লিয়ানা বুকস

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ৯৭টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

গণিত

  1. ১. ৬০ মিটার একটি বাঁশকে ৩ : ৭ : ১০ অনুপাতে ভাগ করলে বাঁশের টুকরাগুলোর আকার হবে—
    • ক. ৮ মিটার, ২২ মিটার, ৩০ মিটার
    • খ. ১০ মিটার, ২০ মিটার, ৩০ মিটার
    • গ. ৯ মিটার, ২১ মিটার, ৩০ মিটার
    • ঘ. ১২ মিটার, ২০ মিটার, ২৮ মিটার
    উত্তর: গ. ৯ মিটার, ২১ মিটার, ৩০ মিটার
    বাঁশটিকে ৩ : ৭ : ১০ অনুপাতে ভাগ করতে হলে প্রথমে অনুপাতের তিনটি সংখ্যা যোগ করে মোট ভাগের সংখ্যা বের করতে হয়। এখানে ৩ + ৭ + ১০ = ২০, অর্থাৎ বাঁশটি মোট ২০ ভাগে ভাগ হচ্ছে, যার ৩ ভাগ প্রথম টুকরা, ৭ ভাগ দ্বিতীয় টুকরা আর ১০ ভাগ তৃতীয় টুকরা।
    ১ম টুকরা = 60 × 3/20 = 9 মিটার
    ২য় টুকরা = 60 × 7/20 = 21 মিটার
    ৩য় টুকরা = 60 × 10/20 = 30 মিটার
    লক্ষ করলে দেখা যায়, চারটি বিকল্পেরই টুকরাগুলোর যোগফল ৬০ মিটার। তাই শুধু যোগফল মিলিয়ে উত্তর বাছা যাবে না, অনুপাতটিও যাচাই করতে হবে। যেমন ১০, ২০ ও ৩০ মিটারের অনুপাত দাঁড়ায় ১ : ২ : ৩, যা প্রশ্নের অনুপাত নয়।
    মনে রাখুন:
    কোনো রাশিকে a : b : c অনুপাতে ভাগ করলে প্রথম অংশ = মোট রাশি × a/(a + b + c)।
    ভাগ করার পরে অংশগুলোর যোগফল সবসময় মূল রাশির সমান হয়। এখানে 9 + 21 + 30 = 60।
  2. ২. একটি ঘোড়ার গাড়ির সামনের চাকার পরিধি ৪ মিটার, পেছনের চাকার পরিধি ৫ মিটার। গাড়িটি কত পথ গেলে সামনের চাকা পেছনের চাকার চেয়ে ২০০ বার বেশি ঘুরবে?
    • ক. ১.২ কিমি
    • খ. ২.৫ কিমি
    • গ. ৪ কিমি
    • ঘ. ৬ কিমি
    উত্তর: গ. ৪ কিমি
    গাড়িটি x মিটার পথ গেলে সামনের চাকা ঘুরবে x/4 বার, কারণ চাকার পরিধি ৪ মিটার, অর্থাৎ এক পাকে চাকা ৪ মিটার এগোয়। একইভাবে পেছনের চাকা ঘুরবে x/5 বার। প্রশ্নে বলা আছে, সামনের চাকা পেছনের চাকার চেয়ে ২০০ বার বেশি ঘুরবে, তাই দুই ঘূর্ণনসংখ্যার পার্থক্য ২০০।
    x/4 − x/5 = 200
    x/20 = 200
    x = 4000 মিটার = ৪ কিলোমিটার।
    যাচাই করে দেখি: 4000/4 = 1000 বার এবং 4000/5 = 800 বার, পার্থক্য ঠিক ২০০। উত্তর মিটারে পাওয়ার পর কিলোমিটারে রূপান্তর করতে ভুলে গেলে ৪০০০ লিখে ভুল হয়, কারণ বিকল্পগুলো কিলোমিটারে দেওয়া আছে।
    মনে রাখুন:
    চাকার ঘূর্ণনসংখ্যা = অতিক্রান্ত পথ ÷ পরিধি।
    পরিধি যত ছোট, একই পথে চাকা তত বেশি বার ঘোরে।
    ১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার।
  3. ৩. একটি কুকুর একটি খরগোশকে ধরার জন্য তাড়া করে। কুকুর যে সময়ে ৪ বার লাফ দেয়, খরগোশ সে সময়ে ৫ বার লাফ দেয়। কিন্তু খরগোশ ৪ লাফে যতদূর যায়, কুকুর তিন লাফে ততদূর যায়। কুকুর ও খরগোশের গতিবেগের অনুপাত—
    • ক. ১৫ : ১৬
    • খ. ১৬ : ১৫
    • গ. ২০ : ১২
    • ঘ. ১২ : ২০
    উত্তর: খ. ১৬ : ১৫
    প্রশ্নে বলা হয়েছে, খরগোশ ৪ লাফে যতটা দূরত্ব যায়, কুকুর ৩ লাফে ততটাই যায়। তাই খরগোশের এক লাফ ৩ একক ধরলে কুকুরের এক লাফ হবে ৪ একক, কারণ 4 × 3 = 3 × 4 = 12 একক দূরত্ব দুজনেই পার হচ্ছে।
    এবার একই সময়ে দুজনের অতিক্রান্ত দূরত্ব দেখি। যে সময়ে কুকুর ৪ লাফ দেয়, সে সময়ে খরগোশ দেয় ৫ লাফ।
    কুকুরের দূরত্ব = 4 × 4 = 16 একক
    খরগোশের দূরত্ব = 5 × 3 = 15 একক
    সুতরাং কুকুর ও খরগোশের গতিবেগের অনুপাত ১৬ : ১৫। কুকুরের গতি বেশি বলেই সে শেষ পর্যন্ত খরগোশকে ধরতে পারে।
    মনে রাখুন:
    গতিবেগ = দূরত্ব ÷ সময়। সময় একই হলে গতিবেগের অনুপাত আর দূরত্বের অনুপাত সমান হয়।
    এ ধরনের অঙ্কে প্রথমে লাফের দৈর্ঘ্যের সম্পর্ক বের করতে হয়, তারপর একই সময়ে লাফের সংখ্যা দিয়ে গুণ করতে হয়।
  4. ৪. ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের ৪/৫ অংশ হলে শতকরা লাভের পরিমাণ কত?
    • ক. ২০%
    • খ. ২৫%
    • গ. ৩৩%
    • ঘ. ৩৫%
    উত্তর: খ. ২৫%
    প্রশ্নে বলা আছে, ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের ৪/৫ অংশ। হিসাব সহজ করার জন্য বিক্রয়মূল্য ৫ টাকা ধরি, তাহলে ক্রয়মূল্য হবে ৪ টাকা। এতে লাভ হয় 5 − 4 = 1 টাকা।
    শতকরা লাভ সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়। তাই
    শতকরা লাভ = (1/4) × 100 = 25%
    অন্যভাবেও মেলানো যায়। ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = 100 × 5/4 = 125 টাকা, অর্থাৎ ১০০ টাকায় লাভ ২৫ টাকা। বিক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করলে 1/5 × 100 = 20% পাওয়া যেত, যা এ প্রশ্নে ভুল উত্তর।
    মনে রাখুন:
    শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × 100।
    শতকরা ক্ষতি = (ক্ষতি ÷ ক্রয়মূল্য) × 100।
    লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য, ক্ষতি = ক্রয়মূল্য − বিক্রয়মূল্য।
  5. ৫. যাদব ২৪০ টাকায় একই রকম কতগুলো কলম কিনে দেখল যে, যদি সে একটি কলম বেশি পেত তাহলে প্রতিটি কলমের মূল্য ১ টাকা কম পড়ত। সে কলম কিনেছিল—
    • ক. ১৩টি
    • খ. ১৪টি
    • গ. ১৫টি
    • ঘ. ১৬টি
    উত্তর: গ. ১৫টি
    যাদব x টি কলম কিনলে প্রতিটি কলমের দাম হয় 240/x টাকা। একটি কলম বেশি পেলে কলম হতো (x + 1) টি, তখন প্রতিটির দাম হতো 240/(x + 1) টাকা। প্রশ্নমতে দুই দামের পার্থক্য ১ টাকা।
    240/x − 240/(x + 1) = 1
    240(x + 1) − 240x = x(x + 1)
    x² + x − 240 = 0
    (x + 16)(x − 15) = 0
    তাই x = 15 অথবা x = −16। কলমের সংখ্যা ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই x = 15।
    যাচাই: ১৫টি কলমে প্রতিটির দাম 240/15 = 16 টাকা। ১৬টি কলম পেলে প্রতিটির দাম 240/16 = 15 টাকা। পার্থক্য ঠিক ১ টাকা।
    মনে রাখুন:
    দ্বিঘাত সমীকরণের দুটি মূল পাওয়া গেলে অঙ্কের শর্ত মিলিয়ে দেখতে হয়, কারণ সংখ্যা, বয়স বা দৈর্ঘ্যের মতো রাশি ঋণাত্মক হয় না।
    মোট টাকা স্থির থাকলে সংখ্যা বাড়লে একক দাম কমে।
  6. ৬. যদি x > 0, y > 0 এবং x/1 > 1/y হয়, তবে x এবং y এর মধ্যে কী সম্পর্ক?
    • ক. x > y
    • খ. x < y
    • গ. x = y
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ঘ. কোনোটিই নয়
    প্রশ্নে বলা আছে x > 1/y এবং x, y দুটিই ধনাত্মক। অসমতার দুই পাশে ধনাত্মক সংখ্যা y দিয়ে গুণ করলে অসমতার চিহ্ন বদলায় না, তাই xy > 1 পাওয়া যায়। অর্থাৎ শুধু এটুকু জানা যায় যে x ও y-এর গুণফল ১-এর চেয়ে বড়। কিন্তু এ থেকে x বড় না y বড়, তা নির্ধারণ করা যায় না।
    উদাহরণ:
    x = 2, y = 3 হলে xy = 6 > 1 এবং x < y।
    x = 3, y = 2 হলে xy = 6 > 1 এবং x > y।
    x = 2, y = 2 হলে xy = 4 > 1 এবং x = y।
    তিন রকম সম্পর্কই সম্ভব, তাই x ও y-এর মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট সম্পর্ক বলা যায় না।
    মনে রাখুন: অসমতার দুই পাশে ঋণাত্মক সংখ্যা দিয়ে গুণ বা ভাগ করলে অসমতার চিহ্ন উল্টে যায়, কিন্তু ধনাত্মক সংখ্যায় চিহ্ন একই থাকে।
  7. ৭. ১৪৪ কোন সংখ্যার ৪০%?
    • ক. ১৬০
    • খ. ২৬০
    • গ. ৩৭০
    • ঘ. ৩৬০
    উত্তর: ঘ. ৩৬০
    কোনো সংখ্যার ৪০% মানে সংখ্যাটির 40/100 অংশ। অজানা সংখ্যাটিকে x ধরলে লেখা যায়
    x × 40/100 = 144
    x = 144 × 100/40 = 360
    যাচাই: ৩৬০-এর ৪০% = 360 × 0.4 = 144, যা প্রশ্নের সঙ্গে মিলে যায়।
    মনে মনেও হিসাবটা করা যায়। ১৪৪ যদি ৪০% হয়, তবে ১০% হবে 144 ÷ 4 = 36, আর ১০০% হবে 36 × 10 = 360।
    মনে রাখুন:
    কোনো সংখ্যা x-এর a% যদি b হয়, তবে x = b × 100/a।
    শতকরা মানে প্রতি ১০০-তে কত। তাই ৪০% মানে 40/100 বা 0.4।
  8. ৮. x + y = 4, xy = 5 হলে, (x³ + y³)² এর মান কত?
    • ক. 16
    • খ. 4
    • গ. 8
    • ঘ. 10
    উত্তর: ক. 16
    প্রথমে ঘনের সূত্রটি মনে করি: x³ + y³ = (x + y)³ − 3xy(x + y)। এই সূত্রে x + y = 4 এবং xy = 5 বসালে
    x³ + y³ = 4³ − 3 × 5 × 4 = 64 − 60 = 4
    তাই (x³ + y³)² = 4² = 16।
    অন্য পথেও মেলানো যায়। x² + y² = (x + y)² − 2xy = 16 − 10 = 6। তারপর x³ + y³ = (x + y)(x² − xy + y²) = 4 × (6 − 5) = 4। দুই পথে একই ফল আসে।
    মজার ব্যাপার হলো, এখানে x ও y বাস্তব সংখ্যা নয়, কারণ সমীকরণ t² − 4t + 5 = 0-এর নিরূপক 16 − 20 = −4 ঋণাত্মক। তবু সূত্রগুলো সব সময় সত্য বলে মান ঠিকই পাওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    (x + y)³ = x³ + y³ + 3xy(x + y)।
    x² + y² = (x + y)² − 2xy।
  9. ৯. x² – 5x + 6 < 0 এর সমাধান—
    • ক. 2 ≤ x < 3
    • খ. 2 < x < 3
    • গ. 2 < x ≤ 3
    • ঘ. 2 ≤ x ≤ 3
    উত্তর: খ. 2 < x < 3
    অসমতাটি হলো x² − 5x + 6 < 0। বাম পাশকে উৎপাদকে ভাঙলে পাই (x − 2)(x − 3) < 0। দুটি উৎপাদকের গুণফল ঋণাত্মক হতে হলে একটি ধনাত্মক এবং অপরটি ঋণাত্মক হতে হবে। x যদি ২-এর চেয়ে ছোট হয়, তাহলে দুটি উৎপাদকই ঋণাত্মক হয়ে গুণফল ধনাত্মক হয়ে যায়। আবার x যদি ৩-এর চেয়ে বড় হয়, তাহলে দুটিই ধনাত্মক হয়। কেবল x ২ ও ৩-এর মাঝখানে থাকলেই একটি ঋণাত্মক ও একটি ধনাত্মক পাওয়া যায়। তাই সমাধান 2 < x < 3।
    যাচাই: x = 2.5 বসালে 6.25 − 12.5 + 6 = −0.25 < 0, যা শর্ত মেটায়।
    মনে রাখুন:
    (x − a)(x − b) < 0 এবং a < b হলে a < x < b।
    (x − a)(x − b) > 0 হলে x < a অথবা x > b।
    শুধু < বা > চিহ্ন থাকলে প্রান্তবিন্দু ২ ও ৩ সমাধানের অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ সেখানে মান শূন্য হয়ে যায়।
  10. ১০. log_y ∛3 = 1/15 হলে y এর মান কত?
    • ক. 9
    • খ. 27
    • গ. 81
    • ঘ. 243
    উত্তর: ঘ. 243
    লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী log_y ∛3 = 1/15 মানে y^(1/15) = ∛3 = 3^(1/3)। এখন ডান পাশের ঘাতকে 1/15 আকারে আনতে চাই। যেহেতু 1/3 = 5/15, তাই 3^(1/3) = 3^(5/15) = (3⁵)^(1/15)।
    দুই পাশের ঘাত একই (1/15) হওয়ায় ভিত্তি সমান হবে, অর্থাৎ y = 3⁵ = 243।
    যাচাই: 243^(1/15) = (3⁵)^(1/15) = 3^(5/15) = 3^(1/3) = ∛3। সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে যায়।
    মনে রাখুন:
    log_a b = c হলে a^c = b।
    log_a a = 1 এবং log_a 1 = 0।
    log_a (mn) = log_a m + log_a n এবং log_a (m/n) = log_a m − log_a n।
  11. ১৫. xᵃ = y, yᵇ = z, zᶜ = x হলে, abc এর মান কত?
    • ক. 0
    • খ. 1
    • গ. 2
    • ঘ. 3
    উত্তর: খ. 1
    প্রশ্নের তিনটি শর্ত হলো x^a = y, y^b = z এবং z^c = x। তিনটিকে একটি চলকে আনতে z = y^b বসাই। তাহলে z^c = x থেকে (y^b)^c = x, অর্থাৎ y^(bc) = x।
    এবার y = x^a বসালে (x^a)^(bc) = x, অর্থাৎ x^(abc) = x¹।
    দুই পাশে ভিত্তি একই (x ≠ 0, 1) হলে ঘাত সমান হয়। তাই abc = 1।
    মনে রাখুন:
    (a^m)^n = a^(mn)।
    a^m × a^n = a^(m+n) এবং a^m ÷ a^n = a^(m−n)।
    a^m = a^n হলে (a ≠ 0, 1) m = n হয়।
    a⁰ = 1।
  12. ১৬. যদি কাঁচ পানি অপেক্ষা ২.৫ গুণ বেশি ভারী হয় তবে ৪০ ঘন সেন্টিমিটার কাঁচের ওজন কত?
    • ক. ১০০ গ্রাম
    • খ. ২৫০ গ্রাম
    • গ. ৬০০ গ্রাম
    • ঘ. ১০০০ গ্রাম
    উত্তর: ক. ১০০ গ্রাম
    কোনো বস্তু পানির চেয়ে কতগুণ ভারী, সেটাই তার আপেক্ষিক গুরুত্ব। এখানে কাচ পানির চেয়ে ২.৫ গুণ ভারী, তাই কাচের ঘনত্ব ২.৫ গ্রাম/ঘন সেমি। ১ ঘন সেমি পানির ওজন ১ গ্রাম, সুতরাং ১ ঘন সেমি কাচের ওজন ২.৫ গ্রাম।
    ৪০ ঘন সেমি কাচের ওজন = 40 × 2.5 = 100 গ্রাম।
    মনে রাখুন:
    ভর = আয়তন × ঘনত্ব।
    আপেক্ষিক গুরুত্ব হলো দুটি ঘনত্বের অনুপাত, তাই এর কোনো একক নেই।
    পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/ঘন সেমি, অর্থাৎ ১০০০ কেজি/ঘন মিটার। পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয় ৪°C তাপমাত্রায়।
  13. ১৭. একটি ক্লাসে ৩০ জন ছাত্র আছে। তাদের মধ্যে ১৮ জন ফুটবল খেলে এবং ১৪ জন ক্রিকেট খেলে এবং ৫ জন কিছুই খেলে না। কতজন উভয়টিই খেলে?
    • ক. ৩
    • খ. ৫
    • গ. ৭
    • ঘ. ৯
    উত্তর: গ. ৭
    ক্লাসের ৩০ জনের মধ্যে ৫ জন কিছুই খেলে না। তাই অন্তত একটি খেলা খেলে 30 − 5 = 25 জন। উভয় খেলা খেলে x জন ধরলে, ফুটবল ও ক্রিকেটের খেলোয়াড়দের যোগ করলে উভয় খেলার শিক্ষার্থীরা দুবার গোনা হয়ে যায়। তাই একবার বাদ দিতে হয়:
    18 + 14 − x = 25
    32 − x = 25
    x = 7
    যাচাই: শুধু ফুটবল খেলে 18 − 7 = 11 জন, শুধু ক্রিকেট খেলে 14 − 7 = 7 জন, উভয়টি ৭ জন আর কোনোটিই নয় ৫ জন। মোট 11 + 7 + 7 + 5 = 30 জন, যা ক্লাসের মোট সংখ্যার সমান।
    মনে রাখুন:
    n(A ∪ B) = n(A) + n(B) − n(A ∩ B)।
    সব সদস্যের সংখ্যা = (অন্তত একটিতে আছে) + (কোনোটিতেই নেই)।
  14. ১৮. ১ : ২০০০ স্কেলে একটি শহরের ম্যাপ আঁকা আছে। ১.২ কিমি দীর্ঘ একটি রাস্তার দৈর্ঘ্য ম্যাপে কত হবে?
    • ক. ২৪ সেমি
    • খ. ৬০ সেমি
    • গ. ৬০ মি
    • ঘ. ২৪ মি
    উত্তর: খ. ৬০ সেমি
    মানচিত্রের স্কেল ১ : ২০০০ মানে মানচিত্রের ১ সেমি বাস্তবে ২০০০ সেমির সমান। হিসাবের আগে সব রাশিকে একই এককে আনা জরুরি। বাস্তব দৈর্ঘ্যকে সেমিতে রূপান্তর করি:
    1.2 কিমি = 1.2 × 1000 × 100 = 120000 সেমি
    এখন মানচিত্রে দৈর্ঘ্য = 120000 ÷ 2000 = 60 সেমি।
    বিকল্পে ৬০ সেমি আর ৬০ মিটার দুটিই আছে। একক না মেলালে এখানে সহজেই ভুল হয়। ৬০ সেমি = ০.৬ মিটার, যা ১.২ কিমির তুলনায় যুক্তিসংগত ছোট।
    মনে রাখুন:
    ১ কিমি = ১০০০ মিটার = ১০০০০০ সেমি।
    মানচিত্রে দৈর্ঘ্য = বাস্তব দৈর্ঘ্য × স্কেল (১ : n হলে ÷ n)।
    স্কেলে একক না থাকায় দুই দৈর্ঘ্যই একই এককে নিতে হয়।
  15. ১৯. একটি আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 15 cm এবং প্রস্থ 5 cm হলে উহার ক্ষেত্রফল—
    • ক. 35√2 cm²
    • খ. 40√2 cm²
    • গ. 45√2 cm²
    • ঘ. 50√2 cm²
    উত্তর: ঘ. 50√2 cm²
    আয়তক্ষেত্রের কর্ণ তার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থকে নিয়ে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করে, যার অতিভুজ হলো কর্ণ। পিথাগোরাসের সূত্র অনুযায়ী কর্ণ² = দৈর্ঘ্য² + প্রস্থ²। তাই
    দৈর্ঘ্য = √(15² − 5²) = √(225 − 25) = √200 = 10√2 সেমি।
    ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = 10√2 × 5 = 50√2 cm²।
    যাচাই: দৈর্ঘ্য প্রায় 14.14 সেমি। তখন 14.14² + 5² ≈ 200 + 25 = 225 = 15², যা কর্ণের মানের সঙ্গে মিলে যায়।
    মনে রাখুন:
    আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য² + প্রস্থ²)।
    ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ এবং পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)।
    আয়তক্ষেত্রের দুটি কর্ণ সমান এবং একে অপরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
  16. ২০. 45° কোণের সম্পূরক কোণ কোনটি?
    • ক. 45°
    • খ. 90°
    • গ. 135°
    • ঘ. 180°
    উত্তর: গ. 135°
    দুটি কোণের যোগফল ১৮০° হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ (Supplementary angle) বলে। তাই ৪৫° কোণের সম্পূরক কোণ = 180° − 45° = 135°। ১৩৫° একটি স্থূলকোণ, কারণ ৯০°-এর চেয়ে বড় আর ১৮০°-এর চেয়ে ছোট।
    মনে রাখুন:
    দুটি কোণের যোগফল ৯০° হলে তারা পরস্পরের পূরক কোণ (Complementary angle)। ৪৫° কোণের পূরক কোণ আবার ৪৫°।
    সমকোণ ৯০°, সরলকোণ ১৮০° এবং পূর্ণকোণ ৩৬০°।
    ৯০°-এর ছোট কোণ সূক্ষ্মকোণ আর ৯০° থেকে ১৮০°-এর মধ্যবর্তী কোণ স্থূলকোণ।
  17. ২১. ABC ত্রিভুজে ∠B = ∠C এবং BC বাহুর উপর D একটি বিন্দু। কোন তথ্যটি সঠিক?
    • ক. AB > AC
    • খ. AB < AC
    • গ. AC < AD
    • ঘ. AC > AD
    উত্তর: ঘ. AC > AD
    ত্রিভুজ ABC-তে ∠B = ∠C হলে বিপরীত বাহু দুটি সমান, অর্থাৎ AB = AC। এবার BC বাহুর ওপর D বিন্দু নিলে কারণটি এভাবে বোঝা যায়। ত্রিভুজ ABD-তে ∠ADC হলো বহিঃস্থ কোণ, তাই এটি অন্তঃস্থ বিপরীত ∠B-এর চেয়ে বড়। আবার ∠B = ∠C, তাই ∠ADC > ∠C। ত্রিভুজ ADC-তে বড় কোণের বিপরীত বাহু বড় হয়। ∠ADC-এর বিপরীত বাহু AC এবং ∠C-এর বিপরীত বাহু AD, তাই AC > AD।
    AB < AC বা AB > AC বলা ঠিক নয়, কারণ দুটি বাহু সমান।
    মনে রাখুন:
    সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে সমান কোণের বিপরীত বাহু সমান।
    ত্রিভুজের বড় কোণের বিপরীত বাহু বড় এবং বড় বাহুর বিপরীত কোণ বড়।
    ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল ১৮০°।
  18. ২২. x² – 2x + 1 = 0 হলে, (x⁴ + 2x² + 1)/x² এর মান—
    • ক. –4
    • খ. 0
    • গ. 4
    • ঘ. 8
    উত্তর: গ. 4
    প্রথমে শর্তটি সহজ করি। x² − 2x + 1 = 0 কে লেখা যায় (x − 1)² = 0, তাই x = 1। এখন রাশির লবকে ভাঙলে x⁴ + 2x² + 1 = (x² + 1)²। সুতরাং রাশিটি হলো (x² + 1)²/x²। x = 1 বসালে মান (1 + 1)²/1 = 4।
    অন্য উপায়ে: রাশিটি (x² + 1)²/x² = ((x² + 1)/x)² = (x + 1/x)²। x = 1 হলে x + 1/x = 2, তাই মান 2² = 4।
    মনে রাখুন:
    a² + 2ab + b² = (a + b)² এবং a² − 2ab + b² = (a − b)²।
    x² − 2x + 1 = 0 হলে x + 1/x = 2 হয়।
    x + 1/x = k হলে x² + 1/x² = k² − 2।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ১১. কম্পিউটার আবিষ্কার করেন—
    • ক. উইলিয়াম অটরেড
    • খ. ব্লেইস প্যাসকেল
    • গ. হাওয়ার্ড এইকিন
    • ঘ. অ্যাবাকাস
    উত্তর: গ. হাওয়ার্ড এইকিন
    হাওয়ার্ড এইকেন (Howard Aiken) ১৯৩৭ সালে একটি স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্রের পরিকল্পনা করেন। আইবিএম (IBM) কোম্পানির সহায়তায় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই যন্ত্রটি ১৯৪৪ সালে তৈরি হয়, যার নাম মার্ক-১ (Mark I)। এটি ছিল প্রথম বৃহৎ স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক-যান্ত্রিক কম্পিউটার। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে তাই তাঁর নামই কম্পিউটার আবিষ্কারকের উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের নকশা করেছিলেন।
    উইলিয়াম অটরেড স্লাইড রুল তৈরি করেন (প্রায় ১৬২২ সালে)।
    ব্লেইস প্যাসকেল ১৬৪২ সালে প্যাসকেলাইন নামের যান্ত্রিক গণনাযন্ত্র তৈরি করেন।
    অ্যাবাকাস কোনো ব্যক্তি নন, এটি একটি প্রাচীন গণনাযন্ত্র।
    প্রথম সাধারণ উদ্দেশ্যের বৈদ্যুতিক কম্পিউটার এনিয়াক (ENIAC), ১৯৪৬ সালে তৈরি।
  2. ৩৮. বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার বর্তমানে কোথায় সংরক্ষিত আছে?
    • ক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
    • খ. বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে
    • গ. জাতীয় যাদুঘরে
    • ঘ. জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে
    উত্তর: ঘ. জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে
    বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার ১৯৬৪ সালে ঢাকার পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে বসানো হয়। এটি ছিল আইবিএম ১৬২০ মডেলের। পুরোনো সেই যন্ত্রটি এখন ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে, যাতে নতুন প্রজন্ম দেশের কম্পিউটারের ইতিহাস দেখতে পারে।
    মনে রাখুন:
    আইবিএম ১৬২০ ছিল একটি ট্রানজিস্টরভিত্তিক কম্পিউটার।
    বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার বসানো হয় ১৯৬৪ সালে, ঢাকার পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে।
    বর্তমানে সংরক্ষিত আছে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে।

বিজ্ঞান

  1. ১২. কোনটি এন্টিবায়োটিক?
    • ক. ইনসুলিন
    • খ. পেপসিন
    • গ. পেনিসিলিন
    • ঘ. ইথিলিন
    উত্তর: গ. পেনিসিলিন
    কিছু অণুজীব নিজেদের রক্ষার জন্য এমন রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে, যা অন্য জীবাণুকে মেরে ফেলে বা বাড়তে দেয় না। এই ধরনের পদার্থ থেকে তৈরি ওষুধকে এন্টিবায়োটিক (Antibiotic) বলে। পেনিসিলিন পেনিসিলিয়াম নামের এক ধরনের ছত্রাক থেকে পাওয়া যায়, তাই এটি এন্টিবায়োটিক।
    ১৯২৮ সালে স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং হঠাৎ লক্ষ করেন, ছত্রাকের চারপাশে ব্যাকটেরিয়া বাড়ছে না। এভাবেই পেনিসিলিন আবিষ্কৃত হয়। পরে হাওয়ার্ড ফ্লোরি ও আর্নস্ট চেইন ১৯৪০-এর দশকে একে ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করেন। ১৯৪৫ সালে এই তিনজন একসঙ্গে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
    মনে রাখুন:
    ইনসুলিন একটি হরমোন, যা অগ্ন্যাশয় তৈরি করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
    পেপসিন পাকস্থলীর হজম-উৎসেচক, যা প্রোটিন ভাঙে।
    ইথিলিন একটি গ্যাস, যা ফল পাকতে সাহায্য করে।
    এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে কাজ করে, ভাইরাসের ক্ষেত্রে নয়।
  2. ১৩. জন্ডিসে আক্রান্ত হয়—
    • ক. যকৃত
    • খ. কিডনি
    • গ. পাকস্থলি
    • ঘ. বৃহদান্ত্র
    উত্তর: ক. যকৃত
    জন্ডিস (Jaundice) প্রধানত যকৃতের (Liver) রোগ। আমাদের লোহিত রক্তকণিকা পুরোনো হলে ভেঙে যায়, তখন বিলিরুবিন নামে একটি হলুদ রঞ্জক পদার্থ তৈরি হয়। সুস্থ যকৃত এই বিলিরুবিন রক্ত থেকে সরিয়ে পিত্তরসের সঙ্গে বের করে দেয়। যকৃত ঠিকমতো কাজ না করলে রক্তে বিলিরুবিন জমতে থাকে। ফলে চোখের সাদা অংশ ও ত্বক হলুদ দেখায় এবং প্রস্রাবও গাঢ় হলুদ হয়।
    মনে রাখুন:
    যকৃত আমাদের দেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি।
    হেপাটাইটিস A, B, C, D ও E ভাইরাস যকৃতে সংক্রমণ ঘটিয়ে জন্ডিস সৃষ্টি করতে পারে।
    হেপাটাইটিস A ও E সাধারণত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। হেপাটাইটিস B ও C ছড়ায় সংক্রমিত রক্তের মাধ্যমে।
  3. ১৪. কোলেস্টেরল এক ধরনের—
    • ক. অ্যামাইনো এসিড
    • খ. পলিমার
    • গ. জৈব এসিড
    • ঘ. অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল
    উত্তর: ঘ. অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল
    কোলেস্টেরল (Cholesterol) প্রাণীদেহের কোষে পাওয়া এক ধরনের স্টেরয়েড অ্যালকোহল, যার সংকেত C27H46O। এর অণুতে একটি দ্বিবন্ধন আছে বলে একে অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল বলা হয়। কোলেস্টেরল কোষঝিল্লি গঠনে লাগে এবং দেহে কিছু হরমোন ও পিত্তরস তৈরির কাঁচামাল হিসেবে কাজ করে। কাজেই এটি পুরোপুরি ক্ষতিকর নয়, তবে মাত্রা বেশি হলে সমস্যা হয়।
    মনে রাখুন:
    HDL (High Density Lipoprotein) ভালো কোলেস্টেরল নামে পরিচিত।
    LDL (Low Density Lipoprotein) বেশি হলে ধমনির ভেতরে চর্বি জমে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।
    কোলেস্টেরল প্রধানত প্রাণিজ খাদ্যে পাওয়া যায়, যেমন ডিমের কুসুম, মাংস ও মাখনে। উদ্ভিজ্জ তেলে এটি থাকে না।
  4. ২৩. তড়িৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয় যে যন্ত্রের মাধ্যমে তা হলো—
    • ক. অ্যামপ্লিফায়ার
    • খ. জেনারেটর
    • গ. লাউড স্পিকার
    • ঘ. মাইক্রোফোন
    উত্তর: গ. লাউড স্পিকার
    লাউড স্পিকারে তড়িৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এর ভেতরে একটি কুণ্ডলী থাকে, যা একটি চুম্বকের কাছে বসানো। কুণ্ডলীতে পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে চুম্বকের প্রভাবে সেটি কাঁপে। কুণ্ডলীর সঙ্গে লাগানো পর্দাও (ডায়াফ্রাম) তখন কাঁপে, ফলে বাতাসে শব্দতরঙ্গ তৈরি হয়। সেই কম্পনই আমরা শব্দ হিসেবে শুনি।
    মনে রাখুন:
    মাইক্রোফোনে ঠিক উল্টোটা ঘটে। এখানে শব্দশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
    জেনারেটর যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তর করে।
    অ্যামপ্লিফায়ার দুর্বল সংকেতকে শক্তিশালী করে।
    মোটর তড়িৎশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে এবং হিটার তড়িৎশক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর করে।
  5. ২৪. ৫০° ফারেনহাইট উষ্ণতার সমান—
    • ক. ১০০° সেন্টিগ্রেড
    • খ. ৫০° সেন্টিগ্রেড
    • গ. ৩২° সেন্টিগ্রেড
    • ঘ. ১০° সেন্টিগ্রেড
    উত্তর: ঘ. ১০° সেন্টিগ্রেড
    ফারেনহাইট (F) থেকে সেলসিয়াস (C) পাওয়ার সূত্র হলো C/5 = (F − 32)/9। এখানে F = 50 বসালে
    C/5 = (50 − 32)/9 = 18/9 = 2
    C = 10
    তাই ৫০° ফারেনহাইট = ১০° সেলসিয়াস (সেন্টিগ্রেড)।
    যাচাই: উল্টো পথে F = C × 9/5 + 32 = 10 × 9/5 + 32 = 18 + 32 = 50। মিলে যায়।
    মনে রাখুন:
    পানির হিমাঙ্ক ০°C = ৩২°F এবং স্ফুটনাঙ্ক ১০০°C = ২১২°F।
    কেলভিন (K) = C + 273 (সুনির্দিষ্ট মান 273.15)।
    −৪০° তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের পাঠ সমান হয়।
  6. ২৫. চলার পথে প্রতিবন্ধকের উপস্থিতি কিংবা খাদ্যবস্তুর অবস্থান নির্ণয়ে বাদুড় কী ব্যবহার করে?
    • ক. শব্দের তরঙ্গ
    • খ. শ্রাব্যতার তরঙ্গ
    • গ. শব্দোত্তর তরঙ্গ
    • ঘ. উপরের সবগুলো
    উত্তর: গ. শব্দোত্তর তরঙ্গ
    বাদুড় রাতের অন্ধকারে চোখ দিয়ে ভালো দেখতে পায় না। তাই উড়ার সময় সে শব্দোত্তর তরঙ্গ (Ultrasound) ছাড়ে। এই তরঙ্গ কোনো বাধা বা খাবারের গায়ে লেগে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসে। ফিরে আসা প্রতিধ্বনি থেকে বাদুড় বুঝে নেয় বাধা কত দূরে আছে এবং কোন দিকে। এই কৌশলকে প্রতিধ্বনি দিয়ে অবস্থান নির্ণয় (Echolocation) বলে।
    মনে রাখুন:
    মানুষ ২০ হার্টজ থেকে ২০,০০০ হার্টজ কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়, একে শ্রাব্যতার পাল্লা বলে। ২০,০০০ হার্টজের বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ শব্দোত্তর বা আলট্রাসাউন্ড।
    ২০ হার্টজের কম কম্পাঙ্কের শব্দকে infrasound বা অবশব্দ বলে।
    একই নীতিতে সোনার (SONAR) যন্ত্র সাগরের গভীরতা মাপে। চিকিৎসায় আলট্রাসনোগ্রাফিও শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে।
  7. ২৬. সূর্যাস্তের সময় আমরা সূর্যকে লাল দেখি, কারণ লাল আলোর—
    • ক. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম
    • খ. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি
    • গ. প্রতিসরণ বেশি
    • ঘ. কম্পাঙ্ক বেশি
    উত্তর: খ. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি
    সূর্যের সাদা আলো আসলে সাতটি রঙের মিশ্রণ। বায়ুমণ্ডলের গ্যাস ও ধুলিকণায় লেগে এই আলো চারদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট, সে তত বেশি বিক্ষিপ্ত হয়। লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, তাই সে সবচেয়ে কম বিক্ষিপ্ত হয়।
    সূর্যাস্তের সময় সূর্য দিগন্তের কাছে থাকে। তখন তার আলোকে আমাদের চোখে আসতে বায়ুমণ্ডলের অনেক বেশি পথ পার হতে হয়। এই দীর্ঘ পথে নীল ও অন্য ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ছড়িয়ে হারিয়ে যায়, আর লাল আলো সোজাসুজি চোখে পৌঁছায়। তাই সূর্যকে লাল দেখায়।
    মনে রাখুন:
    এই বিক্ষেপণকে রেলে বিক্ষেপণ (Rayleigh scattering) বলে। আকাশ নীল দেখায় একই কারণে, কারণ নীল আলো বেশি বিক্ষিপ্ত হয়।
    লাল আলোর কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম, বেশি নয়।
    বিপদ-সংকেতে লাল আলো ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি কম বিক্ষিপ্ত হয় বলে অনেক দূর থেকে দেখা যায়।
  8. ২৭. মোটর, জেনারেটর ও ট্রান্সফরমার ইত্যাদিতে কী ধরনের চুম্বক ব্যবহৃত হয়?
    • ক. অস্থায়ী চুম্বক
    • খ. স্থায়ী চুম্বক
    • গ. প্রাকৃতিক চুম্বক
    • ঘ. সিরামিক চুম্বক
    উত্তর: ক. অস্থায়ী চুম্বক
    মোটর, জেনারেটর ও ট্রান্সফরমারে নরম লোহার কোরের ওপর তারের কুণ্ডলী জড়িয়ে তড়িৎচুম্বক (Electromagnet) বানানো হয়। কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ চললেই লোহার কোর চুম্বক হয়, বিদ্যুৎ বন্ধ করলে তার চুম্বকত্ব প্রায় সঙ্গে সঙ্গে চলে যায়। এ কারণে একে অস্থায়ী চুম্বক বলে। এ ধরনের যন্ত্রে বারবার চুম্বকত্ব তৈরি ও বিলুপ্ত হতে হয়, তাই এখানে স্থায়ী চুম্বক চলে না।
    মনে রাখুন:
    নরম লোহা সহজে চুম্বকিত হয় এবং সহজে চুম্বকত্ব হারায়। ইস্পাত দিয়ে স্থায়ী চুম্বক তৈরি হয়, কারণ ইস্পাত চুম্বকত্ব ধরে রাখে।
    তড়িৎচুম্বকের শক্তি কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা এবং বিদ্যুতের পরিমাণ বাড়ালে বাড়ে।
    ম্যাগনেটাইট (Fe₃O₄) খনিজ হলো প্রাকৃতিক চুম্বক।
  9. ২৮. কোন অবস্থায় তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়?
    • ক. কোনো রকম প্রভাব ছাড়া স্বতঃস্ফূর্তভাবে
    • খ. যখন সেটি উত্তপ্ত করা হয়
    • গ. যখন তার উপর উচ্চ চাপ প্রয়োগ করা হয়
    • ঘ. যখন অন্য পদার্থের সাথে সংঘর্ষ হয়
    উত্তর: ক. কোনো রকম প্রভাব ছাড়া স্বতঃস্ফূর্তভাবে
    তেজস্ক্রিয় পদার্থের পরমাণুর নিউক্লিয়াস অস্থির। নিজে স্থিতিশীল হওয়ার জন্য নিউক্লিয়াস আপনা থেকেই ভেঙে যায় এবং তা থেকে আলফা (α), বিটা (β) ও গামা (γ) রশ্মি বের হয়। এই ভাঙনে তাপ, চাপ বা অন্য পদার্থের সঙ্গে সংঘর্ষের মতো কোনো বাইরের প্রভাব লাগে না। তাই একে স্বতঃস্ফূর্ত ভাঙন বলা হয়। এমনকি পদার্থকে যতই গরম বা চাপযুক্ত করা হোক, এর তেজস্ক্রিয়তা বদলায় না।
    মনে রাখুন:
    আলফা রশ্মি হলো হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (ধনাত্মক চার্জযুক্ত), বিটা রশ্মি ইলেকট্রনের স্রোত, আর গামা রশ্মি চার্জহীন তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
    ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি গামা রশ্মির এবং সবচেয়ে কম আলফা রশ্মির।
    হেনরি বেকেরেল ১৮৯৬ সালে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। ১৮৯৮ সালে মেরি ও পিয়ের কুরি পোলোনিয়াম ও রেডিয়াম আবিষ্কার করেন।
    তেজস্ক্রিয়তার SI একক বেকেরেল (Bq)।
  10. ৩০. বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে ব্যবহৃত হয়—
    • ক. কপার তার
    • খ. এন্টিমনি তার
    • গ. টাংস্টেন তার
    • ঘ. নাইক্রোম তার
    উত্তর: ঘ. নাইক্রোম তার
    ইস্ত্রি ও হিটারে এমন তার লাগে যার রোধ বেশি এবং যা উত্তপ্ত হলেও গলে না বা সহজে মরিচা ধরে না। নাইক্রোম নামের সংকর ধাতুর তারে এই গুণগুলো আছে। এটি প্রধানত নিকেল ও ক্রোমিয়ামের সঙ্গে সামান্য লোহার মিশ্রণ। এর গলনাঙ্ক অনেক বেশি, তাই বিদ্যুৎ চলার সময় তারটি লাল হয়ে গরম হলেও নষ্ট হয় না। রোধ বেশি বলে বিদ্যুৎশক্তি সহজে তাপে বদলে যায়।
    মনে রাখুন:
    তামার রোধ কম, তাই তামার তার বিদ্যুৎ পরিবহনে ব্যবহার করা হয়।
    বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরের ফিলামেন্ট টাংস্টেনের তৈরি, কারণ টাংস্টেনের গলনাঙ্ক সব ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
    ফিউজ তারের গলনাঙ্ক কম, যাতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গেলে তারটি গলে বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়।

বাংলাদেশ

  1. ২৯. বাংলাদেশের কোন ব্যাংকে সর্বপ্রথম কম্পিউটার স্থাপন করে?
    • ক. সোনালী ব্যাংক
    • খ. রূপালী ব্যাংক
    • গ. ইউনাইটেড ব্যাংক
    • ঘ. জনতা ব্যাংক
    উত্তর: গ. ইউনাইটেড ব্যাংক
    ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে। প্রচলিত তথ্যমতে ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইউনাইটেড ব্যাংক প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করে, তাই দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে উত্তর ইউনাইটেড ব্যাংক।
    দেশের প্রথম কম্পিউটারের কথা এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা চলবে না। এটি কোনো ব্যাংকে বসেনি। ১৯৬৪ সালে ঢাকায় পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে আইবিএম ১৬২০ মডেলের একটি কম্পিউটার বসানো হয়। সেটিই বাংলাদেশের (তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের) প্রথম কম্পিউটার।
    মনে রাখুন:
    প্রথম কম্পিউটার: ১৯৬৪, পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকা, আইবিএম ১৬২০।
    প্রশ্নে 'প্রথম কোন ব্যাংকে' জানতে চাইলে উত্তর ইউনাইটেড ব্যাংক।
  2. ৩১. পদ্মা বহুমুখী সেতুর স্প্যান সংখ্যা কত?
    • ক. ৩২
    • খ. ৪১
    • গ. ৪২
    • ঘ. ২৮
    উত্তর: খ. ৪১
    পদ্মা বহুমুখী সেতুর মোট স্প্যান সংখ্যা ৪১টি। ইস্পাতের কাঠামোর এই সেতুর প্রতিটি স্প্যান ১৫০ মিটার লম্বা। এক স্প্যানের সঙ্গে আরেক স্প্যান একটি পিলারের ওপর বসে, তাই ৪১টি স্প্যানের জন্য পিলার লাগে ৪২টি। প্রশ্নে স্প্যান জানতে চাওয়ায় উত্তর ৪১, পিলারের ৪২ নয়।
    সেতুটি মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি সড়ক যোগাযোগ হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার, প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
    ২০২২ সালের ২৫ জুন সেতুটির উদ্বোধন হয়।
    এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। যমুনা সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
  3. ৩২. শেখ মুজিবুর রহমান শৈশবে কোন বিদ্যালয়ে তাঁর পাঠ শুরু করেন?
    • ক. গোপালগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়
    • খ. শ্রীরামকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়
    • গ. টুঙ্গিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়
    • ঘ. গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়
    উত্তর: ঘ. গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়
    শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলায় তাঁর পড়াশোনা শুরু হয় গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সাত বছর বয়সে, ১৯২৭ সালে, তিনি সেখানে ভর্তি হন। প্রশ্নে 'পাঠ শুরু' কোথায় হয়েছিল, তা জানতে চাওয়ায় উত্তর গিমাডাঙ্গা। টুঙ্গিপাড়া তাঁর জন্মস্থান, বিদ্যালয়ের নাম নয়।
    মনে রাখুন:
    পরে তিনি গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুল ও মিশনারি স্কুলে পড়েন।
    উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে যান এবং সেখান থেকে বিএ পাস করেন।
    জন্ম: ১৭ মার্চ ১৯২০, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
  4. ৩৩. বাংলাদেশের কোন জেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি আছে?
    • ক. কুমিল্লায়
    • খ. খুলনায়
    • গ. রাজশাহীতে
    • ঘ. রংপুরে
    উত্তর: ক. কুমিল্লায়
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বর্মা (মিয়ানমার) রণাঙ্গনে নিহত কমনওয়েলথ সৈন্যদের স্মরণে কয়েক জায়গায় যুদ্ধ সমাধিক্ষেত্র করা হয়েছে। বাংলাদেশে এমন সমাধিক্ষেত্র আছে কুমিল্লার ময়নামতিতে এবং চট্টগ্রামে। বিকল্পগুলোর মধ্যে তাই কুমিল্লাই উত্তর। খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর এ ধরনের সমাধিক্ষেত্রের জন্য পরিচিত নয়।
    মনে রাখুন:
    কুমিল্লার ময়নামতি এলাকা বৌদ্ধ বিহার শালবন বিহারের জন্য বিখ্যাত।
    ময়নামতির আরও দুটি প্রত্নস্থান কোটিলা মুড়া ও চারপত্র মুড়া।
  5. ৩৭. বাংলাদেশের কোন জেলায় ফল গবেষণা ইনস্টিটিউট আছে?
    • ক. রাজশাহী
    • খ. বগুড়া
    • গ. রংপুর
    • ঘ. দিনাজপুর
    উত্তর: ক. রাজশাহী
    বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BARI) অধীনে ফল গবেষণার কেন্দ্রটি রাজশাহীর বিনোদপুরে অবস্থিত। রাজশাহী অঞ্চল আম, লিচু ও কলার জন্য বিখ্যাত। তাই এ অঞ্চলে ফলের উন্নত জাত উদ্ভাবনের জন্য গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলা স্বাভাবিক। BARI নিজে ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের প্রধান কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও তাদের অবস্থান:
    BARI-র সদর দপ্তর গাজীপুরের জয়দেবপুরে।
    ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) গাজীপুরে।
    পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) ঢাকায়।
    ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট (BSRI) পাবনার ঈশ্বরদীতে।
    পারমাণবিক কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA) ময়মনসিংহে।
  6. ৪০. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গঠিত প্রবাসী সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
    • ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
    • খ. তাজউদ্দিন আহমদ
    • গ. মোঃ কামারুজ্জামান
    • ঘ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
    উত্তর: ঘ. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারে ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ছিলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি একই সঙ্গে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। বিকল্পের বাকি তিনজনও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন, কিন্তু অর্থমন্ত্রী ছিলেন না।
    মনে রাখুন:
    অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
    প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ।
    স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী: এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান।
    সরকার শপথ নেয় ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায়, যার নাম পরে হয় মুজিবনগর।
  7. ৪৩. 'গাবখান চ্যানেল' বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
    • ক. কুড়িগ্রাম
    • খ. গাইবান্ধা
    • গ. পটুয়াখালী
    • ঘ. ঝালকাঠী
    উত্তর: ঘ. ঝালকাঠী
    গাবখান চ্যানেল বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত। এটি সুগন্ধা নদীর সঙ্গে বিষখালী নদীকে যুক্ত করেছে। এর ফলে নৌযানগুলোকে ঘুরে অনেক দূরের পথ পাড়ি দিতে হয় না, সংক্ষিপ্ত পথে যাওয়া যায়। বরিশাল অঞ্চলের নৌ যোগাযোগে তাই এই চ্যানেলের গুরুত্ব আছে।
    মনে রাখুন: গাবখান চ্যানেলকে বাংলার সুয়েজ খাল বলা হয়।
    বিকল্পের অন্য জেলা কুড়িগ্রাম (রংপুর বিভাগ), গাইবান্ধা (রংপুর বিভাগ) ও পটুয়াখালী (বরিশাল বিভাগ) এই চ্যানেলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
  8. ৪৭. চিত্রা নদীর পাড়ে কোন শহর অবস্থিত?
    • ক. ফরিদপুর
    • খ. নড়াইল
    • গ. মাদারীপুর
    • ঘ. যশোহর
    উত্তর: খ. নড়াইল
    চিত্রা নদী নড়াইল শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে। নড়াইল শহরটি এই নদীর তীরেই গড়ে উঠেছে, এবং নদীটি এ অঞ্চলের মানুষের জীবনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। নড়াইল জেলা খুলনা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত।
    মনে রাখুন:
    বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস. এম. সুলতান নড়াইলে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্ম ১৯২৩ সালে, আর মৃত্যু ১৯৯৪ সালে।
    বিকল্পের ফরিদপুর, মাদারীপুর ও যশোর চিত্রা নদীর তীরের শহর নয়।

বাংলা

  1. ৩৪. ‘মগ্নচৈতন্যে শিস’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
    • ক. সৈয়দ শামসুল হক
    • খ. সেলিনা হোসেন
    • গ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    • ঘ. খালেদা এদিব চৌধুরী
    উত্তর: খ. সেলিনা হোসেন
    ‘মগ্নচৈতন্যে শিস’ সেলিনা হোসেনের উপন্যাস। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধ, নারীর জীবন ও সাধারণ মানুষের সংগ্রাম তাঁর লেখায় বারবার ফিরে আসে। বিকল্পের অন্য নামগুলোর মধ্যে সৈয়দ শামসুল হক কবি, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক এবং বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পথের পাঁচালী’র লেখক হিসেবে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    সেলিনা হোসেনের অন্যান্য উপন্যাস:
    হাঙর নদী গ্রেনেড (১৯৭৬)।
    যাপিত জীবন।
    পোকামাকড়ের ঘরবসতি।
    নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি।
    কাঁটাতারে প্রজাপতি।
  2. ৩৫. কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত বছর বয়সে তাঁর কালজয়ী উপন্যাস 'দেবদাস' রচনা করেন?
    • ক. ১৬ বছর
    • খ. ২০ বছর
    • গ. ২২ বছর
    • ঘ. ২৫ বছর
    উত্তর: ঘ. ২৫ বছর
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালে হুগলির দেবানন্দপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ‘দেবদাস’ উপন্যাসটি তিনি ১৯০১ সালে লিখেছিলেন, তখন তাঁর বয়স ২৫ বছর। কিন্তু বইটি ছাপা হয় অনেক পরে, ১৯১৭ সালে। অর্থাৎ লেখার সময় আর প্রকাশের সময় এখানে আলাদা। প্রশ্নে লেখার সময় বয়স জানতে চাওয়ায় উত্তর ২৫ বছর।
    মনে রাখুন:
    শরৎচন্দ্রের অন্যান্য রচনা: শ্রীকান্ত, পথের দাবী, চরিত্রহীন, গৃহদাহ, পল্লীসমাজ।
    তিনি ১৯৩৮ সালে মারা যান।
    ‘পথের দাবী’ ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল।
  3. ৭৪. 'অস্তিত্ববাদী' উপন্যাস কোনটি?
    • ক. ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী
    • খ. সংকর সংকীর্তন
    • গ. সূর্যদীঘল বাড়ি
    • ঘ. কাঁদো নদী কাঁদো
    উত্তর: ঘ. কাঁদো নদী কাঁদো
    ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অস্তিত্ববাদী উপন্যাস। এখানে মানুষের একাকীত্ব, অস্তিত্বের সংকট ও অপরাধবোধ চেতনাপ্রবাহ রীতিতে ফুটে উঠেছে। উপন্যাসের কাহিনি ঘুরেছে মুস্তফা, তবারক ও খোদেজাকে নিয়ে। বিকল্পের অন্য উপন্যাসগুলোর বিষয় ও রীতি আলাদা, তাই সেগুলোকে অস্তিত্ববাদী বলা হয় না।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্যান্য উপন্যাস: লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪)।
    ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে।
    ‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ আবু ইসহাকের উপন্যাস।
  4. ৭৫. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য কোনটি?
    • ক. পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য
    • খ. স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা
    • গ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    • ঘ. জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন
    উত্তর: গ. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
    ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য, যার পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ। ছন্দোবদ্ধ কবিতার ভাষায় লেখা নাটককে কাব্যনাট্য বলে। এই নাটকে যুদ্ধের সময় গ্রামের মানুষের আতঙ্কের ছবি ফুটে উঠেছে। সৈয়দ শামসুল হক কবি, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক, তাঁর জন্ম ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ শামসুল হকের অন্যান্য কাব্যনাট্য:
    নূরলদীনের সারাজীবন।
    এখানে এখন।
    গণনায়ক।
    তিনি ২০১৬ সালে মারা যান।
  5. ৭৬. 'গাছপাথর' বাগ্‌ধারাটির নিহিতার্থ কী?
    • ক. হিসাব নিকাশ
    • খ. কষ্ট কল্পনা
    • গ. সামান্য ইঙ্গিত
    • ঘ. কৃপণের ধন
    উত্তর: ক. হিসাব নিকাশ
    ‘গাছপাথর’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ হিসাব-নিকাশ বা ইয়ত্তা। কোনো কিছুর পরিমাণ এত বেশি যে তার হিসাব রাখা যায় না, এ কথা বোঝাতে সাধারণত এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: ‘ওর টাকার কোনো গাছপাথর নেই’ মানে ওর টাকার কোনো হিসাব নেই। বাগ্‌ধারার বিশেষ অর্থ শব্দগুলোর সাধারণ অর্থ থেকে আলাদা, তাই ‘গাছ’ ও ‘পাথর’ আলাদা করে ধরলে এর ঠিক অর্থ পাওয়া যায় না।
    মনে রাখুন: আরও কিছু বাগ্‌ধারা ও তাদের অর্থ:
    অকালকুষ্মাণ্ড - অপদার্থ।
    অন্ধের যষ্টি - একমাত্র অবলম্বন।
    আদা-জল খেয়ে লাগা - জোর চেষ্টা করা।
    কলুর বলদ - একটানা পরিশ্রমকারী।
  6. ৭৭. 'কুশীলব' শব্দটি কোন সমাসের অন্তর্গত?
    • ক. বহুব্রীহি
    • খ. কর্মধারয়
    • গ. তৎপুরুষ
    • ঘ. দ্বন্দ্ব
    উত্তর: ঘ. দ্বন্দ্ব
    ‘কুশীলব’ শব্দটি কুশ ও লব এই দুজনের নাম মিলে তৈরি। রামায়ণে কুশ ও লব ভাই, দুজনের গুরুত্বই সমান। যে সমাসে সমস্ত পদের অর্থই সমান প্রধান থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাস, ব্যাসবাক্য: কুশ ও লব = কুশীলব। বর্তমানে ‘কুশীলব’ বলতে নাটক বা সিনেমার অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বোঝায়।
    উদাহরণ:
    হাট-বাজার, জলে-স্থলে, অহি-নকুল, দুধে-ভাতে।
    মনে রাখুন: দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত 'ও' বা 'এবং' অর্থে পদ দুটি যুক্ত হয়, আর উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে।
  7. ৭৮. কোন শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় আগত?
    • ক. পর্দা
    • খ. খানা
    • গ. ছবি
    • ঘ. নাম
    উত্তর: গ. ছবি
    ‘ছবি’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। বাকি তিনটি বিকল্প ফারসি ভাষার শব্দ: ‘পর্দা’, ‘খানা’ ও ‘নাম’। বাংলা ভাষায় আরবি, ফারসি, তুর্কি ও অন্য ভাষার অনেক শব্দ মুসলিম শাসনের সময় ঢুকে পড়ে। শব্দ দেখে এর ভাষা চিনতে হলে এসব তালিকা মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    আরবি শব্দ: আদালত, কলম, কিতাব, হাজির।
    ফারসি শব্দ: কারখানা, দোকান, চশমা, পর্দা।
    তুর্কি শব্দ: চাকর, দারোগা, কাঁচি, বন্দুক।
  8. ৭৯. কোনটি অব্যয়বাচক দ্বিরুক্তির উদাহরণ?
    • ক. ভারা ভারা
    • খ. ছম ছম
    • গ. হাতে নাতে
    • ঘ. নেই নেই
    উত্তর: খ. ছম ছম
    যে শব্দ কোনো ধ্বনির অনুকরণ বা ভাবের প্রকাশ করতে দুবার বসে, তাকে অব্যয়বাচক বা ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বলে। ‘ছম ছম’ এমনই একটি শব্দ, যা রাতের নিস্তব্ধতা ও ভয়ের অনুভূতি প্রকাশ করে। তাই এটি অব্যয়বাচক দ্বিরুক্তির উদাহরণ। বাকি বিকল্পগুলো কোনো ধ্বনির অনুকরণ নয়, সেগুলো পদ বা শব্দের পুনরাবৃত্তি।
    উদাহরণ:
    ঝিরঝির, টুপটাপ, কনকন, ঝমঝম।
    মনে রাখুন: ‘হাতে নাতে’ পদাত্মক, আর ‘নেই নেই’ ক্রিয়াবাচক দ্বিরুক্তি।
  9. ৮০. মধ্যযুগ-আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণের কবি কাকে বলা হয়?
    • ক. ভারতচন্দ্র রায়কে
    • খ. বিহারীলাল চক্রবর্তীকে
    • গ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে
    • ঘ. মধুসূদন দত্তকে
    উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের যুগসন্ধির কবি বলা হয়। তাঁর কবিতায় মধ্যযুগের রীতির সঙ্গে সমকালীন সমাজ, রাজনীতি ও ব্যঙ্গ মিলেছে। তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ভারতচন্দ্র রায় মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে পরিচিত, বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক গীতিকবিতার সূচনাকারী, আর মধুসূদন দত্তকে প্রথম আধুনিক কবি বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    সংবাদ প্রভাকর ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক হিসেবে বের হয়। ১৮৩৯ সালে এটি দৈনিক হয়।
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮১২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৫৯ সালে মারা যান।
  10. ৮১. 'স' ধ্বনিটির পরিচয় কোনটি?
    • ক. উষ্ম
    • খ. স্পৃষ্ট
    • গ. পার্শ্বিক
    • ঘ. নাসিকা
    উত্তর: ক. উষ্ম
    ‘স’ ধ্বনিটি উষ্মধ্বনি। এই ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখের ভেতরের বাতাস সংকীর্ণ পথ দিয়ে ঘর্ষণ করে বেরিয়ে আসে এবং শিসের মতো শব্দ হয়। তাই একে শিস ধ্বনিও বলে। ক থেকে ম পর্যন্ত স্পর্শ বর্ণ, কিন্তু স এই দলে নেই, তাই স্পৃষ্ট নয়। ল পার্শ্বিক, আর ঙ-ঞ-ণ-ন-ম নাসিক্য ধ্বনি।
    মনে রাখুন:
    উষ্মধ্বনি: শ, ষ, স, হ।
    পার্শ্বিক ধ্বনি: ল।
    নাসিক্য ধ্বনি: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম।
    স্পর্শ ধ্বনি: ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি।
  11. ৮২. কোন দুটি বর্ণযোগে 'জ্ঞ' যুক্তব্যঞ্জনটি গঠিত?
    • ক. ঞ + জ
    • খ. ঞ + ড
    • গ. ড্ + ঞ
    • ঘ. জ্ + ঞ
    উত্তর: ঘ. জ্ + ঞ
    ‘জ্ঞ’ যুক্তব্যঞ্জনটি জ্ ও ঞ এই দুটি বর্ণ মিলে তৈরি। জ্ + ঞ = জ্ঞ। যেমন: জ্ঞান, বিজ্ঞ, জ্ঞাপন। বিকল্প ‘ঞ + জ’ দেখতে কাছাকাছি লাগলেও তা আলাদা যুক্তবর্ণ ‘ঞ্জ’ দেয়। আর ‘ড্ + ঞ’ বা ‘ঞ + ড’ নামে প্রচলিত কোনো যুক্তবর্ণ জ্ঞ-এর সমান নয়।
    মনে রাখুন:
    ঞ + জ = ঞ্জ, যেমন: গঞ্জ, রঞ্জন।
    ঞ + চ = ঞ্চ, যেমন: পঞ্চ, মঞ্চ।
    ক্ + ষ = ক্ষ, যেমন: ক্ষমতা, শিক্ষা।
  12. ৮৩. 'স্বাগত' শব্দটির শুদ্ধ সন্ধি-গঠন কোনটি?
    • ক. স্বা + আগত
    • খ. সু + আগত
    • গ. স্ব + আগত
    • ঘ. সা + আগত
    উত্তর: খ. সু + আগত
    ‘স্বাগত’ শব্দটি এসেছে সু + আগত থেকে। সন্ধির নিয়মে উ বা ঊ-কারের পরে ভিন্ন স্বরবর্ণ এলে উ-কার বদলে ব-ফলা হয়, আর পরের স্বরটি ব-ফলার সঙ্গে যুক্ত হয়। তাই সু + আগত = স্বাগত। বিকল্প ‘স্ব + আগত’ ভুল, কারণ স্ব মানে নিজ, অথচ স্বাগত মানে ভালোভাবে আগমন বা সাদর অভ্যর্থনা, তাই এখানে সু-ই ঠিক উপসর্গ।
    উদাহরণ:
    অনু + এষণ = অন্বেষণ।
    অনু + অয় = অন্বয়।
    মনু + অন্তর = মন্বন্তর।
    মনে রাখুন: ই বা ঈ-কারের পরে ভিন্ন স্বর এলে য-ফলা হয়। যেমন: অতি + অন্ত = অত্যন্ত, প্রতি + এক = প্রত্যেক।
  13. ৮৪. 'কমল' শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে—
    • ক. কান্তার
    • খ. লহর
    • গ. পুষ্কর
    • ঘ. আস্তর
    উত্তর: গ. পুষ্কর
    ‘কমল’ মানে পদ্ম। পদ্মের একটি প্রতিশব্দ পুষ্কর। বাকি বিকল্পের অর্থ আলাদা: কান্তার মানে গভীর বন, লহর মানে ঢেউ, আর আস্তর মানে পলেস্তারা বা বিছানোর আচ্ছাদন।
    মনে রাখুন: পদ্মের অন্য নাম:
    পঙ্কজ।
    সরোজ।
    নলিন।
    অরবিন্দ।
    শতদল।
    পুষ্কর শব্দটি পদ্ম ছাড়া আকাশ ও একটি তীর্থের নামেও ব্যবহার হয়।
  14. ৮৫. 'অর্বাচীন' শব্দের বিপরীত অর্থবোধক শব্দ কোনটি?
    • ক. বিপিন
    • খ. শৌখিন
    • গ. নবীন
    • ঘ. প্রাচীন
    উত্তর: ঘ. প্রাচীন
    ‘অর্বাচীন’ শব্দের অর্থ আধুনিক বা নবীন, আবার অপরিণত ও অজ্ঞ অর্থেও এটি ব্যবহৃত হয়। প্রশ্নের বিকল্পের মধ্যে এর বিপরীত অর্থের শব্দ প্রাচীন। অন্য বিকল্পগুলো কেন মেলে না, তা দেখি। ‘নবীন’ এর সমার্থক শব্দ, ‘বিপিন’ মানে বন, আর ‘শৌখিন’ মানে যে বিলাসী বা সৌখিন।
    মনে রাখুন:
    অর্বাচীন × প্রাচীন।
    আধুনিক × প্রাচীন।
    নবীন × প্রবীণ।
  15. ৮৬. 'Monitoring' শব্দটির বাংলা পরিভাষা হচ্ছে—
    • ক. পর্যালোচনা
    • খ. পরিবীক্ষণ
    • গ. পরিদর্শন
    • ঘ. পর্যবেক্ষণ
    উত্তর: খ. পরিবীক্ষণ
    Monitoring শব্দের বাংলা পরিভাষা পরিবীক্ষণ। এর অর্থ কোনো কাজ বা প্রকল্প চলার সময় নিয়মিত নজর রাখা, যাতে ঠিকমতো এগোচ্ছে কি না বোঝা যায়। কাছাকাছি লাগলেও বাকি বিকল্প তিনটি আলাদা ইংরেজি শব্দের পরিভাষা।
    মনে রাখুন:
    Observation - পর্যবেক্ষণ।
    Inspection - পরিদর্শন।
    Review - পর্যালোচনা।
    Evaluation - মূল্যায়ন।
  16. ৮৭. কোন শব্দটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত?
    • ক. আকাল
    • খ. সকাল
    • গ. আষাঢ়
    • ঘ. আবার
    উত্তর: ক. আকাল
    ‘আকাল’ শব্দে বাংলা উপসর্গ ‘আ’ যুক্ত হয়েছে। আ + কাল = আকাল, অর্থাৎ দুঃসময় বা দুর্ভিক্ষ। এখানে ‘আ’ উপসর্গ অভাব বা মন্দ অর্থ যোগ করেছে। বাকি বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘আষাঢ়’ সংস্কৃত থেকে আসা মাসের নাম, তাতে কোনো উপসর্গ নেই।
    মনে রাখুন:
    উপসর্গ হলো শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে বা অর্থ বদলে দেয় এমন অংশ।
    বাংলা উপসর্গ ও উদাহরণ:
    কু - কুনজর, কুকথা।
    পাতি - পাতিহাঁস, পাতিলেবু।
    নি - নিখুঁত, নিলাজ।
    হা - হাভাতে, হাঘরে।
    সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ মোট ২০টি।
  17. ৮৮. বাংলা গদ্যের 'যথার্থ শিল্পী' বলা হয় কাকে?
    • ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে
    • খ. মীর মশাররফ হোসেনকে
    • গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
    • ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
    উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের প্রথম যথার্থ শিল্পী বলা হয়। তিনি গদ্যে যতিচিহ্ন বসিয়ে তাকে সুশৃঙ্খল ও ছন্দময় করে তোলেন। এর আগে বাংলা গদ্য ছিল এলোমেলো ও কঠিন। বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ও মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যে অনেক অবদান রেখেছেন, তবে গদ্যকে প্রথম শিল্পের স্তরে তুলেছিলেন বিদ্যাসাগরই।
    মনে রাখুন:
    বিদ্যাসাগরের রচনা: বর্ণপরিচয় (১৮৫৫), শকুন্তলা (১৮৫৪), সীতার বনবাস (১৮৬০), ভ্রান্তিবিলাস (১৮৬৯)।
    তিনি ১৮২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯১ সালে মারা যান।
    সংস্কৃত কলেজ তাঁকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেয়।
  18. ৮৯. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস কোনটি?
    • ক. স্ত্রী-চরিত্র
    • খ. রাজর্ষি
    • গ. ষোড়শী
    • ঘ. রজনী
    উত্তর: ঘ. রজনী
    ‘রজনী’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস, যা ১৮৭৭ সালে প্রকাশিত। এতে এক অন্ধ ফুলওয়ালি রজনীর কাহিনি আছে। বিকল্পের বাকি নামগুলো তাঁর লেখা নয়: ‘রাজর্ষি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস, আর ‘ষোড়শী’ শরৎচন্দ্রের নাটক।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম বাংলা উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫)।
    তাঁর আরও উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬), বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, আনন্দমঠ (১৮৮২)।
    আনন্দমঠ উপন্যাসেই 'বন্দে মাতরম' গানটি আছে।
  19. ৯০. চর্যাপদের পদগুলো মূলত—
    • ক. শ্লোক
    • খ. কবিতা
    • গ. গান
    • ঘ. ধাঁধা
    উত্তর: গ. গান
    চর্যাপদের পদগুলো মূলত গান। বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকেরা সাধনার গূঢ় কথা সংকেতের ভাষায় গানের আকারে রচনা করেছেন। তাই এগুলোকে চর্যাগীতিও বলা হয়। এই পদগুলো সুরে গাওয়া হতো, প্রতিটি পদে রাগের নাম লেখা আছে। শ্লোক, কবিতা বা ধাঁধা বললে এর গানের দিকটি বাদ পড়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন।
    ১৯১৬ সালে এটি 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।
    প্রথম পদকর্তা লুইপা। কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন।
    সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে।
  20. ৯১. বাংলায় 'মহাভারতের' শ্রেষ্ঠ অনুবাদক হলেন—
    • ক. সন্ধ্যাকর নন্দী
    • খ. কাশীরাম দাস
    • গ. মালাধর বসু
    • ঘ. শ্রীকর নন্দী
    উত্তর: খ. কাশীরাম দাস
    মূল মহাভারত সংস্কৃত ভাষায় ব্যাসদেবের রচনা। বাংলায় এর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শ্রেষ্ঠ অনুবাদ করেছেন কাশীরাম দাস। তাঁর অনুবাদ কাশীদাসী মহাভারত নামে পরিচিত। তিনি বর্ধমানের সিঙ্গি গ্রামের মানুষ ছিলেন এবং সপ্তদশ শতকে এটি রচনা করেন। সন্ধ্যাকর নন্দী সংস্কৃত ভাষায় রামচরিত লিখেছেন, তাই তিনি বাংলা মহাভারতের অনুবাদক নন।
    মনে রাখুন:
    বাংলায় প্রথম মহাভারত অনুবাদ করেন কবীন্দ্র পরমেশ্বর।
    মালাধর বসু ভাগবত অনুবাদ করেন। তাঁর বইয়ের নাম শ্রীকৃষ্ণবিজয়।
    বাংলা রামায়ণের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা।
  21. ৯২. মুসলমান কবিদের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন কে?
    • ক. শাহ মুহম্মদ সগীর
    • খ. দৌলত উজির বাহরাম খাঁ
    • গ. কোরেশী মাগন ঠাকুর
    • ঘ. মুহম্মদ উজির আলী
    উত্তর: ক. শাহ মুহম্মদ সগীর
    বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি চতুর্দশ-পঞ্চদশ শতকের কবি এবং সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের সময়ে ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্য রচনা করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানগুলোর একটি। প্রশ্নে সবচেয়ে প্রাচীন কবি জানতে চাওয়ায় উত্তর তাঁর নামই, অন্য তিনজন তাঁর পরের সময়ের কবি।
    মনে রাখুন:
    দৌলত উজির বাহরাম খান ‘লায়লী মজনু’ লেখেন।
    কোরেশী মাগন ঠাকুর 'চন্দ্রাবতী' রচনা করেন।
    আলাওল ‘পদ্মাবতী’ লিখেছেন (১৬৪৮)।
  22. ৯৩. মঙ্গলকাব্যের কোন চরিত্রটি 'দেবতা-বিরোধী' বলে পরিচিত?
    • ক. ধনপতি সদাগর
    • খ. লাউসেন
    • গ. কালকেতু
    • ঘ. চাঁদ সদাগর
    উত্তর: ঘ. চাঁদ সদাগর
    মনসামঙ্গলে শিবভক্ত চাঁদ সদাগর দেবী মনসাকে পূজা করতে রাজি হননি। তিনি বলতেন, যিনি শিবের পূজা করেন, তিনি অন্য কোনো দেবতার পূজা করবেন না। এ কারণে তিনি দেবতা-বিরোধী চরিত্র হিসেবে পরিচিত। মনসার ক্রোধে তাঁর ছেলে লখিন্দর সাপের কামড়ে মারা যায়। তখন লখিন্দরের স্ত্রী বেহুলা স্বামীকে ফিরিয়ে আনেন।
    মনে রাখুন:
    কালকেতু ও ধনপতি চণ্ডীমঙ্গলের চরিত্র।
    লাউসেন ধর্মমঙ্গলের চরিত্র।
    মনসামঙ্গলের কবিদের মধ্যে বিজয় গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই ও নারায়ণ দেব উল্লেখযোগ্য।
  23. ৯৪. প্রণয়োপাখ্যানগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে—
    • ক. অনুকরণপ্রিয়তা
    • খ. মানবিক প্রেম
    • গ. মুসলিমদের রচনা
    • ঘ. রাজাদের কাহিনি
    উত্তর: খ. মানবিক প্রেম
    মধ্যযুগে মুসলমান কবিরা যে প্রণয়োপাখ্যান রচনা করেছেন, তাতে মানবিক প্রেমই প্রধান বিষয়। এর আগের বাংলা সাহিত্যে দেবতার মহিমাই কাহিনির কেন্দ্রে ছিল, কিন্তু এই কাব্যগুলোতে মানুষের প্রেম ও আবেগ জায়গা পায়। তাই এটি বাংলা সাহিত্যে মানবতাবাদী ধারার সূচনা হিসেবেও দেখা হয়। বাকি বিকল্পগুলো প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়।
    মনে রাখুন:
    প্রণয়োপাখ্যানের কবি: শাহ মুহম্মদ সগীর, দৌলত উজির বাহরাম খান, সৈয়দ সুলতান, আবদুল হাকিম ও আলাওল।
    আলাওলের 'পদ্মাবতী' এই ধারার একটি বিখ্যাত কাব্য।
  24. ৯৫. ‘পদ্মগোখরো’ গল্পটির রচয়িতা কে?
    • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
    • খ. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    • গ. মীর মশাররফ হোসেন
    • ঘ. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
    উত্তর: ক. কাজী নজরুল ইসলাম
    ‘পদ্মগোখরো’ কাজী নজরুল ইসলামের ছোটগল্প। এটি তাঁর ‘শিউলিমালা’ গল্পগ্রন্থে আছে, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। বিকল্পের অন্য লেখকরা আলাদা ধারায় লিখেছেন: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারীজাগরণের লেখক, মীর মশাররফ হোসেন ‘বিষাদ-সিন্ধু’র লেখক এবং ইসমাইল হোসেন সিরাজী ‘অনল-প্রবাহ’ কাব্যের কবি।
    মনে রাখুন:
    শিউলিমালা বইয়ে আছে আরও গল্প, যেমন: অগ্নি-গিরি, জিনের বাদশা।
    নজরুলের অন্য গল্পগ্রন্থ: ব্যথার দান, রিক্তের বেদন।
    নজরুলের উপন্যাস: বাঁধনহারা (১৯২৭), মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০), কুহেলিকা (১৯৩১)।
  25. ৯৬. মধুসূদন দত্ত রচিত 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতাটি কোন ধরনের?
    • ক. গীতিধর্মী
    • খ. আখ্যানমূলক
    • গ. চতুর্দশপদী
    • ঘ. অমিত্রাক্ষর
    উত্তর: গ. চতুর্দশপদী
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা ভাষায় প্রথম চোদ্দো পঙ্‌ক্তির কবিতা লেখেন। এই ধরনের কবিতাকে চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট বলে। ‘কপোতাক্ষ নদ’ তাঁর ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ বইয়ের একটি সনেট। তিনি এটি লেখেন বিদেশে বসে, জন্মস্থানের কপোতাক্ষ নদের স্মৃতি থেকে। অমিত্রাক্ষর হলো আলাদা এক ধরনের ছন্দ, যা তিনি বাংলায় প্রথম প্রবর্তন করেছিলেন।
    মনে রাখুন:
    চতুর্দশপদী কবিতাবলী ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
    বাংলা ভাষার প্রথম সনেট ‘বঙ্গভাষা’।
    মধুসূদনের অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম কাব্য তিলোত্তমাসম্ভব (১৮৬০)।
    তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১)।
  26. ৯৭. জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
    • ক. বিমুখ প্রান্তর
    • খ. মহাপৃথিবী
    • গ. কালের কলস
    • ঘ. বৈরি বৃষ্টিতে
    উত্তর: খ. মহাপৃথিবী
    ‘মহাপৃথিবী’ জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত। বিকল্পের বাকি কাব্যগুলো অন্য কবিদের: ‘কালের কলস’ আল মাহমুদের, ‘বিমুখ প্রান্তর’ হাসান হাফিজুর রহমানের এবং ‘বৈরী বৃষ্টিতে’ সিকান্দার আবু জাফরের।
    মনে রাখুন:
    জীবনানন্দ দাশের অন্যান্য কাব্য:
    ঝরা পালক (১৯২৭)।
    ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬)।
    বনলতা সেন (১৯৪২)।
    রূপসী বাংলা (লেখা ১৯৩৪, প্রকাশ ১৯৫৭)।
    তিনি ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালে মারা যান।

আন্তর্জাতিক

  1. ৩৬. 'গারুদা' কোন দেশের জাতীয় বিমান সংস্থার নাম?
    • ক. মালয়েশিয়া
    • খ. ভারত
    • গ. শ্রীলঙ্কা
    • ঘ. ইন্দোনেশিয়া
    উত্তর: ঘ. ইন্দোনেশিয়া
    গারুদা ইন্দোনেশিয়া (Garuda Indonesia) ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় বিমান সংস্থা। গারুদা নামটি হিন্দু পুরাণের পবিত্র পাখি গরুড় থেকে এসেছে। এই পাখির ছবি ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় প্রতীকেও আছে, তাই নামটি দেশটির সংস্কৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
    মনে রাখুন: কয়েকটি দেশের জাতীয় বিমান সংস্থা:
    মালয়েশিয়া: মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স।
    ভারত: এয়ার ইন্ডিয়া।
    শ্রীলঙ্কা: শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্স।
    বাংলাদেশ: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
  2. ৩৯. বিশ্বের বৃহত্তম ও গভীরতম রেল টানেলের নাম কী?
    • ক. চ্যানেল টানেল, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য
    • খ. বেইজিং সাবওয়ে, চীন
    • গ. সিকান টানেল, জাপান
    • ঘ. গোথার্ড বেস টানেল, সুইজারল্যান্ড
    উত্তর: ঘ. গোথার্ড বেস টানেল, সুইজারল্যান্ড
    সুইজারল্যান্ডের আল্পস পর্বতের নিচ দিয়ে তৈরি গোটহার্ড বেস টানেল (Gotthard Base Tunnel) পৃথিবীর দীর্ঘতম ও গভীরতম রেল টানেল। এর প্রধান সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৭ কিলোমিটার। উত্তরের এরস্টফেল্ড থেকে দক্ষিণের বোদিও পর্যন্ত এই সুড়ঙ্গ চলে গেছে, আর এটি ২০১৬ সালে চালু হয়।
    মনে রাখুন:
    ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সকে যুক্ত করেছে চ্যানেল টানেল (১৯৯৪ সালে চালু), যার দৈর্ঘ্য ৫০ কিলোমিটারের কিছু বেশি।
    জাপানের সেইকান টানেল প্রায় ৫৪ কিলোমিটার লম্বা। এটি জাপানের হোনশু ও হোক্কাইডো দ্বীপকে যুক্ত করে।
    প্রশ্নে পৃথিবীর বৃহত্তম রেল টানেল জানতে চাইলে উত্তর গোটহার্ড বেস টানেল।
  3. ৪১. আমেরিকার শিকাগো শহরে অবস্থিত শিয়ারস টাওয়ারের স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার কে ছিলেন?
    • ক. সান্টিয়াগো ক্যালট্রাডা
    • খ. রমেশ চন্দ্র
    • গ. ফজলুর রহমান খান
    • ঘ. গুস্তাফে আইফেল
    উত্তর: গ. ফজলুর রহমান খান
    শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার (বর্তমান নাম উইলিস টাওয়ার) নকশা করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন কাঠামো প্রকৌশলী ফজলুর রহমান খান। তিনি ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ১০৮ তলা এই ভবনটি ১৯৭৩ সালে সম্পূর্ণ হয় এবং ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত প্রায় ২৫ বছর বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন ছিল। এর উচ্চতা প্রায় ৪৪২ মিটার।
    মনে রাখুন:
    ফজলুর রহমান খান টিউবুলার কাঠামোর (Tubular structure) নকশার জন্য বিখ্যাত। এই পদ্ধতিতে বাইরের দেয়ালকে শক্ত নলের মতো কাজে লাগিয়ে বিশাল উঁচু ভবন সস্তায় ও মজবুত করে বানানো যায়।
    তাঁর আরেকটি বিখ্যাত নকশা শিকাগোর জন হ্যানকক সেন্টার।
    তিনি ১৯৮২ সালে মারা যান।
  4. ৪২. আমেরিকার নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের জন্মস্থান কোন দেশে?
    • ক. স্লোভেনিয়া
    • খ. সার্বিয়া
    • গ. স্লোভাকিয়া
    • ঘ. চেক প্রজাতন্ত্র
    উত্তর: ক. স্লোভেনিয়া
    মেলানিয়া ট্রাম্প ১৯৭০ সালে নোভো মেস্তো শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তখন জায়গাটি যুগোস্লাভিয়ার অংশ ছিল, আর এখন তা স্লোভেনিয়ার ভেতরে। তাই তাঁর জন্মস্থানের দেশ স্লোভেনিয়া। সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র নামগুলো শুনতে কাছাকাছি, কিন্তু তাঁর সঙ্গে এগুলোর সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন: ২০১৬ সালের নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হন।
    হালনাগাদ: ২০২৪ সালের নির্বাচনে জিতে তিনি ২০২৫ সালে ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফিরে আসেন।
  5. ৪৪. ২০১৬ সালে সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী কে?
    • ক. আর্থার বি ম্যাকডোনাল্ড
    • খ. সভেতলানা এলাসিভিচ
    • গ. বব ডিলান
    • ঘ. ডানকান হেলডেম
    উত্তর: গ. বব ডিলান
    ২০১৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান যুক্তরাষ্ট্রের গায়ক-গীতিকার বব ডিলান (Bob Dylan)। আমেরিকান গানের ঐতিহ্যে নতুন কাব্যিক ভাষা তৈরি করার জন্য তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়। কোনো গীতিকারের সাহিত্যে নোবেল পাওয়া তখন বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়েছিল। বাকি বিকল্পগুলোর মধ্যে আর্থার ম্যাকডোনাল্ড (২০১৫) ও ডানকান হ্যালডেন (২০১৬) পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন। সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ সাহিত্যে নোবেল পেয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু সেটি ২০১৫ সালে।
    মনে রাখুন:
    ২০১৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পান বেলারুশের সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ।
    ২০১৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পান কাজুও ইশিগুরো।
    হালনাগাদ: ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন হাঙ্গেরির লাসলো ক্রাসনাহোরকাই।
  6. ৪৫. ২০২২ সনের বিশ্বকাপ ফুটবল কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
    • ক. ইতালি
    • খ. জাপান
    • গ. কাতার
    • ঘ. রাশিয়া
    উত্তর: গ. কাতার
    ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের ২২তম আসর মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়। কাতারে এটিই প্রথম বিশ্বকাপ এবং আরব বিশ্বেও প্রথম। সাধারণত বিশ্বকাপ জুন-জুলাই মাসে হয়, কিন্তু কাতারের প্রচণ্ড গরমের কারণে এই আসর হয় নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে।
    মনে রাখুন:
    ২০১০ সালের বিশ্বকাপ হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়, চ্যাম্পিয়ন স্পেন।
    ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ হয়েছিল ব্রাজিলে, চ্যাম্পিয়ন জার্মানি।
    ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ হয়েছিল রাশিয়ায়, চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স।
    হালনাগাদ: কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০২৬ সালের আসর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
  7. ৪৬. 'বুন্দেস্ট্যাগ' কোন দেশের পার্লামেন্টের নাম?
    • ক. রুমানিয়া
    • খ. স্পেন
    • গ. বুলগেরিয়া
    • ঘ. জার্মান
    উত্তর: ঘ. জার্মান
    বুন্দেস্ট্যাগ (Bundestag) জার্মানির সংসদের নিম্নকক্ষ। জার্মান সংসদ দুই কক্ষবিশিষ্ট, যার উচ্চকক্ষের নাম বুন্দেসরাট। প্রশ্নে 'কোন দেশের পার্লামেন্ট' জানতে চাওয়ায় উত্তর জার্মানি। রুমানিয়া, স্পেন ও বুলগেরিয়ার সংসদের নাম আলাদা।
    মনে রাখুন: কয়েকটি দেশের সংসদের নাম:
    ভারত: লোকসভা ও রাজ্যসভা।
    জাপান: ডায়েট।
    রাশিয়া: দুমা (নিম্নকক্ষ)।
    ইসরায়েল: নেসেট।
    স্পেন: কোর্তেস জেনেরালেস।
    ইরান: মজলিস।
    যুক্তরাজ্য: পার্লামেন্ট।
    যুক্তরাষ্ট্র: কংগ্রেস।
  8. ৪৮. বার্ডস্ নেস্ট স্টেডিয়াম কোন দেশে অবস্থিত?
    • ক. চীন
    • খ. জার্মানি
    • গ. থাইল্যান্ড
    • ঘ. দক্ষিণ কোরিয়া
    উত্তর: ক. চীন
    বার্ডস নেস্ট নামে পরিচিত বেইজিং জাতীয় স্টেডিয়াম চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থিত। ইস্পাতের জালি দিয়ে তৈরি এর কাঠামোটি দেখতে পাখির বাসার মতো, তাই এমন নাম হয়েছে। ২০০৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের জন্য এটি তৈরি করা হয়।
    মনে রাখুন:
    ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানও এই স্টেডিয়ামে হয়েছিল। ফলে বেইজিং গ্রীষ্ম ও শীতকালীন দুই অলিম্পিক আয়োজনকারী প্রথম শহর।
    ২০০৮ সালের অলিম্পিক হয়েছিল বেইজিংয়ে, ২০১২ সালে লন্ডনে এবং ২০১৬ সালে রিও দি জেনেইরোতে।
  9. ৬৩. Who rejected the Nobel Prize for literature?
    • ক. Ernest Hemingway
    • খ. T. S. Eliot
    • গ. W. B. Yeats
    • ঘ. Jean Paul Sartre
    উত্তর: ঘ. Jean Paul Sartre
    ফরাসি দার্শনিক ও লেখক জাঁ পল সার্ত্র (Jean-Paul Sartre) ১৯৬৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি। তিনি মনে করতেন, কোনো সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান লেখকের স্বাধীনতাকে সীমিত করে। বাকি তিনজনই পুরস্কারটি গ্রহণ করেছিলেন: ইয়েটস ১৯২৩, এলিয়ট ১৯৪৮ ও হেমিংওয়ে ১৯৫৪ সালে।
    মনে রাখুন:
    ১৯৫৮ সালে রুশ লেখক বরিস পাস্তেরনাক সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, কিন্তু সোভিয়েত সরকারের চাপে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ডক্টর জিভাগো।
    সার্ত্রের একটি বিখ্যাত রচনা Being and Nothingness।

ইংরেজি

  1. ৪৯. What is the noun form of the word 'realize'?
    • ক. realized
    • খ. realization
    • গ. reality
    • ঘ. real
    উত্তর: খ. realization
    Realize একটি verb, যার অর্থ উপলব্ধি করা। এর noun হলো realization (উপলব্ধি)। Verb-এর শেষে -ation যুক্ত করে noun বানানোর এটি একটি সাধারণ নিয়ম। বাকি বিকল্পগুলো আলাদা রূপ: realized হলো verb-এর past form, reality (বাস্তবতা) হলো real শব্দের noun এবং real (বাস্তব) হলো adjective।
    মনে রাখুন:
    Organize থেকে organization।
    Civilize থেকে civilization।
    Imagine থেকে imagination।
    Educate থেকে education।
    ব্রিটিশ বানানে realise ও realisation লেখা হয়, আমেরিকান বানানে realize ও realization।
  2. ৫০. Which one of the sentences is correct?
    • ক. The boss want the notice to hang.
    • খ. The boss wants the notice to be hanged.
    • গ. The boss wants the notice to have been hanged.
    • ঘ. The boss wants the notice to be hung.
    উত্তর: ঘ. The boss wants the notice to be hung.
    কোনো জিনিস ঝোলানো বোঝালে hang-এর past ও past participle রূপ হয় hung। তাই বিজ্ঞপ্তিটি ঝোলানো হোক, এই অর্থে সঠিক বাক্য হলো The boss wants the notice to be hung. এখানে passive voice-এ to be + past participle (hung) বসেছে। অন্য বিকল্পগুলো কেন ভুল তা দেখি। প্রথম বাক্যে subject 'boss' singular হলেও want লেখা হয়েছে, এটি ভুল (wants হবে)। Hanged শব্দটি শুধু ফাঁসি দেওয়া অর্থে ব্যবহার হয়, তাই notice-এর সঙ্গে hanged চলে না।
    মনে রাখুন:
    Hang (ঝোলানো) - hung - hung।
    Hang (ফাঁসি দেওয়া) - hanged - hanged।
    উদাহরণ: The picture was hung on the wall. The murderer was hanged in 1990.
  3. ৫১. Choose the appropriate word/words to fill in the gap : The teacher — the class after the students had arrived.
    • ক. had entered
    • খ. has entered
    • গ. entered
    • ঘ. entering
    উত্তর: গ. entered
    বাক্যে দুটি কাজ আছে। ছাত্ররা আগে এসেছিল ('had arrived') এবং তারপর শিক্ষক ঢুকলেন। দুটি অতীতের কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটে, সেটি past perfect-এ (had + past participle) লিখতে হয়। যেটি পরে ঘটে, সেটি past indefinite-এ লিখতে হয়। After-এর পরের অংশে আগের কাজটি 'had arrived' আছে, তাই পরের কাজে past indefinite বসবে: The teacher entered the class after the students had arrived.
    মনে রাখুন:
    Before এলে ঠিক উল্টো নিয়ম খাটে, কারণ আগের কাজটি before-এর আগের অংশে থাকে।
    উদাহরণ: The patient had died before the doctor came.
    As soon as, by the time ও no sooner...than-এর বাক্যেও এভাবে আগের ও পরের কাজ আলাদা tense-এ বসে।
  4. ৫২. Choose the correct spelling —
    • ক. spontaneity
    • খ. spontanity
    • গ. spontainity
    • ঘ. spontainty
    উত্তর: ক. spontaneity
    সঠিক বানান spontaneity, যার অর্থ স্বতঃস্ফূর্ততা। এটি spontaneous (স্বতঃস্ফূর্ত) বিশেষণ থেকে এসেছে। শব্দটির শেষে -eity আছে, তাই s-p-o-n-t-a-n-e-i-t-y ক্রমে বানান লিখতে হয়। অন্য বিকল্পগুলোতে a-এর পর e বাদ গেছে বা ভুল জায়গায় i বসেছে।
    মনে রাখুন:
    Spontaneous শব্দের adverb: spontaneously।
    Spontaneous শব্দের noun: spontaneity।
    ইংরেজিতে ভুল হওয়া কয়েকটি বানান: separate, necessary, occurrence, accommodate।
  5. ৫৩. Which of the following words is pronounced with an initial 'sh' sound?
    • ক. simulate
    • খ. situation
    • গ. sugar
    • ঘ. soldier
    উত্তর: গ. sugar
    Sugar শব্দের শুরুর ধ্বনি /ʃ/, যা বাংলার 'শ'-এর কাছাকাছি। তাই এর উচ্চারণ /ˈʃʊɡə(r)/। Simulate-এর শুরুতে /s/ ধ্বনি আছে, soldier-এও শুরুতে /s/ শোনা যায়, যদিও এর d অক্ষরটি /dʒ/ ধ্বনি দেয় (/ˈsəʊldʒə(r)/)। Situation-এর শুরুর ধ্বনিও /s/, তবে মাঝখানে /tʃ/ বা /ʃ/ ধ্বনি আছে।
    মনে রাখুন:
    Sugar ও sure, এই দুটি শব্দের শুরুর s অক্ষর /ʃ/ ধ্বনি দেয়।
    শব্দের মাঝে ss বা ssi-র জায়গাতেও /ʃ/ শোনা যায়, যেমন: mission, pressure, issue।
  6. ৫৪. The antonym of the word 'noble' is —
    • ক. innoble
    • খ. unnoble
    • গ. ignoble
    • ঘ. nobility
    উত্তর: গ. ignoble
    Noble মানে মহৎ বা আভিজাত্যপূর্ণ। এর বিপরীত শব্দ ignoble, যার অর্থ নীচ বা হীন। Nobility হলো noble-এর noun, যার অর্থ আভিজাত্য, তাই এটি বিপরীত শব্দ নয়, বরং একই পরিবারের শব্দ। Innoble ও unnoble ইংরেজিতে প্রচলিত শব্দ নয়।
    মনে রাখুন:
    বিপরীত অর্থের জন্য সব শব্দে un- বসে না। শব্দের প্রথম অক্ষর দেখে উপসর্গ বদলায়:
    Legal - illegal।
    Mature - immature।
    Regular - irregular।
    Noble - ignoble।
  7. ৫৫. What is the verb form of 'poor'?
    • ক. poorly
    • খ. poverty
    • গ. poority
    • ঘ. impoverish
    উত্তর: ঘ. impoverish
    Poor মানে গরিব। এর verb হলো impoverish, যার অর্থ কাউকে গরিব বা নিঃস্ব করে ফেলা। যেমন: The war impoverished the country. অন্য বিকল্পগুলো আলাদা শ্রেণির শব্দ: poverty (দারিদ্র্য) হলো noun, poorly (খারাপভাবে) হলো adverb। Poority নামে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই।
    মনে রাখুন: কিছু বিশেষণ থেকে verb তৈরি হয় উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে।
    Rich - enrich।
    Large - enlarge।
    Strong - strengthen।
    Short - shorten।
    Wide - widen।
  8. ৫৬. Which is the verb form of 'father'?
    • ক. fathern
    • খ. father
    • গ. fathering
    • ঘ. fatherity
    উত্তর: খ. father
    Father শব্দটি noun হিসেবে বাবা বোঝায়, আবার verb হিসেবেও ব্যবহার হয়। Verb father মানে কোনো সন্তানের পিতা হওয়া, কিংবা কোনো ধারণা বা প্রতিষ্ঠানের প্রবর্তক হওয়া। যেমন: He fathered three children. তাই এখানে father-ই verb form। Fathern ও fatherity নামে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই। Fathering হলো verb-এর ing রূপ, তাই এটি আলাদা।
    মনে রাখুন: কিছু noun একই রূপে verb হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
    Mother মানে মায়ের মতো যত্ন নেওয়া।
    Water মানে পানি দেওয়া।
    Book মানে আসন বা টিকিট আগে থেকে ঠিক করে রাখা।
  9. ৫৭. Choose the appropriate word to fill in the gap : The girl is running — she should miss the train.
    • ক. fast
    • খ. or
    • গ. unless
    • ঘ. lest
    উত্তর: ঘ. lest
    Lest অর্থ পাছে বা যাতে না। এটি এমন কাজের উদ্দেশ্য বোঝায়, যা ঘটলে ক্ষতি হবে বলে আমরা আগেই সতর্ক হই। Lest-এর পরের অংশে subject + should + verb বসে। তাই বাক্যটি হবে: The girl is running lest she should miss the train. অর্থাৎ ট্রেন যেন না ফসকায়, তাই মেয়েটি দৌড়াচ্ছে। Fast ও or এখানে অর্থ বা ব্যাকরণের দিক থেকে মেলে না, আর unless মানে 'যদি না', যা এখানে অর্থ মেলায় না।
    মনে রাখুন:
    Lest নিজেই নেতিবাচক অর্থ দেয়, তাই এর সঙ্গে not বা never বসে না।
    উদাহরণ: Work hard lest you should fail.
  10. ৫৮. 'A few' is a —
    • ক. positive term
    • খ. negative term
    • গ. meaningless term
    • ঘ. none of the above
    উত্তর: ক. positive term
    A few মানে অল্প কয়েকটি, যা ইতিবাচক অর্থ দেয়। এর মানে হলো কিছু আছে, সেটাই যথেষ্ট। যেমন: I have a few friends. মানে আমার কয়েকজন বন্ধু আছে। তাই a few একটি positive term।
    মনে রাখুন:
    Few (a ছাড়া) মানে প্রায় নেই। যেমন: I have few friends. মানে আমার বন্ধু প্রায় নেই। তাই এটি negative।
    The few মানে যে অল্প সংখ্যক জন বা জিনিস নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়েছে।
    Little ও a little-এর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম, তবে এগুলো অগণনীয় noun-এর সঙ্গে বসে। যেমন: a little water।
  11. ৫৯. What is the synonym of 'enmity'?
    • ক. affinity
    • খ. rapport
    • গ. antagonism
    • ঘ. clever
    উত্তর: গ. antagonism
    Enmity মানে শত্রুতা। এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ antagonism, যার অর্থও বিরোধিতা বা শত্রুভাব। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: affinity মানে ঘনিষ্ঠতা বা সাদৃশ্য, rapport মানে সুসম্পর্ক এবং clever মানে চতুর। এগুলো শত্রুতার বিপরীত দিকেই বেশি যায়।
    মনে রাখুন:
    Enmity-এর অন্যান্য সমার্থক শব্দ: hostility, animosity।
    Enmity-এর বিপরীত শব্দ: amity (বন্ধুত্ব), friendship।
  12. ৬০. Fill in the blank with an appropriate word/words : The taste of mangoes — me very much.
    • ক. tempting
    • খ. tempts
    • গ. tempt
    • ঘ. have tempted
    উত্তর: খ. tempts
    বাক্যের subject হলো 'The taste', যা singular। 'of mangoes' অংশটি subject-কে বর্ণনা করছে মাত্র, mangoes এখানে subject নয়। Present indefinite tense-এ singular subject-এর পর verb-এর শেষে s/es যুক্ত হয়, তাই tempts সঠিক। The taste of mangoes tempts me very much. Tempting বসালে বাক্যে মূল verb থাকে না, আর tempt ও have tempted plural subject-এর সঙ্গে বসে।
    মনে রাখুন:
    Subject খুঁজতে of-এর আগের শব্দ দেখতে হয়।
    উদাহরণ:
    The price of apples is high.
    The quality of the books is good.
  13. ৬১. Choose the correct sentence :
    • ক. I informed the matter to the police.
    • খ. I informed the matter of the police.
    • গ. I informed to the police of the matter.
    • ঘ. I informed the police of the matter.
    উত্তর: ঘ. I informed the police of the matter.
    Inform ক্রিয়ার গঠন হলো inform + ব্যক্তি + of + বিষয়। তাই I informed the police of the matter. সঠিক। অন্য বাক্যগুলো এই গঠন মানে না: Inform-এর পরে বিষয়ের আগে to বা of বসিয়ে ব্যক্তিকে সরিয়ে দেওয়া যায় না।
    মনে রাখুন:
    Inform ক্রিয়ার পরে সরাসরি to ব্যবহার হয় না।
    আরেকটি সঠিক গঠন: I informed the police that the matter was serious.
    একই ধরনের গঠন আছে এসব ক্রিয়ায়:
    Remind - He reminded me of my promise.
    Convince - She convinced him of the truth.
    Accuse - They accused him of theft.
  14. ৬২. Who wrote 'Paradise Lost'?
    • ক. William Shakespeare
    • খ. John Milton
    • গ. P.B. Shelley
    • ঘ. Alfred Tennyson
    উত্তর: খ. John Milton
    ‘Paradise Lost’ ইংরেজ কবি জন মিল্টনের (John Milton) লেখা মহাকাব্য। এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে (blank verse) লেখা, যার বিষয় আদম ও হাওয়ার পতন এবং শয়তানের বিদ্রোহ। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৬৬৭ সালে, দশ খণ্ডে। পরে ১৬৭৪ সালে সংশোধিত সংস্করণে তা বারো খণ্ডে ভাগ হয়।
    মনে রাখুন:
    মিল্টনের অন্য রচনা: Paradise Regained, Samson Agonistes, Lycidas (শোককাব্য), Areopagitica।
    মিল্টন শেষ জীবনে অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ১৬০৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৬৭৪ সালে মারা যান।
  15. ৬৪. Choose the appropriate word to fill in the blank : What are you crying — ?
    • ক. at
    • খ. against
    • গ. for
    • ঘ. about
    উত্তর: গ. for
    Cry for মানে কোনো কিছুর জন্য বা অভাবের কারণে কাঁদা। তাই 'What are you crying for?' মানে তুমি কীসের জন্য কাঁদছ। এখানে for কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাচ্ছে। At, against ও about এই অর্থে বাক্যটির সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে মেলে না।
    মনে রাখুন:
    Cry over মানে ঘটে যাওয়া কিছুর জন্য দুঃখ করা। যেমন: Don't cry over spilt milk.
    Cry for the moon মানে অসম্ভব কিছু চাওয়া।
    Cry out for মানে জোরালোভাবে কিছু প্রয়োজন হওয়া।
  16. ৬৫. The study of origin of words is called :
    • ক. anthology
    • খ. epitaph
    • গ. vocabulary
    • ঘ. etymology
    উত্তর: ঘ. etymology
    শব্দের উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে যে অধ্যয়ন, তাকে etymology বলে। শব্দটি গ্রিক etymon (শব্দের প্রকৃত অর্থ) থেকে এসেছে। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: anthology হলো সাহিত্য সংকলন, epitaph হলো সমাধিফলকের লেখা এবং vocabulary হলো শব্দভাণ্ডার।
    মনে রাখুন:
    Entomology মানে কীটপতঙ্গ বিষয়ক বিদ্যা। বানানে কাছাকাছি হলেও এটি etymology থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
    Ornithology মানে পাখি বিষয়ক বিদ্যা।
    Anthropology মানে মানুষ ও মানব সমাজের বিদ্যা।
  17. ৬৬. Choose the correct word/words to fill in the blank : I saw a girl — in the pool.
    • ক. to swim
    • খ. swim
    • গ. swimming
    • ঘ. to bathe
    উত্তর: গ. swimming
    I saw a girl swimming in the pool. এখানে saw-এর পর object 'a girl' এসেছে, আর মেয়েটি তখন সাঁতার কাটছিল। কাজ চলমান বোঝাতে verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়। To swim ও to bathe এখানে ঠিক নয়, কারণ see-এর পর to infinitive বসে না। Swim বসালেও বাক্যের অর্থ বদলে যায়।
    মনে রাখুন:
    See, hear, watch ক্রিয়ার পর কাজ চলমান বোঝাতে ing বসে।
    সম্পূর্ণ কাজ দেখা বোঝাতে bare infinitive বসে।
    উদাহরণ:
    I saw him crossing the road. (পার হওয়ার সময় দেখা)
    I saw him cross the road. (পুরো পার হওয়াটা দেখা)
  18. ৬৭. Choose the correct words to fill in the blank : Everybody hates a liar, —?
    • ক. doesn't he
    • খ. don't he
    • গ. don't they
    • ঘ. isn't it
    উত্তর: গ. don't they
    বাক্যের প্রথম অংশ ইতিবাচক এবং present indefinite tense-এ লেখা, তাই tag question নেতিবাচক হবে। Everybody, everyone, somebody ও nobody শব্দ ব্যাকরণে singular verb নেয়, কিন্তু tag-এ সর্বনাম হিসেবে they বসে। Hates-এর জন্য সহায়ক ক্রিয়া do, তাই tag: don't they? অর্থাৎ Everybody hates a liar, don't they? সঠিক।
    মনে রাখুন:
    Nobody, no one বা never-এর মতো negative শব্দ থাকলে tag ইতিবাচক হয়।
    উদাহরণ: Nobody came, did they?
  19. ৬৮. The plural form of 'oasis' is —
    • ক. oases
    • খ. oasises
    • গ. oasess
    • ঘ. oasies
    উত্তর: ক. oases
    Oasis (মরুদ্যান) শব্দটি গ্রিক থেকে এসেছে, তাই এর plural সাধারণ s/es নিয়মে হয় না। শেষের is বদলে es বসিয়ে plural হয়: oasis - oases। তাই oasises, oasess ও oasies, তিনটিই ভুল।
    মনে রাখুন: গ্রিক বা লাতিন থেকে আসা -is শব্দের plural -es হয়:
    Crisis - crises।
    Analysis - analyses।
    Basis - bases।
    Thesis - theses।
    Hypothesis - hypotheses।
    Axis - axes।
  20. ৬৯. The correct translation of 'তার এখানে কোনো বন্ধু নেই বললেই চলে' is—
    • ক. He has no friends here at all.
    • খ. He has few friends here.
    • গ. He has a few friends here.
    • ঘ. He has little number of friends here.
    উত্তর: খ. He has few friends here.
    ‘নেই বললেই চলে’ মানে খুব অল্প, প্রায় নেই। গণনাযোগ্য noun-এর ক্ষেত্রে এই অর্থ বোঝাতে few বসে। তাই He has few friends here. সঠিক অনুবাদ। 'A few' বসালে অর্থ হতো কয়েকজন বন্ধু আছে, তা প্রশ্নের অর্থের উল্টো। 'He has no friends here at all' মানে একজনও বন্ধু নেই, যা 'বললেই চলে'-র মতো নরম অর্থ নয়। আর 'little number of friends' ইংরেজিতে স্বাভাবিক গঠন নয়।
    মনে রাখুন:
    A few মানে অল্প কয়েকটি আছে, এটি ইতিবাচক।
    Few মানে প্রায় নেই, এটি নেতিবাচক।
    অগণনীয় noun-এর জন্য little ও a little বসে।
  21. ৭০. Fill in the gap with a suitable word : — man is mortal is a universal truth.
    • ক. What
    • খ. This
    • গ. Which
    • ঘ. That
    উত্তর: ঘ. That
    ‘Man is mortal’ পুরো বাক্যাংশটি এখানে বাক্যের subject, যা একটি noun clause। এই clause শুরু করার জন্য that বসে। তাই: That man is mortal is a universal truth. অর্থ: মানুষ মরণশীল, এটি একটি সর্বজনীন সত্য। What, This ও Which এখানে clause-কে যুক্ত করার জন্য ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    That দিয়ে শুরু clause বাক্যের subject বা object হলে তাকে noun clause বলে।
    একই বাক্য সহজভাবে এভাবেও বলা যায়: It is a universal truth that man is mortal.
    উদাহরণ: I know that he is honest. (object হিসেবে)
  22. ৭১. 'Out and out' means —
    • ক. Thoroughly
    • খ. Absolutely out
    • গ. Not at all
    • ঘ. Externally
    উত্তর: ক. Thoroughly
    Out and out একটি idiom, যার অর্থ সম্পূর্ণভাবে বা পুরোপুরি। Thoroughly-এরও একই অর্থ। যেমন: He is an out and out liar. মানে সে পুরোপুরি মিথ্যাবাদী। Not at all-এর অর্থ মোটেই না, যা এর ঠিক উল্টো। Externally মানে বাইরের দিকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
    মনে রাখুন:
    Out and out শব্দটি মূলত বিশেষণের মতো ব্যবহার হয়।
    আরও কিছু জোড়া idiom:
    By and large - মোটামুটিভাবে।
    Now and then - মাঝে মাঝে।
    To and fro - সামনে-পিছনে।
  23. ৭২. 'Reading is a good habit.' — Here 'reading' is a —
    • ক. verb
    • খ. present participle
    • গ. verbal noun
    • ঘ. gerund
    উত্তর: ঘ. gerund
    Reading এখানে বাক্যের subject, অর্থাৎ verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়ে noun-এর কাজ করছে। এমন শব্দকে gerund বলে। Present participle verb বা adjective-এর কাজ করে, noun-এর নয়। তাই একই রূপের শব্দ হলেও বাক্যে কাজ দেখে gerund না participle, তা চেনা যায়।
    উদাহরণ:
    Swimming is good exercise. (gerund, subject)
    The boy is swimming. (present participle, verb-এর অংশ)
    I like reading. (gerund, object)
    মনে রাখুন: Gerund-এর কাজ noun-এর মতো, তাই এর আগে possessive বসে, যেমন: I like his reading.
  24. ৭৩. Fill in the gap with the appropriate phrase : Had I been a child again, —
    • ক. I would enjoy freedom.
    • খ. I could be enjoyed freedom.
    • গ. I would have enjoyed freedom.
    • ঘ. I will enjoy freedom.
    উত্তর: গ. I would have enjoyed freedom.
    Had I been a child again - এই অংশে If লোপ পেয়ে Had আগে এসেছে। অর্থাৎ এটি if I had been a child again-এর মতো, যা third conditional-এর past perfect শর্ত। এ ধরনের বাক্যে ফল অংশে would have + past participle বসে। তাই: Had I been a child again, I would have enjoyed freedom.
    মনে রাখুন:
    Third conditional: If + past perfect, would have + past participle।
    শর্তের অংশে if বাদ দিলে Had/Were/Should আগে বসে। উদাহরণ:
    Had I known, I would have told you.
    Were I you, I would go. (second conditional)

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন