জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) হোম ইকোনমিস্ট নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। ৯৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →- ইংরেজি (২০)
- বিজ্ঞান (১৮)
- বাংলাদেশ (৯)
- বাংলা (১৯)
- আন্তর্জাতিক (৮)
- গণিত (২০)
- কম্পিউটার ও আইসিটি (১)
- মানসিক দক্ষতা (১)
ইংরেজি
- ১. Unless someone helps us we will be done—. The right word for the gap is—
- ক. over
- খ. for
- গ. off
- ঘ. with
উত্তর: খ. for
‘Be done for’ একটি idiom, যার অর্থ ধ্বংস হয়ে যাওয়া বা ভীষণ বিপদে পড়া। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, কেউ সাহায্য না করলে আমরা শেষ। বাকি অপশনগুলোর মধ্যে ‘done over’ ও ‘done off’ এই অর্থে প্রচলিত নয়। আর ‘done with’ বসালে অর্থ হয় কাজ শেষ করা, যা বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন:
Be done with মানে কোনো কাজ শেষ করা।
যেমন: I am done with my homework.
Be done for মানে বিপদে বা সর্বনাশের মুখে পড়া। - ২. The old man died penniless. Here the underlined word is a/an—
- ক. adverb
- খ. adjective
- গ. noun
- ঘ. preposition
উত্তর: খ. adjective
The old man died penniless বাক্যে penniless শব্দটি কপর্দকহীন অবস্থা বোঝায়। বৃদ্ধ লোকটি মারা গেলেন কেমন অবস্থায়, সেটি এটি বলছে। অর্থাৎ শব্দটি subject (the old man)-এর অবস্থা জানাচ্ছে, তাই এটি adjective। Adverb হলে এটি verb died-কে বর্ণনা করত, যেমন died peacefully। কিন্তু -less অংশ যুক্ত শব্দ সাধারণত adjective হয়, noun-এর অবস্থা বোঝায়।
মনে রাখুন:
Penny + less = penniless।
এভাবে -less প্রত্যয় যোগ করে adjective হয়: helpless, homeless, hopeless।
উদাহরণ: He felt hopeless. - ৬. Which one is a masculine gender?
- ক. cow
- খ. ox
- গ. bitch
- ঘ. hen
উত্তর: খ. ox
Ox ষাঁড়কে বোঝায়, তাই এটি masculine gender। Cow, bitch ও hen তিনটিই feminine। প্রতিটির পুরুষবাচক রূপ আলাদা: cow-এর পুরুষ রূপ bull, bitch-এর dog এবং hen-এর cock। ইংরেজিতে অনেক প্রাণীর পুরুষ ও স্ত্রী রূপ সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দে প্রকাশ হয়, তাই এগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
masculine – feminine: horse – mare, boar – sow, lion – lioness।
bull – cow, dog – bitch, cock – hen। - ৭. The plural form of 'criterion' is—
- ক. criteria
- খ. criterions
- গ. criteriones
- ঘ. criterias
উত্তর: ক. criteria
Criterion শব্দের অর্থ মাপকাঠি বা বিচারের মানদণ্ড। শব্দটি গ্রিক উৎস থেকে ইংরেজিতে এসেছে। এর plural criteria। শেষের -on বদলে -a বসিয়ে plural করার নিয়মে চলে এমন শব্দের মধ্যে এটি পড়ে। Criterions, criteriones বা criterias ইংরেজিতে চলে না। কোনো কোনো আধুনিক ব্যবহারে criterions দেখা গেলেও পরীক্ষায় সঠিক রূপ criteria।
মনে রাখুন:
phenomenon – phenomena
stimulus – stimuli
basis – bases
curriculum – curricula - ১৫. Instead of ‘tolerate’ we can say—
- ক. bear up
- খ. bear on
- গ. bear in
- ঘ. bear with
উত্তর: ঘ. bear with
Tolerate মানে সহ্য করা বা ধৈর্য ধরে মেনে নেওয়া। Bear with-এর অর্থও কারও আচরণ বা অসুবিধা ধৈর্যের সঙ্গে সহ্য করা, তাই এটি tolerate-এর বদলে চলে। বাকি phrasal verb-গুলোর অর্থ আলাদা: bear up মানে সাহস না হারানো, আর bear on মানে সম্পর্ক থাকা। Bear in সাধারণ ব্যবহারে এ অর্থ দেয় না।
মনে রাখুন:
Put up with-ও tolerate-এর সমার্থক phrasal verb।
Bear in mind মানে মনে রাখা।
উদাহরণ: Please bear with me for a moment. - ২২. We watched as the sun went down. Here 'down' is used as a/an—
- ক. adjective
- খ. adverb
- গ. preposition
- ঘ. noun
উত্তর: খ. adverb
‘We watched as the sun went down’ বাক্যে went হলো verb আর down দেখাচ্ছে সূর্যটি কীভাবে বা কোন দিকে গেল। যে শব্দ verb-এর অর্থ বিস্তৃত করে তা adverb। এখানে down-এর পরে কোনো noun বা pronoun নেই, তাই এটি preposition নয়। Adjective হলে এটি কোনো noun-কে বর্ণনা করত, কিন্তু এখানে তেমন কিছু নেই।
মনে রাখুন:
Preposition-এর পরে সবসময় একটি object থাকে।
যেমন: He ran down the road-এ down একটি preposition।
উদাহরণ: The price went down. (down = adverb) - ২৩. 'The Tempest' by Shakespeare is a—
- ক. novel
- খ. drama
- গ. epic
- ঘ. book of poetry
উত্তর: খ. drama
‘The Tempest’ উইলিয়াম শেক্সপিয়রের একটি নাটক, অর্থাৎ drama। এটি তাঁর শেষ দিকের রচনা। কাহিনিতে নির্বাসিত দ্বীপবাসী প্রস্পেরোর জাদু ও প্রতিশোধ নিয়ে সংঘাত আর ক্ষমার গল্প আছে। এটি উপন্যাস, মহাকাব্য বা কবিতার সংকলন নয়। শেক্সপিয়রের নাটকগুলোকে সাধারণত ট্র্যাজেডি, কমেডি ও ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে ভাগ করা হয়।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়রের অন্য নাটক Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth।
এই চারটি তাঁর বিখ্যাত ট্র্যাজেডি।
The Tempest সাধারণত রোম্যান্স নামে পরিচিত নাটকের ধারায় পড়ে। - ২৫. What is the noun form of the word 'successful'?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৬
- ক. successive
- খ. successfully
- গ. succeed
- ঘ. success
উত্তর: ঘ. success
Successful শব্দটি adjective, যার অর্থ সফল। এর noun রূপ success, অর্থ সাফল্য। অন্য অপশনগুলো আলাদা শ্রেণির শব্দ। Successive বিশেষণ, মানে পরপর আসা। Successfully ক্রিয়াবিশেষণ। Succeed ক্রিয়া, মানে সফল হওয়া। এভাবে একটি মূল শব্দ থেকে noun, verb, adjective ও adverb আলাদা আলাদা রূপে তৈরি হয়।
মনে রাখুন:
Succeed → success → successful → successfully।
শব্দ-পরিবারের চারটি রূপ একসঙ্গে মনে রাখা ভালো। - ৩৮. Choose the correct option : I don't know— book it is.
- ক. Who's
- খ. Who
- গ. Whom
- ঘ. Whose
উত্তর: ঘ. Whose
‘I don’t know whose book it is’ বাক্যে book কার, সেই মালিকানা বোঝানো হচ্ছে। মালিকানা বা সম্পর্ক বোঝাতে whose বসে। Who’s মানে who is বা who has, আর whom কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। Who শুধু কর্তা হিসেবে বসে। তাই এখানে whose ঠিক।
মনে রাখুন:
Whose ও who’s উচ্চারণে এক হলেও বানান ও অর্থে আলাদা।
Who’s = who is, whose = কার।
উদাহরণ: Whose pen is this? - ৫০. The passive form of 'We called him a fool' is—
- ক. He had been called a fool by us.
- খ. He was called a fool by us.
- গ. He is called a fool by us.
- ঘ. He has been called a fool by us.
উত্তর: খ. He was called a fool by us.
‘We called him a fool’ বাক্যে him হলো object, আর a fool তার সম্পূরক। Past Indefinite Tense-এর passive-এ object subject হয়ে বসে, তারপর was/were এবং verb-এর past participle আসে। তাই ‘He was called a fool by us’। সম্পূরক a fool আগের মতোই থাকে। বাকি অপশনগুলোতে Past Perfect বা Present Perfect বসেছে, যা মূল বাক্যের কালের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন: Past Indefinite-এর passive গঠন: Subject + was/were + past participle + by + object।
উদাহরণ: They elected him captain. = He was elected captain. - ৫২. The handwriting which cannot be clearly read is—
- ক. eligible
- খ. illegible
- গ. illigible
- ঘ. legible
উত্তর: খ. illegible
যে হাতের লেখা পরিষ্কার পড়া যায় না, তাকে illegible বলে। এর বিপরীত legible, যার অর্থ পাঠযোগ্য। Eligible শব্দের অর্থ যোগ্য, আর illigible নামে কোনো শুদ্ধ শব্দ নেই। Il- উপসর্গ l দিয়ে শুরু শব্দের আগে ‘না’ অর্থে বসে, তাই il + legible = illegible।
মনে রাখুন:
Illegible ও eligible দেখতে কাছাকাছি হলেও অর্থ ভিন্ন।
Legible – illegible (পাঠযোগ্য – অপাঠ্য)।
আরও কিছু শব্দ: illegal, illogical। - ৫৪. Morality is dying — gradually.
- ক. down
- খ. by
- গ. out
- ঘ. for
উত্তর: গ. out
Die out মানে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া। নৈতিকতা ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে, অর্থাৎ হারিয়ে যাচ্ছে, তাই এখানে die out বসে। Die down মানে স্তিমিত হওয়া, যেমন ঝড় বা শব্দ কমে যাওয়া। Die for মানে কারও জন্য বা কিছুর জন্য প্রাণ দেওয়া। আর ‘die by’ এ অর্থে প্রচলিত নয়।
মনে রাখুন:
Die of মানে রোগ বা কারণে মরা। যেমন: He died of cancer.
Die out-এর উদাহরণ: Dinosaurs died out millions of years ago. - ৫৮. 'Fed' is the past form of the verb—আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. food
- খ. feed
- গ. feud
- ঘ. find
উত্তর: খ. feed
Feed মানে খাওয়ানো। এর রূপ feed – fed – fed। তাই fed শব্দ feed ক্রিয়ার past form। বাকি অপশনগুলো মেলে না। Food একটি noun, মানে খাবার। Find ক্রিয়ার past form found, অর্থাৎ find – found – found। আর feud হলো noun, মানে দীর্ঘস্থায়ী শত্রুতা।
মনে রাখুন:
একই ধরনের রূপ: lead – led – led, read – read – read।
উদাহরণ: She fed the baby with a spoon. - ৫৯. The door opened automatically. The verb in the sentence is—
- ক. intransitive
- খ. transitive
- গ. linking
- ঘ. modal
উত্তর: ক. intransitive
‘The door opened automatically’ বাক্যে opened ক্রিয়াটির কোনো object নেই। যে ক্রিয়ার object লাগে না এবং কাজ নিজেই সম্পূর্ণ হয়, তাকে intransitive verb বলে। এখানে দরজা নিজে নিজেই খুলেছে, কাউকে কিছু খোলেনি। Automatically একটি adverb, যা ক্রিয়ার ধরন বলছে। Linking verb অবস্থা বা পরিচয় যুক্ত করে (is, seems), আর modal verb হলো can, may-এর মতো সহায়ক ক্রিয়া।
মনে রাখুন:
সেই verb-ই transitive হয় যার object থাকে।
যেমন: He opened the door.-এ opened transitive। - ৭১. We had better — the schedule of the examination.
- ক. checked
- খ. checking
- গ. to check
- ঘ. check
উত্তর: ঘ. check
Had better একটি modal-এর মতো প্রকাশ, যা পরামর্শ বোঝায়। এর পরে সবসময় to ছাড়া verb-এর base form বসে। তাই ‘We had better check the schedule of the examination’। Checked বা checking বসানো ভুল, আর ‘to check’ বসলে to-সহ infinitive হয়ে যায়, যা had better-এর সঙ্গে চলে না।
মনে রাখুন:
Would rather, can, may, must ও let-এর পরেও to ছাড়া base verb বসে।
উদাহরণ: You had better see a doctor. - ৭৪. The idiom 'a piece of cake' means—
- ক. a thing that is very easy to do
- খ. a slice of cake
- গ. an experienced person
- ঘ. valueless act
উত্তর: ক. a thing that is very easy to do
‘A piece of cake’ একটি idiom, যার অর্থ খুব সহজ কাজ। যেমন ‘The exam was a piece of cake’ মানে পরীক্ষাটি পানির মতো সহজ ছিল। এর আক্ষরিক অর্থ কেকের টুকরো হলেও idiom হিসেবে অর্থ আলাদা। তাই slice of cake বা valueless act উত্তর নয়। Experienced person বোঝাতে ‘old hand’ জাতীয় প্রকাশ ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
একই অর্থের আরেকটি idiom as easy as ABC।
উদাহরণ: Don’t worry, the task is a piece of cake. - ৮৪. The antonym for the word 'delete' is—
- ক. insert
- খ. acquit
- গ. contract
- ঘ. overt
উত্তর: ক. insert
Delete মানে মুছে ফেলা বা বাদ দেওয়া। এর বিপরীত অর্থ হলো কিছু যোগ করা বা ঢোকানো, অর্থাৎ insert। বাকি শব্দগুলোর অর্থ: acquit (মুক্তি দেওয়া), contract (চুক্তি বা সংকুচিত হওয়া), overt (প্রকাশ্য)। এগুলোর কোনোটিই delete-এর উল্টো অর্থ দেয় না।
মনে রাখুন:
Delete-এর সমার্থক erase, remove।
Insert-এর সমার্থক add, include।
উদাহরণ: Please delete the file and insert a new one. - ৮৬. The study of human race is—
- ক. anatomy
- খ. anthropology
- গ. physiology
- ঘ. biology
উত্তর: খ. anthropology
মানবজাতির উৎপত্তি, বিবর্তন, সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে যে বিজ্ঞান, তাকে anthropology বা নৃবিজ্ঞান বলে। Anatomy মানে দেহের গঠন বিদ্যা, physiology মানে দেহের কাজ নিয়ে বিজ্ঞান, আর biology মানে জীববিদ্যা। এই চারটির মধ্যে কেবল anthropology-ই মানুষের জাতি ও সংস্কৃতির পাঠ।
মনে রাখুন:
Sociology: সমাজবিজ্ঞান
Archaeology: প্রত্নতত্ত্ব
Zoology: প্রাণিবিজ্ঞান
Ethnology: জাতিতত্ত্ব - ৮৭. The word 'hospitality' is related to—আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. patient
- খ. pathology
- গ. enjoyment
- ঘ. entertainment
উত্তর: ঘ. entertainment
Hospitality মানে আতিথেয়তা, অর্থাৎ অতিথিকে আপ্যায়ন করা এবং তার যত্ন নেওয়া। এ কারণে entertainment (আপ্যায়ন, সমাদর) শব্দটি অর্থে সবচেয়ে কাছের। Patient (রোগী) ও pathology (রোগবিদ্যা) hospital শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও hospitality-র অর্থ তা নয়। আর enjoyment মানে আনন্দ উপভোগ, যা অতিথি আপ্যায়নের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নয়।
মনে রাখুন:
Hospitality ও hospital একই ল্যাটিন শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ অতিথি।
তবে বর্তমান অর্থ আলাদা।
উদাহরণ: We were touched by their warm hospitality. - ৯১. An 'oncologist' is one who treats—
- ক. diseases of kidney
- খ. diseases of stomach
- গ. diseases of the eye
- ঘ. cancer
উত্তর: ঘ. cancer
Oncologist হলেন ক্যানসারের চিকিৎসক। Oncology শব্দের অর্থ ক্যানসার নিয়ে চিকিৎসাশাস্ত্র। বাকি বিশেষজ্ঞদের পরিচয়: nephrologist কিডনি রোগের চিকিৎসক, gastroenterologist পাকস্থলী ও অন্ত্রের রোগের চিকিৎসক, আর ophthalmologist চোখের চিকিৎসক।
মনে রাখুন:
Cardiologist: হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ
Neurologist: স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ
Dermatologist: চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ
বিজ্ঞান
- ৩. যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে তাকে কী বলে?
- ক. জারক
- খ. বিজারক
- গ. ক্ষারক
- ঘ. ক্ষারিত
উত্তর: খ. বিজারক
রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে পদার্থ ইলেকট্রন দান করে, সে নিজে জারিত (Oxidised) হয় আর অন্যকে বিজারিত করে, তাই তাকে বিজারক (Reducing Agent) বলে। উল্টো দিকে যে পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করে, সে জারক (Oxidising Agent)। জারক নিজে বিজারিত হয় এবং অন্যকে জারিত করে। ক্ষারক বা ক্ষারিত শব্দ দুটি ইলেকট্রন লেনদেনের নাম নয়।
উদাহরণ: Zn + Cu²⁺ → Zn²⁺ + Cu। এখানে Zn ইলেকট্রন দেয়, তাই সে বিজারক।
মনে রাখুন:
জারণ মানে ইলেকট্রন ত্যাগ।
বিজারণ মানে ইলেকট্রন গ্রহণ।
একসঙ্গে ঘটে বলে একে রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া বলে। - ৯. কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস?
- ক. তেল
- খ. সমুদ্রের ঢেউ
- গ. গ্যাস
- ঘ. কয়লা
উত্তর: খ. সমুদ্রের ঢেউ
যে শক্তির উৎস ব্যবহার করলেও শেষ হয় না এবং প্রকৃতিতে বারবার ফিরে আসে, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy) বলে। সমুদ্রের ঢেউ বাতাসের কারণে সারাক্ষণ তৈরি হচ্ছে, তাই এর শক্তি নবায়নযোগ্য। অন্যদিকে তেল, গ্যাস ও কয়লা মাটির নিচে কোটি কোটি বছরে তৈরি হয়েছে, একবার ফুরিয়ে গেলে আর ফিরে আসে না। এগুলো অনবায়নযোগ্য।
মনে রাখুন:
নবায়নযোগ্য উৎস: সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, জোয়ার-ভাটা, ভূতাপীয় শক্তি, বায়োমাস।
অনবায়নযোগ্য উৎস: কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম)। - ১৩. একটি সিস্টোল ও একটি ডায়াস্টোলের সমন্বয়ে একটি হৃৎস্পন্দন সম্পন্ন করতে সময় লাগে-
- ক. ০.৫ সেকেন্ড
- খ. ০.৮ সেকেন্ড
- গ. ০.২ সেকেন্ড
- ঘ. ০.৪ সেকেন্ড
উত্তর: খ. ০.৮ সেকেন্ড
একজন সুস্থ মানুষের হৃৎপিণ্ড মিনিটে প্রায় ৭২ বার স্পন্দিত হয়, তাই একটি হৃৎচক্রে সময় লাগে ৬০ ÷ ৭২ ≈ ০.৮ সেকেন্ড। এর মধ্যে সংকোচন (সিস্টোল) ও প্রসারণ (ডায়াস্টোল) দুটোই ঘটে। - ১৪. কোনটিকে চুম্বকে পরিণত করা যায়?
- ক. তামা
- খ. ইস্পাত
- গ. পিতল
- ঘ. স্বর্ণ
উত্তর: খ. ইস্পাত
লোহা, নিকেল, কোবাল্ট এবং এদের সংকর ধাতু (যেমন ইস্পাত) চৌম্বক পদার্থ, কারণ এদের ভেতরের ক্ষুদ্র চৌম্বক অংশগুলোকে একই দিকে সাজানো যায়। ইস্পাতকে কোনো চুম্বকের সংস্পর্শে বা কুণ্ডলীর ভেতর রেখে বিদ্যুৎ চালালে সেটি চুম্বকে পরিণত হয় এবং বহুদিন সেই ধর্ম ধরে রাখে। তামা, পিতল ও স্বর্ণ অচৌম্বক পদার্থ, তাই এদের চুম্বকে পরিণত করা যায় না।
মনে রাখুন:
নরম লোহা সহজে চুম্বকিত হয়, কিন্তু সহজেই চৌম্বকত্ব হারায়, তাই এটি অস্থায়ী চুম্বকের কাজে লাগে।
স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ইস্পাত ব্যবহার হয়। - ১৮. নিচের কোনটি কিডনির কার্যকরী একক?
- ক. নিউরন
- খ. নেফ্রন
- গ. গ্লুকোজ
- ঘ. মেজর ক্যালিস
উত্তর: খ. নেফ্রন
বৃক্ক বা কিডনি রক্ত ছেঁকে বর্জ্য বের করে মূত্র তৈরি করে। এর ভেতরে অসংখ্য ছোট ছোট নল-আকৃতির গঠন আছে, যার নাম নেফ্রন (Nephron)। প্রতিটি নেফ্রনে রক্ত পরিশোধনের পুরো কাজটি হয়, তাই নেফ্রনকে কিডনির গাঠনিক ও কার্যকরী একক বলা হয়। নিউরন স্নায়ুতন্ত্রের একক, আর গ্লুকোজ একটি শর্করা।
মনে রাখুন:
প্রতিটি বৃক্কে প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ নেফ্রন থাকে।
নেফ্রনের প্রধান অংশ গ্লোমেরুলাস, বোম্যান্স ক্যাপসুল ও নালিকা।
মেজর ক্যালিস কিডনির ভেতরের একটি অংশ, একক নয়। - ২৬. জিকা ভাইরাস ছড়ায় কীসের মাধ্যমে?
- ক. মশা
- খ. মাছি
- গ. পানি
- ঘ. বাতাস
উত্তর: ক. মশা
জিকা ভাইরাস (Zika Virus) সংক্রমিত এডিস (Aedes) মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের দেহে ছড়ায়। এই মশা ডেঙ্গু ও পীতজ্বর ছড়ানোর জন্যও দায়ী। মাছি, পানি বা বাতাস এর স্বাভাবিক বাহক নয়। ১৯৪৭ সালে উগান্ডার জিকা অরণ্যে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয়, সেখান থেকেই এর নাম। গর্ভবতী নারী আক্রান্ত হলে নবজাতকের মাথা ছোট হওয়ার (মাইক্রোসেফালি) ঝুঁকি থাকে।
মনে রাখুন:
ম্যালেরিয়া ছড়ায় অ্যানোফিলিস মশা।
ফাইলেরিয়া ছড়ায় কিউলেক্স মশা। - ৩০. সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ জাতীয় খাদ্যের অনুপাত হলো-
- ক. ৫: ২: ১
- খ. ৪: ৩: ২
- গ. ২: ১: ৩
- ঘ. ৪: ১: ১
উত্তর: ঘ. ৪: ১: ১
সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহের অনুপাত সাধারণত ৪ : ১ : ১ ধরা হয়। অর্থাৎ শক্তির বড় অংশ আসে শর্করা থেকে। - ৪০. পানি নিরপেক্ষ হলে pH-এর মান হবে—
- ক. ৭
- খ. ৮
- গ. ৯
- ঘ. ৬
উত্তর: ক. ৭
pH স্কেল পানির দ্রবণ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা মাপে। বিশুদ্ধ পানিতে হাইড্রোজেন আয়ন (H⁺) ও হাইড্রক্সাইড আয়ন (OH⁻) সমান সংখ্যায় থাকে, প্রতিটির ঘনমাত্রা 10⁻⁷ mol/L (25°C তাপমাত্রায়)। এ কারণে পানি নিরপেক্ষ এবং এর pH = 7। pH 7-এর কম হলে দ্রবণ অম্লীয়, বেশি হলে ক্ষারীয়।
মনে রাখুন:
pH স্কেলের পরিসর 0 থেকে 14।
পাকস্থলীর রস অম্লীয়, সাবানের দ্রবণ ক্ষারীয়।
pH = −log[H⁺]। - ৪৪. কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি?
- ক. শূন্য মাধ্যম
- খ. কঠিন মাধ্যম
- গ. বায়বীয় মাধ্যম
- ঘ. তরল মাধ্যম
উত্তর: খ. কঠিন মাধ্যম
শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, তাই এর চলার জন্য কণার মাধ্যম লাগে। মাধ্যমের কণাগুলো যত কাছাকাছি ও দৃঢ়ভাবে বাঁধা থাকে, কম্পন তত দ্রুত এক কণা থেকে অন্য কণায় পৌঁছায়। কঠিন পদার্থে কণা সবচেয়ে ঘন, তাই সেখানে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। সাধারণ হিসাবে বাতাসে বেগ প্রায় 332 m/s, পানিতে প্রায় 1450 m/s, আর ইস্পাতে প্রায় 5000 m/s। শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা নেই, তাই শব্দ চলতেই পারে না।
মনে রাখুন: শব্দের বেগের ক্রম কঠিন > তরল > গ্যাস। - ৪৯. ভারী পানি (Heavy Water)-এর সংকেত কোনটি?
- ক. H₂O₂
- খ. H₂O
- গ. HDO₂
- ঘ. D₂O
উত্তর: ঘ. D₂O
সাধারণ হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াসে শুধু একটি প্রোটন থাকে। কিন্তু এর আইসোটোপ ডিউটেরিয়ামে (Deuterium, D) একটি প্রোটনের সঙ্গে একটি নিউট্রনও থাকে, ফলে পরমাণুটি ভারী হয়। দুটি ডিউটেরিয়াম আর একটি অক্সিজেন মিলে যে পানি হয়, তার সংকেত D₂O। একে ভারী পানি (Heavy Water) বলে। H₂O₂ হলো হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, আর H₂O সাধারণ পানি।
মনে রাখুন:
ভারী পানির আণবিক ভর 20।
পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি কমাতে এটি ব্যবহৃত হয়। - ৫৭. স্বাভাবিক বয়স্ক লোকের চোখে স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব কত?
- ক. ২৫ সে.মি.
- খ. ৫০ সে.মি.
- গ. ১০ সে.মি.
- ঘ. ৫ সে.মি.
উত্তর: ক. ২৫ সে.মি.
সুস্থ চোখ খুব কাছের বস্তুকে স্পষ্ট দেখতে পারে না। আবার অনেক দূরের বস্তুও স্পষ্ট দেখা যায়। স্পষ্ট দেখার জন্য চোখ থেকে বস্তুর সর্বনিম্ন দূরত্ব ২৫ সেন্টিমিটার, যাকে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব বলা হয়। এর চেয়ে বেশি কাছে আনলে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়। দূরতম দূরত্ব অসীম ধরা হয়।
মনে রাখুন:
দৃষ্টিত্রুটি সারাতে হ্রস্বদৃষ্টিতে অবতল এবং দীর্ঘদৃষ্টিতে উত্তল লেন্স ব্যবহার হয়।
স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্বকে D অক্ষর দিয়ে লেখা হয়। - ৬০. ঘড়ির কাঁটার গতি কী রকম গতি?
- ক. রৈখিক
- খ. উপবৃত্তাকার
- গ. পর্যাবৃত্ত
- ঘ. স্পন্দন
উত্তর: গ. পর্যাবৃত্ত
কোনো বস্তু যদি নির্দিষ্ট সময় পরপর একই পথে একই দিকে নিজের অবস্থানে ফিরে আসে, তবে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি (Periodic Motion) বলে। ঘড়ির কাঁটা প্রতি ১২ ঘণ্টায় বা ১ ঘণ্টায় ঠিক একই জায়গায় ফিরে আসে, তাই এটি পর্যাবৃত্ত গতি। কাঁটা সামনে-পিছনে দোলে না, তাই এটি স্পন্দন গতি নয়।
উদাহরণ: পৃথিবীর নিজ অক্ষের চারদিকে ঘূর্ণন, সাইকেলের চাকা।
মনে রাখুন: দোলনা বা সরল দোলকের মতো গতি, যা মধ্যবিন্দুর দুই পাশে আসা-যাওয়া করে, তাকে স্পন্দন গতি বলে। - ৬৩. ভূ-পৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়—
- ক. কার্বন
- খ. নাইট্রোজেন
- গ. অক্সিজেন
- ঘ. হাইড্রোজেন
উত্তর: গ. অক্সিজেন
ভূত্বক বা ভূপৃষ্ঠের শিলা ও খনিজে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় অক্সিজেন, প্রায় ৪৬ শতাংশ। এর কারণ ভূত্বকের বেশিরভাগ খনিজ সিলিকেট ও অক্সাইডজাতীয়, যাদের মধ্যে অক্সিজেন মিশে আছে। কার্বন, নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন ভূত্বকে অনেক কম। নাইট্রোজেন সবচেয়ে বেশি বাতাসে, ভূত্বকে নয়।
মনে রাখুন:
ভূত্বকে অক্সিজেনের পরে সিলিকন (প্রায় ২৮ শতাংশ), তারপর অ্যালুমিনিয়াম।
ধাতুর মধ্যে ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি অ্যালুমিনিয়াম। - ৭৫. পৃথিবীর তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে—
- ক. ০.৫° সেলসিয়াস
- খ. ০.৬° সেলসিয়াস
- গ. ০.৭° সেলসিয়াস
- ঘ. ০.৮° সেলসিয়াস
উত্তর: ঘ. ০.৮° সেলসিয়াস
গত এক শতাব্দীতে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ছে, মূলত কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ গ্রিনহাউস গ্যাস বাড়ার কারণে। নাসার গোডার্ড ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজ (GISS)-এর পুরোনো প্রতিবেদনে গত ১০০ বছরে এই বৃদ্ধি প্রায় 0.8°C বলা হয়েছিল, তাই প্রশ্নের উত্তর এটিই।
হালনাগাদ: নাসার সাম্প্রতিক হিসাবে ১৮৮০ সালের তুলনায় বিশ্বের গড় তাপমাত্রা এখন ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বেড়েছে।
মনে রাখুন:
বাতাসে গ্রিনহাউস গ্যাস বাড়লে তাপ আটকে যায় এবং বিশ্ব উষ্ণ হয়।
উষ্ণতা বাড়লে মেরুর বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠ উঁচু হয়। - ৮১. নিচের কোনটি রাসায়নিক পরিবর্তন?
- ক. গলন
- খ. বাষ্পীভবন
- গ. সালোকসংশ্লেষণ
- ঘ. প্রস্বেদন
উত্তর: গ. সালোকসংশ্লেষণ
রাসায়নিক পরিবর্তনে মূল পদার্থ ভেঙে সম্পূর্ণ নতুন গুণসম্পন্ন পদার্থ তৈরি হয়। সালোকসংশ্লেষণে উদ্ভিদ সূর্যের আলোয় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে শর্করা ও অক্সিজেন তৈরি করে, অর্থাৎ নতুন পদার্থ জন্মায়। বিক্রিয়াটি: 6CO₂ + 6H₂O → C₆H₁₂O₆ + 6O₂। গলন ও বাষ্পীভবনে শুধু অবস্থার পরিবর্তন হয়, পদার্থ একই থাকে, তাই এগুলো ভৌত পরিবর্তন। প্রস্বেদনেও গাছ থেকে শুধু পানি বাষ্প হয়ে বের হয়।
উদাহরণ: লোহায় মরিচা পড়া, দুধ থেকে দই হওয়া, খাবার রান্না। - ৮৫. ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা সমান কত?
- ক. ৬.৩ মেগা জুল
- খ. ৩.৬ মেগা জুল
- গ. ৩.৫ মেগা জুল
- ঘ. ১ মেগা জুল
উত্তর: খ. ৩.৬ মেগা জুল
১ কিলোওয়াট মানে 1000 ওয়াট, আর ১ ঘণ্টা মানে 3600 সেকেন্ড। ওয়াট × সেকেন্ড = জুল, তাই 1 kWh = 1000 × 3600 = 3600000 J = 3.6 MJ। সুতরাং 1 kWh = 3.6 মেগা জুল।
মনে রাখুন:
১ মেগা জুল = 10⁶ জুল।
বিদ্যুৎ বিলে যে ‘ইউনিট’ লেখা থাকে, তা আসলে ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা।
ক্ষমতার একক ওয়াট, শক্তির একক জুল। - ৮৯. পৃথিবীর তলে কোনো বস্তুর ভর ১০ কিলোগ্রাম হলে বস্তুর ওজন হবে —
- ক. ৯৮ নিউটন
- খ. ৯.৮ নিউটন
- গ. ০.৯৮ নিউটন
- ঘ. ৯৮০ নিউটন
উত্তর: ক. ৯৮ নিউটন
ভর হলো বস্তুতে পদার্থের পরিমাণ, আর ওজন হলো সেই বস্তুর ওপর পৃথিবীর টান। ওজন বের করার সূত্র W = mg। এখানে m = 10 kg এবং g = 9.8 m/s², তাই W = 10 × 9.8 = 98 N। অর্থাৎ ওজন ৯৮ নিউটন। ৯.৮ নিউটন নিলে ভর ১ কেজি ধরা হতো, আর ৯৮০ নিউটন নিলে ভর ১০০ কেজি ধরা হতো।
মনে রাখুন:
ভরের একক কিলোগ্রাম, ওজনের একক নিউটন।
১ কিলোগ্রাম-ওজন = 9.8 N।
ভর সব জায়গায় একই থাকে, কিন্তু ওজন জায়গা ভেদে বদলায়। - ৯৩. মানুষের শ্রাব্যতার সীমা কত?
- ক. 20 Hz থেকে 200 Hz
- খ. 20 Hz থেকে 2000 Hz
- গ. 20 Hz থেকে 20000 Hz
- ঘ. 20 Hz থেকে 200000 Hz
উত্তর: গ. 20 Hz থেকে 20000 Hz
মানুষের কান সব কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায় না। সাধারণভাবে 20 Hz থেকে 20000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ আমরা শুনতে পাই, এই পরিসরকে শ্রাব্যতার সীমা বলে। 20 Hz-এর কম কম্পাঙ্কের শব্দকে অবশ্রুত শব্দ আর 20000 Hz-এর বেশি কম্পাঙ্কের শব্দকে শব্দোত্তর শব্দ (Ultrasound) বলা হয়। এই দুই ধরনের শব্দ আমরা শুনতে পাই না।
মনে রাখুন:
বাদুড় শব্দোত্তর শব্দ তৈরি করে ও শোনে।
চিকিৎসায় আলট্রাসনোগ্রাফিতে শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।
শব্দের একক হার্টজ (Hz)।
বাংলাদেশ
- ৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন?
- ক. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
- খ. শিল্প মন্ত্রণালয়
- গ. খাদ্য মন্ত্রণালয়
- ঘ. আইন মন্ত্রণালয়
উত্তর: ক. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা। ক্রেতারা ভেজাল পণ্য, ওজনে কম দেওয়া বা অতিরিক্ত দাম নেওয়ার মতো সমস্যায় পড়লে এই অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে পারেন। এটি ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের অধীনে কাজ করে। বাজারে অভিযান চালিয়ে দোষীদের জরিমানা করাও এর একটি বড় কাজ।
মনে রাখুন:
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ বাংলাদেশে ভোক্তাদের অধিকার রক্ষার মূল আইন।
বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ১৫ মার্চ। - ৮. কর্ণফুলী টানেল কবে উদ্বোধন করা হয়?
- ক. ২৯ অক্টোবর ২০২৩
- খ. ২৮ অক্টোবর ২০২৩
- গ. ২৭ অক্টোবর ২০২৩
- ঘ. ২৬ অক্টোবর ২০২৩
উত্তর: খ. ২৮ অক্টোবর ২০২৩
কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত টানেলটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর। এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ও আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর তলদেশে নির্মিত সড়ক টানেল। এর মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার। এর ফলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে নদীর অপর পারের এলাকার যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে।
মনে রাখুন:
টানেলটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নামেও পরিচিত।
এর নির্মাণে চীনের সহযোগিতা ছিল। - ১৭. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রামে মোট কয়টি তারকা আছে?
- ক. ৪টি
- খ. ৫টি
- গ. ৬টি
- ঘ. ২টি
উত্তর: ক. ৪টি
বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রামে মোট চারটি তারকা আছে, দুই পাশে দুটি করে। মনোগ্রামের মাঝখানে বাংলাদেশের মানচিত্র আছে, ওপরের দিকে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এবং নিচের দিকে ‘সরকার’ লেখা। এটি সরকারি চিঠিপত্র ও নথিতে ব্যবহার হয়, আর প্রতীকটির মূল ভাব হলো রাষ্ট্রের পরিচয় তুলে ধরা।
মনে রাখুন:
জাতীয় প্রতীকে শাপলা ফুল, ধানের শীষ, পাটপাতা ও তারা আছে। - ৩১. ঐতিহাসিক ৬ দফাকে কীসের তুলনা করা হয়?
- ক. বিল অব রাইটস
- খ. ম্যাগনাকার্টা
- গ. পিটিশন অব রাইটস
- ঘ. মুখ্য আইন
উত্তর: খ. ম্যাগনাকার্টা
ছয় দফাকে বাঙালির ম্যাগনাকার্টা বলা হয়। ম্যাগনাকার্টা ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জনের ক্ষমতা সীমিত করে নাগরিক অধিকারের ভিত্তি তৈরি করেছিল। তেমনি ছয় দফা পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের অধিকারের দাবি তুলে ধরে। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে এটি প্রথম উত্থাপন করেন।
মনে রাখুন:
ছয় দফার পটভূমিতেই ১৯৬৮ সালের আগরতলা মামলা এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ঘটে।
বিল অব রাইটস ১৬৮৯ সালে ইংল্যান্ডে পাস হয়, আর পিটিশন অব রাইটস ১৬২৮ সালের। - ৩৭. বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়?
- ক. ১৩৭
- খ. ১৩৮
- গ. ১৪৯
- ঘ. ১৫০
উত্তর: ক. ১৩৭
সংবিধানের নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ বা সরকারি চাকরি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এর ১৩৭ অনুচ্ছেদে আইনের দ্বারা এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান আছে। এই বিধানের আলোকেই বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) কাজ করে। কমিশনের সদস্য নিয়োগ করেন রাষ্ট্রপতি।
মনে রাখুন:
নির্বাচন কমিশন: অনুচ্ছেদ ১১৮
মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক: অনুচ্ছেদ ১২৭
অ্যাটর্নি জেনারেল: অনুচ্ছেদ ৬৪ - ৪৩. শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত?
- ক. গাজীপুর
- খ. মধুপুর
- গ. রাজবাড়ী
- ঘ. কুমিল্লার ময়নামতি
উত্তর: ঘ. কুমিল্লার ময়নামতি
শালবন বিহার কুমিল্লার ময়নামতি এলাকায় অবস্থিত। এটি একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, যা সপ্তম-অষ্টম শতকে দেব বংশের রাজা শ্রী ভবদেব তৈরি করেন। কাছাকাছি শাল-গজারি বন থাকায় নাম হয় শালবন। বিহারটির মাঝখানে একটি মূল মন্দির ছিল এবং চারদিক ঘিরে সারি সারি ভিক্ষুদের কক্ষ ছিল।
মনে রাখুন: বাকি তিনটি জায়গার কথাও আলাদা। মধুপুর শালবনের জন্য পরিচিত, গাজীপুর ভাওয়াল গড়ের জন্য, আর রাজবাড়ী গোয়ালন্দের জন্য। - ৬২. কোন সাংবিধানিক পদে শপথ গ্রহণ প্রয়োজন হয় না?
- ক. চেয়ারম্যান সরকারি কর্ম কমিশন
- খ. অ্যাটর্নি জেনারেল
- গ. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
- ঘ. সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য
উত্তর: খ. অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবিধানিক পদে যোগ দেওয়ার আগে সাধারণত শপথ নিতে হয়। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির নিয়োগে পদে আসেন এবং তাঁর জন্য শপথের বিধান নেই। তিনি রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি পর্যন্ত পদে থাকেন। সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য এবং মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক শপথ নেন।
মনে রাখুন:
অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদে আছে।
তিনি সুপ্রিম কোর্টে সরকারের পক্ষে আইনি পরামর্শ দেন।
সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে শপথের ছক দেওয়া আছে। - ৬৪. ভারতীয় কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই?
- ক. আসাম
- খ. ত্রিপুরা
- গ. মেঘালয়
- ঘ. নাগাল্যান্ড
উত্তর: ঘ. নাগাল্যান্ড
বাংলাদেশের সীমান্ত ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। নাগাল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই। রাজ্যটি ভারতের উত্তর-পূর্বে মিয়ানমার সীমান্তের কাছে অবস্থিত, তাই আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের মতো এর সঙ্গে বাংলাদেশের সীমানা স্পর্শ করে না।
মনে রাখুন:
ত্রিপুরা বাংলাদেশকে তিন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে।
সবচেয়ে দীর্ঘ সীমান্ত পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে। - ৮৮. বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা এবং দূর অনুধাবন সংস্থাকে সংক্ষেপে কী বলা হয়?
- ক. বিটিসিএল
- খ. বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট
- গ. অ্যাটমিক এনার্জি কমিশন
- ঘ. স্পারসো
উত্তর: ঘ. স্পারসো
বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত নাম SPARRSO (স্পারসো)। পুরো নাম Space Research and Remote Sensing Organization। এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করে এটি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও আবহাওয়ার তথ্য দেয়। বিটিসিএল টেলিযোগাযোগ সংস্থা, আর অ্যাটমিক এনার্জি কমিশন পারমাণবিক গবেষণা করে।
মনে রাখুন: ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ একটি যোগাযোগ উপগ্রহ, কোনো সংস্থার নাম নয়।
বাংলা
- ৫. 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির প্রকাশকাল—
- ক. ২০১৭
- খ. ২০১৮
- গ. ২০১৯
- ঘ. ২০১৫
উত্তর: ক. ২০১৭
‘কারাগারের রোজনামচা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেলজীবনের দিনলিপি। এতে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সালের কারাবাসের কথা আছে। বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে, বাংলা একাডেমি থেকে। হাতে লেখা খাতা থেকে এটি ছাপা হয়েছে বলে এতে তাঁর নিজের কথা ও চিন্তা সরাসরি পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধুর অন্য দুটি গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২) ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)।
তিনটি বই বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর প্রকাশিত। - ১৯. 'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়?'– চরণটির রচয়িতা কে?
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- খ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- গ. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘ. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: ঘ. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় রে, কে বাঁচিতে চায়’ পঙ্ক্তিটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ (১৮৫৮) কাব্যের। কাব্যটি জেমস টডের ‘অ্যানালস অ্যান্ড অ্যান্টিকুইটিজ অব রাজস্থান’ অবলম্বনে রচিত। চিতোরের রানি পদ্মিনীকে নিয়ে লেখা এই কাব্যে স্বাধীনতার জন্য বীরত্বের কথা আছে। বাকি তিন কবির এ পঙ্ক্তি নয়।
মনে রাখুন:
রঙ্গলাল আধুনিক বাংলা আখ্যানকাব্যের পথিকৃৎ।
তাঁর অন্য কাব্য ‘কর্মদেবী’ ও ‘শূরসুন্দরী’। - ২০. 'অর্ক' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. বায়ু
- খ. সমুদ্র
- গ. প্রভাকর
- ঘ. আকাশ
উত্তর: গ. প্রভাকর
‘অর্ক’ শব্দের অর্থ সূর্য। তাই সমার্থক শব্দ প্রভাকর, যার অর্থ যে আলো সৃষ্টি করে, অর্থাৎ সূর্য। বাকি তিনটি অপশন সূর্যের নাম নয়: বায়ু মানে বাতাস, সমুদ্র মানে সাগর, আর আকাশ মানে নভ বা গগন।
মনে রাখুন:
সূর্যের প্রতিশব্দ: ভাস্কর, তপন, সবিতা, দিবাকর, আদিত্য, মার্তণ্ড।
একই শব্দের একাধিক সমার্থক শব্দ জানা থাকলে পরীক্ষায় সুবিধা হয়। - ২৯. 'অহরহ' শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. অহ + রহ
- খ. অহঃ + রহ
- গ. অহঃ + অহ
- ঘ. অহ + অহ
উত্তর: গ. অহঃ + অহ
‘অহরহ’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ অহঃ + অহ। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি নিয়মে গঠিত। অহঃ-এর বিসর্গ স্বরধ্বনির পরে আসে বলে ‘র’-এ বদলে যায়। ফলে অহঃ + অহ থেকে অহরহ হয়। অহ + রহ বা অহ + অহ ধরনের বিচ্ছেদে বিসর্গের ভূমিকা থাকে না, তাই সেগুলো ঠিক নয়।
উদাহরণ:
অহঃ + নিশা = অহর্নিশ
বাচঃ + পতি = বাচস্পতি
ভাঃ + কর = ভাস্কর
মনে রাখুন: ‘অহরহ’ মানে প্রতিদিন বা সব সময়। - ৩৩. 'পঙ্কজ' শব্দটি কোন ধরনের শব্দ?
- ক. যৌগিক
- খ. রূঢ়ি
- গ. যোগরূঢ়
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. যোগরূঢ়
‘পঙ্কজ’ শব্দটি সমাসের মাধ্যমে তৈরি হলেও এর অর্থ শুধু সমাসের অর্থে সীমাবদ্ধ নয়। পঙ্ক মানে কাদা, আর জ মানে জন্মায় যা, তাই ব্যাসবাক্যে পঙ্কে জন্মে যা। কাদায় তো আরও অনেক কিছু জন্মাতে পারে, কিন্তু শব্দটি কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়। এ ধরনের শব্দকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। যৌগিক শব্দে সমাসের অর্থই পুরোপুরি থাকে, আর রূঢ়ি শব্দে মূল অর্থের সঙ্গে কোনো যোগই থাকে না।
উদাহরণ:
যোগরূঢ়: পঙ্কজ, রাজপুত, জলধি
রূঢ়ি: হাতি, ঘোড়া, গবেষণা - ৩৪. কোনটি তৎসম উপসর্গ নয়?
- ক. প্রতি
- খ. অতি
- গ. অভি
- ঘ. অনা
উত্তর: ঘ. অনা
তৎসম উপসর্গ হলো সংস্কৃত থেকে বাংলায় আসা ২০টি উপসর্গ: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ। প্রতি, অতি ও অভি এই তালিকায় আছে। কিন্তু ‘অনা’ বাংলা ভাষার নিজস্ব উপসর্গ, তাই এটি তৎসম নয়। অনা উপসর্গ শব্দের আগে বসে ‘না’ বা অভাব অর্থ বোঝায়।
উদাহরণ:
অনা: অনাচার, অনাসৃষ্টি
অজ: অজপাড়াগাঁ
আন: আনমনা
মনে রাখুন: বাংলা উপসর্গ ২১টি। - ৪১. কোন কবির মা-ও একজন কবি ছিলেন?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
- খ. জীবনানন্দ দাশের
- গ. সুফিয়া কামালের
- ঘ. আল মাহমুদের
উত্তর: খ. জীবনানন্দ দাশের
কবি জীবনানন্দ দাশের মা কুসুমকুমারী দাশও কবি ছিলেন। তাঁর লেখা ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতাটি বিশেষ পরিচিত। কবিতাটি শুরু হয় ‘আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে’ পঙ্ক্তি দিয়ে। জীবনানন্দের কবিমনের গড়ে ওঠার পেছনে মায়ের এই সাহিত্যচর্চার প্রভাব ছিল বলে মনে করা হয়। বাকি তিন কবির মায়ের সঙ্গে কবিতার এ সম্পর্ক পরিচিত নয়।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দ দাশকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।
তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘রূপসী বাংলা’, ‘বনলতা সেন’ ও ‘ঝরা পালক’। - ৪৭. 'দম্পতি' কোন সমাস?
- ক. দ্বন্দ্ব
- খ. দ্বিগু
- গ. তৎপুরুষ
- ঘ. অব্যয়ীভাব
উত্তর: ক. দ্বন্দ্ব
যে সমাসে সব পদ সমান গুরুত্ব পায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। ‘দম্পতি’ শব্দে ‘দম’ মানে জায়া বা স্ত্রী এবং ‘পতি’ মানে স্বামী। জায়া ও পতি দুজনের গুরুত্ব সমান, তাই ব্যাসবাক্য জায়া ও পতি। এটি দ্বন্দ্ব সমাস। দ্বিগু সমাসে প্রথম পদ সংখ্যা হয়, আর তৎপুরুষে পরের পদের অর্থ প্রধান থাকে।
উদাহরণ:
মাতা ও পিতা = মাতাপিতা
স্বামী ও স্ত্রী = স্বামী-স্ত্রী
ভাই ও বোন = ভাইবোন - ৪৮. 'আদালত' শব্দটি কোন ভাষা থেকে জাত?
- ক. আরবি
- খ. বাংলা
- গ. পর্তুগিজ
- ঘ. ফারসি
উত্তর: ক. আরবি
‘আদালত’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। আরবি ‘আদল’ শব্দের অর্থ ন্যায়বিচার, সেখান থেকে বিচারস্থান অর্থে আদালত। মুসলিম শাসনের সময় আরবি ও ফারসি শব্দ প্রচুর পরিমাণে বাংলায় ঢুকে পড়ে, তাই আইন-আদালতের অনেক শব্দ এ দুই ভাষা থেকে আসা।
মনে রাখুন:
আরবি শব্দ: আল্লাহ, হালাল, হজ, জাকাত, উকিল, কলম, নগদ।
ফারসি শব্দ: দোকান, চশমা, কারখানা।
আইন-আদালতের আরও আরবি শব্দ: মোকদ্দমা, উকিল, হাকিম। - ৫৬. চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল—
- ক. ১৯০৭
- খ. ১৯১৬
- গ. ১৯১৯
- ঘ. ১৯০৫
উত্তর: ক. ১৯০৭
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে পুঁথিটি উদ্ধার করেন। এটি বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন। ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। অর্থাৎ ১৯০৭ আবিষ্কারের সাল, ১৯১৬ প্রকাশের সাল।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের কবিরা বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য, যাঁদের মধ্যে লুইপা আদি কবি।
চর্যাপদের আরেকজন বিখ্যাত কবি কাহ্নপা। - ৬১. 'রক্ত' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
- ক. রনজ + ত
- খ. রক + ত
- গ. √রন্জ + ত
- ঘ. রক + ক্ত
উত্তর: গ. √রন্জ + ত
‘রক্ত’ শব্দটি সংস্কৃত √রন্জ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যোগে তৈরি। ক্ত প্রত্যয়ের ‘ক’ ইৎ বা লুপ্ত হয়, আর ‘ত’ ধাতুর সঙ্গে থাকে। এই পরিবর্তনে ন্জ বদলে ক্ হয়ে রক্ত হয়। বইয়ের ভাষায় প্রকৃতি-প্রত্যয় √রন্জ + ত। ‘রনজ’ বা ‘রক’ ধাতু নয়, তাই প্রথম দুটি অপশন ভুল।
উদাহরণ:
√জ্ঞা + ক্ত = জ্ঞাত
√মুচ + ক্ত = মুক্ত
√ভুজ + ক্ত = ভুক্ত
√সৃজ + ক্ত = সৃষ্ট - ৬৫. 'বেগম' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক—
- ক. মালাধর বসু
- খ. রামরাম বসু
- গ. সুফিয়া কামাল
- ঘ. বেগম রোকেয়া
উত্তর: গ. সুফিয়া কামাল
‘বেগম’ পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই কলকাতা থেকে। প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন। প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি সুফিয়া কামাল। ১৯৫০ সালে পত্রিকাটি ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। এটি নারীদের পত্রিকা হিসেবে বাংলাদেশের সাহিত্য ও সমাজের ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাকি নামগুলোর মধ্যে মালাধর বসু ও রামরাম বসু অনেক আগের যুগের লেখক, আর বেগম রোকেয়া নারী জাগরণের পথিকৃৎ।
মনে রাখুন: সুফিয়া কামালকে ‘জননী সাহসিকা’ বলা হয়। - ৬৭. 'খাসমহল' শব্দের 'খাস' উপসর্গটি কোন ভাষা থেকে জাত?
- ক. ফারসি
- খ. আরবি
- গ. উর্দু
- ঘ. হিন্দি
উত্তর: খ. আরবি
‘খাস’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ বিশেষ বা নিজস্ব। খাসমহল শব্দে ‘খাস’ আরবি উপসর্গের মতো ব্যবহৃত হয়ে মহল বা সম্পত্তিকে বিশেষ রূপ দিয়েছে, যার অর্থ সরকারের সরাসরি তত্ত্বাবধানের সম্পত্তি। ফারসি, উর্দু বা হিন্দি উৎস এ শব্দের নয়।
উদাহরণ:
খাসদরবার, খাসকামরা, খাসখবর
আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা (লাপাত্তা) - ৭৩. কোনটি অশুদ্ধ?
- ক. বুদ্ধিজীবী
- খ. অন্তর্লীন
- গ. উপাচার
- ঘ. তেজস্ক্রিয়তা
উত্তর: গ. উপাচার
‘উপচার’ শব্দটি শুদ্ধ, যার অর্থ পূজার উপকরণ বা আনুষ্ঠানিক সামগ্রী। ‘উপাচার’ নামে কোনো প্রচলিত শুদ্ধ শব্দ নেই, তাই এটি অশুদ্ধ। বাকি তিনটি শব্দ শুদ্ধ: বুদ্ধিজীবী, অন্তর্লীন ও তেজস্ক্রিয়তা। বানান ভুল ধরার সময় শব্দের সঠিক রূপ ও অর্থ মিলিয়ে দেখলে ভুল কম হয়।
মনে রাখুন:
‘উপাচার্য’ শব্দটি আলাদা এবং শুদ্ধ, যার অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষা-প্রশাসক।
উপচার ও উপাচার্য গুলিয়ে ফেললে ভুল হয়। - ৭৮. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক কে?
- ক. প্রমথ চৌধুরী
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: ক. প্রমথ চৌধুরী
‘সবুজপত্র’ পত্রিকা প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাতেই চলিত গদ্যরীতির পক্ষে জোরালো প্রচার চলে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকাকে উৎসাহ দিতেন এবং এতে লিখতেন। প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ‘সংবাদ প্রভাকর’-এর সম্পাদক, আর কাজী নজরুল ইসলাম ‘ধূমকেতু’-র সম্পাদক ছিলেন।
মনে রাখুন:
সবুজপত্রকে কেন্দ্র করে ‘সবুজপত্র গোষ্ঠী’ নামে একটি সাহিত্যগোষ্ঠী গড়ে ওঠে।
চলিত ভাষার প্রথম সার্থক শিল্পী হিসেবে প্রমথ চৌধুরী খ্যাত। - ৮০. বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- ক. ৭টি
- খ. ৮টি
- গ. ৯টি
- ঘ. ১০টি
উত্তর: ক. ৭টি
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: ই, এ, অ্যা, আ, অ, ও, উ। মুখের ভেতরে জিহ্বার অবস্থান অনুযায়ী এগুলো সাজানো হয়। বর্ণমালায় স্বরবর্ণ আছে ১১টি, কিন্তু উচ্চারণের দিক থেকে মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি। বর্ণ ও ধ্বনি এক জিনিস নয়, তাই লেখার বর্ণসংখ্যা আর উচ্চারণের ধ্বনিসংখ্যা আলাদা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনি মোট ৩৭টি।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি। - ৯০. 'জুতো' শব্দটি কোন ভাষারীতির?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. সাধু
- খ. চলিত
- গ. প্রাকৃত
- ঘ. কোল
উত্তর: খ. চলিত
‘জুতো’ চলিত ভাষারীতির শব্দ, কারণ চলিত রীতিতে শব্দ সংক্ষিপ্ত ও কথ্য ঢঙের হয়। সাধু রীতিতে একই শব্দ লেখা হয় ‘জুতা’। চলিত ভাষা প্রতিদিনের কথাবার্তা ও আধুনিক সাহিত্যের ভাষা। প্রাকৃত বা কোল কোনো ভাষারীতির নাম নয়, এগুলো আলাদা ভাষা বা ভাষার স্তর।
উদাহরণ:
সাধু: জুতা, তুলা, মাথা, কুয়া
চলিত: জুতো, তুলো, মাথা, কুয়ো
মনে রাখুন: সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য ক্রিয়াপদ ও সর্বনামে। - ৯২. 'চক্রবাক' গ্রন্থটি কে রচনা করেছেন?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. প্রেমেন্দ্র মিত্র
- ঘ. জীবনানন্দ দাশ
উত্তর: খ. কাজী নজরুল ইসলাম
‘চক্রবাক’ কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। এতে প্রেম ও বিরহের কবিতা বেশি। বইটির নামের মিল চক্রবাক পাখির বিরহের কাহিনির সঙ্গে, যারা দিনে মিলিত হয় আর রাতে আলাদা থাকে বলে লোকবিশ্বাস আছে। বাকি লেখকরা অন্য ধারার। রবীন্দ্রনাথ, প্রেমেন্দ্র মিত্র ও জীবনানন্দ দাশের নামে এই গ্রন্থ পরিচিত নয়।
মনে রাখুন:
নজরুলের অন্য কাব্য: অগ্নি-বীণা, দোলনচাঁপা, ছায়ানট, সর্বহারা, ফণিমনসা। - ৯৬. 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?' কোন কাব্যের পঙ্ক্তি?
- ক. পদ্মাবতী কাব্যের
- খ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের
- গ. চর্যাপদের
- ঘ. মঙ্গলকাব্যের
উত্তর: ঘ. মঙ্গলকাব্যের
‘নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?’ পঙ্ক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের। এটি মঙ্গলকাব্য ধারার রচনা। এর অর্থ হলো, শহর পুড়ে গেলে মন্দিরও রেহাই পায় না, অর্থাৎ বিপদ এলে সবাই ক্ষতির মুখে পড়ে। ভারতচন্দ্র মধ্যযুগের শেষ বড় কবি। ‘পদ্মাবতী’ আলাওলের এবং ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বড়ু চণ্ডীদাসের কাব্য, তাই এ পঙ্ক্তি ওই দুই কাব্যের নয়।
মনে রাখুন:
অন্নদামঙ্গলের তিন খণ্ড: অন্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ।
কাব্যটি ১৭৫২ সালে রচিত।
আন্তর্জাতিক
- ১০. কোন পরিষদের সুপারিশে জাতিসংঘে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
- ক. অছি পরিষদ
- খ. সাধারণ পরিষদ
- গ. নিরাপত্তা পরিষদ
- ঘ. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
উত্তর: গ. নিরাপত্তা পরিষদ
জাতিসংঘের নতুন সদস্যপদের জন্য প্রথমে নিরাপত্তা পরিষদ সুপারিশ করে। এর পর সাধারণ পরিষদ ভোটের মাধ্যমে সেই সুপারিশ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করে। অর্থাৎ সুপারিশ নিরাপত্তা পরিষদের, গ্রহণ সাধারণ পরিষদের। নিরাপত্তা পরিষদে কোনো স্থায়ী সদস্য ভেটো দিলে সুপারিশ আটকে যায়। অছি পরিষদ বা অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের এ ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা নেই।
মনে রাখুন:
সাধারণ পরিষদে সদস্য অন্তর্ভুক্তির জন্য উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট লাগে।
নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য ৫টি। - ২১. 'Vienna convention on diplomatic relations' কত সালে কার্যকর হয়?
- ক. ১৯৬১ সালে
- খ. ১৯৬২ সালে
- গ. ১৯৬৪ সালে
- ঘ. ১৯৬৯ সালে
উত্তর: গ. ১৯৬৪ সালে
কূটনৈতিক সম্পর্ক সংক্রান্ত ভিয়েনা কনভেনশন (Vienna Convention on Diplomatic Relations) ১৯৬১ সালের ১৮ এপ্রিল ভিয়েনায় স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৬৪ সালের ২৪ এপ্রিল। এতে রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের অধিকার এবং কূটনৈতিক দায়মুক্তির নিয়ম রয়েছে। প্রশ্নে ‘কার্যকর’ শব্দটি থাকায় স্বাক্ষরের বছর ১৯৬১ নয়, ১৯৬৪ উত্তর।
মনে রাখুন:
স্বাক্ষর ও কার্যকর হওয়ার বছর আলাদা।
দূতাবাসের ভবন ও কূটনীতিকদের নিরাপত্তা এই চুক্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।
১৯৬৩ সালের ভিয়েনা কনভেনশন কনসুলার সম্পর্ক নিয়ে। - ৩৫. বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্যরাষ্ট্র?
- ক. ১২৫তম
- খ. ১৩৫তম
- গ. ১৩৬তম
- ঘ. ১৪৬তম
উত্তর: গ. ১৩৬তম
বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্যরাষ্ট্র। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশসহ তিনটি দেশ নতুন সদস্যপদ পায়। এর আগে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের আবেদন চীনের ভেটোর কারণে আটকে গিয়েছিল। ১৯৭৪ সালে সেই বাধা কাটে।
মনে রাখুন:
সদস্যপদ পাওয়ার পর ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। - ৪২. পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা নির্ধারণকারী লাইনকে কী বলা হয়?
- ক. ম্যাকমোহন লাইন
- খ. ম্যাজিনো লাইন
- গ. র্যাডক্লিফ লাইন
- ঘ. ডুরান্ড লাইন
উত্তর: ঘ. ডুরান্ড লাইন
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমানাকে ডুরান্ড লাইন বলা হয়। ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব স্যার মর্টিমার ডুরান্ড আফগানিস্তানের আমির আবদুর রহমান খানের সঙ্গে চুক্তি করে এই রেখা টানেন। তখন পাকিস্তান ছিল না, পরে এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমানা হয়ে যায়।
মনে রাখুন:
ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীনের সীমানা।
র্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের (বাংলাদেশসহ) সীমানা।
ম্যাজিনো লাইন: ফ্রান্স ও জার্মানির সীমান্তে ফরাসি প্রতিরক্ষা-দুর্গ। - ৪৫. ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারির 'স্মৃতিকথা' গ্রন্থের নাম কী?
- ক. A Promised Land
- খ. Spare
- গ. My Life
- ঘ. What Happened
উত্তর: খ. Spare
ব্রিটিশ যুবরাজ প্রিন্স হ্যারির স্মৃতিকথার নাম ‘Spare’। বইটি ২০২৩ সালের ১০ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়। রাজপরিবারের ‘heir and spare’ কথাটি থেকে নামটি এসেছে, যার অর্থ উত্তরাধিকারী ও তার বদলি। বাকি তিনটি বইয়ের লেখক আলাদা: ‘A Promised Land’ বারাক ওবামার, ‘My Life’ বিল ক্লিনটনের এবং ‘What Happened’ হিলারি ক্লিনটনের।
মনে রাখুন:
Spare শব্দের এক অর্থ বাড়তি বা অতিরিক্ত।
প্রিন্স হ্যারি রাজা তৃতীয় চার্লসের কনিষ্ঠ পুত্র। - ৫৩. রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল প্রাইজ অর্জন করেন কে?
- ক. জর্জ ওয়াশিংটন
- খ. হিটলার
- গ. উড্রো উইলসন
- ঘ. উইনস্টন চার্চিল
উত্তর: ঘ. উইনস্টন চার্চিল
উইনস্টন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান ১৯৫৩ সালে। তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ১৯৪০ থেকে ১৯৪৫ এবং ১৯৫১ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে লেখা তাঁর বইয়ের জন্য তিনি এই পুরস্কার পান। বাকিদের মধ্যে ওয়াশিংটন, হিটলার ও উইলসনও রাজনীতিবিদ, কিন্তু তাঁদের কেউ সাহিত্যে নোবেল পাননি।
মনে রাখুন:
চার্চিলের বিখ্যাত রচনা ‘The Second World War’।
উড্রো উইলসন ১৯১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পান। - ৭৯. আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে কোনটি?
- ক. সুয়েজ খাল
- খ. মিসিসিপি
- গ. ভলগা
- ঘ. পানামা খাল
উত্তর: ঘ. পানামা খাল
পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা যোজকের ওপর দিয়ে কেটে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। ফলে জাহাজকে আর দক্ষিণ আমেরিকা ঘুরে যেতে হয় না, তাই পথ ও সময় অনেক কমে যায়। সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করে। মিসিসিপি উত্তর আমেরিকার নদী, ভলগা রাশিয়ার নদী।
মনে রাখুন:
পানামা খাল ১৯১৪ সালে চালু হয়।
সুয়েজ খাল চালু হয় ১৮৬৯ সালে। - ৮২. জাপান পার্ল হারবার কখন আক্রমণ করে?
- ক. ৭ই ডিসেম্বর ১৯৪১
- খ. ২৩ জুন ১৯৪২
- গ. ৩ নভেম্বর ১৯৪২
- ঘ. ২৬ জুন ১৯৪৩
উত্তর: ক. ৭ই ডিসেম্বর ১৯৪১
১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাপান হাওয়াইয়ের পার্ল হারবারে মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে। এর পরেই যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়।
গণিত
- ১১. 4 + 7 + 10 + 13 + ... ধারাটির কোন পদ 304?
- ক. 300
- খ. 101
- গ. 301
- ঘ. 100
উত্তর: খ. 101
ধারাটির প্রথম পদ a = 4 এবং সাধারণ অন্তর d = 3। n তম পদ = a + (n − 1)d। 304 তম পদ ধরলে 4 + (n − 1) × 3 = 304, অর্থাৎ 3(n − 1) = 300 এবং n − 1 = 100, তাই n = 101।
যাচাই: 101 তম পদ = 4 + 100 × 3 = 304।
মনে রাখুন: সমান্তর ধারায় প্রতি পদে একই সংখ্যা যোগ হয়। - ১২. ৫/৯ ও ১০/১১ এর ল.সা.গু. কোনটি?
- ক. ৫
- খ. ১৫
- গ. ১০
- ঘ. ১১
উত্তর: গ. ১০
ভগ্নাংশের ল.সা.গু. বের করার নিয়ম হলো লবগুলোর ল.সা.গু. এবং হরগুলোর গ.সা.গু. নিয়ে ভাগ করা। এখানে লব 5 ও 10-এর ল.সা.গু. 10 এবং হর 9 ও 11-এর গ.সা.গু. 1। তাই ভগ্নাংশ দুটির ল.সা.গু. 10/1 = 10।
মনে রাখুন:
ভগ্নাংশের গ.সা.গু. = লবগুলোর গ.সা.গু. ÷ হরগুলোর ল.সা.গু.।
ভগ্নাংশের ল.সা.গু. = লবগুলোর ল.সা.গু. ÷ হরগুলোর গ.সা.গু.।
যাচাই: 10 = (5/9) × 18 = (10/11) × 11, দুটিই পূর্ণসংখ্যা গুণিতক। - ১৬. একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ ১০ সে.মি. হলে বৃত্তের পরিধি কত?
- ক. 10π
- খ. 20π
- গ. 30π
- ঘ. 40π
উত্তর: খ. 20π
বৃত্তের পরিধির সূত্র 2πr, যেখানে r ব্যাসার্ধ। এখানে r = 10 সে.মি., তাই পরিধি 2 × π × 10 = 20π সে.মি.। π-এর আসন্ন মান 22/7 ধরলে পরিধি প্রায় 62.86 সে.মি.।
মনে রাখুন:
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²
পরিধি = πd, যেখানে d ব্যাস
অর্ধবৃত্তের পরিধি = πr + 2r - ২৭. কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
- ক. ০.৩
- খ. ১/৩
- গ. √০.৩
- ঘ. ২/৫
উত্তর: গ. √০.৩
সংখ্যাগুলোকে দশমিকে লিখলে তুলনা সহজ হয়। 0.3 তো আছেই, 1/3 ≈ 0.33, আর 2/5 = 0.4। চতুর্থ সংখ্যা √0.3 ≈ 0.55, কারণ 0.55² = 0.3025। সবগুলোর মধ্যে 0.55 সবচেয়ে বড়, তাই বৃহত্তম √0.3।
মনে রাখুন:
0 এবং 1-এর মাঝের সংখ্যার বর্গমূল সংখ্যাটির চেয়ে বড় হয়।
যেমন √0.25 = 0.5, যা 0.25-এর চেয়ে বড়।
1-এর চেয়ে বড় সংখ্যার ক্ষেত্রে বর্গমূল ছোট হয়। - ২৮. নিচের কোনটি বৃত্তের সমীকরণ?
- ক. ax² + bx + c
- খ. y² = a(x − 2)
- গ. x² + (y − 2)² = 7
- ঘ. y² = 2x + 7
উত্তর: গ. x² + (y − 2)² = 7
কেন্দ্র (h, k) ও ব্যাসার্ধ r হলে বৃত্তের সমীকরণ (x − h)² + (y − k)² = r²। x² + (y − 2)² = 7 সমীকরণটি এই আকারের, যেখানে কেন্দ্র (0, 2) ও ব্যাসার্ধ √7। বাকি সমীকরণগুলোর বৈশিষ্ট্য আলাদা: ax² + bx + c একটি দ্বিঘাত রাশি, আর y² = a(x − 2) ও y² = 2x + 7 অধিবৃত্ত (Parabola)।
মনে রাখুন: x² + y² = r² হলো মূলবিন্দু কেন্দ্রের বৃত্ত। বৃত্তে x² ও y²-এর সহগ সমান ও একই চিহ্নের। - ৩২. ৩ ও ৪ এর মধ্যে কোনটি অমূলদ সংখ্যা?
- ক. √5
- খ. √10
- গ. √17
- ঘ. √20
উত্তর: খ. √10
যেসব সংখ্যা ভগ্নাংশ আকারে লেখা যায় না, তাদের অমূলদ সংখ্যা বলে। 3 ও 4-এর মধ্যবর্তী সংখ্যা চিহ্নিত করতে বর্গ করে দেখতে হয়: 3² = 9 এবং 4² = 16, তাই মধ্যবর্তী সংখ্যার বর্গ 9 ও 16-এর মাঝে থাকতে হবে। √10 এই শর্ত মানে, কারণ 9 < 10 < 16, এবং 10 পূর্ণবর্গ নয়, তাই √10 অমূলদ (প্রায় 3.16)। √5 ≈ 2.24, √17 ≈ 4.12 ও √20 ≈ 4.47, এরা 3 ও 4-এর মাঝে নয়।
মনে রাখুন:
√n অমূলদ হবে যদি n পূর্ণবর্গ না হয়।
অমূলদ সংখ্যার দশমিক অংশ অসীম ও অনাবৃত্ত।
উদাহরণ: π ও √2 অমূলদ সংখ্যা। - ৩৬. যদি log₁₀ x = −4 হয়, তবে x এর মান হবে—
- ক. 0.1
- খ. 0.01
- গ. 0.001
- ঘ. 0.0001
উত্তর: ঘ. 0.0001
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log₁₀x = −4 মানে x = 10⁻⁴। ঋণাত্মক ঘাতকে ভগ্নাংশে লিখলে 10⁻⁴ = 1/10⁴ = 1/10000 = 0.0001। দশমিকের পরে চতুর্থ ঘরে 1 বসেছে, কারণ ঘাত −4।
মনে রাখুন:
10⁻¹ = 0.1, 10⁻² = 0.01, 10⁻³ = 0.001।
ঋণাত্মক ঘাতের সংখ্যা যত, দশমিকের পরে অঙ্ক তত।
যাচাই: log₁₀ 0.0001 = −4। - ৩৯. যদি x + 1/x = 4 হয়, তবে x/(x² − 3x + 1) এর মান কত?
- ক. 2
- খ. 1
- গ. −1
- ঘ. 1/2
উত্তর: খ. 1
x + 1/x = 4 হলে উভয়পক্ষকে x দিয়ে গুণ করে x² + 1 = 4x পাওয়া যায়। এখন হরের x² − 3x + 1 = (x² + 1) − 3x = 4x − 3x = x। তাই x/(x² − 3x + 1) = x/x = 1।
মনে রাখুন:
x² + 1 = kx আকারের শর্ত থাকলে x² + 1 অংশ k·x দিয়ে প্রতিস্থাপন করলে প্রশ্ন সহজ হয়।
এ ধরনের প্রশ্নে x-এর আসল মান বের করার দরকার পড়ে না। - ৪৬. যদি 3^x + 3^x + 3^x = 3^n হয়, তবে n এর মাধ্যমে x এর মান কত?
- ক. n + 1
- খ. n + 2
- গ. n − 1
- ঘ. n − 2
উত্তর: গ. n − 1
বামপক্ষে 3^x তিনবার যোগ হয়েছে, তাই তা 3 × 3^x = 3^(x+1)। সুতরাং 3^(x+1) = 3^n। ভিত্তি সমান হওয়ায় ঘাত সমান: x + 1 = n, অর্থাৎ x = n − 1।
যাচাই: n = 4 হলে x = 3, আর 27 + 27 + 27 = 81 = 3⁴।
মনে রাখুন:
a^m × a^n = a^(m+n)।
সমান ভিত্তির সমীকরণে ঘাত সমান ধরা যায়। - ৫১. বার্ষিক ৫% মুনাফায় কত টাকার মাসিক সুদ ১০০ টাকা হবে?
- ক. ২০০০০
- খ. ২২০০০
- গ. ২৩০০০
- ঘ. ২৪০০০
উত্তর: ঘ. ২৪০০০
সরল সুদের সূত্র I = Pnr, তাই P = I/(nr)। মাসিক সুদ ১০০ টাকা হলে বার্ষিক সুদ 100 × 12 = 1200 টাকা। হার বার্ষিক 5%, অর্থাৎ 5/100। বছর 1 ধরলে P = 1200 ÷ (1 × 5/100) = 1200 × 100/5 = 24000 টাকা।
যাচাই: 24000-এর 5% = 1200, আর 1200 ÷ 12 = 100।
মনে রাখুন: মাসিক সুদকে ১২ দিয়ে গুণ করলে বার্ষিক সুদ পাওয়া যায়। - ৫৫. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ যথাক্রমে ১৫% ও ২০% বৃদ্ধি করা হলো। আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত পরিমাণ বৃদ্ধি পেল?
- ক. ৩০%
- খ. ৩২%
- গ. ৩৫%
- ঘ. ৩৮%
উত্তর: ঘ. ৩৮%
ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 100 ও প্রস্থ 100, তাই ক্ষেত্রফল 10000 (সহজে বোঝার জন্য)। দৈর্ঘ্য 15% বাড়লে 115 এবং প্রস্থ 20% বাড়লে 120 হয়। নতুন ক্ষেত্রফল 115 × 120 = 13800। বৃদ্ধি 3800, যা মূল ক্ষেত্রফলের 38%।
শর্টকাট: 15 + 20 + (15 × 20)/100 = 38%।
মনে রাখুন: দুই রাশি a% ও b% বাড়লে গুণফলের বৃদ্ধি a + b + ab/100 শতাংশ। - ৬৬. একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহু দুটি যথাক্রমে ৯ সে.মি. ও ৭ সে.মি. এবং ক্ষেত্রফল ৫৬ বর্গ সে.মি. হলে, উচ্চতা কত?
- ক. ৫ সে.মি.
- খ. ৬ সে.মি.
- গ. ৭ সে.মি.
- ঘ. ৮ সে.মি.
উত্তর: গ. ৭ সে.মি.
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ½ × (সমান্তরাল বাহু দুটির যোগফল) × উচ্চতা। এখানে বাহু দুটির যোগফল 9 + 7 = 16 এবং ক্ষেত্রফল 56। তাই ½ × 16 × h = 56, অর্থাৎ 8h = 56 এবং h = 7 সে.মি.।
যাচাই: ½ × 16 × 7 = 56।
মনে রাখুন:
ট্রাপিজিয়ামের দুটি বাহু সমান্তরাল থাকে।
উচ্চতা হলো সমান্তরাল বাহু দুটির মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব। - ৬৮. x² − 3x + 2 < 0 অসমতাটির সমাধান কোনটি?
- ক. 1 < x < 2
- খ. −2 < x < −1
- গ. −2 < x ≤ −1
- ঘ. 1 ≤ x ≤ 2
উত্তর: ক. 1 < x < 2
অসমতাটিতে x² − 3x + 2-কে উৎপাদকে ভাঙলে পাই (x − 1)(x − 2) < 0। দুটি রাশির গুণফল ঋণাত্মক হতে হলে একটি ধনাত্মক ও অপরটি ঋণাত্মক হবে। x − 1 > 0 ও x − 2 < 0 হলে 1 < x < 2। বিপরীত অবস্থা (x < 1 ও x > 2) একসঙ্গে সম্ভব নয়।
যাচাই: x = 1.5 হলে 2.25 − 4.5 + 2 = −0.25 < 0।
মনে রাখুন: (x − a)(x − b) < 0 হলে x দুই মূলের মাঝখানে থাকে। - ৬৯. a³ − 9 + (a + 1)³ রাশিটির একটি উৎপাদক হবে—
- ক. (a + 1)
- খ. (a − 2)
- গ. (a − 1)
- ঘ. (a − 3)
উত্তর: গ. (a − 1)
উৎপাদকে ভাঙার জন্য উৎপাদক উপপাদ্য (Factor Theorem) ব্যবহার করা যায়। (a − 1) উৎপাদক কি না দেখতে a = 1 বসাই: 1 − 9 + 2³ = 1 − 9 + 8 = 0। মান শূন্য হওয়ায় (a − 1) একটি উৎপাদক। বাকি অপশনে a = −1, 2 ও 3 বসালে মান শূন্য হয় না (−10, 26, 82)।
মনে রাখুন: f(a) রাশিতে a = k বসিয়ে মান 0 হলে (a − k) একটি উৎপাদক। - ৭০. একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ৫ সে.মি. ও ৪.৫ সে.মি.। রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
- ক. ২.২৫
- খ. ২২.৫০
- গ. ১২.৫০
- ঘ. ১১.২৫
উত্তর: ঘ. ১১.২৫
রম্বসের ক্ষেত্রফল কর্ণ দুটির গুণফলের অর্ধেক। এখানে কর্ণ 5 সে.মি. ও 4.5 সে.মি., তাই ক্ষেত্রফল ½ × 5 × 4.5 = ½ × 22.5 = 11.25 বর্গ সে.মি.। 22.5 হলো শুধু কর্ণ দুটির গুণফল, তাকে অর্ধেক করতে ভুলে গেলে ভুল উত্তর আসে।
মনে রাখুন:
রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
ক্ষেত্রফল = ½ d₁d₂।
রম্বসের চার বাহু সমান। - ৭২. কোনো সমবৃত্তভূমিক কোণকের ভূমির ব্যাসার্ধ 1/3 মিটার এবং উচ্চতা 1 মিটার হলে, কোণকটির আয়তন কত?
- ক. π ঘন মি.
- খ. π/3 ঘন মি.
- গ. π/9 ঘন মি.
- ঘ. π/27 ঘন মি.
উত্তর: ঘ. π/27 ঘন মি.
কোণকের আয়তন (1/3)πr²h। ভূমির ব্যাসার্ধ r = 1/3 মিটার এবং উচ্চতা h = 1 মিটার। তাই আয়তন = (1/3) × π × (1/3)² × 1 = (1/3) × π × (1/9) = π/27 ঘন মিটার।
মনে রাখুন:
কোণকের আয়তন একই ভূমি ও উচ্চতার সিলিন্ডারের এক-তৃতীয়াংশ।
বক্রতলের ক্ষেত্রফল πrl, যেখানে l হেলানো উচ্চতা।
সিলিন্ডারের আয়তন πr²h। - ৭৬. যদি x ∈ N : 13 < x < 17 এবং x মৌলিক সংখ্যা হয়, তবে নিচের কোনটি সত্য?
- ক. φ
- খ. {0}
- গ. {φ}
- ঘ. {13, 17}
উত্তর: ক. φ
x একটি স্বাভাবিক সংখ্যা যেখানে 13 < x < 17, তাই x-এর সম্ভাব্য মান 14, 15, 16। এদের মধ্যে 14 = 2 × 7, 15 = 3 × 5 এবং 16 = 2⁴, তিনটিই যৌগিক সংখ্যা। মৌলিক সংখ্যা একটিও নেই, তাই সমাধান সেট ফাঁকা সেট φ। মনে রাখা দরকার, 13 ও 17 মৌলিক হলেও শর্তে তাদের বাদ রাখা হয়েছে।
মনে রাখুন:
{0} ও {φ} ফাঁকা সেট নয়, কারণ এদের প্রতিটিতে একটি করে উপাদান আছে।
ফাঁকা সেটে কোনো উপাদান থাকে না। - ৭৭. তিনটি সংখ্যার অনুপাত ৩ : ৫ : ৬ এবং তাদের বর্গের যোগফল ৬৩০ হলে, বৃহত্তম সংখ্যাটি কত?
- ক. ১২
- খ. ১৮
- গ. ২৮
- ঘ. ৩০
উত্তর: খ. ১৮
সংখ্যা তিনটি ধরি 3x, 5x ও 6x। বর্গের যোগফল 9x² + 25x² + 36x² = 70x²। শর্ত অনুযায়ী 70x² = 630, তাই x² = 9 এবং x = 3। সংখ্যা তিনটি 9, 15 ও 18। বৃহত্তম সংখ্যা 6 × 3 = 18।
যাচাই: 81 + 225 + 324 = 630।
মনে রাখুন: অনুপাতের প্রশ্নে সাধারণ গুণনীয়ক x ধরে সমীকরণ বানাতে হয়। - ৯৪. ত্রিভুজের যেকোনো দুইটি মধ্যমা পরস্পর সমান হলে ত্রিভুজটি—
- ক. সমবাহু ত্রিভুজ
- খ. সমকোণী ত্রিভুজ
- গ. সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
- ঘ. বিষমবাহু ত্রিভুজ
উত্তর: গ. সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
ত্রিভুজের যেকোনো দুটি মধ্যমা সমান হলে ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু হয়। মধ্যমা বলতে শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত সরলরেখা বোঝায়। দুটি মধ্যমা সমান হলে তাদের বিপরীত দুটি বাহুও সমান হতে বাধ্য, তাই ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু। তিনটি মধ্যমা সমান হলে অবশ্য ত্রিভুজটি সমবাহু হয়।
মনে রাখুন:
ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা একটি বিন্দুতে মিলিত হয়, যাকে ভরকেন্দ্র (Centroid) বলে।
ভরকেন্দ্র প্রতিটি মধ্যমাকে ২ : ১ অনুপাতে ভাগ করে। - ৯৫. x² + x + 1 = 0 সমীকরণের মূল দুটি হবে—
- ক. অবাস্তব ও অসমান
- খ. বাস্তব ও সমান
- গ. বাস্তব ও অসমান
- ঘ. বাস্তব ও অমূলদ
উত্তর: ক. অবাস্তব ও অসমান
দ্বিঘাত সমীকরণ ax² + bx + c = 0-তে নিশ্চায়ক (Discriminant) D = b² − 4ac। এখানে a = b = c = 1, তাই D = 1 − 4 = −3। নিশ্চায়ক ঋণাত্মক হলে মূল দুটি বাস্তব হয় না, অর্থাৎ অবাস্তব (জটিল) এবং একে অপরের থেকে ভিন্ন, অর্থাৎ অসমান।
মনে রাখুন:
D > 0: মূল দুটি বাস্তব ও অসমান
D = 0: মূল দুটি বাস্তব ও সমান
D < 0: মূল দুটি অবাস্তব
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ২৪. ১ টেরাবাইট (TB) সমান—
- ক. ১০২৪ মেগাবাইট
- খ. ১০২৪ ন্যানোবাইট
- গ. ১০২৪ গিগাবাইট
- ঘ. ১০২৪ কিলোবাইট
উত্তর: গ. ১০২৪ গিগাবাইট
কম্পিউটারে তথ্যের একক একধাপ করে ১০২৪ গুণ বড় হয়। অর্থাৎ ১ কিলোবাইট (KB) = ১০২৪ বাইট, ১ মেগাবাইট (MB) = ১০২৪ কিলোবাইট, ১ গিগাবাইট (GB) = ১০২৪ মেগাবাইট, আর ১ টেরাবাইট (TB) = ১০২৪ গিগাবাইট। অন্য বিকল্পগুলো ভুল, কারণ ১০২৪ মেগাবাইট মাত্র ১ গিগাবাইটের সমান। ন্যানোবাইট নামে প্রচলিত কোনো মাপ কম্পিউটারের স্মৃতির এককে নেই।
মনে রাখুন:
১ বাইট = 8 বিট।
১ পেটাবাইট (PB) = ১০২৪ টেরাবাইট।
ছোট থেকে বড় ক্রম: বিট, বাইট, KB, MB, GB, TB, PB।
মানসিক দক্ষতা
- ৮৩. ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩ ... । পরবর্তী সংখ্যাটি কত?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. ১০১
- খ. ১০২
- গ. ৭৫
- ঘ. ৫৯
উত্তর: ক. ১০১
সংখ্যাগুলোর পাশাপাশি ব্যবধান লক্ষ করি: 11 − 8 = 3, 17 − 11 = 6, 29 − 17 = 12, 53 − 29 = 24। দেখা যাচ্ছে ব্যবধান প্রতিবার দ্বিগুণ হচ্ছে। তাই পরের ব্যবধান হবে 48 এবং পরবর্তী সংখ্যা = 53 + 48 = 101।
মনে রাখুন:
ব্যবধানগুলো নিজেরাই কোনো নিয়ম মানলে (যেমন দ্বিগুণ বা তিনগুণ), সারিটি সেই নিয়মেই এগোয়।
ধারার প্রশ্নে প্রথমে পাশাপাশি পদের পার্থক্য বের করে দেখতে হয়।
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন