নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৩: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩। ৯৮টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বাংলা
- ১. বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থের নাম কী?
- ক. চর্যাপদ
- খ. বৈষ্ণব পদাবলী
- গ. ঐতরেয় আরণ্যক
- ঘ. দোহাকোষ
উত্তর: ক. চর্যাপদ
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থ বা আদি নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গানের সংকলন, যা পাল রাজাদের আমলে লেখা হয়। ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে ‘হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে এটি বই আকারে প্রকাশিত হয়। ‘দোহাকোষ’ ও ‘ঐতরেয় আরণ্যক’ অন্য ভাষার রচনা, তাই এগুলো বাংলার আদি নিদর্শন নয়।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের ভাষাকে বলা হয় সন্ধ্যা ভাষা।
চর্যাপদের আদি কবি লুইপা, আর সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছেন কাহ্নপা।
বৈষ্ণব পদাবলী মধ্যযুগের রচনা, তাই এটি আদি নিদর্শন নয়। - ২. 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার রচয়িতা কে?
- ক. সুকান্ত ভট্টাচার্য
- খ. কামিনী রায়
- গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ঘ. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর: ক. সুকান্ত ভট্টাচার্য
‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা। কবিতাটি তাঁর ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থে আছে। কবিতায় তিনি আঠারো বছর বয়সকে দুঃসাহস, উদ্দীপনা ও আত্মত্যাগের বয়স হিসেবে দেখিয়েছেন। এই বয়সে মানুষ ঝড়ের মুখেও মাথা তুলে দাঁড়ায়, আবার সামান্য আঘাতেও কেঁপে ওঠে, কবিতায় এই দুই দিকই ফুটে উঠেছে। এ কারণে কবিতাটি পরীক্ষায় বারবার আসে।
মনে রাখুন:
ছাড়পত্রের অন্য কবিতা: রানার, সিঁড়ি, দেশলাই কাঠি, হে মহাজীবন।
সুকান্ত ‘কিশোর কবি’ নামে পরিচিত। তিনি মাত্র ২১ বছর বেঁচে ছিলেন এবং ১৯৪৭ সালে মারা যান।
সুকান্তের অন্য কাব্যগ্রন্থ: ঘুম নেই, পূর্বাভাস, মিঠেকড়া। - ৩. সাধু রীতিতে কোন পদটির দীর্ঘরূপ হয় না?
- ক. বিশেষণ
- খ. সর্বনাম
- গ. ক্রিয়া
- ঘ. অব্যয়
উত্তর: ঘ. অব্যয়
সাধু রীতিতে সর্বনাম (তাহারা) ও ক্রিয়াপদ (করিয়াছিল) পূর্ণাঙ্গ বা দীর্ঘ রূপে বসে। অব্যয় পদের রূপের এমন পরিবর্তন হয় না। - ৪. যে সন্ধি সাধারণ নিয়ম অনুসারে হয় না, তাকে বলে—
- ক. স্বরসন্ধি
- খ. ব্যঞ্জনসন্ধি
- গ. নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি
- ঘ. বিসর্গসন্ধি
উত্তর: গ. নিপাতনে সিদ্ধসন্ধি
কিছু সন্ধি সাধারণ সূত্র মেনে হয় না। এগুলো কোনো ব্যাকরণ-নিয়ম ছাড়াই শুধু প্রচলন অনুযায়ী সিদ্ধ বা গ্রহণযোগ্য হয়। এ ধরনের সন্ধিকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। ‘নিপাতন’ মানে নিয়মের ব্যতিক্রম। তাই স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি বা বিসর্গসন্ধির সুনির্দিষ্ট নিয়ম থাকলেও নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির কোনো সাধারণ নিয়ম নেই। এ কারণে এ ধরনের সন্ধি আমাদের আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হয়।
উদাহরণ:
কুল + অটা = কুলটা
গো + অক্ষ = গবাক্ষ
প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ়
অন্য + অন্য = অন্যান্য
বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি
মনস্ + ঈষা = মনীষা - ৫. 'মুখতোলা' বাক্যাংশের বিশিষ্ট অর্থ কী?
- ক. নিজের মুখ উপরে তোলা
- খ. অন্যের মুখ উপরে তোলা
- গ. নষ্ট করা
- ঘ. প্রসন্ন হওয়া
উত্তর: ঘ. প্রসন্ন হওয়া
‘মুখ তোলা’ বাগধারাটির বিশিষ্ট অর্থ প্রসন্ন হওয়া বা অনুকূল হওয়া। ভাগ্য বা কোনো ক্ষমতাবান ব্যক্তি যখন কারও প্রতি সদয় হয়, তখন বলা হয় ভাগ্য তার দিকে মুখ তুলে চেয়েছে। অন্য অপশনের অর্থগুলো বাগধারাটির প্রচলিত অর্থ নয়, কেবল শব্দের আক্ষরিক অর্থ। বাগধারা বা ইডিয়ম বলতে এমন শব্দগুচ্ছ বোঝায়, যা নিজের সাধারণ অর্থ ছেড়ে একটি নতুন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। তাই শব্দগুলোর আলাদা অর্থ দেখে এর মানে বের করা যায় না।
মনে রাখুন: বাগধারার বিশিষ্ট অর্থ শব্দের সাধারণ অর্থ থেকে আলাদা হয়ে থাকে।
উদাহরণ: অনেক কষ্টের পর ভাগ্য তার দিকে মুখ তুলে চাইল। - ৬. 'আবাহন' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?আরও এসেছে: প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (১ম ধাপ) ২০২২
- ক. বিসর্জন
- খ. তিরোভাব
- গ. অপকর্ষ
- ঘ. অবরোহণ
উত্তর: ক. বিসর্জন
‘আবাহন’ মানে আহ্বান করে নিয়ে আসা বা সম্মান জানিয়ে ডেকে আনা। এর বিপরীত শব্দ ‘বিসর্জন’, যার অর্থ বিদায় দেওয়া বা ত্যাগ করা। যেমন দেবীপ্রতিমাকে আবাহন করে আনা হয় এবং শেষে বিসর্জন দেওয়া হয়। অন্য অপশনগুলোর নিজস্ব বিপরীত শব্দ আছে, তাই সেগুলো আবাহনের বিপরীত নয়। বিপরীত শব্দের প্রশ্নে আমরা আগে প্রতিটি অপশনের নিজের বিপরীতটি ভেবে নিলে ভুল অপশন সহজে বাদ পড়ে।
মনে রাখুন:
তিরোভাব – আবির্ভাব
অপকর্ষ – উৎকর্ষ
অবরোহণ – আরোহণ
আবাহনের সমার্থক শব্দ আমন্ত্রণ বা আহ্বান।
আবির্ভাব মানে আগমন বা প্রকাশ, আর তিরোভাব মানে অন্তর্ধান বা অদৃশ্য হওয়া। - ৭. 'পঞ্চপদ' কোন সমাসের উদাহরণ?
- ক. বহুব্রীহি
- খ. অব্যয়ীভাব
- গ. দ্বিগু
- ঘ. ব্যতিহার বহুব্রীহি
উত্তর: গ. দ্বিগু
পাঁচটি পদের সমাহার বা সমষ্টি বোঝাতে ‘পঞ্চপদ’ শব্দ তৈরি হয়েছে। যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় এবং সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। ‘পঞ্চ’ সংখ্যাবাচক, তাই এটি দ্বিগু সমাস। বহুব্রীহি সমাসে সমস্তপদ অন্য কিছুকে বোঝায়, আর অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদ অব্যয় থাকে। এখানে ওই দুটির কোনো লক্ষণ নেই।
উদাহরণ:
ত্রিকাল, চৌরাস্তা, তেমাথা, শতাব্দী, সপ্তাহ
মনে রাখুন:
ব্যাসবাক্যে সাধারণত ‘সমাহার’ কথাটি থাকে।
পঞ্চ পদের সমাহার = পঞ্চপদ।
সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বপদে থাকলেই সব সময় দ্বিগু হয় না, সমাহার অর্থ থাকতে হয়। - ৮. 'সবুজপত্র' পত্রিকার সম্পাদক কে?
- ক. অক্ষয়কুমার দত্ত
- খ. বুদ্ধদেব বসু
- গ. প্রমথ চৌধুরী
- ঘ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: গ. প্রমথ চৌধুরী
‘সবুজপত্র’ পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে এবং এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার ব্যবহার জনপ্রিয় হয়। তিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামেও লিখতেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই পত্রিকায় লিখেছেন, কিন্তু সম্পাদক ছিলেন না। চলিত ভাষার প্রচলনের ইতিহাসে এই পত্রিকার অবদান এত বেশি যে একে সাহিত্য আন্দোলনের মুখপত্র বলা হয়।
মনে রাখুন:
অক্ষয়কুমার দত্ত সম্পাদনা করেন ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা (১৮৪৩)।
বুদ্ধদেব বসু সম্পাদনা করেন ‘কবিতা’ পত্রিকা।
প্রমথ চৌধুরীর একটি পরিচিত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বীরবলের হালখাতা’।
সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে চলিত ভাষা প্রতিষ্ঠিত হয়, তার আগে সাধু ভাষাই প্রধান ছিল। - ৯. 'ধন ধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' সংগীতটি রচয়িতা কে?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. কাজী নজরুল ইসলাম
- গ. রজনীকান্ত
- ঘ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর: ঘ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
‘ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান। তিনি নাট্যকার ও গীতিকার হিসেবে পরিচিত এবং ‘হাসির গানের’ জন্যও বিখ্যাত। তাঁর নাটকে দেশপ্রেমের সুর বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও রজনীকান্তও দেশাত্মবোধক গান লিখেছেন, কিন্তু এই গানটি তাঁদের কারও নয়। তাই গানটির প্রথম লাইন দেখে রচয়িতার নাম মনে রাখা দরকার।
মনে রাখুন:
দ্বিজেন্দ্রলালের নাটক: সাজাহান, মেবার পতন, চন্দ্রগুপ্ত, রানা প্রতাপসিংহ, সোরাব রুস্তম।
তাঁর আরেকটি বিখ্যাত গান ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’।
রজনীকান্ত সেনের একটি বিখ্যাত গান ‘মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নেরে ভাই’। - ১০. বিদ্যাসাগরের প্রকৃত নাম-
- ক. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
- গ. ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
- ঘ. ঈশ্বরচন্দ্র ভট্টাচার্য
উত্তর: গ. ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
বিদ্যাসাগরের প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত শাস্ত্রে গভীর পাণ্ডিত্যের জন্য সংস্কৃত কলেজ থেকে তিনি ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি পান। তাই ‘বিদ্যাসাগর’ আসলে তাঁর উপাধি, পারিবারিক পদবি নয়। পদবি হিসেবে বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যবহৃত হতো। অন্য অপশনের শর্মা বা ভট্টাচার্য তাঁর পদবি ছিল না। সংস্কৃত পণ্ডিতরা অনেক সময় এভাবে উপাধি পেতেন, যা পরে মানুষের কাছে নামের চেয়েও বেশি পরিচিত হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগর বিধবা বিবাহ প্রচলনের আন্দোলন করেন। ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়।
তাঁর রচনা: বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস।
তাঁর বর্ণপরিচয় বাংলা বর্ণমালা শেখার বিখ্যাত বই। - ১১. কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়?
- ক. কাঁদো নদী কাঁদো
- খ. দুই সৈনিক
- গ. রাইফেল রোটি আওরাত
- ঘ. যুদ্ধ
উত্তর: ক. কাঁদো নদী কাঁদো
‘কাঁদো নদী কাঁদো’ (১৯৬৮) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস। এতে মুক্তিযুদ্ধের কথা নেই, বরং একটি নদীঘেঁষা জনপদ ও মানুষের অস্তিত্বসংকটের চিত্র আঁকা হয়েছে। বাকি তিনটি উপন্যাসের পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ। আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। ‘দুই সৈনিক’ শওকত ওসমানের এবং ‘যুদ্ধ’ সেলিনা হোসেনের। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১৯৪৮ সালে লেখা ‘লালসালু’র জন্যও বিখ্যাত, যা কুসংস্কার ও ধর্মব্যবসার চিত্র তুলে ধরে। মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাসের ঘটনা ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে, কিন্তু ‘কাঁদো নদী কাঁদো’-তে তেমন কিছু নেই।
মনে রাখুন:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্য উপন্যাস: লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা।
শওকত ওসমানের আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’। - ১২. 'দীর্ঘ' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ক. দূর
- খ. দুর্গম
- গ. দৃঢ়
- ঘ. হ্রস্ব
উত্তর: ঘ. হ্রস্ব
‘দীর্ঘ’ শব্দের অর্থ লম্বা, আর এর বিপরীত শব্দ ‘হ্রস্ব’, অর্থাৎ খাটো বা ছোট। যেমন হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার। ব্যাকরণে স্বরধ্বনিকে হ্রস্ব ও দীর্ঘ এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়, আর এই দুটি শব্দই পরস্পরের বিপরীত। বাকি অপশনের নিজস্ব বিপরীত আছে এবং সেগুলো দীর্ঘের বিপরীত নয়। তাই বিপরীত শব্দের প্রশ্নে আমরা সবসময় প্রতিটি অপশনের নিজের বিপরীত শব্দটি ভেবে দেখি।
মনে রাখুন:
দৃঢ় – শিথিল
দুর্গম – সুগম
দূর – নিকট
দীর্ঘ – হ্রস্ব, যেমন দীর্ঘ পথ – ছোট পথ।
দীর্ঘ শব্দের সমার্থক শব্দ লম্বা বা আয়ত। - ১৩. 'বিশেষ্য + ক্রিয়া' দ্বারা কোন সমাসকে বোঝায়?
- ক. নিত্য সমাস
- খ. অলুক তৎপুরুষ
- গ. কর্মধারয় সমাস
- ঘ. উপপদ তৎপুরুষ
উত্তর: ঘ. উপপদ তৎপুরুষ
যে তৎপুরুষ সমাসে পরপদ ক্রিয়ামূল থেকে তৈরি কৃৎ-প্রত্যয়যুক্ত হয় এবং পূর্বপদের সঙ্গে মিলে অর্থ প্রকাশ করে, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। এই পরপদ আলাদাভাবে ব্যবহার হয় না, তাই পূর্বপদের ওপর নির্ভর করে থাকে। এখানে পূর্বপদ বিশেষ্য এবং পরপদ ক্রিয়াজাত শব্দ, ফলে ‘বিশেষ্য + ক্রিয়া’ গঠনটি উপপদ তৎপুরুষে মেলে। যেমন জল যে চরে (জলচর), জল যে দেয় (জলদ), পঙ্কে যে জন্মে (পঙ্কজ)।
উদাহরণ:
জলচর, জলদ, পঙ্কজ
মনে রাখুন: অন্য তৎপুরুষ সমাসের পরপদ আলাদাভাবেও ব্যবহার করা যায়, যেমন রাজপুত্র।
উপপদ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদকে উপপদ বলা হয় এবং পরপদ কৃদন্ত পদ হয়। - ১৪. বাংলা ভাষার আদি উৎস কী?
- ক. সংস্কৃত ভাষা
- খ. পালি ভাষা
- গ. প্রাকৃত ভাষা
- ঘ. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা
উত্তর: ঘ. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা
বাংলা ভাষার আদি উৎস হলো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা। বহু হাজার বছর আগে এই আদি ভাষা থেকে ভারতীয় আর্য ভাষা, তার থেকে প্রাকৃত এবং শেষে পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃতের একটি রূপ (মাগধী অপভ্রংশ) থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়। তাই সংস্কৃত বা প্রাকৃত বাংলার সরাসরি পূর্বপুরুষ হলেও আদি উৎস নয়। পরীক্ষায় ‘আদি উৎস’ চাইলে সবচেয়ে প্রাচীন ভাষাগোষ্ঠীকেই বেছে নিতে হয়।
মনে রাখুন:
ক্রম: ইন্দো-ইউরোপীয় → ইন্দো-ইরানীয় → ভারতীয় আর্য → প্রাকৃত → বাংলা।
বাংলা ভাষার জন্ম আনুমানিক এক হাজার বছর আগে।
বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাপরিবারের ইন্দো-আর্য শাখার অন্তর্ভুক্ত। - ১৫. 'কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'-কবিতাটি কার?
- ক. জীবনানন্দ দাশের
- খ. সুকান্ত ভট্টাচার্যের
- গ. সৈয়দ শামসুল হকের
- ঘ. মাহবুব উল আলম চৌধুরীর
উত্তর: ঘ. মাহবুব উল আলম চৌধুরীর
‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটি মাহবুব উল আলম চৌধুরীর লেখা। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা এই কবিতাটিকে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম কবিতা বলা হয়। অন্য কবিদের ভাষা আন্দোলনের কবিতা আলাদা। যেমন সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯৪৭ সালেই মারা যান, তাই ১৯৫২ সালের আন্দোলন নিয়ে তাঁর কবিতা লেখার প্রশ্নই ওঠে না।
মনে রাখুন:
স্মৃতিস্তম্ভ – আলাউদ্দিন আল আজাদ
বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা – শামসুর রাহমান
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো (একুশের গান) – আবদুল গাফফার চৌধুরী
মাহবুব উল আলম চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের সময় চট্টগ্রামে ছিলেন এবং কবিতাটি ১৯৫২ সালেই রচিত হয়। - ১৬. কোনটি আঞ্চলিক উপন্যাস?
- ক. শ্রীকান্ত
- খ. ঘরে-বাইরে
- গ. পদ্মানদীর মাঝি
- ঘ. খোয়াবনামা
উত্তর: গ. পদ্মানদীর মাঝি
আঞ্চলিক উপন্যাস বলতে সেই উপন্যাস বোঝায়, যেখানে নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলের ভাষা, জীবনযাত্রা ও পরিবেশ প্রধান হয়ে ওঠে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ (১৯৩৬) পদ্মাপারের জেলেদের জীবন নিয়ে লেখা, তাই এটি আঞ্চলিক উপন্যাস। ‘শ্রীকান্ত’ শরৎচন্দ্রের আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস, ‘ঘরে-বাইরে’ রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক-সামাজিক উপন্যাস। এই দুটিতে বিশেষ কোনো অঞ্চলের জীবন প্রধান বিষয় নয়। আঞ্চলিক উপন্যাসের সংলাপে সাধারণত সেই অঞ্চলের নিজস্ব ভাষা ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখুন:
অন্য আঞ্চলিক উপন্যাস: তিতাস একটি নদীর নাম (অদ্বৈত মল্লবর্মণ), হাঁসুলী বাঁকের উপকথা (তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়)।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’। - ১৭. পয়মন্তি এলো— এখানে 'পয়মন্তি' কোন কারক?
- ক. কর্মকারক
- খ. করণ কারক
- গ. অপাদান কারক
- ঘ. কর্তৃকারক
উত্তর: ঘ. কর্তৃকারক
কর্তৃকারক বাক্যের সেই বিশেষ্য বা সর্বনামকে বলে, যে ক্রিয়া সম্পন্ন করে। ক্রিয়াকে ‘কে’ বা ‘কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে কর্তৃকারক পাওয়া যায়। ‘পয়মন্তি এলো’ বাক্যে প্রশ্ন করি, কে এলো? উত্তর পাই, পয়মন্তি। তাই এটি কর্তৃকারক। ক্রিয়াকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে কর্মকারক পাওয়া যেত। করণ কারকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্নের উত্তর মেলে, আর অপাদানে কোথা থেকে বা কী থেকে প্রশ্নের উত্তর মেলে।
উদাহরণ:
রহিম বই পড়ে। (কে পড়ে? রহিম – কর্তৃকারক)
রহিম বই পড়ে। (কী পড়ে? বই – কর্মকারক) - ১৮. নিচের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?
- ক. মেঘনাদবধ কাব্য
- খ. শেষ লেখা
- গ. জীবনস্মৃতি
- ঘ. চিলেকোঠার সেপাই
উত্তর: ঘ. চিলেকোঠার সেপাই
‘চিলেকোঠার সেপাই’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের উপন্যাস, যা ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়। এর পটভূমি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। অন্য তিনটি অপশন উপন্যাস নয়। ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য, ‘জীবনস্মৃতি’ রবীন্দ্রনাথের আত্মজীবনীমূলক রচনা, আর ‘শেষ লেখা’ রবীন্দ্রনাথের শেষ কাব্যগ্রন্থ। বইয়ের ধরন (genre) জানা থাকলে অপশন বাছাই সহজ হয়।
মনে রাখুন:
ইলিয়াসের অন্য উপন্যাস: খোয়াবনামা (১৯৯৬)।
ইলিয়াসের ছোটগল্প: অন্য ঘরে অন্য স্বর, দুধভাতে উৎপাত।
মেঘনাদবধ কাব্য ১৮৬১ সালে প্রকাশিত।
‘শেষ লেখা’ কবির মৃত্যুর পরে ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়।
ইলিয়াসের উপন্যাসে পুরোনো ঢাকার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক সংকটের ছবি ফুটে ওঠে। - ১৯. 'সস্তার তিন অবস্থা'র অর্থ কী?
- ক. সুলভ জিনিস ভালো না
- খ. সুলভ জিনিস কেনা খারাপ
- গ. কম দামি জিনিস খারাপ
- ঘ. সুলভ জিনিসের নানা দোষ
উত্তর: ঘ. সুলভ জিনিসের নানা দোষ
‘সস্তার তিন অবস্থা’ একটি বাগধারা। এর অর্থ হলো সস্তা বা সুলভ জিনিসে নানা দোষ থাকে। দাম কম হলে জিনিস হয়তো টেকসই হয় না, দেখতেও ভালো হয় না, কিংবা অন্য কোনো না কোনো খুঁত থাকে। তাই সস্তা জিনিস কিনলে ঝামেলা পোহাতে হয়, এই ভাবটি এখানে বোঝানো হয়েছে। অন্য অপশনগুলো এই ভাবের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না, কারণ সবকিছু সস্তা হলেই খারাপ, এমন কথা বাগধারাটি বলে না, বলে যে তাতে একাধিক দোষ জুটতে পারে।
মনে রাখুন: ‘সস্তা’ মানে অল্প দামি, আর এর সমার্থক শব্দ সুলভ। - ৯৫. কোন কবিতা রচনার কারণে কাজী নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়?আরও এসেছে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পিটিআই ইন্সট্রাক্টর (শিক্ষাবিজ্ঞানসহ) ২০১৯
- ক. বিদ্রোহী
- খ. কাণ্ডারী হুঁশিয়ার
- গ. আনন্দময়ীর আগমনে
- ঘ. দুঃশাসনের রক্ত চাই
উত্তর: গ. আনন্দময়ীর আগমনে
নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালে নিজের সম্পাদিত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা 'ধূমকেতু'-র পূজা সংখ্যায় 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি লেখেন। কবিতায় ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ থাকায় সরকার তাঁকে রাজদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। আদালতে নিজের পক্ষে দেওয়া তাঁর বিখ্যাত বিবৃতির নাম 'রাজবন্দীর জবানবন্দী'। তাঁকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। 'বিদ্রোহী' তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা হলেও এর জন্য তিনি কারাদণ্ড পাননি।
মনে রাখুন:
'যুগবাণী' (১৯২২) প্রবন্ধগ্রন্থ নিষিদ্ধ হয়।
'প্রলয়শিখা' (১৯৩০) কাব্যগ্রন্থের জন্যও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং কাব্যটি বাজেয়াপ্ত হয়। - ৯৬. মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'একেই কি বলে সভ্যতা' কোন ধরনের নাটক?
- ক. কমেডি
- খ. সামাজিক প্রহসন
- গ. ট্রাজেডি
- ঘ. মেলোড্রামা
উত্তর: খ. সামাজিক প্রহসন
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'একেই কি বলে সভ্যতা?' (১৮৬০) একটি সামাজিক প্রহসন (Farce)। প্রহসন হলো এমন নাটক, যাতে হাস্যরসের মাধ্যমে সমাজের দোষত্রুটি ব্যঙ্গ করা হয়। এই নাটকে কলকাতার ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর পাশ্চাত্য অনুকরণ, মদ্যপান ও উচ্ছৃঙ্খলতা ব্যঙ্গ করা হয়েছে। তাঁর অন্য প্রহসন 'বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ'-তে সমাজের ভণ্ড ও লম্পট বৃদ্ধদের নিয়ে রঙ্গ করা হয়েছে।
মনে রাখুন:
মধুসূদনের প্রথম নাটক 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৯)।
ট্র্যাজেডি 'কৃষ্ণকুমারী' (১৮৬১)।
কমেডি নামটি এখানে যথার্থ নয়, কারণ এটি প্রহসন হিসেবেই স্বীকৃত। - ৯৭. বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ কয়টি?
- ক. ১২টি
- খ. ১১টি
- গ. ৭টি
- ঘ. ৯টি
উত্তর: খ. ১১টি
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি। স্বরবর্ণ হলো সেই বর্ণ, যা অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়াই উচ্চারণ করা যায়। এগুলো হলো অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। আর ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। ব্যঞ্জনবর্ণ স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া সহজে উচ্চারণ করা যায় না, কিন্তু স্বরবর্ণ নিজেই উচ্চারিত হয়। তাই ১২ বা ৯ বলা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি (স্বরবর্ণ ১১ + ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯)।
স্বরবর্ণের ১০টি কার-চিহ্ন বা সংক্ষিপ্ত রূপ আছে।
'অ'-এর কোনো কার-চিহ্ন নেই।
হ্রস্ব-দীর্ঘ জোড়া: ই-ঈ এবং উ-ঊ।
ইংরেজি
- ২০. What kind of noun is 'class'?
- ক. Proper
- খ. Common
- গ. Material
- ঘ. Collective
উত্তর: ঘ. Collective
Collective noun হলো সেই noun, যা একই ধরনের অনেক ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে একটি একক হিসেবে বোঝায়। ‘Class’ বলতে একসঙ্গে অনেক শিক্ষার্থীর দল বোঝায়, তাই এটি collective noun। Proper noun হলো কোনো নির্দিষ্ট নাম (Dhaka), Common noun হলো একই জাতীয় সব কিছুর সাধারণ নাম (boy), আর Material noun হলো পদার্থের নাম (gold)। এই চার রকম noun চিনে রাখলে অপশন বাছাই সহজ হয়।
উদাহরণ: class, team, family, committee, army, jury।
মনে রাখুন: Collective noun সাধারণত singular verb নেয়, যেমন The class is ready. তবে সদস্যদের আলাদা করে বোঝালে plural verb-ও হতে পারে। - ২১. Let us discuss the problem — telephone.
- ক. by
- খ. on
- গ. over
- ঘ. in
উত্তর: ক. by
কোনো মাধ্যমে যোগাযোগ বোঝাতে ‘by’ preposition ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের বাক্যে মাধ্যমের নামের আগে article বসে না। তাই ‘by telephone’, ‘by phone’, ‘by post’, ‘by email’ বলা হয়। প্রশ্নের বাক্যে telephone-এর আগে ‘the’ নেই, তাই ‘by’ সবচেয়ে মানানসই। ‘on the telephone’ বা ‘over the telephone’ বললে article থাকত। ‘In’ এখানে খাটে না, কারণ ‘in’ কোনো স্থান বা সময়ের ভেতরে থাকা বোঝায়।
উদাহরণ:
We spoke by phone.
They sent it by post.
মনে রাখুন: যানবাহনের ক্ষেত্রেও by বসে, যেমন by bus, by train, by air। - ২২. Identify the masculine gender-
- ক. sow
- খ. drone
- গ. heifer
- ঘ. filly
উত্তর: খ. drone
Drone শব্দের অর্থ পুরুষ মৌমাছি, তাই এটি masculine gender। বাকি তিনটি শব্দ স্ত্রীলিঙ্গ। Sow মানে মাদি শূকর, Heifer মানে এখনো বাচ্চা দেয়নি এমন বকনা বাছুর এবং Filly মানে অল্পবয়সী মাদি ঘোড়া। এই শব্দগুলো প্রাণীর নাম বলে অনেকে লিঙ্গ না ভেবেই উত্তর দিয়ে ফেলে, তাই প্রতিটি শব্দের লিঙ্গ আলাদা করে জানা দরকার।
মনে রাখুন:
Boar – Sow (শূকর)
Bull – Cow (ষাঁড় ও গাভী)
Stallion – Mare (ঘোড়া ও ঘোটকী)
Drake – Duck (পুরুষ ও স্ত্রী হাঁস)
Gander – Goose (পুরুষ ও স্ত্রী রাজহাঁস) - ২৩. The opposite word of 'friendliness' is-
- ক. enmity
- খ. hostile
- গ. friendly
- ঘ. sinful
উত্তর: ক. enmity
Friendliness মানে বন্ধুত্বপূর্ণ ভাব। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে Enmity, অর্থাৎ শত্রুতা। Friendliness একটি noun, তাই বিপরীত শব্দও noun হতে হবে। Hostile ও Friendly adjective, আর Sinful মানে পাপী, যার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। প্রশ্নে শব্দটির পদ (part of speech) যা থাকে, উত্তরেও সেই পদই বেছে নিতে হয়, নইলে অর্থ মিললেও পদ মেলে না। Enmity শব্দটি সাধারণত দুই পক্ষের গভীর বিরোধ বা শত্রুতা বোঝায়।
উদাহরণ: There was enmity between the two families.
মনে রাখুন:
Friendly-এর বিপরীত Unfriendly বা Hostile।
Friend-এর বিপরীত Enemy।
Enmity-এর সমার্থক শব্দ Hatred বা Hostility। - ২৪. The synonym for 'patient' is-
- ক. calm
- খ. sad
- গ. impatient
- ঘ. afraid
উত্তর: ক. calm
Patient এখানে adjective, যার অর্থ ধৈর্যশীল বা শান্ত। এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে Calm, অর্থাৎ শান্ত ও স্থির। Sad মানে দুঃখিত, Impatient মানে অধৈর্য, আর Afraid মানে ভীত। Impatient আসলে Patient-এর বিপরীত, তাই এটি সমার্থক শব্দ হতে পারে না। একই বানানের Patient শব্দটি noun হিসেবেও আসে, তখন তার অর্থ একেবারে আলাদা হয়ে যায়, তাই বাক্যে পদ দেখে অর্থ ঠিক করতে হয়।
উদাহরণ:
A patient teacher never loses his temper.
The doctor examined the patient.
মনে রাখুন: Patient noun হলে অর্থ হয় রোগী। - ২৫. Fill in the gap: She goes to— university everyday.
- ক. a
- খ. an
- গ. the
- ঘ. no article
উত্তর: ঘ. no article
কোনো প্রতিষ্ঠানে তার মূল উদ্দেশ্য পূরণের জন্য গেলে সাধারণত আগে article বসে না। যেমন কেউ পড়াশোনার জন্য university-তে গেলে বলা হয় ‘goes to university’। তাই She goes to university every day. বাক্যে কোনো article লাগে না। ‘A’ বা ‘the’ বসালে মনে হবে মেয়েটি অন্য কোনো কাজে একটি নির্দিষ্ট ভবনে যাচ্ছে। আর ‘an’ এখানে ভুল, কারণ university শব্দটির উচ্চারণ ‘ইউ’ দিয়ে শুরু, স্বরধ্বনি দিয়ে নয়।
উদাহরণ:
He goes to school. (পড়তে)
He went to the school. (অন্য কাজে, যেমন কাউকে দেখতে)
মনে রাখুন: go to bed, go to church, go to prison, go to hospital-এও মূল উদ্দেশ্য বোঝালে article বসে না। - ২৬. 'Do call a taxi.' What kind of sentence is this?
- ক. Imperative
- খ. Interrogative
- গ. Assertive
- ঘ. Optative
উত্তর: ক. Imperative
যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ বা নিষেধ বোঝায়, তাকে Imperative sentence বলে। ‘Do call a taxi’ বাক্যে অনুরোধ আছে এবং ‘do’ বসিয়ে তাতে জোর দেওয়া হয়েছে। এটি প্রশ্ন নয়, তাই Interrogative নয়। কোনো তথ্য দেওয়া হচ্ছে না, তাই Assertive নয়। শুভেচ্ছা বা প্রার্থনা না থাকায় Optative-ও নয়। Imperative বাক্যে সাধারণত subject (you) উহ্য থাকে এবং verb দিয়েই বাক্য শুরু হয়।
উদাহরণ:
Please sit down.
Don’t make noise.
Do help me. (জোর দিয়ে অনুরোধ)
মনে রাখুন: Optative sentence-এ ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায়, যেমন May you live long. - ২৭. We can join two sentences by—
- ক. semicolon
- খ. comma
- গ. full stop
- ঘ. hyphen
উত্তর: ক. semicolon
একই বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি স্বাধীন বাক্যকে (independent clause) coordinating conjunction ছাড়া জুড়তে হলে semicolon ( ; ) ব্যবহার করা হয়। Comma দিয়ে শুধু ছোট বিরতি বোঝানো হয়, full stop দিয়ে বাক্য শেষ হয়, আর hyphen দিয়ে যুক্ত শব্দ গঠন করা হয়। তাই দুটি পূর্ণ বাক্যকে একটি বাক্যে বেঁধে ফেলতে semicolon-ই সবচেয়ে উপযুক্ত। Comma দিয়ে দুটি স্বাধীন বাক্য জুড়লে সেটিকে comma splice বলে এবং তা ভুল ধরা হয়।
উদাহরণ:
She was tired; she went to bed early.
মনে রাখুন: Semicolon-এর পর however বা therefore বসলে তার পরে comma দেওয়া হয়। - ২৮. The correct passive of 'Smoke filled the room' is-
- ক. The room was filled by smoke
- খ. The room was filled with smoke
- গ. The room had been filled with smoke
- ঘ. The room is filled by smoke
উত্তর: খ. The room was filled with smoke
‘Smoke filled the room’ active voice-এ আছে, এখন এটিকে passive করতে হবে। Object ‘the room’ subject হবে এবং verb হবে was filled। সাধারণ নিয়মে agent ‘smoke’-এর আগে by বসত। কিন্তু fill শব্দের পরে সাধারণত with বসে, কারণ উপাদান বা বস্তুর দ্বারা পূর্ণ হওয়া বোঝায়। তাই The room was filled with smoke সঠিক। ‘Had been filled’ বসালে past perfect tense হয়ে যায়, আর ‘is filled’ বসালে tense বদলে বর্তমান হয়ে যায়, যা মূল বাক্যের সঙ্গে মেলে না।
মনে রাখুন: Pleased, delighted, satisfied, covered-এর পরেও সাধারণত with বসে।
কিন্তু interested in, surprised at, known to-এর মতো কিছু আলাদা preposition আছে। - ২৯. Which word is neutral in meaning?
- ক. Wife
- খ. Husband
- গ. Brother
- ঘ. Spouse
উত্তর: ঘ. Spouse
Spouse শব্দটি স্বামী ও স্ত্রী, দুজনের জন্যই ব্যবহার করা যায়, তাই এটি লিঙ্গনিরপেক্ষ বা neutral। Wife হলো স্ত্রী, Husband হলো স্বামী, আর Brother হলো ভাই, এগুলো নির্দিষ্ট লিঙ্গ বোঝায়। তাই ‘neutral in meaning’ বলতে এমন শব্দ বোঝায়, যা পুরুষ বা নারী কোনো একজনের জন্য আলাদা করে নির্দিষ্ট নয়। এ ধরনের শব্দকে common gender বা neutral শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: Please bring your spouse to the party.
মনে রাখুন:
Sibling (ভাইবোন) এবং Parent (পিতা বা মাতা) শব্দও লিঙ্গনিরপেক্ষ।
Teacher, doctor, student-ও সাধারণত লিঙ্গনিরপেক্ষ। - ৩০. Which word is not an adverb?
- ক. Cowardly
- খ. Visibly
- গ. Slowly
- ঘ. Fast
উত্তর: ক. Cowardly
Adverb বাক্যে verb, adjective বা অন্য adverb-কে বর্ণনা করে। Visibly, Slowly এবং Fast সবাই adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু Cowardly (কাপুরুষোচিত) হলো adjective, যেমন a cowardly act। সাধারণত adjective-এর শেষে ly যোগ করলে adverb হয়, কিন্তু noun-এর শেষে ly যোগ হলে প্রায়ই adjective তৈরি হয়। Coward একটি noun, তাই cowardly adjective হয়েছে। এখানে শব্দের শেষ দেখে নয়, বাক্যে তার কাজ দেখে পদ চিনতে হয়।
উদাহরণ:
Brotherly, friendly, lovely, yearly, motherly – সবই adjective।
মনে রাখুন: Fast শব্দটি adjective এবং adverb দুই রূপেই ব্যবহৃত হয়, যেমন a fast car ও He runs fast। - ৩১. Fill in the gap: Tears rolled — her cheeks.
- ক. on
- খ. by
- গ. upon
- ঘ. down
উত্তর: ঘ. down
‘Roll down’ একটি phrasal verb, যার অর্থ গড়িয়ে পড়া। চোখের পানি গাল বেয়ে নিচের দিকে নামে, তাই Tears rolled down her cheeks বলা হয়। এখানে ‘down’ দিকনির্দেশ বোঝায়। On, by বা upon বসালে বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে না, কারণ এগুলো শুধু অবস্থান বা কর্তা বোঝায়, কোনো কিছু গড়িয়ে নামার ভাব প্রকাশ করে না। Preposition বা adverb-এর সঠিক ব্যবহার না জানলে এই ধরনের বাক্যে আমরা ভুল করি।
উদাহরণ:
Sweat ran down his face.
The ball rolled down the hill.
মনে রাখুন: Roll down, run down ও flow down প্রকাশগুলো কোনো কিছুর নিচের দিকে নামা বোঝায়। - ৩২. Which one is an example of a positive degree?
- ক. Much
- খ. More
- গ. Less
- ঘ. Last
উত্তর: ক. Much
Adjective বা adverb-এর তিনটি degree আছে: Positive (সাধারণ), Comparative (তুলনামূলক) ও Superlative (সর্বোচ্চ)। Much হলো Positive degree। এর Comparative more এবং Superlative most। Less হলো little-এর comparative, আর Last হলো late-এর superlative রূপগুলোর একটি। More শব্দটিও much-এর comparative, তাই more ও last-কে positive ধরা যায় না। Positive degree-তে দুটি বস্তুর তুলনা না করে শুধু একটি গুণ বোঝানো হয়, যেমন He is tall.
উদাহরণ:
Much – More – Most
Little – Less – Least
Late – Later – Latest/Last
Good – Better – Best - ৩৩. The plural form of 'thesis' is—
- ক. Theses
- খ. Thesis
- গ. Thasis
- ঘ. Thesease
উত্তর: ক. Theses
Thesis শব্দের অর্থ গবেষণাপত্র। এটি গ্রিক থেকে আসা শব্দ, তাই plural গঠনেও গ্রিক নিয়ম খাটে। শেষে ‘-is’ থাকলে plural-এ তা ‘-es’ হয়ে যায়। তাই thesis থেকে theses হয়। অন্য অপশনের Thasis বা Thesease নামে ইংরেজি শব্দ নেই। আর ‘Thesis’ একই রূপে লিখলে সেটি singular থেকে যায়।
উদাহরণ:
Basis – Bases
Oasis – Oases
Diagnosis – Diagnoses
Crisis – Crises
মনে রাখুন: Analysis-এর plural হলো Analyses, আর Hypothesis-এর plural হলো Hypotheses।
Parenthesis-এর plural হলো Parentheses।
Thesis শব্দের আরেকটি অর্থ মূল প্রতিপাদ্য বা প্রস্তাব, যেমন কোনো প্রবন্ধের thesis statement। - ৩৪. One should take care of — health.
- ক. his
- খ. one's
- গ. once
- ঘ. everyone's
উত্তর: খ. one's
‘One’ subject হলে সম্পর্কিত possessive pronoun হিসেবে ‘one’s’ বসে। His বা everyone’s এখানে বসালে বাক্যের subject-এর সঙ্গে মেলে না। তাই One should take care of one’s health. সঠিক। ‘Once’ একটি adverb, যার অর্থ একবার বা কখনো, তাই এটি বসালে বাক্যের অর্থই অর্থহীন হয়ে যায়। আমেরিকান ইংরেজিতে অনেক সময় ‘his’ বলা হয়, কিন্তু পরীক্ষায় one-এর সঙ্গে one’s-ই নিয়ম।
উদাহরণ:
One should do one’s duty.
One should respect one’s parents.
মনে রাখুন: Everyone, everybody, anyone, each—এদের সঙ্গে his বা his/her বসে, কিন্তু one-এর সঙ্গে one’s। - ৩৫. The word 'motherly' is a/an-
- ক. noun
- খ. verb
- গ. adjective
- ঘ. adverb
উত্তর: গ. adjective
শব্দের শেষে ly থাকলেই তা adverb হয় না। Noun-এর শেষে ly যোগ হলে সাধারণত adjective হয়। ‘Mother’ একটি noun, তার সঙ্গে ly যোগ করে ‘motherly’ হয়েছে, যার অর্থ মাতৃসুলভ। তাই এটি adjective। ‘Motherly love’ বললে ভালোবাসা কেমন, তা বোঝায়, ক্রিয়া কীভাবে হচ্ছে তা বোঝায় না, আর সেটিই adjective-এর কাজ। Verb বা noun হিসেবে ‘motherly’-র ব্যবহার নেই।
উদাহরণ:
Friendly, brotherly, lovely, fatherly – সবই adjective।
Slowly, quickly – এরা adjective থেকে তৈরি adverb।
মনে রাখুন: Daily, weekly, monthly, yearly শব্দ adjective ও adverb দুই রূপেই ব্যবহার হয়। - ৩৬. 'Fifty miles (be) a long way'. Use right form of verb—
- ক. is
- খ. are
- গ. have
- ঘ. should
উত্তর: ক. is
দূরত্ব, সময়, মূল্য বা পরিমাণ বোঝানো শব্দ আকারে plural হলেও যখন তারা একটি সমষ্টি হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন verb singular হয়। ‘Fifty miles’ এখানে একটি মোট দূরত্ব বোঝাচ্ছে, আলাদা আলাদা পঞ্চাশটি মাইল বোঝাচ্ছে না, তাই verb হবে ‘is’। Fifty miles is a long way. ‘Are’ বসালে প্রতিটি মাইলকে আলাদা ধরা হতো, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না। ‘Have’ ও ‘should’ বসালে বাক্যের অর্থ ও গঠন কোনোটিই ঠিক থাকে না।
উদাহরণ:
Ten dollars is a high price.
Two hours is enough time.
মনে রাখুন: Ten kilometres is not a long distance. - ৩৭. Nursing is a noble profession. The word ‘Nursing’ is a/an—
- ক. participle
- খ. gerund
- গ. verb
- ঘ. adjective
উত্তর: খ. gerund
যে ‘verb + ing’ শব্দ বাক্যে noun-এর কাজ করে, তাকে gerund বলে। ‘Nursing is a noble profession’ বাক্যে Nursing মানে সেবা-শুশ্রূষার পেশা এবং এটি বাক্যের subject, অর্থাৎ noun-এর কাজ করছে। তাই এটি gerund। Participle হলে এটি adjective-এর মতো কাজ করত, যেমন a running boy। আর এখানে ‘is’ আছে বলে Nursing মূল verb নয়, তাই verb বলাও ভুল। Gerund ও present participle দেখতে একই, তাই বাক্যে শব্দটির কাজ দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
উদাহরণ: Swimming is good exercise. (Swimming = gerund)
A sleeping baby is lovely. (Sleeping = participle) - ৩৮. 'Break a leg' means—
- ক. bad luck
- খ. good luck
- গ. to be failed
- ঘ. leg behind
উত্তর: খ. good luck
‘Break a leg’ একটি ইংরেজি idiom, যার অর্থ শুভকামনা জানানো (good luck)। মঞ্চে ওঠার আগে অভিনেতা বা শিল্পীকে এটি বলা হয়, কারণ থিয়েটারে সরাসরি ‘good luck’ বলাকে অশুভ মনে করা হয়। এর আক্ষরিক অর্থ পা ভাঙা হলেও বাক্যটির অর্থ নয়। তাই bad luck বা failure অপশনগুলো আক্ষরিক অর্থ দেখে ভাবলে ভুল হয়। Idiom সব সময় পুরো বাক্যাংশটিকে একটি অর্থ হিসেবে ধরে মুখস্থ রাখতে হয়।
উদাহরণ: Break a leg tonight, you will be great!
মনে রাখুন:
Idiom-এর আসল অর্থ আক্ষরিক অর্থ থেকে আলাদা হয়।
অন্য উদাহরণ: A piece of cake – খুব সহজ কাজ।
বাংলাদেশ
- ৩৯. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
- ক. অনুচ্ছেদ-১১৯
- খ. অনুচ্ছেদ-১১৮
- গ. অনুচ্ছেদ-১২০
- ঘ. অনুচ্ছেদ-১১৭
উত্তর: খ. অনুচ্ছেদ-১১৮
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের কথা বলা আছে। এই কমিশনে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার থাকেন এবং রাষ্ট্রপতি আরও যতজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া ঠিক মনে করেন, ততজন থাকেন। কমিশনের সদস্যদের মেয়াদ সাধারণত পাঁচ বছর।
পাশের অনুচ্ছেদগুলোর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়, কারণ ১১৯ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের দায়িত্ব বলা হয়েছে। সেখানে আছে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা এবং রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন পরিচালনার কথা।
মনে রাখুন:
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন গঠন।
অনুচ্ছেদ ১১৯: নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
অনুচ্ছেদ ১৩৭: সরকারি কর্ম কমিশন গঠন (পিএসসি)। - ৪১. বাংলাদেশের 'জাতীয় সংবিধান দিবস' কোন তারিখে পালিত হয়?
- ক. ৩ ডিসেম্বর
- খ. ৩ নভেম্বর
- গ. ৪ ডিসেম্বর
- ঘ. ৪ নভেম্বর
উত্তর: ঘ. ৪ নভেম্বর
বাংলাদেশে ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস হিসেবে পালিত হতো। ১৯৭২ সালের এই দিনে গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়েছিল, আর কার্যকর হয় একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বিজয় দিবসে। পরীক্ষার সময়ে এটিই ছিল প্রচলিত উত্তর। বাকি তারিখগুলো দিবসের সঙ্গে মেলে না। যেমন, ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস।
হালনাগাদ: ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার কয়েকটি জাতীয় দিবস বাতিল করেছে, এর মধ্যে সংবিধান দিবসও আছে। তাই এখন দিবসটি আর সরকারিভাবে পালিত হয় না।
মনে রাখুন:
সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় ৪ নভেম্বর ১৯৭২ এবং কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
বাংলাদেশের সংবিধান মূল কাঠামোতে ১১টি ভাগ ও ১৫৩টি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত। - ৪২. 'বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন' কোন জাতীয় সংস্থা?
- ক. সরকারি সংস্থা
- খ. বেসরকারি সংস্থা
- গ. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
- ঘ. সাংবিধানিক সংস্থা
উত্তর: গ. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন গঠিত হয়েছে প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর অধীনে। যে প্রতিষ্ঠান সংসদের আইন দ্বারা সৃষ্টি হয়, তাকে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা (Statutory Body) বলে। কমিশনের কাজ হলো বাজারে অসম বা অন্যায্য প্রতিযোগিতা, একচেটিয়া ব্যবসা এবং ক্রেতাস্বার্থবিরোধী কার্যক্রম ঠেকিয়ে সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় রাখা। এটি সাংবিধানিক সংস্থা নয়, কারণ সংবিধানে এর নাম নেই।
মনে রাখুন:
সাংবিধানিক সংস্থার উদাহরণ: নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।
সংবিধিবদ্ধ সংস্থার উদাহরণ: দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক। - ৪৩. প্রাচীনকালে 'সমতট' বলতে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে বোঝানো হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. বরিশাল
- খ. বগুড়া
- গ. যশোর
- ঘ. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
উত্তর: ঘ. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন অংশকে তখন জনপদ বলা হতো। এর মধ্যে সমতট ছিল বাংলার দক্ষিণ-পূর্ব অংশের জনপদ, যা আজকের কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের সঙ্গে মেলে। সপ্তম শতকে চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এই অঞ্চলে এসেছিলেন এবং এর বিবরণ লিখে গেছেন। কুমিল্লার ময়নামতি ও লালমাই পাহাড় এলাকায় এই জনপদের বহু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেছে, যেমন শালবন বিহার। তাই সমতট বলতে বরিশাল, বগুড়া বা যশোরকে বোঝানো ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
পুণ্ড্র বা পুণ্ড্রবর্ধন: বগুড়া, রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চল।
বঙ্গ: ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশালের দিকের অংশ।
হরিকেল: সিলেট ও তার আশপাশ।
গৌড়: মালদহ-মুর্শিদাবাদ অঞ্চল। - ৪৪. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
- ক. ৫নং সেক্টর
- খ. ২নং সেক্টর
- গ. ৩নং সেক্টর
- ঘ. ৪নং সেক্টর
উত্তর: খ. ২নং সেক্টর
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। ঢাকা শহরসহ ঢাকা জেলার একটি বড় অংশ ২ নং সেক্টরের আওতায় পড়ত। এই সেক্টরে ছিল ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ। এর সদর দপ্তর ছিল ভারতের আগরতলার কাছে মেলাঘরে। প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ টি এম হায়দার এই সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন।
মনে রাখুন:
১ নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম।
৩ নং সেক্টর: সিলেটের পশ্চিম অংশ ও কুমিল্লা-ঢাকার উত্তরাংশ, অধিনায়ক মেজর কে এম শফিউল্লাহ।
১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো, যার নির্দিষ্ট কোনো এলাকা ছিল না। - ৪৫. বাংলাদেশের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
- ক. হালদা
- খ. শীতলক্ষ্যা
- গ. মেঘনা
- ঘ. পদ্মা
উত্তর: ক. হালদা
হালদা নদীকে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র বলা হয়। এই নদী খাগড়াছড়ির পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রামের ভেতর দিয়ে বয়ে কর্ণফুলী নদীতে মিশেছে। বর্ষার শুরুতে অমাবস্যা বা পূর্ণিমার জোয়ারের সময় এখানে রুই, কাতলা ও মৃগেলের মতো কার্প জাতীয় মাছ প্রাকৃতিক উপায়ে ডিম ছাড়ে। স্থানীয় মানুষ সেই ডিম সংগ্রহ করে হ্যাচারিতে পোনা তৈরি করেন। এভাবে পুরো দেশের মাছ চাষে হালদার ভূমিকা অনেক বড়।
মনে রাখুন:
হালদা কর্ণফুলী নদীর শাখানদী এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জোয়ার-ভাটা প্রভাবিত কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র।
শীতলক্ষ্যা, মেঘনা ও পদ্মা মূলত পরিবহন ও সেচের জন্য পরিচিত। - ৪৬. বাংলাদেশের কোন সম্প্রদায়ের মাঝে 'মাতৃতান্ত্রিক পরিবার' প্রথা চালু আছে?
- ক. খাসিয়া
- খ. সাঁওতাল
- গ. মণিপুরী
- ঘ. চাকমা
উত্তর: ক. খাসিয়া
যে সমাজে বংশপরিচয় ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার মায়ের দিক থেকে নির্ধারিত হয়, তাকে মাতৃতান্ত্রিক সমাজ (Matrilineal society) বলে। বাংলাদেশের খাসিয়া ও গারো (মান্দি) জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই প্রথা চালু আছে। সেখানে মেয়েরাই পরিবারের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন এবং সন্তান মায়ের গোত্র বা বংশ পায়। মজার ব্যাপার হলো, এই দুই সমাজেই সাধারণত সবচেয়ে ছোট মেয়ে বাবা-মায়ের সম্পত্তি পান। অন্য দিকে সাঁওতাল, মণিপুরী ও চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক, অর্থাৎ সেখানে বংশ চলে বাবার দিক থেকে।
মনে রাখুন:
গারোরা বসবাস করে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে।
খাসিয়ারা থাকে সিলেট অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় এবং তারা পান চাষের জন্য পরিচিত। তাদের গ্রামকে বলা হয় পুঞ্জি। - ৪৭. 'পুন্ড্রনগর' কোথায় অবস্থিত?
- ক. কুমিল্লা জেলায়
- খ. নওগাঁ জেলায়
- গ. দিনাজপুর জেলায়
- ঘ. বগুড়া জেলায়
উত্তর: ঘ. বগুড়া জেলায়
পুণ্ড্রনগর ছিল প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী। বাংলা অঞ্চলের এটি সবচেয়ে পুরোনো পরিচিত নগর। আজ এর ধ্বংসাবশেষের নাম মহাস্থানগড়, যা বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। এখানে প্রাপ্ত মহাস্থান ব্রাহ্মী শিলালিপি থেকে এই নগরের প্রাচীনত্ব জানা যায়। শিলালিপিটি মৌর্য যুগের বলে ধরা হয় এবং এটি বাংলাদেশে পাওয়া সবচেয়ে পুরোনো লিপিগুলোর একটি। অন্য জেলার পুরোনো স্থাপনার সঙ্গে নামটি গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
মনে রাখুন:
পাহাড়পুর (সোমপুর মহাবিহার): নওগাঁ জেলা, ১৯৮৫ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত।
ময়নামতি: কুমিল্লা জেলা।
মহাস্থানগড়: বগুড়া জেলা। - ৫৩. রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা কত মেগাওয়াট?
- ক. ১৪২০ মেগাওয়াট
- খ. ১৩২০ মেগাওয়াট
- গ. ১২২০ মেগাওয়াট
- ঘ. ১১২০ মেগাওয়াট
উত্তর: খ. ১৩২০ মেগাওয়াট
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায় সুন্দরবনের কাছে নির্মিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এতে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট আছে, তাই মোট উৎপাদন সক্ষমতা ১,৩২০ মেগাওয়াট। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের এনটিপিসি যৌথভাবে প্রকল্পটি করেছে। এ জন্য তাদের গঠিত যৌথ কোম্পানির নাম বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক নাম মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট।
মনে রাখুন:
সুন্দরবনের কাছে হওয়ায় পরিবেশবাদীরা শুরু থেকেই এই প্রকল্পের বিরোধিতা করেছেন।
মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ১,২০০ মেগাওয়াটের (২টি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিট)। - ৮২. বাংলাদেশে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক কোনটি?
- ক. একুশে পদক
- খ. স্বাধীনতা পদক
- গ. বাংলা একাডেমি পদক
- ঘ. প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার
উত্তর: খ. স্বাধীনতা পদক
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হলো স্বাধীনতা পদক। ১৯৭৭ সাল থেকে সরকার মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, গবেষণা ও সমাজসেবার মতো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিবছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের আগে এই পদক ঘোষণা করে। একুশে পদক ভাষা ও সংস্কৃতির জন্য, বাংলা একাডেমি পদক সাহিত্যে অবদানের জন্য দেওয়া হয়। এই দুটি পদকও গুরুত্বপূর্ণ, তবে মর্যাদায় স্বাধীনতা পদকের নিচে।
মনে রাখুন:
স্বাধীনতা পদক: সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক।
একুশে পদক: ১৯৭৬ সাল থেকে ২১ ফেব্রুয়ারির আগে ঘোষণা করা হয়।
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার: ১৯৬০ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে। - ৮৫. বাংলাদেশের বিজয় দিবস কোনটি?
- ক. ২০ মার্চ
- খ. ২৬ মার্চ
- গ. ১৬ ডিসেম্বর
- ঘ. ২১ ফেব্রুয়ারি
উত্তর: গ. ১৬ ডিসেম্বর
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। এর মধ্য দিয়ে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে, তাই এ দিনটি বিজয় দিবস। অন্য তারিখগুলো আলাদা: ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস।
মনে রাখুন:
আত্মসমর্পণের দলিলে সই করেন পাকিস্তানের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজি এবং ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনীর পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
২০ মার্চ এমন কোনো জাতীয় দিবস নয়। - ৮৭. সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন কত বর্গকিলোমিটার?
- ক. ৮
- খ. ১০
- গ. ১২
- ঘ. ১৫
উত্তর: ক. ৮
সেন্টমার্টিন বঙ্গোপসাগরে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট দ্বীপ। এর আয়তন সাধারণত প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার ধরা হয়, তবে জোয়ারের সময় পানি বাড়লে দৃশ্যমান অংশ কমে যায়। দ্বীপটির স্থানীয় নাম নারিকেল জিঞ্জিরা। নামেই বোঝা যায় এখানে প্রচুর নারকেল গাছ আছে। এখানকার বেশির ভাগ মানুষ মাছ ধরা, নারকেল ও পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। তাই ১০, ১২ বা ১৫ বর্গকিলোমিটার মনে হলেও সঠিক আয়তন প্রায় ৮ বর্গকিলোমিটার।
মনে রাখুন:
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
দ্বীপটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের জনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং এর একটি ইউনিয়ন আছে।
দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তের ছোট অংশটির নাম ছেড়া দ্বীপ। - ৮৯. বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কী?
- ক. মহেশখালী
- খ. হাতিয়া
- গ. সন্দ্বীপ
- ঘ. সেন্টমার্টিন
উত্তর: ঘ. সেন্টমার্টিন
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এটি বঙ্গোপসাগরে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার অধীনে, যা দেশের মূল ভূখণ্ডের সর্বদক্ষিণ প্রান্ত থেকেও দক্ষিণে। দ্বীপের আশপাশে প্রবাল ও নানা সামুদ্রিক প্রাণী পাওয়া যায়। অন্য তিনটি দ্বীপ অর্থাৎ মহেশখালী, হাতিয়া ও সন্দ্বীপ নদীবাহিত পলি জমে তৈরি দ্বীপ, প্রবাল দ্বীপ নয়। ভূগোল পরীক্ষায় প্রবাল দ্বীপের নাম এলে এই একটি নামই মনে রাখলে চলে। প্রবাল সামুদ্রিক ক্ষুদ্র প্রাণীর দেহাবশেষ জমে তৈরি হয় এবং উষ্ণ, পরিষ্কার সমুদ্রের পানিতে বেড়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
সেন্টমার্টিনের আরেক নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
মহেশখালী কক্সবাজারে, হাতিয়া নোয়াখালীতে এবং সন্দ্বীপ চট্টগ্রামে অবস্থিত।
মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ।
বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ভোলা। - ৯০. স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকেটে কোন ছবি ছিল?
- ক. জাতীয় স্মৃতিসৌধ
- খ. লালবাগের কেল্লা
- গ. সোনা মসজিদ
- ঘ. শহিদ মিনার
উত্তর: ঘ. শহিদ মিনার
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। এই স্মারক ডাকটিকিটে কেন্দ্রীয় ছবি হিসেবে ছিল ঢাকার শহীদ মিনার। শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি বহন করে, আর ভাষার অধিকারের লড়াই থেকেই বাঙালির স্বাধীনতার চেতনা গড়ে উঠেছিল। তাই নতুন স্বাধীন দেশের প্রথম ডাকটিকিটে এই প্রতীক বেছে নেওয়া অর্থবহ ছিল। জাতীয় স্মৃতিসৌধ বিজয়ের স্মারক হলেও সেটি প্রথম ডাকটিকিটের বিষয় ছিল না।
মনে রাখুন:
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারও কয়েকটি ডাকটিকিট প্রকাশ করেছিল।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত এবং এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। - ৯১. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
- ক. ৮টি
- খ. ৯টি
- গ. ১০টি
- ঘ. ১১টি
উত্তর: ঘ. ১১টি
১৯৭১ সালের ১১ থেকে ১৭ জুলাই মুজিবনগর সরকারের সেনাপ্রধান কর্নেল এম এ জি ওসমানীর সভাপতিত্বে একটি সম্মেলন হয়। সেখানে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়, যাতে যুদ্ধ পরিচালনা সহজ হয়। প্রতিটি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন এবং সেক্টরগুলোকে মোট ৬৪টি সাবসেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। তাই ৮, ৯ বা ১০টি নয়, সঠিক সংখ্যা ১১টি।
মনে রাখুন:
১১ নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর আবু তাহের, যিনি যুদ্ধে একটি পা হারান।
২ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ।
১০ নং সেক্টর ছিল নৌ-কমান্ডোদের জন্য, এর নির্দিষ্ট কোনো ভৌগোলিক এলাকা ছিল না। - ৯৩. Golden Island কোথায় অবস্থিত?
- ক. মহেশখালী
- খ. ভোলা
- গ. সন্দ্বীপ
- ঘ. হাতিয়া
উত্তর: ঘ. হাতিয়া
গোল্ডেন আইল্যান্ড বা স্বর্ণদ্বীপ নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায় অবস্থিত। হাতিয়া মেঘনা নদীর মোহনায় গড়ে ওঠা দ্বীপ উপজেলা। এই উপজেলার আরেকটি পরিচিত জায়গা নিঝুম দ্বীপ, যেটি বাউলার চর নামেও পরিচিত এবং হরিণের জন্য বিখ্যাত। মহেশখালী কক্সবাজারে, ভোলা মেঘনার মোহনার জেলা এবং সন্দ্বীপ চট্টগ্রামের উপজেলা, তাই এগুলো ঠিক উত্তর নয়। অর্থাৎ হাতিয়া ও এর আশপাশের চরগুলোই এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জায়গা। মেঘনার মোহনা অঞ্চলে নদীবাহিত পলি জমে নতুন চর ও দ্বীপ প্রতিনিয়ত তৈরি হয়।
মনে রাখুন:
নিঝুম দ্বীপে একসময় প্রচুর চিত্রা হরিণ ছিল, তাই একে হরিণের অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
নিঝুম দ্বীপ ২০০১ সালে জাতীয় উদ্যান ঘোষিত হয়।
আন্তর্জাতিক
- ৪০. আন্তর্জাতিক কোন সংস্থা সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসাবে ঘোষণা করে?
- ক. UNICEF
- খ. UNDP
- গ. UNESCO
- ঘ. ILO
উত্তর: গ. UNESCO
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। এর অসাধারণ প্রাকৃতিক মূল্য বিবেচনা করে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৯৭ সালে একে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান দেয়। বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় সুন্দরবনের ক্রমিক নম্বর ৭৯৮। বাকি তিনটি সংস্থার কাজ আলাদা: ইউনিসেফ (UNICEF) শিশুদের কল্যাণ নিয়ে কাজ করে, ইউএনডিপি (UNDP) উন্নয়ন নিয়ে এবং আইএলও (ILO) শ্রমিকের অধিকার নিয়ে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্য: ষাটগম্বুজ মসজিদ (বাগেরহাট), পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (নওগাঁ) ও সুন্দরবন।
প্রথম দুটি ১৯৮৫ সালে এবং সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে তালিকাভুক্ত হয়। - ৪৮. 'গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল' কোন এলাকা নিয়ে গঠিত?
- ক. আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান
- খ. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
- গ. কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস
- ঘ. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
উত্তর: ঘ. মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল (Golden Triangle) হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্ত এলাকা। তিনটি দেশের সীমানা মেকং নদীর কাছে এসে মিলেছে। এই অঞ্চল আফিম পপির চাষ ও মাদক চোরাচালানের জন্য কুখ্যাত। কম্বোডিয়া এই ত্রিভুজের অংশ নয়, তাই কম্বোডিয়া যুক্ত বিকল্পগুলো ভুল।
আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরানের সীমান্ত অঞ্চলের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলার সুযোগ আছে, কারণ সেটির নাম গোল্ডেন ক্রিসেন্ট (Golden Crescent)। এটিও আফিম উৎপাদনের একটি বড় এলাকা।
মনে রাখুন:
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল: মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস।
গোল্ডেন ক্রিসেন্ট: আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ইরান। - ৪৯. কোনটি বিশ্বব্যাংকের অঙ্গ সংগঠন নয়?
- ক. IBRD
- খ. IFC
- গ. IFAD
- ঘ. MIGA
উত্তর: গ. IFAD
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের পাঁচটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান আছে: আইবিআরডি (IBRD), আইডিএ (IDA), আইএফসি (IFC), মিগা (MIGA) এবং আইসিএসআইডি (ICSID)। এর মধ্যে IFAD নেই। IFAD-এর পূর্ণ নাম আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (International Fund for Agricultural Development)। এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার সদর দপ্তর ইতালির রোমে। গ্রামীণ দারিদ্র্য ও কৃষির উন্নয়নে এটি ঋণ ও অনুদান দেয়।
মনে রাখুন:
IBRD: পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংক।
IDA: দরিদ্র দেশগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ দেয়।
IFC: বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ।
MIGA: বিনিয়োগের ঝুঁকিতে নিশ্চয়তা।
বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডি.সি.। - ৫০. 'ভলগা নদী' কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
- ক. কাম্পিয়ান সাগরে
- খ. কৃষ্ণ সাগরে
- গ. বাল্টিক সাগরে
- ঘ. আরব সাগরে
উত্তর: ক. কাম্পিয়ান সাগরে
ভলগা ইউরোপের দীর্ঘতম নদী। এটি রাশিয়ার ভলদাই পাহাড় থেকে শুরু হয়ে প্রায় ৩,৫০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে কাম্পিয়ান সাগরে পড়েছে। নদীটির মোহনায় বিশাল ব-দ্বীপ তৈরি হয়েছে। কাম্পিয়ান সাগর চারদিকে স্থলভাগ দিয়ে ঘেরা, তাই এটি আসলে বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ, যদিও নাম সাগর। রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, ইরান ও আজারবাইজান এর তীরের দেশ। ভলগা নদী কৃষ্ণ সাগর বা বাল্টিক সাগরে পড়ে না।
মনে রাখুন:
ইউরোপের দীর্ঘতম নদী: ভলগা। দ্বিতীয়: দানিউব, যা কৃষ্ণ সাগরে পড়ে।
কাম্পিয়ান সাগরকে বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ বলা হয়। - ৫১. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা (স্থায়ী ও অস্থায়ী) কত?
- ক. ৫টি
- খ. ১০টি
- গ. ১২টি
- ঘ. ১৫টি
উত্তর: ঘ. ১৫টি
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council) মোট ১৫টি সদস্য নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য। স্থায়ী সদস্য হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এই পাঁচ দেশের ভেটো (Veto) ক্ষমতা আছে, অর্থাৎ এদের যেকোনো একজন না বললে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস হয় না। অস্থায়ী সদস্যদের সাধারণ পরিষদ দুই বছরের জন্য নির্বাচিত করে। ১৯৬৫ সালের আগে পরিষদের সদস্য ছিল ১১টি, পরে সংখ্যা বাড়িয়ে ১৫ করা হয়।
মনে রাখুন:
প্রতিটি অস্থায়ী সদস্যের মেয়াদ ২ বছর। প্রতি বছর ৫টি অস্থায়ী আসন নতুন করে পূরণ হয়।
বাংলাদেশ ২০০০-২০০১ মেয়াদে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ছিল। - ৫২. ঐতিহাসিক 'ম্যাগনাকার্টা' সনদ কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
- ক. ১২৯৫ সালে
- খ. ১২১৫ সালে
- গ. ১৮১৫ সালে
- ঘ. ১২১৬ সালে
উত্তর: খ. ১২১৫ সালে
ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta) বা মহা সনদে ইংল্যান্ডের রাজা জন ১২১৫ সালে স্বাক্ষর করেন। রাজার অত্যাচার ও খেয়ালখুশি মতো কর আদায়ে বিরক্ত হয়ে ব্যারনরা রাজাকে বাধ্য করেন এই সনদ মেনে নিতে। এর ফলে প্রথমবারের মতো রাজার ক্ষমতা আইনের অধীনে আনার ধারণা তৈরি হয়। তাই এটিকে ইংল্যান্ডের সাংবিধানিক শাসনের ভিত্তি বলা হয়।
মনে রাখুন:
ম্যাগনা কার্টা সই হয় রানিমিড নামের জায়গায় (টেমস নদীর তীর)।
পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ দলিল: পিটিশন অব রাইটস (১৬২৮), বিল অব রাইটস (১৬৮৯)। - ৫৪. 'নাগার্নো-কারাবাখ' বিরোধ কোন দুটি দেশের মধ্যে চলমান?
- ক. চীন-ভারত
- খ. ভারত-পাকিস্তান
- গ. চীন-জাপান
- ঘ. আজারবাইজান-আর্মেনিয়া
উত্তর: ঘ. আজারবাইজান-আর্মেনিয়া
নাগার্নো-কারাবাখ কৌকাসাস অঞ্চলের একটি পাহাড়ি ভূখণ্ড। আন্তর্জাতিকভাবে এটি আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃত হলেও এখানকার অধিকাংশ মানুষ ছিল আর্মেনীয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর থেকে এই অঞ্চল নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে বিরোধ ও যুদ্ধ চলে আসছে। ২০২০ সালের যুদ্ধের পর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়। আর্মেনীয়রা এই অঞ্চলকে আর্তসাখ নামেও ডাকে, আর এর প্রধান শহরের নাম স্টেপানাকার্ট।
হালনাগাদ: ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আজারবাইজান পুরো অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং আর্মেনীয়রা সেখান থেকে চলে যায়। ২০২৫ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশ শান্তিচুক্তির খসড়ায় সই করে। - ৫৫. 'সলোমন দ্বীপপুঞ্জ'-কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
- ক. আটলান্টিক মহাসাগর
- খ. ভারত মহাসাগর
- গ. আর্কটিক মহাসাগর
- ঘ. প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর: ঘ. প্রশান্ত মহাসাগর
সলোমন দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে মেলানেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে ছড়িয়ে থাকা শত শত ছোট-বড় দ্বীপ নিয়ে এই দেশ। এর রাজধানী হোনিয়ারা গুয়াডালকানাল দ্বীপে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই দ্বীপেই জাপান ও মিত্রশক্তির মধ্যে বড় যুদ্ধ হয়েছিল। আটলান্টিক, ভারত বা আর্কটিক মহাসাগরের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এই দেশের মানুষ প্রধানত দ্বীপে বাস করে, তাই সমুদ্র ও মাছ ধরা তাদের জীবনের বড় অংশ। প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও গভীর মহাসাগর।
মনে রাখুন:
১৯৭৮ সালে দেশটি যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা পায় এবং এটি কমনওয়েলথের সদস্য।
মেলানেশিয়ার অন্য দেশ: পাপুয়া নিউ গিনি, ফিজি ও ভানুয়াটু। - ৮৬. আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
- ক. নরওয়ে
- খ. চিলি
- গ. ঘানা
- ঘ. ভ্যাটিকান সিটি
উত্তর: ঘ. ভ্যাটিকান সিটি
আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি। এর আয়তন মাত্র প্রায় ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার। রোম শহরের ভেতরে অবস্থিত এই দেশটি ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় প্রধান পোপের আবাস। ১৯২৯ সালের ল্যাটেরান চুক্তির মাধ্যমে এটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মর্যাদা পায়। অন্য তিনটি দেশ নরওয়ে, চিলি ও ঘানা এর চেয়ে বহু গুণ বড়।
মনে রাখুন:
জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট দেশও ভ্যাটিকান সিটি।
আয়তনে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ মোনাকো (প্রায় ২ বর্গকিলোমিটার)। জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মোনাকোই সবচেয়ে ছোট, কারণ ভ্যাটিকান শুধু পর্যবেক্ষক। - ৮৮. সুয়েজ খাল কোন দেশে অবস্থিত?
- ক. মিশর
- খ. ইরাক
- গ. ইরান
- ঘ. দুবাই
উত্তর: ক. মিশর
সুয়েজ খাল মিসরের ভেতর দিয়ে গেছে। এটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে, ফলে ইউরোপ থেকে এশিয়া যেতে জাহাজকে আফ্রিকা ঘুরে যেতে হয় না। খাল খননের কাজ ১৮৫৯ সালে শুরু হয় এবং ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর তা উদ্বোধন করা হয়। ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিসরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের খালটি জাতীয়করণ করেন। এ ঘটনা থেকেই সুয়েজ সংকট শুরু হয়।
মনে রাখুন: খালটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৯৩ কিলোমিটার। ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপস এর নির্মাণে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। - ৯২. PLO (পিএলও) কখন গঠিত হয়?
- ক. ১৯৬৪ সালে
- খ. ১৯৬৫ সালে
- গ. ১৯৬৬ সালে
- ঘ. ১৯৬৭ সালে
উত্তর: ক. ১৯৬৪ সালে
ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পিএলও (Palestine Liberation Organization) ১৯৬৪ সালে গঠিত হয়। আরব লীগের উদ্যোগে মিসরের কায়রোতে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে এটি তৈরি হয়। উদ্দেশ্য ছিল ফিলিস্তিনিদের পক্ষে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলা। এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন আহমদ শুকাইরি। পরে ১৯৬৯ সালে ইয়াসির আরাফাত এর চেয়ারম্যান হন এবং ২০০৪ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।
মনে রাখুন:
আরাফাত ১৯৯৪ সালে ইসরায়েলি নেতা ইতজাক রবিন ও শিমন পেরেজের সঙ্গে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
আরাফাতের দল ফাতাহ, যা ১৯৫৯ সালে গঠিত হয়। - ৯৪. ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় কোন সালে?
- ক. ১৭৫০ সালে
- খ. ১৭৭৭ সালে
- গ. ১৭৮০ সালে
- ঘ. ১৭৮৯ সালে
উত্তর: ঘ. ১৭৮৯ সালে
ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে। ১৪ জুলাই ১৭৮৯ সালে প্যারিসের জনগণ বাস্তিল দুর্গ দখল করে নেয়। এ দিনটি এখন ফ্রান্সের জাতীয় দিবস। রাজা ষোড়শ লুইয়ের স্বৈরশাসন, সমাজের উঁচু-নিচু ভেদাভেদ ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এই বিপ্লব ঘটে। বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সমতা ও ভ্রাতৃত্ব। একই বছর ফ্রান্সে মানুষের অধিকারের ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়।
মনে রাখুন:
১৭৯৩ সালে রাজা ষোড়শ লুইকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
বিপ্লবের পরে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ক্ষমতায় আসেন এবং ১৮০৪ সালে নিজেকে সম্রাট ঘোষণা করেন। - ৯৮. কোন দেশের মহিলারা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. নিউজিল্যান্ড
- গ. বাহামা
- ঘ. সুইজারল্যান্ড
উত্তর: খ. নিউজিল্যান্ড
নিউজিল্যান্ড ১৮৯৩ সালে Electoral Act-এর মাধ্যমে সব নারীকে জাতীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার দেয়। স্বশাসিত দেশ হিসেবে এটিই প্রথম। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কেট শেপার্ড (Kate Sheppard)। ইংল্যান্ডে (যুক্তরাজ্য) নারীরা আংশিক ভোটাধিকার পায় ১৯১৮ সালে এবং পুরুষের সমান অধিকার পায় ১৯২৮ সালে, জার্মানিতে ১৯১৮ এবং ইতালিতে ১৯৪৫ সালে। তাই প্রশ্নে ইংল্যান্ড বা অন্য ইউরোপীয় দেশ মনে হলেও সবার আগে ছিল নিউজিল্যান্ড।
মনে রাখুন: বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কার সিরিমাভো বন্দরনায়েকে (১৯৬০)।
বিজ্ঞান
- ৫৬. বায়ুমণ্ডলে শতকরা কত ভাগ নাইট্রোজেন বিদ্যমান?
- ক. ২০.৭১%
- খ. ৭৮.০২%
- গ. ০.৮১%
- ঘ. ০.০৩%
উত্তর: খ. ৭৮.০২%
বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে বড় অংশজুড়ে আছে নাইট্রোজেন (Nitrogen)। শুষ্ক বায়ুর আয়তনের প্রায় ৭৮ ভাগই এই গ্যাস, পাঠ্যবইয়ে একে ৭৮.০২% ধরা হয়। নাইট্রোজেন সহজে অন্য পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না। বাতাসে এটি বেশি থাকায় অক্সিজেনের তীব্রতা কমে যায়, ফলে আগুন হঠাৎ করে সব কিছুকে গ্রাস করে না। দ্বিতীয় স্থানে আছে অক্সিজেন, যা প্রায় ২১ ভাগ, আর কার্বন ডাই-অক্সাইড আছে খুব সামান্য, শতকরা ০.০৩ ভাগের কাছাকাছি। এই অল্প পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডই উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের কাঁচামাল।
মনে রাখুন:
বায়ুতে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮%, অক্সিজেন প্রায় ২১% এবং আর্গন প্রায় ১%।
ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত স্তরকে ট্রপোস্ফিয়ার বলে, আবহাওয়ার সব ঘটনা এখানেই ঘটে। - ৫৭. নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?
- ক. পরমাণু শক্তি
- খ. কয়লা
- গ. পেট্রোল
- ঘ. প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর: ক. পরমাণু শক্তি
কয়লা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি, একবার ফুরালে আর তৈরি হয় না। অল্প জ্বালানিতে বিপুল শক্তি দেয় বলে প্রদত্ত উত্তর পরমাণু শক্তি; তবে ইউরেনিয়ামের মজুতও সীমিত হওয়ায় বিজ্ঞানের কঠোর সংজ্ঞায় একে নবায়নযোগ্য বলা যায় না, তাই উত্তরটি বিতর্কিত। - ৫৮. রক্তে হিমোগ্লোবিনের অভাবে মানবদেহে কোন জটিলতা সৃষ্টি হয়?
- ক. রাতকানা রোগ
- খ. রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়
- গ. জয়েন্টে ব্যথা হয়
- ঘ. ডায়রিয়া হয়
উত্তর: খ. রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়
আমাদের রক্তের লোহিত কণিকায় হিমোগ্লোবিন (Haemoglobin) নামে একটি লাল রঞ্জক পদার্থ থাকে। এটি হিম (Haem) নামের আয়রনযুক্ত অংশ আর গ্লোবিন (Globin) নামের প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত। ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে দেহের কোষে পৌঁছে দেওয়াই হিমোগ্লোবিনের কাজ। রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে কোষগুলো প্রয়োজনমতো অক্সিজেন পায় না, ফলে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া (Anaemia) দেখা দেয়। তখন মানুষ দুর্বল বোধ করে, মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায় এবং অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠে। রাতকানা ভিটামিন-এ-এর অভাবে হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখুন:
রক্তস্বল্পতা ঠেকাতে আয়রনসমৃদ্ধ খাবার, যেমন কলিজা, কচুশাক ও ডাল খাওয়া ভালো।
পুরুষের রক্তে হিমোগ্লোবিন সাধারণত নারীর চেয়ে কিছুটা বেশি থাকে। - ৫৯. এইডস-এর জীবাণু-
- ক. ব্যাকটেরিয়া
- খ. ভাইরাস
- গ. ছত্রাক
- ঘ. পরজীবী
উত্তর: খ. ভাইরাস
এইডস (AIDS) মানে Acquired Immuno Deficiency Syndrome। এই রোগ হয় এইচআইভি (HIV) নামের একটি ভাইরাসের কারণে, যার পূর্ণরূপ Human Immunodeficiency Virus। ভাইরাসটি শরীরের শ্বেত রক্তকণিকার একটি বিশেষ ধরন, অর্থাৎ সিডি৪ কোষ ধ্বংস করে দেয়। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায় এবং সাধারণ জীবাণুও মারাত্মক রোগ বাধায়। এইচআইভি সংক্রমণের একেবারে শেষ ধাপকে এইডস বলা হয়। এই রোগের জীবাণু ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা পরজীবী নয়।
মনে রাখুন:
এইডস ছড়ায় সংক্রমিত রক্ত, অনিরাপদ যৌন সংসর্গ ও আক্রান্ত মায়ের কাছ থেকে শিশুর দেহে।
করমর্দন, একসঙ্গে খাওয়া বা মশার কামড়ে এইডস ছড়ায় না।
প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়। - ৬০. ডায়রিয়ার কারণ নিচের কোনটি?
- ক. ব্যাকটেরিয়া
- খ. রোটা ভাইরাস
- গ. প্রোটোজোয়া
- ঘ. ফাংগাস
উত্তর: খ. রোটা ভাইরাস
ডায়রিয়া হলে দিনে বহুবার পাতলা পায়খানা হয়, আর দেহ থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। এর কারণ হিসেবে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়া, সব ধরনের জীবাণুই দায়ী হতে পারে। তবে শিশুদের তীব্র ডায়রিয়ার সবচেয়ে বড় কারণ রোটা ভাইরাস (Rotavirus), তাই প্রশ্নে এটিকেই উত্তর ধরা হয়। এই ভাইরাস দূষিত খাবার, পানি বা হাতের মাধ্যমে মুখ দিয়ে শরীরে ঢোকে। ডায়রিয়ায় সবচেয়ে বড় বিপদ হলো দেহে পানিশূন্যতা, তাই রোগীকে দ্রুত খাবার স্যালাইন খাওয়ানো উচিত।
মনে রাখুন:
খাবার স্যালাইনে থাকে পানি, লবণ ও গুড় বা চিনি।
কলেরার জীবাণু ভিব্রিও কলেরি নামের ব্যাকটেরিয়া, আমাশয়ের জীবাণু অ্যামিবা বা শিগেলা।
রোটা ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা আছে। - ৬৩. নিচের কোনটি Non-communicable disease নয়?
- ক. ডায়াবেটিস
- খ. হার্ট ডিজিস
- গ. Covid-19
- ঘ. উচ্চ রক্তচাপ
উত্তর: গ. Covid-19
যে রোগ একজনের দেহ থেকে অন্যের দেহে ছড়ায় না, তাকে অসংক্রামক রোগ (Non-communicable disease) বলে। ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপ এ ধরনের রোগ। জীবনযাপনের ধরন, খাদ্যাভ্যাস, বংশগতি ও পরিবেশের কারণে এসব রোগ হয়, কোনো জীবাণু এক মানুষ থেকে আরেক মানুষে গিয়ে এগুলো ঘটায় না। অন্যদিকে কোভিড-১৯ (Covid-19) সার্স-কোভ-২ নামের একটি ভাইরাসের কারণে হয় এবং হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়। তাই এটি সংক্রামক রোগ, অসংক্রামক নয়। এ কারণে এটিই প্রশ্নের উত্তর।
মনে রাখুন:
অসংক্রামক রোগের আরও উদাহরণ: ক্যান্সার, স্ট্রোক, হাঁপানি।
কোভিড-১৯ প্রথম শনাক্ত হয় ২০১৯ সালের শেষে চীনের উহান শহরে।
বাংলাদেশে প্রথম কোভিড রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। - ৬৪. ডেঙ্গু হলে রক্তের কোন উপাদানটি পরিবর্তন হয় সবচেয়ে বেশি?
- ক. Platelet
- খ. Neutrophil
- গ. Lymphocyte
- ঘ. Basophil
উত্তর: ক. Platelet
ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস (Aedes) মশার কামড়ে ছড়ায়। ডেঙ্গু ভাইরাস রক্তের অণুচক্রিকা বা প্লেটলেট (Platelet)-এর সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়। প্লেটলেট রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, তাই এর সংখ্যা অনেক কমে গেলে শরীরের ভেতরে বা বাইরে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে। একজন সুস্থ মানুষের প্রতি মাইক্রোলিটার রক্তে সাধারণত দেড় লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ প্লেটলেট থাকে। ডেঙ্গুতে এই সংখ্যা হঠাৎ কমে যেতে পারে, তাই রোগীর রক্তের প্লেটলেট নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়। নিউট্রোফিল, লিম্ফোসাইট ও বেসোফিল শ্বেত রক্তকণিকার ধরন, ডেঙ্গুতে সেগুলোর পরিবর্তন তুলনায় কম।
মনে রাখুন:
এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলা, বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে কামড়ায়।
এডিস মশা জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। - ৬৮. পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন কোনটি?
- ক. Vit-A
- খ. Vit-D
- গ. Vit-B
- ঘ. Vit-K
উত্তর: গ. Vit-B
ভিটামিনকে দ্রবণীয়তা অনুযায়ী দুই ভাগে ভাগ করা হয়। কিছু ভিটামিন চর্বিতে গলে, আবার কিছু গলে পানিতে। ভিটামিন-এ, ডি, ই ও কে চর্বিতে দ্রবণীয়, তাই এগুলো দেহের চর্বিযুক্ত অংশে জমা থাকতে পারে। ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স আর ভিটামিন-সি পানিতে দ্রবণীয়। এ কারণে এগুলো দেহে বেশি জমে না, বাড়তি অংশ প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। সুতরাং প্রতিদিনই এসব ভিটামিন খাবার থেকে নিতে হয়। প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে একমাত্র ভিটামিন-বি-ই পানিতে দ্রবণীয়।
মনে রাখুন:
পানিতে দ্রবণীয়: ভিটামিন-বি ও সি।
চর্বিতে দ্রবণীয়: ভিটামিন-এ, ডি, ই ও কে।
ভিটামিন-বি১-এর অভাবে বেরিবেরি হয়। - ৬৯. কোন ভিটামিনের অভাবে রক্ত জমাট বাঁধে না?
- ক. Vit-A
- খ. Vit-B
- গ. Vit-C
- ঘ. Vit-K
উত্তর: ঘ. Vit-K
আঘাত লাগলে রক্ত বের হয়, আবার কিছুক্ষণ পরে তা জমাট বেঁধে ক্ষত বন্ধ করে দেয়। এই জমাট বাঁধার জন্য যকৃৎ প্রোথ্রম্বিন নামের একটি প্রোটিন তৈরি করে, আর এই প্রোটিন তৈরিতে ভিটামিন-কে লাগে। ভিটামিন-কে-এর অভাব হলে রক্ত সহজে জমাট বাঁধে না, ফলে ক্ষত থেকে রক্ত অনেকক্ষণ ঝরতে থাকে। তাই একে অনেক সময় রক্ত জমাট বাঁধার ভিটামিন বলা হয়। অন্য ভিটামিনের অভাবে অন্য রোগ হয়: ভিটামিন-এ-এর অভাবে রাতকানা, ভিটামিন-বি১-এর অভাবে বেরিবেরি এবং ভিটামিন-সি-এর অভাবে স্কার্ভি হয়।
মনে রাখুন:
ভিটামিন-কে সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায়, আর অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াও কিছুটা তৈরি করে।
ভিটামিন-ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়। - ৭১. রোগীর জন্ডিস শরীরের কোন স্থানে ভালোভাবে ফুটে ওঠে?
- ক. হাতের তালু
- খ. চোখের sclera
- গ. চোখের Conjunctiva
- ঘ. জিহ্বার তলদেশ
উত্তর: খ. চোখের sclera
জন্ডিসে রক্তে বিলিরুবিন (Bilirubin) নামের হলুদ রঞ্জক পদার্থ বেড়ে যায়। যকৃৎ ঠিকমতো কাজ না করলে, কিংবা পিত্তনালি বন্ধ হয়ে গেলে এটি দেহ থেকে বের হতে পারে না। তখন রোগীর ত্বক ও চোখ হলুদ দেখায়। চোখের সাদা অংশকে স্ক্লেরা (Sclera) বলে। এখানে স্বাভাবিক অবস্থায় রং সাদা থাকে, তাই বিলিরুবিনের হলুদ আভা এখানেই সবচেয়ে আগে ও পরিষ্কারভাবে ধরা পড়ে। এ জন্য চিকিৎসকেরা জন্ডিস আছে কি না দেখতে প্রথমে রোগীর চোখের সাদা অংশ পরীক্ষা করেন। হাতের তালুতে বা জিহ্বার নিচেও হলুদ রং দেখা যায়, কিন্তু স্ক্লেরার মতো স্পষ্টভাবে নয়।
মনে রাখুন:
যকৃৎ মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি।
পিত্তরস যকৃতে তৈরি হয় এবং পিত্তথলিতে জমা থাকে। - ৭৩. Exclusive breast feeding কয়মাস পর্যন্ত করানো হয়?
- ক. ৬ মাস
- খ. ১২ মাস
- গ. ৪ মাস
- ঘ. ১৮ মাস
উত্তর: ক. ৬ মাস
নবজাতকের জন্য মায়ের বুকের দুধই সবচেয়ে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য। শুধু বুকের দুধ খাওয়ানোকে, অর্থাৎ পানি, মধু বা অন্য কোনো খাবার না দেওয়াকে, এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং (Exclusive Breastfeeding) বলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও ইউনিসেফের পরামর্শ অনুযায়ী জন্মের পর থেকে প্রথম ৬ মাস শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়াতে হয়। এই সময়ে শিশুর দেহের বৃদ্ধির জন্য যা যা দরকার, বুকের দুধেই তা থাকে, আর এতে রোগ প্রতিরোধের উপাদানও পাওয়া যায়। ৬ মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের সঙ্গে ঘরে তৈরি নরম খাবার দেওয়া শুরু করতে হয়।
মনে রাখুন:
প্রসবের পর প্রথম যে হলুদ ঘন দুধ হয়, তাকে শালদুধ বলে। এটি শিশুর প্রথম টিকার মতো কাজ করে।
প্রতি বছর আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ বিশ্ব বুকের দুধ সপ্তাহ। - ৭৬. একজন মানুষের স্বাভাবিক BMI কত থাকতে হবে?
- ক. ১৮–৩০ kg/m²
- খ. ১৯–২৫ kg/m²
- গ. ২০–২৯ kg/m²
- ঘ. ১৮.৫–২৪.৯ kg/m²
উত্তর: ঘ. ১৮.৫–২৪.৯ kg/m²
বিএমআই (BMI) বা বডি মাস ইনডেক্স হলো দেহের ওজন ও উচ্চতা থেকে বের করা একটি সংখ্যা, যা দিয়ে বোঝা যায় কারও ওজন ঠিক আছে কি না। হিসাবের সূত্র: BMI = ওজন (কেজি) ÷ উচ্চতার বর্গ (মিটার²), তাই একক kg/m²। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে স্বাভাবিক বিএমআই ১৮.৫ থেকে ২৪.৯ এর মধ্যে। এর নিচে হলে ওজন কম ধরা হয়, ২৫ থেকে ২৯.৯ হলে ওজন বেশি এবং ৩০ বা তার বেশি হলে স্থূলতা বলা হয়। অন্য বিকল্পগুলোর পরিসর এই মানের সঙ্গে মেলে না।
উদাহরণ:
ওজন ৬০ কেজি, উচ্চতা ১.৫ মিটার হলে BMI = 60 ÷ (1.5 × 1.5) = 26.7, অর্থাৎ ওজন একটু বেশি। - ৭৯. নিচের কোনটি Endocrine gland নয়?
- ক. Pituitary
- খ. Liver
- গ. Thyroid
- ঘ. Adrenal
উত্তর: খ. Liver
দেহের যেসব গ্রন্থি নালি ছাড়াই সরাসরি রক্তে হরমোন ছেড়ে দেয়, তাদের অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি (Endocrine gland) বলে। পিটুইটারি, থাইরয়েড ও অ্যাড্রিনাল এ ধরনের গ্রন্থি। যকৃৎ বা লিভার (Liver) পিত্তরস তৈরি করে, আর পিত্তরস নালির মাধ্যমে পিত্তথলি হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে পৌঁছায়। নালি দিয়ে রস নিঃসরণ করে বলে যকৃৎ বহিঃক্ষরা গ্রন্থি (Exocrine gland) হিসেবে গণ্য হয়। এ কারণে প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে যকৃৎই অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি নয়।
মনে রাখুন:
পিটুইটারিকে মাস্টার গ্রন্থি বলা হয়, কারণ এটি অন্য গ্রন্থির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
থাইরয়েড থেকে থাইরক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয়।
অগ্ন্যাশয় একই সঙ্গে অন্তঃক্ষরা ও বহিঃক্ষরা গ্রন্থি। - ৮৩. মানবদেহে সবচেয়ে বড় অস্থি কোনটি?
- ক. ফিমার (Femur)
- খ. টিবিয়া (Tibia)
- গ. Humerus
- ঘ. Ulna
উত্তর: ক. ফিমার (Femur)
মানবদেহে মোট ২০৬টি অস্থি আছে, আর এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অস্থি হলো ফিমার (Femur) বা ঊরুর হাড়। এটি উরুতে থাকে এবং নিতম্ব থেকে হাঁটু পর্যন্ত বিস্তৃত। দেহের পুরো ওজন বহন করতে হয় বলে এই হাড় অত্যন্ত শক্ত ও লম্বা। টিবিয়া (Tibia) হাঁটুর নিচে পায়ের পাতার দিকের মোটা হাড়, যা বড় হলেও ফিমারের চেয়ে ছোট। হিউমেরাস (Humerus) উপরের বাহুর হাড়, আর আলনা (Ulna) সামনের বাহুর দুটি হাড়ের একটি। দুটিই ফিমারের চেয়ে অনেক ছোট।
মনে রাখুন:
দেহের সবচেয়ে ছোট হাড় কানের ভেতরের স্টেপিস (Stapes)।
প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে হাড় ২০৬টি, আর নবজাতকের দেহে প্রায় ৩০০টি। - ৮৪. কিডনি রোগের চিকিৎসা যে ডাক্তার করেন তাকে কী বলা হয়?
- ক. Cardiologist
- খ. Nephrologist
- গ. Neurologist
- ঘ. Pathologist
উত্তর: খ. Nephrologist
চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রতিটি অঙ্গের রোগের আলাদা বিশেষজ্ঞ আছেন। কিডনি বা বৃক্কের রোগ নিয়ে যিনি কাজ করেন, তাঁকে নেফ্রোলজিস্ট (Nephrologist) বলে। কিডনি রক্ত ছেঁকে বর্জ্য পদার্থ ও বাড়তি পানি প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়, আর এর রোগে সেই কাজ ব্যাহত হয়। অন্য বিশেষজ্ঞদের কাজ আলাদা। কার্ডিওলজিস্ট (Cardiologist) হৃদরোগের চিকিৎসা করেন, নিউরোলজিস্ট (Neurologist) চিকিৎসা করেন মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর রোগের। আর প্যাথলজিস্ট (Pathologist) রক্ত, প্রস্রাব ও কলার নমুনা পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করেন।
মনে রাখুন:
প্রতিটি কিডনিতে প্রায় ১০ লক্ষ নেফ্রন থাকে, নেফ্রন বৃক্কের কার্যকরী একক।
ইউরোলজিস্ট মূত্রতন্ত্রের রোগের এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট পরিপাকতন্ত্রের রোগের চিকিৎসা করেন।
সাধারণ জ্ঞান
- ৬১. TB (যক্ষ্মা) হলে নিচের কোন রক্তকণিকা বেড়ে যায়?
- ক. Neutrophil
- খ. Basophil
- গ. Lymphocyte
- ঘ. Eosinophil
উত্তর: গ. Lymphocyte
যক্ষ্মার মতো দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণে দেহের কোষভিত্তিক প্রতিরোধ সক্রিয় হয়, ফলে রক্তে লিম্ফোসাইট বেড়ে যায় (lymphocytosis)। নিউট্রোফিল সাধারণত তীব্র ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে বাড়ে। - ৬২. নিচের কোন পরীক্ষাটি TB রোগ নির্ণয়ের জন্য প্রযোজ্য নয়?
- ক. MT test
- খ. GeneXpert test
- গ. X - ray chest
- ঘ. CRP
উত্তর: ঘ. CRP
Mantoux test, GeneXpert ও বুকের এক্স-রে যক্ষ্মা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। CRP কেবল শরীরে প্রদাহ আছে কি না বোঝায়, নির্দিষ্টভাবে যক্ষ্মা নির্দেশ করে না। - ৬৫. Antenatal checkup (প্রসব পূর্ববর্তী) কয়টি (According to WHO)?
- ক. ৬
- খ. ৪
- গ. ৮
- ঘ. ৫
উত্তর: গ. ৮
WHO এর ২০১৬ সালের নির্দেশিকা অনুযায়ী একজন গর্ভবতী মায়ের অন্তত ৮ বার স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্গে সাক্ষাৎ (ANC contact) প্রয়োজন; আগে এ সংখ্যা ৪ ছিল। - ৬৬. নিচের কোনটি Pre-eclampsia এর অন্যতম চিহ্ন?
- ক. High pressure with oedema
- খ. High BP with proteinuria
- গ. High BP with convulsion
- ঘ. উপরের কোনোটিই নয়
উত্তর: খ. High BP with proteinuria
গর্ভের ২০ সপ্তাহের পর উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে প্রস্রাবে প্রোটিন গেলে তাকে pre-eclampsia বলে। এর সঙ্গে খিঁচুনি হলে তা eclampsia। - ৬৭. গর্ভবতী মায়ের খিঁচুনি হলে নিচের কোন medicine দিবেন?
- ক. Inj-MgSO4
- খ. Inj-Phenytoin
- গ. Inj-Diazepam
- ঘ. Inj-Ceftriaxone
উত্তর: ক. Inj-MgSO4
একলাম্পসিয়ার খিঁচুনি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট সবচেয়ে কার্যকর ও প্রথম পছন্দের ওষুধ। - ৭০. Magsulph দেওয়ার আগে নিচের কোন জিনিস দেখে নেওয়া সবচেয়ে জরুরি?
- ক. Urine output
- খ. Temperature
- গ. Blood pressure
- ঘ. Pulse
উত্তর: ক. Urine output
ম্যাগনেসিয়াম সালফেট কিডনি দিয়ে বের হয়; প্রস্রাব কম হলে শরীরে জমে বিষক্রিয়া ঘটে। তাই প্রতিটি ডোজের আগে প্রস্রাবের পরিমাণ, শ্বাসের হার ও হাঁটুর প্রতিবর্ত দেখতে হয়। - ৭২. Hepatitis - B virus এর জন্য নিচের কোন পরীক্ষাটি করা হয়?
- ক. HBsAg
- খ. Anti-HBsAg
- গ. Anti-HCV
- ঘ. উপরের কোনোটিই নয়
উত্তর: ক. HBsAg
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের উপরিভাগের অ্যান্টিজেন HBsAg রক্তে পাওয়া গেলে বোঝা যায় রোগী বর্তমানে সংক্রমিত। Anti-HCV হেপাটাইটিস সি এর পরীক্ষা। - ৭৪. ডেলিভারির ৬ মাসের মধ্যে নিচের কোন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবে না?
- ক. IUCD
- খ. Implant
- গ. Minipill
- ঘ. OCP
উত্তর: ঘ. OCP
সাধারণ খাবার বড়িতে (combined OCP) থাকা ইস্ট্রোজেন বুকের দুধ কমিয়ে দেয়, তাই বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের প্রসবের ৬ মাসের মধ্যে এটি দেওয়া হয় না। IUCD প্রসবের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বা ৬ সপ্তাহ পরে, আর ইমপ্ল্যান্ট ও মিনিপিল এ সময়েও ব্যবহার করা যায়। - ৭৫. নিচের কোন পদ্ধতিতে Bacteria এর Spore ধ্বংস হয়?
- ক. Boiling
- খ. Fumigation
- গ. Cidex solution
- ঘ. Autoclave
উত্তর: ঘ. Autoclave
অটোক্লেভে ১২১° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় চাপযুক্ত বাষ্প দিয়ে জীবাণুর সবচেয়ে সহনশীল রূপ স্পোরও ধ্বংস হয়; সাধারণ ফোটানোতে স্পোর মরে না। - ৭৭. মানুষের শরীরের রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা কত?
- ক. ২.৯-৫ mmol/L
- খ. ৩.৫-৫ mmol/L
- গ. ৭-৮ mmol/L
- ঘ. ৩.৯-৮ mmol/L
উত্তর: খ. ৩.৫-৫ mmol/L
রক্তে পটাশিয়ামের স্বাভাবিক মাত্রা ৩.৫ থেকে ৫.০ mmol/L; এর কম হলে hypokalaemia আর বেশি হলে hyperkalaemia, দুটিই হৃৎস্পন্দনে সমস্যা করে। - ৭৮. রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে নিচের কোন ঔষধ?
- ক. Tranexamic acid
- খ. Aspirin
- গ. Heparin
- ঘ. Diclofenac
উত্তর: ক. Tranexamic acid
Tranexamic acid জমাট রক্ত ভেঙে যাওয়া (fibrinolysis) ঠেকায়, ফলে রক্তক্ষরণ কমে; তাই PPH এ এটি দেওয়া হয়। Aspirin ও Heparin উল্টো রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। - ৮০. Normal FHR (Fetal heart rate) কত?
- ক. ১০০-১৫০ beats/minute
- খ. ১৬০-১৮০ beats/minute
- গ. ১২০-১৬০ beats/minute
- ঘ. ১২০-১৪০ beats/minute
উত্তর: গ. ১২০-১৬০ beats/minute
গর্ভস্থ শিশুর স্বাভাবিক হৃৎস্পন্দন মিনিটে প্রায় ১২০–১৬০ বার (আধুনিক নির্দেশিকায় ১১০–১৬০)। এর বাইরে গেলে fetal distress সন্দেহ করা হয়। - ৮১. নিচের কোনটি shock এর feature নয়?
- ক. Feeble pulse
- খ. Hypotension
- গ. Decrease pulse rate
- ঘ. Decreased temperature
উত্তর: গ. Decrease pulse rate
শকে রক্তচাপ কমে যায় এবং তা পূরণ করতে হৃৎপিণ্ড দ্রুত স্পন্দিত হয়, তাই নাড়ি দুর্বল কিন্তু দ্রুত হয়। নাড়ির গতি কমে যাওয়া শকের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়।
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিদ্যুৎ বিভাগ বিদ্যুৎ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন