সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২০ জুন ২০১৯। ১২৫টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. যা চিরস্থায়ী নয়—
- ক. অস্থায়ী
- খ. ক্ষণিক
- গ. ক্ষণস্থায়ী
- ঘ. নশ্বর
উত্তর: ঘ. নশ্বর
‘যা চিরস্থায়ী নয়’ বোঝাতে এক শব্দ ‘নশ্বর’। যা একদিন নষ্ট হয়ে যাবে, বিনাশশীল, তাকে নশ্বর বলে, যেমন নশ্বর দেহ। ‘অস্থায়ী’ ও ‘ক্ষণস্থায়ী’ খুব অল্প সময় টিকে থাকা বোঝায়, আর ‘ক্ষণিক’ মানে এক মুহূর্ত বা ক্ষণকালের। কিন্তু চিরকাল থাকে না, ধ্বংস হয়ে যায়, এই দার্শনিক ভাব ‘নশ্বর’ শব্দেই ধরা পড়ে।
মনে রাখুন: নশ্বর-এর বিপরীত শব্দ অবিনশ্বর বা অমর। - ৬. 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- ক. সুফিয়া কামাল
- খ. নির্মলেন্দু গুণ
- গ. শামসুর রাহমান
- ঘ. সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর: গ. শামসুর রাহমান
‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ একটি কাব্যগ্রন্থ, যার রচয়িতা কবি শামসুর রাহমান। তিনি স্বাধীনতার পরে ও আগে বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে অনেক কবিতা লিখেছেন, তাই তাঁকে অনেকে দেশের কবি বলেন। সুফিয়া কামাল, নির্মলেন্দু গুণ ও সৈয়দ শামসুল হকও কবি, কিন্তু এই বইটি তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের কাব্য: প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে, রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা, নিজ বাসভূমে, বন্দী শিবির থেকে।
তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা’। - ৭. 'পার হইয়া'- এই ক্রিয়াপদের সাধু রূপটি চলিত রূপে রূপান্তরিত করলে হবে—
- ক. পার হয়ে
- খ. পারায়ে
- গ. পেরিয়ে
- ঘ. পার হইয়ে
উত্তর: ক. পার হয়ে
সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ লম্বা হয়, চলিত ভাষায় সেটি ছোট ও সহজ হয়ে আসে। ‘হইয়া’ চলিত ভাষায় হয় ‘হয়ে’, তাই ‘পার হইয়া’ চলিত রূপে হবে পার হয়ে। ‘পেরিয়ে’ও চলিত ভাষার শব্দ, কিন্তু সেটি ‘পার হইয়া’-এর রূপান্তর নয়, একটি আলাদা ক্রিয়াপদ। ‘পারায়ে’ ও ‘পার হইয়ে’ কোনো প্রমিত রূপ নয়।
মনে রাখুন:
সাধু থেকে চলিত: করিয়া → করে, খাইয়া → খেয়ে, হইতেছে → হচ্ছে, তাহারা → তারা। - ১৫. 'জল' শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?
- ক. সলিল
- খ. উদক
- গ. জলধি
- ঘ. নীর
উত্তর: গ. জলধি
‘জল’ শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো সলিল, উদক ও নীর, তিনটিই জলের নাম। কিন্তু জলধি শব্দের অর্থ জলের আধার, অর্থাৎ সমুদ্র। ‘জল’ ধারণ করে বলে এর নাম জলধি, তাই এটি জলের নিজের সমার্থক শব্দ নয়, সমুদ্রের সমার্থক শব্দ। প্রশ্নে ‘নয়’ কোনটি জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই এই বিকল্পটিই উত্তর।
মনে রাখুন:
জলের প্রতিশব্দ: বারি, পানি, অম্বু, তোয়, নীর, সলিল।
সমুদ্রের প্রতিশব্দ: জলধি, সাগর, অর্ণব, বারিধি, পয়োধি। - ১৭. 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাট্যের মূল বিষয় কী?
- ক. ভাষা আন্দোলন
- খ. বিশ্বযুদ্ধ
- গ. মুক্তিযুদ্ধ
- ঘ. গৃহযুদ্ধ
উত্তর: গ. মুক্তিযুদ্ধ
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি কাব্যনাট্য (Verse drama)। এর বিষয় মুক্তিযুদ্ধ। নাটকে যুদ্ধের শেষ দিকের সময়, একটি গ্রামের মানুষের আশঙ্কা আর আশা এবং হানাদার বাহিনীর আতঙ্ক ফুটে উঠেছে। ভাষা আন্দোলন, বিশ্বযুদ্ধ বা গৃহযুদ্ধ এর বিষয় নয়।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হকের আরও কাব্যনাট্য: নূরলদীনের সারাজীবন, গণনায়ক, ঈর্ষা।
তাঁর উপন্যাস: খেলারাম খেলে যা, নীল দংশন। - ১৮. 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি কার রচনা?
- ক. অমিয় চক্রবর্তী
- খ. বুদ্ধদেব বসু
- গ. জীবনানন্দ দাশ
- ঘ. বিষ্ণু দে
উত্তর: গ. জীবনানন্দ দাশ
‘রূপসী বাংলা’ কবি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ। বাংলার নদী, মাঠ, পাখি ও ঋতুর অপরূপ ছবি এতে ধরা আছে, তাই তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ও বলা হয়। বইটি তাঁর মৃত্যুর পরে ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়, যদিও কবিতাগুলো তিনি লিখেছিলেন আরও আগে।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দ দাশের অন্যান্য কাব্য: ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির।
বুদ্ধদেব বসুর কাব্য ‘বন্দীর বন্দনা’, বিষ্ণু দে-র ‘উর্বশী ও আর্টেমিস’। - ১৯. পুঁথি সাহিত্যের আদি কবি কে?
- ক. আলাওল
- খ. শাহ গরীবুল্লাহ
- গ. সৈয়দ হামজা
- ঘ. শাহ মুহম্মদ সগীর
উত্তর: খ. শাহ গরীবুল্লাহ
পুঁথি সাহিত্য আরবি-ফারসি শব্দ মেশানো এক বিশেষ ভাষারীতিতে লেখা, যার সুর ছিল গ্রামের মানুষের কাছে খুব প্রিয়। এই ধারার প্রথম জনপ্রিয় কবি হিসেবে ধরা হয় শাহ গরীবুল্লাহকে। তাঁর ‘ইউসুফ-জোলেখা’ ও ‘আমীর হামজা’ এই ধারার বিখ্যাত রচনা। আলাওল আরাকান রাজসভার কবি, আর শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের আদি মুসলমান কবি। সৈয়দ হামজা পরে গরীবুল্লাহর অসমাপ্ত ‘আমীর হামজা’ সমাপ্ত করেন।
মনে রাখুন:
আলাওলের বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মাবতী’। - ২২. 'নৈসর্গিক'-এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. রাত্রিকালীন
- খ. কৃত্রিম
- গ. প্রাকৃতিক
- ঘ. দিবাকালীন
উত্তর: খ. কৃত্রিম
‘নৈসর্গিক’ শব্দের অর্থ প্রকৃতিসৃষ্ট বা প্রকৃতি সংক্রান্ত। এর বিপরীত অর্থ হলো মানুষের তৈরি বা নকল, অর্থাৎ কৃত্রিম। ‘প্রাকৃতিক’ আসলে সমার্থক শব্দ, তাই বিপরীত হতে পারে না। রাত্রিকালীন ও দিবাকালীন দুটিই সময়ের ধারণা বোঝায়, এদের সঙ্গে নৈসর্গিকের কোনো সম্পর্ক নেই। বিপরীত শব্দ বের করার সময় আগে শব্দের অর্থ ঠিক করে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো উপায়।
মনে রাখুন:
প্রাকৃতিক ↔ কৃত্রিম, স্বাভাবিক ↔ অস্বাভাবিক, আসল ↔ নকল।
নৈসর্গিক শব্দটি এসেছে ‘নিসর্গ’ অর্থাৎ প্রকৃতি থেকে। - ২৪. বাংলা সাহিত্যে 'সনেট' রচনার প্রবর্তক কে?
- ক. অতুল প্রসাদ সেন
- খ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
- গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- ঘ. রজনীকান্ত সেন
উত্তর: গ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা ভাষায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। চোদ্দো লাইনের এই কবিতার ধারাটি ইউরোপের সাহিত্য থেকে আসে। মধুসূদন এটি বাংলায় এনে নাম দেন ‘চতুর্দশপদী কবিতা’। ১৮৬৬ সালে তাঁর ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ প্রকাশিত হয়।
মনে রাখুন:
মধুসূদনের আরও কীর্তি: বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন, কাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’।
অতুলপ্রসাদ সেন ও রজনীকান্ত সেন গান রচনা করেছেন। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় নাটক ও গানে খ্যাত। - ২৯. বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাবিহীন বর্ণ কয়টি?
- ক. এগারটি
- খ. ছয়টি
- গ. দশটি
- ঘ. আটটি
উত্তর: খ. ছয়টি
বাংলা বর্ণের মাথার ওপর যে রেখা থাকে, তাকে মাত্রা বলে। কিছু বর্ণের মাত্রা থাকে না। ব্যঞ্জনবর্ণ হিসেবে যাদের মাত্রা নেই তারা হলো ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ ও ঁ, মোট ছয়টি। আবার স্বরবর্ণের মধ্যে অ, ঋ, এ ও ঐ-সহ কয়েকটির মাত্রা নেই। মোট মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি, এবং এদের মধ্যে ছয়টি ব্যঞ্জন ধরা হয়।
মনে রাখুন:
অর্ধমাত্রার বর্ণ আছে ৮টি, যেমন: খ, গ, থ, ধ, প, ষ, শ ও ণ।
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। - ৩৩. 'অর্ধচন্দ্র'-এর অর্থ—
- ক. অমাবস্যা
- খ. কান্তে
- গ. গলাধাক্কা
- ঘ. দ্বিতীয়
উত্তর: গ. গলাধাক্কা
‘অর্ধচন্দ্র’ একটি বাগধারা। অর্ধেক চাঁদের আকৃতির মতো করে গলায় হাত দিয়ে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়াকে এই নামে ডাকা হয়, তাই এর অর্থ গলাধাক্কা। শব্দ হিসেবে ‘অর্ধচন্দ্র’ বলতে অর্ধেক চাঁদও বোঝায়, তবে বাগধারা হিসেবে এর মানে অপমান করে তাড়িয়ে দেওয়া। বাগধারা শব্দের আভিধানিক অর্থ থেকে আলাদা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাই এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
অমাবস্যার চাঁদ: দুর্লভ বস্তু বা দুর্লভ মানুষ।
চাঁদের হাট: সুখের সংসার বা আনন্দের মেলা। - ৩৫. ‘আমি ভগবান-বুকে এঁকে দিই পদচিহ্ন’ – চরণটি কোন কবির রচনা?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- গ. কাজী নজরুল ইসলাম
- ঘ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর: গ. কাজী নজরুল ইসলাম
‘আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান-বুকে এঁকে দিই পদচিহ্ন’ লাইনটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতার অংশ। কবিতাটি ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থে আছে। এতে তিনি নিজেকে ভৃগু মুনির সঙ্গে তুলনা করেছেন, যিনি বিষ্ণুর বুকে পদচিহ্ন এঁকে দিয়েছিলেন। ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ১৯২২ সালে প্রথমে ‘বিজলী’ পত্রিকায় ছাপা হয়।
মনে রাখুন:
নজরুলের কাব্য: অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, ভাঙার গান, সর্বহারা, সাম্যবাদী।
তাঁর পত্রিকা: ধূমকেতু, লাঙল, নবযুগ। - ৩৬. 'পথ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. স্বরণী
- খ. সরণি
- গ. সমরনি
- ঘ. স্বরনি
উত্তর: খ. সরণি
‘পথ’ শব্দের একটি সমার্থক শব্দ সরণি, যার অর্থ রাস্তা বা পথ। ‘স্বরণী’, ‘সমরনি’ ও ‘স্বরনি’ শুদ্ধ শব্দ নয়, এগুলো বানান ভুল। সংস্কৃত ‘সৃ’ ধাতু থেকে সরণি শব্দ এসেছে, যার অর্থ চলা, তাই চলার পথকে সরণি বলা হয়। আজকাল শহরের প্রশস্ত সড়কের নামেও সরণি শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
পথের প্রতিশব্দ: রাস্তা, সড়ক, মার্গ, বর্ত্ম, সরণি।
শব্দ চেনার সময় বানান আগে দেখে নেওয়া ভালো। - ৩৭. বাংলা ভাষার মূল উৎস কোনটি?
- ক. কানাড়ি ভাষা
- খ. বৈদিক ভাষা
- গ. হিন্দি ভাষা
- ঘ. প্রাকৃত ভাষা
উত্তর: ঘ. প্রাকৃত ভাষা
বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশের ইন্দো-আর্য শাখা থেকে এসেছে। প্রাচীন আর্যভাষা থেকে ক্রমে প্রাকৃত ভাষার সৃষ্টি হয়, আর প্রাকৃতের পরিবর্তিত রূপ অপভ্রংশ থেকে বাংলার জন্ম। পরীক্ষার ধারাবাহিক উত্তরে তাই বাংলার প্রত্যক্ষ উৎস হিসেবে প্রাকৃত ভাষাকে ধরা হয়। কানাড়ি দ্রাবিড় ভাষা, আর হিন্দি বাংলার মতো প্রাকৃতের আরেক সন্তান, বাংলার উৎস নয়।
মনে রাখুন:
ধারা: ইন্দো-ইউরোপীয় → ইন্দো-ইরানীয় → ইন্দো-আর্য → বৈদিক → প্রাকৃত → অপভ্রংশ → বাংলা।
বাংলার সরাসরি জনক হলো মাগধী অপভ্রংশ। - ৩৮. ভাষার মূল উপাদান কী?
- ক. বর্ণ
- খ. শব্দ
- গ. ধ্বনি
- ঘ. বাক্য
উত্তর: গ. ধ্বনি
ভাষা তৈরি হয় ধ্বনি দিয়ে। আমরা কণ্ঠনালি, জিহ্বা, ঠোঁট, দাঁত ও তালুর সাহায্যে যে আওয়াজ করি, তাকে ধ্বনি (Sound) বলে। ধ্বনি মিলে শব্দ, শব্দ মিলে বাক্য হয়। বর্ণ হলো সেই ধ্বনির লিখিত চিহ্ন, তাই ভাষার সবচেয়ে মৌলিক উপাদান ধ্বনি।
মনে রাখুন:
ধ্বনির লিখিত রূপ বর্ণ, কয়েকটি বর্ণ মিলে শব্দ।
ধ্বনি দুই রকম: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি। - ৪১. বাক্যে হৃদয়াবেগ প্রকাশে কোন চিহ্নটি বসে?
- ক. হাইফেন
- খ. কমা
- গ. প্রশ্নচিহ্ন
- ঘ. বিস্ময়বোধক চিহ্ন
উত্তর: ঘ. বিস্ময়বোধক চিহ্ন
হৃদয়ের আবেগ, যেমন আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময়, ঘৃণা বা ভয় প্রকাশ করতে বাক্যে বিস্ময়বোধক চিহ্ন (!) বসে। যেমন: আহা! কী সুন্দর দৃশ্য! হাইফেন (-) শব্দ জোড়া লাগায়, কমা (,) সামান্য বিরতি দেয়, আর প্রশ্নচিহ্ন (?) প্রশ্ন বোঝায়। এগুলোর কোনোটিই আবেগ প্রকাশ করে না।
উদাহরণ: ছিঃ! কী লজ্জার কথা।
মনে রাখুন:
বিস্ময়, আবেগ, সম্বোধন ও ঘৃণার পরে ‘!’ বসে। - ৫০. 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি কোন যুগে রচিত?
- ক. প্রাচীন যুগ
- খ. মধ্য যুগ
- গ. অন্ধকার যুগ
- ঘ. আধুনিক যুগ
উত্তর: খ. মধ্য যুগ
‘অন্নদামঙ্গল’ ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের লেখা মঙ্গলকাব্য। এটি ১৭৫২ সালের কাছাকাছি সময়ে রচিত। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত সময়কে মধ্যযুগ বলা হয়, তাই এটি মধ্যযুগের রচনা। ভারতচন্দ্রকে মধ্যযুগের শেষ বড় কবি ধরা হয়। প্রাচীন যুগের রচনা হলো চর্যাপদ, আর আধুনিক যুগের শুরু ১৮০১ সালের পরে।
মনে রাখুন:
অন্নদামঙ্গলের তিনটি খণ্ড: অন্নদামঙ্গল, বিদ্যাসুন্দর ও মানসিংহ।
তিনি কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। - ৫২. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. সমিচিন
- খ. সমীচীন
- গ. সমিচীন
- ঘ. সমীচিন
উত্তর: ক. সমিচিন
শুদ্ধ বানান ‘সমীচীন’। এতে ‘মী’ ও ‘চী’ দুটিতেই দীর্ঘ ঈ-কার আছে, আর শেষে বসে দন্ত্য ‘ন’। শব্দটির অর্থ উচিত, যথাযথ বা যুক্তিসংগত। শেষের ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয় না, কারণ ণত্ব বিধান অনুযায়ী ঋ, র বা ষ-এর প্রভাব থাকলে তবেই ন বদলে ণ হয়। ‘সমীচীন’-এ এমন কিছু নেই, তাই ‘সমীচীণ’ ভুল।
উদাহরণ: এ সময়ে চুপ থাকাই সমীচীন।
মনে রাখুন: ‘-চীন’ অংশে দীর্ঘ ঈ-কার ও দন্ত্য ‘ন’ বসে এমন শব্দ একসঙ্গে মনে রাখা ভালো: সমীচীন, প্রাচীন, অর্বাচীন। - ৫৩. 'রিকশা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- ক. জাপানি
- খ. ইংরেজি
- গ. চীনা
- ঘ. হিন্দি
উত্তর: ক. জাপানি
‘রিকশা’ শব্দটি এসেছে জাপানি ভাষা থেকে। জাপানি ‘জিনরিকিশা’ শব্দের অর্থ মানুষে টানা গাড়ি, আর সেখান থেকে আমাদের এই ‘রিকশা’ শব্দ এসেছে। বাংলা ভাষায় জাপানি ভাষা থেকে আসা শব্দের সংখ্যা খুব কম, তাই এই শব্দটি আলাদা করে চেনা দরকার। অন্য বিদেশি ভাষার শব্দের সঙ্গে গুলিয়ে ফেললে উত্তর ভুল হতে পারে।
মনে রাখুন:
জাপানি শব্দ: রিকশা, ক্যারাটে, জুডো, হারিকিরি।
চীনা শব্দ: চা, চিনি, লিচু, সাম্পান।
হিন্দি শব্দ: কাহিনি, চাচা, চাটনি, জিলাপি। - ৫৪. 'বক্তব্য'-এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
- ক. √বক্ + তব্য
- খ. √বক + অব্য
- গ. √বক্ত + তব্য
- ঘ. √বচ্ + তব্য
উত্তর: ঘ. √বচ্ + তব্য
‘বক্তব্য’ শব্দটি এসেছে √বচ্ ধাতু এবং ‘তব্য’ প্রত্যয় থেকে। ‘তব্য’ প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুর শেষ ধ্বনি বদলে যায়, তাই বচ্ থেকে বক্ হয়ে দাঁড়ায় বক্তব্য। অর্থাৎ √বচ্ + তব্য = বক্তব্য।
মনে রাখুন:
√মন্ + তব্য = মন্তব্য।
√গম্ + তব্য = গন্তব্য।
√দৃশ্ + তব্য = দ্রষ্টব্য।
‘তব্য’ কৃৎ প্রত্যয়, এটি ক্রিয়ার ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ তৈরি করে। - ৫৫. 'ভানুসিংহ' কার ছদ্মনাম?
- ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অল্প বয়সে ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে বৈষ্ণব পদাবলির ধাঁচে কিছু কবিতা লেখেন, যেগুলো ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ নামে ছাপা হয়। তখন তিনি নিজের আসল পরিচয় গোপন রেখেছিলেন। পরে জানা যায় যে ভানুসিংহ আর রবীন্দ্রনাথ একই মানুষ। তাই ‘ভানুসিংহ’ তাঁরই ছদ্মনাম।
মনে রাখুন:
প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।
বঙ্কিমচন্দ্রের ছদ্মনাম কমলাকান্ত।
শরৎচন্দ্রের ছদ্মনাম অনিলা দেবী। - ৫৬. 'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' বাগধারাটির অর্থ—
- ক. তীরে নৌকার ঝকি
- খ. সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
- গ. মুমূর্ষু অবস্থা
- ঘ. আসন্ন বিপদ
উত্তর: খ. সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগধারাটির অর্থ সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি। একটি প্রচলিত গল্প অনুযায়ী, গরিব সুখী মানুষকে ৯৯টি টাকা দিয়ে ১০০ পূর্ণ করার লোভ দেখানো হলে সে সুখ ভুলে সঞ্চয়ের নেশায় মেতে ওঠে। তাই এখানে বোঝায় আরও জমানোর লোভ। ‘শিরে সংক্রান্তি’ মানে আসন্ন বিপদ, আর ‘তীরে নৌকার ঝকি’ নামে আলাদা কোনো সুপরিচিত বাগধারা নেই।
মনে রাখুন:
শিরে সংক্রান্তি: আসন্ন বিপদ।
শিয়রে শমন: মৃত্যু আসন্ন। - ৬০. কোনটি বাগধারা বোঝায়?
- ক. চৈত্র সংক্রান্তি
- খ. শিরে সংক্রান্তি
- গ. পৌষ সংক্রান্তি
- ঘ. শিব সংক্রান্তি
উত্তর: খ. শিরে সংক্রান্তি
‘শিরে সংক্রান্তি’ একটি বাগধারা, যার অর্থ আসন্ন বা সামনের বিপদ। চৈত্র সংক্রান্তি ও পৌষ সংক্রান্তি হলো সাধারণ শব্দবন্ধ, যেগুলো সংশ্লিষ্ট মাসের শেষ দিনকে বোঝায়। ‘শিব সংক্রান্তি’ নামে কোনো বাগধারা প্রচলিত নেই। সংক্রান্তি মানে সূর্যের এক রাশি ছেড়ে আরেক রাশিতে যাওয়ার দিন।
মনে রাখুন:
শিয়রে শমন: মৃত্যু আসন্ন।
বাগধারার বিশেষ অর্থ শব্দের সাধারণ অর্থ থেকে আলাদা হয়। - ৬৪. 'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. জসীমউদ্দীন
- গ. মো: নাসির উদ্দীন
- ঘ. কাজী আব্দুল ওদুদ
উত্তর: গ. মো: নাসির উদ্দীন
‘সওগাত’ বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা, যা ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। এই পত্রিকা বাঙালি মুসলমান লেখকদের লেখা প্রকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখে। পরে এটি ঢাকা থেকেও প্রকাশিত হতে থাকে। নজরুল, জসীমউদ্দীন বা কাজী আব্দুল ওদুদ এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
মনে রাখুন:
নজরুলের সম্পাদিত পত্রিকা: ধূমকেতু, নবযুগ, লাঙল।
প্রমথ চৌধুরী সম্পাদনা করেন ‘সবুজপত্র’। - ৭০. 'পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল'—পঙক্তিটির রচয়িতা—
- ক. রাম নারায়ণ তর্করত্ন
- খ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- গ. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
- ঘ. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
উত্তর: ঘ. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
‘পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল’ কবিতাটির কবি মদনমোহন তর্কালঙ্কার। কবিতাটির নাম ‘প্রভাত’। এটি তাঁর লেখা শিশুপাঠ্য বই ‘শিশুশিক্ষা’র প্রথম ভাগে ছাপা হয়। এই বইটি ছোটদের জন্য লেখা প্রথম দিকের বাংলা বইগুলোর একটি। কবিতাটিতে ভোরবেলার পাখির ডাক আর দিন শুরুর আনন্দ ছোটদের উপযোগী সহজ ভাষায় ফুটে উঠেছে।
মনে রাখুন:
মদনমোহন তর্কালঙ্কার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বন্ধু ছিলেন।
‘শিশুশিক্ষা’র আরেকটি বিখ্যাত কবিতা ‘লেখাপড়া করে যেই’। - ৭৫. 'গুবাক' শব্দের অর্থ—আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. নারিকেল
- খ. বেল
- গ. তাল
- ঘ. সুপারি
উত্তর: ঘ. সুপারি
‘গুবাক’ একটি সংস্কৃত শব্দ, যার অর্থ সুপারি। গুবাক শব্দ থেকেই বাংলা ‘গুয়া’ শব্দ এসেছে, যার অর্থও সুপারি। নারিকেল, বেল আর তাল তিনটি আলাদা ফল, তাই গুবাকের অর্থ হিসেবে এগুলো ঠিক নয়। এ ধরনের শব্দের অর্থ প্রশ্নে প্রায়ই আসে, তাই সংস্কৃত শব্দের বাংলা রূপগুলো পাশাপাশি মনে রাখা ভালো।
মনে রাখুন:
পান-সুপারি আমাদের সংস্কৃতিতে অতিথি আপ্যায়নের একটি অংশ।
সুপারির অন্য নাম পূগ। - ৭৬. 'কর্মভোগ এড়ানো যায় না'— এখানে 'কর্ম' কোন অর্থ প্রকাশ করছে?
- ক. পেশা
- খ. অনুষ্ঠান
- গ. কর্তব্য
- ঘ. কৃতকর্ম
উত্তর: ঘ. কৃতকর্ম
‘কর্মভোগ এড়ানো যায় না’ বাক্যে ‘কর্ম’ বলতে মানুষের নিজের করা কাজ বা কৃতকর্ম বোঝানো হয়েছে। যে কাজ আমরা করি, তার ফল আমাদের ভোগ করতেই হয়, এই ভাব থেকে কথাটি এসেছে। পেশা, অনুষ্ঠান বা কর্তব্য অর্থ এখানে খাটে না, কারণ এই অর্থগুলো ধরলে বাক্যটির ফলভোগের ভাব নষ্ট হয়ে যায়।
মনে রাখুন: একই শব্দ বাক্য অনুযায়ী ভিন্ন অর্থ দেয়।
উদাহরণ:
‘কর্ম-কাজ’ অর্থে পেশা।
‘শ্রাদ্ধকর্ম’ অর্থে অনুষ্ঠান। - ৭৭. তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি- এটি কোন ধরনের বাক্য?
- ক. সরল বাক্য
- খ. মিশ্রবাক্য
- গ. যৌগিক বাক্য
- ঘ. সাধারণ বাক্য
উত্তর: গ. যৌগিক বাক্য
যে বাক্যে দুই বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য সংযোজক অব্যয় দিয়ে জোড়া লাগে এবং কোনোটি অন্যটির ওপর নির্ভর করে না, সেটি যৌগিক বাক্য (Compound Sentence)। এখানে ‘বয়স বেড়েছে’ ও ‘বুদ্ধি বাড়েনি’ দুটি আলাদা স্বাধীন বাক্য, যা ‘কিন্তু’ দিয়ে যুক্ত। দুটি বাক্য একা পড়লেও অর্থ সম্পূর্ণ হয়।
মনে রাখুন:
কিন্তু, ও, এবং, অথবা এ জাতীয় অব্যয় যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায়।
একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে বাক্যটি সরল, আর আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকলে জটিল বা মিশ্র। - ৭৮. 'অহরহ' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
- ক. অহ + রহ
- খ. অহঃ + রহ
- গ. অহ + অহ
- ঘ. অহঃ + অহ
উত্তর: ঘ. অহঃ + অহ
‘অহরহ’ শব্দটি ভাঙলে হয় অহঃ + অহ। এখানে বিসর্গ সন্ধির একটি নিয়ম কাজ করেছে: অহঃ-এর বিসর্গ বদলে ‘র’ হয়ে গেছে। তাই অহঃ + অহ = অহরহ। শব্দটির অর্থ প্রতিদিন বা সব সময়। ‘অহ’ বা ‘অহঃ + রহ’ ধরলে মূল শব্দের সঙ্গে অর্থ মেলে না।
মনে রাখুন:
অহঃ + নিশি = অহর্নিশি।
বাচঃ + পতি = বাচস্পতি।
ভাঃ + কর = ভাস্কর। - ৮০. বাংলা গদ্যের জনক—
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর: ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতিচিহ্ন (কমা, দাঁড়ি) যথাযথভাবে ব্যবহার করে এর ছন্দ ও শৃঙ্খলা আনেন। তাঁর আগে বাংলা গদ্য ছিল এলোমেলো। তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পীও বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্র ও বিহারীলাল চক্রবর্তী পরবর্তী যুগের সাহিত্যিক, যাঁদের হাতে বাংলা সাহিত্য আরও সমৃদ্ধ হয়।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরের বই: বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস, বর্ণপরিচয়।
বঙ্কিমচন্দ্র বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। - ৮৫. চলিত ভাষা রীতির প্রথম মুখপত্র কোনটি?
- ক. সাধনা
- খ. শিখা
- গ. শনিবারের চিঠি
- ঘ. সবুজপত্র
উত্তর: ঘ. সবুজপত্র
বাংলা সাহিত্যে সাধু ভাষার বদলে চলিত ভাষা চালু করার আন্দোলনের মুখপত্র ছিল ‘সবুজপত্র’। প্রমথ চৌধুরী (ছদ্মনাম বীরবল) ১৯১৪ সালে এই মাসিক পত্রিকা সম্পাদনা শুরু করেন। রবীন্দ্রনাথও এতে লিখেছেন। এই পত্রিকাকে ঘিরে চলিত ভাষার লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। ‘সাধনা’ রবীন্দ্রনাথ-সম্পর্কিত আরেকটি পত্রিকা, তবে সেটি চলিত রীতির মুখপত্র নয়।
মনে রাখুন:
‘শনিবারের চিঠি’ ছিল ব্যঙ্গ ও সমালোচনার পত্রিকা।
‘শিখা’ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র। - ৮৭. ক্রিয়ার মূলকে বলা হয়—
- ক. ধাতু
- খ. প্রত্যয়
- গ. বিভক্তি
- ঘ. কারক
উত্তর: ক. ধাতু
ক্রিয়াপদের যে অংশটি আর ভাঙা যায় না এবং যার সঙ্গে নানা বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার রূপ তৈরি হয়, তাকে ধাতু (Root of a verb) বলে। যেমন ‘করছি’, ‘করব’, ‘করলাম’ শব্দগুলোর মূল অংশ ‘কর্’। এটিই ধাতু। বাকি তিনটি অপশনের কাজ আলাদা। প্রত্যয় ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গড়ে, বিভক্তি শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাক্যে তার সম্পর্ক বোঝায়, আর কারক বোঝায় ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক।
মনে রাখুন:
ধাতু দুই প্রকার: মৌলিক ধাতু (যা ভাঙা যায় না, যেমন কর্, পড়্) ও সাধিত ধাতু (যা অন্য শব্দ বা ধাতু থেকে তৈরি, যেমন করা-নো থেকে করা)। - ৮৮. বাংলা ছন্দ কয়টি?
- ক. ৩টি
- খ. ৪টি
- গ. ৫টি
- ঘ. ৬টি
উত্তর: ক. ৩টি
বাংলা কবিতার ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার: অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত। এই তিনটির মধ্যে পার্থক্য হয় শব্দের অক্ষর বা দল কীভাবে গোনা হয় তার ওপর। অক্ষরবৃত্তকে তানপ্রধান বা মিশ্রবৃত্ত ছন্দও বলা হয়।
মনে রাখুন:
স্বরবৃত্ত ছন্দের অন্য নাম দলবৃত্ত, শ্বাসাঘাতপ্রধান বা ছড়ার ছন্দ।
মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অন্য নাম ধ্বনিপ্রধান বা কলাবৃত্ত ছন্দ।
অক্ষরবৃত্তে সাধারণত পর্বের মাপ ৮+৬ বা ৮+১০ হয়। - ৮৯. 'চন্দ্র' কোন শব্দের উদাহরণ?
- ক. তদ্ভব
- খ. তৎসম
- গ. দেশি
- ঘ. বিদেশি
উত্তর: খ. তৎসম
যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাদের তৎসম শব্দ বলে। ‘চন্দ্র’ এমনই একটি শব্দ, সংস্কৃতে এর রূপ ও বানান একই। অন্যদিকে সংস্কৃত শব্দ ভেঙে বা বদলে যে শব্দ তৈরি হয়েছে তাকে তদ্ভব বলে। ‘চন্দ্র’ থেকে তদ্ভব রূপ হয়েছে ‘চাঁদ’।
মনে রাখুন:
তৎসম শব্দ: সূর্য, নক্ষত্র, ধর্ম, পাত্র, ভবন।
তদ্ভব শব্দ: হাত (হস্ত), চামার (চর্মকার), মাছ (মৎস্য)। - ৯৪. ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ কী ধরনের রচনা?
- ক. গল্প
- খ. প্রবন্ধ
- গ. নাটক
- ঘ. কবিতা
উত্তর: খ. প্রবন্ধ
‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ কাজী নজরুল ইসলামের একটি প্রবন্ধ। ‘ধূমকেতু’ পত্রিকায় রাজদ্রোহমূলক লেখা ছাপার অভিযোগে তাঁর বিচার হয়েছিল। সেই বিচারের সময় আদালতে তিনি যে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন, সেটিই এই রচনা। এতে তাঁর নির্ভীক মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। এটি গল্প, নাটক বা কবিতা নয়, কারণ এতে চিন্তা ও যুক্তি সাজিয়ে একটি বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।
মনে রাখুন:
নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ: যুগ-বাণী, দুর্দিনের যাত্রী, রুদ্র-মঙ্গল।
গল্পগ্রন্থ: ব্যথার দান, শিউলিমালা।
নাটক: ঝিলিমিলি, আলেয়া। - ৯৬. কোনটি দেশি শব্দ?
- ক. শরম
- খ. চাবি
- গ. খড়
- ঘ. কুটুম্ব
উত্তর: গ. খড়
‘খড়’ শব্দটি দেশি শব্দ। যেসব শব্দ আদি অস্ট্রিক, দ্রাবিড় বা অন্য স্থানীয় ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং যাদের উৎস সংস্কৃত বা বিদেশি ভাষা নয়, তাদের দেশি শব্দ বলে। বাকি তিনটি অপশন অন্য উৎসের। কুটুম্ব সংস্কৃত শব্দ, চাবি পর্তুগিজ শব্দ এবং শরম ফারসি শব্দ।
মনে রাখুন:
দেশি শব্দ: কুলা, ঢেঁকি, ডাব, টোপর, গঞ্জ।
পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, বালতি, পেয়ারা, আলমারি। - ৯৭. 'যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না'—একবাক্যে প্রকাশ করতে হবে।
- ক. পতিত
- খ. বন্ধ্যা
- গ. অনুর্বর
- ঘ. উষর
উত্তর: ঘ. উষর
যে জমিতে ফসল জন্মায় না তাকে এক কথায় ‘উষর’ বলে। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা। পতিত বলতে বোঝায় যে জমি চাষ না করে ফেলে রাখা হয়েছে, অনুর্বর হলো যে জমির উৎপাদন ক্ষমতা কম, আর বন্ধ্যা শব্দটি সাধারণত সন্তান ধারণে অক্ষম নারীর জন্য ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
যে জমিতে প্রচুর ফসল ফলে: উর্বর বা সুজলা সুফলা।
যে জমিতে একবার ফসল হয়: একফসলি। - ১২২. 'সুনামি' শব্দটি কোন ভাষার শব্দ?
- ক. বাংলা
- খ. সংস্কৃত
- গ. জাপানি
- ঘ. ইংরেজি
উত্তর: গ. জাপানি
‘সুনামি’ (Tsunami) শব্দটি জাপানি ভাষা থেকে এসেছে। জাপানি ‘সু’ (Tsu) মানে বন্দর এবং ‘নামি’ (Nami) মানে ঢেউ, অর্থাৎ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ বন্দরের ঢেউ। সমুদ্রের তলদেশে বড় ভূমিকম্প, ভূমিধস বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত হলে পানির বিশাল অংশ হঠাৎ নড়ে ওঠে। তখন সমুদ্রে অতি দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ঢেউ তৈরি হয় এবং তা উপকূলে আছড়ে পড়ে, একেই সুনামি বলে। মজার ব্যাপার হলো, গভীর সমুদ্রে এই ঢেউ খুব উঁচু দেখায় না, উপকূলের কাছে এসে অগভীর পানিতে পৌঁছালে এর উচ্চতা বেড়ে যায়।
মনে রাখুন:
২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে ভয়াবহ সুনামি হয়েছিল।
২০১১ সালে জাপানে ভূমিকম্পের পর সুনামি হয়েছিল।
সুনামি শব্দটি আজ ইংরেজিসহ অনেক ভাষায় এভাবেই ব্যবহার হয়।
ইংরেজি
- ২. 'Capital punishment' means—
- ক. imprisonment
- খ. freedom
- গ. death penalty
- ঘ. misery
উত্তর: গ. death penalty
Capital punishment মানে প্রাণদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড, অর্থাৎ অপরাধের শাস্তি হিসেবে আইনের মাধ্যমে কারও জীবন নেওয়া। এখানে ‘capital’ শব্দটি ল্যাটিন caput (মাথা) থেকে এসেছে, আর পুরোনো দিনে এই শাস্তিতে মাথা কাটা হতো। তাই এর সঠিক অর্থ death penalty। বাকি বিকল্পের অর্থ আলাদা: Imprisonment মানে কারাদণ্ড, freedom মানে স্বাধীনতা আর misery মানে দুর্দশা।
মনে রাখুন:
Capital শব্দের অন্য অর্থ রাজধানী বা মূলধন।
Capital offence = যে অপরাধে প্রাণদণ্ড হতে পারে। - ৩. Suhina showed — her photographs.
- ক. my
- খ. they
- গ. me
- ঘ. hers
উত্তর: গ. me
Show শব্দটির পরে যাকে কিছু দেখানো হচ্ছে, তার একটি কর্ম (Object) বসে। বাক্যে Suhina নিজের ছবি আমাদের কাউকে দেখিয়েছে, তাই এখানে কর্মরূপ (Objective form) me বসে: Suhina showed me her photographs। my হলো অধিকারবাচক রূপ, they কর্তাকারক আর hers একা বসে, তাই এই তিনটি এখানে খাটে না।
মনে রাখুন:
Show, give, tell, send, offer, lend ধরনের ক্রিয়ার পরে প্রথমে ব্যক্তি, তারপর বস্তু আসে।
উদাহরণ: He gave me a book. She told us a story. - ৫. The antonym of the word 'domestic' is —
- ক. foreign
- খ. home
- গ. national
- ঘ. none
উত্তর: ক. foreign
Domestic শব্দের অর্থ দেশীয় বা অভ্যন্তরীণ, অর্থাৎ নিজের দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর বিপরীত অর্থ বোঝায় foreign, যার মানে বিদেশি। বাকি শব্দগুলোর মধ্যে home ও national প্রায় একই অর্থের কাছাকাছি, তাই সেগুলো বিপরীত নয়।
মনে রাখুন:
Domestic market মানে দেশীয় বাজার আর foreign market মানে বিদেশি বাজার।
Domestic flight অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট, আর international flight আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। - ৯. The roads of Dhaka are wider than — Rajbari.
- ক. that of
- খ. those of
- গ. this of
- ঘ. are
উত্তর: খ. those of
দুই জায়গার রাস্তার তুলনা করা হচ্ছে। তুলনায় একই শ্রেণির জিনিসের সঙ্গে তুলনা করতে হয়, তাই ‘Dhaka-র রাস্তা’ আর ‘Rajbari-র রাস্তা’ মেলাতে হবে। আগের noun roads বহুবচন, আর একই শব্দ আবার না লিখে তার বদলে pronoun বসাতে হয়। বহুবচন noun-এর পুনরাবৃত্তি এড়াতে বসে those of। একবচন noun হলে বসত that of।
উদাহরণ:
The climate of Dhaka is hotter than that of Sylhet।
The roads of Dhaka are wider than those of Rajbari।
মনে রাখুন: তুলনা করার সময় একই ধরনের জিনিসের সঙ্গে তুলনা করতে হয়। - ১২. The singular form of 'phenomena' is —
- ক. phenom
- খ. phenomenon
- গ. phenomeno
- ঘ. phenomenoo
উত্তর: খ. phenomenon
গ্রিক বা ল্যাটিন থেকে আসা কিছু ইংরেজি শব্দের বহুবচন সাধারণ নিয়মে (শেষে s বা es) হয় না। Phenomenon শব্দের বহুবচন phenomena, অর্থাৎ শেষে -on বদলে -a হয়। তাই phenomena-র একবচন phenomenon। শব্দটির অর্থ ঘটনা বা প্রাকৃতিক ব্যাপার। Phenom, phenomeno বা phenomenoo নামে কোনো একবচন রূপ ইংরেজিতে নেই।
মনে রাখুন:
Criterion → criteria, Datum → data, Bacterium → bacteria, Medium → media, Crisis → crises। - ১৩. Let us have some tea,—?
- ক. will you
- খ. do we
- গ. shan't we
- ঘ. shall we
উত্তর: ঘ. shall we
Let us বা Let’s দিয়ে বাক্য শুরু হলে সাধারণত প্রস্তাব বোঝায়। এমন প্রস্তাবের Question tag হয় shall we?। তাই বাক্যটি দাঁড়ায়: Let us have some tea, shall we? ‘Shan’t we’ এখানে ব্যবহার হয় না।
মনে রাখুন:
Imperative বাক্যে সাধারণত will you? বসে, যেমন: Open the door, will you?
Let me, let him ধরনের বাক্যে অবশ্য ভিন্ন নিয়ম আছে, তাই শুধু Let us বা Let’s-এর জন্য shall we? - ১৪. The prices of rice — rising.
- ক. is
- খ. was
- গ. have
- ঘ. are
উত্তর: ঘ. are
বাক্যের কর্তা (Subject) prices, যা বহুবচন। আবার rising শব্দটি দেখাচ্ছে বাক্যটি Present Continuous Tense-এ আছে, যেখানে be-verb লাগে। বহুবচন কর্তার সঙ্গে present tense-এ be-verb হলো are। তাই The prices of rice are rising। Is একবচনের জন্য এবং have এখানে খাপ খায় না।
মনে রাখুন:
of-এর আগের মূল noun দেখে verb ঠিক করতে হয়। যেমন: The price of rice is rising। এখানে price একবচন। - ২৫. While cooking, she got her hand —.
- ক. burnt
- খ. burn
- গ. burning
- ঘ. having burning
উত্তর: ক. burnt
While cooking, she got her hand — বাক্যে ‘get + কর্ম + Past Participle’ কাঠামোটি ব্যবহার হয়েছে। এর অর্থ হলো কিছু ঘটে যাওয়া, সাধারণত নিজের অনিচ্ছায়। Burn ক্রিয়ার Past Participle হলো burnt (বা burned), তাই বাক্যটি হবে: While cooking, she got her hand burnt, অর্থাৎ রান্না করতে গিয়ে তার হাত পুড়ে গেল।
মনে রাখুন:
Get + কর্ম + V3: He got his car repaired. (সে গাড়ি মেরামত করিয়ে নিল।)
Burn-এর রূপ: burn – burnt/burned – burnt/burned। - ২৭. Choose the word correctly spelt :
- ক. soverignty
- খ. enemical
- গ. enthusiastic
- ঘ. cylindar
উত্তর: গ. enthusiastic
ইংরেজিতে বানান ঠিক রাখা একটু কঠিন, তাই এই ধরনের প্রশ্ন বারবার আসে। এখানে সঠিক বানান enthusiastic, যার অর্থ উৎসাহী। বাকি তিনটি বানান ভুল। তাদের শুদ্ধ রূপ হলো sovereignty (সার্বভৌমত্ব), chemical (রাসায়নিক) ও cylinder (চোঙ বা সিলিন্ডার)। Enthusiastic শব্দের মূল enthusiasm, যার অর্থ উৎসাহ বা উদ্দীপনা।
মনে রাখুন:
Vacuum, necessary, separate, embarrass, accommodation, occurrence, government, environment: এগুলোর বানান প্রায়ই ভুল হয়। - ২৮. The synonym of the word 'mix' is —
- ক. blend
- খ. mess
- গ. solve
- ঘ. change
উত্তর: ক. blend
Mix শব্দের অর্থ মেশানো। এর সমার্থক শব্দ blend, যার অর্থও মিশিয়ে একসঙ্গে করা। এ ছাড়া blend শব্দটি বিভিন্ন জিনিস মিশিয়ে নতুন একটি মিশ্রণ বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়, যেমন চা বা কফির blend। বাকি শব্দগুলো mix-এর সমার্থক নয়: Mess মানে বিশৃঙ্খলা, solve মানে সমাধান করা আর change মানে পরিবর্তন করা।
মনে রাখুন:
Mix-এর অন্য সমার্থক শব্দ: combine, mingle, merge।
Mix-এর বিপরীত শব্দ: separate। - ৩১. — eggs were served to the players.
- ক. Boil
- খ. Boiled
- গ. To boil
- ঘ. Boiling
উত্তর: খ. Boiled
‘Eggs’ বিশেষ্যের আগে বসে তার বর্ণনা দিতে একটি Adjective লাগে। এখানে ‘boil’ ক্রিয়ার Past Participle boiled Adjective-এর কাজ করেছে, অর্থ সেদ্ধ। তাই বাক্যটি: Boiled eggs were served to the players, অর্থাৎ খেলোয়াড়দের সেদ্ধ ডিম পরিবেশন করা হয়েছিল। Boil বা boiling বসালে অর্থ ঠিক থাকে না।
মনে রাখুন:
অন্যান্য উদাহরণ: fried rice (ভাজা ভাত), broken glass (ভাঙা গ্লাস), written letter (লিখিত চিঠি)। - ৩২. Iron is — useful metal.
- ক. an
- খ. the
- গ. a
- ঘ. none
উত্তর: গ. a
A বা an কোনটি বসবে, তা নির্ভর করে পরের শব্দের উচ্চারণের ওপর, বানানের ওপর নয়। ‘Useful’ শব্দের শুরুতে u থাকলেও উচ্চারণ হয় ‘ইউ’ (yu), যা ব্যঞ্জনধ্বনির মতো। তাই এর আগে an নয়, a বসে: Iron is a useful metal।
মনে রাখুন:
A university, a European, a one-eyed man: এগুলোতে a বসে।
An hour, an honest man, an heir: এগুলোর শুরুতে h নীরব, তাই an বসে। - ৩৪. No man can — alone.
- ক. lived
- খ. live
- গ. living
- ঘ. lives
উত্তর: খ. live
Can একটি Modal auxiliary verb (সহায়ক ক্রিয়া), আর Modal-এর পরে ক্রিয়ার শুধু মূল রূপ (Base form) বসে। তাই can-এর পরে lives, lived বা living বসে না, বসে live। বাক্যটি হলো: No man can live alone, অর্থাৎ কোনো মানুষ একা বাঁচতে পারে না।
মনে রাখুন:
Modal verb: can, could, may, might, shall, should, will, would, must, ought to।
উদাহরণ: She may come. He should study. - ৩৯. Which one is not a flower?
- ক. Magnolia
- খ. Cosmos
- গ. Lily
- ঘ. Cosmic
উত্তর: ঘ. Cosmic
Magnolia (চম্পা জাতীয় ফুল), Cosmos (কসমস) ও Lily (লিলি) সবই ফুলের নাম। কিন্তু Cosmic একটি বিশেষণ, যার অর্থ মহাবিশ্ব সম্পর্কিত। এটি ফুলের নাম নয়। দুই শব্দ দেখতে প্রায় এক হলেও এদের অর্থ আলাদা: Cosmos ফুল, আবার বিশ্বজগৎও বোঝায়, আর cosmic তারই বিশেষণ।
মনে রাখুন:
Cosmic ray (মহাজাগতিক রশ্মি) বিজ্ঞানের একটি পরিচিত শব্দ।
Cosmos শব্দটি গ্রিক kosmos থেকে এসেছে, যার অর্থ সুশৃঙ্খল বিশ্ব। - ৪০. 'Water' is an example of —
- ক. adverb
- খ. preposition
- গ. verb
- ঘ. conjunction
উত্তর: গ. verb
অনেক ইংরেজি শব্দ একই রূপে একাধিক Parts of Speech হিসেবে কাজ করে। Water শব্দটি noun হিসেবে অর্থ জল। আবার ক্রিয়া হিসেবে এর অর্থ জল দেওয়া, যেমন: Water the plants। প্রশ্নের বিকল্পগুলোতে noun নেই, আছে শুধু verb, তাই উত্তর verb। Adverb, preposition বা conjunction হিসেবে water শব্দের ব্যবহার নেই।
উদাহরণ:
Please water the plants every morning.
মনে রাখুন:
আরও উদাহরণ: Book (বই/বুক করা), Walk (হাঁটা/পায়ে চলা), Light (আলো/জ্বালানো)। - ৪২. — the country is undeveloped, it is beautiful.
- ক. Although
- খ. But
- গ. It
- ঘ. Where
উত্তর: ক. Although
বাক্যের দুই অংশে বিপরীত ভাব আছে: দেশ অনুন্নত, তবু সুন্দর। বিপরীত ভাবের দুটি অংশ জুড়তে Although বসে, যার অর্থ যদিও। তাই বাক্যটি: Although the country is undeveloped, it is beautiful। But বসালে বাক্যে একই সঙ্গে ‘it’ ও but দুটি সংযোজক হয়ে যায়, ফলে ঠিক থাকে না।
মনে রাখুন:
Although ও though শুরুতে থাকলে পরের অংশে but বসে না।
ভুল: Although he is poor, but he is honest। শুদ্ধ: Although he is poor, he is honest। - ৪৩. Find out the correct sentence :
- ক. We heard them sing
- খ. We heard them to sing
- গ. We heard them sang
- ঘ. We heard them to singing
উত্তর: ক. We heard them sing
Hear, see, watch ও make জাতীয় ক্রিয়ার পরে কর্ম বসলে তার পরের ক্রিয়ার to ছাড়া মূল রূপ (Bare infinitive) বসে। তাই We heard them sing, অর্থাৎ আমরা তাদের গাইতে শুনলাম। To sing, sang বা to singing ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
See/hear/watch + কর্ম + V1: I saw him go.
Make/let + কর্ম + V1: She made me laugh.
তবে passive-এ to ফিরে আসে: He was made to laugh। - ৪৫. Penny wise pound —.আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. poor
- খ. rich
- গ. callous
- ঘ. foolish
উত্তর: ঘ. foolish
‘Penny wise pound foolish’ একটি ইংরেজি প্রবাদ। যে মানুষ ছোট খরচ বাঁচায়, কিন্তু বড় ব্যাপারে অপচয় করে বা ক্ষতি ডেকে আনে, তাকে বোঝাতে এটি ব্যবহার হয়। তাই শূন্যস্থানে বসে foolish। বাংলায় এর কাছাকাছি প্রবাদ ‘অর্থ-বস্ত্র অটুনি ফসকা গেরো’ অর্থাৎ বাইরে শক্ত, ভেতরে ফাঁপা ব্যবস্থা।
মনে রাখুন:
আরও প্রবাদ: A stitch in time saves nine, Penny saved is penny earned। - ৪৯. 'A', 'an', 'the' are the examples of —
- ক. verb
- খ. adverb
- গ. preposition
- ঘ. articles
উত্তর: ঘ. articles
A, an ও the শব্দ তিনটি বিশেষ্যের আগে বসে ওই বিশেষ্যটি নির্দিষ্ট না অনির্দিষ্ট তা বোঝায়। এদের বলা হয় Articles বা উপপদ। A ও an হলো Indefinite article (অনির্দিষ্ট), আর the হলো Definite article (নির্দিষ্ট)।
মনে রাখুন:
A book মানে যেকোনো একটি বই, আর the book মানে একটি নির্দিষ্ট বই।
Article আসলে এক ধরনের Adjective হিসেবেও ধরা হয়। - ৫১. Which one of the following is the 'ing' form of the verb 'singe'?
- ক. singing
- খ. singeing
- গ. singging
- ঘ. singeiing
উত্তর: খ. singeing
সাধারণত e দিয়ে শেষ হওয়া ক্রিয়ার সঙ্গে -ing যোগ করার সময় শেষের e বাদ যায়, যেমন: make → making। কিন্তু singe (সামান্য পোড়ানো) শব্দের e বাদ দিলে এটি sing (গান করা) এর -ing রূপ singing-এর সঙ্গে গুলিয়ে যায়। তাই অর্থ আলাদা রাখতে e বাদ না দিয়ে singeing লেখা হয়।
মনে রাখুন:
একই কারণে dye → dyeing (রং করা), die → dying (মরা), যাতে dying বনাম dyeing-এ পার্থক্য থাকে। - ৫৮. Choose the indirect speech of the sentence : He said to me— "Thank you,"
- ক. He thanks you
- খ. He thanked you
- গ. He thanks you
- ঘ. He thanked me.
উত্তর: ঘ. He thanked me.
Direct Speech: He said to me, “Thank you”। কথাটি Indirect করতে say to বদলে পরিবর্তিত ক্রিয়া বসে। এখানে ‘thank you’ ধন্যবাদ জানানো বোঝায়, তাই reporting verb হয় thanked। আর ‘you’ শ্রোতা অর্থাৎ ‘me’, তাই বাক্যটি দাঁড়ায়: He thanked me। বাকি অপশনের মধ্যে he thanks you ভুল, কারণ you আসলে me হবে।
মনে রাখুন:
Wish-এর ক্ষেত্রে: He said to me, “Good morning”। → He wished me good morning।
Exclamatory-তে: He exclaimed with joy that… - ৫৯. I have — my supper.
- ক. has
- খ. will have
- গ. had
- ঘ. having
উত্তর: গ. had
Present Perfect Tense-এর কাঠামো হলো have/has + Past Participle। এই বাক্যে ‘have’ আগে থেকেই আছে, তাই শূন্যস্থানে ‘have’ ক্রিয়ার Past Participle had বসবে: I have had my supper। এখানে প্রথম have হলো সহায়ক ক্রিয়া (Auxiliary Verb), আর had হলো মূল ক্রিয়া, যার অর্থ খাওয়া বা গ্রহণ করা। Has বসালে subject I-এর সঙ্গে মেলে না, আর having বসালে কাঠামো ভেঙে যায়।
উদাহরণ:
She has had a cold.
মনে রাখুন: Have-এর রূপ: have/has – had – had। - ৬২. Two-thirds of the children — present in the function.
- ক. is
- খ. was
- গ. were
- ঘ. have
উত্তর: গ. were
Two-thirds of the children বাক্যে ভগ্নাংশের পরে of এবং বহুবচন noun আছে। ভগ্নাংশ বা অংশ বোঝালে ক্রিয়া পরের noun-এর বচন অনুযায়ী হয়। এখানে children বহুবচন, তাই be-verb হবে বহুবচন ও past tense-এর were। বাক্য: Two-thirds of the children were present in the function।
মনে রাখুন:
Two-thirds of the money was spent। এখানে money একবচন, তাই was।
Half, majority, most, a lot of: সবই পরের noun দেখে ক্রিয়া ঠিক করে। - ৬৩. They — here since 1999.
- ক. have live
- খ. have living
- গ. have been lived
- ঘ. have been living
উত্তর: ঘ. have been living
‘Since 1999’ বলে, ১৯৯৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত চলছে এমন কাজ বোঝাচ্ছে। এ ধরনের কাজ প্রকাশে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার হয়। কাঠামো হলো have/has been + verb-ing। তাই সঠিক রূপ have been living। অর্থ: তারা ১৯৯৯ সাল থেকে এখানে বাস করছে।
মনে রাখুন:
Since-এর পরে নির্দিষ্ট সময়বিন্দু বসে (since 1999, since morning)।
For-এর পরে সময়ের পরিমাণ বসে (for ten years)। - ৬৫. The verb of the word 'short' is —
- ক. shorted
- খ. shortly
- গ. shorten
- ঘ. shortify
উত্তর: গ. shorten
Short একটি adjective, যার অর্থ ছোট বা খাটো। এর verb রূপ হলো shorten, যার অর্থ ছোট করা। Shortly হলো adverb, অর্থ শিগগিরই। Shorted ও shortify নামে এখানে কোনো সাধারণ ক্রিয়ারূপ নেই। Adjective-এর সঙ্গে -en যুক্ত করে অনেক শব্দ থেকে ক্রিয়া গঠন করা হয়।
মনে রাখুন:
অন্যান্য উদাহরণ: long → lengthen, strong → strengthen, wide → widen, deep → deepen।
Noun থেকেও -en যোগে verb হয়, যেমন height → heighten। - ৬৬. Scarcely had the game started — the doorbell rang.
- ক. than
- খ. if
- গ. then
- ঘ. when
উত্তর: ঘ. when
Scarcely, hardly ও barely দিয়ে বাক্য শুরু করলে অংশ দুটির মাঝে when বসে। আর no sooner-এর সঙ্গে বসে than। তাই এখানে Scarcely had the game started when the doorbell rang। অর্থ: খেলা শুরু হতে না হতেই দরজার ঘণ্টা বেজে উঠল।
মনে রাখুন:
No sooner had he arrived than it began to rain.
Scarcely/hardly-এর পরে সহায়ক ক্রিয়া কর্তার আগে বসে (inversion)। - ৬৮. Choose the correct sentence :
- ক. He says me a fool.
- খ. He shook hands with her.
- গ. They know to swim.
- ঘ. We discussed about the matter.
উত্তর: খ. He shook hands with her.
‘Shake hands with somebody’ মানে কারও সঙ্গে করমর্দন করা, তাই He shook hands with her সঠিক বাক্য। বাকি বাক্যগুলোতে ভুল আছে: ‘says me a fool’ নয়, ঠিক হবে ‘calls me a fool’। ‘know to swim’ নয়, ঠিক ‘know how to swim’। আর discuss ক্রিয়ার পরে about বসে না, সরাসরি কর্ম বসে (discussed the matter)।
মনে রাখুন:
Discuss, mention, reach, enter, attack: এই ক্রিয়াগুলোর পরে preposition বসে না। - ৬৯. We should have tasty and — meals.
- ক. nutritious
- খ. nutrient
- গ. nutritional
- ঘ. nutritive
উত্তর: ক. nutritious
বাক্যে ‘tasty and —’ আছে, তাই খালি জায়গায় এমন একটি adjective বসবে, যা খাবারের গুণ বোঝায়। ‘পুষ্টিকর’ অর্থে সবচেয়ে চলিত adjective হলো nutritious। Nutrient আসলে noun, যার অর্থ পুষ্টি উপাদান। আর nutritional মানে পুষ্টি সংক্রান্ত, যেমন nutritional value। Nutritive শব্দেরও অর্থ পুষ্টিসংক্রান্ত, তবে meals-এর বিশেষণ হিসেবে nutritious শব্দটিই স্বাভাবিক।
মনে রাখুন:
Nutritious food = পুষ্টিকর খাদ্য।
Nutrition (noun) = পুষ্টি, nutritionist = পুষ্টিবিদ। - ৭১. Which one of the following is an imperative sentence?
- ক. Do not lie
- খ. He came to my father.
- গ. What an idea
- ঘ. Do you know me?
উত্তর: ক. Do not lie
যে বাক্য আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ বা নিষেধ বোঝায়, তাকে Imperative sentence বলে। ‘Do not lie’ বাক্যে মিথ্যা না বলার নিষেধ আছে, তাই এটি Imperative। ‘He came to my father’ সাধারণ বিবৃতি, ‘What an idea’ বিস্ময় প্রকাশ করছে, আর ‘Do you know me?’ প্রশ্ন।
মনে রাখুন:
Imperative বাক্য সাধারণত verb-এর মূল রূপ দিয়ে শুরু হয়, যেমন: Open the door.
নিষেধ বোঝাতে Do not/Don’t দিয়ে শুরু হয়। - ৭২. There — twelve months in a year.
- ক. were
- খ. was
- গ. are
- ঘ. have
উত্তর: গ. are
There দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যে আসল কর্তা be-verb-এর পরে বসে। এখানে আসল কর্তা ‘twelve months’, যা বহুবচন। আর বছরে বারো মাস থাকা সবসময়ের সত্য, তাই present tense-এর বহুবচন be-verb are বসবে: There are twelve months in a year।
মনে রাখুন:
There is a book on the table. (একবচন)
There are many books on the table. (বহুবচন) - ৭৩. 'King Lear' is written by —
- ক. Charles Dickens
- খ. Jane Austen
- গ. Shelley
- ঘ. Shakespeare
উত্তর: ঘ. Shakespeare
‘King Lear’ উইলিয়াম শেক্সপিয়রের রচিত একটি বিয়োগান্ত নাটক (Tragedy)। এতে বৃদ্ধ রাজা তাঁর তিন মেয়ের মধ্যে রাজ্য ভাগ করে দেন এবং ছোট মেয়ের ওপর ভুল বিচার করে বিপদে পড়েন। চার্লস ডিকেন্স ও জেন অস্টেন ঔপন্যাসিক, আর শেলি কবি।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়রের চার প্রধান ট্র্যাজেডি: Hamlet, Othello, King Lear ও Macbeth।
তাঁর কমেডির উদাহরণ: A Midsummer Night’s Dream, The Merchant of Venice। - ৭৪. 'The patriot' is a poem written by —
- ক. Tennyson
- খ. Wordsworth
- গ. Robert Browning
- ঘ. Longfellow
উত্তর: গ. Robert Browning
‘The Patriot’ কবিতাটি ভিক্টোরীয় যুগের কবি রবার্ট ব্রাউনিংয়ের (Robert Browning) লেখা। এর পূর্ণ নাম ‘The Patriot: An Old Story’। কবিতায় এক নেতার কথা আছে, যাঁকে জনগণ প্রথমে মাথায় তুলে নাচে, কিন্তু পরে বিপদের সময় ফাঁসিকাঠে ঝুলিয়ে দেয়। এতে মানুষের মনের পরিবর্তন ও অকৃতজ্ঞতা দেখানো হয়েছে। টেনিসন, ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও লংফেলো অন্য কবি।
মনে রাখুন:
ব্রাউনিংয়ের আরেক বিখ্যাত কবিতা ‘My Last Duchess’।
ওয়ার্ডসওয়ার্থ রোমান্টিক যুগের কবি। - ৭৯. The passive form of the sentence "You made him cook rice" is —
- ক. He was made to cook rice.
- খ. He was made cook rice.
- গ. He is made to cook rice.
- ঘ. He had made to cook rice.
উত্তর: ক. He was made to cook rice.
Make ক্রিয়ার Active বাক্য You made him cook rice-কে Passive করার সময় কর্ম ‘him’ কর্তা হয়ে ‘He’ হয়। Past tense-এর জন্য be-verb হয় was, আর make-এর Past Participle হয় made। Passive-এ অবশ্যই to যোগ হয়, তাই He was made to cook rice।
মনে রাখুন:
Active-এ make-এর পরে to নেই (made him cook)।
Passive-এ made-এর পরে to ফিরে আসে (was made to cook)। - ৮১. It is I who — to blame.
- ক. am
- খ. were
- গ. is
- ঘ. has
উত্তর: ক. am
‘It is I who — to blame’ বাক্যে who সম্বন্ধবাচক সর্বনাম (Relative pronoun)। এর পরের ক্রিয়া হয় who-এর আগের শব্দ অনুযায়ী। এখানে আগের শব্দ ‘I’, তাই be-verb হবে am। বাক্যটি: It is I who am to blame।
মনে রাখুন:
It is he who is to blame.
It is you who are to blame.
Who-এর পরে ক্রিয়া আগের Person অনুযায়ী বদলায়। - ৮৩. Had I known her, I — her.
- ক. would meet
- খ. would have met
- গ. would had meet
- ঘ. would met
উত্তর: খ. would have met
এটি Third Conditional বাক্য, যেখানে অতীতে ঘটেনি এমন কিছু নিয়ে কল্পনা করা হয়। এর কাঠামো: If + had + V3, would have + V3। এখানে ‘Had I known her’ হলো ‘If I had known her’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। তাই পরের অংশ হবে would have met। অর্থ: আমি যদি তাকে চিনতাম, তাহলে তার সঙ্গে দেখা করতাম।
মনে রাখুন:
Second conditional: If I knew her, I would meet her.
Third conditional-এ অতীতের অপূর্ণ ইচ্ছা বোঝায়। - ৯০. 'Quickly' is an example of —
- ক. adverb
- খ. adjective
- গ. noun
- ঘ. verb
উত্তর: ক. adverb
Quick একটি adjective, অর্থ দ্রুত। এর শেষে -ly যুক্ত হয়ে Quickly শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার অর্থ দ্রুতভাবে। এটি ক্রিয়া কীভাবে ঘটছে তা বোঝায়, তাই এটি adverb। যেমন: He ran quickly.
মনে রাখুন: সাধারণভাবে adjective-এর শেষে -ly বসলে adverb হয়, যেমন slow থেকে slowly, careful থেকে carefully। তবে friendly, lovely ও lonely শব্দ -ly দিয়ে শেষ হলেও adjective। - ৯১. Going there he found his friend absent. Here 'going' is a —
- ক. gerund
- খ. present participle
- গ. noun
- ঘ. past participle
উত্তর: খ. present participle
Going there he found his friend absent বাক্যে going শব্দটি একই সঙ্গে verb-এর রূপ এবং he-এর অবস্থা বা কাজ বর্ণনা করছে। অর্থাৎ এটি adjective-এর মতো কাজ করছে। verb-এর সঙ্গে -ing যুক্ত হয়ে যখন এভাবে verb ও adjective উভয়ের কাজ করে, তখন তাকে present participle বলে। Gerund-এর কাজ হয় noun-এর মতো, যেমন Walking is good for health. এখানে going কোনো noun-এর ভূমিকায় নেই।
মনে রাখুন: -ing যুক্ত শব্দ noun-এর কাজ করলে gerund, adjective-এর কাজ করলে present participle। - ৯২. It is high time we — our bad habits.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. change
- খ. changing
- গ. are change
- ঘ. changed
উত্তর: ঘ. changed
It is high time এই কাঠামোর অর্থ ‘এখনই কাজটি করার উপযুক্ত সময় হয়েছে’। বাক্যটি বর্তমান সময়ের কথা বললেও এ ধরনের বাক্যে subject-এর পরের verb অতীত রূপে (past form) বসে। তাই change-এর অতীত রূপ changed বসবে: It is high time we changed our bad habits.
মনে রাখুন: It is time ও It is about time-এর পরেও একই নিয়মে past form বসে। যেমন: It is time we left. - ৯৩. 'Paradise Lost' কাব্যের রচয়িতা কে?
- ক. শেক্সপীয়ার
- খ. জন মিল্টন
- গ. শেলী
- ঘ. কীট্স
উত্তর: খ. জন মিল্টন
‘Paradise Lost’ ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত মহাকাব্য (Epic), যা লিখেছেন কবি জন মিল্টন (John Milton)। এতে শয়তানের স্বর্গচ্যুতি এবং আদম ও হাওয়ার পতনের কাহিনি বলা হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো, মিল্টন অন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এটি লিখেছিলেন।
মনে রাখুন:
মিল্টনের অন্য মহাকাব্য Paradise Regained এবং নাটক Samson Agonistes।
শেক্সপিয়ার নাট্যকার, আর শেলি ও কীটস রোমান্টিক যুগের কবি। - ৯৫. Have you finished — the book?
- ক. read
- খ. reading
- গ. is reading
- ঘ. being reading
উত্তর: খ. reading
Finish শব্দের পরে verb বসাতে হলে সেটি gerund অর্থাৎ verb+ing রূপে বসে, infinitive (to + verb) বা মূল রূপে নয়। তাই Have you finished reading the book? সঠিক বাক্য। অর্থ হলো, আপনি কি বইটি পড়া শেষ করেছেন? ‘Finished read’ বা ‘finished is reading’ ব্যাকরণসম্মত নয়, আর ‘being reading’ রূপটি ইংরেজিতে হয় না।
মনে রাখুন:
Finish, enjoy, avoid, mind, stop, give up, practise এসব verb-এর পরে verb থাকলে সেটি -ing যুক্ত রূপে বসে।
উদাহরণ: He enjoys playing football.
বাংলাদেশ
- ৪. বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায়?
- ক. ফরিদপুর
- খ. চাঁদপুর
- গ. চট্টগ্রাম
- ঘ. নারায়ণগঞ্জ
উত্তর: ক. ফরিদপুর
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট (River Research Institute) দেশের নদীর গতিপ্রকৃতি, ভাঙন, পলি জমা ও নদীশাসন নিয়ে গবেষণা করে। প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ফরিদপুর জেলার হারুকান্দিতে অবস্থিত। এটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে। আগে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকায় ছিল, পরে ফরিদপুরে সরিয়ে নেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবস্থান: ফরিদপুর।
এটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতো পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। - ১০. 'আমার সোনার বাংলা' রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রথম কত পঙ্ক্তি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত?
- ক. ৬
- খ. ৮
- গ. ১০
- ঘ. ১২
উত্তর: গ. ১০
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি লেখেন। গানটি অনেক বড়, কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশ এর প্রথম ১০ পঙ্ক্তিকে জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করেছে। ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের সময় থেকেই গানটি স্বাধীনতার গান হয়ে ওঠে, আর ১৯৭২ সালে সরকারিভাবে জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
মনে রাখুন:
জাতীয় সংগীত গাইতে সময় লাগে প্রায় ৫২ সেকেন্ড।
অনুষ্ঠানে যন্ত্রসংগীতে এর প্রথম ৪ পঙ্ক্তি বাজানো হয়। - ১১. কর্ণফুলী নদীর উৎস ভারতের কোন রাজ্যে?
- ক. ত্রিপুরা
- খ. মিজোরাম
- গ. মণিপুর
- ঘ. মেঘালয়
উত্তর: খ. মিজোরাম
কর্ণফুলী নদীর উৎস ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড়। সেখান থেকে নদীটি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে ঢুকে রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের ভেতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। ত্রিপুরা, মণিপুর ও মেঘালয় এই নদীর উৎস নয়। কর্ণফুলী বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী, কারণ এর তীরে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর অবস্থিত।
মনে রাখুন:
কর্ণফুলীর ওপর কাপ্তাই বাঁধ দিয়ে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হয়েছে, যা দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরেই অবস্থিত।
হালদা কর্ণফুলীর একটি শাখানদী। - ১৬. প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিমি?
- ক. ৫.০৩ কিমি
- খ. ৬.১৫ কিমি
- গ. ৪.৮ কিমি
- ঘ. ৬.৮ কিমি
উত্তর: খ. ৬.১৫ কিমি
পদ্মা বহুমুখী সেতু মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে। এই সেতুর মূল অংশের দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার আর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। এটি দ্বিতল সেতু, যার ওপরে সড়ক এবং নিচে রেলপথ।
হালনাগাদ: ২০২২ সালের ২৫ জুন সেতুটি উদ্বোধন করা হয়েছে এবং পরের দিন থেকে যান চলাচল শুরু হয়েছে।
মনে রাখুন:
এই সেতুর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমের ১৯টি জেলার সঙ্গে ঢাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ হয়েছে। - ২০. বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রপ্তানি বাজার কোন দেশে?
- ক. যুক্তরাজ্য
- খ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- গ. জাপান
- ঘ. চীন
উত্তর: খ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশের রপ্তানির সবচেয়ে বড় অংশ তৈরি পোশাক। এই পোশাকের একক বৃহত্তম ক্রেতা দেশ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কয়েক বছর ধরেই দেশের মোট রপ্তানির বড় একটি অংশ সেখানে যায়। জার্মানি এ ক্ষেত্রে সাধারণত দ্বিতীয় স্থানে থাকে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিলিয়ে ধরলে অবশ্য সম্মিলিত বাজার হিসেবে ইউরোপ সবচেয়ে বড়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক থেকে। - ২১. বাংলাদেশের প্রধান ধান চাষ মৌসুম কোনটি?
- ক. আউশ
- খ. আমন
- গ. ইরি
- ঘ. বোরো
উত্তর: ঘ. বোরো
বাংলাদেশে ধানের তিনটি মৌসুম আছে: আউশ, আমন ও বোরো। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় বোরো মৌসুমে। সেচের সুবিধা বাড়ার পর থেকে বোরোর ফলন বেড়েছে, আর এখন মোট ধান উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি আসে এই মৌসুম থেকে। শীতকালে বোরো রোপণ করা হয়, আর এপ্রিল-মে মাসে ধান কাটা হয়।
মনে রাখুন:
আমন ধান বর্ষাকালে রোপণ করা হয় এবং অগ্রহায়ণ-পৌষে কাটা হয়। আউশ কাটা হয় আষাঢ়-শ্রাবণে।
ধান চাষের জমির আয়তনের দিক থেকে অবশ্য আমন বড়। - ২৩. 'আগুনের পরশমণি' ছবি নির্মাণ করেন—
- ক. হুমায়ূন আহমেদ
- খ. সুভাষ দত্ত
- গ. আমজাদ হোসেন
- ঘ. তারেক মাসুদ
উত্তর: ক. হুমায়ূন আহমেদ
‘আগুনের পরশমণি’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ। তিনি প্রথমে এই নামে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে একটি উপন্যাস লেখেন, পরে ১৯৯৪ সালে নিজেই সেটি নিয়ে ছবি বানান। এই ছবির জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছিলেন। আমজাদ হোসেন, সুভাষ দত্ত ও তারেক মাসুদ আলাদা ছবির নির্মাতা।
মনে রাখুন:
হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত অন্যান্য ছবি: শ্যামল ছায়া, দুই দুয়ারী, ঘেটুপুত্র কমলা।
তারেক মাসুদের বিখ্যাত ছবি ‘মাটির ময়না’। - ২৬. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
- ক. জয়নুল আবেদিন
- খ. হামিদুর রহমান
- গ. কামরুল হাসান
- ঘ. হাসেম খান
উত্তর: গ. কামরুল হাসান
বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকা, অর্থাৎ সবুজ জমিনে লাল বৃত্ত, আঁকেন শিল্পী কামরুল হাসান। স্বাধীনতার আগে ১৯৭০ সালে ছাত্রনেতারা যে প্রথম পতাকা তৈরি করেন, তার ডিজাইনার ছিলেন শিব নারায়ণ দাস, এবং তাতে লাল বৃত্তের ভেতর দেশের মানচিত্র ছিল। পরে ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সেই নকশা সামান্য বদলে মানচিত্র বাদ দিয়ে পতাকাটি চূড়ান্ত করেন। তিনি জাতীয় প্রতীকেরও নকশাকারী।
মনে রাখুন:
জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ছবি আঁকেন এবং তিনি শিল্পাচার্য নামে পরিচিত। - ৩০. বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
- ক. সোনারগাঁ
- খ. ময়নামতি
- গ. পাহাড়পুর
- ঘ. ঢাকা
উত্তর: ক. সোনারগাঁ
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে অবস্থিত। এটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে গড়ে ওঠা। সোনারগাঁ আমাদের ইতিহাসে একটি পুরোনো রাজধানী, তাই এখানকার ঐতিহ্য ও লোকশিল্পের সঙ্গে এই জাদুঘর ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। এখানে লোকশিল্প ও কারুশিল্পের নানা নিদর্শন সংরক্ষিত আছে। ময়নামতি ও পাহাড়পুর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, লোকশিল্প জাদুঘর নয়।
মনে রাখুন:
সোনারগাঁ মধ্যযুগে বাংলার প্রাচীন রাজধানী ছিল।
পানাম নগর সোনারগাঁর বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান।
পাহাড়পুরের সোমপুর বিহার ও ময়নামতির শালবন বিহার আমাদের প্রত্নসম্পদ। - ৪৪. কোন আরব দেশ বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. সিরিয়া
- খ. ইরান
- গ. মিশর
- ঘ. ইরাক
উত্তর: ঘ. ইরাক
স্বাধীনতার পর অনেক দেশ ধাপে ধাপে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। আরব দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে ইরাক স্বীকৃতি দেয়, ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই। প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সেনেগাল, ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২। আর বিশ্বে প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ ভুটান, ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
মনে রাখুন:
ভুটানের পরের দেশ ভারত, একই দিন ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৪ সালে। - ৪৬. বঙ্গবন্ধু কোথায় ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণা দিয়েছিলেন?
- ক. ঢাকা
- খ. চট্টগ্রাম
- গ. লাহোর
- ঘ. আগরতলা
উত্তর: গ. লাহোর
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলন হয়। সেখানে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে তাঁর ঐতিহাসিক ৬ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। পরে ২৩ মার্চ ঢাকায় আওয়ামী লীগ এই দাবি জনসমক্ষে ঘোষণা করে এবং এর নাম দেওয়া হয় ‘আমাদের বাঁচার দাবি’। এই ছয় দফা থেকেই স্বাধীনতার পথ খুলে যায়।
মনে রাখুন:
আগরতলা মামলা ১৯৬৮ সালে হয়। এই মামলার প্রধান আসামি ছিলেন শেখ মুজিব।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি মুক্তি পান। - ৪৮. শেখ মুজিবুর রহমান কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?
- ক. ৭ মার্চ ১৯১৯ সালে
- খ. ২৬ মার্চ ১৯২০ সালে
- গ. ১ মার্চ ১৯১৯ সালে
- ঘ. ১৭ মার্চ ১৯২০ সালে
উত্তর: ঘ. ১৭ মার্চ ১৯২০ সালে
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। তাঁর বাবা শেখ লুৎফর রহমান আর মা সায়েরা খাতুন। জন্মদিনটি আমাদের দেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়। অন্য তারিখগুলোর মধ্যে ৭ মার্চ আমাদের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন, আর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস।
মনে রাখুন:
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি নিহত হন। তাঁর সমাধি টুঙ্গিপাড়ায়।
বঙ্গবন্ধু উপাধি পান ১৯৬৯ সালে। - ৫৭. 'কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটি কার রচনা?
- ক. হাসান আজিজুল হক
- খ. শেখ মুজিবুর রহমান
- গ. শামসুর রাহমান
- ঘ. মওলানা ভাসানী
উত্তর: খ. শেখ মুজিবুর রহমান
‘কারাগারের রোজনামচা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা গ্রন্থ। ১৯৬৬ সালে ছয় দফা দেওয়ার পর তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন। সেই সময় ডায়েরিতে যা লিখেছিলেন, সেই লেখাই এই বইয়ের ভিত্তি। বইটি ২০১৭ সালের ১৭ মার্চ বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। এখানে অন্য বিকল্পগুলোর কেউ এই গ্রন্থ লেখেননি।
মনে রাখুন:
বঙ্গবন্ধুর অন্য দুটি বই: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২) ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ (২০২০)। - ৬১. রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প সম্পাদন হলে বছরে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে?
- ক. ১২০০ মে:ও:
- খ. ১৮০০ মে:ও:
- গ. ২৪০০ মে:ও:
- ঘ. ২৫০০ মে:ও:
উত্তর: গ. ২৪০০ মে:ও:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে। এতে মোট দুটি ইউনিট, প্রতিটি ১২০০ মেগাওয়াটের, অর্থাৎ পুরো কেন্দ্রের সক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট। রাশিয়া এই কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তা করছে। প্রশ্নে ‘বছরে’ কথাটি আসলে ভুল, কারণ মেগাওয়াট ক্ষমতার একক, উৎপাদনের পরিমাণের একক নয়।
মনে রাখুন:
এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
পরমাণু শক্তি কমিশনের অধীনে কাজ চলছে। - ৮৪. উপকূল হতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
- ক. ৫০০ নটিক্যাল মাইল
- খ. ৩০০ নটিক্যাল মাইল
- গ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
- ঘ. ৪০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর: গ. ২০০ নটিক্যাল মাইল
জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কনভেনশন (UNCLOS) অনুযায়ী প্রতিটি উপকূলীয় দেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত একচ্ছত্র অর্থনৈতিক এলাকা (Exclusive Economic Zone) পায়। এই সীমার ভেতরের মাছ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ ওই দেশের। তাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
মনে রাখুন:
আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
মহীসোপান ২০০ নটিক্যাল মাইলের বেশিও হতে পারে, বাংলাদেশের জন্য ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। - ১০৩. পাটের জীন নকশা আবিষ্কার করেন?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০২২
- ক. অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল
- খ. অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী
- গ. অধ্যাপক ড. মাকসুদুল আলম
- ঘ. অধ্যাপক কামরুল আলম
উত্তর: গ. অধ্যাপক ড. মাকসুদুল আলম
বাংলাদেশের বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একটি গবেষক দল ২০১০ সালে পাটের জিনোম নকশা (Genome sequence) উন্মোচন করে। এতে জানা গেছে পাটের কোন জিন কী কাজ করে। এর ফলে ভবিষ্যতে উন্নত ও রোগ প্রতিরোধী জাতের পাট উদ্ভাবন সহজ হয়েছে। তিনি এর আগে ২০০৪ সালে পেঁপের জিনোমও উন্মোচন করেছিলেন।
মনে রাখুন: পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়। তবে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী ছিলেন একজন বিখ্যাত প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদ। - ১১৬. বাংলাদেশে গাড়ি registration, fitness certificate কোন প্রতিষ্ঠান প্রদান করে?
- ক. BRTC
- খ. BRTA
- গ. CAAB
- ঘ. RDH
উত্তর: খ. BRTA
বাংলাদেশে যানবাহনের নিবন্ধন (Registration), ফিটনেস সনদ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BRTA)। অন্য বিকল্পগুলোর কাজ আলাদা। BRTC হলো বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন, যা সরকারি বাস চালায়। CAAB হলো বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। আর RDH-এর সঙ্গে যানবাহন নিবন্ধনের কোনো সম্পর্ক নেই। BRTA ও BRTC নামে মিল থাকায় অনেকে গুলিয়ে ফেলেন।
মনে রাখুন: BRTA সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন। - ১২১. বাংলাদেশের খাবার পানির আর্সেনিকের নির্ধারিত মান কত?
- ক. 10 ppb
- খ. 30 ppb
- গ. 40 ppb
- ঘ. 50 ppb
উত্তর: ঘ. 50 ppb
বাংলাদেশে খাবার পানিতে আর্সেনিকের অনুমোদিত সর্বোচ্চ মাত্রা ৫০ ppb (Parts Per Billion), অর্থাৎ প্রতি লিটার পানিতে ০.০৫ মিলিগ্রাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সুপারিশ করা মান এর চেয়ে অনেক কঠোর, মাত্র ১০ ppb। তাহলে আমাদের দেশের মান বেশি কেন? কারণ দেশের বহু নলকূপের পানিতে প্রাকৃতিকভাবেই আর্সেনিক মিশে আছে, আর সব নলকূপকে একসঙ্গে অনিরাপদ ধরলে মানুষের পানির জোগানই বিপদে পড়ত। তাই দেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই মান ধরা হয়েছে।
মনে রাখুন:
আর্সেনিক বিষক্রিয়ায় ত্বকে কালো দাগ পড়ে, একে মেলানোসিস (Melanosis) বলে।
দীর্ঘদিন আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করলে চামড়া ও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ে।
WHO-এর সুপারিশকৃত মান ১০ ppb।
আন্তর্জাতিক
- ৮. 'Blue Economy' কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
- ক. পোশাক শিল্প
- খ. শ্রমশিল্প
- গ. সমুদ্র সম্পদ
- ঘ. চিংড়ি শিল্প
উত্তর: গ. সমুদ্র সম্পদ
ব্লু ইকোনমি (Blue Economy) বা সমুদ্র অর্থনীতি বলতে সমুদ্র ও সমুদ্রের সম্পদ ব্যবহার করে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বোঝায়। মাছ, খনিজ, গ্যাস ও তেল, সমুদ্রপথে পরিবহন, বন্দর ও পর্যটন, সবই এর মধ্যে পড়ে। তবে সম্পদ ব্যবহারের সময় সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষা করাও এর শর্ত। ১৯৯৪ সালে গুন্টার পাউলি এই ধারণাটি জনপ্রিয় করেন।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করে। এর পরেই সমুদ্র অর্থনীতি নিয়ে আমাদের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। - ৬৭. Sustainable Development Goals (SDG) এর লক্ষ্য কয়টি?
- ক. ২০টি
- খ. ১৫টি
- গ. ১৭টি
- ঘ. ৩৭টি
উত্তর: গ. ১৭টি
জাতিসংঘ ২০১৫ সালে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals বা SDG) নির্ধারণ করে। এর মোট লক্ষ্য ১৭টি এবং সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ১৬৯টি। অর্জনের সময়সীমা ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এর প্রথম লক্ষ্য সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান। ১৫, ২০ বা ৩৭টি লক্ষ্য এখানে ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
SDG-র আগের লক্ষ্য MDG, যার লক্ষ্য ছিল ৮টি, সময়সীমা ২০০০-২০১৫।
SDG ২০৩০ এজেন্ডার স্লোগান: কাউকে পিছনে ফেলে নয়। - ৮২. নিচের কোন দেশটি ব্রিকস (BRICS) এর সদস্য নয়?
- ক. ভারত
- খ. চীন
- গ. রাশিয়া
- ঘ. জাপান
উত্তর: ঘ. জাপান
ব্রিক্স (BRICS) হলো উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি জোট। নামটি এসেছে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার ইংরেজি নামের আদ্যাক্ষর থেকে। জাপান এ জোটের সদস্য নয়, তাই উত্তর জাপান। ২০০১ সালে অর্থনীতিবিদ জিম ও’নিল প্রথমে BRIC কথাটি চালু করেন, আর ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা যুক্ত হওয়ার পর নাম হয় BRICS।
হালনাগাদ: পরে মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরও কয়েকটি দেশ সদস্য হয়েছে। জাপান এখনও সদস্য নয়। - ৮৬. জাতিসংঘের কোন সংস্থাটি জনসংখ্যা নিয়ে কাজ করে?
- ক. UNESCO
- খ. UNICEF
- গ. UNDP
- ঘ. UNFPA
উত্তর: ঘ. UNFPA
জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল (United Nations Population Fund) সংক্ষেপে UNFPA। এটি জনসংখ্যা, প্রজননস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে। UNESCO কাজ করে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি নিয়ে, UNICEF কাজ করে শিশুদের নিয়ে, আর UNDP কাজ করে উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে। তাই জনসংখ্যা শুনলেই UNFPA মনে রাখা সবচেয়ে ভালো।
মনে রাখুন:
UNFPA-র সদর দপ্তর নিউইয়র্কে।
UNICEF-এর পূর্ণরূপ United Nations International Children’s Emergency Fund। - ৯৮. জাইকা (JICA) কোন দেশের সংস্থা?
- ক. চীন
- খ. জাপান
- গ. ভারত
- ঘ. জার্মান
উত্তর: খ. জাপান
জাইকা (JICA) এর পূর্ণরূপ Japan International Cooperation Agency, যা জাপান সরকারের উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা। এই সংস্থা বাংলাদেশের অন্যতম বড় উন্নয়ন সহযোগী। এর সহায়তায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎ প্রকল্প, ঢাকা মেট্রোরেল এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের মতো বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।
মনে রাখুন: জাপান ছাড়াও অনেক দেশের নিজস্ব উন্নয়ন সংস্থা আছে, যেমন যুক্তরাষ্ট্রের USAID, যুক্তরাজ্যের FCDO ও জার্মানির GIZ। - ১০৪. উরুগুয়ের রাজধানীর নাম কী?
- ক. সান্টিয়াগো
- খ. বোগোতা
- গ. মন্টেভিডিও
- ঘ. বুয়েন্স আয়ার্স
উত্তর: গ. মন্টেভিডিও
উরুগুয়ে দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ এবং এর রাজধানী মন্টেভিডিও (Montevideo)। এটি একই সঙ্গে দেশের বৃহত্তম শহর ও প্রধান সমুদ্রবন্দর। অন্য তিনটি বিকল্প অন্য দেশের রাজধানী: সান্টিয়াগো চিলির, বোগোতা কলম্বিয়ার এবং বুয়েন্স আয়ার্স আর্জেন্টিনার। উরুগুয়ের নাম শুনেই বুয়েন্স আয়ার্স বেছে নিলে ভুল হবে, কারণ দেশটি আর্জেন্টিনার প্রতিবেশী।
মনে রাখুন:
উরুগুয়ের প্রতিবেশী দেশ আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল।
বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতেই হয়েছিল এবং দেশটিই প্রথম চ্যাম্পিয়ন। - ১০৬. ন্যাটো (NATO) কোন ধরনের জোট?
- ক. অর্থনৈতিক
- খ. রাজনৈতিক
- গ. সামরিক
- ঘ. পরিবেশ
উত্তর: গ. সামরিক
ন্যাটো (NATO) এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization। এটি একটি সামরিক জোট, যার সদস্যদের মূল অঙ্গীকার হলো কোনো একটি সদস্য আক্রান্ত হলে সবাই মিলে প্রতিরোধ করা। ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল এটি গঠিত হয়। বর্তমানে এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে।
মনে রাখুন: ন্যাটোর বিপরীতে সোভিয়েত নেতৃত্বে ১৯৫৫ সালে ওয়ারশ চুক্তি সংস্থা গঠিত হয়েছিল, যা ১৯৯১ সালে ভেঙে যায়।
হালনাগাদ: ২০২৪ সালে সুইডেন যোগ দেওয়ায় ন্যাটোর সদস্যসংখ্যা এখন ৩২। - ১০৮. বিশ্বের বৃহত্তম দেশ কোনটি?
- ক. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- খ. কানাডা
- গ. রাশিয়া
- ঘ. অস্ট্রেলিয়া
উত্তর: গ. রাশিয়া
আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ রাশিয়া, যার আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭১ লাখ বর্গকিলোমিটার। এর পরে রয়েছে কানাডা। এরপর যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ব্রাজিল আসে। অস্ট্রেলিয়া আয়তনে বৃহত্তম দেশগুলোর মধ্যে ষষ্ঠ। প্রশ্নে ‘বৃহত্তম’ বলতে আয়তনই বোঝানো হয়েছে, জনসংখ্যা নয়। জনসংখ্যায় আলাদা দেশ এগিয়ে আছে।
মনে রাখুন:
মহাদেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া সবচেয়ে ছোট, কিন্তু রাশিয়ার আয়তন এর চেয়েও বেশি। - ১১১. জাতিসংঘ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ক. ১৯১৯ সালে
- খ. ১৯২০ সালে
- গ. ১৯৪৫ সালে
- ঘ. ১৯২৫ সালে
উত্তর: গ. ১৯৪৫ সালে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ (United Nations) গঠিত হয়। ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন সানফ্রান্সিসকোয় এর সনদ স্বাক্ষরিত হয় এবং ২৪ অক্টোবর সনদ কার্যকর হয়। তাই ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।
মনে রাখুন: ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত লীগ অব নেশনস প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত হয়েছিল, কিন্তু ব্যর্থ হয়। জাতিসংঘ তার উত্তরসূরি।
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর। - ১১৪. যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মেয়াদ কত বছর?
- ক. ৩ বছর
- খ. ৪ বছর
- গ. ৫ বছর
- ঘ. ৬ বছর
উত্তর: খ. ৪ বছর
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ৪ বছরের জন্য। সংবিধানের ২২তম সংশোধনী অনুযায়ী কেউ দুই মেয়াদের বেশি প্রেসিডেন্ট থাকতে পারেন না। দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন এবং সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ওয়াশিংটন ডি.সি.-র হোয়াইট হাউস। ৩, ৫ বা ৬ বছর মেয়াদ এই দেশে নেই।
মনে রাখুন: প্রেসিডেন্ট সরাসরি জনগণের ভোটে নয়, ইলেক্টোরাল কলেজের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। - ১১৯. 'আলেপ্পো' শহরটি কোথায় অবস্থিত?
- ক. মিশর
- খ. সিরিয়া
- গ. ইরান
- ঘ. ইয়েমেন
উত্তর: খ. সিরিয়া
আলেপ্পো (Aleppo) সিরিয়ার একটি প্রাচীন ও বিখ্যাত শহর। এটি দেশটির অন্যতম বড় শহর এবং ঐতিহাসিক বাণিজ্যকেন্দ্র। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে এই শহর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহরটির প্রাচীন অংশ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় আছে। মিশর, ইরান বা ইয়েমেনে আলেপ্পো নামে কোনো প্রধান শহর নেই।
মনে রাখুন: সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক। দামেস্ককে বিশ্বের প্রাচীনতম ক্রমাগত বসবাসযোগ্য শহরগুলোর একটি ধরা হয়। - ১২০. 'আরব বসন্ত'-এর সূচনা হয় কোন দেশে?
- ক. লেবানন
- খ. তিউনিসিয়া
- গ. লিবিয়া
- ঘ. মিশর
উত্তর: খ. তিউনিসিয়া
২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিউনিসিয়ায় তরুণ ফল ও সবজি বিক্রেতা মোহাম্মদ বুয়াজিজি পুলিশি হয়রানি ও বেকারত্বের প্রতিবাদে নিজের গায়ে আগুন দেন। এই ঘটনা দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে দেয় এবং ২০১১ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট বেন আলী ক্ষমতা ছেড়ে পালান। এটিই আরব বসন্ত (Arab Spring) নামে পরিচিত আন্দোলনের সূচনা।
মনে রাখুন: পরে এই আন্দোলন মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন ও সিরিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। - ১২৪. আয়তনে পৃথিবীতে সবচেয়ে ছোট দেশ কোনটি?
- ক. ভ্যাটিকান
- খ. ফিজি
- গ. মালদ্বীপ
- ঘ. সিঙ্গাপুর
উত্তর: ক. ভ্যাটিকান
আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট স্বাধীন দেশ ভ্যাটিকান সিটি, যার আয়তন প্রায় ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার। এটি ইতালির রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত এবং রোমান ক্যাথলিক চার্চের প্রধান কেন্দ্র, যেখানে পোপ বাস করেন। দেশটি এত ছোট যে একে হেঁটেই ঘুরে দেখা সম্ভব। সিঙ্গাপুর, ফিজি ও মালদ্বীপ ছোট দেশ হলেও আয়তনে ভ্যাটিকানের চেয়ে বহু গুণ বড়।
মনে রাখুন:
আয়তনে দ্বিতীয় ছোট দেশ মোনাকো।
জনসংখ্যার দিক থেকেও সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
ভ্যাটিকানের প্রধান ধর্মীয় নেতা পোপ।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৪৭. RAM stands for —
- ক. Real And Memory
- খ. Random Access Memory
- গ. Run And Man
- ঘ. Ready And measure.
উত্তর: খ. Random Access Memory
কম্পিউটারের RAM-এর পূর্ণরূপ Random Access Memory। এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি, যেখানে চলমান কাজ ও প্রোগ্রামের তথ্য রাখা হয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে বা বন্ধ করলে এর ভেতরের তথ্য মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল (Volatile) মেমোরি বলে।
মনে রাখুন:
ROM-এর পূর্ণরূপ Read Only Memory। এটি স্থায়ী মেমোরি, বিদ্যুৎ গেলেও তথ্য থাকে।
RAM-এর গতি হার্ডডিস্কের চেয়ে অনেক বেশি। - ৯৯. সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম 'ফেইসবুক'-এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. বিল গেটস
- খ. স্টিফেন হকিং
- গ. মার্ক জাকারবার্গ
- ঘ. এ্যান্ডি গ্রোভ
উত্তর: গ. মার্ক জাকারবার্গ
ফেসবুক (Facebook) প্রতিষ্ঠা করেন মার্ক জাকারবার্গ। ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় বন্ধুদের সঙ্গে এটি চালু করেন। প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের মেনলো পার্কে। বিল গেটস মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা, আর স্টিফেন হকিং একজন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।
মনে রাখুন: ২০২১ সালে ফেসবুকের মূল কোম্পানির নাম বদলে মেটা (Meta) রাখা হয়।
হালনাগাদ: ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল কোম্পানি এখন মেটা প্ল্যাটফর্মস। - ১০৯. কম্পিউটার-এর স্থায়ী স্মৃতিশক্তি কোথায় থাকে?
- ক. RAM
- খ. ROM
- গ. Hardware
- ঘ. Software
উত্তর: খ. ROM
কম্পিউটারের যে স্মৃতিতে রাখা তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলেও মুছে যায় না, তাকে স্থায়ী স্মৃতি বলে। ROM (Read Only Memory) এমন একটি স্মৃতি, যাতে কম্পিউটার চালুর প্রাথমিক নির্দেশনা সংরক্ষিত থাকে। RAM (Random Access Memory) হলো অস্থায়ী স্মৃতি, বিদ্যুৎ গেলে এর তথ্য হারিয়ে যায়। হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার কোনো স্মৃতির নাম নয়। হার্ডওয়্যার হলো যন্ত্রাংশ, আর সফটওয়্যার হলো প্রোগ্রাম।
মনে রাখুন: ROM-এর প্রকারভেদ PROM, EPROM ও EEPROM। - ১১৫. বাংলাদেশে তৈরি ল্যাপটপের নাম—
- ক. কোকিল
- খ. শাপলা
- গ. সুরমা
- ঘ. দোয়েল
উত্তর: ঘ. দোয়েল
বাংলাদেশে প্রথম তৈরি ল্যাপটপের নাম ‘দোয়েল’। এটি দেশের নিজস্ব উদ্যোগে তৈরি প্রথম ল্যাপটপ হিসেবে পরিচিত। ল্যাপটপটির নাম রাখা হয়েছে আমাদের জাতীয় পাখি দোয়েলের নামে। বাকি তিনটি নাম এই ল্যাপটপের নয়। শাপলা আমাদের জাতীয় ফুল, তবে সেটিও ল্যাপটপের নাম নয়।
মনে রাখুন:
জাতীয় পাখি দোয়েল ও জাতীয় ফুল শাপলা।
জাতীয় ফল কাঁঠাল এবং জাতীয় মাছ ইলিশ। - ১২৩. SIM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে—
- ক. সুপিরিয়র ইন্টেলিজেন্ট মেশিন
- খ. সাবস্ক্রাইবার আইডেনটিটি মডিউল
- গ. সাবস্ক্রাইবার ইন্টেলিজেন্ট মেশিন
- ঘ. সুপার আইডেনটিটি মডিউল
উত্তর: খ. সাবস্ক্রাইবার আইডেনটিটি মডিউল
SIM এর পূর্ণরূপ Subscriber Identity Module। এটি মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত ছোট একটি চিপযুক্ত কার্ড, যাতে গ্রাহকের পরিচয়, ফোন নম্বর ও নেটওয়ার্কের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এই কার্ডের মাধ্যমেই মোবাইল নেটওয়ার্ক বুঝতে পারে ফোনটি কোন গ্রাহকের, তাই এক ফোন থেকে কার্ড খুলে অন্য ফোনে বসালেও একই নম্বর চালু থাকে। অন্য বিকল্পগুলোতে যে নামগুলো দেওয়া আছে, সেগুলো কম্পিউটার বা মোবাইল প্রযুক্তির কোনো প্রচলিত পূর্ণরূপ নয়।
মনে রাখুন:
মোবাইল ফোনের নিজস্ব আন্তর্জাতিক পরিচয়-সংখ্যাকে IMEI (International Mobile Equipment Identity) বলে।
SIM কার্ড গ্রাহকের পরিচয় বহন করে, আর IMEI ফোন যন্ত্রটির পরিচয় বহন করে। - ১২৫. কম্পিউটার সিস্টেমে এ (Computer system) scanner কোন ধরনের যন্ত্র?
- ক. Input
- খ. Output
- গ. উভয়ই
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. Input
স্ক্যানার এমন একটি যন্ত্র, যা কাগজে ছাপা ছবি বা লেখা আলোর সাহায্যে পড়ে ডিজিটাল ফাইল আকারে কম্পিউটারে পাঠায়। অর্থাৎ এটি বাইরের তথ্য কম্পিউটারের ভেতরে ঢোকায়, আর যে যন্ত্র কম্পিউটারে তথ্য দেয় তাকে ইনপুট ডিভাইস (Input Device) বলে। প্রিন্টার, মনিটর ও স্পিকার উল্টো কাজ করে, কারণ এগুলো কম্পিউটারের ফলাফল বাইরে দেখায় বা শোনায়, তাই এদের বলে আউটপুট ডিভাইস (Output Device)।
মনে রাখুন:
ইনপুট ডিভাইস: কিবোর্ড, মাউস, ওয়েবক্যাম, মাইক্রোফোন, জয়স্টিক।
আউটপুট ডিভাইস: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্লটার।
ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করে এমন ডিভাইস: টাচস্ক্রিন, মডেম।
বিজ্ঞান
- ১০০. পানির Disinfection কী দিয়ে করা হয়?
- ক. ক্লোরিন
- খ. অতিবেগুনী রশ্মি
- গ. ওজোন
- ঘ. উপরোক্ত সব
উত্তর: ঘ. উপরোক্ত সব
পানি থেকে রোগজীবাণু ধ্বংস করে পানিকে নিরাপদ করার প্রক্রিয়াকে জীবাণুমুক্তকরণ (Disinfection) বলে। এর জন্য ক্লোরিন, অতিবেগুনি রশ্মি ও ওজোন তিনটিই ব্যবহার করা হয়। ক্লোরিন সবচেয়ে প্রচলিত ও সস্তা পদ্ধতি, কারণ এটি পানিতে অবশিষ্ট জীবাণুনাশক ক্ষমতা রেখে যায়। অতিবেগুনি রশ্মি ও ওজোন কার্যকর হলেও পরে পানিতে কোনো অবশিষ্ট প্রভাব থাকে না। সব কয়টি পদ্ধতি ব্যবহৃত হয় বলে সবচেয়ে সম্পূর্ণ উত্তর হলো উপরের সবগুলো।
মনে রাখুন: ক্লোরিনের বদলে ব্লিচিং পাউডারও জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহার করা হয়। - ১০১. মানুষের শরীরে হাড়ের সংখ্যা কত?
- ক. ১০৬টি
- খ. ২০৬টি
- গ. ১৯৩টি
- ঘ. ২০৪টি
উত্তর: খ. ২০৬টি
প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে মোট ২০৬টি হাড় থাকে। তবে নবজাতক শিশুর হাড়ের সংখ্যা বেশি, প্রায় ৩০০। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু ছোট হাড় জোড়া লেগে এক হয়ে যায়, ফলে সংখ্যা কমে ২০৬ হয়। এ কারণে ১০৬, ১৯৩ বা ২০৪ নয়, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হাড়ের সংখ্যা ২০৬টি।
মনে রাখুন:
দেহের সবচেয়ে বড় হাড় ফিমার, যা উরুতে থাকে।
সবচেয়ে ছোট হাড় স্টেপস, যা কানে থাকে।
মেরুদণ্ডে শিশুকালে কশেরুকা থাকে ৩৩টি, পরে কিছু জোড়া লেগে যায়। - ১০২. রঙিন টেলিভিশন থেকে কী ধরনের ক্ষতিকর রশ্মি বের হয়?
- ক. কসমিক রশ্মি
- খ. বিটা রশ্মি
- গ. রঞ্জন রশ্মি
- ঘ. গামা রশ্মি
উত্তর: গ. রঞ্জন রশ্মি
রঙিন টিভির পুরোনো ধরনের পর্দায় ক্যাথোড রে টিউব (CRT) ব্যবহার হতো। এর ইলেকট্রন গান থেকে দ্রুতগতির ইলেকট্রন পর্দায় আঘাত করলে সামান্য পরিমাণ রঞ্জন রশ্মি (X-ray) তৈরি হতো, যা অতিরিক্ত সময় কাছ থেকে দেখলে ক্ষতিকর হতে পারে। কসমিক রশ্মি আসে মহাকাশ থেকে এবং গামা ও বিটা রশ্মি তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে বের হয়, তাই এগুলো টিভির উৎস নয়।
মনে রাখুন: রঞ্জন রশ্মি আবিষ্কার করেন উইলহেলম রন্টজেন ১৮৯৫ সালে। আধুনিক LED ও LCD পর্দায় এই সমস্যা নেই। - ১০৫. Coagulant হিসেবে সর্বাধিক কী ব্যবহৃত হয়?
- ক. Chlorine
- খ. Alum
- গ. Lime
- ঘ. Bleaching Powder
উত্তর: খ. Alum
পানি পরিশোধনের সময় ঘোলা পানির সূক্ষ্ম ভাসমান কণাকে জমাট বাঁধিয়ে তলানি হিসেবে বসিয়ে দিতে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় তাকে কোয়াগুল্যান্ট (Coagulant) বলে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ফটকিরি বা অ্যালাম (Alum)। ক্লোরিন ও ব্লিচিং পাউডার জীবাণুনাশক, আর চুন সাধারণত পানির pH ঠিক রাখতে বা কঠিনতা কমাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন: পানি পরিশোধনের ধাপগুলো সাধারণত এভাবে চলে: জমাট বাঁধানো, থিতানো, ছাঁকা এবং শেষে জীবাণুমুক্ত করা। - ১০৭. সালফিউরিক এসিড-এর molecular weight কত?
- ক. 98
- খ. 48
- গ. 104
- ঘ. 140
উত্তর: ক. 98
সালফিউরিক অ্যাসিডের (Sulphuric Acid) সংকেত H₂SO₄। আণবিক ভর (Molecular weight) বের করতে অণুর প্রতিটি পরমাণুর পারমাণবিক ভর যোগ করতে হয়। এখানে H = 1, S = 32, O = 16।
M = (2 × 1) + 32 + (4 × 16) = 2 + 32 + 64 = 98
অর্থাৎ এর আণবিক ভর 98।
মনে রাখুন:
সালফিউরিক অ্যাসিডকে রাসায়নিক দ্রব্যের রাজা বলা হয়।
এর মোল ভর 98 গ্রাম/মোল। - ১১০. পানি turbidity কীসের পরিমাপক?
- ক. ভাসমান বস্তুর
- খ. দ্রবীভূত বস্তুর
- গ. পানির অম্লতা
- ঘ. পানির ক্ষারতা
উত্তর: ক. ভাসমান বস্তুর
পানির ঘোলাটে ভাব বা অস্বচ্ছতার পরিমাপকে টার্বিডিটি (Turbidity) বলে। পানিতে কাদা, বালি ও সূক্ষ্ম জৈব কণা ভাসমান থাকলে পানি ঘোলা দেখায় এবং আলো এর ভেতর দিয়ে সহজে যেতে পারে না। অর্থাৎ টার্বিডিটি ভাসমান বস্তুর পরিমাপক। পানিতে যা দ্রবীভূত থাকে, তা সাধারণত পানিকে ঘোলা করে না, আর অম্লতা বা ক্ষারতা মাপা হয় pH দিয়ে।
মনে রাখুন:
টার্বিডিটি মাপার একক NTU (Nephelometric Turbidity Unit)।
টার্বিডিটি মাপার যন্ত্রের নাম টার্বিডিমিটার। - ১১২. ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপক যন্ত্রের নাম কী?
- ক. সিসমোগ্রাফ
- খ. টেলিস্কোপ
- গ. রিক্টার স্কেল
- ঘ. অটোগ্রাম
উত্তর: ক. সিসমোগ্রাফ
ভূমিকম্পের কম্পন রেকর্ড করা যে যন্ত্র দিয়ে করা হয় তার নাম সিসমোগ্রাফ (Seismograph)। প্রশ্নে যন্ত্রের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই উত্তর সিসমোগ্রাফ। রিখটার স্কেল কোনো যন্ত্র নয়, এটি ভূমিকম্পের মাত্রা (Magnitude) প্রকাশের একটি গাণিতিক স্কেল। টেলিস্কোপ দিয়ে মহাকাশের বস্তু দেখা হয়।
মনে রাখুন:
রিখটার স্কেলে মান ১ বাড়লে ভূমিকম্পের শক্তি প্রায় ৩২ গুণ বাড়ে।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রের ঠিক ওপরের ভূপৃষ্ঠের বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে। - ১১৩. পানিতে কী দ্রবীভূত থাকলে hardness হয়?
- ক. CaSO₄
- খ. Ca(HCO₃)₂
- গ. MgCl₂
- ঘ. উপরোক্ত সব
উত্তর: ঘ. উপরোক্ত সব
পানিতে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের লবণ দ্রবীভূত থাকলে পানি খর বা কঠিন (Hard) হয়, ফলে সাবান সহজে ফেনা দেয় না। ক্যালসিয়াম বাইকার্বনেটজাত কঠিনতা সাময়িক কঠিনতা, যা ফুটালে দূর হয়। আর ক্যালসিয়াম সালফেট বা ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইডের কারণে স্থায়ী কঠিনতা হয়, যা ফুটিয়ে দূর হয় না। তিনটি লবণই কঠিনতা তৈরি করে, তাই সব কয়টিই সঠিক।
মনে রাখুন: পানির কঠিনতা মাপা হয় mg/L (CaCO₃ হিসেবে) এককে। - ১১৭. pH = 4 হলে ঐ পানির (H⁺) আয়নের পরিমাণ কত?
- ক. 10⁻¹² mol/L
- খ. 10⁻⁴ mol/L
- গ. 10¹² mol/L
- ঘ. 10⁴ mol/L
উত্তর: খ. 10⁻⁴ mol/L
pH হলো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম: pH = -log[H⁺]। তাই [H⁺] = 10^(-pH)। এখানে pH = 4 হলে [H⁺] = 10⁻⁴ mol/L। pH যত কম হয়, দ্রবণ তত বেশি অম্লীয় হয়, কারণ হাইড্রোজেন আয়ন বেশি থাকে।
মনে রাখুন:
pH এক একক কমলে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রা ১০ গুণ বাড়ে।
বিশুদ্ধ পানির pH = 7, যা নিরপেক্ষ। 7-এর কম হলে অম্লীয় আর বেশি হলে ক্ষারীয়। - ১১৮. বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ—
- ক. কম হয়
- খ. বেশি হয়
- গ. একই হয়
- ঘ. খুব কম হয়
উত্তর: ক. কম হয়
পাখার গতি কমাতে রেগুলেটর ব্যবহার করলে সার্কিটে রোধ বেড়ে যায়। রোধ বাড়লে মোটরের মধ্য দিয়ে কম তড়িৎ প্রবাহ চলে, ফলে ধীরে ঘোরা পাখা কম বিদ্যুৎ টানে। তবে সাধারণ রোধ-ধরনের রেগুলেটরে কিছু বিদ্যুৎ রোধে তাপ হয়ে নষ্ট হয়, তাই সাশ্রয় খুব বেশি হয় না। ‘খুব কম’ বলা তাই ঠিক নয়।
মনে রাখুন: আধুনিক ইলেকট্রনিক রেগুলেটরে এই অপচয় কম হয়, তাই ধীর গতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় বেশি হয়।
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন