স্থানীয় সরকার বিভাগ সহকারী প্রকৌশলী (পুর) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৯ জুলাই ২০১৯। ৬৬টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. প্রতীকধর্মী গ্রন্থ কোনটি?
- ক. অনুদিত অন্ধকার
- খ. চাঁদের অমাবস্যা
- গ. কুলায় কালস্রোত
- ঘ. ক্রীতদাসের হাসি
উত্তর: ঘ. ক্রীতদাসের হাসি
প্রতীকধর্মী গ্রন্থে লেখক সরাসরি কিছু না বলে প্রতীকের মাধ্যমে বড় কোনো বক্তব্য প্রকাশ করেন। শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি’ এমন একটি উপন্যাস। এতে ক্রীতদাসের কাহিনির আড়ালে পাকিস্তানের আইয়ুব খানের শাসনামলের কথা বলা হয়েছে। বাদশা হারুন আইয়ুব খানের প্রতীক এবং তাতারি বাঙালি জনতার প্রতীক।
মনে রাখুন:
শওকত ওসমানের আরও উপন্যাস: জননী, জাহান্নাম হইতে বিদায়।
‘চাঁদের অমাবস্যা’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - ২. কোনটি দেশি শব্দ?
- ক. হরতাল
- খ. টোপর
- গ. ভবন
- ঘ. চেয়ার
উত্তর: খ. টোপর
দেশি শব্দ হলো যেসব শব্দ বাংলার নিজস্ব, সংস্কৃত বা বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি। ‘টোপর’ এমনই একটি শব্দ। ‘ভবন’ তৎসম শব্দ, ‘চেয়ার’ ইংরেজি, আর ‘হরতাল’ এসেছে গুজরাটি ভাষা থেকে।
উদাহরণ: কুলা, গঞ্জ, চোঙা, ডাব, ডাগর, ঢেঁকি, ঝিঙে, ঝাঁটা।
মনে রাখুন: বাংলা ভাষার শব্দ প্রধানত তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। - ৩. নিচের কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা?
- ক. সারেং বউ
- খ. সূর্যদীঘল বাড়ী
- গ. আরেক ফাল্গুন
- ঘ. চাঁদের অমাবস্যা
উত্তর: ঘ. চাঁদের অমাবস্যা
‘চাঁদের অমাবস্যা’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস। এতে গ্রামে এক শিক্ষকের জীবন ও এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দিয়ে মানুষের মনের জটিল গভীরতা দেখানো হয়েছে, তাই একে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস বলা হয়। বাকি তিনটি অন্যদের রচনা: ‘সারেং বউ’ শহীদুল্লা কায়সারের, ‘সূর্যদীঘল বাড়ী’ আবু ইসহাকের আর ‘আরেক ফাল্গুন’ জহির রায়হানের।
মনে রাখুন:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্য উপন্যাস: লালসালু, কাঁদো নদী কাঁদো।
‘লালসালু’ তাঁর প্রথম উপন্যাস। - ৬. 'দস্তখত' শব্দের অর্থ কোনটি?
- ক. সাক্ষর
- খ. আদ্যাক্ষর
- গ. স্বাক্ষর
- ঘ. অঙ্গীকার
উত্তর: গ. স্বাক্ষর
‘দস্তখত’ ফারসি শব্দ, এর অর্থ স্বাক্ষর বা সই। ‘সাক্ষর’ শব্দের অর্থ লিখতে-পড়তে জানা ব্যক্তি, তাই দুটি শব্দ দেখতে কাছাকাছি হলেও অর্থ আলাদা। ‘আদ্যাক্ষর’ মানে নামের প্রথম অক্ষর, আর ‘অঙ্গীকার’ মানে প্রতিজ্ঞা।
মনে রাখুন:
স্বাক্ষর: নিজের নাম লেখা।
সাক্ষর: যে লিখতে-পড়তে পারে।
সাক্ষী: যে ঘটনা দেখেছে।
আরও ফারসি শব্দ: দোকান, চশমা, কারখানা। - ১০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' কোন ধরনের রচনা?
- ক. ছোটগল্প
- খ. কাব্য
- গ. নাটক
- ঘ. উপন্যাস
উত্তর: ঘ. উপন্যাস
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস। নাম কবিতার মতো শোনালেও এটি গদ্যে লেখা প্রেমের উপন্যাস। এর নায়ক-নায়িকা অমিত ও লাবণ্য। উপন্যাসটি ১৩৩৫ বঙ্গাব্দে ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় বের হয় এবং ১৯২৯ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। তাই একে কাব্য, ছোটগল্প বা নাটক ভাবা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাস: চোখের বালি, গোরা, ঘরে-বাইরে, চতুরঙ্গ, যোগাযোগ, চার অধ্যায়।
এটি কাব্যগ্রন্থ নয়। - ১১. 'হাতেম তাই' গ্রন্থের অনুবাদক কে?
- ক. ফকির গরিবুল্লাহ
- খ. সৈয়দ হামজা
- গ. আলাওল
- ঘ. সাবিরিদ খান
উত্তর: খ. সৈয়দ হামজা
‘হাতেম তাই’ মূলত ফারসি কাহিনি, আর বাংলায় এর অনুবাদ করেন মধ্যযুগের কবি সৈয়দ হামজা। তাঁর অন্য কাব্য ‘মধুমালতী’ ও ‘আমীর হামজা’। অন্যদের মধ্যে ফকির গরিবুল্লাহ ‘আমির হামজা’র একটি রূপ রচনা করেন, আর আলাওল ‘পদ্মাবতী’র রচয়িতা। তাই ‘হাতেম তাই’-এর সঙ্গে সৈয়দ হামজার নামই জড়িত।
মনে রাখুন:
আলাওলের অন্য রচনা: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল।
সাবিরিদ খান ‘বিদ্যাসুন্দর’ কাব্যের কবি। - ১২. 'লোকরহস্য' প্রবন্ধের রচয়িতা কে?
- ক. কাজী নজরুল ইসলাম
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- ঘ. রামমোহন রায়
উত্তর: গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
‘লোকরহস্য’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধের সংকলন। এতে সমাজের নানা দিক হালকা রসে তুলে ধরা হয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্রকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়। তাঁর প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)। বাকি তিনজন, নজরুল, বিদ্যাসাগর ও রামমোহন, অন্য ধরনের রচনায় পরিচিত।
মনে রাখুন:
তাঁর অন্য প্রবন্ধগ্রন্থ: কমলাকান্তের দপ্তর, বিজ্ঞানরহস্য, সাম্য, কৃষ্ণচরিত্র।
তিনি ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। - ১৩. 'ঐরাবত' শব্দের অর্থ কী?
- ক. হরিণ
- খ. হাতি
- গ. বিড়াল
- ঘ. পাখি
উত্তর: খ. হাতি
‘ঐরাবত’ শব্দের অর্থ হাতি, বিশেষ করে দেবরাজ ইন্দ্রের বাহন সাদা হাতি। হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী সমুদ্র মন্থনের সময় যে রত্নগুলো উঠেছিল, ঐরাবত তাদের একটি। বাংলা সাহিত্যে পুরাণের শব্দের চল অনেক, তাই এমন শব্দের অর্থ জানা দরকার। হরিণ, বিড়াল বা পাখি, কোনোটিই এই শব্দের অর্থ নয়।
মনে রাখুন:
হাতির আরও প্রতিশব্দ: গজ, করী, দ্বিরদ, হস্তী, মাতঙ্গ, বারণ। - ২৫. কোন বানানটি শুদ্ধ?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ, সেট ১৪৯১) ২০১৯
- ক. অতিথি
- খ. অতীথি
- গ. অতীথী
- ঘ. অথিতি
উত্তর: ক. অতিথি
‘অতিথি’ বানানটি শুদ্ধ। শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘অতিথি’ থেকে, যার অর্থ গৃহে আগত ব্যক্তি বা মেহমান। এর ব্যুৎপত্তি জানলে বানান মনে রাখা সহজ হয়: ন (না) + তিথি, অর্থাৎ যাঁর আসার কোনো নির্দিষ্ট তিথি বা দিন ঠিক থাকে না। তাই বানানে ‘তিথি’ অংশের মতো দুটি ইকারই হ্রস্ব। ‘অথিতি’ বানানে অক্ষরের ক্রম উল্টে গেছে, আর ‘অতীথি’ ও ‘অতীথী’-তে দীর্ঘ ঈকার বসে বানান ভুল হয়েছে।
মনে রাখুন:
আরও শুদ্ধ বানান: অন্তর্ভুক্ত, অভ্যন্তরীণ, আকাঙ্ক্ষা, মনীষী।
‘অতিথি’ শব্দের গঠন: অ + তিথি। - ২৭. 'সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে' গানটির রচয়িতা কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. অতুল প্রসাদ সেন
- গ. রজনীকান্ত সেন
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে’ গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। এটি দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশের একটি জনপ্রিয় গান। রবীন্দ্রনাথের গানের সংকলন গীতবিতান, আর এই গানটি সেখানে স্বদেশ পর্যায়ের গানের মধ্যে আছে। অতুল প্রসাদ সেন, রজনীকান্ত সেন ও কাজী নজরুল ইসলামও বাংলা গানে স্মরণীয় নাম, তবে এই গানের রচয়িতা তাঁরা নন।
মনে রাখুন:
রবীন্দ্রনাথের রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ আমাদের জাতীয় সংগীত।
তিনি ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’র জন্য নোবেল পুরস্কার পান। - ৩১. 'নাট্যাচার্য' হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন—
- ক. মামুন অর রশীদ
- খ. দীনবন্ধু মিত্র
- গ. সেলিম আল দীন
- ঘ. মমতাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর: গ. সেলিম আল দীন
সেলিম আল দীন বাংলাদেশের নাট্যসাহিত্যে নতুন ধারা এনেছেন, তাই তাঁকে ‘নাট্যাচার্য’ বলা হয়। তিনি আমাদের দেশের মধ্যযুগের কাব্য, পালা ও লোকনাট্যের আঙ্গিক আধুনিক নাটকে ব্যবহার করেছেন, যাকে বলা হয় নিজস্ব নাট্যরীতির সন্ধান। দীনবন্ধু মিত্র ঊনবিংশ শতকের নাট্যকার, যিনি ‘নীলদর্পণ’ লিখেছিলেন। তাঁকে নাট্যাচার্য বলা হয় না।
মনে রাখুন:
সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক: কিত্তনখোলা, চাকা, কেরামতমঙ্গল, হাত হদাই।
তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালে এবং মৃত্যু ২০০৮ সালে। - ৩২. নিচের কোন বানানটি সঠিক?
- ক. অনুষঙ্গিক
- খ. আনুসঙ্গিক
- গ. আনুষঙ্গিক
- ঘ. আনুসাঙ্গিক
উত্তর: গ. আনুষঙ্গিক
শুদ্ধ বানান ‘আনুষঙ্গিক’। শব্দটি এসেছে ‘অনুষঙ্গ’ থেকে, ‘ইক’ প্রত্যয় যোগ করে। এখানে মূর্ধন্য ‘ষ’ আছে, দন্ত্য ‘স’ নয়। ‘অনুষঙ্গ’ শব্দের মূলে ‘সঙ্গ’ থাকায় অনেকে ভুল করে ‘স’ লিখে ফেলেন। শব্দটির অর্থ সংশ্লিষ্ট, গৌণ বা সঙ্গে সম্পর্কিত। ইক প্রত্যয় যোগ হলে শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি হয়, তাই অ বদলে আ হয়ে অনুষঙ্গ থেকে আনুষঙ্গিক হয়েছে।
উদাহরণ:
প্রকল্পের আনুষঙ্গিক খরচ।
মনে রাখুন:
একই নিয়মে: সমাজ থেকে সামাজিক, ইতিহাস থেকে ঐতিহাসিক। - ৩৫. 'মৈমনসিংহ গীতিকা'র সংগ্রাহক কে ছিলেন?
- ক. আশুতোষ ভট্টাচার্য
- খ. রওশন ইজদানী
- গ. চন্দ্রকুমার দে
- ঘ. দীনেশচন্দ্র সেন
উত্তর: গ. চন্দ্রকুমার দে
‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ ময়মনসিংহ অঞ্চলের পালাগানের সংকলন। নেত্রকোনার আইথর গ্রামের চন্দ্রকুমার দে গ্রামে গ্রামে ঘুরে এসব পালা সংগ্রহ করেন। পরে দীনেশচন্দ্র সেন সেগুলো সম্পাদনা করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশ করেন। তাই সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে, আর সম্পাদক দীনেশচন্দ্র সেন। এই দুজনকে গুলিয়ে ফেলাই এখানকার প্রধান ফাঁদ।
মনে রাখুন:
গীতিকার বিখ্যাত পালা: মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, কমলা, দেওয়ানা মদিনা।
প্রথম খণ্ডে মোট ১০টি পালা আছে।
এই পালাগুলোয় গ্রামীণ জীবন, প্রেম ও মানবিক সম্পর্কের কথা ফুটে উঠেছে। - ৩৬. দেশি শব্দের উদাহরণ কোনটি?
- ক. কুলা
- খ. গিন্নি
- গ. চাঁদ
- ঘ. বৃক্ষ
উত্তর: ক. কুলা
বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারকে প্রধানত কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে দেশি শব্দ হলো সেসব শব্দ, যা বাংলার নিজস্ব, অর্থাৎ সংস্কৃত বা বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি। ‘কুলা’ এমন একটি দেশি শব্দ। বাকি শব্দগুলো অন্য শ্রেণির: ‘বৃক্ষ’ তৎসম, কারণ সংস্কৃত থেকে অবিকৃত এসেছে। ‘চাঁদ’ তদ্ভব, কারণ সংস্কৃত ‘চন্দ্র’ থেকে রূপ বদলে এসেছে। আর ‘গিন্নি’ শব্দটি ফারসি-জাত বলে ধরা হয়।
উদাহরণ: কুলা, ঢেঁকি, গঞ্জ, ডাব, টোপর, চোঙা।
মনে রাখুন:
তৎসম শব্দ সংস্কৃত থেকে অবিকৃত আসে, তদ্ভব শব্দ রূপ বদলে আসে।
বিদেশি শব্দের উদাহরণ: আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষার শব্দ। - ৪০. মুনীর চৌধুরী অনূদিত নাটক কোনটি?
- ক. রক্তাক্ত প্রান্তর
- খ. মুখরা রমণী বশীকরণ
- গ. কবর
- ঘ. চিঠি
উত্তর: খ. মুখরা রমণী বশীকরণ
মুনীর চৌধুরী উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ‘The Taming of the Shrew’ নাটকটি ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ নামে বাংলায় অনুবাদ করেন। এটি তাঁর অনূদিত নাটক। বাকি নাটকগুলো তাঁর মৌলিক রচনা। ‘কবর’ ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক, ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ নিয়ে লেখা, আর ‘চিঠি’-র পটভূমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।
মনে রাখুন:
‘কবর’ তিনি জেলে বসে লিখেছিলেন।
মুনীর চৌধুরী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে নিহত হন। - ৪২. বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের প্রচলন করেন কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঘ. প্রমথ চৌধুরী
উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বাংলা গদ্যে প্রথম নিয়ম মেনে যতিচিহ্ন (Punctuation), যেমন পূর্ণচ্ছেদ ও কমা, ব্যবহার করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তাঁর আগের গদ্য ছিল অনেকটা বিরামহীন, ফলে পড়তে এবং অর্থ বুঝতে কষ্ট হতো। যতিচিহ্ন বসানোয় গদ্যে ছন্দ ও শৃঙ্খলা এল। বিদ্যাসাগরের ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ বইয়ে এর সফল ব্যবহার দেখা যায়। এ কারণে তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরের অন্য গ্রন্থ: শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস, বর্ণপরিচয়।
বিধবা বিবাহ প্রচলনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল। - ৪৪. কোন বাক্যে 'ক্ষমতা' অর্থে 'মুখ' শব্দটির ব্যবহার ঘটেছে?
- ক. যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা।
- খ. মুখে মুখে কথা বলো না তো।
- গ. চার রাস্তার মুখেই চায়ের স্টল।
- ঘ. তোমার তো মুখের লাগাম নেই।
উত্তর: ক. যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা।
একই শব্দ বাক্যভেদে ভিন্ন অর্থ দেয়। ‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’ বাক্যে ‘মুখ’ মানে যোগ্যতা বা ক্ষমতা, অর্থাৎ বলার সামর্থ্য নেই, তবু বড় কথা বলা হচ্ছে। ‘মুখে মুখে কথা’-তে মুখ বাচনভঙ্গি, ‘রাস্তার মুখ’-এ মুখ প্রবেশদ্বার, আর ‘মুখের লাগাম’-এ কথা বলার সংযম বোঝায়।
মনে রাখুন: বাংলায় একটি শব্দের অনেক অর্থ থাকে, বাক্যের প্রসঙ্গ দেখে ঠিক করতে হয়। - ৪৮. 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণ নিয়ে গঠিত?
- ক. ক্ + ষ
- খ. ক + ম
- গ. ষ + ম
- ঘ. খ + ষ
উত্তর: ক. ক্ + ষ
‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি ক ও ষ এই দুটি বর্ণ মিলে তৈরি, অর্থাৎ ক্ + ষ = ক্ষ। উচ্চারণে এটি অনেক সময় ‘খ’-এর মতো শোনায়, তবে গঠনে ক ও ষ-ই থাকে।
উদাহরণ: শিক্ষা, রক্ষা, বক্ষ, ক্ষমা।
মনে রাখুন: ‘জ্ঞ’ গঠিত হয় জ্ + ঞ দিয়ে, আর ‘হ্ম’ গঠিত হয় হ্ + ম দিয়ে। ‘ক্ষ’ ও ‘জ্ঞ’ দুটিই বিশেষ যুক্তবর্ণ। - ৫৫. বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ—
- ক. মেঘনাদবধ কাব্য
- খ. পদ্মাবতী
- গ. বীরাঙ্গনা কাব্য
- ঘ. তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
উত্তর: ঘ. তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’ (১৮৬০)। এর আগে তিনি ‘পদ্মাবতী’ নাটকে এই ছন্দের কিছু ব্যবহার দেখালেও সেটি গদ্যে লেখা নাটক, কাব্যগ্রন্থ নয়। ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১) এই ছন্দের সবচেয়ে বিখ্যাত সফল প্রয়োগ, কিন্তু সেটি প্রথম নয়।
মনে রাখুন:
অমিত্রাক্ষর ছন্দে চরণের শেষে মিল থাকে না, ভাব এক চরণ থেকে পরের চরণে গড়িয়ে যায়।
মধুসূদনের অন্য কাব্য: ব্রজাঙ্গনা, বীরাঙ্গনা। - ৬১. ভাষা আন্দোলনের প্রভাবে রচিত উপন্যাস হচ্ছে—
- ক. নকল শহর
- খ. আরেক ফাল্গুন
- গ. দোযখের ওম
- ঘ. আসাদের শার্ট
উত্তর: খ. আরেক ফাল্গুন
জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের পটভূমি ভাষা আন্দোলন। ১৯৫৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনকে ঘিরে এর কাহিনি গড়ে উঠেছে, তাই এটিকে ভাষা আন্দোলনের প্রভাবে রচিত উপন্যাস বলা হয়। উপন্যাসটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। অন্য বিকল্পের মধ্যে ‘আসাদের শার্ট’ শামসুর রাহমানের কবিতা, যার বিষয় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, ভাষা আন্দোলন নয়।
মনে রাখুন:
জহির রায়হানের অন্য উপন্যাস: হাজার বছর ধরে, বরফ গলা নদী, আর কতদিন।
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক আরেকটি বিখ্যাত রচনা মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটক।
জহির রায়হান ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে নিখোঁজ হন। - ৬৬. 'সবুজের অভিযান' শীর্ষক কবিতার রচয়িতা কে?
- ক. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. মোহিতলাল মজুমদার
উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘সবুজের অভিযান’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা। এতে তিনি নতুন প্রাণশক্তি আর তারুণ্যের জয়গান গেয়েছেন, পুরোনো জড়তা ভেঙে সবুজ ও নবীনদের এগিয়ে চলার ডাক দিয়েছেন। কবিতাটি ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থে সংকলিত, যে গ্রন্থের কবিতায় গতি ও নবীনতার সুর ফুটে ওঠে। প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার সঙ্গেও রবীন্দ্রনাথের যোগ ছিল। সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, নজরুল ও মোহিতলাল মজুমদারও কবি, তবে এই কবিতা তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
‘বলাকা’ ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
‘বলাকা’র অন্য পরিচিত কবিতা: শাজাহান, ছবি, চঞ্চলা।
ইংরেজি
- ৪. Runa wants to go home and —.
- ক. so we are
- খ. so want we
- গ. so do we
- ঘ. we do so
উত্তর: গ. so do we
দুটি বাক্য একই ভাব প্রকাশ করলে এবং দ্বিতীয়টিতে ‘আমরাও’ বোঝাতে চাইলে ‘and so + auxiliary verb + subject’ গঠন ব্যবহার করা হয়। প্রথম বাক্য Runa wants to go home, যেটি present indefinite। এর helping verb হবে do/does। এখানে কর্তা we, তাই সঠিক রূপ ‘so do we’।
উদাহরণ:
She likes tea, and so do I.
He is tired, and so am I।
মনে রাখুন: প্রথম বাক্যে be verb থাকলে সেটি, নইলে do/does/did বসে। - ৮. The professor wanted me to send my email address and —.
- ক. so send I
- খ. so do I
- গ. so did I
- ঘ. so I send
উত্তর: গ. so did I
প্রশ্নের বাক্যটি past tense-এ, কারণ এতে ‘wanted’ আছে। একই কথা নিজের ক্ষেত্রেও ঘটেছে বোঝাতে ‘and so + auxiliary + subject’ গঠন ব্যবহার হয়। Past indefinite বাক্যে auxiliary হয় did, আর কর্তা I, তাই সঠিক রূপ ‘so did I’। ‘So do I’ হলো present-এর জন্য, আর ‘so I send’ কাঠামোটাই এখানে ঠিক নয়।
উদাহরণ:
He went home, and so did I.
মনে রাখুন:
যেমন tense, তেমন auxiliary। Past-এ did, present-এ do/does।
Negative-এ ‘neither did I’ বা ‘nor did I’ বসে। - ৯. Of the two girls, Ushoshi is — intelligent. (Fill up the gap)
- ক. far
- খ. most
- গ. as
- ঘ. more
উত্তর: ঘ. more
ইংরেজিতে দুইজনের তুলনায় comparative degree ব্যবহার হয়। বাক্যের শুরুতে ‘Of the two girls’ থাকায় দুজনের মধ্যে তুলনা বোঝাচ্ছে, তাই ফাঁকা জায়গায় comparative form ‘more’ বসে: Ushoshi is more intelligent. ‘Most’ তিনজন বা তার বেশি জনের মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ:
Of the two brothers, Rahim is taller.
Of all the girls, she is the most intelligent.
মনে রাখুন: দুইয়ের মধ্যে comparative, বহুর মধ্যে superlative। - ১৫. Choose the right preposition: He did everything — pursuit of happiness.
- ক. at
- খ. for
- গ. in
- ঘ. with
উত্তর: গ. in
‘In pursuit of’ একটি নির্দিষ্ট phrase, যার অর্থ কোনো কিছুর সন্ধানে বা অনুসরণে। তাই বাক্যটি দাঁড়ায়: He did everything in pursuit of happiness, অর্থাৎ সুখের সন্ধানে তিনি সবকিছু করলেন। অন্য preposition বসালে এই phrase তৈরি হয় না।
উদাহরণ:
They left the city in pursuit of a better life.
মনে রাখুন: ‘in search of’ ও ‘in quest of’ প্রায় একই অর্থের phrase। - ১৭. Which word is misspelt?
- ক. Garulous
- খ. Freight
- গ. Gallery
- ঘ. Gratitude
উত্তর: ক. Garulous
বানান ভুল শব্দটি ‘Garulous’। সঠিক বানান ‘Garrulous’, যার অর্থ বাচাল বা বেশি কথা বলা। বাকি তিনটি শব্দের বানান ঠিক আছে। Freight মানে পরিবহন মাসুল বা মালবাহী, gallery মানে প্রদর্শনশালা, আর gratitude মানে কৃতজ্ঞতা।
উদাহরণ:
He is a garrulous old man.
মনে রাখুন: Garrulous-এর সমার্থক talkative, বিপরীত শব্দ taciturn বা reticent। - ২১. 'The Origin of Species' is a :
- ক. Scientific writing
- খ. Social drama
- গ. Allegory
- ঘ. Novel
উত্তর: ক. Scientific writing
‘The Origin of Species’ চার্লস ডারউইনের লেখা বিখ্যাত বই, যেটি ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। এতে তিনি প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রজাতির বিবর্তনের তত্ত্ব দিয়েছেন। বইটি পর্যবেক্ষণ আর প্রমাণের ওপর দাঁড়ানো, তাই এটি scientific writing। এটি উপন্যাস, নাটক বা রূপককাহিনি নয়।
মনে রাখুন:
ডারউইন গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ ঘুরে প্রচুর তথ্য সংগ্রহ করেন।
তাঁর যাত্রার জাহাজের নাম HMS Beagle। - ২২. Choose the correct sentence :
- ক. Credit it to my account
- খ. Credit it with my account
- গ. Credit it at my account
- ঘ. Credit it in my account
উত্তর: ক. Credit it to my account
হিসাবে কোনো অঙ্ক জমা দেওয়া বোঝাতে ‘credit something to an account’ ব্যবহার করা হয়। এখানে preposition ‘to’ বসে, তাই সঠিক বাক্য ‘Credit it to my account’।
উদাহরণ:
Please credit the amount to my savings account.
মনে রাখুন: ‘credit someone with something’ হলো কাউকে কোনো গুণের জন্য কৃতিত্ব দেওয়া, যেমন: They credited him with honesty. কিন্তু ‘my account’ বসলে এ গঠন খাটে না। - ২৮. Technically, glass is a mineral and ___.
- ক. water so
- খ. so is water
- গ. water is so
- ঘ. so water is
উত্তর: খ. so is water
বাক্যটিতে প্রথম অংশ ‘glass is mineral’ একটি be verb যুক্ত affirmative বাক্য। এর সঙ্গে একই কথা পানির ক্ষেত্রেও খাটে বোঝাতে লেখা হয় ‘and so + be verb + subject’। এখানে be verb is এবং কর্তা water, তাই সঠিক রূপ ‘so is water’। অন্য বিকল্পে শব্দের ক্রম ভুল।
উদাহরণ:
Rina is tall, and so is Mina.
মনে রাখুন: ‘so’ আগে এলে verb কর্তার আগে যায়। - ২৯. Come on, it’s time to go home. Here ‘home’ is:
- ক. Pronoun
- খ. Noun
- গ. Adjective
- ঘ. Adverb
উত্তর: ঘ. Adverb
‘Home’ শব্দটি সাধারণত noun, যেমন: Home is sweet। কিন্তু ‘Go home’ বা ‘time to go home’ বাক্যে এটি কোথায় যাব তা বোঝাচ্ছে, তাই এটি adverb of place। এখানে ‘home’ আগে কোনো preposition (to) নেই, এ কারণে এটি ক্রিয়া বা স্থান নির্দেশ করে।
উদাহরণ: He went home. They came abroad.
মনে রাখুন: adverb of place বলে কোথায়, যেমন here, there, abroad, nowhere। - ৩৭. Which one is the correct spelling?
- ক. Paletable
- খ. Pallatable
- গ. Pelatable
- ঘ. Palatable
উত্তর: ঘ. Palatable
এখানে সঠিক বানান Palatable, যার অর্থ স্বাদযুক্ত বা রুচিকর। শব্দটি এসেছে palate থেকে, যার মানে তালু, আবার স্বাদ বোঝার ক্ষমতাও। palate-এর সঙ্গে -able প্রত্যয় যোগ হয়ে palatable হয়েছে। অন্য বিকল্পগুলোতে স্বরবর্ণ বা ‘l’ ভুল জায়গায় বসেছে, তাই সেগুলো শুদ্ধ নয়। মনে রাখার সহজ উপায়: pal-a-ta-ble, মাঝখানে একটি ‘l’ আর তিনটিই ‘a’।
উদাহরণ:
The food was hardly palatable.
মনে রাখুন:
Palatable-এর বিপরীত unpalatable।
Palate শব্দটি স্বাদের রুচি বোঝাতেও ব্যবহৃত হয়। - ৪১. Select the antonym of the word DESTITUTE :
- ক. affluent
- খ. necessary
- গ. bold
- ঘ. talkative
উত্তর: ক. affluent
Destitute শব্দের অর্থ নিঃস্ব, অর্থাৎ যার প্রায় কিছুই নেই। এর বিপরীত অবস্থা হলো প্রাচুর্যে ভরা বা ধনী, আর ইংরেজিতে সেটির শব্দ affluent। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা এবং কোনোটিই বিপরীত নয়: necessary মানে প্রয়োজনীয়, bold মানে সাহসী, আর talkative মানে বাচাল।
উদাহরণ:
He came from a destitute family but became an affluent businessman.
মনে রাখুন:
Destitute-এর সমার্থক শব্দ: poor, penniless, needy।
Affluent-এর সমার্থক শব্দ: wealthy, rich। - ৪৫. Which of the following words can be used as both masculine and feminine?
- ক. actor
- খ. gander
- গ. spinster
- ঘ. spouse
উত্তর: ঘ. spouse
যেসব শব্দ শুধু পুরুষ বা শুধু নারী বোঝায়, সেগুলো ভিন্ন লিঙ্গের শব্দ। যে শব্দ পুরুষ ও নারী দুজনের ক্ষেত্রেই বসতে পারে, তাকে বলে Common Gender। Spouse মানে স্বামী বা স্ত্রী, তাই এটি দুই লিঙ্গের জন্যই ব্যবহার করা যায়। বাকি শব্দগুলোর লিঙ্গ নির্দিষ্ট: actor পুরুষ, gander (পুরুষ রাজহাঁস) পুরুষ, আর spinster অবিবাহিতা নারী।
উদাহরণ:
Common Gender: child, parent, teacher, student, friend, cousin, neighbour, spouse। - ৪৭. Medha wants to go shopping tomorrow. The word 'tomorrow' is :
- ক. Adverb
- খ. Noun
- গ. Verb
- ঘ. Adjective
উত্তর: ক. Adverb
‘Tomorrow’ শব্দটি বাক্যে বলছে কাজটি কখন ঘটবে। প্রশ্ন করলে দাঁড়ায়, Medha কবে কেনাকাটা করতে যাবে? উত্তর, আগামীকাল। যে শব্দ ক্রিয়ার সময় বোঝায়, তাকে সময়বাচক ক্রিয়াবিশেষণ অর্থাৎ adverb of time বলে। তাই এখানে ‘tomorrow’ হলো adverb। অন্য বাক্যে tomorrow কখনো noun-ও হতে পারে, যেমন Tomorrow is Friday। কিন্তু এই বাক্যে এটি ক্রিয়ার সময় জানাচ্ছে, তাই adverb।
উদাহরণ:
She will come tomorrow.
মনে রাখুন: Adverb of time-এর আরও উদাহরণ today, now, soon, yesterday, lately। - ৪৯. Select the correct sentence :
- ক. Distribute the mangoes among the four girls.
- খ. Distribute the mangoes between the four girls.
- গ. Distribute the mangoes to the four girls.
- ঘ. Distribute the mangoes for the four girls.
উত্তর: ক. Distribute the mangoes among the four girls.
‘Among’ ব্যবহার হয় তিন বা তার বেশি জন বা বস্তুর মধ্যে ভাগ করার ক্ষেত্রে, আর ‘between’ হয় দুইজনের মধ্যে। এখানে মেয়ে চারজন, তাই ‘among’ সঠিক: Distribute the mangoes among the four girls। ‘To’ ও ‘for’ দিয়ে এ অর্থে ভাগ করা বোঝায় না।
উদাহরণ:
Share the sweets between the two brothers.
মনে রাখুন: between দুজনের, among বহুজনের মধ্যে। - ৫২. 'Life is not a bed of rose' means :
- ক. Life is a painful journey.
- খ. Life is a bed of merry gold.
- গ. Life is a bed of flowers other than rose.
- ঘ. None of the above.
উত্তর: ক. Life is a painful journey.
‘Life is not a bed of roses’ একটি ইংরেজি বাগ্ধারা (Idiom)। গোলাপের বিছানা মানে আরাম আর সুখের জায়গা, তাই জীবন সেই বিছানা নয় বলতে বোঝানো হয় যে জীবন সহজ নয়, এতে কষ্ট আর সংগ্রাম আছে। সেই অর্থে জীবনকে কষ্টের পথচলা (a painful journey) বলাই সবচেয়ে কাছাকাছি।
মনে রাখুন:
Bed of roses অর্থ সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে ভরা অবস্থা।
বাংলায় কাছাকাছি কথা: ‘জীবন ফুলশয্যা নয়’।
বাগ্ধারায় রোজ (rose) সাধারণত বহুবচন roses রূপেই ব্যবহার হয়। - ৫৬. He is bent — going. (Fill up the gap)
- ক. on
- খ. for
- গ. at
- ঘ. to
উত্তর: ক. on
‘Bent on’ একটি phrasal expression, যার অর্থ কোনো কাজ করার জন্য দৃঢ়সংকল্প থাকা। তাই বাক্যটি দাঁড়ায় ‘He is bent on going’, অর্থাৎ ‘সে যেতে বদ্ধপরিকর’। Bent শব্দের মূল অর্থ বাঁকানো, কিন্তু on-এর সঙ্গে যুক্ত হলে অর্থ হয় কোনো কিছুর প্রতি স্থির মনোভাব। for, at বা to বসালে এই অর্থ আসে না। এই কাঠামোতে on-এর পর verb থাকলে সেটি -ing রূপে বসে।
উদাহরণ:
She is bent on winning the prize.
মনে রাখুন:
Bent on-এর পরে সাধারণত gerund (verb + ing) বসে।
Be bent on = be determined to। - ৫৮. Perfectly is :
- ক. Noun
- খ. Adverb
- গ. Verb
- ঘ. Adjective
উত্তর: খ. Adverb
Perfectly শব্দটি adverb, কারণ কোনো কাজ কেমনভাবে হচ্ছে তা এটি বোঝায়, যেমন ‘She sings perfectly’। Adjective perfect-এর সঙ্গে -ly যোগ করে এই শব্দটি তৈরি হয়েছে, আর সাধারণত এই -ly শেষে থাকলে শব্দটি adverb হয়।
মনে রাখুন:
অনেক adjective-এর সঙ্গে -ly যুক্ত হয়ে adverb হয়: quick-quickly, happy-happily।
তবে friendly, lovely, lonely শব্দের শেষে -ly থাকলেও এগুলো adjective। - ৬২. 'To carry coals to new castle' means :
- ক. Always doing something
- খ. Doing a useful job
- গ. Carrying something valuable
- ঘ. Doing a meaningless job
উত্তর: ঘ. Doing a meaningless job
‘To carry coals to Newcastle’ একটি ইংরেজি বাগ্ধারা। নিউক্যাসল শহর কয়লার জন্য বিখ্যাত ছিল, তাই সেখানে কয়লা বয়ে নিয়ে যাওয়া মানে এমন কাজ করা, যার কোনো দরকার নেই। এই কারণে এর অর্থ ‘অহেতুক বা অর্থহীন কাজ করা’ (doing a meaningless job)।
মনে রাখুন:
বাংলায় কাছাকাছি প্রবাদ ‘তেলা মাথায় তেল দেওয়া’।
উদাহরণ:
Sending rice to a rice-producing village is like carrying coals to Newcastle. - ৬৩. The verb form of the noun 'knowledge' is—
- ক. knowledgise
- খ. know
- গ. knowledgeable
- ঘ. knowledgeably
উত্তর: খ. know
Knowledge (জ্ঞান) একটি noun, আর এর verb রূপ হলো know, অর্থাৎ জানা। শব্দের পরিবারটা দেখলে বিষয়টি সহজ হয়: know হলো verb, knowledge হলো noun, knowledgeable (জ্ঞানী) হলো adjective, আর knowledgeably হলো adverb। Knowledgise নামে ইংরেজিতে কোনো শব্দ নেই, এটি বানানো রূপ। তাই শুধু know-ই এখানে verb।
মনে রাখুন:
Know → knew → known (verb-এর তিন রূপ)।
Knowledgeable person = জ্ঞানী বা অভিজ্ঞ মানুষ।
অনুরূপ গঠন: act (verb), action (noun), active (adjective), actively (adverb)। - ৬৪. Which one is a noun?
- ক. Mute
- খ. Flute
- গ. Cute
- ঘ. Acute
উত্তর: খ. Flute
Flute হলো একটি বাঁশির নাম, তাই এটি noun। বাকি তিনটি শব্দ adjective: Mute মানে নীরব বা বাকহীন, Cute মানে আদুরে বা সুন্দর, আর Acute মানে তীব্র বা প্রখর।
মনে রাখুন:
শব্দের শেষের অংশ মিল থাকলেও (-ute) শব্দের শ্রেণি আলাদা হতে পারে, তাই অর্থ দেখে শ্রেণি ঠিক করতে হয়।
উদাহরণ:
He plays the flute. (noun)
She is a cute girl. (adjective)
বিজ্ঞান
- ৫. Clean dry air-এ কত শতাংশ Oxygen থাকে?
- ক. 75
- খ. 15
- গ. 23
- ঘ. 48
উত্তর: গ. 23
শুষ্ক ও পরিষ্কার বাতাসে আয়তন হিসাবে অক্সিজেন প্রায় ২১ শতাংশ, আর নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮ শতাংশ। কিন্তু ভর বা ওজনের হিসাবে বাতাসে অক্সিজেন প্রায় ২৩ শতাংশ। প্রশ্নের বিকল্পে ২১ নেই, আছে ২৩, আর সেটি ভরের হিসাবে সঠিক মান, তাই এটিই গ্রহণযোগ্য উত্তর। পরিবেশ প্রকৌশলে বাতাসের গঠন প্রায়ই ওজনের হিসাবে বলা হয়।
মনে রাখুন:
আয়তন হিসাবে: নাইট্রোজেন ৭৮.০৯%, অক্সিজেন ২০.৯৫%, আর্গন ০.৯৩%, কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রায় ০.০৪%।
ভর হিসাবে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৫.৫%। - ১৬. Green Building কী?
- ক. Building with green garden
- খ. Green colour-এর building
- গ. Environment friendly building
- ঘ. Green tree covered building
উত্তর: গ. Environment friendly building
Green building বা সবুজ ভবন বলতে বোঝায় এমন ভবন, যা নকশা ও নির্মাণে পরিবেশের ক্ষতি কমায়। এতে কম বিদ্যুৎ ও পানি খরচ হয়, প্রাকৃতিক আলো-বাতাস বেশি আসে এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়। এর অর্থ শুধু সবুজ রঙ বা গাছে ঢাকা ভবন নয়। অর্থাৎ ভবনটি Environment friendly building।
মনে রাখুন:
সবুজ ভবনের রেটিং ব্যবস্থার নাম LEED।
বাংলাদেশে অনেক সবুজ কারখানা LEED সনদ পেয়েছে। - ৩০. বায়োগ্যাসে প্রধানত কী থাকে?
- ক. নাইট্রোজেন
- খ. হাইড্রোজেন
- গ. মিথেন
- ঘ. ইথিলিন
উত্তর: গ. মিথেন
বায়োগ্যাস তৈরি হয় গোবর, কাদা ও জৈব বর্জ্য বাতাসের অনুপস্থিতিতে পচে। অ্যানারোবিক ব্যাকটেরিয়া এই পচন ঘটায়, আর তাতে প্রধানত মিথেন (CH4) গ্যাস উৎপন্ন হয়, যেটি জ্বালানি হিসেবে কাজে লাগে। এর সঙ্গে কিছু কার্বন ডাই-অক্সাইডও মিশে থাকে।
মনে রাখুন:
বায়োগ্যাসে মিথেন প্রায় ৫০-৭০ শতাংশ।
প্রাকৃতিক গ্যাসেরও প্রধান উপাদান মিথেন।
বাংলাদেশের গ্রামে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট রান্নার জ্বালানি জোগাচ্ছে। - ৩৩. LPG গ্যাসের মূল উপাদান কী?
- ক. মিথেন ও বিউটেন
- খ. মিথেন
- গ. প্রোপেন ও বিউটেন
- ঘ. ইথেন
উত্তর: গ. প্রোপেন ও বিউটেন
LPG-র পুরো নাম Liquefied Petroleum Gas বা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস। এর প্রধান উপাদান প্রোপেন (C3H8) ও বিউটেন (C4H10), অর্থাৎ দুটি হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। সামান্য চাপ দিলেই এগুলো তরল হয়, তাই সিলিন্ডারে ভরা যায়। মিথেন এতে প্রধান উপাদান নয়, কারণ মিথেন সহজে তরল হয় না।
মনে রাখুন:
CNG-র প্রধান উপাদান মিথেন।
LPG বাতাসের চেয়ে ভারী, তাই লিক করলে নিচে জমে। - ৩৮. খাদ্য তৈরির জন্য উদ্ভিদ বায়ু থেকে কী গ্রহণ করে?
- ক. জিংক
- খ. অক্সিজেন
- গ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
- ঘ. ফসফরাস
উত্তর: গ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করে, এই প্রক্রিয়ার নাম সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis)। এতে উদ্ভিদ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড নেয়, মাটি থেকে শিকড়ের সাহায্যে পানি টানে, আর সূর্যের আলো ও ক্লোরোফিলের (Chlorophyll) সাহায্যে গ্লুকোজ তৈরি করে। এর সঙ্গে অক্সিজেন বাতাসে ছাড়ে। জিংক ও ফসফরাস উদ্ভিদ মাটি থেকে পায়, বাতাস থেকে নয়। আর অক্সিজেন খাদ্য তৈরির কাঁচামাল নয়, এটি উপজাত হিসেবে বের হয়।
মনে রাখুন:
6CO2 + 6H2O → C6H12O6 + 6O2।
গাছ দিনে অক্সিজেন ছাড়ে, আর শ্বসনের সময় সব সময় অক্সিজেন নেয়।
সালোকসংশ্লেষণ ঘটে সবুজ পাতার ক্লোরোপ্লাস্টে। - ৪৩. পানিতে Calcium থাকলে কী হয়?
- ক. turbidity
- খ. bad test
- গ. color
- ঘ. hardness
উত্তর: ঘ. hardness
পানিতে ক্যালসিয়াম আর ম্যাগনেসিয়ামের মতো লবণ বেশি দ্রবীভূত থাকলে সেই পানিকে কঠিন পানি (Hard water) বলা হয়। তাই পানির এই বৈশিষ্ট্যকে বলে hardness বা কাঠিন্য। এ পানিতে সাবান সহজে ফেনা হয় না এবং পাইপে সাদা স্তর জমে। Turbidity হলো ঘোলাভাব, যা অন্য কারণে হয়।
মনে রাখুন:
ক্ষণস্থায়ী কাঠিন্য ফুটালে দূর হয়।
স্থায়ী কাঠিন্য দূর করতে সোডা বা আয়ন বিনিময় লাগে। - ৫৭. কোনটি পানির surface water উৎস নয়?
- ক. Tube-well
- খ. Pond
- গ. Lake
- ঘ. River
উত্তর: ক. Tube-well
ভূপৃষ্ঠের ওপরে যে পানি জমে বা বয়ে যায়, তাকে ভূপৃষ্ঠের পানি (Surface water) বলে, যেমন পুকুর, হ্রদ ও নদীর পানি। আর টিউবওয়েল মাটির নিচের স্তর থেকে পানি তোলে, তাই তার উৎস ভূগর্ভস্থ পানি (Ground water)। কাজেই Tube-well surface water-এর উৎস নয়।
মনে রাখুন:
Surface water: নদী, পুকুর, হ্রদ, খাল।
Ground water: নলকূপ ও কূপের পানি।
ভূগর্ভের পানি সাধারণত জীবাণু কম থাকায় সরাসরি পানের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়, তবে আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। - ৬৫. ফরমালিনের রাসায়নিক নাম—
- ক. বেনজিন
- খ. ইনসুলিন
- গ. ফরমালডিহাইড
- ঘ. প্যারাফিন
উত্তর: গ. ফরমালডিহাইড
ফরমালডিহাইড (Formaldehyde) একটি গ্যাস, যা পানিতে গুলে ফরমালিন (Formalin) তৈরি হয়। সাধারণত ৪০% ফরমালডিহাইডের জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে, তাই ফরমালিনের রাসায়নিক নাম ফরমালডিহাইড। জৈব নমুনা পচনের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং জীবাণুনাশক হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
খাদ্যে ফরমালিন মেশানো মানুষের জন্য বিপজ্জনক, তাই বাংলাদেশে এটি নিয়ন্ত্রিত।
বেনজিন, ইনসুলিন ও প্যারাফিন সম্পূর্ণ আলাদা পদার্থ।
আন্তর্জাতিক
- ৭. 'উত্তমাশা অন্তরীপ' কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. ডেনমার্ক
- খ. ইয়েমেন
- গ. দক্ষিণ আফ্রিকা
- ঘ. সুদান
উত্তর: গ. দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তমাশা অন্তরীপ (Cape of Good Hope) দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম কেপ প্রদেশে অবস্থিত। এটি আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে আটলান্টিক মহাসাগরের ধারে। ১৪৮৮ সালে পর্তুগিজ নাবিক বার্থলোমিউ ডিয়াজ প্রথম এই অন্তরীপ প্রদক্ষিণ করেন। পরে ভাস্কো দা গামা এই পথ ধরেই ভারতে পৌঁছান।
মনে রাখুন:
অন্তরীপ হলো সমুদ্রের মধ্যে ঢুকে যাওয়া স্থলভাগ।
ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ সালে ভারতের কালিকট বন্দরে পৌঁছান। - ২০. কোন প্রণালী আফ্রিকা মহাদেশকে ইউরোপ হতে পৃথক করেছে?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. ফ্লোরিডা
- খ. হরমুজ
- গ. জিব্রাল্টার
- ঘ. মালাক্কা
উত্তর: গ. জিব্রাল্টার
জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar) একটি সরু জলপথ। এর উত্তর পাশে ইউরোপের স্পেন এবং দক্ষিণ পাশে আফ্রিকার মরক্কো। প্রণালীটি ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে, আবার একই সঙ্গে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশকে আলাদা করেছে। সবচেয়ে সরু জায়গায় এর প্রস্থ মাত্র প্রায় ১৪ কিলোমিটার। অন্য প্রণালীগুলোর অবস্থান আলাদা: হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মাঝে, আর মালাক্কা প্রণালী মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মাঝে।
মনে রাখুন:
ফ্লোরিডা প্রণালী যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ও কিউবার মাঝে অবস্থিত।
বসফরাস প্রণালী ইউরোপ ও এশিয়াকে আলাদা করেছে।
বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার মাঝে। - ৩৪. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কত ডিগ্রি বরাবর কল্পনা করা হয়?
- ক. ৩৬০° বরাবর
- খ. ০° বরাবর
- গ. ১২০° বরাবর
- ঘ. ১৮০° বরাবর
উত্তর: ঘ. ১৮০° বরাবর
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line) একটি কাল্পনিক রেখা, যা প্রায় ১৮০° দ্রাঘিমা বরাবর প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে গেছে। গ্রিনিচ বা ০° দ্রাঘিমা থেকে ঠিক বিপরীত দিকে এর অবস্থান। এ রেখা পূর্ব দিক থেকে পার হলে একদিন বাড়ে, পশ্চিম দিক থেকে পার হলে একদিন কমে।
মনে রাখুন:
রেখাটি সোজা নয়, দেশ ও দ্বীপ এড়াতে সামান্য বাঁকানো।
গ্রিনিচ মান সময় ০° দ্রাঘিমার সময়। - ৫০. 'Blue Economy' কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
- ক. বিজ্ঞান
- খ. সমুদ্র অর্থনীতি
- গ. বাজার অর্থনীতি
- ঘ. সবুজ অর্থনীতি
উত্তর: খ. সমুদ্র অর্থনীতি
Blue Economy বা নীল অর্থনীতি হলো সাগর ও মহাসাগরভিত্তিক অর্থনীতি। এতে সমুদ্র থেকে মাছ, খনিজ, তেল-গ্যাস, শৈবাল, জাহাজ চলাচল ও পর্যটন সবকিছুই আসে। ধারণাটি দেন বেলজিয়ামের অর্থনীতিবিদ গুন্টার পাউলি। সবুজ অর্থনীতি (Green Economy) আলাদা, যা পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের কথা বলে।
মনে রাখুন:
২০১২ সালে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করে, তাই নীল অর্থনীতিতে সম্ভাবনা বেড়েছে।
গণিত
- ১৪. ১০ কাঠা জমির ক্ষেত্রফল কত বর্গফুট?
- ক. 7350
- খ. 7000
- গ. 7200
- ঘ. 7400
উত্তর: গ. 7200
বাংলাদেশে সাধারণভাবে ১ কাঠা জমি ধরা হয় ৭২০ বর্গফুট। তাই ১০ কাঠা = ১০ × 720 = 7200 বর্গফুট। অন্য এককও মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক = ৭২০ বর্গফুট।
২০ কাঠা = ১ বিঘা, তাই ১ বিঘা = 14400 বর্গফুট। - ৫১. 5 km একটি Road-এ Right of Way (RoW) 10 meter এর জন্য কত হেক্টর জমি প্রয়োজন?
- ক. 2 হেক্টর
- খ. 50 হেক্টর
- গ. 5 হেক্টর
- ঘ. 10 হেক্টর
উত্তর: গ. 5 হেক্টর
জমির আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ। রাস্তার দৈর্ঘ্য 5 km = 5000 m এবং RoW (পথের অধিকার বা প্রস্থ) 10 m। তাই আয়তন = 5000 × 10 = 50000 m²। 1 হেক্টর = 10000 m², তাই জমি = 50000 ÷ 10000 = 5 হেক্টর।
মনে রাখুন: 1 হেক্টর = 100 m × 100 m = 10000 m²। হেক্টর প্রায় ২.৪৭ একর। - ৫৪. এক Ton Cement-এর জন্য কত Bag cement কিনতে হবে?
- ক. 40 bags
- খ. 50 bags
- গ. 100 bags
- ঘ. 20 bags
উত্তর: ঘ. 20 bags
সিমেন্ট সাধারণত ব্যাগে বিক্রি হয়, আর বাংলাদেশে প্রতিটি ব্যাগের ওজন ধরা হয় 50 kg। এক টন মানে 1000 kg, তাই ব্যাগের সংখ্যা হবে 1000 ÷ 50 = 20। অর্থাৎ এক টন সিমেন্টের জন্য 20 ব্যাগ কিনতে হবে।
মনে রাখুন:
1 ব্যাগ সিমেন্টের আয়তন প্রায় 0.035 m³ (35 লিটার)।
নির্মাণকাজের হিসাবে কাজের জন্য কত ব্যাগ লাগবে, সেটাও এই আয়তন থেকে বের করা হয়।
বাংলাদেশ
- ১৮. ঐতিহাসিক 'ছয় দফা' ঘোষণা করা হয় কত সালে?
- ক. ১৯৬৯
- খ. ১৯৫৮
- গ. ১৯৬৬
- ঘ. ১৯৬৮
উত্তর: গ. ১৯৬৬
পাকিস্তানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাঙালির দাবি নিয়ে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। একে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়। পরে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ের পেছনে এই দাবির বড় ভূমিকা ছিল।
মনে রাখুন:
১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয়েছিল।
১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান ঘটে। - ১৯. বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম হ্রদ কোন নদীতে বাঁধ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে?
- ক. কর্ণফুলী
- খ. পদ্মা
- গ. তিস্তা
- ঘ. সাঙ্গু
উত্তর: ক. কর্ণফুলী
কাপ্তাই হ্রদ বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ। রাঙামাটি জেলায় কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই বাঁধ দিয়ে এই হ্রদ তৈরি হয়। পানিবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ১৯৫০-এর দশকে বাঁধের কাজ হয়, এবং এর ফলে বহু কৃষিজমি ও গ্রাম পানির নিচে চলে যায়। দেশের একমাত্র পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র এখানেই।
মনে রাখুন:
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১৯৬২ সালে চালু হয়।
কর্ণফুলী নদী চট্টগ্রাম বন্দরের পাশ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। - ২৩. Padma সেতুর একটি Span-এর Length কত?
- ক. 150 meter
- খ. 100 meter
- গ. 175 meter
- ঘ. 125 meter
উত্তর: ক. 150 meter
পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। এই দৈর্ঘ্যে মোট ৪১টি স্প্যান (Span) আছে, আর প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। দুটি খুঁটির মাঝের যে অংশ সেতুর ভার বহন করে, তাকেই স্প্যান বলে। সেতুটি দোতলা, অর্থাৎ ওপরের তলায় চার লেনের সড়ক আর নিচের তলায় রেলপথ রয়েছে। ১৫০ মিটারের জায়গায় অন্য সংখ্যা ধরলে ৪১টি স্প্যানের মোট দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটারের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন:
সেতুটি ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন হয়।
এটি মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরাকে যুক্ত করেছে।
সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
যমুনা বহুমুখী সেতু ১৯৯৮ সালে চালু হয়েছিল। - ২৪. কাবাডি খেলায় প্রতি দলের পক্ষে কতজন খেলোয়াড় মাঠে নামেন?
- ক. ১২ জন
- খ. ৬ জন
- গ. ৭ জন
- ঘ. ৮ জন
উত্তর: গ. ৭ জন
কাবাডিতে প্রতি দলে মাঠে ৭ জন খেলোয়াড় খেলে, আর দুই দল মিলিয়ে মাঠে থাকে ১৪ জন। দলের আরও পাঁচজন বদলি হিসেবে থাকেন। এই কারণে অনেকে ১২ জন বা ৮ জন ভাবে ভুল করে। কাবাডিকে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা ঘোষণা করা হয়।
মনে রাখুন:
কাবাডির আগের নাম হাডুডু।
প্রতি খেলা ২০ মিনিটের দুটি অর্ধে হয়। - ২৬. স্বাধীন বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র কবে পাঠ করা হয়?
- ক. ২৩ এপ্রিল ১৯৭১
- খ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
- গ. ১২ এপ্রিল ১৯৭১
- ঘ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর: ঘ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। কিন্তু ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ করা হয় ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) শপথ অনুষ্ঠানে। সেখানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী এটি পাঠ করেন। ১০ এপ্রিলের তারিখটি গ্রহণের, পাঠের নয়।
মনে রাখুন:
বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে অস্থায়ী সরকার শপথ নেয়।
রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। - ৩৯. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শৈশবে কোন বিদ্যালয়ে তার পাঠ শুরু করেন?
- ক. ভাটিয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়
- খ. সেন্ট গ্রেগরি স্কুল, ঢাকা
- গ. টুঙ্গিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়
- ঘ. গীমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়
উত্তর: ঘ. গীমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। সাত বছর বয়সে তিনি গ্রামের গীমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা শুরু করেন, তাই প্রথম পাঠশালা হলো গীমাডাঙ্গা। টুঙ্গিপাড়া তাঁর জন্মস্থান, কিন্তু সেখানকার কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর পড়ার সূচনা হয়নি। পরে তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে পড়েন।
মনে রাখুন:
তিনি ১৯৪২ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন।
১৯৪৭ সালে কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে বি.এ. পাস করেন।
১৭ মার্চ আমাদের জাতীয় শিশু দিবস। - ৪৬. বাংলাদেশকে কয়টি ভূমিকম্প এলাকায় (Seismic Zone) ভাগ করা হয়েছে?
- ক. ৪টি
- খ. ২টি
- গ. ৩টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: গ. ৩টি
বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি অনুযায়ী দেশকে তিনটি অঞ্চলে (Seismic zone) ভাগ করা হয়েছিল। জোন-১ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা, যেখানে উত্তর ও উত্তর-পূর্বের জেলাগুলো পড়ে। জোন-২ মাঝারি ঝুঁকির এলাকা, যেমন ঢাকা, কুমিল্লা, রাজশাহী। জোন-৩ কম ঝুঁকির এলাকা, যেমন বরিশাল, পটুয়াখালী ও উপকূলীয় চর।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডে (BNBC) এই ভাগ দেওয়া আছে।
হালনাগাদ: ২০২০ সালের নতুন কোডে ঝুঁকি অঞ্চল চারটিতে ভাগ করা হয়েছে। - ৫৩. 'একসেস টু ইনফরমেশন' কোন কর্তৃপক্ষের অধীন?
- ক. তথ্য মন্ত্রণালয়
- খ. রাষ্ট্রপতি কার্যালয়
- গ. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
- ঘ. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
উত্তর: গ. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
‘একসেস টু ইনফরমেশন’ (a2i) হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সরকারি উদ্যোগ। এর কাজ হলো মানুষের হাতের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া, যেমন ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। শুরুতে এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকল্প হিসেবে চালু হয় এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এতে সহায়তা করে।
মনে রাখুন:
অন্য তিনটি বিকল্প এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
হালনাগাদ: পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। - ৫৯. ঘূর্ণিঝড় 'সিডর' কত সালে বাংলাদেশে আঘাত হানে?
- ক. ২০০৮
- খ. ২০০৫
- গ. ২০০৬
- ঘ. ২০০৭
উত্তর: ঘ. ২০০৭
ঘূর্ণিঝড় সিডর (Sidr) বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর। এতে বরগুনা, পটুয়াখালী, বাগেরহাটসহ দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে বিপুল প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়। ‘সিডর’ নামটি দিয়েছিল ওমান, শব্দটির অর্থ কুলগাছ বা পদ্মকূল জাতীয় গাছ। (প্রচলিত ভুল ধারণা: কেউ কেউ এর অর্থ ‘চোখ’ বলে থাকে।)
মনে রাখুন:
এর পরের বড় ঝড়গুলো: আইলা (২০০৯), মহাসেন (২০১৩), আম্পান (২০২০)।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। - ৬০. কোন নদী বাংলাদেশ হতে ভারতে প্রবেশ করেছে?
- ক. ব্রহ্মপুত্র
- খ. মহানন্দা
- গ. কুলিখ
- ঘ. হাড়িয়াভাঙ্গা
উত্তর: গ. কুলিখ
কুলিক নদী ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দিক থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে কিছুটা প্রবাহিত হওয়ার পরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছে। অন্য নদীগুলোর গতি ভিন্ন। ব্রহ্মপুত্র ও মহানন্দা ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে, আর হাড়িয়াভাঙ্গা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে সীমান্ত বরাবর বয়ে যাওয়া নদী।
মনে রাখুন:
আন্তঃসীমান্ত নদী বলতে সেই নদী, যা দুটি দেশের মধ্য দিয়ে বা সীমান্ত ধরে প্রবাহিত হয়।
ব্রহ্মপুত্র তিব্বতে উৎপন্ন হয়ে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ: অন্যান্য পরীক্ষা
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন