বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর উপসহকারী পরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ৩ নভেম্বর ২০২১। ৬৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. ‘তোমাকে অভিবাদন, বাংলাদেশ’ কবিতাটি কার রচনা?
- ক. আল মাহমুদ
- খ. সৈয়দ শামসুল হক
- গ. সৈয়দ আলী আহসান
- ঘ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর: খ. সৈয়দ শামসুল হক
‘তোমাকে অভিবাদন, বাংলাদেশ’ কবিতার রচয়িতা কবি সৈয়দ শামসুল হক। তিনি একাধারে কবি, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক ছিলেন। স্বাধীনতার আবেগ ও দেশপ্রেম তাঁর কবিতায় ফুটে উঠেছে। আল মাহমুদ, সৈয়দ আলী আহসান ও সুকান্ত ভট্টাচার্য অন্য কবি, কিন্তু এই কবিতাটি তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মান এবং ২০১৬ সালে মারা যান।
তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ ও কাব্যনাটক ‘নূরলদীনের সারাজীবন’।
তাঁর উপন্যাস ‘খেলারাম খেলে যা’, ‘নীল দংশন’।
শামসুর রাহমানের বিখ্যাত কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’।
আল মাহমুদের কাব্য ‘সোনালি কাবিন’। - ২. ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাহিনিকাব্যের রচয়িতা কোন কবি?
- ক. শাহ মুহম্মদ সগীর
- খ. দৌলত উজীর বাহরাম খাঁ
- গ. আব্দুল করিম খোন্দকার
- ঘ. মুহম্মদ উজীর আলী
উত্তর: ক. শাহ মুহম্মদ সগীর
‘ইউসুফ জোলেখা’ কাহিনিকাব্যের আদি কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে পরিচিত, আর তাঁর এই কাব্য বাংলা ভাষার প্রথম রোমান্টিক প্রণয়কাব্য। কাব্যটির কাহিনি কুরআনের নবী ইউসুফ ও জোলেখার প্রেম নিয়ে। তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের সময়ের কবি। অন্য অপশনের কবিরা পরবর্তী সময়ের, যেমন দৌলত উজির বাহরাম খাঁ ষোড়শ শতকের আর আলাওল সপ্তদশ শতকের কবি। মধ্যযুগের সময়কাল ১২০১ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত ধরা হয়, আর এই কাব্যের মাধ্যমে বাংলায় মুসলমান কবিদের রচনার ধারা শুরু হয়েছে বলে মনে করা হয়।
মনে রাখুন:
দৌলত উজির বাহরাম খাঁর রচনা ‘লায়লী-মজনু’।
আলাওলের বিখ্যাত রচনা ‘পদ্মাবতী’।
মধ্যযুগের এই কাব্যধারাকে বলা হয় প্রণয়োপাখ্যান। - ৬. 'লোকে বলে, বলে রে ঘরবাড়ি ভালা না আমার'— চরণটির রচয়িতা কে?
- ক. লালন শাহ
- খ. পাগলা কানাই
- গ. মদন বাউল
- ঘ. হাসন রাজা
উত্তর: ঘ. হাসন রাজা
‘লোকে বলে, বলে রে ঘরবাড়ি ভালা না আমার’ গানটি মরমি কবি হাসন রাজার রচনা। তিনি সিলেটের সুনামগঞ্জের জমিদার ছিলেন এবং মরমি ভাবের গানের জন্য বিখ্যাত। জমিদার হয়েও তিনি সংসারের মোহ থেকে মুক্ত থাকার কথা গানে গানে বলেছেন। লালন শাহের গানের সুর ও ভাব আলাদা, তাঁর পরিচিত গান ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, ‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’।
মনে রাখুন:
হাসন রাজার আরও গান: ‘বাউলা কে বানাইলো রে’, ‘সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো’।
তাঁর নাম দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী (১৮৫৪–১৯২২)।
লালন শাহ কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় আখড়া গড়ে তুলেছিলেন। - ১১. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস কোনটি?
- ক. স্বর্ণলতা
- খ. নৌকাডুবি
- গ. বিষবৃক্ষ
- ঘ. গৃহদাহ
উত্তর: গ. বিষবৃক্ষ
‘বিষবৃক্ষ’ (১৮৭৩) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সামাজিক উপন্যাস। এতে নগেন্দ্রনাথ, সূর্যমুখী ও কুন্দনন্দিনীর কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। বাকি তিনটি অন্য লেখকের: ‘স্বর্ণলতা’ তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের, ‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের, আর ‘গৃহদাহ’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস। নামের মিলের কারণে শরৎচন্দ্র ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। বঙ্কিমচন্দ্রের জন্ম ১৮৩৮ সালে নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায়, আর তাঁকে সাহিত্যসম্রাট বলা হয়। ‘বিষবৃক্ষ’ প্রথমে ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে বের হয়েছিল। এতে দেখানো হয়েছে, অসংযত লোভ ও মোহ থেকে সংসারে কত বড় ক্ষতি হতে পারে।
মনে রাখুন:
বঙ্কিমের প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)।
‘আনন্দমঠ’ থেকে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি এসেছে।
অন্যান্য উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা, কৃষ্ণকান্তের উইল, আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী। - ১২. 'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে—
- ক. সমীর
- খ. শিশির
- গ. তিমির
- ঘ. মিহির
উত্তর: ঘ. মিহির
‘সূর্য’ শব্দের একটি সমার্থক শব্দ মিহির। রবি, তপন, ভানু, দিবাকর, আদিত্য ও ভাস্করও সূর্যের নাম। বাকি অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: সমীর মানে বাতাস, শিশির মানে হিম বা নীহার, আর তিমির মানে অন্ধকার। সূর্য আলো দেয়, আর তিমির তার ঠিক উল্টো, অন্ধকারের নাম। সমার্থক শব্দ মানে একই অর্থ বোঝায় এমন একাধিক শব্দ, তবে প্রতিটির ব্যবহার কিছুটা আলাদা হতে পারে। যেমন কবিতায় সূর্যের জায়গায় ‘মিহির’ বা ‘ভানু’ বেশি চলে, আর সাধারণ কথায় আমরা ‘রবি’ ও ‘সূর্য’ বলি।
মনে রাখুন:
সূর্যের আরও সমার্থক: দিনমণি, প্রভাকর, অংশুমালী।
চাঁদের সমার্থক: শশী, সোম, বিধু, নিশাকর।
বাতাসের সমার্থক: সমীরণ, পবন, অনিল, বায়ু। - ১৪. 'মোদের গরব, মোদের আশা/আ-মরি বাংলা ভাষা' চরণটির রচয়িতা কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
- গ. রজনীকান্ত সেন
- ঘ. অতুলপ্রসাদ সেন
উত্তর: ঘ. অতুলপ্রসাদ সেন
‘মোদের গরব, মোদের আশা / আ মরি বাংলা ভাষা’ দেশাত্মবোধক গানটি অতুলপ্রসাদ সেনের রচনা। বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে এই গানে। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের গান ‘ধনধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ আর রজনীকান্ত সেনের গান ‘মায়ের দেওয়া মোটা কাপড়’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্বদেশি গান ‘আমার সোনার বাংলা’ আলাদা, যা আজ আমাদের জাতীয় সংগীত।
মনে রাখুন:
অতুলপ্রসাদ সেন (১৮৭১–১৯৩৪) গীতিকার ও সুরকার।
তিনি ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন এবং জীবনের বড় অংশ লখনউতে কাটান।
তাঁর আরও গান: ‘উঠ গো ভারতলক্ষ্মী’, ‘বল বল বল সবে’। - ১৮. মুক্তিযুদ্ধনির্ভর কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ক. বন্দী শিবির থেকে
- খ. সূর্যদীঘল বাড়ি
- গ. পাগলা গারদ থেকে
- ঘ. এখন যৌবন যার
উত্তর: ক. বন্দী শিবির থেকে
‘বন্দী শিবির থেকে’ শামসুর রাহমানের কাব্যগ্রন্থ, যা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বন্দিজীবন ও যুদ্ধের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা। বাকি অপশনগুলোর মধ্যে ‘সূর্যদীঘল বাড়ি’ (১৯৫৫) আবু ইসহাকের উপন্যাস, তাই সেটি কাব্যগ্রন্থ নয়। প্রশ্নে ‘মুক্তিযুদ্ধনির্ভর’ আর ‘কাব্যগ্রন্থ’ দুটি শর্ত একসঙ্গে মিলতে হবে, আর এই দুই শর্তে ‘বন্দী শিবির থেকে’-ই ঠিক।
মনে রাখুন:
শামসুর রাহমানের আরও কবিতা: ‘স্বাধীনতা তুমি’, ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’।
তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ (১৯৬০)।
তাঁর অন্য কাব্য ‘রৌদ্র করোটিতে’ ও ‘বিধ্বস্ত নীলিমা’।
তিনি ১৯২৯ সালে ঢাকায় জন্মান এবং ২০০৬ সালে মারা যান। - ১৯. কোন চরিত্রটি 'বিষাদসিন্ধু' গ্রন্থের অন্তর্গত নয়?
- ক. হাসান
- খ. রাধা
- গ. হোসেন
- ঘ. মারোয়ান
উত্তর: খ. রাধা
মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ কারবালার করুণ কাহিনি নিয়ে লেখা গদ্যকাব্য। এর চরিত্র হাসান, হোসেন, মারোয়ান, এজিদ, জয়নাব, ময়মুনা প্রমুখ। রাধা এই গ্রন্থের চরিত্র নয়। রাধা ও কৃষ্ণ বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’-এর চরিত্র, যা মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে ধরা হয়। বইটি ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়। এটি ইতিহাস নয়, ইতিহাসের কাহিনি নিয়ে লেখা সাহিত্য, তাই এতে লেখকের কল্পনাও মিশে আছে।
মনে রাখুন:
বিষাদসিন্ধু তিন পর্বে বিভক্ত: মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব।
মীর মশাররফ হোসেনের আরও রচনা: ‘জমীদার দর্পণ’ (নাটক), ‘রত্নবতী’।
মীর মশাররফ হোসেন কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। - ২৩. চাঁদ সদাগরকে কোন মঙ্গলকাব্যে পাওয়া যায়?
- ক. কালিকামঙ্গল
- খ. অন্নদামঙ্গল
- গ. শীতলামঙ্গল
- ঘ. মনসামঙ্গল
উত্তর: ঘ. মনসামঙ্গল
মনসামঙ্গল কাব্যের কাহিনিতে সর্পদেবী মনসা তাঁর পূজা প্রচারের জন্য বণিক চাঁদ সদাগরের ওপর চাপ দেন। চাঁদ সদাগর শিবভক্ত, তাই মনসার পূজা করতে রাজি হন না। তাঁর পুত্র লখিন্দর ও পুত্রবধূ বেহুলার করুণ কাহিনি এই কাব্যের প্রধান বিষয়। বেহুলা মৃত স্বামীকে ভেলায় নিয়ে ভেসে যান এবং শেষে তাঁকে বাঁচিয়ে আনেন। মনসামঙ্গল মঙ্গলকাব্যের তিন প্রধান ধারার একটি, বাকি দুটি চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল।
মনে রাখুন:
মনসামঙ্গলের কবি: কানা হরি দত্ত, বিজয় গুপ্ত, নারায়ণদেব, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।
অন্নদামঙ্গলের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
ধর্মমঙ্গলের কবি ঘনরাম চক্রবর্তী।
চণ্ডীমঙ্গলের নায়ক কালকেতু ও নায়িকা ফুল্লরা, কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। - ২৫. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা গ্রন্থ কোনটি?
- ক. ভাগ্যচক্র
- খ. চতুরঙ্গ
- গ. মতিচুর
- ঘ. নদীবক্ষে
উত্তর: গ. মতিচুর
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘মতিচূর’। এটি দুই খণ্ডে প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলন, আর এতে নারী জাগরণ ও সমাজের কুসংস্কারের কথা আছে। ‘চতুরঙ্গ’ রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস এবং ‘নদীবক্ষে’ কাজী আবদুল ওদুদের উপন্যাস। রোকেয়া (১৮৮০–১৯৩২) রংপুরের পায়রাবন্দে জন্মেছিলেন এবং নারীশিক্ষার জন্য আজীবন লড়েছেন। মতিচূরের প্রথম খণ্ড ১৯০৪ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২২ সালে বের হয়।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার অন্য রচনা: ‘সুলতানার স্বপ্ন’ (ইংরেজি Sultana’s Dream), ‘পদ্মরাগ’ (উপন্যাস), ‘অবরোধবাসিনী’।
তিনি ১৯১১ সালে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস পালিত হয়। - ৩৪. কোন উপাখ্যানটি পাওয়া যায় 'মৈমনসিংহ গীতিকা'য়?
- ক. বেহুলা
- খ. ফুল্লরা
- গ. প্রমীলা
- ঘ. মহুয়া
উত্তর: ঘ. মহুয়া
মৈমনসিংহ গীতিকা ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকগাথার সংকলন। চন্দ্রকুমার দে এসব গাথা সংগ্রহ করেন এবং ড. দীনেশচন্দ্র সেন তা সম্পাদনা করেন। সংকলনের একটি বিখ্যাত পালা ‘মহুয়া’। বেহুলা মনসামঙ্গলের, ফুল্লরা চণ্ডীমঙ্গলের আর প্রমীলা মেঘনাদবধ কাব্যের চরিত্র। মৈমনসিংহ গীতিকা ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। এর কাহিনিতে সাধারণত প্রেম, ত্যাগ ও সমাজের বাধার কথা থাকে।
মনে রাখুন:
মৈমনসিংহ গীতিকার অন্য পালা: মলুয়া, কমলা, দেওয়ানা মদিনা, দস্যু কেনারামের পালা।
চন্দ্রাবতী বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি বলে পরিচিত।
গীতিকা মানে লোকমুখে প্রচলিত গানের মতো কাহিনিকাব্য। - ৪৩. 'আলালের ঘরের দুলাল' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. দীনবন্ধু মিত্র
- খ. প্যারীচাঁদ মিত্র
- গ. তারিনী চরণ
- ঘ. কালিদাস মিত্র
উত্তর: খ. প্যারীচাঁদ মিত্র
‘আলালের ঘরের দুলাল’ (১৮৫৮) প্যারীচাঁদ মিত্রের রচনা। তিনি ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ ছদ্মনামে লিখতেন। বাংলা গদ্যে প্রথম কথ্য ভাষার ব্যবহার করে বইটি লেখা, যা ‘আলালী ভাষা’ নামে পরিচিত। বইটিকে অনেকে বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস হিসেবে বিবেচনা করেন। দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক ‘নীলদর্পণ’। ‘আলালের ঘরের দুলাল’ কথাটির অর্থ ধনী পরিবারের আদুরে ছেলে।
মনে রাখুন:
‘আলালের ঘরের দুলাল’-এর চরিত্র মতিলাল, ঠকচাচা, বাঞ্ছারাম।
বইটি প্রথমে ‘মাসিক পত্রিকা’-য় ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়।
হ্যানা ক্যাথরিন মুলেন্সের ‘ফুলমণি ও করুণার বিবরণ’ (১৮৫২) নামের বইকেও কেউ কেউ প্রথম বাংলা উপন্যাস বলেন। - ৪৭. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম—
- ক. বিষের বাঁশী
- খ. ব্যথার দান
- গ. প্রলয়শিখা
- ঘ. বাঁধনহারা
উত্তর: খ. ব্যথার দান
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’ (১৯২২)। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ আর প্রথম উপন্যাস ‘বাঁধনহারা’। ‘বিষের বাঁশী’ ও ‘প্রলয়শিখা’ পরবর্তী কাব্য। তাই ‘প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ’ বললে গল্পগ্রন্থ ‘ব্যথার দান’, কাব্যগ্রন্থ নয়, আর প্রথম কাব্যগ্রন্থ বললে অগ্নিবীণা। একই ১৯২২ সালে ‘অগ্নিবীণা’ কাব্য এবং ‘ধূমকেতু’ পত্রিকাও প্রকাশিত হয়েছিল, তাই বছরটি দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ আছে।
মনে রাখুন:
নজরুলের উপন্যাস: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা। ‘বাঁধনহারা’ (১৯২৭) চিঠির আকারে লেখা।
কাব্যগ্রন্থ: সাম্যবাদী, সর্বহারা, ছায়ানট, সিন্ধু-হিন্দোল।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’ (১৯১৯)। - ৫১. দেশি শব্দ কোনটি?
- ক. কুলা
- খ. ইমাম
- গ. সূর্য
- ঘ. হরতাল
উত্তর: ক. কুলা
যেসব শব্দ বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী বা স্থানীয় ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলো দেশি শব্দ। ‘কুলা’ এমনই একটি শব্দ, যা দিয়ে ধান ঝাড়া হয়। ইমাম আরবি শব্দ, সূর্য সংস্কৃত শব্দ, আর হরতাল গুজরাটি শব্দ। উৎস অনুযায়ী বাংলা শব্দকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়।
মনে রাখুন:
দেশি শব্দ: ঢেঁকি, কুলা, ডাব, কুড়ি, টোপর, ঝাড়ু, ঝোল।
বিদেশি শব্দ: আরবি, ফারসি, তুর্কি, পর্তুগিজ ইত্যাদি।
তৎসম শব্দ সংস্কৃত থেকে অবিকৃত অবস্থায় এসেছে, যেমন সূর্য, চন্দ্র। - ৫৪. সমষ্টিবাচক শব্দ কোনটি?
- ক. মেঘনা
- খ. পর্বত
- গ. জনতা
- ঘ. যৌবন
উত্তর: গ. জনতা
যে বিশেষ্য বহুসংখ্যক ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, তাকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য (Collective noun) বলে। ‘জনতা’ বহু মানুষের সমষ্টি, তাই এটি সমষ্টিবাচক। ‘মেঘনা’ একটি নদীর বিশেষ নাম (সংজ্ঞাবাচক), ‘পর্বত’ একটি জাতির সব সদস্যকে বোঝায় (জাতিবাচক), আর ‘যৌবন’ একটি গুণ বা অবস্থা (গুণবাচক বা ভাববাচক)। এভাবে প্রতিটি শব্দ আলাদা শ্রেণিতে পড়ে। সমষ্টিবাচক বিশেষ্য শব্দের গঠনে একবচন, যদিও অর্থে অনেক মানুষ বা বস্তু বোঝায়।
মনে রাখুন:
সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ: সভা, সমিতি, ঝাঁক, বহর, দল, বাহিনী।
বিশেষ্য ছয় প্রকার।
ইংরেজিতে Collective noun-এর উদাহরণ: team, class, crowd। - ৫৮. কোনটি তালব্য বর্ণ?
- ক. ক
- খ. ট
- গ. প
- ঘ. শ
উত্তর: ঘ. শ
উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বর্ণ কয়েকভাবে ভাগ করা হয়। ‘শ’ বর্ণের উচ্চারণ হয় জিভ তালুর কাছে ঠেকিয়ে, তাই এটি তালব্য বর্ণ। ‘ক’ কণ্ঠ্য বর্ণ, ‘ট’ মূর্ধন্য বর্ণ, আর ‘প’ ওষ্ঠ্য বর্ণ। কোন বর্ণ কোন জায়গা থেকে উচ্চারিত হয়, তা বুঝে নিলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজে বের করা যায়।
মনে রাখুন:
কণ্ঠ্য বর্ণ: ক, খ, গ, ঘ, ঙ।
তালব্য বর্ণ: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য, শ।
মূর্ধন্য বর্ণ: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।
ওষ্ঠ্য বর্ণ: প, ফ, ব, ভ, ম।
দন্ত্য বর্ণ: ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স। - ৬১. কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা হলো—
- ক. ধূমকেতু
- খ. লাঙল
- গ. নবযুগ
- ঘ. সবকটিই
উত্তর: ঘ. সবকটিই
কাজী নজরুল ইসলাম সাংবাদিকতা করেছেন এবং বহু পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। ‘ধূমকেতু’ (১৯২২) তাঁর সম্পাদিত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা, ‘লাঙল’ (১৯২৫) সাপ্তাহিক পত্রিকা আর ‘নবযুগ’ (১৯২০) দৈনিক পত্রিকা। তিনটিই নজরুল সম্পাদনা করেছেন, তাই ‘সবকটিই’ সঠিক উত্তর। একটি বা দুটি বেছে নিলে প্রশ্নের শর্ত অসম্পূর্ণ থেকে যায়। শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ‘নবযুগ’ পত্রিকার প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মনে রাখুন:
নজরুল ‘গণবাণী’ পত্রিকার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
‘ধূমকেতু’-তে প্রকাশিত ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতার জন্য তাঁর কারাদণ্ড হয়।
পরে তিনি ‘দৈনিক সেবক’ পত্রিকার সঙ্গেও কাজ করেছেন। - ৬৮. কোন বাক্যটি প্রমিত চলিত রীতিতে লেখা হয়েছে?
- ক. খেয়ে দেয়ে শুইয়া পড়লাম
- খ. খাইয়া দাইয়া শুয়ে পড়লাম
- গ. খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়িলাম
- ঘ. খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম
উত্তর: ঘ. খেয়ে দেয়ে শুয়ে পড়লাম
প্রমিত চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম চলিত রূপে লেখা হয়, যেমন ‘খেয়ে’, ‘দেয়ে’, ‘শুয়ে’ ও ‘পড়লাম’। সাধু রীতিতে একই বাক্য হতো ‘খাইয়া দাইয়া শুইয়া পড়িলাম’। অন্য অপশনগুলোয় সাধু ও চলিত রীতি মিশে গেছে, ভাষাবিদরা একে গুরুচণ্ডালী দোষ বলেন। বাক্যে একই রীতি শেষ পর্যন্ত বজায় রাখাই নিয়ম।
মনে রাখুন:
সাধু: করিয়া, বলিলাম, তাহাকে। চলিত: করে, বললাম, তাকে।
সাধু ও চলিত রীতি একসঙ্গে মেশানো ঠিক নয়।
প্রমথ চৌধুরী ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতির প্রচলনে বড় ভূমিকা রাখেন।
ইংরেজি
- ৩. A friend — need is a friend indeed.
- ক. to
- খ. for
- গ. at
- ঘ. in
উত্তর: ঘ. in
‘A friend in need is a friend indeed’ একটি বিখ্যাত প্রবাদবাক্য। এর অর্থ, যে বিপদের সময় পাশে দাঁড়ায়, সেই প্রকৃত বন্ধু। ‘in need’ মানে প্রয়োজনের সময় বা বিপদে, তাই শূন্যস্থানে ‘in’ বসবে। To, for ও at বসালে বাক্যাংশটির অর্থ ঠিক থাকে না এবং প্রবাদটিও নষ্ট হয়ে যায়। প্রবাদ যেমন আছে তেমনই মুখস্থ রাখতে হয়, কারণ এর শব্দ বদলানো চলে না।
মনে রাখুন: বাংলা প্রবাদ ‘বিপদে বন্ধুর পরিচয়’।
আরও কিছু প্রবাদ: A stitch in time saves nine (সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়), Honesty is the best policy (সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা), Look before you leap (ভেবেচিন্তে কাজ করা)। - ৮. Which one is in plural number?
- ক. data
- খ. goose
- গ. basis
- ঘ. formula
উত্তর: ক. data
‘Data’ শব্দটি datum-এর বহুবচন। তাই প্রশ্নের চারটি শব্দের মধ্যে data-ই plural। Goose-এর বহুবচন geese, basis-এর বহুবচন bases, আর formula-র বহুবচন formulas বা formulae, তাই এ তিনটি এখন singular আকারে আছে। বাংলায় আমরা ‘ডেটা’কে একবচনের মতো করে বললেও পরীক্ষার ব্যাকরণে এটি বহুবচনই ধরা হয়। Datum শব্দটি এখন খুব কম ব্যবহার হয়, কিন্তু ব্যাকরণ বইয়ে data-কে plural ধরেই প্রশ্ন করা হয়।
মনে রাখুন:
এ ধরনের লাতিন-গ্রিক বহুবচন: Criterion → Criteria, Phenomenon → Phenomena, Medium → Media, Bacterium → Bacteria।
আরও কিছু অনিয়মিত বহুবচন: Man → Men, Foot → Feet, Tooth → Teeth, Child → Children। - ৯. 'Go there at once' is—
- ক. a simple sentence
- খ. an optative sentence
- গ. an assertive sentence
- ঘ. an imperative sentence
উত্তর: ঘ. an imperative sentence
যে বাক্যে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায়, তাকে Imperative sentence বলে। এখানে ‘Go there at once’ বাক্যে সরাসরি আদেশ করা হয়েছে। এ ধরনের বাক্য সাধারণত verb দিয়ে শুরু হয় এবং subject ‘you’ উহ্য থাকে। অর্থ অনুযায়ী বাক্য পাঁচ প্রকার: assertive, interrogative, imperative, optative ও exclamatory।
উদাহরণ:
Please help me. (অনুরোধ)
Do not run. (নিষেধ)
মনে রাখুন:
Optative sentence ইচ্ছা বা প্রার্থনা বোঝায়, যেমন May you live long।
Assertive sentence কোনো ঘটনা বা তথ্য জানায়, যেমন He goes to school। - ১০. O' Henry is famous for—
- ক. Drama
- খ. Short story
- গ. Novel
- ঘ. Poem
উত্তর: খ. Short story
O. Henry আমেরিকান লেখক উইলিয়াম সিডনি পোর্টারের ছদ্মনাম। তিনি ছোটগল্পের জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে গল্পের শেষে অপ্রত্যাশিত মোড় বা twist দেওয়ার জন্য। তাই নাটক, উপন্যাস বা কবিতা নয়, তাঁর পরিচয় ছোটগল্পের লেখক হিসেবে। পাঠক শেষ লাইনে এসে চমকে ওঠেন, এটাই তাঁর গল্পের বিশেষত্ব।
মনে রাখুন:
তাঁর বিখ্যাত গল্প: The Gift of the Magi, The Last Leaf, The Cop and the Anthem।
‘The Gift of the Magi’ তাঁর ‘The Four Million’ (১৯০৬) সংকলনে আছে।
নাটক লেখক হিসেবে বিখ্যাত শেক্সপিয়ার, আর ঔপন্যাসিক হিসেবে ডিকেন্স। - ১৫. Which one is correct?
- ক. One should do his duty.
- খ. One should do their duty.
- গ. One should do one's duty.
- ঘ. One should do her duty.
উত্তর: গ. One should do one's duty.
ইংরেজিতে ‘one’ কর্তা হলে তার possessive রূপ হয় ‘one’s’। তাই ‘One should do one’s duty’ বাক্যটি ব্যাকরণসম্মত। ‘His’, ‘their’ বা ‘her’ বসালে কর্তার সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকে না, কারণ ‘one’ কোনো নির্দিষ্ট পুরুষ, নারী বা বহু মানুষ বোঝায় না। এটি সাধারণ মানুষ বোঝানোর একটি ঢং। আমেরিকান ইংরেজিতে কখনও one-এর পরে his বলা হয়, কিন্তু পরীক্ষায় one’s-ই সঠিক ধরা হয়।
উদাহরণ:
One must respect one’s parents.
One should keep one’s promise.
মনে রাখুন: Everybody, everyone ও someone-এর সঙ্গে সাধারণত his/her বা their চলে, কিন্তু one-এর সঙ্গে one’s। - ২২. Which one is an example of common gender?
- ক. dog
- খ. cousin
- গ. bull
- ঘ. bitch
উত্তর: খ. cousin
যে শব্দ পুরুষ ও স্ত্রী দুই লিঙ্গেই সমানভাবে ব্যবহার করা যায়, তাকে Common gender বলে। ‘Cousin’ এমন শব্দ, কারণ চাচাতো, মামাতো, খালাতো বা ফুফাতো ভাই ও বোন দুজনকেই cousin বলা হয়। Bull পুরুষ আর তার স্ত্রীলিঙ্গ cow। Bitch স্ত্রী কুকুর, আর dog সাধারণত পুরুষ কুকুর বোঝায়। ইংরেজিতে লিঙ্গ চার প্রকার: Masculine, Feminine, Common ও Neuter।
মনে রাখুন:
Common gender: teacher, student, friend, child, parent, doctor।
Masculine → Feminine: bull → cow, bridegroom → bride।
Neuter gender হলো প্রাণহীন বস্তু, যেমন book, pen, table। - ২৪. 'Excuse me', gentleman. 'Excuse me' is used for—
- ক. apologise
- খ. draw attention
- গ. beg pardon
- ঘ. express disgust
উত্তর: খ. draw attention
কোনো অপরিচিত মানুষকে ডেকে কিছু জিজ্ঞাসা করতে বা তার মনোযোগ আকর্ষণ করতে ‘Excuse me’ বলা হয়। এখানে ‘Excuse me, gentleman’ বলে একজন ভদ্রলোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। তাই এর কাজ draw attention। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে apologise ও beg pardon প্রায় একই ভাব, আর disgust প্রকাশের জন্য ভিন্ন ধরনের বাক্য ব্যবহার হয়।
উদাহরণ: Excuse me, could you tell me the way to the station?
মনে রাখুন:
ক্ষমা চাইতে বলা হয় I am sorry বা Pardon me।
কারও কথা আবার শুনতে চাইলে বলা হয় I beg your pardon বা Pardon?
‘Excuse me’ কখনও সামান্য অসুবিধার জন্য ক্ষমা চাওয়ার মতো ভদ্রতাসূচক বাক্য হিসেবেও বলা হয়, তবে এখানে প্রসঙ্গ দৃষ্টি আকর্ষণের। - ২৬. Choose the correct sentence —
- ক. Gold and silver is precious metal.
- খ. Gold and silver are precious metal.
- গ. Gold and silver has precious metal.
- ঘ. Gold and silver have precious metal.
উত্তর: খ. Gold and silver are precious metal.
‘Gold and silver’-এ দুটি বিষয় ‘and’ দিয়ে যুক্ত হয়েছে, তাই কর্তা বহুবচন। বহুবচন কর্তার পরে ক্রিয়া ‘are’ বসে। ‘Is’ ও ‘has’ একবচনের ক্রিয়া, আর ‘have’ এখানে অর্থের দিক থেকে মানায় না, কারণ বাক্যটি ‘সোনা ও রুপা মূল্যবান ধাতু’ বোঝাতে চায়, ‘ধাতুর অধিকারী’ বোঝাতে নয়।
উদাহরণ: Rice and wheat are cereals.
মনে রাখুন:
‘Bread and butter is my breakfast’ ধরনের বাক্যে দুটি জিনিস মিলে এক জিনিস বোঝালে ক্রিয়া একবচন হয়।
Every বা each-এর পরে ‘and’ থাকলেও ক্রিয়া একবচন, যেমন Every boy and girl is present। - ২৮. A poem of fourteen lines is called —
- ক. elegy
- খ. ode
- গ. sonnet
- ঘ. epic
উত্তর: গ. sonnet
চৌদ্দ লাইনের কবিতাকে Sonnet বলে। এর দুটি প্রধান ধরন Petrarchan, যার প্রথম আট লাইন (octave) ও শেষ ছয় লাইন (sestet), এবং Shakespearean, যার তিনটি চার লাইনের স্তবক ও শেষে দুই লাইনের couplet। Elegy শোকের কবিতা, Ode কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা বস্তুর প্রশংসায় লেখা কবিতা, আর Epic বীরের কীর্তি নিয়ে লেখা দীর্ঘ কাহিনিকাব্য। Sonnet শব্দটি ইতালীয় sonetto থেকে এসেছে, যার অর্থ ছোট গান। বাংলায় একে চতুর্দশপদী কবিতা বলা হয়।
মনে রাখুন:
Epic-এর উদাহরণ: Homer-এর Iliad, Milton-এর Paradise Lost।
Elegy-র উদাহরণ: Gray-এর Elegy Written in a Country Churchyard।
শেক্সপিয়র মোট ১৫৪টি সনেট লিখেছেন। - ৩০. I have read the book — you lent me.
- ক. whom
- খ. whose
- গ. what
- ঘ. that
উত্তর: ঘ. that
বাক্যে ‘the book’ বস্তু, আর পরের অংশ ‘you lent me’ সেই বইটির পরিচয় দিচ্ছে। এই অংশকে relative clause বলে। বস্তুর ক্ষেত্রে relative pronoun হিসেবে that বা which বসে। অপশনে which নেই, আর whom ব্যক্তির জন্য, whose মালিকানা বোঝায় এবং what এখানে বসে না। তাই that-ই ঠিক। আসলে বাক্যটির পূর্ণ রূপ হলো I have read the book that you lent me।
উদাহরণ: This is the pen that I bought yesterday.
মনে রাখুন: Who/whom ব্যক্তির জন্য, which বস্তু বা প্রাণীর জন্য, that দুটির জন্যই।
Whose কারও মালিকানা বোঝায়, যেমন The man whose car is red is my uncle। - ৩১. Everybody should — their old parents.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১০তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৪
- ক. look up
- খ. look after
- গ. look into
- ঘ. look of
উত্তর: খ. look after
‘Look after’ ক্রিয়াবাক্যাংশের অর্থ দেখাশোনা করা বা যত্ন নেওয়া, তাই বৃদ্ধ পিতামাতাকে দেখাশোনা করা বোঝাতে এটিই ঠিক। Look up মানে উপরের দিকে তাকানো বা (শব্দ) খোঁজা, আর look into মানে তদন্ত করা। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায়, প্রত্যেকের উচিত নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের যত্ন নেওয়া।
উদাহরণ:
She looks after her sick mother.
The police will look into the matter.
মনে রাখুন:
Look for মানে খোঁজা, look down upon মানে তুচ্ছ করা।
Look forward to মানে অপেক্ষায় থাকা, look out মানে সতর্ক হওয়া।
Look up to মানে শ্রদ্ধা করা। - ৩২. He goes to the church every Sunday in — morning.
- ক. a
- খ. the
- গ. an
- ঘ. that
উত্তর: খ. the
Morning, afternoon, evening ও night-এর আগে সাধারণত ‘the’ বসে, যেমন in the morning। এখানে ‘the’ বসানো হয় কারণ নির্দিষ্ট দিনের সকালবেলা বোঝাচ্ছে। তবে ‘at night’, ‘at noon’ ও ‘at midnight’-এ article বসে না। Article ‘a’ বা ‘an’ এখানে ঠিক হয় না, কারণ সকাল নির্দিষ্ট একটি সময়, নতুন করে পরিচয় করানোর মতো কিছু নয়।
উদাহরণ:
He studies in the evening.
We went there at night.
মনে রাখুন: Preposition: in the morning/afternoon/evening, কিন্তু at night, at noon।
নির্দিষ্ট দিনের সঙ্গে on বসে, যেমন on Sunday morning। - ৩৩. 'It is raining' is an example of—
- ক. present indefinite tense
- খ. past indefinite tense
- গ. present perfect tense
- ঘ. present continuous tense
উত্তর: ঘ. present continuous tense
যে বাক্যের গঠন subject + am/is/are + verb-এর সঙ্গে ing, সেটি present continuous tense। ‘It is raining’ বাক্যে ‘is’ ও ‘raining’ দেখে বোঝা যায় বৃষ্টি এখন, কথা বলার সময়ে, চলছে। তাই এটি present continuous tense-এর উদাহরণ। কাজটি এখনও শেষ হয়নি, চলমান আছে, এটাই এই tense-এর বৈশিষ্ট্য।
উদাহরণ: I am reading a book.
মনে রাখুন:
Present indefinite সাধারণ সত্য বা অভ্যাস বোঝায়, যেমন The sun rises in the east।
Present perfect-এর গঠন have/has + V3, যেমন It has rained।
Past continuous-এর গঠন was/were + V-ing। - ৩৫. A synonym for 'celebrity' is —
- ক. superstar
- খ. gentleman
- গ. officer
- ঘ. politician
উত্তর: ক. superstar
‘Celebrity’ মানে বিখ্যাত ব্যক্তি, বিশেষ করে সিনেমা, গান বা খেলাধুলার জগতে। ‘Superstar’ শব্দের অর্থও অত্যন্ত জনপ্রিয় ও খ্যাতিমান ব্যক্তি, তাই এটিই সমার্থক। Gentleman মানে ভদ্রলোক, officer মানে কর্মকর্তা, আর politician মানে রাজনীতিবিদ, এঁরা বিখ্যাত হতে পারেন, কিন্তু শব্দগুলোর নিজস্ব অর্থ সেটি নয়।
উদাহরণ: The singer became a celebrity after her first song.
Football celebrities visited the school.
মনে রাখুন:
Celebrity-র আরও সমার্থক: star, famous person, big name।
Celebrity শব্দের আরেকটি অর্থ হলো খ্যাতি বা প্রসিদ্ধি।
বিপরীত ভাব বোঝাতে বলা হয় unknown বা nobody। - ৩৭. A stitch in time saves —
- ক. nine
- খ. a lot
- গ. much
- ঘ. a few
উত্তর: ক. nine
‘A stitch in time saves nine’ প্রবাদটির অর্থ সময়মতো একটি ছোট কাজ করলে পরে বড় ঝামেলা এড়ানো যায়। বাংলায় একে বলা হয় ‘সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়’। তাই শূন্যস্থানে nine বসবে। কাপড় সামান্য ছিঁড়লে তখনই এক ফোঁড় সেলাই দিলে পরে অনেক ফোঁড় দিতে হয় না, এই ছবি থেকেই প্রবাদটির জন্ম।
মনে রাখুন:
আরও প্রবাদ: Look before you leap (ভেবেচিন্তে কাজ করো), Honesty is the best policy (সততাই শ্রেষ্ঠ পন্থা), Time and tide wait for none (সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না)। - ৪০. Why have you — this?
- ক. do
- খ. did
- গ. doing
- ঘ. done
উত্তর: ঘ. done
‘Why have you done this?’ বাক্যে ‘have’ সহায়ক ক্রিয়া, তাই মূল ক্রিয়ার past participle (তৃতীয় রূপ) বসবে। Do-এর past participle ‘done’। এটি present perfect tense-এর গঠন: Have/has + past participle। Do বা did বসালে সহায়ক ক্রিয়ার পরে ভুল রূপ আসে, আর doing বসালে বাক্যটি present perfect continuous-এর দিকে চলে যায়, যার গঠন আলাদা।
উদাহরণ:
What have you done?
She has finished her work.
মনে রাখুন:
Do → did → done।
Have/has-এর পরে সবসময় ক্রিয়ার তৃতীয় রূপ বসে।
Present perfect-এ সাধারণত অতীতের কাজের ফল বর্তমানে প্রভাব ফেলে। - ৪২. My friend always goes home — foot.
- ক. by
- খ. with
- গ. to
- ঘ. on
উত্তর: ঘ. on
‘On foot’ একটি স্থায়ী বাক্যাংশ, অর্থ পায়ে হেঁটে। যানবাহন বোঝালে ‘by’ বসে (by bus, by car), কিন্তু হেঁটে যাওয়া বোঝাতে ‘on foot’ বসে। কারণ foot এখানে যানবাহন নয়, শরীরের একটি অঙ্গ, আর অঙ্গের ওপর ভর দিয়ে চলা বোঝাতে ‘on’ ব্যবহার হয়। With, to বা by বসালে বাক্যটি অর্থহীন হয়ে যায়।
উদাহরণ:
She goes to school on foot.
মনে রাখুন:
On horseback (ঘোড়ায় চড়ে), on board (জাহাজ বা বিমানে) ধরনের বাক্যাংশও আছে।
যানবাহনের জন্য by: by bus, by train, by air, by road। - ৪৬. The horse can run fast. Here 'fast' is —
- ক. adjective
- খ. preposition
- গ. adverb
- ঘ. abstract noun
উত্তর: গ. adverb
‘The horse can run fast’ বাক্যে ‘fast’ ক্রিয়া ‘run’-এর ধরন বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ ঘোড়া কীভাবে দৌড়ায়। যে শব্দ ক্রিয়ার বিশেষণ হয়, তাকে adverb বলে। তাই এখানে fast adverb। তবে ‘a fast horse’ বললে fast হতো adjective, কারণ তখন সে noun ‘horse’-এর বিশেষণ হতো। Preposition কোনো noun বা pronoun-এর আগে বসে, আর abstract noun কোনো গুণ বা ভাব বোঝায়, কিন্তু fast এসবের কোনোটিই নয়।
উদাহরণ:
He is a fast runner. (adjective)
He runs fast. (adverb)
মনে রাখুন: Fast, hard, late ও early শব্দ একই রূপে adjective ও adverb উভয়ই হতে পারে। - ৫২. Which is the noun of the word 'beautiful'?
- ক. beauty
- খ. beautify
- গ. beauteous
- ঘ. beautifully
উত্তর: ক. beauty
‘Beautiful’ একটি adjective, এর noun রূপ beauty। এ ধরনের শব্দ থেকে noun, verb ও adverb তৈরি হয়: beauty (noun), beautify (verb) ও beautifully (adverb)। Beauteous অন্য একটি adjective, যার অর্থও সুন্দর। প্রশ্নে noun চাওয়া হয়েছে, তাই beauty ছাড়া বাকিগুলো টেকে না।
উদাহরণ: Everyone admired her beauty.
মনে রাখুন:
Strength → strong, Wisdom → wise, Peace → peaceful।
Adjective-এর শেষে -ful থাকলে প্রায়ই ঐ শব্দের মূল noun আলাদা করা যায়, যেমন beautiful থেকে beauty, careful থেকে care। - ৬০. Four and four — eight.
- ক. makes
- খ. make
- গ. made
- ঘ. are
উত্তর: ক. makes
গণিতের যোগফল বোঝানোর সময় ‘Four and four’ দুটি সংখ্যা যোগ করে একটি মিলিত পরিমাণকে বোঝায়, তাই ক্রিয়া একবচন হয়। সে হিসেবে ‘Four and four makes eight’ লেখা হয়। বাক্যটি অঙ্ক কষার ভাষায় ব্যবহৃত বলে ব্যাকরণের এই নিয়ম প্রযোজ্য। Make বসালে ক্রিয়া বহুবচন হয়ে যায়, আর made অতীত কালের রূপ, আর are এখানে মূল ক্রিয়ার কাজ করতে পারে না।
উদাহরণ: Two and two makes four.
মনে রাখুন:
একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে দুটি noun ‘and’ দিয়ে যুক্ত হয়েও singular verb নেয়, যেমন The poet and scholar is dead।
গুণের হিসাবেও singular verb চলে, যেমন Three times four is twelve। - ৬২. Which spelling is correct?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৩য় ধাপ) ২০২২
- ক. Secretariate
- খ. Secretariete
- গ. Secretariat
- ঘ. Secretariet
উত্তর: গ. Secretariat
সঠিক বানান Secretariat, যার অর্থ সচিবালয় বা প্রশাসনিক দপ্তর। শব্দটির শেষাংশ ‘-iat’, আর বাকি অপশনগুলোতে ভুলভাবে ‘-iate’, ‘-iete’ ও ‘-iet’ লেখা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাজের কেন্দ্র ঢাকার সচিবালয়কে ইংরেজিতে Bangladesh Secretariat বলা হয়। সচিবালয়ের প্রধান কর্মকর্তাকে Secretary বলা হয়, আর সচিবালয় সরকারের মন্ত্রণালয়গুলোর প্রশাসনিক কাজ সামলায়।
মনে রাখুন:
অন্যান্য কঠিন বানান: Bureaucracy, Committee, Lieutenant, Colleague, Pseudonym।
একই ‘-iat’ অংশযুক্ত শব্দ: Proletariat, Commissariat।
Secretary-এর ‘a’ ও ‘e’ ঠিকঠাক বসাতে সতর্ক থাকুন, কারণ Secretary শব্দের শেষে ‘-ary’ আছে। - ৬৪. The plane couldn't — because of dense fog.
- ক. start
- খ. take off
- গ. take up
- ঘ. move
উত্তর: খ. take off
‘Take off’ ক্রিয়াবাক্যাংশের অর্থ উড়োজাহাজের মাটি ছেড়ে ওপরে ওঠা। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান উড্ডয়ন করতে পারেনি, তাই take off বসে। Start-এর অর্থ শুরু করা, take up অর্থ গ্রহণ করা বা শুরু করা (শখ হিসেবে), আর move অর্থ নড়া। Dense fog মানে ঘন কুয়াশা, যা বিমানের দৃশ্যমানতা কমিয়ে দেয়।
উদাহরণ: The flight took off at noon.
মনে রাখুন:
বিপরীত শব্দ ‘land’।
Take off-এর আরেক অর্থ জামাকাপড় খোলা, যেমন Take off your shoes।
Take after মানে চেহারা বা স্বভাবে কারও মতো হওয়া।
বাংলাদেশ
- ৪. 'জাগ্রত বাংলাদেশ' কার রচনা?
- ক. আহমদ ছফা
- খ. আহমদ শরীফ
- গ. আশরাফ সিদ্দিকী
- ঘ. আবুল হোসেন
উত্তর: ক. আহমদ ছফা
‘জাগ্রত বাংলাদেশ’ আহমদ ছফার প্রবন্ধগ্রন্থ। আহমদ ছফা (১৯৪৩–২০০১) একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও ঔপন্যাসিক, যিনি সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে নির্ভীক লেখা লিখেছেন। বাকি তিন লেখকের নাম প্রায় কাছাকাছি শোনায় বলে প্রশ্নে বিভ্রান্তি হতে পারে, তাই লেখকদের নাম আলাদা করে মনে রাখা দরকার। তাঁর জন্ম চট্টগ্রামের চন্দনাইশে।
মনে রাখুন:
আহমদ ছফার উপন্যাস: ‘সূর্য তুমি সাথী’, ‘ওংকার’, ‘গাভীবৃত্তান্ত’, ‘অলাতচক্র’।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক লেখা ‘যদ্যপি আমার গুরু’।
প্রবন্ধগ্রন্থ: ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’।
‘বাঙালি মুসলমানের মন’ আহমদ শরীফের লেখা, দুজনকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। - ৫. কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রথম কবে নির্মিত হয়?
- ক. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
- খ. ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
- গ. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪
- ঘ. ২৩ জুন ১৯৫৬
উত্তর: ক. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
ভাষা আন্দোলনে শহিদদের স্মরণে প্রথম শহিদ মিনার ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা নির্মাণ করেন। এর নকশা করেন বদরুল আলম। ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের পিতা এটি উদ্বোধন করেন। কিন্তু ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি পুলিশ ও সেনারা মিনারটি ভেঙে দেয়। ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে গুলিতে বরকত, সালাম, রফিক, জব্বার ও শফিউর শহিদ হয়েছিলেন।
মনে রাখুন:
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের নকশা করেন হামিদুর রহমান।
এটি ১৯৬৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ বরকতের মা হাসিনা বেগম উদ্বোধন করেন।
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। - ১৩. বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. রংপুর
- খ. সিলেট
- গ. দিনাজপুর
- ঘ. কুড়িগ্রাম
উত্তর: গ. দিনাজপুর
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত। ১৯৮৫ সালে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এই কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র চালু ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি, আর এখানকার কয়লা মূলত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়। কেন্দ্রটির উৎপাদনক্ষমতা ২৫০ মেগাওয়াট। ভূগর্ভস্থ খনি মানে মাটির অনেক নিচে সুড়ঙ্গ কেটে কয়লা তোলা, আর উন্মুক্ত খনিতে ওপরের মাটি সরিয়ে কয়লা তোলা হয়। বড়পুকুরিয়ায় তাই সুড়ঙ্গের পদ্ধতি চলে। বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের পরে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার গুরুত্ব বেশি।
মনে রাখুন:
অন্যান্য কয়লাক্ষেত্র: জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট), খালাসপীর (রংপুর), দীঘিপাড়া ও ফুলবাড়ী (দিনাজপুর)।
কয়লা বিটুমিনাস শ্রেণির। - ১৬. 'মাদার অব হিউম্যানিটি' কাকে বলা হয়?
- ক. মাদার তেরেসা
- খ. শেখ হাসিনা
- গ. ইন্দিরা গান্ধী
- ঘ. ইসাবেল পেরেন
উত্তর: খ. শেখ হাসিনা
২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের আশ্রয় দেওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে তাঁকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বা মানবতার জননী বলা হয়। এর আগেও ১৯৭৮ এবং ১৯৯১-৯২ সালে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এসেছিল। শরণার্থী মানে যারা নিজের দেশ ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে অন্য দেশে আশ্রয় নেয়। রোহিঙ্গা শিবিরের মধ্যে কক্সবাজারের কুতুপালং বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী শিবির।
হালনাগাদ: ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেন।
মনে রাখুন:
রোহিঙ্গারা মূলত কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রিত।
মাদার তেরেসা ভারতে সেবামূলক কাজের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পান (১৯৭৯)। - ২১. টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের কোন নদীর উজানে?
- ক. সুরমা
- খ. কর্ণফুলী
- গ. বরাক
- ঘ. শীতলক্ষ্যা
উত্তর: ক. সুরমা
টিপাইমুখ বাঁধ ভারতের মণিপুর রাজ্যে বরাক ও তুইভাই নদীর মিলনস্থলে নির্মাণের প্রস্তাব। বরাক নদী ভারত ছাড়িয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করার আগে সিলেট অঞ্চলে সুরমা ও কুশিয়ারা এই দুই শাখায় ভাগ হয়ে যায়। বাঁধ নির্মিত হলে এই দুই নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাই এটি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়। প্রশ্নের অপশনে বরাক বাংলাদেশের নদী নয়, তাই সুরমাই উত্তর।
মনে রাখুন:
সুরমা ও কুশিয়ারা মিলে মেঘনা তৈরি করে।
ফারাক্কা বাঁধ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গঙ্গা নদীর ওপর। - ২৯. বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কয়টি অনুচ্ছেদ আছে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৫
- ক. ১৫৩
- খ. ১৪৪
- গ. ১৬৩
- ঘ. ১৫৫
উত্তর: ক. ১৫৩
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে, যা ১১টি ভাগে সাজানো। সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। সংবিধান রচনা কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন, আর কমিটির সদস্য ছিলেন ৩৪ জন। অন্য অপশনের সংখ্যাগুলো সংবিধানের অনুচ্ছেদসংখ্যা নয়। মূল সংবিধান বাংলায় রচিত এবং এর একটি ইংরেজি অনুবাদও আছে।
মনে রাখুন:
সংবিধানের তফসিল ৭টি।
খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয় ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর।
প্রথম ভাগ প্রজাতন্ত্র, দ্বিতীয় ভাগ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং তৃতীয় ভাগ মৌলিক অধিকার।
প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র। - ৩৮. বরিশালের প্রাচীন নাম কী?
- ক. সুধারাম
- খ. চন্দ্রদ্বীপ
- গ. হরিকেল
- ঘ. সমতট
উত্তর: খ. চন্দ্রদ্বীপ
বরিশালের প্রাচীন নাম ছিল চন্দ্রদ্বীপ। মধ্যযুগে এই অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামে একটি স্বাধীন রাজ্য গড়ে উঠেছিল। রাজা দনুজমর্দন দেব এই রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন বলে ঐতিহাসিকেরা মনে করেন। সুধারাম নোয়াখালীর পুরোনো নাম, আর হরিকেল ও সমতট প্রাচীন বাংলার জনপদ। এই বিভ্রান্তি এড়াতে আমাদের জনপদের নামের সঙ্গে আজকের অঞ্চল মিলিয়ে রাখতে হবে। চন্দ্রদ্বীপ রাজ্যের প্রথম রাজধানী ছিল কচুয়া, পরে তা মাধবপাশায় সরানো হয়।
মনে রাখুন:
সমতট কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চল জুড়ে ছিল।
পুণ্ড্র ছিল উত্তরবঙ্গের পুরোনো জনপদ।
হরিকেল ছিল পূর্ব বাংলার একটি প্রাচীন জনপদ। - ৫৩. ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কোন সালের কত তারিখ বাতিল হয়?
- ক. ২৬ মার্চ ১৯৯৬
- খ. ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
- গ. ৩ নভেম্বর ১৯৯৭
- ঘ. ১৭ নভেম্বর ১৯৯৭
উত্তর: খ. ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ জারি করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের বিচার থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর সপ্তম জাতীয় সংসদে ইনডেমনিটি (রহিতকরণ) বিল পাস হলে সেই অধ্যাদেশ বাতিল হয়। এরপর হত্যা মামলার বিচার শুরু করা সম্ভব হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের অংশ করা হয়েছিল।
মনে রাখুন:
মামলা দায়ের: ১৯৯৬ সালের ২ অক্টোবর, ধানমন্ডি থানায়।
নিম্ন আদালতের রায়: ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর।
রায় কার্যকর: ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি। - ৬৬. বাংলায় প্রথম স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন কে?
- ক. বখতিয়ার খিলজী
- খ. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
- গ. ইলিয়াস শাহ
- ঘ. মুহম্মদ বিন তুঘলক
উত্তর: খ. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
বাংলায় সুলতানি আমলের প্রথম পর্বে দিল্লির অধীনে শাসক বসানো হতো। ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সোনারগাঁওয়ে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন, আর তখন থেকেই বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা। ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন ১২০৪ সালে, কিন্তু তিনি দিল্লির অধীনেই ছিলেন। মুহম্মদ বিন তুঘলক ছিলেন দিল্লির সুলতান, তাই তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনাকারী নন।
মনে রাখুন:
ইলিয়াস শাহ ১৩৪২ সালে ইলিয়াসশাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন এবং সারা বাংলাকে একত্র করেন।
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ হুসেনশাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
স্বাধীন সুলতানি যুগের সমাপ্তি ১৫৩৮ সালে। - ৬৯. জাহানারা ইমাম রচিত স্মৃতিকথাভিত্তিক গ্রন্থটি হচ্ছে—
- ক. একাত্তরের স্মৃতি
- খ. একাত্তরের দিনগুলি
- গ. আমার একাত্তর
- ঘ. রোজনামচা একাত্তর
উত্তর: খ. একাত্তরের দিনগুলি
‘একাত্তরের দিনগুলি’ জাহানারা ইমামের লেখা স্মৃতিকথা, যাতে মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর অভিজ্ঞতা ডায়েরির মতো করে ফুটে উঠেছে। এই যুদ্ধেই তাঁর ছেলে রুমী শহিদ হন। জাহানারা ইমাম ‘শহীদজননী’ নামে পরিচিত। অন্য অপশনের নামগুলো শুনতে কাছাকাছি লাগলেও তাঁর কোনো বইয়ের নাম নয়। জাহানারা ইমাম (১৯২৯–১৯৯৪) ছিলেন লেখক ও শিক্ষক, আর ‘একাত্তরের দিনগুলি’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে।
মনে রাখুন:
‘একাত্তরের ডায়েরী’ সুফিয়া কামালের লেখা।
‘আমি বিজয় দেখেছি’ এম আর আখতার মুকুলের লেখা।
জাহানারা ইমামের আরেক লেখা ‘অন্য জীবন’।
১৯৯২ সালে তিনি ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
আন্তর্জাতিক
- ৭. পানামা খাল কোন দুটি মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে?
- ক. প্রশান্ত ও আটলান্টিক
- খ. প্রশান্ত ও ভারত
- গ. ভারত ও আটলান্টিক
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. প্রশান্ত ও আটলান্টিক
পানামা খাল মধ্য আমেরিকার পানামা যোজকের ভেতর দিয়ে কেটে তৈরি। এটি আটলান্টিক মহাসাগর (ক্যারিবীয় সাগর) ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে। ফলে জাহাজকে দক্ষিণ আমেরিকা ঘুরে যেতে হয় না, অনেক পথ ও সময় বাঁচে। খালটি ১৯১৪ সালে চালু হয়, আর ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র এর নিয়ন্ত্রণ পানামাকে ফিরিয়ে দেয়।
মনে রাখুন:
সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে, এটি ১৮৬৯ সালে খোলা হয়।
ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপ্স সুয়েজ খাল তৈরি করেন।
সুয়েজ খাল ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে জলপথ ছোট করেছে, আর পানামা খাল আমেরিকার দুই উপকূলকে কাছাকাছি এনেছে। - ১৭. OIC (ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা)-এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?
- ক. তেহরান
- খ. জেদ্দা
- গ. কায়রো
- ঘ. রিয়াদ
উত্তর: খ. জেদ্দা
ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (OIC) মুসলিম দেশগুলোর সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সংগঠন। এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে সংস্থাটির প্রতিষ্ঠা হয়। সেই বছরই জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা মুসলিম বিশ্বকে একসঙ্গে ভাবতে বাধ্য করেছিল। আগে এর নাম ছিল Organisation of the Islamic Conference, ২০১১ সালে নাম বদলে Organisation of Islamic Cooperation করা হয়। সংস্থাটির সনদ ১৯৭২ সালে গৃহীত হয়, আর সদস্যসংখ্যার দিক থেকে এটি জাতিসংঘের পরে অন্যতম বড় আন্তর্জাতিক সংস্থা।
মনে রাখুন:
OIC-এর বর্তমান সদস্য ৫৭টি দেশ।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনের মাধ্যমে সদস্য হয়। - ৪১. 'মজলিস' কোন দেশের পার্লামেন্টের নাম?
- ক. ইরাক
- খ. ইরান
- গ. সৌদি আরব
- ঘ. কুয়েত
উত্তর: খ. ইরান
ইরানের পার্লামেন্টের নাম মজলিস, পুরো নাম ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলি। এ ছাড়া সৌদি আরবের পরামর্শ সভার নাম মজলিস আশ-শুরা, আর কুয়েতের জাতীয় পরিষদের নাম মজলিস আল-উম্মাহ। তবে ‘মজলিস’ নামটি ইরানের পার্লামেন্টের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত। ‘মজলিস’ শব্দের মূল অর্থ সভা বা বৈঠক। পার্লামেন্ট শব্দটি দেশভেদে আলাদা নামে পরিচিত, তাই কোন দেশে কোন নাম চলে তা আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
ভারতের পার্লামেন্টের দুই কক্ষ লোকসভা ও রাজ্যসভা, আর যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেস।
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট, রাশিয়ার ডুমা, জাপানের ডায়েট।
জার্মানির পার্লামেন্ট বুন্ডেসট্যাগ।
ইরাকের পার্লামেন্ট কাউন্সিল অব রিপ্রেজেন্টেটিভস।
বাংলাদেশের পার্লামেন্টের নাম জাতীয় সংসদ। - ৪৯. LoC (Line of Control) কোন কোন দেশের সাথে সংযুক্ত?
- ক. চীন ও ভারত
- খ. পাকিস্তান ও চীন
- গ. ভারত ও পাকিস্তান
- ঘ. ভারত ও নেপাল
উত্তর: গ. ভারত ও পাকিস্তান
Line of Control (LoC) ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীরে বিভাজন রেখা। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই রেখা নির্ধারিত হয়, যা আগের যুদ্ধবিরতি রেখার স্থলাভিষিক্ত। অন্যদিকে Line of Actual Control (LAC) ভারত ও চীনের সীমান্তরেখা। দুটি নাম শুনতে কাছাকাছি, তাই কোনটি কোন দেশের সঙ্গে যুক্ত তা আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
র্যাডক্লিফ লাইন ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের (পূর্ব পাকিস্তান) সীমানা ঠিক করে।
ম্যাকমোহন লাইন ভারত ও চীনের সীমান্ত।
ডুরান্ড লাইন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ২০. কম্পিউটারের কার্যক্রমকে নিয়ন্ত্রণ করে কোন যন্ত্র?
- ক. কী-বোর্ড
- খ. মাদারবোর্ড
- গ. সিপিইউ (CPU)
- ঘ. মাউস
উত্তর: গ. সিপিইউ (CPU)
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ একক বা সিপিইউ (CPU, Central Processing Unit) হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক। ইনপুট থেকে নির্দেশ নিয়ে এটি হিসাব-নিকাশ ও যুক্তির কাজ করে এবং ফল আউটপুটে পাঠায়। কম্পিউটারের সব অংশের কাজ এটি নিয়ন্ত্রণ করে। কী-বোর্ড ও মাউস শুধু তথ্য ঢোকানোর ইনপুট ডিভাইস। আর মাদারবোর্ড হলো প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেটি সব অংশকে সংযুক্ত করে, কিন্তু কাজ নিয়ন্ত্রণ করে না।
মনে রাখুন:
সিপিইউর তিন অংশ: গাণিতিক ও যুক্তি একক (ALU), নিয়ন্ত্রণ একক (CU) ও রেজিস্টার।
সিপিইউর গতি মাপা হয় হার্টজ (GHz) এককে।
মাইক্রোপ্রসেসর সিপিইউ-এর আধুনিক রূপ।
বিজ্ঞান
- ২৭. একটি বস্তুর সাম্যাবস্থার শর্ত হলো—
- ক. বলের সকল উলম্ব উপাংশের বীজগাণিতিক যোগফল শূন্য
- খ. বলের সকল আনুভূমিক উপাংশের বীজগাণিতিক যোগফল শূন্য
- গ. একটি বিন্দুর সাপেক্ষে সকল বলের ভ্রামকের বীজগাণিতিক যোগফল শূন্য
- ঘ. সবগুলো সঠিক
উত্তর: ঘ. সবগুলো সঠিক
একটি বস্তুর ওপর একাধিক বল কাজ করলেও বস্তু যদি স্থির থাকে বা সমবেগে চলে, তবে বস্তুটি সাম্যাবস্থায় (Equilibrium) আছে বলা হয়। এজন্য তিনটি শর্ত একসঙ্গে পূরণ হতে হবে। প্রথমত, সব বলের উলম্ব উপাংশের বীজগাণিতিক সমষ্টি শূন্য, অর্থাৎ ΣFy = 0। দ্বিতীয়ত, আনুভূমিক উপাংশের সমষ্টিও শূন্য, ΣFx = 0। তৃতীয়ত, যে-কোনো বিন্দুর সাপেক্ষে সব বলের ভ্রামকের সমষ্টি শূন্য, ΣM = 0। যেহেতু তিনটিই প্রযোজ্য, সবগুলো সঠিক।
মনে রাখুন:
ভ্রামক = বল × লম্ব দূরত্ব।
সাম্যাবস্থা দুই প্রকার: স্থিতিশীল ও গতিশীল।
ঘূর্ণন না ঘটার জন্য ভ্রামকের শর্ত দরকার। - ৩৬. এক মেট্রিক অশ্বশক্তি হলো—
- ক. ৭৪৬ ওয়াট
- খ. ৭৩৬ ওয়াট
- গ. ৫৫০ ওয়াট
- ঘ. ৭২ ওয়াট
উত্তর: খ. ৭৩৬ ওয়াট
কাজ করার হারকে ক্ষমতা বলে, আর যান্ত্রিক ক্ষমতা মাপার একটি পুরোনো একক অশ্বশক্তি (Horsepower)। দেশ ও পদ্ধতিভেদে এর মান একটু আলাদা। মেট্রিক অশ্বশক্তিতে 1 hp = 75 kgf·m/s, যা প্রায় 735.5 W, সাধারণত ৭৩৬ ওয়াট ধরা হয়। যান্ত্রিক অশ্বশক্তি প্রায় ৭৪৫.৭ ওয়াট (৭৪৬ ওয়াটের কাছাকাছি), আর বৈদ্যুতিক অশ্বশক্তি ঠিক ৭৪৬ ওয়াট। প্রশ্নে মেট্রিক বলা হয়েছে, তাই ৭৩৬ ওয়াটই সঠিক। ৫৫০ হলো ফুট-পাউন্ড-সেকেন্ড পদ্ধতিতে একক।
মনে রাখুন:
1 HP (যান্ত্রিক) ≈ 745.7 W।
ক্ষমতার SI একক ওয়াট (W), 1 W = 1 J/s।
1 কিলোওয়াট ≈ 1.34 HP। - ৩৯. জোয়ারের কত সময় পর ভাটা হয়?
- ক. ৬ ঘণ্টা ২৩ মি. পর
- খ. ৬ ঘণ্টা ১০ মি. পর
- গ. ৬ ঘণ্টা ১৫ মি. পর
- ঘ. ৬ ঘণ্টা ১৩ মি. পর
উত্তর: ঘ. ৬ ঘণ্টা ১৩ মি. পর
সমুদ্রের পানি প্রধানত চাঁদের আকর্ষণে নির্দিষ্ট সময় পরপর ফুলে ওঠে ও নেমে যায়। ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। প্রতিদিন দুবার জোয়ার ও দুবার ভাটা হয়। পরপর দুটি জোয়ারের মাঝের সময় ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। এর অর্ধেক, অর্থাৎ ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরপর জোয়ারের পর ভাটা শুরু হয়। চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ৫০ মিনিট নেয়, তাই জোয়ারের সময় প্রতিদিন কিছুটা পিছিয়ে যায়।
মনে রাখুন:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে বলে ভরা জোয়ার (তেজ কোটাল) হয়।
অষ্টমীর দিকে হয় মরা কোটাল বা নিম্ন জোয়ার। - ৪৪. 'লবণ'-এর সংকেত কী?
- ক. NaCl
- খ. NaOH
- গ. Na₂SO₄
- ঘ. H₂SO₄
উত্তর: ক. NaCl
আমরা খাবারে যে লবণ ব্যবহার করি, তার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)। এটি সোডিয়াম ধাতু ও ক্লোরিন গ্যাস যুক্ত হয়ে তৈরি আয়নিক যৌগ। সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন ছেড়ে Na⁺ আর ক্লোরিন সেটি নিয়ে Cl⁻ আয়ন হয়, এরপর বিপরীত আধানের আকর্ষণে দুটি আয়ন যুক্ত থাকে। NaOH ক্ষার, H₂SO₄ এসিড, আর Na₂SO₄ ভিন্ন একটি লবণ, তবে সাধারণ লবণ বলতে NaCl বোঝায়।
মনে রাখুন:
এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি তৈরি হয়।
সমুদ্রের পানিতে প্রায় ৩.৫ ভাগ লবণ থাকে।
লবণ গলনাঙ্ক প্রায় ৮০১°C। - ৪৫. একটি সরল দোলকের পর্যায়কাল দ্বিগুণ হবে–
- ক. এর দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ হলে
- খ. এর দৈর্ঘ্য অর্ধেক হলে
- গ. এর দৈর্ঘ্য ৪ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে
- ঘ. এর দৈর্ঘ্য ৮ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে
উত্তর: গ. এর দৈর্ঘ্য ৪ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে
সরল দোলকের দোলনকাল বা পর্যায়কাল T = 2π√(L/g), যেখানে L দোলকের কার্যকর দৈর্ঘ্য এবং g অভিকর্ষজ ত্বরণ। এখানে T ∝ √L। পর্যায়কাল দ্বিগুণ করতে হলে √L দ্বিগুণ হতে হবে, অর্থাৎ L-কে (2)² = 4 গুণ করতে হবে। যাচাই করলে: দৈর্ঘ্য 4L হলে T' = 2π√(4L/g) = 2 × 2π√(L/g) = 2T। দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ হলে সময় √2 গুণ হতো, অর্ধেক হলে কমে যেত, আর ৮ গুণ হলে সময় প্রায় 2.83 গুণ হতো।
মনে রাখুন:
দোলনকাল দোলকের ভরের ওপর নির্ভর করে না।
দোলকের দৈর্ঘ্য একই থাকলে চাঁদে g কম বলে দোলনকাল বেশি হবে।
সেকেন্ড দোলকের দোলনকাল ২ সেকেন্ড। - ৪৮. কোনো তেলের আপেক্ষিক গুরুত্ব ০.৯ এবং চাপ ০.১৮ কেজি/বর্গ সেমি হলে তেলের উচ্চতা কলাম হবে—
- ক. ৭০ সেমি
- খ. ২ মি
- গ. ২০ সেমি
- ঘ. ১০ সেমি
উত্তর: খ. ২ মি
তরলের গভীরতায় চাপ p = hρg। এখানে ρ তেলের ঘনত্ব, আপেক্ষিক গুরুত্ব ০.৯ হওয়ায় ρ = 900 kg/m³। চাপ ০.১৮ কেজি-বল/বর্গ সেমি ধরলে, 1 m² = 10⁴ cm² বলে p = 0.18 × 10⁴ = 1800 kgf/m²। কাজেই h = p/ρ = 1800/900 = 2 m। SI এককেও একই ফল আসে: p = 0.18 × 9.8 × 10⁴ = 17640 Pa, তাই h = 17640/(900 × 9.8) = 2 m। অর্থাৎ তেলের কলামের উচ্চতা ২ মিটার।
মনে রাখুন:
1 kgf = 9.8 N।
আপেক্ষিক গুরুত্ব = পদার্থের ঘনত্ব ÷ পানির ঘনত্ব (1000 kg/m³)।
তরলের চাপ গভীরতার সঙ্গে সরলভাবে বাড়ে। - ৫০. কপার ও জিঙ্কের সংকর ধাতু কোনটি?
- ক. ইস্পাত
- খ. ব্রাস
- গ. মোনাল মেটাল
- ঘ. স্টারলিং সিলভার
উত্তর: খ. ব্রাস
দুই বা ততোধিক ধাতু মিশিয়ে যে নতুন ধাতব পদার্থ তৈরি হয়, তাকে সংকর ধাতু (Alloy) বলে। তামা (Cu) ও দস্তা বা জিঙ্ক (Zn) মিশিয়ে ব্রাস বা পিতল তৈরি হয়। এতে সাধারণত ২০-৪০ ভাগ জিঙ্ক থাকে। ইস্পাত লোহা ও কার্বনের সংকর। মোনেল মেটাল নিকেল ও তামার সংকর। আর স্টার্লিং সিলভার রুপা ও সামান্য তামার সংকর।
মনে রাখুন:
ব্রোঞ্জ হলো তামা ও টিনের সংকর।
বেল মেটাল হলো তামা ও টিনের সংকর, যা ঘণ্টা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
স্টেইনলেস স্টিল লোহা, ক্রোমিয়াম ও নিকেলের সংকর। - ৫৫. পেরিস্কোপ কোথায় ব্যবহৃত হয়?
- ক. গাড়ি
- খ. সাবমেরিন
- গ. উড়োজাহাজ
- ঘ. টেলিস্কোপ
উত্তর: খ. সাবমেরিন
পেরিস্কোপ (Periscope) এমন একটি আলোক যন্ত্র, যা দিয়ে আড়াল থেকে বা পানির নিচে থেকে ওপরের দৃশ্য দেখা যায়। একটি লম্বা নলের দুই প্রান্তে দুটি আয়না বা প্রিজম ৪৫° কোণে বসানো থাকে। ওপরের আয়না বাইরের দৃশ্যের আলো নিচের দিকে প্রতিফলিত করে, আর নিচের আয়না সেই আলো চোখে পাঠায়। সাবমেরিন পানির নিচে ডুবে থাকে, তাই নাবিকরা পেরিস্কোপ দিয়ে পানির ওপরের জাহাজ বা এলাকা দেখে নেয়।
মনে রাখুন:
পেরিস্কোপ আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বা সমতল আয়নার প্রতিফলনের নীতিতে কাজ করে।
যুদ্ধক্ষেত্রে ট্রেঞ্চ থেকেও পেরিস্কোপ ব্যবহৃত হয়। - ৫৬. গ্যাসের আণবিক গতির সাথে যে শক্তি নিহিত—
- ক. গতিশক্তি
- খ. অভ্যন্তরীণ শক্তি
- গ. এন্ট্রপি
- ঘ. এনথালপি
উত্তর: খ. অভ্যন্তরীণ শক্তি
কোনো পদার্থের সব অণুর বিক্ষিপ্ত গতির গতিশক্তি এবং অণুদের পারস্পরিক আকর্ষণের স্থিতিশক্তি মিলে যে মোট শক্তি তৈরি হয়, তাকে অভ্যন্তরীণ শক্তি (Internal energy) বলে। গ্যাসের অণুরা সবসময় অনিয়মিতভাবে ছুটে বেড়ায়, আর তাপমাত্রা বাড়লে এই গতি বাড়ে। তাই গ্যাসের অণুগুলোর গতির সঙ্গে অভ্যন্তরীণ শক্তি জড়িয়ে আছে। আদর্শ গ্যাসের ক্ষেত্রে এটি শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। এন্ট্রপি বিশৃঙ্খলার পরিমাপ, আর এনথালপি = অভ্যন্তরীণ শক্তি + চাপ × আয়তন। গ্যাসের তাপমাত্রা যত বাড়ে, অণুর গতিশক্তি তত বাড়ে, আর সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ শক্তিও বাড়ে। তাই তাপ প্রয়োগ করলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি বদলে যায়।
মনে রাখুন:
তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র: ΔU = Q − W।
অভ্যন্তরীণ শক্তির একক জুল। - ৫৭. এসআই এককে জুলকে প্রকাশ করা হয়—
- ক. Nm/s
- খ. Nm²
- গ. Nm
- ঘ. mN
উত্তর: গ. Nm
কাজের বা শক্তির SI একক জুল (J)। কাজ = বল × বলের দিকে সরণ। বলের একক নিউটন (N) এবং সরণের একক মিটার (m), তাই কাজের একক নিউটন-মিটার (Nm)। এর অর্থ, ১ নিউটন বল প্রয়োগে বস্তু বলের দিকে ১ মিটার সরলে ১ জুল কাজ হয়। অর্থাৎ 1 J = 1 Nm। Nm/s হলো ক্ষমতার একক ওয়াট, Nm² ও mN এ ধরনের কোনো ভৌত রাশির একক নয়।
মনে রাখুন:
1 J = 1 N × 1 m = 1 kg·m²/s²।
ক্ষমতার একক ওয়াট, 1 W = 1 J/s।
জেমস প্রেসকট জুলের নামে শক্তির একক জুল। - ৫৯. একটি আদর্শ প্রবাহী হলো—
- ক. সংকোচনশীল
- খ. অসংকোচনশীল
- গ. অসংকোচনশীল এবং সান্দ্রতাহীন
- ঘ. পৃষ্ঠটানবিহীন
উত্তর: গ. অসংকোচনশীল এবং সান্দ্রতাহীন
আদর্শ প্রবাহী (Ideal fluid) হলো একটি কাল্পনিক প্রবাহী, যা হিসাব সহজ করার জন্য ধরা হয়। এর দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য আছে। এটি অসংকোচনশীল (Incompressible), অর্থাৎ চাপ দিলেও এর ঘনত্ব বদলায় না। আবার এটি সান্দ্রতাহীন (Inviscid), অর্থাৎ প্রবাহের সময় স্তরগুলোর মধ্যে কোনো ঘর্ষণজনিত বাধা নেই। শুধু একটি বৈশিষ্ট্য থাকলে চলে না, দুটিই থাকতে হয়, তাই 'অসংকোচনশীল এবং সান্দ্রতাহীন' সবচেয়ে পূর্ণ উত্তর।
মনে রাখুন:
আদর্শ প্রবাহের জন্য বার্নুলির সমীকরণ প্রযোজ্য।
সান্দ্রতার একক পয়েজ বা পাসকাল-সেকেন্ড।
বাস্তব প্রবাহী, যেমন মধু, সান্দ্র। - ৬৩. একটি বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে বলা হয়–
- ক. ত্বরণ
- খ. বেগ
- গ. ভ্রামক
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ত্বরণ
কোনো বস্তুর বেগ সময়ের সঙ্গে যে হারে বদলায়, তাকে ত্বরণ (Acceleration) বলে। সূত্র: ত্বরণ = বেগের পরিবর্তন ÷ সময়, অর্থাৎ a = (v − u)/t। কোনো বস্তুর ত্বরণ 2 m/s² হলে তার বেগ প্রতি সেকেন্ডে 2 m/s হারে বাড়ে। বেগ হলো সরণ পরিবর্তনের হার, ত্বরণ নয়। আর ভ্রামক হলো বলের ঘূর্ণন সৃষ্টির ক্ষমতা। বেগ সময়ের সঙ্গে বাড়লে ত্বরণ ধনাত্মক এবং কমলে ঋণাত্মক হয়। বেগ একই থাকলে ত্বরণ শূন্য, যেমন সমবেগে চলা গাড়ির ত্বরণ নেই। ত্বরণ একটি ভেক্টর রাশি, কারণ এর মান ও দিক দুটিই আছে।
মনে রাখুন:
ত্বরণের একক m/s²।
বেগ কমতে থাকলে ত্বরণ ঋণাত্মক হয়, একে মন্দন বলে।
নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র: F = ma। - ৬৫. এসআই এককে এক বার (bar) এর মান হলো–
- ক. 1×10⁴N/m²
- খ. 1×10⁵N/m²
- গ. 1×10³N/m²
- ঘ. 1N/m²
উত্তর: খ. 1×10⁵N/m²
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ ও অন্যান্য চাপ মাপতে বার (bar) একক ব্যবহৃত হয়। 1 bar = 10⁵ N/m² = 10⁵ Pa। এই মান বায়ুমণ্ডলের প্রমাণ চাপের (1.013 × 10⁵ Pa) কাছাকাছি, তাই হিসাবের কাজে সুবিধা হয়। চাপ = বল ÷ ক্ষেত্রফল, তাই 1 N বল 1 m² ক্ষেত্রফলে লাগলে চাপ 1 N/m² বা 1 Pa হয়। বারের মান পাসকালের তুলনায় এক লাখ গুণ বড়।
মনে রাখুন:
1 atm = 1.013 × 10⁵ Pa ≈ 1.013 bar।
1 mbar = 100 Pa।
চাপের SI একক পাসকাল (Pa)। - ৬৭. ১০০ ওয়াট ও ২০০ ভোল্টবিশিষ্ট একটি বাতির রোধ কত?
- ক. ১০০ ওহম
- খ. ২০০ ওহম
- গ. ৪০০ ওহম
- ঘ. ৫০ ওহম
উত্তর: গ. ৪০০ ওহম
বৈদ্যুতিক বাতির ক্ষমতা P = V²/R, যেখানে V বিভব পার্থক্য ও R রোধ। এ থেকে R = V²/P। প্রশ্নে P = 100 W এবং V = 200 V। তাই R = (200)²/100 = 40000/100 = 400 ওহম। যাচাই: I = P/V = 100/200 = 0.5 A, আবার R = V/I = 200/0.5 = 400 Ω। দুই পদ্ধতিতেই একই উত্তর আসে।
মনে রাখুন:
P = VI = I²R = V²/R।
ক্ষমতা ও ভোল্টেজ দেওয়া থাকলে সরাসরি R = V²/P ব্যবহার করুন।
রোধের SI একক ওহম (Ω)।
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন