লিয়ানা বুকস

কারা অধিদপ্তর ডিপ্লোমা নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২৮ এপ্রিল ২০২৫। ৮৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. 'মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে' বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়—
    • ক. মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে
    • খ. মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে না
    • গ. মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
    • ঘ. মিথ্যাবাদীকে কেউ অপছন্দ করে না
    উত্তর: গ. মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
    হ্যাঁ-বাচক বাক্যকে না-বাচক বাক্যে বদলাতে হলে অর্থ ঠিক রেখে ‘না’ বা ‘নেই’-জাতীয় শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ‘সবাই অপছন্দ করে’ মানে কেউ পছন্দ করে না, তাই নেতিবাচক রূপ ‘মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না’। ‘সবাই পছন্দ করে না’ বললে অর্থ বদলে যায়, কারণ তখন কেউ কেউ পছন্দও করতে পারে।
    উদাহরণ:
    সে ধনী – সে গরিব নয়।
    মনে রাখুন: রূপান্তরের সময় বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত থাকতে হবে।
  2. ২. 'পাবক'-এর প্রতিশব্দ কোনটি?
    • ক. আগুন
    • খ. পবন
    • গ. জল
    • ঘ. সমুদ্র
    উত্তর: ক. আগুন
    ‘পাবক’ শব্দের অর্থ আগুন। আগুন সব কিছু পুড়িয়ে শুদ্ধ করে দেয় বলে এর এই নাম, কারণ ‘পাবক’ শব্দের মূলে আছে পবিত্র করার ভাব। পবন মানে বাতাস, জল ও সমুদ্র একেবারে আলাদা জিনিস, তাই সেগুলো পাবকের প্রতিশব্দ নয়।
    মনে রাখুন:
    আগুনের প্রতিশব্দ: অনল, অগ্নি, বহ্নি, হুতাশন, কৃশানু, বৈশ্বানর।
    বাতাসের প্রতিশব্দ: পবন, অনিল, সমীরণ।
    জলের প্রতিশব্দ: বারি, নীর, সলিল।
  3. ৩. কোন শব্দযুগল সমার্থক নয়?
    • ক. অমৃত-গরল
    • খ. জটিল-কঠিন
    • গ. বিপুল-বিশাল
    • ঘ. দিকে-দিকে
    উত্তর: ক. অমৃত-গরল
    সমার্থক শব্দ বলতে একই অর্থের শব্দ বোঝায়। ‘অমৃত’ মানে সুধা আর ‘গরল’ মানে বিষ, দুটির অর্থ বিপরীত, তাই এ জোড়াটি সমার্থক নয়। অন্য জোড়াগুলো কাছাকাছি অর্থের: ‘বিপুল’ ও ‘বিশাল’ দুটোই বিরাট বোঝায়, ‘জটিল’ ও ‘কঠিন’ প্রায় একই অর্থ দেয়, আর ‘দিকে-দিকে’ বলতে সব দিক বোঝায়। এই ধরনের প্রশ্নে আসলে বিপরীত অর্থের জোড়াটি খুঁজে বের করতে হয়।
    মনে রাখুন: অমৃতের সমার্থক সুধা, পীযূষ। গরলের সমার্থক বিষ, হলাহল।
  4. ৪. 'অপেক্ষা' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
    • ক. অপ + ঈক্ষা
    • খ. অপ + ইক্ষা
    • গ. অপ + এক্ষা
    • ঘ. অপো + ঈক্ষা
    উত্তর: ক. অপ + ঈক্ষা
    ‘অপেক্ষা’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ অপ + ঈক্ষা। স্বরসন্ধির নিয়ম হলো অ বা আ-এর পরে ই বা ঈ থাকলে দুটি মিলে ‘এ’ হয়। তাই অ + ঈ = এ, এবং অপ + ঈক্ষা = অপেক্ষা। ‘ঈক্ষা’ শব্দের অর্থ দৃষ্টি বা দেখা, আর ‘অপ’ উপসর্গ যুক্ত হয়ে অপেক্ষা মানে অপেক্ষা করা বা তুলনা, দুই অর্থেই চলে। বাকি বিকল্পে স্বরধ্বনির ভুল সংযোগ আছে।
    উদাহরণ:
    শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা
    পরম + ঈশ = পরমেশ
    মহা + ঈশ = মহেশ
  5. ৫. 'লেফাফা দুরস্ত' বাগধারাটির অর্থ কী?
    • ক. পরিশিষ্ট
    • খ. পরিবীক্ষণ
    • গ. পরিপাটি
    • ঘ. পরিতাপ
    উত্তর: গ. পরিপাটি
    ‘লেফাফা দুরস্ত’ বাগধারার অর্থ বাইরের পারিপাট্য, অর্থাৎ বাইরে সবকিছু ঠিকঠাক ও ঝকঝকে, ভেতরে ফাঁকা বা অন্য রকম। লেফাফা মানে খাম, ঠিকঠাক খামের মতো বাইরের সাজসজ্জা। তাই অর্থ পরিপাটি। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: পরিশিষ্ট মানে বইয়ের শেষে যোগ করা অংশ, পরিতাপ মানে অনুশোচনা, আর পরিবীক্ষণ মানে তদারকি।
    উদাহরণ:
    লোকটি লেফাফা দুরস্ত হলেও আসলে সে কাজ জানে না।
  6. ৬. 'উৎকর্ষ' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
    • ক. নিম্নকর্ষ
    • খ. উৎসর্গ
    • গ. অপসর্গ
    • ঘ. অপকর্ষ
    উত্তর: ঘ. অপকর্ষ
    ‘উৎকর্ষ’ মানে উন্নতি বা শ্রেষ্ঠত্ব। এর বিপরীত শব্দ অপকর্ষ, অর্থাৎ অবনতি বা নিকৃষ্টতা। ‘উৎ’ উপসর্গের উল্টো ভাব ‘অপ’ উপসর্গে পাওয়া যায়, আর কর্ষ এক থাকে। ‘উৎসর্গ’ মানে নিবেদন করা, তাই এটি বিপরীত শব্দ নয়। ‘নিম্নকর্ষ’ ও ‘অপসর্গ’ প্রচলিত বিপরীত শব্দ হিসেবে স্বীকৃত নয়।
    মনে রাখুন:
    অধমর্ণ – উত্তমর্ণ
    অনুরক্ত – বিরক্ত
    উদ্দিষ্ট – নিরুদ্দিষ্ট
  7. ৭. 'রাশি রাশি' কোন অর্থে?
    • ক. আধিক্য অর্থে
    • খ. সামান্য অর্থে
    • গ. তীব্রতা অর্থে
    • ঘ. ধারাবাহিক অর্থে
    উত্তর: ক. আধিক্য অর্থে
    একই শব্দ পরপর দুবার বসলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বা দ্বিরুক্তি বলে। ‘রাশি রাশি’ মানে অনেক, রাশির পর রাশি, তাই এখানে দ্বিরুক্তির অর্থ আধিক্য। সামান্য বোঝাতেও দ্বিরুক্তি হয়, যেমন ‘জ্বর জ্বর’ (সামান্য জ্বর)। তাই দ্বিরুক্তি দেখলেই অর্থ কী হবে, তা বাক্যের ভাব দেখে ঠিক করতে হয়।
    উদাহরণ:
    আধিক্য: রাশি রাশি ধান, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি।
    ধারাবাহিকতা: দিন দিন রোগা হচ্ছে।
  8. ৮. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. সূচীপত্র
    • খ. সুচিপত্র
    • গ. সূচিপত্র
    • ঘ. সুচীপত্র
    উত্তর: গ. সূচিপত্র
    বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী যে তৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার, উ-কার বা ঊ-কার দুটোই শুদ্ধ হতে পারে, সেখানে কেবল ই-কার ও উ-কার লেখা হয়। তবে ‘সূচি’ শব্দের মূল ঊ-কার থাকে, আর শেষে ঈ-কার নয়, ই-কার বসে। তাই শুদ্ধ বানান ‘সূচিপত্র’।
    মনে রাখুন: এই নিয়মে শুদ্ধ বানান: কিংবদন্তি, খঞ্জনি, ধূলি, পদবি, লহরি, সরণি। আর ‘ঊষা’ ও ‘ঊর্ধ্ব’-এ ঊ-কার থাকে।
  9. ৯. কোনটি কল্পবিজ্ঞান কাহিনি?
    • ক. মতিচূর
    • খ. অবরোধবাসিনী
    • গ. সুলতানার স্বপ্ন
    • ঘ. পুতুল নাচের ইতিকথা
    উত্তর: গ. সুলতানার স্বপ্ন
    কল্পবিজ্ঞান কাহিনি এমন গল্প, যেখানে বিজ্ঞান ও কল্পনা মিলিয়ে ভবিষ্যতের বা ভিন্ন জগতের চিত্র আঁকা হয়। ‘সুলতানার স্বপ্ন’ বেগম রোকেয়ার লেখা এমন একটি রচনা। এতে নারীরা শাসন করে ও পুরুষেরা ঘরে থাকে, আর বিজ্ঞান ব্যবহার করে ওই দেশে বিদ্যুৎ, উড়ন্ত যান ও সৌরশক্তির কথা আছে। এটি প্রথম ইংরেজিতে ‘Sultana’s Dream’ নামে ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন: ‘মতিচূর’ ও ‘অবরোধবাসিনী’ রোকেয়ার প্রবন্ধ-জাতীয় রচনা, আর ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস।
  10. ১০. কোনটি 'কোলন'-এর চিহ্ন?
    • ক. "
    • খ. :
    • গ. ;
    • ঘ. :-
    উত্তর: খ. :
    কোলনের চিহ্ন হলো দুটি বিন্দু ( : )। কোনো বাক্য অসম্পূর্ণ রেখে পরের বাক্যে যাওয়ার সময়, বা উদাহরণ, তালিকা ও ব্যাখ্যার আগে এটি বসে। অন্য চিহ্নগুলো আলাদা: উদ্ধৃতি চিহ্ন কথা বা বাক্য উদ্ধৃত করতে ব্যবহার হয়, ‘ ; ’ সেমিকোলন, আর ‘ :- ’ কোলন-ড্যাশ।
    মনে রাখুন:
    কমা (,) অল্প বিরতি।
    সেমিকোলন (;) কমার চেয়ে বেশি বিরতি।
    দাঁড়ি (।) পূর্ণ বিরতি।
  11. ১১. 'দুঃখবাদী কবি' হিসেবে কাকে বলা হয়?
    • ক. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
    • খ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    • গ. কায়কোবাদ
    • ঘ. চন্দ্রাবতী
    উত্তর: খ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের কবি। তাঁর কাব্যে সাধারণ মানুষের দুঃখ ও দারিদ্র্যের ছবি বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে, তাই তাঁকে ‘দুঃখবাদী কবি’ বলা হয়। বর্ধমান জেলার দামুন্যা গ্রামে তাঁর জন্ম। জমিদার রঘুনাথ রায় তাঁকে ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধি দেন। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ও কায়কোবাদের পরিচয় আলাদা, আর চন্দ্রাবতী ছিলেন মধ্যযুগের নারী কবি।
    মনে রাখুন: চণ্ডীমঙ্গলের দুটি খণ্ড কালকেতু-ফুল্লরার কাহিনি ও ধনপতি-শ্রীমন্তের কাহিনি।
  12. ১২. 'আরেক ফাল্গুন' কে লিখেছেন?
    • ক. শহীদুল্লাহ কায়সার
    • খ. জহির রায়হান
    • গ. শহীদুল জহির
    • ঘ. কাজী জহির
    উত্তর: খ. জহির রায়হান
    ‘আরেক ফাল্গুন’ (১৯৬৮) জহির রায়হানের উপন্যাস। ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা এই উপন্যাসে একুশে ফেব্রুয়ারি পালনের প্রস্তুতি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে ফাল্গুন মাস আসে বারবার, আর সেই স্মৃতি কাহিনিতে বিশেষ আবেগ তৈরি করে। অন্য লেখকরাও উপন্যাস লিখেছেন, কিন্তু এই বইটি তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    শহীদুল্লা কায়সারের উপন্যাস ‘সংশপ্তক’ ও ‘সারেং বৌ’।
    শহীদুল জহিরের উপন্যাস ‘সে রাতে পূর্ণিমা ছিল’।
  13. ১৩. 'Jail Code'-এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
    • ক. কারাদণ্ড
    • খ. কারাভোগ
    • গ. কারাভাতা
    • ঘ. কারাবিধি
    উত্তর: ঘ. কারাবিধি
    Code অর্থ বিধি বা আইনের সংকলন। তাই ‘Jail Code’-এর বাংলা পরিভাষা কারাবিধি, অর্থাৎ কারাগার পরিচালনার নিয়মাবলি। কারাদণ্ড মানে জেলের শাস্তি, আর কারাভোগ মানে জেল খাটা। কারাভাতা মানে কারাগারে থাকা ব্যক্তির জন্য ভাতা, যা Code-এর অর্থ নয়। পরিভাষার প্রশ্নে মূল ইংরেজি শব্দের অর্থ ধরে নিলে বাংলা সহজে মেলে।
    মনে রাখুন:
    Joint Secretary = যুগ্মসচিব
    Judge = বিচারক
    Judgement = রায়
  14. ১৪. কোনটি কাব্যগ্রন্থ?
    • ক. শেষের কবিতা
    • খ. দিবারাত্রির কাব্য
    • গ. সেই সময়
    • ঘ. সাতটি তারার তিমির
    উত্তর: ঘ. সাতটি তারার তিমির
    ‘সাতটি তারার তিমির’ (১৯৪৮) কবি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ। বাকিগুলো কাব্যগ্রন্থ নয়: ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস, ‘দিবারাত্রির কাব্য’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস, আর ‘সেই সময়’ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাস। নামে ‘কবিতা’ বা ‘কাব্য’ থাকলেও এগুলো গদ্য রচনা, তাই নামে বিভ্রান্ত হওয়া চলবে না।
    মনে রাখুন: জীবনানন্দ দাশের আরও কাব্যগ্রন্থ ‘ঝরা পালক’ ও ‘রূপসী বাংলা’।
  15. ১৫. নিচের কোন শব্দে ণত্ব বিধান অনুসরণ করে 'ণ' ব্যবহার করা হয়েছে?
    • ক. লবন
    • খ. কল্যাণ
    • গ. ব্যাকরণ
    • ঘ. নির্ঝণ
    উত্তর: গ. ব্যাকরণ
    ণত্ব বিধানের একটি নিয়ম হলো ঋ, র, ষ-এর পরে মূর্ধন্য ‘ণ’ বসে। ‘ব্যাকরণ’ শব্দে ‘র’-এর পরে ‘ণ’ এসেছে, তাই এটি ণত্ব বিধান মেনে লেখা। ‘লবন’ লেখা ভুল, কারণ শুদ্ধ রূপ ‘লবণ’, আর ‘কল্যাণ’-এর ণ বিধানের বাইরে, এটি তৎসম শব্দের নিজস্ব বানান। ‘নির্ঝণ’ নামে কোনো শুদ্ধ শব্দ নেই।
    উদাহরণ:
    ঋণ, তৃণ, বর্ণ, কারণ, ভীষণ, উষ্ণ।
  16. ১৬. অনুসন্ধান করার ইচ্ছাকে কী বলে?
    • ক. অনুচিকীর্ষা
    • খ. অনুসন্ধিৎসা
    • গ. প্রতিচিকীর্ষা
    • ঘ. অনুচ্চার্য
    উত্তর: খ. অনুসন্ধিৎসা
    কিছু জানার বা অনুসন্ধান করার ইচ্ছাকে এক কথায় অনুসন্ধিৎসা বলে। একটি বাক্যাংশের জন্য একটি শব্দ ব্যবহার করাকে বাক্য সংকোচন বলে। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা, যেমন অনুচিকীর্ষা মানে অনুকরণ করার ইচ্ছা আর প্রতিচিকীর্ষা মানে প্রতিকারের ইচ্ছা।
    মনে রাখুন:
    অনুকরণ করার ইচ্ছা = অনুচিকীর্ষা
    প্রতিকার করার ইচ্ছা = প্রতিচিকীর্ষা
    জানার ইচ্ছা = জিজ্ঞাসা
  17. ১৭. 'জানালা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
    • ক. হিন্দি
    • খ. ফারসি
    • গ. তুর্কি
    • ঘ. পর্তুগিজ
    উত্তর: ঘ. পর্তুগিজ
    ‘জানালা’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। পর্তুগিজ ভাষায় এর মূল রূপ ‘janela’। পর্তুগিজ বণিকরা বাংলায় এসে তাদের ব্যবহৃত জিনিসের নামও সঙ্গে এনেছিল, আর এখন শব্দগুলো আমাদের কাছে একেবারে ঘরের শব্দ হয়ে গেছে। হিন্দি, ফারসি বা তুর্কি ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো আলাদা, যেমন ফারসি থেকে দোকান, আর তুর্কি থেকে বন্দুক।
    মনে রাখুন: পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, আলমারি, আলপিন, গির্জা, গুদাম, চাবি, বালতি, পাউরুটি, পাদ্রি।

ইংরেজি

  1. ১৮. 'At random' means —
    • ক. deliberately
    • খ. intentionally
    • গ. haphazardly
    • ঘ. uncertainly
    উত্তর: গ. haphazardly
    ‘At random’ মানে কোনো নিয়ম বা পরিকল্পনা ছাড়া এলোমেলোভাবে। Haphazardly শব্দটিরও একই অর্থ। Deliberately ও intentionally মানে ইচ্ছাকৃতভাবে, যা এর বিপরীত। Uncertainly মানে অনিশ্চিতভাবে, যার সঙ্গে ‘এলোমেলো’ ভাবের তফাত আছে।
    উদাহরণ:
    He picked a card at random.
    মনে রাখুন: Random sample মানে এলোমেলোভাবে বেছে নেওয়া নমুনা।
  2. ১৯. Fill in the gap : The telephone rang while I— a book.
    • ক. would read
    • খ. had read
    • গ. read
    • ঘ. was reading
    উত্তর: ঘ. was reading
    While দিয়ে যুক্ত বাক্যে একটি কাজ চলার সময় আরেকটি কাজ ঘটলে যে কাজটি চলছিল, তা Past Continuous Tense-এ হয়। ফোন বাজার সময় লেখক বই পড়ছিলেন, তাই was reading বসে। আর হঠাৎ ঘটা কাজটি (rang) Past Indefinite-এ থাকে। Read বা had read বসালে দুটি কাজের এই সম্পর্ক বোঝা যায় না।
    উদাহরণ:
    I was walking when it began to rain.
    While she was cooking, the phone rang.
  3. ২০. Which phrase contains words opposed to each other in meaning?
    • ক. head and shoulder
    • খ. hopes and aspirations
    • গ. reproduction and death
    • ঘ. bullets and bayonets
    উত্তর: গ. reproduction and death
    Reproduction মানে নতুন প্রাণের জন্ম বা বংশবৃদ্ধি, আর death মানে মৃত্যু। জন্ম ও মৃত্যু একে অপরের বিপরীত ভাব, তাই এ জোড়াটি বিপরীতার্থক। অন্য জোড়াগুলো বিপরীত নয়, সেগুলো একে অপরের সঙ্গে জড়িত: head and shoulder (মাথা ও কাঁধ), hopes and aspirations (আশা ও আকাঙ্ক্ষা), bullets and bayonets (গুলি ও সঙিন)।
    মনে রাখুন: Birth-এর বিপরীত শব্দ death।
  4. ২১. What is the opposite of 'Harbinger'?
    • ক. leader
    • খ. messenger
    • গ. follower
    • ঘ. educator
    উত্তর: গ. follower
    Harbinger মানে অগ্রদূত, অর্থাৎ যে আগে এসে কোনো কিছুর আগমনের খবর দেয়। এর বিপরীত অর্থ বহন করে follower, মানে যে অনুসরণ করে। Leader মানে নেতা, messenger মানে বার্তাবাহক, আর educator মানে শিক্ষক। এগুলোর কোনোটিই অনুসরণ করার ভাব বোঝায় না।
    উদাহরণ:
    The cuckoo is a harbinger of spring.
    মনে রাখুন: Harbinger-এর কাছাকাছি শব্দ forerunner, precursor।
  5. ২২. Which of the following is a simple sentence?
    • ক. Do or die.
    • খ. I know the man who came here.
    • গ. The man who came here is my brother.
    • ঘ. The principal of our college is always ready to help the students.
    উত্তর: ঘ. The principal of our college is always ready to help the students.
    যে বাক্যে একটিমাত্র subject ও একটিমাত্র finite verb থাকে এবং কোনো আশ্রিত clause থাকে না, তাকে Simple Sentence বলে। ‘The principal of our college is always ready to help the students’ বাক্যে একটিই clause আছে। বাকি বাক্যগুলোর মধ্যে ‘Do or die’ Compound, আর ‘who came here’ যুক্ত বাক্যগুলো Complex।
    মনে রাখুন: Complex sentence-এ একটি মূল clause ও এক বা একাধিক আশ্রিত clause থাকে।
  6. ২৩. Choose the correct sentence :
    • ক. Quote this poem from the memory
    • খ. Quote this poem from memory
    • গ. Quote this poem from the heart
    • ঘ. Quote this poem from heart
    উত্তর: খ. Quote this poem from memory
    ‘From memory’ একটি idiom, যার অর্থ না দেখে স্মৃতি থেকে। তাই ‘Quote this poem from memory’ ঠিক। এখানে memory-র আগে the বসে না। ‘Heart’ ব্যবহার করতে হলে বলতে হয় ‘by heart’, ‘from heart’ নয়। দুটি idiom-এ preposition আলাদা, তাই এগুলো গুলিয়ে ফেলা চলে না।
    উদাহরণ:
    He recited the poem by heart.
    She drew the map from memory.
  7. ২৪. Fill in the gap : Did every body— from the fire?
    • ক. escaped
    • খ. escape
    • গ. escaping
    • ঘ. was escaped
    উত্তর: খ. escape
    Did দিয়ে প্রশ্ন শুরু হলে Past Indefinite-এর নিয়মে did-এর পরে subject বসে এবং তার পরে verb-এর base form আসে। তাই ‘Did everybody escape from the fire?’ হবে। Did নিজেই অতীত কাল বোঝায়, তাই verb-কে আবার past form করা ভুল। Everybody একবচন subject, তাই অন্য কোনো পরিবর্তন লাগে না।
    উদাহরণ:
    Did he come?
    Did they win the match?
  8. ২৫. Choose the correct word(s) to fill in the gap : I — here yesterday.
    • ক. have come
    • খ. came
    • গ. had come
    • ঘ. was coming
    উত্তর: খ. came
    Yesterday শব্দটি অতীতের নির্দিষ্ট সময় বোঝায়, তাই এখানে Past Indefinite Tense হবে এবং verb-এর past form বসবে। Come-এর past form came। Have come ও had come নির্দিষ্ট অতীত সময়ের সঙ্গে বসে না, আর was coming চলমান কাজ বোঝায়, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়।
    উদাহরণ:
    I came here yesterday.
    মনে রাখুন: Yesterday, last week, ago থাকলে Past Indefinite হয়।
  9. ২৬. This is the book I lost. Here 'I lost' is—
    • ক. an adjective clause
    • খ. a noun clause
    • গ. an adverbial clause
    • ঘ. none of the three
    উত্তর: ক. an adjective clause
    যে আশ্রিত clause কোনো noun বা pronoun-এর বিশেষ বর্ণনা দেয়, তাকে Adjective Clause বলে। ‘This is the book I lost’ বাক্যে ‘I lost’ অংশটি ‘the book’ noun-টিকে বর্ণনা করছে, বোঝাচ্ছে কোন বই। এখানে relative pronoun that লোপ পেয়েছে, পুরো রূপ ‘the book that I lost’।
    উদাহরণ:
    The man who came is my uncle.
    মনে রাখুন: Adjective clause সাধারণত who, whom, which বা that দিয়ে শুরু হয়।
  10. ২৭. Which one is the adjective form of 'home'?
    • ক. homemaker
    • খ. homeland
    • গ. homage
    • ঘ. homely
    উত্তর: ঘ. homely
    Home শব্দটি noun হিসেবে ঘর বা বাড়ি বোঝায়। এর adjective রূপ homely, যার অর্থ ঘরোয়া বা আরামদায়ক। Homemaker (গৃহিণী) ও homeland (স্বদেশ) noun, আর homage (শ্রদ্ধা) আলাদা শব্দ, যার সঙ্গে home-এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
    উদাহরণ:
    The hotel has a homely atmosphere.
  11. ২৮. 'Prior to' means —
    • ক. after
    • খ. before
    • গ. immediately
    • ঘ. during the period
    উত্তর: খ. before
    ‘Prior to’ একটি phrase, যার অর্থ আগে বা পূর্বে, অর্থাৎ before। After মানে পরে, immediately মানে সঙ্গে সঙ্গে, আর during the period মানে সেই সময়ের মধ্যে। এগুলোর কোনোটিই সময়ের আগের দিক নির্দেশ করে না।
    উদাহরণ:
    Prior to his arrival, we had finished lunch.
    মনে রাখুন: Subsequent to মানে পরে, এর বিপরীত।
  12. ২৯. Fill in the blank : I am looking forward — you.
    • ক. to seeing
    • খ. seeing
    • গ. to see
    • ঘ. to have seen
    উত্তর: ক. to seeing
    Look forward to কথাটির শেষের to একটি preposition, infinitive-এর to নয়। Preposition-এর পরে verb বসলে সেই verb-এর সঙ্গে ing যোগ হয়। তাই ‘I am looking forward to seeing you’ ঠিক, অর্থাৎ আমি তোমাকে দেখার অপেক্ষায় আছি। To see বা to have seen বসানো ভুল, কারণ to এখানে preposition।
    উদাহরণ:
    We are looking forward to meeting you.
    মনে রাখুন: এই নিয়মে আরও আছে: be used to, object to, with a view to + verb-ing।
  13. ৩০. Identify the correct sentence :
    • ক. It is I who is next.
    • খ. It is I who am next.
    • গ. It is I who are next.
    • ঘ. It was I who were next.
    উত্তর: খ. It is I who am next.
    Relative pronoun who-এর verb তার আগের বিশেষ্য বা সর্বনামের (antecedent) সঙ্গে মেলে। এখানে who-এর আগে I আছে, আর I-এর সঙ্গে verb am বসে। তাই ‘It is I who am next’ ঠিক। Is বা are বসালে antecedent-এর সঙ্গে মেলে না, আর শেষ বিকল্পে was ও were একসঙ্গে বসায় tense-এর সঙ্গতিও নষ্ট হয়েছে।
    উদাহরণ:
    It is he who is responsible.
    It is you who are late.
  14. ৩১. 'Nota bene' means—
    • ক. for example
    • খ. not sure
    • গ. note well
    • ঘ. next page
    উত্তর: গ. note well
    ‘Nota bene’ ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, সংক্ষেপে N.B.। এর অর্থ ভালো করে লক্ষ করো বা বিশেষভাবে দ্রষ্টব্য। লেখার শেষে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কথা আলাদা করে জানাতে এটি ব্যবহৃত হয়। তাই note well সঠিক উত্তর।
    মনে রাখুন:
    e.g. = for example (উদাহরণস্বরূপ)
    etc. = and so on
    i.e. = that is
  15. ৩২. Fill in the blank : There's been— accident.
    • ক. a
    • খ. an
    • গ. the
    • ঘ. no article needed
    উত্তর: খ. an
    Article বসে উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি দেখে। Accident শব্দ স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু, আর দুর্ঘটনাটি নির্দিষ্ট করে কোনটি তা বলা হয়নি, তাই এর আগে an বসে। ‘There’s been an accident’ মানে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। The বসত যদি নির্দিষ্ট কোনো দুর্ঘটনার কথা আগে থেকে জানা থাকত।
    উদাহরণ:
    an apple, an hour, a university।
  16. ৩৩. Fill in the blank : A sixteen year old citizen of Bangladesh is not — to vote in an election.
    • ক. enough old
    • খ. old enough
    • গ. as old enough
    • ঘ. enough old as
    উত্তর: খ. old enough
    Enough শব্দটি adjective বা adverb-এর পরে বসে, আগে নয়। তাই ‘old enough’ সঠিক, ‘enough old’ ভুল। বাক্যটির অর্থ, ষোলো বছর বয়সী নাগরিক ভোট দেওয়ার মতো যথেষ্ট বড় নয়। আর noun-এর আগে enough বসতে পারে, যেমন enough money।
    উদাহরণ:
    He is tall enough to reach the shelf.
    We have enough time.
  17. ৩৪. Choose the correct word(s) to fill in the gap : I have lost my pen again — things.
    • ক. I lost always
    • খ. I have been losing
    • গ. I'm always losing
    • ঘ. I have lost
    উত্তর: গ. I'm always losing
    কেউ বারবার কিছু করছে এবং তাতে বিরক্তি প্রকাশ পাচ্ছে, এমন ক্ষেত্রে always-সহ Present Continuous Tense বসে। কলম আবার হারিয়ে ফেলার পরে লেখক বলছেন ‘I’m always losing things’, অর্থাৎ জিনিস হারানো তাঁর অভ্যাস হয়ে গেছে এবং এ নিয়ে তিনি বিরক্ত।
    উদাহরণ:
    He is always complaining.
    মনে রাখুন: ‘always’ সাধারণ অভ্যাসে Present Indefinite-এর সঙ্গে বসে, আর বিরক্তি বোঝাতে continuous-এর সঙ্গে বসে।
  18. ৩৫. The phrase 'Achilles' heel' means —
    • ক. strong heel
    • খ. blessing
    • গ. beautiful shoes
    • ঘ. weak points
    উত্তর: ঘ. weak points
    ‘Achilles’ heel’ idiom-এর অর্থ দুর্বল দিক বা দুর্বলতা। গ্রিক পুরাণে বীর অ্যাকিলিসের মা তাঁকে স্টিক্স নদীতে ডুবিয়েছিলেন, কিন্তু গোড়ালি ধরে রাখায় সেই অংশ ভেজেনি। ট্রয়ের যুদ্ধে ওই গোড়ালিতেই তির লেগে তিনি মারা যান। তাই নিজের একমাত্র দুর্বল জায়গা বোঝাতে idiom-টি ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ শক্তিশালী গোড়ালি নয়, বরং ঠিক উল্টো।
    উদাহরণ:
    Pride was his Achilles’ heel.
  19. ৩৬. Choose the right question to the following answer : I have been to Laos.
    • ক. Did you visit Laos?
    • খ. Have you been to Laos or Thailand?
    • গ. Did you visit Thailand?
    • ঘ. When did you visit Laos?
    উত্তর: খ. Have you been to Laos or Thailand?
    ‘I have been to Laos’ বাক্যে Present Perfect Tense আছে, যা অতীতের কোনো অভিজ্ঞতা বোঝায়, সময় নির্দিষ্ট না করে। এর সঙ্গে মানানসই প্রশ্ন ‘Have you been to Laos or Thailand?’, যেখানে অভিজ্ঞতা জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। বাকিগুলো Past Indefinite, যার উত্তরে did ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন: Have been to মানে কোনো জায়গায় গিয়ে ফিরে আসা।

আন্তর্জাতিক

  1. ৩৭. কোন দেশটির সঙ্গে সমুদ্রের যোগাযোগ নেই?
    • ক. ভুটান
    • খ. জাপান
    • গ. চীন
    • ঘ. বাংলাদেশ
    উত্তর: ক. ভুটান
    যে দেশের সঙ্গে সমুদ্রের কোনো যোগাযোগ নেই, চারপাশে শুধু স্থলভাগ, তাকে স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked Country) বলে। ভুটান এমন একটি দেশ। জাপান দ্বীপরাষ্ট্র, চীনের সুদীর্ঘ উপকূল আছে, আর বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের তীরে। তাই সমুদ্রপথ না থাকার প্রশ্নে ভুটানই উত্তর।
    মনে রাখুন: দক্ষিণ এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ ভুটান, নেপাল ও আফগানিস্তান।
  2. ৩৯. 'সুশাসন' শব্দটি সর্বপ্রথম কোন সংস্থা সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে?
    • ক. জাতিসংঘ
    • খ. ইউ.এন.ডি.পি.
    • গ. বিশ্বব্যাংক
    • ঘ. আই.এম.এফ
    উত্তর: গ. বিশ্বব্যাংক
    সুশাসন (Good Governance) ধারণাটি প্রথম সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করে বিশ্বব্যাংক। ১৯৮৯ সালে আফ্রিকা নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়, আর ১৯৯২ সালে ‘Governance and Development’ নামের প্রতিবেদনে তা বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়। এরপর জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) সহ অন্য সংস্থাগুলোও ধারণাটি নিজেদের মতো করে ব্যবহার করেছে।
    মনে রাখুন: সুশাসনের বৈশিষ্ট্য হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন ও জনগণের অংশগ্রহণ।
  3. ৪২. 'বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস' কবে পালিত হয়?
    • ক. ৭ এপ্রিল
    • খ. ৭ মার্চ
    • গ. ৭ মে
    • ঘ. ৭ জুন
    উত্তর: ক. ৭ এপ্রিল
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল। এই প্রতিষ্ঠা দিবসকে স্মরণ করে প্রতি বছর ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়। তাই তারিখটি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার দিন মনে রাখা। বাকি বিকল্প তারিখগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
    মনে রাখুন: WHO-র সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
  4. ৪৪. START-2 কী?
    • ক. বাণিজ্যসংক্রান্ত একটি চুক্তি
    • খ. টিভিতে সম্প্রচারিত একটি সিরিয়াল
    • গ. কৌশলগত অস্ত্র হ্রাসসংক্রান্ত চুক্তি
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. কৌশলগত অস্ত্র হ্রাসসংক্রান্ত চুক্তি
    START-এর পূর্ণরূপ Strategic Arms Reduction Treaty, অর্থাৎ কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস চুক্তি। START-2 সই হয় ১৯৯৩ সালের ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে। চুক্তির লক্ষ্য ছিল দূরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো। নামে ‘START’ থাকলেও এটি কোনো বাণিজ্যচুক্তি বা টিভি সিরিয়াল নয়।
    মনে রাখুন: তার আগে START-1 সই হয় ১৯৯১ সালে।
  5. ৪৫. আন্তর্জাতিক ডাক সংস্থার সংক্ষিপ্ত রূপ—
    • ক. WPU
    • খ. IPO
    • গ. UPU
    • ঘ. IPU
    উত্তর: গ. UPU
    আন্তর্জাতিক ডাক সংস্থার ইংরেজি নাম Universal Postal Union, সংক্ষেপে UPU। এটি ১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর বার্ন চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের বার্নে। সংস্থাটি বিভিন্ন দেশের মধ্যে ডাক চলাচলের নিয়ম ঠিক করে দেয়। IPU আলাদা একটি সংস্থা (Inter-Parliamentary Union), যা সংসদীয় সহযোগিতার জন্য গঠিত।
    মনে রাখুন: প্রতি বছর ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক দিবস পালিত হয়।
  6. ৪৮. কনফুসিয়াস কে ছিলেন?
    • ক. দার্শনিক
    • খ. সম্রাট
    • গ. রাষ্ট্রনেতা
    • ঘ. বিজ্ঞানী
    উত্তর: ক. দার্শনিক
    কনফুসিয়াস (খ্রিষ্টপূর্ব ৫৫১–৪৭৯) চীনের প্রাচীন দার্শনিক ও সমাজচিন্তাবিদ ছিলেন। তাঁর নীতিশিক্ষা, যেমন ‘নিজে যা পছন্দ করো না, অন্যের প্রতি তা করো না’, কনফুসীয় মতবাদ নামে পরিচিত। তিনি রাজা, সম্রাট বা বিজ্ঞানী ছিলেন না, বরং শিক্ষা, নীতি ও সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে চিন্তা করতেন।
    মনে রাখুন: তাঁর শিক্ষা ও কথোপকথনের সংকলন ‘অ্যানালেক্টস’ (Analects)।
  7. ৫১. উত্তমাশা হলো একটি—
    • ক. হ্রদ
    • খ. অন্তরীপ
    • গ. দ্বীপ
    • ঘ. নাটক
    উত্তর: খ. অন্তরীপ
    ভূভাগের যে অংশ সরু হয়ে সাগরে ঢুকে যায়, তাকে অন্তরীপ (Cape) বলে। উত্তমাশা অন্তরীপ (Cape of Good Hope) দক্ষিণ আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে আছে। এর পাশ ঘুরে ইউরোপ থেকে ভারত মহাসাগরে যাওয়ার সমুদ্রপথ ধরে ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ সালে ভারতে পৌঁছান। এই পথ আবিষ্কারের ফলে ইউরোপীয়দের জন্য ভারতের সঙ্গে সরাসরি সমুদ্রপথে বাণিজ্যের সুযোগ হয়।
    মনে রাখুন: হ্রদ চারদিকে স্থলবেষ্টিত জলাশয়, আর দ্বীপ চারদিকে জল দিয়ে ঘেরা স্থলভাগ।
  8. ৫৩. BIMSTEC কী ধরনের সংগঠন?
    • ক. Financial
    • খ. Social
    • গ. Economical
    • ঘ. Technological
    উত্তর: গ. Economical
    BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation। এটি বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতার সংগঠন, তাই একে অর্থনৈতিক সংগঠন বলা হয়। ১৯৯৭ সালে এটি গঠিত হয়, সদস্য ৭টি দেশ আর সচিবালয় ঢাকায়। এখানে সংগঠনের কাজ শুধু আর্থিক লেনদেনে সীমাবদ্ধ নয়, তাই Financial বা Technological নয়, Economical-ই সবচেয়ে মানানসই।
    মনে রাখুন: সদস্যদের মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটান।

বাংলাদেশ

  1. ৩৮. বাংলাদেশ এশিয়ার কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
    • ক. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
    • খ. দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া
    • গ. মধ্য এশিয়া
    • ঘ. দক্ষিণ এশিয়া
    উত্তর: ঘ. দক্ষিণ এশিয়া
    বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। দেশটি ২০°৩৪' থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে আছে। দেশের উত্তরে, পশ্চিমে ও পূর্বে ভারত, দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বলতে মিয়ানমারের পূর্বের দেশগুলোকে বোঝায়, তাই সেটি এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
    মনে রাখুন: দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা সার্ক (SAARC), যার সদস্য ৮টি দেশ।
  2. ৪০. বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যে ভৌগোলিক কাল্পনিক রেখা গেছে তার নাম কী?
    • ক. মকরক্রান্তি রেখা
    • খ. কর্কটক্রান্তি রেখা
    • গ. নিরক্ষরেখা
    • ঘ. দ্রাঘিমা রেখা
    উত্তর: খ. কর্কটক্রান্তি রেখা
    পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশের কাল্পনিক রেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer) বলে। এই রেখা বাংলাদেশের প্রায় মাঝামাঝি অংশ দিয়ে গেছে, দেশের কয়েকটি জেলা এর ওপর পড়েছে। নিরক্ষরেখা বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যায়নি, আর মকরক্রান্তি রেখা দক্ষিণ গোলার্ধে পড়ে।
    মনে রাখুন:
    মকরক্রান্তি রেখা দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫ ডিগ্রি অক্ষাংশে।
    মূল মধ্যরেখা ইংল্যান্ডের গ্রিনিচের ওপর দিয়ে গেছে।
  3. ৪১. বাংলায় চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা কে প্রবর্তন করেন?
    • ক. লর্ড কর্নওয়ালিস
    • খ. লর্ড বেন্টিঙ্ক
    • গ. লর্ড ক্লাইভ
    • ঘ. লর্ড ওয়ালেস
    উত্তর: ক. লর্ড কর্নওয়ালিস
    ১৭৯৩ সালে ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন। এতে জমিদাররা নির্দিষ্ট হারে রাজস্ব দিয়ে জমির স্থায়ী মালিক হন, আর রাজস্বের হার কখনো বাড়ানো হবে না বলে ঠিক হয়। ফলে জমিদারদের ক্ষমতা বাড়ে, কিন্তু প্রকৃত কৃষকের অবস্থা অনেক ক্ষেত্রে খারাপ হয়ে পড়ে। লর্ড বেন্টিঙ্ক ও ক্লাইভ অন্য কাজের জন্য পরিচিত।
    মনে রাখুন: ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়।
  4. ৪৬. তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা কোথায় অবস্থিত ছিল?
    • ক. বারাসত
    • খ. নারিকেলবাড়িয়া
    • গ. চাঁদপুর
    • ঘ. হায়দারপুর
    উত্তর: খ. নারিকেলবাড়িয়া
    তিতুমীরের প্রকৃত নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী। তিনি ইংরেজ শাসন ও জমিদারদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেন। ১৮৩১ সালে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিনি বাঁশের তৈরি কেল্লা বানান, যা ‘বাঁশের কেল্লা’ নামে পরিচিত। ইংরেজ বাহিনী কামানের গোলায় সেটি ধ্বংস করে দেয় এবং তিতুমীর শহিদ হন। জায়গাটি আজকের ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারাসত অঞ্চলে।
    মনে রাখুন: তিতুমীর ওয়াহাবি আন্দোলনে প্রভাবিত ছিলেন।
  5. ৪৭. ১৯৯৭ সালে কোন দেশকে হারিয়ে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জিতে নেয়?
    • ক. কেনিয়া
    • খ. স্কটল্যান্ড
    • গ. হংকং
    • ঘ. মালয়েশিয়া
    উত্তর: ক. কেনিয়া
    ১৯৯৭ সালে কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশ কেনিয়াকে ২ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলার সুযোগ পায়। এটি দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের একটি মোড় ঘোরানো ঘটনা, কারণ এর পরেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন মর্যাদা পায়।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।
  6. ৪৯. হালদা ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
    • ক. রাঙ্গামাটি
    • খ. খাগড়াছড়ি
    • গ. বান্দরবান
    • ঘ. সন্দ্বীপ
    উত্তর: খ. খাগড়াছড়ি
    হালদা ভ্যালি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় অঞ্চলে অবস্থিত একটি উপত্যকা। পাহাড়ি এলাকার এই উপত্যকায় বন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আছে। হালদা নদীর উৎসও এই অঞ্চলের পাহাড়ে। তাই প্রশ্নের উত্তরে জেলার নাম খাগড়াছড়ি।
    মনে রাখুন: হালদা নদী মাছের ডিম সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত, তাই একে ‘কার্পজাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজননকেন্দ্র’ বলা হয়।
  7. ৫০. আসাদ গেট কোন ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত?
    • ক. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
    • খ. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন
    • গ. ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
    • ঘ. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ
    উত্তর: গ. ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
    আসাদ গেট ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত। ছাত্রদের ১১ দফা আন্দোলনের সময় ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান আসাদ নিহত হন। তাঁর স্মৃতি রক্ষায় এই স্থানের নাম আইয়ুব গেট থেকে বদলে আসাদ গেট রাখা হয়। ঘটনাটি আন্দোলনকে আরও বেগবান করে।
    মনে রাখুন: এই গণঅভ্যুত্থান ১৯৬৯ সালে আইয়ুব খানের পতনের পথ তৈরি করে।
  8. ৫২. সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের বিধান আছে?
    • ক. ৮০
    • খ. ৯৩
    • গ. ১৪২
    • ঘ. ১৫০
    উত্তর: গ. ১৪২
    সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের নিয়ম বলা আছে। এতে কোনো অংশ যোগ করা, বদলানো, প্রতিস্থাপন বা বাতিল করা যায়। এ জন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে বিল পাস করতে হয়। বাকি অনুচ্ছেদগুলো ভিন্ন বিষয়ের, যেমন আইন প্রণয়ন, অধ্যাদেশ এবং ক্রান্তিকালীন বিধান।
    মনে রাখুন:
    অনুচ্ছেদ ৮০: আইন প্রণয়নের পদ্ধতি।
    অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন।
    অনুচ্ছেদ ১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধান।
  9. ৫৪. জাতিসংঘের কোন সংস্থা সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
    • ক. UNICEF
    • খ. UNESCO
    • গ. UNDP
    • ঘ. UNWTO
    উত্তর: খ. UNESCO
    জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান দেয়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনের একটি হিসেবে এর প্রাকৃতিক গুরুত্ব স্বীকৃত। ইউনিসেফ শিশুদের কল্যাণ নিয়ে কাজ করে, UNDP উন্নয়ন নিয়ে, আর UNWTO পর্যটন নিয়ে, তাই বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা তাদের কাজ নয়।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান তিনটি, বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ ও পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫) এবং সুন্দরবন (১৯৯৭)।
  10. ৫৫. বাংলাদেশে প্রথম কবে কাগজের নোট চালু করা হয়?
    • ক. ৪ জানুয়ারি ১৯৭২
    • খ. ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
    • গ. ৪ মার্চ ১৯৭২
    • ঘ. ৪ এপ্রিল ১৯৭২
    উত্তর: গ. ৪ মার্চ ১৯৭২
    স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথম কাগজের নোট চালু করে। এটি স্বাধীন দেশের নিজস্ব মুদ্রাব্যবস্থার শুরু। এর আগে পাকিস্তানের মুদ্রা চালু ছিল, তাই স্বাধীন দেশের জন্য নিজস্ব নোট ছাপা জরুরি ছিল। জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিলের তারিখগুলো এই ঘটনার সঙ্গে মেলে না।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭২ সালের আদেশে গঠিত হয়, যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর ধরা হয়।

বিজ্ঞান

  1. ৪৩. রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, তার নাম কী?
    • ক. গামা রশ্মি
    • খ. মাইক্রোওয়েভ
    • গ. অবলোহিত বিকিরণ
    • ঘ. আলোক তরঙ্গ
    উত্তর: খ. মাইক্রোওয়েভ
    রাডার (RADAR) শব্দের অর্থ Radio Detection and Ranging। এই যন্ত্র বস্তুর দিকে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মাইক্রোওয়েভ পালস পাঠায় এবং বস্তুতে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসা তরঙ্গ ধরে। ফিরে আসতে কত সময় লাগল তা থেকে বস্তুর দূরত্ব, দিক ও গতি বের করা যায়। আলোকতরঙ্গ বা গামা রশ্মি এ কাজে ব্যবহার হয় না।
    মনে রাখুন:
    আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাডার কাজে লাগে।
    মাইক্রোওয়েভ ওভেনেও একই ধরনের তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।
  2. ৫৬. এসি কারেন্টের বৈশিষ্ট্য—
    • ক. শুধু একদিক দিয়ে চলে
    • খ. ব্যাটারি থেকে উৎপন্ন হয়
    • গ. সময়ের সাথে দিকের পরিবর্তন হয়
    • ঘ. সময়ের সাথে দিকের পরিবর্তন হয় না
    উত্তর: গ. সময়ের সাথে দিকের পরিবর্তন হয়
    পরিবর্তী প্রবাহ বা AC (Alternating Current)-এর মান ও দিক সময়ের সঙ্গে নিয়মিতভাবে বদলায়। ব্যাটারি থেকে যে বিদ্যুৎ পাই তা দিক বদলায় না এবং একমুখী, একে ডিসি (DC) বলে। তাই AC-এর বৈশিষ্ট্য হলো সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন। AC বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমারের সাহায্যে সহজে উচ্চ বা নিম্ন ভোল্টেজে রূপান্তর করা যায়, তাই বিদ্যুৎ বিতরণে এটি বেশি ব্যবহৃত হয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশে ব্যবহৃত AC-এর কম্পাঙ্ক 50 Hz, অর্থাৎ সেকেন্ডে 50টি পূর্ণ চক্র হয় এবং দিক 100 বার বদলায়।
    ঘরের বিদ্যুতের ভোল্টেজ 220 V।
  3. ৫৭. বহুমূত্র রোগ কোন হরমোনের অভাবে হয়?
    • ক. গ্লুকাজেন
    • খ. থাইরয়েড
    • গ. ইস্ট্রোজেন
    • ঘ. ইনসুলিন
    উত্তর: ঘ. ইনসুলিন
    আমরা যে খাবার খাই, তার শর্করা হজম হয়ে রক্তে গ্লুকোজ হিসেবে ঘুরে বেড়ায়। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোন এই গ্লুকোজকে কোষে ঢুকিয়ে শক্তি তৈরিতে সাহায্য করে। ইনসুলিনের অভাব হলে গ্লুকোজ কোষে ঢুকতে পারে না, রক্তে জমতে থাকে এবং প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়। এই রোগের নাম বহুমূত্র বা ডায়াবেটিস মেলিটাস।
    মনে রাখুন:
    গ্লুকাগন হরমোন রক্তে গ্লুকোজ বাড়ায়, যেটি ইনসুলিনের কাজের উল্টো।
    থাইরক্সিনের অভাবে শিশুদের ক্রেটিনিজম হয়।
  4. ৫৮. মানুষের শরীরের সবচেয়ে বড় হাড় কোনটি?
    • ক. Skull
    • খ. Femur
    • গ. Fibula
    • ঘ. Patella
    উত্তর: খ. Femur
    মানবদেহের সবচেয়ে বড় ও শক্ত হাড় ফিমার (Femur), যা উরুর হাড়। এটি সারা শরীরের ওজন বহন করে এবং হাঁটা-চলায় প্রধান ভূমিকা রাখে। স্কাল হলো মাথার খুলি, ফিবুলা পায়ের নিচের অংশের সরু হাড়, আর প্যাটেলা হাঁটুর বাটি। এগুলোর কোনোটিই ফিমারের চেয়ে বড় নয়।
    মনে রাখুন:
    সবচেয়ে ছোট হাড় স্টেপিস (Stapes), যা কানের ভেতরে থাকে।
    প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে হাড়ের সংখ্যা ২০৬টি।
  5. ৫৯. জন্ডিসে আক্রান্ত হয়–
    • ক. লিভার
    • খ. প্লীহা
    • গ. অগ্ন্যাশয়
    • ঘ. ডিউডেনাম
    উত্তর: ক. লিভার
    জন্ডিস আসলে যকৃৎ বা লিভারের সমস্যার লক্ষণ। যকৃতের কাজ ব্যাহত হলে রক্তে বিলিরুবিন নামের হলুদ রঞ্জক জমে যায়, ফলে চোখ ও ত্বক হলুদ দেখায়। সাধারণত হেপাটাইটিস ভাইরাস সংক্রমণের কারণে এটি হয়। প্লীহা, অগ্ন্যাশয় ও ডিউডেনাম (ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ) অন্য কাজে যুক্ত, জন্ডিস এগুলোর সরাসরি রোগ নয়।
    মনে রাখুন:
    হেপাটাইটিস A ও E দূষিত পানি-খাবারে, আর B, C ও D রক্ত ও দেহ-তরলে ছড়ায়।
    যকৃত মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি।
  6. ৬০. রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে–
    • ক. VIT B-12
    • খ. VIT-D
    • গ. VIT-A
    • ঘ. VIT-K
    উত্তর: ঘ. VIT-K
    রক্ত জমাট বাঁধার সময় প্রোথ্রোমবিন নামের একটি প্রোটিন লাগে, যা যকৃৎ তৈরি করে। এই প্রোথ্রোমবিন তৈরিতে ভিটামিন K দরকার হয়। তাই ভিটামিন K-কে রক্ত জমাট বাঁধার ভিটামিন বলা হয়। এর অভাবে ক্ষত হলে রক্ত সহজে বন্ধ হয় না। ভিটামিন B12 লোহিত কণিকা গঠনে, ভিটামিন D হাড় গঠনে এবং ভিটামিন A দৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে।
    মনে রাখুন:
    ভিটামিন K-এর উৎস সবুজ শাকসবজি এবং অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়াও এটি তৈরি করে।
    ভিটামিন D-এর অভাবে রিকেট এবং A-এর অভাবে রাতকানা হয়।
  7. ৬১. মানবদেহের সর্ববৃহৎ অঙ্গ কোনটি?
    • ক. স্নায়ু
    • খ. ত্বক
    • গ. যকৃত
    • ঘ. কিডনি
    উত্তর: খ. ত্বক
    ত্বক বা চামড়া মানবদেহের সবচেয়ে বড় অঙ্গ। এটি পুরো শরীরকে ঢেকে রাখে এবং জীবাণু, আলো ও আঘাত থেকে রক্ষা করে। যকৃৎ বা লিভার সবচেয়ে বড় গ্রন্থি, কিডনি রক্ত ছেঁকে প্রস্রাব তৈরি করে, আর স্নায়ু সংবেদন বহন করে। তাই অঙ্গ হিসেবে সবচেয়ে বড় এবং গ্রন্থি হিসেবে সবচেয়ে বড়, এ দুটি প্রশ্ন আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ত্বকের ক্ষেত্রফল প্রায় 1.5 থেকে 2 বর্গমিটার।
    ত্বকের মাধ্যমে ঘামের সঙ্গে সামান্য বর্জ্যও বের হয়, আর ত্বক ভিটামিন D তৈরিতে সাহায্য করে।
  8. ৬২. কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়াজনিত?
    • ক. ডেঙ্গু
    • খ. ম্যালেরিয়া
    • গ. ইনফ্লুয়েঞ্জা
    • ঘ. টাইফয়েড
    উত্তর: ঘ. টাইফয়েড
    টাইফয়েড জ্বরের জীবাণু Salmonella typhi নামের ব্যাকটেরিয়া। এটি দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়। ডেঙ্গু ও ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস থেকে হয়, আর ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্লাজমোডিয়াম নামের এককোষী প্রোটোজোয়া, ব্যাকটেরিয়া নয়। রোগের কারণ জানা থাকলে প্রতিরোধও সহজ হয়, যেমন টাইফয়েডে নিরাপদ পানি ও খাবার জরুরি।
    মনে রাখুন:
    ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: কলেরা, যক্ষ্মা, টিটেনাস, নিউমোনিয়া।
    ভাইরাসজনিত রোগ: হাম, জলবসন্ত, পোলিও, এইডস।
  9. ৬৩. কোন হরমোনের অভাবে শিশুর বুদ্ধিমত্তা বাড়ে না?
    • ক. ইনসুলিন
    • খ. গ্লুকাজেন
    • গ. থাইরক্সিন
    • ঘ. প্রোল্যাকটিন
    উত্তর: গ. থাইরক্সিন
    থাইরক্সিন হরমোন গলার থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং শরীরের বিপাক ও মস্তিষ্কের বিকাশ নিয়ন্ত্রণ করে। শিশুকালে থাইরক্সিনের অভাব হলে শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং বুদ্ধি বাড়ে না। এ অবস্থার নাম ক্রেটিনিজম (Cretinism)। ইনসুলিন ও গ্লুকাগনের কাজ রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে, আর প্রোল্যাকটিন দুধ তৈরিতে সাহায্য করে।
    মনে রাখুন:
    প্রাপ্তবয়স্কের থাইরক্সিনের অভাবে মিক্সিডিমা হয়।
    আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড হয়, কারণ আয়োডিন থাইরক্সিনের উপাদান।
  10. ৬৪. মানুষের গায়ের রঙ কোন উপাদানের উপর নির্ভরশীল?
    • ক. মেলানিন
    • খ. মেলাটোনিন
    • গ. হিমোগ্লোবিন
    • ঘ. থায়ামিন
    উত্তর: ক. মেলানিন
    মানুষের গায়ের রং নির্ভর করে ত্বকে থাকা মেলানিন (Melanin) রঞ্জকের পরিমাণের ওপর। ত্বকের মেলানোসাইট কোষ এটি তৈরি করে। মেলানিন বেশি থাকলে ত্বক গাঢ় হয়, কম থাকলে ফর্সা দেখায়। মেলাটোনিন ঘুমের হরমোন, হিমোগ্লোবিন রক্তের লাল রঞ্জক, আর থায়ামিন ভিটামিন B1। এগুলোর কোনোটিই ত্বকের রং নির্ধারণ করে না।
    মনে রাখুন:
    মেলানিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে কিছুটা রক্ষা করে।
    মেলানিনের অভাবে অ্যালবিনিজম হয়।
  11. ৬৫. রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কী?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
    • ক. অক্সিজেন পরিবহন করা
    • খ. রোগ প্রতিরোধ করা
    • গ. রক্ত জমাট বাঁধানো
    • ঘ. রক্ত তরল রাখা
    উত্তর: ক. অক্সিজেন পরিবহন করা
    হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) লোহিত কণিকার ভেতরে থাকা লোহাযুক্ত লাল রঞ্জক। এর প্রধান কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে দেহের কোষে পৌঁছে দেওয়া। এ কারণেই রক্ত লাল দেখায়। রোগ প্রতিরোধ করে শ্বেতকণিকা এবং রক্ত জমাট বাঁধায় অণুচক্রিকা।
    মনে রাখুন:
    হিমোগ্লোবিনে লোহা থাকে, তাই লোহার অভাবে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা হয়।
    কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে সহজে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন পরিবহনে বাধা দেয়।
  12. ৬৬. ত্বকের সবচেয়ে বাইরের আবরণ কী?
    • ক. চর্বি
    • খ. ডার্মিস
    • গ. এপিডার্মিস
    • ঘ. হাড়
    উত্তর: গ. এপিডার্মিস
    ত্বক দুটি প্রধান স্তরে গঠিত। সবচেয়ে বাইরের স্তরের নাম এপিডার্মিস (Epidermis)। এর নিচে থাকে ডার্মিস (Dermis), যেখানে ঘর্মগ্রন্থি, রক্তনালি ও স্নায়ু আছে। ডার্মিসের নিচে চর্বির স্তর থাকে। চর্বি ও হাড় ত্বকের বাইরের আবরণ নয়, এগুলো ভেতরের স্তর।
    মনে রাখুন:
    এপিডার্মিসের কোষে মেলানিন তৈরি হয়।
    এপিডার্মিস জীবাণু ও পানি প্রবেশের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরক্ষা।
  13. ৬৭. কোন রোগে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায়?
    • ক. জন্ডিস
    • খ. উচ্চ রক্তচাপ
    • গ. গনোরিয়া
    • ঘ. এইডস
    উত্তর: ঘ. এইডস
    এইডস (AIDS) রোগ সৃষ্টি করে HIV (Human Immunodeficiency Virus) ভাইরাস। এই ভাইরাস শরীরের সংক্রমণ প্রতিরোধকারী CD4 কোষ (এক ধরনের শ্বেতকণিকা) আক্রমণ করে ধ্বংস করে দেয়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং সামান্য রোগেও মানুষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। AIDS-এর পূর্ণরূপ Acquired Immuno Deficiency Syndrome। জন্ডিস যকৃতের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ রক্তনালির সমস্যা, আর গনোরিয়া ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, এগুলোর কোনোটিই প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এভাবে ধ্বংস করে না।
    মনে রাখুন:
    HIV রক্ত, অনিরাপদ যৌনসংসর্গ ও সংক্রমিত মায়ের মাধ্যমে ছড়ায়।
    বিশ্ব এইডস দিবস ১ ডিসেম্বর।
  14. ৬৮. কোন ভিটামিনের অভাবে রাতকানা রোগ হয়?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৮৪৩৩) ২০১৯
    • ক. VIT-A
    • খ. VIT-B
    • গ. VIT-C
    • ঘ. VIT-D
    উত্তর: ক. VIT-A
    রাতকানা রোগ হয় ভিটামিন A-এর অভাবে। এই ভিটামিন চোখের রেটিনায় রডোপসিন রঞ্জক তৈরিতে লাগে, যা কম আলোয় দেখতে সাহায্য করে। অভাব হলে অল্প আলোয় দেখা যায় না। ভিটামিন C-এর অভাবে স্কার্ভি, ভিটামিন D-এর অভাবে রিকেট এবং ভিটামিন B1-এর অভাবে বেরিবেরি হয়।
    মনে রাখুন:
    ভিটামিন A-এর উৎস: গাজর, কলিজা, ডিমের কুসুম, মিষ্টি কুমড়া, পালংশাক।
    দীর্ঘ অভাবে চোখের কর্নিয়া শুকিয়ে অন্ধত্ব পর্যন্ত হতে পারে।
  15. ৬৯. কোন ভাইরাসটি জরায়ুর মুখ ক্যান্সার-এর কারণ?
    • ক. হেপাটাইটিস A
    • খ. হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস
    • গ. হেপাটাইটিস-C
    • ঘ. এইচ.আই.ভি
    উত্তর: খ. হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস
    জরায়ুমুখ বা সারভিক্সের ক্যান্সারের প্রধান কারণ হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (Human Papillomavirus, HPV)-এর সংক্রমণ। এই ভাইরাস দীর্ঘদিন শরীরে থেকে সারভিক্সের কোষকে বদলে ক্যান্সারে পরিণত করতে পারে। হেপাটাইটিস A ও C যকৃতের রোগ করে, আর HIV ইমিউন ব্যবস্থাকে দুর্বল করে। তাই জরায়ুমুখের ক্যান্সারের সঙ্গে HPV-ই সরাসরি যুক্ত।
    মনে রাখুন:
    HPV টিকা নেওয়া হলে এই ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে।
    প্যাপ স্মিয়ার পরীক্ষায় সারভিক্সের ক্যান্সার আগেভাগে ধরা যায়।
  16. ৭০. মানবদেহের রেচন অঙ্গ কোনটি?
    • ক. ফুসফুস
    • খ. হৃৎপিণ্ড
    • গ. প্লীহা
    • ঘ. বৃক্ক
    উত্তর: ঘ. বৃক্ক
    শরীরের বিপাকের ফলে যেসব বর্জ্য তৈরি হয়, তা দেহ থেকে বের করার প্রক্রিয়াকে রেচন বলে। রেচনের প্রধান অঙ্গ বৃক্ক বা কিডনি। এটি রক্ত ছেঁকে ইউরিয়া ও অতিরিক্ত পানি আলাদা করে প্রস্রাব হিসেবে বের করে। ফুসফুস গ্যাসীয় বিনিময় ঘটায়, হৃৎপিণ্ড রক্ত পাম্প করে এবং প্লীহা পুরোনো লোহিত কণিকা ধ্বংস করে।
    মনে রাখুন:
    মানুষের দেহে দুটি বৃক্ক থাকে এবং এদের গঠনগত একককে নেফ্রন বলে।
    ত্বক ও ফুসফুসও কিছু বর্জ্য বের করে, তবে প্রধান রেচন অঙ্গ বৃক্ক।
  17. ৭১. ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোথা থেকে?
    • ক. লিভার
    • খ. পিত্তথলি
    • গ. অগ্ন্যাশয়
    • ঘ. প্লীহা
    উত্তর: গ. অগ্ন্যাশয়
    ইনসুলিন নিঃসৃত হয় অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস থেকে। এর ভেতরের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স অংশের বিটা কোষ এই হরমোন তৈরি করে। ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। যকৃৎ পিত্তরস তৈরি করে এবং পিত্তথলি সেই রস জমা রাখে, আর প্লীহা রক্ত সংক্রান্ত কাজে যুক্ত, ইনসুলিন তৈরি করে না।
    মনে রাখুন:
    আলফা কোষ থেকে গ্লুকাগন হরমোন নিঃসৃত হয়।
    ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস হয়।
  18. ৭২. নিউমোনিয়া রোগ আক্রান্ত হয় মানবদেহের কোন অঙ্গে?
    • ক. ফুসফুস
    • খ. যকৃত
    • গ. কিডনি
    • ঘ. হৃৎপিণ্ড
    উত্তর: ক. ফুসফুস
    নিউমোনিয়া ফুসফুসের সংক্রমণজনিত রোগ। জীবাণু, বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়া ফুসফুসের বায়ুথলিতে সংক্রমণ ঘটালে সেখানে তরল জমে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। জ্বর, কাশি, বুকে ব্যথা এবং দ্রুত শ্বাস নেওয়া এর লক্ষণ। শিশু ও বৃদ্ধদের এতে ঝুঁকি বেশি।
    মনে রাখুন:
    নিউমোনিয়ার প্রধান কারণ Streptococcus pneumoniae ব্যাকটেরিয়া।
    যক্ষ্মাও ফুসফুসের রোগ, কিন্তু এর জীবাণু আলাদা।
  19. ৭৩. ভালো কোলেস্টেরল কোনটি?
    • ক. LDL
    • খ. HDL
    • গ. VLDL
    • ঘ. Triglycerid
    উত্তর: খ. HDL
    কোলেস্টেরল রক্তে বিশেষ প্রোটিনের সঙ্গে মিশে চলাচল করে, যাকে লাইপোপ্রোটিন বলে। এর মধ্যে HDL (High-density Lipoprotein) অতিরিক্ত কোলেস্টেরল রক্তনালি থেকে যকৃতে ফিরিয়ে নেয়, তাই এটি ভালো কোলেস্টেরল। LDL ধমনির দেয়ালে চর্বি জমায় বলে খারাপ কোলেস্টেরল।
    মনে রাখুন:
    VLDL ও ট্রাইগ্লিসারাইডের উচ্চ মাত্রাও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
    নিয়মিত ব্যায়াম ও শাকসবজি HDL বাড়াতে সাহায্য করে।
  20. ৭৪. স্বাভাবিক রক্তচাপ কোনটি?
    • ক. ১০৫০ মি.মি. মারকারি
    • খ. ৬০/১০০ মি.মি. মারকারি
    • গ. ১২০/৮০ মি.মি. মারকারি
    • ঘ. ২০০/১২০ মি.মি. মারকারি
    উত্তর: গ. ১২০/৮০ মি.মি. মারকারি
    প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ 120/80 mmHg। এখানে 120 হলো সিস্টোলিক চাপ, যা হৃৎপিণ্ড সংকুচিত হয়ে রক্ত পাম্প করার সময় থাকে। আর 80 হলো ডায়াস্টোলিক চাপ, যা হৃৎপিণ্ড শিথিল থাকার সময় থাকে। 200/120 অনেক বেশি এবং 60/100-এ সিস্টোলিক চাপ ডায়াস্টোলিকের চেয়ে কম, যা সম্ভব নয়।
    মনে রাখুন:
    রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নাম স্ফিগমোম্যানোমিটার।
    রক্তচাপ সাধারণত 140/90 বা তার বেশি হলে উচ্চ রক্তচাপ ধরা হয়।
  21. ৭৫. ম্যালেরিয়া রোগ কোন মশা দিয়ে ছড়ায়?
    • ক. এডিস
    • খ. কিউলেক্স
    • গ. অ্যানোফিলিস
    • ঘ. সবগুলো
    উত্তর: গ. অ্যানোফিলিস
    ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) নামের এককোষী পরজীবী। স্ত্রী অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশা কামড়ালে এই পরজীবী মানুষের রক্তে ঢোকে। এডিস মশা ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও জিকা ছড়ায়, আর কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ ছড়ায়। তাই ‘সবগুলো’ উত্তরটি ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    অ্যানোফিলিস মশা পানির ওপর বসার সময় শরীর হেলিয়ে থাকে।
    ২৫ এপ্রিল বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস।
  22. ৭৬. গলগণ্ড রোগের কারণ কী?
    • ক. আয়রনের অভাব
    • খ. ক্যালসিয়ামের অভাব
    • গ. VIT D-এর অভাব
    • ঘ. আয়োডিনের অভাব
    উত্তর: ঘ. আয়োডিনের অভাব
    আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন থাইরক্সিন তৈরির উপাদান। খাদ্যে আয়োডিনের অভাব হলে গ্রন্থিটি পর্যাপ্ত হরমোন তৈরি করতে পারে না। তখন বেশি হরমোন তৈরির চেষ্টায় গ্রন্থিটি ফুলে গলার সামনে বড় হয়ে ওঠে। এই রোগের নাম গলগণ্ড (Goitre)।
    মনে রাখুন:
    আয়োডিনযুক্ত লবণ খেলে গলগণ্ড প্রতিরোধ হয়।
    আয়রনের অভাবে রক্তস্বল্পতা এবং ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D-এর অভাবে রিকেট বা হাড়ের দুর্বলতা হয়।
  23. ৭৭. রক্তে লোহিত কণিকা কোথায় তৈরি হয়?
    • ক. যকৃত
    • খ. অস্থিমজ্জা
    • গ. তরুণাস্থি
    • ঘ. হৃৎপিণ্ড
    উত্তর: খ. অস্থিমজ্জা
    লোহিত রক্তকণিকা তৈরি হয় লাল অস্থিমজ্জায় (Red bone marrow)। সেখানকার স্টেম কোষ থেকে ধাপে ধাপে লোহিত কণিকা গড়ে ওঠে। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের চ্যাপ্টা হাড়, যেমন বুকের হাড় ও কশেরুকায় এই মজ্জা থাকে। লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় ১২০ দিন, তারপর যকৃৎ ও প্লীহায় এরা ধ্বংস হয়।
    মনে রাখুন:
    ভ্রূণ অবস্থায় যকৃৎ ও প্লীহায় লোহিত কণিকা তৈরি হয়।
    অস্থিমজ্জায় শ্বেতকণিকা ও অণুচক্রিকাও তৈরি হয়।
  24. ৭৮. কোনটি ছোঁয়াচে রোগ?
    • ক. অ্যাজমা
    • খ. রাতকানা
    • গ. ডায়াবেটিস
    • ঘ. স্ক্যাবিস
    উত্তর: ঘ. স্ক্যাবিস
    যে রোগ আক্রান্ত মানুষের সংস্পর্শে অন্যজনের শরীরে ছড়ায়, তাকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ বলে। স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া Sarcoptes scabiei নামের ক্ষুদ্র মাইটের মাধ্যমে হয় এবং আক্রান্তের গায়ের স্পর্শে বা ব্যবহৃত কাপড়-বিছানার মাধ্যমে ছড়ায়। অ্যাজমা, ডায়াবেটিস ও রাতকানা ছোঁয়াচে নয়। ডায়াবেটিস ইনসুলিনের সমস্যায় আর রাতকানা ভিটামিন A-এর অভাবে হয়।
    মনে রাখুন:
    ছোঁয়াচে চর্মরোগ: স্ক্যাবিস, দাদ, চুলকানি।
    স্ক্যাবিসে রাতে চুলকানি বেশি হয়।
  25. ৭৯. হৃৎপিণ্ডের আবৃতকারী পর্দার নাম কী?
    • ক. পুরা
    • খ. পেরিকার্ডিয়াম
    • গ. এন্ডোকার্ডিয়াম
    • ঘ. পেরিটোনিয়াম
    উত্তর: খ. পেরিকার্ডিয়াম
    হৃৎপিণ্ডকে ঘিরে রাখা দুই স্তরের পাতলা আবরণের নাম পেরিকার্ডিয়াম (Pericardium)। দুই স্তরের মাঝে থাকা সামান্য তরল হৃৎপিণ্ডকে ঘর্ষণ থেকে রক্ষা করে। হৃৎপিণ্ডের ভেতরের দেয়ালের আবরণ হলো এন্ডোকার্ডিয়াম। পেরিটোনিয়াম পেটের গহ্বরের আবরণ। নামের শুরুতে ‘পেরি’ অংশটির অর্থ চারপাশ, তাই ‘পেরিকার্ডিয়াম’ মানে হৃৎপিণ্ডের চারপাশের আবরণ।
    মনে রাখুন:
    ফুসফুসের আবরণ প্লুরা (Pleura)।
    মস্তিষ্কের আবরণ মেনিনজেস (Meninges)।
  26. ৮০. হৃৎপিণ্ডের রক্ত চলাচল কমে বুক ব্যথা হওয়াকে কী বলে?
    • ক. স্ট্রোক
    • খ. অ্যানজাইনা
    • গ. ব্লক
    • ঘ. সিনাকাপ
    উত্তর: খ. অ্যানজাইনা
    হৃৎপেশিতে যথেষ্ট অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত না পৌঁছালে বুকে চাপ বা নিষ্পেষণের মতো ব্যথা হয়। এটিকে অ্যানজাইনা (Angina) বলে। হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী করোনারি ধমনি সরু হয়ে গেলে এমনটা ঘটে। স্ট্রোক হয় মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বন্ধ হলে, তাই বুকের ব্যথার নাম স্ট্রোক নয়।
    মনে রাখুন:
    করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক (মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন) হয়।
    অ্যানজাইনায় বিশ্রাম নিলে ব্যথা কমে যেতে পারে।
  27. ৮১. কোনটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে?
    • ক. লোহিত কণিকা
    • খ. হিমোগ্লোবিন
    • গ. অণুচক্রিকা
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. অণুচক্রিকা
    রক্ত জমাট বাঁধার সময় প্রথমে অণুচক্রিকা (Platelet) ক্ষতস্থানে জমা হয় এবং রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান ছাড়ে। এতে ফাইব্রিন সুতার জাল তৈরি হয়, যা রক্ত আটকে দেয়। লোহিত কণিকা এবং তার রঞ্জক হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন বহন করে। তাই রক্ত জমাট বাঁধার কাজ এদের নয়।
    মনে রাখুন:
    অণুচক্রিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না।
    অণুচক্রিকা কমে গেলে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে, যেমন ডেঙ্গুতে।
  28. ৮২. কিডনি বিকল হলে রক্তে কোনটির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়?
    • ক. ইউরিয়া
    • খ. সোডিয়াম
    • গ. গ্লুকোজ
    • ঘ. ক্লোরাইড
    উত্তর: ক. ইউরিয়া
    কিডনি রক্ত থেকে ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিনের মতো বর্জ্য ছেঁকে প্রস্রাবের সঙ্গে বের করে দেয়। কিডনি বিকল হলে এই কাজ ঠিকমতো হয় না, ফলে বর্জ্য রক্তে জমে যায়। তখন রক্তে ইউরিয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। এ অবস্থার নাম ইউরেমিয়া। সোডিয়াম, গ্লুকোজ বা ক্লোরাইড বর্জ্য নয়, এগুলো শরীরের দরকারি উপাদান।
    মনে রাখুন:
    কিডনি বিকল হলে রক্ত পরিশোধনের জন্য ডায়ালাইসিস করা হয়।
    চূড়ান্ত চিকিৎসা কিডনি প্রতিস্থাপন।
  29. ৮৩. কোন রোগটি ভাইরাসজনিত?
    • ক. টাইফয়েড
    • খ. ম্যালেরিয়া
    • গ. কলেরা
    • ঘ. এইডস
    উত্তর: ঘ. এইডস
    এইডস সৃষ্টিকারী HIV একটি ভাইরাস। টাইফয়েড ও কলেরা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। ম্যালেরিয়া প্লাজমোডিয়াম নামক প্রোটোজোয়ার কারণে হয়। এভাবে জীবাণুর ধরন আলাদা করে মনে রাখলে রোগের শ্রেণি চিনতে সুবিধা হয়।
    মনে রাখুন:
    কলেরার জীবাণু Vibrio cholerae।
    ভাইরাস কেবল জীবিত কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
  30. ৮৪. হার্ট অ্যাটাকের কারণ কোনটি?
    • ক. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
    • খ. ভয়
    • গ. অপুষ্টি
    • ঘ. আঘাত
    উত্তর: ক. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
    দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণহীন ডায়াবেটিসে রক্তে শর্করার মাত্রা অনেক বেশি থাকে। এতে রক্তনালির ভেতরের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং চর্বি জমে নালি সরু হয়ে যায়। হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়। তাই ডায়াবেটিস হার্ট অ্যাটাকের একটি বড় কারণ। ভয়, অপুষ্টি বা আঘাত সরাসরি করোনারি ধমনি বন্ধ করে না।
    মনে রাখুন:
    হার্ট অ্যাটাকের অন্য ঝুঁকি: ধূমপান, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল ও স্থূলতা।
    বুকে ব্যথা, ঘাম ও শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হয়।
  31. ৮৫. কিডনি বিকল হওয়ার কারণ কী?
    • ক. আঘাত
    • খ. উচ্চ রক্তচাপ
    • গ. টাইফয়েড
    • ঘ. আর্থ্রাইটিস
    উত্তর: খ. উচ্চ রক্তচাপ
    উচ্চ রক্তচাপ কিডনির ছোট রক্তনালিগুলোর দেয়াল শক্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে কিডনি রক্ত ছাঁকার ক্ষমতা হারায়। দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপ তাই কিডনি বিকলের একটি প্রধান কারণ। ডায়াবেটিসও একটি বড় কারণ। আর্থ্রাইটিস জোড়ার রোগ এবং টাইফয়েড পেটের সংক্রমণ, এগুলো সরাসরি কিডনি নষ্ট করে না।
    মনে রাখুন:
    কিডনি রোগ প্রতিরোধে লবণ কম খাওয়া, পানি বেশি পান করা এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা উপকারী।
    কিডনির গঠনগত একক নেফ্রন।
  32. ৮৬. নিম্নের কোনটি পানিবাহিত রোগ নয়?
    • ক. ডায়রিয়া
    • খ. টাইফয়েড
    • গ. ম্যালেরিয়া
    • ঘ. আমাশয়
    উত্তর: গ. ম্যালেরিয়া
    যেসব রোগের জীবাণু দূষিত পানির মাধ্যমে ছড়ায়, তাদের পানিবাহিত রোগ বলে। ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও আমাশয় এই ধরনের রোগ। ম্যালেরিয়া ছড়ায় অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে, তাই এটি পানিবাহিত নয়, বরং মশাবাহিত রোগ। তবে মশা পানিতে ডিম পাড়ে বলে অনেকে ম্যালেরিয়াকে ভুল করে পানিবাহিত ভাবেন।
    মনে রাখুন:
    আরও পানিবাহিত রোগ: কলেরা, হেপাটাইটিস A।
    পানি ফুটিয়ে খেলে পানিবাহিত রোগ অনেকটা ঠেকানো যায়।

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন