লিয়ানা বুকস

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ৭২টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. নিচের কোনটি কবি নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা?
    • ক. ধূমকেতু
    • খ. সমকাল
    • গ. মোসলেম ভারত
    • ঘ. সবুজপত্র
    উত্তর: ক. ধূমকেতু
    কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালে ‘ধূমকেতু’ নামে অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা সম্পাদনা করেন। এটি ব্রিটিশবিরোধী তেজস্বী লেখার জন্য পরিচিত ছিল। এই পত্রিকায় প্রকাশিত লেখার কারণে রাজদ্রোহের অভিযোগে তাঁকে জেলে যেতে হয়। তিনি পরে ‘লাঙল’ পত্রিকাও সম্পাদনা করেছিলেন। অন্য তিনটি পত্রিকা অন্য সম্পাদকদের।
    মনে রাখুন:
    ‘সমকাল’ সম্পাদনা করেন সিকান্দার আবু জাফর।
    ‘মোসলেম ভারত’-এর সম্পাদক মোজাম্মেল হক।
    ‘সবুজপত্র’ সম্পাদনা করেন প্রমথ চৌধুরী।
  2. ৩. উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খণ্ডবাক্যের শেষে) বসাতে হবে—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
    • ক. কোলন
    • খ. কমা
    • গ. কোলন ড্যাশ
    • ঘ. হাইফেন
    উত্তর: খ. কমা
    বাক্যের মধ্যে কারও উক্তি তুলে ধরার আগে খণ্ডবাক্যের শেষে কমা (,) বসে। এই কমা মূল বাক্যাংশকে উদ্ধৃত অংশ থেকে আলাদা করে। এরপর উদ্ধৃতি চিহ্ন দিয়ে সরাসরি কথাটি লেখা হয়। কোলন বা হাইফেন এখানে সাধারণ নিয়ম নয়।
    উদাহরণ:
    রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, “সবার উপরে মানুষ সত্য।”
    মনে রাখুন:
    কোলন (:) বসে যখন একটি অসম্পূর্ণ বাক্যের পর ব্যাখ্যা বা উদাহরণ আসে।
    হাইফেন (-) সমাসবদ্ধ পদ আলাদা করতে বা শব্দকে ভেঙে দেখাতে লাগে।
  3. ৪. 'রাত্রিকালীন যুদ্ধকে' একবাক্যে কী বলা হয়?
    • ক. ভুজঙ্গ
    • খ. নৈশরণ
    • গ. জুগুপ্সা
    • ঘ. সৌপ্তিক
    উত্তর: ঘ. সৌপ্তিক
    রাত্রিকালে যে যুদ্ধ হয়, তাকে এক শব্দে বলে ‘সৌপ্তিক’। মহাভারতে অশ্বত্থামা রাতে ঘুমন্ত পাণ্ডবশিবিরে হামলা চালিয়েছিলেন। সেই পর্বের নাম ‘সৌপ্তিক পর্ব’। ‘সুপ্ত’ থেকে ‘সৌপ্তিক’ শব্দটি এসেছে। বাকি তিনটি আলাদা অর্থের: ‘ভুজঙ্গ’ মানে সাপ, ‘জুগুপ্সা’ মানে নিন্দা করার ইচ্ছা। ‘নৈশরণ’ প্রচলিত বাংলা শব্দ নয়।
    মনে রাখুন: কিছু এক কথায় প্রকাশ:
    লাভ করার ইচ্ছা — লিপ্সা
    জানার ইচ্ছা — জিজ্ঞাসা
    পান করার ইচ্ছা — পিপাসা
  4. ৫. কোনটি সঠিক নয়?
    • ক. অমিত, লাবণ্য— শেষের কবিতা
    • খ. জয়গুন, হাসু— সূর্য-দীঘল বাড়ী
    • গ. হৈমন্তী, কাদম্বিনী— মেজদিদি
    • ঘ. খুকী, রহমত— খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন
    উত্তর: ঘ. খুকী, রহমত— খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন
    ‘খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ রবীন্দ্রনাথের গল্প, যার প্রধান চরিত্র ভৃত্য রাইচরণ ও তার মনিবের ছেলে খোকাবাবু। ‘খুকী’ ও ‘রহমত’ চরিত্র দুটি আছে রবীন্দ্রনাথেরই আরেক গল্প ‘কাবুলিওয়ালা’য়। তাই চতুর্থ জোড়াটি সঠিক নয়। বাকিগুলো মিলছে: ‘শেষের কবিতা’ (অমিত, লাবণ্য), ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ (জয়গুন, হাসু) এবং ‘মেজদিদি’, যেটি শরৎচন্দ্রের রচনা।
    মনে রাখুন:
    ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ আবু ইসহাকের উপন্যাস।
    ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস (১৯২৯)।
    ‘কাবুলিওয়ালা’ গল্পের কাবুলিওয়ালার নাম রহমত।
  5. ৬. আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার উৎস কী?
    • ক. জারিগান
    • খ. গজল
    • গ. গম্ভীরা গান
    • ঘ. টপ্পা গান
    উত্তর: ঘ. টপ্পা গান
    বাংলা গীতিকবিতার ধারা এসেছে সংগীত থেকে। ঊনবিংশ শতকে রামনিধি গুপ্ত (নিধুবাবু) বাংলা টপ্পা গানের প্রবর্তন করেন, যার ছোট ছোট ভাবময় পদ গীতিকবিতার ভিত্তি তৈরি করে দেয়। তাই আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার উৎস টপ্পা গান ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    বাংলা গীতিকবিতার আধুনিক রূপকার বিহারীলাল চক্রবর্তী। তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয় (রবীন্দ্রনাথের দেওয়া উপাধি)।
    বিহারীলালের বিখ্যাত কাব্য ‘সারদামঙ্গল’।
  6. ৭. 'নির্মোক' কোন শব্দগুচ্ছের সংকুচিত রূপ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
    • ক. সাপের খোলস
    • খ. নির্মোহ ব্যক্তি
    • গ. ময়ূরের পেখম
    • ঘ. নিষক রাখার পাত্র
    উত্তর: ক. সাপের খোলস
    ‘নির্মোক’ শব্দের অর্থ সাপের খোলস। সাপ বড় হলে পুরোনো চামড়া ছেড়ে ফেলে, সেই ছেড়ে ফেলা চামড়াকেই নির্মোক বলে। একটি শব্দগুচ্ছ বোঝাতে একটিমাত্র শব্দ ব্যবহার করাকে বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ বলে। তাই ‘সাপের খোলস’ এই শব্দগুচ্ছের সংকুচিত রূপ ‘নির্মোক’।
    মনে রাখুন: এক কথায় প্রকাশ:
    ময়ূরের ডাক — কেকা
    বাঘের চামড়া — কৃত্তি
    হরিণের চামড়া — অজিন
    লাফিয়ে চলে যে — প্লবগ
  7. ৮. 'শাক-সবজি' শব্দটি নিচের কোন দুইয়ের মিলন?
    • ক. ফারসি + আরবি
    • খ. তদ্ভব + ফারসি
    • গ. পর্তুগিজ + আরবি
    • ঘ. তৎসম + ফারসি
    উত্তর: ঘ. তৎসম + ফারসি
    ‘শাক-সবজি’ একটি দ্বিরুক্ত বা যুগ্ম শব্দ, যার দুটি অংশ দুই ভিন্ন উৎসের। ‘শাক’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত থেকে, তাই এটি তৎসম। আর ‘সবজি’ শব্দটি ফারসি ভাষার। দুটি আলাদা ভাষার শব্দ মিলে এ রকম শব্দ তৈরি হলে তাকে মিশ্র শব্দ বলা হয়।
    মনে রাখুন:
    মিশ্র শব্দের আরও উদাহরণ: রাজা-বাদশা (তৎসম + ফারসি), ডাক্তারখানা (ইংরেজি + ফারসি), হেড-মৌলভি (ইংরেজি + আরবি)।
  8. ৯. 'কোথায় থাকা হয়' এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
    • ক. ভাববাচ্য
    • খ. কর্মবাচ্য
    • গ. কর্তৃবাচ্য
    • ঘ. কোনোটাই নয়
    উত্তর: ক. ভাববাচ্য
    বাক্যে ক্রিয়ার কাজটিই যখন মূল বিষয় হয়ে ওঠে, আর কর্তা বা কর্ম কোনোটিরই প্রাধান্য থাকে না, তখন সেটি ভাববাচ্য (Impersonal Voice)। ‘কোথায় থাকা হয়’ বাক্যে কে থাকে সেটি বড় কথা নয়, ‘থাকা’ কাজটিই এখানে প্রধান। তাই এটি ভাববাচ্য।
    মনে রাখুন:
    কর্তৃবাচ্যে কর্তা প্রধান, যেমন ‘আমি যাই’।
    কর্মবাচ্যে কর্ম প্রধান, যেমন ‘চিঠি লেখা হলো’।
    ভাববাচ্যের আরও উদাহরণ: ‘এখানে বসা যাবে না’, ‘কোথা থেকে আসা হচ্ছে?’।
  9. ১০. রোমান্টিক কাব্যের কবি নয় কে?
    • ক. কোরেশী মাগন ঠাকুর
    • খ. দোনাগাজী চৌধুরী
    • গ. শেখ ফয়জুল্লাহ
    • ঘ. শাবিরিদ খান
    উত্তর: গ. শেখ ফয়জুল্লাহ
    রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান মধ্যযুগে আরাকান রাজসভার কবিদের হাতে বিশেষ রূপ পায়। এই ধারার কবি দৌলত কাজী, আলাওল, কোরেশী মাগন ঠাকুর, দোনাগাজী চৌধুরী ও শাবিরিদ খান। অন্যদিকে শেখ ফয়জুল্লাহ ‘গোরক্ষবিজয়’ কাব্যের কবি। এটি নাথসাহিত্যের রচনা, রোমান্টিক প্রণয়কাব্য নয়। তাই তিনিই এখানে ব্যতিক্রম।
    মনে রাখুন:
    কোরেশী মাগন ঠাকুরের কাব্য ‘চন্দ্রাবতী’, দোনাগাজী চৌধুরীর কাব্য ‘সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল’।
    শাবিরিদ খানের কাব্য ‘বিদ্যাসুন্দর’।
  10. ১১. 'Prothesis'-এর বাংলা প্রতিশব্দ কোনটি?
    • ক. ধ্বনিসংযুক্তি
    • খ. আদিস্বরাগম
    • গ. স্বরভক্তি
    • ঘ. বিপ্রকর্ষ
    উত্তর: খ. আদিস্বরাগম
    ভাষায় উচ্চারণের সুবিধার জন্য অনেক সময় শব্দের শুরুতে একটি স্বরধ্বনি এসে বসে। একে আদিস্বরাগম (Prothesis) বলে। যেমন ‘স্কুল’ শব্দটি উচ্চারণে হয়ে যায় ‘ইস্কুল’। অন্য অপশনগুলোও ধ্বনি পরিবর্তনের নাম, তবে অর্থ আলাদা। শব্দের মাঝে স্বরধ্বনি আসাকে বলে স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ, যেমন ‘প্রীতি’ থেকে ‘পিরীতি’।
    মনে রাখুন:
    আদিস্বরাগমের উদাহরণ: স্টেশন > ইস্টিশন, স্পর্ধা > আস্পর্ধা।
    অন্ত্যস্বরাগম বা অপিনিহিতির মতো ধ্বনি পরিবর্তনের নামগুলোও আলাদা করে শিখে রাখা ভালো।
  11. ১২. 'বর্ষীয়ান'-এর প্রত্যয়—
    • ক. বৃদ্ধ + ইয়স
    • খ. বৃদ্ধ + ঈয়স
    • গ. বৃদ্ধ + ত্রীয়স
    • ঘ. বৃদ্ধ + নীরস
    উত্তর: খ. বৃদ্ধ + ঈয়স
    ‘বর্ষীয়ান’ শব্দটি বৃদ্ধ শব্দের সঙ্গে ঈয়স্ প্রত্যয় যোগ করে তৈরি হয়। ঈয়স্ প্রত্যয় সাধারণত দুইয়ের মধ্যে তুলনায় অতিশয়ের অর্থ বোঝায়, তাই বর্ষীয়ান মানে বয়সে অনেক বড় বা প্রবীণ। প্রত্যয় যোগ হওয়ার সময় বৃদ্ধ শব্দের রূপ বদলে যায় এবং শেষে বর্ষীয়স্ থেকে বর্ষীয়ান হয়।
    মনে রাখুন:
    গুরু + ঈয়স্ = গরীয়ান।
    লঘু + ঈয়স্ = লঘীয়ান।
    বলবৎ + ঈয়স্ = বলীয়ান।
  12. ১৩. ‘বর্ষীয়ান-এর প্রকৃতি-প্রত্যয়–
    • ক. বৃদ্ধ + ইষ্ণু
    • খ. বৃদ্ধ + ঈয়স
    • গ. বৃদ্ধ + ত্রীয়স
    • ঘ. বৃদ্ধ + নীরস
    উত্তর: খ. বৃদ্ধ + ঈয়স
    ‘বর্ষীয়ান’ মানে বয়সে বড় বা প্রবীণ। শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘বৃদ্ধ’ শব্দের সঙ্গে ‘ঈয়স’ প্রত্যয় যোগে। প্রত্যয় যুক্ত হলে ‘বৃদ্ধ’ শব্দটি বদলে ‘বর্ষ’ রূপ নেয়, তাই বৃদ্ধ + ঈয়স = বর্ষীয়স, আর প্রথমার একবচনে এটি ‘বর্ষীয়ান’ হয়ে যায়।
    মনে রাখুন: ‘ঈয়স’ ও ‘ইষ্ঠ’ সংস্কৃত তুলনাবাচক প্রত্যয়। যেমন, গুরু + ঈয়স = গরীয়ান, গুরু + ইষ্ঠ = গরিষ্ঠ, লঘু + ইষ্ঠ = লঘিষ্ঠ, অল্প + ঈয়স = কনীয়ান।
  13. ১৪. 'বীণাপাণি' কোন সমাসের উদাহরণ?
    • ক. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
    • খ. ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
    • গ. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
    • ঘ. অলুক বহুব্রীহি
    উত্তর: খ. ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি
    বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদ দুটি নিজেদের অর্থ ছেড়ে তৃতীয় কিছুকে বোঝায়। ‘বীণাপাণি’-র ব্যাসবাক্য হলো ‘বীণা পাণিতে যার’। এখানে ‘বীণা’ ও ‘পাণি’ দুটোই বিশেষ্য এবং দুটির বিভক্তি আলাদা, অর্থাৎ পদ দুটি একই অধিকরণে নেই। আলাদা অধিকরণের এ রকম বহুব্রীহিকে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি বলে। এখানে বীণা যাঁর হাতে আছে, সেই দেবী সরস্বতীকে বোঝানো হচ্ছে।
    মনে রাখুন:
    আশীবিষ (আশীতে বিষ যার) এবং কথাসর্বস্ব (কথা সর্বস্ব যার) একই শ্রেণির সমাস।
    সমানাধিকরণ বহুব্রীহিতে পূর্বপদ বিশেষণ হয়, যেমন ‘সুনয়না’।
  14. ১৫. 'বল বীর বল উন্নত মম শির' বাক্যটি কী?
    • ক. ইচ্ছাসূচক
    • খ. আদেশসূচক
    • গ. প্রশ্নসূচক
    • ঘ. বিস্ময়সূচক
    উত্তর: খ. আদেশসূচক
    ‘বল বীর বল উন্নত মম শির’ কবিতার এই চরণে কবি বীরকে বলতে আদেশ করছেন। যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ বা নিষেধ প্রকাশ পায়, সেটিকে অনুজ্ঞাসূচক বা আদেশসূচক বাক্য বলে। এখানে ‘বল’ ক্রিয়াটি সেই আদেশই জানাচ্ছে। এটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার পঙ্‌ক্তি।
    মনে রাখুন:
    বাক্যের অর্থ অনুযায়ী ভাগ: বিবৃতিমূলক, প্রশ্নসূচক, অনুজ্ঞাসূচক, ইচ্ছাসূচক, কার্যকারণাত্মক ও বিস্ময়সূচক।
    আদেশসূচক বাক্যের আরেক উদাহরণ ‘ঘরে যাও’।
  15. ১৬. 'ব্রীহি' শব্দের অর্থ—
    • ক. বৃহৎ
    • খ. ধান
    • গ. সুশ্রী
    • ঘ. হাতির ডাক
    উত্তর: খ. ধান
    ‘ব্রীহি’ একটি সংস্কৃত শব্দ, যার অর্থ ধান, বিশেষ করে আউশ ধান। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা। ‘সুশ্রী’ মানে অতিশয় সুন্দর। আর হাতির ডাককে বলা হয় বৃংহিত, যেটি ‘ব্রীহি’-র মতো শোনালেও আলাদা শব্দ। এ ধরনের কাছাকাছি উচ্চারণের শব্দ পরীক্ষায় প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
    মনে রাখুন:
    ধানের আরও কিছু প্রতিশব্দ: শালি, ধান্য, নীবার।
    বহুব্রীহি সমাসের নামটিও এসেছে ‘বহু ব্রীহি আছে যার’ থেকে।
  16. ১৭. 'বাবা' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
    • ক. সংস্কৃত
    • খ. হিন্দি
    • গ. আরবি
    • ঘ. তুর্কি
    উত্তর: ঘ. তুর্কি
    ‘বাবা’ শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মুসলিম শাসনামলে তুর্কি সৈন্য ও প্রশাসকদের মাধ্যমে বেশ কিছু তুর্কি শব্দ আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে। তাই অনেকে এসব শব্দকে ভুল করে ফারসি বা আরবি ভাবে।
    মনে রাখুন:
    তুর্কি শব্দ: উজবুক, কুলি, তোপ, লাশ, সওগাত, কুর্নিশ, বাবুর্চি, বেগম, দারোগা।
    সংস্কৃত থেকে আসা ‘পিতা’ শব্দটি তৎসম, আর ‘বাবা’ তাই আলাদা উৎসের।
  17. ১৮. 'কলাভৃৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ কী?
    • ক. অগ্নি
    • খ. চন্দ্র
    • গ. জল
    • ঘ. সূর্য
    উত্তর: খ. চন্দ্র
    ‘কলা’ বলতে চাঁদের এক একটি অংশ বোঝায়, আর ‘ভৃৎ’ মানে যে ধারণ করে। কলা ধারণ করে যে, সেই কলাভৃৎ, অর্থাৎ চন্দ্র। তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে চন্দ্র সঠিক। অগ্নি মানে আগুন, জল মানে পানি, আর সূর্য মানে রবি, এগুলোর কোনোটিই এ শব্দের অর্থ নয়।
    মনে রাখুন:
    চন্দ্রের আরও প্রতিশব্দ: চাঁদ, সুধাংশু, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, ইন্দু, হিমাংশু, শশী, হিমকর।
    সমার্থক শব্দ অনেক সময় এমন অর্থ থেকেই তৈরি হয়, যেমন সুধাংশু মানে সুধা যার কিরণে।
  18. ১৯. জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য কোনটি?
    • ক. ঝরাপালক
    • খ. ধূসর পাণ্ডুলিপি
    • গ. মহাপৃথিবী
    • ঘ. বনলতা সেন
    উত্তর: ক. ঝরাপালক
    জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঝরা পালক’, যা ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয়। এতে কাজী নজরুল ইসলামের প্রভাব স্পষ্ট। পরে তিনি নিজস্ব আলাদা কাব্যভাষা তৈরি করেন। তাঁকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়, তবে ‘রূপসী বাংলা’ বইটি প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর পরে।
    মনে রাখুন:
    ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬), বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী (১৯৪৪), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮), রূপসী বাংলা (১৯৫৭)।
  19. ২০. কোনটি নিলীন বর্ণ?আরও এসেছে: বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার (ক্যাশ) ২০২৩
    • ক. ই
    • খ. উ
    • গ. এ
    • ঘ. অ
    উত্তর: ঘ. অ
    বাংলা বর্ণমালার ‘অ’ ধ্বনিটি শব্দের ভেতরে অনেক সময় আলাদা করে চোখে পড়ে না, কারণ ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে এটি মিশে থাকে। যেমন ‘কলম’ শব্দে প্রতিটি ব্যঞ্জনের সঙ্গে ‘অ’ উচ্চারিত হয়, অথচ আলাদা কোনো চিহ্ন লাগে না। এই কারণে ‘অ’ বর্ণকে নিলীন বর্ণ বলা হয়। অন্য স্বরবর্ণগুলো ব্যঞ্জনের সঙ্গে ‘কার’ চিহ্ন হয়ে বসে।
    মনে রাখুন: ই-কার, উ-কার, এ-কারের মতো স্বরচিহ্নকে কার বলে।
  20. ২১. ‘হ্ম’ যুক্তবর্ণটি কীভাবে গঠিত হয়েছে?
    • ক. হ্ + ম
    • খ. ক + ষ
    • গ. ষ্ + ম
    • ঘ. ম্ + হ্
    উত্তর: ক. হ্ + ম
    যুক্তবর্ণ ভেঙে দেখলে বোঝা যায় এটি কোন কোন ব্যঞ্জন মিলে তৈরি। ‘হ্ম’ যুক্তবর্ণটি হ্ এবং ম মিলে হয়, যেমন ‘ব্রাহ্মণ’ ও ‘ব্রহ্মাণ্ড’ শব্দে। এখানে হ্-এর পরে ম আসে, উল্টো ক্রমে নয়, তাই ম্ + হ্ ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    ক্ + ষ = ক্ষ, ষ্ + ম = ষ্ম, হ্ + ণ = হ্ণ, জ্ + ঞ = জ্ঞ, ঞ্ + জ = ঞ্জ।

বাংলাদেশ

  1. ২. বাংলায় বংশানুক্রমিক শাসনের সূচনা হয়—
    • ক. পাল বংশের মাধ্যমে
    • খ. সেন বংশের মাধ্যমে
    • গ. গুপ্ত বংশের মাধ্যমে
    • ঘ. মৌর্য বংশের মাধ্যমে
    উত্তর: ক. পাল বংশের মাধ্যমে
    বাংলায় মৌর্য ও গুপ্ত শাসনের পরে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম স্বাধীন নৃপতি, কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর বাংলায় মাৎস্যন্যায়ের অবস্থা দেখা দেয়। এই অরাজকতার শেষে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি বাংলার জনগণ গোপালকে রাজা নির্বাচন করে। গোপাল থেকে শুরু হওয়া পাল বংশের শাসন প্রায় চারশো বছর বংশানুক্রমে চলে। এই ধারাবাহিকতা সেন বংশের আগের ঘটনা।
    মনে রাখুন:
    পাল বংশের উল্লেখযোগ্য রাজা ধর্মপাল ও দেবপাল।
    ধর্মপাল বিক্রমশীলা বিহার প্রতিষ্ঠা করেন, আর পাহাড়পুরের সোমপুর বিহারও পাল আমলের।
  2. ৫৮. বাংলাদেশের কোন ঋতুকে স্বতন্ত্র ঋতু বলা হয়?
    • ক. শরৎ
    • খ. বর্ষা
    • গ. হেমন্ত
    • ঘ. বসন্ত
    উত্তর: খ. বর্ষা
    বাংলাদেশে ছয়টি ঋতু থাকলেও বর্ষাকাল সবচেয়ে আলাদা বৈশিষ্ট্যের। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই সময় টানা বৃষ্টি হয়, নদী-নালা ভরে ওঠে এবং দেশের প্রকৃতি, কৃষি ও জীবনযাত্রা পুরোপুরি বদলে যায়। অন্য ঋতুগুলো একটি থেকে আরেকটিতে ধীরে মিশে যায়, কিন্তু বর্ষাকে স্পষ্টভাবে আলাদা করে চেনা যায়। তাই বর্ষাকে বাংলাদেশের স্বতন্ত্র ঋতু বলা হয়।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের বেশির ভাগ, প্রায় ৮০ শতাংশ, হয় বর্ষাকালে, অর্থাৎ জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে।
  3. ৫৯. বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল চুক্তি কার্যকর হয় কবে?
    • ক. ১ জুলাই ২০১৫
    • খ. ২ আগস্ট ২০১৫
    • গ. ১ আগস্ট ২০১৫
    • ঘ. ১ সেপ্টেম্বর ২০১৫
    উত্তর: গ. ১ আগস্ট ২০১৫
    ১৯৭৪ সালের ১৬ মে ইন্দিরা-মুজিব চুক্তিতে সীমান্ত ও ছিটমহল নিয়ে সমাধানের কথা ওঠে, কিন্তু ভারতে তা কার্যকর হতে চার দশকের বেশি লেগে যায়। ২০১৫ সালের মে মাসে ভারতের সংসদে সংবিধান সংশোধনী পাস হয়। এরপর ৩১ জুলাই মধ্যরাতে, অর্থাৎ ১ আগস্ট ২০১৫ থেকে ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয়। ফলে ভারতের ভেতরের ৫১টি বাংলাদেশি ছিটমহল ভারতের ভূমি হয়ে যায় এবং বাংলাদেশের ভেতরের ১১১টি ভারতীয় ছিটমহল বাংলাদেশের অংশ হয়।
    মনে রাখুন: ছিটমহল হলো একটি দেশের ভূখণ্ড, যা পুরোপুরি অন্য দেশের ভেতরে অবস্থিত।
  4. ৬১. বাংলাদেশে প্রথম ১০০০ টাকার নোট চালু হয় কোন সালে?
    • ক. ২০০৮ সালে
    • খ. ২০১০ সালে
    • গ. ২০০৫ সালে
    • ঘ. ২০০৭ সালে
    উত্তর: ক. ২০০৮ সালে
    বাংলাদেশে ১০০০ টাকার নোট প্রথম চালু হয় ২০০৮ সালে। তখন দেশের সবচেয়ে বড় মূল্যমানের এই নোটটি বাজারে আসে। ছোট নোটের বদলে বড় লেনদেনের সুবিধার জন্যই এটি চালু করা হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক এই নোট ছাপানো ও প্রচলনের দায়িত্বে আছে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা ১৯৭২ সালে, প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে।
    মুদ্রার নাম টাকা, আর কয়েনের নাম পয়সা।
  5. ৬২. বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ কোন দেশের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৯
    • ক. যুক্তরাষ্ট্র
    • খ. যুক্তরাজ্য
    • গ. ফ্রান্স
    • ঘ. জার্মানি
    উত্তর: গ. ফ্রান্স
    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণের মূল প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস। উৎক্ষেপণের ভার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের স্পেসএক্সের ওপর, তাই অনেকে যুক্তরাষ্ট্রকে নির্মাতা ভেবে ভুল করে। উৎক্ষেপণ হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে, ফ্যালকন-৯ রকেটে করে, ২০১৮ সালের ১২ মে বাংলাদেশ সময়ে (যুক্তরাষ্ট্রে ১১ মে)। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ উপগ্রহ।
    মনে রাখুন: স্যাটেলাইটটি স্থাপিত হয়েছে ১১৯.১° পূর্ব দ্রাঘিমায়।
  6. ৬৬. কোন চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭-এর দেশভাগ নিয়ে নির্মিত হয়?
    • ক. আবার তোরা মানুষ হ
    • খ. চিত্রা নদীর পারে
    • গ. মাটির ময়না
    • ঘ. নদীর নাম মধুমতি
    উত্তর: খ. চিত্রা নদীর পারে
    তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত ‘চিত্রা নদীর পারে’ (১৯৯৯) চলচ্চিত্রে পূর্ব পাকিস্তানের একটি হিন্দু পরিবারের ভাগ্যের গল্প বলা হয়েছে। এর পটভূমি ১৯৪৭ সালের দেশভাগ ও তার প্রভাব। দেশভাগের ফলে বহু মানুষকে নিজের ভিটেমাটি ছেড়ে যেতে হয়েছিল, ছবিতে সেই বেদনার ছবি ফুটে উঠেছে। অন্য চলচ্চিত্রগুলো ভিন্ন বিষয় নিয়ে নির্মিত।
    মনে রাখুন:
    তারেক মাসুদের ‘মাটির ময়না’ ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকের পটভূমিতে নির্মিত।
    ১৯৪৭ সালের দেশভাগে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
  7. ৬৭. মুক্তিযুদ্ধের সময় 'মুজিবনগর' কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
    • ক. ২ নং
    • খ. ৮ নং
    • গ. ১০ নং
    • ঘ. ১১ নং
    উত্তর: খ. ৮ নং
    মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। মুজিবনগর বর্তমান মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত এবং এটি ৮ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে মুজিবনগর সরকার শপথ নেয়। ৮ নম্বর সেক্টরের আওতায় ছিল যশোর, কুষ্টিয়া ও খুলনা অঞ্চলের একাংশ।
    মনে রাখুন:
    বৈদ্যনাথতলার নাম পরে মুজিবনগর রাখা হয়।
    মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।
  8. ৭২. বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন—আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৬
    • ক. প্রধান বিচারপতি
    • খ. স্পীকার
    • গ. আইনমন্ত্রী
    • ঘ. অ্যাটর্নি জেনারেল
    উত্তর: ঘ. অ্যাটর্নি জেনারেল
    বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। সংবিধানের ৬৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিয়োগ দেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা থাকলে তবেই তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল হতে পারেন। তিনি সরকারকে আইনি পরামর্শ দেন এবং আদালতে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন। প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রধান, স্পিকার সংসদের সভাপতি, আর আইনমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্য।
    মনে রাখুন: অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহায়তা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলগণ।

ইংরেজি

  1. ২২. Who did you give the money —?
    • ক. for
    • খ. by
    • গ. with
    • ঘ. to
    উত্তর: ঘ. to
    Give কাউকে কিছু দেওয়া বোঝালে ব্যক্তির আগে preposition to বসে: give something to somebody। বাক্যটির অর্থ ‘তুমি কাকে টাকা দিয়েছিলে?’। এখানে for, by বা with বসালে অর্থ ঠিক থাকে না।
    মনে রাখুন: Formal ইংরেজিতে প্রশ্নটি হয় ‘To whom did you give the money?’। আর ‘give somebody something’ গঠনেও to লাগে না, যেমন ‘He gave me a book’।
  2. ২৩. It is necessary that he – the meeting.
    • ক. joining
    • খ. should join
    • গ. join
    • ঘ. must join
    উত্তর: খ. should join
    It is necessary, essential, important বা imperative এর পরে that দিয়ে নতুন clause শুরু হলে সেখানে কাজটি করা উচিত, এমন ভাব বোঝায়। প্রচলিত ব্যাকরণের নিয়মে এই clause-এ subject-এর পরে should + verb-এর মূল রূপ বসে, তাই সঠিক বাক্য: It is necessary that he should join the meeting. Joining এখানে চলে না, কারণ that-clause-এ একটি সমাপিকা ক্রিয়া দরকার। আবার must join বললে অর্থ দাঁড়ায় বাধ্যবাধকতা, যা এই গঠনে প্রচলিত নয়।
    মনে রাখুন: একই নিয়ম খাটে suggest, propose, recommend, insist এর পরেও।
    উদাহরণ: The doctor suggested that he should take rest.
  3. ২৪. What is the meaning of the word 'prima facie'?
    • ক. out look
    • খ. face reading
    • গ. face to face
    • ঘ. at the first sight
    উত্তর: ঘ. at the first sight
    Prima facie একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ। এর আক্ষরিক অর্থ ‘প্রথম দর্শনে’। আইনের ভাষায় এর মানে হলো প্রথম দেখাতেই যে প্রমাণ বা ধারণা পাওয়া যায়। তাই অর্থ হলো at the first sight বা আপাতদৃষ্টিতে।
    মনে রাখুন: Prima facie evidence মানে এমন প্রমাণ, যা আপাতত বিষয়টি সত্য বলে মেনে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট। আরও কয়েকটি ল্যাটিন শব্দ: bona fide (সরল বিশ্বাসে), ad hoc (বিশেষ উদ্দেশ্যে)।
  4. ২৫. All my efforts to bring— a compromise ended in smoke.
    • ক. with
    • খ. about
    • গ. in
    • ঘ. to
    উত্তর: খ. about
    Bring about একটি phrasal verb, যার অর্থ ঘটানো বা সম্পন্ন করা। তাই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় ‘আপস করানোর আমার সব চেষ্টা ব্যর্থ হলো’। বাক্যের ‘ended in smoke’ অংশের অর্থও ব্যর্থ হওয়া। with, in বা to বসালে বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে না।
    মনে রাখুন:
    Bring up = লালন-পালন করা বা তোলা।
    Bring in = আনা।
    Bring out = প্রকাশ করা।
    Bring down = নামিয়ে আনা বা কমানো।
  5. ২৬. 'Duncan' কোন নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র?
    • ক. Macbeth
    • খ. Othello
    • গ. Hamlet
    • ঘ. King Lear
    উত্তর: ক. Macbeth
    Duncan হলেন উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ট্র্যাজেডি ‘Macbeth’ নাটকের স্কটল্যান্ডের রাজা। ম্যাকবেথ ক্ষমতার লোভে তাঁকে হত্যা করেন। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই নাটকের বাকি ঘটনাগুলো গড়ে ওঠে। Othello, Hamlet ও King Lear-এ Duncan নামে কোনো প্রধান চরিত্র নেই।
    মনে রাখুন:
    Macbeth নাটকের অন্য চরিত্র: Lady Macbeth, Banquo, Macduff এবং তিন ডাইনি।
    Othello, Hamlet ও King Lear-ও শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি।
  6. ২৭. Which of the words is plural?
    • ক. formula
    • খ. vertex
    • গ. memoranda
    • ঘ. agendum
    উত্তর: গ. memoranda
    ‘Memoranda’ হলো memorandum শব্দের বহুবচন। এটি ল্যাটিন থেকে আসা শব্দ, যেখানে -um যোগে একবচন আর -a যোগে বহুবচন হয়। বাকি শব্দগুলো একবচন। Formula-র বহুবচন formulae বা formulas, vertex-এর বহুবচন vertices, আর agendum-এর বহুবচন agenda।
    মনে রাখুন: Datum > data, medium > media, curriculum > curricula। ল্যাটিন -us থেকে বহুবচনে -i হয়, যেমন stimulus > stimuli।
  7. ২৮. The accused person confessed that he— the car.
    • ক. stole
    • খ. had stolen
    • গ. would stolen
    • ঘ. stolen
    উত্তর: খ. had stolen
    বাক্যে ‘confessed’ অতীত কালের ক্রিয়া। অপরাধ স্বীকার করার আগেই গাড়ি চুরির কাজটি ঘটে গিয়েছিল। দুটি অতীত ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছে, সেটি বোঝাতে past perfect tense ব্যবহার করতে হয়। তাই ‘had stolen’ বসবে। ‘Would stolen’ ব্যাকরণগতভাবেই ভুল, আর ‘stolen’ এককভাবে verb হিসেবে বসে না। ‘Stole’ সাধারণ অতীত, কিন্তু আগে-পরের সম্পর্ক বোঝাতে পারে না।
    মনে রাখুন:
    Past perfect-এর গঠন: had + verb-এর past participle।
    Steal-stole-stolen হলো এই verb-এর তিনটি রূপ।
  8. ২৯. Which one is correctly spelt?
    • ক. Dirhea
    • খ. Diarhea
    • গ. Diarrhoea
    • ঘ. Diarrhuea
    উত্তর: গ. Diarrhoea
    Diarrhoea বানানটি সঠিক। শব্দটি এসেছে গ্রিক থেকে, যার অর্থ ‘প্রবাহিত হওয়া’। এর আমেরিকান বানান diarrhea। অন্য অপশনগুলোতে r বা h-এর জায়গা ঠিক নেই। বানান মনে রাখতে হলে মাঝের rrh এবং শেষের oea খেয়াল রাখতে হবে।
    মনে রাখুন:
    কিছু কঠিন বানান: Rhythm, Dysentery, Haemorrhage (বা hemorrhage), Pneumonia।
    Diarrhoea-র বাংলা অর্থ ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা।
  9. ৩০. The word 'recalcitrant' means—
    • ক. mutinous
    • খ. amenable
    • গ. docile
    • ঘ. compliant
    উত্তর: ক. mutinous
    Recalcitrant মানে অবাধ্য, যে নিয়ম বা আদেশ মানতে একগুঁয়েভাবে অস্বীকার করে। এর কাছাকাছি অর্থ mutinous, অর্থাৎ বিদ্রোহী বা অবাধ্য। বাকি তিনটি শব্দ উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। Amenable মানে সহজে রাজি হয় এমন, docile মানে বশ মানে এমন, আর compliant মানে মেনে চলে এমন।
    মনে রাখুন:
    Recalcitrant-এর আরও সমার্থক unruly, defiant, refractory।
    এর বিপরীত শব্দ obedient বা submissive।
  10. ৩১. The opposite of 'exonerate' is—
    • ক. acquit
    • খ. absolve
    • গ. convict
    • ঘ. enchant
    উত্তর: গ. convict
    Exonerate মানে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া বা নির্দোষ ঘোষণা করা। এর বিপরীত অর্থ হলো কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা, যা convict শব্দটি বোঝায়। Acquit ও absolve দুটিই exonerate-এর কাছাকাছি অর্থ বহন করে, তাই সেগুলো সমার্থক। Enchant মানে মুগ্ধ করা, তাই এটি এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
    মনে রাখুন:
    Convict শব্দটি noun হিসেবে ‘সাজাপ্রাপ্ত আসামি’ও বোঝায়।
    Exoneration মানে দায়মুক্তি আর conviction মানে দোষী সাব্যস্তকরণ।
  11. ৩২. He was exempted— attending the seminar.
    • ক. from
    • খ. by
    • গ. for
    • ঘ. without
    উত্তর: ক. from
    Exempt শব্দের পর preposition হিসেবে from বসে। Exempt from something মানে কোনো কিছু থেকে অব্যাহতি দেওয়া। তাই বাক্যটির অর্থ ‘তাকে সেমিনারে উপস্থিত থাকা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল’। By, for বা without বসালে এই অর্থ আসে না। Appropriate preposition এই ধরনের প্রশ্নে বারবার আসে।
    মনে রাখুন:
    Free from, abstain from, refrain from এগুলোতেও from বসে।
    Exemption হলো noun রূপ, যার অর্থ অব্যাহতি।
  12. ৩৩. A synonym of 'Impermeable' is—
    • ক. improbable
    • খ. flexible
    • গ. Impenetrable
    • ঘ. immeasurable
    উত্তর: গ. Impenetrable
    Impermeable মানে যার ভেতর দিয়ে কিছু ঢুকতে পারে না, অর্থাৎ অপ্রবেশ্য। Impenetrable শব্দের অর্থও প্রায় একই, কারণ তার ভেতর দিয়েও কিছু প্রবেশ করতে পারে না। তাই দুটি শব্দ সমার্থক। Improbable মানে অসম্ভাব্য, flexible মানে নমনীয়, আর immeasurable মানে অপরিমেয়। এই তিনটির কোনোটিই অপ্রবেশ্য অর্থ বহন করে না।
    মনে রাখুন:
    Impermeable-এর বিপরীত শব্দ permeable (প্রবেশ্য)।
    জল প্রবেশ করতে দেয় না, এমন কাপড়কে বলা হয় waterproof বা impermeable।
  13. ৩৪. A man is known by the— he keeps.আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৪তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৭
    • ক. friends
    • খ. money
    • গ. asset
    • ঘ. company
    উত্তর: ঘ. company
    ‘A man is known by the company he keeps’ একটি পরিচিত প্রবাদ। এর অর্থ মানুষ কেমন লোকের সঙ্গে চলে, তা দেখেই তাকে চেনা যায়। বাংলায় বলা যায় ‘সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায়’। Company এখানে সঙ্গী বা সঙ্গ অর্থে এসেছে। Friends, money বা asset বসালে প্রবাদের মূল রূপ নষ্ট হয়।
    মনে রাখুন:
    Birds of a feather flock together প্রবাদটিও প্রায় একই ভাব প্রকাশ করে।
    Bad company ruins good manners প্রবাদে খারাপ সঙ্গের কুফল বোঝানো হয়েছে।
  14. ৩৫. An antonym of 'vertex' is—
    • ক. pinnacle
    • খ. trough
    • গ. zenith
    • ঘ. culmination
    উত্তর: খ. trough
    Vertex মানে শীর্ষবিন্দু, সবচেয়ে উঁচু বিন্দু। জ্যামিতিতে ত্রিভুজের কোণার বিন্দুকেও vertex বলে। Pinnacle, zenith ও culmination তিনটিই চূড়া বা সর্বোচ্চ অবস্থাকে বোঝায়, তাই এগুলো vertex-এর সমার্থক। Trough মানে খাদ বা নিচু জায়গা, অর্থাৎ উচ্চতার বিপরীত। তাই বিপরীত শব্দ trough।
    মনে রাখুন:
    Zenith-এর বিপরীত শব্দ nadir (সর্বনিম্ন বিন্দু)।
    Trough-এর আরেক অর্থ পশুর খাবারের পাত্র।
  15. ৩৬. The man is true— his word.
    • ক. to
    • খ. with
    • গ. about
    • ঘ. for
    উত্তর: ক. to
    Be true to one’s word বাক্যাংশের অর্থ প্রতিজ্ঞা বা কথা রাখা। এখানে true-এর সঙ্গে preposition to বসে। তাই বাক্যটির অর্থ ‘লোকটি তার কথা রাখে’। True with বা true about বসালে এই বিশেষ অর্থ আসে না, আর true for বললে অন্য অর্থ হয়, যেমন কথাটি সবার জন্য সত্য।
    মনে রাখুন:
    Be true to oneself মানে নিজের বিশ্বাসের প্রতি সৎ থাকা।
    Keep one’s word-ও একই অর্থ প্রকাশ করে।
    Go back on one’s word মানে কথা না রাখা।
  16. ৩৭. Which one is correctly spelt?
    • ক. gulliotin
    • খ. guillotine
    • গ. gullotin
    • ঘ. gillotine
    উত্তর: খ. guillotine
    Guillotine বানানটি ঠিক। এটি ফরাসি বিপ্লবের সময় মাথা কাটার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রের নাম। যন্ত্রটির নাম এসেছে ডাক্তার জোসেফ-ইগনাস গিলোটিনের নাম থেকে, যিনি দ্রুত ও কম কষ্টের মৃত্যুদণ্ডের জন্য এটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ১৭৯২ সালে ফ্রান্সে এটি প্রথম ব্যবহৃত হয়। সংসদীয় ভাষায় শব্দটি আরেকটি অর্থেও ব্যবহৃত হয়, যেখানে বিতর্কের সময় নির্দিষ্ট করে দিয়ে আলোচনা শেষ করা হয়।
    মনে রাখুন: Guillotine-এর শুরুতে gu এবং মাঝে il আছে, যা বানানের কঠিন অংশ।
  17. ৩৮. The word 'assiduity' means—
    • ক. reluctance
    • খ. omnipresence
    • গ. steadfastness
    • ঘ. anxiety
    উত্তর: গ. steadfastness
    Assiduity মানে নিজের কাজে মনোযোগ ও পরিশ্রমের সঙ্গে লেগে থাকা, অর্থাৎ অধ্যবসায়। এর কাছাকাছি অর্থ steadfastness, যার মানে দৃঢ়তা বা অবিচলতা। অন্য শব্দগুলো ভিন্ন। Reluctance মানে অনীহা, omnipresence মানে সর্বত্র বিদ্যমান থাকা, আর anxiety মানে উদ্বেগ।
    মনে রাখুন:
    Assiduous বিশেষণ, অর্থ অধ্যবসায়ী বা পরিশ্রমী।
    প্রায় একই অর্থ diligent, industrious।
    Assiduity-এর বিপরীত শব্দ laziness বা negligence।
  18. ৩৯. An antonym of 'benign' is—
    • ক. malignant
    • খ. salubrious
    • গ. healthful
    • ঘ. wholesome
    উত্তর: ক. malignant
    Benign মানে যা ক্ষতিকর নয়, বিশেষ করে রোগের ক্ষেত্রে যা মারাত্মক হয় না। এর বিপরীত malignant, যার মানে ক্ষতিকর বা মারাত্মক। Salubrious, healthful ও wholesome তিনটিই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো বোঝায়, তাই এগুলো benign-এর কাছাকাছি, বিপরীত নয়।
    মনে রাখুন:
    Benign tumour মানে ক্ষতিকর নয় এমন টিউমার, আর malignant tumour মানে ক্যানসারজাতীয় টিউমার।
    Benign শব্দের সাধারণ অর্থ দয়ালু বা কোমল স্বভাবের, যেমন a benign smile।
  19. ৪০. The phrase 'carry the day' means to—
    • ক. pass time
    • খ. be victorious
    • গ. suffer
    • ঘ. hope
    উত্তর: খ. be victorious
    ‘Carry the day’ একটি idiom। এর অর্থ কোনো প্রতিযোগিতা বা বিতর্কে জয়ী হওয়া। শব্দ ধরে অর্থ করলে ভুল হবে, কারণ এর সঙ্গে দিন বা সময়ের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই pass time, suffer বা hope অর্থ এখানে খাটে না।
    মনে রাখুন:
    Win the day এবং carry the day প্রায় একই অর্থে চলে।
    আরও কিছু idiom: carry out (সম্পন্ন করা), carry on (চালিয়ে যাওয়া)।
    উদাহরণ:
    In the debate, her argument carried the day.
  20. ৪১. His teacher had him— for the test.
    • ক. sit
    • খ. to sit
    • গ. sat
    • ঘ. sitting
    উত্তর: ক. sit
    Have কোনো ব্যক্তিকে দিয়ে কাজ করানো বোঝালে গঠনটি হয়: have + object + verb-এর মূল রূপ। এখানে মূল রূপ হলো sit। তাই ‘His teacher had him sit for the test’ সঠিক, যার অর্থ শিক্ষক তাকে দিয়ে পরীক্ষায় বসালেন। To sit বা sitting এই গঠনে বসে না।
    মনে রাখুন: Make ও let-এর পরেও একই রকম মূল রূপ বসে, যেমন ‘He made me laugh’।

গণিত

  1. ৪২. বার্ষিক ১২% মুনাফায় কত বছরে ১০০০০ টাকার মুনাফা ৪৮০০ টাকা হবে?
    • ক. ৩ বছর
    • খ. ৪ বছর
    • গ. ৫ বছর
    • ঘ. ৬ বছর
    উত্তর: খ. ৪ বছর
    সরল মুনাফা বের করার সূত্র: মুনাফা = (আসল × হার × সময়) / 100। এখানে মুনাফা 4800, আসল 10000, হার 12। সুতরাং 4800 = 10000 × 12 × n / 100 = 1200n, ফলে n = 4। তাই সময় ৪ বছর।
    যাচাই: ১ বছরের মুনাফা 1200 টাকা, তাই ৪ বছরে 4800 টাকা, যা প্রশ্নের সঙ্গে মেলে।
    মনে রাখুন: সরল মুনাফায় সময় বাড়লে মুনাফাও সমান হারে বাড়ে।
  2. ৪৩. একজন ছাত্র ৮০০ নম্বরের মধ্যে ৬০০ নম্বর পেল। সে শতকরা কত নম্বর কম পেল?
    • ক. ৬০%
    • খ. ৩০%
    • গ. ২০%
    • ঘ. ২৫%
    উত্তর: ঘ. ২৫%
    প্রথমে ছাত্রটি শতকরা কত পেয়েছে তা বের করি। 600/800 × 100 = 75%। পূর্ণ নম্বর 100% ধরলে সে কম পেয়েছে 100% − 75% = 25%।
    যাচাই: 800-এর 25% = 200, আর 800 − 600 = 200, সুতরাং উত্তর মেলে।
    মনে রাখুন: ‘কত শতাংশ কম’ জানতে হলে পূর্ণ নম্বর থেকে প্রাপ্ত শতাংশ বিয়োগ করতে হয়।
  3. ৪৪. x³ + hx + 10 = 0 সমীকরণটির x এর মান 2 হলে, h এর মান কত?
    • ক. 9
    • খ. −9
    • গ. 5
    • ঘ. −5
    উত্তর: খ. −9
    সমীকরণটি x³ + hx + 10 = 0। x = 2 বসালে 2³ + 2h + 10 = 0, অর্থাৎ 8 + 2h + 10 = 0। তাহলে 2h = −18, সুতরাং h = −9।
    যাচাই: h = −9 হলে 8 − 18 + 10 = 0, যা সত্য।
    মনে রাখুন: x-এর মান দেওয়া থাকলে সরাসরি বসিয়ে অজানা ধ্রুবকের মান বের করা যায়।
  4. ৪৫. একটি বৃত্তের পরিধি ৫০% বাড়ানো হলে, ক্ষেত্রফল কত বৃদ্ধি পাবে?
    • ক. ১০০%
    • খ. ১১৫%
    • গ. ১২৫%
    • ঘ. ২২৫%
    উত্তর: গ. ১২৫%
    বৃত্তের পরিধি C = 2πr। পরিধি 50% বাড়লে নতুন পরিধি 1.5 × 2πr, তাই নতুন ব্যাসার্ধ হয় 1.5r। ক্ষেত্রফল πr², আর নতুন ক্ষেত্রফল π(1.5r)² = 2.25πr²। সুতরাং ক্ষেত্রফল বাড়ে 2.25πr² − πr² = 1.25πr², অর্থাৎ 125%।
    মনে রাখুন: ব্যাসার্ধ বা পরিধি যত গুণ বাড়ে, ক্ষেত্রফল তার বর্গ গুণ বাড়ে। এখানে 1.5 গুণ হওয়ায় ক্ষেত্রফল 2.25 গুণ হয়েছে, তাই বৃদ্ধি 125%।
  5. ৪৬. 4ˣ + 4ˣ + 4ˣ + 4ˣ এর মান কত?
    • ক. 4ˣ
    • খ. 4ˣ⁺¹
    • গ. 4ˣ⁺⁴
    • ঘ. 4ˣ⁺¹⁶
    উত্তর: খ. 4ˣ⁺¹
    চারটি পদের প্রতিটি 4ˣ, তাই যোগফল 4ˣ + 4ˣ + 4ˣ + 4ˣ = 4 × 4ˣ। একই ভিত্তির সূচক যোগ হয়: 4¹ × 4ˣ = 4ˣ⁺¹। অন্য অপশনগুলোর সূচক মেলে না।
    যাচাই: x = 1 হলে 4 + 4 + 4 + 4 = 16, আর 4² = 16।
    মনে রাখুন: aᵐ × aⁿ = aᵐ⁺ⁿ।
  6. ৪৭. $4^x+4^x+4^x+4^x$ এর মান কত?
    • ক. $4^x$
    • খ. $4^{x+1}$
    • গ. $4^{x+4}$
    • ঘ. $4^{x+6}$
    উত্তর: খ. $4^{x+1}$
    চারটি সমান পদের যোগফল = 4 × $4^x$ = $4^1 \times 4^x$ = $4^{x+1}$।
  7. ৪৮. এক ডজন ডিমের বিক্রয়মূল্যে ২০টি ডিম ক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
    • ক. ৩৩⅓%
    • খ. ৬৬⅓%
    • গ. ৬৬⅔%
    • ঘ. ৩৩⅔%
    উত্তর: গ. ৬৬⅔%
    ধরি প্রতিটি ডিমের বিক্রয়মূল্য 1 টাকা। তাহলে ১২টির বিক্রয়মূল্য 12 টাকা। এই 12 টাকায় ২০টি ডিম কেনা হলে ক্রয়মূল্য প্রতিটি 12/20 = 0.6 টাকা। লাভ হয় প্রতিটিতে 1 − 0.6 = 0.4 টাকা। শতকরা লাভ = 0.4/0.6 × 100 = 66⅔%।
    মনে রাখুন: শতকরা লাভ সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়, বিক্রয়মূল্যের ওপর নয়।
  8. ৪৯. ক হতে খ এর দূরত্ব ৫৫ কিমি। ক ও খ এর গতিবেগ যথাক্রমে ৩ কিমি ও ৪ কিমি। ক এর ২ ঘণ্টা পর খ, ক এর দিকে রওনা হলে খ কত কি.মি. গেলে ক এর দেখা পাবে?
    • ক. ২৪
    • খ. ২৮
    • গ. ২০
    • ঘ. ১৮
    উত্তর: খ. ২৮
    ক যাত্রা শুরু করে এবং ২ ঘণ্টায় 3 × 2 = 6 কিমি যায়। তখন দুজনের মধ্যে দূরত্ব 55 − 6 = 49 কিমি। এরপর খ ক-এর দিকে রওনা হলে তারা পরস্পরের দিকে আসে, তাই আপেক্ষিক গতিবেগ 3 + 4 = 7 কিমি/ঘণ্টা। দেখা হতে সময় লাগে 49/7 = 7 ঘণ্টা। এই সময়ে খ যায় 4 × 7 = 28 কিমি।
    যাচাই: ক মোট চলেছে 3 × 9 = 27 কিমি, আর 27 + 28 = 55।
    মনে রাখুন: বিপরীত দিকে চলতে থাকলে গতিবেগ যোগ হয়।
  9. ৫০. ত্রিভুজ ABC এর AB = AC, BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করলে যদি ∠ACD = 120° হয় তবে ∠BAC এর মান কত?
    • ক. 30°
    • খ. 45°
    • গ. 60°
    • ঘ. 90°
    উত্তর: গ. 60°
    ত্রিভুজ ABC-তে BC-কে D পর্যন্ত বাড়ালে ∠ACD বহিঃস্থ কোণ হয়। ∠ACD = 120°, তাই সংলগ্ন কোণ ∠ACB = 180° − 120° = 60°। AB = AC হওয়ায় সমান বাহুর বিপরীত কোণও সমান, ফলে ∠ABC = ∠ACB = 60°। সুতরাং ∠BAC = 180° − (60° + 60°) = 60°। অর্থাৎ ত্রিভুজটি সমবাহু।
    মনে রাখুন: বহিঃস্থ কোণ দুটি অন্তঃস্থ বিপরীত কোণের যোগফলের সমান। এখানে 120° = 60° + 60°।
  10. ৫১. ১২টি বাহুবিশিষ্ট একটি সমতল ক্ষেত্রের কৌণিক বিন্দুগুলোর সংযোগ রেখা দ্বারা কতগুলো ত্রিভুজ গঠন করা যায়?
    • ক. ১২০
    • খ. ২২০
    • গ. ১৮০
    • ঘ. ২৩০
    উত্তর: খ. ২২০
    ১২টি কৌণিক বিন্দুর যেকোনো ৩টি বিন্দু নিলে একটি ত্রিভুজ হয়, কারণ কোনো ৩টি বিন্দু একই সরলরেখায় নেই। তাই ত্রিভুজের সংখ্যা ¹²C₃ = (12 × 11 × 10)/(3 × 2 × 1) = 220।
    মনে রাখুন:
    n বাহুবিশিষ্ট বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা nC₂ − n = n(n−3)/2। এখানে 12 × 9/2 = 54।
  11. ৫২. 'ক' প্রথমে তিন মাইল উত্তরে, পরে ৯ মাইল পূর্বে এবং তারপর আবার ৯ মাইল উত্তরে যায়। শুরুর স্থান হতে তার দূরত্ব কত মাইল?
    • ক. ২০
    • খ. ২৫
    • গ. ১৫
    • ঘ. ৩০
    উত্তর: গ. ১৫
    ক প্রথমে ৩ মাইল উত্তরে, পরে ৯ মাইল পূর্বে এবং আবার ৯ মাইল উত্তরে যায়। মোট উত্তর দিকে সরে যায় 3 + 9 = 12 মাইল, আর পূর্ব দিকে 9 মাইল। দুটি দিক পরস্পর লম্ব, তাই পিথাগোরাসের সূত্র খাটে: দূরত্ব = √(9² + 12²) = √225 = 15 মাইল।
    মনে রাখুন: 9, 12, 15 হলো 3, 4, 5-এর তিন গুণ, তাই এটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী।
  12. ৫৩. ৫ সে.মি. ব্যাসার্ধবিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার?
    • ক. ৮০
    • খ. ৫০
    • গ. ৯৮
    • ঘ. ১০০
    উত্তর: খ. ৫০
    বৃত্তের ভেতরে বর্গ আঁকলে বর্গের কর্ণ বৃত্তের ব্যাস হয়। ব্যাসার্ধ 5 সে.মি. হলে ব্যাস, অর্থাৎ কর্ণ 10 সে.মি.। বর্গের বাহু a হলে কর্ণের সূত্র a√2 = 10, তাই a² = 100/2 = 50। বর্গের ক্ষেত্রফল a² = 50 বর্গ সে.মি.।
    মনে রাখুন: কর্ণ d হলে বর্গের ক্ষেত্রফল d²/2। এখানে 100/2 = 50।
  13. ৫৪. যদি x² + px + 4 = 0 এর মূল দুইটি সমান হয় এবং p > 0 হয়, তবে p-এর মান কত?
    • ক. 4
    • খ. 6
    • গ. 16
    • ঘ. 24
    উত্তর: ক. 4
    দ্বিঘাত সমীকরণ ax² + bx + c = 0-এর মূল দুটি সমান হওয়ার শর্ত b² − 4ac = 0। এখানে a = 1, b = p, c = 4, তাই p² − 16 = 0, অর্থাৎ p = ±4। প্রশ্নে বলা আছে p > 0, তাই p = 4।
    যাচাই: x² + 4x + 4 = (x + 2)², যার দুটি মূলই −2।
    মনে রাখুন: নিশ্চায়ক b² − 4ac শূন্য হলে মূল সমান ও বাস্তব, ধনাত্মক হলে দুটি ভিন্ন বাস্তব মূল, আর ঋণাত্মক হলে মূল বাস্তব হয় না।
  14. ৫৫. দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে অন্তঃস্পর্শ করেছে। একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ ৫ সে.মি. এবং কেন্দ্রদ্বয়ের দূরত্ব ৯ সে.মি. হলে, অপর বৃত্তের পরিধি কত সে.মি.?
    • ক. ৩৪
    • খ. ৪৪
    • গ. ৮৮
    • ঘ. ৫০
    উত্তর: গ. ৮৮
    দুটি বৃত্ত পরস্পরকে অন্তঃস্পর্শ করলে কেন্দ্রদ্বয়ের দূরত্ব ব্যাসার্ধ দুটির বিয়োগফলের সমান হয়। ছোট বৃত্তের ব্যাসার্ধ 5 সে.মি., কেন্দ্রদ্বয়ের দূরত্ব 9 সে.মি. হলে বড় বৃত্তের ব্যাসার্ধ 9 + 5 = 14 সে.মি.। পরিধি = 2πr = 2 × (22/7) × 14 = 88 সে.মি.।
    মনে রাখুন:
    বহিঃস্পর্শ হলে কেন্দ্রদ্বয়ের দূরত্ব ব্যাসার্ধ দুটির যোগফলের সমান হয়।
    গণনায় π = 22/7 ধরা হয়েছে।
  15. ৫৬. বৃত্তের ব্যাস ভিন্ন জ্যা এর দৈর্ঘ্য 8√2 সে.মি. এবং কেন্দ্র হতে ঐ জ্যা এর উপর লম্বের দৈর্ঘ্য 2 সে.মি. হলে বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা এর দৈর্ঘ্য কত সে.মি.?
    • ক. 10
    • খ. 12
    • গ. 16
    • ঘ. 20
    উত্তর: খ. 12
    জ্যা 8√2 সে.মি. হলে কেন্দ্র থেকে লম্ব ওই জ্যা-কে সমদ্বিখণ্ডিত করে, অর্থাৎ অর্ধেক জ্যা 4√2 সে.মি.। কেন্দ্র থেকে লম্বের দৈর্ঘ্য 2 সে.মি., তাই ব্যাসার্ধ r = √((4√2)² + 2²) = √(32 + 4) = √36 = 6 সে.মি.। বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা হলো ব্যাস, অর্থাৎ 2 × 6 = 12 সে.মি.।
    মনে রাখুন: কেন্দ্র থেকে জ্যা-এর ওপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা-কে সমদ্বিখণ্ডিত করে। বৃত্তের সবচেয়ে বড় জ্যা সবসময় ব্যাস।
  16. ৫৭. 3ˣ/3ˣ⁻¹ এর মান কত?
    • ক. 1
    • খ. 2
    • গ. 0
    • ঘ. 3
    উত্তর: ঘ. 3
    হর 3ˣ⁻¹-কে 3ˣ ÷ 3 আকারে লেখা যায়, তাই ভগ্নাংশ 3ˣ ÷ (3ˣ/3) = 3। সূচকের নিয়মেও একই ফল আসে: 3ˣ ÷ 3ˣ⁻¹ = 3ˣ⁻⁽ˣ⁻¹⁾ = 3¹ = 3।
    যাচাই: x = 2 হলে 9/3 = 3।
    মনে রাখুন: aᵐ ÷ aⁿ = aᵐ⁻ⁿ।

সাধারণ জ্ঞান

  1. ৬০. বাংলাদেশে কয়টি ভূ-কম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র আছে?
    • ক. ৮টি
    • খ. ১০টি
    • গ. ০২টি
    • ঘ. ০৪টি
    উত্তর: ঘ. ০৪টি
    পরীক্ষার সময় আবহাওয়া অধিদপ্তরের অধীনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রংপুরে মোট ৪টি ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ছিল। পরে নতুন কেন্দ্র যোগ হওয়ায় এই সংখ্যা বদলে থাকতে পারে।

বিজ্ঞান

  1. ৬৩. কীসের আকর্ষণে জোয়ার ভাটা হয়?
    • ক. সূর্য
    • খ. চন্দ্র
    • গ. নক্ষত্র
    • ঘ. উপগ্রহ
    উত্তর: খ. চন্দ্র
    সমুদ্রের পানি চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ টানে ফুলে ওঠে, আবার নেমে যায়। ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। সূর্য চাঁদের তুলনায় অনেক বড়, কিন্তু পৃথিবী থেকে অনেক দূরে থাকে। তাই জোয়ার-ভাটায় চাঁদের প্রভাবই বেশি। সাধারণত প্রতিদিন দুবার জোয়ার ও দুবার ভাটা হয়।
    মনে রাখুন:
    পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় আসে এবং ভরা জোয়ার (ভরা কটাল) হয়।
    শুক্ল ও কৃষ্ণ অষ্টমীতে মরা কটাল বা নিম্ন জোয়ার হয়।

আন্তর্জাতিক

  1. ৬৪. বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
    • ক. ১৩৬ তম
    • খ. ১৩৯ তম
    • গ. ১৪০ তম
    • ঘ. ১৪২ তম
    উত্তর: ক. ১৩৬ তম
    ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ হয় জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। একই দিনে গ্রানাডা ১৩৭তম ও গিনি-বিসাউ ১৩৮তম সদস্য হয়। সদস্যপদ পাওয়ার কিছুদিন পর, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ অধিবেশনে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।
    জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর, তাই এই দিনটি জাতিসংঘ দিবস।
  2. ৬৫. কোন সংস্থা ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে?
    • ক. WHO
    • খ. UNICEF
    • গ. UNESCO
    • ঘ. ILO
    উত্তর: গ. UNESCO
    ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে তাদের ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের স্মৃতি এই ঘোষণার ভিত্তি। ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে।
    মনে রাখুন:
    ইউনেস্কোর পূর্ণ নাম United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization, সদর দপ্তর প্যারিসে।
    WHO স্বাস্থ্য, UNICEF শিশু ও ILO শ্রমিকদের বিষয় নিয়ে কাজ করে।
  3. ৬৮. টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত ২০৩০ এজেন্ডাতে কয়টি লক্ষ্য রয়েছে?
    • ক. ১৫
    • খ. ১৭
    • গ. ২১
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. ১৭
    জাতিসংঘের ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর টেকসই উন্নয়নের ২০৩০ এজেন্ডা (Sustainable Development Goals, SDG) গৃহীত হয়। এতে মোট ১৭টি লক্ষ্য এবং ১৬৯টি উপলক্ষ্য রয়েছে। এটি মিলেনিয়াম উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (MDG) পরবর্তী পরিকল্পনা। MDG-তে লক্ষ্য ছিল ৮টি। ১৫ বা ২১টি লক্ষ্যের কথা এখানে সঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    SDG বাস্তবায়নের সময়কাল ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
    SDG-র প্রথম লক্ষ্য দারিদ্র্য নির্মূল।
    বাংলাদেশ সরকারও এই লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে।
  4. ৬৯. ২০১৯ সালের অষ্টম নারী বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন কোন দেশ?
    • ক. জার্মানি
    • খ. ব্রাজিল
    • গ. আর্জেন্টিনা
    • ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: ঘ. যুক্তরাষ্ট্র
    ২০১৯ সালের নারী ফুটবল বিশ্বকাপ হয় ফ্রান্সে। ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্র নেদারল্যান্ডসকে ২-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে। এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ শিরোপা, আগের তিনটি ১৯৯১, ১৯৯৯ ও ২০১৫ সালে। নারী বিশ্বকাপের এটি ছিল অষ্টম আসর। জার্মানি, ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা এ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়নি।
    মনে রাখুন: ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে আয়োজিত নবম আসরে স্পেন চ্যাম্পিয়ন হয়।
    হালনাগাদ: ২০২৭ সালের আসর ব্রাজিলে হওয়ার কথা।

কম্পিউটার ও আইসিটি

  1. ৭০. কোনটি তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী?
    • ক. ওয়াইম্যাক্স
    • খ. সি-মস
    • গ. ব্লু-টুথ
    • ঘ. ব্রডব্যান্ড
    উত্তর: ক. ওয়াইম্যাক্স
    ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)-এর পুরো নাম World wide Interoperability for Microwave Access। এটি তারবিহীন প্রযুক্তি, যা বড় এলাকা জুড়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। ব্লুটুথ শুধু কাছাকাছি দুটি ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়। ব্রডব্যান্ড সাধারণত তারের মাধ্যমে আসে, আর সি-মস (CMOS) কম্পিউটারের একটি মেমোরি চিপ, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
    মনে রাখুন:
    ওয়াইম্যাক্সের মানদণ্ড IEEE 802.16, আর ওয়াই-ফাইয়ের মানদণ্ড IEEE 802.11।
    ব্লুটুথের পাল্লা খুব কম, সাধারণত কয়েক মিটার।
  2. ৭১. কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
    • ক. মাইক্রোফোন
    • খ. সিডি ড্রাইভ
    • গ. মনিটর
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. মনিটর
    কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়া করার পর যে যন্ত্রের মাধ্যমে ফল দেখায় বা শোনায়, সেটিকে আউটপুট ডিভাইস বলে। মনিটর পর্দায় ফল দেখায়, তাই এটি আউটপুট ডিভাইস। মাইক্রোফোন বাইরে থেকে শব্দ কম্পিউটারে দেয়, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস। সিডি ড্রাইভ তথ্য পড়তে বা লিখতে পারে, তাই এটি ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করে।
    মনে রাখুন:
    আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ: প্রিন্টার, স্পিকার, প্রজেক্টর, প্লটার।
    ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ: কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা: ২ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন