লিয়ানা বুকস

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২৮ জানুয়ারি ২০২১। ৯২টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

বাংলা

  1. ১. 'Excise duty' শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?
    • ক. অতিরিক্ত শুল্ক
    • খ. অর্পিত দায়িত্ব
    • গ. অতিরিক্ত কাজ
    • ঘ. আবগারি শুল্ক
    উত্তর: ঘ. আবগারি শুল্ক
    Excise duty হলো দেশের ভেতরে উৎপাদিত বা বিক্রি হওয়া নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর আরোপিত পরোক্ষ কর। এর বাংলা পরিভাষা আবগারি শুল্ক। মদ, সিগারেট ও জ্বালানির মতো পণ্যে এই শুল্ক বসানো হয়। আমদানি-রপ্তানি করা পণ্যের ওপর বসানো শুল্কের সঙ্গে এর পার্থক্য আছে, কারণ সেগুলোকে বলা হয় customs duty বা কাস্টমস শুল্ক। 'অর্পিত দায়িত্ব' শব্দের ইংরেজি হলো entrusted duty বা delegated responsibility।
    মনে রাখুন:
    Customs duty = আমদানি শুল্ক।
    Value Added Tax (VAT) = মূল্য সংযোজন কর।
    Supplementary duty = সম্পূরক শুল্ক।
  2. ১৩. বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা কয়টি?
    • ক. ১৩টি
    • খ. ১১টি
    • গ. ৪৯টি
    • ঘ. ৩৯টি
    উত্তর: ঘ. ৩৯টি
    বাংলা বর্ণমালার বর্ণগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: স্বরবর্ণ (Vowel) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ (Consonant)। স্বরবর্ণ হলো অ থেকে ঔ পর্যন্ত ১১টি বর্ণ। ব্যঞ্জনবর্ণ হলো ক থেকে শুরু করে ৩৯টি বর্ণ, যার মধ্যে ক-বর্গ থেকে প-বর্গ পর্যন্ত পাঁচটি বর্গের ২৫টি বর্ণ আছে। এর বাইরে য, র, ল, ব, শ, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়, ৎ, ং, ঃ ও ঁ ধরনের বর্ণও এই তালিকায় যুক্ত হয়ে সংখ্যাটি ৩৯ দাঁড়ায়। তাই ৩৯টিই ঠিক উত্তর। ১১টি হলো স্বরবর্ণের সংখ্যা।
    মনে রাখুন:
    স্বরবর্ণ ১১টি, ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
    বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ সংখ্যা সাধারণভাবে ৫০টি।
  3. ১৯. নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়?
    • ক. অগ্নিবীণা
    • খ. সোনার তরী
    • গ. চিত্রা
    • ঘ. বলাকা
    উত্তর: ক. অগ্নিবীণা
    প্রশ্নে যেটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়, সেটি খুঁজতে হবে। অগ্নিবীণা হলো কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের কবিতাগুলোতে বিদ্রোহের সুর আছে এবং প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস। বাকি তিনটি বই রবীন্দ্রনাথের লেখা। সোনার তরী ১৮৯৪ সালে, চিত্রা ১৮৯৬ সালে এবং বলাকা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের বিখ্যাত কবিতা বিদ্রোহী এই অগ্নিবীণা কাব্যেরই অন্তর্গত।
    বলাকা কাব্যে গতির কথা বারবার এসেছে।
    রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলির ইংরেজি রূপ Song Offerings-এর জন্য নোবেল পুরস্কার পান।
  4. ২১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ কয়টি?
    • ক. আঠারো
    • খ. উনিশ
    • গ. বিশ
    • ঘ. একুশ
    উত্তর: ঘ. একুশ
    যে উপসর্গ শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ বা নতুন অর্থ তৈরি করে, তাকে উপসর্গ (Prefix) বলে। বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন ধরনের: সংস্কৃত বা তৎসম, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশি। এর মধ্যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি, যেমন অ, অঘা, অজ, অনা, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা, অধি ও আ। সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি। তাই আঠারো, উনিশ বা বিশ ঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, যেমন প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু।
    আরবি ৪টি, ফারসি ১০টি, ইংরেজি ৪টি এবং হিন্দি-উর্দু ১টি (হর)।
  5. ২৩. 'পটল তোলা' বাগধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
    • ক. পটল গাছ থেকে পটল তোলা
    • খ. পটল খাওয়া
    • গ. মারা যাওয়া
    • ঘ. ফেল করা
    উত্তর: গ. মারা যাওয়া
    ‘পটল তোলা’ বাগধারাটির অর্থ মারা যাওয়া। বাগধারা (Idiom) হলো এমন শব্দগুচ্ছ, যার আক্ষরিক অর্থ একরকম, কিন্তু ব্যবহারে অন্য অর্থ বোঝায়। পটল গাছ থেকে পটল তুলে নেওয়া এর আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু বাগধারায় বোঝানো হয় যে কেউ মারা গেছে। তাই বাগধারার অর্থ হিসেবে মারা যাওয়াই ঠিক। পটল খাওয়া বা ফেল করার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ফেল করা অর্থ প্রকাশ করে অন্য একটি বাগধারা।
    মনে রাখুন:
    গণেশ উল্টানো মানে ব্যবসা গুটিয়ে ফেলা বা ফেল করা।
    চোখ বোজা মানে মারা যাওয়া।
    হাতে খড়ি মানে শিক্ষারম্ভ।
  6. ২৪. 'ফল পাকলে যে গাছ মরে যায়'– তাকে এককথায় বলে—
    • ক. ঔষধি
    • খ. ওষধি
    • গ. বনস্পতি
    • ঘ. নিসর্গ
    উত্তর: খ. ওষধি
    যে গাছ ফল পাকার পরে মরে যায়, তাকে এককথায় ওষধি বলে। ধান, গম, যব ও কলাই এ ধরনের গাছ। ফসল ওঠার পরেই এদের জীবনচক্র শেষ হয়। ঔষধি বানানটি দেখতে কাছাকাছি, কিন্তু এর অর্থ আলাদা, যেসব গাছ থেকে ওষুধ তৈরি হয় সেগুলোকে বোঝায়। বনস্পতি হলো এমন গাছ, যাতে ফল ধরে কিন্তু ফুল আলাদাভাবে দেখা যায় না, যেমন বট বা ডুমুর। নিসর্গ শব্দের অর্থ প্রকৃতি।
    মনে রাখুন:
    ওষধি মানে ফল পাকলে যে গাছ মরে যায়।
    বনস্পতি মানে ফুল ছাড়াই ফল ধরে যে গাছে।
    বৃক্ষ মানে সাধারণ বড় গাছ।
  7. ২৬. মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'একেই কি বলে সভ্যতা' কোন ধরনের নাটক?
    • ক. কমেডি
    • খ. সামাজিক প্রহসন
    • গ. ট্র্যাজেডি
    • ঘ. মেলোড্রামা
    উত্তর: খ. সামাজিক প্রহসন
    ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা একটি প্রহসন। প্রহসন (Farce) হলো হাসির ছলে সমাজের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরা ছোট আকারের নাটক। এই নাটকে তখনকার কলকাতার শিক্ষিত যুবসমাজের পাশ্চাত্য অনুকরণ, মদ্যপান ও উচ্ছৃঙ্খল জীবন নিয়ে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। কমেডি বা ট্র্যাজেডি এর সঠিক শ্রেণি নয়, কারণ নাটকটি আকারে ছোট এবং সরাসরি সমাজকে বিদ্রূপ করে। মেলোড্রামাও এখানে মেলে না।
    মনে রাখুন:
    মধুসূদনের অন্য প্রহসন বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০)।
    তাঁর প্রথম নাটক শর্মিষ্ঠা (১৮৫৯)।
    তাঁর মহাকাব্য মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১)।
  8. ৩৮. 'হরতাল' কোন ভাষার শব্দ?
    • ক. বাংলা
    • খ. আসামী (অসমিয়া)
    • গ. গুজরাটি
    • ঘ. জাপানী
    উত্তর: গ. গুজরাটি
    ‘হরতাল’ শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। এর অর্থ দোকানপাট ও কাজকর্ম বন্ধ রেখে প্রতিবাদ জানানো। ব্রিটিশ শাসনের সময় রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে শব্দটি আমাদের ভাষায় প্রচলিত হয়। অনেকে ভাবতে পারেন যে এটি হিন্দি বা পাঞ্জাবি শব্দ, কিন্তু উৎসের দিক থেকে এটি গুজরাটি।
    মনে রাখুন:
    গুজরাটি শব্দ: হরতাল, খদ্দর, গরবা।
    পাঞ্জাবি শব্দ: চাহিদা, শিখ, বাগিচা।
    তুর্কি শব্দ: চাকর, বাবুর্চি, দারোগা।
  9. ৪৮. 'বীরবল' কোন লেখকের ছদ্মনাম?
    • ক. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    • খ. প্রমথ চৌধুরী
    • গ. শামসুর রাহমান
    • ঘ. অন্নদাশঙ্কর রায়
    উত্তর: খ. প্রমথ চৌধুরী
    ‘বীরবল’ প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম। তিনি এই নামে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকায় লিখতেন। প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষা রীতির প্রবর্তক ছিলেন, আর তাঁর গদ্যে বুদ্ধির দীপ্তি ও বিদ্রূপের ছাপ দেখা যায়। ‘সবুজপত্র’ প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে। বাকি অপশনের লেখকদের নামেও ছদ্মনাম বা উপাধি আছে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম নীললোহিত ও সনাতন পাঠক। অন্নদাশঙ্কর রায়ের ছদ্মনাম লীলাময় রায়। ছদ্মনাম মনে রাখার সময় লেখকের নাম আর ছদ্মনামের জোড়া একসঙ্গে পড়াই ভালো।
    মনে রাখুন:
    প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধগ্রন্থ তেল-নুন-লকড়ি ও বীরবলের হালখাতা।
    শামসুর রাহমানকে নাগরিক কবি বলা হয়।
  10. ৬৬. নিচের কোনটি জীবনানন্দ দাশের রচনা?
    • ক. চক্রবাক
    • খ. এক পয়সার বাঁশি
    • গ. রূপসী বাংলা
    • ঘ. কঙ্কাবতী
    উত্তর: গ. রূপসী বাংলা
    রূপসী বাংলা জীবনানন্দ দাশের লেখা কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর মৃত্যুর পরে ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। এতে বাংলার প্রকৃতি ও গ্রামের রূপ সনেটের আকারে ধরা পড়েছে। প্রসিদ্ধ কবিতা ‘আবার আসিব ফিরে’ এই কাব্যের অন্তর্গত। অন্য বইগুলো অন্য লেখকের। চক্রবাক কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ, এক পয়সার বাঁশি জসীমউদ্দীনের শিশুতোষ বই এবং কঙ্কাবতী বুদ্ধদেব বসুর কাব্যগ্রন্থ। জীবনানন্দের জন্ম ১৮৯৯ সালে বরিশালে, মৃত্যু ১৯৫৪ সালে কলকাতায়।
    মনে রাখুন:
    জীবনানন্দ দাশকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়।
    তাঁর আরও কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালক (১৯২৭), ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী।
  11. ৬৯. 'মৈমনসিংহ গীতিকা'-এর সংগ্রাহক ছিলেন কে?
    • ক. আশুতোষ ভট্টাচার্য
    • খ. দীনেশচন্দ্র সেন
    • গ. চন্দ্রকুমার দে
    • ঘ. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র
    উত্তর: গ. চন্দ্রকুমার দে
    ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ হলো ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকগাথার সংকলন। এর সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে। তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে পালাগানগুলো সংগ্রহ করেন। এগুলো সম্পাদনা করেন দীনেশচন্দ্র সেন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে প্রকাশ করেন। তাই সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে আর সম্পাদক দীনেশচন্দ্র সেন, এ দুজনকে গুলিয়ে ফেলা চলবে না। অপশনে দীনেশচন্দ্র সেনের নাম থাকায় অনেকে ভুল করে ফেলেন।
    মনে রাখুন:
    এই সংকলনের বিখ্যাত পালা মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী ও দেওয়ানা মদিনা।
    দীনেশচন্দ্র সেনের বিখ্যাত বই বঙ্গভাষা ও সাহিত্য।
  12. ৭০. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক কোনটি?
    • ক. নুরুলদীনের সারা জীবন
    • খ. ক্রীতদাসের হাসি
    • গ. ওরা কদম আলী
    • ঘ. কবর
    উত্তর: ঘ. কবর
    ‘কবর’ নাটকটি ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা। এটি লিখেছেন মুনীর চৌধুরী, যিনি ভাষা আন্দোলনের সময় কারাবন্দি ছিলেন। তিনি ১৯৫৩ সালে কারাগারে বসে নাটকটি রচনা করেন। এতে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি আর তাঁদের আত্মত্যাগের চেতনা প্রকাশ পেয়েছে। ‘নূরলদীনের সারা জীবন’ সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য এবং ‘ক্রীতদাসের হাসি’ শওকত ওসমানের উপন্যাস। ‘ওরা কদম আলী’ মামুনুর রশীদের নাটক। নাটকটি বাংলা সাহিত্যে একাঙ্ক নাটকের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
    মনে রাখুন:
    মুনীর চৌধুরীর আরও নাটক রক্তাক্ত প্রান্তর ও চিঠি।
    মুনীর চৌধুরী ১৯৭১ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী হন।
  13. ৭২. বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কী বলে?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯
    • ক. প্রাতিপদিক
    • খ. সাধিত শব্দ
    • গ. প্রকৃতি
    • ঘ. প্রত্যয়
    উত্তর: ক. প্রাতিপদিক
    বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগে নাম শব্দের যে মূল রূপ থাকে, তাকে প্রাতিপদিক (Pratipadik) বলে। যেমন ‘গাছ’ শব্দের সঙ্গে ‘কে’, ‘এর’, ‘এ’ ইত্যাদি কোনো বিভক্তি নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। এর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হলে তাকে পদ বলা হয়, যেমন গাছ + কে = গাছকে। অন্য তিনটি অপশন ‘প্রতিপাদিক’, ‘নৃপাদিক’ ও ‘ধাপাদিক’ ব্যাকরণের কোনো পরিভাষা নয়। প্রথমটি প্রাতিপদিকের ভুল বানান, বাকি দুটি অর্থহীন।
    উদাহরণ: গাছ, লতা, লাঙ্গল।
    মনে রাখুন: নাম শব্দের মূল রূপ প্রাতিপদিক, আর ক্রিয়ার মূল রূপ ধাতু।
  14. ৭৩. 'জজসাহেব' কোন সমাসের উদাহরণ?
    • ক. দ্বিগু
    • খ. দ্বন্দ্ব
    • গ. বহুব্রীহি
    • ঘ. কর্মধারয়
    উত্তর: ঘ. কর্মধারয়
    ‘জজসাহেব’ শব্দটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় এবং দুই পদের বিভক্তি এক, তাকে কর্মধারয় সমাস (Karmadharaya) বলে। এখানে বিগ্রহ হলো যিনি জজ, তিনিই সাহেব। দুটি পদ একই ব্যক্তির পরিচয় দিচ্ছে, তাই এটি কর্মধারয়। দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, দ্বন্দ্ব সমাসে দুই পদ সমান গুরুত্বের, আর বহুব্রীহিতে নতুন কিছু বোঝায়।
    উদাহরণ:
    নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম
    মহান যে নদী = মহানদী
    মনে রাখুন: কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য-বিশেষণের মিলন সাধারণ।
  15. ৭৯. কারক কত প্রকার?
    • ক. ৫ (পাঁচ) প্রকার
    • খ. ৬ (ছয়) প্রকার
    • গ. ৩ (তিন) প্রকার
    • ঘ. ৭ (সাত) প্রকার
    উত্তর: খ. ৬ (ছয়) প্রকার
    বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে বাক্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য বা সর্বনামের সম্পর্ককে কারক (Case) বলে। বাংলা ব্যাকরণে কারক ছয় প্রকার: কর্তৃ, কর্ম, করণ, সম্প্রদান, অপাদান ও অধিকরণ কারক। যেমন, ‘আমি বই পড়ি’ বাক্যে ‘আমি’ কর্তা আর ‘বই’ কর্ম। সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদ কারক নয়, কারণ এগুলোর সঙ্গে ক্রিয়ার সরাসরি সম্পর্ক থাকে না। তাই কারকের সংখ্যা পাঁচ বা সাত নয়, ছয়।
    উদাহরণ:
    করণ কারক: ছুরি দিয়ে ফল কাটি।
    অপাদান কারক: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
    অধিকরণ কারক: সকালে সূর্য ওঠে।
  16. ৮১. 'রূপাই' জসীমউদ্দীনের কোন কাব্যগ্রন্থের চরিত্র?
    • ক. সোজন বাদিয়ার ঘাট
    • খ. নক্সী কাঁথার মাঠ
    • গ. রাখালী
    • ঘ. বালুচর
    উত্তর: খ. নক্সী কাঁথার মাঠ
    ‘রূপাই’ জসীমউদ্দীনের ‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ কাব্যের নায়ক, আর নায়িকার নাম সাজু। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত একটি আখ্যানকাব্য। রূপাই ও সাজুর করুণ প্রেমকাহিনি এখানে গ্রামবাংলার পটভূমিতে বর্ণিত হয়েছে। এর ইংরেজি অনুবাদের নাম The Field of the Embroidered Quilt। অন্য অপশনের কাব্যগুলোর চরিত্র আলাদা, তাই চরিত্রের নাম ধরেই কাব্যটি চেনা যায়। মাঠজুড়ে কাঁথা সেলাই করা এই কাহিনির প্রতীকী অংশ বলে বইয়ের নামেও তা এসেছে।
    মনে রাখুন:
    জসীমউদ্দীনকে পল্লিকবি বলা হয়।
    তাঁর অন্য কাব্য সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩), রাখালী (১৯২৭) ও বালুচর (১৯৩০)।
  17. ৮৩. উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগ কয়টি?
    • ক. তিন
    • খ. দুই
    • গ. পাঁচ
    • ঘ. চার
    উত্তর: গ. পাঁচ
    উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা শব্দকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। তৎসম শব্দ সংস্কৃত থেকে অবিকৃত এসেছে, যেমন সূর্য। অর্ধ-তৎসম শব্দ কিছুটা বিকৃত তৎসম, যেমন কেষ্ট। তদ্ভব শব্দ সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নিয়েছে, যেমন চাঁদ। দেশি শব্দ এ দেশের আদিম ভাষা থেকে আসা, আর বিদেশি শব্দ অন্য ভাষা থেকে এসেছে। তাই দুই, তিন বা চার নয়, শ্রেণি পাঁচটি।
    উদাহরণ:
    তৎসম: চন্দ্র, সূর্য, নদী।
    তদ্ভব: কাক, হাত।
    বিদেশি: চাকর (ফারসি), কলম (আরবি)।
  18. ৮৯. 'ভানু' শব্দের অর্থ কী?
    • ক. ধোঁকা
    • খ. নক্ষত্র
    • গ. সূর্য
    • ঘ. চন্দ্র
    উত্তর: গ. সূর্য
    ‘ভানু’ শব্দের অর্থ সূর্য। বাংলা ভাষায় সূর্যের আরও অনেক প্রতিশব্দ আছে, যেমন রবি, আদিত্য, তপন, দিবাকর ও ভাস্কর। অন্যদিকে চন্দ্রের প্রতিশব্দ চাঁদ, শশী, বিধু ও নিশাকর, আর নক্ষত্রের প্রতিশব্দ তারা ও তারকা। ধোঁকা মানে প্রতারণা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিশোর বয়সে ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে কবিতা লিখেছিলেন। বাংলায় একই অর্থের অনেক শব্দ আছে, তাই প্রতিশব্দের প্রশ্নে প্রতিটি অপশনের অর্থ আলাদাভাবে মিলিয়ে দেখতে হয়। এতে ভুল অপশন সহজে বাদ পড়ে। সূর্যের প্রতিশব্দগুলো এভাবে একসঙ্গে মুখস্থ রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজ হয়ে যায়।
    মনে রাখুন:
    প্রভাকর, মার্তণ্ড ও অর্কও সূর্যের নাম।
    শশাঙ্ক, সুধাকর ও কলানিধি চন্দ্রের নাম।
  19. ৯১. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী প্রমীলার সমাধি কোথায়?
    • ক. ঢাকা
    • খ. কুমিল্লা
    • গ. মানিকগঞ্জ
    • ঘ. ভারতের চুরুলিয়া
    উত্তর: ঘ. ভারতের চুরুলিয়া
    কাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী প্রমীলা দেবী ১৯৬২ সালের ৩০ জুন মারা যান। তাঁর আসল নাম আশালতা সেনগুপ্ত, বিয়ের পর তিনি প্রমীলা নাম নেন। তাঁকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়ায় নজরুলের পৈতৃক বাড়ির কাছে সমাহিত করা হয়। চুরুলিয়া নজরুলের জন্মস্থান। নজরুল নিজে ১৯৭৬ সালে ঢাকায় মারা যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাঁর সমাধি। তাই দুজনের সমাধি দুটি আলাদা দেশে।
    মনে রাখুন:
    নজরুল ও প্রমীলার বিয়ে হয় ১৯২৪ সালে।
    নজরুল সংগীতের সংখ্যা তিন হাজারের বেশি।

বিজ্ঞান

  1. ২. কোন ভিটামিন ক্ষত হতে রক্ত পড়া বন্ধ করে?
    • ক. ভিটামিন-সি
    • খ. ভিটামিন-বি
    • গ. ভিটামিন-ডি
    • ঘ. ভিটামিন-কে
    উত্তর: ঘ. ভিটামিন-কে
    ভিটামিন-কে (Vitamin K) যকৃতে রক্ত জমাট বাঁধার জন্য দরকারি প্রোথ্রম্বিন ও কিছু অন্য উপাদান তৈরি করতে সাহায্য করে। ক্ষত থেকে রক্ত বের হলে রক্ত জমাট বেঁধে পড়া বন্ধ হয়, আর এ জন্যই এই ভিটামিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন-কে-এর অভাব হলে সামান্য আঘাতেও রক্তপাত দীর্ঘ সময় ধরে চলে। এ কারণে একে রক্ত জমাট বাঁধার ভিটামিন বলা হয়। শিশু জন্মের পর ভিটামিন-কে-এর ইনজেকশন দেওয়া হয়, কারণ তখন অন্ত্রে এই ভিটামিন তৈরির ব্যাকটেরিয়া থাকে না। বড়দের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াও কিছু ভিটামিন-কে তৈরি করে। অ্যান্টিবায়োটিক অনেক দিন খেলে তাই এর ঘাটতি হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    ভিটামিন-সি-এর অভাবে স্কার্ভি হয়।
    ভিটামিন-ডি-এর অভাবে রিকেটস হয়।
    ভিটামিন-কে সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায়, আর এটি চর্বিতে দ্রবণীয়।
  2. ৩. পেডিয়াট্রিক সম্পর্কযুক্ত—
    • ক. পুরুষ
    • খ. মহিলা
    • গ. শিশু
    • ঘ. বৃদ্ধ
    উত্তর: গ. শিশু
    পেডিয়াট্রিক (Pediatric) শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে, যার মানে শিশুর চিকিৎসা। পেডিয়াট্রিক্স হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে নবজাতক থেকে কিশোর বয়স পর্যন্ত শিশুদের রোগ, বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা হয়। যিনি এ কাজে বিশেষজ্ঞ, তাঁকে পেডিয়াট্রিশিয়ান বা শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ বলে। তাই পেডিয়াট্রিক শিশুদের সঙ্গে সম্পর্কিত। শব্দটি গঠিত হয়েছে গ্রিক paidos (শিশু) ও iatros (চিকিৎসক) শব্দ দিয়ে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ও টিকাদান এই শাখার গুরুত্বপূর্ণ কাজ। শিশুর বয়স অনুযায়ী ওষুধের মাত্রা ঠিক করাও একটি বড় দায়িত্ব, কারণ ছোটদের দেহ বড়দের ছোট সংস্করণ নয়।
    মনে রাখুন:
    বৃদ্ধদের চিকিৎসাবিদ্যার নাম জেরিয়াট্রিক্স (Geriatrics)।
    নারীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যার নাম গাইনোকোলজি।
    হৃদরোগ বিষয়ক বিদ্যার নাম কার্ডিওলজি।
  3. ৫. মানব জিন থাকে—
    • ক. RNA-তে
    • খ. RBC-তে
    • গ. DNA-তে
    • ঘ. সাইটোপ্লাজমে
    উত্তর: গ. DNA-তে
    জিন (Gene) হলো বংশগতির মৌলিক একক। জীবকোষের নিউক্লিয়াসের ভেতরে ক্রোমোজোম থাকে, আর ক্রোমোজোম গঠিত DNA (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) দিয়ে। DNA-এর যে নির্দিষ্ট অংশ কোনো বৈশিষ্ট্যের তথ্য বহন করে, সেই অংশই জিন। অর্থাৎ মানুষের জিন DNA-তেই থাকে। RNA প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে, আর RBC বা লোহিত রক্তকণিকার কাজ অক্সিজেন বহন। জিনের সংখ্যা মানুষের দেহে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার। মানব জিনোম প্রকল্প এই জিনগুলোর পুরো নকশা বের করে এবং ২০০৩ সালে তা সম্পূর্ণ হয়।
    মনে রাখুন:
    DNA-এর গঠন দ্বিসূত্রক প্যাঁচানো সিঁড়ির মতো, যা ওয়াটসন ও ক্রিক ১৯৫৩ সালে প্রস্তাব করেন।
    DNA-র ক্ষার চারটি: অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থায়ামিন।
    RNA-তে থায়ামিনের বদলে ইউরাসিল থাকে।
  4. ৯. জীবের বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন করে—
    • ক. সাইটোপ্লাজম
    • খ. ক্রোমোজোম
    • গ. নিউক্লিয়াস
    • ঘ. নিউক্লিওলাস
    উত্তর: খ. ক্রোমোজোম
    পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে যে বস্তুর মাধ্যমে বাহিত হয়, তাকে বংশগতীয় বস্তু বলে। এর প্রধান বাহক ক্রোমোজোম (Chromosome), যা নিউক্লিয়াসের ভেতর থাকে। ক্রোমোজোমে থাকা DNA-র নির্দিষ্ট অংশ জিন হিসেবে কাজ করে। জিনই জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। সাইটোপ্লাজম কোষের তরল অংশ, নিউক্লিয়াস কোষের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, আর নিউক্লিওলাস রাইবোজোম তৈরির জায়গা। তাই বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন করে ক্রোমোজোম। কোষ বিভাজনের সময় ক্রোমোজোম নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে, ফলে নতুন কোষও একই বংশগত তথ্য পায়। এভাবেই এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মে বৈশিষ্ট্য যায়।
    মনে রাখুন:
    মানুষের কোষে ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
    বংশগতির জনক গ্রেগর মেন্ডেল।
    ক্রোমোজোম শব্দের অর্থ রঙিন বস্তু।
  5. ১২. বৃক্কের একক কী?
    • ক. নিউরন
    • খ. নেফ্রন
    • গ. পেসমেকার
    • ঘ. হেপাটোসাইট
    উত্তর: খ. নেফ্রন
    বৃক্ক বা কিডনি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে মূত্র তৈরি করে। প্রতিটি বৃক্কে অসংখ্য সূক্ষ্ম নালিকার মতো গঠন থাকে, যাদের নেফ্রন (Nephron) বলে। নেফ্রনই বৃক্কের গঠনগত ও কার্যগত একক। প্রতিটি নেফ্রন একটি রেনাল করপাসল (ম্যালপিজিয়ান অঙ্গ) ও একটি রেনাল টিউবুল নিয়ে তৈরি। নিউরন হলো স্নায়ুতন্ত্রের একক, হেপাটোসাইট যকৃতের কোষ, আর পেসমেকার হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণকারী অংশ। প্রতিটি নেফ্রনে রক্ত পরিশোধিত হয় তিনটি ধাপে: পরিস্রাবণ, পুনঃশোষণ ও নিঃসরণ। প্রথম ধাপ ঘটে রেনাল করপাসলে, আর বাকি দুটি ঘটে রেনাল টিউবুলে।
    মনে রাখুন:
    প্রতিটি বৃক্কে প্রায় ১০ লক্ষ নেফ্রন থাকে।
    বৃক্কের বর্জ্য মূত্রনালি দিয়ে মূত্রথলিতে জমা হয়।
    নিউরন স্নায়ুর একক।
  6. ১৪. যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদেরকে বলে—
    • ক. ইনফেকশন
    • খ. ফ্লোরা
    • গ. টক্সিন
    • ঘ. প্যাথজেনিক
    উত্তর: ঘ. প্যাথজেনিক
    যেসব অণুজীব মানুষ, প্রাণী বা উদ্ভিদের দেহে রোগ ঘটায়, তাদের রোগজীবাণু বা প্যাথজেনিক (Pathogenic) অণুজীব বলে। ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ও প্রোটোজোয়া এর মধ্যে পড়ে। ইনফেকশন (Infection) মানে সংক্রমণ, অর্থাৎ জীবাণু শরীরে ঢুকে বংশবৃদ্ধি করার প্রক্রিয়া। টক্সিন হলো জীবাণুর ছাড়া বিষাক্ত পদার্থ। ফ্লোরা বলতে সাধারণত কোনো অঞ্চলের উদ্ভিদকুল বা দেহের ভেতরের উপকারী অণুজীবকে বোঝায়। প্যাথজেনিক অণুজীব দেহে ঢুকে বিষাক্ত পদার্থ ছাড়ে, ফলে জ্বর, ডায়রিয়া বা সংক্রমণের মতো লক্ষণ দেখা দেয়। এর বিপরীতে যে অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে না, তাকে নন-প্যাথজেনিক বলে।
    মনে রাখুন:
    ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্লাজমোডিয়াম (প্রোটোজোয়া)।
    যক্ষ্মার জীবাণু ব্যাকটেরিয়া, কোভিড-১৯ ভাইরাসজনিত রোগ।
    সব অণুজীব ক্ষতিকর নয়, দই তৈরির ল্যাকটোব্যাসিলাস উপকারী।
  7. ১৫. মানবদেহে কোন অঙ্গটির সাথে পোর্টাল শিরা যুক্ত আছে?
    • ক. চোখ
    • খ. মস্তিষ্ক
    • গ. যকৃত
    • ঘ. কিডনি
    উত্তর: গ. যকৃত
    পোর্টাল শিরা (Portal Vein) পাকস্থলী, অন্ত্র ও প্লীহা থেকে পুষ্টিসমৃদ্ধ রক্ত বহন করে যকৃতে নিয়ে যায়। সেখানে যকৃত খাদ্যসার প্রক্রিয়া করে এবং ক্ষতিকর পদার্থ ছেঁকে ফেলে। যকৃত দুই পথে রক্ত পায়। একটি পোর্টাল শিরা, যা প্রায় ৭৫% রক্ত আনে। অন্যটি হেপাটিক ধমনী, যা বাকি প্রায় ২৫% অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত সরবরাহ করে। এ কারণে চোখ, মস্তিষ্ক বা কিডনির সঙ্গে পোর্টাল শিরার সরাসরি সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    যকৃত মানবদেহের বৃহত্তম গ্রন্থি।
    যকৃত পিত্তরস তৈরি করে, যা চর্বি হজমে সাহায্য করে।
    গ্লুকোজ গ্লাইকোজেন হিসেবে যকৃতে জমা থাকে।
  8. ২২. পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হলো—
    • ক. ভিটামিন-A
    • খ. ভিটামিন-E
    • গ. ভিটামিন-B
    • ঘ. ভিটামিন-D
    উত্তর: গ. ভিটামিন-B
    ভিটামিনকে দ্রবণীয়তা অনুযায়ী দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এক ভাগ পানিতে দ্রবণীয়, অন্য ভাগ চর্বিতে দ্রবণীয়। ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স ও ভিটামিন-সি পানিতে দ্রবণীয়। এগুলো দেহে জমা থাকে না, বাড়তি অংশ মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে চর্বিতে দ্রবণীয়, এগুলো যকৃত ও চর্বিযুক্ত কলায় জমা থাকতে পারে। তাই প্রশ্নের চারটি বিকল্পের মধ্যে একমাত্র ভিটামিন-বি পানিতে গলে। পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন প্রতিদিন খাদ্যের মাধ্যমে পেতে হয়। কারণ দেহ এগুলো বেশি জমিয়ে রাখতে পারে না।
    মনে রাখুন:
    ভিটামিন-বি১ অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।
    ভিটামিন-এ অভাবে রাতকানা হয়।
    ভিটামিন-সি অভাবে স্কার্ভি হয়।
  9. ২৯. কোন গ্রন্থিকে গ্রন্থির রাজা বলা হয়?
    • ক. এড্রেনাল
    • খ. থাইরয়েড
    • গ. পিটুইটারী
    • ঘ. থাইমাস
    উত্তর: গ. পিটুইটারী
    পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary Gland) মস্তিষ্কের নিচের দিকে অবস্থিত একটি ছোট গ্রন্থি। আকার ছোট হলেও এটি অনেক হরমোন তৈরি করে। আর এসব হরমোন আবার থাইরয়েড, অ্যাড্রিনাল ও জননগ্রন্থির মতো অন্য গ্রন্থিগুলোর কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এই কারণে পিটুইটারিকে প্রধান গ্রন্থি বা গ্রন্থির রাজা (Master Gland) বলা হয়। এর আকার মটরদানার মতো, আর ওজন প্রায় ০.৫ গ্রাম।
    মনে রাখুন:
    পিটুইটারি বৃদ্ধি হরমোন (GH) নিঃসরণ করে। এর অভাবে বামনত্ব ও আধিক্যে অতিকায়ত্ব দেখা দেয়।
    থাইরয়েড থাইরক্সিন নিঃসরণ করে, যা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
    অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি অ্যাড্রেনালিন তৈরি করে।
  10. ৩০. আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে—
    • ক. টায়ালিন
    • খ. লাইপেজ
    • গ. এমাইলেজ
    • ঘ. ট্রিপসিন
    উত্তর: ঘ. ট্রিপসিন
    আমিষ বা প্রোটিন হজমের জন্য বিশেষ এনজাইম লাগে। অগ্ন্যাশয় রসে ট্রিপসিন (Trypsin) নামে একটি এনজাইম থাকে। এটি প্রথমে নিষ্ক্রিয় ট্রিপসিনোজেন হিসেবে তৈরি হয়, পরে ক্ষুদ্রান্ত্রে এন্টারোকাইনেজের প্রভাবে সক্রিয় ট্রিপসিনে পরিণত হয়। তখন এটি প্রোটিন ও পেপটোনকে ভেঙে ছোট পেপটাইড ও অ্যামাইনো অ্যাসিডে পরিণত করে। টায়ালিন বা লালার অ্যামাইলেজ এবং অগ্ন্যাশয়ের অ্যামাইলেজ শর্করা হজম করে। লাইপেজ করে চর্বি হজম।
    মনে রাখুন:
    পাকস্থলীতে পেপসিন প্রোটিন হজম শুরু করে।
    শিশুদের পাকস্থলীতে রেনিন দুধের প্রোটিন জমাট বাঁধায়।
    সব এনজাইমের মধ্যে অগ্ন্যাশয় রস সবচেয়ে সমৃদ্ধ হজম রস।
  11. ৩১. মানবদেহে সবচেয়ে বড় অস্থি কোনটি?
    • ক. ফিমার
    • খ. টিবিয়া
    • গ. স্টেপস
    • ঘ. রেডিয়াম
    উত্তর: ক. ফিমার
    মানবদেহের সবচেয়ে বড়, লম্বা ও শক্তিশালী অস্থি হলো ফিমার (Femur), যাকে উরুর হাড় বলা হয়। এটি কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত বিস্তৃত। দেহের ভার সামলাতে এই হাড়ের মজবুত গড়ন কাজে লাগে। টিবিয়া হলো পায়ের নিচের অংশের হাড়, রেডিয়াস হাতের হাড়, আর স্টেপস (রেকাব) কানের ভেতরের হাড়। স্টেপস দেহের সবচেয়ে ছোট হাড়। ফিমার এত শক্ত যে এটি ভাঙতে অনেক বেশি বলের দরকার হয়। এর মাথাটি গোলাকার এবং নিতম্বের হাড়ের সঙ্গে বল-সকেট সন্ধি গঠন করে, যার ফলে পা সব দিকে ঘোরানো যায়।
    মনে রাখুন:
    প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে মোট ২০৬টি হাড় থাকে।
    নবজাতক শিশুর দেহে হাড়ের সংখ্যা প্রায় ৩০০।
    কানের তিনটি হাড়: ম্যালিয়াস, ইনকাস ও স্টেপস।
  12. ৩৩. COVID-19 একটি—
    • ক. RNA Virus
    • খ. DNA Virus
    • গ. ব্যাকটেরিয়া
    • ঘ. ছত্রাক
    উত্তর: ক. RNA Virus
    কোভিড-১৯ রোগ সৃষ্টি করে সার্স-কোভ-২ (SARS-CoV-2) নামের একটি নতুন করোনাভাইরাস। এর জিনোম আরএনএ দিয়ে গঠিত, তাই এটি একটি আরএনএ ভাইরাস। করোনা শব্দের অর্থ মুকুট, কারণ ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে এর গায়ের কাঁটাগুলো মুকুটের মতো দেখায়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম এ রোগ শনাক্ত হয়। এটি ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক নয়, তাই অ্যান্টিবায়োটিকে কাজ করে না।
    মনে রাখুন:
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ মার্চ কোভিড-১৯ কে অতিমারি ঘোষণা করে।
    বাংলাদেশে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ।
    ইনফ্লুয়েঞ্জা ও এইচআইভিও আরএনএ ভাইরাস।
  13. ৩৯. মানুষের গায়ের রং কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে?
    • ক. থায়ামিন
    • খ. মেলানিন
    • গ. ক্যারোটিন
    • ঘ. হিমোগ্লোবিন
    উত্তর: খ. মেলানিন
    মানুষের ত্বকের রং নির্ভর করে মেলানিন (Melanin) নামের একটি রঞ্জক পদার্থের ওপর। ত্বকের বাইরের স্তরে মেলানোসাইট নামের বিশেষ কোষ থাকে, যেগুলো টাইরোসিন নামের অ্যামিনো অ্যাসিড থেকে মেলানিন তৈরি করে। মেলানিন যত বেশি হয়, ত্বক তত গাঢ় দেখায়। এটি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকেও ত্বককে রক্ষা করে। হিমোগ্লোবিন রক্তের লাল রঞ্জক, আর ক্যারোটিন গাজরের মতো উদ্ভিদে থাকা হলুদ-কমলা রঞ্জক। সূর্যের আলো বেশি পড়ে এমন অঞ্চলের মানুষের ত্বকে মেলানিন স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। এটি আসলে প্রাকৃতিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা ত্বকের ক্যান্সার থেকেও রক্ষা করে।
    মনে রাখুন:
    থায়ামিন হলো ভিটামিন-বি১।
    মেলানিনের অভাবে অ্যালবিনিজম হয়।
    চোখের মণি ও চুলের রংও মেলানিনের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে।
  14. ৪১. সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?
    • ক. ৪টি
    • খ. ৫টি
    • গ. ৬টি
    • ঘ. ৭টি
    উত্তর: গ. ৬টি
    যে খাদ্যে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদান সঠিক পরিমাণে থাকে, তাকে সুষম খাদ্য (Balanced Diet) বলে। এর উপাদান মোট ছয়টি। এগুলো হলো শর্করা, আমিষ, স্নেহ বা চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি। এসব উপাদান দেহের শক্তি জোগায়, বৃদ্ধি ঘটায়, ক্ষয়পূরণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ করে। সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহের অনুপাত সাধারণত ৪ : ১ : ১ ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    শর্করা ও স্নেহ প্রধানত শক্তি দেয়।
    আমিষ দেহ গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে।
    এক গ্রাম শর্করা ও আমিষ থেকে প্রায় ৪ কিলোক্যালরি এবং এক গ্রাম স্নেহ থেকে প্রায় ৯ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।
  15. ৪২. ক্যান্সার রোগের কারণ—
    • ক. কোষের অস্বাভাবিক মৃত্যু
    • খ. কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
    • গ. কোষের অস্বাভাবিক জমাট বাঁধা
    • ঘ. সবগুলো
    উত্তর: খ. কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
    আমাদের দেহের কোষ মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়। কোষ কখন বিভাজিত হবে আর কখন থামবে, তা শরীরের নানা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ঠিক করে। কোনো কারণে এই নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হলে কোষ অস্বাভাবিকভাবে ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হতে থাকে। ফলে টিউমার তৈরি হয় এবং তা ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। অর্থাৎ ক্যান্সারের মূল কারণ কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। P53 প্রোটিন কোষচক্রকে ঠিক রাখে, তাই এর ত্রুটি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
    মনে রাখুন:
    যে টিউমার ছড়ায় না, তাকে বিনাইন, আর যা ছড়িয়ে পড়ে তাকে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার বলে।
    তামাক, অতিবেগুনি রশ্মি ও তেজস্ক্রিয়তা ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।
  16. ৪৩. ভ্যাকসিনের কাজ কোনটি?
    • ক. রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা
    • খ. রোগ নিরাময় করা
    • গ. রোগ বৃদ্ধি করা
    • ঘ. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়া
    উত্তর: ক. রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা
    ভ্যাকসিন (Vaccine) বা টিকা এমন একটি ওষুধ, যাতে মৃত বা দুর্বল করা রোগজীবাণু অথবা জীবাণুর কোনো অংশ থাকে। টিকা দিলে দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ওই জীবাণুকে চিনে রাখে এবং সংশ্লিষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি করে। পরে আসল জীবাণু আক্রমণ করলে দেহ সহজেই তাকে ঠেকাতে পারে। তাই ভ্যাকসিনের কাজ হলো রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, রোগ সারানো নয়।
    মনে রাখুন:
    প্রথম টিকা আবিষ্কার করেন এডওয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ সালে, গুটিবসন্তের জন্য।
    জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কার করেন লুই পাস্তুর।
    টিকা দিয়ে গুটিবসন্ত পৃথিবী থেকে নির্মূল করা হয়েছে।
  17. ৪৫. রক্তদানের বয়সসীমা কত?
    • ক. ১৫-৪৫ বছর
    • খ. ১০-৬০ বছর
    • গ. ১৮-৫৭ বছর
    • ঘ. ১৮-৭০ বছর
    উত্তর: গ. ১৮-৫৭ বছর
    রক্ত দানের জন্য একজন সুস্থ মানুষের বয়স একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকা দরকার। অল্প বয়সে দেহ পুরোপুরি পরিণত হয় না, আবার বেশি বয়সে দেহের সক্ষমতা কমে যায়। বাংলাদেশে সাধারণত ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী সুস্থ ব্যক্তিরা রক্ত দিতে পারেন। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ১৮-৫৭ বছর এই সীমার সবচেয়ে কাছাকাছি, তাই এটিই গ্রহণযোগ্য উত্তর। দাতার ওজন সাধারণত ৪৫ কেজির কম হলে চলে না, আর হিমোগ্লোবিনের মাত্রা পর্যাপ্ত থাকতে হয়।
    মনে রাখুন:
    একবার রক্ত দিলে পুরুষরা সাধারণত ৩ মাস এবং নারীরা ৪ মাস পর আবার দিতে পারেন।
    বাংলাদেশে ১৪ই জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালিত হয়।
  18. ৪৬. মানুষের মস্তিষ্কের করোটি স্নায়ু সংখ্যা কত?
    • ক. ১০ জোড়া
    • খ. ১২ জোড়া
    • গ. ১৫ জোড়া
    • ঘ. ৮ জোড়া
    উত্তর: খ. ১২ জোড়া
    মস্তিষ্ক থেকে যে স্নায়ুগুলো জোড়ায় জোড়ায় বের হয়ে করোটির ছিদ্রপথ দিয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে, তাদের করোটিক স্নায়ু (Cranial Nerve) বলে। মানুষের মস্তিষ্ক থেকে এরকম ১২ জোড়া স্নায়ু বের হয়। কাজের ধরন অনুসারে এদের তিন ভাগে ভাগ করা যায়: সংবেদী স্নায়ু, চেষ্টীয় স্নায়ু ও মিশ্র স্নায়ু। চোখ, নাক, কান ও জিহ্বা থেকে সংবেদন মস্তিষ্কে পাঠানো এদেরই কাজ।
    মনে রাখুন:
    মেরুরজ্জু থেকে ৩১ জোড়া সুষুম্না স্নায়ু বের হয়।
    দৃষ্টি স্নায়ু ও ঘ্রাণ স্নায়ু সংবেদী স্নায়ুর উদাহরণ।
    ভেগাস স্নায়ু মিশ্র স্নায়ু এবং এটি দীর্ঘতম করোটিক স্নায়ু।
  19. ৫০. রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় না কোনটি?
    • ক. হেপাটাইটিস-A
    • খ. হেপাটাইটিস-B
    • গ. ম্যালেরিয়া
    • ঘ. হেপাটাইটিস-C
    উত্তর: ক. হেপাটাইটিস-A
    কিছু রোগ সংক্রমিত রক্তের মাধ্যমে ছড়ায়। হেপাটাইটিস-বি ও সি ভাইরাস সংক্রমিত রক্ত, ব্যবহৃত সিরিঞ্জ বা মা থেকে শিশুর দেহে যেতে পারে। ম্যালেরিয়ার জীবাণু সংক্রমিত অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে রক্তে প্রবেশ করে, আর সংক্রমিত রক্ত গ্রহণেও এই রোগ ছড়ায়। কিন্তু হেপাটাইটিস-এ ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে নয়, দূষিত খাদ্য ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়। হেপাটাইটিস-ই-এর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এ কারণে রক্তদানের আগে রক্ত পরীক্ষা করে দেখা হয়, তাতে এসব রোগের জীবাণু আছে কি না। নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের জন্য এই পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।
    মনে রাখুন:
    হেপাটাইটিস-এ ও ই জন্ডিস রোগ সৃষ্টি করে, এগুলো পানিবাহিত।
    হেপাটাইটিস-বি প্রতিরোধে টিকা আছে।
    হেপাটাইটিস যকৃতের প্রদাহ।
  20. ৫৩. শতভাগ (১০০%) বিশুদ্ধ অক্সিজেন শরীরের জন্য—
    • ক. ক্ষতিকর
    • খ. উপকারী
    • গ. ক্ষতিকর নয়
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: ক. ক্ষতিকর
    বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২১%। দেহ এই মাত্রার অক্সিজেনে অভ্যস্ত। শতভাগ বিশুদ্ধ অক্সিজেন বেশি সময় ধরে নিলে ফুসফুসের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কারণ অতিরিক্ত অক্সিজেনে মুক্ত র‍্যাডিক্যাল তৈরি হয়ে কোষের ক্ষতি করে। একে অক্সিজেনের বিষক্রিয়া (Oxygen Toxicity) বলে। এ কারণে চিকিৎসায় রোগীকে প্রয়োজন অনুযায়ী মাপা পরিমাণে অক্সিজেন দেওয়া হয়। তাছাড়া অক্সিজেন দহনে সাহায্য করে বলে বিশুদ্ধ অক্সিজেনে আগুন ধরার ঝুঁকিও অনেক বেশি।
    মনে রাখুন:
    বাতাসে নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮% ও অক্সিজেন প্রায় ২১%।
    অক্সিজেন নিজে জ্বলে না, কিন্তু অন্য বস্তুর জ্বলতে সাহায্য করে।
  21. ৫৭. কোনটি কোষের অংশ নয়?
    • ক. সেলমেমব্রেন
    • খ. সাইটোপ্লাজম
    • গ. প্লাজমা
    • ঘ. নিউক্লিয়াস
    উত্তর: গ. প্লাজমা
    কোষের তিনটি প্রধান অংশ আছে। বাইরের আবরণ কোষঝিল্লি (Cell Membrane), তার ভেতরে কোষের তরল অংশ সাইটোপ্লাজম এবং কোষের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র নিউক্লিয়াস। এগুলো কোষের অংশ। কিন্তু প্লাজমা কোষের অংশ নয়। প্লাজমা হলো রক্তের তরল অংশ, যার প্রায় ৯০% পানি। এতে হরমোন, খাদ্যসার, বর্জ্য ও প্রোটিনের মতো পদার্থ দ্রবীভূত থাকে। রক্তকণিকা এই প্লাজমার মধ্যে ভেসে বেড়ায়। প্লাজমা থেকে ফাইব্রিনোজেন জাতীয় প্রোটিন আলাদা করে নিলে যে তরল পড়ে থাকে, তাকে সিরাম বলে। রক্ত জমাট বাঁধতে এই প্রোটিন কাজে লাগে।
    মনে রাখুন:
    রক্তের প্রায় ৫৫% প্লাজমা আর ৪৫% রক্তকণিকা।
    উদ্ভিদকোষে কোষঝিল্লির বাইরে সেলুলোজের কোষপ্রাচীর থাকে।
    প্রাণীকোষে কোষপ্রাচীর নেই।
  22. ৬০. কোনটি রক্তে অক্সিজেন পরিবহণ ক্ষমতা খর্ব করে?
    • ক. নাইট্রিক অক্সাইড
    • খ. সালফার ডাই-অক্সাইড
    • গ. কার্বন মনোক্সাইড
    • ঘ. কার্বন ডাই-অক্সাইড
    উত্তর: গ. কার্বন মনোক্সাইড
    কার্বন মনোক্সাইড (CO) একটি বিষাক্ত, বর্ণহীন ও গন্ধহীন গ্যাস। জ্বালানি অসম্পূর্ণ পুড়লে এটি তৈরি হয়। এই গ্যাস লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেনের চেয়ে প্রায় ২০০ গুণ বেশি দ্রুত যুক্ত হয়ে কার্বক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে। ফলে হিমোগ্লোবিন আর অক্সিজেন বহন করতে পারে না এবং দেহকোষ অক্সিজেন-সংকটে পড়ে। বেশি মাত্রায় নিলে মানুষ অজ্ঞান হয় ও মৃত্যুও ঘটতে পারে। বদ্ধ ঘরে কয়লা বা চুলার আগুন জ্বালিয়ে ঘুমানো বিপজ্জনক হওয়ার এটিই কারণ।
    মনে রাখুন:
    CO বর্ণ ও গন্ধহীন বলে একে নীরব ঘাতক বলা হয়।
    CO₂ রক্তে বাইকার্বনেট হিসেবে বেশি পরিবাহিত হয়।
  23. ৬৫. মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা—
    • ক. ২০ জোড়া
    • খ. ২২ জোড়া
    • গ. ২৩ জোড়া
    • ঘ. ২৮ জোড়া
    উত্তর: গ. ২৩ জোড়া
    মানুষের প্রতিটি দেহকোষের নিউক্লিয়াসে মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। জোড়া ধরলে এই সংখ্যা ২৩ জোড়া। এদের মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম, যা দেহের সাধারণ বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। বাকি ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম। নারীর কোষে এই জোড়া XX এবং পুরুষের কোষে XY। এ কারণে ২৩ জোড়াই হলো সঠিক উত্তর। ক্রোমোজোমের সংখ্যা প্রজাতিভেদে আলাদা হয়। যেমন মাছির দেহকোষে ৮টি এবং ধানে ২৪টি ক্রোমোজোম থাকে। তাই এই সংখ্যা প্রজাতি চেনার একটি বৈশিষ্ট্য।
    মনে রাখুন:
    জনন কোষে (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) ক্রোমোজোমের সংখ্যা অর্ধেক, ২৩টি।
    সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ করে পিতার ক্রোমোজোম।
    অটোসোম ৪৪টি।
  24. ৬৭. খাদ্য হজম প্রক্রিয়া শুরু হয়—
    • ক. পাকস্থলীতে
    • খ. ক্ষুদ্রান্ত্রে
    • গ. মুখগহ্বরে
    • ঘ. বৃহদান্ত্রে
    উত্তর: গ. মুখগহ্বরে
    খাদ্য হজম শুরু হয় মুখগহ্বরেই। আমরা খাবার চিবানোর সময় দাঁত দিয়ে তা ছোট ছোট টুকরো করি, একে যান্ত্রিক হজম বলে। একই সঙ্গে লালাগ্রন্থি থেকে লালা মিশে যায়। লালায় টায়ালিন (লালার অ্যামাইলেজ) নামে একটি এনজাইম থাকে, যা শ্বেতসার বা স্টার্চকে ভেঙে মল্টোজ নামে শর্করা বানায়। তাই রাসায়নিক হজমও মুখগহ্বর থেকে শুরু হয়। পরে খাদ্য পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্রে গিয়ে আরও হজম হয়, আর ক্ষুদ্রান্ত্রে খাদ্যসার শোষিত হয়।
    মনে রাখুন:
    পাকস্থলীতে প্রোটিন হজম শুরু হয়।
    ক্ষুদ্রান্ত্রে হজম সম্পন্ন ও শোষণ হয়।
    বৃহদান্ত্রে পানি শোষিত হয়।
  25. ৬৮. ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোন মশা?
    • ক. কিউলেক্স
    • খ. এডিস
    • গ. অ্যানাফিলিস
    • ঘ. সব ধরনের মশা
    উত্তর: খ. এডিস
    ডেঙ্গু জ্বর ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণে হয়। এই ভাইরাস এক মানুষ থেকে অন্য মানুষে ছড়ায় এডিস (Aedes) মশার মাধ্যমে, বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টাই ও এডিস অ্যালবোপিকটাস প্রজাতির স্ত্রী মশা কামড়ালে। এই মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায় এবং জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ফুলের টব, পুরোনো টায়ার ও ডাবের খোসায় পানি জমতে না দেওয়াই প্রতিরোধের উপায়। কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়ার জীবাণু বহন করে আর অ্যানোফিলিস ম্যালেরিয়ার জীবাণু বহন করে।
    মনে রাখুন:
    এডিস মশার গায়ে সাদা-কালো ডোরা দাগ থাকে।
    এডিস মশা চিকুনগুনিয়া ও জিকা ভাইরাসও ছড়ায়।
  26. ৭৪. কোনটি রক্তের কাজ নয়?
    • ক. অক্সিজেন বিতরণ করা
    • খ. হরমোন বিতরণ করা
    • গ. কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহণ করা
    • ঘ. জারক রস বিতরণ করা
    উত্তর: ঘ. জারক রস বিতরণ করা
    রক্ত দেহের পরিবহণ ব্যবস্থার প্রধান মাধ্যম। এটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেন বহন করে কোষে পৌঁছে দেয় এবং কোষ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসে নিয়ে আসে। একই সঙ্গে খাদ্যসার, হরমোন ও বর্জ্য পদার্থ বহন করে, তাপ ছড়িয়ে দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ করে। কিন্তু জারক রস (পাচক রস) রক্তের মাধ্যমে বিতরণ করা হয় না। এই রস লালাগ্রন্থি, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয় ও যকৃতের মতো গ্রন্থি থেকে সরাসরি নালির মাধ্যমে পৌষ্টিকনালিতে আসে।
    মনে রাখুন:
    রক্ত জমাট বাঁধা, অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা রক্তের গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
    প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে রক্তের পরিমাণ প্রায় ৫ থেকে ৬ লিটার।
  27. ৭৫. কোন হরমোনের অভাবে 'Diabetes Mellitus' হয়?
    • ক. গ্লুকাগন
    • খ. ইনসুলিন
    • গ. কর্টিসল
    • ঘ. ইস্ট্রোজেন
    উত্তর: খ. ইনসুলিন
    ডায়াবেটিস মেলিটাস হলো রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার রোগ। অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ ইনসুলিন (Insulin) নামে হরমোন তৈরি করে। এই হরমোন রক্তের গ্লুকোজকে কোষে ঢুকতে সাহায্য করে এবং বাড়তি গ্লুকোজকে যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা রাখে। ইনসুলিন কম তৈরি হলে বা ঠিকভাবে কাজ না করলে রক্তে গ্লুকোজ জমে ডায়াবেটিস দেখা দেয়। গ্লুকাগন বরং রক্তে গ্লুকোজ বাড়ায়, তাই এর অভাব এই রোগের কারণ নয়।
    মনে রাখুন:
    ইনসুলিন নিঃসৃত হয় অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স থেকে।
    ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ব্যান্টিং ও বেস্ট ১৯২১ সালে।
    বহুমূত্র এই রোগের আরেক নাম।
  28. ৭৬. কোন রক্তকণিকা দেহে এন্টিবডি তৈরি করে?
    • ক. নিউট্রোফিল
    • খ. বেসোফিল
    • গ. ইওসিনোফিল
    • ঘ. লিম্ফোসাইট
    উত্তর: ঘ. লিম্ফোসাইট
    রক্তের শ্বেতকণিকার একটি প্রকার লিম্ফোসাইট (Lymphocyte)। এদের মধ্যে বি-লিম্ফোসাইট জীবাণুর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করে, আর টি-লিম্ফোসাইট সরাসরি আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করে। লিম্ফোসাইট তৈরি হয় লাল অস্থিমজ্জা, লসিকাগ্রন্থি ও প্লীহায়। তাই অ্যান্টিবডি তৈরির কাজ এদের। নিউট্রোফিল জীবাণু গিলে ফেলে। ইওসিনোফিল অ্যালার্জি ও পরজীবীর বিরুদ্ধে কাজ করে। বেসোফিল হিস্টামিন নিঃসরণ করে। মানবদেহে এন্টিবডি তৈরির কাজ শুরু হয় জীবাণু বা বহিরাগত পদার্থ, অর্থাৎ অ্যান্টিজেন ঢোকার পর। একবার তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি মনে রাখার কোষগুলো পরেও থাকে, তাই দ্বিতীয়বার আক্রমণে দেহ আরও দ্রুত সাড়া দেয়।
    মনে রাখুন:
    শ্বেতকণিকার প্রধান কাজ রোগ প্রতিরোধ।
    লোহিত রক্তকণিকা অক্সিজেন বহন করে।
    অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধায় সাহায্য করে।
  29. ৭৭. সংক্রামক ব্যাধি কোনটি?
    • ক. এইডস
    • খ. উচ্চ রক্তচাপ
    • গ. ডায়াবেটিস
    • ঘ. রেনাল ফেইলিউর
    উত্তর: ক. এইডস
    যেসব রোগ জীবাণুর মাধ্যমে একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায়, সেগুলোকে সংক্রামক রোগ বলে। এইডস (AIDS) এমনই রোগ। এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমিত রক্ত, ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক ও আক্রান্ত মায়ের গর্ভের শিশুর দেহে ছড়াতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও রেনাল ফেইলিউর বা কিডনি বিকলতা সংক্রামক নয়। এগুলো সাধারণত জীবনযাপন, হরমোনের ত্রুটি বা অঙ্গের ক্ষতির কারণে হয় এবং একজনের থেকে অন্যজনে ছড়ায় না।
    মনে রাখুন:
    AIDS-এর পূর্ণরূপ Acquired Immuno Deficiency Syndrome।
    এইচআইভি আক্রমণ করে দেহের টি-হেল্পার লিম্ফোসাইটকে।
    করমর্দন বা একসঙ্গে খাওয়ায় এইডস ছড়ায় না।
  30. ৮২. নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়—
    • ক. ধমনীর ভিতর
    • খ. শিরার ভিতর
    • গ. স্নায়ুর ভিতর
    • ঘ. নাসিকা নালীর ভিতর
    উত্তর: ক. ধমনীর ভিতর
    হৃৎপিণ্ড সংকুচিত হয়ে ধমনীতে রক্ত ঠেলে দেওয়ার সময় ধমনীর দেয়াল প্রসারিত ও সংকুচিত হয়ে একটি ঢেউ তৈরি করে। এই ঢেউ ধমনীর ভেতর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং কবজি বা গলার কাছে হাত দিলে আমরা অনুভব করি। একে নাড়ীর স্পন্দন বা পালস (Pulse) বলে। ধমনীর দেয়াল পুরু ও স্থিতিস্থাপক, তাই ঢেউ তাতে স্পষ্ট হয়। শিরার দেয়াল পাতলা এবং শিরায় রক্তের চাপ কম, ফলে সেখানে পালস স্পষ্ট বোঝা যায় না।
    মনে রাখুন:
    প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের নাড়ীর স্পন্দন মিনিটে প্রায় ৭২ বার।
    সাধারণত কবজিতে রেডিয়াল ধমনীতে নাড়ী দেখা হয়।
  31. ৯০. বৃহদান্ত্রের অংশ কোনটি?
    • ক. ডিওডেনাম
    • খ. জেজুনাম
    • গ. এপেনডিক্স
    • ঘ. ইলিয়াম
    উত্তর: গ. এপেনডিক্স
    মানুষের পৌষ্টিকনালির শেষ দিকের মোটা অংশ হলো বৃহদান্ত্র। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৫ মিটার এবং এর তিনটি অংশ আছে: সিকাম, কোলন ও রেকটাম। সিকামের নিচের দিকে একটি ছোট আঙুলের মতো নলাকার অংশ থাকে, একে অ্যাপেনডিক্স (Appendix) বলে। তাই অ্যাপেনডিক্স বৃহদান্ত্রের অংশ। ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম এই তিনটি অংশ নিয়ে ক্ষুদ্রান্ত্র গঠিত। অ্যাপেনডিক্সের কোনো গুরুত্বপূর্ণ হজম-কাজ নেই। এটি মানুষের দেহের একটি অবশেষী অঙ্গ বলে ধরা হয়, তবে এতে সংক্রমণ হলে অস্ত্রোপচার করে বাদ দিতে হতে পারে।
    মনে রাখুন:
    ক্ষুদ্রান্ত্রের দৈর্ঘ্য প্রায় ৬ থেকে ৭ মিটার।
    ক্ষুদ্রান্ত্রে খাদ্যসার শোষিত হয়।
    অ্যাপেনডিক্সে প্রদাহ হলে অ্যাপেনডিসাইটিস রোগ হয়।

বাংলাদেশ

  1. ৪. 'ফা হিয়েন' কার শাসনামলে বাংলায় আসেন?
    • ক. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
    • খ. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
    • গ. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
    • ঘ. হর্ষবর্ধন
    উত্তর: ক. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
    ফা হিয়েন (Fa-Hien) চীনের একজন বৌদ্ধ পরিব্রাজক। তিনি গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের (বিক্রমাদিত্য) শাসনামলে ভারতে আসেন এবং বাংলার তাম্রলিপ্তি বন্দর ঘুরে দেখেন। তাঁর সময়কাল আনুমানিক ৪০০ থেকে ৪১১ খ্রিষ্টাব্দ। ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তিনি লিখে রেখে যান 'ফো-কুয়ো-কি' নামের গ্রন্থে। আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ও হর্ষবর্ধন তাঁর বহু শতাব্দী পরের শাসক, আর প্রথম চন্দ্রগুপ্ত তাঁর আগের।
    মনে রাখুন:
    হিউয়েন সাং এসেছিলেন সম্রাট হর্ষবর্ধনের আমলে (সপ্তম শতক)।
    ইৎসিং ছিলেন আরেকজন চীনা পরিব্রাজক।
    গুপ্তযুগকে প্রাচীন ভারতের স্বর্ণযুগ বলা হয়।
  2. ৭. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কোন সালে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়?
    • ক. ১৯৭২
    • খ. ১৯৭৩
    • গ. ১৯৭৪
    • ঘ. ১৯৭৫
    উত্তর: ক. ১৯৭২
    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারের সম্মতি নিয়ে তাঁকে কলকাতা থেকে ঢাকায় নিয়ে আসে। তাঁকে আনা হয় ১৯৭২ সালের ২৪ মে তারিখে। সেই বছরই তাঁকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে সম্মান জানানো হয়। এরপর ১৯৭৬ সালে তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হয় এবং একই বছর তিনি ঢাকায় মারা যান।
    মনে রাখুন:
    নজরুলের জন্ম ২৪ মে ১৮৯৯, চুরুলিয়া গ্রাম, পশ্চিমবঙ্গ।
    মৃত্যু ২৯ আগস্ট ১৯৭৬, সমাধি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে।
    প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা (১৯২২)।
  3. ৮. কোন নদ/নদী ময়মনসিংহ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত?
    • ক. পুরাতন ব্রহ্মপুত্র
    • খ. সুরমা
    • গ. তিস্তা
    • ঘ. যমুনা
    উত্তর: ক. পুরাতন ব্রহ্মপুত্র
    ময়মনসিংহ শহরের গা ঘেঁষে বয়ে গেছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ। ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের তিব্বত অঞ্চলে উৎপন্ন হয়ে ভারতের ভেতর দিয়ে কুড়িগ্রাম দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকে। এখানে এর নাম হয় যমুনা। আর একটি পুরোনো শাখা বের হয়ে জামালপুর ও ময়মনসিংহ হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে গিয়ে ধলেশ্বরীর সঙ্গে মিলেছে, সেটিই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র। সুরমা নদী সিলেট অঞ্চলে, তিস্তা রংপুর অঞ্চলে বয়ে গেছে, আর যমুনা ময়মনসিংহ শহরের পাশে নয়, বরং আরও পশ্চিমে।
    মনে রাখুন:
    ব্রহ্মপুত্র নদের উৎস তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে।
    পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের তীরে ময়মনসিংহ ও জামালপুর শহর অবস্থিত।
  4. ২৮. বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম কী?
    • ক. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
    • খ. বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র
    • গ. গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ
    • ঘ. প্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ
    উত্তর: ক. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
    বাংলাদেশের সংবিধানের ১ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামে পরিচিত হবে। তাই সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। ইংরেজিতে একে বলা হয় People’s Republic of Bangladesh। বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র বা প্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ নামে সংবিধানে কোনো নাম নেই, আর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশও সংবিধানের দেওয়া নাম নয়।
    মনে রাখুন:
    সংবিধান গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর এবং কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
    সংবিধানের ১ নম্বর অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের পরিচয় দেওয়া আছে।
  5. ৩৭. বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০২২
    • ক. ঢাকা
    • খ. বগুড়া
    • গ. যশোর
    • ঘ. টাঙ্গাইল
    উত্তর: গ. যশোর
    বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয় যশোরকে। ডিজিটাল জেলা বলতে এমন জেলা বোঝায়, যেখানে সরকারি সেবা ও তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়া যায়। এর ফলে মানুষকে আগের মতো কাজ নিয়ে বারবার অফিসে ছুটে যেতে হয় না। এই উদ্যোগে জেলা পর্যায়ের নানা কাজে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ঢাকা, বগুড়া ও টাঙ্গাইল প্রথম ডিজিটাল জেলা নয়।
    মনে রাখুন:
    ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রূপকল্প ২০২১ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছিল।
    দেশের একটি বিখ্যাত হাইটেক পার্ক গাজীপুরের কালিয়াকৈরে।
  6. ৫৫. কোন জেলায় রেল যোগাযোগ নেই?
    • ক. নোয়াখালী
    • খ. টাঙ্গাইল
    • গ. সাতক্ষীরা
    • ঘ. হবিগঞ্জ
    উত্তর: গ. সাতক্ষীরা
    সাতক্ষীরা বাংলাদেশের একটি জেলা, যেখানে প্রশ্নের সময়ে কোনো রেল যোগাযোগ ছিল না। যশোরের শার্শার নাভারন থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা আছে, কিন্তু সেটি তখন চালু হয়নি। অন্যদিকে নোয়াখালীতে চৌমুহনী ও মাইজদী, টাঙ্গাইল এবং হবিগঞ্জেও রেলস্টেশন আছে। তাই এই চারটির মধ্যে রেলহীন জেলা সাতক্ষীরা। দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের আরও কয়েকটি জেলাও রেল নেটওয়ার্কের বাইরে ছিল।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ রেলওয়ের সদর দপ্তর ঢাকায়।
    এই অঞ্চলে প্রথম রেলপথ চালু হয় ১৮৬২ সালে দর্শনা থেকে জগতি পর্যন্ত।
    বাংলাদেশ রেলওয়ের দুটি অঞ্চল: পূর্বাঞ্চল (চট্টগ্রাম) ও পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী)।
  7. ৫৮. বাংলাদেশি মহিলাদের গড় আয়ু কত?
    • ক. ৮০.৬ বছর
    • খ. ৫৭.৫ বছর
    • গ. ৬৪.৪ বছর
    • ঘ. ৭৩.৮ বছর
    উত্তর: ঘ. ৭৩.৮ বছর
    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী দেশে মহিলাদের গড় আয়ু পুরুষের চেয়ে কিছুটা বেশি। গড় আয়ু (Life expectancy) বলতে বোঝায়, একজন মানুষ গড়ে কত বছর বাঁচবেন বলে আশা করা যায়। প্রকাশিত হিসাবে মহিলাদের গড় আয়ু প্রায় ৭৩-৭৪ বছর, আর পুরুষদের গড় আয়ু প্রায় ৭০-৭১ বছর। অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি সংখ্যা ৭৩.৮ বছর। বাকি সংখ্যাগুলো বাংলাদেশের গড় আয়ুর সঙ্গে মেলে না।
    মনে রাখুন:
    দেশের মোট গড় আয়ু আনুমানিক ৭২ বছরের কাছাকাছি।
    স্বাধীনতার পরের প্রথম দিকের বছরগুলোতে গড় আয়ু ছিল এর চেয়ে অনেক কম।
  8. ৫৯. বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে—
    • ক. ৩০ মার্চ ১৯৭১
    • খ. ৭ এপ্রিল ১৯৭১
    • গ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
    • ঘ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
    উত্তর: গ. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
    ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠনের ঘোষণা হয়, তবে সরকারের আনুষ্ঠানিক শপথ নেওয়া হয় ১৭ এপ্রিল। সেদিন মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ অনুষ্ঠান হয়। পরে জায়গাটির নাম রাখা হয় মুজিবনগর। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় আরও ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
    মনে রাখুন:
    ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়।
    ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার দিবস।
    অধ্যাপক ইউসুফ আলী অনুষ্ঠানে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
  9. ৬১. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি'–এ গানটির রচয়িতা কে?
    • ক. সৈয়দ শামসুল হক
    • খ. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
    • গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
    • ঘ. আবদুল লতিফ
    উত্তর: গ. আবদুল গাফফার চৌধুরী
    ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটির রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী। তিনি একজন সাংবাদিক ও লেখক, যিনি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি নিয়ে এই গান লিখেছিলেন। গানটিতে প্রথম সুর দেন আবদুল লতিফ। পরে শহীদ আলতাফ মাহমুদের দেওয়া সুর আরও জনপ্রিয় হয় এবং আজকের প্রভাতফেরিতে সেই সুরেই গাওয়া হয়। সৈয়দ শামসুল হক কবি ও নাট্যকার, তিনি এই গানের রচয়িতা নন।
    মনে রাখুন:
    আলতাফ মাহমুদ ভাষা আন্দোলনের একজন সুরকার ও সংগঠক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে শহীদ হন।
    এই গান একুশের প্রভাতফেরির প্রধান গান।
  10. ৭১. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কোনটি?আরও এসেছে: গণপূর্ত অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০১৭
    • ক. ০৮ মার্চ
    • খ. ১৬ ডিসেম্বর
    • গ. ২১ ফেব্রুয়ারি
    • ঘ. ২১ আগস্ট
    উত্তর: গ. ২১ ফেব্রুয়ারি
    প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলা ভাষার মর্যাদার দাবিতে ঢাকায় ছাত্র-জনতা প্রাণ দিয়েছিলেন। এই ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে এবং ২০০০ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে এটি পালিত হচ্ছে। অন্য তারিখগুলো ভিন্ন দিবসের: ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস। এই দিনে বাংলাদেশে সরকারি ছুটি থাকে এবং শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়।
    মনে রাখুন:
    ইউনেস্কোর সদর দপ্তর প্যারিসে।
    ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতীক।
  11. ৮৪. পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেন কোন বিজ্ঞানী?
    • ক. জগদীশচন্দ্র বসু
    • খ. কুদরাত-এ-খুদা
    • গ. ড. মাকসুদুল আলম
    • ঘ. ড. মেঘনাদ সাহা
    উত্তর: গ. ড. মাকসুদুল আলম
    পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম। জিনোম (Genome) হলো কোনো জীবের সব জিনের সম্পূর্ণ নকশা। ২০১০ সালে তাঁর নেতৃত্বে একটি গবেষক দল পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করে। এই আবিষ্কার পাটের উন্নত জাত তৈরিতে সহায়ক। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করতেন। আবিষ্কারটি বাংলাদেশের জন্য গর্বের, কারণ পাট দেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল। জিনোমের এই নকশা জানা থাকলে বিজ্ঞানীরা রোগ ও পোকা প্রতিরোধী জাত তৈরি করতে পারেন।
    মনে রাখুন:
    পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়।
    জগদীশচন্দ্র বসু উদ্ভিদের প্রাণ আছে তা প্রমাণ করেছিলেন।
  12. ৮৫. বাংলাদেশে কোভিড-১৯ টিকা প্রদান কার্যক্রম কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়?
    • ক. ২৫/০১/২০২১
    • খ. ২৭/০১/২০২১
    • গ. ২১/০১/২০২১
    • ঘ. ২২/০১/২০২১
    উত্তর: খ. ২৭/০১/২০২১
    বাংলাদেশে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি। সেদিন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তা প্রথম টিকা নেন। সরকার ভারত থেকে আসা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা, যা কোভিশিল্ড নামে পরিচিত, দিয়ে অভিযান শুরু করে। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসে সারা দেশে ব্যাপকভাবে টিকা দেওয়া শুরু হয়। অন্য তারিখগুলো এই অভিযানের উদ্বোধনের দিন নয়। দিনটি মনে রাখার জন্য ‘জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ’ মনে রাখা যেতে পারে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ।
    কোভিড-১৯ রোগটি SARS-CoV-2 ভাইরাসে হয়।
  13. ৮৬. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক কোনটি?
    • ক. একুশে পদক
    • খ. স্বাধীনতা পদক
    • গ. বাংলা একাডেমি পদক
    • ঘ. প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার
    উত্তর: খ. স্বাধীনতা পদক
    স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। জাতীয় জীবনে বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিবছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এটি দেওয়া হয়। একুশে পদক ভাষা আন্দোলনের স্মরণে ১৯৭৬ সালে চালু হয় এবং মর্যাদায় স্বাধীনতা পুরস্কারের পরেই। বাংলা একাডেমি পুরস্কার সাহিত্যের জন্য দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার ভিন্ন ধরনের একটি সম্মাননা। স্বাধীনতা পুরস্কার চালু হয় ১৯৭৭ সালে। তাই সর্বোচ্চ পুরস্কার জানতে চাইলে সহজ উত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার।
    মনে রাখুন:
    একুশে পদক ফেব্রুয়ারি মাসে দেওয়া হয়।
    স্বাধীনতা পুরস্কার মার্চ মাসে দেওয়া হয়।
  14. ৯২. কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচাইতে বেশি?
    • ক. ভারত
    • খ. জাপান
    • গ. রাশিয়া
    • ঘ. চীন
    উত্তর: ঘ. চীন
    বাংলাদেশ চীন থেকে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে, কিন্তু চীনে রপ্তানি করে অনেক কম। ফলে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি দেশের অন্য বাণিজ্য-অংশীদারদের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। বাণিজ্য ঘাটতি (Trade deficit) মানে আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয়ের চেয়ে বেশি হওয়া। ভারতও বড় আমদানি-উৎস এবং ঘাটতিতে দ্বিতীয় স্থানে। জাপান ও রাশিয়ার সঙ্গে ঘাটতি তুলনামূলকভাবে কম। সরাসরি তুলনায় চীনের সঙ্গে ঘাটতিই সবচেয়ে প্রকট।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
    একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বড় রপ্তানি গন্তব্য।

ইংরেজি

  1. ৬. She is named — her grand mother. Fill in the blank with—
    • ক. after
    • খ. to
    • গ. about
    • ঘ. according
    উত্তর: ক. after
    কারও নামের সঙ্গে মিল রেখে অন্য কারও নাম রাখা হলে ইংরেজিতে name-এর পরে after বসে। তাই বাক্যটি হবে She is named after her grandmother, অর্থাৎ তাঁর নাম দাদি বা নানির নামে রাখা হয়েছে। বাক্যটি সাধারণত passive আকারে থাকে, কারণ নাম যিনি রাখেন তাঁর চেয়ে যাঁর নামে রাখা হলো তিনিই এখানে মুখ্য। To, about বা according এখানে বসালে কোনো অর্থপূর্ণ বাক্য হয় না। According সাধারণত to-এর সঙ্গে আসে এবং অর্থ হয় অনুযায়ী, আর about মানে সম্পর্কে।
    মনে রাখুন:
    He was named after his father. (তাঁর নাম বাবার নামে রাখা হয়েছে।)
    Take after মানে চেহারা বা স্বভাবে পূর্বপুরুষের মতো হওয়া।
    Look after মানে যত্ন নেওয়া।
  2. ১০. I have to differ — you on this issue. (Fill in the gap)
    • ক. over
    • খ. to
    • গ. from
    • ঘ. with
    উত্তর: ঘ. with
    ইংরেজিতে কোনো মানুষের সঙ্গে কোনো বিষয়ে মতের অমিল বোঝাতে differ-এর পরে with বসে। তাই বাক্যটি হবে I have to differ with you on this issue, অর্থাৎ এই বিষয়ে আমাকে আপনার সঙ্গে দ্বিমত করতে হচ্ছে। Differ from বাক্যাংশটিও আছে, তবে সেটির অর্থ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনো জিনিস অন্য জিনিস থেকে ভিন্ন হওয়া। যেমন, a ship differs from a boat. এখানে ব্যক্তির সঙ্গে মতভেদের কথা বলা হচ্ছে, তাই with-ই ঠিক।
    মনে রাখুন:
    Differ with someone on/about something মানে কারও সঙ্গে কোনো বিষয়ে একমত না হওয়া।
    Differ from something মানে কোনো কিছু থেকে আলাদা হওয়া।
  3. ১১. Which of the following words is in singular form?
    • ক. formulae
    • খ. agenda
    • গ. oases
    • ঘ. radius
    উত্তর: ঘ. radius
    প্রশ্নে এক বচনের শব্দ খুঁজতে বলা হয়েছে। Radius মানে ব্যাসার্ধ। এটি এক বচন, এর বহুবচন radii বা radiuses। বাকি তিনটি শব্দ সাধারণত বহুবচনের রূপে চেনা যায়। Formulae হলো formula (সূত্র) শব্দের লাতিন ধরনের বহুবচন এবং oases হলো oasis (মরূদ্যান) শব্দের বহুবচন। Agenda আসলে লাতিন agendum শব্দের বহুবচন, যদিও আধুনিক ইংরেজিতে অনেক সময় একে এক বচন ধরে আলোচ্যসূচি বোঝানো হয়। তাই এখানে সবচেয়ে নিশ্চিত এক বচন হলো radius।
    মনে রাখুন:
    লাতিন -us শেষের শব্দের বহুবচন প্রায়ই -i হয়, যেমন stimulus-stimuli, nucleus-nuclei।
    -is শেষের শব্দের বহুবচন -es হয়, যেমন crisis-crises, basis-bases।
  4. ১৬. 'Pick up' means—
    • ক. display
    • খ. collect
    • গ. suspend
    • ঘ. tolerate
    উত্তর: খ. collect
    Pick up বাক্যাংশটির একটি পরিচিত অর্থ হলো কুড়িয়ে নেওয়া বা তুলে নেওয়া। এই অর্থে কাছাকাছি শব্দ collect, যার মানে সংগ্রহ করা। যেমন, He picked up the books from the floor. বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: display মানে প্রদর্শন করা, suspend মানে স্থগিত করা বা ঝুলিয়ে রাখা এবং tolerate মানে সহ্য করা।
    মনে রাখুন:
    Pick up-এর আরও অর্থ আছে, যেমন গাড়িতে কাউকে তুলে নেওয়া বা কোনো ভাষা সহজে শিখে ফেলা।
    Pick out মানে বেছে নেওয়া এবং pick on মানে কারও পিছনে লাগা।
  5. ১৭. Identify the correct spelling :
    • ক. questionnaire
    • খ. questionaire
    • গ. questionnare
    • ঘ. questioneire
    উত্তর: ক. questionnaire
    সঠিক বানান Questionnaire, যার অর্থ প্রশ্নাবলি। শব্দটির মাঝখানে দুটি n আছে, কিন্তু শেষে double r নেই, শুধু একটি r আছে। শব্দটি ফরাসি শব্দ থেকে এসেছে, আর ফরাসি ভাষার প্রভাবে এর শেষে -aire নয়, ইংরেজিতে -aire অংশই থাকে। তাই Questionaire, Questionoir বা Questionair সঠিক নয়।
    মনে রাখুন:
    আরও কিছু বানান: occurrence (দুটি c, দুটি r), necessary (একটি c, দুটি s), accommodate (দুটি c, দুটি m)।
  6. ১৮. The bell had already been —. (Fill in the gap)
    • ক. rang
    • খ. ranged
    • গ. rung
    • ঘ. ringed
    উত্তর: গ. rung
    বাক্যটি The bell had already been — এবং এখানে had been আছে, অর্থাৎ এটি Past Perfect Passive গঠন। এই গঠনে had been-এর পরে সব সময় verb-এর past participle বসে। Ring ক্রিয়ার তিনটি রূপ হলো ring, rang, rung, তাই past participle হলো rung। ঠিক বাক্যটি হবে The bell had already been rung, অর্থাৎ ঘণ্টা আগেই বাজানো হয়ে গিয়েছিল। Rang হলো past form, যা had been-এর সঙ্গে বসে না। Ranged ও ringed অন্য ক্রিয়ার রূপ।
    মনে রাখুন:
    Ring-rang-rung (বাজা), sing-sang-sung (গান গাওয়া), swim-swam-swum (সাঁতার কাটা)।
    Ring-ringed-ringed মানে বৃত্ত দিয়ে ঘিরে ফেলা।
  7. ২৫. Identify the correct sentence :
    • ক. Tell me what is your name?
    • খ. Tell me what your name is.
    • গ. Tell me what is your name.
    • ঘ. Tell me what your name is?
    উত্তর: খ. Tell me what your name is.
    ইংরেজিতে প্রশ্নবোধক শব্দ what বাক্যের ভেতরে এসে বাক্যাংশ গঠন করলে সেটি আর সরাসরি প্রশ্ন থাকে না। তখন শব্দের ক্রম হয় সাধারণ বাক্যের মতো: subject, তারপর verb। তাই Tell me what your name is. সঠিক। এখানে Tell me অংশটি অনুরোধ, আর what your name is অংশটি একটি indirect question। এ ধরনের বাক্যের শেষে প্রশ্নচিহ্ন বসে না, দাঁড়ি বসে। Tell me what is your name?-এ প্রশ্নের ক্রম রয়ে গেছে, তাই ভুল।
    মনে রাখুন:
    Direct: Where is he? Indirect: I don’t know where he is.
    Indirect question-এ do/does/did সাধারণত ব্যবহার হয় না।
  8. ৩৪. Fill in the blank: He takes a lot of interest — game.
    • ক. for
    • খ. in
    • গ. at
    • ঘ. with
    উত্তর: খ. in
    ইংরেজিতে interest শব্দের পরে সাধারণত in বসে। বাক্যটি হবে He takes a lot of interest in games বা in the game, অর্থাৎ সে খেলার প্রতি অনেক আগ্রহ দেখায়। এখানে for, at বা with বসালে বাক্যটি স্বাভাবিক ইংরেজি হয় না। কিছু শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট preposition বসে, একে appropriate preposition বলা হয়, এবং এগুলো মুখস্থ রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    Interested in, keen on, fond of, good at।
    Take interest in মানে কোনো কিছুতে আগ্রহী হওয়া।
    Interest শব্দের আরেক অর্থ সুদ, যেমন interest rate।
  9. ৩৫. Fill in the blank : 'Each of the ladies told — own story.'
    • ক. its
    • খ. her
    • গ. their
    • ঘ. hers
    উত্তর: খ. her
    ইংরেজিতে each of-এর পরে বহুবচন noun থাকলেও each নিজে এক বচন। তাই verb এক বচন হয় এবং পরের pronoun-ও এক বচনের হয়। এখানে ladies স্ত্রীলিঙ্গ, তাই সঠিক pronoun her। বাক্যটি হবে Each of the ladies told her own story। Its ব্যবহার হয় প্রাণীবাচক নয় এমন বা লিঙ্গ অজানা বস্তুর জন্য, আর their বহুবচন বলে এখানে ঠিক নয়। Hers-এর পরে own বসে না।
    মনে রাখুন:
    Each, every, either, neither, one, everyone-এর পরে এক বচনের verb ও pronoun বসে।
    Each of the boys has his book. Each of the girls has her book.
  10. ৩৬. Noun form of the word 'beautiful' is :
    • ক. beautify
    • খ. beauteous
    • গ. beautifully
    • ঘ. beauty
    উত্তর: ঘ. beauty
    Beautiful একটি adjective, যার অর্থ সুন্দর। এর noun রূপ হলো beauty, মানে সৌন্দর্য। Beautify হলো verb, যার অর্থ সুন্দর করা। Beauteous আসলে beautiful-এর কাব্যিক সমার্থক adjective, তাই এটি noun নয়। Beautifully হলো adverb, যার অর্থ সুন্দরভাবে। অতএব noun চাইলে beauty-ই ঠিক। একই মূল শব্দের বিভিন্ন রূপ চিনতে পারা word form ধরনের প্রশ্নের জন্য জরুরি। পরীক্ষায় এ ধরনের শব্দের প্রত্যয় দেখে অংশ চিনে নেওয়া সহজ, কারণ -ful যুক্ত হলে সাধারণত adjective হয়।
    মনে রাখুন:
    Beauty (noun), beautiful (adjective), beautify (verb), beautifully (adverb)।
    অন্য উদাহরণ: strong-strength, wise-wisdom, long-length।
  11. ৪৪. Which one is not an example of comparative degree?
    • ক. much
    • খ. less
    • গ. more
    • ঘ. worse
    উত্তর: ক. much
    ইংরেজিতে adjective বা adverb-এর তিনটি degree থাকে: positive, comparative ও superlative। কোনো কিছু অন্যের চেয়ে বেশি বা কম বোঝাতে comparative ব্যবহার হয়। এখানে less, more ও worse তিনটিই comparative degree-র শব্দ। কিন্তু much হলো positive degree। Much-এর comparative হলো more এবং superlative হলো most। অর্থাৎ much-more-most এই ক্রমে degree বদলায়। তাই comparative নয় এমন শব্দ much।
    মনে রাখুন:
    Bad/ill-worse-worst, good/well-better-best, little-less-least, many/much-more-most।
    Far-farther/further-farthest/furthest।
    Positive degree-র শব্দের আগে very বা so বসতে পারে, যেমন very much।
  12. ৪৭. 'The apex of a triangle' means its—
    • ক. angles
    • খ. top
    • গ. sides
    • ঘ. perimeter
    উত্তর: খ. top
    Apex শব্দের অর্থ চূড়া বা সর্বোচ্চ বিন্দু। ত্রিভুজের apex বলতে তার শীর্ষবিন্দু বোঝায়, অর্থাৎ ভূমি থেকে সবচেয়ে ওপরের কোণ বা বিন্দু। ইংরেজিতে সহজ করে বললে এটি তার top। তাই The apex of a triangle means its top। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: angles মানে কোণ, sides মানে বাহু এবং perimeter মানে পরিসীমা। এগুলো কোনোটিই apex-এর সমার্থক নয়।
    মনে রাখুন:
    Apex-এর সমার্থক শব্দ peak, summit, top ও zenith।
    Apex-এর বিপরীত শব্দ base বা bottom।
    Apex-এর বহুবচন apexes বা apices।
  13. ৪৯. 'Gulliver's Travels' is written by—
    • ক. Ernest Hemingway
    • খ. Jonathan Swift
    • গ. Bernard Shaw
    • ঘ. Charles Dickens
    উত্তর: খ. Jonathan Swift
    Gulliver’s Travels ব্রিটিশ-আইরিশ লেখক জোনাথন সুইফটের (Jonathan Swift) লেখা বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস। এটি ১৭২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এতে লেমুয়েল গালিভার নামে একজন জাহাজি বিভিন্ন কাল্পনিক দেশে ভ্রমণ করে, যেমন বামনদের দেশ লিলিপুট ও দৈত্যদের দেশ ব্রবডিংন্যাগ। লেখক এই কাহিনির মাধ্যমে তৎকালীন সমাজ ও রাজনীতির সমালোচনা করেছেন। হেমিংওয়ে, বার্নার্ড শ ও ডিকেন্স অন্য বই লিখেছেন।
    মনে রাখুন:
    সুইফটের অন্যান্য রচনা A Tale of a Tub এবং A Modest Proposal।
    হেমিংওয়ের The Old Man and the Sea, ডিকেন্সের Oliver Twist।
  14. ৫২. An omnivore is an animal that eats—
    • ক. all types of food
    • খ. only plants
    • গ. all types of insects
    • ঘ. only meat
    উত্তর: ক. all types of food
    Omnivore এমন প্রাণী, যে উদ্ভিদ ও প্রাণী দুই ধরনের খাবারই খায়, অর্থাৎ সর্বভুক। তাই an omnivore is an animal that eats all types of food। যে প্রাণী শুধু উদ্ভিদ খায়, তাকে herbivore (তৃণভোজী) বলে। আর যে প্রাণী শুধু মাংস খায়, তাকে carnivore (মাংসাশী) বলে। মানুষ, ভালুক ও শূকর omnivore-এর উদাহরণ। এখানে only plants ও only meat দুটিই ভুল অপশন, কারণ এগুলো ভিন্ন শ্রেণির প্রাণীর খাদ্যাভ্যাস।
    মনে রাখুন:
    Herbivore (তৃণভোজী), carnivore (মাংসাশী), omnivore (সর্বভুক), insectivore (কীটভোজী)।
    এই শব্দগুলোর শেষ অংশ -vore এসেছে লাতিন vorare থেকে, যার অর্থ গিলে খাওয়া।
  15. ৫৪. 'Pass away' means—
    • ক. disappear
    • খ. erase
    • গ. fall
    • ঘ. die
    উত্তর: ঘ. die
    Pass away মানে মারা যাওয়া। কাউকে সরাসরি died না বলে নরম করে বলার জন্য এই বাক্যাংশ ব্যবহার করা হয়। এভাবে অপ্রিয় বা কঠিন কথাকে মোলায়েম করে বলার রীতিকে euphemism বলে। অতএব এর সমার্থক শব্দ die। অন্য অপশনের অর্থ আলাদা: disappear মানে অদৃশ্য হওয়া, erase মানে মুছে ফেলা আর fall মানে পড়ে যাওয়া।
    মনে রাখুন:
    Pass away, breathe one’s last, kick the bucket সবই মারা যাওয়া বোঝায়।
    Pass out মানে অজ্ঞান হওয়া, আর pass by মানে পাশ দিয়ে যাওয়া।
  16. ৫৬. What is the superlative degree of 'bad'?
    • ক. worst
    • খ. least
    • গ. worse
    • ঘ. best
    উত্তর: ক. worst
    Bad একটি adjective, যার অর্থ খারাপ। এর degree পরিবর্তন অনিয়মিত, অর্থাৎ সাধারণ নিয়মে -er বা -est যোগ করা যায় না। Positive degree হলো bad, comparative হলো worse এবং superlative হলো worst। তাই bad-এর superlative degree worst। Least হলো little-এর superlative এবং best হলো good ও well-এর superlative। আর worse হলো comparative degree, তাই এটি প্রশ্নের উত্তর নয়। এই তিনটি রূপ একসঙ্গে মনে রাখলে degree পরিবর্তনের প্রশ্নে ভুল হয় না।
    মনে রাখুন:
    Bad/ill-worse-worst, good/well-better-best, many/much-more-most।
    Little-less-least এবং old-older/elder-oldest/eldest।
    Late-later-latest (সময়), late-latter-last (ক্রম)।
  17. ৬২. A doctor who treats patients with heart diseases is known as a/an—
    • ক. nephrologist
    • খ. cardiologist
    • গ. neurologist
    • ঘ. pathologist
    উত্তর: খ. cardiologist
    হৃৎপিণ্ডের রোগের চিকিৎসককে cardiologist বলে। Cardio শব্দাংশের অর্থ হৃৎপিণ্ড বা হৃদয়, আর -ologist অংশের অর্থ বিশেষজ্ঞ। তাই cardiologist মানে হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ। অন্য বিশেষজ্ঞরা অন্য অঙ্গ নিয়ে কাজ করেন। Nephrologist কিডনির রোগের চিকিৎসক, neurologist স্নায়ুতন্ত্রের রোগের চিকিৎসক এবং pathologist রোগ নির্ণয়ের জন্য নমুনা পরীক্ষা করেন। তাই শব্দের শুরুর অংশ দেখেই বিশেষজ্ঞের ধরন আন্দাজ করা যায়। এই ধরনের প্রশ্ন নার্সিং বা স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই শব্দগুলো একসঙ্গে মনে রাখা ভালো।
    মনে রাখুন:
    Dermatologist (চর্মরোগ), ophthalmologist (চক্ষু), orthopaedist (হাড়), paediatrician (শিশু), oncologist (ক্যান্সার)।
    Surgeon অস্ত্রোপচার করেন।
  18. ৬৩. Which one is a conjunction?
    • ক. up
    • খ. or
    • গ. very
    • ঘ. for
    উত্তর: খ. or
    Conjunction হলো এমন শব্দ, যা দুটি শব্দ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে যুক্ত করে। Or একটি পরিচিত coordinating conjunction, যা বিকল্প বোঝায়, যেমন tea or coffee। Up সাধারণত adverb বা preposition এবং very হলো adverb। For সাধারণত preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যদিও বিরল ক্ষেত্রে কারণ বোঝাতে এটি conjunction হিসেবেও বসে। পরীক্ষার স্বাভাবিক উত্তর হিসেবে or-ই সবচেয়ে সরাসরি conjunction।
    মনে রাখুন:
    Coordinating conjunction-এর সংক্ষেপ FANBOYS: for, and, nor, but, or, yet, so।
    Subordinating conjunction-এর উদাহরণ because, although, if।
  19. ৬৪. The passive form of the sentence 'who can do it'?
    • ক. By whom it can be done?
    • খ. By whom can it be done?
    • গ. Who can it be done?
    • ঘ. Whom can be done by it?
    উত্তর: খ. By whom can it be done?
    Active voice-এর বাক্যে who থাকলে passive করার সময় who-এর জায়গায় by whom বসে এবং বাক্যের শুরুতে আসে। মূল বাক্যটি Who can do it? এখানে object it বাক্যের subject হয়ে যায়। Modal verb can-এর পরে be এবং past participle done আসে। তাই passive রূপ হলো By whom can it be done?। কাঠামোটা হলো By whom + modal + subject + be + v3। প্রশ্নবোধক বাক্য বলে শেষে প্রশ্নচিহ্ন বসে।
    মনে রাখুন:
    Who wrote the letter? passive: By whom was the letter written?
    Whom-এর passive-এ whom হয় who: Whom did you see? passive: Who was seen by you?
  20. ৮৭. Which one does not mean the opposite of 'old'?
    • ক. young
    • খ. different
    • গ. new
    • ঘ. recent
    উত্তর: খ. different
    প্রশ্নে এমন শব্দ খুঁজতে বলা হয়েছে, যা old-এর বিপরীত অর্থ বোঝায় না। Old মানে পুরোনো বা বয়স্ক। এর বিপরীতে young (তরুণ), new (নতুন) ও recent (সাম্প্রতিক) বসে। কিন্তু different মানে আলাদা বা ভিন্ন, এর সঙ্গে বয়সের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই different-ই old-এর বিপরীত শব্দ নয়। এ ধরনের প্রশ্নে সব শব্দের অর্থ আগে ঠিকভাবে মিলিয়ে নিতে হবে। যেমন young শব্দটি old-এর সরাসরি বিপরীত, আর new দিয়ে জিনিসের পুরোনো না হওয়া বোঝানো হয়।
    মনে রাখুন:
    Old-এর সমার্থক শব্দ ancient, aged, elderly।
    Different-এর সমার্থক unlike, distinct, diverse।

আন্তর্জাতিক

  1. ২০. NATO-এর সদর দপ্তর কোথায়?
    • ক. বার্ন
    • খ. লিও
    • গ. ব্রাসেলস
    • ঘ. হামবুর্গ
    উত্তর: গ. ব্রাসেলস
    NATO-এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization। এটি একটি সামরিক জোট, যার সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে। ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে জোটটি গঠিত হয়। প্রথমে এর সদর দপ্তর ছিল প্যারিসে। ১৯৬৭ সালে ফ্রান্স জোটের সামরিক কমান্ড থেকে সরে গেলে সদর দপ্তর ব্রাসেলসে সরিয়ে আনা হয়। বার্ন সুইজারল্যান্ডের রাজধানী আর হামবুর্গ জার্মানির একটি বন্দরনগরী, এ দুটির কোনোটিতেই NATO-র সদর দপ্তর নেই।
    মনে রাখুন:
    NATO-র প্রতিষ্ঠাকালে সদস্য ছিল ১২টি দেশ।
    সুইডেন ২০২৪ সালের ৭ মার্চ জোটের ৩২তম সদস্য হয়।
    NATO-র বিপরীতে সোভিয়েত নেতৃত্বে গঠিত জোটের নাম ওয়ার্সো চুক্তি (১৯৫৫)।
  2. ২৭. ইতিহাসের জনক কাকে বলা হয়?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
    • ক. থুসিডাইডিস
    • খ. হেরোডোটাস
    • গ. এরিস্টটল
    • ঘ. টায়নবি
    উত্তর: খ. হেরোডোটাস
    হেরোডোটাস ছিলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন লেখক ও ঐতিহাসিক, যাঁকে ইতিহাসের জনক (Father of History) বলা হয়। তিনি গ্রিস ও পারস্যের যুদ্ধের কাহিনি নিয়ে The Histories নামে একটি বই লিখেছিলেন। তিনি নানা দেশ ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে ঘটনাগুলো সাজিয়ে লিখেছিলেন, তাই তাঁকে এই উপাধি দেওয়া হয়। তাঁর জীবনকাল আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৪৮৪ থেকে ৪২৫ সাল। থুসিডাইডিস ছিলেন আরেকজন গ্রিক ঐতিহাসিক এবং এরিস্টটল ছিলেন দার্শনিক।
    মনে রাখুন:
    থুসিডাইডিসকে বৈজ্ঞানিক ইতিহাস লেখার জনক বলা হয়।
    এরিস্টটল ছিলেন প্লেটোর ছাত্র এবং আলেকজান্ডারের শিক্ষক।
    আর্নল্ড টয়েনবি আধুনিক যুগের ব্রিটিশ ঐতিহাসিক।
  3. ৩২. আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ কোনটি?
    • ক. রাশিয়া
    • খ. কানাডা
    • গ. অস্ট্রেলিয়া
    • ঘ. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর: ক. রাশিয়া
    আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ রাশিয়া। এর আয়তন প্রায় এক কোটি সত্তর লক্ষ বর্গকিলোমিটারের বেশি, যা পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-অষ্টমাংশ। দেশটি এশিয়া ও ইউরোপ এই দুই মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত, তাই একে আন্তঃমহাদেশীয় (Transcontinental) দেশ বলা হয়। রাশিয়ার পরে আয়তনে বড় দেশ হলো কানাডা। এরপর চীন ও যুক্তরাষ্ট্র আসে, তবে এ দুটির ক্রম নিয়ে মতভেদ আছে। অস্ট্রেলিয়ার স্থান আরও নিচে।
    মনে রাখুন:
    জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ ভারত।
    আয়তনে ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
    রাশিয়ার রাজধানী মস্কো এবং মুদ্রা রুবল।
  4. ৪০. সিরডাপ (CIRDAP)-এর সদর দপ্তর অবস্থিত—
    • ক. ব্যাংকক
    • খ. দিল্লি
    • গ. ইসলামাবাদ
    • ঘ. ঢাকা
    উত্তর: ঘ. ঢাকা
    CIRDAP-এর পূর্ণরূপ Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific। এটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা একটি আন্তঃসরকার সংস্থা। এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়, চামেলী হাউসে। সংস্থাটি ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-সহ কয়েকটি সংস্থার সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যাংকক, দিল্লি ও ইসলামাবাদে এর সদর দপ্তর নেই। আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তরের স্থান সব সময় পরীক্ষায় জরুরি, তাই এর অবস্থান মুখস্থ রাখা ভালো।
    মনে রাখুন:
    BIMSTEC-এর সচিবালয়ও ঢাকায় অবস্থিত।
    CIRDAP-এর সদস্য দেশগুলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের।
    SAARC-এর সচিবালয় কাঠমান্ডুতে এবং ASEAN-এর সচিবালয় জাকার্তায়।
  5. ৫১. জাতিসংঘ দিবস কোনটি?
    • ক. ২৪ আগস্ট
    • খ. ২৪ নভেম্বর
    • গ. ২৮ ডিসেম্বর
    • ঘ. ২৪ অক্টোবর
    উত্তর: ঘ. ২৪ অক্টোবর
    ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ (UN Charter) কার্যকর হয় এবং জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। এই কারণে প্রতিবছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস (United Nations Day) পালিত হয়। সনদটি তার আগে, ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হয়।
    জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি দেশ, সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান (২০১১)।
  6. ৭৮. ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল নামটি কোন যুদ্ধের সাথে সংশ্লিষ্ট?
    • ক. ওয়াটার লু'র যুদ্ধ
    • খ. আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
    • গ. ফরাসি বিপ্লব
    • ঘ. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
    উত্তর: ঘ. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
    ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ক্রিমিয়ার যুদ্ধের (১৮৫৩-১৮৫৬) সময় আহত সৈনিকদের সেবা করে বিশ্বখ্যাত হন। তিনি তুরস্কের স্কুতারির হাসপাতালে ব্রিটিশ সৈন্যদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। রাতে হাতে বাতি নিয়ে রোগীদের দেখাশোনা করতেন বলে তাঁকে ‘দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প’ বলা হয়। আধুনিক নার্সিং পেশার ভিত্তিও তাঁর হাতে গড়ে ওঠে। তাই ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সঙ্গেই তাঁর নাম জড়িত।
    মনে রাখুন:
    তাঁর জন্ম ১২ মে ১৮২০, ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে।
    প্রতিবছর ১২ মে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত হয়।
    ওয়াটারলুর যুদ্ধ হয় ১৮১৫ সালে।
  7. ৮০. সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগের সভ্যতা?
    • ক. তাম্র
    • খ. আর্য
    • গ. সুমেরীয়
    • ঘ. শহরভিত্তিক
    উত্তর: ক. তাম্র
    সিন্ধু সভ্যতা ছিল তাম্রযুগের সভ্যতা। এই সভ্যতার মানুষ তামা ও ব্রোঞ্জ দিয়ে হাতিয়ার ও পাত্র তৈরি করত, কিন্তু লোহার ব্যবহার তখনও শুরু হয়নি। সভ্যতাটি সিন্ধু নদের অববাহিকায় গড়ে ওঠে, আর এর বিখ্যাত নগর মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা। এখানে পরিকল্পিত শহর ছিল, কিন্তু প্রশ্নে ‘যুগ’ জানতে চাওয়ায় সঠিক অপশন তাম্র। আর্য ও সুমেরীয় ভিন্ন জাতি ও সভ্যতার নাম।
    মনে রাখুন:
    সভ্যতাটি প্রায় ৩০০০-১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ সময়ের।
    মহেঞ্জোদারো মানে মৃতের স্তূপ।
    এখানে পোড়ামাটির ইট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার প্রমাণ মিলেছে।
  8. ৮৮. তিয়ান আনমেন স্কয়ার কোথায় অবস্থিত?
    • ক. বেইজিং
    • খ. সাংহাই
    • গ. হংকং
    • ঘ. ক্যান্টন
    উত্তর: ক. বেইজিং
    তিয়ান আনমেন স্কয়ার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি বিশাল চত্বর। এটি চীনের সবচেয়ে বড় ও বিখ্যাত চত্বর। ১৯৮৯ সালে এই চত্বরে ছাত্র ও বুদ্ধিজীবীরা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দাবিতে জড়ো হন। ৪ জুন সরকার সামরিক বাহিনী দিয়ে বিক্ষোভ দমন করে। সাংহাই, হংকং ও ক্যান্টন (গুয়াংজু) চীনের বড় শহর, কিন্তু তিয়ান আনমেন সেখানে নেই। ঘটনাটি আন্তর্জাতিকভাবে ‘তিয়ান আনমেন স্কয়ার গণহত্যা’ নামে পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    চত্বরের পাশে নিষিদ্ধ নগরী (Forbidden City) অবস্থিত।
    চীনের রাজধানী বেইজিং এবং বৃহত্তম শহর সাংহাই।

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা: ৩ বছরের প্রশ্ন আর বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন একসঙ্গে

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন