জাতীয় সংসদ সচিবালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৫ মে ২০২৩। ৯৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলাদেশ
- ১. মাস্টারদা সূর্যসেনের সহযোগী কে ছিলেন?
- ক. ইলা মিত্র
- খ. তিতুমীর
- গ. প্রীতিলতা
- ঘ. ক্ষুদিরাম
উত্তর: গ. প্রীতিলতা
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ছিলেন মাস্টারদা সূর্য সেনের বিপ্লবী দলের নারী সদস্য। সূর্য সেনের নেতৃত্বে ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠন হয়। এরপর প্রীতিলতা ১৯৩২ সালে পাহাড়তলীর ইউরোপীয় ক্লাবে আক্রমণে নেতৃত্ব দেন এবং ধরা পড়ার আগে বিষ খেয়ে প্রাণ দেন। ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী, তিতুমীর বাঁশের কেল্লার যুদ্ধের এবং ক্ষুদিরাম বসু মুজাফফরপুরের বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত।
মনে রাখুন:
সূর্য সেনকে ১৯৩৪ সালে ফাঁসি দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহে কল্পনা দত্ত, গণেশ ঘোষ ও অনন্ত সিংহ অংশ নেন। - ৭. নিম্নের কোন দুটি দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে?
- ক. নেপাল ও ভারত
- খ. ভারত ও ভুটান
- গ. মায়ানমার ও ভারত
- ঘ. ভারত ও শ্রীলংকা
উত্তর: গ. মায়ানমার ও ভারত
বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত মাত্র দুটি দেশের সঙ্গে: ভারত ও মিয়ানমার। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিক জুড়ে, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,১৫৬ কিলোমিটার। দক্ষিণ-পূর্বে বান্দরবান ও রাঙামাটির পাশে মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত। নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি সীমানা নেই, কারণ এই দুই দেশের মাঝখানে ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর রয়েছে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে তিন দিক থেকেই এটি প্রায় ভারত দ্বারা বেষ্টিত, শুধু দক্ষিণ-পূর্ব কোণে মিয়ানমারের সঙ্গে সামান্য সীমান্ত আছে। এ জন্য দেশের স্থলসীমানার সিংহভাগই ভারতের সঙ্গে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সমুদ্রপথেও সীমানা নেই।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত আছে। - ২০. মাত্র একটি সংসদীয় আসন কোন জেলায়?
- ক. মেহেরপুর
- খ. ঝালকাঠি
- গ. বান্দরবান
- ঘ. লক্ষ্মীপুর
উত্তর: গ. বান্দরবান
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি। জেলার লোকসংখ্যা অনুযায়ী আসনসংখ্যা ঠিক হয়। পার্বত্য তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে জনসংখ্যা কম, তাই প্রতিটিতে একটি করে আসন। মেহেরপুর ও ঝালকাঠিতে আসন ২টি করে এবং লক্ষ্মীপুরে ৪টি। তাই প্রশ্নের চারটি জেলার মধ্যে মাত্র একটি আসন আছে, এমন জেলা বান্দরবান।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে বেশি আসন ঢাকা জেলায়।
সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি, তাই মোট সংসদ সদস্য ৩৫০ জন।
রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান, এই তিন পার্বত্য জেলায় একটি করে আসন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে সংসদের গঠন বর্ণিত আছে। - ২১. চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কোন সালে প্রবর্তন করা হয়?
- ক. ১৭৯৩
- খ. ১৭৯৬
- গ. ১৮৫৭
- ঘ. ১৯০৫
উত্তর: ক. ১৭৯৩
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (Permanent Settlement) চালু হয় ১৭৯৩ সালে। তখন ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড কর্নওয়ালিস। এই ব্যবস্থায় জমিদারদের জন্য রাজস্বের হার চিরদিনের জন্য ঠিক করে দেওয়া হয়, আর তাঁরা জমির মালিক হিসেবে স্বীকৃত হন। নির্দিষ্ট দিনে খাজনা জমা না দিলে জমিদারি নিলামে উঠত, যা ‘সূর্যাস্ত আইন’ নামে পরিচিত। ১৭৯৬ বা ১৯০৫ সাল এই ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, আর ১৮৫৭ সাল সিপাহি বিদ্রোহের বছর।
মনে রাখুন:
এর আগে ১৭৯০ সালে দশশালা বন্দোবস্ত চালু হয়েছিল।
১৯৫০ সালে পূর্ব বঙ্গে ‘রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন’ দিয়ে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়। - ২৪. 'শুভলং ঝরনা' কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. রাঙ্গামাটি
- খ. বান্দরবান
- গ. সিলেট
- ঘ. কক্সবাজার
উত্তর: ক. রাঙ্গামাটি
শুভলং ঝরনা রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত। কাপ্তাই হ্রদে নৌকায় ভ্রমণ করে এখানে যাওয়া যায়, তাই জায়গাটি পর্যটকদের কাছে খুব জনপ্রিয়। পাহাড়ের ঢালে বর্ষা মৌসুমে ঝরনার স্রোত বেশি থাকে বলে তখন এর রূপ সবচেয়ে সুন্দর হয়। বান্দরবান, সিলেট বা কক্সবাজারেও পর্যটনের জায়গা আছে, কিন্তু শুভলং ঝরনা সেসব জেলায় নয়, তাই জায়গার নাম আর জেলা একসঙ্গে মনে রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
বান্দরবানের বিখ্যাত জলপ্রপাত: নাফাখুম, শৈলপ্রপাত।
সিলেটের মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজারের বড়লেখায়। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত হিসেবে পরিচিত।
কাপ্তাই হ্রদ কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে তৈরি, এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম হ্রদ। - ২৭. বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি হয়-আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. ১৯৭২ সালে
- খ. ১৯৭৪ সালে
- গ. ১৮৭৬ সালে
- ঘ. ১৯৭৫ সালে
উত্তর: খ. ১৯৭৪ সালে
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি (Census) হয় ১৯৭৪ সালে। তখন দেশের মোট জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাত কোটি দশ লক্ষ। এরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে শুমারি হয়েছে, অর্থাৎ এ পর্যন্ত মোট ছয়টি শুমারি হলো। সাধারণত প্রতি দশ বছর পরপর এই শুমারি করার নিয়ম, আর কাজটি করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ১৮৭২ সালে ব্রিটিশ ভারতে প্রথম আদমশুমারি হয়েছিল, তবে সেটি স্বাধীন বাংলাদেশের নয়। আবার ১৯৭২ সাল ছিল স্বাধীনতার পরের প্রথম বছর, তখন শুমারি হয়নি।
মনে রাখুন:
২০২২ সালের শুমারি ১৫ থেকে ২১ জুন চলে।
তখন জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ কোটি ৫২ লক্ষ। - ৪১. আইন প্রণয়নের ক্ষমতা কার হাতে?
- ক. আইন মন্ত্রণালয়
- খ. রাষ্ট্রপতি
- গ. স্পিকার
- ঘ. জাতীয় সংসদ
উত্তর: ঘ. জাতীয় সংসদ
আমাদের সংবিধানের ৬৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে। এই সংসদ এক কক্ষবিশিষ্ট (Unicameral)। রাষ্ট্রপতি সংসদ পাস করা বিলে সম্মতি দেন, কিন্তু নিজে আইন তৈরি করেন না। আইন মন্ত্রণালয় আইনের খসড়া তৈরিতে সাহায্য করে, আর স্পিকার সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করেন। অর্থাৎ আইন তৈরির চূড়ান্ত ক্ষমতা কেবল সংসদের, অন্যদের ভূমিকা সহায়ক। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের বাইরে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান আইন প্রণয়নের মূল ক্ষমতা পায় না, তাই উত্তর জাতীয় সংসদ।
মনে রাখুন:
সংসদের মোট আসন ৩৫০টি, এর মধ্যে সরাসরি নির্বাচিত ৩০০ এবং সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি।
সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। - ৪৬. বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. খুলনা
- খ. ঠাকুরগাঁও
- গ. দিনাজপুর
- ঘ. জয়পুরহাট
উত্তর: গ. দিনাজপুর
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত। এখান থেকে ভূগর্ভ খুঁড়ে কয়লা তোলা হয়, আর এই কয়লায় পাশের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চলে। বাংলাদেশের একমাত্র চালু কয়লাখনি এটিই। খনিটি ১৯৮৫ সালে আবিষ্কৃত হয়। দিনাজপুরের আরও কয়লাক্ষেত্র দীঘিপাড়া ও ফুলবাড়ী। দেশে প্রথম কয়লা পাওয়া যায় জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে, ১৯৬২ সালে, কিন্তু সেই কয়লা অনেক গভীরে বলে তোলা সহজ নয়। কয়লা আমাদের দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি, তবে মজুত সীমিত।
মনে রাখুন:
রংপুরের খালাসপীরেও কয়লা পাওয়া গেছে।
জয়পুরহাটের কয়লা প্রায় ১০০০ মিটার নিচে। - ৫২. টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে কে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন?
- ক. মুশফিকুর রহিম
- খ. তামিম ইকবাল
- গ. লিটন দাস
- ঘ. সাকিব আল হাসান
উত্তর: ক. মুশফিকুর রহিম
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম দ্বিশতরান করেন মুশফিকুর রহিম। ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গলে তিনি ২০০ রান করেন। এরপর ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়েলিংটনে সাকিব আল হাসান ২১৭ রান করেন, ফলে সাকিবের ইনিংসটি দ্বিতীয় দ্বিশতরান। মুশফিক পরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০১৮ সালে অপরাজিত ২১৯ রানেরও একটি ইনিংস খেলেন। টেস্ট ক্রিকেটে দ্বিশতরান মানে এক ইনিংসে কমপক্ষে ২০০ রান করা।
মনে রাখুন:
মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান, যিনি টেস্টে একাধিক দ্বিশতরান করেছেন।
বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।
মোহাম্মদ আশরাফুল ২০০১ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে টেস্ট সেঞ্চুরি করে ইতিহাস গড়েন। - ৯৩. ECNEC-এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি কে?
- ক. অর্থমন্ত্রী
- খ. প্রধানমন্ত্রী
- গ. পরিকল্পনা মন্ত্রী
- ঘ. রাষ্ট্রপতি
উত্তর: খ. প্রধানমন্ত্রী
একনেক (ECNEC) পুরো নাম Executive Committee of the National Economic Council। এটি বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ কমিটি। সাধারণ নিয়মে প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতি, আর অর্থমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি হিসেবে থাকেন। ২০২৪ সালের আগস্টের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রধান উপদেষ্টা সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। অর্থাৎ সরকারের প্রধান যিনি, তিনিই এই কমিটির সভাপতি, এ কারণে অর্থমন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি সভাপতি নন।
মনে রাখুন:
একনেকের সভা সাধারণত শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে হয়।
প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের আগে পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) যাচাই করে।
আন্তর্জাতিক
- ২. জাতিসংঘের মহাসচিব কার সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন?
- ক. মার্কিন প্রেসিডেন্ট
- খ. সাধারণ পরিষদ
- গ. নিরাপত্তা পরিষদ
- ঘ. WTO
উত্তর: গ. নিরাপত্তা পরিষদ
জাতিসংঘের চার্টার অনুযায়ী মহাসচিব নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশে সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নিযুক্ত হন। অর্থাৎ প্রথমে নিরাপত্তা পরিষদ একজন প্রার্থীকে সুপারিশ করে, তারপর সাধারণ পরিষদ তাঁকে নিয়োগ দেয়। নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা থাকায় তাঁদের সম্মতি ছাড়া কেউ মহাসচিব হতে পারেন না। মহাসচিবের মেয়াদ পাঁচ বছর এবং তিনি পুনর্নিযুক্ত হতে পারেন।
হালনাগাদ: পর্তুগালের আন্তোনিও গুতেরেস নবম মহাসচিব হিসেবে ২০১৭ সাল থেকে দায়িত্বে আছেন এবং তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে।
মনে রাখুন: প্রথম মহাসচিব নরওয়ের ট্রিগভে লি। - ৯. UNHCR-এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ক. নিউ ইয়র্ক
- খ. রোম
- গ. প্যারিস
- ঘ. জেনেভা
উত্তর: ঘ. জেনেভা
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর UNHCR-এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে। সংস্থাটি ১৯৫০ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিশ্বের শরণার্থীদের সুরক্ষা ও সহায়তা দেয়। সংস্থাটি ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে দুবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে। বাংলাদেশে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় এটি কাজ করছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার সদর দপ্তর বিভিন্ন শহরে। কোনটি কোথায় আছে সেটা মিলিয়ে মুখস্থ করা ভালো। UNHCR-এর কাজ মূলত যুদ্ধ, নির্যাতন বা দুর্যোগের কারণে ঘরছাড়া মানুষকে আশ্রয় ও সহায়তা দেওয়া। বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকটে এর ভূমিকা সুপরিচিত।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউ ইয়র্কে।
FAO-এর সদর দপ্তর রোমে।
UNESCO-এর সদর দপ্তর প্যারিসে।
WHO-এর সদর দপ্তরও জেনেভায়। - ১৮. 'লাদাখ' কোথায় অবস্থিত?
- ক. পাকিস্তান
- খ. ভারত
- গ. চীন
- ঘ. আফগানিস্তান
উত্তর: খ. ভারত
লাদাখ ভারতের উত্তরাংশে হিমালয়ের কোলে অবস্থিত একটি উঁচু মালভূমি অঞ্চল। ২০১৯ সালের আগে এটি জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের অংশ ছিল। ওই বছর ভারত সরকার লাদাখকে আলাদা করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Union Territory) ঘোষণা করে। অঞ্চলটির প্রধান শহর লেহ। উচ্চতা বেশি আর বৃষ্টি কম বলে লাদাখ শীতল মরুভূমির মতো, তাই একে ‘ঠান্ডা মরুভূমি’ও বলা হয়।
মনে রাখুন:
লাদাখের কিছু অংশ নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ আছে। গালওয়ান উপত্যকা এই অঞ্চলেই।
পাংগং হ্রদ এই অঞ্চলের একটি বিখ্যাত লবণাক্ত হ্রদ।
লাদাখের আরেকটি প্রধান শহর কার্গিল। - ৪০. FIFA প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
- ক. ১৯০৪ সালে
- খ. ১৯০৫ সালে
- গ. ১৯১৪ সালে
- ঘ. ১৯২৪ সালে
উত্তর: ক. ১৯০৪ সালে
FIFA-র পুরো নাম ফরাসিতে Fédération Internationale de Football Association। সংস্থাটি ১৯০৪ সালের ২১ মে প্যারিসে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে। বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক সংস্থা হিসেবেই এটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত। প্রতিষ্ঠার সময় এর সদস্য ছিল ইউরোপের মাত্র কয়েকটি দেশ, পরে সারা বিশ্বে সংস্থাটির পরিধি বেড়েছে। ফিফা ফুটবলের নিয়মকানুন তৈরি করে এবং সারা বিশ্বে এই খেলার উন্নয়নে কাজ করে। সংস্থাটির প্রথম সভাপতি ছিলেন ফরাসি রবার্ট গেরিন।
মনে রাখুন:
প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল হয় ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে।
FIFA-র বর্তমান সদস্যসংখ্যা ২১১।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে FIFA-র সদস্য হয়। - ৪৫. পৃথিবীর কোন দেশের নাগরিকদের 'ডাচ' বলা হয়?
- ক. ফ্রান্স
- খ. ব্রাজিল
- গ. নিউজিল্যান্ড
- ঘ. নেদারল্যান্ডস
উত্তর: ঘ. নেদারল্যান্ডস
নেদারল্যান্ডসের নাগরিক ও ভাষাকে ‘ডাচ’ (Dutch) বলা হয়। দেশটির আনুষ্ঠানিক ভাষা ডাচ। দেশটিকে হল্যান্ডও বলা হয়, তবে হল্যান্ড আসলে দেশটির দুটি প্রদেশের নাম, পুরো দেশের নয়। রাজধানী আমস্টারডাম, আর সরকারের বসবার স্থান ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের কেন্দ্র হেগ (The Hague)। অন্য বিকল্পগুলোর নাগরিক পরিচয় আলাদা, তাই ‘ডাচ’ শব্দটি শুনলেই নেদারল্যান্ডসের কথা মনে করা দরকার। ডাচরা বহু শতক ধরে নৌবাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত, আর একসময় তাদের বণিকেরা আমাদের এই উপমহাদেশেও বাণিজ্য করতে এসেছিল।
মনে রাখুন:
ফ্রান্সের নাগরিক ফরাসি, নিউজিল্যান্ডের নাগরিক ‘কিউই’, ব্রাজিলের নাগরিক ব্রাজিলিয়ান।
নেদারল্যান্ডসের জাতীয় ফুল টিউলিপ। - ৪৮. বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
- ক. ১৪৬তম
- খ. ১২৬তম
- গ. ১৩৬তম
- ঘ. ১৪৮তম
উত্তর: গ. ১৩৬তম
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে। এটি ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশন। এর কয়েক দিন পর, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ পরিষদে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন।
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে এবং এর সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। বর্তমানে সদস্য রাষ্ট্র ১৯৩টি। ১৩৬তম সদস্য হওয়ার তথ্যটি সংখ্যার ক্রমসহ আলাদা করে মনে রাখা দরকার, কারণ বিকল্পগুলোর সংখ্যা কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘে বাংলাদেশ: ১৩৬তম সদস্য, ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ (২৯তম অধিবেশন)।
বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ: ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪। - ৫৭. জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
- ক. ট্রিগভে লাই
- খ. কুর্ট ওয়াল্ডহেইম
- গ. পেরেজ দ্যা কুইলার
- ঘ. উথান্ট
উত্তর: ক. ট্রিগভে লাই
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব (Secretary-General) ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভে লাই। তিনি ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। মহাসচিবের মেয়াদ সাধারণত পাঁচ বছর, আর তাঁকে সাধারণ পরিষদ নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশে নিয়োগ দেয়। ২০১৭ সাল থেকে এই দায়িত্বে আছেন পর্তুগালের আন্তোনিও গুতেরেস, যিনি নবম মহাসচিব। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর।
মনে রাখুন:
দ্বিতীয় মহাসচিব: দাগ হ্যামারশোল্ড (সুইডেন)।
তৃতীয়: উ থান্ট (মিয়ানমার), চতুর্থ: কুর্ট ওয়াল্ডহাইম (অস্ট্রিয়া)।
পঞ্চম: হাভিয়ের পেরেজ দে কুয়েইয়ার (পেরু)।
সপ্তম: কফি আনান (ঘানা), অষ্টম: বান কি মুন (দক্ষিণ কোরিয়া)। - ৬৪. 'লাইন অফ কন্ট্রোল' কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী?
- ক. ইসরাইল ও জর্ডান
- খ. ভারত ও পাকিস্তান
- গ. চীন ও তাইওয়ান
- ঘ. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
উত্তর: খ. ভারত ও পাকিস্তান
লাইন অব কন্ট্রোল (Line of Control, সংক্ষেপে LoC) ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীরের সেনা-নিয়ন্ত্রিত বিভাজন রেখা। ১৯৪৯ সালের যুদ্ধবিরতি রেখা পরে ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তিতে ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ নাম পায়। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যবর্তী সীমানা ৩৮তম সমান্তরাল রেখা, এটি আলাদা বিষয়। তাই কোরিয়া বা চীন-তাইওয়ানের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। কাশ্মীর বিষয়ে ভারত ও পাকিস্তানের এই বিরোধ উপমহাদেশের একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক সমস্যা।
মনে রাখুন:
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নাম র্যাডক্লিফ রেখা।
ভারত-চীন সীমান্তে আছে ম্যাকমাহন লাইন ও বাস্তব নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC)।
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তের নাম ডুরান্ড লাইন। - ৬৭. কোন মুসলিম দেশ ইসরাইলকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে?
- ক. বাহরাইন
- খ. সংযুক্ত আরব আমিরাত
- গ. তুরস্ক
- ঘ. মিশর
উত্তর: গ. তুরস্ক
মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর মধ্যে তুরস্ক ১৯৪৯ সালে ইসরাইল রাষ্ট্রকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়। ইসরাইল এর আগের বছর, অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আরব দেশগুলোর মধ্যে মিশর ১৯৭৯ সালে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির পর প্রথম স্বীকৃতি দেয়। এরপর জর্ডান (১৯৯৪) স্বীকৃতি দেয়। ২০২০ সালের আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন সম্পর্ক স্থাপন করে। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে তুরস্কই সবার আগে।
মনে রাখুন:
প্রশ্নে ‘মুসলিম দেশ’ থাকলে তুরস্ক, আর ‘আরব দেশ’ থাকলে মিশর উত্তর হয়।
মরক্কোও ২০২০ সালে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
বাংলাদেশ ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়নি। - ৬৮. মাইকেল অ্যাঞ্জেলো কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
- ক. জার্মানি
- খ. ইতালি
- গ. স্পেন
- ঘ. ফ্রান্স
উত্তর: খ. ইতালি
মাইকেল অ্যাঞ্জেলো (১৪৭৫–১৫৬৪) ইতালির রেনেসাঁস যুগের একজন বিখ্যাত শিল্পী। রেনেসাঁস শব্দের অর্থ নবজাগরণ, আর এর সূচনা ইতালিতেই। মাইকেল অ্যাঞ্জেলো একসঙ্গে ভাস্কর, চিত্রকর ও স্থপতি ছিলেন। ‘ডেভিড’ ও ‘পিয়েতা’ তাঁর বিখ্যাত ভাস্কর্য। রোমের সিস্টিন চ্যাপেলের ছাদের ফ্রেস্কো চিত্র এবং ‘দ্য লাস্ট জাজমেন্ট’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম। তাঁর কাজ আজও ইতালির ফ্লোরেন্স ও রোমের জাদুঘর এবং গির্জায় সংরক্ষিত আছে। রেনেসাঁস শিল্পের আলোচনায় তাঁর নাম সবার আগে আসে।
মনে রাখুন:
রেনেসাঁসের আরেক ইতালীয় শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি, যিনি ‘মোনালিসা’ ও ‘দ্য লাস্ট সাপার’ এঁকেছেন।
রাফায়েলও ইতালির শিল্পী, তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘স্কুল অব এথেন্স’। - ৭২. G-7 এর সদস্য নয় নিম্নের কোন দেশ?
- ক. জাপান
- খ. চীন
- গ. যুক্তরাজ্য
- ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর: খ. চীন
G-7 (Group of Seven) পৃথিবীর সাতটি প্রধান শিল্পোন্নত অর্থনীতির জোট। সদস্য দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা ও জাপান। চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতি হলেও এই জোটের সদস্য নয়। চীন G-20-এর সদস্য। তাই দেশের আকার বা অর্থনীতির বড়ত্ব দেখে নয়, সদস্য তালিকা মুখস্থ রেখেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়।
মনে রাখুন:
রাশিয়া ১৯৯৮ সালে যোগ দিয়ে G-8 হয়েছিল। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর রাশিয়াকে বহিষ্কার করা হয়, আবার জোটের নাম G-7 হয়ে যায়।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন G-7 সম্মেলনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকে। - ৭৪. ব্রিটিশ রাজপরিবারের সরকারি বাসভবনের নাম কী?
- ক. এলিসি প্যালেস
- খ. গ্রান্ড প্যালেস
- গ. বাকিংহাম প্যালেস
- ঘ. টাওয়ার অব লন্ডন
উত্তর: গ. বাকিংহাম প্যালেস
ব্রিটিশ রাজা বা রানির সরকারি বাসভবন ও কর্মস্থল লন্ডনের বাকিংহাম প্যালেস (Buckingham Palace)। রাজকীয় অনুষ্ঠান ও অতিথি সংবর্ধনা এখানে হয়। প্রাসাদের সামনে প্রহরী বদলের অনুষ্ঠানও পর্যটকদের জন্য বিখ্যাত। ১৮৩৭ সালে রানি ভিক্টোরিয়া প্রথম এটিকে রাজার স্থায়ী বাসভবন হিসেবে ব্যবহার শুরু করেন। এলিসি প্যালেস ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের বাসভবন। গ্র্যান্ড প্যালেস ব্যাংককে অবস্থিত। যুক্তরাজ্যের বর্তমান রাজা তৃতীয় চার্লস, যিনি ২০২২ সালে সিংহাসনে বসেন।
মনে রাখুন:
টাওয়ার অব লন্ডনে ব্রিটেনের রাজমুকুটের মণিমুক্তা রাখা আছে। এটি একসময় দুর্গ ও কারাগার ছিল।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিট। - ৭৮. শেনজেন চুক্তি হচ্ছে-
- ক. বাণিজ্য চুক্তি
- খ. কর হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
- গ. অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. অবাধ চলাচল সংক্রান্ত চুক্তি
শেনজেন চুক্তি (Schengen Agreement) ইউরোপের কয়েকটি দেশের মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়ার চুক্তি, ফলে এক দেশের ভিসায় অন্য সদস্য দেশে অবাধে চলাচল করা যায়। চুক্তিটি ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন লুক্সেমবার্গের শেনজেন নামের ছোট শহরে সই হয়। কার্যত এটি চালু হয় ১৯৯৫ সালে। তাই এটি অবাধ চলাচলের চুক্তি, বাণিজ্য বা কর সংক্রান্ত নয়।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালে বুলগেরিয়া ও রোমানিয়ার পূর্ণ যোগদানের পর শেনজেন এলাকার সদস্যদেশের সংখ্যা ২৯।
মনে রাখুন:
যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ড শেনজেনের বাইরে।
সুইজারল্যান্ড ও নরওয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য না হয়েও শেনজেনের সদস্য। - ৮৪. কোন দেশের কাছে সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক চুল্লি রয়েছে?
- ক. চীন
- খ. যুক্তরাষ্ট্র
- গ. ইসরায়েল
- ঘ. রাশিয়া
উত্তর: খ. যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক বিদ্যুৎ চুল্লি (Nuclear reactor) চালু আছে যুক্তরাষ্ট্রে, প্রায় ৯৪টি। এর পরে ফ্রান্স ও চীনের স্থান। চীন নতুন চুল্লি দ্রুত বানাচ্ছে, তবু চালু চুল্লির সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রই এগিয়ে। ইসরাইলের কাছে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পারমাণবিক চুল্লি নেই বললেই চলে। রাশিয়ার চুল্লি সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে কম, যদিও পারমাণবিক অস্ত্রে রাশিয়া সবার আগে। দুটি বিষয় একসঙ্গে গুলিয়ে ফেললে ভুল উত্তর বেছে নেওয়ার ঝুঁকি থাকে।
মনে রাখুন:
সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক অস্ত্র আছে রাশিয়ার কাছে, তারপর যুক্তরাষ্ট্রের।
ফ্রান্সের মোট বিদ্যুতের প্রায় ৭০ শতাংশ আসে পারমাণবিক উৎস থেকে।
বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনার ঈশ্বরদীতে, রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত।
বাংলা
- ৩. 'এ এক অমোঘ সত্য'। - এখানে 'সত্য' কোন পদ?
- ক. বিশেষ্য
- খ. বিশেষণ
- গ. সর্বনাম
- ঘ. অব্যয়
উত্তর: ক. বিশেষ্য
'এ এক অমোঘ সত্য' বাক্যে 'সত্য' একটি নামপদ, যা সত্যতা নামের ধারণাকে বোঝায়। যে শব্দ কোনো ব্যক্তি, বস্তু, ধারণা বা অবস্থার নাম প্রকাশ করে, তাকে বিশেষ্য বলে। এখানে 'অমোঘ' শব্দটি 'সত্য'-কে বিশেষিত করেছে, অর্থাৎ বিশেষণ হিসেবে কাজ করছে। সত্য কথা বা সত্য পথ বললে সেখানে 'সত্য' বিশেষণ হয়, কারণ তখন সে কথা বা পথকে বিশেষিত করে।
মনে রাখুন: একই শব্দ বাক্যে কী কাজ করছে তার ওপর নির্ভর করে তার পদ বদলে যায়। - ৪. 'যাযাবর' কার ছদ্মনাম?
- ক. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
- খ. বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
- গ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘ. বিনয় ঘোষ
উত্তর: খ. বিনয় কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
'যাযাবর' ছদ্মনামে লিখেছেন বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়। তিনি 'দৃষ্টিপাত' নামে ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতামূলক গ্রন্থ লিখে বিখ্যাত হন। অন্য কয়েকজন লেখকের ছদ্মনামও মনে রাখার মতো: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় লিখতেন 'বনফুল' নামে এবং বিনয় ঘোষ 'কালপেঁচা' নামে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজের নামেই লিখতেন, তাই তিনি যাযাবর নন। ছদ্মনাম হলো লেখক নিজের আসল নাম গোপন রেখে যে নামে লেখেন। বাংলা সাহিত্যে এমন ছদ্মনামের তালিকা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। 'দৃষ্টিপাত' বইয়ের লেখক হিসেবে যাযাবর নামটি পাঠকের কাছে খুব পরিচিত হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
বনফুল: বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
কালপেঁচা: বিনয় ঘোষ।
যাযাবর: বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়।
বীরবল: প্রমথ চৌধুরী। পরশুরাম: রাজশেখর বসু। - ৮. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যের নাম কী?
- ক. বনফুল
- খ. কড়ি ও কোমল
- গ. বলাকা
- ঘ. কবি-কাহিনী
উত্তর: ঘ. কবি-কাহিনী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত কাব্য 'কবি-কাহিনী' (১৮৭৮), তখন তাঁর বয়স ছিল সতেরো। কিশোর বয়সে লেখা 'বনফুল' (১৮৮০) এরপর গ্রন্থ আকারে বের হয়, যদিও তার কিছু অংশ আগে পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। 'কড়ি ও কোমল' (১৮৮৬) তাঁর পরিণত বয়সের কাব্য এবং 'বলাকা' (১৯১৬) আরও পরের রচনা। রবীন্দ্রনাথের জন্ম ১৮৬১ সালে কলকাতার জোড়াসাঁকোয়। অল্প বয়স থেকেই তাঁর লেখালেখি শুরু হয়। কিশোর বয়সের এই কাব্যগুলো তাঁর পরিণত কাব্যের তুলনায় কম পরিচিত, তবে পরীক্ষায় প্রথম গ্রন্থের প্রশ্ন বারবার আসে।
মনে রাখুন:
প্রথম মুদ্রিত কবিতা 'হিন্দুমেলার উপহার' (১৮৭৫)।
তাঁর প্রথম গীতিনাট্য বাল্মীকি প্রতিভা (১৮৮১)।
'গীতাঞ্জলি' ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান। - ১৩. কাজী নজরুল ইসলামের 'রিক্তের বেদন' কোন ধরনের রচনা?
- ক. গল্পগ্রন্থ
- খ. কাব্যগ্রন্থ
- গ. উপন্যাস
- ঘ. নাটক
উত্তর: ক. গল্পগ্রন্থ
কাজী নজরুল ইসলামের ‘রিক্তের বেদন’ একটি গল্পগ্রন্থ। বইটিতে প্রেম, বিরহ ও মানুষের অন্তর্বেদনার কয়েকটি গল্প আছে। নজরুল কবি হিসেবে বেশি পরিচিত বলে অনেকে ভাবেন বইটি বুঝি কাব্যগ্রন্থ, কিন্তু আসলে এটি তাঁর গদ্যে লেখা গল্পের সংকলন। তাঁর উপন্যাস আর নাটকের নামও আলাদা, তাই বইয়ের নাম শুনে বিষয়বস্তু আন্দাজ না করে লেখকের শ্রেণিবিভাগ মনে রাখা ভালো।
মনে রাখুন:
নজরুলের প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’ (১৯২২)।
দ্বিতীয় গল্পগ্রন্থ ‘রিক্তের বেদন’।
তৃতীয় গল্পগ্রন্থ ‘শিউলিমালা’।
নজরুলের উপন্যাস: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা।
নজরুলের নাটক: ঝিলিমিলি, আলেয়া। - ২৩. 'একাত্তরের দিনগুলি' বইটির রচয়িতা কে?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. বেগম সুফিয়া কামাল
- খ. সেলিনা হোসেন
- গ. বেগম রোকেয়া
- ঘ. জাহানারা ইমাম
উত্তর: ঘ. জাহানারা ইমাম
‘একাত্তরের দিনগুলি’ মুক্তিযুদ্ধের সময়ের দিনপঞ্জি আকারের স্মৃতিকথা। এর লেখক জাহানারা ইমাম। তাঁর বড় ছেলে রুমী মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে শহিদ হন, তাই তিনি ‘শহিদ জননী’ নামে পরিচিত। বইটিতে ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা শহরের মানুষের ভয়, প্রতিরোধ ও আশার কথা ধরা আছে। সুফিয়া কামালের দিনলিপির নাম ‘একাত্তরের ডায়েরী’, তাই দুটি বই গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
জাহানারা ইমামের অন্য বই: অন্যজীবন, নিঃসঙ্গ পাইন, প্রবাসের দিনলিপি।
তিনি ১৯৯২ সালে ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। - ২৫. শুদ্ধ বানান কোনটি?
- ক. কাহিনী
- খ. কাহীনি
- গ. কাহীনী
- ঘ. কাহিনি
উত্তর: ঘ. কাহিনি
‘কাহিনি’ শব্দটি হিন্দি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, এর অর্থ গল্প, বৃত্তান্ত বা বিবরণ। বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতিতে তৎসম নয় এমন শব্দে, অর্থাৎ বিদেশি ও দেশি শব্দে, সাধারণত হ্রস্ব ই-কার ও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়। তাই ‘কাহিনি’ লেখা হয়, ‘কাহিনী’ নয়। ‘কাহীনি’ ও ‘কাহীনী’ বানানে দীর্ঘ ঈ-কারের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার আছে, তাই সেগুলো স্পষ্টভাবে ভুল।
মনে রাখুন:
এই নিয়মে লেখা হয় পাখি, বাড়ি, শাড়ি, দাদি, নানি, রানি।
তৎসম শব্দে সংস্কৃতের মূল বানান থাকে, যেমন নদী, নারী।
বানান মনে রাখার সহজ উপায়: তৎসম হলে মূল বানান, না হলে হ্রস্ব ই-কার। - ২৮. শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
- খ. বিমুখ প্রান্তর
- গ. রৌদ্র করোটিতে
- ঘ. ছাড়পত্র
উত্তর: গ. রৌদ্র করোটিতে
‘রৌদ্র করোটিতে’ কবি শামসুর রাহমানের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৬৩ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০)। বাকি তিনটি বইয়ের লেখক আলাদা। ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর, ‘বিমুখ প্রান্তর’ হাসান হাফিজুর রহমানের এবং ‘ছাড়পত্র’ সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ। পরীক্ষায় এভাবে এক কবির নামের পাশে অন্য কবির বই বসিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই কবির সঙ্গে বইয়ের নামটি মিলিয়ে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’।
তাঁর আত্মজীবনীর নাম ‘কালের ধুলোয় লেখা’। - ৩০. 'বাজে কথা' রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
- ক. লিপিকা
- খ. কালান্তর
- গ. বিচিত্র প্রবন্ধ
- ঘ. সাহিত্য
উত্তর: গ. বিচিত্র প্রবন্ধ
‘বাজে কথা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বিচিত্র প্রবন্ধ’ গ্রন্থের একটি প্রবন্ধ। বইটি ১৯০৭ সালে প্রকাশিত হয়। এখানে লেখক আলাপের স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলেছেন যে প্রয়োজনহীন কথারও একটি আনন্দ আছে। রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধ নিয়ে প্রশ্নে সাধারণত গ্রন্থের নামটি জানতে চাওয়া হয়, তাই কোন প্রবন্ধ কোন বইয়ে আছে তা আলাদা করে মনে রাখা ভালো। ‘লিপিকা’ ও ‘কালান্তর’ সম্পূর্ণ আলাদা বই, আর ‘সাহিত্য’ তাঁর আরেকটি প্রবন্ধগ্রন্থ। রবীন্দ্রনাথের গদ্যরচনার বিভিন্ন সংকলনের নাম একসঙ্গে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে সহজে উত্তর মেলে।
মনে রাখুন:
‘বিচিত্র প্রবন্ধ’-এর আরও প্রবন্ধ: লাইব্রেরি, পাগল, মা ভৈঃ, নববর্ষা।
‘লিপিকা’ (১৯২২) গদ্যকবিতাধর্মী ছোট রচনার সংকলন। - ৩৩. চর্যাপদের কবি কারা?
- ক. কৃত্তিবাস, চন্দ্রাবতী, কাশীরাম দাস
- খ. বিজয়গুপ্ত, মালাধর বসু, দ্বিজ মাধব
- গ. চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস
- ঘ. লুইপা, ভুসুকুপা, শবরপা
উত্তর: ঘ. লুইপা, ভুসুকুপা, শবরপা
চর্যাপদ বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসংগীতের সংকলন। এর পদকর্তাদের নামের শেষে ‘পা’ যুক্ত ছিল, যেমন লুইপা, ভুসুকুপা, কাহ্নপা ও শবরপা। লুইপাকে আদি কবি ধরা হয়। অন্য বিকল্পগুলো মধ্যযুগের কবিদের নাম। কৃত্তিবাস রামায়ণের অনুবাদক, বিজয়গুপ্ত মনসামঙ্গলের কবি এবং চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলির কবি। তাঁদের কেউ চর্যাপদের কবি নন। এই কবিরা বাংলার প্রাচীন যুগের, অর্থাৎ আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতকের মানুষ বলে ধরা হয়।
মনে রাখুন:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে পুঁথি আবিষ্কার করেন।
কাহ্নপার পদসংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
চর্যাপদ থেকেই বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের শুরু ধরা হয়। - ৩৬. 'অমোঘ' শব্দের অর্থ কী?
- ক. সার্থক
- খ. বাসনা
- গ. নশ্বর
- ঘ. ইচ্ছা
উত্তর: ক. সার্থক
‘অমোঘ’ শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার অর্থ যা কখনো ব্যর্থ হয় না, অর্থাৎ অব্যর্থ। এখানে বিকল্পের মধ্যে ‘সার্থক’ শব্দটি এই অর্থের সবচেয়ে কাছে, কারণ যা ব্যর্থ নয়, তা সফল বা সার্থক। ‘বাসনা’ ও ‘ইচ্ছা’ মানে কামনা, আর ‘নশ্বর’ মানে যা ধ্বংস হয়। ‘অমোঘ’ অনেক সময় বিধান, নিয়তি বা শক্তির বিশেষণ হিসেবে বসে, যেমন অমোঘ নিয়ম। শব্দটির গঠনও লক্ষ করার মতো, কারণ ‘মোঘ’ মানে বৃথা এবং ‘অ’ উপসর্গ তার অর্থ উল্টে দিয়েছে।
মনে রাখুন: সাধারণত ‘অমোঘ’ শব্দটির সমার্থক ‘অব্যর্থ’ ও ‘অনিবার্য’। - ৪২. গঠনরীতি অনুযায়ী বাক্য কত প্রকার?
- ক. পাঁচ প্রকার
- খ. চার প্রকার
- গ. দুই প্রকার
- ঘ. তিন প্রকার
উত্তর: ঘ. তিন প্রকার
গঠন বা গড়নের দিক থেকে বাংলা বাক্য তিন প্রকার: সরল বাক্য (Simple), জটিল বাক্য (Complex) ও যৌগিক বাক্য (Compound)। সরল বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে। জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে। যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়।
উদাহরণ:
সরল: সূর্য উঠেছে।
জটিল: যদি বৃষ্টি হয়, তবে আমি যাব না।
যৌগিক: সে গরিব, কিন্তু সৎ।
মনে রাখুন: অর্থের দিক থেকে বাক্য সাত প্রকার, যেমন বিবৃতিমূলক, প্রশ্নবোধক, অনুজ্ঞাসূচক ইত্যাদি। - ৪৭. 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কোন জাতীয় রচনা?
- ক. গীতিনাট্য
- খ. কাব্যনাট্য
- গ. কাহিনিকাব্য
- ঘ. নাটক
উত্তর: খ. কাব্যনাট্য
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি কাব্যনাট্য। কাব্যনাট্য এমন নাটক, যার সংলাপ পুরোপুরি কবিতার ছন্দে লেখা। এ কারণে এটিকে সাধারণ নাটক বা গীতিনাট্য বলা যায় না। নাটকটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। এর বিষয়বস্তু মুক্তিযুদ্ধ। এতে একটি গ্রামের মানুষ পাকিস্তানি সেনাদের আসার ভয়ের মধ্যে কীভাবে সময় কাটায়, তা দেখানো হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এমন সাহিত্যকর্ম পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই রচনার ধরনটিও মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ (১৯৮২), যার বিষয় রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীন।
তিনি উপন্যাস ‘খেলারাম খেলে যা’ও লিখেছেন। - ৫০. 'যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী, সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।' - এটি কার রচনা?
- ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- খ. রামনিধি গুপ্ত
- গ. অতুল প্রসাদ সেন
- ঘ. আবদুল হাকিম
উত্তর: ঘ. আবদুল হাকিম
‘যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী, সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি’ পঙক্তিটি মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিমের। এটি তাঁর ‘নূরনামা’ কাব্যের অংশ। যারা বাংলায় জন্মেও বাংলা ভাষাকে অবজ্ঞা করে, কবি তাদের জন্মপরিচয় নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। এই পঙক্তি বাংলা ভাষার প্রতি মধ্যযুগের মুসলমান কবিদের ভালোবাসার একটি বড় উদাহরণ। সে সময় অনেকে মনে করতেন, ধর্মকথা কেবল আরবি-ফারসিতে লেখাই ভালো, আর কবি তার বিরুদ্ধে স্পষ্ট প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মনে রাখুন:
আবদুল হাকিমের আরও কাব্য: ‘লালমতী সয়ফুলমূলুক’, ‘কারবালা’।
মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ চতুর্দশপদী কবিতা।
অতুলপ্রসাদ সেনের গান: ‘মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা’। - ৫৪. ভাষার মূল উপাদান হচ্ছে-
- ক. শব্দ
- খ. বাক্য
- গ. ধ্বনি
- ঘ. পদ
উত্তর: গ. ধ্বনি
ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি। আমরা মুখের বাগযন্ত্র দিয়ে যে আওয়াজ তৈরি করি, তাই ধ্বনি। কয়েকটি ধ্বনি মিলে শব্দ তৈরি হয়, আর শব্দ মিলে বাক্য গঠিত হয়। বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত প্রতীক, তাই এটি মূল উপাদান নয়।
মনে রাখুন:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং বৃহত্তম একক বাক্য।
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে: ১১টি স্বরবর্ণ ও ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ। - ৫৬. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
- ক. লালসালু
- খ. রাইফেল রোটি আওরাত
- গ. পদ্মা নদীর মাঝি
- ঘ. জননী
উত্তর: খ. রাইফেল রোটি আওরাত
আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এর কাহিনি ১৯৭১ সালের ২৫ ও ২৬ মার্চের মাত্র দুদিনের ঘটনা নিয়ে। ‘আরেক ফাল্গুন’ ভাষা-আন্দোলনের উপন্যাস। ‘কালো বরফ’ ও ‘অগ্নিসাক্ষী’ অন্য প্রেক্ষাপটের উপন্যাস।
মনে রাখুন:
লেখক আনোয়ার পাশা মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ হন।
এটি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা প্রথম দিকের উপন্যাসগুলোর একটি। - ৫৮. 'চাঁদ' শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে-
- ক. বিধু
- খ. নিধু
- গ. সিধু
- ঘ. বঁধু
উত্তর: ক. বিধু
‘চাঁদ’ শব্দের সমার্থক শব্দের মধ্যে বিধু একটি। চাঁদের আরও প্রতিশব্দ হলো চন্দ্র, শশী, সুধাংশু, নিশাকর, হিমাংশু, সুধাকর ও শশধর। অন্য তিনটি বিকল্পের মধ্যে ‘বঁধু’ মানে প্রিয়তম বা স্বামী, আর ‘নিধু’ ও ‘সিধু’ আসলে মানুষের ডাকনাম, অভিধানে এদের চাঁদ অর্থ নেই। কবিতা ও গানে চাঁদের এই নামগুলো খুব বেশি ব্যবহৃত হয়, তাই সমার্থক শব্দের প্রশ্নে এগুলো একসঙ্গে মনে রাখা ভালো।
মনে রাখুন:
বিধু (চাঁদ) ও বঁধু (প্রিয়) শব্দ দুটির উচ্চারণ কাছাকাছি, তাই পরীক্ষায় এই দুটি নিয়ে ফাঁদ থাকে।
চাঁদের আরও নাম: ইন্দু, মৃগাঙ্ক, কলানিধি। - ৬০. 'স্কুল > ইস্কুল' এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রীতির উদাহরণ?
- ক. অপিনিহিতি
- খ. অভিশ্রুতি
- গ. আদি স্বরাগম
- ঘ. অন্ত্যস্বরাগম
উত্তর: গ. আদি স্বরাগম
শব্দের শুরুতে কয়েকটি ব্যঞ্জনধ্বনি একসঙ্গে থাকলে উচ্চারণ কঠিন হয়। তখন শুরুতে একটি স্বরধ্বনি যোগ করে উচ্চারণ সহজ করা হয়, যাকে আদি স্বরাগম বলে। ‘স্কুল’ থেকে ‘ইস্কুল’-এ শুরুতে ‘ই’ যোগ হয়েছে, তাই এটি আদি স্বরাগম। অপিনিহিতিতে ই বা উ আগে চলে আসে (আজি > আইজ), আর অভিশ্রুতিতে সেই ধ্বনি স্বরের সঙ্গে মিশে যায় (আইজ > আজ)।
উদাহরণ:
আদি স্বরাগম: স্টেশন > ইস্টিশন, স্পর্ধা > আস্পর্ধা।
মনে রাখুন: মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষে মধ্যে স্বর আসে, যেমন ধর্ম > ধরম। - ৬১. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস কোনটি?
- ক. জননী
- খ. চিলেকোঠার সেপাই
- গ. দি আগলি এশিয়ান
- ঘ. ময়ূরাক্ষী
উত্তর: গ. দি আগলি এশিয়ান
‘দি আগলি এশিয়ান’ (The Ugly Asian) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ইংরেজি ভাষায় লেখা উপন্যাস। এতে এশিয়ার দেশগুলোতে পশ্চিমা শক্তির আধিপত্য ও সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আছে। অন্য বিকল্পগুলো অন্য লেখকদের। ‘চিলেকোঠার সেপাই’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস এবং ‘জননী’ শওকত ওসমানের উপন্যাস। তাই লেখকের নামের সঙ্গে মিলিয়ে বইয়ের নাম মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না। তাঁর রচনার বিষয় ও ভাষার ধরন বুঝলে লেখকের সঙ্গে বই মেলানো সহজ হয়।
মনে রাখুন:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্য উপন্যাস: লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো।
‘লালসালু’ তাঁর প্রথম উপন্যাস এবং মজিদ চরিত্রের জন্য বিখ্যাত।
তাঁর নাটক: ‘বহিপীর’, ‘তরঙ্গভঙ্গ’। - ৬৫. 'অহরহ'-এর শুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. অহঃ + অহ
- খ. অহঃ + রহ
- গ. অহো + অহো
- ঘ. অহ + অহ
উত্তর: ক. অহঃ + অহ
‘অহরহ’ শব্দটি বিসর্গ সন্ধির (Visarga Sandhi) নিয়মে গঠিত। এর বিচ্ছেদ অহঃ + অহ। বিসর্গের পরে স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ সাধারণত ‘র’ হয়ে যায়, তাই অহঃ + অহ = অহরহ। এর অর্থ প্রতিদিন বা সর্বদা। অন্য বিকল্পগুলোতে এই নিয়ম মেলে না, যেমন ‘অহঃ + রহ’ লিখলে পরের অংশটির কোনো অর্থই হয় না। সন্ধিবিচ্ছেদের প্রশ্নে আগে দেখতে হয় শব্দের ভেতরে কোন ধরনের ধ্বনি মিলেছে, তারপর নিয়মটি মেলাতে হয়।
উদাহরণ:
অহঃ + নিশা = অহর্নিশ।
নিঃ + আশা = নিরাশা।
পুনঃ + আয় = পুনরায়।
মনে রাখুন: বাচঃ + পতি = বাচস্পতি, এখানে বিসর্গ ‘স্’ হয়েছে। - ৬৬. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি'-এ গানটির রচয়িতা কে?
- ক. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
- খ. আলতাফ মাহমুদ
- গ. আবদুল লতিফ
- ঘ. আল মাহমুদ
উত্তর: ক. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর লেখা, যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি নিয়ে রচিত। তখন তিনি তরুণ সাংবাদিক ছিলেন। গানটির সুর প্রথমে করেছিলেন আবদুল লতিফ, পরে আলতাফ মাহমুদ সুর দেন, যা আজ সবচেয়ে বেশি গাওয়া হয়। আল মাহমুদ আলাদা কবি, তাঁর বিখ্যাত বই ‘সোনালী কাবিন’।
মনে রাখুন:
গাফ্ফার চৌধুরীর উপন্যাস ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’।
আবদুল লতিফের লেখা ভাষা আন্দোলনের গান ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’।
১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। - ৭৫. 'অকাল বোধন' বাগধারাটির অর্থ-
- ক. শেষ বিদায়
- খ. অসময়ে আবির্ভাব
- গ. শেষ সময়ের কাজ
- ঘ. সময়ে আবির্ভাব
উত্তর: খ. অসময়ে আবির্ভাব
‘অকাল বোধন’ বাগধারার অর্থ অসময়ে আবির্ভাব বা অসময়ে কোনো কাজের আয়োজন। ‘বোধন’ শব্দের মানে জাগানো, আর পূজায় দেবীকে জাগানোর অনুষ্ঠানকে বোধন বলা হয়। এই বাগধারার উৎস দুর্গাপূজা। সাধারণত বসন্তকালে দুর্গাপূজা হতো। কিন্তু রামচন্দ্র রাবণ বধের জন্য শরৎকালে দেবীর বোধন করেছিলেন, যা অকালে করা হয়েছিল। সেখান থেকেই এই বাগধারা এসেছে। শরৎকালের এই পূজা পরে বাঙালির প্রধান উৎসব হয়ে ওঠে।
উদাহরণ: অকাল বোধনের মতো পরীক্ষার আগের দিন পড়তে বসা।
মনে রাখুন: বাগধারা সাধারণত আক্ষরিক অর্থ থেকে আলাদা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - ৯১. বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্ন প্রথম কে প্রয়োগ করেন?
- ক. রাজা রামমোহন রায়
- খ. উইলিয়াম কেরী
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন প্রথম সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবহার করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তাঁর ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭) বইয়ে ছেদ ও দাঁড়ির মতো চিহ্ন গুছিয়ে বসানো হয়েছে। এতে গদ্যে পড়ার ছন্দ ও অর্থ পরিষ্কার হয়। এজন্য তাঁকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী ও গদ্যের জনক বলা হয়। রামমোহন রায় গদ্যকে যুক্তির ভাষা করেছিলেন, কিন্তু যতিচিহ্ন দিয়ে একে সুন্দর ও সাবলীল করেন বিদ্যাসাগর।
মনে রাখুন:
রামমোহন রায়ের ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ (১৮৩৩) বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণ বলে পরিচিত।
উইলিয়াম কেরি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন।
বিদ্যাসাগরের অন্য বই: শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস। - ৯৫. চতুর্দশপদী কবিতা রচনায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত কার দ্বারা প্রভাবিত হন?
- ক. হোমার
- খ. দান্তে
- গ. মিল্টন
- ঘ. পেত্রার্ক
উত্তর: ঘ. পেত্রার্ক
চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট (Sonnet) ১৪ চরণের কবিতা, যার জন্ম ইতালিতে। ইতালীয় কবি পেত্রার্ক (Petrarch) এই রীতিকে জনপ্রিয় করেন, তাই তাঁকে সনেটের জনক বলা হয়। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ফ্রান্সে থাকার সময় পেত্রার্কের সনেট পড়ে অনুপ্রাণিত হন এবং বাংলায় এই কবিতারীতি চালু করেন। তাঁর সনেটের সংকলনের নাম ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ (১৮৬৬)। মজার ব্যাপার হলো, মধুসূদনের প্রভাবিত হওয়ার তালিকায় হোমার, দান্তে ও মিল্টনও আছেন, কিন্তু সনেটের প্রশ্নে উত্তর পেত্রার্ক।
মনে রাখুন:
মধুসূদনের মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, প্রহসন ‘একেই কি বলে সভ্যতা’।
মহাকাব্য লেখার সময় তিনি হোমার, দান্তে ও মিল্টনের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। - ৯৬. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা-
- ক. কল্লোল
- খ. দিগদর্শন
- গ. সংবাদ প্রভাকর
- ঘ. সমাচার দর্পণ
উত্তর: গ. সংবাদ প্রভাকর
‘সংবাদ প্রভাকর’ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদিত পত্রিকা। এটি ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক হিসেবে শুরু হয় এবং ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন থেকে বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশ পেতে থাকে। ‘দিগদর্শন’ (১৮১৮) বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র, যা ছিল মাসিক। ‘সমাচার দর্পণ’ প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা। ‘কল্লোল’ বিংশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক সাহিত্যের একটি মাসিক পত্রিকা। সাময়িকপত্র, সাপ্তাহিক ও দৈনিক পত্রিকার ক্রম মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না।
মনে রাখুন:
ঈশ্বর গুপ্তকে যুগসন্ধির কবি বলা হয়।
ভারতে প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র ‘বেঙ্গল গেজেট’ (১৭৮০) ছিল ইংরেজি ভাষার, বাংলার নয়।
ইংরেজি
- ৫. What is the adverb of 'beautiful'?
- ক. beautify
- খ. beautifully
- গ. beauty
- ঘ. beautification
উত্তর: খ. beautifully
Adjective-এর শেষে ly যোগ করে সাধারণত adverb তৈরি হয়। Beautiful একটি adjective, তার adverb হলো beautifully। Beautify একটি verb (সুন্দর করা), beauty একটি noun (সৌন্দর্য) এবং beautification সৌন্দর্যবর্ধনের noun রূপ। কোনো ক্রিয়া কীভাবে ঘটছে বোঝাতে adverb লাগে, তাই এখানে beautifully-ই ঠিক। Adverb হলো সেই শব্দ, যা verb, adjective বা অন্য adverb-এর অর্থ আরও পরিষ্কার করে। তাই She sings beautifully বাক্যে beautifully ক্রিয়া sings-কে বর্ণনা করছে। আর Beautiful girl বাক্যে beautiful বিশেষ্য girl-কে বর্ণনা করে, তাই সেটি adjective।
উদাহরণ:
She sings beautifully।
মনে রাখুন:
কিছু adverb ly ছাড়া বদলায় না, যেমন fast, hard, late। আবার hardly মানে প্রায় না।
y-যুক্ত adjective-এ y বদলে ily হয়: happy-happily। - ১১. The hen — an egg.
- ক. lied
- খ. laid
- গ. layed
- ঘ. lay
উত্তর: খ. laid
ডিম পাড়া বোঝাতে ইংরেজিতে lay ক্রিয়াটি ব্যবহার হয়, আর এর সঙ্গে একটি কর্ম (object) থাকতেই হবে। এখানে কর্ম হলো an egg, আর বাক্যটি অতীতকালের, তাই lay-এর past form laid বসবে। Lied আসে lie (মিথ্যা বলা) থেকে, আর layed বলে ইংরেজিতে কোনো শুদ্ধ রূপ নেই।
মনে রাখুন:
Lay – laid – laid (কিছু রাখা বা ডিম পাড়া, কর্ম লাগে)।
Lie – lay – lain (শুয়ে থাকা, কর্ম লাগে না)।
Lie – lied – lied (মিথ্যা বলা)। - ১৯. Many are called, but a few are chosen. — বাক্যটিতে ‘a few’ শব্দটি কোন parts of speech?
- ক. noun
- খ. pronoun
- গ. adjective
- ঘ. verb
উত্তর: খ. pronoun
Noun কোনো নামকে এবং pronoun সেই নামের বদলে বসা শব্দকে বোঝায়। এই বাক্যে ‘a few’ এর পরে আর কোনো noun নেই, আর এটি বাক্যের subject হিসেবে এমন কিছু লোকের কথা বোঝাচ্ছে যাদের বেছে নেওয়া হয়। যখন few এর পরে noun থাকে, যেমন few books, তখন তা adjective। কিন্তু এখানে few নিজেই ‘অল্প কয়েকজন’ অর্থে একা বসেছে, তাই এটি pronoun।
মনে রাখুন: Many এবং few একা বসলে pronoun, আর noun-এর আগে বসলে adjective।
উদাহরণ:
Many were absent. (pronoun)
Many students were absent. (adjective) - ২৯. Hardly — I entered into the room — the phone rang.
- ক. did, when
- খ. had, before
- গ. had, them
- ঘ. have, when
উত্তর: খ. had, before
ইংরেজিতে Hardly, Scarcely বা No sooner দিয়ে বাক্য শুরু হলে সাধারণত দুটি ঘটনার মধ্যে খুব অল্প সময়ের ব্যবধান বোঝায়। Hardly-র পরে প্রথম অংশে সহায়ক ক্রিয়া had আগে বসে (inversion) এবং পরের অংশ before বা when দিয়ে যুক্ত হয়। এখানে প্রথম অংশ past perfect (Hardly had I entered the room), তাই পরের অংশ past indefinite (the phone rang)।
মনে রাখুন:
Hardly/Scarcely + had + subject + past participle ... when/before ...।
No sooner had + subject + past participle ... than ...।
উদাহরণ: Hardly had he left before it began to rain. - ৩১. Who is a novelist?
- ক. William Wordsworth
- খ. Alfred Tennyson
- গ. Thomas Hardy
- ঘ. John Donne
উত্তর: গ. Thomas Hardy
Novelist হলেন যিনি উপন্যাস (Novel) লেখেন। এখানে Thomas Hardy হলেন ইংরেজ ঔপন্যাসিক, যদিও শেষ জীবনে তিনি কবিতাও লিখেছেন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস Tess of the d’Urbervilles, Far from the Madding Crowd এবং Jude the Obscure। বাকি তিনজনই কবি, অর্থাৎ Poet। তাঁদের পরিচয় আলাদা করে জানা থাকলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না।
মনে রাখুন:
Wordsworth রোমান্টিক যুগের কবি, লেখেন Lyrical Ballads (Coleridge-এর সঙ্গে)।
Tennyson ভিক্টোরীয় যুগের কবি, লেখেন In Memoriam।
John Donne মেটাফিজিক্যাল কবিতার প্রধান কবি।
Poet = কবি, Novelist = ঔপন্যাসিক, Dramatist = নাট্যকার। - ৩২. Who is not a romantic poet?
- ক. William Wordsworth
- খ. S.T. Coleridge
- গ. John Milton
- ঘ. John Keats
উত্তর: গ. John Milton
ইংরেজি সাহিত্যে রোমান্টিক যুগ (Romantic Age) শুরু হয় প্রায় ১৭৯৮ সালে, যখন Wordsworth ও Coleridge মিলে Lyrical Ballads প্রকাশ করেন। Wordsworth, Coleridge ও Keats এই যুগেরই কবি। কিন্তু John Milton এর অনেক আগের, সতেরো শতকের কবি। তিনি Paradise Lost মহাকাব্যের রচয়িতা, আর সাহিত্যের ইতিহাসে Puritan যুগের সঙ্গে যুক্ত। তাই প্রশ্নে যিনি রোমান্টিক কবি নন, তিনি Milton। সুতরাং কবি কোন যুগের, তা জানলেই এ ধরনের প্রশ্নে ঠিক উত্তরে পৌঁছানো যায়।
মনে রাখুন:
অন্য রোমান্টিক কবি: Shelley, Byron, Blake।
Milton-এর আরও রচনা: Paradise Regained, Samson Agonistes, Lycidas। - ৩৫. What is the antonym of 'fertile'?
- ক. productive
- খ. fatal
- গ. feeble
- ঘ. barren
উত্তর: ঘ. barren
‘Fertile’ শব্দের অর্থ উর্বর বা ফলনশীল, আর এর বিপরীত শব্দ barren, অর্থাৎ অনুর্বর বা ফলহীন। Productive আসলে প্রায় সমার্থক শব্দ, তাই সেটি বিপরীত হতে পারে না। Fatal মানে মারাত্মক এবং feeble মানে দুর্বল। এই দুটির কোনোটির সঙ্গেই fertile-এর অর্থের সম্পর্ক নেই। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, নদীর পলিবিধৌত সমভূমি fertile, আর মরুভূমি barren। বিপরীত শব্দের প্রশ্নে অনেকে সমার্থক শব্দ বেছে ফেলে, তাই অর্থ ভালো করে দেখে নেওয়া উচিত।
মনে রাখুন:
Fertile land – উর্বর জমি; Barren land – অনুর্বর জমি।
Barren শব্দটি নারীর ক্ষেত্রে বন্ধ্যা অর্থেও চলে। Sterile শব্দটিও একই অর্থের কাছাকাছি। - ৩৭. My car finally 'gave up the ghost'. What is the meaning of underlined idiom?
- ক. to die
- খ. to stop working
- গ. to get released of ghost
- ঘ. to come out of disorder
উত্তর: খ. to stop working
‘Give up the ghost’ ইডিয়মটির আসল অর্থ মারা যাওয়া। কিন্তু যন্ত্রের বেলায় ব্যবহার করলে এর অর্থ হয় কাজ করা বন্ধ করে দেওয়া। এখানে বাক্যের কর্তা গাড়ি, আর গাড়ি তো মারা যায় না, বিকল হয়। তাই ‘to stop working’ বসে। ‘To die’ বিকল্পটি মানুষ বা প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, গাড়ির বেলায় নয়। এ থেকে বোঝা যায়, ইডিয়মের অর্থ অনেক সময় বাক্যের কর্তার ওপর নির্ভর করে।
উদাহরণ:
The old engine finally gave up the ghost. (ইঞ্জিনটি অবশেষে বিকল হলো)
He gave up the ghost at dawn. (সে ভোরে মারা গেল)
মনে রাখুন: Break down-ও যন্ত্র বিকল হওয়া বোঝায়। - ৪৩. The man — for murder tonight.
- ক. was hanged
- খ. was hung
- গ. is being hanged
- ঘ. is hanged
উত্তর: গ. is being hanged
বাক্যে ‘tonight’ থাকায় ঘটনাটি আজ রাতে ঘটবে, অর্থাৎ ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট ব্যবস্থার কথা বলা হচ্ছে। এমন নির্ধারিত ব্যবস্থা বোঝাতে present continuous tense-এর passive রূপ is being hanged বসে। Was hanged অতীত বোঝায়, তাই চলে না। আর কাউকে ফাঁসিতে ঝোলানো অর্থে hang-এর past ও past participle হয় hanged, hung নয়।
মনে রাখুন:
Hang – hanged – hanged (ফাঁসি দেওয়া)।
Hang – hung – hung (কোনো জিনিস ঝোলানো, যেমন ছবি)।
উদাহরণ: The picture was hung on the wall. - ৪৯. Change into negative form — He is too weak to walk.
- ক. He is very weak to walk
- খ. He is so weak that he cannot walk.
- গ. He is not very much weak.
- ঘ. He is highly weak.
উত্তর: খ. He is so weak that he cannot walk.
Too ... to গঠনের বাক্যে ‘এত বেশি ... যে করতে পারে না’ অর্থ বোঝায়। একে negative বা নেতিবাচক রূপে লিখতে হলে too-র জায়গায় so বসে এবং to-এর জায়গায় that দিয়ে নতুন clause শুরু হয়, যার মধ্যে cannot বা could not থাকে। মূল বাক্য present tense-এ, তাই clause-এ cannot বসেছে: He is so weak that he cannot walk।
মনে রাখুন:
বাক্য past tense-এ হলে could not বসে: He was too tired to walk → He was so tired that he could not walk.
এ ধরনের বাক্যে too-এর সঙ্গে ইতিবাচক ক্রিয়া রাখলেও অর্থ নেতিবাচক হয়। - ৫১. She proceeded as though I—.
- ক. not spoken
- খ. did not spoken
- গ. had not spoken
- ঘ. have not spoken
উত্তর: গ. had not spoken
As though বা as if দিয়ে এমন তুলনা করা হয়, যা বাস্তবে ঘটেনি, বা যা কল্পনা। মূল clause-এ ক্রিয়া past indefinite tense (proceeded) হলে as though-এর পরের অংশে অতীতের আগে ঘটে যাওয়া কাজ বোঝাতে past perfect tense বসে। এখানে ‘যেন আমি কিছু বলিইনি’ ভাবটি প্রকাশ করতে had not spoken ঠিক। Did not spoken ভুল, কারণ did-র পরে verb-এর base form আসে।
উদাহরণ:
He talks as though he knew everything.
She looked as though she had seen a ghost. - ৫৩. "I was given a cheque". What is the active form?
- ক. A cheque is given to me
- খ. He gave me a cheque.
- গ. I gave him a cheque.
- ঘ. I got a cheque.
উত্তর: খ. He gave me a cheque.
কোনো passive বাক্যকে active-এ রূপ দিতে গেলে কর্তা (doer) খুঁজে বের করতে হয়। বাক্য past indefinite-এ আছে, তাই active-এ main verb-এর past form বসবে। ‘I was given a cheque’ বাক্যের অর্থ: কেউ আমাকে একটি চেক দিয়েছিল। তাই active রূপ হবে He gave me a cheque। ‘I gave him a cheque’ অর্থ ভিন্ন, কারণ এতে দাতা আমি।
মনে রাখুন:
Passive-এর subject active-এ object হয়ে যায় (I → me)।
Was + past participle (was given) active-এ past form (gave) হয়ে যায়।
কর্তার নাম উহ্য থাকলে he/they/someone ধরা যায়। - ৬৯. She — every penny she could for months.
- ক. save
- খ. was saving
- গ. has been saving
- ঘ. had been saving
উত্তর: গ. has been saving
‘For months’ বলে একটি সময়ের পরিধি বোঝানো হয়েছে, আর কাজটি সেই সময় ধরে চলতে চলতে এখনো শেষ হয়নি বা সম্প্রতি শেষ হয়েছে, এই ভাব আছে। এ ধরনের কাল বোঝাতে present perfect continuous (has/have been + verb-ing) ব্যবহার হয়। কর্তা She, তাই has been saving। Save বা was saving এই সময়ের ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে না।
মনে রাখুন:
for + সময়ের দৈর্ঘ্য (for two hours), since + সময়ের শুরু (since 2020)।
উদাহরণ: He has been working here since 2019. - ৭০. What is the meaning of 'beneficial'?
- ক. useful
- খ. benevolent
- গ. benefit
- ঘ. beneficial
উত্তর: ক. useful
‘Beneficial’ শব্দের অর্থ উপকারী বা হিতকর, তাই এর সমার্থক শব্দ useful। Benevolent মানে দয়ালু বা পরোপকারী, আর benefit একটি noun, যার অর্থ সুবিধা বা উপকার। চতুর্থ বিকল্পটি প্রশ্নের শব্দটিই, তাই সেটি উত্তর হতে পারে না। শব্দগুলোর গঠন প্রায় একই রকম দেখায়, তাই অর্থ আলাদা করে মনে রাখা দরকার, নইলে সহজেই বিভ্রান্তি হয়।
উদাহরণ:
Regular exercise is beneficial to health. (নিয়মিত ব্যায়াম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী)
মনে রাখুন:
Beneficial-এর বিপরীত শব্দ harmful বা detrimental (ক্ষতিকর)।
Beneficial শব্দটি adjective, benefit noun ও verb দুই-ই। - ৭৩. Which parts of speech is 'either' of the two?
- ক. preposition
- খ. adjective
- গ. adverb
- ঘ. pronoun
উত্তর: ঘ. pronoun
‘Either of the two’ বাক্যাংশে either শব্দটি দুজনের মধ্যে একজনকে বোঝায় এবং পরে কোনো noun নেই। যে শব্দ noun-এর বদলে একা বসে, তাকে pronoun (সর্বনাম) বলে। সুতরাং এখানে either হলো pronoun, আর শব্দটি distributive pronoun হিসেবেও পরিচিত। যদি এর পরে noun থাকে, যেমন either book, তখন এটি adjective। Either-এর ঠিক উল্টো অর্থের শব্দ neither, যার অর্থ দুজনের কেউই নয়।
উদাহরণ:
Either of the boys can go. (pronoun)
Either boy can go. (adjective)
মনে রাখুন: Either of-এর পরে plural noun বসে, কিন্তু verb সাধারণত singular হয়। - ৭৬. Which is the correct spelling?
- ক. bowrgeoa
- খ. bourgeois
- গ. bourgious
- ঘ. bowrguia
উত্তর: খ. bourgeois
‘Bourgeois’ ফরাসি থেকে আসা শব্দ। এর শুদ্ধ বানান b-o-u-r-g-e-o-i-s। অর্থ মধ্যবিত্ত শ্রেণির, বিশেষত ধনতান্ত্রিক সমাজের বিত্তবান শ্রেণি। এই শ্রেণির জন্য noun রূপ bourgeoisie। কার্ল মার্কসের আলোচনায় bourgeoisie (পুঁজিপতি শ্রেণি) ও proletariat (শ্রমিক শ্রেণি) দুটি বিপরীত শ্রেণি। বাকি তিনটি বানান কোনো ইংরেজি বা ফরাসি শব্দের সঙ্গে মেলে না, কেবল উচ্চারণ শুনে বানান করার চেষ্টা থেকে এমন ভুল রূপ তৈরি হয়। বানানের প্রশ্নে অচেনা বিদেশি শব্দ হলে প্রতিটি অক্ষর মিলিয়ে নেওয়া ভালো।
মনে রাখুন: Bourgeois শব্দের উচ্চারণ ‘বুয়ারঝোয়া’-র মতো। বানানে ou এবং eoi পাশাপাশি থাকে, এটাই কঠিন অংশ। - ৭৭. Which one is a compound sentence?
- ক. I saw a girl singing
- খ. I saw a girl and she is singing
- গ. I saw a girl who is singing
- ঘ. I saw a girl to sing
উত্তর: খ. I saw a girl and she is singing
Compound sentence-এ দুই বা তার বেশি স্বাধীন clause (independent clause) থাকে এবং and, but, or, so ইত্যাদি coordinating conjunction দিয়ে যুক্ত হয়। ‘I saw a girl and she is singing’ বাক্যে ‘I saw a girl’ এবং ‘she is singing’ দুটি স্বাধীন clause, তাই এটি compound। ‘Who is singing’ অংশ নির্ভরশীল (relative clause), ফলে তৃতীয় বাক্যটি complex। প্রথম ও চতুর্থ বাক্য simple।
মনে রাখুন:
Simple: একটি স্বাধীন clause।
Complex: একটি স্বাধীন ও এক বা একাধিক নির্ভরশীল clause।
Compound: দুই বা ততোধিক স্বাধীন clause। - ৭৯. 'Corporal punishment' means—
- ক. mutual punishment
- খ. capital punishment
- গ. innovative punishment
- ঘ. physical punishment
উত্তর: ঘ. physical punishment
Corporal শব্দের অর্থ শারীরিক, আর punishment মানে শাস্তি। তাই ‘corporal punishment’ হলো শারীরিক শাস্তি, যেমন বেত মারা। Capital punishment অর্থ মৃত্যুদণ্ড, যা ভিন্ন ধরনের শাস্তি। বাকি দুটি বিকল্প, mutual ও innovative, এই বাক্যাংশের অংশই নয়। বাংলাদেশসহ অনেক দেশে স্কুলে শারীরিক শাস্তি আইনত নিষিদ্ধ। Corporal শব্দটি এসেছে লাতিন corpus থেকে, যার অর্থ শরীর।
উদাহরণ: Corporal punishment is banned in schools. (বিদ্যালয়ে শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ)
মনে রাখুন:
Corporal (শারীরিক) ও corporate (সংঘবদ্ধ বা কোম্পানির) শব্দ দুটির বানান কাছাকাছি, কিন্তু অর্থ আলাদা।
Corporal শব্দের আরেক অর্থ সেনাবাহিনীর ‘কর্পোরাল’ পদবি। - ৮১. Fill in the blank with appropriate preposition: Come — the park with me.
- ক. to
- খ. in
- গ. into
- ঘ. at
উত্তর: ক. to
কোনো গন্তব্য স্থানের দিকে আসা বা যাওয়া বোঝাতে ক্রিয়ার পরে to বসে। ‘Come to the park’ মানে পার্কের দিকে এসো। অন্য preposition-গুলোর কাজ আলাদা। ঘরের ভেতরে অবস্থান বোঝাতে in ব্যবহার হয়, আর into ভেতরে ঢোকার গতি বোঝায় (come into the room)। At নির্দিষ্ট বিন্দু বোঝায়, যেমন at the gate। এখানে পার্কের দিকে আসার কথা বলা হচ্ছে, তাই to-ই সঠিক।
উদাহরণ: Come to the park with me. (আমার সঙ্গে পার্কে এসো)
মনে রাখুন:
Go to school, come to me, return to Dhaka।
Arrive at (ছোট স্থান) এবং arrive in (বড় শহর/দেশ)। - ৮২. 'To go in for' means—
- ক. to go for a purchase
- খ. to sit for
- গ. to examine
- ঘ. to take an investigation
উত্তর: খ. to sit for
‘Go in for’ বাগধারার অর্থ কোনো পরীক্ষা বা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া, অথবা কোনো পেশা বা শখ বেছে নেওয়া। বিকল্পের মধ্যে ‘to sit for’ অর্থাৎ পরীক্ষায় বসা এই অর্থের সবচেয়ে কাছে। অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: ‘to go for a purchase’ মানে কেনাকাটায় যাওয়া, ‘to examine’ মানে পরীক্ষা করা আর ‘to take an investigation’ মানে তদন্ত করা। এগুলো ‘go in for’-এর প্রচলিত অর্থের সঙ্গে মেলে না।
উদাহরণ:
She decided to go in for the civil service exam.
He goes in for sports.
মনে রাখুন: Go in for-এর আরেক অর্থ কোনো কিছুর প্রতি ঝোঁক থাকা। - ৮৫. 'Adulterate' means—
- ক. adult
- খ. pollute
- গ. contaminate
- ঘ. to make impure
উত্তর: ঘ. to make impure
‘Adulterate’ ক্রিয়ার অর্থ ভালো কোনো জিনিসের সঙ্গে নিম্নমানের বা ভেজাল জিনিস মিশিয়ে তাকে অশুদ্ধ করা। বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘to make impure’ এই অর্থ সবচেয়ে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। Pollute ও contaminate অনেকটা কাছাকাছি, কিন্তু সেগুলো সাধারণত দূষিত করা বোঝায়, আর ভেজাল মেশানো বোঝায় adulterate। Adult মানে প্রাপ্তবয়স্ক, শব্দটির বানান দেখতে অনেকটা এক হলেও অর্থের সঙ্গে কোনো মিল নেই।
উদাহরণ: Milk is often adulterated with water. (দুধে প্রায়ই পানি মেশানো হয়)
মনে রাখুন:
Adulteration (ভেজাল মেশানো) noun, আর adulterant (ভেজাল বস্তু)।
Adulterated food মানে ভেজাল খাবার। - ৮৭. What is the plural form of ‘Portmanteau’?
- ক. portmanteaux
- খ. portmanteauses
- গ. portmantum
- ঘ. portmantiauxes
উত্তর: ক. portmanteaux
Portmanteau হলো দুটি শব্দ মিলিয়ে তৈরি একটি নতুন শব্দ, যেমন brunch (breakfast + lunch)। মূল অর্থে এটি এমন একটি সুটকেস, যার দুটি অংশ কবজা দিয়ে যুক্ত। শব্দটি ফরাসি থেকে ইংরেজিতে এসেছে। ফরাসি নিয়মে এর বহুবচন portmanteaux এবং ইংরেজি নিয়মে portmanteaus, দুটিই শুদ্ধ। বিকল্পগুলোর মধ্যে portmanteaux শুদ্ধ রূপ, বাকিগুলো ভুল।
মনে রাখুন: ফরাসি থেকে আসা -eau শব্দের বহুবচনে -x বা -s দুটোই হয়, যেমন bureau – bureaux/bureaus, plateau – plateaux/plateaus।
উদাহরণ: smog (smoke + fog), motel (motor + hotel)। - ৯০. He is building a — in the air.
- ক. house
- খ. home
- গ. abode
- ঘ. castle
উত্তর: ঘ. castle
‘To build castles in the air’ ইডিয়মের অর্থ অলীক কল্পনা করা বা আকাশকুসুম ভাবা। অর্থাৎ যেটা বাস্তবে ঘটার সম্ভাবনা কম, সেটা নিয়ে স্বপ্ন দেখা। শূন্যস্থানে castle বসালে এই ইডিয়ম পূর্ণ হয়। House, home বা abode বসালে বাক্য ঠিক অর্থ দেয় না, কারণ সেগুলো সাধারণ বাসস্থানের নাম, ইডিয়মের অংশ নয়। তাই ইডিয়মের প্রশ্নে শব্দগুলো যেমন আছে তেমনই মুখস্থ রাখা জরুরি।
উদাহরণ: Stop building castles in the air and start working. (আকাশকুসুম কল্পনা বাদ দিয়ে কাজ শুরু করো)
মনে রাখুন:
Build castles in the air = আকাশকুসুম কল্পনা।
Castle in Spain-ও একই অর্থে চলে।
গণিত
- ৬. 3 − 1⁻¹ + {(2 − 1/2)⁻¹ এর 3} এর মান কত?
- ক. ৩
- খ. ৫
- গ. ২
- ঘ. ৪
উত্তর: ঘ. ৪
প্রশ্নটি এভাবে পড়তে হবে: 3 − 1⁻¹ + {(2 − 1/2)⁻¹ এর 3}। ধাপে ধাপে মান বের করি।
1⁻¹ = 1।
2 − 1/2 = 3/2, তাই (3/2)⁻¹ = 2/3।
2/3 এর 3 = (2/3) × 3 = 2।
অতএব মান = 3 − 1 + 2 = 4।
মনে রাখুন:
a⁻¹ = 1/a এবং 'এর' চিহ্নটি গুণ বোঝায়, তাই আগে ঘাতের কাজ, পরে 'এর', তারপর যোগ-বিয়োগ করতে হয়।
সাধারণ সূত্র: a⁻ⁿ = 1/aⁿ এবং a⁰ = 1 (a ≠ 0)। - ১০. একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ১ : ২ হলে, ত্রিভুজটি নিচের কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০২২
- ক. সমকোণী
- খ. স্থূলকোণী
- গ. সমবাহু
- ঘ. বিষমবাহু
উত্তর: ক. সমকোণী
ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল 180°। কোণ তিনটির অনুপাত 1 : 1 : 2, অর্থাৎ ভাগের সংখ্যা 1 + 1 + 2 = 4।
প্রতিটি ভাগ = 180° ÷ 4 = 45°।
কোণ তিনটি 45°, 45° ও 2 × 45° = 90°।
একটি কোণ 90° হওয়ায় ত্রিভুজটি সমকোণী। এর সঙ্গে দুটি কোণ সমান হওয়ায় এটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজও।
মনে রাখুন: যে ত্রিভুজের একটি কোণ 90° এর বেশি, সেটি স্থূলকোণী। কোণগুলো সমান না হলে সমবাহু ত্রিভুজ হয় না। - ১৪. ছয়টি সংখ্যার গড় ৫। যদি প্রত্যেকটি সংখ্যা হতে ২ বিয়োগ করা হয় তবে নতুন সংখ্যাগুলোর সমষ্টি কত?
- ক. ১৮
- খ. ১৯
- গ. ১৫
- ঘ. ১৬
উত্তর: ক. ১৮
গড় বলতে বোঝায় সংখ্যাগুলোর সমষ্টিকে সংখ্যার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা। তাই সমষ্টি = গড় × সংখ্যার সংখ্যা। এখানে ছয়টি সংখ্যার সমষ্টি = 6 × 5 = 30। প্রত্যেক সংখ্যা থেকে 2 বিয়োগ করলে মোট বিয়োগ হয় 6 × 2 = 12। কাজেই নতুন সমষ্টি = 30 − 12 = 18।
মনে রাখুন: প্রতিটি সংখ্যা থেকে কিছু বিয়োগ করলে গড়ও ততটুকুই কমে। এখানে নতুন গড় হয় 5 − 2 = 3, আর সমষ্টি 6 × 3 = 18, অর্থাৎ একই উত্তর। - ১৫. একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি। ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার হলে, উহার দৈর্ঘ্য কত?
- ক. ১০ মিটার
- খ. ১২ মিটার
- গ. ১৬ মিটার
- ঘ. ৩২ মিটার
উত্তর: ক. ১০ মিটার
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)। ধরি প্রস্থ x মিটার, তাহলে দৈর্ঘ্য (x + 4) মিটার। শর্ত অনুযায়ী 2(x + 4 + x) = 32, অর্থাৎ 2x + 4 = 16, তাই x = 6। সুতরাং প্রস্থ 6 মিটার এবং দৈর্ঘ্য 6 + 4 = 10 মিটার। যাচাই: 2(10 + 6) = 32, মিলে যায়।
শর্টকাট: অর্ধেক পরিসীমা দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সমষ্টি = 16। দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের পার্থক্য 4 হলে দৈর্ঘ্য = (16 + 4)/2 = 10। - ১৬. tanθ = 1/2 হলে, sin 2θ এর মান কত?
- ক. 2/3
- খ. 3/2
- গ. 5/4
- ঘ. 4/5
উত্তর: ঘ. 4/5
tanθ জানা থাকলে sin 2θ সরাসরি বের করার একটি সূত্র আছে: sin 2θ = 2tanθ/(1 + tan²θ)। এখানে tanθ = 1/2, তাই tan²θ = 1/4। বসালে পাই sin 2θ = (2 × 1/2)/(1 + 1/4) = 1/(5/4) = 4/5।
মনে রাখুন:
sin 2θ = 2 sinθ cosθ = 2tanθ/(1 + tan²θ)।
cos 2θ = (1 − tan²θ)/(1 + tan²θ), এখানে এর মান 3/5। দুটির বর্গের যোগফল (4/5)² + (3/5)² = 1 হয়, যা একটি ভালো যাচাই। - ১৭. log_{2√5}(400) = x হলে, x এর মান কত?
- ক. 6
- খ. −6
- গ. 4
- ঘ. 5
উত্তর: গ. 4
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_a(b) = x মানে a^x = b। এখানে ভিত্তি (base) 2√5 এবং সংখ্যা 400। আমরা দেখি 2√5-এর কত ঘাত 400 হয়।
(2√5)² = 4 × 5 = 20
(2√5)⁴ = 20² = 400
অতএব log_{2√5}(400) = 4, অর্থাৎ x = 4।
এভাবে 400 = 20² = (2√5)⁴ দেখাতে পারলে হিসাব এক ধাপে শেষ হয়।
মনে রাখুন:
লগারিদমের প্রশ্নে ভিত্তির ঘাত তুলে সংখ্যাটি মিলিয়ে নিলেই উত্তর পাওয়া যায়।
log_a(a) = 1 এবং log_a(1) = 0।
log(mn) = log m + log n। - ২২. x²−4x+1=0 হলে, x²−1/x²-এর মান কত?
- ক. 4√3
- খ. 6√3
- গ. 7√3
- ঘ. 8√3
উত্তর: ঘ. 8√3
x² − 4x + 1 = 0 সমীকরণকে x দিয়ে ভাগ করলে পাই x − 4 + 1/x = 0, অর্থাৎ x + 1/x = 4। এবার (x − 1/x)² = (x + 1/x)² − 4 = 16 − 4 = 12, তাই x − 1/x = 2√3 (x = 2 + √3 ধরলে)। বর্গের অন্তরের সূত্রে x² − 1/x² = (x + 1/x)(x − 1/x) = 4 × 2√3 = 8√3।
মনে রাখুন: a² − b² = (a + b)(a − b) সূত্রটি এখানে a = x, b = 1/x ধরে প্রয়োগ করা হয়েছে। সমীকরণের অপর মূল x = 2 − √3 নিলে চিহ্ন উল্টে যায়, তবে মান 8√3 পরিমাণেই থাকে এবং বিকল্পে ধনাত্মক মানই দেওয়া আছে। - ২৬. ১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত যে সকল মৌলিক সংখ্যার একক স্থানীয় অঙ্ক ৯ তাদের সমষ্টি কত?
- ক. ৪৮
- খ. ৮৮
- গ. ১০৭
- ঘ. ১৫৬
উত্তর: গ. ১০৭
১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত যেসব সংখ্যার একক স্থানে ৯ আছে, সেগুলো হলো ১৯, ২৯, ৩৯, ৪৯, ৫৯। এর মধ্যে ৩৯ = ৩ × ১৩ এবং ৪৯ = ৭ × ৭, তাই এ দুটি মৌলিক নয়। বাকি ১৯, ২৯ ও ৫৯ মৌলিক। কারণ এদের ১ ও নিজেকে ছাড়া আর কোনো গুণনীয়ক নেই। সমষ্টি = ১৯ + ২৯ + ৫৯ = ১০৭।
মনে রাখুন: মৌলিক সংখ্যা সেই ১-এর চেয়ে বড় সংখ্যা, যার গুণনীয়ক শুধু ১ ও সেই সংখ্যাটি। ২ একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা। - ৩৮. ৪/৫-কে শতকরায় প্রকাশ করলে কত হবে?
- ক. ৫০%
- খ. ৬০%
- গ. ৪৫%
- ঘ. ৮০%
উত্তর: ঘ. ৮০%
কোনো ভগ্নাংশকে শতকরায় প্রকাশ করতে হলে সেটিকে 100 দিয়ে গুণ করে % চিহ্ন বসাতে হয়। এখানে 4/5 × 100 = 80, তাই 4/5 = 80%। বিকল্পভাবে 4/5-এর হরকে 100 করতে লব-হর দুটিকেই 20 দিয়ে গুণ করে পাই 80/100 = 80%। উল্টো পথেও কাজটি করা যায়, যেমন 80% = 80/100 = 4/5। শতকরা মানে প্রতি 100-তে কত অংশ, তাই 100 হর হলে লবটিই সরাসরি শতকরা হার।
মনে রাখুন:
1/2 = 50%, 1/4 = 25%, 1/5 = 20%, 3/5 = 60%।
1/8 = 12.5%, 1/10 = 10%।
শর্টকাট: হর যদি 100-এর ভাজক হয়, তবে 100 ÷ হর × লব করলেই শতকরা পাওয়া যায়। - ৪৪. ১ একর = কত বর্গগজ?
- ক. ১০২৪
- খ. ১৭৬০
- গ. ৩৮৪০
- ঘ. ৪৮৪০
উত্তর: ঘ. ৪৮৪০
জমির পরিমাপে এক একর হলো ৪৮৪০ বর্গগজ। বর্গফুটের হিসাবে এটি বের করতে হলে এক বর্গগজকে ৯ বর্গফুট ধরতে হয়, কারণ ১ গজ = ৩ ফুট, আর ৩ × ৩ = ৯। তাই ৪৮৪০ × ৯ = ৪৩৫৬০ বর্গফুট। গ্রামে জমি মাপার সময় আমরা সাধারণত শতক বা একর শব্দ ব্যবহার করি, তাই এই সম্পর্কগুলো একসঙ্গে মনে রাখলে হিসাব সহজ হয়।
মনে রাখুন:
১ একর = ১০০ শতক = ৪৮৪০ বর্গগজ = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
১ হেক্টর প্রায় ২.৪৭ একর। - ৫৫. sinθ-এর সর্বনিম্ন মান কত?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. −∞
- খ. −1
- গ. 0
- ঘ. 1
উত্তর: খ. −1
sinθ-এর মান ইউনিট বৃত্তের উপরে θ কোণের বিন্দুর y-স্থানাঙ্কের সমান। ইউনিট বৃত্তের ব্যাসার্ধ 1, তাই y-এর মান −1 থেকে +1-এর বাইরে যেতে পারে না। অতএব −1 ≤ sinθ ≤ 1 এবং sinθ-এর সর্বনিম্ন মান −1, যা θ = 270° (3π/2) কোণে ঘটে। একইভাবে সর্বোচ্চ মান 1, যা θ = 90° (π/2) কোণে পাওয়া যায়। তাই sinθ-এর মান কখনো অসীম হতে পারে না, আবার 0-ও সর্বনিম্ন নয়।
মনে রাখুন:
cosθ-এর মানও −1 থেকে 1-এর মধ্যে থাকে।
secθ ও cosecθ-এর মান কখনো −1 ও 1-এর মধ্যে পড়ে না।
tanθ-এর মান −∞ থেকে +∞ পর্যন্ত হতে পারে। - ৫৯. x + 1/x = 3 হলে, (x²+1)/(x²+2x+1) এর মান কত?
- ক. 5/3
- খ. 4/3
- গ. 3/4
- ঘ. 3/5
উত্তর: ঘ. 3/5
x + 1/x = 3 হলে দুই পক্ষকে x দিয়ে গুণ করে পাই x² + 1 = 3x। প্রদত্ত রাশির লবে আছে x² + 1, যা 3x-এর সমান। হরে x² + 2x + 1 = (x² + 1) + 2x = 3x + 2x = 5x। অতএব রাশি = 3x/5x = 3/5।
মনে রাখুন: x² + 1 জোড়া আলাদা করে লিখে ফেলতে পারলে উত্তর দ্রুত আসে। যাচাই: x² + 2x + 1 = (x + 1)², আর (x + 1)² = x² + 2x + 1 = 3x + 2x = 5x, তাই একই ফল। - ৬২. x/y = 4/5 হলে, (5/8 + (y−x)/(y+x)) এর মান কত?
- ক. 23/72
- খ. 72/53
- গ. 53/72
- ঘ. 72/23
উত্তর: গ. 53/72
x/y = 4/5 হলে x = 4k ও y = 5k ধরা যায়। সুবিধার জন্য k = 1 নিলে x = 4, y = 5। তখন (y − x)/(y + x) = (5 − 4)/(5 + 4) = 1/9। এবার 5/8 + 1/9 = (5×9 + 1×8)/72 = (45 + 8)/72 = 53/72।
মনে রাখুন: অনুপাতের প্রশ্নে সংখ্যাগুলো সরাসরি বসিয়ে নিলে হিসাব ছোট হয়। দুটি ভগ্নাংশ যোগের সময় হরের লসাগু (8 ও 9-এর লসাগু 72) নিতে হয়। - ৬৩. A = {x : x মৌলিক সংখ্যা এবং x ≤ 9} হলে P(A) সদস্য সংখ্যা কত?
- ক. 8
- খ. 25
- গ. 20
- ঘ. 16
উত্তর: ঘ. 16
সেটটি বুঝতে হলে আগে সদস্যগুলো বের করতে হয়। A সেটের সদস্য হলো ৯ বা তার ছোট মৌলিক সংখ্যাগুলো, অর্থাৎ A = {2, 3, 5, 7}। এখানে সদস্যসংখ্যা n = 4। কোনো সেটের সদস্যসংখ্যা n হলে তার পাওয়ার সেট P(A)-এর সদস্যসংখ্যা 2ⁿ। তাই P(A)-এর সদস্যসংখ্যা 2⁴ = 16। মজার ব্যাপার হলো, প্রতিটি সদস্যের জন্য দুটি পথ আছে: সে উপসেটে থাকবে, নয়তো থাকবে না। চারটি সদস্যের জন্য তাই 2 × 2 × 2 × 2 = 16।
মনে রাখুন:
পাওয়ার সেটে ফাঁকা সেট ও A নিজেও থাকে।
উপসেটের মোট সংখ্যা 2ⁿ, প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা 2ⁿ − 1।
1 মৌলিক সংখ্যা নয়, তাই এটি A-এ পড়ে না। - ৮০. একটি সংখ্যা ৩২ থেকে যত বেশি ৫৮ হতে তত কম। সংখ্যাটি কত?
- ক. ৪২
- খ. ৪৩
- গ. ৪৪
- ঘ. ৪৫
উত্তর: ঘ. ৪৫
ধরি সংখ্যাটি x। ‘৩২ থেকে যত বেশি’ বলতে x − ৩২ এবং ‘৫৮ হতে তত কম’ বলতে ৫৮ − x বোঝায়। প্রশ্নে বলা হয়েছে এ দুটি সমান, তাই x − ৩২ = ৫৮ − x। এখান থেকে 2x = ৯০, অতএব x = ৪৫। যাচাই: ৪৫ − ৩২ = ১৩ এবং ৫৮ − ৪৫ = ১৩, দুটি মেলে।
শর্টকাট: সংখ্যাটি দুই সংখ্যার ঠিক মাঝখানে থাকে, তাই মধ্যবিন্দু (৩২ + ৫৮)/২ = ৪৫।
মনে রাখুন: ‘যত বেশি তত কম’ ধরনের প্রশ্নে সংখ্যাটি সবসময় দুই প্রান্তের গড় হয়। যেমন ১০ থেকে যত বেশি ২০ হতে তত কম হলে সংখ্যা (১০ + ২০)/২ = ১৫। - ৮৩. একটি ঘনকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল ৭২৬ বর্গমিটার হলে এর আয়তন কত ঘনমিটার?
- ক. ১৩০০
- খ. ১৩৩১
- গ. ১৪৫২
- ঘ. ১৫৪২
উত্তর: খ. ১৩৩১
ঘনকের (Cube) ছয়টি তল সমান বর্গাকার, তাই এর পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল 6a², যেখানে a হলো একটি ধারের দৈর্ঘ্য। শর্ত অনুযায়ী 6a² = 726, অতএব a² = 726 ÷ 6 = 121 এবং a = 11 মিটার। ঘনকের আয়তন a³ = 11³ = 1331 ঘনমিটার। যাচাই: 6 × 11² = 6 × 121 = 726, যা প্রশ্নের তথ্যের সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন:
ঘনকের কর্ণ = a√3, আর প্রতিটি তলের কর্ণ = a√2।
ঘনকের আয়তন = a³, সমগ্র পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = 6a²।
ঘনকের ধার ১২টি এবং শীর্ষবিন্দু ৮টি।
শর্টকাট: ক্ষেত্রফল ৬ দিয়ে ভাগ করে বর্গমূল নিলেই ধার পাওয়া যায়। - ৮৬. একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য 6 ফুট ও 10 ফুট এবং সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব 5 ফুট। ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল কত বর্গফুট?
- ক. 100
- খ. 660
- গ. 40
- ঘ. 36
উত্তর: গ. 40
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ½ × (সমান্তরাল বাহু দুটির যোগফল) × (বাহু দুটির মধ্যবর্তী দূরত্ব বা উচ্চতা)। এখানে সমান্তরাল বাহু 6 ফুট ও 10 ফুট, উচ্চতা 5 ফুট। অতএব ক্ষেত্রফল = ½ × (6 + 10) × 5 = ½ × 16 × 5 = 40 বর্গফুট। সূত্রটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো, ট্রাপিজিয়ামের দুই সমান্তরাল বাহুর গড়কে উচ্চতা দিয়ে গুণ করা, কারণ গড়টি একটি আয়তের প্রস্থের মতো কাজ করে।
মনে রাখুন:
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = গড় সমান্তরাল বাহু × উচ্চতা, এখানে গড় = (6 + 10)/2 = 8, আর 8 × 5 = 40।
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা, ত্রিভুজের = ½ × ভূমি × উচ্চতা। - ৮৯. দুটি গোলকের ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩ : ২ হলে তাদের আয়তনের অনুপাত কত?
- ক. ৯ : ৮
- খ. ১২ : ৪
- গ. ২৭ : ৪
- ঘ. ২৭ : ৮
উত্তর: ঘ. ২৭ : ৮
গোলকের আয়তন = (4/3)πr³। এখানে 4/3 ও π দুটিই ধ্রুবক, তাই দুটি গোলকের আয়তনের অনুপাত ব্যাসার্ধের ঘনের অনুপাতের সমান। ব্যাসার্ধের অনুপাত 3 : 2 হলে আয়তনের অনুপাত 3³ : 2³ = 27 : 8। যাচাই করতে চাইলে ধরা যায়, ব্যাসার্ধ 3 ও 2 একক। তখন আয়তন যথাক্রমে (4/3)π × 27 = 36π এবং (4/3)π × 8 = 32π/3, যাদের অনুপাত 27 : 8।
মনে রাখুন:
ব্যাসার্ধের অনুপাত a : b হলে পৃষ্ঠতলের (ক্ষেত্রফলের) অনুপাত a² : b² এবং আয়তনের অনুপাত a³ : b³।
গোলকের পৃষ্ঠতল = 4πr²।
ব্যাসের অনুপাতও ব্যাসার্ধের অনুপাতের সমান। - ৯৪. একটি বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য 5 ফুট হলে, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
- ক. 25 বর্গফুট
- খ. 50 বর্গফুট
- গ. 75 বর্গফুট
- ঘ. 100 বর্গফুট
উত্তর: খ. 50 বর্গফুট
বর্গক্ষেত্রের বাহু 5 ফুট হলে কর্ণ = √(5² + 5²) = √50 ফুট, যা পিথাগোরাসের সূত্র থেকে পাওয়া যায়। কর্ণের ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের বাহু √50, তাই এর ক্ষেত্রফল = (√50)² = 50 বর্গফুট। মূল বর্গের ক্ষেত্রফল ছিল 25 বর্গফুট, অর্থাৎ নতুন বর্গটি এর ঠিক দ্বিগুণ।
শর্টকাট: যেকোনো বর্গের কর্ণের ওপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল সবসময় মূল বর্গের দ্বিগুণ। এখানে 2 × 25 = 50।
মনে রাখুন:
বাহু a হলে কর্ণ = a√2।
এখানে কর্ণ 5√2 = √50 ফুট।
বর্গের ক্ষেত্রফল = a², পরিসীমা = 4a।
বিজ্ঞান
- ১২. অল্টিমিটার কী?
- ক. তাপ পরিমাপক যন্ত্র
- খ. উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র
- গ. গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র
- ঘ. উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
উত্তর: ঘ. উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
উড়োজাহাজ বা পর্বতারোহী কত উঁচুতে আছেন তা মাপার যন্ত্রের নাম অল্টিমিটার (Altimeter), অর্থাৎ এটি উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র। উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপ কমে, এই সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে সাধারণ অল্টিমিটার চাপ মেপে উচ্চতা দেখায়। অন্য যন্ত্রগুলোর কাজ আলাদা। থার্মোমিটার তাপমাত্রা মাপে, ক্যালরিমিটার তাপের পরিমাণ মাপে, আর ম্যানোমিটার দিয়ে গ্যাসের চাপ মাপা হয়। বিকল্পের মধ্যে তাপ ও উষ্ণতা, এই দুটি আলাদা রাশি, তাই তাপ পরিমাপক ও উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র একই নয়।
মনে রাখুন:
বায়ুচাপ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার।
বায়ুর আর্দ্রতা মাপে হাইগ্রোমিটার, ভূমিকম্পের তীব্রতা রেকর্ড করে সিসমোগ্রাফ। - ৩৪. SMOG কী?
- ক. সিগারেটের ধোঁয়া
- খ. কুয়াশা
- গ. দূষিত বাতাস
- ঘ. শিশির
উত্তর: গ. দূষিত বাতাস
স্মগ (SMOG) শব্দটি এসেছে ইংরেজি Smoke (ধোঁয়া) ও Fog (কুয়াশা) শব্দ দুটি জুড়ে। শীতকালে ঠান্ডা বাতাস যখন ভূপৃষ্ঠের কাছে আটকে থাকে, তখন কারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া ওপরে উঠে ছড়াতে পারে না। সেই ধোঁয়া কুয়াশার জলকণার সঙ্গে মিশে ঘন, বিষাক্ত ও দূষিত বাতাসের একটি স্তর তৈরি করে, যাকে স্মগ বলে। এই বাতাস শ্বাস নিলে চোখ জ্বালা করে, কাশি হয় এবং হাঁপানির রোগীর কষ্ট বাড়ে। শুধু সিগারেটের ধোঁয়া বা কুয়াশা বা শিশিরকে স্মগ বলা যায় না, কারণ স্মগে দূষণকারী পদার্থ থাকাই এর মূল বৈশিষ্ট্য।
মনে রাখুন:
১৯৫২ সালে লন্ডনে ভয়াবহ স্মগে হাজার হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল।
গাড়ির ধোঁয়ার সঙ্গে সূর্যের আলোর বিক্রিয়ায় যে স্মগ হয়, তাকে আলোক-রাসায়নিক স্মগ বলে। - ৩৯. লোহিত রক্ত কণিকার জীবনকাল কত দিন?
- ক. ৬০ দিন
- খ. ৯০ দিন
- গ. ১০০ দিন
- ঘ. ১২০ দিন
উত্তর: ঘ. ১২০ দিন
আমাদের রক্তের লোহিত কণিকা (Red Blood Cell) অস্থিমজ্জায় তৈরি হয়। পরিণত লোহিত কণিকায় কোনো নিউক্লিয়াস থাকে না, তাই এটি নিজেকে ভাগ করে নতুন কোষ তৈরি করতে পারে না। কাজ করতে করতে এক সময় কণিকা জীর্ণ হয়ে যায়। সাধারণত লোহিত কণিকার জীবনকাল প্রায় ১২০ দিন, অর্থাৎ প্রায় চার মাস। জীবনকাল শেষ হলে প্লীহা ও যকৃতে এগুলো ভেঙে ফেলা হয়, আর অস্থিমজ্জা নতুন কণিকা জোগান দেয়। এ কারণে মানুষের রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা মোটামুটি স্থির থাকে।
মনে রাখুন:
লোহিত কণিকার প্রধান কাজ হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে অক্সিজেন পরিবহন।
শ্বেত রক্তকণিকার প্রধান কাজ জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করা।
অণুচক্রিকার কাজ রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা। - ৭১. পারমাণবিক বোমা তৈরি হয় নিচের কোন ধাতু দিয়ে?
- ক. রেডিয়াম
- খ. ইউরেনিয়াম
- গ. সোডিয়াম
- ঘ. পটাসিয়াম
উত্তর: খ. ইউরেনিয়াম
পারমাণবিক বোমা তৈরিতে নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear Fission) বিক্রিয়া কাজে লাগানো হয়। এই বিক্রিয়ায় একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে একটি নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে সেটি ভেঙে দুটি হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড পরিমাণে শক্তি বের হয় এবং আরও নিউট্রন ছিটকে এসে পরপর আরও পরমাণু ভেঙে দেয়। এভাবে শৃঙ্খল বিক্রিয়া চলতে থাকে। ইউরেনিয়াম-২৩৫ আইসোটোপ এই কাজে প্রধান পদার্থ। সোডিয়াম ও পটাসিয়াম হালকা ধাতু, আর রেডিয়াম তেজস্ক্রিয় হলেও বোমা তৈরির কাজে লাগে না।
মনে রাখুন:
১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায় ইউরেনিয়াম বোমা এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে প্লুটোনিয়াম বোমা ফেলা হয়।
হাইড্রোজেন বোমা নিউক্লিয়ার ফিউশনের নীতিতে কাজ করে। - ৮৮. CFC গ্যাস কী?
- ক. ক্লোরোফ্লুরোকার্বন
- খ. কমপ্রেসড ফ্লুরোকার্বন
- গ. কমন ফ্লুরোকার্বন
- ঘ. ক্লোরোফেরিক কার্বন
উত্তর: ক. ক্লোরোফ্লুরোকার্বন
CFC-এর পূর্ণরূপ ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (Chlorofluorocarbon)। এটি ক্লোরিন, ফ্লোরিন ও কার্বন দিয়ে গঠিত একধরনের যৌগ। একসময় রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারের শীতলকারক হিসেবে এবং অ্যারোসল স্প্রেতে এর ব্যাপক ব্যবহার ছিল। বায়ুমণ্ডলের ওপরের দিকে গেলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মিতে CFC ভেঙে ক্লোরিন পরমাণু ছেড়ে দেয়। এই ক্লোরিন ওজোন স্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, ফলে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি সহজে পৃথিবীতে পৌঁছায়। CFC একটি গ্রিনহাউস গ্যাসও, তাই ধরিত্রীর উষ্ণতা বাড়াতেও এর ভূমিকা আছে।
মনে রাখুন:
১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল প্রোটোকলে CFC ব্যবহার কমানোর চুক্তি হয়।
প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প।
ওজোন স্তর ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটার উচ্চতায় স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে থাকে। - ৯২. কোনটি মৌলিক পদার্থ?
- ক. চিনি
- খ. নিয়ন
- গ. লবণ
- ঘ. পানি
উত্তর: খ. নিয়ন
যে পদার্থকে রাসায়নিক পদ্ধতিতে ভেঙে আর সরল কোনো পদার্থে ভাগ করা যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ (Element) বলে। এর সব পরমাণু একই ধরনের। নিয়ন (Ne) একটি মৌলিক পদার্থ, এটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, আর বিজ্ঞাপনের নিয়ন বাতিতে এই গ্যাস ব্যবহার করা হয়। অন্য তিনটি পদার্থ যৌগ, কারণ এদের প্রত্যেকটিতে একাধিক মৌলের পরমাণু নির্দিষ্ট অনুপাতে যুক্ত আছে। চিনির সংকেত C₁₂H₂₂O₁₁ (কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন), খাবার লবণ NaCl (সোডিয়াম ও ক্লোরিন), আর পানি H₂O (হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন)।
মনে রাখুন:
নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা মহাগ্যাস: হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন, রেডন।
এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌলের সংখ্যা ১১৮।
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন