লিয়ানা বুকস

রাষ্ট্রপতির কার্যালয় সহকারী প্রটোকল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২৯ এপ্রিল ২০২৪। ৯৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

ইংরেজি

  1. ১. The verb form of 'trauma' is—
    • ক. traumatic
    • খ. traumatize
    • গ. traumatically
    • ঘ. traumatical
    উত্তর: খ. traumatize
    Trauma শব্দের অর্থ গভীর মানসিক আঘাত বা ধাক্কা। এটি noun। এর verb রূপ হলো traumatize, অর্থাৎ কাউকে মানসিকভাবে গভীর আঘাত দেওয়া। বাকি রূপগুলোর কাজ আলাদা: traumatic হলো adjective (আঘাতজনিত), আর traumatically হলো adverb। Traumatical শব্দটি প্রচলিত শুদ্ধ রূপ নয়।
    মনে রাখুন: Traumatize-এর মতো আরও কিছু verb: memorize, organize, criticize। এগুলোর শেষে -ize যোগ করে noun বা adjective থেকে verb বানানো হয়।
  2. ২. Translate from English to Bengali— Misfortune never comes alone.
    • ক. বিপদ সবার জীবনে আসে।
    • খ. বিপদ কখনও একা আসে না।
    • গ. বিপদ কখনও ভাগ্যের প্রতীক নয়।
    • ঘ. বিপদ কখনও আসে না।
    উত্তর: খ. বিপদ কখনও একা আসে না।
    ‘Misfortune never comes alone.’ একটি প্রচলিত প্রবাদ। এর অর্থ ‘বিপদ কখনও একা আসে না’। অর্থাৎ একটি দুর্ভাগ্য আসার পর প্রায়ই আরও কিছু দুর্ভাগ্য পিছু পিছু আসে। বাকি অনুবাদগুলোয় অর্থ বদলে গেছে, তাই সেগুলো ঠিক নয়। যেমন ‘বিপদ কখনও আসে না’ বললে প্রবাদের বিপরীত কথা বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    A bolt from the blue: অপ্রত্যাশিত দুঃসংবাদ।
    A barking dog seldom bites: যে বেশি চেঁচায়, সে কম কাজ করে।
    A bad workman quarrels with his tools: অদক্ষ কারিগর যন্ত্রের দোষ দেয়।
  3. ৮. Identify the right option to fill in the gap : We have had tasty and — meals.
    • ক. nutritive
    • খ. nutritious
    • গ. nutritional
    • ঘ. nutrient
    উত্তর: খ. nutritious
    বাক্যে ‘tasty and —’ আছে, তাই খালি জায়গায় tasty-র মতোই একটি adjective বসাতে হবে, যাতে দুই অংশের গঠন সমান থাকে। Nutritious মানে পুষ্টিকর, এবং খাবারের গুণ বোঝাতে এটিই স্বাভাবিক শব্দ। Nutritive মানে পুষ্টি সম্পর্কিত। Nutritional মানে পুষ্টিবিষয়ক, যেমন nutritional value। আর nutrient হলো noun, অর্থাৎ পুষ্টি উপাদান।
    মনে রাখুন: ‘nutritious food’ বলা হয়, কিন্তু ‘nutritional information’ বলা হয়।
  4. ১০. Fill in the blank : English — the language of modern technology.
    • ক. was
    • খ. were
    • গ. is
    • ঘ. will be
    উত্তর: গ. is
    ‘English’ এখানে ভাষার নাম, যা একবচন এবং ভাষাটি এখনও আধুনিক প্রযুক্তির ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। একটি চলমান সত্যের কথা বলতে হলে Present Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়, তাই singular subject-এর সঙ্গে is বসে। Was হলে কাজটি শেষ হয়ে যাওয়া বোঝাত, আর will be হলে ভবিষ্যৎ বোঝাত।
    মনে রাখুন: চিরন্তন সত্য বা সাধারণ সত্য বোঝাতে সাধারণত Present Indefinite Tense হয়, যেমন: The sun rises in the east।
  5. ১৩. Which one has the identical singular and plural form?
    • ক. memento
    • খ. dozen
    • গ. alumnus
    • ঘ. basis
    উত্তর: খ. dozen
    Dozen শব্দের singular ও plural রূপ একই থাকে, যেমন: one dozen, two dozen eggs। অন্য তিনটির plural আলাদা: memento-র plural mementos বা mementoes, alumnus-এর alumni এবং basis-এর bases। এখানে alumnus ও basis লাতিন বা গ্রিক থেকে আসা শব্দ, তাই তাদের plural গঠনও আলাদা।
    মনে রাখুন:
    singular ও plural একই এমন শব্দ: sheep, deer, fish, series, species, dozen, hundred।
    Latin থেকে আসা শব্দের plural: alumnus → alumni, basis → bases, crisis → crises।
  6. ১৬. Which one may be used instead of 'continue'?
    • ক. carry out
    • খ. carry on
    • গ. carry off
    • ঘ. carry away
    উত্তর: খ. carry on
    Continue মানে চালিয়ে যাওয়া। ‘Carry on’ phrasal verb-টিরও অর্থ একই, অর্থাৎ কোনো কাজ থামিয়ে না দিয়ে চালিয়ে যাওয়া। অন্য তিনটির অর্থ আলাদা: carry out মানে সম্পন্ন করা বা পালন করা, carry off মানে জিতে নেওয়া এবং carry away মানে আবেগে আত্মহারা হওয়া। এই ধরনের প্রশ্নে preposition বা adverb বদলে গেলে phrasal verb-এর অর্থও পুরো বদলে যায়, তাই প্রতিটি রূপ আলাদা করে মনে রাখা ভালো।
    মনে রাখুন: Carry on with your work মানে ‘নিজের কাজ চালিয়ে যাও’।
  7. ২৩. A very large building in which aircraft are kept is called—
    • ক. terminal
    • খ. harbour
    • গ. hanger
    • ঘ. hangar
    উত্তর: ঘ. hangar
    বিমান রাখার বিশাল ঘরকে hangar বলে। বানান প্রায় একই হওয়ায় এখানে ভুল হওয়া সহজ। Hanger মানে কাপড় ঝোলানোর আংটা বা হ্যাঙ্গার। Terminal হলো বিমান বা বাস ওঠানামার ঘাঁটি, আর harbour হলো জাহাজ বা নৌকার নিরাপদ আশ্রয়স্থল, অর্থাৎ বন্দর। প্রতিটি শব্দের জায়গা আলাদা, তাই অর্থ ধরে ধরে বেছে নিতে হয়।
    মনে রাখুন: hangar (বিমানের ঘর) এবং hanger (কাপড় ঝোলানোর জিনিস) আলাদা শব্দ।
  8. ২৫. Which one is masculine gender?
    • ক. cow
    • খ. bitch
    • গ. widower
    • ঘ. nun
    উত্তর: গ. widower
    Widower মানে যে পুরুষের স্ত্রী মারা গেছে, অর্থাৎ বিপত্নীক। এটি পুংলিঙ্গ (Masculine), আর এর স্ত্রীলিঙ্গ widow। বাকি তিনটি শব্দই স্ত্রীলিঙ্গ: cow-এর পুংলিঙ্গ bull, bitch-এর dog এবং nun-এর priest বা monk।
    মনে রাখুন: কয়েকটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ জোড়া: bridegroom–bride, host–hostess, nephew–niece, drake–duck।
  9. ৩৪. Which gender is the word 'spouse'?
    • ক. Masculine
    • খ. Feminine
    • গ. Common
    • ঘ. Neuter
    উত্তর: গ. Common
    যে noun দিয়ে পুরুষ ও নারী উভয়কেই বোঝানো যায়, তাকে Common Gender বলে। Spouse শব্দটি স্বামী ও স্ত্রী দুজনকেই বোঝায়, তাই এটি Common Gender। Masculine হলে শুধু পুরুষ বোঝাত এবং Neuter হলে প্রাণহীন বস্তু বোঝাত। Feminine হলে শুধু নারী বোঝাত, যা spouse-এ প্রযোজ্য নয়।
    মনে রাখুন: Common Gender-এর আরও উদাহরণ: parent, child, student, friend, orphan, teacher, cousin।
  10. ৩৬. Rahim went to — hospital as a patient.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
    • ক. the
    • খ. a
    • গ. an
    • ঘ. no article needed
    উত্তর: ঘ. no article needed
    কোনো প্রতিষ্ঠানে তার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে গেলে সেই প্রতিষ্ঠানের নামের আগে article বসে না। যেমন কেউ রোগী হিসেবে হাসপাতালে গেলে বলা হয় ‘go to hospital’। কিন্তু অন্য কোনো কারণে, যেমন কাউকে দেখতে বা কাজে গেলে বলা হয় ‘go to the hospital’, কারণ তখন কেবল একটি নির্দিষ্ট ভবনে যাওয়া বোঝায়, প্রতিষ্ঠানের কাজটি বোঝায় না। বাক্যে Rahim রোগী হিসেবে গেছে, তাই কোনো article লাগবে না।
    উদাহরণ:
    He goes to school every day. (ছাত্র হিসেবে)
    He went to the school to meet the teacher. (অন্য কাজে)
    মনে রাখুন: একই নিয়ম bed, prison, church, college-এর ক্ষেত্রেও খাটে।
  11. ৪৩. Identify the appropriate preposition : We are blessed — three lovely grandchildren.
    • ক. for
    • খ. in
    • গ. with
    • ঘ. of
    উত্তর: গ. with
    ‘Blessed’ শব্দের পরে সাধারণত with বসে, অর্থাৎ কোনো ভালো কিছু পেয়ে সৌভাগ্যবান হওয়া। তাই ‘blessed with three lovely grandchildren’ মানে তিনটি সুন্দর নাতি-নাতনি পেয়ে সৌভাগ্যবান। For, in বা of এখানে কোনো স্বাভাবিক অর্থ তৈরি করে না।
    মনে রাখুন: কিছু পরিচিত ব্যবহার: be blessed with (পেয়ে ধন্য), be faced with (সম্মুখীন), be equipped with (সজ্জিত)।
  12. ৪৬. What is the antonym for 'delete'?
    • ক. delay
    • খ. injure
    • গ. insert
    • ঘ. trap
    উত্তর: গ. insert
    Delete মানে মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া। এর বিপরীত কাজ হলো কোনো কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া, অর্থাৎ insert। অন্য শব্দগুলো প্রাসঙ্গিক নয়: delay মানে দেরি করা, injure মানে আহত করা এবং trap মানে ফাঁদে ফেলা। কম্পিউটারে লেখার সময় আমরা delete কী চেপে অক্ষর মুছি, আর insert কী দিয়ে নতুন অক্ষর ঢোকাই, এই উদাহরণ থেকেও বিপরীত সম্পর্কটি মনে রাখা যায়।
    মনে রাখুন: Delete-এর আরও কাছের শব্দ erase, remove, cancel; বিপরীত শব্দ add ও include।
  13. ৫২. Which of the following does not add 'ves' in the plural form?
    • ক. roof
    • খ. wife
    • গ. shelf
    • ঘ. wolf
    উত্তর: ক. roof
    কোনো কোনো শব্দের শেষে f বা fe থাকলে বহুবচনে তা ves হয়ে যায়: wife থেকে wives, shelf থেকে shelves এবং wolf থেকে wolves। কিন্তু roof এর ব্যতিক্রম, এর বহুবচন roofs। তাই যে শব্দটি ves নেয় না, সেটি roof।
    মনে রাখুন:
    আরও ব্যতিক্রম যাদের শুধু s যোগ হয়: chief → chiefs, proof → proofs, belief → beliefs।
    ves হয় এমন আরও শব্দ: leaf → leaves, knife → knives, life → lives।
  14. ৫৯. Translate from Bengali to English— 'টাকায় টাকা আনে'
    • ক. Money grows money
    • খ. Money produce money
    • গ. Money begets money
    • ঘ. Money birth to money
    উত্তর: গ. Money begets money
    ‘টাকায় টাকা আনে’ প্রবাদটির ইংরেজি হলো ‘Money begets money’। Beget মানে জন্ম দেওয়া বা সৃষ্টি করা, তাই বাক্যটি বোঝায় যে টাকা নতুন টাকা তৈরি করে। অন্য বিকল্পগুলোয় ব্যাকরণগত ভুল আছে: ‘Money produce money’-তে ক্রিয়ার রূপ ঠিক নয় এবং ‘birth to money’ বাক্যে কোনো ক্রিয়াই নেই।
    মনে রাখুন:
    Grasp all, lose all: অতি লোভে তাঁতি নষ্ট।
    A man is known by the company he keeps: সঙ্গদোষে লোহা ভাসে।
  15. ৬২. The idiom 'a piece of cake' means—
    • ক. a slice of cake
    • খ. a thing that is very easy to do
    • গ. an inexperienced person
    • ঘ. a hidden or secret thing
    উত্তর: খ. a thing that is very easy to do
    ‘A piece of cake’ idiom-টির অর্থ এমন কাজ যা অত্যন্ত সহজ, বাংলায় যাকে বলা যায় ‘ডালভাত’। এটি কোনো সত্যিকারের কেকের টুকরো বোঝায় না, তাই প্রথম বিকল্পটি আক্ষরিক অর্থ হওয়ায় ভুল। ইংরেজি idiom-এর আক্ষরিক অর্থ ধরলে প্রায়ই ভুল হয়, তাই বাগধারার পুরো অর্থ একসঙ্গে মনে রাখতে হয়।
    উদাহরণ:
    The exam was a piece of cake. (পরীক্ষাটা খুবই সহজ ছিল।)
    মনে রাখুন: এই অর্থের আরও idiom হলো ‘a walk in the park’ ও ‘child’s play’।
  16. ৬৮. Identify the correct use of verb from the following sentence—
    • ক. I wish I were in Peru.
    • খ. I wish I was in Peru.
    • গ. I wish I am in Peru.
    • ঘ. I wish I have been in Peru.
    উত্তর: ক. I wish I were in Peru.
    ‘I wish’-এর পরে বাস্তবে নেই এমন কোনো কল্পনা বা ইচ্ছা প্রকাশ পায়। এই ধরনের Subjunctive Mood-এ subject যা-ই হোক, verb হিসেবে were বসে। এখানে বক্তা পেরুতে নেই, তবু সেখানে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করছে, তাই ‘I wish I were in Peru’ শুদ্ধ। I was, I am বা I have been বসালে ইচ্ছাটি কল্পনা না হয়ে সাধারণ বর্ণনা হয়ে যায়।
    মনে রাখুন: wish, as if, as though, if only এবং it is time-এর পরেও এই নিয়ম প্রযোজ্য।
    উদাহরণ:
    He talks as if he were a king.
  17. ৭৬. Choose the right option to fill in the blank : Listen I can hear someone — at the door.
    • ক. to be knocking
    • খ. knock
    • গ. to knock
    • ঘ. knocking
    উত্তর: ঘ. knocking
    Hear, see, watch, notice জাতীয় ক্রিয়ার object-এর পরে V-ing বসলে কাজটি তখন চলছে বোঝায়। এখানে ‘Listen’ বলে বক্তা এই মুহূর্তের শব্দের কথা বলছে, অর্থাৎ কেউ দরজায় কড়া নাড়ছে। তাই চলমান কাজের জন্য ‘knocking’ সবচেয়ে স্বাভাবিক। ‘to be knocking’ ও ‘to knock’ এখানে বসে না, আর ‘knock’ বসলে পুরো কাজটি শেষ হওয়া বোঝাত।
    উদাহরণ:
    I heard him sing. (পুরো গানটি শুনেছি)
    I heard him singing. (গাইছিল, তখন শুনেছি)
  18. ৭৭. Select the sentence in which 'home' is an adjective :
    • ক. I have good home.
    • খ. He went home
    • গ. Have a happy home life.
    • ঘ. Is he home yet?
    উত্তর: গ. Have a happy home life.
    Adjective কোনো noun-এর আগে বসে তার গুণ বা ধরন বোঝায়। ‘Have a happy home life’ বাক্যে home শব্দটি ‘life’ noun-এর আগে বসে সেটির ধরন বলছে, অর্থাৎ বাড়ির জীবন, তাই এটি adjective-এর কাজ করছে। ‘I have good home’ বাক্যে home একটি noun, আর ‘He went home’ ও ‘Is he home yet?’ বাক্যে home adverb।
    মনে রাখুন: একই শব্দ বাক্যে বসার জায়গা অনুযায়ী noun, adjective বা adverb হতে পারে।
  19. ৭৮. Take somebody to task — the meaning of this idiom is —
    • ক. ostracize
    • খ. flatter
    • গ. praise
    • ঘ. criticize
    উত্তর: ঘ. criticize
    ‘Take somebody to task’ idiom-এর অর্থ কাউকে তার কোনো ভুলের জন্য তিরস্কার বা সমালোচনা করা। তাই এর সঙ্গে মেলে criticize। Ostracize মানে একঘরে করা, flatter মানে তোষামোদ করা এবং praise মানে প্রশংসা করা। এগুলোর কোনোটিতেই ভুলের জন্য ভর্ৎসনার ভাব নেই।
    উদাহরণ:
    The manager took the clerk to task for his carelessness.
    মনে রাখুন: একই অর্থের আরেকটি idiom ‘haul over the coals’।
  20. ৮৭. Which one is correct?
    • ক. He did not ate rice last night.
    • খ. He did not eat rice last night.
    • গ. He had eaten rice last night.
    • ঘ. He had not eat rice last night.
    উত্তর: খ. He did not eat rice last night.
    ‘last night’ অতীতের নির্দিষ্ট সময় বোঝায়, তাই বাক্যটি Past Indefinite Tense-এ হবে। এই tense-এর নেতিবাচক বাক্যে did not-এর পরে verb-এর মূল রূপ (base form) বসে। তাই ‘He did not eat rice last night’ শুদ্ধ। ‘did not ate’ ভুল, কারণ did-এর পরে আর past form বসে না। ‘had not eat’-ও ভুল, কারণ had-এর পরে past participle (eaten) লাগে।
    মনে রাখুন: did, does বা do-এর পরে সব সময় verb-এর base form বসে।
  21. ৮৮. Fill in the blank : Economics — my favourite subject.
    • ক. were
    • খ. is
    • গ. had been
    • ঘ. are
    উত্তর: খ. is
    Economics শব্দের শেষে ‘s’ থাকলেও এটি একটি বিষয়ের নাম, তাই এটি singular। Singular subject-এর সঙ্গে Present Indefinite-এ is বসে। ‘were’ ও ‘are’ বহুবচন, আর ‘had been’ এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে খাপ খায় না, কারণ এখানে বর্তমানের পছন্দের কথা বলা হচ্ছে।
    মনে রাখুন: শেষে ‘s’ থাকা এমন singular শব্দ: mathematics, physics, politics, ethics, news, measles।
  22. ৯০. The word 'plebiscite' is related to —
    • ক. music
    • খ. art
    • গ. theology
    • ঘ. politics
    উত্তর: ঘ. politics
    Plebiscite মানে গণভোট, অর্থাৎ কোনো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বা রাজনৈতিক প্রশ্নে সব ভোটারের সরাসরি মত নেওয়া। তাই শব্দটি রাজনীতির (politics) সঙ্গে সম্পর্কিত। সংগীত, শিল্পকলা বা ধর্মতত্ত্বের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। যেমন কোনো অঞ্চল কোন দেশের অংশ হবে, সেটি ঠিক করতে গণভোট নেওয়া যায়।
    মনে রাখুন: গণভোটের আরও একটি শব্দ referendum। এদের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য থাকলেও সাধারণ ব্যবহারে অর্থ কাছাকাছি।
  23. ৯১. Identify the correctly spelt word from the given options :
    • ক. surveillance
    • খ. survellance
    • গ. srvaillance
    • ঘ. surveilance
    উত্তর: ক. surveillance
    শুদ্ধ বানান surveillance। এর অর্থ কারও ওপর, বিশেষ করে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ওপর কড়া নজর রাখা। বানানটি মনে রাখার উপায় হলো এর অক্ষর সাজানো: sur-veil-lance, যেখানে মাঝখানে দুটি l আছে এবং শেষে -ance বসে। অন্য বানানগুলোয় e, i বা l-এর মতো কোনো না কোনো বর্ণ বাদ পড়েছে বা ভুল বসেছে।
    উদাহরণ:
    The police kept the suspect under surveillance.

গণিত

  1. ৩. ৭ + ১৩ + ১৯ + ২৫ + ... ধারাটির প্রথম ২০টি পদের যোগফল কত?
    • ক. ১২০৮
    • খ. ১২১০
    • গ. ১২৮০
    • ঘ. ১২৯৮
    উত্তর: গ. ১২৮০
    ধারাটির প্রথম পদ a = 7। প্রতিটি পদ আগের পদের চেয়ে 6 বেশি, তাই এটি সমান্তর ধারা এবং সাধারণ অন্তর d = 6। যোগফলের সূত্র S = (n/2){2a + (n−1)d}।
    এখানে n = 20 বসালে S = 10 × (14 + 19×6) = 10 × 128 = 1280।
    মনে রাখুন: সমান্তর ধারার n-তম পদ = a + (n−1)d এবং যোগফল S = (n/2)(প্রথম পদ + শেষ পদ)। এখানে বিশতম পদ 7 + 19×6 = 121 এবং (20/2)(7 + 121) = 1280।
  2. ১১. ২০ থেকে ৪০ পর্যন্ত সংখ্যার মধ্যে মৌলিক সংখ্যা কয়টি?
    • ক. ৩টি
    • খ. ৪টি
    • গ. ৫টি
    • ঘ. ৬টি
    উত্তর: খ. ৪টি
    মৌলিক সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা, যাকে ১ এবং সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না। ২০ থেকে ৪০-এর মধ্যে ২১, ২৫, ২৭ প্রভৃতি বিজোড় সংখ্যাকে ৩ বা ৫ দিয়ে ভাগ করা যায়, তাই সেগুলো বাদ যায়। বাকি থাকে ২৩, ২৯, ৩১ ও ৩৭, অর্থাৎ ৪টি।
    মনে রাখুন:
    ২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা।
    ১ মৌলিক সংখ্যাও নয়, যৌগিক সংখ্যাও নয়।
    ১ থেকে ১০০-এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২৫টি।
  3. ১২. x/y এর সাথে কত যোগ করলে যোগফল y/x হবে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
    • ক. (x²−y²)/xy
    • খ. (2x²−y²)/xy
    • গ. (y²−x²)/xy
    • ঘ. (x²−2y²)/xy
    উত্তর: গ. (y²−x²)/xy
    ধরি, x/y-এর সঙ্গে a যোগ করলে y/x হয়। তাহলে x/y + a = y/x, অর্থাৎ a = y/x − x/y।
    সমহর করে লিখলে a = (y² − x²)/xy।
    তাই x/y-এর সঙ্গে (y² − x²)/xy যোগ করতে হবে।
    মনে রাখুন: কোনো সংখ্যার সঙ্গে কত যোগ করলে ফল পাওয়া যাবে, তা জানতে ‘ফল − প্রদত্ত সংখ্যা’ বের করতে হয়।
  4. ২০. 1/p = √6 + 2 হলে, p এর মান কত?
    • ক. √6 − 2
    • খ. (√6+2)/2
    • গ. (√6−2)/2
    • ঘ. 6 − √2
    উত্তর: গ. (√6−2)/2
    এখানে 1/p = √6 + 2, তাই p = 1/(√6 + 2)। হর থেকে বর্গমূল সরাতে হরের অনুবন্ধী (√6 − 2) দিয়ে লব ও হরকে গুণ করি।
    তাহলে p = (√6 − 2)/{(√6)² − 2²} = (√6 − 2)/(6 − 4) = (√6 − 2)/2।
    মনে রাখুন: (a + b)(a − b) = a² − b²। এই সূত্র দিয়েই হর মূলদ করা হয়। হরে √ থাকলে অনুবন্ধী দিয়ে গুণ করাই সাধারণ কৌশল।
  5. ২১. একটি গহনার ওজন ২৫ গ্রাম। এতে সোনা এবং রূপার অনুপাত ৩ : ২। কী পরিমাণ সোনা মেশালে সোনা ও রূপার অনুপাত ৫ : ১ হবে?
    • ক. 15 গ্রাম
    • খ. 20 গ্রাম
    • গ. 30 গ্রাম
    • ঘ. 35 গ্রাম
    উত্তর: ঘ. 35 গ্রাম
    গহনার ওজন 25 গ্রাম এবং সোনা : রূপা = 3 : 2। তাই সোনা = 25 × 3/5 = 15 গ্রাম আর রূপা = 25 × 2/5 = 10 গ্রাম। রূপা একই থাকবে, শুধু সোনা বাড়ানো হবে। ধরি, x গ্রাম সোনা মেশাতে হবে। তাহলে (15 + x) : 10 = 5 : 1, অর্থাৎ 15 + x = 50 এবং x = 35 গ্রাম।
    মনে রাখুন: যে উপাদান বদলায় না (এখানে রূপা), তাকে ধরে অনুপাত মেলালে হিসাব সহজ হয়।
  6. ২২. 2x − 2/x = 3 হলে, 8(x³ − 1/x³) = কত?
    • ক. 53
    • খ. 55
    • গ. 63
    • ঘ. 73
    উত্তর: গ. 63
    শর্ত 2x − 2/x = 3 থেকে x − 1/x = 3/2। এখন সূত্র x³ − 1/x³ = (x − 1/x)³ + 3(x − 1/x) প্রয়োগ করি। তাহলে x³ − 1/x³ = (3/2)³ + 3 × 3/2 = 27/8 + 36/8 = 63/8। সুতরাং 8(x³ − 1/x³) = 8 × 63/8 = 63।
    মনে রাখুন:
    x³ − 1/x³ = (x − 1/x)³ + 3(x − 1/x)
    x³ + 1/x³ = (x + 1/x)³ − 3(x + 1/x)
  7. ২৯. কোন ভগ্নাংশটি ক্ষুদ্রতম?
    • ক. ৫/৬
    • খ. ২/৫
    • গ. ১/২
    • ঘ. ৩/৭
    উত্তর: খ. ২/৫
    ভগ্নাংশ তুলনা করতে সবগুলোকে দশমিকে লিখলে সুবিধা হয়। 5/6 ≈ 0.83, 2/5 = 0.40, 1/2 = 0.50 এবং 3/7 ≈ 0.43।
    এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট 0.40, অর্থাৎ 2/5।
    মনে রাখুন: লব-হর আড়াআড়ি গুণ করেও দুটি ভগ্নাংশ তুলনা করা যায়। যেমন 2/5 ও 3/7-এ 2×7 = 14 এবং 3×5 = 15, তাই 2/5 < 3/7।
  8. ৩২. একটি বৃত্তের ব্যাস 14 সে.মি. হলে এর পরিধি কত সে.মি. হবে?
    • ক. 22 সে.মি.
    • খ. 44 সে.মি.
    • গ. 64 সে.মি.
    • ঘ. 88 সে.মি.
    উত্তর: খ. 44 সে.মি.
    বৃত্তের পরিধি বের করতে ব্যাসার্ধ জানা দরকার। ব্যাস 14 সে.মি. হলে ব্যাসার্ধ r = 14/2 = 7 সে.মি.। তাহলে পরিধি = 2πr = 2 × (22/7) × 7 = 44 সে.মি.।
    মনে রাখুন:
    পরিধি = πd (d ব্যাস), তাই এখানেও (22/7) × 14 = 44।
    ক্ষেত্রফল = πr², এখানে (22/7) × 49 = 154 বর্গ সে.মি.।
  9. ৩৭. log_{2√5} 400 = কত?
    • ক. 4√2
    • খ. 4√5
    • গ. 4
    • ঘ. 3
    উত্তর: গ. 4
    2√5-এর ঘাত বের করে দেখি: (2√5)² = 4 × 5 = 20 এবং (2√5)⁴ = 20² = 400। অর্থাৎ 400 = (2√5)⁴।
    তাই log_{2√5} 400 = log_{2√5} (2√5)⁴ = 4।
    মনে রাখুন: log_a (a^n) = n এবং log_a a = 1। ভিত্তি যে সংখ্যার ঘাত হিসেবে প্রদত্ত সংখ্যাকে লেখা যায়, সেই ঘাতই লগের মান।
  10. ৩৮. যদি cot(θ − 30°) = 1/√3 হয়, তাহলে sinθ = কত?
    • ক. 1/2
    • খ. 0
    • গ. 1
    • ঘ. √3/2
    উত্তর: গ. 1
    cot 60° = 1/√3। প্রশ্নে cot(θ − 30°) = 1/√3 দেওয়া আছে, তাই θ − 30° = 60° এবং θ = 90°।
    তাহলে sin θ = sin 90° = 1।
    মনে রাখুন: cot 30° = √3, cot 45° = 1, cot 60° = 1/√3 এবং cot 90° = 0। sin 90° = 1 এবং cos 90° = 0।
  11. ৪৮. ১ একর = কত বর্গমিটার?
    • ক. ৪০৪৬.৮ বর্গমিটার
    • খ. ৪০৩৬.৮ বর্গমিটার
    • গ. ৪৬০৪.৮ বর্গমিটার
    • ঘ. ৪৮৬০.৮ বর্গমিটার
    উত্তর: ক. ৪০৪৬.৮ বর্গমিটার
    ১ একর = ৪০৪৬.৮৬ বর্গমিটার (প্রায়), তাই প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে ৪০৪৬.৮ বর্গমিটারই সবচেয়ে কাছের। একর জমি মাপার একটি বড় একক, যা আমাদের দেশে ভূমি জরিপে ও দলিলে ব্যবহার করা হয়।
    মনে রাখুন:
    ১ একর = ১০০ শতক।
    ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (প্রায়)।
    ১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
  12. ৫৪. সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য 8 সে.মি. হলে ত্রিভুজের লম্বের দৈর্ঘ্য কত?
    • ক. 2√3
    • খ. 4√3
    • গ. 6√3
    • ঘ. 3√3
    উত্তর: খ. 4√3
    সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য 8 সে.মি. এবং এর লম্ব (উচ্চতা) h। লম্ব ত্রিভুজকে দুটি সমকোণী ত্রিভুজে ভাগ করে, তাই সূত্র পাওয়া যায় h = (√3/2) × বাহু।
    তাহলে h = (√3/2) × 8 = 4√3 সে.মি.।
    ক্ষেত্রফল দিয়েও যাচাই করা যায়: (√3/4) × 8² = 16√3, আবার ½ × 8 × 4√3 = 16√3, দুটি মান মেলে।
    মনে রাখুন: সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4)a² এবং উচ্চতা = (√3/2)a।
  13. ৫৬. cosA = cotA হলে A = কত?
    • ক. 0°
    • খ. 30°
    • গ. 45°
    • ঘ. 90°
    উত্তর: ঘ. 90°
    শর্ত cos A = cot A। cot A = cos A/sin A, তাই cos A = cos A/sin A। এখান থেকে cos A (1 − 1/sin A) = 0, অর্থাৎ cos A = 0 অথবা sin A = 1। দুই ক্ষেত্রেই A = 90° আসে। যাচাই করি: A = 90° হলে cos 90° = 0 এবং cot 90° = 0, তাই দুই পাশ সমান।
    মনে রাখুন: cos 90° = 0, sin 90° = 1, cot 90° = 0 এবং tan 90° অসংজ্ঞায়িত।
  14. ৫৮. y−[y−{y−(y+1)}] = ?
    • ক. −1
    • খ. 0
    • গ. 1
    • ঘ. 2
    উত্তর: ক. −1
    ভেতরের বন্ধনী থেকে শুরু করে বাইরের দিকে সরল করতে হয়। প্রথমে y − (y + 1) = y − y − 1 = −1। তারপর y − {−1} = y + 1। এরপর y − [y + 1] = y − y − 1 = −1।
    মনে রাখুন: সরলীকরণে বন্ধনীর ক্রম হলো () ছোট, {} মধ্যম, [] বড়। প্রথমে ভেতরের ছোট বন্ধনী ভাঙতে হয়, আর বন্ধনীর আগে বিয়োগ চিহ্ন থাকলে ভেতরের চিহ্ন উল্টে যায়।
  15. ৬০. একটি আয়তক্ষেত্রের সন্নিহিত দুইটি বাহু যথাক্রমে ৪ ও ৬ সেমি। অন্তর্ভুক্ত কোণ কত হলে, আয়তক্ষেত্রটি আঁকা যাবে?
    • ক. ৩০°
    • খ. ৪৫°
    • গ. ৬০°
    • ঘ. ৯০°
    উত্তর: ঘ. ৯০°
    আয়তক্ষেত্রের চারটি কোণই সমকোণ, অর্থাৎ প্রতিটি কোণ 90°। সন্নিহিত দুই বাহুর অন্তর্ভুক্ত কোণ তাই 90° হলেই কেবল ৪ সে.মি. ও ৬ সে.মি. বাহু নিয়ে আয়তক্ষেত্র আঁকা যায়। কোণ অন্য কিছু হলে আকৃতিটি সামান্তরিক হতো, আয়তক্ষেত্র নয়।
    মনে রাখুন: আয়তক্ষেত্রের কর্ণ দুটি সমান এবং পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ, এখানে 4 × 6 = 24 বর্গ সে.মি.। সামান্তরিকে কর্ণ দুটি সমান হয় না।
  16. ৬৪. x² − (a+b)x + ab = 0 সমীকরণের সমাধান সেট হবে–
    • ক. {a, b}
    • খ. {a, −b}
    • গ. {−a, b}
    • ঘ. {−a, −b}
    উত্তর: ক. {a, b}
    সমীকরণটি x² − (a + b)x + ab = 0। এর বাঁ দিক উৎপাদকে ভাঙলে হয় (x − a)(x − b) = 0। দুটি রাশির গুণফল শূন্য হলে অন্তত একটি রাশি শূন্য হতে হয়, তাই x − a = 0 অথবা x − b = 0। সুতরাং x = a বা x = b এবং সমাধান সেট {a, b}।
    মনে রাখুন: দ্বিঘাত সমীকরণের মূল দুটির যোগফল = a + b এবং গুণফল = ab।
  17. ৬৫. f(x) = (4x−7)/(2x−4) একটি ফাংশন হলে f(−1/2) = কত?
    • ক. −9/5
    • খ. 9/5
    • গ. 7/5
    • ঘ. −7/5
    উত্তর: খ. 9/5
    ফাংশনে x-এর জায়গায় −1/2 বসাই।
    লব = 4 × (−1/2) − 7 = −2 − 7 = −9
    হর = 2 × (−1/2) − 4 = −1 − 4 = −5
    তাহলে f(−1/2) = (−9)/(−5) = 9/5।
    মনে রাখুন: ঋণাত্মক সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে ফল ধনাত্মক হয়। ফাংশনের মান বের করার সময় x-এর সব জায়গায় একই মান বসাতে হয়।
  18. ৭০. সরল সুদে ৬৫০ টাকা ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা হলো। ৫ বছর পর ৭৬৩.৭৫ টাকা পেলে সুদের হার কত?
    • ক. ৩%
    • খ. ৩.৫%
    • গ. ৮%
    • ঘ. ৮.৫%
    উত্তর: খ. ৩.৫%
    সরল সুদের অঙ্কে প্রথমে সুদ বের করতে হয়। সুদ = সুদাসল − আসল = ৭৬৩.৭৫ − ৬৫০ = ১১৩.৭৫ টাকা।
    সরল সুদের সূত্র I = Prn/100 থেকে r = (I × 100)/(P × n) = (113.75 × 100)/(650 × 5) = 11375/3250 = 3.5।
    অতএব সুদের হার ৩.৫%।
    মনে রাখুন: সরল সুদের সূত্র I = Pnr, যেখানে r হার ভগ্নাংশে ধরা হয়। সুদাসল বলতে আসল ও সুদের যোগফল বোঝায়।
  19. ৯৫. (¹¹√5)^(5x−2) = (⁵√5)^(2x+1) সমীকরণের সমাধান কোনটি?
    • ক. 7
    • খ. 1
    • গ. 3/5
    • ঘ. 1/3
    উত্তর: ক. 7
    মূলের চিহ্নকে ঘাত আকারে লিখলে সমীকরণ সহজ হয়: ¹¹√5 = 5^(1/11) এবং ⁵√5 = 5^(1/5)। তাই সমীকরণটি দাঁড়ায় 5^((5x−2)/11) = 5^((2x+1)/5)।
    ভিত্তি সমান হলে ঘাতও সমান হয়, অর্থাৎ (5x − 2)/11 = (2x + 1)/5।
    আড়াআড়ি গুণ করে 5(5x − 2) = 11(2x + 1), অর্থাৎ 25x − 10 = 22x + 11।
    এখান থেকে 3x = 21 এবং x = 7।
    মনে রাখুন: ⁿ√a = a^(1/n)।
  20. ৯৮. x + 1/(3x) = 4 হলে, 9x² + 1/x² এর মান কত?
    • ক. 108
    • খ. 138
    • গ. 148
    • ঘ. 158
    উত্তর: খ. 138
    দেওয়া আছে x + 1/(3x) = 4। এখান থেকে ঘাতের রাশি বের করতে বর্গ করি:
    x² + 2 × x × 1/(3x) + 1/(9x²) = 16, অর্থাৎ x² + 1/(9x²) = 16 − 2/3 = 46/3।
    এখন 9x² + 1/x² = 9(x² + 1/(9x²)) = 9 × 46/3 = 138।
    মনে রাখুন: (a + b)² = a² + 2ab + b² এবং 9x² + 1/x² = (3x)² + (1/x)²।

বাংলা

  1. ৪. কোনগুলো তৎসম উপসর্গ এবং বাংলা উপসর্গ উভয় ক্ষেত্রেই রয়েছে?
    • ক. অনা, অব, রাম
    • খ. নি, পরি, গর
    • গ. নি, বি, সু
    • ঘ. হর, উপ, কম
    উত্তর: গ. নি, বি, সু
    বাংলা ভাষায় কিছু উপসর্গ আছে, যেগুলো খাঁটি বাংলা। আবার সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম উপসর্গও আছে। নি, বি ও সু এমন তিনটি উপসর্গ, যা দুই তালিকাতেই পড়ে। যেমন তৎসম হিসেবে নিবারণ, বিজ্ঞান, সুন্দর এবং বাংলা হিসেবে নিখুঁত, বিপথ, সুনজর।
    মনে রাখুন:
    অনা, রাম বাংলা উপসর্গ।
    অব, পরি, উপ তৎসম উপসর্গ।
    গর আরবি এবং কম ফারসি উপসর্গ।
    হর উর্দু-হিন্দি উপসর্গ।
  2. ৬. বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ অবদান—
    • ক. শিল্পিত গদ্য সৃষ্টি
    • খ. পাঠ্যপুস্তক রচনা
    • গ. অনুবাদ
    • ঘ. প্রবাদ-প্রবচনের সার্থক ব্যবহার
    উত্তর: ক. শিল্পিত গদ্য সৃষ্টি
    বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে উনিশ শতকের সবচেয়ে বড় অবদান হলো শিল্পিত গদ্যের সৃষ্টি। তার আগে সাহিত্য মূলত পদ্য বা কবিতার মাধ্যমেই চলত। গদ্য তৈরি হওয়ার পরই প্রবন্ধ, নাটক, উপন্যাস, আত্মজীবনীর মতো নতুন সাহিত্যধারা গড়ে ওঠার সুযোগ পায়। অনুবাদ বা পাঠ্যপুস্তক রচনা এই কাজে সাহায্য করেছে, কিন্তু সাহিত্যের রূপই বদলে দিয়েছে শিল্পিত গদ্য।
    মনে রাখুন: বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ, রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
  3. ২৮. 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের পটভূমি–
    • ক. মুক্তিযুদ্ধ
    • খ. ভাষা আন্দোলন
    • গ. দেশভাগ
    • ঘ. গণঅভ্যুত্থান
    উত্তর: খ. ভাষা আন্দোলন
    জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের পটভূমি ভাষা আন্দোলন। কাহিনিতে একুশে ফেব্রুয়ারি পালনের স্মৃতি ও আবেগ উঠে এসেছে। ফাল্গুন মাসেই ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের চরম মুহূর্ত এসেছিল, তাই উপন্যাসের নামেও সেই সময়ের ছোঁয়া আছে। মুক্তিযুদ্ধ বা দেশভাগ এই উপন্যাসের পটভূমি নয়।
    মনে রাখুন:
    জহির রায়হানের অন্যান্য উপন্যাস: হাজার বছর ধরে, বরফ গলা নদী, আর কত দিন।
    তিনি ‘স্টপ জেনোসাইড’ নামে মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্যচিত্রও তৈরি করেছিলেন।
  4. ৩০. 'অগ্নি' শব্দের প্রতিশব্দ–
    • ক. মার্তণ্ড
    • খ. কৃশানু
    • গ. ক্ষণপ্রভা
    • ঘ. ভানু
    উত্তর: খ. কৃশানু
    ‘অগ্নি’ শব্দের একটি প্রতিশব্দ ‘কৃশানু’। অন্যগুলো হলো বহ্নি, অনল, পাবক, দহন, হুতাশন। বিকল্পের বাকি শব্দের অর্থ আলাদা: মার্তণ্ড ও ভানু শব্দ দুটির অর্থ সূর্য, আর ক্ষণপ্রভা মানে বিদ্যুৎ। প্রতিশব্দের প্রশ্নে এভাবে অন্য প্রাকৃতিক শক্তির নাম দিয়ে ভুল পথে টানা হয়।
    মনে রাখুন:
    সূর্যের প্রতিশব্দ: ভানু, রবি, দিনকর, মার্তণ্ড, প্রভাকর।
    বিদ্যুতের প্রতিশব্দ: ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, চপলা।
  5. ৩১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম নিদর্শন কোনটি?
    • ক. রামায়ণ
    • খ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    • গ. শূন্যপুরাণ
    • ঘ. চর্যাপদ
    উত্তর: ঘ. চর্যাপদ
    বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত সাধনসংগীত। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে এটি ‘হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে বই আকারে প্রকাশিত হয়। অন্য অপশনগুলো প্রাচীন নিদর্শন নয়: রামায়ণের বাংলা অনুবাদ ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের রচনা।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদের কবিদের মধ্যে লুইপা সবচেয়ে প্রাচীন।
    চর্যাপদের সময়কাল সাধারণত ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে ধরা হয়।
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন।
  6. ৪০. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস কোনটি?
    • ক. চাঁদের অমাবস্যা
    • খ. খোয়াবনামা
    • গ. কাশবনের কন্যা
    • ঘ. জননী
    উত্তর: ক. চাঁদের অমাবস্যা
    ‘চাঁদের অমাবস্যা’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস, যা ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়। অন্য উপন্যাসগুলোর লেখক ভিন্ন: ‘খোয়াবনামা’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের, ‘কাশবনের কন্যা’ শামসুদ্দীন আবুল কালামের এবং ‘জননী’ শওকত ওসমানের। প্রশ্নে লেখকের নাম আলাদা করে মনে রাখাই সবচেয়ে সহজ উপায়।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস লালসালু (১৯৪৮)।
    তাঁর আরেকটি উপন্যাস কাঁদো নদী কাঁদো।
  7. ৪১. 'বিজিত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ–
    • ক. বিজয়ী
    • খ. পরাজিত
    • গ. বিচ্যুত
    • ঘ. বর্জিত
    উত্তর: ক. বিজয়ী
    ‘বিজিত’ মানে যে পরাজিত হয়েছে, তাকে জয় করা হয়েছে। এর বিপরীত অর্থ হলো যে জয়ী হয়েছে, অর্থাৎ বিজয়ী। ‘পরাজিত’ প্রায় সমার্থক, ‘বিচ্যুত’ মানে স্থানচ্যুত আর ‘বর্জিত’ মানে ত্যাজ্য, এদের কোনোটিই বিপরীত নয়। বিপরীতার্থক শব্দের প্রশ্নে সমার্থকটি অপশনে থাকলে সেটি বাদ দিয়ে ভাবতে হয়।
    মনে রাখুন: বিপরীতার্থক জোড়া: জয়–পরাজয়, জিত–হার, গৃহীত–বর্জিত।
  8. ৪৪. কোনটি 'সন্ধ্যা' শব্দের সমার্থক?
    • ক. প্রত্যুষ
    • খ. উষা
    • গ. নিশি
    • ঘ. প্রদোষ
    উত্তর: ঘ. প্রদোষ
    ‘সন্ধ্যা’ শব্দের একটি সমার্থক শব্দ ‘প্রদোষ’, যার অর্থ সূর্যাস্তের পর রাতের আগের সময়। সন্ধ্যার আরও কিছু প্রতিশব্দ হলো সাঁজ, সায়ংকাল, গোধূলি। ‘প্রত্যুষ’ ও ‘উষা’ ভোরবেলা বোঝায়, আর ‘নিশি’ মানে রাত। দিনের বিভিন্ন সময়ের শব্দ প্রায়ই পরীক্ষায় একসঙ্গে দেওয়া হয়, তাই কোনটি ভোর, কোনটি সন্ধ্যা আর কোনটি রাত তা আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন: ভোরের প্রতিশব্দ: প্রভাত, অরুণোদয়, উষা, প্রত্যুষ, ভোর।
  9. ৪৫. কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়?
    • ক. সাঁঝের মায়া
    • খ. বলাকা
    • গ. খেয়া
    • ঘ. চিত্রা
    উত্তর: ক. সাঁঝের মায়া
    ‘সাঁঝের মায়া’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়। এটি কবি সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়। অন্য তিনটিই রবীন্দ্রনাথের রচনা: বলাকা, খেয়া ও চিত্রা।
    মনে রাখুন:
    সুফিয়া কামালের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: মায়া কাজল, মন ও জীবন, উদাত্ত পৃথিবী।
    ‘বলাকা’ রবীন্দ্রনাথের ১৯১৬ সালে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
  10. ৪৭. 'ছেলে কাঁদে'– এখানে 'ছেলে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
    • ক. কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি
    • খ. কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি
    • গ. কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি
    • ঘ. কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি
    উত্তর: গ. কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি
    ‘ছেলে কাঁদে’ বাক্যে কাঁদার কাজটি করছে ‘ছেলে’, তাই ‘কে কাঁদে?’ প্রশ্ন করলে উত্তর পাই ছেলে। অতএব এটি কর্তৃকারক। ‘ছেলে’ শব্দের সঙ্গে আলাদা কোনো বিভক্তি-চিহ্ন যুক্ত হয়নি, শব্দটি মূল আকারেই বসেছে। যে শব্দে কোনো বিভক্তি-চিহ্ন যুক্ত হয় না, তাতে শূন্য বিভক্তি হয়। তাই উত্তর কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি।
    মনে রাখুন: ‘ছেলে’ শব্দের শেষের ‘এ’ কোনো বিভক্তি নয়, শব্দের নিজেরই অংশ।
  11. ৫০. 'পল্লীসমাজ' উপন্যাসের লেখক–
    • ক. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
    • খ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • ঘ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    উত্তর: গ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ‘পল্লীসমাজ’ উপন্যাসের লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি ১৯১৬ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়, তার আগে ‘ভারতবর্ষ’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। গ্রামের সমাজের দলাদলি আর কুসংস্কারের মধ্যে রমা ও রমেশ নামের দুজনের সম্পর্কের গল্প এতে আছে। বিভূতিভূষণ, তারাশংকর ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ও গ্রামের জীবন নিয়ে লিখেছেন, কিন্তু এই উপন্যাস তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন: শরৎচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাস: দেবদাস, শ্রীকান্ত, চরিত্রহীন, পথের দাবী।
  12. ৫৩. 'কবিকঙ্কণ' কার উপাধি?
    • ক. বিজয়গুপ্ত
    • খ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    • গ. দ্বিজ মাধব
    • ঘ. ভারতচন্দ্র রায়
    উত্তর: খ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধি মধ্যযুগের কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর। জমিদার রঘুনাথ রায় তাঁকে এই উপাধি দিয়েছিলেন। তাঁর রচিত কাব্য ‘চণ্ডীমঙ্গল’ বা ‘অভয়ামঙ্গল’। ভারতচন্দ্র রায়ের উপাধি ‘রায়গুণাকর’, আর বিজয়গুপ্ত ও দ্বিজ মাধব অন্য মঙ্গলকাব্যের কবি।
    মনে রাখুন:
    বিজয়গুপ্ত ‘পদ্মাপুরাণ’ রচনা করেন।
    ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর উপাধি পান নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের কাছ থেকে।
  13. ৫৫. বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস বইয়ের নাম কী?
    • ক. বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
    • খ. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
    • গ. বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা
    • ঘ. বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
    উত্তর: ক. বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাসগ্রন্থ হিসেবে দীনেশচন্দ্র সেনের ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ (১৮৯৬) বিবেচিত হয়। এতে বাংলা সাহিত্যের ধারা সময় ধরে ধরে বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে। অন্য নামগুলোর লেখক ভিন্ন: ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’ সুকুমার সেনের এবং ‘বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা’ গোপাল হালদারের।
    মনে রাখুন: দীনেশচন্দ্র সেন ‘মৈমনসিংহ-গীতিকা’ সংকলনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
  14. ৫৭. 'উন্মূলন' শব্দের অর্থ–
    • ক. উন্মেষ
    • খ. বিনাশ
    • গ. উন্নয়ন
    • ঘ. সংকোচন
    উত্তর: খ. বিনাশ
    ‘উন্মূলন’ শব্দের অর্থ সমূলে উৎপাটন বা ধ্বংস করা, অর্থাৎ বিনাশ। ‘উৎ’ উপসর্গের সঙ্গে ‘মূল’ যুক্ত হয়ে শব্দটি হয়েছে, যার ভাব হলো মূলসহ উপড়ে ফেলা। ‘উন্মেষ’ শব্দের অর্থ ঈষৎ প্রকাশ বা বিকাশ, যা উন্মূলনের উল্টো দিকের কথা। ‘উন্নয়ন’ মানে অগ্রগতি, আর ‘সংকোচন’ মানে ছোট হয়ে আসা।
    মনে রাখুন:
    কোকনদ মানে লাল পদ্ম।
    মার্জার মানে বিড়াল।
    উর্ণনাভ মানে মাকড়সা।
    রাতুল মানে লাল।
  15. ৬১. কোনটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস?
    • ক. সংশপ্তক
    • খ. চিলেকোঠার সেপাই
    • গ. হাজার বছর ধরে
    • ঘ. নেকড়ে অরণ্য
    উত্তর: ঘ. নেকড়ে অরণ্য
    শওকত ওসমানের ‘নেকড়ে অরণ্য’ মুক্তিযুদ্ধের সময়ের পটভূমিতে লেখা উপন্যাস, যেখানে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনের ছবি আছে। বাকি তিনটি আলাদা বিষয়ের উপন্যাস: শহীদুল্লা কায়সারের ‘সংশপ্তক’, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘চিলেকোঠার সেপাই’ (ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান) এবং জহির রায়হানের ‘হাজার বছর ধরে’ (গ্রামজীবন)।
    মনে রাখুন: শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও রচনা: জাহান্নম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক।
  16. ৬৬. কোন বাগধারাটির অর্থ 'ফাঁকি'?
    • ক. এঁড়ায় গঁতায়
    • খ. অষ্টরম্ভা
    • গ. অন্ধিসন্ধি
    • ঘ. অপোগণ্ড
    উত্তর: খ. অষ্টরম্ভা
    ‘অষ্টরম্ভা’ বাগধারার অর্থ ফাঁকি, অর্থাৎ বাইরে আড়ম্বর থাকলেও ভেতরে কাজ কিছু নেই। অন্য বাগধারাগুলোর অর্থ আলাদা: ‘অন্ধিসন্ধি’ মানে গোপন তথ্য বা খুঁটিনাটি এবং ‘অপোগণ্ড’ মানে অকর্মণ্য বা নাবালক। ‘এঁড়ায় গঁতায়’ বাগধারাটি এখানে ফাঁকির অর্থে বসে না।
    মনে রাখুন:
    অকাল কুষ্মাণ্ড মানে অপদার্থ।
    অরণ্যে রোদন মানে নিষ্ফল আবেদন।
  17. ৭২. কোন রচনাটি কৃষিসংক্রান্ত জ্ঞানে সমৃদ্ধ?
    • ক. ব্রতকথা
    • খ. খনার বচন
    • গ. মহুয়া
    • ঘ. হারামনি
    উত্তর: খ. খনার বচন
    ‘খনার বচন’ কৃষিসংক্রান্ত জ্ঞানে ভরা। খনা নামে একজন বিদুষী নারীর নামে প্রচলিত এই ছড়াগুলোয় চাষাবাদ, ফসল বোনার সময়, আবহাওয়া, বৃক্ষরোপণ, এমনকি গৃহনির্মাণ সম্পর্কে উপদেশ আছে। অন্যগুলো এই বিষয়ের নয়: ব্রতকথা ধর্মীয় আচারের কাহিনি, ‘মহুয়া’ মৈমনসিংহ-গীতিকার পালা এবং ‘হারামনি’ লোকসংগীত সংগ্রহ।
    মনে রাখুন: ‘হারামনি’ সংগ্রহ করেছেন মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন।
  18. ৭৩. 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের লেখক কে?
    • ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • গ. অক্ষয়কুমার দত্ত
    • ঘ. প্যারীচাঁদ মিত্র
    উত্তর: খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত একটি সামাজিক উপন্যাস, যার কেন্দ্রে আছে বিধবা রোহিণীর কাহিনি। বাকিরা অন্য ধারার লেখক: বিদ্যাসাগর ও অক্ষয়কুমার দত্ত মূলত গদ্য ও প্রবন্ধের লেখক এবং প্যারীচাঁদ মিত্র ‘আলালের ঘরের দুলাল’ লিখেছিলেন।
    মনে রাখুন: বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫), কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬), বিষবৃক্ষ (১৮৭৩), আনন্দমঠ (১৮৮২)।
  19. ৭৪. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক কোনটি?
    • ক. কবর
    • খ. রক্তাক্ত প্রান্তর
    • গ. জলাঙ্গী
    • ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    উত্তর: ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা কাব্যনাট্য, যা মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। বাকি বিকল্পের বিষয় আলাদা: ‘কবর’ মুনীর চৌধুরীর নাটক এবং এর পটভূমি ভাষা আন্দোলন। ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ মুনীর চৌধুরীর ইতিহাস-আশ্রিত নাটক। আর ‘জলাঙ্গী’ কোনো নাটক নয়, এটি শওকত ওসমানের উপন্যাস।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারাজীবন’।
    মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকটি কারাগারে বসে লেখা।
  20. ৭৯. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন—
    • ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. প্রমথ চৌধুরী
    উত্তর: ঘ. প্রমথ চৌধুরী
    ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী, যিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামেও লিখতেন। পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রতিষ্ঠা ঘটে। রবীন্দ্রনাথও এই পত্রিকায় লিখতেন, কিন্তু সম্পাদক ছিলেন না।
    মনে রাখুন:
    প্রমথ চৌধুরীকে চলিত ভাষারীতির প্রবর্তক বলা হয়।
    তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বীরবলের হালখাতা’।
  21. ৮০. ‘নানান দেশে নানান ভাষা / বিনে স্বদেশীয় ভাষা পূরে কি আশা?’ – এ পঙ্ক্তির রচয়িতা কে?
    • ক. অতুলপ্রসাদ সেন
    • খ. দ্বিজেন্দ্রনাথ রায়
    • গ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
    • ঘ. রামনিধি গুপ্ত
    উত্তর: ঘ. রামনিধি গুপ্ত
    ‘নানান দেশে নানান ভাষা, বিনে স্বদেশীয় ভাষা পূরে কি আশা?’ পঙ্ক্তিটি রামনিধি গুপ্তের লেখা। তিনি নিধুবাবু নামেও পরিচিত এবং বাংলা টপ্পা গানের জনক। পঙ্ক্তিটিতে মাতৃভাষার গুরুত্ব ফুটে উঠেছে, যার অর্থ নিজের ভাষা ছাড়া মনের আশা মেটে না। তাঁর গানের সংকলন ‘গীতরত্ন’ নামে পরিচিত।
    মনে রাখুন: টপ্পা মূলত পাঞ্জাবের লোকসংগীত। রামনিধি গুপ্ত এই ধারাকে বাংলায় নিয়ে এসেছিলেন।
  22. ৮১. 'শবনম' উপন্যাস কার লেখা?
    • ক. শওকত ওসমান
    • খ. সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ
    • গ. জহির রায়হান
    • ঘ. সৈয়দ মুজতবা আলী
    উত্তর: ঘ. সৈয়দ মুজতবা আলী
    ‘শবনম’ উপন্যাসের লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী, যা ১৯৬০ সালে প্রকাশিত। এই কথাসাহিত্যিক বিভিন্ন দেশের পরিবেশ ও মানুষের কথা সরস ভঙ্গিতে লিখতেন, আর রম্যরচনার জন্যও খুব পরিচিত। অন্য লেখকদের মধ্যে শওকত ওসমান, জহির রায়হান ও সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ অন্য উপন্যাস লিখেছেন, কিন্তু ‘শবনম’ তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    তাঁর অন্যান্য উপন্যাস: অবিশ্বাস্য, শহর-ইয়ার।
    তাঁর ভ্রমণকাহিনি ‘দেশে বিদেশে’ এবং রম্যরচনা ‘চাচা কাহিনী’।
  23. ৮২. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. অনুসূয়া
    • খ. স্বচ্ছল
    • গ. নিরীক্ষণ
    • ঘ. সম্পূর্ন
    উত্তর: গ. নিরীক্ষণ
    শুদ্ধ বানান ‘নিরীক্ষণ’। তৎসম শব্দে ঋ, র, ষ-এর পরে মূর্ধন্য ‘ণ’ বসে। এখানে ‘ক্ষ’-এর মধ্যে ‘ষ’ আছে, তাই শেষে ‘ণ’ হয়েছে। অন্য বানানগুলো ঠিক নয়: ‘অনুসূয়া’র শুদ্ধ রূপ ‘অনসূয়া’, ‘সম্পূর্ন’-এর শুদ্ধ রূপ ‘সম্পূর্ণ’, আর স্বচ্ছল নয়, ‘সচ্ছল’ লেখাই প্রমিত।
    মনে রাখুন: ‘ক্ষ’-এর পরে মূর্ধন্য ‘ণ’ বসে এমন শব্দ: প্রশিক্ষণ, লক্ষণ, শিক্ষণ, সংরক্ষণ, পর্যবেক্ষণ।
  24. ৯২. কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ?
    • ক. কঙ্কাবতী
    • খ. আরোগ্য
    • গ. রূপসী বাংলা
    • ঘ. বালুচর
    উত্তর: গ. রূপসী বাংলা
    ‘রূপসী বাংলা’ জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ। বাংলার প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা এই কাব্যের মূল সুর। কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে এটি প্রকাশিত হয়। ‘আরোগ্য’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ, ‘বালুচর’ কবি জসীমউদ্দীনের কাব্য, আর ‘কঙ্কাবতী’ আলাদা একটি রচনা, জীবনানন্দের কাব্য নয়।
    মনে রাখুন:
    জীবনানন্দের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির।
    তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।
  25. ৯৭. 'ষ্ণ' কোন দুটি বর্ণের যুক্তরূপ?
    • ক. ষ্+ন
    • খ. ষ্+ঞ
    • গ. ষ্+ণ
    • ঘ. ঞ্+ষ
    উত্তর: গ. ষ্+ণ
    যুক্তবর্ণ ‘ষ্ণ’ গঠিত হয়েছে ‘ষ্’ ও ‘ণ’ মিলে, অর্থাৎ ষ্ + ণ = ষ্ণ। শব্দের উদাহরণ: কৃষ্ণ, বিষ্ণু, উষ্ণ। ‘ক্ষ’ হয় ক্ + ষ দিয়ে এবং ‘জ্ঞ’ হয় জ্ + ঞ দিয়ে। ‘ষ্ণ’-তে ‘ঞ’ বা ‘ন’ নেই, ‘ণ’ই আছে।
    মনে রাখুন:
    হ্ + ম = হ্ম (ব্রহ্ম)।
    ঞ্ + চ = ঞ্চ (পঞ্চ)।
    ঞ্ + জ = ঞ্জ (গঞ্জ)।

বাংলাদেশ

  1. ৫. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কোন তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে?
    • ক. পঞ্চম
    • খ. ষষ্ঠ
    • গ. সপ্তম
    • ঘ. একাদশ
    উত্তর: গ. সপ্তম
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করে। বাংলাদেশের সংবিধানে এটি সংযোজিত হয়েছে সপ্তম তফসিলে। এর আগের দুটি তফসিলেও স্বাধীনতার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল আছে: পঞ্চম তফসিলে আছে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ এবং ষষ্ঠ তফসিলে আছে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
    মনে রাখুন:
    ঘোষণাপত্রটি ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (মুজিবনগর) পাঠ করা হয়।
    অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
  2. ৭. বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত কোনটি?
    • ক. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
    • খ. হিমায়িত মৎস্য
    • গ. পাট ও পাটজাত দ্রব্য
    • ঘ. ঔষধ
    উত্তর: ক. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
    বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক। এর পরের স্থানে আছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, তারপর পাট ও পাটজাত দ্রব্য, হিমায়িত খাদ্য প্রভৃতি। রপ্তানি আয়ের হিসাব রাখে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB)। ২০২২-২৩ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে আয় ছিল প্রায় ১২২ কোটি ডলার, আর পাট থেকে আয় ছিল প্রায় ৯১ কোটি ডলার।
    মনে রাখুন: তৈরি পোশাক খাত একাই দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি জোগান দেয়।
  3. ১৪. বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
    • ক. রাঙামাটি
    • খ. বান্দরবান
    • গ. খাগড়াছড়ি
    • ঘ. কক্সবাজার
    উত্তর: ক. রাঙামাটি
    বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র রাঙামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত। এর মাধ্যমে ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পায়। এটি দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র। পাহাড়ি অঞ্চলে হওয়ায় এখান থেকে উপগ্রহ সংকেত ধরা সহজ।
    মনে রাখুন:
    দেশের দ্বিতীয় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি গাজীপুরের তালিবাবাদে অবস্থিত।
    বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু-১ ২০১৮ সালের ১২ মে মহাকাশে পাঠানো হয়।
  4. ১৭. মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
    • ক. রংপুর
    • খ. দিনাজপুর
    • গ. বগুড়া
    • ঘ. সিলেট
    উত্তর: খ. দিনাজপুর
    মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার মধ্যপাড়া এলাকায় অবস্থিত। ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (GSB) ১৯৭৪ সালে এখানে মাটির অনেক গভীরে গ্রানাইট জাতীয় কঠিন শিলার সন্ধান পায়। এই শিলা সড়ক ও দালান নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে মাটির নিচে এত কঠিন শিলা পাওয়া বিরল, তাই এই খনি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের কয়লা খনি বড়পুকুরিয়া দিনাজপুরে অবস্থিত।
    চীনামাটি পাওয়া যায় নেত্রকোনার বিজয়পুরে।
  5. ২৪. বাংলাদেশের প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান—
    • ক. BARI
    • খ. BRRI
    • গ. BINA
    • ঘ. BADC
    উত্তর: ঘ. BADC
    বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও কৃষকদের কাছে সরবরাহ করে। উচ্চফলনশীল জাতের বীজ ছাড়াও এটি সার ও সেচের কাজে যুক্ত। অন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাজ গবেষণা: BRRI ধান নিয়ে, BARI বিভিন্ন ফসল নিয়ে এবং BINA পরমাণু কৃষি নিয়ে গবেষণা করে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান নতুন জাত উদ্ভাবন করে, আর সেই জাতের বীজ বড় আকারে কৃষকের হাতে পৌঁছে দেয় BADC।
    মনে রাখুন:
    BRRI (বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট) গাজীপুরে অবস্থিত।
    BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) গাজীপুরে অবস্থিত।
    BINA (বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) ময়মনসিংহে অবস্থিত।
  6. ৩৫. বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন নদীর সংখ্যা কতটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০২২
    • ক. ৫১
    • খ. ৬১
    • গ. ৫৪
    • ঘ. ৫৬
    উত্তর: গ. ৫৪
    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্য দিয়ে যে নদীগুলো বয়ে গেছে এবং যেগুলো দুই দেশের অভিন্ন, যৌথ নদী কমিশনের হিসাবে সেগুলোর সংখ্যা ৫৪। বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের অভিন্ন নদী আরও ৩টি। এভাবে বাংলাদেশের মোট ৫৭টি অভিন্ন নদীর মধ্যে ৫৪টিই ভারতের সঙ্গে।
    মনে রাখুন:
    ভারতের সঙ্গে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টনে ১৯৯৬ সালে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি হয়।
    চুক্তিটির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হচ্ছে।
    যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয় ১৯৭২ সালে।
  7. ৩৯. 'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
    • ক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    • খ. বিজয় সরণী
    • গ. চারুকলা অনুষদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
    • ঘ. বুয়েট
    উত্তর: ক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    ‘অপরাজেয় বাংলা’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত একটি ভাস্কর্য, যা মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে তৈরি। ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ এটি নির্মাণ করেন। ভাস্কর্যটিতে তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে একসঙ্গে দেখা যায়, যা মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ঐক্যের প্রতীক। বিজয় সরণী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটে এই ভাস্কর্য নেই।
    মনে রাখুন: জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
  8. ৪৯. বিশ্বে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
    • ক. ১ম
    • খ. ২য়
    • গ. ৩য়
    • ঘ. ৪র্থ
    উত্তর: গ. ৩য়
    ধান উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম চীন, দ্বিতীয় ভারত এবং তৃতীয় বাংলাদেশ। ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য, এবং আউশ, আমন ও বোরো মৌসুমে এর চাষ হয়। দেশের কৃষিজমির বড় অংশেই ধান চাষ হয়, তাই এটি আমাদের খাদ্যনিরাপত্তার ভিত্তি।
    মনে রাখুন:
    শীর্ষ ধান রপ্তানিকারক দেশ ভারত।
    শীর্ষ ধান আমদানিকারক দেশ ফিলিপাইন।
    বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় বোরো মৌসুমে।
  9. ৫১. পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবি কে উপস্থাপন করেন?
    • ক. আব্দুল মতিন
    • খ. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
    • গ. শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক
    • ঘ. মওলানা ভাসানী
    উত্তর: খ. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
    ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে কুমিল্লার কংগ্রেস সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের ভাষা হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দেন। এটিই ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম আনুষ্ঠানিক দাবি। প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান প্রস্তাবটির তীব্র বিরোধিতা করেন এবং তা নাকচ হয়ে যায়।
    মনে রাখুন: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে কুমিল্লা থেকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। আবদুল মতিনকে ‘ভাষা মতিন’ বলা হয়।
  10. ৬৯. তারামন বিবি বীরপ্রতীক কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৭
    • ক. ১নং
    • খ. ৯নং
    • গ. ১০নং
    • ঘ. ১১নং
    উত্তর: ঘ. ১১নং
    বীরপ্রতীক তারামন বিবি মুক্তিযুদ্ধের সময় ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। তিনি কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর গ্রামের মেয়ে। তাঁর বীরত্বের জন্য সরকার তাঁকে ‘বীরপ্রতীক’ খেতাবে ভূষিত করে। তিনি ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর মারা যান।
    মনে রাখুন:
    মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাব পাওয়া দুজন নারী হলেন তারামন বিবি ও সিতারা বেগম।
    তিনি যে সেক্টরে যুদ্ধ করেন সেটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
  11. ৭১. ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন?
    • ক. হাসান হাফিজুর রহমান
    • খ. সৈয়দ শামসুল হক
    • গ. আবু বকর সিদ্দিক
    • ঘ. সরদার ফজলুল করিম
    উত্তর: ক. হাসান হাফিজুর রহমান
    ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলনগ্রন্থ ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সম্পাদনা করেন কবি ও সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান। বইটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। এতে কবিতা, গল্প, গান ও নকশা স্থান পেয়েছে। সংকলনটি ভাষা আন্দোলনের পর সাহিত্যে একুশের প্রভাব ধরে রাখার প্রথম বড় প্রয়াস।
    মনে রাখুন:
    আবদুল গাফফার চৌধুরীর ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ কবিতা প্রথম এই সংকলনেই ছাপা হয়।
    হাসান হাফিজুর রহমান ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র’ সম্পাদনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
  12. ৭৫. 'ভাসানচর' কোন জেলায় অবস্থিত?
    • ক. পিরোজপুর
    • খ. পটুয়াখালী
    • গ. ভোলা
    • ঘ. নোয়াখালী
    উত্তর: ঘ. নোয়াখালী
    ভাসানচর নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি চর। মেঘনার মোহনায় বঙ্গোপসাগরের কাছে জেগে ওঠা এই চর ‘চর ঈশ্বর’ ইউনিয়নের অংশ। সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একাংশকে এখানে স্থানান্তরিত করেছে। নদীর পলি জমে এমন নতুন চর তৈরি হয়, আর সময়ের সঙ্গে তা বসবাসের উপযোগী হয়ে ওঠে।
    মনে রাখুন: ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর শুরু হয় ২০২০ সালের ডিসেম্বরে।
  13. ৮৬. নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
    • ক. নবম
    • খ. একাদশ
    • গ. ত্রয়োদশ
    • ঘ. পঞ্চদশ
    উত্তর: ঘ. পঞ্চদশ
    নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে যুক্ত হয়েছিল ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। পরে ২০১১ সালের ৩০ জুন পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। তাই বাতিলের প্রশ্নে উত্তর পঞ্চদশ, আর ত্রয়োদশ হলো যুক্ত করার সংশোধনী।
    মনে রাখুন:
    ত্রয়োদশ সংশোধনী পাস হয় ১৯৯৬ সালের মার্চে।
    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান থাকতেন প্রধান উপদেষ্টা এবং এর কাজ ছিল সংসদ নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা করা।
  14. ৮৯. বাংলাদেশের কোন গ্যাসক্ষেত্র থেকে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে?
    • ক. বিবিয়ানা
    • খ. তিতাস
    • গ. হরিপুর
    • ঘ. কৈলাশটিলা
    উত্তর: ক. বিবিয়ানা
    বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উৎপাদিত হয় হবিগঞ্জ জেলার বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে। এটি দেশের মোট গ্যাস উৎপাদনের একটি বড় অংশ জোগান দেয়। তবে গ্যাসের মজুদের হিসাবে তিতাস বড়, তাই উৎপাদন ও মজুদের প্রশ্নে দুটি মিলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    সিলেটের হরিপুরে ১৯৫৫ সালে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়।
    তিতাস গ্যাসক্ষেত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত।
    কৈলাশটিলা সিলেটে অবস্থিত।
  15. ৯৪. ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস কোনটি?
    • ক. ১০ জানুয়ারি
    • খ. ২৪ জানুয়ারি
    • গ. ১১ ফেব্রুয়ারি
    • ঘ. ২৮ ফেব্রুয়ারি
    উত্তর: খ. ২৪ জানুয়ারি
    ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি আইয়ুব খানের শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় ঢাকায় পুলিশের গুলিতে নবকুমার ইনস্টিটিউটের ছাত্র মতিউর রহমান নিহত হন। এ ঘটনায় আন্দোলন আরও তীব্র হয়। এ কারণে প্রতিবছর ২৪ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়।
    মনে রাখুন: ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের পরিণতিতে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার হয় এবং শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি পান।
    হালনাগাদ: ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের পর ৫ আগস্টকেও ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
  16. ৯৬. শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
    • ক. ২০১০
    • খ. ২০১২
    • গ. ২০১৭
    • ঘ. ২০১৯
    উত্তর: খ. ২০১২
    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে, দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (UPL) থেকে। বইটি তিনি ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে কারাগারে বসে খাতায় লিখেছিলেন। খাতাগুলো দীর্ঘদিন পরিবারের কাছে সংরক্ষিত ছিল, পরে তা বই আকারে প্রকাশ পায়।
    মনে রাখুন:
    তাঁর আরও দুটি বই ‘কারাগারের রোজনামচা’ (২০১৭) ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।
    এই বইগুলো তাঁর মৃত্যুর অনেক পরে প্রকাশিত হয়।

আন্তর্জাতিক

  1. ৯. 'এস-৪০০' ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?
    • ক. বুলগেরিয়া
    • খ. ইসরায়েল
    • গ. রাশিয়া
    • ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: গ. রাশিয়া
    এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ (S-400 Triumph) রাশিয়ার তৈরি একটি দূরপাল্লার বিমানবিধ্বংসী ও ক্ষেপণাস্ত্রবিধ্বংসী প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। এর সর্বোচ্চ পাল্লা প্রায় ৪০০ কিলোমিটার, আর নামের ‘৪০০’ সংখ্যাটি সেটিই মনে করিয়ে দেয়। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল বা বুলগেরিয়া এটি তৈরি করে না।
    মনে রাখুন:
    তুরস্ক ও ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে এই ব্যবস্থা কিনেছে।
    ইসরায়েলের নিজস্ব প্রতিরক্ষাব্যবস্থার নাম আয়রন ডোম।
  2. ১৮. Who wrote the book 'Truganini : Journey Through the Apocalypse'?
    • ক. Yuval Noah Harari
    • খ. Anita Heiss
    • গ. Cassandra Pybus
    • ঘ. David Unaipon
    উত্তর: গ. Cassandra Pybus
    ‘Truganini: Journey Through the Apocalypse’ বইটির লেখক অস্ট্রেলীয় ইতিহাসবিদ ক্যাসান্ড্রা পাইবাস (Cassandra Pybus)। বইটি টাসমানিয়ার আদিবাসী নারী ট্রুগানিনির জীবনের কাহিনি। ইউরোপীয়দের আগমনের পর তাঁর জাতির মানুষ কীভাবে ধ্বংসের মুখে পড়েছিল, বইয়ে তার বিবরণ আছে। ইউভাল নোয়া হারারি ‘Sapiens’ বইয়ের লেখক হিসেবে পরিচিত, আর ডেভিড উনাইপন ছিলেন একজন আদিবাসী অস্ট্রেলীয় লেখক।
    মনে রাখুন: টাসমানিয়া অস্ট্রেলিয়ার একটি দ্বীপরাজ্য।
  3. ১৯. আন্তর্জাতিক অপরাধ বিষয়ক আদালত কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    • ক. ১৯৯৮
    • খ. ২০০৩
    • গ. ২০০৯
    • ঘ. ২০১৩
    উত্তর: ক. ১৯৯৮
    আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (International Criminal Court, ICC) গঠনের ভিত্তি হলো রোম সংবিধি (Rome Statute), যা ১৯৯৮ সালের ১৭ জুলাই গৃহীত হয়। সংবিধিটি কার্যকর হয় ২০০২ সালের ১ জুলাই, আর আদালত কাজ শুরু করে তার পরে। প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠার সাল হিসেবে ১৯৯৮ই উত্তর। এই আদালত জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচারালয় (ICJ) থেকে আলাদা, কারণ ICJ রাষ্ট্রগুলোর বিরোধ মেটায়, আর ICC ব্যক্তির অপরাধের বিচার করে।
    মনে রাখুন:
    আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে।
    বিচারক ১৮ জন এবং তাঁদের মেয়াদ ৯ বছর।
    গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এই আদালতে হয়।
  4. ২৬. ভারতের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতুর নাম কী?
    • ক. ভারত-রাশিয়া মৈত্রী
    • খ. অটল সেতু
    • গ. আরব সাগর সেতু
    • ঘ. অযোধ্যা সেতু
    উত্তর: খ. অটল সেতু
    ভারতের দীর্ঘতম সমুদ্রসেতুর নাম ‘অটল সেতু’। পুরো নাম অটল বিহারী বাজপেয়ী সেওরি–নাভা শেভা অটল সেতু। এটি মুম্বাই শহরকে নবি মুম্বাইয়ের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২১.৮ কিলোমিটার। সেতুটি ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উদ্বোধন করা হয়। এর ফলে দুই এলাকার মধ্যে যাতায়াতের সময় অনেক কমে যায়।
    মনে রাখুন: এর আগে মুম্বাইয়ের বান্দ্রা–ওরলি সী লিংক ছিল সুপরিচিত সমুদ্রসেতু।
  5. ৩৩. যুক্তরাজ্যের বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান কে?
    • ক. ঋষি সুনাক
    • খ. রানি এলিজাবেথ
    • গ. কিং চার্লস-৩য়
    • ঘ. প্রিন্স উইলিয়াম
    উত্তর: গ. কিং চার্লস-৩য়
    যুক্তরাজ্য একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র, তাই দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান রাজা বা রানি। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মারা যাওয়ার পর তাঁর পুত্র তৃতীয় চার্লস রাজা হন। ঋষি সুনাক সরকারপ্রধান (প্রধানমন্ত্রী) ছিলেন, রাষ্ট্রপ্রধান নন। প্রিন্স উইলিয়াম সিংহাসনের উত্তরাধিকারী।
    মনে রাখুন: রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান যুক্তরাজ্যে আলাদা ব্যক্তি। রাজা বা রানি আনুষ্ঠানিক প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী শাসনকাজ পরিচালনা করেন।
  6. ৪২. ইসরায়েল ও গাজার সাম্প্রতিক সংঘর্ষ শুরু হয় কত তারিখে?
    • ক. ৭ অক্টোবর ২০২৩
    • খ. ১৫ অক্টোবর ২০২৩
    • গ. ৭ নভেম্বর ২০২৩
    • ঘ. ২১ নভেম্বর ২০২৩
    উত্তর: ক. ৭ অক্টোবর ২০২৩
    ইসরায়েল ও গাজার সাম্প্রতিক সংঘর্ষ শুরু হয় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। ওই দিন হামাস ইসরায়েলে অতর্কিত আক্রমণ চালায় এবং নাম দেয় ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’। এর পাল্টা জবাবে ইসরায়েল গাজায় ‘আয়রন সোর্ডস’ নামে অভিযান শুরু করে। এই তারিখই দুই পক্ষের সাম্প্রতিক যুদ্ধের সূচনা, তাই নভেম্বরের তারিখগুলো ভুল।
    মনে রাখুন: হামাস ফিলিস্তিনের একটি সশস্ত্র সংগঠন, যারা গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ করত।
    হালনাগাদ: ২০২৫ সালের অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।
  7. ৬৩. জাপান কততম দেশ হিসেবে চাঁদে মহাশূন্যযান প্রেরণ করেছে?
    • ক. পঞ্চম
    • খ. তৃতীয়
    • গ. ষষ্ঠ
    • ঘ. চতুর্থ
    উত্তর: ক. পঞ্চম
    জাপান চাঁদে সফলভাবে মহাকাশযান নামানো পঞ্চম দেশ। এর আগে এ কাজে সফল হয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন (পরে রাশিয়া), যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ভারত। জাপানের মহাকাশযান SLIM, যার ডাকনাম ‘মুন স্নাইপার’, ২০২৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয় এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এটি চাঁদে নামে। যানটি নির্দিষ্ট জায়গার খুব কাছে নামার নির্ভুলতার জন্য এই ডাকনাম পায়।
    মনে রাখুন: ভারতের চন্দ্রযান-৩ ২০২৩ সালের আগস্টে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ করে।
  8. ৮৩. ম্যাকাও কত সালে চীনের নিকট হস্তান্তর করা হয়?
    • ক. ১৯৯৭
    • খ. ১৯৯৯
    • গ. ২০০০
    • ঘ. ২০১৮
    উত্তর: খ. ১৯৯৯
    পর্তুগাল ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর ম্যাকাও চীনের কাছে হস্তান্তর করে। প্রায় সাড়ে চার শতক ধরে ম্যাকাও পর্তুগিজ শাসনে ছিল। এর আগে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটেন হংকং চীনকে ফিরিয়ে দিয়েছিল। দুটি অঞ্চলই এখন চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল (SAR)। তাই ১৯৯৭ সাল হংকংয়ের হস্তান্তরের বছর, ম্যাকাওয়ের নয়।
    মনে রাখুন: ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতির আওতায় হংকং ও ম্যাকাও নিজস্ব অর্থনৈতিক ও আইনি ব্যবস্থা বজায় রাখে।
  9. ৮৪. 'দিয়াগো গার্সিয়া' কোন দেশের অধীনে?
    • ক. অস্ট্রেলিয়া
    • খ. নিউজিল্যান্ড
    • গ. যুক্তরাজ্য
    • ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: গ. যুক্তরাজ্য
    দিয়াগো গার্সিয়া ভারত মহাসাগরের চাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি প্রবাল দ্বীপ। ব্রিটিশ ভারত মহাসাগর অঞ্চল (BIOT) হিসেবে এটি যুক্তরাজ্যের অধীনে ছিল। যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে লিজ নিয়ে এখানে একটি বড় নৌ ও বিমান ঘাঁটি গড়ে তুলেছে। এ কারণে অনেকে ভুল করে দ্বীপটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অধীন ভাবেন।
    হালনাগাদ: ২০২৫ সালের মে মাসে যুক্তরাজ্য ও মরিশাস চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাসকে দেওয়ার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি অনুযায়ী দিয়াগো গার্সিয়ার ঘাঁটি যুক্তরাজ্য দীর্ঘমেয়াদে ইজারা নেবে।
  10. ৯৩. ২০২৪ সালের অলিম্পিক সেশন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
    • ক. কাতার
    • খ. ফ্রান্স
    • গ. কানাডা
    • ঘ. জার্মানি
    উত্তর: খ. ফ্রান্স
    ২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে। এটি ছিল ৩৩তম আধুনিক অলিম্পিক। এর পরের আসর, অর্থাৎ ২০২৮ সালের ৩৪তম অলিম্পিক, যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হবে। কাতার, কানাডা বা জার্মানি ২০২৪ সালের আয়োজক ছিল না।
    মনে রাখুন: প্যারিস এর আগে ১৯০০ ও ১৯২৪ সালেও অলিম্পিকের আয়োজক ছিল।

বিজ্ঞান

  1. ১৫. থাইমাস গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন কোনটি?
    • ক. থাইরক্সিন
    • খ. প্যারাথাইরক্সিন
    • গ. থাইমোসিন
    • ঘ. থাইরোট্রপিন
    উত্তর: গ. থাইমোসিন
    বক্ষগহ্বরে হৃৎপিণ্ডের ঠিক ওপরে থাইমাস (Thymus) নামে একটি গ্রন্থি থাকে, যা থেকে থাইমোসিন (Thymosin) হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন শ্বেত রক্তকণিকার একটি ধরন টি-লিম্ফোসাইটকে (T-cell) পরিপক্ব করে তোলে, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শিশুকালে থাইমাস বড় থাকে, আর বয়ঃসন্ধির পর ধীরে ধীরে ছোট হয়ে যায়।
    মনে রাখুন: থাইরক্সিন নিঃসৃত হয় থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে, আর প্যারাথরমোন নিঃসৃত হয় প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থেকে।
  2. ৬৭. শব্দ কোন ধরনের তরঙ্গ?
    • ক. তির্যক তরঙ্গ
    • খ. তাড়িত চৌম্বক তরঙ্গ
    • গ. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
    • ঘ. বেতার তরঙ্গ
    উত্তর: গ. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
    শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। শব্দ যখন বাতাসে চলে, তখন বাতাসের কণাগুলো তরঙ্গ চলার দিকেই সামনে-পেছনে কাঁপে। যে তরঙ্গে মাধ্যমের কণা তরঙ্গের গতির দিকেই কাঁপে, তাকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ (Longitudinal wave) বলে। তাই শব্দ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। আলো ও বেতার তরঙ্গ তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ, আর তাদের চলতে কোনো মাধ্যম লাগে না।
    মনে রাখুন:
    অনুপ্রস্থ তরঙ্গে কণা তরঙ্গের দিকের লম্বভাবে কাঁপে, যেমন পানির ঢেউ।
    শব্দ চলতে মাধ্যম লাগে, তাই শূন্যস্থানে শব্দ চলে না।
  3. ৮৫. লেন্সের ক্ষমতার একক কোনটি?
    • ক. ডায়াপটার
    • খ. ওয়াট
    • গ. অশ্বক্ষমতা
    • ঘ. কিলোওয়াট-ঘণ্টা
    উত্তর: ক. ডায়াপটার
    লেন্সের ক্ষমতা (Power of Lens) বলতে বোঝায় লেন্সটি আলোকরশ্মিকে কতটা জোরালোভাবে বাঁকাতে পারে। যে লেন্সের ফোকাস দূরত্ব যত কম, তার ক্ষমতা তত বেশি। তাই ক্ষমতা P = 1/f, যেখানে f মিটারে মাপা হয়। সুতরাং এর একক হয় মিটারের উল্টো (m⁻¹), আর এই এককেরই নাম ডায়াপটার (Dioptre, D)। বাকি তিনটি একক লেন্সের সঙ্গে সম্পর্কহীন: ওয়াট ও অশ্বক্ষমতা কাজ করার হারের একক, আর কিলোওয়াট-ঘণ্টা শক্তির একক।
    উদাহরণ: ফোকাস দূরত্ব 0.5 m হলে P = 1/0.5 = 2 D।
    মনে রাখুন:
    উত্তল লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক এবং অবতল লেন্সের ক্ষমতা ঋণাত্মক ধরা হয়।
    ১ অশ্বক্ষমতা (Horse Power) = 746 ওয়াট।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ২৭. পৃথিবীর পুরো শক্তির কত ভাগ নবায়নযোগ্য শক্তি?
    • ক. ১/৩ ভাগ
    • খ. ১/৪ ভাগ
    • গ. ১/৫ ভাগ
    • ঘ. ১/৬ ভাগ
    উত্তর: গ. ১/৫ ভাগ
    বিশ্বে মোট যে শক্তি ব্যবহৃত হয়, তার বড় অংশ এখনো কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে আসে। সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুৎ ও জৈববস্তুর মতো নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে মোট চূড়ান্ত শক্তি ব্যবহারের প্রায় ৫ ভাগের ১ ভাগ, অর্থাৎ প্রায় ২০ শতাংশ। নবায়নযোগ্য শক্তি বারবার প্রকৃতি থেকে পাওয়া যায় এবং এতে কার্বন নিঃসরণ খুব কম হয়।
    মনে রাখুন: নবায়নযোগ্য উৎসের মধ্যে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ আসে জলবিদ্যুৎ থেকে। বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে।

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন