লিয়ানা বুকস

শিক্ষা মন্ত্রণালয় উপসহকারী প্রকৌশলী (ড্রাফটসম্যান) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ৪ জানুয়ারি ২০২২। ৫৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

ইংরেজি

  1. ১. 'Alumni' is the plural form of —
    • ক. Alumnus
    • খ. Alumnous
    • গ. Alumninus
    • ঘ. Aluminise
    উত্তর: ক. Alumnus
    ল্যাটিন ভাষা থেকে আসা কিছু ইংরেজি শব্দের বহুবচন ইংরেজির সাধারণ নিয়মে (শেষে -s যোগ করে) হয় না, বরং ল্যাটিন নিয়মে হয়। Alumnus মানে কোনো স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন পুরুষ ছাত্র, আর এর বহুবচন alumni। স্ত্রীলিঙ্গে একবচন alumna এবং বহুবচন alumnae। বাকি অপশন Alumnous, Alumninus বা Aluminise এমন কোনো ঠিক একবচন শব্দ নয়, আর Aluminise মানে অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ দেওয়া।
    মনে রাখুন:
    -us থেকে -i: Cactus → Cacti, Radius → Radii, Syllabus → Syllabi।
    -um থেকে -a: Datum → Data, Medium → Media।
    -is থেকে -es: Analysis → Analyses, Crisis → Crises।
  2. ৪. Identify the correct spelling :
    • ক. superstition
    • খ. superistition
    • গ. superstision
    • ঘ. superistision
    উত্তর: ক. superstition
    Superstition মানে কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস। শব্দটি su-per-sti-tion এই চারটি অংশে ভেঙে পড়লে বানান মনে রাখা সহজ হয়। বানানে মাঝখানে বাড়তি ‘i’ থাকে না, তাই superistition বা superstision লেখা ভুল। অনেক শিক্ষার্থী সুপারস্টিশনে ‘ti’ ও ‘si’-এর গোলমাল করে, তাই শেষের অংশটি -tion দিয়ে লেখা মনে রাখতে হবে। -tion দিয়ে শেষ হওয়া ইংরেজি শব্দের উচ্চারণ ‘শন’, যেমন nation ও station। এ ধরনের বানান প্রশ্নে অপশনগুলোর ফাঁদ হলো বাড়তি অক্ষর, তাই শব্দটি অংশে ভেঙে মনে রাখাই ভালো।
    মনে রাখুন: Superstitious (বিশেষণ) মানে কুসংস্কারাচ্ছন্ন।
    উদাহরণ: Many people have a superstition about the number thirteen.
  3. ৭. The boy wants to go home. Identify the phrase 'to go home' :
    • ক. noun phrase
    • খ. adjective phrase
    • গ. adverb phrase
    • ঘ. preposition phrase
    উত্তর: ক. noun phrase
    Noun-এর মতো কাজ করা শব্দগুচ্ছকে noun phrase বলা হয়। ‘The boy wants to go home’ বাক্যে ‘wants’ ক্রিয়ার কর্ম (object) হিসেবে বসেছে ‘to go home’। কর্ম সাধারণত noun বা noun-এর সমতুল্য কিছু হয়, তাই এটি noun phrase। প্রশ্ন করে বোঝা যায়: ছেলেটি কী চায়? উত্তর ‘to go home’। যে শব্দগুচ্ছ এই প্রশ্নের উত্তর দেয়, সেটি noun-এর মতো কাজ করছে।
    মনে রাখুন:
    To-infinitive অনেক সময় noun-এর কাজ করে, যেমন: To err is human।
    Adjective phrase noun-কে বিশেষিত করে, adverb phrase ক্রিয়াকে।
    উদাহরণ: She likes to read novels. (এখানেও ‘to read novels’ ক্রিয়ার কর্ম।)
  4. ১৫. The nightingale is a singing bird. In this sentence 'singing' is a/an —
    • ক. verbal noun
    • খ. gerund
    • গ. participle
    • ঘ. adverb
    উত্তর: গ. participle
    Participle (পার্টিসিপল) হলো verb থেকে তৈরি এমন শব্দ, যা adjective-এর মতো কাজ করে। ‘The nightingale is a singing bird’ বাক্যে ‘singing’ শব্দটি bird-কে বিশেষিত করে, অর্থাৎ পাখিটি কেমন তা জানায়। তাই এটি একটি present participle। এখানে singing শব্দটি কোনো কাজের নাম হিসেবে বসেনি, তাই একে gerund বা verbal noun বলা যাবে না। Gerund হলে শব্দটি noun-এর মতো কাজ করত, যেমন: Singing is a good habit। আবার singing এখানে কোনো verb বা adjective-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adverb-ও নয়।
    মনে রাখুন:
    Verb + ing noun-এর কাজ করলে gerund, adjective-এর কাজ করলে participle।
    Gerund ও verbal noun প্রায় একই জিনিস।
    উদাহরণ: a running horse (participle), a sleeping child (participle), Swimming is good exercise (gerund)।
  5. ১৬. The greater the demand, — the price.
    • ক. high
    • খ. higher
    • গ. the higher
    • ঘ. highest
    উত্তর: গ. the higher
    ‘যত বেশি... তত বেশি’ ধরনের ভাব প্রকাশ করতে ইংরেজিতে ‘The ... the ...’ গঠন ব্যবহার করা হয়। এই গঠনের দুটি অংশেই comparative degree বসে এবং প্রতিটি comparative-এর আগে the থাকে। বাক্যের প্রথম অংশে ‘The greater’ আছে, তাই দ্বিতীয় অংশেও ‘the higher’ বসবে। সম্পূর্ণ বাক্য: The greater the demand, the higher the price। এর অর্থ, চাহিদা যত বাড়ে, দামও তত বাড়ে। সাধারণ রূপ high এবং superlative রূপ highest এই গঠনে বসে না।
    মনে রাখুন: এখানে দুটি the কোনো article নয়, এরা comparative-এর আগে বসা বিশেষ adverb-এর কাজ করে।
    উদাহরণ:
    The sooner, the better.
    The more you read, the more you learn.
  6. ১৭. We work every day except Friday. What part of speech is 'except'?
    • ক. adjective
    • খ. preposition
    • গ. conjunction
    • ঘ. adverb
    উত্তর: খ. preposition
    Preposition (পদান্বয়ী অব্যয়) হলো সেই শব্দ, যা noun বা pronoun-এর আগে বসে তার সঙ্গে বাক্যের অন্য অংশের সম্পর্ক জানায়। ‘We work every day except Friday’ বাক্যে ‘except’-এর পরে Friday নামের একটি noun এসেছে এবং শব্দটি ‘ছাড়া’ অর্থ প্রকাশ করছে। তাই এখানে except একটি preposition। Adverb হলে শব্দটি ক্রিয়াকে বিশেষিত করত, আর conjunction হলে দুটি clause জুড়ত, কিন্তু এখানে সেসবের কিছুই ঘটছে না।
    মনে রাখুন:
    Except কখনো conjunction হিসেবেও আসে, যেমন: He would go except that he is ill (এখানে পরে একটি clause আছে)।
    Without, besides ও but (= except) এভাবেই preposition হিসেবে চলে।
    উদাহরণ: Everyone came but Rina.
  7. ২৪. Which of the following is in plural form?
    • ক. datum
    • খ. media
    • গ. analysis
    • ঘ. radius
    উত্তর: খ. media
    কিছু ইংরেজি শব্দ ল্যাটিন বা গ্রিক ভাষা থেকে এসেছে বলে তাদের বহুবচন সাধারণ নিয়মে (s বা es যোগ করে) হয় না। Media হলো medium-এর বহুবচন। বাকি তিনটি শব্দই একবচন: datum-এর বহুবচন data, analysis-এর বহুবচন analyses এবং radius-এর বহুবচন radii। Medium-এর বহুবচন কখনো mediums-ও হয়, তবে ‘সংবাদমাধ্যম’ অর্থে media-ই চলে।
    মনে রাখুন:
    -um থেকে -a: Curriculum → Curricula, Bacterium → Bacteria।
    -is থেকে -es: Basis → Bases, Thesis → Theses।
    -us থেকে -i: Radius → Radii, Nucleus → Nuclei।
  8. ২৬. He became rich overnight. What part of speech is 'overnight'?
    • ক. a noun
    • খ. an adjective
    • গ. a preposition
    • ঘ. an adverb
    উত্তর: ঘ. an adverb
    Adverb (ক্রিয়াবিশেষণ) ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করে এবং সাধারণত কখন, কোথায় বা কীভাবে তা জানায়। ‘He became rich overnight’ বাক্যে ‘overnight’ জানাচ্ছে সে কখন বা কত দ্রুত ধনী হলো। তাই এটি ক্রিয়াকে বিশেষিত করা adverb, যার অর্থ রাতারাতি। এখানে শব্দটির পরে কোনো noun নেই, তাই এটি preposition নয়, আর নিজে কোনো নামও নয়, তাই noun-ও নয়।
    মনে রাখুন:
    Overnight কখনো adjective হিসেবেও আসে, যেমন: an overnight journey (রাতের যাত্রা)।
    ‘He stayed overnight’ বাক্যেও overnight adverb।
  9. ২৭. Sweet — the uses of adversity.
    • ক. is
    • খ. are
    • গ. has
    • ঘ. have
    উত্তর: খ. are
    ‘Sweet are the uses of adversity’ উক্তিটি শেক্সপিয়রের কমেডি ‘As You Like It’ থেকে নেওয়া। এই বাক্যে কর্তা ‘the uses’ বহুবচন, কিন্তু কাব্যিক ভঙ্গিতে তা ক্রিয়ার পরে বসেছে। সাজানো ক্রম যেমনই হোক, ক্রিয়া সব সময় কর্তার সংখ্যা অনুযায়ী হয়, তাই বহুবচন কর্তার সঙ্গে are বসে। সাধারণ ক্রমে বাক্যটি দাঁড়ায়: The uses of adversity are sweet। এখানে adversity শব্দের মানে দুঃখ-দুর্দশা, কিন্তু সেটি of-এর পরের noun বলে ক্রিয়ার সংখ্যা নির্ধারণ করে না।
    মনে রাখুন:
    Inversion বা উল্টো সাজানো বাক্যেও Subject-Verb Agreement মানতে হয়।
    উদাহরণ: Happy are those who read.
  10. ২৯. The doctor took the round in the hospital. Here 'round' is a/an —
    • ক. noun
    • খ. adjective
    • গ. verb
    • ঘ. adverb
    উত্তর: ক. noun
    কোনো শব্দ noun কি না তা বোঝার একটি সহজ উপায় হলো তার আগে ‘the’ বা অন্য কোনো determiner আছে কি না। ‘The doctor took the round in the hospital’ বাক্যে ‘the round’ আছে, যার অর্থ রোগী দেখার জন্য ওয়ার্ডে ঘুরে পরিদর্শন। তাই এখানে round একটি noun। এই বাক্যে শব্দটি কোনো কাজ বোঝাচ্ছে না, তাই verb নয়, আর কোনো noun-কে বিশেষিতও করছে না, তাই adjective-ও নয়।
    মনে রাখুন: Round অন্য বাক্যে ভিন্ন পদ হতে পারে।
    উদাহরণ:
    adjective: a round table
    verb: to round off
    adverb: to go round
  11. ৩১. What is the passive voice of the sentence? 'His conduct annoyed me'.
    • ক. I was being annoyed by his conduct.
    • খ. I was annoyed by his conduct.
    • গ. I was annoyed at his conduct.
    • ঘ. I had been annoyed on his conduct.
    উত্তর: গ. I was annoyed at his conduct.
    Active বাক্যটি past indefinite tense-এ আছে: His conduct annoyed me। Passive করতে object ‘me’ কর্তা হিসেবে I হয় এবং ক্রিয়া হয় was + past participle, অর্থাৎ I was annoyed। Annoyed-এর পরে ইংরেজিতে সাধারণত at বসে, তাই বাক্যটি দাঁড়ায় ‘I was annoyed at his conduct’। বিকল্পের প্রথমটিতে continuous tense আছে, যা বাক্যের সঙ্গে মেলে না, আর শেষেরটিতে past perfect এবং ভুল preposition আছে।
    মনে রাখুন: কিছু verb-এর পরে by-এর বদলে অন্য preposition বসে, যেমন: pleased with, surprised at, interested in।
  12. ৩৩. There were — guests than I expected.
    • ক. less
    • খ. few
    • গ. lesser
    • ঘ. fewer
    উত্তর: ঘ. fewer
    Countable noun মানে যে noun গোনা যায়, আর uncountable noun গোনা যায় না। Few ও fewer বসে countable noun-এর আগে, আর less বসে uncountable noun-এর আগে। Guests গোনা যায় এবং বাক্যে than আছে বলে এখানে দুই পক্ষের তুলনা চলছে, তাই comparative রূপ fewer বসে: There were fewer guests than I expected। Few নিজে তুলনা বোঝায় না, আর lesser ভিন্ন অর্থে (কম গুরুত্বপূর্ণ) ব্যবহৃত হয়।
    উদাহরণ:
    Less water, fewer people.
    Comparative ছাড়া: There were few guests.
    মনে রাখুন: Fewer-এর পরে than আসে, যেমন: fewer books than pens।
  13. ৩৫. What kind of noun 'money' is?
    • ক. collective
    • খ. abstract
    • গ. countable
    • ঘ. uncountable
    উত্তর: ঘ. uncountable
    Money বলতে টাকা-পয়সার সামগ্রিক পরিমাণ বোঝায়, যাকে আমরা এক-দুই করে গুনি না। যেসব noun গোনা যায় না, তাদের uncountable noun বলে, যেমন: water, rice, money। তাই ‘money’ uncountable। এর আগে much বসে, many নয়: much money। টাকার একক (coin বা note) আলাদাভাবে গোনা যায়, কিন্তু money নিজে নয়। Collective noun বলতে বোঝায় একদল ব্যক্তি বা বস্তুর নাম, যেমন team, আর abstract noun বলতে বোঝায় গুণ বা অনুভূতির নাম, যেমন honesty। Money এর কোনোটিই নয়।
    মনে রাখুন: Uncountable noun-এর বহুবচন হয় না এবং ক্রিয়া একবচন হয়, যেমন: Money is important।
  14. ৪৪. It rained here yesterday, — ? The appropriate tag question will be :
    • ক. wasn't it
    • খ. didn't it
    • গ. did it
    • ঘ. isn't it
    উত্তর: খ. didn't it
    Tag question হলো বাক্যের শেষে জুড়ে দেওয়া ছোট প্রশ্ন। এর নিয়ম হলো, মূল বাক্য positive হলে tag negative হয় আর মূল বাক্য negative হলে tag positive হয়। ‘It rained here yesterday’ বাক্যটি past indefinite tense-এ positive। এ ধরনের বাক্যে main verb-এর জায়গায় helping verb ‘did’ ব্যবহার করা হয়, আর negative হওয়ায় তা হয় ‘didn’t’। শেষে subject-এর pronoun ‘it’ আসে। তাই সঠিক tag: didn’t it? Wasn’t it বসত শুধু ‘was’ থাকলে।
    উদাহরণ:
    She plays well, doesn’t she?
    They did not come, did they?
  15. ৪৫. The feminine gender of 'drone' is —
    • ক. bee
    • খ. hind
    • গ. ewe
    • ঘ. lass
    উত্তর: ক. bee
    Gender (লিঙ্গ) অনুযায়ী প্রাণীবাচক শব্দের পুরুষ ও স্ত্রী রূপ আলাদা হয়। Drone হলো পুরুষ মৌমাছি, আর এর স্ত্রীলিঙ্গ bee। অন্য অপশনগুলোও স্ত্রীবাচক শব্দ, কিন্তু তাদের জোড়া অন্য পুরুষবাচক শব্দের সঙ্গে: hind-এর পুরুষ stag (হরিণ), ewe-এর পুরুষ ram (ভেড়া) এবং lass-এর পুরুষ lad (বালক)। তাই drone-এর সঙ্গে এই তিনটির কোনোটি মেলে না।
    মনে রাখুন:
    Lion – Lioness, Bull – Cow, Cock – Hen।
    Bachelor – Spinster, Wizard – Witch।
    Drone-এর আরেক অর্থ ভোঁ ভোঁ শব্দ করা, অথবা যে অলস লোক অন্যের উপার্জনে চলে।
    Hen-এর পুরুষ cock, mare-এর পুরুষ horse।
  16. ৪৭. I came home after the rain —.
    • ক. stopped
    • খ. stop
    • গ. has stopped
    • ঘ. had stopped
    উত্তর: ঘ. had stopped
    একই বাক্যে অতীতের দুটি ঘটনা থাকলে যেটি আগে ঘটেছে তা past perfect tense-এ এবং যেটি পরে ঘটেছে তা past indefinite tense-এ লেখা হয়। ‘I came home after the rain —’ বাক্যে বাড়ি আসা পরের ঘটনা (came), তাই আগের ঘটনা অর্থাৎ বৃষ্টি থামা হবে past perfect: had stopped। Has stopped বসে না, কারণ সেটি present perfect, যা বর্তমানের সঙ্গে যুক্ত ঘটনা বোঝায়।
    উদাহরণ:
    I had finished the work before he came.
    After he had left, I went out.
    মনে রাখুন: Past perfect-এর গঠন had + past participle।
  17. ৪৯. Each of the boys — present in the class.
    • ক. are
    • খ. have
    • গ. were
    • ঘ. is
    উত্তর: ঘ. is
    ‘Each’ শব্দটি একজন একজন করে ধরে বলে, তাই এর পরে ‘of the boys’ থাকলেও ক্রিয়া একবচন হয়। এখানে of-এর পরের boys বহুবচন হলেও বাক্যের আসল কর্তা Each। বাক্যে অতীত বোঝানোর মতো কোনো সংকেত নেই, তাই present tense-এর singular verb is বসে: Each of the boys is present in the class। Are ও have বহুবচন কর্তার সঙ্গে বসে, আর were অতীতের কথা বোঝায়।
    মনে রাখুন: Each, every, either, neither, one of-এর পরে singular verb আসে।
    উদাহরণ:
    Neither of them is here.
    Every student has a book.
  18. ৫০. Which word is the determiner in the sentence, 'Will it take much time'?
    • ক. will
    • খ. take
    • গ. much
    • ঘ. time
    উত্তর: গ. much
    Determiner (নির্ধারক) হলো সেই শব্দ, যা noun-এর আগে বসে বোঝায় noun-টি কতটা বা কোনটি। এর উদাহরণ: a, the, this, some, much, many। ‘Will it take much time?’ বাক্যে ‘time’ noun-এর আগে ‘much’ বসে পরিমাণ জানাচ্ছে, তাই ‘much’ determiner। Will একটি helping verb, take মূল verb এবং time নিজে একটি noun। Determiner আর adjective কাছাকাছি মনে হলেও কাজ আলাদা: determiner পরিমাণ বা নির্দিষ্টতা জানায়, আর adjective noun-এর গুণ বা অবস্থা বর্ণনা করে।
    মনে রাখুন:
    Much uncountable noun-এর সঙ্গে বসে আর many countable noun-এর সঙ্গে বসে।
    উদাহরণ: much water, many books।
  19. ৫৪. Congratulations — your success.
    • ক. for
    • খ. to
    • গ. on
    • ঘ. of
    উত্তর: গ. on
    কিছু শব্দের পরে নির্দিষ্ট preposition বসে, যাকে appropriate preposition বলে। Congratulate বা congratulations শব্দের পরে কারও সাফল্য বা অর্জনের কথা বললে on বসে: Congratulations on your success। অন্য preposition, যেমন for, to বা of, এই অর্থে বসে না। এ ধরনের শব্দজোড় আলাদাভাবে মুখস্থ রাখতে হয়, কারণ বাংলা অর্থ থেকে এদের বের করা যায় না।
    মনে রাখুন:
    Congratulate someone on something।
    Proud of, fond of, good at, interested in।
    উদাহরণ: I congratulate you on your result.
  20. ৫৫. This is — unique opportunity :
    • ক. an
    • খ. a
    • গ. the
    • ঘ. no article required
    উত্তর: খ. a
    Article a বা an বসানো হয় শব্দের বানান দেখে নয়, প্রথম ধ্বনির উচ্চারণ দেখে। ‘Unique’ শব্দটির প্রথম বর্ণ স্বরবর্ণ ‘u’ হলেও উচ্চারণ ‘ইউনিক’, অর্থাৎ শুরুতে ‘ইউ’ ধ্বনি, যা ব্যঞ্জনধ্বনির মতো। তাই এর আগে a বসে: a unique opportunity। An বসে স্বরধ্বনির আগে, কিন্তু এখানে উচ্চারণের শুরুতে স্বরধ্বনি নেই। Opportunity শব্দটি গোনা যায় এবং এখানে নির্দিষ্ট কিছু বোঝানো হয়নি, তাই the-ও বসে না।
    মনে রাখুন:
    a university, a European, a one-eyed man।
    an hour, an honest man (এখানে h নীরব)।

বাংলা

  1. ২. 'চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে'র রচয়িতা কে?
    • ক. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
    • খ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    • গ. বিজয়গুপ্ত
    • ঘ. ঘনরাম চক্রবর্তী
    উত্তর: খ. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
    মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার শ্রেষ্ঠ কবি হলেন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। তাঁর কাব্যের নাম অভয়ামঙ্গল বা কবিকঙ্কণ চণ্ডী। মেদিনীপুরের জমিদার রঘুনাথ রায়ের অনুরোধে তিনি এটি রচনা করেন। রঘুনাথ রায়ই তাঁকে ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধি দিয়েছিলেন। মঙ্গলকাব্য হলো দেবদেবীর মহিমা প্রচারের জন্য লেখা কাব্য, আর প্রতিটি ধারার আলাদা প্রধান কবি আছে, তাই কবির নাম ও কাব্যের নাম একসঙ্গে মিলিয়ে শিখতে হয়। এই কবির কাব্যে সমাজের সাধারণ মানুষের জীবনের চিত্র পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের কাব্য ‘অন্নদামঙ্গল’।
    বিজয়গুপ্ত মনসামঙ্গলের কবি।
    ঘনরাম চক্রবর্তী ধর্মমঙ্গলের কবি, তাঁর কাব্যের নাম ‘শ্রীধর্মমঙ্গল’।
    চণ্ডীমঙ্গলের আরেক কবি দ্বিজ মাধব।
  2. ৩. 'অগ্নি'র সমার্থক শব্দ কী?
    • ক. অনল
    • খ. পবন
    • গ. যবন
    • ঘ. কমল
    উত্তর: ক. অনল
    ‘অগ্নি’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো আগুন, অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর ইত্যাদি। তাই ‘অনল’ই এখানে সঠিক উত্তর। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: পবন মানে বাতাস, যবন মানে গ্রিক বা বিদেশি জাতি, আর কমল মানে পদ্ম। বাংলায় একই জিনিসের জন্য অনেক প্রতিশব্দ থাকে, বিশেষ করে আগুন, পানি, চাঁদ ও সূর্যের মতো প্রাকৃতিক জিনিসের। তাই সমার্থক শব্দের প্রশ্নে একসঙ্গে কয়েকটি শব্দ শিখে রাখা ভালো। যবন শব্দটি একসময় গ্রিক বা পশ্চিমা বিদেশিদের বোঝাতে ব্যবহৃত হতো।
    মনে রাখুন:
    পদ্মের সমার্থক: কমল, পঙ্কজ, অরবিন্দ, সরোজ।
    বাতাসের সমার্থক: পবন, সমীরণ, অনিল, বায়ু।
  3. ৬. 'অরণ্যে রোদন' বাগধারাটির অর্থ কী?
    • ক. বনে কান্না
    • খ. বনের কান্না
    • গ. পাগলের প্রলাপ
    • ঘ. নিষ্ফল আবেদন
    উত্তর: ঘ. নিষ্ফল আবেদন
    ‘অরণ্যে রোদন’ বাগধারার অর্থ নিষ্ফল আবেদন। বনের মধ্যে কেউ কাঁদলে সেই কান্না শোনার কেউ থাকে না, তেমনি যেখানে অনুরোধ-উপরোধ করে কোনো লাভ হয় না, সেখানে এই বাগধারা ব্যবহৃত হয়। শব্দ ধরে ধরে ‘বনে কান্না’ অর্থ করা ভুল, কারণ বাগধারার অর্থ আক্ষরিক হয় না, বিশেষ অর্থ বোঝায়। ‘পাগলের প্রলাপ’ অন্য একটি ভাব প্রকাশ করে, তাই সেটিও এই বাগধারার অর্থ নয়। বাগধারা মুখস্থ করার সময় অর্থ ও উদাহরণ একসঙ্গে মনে রাখলে সুবিধা হয়।
    মনে রাখুন:
    একাদশে বৃহস্পতি = সৌভাগ্য।
    চোখের বালি = অপ্রিয় ব্যক্তি।
    পুঁটি মাছের প্রাণ = ক্ষীণজীবী।
    উদাহরণ: সরকারের কাছে তাঁর আবেদন অরণ্যে রোদন হয়ে রইল।
  4. ৮. ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
    • ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • গ. রামমোহন রায়
    • ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    উত্তর: গ. রামমোহন রায়
    রাজা রামমোহন রায় ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট কলকাতায় ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। এই সমাজ একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিল, অর্থাৎ ঈশ্বর এক, তাঁর কোনো মূর্তি নেই। রামমোহনকে ‘আধুনিক ভারতের জনক’ বলা হয়। তিনি সতীদাহ প্রথা বন্ধের জন্য লড়েছিলেন এবং ১৮২৯ সালে এই প্রথা আইন করে বন্ধ হয়। এই আইন করেন তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক। বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ ও মধুসূদন বিখ্যাত হলেও ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠায় তাঁদের কোনো ভূমিকা নেই।
    মনে রাখুন:
    রামমোহনের লেখা ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ (১৮৩৩) বাংলায় লেখা ব্যাকরণ।
    বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক ও বিধবা বিবাহের প্রবক্তা।
    পরে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এই সমাজের নেতৃত্ব দেন।
  5. ১০. 'রামায়ণ' রচয়িতা কবি চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান কোথায়?
    • ক. কলকাতা
    • খ. চব্বিশ পরগনা
    • গ. শান্তি নিকেতন
    • ঘ. কিশোরগঞ্জ
    উত্তর: ঘ. কিশোরগঞ্জ
    চন্দ্রাবতী ষোড়শ শতকের একজন কবি। তাঁর জন্ম কিশোরগঞ্জ জেলার পাতুয়ারী গ্রামে। তিনি পিতা দ্বিজ বংশীদাসের কাছে লেখাপড়া শেখেন। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে তাঁকে মানা হয়। তাঁর লেখা ‘রামায়ণ’ চন্দ্রাবতীর রামায়ণ নামে পরিচিত এবং এতে সীতার দুঃখকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অপশনের কলকাতা, চব্বিশ পরগনা বা শান্তিনিকেতন পশ্চিমবঙ্গের জায়গা, কিন্তু চন্দ্রাবতী ছিলেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের কবি। চন্দ্রাবতীর জীবন নিয়ে ময়মনসিংহ গীতিকাতেও কাহিনি আছে। ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদনা করেন দীনেশচন্দ্র সেন।
    মনে রাখুন:
    চন্দ্রাবতীর পিতা দ্বিজ বংশীদাস মনসামঙ্গলের কবি।
    চন্দ্রাবতী ‘মলুয়া’ ও ‘দস্যু কেনারামের পালা’-ও রচনা করেন।
  6. ৩২. 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাস কার লেখা?
    • ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • খ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
    উত্তর: ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    ‘চন্দ্রশেখর’ (১৮৭৫) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক-সামাজিক উপন্যাস। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক এবং তাঁকে ‘সাহিত্য সম্রাট’ বলা হয়। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)। বাকি তিনজন লেখক পরের যুগের, আর তাঁদের কেউ ‘চন্দ্রশেখর’ লেখেননি। ‘চন্দ্রশেখর’ উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠেছে প্রতাপ, শৈবলিনী ও চন্দ্রশেখরকে ঘিরে, আর এর পটভূমিতে আছে নবাব মীর কাসিমের সময়কার বাংলা।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমের অন্য উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী, রাজসিংহ।
    ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের ‘বন্দে মাতরম্’ গান বিখ্যাত।
    তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা ‘বঙ্গদর্শন’।
    বঙ্কিমচন্দ্রের জন্ম ১৮৩৮ সালে, মৃত্যু ১৮৯৪ সালে।
  7. ৩৬. বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন কোনটি?
    • ক. চর্যাপদ
    • খ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    • গ. রামায়ণ
    • ঘ. মনসামঙ্গল
    উত্তর: ক. চর্যাপদ
    বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ। এতে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা-সংগীত আছে। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে ছাপা হয়। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, রামায়ণ ও মনসামঙ্গল সবই এর পরের মধ্যযুগের রচনা। চর্যাপদের প্রাপ্ত পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি বলে ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদের কবিদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা বিখ্যাত।
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন, কবি বড়ু চণ্ডীদাস।
    রামায়ণের বাংলা অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা, তিনি মধ্যযুগের কবি।
  8. ৩৮. 'মজলুম আদিব' কার ছদ্মনাম?
    • ক. ইয়াসির আরাফাত
    • খ. শামসুর রাহমান
    • গ. নাজিম হিকমত
    • ঘ. আল্লামা ইকবাল
    উত্তর: খ. শামসুর রাহমান
    শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবিদের একজন। তিনি ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামেও লিখতেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০)। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা তাঁর কবিতায় বারবার ফিরে এসেছে। তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’। ছদ্মনাম হলো এমন একটি নাম, যা লেখক নিজের আসল নামের বদলে লেখার সময় ব্যবহার করেন।
    মনে রাখুন:
    তাঁর কাব্যগ্রন্থ: বন্দী শিবির থেকে, বিধ্বস্ত নীলিমা।
    নাজিম হিকমত তুরস্কের কবি, আল্লামা ইকবাল উর্দু-ফারসি কবি।
    ইয়াসির আরাফাত ছিলেন ফিলিস্তিনের নেতা।
    শামসুর রাহমানের জন্ম ১৯২৯ সালে ঢাকায়, মৃত্যু ২০০৬ সালে।
  9. ৩৯. 'নূরলদীনের সারাজীবন' কী?
    • ক. মহাকাব্য
    • খ. কাব্যনাট্য
    • গ. গল্প
    • ঘ. উপন্যাস
    উত্তর: খ. কাব্যনাট্য
    ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি কাব্যনাট্য, অর্থাৎ এমন নাটক, যার সংলাপ কবিতার ছন্দে লেখা। এর বিষয় ১৭৮২ সালের রংপুরের কৃষক বিদ্রোহ, যার নেতা ছিলেন নূরলদীন। বিদ্রোহের কারণ ছিল ইজারাদার দেবী সিংহের অত্যাচার ও করের বোঝা। নাটকটি ১৯৮২ সালে প্রকাশিত হয়। এটি মহাকাব্য, গল্প বা উপন্যাস নয়, কারণ এটি মঞ্চে অভিনয়ের জন্য লেখা। নাটকে বিদ্রোহী কৃষকদের ‘জাগো বাহে, কোনঠে সবাই’ ডাকটি খুব পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ হকের অন্যান্য কাব্যনাট্য: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়, গণনায়ক।
    মহাকাব্য দীর্ঘ বর্ণনামূলক কাব্য, যেমন মেঘনাদবধ কাব্য।
    বিদ্রোহের সময়কাল ১৭৮২ সাল।
  10. ৪০. কোনটি মহাপ্রাণ ধ্বনি?
    • ক. চ
    • খ. ট
    • গ. প
    • ঘ. ঝ
    উত্তর: ঘ. ঝ
    যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখ থেকে বেশি শ্বাসবায়ু বের হয়, সেগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। বর্গীয় ব্যঞ্জনের প্রতিটি বর্গে দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ। ‘ঝ’ চ-বর্গের (চ ছ জ ঝ ঞ) চতুর্থ বর্ণ, তাই এটি মহাপ্রাণ। আর চ, ট ও প তাদের নিজ নিজ বর্গের প্রথম বর্ণ, তাই এগুলো অল্পপ্রাণ, অর্থাৎ এদের উচ্চারণে শ্বাসবায়ু কম লাগে।
    মনে রাখুন:
    মহাপ্রাণ ধ্বনি: খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ।
    অল্পপ্রাণ ধ্বনি: ক, গ, চ, জ, ট, ড, ত, দ, প, ব।
  11. ৪১. কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস কোনটি?
    • ক. ক্ষুধিত পাষাণ
    • খ. মৃত্যুক্ষুধা
    • গ. জননী
    • ঘ. আগুনপাখি
    উত্তর: খ. মৃত্যুক্ষুধা
    কাজী নজরুল ইসলামের তিনটি উপন্যাস: ‘বাঁধনহারা’ (১৯২৭), ‘মৃত্যুক্ষুধা’ (১৯৩০) ও ‘কুহেলিকা’ (১৯৩১)। এর মধ্যে ‘বাঁধনহারা’ পত্রোপন্যাস, অর্থাৎ চিঠির মাধ্যমে লেখা। অন্য অপশনগুলো তাঁর রচনা নয়: ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ রবীন্দ্রনাথের গল্প, ‘জননী’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং ‘আগুনপাখি’ হাসান আজিজুল হকের উপন্যাস। ‘মৃত্যুক্ষুধা’-র কাহিনি গ্রামের দরিদ্র মানুষের জীবন নিয়ে, আর ‘কুহেলিকা’-য় বিপ্লবীদের কথা এসেছে।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের কাব্য: অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, সঞ্চিতা।
    তাঁর গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’।
    নজরুলকে ‘বিদ্রোহী কবি’ বলা হয়।
    নজরুলের জন্ম ১৮৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়ায়, তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
  12. ৪২. 'সঞ্চয়িতা' কার কাব্য সংকলন?
    • ক. কাজী নজরুল ইসলামের
    • খ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের
    • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
    • ঘ. মোহিতলাল মজুমদারের
    উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
    ‘সঞ্চয়িতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার নিজের বাছাই করা সংকলন, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। কবির জীবনের নানা সময়ের কবিতা এতে স্থান পেয়েছে। নজরুলের নিজের নির্বাচিত সংকলনের নাম ‘সঞ্চিতা’, নামের এই মিলের কারণে অনেকে গোলমাল করেন। দুটি নামের বানানের পার্থক্য খেয়াল রাখলেই ভুল এড়ানো যায়। কবি নিজে কবিতাগুলো বেছে নিয়েছিলেন বলে এই সংকলনকে তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনাগুলোর পরিচিতি হিসেবে ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ‘কুহু ও কেকা’-র কবি।
    মোহিতলাল মজুমদারের কাব্য ‘স্মরগরল’।
    নজরুলের ‘সঞ্চিতা’ প্রকাশিত হয় ১৯২৮ সালে।
    রবীন্দ্রনাথের কাব্য: গীতাঞ্জলি, সোনার তরী, বলাকা।
  13. ৪৬. কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. সমিচিন
    • খ. সমীচিন
    • গ. সমীচীন
    • ঘ. সমিচীন
    উত্তর: ক. সমিচিন
    শুদ্ধ বানান ‘সমীচীন’। এতে ‘মী’ ও ‘চী’ দুটিতেই দীর্ঘ ঈ-কার আছে, আর শেষে বসে দন্ত্য ‘ন’। শব্দটির অর্থ উচিত, যথাযথ বা যুক্তিসংগত। শেষের ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয় না, কারণ ণত্ব বিধান অনুযায়ী ঋ, র বা ষ-এর প্রভাব থাকলে তবেই ন বদলে ণ হয়। ‘সমীচীন’-এ এমন কিছু নেই, তাই ‘সমীচীণ’ ভুল।
    উদাহরণ: এ সময়ে চুপ থাকাই সমীচীন।
    মনে রাখুন: ‘-চীন’ অংশে দীর্ঘ ঈ-কার ও দন্ত্য ‘ন’ বসে এমন শব্দ একসঙ্গে মনে রাখা ভালো: সমীচীন, প্রাচীন, অর্বাচীন।
  14. ৫৭. 'বাংলা সাহিত্যের কথা' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. সুকুমার সেন
    • গ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
    • ঘ. আহমদ শরীফ
    উত্তর: গ. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
    ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে লেখা গ্রন্থ। তিনি ছিলেন ভাষাবিজ্ঞানী ও পণ্ডিত, আর বাংলা ভাষার ইতিহাস ও বিকাশ নিয়ে তাঁর কাজ বিশেষভাবে স্মরণীয়। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত বই ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’। একই বিষয়ে লেখা অন্য লেখকদের বইয়ের সঙ্গে নামের মিল দেখে এই বই গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    সুকুমার সেনের গ্রন্থ ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’।
    আহমদ শরীফ ‘বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য’ লিখেছেন।
    ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম ১৮৮৫ সালে, মৃত্যু ১৯৬৯ সালে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

আন্তর্জাতিক

  1. ৫. COP-24 কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
    • ক. মাদ্রিদ (স্পেন)
    • খ. কাটোয়াইস (পোল্যান্ড)
    • গ. রোম (ইতালি)
    • ঘ. ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া)
    উত্তর: খ. কাটোয়াইস (পোল্যান্ড)
    জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বার্ষিক সম্মেলনকে COP (Conference of the Parties) বলে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে COP-24 অনুষ্ঠিত হয় পোল্যান্ডের কাটোয়াইস (Katowice) শহরে। এই সম্মেলনে প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নের নিয়মকানুন চূড়ান্ত করা হয়। অপশনে থাকা মাদ্রিদ (স্পেন) ছিল পরের বছরের, অর্থাৎ ২০১৯ সালের COP-25-এর আয়োজক শহর, তাই COP-24 ও COP-25 গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। প্রতি বছর নভেম্বর বা ডিসেম্বরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
    মনে রাখুন:
    COP-21 (২০১৫) প্যারিস, ফ্রান্স: এখানেই প্যারিস চুক্তি হয়।
    COP-26 (২০২১) গ্লাসগো, যুক্তরাজ্য।
    COP-28 (২০২৩) দুবাই।
    হালনাগাদ: COP-30 অনুষ্ঠিত হয় ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম শহরে।
  2. ১১. 'নিকোবর দ্বীপ'-এর মালিকানা কোন দেশের?
    • ক. মালদ্বীপ
    • খ. ভারত
    • গ. শ্রীলংকা
    • ঘ. মায়ানমার
    উত্তর: খ. ভারত
    নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরের সীমানায় অবস্থিত। এটি আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অংশ, যা ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। তাই মালিকানা ভারতের। এই অঞ্চলের রাজধানীর পুরোনো নাম পোর্ট ব্লেয়ার, বর্তমান নাম শ্রী বিজয় পুরম। দ্বীপপুঞ্জটি ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে অনেক দূরে, মায়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার কাছাকাছি, ফলে অনেকে ভুল দেশের নাম বেছে নেয়। বঙ্গোপসাগরে ভারতের এই অঞ্চলটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ। মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা স্বাধীন দেশ, তাই এ দুটির মালিকানার প্রশ্ন ওঠে না। মায়ানমার আন্দামান সাগরের পূর্ব দিকে অবস্থিত, কিন্তু নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ তার অংশ নয়। ভূগোলের প্রশ্নে দ্বীপের অবস্থান ও রাজনৈতিক মালিকানা আলাদা বিষয়, এটি মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ ভারত মহাসাগরের আলাদা দ্বীপরাষ্ট্র।
    ভারতের আরেকটি দ্বীপপুঞ্জ লাক্ষাদ্বীপ, আরব সাগরে।
  3. ১৩. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কত সালে স্যার (নাইটহুড) উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
    • ক. ১৯১৩
    • খ. ১৯১৫
    • গ. ১৯১৭
    • ঘ. ১৯২০
    উত্তর: খ. ১৯১৫
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘নাইট’ বা ‘স্যার’ উপাধি দেয়। কিন্তু ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই উপাধি ত্যাগ করেন। ১৯১৩ সাল নোবেল প্রাপ্তির সাল, তাই এই দুটিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। উপাধি ত্যাগের চিঠিটি তিনি তৎকালীন ভাইসরয়কে লিখেছিলেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে, তিনি শুধু কবি ছিলেন না, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহসও রাখতেন। পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্নে সালগুলোর ক্রম মনে রাখা জরুরি।
    মনে রাখুন:
    জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের অমৃতসরে ঘটে।
    রবীন্দ্রনাথ ‘গীতাঞ্জলি’-র জন্য নোবেল পান।
  4. ১৪. জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রটি কোন সালে অনুমোদিত হয়?
    • ক. ১৯৪২
    • খ. ১৯৪৮
    • গ. ১৯৫৮
    • ঘ. ১৯৬৮
    উত্তর: খ. ১৯৪৮
    মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর গ্রহণ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির পর সব মানুষের জন্য একই রকম মৌলিক অধিকার স্বীকার করার প্রয়োজন দেখা দেয়, আর তখনই এই দলিলটি তৈরি হয়। এতে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। এর স্মরণে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর।
    ঘোষণাপত্র তৈরির কমিটিতে নেতৃত্ব দেন এলিনর রুজভেল্ট।
    এই ঘোষণাপত্র আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি নয়, তবে নৈতিক ভিত্তি হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
  5. ৩৪. SDG-তে কয়টি Goal আছে?
    • ক. 10টি
    • খ. 15টি
    • গ. 17টি
    • ঘ. 23টি
    উত্তর: গ. 17টি
    জাতিসংঘ ২০১৫ সালে সদস্য দেশগুলোর সম্মতিতে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্য টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals, SDG) নির্ধারণ করে। এর মোট লক্ষ্য ১৭টি এবং এর সঙ্গে ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট টার্গেট আছে। এই লক্ষ্যগুলোর মধ্যে দারিদ্র্য, ক্ষুধা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু ও লিঙ্গ সমতার মতো বিষয় রয়েছে। লক্ষ্যগুলো অর্জনের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
    মনে রাখুন:
    SDG আগের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG)-এর স্থলাভিষিক্ত। MDG-র লক্ষ্য ছিল ৮টি এবং সময়কাল ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫।
    SDG-র প্রথম লক্ষ্য দারিদ্র্য দূর করা, দ্বিতীয় লক্ষ্য ক্ষুধা মুক্তি।
    SDG-র সপ্তদশ লক্ষ্য হলো লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারিত্ব (Partnerships for the Goals)।
  6. ৩৭. কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
    • ক. জাপান ও রাশিয়া
    • খ. ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া
    • গ. বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
    • ঘ. নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া
    উত্তর: ক. জাপান ও রাশিয়া
    কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ (Kuril Islands) জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপ ও রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপের মাঝখানে ওখোটস্ক সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের সীমানায় অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বীপগুলো দখল করে, যা এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু জাপান দক্ষিণের চারটি দ্বীপকে নিজেদের বলে দাবি করে, তাই এই বিরোধ জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে। এই বিরোধের কারণে দুই দেশ আজও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিচুক্তি করতে পারেনি। বিরোধপূর্ণ দ্বীপগুলোর মধ্যে ইতুরুপ ও কুনাশির নামের দ্বীপ দুটি বড়। দুই দেশই নিজেদের অবস্থানে অনড়, তাই আলোচনা এখনো সমাধানে পৌঁছায়নি।
    মনে রাখুন: জাপান এই দ্বীপগুলোকে ‘উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড’ বলে।
  7. ৫২. ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর কোনটি?
    • ক. জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ
    • খ. আজাদ কাশ্মীর
    • গ. গিলগিত ও বালতিস্থান
    • ঘ. কাশ্মীর
    উত্তর: ক. জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ
    ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর কাশ্মীর নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের বিরোধ শুরু হয়। ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকা অংশে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ পড়ে। ২০১৯ সালে ভারত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে এবং অঞ্চলটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে: জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ। আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিত-বালতিস্তান পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে, তাই ওই দুটি অপশন ঠিক নয়। ২০১৯ সালে যে বিশেষ মর্যাদা বাতিল হয়, তা ছিল ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ।
    মনে রাখুন:
    পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিত-বালতিস্তান।
    চীনের নিয়ন্ত্রণে আকসাই চিন।
    জম্মু ও কাশ্মীরের শীতকালীন রাজধানী জম্মু, গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগর।

বাংলাদেশ

  1. ৯. বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে?
    • ক. ২০১৫ সালে
    • খ. ১৯৭১ সালে
    • গ. ২০১০ সালে
    • ঘ. ১৯৬০ সালে
    উত্তর: গ. ২০১০ সালে
    বাংলা একাডেমি ২০১০ সাল থেকে ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ চালু করেছে বলে বই ও প্রচলিত সূত্রে উল্লেখ আছে। এটি মূলত রবীন্দ্রচর্চা ও রবীন্দ্রসাহিত্য বিষয়ে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী ২০১১ সালে পালিত হয়েছে, তারই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ। অপশনের ১৯৬০ সালটি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের সাল, তাই এই দুই পুরস্কারের সাল গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। পুরস্কারের সাল নিয়ে প্রশ্নে অপশনের সবগুলো সাল বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাই সাবধানে মেলাতে হয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।
    বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ১৯৬০ সালে চালু হয়।
    রবীন্দ্রনাথের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে।
  2. ১২. কোনটিকে 'বাংলাদেশের ফুসফুস' বলা যেতে পারে?
    • ক. চলন বিল
    • খ. হাকালুকি হাওর
    • গ. সুন্দরবন
    • ঘ. লাউয়াছড়া
    উত্তর: গ. সুন্দরবন
    বন বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড টেনে নেয় এবং অক্সিজেন ছাড়ে, ঠিক যেমন ফুসফুস করে। সারা বিশ্বের দিক থেকে আমাজন বনকে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ বলা হয়। বাংলাদেশে সুন্দরবন একই ভূমিকা রাখে, তাই একে ‘বাংলাদেশের ফুসফুস’ বলা চলে। সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। এটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল, আর এই বাঘ আমাদের জাতীয় পশু। চলন বিল, হাকালুকি হাওর বা লাউয়াছড়ার তুলনায় সুন্দরবনের আকার ও গুরুত্ব অনেক বেশি। সুন্দরী গাছ থেকেই সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে বলে মনে করা হয়।
    মনে রাখুন:
    সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ঢোকে।
    এটি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট অঞ্চলে অবস্থিত।
  3. ১৮. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য সর্বোচ্চ খেতাব কোনটি?
    • ক. বীরপ্রতীক
    • খ. বীরশ্রেষ্ঠ
    • গ. বীরউত্তম
    • ঘ. বীরবিক্রম
    উত্তর: খ. বীরশ্রেষ্ঠ
    মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহস ও আত্মত্যাগের জন্য বাংলাদেশ সরকার চার স্তরের খেতাব দিয়েছে। সবচেয়ে বড় খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ, এরপর যথাক্রমে বীর উত্তম, বীর বিক্রম এবং বীর প্রতীক। বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পেয়েছেন মোট সাতজন, আর তাঁরা সবাই শহিদ। তাই প্রশ্নের উত্তর বীরশ্রেষ্ঠ, বাকি তিনটি খেতাব তার নিচের স্তরের।
    মনে রাখুন:
    বীরশ্রেষ্ঠ সাতজন: মুন্সী আবদুর রউফ, রুহুল আমিন, মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ হামিদুর রহমান, নূর মোহাম্মদ শেখ, মতিউর রহমান ও মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।
    খেতাবের গেজেট প্রকাশ হয় ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর।
    মোট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ৬৭৬ জন।
  4. ১৯. কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক?
    • ক. নূরলদীনের সারাজীবন
    • খ. কবর
    • গ. কিত্তনখোলা
    • ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    উত্তর: ঘ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    সৈয়দ শামসুল হক রচিত ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ একটি কাব্যনাট্য, যার পটভূমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। এটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। কাব্যনাট্য বলতে এমন নাটক বোঝায়, যার সংলাপ কবিতার ছন্দে লেখা। অন্য অপশনগুলো আলাদা বিষয় নিয়ে লেখা: মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ ভাষা আন্দোলন নিয়ে এবং সৈয়দ হকেরই ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ ১৭৮২ সালের রংপুর কৃষক বিদ্রোহ নিয়ে রচিত। কাব্যনাট্যে নাটকের গল্প আর কবিতার ছন্দ একসঙ্গে মিশে থাকে, তাই এর সংলাপ শুনতে অনেকটা গানের মতো মনে হয়।
    মনে রাখুন:
    ‘কিত্তনখোলা’ সেলিম আল দীনের নাটক।
    সৈয়দ শামসুল হকের আরও কাব্যনাট্য: নূরলদীনের সারাজীবন, গণনায়ক।
    সৈয়দ হকের ‘নীল দংশন’ একটি উপন্যাস।
    মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক।
  5. ২০. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
    • ক. ১৮২১
    • খ. ১৭৫৮
    • গ. ১৮০০
    • ঘ. ১৯২১
    উত্তর: গ. ১৮০০
    লর্ড ওয়েলেসলি ১৮০০ সালের ৪ মে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তখন তিনি ছিলেন ভারতের গভর্নর জেনারেল। কলেজ গড়ার উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নতুন কর্মচারীদের দেশীয় ভাষা ও রীতিনীতি শেখানো। ১৮০১ সালে কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয় এবং উইলিয়াম কেরি তার প্রধান হন। এই কলেজে বাংলা গদ্যের বই লেখা ও ছাপানোর চর্চা শুরু হয়, যা বাংলা গদ্যের বিকাশে বড় ভূমিকা রেখেছে।
    মনে রাখুন:
    কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে রামরাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ছিলেন।
    রামরাম বসুর বই ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ (১৮০১)।
    কেরির বই ‘কথোপকথন’ (১৮০১)।
  6. ২১. বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের কথা বলা হয়েছে?
    • ক. অনুচ্ছেদ ২২
    • খ. অনুচ্ছেদ ২১
    • গ. অনুচ্ছেদ ২০
    • ঘ. অনুচ্ছেদ ৩৩
    উত্তর: খ. অনুচ্ছেদ ২১
    বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি নিয়ে। এর ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের শিরোনাম ‘নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য’। এর ১ নম্বর দফায় বলা আছে, সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। ২ নম্বর দফায় সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সেবার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    অনুচ্ছেদ ২০: কর্ম হলো অধিকার ও কর্তব্য।
    অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
    অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
  7. ২২. ইয়ংবেঙ্গল আন্দোলনের পুরোধা-ব্যক্তি কে ছিলেন?
    • ক. বুদ্ধদেব বসু
    • খ. কাজী আবদুল ওদুদ
    • গ. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • ঘ. হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
    উত্তর: ঘ. হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
    হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও কলকাতার হিন্দু কলেজে শিক্ষকতা করতেন। তিনি ছাত্রদের যুক্তি দিয়ে ভাবতে, প্রশ্ন করতে এবং কুসংস্কার ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শেখান। তাঁর শিষ্যরা ‘ইয়ং বেঙ্গল’ নামে পরিচিত হন, তাই তিনিই এই আন্দোলনের পুরোধা। বাকি তিনজন সম্পূর্ণ আলাদা সময়ের সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ, তাঁদের সঙ্গে এই আন্দোলনের সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    ডিরোজিওর জন্ম ১৮০৯ সালে, মৃত্যু ১৮৩১ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে।
    তাঁর শিষ্যদের মধ্যে ছিলেন রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী ও প্যারীচাঁদ মিত্র।
    তিনি ‘অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন’ গড়ে তুলেছিলেন।
  8. ২৩. কোন নদী বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় সমাপ্ত হয়েছে?
    • ক. যাদুকাটা নদী
    • খ. কর্ণফুলী নদী
    • গ. গোমতী নদী
    • ঘ. সাঙ্গু নদী
    উত্তর: ঘ. সাঙ্গু নদী
    বাংলাদেশের অনেক নদী প্রতিবেশী দেশ থেকে এসে এখানে প্রবেশ করেছে। কিন্তু সাঙ্গু নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের আরাকান পাহাড়ে। এরপর নদীটি বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ভেতর দিয়ে বয়ে গিয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। কর্ণফুলী নদীর উৎস ভারতের মিজোরামে, গোমতীর উৎস ভারতের ত্রিপুরায় এবং যাদুকাটার উৎস ভারতের মেঘালয়ে, তাই এগুলোকে নিজ দেশে উৎপন্ন ও সমাপ্ত নদী বলা যায় না। পদ্মা, যমুনা ও মেঘনার মতো প্রধান নদীগুলোর উৎস কিন্তু বাংলাদেশের বাইরে, তাই এই প্রশ্নে সেগুলোও উত্তর হতো না।
    মনে রাখুন:
    হালদা নদী খাগড়াছড়ির পাহাড়ে জন্ম নিয়ে চট্টগ্রামে কর্ণফুলীতে পড়েছে।
    বান্দরবানের প্রধান নদী সাঙ্গু।
    সাঙ্গু নদীর আরেক নাম শঙ্খ নদী।
  9. ৪৩. 'ম্যাডোনা-৪৩' চিত্রকর্মটি কীসের ওপর আঁকা?
    • ক. নায়িকা ম্যাডোনার ওপর
    • খ. দুর্যোগের ওপর
    • গ. চলচ্চিত্র পুরস্কারের ওপর
    • ঘ. দুর্ভিক্ষের ওপর
    উত্তর: ঘ. দুর্ভিক্ষের ওপর
    ১৯৪৩ সালের বাংলার মন্বন্তরে (দুর্ভিক্ষে) লাখ লাখ মানুষ মারা যায়। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন তখন কলকাতার পথে দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের ছবি আঁকেন। এই ছবিগুলোর একটি ‘ম্যাডোনা-৪৩’, যেখানে ক্ষুধার্ত মা শিশুকে বুকে ধরে আছে। নামের ‘ম্যাডোনা’ শব্দটি এসেছে শিশুকে কোলে নেওয়া মাতা মেরির ছবি থেকে, আর ৪৩ বোঝায় ১৯৪৩ সাল। তাই ছবিটির বিষয় দুর্ভিক্ষ।
    মনে রাখুন:
    জয়নুল আবেদিন ১৯৪৮ সালে ঢাকায় সরকারি আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন।
    তাঁর অন্য বিখ্যাত ছবি ‘সংগ্রাম’ এবং ‘মনপুরা-৭০’।
    জয়নুল আবেদিনের জন্ম ১৯১৪ সালে, মৃত্যু ১৯৭৬ সালে।
  10. ৪৮. বাংলাদেশের 'ট্রেজারি বিল' ইস্যু করার এখতিয়ার কার?
    • ক. সোনালী ব্যাংক
    • খ. বাংলাদেশ ব্যাংক
    • গ. ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
    • ঘ. অর্থ মন্ত্রণালয়
    উত্তর: খ. বাংলাদেশ ব্যাংক
    ট্রেজারি বিল (Treasury Bill) সরকারের স্বল্পমেয়াদি ঋণপত্র, যার মেয়াদ এক বছরের কম, যেমন ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন। সরকার ঘাটতি পূরণের জন্য এই বিল ছাড়ে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের পক্ষে নিলামের মাধ্যমে তা ইস্যু করে। তাই প্রশ্নের উত্তর বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থ মন্ত্রণালয় ঋণের প্রয়োজন ঠিক করে ঠিকই, কিন্তু বিল ইস্যুর কাজটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
    মনে রাখুন:
    সরকারি বন্ড বেশি মেয়াদের হয়, যেমন ৫ বা ১০ বছর।
    বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
  11. ৫১. হালদা নদী কীসের জন্য বিখ্যাত?
    • ক. একটি খরস্রোত পাহাড়ি নদী
    • খ. একটি পর্যটন এলাকা
    • গ. একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র
    • ঘ. প্রকৃতিগত সংকটাপন্ন এলাকা
    উত্তর: গ. একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র
    হালদা নদী খাগড়াছড়ির পাহাড়ে জন্ম নিয়ে চট্টগ্রামের ভেতর দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে পড়েছে। নদীটি দেশের রুই, কাতলা, মৃগেল প্রভৃতি কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র হিসেবে বিখ্যাত। বর্ষার শুরুতে এখানে মা-মাছ ডিম ছাড়ে, আর জেলেরা সেই ডিম সংগ্রহ করে পোনা তৈরি করে। এই ধরনের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র খুব বিরল। হালদা পাহাড়ি নদী হলেও তার খ্যাতির আসল কারণ খরস্রোত বা পর্যটন নয়, মাছের এই প্রজনন।
    মনে রাখুন: কর্ণফুলী চট্টগ্রামের প্রধান নদী, যার মোহনায় চট্টগ্রাম বন্দর।
    হালদার মাছের ডিম সংগ্রহ করে দেশের অনেক হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদন করা হয়।
  12. ৫৩. বাংলাদেশ ডাক বিভাগের স্লোগান কী?
    • ক. দ্রুততাই লক্ষ্য
    • খ. সেবাই আদর্শ
    • গ. গতিই আদর্শ
    • ঘ. সেবাই ধর্ম
    উত্তর: খ. সেবাই আদর্শ
    বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তরের স্লোগান ‘সেবাই আদর্শ’। ডাক অধিদপ্তর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীনে কাজ করে। ডাকঘরের মাধ্যমে আমরা চিঠি, মানি অর্ডার, পার্সেল ও সঞ্চয় সেবা পাই। সেবার আদর্শটিই এই স্লোগানে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশনগুলো স্লোগানের মতো শোনালেও ডাক বিভাগের স্লোগান নয়। এ ছাড়া ডাকঘরে ডাকজীবন বীমার মতো সেবাও পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    আন্তর্জাতিক ডাক ইউনিয়ন (UPU) ১৮৭৪ সালে গঠিত, সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের বার্নে।
    বিশ্ব ডাক দিবস ৯ অক্টোবর।
    ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক ডাকঘরের একটি সঞ্চয় সেবা।
  13. ৫৬. মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকের প্রেক্ষাপট কী?
    • ক. ভাষা আন্দোলন
    • খ. অসহযোগ আন্দোলন
    • গ. মুক্তিযুদ্ধ
    • ঘ. তেভাগা আন্দোলন
    উত্তর: ক. ভাষা আন্দোলন
    মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকের পটভূমি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। তিনি জেলে বসে এটি লেখেন এবং ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জেলখানায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়। ভাষা শহিদদের কবর ঘিরে নাটকের কাহিনি গড়ে উঠেছে। তাই এটি ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক বলে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধ, অসহযোগ আন্দোলন বা তেভাগা আন্দোলনের সঙ্গে এই নাটকের সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    মুনীর চৌধুরীর আরও নাটক: রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি।
    জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা উপন্যাস।
    মুনীর চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহিদ হন।

বিজ্ঞান

  1. ২৫. রক্তের তরল অংশের নাম কী?
    • ক. সিরাম
    • খ. প্লাজমা
    • গ. লোহিত কণিকা
    • ঘ. অনুচক্রিকা
    উত্তর: খ. প্লাজমা
    রক্ত দুটি প্রধান অংশে গঠিত: তরল অংশ রক্তরস বা প্লাজমা (Plasma) এবং কঠিন অংশ রক্তকণিকা। প্লাজমা হালকা হলুদ রঙের তরল, যার প্রায় ৯০-৯২ ভাগই পানি। এতে খাদ্যসার, হরমোন, লবণ ও বর্জ্যপদার্থ গোলা থাকে এবং এটি সেগুলো দেহের বিভিন্ন জায়গায় বয়ে নিয়ে যায়। লোহিত কণিকা ও অণুচক্রিকা রক্তকণিকার অংশ, তরল নয়। সিরাম আর প্লাজমা এক জিনিস নয়, প্লাজমা থেকে রক্ত জমাট বাঁধার প্রোটিন ফাইব্রিনোজেন বাদ দিলে সিরাম পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    রক্তকণিকা তিন প্রকার: লোহিত কণিকা, শ্বেত কণিকা ও অণুচক্রিকা।
    প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে।
    লোহিত কণিকা তৈরি হয় অস্থিমজ্জায়।
  2. ২৮. বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য কোন গ্যাসটি বেশি দায়ী?
    • ক. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    • খ. মিথেন
    • গ. ওজোন
    • ঘ. কার্বন মনো অক্সাইড
    উত্তর: ক. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো সূর্যের তাপকে ধরে রাখে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ায়। এদের মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) সবচেয়ে বেশি দায়ী, কারণ কয়লা, তেল ও গ্যাস পোড়ানোয়, বন কাটায় এবং কলকারখানার ধোঁয়ায় এটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বায়ুমণ্ডলে যোগ হয়। মিথেন প্রতি অণুতে বেশি তাপ আটকালেও এর পরিমাণ অনেক কম। কার্বন মনোক্সাইড সরাসরি গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে প্রধান ভূমিকা রাখে না।
    মনে রাখুন:
    গ্রিনহাউস প্রভাবের জন্য দায়ী প্রধান গ্যাসগুলো: CO₂, CH₄, N₂O, CFC।
    ধানখেত ও গবাদিপশুর পেট থেকে মিথেন নির্গত হয়।
    পৃথিবীর উষ্ণায়ন ঠেকাতে ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি হয়।

গণিত

  1. ৩০. 4 cm thick একটি floor-এর জন্যে 100sq.m cement concrete (1 : 2 : 4) এ cement-এর পরিমাণ কত হবে?
    • ক. 0.9m³
    • খ. 0.94m³
    • গ. 0.98m³
    • ঘ. 1m³
    উত্তর: ক. 0.9m³
    প্রথমে মেঝের কংক্রিটের আয়তন (wet volume) বের করি: 100 × 0.04 = 4 m³।
    কংক্রিট বানাতে মাল শুকনো অবস্থায় লাগে বেশি, তাই শুকনো আয়তন ধরা হয় প্রায় 1.5 থেকে 1.54 গুণ: 4 × 1.5 = 6 m³ (বা 4 × 1.54 = 6.16 m³)।
    অনুপাত 1 : 2 : 4 মানে ভাগের মোট যোগফল 7। সিমেন্টের ভাগ 1/7।
    সিমেন্ট = 6/7 ≈ 0.86 m³ (বা 6.16/7 = 0.88 m³)। বিকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি 0.9 m³।
    সূত্র: সিমেন্ট = (ক্ষেত্রফল × পুরুত্ব × 1.5) ÷ (অনুপাতের যোগফল)।

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন