হলো this, that, আর indefinite pronoun হলো some, any, one।
উদাহরণ:
Each of the boys has a book.
Neither of them came.
মনে রাখুন: Each দুই বা তার বেশির মধ্যে ব্যবহার হয়, কিন্তু either ও neither শুধু দুজনের ক্ষেত্রে বসে। - ১৪. "I want to lose weight, yet I eat chocolate thinly". This sentence is a/an–
- ক. Simple sentence
- খ. Compound sentence
- গ. Complex sentence
- ঘ. Optative sentence
উত্তর: খ. Compound sentence
Compound sentence-এ দুই বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য (independent clause) coordinating conjunction দিয়ে যুক্ত থাকে। এখানে ‘I want to lose weight’ ও ‘I eat chocolate’ দুটিই স্বাধীন বাক্যাংশ, আর এদের জুড়ে দিয়েছে yet। Yet একটি coordinating conjunction, এটি বিপরীত ভাব বোঝায়। প্রতিটি অংশ নিজে নিজেই পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে, তাই বাক্যটি simple বা complex নয়।
মনে রাখুন:
Coordinating conjunction: and, but, or, yet, so, for, nor।
Complex sentence-এ থাকে একটি স্বাধীন ও একটি অধীন clause, যেমন because, if, although দিয়ে।
Simple sentence-এ থাকে মাত্র একটি স্বাধীন clause। - ১৫. Identify the appropriate tag question :
- ক. He went to Rangpur last week, does not he?
- খ. He went in Rangpur last week, don't he?
- গ. He went to Rangpur last week, isn't he?
- ঘ. He went to Rangpur last week, didn't he?
উত্তর: ঘ. He went to Rangpur last week, didn't he?
Tag question-এ মূল বাক্য হ্যাঁ-বোধক হলে tag না-বোধক হয়, এবং tag-এর auxiliary মূল বাক্যের কাল অনুযায়ী বসে। এখানে মূল বাক্য ‘He went to Rangpur last week’, অর্থাৎ Past Indefinite, তাই tag হবে ‘didn’t he?’। ‘Does not he’ ভুল, কারণ কাল মেলেনি এবং সংক্ষেপ ঠিক নেই। ‘Went in Rangpur’ ভুল, কারণ গন্তব্য বোঝাতে to বসে। Tag-এ সবসময় সংক্ষিপ্ত রূপ ও সর্বনাম ব্যবহার হয়।
উদাহরণ: She wrote a letter, didn’t she?
নিয়ম: Affirmative + negative tag, negative + affirmative tag।
He doesn’t smoke, does he? - ১৭. The correct passive structure of the sentence : 'Let her sing a song' :
- ক. A song let her sang be her.
- খ. A song let be sung by he.
- গ. Let her a song be sung.
- ঘ. Let a song be sung by her.
উত্তর: ঘ. Let a song be sung by her.
Let দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যকে passive করতে Let-এর পরে মূল বাক্যের object বসে, তারপর be এবং verb-এর past participle। শেষে by দিয়ে আগের subject-কে objective form-এ বসানো হয়। Let her sing a song থেকে হয় Let a song be sung by her. অন্য অপশনগুলোর শব্দক্রম ও ব্যাকরণ ঠিক নয়। যেমন, 'by he' ভুল, কারণ by-এর পরে he নয়, him বসে।
উদাহরণ: Let him do the work. → Let the work be done by him. - ২১. Find out the antonym of 'gentle' —
- ক. modest
- খ. brash
- গ. claret
- ঘ. rude
উত্তর: ঘ. rude
Gentle মানে কোমল, নম্র বা ভদ্র। এর বিপরীত অর্থ হলো rude (রূঢ়, অভদ্র) বা harsh (কঠোর)। Modest মানে বিনয়ী, যা gentle-এর কাছাকাছি, তাই এটি সমার্থক, বিপরীত নয়। Claret একটি লাল রঙের মদের নাম, যা প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কহীন। Brash মানে উদ্ধত বা বেপরোয়া। এটিও কিছুটা বিপরীত অর্থ দেয়, তবুও rude-ই সবচেয়ে সরাসরি বিপরীতার্থক। Rude-এর noun রূপ rudeness, আর adverb রূপ rudely।
উদাহরণ:
The nurse was gentle with the child.
It was rude to interrupt the speaker.
মনে রাখুন: Gentle-এর সমার্থক: mild, tender, soft। - ২২. All that glitters is not gold. Here the word 'All' is a/an—
- ক. noun
- খ. pronoun
- গ. adverb
- ঘ. adjective
উত্তর: খ. pronoun
‘All that glitters is not gold’ বাক্যে all শব্দটি কোনো noun-এর আগে বসে তার বিশেষণ হিসেবে কাজ করছে না। এটি নিজেই subject হিসেবে বসেছে এবং ‘যা কিছু’ অর্থ দিচ্ছে, তাই এটি pronoun। ‘That glitters’ অংশটি relative clause, যা এই সর্বনামের পরিচয় দিচ্ছে। প্রবাদটির অর্থ, যা কিছু চকচক করে তা-ই সোনা নয়। অর্থাৎ বাইরের জৌলুস দেখে ভেতরের মূল্য বিচার করা ঠিক নয়।
উদাহরণ:
All were present. (pronoun)
All students were present. (adjective)
মনে রাখুন: Noun-এর আগে বসলে all adjective, একা বসলে pronoun। - ২৪. — honest person never tells a lie. Identify the best option for the blank :
- ক. the
- খ. an
- গ. a
- ঘ. undoubtedly
উত্তর: খ. an
Honest শব্দটির বানান h দিয়ে শুরু হলেও h-এর উচ্চারণ হয় না, তাই শব্দটি স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয়। Article a বা an নির্ধারণে বানান নয়, উচ্চারণ দেখতে হয়। স্বরধ্বনি দিয়ে উচ্চারণ শুরু হলে an বসে, তাই ‘An honest person never tells a lie’। প্রশ্নের অন্য অপশনগুলো এখানে মানায় না। The নির্দিষ্ট কাউকে বোঝায়, a ব্যঞ্জনধ্বনির আগে বসে, আর undoubtedly একটি adverb, যা article নয়।
মনে রাখুন:
An hour, an heir, an honour: h নীরব, তাই an।
A university, a European, a one-eyed man: এগুলোর উচ্চারণ ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শুরু, তাই a। - ২৮. Choose the appropriate preposition in the blank following sentence : The man died — overwork.
- ক. by
- খ. from
- গ. for
- ঘ. of
উত্তর: খ. from
কোনো কারণে মৃত্যু হলে die-এর পরে সাধারণত দুটি preposition ব্যবহৃত হয়। রোগ, ক্ষুধা, বার্ধক্যের মতো কারণে বসে of, আর অতিরিক্ত পরিশ্রম, আঘাত বা অসাবধানতার মতো বাইরের কারণে বসে from। এখানে overwork হলো পরিশ্রমজনিত কারণ, তাই ‘The man died from overwork’। By বা for এখানে বসে না, কারণ by সাধারণত কর্তা বা মাধ্যম বোঝায়।
উদাহরণ:
He died of cancer. / He died of hunger.
She died from injuries.
মনে রাখুন: Die by বসে হত্যার ধরন বোঝাতে, যেমন die by the sword। - ৩৪. Choose the correct form of verb in the bracket of the following sentence : The girl (read) the novel since last Saturday.
- ক. The girl was reading the novel since last Saturday.
- খ. The girl have been reading the novel since last Saturday.
- গ. The girl has been reading the novel since last Saturday.
- ঘ. The girl is reading the novel since last Saturday.
উত্তর: গ. The girl has been reading the novel since last Saturday.
নির্দিষ্ট একটি সময় থেকে কাজ শুরু হয়ে এখনও চলতে থাকলে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার হয়। গঠন: subject + has/have been + verb-এর ing + extension। ‘Since last Saturday’ একটি নির্দিষ্ট সময়বাচক শব্দগুচ্ছ, এবং ‘The girl’ একবচন বলে has been বসে। তাই সঠিক বাক্য ‘The girl has been reading the novel since last Saturday.’ ‘Was reading’ অতীতে শেষ হয়ে যাওয়া কাজ বোঝায়, আর ‘have been’ বহুবচনের সঙ্গে বসে।
মনে রাখুন:
Since + নির্দিষ্ট সময় (since 2010)।
For + সময়ের ব্যাপ্তি (for two hours)।
I, you, we, they-এর সঙ্গে have been, he, she, it-এর সঙ্গে has been। - ৪১. The synonym of 'sagacious' is–
- ক. malicious
- খ. malice
- গ. judicious
- ঘ. germane
উত্তর: গ. judicious
Sagacious বিশেষণ, অর্থ বিচক্ষণ বা প্রজ্ঞাবান। এর সমার্থক শব্দ judicious, যার অর্থ বিবেচনাশীল। দুটি শব্দেই বুদ্ধি ও বিবেচনার ভাব আছে। Malicious মানে বিদ্বেষপূর্ণ, malice মানে বিদ্বেষ, আর germane মানে প্রাসঙ্গিক, তাই এগুলো sagacious-এর সঙ্গে মেলে না। শব্দের গড়ন দেখে ভুল না করে অর্থ মনে রাখাই এখানে ভালো উপায়। Sagacious-এর noun রূপ sagacity, আর adverb রূপ sagaciously।
উদাহরণ: The sagacious old man gave the village wise advice.
মনে রাখুন:
Sagacious-এর অন্য সমার্থক: wise, shrewd, astute।
বিপরীত শব্দ: foolish, unwise। - ৪৫. Identify the correct spelt word :
- ক. advercity
- খ. advarcity
- গ. advarites
- ঘ. adversity
উত্তর: ঘ. adversity
সঠিক বানান adversity, যার অর্থ প্রতিকূল অবস্থা বা দুর্ভাগ্য। এটি adverse (প্রতিকূল) শব্দ থেকে এসেছে, তাই বানানে adver-sity। অন্য অপশনগুলো ভুল বানান, কারণ সেগুলোতে শব্দের মাঝখানে ভুল অক্ষর বসেছে। বানান শেখার সময় মূল শব্দটি মনে রাখলে ভুল কম হয়। Adverse থেকে adversity হয়েছে, ঠিক যেমন diverse থেকে diversity। Adversity-র বহুবচন adversities, আর adverse-এর adverb রূপ adversely।
উদাহরণ: A true friend stands by you in adversity.
মনে রাখুন:
Adversity-র বিপরীত prosperity (সমৃদ্ধি)।
Adverse effect মানে প্রতিকূল প্রভাব। - ৪৬. She was working on her computer with her baby next to —. Choose the correct answer.
- ক. her
- খ. herself
- গ. hers
- ঘ. her own beside
উত্তর: ক. her
Preposition বা preposition-তুল্য শব্দের পরে সর্বনামের objective form বসে। ‘Next to’ এখানে preposition-এর কাজ করছে, তাই তার পরে her (objective form) বসে। Herself reflexive pronoun, তা এখানে বসে না, কারণ কর্তা ও কর্ম একই নয় বলে পুনরাবৃত্তির প্রয়োজন নেই। Hers হলো তার অধিকারবাচক রূপ, যা বাক্যের অর্থ ঠিক রাখে না। অপশনের ‘her own beside’ ভুল গঠন।
উদাহরণ: He sat next to me.
মনে রাখুন:
Preposition + objective case। যেমন, with him, for them।
Objective form: me, you, him, her, it, us, them। - ৪৭. Complete the sentence with the best option : If you had studied hard, —
- ক. you would succeed in the examination.
- খ. you should have succeeded in the examination.
- গ. you could succeed in the examination.
- ঘ. you would have succeeded in the examination.
উত্তর: ঘ. you would have succeeded in the examination.
If-এর অংশে Past Perfect থাকলে (had studied) অন্য অংশে would have + past participle বসে। এটি Third Conditional, যা অতীতে না ঘটা কিছু নিয়ে অনুশোচনা বা কল্পনা বোঝায়। তাই ‘If you had studied hard, you would have succeeded in the examination.’ বাকি অপশনে অতীতের শর্তের সঙ্গে বর্তমান বা ভবিষ্যতের রূপ (would succeed, could succeed) বসেছে, তাই কাল মেলে না।
গঠন: If + had + v₃, would have + v₃।
উদাহরণ: If he had run, he would have caught the train.
মনে রাখুন: Second Conditional-এ If + past, would + base verb।
If I were rich, I would help the poor. - ৫২. Which one of the following sentence contains the correct superlative degree?
- ক. I love you more than I can say.
- খ. Money is sweeter than honey.
- গ. No other flower is as beautiful as the rose.
- ঘ. The Padma Bridge is one of the longest bridges in Asia.
উত্তর: ঘ. The Padma Bridge is one of the longest bridges in Asia.
Superlative degree-তে তুলনা হয় তিন বা ততোধিকের মধ্যে, আর ‘one of the’ এর পরে superlative বসে। ‘The Padma Bridge is one of the longest bridges in Asia’ বাক্যে longest superlative, তাই এটি শুদ্ধ। অন্য তিনটি বাক্যের মধ্যে প্রথম দুটি comparative (more, sweeter than), আর ‘No other flower is as beautiful as the rose’ positive degree। শেষটির অর্থ superlative-এর সমান হলেও গঠন positive।
উদাহরণ: He is the tallest boy in the class.
মনে রাখুন:
Positive: as tall as, comparative: taller than, superlative: the tallest।
Superlative-এর আগে সাধারণত the বসে। - ৫৩. The phrase 'out of the wood' means–
- ক. out of the jungle
- খ. out of the bush
- গ. free from difficulties
- ঘ. out of the way
উত্তর: গ. free from difficulties
‘Out of the woods’ ইডিয়মের অর্থ বিপদ বা জটিলতা থেকে মুক্ত হওয়া। জঙ্গল পার হয়ে গেলে যেমন বিপদের সম্ভাবনা কমে, তেমনই কঠিন সময় পার হয়ে স্বস্তি পাওয়া বোঝায়। তাই ইডিয়মের অর্থ আক্ষরিক ‘জঙ্গলের বাইরে’ নয়, ভাবগত অর্থ বিপদমুক্ত। সাধারণত বাক্যটি না-বোধক আকারে ব্যবহার হয়, যেমন: We are not out of the woods yet. (আমরা এখনও বিপদমুক্ত নই)। উল্টো ভাব বোঝায় ‘in hot water’, যার অর্থ ঝামেলায় পড়া।
মনে রাখুন:
Out of danger, out of trouble একই ধরনের ভাব প্রকাশ করে।
Idiom-এর অর্থ শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ থেকে আলাদা হয়। - ৫৫. Which one is correct sentence below?
- ক. Good night, how are you?
- খ. Good night, how do you do?
- গ. Good evening, how you are?
- ঘ. Good evening, how are you?
উত্তর: ঘ. Good evening, how are you?
সন্ধ্যার পর কারও সঙ্গে দেখা হলে সম্ভাষণে Good evening বলা হয়। Good night বলা হয় বিদায় নেওয়ার সময় বা ঘুমানোর আগে, দেখা হওয়ার সময় নয়। আবার Wh-question-এ প্রথমে question word, তারপর auxiliary verb, তারপর subject বসে, অর্থাৎ ‘How are you?’। ‘How you are’ ভুল, কারণ এতে ক্রম উল্টে গেছে। তাই সঠিক বাক্য ‘Good evening, how are you?’
মনে রাখুন:
How do you do? শুধু প্রথম পরিচয়ের সময় ব্যবহার হয়, উত্তরেও একই কথা বলা হয়।
Good morning সকালে, Good afternoon দুপুরের পরে, Good evening সন্ধ্যায়।
আন্তর্জাতিক
- ৩. যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কত বছর অন্তর হয়?
- ক. এক বছর
- খ. দুই বছর
- গ. তিন বছর
- ঘ. চার বছর
উত্তর: খ. দুই বছর
যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ চার বছর। এই চার বছরের মাঝামাঝি সময়ে, অর্থাৎ দুই বছর পরপর, কংগ্রেসের নির্বাচন হয়, যাকে মধ্যবর্তী নির্বাচন (Midterm Election) বলে। এতে প্রতিনিধি পরিষদের (House of Representatives) সব ৪৩৫টি আসন এবং সিনেটের (Senate) প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসনে ভোট হয়। প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যদের মেয়াদ দুই বছর, সিনেটরদের ছয় বছর।
হালনাগাদ: ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
মনে রাখুন:
২০২৪ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হন। - ১২. অবিভক্ত রাশিয়ার সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট ছিলেন–
- ক. ভ্লাদিমির পুতিন
- খ. মিখাইল গর্বাচেভ
- গ. লিও টলস্টয়
- ঘ. ব্রেজনেভ
উত্তর: খ. মিখাইল গর্বাচেভ
সোভিয়েত ইউনিয়নের (USSR) প্রথম এবং শেষ প্রেসিডেন্ট ছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ। তিনি ১৯৮৫ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক হন। দেশকে নতুনভাবে সাজাতে তিনি ‘গ্লাসনস্ত’ (খোলামেলা নীতি) ও ‘পেরেস্ত্রৈকা’ (পুনর্গঠন) চালু করেন। ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করেন, আর পরদিনই সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায়। ২০২২ সালের ৩০ আগস্ট তাঁর মৃত্যু হয়। প্রশ্নে ‘অবিভক্ত রাশিয়া’ বলতে আসলে সোভিয়েত ইউনিয়নকেই বোঝানো হয়েছে। গর্বাচেভ ১৯৩১ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
মনে রাখুন:
গর্বাচেভ ১৯৯০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়া ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট, সোভিয়েত ইউনিয়নের নয়। - ৩২. 'সিত্রাং' ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করেছিল কোন দেশ?
- ক. সিঙ্গাপুর
- খ. তাইওয়ান
- গ. ভিয়েতনাম
- ঘ. থাইল্যান্ড
উত্তর: ঘ. থাইল্যান্ড
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নাম পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন দেশ প্রস্তাব করে। ‘সিত্রাং’ নামটি প্রস্তাব করেছিল থাইল্যান্ড। ২০২২ সালের অক্টোবরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে। এই নামগুলো উত্তর ভারত মহাসাগরের ১৩টি দেশ ঠিক করে। প্রতিটি দেশ পালা করে একটি করে নাম দেয়, যাতে ঝড়ের সময় সতর্কবার্তা সহজে মনে রাখা যায়। এই নামকরণের কাজে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) ও ESCAP-এর যৌথ প্যানেল জড়িত। নাম ছোট ও সহজ হলে সবাই সতর্কবার্তা মনে রাখতে পারে।
মনে রাখুন:
ফণী – বাংলাদেশ।
আম্ফান – থাইল্যান্ড।
মোখা – ইয়েমেন।
রেমাল – ওমান। - ৩৩. 'বিশ্ব পানি দিবস' পালিত হয়–
- ক. ২২ মার্চ
- খ. ২৩ মার্চ
- গ. ২২ এপ্রিল
- ঘ. ২৫ এপ্রিল
উত্তর: ক. ২২ মার্চ
প্রতি বছর ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস (World Water Day) পালিত হয়। ১৯৯২ সালে রিও ডি জেনিরোয় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সম্মেলনের সুপারিশের ভিত্তিতে জাতিসংঘ দিনটি ঘোষণা করে এবং ১৯৯৩ সাল থেকে এটি পালিত হচ্ছে। এ দিনে নিরাপদ পানির গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো হয়। অপশনের ২৩ মার্চ ও ২২ এপ্রিল অন্য দুটি আন্তর্জাতিক দিবসের তারিখ, তাই এগুলোর সঙ্গে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। প্রতি বছর এই দিবসের জন্য একটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়।
মনে রাখুন:
২৩ মার্চ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস।
২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। - ৫৪. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
- ক. রুজভেল্ট
- খ. ভল্টেয়ার
- গ. উইনস্টন চার্চিল
- ঘ. মার্গারেট থ্যাচার
উত্তর: গ. উইনস্টন চার্চিল
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) বেশিরভাগ সময়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল। তিনি ১৯৪০ সালের মে মাসে নেভিল চেম্বারলেনের জায়গায় প্রধানমন্ত্রী হন এবং যুদ্ধজয়ে নেতৃত্ব দেন। যুদ্ধ শেষের দিকে ১৯৪৫ সালে ক্লিমেন্ট অ্যাটলি প্রধানমন্ত্রী হন। বাকি তিনটি নাম অন্য পরিচয়ের। রুজভেল্ট ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি, ভলতেয়ার ছিলেন ফরাসি দার্শনিক, আর থ্যাচার ১৯৭৯ সালে ব্রিটেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। চার্চিল ১৯৫১ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। চেম্বারলেন ১৯৩৮ সালের মিউনিখ চুক্তির জন্য পরিচিত।
মনে রাখুন: চার্চিল ১৯৫৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
বিজ্ঞান
- ১৩. সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম–
- ক. ভেগা
- খ. আলফা সেন্টাউরি
- গ. আলফা সেনচুরি
- ঘ. প্রক্সিমা সেন্টাউরি
উত্তর: ঘ. প্রক্সিমা সেন্টাউরি
সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র হলো প্রক্সিমা সেন্টাউরি (Proxima Centauri)। এটি সূর্য থেকে প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। প্রক্সিমা কথাটির অর্থ নিকটবর্তী। এটি একটি ছোট ও ম্লান লাল বামন নক্ষত্র, তাই খালি চোখে দেখা যায় না। অনেকে আলফা সেন্টাউরিকে সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র মনে করেন। আসলে আলফা সেন্টাউরি একটি তারকাব্যবস্থা, যাতে তিনটি নক্ষত্র আছে এবং প্রক্সিমা সেই ব্যবস্থারই তৃতীয় সদস্য। আলফা সেন্টাউরি এ ও বি একসঙ্গে প্রায় ৪.৩৭ আলোকবর্ষ দূরে। রাতের আকাশে এই ব্যবস্থার উজ্জ্বল তারাটি দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে দেখা যায়।
মনে রাখুন:
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র (সূর্য ছাড়া): প্রক্সিমা সেন্টাউরি।
সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র, দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
১ আলোকবর্ষ প্রায় ৯.৪৬ লক্ষ কোটি কিলোমিটার। - ২৯. কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না?
- ক. গ্লিসারিন
- খ. ফিটকারি
- গ. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
- ঘ. সোডিয়াম ক্লোরাইড
উত্তর: গ. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
কোনো পদার্থ পানিতে দ্রবীভূত হবে কি না, তা নির্ভর করে পদার্থটির বন্ধনের ধরন ও পানির সঙ্গে আকর্ষণের ওপর। সোডিয়াম ক্লোরাইড (খাবার লবণ) আয়নিক যৌগ, তাই পানির পোলার অণু একে সহজে ভেঙে দ্রবীভূত করে। ফিটকারি এবং গ্লিসারিনও পানিতে ভালোভাবে মেশে, গ্লিসারিন তো পানির সঙ্গে যেকোনো অনুপাতে মিশে যায়। কিন্তু ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO₃), যার অন্য নাম চুনাপাথর, পানিতে প্রায় অদ্রবণীয়। এর আয়নগুলোর মধ্যে আকর্ষণ এত বেশি যে পানির অণু সেই বন্ধন ভাঙতে পারে না।
মনে রাখুন:
চুনাপাথর, মার্বেল ও ঝিনুকের খোলের মূল উপাদান CaCO₃।
CaCO₃ তাপ দিলে ভেঙে চুন (CaO) ও কার্বন ডাই-অক্সাইড দেয়। - ৩১. কাঁদানে গ্যাসের অপর নাম-
- ক. ইথেন
- খ. মিথেন
- গ. নাইট্রোজেন
- ঘ. ক্লোরোপিক্রিন
উত্তর: ঘ. ক্লোরোপিক্রিন
কাঁদানে গ্যাস বলতে সাধারণত এমন রাসায়নিক পদার্থ বোঝায়, যা চোখে লাগলে জ্বালা ও অশ্রু ঝরায়। এই ধরনের পদার্থের মধ্যে ক্লোরোপিক্রিন (Chloropicrin) একটি। এটি বর্ণহীন তরল, গন্ধ খুব তীব্র ও ঝাঁঝালো, আর চোখ, ত্বক ও ফুসফুসে প্রদাহ ঘটায়। এর সংকেত CCl₃NO₂ এবং রাসায়নিক নাম ট্রাইক্লোরোনাইট্রোমিথেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে একে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। এখন এটি কীটনাশক ও মাটি জীবাণুমুক্ত করার কাজে লাগে। ইথেন ও মিথেন হাইড্রোকার্বন, আর নাইট্রোজেন নিষ্ক্রিয় প্রকৃতির গ্যাস, এগুলোর কোনোটিই কাঁদানে গ্যাস নয়।
মনে রাখুন:
ক্লোরোপিক্রিনের সংকেত: CCl₃NO₂।
এটি একাধারে কীটনাশক ও কাঁদানে পদার্থ। - ৪২. ইলেকট্রিক বাল্ব কোন ফিলামেন্ট-এ তৈরি করা হয়?
- ক. টাংস্টেন
- খ. আয়রণ
- গ. কার্বন
- ঘ. লেড
উত্তর: ক. টাংস্টেন
বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে সরু তারের কুণ্ডলী থাকে, যাকে ফিলামেন্ট (Filament) বলে। এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ গেলে তারটি তপ্ত হয়ে সাদা আভায় জ্বলে ওঠে, আর আমরা আলো পাই। এই কাজে টাংস্টেন সবচেয়ে উপযোগী। কারণ ধাতুগুলোর মধ্যে এর গলনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩৪২২°C, তাই খুব উঁচু তাপমাত্রাতেও এটি গলে যায় না। লোহা ও সীসা অনেক কম তাপে গলে যেত। কার্বনের ফিলামেন্ট প্রথম দিকের বাল্বে ব্যবহার করা হয়েছিল, কিন্তু টাংস্টেনের মতো টেকসই নয়।
মনে রাখুন:
টাংস্টেনের অন্য নাম উলফ্রাম, প্রতীক W।
বাল্বের ভেতরে সাধারণত আর্গন ও নাইট্রোজেনের মিশ্রণ ভরা থাকে, যাতে ফিলামেন্ট পুড়ে না যায়। - ৪৪. নিচের কোনটিতে পারস্পরিক আবেশ ব্যবহৃত হয়?
- ক. ডায়োড
- খ. ট্রানজিস্টার
- গ. ট্রান্সফর্মার
- ঘ. অ্যামপ্লিফায়ার
উত্তর: গ. ট্রান্সফর্মার
একটি কয়েলে পরিবর্তনশীল তড়িৎপ্রবাহ চললে তার চারপাশে চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি হয়। পাশের আরেকটি কয়েলে সেই চৌম্বকক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে ওই কয়েলে তড়িৎচালক বল সৃষ্টি হয়। এই ঘটনাকে পারস্পরিক আবেশ (Mutual Induction) বলে। ট্রান্সফর্মার ঠিক এই নীতিতেই কাজ করে। এতে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি নামে দুটি কয়েল থাকে, আর প্রাইমারির শক্তি আবেশের মাধ্যমে সেকেন্ডারিতে পৌঁছায়। ডায়োড, ট্রানজিস্টার ও অ্যামপ্লিফায়ার অর্ধপরিবাহী নির্ভর ইলেকট্রনিক যন্ত্র, এদের কাজের নীতি আলাদা।
মনে রাখুন:
ট্রান্সফর্মার শুধু পরিবর্তী প্রবাহে (AC) কাজ করে, DC-তে করে না।
ভোল্টেজ বাড়ালে তাকে স্টেপ আপ এবং কমালে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ১৬. নিচের কোনটির স্পীড সবচেয়ে বেশি?
- ক. ক্যাশ মেমোরি
- খ. মেইন মেমোরি
- গ. ভার্চুয়াল মেমোরি
- ঘ. চৌম্বক মেমোরি
উত্তর: ক. ক্যাশ মেমোরি
কম্পিউটারে নানা ধরনের মেমোরি থাকে, আর সেগুলোর গতি সমান নয়। ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory) সিপিইউ-র (CPU) একেবারে কাছে বসানো থাকে এবং স্ট্যাটিক র্যাম (SRAM) নামের দ্রুত প্রযুক্তিতে তৈরি। তাই সিপিইউ প্রয়োজনীয় তথ্য এখান থেকে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি পায়। মেইন মেমোরি বা র্যাম (RAM) এর চেয়ে ধীর। ভার্চুয়াল মেমোরি আসলে হার্ডডিস্কের একটি অংশ, ফলে সেটি আরও ধীর। চৌম্বক মেমোরি, অর্থাৎ হার্ডডিস্ক বা ফ্লপি, সবচেয়ে ধীর শ্রেণির মধ্যে পড়ে।
মনে রাখুন:
গতির ক্রম (দ্রুত থেকে ধীর): রেজিস্টার, ক্যাশ, র্যাম, হার্ডডিস্ক।
র্যাম ও ক্যাশ উদ্বায়ী মেমোরি, বিদ্যুৎ চলে গেলে তথ্য মুছে যায়। - ৩০. নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
- ক. লিনাক্স
- খ. উইন্ডোজ
- গ. এম. এস. ওয়ার্ড
- ঘ. ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম
উত্তর: গ. এম. এস. ওয়ার্ড
কম্পিউটার চালু রাখা এবং যন্ত্রাংশ ও অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে সমন্বয় ঘটানোর সফটওয়্যারকে অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) বলে। লিনাক্স, উইন্ডোজ এবং ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম (DOS) তিনটিই এ ধরনের সফটওয়্যার। কিন্তু এম. এস. ওয়ার্ড (MS Word) অপারেটিং সিস্টেম নয়। এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা দিয়ে আমরা চিঠি, প্রতিবেদন বা বই লেখার মতো কাজ করি। অর্থাৎ অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারকে চালায়, আর অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ করে দেয়।
মনে রাখুন:
অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক ওএস, অ্যান্ড্রয়েড।
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ: এম. এস. ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট।
বাংলাদেশ
- ১৮. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনের বক্তা ছিলেন–
- ক. কৈলাশ সত্যার্থী
- খ. ড. জ্যাঁ তিরোল
- গ. কাজিও ইশিগুরো
- ঘ. আবদুর রাজ্জাক গুরনাহ
উত্তর: খ. ড. জ্যাঁ তিরোল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালের ১৯ নভেম্বর। সেই অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন ফরাসি অর্থনীতিবিদ ও নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক জঁ তিরোল (Jean Tirole)। তিনি ২০১৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান। সমাবর্তন বলতে বোঝায় শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি প্রদানের অনুষ্ঠান। আর সমাবর্তন বক্তা হলেন সেই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তৃতা দেওয়া ব্যক্তি। অন্য অপশনের কৈলাশ সত্যার্থী, কাজিও ইশিগুরো ও আবদুর রাজ্জাক গুরনাহও নোবেল বিজয়ী, কিন্তু এই সমাবর্তনের বক্তা তাঁরা নন। জঁ তিরোল বাজার ক্ষমতা ও তার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গবেষণার জন্য নোবেল পুরস্কার পান।
মনে রাখুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালে। - ১৯. কত সালে বাংলাদেশ উন্নত হওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে?
- ক. ২০৪০
- খ. ২০৩০
- গ. ২০৪১
- ঘ. ২০৫০
উত্তর: গ. ২০৪১
বাংলাদেশ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য স্থির করেছে। এই পরিকল্পনার নাম রূপকল্প ২০৪১ (Vision 2041)। এর আগে রূপকল্প ২০২১-এর লক্ষ্য ছিল মধ্যম আয়ের দেশ হওয়া। ২০৪১ লক্ষ্যে শিল্পায়ন, রপ্তানি ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। রূপকল্প মানে দীর্ঘমেয়াদি স্বপ্ন বা লক্ষ্যের একটি রূপরেখা। ২০৪১ সালের লক্ষ্য হলো উচ্চ আয়ের দেশ হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা। এর জন্য ‘প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১’ নামে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
মনে রাখুন:
বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ (Delta Plan 2100) দীর্ঘমেয়াদি পানি ও পরিবেশ পরিকল্পনা।
ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২১-এর অংশ।
স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প ২০৪১-এর অংশ। - ২০. 'শোন একটি মুজিবুরের কণ্ঠ থেকে'– গানটির গীতিকার কে?
- ক. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
- খ. সত্য সাহা
- গ. নজরুল ইসলাম বাবু
- ঘ. গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
উত্তর: ঘ. গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
‘শোন একটি মুজিবরের কণ্ঠ থেকে’ গানটির গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই গান বাঙালিদের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল। গানটির সুর দিয়েছেন ও গেয়েছেন অংশুমান রায়। গৌরীপ্রসন্ন ছিলেন ভারতের বাংলা ভাষার একজন নামী গীতিকার। গীতিকার মানে যিনি গানের কথা লেখেন। প্রশ্নের অন্য নামগুলো বাংলাদেশের বা অন্য ধরনের পরিচয়ে বেশি পরিচিত, তাই লেখকের নাম আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার বাংলাদেশের গীতিকার, তিনি লিখেছেন ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে’।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। - ২৫. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কত তারিখে গৃহীত হয়?
- ক. ২৬ নভেম্বর, ১৯৭২
- খ. ৩ নভেম্বর, ১৯৭২
- গ. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
- ঘ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
উত্তর: গ. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। এরপর ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বিজয় দিবসে, এটি কার্যকর হয়। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্যের একটি খসড়া কমিটি সংবিধান রচনা করে। ৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস হিসেবে পরিচিত। গৃহীত হওয়া আর কার্যকর হওয়া আলাদা বিষয়, আর পরীক্ষায় এই দুটি তারিখ নিয়েই প্রশ্ন আসে। মূল সংবিধানে রাষ্ট্রের চারটি মূলনীতি ছিল জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
মনে রাখুন:
মূল সংবিধানে ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ও ৪টি তফসিল ছিল।
বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর। - ৪৩. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা–
- ক. ২৪০০ মেগাওয়াট
- খ. ২২০০ মেগাওয়াট
- গ. ২৩০০ মেগাওয়াট
- ঘ. ২১০০ মেগাওয়াট
উত্তর: ক. ২৪০০ মেগাওয়াট
পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর তীরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে। এতে ১২০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট থাকবে, তাই মোট ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট। রাশিয়ার রসাটম (Rosatom) এর নির্মাণ করছে। এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। পারমাণবিক কেন্দ্রে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার তাপে পানি ফুটিয়ে বাষ্প তৈরি করা হয়, আর সেই বাষ্প টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। ঈশ্বরদী পাবনার একটি উপজেলা, যেখানে পদ্মা নদীর ওপর বিখ্যাত হার্ডিঞ্জ ব্রিজ রয়েছে।
মনে রাখুন:
পারমাণবিক বিদ্যুৎ তৈরিতে ইউরেনিয়ামের জ্বালানি ব্যবহার হয়।
প্রকল্পের কাজ ২০১৭ সালের শেষ দিকে শুরু হয়। - ৫০. ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিবর্তিত নাম–
- ক. স্মার্ট বাংলাদেশ
- খ. প্রগ্রেসিভ বাংলাদেশ
- গ. এনলাইটেড বাংলাদেশ
- ঘ. পোভার্টিলেস বাংলাদেশ
উত্তর: ক. স্মার্ট বাংলাদেশ
২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা এসেছিল। পরবর্তী ধাপ হিসেবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ ঘোষণা করা হয়, যার লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত রাষ্ট্র গড়া। এর চারটি স্তম্ভ হলো স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি। ডিজিটাল পর্বে মূল জোর ছিল তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ায়, আর স্মার্ট পর্বে প্রযুক্তি দিয়ে সব খাত আরও দক্ষ করার চেষ্টা আছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারটি আওয়ামী লীগ ঘোষণা করেছিল।
মনে রাখুন: ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২১-এর অংশ, আর স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প ২০৪১-এর অংশ।
বাংলাদেশ টেলিভিশন উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
বাংলাদেশ টেলিভিশন উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা: ২ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে
বাংলাদেশ টেলিভিশন: অন্যান্য পরীক্ষা
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন