প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উচ্চমান সহকারী/কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩। ৭০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. কোন বানানটি শুদ্ধ?
- ক. ভূমিষ্ট
- খ. ভুমিষ্ট
- গ. ভূমীষ্ট
- ঘ. ভূমিষ্ঠ
উত্তর: ঘ. ভূমিষ্ঠ
‘ভূমিষ্ঠ’ বানানটিই শুদ্ধ। শব্দটি এসেছে ‘ভূমি’ ও ‘স্থ’ থেকে। সংস্কৃত নিয়মে ‘স্থ’ পরে থাকলে আগের ধ্বনিটি মূর্ধন্য ‘ষ’ হয়ে যায় এবং ‘স্থ’ নিজে হয় ‘ষ্ঠ’। তাই ভূমি + স্থ = ভূমিষ্ঠ, অর্থাৎ যা ভূমিতে অবস্থিত বা সদ্য জন্ম নিয়েছে। বাকি তিনটি বানানে হয় হ্রস্ব-দীর্ঘ ‘ইকার-ঊকার’ ভুল, নয়তো ‘ষ্ঠ’-এর জায়গায় ‘ষ্ট’ লেখা হয়েছে, তাই সেগুলো অশুদ্ধ।
মনে রাখুন:
ট ও ঠ-এর আগে মূর্ধন্য ‘ষ’ বসে, যেমন কনিষ্ঠ, জ্যেষ্ঠ, অতিষ্ঠ, সৌষ্ঠব।
‘ভূমি’ শব্দে দীর্ঘ ঊকার হয়, ‘ভুমি’ লেখা ভুল। - ২. বিদেশি শব্দ নয় কোনটি?
- ক. গঞ্জ
- খ. চেয়ার
- গ. রেস্তোরাঁ
- ঘ. সাদা
উত্তর: ক. গঞ্জ
যেসব শব্দ আমাদের দেশের মাটিতে জন্ম নিয়েছে, অন্য কোনো বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি, তাদের দেশি শব্দ (Native word) বলে। পরীক্ষায় ‘গঞ্জ’ শব্দটিকে দেশি শব্দ ধরা হয়, কারণ নবাবগঞ্জ, হাটগঞ্জ বা গঞ্জের হাট-এর মতো করে আমরা এটি প্রতিদিনই ব্যবহার করি। বাকি তিনটি শব্দের উৎস স্পষ্টভাবে বিদেশি। ‘চেয়ার’ ইংরেজি, ‘রেস্তোরাঁ’ ফরাসি এবং ‘সাদা’ ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। তাই বিদেশি নয় এমন শব্দ খুঁজতে বললে আমরা গঞ্জকেই বেছে নিই। দেশি শব্দ সাধারণত গ্রামীণ জীবন, কৃষি ও ঘরকন্নার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।
মনে রাখুন:
বাংলা শব্দভাণ্ডারকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি।
দেশি শব্দ: ঢেঁকি, কুলা, চুলা, ডাব, টোপর, কুড়ি।
ফরাসি শব্দ: রেস্তোরাঁ, কার্তুজ, কূপন। - ৩. 'কলম' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- ক. ফারসি
- খ. ইংরেজি
- গ. আরবি
- ঘ. হিন্দি
উত্তর: গ. আরবি
‘কলম’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। আরবি ‘কলম’ শব্দের মূল অর্থ লেখার উপকরণ। মুসলিম শাসনের সময় ধর্ম, আইন, আদালত ও লেখাপড়ার সঙ্গে জড়িত অনেক আরবি শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে। অনেকে এটিকে ফারসি ভাবেন, কিন্তু ফারসি মাধ্যমে এলেও এর আসল উৎস আরবি। তাই বিদেশি শব্দের উৎস মনে রাখতে হলে শব্দটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, সেটিও খেয়াল করা ভালো।
মনে রাখুন:
আরবি শব্দ: আদালত, উকিল, হালাল, হারাম, যাকাত, নগদ, বাকি।
ফারসি শব্দ: চশমা, দোকান, নামাজ, খোদা।
ইংরেজি শব্দ: অফিস, টেবিল, চেয়ার।
পর্তুগিজ শব্দ: আলমারি, বালতি, চাবি, পেয়ারা। - ৪. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
- ক. ঝরাপালক
- খ. বনফুল
- গ. পূরবী
- ঘ. শ্যামলী
উত্তর: ক. ঝরাপালক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘বনফুল’, ‘পূরবী’ ও ‘শ্যামলী’ আছে। ‘বনফুল’ বের হয় ১৮৮০ সালে, ‘পূরবী’ ১৯২৫ সালে এবং ‘শ্যামলী’ ১৯৩৬ সালে। কিন্তু ‘ঝরাপালক’ রবীন্দ্রনাথের লেখা নয়। এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। এভাবে লেখকের নাম আর বইয়ের নাম একসঙ্গে মনে রাখলে এ ধরনের ‘নয় কোনটি’ প্রশ্নে ভুল হয় না।
মনে রাখুন:
জীবনানন্দ দাশের অন্য কাব্যগ্রন্থ: ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, রূপসী বাংলা।
রবীন্দ্রনাথের অন্য কাব্যগ্রন্থ: সোনার তরী, গীতাঞ্জলি, বলাকা।
রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র ইংরেজি রূপ Song Offerings-এর জন্য নোবেল পুরস্কার পান। - ৫. 'ঊর্ণনাভ' শব্দটি দিয়ে বুঝায়–
- ক. উইপোকা
- খ. মৌমাছি
- গ. মাকড়সা
- ঘ. তেলাপোকা
উত্তর: গ. মাকড়সা
‘ঊর্ণনাভ’ শব্দের অর্থ মাকড়সা। শব্দটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত। ‘ঊর্ণা’ মানে সুতো বা পশম, আর ‘নাভ’ মানে নাভি। মাকড়সা নিজের শরীর থেকে সুতো বের করে জাল বোনে, তাই এই নাম। উইপোকা, মৌমাছি বা তেলাপোকা কোনোটির সঙ্গেই এই অর্থের মিল নেই। এভাবে শব্দের অংশ ভেঙে অর্থ বুঝে নিলে সংস্কৃত থেকে আসা কঠিন শব্দও সহজে মনে থাকে। এই শব্দটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই একে তৎসম শব্দ বলা হয়।
মনে রাখুন:
মাকড়সার সমার্থক শব্দ: মাকড়, লূতা, তন্তুবায়।
মৌমাছির সমার্থক শব্দ: মধুকর, মধুপ, মধুমক্ষিকা। - ৬. 'Wisdom' শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ–
- ক. প্রজ্ঞা
- খ. বুদ্ধি
- গ. চালাক
- ঘ. জ্ঞান
উত্তর: ক. প্রজ্ঞা
ইংরেজি ‘Wisdom’ শব্দের সবচেয়ে সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ ‘প্রজ্ঞা’। প্রজ্ঞা মানে গভীর উপলব্ধি ও বিচারবুদ্ধি, যা শুধু তথ্য জানা থেকে আলাদা। অন্য অপশনের ‘জ্ঞান’ হলো Knowledge, ‘বুদ্ধি’ হলো Intelligence আর ‘চালাক’ হলো Clever। শব্দগুলোর অর্থ কাছাকাছি মনে হলেও পরিভাষা প্রশ্নে সূক্ষ্ম পার্থক্যটি আমাদের মনে রাখতে হয়। কারণ একটি ইংরেজি শব্দের জন্য পরীক্ষায় সাধারণত একটিই নির্দিষ্ট বাংলা পরিভাষা ধরা হয়। Wise মানে বিজ্ঞ বা প্রাজ্ঞ, আর Wisdom হলো তার বিশেষ্য রূপ।
মনে রাখুন:
Null and void – বাতিল।
Subconscious – অবচেতন।
Autonomous – স্বায়ত্তশাসিত।
Excise duty – আবগারি শুল্ক। - ৭. কোনটি 'ঘর' শব্দের সমার্থক শব্দ নয়?
- ক. নিকেতন
- খ. বিপণী
- গ. আলয়
- ঘ. ধাম
উত্তর: খ. বিপণী
‘ঘর’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো নিকেতন, আলয়, ধাম, গৃহ, আবাস, নিলয় ইত্যাদি। এগুলো সবই বাসস্থান বোঝায়। কিন্তু ‘বিপণী’ শব্দের অর্থ দোকান বা পণ্যশালা। সেখানে মানুষ বাস করে না, জিনিস কেনাবেচা হয়। তাই বিপণী ‘ঘর’-এর সমার্থক নয়। সমার্থক শব্দের প্রশ্নে আমরা সবসময় দেখি, শব্দগুলো একই ভাব প্রকাশ করছে কি না, শুধু চেহারা বা পরিচিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। ঘর, গৃহ, আলয়, নিকেতন ও ধাম শব্দগুলো আলাদা আলাদা ভঙ্গিতে ব্যবহার হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে, তাই এরা পরস্পরের সমার্থক।
মনে রাখুন:
বিপণীর সমার্থক শব্দ: দোকান, হাট, পণ্যশালা।
সূর্য: তপন, দিবাকর, অর্ক।
পাখি: বিহগ, বিহঙ্গ, পক্ষী। - ৮. ‘ইচ্ছা’ বিশেষ্যের বিশেষণ কোনটি নির্দেশ করে?
- ক. ঐচ্ছিক
- খ. ইচ্ছুক
- গ. ইচ্ছাময়
- ঘ. স্বেচ্ছা
উত্তর: ক. ঐচ্ছিক
ইচ্ছা + ইক প্রত্যয়ে প্রথম স্বর বৃদ্ধি পেয়ে ‘ঐচ্ছিক’ হয়, যা ব্যাকরণ বইয়ে ইচ্ছার বিশেষণ হিসেবে দেওয়া হয়। তবে ‘ইচ্ছুক’ ও ‘ইচ্ছাময়’-ও বিশেষণ, তাই প্রশ্নটি নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারে। - ৯. ‘বিচিত্র চিন্তা’ কী জাতীয় রচনা?
- ক. নাটক
- খ. উপন্যাস
- গ. ছোটগল্প
- ঘ. প্রবন্ধ
উত্তর: ঘ. প্রবন্ধ
‘বিচিত্র চিন্তা’ একটি প্রবন্ধ-গ্রন্থ। এর লেখক ড. আহমদ শরীফ, যিনি বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান গবেষক ও চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক। বইটি প্রথম প্রকাশ হয় ১৯৬৮ সালে। এতে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সমাজ নিয়ে লেখকের স্বাধীন চিন্তা তুলে ধরা হয়েছে। প্রবন্ধে কোনো বিষয়ের ওপর যুক্তি দিয়ে নিজের মত গুছিয়ে লেখা হয়, তাই এটি নাটক, উপন্যাস বা ছোটগল্পের মতো কাহিনীনির্ভর রচনা নয়। প্রবন্ধ হলো গদ্যে লেখা এমন রচনা, যাতে কোনো বিষয়ের ওপর লেখকের চিন্তা ও যুক্তি সাজিয়ে প্রকাশ করা হয়।
মনে রাখুন:
আহমদ শরীফের অন্য প্রবন্ধগ্রন্থ: স্বদেশ অন্বেষা, যুগ যন্ত্রণা, বিশ শতকে বাঙালি।
তাঁর আরেকটি পরিচিত বই ‘বাঙালি ও বাঙলা সাহিত্য’। - ১০. 'জিন-পরী' কোন শব্দযোগে সাধিত?
- ক. বিপরীতার্থক
- খ. সমার্থক
- গ. মিলনার্থক
- ঘ. বিরোধার্থক
উত্তর: গ. মিলনার্থক
‘জিন-পরী’ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ। এই সমাসে দুই বা তার বেশি পদ সমান গুরুত্ব নিয়ে পাশাপাশি বসে। জিন ও পরী দুটিই অলৌকিক সত্তা এবং একই ধরনের, তাই পদ দুটি একসঙ্গে মিলিত হওয়ার অর্থ প্রকাশ করছে। একে বলা হয় মিলনার্থক শব্দযোগ। এখানে দুটি শব্দ একে অন্যের উল্টো নয়, আবার একই অর্থেরও নয়, বরং এক শ্রেণির জিনিসকে একসঙ্গে বোঝাচ্ছে। মা-বাপ, মাসি-পিসি বা ভাই-বোনও একই ধরনের উদাহরণ।
মনে রাখুন:
বিপরীতার্থক: আয়-ব্যয়, জমা-খরচ, লাভ-লোকসান।
সমার্থক: হাট-বাজার, কল-কারখানা, খাতা-পত্র।
বিরোধার্থক: অহি-নকুল, দা-কুমড়া।
দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি পদই সমান গুরুত্ব পায়, আর ব্যাসবাক্যে ‘ও’ বা ‘এবং’ বসে। - ১১. বাক্যের মৌলিক উপাদান কোনটি?
- ক. বর্ণ
- খ. ধ্বনি
- গ. ভাষা
- ঘ. শব্দ
উত্তর: ঘ. শব্দ
আমরা কয়েকটি শব্দ পাশাপাশি বসিয়ে মনের ভাব পুরোপুরি প্রকাশ করলে তাকে বাক্য বলি। এভাবে ভাবলে বোঝা যায়, বাক্য গড়ার সবচেয়ে প্রধান ও মৌলিক উপাদান হলো শব্দ। ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, আর বর্ণ হলো সেই ধ্বনির লিখিত রূপ। এগুলো দিয়ে শব্দ গড়া হয়, কিন্তু সরাসরি বাক্যের উপাদান হয় শব্দ। ভাষা নিজে একটি বড় ব্যবস্থা, তাই সেটি বাক্যের উপাদান নয়, বরং বাক্য ও শব্দ দুটিই ভাষার অংশ।
মনে রাখুন:
ধ্বনি → বর্ণ → শব্দ → বাক্য, এই ক্রমে ভাষা বড় হয়।
সার্থক বাক্যে আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা, এই তিনটি গুণ থাকতে হয়। - ১২. 'যা বপন করা হয়েছে'– এক কথায় প্রকাশ হলো–
- ক. ব্যস্ত
- খ. উপ্ত
- গ. গুপ্ত
- ঘ. বর্ণিত
উত্তর: খ. উপ্ত
যা বপন করা হয়েছে, এক কথায় তাকে বলা হয় ‘উপ্ত’। ‘বপন’ ধাতুর সংস্কৃত রূপ ‘বপ্’ থেকে এই শব্দ এসেছে, যেমন ‘উপ্ত বীজ’ মানে বোনা হয়েছে এমন বীজ। অপশনের ‘গুপ্ত’ মানে গোপন রাখা হয়েছে এবং ‘বর্ণিত’ মানে বর্ণনা করা হয়েছে, তাই এ দুটি এখানে খাটে না। ‘ব্যস্ত’ মানে কাজে ব্যাপৃত, সেটিও বপনের অর্থ দেয় না। এক কথায় প্রকাশের প্রশ্নে অতীত কালের অর্থ বোঝাতে এ ধরনের ‘ত’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ অনেক আসে।
মনে রাখুন:
যা গোপন রাখা হয়েছে – গুপ্ত।
যা বর্ণনা করা হয়েছে – বর্ণিত।
যা বলা হয়েছে – উক্ত।
যা শোনা হয়েছে – শ্রুত। - ১৩. অনুসর্গ হলো এক ধরনের–
- ক. অব্যয়
- খ. ক্রিয়া
- গ. সর্বনাম
- ঘ. সমাপিকা ক্রিয়া
উত্তর: ক. অব্যয়
অনুসর্গ হলো এক ধরনের অব্যয়। যে অব্যয় শব্দ কখনো স্বাধীন পদ হিসেবে, আবার কখনো বিভক্তির মতো অন্য শব্দের পরে বসে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করে, তাকে অনুসর্গ (Postposition) বলে। যেমন ‘প্রতি’, ‘বিনা’, ‘দ্বারা’, ‘হতে’, ‘অবধি’ এসব অনুসর্গ। এগুলোর রূপ বদলায় না বলেই এরা অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত। ক্রিয়া বা সর্বনামের মতো এদের রূপ বচন বা পুরুষ অনুযায়ী বদলায় না।
উদাহরণ:
তোমার প্রতি আমার স্নেহ আছে।
ঢাকা হতে চট্টগ্রাম অনেক দূর।
মনে রাখুন: অব্যয়ের রূপ কখনো বদলায় না। সমুচ্চয়ী অব্যয় ও আবেগ শব্দও অব্যয়ের মধ্যে পড়ে। - ১৪. কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. গীতাঞ্জলি
- খ. মেঘনাদবধ কাব্য
- গ. ছায়ানট
- ঘ. সোজন বাদিয়ার ঘাট
উত্তর: গ. ছায়ানট
‘ছায়ানট’ কাজী নজরুল ইসলামের একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। এতে বিজয়িনী, চৈতী হাওয়া ও পলাতকার মতো কবিতা আছে। বাকি তিনটি অন্য কবির রচনা। ‘গীতাঞ্জলি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের, ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের এবং ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ জসীমউদ্দীনের। কবি ও তাঁর রচনা মেলানোর প্রশ্নে এভাবে প্রতিটি অপশনের লেখক জানা থাকলে উত্তর বের করা সহজ হয়।
মনে রাখুন:
নজরুলের অন্য কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা (১৯২২), দোলনচাঁপা, সর্বহারা, ফণিমনসা।
গীতাঞ্জলি ১৯১০, মেঘনাদবধ কাব্য ১৮৬১, সোজন বাদিয়ার ঘাট ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত।
নজরুলের বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থে আছে। - ১৫. 'কুহক'-এর স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
- ক. কুহকিনী
- খ. কুহকীনি
- গ. কুহকী
- ঘ. কুহকি
উত্তর: ক. কুহকিনী
পুরুষবাচক ‘কুহক’ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ ‘কুহকিনী’। কুহক শব্দের মূলে ‘কুহকিন্’ রূপটি আছে, আর স্ত্রীবাচক রূপ বানাতে শব্দের শেষে ‘ইনী’ বসে। তাই কুহক + ইনী = কুহকিনী। বাকি তিনটি রূপে বানান বা প্রত্যয়ের ভুল আছে। যে শব্দের শেষে ‘ঈ’ বা ‘ই’-কারান্ত রূপ থাকে, সেসব শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ করতে গেলে সাধারণত ‘ইনী’ যুক্ত হয়, আর তখন আগের ‘ঈ’ হ্রস্ব ‘ই’ হয়ে যায়। কুহক মানে মায়া বা ইন্দ্রজাল, আর কুহকিনী মানে মায়াবিনী নারী।
উদাহরণ:
যোগী – যোগিনী
মায়াবী – মায়াবিনী
দুঃখী – দুঃখিনী
তেজস্বী – তেজস্বিনী - ১৬. দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনি কোনটি?
- ক. ধ
- খ. ফ
- গ. জ
- ঘ. স
উত্তর: ঘ. স
মুখের ভেতরে যে ধ্বনিগুলো জিভের সামনের অংশ উপরের দাঁতের গোড়ার দিকের মাড়ির অংশ ছুঁয়ে উচ্চারিত হয়, তাকে দন্তমূলীয় ধ্বনি বলে। বাংলায় ‘ন, র, ল, স’ দন্তমূলীয়। ‘ধ’ উচ্চারণ করতে জিভ দাঁত স্পর্শ করে, তাই সেটি দন্ত্য ধ্বনি। ‘ফ’ ঠোঁটের সাহায্যে হয়, তাই ওষ্ঠ্য। ‘জ’ তালুর সাহায্যে হয়, তাই তালব্য। উচ্চারণস্থান ধরে ধ্বনি চিনতে পারলে এই ধরনের প্রশ্নে আর ভুল হয় না।
মনে রাখুন:
দন্ত্য ধ্বনি: ত, থ, দ, ধ।
ওষ্ঠ্য ধ্বনি: প, ফ, ব, ভ, ম।
কণ্ঠ্য ধ্বনি: ক, খ, গ, ঘ।
মূর্ধন্য ধ্বনি: ট, ঠ, ড, ঢ। - ১৭. কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
- ক. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
- খ. একাত্তরের দিনগুলি
- গ. চিলেকোঠার সেপাই
- ঘ. আগুনের পরশমণি
উত্তর: ঘ. আগুনের পরশমণি
প্রশ্নে দুটি শর্ত আছে। প্রথমত, রচনাটি উপন্যাস হতে হবে, দ্বিতীয়ত, তার পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ হতে হবে। ‘আগুনের পরশমণি’ হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস এবং এর কাহিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের, তাই দুটি শর্তই মেলে। এটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্য তিনটি আলাদা ধরনের রচনা। ‘চিলেকোঠার সেপাই’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস, তবে এর পটভূমি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান। ‘একাত্তরের দিনগুলি’ জাহানারা ইমামের লেখা স্মৃতিকথা, উপন্যাস নয়। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের নাট্যকাব্য, তাই এটিও উপন্যাস নয়।
মনে রাখুন:
প্রশ্নে বলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, তাই উপন্যাস হওয়া এবং পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ হওয়া, দুটিই মিলতে হবে।
হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও উপন্যাস ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ ও ‘১৯৭১’। - ১৮. 'বড়র পিরীতি বালির বাঁধ' বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে–
- ক. ভঙ্গুর
- খ. চাপের মুখে ভেঙ্গে যায়
- গ. একতরফা
- ঘ. কোনো বাধ্যবাধকতা নাই
উত্তর: ক. ভঙ্গুর
‘বড়র পিরীতি বালির বাঁধ’ প্রবাদটির অর্থ হলো ভঙ্গুর বা ক্ষণস্থায়ী সম্পর্ক। বালি দিয়ে বাঁধ দিলে সামান্য ঢেউ বা চাপে তা ভেঙে যায়। তেমনি ক্ষমতাবান বা বড় মানুষের ভালোবাসা স্বার্থের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তাই স্বার্থ ফুরোলে সম্পর্কও আর টেকে না। অন্য অপশনগুলো ঠিক এই ভাবটি পুরোপুরি প্রকাশ করে না। উক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের।
মনে রাখুন:
ভারতচন্দ্রের উপাধি ‘রায়গুণাকর’, তিনি অন্নদামঙ্গলের কবি।
তিনি নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন এবং মধ্যযুগের শেষ বড় কবি হিসেবে পরিচিত।
প্রবাদ বা বাগধারার অর্থ সরাসরি শব্দ থেকে নয়, ভাব থেকে বুঝতে হয়। - ১৯. 'বন্য' শব্দের চলিত রূপ কোনটি?
- ক. বনানী
- খ. বুনো
- গ. বন
- ঘ. বুন
উত্তর: খ. বুনো
সাধু ভাষার ‘বন্য’ শব্দের চলিত রূপ ‘বুনো’। সাধু ও চলিত রূপে অনেক শব্দের আকার বদলে যায়, বিশেষ করে শব্দের আদিতে বা শেষে স্বরধ্বনির পরিবর্তন হয়। বন্য মানে বনে জন্মায় এমন, আর ‘বুনো’ শব্দটিও একই অর্থে চলিত ভাষায় ব্যবহৃত হয়, যেমন বুনো হাঁস। ‘বনানী’ মানে বড় বন, আর ‘বন’ মানে অরণ্য, তাই এ দুটি ‘বন্য’-এর চলিত রূপ নয়।
উদাহরণ:
তুলা – তুলো
হস্ত – হাত
গৃহ – ঘর
জুতা – জুতো
মনে রাখুন: সাধু ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়ার রূপ বড় হয়, যেমন তাহারা, করিতেছে। চলিত ভাষায় সেগুলো ছোট হয়, যেমন তারা, করছে। - ২০. নিচের কোনটি একবচনের উদাহরণ?
- ক. শিক্ষক পড়াচ্ছেন
- খ. মানুষ মরণশীল
- গ. লোকে বলে
- ঘ. রচনাবলি দিও
উত্তর: ক. শিক্ষক পড়াচ্ছেন
একবচন বোঝায় একজন বা একটি জিনিস। ‘শিক্ষক পড়াচ্ছেন’ বাক্যে একজন শিক্ষকের কথা বলা হয়েছে, তাই এটি একবচন। যদিও ‘পড়াচ্ছেন’ ক্রিয়াটি সম্মানে লেখা, এতে সংখ্যা বদলায় না। ‘মানুষ মরণশীল’-এ মানুষ বলতে সব মানুষকে বোঝায়। ‘লোকে বলে’-তে অনেক লোক এবং ‘রচনাবলি’-তে অনেক রচনা একসঙ্গে আছে, তাই এগুলো বহুবচন। সম্মানসূচক ক্রিয়া দেখে আমরা অনেক সময় ভুল করে বহুবচন ভাবি, তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়।
মনে রাখুন:
বহুবচন বোঝাতে রা, এরা, গণ, বৃন্দ, সমূহ, গুলি ইত্যাদি যুক্ত হয়।
উদাহরণ: ছাত্রগণ, শিক্ষকবৃন্দ, বইগুলি।
একজন ব্যক্তিকে সম্মান জানাতে ‘তিনি’ বা ‘আপনি’ ব্যবহার করলেও সংখ্যা একবচনই থাকে।
ইংরেজি
- ২১. 'Botany' is to 'Plants' as 'Zoology' is to —
- ক. Flowers
- খ. Trees
- গ. Dear
- ঘ. Animals
উত্তর: ঘ. Animals
এখানে একটি সম্পর্ক দেখানো হয়েছে। উদ্ভিদবিদ্যা (Botany) পড়ায় উদ্ভিদ (Plants) নিয়ে, তেমনি প্রাণিবিদ্যা (Zoology) আলোচনা করে প্রাণী (Animals) নিয়ে। তাই ফাঁকা জায়গায় Animals বসবে। Flowers বা Trees আসলে উদ্ভিদেরই অংশ, তাই সেগুলো Zoology-র বিষয় নয়। আর Dear শব্দের অর্থ প্রিয়, যা এখানে বিষয়ের নাম হিসেবে খাটে না। এ ধরনের analogy প্রশ্নে আগে প্রথম জোড়ার সম্পর্কটি পরিষ্কার করে নিলে দ্বিতীয় জোড়া সহজেই মেলে।
মনে রাখুন:
Ornithology – পাখি বিষয়ক বিজ্ঞান।
Entomology – পোকামাকড় বিষয়ক বিজ্ঞান।
Geology – ভূবিজ্ঞান।
Botany-র জনক Theophrastus এবং Zoology-র জনক Aristotle। - ২২. Choose the correct sentence :
- ক. It is I who is to blame.
- খ. It is I who am to blame.
- গ. It is I who are to blame.
- ঘ. It is me who are to blame.
উত্তর: খ. It is I who am to blame.
Who বা which-এর আগে personal pronoun থাকলে verb সেই pronoun-এর person ও number অনুযায়ী হয়। এখানে ‘I’ হলো first person singular, তাই verb হবে ‘am’। সঠিক বাক্য হলো It is I who am to blame. ‘is’ বা ‘are’ বসালে I-এর সঙ্গে মেলে না। শেষ অপশনে ‘me’ ভুল, কারণ ‘It is’-এর পরে নিয়মমতো subjective form ‘I’ বসে। আমরা দৈনন্দিন কথায় ‘It is me’ বলি বটে, কিন্তু পরীক্ষায় standard নিয়মই ধরা হয়।
উদাহরণ:
It is you who are wrong.
It is he who is responsible.
It is we who are late. - ২৩. What is the synonym of 'competent'?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. Circumspect
- খ. Discrete
- গ. Capable
- ঘ. Prudent
উত্তর: গ. Capable
Competent শব্দের অর্থ যোগ্য বা দক্ষ। এর সবচেয়ে কাছের অর্থ হলো Capable, মানে সামর্থ্যবান। অন্য অপশনে Circumspect মানে সতর্ক, Discrete মানে স্বতন্ত্র বা আলাদা, আর Prudent মানে বিচক্ষণ। Discrete ও Discreet (সতর্ক, সংযমী) বানানের পার্থক্য নিয়ে অনেকে ভুল করে। দুটি শব্দের উচ্চারণ এক, কিন্তু অর্থ একেবারে আলাদা।
উদাহরণ: She is a competent teacher, so students like her.
মনে রাখুন:
Competent-এর বিপরীত শব্দ Incompetent (অযোগ্য)।
Competent-এর বিশেষ্য Competence (যোগ্যতা)।
Capable-এর বিশেষ্য Capability (সামর্থ্য)।
Able, Skilled ও Proficient-ও Competent-এর কাছাকাছি অর্থ বোঝায়। - ২৪. Who is known as 'the poet of nature' in English literature?
- ক. Lord Tennyson
- খ. John Milton
- গ. William Wordsworth
- ঘ. John Keats
উত্তর: গ. William Wordsworth
William Wordsworth ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের কবি। তিনি প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মানুষের মনের সম্পর্ক নিয়ে কবিতা লিখেছেন, তাই তাঁকে ‘Poet of Nature’ বলা হয়। অন্য কবিরা অন্য পরিচয়ে বিখ্যাত। Milton লিখেছেন Paradise Lost, Tennyson ভিক্টোরীয় যুগের কবি এবং Keats কে বলা হয় সৌন্দর্যের কবি। প্রশ্নে কবির উপাধি জানতে চাইলে তাঁর কবিতার মূল বিষয় মনে রাখলে উত্তর মেলে।
মনে রাখুন:
Wordsworth-এর বিখ্যাত কবিতা Daffodils, Tintern Abbey, The Prelude।
Lyrical Ballads (১৭৯৮) তিনি Coleridge-এর সঙ্গে লিখেছেন।
Keats-এর বিখ্যাত কবিতা Ode to a Nightingale ও Ode on a Grecian Urn।
Milton-এর মহাকাব্য Paradise Lost ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত হয়। - ২৫. The meaning of 'Crying need' is —
- ক. Useful
- খ. Very favorite
- গ. Urgent need
- ঘ. Valuable
উত্তর: গ. Urgent need
Crying need একটি idiom, যার অর্থ জরুরি বা অত্যন্ত প্রয়োজন। ইংরেজিতে ‘a crying need for something’ বলতে এমন প্রয়োজন বোঝায়, যা এখনই মেটানো দরকার। তাই Urgent need সঠিক। Useful মানে কাজের, Valuable মানে মূল্যবান, কিন্তু এদের কোনোটিই জরুরি প্রয়োজন বোঝায় না। Idiom-এর অর্থ শব্দে শব্দে ভাঙলে পাওয়া যায় না, পুরো বাক্যাংশটি একসঙ্গে মনে রাখতে হয়। Crying-এর আক্ষরিক অর্থ কান্না, কিন্তু এখানে তা চিৎকার করে জানান দেওয়ার মতো জরুরি অবস্থা বোঝায়।
উদাহরণ:
There is a crying need for clean water in the village.
মনে রাখুন: Crying shame মানে অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। - ২৬. Put the correct article. He is — university student.
- ক. an
- খ. a
- গ. the
- ঘ. that
উত্তর: খ. a
Article কোন বর্ণের আগে বসবে, তা নির্ভর করে শব্দের লিখিত রূপের ওপর নয়, উচ্চারণের ওপর। ‘University’ লেখা হয় ‘u’ দিয়ে, কিন্তু উচ্চারণ শুরু হয় ‘ইউ’ (/juː/) ধ্বনি দিয়ে, যা ব্যঞ্জনধ্বনির মতো কাজ করে। তাই an নয়, a বসে: He is a university student. স্বরবর্ণ দেখে তাড়াহুড়ো করে an বসালে এখানে ভুল হয়।
মনে রাখুন:
a one-eyed man, a European, a unit – এগুলোতেও a বসে।
an hour, an honest man – এখানে h নীরব, তাই an।
an MP, an SSC examinee – প্রথম অক্ষরের উচ্চারণ স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু হয় বলে an। - ২৭. Smoking — our health.
- ক. effect
- খ. affect
- গ. affects
- ঘ. affecting
উত্তর: গ. affects
Smoking একটি gerund, যা এখানে subject হিসেবে এসেছে। এই subject তৃতীয় পুরুষ ও একবচন, আর বাক্যটি সাধারণ সত্যের কথা বলে, তাই present indefinite tense ব্যবহার হবে। তৃতীয় পুরুষ একবচনে verb-এর সঙ্গে s/es যুক্ত হয়, ফলে affects বসবে। Affect একটি verb, যার অর্থ প্রভাব ফেলা। অন্যদিকে effect একটি noun, যার অর্থ ফল বা প্রভাব। দুটি শব্দ দেখতে প্রায় এক, তাই বাক্যে কোন পদ দরকার তা আগে ঠিক করে নিতে হয়।
উদাহরণ:
Smoking affects our health.
Smoking has a bad effect on health. - ২৮. He studies Bangla — Dhaka University.
- ক. in
- খ. of
- গ. at
- ঘ. into
উত্তর: গ. at
কোনো প্রতিষ্ঠানে বা নির্দিষ্ট স্থানে পড়াশোনা বোঝাতে ‘at’ preposition বসে। তাই He studies Bangla at Dhaka University. ‘in’ সাধারণত বড় জায়গা বা শহরের নামের আগে বসে, যেমন in Dhaka। ‘of’ ও ‘into’ এখানে অর্থ প্রকাশ করে না, কারণ ‘of’ সম্পর্ক বা মালিকানা এবং ‘into’ ভেতরে প্রবেশের গতি বোঝায়। এভাবে বসে থাকা বা কাজ করার জায়গা যখন একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান, তখন at-ই স্বাভাবিক।
উদাহরণ:
She studies at a college.
He works at a bank.
মনে রাখুন: He lives in Dhaka. কিন্তু He is waiting at the bus stop. - ২৯. The word 'sibling' means —
- ক. a brother
- খ. a son
- গ. a brother or sister
- ঘ. a son or daughter
উত্তর: গ. a brother or sister
Sibling শব্দের অর্থ ভাই অথবা বোন, অর্থাৎ একই মা-বাবার সন্তান। শব্দটি লিঙ্গনিরপেক্ষ, তাই ভাই ও বোন দুজনকেই বোঝায়। ‘Brother’ শুধু ভাই, আর ‘a son or daughter’ হলো সন্তান (child)। ‘Son’ বলতে শুধু ছেলে বোঝায়, তাই এটিও সঠিক উত্তর নয়। পরীক্ষায় এ ধরনের শব্দ এক কথায় প্রকাশ বা অর্থ জানার প্রশ্নে আসে। Brother ও Sister আলাদা করে বললে লিঙ্গ বোঝা যায়, কিন্তু Sibling বললে বোঝা যায় না, আর সেই কারণেই শব্দটি এত দরকারি।
উদাহরণ: She has two siblings, one brother and one sister.
মনে রাখুন: Sibling-এর মতো লিঙ্গনিরপেক্ষ শব্দ Spouse (স্বামী বা স্ত্রী) এবং Parent। - ৩০. Who, which, what are —
- ক. Demonstrative pronoun
- খ. Relative pronoun
- গ. Reflexive pronoun
- ঘ. Indefinite pronoun
উত্তর: খ. Relative pronoun
Who, which, that এরা Relative pronoun, কারণ এরা আগের কোনো noun বা pronoun (antecedent)-এর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে একটি clause জুড়ে দেয়। যেমন The man who came here is my uncle. এখানে who আগের ‘man’-এর সঙ্গে সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। Demonstrative pronoun হলো this, that, Reflexive হলো myself, himself ইত্যাদি, আর Indefinite হলো some, any। এই চারটি ভাগ মনে থাকলে অপশন দেখেই ভুলগুলো বাদ দেওয়া যায়।
মনে রাখুন:
প্রশ্নবোধক বাক্যে who, which, what কাজ করে Interrogative pronoun-এর মতো।
What কখনো কখনো নিজেই antecedent ও relative pronoun দুটির কাজ করে, যেমন I know what you want. - ৩১. Do it at once এর passive voice হবে–
- ক. Let it be done at once.
- খ. Let it at once done.
- গ. Let it be at once done.
- ঘ. Let it done at once.
উত্তর: ক. Let it be done at once.
Imperative বাক্যকে passive করতে Let + object + be + past participle + বাকি অংশ বসাতে হয়। ‘Do it at once’ এর active রূপে ‘it’ হলো object, তাই passive-এ হবে Let it be done at once. অন্য অপশনে ‘be’ নেই বা শব্দক্রম ভুল, তাই সেগুলো ঠিক নয়। Imperative বাক্য আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায়, আর তার passive-এ ‘let’ দিয়েই সেই ভাবটি ধরে রাখা হয়।
উদাহরণ:
Open the door. → Let the door be opened.
Finish the work. → Let the work be finished.
মনে রাখুন: নিষেধের বাক্যে Do not থাকলে passive-এ Let not … be … হয়। - ৩২. This balm has lessened your pain, —?
- ক. doesn't it?
- খ. hasn't it?
- গ. will it?
- ঘ. won't it?
উত্তর: খ. hasn't it?
Tag question বানানোর নিয়ম হলো মূল বাক্য affirmative হলে tag হবে negative, আর মূল বাক্য negative হলে tag হবে affirmative। এখানে ‘This balm has lessened your pain’ বাক্যটি affirmative, এবং এর auxiliary verb হলো ‘has’। তাই tag-এও ‘has’ থাকবে, কিন্তু negative আকারে, অর্থাৎ hasn’t it? Subject ‘balm’ জড়বস্তু, তাই tag-এ pronoun হিসেবে ‘it’ বসেছে। আর বাক্যে যেহেতু ‘has’ আছে, তাই doesn’t বসানো ঠিক হবে না।
উদাহরণ:
She is late, isn’t she?
He doesn’t smoke, does he?
They have come, haven’t they?
মনে রাখুন: Let’s-এর tag হয় shall we? আর Imperative বাক্যের tag সাধারণত will you? - ৩৩. Correct spelling is—
- ক. Questionnare
- খ. Questionneire
- গ. Questionere
- ঘ. Questionnaire
উত্তর: ঘ. Questionnaire
প্রশ্নাবলি অর্থে শুদ্ধ বানান হলো Questionnaire। শব্দটি ফরাসি থেকে ইংরেজিতে এসেছে। এতে ‘nn’ আছে এবং শেষে ‘aire’ আছে। এই বানানে ভুল করা খুব সহজ, তাই আমরা শব্দটিকে দুই ভাগে মনে রাখতে পারি: Question + naire। অন্য অপশনগুলোতে হয় একটি ‘n’ কম আছে, নয়তো শেষের অংশ ভুল লেখা হয়েছে। Questionnaire মানে হলো কোনো জরিপ বা তথ্য সংগ্রহের জন্য সাজানো প্রশ্নের তালিকা।
উদাহরণ: Please fill in the questionnaire carefully.
মনে রাখুন: এ ধরনের কঠিন বানান: Millionaire, Maintenance, Necessary, Occurrence।
শেষের ‘aire’ অংশ ফরাসি থেকে এসেছে, ঠিক Millionaire শব্দের মতো। - ৩৪. I wish you — the problem.আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ২৮১৫) ২০১৯
- ক. have solve
- খ. shall solve
- গ. could solve
- ঘ. can solve
উত্তর: গ. could solve
I wish দিয়ে এমন ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়, যা বর্তমানে বাস্তবে ঘটছে না। এর গঠন Subject + wish + subject + could/would/past verb। এখানে ‘I wish you could solve the problem’ বলতে বোঝায়, আমি চাই আপনি সমস্যাটির সমাধান করতে পারতেন, কিন্তু এখন পারছেন না। Shall বা can বসালে এই অবাস্তব ভাবটি থাকে না। ‘have solve’ ব্যাকরণগতভাবেও ভুল, কারণ have-এর পরে past participle লাগে। তাই এখানে could solve-ই সঠিক।
উদাহরণ:
I wish I were a bird.
I wish I could fly.
মনে রাখুন: I wish-এর পরে to be verb হলে সব person-এ সাধারণত were বসে। - ৩৫. 'Camouflage' means—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
- ক. Hide
- খ. Disguise
- গ. Cover
- ঘ. None of above
উত্তর: খ. Disguise
Camouflage শব্দের অর্থ ছদ্মবেশ। পরিবেশের সঙ্গে মিশে যাওয়ার জন্য যে রং বা আবরণ ব্যবহার করা হয়, তাকে camouflage বলে। যেমন গিরগিটি পরিবেশের রঙে নিজেকে মিলিয়ে নেয়। অপশনের মধ্যে Disguise মানে ছদ্মবেশ, তাই এটাই সবচেয়ে কাছের। Hide মানে লুকানো, আর Cover মানে ঢেকে দেওয়া বা আবরণ। এই দুটি শব্দ আংশিক মিলে গেলেও ছদ্মবেশের পুরো ভাবটি দেয় না। সৈনিকরা যুদ্ধের সময় যে সবুজ-বাদামি পোশাক পরে, সেটিও camouflage।
উদাহরণ: The soldier wore a camouflage uniform in the forest.
মনে রাখুন: Disguise, Mask, Guise – এগুলো প্রায় একই ধরনের শব্দ। - ৩৬. Which two cities are referred in 'A Tale of Two Cities'.
- ক. Paris and Mexico City
- খ. London and Rome
- গ. Paris and Athens
- ঘ. London and Paris
উত্তর: ঘ. London and Paris
‘A Tale of Two Cities’ চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। ফরাসি বিপ্লবের সময় ঘটনাগুলো লন্ডন ও প্যারিস, এই দুটি শহরে ঘটে। উপন্যাসের নামের দুটি শহর বলতে এই দুই শহরকেই বোঝানো হয়েছে। তাই অন্য অপশনের রোম, এথেন্স বা মেক্সিকো সিটি এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। চার্লস ডিকেন্স ভিক্টোরীয় যুগের একজন প্রধান ঔপন্যাসিক, যিনি সমাজের দরিদ্র মানুষের কষ্ট তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন।
মনে রাখুন:
ডিকেন্সের অন্য উপন্যাস: Oliver Twist, David Copperfield, Great Expectations, Hard Times।
উপন্যাসের বিখ্যাত প্রথম লাইন: ‘It was the best of times, it was the worst of times’। - ৩৭. The price of rice is—
- ক. rising
- খ. raising
- গ. risen
- ঘ. raised
উত্তর: ক. rising
বাক্যে ‘is’ আছে, অর্থাৎ বর্তমানে চলমান একটি পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে। Present continuous tense-এর গঠন হলো is/am/are + verb-এর সঙ্গে ing। ‘Rise’ হলো intransitive verb, যার অর্থ ওঠা বা বাড়া। এর পরে কোনো object লাগে না, তাই rising বসবে। ‘Raise’ হলো transitive verb, যার পরে object লাগে, আর এর অর্থ তোলা বা বাড়ানো। Risen বা raised বসালে ‘is’-এর সঙ্গে বাক্যটি passive বা perfect রূপ পেত, যা এখানে প্রয়োজন নয়।
উদাহরণ: He raised his hand.
মনে রাখুন:
Rise – Rose – Risen।
Raise – Raised – Raised। - ৩৮. A remedy for all diseases —.আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (২য় ধাপ) ২০২২
- ক. Drug
- খ. Antiseptic
- গ. Panacea
- ঘ. Cure
উত্তর: গ. Panacea
Panacea মানে সব রোগের ওষুধ, বা সব সমস্যার একটাই সমাধান। এই শব্দ দিয়ে এমন কোনো কল্পিত ওষুধ বা উপায় বোঝানো হয়, যা সব সমস্যার সমাধান করে দেয়। Paranormal মানে প্রাকৃতিক নিয়মের বাইরের, Oxymoron মানে পরস্পরবিরোধী শব্দ জুড়ে বলা, Omnibus মানে নানা বিষয়ের সংকলন।
উদাহরণ: Oxymoron-এর দৃষ্টান্ত deafening silence।
মনে রাখুন: Panacea শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে, যার অর্থ ‘সবকিছু সারায়’। - ৩৯. 'Justice delayed is justice denied' was stated by —আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর ২০১৬
- ক. Disraeli
- খ. Gladstone
- গ. Emerson
- ঘ. Shakespeare
উত্তর: খ. Gladstone
‘Justice delayed is justice denied’ বা ন্যায়বিচারে দেরি হওয়া মানে ন্যায়বিচার না পাওয়া, এই বিখ্যাত উক্তিটি ইংরেজ প্রধানমন্ত্রী William Ewart Gladstone-এর বলে সাধারণত উল্লেখ করা হয়। এই কথার মূল ভাবনা হলো বিচারে অকারণ বিলম্ব ঘটলে মানুষ তার প্রাপ্য ন্যায় থেকে বঞ্চিত হয়। তাই আদালতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি। অন্য অপশনের Disraeli ছিলেন Gladstone-এর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধানমন্ত্রী, Emerson আমেরিকান লেখক এবং Shakespeare নাট্যকার।
মনে রাখুন:
Gladstone ভিক্টোরীয় যুগে চারবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
তিনি Liberal Party-র নেতা ছিলেন।
Gladstone-এর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন Benjamin Disraeli। - ৪০. 'Once in a blue moon' means—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. always
- খ. very rarely
- গ. nearly
- ঘ. hourly
উত্তর: খ. very rarely
সঠিক idiom হলো Once in a blue moon, যার অর্থ খুবই কদাচিৎ, অর্থাৎ এমন কিছু যা প্রায় ঘটেই না। এর কাছাকাছি অর্থ very rarely। বাকিগুলোর অর্থ: always মানে সবসময়, nearly মানে প্রায় আর hourly মানে প্রতি ঘণ্টায়।
উদাহরণ: He visits his village once in a blue moon.
মনে রাখুন: Every now and then মানে মাঝেমধ্যে, আর hardly ever মানে প্রায় কখনোই না।
বাংলাদেশ
- ৪১. শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয়–আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. ১৯ মার্চ, ১৯৬৯
- খ. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
- গ. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
- ঘ. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
উত্তর: ঘ. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পান। এর পরদিন, অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি, রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেই সভায় তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ তাঁকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেন। এর পর থেকেই তিনি এই নামে সারা দেশের মানুষের কাছে পরিচিত হন।
মনে রাখুন:
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে এই উপাধি দেওয়া হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ছয় দফা দাবি পেশ করেন।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের দিন, আর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস। - ৪২. প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী বাংলাদেশী নারী কে?
- ক. শারমিন সুলতানা শিরিন
- খ. জান্নাতুল ফেরদৌস
- গ. নিশাত মজুমদার
- ঘ. ওয়াসফিয়া নাজরীন
উত্তর: গ. নিশাত মজুমদার
নিশাত মজুমদার ২০১২ সালের ১৯ মে এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এই কীর্তি গড়েন। এর কয়েক দিন পরে, ২৬ মে ওয়াসফিয়া নাজরীন এভারেস্ট জয় করেন, তাই তিনি দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী। বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে। দুই নারী পর্বতারোহীর নাম কাছাকাছি সময়ে আসে বলে ক্রমটি আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
এভারেস্ট বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, উচ্চতা প্রায় ৮৮৪৯ মিটার।
এটি নেপাল ও চীনের সীমান্তে হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত।
১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন। - ৪৩. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কতটি তারকা চিহ্ন রয়েছে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. ৩টি
- খ. ২টি
- গ. ৪টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: গ. ৪টি
বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রামে লাল বৃত্তের ভেতরে হলুদ রঙে বাংলাদেশের মানচিত্র আছে। বৃত্তের ওপরে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ আর নিচে ‘সরকার’ লেখা থাকে। মানচিত্রের দুই পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা আছে। সরকারি চিঠিপত্র ও দলিলে এই মনোগ্রামটি ব্যবহার করা হয়। মনোগ্রাম আর জাতীয় প্রতীক একই জিনিস নয়, তাই দুটির নকশা আলাদা করে মনে রাখা ভালো।
মনে রাখুন:
জাতীয় প্রতীকে পানিতে ভাসমান শাপলা, দুই পাশে ধানের শীষ, উপরে পাটগাছের তিনটি পাতা ও তারকা রয়েছে।
শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ জমিনের মাঝখানে লাল বৃত্ত। - ৪৫. বাংলাদেশ কততম নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশ?
- ক. ৫৫তম
- খ. ৫৬তম
- গ. ৫৭তম
- ঘ. ৫৮তম
উত্তর: গ. ৫৭তম
২০১৮ সালের ১১ মে (বাংলাদেশ সময় ১২ মে) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপণ করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশ নিজস্ব স্যাটেলাইট থাকা বিশ্বের ৫৭তম দেশ হয়। এই স্যাটেলাইট টেলিভিশন সম্প্রচার, ইন্টারনেট ও যোগাযোগ সেবায় ব্যবহৃত হয়, আর এর পরিচালনার দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড। স্যাটেলাইটের নাম রাখা হয়েছে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের নামে, আর এটি একটি জিওস্টেশনারি যোগাযোগ উপগ্রহ।
মনে রাখুন:
স্যাটেলাইটটি তৈরি করেছে ফ্রান্সের থ্যালিস অ্যালেনিয়া স্পেস।
গাজীপুরের জয়দেবপুর ও রাঙামাটির বেতবুনিয়ায় এর গ্রাউন্ড স্টেশন আছে।
স্যাটেলাইটটি ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশের কক্ষপথে বসানো হয়েছে। - ৫০. 'ব্লু-ইকোনমি' কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
- ক. বনজ অর্থনীতি
- খ. সমুদ্র অর্থনীতি
- গ. খনিজ অর্থনীতি
- ঘ. ব্যষ্টিক অর্থনীতি
উত্তর: খ. সমুদ্র অর্থনীতি
ব্লু-ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি (Blue Economy) হলো সমুদ্র ও সামুদ্রিক সম্পদকে টেকসইভাবে ব্যবহার করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো। এতে মাছ ধরা, সমুদ্র থেকে খনিজ ও জ্বালানি আহরণ, সমুদ্রপথে বাণিজ্য, পর্যটন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। ধারণাটির সঙ্গে গুন্টার পাউলির নাম জড়িয়ে আছে। বনজ অর্থনীতি বা খনিজ অর্থনীতি সরাসরি সমুদ্রের কথা বলে না। আর ব্যষ্টিক অর্থনীতি হলো অর্থনীতির একটি শাখা, যার সঙ্গে সমুদ্রের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
এরপর বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবহারের পথ খুলে যায়।
আন্তর্জাতিক
- ৪৪. 'আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস' কবে?
- ক. ১৮ ডিসেম্বর
- খ. ৩ ডিসেম্বর
- গ. ৫ জুন
- ঘ. ১৫ জুন
উত্তর: ক. ১৮ ডিসেম্বর
প্রতিবছর ১৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর সিদ্ধান্ত নেয় যে বিশ্বজুড়ে এই দিনটি পালন করা হবে। দেশ ছেড়ে অন্য দেশে কাজ বা জীবিকার জন্য যাওয়া মানুষের অধিকার ও অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়াই এর উদ্দেশ্য। ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস, তাই সেটি এখানে সঠিক নয়।
মনে রাখুন:
অভিবাসী কর্মীদের অধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের কনভেনশন ১৯৯০ সালে গৃহীত।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে এ বিষয়ে কাজ করে। - ৪৮. 'কিয়োটো প্রটোকল' কীসের সাথে সম্পর্কিত?
- ক. শান্তি
- খ. বাণিজ্য
- গ. কৃষি
- ঘ. পরিবেশ
উত্তর: ঘ. পরিবেশ
কিয়োটো প্রটোকল পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। শিল্পোন্নত দেশগুলো কলকারখানা থেকে প্রচুর গ্রিনহাউস গ্যাস ছাড়ে, যার ফলে বিশ্ব উষ্ণ হয়ে উঠছে। এই চুক্তির মাধ্যমে ওই দেশগুলো গ্যাস নির্গমন কমানোর অঙ্গীকার করে। প্রটোকলটি জাপানের কিয়োটো শহরে ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর গৃহীত হয় এবং ২০০৫ সালে কার্যকর হয়। শান্তি, বাণিজ্য বা কৃষির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। কিয়োটো প্রটোকল জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কাঠামো সনদ (UNFCCC)-এর অধীনে গৃহীত হয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ২০০১ সালে কিয়োটো প্রটোকল অনুমোদন করে।
মন্ট্রিয়ল প্রটোকল (১৯৮৭) ওজোন স্তর রক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত।
২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিও জলবায়ু বিষয়ক। - ৪৯. 'Leaving no one behind'— কোনটির মূলনীতি?
- ক. এমডিজি
- খ. ডেল্টা প্ল্যান
- গ. এসডিজি
- ঘ. রূপকল্প-২০২১
উত্তর: গ. এসডিজি
‘Leaving no one behind’ বা ‘কেউ পিছিয়ে থাকবে না’ হলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (Sustainable Development Goals বা SDG) মূল নীতি। জাতিসংঘ ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ২০৩০ সালের জন্য এই এজেন্ডা গ্রহণ করে। এর অর্থ হলো উন্নয়নের সুফল সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষের কাছেও পৌঁছাতে হবে। এমডিজি ছিল এর আগের লক্ষ্যমাত্রা, যার সময়সীমা ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল।
মনে রাখুন:
এসডিজির লক্ষ্য ১৭টি এবং টার্গেট ১৬৯টি।
এমডিজির লক্ষ্য ছিল ৮টি।
এসডিজির সময়সীমা ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
এসডিজির ১ নম্বর লক্ষ্য দারিদ্র্যের অবসান।
ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং রূপকল্প ২০২১ ছিল ভিশন ২০২১।
বিজ্ঞান
- ৪৬. কোনো বস্তুর ওজন কোথায় বেশি?
- ক. পাহাড়ের উপর
- খ. বিষুব অঞ্চলে
- গ. মেরু অঞ্চলে
- ঘ. খনির ভিতর
উত্তর: গ. মেরু অঞ্চলে
ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল, অর্থাৎ বস্তুর ভর (m) আর অভিকর্ষজ ত্বরণ (g)-এর গুণফল: W = mg। বস্তুর ভর সব জায়গায় একই থাকে, তাই ওজন কোথায় বেশি হবে তা নির্ভর করে g-এর মানের ওপর। পৃথিবী পুরোপুরি গোলাকার নয়, মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা। ফলে মেরুর বিন্দুগুলো পৃথিবীর কেন্দ্রের সবচেয়ে কাছে থাকে এবং সেখানে g-এর মান সবচেয়ে বেশি হয়। বিষুব অঞ্চল কেন্দ্র থেকে দূরে, তার ওপর পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবও সেখানে বেশি, তাই g কম। পাহাড়ের চূড়ায় কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়ে, আর খনির ভেতরে নামলে g কমতে থাকে। এ কারণে ওই দুই জায়গাতেই ওজন মেরুর চেয়ে কম।
মনে রাখুন:
পৃথিবীর কেন্দ্রে g-এর মান শূন্য, তাই সেখানে ওজনও শূন্য।
উচ্চতা বাড়লে বা গভীরে নামলে g কমে, আবার মেরু থেকে বিষুবের দিকে গেলেও g কমে। - ৪৭. 'ইরাটম' কী?
- ক. উন্নত জাতের পাট
- খ. উন্নত জাতের ধান
- গ. উন্নত জাতের গম
- ঘ. উন্নত জাতের ইক্ষু
উত্তর: খ. উন্নত জাতের ধান
ইরাটম ধানের একটি উন্নত জাত। ধানের জাত উন্নত করার একটি পদ্ধতি হলো বীজে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় পারমাণবিক বিকিরণ প্রয়োগ করে মিউটেশন (Mutation) ঘটানো, অর্থাৎ বংশগতির বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আনা। এভাবে যেসব গাছে ভালো বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, সেগুলো বেছে নিয়ে নতুন জাত দাঁড় করানো হয়। ইরাটম-২৪ এ ধরনের একটি জাত, আর সে কারণেই নামের মধ্যে অ্যাটম শব্দটি এসেছে। পাট, গম বা আখের সঙ্গে এই নামের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই ওই বিকল্পগুলো ঠিক নয়। বাংলাদেশে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA) বিকিরণ ব্যবহার করে বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন করে।
মনে রাখুন:
বিনা-র সদর দপ্তর ময়মনসিংহে।
বিনা ধান-৭ আমাদের পরিচিত আরেকটি উন্নত ধানের জাত।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৫১. ভার্চুয়াল রিয়ালিটিতে কী ধরনের ইমেজ তৈরি হয়?
- ক. এক-মাত্রিক
- খ. দ্বি-মাত্রিক
- গ. ত্রি-মাত্রিক
- ঘ. বহুমাত্রিক
উত্তর: গ. ত্রি-মাত্রিক
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) হলো কম্পিউটারের তৈরি এমন একটি কাল্পনিক পরিবেশ, যেখানে ব্যবহারকারী নিজেকে বাস্তব জগতের মধ্যেই আছে বলে অনুভব করেন। দৃশ্যটি সত্যিকারের মতো লাগাতে হলে ছবিতে দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতা, এই তিনটি মাত্রা থাকা দরকার। এ কারণে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক (3D) ছবি তৈরি হয়। ব্যবহারকারী মাথায় একটি বিশেষ হেডসেট পরেন, আর মাথা ঘোরালে চারপাশের দৃশ্যও সেই অনুযায়ী বদলে যায়। এক বা দ্বিমাত্রিক ছবিতে গভীরতার এই অনুভূতি পাওয়া যায় না, তাই সেগুলো ঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখুন:
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে সিমুলেশনের মাধ্যমে বাস্তবের মতো অনুভূতি দেওয়া হয়।
এর ব্যবহার: গেম, বিমান চালনার প্রশিক্ষণ, চিকিৎসা শিক্ষা।
অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) বাস্তব পরিবেশের ওপর কম্পিউটারের তৈরি ছবি জুড়ে দেয়। - ৫২. HTTP-এর পূর্ণরূপ কী?
- ক. Higher Text Transfer Protocol.
- খ. Hyper Text Transfer Protocol.
- গ. Higher Transfer Text Protocol.
- ঘ. Hyper Transfer Text Protocol.
উত্তর: খ. Hyper Text Transfer Protocol.
HTTP-এর পূর্ণরূপ Hyper Text Transfer Protocol। ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট খুললে আমাদের ব্রাউজার আর ওয়েব সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান হয়। এই আদান-প্রদান যে নিয়ম মেনে চলে, তার সমষ্টিকে প্রোটোকল (Protocol) বলা হয়। হাইপার টেক্সট (Hyper Text) এমন লেখা, যার ভেতরে অন্য পাতার লিংক বসানো থাকে। এই লিংকযুক্ত ওয়েবপেজ এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে পাঠানোর নিয়মই হলো HTTP। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এই প্রোটোকলের ওপর ভর করেই কাজ করে।
মনে রাখুন:
HTTPS-এর শেষের S মানে Secure, এতে তথ্য এনক্রিপ্ট করে পাঠানো হয়।
FTP-এর পূর্ণরূপ File Transfer Protocol, এটি ফাইল আদান-প্রদানের নিয়ম।
ওয়েবপেজ তৈরির ভাষা HTML (Hyper Text Markup Language)। - ৫৩. চিন্তা করার ক্ষমতা নিচের কোন প্রযুক্তির?
- ক. বায়োইনফরমেটিক্স
- খ. রোবটিক্স
- গ. ইনফরমেটিক্স
- ঘ. বায়োমেট্রিক্স
উত্তর: খ. রোবটিক্স
চিন্তা করা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা যন্ত্রের মধ্যে আনার চেষ্টা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় রোবটিক্স (Robotics) প্রযুক্তিতে। রোবটিক্স হলো রোবট নকশা করা, তৈরি করা ও কাজে লাগানোর বিদ্যা। রোবটকে মানুষের মতো ভাবতে শেখানোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence), মেশিন লার্নিং ও নিউরাল নেটওয়ার্কের মতো কৌশল ব্যবহার করা হয়। অন্য বিকল্পগুলোর কাজ আলাদা। বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics) জিন ও প্রোটিনের মতো জীববিজ্ঞানের তথ্য কম্পিউটারে বিশ্লেষণ করে। বায়োমেট্রিক্স (Biometrics) আঙুলের ছাপ বা চোখের মণি দিয়ে মানুষ শনাক্ত করে। ইনফরমেটিক্স হলো তথ্য নিয়ে চর্চার বিদ্যা।
মনে রাখুন:
চেক লেখক কারেল চাপেক ১৯২০ সালের একটি নাটকে প্রথম রোবট শব্দটি ব্যবহার করেন।
আইজাক আসিমভ রোবটের আচরণের তিনটি সূত্র লিখেছিলেন। - ৫৪. ডাটাবেজের ভিত্তি কোনটি?
- ক. রেকর্ড
- খ. টেবিল
- গ. ইনডেক্স
- ঘ. ফিল্ড
উত্তর: ঘ. ফিল্ড
ডেটাবেজ (Database) হলো তথ্য সাজিয়ে রাখার একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা, যার গঠন ধাপে ধাপে বড় হয়। একটি নির্দিষ্ট ধরনের তথ্য, যেমন কারও নাম বা ফোন নম্বর রাখার ক্ষুদ্রতম জায়গাকে বলে ফিল্ড (Field)। কয়েকটি ফিল্ড মিলে তৈরি হয় একটি রেকর্ড (Record), যেমন একজন শিক্ষার্থীর নাম, রোল ও ফোন নম্বর একসঙ্গে। আবার কয়েকটি রেকর্ড নিয়ে হয় টেবিল (Table)। ফিল্ড না থাকলে রেকর্ড বা টেবিল কিছুই গড়ে ওঠে না, তাই ফিল্ডকেই ডেটাবেজের ভিত্তি ধরা হয়। ইনডেক্স (Index) আলাদা জিনিস, এটি দরকারি তথ্য দ্রুত খুঁজে বের করতে সাহায্য করে।
মনে রাখুন:
ডেটাবেজের গঠনক্রম: ফিল্ড, রেকর্ড, টেবিল, ডেটাবেজ।
জনপ্রিয় ডেটাবেজ সফটওয়্যার: মাইক্রোসফট অ্যাক্সেস, মাইএসকিউএল, ওরাকল। - ৫৫. কোনো প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি'র বা ব্যক্তির নিজস্ব ওয়েব পেইজকে কী বলে?
- ক. হোম পেইজ
- খ. ওয়েব পেইজ
- গ. ওয়েবসাইট
- ঘ. ওয়েব এড্রেস
উত্তর: গ. ওয়েবসাইট
ইন্টারনেটে তথ্য সাজানোর কয়েকটি ধাপ আছে। ওয়েবপেজ (Web Page) হলো একটি একক ডকুমেন্ট, যার নির্দিষ্ট ঠিকানা বা URL থাকে। কোনো প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি বা ব্যক্তির সব ওয়েবপেজ লিংকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যে সমষ্টি তৈরি করে, তাকে ওয়েবসাইট (Website) বলে। এক কথায়, ওয়েবপেজ হলো একটি পাতা, আর ওয়েবসাইট হলো সেই পাতাগুলো নিয়ে গড়া পুরো বই। ওয়েবসাইটে ঢুকলে প্রথমে যে পাতাটি দেখা যায়, সেটিকে হোম পেইজ (Home Page) বলে। আর কোনো ওয়েবপেজ বা সাইটের নির্দিষ্ট ঠিকানাকে বলে ওয়েব অ্যাড্রেস।
মনে রাখুন:
ওয়েব অ্যাড্রেসের পূর্ণ নাম URL (Uniform Resource Locator)।
ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যারকে ব্রাউজার বলে, যেমন ক্রোম, ফায়ারফক্স।
গণিত
- ৫৬. ১৫% ছাড়ে ১২০ টাকা মূল্যের বই কত টাকায় বিক্রয় হবে?
- ক. ৯৫
- খ. ১০০
- গ. ১০২
- ঘ. ১০৫
উত্তর: গ. ১০২
দোকানদার ১৫% ছাড় দিলে ক্রেতাকে বইয়ের মূল্যের 100 − 15 = 85% দিতে হয়।
বিক্রয়মূল্য = 120 এর 85% = 120 × 85/100 = 102 টাকা।
যাচাই: ছাড় = 120 × 15/100 = 18 টাকা, তাই 120 − 18 = 102।
এখানে প্রথমে ছাড়ের পরিমাণ বের করে বিয়োগ করা যায়, আবার সরাসরি 85% ধরেও হিসাব করা যায়। দ্বিতীয় পদ্ধতিতে ধাপ কম বলে সময় বাঁচে।
মনে রাখুন: ছাড় বা কমিশন দিলে (100 − ছাড়ের হার)% দিয়ে গুণ করলেই বিক্রয়মূল্য পাওয়া যায়।
একই ভাবে লাভ হলে (100 + লাভের হার)% দিয়ে গুণ করতে হয়। - ৫৭. একটি সংখ্যার তিনগুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে ৮৫ হয়। সংখ্যাটি কত?
- ক. ১৫
- খ. ১৬
- গ. ১৭
- ঘ. ১৮
উত্তর: গ. ১৭
সংখ্যাটিকে অজ্ঞাত রাশি ধরে সমীকরণ বানালে সহজে সমাধান হয়। মনে করি সংখ্যাটি x।
শর্ত অনুযায়ী 3x + 2x = 85
বা, 5x = 85
বা, x = 85/5 = 17
অতএব সংখ্যাটি 17।
যাচাই করলে 3 × 17 = 51 এবং 2 × 17 = 34, আর 51 + 34 = 85, তাই উত্তর ঠিক আছে।
মনে রাখুন: তিনগুণ আর দ্বিগুণ মিলিয়ে আসলে পাঁচগুণ হয়। তাই মোট সংখ্যাকে সরাসরি 5 দিয়ে ভাগ করলেও একই উত্তর পাওয়া যায়।
এই কৌশল সব সময় কাজ করে, যখন একটি সংখ্যারই বিভিন্ন গুণিতক যোগ করা হয়। - ৫৮. ১ + ২ + ৩ + ৪ + … + ২০ = কত?
- ক. ১৯০
- খ. ২০০
- গ. ২১০
- ঘ. ২২০
উত্তর: গ. ২১০
ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফলের সূত্র: 1 + 2 + 3 + … + n = n(n + 1)/2।
এখানে n = 20, তাই যোগফল = 20 × 21/2 = 210।
সূত্রটির পেছনের যুক্তি সহজ। প্রথম ও শেষ সংখ্যা 1 + 20 = 21, দ্বিতীয় ও শেষের আগের সংখ্যা 2 + 19 = 21, এভাবে 10টি জোড়া হয়, আর প্রতিটির যোগফল 21। তাই মোট 10 × 21 = 210।
মনে রাখুন:
প্রথম n সংখ্যক বিজোড় সংখ্যার যোগফল = n²।
প্রথম n সংখ্যক জোড় সংখ্যার যোগফল = n(n + 1)।
প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের যোগফল = n(n + 1)(2n + 1)/6। - ৫৯. a + b = 4, a − b = 2 হলে, ab = ?
- ক. 3
- খ. 4
- গ. 5
- ঘ. 6
উত্তর: ক. 3
দেওয়া আছে a + b = 4 এবং a − b = 2।
সমীকরণ দুটি যোগ করে পাই 2a = 6, তাই a = 3।
বিয়োগ করে পাই 2b = 2, তাই b = 1।
অতএব ab = 3 × 1 = 3।
শর্টকাট: ab = ((a + b)² − (a − b)²)/4 = (16 − 4)/4 = 3। এই পদ্ধতিতে a ও b আলাদা করে বের করতে হয় না, ফলে পরীক্ষায় সময় বাঁচে।
মনে রাখুন:
(a + b)² − (a − b)² = 4ab।
(a + b)² + (a − b)² = 2(a² + b²)।
a² − b² = (a + b)(a − b) = 4 × 2 = 8। - ৬০. একটি সমকোণী ত্রিভুজের দুটি কোণের সমষ্টি ১৭০ ডিগ্রি হলে অপর কোণটির মান কত ডিগ্রি?
- ক. ৯০
- খ. ৭০
- গ. ১০
- ঘ. ২০
উত্তর: গ. ১০
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সব সময় 180°।
দুটি কোণের সমষ্টি 170° হলে তৃতীয় কোণ = 180° − 170° = 10°।
এখানে ত্রিভুজটি সমকোণী, তাই একটি কোণ 90°। অন্য দুটি কোণের একটি 80° ধরলে ওই দুই কোণের সমষ্টি 90° + 80° = 170° হয়, আর বাকি কোণটি 10°। আর 80° + 10° = 90°, যা সমকোণী ত্রিভুজের নিয়মের সঙ্গে মেলে।
মনে রাখুন:
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ ছাড়া অপর দুই কোণের সমষ্টি 90°।
ত্রিভুজের বহিঃস্থ কোণ তার দুটি বিপরীত অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টির সমান। - ৬১. ০.১ × ০.০১ × ০.০০১ = ?
- ক. ০.১
- খ. ০.০১
- গ. ০.০০০১
- ঘ. ০.০০০০০১
উত্তর: ঘ. ০.০০০০০১
দশমিক সংখ্যা গুণ করার সময় দশমিকের পরের মোট ঘর গুনে নিতে হয়।
0.1-এ 1 ঘর, 0.01-এ 2 ঘর, 0.001-এ 3 ঘর, মোট 6 ঘর।
তাই দশমিক ছাড়া সংখ্যাগুলো গুণ করে পাই 1 × 1 × 1 = 1। এবার ডান দিক থেকে 6 ঘর গুনে দশমিক বসালে 0.000001 হয়।
আরেকভাবে ভাবলে 0.1 = 10⁻¹, 0.01 = 10⁻², 0.001 = 10⁻³, তাই গুণফল 10⁻⁶ = 0.000001।
মনে রাখুন: গুণফলে দশমিকের পরের ঘরসংখ্যা সব উৎপাদকের ঘরসংখ্যার যোগফলের সমান।
0.1 × 0.1 = 0.01, কারণ সেখানেও ঘর 1 + 1 = 2টি। - ৬২. একটি ক্লাসে ৬৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। ৪০% ছাত্র হলে ছাত্রী সংখ্যা কত?
- ক. ৩৪০
- খ. ৩৮৪
- গ. ৩৯৪
- ঘ. ২৫৬
উত্তর: খ. ৩৮৪
মোট শিক্ষার্থী 640 জন।
ছাত্র = 640 এর 40% = 640 × 40/100 = 256 জন।
ছাত্রী = 640 − 256 = 384 জন।
শর্টকাট: ছাত্র 40% হলে বাকি ছাত্রী 100 − 40 = 60%, আর 640 × 60/100 = 384। এই পদ্ধতিতে একবারেই উত্তর পাওয়া যায়।
মনে রাখুন:
দুটি ভাগের শতকরা হারের যোগফল সব সময় 100%।
অপশনে 256 আছে, যা ছাত্রের সংখ্যা। প্রশ্নে ছাত্রী চাওয়া হয়েছে, তাই 256 লিখলে ভুল হবে।
যাচাই: 256 + 384 = 640, যা মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যার সমান। - ৬৩. একটি চাকার পরিধি ২ মিটার হলে ১০ কিলোমিটার পথ যেতে চাকাটি কতবার ঘুরবে?
- ক. ৫০০০
- খ. ২০০০
- গ. ৫০০
- ঘ. ২০০
উত্তর: ক. ৫০০০
চাকার পরিধি 2 মিটার, অর্থাৎ একবার ঘুরলে চাকা 2 মিটার পথ যায়।
10 কিলোমিটার = 10 × 1000 = 10000 মিটার।
ঘূর্ণন সংখ্যা = 10000/2 = 5000 বার।
এখানে আগে কিলোমিটারকে মিটারে বদলে নিতে হয়, কারণ পরিধি মিটারে দেওয়া আছে। একক না মিলিয়ে ভাগ করলে ভুল উত্তর আসে।
মনে রাখুন:
ঘূর্ণন সংখ্যা = মোট দূরত্ব ÷ পরিধি।
পরিধি = 2πr, যেখানে r হলো ব্যাসার্ধ।
1 কিলোমিটার = 1000 মিটার।
যাচাই: 5000 × 2 = 10000 মিটার = 10 কিলোমিটার।
চাকার ব্যাসার্ধ দেওয়া থাকলে আগে পরিধি 2πr দিয়ে বের করে নিতে হয়। - ৬৪. একটি বর্গাকার মাঠের পরিসীমা ৮ মিটার হলে মাঠের ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
- ক. ১৬
- খ. ৯
- গ. ৪
- ঘ. ২
উত্তর: গ. ৪
বর্গের চার বাহু সমান। ধরি এক বাহুর দৈর্ঘ্য a মিটার।
পরিসীমা = 4a = 8, তাই a = 2।
ক্ষেত্রফল = a² = 2² = 4 বর্গমিটার।
পরিসীমা মানে মাঠের চার পাশের মোট দৈর্ঘ্য, আর ক্ষেত্রফল মানে মাঠটি যতটুকু জায়গা নেয়। দুটির একক আলাদা, পরিসীমার একক মিটার আর ক্ষেত্রফলের একক বর্গমিটার। তাই 8 লিখলে বা 16 লিখলে আমরা ভুল করে বসব।
মনে রাখুন:
বর্গের কর্ণ = a√2 এবং ক্ষেত্রফল = a²।
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ, পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)। - ৬৫. ৪ ÷ ২ + ২ × ১.৫ - ০.৫ + ০.২৫ = ?
- ক. ৫.০০
- খ. ৪.৫০
- গ. ৪.৭৫
- ঘ. কোনটি নয়
উত্তর: গ. ৪.৭৫
আগে ভাগ ও গুণ: ৪ ÷ ২ = ২ এবং ২ × ১.৫ = ৩। তারপর বাম থেকে যোগ-বিয়োগ: ২ + ৩ − ০.৫ + ০.২৫ = ৪.৭৫। - ৬৬. কোনো শ্রেণিতে ২৫ জন ছাত্রের বয়সের গড় ১০ বছর। শিক্ষকসহ তাদের বয়সের গড় ১১ বছর হলে শিক্ষকের বয়স কত বছর?
- ক. ২৬
- খ. ৩৬
- গ. ৩৮
- ঘ. ৪৮
উত্তর: খ. ৩৬
গড়ের অঙ্কে প্রথমে সমষ্টি বের করে নিতে হয়।
২৫ জন ছাত্রের বয়সের সমষ্টি = 25 × 10 = 250 বছর।
শিক্ষকসহ মোট 26 জন, গড় 11, তাই সমষ্টি = 26 × 11 = 286 বছর।
শিক্ষকের বয়স = 286 − 250 = 36 বছর।
শর্টকাট: একজন নতুন সদস্য এলে গড় যত বাড়ে, সেটি 25 জন আগের সদস্যের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। তাই শিক্ষকের বয়স = নতুন গড় + আগের সদস্যসংখ্যা × গড়ের বৃদ্ধি = 11 + 25 × 1 = 36।
মনে রাখুন: গড় = সমষ্টি ÷ সংখ্যা, তাই সমষ্টি = গড় × সংখ্যা। - ৬৭. পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৭৬ বছর। পিতার বয়স পুত্রের তিনগুণ হলে পুত্রের বয়স কত বছর?
- ক. ৫৭
- খ. ২৩
- গ. ১৯
- ঘ. ২১
উত্তর: গ. ১৯
মনে করি পুত্রের বয়স x বছর। তাহলে পিতার বয়স 3x বছর।
শর্ত অনুযায়ী x + 3x = 76
বা, 4x = 76
বা, x = 19।
অতএব পুত্রের বয়স 19 বছর এবং পিতার বয়স 3 × 19 = 57 বছর।
যাচাই: 19 + 57 = 76, যা প্রশ্নের শর্তের সঙ্গে মেলে। অপশনে 57 আছে, কিন্তু প্রশ্নে পুত্রের বয়স চাওয়া হয়েছে, তাই 57 পিতার বয়স।
মনে রাখুন: বয়সের অনুপাত দেওয়া থাকলে মোট ভাগসংখ্যা (1 + 3 = 4) দিয়ে সমষ্টিকে ভাগ করলেই ছোটজনের বয়স পাওয়া যায়। - ৬৮. যদি ডালের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে ডালের ব্যবহার কী পরিমাণ কমালে খরচের পরিমাণ একই থাকবে?
- ক. ২৫%
- খ. ২০%
- গ. ১৭%
- ঘ. ১৫%
উত্তর: খ. ২০%
ধরি আগে ডালের দাম 100 টাকা ছিল। ২৫% বাড়লে দাম হয় 125 টাকা।
আগে 100 টাকায় যে পরিমাণ ডাল কেনা যেত, এখন সেই পরিমাণের জন্য 125 টাকা লাগবে।
খরচ একই 100 টাকা রাখতে হলে ডালের পরিমাণ কমাতে হবে (125 − 100)/125 × 100 = 20%।
এখানে অনেকে ২৫% লিখে ফেলে, কারণ দাম ২৫% বেড়েছে। কিন্তু কমানোর হিসাব হয় নতুন দামের ওপর, পুরোনো দামের ওপর নয়, তাই উত্তর ২৫% নয়।
শর্টকাট: দাম r% বাড়লে ব্যবহার কমাতে হবে r/(100 + r) × 100%, এখানে 25/125 × 100 = 20%।
মনে রাখুন: দাম r% কমলে ব্যবহার বাড়ানো যায় r/(100 − r) × 100%। - ৬৯. নিচের ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি বৃহত্তম?
- ক. ১৫/১৭
- খ. ১১/১৫
- গ. ৭৫/৮৩
- ঘ. ১০/১১
উত্তর: ঘ. ১০/১১
ভগ্নাংশগুলোকে দশমিকে প্রকাশ করে তুলনা করি।
15/17 ≈ 0.88, 11/15 ≈ 0.73, 75/83 ≈ 0.90, 10/11 ≈ 0.91।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড় 0.91, অর্থাৎ 10/11।
আরেকভাবে দেখা যায়, 1 থেকে প্রতিটির ঘাটতি 2/17, 4/15, 8/83, 1/11। ঘাটতি যত কম, ভগ্নাংশ তত বড়। সংখ্যাগুলো বড় হলে ভাগ করার চেয়ে এই পদ্ধতিতে তুলনা সহজ হয়। এখানে 1/11 সবচেয়ে ছোট, তাই 10/11 সবচেয়ে বড়।
মনে রাখুন: যে ভগ্নাংশের লব ও হরের পার্থক্য সমান, তাদের মধ্যে হর বড় হলে ভগ্নাংশ বড় হয়, যেমন 10/11 > 9/10। - ৭০. দু'টি বৃত্তের ব্যাসের অনুপাত ৩ : ২ হলে বৃত্ত দু'টির ক্ষেত্রফলের অনুপাত কত হবে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০২২, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৬
- ক. ২ : ৩
- খ. ৯ : ৪
- গ. ৪ : ৯
- ঘ. ৪ : ৩
উত্তর: খ. ৯ : ৪
বৃত্তের ক্ষেত্রফল ব্যাসার্ধের বর্গের সমানুপাতিক। ধরি ব্যাস দুটি 3k ও 2k, তাই ব্যাসার্ধ 3k/2 ও k।
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²।
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = π(3k/2)² : πk² = 9k²/4 : k² = 9/4 : 1 = 9 : 4।
এখানে π দুই পক্ষেই থাকে, তাই কাটা যায়। ব্যাসের অনুপাত থেকে সরাসরি ক্ষেত্রফলের অনুপাত বের করতে চাইলে অনুপাতের প্রতিটি অংশকে বর্গ করলেই হয়: 3² : 2² = 9 : 4।
মনে রাখুন:
দুটি বৃত্তের ক্ষেত্রফলের অনুপাত তাদের ব্যাস বা ব্যাসার্ধের অনুপাতের বর্গের সমান।
পরিধির অনুপাত কিন্তু ব্যাসের অনুপাতের সমান, বর্গ নয়, কারণ পরিধি = 2πr।
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন