কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২১: প্রশ্ন ও সমাধান
পরীক্ষা হয়েছে ১০ ডিসেম্বর ২০২১। ৮২টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।
সময় ধরে পরীক্ষা দিন →ইংরেজি
- ১. Select the masculine gender :
- ক. witch
- খ. mare
- গ. hen
- ঘ. bachelor
উত্তর: ঘ. bachelor
Gender বা লিঙ্গ অনুযায়ী noun চার ভাগে ভাগ হয়: masculine (পুংলিঙ্গ), feminine (স্ত্রীলিঙ্গ), common ও neuter। অপশনের মধ্যে witch (ডাইনি), mare (ঘোটকী) ও hen (মুরগি) স্ত্রীলিঙ্গ। কিন্তু bachelor মানে অবিবাহিত পুরুষ, তাই এটি masculine। এর স্ত্রীলিঙ্গ spinster বা maid। Common gender বলতে বোঝায় যে শব্দ দিয়ে পুরুষ ও নারী দুটোই বোঝানো যায়, যেমন teacher, student।
মনে রাখুন:
Wizard – Witch, Horse – Mare, Cock – Hen।
Bridegroom – Bride, Widower – Widow।
Uncle – Aunt, Nephew – Niece, Monk – Nun। - ২. Identify the incorrect sentence :
- ক. They are all but happy.
- খ. He was in hurry.
- গ. I am in a fix.
- ঘ. The loss cannot be made up.
উত্তর: খ. He was in hurry.
‘In a hurry’ একটি idiom (তাড়াহুড়ো করে), যেখানে hurry-র আগে article ‘a’ থাকা আবশ্যক। তাই ‘He was in hurry’ ভুল, শুদ্ধ রূপ ‘He was in a hurry’। অন্য বাক্যগুলো ঠিক: all but মানে ‘প্রায়’, in a fix মানে ‘বিপদে’, আর make up মানে ‘পূরণ করা’।
মনে রাখুন:
All but = almost, যেমন: He is all but dead।
In a fix = in trouble।
In a hurry, in a rage, in a mess এসব idiom-এ a বসে। - ৫. Find out the correct sentence :
- ক. See the word in the dictionary.
- খ. Open page 50.
- গ. They have gone for a picnic.
- ঘ. The man has returned yesterday.
উত্তর: গ. They have gone for a picnic.
চারটি বাক্য পরীক্ষা করি। ‘They have gone for a picnic’ বাক্যে present perfect tense ঠিকমতো ব্যবহৃত হয়েছে, কারণ কাজটি কিছুক্ষণ আগে শেষ হয়েছে এবং তার ফল এখনো বর্তমানে আছে। তাই এটি শুদ্ধ। শেষ বাক্য ‘The man has returned yesterday’ ভুল, কারণ yesterday-র মতো নির্দিষ্ট অতীত সময়ের সঙ্গে present perfect বসে না, বসে past indefinite: The man returned yesterday।
মনে রাখুন:
Present perfect-এর গঠন has/have + past participle।
এর সঙ্গে ago, yesterday, last year ইত্যাদি বসে না।
উদাহরণ: He has just arrived. - ৬. The man died — cancer.
- ক. from
- খ. off
- গ. of
- ঘ. for
উত্তর: গ. of
Die একটি verb, যার পরে নানা preposition বসে অর্থ বদলে যায়। কোনো রোগে মারা গেলে die of বসে, যেমন: The man died of cancer। না খেয়ে বা আঘাতে মারা গেলে die from বসে, আর ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হওয়া বোঝাতে die off এবং কিছুর জন্য প্রাণ দিলে die for বসে। এখানে ক্যানসার রোগ, তাই of-ই সঠিক।
উদাহরণ:
He died of malaria.
He died for his country.
মনে রাখুন: Die of বা die from দিয়ে মৃত্যুর কারণ বোঝানো হয়, তবে রোগের ক্ষেত্রে of বেশি চলে। - ১১. Which of the following phrases is correct?
- ক. Buy the buy
- খ. Bye the by
- গ. By the by
- ঘ. Bye the bye
উত্তর: গ. By the by
‘By the by’ একটি ইংরেজি idiom, যার অর্থ ‘প্রসঙ্গক্রমে’ বা ‘কথায় কথায়’। এটি by the way-এর মতোই কথার মাঝে নতুন প্রসঙ্গ তোলার সময় ব্যবহৃত হয়। অন্য অপশনগুলো বানান বা রূপের দিক থেকে ঠিক নয়। যেমন buy মানে কেনা এবং bye মানে বিদায়-সম্ভাষণ, তাই এগুলো এই idiom-এ বসে না।
মনে রাখুন:
By and by = কিছুক্ষণ পরে।
By the way = প্রসঙ্গক্রমে।
উদাহরণ: By the by, have you seen Rafiq lately?
By hook or by crook = যেকোনো উপায়ে।
By dint of = বলে বা জোরে। - ১৬. The adjective form of the word 'sun' is—
- ক. moral
- খ. lunar
- গ. solar
- ঘ. colar
উত্তর: গ. solar
Sun (সূর্য) শব্দের adjective রূপ solar, যার অর্থ সৌর বা সূর্যসংক্রান্ত, যেমন: solar energy (সৌরশক্তি)। Lunar শব্দের অর্থ চন্দ্রসংক্রান্ত, কারণ এটি moon থেকে তৈরি। Moral মানে নৈতিক, আর colar নামে কোনো ইংরেজি শব্দ নেই। কোনো noun-কে adjective বানাতে হলে প্রায়ই শব্দটির ল্যাটিন মূল ধরে নতুন রূপ নিতে হয়।
মনে রাখুন:
Sun – Solar, Moon – Lunar, Star – Stellar।
Earth – Terrestrial।
উদাহরণ: A solar eclipse happens when the moon covers the sun.
Mother – Maternal, Father – Paternal। - ১৮. Select plural number—
- ক. index
- খ. mice
- গ. medium
- ঘ. scenery
উত্তর: খ. mice
Plural number মানে বহুবচন। Mouse-এর বহুবচন mice, তাই এটি বহুবচনে লেখা শব্দ। বাকি তিনটি একবচন: index-এর বহুবচন indices বা indexes, medium-এর বহুবচন media বা mediums, আর scenery একটি uncountable noun, যার বহুবচন হয় না। Mice নিয়মের বাইরে গঠিত বহুবচন, কারণ এতে s বা es যোগ হয়নি, ভেতরের স্বরধ্বনি বদলে গেছে।
মনে রাখুন:
Irregular plural: Man – Men, Child – Children, Foot – Feet, Tooth – Teeth, Mouse – Mice।
Louse – Lice।
Sheep ও deer-এর বহুবচন একবচনের মতোই থাকে। - ১৯. The opposite word of 'pleasure' is—.
- ক. merriment
- খ. pain
- গ. happiness
- ঘ. hypocrisy
উত্তর: খ. pain
Pleasure মানে আনন্দ বা সুখ। এর বিপরীত শব্দ pain, যার অর্থ কষ্ট বা ব্যথা। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে merriment (আমোদ) ও happiness (সুখ) প্রায় একই অর্থের, আর hypocrisy মানে ভণ্ডামি, যা বিপরীত অর্থ নয়। তাই কেবল pain-ই অনুভূতির দিক থেকে pleasure-এর উল্টো দিকে দাঁড়ায়। Pleasure ও pain দুটিই অনুভূতির নাম, আর তাদের অর্থ পুরোপুরি উল্টো।
মনে রাখুন:
Joy – Sorrow, Pleasure – Pain, Happiness – Misery।
Pleasure-এর synonym: delight, enjoyment।
Pain-এর synonym: ache, agony।
উদাহরণ: He felt pleasure in helping others, but the injury gave him great pain. - ৩০. Mr. Robin is — humorist.
- ক. a
- খ. an
- গ. the
- ঘ. no article
উত্তর: ক. a
Article ‘a’ বা ‘an’ বসানোর সময় শব্দের প্রথম ধ্বনির উচ্চারণ দেখতে হয়। Humorist শব্দের h উচ্চারিত হয় (হিউমরিস্ট) এবং শব্দটি ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শুরু হয়, তাই এর আগে a বসে: Mr. Robin is a humorist। An বসে স্বরধ্বনির আগে, যেমন an honest man। এখানে humorist একজন নির্দিষ্ট পেশাজীবী বা পরিচয়ের নাম নয়, বরং রবিনের ধরন বোঝাচ্ছে, তাই the বা no article বসে না।
মনে রাখুন: পেশা বা পরিচয় বোঝাতে singular noun-এর আগে a/an লাগে, যেমন: He is a doctor। - ৩৯. The book 'Hamlet' is a —.
- ক. novel
- খ. drama
- গ. collection of stories
- ঘ. collection of poems
উত্তর: খ. drama
‘Hamlet’ একটি নাটক (drama)। এটি লিখেছেন ইংরেজ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, আর বিষয়বস্তুর দিক থেকে এটি একটি বিয়োগান্ত নাটক (Tragedy)। ডেনমার্কের যুবরাজ হ্যামলেটের প্রতিশোধ আর মানসিক দ্বন্দ্বই এই নাটকের মূল কাহিনি। নাটকটির ঘটনা ঘটে ডেনমার্কের এলসিনোর দুর্গে, আর তাতে ক্লডিয়াস, গারট্রুড, ওফেলিয়া ও পোলোনিয়াস নামের চরিত্র আছে। এর একটি বিখ্যাত সংলাপ ‘To be or not to be’।
মনে রাখুন:
শেক্সপিয়ারের চারটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি: Hamlet, Othello, King Lear, Macbeth।
তাঁর কমেডি: The Merchant of Venice, As You Like It, A Midsummer Night’s Dream। - ৪১. The doctor who treats heart patients is called a/an—
- ক. urologist
- খ. cardiologist
- গ. pathologist
- ঘ. neurologist
উত্তর: খ. cardiologist
যে চিকিৎসক হৃদ্রোগের চিকিৎসা করেন তাঁকে Cardiologist বলা হয়। গ্রিক ‘kardia’ শব্দের অর্থ হৃদয়, সেখান থেকেই এই নামটি এসেছে। বাকি শব্দগুলোও বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নাম: Urologist মূত্রতন্ত্রের রোগের চিকিৎসক, Pathologist রোগ নির্ণয়ের জন্য দেহরস ও কলা পরীক্ষা করেন, আর Neurologist স্নায়ুতন্ত্রের রোগের চিকিৎসক। নাম শুনে অর্থ আন্দাজ করা সহজ হয়, যদি আমরা শব্দের মূল অংশটি চিনে নিই। Cardiac arrest মানে হৃৎস্পন্দন হঠাৎ থেমে যাওয়া।
মনে রাখুন:
Dermatologist: চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ।
Oculist বা Ophthalmologist: চক্ষু বিশেষজ্ঞ।
Orthopaedist: হাড়ের চিকিৎসক।
Paediatrician: শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ। - ৪৪. To join two words we use—.
- ক. colon
- খ. semicolon
- গ. dash
- ঘ. hyphen
উত্তর: ঘ. hyphen
দুটি শব্দকে জুড়ে একটি যৌগিক শব্দ বানাতে হাইফেন (Hyphen, চিহ্ন -) ব্যবহার করা হয়। যেমন co-education শব্দে co ও education জুড়ে একটি শব্দ হয়েছে। অন্য চিহ্নগুলোর কাজ আলাদা: Colon (:) তালিকা বা ব্যাখ্যার আগে বসে, Semicolon (;) দুটি সম্পর্কিত বাক্যাংশকে আলাদা করে, আর Dash (—) বাক্যের মাঝখানে অতিরিক্ত তথ্য বা বিরতি বোঝায়। তাই শব্দ জোড়ার কাজে কেবল hyphen-ই খাটে। কোনো শব্দ লাইনের শেষে ভেঙে লিখতে হলেও hyphen বসাতে হয়। বাংলার মতো ইংরেজিতেও ছোট ছোট চিহ্ন বাক্যের অর্থ বদলে দিতে পারে, তাই এদের কাজ আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
উদাহরণ:
mother-in-law, well-known, rock-hard, load-shedding। - ৪৮. Students have free — to the teachers.
- ক. excess
- খ. access
- গ. axcess
- ঘ. axces
উত্তর: খ. access
‘Access’ একটি বিশেষ্য, এর অর্থ প্রবেশাধিকার বা সুযোগ। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায়, ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষকদের কাছে অবাধে যাওয়ার সুযোগ পায়। সেই অর্থে ‘free access to’ একটি স্বাভাবিক বাক্যাংশ। Excess শব্দের অর্থ আধিক্য বা বাড়াবাড়ি, তাই এখানে বসে না। Axcess ও axces নামে ইংরেজিতে কোনো শব্দই নেই, ওগুলো শুধু ভুল বানান।
উদাহরণ:
Everyone has access to clean water.
Excess of salt is harmful to health.
মনে রাখুন:
Access (প্রবেশাধিকার) ও Excess (বাড়াবাড়ি) দেখতে কাছাকাছি, কিন্তু অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা।
Assess মানে মূল্যায়ন করা, এটিও একই রকম দেখতে আরেকটি শব্দ। - ৫০. Select the word with right spelling :
- ক. newtral
- খ. neutral
- গ. neutrel
- ঘ. newtrel
উত্তর: খ. neutral
Neutral শব্দের অর্থ নিরপেক্ষ, অর্থাৎ যে কোনো পক্ষ নেয় না। এর সঠিক বানান n-e-u-t-r-a-l। অনেকে উচ্চারণ শুনে ভুল করে ‘newtral’ লিখে ফেলে, তবে ইংরেজিতে ‘eu’ দিয়েই এই শব্দ লেখা হয়। বাকি তিনটি বানানই ভুল। এই শব্দের noun রূপ neutrality, আর verb রূপ neutralize। বানান মনে রাখার একটি সহজ উপায় হলো neutron-এর সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া, কারণ দুটি শব্দেই ‘neutr’ অংশটি আছে।
উদাহরণ: The country remained neutral during the war.
মনে রাখুন:
একই ধরনের ‘eu’ যুক্ত শব্দ: Neutron, Europe, Feud, Pneumonia।
সুইজারল্যান্ডকে নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে চেনা হয়। - ৬১. I got the work — by him.
- ক. have done
- খ. done
- গ. do
- ঘ. to be done
উত্তর: খ. done
‘Get’ ক্রিয়া দিয়ে ‘কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করানো’ বোঝালে কাজটির পরে ক্রিয়ার past participle (Verb-এর তৃতীয় রূপ) বসে। এখানে কাজটি অন্যের দ্বারা করানো হয়েছে, তাই ‘the work’-এর পরে done বসবে। অর্থাৎ বাক্যটি হলো I got the work done by him। Do বা to be done বসালে কাঠামো ঠিক থাকে না, আর have done বসলে কর্তাই কাজটি করেছে বলে মনে হয়।
গঠন: Subject + get/got + object + past participle।
উদাহরণ:
She got her hair cut.
I will get my car repaired.
মনে রাখুন: Get-এর জায়গায় have-ও বসে, যেমন I had my house painted। আবার get + object + to + verb দিয়ে বলা যায় I got him to do the work। - ৬৫. Who of the following is a poet?
- ক. John Keats
- খ. John Locke
- গ. Charles Dickens
- ঘ. Mary Shelley
উত্তর: ক. John Keats
John Keats (১৭৯৫–১৮২১) ইংরেজ রোমান্টিক যুগের কবি। তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘Ode to a Nightingale’, ‘Ode on a Grecian Urn’ ও ‘To Autumn’। মাত্র ২৫ বছর বয়সে রোমে তাঁর মৃত্যু হয়। বাকিরা কবি নন: John Locke দার্শনিক, Charles Dickens ঔপন্যাসিক, আর Mary Shelley ‘Frankenstein’ উপন্যাসের লেখক।
মনে রাখুন:
Keats-এর বিখ্যাত উক্তি: ‘A thing of beauty is a joy for ever.’ (Endymion)
Keats-এর অন্য কাব্য ‘Endymion’ ও ‘Hyperion’।
রোমান্টিক যুগের অন্য কবি: Wordsworth, Coleridge, Byron, Shelley।
Dickens-এর উপন্যাস: Oliver Twist, David Copperfield। - ৭১. The passive form of the sentence 'The boy laughed at the lame man' is—.
- ক. The lame man was laughed by the boy.
- খ. The lame man was laughed at by the boy.
- গ. The lame man was being laughed by the boy.
- ঘ. The lame man was being laughed at by the boy.
উত্তর: খ. The lame man was laughed at by the boy.
‘laugh at’ একটি phrasal verb, অর্থাৎ ক্রিয়ার সঙ্গে preposition যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণ অর্থ তৈরি করে। Passive করার সময় ক্রিয়ার সঙ্গে থাকা এই preposition বাদ যায় না, তাই ‘at’ ঠিক জায়গায় থেকে যাবে। ফলে সঠিক রূপ হলো The lame man was laughed at by the boy। Simple past tense হওয়ায় ‘was being’ লাগে না।
মনে রাখুন: ‘was being + v₃’ লাগে past continuous tense-এ।
উদাহরণ: They looked after the child → The child was looked after by them. - ৭২. The headmaster was angry — the students.
- ক. for
- খ. at
- গ. with
- ঘ. by
উত্তর: গ. with
কোনো ব্যক্তির ওপর রাগ প্রকাশ করতে ‘angry with’ বসে, আর কোনো বিষয় বা ঘটনায় রাগ বোঝাতে ‘angry at/about’ বসে। এখানে রাগের লক্ষ্য ‘the students’ অর্থাৎ ব্যক্তি, তাই with ঠিক। For ও by বসালে বাক্যের অর্থ স্বাভাবিক থাকে না। ইংরেজিতে কোন শব্দের সঙ্গে কোন preposition বসবে, তা মুখস্থ রাখাই ভালো।
উদাহরণ:
She was angry with her friend.
He was angry at the delay.
মনে রাখুন: Pleased with (ব্যক্তি/বস্তু), Satisfied with, Disappointed with, Annoyed with।
অন্যদিকে Surprised at, Shocked at, Afraid of, Fond of। - ৭৩. It is 10 o'clock — my watch.
- ক. by
- খ. in
- গ. at
- ঘ. of
উত্তর: ক. by
কারও ঘড়ি অনুযায়ী সময় বলতে ‘by my watch’ বসে। এখানে ‘by’ মানে ‘অনুসারে’ বা ‘হিসাবে’। বাক্যটির অর্থ, আমার ঘড়ি ধরলে এখন ১০টা বাজে। At বা in এখানে স্বাভাবিক নয়, কারণ ঘড়ি সময় মাপার মাধ্যম, কোনো জায়গা বা মুহূর্ত নয়। সময় বলার অন্য একটি ভঙ্গি হলো ‘by the clock’।
উদাহরণ:
It is five past six by my watch.
Time is measured by the clock.
মনে রাখুন:
‘by’ ব্যবহার হয় মাধ্যম বা উপায় বোঝাতেও, যেমন by bus, by hand।
কর্মবাচ্যে কর্তা বোঝাতেও by বসে, যেমন The book was written by him। - ৭৬. The synonym for the word 'tender' is—.
- ক. strong
- খ. robust
- গ. soft
- ঘ. hard
উত্তর: গ. soft
‘Tender’ বিশেষণ হিসেবে অর্থ কোমল বা নরম। তাই এর কাছাকাছি অর্থ ‘soft’। Strong ও robust বলতে শক্তিশালী বা বলিষ্ঠ বোঝায়, আর hard মানে কঠিন বা শক্ত, যা tender-এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। মাংস নরম ও রসালো হলেও tender বলা হয়, আবার মানুষের স্নেহশীল মনও tender।
উদাহরণ: The meat was tender and juicy।
She spoke in a tender voice.
মনে রাখুন:
‘Tender’ শব্দের অন্য অর্থ: স্নেহশীল (a tender heart), আর noun বা verb হিসেবে দরপ্রস্তাব বা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দেওয়া।
বিপরীত শব্দ: tough, rough, hard।
বাংলাদেশ
- ৩. বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়—
- ক. ২০১০ সালে
- খ. ২০১৫ সালে
- গ. ২০১৭ সালে
- ঘ. ২০১৮ সালে
উত্তর: গ. ২০১৭ সালে
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ভাষণ দেন, তা ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল’ (Memory of the World) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ভাষণটি প্রায় ১৮ মিনিটের এবং এটি কোনো লিখিত বক্তব্য ছাড়াই দেওয়া হয়েছিল। এই ভাষণেই বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রামের দিকনির্দেশ ছিল।
মনে রাখুন:
ভাষণের বিখ্যাত লাইন: ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
ইউনেস্কোর ‘Memory of the World’ রেজিস্টারে এটি ভাষণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। - ৯. বাংলাদেশে মোট রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
- ক. ৬৭৬
- খ. ৭৮০
- গ. ৫৭৬
- ঘ. ৭৭৬
উত্তর: ক. ৬৭৬
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব দেখানোর জন্য মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় খেতাব দেওয়া হয়েছে। এই খেতাব চার স্তরের, আর এঁদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন। যোগ করে মেলাই: 7 + 68 + 175 + 426 = 676। তাই প্রশ্নের উত্তর ৬৭৬।
মনে রাখুন:
খেতাব প্রদানের গেজেট প্রকাশ হয় ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর।
বীরশ্রেষ্ঠ সাতজনই শহিদ।
সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে বেশি খেতাবপ্রাপ্তের স্তর বীর প্রতীক। - ২০. 'কবর' নাটকের রচয়িতা কে?
- ক. মুনীর চৌধুরী
- খ. জসীমউদ্দীন
- গ. আল মাহমুদ
- ঘ. আনিস চৌধুরী
উত্তর: ক. মুনীর চৌধুরী
মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ‘কবর’ নাটকটি লেখেন, যা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক। এটি তিনি ১৯৫৩ সালে জেলে বসে রচনা করেন। নাটকের নাম ‘কবর’, কারণ ভাষা শহিদদের কবর ঘিরেই কাহিনি গড়ে উঠেছে। বাকি অপশনগুলোর মধ্যে জসীমউদ্দীন ও আল মাহমুদ কবি, তাঁদের পরিচয় নাট্যকার হিসেবে নয়। ‘কবর’ নাটকের প্রথম মঞ্চায়ন হয় ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে।
মনে রাখুন:
মুনীর চৌধুরীর অন্য নাটক: রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, দণ্ডকারণ্য।
জসীমউদ্দীন ‘পল্লিকবি’ নামে পরিচিত।
মুনীর চৌধুরী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহিদ হন। - ২১. কৃষিবিদদের মর্যাদাপূর্ণ প্রথম শ্রেণি প্রদান করেন—
- ক. শেরেবাংলা একে ফজলুল হক
- খ. তাজউদ্দীন আহমদ
- গ. এম মনসুর আলী
- ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর: ঘ. শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দেন এবং কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা দেওয়ার ঘোষণা দেন। ফলে কৃষি স্নাতকরা সরকারি চাকরিতে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা পান। তাই উত্তর শেখ মুজিবুর রহমান। এর আগে কৃষিবিদরা এই মর্যাদা থেকে বঞ্চিত ছিলেন বলে এই সিদ্ধান্ত তাঁদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁর সময়েই এই ঘোষণা আসে।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহে অবস্থিত।
বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন। - ২৩. 'সাবাস বাংলাদেশ' ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
- ক. গাজীপুরের জয়দেবপুরে
- খ. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
- গ. চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে
- ঘ. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর: ঘ. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
‘সাবাস বাংলাদেশ’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিভাস্কর্য। এর ভাস্কর নিতুন কুণ্ডু। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সাহসী যোদ্ধাদের চেতনা এতে ফুটে উঠেছে। আমরা প্রায়ই এটিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অপরাজেয় বাংলা’-র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলি, অথচ দুটি ভিন্ন জায়গার ভিন্ন ভাস্কর্য। স্মৃতিভাস্কর্য হলো এমন ভাস্কর্য, যা কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা মানুষের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য তৈরি করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের এ ধরনের আরও অনেক ভাস্কর্য দেশের নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেখা যায়।
মনে রাখুন:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে ‘অপরাজেয় বাংলা’ ভাস্কর্য আছে, যার শিল্পী সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে, স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রাজু ভাস্কর্য’-এর শিল্পী হামিদুজ্জামান খান। - ২৯. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা কোনটি?
- ক. ময়মনসিংহ
- খ. মেহেরপুর
- গ. যশোর
- ঘ. নওগাঁ
উত্তর: গ. যশোর
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ আক্রমণে যশোর শত্রুমুক্ত হয়। এটিই ছিল প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা। মেহেরপুরে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১-এ মুজিবনগর সরকার শপথ নেয়, কিন্তু মেহেরপুর তখন মহকুমা ছিল, জেলা নয়, তাই এটি উত্তর নয়। যশোর শত্রুমুক্ত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধের গতি আরও দ্রুত হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান, তারপর ভারত।
যশোর সেনানিবাস ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। - ৩৩. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে কোন সালে প্রথম দেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
- ক. ১৯৮০
- খ. ১৯৮১
- গ. ১৯৮২
- ঘ. ১৯৮৩
উত্তর: খ. ১৯৮১
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হলে শেখ হাসিনা তখন বিদেশে থাকায় বেঁচে যান। এরপর দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে প্রথম দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার কিছুদিন আগে, ১৯৮১ সালে, তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তাই প্রশ্নের উত্তর ১৯৮১। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি স্বামী ও বোন শেখ রেহানার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন।
মনে রাখুন:
শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন।
১৯৭৫ সালে তাঁর বোন শেখ রেহানাও বিদেশে থাকায় বেঁচে যান। - ৩৭. 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি'-গানটির সুরকার কে?
- ক. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
- খ. আলতাফ মাহমুদ
- গ. সুবল দাস
- ঘ. আলাউদ্দিন আলী
উত্তর: খ. আলতাফ মাহমুদ
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির কথা লিখেছেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। গানটির প্রথম সুর করেছিলেন আবদুল লতিফ, আর বর্তমানে যে সুরে গানটি গাওয়া হয় তার সুরকার আলতাফ মাহমুদ। প্রথম এটি প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনে। প্রশ্নে সুরকার জানতে চাওয়া হয়েছে, গীতিকার নয়, তাই আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী উত্তর নন। একুশের এই গানটি ভাষা আন্দোলনের সবচেয়ে বিখ্যাত গান হিসেবে প্রতি ফেব্রুয়ারিতে সবার মুখে মুখে শোনা যায়।
মনে রাখুন:
আলতাফ মাহমুদ মুক্তিযুদ্ধের সময় শহিদ হন।
প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ।
গানের গীতিকার আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ, বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ। - ৪০. প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান কোনটি?
- ক. BARI
- খ. BRRI
- গ. BADC
- ঘ. BINA
উত্তর: গ. BADC
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) সরকারের পক্ষ থেকে ভালো মানের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও কৃষকের কাছে বিতরণের কাজ করে। এ ছাড়া সার ও সেচ যন্ত্রপাতি সরবরাহের দায়িত্বও এর। অন্যদিকে BARI ও BRRI মূলত গবেষণা করে নতুন জাত উদ্ভাবন করে, আর সেই উদ্ভাবিত জাতের বীজ ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে কৃষকের হাতে পৌঁছানোর কাজটি করে BADC। BINA পরমাণু প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে নতুন ফসলের জাত বের করে।
মনে রাখুন:
BARI: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর।
BRRI: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর।
BINA: বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, ময়মনসিংহ। - ৪২. বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি কোন দেশের সাথে?
- ক. চীন
- খ. ভারত
- গ. যুক্তরাষ্ট্র
- ঘ. জার্মানি
উত্তর: ক. চীন
বাংলাদেশ যেসব দেশ থেকে পণ্য আমদানি করে, তার মধ্যে চীন বহু বছর ধরে শীর্ষে আছে। কাপড়, যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ও ইলেকট্রনিক সামগ্রীর বড় অংশ আসে চীন থেকে। আমদানি ও রপ্তানি মিলিয়ে মোট বাণিজ্যের হিসাবে তাই চীন প্রথম স্থানে থাকে, ভারত থাকে দ্বিতীয় স্থানে। শুধু রপ্তানির হিসাব ধরলে অবশ্য সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র, কারণ আমাদের তৈরি পোশাকের বড় ক্রেতা সেখানে। এ কারণে আমদানি ও রপ্তানির প্রশ্নে উত্তর আলাদা হতে পারে, তাই প্রশ্নটি ভালোভাবে পড়া জরুরি।
মনে রাখুন:
আমদানিতে শীর্ষ দেশ: চীন, তারপর ভারত।
রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, তারপর জার্মানি।
রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে বড় খাত তৈরি পোশাক। - ৪৫. বাংলাদেশে কৃষি দিবস কোনটি?
- ক. পহেলা অগ্রহায়ণ
- খ. পহেলা কার্তিক
- গ. পহেলা আষাঢ়
- ঘ. পহেলা পৌষ
উত্তর: ক. পহেলা অগ্রহায়ণ
বাংলাদেশে প্রতিবছর ১ অগ্রহায়ণ, অর্থাৎ ১৫ নভেম্বর তারিখে কৃষি দিবস পালিত হয়। অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটা শুরু হয়, কৃষকের ঘরে নতুন ফসল ওঠে, তাই এই সময়টিকে কৃষি দিবসের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। দিনটিকে কৃষি ও কৃষকের অবদান স্মরণ করার উপলক্ষ হিসেবে দেখা হয়। এই সময়ে গ্রামবাংলায় নবান্ন উৎসবও হয়, যেখানে নতুন ধানের চালে পিঠা-পায়েস তৈরি করা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলা বছরের মাসের ক্রম: বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পৌষ, মাঘ, ফাল্গুন, চৈত্র।
আমন ধান কাটা হয় কার্তিক-অগ্রহায়ণে। - ৪৭. পাটের জিন রহস্য আবিষ্কারক বিজ্ঞানী কে?
- ক. অধ্যাপক আব্দুস সালাম
- খ. ড. মোঃ সিদ্দিকুল্লাহ
- গ. ড. কুদরাত-এ-খুদা
- ঘ. ড. মাকসুদুল আলম
উত্তর: ঘ. ড. মাকসুদুল আলম
বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একটি গবেষণা দল পাটের জিনোম (Genome) বা জীবনরহস্য উন্মোচন করেছিল। জিনোম মানে কোনো জীবের সমস্ত জিনের পূর্ণ সংকেত। এই সাফল্যের ফলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ও রোগ-প্রতিরোধী পাটের জাত উদ্ভাবনের পথ খুলে গেছে। বাকি তিনজন অন্য পরিচয়ে খ্যাত: কৃষি বিজ্ঞানী হিসেবে ড. কুদরাত-এ-খুদা পরিচিত, আর পদার্থবিজ্ঞানী আব্দুস সালাম নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
মনে রাখুন:
পাটের বৈজ্ঞানিক নাম Corchorus।
ড. মাকসুদুল আলম পেঁপে ও রাবারের জিনোম নিয়েও কাজ করেছেন।
পাটকে বলা হয় সোনালি আঁশ।
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) ঢাকায় অবস্থিত। - ৫১. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কোন উইংটি মাঠ পর্যায় পর্যন্ত তত্ত্বাবধান করে থাকে?
- ক. ফিল্ড সার্পোট সার্ভিস উইং
- খ. সরেজমিন উইং
- গ. সংগনিরোধ উইং
- ঘ. প্রশাসনিক উইং
উত্তর: খ. সরেজমিন উইং
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) কয়েকটি উইং বা শাখায় ভাগ হয়ে কাজ করে। এর মধ্যে সরেজমিন উইং, ইংরেজিতে Field Services Wing, মাঠ পর্যায়ে কৃষকের কাছে প্রযুক্তি ও পরামর্শ পৌঁছে দেওয়ার কাজ তদারক করে। জেলা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং মাঠের অন্যান্য কর্মীর কাজ এই উইংয়ের আওতায় পড়ে।
মনে রাখুন:
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সদর দপ্তর ঢাকার খামারবাড়িতে।
মাঠ পর্যায়ে সবচেয়ে নিচের স্তরে থাকেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, যিনি ব্লক বা কয়েকটি গ্রামের দায়িত্বে থাকেন। - ৫৩. বাংলাদেশের সীমানায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি হয়েছে কোন নদীটি?
- ক. কর্ণফুলী
- খ. কুশিয়ারা
- গ. হালদা
- ঘ. যমুনা
উত্তর: গ. হালদা
হালদা নদীর উৎপত্তি পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার পাহাড় থেকে, আর এটি বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বয়ে গিয়ে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীতে পড়েছে। অর্থাৎ নদীটির উৎস ও মোহনা দুটোই বাংলাদেশের মধ্যে। কর্ণফুলীর উৎস ভারতের মিজোরামে, কুশিয়ারা আসে ভারতের বরাক নদী থেকে, আর যমুনা এসেছে ব্রহ্মপুত্র থেকে, তাই এই তিনটি নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশের বাইরে।
মনে রাখুন:
হালদা দেশের একমাত্র জোয়ার-ভাটার প্রভাবযুক্ত প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, এখানে রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছ ডিম ছাড়ে।
হালদা চট্টগ্রামের রাউজান, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলার ওপর দিয়ে গেছে। - ৫৫. বাংলাকে গণপরিষদের ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি প্রথম কে উত্থাপন করেন?
- ক. অলি আহাদ
- খ. শ্রী মনোরঞ্জন ধর
- গ. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- ঘ. শামসুল আলম
উত্তর: গ. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের করাচি অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রথম দাবি তোলেন যে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের ভাষা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। এই ঘটনা পূর্ব বাংলার মানুষকে ক্ষুব্ধ করে এবং পরবর্তী ভাষা আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হয়ে ওঠে।
মনে রাখুন:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্ম কুমিল্লায়। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনারা তাঁকে হত্যা করে।
ভাষা আন্দোলনের অন্য ঘটনা: ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা দিবস, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি।
১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়। - ৫৯. বাংলাদেশের 'শ্বেতস্বর্ণ' বলা হয় কোনটিকে?
- ক. ইলিশ মাছ
- খ. চিংড়ি মাছ
- গ. পাট
- ঘ. ধান
উত্তর: খ. চিংড়ি মাছ
চিংড়ি মাছ বিদেশে রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। এর দাম অনেক বেশি এবং চাহিদাও বিশ্বজুড়ে বেশি, তাই চিংড়িকে ‘শ্বেতস্বর্ণ’ বা ‘সাদা সোনা’ (White Gold) বলা হয়। পাট আমাদের এক সময়ের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল, তাকে বলা হয় সোনালি আঁশ। ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ, তাই সেটি এই উপাধি পায়নি। খুলনা অঞ্চলের নোনা পানির ঘেরে এই চিংড়ি চাষ করা হয়।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের চিংড়ি চাষের প্রধান এলাকা খুলনা, বাগেরহাট ও কক্সবাজার।
হিমায়িত চিংড়ি মাছ রপ্তানির অন্যতম প্রধান পণ্য।
২০১৭ সালে ইলিশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্যের স্বীকৃতি পায়। - ৬০. 'হাড়িভাঙ্গা' কীসের জাত?
- ক. কলা
- খ. আম
- গ. পেঁপে
- ঘ. লিচু
উত্তর: খ. আম
‘হাড়িভাঙ্গা’ আমের একটি বিখ্যাত জাত। এই আম রংপুর অঞ্চলে, বিশেষত মিঠাপুকুর উপজেলায় বিপুল পরিমাণে জন্মায় এবং সুস্বাদু হওয়ায় সারা দেশে পরিচিত। জাতটি বাণিজ্যিকভাবেও জনপ্রিয়, তাই বাজারে এর চাহিদা অনেক। কলা, পেঁপে বা লিচুর জাত হিসেবে এই নামটি পরিচিত নয়। আমের জাত চেনার সময় অঞ্চলের নামও মনে রাখা ভালো: রংপুরের হাড়িভাঙ্গা, রাজশাহীর ল্যাংড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি। গ্রীষ্মকালে এসব আম পাকে, আর আমকে আমরা ফলের রাজা বলি।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশের জনপ্রিয় আমের জাত: হিমসাগর বা খিরসাপাত, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ফজলি, আম্রপালি।
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের জন্য বিখ্যাত।
আমগাছ বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ এবং কাঁঠাল জাতীয় ফল। - ৬২. বাংলাদেশের একমাত্র প্রধান বহু শস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির সংক্ষিপ্ত নাম কী?
- ক. BRRI
- খ. BINA
- গ. BJRI
- ঘ. BARI
উত্তর: ঘ. BARI
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এটি ধান ছাড়া অন্য প্রায় সব ফসল, যেমন গম, ডাল, তেলবীজ, সবজি ও ফল নিয়ে গবেষণা করে। এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় গাজীপুরের জয়দেবপুরে। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭৬ সালে বর্তমান নামে গড়ে ওঠে। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট ফসলে সীমাবদ্ধ, যেমন BRRI শুধু ধান নিয়ে আর BJRI শুধু পাট নিয়ে কাজ করে। এই গবেষণার ফলে নতুন নতুন উচ্চফলনশীল জাত কৃষকের হাতে পৌঁছায়।
মনে রাখুন:
BRRI: ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর।
BJRI: পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা।
BINA: পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, ময়মনসিংহ। - ৬৮. শেখ মুজিবুর রহমান '৬ দফা' কোথায় ঘোষণা করেন?
- ক. ঢাকা
- খ. চট্টগ্রাম
- গ. লাহোর
- ঘ. কলকাতা
উত্তর: গ. লাহোর
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক জাতীয় সম্মেলনে বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের দাবি হিসেবে ছয় দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। সম্মেলনের বিষয় নির্বাচনী কমিটি প্রস্তাবটি আলোচনায় নিতে রাজি হয়নি, তাই পরে তিনি ঢাকায় ফিরে দলীয়ভাবে এটি প্রচার শুরু করেন। এই ছয় দফা পরবর্তী সময়ে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত হয়।
মনে রাখুন:
ছয় দফাকে বলা হয় বাঙালির ‘মুক্তির সনদ’।
এরপর ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালে নির্বাচন। - ৭৪. বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ কোনটি?
- ক. ইরান
- খ. ইরাক
- গ. মিশর
- ঘ. সিরিয়া
উত্তর: খ. ইরাক
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। এ কারণে ইরাককে বাংলাদেশের স্বীকৃতিদাতা প্রথম আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ধরা হয়। এর অল্প কিছুদিন পর অন্য আরব দেশগুলোও স্বীকৃতি দেয়। ইরান, মিশর ও সিরিয়া এই তালিকার আগে আসেনি, তাই প্রশ্নের উত্তর ইরাক।
মনে রাখুন:
বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১), দ্বিতীয় ভারত (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)।
বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশে ফেরেন।
পাকিস্তান স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৪ সালে।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয়। - ৭৯. কয়টি একক ফসলের উন্নয়ন সংস্থাকে একত্রিত করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গঠিত হয়?
- ক. চারটি
- খ. পাঁচটি
- গ. ছয়টি
- ঘ. আটটি
উত্তর: গ. ছয়টি
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) ১৯৮২ সালে ফসলের উন্নয়নে নিয়োজিত ছয়টি আলাদা সংস্থাকে একত্রিত করে গঠিত হয়। এর ফলে কৃষকের কাছে প্রযুক্তি, পরামর্শ ও সেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ একটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে আসে। আগে সংস্থাগুলো আলাদা আলাদা করে কাজ করত বলে সমন্বয়ের অভাব ছিল। ‘সম্প্রসারণ’ মানে গবেষণাগারে পাওয়া নতুন জ্ঞান ও প্রযুক্তি মাঠের কৃষকের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া।
মনে রাখুন:
অধিদপ্তরটির সদর দপ্তর ঢাকার খামারবাড়িতে।
এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন।
মাঠপর্যায়ে কৃষকের সঙ্গে সরাসরি কাজ করেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা।
গবেষণা করে BARI, BRRI-এর মতো প্রতিষ্ঠান, আর সেই ফল কৃষকের কাছে নিয়ে যায় DAE। - ৮২. বিদেশের কোন মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়?
- ক. নিউইয়র্ক
- খ. ওয়াশিংটন
- গ. লন্ডন
- ঘ. কলকাতা
উত্তর: ঘ. কলকাতা
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় পাকিস্তান মিশনের উপ-হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলী বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন। সেদিন মিশনের ভবনে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। সেটিই বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন। নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন বা লন্ডনে এর আগে কোনো মিশন বাংলাদেশের পতাকা তোলেনি। পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের পক্ষে আসা এই কূটনীতিকদের কাজ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিদেশে জনমত তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে।
মনে রাখুন:
কলকাতার সার্কাস অ্যাভিনিউয়ের এই ভবন এখন বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।
মুজিবনগর সরকার শপথ নেয় ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে।
প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল।
বাংলা
- ৪. অমর একুশের প্রথম কবিতা কোনটি?
- ক. বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা
- খ. স্মৃতিস্তম্ভ
- গ. কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
- ঘ. একুশে ফেব্রুয়ারি
উত্তর: গ. কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
মাহবুব-উল আলম চৌধুরী ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটি লেখেন। একুশ নিয়ে লেখা প্রথম কবিতা হিসেবে এটিকেই ধরা হয়। অন্য অপশনের কবিতাগুলো একই বিষয়ে লেখা হলেও সেগুলো পরের রচনা: ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ আলাউদ্দিন আল আজাদের এবং ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’ শামসুর রাহমানের কবিতা। ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের সেই রক্তাক্ত দিন, যার স্মরণে ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে।
মনে রাখুন:
ভাষা আন্দোলনের বিখ্যাত গান আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’।
‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান।
ভাষা আন্দোলনের সময়কাল ১৯৫২ সাল। - ১০. মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক নয় কোনটি?
- ক. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
- খ. এই দেশে এই বেশে
- গ. ঘুম নেই
- ঘ. নূরলদীনের সারাজীবন
উত্তর: ঘ. নূরলদীনের সারাজীবন
সৈয়দ শামসুল হকের 'নূরলদীনের সারাজীবন' ১৭৮২-৮৩ সালের রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনকে নিয়ে লেখা, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নয়। অন্যদিকে 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। - ২২. 'কান ভারী করা' বাগধারাটির সঠিক অর্থ—
- ক. কানে প্রলেপ দেওয়া
- খ. কুপরামর্শ দেওয়া
- গ. কানে কম শোনা
- ঘ. কানে ওজনদার গহনা পরা
উত্তর: খ. কুপরামর্শ দেওয়া
বাগধারা (Idiom) হলো এমন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ আক্ষরিক নয়, বিশেষ। ‘কান ভারী করা’ বাগধারার অর্থ কুপরামর্শ দেওয়া বা কারও বিরুদ্ধে কানে কানে নিন্দা করে তাকে প্রভাবিত করা। শব্দ ধরে ‘কানে ওজনদার গহনা’ বা ‘কানে কম শোনা’ অর্থ করলে ভুল হবে। বাগধারার সঠিক অর্থ না জেনে শব্দগুলো ধরে অর্থ করতে গেলেই এমন ভুল হয়।
মনে রাখুন:
কান পাতলা = সহজে অন্যের কথায় বিশ্বাস করে এমন।
চিনে জোঁক = নাছোড়বান্দা।
ভুঁইফোঁড় = হঠাৎ গজিয়ে ওঠা।
কান ভাঙানো = কারও বিরুদ্ধে অন্যকে কুমন্ত্রণা দেওয়া। - ২৬. 'দশাসই' শব্দের অর্থ—
- ক. লিকলিকে
- খ. লম্বা-চওড়া
- গ. মন্দভাগ্য
- ঘ. মোটাসোটা
উত্তর: খ. লম্বা-চওড়া
‘দশাসই’ একটি বিশেষণ, যার মানে বিশাল দেহের, লম্বা-চওড়া। যেমন: দশাসই চেহারা। ‘লিকলিকে’ মানে শীর্ণ ও পাতলা, আর ‘মন্দভাগ্য’ সম্পূর্ণ অন্য অর্থের শব্দ। ‘মোটাসোটা’ দিয়ে শুধু স্থূলতা বোঝায়, কিন্তু দশাসই-এ উচ্চতা ও প্রস্থ দুটি মিলিয়ে দেহের বিশালত্ব বোঝায়। এ কারণেই প্রশ্নে শব্দটির মূল ভাব হিসেবে বিশাল আকৃতির কথাই আসে। তাই প্রশ্নের সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর লম্বা-চওড়া। কথা বলার সময় আমরা কারও চেহারার বর্ণনায় এই শব্দটি ব্যবহার করি।
মনে রাখুন:
লিকলিকে = শীর্ণ, রোগা।
মন্দভাগ্য = দুর্ভাগা। - ২৭. হুমায়ূন আহমেদের 'জোছনা ও জননীর গল্প' উপন্যাস কী বিষয় অবলম্বনে রচিত?
- ক. মুক্তিযুদ্ধ
- খ. দেশভাগ
- গ. গণঅভ্যুত্থান
- ঘ. ভাষা আন্দোলন
উত্তর: ক. মুক্তিযুদ্ধ
হুমায়ূন আহমেদের ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ (২০০৪) উপন্যাসের পটভূমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। এতে যুদ্ধের সময় সাধারণ মানুষের জীবন ও কষ্টের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বইয়ে যুদ্ধের ভয়াবহতার পাশাপাশি মানুষের সাহস ও ভালোবাসার কথাও আছে। দেশভাগ, গণঅভ্যুত্থান বা ভাষা আন্দোলন এই উপন্যাসের মূল বিষয় নয়।
মনে রাখুন:
তাঁর মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস: ১৯৭১, শ্যামল ছায়া, সূর্যের দিন।
‘নন্দিত নরকে’ (১৯৭২) তাঁর প্রথম উপন্যাস।
হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনায়, মৃত্যু ২০১২ সালে।
তাঁর সৃষ্ট জনপ্রিয় চরিত্র হিমু ও মিসির আলী। - ৩১. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত রচিত উপন্যাস কোনটি?
- ক. নির্বাসিতা
- খ. অক্টোপাস
- গ. রায়নন্দিনী
- ঘ. পদ্মরাগ
উত্তর: ঘ. পদ্মরাগ
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারী জাগরণের অগ্রদূত। তাঁর উপন্যাসের নাম ‘পদ্মরাগ’ (১৯২৪)। তাঁর বিখ্যাত ‘সুলতানার স্বপ্ন’ আসলে ইংরেজিতে লেখা একটি কল্পকাহিনি। বাকি অপশনগুলো অন্য লেখকের: ‘নির্বাসিতা’ সৈয়দ শামসুল হকের লেখা এবং ‘রায়নন্দিনী’ সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর। রোকেয়াকে ‘নারী জাগরণের অগ্রদূত’ বলা হয়, কারণ তিনি নারীশিক্ষার জন্য আজীবন কাজ করেছেন।
মনে রাখুন:
রোকেয়ার প্রবন্ধগ্রন্থ: মতিচূর, অবরোধবাসিনী।
তাঁর জন্ম ১৮৮০ সালে রংপুরের পায়রাবন্দে।
তিনি ১৯১১ সালে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
‘সুলতানার স্বপ্ন’ প্রকাশিত হয় ১৯০৫ সালে। - ৩৬. 'Walk-out' শব্দের বাংলা পরিভাষা—
- ক. সভা বর্জন
- খ. নিয়মিত হাঁটা
- গ. হরতাল
- ঘ. কর্ম-পরিকল্পনা
উত্তর: ক. সভা বর্জন
Walk-out শব্দের অর্থ প্রতিবাদে কোনো সভা বা অধিবেশন থেকে একযোগে বেরিয়ে আসা। বাংলায় একে সভা বর্জন বা সভাত্যাগ বলা হয়। সংসদে বিরোধী দল প্রতিবাদে ওয়াকআউট করে, সংবাদে আমরা প্রায়ই তা শুনি। অন্য অপশনের মানে আলাদা: হরতাল হলো কর্মবিরতি, আর ‘নিয়মিত হাঁটা’ হলো আক্ষরিক অনুবাদ, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না। সংসদীয় রীতিতে ওয়াকআউট বিরোধিতার একটি শান্তিপূর্ণ প্রতীক, যেখানে সদস্যরা কক্ষ ছেড়ে চলে যান।
মনে রাখুন: পরিভাষা: Boycott = বয়কট বা বর্জন, Strike = ধর্মঘট।
উদাহরণ: স্পিকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করল। - ৪৬. বাক্-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে উচ্চারিত আওয়াজকে বলা হয়—
- ক. ধ্বনি
- খ. শব্দ
- গ. বর্ণ
- ঘ. ধাতু
উত্তর: ক. ধ্বনি
আমরা মুখের বাক্প্রত্যঙ্গ, যেমন জিভ, ঠোঁট, দাঁত ও তালু ব্যবহার করে যে আওয়াজ তৈরি করি, তাকে ধ্বনি (Sound) বলে। ধ্বনি কানে শোনা যায়, কিন্তু চোখে দেখা যায় না। এই ধ্বনিকে লিখে বোঝানোর জন্য যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তার নাম বর্ণ (Letter)। এক বা একাধিক ধ্বনি মিলে অর্থ প্রকাশ করলে তা শব্দ হয়।
মনে রাখুন:
ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি।
ধাতু হলো ক্রিয়াপদের মূল অংশ, যেমন ‘করছি’ শব্দে ‘কর্’।
ধ্বনি ও বর্ণের এই তফাত মনে রাখতে পারলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না। - ৫২. বাংলা ভাষায় সনেটের জনক কে?
- ক. জন মিল্টন
- খ. উইলিয়াম শেক্সপিয়ার
- গ. ফ্রান্সিসকো পেত্রার্ক
- ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর: ঘ. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ইতালীয় ভাষায় চৌদ্দ পঙ্ক্তির কবিতাকে সনেট (Sonnet) বলে। বাংলা ভাষায় এর প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনি ‘চতুর্দশপদী’ নামে এই বাংলা সনেট লিখেছিলেন, আর তাঁর সনেট-সংকলনের নাম ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ (১৮৬৬)। বিশ্বসাহিত্যে সনেটের জনক ইতালির কবি পেত্রার্ক, আর শেক্সপিয়ার ও মিল্টন ইংরেজিতে সনেট লিখেছেন, কিন্তু বাংলা ভাষার প্রশ্নে উত্তর মধুসূদন।
মনে রাখুন:
মধুসূদনের আরও কীর্তি: বাংলায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন।
তাঁর মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১)।
তাঁর প্রথম বাংলা নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’ (১৮৫৯)।
সনেটের দুটি অংশ: অষ্টক (প্রথম আট পঙ্ক্তি) ও ষটক (শেষ ছয় পঙ্ক্তি)। - ৫৬. 'জল' শব্দের সমার্থক শব্দ—
- ক. বারিধি
- খ. অর্ণব
- গ. উদক
- ঘ. জলেশ
উত্তর: গ. উদক
‘জল’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো উদক। ‘উদক’ শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে এবং জল অর্থে ব্যবহৃত হয়। বাকি তিনটি শব্দের অর্থ আলাদা: বারিধি, অর্ণব ও জলেশ সবই সমুদ্র বা সাগর বোঝায়। ‘বারি’ ও ‘জল’ শব্দ দুটির সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় শব্দগুলো দেখে বিভ্রান্তি হতে পারে, তাই অর্থের দিকে নজর রাখা জরুরি। সাহিত্যের ভাষায় ‘সলিল’ ও ‘বারি’ শব্দ দুটি জল অর্থে খুব চলে, তাই অপশনে এ ধরনের শব্দ এলে সাগরের নামগুলোর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা চলবে না।
মনে রাখুন:
জলের সমার্থক: পানি, বারি, সলিল, নীর, তোয়, অম্বু, অপ।
সাগরের সমার্থক: সিন্ধু, জলধি, বারিধি, অর্ণব, রত্নাকর।
মেঘের সমার্থক: জলদ, নীরদ, বারিদ, অম্বুদ। - ৫৭. আধুনিক বাংলা কবিতায় 'ভোরের পাখি' কে?
- ক. কায়কোবাদ
- খ. ফররুখ আহমদ
- গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
- ঘ. জীবনানন্দ দাশ
উত্তর: গ. বিহারীলাল চক্রবর্তী
আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার সূচনা করেছেন কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী (১৮৩৫–১৮৯৪)। তাঁর কবিতায় প্রথম কবির নিজের অনুভূতি ও আবেগ স্বচ্ছন্দভাবে প্রকাশ পেয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ‘ভোরের পাখি’ বলে অভিহিত করেন, কারণ ভোরের পাখি যেমন নতুন দিনের আগমন জানায়, বিহারীলালও তেমনি নতুন যুগের কবিতার আগমনী গেয়েছেন। তাই কায়কোবাদ, ফররুখ আহমদ বা জীবনানন্দ দাশ নন, উত্তর বিহারীলাল। রবীন্দ্রনাথ নিজেও বিহারীলালের কবিতার অনুরাগী ছিলেন।
মনে রাখুন:
বিহারীলালের বিখ্যাত কাব্য ‘সারদামঙ্গল’ ও ‘সাধের আসন’।
ফররুখ আহমদকে বলা হয় মুসলিম রেনেসাঁর কবি, তাঁর কাব্য ‘সাত সাগরের মাঝি’।
জীবনানন্দ দাশ ‘রূপসী বাংলার কবি’। - ৬৪. কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
- ক. চিলেকোঠার সেপাই
- খ. সূর্য সবুজ রক্ত
- গ. হাজার বছর ধরে
- ঘ. জাহান্নাম হইতে বিদায়
উত্তর: ঘ. জাহান্নাম হইতে বিদায়
শওকত ওসমানের ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে লেখা উপন্যাস। এই উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নির্যাতন ও মানুষের লড়াই ফুটে উঠেছে। বাকি তিনটি উপন্যাসের বিষয় আলাদা: আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘চিলেকোঠার সেপাই’-এ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের কথা আছে, আর জহির রায়হানের ‘হাজার বছর ধরে’ আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবনের গল্প।
মনে রাখুন:
শওকত ওসমানের অন্য রচনা: ‘জননী’, ‘ক্রীতদাসের হাসি’, ‘নেকড়ে অরণ্য’।
শওকত ওসমান (১৯১৭–১৯৯৮) ছদ্মনাম, তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের আরেক বিখ্যাত উপন্যাস ‘খোয়াবনামা’।
একাত্তরের স্মৃতিনির্ভর গ্রন্থ জাহানারা ইমামের ‘একাত্তরের দিনগুলি’। - ৬৭. 'মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান'।- এ চরণটি কে লিখেছেন?
- ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- খ. চন্ডীদাস
- গ. শহীদ কাদরী
- ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর: ঘ. কাজী নজরুল ইসলাম
‘গাহি সাম্যের গান—/ মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান’ চরণ দুটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘মানুষ’ কবিতা থেকে নেওয়া। কবিতাটি ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থে আছে। নজরুল এখানে ধর্ম, বর্ণ ও জাতির ভেদ ভুলে মানুষকেই সবার ওপরে স্থান দিয়েছেন। একই ভাবের কথা চণ্ডীদাসের পঙ্ক্তিতেও আছে, কিন্তু প্রশ্নের চরণ নজরুলের।
মনে রাখুন:
নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, সর্বহারা, ছায়ানট।
‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যে আছে।
চণ্ডীদাসের পঙ্ক্তি: ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’।
নজরুল ১৮৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়ায় জন্মান এবং ১৯৭৬ সালে ঢাকায় মারা যান।
নজরুল আমাদের জাতীয় কবি। - ৬৯. 'চর্যাপদ' কোন যুগের কাব্য?
- ক. প্রাচীন যুগ
- খ. মধ্যযুগ
- গ. অন্ধকার যুগ
- ঘ. আধুনিক যুগ
উত্তর: ক. প্রাচীন যুগ
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়: প্রাচীন যুগ (৬৫০–১২০০), মধ্যযুগ (১২০১–১৮০০) ও আধুনিক যুগ (১৮০১ থেকে)। চর্যাপদ প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গান ও দোহার সংকলন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন। এ কারণে চর্যাপদকে মধ্যযুগ বা আধুনিক যুগের রচনা ভাবা ভুল। পুঁথিটির নাম ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’, আর এর ভাষাকে প্রাচীন বাংলা বলা হয়।
মনে রাখুন:
চর্যাপদের আদি কবি লুইপা।
১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ছাপা হয়।
মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। - ৭৫. কোন বানানটি অশুদ্ধ?
- ক. প্রাঙ্গণ
- খ. সান্ত্বনা
- গ. শ্রীমতি
- ঘ. আশিস
উত্তর: গ. শ্রীমতি
‘শ্রীমতি’ বানানটি অশুদ্ধ, শুদ্ধ রূপ ‘শ্রীমতী’। কারণ ‘মতী’ শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ প্রত্যয়ান্ত, তাই এখানে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। বাকি বানানগুলো ঠিক আছে: প্রাঙ্গণ, সান্ত্বনা ও আশিস। বানান ভুল ধরার সময় আমরা সাধারণত ই-কার ও ঈ-কার, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব এবং যুক্তবর্ণের ওপর বেশি নজর দিই, কারণ এ জায়গাগুলোতেই ভুল বেশি হয়। ‘সান্ত্বনা’ বানানে ‘ন্ত্ব’ যুক্তবর্ণটি আলাদাভাবে লক্ষ করার মতো, আর ‘প্রাঙ্গণ’ বানানে ‘ঙ্গ’ ও ‘ণ’ দুটোই ঠিক রাখতে হয়।
মনে রাখুন:
স্ত্রীলিঙ্গে ‘ঈ’: শ্রীমতী, কল্যাণী, সুন্দরী।
পুরুষবাচক ‘শ্রীমান’।
আরও কিছু শুদ্ধ বানান: উজ্জ্বল, ঊর্ধ্ব, সমীচীন, দুর্বিষহ। - ৭৭. বাংলা গদ্যের জনক কে?
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- গ. উইলিয়াম কেরি
- ঘ. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর: খ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০–১৮৯১)। তিনি বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের ব্যবহার চালু করে একে সহজ ও সুন্দর রূপ দেন। তাঁর রচনায় বাক্যের গঠনে শৃঙ্খলা এসেছিল, তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। বঙ্কিমচন্দ্র উপন্যাসের জনক, আর উইলিয়াম কেরি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের আবিষ্কারক হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখুন:
বিদ্যাসাগরের রচনা: বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, বিধবাবিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব।
তাঁর ‘বর্ণপরিচয়’ (১৮৫৫) বাংলা বর্ণমালা শেখার বিখ্যাত বই।
বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - ৮০. 'পেঁপে' শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে?
- ক. ফরাসি
- খ. ওলন্দাজ
- গ. পর্তুগিজ
- ঘ. ফারসি
উত্তর: গ. পর্তুগিজ
‘পেঁপে’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ষোড়শ শতকে পর্তুগিজ বণিকরা বাংলায় এলে তাদের সঙ্গে কিছু ফল ও জিনিসের নামও আমাদের ভাষায় ঢুকে পড়ে। ফরাসি, ওলন্দাজ বা ফারসি ভাষা থেকে এই শব্দটি আসেনি। মজার ব্যাপার হলো, আমাদের প্রতিদিনের অনেক জিনিসের নাম, যেমন আনারস ও আলমারি, আসলে বিদেশি, কিন্তু আমরা তা খেয়ালই করি না।
মনে রাখুন:
পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, আলপিন, আলমারি, বালতি, চাবি, জানালা, বোতাম, গির্জা, সাবান, পেয়ারা, পাউরুটি, তোয়ালে।
ফারসি শব্দ: কারখানা, দোকান, চশমা।
ওলন্দাজ (ডাচ) শব্দ: ইস্কাপন, হরতন, তুরুপ।
আন্তর্জাতিক
- ৭. মেসোপটেমিয়ার বর্তমান নাম কী?
- ক. সিরিয়া
- খ. মরক্কো
- গ. ইরাক
- ঘ. লেবানন
উত্তর: গ. ইরাক
মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ ‘দুই নদীর মাঝের দেশ’। এটি ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর মাঝের অঞ্চলে গড়ে ওঠা প্রাচীন সভ্যতার এলাকা। এই অঞ্চলের অধিকাংশ বর্তমান ইরাকে পড়ে, তাই আজকের নাম ইরাক। সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয় ও অ্যাসিরীয় সভ্যতা এখানেই গড়ে ওঠে। সিরিয়া, লেবানন বা মরক্কো এই অঞ্চলের আধুনিক নাম নয়। মেসোপটেমিয়াকে ‘উর্বর অর্ধচন্দ্র’ (Fertile Crescent) অঞ্চলের অংশ ধরা হয়।
মনে রাখুন:
ইরাকের রাজধানী বাগদাদ, যা টাইগ্রিস নদীর তীরে।
ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি আইনের জন্য বিখ্যাত।
মেসোপটেমিয়ার সুমেরীয়রা কীলকাকার লিপি তৈরি করেছিল। - ১২. কোন রাজনীতিবিদ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন?
- ক. হেনরি কিসিঞ্জার
- খ. প্যাট্রিস লুমুম্বা
- গ. সালভাদর আলেন্দে
- ঘ. উইনস্টন চার্চিল
উত্তর: ঘ. উইনস্টন চার্চিল
উইনস্টন চার্চিল যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং একজন ইতিহাসবিদ ও লেখকও। তাঁর ঐতিহাসিক ও জীবনীমূলক রচনা এবং বক্তৃতার জন্য ১৯৫৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি শান্তির নয়, সাহিত্যের পুরস্কারই পেয়েছিলেন। বাকি তিনজনের মধ্যে কিসিঞ্জার নোবেল পেয়েছেন শান্তিতে, আর লুমুম্বা ও আলেন্দে নোবেল পুরস্কারই পাননি।
মনে রাখুন:
হেনরি কিসিঞ্জার ১৯৭৩ সালে শান্তিতে নোবেল পান।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে চার্চিল যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন (১৯৪০–৪৫)।
তাঁর বিখ্যাত বই: The Second World War।
চার্চিল আবার ১৯৫১ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। - ১৪. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন?
- ক. ১৯১১
- খ. ১৯১২
- গ. ১৯১৩
- ঘ. ১৯১৪
উত্তর: গ. ১৯১৩
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’-র ইংরেজি রূপ ‘Song Offerings’ (১৯১২)-এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি এশিয়ার প্রথম নোবেলজয়ী। ‘গীতাঞ্জলি’ বাংলায় প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে, আর ইংরেজি অনুবাদটি তিনি নিজেই করেছিলেন। ইংরেজি বইটিতে কবি ইয়েটস ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন।
মনে রাখুন:
অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পান।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পান।
রবীন্দ্রনাথ ‘বিশ্বকবি’ নামে পরিচিত।
রবীন্দ্রনাথের জন্ম ১৮৬১ সালে, মৃত্যু ১৯৪১ সালে।
তাঁর রচিত গান ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। - ১৫. কোন দেশকে 'নিশীথ সূর্যের দেশ' বলা হয়?
- ক. নরওয়ে
- খ. জাপান
- গ. নিউজিল্যান্ড
- ঘ. রাশিয়া
উত্তর: ক. নরওয়ে
নরওয়ের উত্তরের অঞ্চল আর্কটিক বৃত্তের ভেতরে পড়ে। গ্রীষ্মকালে সেখানে কয়েক মাস সূর্য অস্ত যায় না, মাঝরাতেও আকাশে সূর্য দেখা যায়, তাই নরওয়েকে ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’ বলা হয়। বিষয়টি পৃথিবীর হেলে থাকা অক্ষের কারণে ঘটে। অন্য দেশগুলোর উপাধি আলাদা, যেমন জাপানকে বলা হয় ‘উদীয়মান সূর্যের দেশ’।
মনে রাখুন:
নরওয়ের রাজধানী অসলো।
সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলেও মধ্যরাতের সূর্য দেখা যায়।
নিউজিল্যান্ডকে বলা হয় ‘দীর্ঘ সাদা মেঘের দেশ’ (Land of the Long White Cloud)।
নরওয়ের উত্তরের শহর ট্রমসো মধ্যরাতের সূর্য দেখার জন্য পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়। - ২৫. SAARC-এর সদরদপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
- ক. ঢাকা
- খ. দিল্লি
- গ. ইসলামাবাদ
- ঘ. কাঠমান্ডু
উত্তর: ঘ. কাঠমান্ডু
সার্কের (SAARC: South Asian Association for Regional Cooperation) সচিবালয় বা সদরদপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে। সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায়, যার প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। শুরুতে সদস্য ছিল সাতটি, ২০০৭ সালে আফগানিস্তান যোগ দিলে সদস্য আটটি হয়। ঢাকায় সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হলেও সদরদপ্তর সেখানে নয়। সার্কের সচিবালয় কাঠমান্ডুতে স্থাপিত হয় ১৯৮৭ সালে।
মনে রাখুন:
সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ঢাকায় (১৯৮৫)।
সদস্য: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
সার্ক দিবস ৮ ডিসেম্বর। - ৩২. পৃথিবীতে প্রথম সংবাদপত্র চালু হয় কোন দেশে?
- ক. যুক্তরাষ্ট্র
- খ. ভারত
- গ. চীন
- ঘ. জাপান
উত্তর: গ. চীন
প্রচলিত মত অনুযায়ী পৃথিবীর প্রথম সংবাদপত্র চালু হয় চীনে। চীনে অষ্টম শতকের দিকে (তাং যুগে) রাজদরবারের খবর জানানোর জন্য ‘কাইয়ুয়ান জাবাও’ বা ‘বাও’ নামে হাতে লেখা একটি রাজকীয় পত্র প্রচলিত ছিল। আধুনিক ছাপা সংবাদপত্র অবশ্য ইউরোপে পরে শুরু হয়। তাই ভারত, জাপান বা যুক্তরাষ্ট্র এই পরীক্ষার প্রশ্নে সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখুন:
জোহানেস গুটেনবার্গ ইউরোপে ছাপাখানা আবিষ্কার করেন (প্রায় ১৪৪০ সাল)।
চীনারাই প্রথম কাগজ তৈরি করে।
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র ‘দিগদর্শন’ এবং প্রথম সংবাদপত্র ‘সমাচার দর্পণ’, দুটিই ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর থেকে প্রকাশিত হয়। - ৮১. দুই পাহাড়ের মাঝখানের তুলনামূলক সমতল ভূমিকে বলা হয়—
- ক. চূড়া
- খ. গিরিশৃঙ্গ
- গ. পর্বতশৃঙ্গ
- ঘ. উপত্যকা
উত্তর: ঘ. উপত্যকা
পাহাড় বা পর্বতের মাঝখানের নিচু ও তুলনামূলক সমতল ভূমিকে উপত্যকা (Valley) বলে। এর ভেতর দিয়ে অনেক সময় নদী বা ঝরনা বয়ে যায়, আর নদীর পলি জমে জমি উর্বর হয় বলে এখানে চাষবাসও চলে। চূড়া, গিরিশৃঙ্গ ও পর্বতশৃঙ্গ হলো পাহাড়ের সবচেয়ে উঁচু অংশ, এর সঙ্গে সমতল ভূমির সম্পর্ক নেই। উপত্যকা সাধারণত নদীর ক্ষয়কাজে বা হিমবাহের চলার ফলে তৈরি হয়, তাই এর আকৃতি কখনো V আকৃতির, কখনো U আকৃতির হয়। কাশ্মীর উপত্যকা এর একটি বিখ্যাত উদাহরণ।
মনে রাখুন:
দুই পাহাড়ের মাঝের গভীর ও সরু উপত্যকাকে গিরিখাত (Gorge) বলে।
পাহাড়ের মাঝের সংকীর্ণ পথকে গিরিপথ বলা হয়।
পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট।
সাধারণ জ্ঞান
- ৮. 'ফ্লোরিকালচার' কী?
- ক. সবজিচাষ সংক্রান্ত
- খ. ফুলচাষ সংক্রান্ত
- গ. ফলচাষ সংক্রান্ত
- ঘ. শস্যচাষ সংক্রান্ত
উত্তর: খ. ফুলচাষ সংক্রান্ত
ফ্লোরিকালচার (floriculture) মানে ফুল চাষ সংক্রান্ত বিদ্যা। সবজি চাষকে অলেরিকালচার আর ফল চাষকে পোমোলজি বলে। - ১৭. 'ইরাটম' কী?
- ক. উন্নত জাতের ধান
- খ. উন্নত জাতের পাট
- গ. উন্নত জাতের আলু
- ঘ. উন্নত জাতের চা
উত্তর: ক. উন্নত জাতের ধান
ইরাটম হলো পরমাণু কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে তেজস্ক্রিয় রশ্মির সাহায্যে উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান। নামটি এসেছে IRRI ও atom থেকে। - ২৪. খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়টি সরাসরি কিসের সাথে সম্পর্কযুক্ত?
- ক. কৃষি অর্থনীতি
- খ. কৃষি উন্নয়ন
- গ. কৃষি অবকাঠামো
- ঘ. কৃষি ব্যবস্থাপনা
উত্তর: ক. কৃষি অর্থনীতি
খাদ্য নিরাপত্তা মানে সবার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যের প্রাপ্যতা ও তা কেনার সামর্থ্য নিশ্চিত করা। উৎপাদন, বাজারদর ও আয়ের এই সম্পর্ক কৃষি অর্থনীতির আলোচ্য বিষয়। - ৪৩. 'কপিসিং' করা হয় কোন বৃক্ষে?
- ক. জারুল
- খ. গরান
- গ. গর্জন
- ঘ. শাল
উত্তর: ঘ. শাল
কপিসিং হলো গাছ গোড়ার কাছ থেকে কেটে দিয়ে মুড়া থেকে নতুন কুশি গজিয়ে বন ফিরিয়ে আনার পদ্ধতি। বাংলাদেশের শালবন মূলত এভাবেই পুনরুৎপাদিত হয়, তাই উত্তর শাল; জারুল, গরান বা গর্জনের ক্ষেত্রে এটি প্রধান পদ্ধতি নয়। - ৪৯. ইনকিউবেটরের সাহায্যে যে ঘরে বাচ্চা ফোটানো হয় সেই ঘরের নাম কী?
- ক. ব্রুডার ঘর
- খ. হ্যাচারি ঘর
- গ. ব্রয়লার ঘর
- ঘ. গ্রোয়ার ঘর
উত্তর: খ. হ্যাচারি ঘর
যে ঘরে ইনকিউবেটরে ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা উৎপাদন করা হয় তাকে হ্যাচারি বলে। ব্রুডার ঘরে সদ্য ফোটা বাচ্চাকে তাপ দিয়ে লালনপালন করা হয়। - ৫৪. নিচের কোনটি ম্যাক্রোমৌল?
- ক. নাইট্রোজেন
- খ. বোরন
- গ. আর্সেনিক
- ঘ. মারকারি
উত্তর: ক. নাইট্রোজেন
উদ্ভিদের যে পুষ্টি উপাদান বেশি পরিমাণে লাগে তাকে ম্যাক্রো বা মুখ্য উপাদান বলে; নাইট্রোজেন এর অন্যতম। বোরন অল্প পরিমাণে লাগে বলে গৌণ বা মাইক্রো উপাদান। - ৫৮. গাছের শিকড় কেটে ফেলার প্রক্রিয়াটিকে কী বলে?
- ক. রুট রেটিং
- খ. রুট হার্ডেনিং
- গ. রুট প্রুফিং
- ঘ. রুট প্রুনিং
উত্তর: ঘ. রুট প্রুনিং
Prune মানে ছাঁটাই করা। গাছের শিকড়ের কিছু অংশ কেটে ছাঁটাই করাকে রুট প্রুনিং বলে, যা বনসাই তৈরি ও চারা স্থানান্তরে কাজে লাগে। - ৬৩. উদ্ভিদের কোন উপাদানগুলোকে প্রাথমিক পুষ্টি উপাদান বলে?
- ক. N, P, K
- খ. C, H, O
- গ. Ca, Mo, S
- ঘ. As, Hg, Si
উত্তর: ক. N, P, K
নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P) ও পটাশিয়াম (K) উদ্ভিদের সবচেয়ে বেশি দরকার হয় এবং সার দিয়ে সরবরাহ করতে হয়, তাই এগুলোকে প্রাথমিক পুষ্টি উপাদান বলে। - ৬৬. মাটির বায়ু কোন স্তরে অবস্থান করে?
- ক. মাটির কণার ফাঁকে
- খ. মাটির কণার চারপাশে
- গ. মাটিতে মিশ্রিত অবস্থা
- ঘ. জৈব পদার্থের মধ্যে
উত্তর: ক. মাটির কণার ফাঁকে
মাটির কণাগুলোর মাঝে যে ফাঁকা জায়গা (রন্ধ্র) থাকে, তার যে অংশে পানি থাকে না সেখানে বায়ু থাকে। এই বায়ু থেকেই মূল শ্বসনের অক্সিজেন পায়।
বিজ্ঞান
- ১৩. সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোনটি তৈরি হয়?
- ক. আমিষ
- খ. শর্করা
- গ. ভিটামিন
- ঘ. এনজাইম
উত্তর: খ. শর্করা
সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) হলো সবুজ উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়া। এতে পাতার ক্লোরোফিল সূর্যের আলো শোষণ করে এবং সেই শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে শর্করা, অর্থাৎ গ্লুকোজ তৈরি করে। এর সঙ্গে উপজাত হিসেবে অক্সিজেন বের হয়। এই বিক্রিয়ার সমীকরণ: 6CO₂ + 12H₂O → C₆H₁₂O₆ + 6O₂ + 6H₂O। আমিষ, ভিটামিন বা এনজাইম সরাসরি এই প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় না।
মনে রাখুন:
সালোকসংশ্লেষণ হয় ক্লোরোপ্লাস্টে।
তৈরি হওয়া গ্লুকোজ পরে স্টার্চ হিসেবে জমা থাকে।
উদ্ভিদ দিনের বেলা CO₂ নেয় ও O₂ ছাড়ে, ফলে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের ভারসাম্য থাকে। - ৩৪. 'ব্ল্যাক বেঙ্গল' কীসের জাত?
- ক. গরু
- খ. হাঁস
- গ. মুরগি
- ঘ. ছাগল
উত্তর: ঘ. ছাগল
ব্ল্যাক বেঙ্গল (Black Bengal) বাংলাদেশের নিজস্ব ছাগলের জাত। এর গায়ের রঙ সাধারণত কালো, দেহ ছোট কিন্তু শক্তপোক্ত। এই ছাগলের মাংস সুস্বাদু এবং চামড়া নরম ও মজবুত, তাই বিশ্বে এর চামড়ার বেশ কদর আছে। এরা অল্প খাবারে বাঁচে, বছরে দুবার বাচ্চা দেয় এবং একসঙ্গে প্রায় দুই-তিনটি বাচ্চা হয়। ফলে গ্রামীণ দরিদ্র পরিবারের আয়ের একটি ভালো উৎস এই ছাগল।
মনে রাখুন:
ছাগলকে বলা হয় 'গরিবের গাভী'।
বাংলাদেশের উন্নত গরুর জাত: রেড চিটাগং ক্যাটল, পাবনা ক্যাটল।
হাঁসের স্থানীয় জাত: দেশি হাঁস, জিন্ডিং, খাকি ক্যাম্পবেল। - ৩৫. জীবের বেঁচে থাকার জন্য কোনটি অত্যাবশ্যক নয়?
- ক. পানি
- খ. খাবার
- গ. মাটি
- ঘ. অক্সিজেন
উত্তর: গ. মাটি
জীবের বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন, খাদ্য ও পানি অপরিহার্য। অক্সিজেন ছাড়া কয়েক মিনিটের বেশি বাঁচা যায় না, খাবার ছাড়া কয়েক সপ্তাহ, আর পানি ছাড়া কয়েক দিন। মাটি পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, ফসল জন্মানোর ভিত্তি, কিন্তু সব জীবের সরাসরি বেঁচে থাকার জন্য এটি অত্যাবশ্যক নয়। জলজ প্রাণী মাটিতে না থেকেও বাঁচে, এমনকি হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে উদ্ভিদ পানিতে পুষ্টি দিয়ে বিনা মাটিতেও জন্মানো যায়।
মনে রাখুন:
জীবের কোষীয় শ্বসনের জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন।
দেহের ওজনের প্রায় ৭০ ভাগ পানি।
পরিবেশের উপাদান: জৈব (উদ্ভিদ, প্রাণী) ও অজৈব (মাটি, পানি, বায়ু)। - ৩৮. নিচের কোনটি ঔষধি গাছ?
- ক. পাট
- খ. ধনিয়া
- গ. অর্জুন
- ঘ. তুলা
উত্তর: গ. অর্জুন
ঔষধি গাছ বা ভেষজ উদ্ভিদ হলো সেই গাছ, যার অংশ রোগ সারাতে বা প্রতিরোধে কাজে লাগে। অর্জুন গাছের ছাল হৃদরোগ ও রক্তচাপের চিকিৎসায় বহুকাল ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর বাকলে ট্যানিন থাকে, যা মাড়ির রক্তপাত ও প্রদাহ কমায়। পাট ও তুলা আঁশ উৎপাদনকারী অর্থকরী ফসল, আর ধনিয়া মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলো প্রচলিত অর্থে ঔষধি গাছ নয়।
মনে রাখুন:
অন্যান্য ঔষধি গাছ: নিম, তুলসী, বাসক, বহেড়া, হরীতকী, আমলকী।
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল, কিন্তু আমলকী-হরীতকী-বহেড়া মিলে ত্রিফলা তৈরি হয়।
নিমের পাতা জীবাণুনাশক হিসেবে পরিচিত। - ৭০. রেশম কীটের দেহনিঃসৃত আঁশ হতে কোন ধরনের কাপড় তৈরি করা হয়?
- ক. সুতি
- খ. শিপন
- গ. রেশমি
- ঘ. ভেলভেট
উত্তর: গ. রেশমি
রেশম পোকা (Silkworm) বিশেষ এক প্রজাতির মথের শূককীট। পূর্ণ বয়সে পৌঁছে এরা নিজের দেহ থেকে লালা নিঃসরণ করে একটানা সুতো তৈরি করে এবং সেই সুতো দিয়ে গুটি বা কোকুন বানায়। গুটি গরম পানিতে ভিজিয়ে সুতো খুলে নিয়ে কাপড় বোনা হয়, তাকে রেশমি কাপড় বলে। সুতি কাপড় তুলা থেকে তৈরি হয়, আর শিফন ও ভেলভেট কাপড়ের বুননের ধরন, রেশমের মতো কোনো উৎসভিত্তিক নাম নয়।
মনে রাখুন:
রেশম পোকা পালনকে সেরিকালচার (Sericulture) বলে।
রেশম পোকার প্রধান খাদ্য তুঁত গাছের পাতা।
বাংলাদেশে রেশম শিল্পের প্রধান কেন্দ্র রাজশাহী। - ৭৮. পটাশিয়ামবাহী সার কোনটি?
- ক. ইউরিয়া
- খ. টিএসপি
- গ. ডিএপি
- ঘ. মিউরেট অব পটাশ
উত্তর: ঘ. মিউরেট অব পটাশ
উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P) ও পটাশিয়াম (K) অপরিহার্য। যে সার প্রধানত পটাশিয়াম জোগায়, তাকে পটাশিয়ামবাহী সার বলে। মিউরেট অব পটাশ হলো পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCl)। এটি মাটিতে পটাশিয়াম আয়ন (K⁺) সরবরাহ করে, যা গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ফল-ফসলের গুণ ভালো করে। ইউরিয়া নাইট্রোজেনবাহী, আর টিএসপি ও ডিএপি ফসফরাসবাহী (ডিএপিতে নাইট্রোজেনও আছে)। পটাশিয়াম গাছে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে, আলু ও ফলের গুণ বাড়ায় এবং শিকড়কে মজবুত করে। মাটিতে এর অভাব হলে পাতার কিনারা হলুদ হয়ে শুকিয়ে যায়।
মনে রাখুন:
ইউরিয়ায় প্রায় ৪৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।
টিএসপি = ট্রিপল সুপার ফসফেট।
ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি বাংলাদেশের তিন প্রধান রাসায়নিক সার।
কম্পিউটার ও আইসিটি
- ২৮. কোনটি কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস নয়?
- ক. মাউস
- খ. পেনড্রাইভ
- গ. ওএমআর
- ঘ. মাইক্রোফোন
উত্তর: খ. পেনড্রাইভ
যে যন্ত্র দিয়ে আমরা কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ ঢোকাই, তাকে ইনপুট ডিভাইস বলে। মাউস নির্দেশ পাঠায়, মাইক্রোফোন শব্দ ঢোকায়, আর ওএমআর (Optical Mark Reader) উত্তরপত্রের দাগ পড়ে কম্পিউটারে পাঠায়। এগুলো সবই ইনপুট ডিভাইস। পেনড্রাইভ কিন্তু তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস, এটি তথ্য রাখে ও বহন করে। কোনো ডিভাইস ইনপুট নাকি আউটপুট, তা বুঝতে দেখতে হয় সেটি তথ্য কম্পিউটারে ঢোকায় না বের করে। পেনড্রাইভ দুই দিকেই তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে, কিন্তু মূল কাজ সংরক্ষণ।
মনে রাখুন:
ইনপুট ডিভাইস: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ওএমআর, ওসিআর, বারকোড রিডার।
আউটপুট ডিভাইস: মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার।
সেকেন্ডারি স্টোরেজ: হার্ড ডিস্ক, পেনড্রাইভ, সিডি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা: সব বছর
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর: অন্যান্য পরীক্ষা
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪
আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ডাক অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাধারণ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ইন্সট্রাক্টর (টিটিসি) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহকারী সাইফার কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ইলেকট্রনিক্স, পাওয়ার, কম্পিউটার) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী (ব্রিজ) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও কলেজ) ইনস্ট্রাক্টর (ডিটিআই) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- গণপূর্ত অধিদপ্তর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ড্রাফটসম্যান (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় উপসহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- বাংলাদেশ রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- নার্সিং সেবা অধিদপ্তর মিডওয়াইফ নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৭
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৬
- জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এস্টিমেটর নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর স্টেশন অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ (সাধারণ পুল) প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- ফরেন সার্ভিস একাডেমি (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) প্রশাসনিক ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় সহকারী পরিচালক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫
বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন