লিয়ানা বুকস

বস্ত্র অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ৫ মার্চ ২০২০। ৫৯টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. কোনটি দেশি শব্দ?
    • ক. একতারা
    • খ. গতর
    • গ. রোজগার
    • ঘ. ডিঙি
    উত্তর: ঘ. ডিঙি
    ‘ডিঙি’ (ছোট নৌকা) দেশি শব্দ। বাংলায় কিছু শব্দ সংস্কৃত বা বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি, এ দেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, এদের দেশি শব্দ বলে। বাকি শব্দগুলোর উৎস আলাদা: রোজগার ফারসি শব্দ, গতর তদ্ভব (সংস্কৃত ‘গাত্র’ থেকে), আর একতারা বাংলার নিজস্ব গঠন।
    মনে রাখুন:
    দেশি শব্দের উদাহরণ: ঢোল, ঝাঁটা, কুলা, চিংড়ি।
    ফারসি শব্দের উদাহরণ: কারখানা, দোকান, চশমা।
  2. ৬. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গদ্যকাব্য কোনটি?
    • ক. পুনশ্চ
    • খ. বলাকা
    • গ. সোনারতরী
    • ঘ. ক্ষণিকা
    উত্তর: ক. পুনশ্চ
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গদ্যছন্দে লেখা কাব্য ‘পুনশ্চ’ (১৯৩২)। এতে তিনি পদ্যের মিল-মাত্রার বাঁধন ছেড়ে গদ্যের ভঙ্গিতে কবিতা লিখেছেন। ‘সোনার তরী’ আর ‘ক্ষণিকা’ মিল-ছন্দে লেখা, আর ‘বলাকা’র ছন্দ অন্যরকম, এতে মুক্তক ছন্দ ব্যবহার হয়েছে। তাই গদ্যকাব্যের উদাহরণ হিসেবে ‘পুনশ্চ’ই সঠিক। গদ্যকাব্য মানে গদ্যের ভাষায় লেখা কাব্য, যেখানে কবিতার ভাব থাকে কিন্তু ছন্দের নিয়ম মানা হয় না।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের অন্য গদ্যকাব্য শেষ সপ্তক, পত্রপুট ও শ্যামলী।
    ‘সোনার তরী’ রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
    ‘বলাকা’ গতির কাব্য নামে পরিচিত।
  3. ১০. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম কী?
    • ক. ব্যাকরণ কৌমুদী
    • খ. ব্যাকরণ মঞ্জুষা
    • গ. মুগ্ধবোধ ব্যাকরণ
    • ঘ. অষ্টাধ্যায়ী
    উত্তর: ক. ব্যাকরণ কৌমুদী
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ব্যাকরণ নিয়ে ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ নামে একটি বই লিখেছেন। বইটিতে তিনি সংস্কৃত ব্যাকরণের ধাঁচে বাংলা ভাষার নিয়ম সহজ করে বুঝিয়েছেন। ‘মুগ্ধবোধ’ ও ‘অষ্টাধ্যায়ী’ সংস্কৃত ব্যাকরণ, আর ‘ব্যাকরণ মঞ্জুষা’ও তাঁর রচনা নয়। অনেক সময় নামের মিলের কারণে সংস্কৃত ব্যাকরণের নামগুলো বাংলা ব্যাকরণের নাম বলে মনে হয়, এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
    মনে রাখুন:
    বিদ্যাসাগরের অন্য বই: বর্ণপরিচয়, বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস।
    তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
    তাঁর জন্ম ১৮২০ সালে এবং মৃত্যু ১৮৯১ সালে।
  4. ১২. কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস নয় কোনটি?
    • ক. বাঁধনহারা
    • খ. অরণ্য নীলিমা
    • গ. মৃত্যুক্ষুধা
    • ঘ. কুহেলিকা
    উত্তর: খ. অরণ্য নীলিমা
    নজরুল ইসলামের উপন্যাস তিনটি: বাঁধনহারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। ‘অরণ্য নীলিমা’ তাঁর উপন্যাস নয়, তাই এটিই উত্তর। কথাসাহিত্যে নজরুল গল্প ও উপন্যাস দুটিই লিখেছেন, তবে তাঁর খ্যাতি মূলত কবিতা ও গানের জন্য। উপন্যাসের নাম আলাদা করে মনে রাখা এজন্য দরকার যে, প্রশ্নে অন্য লেখকের বই মিশিয়ে দেওয়া হয়।
    মনে রাখুন:
    ‘বাঁধনহারা’ পত্রোপন্যাস, অর্থাৎ চিঠির আকারে লেখা।
    নজরুলের গল্পগ্রন্থ: ব্যথার দান, রিক্তের বেদন, শিউলিমালা।
    ‘মৃত্যুক্ষুধা’ ১৯৩০ সালে প্রকাশিত।
  5. ১৪. 'মরু-ভাস্কর' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
    • ক. ফররুখ আহমেদ
    • খ. গোলাম মোস্তফা
    • গ. মীর মশাররফ হোসেন
    • ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
    উত্তর: ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
    ‘মরু-ভাস্কর’ কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য। এতে তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের কথা কাব্যের ভঙ্গিতে লিখেছেন। নজরুল হিন্দু-মুসলিম উভয় ঐতিহ্য থেকেই বিষয় নিয়ে লিখেছেন, আর এই কাব্য তাঁর ইসলামি বিষয়ে লেখা রচনাগুলোর অন্যতম। ফররুখ আহমদ, গোলাম মোস্তফা ও মীর মশাররফ হোসেনের রচনা আলাদা, তাঁদের মধ্যে গোলাম মোস্তফা ‘বিশ্বনবী’ নামে জীবনী লিখেছেন।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের অন্য কাব্য: অগ্নিবীণা, দোলনচাঁপা, বিষের বাঁশী।
    ফররুখ আহমদের বিখ্যাত কাব্য ‘সাত সাগরের মাঝি’।
    মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত রচনা ‘বিষাদসিন্ধু’।
  6. ১৫. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কত সালে 'চর্যাপদ' আবিষ্কার করেন?
    • ক. ১৯১৬
    • খ. ১৯০৭
    • গ. ১৯০৯
    • ঘ. ১৯১৭
    উত্তর: খ. ১৯০৭
    পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন। পরে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে এটি প্রকাশিত হয়। আবিষ্কারের বছর ১৯০৭ আর প্রকাশের বছর ১৯১৬, এই পার্থক্য পরীক্ষায় বারবার আসে। তাই ১৯১৬ নয়, আবিষ্কারের সালটি ১৯০৭।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদের ভাষা বাংলা, এ কথা প্রমাণ করেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৯ সালে।
  7. ১৮. বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদের সর্বাধিক পদ কে রচনা করেছেন?
    • ক. কুক্কুরীপা
    • খ. ঢেণ্ঢণপা
    • গ. কাহ্নপা
    • ঘ. লুইপা
    উত্তর: গ. কাহ্নপা
    চর্যাপদের কবিদের মধ্যে কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন, ১৩টি। কুক্কুরীপার পদ ৩টি এবং ঢেণ্ঢণপার ১টি, আর লুইপার ২টি। তাই সর্বাধিক পদের কবি কাহ্নপা। চর্যাপদের কবিরা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধক ছিলেন এবং নিজেদের সাধনার কথা প্রতীকের মাধ্যমে বলেছেন। এ কারণে এর ভাষা অনেক সময় দুর্বোধ্য মনে হয়।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদে ২৩ জন (মতান্তরে ২৪ জন) কবির নাম পাওয়া যায়।
    লুইপাকে আদি কবি ধরা হয়।
    চর্যাপদের পদসংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি।
  8. ১৯. 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত—
    • ক. ছোটগল্প
    • খ. উপন্যাস
    • গ. নাটক
    • ঘ. কাব্যগ্রন্থ
    উত্তর: খ. উপন্যাস
    ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উপন্যাস। কবিতার মতো ভাষা বলে এটিকে কাব্যধর্মী উপন্যাসও বলা হয়। উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়, এর প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য। নামে ‘কবিতা’ থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়। এখানে গদ্যে এমন কাব্যিক ভাষা ব্যবহার হয়েছে, যা বাংলা কথাসাহিত্যে নতুনত্ব এনেছে।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের অন্য উপন্যাস: গোরা, ঘরে বাইরে, চোখের বালি, যোগাযোগ।
    ‘গোরা’ তাঁর দীর্ঘতম উপন্যাস।
    ‘শেষের কবিতা’র মূল চরিত্র অমিত রায়।
  9. ২৩. 'পরের অন্নে যে বেঁচে থাকে'-এর একক্থায় প্রকাশ কোনটি?
    • ক. পরান্নজীবী
    • খ. পরান্নভোজী
    • গ. পরজীবী
    • ঘ. পরাশ্রয়ী
    উত্তর: ক. পরান্নজীবী
    যে মানুষ নিজের উপার্জন নেই বলে অন্যের অন্নে জীবন চালায়, তাকে এক কথায় পরান্নজীবী বলে। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: পরজীবী হলো যে প্রাণী বা উদ্ভিদ অন্যের শরীর থেকে খাবার নেয়, আর পরাশ্রয়ী মানে যে অন্যের আশ্রয়ে থাকে। ‘পরান্নভোজী’ শব্দটি যে অন্যের অন্ন খায় তাকে বোঝায়, কিন্তু প্রশ্নে ‘বেঁচে থাকা’ অংশটি থাকায় জীবী যুক্ত শব্দটিই সঠিক।
    মনে রাখুন: পরের অন্নে প্রতিপালিত যে, তাকে পরান্নপুষ্ট বলা হয়।
  10. ২৪. 'বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর। অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর'—কার কবিতার অংশ?
    • ক. চণ্ডীদাস
    • খ. বিদ্যাপতি
    • গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঘ. সুফিয়া কামাল
    উত্তর: গ. কাজী নজরুল ইসলাম
    ‘বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর। অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর’ চরণ দুটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘নারী’ কবিতার। কবিতাটি ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থে আছে। এখানে কবি দেখিয়েছেন, পৃথিবীর প্রতিটি বড় কাজে নারী ও পুরুষ দুজনেরই অবদান আছে। চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদকর্তা, আর সুফিয়া কামাল আধুনিক যুগের কবি, তাই তাঁদের লেখায় এই চরণ পাওয়া যায় না।
    মনে রাখুন: এই কবিতারই আরেকটি পরিচিত চরণ ‘সাম্যের গান গাই, আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই’।
  11. ২৭. মধ্যযুগের বাংলা ভাষার প্রথম নিদর্শন কী?
    • ক. বৈষ্ণব পদাবলী
    • খ. রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান
    • গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    • ঘ. নাথসাহিত্য
    উত্তর: গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়ার এক গ্রাম থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। এতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি আছে। বৈষ্ণব পদাবলী, রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ও নাথসাহিত্য মধ্যযুগেরই সাহিত্য হলেও সময়ের দিক থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পরে বিকশিত হয়েছে, তাই প্রথম নিদর্শন এটিই।
    মনে রাখুন:
    আদি যুগের নিদর্শন চর্যাপদ।
    শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।
    চর্যাপদ ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মাঝের সময়কে প্রায়ই ‘অন্ধকার যুগ’ বলা হয়।
  12. ৩১. মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে স্মরণীয় তার কোন কাব্যের জন্য?
    • ক. মেঘনাদবধ কাব্য
    • খ. ব্রজাঙ্গনা কাব্য
    • গ. বীরাঙ্গনা
    • ঘ. চতুর্দশপদী কবিতা
    উত্তর: ক. মেঘনাদবধ কাব্য
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর জন্য। ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটি বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য। এতে রামায়ণের কাহিনিকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখিয়ে মেঘনাদের বীরত্ব ও পরিণতি তুলে ধরা হয়েছে। কাব্যটি তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখেন। ‘ব্রজাঙ্গনা’, ‘বীরাঙ্গনা’ ও ‘চতুর্দশপদী কবিতা’ও তাঁর রচনা, কিন্তু যে কাব্যের জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত, তা মেঘনাদবধ কাব্য।
    মনে রাখুন:
    অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মধুসূদন।
    তিনি বাংলায় প্রথম সনেট (চতুর্দশপদী কবিতা) লেখেন।
    তাঁর প্রথম নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’।
  13. ৩২. 'বঙ্গ আমার, জননী আমার, আমার দেশ'—গানটির রচয়িতা কে?
    • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
    • খ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
    • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ঘ. অতুলপ্রসাদ সেন
    উত্তর: খ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
    ‘বঙ্গ আমার, জননী আমার, ধাত্রী আমার, আমার দেশ’ গানটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা। দেশপ্রেমের এই গান তিনি নিজেই সুর দিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও অতুলপ্রসাদ সেনও দেশাত্মবোধক গান লিখেছেন, কিন্তু এই গানটি তাঁদের নয়। দ্বিজেন্দ্রলালের গানে স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও মাতৃভূমির বন্দনা ফুটে ওঠে।
    মনে রাখুন:
    তাঁর আরেকটি বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান ‘ধনধান্য পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা’।
    দ্বিজেন্দ্রলালের নাটক: সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত, মেবার পতন।
    অতুলপ্রসাদ সেন ‘উঠ গো ভারতলক্ষ্মী’ গানের জন্য পরিচিত।
  14. ৩৪. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
    • ক. নভোচারী
    • খ. নভশ্চারী
    • গ. নাভোশ্চারী
    • ঘ. নভচারী
    উত্তর: ক. নভোচারী
    এখানে শুদ্ধ বানান ‘নভোচারী’, অর্থ যিনি আকাশ বা মহাকাশে চলাচল করেন। বাংলায় আকাশ বোঝাতে ‘নভো-’ রূপটি পরিচিত, যেমন নভোযান, নভোমণ্ডল, নভোনীল। তাই নভোচারী শব্দটিই প্রচলিত ও শুদ্ধ। নভশ্চারী, নাভোশ্চারী বা নভচারী লেখা ঠিক নয়। তৎসম শব্দের বানান সংস্কৃতের নিয়ম অনুযায়ী লিখতে হয়, আর এ বানান মনে রাখার সহজ উপায় হলো সমজাতীয় শব্দগুলো একসঙ্গে শিখে রাখা।
    মনে রাখুন:
    মহাকাশচারী শব্দটির ইংরেজি astronaut।
    নভোচারী = নভ (আকাশ) + চারী (যে চলে)।
    আকাশ বোঝাতে আরও শব্দ: গগন, অম্বর, ব্যোম।
  15. ৩৫. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর লিখিত ও প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
    • ক. জাহান্নাম হইতে বিদায়
    • খ. রাইফেল রোটি আওরাত
    • গ. হাঙর নদী গ্রেনেড
    • ঘ. বং থেকে বাংলা
    উত্তর: ক. জাহান্নাম হইতে বিদায়
    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস শওকত ওসমানের ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’, যা ১৯৭১ সালেই প্রকাশিত হয়। এতে পাকিস্তানি দখলদার শাসনের নির্যাতনের কথা আছে। সেলিনা হোসেনের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা হলেও সেটি পরে লেখা। যুদ্ধ চলাকালে লেখা ও প্রকাশিত হওয়ায় ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ প্রথম বলে গণ্য।
    মনে রাখুন:
    শওকত ওসমানের অন্য উপন্যাস: জননী, ক্রীতদাসের হাসি।
    সেলিনা হোসেনের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা।
    শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।
  16. ৪২. বাংলা সাহিত্যের প্রথম যথার্থ উপন্যাস কোনটি?
    • ক. হুতোম প্যাঁচার নকশা
    • খ. ফুলমণি ও করুণার বিবরণ
    • গ. আলালের ঘরের দুলাল
    • ঘ. নববাবু বিলাস
    উত্তর: গ. আলালের ঘরের দুলাল
    বাংলা সাহিত্যে উপন্যাস শুরু হওয়ার আগে গদ্যে নানা ধরনের গল্প ও ব্যঙ্গরচনা লেখা হতো। তখন প্যারীচাঁদ মিত্র (টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে) ১৮৫৮ সালে ‘আলালের ঘরের দুলাল’ লেখেন। এতে কলকাতার এক ধনী পরিবারের আদরে বিগড়ে যাওয়া সন্তানের গল্প আছে, আর ভাষা ছিল কথ্য ঢঙের সহজ গদ্য। তাই একে বাংলা ভাষার প্রথম যথার্থ উপন্যাস বলা হয়। ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ কালীপ্রসন্ন সিংহের ব্যঙ্গরচনা, আর ‘নববাবুবিলাস’ ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
    মনে রাখুন:
    বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫), এটি প্রথম সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ বাংলা উপন্যাস।
    হানা ক্যাথারিন ম্যালেন্সের ‘ফুলমণি ও করুণার বিবরণ’ (১৮৫২) বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস-জাতীয় বই হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
  17. ৪৩. কবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্য কোনটি?
    • ক. কবর
    • খ. মধুমালা
    • গ. নকশী কাঁথার মাঠ
    • ঘ. রঙিলা নায়ের মাঝি
    উত্তর: গ. নকশী কাঁথার মাঠ
    জসীমউদ্দীনের সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্য ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ (১৯২৯)। এটি রূপাই ও সাজুর করুণ প্রেমের কাহিনি, যেখানে গ্রামবাংলার মাঠ, নদী আর মানুষের জীবন অপূর্ব সহজ ভাষায় ফুটে উঠেছে। কাব্যটি বিদেশেও পরিচিত, ইংরেজিতে এর অনুবাদ করেন ই. এম. মিলফোর্ড, নাম ‘The Field of the Embroidered Quilt’। এ কারণে প্রশ্নে অন্য বিকল্পগুলোর চেয়ে এটিকেই তাঁর বিখ্যাত কাব্য বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    তাঁর অন্য কাব্য ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ ও ‘রাখালী’।
    জসীমউদ্দীনকে পল্লিকবি বলা হয়। তিনি ১৯০৩ সালে ফরিদপুরে জন্মেছিলেন এবং ১৯৭৬ সালে মারা যান।
  18. ৫০. 'সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই'— কোন কবির কবিতার এই অমর পঙ্ক্তি?
    • ক. চণ্ডীদাস
    • খ. বিদ্যাপতি
    • গ. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
    • ঘ. রামনিধি গুপ্ত
    উত্তর: ক. চণ্ডীদাস
    ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ পঙ্ক্তিটি চণ্ডীদাসের। মধ্যযুগের এই কবি রাধাকৃষ্ণের প্রেম নিয়ে পদ লিখেছেন, কিন্তু এই লাইনে তিনি মানুষকেই সবার ওপরে জায়গা দিয়েছেন। তাই তাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    মদনমোহন তর্কালঙ্কার: ‘পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল’ (প্রভাত বর্ণনা, শিশুশিক্ষা গ্রন্থে)।
    রামনিধি গুপ্ত (নিধুবাবু): ‘নানান দেশের নানান ভাষা, বিনে স্বদেশীয় ভাষা, পুরে কি আশা?’ তিনি টপ্পা গানের জন্য বিখ্যাত।
    বিদ্যাপতির পদ মৈথিলী ভাষায় লেখা, তাঁকে ‘মৈথিল কোকিল’ বলা হয়।
  19. ৫৪. 'একাত্তরের দিনগুলি' বইয়ের লেখকের নাম কী?
    • ক. মেজর রফিকুল ইসলাম
    • খ. হাসান ইমাম
    • গ. জাহানারা ইমাম
    • ঘ. বেগম রোকেয়া
    উত্তর: গ. জাহানারা ইমাম
    ‘একাত্তরের দিনগুলি’ জাহানারা ইমামের লেখা স্মৃতিকথা। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে তিনি ঢাকায় যে অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেছেন, বিশেষ করে তাঁর ছেলে শহীদ রুমীর কথা, বইটিতে দিনলিপির মতো করে লেখা আছে। বইটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    জাহানারা ইমামকে ‘শহীদ জননী’ বলা হয়। তিনি ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন।
    তাঁর অন্য বই: অন্য জীবন, ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস, প্রবাসের দিনগুলি, নিঃসঙ্গ পাইন।
  20. ৫৬. একটি মাত্র শব্দ শুদ্ধভাবে লেখা কোনটি?
    • ক. কারণ
    • খ. সৌজন্যতা
    • গ. আকাংখা
    • ঘ. কল্যাণীয়ায়ু
    উত্তর: ক. কারণ
    ‘কারণ’ বানানটি শুদ্ধ, এতে মূর্ধন্য ণ বসে। বাকি তিনটি শব্দেই ভুল আছে। ‘সৌজন্য’ শব্দটি নিজেই বিশেষ্য, তাই এর সঙ্গে আবার -তা প্রত্যয় যোগ করে ‘সৌজন্যতা’ লেখা ভুল। ‘আকাঙ্ক্ষা’ শব্দে ঙ্ক্ষ যুক্তবর্ণ বসে, তাই ‘আকাংখা’ ভুল। আর মেয়েদের আশীর্বাদ জানাতে লেখা হয় ‘কল্যাণীয়াসু’, ‘কল্যাণীয়ায়ু’ নয়।
    মনে রাখুন: একই ধরনের ভুল ‘দারিদ্রতা’, শুদ্ধ রূপ ‘দারিদ্র্য’ বা ‘দরিদ্রতা’। ছেলেদের ক্ষেত্রে লেখা হয় ‘কল্যাণীয়েষু’।
  21. ৫৮. 'তুষারধবল' সমাসবদ্ধ পদটি কোন সমাসের উদাহরণ?
    • ক. রূপক কর্মধারয়
    • খ. উপমিত কর্মধারয়
    • গ. মধ্যপদলোপী
    • ঘ. উপমান কর্মধারয়
    উত্তর: ঘ. উপমান কর্মধারয়
    ‘তুষারধবল’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো ‘তুষারের ন্যায় ধবল’। এখানে তুষার হলো উপমান, অর্থাৎ যার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে, আর ধবল হলো সাধারণ ধর্ম, অর্থাৎ যে গুণটি দুই জিনিসেরই মধ্যে আছে। উপমান আর সাধারণ ধর্মবাচক পদে যে কর্মধারয় সমাস হয়, তাকে উপমান কর্মধারয় (Upaman Karmadharaya) বলে।
    উদাহরণ:
    তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র
    অরুণের ন্যায় রাঙা = অরুণরাঙা
    কাজলের ন্যায় কালো = কাজলকালো
    রূপক কর্মধারয়ে উপমেয় ও উপমানের অভেদ কল্পনা করা হয়, যেমন ‘মুখচন্দ্র’ (মুখ চন্দ্রস্বরূপ)।

ইংরেজি

  1. ২. The word 'omnipotent' refers to one who—
    • ক. knows everything
    • খ. has total power
    • গ. is present everywhere
    • ঘ. eats all types of food
    উত্তর: খ. has total power
    Omnipotent শব্দটি এসেছে ল্যাটিন omni (সব) ও potent (শক্তিশালী) থেকে। তাই এর অর্থ সর্বশক্তিমান, অর্থাৎ যার ক্ষমতা সীমাহীন। Omni- উপসর্গটির অর্থ ‘সব’, আর শব্দের বাকি অংশ থেকে বোঝা যায় কী সব। সেজন্য omni- দিয়ে শুরু হওয়া শব্দগুলো একসঙ্গে শিখে রাখলে সহজে মনে থাকে।
    মনে রাখুন:
    Omniscient মানে সর্বজ্ঞ, যিনি সব জানেন।
    Omnipresent মানে সর্বব্যাপী, যিনি সব জায়গায় আছেন।
    Omnivorous মানে সর্বভুক, যে সব ধরনের খাবার খায়।
  2. ৩. 'She was found unhurt.' The underlined word is a/an — .
    • ক. noun
    • খ. adjective
    • গ. verb
    • ঘ. adverb
    উত্তর: খ. adjective
    ‘She was found unhurt’ বাক্যে unhurt শব্দটি subject ‘She’-এর অবস্থা জানায়, অর্থাৎ তাকে কেমন অবস্থায় পাওয়া গেল। কোনো শব্দ noun বা pronoun-এর গুণ বা অবস্থা বোঝালে সেটি adjective। Unhurt মানে অক্ষত, এটি hurt-এর আগে un- যোগ করে তৈরি।
    মনে রাখুন: Be, seem, look, find-এর মতো ক্রিয়ার পরে বসে subject-এর অবস্থা বোঝানো শব্দকে Subject complement বলে, এটি সাধারণত adjective হয়।
  3. ৪. I have done my duty, — ? (Fill in the gap)
    • ক. have I
    • খ. did I
    • গ. haven't I
    • ঘ. didn't I
    উত্তর: গ. haven't I
    Tag question-এ মূল বাক্য affirmative হলে tag negative হয়, আর tag-এ মূল বাক্যের auxiliary verb-ই ব্যবহার করতে হয়। ‘I have done my duty’ বাক্যে auxiliary verb ‘have’ আছে এবং বাক্যটি affirmative। তাই tag হবে ‘haven't I?’।
    মনে রাখুন:
    Main verb-এর সঙ্গে auxiliary না থাকলে do/does/did ব্যবহার হয়, যেমন He plays well, doesn't he?
    Negative বাক্যের পরে positive tag বসে।
  4. ৫. The word 'heartening' is a/an —.
    • ক. adverb
    • খ. noun
    • গ. verb
    • ঘ. adjective
    উত্তর: ঘ. adjective
    ‘Heartening’ শব্দের অর্থ উৎসাহজনক বা মন ভালো করে দেয় এমন। এটি hearten (উৎসাহ দেওয়া) ক্রিয়া থেকে তৈরি এবং বিশেষণ হিসেবে বসে, যেমন a heartening news। তাই এটি adjective। শব্দের শেষে -ing থাকলেই সেটি verb হবে, এমন নয়। বাক্যে কোন শব্দকে বিশেষিত করছে, তা দেখেই part of speech ঠিক করতে হয়।
    মনে রাখুন:
    Heart থেকে তৈরি আরও শব্দ: hearten (verb), heartily (adverb), hearty (adjective)।
    Disheartening মানে নিরুৎসাহজনক।
    Hearten-এর বিপরীত dishearten।
  5. ১১. The word 'adore' means —.
    • ক. reward
    • খ. love dearly
    • গ. nurture
    • ঘ. support strongly
    উত্তর: খ. love dearly
    Adore শব্দের অর্থ গভীরভাবে ভালোবাসা বা শ্রদ্ধা করা। যেমন, She adores her children মানে সে সন্তানদের খুব ভালোবাসে। বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ আলাদা: reward মানে পুরস্কার দেওয়া, nurture মানে লালনপালন করা, আর support strongly মানে জোরালো সমর্থন করা। এখানে love dearly-ই adore-এর সবচেয়ে কাছের অর্থ।
    মনে রাখুন:
    Adorable মানে আদুরে বা মনোহর, এটি adore থেকে তৈরি adjective।
    Adoration মানে গভীর ভালোবাসা বা শ্রদ্ধা (noun)।
    Adore-এর সমার্থক শব্দ cherish, worship ও love।
  6. ১৭. I have to differ — you on this issue. (Fill in the gap)
    • ক. over
    • খ. to
    • গ. from
    • ঘ. with
    উত্তর: ঘ. with
    ‘ভিন্নমত পোষণ করা’ বোঝাতে differ-এর সঙ্গে with বসে, যেমন I differ with you on this issue। কিন্তু দুটি জিনিস আলাদা বোঝাতে differ from ব্যবহার হয়, যেমন Cats differ from dogs। এখানে বক্তা একজন ব্যক্তির সঙ্গে একমত নন, তাই with।
    মনে রাখুন: Agree with a person, agree to a proposal। Quarrel with a person, quarrel about a matter।
  7. ২২. Choose the correct passive form : 'I have lost my wallet.'
    • ক. My wallet had been lost.
    • খ. My wallet has been lost.
    • গ. My wallet was lost.
    • ঘ. My walled is lost.
    উত্তর: খ. My wallet has been lost.
    Active voice-এ Present perfect tense থাকলে passive করতে ‘has/have been + past participle’ বসে। ‘I have lost my wallet’ বাক্যে object ‘my wallet’ হয় নতুন subject, তাই passive হয় ‘My wallet has been lost’। Wallet একবচন বলে এখানে has been।
    মনে রাখুন:
    Past perfect-এর passive: had been + p.p.
    Simple past-এর passive: was/were + p.p.
  8. ২৫. Identify the correct spelling:
    • ক. questionnaire
    • খ. questionaire
    • গ. questionnare
    • ঘ. questioneire
    উত্তর: ক. questionnaire
    Questionnaire শব্দের অর্থ প্রশ্নমালা, অর্থাৎ কোনো সমীক্ষায় তথ্য নেওয়ার জন্য সাজানো প্রশ্নের তালিকা। শব্দটি ফরাসি, তাই এতে question-এর সঙ্গে -naire যুক্ত হয়েছে, ফলে মাঝখানে -nn- এবং শেষে -aire থাকে। বাকি বানানগুলোতে হয় n কম, নয়তো শেষ অংশ ভুল। বানান মনে রাখার একটি ভালো উপায় হলো question শব্দটি আগে ঠিকমতো লিখে তার পরে naire যোগ করা।
    মনে রাখুন: একই রকম বানানের আরও শব্দ millionaire (কোটিপতি) ও doctrinaire (গোঁড়া)।
  9. ৩০. His way of life is worthy — praise. (Fill in the blank)
    • ক. of
    • খ. for
    • গ. over
    • ঘ. to
    উত্তর: ক. of
    Worthy শব্দের পরে সাধারণত of বসে, যেমন worthy of praise (প্রশংসার যোগ্য)। তাই ‘His way of life is worthy of praise’ বাক্যটি শুদ্ধ। For, over বা to বসালে অর্থ ঠিক থাকে না, কারণ worthy-র নির্দিষ্ট preposition হলো of। কিছু adjective-এর সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition বসে, আর পরীক্ষায় এ বিষয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
    মনে রাখুন:
    Worth-এর পরে preposition লাগে না, সরাসরি noun বা gerund বসে: It is worth visiting।
    Worthy-এর সঙ্গে সবসময় of।
    Worthless মানে মূল্যহীন।
  10. ৩৬. Choose the correct sentence :
    • ক. My brother returns home just now.
    • খ. My brother is returning home just now.
    • গ. My brother will have returned home just now.
    • ঘ. My brother has returned home just now.
    উত্তর: ঘ. My brother has returned home just now.
    Just বা already থাকা বাক্যে সাধারণত Present perfect tense বসে, অর্থাৎ ‘has/have + past participle’। বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘My brother has returned home just now’ এই কাঠামোতে আছে। অন্যগুলো মেলে না: returns ও is returning বর্তমান কালের, আর will have returned ভবিষ্যতের।
    মনে রাখুন: কড়া ব্যাকরণ অনুযায়ী ‘just now’ থাকলে simple past ভালো, যেমন My brother returned home just now।
  11. ৩৭. Which one of the following words means the opposite of 'barren'?
    • ক. fertile
    • খ. useful
    • গ. isolated
    • ঘ. desolate
    উত্তর: ক. fertile
    Barren মানে অনুর্বর, অর্থাৎ যে জমিতে ফসল বা গাছপালা হয় না। এর বিপরীত শব্দ fertile, যার অর্থ উর্বর। অন্য শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: useful মানে উপকারী, isolated মানে বিচ্ছিন্ন, আর desolate মানে জনশূন্য বা পরিত্যক্ত। এর মধ্যে desolate কাছাকাছি মনে হতে পারে, কিন্তু সেটি অনুর্বরতার বিপরীত নয়।
    মনে রাখুন:
    Barren-এর সমার্থক শব্দ infertile, sterile, unproductive।
    Fertile land মানে উর্বর জমি।
    Fertility মানে উর্বরতা (noun)।
  12. ৩৮. Which one is not an example of comparative degree?
    • ক. much
    • খ. less
    • গ. more
    • ঘ. worse
    উত্তর: ক. much
    Comparative degree মানে দুটি জিনিসের তুলনায় একটি বেশি বা কম, যেমন more, less, worse, better। Much শব্দটি positive degree, তার comparative হলো more। তাই much-ই comparative নয়। Degree-র তিনটি রূপের মধ্যে সম্পর্ক বুঝলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজ হয়, যেমন much থেকে more এবং most।
    মনে রাখুন:
    Much–more–most এবং little–less–least।
    Good–better–best এবং bad–worse–worst।
    সাধারণ adjective: tall–taller–tallest।
    উদাহরণ: He has more books than I (Comparative); He has much money (Positive)।
  13. ৪০. I look forward to — from you soon. (Fill in the blank)
    • ক. hearing
    • খ. hear
    • গ. heard
    • ঘ. be heard
    উত্তর: ক. hearing
    ‘Look forward to’ বাক্যাংশের শেষের to একটি preposition, তাই এর পরে verb-এর base form না বসে -ing যুক্ত রূপ (gerund) বসে। সুতরাং ‘I look forward to hearing from you soon’ শুদ্ধ। বাক্যাংশের অর্থ হলো কিছুর জন্য অপেক্ষা করা বা আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করা। Hear, heard বা be heard বসালে ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়।
    মনে রাখুন: এ রকম আরও কিছু: be used to, object to, with a view to, in addition to। এদের পরেও verb-ing বসে।
    উদাহরণ: I am used to getting up early।
  14. ৪৪. He was struck by — and killed. (Fill in the blank)
    • ক. lightning
    • খ. lightening
    • গ. lightenning
    • ঘ. lighttening
    উত্তর: ক. lightning
    Lightning মানে বজ্রপাত, অর্থাৎ আকাশে মেঘের ভেতরে বিদ্যুতের যে তীব্র ঝলক দেখা যায় এবং যা মাটিতে আঘাত করে মানুষের প্রাণও নিতে পারে। বাক্যে ‘struck by’ থাকায় বোঝা যায়, কেউ বজ্রপাতে আঘাত পেয়েছে, তাই বাক্যটি হবে ‘He was struck by lightning and killed’। বানানের ফাঁদটা হলো lightening। এটি আলাদা শব্দ, এর অর্থ হালকা করা বা ভার কমানো (lighten থেকে)। বাকি দুটি বানান ইংরেজিতে নেই।
    মনে রাখুন:
    Lightning হলো বিদ্যুতের আলো, আর তার শব্দকে বলে thunder।
    Lightning শব্দে e নেই, আর lightening শব্দে e আছে।
  15. ৪৫. The bell had already been —. (Fill in the gap)
    • ক. rang
    • খ. ranged
    • গ. rung
    • ঘ. ringed
    উত্তর: গ. rung
    ‘The bell had already been …’ বাক্যে had been থাকায় বাক্যটি past perfect tense-এর passive voice। Passive voice-এ be-verb-এর পরে সবসময় মূল verb-এর past participle বসে। Ring ক্রিয়ার তিনটি রূপ ring–rang–rung, অর্থাৎ present, past ও past participle। তাই past participle হিসেবে rung বসবে এবং বাক্যটি হবে ‘The bell had already been rung’। Rang হলো past form, সেটি had been-এর পরে বসে না। Ranged ও ringed ভিন্ন অর্থের ভিন্ন ক্রিয়ার রূপ।
    মনে রাখুন:
    একই রকম অনিয়মিত ক্রিয়া: sing–sang–sung, swim–swam–swum, drink–drank–drunk।
    Passive voice-এর সূত্র: be-verb + past participle।
  16. ৪৬. The phrase 'hard and fast' means —.
    • ক. difficult and consistent
    • খ. fixed and definitive
    • গ. difficult but not consistent
    • ঘ. quick and consistent
    উত্তর: খ. fixed and definitive
    ‘Hard and fast’ একটি জোড়া শব্দের বাক্যাংশ (idiom)। এটি এমন নিয়ম, নীতি বা সিদ্ধান্ত বোঝায়, যা কোনোভাবেই বদলানো যায় না, অর্থাৎ বাঁধাধরা ও নির্দিষ্ট। সাধারণত এর আগে rules বা distinction জাতীয় শব্দ বসে এবং বাক্যটি না-বোধক হয়। এই কারণে এর অর্থ fixed and definitive। Difficult শব্দ বসানো বিকল্পগুলো কেবল ‘hard’ শব্দের আভিধানিক অর্থ ধরে ভুল পথে টানে।
    উদাহরণ:
    There are no hard and fast rules for writing a good essay.
    মনে রাখুন:
    আরও কিছু জোড়া শব্দের idiom: by and large (মোটের ওপর), safe and sound (নিরাপদে), odds and ends (খুচরো জিনিস)।
  17. ৪৭. Shakespeare's 'Romeo and Juliet' is a —.
    • ক. tragedy
    • খ. comedy
    • গ. tragi-comedy
    • ঘ. melodrama
    উত্তর: ক. tragedy
    ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ শেক্সপিয়রের একটি বিয়োগান্ত নাটক, অর্থাৎ ট্র্যাজেডি (Tragedy)। দুই বিবদমান পরিবারের দুই তরুণ-তরুণীর ভালোবাসা শেষ পর্যন্ত তাদের মৃত্যুতে গিয়ে থামে, তাই নাটকটিকে কমেডি বা মিলনান্তক বলা যায় না।
    মনে রাখুন:
    শেক্সপিয়রের চারটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি: হ্যামলেট, ওথেলো, কিং লিয়ার, ম্যাকবেথ।
    তাঁর কমেডি: এ মিডসামার নাইটস ড্রিম, দ্য মার্চেন্ট অব ভেনিস, টুয়েলফথ নাইট।
    শেক্সপিয়র (১৫৬৪-১৬১৬) জন্মেছিলেন ইংল্যান্ডের স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভন শহরে, তাই তাঁকে ‘বার্ড অব অ্যাভন’ বলা হয়।
  18. ৪৮. Identify the correct sentence :
    • ক. A number of students is absent today.
    • খ. A number of student is absent today.
    • গ. Number of students are absent today.
    • ঘ. A number of students are absent today.
    উত্তর: ঘ. A number of students are absent today.
    ‘A number of’ বললে আমরা বুঝি ‘অনেক’। তাই এর পরে বহুবচন বিশেষ্য (Plural noun) বসে এবং ক্রিয়াও বহুবচনের হয়। সেই কারণে ‘A number of students are absent today’ বাক্যটি শুদ্ধ। প্রথম বাক্যে ক্রিয়া ‘is’ একবচন, দ্বিতীয়টিতে ‘student’ ও ‘is’ দুটোই একবচন, আর তৃতীয়টিতে শুরুতে ‘A’ নেই, তাই এগুলো ভুল।
    মনে রাখুন:
    A number of + plural noun + plural verb: A number of books are missing.
    The number of + plural noun + singular verb: The number of students is increasing. কারণ এখানে ‘সংখ্যা’ বিষয়টিই কর্তা।
  19. ৫৫. Which one of the following is a correct proverb?
    • ক. Pen is mightier than a sword.
    • খ. The pen is mightier than sword.
    • গ. A pen is mightier than the sword.
    • ঘ. The pen is mightier than the sword.
    উত্তর: ঘ. The pen is mightier than the sword.
    বাংলায় প্রবাদটি ‘অসির চেয়ে মসি বড়’। ইংরেজিতে এটি ‘The pen is mightier than the sword’। ‘pen’ আর ‘sword’ দুটোই এখানে নির্দিষ্ট, বহুল পরিচিত ধারণা বোঝায়, তাই দুটোর আগেই ‘the’ বসে। প্রথম বাক্যে দুই জায়গাতেই article নেই, দ্বিতীয়টিতে ‘sword’-এর আগে নেই, আর তৃতীয়টিতে ‘pen’-এর আগে ‘A’ বসেছে। তাই এগুলো ভুল।
    মনে রাখুন: এই উক্তিটি ইংরেজ লেখক এডওয়ার্ড বুলওয়ার-লিটনের ‘রিশল্যু’ (Richelieu) নাটকের (১৮৩৯) সংলাপ থেকে জনপ্রিয় হয়েছে।
  20. ৫৭. Identify the correct indirect speech : Karim said, "I know this boy."
    • ক. Karim said that he knew the boy.
    • খ. Karim said that he knew this boy.
    • গ. Karim said that he knew that boy.
    • ঘ. Karim said that he knows this boy.
    উত্তর: গ. Karim said that he knew that boy.
    প্রত্যক্ষ উক্তির (Direct speech) reporting verb অতীতকালের (said) হলে পরোক্ষ উক্তিতে (Indirect speech) reported অংশের tense এক ধাপ পেছনে যায়। এখানে ‘I know’ হয়ে যায় ‘he knew’। আর কথক ও শ্রোতা দূরে সরে যাওয়ায় নির্দেশক শব্দ ‘this’ বদলে ‘that’ হয়। ফলে শুদ্ধ রূপ: Karim said that he knew that boy. প্রথম বিকল্পে ‘this/that’ বাদ গেছে, দ্বিতীয়টিতে ‘this’ থেকে গেছে, আর চতুর্থটিতে ‘knows’ বদলায়নি।
    মনে রাখুন: এই নিয়মে now→then, here→there, today→that day, tomorrow→the next day, yesterday→the previous day।

আন্তর্জাতিক

  1. ৭. আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত কোথায় অবস্থিত?
    • ক. নেদারল্যান্ডস
    • খ. সুইজারল্যান্ড
    • গ. ফ্রান্স
    • ঘ. জার্মানি
    উত্তর: ক. নেদারল্যান্ডস
    আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (International Court of Justice, ICJ) জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগ। এর কার্যালয় নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরের পিস প্যালেসে। আদালতটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দুটি দেশের মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি করে। জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গের মধ্যে এটিই একমাত্র, যার কার্যালয় নিউইয়র্কে নয়। সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স বা জার্মানিতে এটি অবস্থিত নয়।
    মনে রাখুন:
    এই আদালতে বিচারক ১৫ জন।
    আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC)-ও হেগে অবস্থিত, কিন্তু এটি জাতিসংঘের অঙ্গ নয়।
    রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি ICJ-এর কাজ।
  2. ৮. জাপানের হিরোশিমায় নিক্ষেপকৃত আণবিক বোমার নাম কী?
    • ক. ফ্যাটম্যান
    • খ. লিটল বয়
    • গ. ইয়ংম্যান
    • ঘ. সফট বয়
    উত্তর: খ. লিটল বয়
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলে। সেই বোমার নাম ‘লিটল বয়’। এর তিন দিন পর ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে যে বোমা ফেলা হয়, তার নাম ‘ফ্যাট ম্যান’। দুটি বোমার নাম একসঙ্গে মনে রাখা দরকার, কারণ প্রশ্নে প্রায়ই একটির জায়গায় অন্যটির নাম দিয়ে ভুল পথে নেওয়া হয়। ‘ইয়ংম্যান’ বা ‘সফট বয়’ নামে কোনো বোমা ছিল না।
    মনে রাখুন:
    লিটল বয় তৈরি হয়েছিল ইউরেনিয়াম দিয়ে, ফ্যাট ম্যান প্লুটোনিয়াম দিয়ে।
    এর কয়েক দিন পরেই জাপান আত্মসমর্পণ করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়।
  3. ১৬. কোন দেশটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য?
    • ক. ভারত
    • খ. জাপান
    • গ. জার্মানি
    • ঘ. ফ্রান্স
    উত্তর: ঘ. ফ্রান্স
    জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পাঁচটি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে শুধু ফ্রান্স এর মধ্যে পড়ে। ভারত, জাপান ও জার্মানি স্থায়ী সদস্য নয়, যদিও তারা স্থায়ী সদস্যপদ চায়। দেশগুলোর অর্থনৈতিক শক্তি বা আকার বেশি হলেই স্থায়ী সদস্য হওয়া যায় না, এই তালিকা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ঠিক হয়েছিল।
    মনে রাখুন: স্থায়ী সদস্যদের ভেটো (Veto) ক্ষমতা আছে। পরিষদের মোট সদস্য ১৫টি, বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্য ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
  4. ২০. কিউবার রাজধানীর নাম কী?
    • ক. উলানবাটর
    • খ. সান্তিয়াগো
    • গ. হাভানা
    • ঘ. মানামা
    উত্তর: গ. হাভানা
    কিউবা ক্যারিবীয় সাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র, আর এর রাজধানী হাভানা। অন্য বিকল্পগুলো আলাদা দেশের রাজধানী বা শহর: উলান বাটোর মঙ্গোলিয়ার রাজধানী, সান্তিয়াগো চিলির রাজধানী এবং মানামা বাহরাইনের রাজধানী। কিউবার একটি শহরের নামও সান্তিয়াগো (সান্তিয়াগো ডি কিউবা), কিন্তু সেটি রাজধানী নয়। পরীক্ষায় এ ধরনের নামের মিল দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যায়।
    মনে রাখুন:
    ১৯৫৯ সালের বিপ্লবের পর ফিদেল কাস্ত্রো কিউবার ক্ষমতায় আসেন।
    কিউবা ক্যারিবীয় অঞ্চলের বৃহত্তম দ্বীপ।
    মানামা বাহরাইনের রাজধানী।
  5. ২৬. OPEC-এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?
    • ক. ভিয়েনা
    • খ. প্রাগ
    • গ. ভেনিস
    • ঘ. বুদাপেস্ট
    উত্তর: ক. ভিয়েনা
    OPEC-এর পুরো নাম Organization of the Petroleum Exporting Countries। এটি ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর গঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়। এর কাজ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে তেলের উৎপাদন ও দাম নিয়ে সমন্বয় করা। প্রাগ, ভেনিস ও বুদাপেস্টে এর কার্যালয় নেই, আর ভিয়েনা জাতিসংঘের আরও কিছু সংস্থারও কেন্দ্র।
    মনে রাখুন:
    প্রতিষ্ঠার সময় এর মূল সদস্য ছিল ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনেজুয়েলা।
    IAEA-এর সদর দপ্তরও ভিয়েনায়।
    OPEC-এর সদস্য দেশগুলো তেল রপ্তানিকারক।
  6. ২৯. ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমস কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
    • ক. যুক্তরাজ্য
    • খ. অস্ট্রেলিয়া
    • গ. যুক্তরাষ্ট্র
    • ঘ. জাপান
    উত্তর: ঘ. জাপান
    ২০২০ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর ছিল জাপানের টোকিও। করোনা মহামারির কারণে এটি এক বছর পিছিয়ে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়, তবে নাম থাকে ‘টোকিও ২০২০’। বিকল্পগুলোর মধ্যে শুধু জাপানই এই আয়োজনের সঙ্গে মেলে। এর আগে টোকিওতে ১৯৬৪ সালেও অলিম্পিক হয়েছিল।
    মনে রাখুন:
    ২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক ফ্রান্সের প্যারিসে।
    ২০২৮ সালে হবে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে।
    অলিম্পিক প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
  7. ৩৯. ডোকলামে কোন তিন দেশের সীমান্ত যুক্ত হয়েছে?
    • ক. ভারত-নেপাল-ভুটান
    • খ. চীন-ভারত-ভুটান
    • গ. চীন-নেপাল-ভুটান
    • ঘ. পাকিস্তান-ভারত-চীন
    উত্তর: খ. চীন-ভারত-ভুটান
    ডোকলাম (Doklam) এলাকাটি ভুটানের ভূখণ্ড, যা ভারত, চীন ও ভুটান, এই তিন দেশের সীমান্ত যেখানে মিলেছে তার কাছে অবস্থিত। চীন এখানে সড়ক বানাতে গেলে ২০১৭ সালে ভারত আপত্তি জানায় এবং দুই দেশের সেনাদের মধ্যে প্রায় ৭৩ দিন টানা অচলাবস্থা তৈরি হয়। নেপাল বা পাকিস্তান এই বিরোধের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়, তাই বিকল্প অনুযায়ী উত্তর চীন-ভারত-ভুটান।
    মনে রাখুন: ভুটানের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক চীনের সঙ্গে নেই, ভারতের সঙ্গে ভুটানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
  8. ৪৯. করোনাভাইরাস রোগের প্রাদুর্ভাব প্রথম কোন দেশে দেখা দেয়?
    • ক. সৌদি আরব
    • খ. চীন
    • গ. ইরাক
    • ঘ. সিরিয়া
    উত্তর: খ. চীন
    করোনাভাইরাস রোগ কোভিড-১৯ (COVID-19) প্রথম শনাক্ত হয় চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে, ২০১৯ সালের শেষ দিকে। এই ভাইরাসের পুরো নাম সার্স-কোভ-২ (SARS-CoV-2)। রোগটি খুব দ্রুত অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২০২০ সালের ১১ মার্চ একে বৈশ্বিক মহামারি (Pandemic) ঘোষণা করে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ।
    WHO-এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
  9. ৫৯. কোন দেশটি ASEAN-এর সদস্য নয়?
    • ক. আফগানিস্তান
    • খ. মিয়ানমার
    • গ. সিঙ্গাপুর
    • ঘ. কম্বোডিয়া
    উত্তর: ক. আফগানিস্তান
    আসিয়ান (ASEAN) বা দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংঘ ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদস্য সব দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ, যেমন মিয়ানমার, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া। আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার দেশ, তাই এটি আসিয়ানের সদস্য নয়।
    মনে রাখুন:
    আসিয়ানের সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়।
    প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৫টি: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড।
    হালনাগাদ: ২০২৫ সালের অক্টোবরে পূর্ব তিমুর আসিয়ানের ১১তম সদস্য হয়েছে।

বাংলাদেশ

  1. ৯. পাটের জিন আবিষ্কার করেন কোন বিজ্ঞানী?
    • ক. জগদীশ চন্দ্র বসু
    • খ. ড. কুদরত-এ-খুদা
    • গ. ড. মাকসুদুল আলম
    • ঘ. ড. মেঘনাদ সাহা
    উত্তর: গ. ড. মাকসুদুল আলম
    পাটের জিনোম বা জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম ও তাঁর দল। ২০১০ সালে তাঁরা তোষা পাটের জিনোম উন্মোচন করেন। ২০১৩ সালে দেশি পাটের জিনোমও উন্মোচন করা হয়। এ কাজের ফলে পাটের রোগ প্রতিরোধী ও উন্নত জাত তৈরির সুযোগ হয়েছে।
    মনে রাখুন: জগদীশ চন্দ্র বসু উদ্ভিদের প্রাণ আছে তা প্রমাণ করেন এবং ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
  2. ১৩. বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কী?
    • ক. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
    • খ. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
    • গ. তাজউদ্দীন আহমদ
    • ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
    উত্তর: ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগরে প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। সেই সরকারে শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যদিও তিনি তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি। তাই তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তাঁর অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
    মনে রাখুন:
    প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
    ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি সংসদীয় ব্যবস্থা চালু হলে আবু সাঈদ চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হন।
  3. ২৮. বাংলাদেশের কোন জেলায় বেশি চা বাগান আছে?
    • ক. সিলেট
    • খ. পঞ্চগড়
    • গ. মৌলভীবাজার
    • ঘ. কক্সবাজার
    উত্তর: গ. মৌলভীবাজার
    বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়। এই জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাকে ‘চায়ের রাজধানী’ বলা হয়। পাহাড়ি টিলা ও পর্যাপ্ত বৃষ্টির কারণে এ অঞ্চলে চা চাষ ভালো হয়। সিলেট জেলাতেও চা বাগান আছে, কিন্তু সংখ্যায় মৌলভীবাজারের চেয়ে কম। কক্সবাজারে চায়ের উল্লেখযোগ্য চাষ হয় না।
    মনে রাখুন:
    সিলেট, হবিগঞ্জ ও চট্টগ্রামেও চা বাগান আছে।
    পঞ্চগড়ে সমতলে চা চাষ হয়, যেখানে সম্প্রতি অনেক বাগান গড়ে উঠছে।
    বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট শ্রীমঙ্গলে।
  4. ৩৩. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ কোনটি?
    • ক. সোনাদিয়া
    • খ. মহেশখালী
    • গ. কুতুবদিয়া
    • ঘ. ভোলা
    উত্তর: ঘ. ভোলা
    ভোলা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ এবং একমাত্র দ্বীপ জেলা। এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত। মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও সোনাদিয়া আকারে এর চেয়ে ছোট। এই তিনটি দ্বীপই কক্সবাজার জেলায়, আর ভোলা বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত।
    মনে রাখুন:
    ভোলার প্রাচীন নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর।
    মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ।
    কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর আছে।
  5. ৪১. সোনা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
    • ক. কুমিল্লা
    • খ. রংপুর
    • গ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
    • ঘ. রাজশাহী
    উত্তর: গ. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
    সোনা মসজিদ নামে পরিচিত মসজিদটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়, প্রাচীন গৌড় নগরীর কাছে অবস্থিত। গৌড় এক সময় বাংলার সুলতানি আমলের বিখ্যাত রাজধানী ছিল, আর এই অঞ্চলের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ছোট সোনা মসজিদ সবচেয়ে সুন্দর স্থাপত্যগুলোর একটি। মসজিদের গম্বুজগুলো এক সময় সোনালি রঙে ঝলমল করত বলে এমন নাম হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। কুমিল্লা, রংপুর বা রাজশাহীতে এই নামের কোনো প্রসিদ্ধ প্রাচীন মসজিদ নেই।
    মনে রাখুন:
    মসজিদটি হোসেন শাহি আমলে তৈরি।
    বাংলাদেশে আরেকটি ইউনেসকো ঐতিহ্যবাহী মসজিদ ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে।
  6. ৫১. কোনটি পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা?
    • ক. রামপাল
    • খ. সোনারগাঁ
    • গ. টাঙ্গুয়ার হাওড়
    • ঘ. আড়িয়াল বিল
    উত্তর: গ. টাঙ্গুয়ার হাওড়
    বাংলাদেশে কোনো এলাকা পরিবেশের দিক থেকে বিপন্ন হয়ে পড়লে সরকার তাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ (Ecologically Critical Area বা ECA) ঘোষণা করে। সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর এমনই একটি এলাকা, ১৯৯৯ সালে এটিকে এই মর্যাদা দেওয়া হয়। পরে ২০০০ সালের ২০ জানুয়ারি এটি রামসার সাইট (Ramsar Site) হিসেবেও স্বীকৃতি পায়। বাকি তিনটি স্থান ECA হিসেবে ঘোষিত নয়।
    মনে রাখুন:
    ECA ঘোষণার আইনি ভিত্তি বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্षण আইন, ১৯৯৫। এই আইনে পরিবেশ অধিদপ্তর ECA ঘোষণা ও ব্যবস্থাপনা করে।
    দেশের প্রথম ECA ঘোষণা হয় ১৯৯৯ সালে, তাতে সুন্দরবনের চারপাশ, কক্সবাজার-টেকনাফ সৈকত, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, সোনাদিয়া, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর ও মারজাত বাওড় ছিল।
  7. ৫২. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংবিধানের কোন ভাগে রয়েছে?
    • ক. প্রথম ভাগ
    • খ. তৃতীয় ভাগ
    • গ. পঞ্চম ভাগ
    • ঘ. দ্বিতীয় ভাগ
    উত্তর: ঘ. দ্বিতীয় ভাগ
    বাংলাদেশের সংবিধান মোট ১১টি ভাগে সাজানো। এর দ্বিতীয় ভাগের নাম ‘রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি’, যা ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রথম ভাগে আছে প্রজাতন্ত্র, তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার আর পঞ্চম ভাগে আইনসভা (জাতীয় সংসদ)।
    মনে রাখুন:
    মূলনীতির চারটি স্তম্ভ ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে আছে: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা (১৯৭২-এর মূল সংবিধানে)।
    মূলনীতিগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায় না, কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনায় এগুলো পথ দেখায়। মৌলিক অধিকার (তৃতীয় ভাগ) আদালতের মাধ্যমে কার্যকর করা যায়।
  8. ৫৩. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
    • ক. পাঁচটি
    • খ. এগারোটি
    • গ. সাতটি
    • ঘ. নয়টি
    উত্তর: খ. এগারোটি
    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সুষ্ঠুভাবে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। ১০-১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মুজিবনগর সরকারের শপথের পর কর্নেল এম এ জি ওসমানী প্রধান সেনাপতি হন, আর জুলাই মাসে সেক্টর কমান্ডারদের সম্মেলনে এই বিভাজন চূড়ান্ত রূপ পায়। প্রতিটি সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।
    মনে রাখুন:
    সেক্টরগুলোকে মোট ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
    নৌবাহিনীর কমান্ডো তৎপরতার জন্য ১০ নম্বর সেক্টর ছিল আলাদা। তাতে সমুদ্র ও নদীপথে অভিযান চলত।

বিজ্ঞান

  1. ২১. কোনটি Strong Acid?
    • ক. HNO₃
    • খ. H₃PO₄
    • গ. CH₃-COOH
    • ঘ. HCOOH
    উত্তর: ক. HNO₃
    শক্তিশালী অ্যাসিড (Strong acid) পানিতে প্রায় পুরোপুরি আয়নে ভেঙে যায়। নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃) এমন একটি অ্যাসিড, তাই এটি শক্তিশালী। বাকি তিনটি অ্যাসিড পানিতে অল্প আয়নিত হয় বলে দুর্বল: ফসফরিক অ্যাসিড (H₃PO₄) মাঝারি দুর্বল, আর অ্যাসিটিক অ্যাসিড (CH₃COOH) ও ফরমিক অ্যাসিড (HCOOH) জৈব অ্যাসিড হওয়ায় দুর্বল। ভিনেগারে থাকে অ্যাসিটিক অ্যাসিড, আর পিঁপড়ার কামড়ে ফরমিক অ্যাসিড থাকে।
    মনে রাখুন:
    শক্তিশালী অ্যাসিডের উদাহরণ HCl, H₂SO₄ ও HNO₃।
    শক্তিশালী ক্ষারের উদাহরণ NaOH ও KOH।
    জৈব অ্যাসিড সাধারণত দুর্বল।

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন