নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৪: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১০ জুন ২০২৪। ৬৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →ইংরেজি
- ১. 'Break a leg' means—.
- ক. bad luck
- খ. to hurt
- গ. good luck
- ঘ. to be failed
উত্তর: গ. good luck
Break a leg একটি idiom, যার অর্থ ‘শুভকামনা’, অর্থাৎ good luck। বিশেষ করে মঞ্চে ওঠার আগে অভিনেতাদের এ কথা বলা হয়। কথাটির শব্দে ‘পা ভাঙা’ বোঝালেও এর অর্থ ঠিক উল্টো। অনেকে নাট্যজগতে আগেভাগে good luck বলা অশুভ মনে করেন, তাই উল্টো ভঙ্গিতে এই কথাটি বলা হয়। এজন্য idiom-এর অর্থ আক্ষরিক না ধরে আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হয়।
মনে রাখুন: Good luck-এর মতো আরেকটি প্রকাশ Fingers crossed। - ৪. Why are you so hungry? "oh, I — breakfast this morning".
- ক. hadn't
- খ. didn't
- গ. didn't have
- ঘ. haven't
উত্তর: গ. didn't have
প্রথম অংশে ‘Why are you so hungry?’ জিজ্ঞেস করা হয়েছে, আর উত্তরে আজ সকালে নাশতা না করার কথা বলা হচ্ছে। এখানে সময়টি নির্দিষ্ট অতীত, this morning, তাই past indefinite tense বসবে। Past indefinite negative-এ didn’t + verb-এর মূল রূপ ব্যবহার হয়, তাই didn’t have। Hadn’t বা haven’t বসালে পরে have-এর past participle লাগত, কিন্তু এখানে breakfast একটি noun, তাই বাক্য মেলে না।
মনে রাখুন: Had no breakfast-ও এই অর্থ বোঝায়। - ৬. It is necessary that everything — read by two o'clock tomorrow.
- ক. be
- খ. was
- গ. were
- ঘ. would have been
উত্তর: ক. be
Necessary, important, essential, vital ও desirable-এর পরে that-clause থাকলে সেই clause-এ subjunctive mood ব্যবহার হয়। Subjunctive mood-এ subject যা-ই হোক না কেন, verb-এর মূল রূপ (base form) বসে। তাই be ঠিক। বাক্যটি দাঁড়ায়: It is necessary that everything be read by two o’clock tomorrow. Was বা were বসালে সাধারণ tense-এর রূপ হয়, subjunctive-এর নয়।
মনে রাখুন: এই নিয়মে I suggest that he go বাক্যে goes নয়, go বসে। - ১৭. The correct spelling is —
- ক. playwrite
- খ. playwright
- গ. playrite
- ঘ. playright
উত্তর: খ. playwright
শুদ্ধ বানান playwright, যার অর্থ নাট্যকার। শেষ অংশ ‘-wright’-এর মানে কারিগর বা নির্মাতা। Play-র সঙ্গে wright যুক্ত হয়ে নাটক-রচয়িতা বোঝায়। অন্য অপশনগুলোতে ‘-write’, ‘-rite’ বা ‘-right’ লেখা হয়েছে, কিন্তু এগুলোর কোনোটি এই শব্দের বানান নয়, যদিও উচ্চারণ একই রকম শোনায়।
মনে রাখুন: Wheelwright মানে চাকা-নির্মাতা, আর shipwright মানে জাহাজ-নির্মাতা। - ১৮. She could have been more careful, —
- ক. can't she?
- খ. won't she?
- গ. couldn't she?
- ঘ. didn't she?
উত্তর: গ. couldn't she?
Tag question-এর নিয়ম হলো, মূল বাক্যের auxiliary বা modal verb অনুযায়ী উল্টো ভাবের ছোট প্রশ্ন বসানো। এখানে বাক্যটি ইতিবাচক, আর তার প্রথম modal verb could, তাই tag হয় নেতিবাচক: couldn’t she? বাক্যে could have been আছে, তবে tag-এ সবার আগের auxiliary-টিই ধরা হয়, তাই have বা been ধরা যাবে না।
মনে রাখুন: Negative বাক্যের পর tag positive হয়, যেমন She couldn’t come, could she? - ২৫. Which one is the correct sentence?
- ক. Neither of the two women are to be trusted
- খ. The accident happened at night
- গ. What for is Jashore famous?
- ঘ. He prevented us going
উত্তর: খ. The accident happened at night
শুদ্ধ বাক্য: The accident happened at night। ‘At night’ একটি স্থায়ী প্রকাশ, যা রাতের বেলা বোঝায়। বাকি তিনটি বাক্যে ভুল আছে। ‘Neither of the two women’ একবচন ধরা হয়, তাই verb হবে is, are নয়। ‘He prevented us going’-এ prevent-এর পরে from বসে, অর্থাৎ He prevented us from going। আর ‘What for is Jashore famous?’ বাক্যে preposition বাক্যের শেষে আসে, অর্থাৎ What is Jashore famous for?
মনে রাখুন: Prevent … from, stop … from, keep … from এই কাঠামোতে from বসে। - ২৮. — one-eyed man was begging in the street.
- ক. A
- খ. An
- গ. The
- ঘ. No article
উত্তর: ক. A
Article ‘a’ বসে এমন শব্দের আগে, যার উচ্চারণ ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শুরু হয়। ‘One’ শব্দের বানান স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ ‘ওয়ান’, অর্থাৎ শুরুর ধ্বনিটি ‘ওয়’-এর মতো ব্যঞ্জনধ্বনি। তাই এখানে a বসবে: A one-eyed man was begging in the street. নিয়মটি বানান ধরে নয়, উচ্চারণ ধরে চলে।
মনে রাখুন:
একই রকম: a university, a European, a unique idea (উচ্চারণ ‘ইউ’ দিয়ে শুরু)।
উল্টো উদাহরণ: an hour, an honest man (h নীরব)। - ২৯. 'Paradise Lost' was written by —
- ক. John Keats
- খ. William Shakespeare
- গ. John Milton
- ঘ. John Donne
উত্তর: গ. John Milton
‘Paradise Lost’ (১৬৬৭) জন মিল্টনের লেখা মহাকাব্য। এতে স্বর্গ থেকে শয়তানের বিতাড়ন এবং আদম ও হাওয়ার পতনের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। এটি blank verse-এ লেখা। অন্য অপশনের কবিরা আলাদা ধারার: জন কিটস রোম্যান্টিক কবি, জন ডান ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কবিতার কবি, আর শেক্সপিয়র নাট্যকার।
মনে রাখুন:
মিল্টনের আরেক মহাকাব্য ‘Paradise Regained’।
তাঁর নাটকীয় কাব্য ‘Samson Agonistes’। - ৩৩. He told me that he — in Spain the previous year.
- ক. has been working
- খ. had worked
- গ. had been worked
- ঘ. had been working
উত্তর: খ. had worked
Direct speech থেকে indirect speech করার সময় reporting verb অতীত কালের (told) হলে reported অংশের verb-এর tense এক ধাপ পেছনে যায়। বাক্যে ‘the previous year’ অতীতের একটি নির্দিষ্ট সময় বোঝায়, তাই past indefinite হয়ে যায় past perfect: had worked। Has been working বা had been working এই নির্দিষ্ট সময়ের সঙ্গে ঠিক বসে না, আর had been worked ভুল গঠন।
মনে রাখুন: Direct speech ছিল: He said, ‘I worked in Spain last year.’ - ৩৫. What kind of noun is 'boy'?
- ক. Proper
- খ. Common
- গ. Collective
- ঘ. Material
উত্তর: খ. Common
Boy একটি common noun, কারণ এটি একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নয়, বরং একই জাতীয় সব ছেলের সাধারণ নাম। কোনো নির্দিষ্ট ছেলের নাম, যেমন Rahim, হলে সেটি proper noun। Collective noun কয়েকজনের দল বোঝায়, যেমন team, আর material noun পদার্থ বোঝায়, যেমন gold।
মনে রাখুন: Proper noun-এর প্রথম অক্ষর সবসময় capital হয়। - ৩৭. I would rather starve — beg.
- ক. to
- খ. and
- গ. than
- ঘ. none
উত্তর: গ. than
দুটি কাজের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার সময় would rather ... than ব্যবহার হয়। বাক্যটির অর্থ ‘আমি ভিক্ষা করার চেয়ে না খেয়ে থাকব’। তাই বাক্যটি দাঁড়ায়: I would rather starve than beg. Would rather-এর পরে verb-এর মূল রূপ বসে, যেমন starve, beg। এখানে to বা and বসালে তুলনার অর্থ আসে না।
মনে রাখুন: Would rather-এর বদলে had better বসালে অর্থ হয় ‘করাই ভালো’, তাই সেটি আলাদা। - ৫০. The team is — clever players. Fill in the blank.
- ক. made of
- খ. made up of
- গ. made up
- ঘ. made
উত্তর: খ. made up of
Made up of একটি phrasal verb, যার অর্থ কয়েকটি অংশ বা সদস্য নিয়ে গঠিত। তাই বাক্যটির অর্থ ‘দলটি কয়েকজন চালাক খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত’। সঠিক রূপ: The team is made up of clever players. ‘Made of’ সাধারণত কোনো বস্তুর উপাদান বোঝায়, যেমন The table is made of wood।
মনে রাখুন: Consist of, comprise ও be composed of-ও একই অর্থ প্রকাশ করে। - ৫২. Mr. Rahman had his car — with only tk 500/-.
- ক. wash
- খ. washing
- গ. to wash
- ঘ. washed
উত্তর: ঘ. washed
‘Have + object + past participle’ কাঠামো দিয়ে বোঝানো হয়, কর্তা নিজে কাজটি করেননি, অন্য কাউকে দিয়ে করিয়েছেন। তাই ‘Mr. Rahman had his car washed’ মানে মি. রহমান গাড়ি ধুইয়ে নিয়েছেন। এখানে washed হলো wash-এর past participle। Wash বা washing বসালে কাঠামোটি মেলে না, কারণ কাজটি করানো হয়েছে, কর্তা নিজে করেননি।
মনে রাখুন: একই কাঠামো: I had my hair cut (আমি চুল কাটিয়েছি)। - ৫৫. It has been raining — dogs since morning.
- ক. cats and
- খ. rats and
- গ. seriously
- ঘ. continuously
উত্তর: ক. cats and
It is raining cats and dogs একটি idiom, যার অর্থ মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এর আক্ষরিক অর্থ ‘বিড়াল ও কুকুর বৃষ্টির মতো ঝরছে’, কিন্তু আসলে এটি খুব জোরে বৃষ্টি বোঝায়। তাই এখানে cats and বসবে: It has been raining cats and dogs since morning. Idiom-এর শব্দ বদলানো যায় না, তাই rats বা অন্য শব্দ বসালে কথাটি অর্থহীন হয়ে যায়।
মনে রাখুন: Pouring-ও একই রকম প্রবল বৃষ্টি বোঝায়। - ৫৭. Identify the correct sentence :
- ক. Bread is usually made of wheat.
- খ. Bread is usually made with wheat.
- গ. Bread is usually made by wheat.
- ঘ. Bread is usually made from wheat.
উত্তর: ঘ. Bread is usually made from wheat.
Made from তখন বসে, যখন কোনো কাঁচামাল তৈরির সময় এমনভাবে বদলে যায় যে মূল পদার্থটি আর আগের চেহারায় চেনা যায় না। গম থেকে আটা বানিয়ে রুটি তৈরি হয়, তাই এখানে made from wheat ঠিক। Made of বসে যখন মূল উপাদান চেনা যায়, যেমন The table is made of wood। Made by-এর পরে তৈরি করা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বসে, আর made with-এ উপকরণ বা সহায়ক জিনিসের কথা বোঝায়।
মনে রাখুন: Made by a skilled worker (একজন দক্ষ কারিগরের তৈরি)। - ৬২. Which one is correct spelling?
- ক. Seudonim
- খ. Pseudonym
- গ. Seudonym
- ঘ. Pseudonim
উত্তর: খ. Pseudonym
শুদ্ধ বানান Pseudonym, যার অর্থ ছদ্মনাম। শব্দটি গ্রিক pseudes (মিথ্যা) ও onyma (নাম) থেকে এসেছে, অর্থাৎ মিথ্যা নাম। এজন্য বানানের শুরুতে ‘ps’ থাকে, কিন্তু উচ্চারণে ‘p’ শোনা যায় না, উচ্চারণ ‘সুডোনিম’। শেষ অংশ -nym ও গ্রিক onyma থেকে এসেছে, তাই ‘-nim’ লেখা ভুল।
মনে রাখুন: ‘ps’ দিয়ে শুরু হয় এমন আরও কিছু শব্দ: psychology, psalm। - ৬৪. If he — the money, he would have bought a fast car.
- ক. has
- খ. had had
- গ. has had
- ঘ. would have
উত্তর: খ. had had
এটি Third Conditional বাক্য, যাতে অতীতের একটি অবাস্তব শর্ত এবং তার ফল বোঝানো হয়। এই ধরনের বাক্যের কাঠামো: If + subject + had + past participle, subject + would have + past participle। এখানে result অংশে would have bought আছে, তাই if অংশে had + past participle বসবে। Have-এর past participle had, তাই had had। বাক্যটি: If he had had the money, he would have bought a fast car.
মনে রাখুন: Had had লেখায় প্রথম had সহায়ক ক্রিয়া, দ্বিতীয় had মূল ক্রিয়া have-এর past participle।
বিজ্ঞান
- ২. Common Bacterial Disease কোনটি?
- ক. Dysentery
- খ. Influenza
- গ. Dengue
- ঘ. Malaria
উত্তর: ক. Dysentery
ব্যাকটেরিয়া থেকে হওয়া সাধারণ একটি রোগ আমাশয় (Dysentery), বিশেষ করে ব্যাসিলারি আমাশয়, যার জীবাণু Shigella। অন্য অপশনগুলোর কারণ আলাদা। ইনফ্লুয়েঞ্জা ও ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে হয়, আর ম্যালেরিয়া হয় প্লাজমোডিয়াম নামক প্রোটোজোয়ার কারণে। রোগের জীবাণু কোন শ্রেণির, তা জানলে এমন প্রশ্নে সহজে উত্তর মেলে।
মনে রাখুন:
অ্যামিবা-জনিত আমাশয়ও হয়, যার জীবাণু Entamoeba histolytica।
অপরিচ্ছন্ন পানি ও খাবার আমাশয় ছড়ায়। - ৭. ডায়াবেটিস রোগ হয়–
- ক. ইনসুলিনের অভাবে
- খ. থাইরক্সিনের অভাবে
- গ. ইস্ট্রোজেনের অভাবে
- ঘ. গ্রোথ হরমোনের অভাবে
উত্তর: ক. ইনসুলিনের অভাবে
ডায়াবেটিস হয় ইনসুলিন হরমোনের অভাবে অথবা তা ঠিকমতো কাজ না করার কারণে। অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ ইনসুলিন তৈরি করে। ইনসুলিন কম হলে রক্তের গ্লুকোজ কোষে ঢুকতে পারে না, ফলে রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে যায়। অন্য অপশনগুলোর অভাবে ভিন্ন সমস্যা হয়: থাইরক্সিনের অভাবে ক্রেটিনিজম বা মিক্সিডিমা, আর গ্রোথ হরমোনের অভাবে বামনত্ব দেখা দেয়।
মনে রাখুন:
প্রথম ধরনের ডায়াবেটিসে অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না।
বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ১৪ নভেম্বর। - ৮. যৌনরোগ কোনটি?
- ক. Syphilis
- খ. UTI
- গ. Diabetes
- ঘ. ক্যান্সার
উত্তর: ক. Syphilis
যে রোগ যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়, তাকে যৌনবাহিত রোগ বলে। সিফিলিস (Syphilis) Treponema pallidum নামের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় এবং এটি যৌনবাহিত রোগ। অন্য অপশনগুলো আলাদা ধরনের: UTI মূত্রপথের সংক্রমণ, ডায়াবেটিস হরমোনজনিত রোগ আর ক্যান্সার কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি।
মনে রাখুন:
যৌনবাহিত অন্য রোগ: গনোরিয়া, এইডস।
সিফিলিস পেনিসিলিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিকে সারে। - ১০. ভাঙা হাড় নির্ণয়ে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
- ক. রঞ্জন রশ্মি
- খ. আলফা রশ্মি
- গ. বিটা রশ্মি
- ঘ. গামা রশ্মি
উত্তর: ক. রঞ্জন রশ্মি
ভাঙা হাড় দেখতে রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে (X-ray) ব্যবহার করা হয়। এক্স-রে মাংসপেশি ভেদ করে চলে যায়, কিন্তু ঘন হাড়ে বেশি শোষিত হয়, তাই ছবিতে হাড়ের গঠন স্পষ্ট দেখা যায়। ১৮৯৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী উইলহেলম রন্টজেন এই রশ্মি আবিষ্কার করেন, তাই এর আরেক নাম রঞ্জন রশ্মি। আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে বের হয়।
মনে রাখুন:
এক্স-রে একটি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ।
রন্টজেন এই আবিষ্কারের জন্য ১৯০১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার পান। - ১২. খাদ্য হজম প্রক্রিয়া শুরু হয়–
- ক. পাকস্থলিতে
- খ. ক্ষুদ্রান্ত্রে
- গ. মুখগহ্বরে
- ঘ. বৃহদান্ত্রে
উত্তর: গ. মুখগহ্বরে
আমাদের খাদ্য হজম শুরু হয় মুখগহ্বরে। দাঁত খাবার চিবিয়ে ছোট করে দেয়, আর লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালার টায়ালিন বা অ্যামাইলেজ এনজাইম শ্বেতসারকে ভেঙে মল্টোজ তৈরি করে। এরপর খাবার পাকস্থলিতে যায়, যেখানে প্রোটিন হজম শুরু হয়। ক্ষুদ্রান্ত্রে হজম শেষ হয় ও শোষণ ঘটে, আর বৃহদান্ত্রে প্রধানত পানি শোষিত হয়।
মনে রাখুন:
প্রোটিন হজম শুরু হয় পাকস্থলিতে এবং চর্বি হজম প্রধানত ক্ষুদ্রান্ত্রে।
খাদ্য হজমের মূল স্থান ক্ষুদ্রান্ত্র। - ১৩. কোন মশার কামড়ে চিকুনগুনিয়া জ্বর হয়?
- ক. কিউলেক্স
- খ. এনোফিলিস
- গ. এডিস
- ঘ. Sandfly
উত্তর: গ. এডিস
চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত জ্বর, যা এডিস (Aedes) মশার কামড়ে ছড়ায়। এই রোগে তীব্র জ্বর আর জোড়ায় জোড়ায় ব্যথা হয়। এডিস মশাই ডেঙ্গুও ছড়ায়। কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া ছড়ায় এবং অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া ছড়ায়। অর্থাৎ মশার জাত বুঝলে রোগের নামও মনে রাখা যায়।
মনে রাখুন:
এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায়।
এরা জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। - ২৭. সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?আরও এসেছে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ২০১৫
- ক. ৪টি
- খ. ৫টি
- গ. ৬টি
- ঘ. ৮টি
উত্তর: গ. ৬টি
সুষম খাদ্যে ছয়টি উপাদান থাকে: শর্করা, আমিষ (প্রোটিন), স্নেহ বা চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। শরীর গঠন, শক্তি জোগানো এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য এই সবগুলো সঠিক অনুপাতে লাগে। কোনো একটি উপাদান বেশি বা কম হলে খাদ্য আর সুষম থাকে না। তাই ৪টি বা ৫টি বললে ভুল হয়, ছয়টিই ধরতে হয়।
মনে রাখুন:
শক্তি জোগায় শর্করা, স্নেহ ও আমিষ।
শরীর গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে আমিষ। - ৩১. ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস কী?
- ক. কলা
- খ. আম
- গ. দুধ
- ঘ. মুরগি
উত্তর: গ. দুধ
ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত গঠনের প্রধান খনিজ। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, যেমন দই ও পনিরে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে। তাই ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস দুধ। কলা ও আমে এর পরিমাণ খুব কম, আর মুরগির মাংস প্রধানত আমিষের উৎস। এজন্য শিশু ও বয়স্কদের দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
মনে রাখুন:
ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের রিকেট এবং বয়স্কদের অস্টিওপোরোসিস হয়।
ছোট মাছ, যেমন মলা ও ঢেলা মাছও ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। - ৩২. কোন এসিড পাকস্থলিতে থাকে?
- ক. Acetic Acid
- খ. Hydrochloric Acid
- গ. Sulphuric Acid
- ঘ. Formic Acid
উত্তর: খ. Hydrochloric Acid
পাকস্থলিতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) থাকে, যা গ্যাস্ট্রিক রসের অংশ। এই এসিড খাবারের সঙ্গে আসা জীবাণু মেরে ফেলে এবং নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেনকে সক্রিয় পেপসিনে রূপ দেয়। পেপসিন প্রোটিন হজমে সাহায্য করে। অ্যাসিটিক, সালফিউরিক বা ফরমিক এসিড পাকস্থলির স্বাভাবিক উপাদান নয়।
মনে রাখুন:
গ্যাস্ট্রিক রসের pH প্রায় 1.5 থেকে 3.5।
পাকস্থলির ভেতরের দেয়াল শ্লেষ্মা দিয়ে ঢাকা থাকে বলে এসিড তাকে ক্ষয় করতে পারে না। - ৩৪. মানুষের শরীরে কতজোড়া ক্রোমোজোম আছে?
- ক. ৬ জোড়া
- খ. ২৩ জোড়া
- গ. ৩৩ জোড়া
- ঘ. ৪৬ জোড়া
উত্তর: খ. ২৩ জোড়া
মানুষের প্রতিটি দেহকোষে মোট 46টি ক্রোমোজোম থাকে, যা 23 জোড়া। এর মধ্যে 22 জোড়া অটোজোম এবং 1 জোড়া লিঙ্গ ক্রোমোজোম। নারীদের লিঙ্গ ক্রোমোজোম XX আর পুরুষদের XY। অনেকে 46 সংখ্যাটিকেই জোড়ার সংখ্যা ভেবে ভুল করেন, কিন্তু 46 হলো মোট ক্রোমোজোম, জোড়ার সংখ্যা নয়।
মনে রাখুন:
জনন কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক, অর্থাৎ 23।
ডাউন সিনড্রোমে 21 নম্বর ক্রোমোজোম একটি বেশি থাকে। - ৩৮. রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় না কোনটি?
- ক. হেপাটাইটিস-A
- খ. হেপাটাইটিস-B
- গ. ম্যালেরিয়া
- ঘ. হেপাটাইটিস-C
উত্তর: ক. হেপাটাইটিস-A
হেপাটাইটিস A ভাইরাস দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়, রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় না। হেপাটাইটিস B ও C সংক্রমিত রক্ত, ব্যবহৃত সুচ বা অনিরাপদ রক্তসঞ্চালনের মাধ্যমে ছড়ায়। ম্যালেরিয়া সাধারণত মশার কামড়ে ছড়ায়, তবে সংক্রমিত রক্ত দেওয়া হলেও এটি ছড়াতে পারে।
মনে রাখুন:
হেপাটাইটিস A ও E পানিবাহিত, B ও C রক্তবাহিত।
হেপাটাইটিস B-এর টিকা আছে এবং এটি শিশুদের নিয়মিত টিকায় দেওয়া হয়। - ৪২. ডেঙ্গু জ্বরের বাহক মশা কোনটি?
- ক. এনোফিলিস
- খ. কিউলেক্স
- গ. এডিস
- ঘ. সকল মশা
উত্তর: গ. এডিস
ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাস বহন করে এডিস (Aedes) মশা, বিশেষ করে Aedes aegypti। এই মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায় এবং ঘরের আশপাশে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। অ্যানোফিলিস ম্যালেরিয়া ছড়ায়, আর কিউলেক্স ফাইলেরিয়া ছড়ায়। সব মশা একই রোগ ছড়ায় না, তাই ‘সকল মশা’ অপশনটি ভুল।
মনে রাখুন:
ডেঙ্গুতে রক্তের অণুচক্রিকা কমে যায়।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফুলদানি, ডাবের খোসা ও টায়ারে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। - ৪৬. কোনটি গ্রন্থির রাজা?
- ক. এড্রেনাল
- খ. থাইরয়েড
- গ. পিটুইটারি
- ঘ. থাইমাস
উত্তর: গ. পিটুইটারি
পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary gland) মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত মটরদানার মতো ছোট গ্রন্থি। এটি বৃদ্ধি, প্রজনন ও বিপাকসহ নানা কাজের হরমোন তৈরি করে। আবার থাইরয়েড, অ্যাড্রিনাল ও জননগ্রন্থির মতো অন্য গ্রন্থিদের কাজও এটি নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে একে গ্রন্থির রাজা বা মাস্টার গ্রন্থি বলা হয়।
মনে রাখুন:
পিটুইটারি গ্রন্থির পরিচালক হাইপোথ্যালামাস।
পিটুইটারি থেকে বৃদ্ধি হরমোন (GH) নিঃসৃত হয়। - ৬০. অসংক্রামক ব্যাধি কোনটি?
- ক. যক্ষ্মা
- খ. নিউমোনিয়া
- গ. উচ্চ রক্তচাপ
- ঘ. আমাশয়
উত্তর: গ. উচ্চ রক্তচাপ
যে রোগ জীবাণুর মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায় না, তাকে অসংক্রামক রোগ বলে। উচ্চ রক্তচাপ এমন রোগ, যার কারণ জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস ও বংশগতি। যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া ও আমাশয় জীবাণু থেকে ছড়ায়, তাই এগুলো সংক্রামক। যক্ষ্মার জীবাণু ব্যাকটেরিয়া, আর আমাশয়ও জীবাণুঘটিত।
মনে রাখুন:
অসংক্রামক রোগ: ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সার।
যক্ষ্মার জীবাণু Mycobacterium tuberculosis। - ৬৬. Heart-এর বাহিরের আবরণীকে কী বলে?
- ক. Pleura
- খ. Peritoneum
- গ. Pericardium
- ঘ. Mucosa
উত্তর: গ. Pericardium
হৃৎপিণ্ডের বাইরের আবরণের নাম পেরিকার্ডিয়াম (Pericardium)। এটি দুই স্তরের পর্দা, যার মাঝের তরল হৃৎপিণ্ডকে ঘর্ষণ থেকে বাঁচায়। প্লুরা (Pleura) ফুসফুসের আবরণ, পেরিটোনিয়াম (Peritoneum) পেটের গহ্বরের আবরণ এবং মিউকোসা (Mucosa) হলো শ্লেষ্মা ঝিল্লি।
মনে রাখুন:
হৃৎপিণ্ডের ভেতরের আবরণ এন্ডোকার্ডিয়াম।
হৃৎপিণ্ডের পেশিস্তরকে মায়োকার্ডিয়াম বলে।
বাংলা
- ৩. কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ যুক্ত হয়েছে?
- ক. নির্খুঁত
- খ. আনমনা
- গ. অবহেলা
- ঘ. নিমরাজি
উত্তর: ঘ. নিমরাজি
‘নিমরাজি’ শব্দে ‘নিম’ উপসর্গ ফারসি, যার অর্থ আধা। তাই এটি বিদেশি উপসর্গযুক্ত শব্দ, অর্থাৎ আধা রাজি। বাকি শব্দগুলোর উপসর্গ বাংলা বা সংস্কৃত থেকে এসেছে: ‘নির্খুঁত’-এ ‘নির্’, ‘আনমনা’-য় ‘আন’ এবং ‘অবহেলা’-য় ‘অব’। বিদেশি উপসর্গের তালিকা মুখস্থ থাকলে এমন প্রশ্ন সহজ হয়।
মনে রাখুন:
ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, হর। - ৫. 'আবরণ' যদি আচ্ছাদন হয়, তাহলে 'আভরণ' মানে কী?
- ক. রম্যময়
- খ. অলংকার
- গ. চলন্ত
- ঘ. দীপ্তিময়
উত্তর: খ. অলংকার
‘আভরণ’ শব্দের অর্থ অলংকার, ভূষণ বা গহনা। প্রশ্নে ‘আবরণ’-এর অর্থ আচ্ছাদন দিয়ে দুটি কাছাকাছি শব্দের পার্থক্য বোঝানো হয়েছে। ‘আবরণ’ ঢাকার জিনিস, আর ‘আভরণ’ সাজানোর জিনিস। শব্দ দুটির উচ্চারণ প্রায় এক, তাই বানান আর অর্থ আলাদা করে মনে রাখতে হয়।
মনে রাখুন: ‘অলংকার’-এর সমার্থক শব্দ ভূষণ, গহনা, আভরণ। - ৯. কোনটি শুদ্ধ?
- ক. বুদ্ধিজীবী
- খ. বুদ্ধিজিবী
- গ. বুদ্ধিজিবি
- ঘ. বুদ্ধীজীবী
উত্তর: ক. বুদ্ধিজীবী
শুদ্ধ বানান ‘বুদ্ধিজীবী’। শব্দটি ‘বুদ্ধি’ ও ‘জীবী’ মিলে হয়েছে। ‘জীবী’ শব্দের অর্থ যে জীবিকা নির্বাহ করে, অর্থাৎ বুদ্ধি দিয়ে যিনি জীবিকা চালান। এখানে ‘জীবী’-তে দীর্ঘ ঈ-কার হয়, কারণ শব্দটি সংস্কৃত ‘জীবিন্’ থেকে এসেছে। ‘বুদ্ধি’ শব্দের শেষেও হ্রস্ব ই-কার থাকে। তাই অন্য অপশনের বানানগুলো অশুদ্ধ।
মনে রাখুন:
আরও শুদ্ধ বানান: শ্রমজীবী, কৃষিজীবী, মরীচিকা, সমীচীন, নীহারিকা। - ১৫. 'আমীর হামজা' রচনা করেন কে?
- ক. আলাওল
- খ. ফকির গরীবুল্লাহ
- গ. সৈয়দ হামজা
- ঘ. রেজাউদ্দৌলা
উত্তর: খ. ফকির গরীবুল্লাহ
‘আমীর হামজা’ মধ্যযুগের দোভাষী পুঁথি সাহিত্যের কাব্য। এটি ফারসি কাহিনির অনুসরণে লেখা। বাংলায় এর প্রথম রচয়িতা হিসেবে ফকির গরীবুল্লাহর নাম নেওয়া হয়, আর তাঁর অনুসারী সৈয়দ হামজা পরে এ ধারার কাব্য সম্পূর্ণ করেন। আলাওল ‘পদ্মাবতী’র কবি, তাই তিনি এই কাব্যের রচয়িতা নন।
মনে রাখুন:
দোভাষী পুঁথির ভাষায় আরবি-ফারসি শব্দ প্রচুর মেশানো থাকে।
সৈয়দ হামজার অন্য কাব্য ‘মধুমালতী’। - ২১. 'নীলিমা' শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
- ক. নীল + ইমা
- খ. নীল + ঈমা
- গ. নীল + ঈমন
- ঘ. নীল + ইমন্
উত্তর: ঘ. নীল + ইমন্
‘নীলিমা’ শব্দটি গঠিত হয়েছে নীল + ইমন্ প্রত্যয় দিয়ে। এটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়, যা বিশেষণ শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য গড়ে। ‘ইমন্’ বাংলায় এসে ‘ইমা’ হয়ে যায়। ফলে অর্থ দাঁড়ায় নীল বর্ণ বা নীলের ভাব। এই প্রত্যয়ের নামে শেষের ‘ন্’ অংশটি বাংলায় থাকে না, তাই অপশনগুলো মিলিয়ে নিতে হয়।
মনে রাখুন:
মহৎ + ইমন্ = মহিমা।
লাল + ইমন্ = লালিমা। - ২৩. 'তুমি এতক্ষণ কী কী করেছ?'– এ বাক্যে 'কী' কোন পদ?
- ক. বিশেষণ
- খ. সর্বনাম
- গ. অব্যয়
- ঘ. ক্রিয়া
উত্তর: খ. সর্বনাম
‘তুমি এতক্ষণ কী কী করেছ?’ বাক্যে ‘কী’ শব্দটি কাজের নাম জানতে চাইছে, অর্থাৎ বিশেষ্যের বদলে বসেছে, তাই এটি প্রশ্নবাচক সর্বনাম। সর্বনাম নামের বদলে বসে। এখানে ‘কী কী’ বলতে করা কাজগুলোকে বোঝানো হয়েছে। কিন্তু ‘কোন বই?’ বাক্যে ‘কোন’ বিশেষ্য ‘বই’-এর আগে বসে সেটিকে বিশেষিত করে, তাই সেখানে ‘কোন’ বিশেষণ।
মনে রাখুন:
প্রশ্নবাচক সর্বনাম: কে, কী, কার, কাকে, কারা। - ৩৬. 'তিমির হননের কবি' কে?
- ক. বিষ্ণু দে
- খ. জীবনানন্দ দাশ
- গ. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
- ঘ. বুদ্ধদেব বসু
উত্তর: খ. জীবনানন্দ দাশ
জীবনানন্দ দাশকে ‘তিমির হননের কবি’ বলা হয়, কারণ তাঁর কবিতায় অন্ধকার, ক্লান্তি ও নির্জনতার ছবি বারবার ফিরে এসেছে। তিনি ত্রিশের দশকের প্রধান কবিদের একজন। এ ছাড়া তাঁকে চিত্ররূপময় কবি, নির্জনতম কবি ও রূপসী বাংলার কবিও বলা হয়। বিষ্ণু দে, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ও বুদ্ধদেব বসুও ত্রিশের দশকের কবি, তবে এই উপাধি তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
বুদ্ধদেব বসু ‘কল্লোল’ যুগের কবি।
সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যের নাম ‘অর্কেস্ট্রা’। - ৩৯. 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' হলেন–
- ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- গ. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর: ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ বলা হয়। তাঁর উপন্যাসে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, বিশেষ করে নারীর জীবনের বেদনা মর্মস্পর্শী ভাষায় ফুটে উঠেছে। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’, ‘দেবদাস’, ‘পথের দাবী’ ও ‘চরিত্রহীন’। মানিক, তারাশঙ্কর ও বিভূতিভূষণও বড় কথাসাহিত্যিক, কিন্তু এই উপাধি তাঁদের নয়।
মনে রাখুন:
শরৎচন্দ্র ‘অনিলা দেবী’ ছদ্মনামেও লিখতেন। - ৪১. মনের ভাব প্রকাশের প্রধান বাহন কোনটি?
- ক. চিত্র
- খ. ভাষা
- গ. আচরণ
- ঘ. ইঙ্গিত
উত্তর: খ. ভাষা
মনের ভাব প্রকাশের প্রধান বাহন ভাষা। চিত্র, ইঙ্গিত বা আচরণ দিয়েও আমরা কিছু ভাব জানাতে পারি, কিন্তু সেগুলো সীমিত। ভাষার মাধ্যমে আমরা জটিল চিন্তা, অনুভূতি ও তথ্য স্পষ্টভাবে অন্যকে বোঝাতে পারি, তাই ভাষাই সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।
মনে রাখুন: ভাষা দুই প্রকার: মৌখিক ও লিখিত। - ৪৩. 'আওয়াজ' কোন ভাষার শব্দ থেকে আগত?
- ক. আরবি
- খ. ফারসি
- গ. তুর্কি
- ঘ. আরবি-ফারসির মিশ্রণ
উত্তর: খ. ফারসি
‘আওয়াজ’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। এর অর্থ শব্দ বা ধ্বনি। মুসলিম শাসনামলে ফারসি ছিল রাজকীয় ভাষা, তাই এ ভাষার বহু শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে গেছে। আরবি ও তুর্কি শব্দের সঙ্গে ফারসি শব্দ গুলিয়ে ফেলা সহজ, তাই এই শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
ফারসি শব্দ: খোদা, নামাজ, রোজা, চশমা, দোকান, কারখানা, আমদানি। - ৪৪. 'ইচ্ছা'-এর প্রতিশব্দ কী?
- ক. আবেগ
- খ. আহ্লাদ
- গ. আনন্দ
- ঘ. সাধ
উত্তর: ঘ. সাধ
‘ইচ্ছা’ শব্দের সমার্থক শব্দ স্পৃহা, অভিলাষ, বাসনা, সাধ ও আকাঙ্ক্ষা। এখানে বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘সাধ’ই ইচ্ছার সমার্থক। ‘আবেগ’ মানে মনের উচ্ছ্বাস, ‘আহ্লাদ’ মানে আনন্দ বা সুখ, আর ‘আনন্দ’ মানে খুশি, তাই এগুলো ইচ্ছার সমার্থক নয়।
মনে রাখুন: ‘সাধ’ ও ‘সাধ্য’ আলাদা শব্দ: সাধ মানে ইচ্ছা আর সাধ্য মানে সামর্থ্য। - ৪৫. 'মর্সিয়া' শব্দটির উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?
- ক. আরবি
- খ. ফারসি
- গ. তুর্কি
- ঘ. হিন্দি
উত্তর: খ. ফারসি
মর্সিয়া শব্দের অর্থ শোকগাথা, যা কারবালার শহীদদের স্মরণে রচিত হয় এবং মহররমে গাওয়া হয়। শব্দটি আরবি মূল থেকে ফারসি ভাষার মাধ্যমে বাংলায় এসেছে, তাই একে সাধারণত ফারসি শব্দ হিসেবে ধরা হয়। মধ্যযুগের মুসলিম কবিরা এই ধারা বাংলায় এনেছিলেন।
মনে রাখুন: মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ-সিন্ধু’ কারবালার করুণ কাহিনি অবলম্বনে লেখা। - ৪৭. 'মোমবাতি' শব্দটি কোন প্রক্রিয়ায় গঠিত?
- ক. সমাস
- খ. সন্ধি
- গ. প্রত্যয়
- ঘ. উপসর্গ
উত্তর: ক. সমাস
‘মোমবাতি’ শব্দটি সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত। এর ব্যাসবাক্য ‘মোম দিয়ে তৈরি বাতি’। এখানে ‘দিয়ে তৈরি’ কথাটি লোপ পেয়েছে, তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। সন্ধি দুটি ধ্বনির মিলনে হয়, আর উপসর্গ ও প্রত্যয় শব্দের আগে বা পরে বসে, এগুলো এখানে নেই।
মনে রাখুন:
সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।
সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা। - ৪৮. অর্থ অনুযায়ী শব্দ কত প্রকার?
- ক. ২ প্রকার
- খ. ৩ প্রকার
- গ. ৫ প্রকার
- ঘ. ৭ প্রকার
উত্তর: খ. ৩ প্রকার
অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়: যৌগিক, রূঢ়ি এবং যোগরূঢ়। যে শব্দের অর্থ তার অংশগুলোর অর্থ থেকেই বোঝা যায়, সেটি যৌগিক, যেমন গায়ক। যে শব্দের অর্থ তার অংশ থেকে বোঝা যায় না, সেটি রূঢ়ি, যেমন হস্তী। আর যে শব্দ অংশের অর্থের সঙ্গে মিললেও বিশেষ অর্থ বোঝায়, সেটি যোগরূঢ়, যেমন পঙ্কজ।
মনে রাখুন: গঠন অনুযায়ী শব্দ দুই প্রকার: মৌলিক ও সাধিত। - ৫১. 'ব্রজবুলি' ভাষার প্রবর্তক কে?
- ক. চণ্ডীদাস
- খ. বিদ্যাপতি
- গ. আলাওল
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: খ. বিদ্যাপতি
ব্রজবুলি ভাষার প্রবর্তক হিসেবে বিদ্যাপতির নাম নেওয়া হয়। এটি বাংলা ও মৈথিলি ভাষার মিশ্রণে গড়া একটি কৃত্রিম কাব্যভাষা, যাতে বৈষ্ণব কবিতা লেখা হতো। বিদ্যাপতি মিথিলার রাজসভার কবি ছিলেন। চণ্ডীদাস বাংলায় রাধা-কৃষ্ণের পদ লিখেছেন, আলাওল মধ্যযুগে আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন, আর রবীন্দ্রনাথ পরে ব্রজবুলিতে ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ লিখেছেন।
মনে রাখুন:
বিদ্যাপতির রচনা: কীর্তিলতা, পুরুষপরীক্ষা, লিখনাবলী। - ৬৫. 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' কে?
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গ. মধুসূদন দত্ত
- ঘ. জীবনানন্দ দাশ
উত্তর: ক. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২–১৮৫৯) মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র এবং আধুনিক যুগের প্রথম কবি মধুসূদন দত্তের মাঝামাঝি সময়ে এসেছিলেন। তাঁর কবিতায় পুরোনো ও নতুন, দুই যুগের ছাপ ছিল। তাই তাঁকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। বিদ্যাসাগর, মধুসূদন ও জীবনানন্দ বাংলা সাহিত্যের অন্য যুগের প্রতিনিধি।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক।
জীবনানন্দ দাশ রূপসী বাংলার কবি। - ৬৭. 'ঝির ঝির করে বাতাস বইছে'– এখানে দ্বিরুক্ত শব্দটি কী অর্থ প্রকাশ করছে?
- ক. ভাবের গভীরতা
- খ. ধ্বনিব্যঞ্জনা
- গ. পৌনঃপুনিকতা
- ঘ. সামান্যতা
উত্তর: খ. ধ্বনিব্যঞ্জনা
‘ঝির ঝির করে বাতাস বইছে’ বাক্যে ‘ঝির ঝির’ ধ্বনির অনুকরণে তৈরি দ্বিরুক্ত শব্দ। বাতাস বয়ে যাওয়ার মৃদু শব্দ এর মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে, অর্থাৎ এটি ধ্বনিব্যঞ্জনা বা ধ্বন্যাত্মক অর্থ প্রকাশ করছে। শব্দটি বারবার ঘটার ভাব বা গভীরতা বোঝাচ্ছে না। এজন্য এ ধরনের দ্বিরুক্তিকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বলা হয়।
মনে রাখুন:
ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ: টাপুর টুপুর, কনকন, ঝমঝম। - ৬৮. বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ কয়টি?
- ক. ৫টি
- খ. ৪টি
- গ. ৩টি
- ঘ. ২টি
উত্তর: গ. ৩টি
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়: প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ। প্রাচীন যুগের নিদর্শন চর্যাপদ। মধ্যযুগের নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলী প্রভৃতি। আধুনিক যুগ শুরু হয়েছে ঊনিশ শতকে। দুই, চার বা পাঁচটি যুগের বিভাগ প্রচলিত নয়।
মনে রাখুন:
প্রাচীন যুগ আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ সাল পর্যন্ত ধরা হয়।
তুর্কি আক্রমণের পরের সময়কে (১২০১–১৩৫০) অনেকে অন্ধকার যুগ বলেন।
আন্তর্জাতিক
- ১১. ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন "COP 30" কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
- ক. স্পেন
- খ. ব্রাজিল
- গ. ইতালি
- ঘ. মিশর
উত্তর: খ. ব্রাজিল
COP-এর পূর্ণরূপ Conference of the Parties, অর্থাৎ জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামো সনদে (UNFCCC) যেসব দেশ সই করেছে, তাদের বার্ষিক সম্মেলন। ২০২৫ সালের COP 30 ব্রাজিলের বেলেম (Belém) শহরে অনুষ্ঠিত হয়, যা আমাজন অঞ্চলের প্রবেশদ্বার। বিশ্বের সবচেয়ে বড় বৃষ্টিবন আমাজনের কাছাকাছি হওয়ায় এই স্থান পছন্দের পেছনে একটি প্রতীকী অর্থ আছে।
মনে রাখুন:
COP 29 হয় আজারবাইজানের বাকুতে (২০২৪)।
COP 28 হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে (২০২৩)।
COP 26 হয় যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে (২০২১)। - ১৬. 'ইউরোপের রুটির ঝুড়ি' কোনটি?
- ক. ইউক্রেন
- খ. বেলজিয়াম
- গ. ইতালি
- ঘ. গ্রিস
উত্তর: ক. ইউক্রেন
ইউক্রেনকে ‘ইউরোপের রুটির ঝুড়ি’ (Breadbasket of Europe) বলা হয়। দেশটির কালো মাটি অত্যন্ত উর্বর, আর এখানে প্রচুর গম ও ভুট্টা জন্মে। তাই ইউরোপ ও বিশ্বের অনেক দেশে ইউক্রেন গম রপ্তানি করে। অন্য দেশেরও ডাকনাম আছে: বেলজিয়ামকে বলা হয় ইউরোপের ককপিট বা রণক্ষেত্র, কারণ বহু যুদ্ধ সেখানে হয়েছে।
মনে রাখুন:
গ্রিসকে পশ্চিমা সভ্যতার সূতিকাগার বলা হয়। - ২৬. ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর নাম কী?
- ক. মাসা আমিনি
- খ. ইয়োন ফসে
- গ. নার্গিস মোহাম্মদী
- ঘ. শিরিন এবাদি
উত্তর: গ. নার্গিস মোহাম্মদী
২০২৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ইরানের মানবাধিকার কর্মী নার্গিস মোহাম্মদি। তিনি ইরানে নারীদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে এবং সবার মানবাধিকারের জন্য লড়াই করার কারণে এই সম্মান পান। অন্য অপশনগুলো ভিন্ন: মাসা আমিনি ইরানের এক তরুণী, যাঁর মৃত্যুর পর বিক্ষোভ শুরু হয়। ইয়োন ফসে সাহিত্যে ২০২৩ সালের নোবেলজয়ী, আর শিরিন এবাদি ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন।
মনে রাখুন:
হালনাগাদ: ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পান ভেনিজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদো। - ৩০. বিশ্বের সর্বাধিক কার্বন নিঃসরণকারী দেশ কোনটি?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. চীন
- গ. ভারত
- ঘ. জাপান
উত্তর: খ. চীন
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয় চীন থেকে। দেশটির শিল্প কারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যাপক ব্যবহার এর বড় কারণ। এর পরের অবস্থানে থাকে যুক্তরাষ্ট্র, তারপর ভারত। জাপান এই তালিকায় অনেক নিচে।
মনে রাখুন: মাথাপিছু হিসাবে কার্বন নিঃসরণ আলাদা চিত্র দেয়, তাই প্রশ্ন দেখে বুঝে নিতে হবে মোট নিঃসরণ চাওয়া হচ্ছে, না মাথাপিছু নিঃসরণ। - ৪০. আটলান্টিক সনদে যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে কে?
- ক. জিমি কার্টার ও রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ
- খ. জর্জ ডব্লিউ বুশ ও টনি ব্লেয়ার
- গ. রোনাল্ড রিগ্যান ও মার্গারেট থ্যাচার
- ঘ. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও উইনস্টন চার্চিল
উত্তর: ঘ. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও উইনস্টন চার্চিল
আটলান্টিক সনদ (Atlantic Charter) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪১ সালের আগস্টে স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট এবং ব্রিটেনের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এতে স্বাক্ষর করেন। এই সনদে যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্বের জন্য কয়েকটি নীতি ঘোষণা করা হয়, যেমন সব জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার। এই ধারণা থেকেই পরে জাতিসংঘের জন্ম হয়। অন্য অপশনের নেতারা অনেক পরের সময়ের।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর। - ৫৪. আন্তর্জাতিক মাতৃত্ব দিবস কোনটি?
- ক. ২৮ মে
- খ. ১৭ এপ্রিল
- গ. ৩০ জুন
- ঘ. ২৮ ফেব্রুয়ারি
উত্তর: ক. ২৮ মে
প্রতিবছর ২৮ মে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন করা হয়। মায়ের স্বাস্থ্য ও নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করাই এই দিবসের লক্ষ্য। বাংলাদেশেও এই দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক কর্মসূচি পালিত হয়। অনেকে মা দিবসের সঙ্গে এটি গুলিয়ে ফেলেন, কিন্তু মা দিবস পালিত হয় মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার।
মনে রাখুন:
২৮ মে আন্তর্জাতিক নারী স্বাস্থ্য দিবস হিসেবেও পালিত হয়। - ৫৬. BIMSTEC-এর সর্বশেষ সদস্যদেশ কোন দুটি?
- ক. নেপাল ও শ্রীলঙ্কা
- খ. নেপাল ও ভুটান
- গ. নেপাল ও থাইল্যান্ড
- ঘ. নেপাল ও পাকিস্তান
উত্তর: খ. নেপাল ও ভুটান
BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation। সংস্থাটি ১৯৯৭ সালে গঠিত হয়। শুরুতে সদস্য ছিল চারটি দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। পরে মিয়ানমার যুক্ত হয় এবং সবার শেষে নেপাল ও ভুটান সদস্য হয়, ফলে এখন সদস্য মোট সাতটি দেশ। এর সচিবালয় ঢাকায় অবস্থিত।
মনে রাখুন:
পাকিস্তান BIMSTEC-এর সদস্য নয়।
নেপাল ও ভুটান সদস্য হয় ২০০৪ সালে। - ৬৩. 'গ্রিনপিস' কী?
- ক. পরিবেশ আন্দোলন গ্রুপ
- খ. বন রক্ষাকারী স্লোগান
- গ. পরিবেশ রক্ষাকারী প্রযুক্তি
- ঘ. সবুজ বিপ্লব
উত্তর: ক. পরিবেশ আন্দোলন গ্রুপ
গ্রিনপিস (Greenpeace) একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন। এটি প্রতিবাদ ও প্রচারের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার কাজ করে। ১৯৭১ সালে এর যাত্রা শুরু হয় এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে। তাই এটি পরিবেশ আন্দোলনের একটি গ্রুপ। এটি স্লোগান, প্রযুক্তি বা সবুজ বিপ্লব নয়।
মনে রাখুন: সবুজ বিপ্লব বলতে কৃষিতে অধিক ফলনশীল জাত ও আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহারকে বোঝানো হয়।
বাংলাদেশ
- ১৪. পারমাণবিক ক্লাবের তালিকায় বিশ্বের কততম সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ যুক্ত হলো?
- ক. ৩১তম
- খ. ৩৩তম
- গ. ৩৪তম
- ঘ. ৩৫তম
উত্তর: খ. ৩৩তম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২০২৩ সালের অক্টোবরে রাশিয়া থেকে নিউক্লিয়ার জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) এসে পৌঁছায়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশগুলোর ‘পারমাণবিক ক্লাবে’ যুক্ত হওয়ার পথে এগোয়, এবং এই ক্লাবে বাংলাদেশের অবস্থান হয় ৩৩তম। রূপপুর পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় অবস্থিত।
মনে রাখুন:
কেন্দ্রটি নির্মাণ করছে রাশিয়ার রোসাটম (Rosatom)।
এর পরিকল্পিত ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট। - ১৯. 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ জাতীয় সংগীত হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উদ্ধৃত হয়েছে?
- ক. ৩য় অনুচ্ছেদ
- খ. ৪র্থ অনুচ্ছেদ
- গ. ৫ম অনুচ্ছেদ
- ঘ. ৬ষ্ঠ অনুচ্ছেদ
উত্তর: খ. ৪র্থ অনুচ্ছেদ
সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা ও রাষ্ট্রীয় প্রতীকের কথা বলা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমার সোনার বাংলা’ গানের প্রথম দশ চরণ জাতীয় সংগীত। গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় লেখা হয়েছিল। প্রশ্নের অপশনে কাছাকাছি সংখ্যাগুলো আছে, তাই কোন অনুচ্ছেদে কী আছে, তা আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
মনে রাখুন:
৩ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
৫ অনুচ্ছেদে রাজধানী ঢাকা। - ২০. বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম কী?
- ক. ভয়েস অব লিবার্টি
- খ. ওরা ১১ জন
- গ. দ্য স্পিচ
- ঘ. স্টপ জেনোসাইড
উত্তর: গ. দ্য স্পিচ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম ‘দ্য স্পিচ’। ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর এই ভাষণকে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য (Memory of the World) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ‘ওরা ১১ জন’ ও ‘স্টপ জেনোসাইড’ মুক্তিযুদ্ধের আলাদা চলচ্চিত্র, ভাষণ নিয়ে নয়।
মনে রাখুন:
ভাষণটি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) দেওয়া হয়। - ২২. 'উয়ারী-বটেশ্বর' কী কারণে আলোচিত?
- ক. বাণিজ্যকেন্দ্র
- খ. প্রত্নতাত্ত্বিক খনন
- গ. নতুন খনিজ সম্পদ
- ঘ. সাহিত্যচর্চা কেন্দ্র
উত্তর: খ. প্রত্নতাত্ত্বিক খনন
উয়ারী-বটেশ্বর নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন প্রত্নস্থান। এখানে খননের ফলে আড়াই হাজার বছরের পুরোনো একটি দুর্গনগরীর চিহ্ন, মাটির পাত্র ও পুঁতির মতো অনেক নিদর্শন পাওয়া গেছে। এ কারণে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের জন্য স্থানটি আলোচিত। এখানকার আবিষ্কার প্রমাণ করে যে বাংলাদেশে সুপ্রাচীনকালেও নগর সভ্যতা ছিল।
মনে রাখুন:
অন্য বিখ্যাত প্রত্নস্থান: মহাস্থানগড় (বগুড়া), পাহাড়পুর (নওগাঁ), ময়নামতি (কুমিল্লা)। - ২৪. মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরে নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না?
- ক. ৭ নম্বর সেক্টর
- খ. ১০ নম্বর সেক্টর
- গ. ৩ নম্বর সেক্টর
- ঘ. ১ নম্বর সেক্টর
উত্তর: খ. ১০ নম্বর সেক্টর
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। প্রতিটি সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, কিন্তু ১০ নম্বর সেক্টরে কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না। এই সেক্টরে নৌ-কমান্ডোরা কাজ করতেন এবং তাঁরা সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিলেন। তাই ১০ নম্বর সেক্টরই এ প্রশ্নের উত্তর।
মনে রাখুন:
নৌ-কমান্ডোরা ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে ‘অপারেশন জ্যাকপট’ চালিয়ে পাকিস্তানি জাহাজ ডুবিয়ে দেন।
মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (পরে জেনারেল) এম এ জি ওসমানী। - ৪৯. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত কতটি সংশোধনী আনা হয়েছে?
- ক. ১৪
- খ. ১৫
- গ. ১৬
- ঘ. ১৭
উত্তর: ঘ. ১৭
বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। এ পর্যন্ত এতে সতেরোটি সংশোধনী আনা হয়েছে। সর্বশেষ সংশোধনী সপ্তদশ, যা ২০১৮ সালে পাস হয়। এতে সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের বিধান আরও ২৫ বছর বহাল রাখা হয়। সংশোধনীর সংখ্যা মুখস্থ রাখার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীগুলোর বিষয়ও জানা দরকার।
মনে রাখুন:
চতুর্থ সংশোধনী (১৯৭৫) একদলীয় বাকশাল ও রাষ্ট্রপতি শাসন চালু করে।
দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১) সংসদীয় ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনে।
পঞ্চদশ সংশোধনী (২০১১) তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে। - ৫৩. 'বাংলার মুক্তিসনদ' নামে পরিচিত কোনটি?
- ক. ৬ দফা
- খ. ৭ মার্চের ভাষণ
- গ. লাহোর প্রস্তাব
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. ৬ দফা
শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের জন্য ছয় দফা দাবি পেশ করেন। এতে ছিল প্রদেশের জন্য নিজস্ব মুদ্রা, বৈদেশিক বাণিজ্য ও আধাসামরিক বাহিনীর ব্যবস্থা। এই দাবিগুলো বাঙালির স্বাধীনতার পথ খুলে দেয় বলে ছয় দফাকে ‘বাংলার মুক্তিসনদ’ বা ‘বাঙালির ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়। ৭ মার্চের ভাষণ ও লাহোর প্রস্তাব আলাদা ঐতিহাসিক দলিল, তাই এগুলোকে মুক্তিসনদ বলা হয় না।
মনে রাখুন:
ছয় দফার পর ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হয়।
১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান হয় এবং এগারো দফা আন্দোলন গড়ে ওঠে। - ৫৮. দেশের কৃষিভিত্তিক ইপিজেড কোথায় অবস্থিত?
- ক. ঢাকা
- খ. চট্টগ্রাম
- গ. বরিশাল
- ঘ. নীলফামারী
উত্তর: ঘ. নীলফামারী
কৃষিভিত্তিক রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ) হিসেবে পরিচিত উত্তরা ইপিজেড নীলফামারী জেলায় অবস্থিত। এখানে কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানির উপযোগী করা হয়। দেশের ইপিজেডগুলোর দেখাশোনা করে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA)। ঢাকা ও চট্টগ্রামের ইপিজেডগুলো সাধারণ শিল্পের জন্য, কৃষিভিত্তিক নয়।
মনে রাখুন:
দেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেড।
ঢাকা ইপিজেড সাভারে অবস্থিত। - ৬১. বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়েছিল–
- ক. ২ মার্চ ১৯৭১
- খ. ৭ মার্চ ১৯৭১
- গ. ২৬ মার্চ ১৯৭১
- ঘ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর: ঘ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু সেই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে। জায়গাটির নাম তখন বদলে রাখা হয় মুজিবনগর। এই কারণে প্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিন ১৭ এপ্রিল ধরা হয়।
মনে রাখুন:
অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার দিন, আর ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ৫৯. নিচের কোনটি একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার?
- ক. MS Word
- খ. MS PowerPoint
- গ. MS Outlook
- ঘ. MS Excel
উত্তর: ঘ. MS Excel
স্প্রেডশিট সফটওয়্যারে সারি ও কলামের ঘরে সংখ্যা সাজিয়ে হিসাব-নিকাশ করা যায়। মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) এ ধরনের সফটওয়্যার, যেখানে একটি সংখ্যা বদলালে সংশ্লিষ্ট সব হিসাব নিজে থেকেই নতুন করে হয়ে যায়। MS Word লেখার, MS PowerPoint প্রেজেন্টেশনের এবং MS Outlook ই-মেইলের সফটওয়্যার।
মনে রাখুন:
এক্সেলের ফাইলকে ওয়ার্কবুক বলে, যার ভেতরে একাধিক ওয়ার্কশিট থাকে।
এক্সেলে সূত্র লিখতে প্রথমে = চিহ্ন দিতে হয়।
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন