ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ঔষধ পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১৬ মার্চ ২০২২। ৬৩টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →বিজ্ঞান
- ১. বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান কোনটি?
- ক. হাইড্রোজেন
- খ. নাইট্রোজেন
- গ. মিথেন
- ঘ. ইথেন
উত্তর: গ. মিথেন
গোবর, কাঁচা শাকসবজির বর্জ্য বা অন্যান্য জৈব পদার্থ বায়ুশূন্য পরিবেশে পচলে বায়োগ্যাস তৈরি হয়। অক্সিজেনহীন অবস্থায় বিশেষ ব্যাকটেরিয়া এই জৈব পদার্থ ভেঙে ফেলে। বায়োগ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন (CH₄), যা সাধারণত প্রায় ৫০-৭০ ভাগ থাকে। এই মিথেনই জ্বলতে পারে বলে বায়োগ্যাস রান্নায় ও আলো জ্বালাতে কাজে লাগে।
মনে রাখুন:
বায়োগ্যাসে কার্বন ডাই-অক্সাইডও থাকে (প্রায় ২৫-৪৫ ভাগ), সঙ্গে সামান্য হাইড্রোজেন সালফাইড, নাইট্রোজেন ও জলীয় বাষ্প।
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদানও মিথেন।
বায়োগ্যাস তৈরির পরে যে অবশিষ্ট থাকে, তা উন্নতমানের জৈব সার। - ২. নিচের কোনটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন?
- ক. Ascorbic acid
- খ. Tocopherol
- গ. Thiamine
- ঘ. Riboflavin
উত্তর: খ. Tocopherol
ভিটামিন দুই ধরনের: চর্বিতে দ্রবণীয় ও পানিতে দ্রবণীয়। চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হলো A, D, E ও K, যেগুলো দেহের চর্বিযুক্ত কলা ও যকৃতে জমা থাকে। টোকোফেরল (Tocopherol) ভিটামিন E-এর অপর নাম, তাই এটি চর্বিতে দ্রবণীয়। অ্যাসকরবিক এসিড হলো ভিটামিন C, থায়ামিন B₁ এবং রিবোফ্লাভিন B₂। এই তিনটিই পানিতে দ্রবণীয়, ফলে প্রতিদিন খাদ্যের মাধ্যমে নিতে হয়।
মনে রাখুন:
ভিটামিন E-এর অভাবে বন্ধ্যাত্ব ও পেশি দুর্বলতা হতে পারে।
ভিটামিন K রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
ভিটামিন C-এর অভাবে স্কার্ভি হয়। - ১২. Which hormone among the followings is responsible for delivery pain?
- ক. Estrogen
- খ. Thyroxin
- গ. Oxytocin
- ঘ. Progesterone
উত্তর: গ. Oxytocin
অক্সিটোসিন (Oxytocin) মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থির পশ্চাৎ খণ্ড থেকে নির্গত হয়। সন্তান প্রসবের সময় এই হরমোন জরায়ুর পেশিকে সংকুচিত করে। এই সংকোচনের ফলেই প্রসববেদনা হয় এবং শিশু বের হয়ে আসতে সাহায্য পায়। বাকি তিনটি হরমোন ভিন্ন কাজ করে: ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন নারীদেহের প্রজননতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করে, আর থাইরক্সিন বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। তাই প্রসব আসন্ন হলে চিকিৎসকরা প্রয়োজনে কৃত্রিম অক্সিটোসিন দিয়ে প্রসবব্যথা শুরু করান, একে ইনডাকশন বলে।
মনে রাখুন:
অক্সিটোসিন সন্তানকে দুধ খাওয়ানোর সময় স্তন থেকে দুধ নিঃসরণেও সাহায্য করে।
থাইরক্সিন নির্গত হয় থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে।
প্রজেস্টেরন গর্ভাবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে। - ১৩. এন্টিবায়োটিক ঔষধ প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত হয়—
- ক. ফার্ন
- খ. শৈবাল
- গ. ছত্রাক
- ঘ. লাইকেন
উত্তর: গ. ছত্রাক
এন্টিবায়োটিক ওষুধ সাধারণত অণুজীব থেকে পাওয়া যায়। প্রথম আবিষ্কৃত এন্টিবায়োটিক পেনিসিলিন তৈরি হয় পেনিসিলিয়াম নামের ছত্রাক (Fungus) থেকে। ছত্রাক নিজের চারপাশের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঠেকাতে যে রাসায়নিক নিঃসরণ করে, বিজ্ঞানীরা সেটিকেই ওষুধ হিসেবে কাজে লাগান। ফার্ন ও শৈবাল থেকে এভাবে সাধারণ এন্টিবায়োটিক তৈরি হয় না। লাইকেন ছত্রাক ও শৈবালের সহাবস্থান, কিন্তু সেটিও এন্টিবায়োটিকের প্রধান উৎস নয়।
মনে রাখুন:
স্ট্রেপটোমাইসিন তৈরি হয় স্ট্রেপটোমাইসিস নামের ব্যাকটেরিয়া জাতীয় অণুজীব থেকে।
পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন আলেকজান্ডার ফ্লেমিং।
নির্দেশ ছাড়া এন্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত নয়, কারণ এতে জীবাণু ওষুধ-প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। - ১৫. Vitamin 'A' deficiency causes—
- ক. Xerophthalmia
- খ. Anaemia
- গ. Hypoprothrombinemia
- ঘ. Dyspesia
উত্তর: ক. Xerophthalmia
ভিটামিন A চোখের কর্নিয়া ও রেটিনাকে সুস্থ রাখে। এই ভিটামিনের অভাব বেশিদিন চললে চোখের কর্নিয়া শুকিয়ে যায় এবং ঘোলা হয়ে পড়ে। এই রোগের নাম জেরোফথ্যালমিয়া (Xerophthalmia)। অ্যানিমিয়া হয় আয়রন বা ভিটামিন B₁₂-এর অভাবে, হাইপোপ্রোথ্রোম্বিনেমিয়া হয় ভিটামিন K-এর অভাবে, আর ডিসপেপসিয়া অর্থ বদহজম। এর আগের ধাপে চোখ শুকনো লাগে এবং কনজাংটিভায় ফেনার মতো সাদা দাগ দেখা দেয়, যাকে বিটট স্পট বলা হয়। সময়মতো চিকিৎসা না হলে মানুষ অন্ধও হয়ে যেতে পারে।
মনে রাখুন:
ভিটামিন A-এর প্রাথমিক অভাবের লক্ষণ হলো রাতকানা।
গাজর, মিষ্টি কুমড়া, কলিজা ও ডিমের কুসুমে ভিটামিন A থাকে।
ভিটামিন A-এর রাসায়নিক নাম রেটিনল। - ১৬. 'Cheese' is an example of–
- ক. Molecular dispersion
- খ. Colloidal dispersion
- গ. Coarse dispersion
- ঘ. None of the above
উত্তর: খ. Colloidal dispersion
কোনো পদার্থের কণা অন্য মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকলে তাকে বিস্তার (Dispersion) বলে। কণার আকার অনুযায়ী এর তিন ভাগ: আণবিক, কলয়েডীয় ও স্থূল। আণবিক বিস্তারে কণা অণুর মাপের, যেমন চিনির দ্রবণ। কলয়েডীয় বিস্তারে কণা বেশ বড়, কিন্তু খালি চোখে ধরা পড়ে না, যেমন দুধ বা জেলি। চিজ দুধ থেকে তৈরি আধা-কঠিন বস্তু, এতে তরল ও চর্বি কঠিন জালকের মধ্যে ছড়ানো থাকে, তাই এটি কলয়েডীয় বিস্তারের উদাহরণ।
মনে রাখুন:
দুধ একটি ইমালশন, কণার মাপ প্রায় 1 nm থেকে 1000 nm হলে তা কলয়েড।
স্থূল বিস্তারে কণা খালি চোখে দেখা যায়, যেমন বালিমিশ্রিত পানি। - ২৬. ডেঙ্গুজ্বরের ভাইরাসের নাম কী?
- ক. রুবিওলা
- খ. ফ্ল্যাভি ভাইরাস
- গ. ভেরিওলা
- ঘ. হার্পিস সিমপ্লেক্স
উত্তর: খ. ফ্ল্যাভি ভাইরাস
ডেঙ্গুজ্বর একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এর ভাইরাসের নাম ডেঙ্গু ভাইরাস, যা ফ্ল্যাভিভাইরাস (Flavivirus) গণের অন্তর্ভুক্ত। সংক্রমিত এডিস ইজিপ্টাই (Aedes aegypti) মশার কামড়ে এই ভাইরাস মানুষের দেহে ছড়ায়। এডিস মশা সাধারণত পরিষ্কার জমা পানিতে ডিম পাড়ে এবং দিনের বেলায় কামড়ায়। বাকি ভাইরাসগুলো অন্য রোগ ঘটায়: রুবিওলা ভাইরাস হাম বা জার্মান হাম ঘটায়, আর ভেরিওলা ভাইরাস গুটিবসন্তের কারণ।
মনে রাখুন:
হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস মুখে ও যৌনাঙ্গে ঘা সৃষ্টি করে।
ডেঙ্গুর জন্য নির্দিষ্ট কোনো এন্টিবায়োটিক নেই, রোগীর প্রচুর বিশ্রাম ও তরল দরকার।
এডিস মশা চিকুনগুনিয়া ও জিকা ভাইরাসও ছড়ায়। - ৩১. কোভিড-১৯ কোন ধরনের ভাইরাস?
- ক. DNA
- খ. DNA + RNA
- গ. RNA
- ঘ. কোনোটিই নয়
উত্তর: গ. RNA
কোভিড-১৯ রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসের নাম SARS-CoV-2। এটি একটি করোনাভাইরাস, যার জেনেটিক পদার্থ হলো RNA। অর্থাৎ এর ভেতরে DNA নেই, আছে একসূত্রক RNA। সব ভাইরাসের জেনেটিক পদার্থ একরকম নয়। কোনোটি DNA ভাইরাস, কোনোটি RNA ভাইরাস। কোনো ভাইরাসে একসঙ্গে DNA ও RNA দুটিই থাকে না। ভাইরাসের মধ্যে RNA থাকলে তার জিনের পরিবর্তন বা মিউটেশন বেশি ঘটে, তাই করোনাভাইরাসের নতুন নতুন ধরন বা ভ্যারিয়েন্ট দেখা দিয়েছে।
মনে রাখুন:
RNA ভাইরাস: ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, জলাতঙ্ক, ইনফ্লুয়েঞ্জা, এইচআইভি।
DNA ভাইরাস: গুটিবসন্ত, হার্পিস, হেপাটাইটিস-বি, T₂ ফাজ।
কোভিড-১৯ রোগটি প্রথম শনাক্ত হয় ২০১৯ সালে চীনের উহান শহরে। - ৩৭. Which one among the following is absent in 'RNA'?
- ক. Guanine
- খ. Uracil
- গ. Thymine
- ঘ. Cytosine
উত্তর: গ. Thymine
আমাদের কোষে দুই ধরনের নিউক্লিক এসিড আছে: DNA ও RNA। প্রতিটির নাইট্রোজেন বেস অর্থাৎ ক্ষারক চারটি। DNA-তে আছে অ্যাডেনিন (A), গুয়ানিন (G), সাইটোসিন (C) ও থাইমিন (T)। RNA-তে থাইমিনের বদলে থাকে ইউরাসিল (U), বাকি তিনটি একই। তাই RNA-তে থাইমিন (Thymine) থাকে না। বেসগুলো জোড়া বাঁধে নির্দিষ্ট নিয়মে: DNA-তে A-T এবং G-C, আর RNA-তে A-U এবং G-C।
মনে রাখুন:
DNA-তে সুগার ডিঅক্সিরাইবোজ, RNA-তে রাইবোজ।
DNA সাধারণত দ্বিসূত্রক, RNA একসূত্রক।
DNA-এর দ্বিসূত্রক কুণ্ডলী মডেল দেন ওয়াটসন ও ক্রিক (১৯৫৩)। - ৫৭. সাবানকে শক্ত করে—
- ক. সোডিয়াম কার্বোনেট
- খ. সোডিয়াম সিলিকেট
- গ. সোডিয়াম ক্লোরাইড
- ঘ. সোডিয়াম সালফেট
উত্তর: খ. সোডিয়াম সিলিকেট
সাবান তৈরির সময় তেল বা চর্বির সঙ্গে ক্ষার মিশিয়ে ফোটানো হয়। এতে যে সাবান তৈরি হয়, তা নরম। একে শক্ত ও টেকসই করতে সোডিয়াম সিলিকেট (Na₂SiO₃) মেশানো হয়। এটি সাবানের পিণ্ডকে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং পানিতে সহজে গলে যাওয়া ঠেকায়। এছাড়া এটি সাবানের ক্ষারত্ব কিছুটা বাড়ায় বলে ময়লা কাটানোর ক্ষমতাও ভালো করে। সোডিয়াম ক্লোরাইড অর্থাৎ খাবার লবণ সাবান তৈরির পরে সাবানকে দ্রবণ থেকে আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
সাবানের সাধারণ সংকেত R-COONa, যেখানে R একটি দীর্ঘ হাইড্রোকার্বন শিকল।
সাবানের এই আলাদা করার পদ্ধতিকে লবণ-বিযুক্তকরণ (Salting out) বলে।
শক্ত পানিতে সাবান ফেনা তৈরি করে না।
বাংলা
- ৩. একই শব্দ অভিন্নভাবে পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে কীসে পরিণত হয়?
- ক. দ্বিরুক্ত শব্দে
- খ. প্রত্যয়ে
- গ. অনুসর্গে
- ঘ. বিভক্তিতে
উত্তর: ক. দ্বিরুক্ত শব্দে
একই শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহার করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে সেই রূপকে দ্বিরুক্ত শব্দ বা শব্দদ্বৈত বলে। যেমন ‘পাকা পাকা আম’ বললে বহু পাকা আম বোঝায়, ‘নরম নরম হাত’ বললে অনেক নরম হাত বোঝায়। প্রত্যয় এখানে হয় না, কারণ প্রত্যয় ধাতু বা শব্দের শেষে বসে নতুন শব্দ গড়ে। অনুসর্গ হলো পদের পরে বসা শব্দ, যেমন ‘দিয়ে’ বা ‘দ্বারা’। আর বিভক্তি হলো শব্দের সঙ্গে যুক্ত বিশেষ চিহ্ন, যেমন ‘-কে’, ‘-র’।
উদাহরণ:
গরম গরম জিলাপি
ঘরে ঘরে
মনে রাখুন: একই শব্দ দুইবার বসালে অর্থের জোর বা বহুত্ব বোঝায়। - ৪. বাংলা ভাষায় বাংলা উপসর্গ কয়টি?
- ক. ২১টি
- খ. ২০টি
- গ. ১৯টি
- ঘ. ২৩টি
উত্তর: ক. ২১টি
বাংলা ভাষার উপসর্গ তিন ভাগে ভাগ করা হয়: বাংলা (খাঁটি বাংলা), সংস্কৃত বা তৎসম, এবং বিদেশি উপসর্গ। বাংলা উপসর্গ ২১টি। যেমন: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা। সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি। উপসর্গের নিজস্ব অর্থ নেই, কিন্তু শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন অর্থ তৈরি করে।
উদাহরণ:
অঘা: অঘা রাজা
পাতি: পাতিহাঁস
মনে রাখুন: বাংলা উপসর্গ ২১টি, সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, আর বিদেশি উপসর্গ ফারসি, আরবি ও ইংরেজি থেকে এসেছে।
সংস্কৃত উপসর্গের উদাহরণ: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি। - ৫. 'পর্তুগিজ' শব্দ কোনটি?
- ক. আনারস
- খ. রিকশা
- গ. হরতাল
- ঘ. চা
উত্তর: ক. আনারস
বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ ঢুকেছে। পর্তুগিজরা আমাদের উপকূলে এসে ব্যবসা করেছিল, ফলে নিত্যব্যবহার্য কিছু জিনিসের নাম পর্তুগিজ থেকে আমরা নিয়েছি। ‘আনারস’ তেমনই একটি পর্তুগিজ শব্দ। বাকি শব্দগুলো অন্য ভাষার: রিকশা জাপানি, হরতাল গুজরাটি, আর চা চীনা।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: আলপিন, আলমারি, গির্জা, বালতি, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি।
চা শব্দটি চীনা হলেও উর্দু ও ফারসি হয়ে বাংলায় এসেছে বলেও মত আছে।
পর্তুগিজদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ধর্মপ্রচারের কারণে এসব শব্দ আমাদের ভাষায় জায়গা করে নিয়েছে।
ইংরেজি থেকে আসা বিদেশি শব্দ: স্কুল, টেবিল, ডাক্তার, অফিস। - ৭. ‘সিক্ত নীলাম্বরী’ বাক্যাংশে ‘নীলাম্বরী’ পদটি কোন পদ?
- ক. বিশেষ্য
- খ. বিশেষণ
- গ. সর্বনাম
- ঘ. ক্রিয়া
উত্তর: ক. বিশেষ্য
‘নীলাম্বরী’ একটি শাড়ির নাম। কোনো কিছুর নামকে বিশেষ্য পদ বলে, তাই এটি বিশেষ্য। ‘সিক্ত’ শব্দটি এখানে বিশেষণ, কারণ তা ‘নীলাম্বরী’র অবস্থা বোঝায়, অর্থাৎ ভিজে যাওয়া শাড়ি। ‘নীলাম্বরী’ কোনো সর্বনাম নয়, কারণ সর্বনাম নামের বদলে বসে। আর এখানে কাজ বোঝানোর কোনো শব্দ নেই বলে এটি ক্রিয়াও নয়। বিশেষণ পদ বিশেষ্যের আগে বসে তার বিশেষত্ব বোঝায়, আর এখানে ‘সিক্ত’ সেই কাজই করছে।
মনে রাখুন:
বিশেষ্য ছয় রকম: সংজ্ঞাবাচক, জাতিবাচক, বস্তুবাচক, সমষ্টিবাচক, ভাববাচক ও গুণবাচক।
বিশেষণ বিশেষ্য বা সর্বনামের গুণ, দোষ, অবস্থা ইত্যাদি প্রকাশ করে।
পদ পাঁচ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয়।
উদাহরণ: ‘সুন্দর ফুল’ বাক্যাংশে সুন্দর বিশেষণ, ফুল বিশেষ্য। - ৮. 'যা বপন করা হয়েছে'-এককথায় কী বলে?
- ক. উপ্ত
- খ. বুনন
- গ. বপন
- ঘ. গুপ্ত
উত্তর: ক. উপ্ত
কোনো দীর্ঘ বাক্যাংশের বদলে একটি শব্দে বক্তব্য প্রকাশ করাকে বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বলে। যা বপন করা হয়েছে, তার জন্য শব্দ ‘উপ্ত’। বুনন মানে বোনা বা গাঁথা, বপন মানে বীজ ছড়ানোর কাজটি, আর গুপ্ত মানে লুকানো। তাই শুধু ‘বপন’ বললে কাজটিকেই বোঝায়, কাজ হয়ে যাওয়া জিনিসটিকে নয়।
মনে রাখুন:
যা অতি দীর্ঘ নয়: নাতিদীর্ঘ।
যা চিন্তা করা যায় না: অচিন্ত্য।
যার অন্য উপায় নেই: অনন্যোপায়।
বাংলায় বাক্য সংকোচন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই এসব শব্দ নিয়মিত অনুশীলন করতে হয়।
যা সহজে পাওয়া যায়: সুলভ।
যা সহজে পাওয়া যায় না: দুর্লভ। - ১১. বাংলা ভাষায় গদ্যরীতি কয়টি?
- ক. ২টি
- খ. ৩টি
- গ. ৪টি
- ঘ. ৫টি
উত্তর: ক. ২টি
বাংলা গদ্য লেখার রীতি দুইটি: সাধুরীতি ও চলিত রীতি। সাধুরীতিতে ক্রিয়া ও সর্বনামের পূর্ণরূপ ব্যবহার হয়, আর চলিত রীতিতে সেগুলোর সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার হয়। সাধুরীতি তুলনামূলক গম্ভীর ও পুরোনো ধাঁচের, আর চলিত রীতি মুখের ভাষার কাছাকাছি।
উদাহরণ:
সাধু: আমি বাড়ি যাইতেছি, তাহারা আসিয়াছে।
চলিত: আমি বাড়ি যাচ্ছি, তারা এসেছে।
মনে রাখুন: বাংলা গদ্যে চলিত রীতি প্রতিষ্ঠায় প্রমথ চৌধুরীর ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এক লেখায় সাধু ও চলিত রীতি মিশিয়ে ফেলা ঠিক নয়, একে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়।
চলিত রীতির প্রচলনে প্রমথ চৌধুরীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও বড় ভূমিকা রাখেন। - ১৭. 'পাইকারি' কোন ভাষার শব্দ?
- ক. আরবি
- খ. ফারসি
- গ. তুর্কি
- ঘ. পর্তুগিজ
উত্তর: খ. ফারসি
‘পাইকারি’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। মুসলিম শাসনের সময় ফারসি ছিল রাজকার্যের ভাষা, তাই ব্যবসা, প্রশাসন ও আইনের অনেক শব্দ আমরা ফারসি থেকে পেয়েছি। যেমন পাইকারি মানে খুচরা নয়, বরং বেশি পরিমাণে কেনাবেচা। বাংলা ভাষায় আরবি-ফারসি শব্দের সংখ্যা অনেক, কারণ কয়েক শতাব্দী ধরে মুসলিম শাসনের ফলে আদালত ও রাজস্ব ব্যবস্থায় এই ভাষার প্রভাব ছিল।
মনে রাখুন:
ফারসি শব্দ: খোদা, নামাজ, রোজা, চশমা, দোকান, কারখানা, আমদানি, তারিখ।
আরবি শব্দ: কিতাব, কলম, আদালত।
তুর্কি শব্দ: চাকর, দারোগা, বেগম।
ফারসি শব্দ আরও: বাগান, বাজার, শহর, জমিদার।
পাইকার শব্দের অর্থ যে বেশি পরিমাণে কিনে বিক্রি করে, আর খুচরা মানে অল্প পরিমাণে বিক্রি। - ১৯. কোন বানানটি শুদ্ধ?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৫
- ক. শিরোচ্ছেদ
- খ. শিরশ্ছেদ
- গ. শিরচ্ছেদ
- ঘ. শিরশেদ
উত্তর: খ. শিরশ্ছেদ
‘শিরশ্ছেদ’ শব্দটি সন্ধির নিয়মে তৈরি: শিরঃ + ছেদ। সংস্কৃত সন্ধিতে বিসর্গের পরে ছ থাকলে বিসর্গ বদলে ‘শ’ হয়, ফলে ‘শ্ছ’ জোড়া তৈরি হয়। তাই শুদ্ধ বানান শিরশ্ছেদ। বাকি অপশনের বানান ভুল, কারণ সেগুলোতে এই সন্ধির নিয়ম মানা হয়নি। বানানে এই ধরনের সন্ধিজাত শব্দ পরীক্ষায় বারবার আসে।
উদাহরণ:
নিঃ + চল = নিশ্চল
দুঃ + চিন্তা = দুশ্চিন্তা
মনে রাখুন: শুদ্ধ বানান: হীনম্মন্যতা, মুমূর্ষু, নিশীথিনী, জ্যোতিষী।
এই নিয়মে প্রথম অংশের শেষে বিসর্গ থাকলে পরের ব্যঞ্জনের সঙ্গে মিলে শ্ছ বা শ্চ-এর মতো যুক্তবর্ণ গড়ে ওঠে।
আরও শুদ্ধ বানান: ইতিমধ্যে, উজ্জ্বল, ধৈর্য, সান্ত্বনা। - ২২. 'হরিণ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
- ক. দ্বিপ
- খ. মৃগ
- গ. মাতঙ্গ
- ঘ. গজ
উত্তর: খ. মৃগ
‘হরিণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ ‘মৃগ’। এ ছাড়া কুরঙ্গ, সারঙ্গ ও ঋষ্যও হরিণ বোঝায়। বাকি তিনটি শব্দ, অর্থাৎ দ্বিপ, মাতঙ্গ ও গজ, হাতির সমার্থক শব্দ। এ ধরনের প্রশ্নে অপশনে একই দলের একাধিক শব্দ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়, তাই এক দলের তিনটি শব্দ দেখলে সেই দলটিকে বাদ দিতে হয়। ‘মৃগ’ শব্দটি কখনো সাধারণভাবে বনের পশু অর্থেও ব্যবহার হয়।
মনে রাখুন:
হাতির প্রতিশব্দ: গজ, দ্বিপ, মাতঙ্গ, করী, হস্তী।
হরিণের প্রতিশব্দ: মৃগ, কুরঙ্গ, সারঙ্গ।
‘মৃগয়া’ শব্দের অর্থ শিকার।
সিংহের সমার্থক শব্দ: কেশরী, মৃগেন্দ্র।
বাঘের সমার্থক শব্দ: ব্যাঘ্র, শার্দুল। - ২৪. 'শিবরাত্রির সলতে' বাগধারার অর্থ কী?
- ক. শিবরাত্রির আলো
- খ. একমাত্র সঞ্চয়
- গ. একমাত্র সন্তান
- ঘ. শিবরাত্রির গুরুত্ব
উত্তর: গ. একমাত্র সন্তান
‘শিবরাত্রির সলতে’ বাগধারার অর্থ একমাত্র সন্তান। সলতে যেমন প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখার একমাত্র ভরসা, একমাত্র সন্তানও পরিবারের তেমনই একমাত্র ভরসা বা বংশধর। অন্ধের যষ্টি বা অন্ধের নড়ি কিন্তু একমাত্র অবলম্বন বোঝায়, তাই ‘একমাত্র সঞ্চয়’ নয়। বাগধারার অর্থ আক্ষরিক নয়, শব্দগুলো মিলে একটি আলাদা ভাব তৈরি করে। বাগধারা হলো এমন শব্দগুচ্ছ, যার আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বিশেষ অর্থ ধরা হয়।
মনে রাখুন:
অন্ধের যষ্টি: একমাত্র অবলম্বন।
গড্ডলিকা প্রবাহ: অন্ধ অনুকরণ।
অন্ধের নড়ি ও শিবরাত্রির সলতে দুটিই নির্ভরতার ছবি, কিন্তু অর্থ আলাদা।
অকালকুষ্মাণ্ড: অপদার্থ।
অর্ধচন্দ্র: গলাধাক্কা। - ২৫. 'চুলা' কোন ধরনের শব্দ?
- ক. তৎসম
- খ. বিদেশি
- গ. তদ্ভব
- ঘ. দেশি
উত্তর: ঘ. দেশি
বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ রয়েছে। দেশি শব্দ সংস্কৃত থেকে আসেনি, বরং অনার্য ও স্থানীয় ভাষা থেকে এসেছে। ‘চুলা’ তেমনই একটি দেশি শব্দ। তৎসম শব্দ সংস্কৃত থেকে অবিকৃত অবস্থায় আসে, যেমন চন্দ্র। তদ্ভব শব্দ সংস্কৃত থেকে রূপ বদলে এসেছে, যেমন চাঁদ।
মনে রাখুন:
দেশি শব্দ: কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি, কুড়ি, ঢোল।
বিদেশি শব্দ আসে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষা থেকে।
তৎসম শব্দের আরও উদাহরণ: সূর্য, পুত্র, গৃহ।
তদ্ভব শব্দের আরও উদাহরণ: হাত (হস্ত), কাজ (কার্য), ঘর (গৃহ)। - ২৯. 'মেঘে মেঘে' শব্দদ্বৈত কী অর্থে ব্যবহৃত?
- ক. ব্যাপ্তি
- খ. বহুত্ব
- গ. প্রকর্ষ
- ঘ. ঈষৎ ন্যূনতা
উত্তর: ক. ব্যাপ্তি
একই শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহার করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করাকে শব্দদ্বৈত বলে। ‘মেঘে মেঘে’ বললে বোঝায় আকাশের এখানে-ওখানে সবখানে মেঘ ছেয়ে গেছে। এ অর্থকে বলা হয় ব্যাপ্তি। বহুত্ব বোঝাতে ‘ঘরে ঘরে’ ধরনের প্রয়োগও হয়, তবে এখানে ছড়িয়ে থাকার ভাবটিই প্রধান।
উদাহরণ:
মেঘে মেঘে আকাশ ঢেকে গেছে।
মনে রাখুন: শব্দদ্বৈত তিন রকম: একই শব্দের পুনরাবৃত্তি, সমার্থক শব্দের যুগ্ম প্রয়োগ এবং একটি শব্দের সঙ্গে তার অনুকার শব্দ (যেমন: ঘর-টর)।
শব্দদ্বৈত ধ্বনির অনুকরণ বোঝাতেও চলে, যেমন: ঝমঝম, টপটপ।
আরও উদাহরণ: দিনে দিনে, ঘরে ঘরে, হাতে হাতে। - ৩৪. 'গড্ডলিকা প্রবাহ' অর্থ কী?
- ক. অন্ধ অনুকরণ
- খ. সাধারণ
- গ. পরাধীন
- ঘ. অসম্ভব কল্পনা
উত্তর: ক. অন্ধ অনুকরণ
‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বাগধারার অর্থ অন্ধ অনুকরণ। গড্ডল শব্দের অর্থ ভেড়া, আর ভেড়ার পাল একটি ভেড়াকে দেখে বিনা বিচারে তার পেছনে চলে। সে কারণেই কাউকে না ভেবে অনুসরণ করাকে এমন বলা হয়। অর্থাৎ এখানে ভেড়ার পালের অভ্যাসকে মানুষের অন্ধ অনুসরণের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। গড্ডলিকা শব্দটির মূল অর্থ ভেড়ার পাল, আর প্রবাহ মানে স্রোত, তাই পুরো বাগধারা দাঁড়ায় ভেড়ার পালের স্রোতের মতো চলা।
মনে রাখুন:
চোখে ধোঁয়া দেখা: হতভম্ব হওয়া।
ভরাডুবি: সর্বনাশ।
সাত খুন মাফ: গুরুতর অপরাধ থেকে অব্যাহতি।
পরশুরামের একটি গল্পগ্রন্থের নামও ‘গড্ডলিকা’।
তেলা মাথায় তেল দেওয়া: ধনীকে আরও দেওয়া। - ৪০. ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলে?
- ক. পদ
- খ. শব্দ
- গ. বাক্য
- ঘ. ধাতু
উত্তর: ঘ. ধাতু
ক্রিয়াপদ যে মূল অংশ থেকে তৈরি হয়, সেই অংশটিকে ধাতু (Verb root) বলে। যেমন ‘করছি’, ‘করব’, ‘করেছিল’ সব রূপের মূলে আছে ‘কর্’। পদ, শব্দ ও বাক্য এর চেয়ে বড় একক, তাই এগুলো ক্রিয়ার মূল অংশ নয়। ধাতুকে প্রকৃতিও বলা হয়।
মনে রাখুন:
ধাতু তিন প্রকার: মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।
উদাহরণ:
মৌলিক ধাতু: কর্, পড়্, খা।
সাধিত ধাতু: করা (কর্ + আ), পড়া (পড়্ + আ)।
ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। - ৪১. চোখের দ্বারা গৃহীত-এককথায় প্রকাশ কোনটি?
- ক. চাক্ষুষ
- খ. প্রত্যক্ষ
- গ. জ্ঞাতসার
- ঘ. গোচর
উত্তর: ক. চাক্ষুষ
‘চোখের দ্বারা গৃহীত’ বা চোখ দিয়ে যা দেখে বোঝা যায়, তার এক কথায় প্রকাশ হলো চাক্ষুষ। চক্ষু শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দ তৈরি হয়েছে। এ ধরনের প্রশ্নে অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা। প্রত্যক্ষ মানে চোখের সামনে বর্তমান, গোচর মানে ইন্দ্রিয়ের আওতায় আসা এবং জ্ঞাতসার মানে জানা আছে এমন। এক কথায় প্রকাশের প্রশ্নে বাক্যাংশটি ভালোভাবে পড়ে অর্থের সূক্ষ্ম পার্থক্য ধরতে হয়। যেমন ‘চাক্ষুষ’ বোঝায় চোখে দেখা ঘটনা বা প্রমাণ, আর ‘চাক্ষুষ প্রমাণ’ কথাটি আদালতেও ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখুন:
চক্ষুর সম্মুখে: প্রত্যক্ষ।
ইন্দ্রিয়ের অতীত: অতীন্দ্রিয়।
কানে শোনা যায় এমন: শ্রাব্য।
এক কথায় প্রকাশে ভুল এড়াতে প্রতিটি শব্দের অর্থ পৃথকভাবে মনে রাখা জরুরি। - ৪২. কোনটি সঠিক?
- ক. মুমুর্ষ
- খ. মুমূর্ষু
- গ. মুমর্ষ
- ঘ. মূমুর্ষ
উত্তর: খ. মুমূর্ষু
যে মরতে বসেছে, তাকে বোঝাতে শুদ্ধ শব্দ হলো মুমূর্ষু। শব্দটি সংস্কৃত ‘মৃ’ (মরা) ধাতু থেকে সন্ প্রত্যয়ের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে। বানানে প্রথম ‘মু’-তে হ্রস্ব উ-কার, দ্বিতীয় ‘মূ’-তে দীর্ঘ ঊ-কার, মাঝে ‘র্ষ’ এবং শেষে হ্রস্ব উ-কার বসে। এভাবে লেখা হলে মুমূর্ষু। বাকি অপশনগুলোতে হয় ঊ-কার বা উ-কারের স্থান ভুল, নয়তো শেষের উ-কার বাদ পড়েছে। ‘মুমূর্ষু’ শব্দের অর্থ মরণাপন্ন। এ ধরনের শব্দে ঊ-কার আর উ-কারের ব্যবহার, যুক্তবর্ণ আর ফলার ভুল পরীক্ষায় বেশি আসে, তাই শব্দটি ভেঙে অক্ষর ধরে ধরে মুখস্থ করা ভালো। সঠিক বানানে এক নজরে দেখা যায় প্রথমে হ্রস্ব, পরে দীর্ঘ এবং শেষে আবার হ্রস্ব স্বর।
মনে রাখুন:
কাছাকাছি ভুল বানানের ফাঁদ: মুমুর্ষ, মুমর্ষ, মূমুর্ষ সবই অশুদ্ধ।
এ ধরনের আরও শুদ্ধ বানান: সংবর্ধনা, সন্ধ্যা, গীতাঞ্জলি, কল্যাণীয়েষু। - ৪৮. কোনটি বাংলা ধাতু?
- ক. কাট
- খ. কট
- গ. কৃ
- ঘ. গম
উত্তর: ক. কাট
ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ। উৎস অনুযায়ী ধাতু দুই ভাগে ভাগ করা যায়: সংস্কৃত থেকে আসা তৎসম ধাতু এবং বাংলার নিজস্ব ধাতু। ‘কাট্’ বাংলার নিজস্ব ধাতু, যার থেকে কাটা, কাটছি, কাটব ইত্যাদি রূপ হয়। আর ‘কৃ’ (করা) ও ‘গম্’ (যাওয়া) সংস্কৃত ধাতু, যেগুলো থেকে বাংলায় তৎসম শব্দ গড়ে ওঠে। ‘কট’ নামে বাংলায় আলাদা কোনো ধাতু নেই। ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় বা বিভক্তি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ ও ক্রিয়াপদ তৈরি হয়। যেমন ‘কাট্’ ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে ‘কাটা’ হয়। প্রশ্নে বাংলা ধাতু আর সংস্কৃত ধাতুর পার্থক্য প্রায়ই চাওয়া হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা ধাতু: কাঁদ্, নাচ্, জান্, শুন্, খা।
সংস্কৃত ধাতু: কৃ, গম্, দৃশ্, শ্রু।
ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়। - ৪৯. সাধু ভাষা সাধারণত কোথায় অনুপযোগী?
- ক. কবিতার পঙ্ক্তিতে
- খ. গল্পের সংলাপে
- গ. গানের কলিতে
- ঘ. নাটকের সংলাপে
উত্তর: ঘ. নাটকের সংলাপে
সাধু ভাষার গঠন গম্ভীর ও আনুষ্ঠানিক, আর এতে তৎসম শব্দ বেশি থাকে। এ রীতি লিখিত ও গম্ভীর বিষয়ে মানানসই। নাটকের সংলাপ কিন্তু মুখের কথার অনুকরণে লিখতে হয়, কারণ চরিত্রগুলো স্বাভাবিকভাবে কথা বলে। সংলাপে ‘করিতেছি’, ‘যাইয়া’ এমন সাধু রূপ বসালে তা কৃত্রিম লাগে এবং চরিত্রের জীবন্ত ভাব নষ্ট হয়। তাই নাটকের সংলাপে সাধু ভাষা সাধারণত অনুপযোগী।
বক্তৃতা ও আলাপ-আলোচনার ক্ষেত্রেও চলিত রীতিই বেশি উপযোগী।
মনে রাখুন:
সাধু রীতিতে লেখা হয় প্রধানত লিখিত, গম্ভীর বিষয়।
সাধু ভাষার বিখ্যাত লেখক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
পরবর্তীকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অনেক লেখক চলিত রীতিতে লিখেছেন। - ৫৬. কোনটি সঠিক?
- ক. ঋণগ্রস্থ
- খ. ঋনগ্রস্ত
- গ. ঋণগ্রস্ত
- ঘ. ঋনগ্রস্থ
উত্তর: গ. ঋণগ্রস্ত
‘ঋণগ্রস্ত’ শব্দটি তৈরি হয়েছে ঋণ + গ্রস্ত দিয়ে, অর্থাৎ ঋণে আক্রান্ত। ‘ঋণ’ বানানে মূর্ধন্য ‘ণ’ বসে, কারণ ঋ-এর পরে মূর্ধন্য ণ হয়। আর ‘গ্রস্ত’-এর শেষে দন্ত্য ‘ত’ বসে, কারণ এটি এসেছে ‘গ্রস্’ ধাতু থেকে। তাই ‘স্থ’ বা ‘ন’ যুক্ত অপশনগুলো ভুল। ‘স্থ’ থাকে ‘স্থান’ বা ‘স্থিত’ ধরনের শব্দে, ‘গ্রস্ত’ শব্দে নয়। বানান শুদ্ধ করতে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম জানা দরকার। ঋ, র, ষ-এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ বসে, যদি মাঝে ক-বর্গ, প-বর্গ, য, ব, হ বা কিছু বর্ণ ছাড়া অন্য কিছু না থাকে। ‘ঋণ’ শব্দে ঋ-এর ঠিক পরেই ণ এসেছে।
মনে রাখুন:
এ ধরনের শুদ্ধ বানান: বিভীষিকা, মরীচিকা, অপরাহ্ণ, গীতাঞ্জলি।
ঋ-কারের পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ আসে, যেমন তৃণ, ঋণ, গৃহিণী। - ৫৯. প্রত্যয় কত প্রকার?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১১তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৪
- ক. ৩
- খ. ২
- গ. ৪
- ঘ. ৫
উত্তর: খ. ২
প্রত্যয় মূলত দুই প্রকার: কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেটি কৃৎ প্রত্যয়। আর শব্দের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেটি তদ্ধিত প্রত্যয়। দুই ধরনের প্রত্যয়ই নতুন শব্দ তৈরি করে, তবে মূল শব্দ ধাতু হবে নাকি অন্য শব্দ, সেটিই পার্থক্য করে। প্রত্যয় সবসময় শব্দের পরে বসে, আর উপসর্গ বসে শব্দের আগে।
উদাহরণ:
কৃৎ প্রত্যয়: পড়্ + আ = পড়া।
তদ্ধিত প্রত্যয়: মানব + ত্ব = মানবত্ব।
মনে রাখুন: প্রত্যয় তিন প্রকার বলা ভুল, কারণ পাঠ্যবইয়ে মূল ভাগ দুটি।
বাংলাদেশ
- ৬. ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত ঘোষণাপত্র গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—
- ক. পঞ্চম তফসিলে
- খ. ষষ্ঠ তফসিলে
- গ. সপ্তম তফসিলে
- ঘ. তৃতীয় তফসিলে
উত্তর: গ. সপ্তম তফসিলে
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কয়েকটি ঐতিহাসিক দলিল যুক্ত করা আছে। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সপ্তম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত। বাকি তফসিলগুলোর বিষয় আলাদা, তাই তারিখ ও তফসিল একসঙ্গে মনে রাখতে হয়। সংবিধানের তফসিল হলো সংবিধানের শেষে যুক্ত করা বিশেষ অংশ, যেখানে মূল অনুচ্ছেদের বাইরের গুরুত্বপূর্ণ দলিল ও তালিকা থাকে।
মনে রাখুন:
পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ।
ষষ্ঠ তফসিল: ২৬ মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল: ১০ এপ্রিল ১৯৭১-এর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
এসব অংশ পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১) মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত হয়।
বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। - ১৪. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর-এর দুর্ভিক্ষ কত সাল হয়েছিল?
- ক. ১৭৬৮ সালে
- খ. ১৭৬৯ সালে
- গ. ১৭৭০ সালে
- ঘ. ১৭৭২ সালে
উত্তর: গ. ১৭৭০ সালে
বাংলা ১১৭৬ সালে বাংলায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, তাই একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়। ইংরেজি হিসাবে এটি ১৭৭০ সালে চরম আকার নেয়। বাংলার ইতিহাসে এটি সবচেয়ে ভয়ংকর দুর্ভিক্ষগুলোর একটি, যাতে বহু লোক মারা যায়। এই দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে বঙ্কিমচন্দ্র ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাস লিখেছেন। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন চলছিল।
মনে রাখুন:
১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলা ১৩৫০ সালে হওয়ায় ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত।
‘মন্বন্তর’ শব্দের অর্থ দুর্ভিক্ষ বা বড় ধরনের খাদ্যাভাব।
বাংলা সনের সঙ্গে ইংরেজি সনের পার্থক্য প্রায় ৫৯৩ বছর।
‘আনন্দমঠ’ (১৮৮২) উপন্যাস সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমিতে লেখা। - ২১. ঘুমধুম সীমান্ত কোন জেলায় অবস্থিত?
- ক. খাগড়াছড়ি
- খ. বান্দরবান
- গ. রাঙ্গামাটি
- ঘ. দিনাজপুর
উত্তর: খ. বান্দরবান
ঘুমধুম বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন ও সীমান্ত এলাকা। এখানে বাংলাদেশের সীমান্তের ওপারে রয়েছে মিয়ানমার। ২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা অন্যান্য সীমান্তের পাশাপাশি এই এলাকা দিয়েও বাংলাদেশে ঢোকে। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও দিনাজপুরের সঙ্গে ঘুমধুমের অবস্থান মেলে না। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পড়েছে এবং এর পূর্ব দিকে মিয়ানমার।
মনে রাখুন:
তুমব্রু সীমান্তও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায়।
সাঙ্গু নদী বান্দরবানের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে।
বান্দরবান পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার একটি, আর এর সীমান্ত মিয়ানমারের সঙ্গে।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং (বিজয়) বান্দরবানে অবস্থিত। - ২৭. পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার তারিখ—
- ক. ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
- খ. ২৬ মার্চ ১৯৯৭
- গ. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭
- ঘ. ১৪ এপ্রিল ১৯৯৭
উত্তর: ক. ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
পার্বত্য চট্টগ্রামে বহু বছর অশান্তি ও সংঘাত চলার পর ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তখন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির পক্ষে চুক্তিতে সই করেন জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা, যিনি সন্তু লারমা নামে পরিচিত। অন্য তারিখগুলো ভুল, কারণ ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস আর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস।
মনে রাখুন:
পার্বত্য চট্টগ্রামে তিনটি জেলা: রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।
চুক্তির পর পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়।
১৯৯৮ সালে ইউনেস্কো শান্তিচুক্তির জন্য শেখ হাসিনাকে ‘হুফে বোয়ানি শান্তি পুরস্কার’ দেয়। - ৩৩. জাতীয় কন্যাশিশু দিবস বাংলাদেশে কত তারিখে পালন করা হয়?
- ক. ১ সেপ্টেম্বর
- খ. ১৫ সেপ্টেম্বর
- গ. ৩০ সেপ্টেম্বর
- ঘ. ১ অক্টোবর
উত্তর: গ. ৩০ সেপ্টেম্বর
বাংলাদেশে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত হয় ৩০ সেপ্টেম্বর। মেয়েশিশুদের অধিকার ও সুযোগের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোই এর উদ্দেশ্য। এই দিবসটি বাংলাদেশের নিজস্ব জাতীয় দিবস, আর আন্তর্জাতিক দিবসের তারিখ আলাদা। তাই দুই তারিখ গুলিয়ে ফেললে ভুল উত্তর বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জাতীয় দিবস, আন্তর্জাতিক দিবস আর বিশেষ দিবসের তারিখ আলাদা করে মনে রাখাই এ ধরনের প্রশ্নের চাবিকাঠি।
মনে রাখুন:
আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস ১১ অক্টোবর, যা জাতিসংঘ ২০১১ সালে ঘোষণা করে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটি এনেছিল কানাডা।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ৮ মার্চ।
বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস ১৭ মার্চ। - ৪৫. বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান কত বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে?
- ক. ৫০ বছর
- খ. ৯০ বছর
- গ. ১০০ বছর
- ঘ. ২০০ বছর
উত্তর: গ. ১০০ বছর
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান (ব-দ্বীপ পরিকল্পনা) ২১০০ একটি শতবর্ষী পরিকল্পনা। নামেই বোঝা যায়, এটি ২১০০ সাল পর্যন্ত, অর্থাৎ ১০০ বছরের জন্য তৈরি। বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপে অবস্থিত। তাই বন্যা, নদীভাঙন, জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততার মতো সমস্যা মোকাবিলায় নেদারল্যান্ডসের সহায়তায় এটি প্রণয়ন করা হয়। পরিকল্পনাটি ২০১৮ সালে অনুমোদিত হয়। ব-দ্বীপ হলো নদীর মোহনায় পলি জমে তৈরি হওয়া ত্রিভুজাকার নিম্নভূমি। গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পলিতে তৈরি বলে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব-দ্বীপের অংশ। এই ভূমি উর্বর হলেও বন্যা ও সাগরের জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতে থাকে।
মনে রাখুন:
ডেল্টা প্ল্যানে ৬টি লক্ষ্য রয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প চিহ্নিত আছে।
নেদারল্যান্ডস নিজেও নিচু ব-দ্বীপ অঞ্চলের দেশ, তাই এ ক্ষেত্রে তাদের অভিজ্ঞতা অনেক। - ৪৭. ৬ দফার কয়টি দফা অর্থনীতিবিষয়ক ছিল?
- ক. ৩টি
- খ. ৪টি
- গ. ৫টি
- ঘ. ৬টি
উত্তর: ক. ৩টি
ছয় দফার তিনটি দফা অর্থনৈতিক বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৩য় দফায় দুই অঞ্চলের জন্য পৃথক মুদ্রা বা মূলধন পাচার রোধের ব্যবস্থা, ৪র্থ দফায় কর ধার্যের ক্ষমতা প্রদেশের হাতে এবং ৫ম দফায় বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ওপর প্রদেশের কর্তৃত্বের কথা বলা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় দফা সরকার কাঠামো ও ক্ষমতা বিষয়ক এবং ষষ্ঠ দফা আঞ্চলিক সামরিক বাহিনী গঠন বিষয়ক।
মনে রাখুন:
শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
ছয় দফাকে বাঙালির ‘মুক্তির সনদ’ বলা হয়। - ৫৩. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে?
- ক. প্রথম
- খ. দ্বিতীয়
- গ. তৃতীয়
- ঘ. চতুর্থ
উত্তর: ক. প্রথম
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের নাম ‘প্রজাতন্ত্র’। এই ভাগের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে যে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। আর ৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকেরা বাংলাদেশি বলে পরিচিত হবেন। অর্থাৎ রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি সংবিধানের একেবারে শুরুর অংশেই দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ভাগ ও অনুচ্ছেদের ক্রম পরীক্ষায় বারবার আসে। ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রভাষা নিয়ে, ৪ নম্বর জাতীয় সংগীত, পতাকা ও প্রতীক নিয়ে এবং ৫ নম্বর রাজধানী নিয়ে। সংবিধানের এই ক্রম মনে থাকলে প্রশ্নের উত্তর সহজ হয়।
মনে রাখুন:
সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ এবং ৭টি তফসিল আছে।
প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র; দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি; তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার।
আন্তর্জাতিক
- ৯. 'The Wealth of Nations' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. কার্ল মার্কস
- খ. অমর্ত্য সেন
- গ. অ্যাডাম স্মিথ
- ঘ. ডেভিড রিকার্ডো
উত্তর: গ. অ্যাডাম স্মিথ
‘The Wealth of Nations’ বইটি লিখেছেন স্কটল্যান্ডের অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক অ্যাডাম স্মিথ, ১৭৭৬ সালে। বইটিতে তিনি দেখান, মুক্ত বাজারে মানুষ নিজের স্বার্থে কাজ করলে সমাজেরও উপকার হয়, আর শ্রম বিভাজনে উৎপাদন বাড়ে। এ কারণে তাঁকে আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক বলা হয়। আধুনিক অর্থনীতি পড়তে গেলে এই বইয়ের নাম বারবার সামনে আসে।
মনে রাখুন:
অ্যাডাম স্মিথের আরেকটি গ্রন্থ ‘The Theory of Moral Sentiments’ (১৭৫৯)।
কার্ল মার্কসের বিখ্যাত বই ‘Das Kapital’।
ডেভিড রিকার্ডো তুলনামূলক সুবিধার তত্ত্বের জন্য পরিচিত।
অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।
‘অদৃশ্য হাত’ (Invisible Hand) ধারণাটি অ্যাডাম স্মিথের সঙ্গে যুক্ত। - ৩০. 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
- ক. বীরবল
- খ. টোডরমল
- গ. আবুল ফজল
- ঘ. কালিদাস
উত্তর: গ. আবুল ফজল
‘আইন-ই-আকবরী’ লিখেছেন আবুল ফজল, সম্রাট আকবরের দরবারের বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সভাসদ। এটি তাঁর রচিত ‘আকবরনামা’ গ্রন্থের তৃতীয় খণ্ড। বইটিতে আকবরের শাসনব্যবস্থা, রাজস্ব, প্রশাসনিক বিভাগ ও সাম্রাজ্যের নানা তথ্য আছে। টোডরমল ছিলেন আকবরের রাজস্বমন্ত্রী, আর বীরবল ছিলেন দরবারের রসিক পরিষদ।
মনে রাখুন:
আকবরের নবরত্নে ছিলেন আবুল ফজল, টোডরমল, বীরবল, তানসেন প্রমুখ।
কালিদাস ছিলেন প্রাচীন যুগের সংস্কৃত কবি, আকবরের দরবারের নন।
আকবরের জীবনী ও শাসনের মূল উৎস হিসেবে এই গ্রন্থ ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব পায়।
‘আকবরনামা’ ও ‘আইন-ই-আকবরী’ ফারসি ভাষায় লেখা।
আকবর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন। - ৩৬. Who is the father of medicine?
- ক. Edenx
- খ. Hippocrates
- গ. Egyption
- ঘ. Partis
উত্তর: খ. Hippocrates
চিকিৎসাবিজ্ঞানের জনক বলা হয় প্রাচীন গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিসকে (Hippocrates)। তিনি খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতকে গ্রিসের কস দ্বীপে জন্মেছিলেন। তাঁর আগে অসুখকে দেবতার অভিশাপ ভাবা হতো, কিন্তু তিনি অসুখের প্রাকৃতিক কারণ খুঁজতে শেখান। প্রশ্নের বাকি অপশনগুলো কোনো পরিচিত চিকিৎসকের নাম নয়। হিপোক্রেটিস চিকিৎসাকে ধর্ম ও কুসংস্কার থেকে আলাদা করে পর্যবেক্ষণ ও যুক্তির ওপর দাঁড় করিয়েছিলেন।
মনে রাখুন:
চিকিৎসকদের শপথ ‘হিপোক্রেটিক শপথ’ তাঁর নামেই পরিচিত।
ইতিহাসের জনক হেরোডোটাস।
রাজনীতিবিজ্ঞানের জনক হিসেবে অ্যারিস্টটলকে ধরা হয়।
জ্যামিতির জনক ইউক্লিড।
সমাজবিজ্ঞানের জনক অগাস্ট কঁৎ।
প্রাচীন গ্রিসের এই চিকিৎসকের নাম মনে রাখলে চিকিৎসা-সংক্রান্ত অনেক প্রশ্নের উত্তর সহজ হয়, কারণ আধুনিক চিকিৎসা-নৈতিকতার ভিত্তি তাঁর শপথ থেকেই এসেছে। - ৪৬. সবচেয়ে কার্বন নিঃসরণকারী দেশ কোনটি?
- ক. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- খ. রাশিয়া
- গ. গুয়েতেমালা
- ঘ. চীন
উত্তর: ঘ. চীন
বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) নিঃসরণ করে চীন। দেশটির বিশাল শিল্পখাত এবং কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনই এর প্রধান কারণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মোট নিঃসরণে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও মাথাপিছু নিঃসরণে অনেক এগিয়ে। রাশিয়া ও গুয়েতেমালা মোট নিঃসরণে শীর্ষে নেই। মোট নিঃসরণ আর মাথাপিছু নিঃসরণ আলাদা বিষয়, তাই প্রশ্নে কোনটি চাওয়া হয়েছে তা খেয়াল করতে হবে। কার্বন নিঃসরণ সংক্রান্ত প্রশ্নে সাল ও তথ্যসূত্র দেখে উত্তর বাছতে হয়, কারণ তালিকা বদলাতে পারে। বর্তমানে চীন শীর্ষে থাকলেও ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করেছে।
মনে রাখুন:
চীন ও যুক্তরাষ্ট্র মিলে বিশ্বের মোট নিঃসরণের প্রায় ৪০ শতাংশের জন্য দায়ী।
তৃতীয় বড় নিঃসরণকারী ভারত।
বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রধান কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস। - ৫৫. ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান—
- ক. ডেভিড জুলিয়াস ও পাটাপুটিয়ান
- খ. মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ
- গ. হার্ডি জে অল্টার ও চার্লস এম রাইস
- ঘ. উইলিয়াম ব্যাসেলিন ফ্যান্টম ও র্যাটক্রিফ
উত্তর: খ. মারিয়া রেসা ও দিমিত্রি মুরাতভ
২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান দুজন সাংবাদিক: ফিলিপাইনের মারিয়া রেসা (Maria Ressa) এবং রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভ (Dmitry Muratov)। মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামের জন্য তাঁদের এ সম্মান দেওয়া হয়। বাকি অপশনে অন্য নোবেল বিজয়ীদের নাম মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই সাবধান থাকতে হবে। ওই বছরই অর্থনীতিতে নোবেল পান ডেভিড কার্ড, জশুয়া অ্যাংরিস্ট ও গুইডো ইমবেন্স।
মনে রাখুন:
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে নরওয়ের নোবেল কমিটি, আর পুরস্কার দেওয়া হয় অসলোতে।
হালনাগাদ: ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদো। - ৬১. নিচের কোন দেশটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত নয়?
- ক. আলজেরিয়া
- খ. তিউনেসিয়া
- গ. আলবেনিয়া
- ঘ. নাইজেরিয়া
উত্তর: গ. আলবেনিয়া
আলবেনিয়া ইউরোপ মহাদেশের বলকান উপদ্বীপের একটি দেশ। আলজেরিয়া, তিউনেসিয়া ও নাইজেরিয়া তিনটিই আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত। নাম অনেকটা মিলে যাওয়ায় আলজেরিয়া ও আলবেনিয়া গুলিয়ে ফেলার সম্ভাবনা থাকে, তাই সাবধান। আফ্রিকার বাইরের দেশটি হলো আলবেনিয়া। মহাদেশ চেনার প্রশ্নে দেশের নাম আর অবস্থান এক সঙ্গে মনে রাখা দরকার। উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো হলো আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, মিসর ও মরক্কো, আর নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকায়। এই দেশগুলোর নামের সঙ্গে ইউরোপের দেশের নাম গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
মনে রাখুন:
আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ আলজেরিয়া (আয়তনে) এবং জনসংখ্যায় নাইজেরিয়া।
বৃহত্তম মরুভূমি সাহারা ও সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কিলিমাঞ্জারো (তানজানিয়া)।
বৃহত্তম দ্বীপ মাদাগাস্কার। - ৬৩. জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্যরাষ্ট্র কোনটি?
- ক. কঙ্গো
- খ. কাতালোনিয়া
- গ. পূর্ব তিমুর
- ঘ. দক্ষিণ সুদান
উত্তর: ঘ. দক্ষিণ সুদান
জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান। সুদান থেকে আলাদা হয়ে দেশটি ২০১১ সালের ৯ জুলাই স্বাধীন হয় এবং ১৪ জুলাই জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়। বাকি অপশনগুলো ভিন্ন। কাতালোনিয়া স্পেনের একটি অঞ্চল, কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র নয়। পূর্ব তিমুর ২০০২ সালে সদস্য হয়েছিল, আর কঙ্গো অনেক আগে থেকেই সদস্য। কোনো রাষ্ট্র স্বাধীন হলেও সঙ্গে সঙ্গে জাতিসংঘের সদস্য হয় না। এজন্য নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশ এবং সাধারণ পরিষদের অনুমোদন লাগে। দক্ষিণ সুদানের ক্ষেত্রেও স্বাধীনতার কয়েকদিন পরে সদস্যপদ মিলেছে।
মনে রাখুন:
জাতিসংঘ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন ৫১টি সদস্য ছিল।
সদর দপ্তর নিউইয়র্কে এবং দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
ইংরেজি
- ১০. Correct passive form of — 'Open the window' is —
- ক. The window should be opened.
- খ. Let the window be opened.
- গ. The window must be opened.
- ঘ. Let open the window.
উত্তর: খ. Let the window be opened.
Imperative বা আদেশসূচক বাক্যের passive করতে let ব্যবহার হয়। এর গঠন: Let + object + be + past participle (V3)। তাই ‘Open the window’ হয়ে যায় ‘Let the window be opened’। অন্য অপশনের should বা must বসালে অর্থের জোর বদলে যায়, আর ‘Let open the window’ ব্যাকরণসম্মত নয়।
উদাহরণ:
Do the work. → Let the work be done.
মনে রাখুন: ভদ্রভাবে অনুরোধ বোঝাতে ‘You are requested to open the window’ ধরনের গঠনও ব্যবহৃত হয়। - ১৮. Which of the following sentences is correct?
- ক. It is a must
- খ. It is must
- গ. It is the must
- ঘ. None of them
উত্তর: ক. It is a must
ইংরেজি ‘must’ শব্দটি সাধারণত modal verb হিসেবে ব্যবহার হয়, যেমন: You must go। কিন্তু ‘must’ noun হিসেবেও ব্যবহার করা যায়, তখন এর অর্থ অবশ্য প্রয়োজনীয় বা অবশ্যকরণীয় জিনিস। Noun হিসেবে ব্যবহারের সময় এর আগে article বসাতে হয়, তাই ‘It is a must’ শুদ্ধ। ‘It is must’ ও ‘It is the must’ ভুল, কারণ প্রথমটিতে article নেই আর দ্বিতীয়টিতে নির্দিষ্টতা বোঝানোর কোনো কারণ নেই।
উদাহরণ:
A good dictionary is a must for every student.
মনে রাখুন: Noun হিসেবে ‘must’ প্রায়ই ‘a must’ আকারে আসে।
Mustn't মানে নিষেধ, আর needn't মানে প্রয়োজন নেই, এই দুটির অর্থ আলাদা। - ২০. The phrase 'make up for' means —
- ক. compensate
- খ. ignored
- গ. made for
- ঘ. understand
উত্তর: ক. compensate
Phrasal verb ‘make up for’ মানে ক্ষতি বা ঘাটতি পূরণ করা, অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ দেওয়া। এর কাছাকাছি শব্দ compensate। যেমন: He worked extra hours to make up for the lost time। অন্য অপশনগুলো আলাদা: ignored মানে উপেক্ষা করা হয়েছে, made for মানে কোনো কিছুর জন্য তৈরি বা কোনো দিকে এগিয়ে যাওয়া, আর understand মানে বোঝা।
মনে রাখুন: Make up মানে কিছু বানানো, আর make up for মানে কিছুর ঘাটতি পূরণ করা।
Make up one's mind মানে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
Make up for lost time এবং make up for a mistake বাক্যাংশ দুটি পরীক্ষায় আসে। - ২৩. I knocked but there was no one —
- ক. after
- খ. in
- গ. around
- ঘ. of
উত্তর: গ. around
Around শব্দের এক অর্থ কাছাকাছি বা আশেপাশে। বাক্যটি দাঁড়ায়: I knocked but there was no one around, অর্থাৎ ‘আমি দরজায় টোকা দিলাম, কিন্তু আশেপাশে কেউ ছিল না’। After বসালে অর্থ অসংগত হয়, in বসালে স্থান অস্পষ্ট থাকে, আর ‘no one of’ ধরনের গঠন এখানে বসে না। ‘no one’ মানে কেউ না, তাই বাক্যে স্থান বোঝায় এমন একটি শব্দ বসাতে হয়।
উদাহরণ:
There is nobody around.
Look around and tell me what you see.
মনে রাখুন: Around মানে চারপাশে, আবার প্রায় (around five o'clock) অর্থেও ব্যবহার হয়।
Around-এর জায়গায় nearby বসিয়েও অর্থ কাছাকাছি থাকে। - ২৮. I — great sufferings.
- ক. gone through
- খ. went through
- গ. go over
- ঘ. went out
উত্তর: খ. went through
‘Go through’ একটি phrasal verb, যার অর্থ কষ্ট বা অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যাওয়া, অর্থাৎ ভোগ করা। বাক্যের কর্তা I, আর ঘটনাটি অতীতের, তাই past form ‘went through’ বসবে। ‘gone through’ এককভাবে verb হিসেবে বসে না, এর আগে have/has থাকতে হয়। ‘go over’ মানে পরীক্ষা করা, আর ‘went out’ মানে বাইরে যাওয়া।
উদাহরণ:
She went through a lot of trouble.
মনে রাখুন: Go through-এর আরও অর্থ মনোযোগ দিয়ে দেখা (go through a report)।
Go-এর past form went এবং past participle gone।
Go over মানে খুঁটিয়ে দেখা, যেমন: go over the report। - ৩২. Among the following who is not a romantic poet?
- ক. John Keats
- খ. William Wordsworth
- গ. Lord Byron
- ঘ. Tennyson
উত্তর: ঘ. Tennyson
রোমান্টিক যুগ (প্রায় ১৭৯৮-১৮৩২) এর কবিদের মধ্যে আছেন কিটস, ওয়ার্ডসওয়ার্থ ও বায়রন। কিন্তু আলফ্রেড টেনিসন (Lord Alfred Tennyson) ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি, যে যুগ রানি ভিক্টোরিয়ার শাসনকাল (১৮৩৭-১৯০১) জুড়ে। তাই তিনি রোমান্টিক কবি নন। এ ধরনের প্রশ্নে কবির যুগ জানা থাকলেই সহজে উত্তর মেলে। ইংরেজি সাহিত্যের যুগ ভাগ জানা থাকলে কবির নাম দেখেই তাঁর যুগ ধরা যায়।
মনে রাখুন:
টেনিসনের বিখ্যাত রচনা: In Memoriam, The Lady of Shalott।
রোমান্টিক কবি: কোলরিজ, শেলি, ব্লেক।
ভিক্টোরিয়ান যুগের আরেক বিখ্যাত কবি রবার্ট ব্রাউনিং।
কিটসের বিখ্যাত রচনা ‘Ode to a Nightingale’ আর বায়রনের ‘Childe Harold’s Pilgrimage’।
ভিক্টোরিয়ান যুগে ডিকেন্স ও থ্যাকারের মতো ঔপন্যাসিকও ছিলেন। - ৩৫. The noun form of the word 'treat' is —
- ক. tream
- খ. treatment
- গ. treat
- ঘ. none of them
উত্তর: খ. treatment
Verb থেকে noun গঠনের একটি সাধারণ নিয়ম হলো verb-এর শেষে -ment যোগ করা। ‘treat’ (চিকিৎসা করা) verb-এর এভাবে তৈরি noun হলো ‘treatment’ (চিকিৎসা)। ‘tream’ একটি অর্থহীন শব্দ। ‘treat’ শব্দটি noun হিসেবে ‘আনন্দদায়ক কিছু’ অর্থেও ব্যবহার হয়, তবে প্রশ্নে verb থেকে গঠিত noun রূপ জানতে চাওয়া হয়েছে, আর সেটি treatment।
উদাহরণ:
agree → agreement
develop → development
মনে রাখুন: -ment ছাড়াও -tion, -ness, -ity ইত্যাদি যোগে noun গঠন করা যায়।
আরও noun গঠন: move → movement, achieve → achievement, pay → payment। - ৩৮. 'Man and Superman' is written by —
- ক. Henry James
- খ. George Bernard Shaw
- গ. John Milton
- ঘ. Charles Dickens
উত্তর: খ. George Bernard Shaw
‘Man and Superman’ নাটকটি লিখেছেন আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ (George Bernard Shaw)। নাটকটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়। এতে নারী-পুরুষের সম্পর্ক এবং ‘জীবনশক্তি’ (Life Force) নিয়ে শ নিজের চিন্তা তুলে ধরেছেন। বাকি লেখকদের মধ্যে হেনরি জেমস ঔপন্যাসিক, জন মিল্টন মহাকবি আর চার্লস ডিকেন্স বিখ্যাত ঔপন্যাসিক। জর্জ বার্নার্ড শ ছিলেন নাট্যকার, সমালোচক ও সমাজচিন্তক। তাঁর নাটকে হাস্যরস আর তীক্ষ্ণ সমাজসমালোচনা একসঙ্গে থাকে। তিনি আয়ারল্যান্ডে জন্মেছিলেন, কিন্তু ইংল্যান্ডে বসবাস করে লিখেছেন।
মনে রাখুন:
শ-এর অন্যান্য নাটক: Arms and the Man, Pygmalion, Saint Joan, Candida।
তিনি ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। - ৩৯. What is the verb form of 'Ability'?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৯
- ক. Able
- খ. Ableness
- গ. Ably
- ঘ. Enable
উত্তর: ঘ. Enable
Ability একটি Noun, যার অর্থ সক্ষমতা। একই মূল থেকে তৈরি Verb হলো Enable, যার অর্থ সক্ষম করা বা সুযোগ দেওয়া। Able হলো Adjective (সক্ষম), Ably হলো Adverb (দক্ষতার সঙ্গে), আর Ableness আবার Noun, তাই এগুলো Verb নয়। একটি শব্দের এই ভিন্ন ভিন্ন রূপ বোঝা Word form বা Parts of speech-এর প্রশ্নে খুব কাজে লাগে।
মনে রাখুন:
Ability (Noun), Enable (Verb), Able (Adjective), Ably (Adverb)।
উদাহরণ: This course will enable you to speak English. - ৪৩. What did you do it — ?
- ক. for
- খ. to
- গ. of
- ঘ. on
উত্তর: ক. for
‘What … for’ কাঠামো দিয়ে ইংরেজিতে কারণ বা উদ্দেশ্য জানতে চাওয়া হয়। তাই ‘What did you do it for?’ মানে ‘তুমি এটা কেন করলে?’। এখানে preposition বাক্যের শেষে বসেছে, কারণ প্রশ্নবাচক What বাক্যের শুরুতে চলে গেছে। to, of বা on বসালে বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে না, কারণ উদ্দেশ্য বোঝাতে for-ই ব্যবহার হয়। মনে রাখার সহজ উপায় হলো প্রশ্নের শব্দটি ঘুরিয়ে বলা: ‘For what did you do it?’ থেকে preposition টেনে এনে শেষে বসালে সাধারণ কথ্য ইংরেজির রূপ ‘What did you do it for?’ হয়। ইংরেজি কথোপকথনে preposition বাক্যের শেষে বসা খুবই স্বাভাবিক।
মনে রাখুন:
What for = Why।
উদাহরণ:
What is this tool for?
What did he come here for?
আনুষ্ঠানিক লেখায় অনেক সময় ‘For what purpose’ লেখা হয়। - ৪৪. The correct spelt word is —
- ক. missle
- খ. missile
- গ. misile
- ঘ. messile
উত্তর: খ. missile
ক্ষেপণাস্ত্র বোঝাতে শুদ্ধ বানান missile। শব্দটিতে দুটি ‘s’ আছে এবং শেষে ‘ile’, তাই missle, misile বা messile ভুল। এর অর্থ এমন অস্ত্র, যা লক্ষ্যের দিকে ছুড়ে মারা হয় বা নিয়ন্ত্রিত পথে চালানো হয়। বানান মনে রাখার সহজ উপায় হলো mis-sile ভেঙে উচ্চারণ করা। ইংরেজি ভাষায় ‘missile’ শব্দটি এসেছে ল্যাটিন missilis থেকে, যার অর্থ ছুড়ে মারার যোগ্য। তাই শব্দের মূল অর্থও ক্ষেপণের সঙ্গে জড়িত। বর্তমানে ক্ষেপণাস্ত্র বলতে সাধারণত রকেটচালিত নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র বোঝায়।
মনে রাখুন: ভুলের সম্ভাবনা থাকে এমন কয়েকটি বানান: necessary, occurrence, separate, accommodation।
উদাহরণ:
The army tested a new missile.
Missile শব্দের বহুবচন missiles। - ৫০. A Bangladeshi living in Canada is a/an —
- ক. Alien
- খ. Patriot
- গ. Expatriate
- ঘ. Cosmopolitan
উত্তর: গ. Expatriate
যে ব্যক্তি নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে বসবাস করে, তাকে Expatriate বলে। কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি তাই Expatriate। অন্য অপশনগুলোর অর্থ আলাদা: Alien মানে বিদেশি বা ভিনগ্রহী, Patriot মানে দেশপ্রেমিক আর Cosmopolitan মানে যিনি সারা বিশ্বকে নিজের মনে করেন। Expatriate শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ex (বাইরে) আর patria (পিতৃভূমি) থেকে। তাই এর আক্ষরিক অর্থ যে পিতৃভূমির বাইরে থাকে। এ রকম শব্দ এক কথায় প্রকাশের প্রশ্নেও আসে।
মনে রাখুন:
Emigrant হলো যে দেশ ছেড়ে চলে যায়, আর Immigrant হলো যে অন্য দেশে এসে বসতি গড়ে।
উদাহরণ:
Many Bangladeshi expatriates send money home.
Expatriate সংক্ষেপে expat নামেও পরিচিত। - ৫১. Good bye! See you — Friday.
- ক. in
- খ. at
- গ. on
- ঘ. of
উত্তর: গ. on
সপ্তাহের কোনো নির্দিষ্ট দিনের আগে preposition হিসেবে on বসে, যেমন on Friday, on Monday। তাই ‘See you on Friday’ সঠিক। বাকি অপশনগুলো এখানে মানায় না, কারণ ‘in’ বসে মাস, বছর বা দীর্ঘ সময়ের আগে, আর ‘at’ বসে নির্দিষ্ট সময়ের আগে। ‘of’ এখানে একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক।
নিয়মটি মনে রাখার সহজ উপায় এভাবে: দিন ও তারিখের আগে on, ঘণ্টা-মিনিটের আগে at এবং মাস বা বছরের আগে in।
উদাহরণ:
He will come on Sunday.
The class starts at 9 a.m.
She was born in 1998. - ৫২. — your shoes before entering the room.
- ক. Put out
- খ. Put off
- গ. Put in
- ঘ. Put for
উত্তর: খ. Put off
জুতা খুলে ফেলা বোঝাতে এখানে ‘Put off’ ব্যবহার করা হয়েছে, যার একটি অর্থ গা থেকে পোশাক বা জুতা খুলে ফেলা। বাকি অপশনের অর্থ আলাদা। Put out মানে আগুন নেভানো, Put in মানে ভেতরে বসানো বা জমা দেওয়া, আর Put for কোনো প্রচলিত phrasal verb নয়। বর্তমানে এই অর্থে ‘take off’ বেশি চলে, তবে প্রশ্নের অপশনে সেটি নেই।
মনে রাখুন: Put off-এর আরেকটি বহুল ব্যবহৃত অর্থ হলো স্থগিত করা, যেমন: Don’t put off the work till tomorrow।
উদাহরণ:
Put on your coat. (কোট পরো) - ৫৪. Use the right form of verb. I am used to — tea.
- ক. took
- খ. taking
- গ. take
- ঘ. would take
উত্তর: খ. taking
‘be used to’ কাঠামোর অর্থ ‘অভ্যস্ত থাকা’। এখানে to হলো preposition, infinitive-এর to নয়। আর preposition-এর পর verb বসলে তার সঙ্গে ing যুক্ত হয়ে gerund হয়। তাই ‘I am used to taking tea’ সঠিক। এটি ‘used to + verb’ থেকে আলাদা, কারণ ‘used to + verb’ দ্বারা অতীতের অভ্যাস বোঝানো হয়। Took বা take বসালে নিয়ম ভেঙে যায়, আর would take অতীত বা সম্ভাবনা বোঝায়।
উদাহরণ:
I used to play football. (আগে খেলতাম)
I am used to getting up early. (এখন আমি অভ্যস্ত)
মনে রাখুন: ‘be used to’ আর ‘get used to’-এর পরে ing-যুক্ত verb বা noun বসে। - ৫৮. Synonym of the word 'treacherous' is —
- ক. loyal
- খ. faithful
- গ. unfaithful
- ঘ. reliable
উত্তর: গ. unfaithful
Treacherous মানে বিশ্বাসঘাতক, অর্থাৎ যার ওপর ভরসা করা যায় না। এর কাছাকাছি অর্থ unfaithful, মানে যে বিশ্বস্ত নয়। বাকি তিনটি শব্দ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। Loyal মানে অনুগত, faithful মানে বিশ্বস্ত আর reliable মানে নির্ভরযোগ্য। Treacherous শব্দের মূলে আছে treachery। যে ব্যক্তি নিজের সঙ্গীকে ধোঁকা দেয়, তার আচরণ treacherous। এর বিশেষ্য রূপ treachery, আর ব্যক্তি বোঝাতে traitor শব্দ চলে, যার অর্থ বিশ্বাসঘাতক বা দেশদ্রোহী।
মনে রাখুন:
Treacherous-এর আরও সমার্থক শব্দ: disloyal, perfidious।
Treacherous কখনও বিপজ্জনক অর্থেও আসে, যেমন: treacherous road।
Treachery মানে বিশ্বাসঘাতকতা।
উদাহরণ: He was a treacherous friend. - ৬০. He always arrives late. Here 'late' is a/an—
- ক. Noun
- খ. Preposition
- গ. Adverb
- ঘ. Adjective
উত্তর: গ. Adverb
‘He always arrives late’ বাক্যে late শব্দটি arrives ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, অর্থাৎ কখন আসে তা বলছে। যে শব্দ verb, adjective বা অন্য adverb-কে modify করে, সে adverb। তাই এখানে late একটি adverb। আর যদি ‘a late train’ লেখা হতো, তবে late noun train-কে বিশেষিত করত বলে তখন সেটি adjective হতো।
উদাহরণ:
He is a late riser. (adjective)
He rose late. (adverb)
মনে রাখুন: একই শব্দ বাক্যে কাজের ওপর নির্ভর করে adjective বা adverb হয়। Lately শব্দটির অর্থ আলাদা, মানে সম্প্রতি। - ৬২. The synonym of the word 'cordial' is —আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) ২০১৫
- ক. hostile
- খ. unfriendly
- গ. meek
- ঘ. amiable
উত্তর: ঘ. amiable
Cordial মানে আন্তরিক বা হৃদ্যতাপূর্ণ, যেমন a cordial welcome (আন্তরিক অভ্যর্থনা)। এর কাছাকাছি অর্থের শব্দ amiable, যার অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ ও মিশুক। বাকি অপশনগুলো ভিন্ন অর্থের: hostile মানে শত্রুভাবাপন্ন, unfriendly মানে বন্ধুত্বহীন বা অমিশুক এবং meek মানে নম্র ও শান্ত। Cordial শব্দটি আসলে ল্যাটিন cor বা cordis থেকে এসেছে, যার অর্থ হৃদয়। তাই cordial মানে হৃদয় থেকে আসা। Cordial শব্দটি noun হিসেবেও চলে, তখন এর অর্থ ফলের রসের তৈরি মিষ্টি পানীয়।
মনে রাখুন:
Cordial-এর আরেকটি সমার্থক শব্দ warm।
বিপরীত শব্দ hostile বা cold।
উদাহরণ: The two leaders had a cordial meeting.
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন