লিয়ানা বুকস

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পূর্ত) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২০: প্রশ্ন ও সমাধান

পরীক্ষা হয়েছে ২০ অক্টোবর ২০২০। ৬০টি প্রশ্ন, সঠিক উত্তর আর প্রতিটির ব্যাখ্যা। শুধু সাধারণ অংশ। চাইলে আগে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দেখুন।

সময় ধরে পরীক্ষা দিন →

ইংরেজি

  1. ১. He promptly complied — my request. Fill in the gap with suitable preposition —
    • ক. to
    • খ. for
    • গ. with
    • ঘ. after
    উত্তর: গ. with
    Comply শব্দটি সবসময় with-এর সঙ্গে বসে। Comply with মানে কারো অনুরোধ, আদেশ বা নিয়ম মেনে চলা। তাই বাক্যটি হবে ‘He promptly complied with my request’। to, for বা after দিলে অর্থ ঠিক থাকে না।
    মনে রাখুন:
    comply with = মেনে চলা, যেমন comply with the rules.
    abide by = মেনে চলা।
    conform to = অনুবর্তী হওয়া।
  2. ৫. Which one is correct?
    • ক. He thought that it is raining.
    • খ. He thought that it will be raining.
    • গ. He thought that it will rain.
    • ঘ. He thought that it would rain.
    উত্তর: ঘ. He thought that it would rain.
    মূল বাক্যের ক্রিয়া ‘thought’ অতীত কালের, তাই তার পরের Subordinate Clause-ও অতীত কালের হবে। ‘It will rain’ ভবিষ্যৎ কালের, সেটি ‘would rain’ হয়ে যায়। তাই শুদ্ধ বাক্য ‘He thought that it would rain’। এখানে সার্বজনীন সত্য নেই, ফলে Present Tense চলবে না।
    মনে রাখুন: Principal clause অতীত হলেও Subordinate clause-এ সার্বজনীন সত্য থাকলে Present Indefinite থাকে, যেমন The teacher said that the earth moves round the sun.
  3. ৮. Fill in the blank with the correct quantifier. I still have — money in my pocket.
    • ক. many
    • খ. few
    • গ. a little
    • ঘ. a few
    উত্তর: গ. a little
    Money একটি অগণনীয় বিশেষ্য (Uncountable Noun), যাকে গুনে ফেলা যায় না। অগণনীয় বিশেষ্যের আগে ‘a little’ বা ‘little’, ‘much’ বসে, কিন্তু many, few ও a few বসে গণনীয় বিশেষ্যের আগে। ‘A little’ মানে অল্প কিছু আছে, তাই ‘I still have a little money in my pocket’ বাক্যে ইতিবাচক অর্থ বোঝায়।
    মনে রাখুন:
    uncountable: much, little, a little।
    countable: many, few, a few।
  4. ১৬. The phrase 'in black and white' means—
    • ক. with black and white colour
    • খ. in writing
    • গ. combination of black and white
    • ঘ. face to face
    উত্তর: খ. in writing
    ‘In black and white’ ইডিয়মের অর্থ লিখিতভাবে বা ছাপা আকারে। কোনো বিষয় মুখে না বলে লিখে রাখলে, অর্থাৎ প্রমাণসহ লিখিত আকারে থাকলে, এটি বলা হয়। তাই ‘in writing’ উত্তর। ইডিয়মের শব্দগুলো আক্ষরিক অর্থে ধরলে ‘কালো-সাদা রং’ মনে হতে পারে, কিন্তু আসল অর্থ ভিন্ন। তাই ‘with black and white colour’ বা ‘combination of black and white’ ভুল।
    উদাহরণ: Please put your complaint in black and white.
    মনে রাখুন: Face to face মানে মুখোমুখি।
    Black and white দিয়ে সাদাকালো ছবির কথাও বলা যায়, তবে ইডিয়ম হিসেবে অর্থ লিখিত।
  5. ১৭. A noun that denotes a thing that is neither male nor female is called —
    • ক. masculine gender
    • খ. feminine gender
    • গ. neuter gender
    • ঘ. none
    উত্তর: গ. neuter gender
    যে বিশেষ্য পুরুষও নয়, স্ত্রীও নয়, অর্থাৎ নির্জীব বস্তু বোঝায়, তাকে Neuter Gender বা ক্লীব লিঙ্গ বলে। যেমন book, table, tree। যে শব্দ পুরুষ বোঝায়, সে Masculine। যে শব্দ স্ত্রী বোঝায়, সে Feminine। আর যে শব্দ পুরুষ ও স্ত্রী দুইই হতে পারে, তাকে Common Gender বলে, যেমন teacher, student। তাই ‘neither male nor female’ বর্ণনার সঙ্গে neuter gender মেলে।
    উদাহরণ:
    Masculine: boy, king।
    Feminine: girl, queen।
    Common: child, parent।
    মনে রাখুন: Neuter gender বলতে শুধু নির্জীব বস্তুই নয়, কখনো কখনো ছোট প্রাণী বা শিশুর ক্ষেত্রেও ‘it’ ব্যবহার হয়, তবে পরীক্ষায় নির্জীব বস্তুর উদাহরণই আসে।
  6. ১৮. Choose the correct sentence :
    • ক. He has a good insight into the problem.
    • খ. He has a good incite into the problem.
    • গ. He has a good insight to the problem.
    • ঘ. He has a good incite in the problem.
    উত্তর: ক. He has a good insight into the problem.
    ‘Insight’ মানে অন্তর্দৃষ্টি বা গভীর বোঝাপড়া, আর এর পরে Preposition হিসেবে into বসে: ‘insight into the problem’। অন্য অপশনের ‘incite’ একটি ক্রিয়া, যার অর্থ উসকানি দেওয়া বা উত্তেজিত করা। এই শব্দ বিশেষ্য হিসেবে ‘a good’-এর পরে বসতে পারে না। তাই শুদ্ধ বাক্য ‘He has a good insight into the problem’।
    মনে রাখুন: Incite (উসকানি দেওয়া) এবং Invite (আমন্ত্রণ জানানো) শব্দ দুটি গুলিয়ে ফেলবেন না।
  7. ২৫. The passive structure of 'They pleased us' is—
    • ক. We were pleased by them.
    • খ. We were being pleased by them.
    • গ. We were pleased to them.
    • ঘ. We were pleased with them.
    উত্তর: ঘ. We were pleased with them.
    ‘They pleased us’ বাক্যের কর্তা They আর কর্ম us। Passive-এ কর্ম কর্তা হয়, তাই We দিয়ে শুরু হবে এবং Past Indefinite হওয়ায় ‘were pleased’ বসবে। Please ক্রিয়ার Passive-এ প্রচলিত Preposition with: ‘be pleased with’ অর্থাৎ কারো প্রতি সন্তুষ্ট হওয়া। তাই এখানে ‘We were pleased with them’ লেখা হয়েছে।
    মনে রাখুন: আবেগ বোঝায় এমন কিছু ক্রিয়ার Passive-এ by-এর বদলে অন্য Preposition বসে।
    উদাহরণ:
    He was surprised at the news.
    She is interested in music.
  8. ২৭. Choose the right tense : My father — before I came.
    • ক. Would be leaving
    • খ. had been leaving
    • গ. had left
    • ঘ. will leave
    উত্তর: গ. had left
    ‘Before’ দিয়ে যুক্ত দুটি অতীতের কাজের মধ্যে যে কাজ আগে ঘটেছে, তার ক্রিয়া Past Perfect Tense-এ বসে। আর যেটি পরে ঘটেছে, তা Past Indefinite-এ হয়। আমি আসার আগে বাবা চলে গিয়েছিলেন, তাই ‘My father had left before I came’। Past Perfect-এর সূত্র had + Past Participle।
    মনে রাখুন: ‘After’ থাকলে নিয়ম উল্টো, পরের কাজ Past Indefinite আর আগের কাজ Past Perfect।
  9. ২৮. The antonym of facilitate is—
    • ক. aid
    • খ. face
    • গ. ease
    • ঘ. obstruct
    উত্তর: ঘ. obstruct
    Facilitate মানে সহজ করা বা সুবিধা করে দেওয়া। এর বিপরীত শব্দ (Antonym) Obstruct, যার মানে বাধা দেওয়া, অর্থাৎ কাজের পথ কঠিন করা। Aid মানে সাহায্য করা এবং Ease মানে সহজ করা, দুটোই Facilitate-এর কাছাকাছি অর্থের, তাই এগুলো সমার্থক, বিপরীত নয়। Face মানে সম্মুখীন হওয়া, এর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। শব্দটির গড়নেও মিল পাওয়া যায়: facilitate শব্দের মূল facile, যার অর্থ সহজ।
    মনে রাখুন: Obstruct-এর প্রতিশব্দ Block ও Hinder।
    Facilitate-এর সমার্থক শব্দ help ও assist।
  10. ২৯. Select the correct spelling :
    • ক. Millionire
    • খ. Milionair
    • গ. Millionaire
    • ঘ. Millionair
    উত্তর: গ. Millionaire
    Millionaire শব্দটির মূল হলো million, অর্থাৎ দশ লাখ। যে মানুষের সম্পদ কয়েক মিলিয়ন টাকা বা ডলারের সমান, তাকে আমরা millionaire বলি, বাংলায় কোটিপতি বা অত্যন্ত ধনী মানুষ। বানানে দুটি বিষয় মনে রাখতে হয়। প্রথমত, million-এর মাঝখানে দুটি l থাকে, একটি l দিলে শব্দটি ভুল হয়। দ্বিতীয়ত, শব্দের শেষে -aire আসে, -air বা -ire নয়। অন্য বিকল্পগুলোতে হয় l কম আছে, নয়তো শেষের অংশটি ভুল লেখা হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    -aire দিয়ে শেষ হওয়া আরও শব্দ: billionaire (শত কোটিপতি), questionnaire (প্রশ্নমালা), doctrinaire (গোঁড়া মতবাদী)।
    এই শব্দগুলো মূলত ফরাসি ভাষা থেকে ইংরেজিতে এসেছে, তাই শেষে -aire দেখা যায়।
  11. ৩০. A rolling stone gathers no moss. What 'rolling' is?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) ২০১৯, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক (৪র্থ ধাপ, সেট ৪০২১) ২০১৯
    • ক. Gerund
    • খ. Verbal noun
    • গ. Adjective
    • ঘ. Participle
    উত্তর: ঘ. Participle
    ‘A rolling stone gathers no moss’ বাক্যে rolling শব্দটি stone-এর আগে বসে পাথরটি কেমন, তা বলছে, অর্থাৎ বিশেষণের কাজ করছে। আবার শব্দটি এসেছে roll ক্রিয়া থেকে। যে শব্দ ক্রিয়া থেকে তৈরি হয়ে বিশেষণের কাজ করে, তাকে Participle বলে। তাই এখানে ‘গড়িয়ে চলা পাথর’ বোঝাতে rolling একটি Participle।
    Gerund ও Participle আলাদা: Gerund বাক্যে noun-এর কাজ করে, যেমন Swimming is good exercise। আর Participle বিশেষণের কাজ করে, যেমন a running horse।
    মনে রাখুন: Gerund-কে Verbal noun-ও বলা হয়, তাই এই দুটি একই জিনিস।
  12. ৩২. 'Attend the class' is an example of sentence.
    • ক. Assertive
    • খ. Interrogative
    • গ. Optative
    • ঘ. Imperative
    উত্তর: ঘ. Imperative
    যে বাক্যে আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ বা নিষেধ বোঝায়, তাকে আদেশসূচক বাক্য (Imperative sentence) বলে। ‘Attend the class’ বাক্যে কাউকে ক্লাসে যোগ দিতে বলা হচ্ছে, আর এখানে subject ‘You’ উহ্য আছে। তাই এটি Imperative।
    মনে রাখুন:
    Assertive বাক্য তথ্য জানায়: He reads a book.
    Interrogative বাক্য প্রশ্ন করে: Where do you live?
    Optative বাক্য ইচ্ছা বা প্রার্থনা বোঝায়: May you be happy.
  13. ৪৪. The verb form of the adverb 'shortly' is—
    • ক. Short
    • খ. Shorten
    • গ. Enshort
    • ঘ. Shortness
    উত্তর: খ. Shorten
    Shortly একটি adverb, যার মূল শব্দ short (ছোট)। Short শব্দটি adjective, আর এর verb form হলো shorten, যার অর্থ ছোট করা বা সংক্ষিপ্ত করা। যেমন: ‘The tailor will shorten the trousers’। Enshort নামে কোনো শব্দ ইংরেজিতে নেই, আর Shortness একটি noun, যার অর্থ খাটো হওয়ার ভাব বা স্বল্পতা। তাই এখানে সঠিক verb শুধু shorten।
    মনে রাখুন:
    Adjective থেকে verb করতে অনেক সময় -en যোগ করা হয়, যেমন wide থেকে widen, deep থেকে deepen।
    Noun থেকেও এভাবে verb হয়, যেমন length থেকে lengthen।
  14. ৪৫. One who tells the future from the star is called—
    • ক. astronomer
    • খ. detective
    • গ. astrologer
    • ঘ. meteorologist
    উত্তর: গ. astrologer
    যিনি তারার অবস্থান দেখে মানুষের ভবিষ্যৎ বলে দেন, তাঁকে Astrologer বা জ্যোতিষী বলে। তাঁর কাজের ভিত্তি হলো বিশ্বাস যে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে। Astronomer এ থেকে আলাদা, কারণ তিনি বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে গ্রহ-নক্ষত্র ও মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণা করেন, ভবিষ্যৎ বলেন না। এই দুই শব্দের পার্থক্য পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
    মনে রাখুন:
    Astrology হলো জ্যোতিষবিদ্যা, আর Astronomy হলো জ্যোতির্বিজ্ঞান।
    Detective মানে গোয়েন্দা।
    Meteorologist মানে আবহাওয়াবিদ।
  15. ৪৭. Select the appropriate tag of the following : Let's go out for a walk, .......?
    • ক. let we
    • খ. shall we
    • গ. don't we
    • ঘ. let n't we
    উত্তর: খ. shall we
    Let's বা Let us দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যে প্রস্তাব বোঝায়। এই ধরনের বাক্যের শেষে tag question হিসেবে সব সময় ‘shall we?’ বসে। তাই ‘Let's go out for a walk, shall we?’ সঠিক।
    মনে রাখুন:
    আদেশসূচক বাক্যের tag হয় ‘will you?’, যেমন Open the door, will you?
    Positive বাক্যের পরে negative tag হয়, আর negative বাক্যের পরে positive tag হয়।
  16. ৪৯. The past participle form of the verb 'fell' is—
    • ক. fallen
    • খ. falled
    • গ. felt
    • ঘ. felled
    উত্তর: ঘ. felled
    Fell শব্দটির দুটি আলাদা অর্থ আছে। Fall (পড়ে যাওয়া) ক্রিয়ার past form হলো fell, আর এর past participle হলো fallen। কিন্তু প্রশ্নে fell হলো মূল verb, যার অর্থ গাছ কেটে ফেলা বা কাউকে মাটিতে ফেলে দেওয়া। এই regular verb-এর past participle হয় felled, যেমন The tree was felled।
    মনে রাখুন: Felt হলো feel (অনুভব করা) ক্রিয়ার past ও past participle রূপ।
  17. ৫১. The plural number of 'Oasis' is —
    • ক. Oasies
    • খ. Oasises
    • গ. Oases
    • ঘ. Oasisees
    উত্তর: গ. Oases
    Oasis শব্দের অর্থ মরুদ্যান, অর্থাৎ মরুভূমির মধ্যে জল ও গাছপালা থাকা জায়গা। এটি গ্রিক বা ল্যাটিন থেকে আসা শব্দ, তাই এর বহুবচন নিয়ম মেনে -s বা -es যোগ করে হয় না। -is দিয়ে শেষ হওয়া এমন শব্দের বহুবচনে -is বদলে -es হয়, তাই Oasis থেকে Oases।
    মনে রাখুন: একই নিয়মে crisis থেকে crises, analysis থেকে analyses, thesis থেকে theses।
  18. ৫৫. Shakespeare's 'Merchant of Venice' is a —
    • ক. Tragedy
    • খ. Comedy
    • গ. Satire
    • ঘ. Lyric
    উত্তর: খ. Comedy
    শেক্সপিয়রের ‘The Merchant of Venice’ একটি comedy বা মিলনান্তক নাটক। নাটকের গল্পে বিপদ ও টানাপোড়েন থাকলেও শেষটা আনন্দে মেটে, যা comedy-র মূল লক্ষণ। এতে বণিক অ্যান্টনিও, পোর্শিয়া ও সুদখোর শাইলকের কাহিনি আছে। শাইলক চরিত্রের কারণে নাটকটি অনেক সময় গভীর ও গম্ভীর মনে হয়, তবু ধরনের দিক থেকে এটি comedy। Satire মানে ব্যঙ্গ রচনা এবং Lyric মানে গীতিকবিতা, যা নাটকের শ্রেণিতে পড়ে না।
    মনে রাখুন:
    শেক্সপিয়রের tragedy: Hamlet, Macbeth, Othello, King Lear।
    আরেকটি comedy: As You Like It।
  19. ৫৭. 'Where there is life, there is hope'— the simple form of the sentence is—
    • ক. There is no life without hope.
    • খ. There is life so there is hope.
    • গ. There is life and there is hope.
    • ঘ. Because of hope, there is life.
    উত্তর: ক. There is no life without hope.
    Simple sentence-এ একটি মাত্র clause থাকে। ‘Where there is life, there is hope’ বাক্যে দুটি clause আছে, তাই এটি complex। এর অর্থ হলো, জীবন থাকলে আশাও থাকে। ‘There is no life without hope’ বাক্যে একটিই finite verb ও একটিই clause আছে, তাই এটি simple। অন্য দুটি বিকল্প (খ ও গ) দুটি clause দিয়ে গঠিত, আর (ঘ) বাক্যের অর্থ বদলে দেয়।
    মনে রাখুন: Complex sentence-এ একটি মূল clause ও এক বা একাধিক আশ্রিত clause থাকে। Compound sentence-এ একাধিক স্বাধীন clause and, but, so দিয়ে জোড়া লাগে।

বিজ্ঞান

  1. ২. পানির গভীরতা বাড়ার সাথে সাথে চাপ—
    • ক. কমে
    • খ. স্থির থাকে
    • গ. বাড়ে
    • ঘ. উপরের কোনোটিই নয়
    উত্তর: গ. বাড়ে
    পানির গভীরতা বাড়লে চাপ বাড়ে। কারণ তরলের ভেতরে কোনো বিন্দুর চাপ p = hρg সূত্রে পাওয়া যায়। এখানে ρ (ঘনত্ব) ও g (অভিকর্ষজ ত্বরণ) ধ্রুবক, তাই p ∝ h। অর্থাৎ h যত বাড়ে, p-ও তত বাড়ে। বাঁধের নিচের দিকের দেয়াল সে কারণেই বেশি পুরু করা হয়।
    মনে রাখুন: একই গভীরতায় তরলের সব দিকে চাপ সমান। চাপের SI একক পাসকেল (Pa)।
  2. ২৬. বছরের সবচেয়ে বড়দিন কোনটি?আরও এসেছে: এনটিআরসিএ ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়-২) ২০১৬
    • ক. ২০ জুন
    • খ. ২১ জুন
    • গ. ২২ জুন
    • ঘ. ২৩ জুন
    উত্তর: খ. ২১ জুন
    সূর্য ২১ জুন কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। তখন উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়। কর্কটক্রান্তি রেখা ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত। দক্ষিণ গোলার্ধে এ সময় উল্টো ঘটে।
    মনে রাখুন:
    ২১ জুন: উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন।
    ২২ ডিসেম্বর: দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন।
    ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর: দিন-রাত সমান। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে।
  3. ৩৭. কোনো বস্তুর অবস্থানের কারণে যে Energy উৎপন্ন হয়, এর নাম—
    • ক. Kinetic energy
    • খ. Potential energy
    • গ. Electrical energy
    • ঘ. Chemical energy
    উত্তর: খ. Potential energy
    কোনো বস্তুর অবস্থান বা অবস্থার কারণে তার ভেতরে কাজ করার যে সামর্থ্য জমা থাকে, তাকে বিভব শক্তি (Potential energy) বলে। যেমন, উঁচু জায়গায় রাখা পাথরের এই শক্তি থাকে। এর সূত্র হলো PE = mgh, যেখানে m ভর, g অভিকর্ষজ ত্বরণ এবং h উচ্চতা।
    মনে রাখুন: বস্তু গতিশীল থাকলে যে শক্তি পায়, তাকে গতিশক্তি (Kinetic energy) বলে, এর সূত্র KE = ½mv²।
  4. ৪০. Hook's Law-এর বৈধতা থাকে—
    • ক. Yield point
    • খ. Elastic limit
    • গ. Plastic limit
    • ঘ. Breaking point
    উত্তর: খ. Elastic limit
    হুকের সূত্র (Hooke's Law) বলে, স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে কোনো বস্তুর বিকৃতি (Strain) প্রযুক্ত পীড়নের (Stress) সমানুপাতিক। অর্থাৎ বল দিগুণ করলে বস্তুটি দিগুণ বেড়ে যায়। বল বাড়াতে বাড়াতে বস্তু যখন স্থিতিস্থাপক সীমা (Elastic limit) ছাড়িয়ে যায়, তখন বল সরিয়ে নিলেও বস্তু আগের অবস্থায় ফেরে না। তাই এই সীমার পরে সূত্রটি আর খাটে না। যেমন রাবার ব্যান্ড বেশি টানলে আর আগের মাপে ফিরে আসে না।
    মনে রাখুন:
    পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাতকে স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্ক (Modulus of elasticity) বলে।
    স্থিতিস্থাপক সীমার পরে বস্তুতে স্থায়ী বিকৃতি আসে, এরপর একসময় ভেঙে যায়।

বাংলা

  1. ৩. 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা—
    • ক. বড়ু চণ্ডীদাস
    • খ. চণ্ডীদাস
    • গ. দ্বিজ চণ্ডীদাস
    • ঘ. দীন চণ্ডীদাস
    উত্তর: ক. বড়ু চণ্ডীদাস
    ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। এটি মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে ধরা হয়। ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়ার এক গ্রাম থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। এতে রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি এই তিনটি প্রধান চরিত্র আছে এবং কাব্যটি ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত। অন্য চণ্ডীদাসেরা (দ্বিজ ও দীন) পদাবলির কবি, এই কাব্যের নন।
    মনে রাখুন: বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ, আর মধ্যযুগের শুরুর কাব্য শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
  2. ৪. ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি কোনটি?
    • ক. খ
    • খ. ব
    • গ. ঝ
    • ঘ. ঠ
    উত্তর: গ. ঝ
    বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণকে উচ্চারণের গুণ অনুযায়ী ঘোষ, অঘোষ, অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণে ভাগ করা হয়। ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি হলো ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ। তাই ‘ঝ’ উত্তর। ‘খ’ ও ‘ঠ’ অঘোষ মহাপ্রাণ এবং ‘ব’ ঘোষ অল্পপ্রাণ।
    মনে রাখুন:
    অঘোষ অল্পপ্রাণ: ক, চ, ট, ত, প।
    অঘোষ মহাপ্রাণ: খ, ছ, ঠ, থ, ফ।
    ঘোষ অল্পপ্রাণ: গ, জ, ড, দ, ব।
    নাসিক্য: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম।
  3. ৭. নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
    • ক. খোয়াবনামা
    • খ. বলাকা
    • গ. জননী
    • ঘ. শেষের কবিতা
    উত্তর: খ. বলাকা
    ‘বলাকা’ উপন্যাস নয়, এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এতে গতিবাদ ও নতুন ছন্দের প্রকাশ আছে। বাকি তিনটি উপন্যাস: ‘খোয়াবনামা’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের, ‘জননী’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবং ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথের। তাই প্রশ্নের উত্তর ‘বলাকা’। একই লেখকের কাব্য ও উপন্যাস দুটোই থাকতে পারে, তাই বইয়ের ধরন আলাদা করে মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    রবীন্দ্রনাথের অন্য কাব্য মানসী, সোনার তরী ও চিত্রা।
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের আরেকটি উপন্যাস ‘চিলেকোঠার সেপাই’।
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘পদ্মা নদীর মাঝি’।
  4. ৯. 'বিন্দু বিসর্গ' কোন শ্রেণির গ্রন্থ?
    • ক. উপন্যাস
    • খ. কাব্য
    • গ. আত্মজীবনী
    • ঘ. নাটক
    উত্তর: গ. আত্মজীবনী
    ‘বিন্দু বিসর্গ’ ড. নীলিমা ইব্রাহিমের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, তাই এটি আত্মজীবনী শ্রেণির বই। তিনি উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধও লিখেছেন। তাঁর উপন্যাস ‘বিশ শতকের মেয়ে’ ও ‘এক পথ দুই বাঁক’। মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত নারীদের কথা তুলে ধরেছেন তাঁর ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’ গ্রন্থে। বইয়ের ধরন নির্ণয় করতে হলে লেখকের পরিচয় জানা সহায়ক।
    মনে রাখুন: নীলিমা ইব্রাহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।
    তিনি ১৯২১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০২ সালে মারা যান।
    অধ্যাপক হিসেবে তিনি শিক্ষাক্ষেত্রেও পরিচিত ছিলেন।
  5. ১১. কবি শামসুর রাহমানের সময়কাল—
    • ক. ১৯২৯-২০০৫
    • খ. ১৯২৯-২০০৬
    • গ. ১৯২৮-২০০৬
    • ঘ. কোনোটিই নয়
    উত্তর: খ. ১৯২৯-২০০৬
    কবি শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট মারা যান। তাই তাঁর সময়কাল ১৯২৯–২০০৬। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’, যা ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। স্বাধীনতার পরে লেখা ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যে মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা আছে। অন্য বিকল্পে মৃত্যুসাল ২০০৫ বা জন্মসাল ১৯২৮ দেওয়া হয়েছে, যা ভুল।
    মনে রাখুন:
    তাঁর বিখ্যাত দুটি কবিতা ‘আসাদের শার্ট’ ও ‘স্বাধীনতা তুমি’।
    তাঁর আরেকটি কাব্যগ্রন্থ ‘রৌদ্র করোটিতে’।
  6. ১২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার পান?
    • ক. ১৯০৫
    • খ. ১৯১১
    • গ. ১৯১৩
    • ঘ. ১৯১৫
    উত্তর: গ. ১৯১৩
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি নিজে ‘গীতাঞ্জলি’ ও অন্যান্য কাব্যের কিছু কবিতা ইংরেজিতে অনুবাদ করে ‘Song Offerings’ নামে প্রকাশ করেন, যার ভূমিকা লিখেছিলেন ডব্লিউ বি ইয়েটস। এই অনুবাদের জন্যই তিনি নোবেল পান। তিনিই এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী। অন্য বিকল্পের সালগুলো তাঁর নোবেল প্রাপ্তির বছর নয়।
    মনে রাখুন:
    ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘নাইট’ উপাধি দিলে ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি তা ফিরিয়ে দেন।
    বাংলা ‘গীতাঞ্জলি’ প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালে।
  7. ১৪. 'গাজী মিয়াঁ' কার ছদ্মনাম?
    • ক. মীর মশাররফ হোসেন
    • খ. প্যারীচাঁদ মিত্র
    • গ. কালীপ্রসন্ন সিংহ
    • ঘ. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    উত্তর: ক. মীর মশাররফ হোসেন
    ‘গাজী মিয়াঁ’ মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম। তিনি ‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাসের লেখক। ‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী’ নামে তাঁর একটি রচনাও আছে। অন্য লেখকদের ছদ্মনামও মনে রাখা দরকার: প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’ আর কালীপ্রসন্ন সিংহের ‘হুতোম প্যাঁচা’। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসল নাম প্রবোধকুমার।
    মনে রাখুন:
    ‘আলালের ঘরের দুলাল’ প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা।
    ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ কালীপ্রসন্ন সিংহের লেখা।
    মীর মশাররফের নাটক ‘জমিদার দর্পণ’।
    মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালে জন্মেছিলেন এবং ১৯১২ সালে মারা যান। তিনি কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামের মানুষ ছিলেন।
  8. ২১. রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের প্রথম কবি কে?
    • ক. আলাওল
    • খ. শাহ মুহম্মদ সগীর
    • গ. মুহম্মদ কবীর
    • ঘ. দৌলত উজীর বাহরাম খান
    উত্তর: খ. শাহ মুহম্মদ সগীর
    বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের প্রথম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি পঞ্চদশ শতকে সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের আমলে ‘ইউসুফ-জোলেখা’ কাব্য রচনা করেন। এটি মধ্যযুগের প্রথম রোমান্টিক কাব্য হিসেবে ধরা হয়। পরের কবিদের মধ্যে দৌলত উজির বাহরাম খান লিখেছেন ‘লাইলী-মজনু’, মুহম্মদ কবীর লিখেছেন ‘মধুমালতী’ আর আলাওল লিখেছেন ‘পদ্মাবতী’।
    মনে রাখুন: ‘ইউসুফ-জোলেখা’র কাহিনি এসেছে ফারসি ও কোরআনের ইউসুফ নবির গল্প থেকে।
  9. ২৩. 'চাকর' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
    • ক. তৎসম
    • খ. তদ্ভব
    • গ. বিদেশি
    • ঘ. দেশি
    উত্তর: গ. বিদেশি
    ‘চাকর’ শব্দটি ফারসি ‘চাকর’ থেকে এসেছে, তাই এটি বিদেশি শব্দ। বাংলা ভাষায় শব্দ মূলত পাঁচ ভাগে বিভক্ত: তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। চাকর তৎসম নয়, কারণ এটি সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসেনি। তদ্ভব শব্দ সংস্কৃত থেকে বদলে এসেছে, যেমন হাত, মাছ, চাঁদ। আর দেশি শব্দ এ দেশের নিজস্ব, যেমন ঢেঁকি, কুলা, ঝাঁটা। চাকর এই দুই শ্রেণির কোনোটিতেই পড়ে না।
    মনে রাখুন:
    ফারসি শব্দ: চাকর, দোকান, কারখানা।
    আরবি শব্দ: আদালত, কলম, উকিল।
    পর্তুগিজ শব্দ: আনারস, চাবি, আলপিন।
    তুর্কি শব্দ: বাবুর্চি, দারোগা।
  10. ৩১. 'ফেরারী সূর্য' উপন্যাসের রচয়িতা—
    • ক. সেলিনা হোসেন
    • খ. রাবেয়া খাতুন
    • গ. রিজিয়া খান
    • ঘ. ড. নীলিমা ইব্রাহিম
    উত্তর: খ. রাবেয়া খাতুন
    ‘ফেরারী সূর্য’ উপন্যাসটি রাবেয়া খাতুনের লেখা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে লেখা কথাসাহিত্যের আলোচনায় এই বইটির নাম প্রায়ই আসে। রাবেয়া খাতুন আমাদের কথাসাহিত্যের একজন পরিচিত নারী লেখক। প্রশ্নের অন্য তিনটি নামও খুব পরিচিত, কিন্তু তাঁরা আলাদা আলাদা বইয়ের লেখক, তাই লেখক আর বইয়ের নাম মিলিয়ে মনে রাখা দরকার।
    মনে রাখুন:
    রাবেয়া খাতুনের অন্য উপন্যাস: মধুমতী, বায়ান্ন গলির এক গলি, অনন্ত অন্বেষা, রাজারবাগ।
    সেলিনা হোসেনের উপন্যাস: হাঙর নদী গ্রেনেড, যাপিত জীবন, পোকামাকড়ের ঘরবসতি।
    নীলিমা ইব্রাহিমের উপন্যাস: বিশ শতকের মেয়ে, এক পথ দুই বাঁক।
    রিজিয়া খানের উপন্যাস: বটতলার উপন্যাস, অনুকল্প।
  11. ৩৩. সর্বাধিক চর্যাপদ রচয়িতা—
    • ক. লুইপা
    • খ. কাহ্নপা
    • গ. শবরপা
    • ঘ. ভুসুকুপা
    উত্তর: খ. কাহ্নপা
    চর্যাপদ বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন। এর কবিদের মধ্যে কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন, তাঁর পদের সংখ্যা ১৩টি। এরপর ভুসুকুপার ৮টি পদ পাওয়া যায়। কুক্কুরীপার পদ ৩টি, আর লুইপা ও শবরপার ২টি করে।
    মনে রাখুন:
    চর্যাপদে ২৩ জন (মতান্তরে ২৪ জন) কবির নাম পাওয়া যায়।
    হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
  12. ৩৫. 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'— কোন কবির রচিত চরণ?
    • ক. মাহবুব উল আলম চৌধুরী
    • খ. নির্মলেন্দু গুণ
    • গ. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
    • ঘ. হাসান হাফিজুর রহমান
    উত্তর: ক. মাহবুব উল আলম চৌধুরী
    ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ চরণটি মাহবুব উল আলম চৌধুরীর লেখা। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা তাঁর এই কবিতাটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রথম কবিতা হিসেবে পরিচিত। ভাষা শহীদদের রক্তের পর কবি শোক নয়, অন্যায়ের বিচার চেয়েছেন। এই আবেগই পঙ্‌ক্তিটিকে স্মরণীয় করেছে।
    মনে রাখুন:
    ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’, যার সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান।
    আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর পরিচিত কবিতা ‘কোন একজন মাকে’।
    নির্মলেন্দু গুণ স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের কবিতার জন্য পরিচিত, যেমন ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’।
  13. ৩৬. 'আমি কোনো আগন্তুক নই'—কবিতাটির কবি—
    • ক. রফিক আজাদ
    • খ. আহসান হাবীব
    • গ. নির্মলেন্দু গুণ
    • ঘ. জীবনানন্দ দাশ
    উত্তর: খ. আহসান হাবীব
    ‘আমি কোনো আগন্তুক নই’ কবিতাটি আহসান হাবীবের লেখা। কবিতায় কবি বলেছেন, তিনি এ দেশেরই সন্তান, বাইরে থেকে আসা কোনো অতিথি নন। আহসান হাবীব আধুনিক বাংলা কবিতার একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি, যাঁর কবিতায় সাধারণ মানুষের জীবন, প্রকৃতি আর মাটির টান সহজ ভাষায় ফুটে ওঠে। অন্য তিনজন কবিও বিখ্যাত, তবে এই কবিতাটি তাঁদের নয়।
    মনে রাখুন:
    আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাত্রিশেষ’ (১৯৪৭)।
    তাঁর অন্য কাব্য: ছায়াহরিণ, সারা দুপুর, আশায় বসতি।
  14. ৩৮. 'শূন্যপুরাণ' কার রচনা?
    • ক. রামাই পণ্ডিত
    • খ. বৃন্দাবন দাস
    • গ. লোচন দাস
    • ঘ. গোবিন্দ দাস
    উত্তর: ক. রামাই পণ্ডিত
    ‘শূন্যপুরাণ’ রামাই পণ্ডিতের রচনা। এটি গদ্য ও পদ্য মেশানো একটি গ্রন্থ, যেখানে বৌদ্ধ শূন্যবাদ আর হিন্দুদের লৌকিক ধর্মবিশ্বাস মিলেমিশে আছে। এতে ধর্মঠাকুরের পূজার কথা বলা হয়েছে, আর সৃষ্টিতত্ত্বের একটি বর্ণনাও আছে। বাংলা সাহিত্যের এই আদি নিদর্শনটি নিয়ে নানা মত থাকলেও পরীক্ষায় লেখক হিসেবে রামাই পণ্ডিতের নামই ধরা হয়।
    মনে রাখুন:
    ১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল পর্যন্ত সময়কে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়, কারণ এই সময়ের বড় কোনো সাহিত্যিক নিদর্শন পাওয়া যায়নি।
    এর আগের আদি যুগের নিদর্শন চর্যাপদ।
    অন্ধকার যুগের পরে মধ্যযুগে বড়ু চণ্ডীদাসের ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ পাওয়া যায়।
  15. ৩৯. 'তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক কে?
    • ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • খ. প্রমথ চৌধুরী
    • গ. অক্ষয়কুমার দত্ত
    • ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    উত্তর: গ. অক্ষয়কুমার দত্ত
    ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা ১৮৪৩ সালে প্রকাশিত হয়, আর এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠার পেছনে ছিল তত্ত্ববোধিনী সভা, যার নেতৃত্বে ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। অক্ষয়কুমার দত্ত এই পত্রিকায় বিজ্ঞান, সমাজ ও ধর্মনীতি নিয়ে যুক্তিনির্ভর প্রবন্ধ লিখে বাংলা গদ্যকে সহজ ও স্পষ্ট করে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অন্যরাও পরে এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু এর প্রথম সম্পাদক তিনি নন।
    মনে রাখুন:
    প্রমথ চৌধুরী সম্পাদনা করতেন ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪)।
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদনা করতেন ‘বঙ্গদর্শন’ (১৮৭২)।
    অক্ষয়কুমার দত্তের পরিচিত বই ‘চারুপাঠ’ ও ‘ধর্মনীতি’।
  16. ৪১. 'চাউল' কোন ভাষার শব্দ?
    • ক. দেশি
    • খ. অর্ধ তৎসম
    • গ. তদ্ভব
    • ঘ. তৎসম
    উত্তর: ক. দেশি
    ‘চাউল’ শব্দটি দেশি শব্দ। বাংলায় কিছু শব্দ আছে যেগুলো সংস্কৃত বা কোনো বিদেশি ভাষা থেকে আসেনি, বরং এ দেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে। এসব শব্দকে দেশি শব্দ বলে। তৎসম বা তদ্ভব শব্দের মতো এগুলোর উৎস সংস্কৃতে খুঁজে পাওয়া যায় না, আর অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো সংস্কৃত শব্দের কিছুটা বদলে যাওয়া রূপ। তাই এখানে সঠিক উত্তর দেশি।
    মনে রাখুন:
    দেশি শব্দের উদাহরণ: কুলা, ঢেঁকি, ঝিঙে, ডিঙি, চুলা।
    সংস্কৃত শব্দ অবিকৃত থাকলে তৎসম হয়, যেমন চন্দ্র।
    বদলে গেলে তদ্ভব হয়, যেমন চন্দ্র থেকে চাঁদ।
  17. ৪২. 'পাখি'-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
    • ক. দ্বিজ
    • খ. সরোজ
    • গ. হেম
    • ঘ. শাখী
    উত্তর: ক. দ্বিজ
    ‘পাখি’র সমার্থক শব্দ দ্বিজ। ‘দ্বিজ’ মানে যার দুইবার জন্ম হয়। পাখি প্রথমে ডিম হয়ে জন্মায়, তারপর ডিম ফুটে বাচ্চা হয়ে আবার জন্মায়, এ কারণেই পাখিকে দ্বিজ বলা হয়। বাকি শব্দগুলোর অর্থ আলাদা: সরোজ মানে পদ্ম, হেম মানে সোনা, আর শাখী মানে গাছ। শব্দগুলো দেখতে অচেনা হলেও অর্থ আলাদা করে শিখে রাখলে এ ধরনের প্রশ্নে ভুল হয় না।
    মনে রাখুন:
    পাখির আরও সমার্থক শব্দ: বিহগ, বিহঙ্গ, খেচর, খগ, পক্ষী।
    দ্বিজ শব্দটি ব্রাহ্মণ বা দাঁতের অর্থেও ব্যবহৃত হয়।
  18. ৫৮. 'বহিপীর' রচনা করেন—
    • ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    • খ. হুমায়ুন আহমেদ
    • গ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    • ঘ. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    উত্তর: গ. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    ‘বহিপীর’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নাটক। এতে বহিপীর নামে এক ভণ্ড পীরের চরিত্র আছে, যিনি ধর্মের নাম করে সরল মানুষকে ঠকান। নাটকটি ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। অন্য তিন লেখক নাটকটি লেখেননি। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াস মূলত উপন্যাস ও গল্পের লেখক, আর হুমায়ুন আহমেদ নাটকও লিখেছেন, কিন্তু ‘বহিপীর’ তাঁর নয়।
    মনে রাখুন:
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্য নাটক: তরঙ্গভঙ্গ, সুড়ঙ্গ, উজানে মৃত্যু।
    তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস: লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো।
  19. ৫৯. কাজী নজরুল ইসলামের 'দারিদ্র্য' কবিতাটি তার কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
    • ক. সাম্যবাদী
    • খ. ছায়ানট
    • গ. ভাষার গান
    • ঘ. সিন্ধু হিন্দোল
    উত্তর: ঘ. সিন্ধু হিন্দোল
    নজরুল ইসলামের ‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি ‘সিন্ধু-হিন্দোল’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতায় তিনি দারিদ্র্যকে মহিমান্বিত করে বলেছেন, ‘হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান’। নিজের জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতা থেকেই কবি এখানে দারিদ্র্যকে এমন সম্মান জানিয়েছেন। ‘সাম্যবাদী’, ‘ছায়ানট’ ও ‘ভাষার গান’ নামের গ্রন্থগুলোতে এ কবিতা নেই।
    মনে রাখুন:
    ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থে আছে ‘নারী’ ও ‘মানুষ’ কবিতা।
    ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আছে ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থে।
    ‘সিন্ধু-হিন্দোল’ প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
  20. ৬০. কবি আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন?
    • ক. মুর্শিদাবাদ
    • খ. দিল্লি
    • গ. রোসাঙ্গ
    • ঘ. ত্রিপুরা
    উত্তর: গ. রোসাঙ্গ
    আলাওল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান কবি। তিনি আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন। আরাকানের পুরোনো নাম রোসাঙ্গ, তাই এই রাজসভাকে রোসাঙ্গ রাজসভাও বলা হয়। সেখানকার রাজার অমাত্যদের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি তাঁর কাব্য রচনা করেন। মুর্শিদাবাদ, দিল্লি বা ত্রিপুরার রাজসভার সঙ্গে তাঁর পরিচয় যুক্ত নয়।
    মনে রাখুন:
    আলাওলের শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘পদ্মাবতী’, যা মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য ‘পদুমাবৎ’-এর অনুবাদ।
    তাঁর অন্য কাব্য: সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, সপ্তপয়কর, তোহফা।
    আরাকান রাজসভার আরেক বিখ্যাত কবি দৌলত কাজী।

আন্তর্জাতিক

  1. ৬. জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র কোনটি?
    • ক. পূর্ব তিমুর
    • খ. দক্ষিণ সুদান
    • গ. কঙ্গো
    • ঘ. কসোভো
    উত্তর: খ. দক্ষিণ সুদান
    জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্য দক্ষিণ সুদান। দেশটি সুদান থেকে আলাদা হয়ে ২০১১ সালের ৯ জুলাই স্বাধীন হয় এবং ১৪ জুলাই জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়। প্রশ্নের সময়, অর্থাৎ ২০২০ সালে, এটিই ছিল সর্বশেষ সদস্য। এর আগে পূর্ব তিমুর ২০০২ সালে সদস্য হয়েছিল। কসোভো একতরফা স্বাধীনতা ঘোষণা করলেও জাতিসংঘের সদস্য নয়। কঙ্গো বহু আগেই সদস্য হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে।
    বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্য হয়।
    জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে।
  2. ২৪. ফালুজা কোন দেশের সাথে সম্পর্কিত?
    • ক. ইরান
    • খ. ইরাক
    • গ. লিবিয়া
    • ঘ. ওমান
    উত্তর: খ. ইরাক
    ফালুজা ইরাকের একটি শহর। এটি আনবার প্রদেশে ইউফ্রেটিস নদীর তীরে, রাজধানী বাগদাদের পশ্চিমে অবস্থিত। এখানে অনেক মসজিদ আছে বলে একে ‘মসজিদের শহর’ বলা হয়। ২০০৪ সালে ইরাক যুদ্ধের সময় মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে ফালুজার ভয়াবহ লড়াই হয়েছিল। ইরান, লিবিয়া বা ওমানের সঙ্গে এই শহরের কোনো সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    ইরাকের রাজধানী বাগদাদ, যা টাইগ্রিস নদীর তীরে।
    ইরাকের দুটি প্রধান নদী টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস।
    ফালুজা শহরের নামটি ইরাক যুদ্ধের খবরে বারবার এসেছে, তাই একে ইরাকের সঙ্গে যুক্ত করে মনে রাখা সহজ।
  3. ৩৪. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকে (এডিবি) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
    • ক. টোকিও
    • খ. বেইজিং
    • গ. ম্যানিলা
    • ঘ. সিঙ্গাপুর
    উত্তর: গ. ম্যানিলা
    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (Asian Development Bank, ADB) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য সদস্য দেশগুলোকে ঋণ ও কারিগরি সহায়তা দেয়। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ব্যাংকের সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায়। টোকিও, বেইজিং ও সিঙ্গাপুর এশিয়ার বড় শহর হলেও এই ব্যাংকের সদর দপ্তর সেখানে নয়।
    মনে রাখুন:
    বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ, দুটিরই সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে।
    বাংলাদেশ এডিবির সদস্য এবং এই ব্যাংকের কাছ থেকে নানা উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ পেয়ে থাকে।
  4. ৪৮. এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত সর্বশেষ স্বাধীন দেশ কোনটি?
    • ক. বাংলাদেশ
    • খ. সিঙ্গাপুর
    • গ. পূর্ব তিমুর
    • ঘ. তাইওয়ান
    উত্তর: গ. পূর্ব তিমুর
    পূর্ব তিমুর (তিমুর-লেস্তে) ইন্দোনেশিয়া থেকে আলাদা হয়ে ২০০২ সালের ২০ মে পূর্ণ স্বাধীনতা পায়। এর আগে ১৯৭৫ সাল থেকে দেশটি ইন্দোনেশিয়ার দখলে ছিল। ১৯৯৯ সালে গণভোটে দেশটির মানুষ স্বাধীনতার পক্ষে রায় দেয়, এরপর জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে কয়েক বছর কাটিয়ে দেশটি স্বাধীন হয়। তাই দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে এশিয়ার সবচেয়ে নতুন স্বাধীন দেশ পূর্ব তিমুর।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ স্বাধীন হয় ১৯৭১ সালে।
    সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন হয় ১৯৬৫ সালে।
    পূর্ব তিমুরের রাজধানী দিলি।
  5. ৫২. জনসংখ্যার হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ কোনটি?
    • ক. বাংলাদেশ
    • খ. ভারত
    • গ. শ্রীলংকা
    • ঘ. পাকিস্তান
    উত্তর: খ. ভারত
    জনসংখ্যার হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেশ ভারত। এরপর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের স্থান, আর শ্রীলঙ্কার জনসংখ্যা এদের তুলনায় অনেক কম। বাংলাদেশের আয়তন ভারতের তুলনায় অনেক ছোট, তবু আমাদের জনসংখ্যা অনেক বেশি, তাই বাংলাদেশ এ অঞ্চলের একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ।
    মনে রাখুন:
    আয়তনেও দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারত।
    জনঘনত্বের হিসাবে বাংলাদেশ এ অঞ্চলে অনেক বেশি ঘনবসতিপূর্ণ।
    হালনাগাদ: ২০২৩ সাল থেকে ভারত পুরো বিশ্বের জনসংখ্যায়ও প্রথম।

বাংলাদেশ

  1. ১০. কোন তারিখে মুজিবনগর দিবস পালন করা হয়?
    • ক. ১৬ ডিসেম্বর
    • খ. ১৪ ডিসেম্বর
    • গ. ১৫ আগস্ট
    • ঘ. ১৭ এপ্রিল
    উত্তর: ঘ. ১৭ এপ্রিল
    ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) বাংলাদেশ সরকার শপথ নেয়। তাই প্রতি বছর ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস পালিত হয়। ওই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। স্থানটি আম্রকানন নামেও পরিচিত।
    মনে রাখুন:
    ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস।
    ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
    ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস।
    সেদিন এখানে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয় এবং মন্ত্রিসভা শপথ নেয়। এই সরকারকে সে কারণে মুজিবনগর সরকার বলা হয়, আর একে প্রবাসী সরকারও বলা হতো, কারণ তখন বেশির ভাগ কাজ ভারতের কলকাতা থেকে পরিচালিত হতো।
  2. ১৩. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন পুরস্কার প্রদান করা হয়?
    • ক. স্বাধীনতা পুরস্কার
    • খ. একুশে পদক
    • গ. বাংলা একাডেমির পদক
    • ঘ. জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
    উত্তর: খ. একুশে পদক
    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৬ সালে ‘একুশে পদক’ দেয়। ১৯৭২ সালে তিনি সপরিবারে ঢাকায় আসেন, তারপর বাংলাদেশ সরকার তাঁকে জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়। ভারত সরকার তাঁকে ১৯৬০ সালে ‘পদ্মভূষণ’ দেয় এবং ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি দেয়। স্বাধীনতা পুরস্কার, বাংলা একাডেমির পদক বা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এই প্রশ্নের উত্তর নয়, কারণ প্রশ্নে নজরুলকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেওয়া পুরস্কারের কথা জানতে চাওয়া হয়েছে।
    মনে রাখুন:
    নজরুল ১৮৯৯ সালে জন্মেছেন এবং ১৯৭৬ সালে মারা গেছেন।
    তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২), আর বিখ্যাত কবিতা ‘বিদ্রোহী’।
  3. ১৫. 'ফণী' ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছিল কোন কোন দেশে?
    • ক. ভারত ও বাংলাদেশ
    • খ. ভারত ও শ্রীলংকা
    • গ. বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
    • ঘ. মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড
    উত্তর: ক. ভারত ও বাংলাদেশ
    ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ ২০১৯ সালের মে মাসের শুরুতে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়। প্রথমে এটি ভারতের ওড়িশা উপকূলে আঘাত হানে, তারপর বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তাই দুটি দেশই আক্রান্ত হয়। ‘ফণী’ নামটি বাংলাদেশ প্রস্তাব করেছিল, যার অর্থ সাপের ফণা। ঘূর্ণিঝড়ের নাম এভাবে ঠিক হয়: উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশ একটি তালিকা তৈরি করে, আর পালাক্রমে সেখান থেকে নাম বেছে নেওয়া হয়। শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার বা থাইল্যান্ডে ফণী আঘাত হানেনি।
    মনে রাখুন:
    ২০১৯ সালে পরের ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ (পাকিস্তানের দেওয়া নাম)।
    ২০২০ সালে ‘আম্ফান’ (থাইল্যান্ডের দেওয়া নাম)।
  4. ১৯. বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
    • ক. বিশ্বব্যাংক
    • খ. আইএমএফ
    • গ. এডিবি
    • ঘ. জাইকা
    উত্তর: ক. বিশ্বব্যাংক
    বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (Bangladesh Development Forum বা BDF) এমন একটি মঞ্চ, যেখানে সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীরা একসঙ্গে বসে দেশের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করে। এর আয়োজন করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ERD)। এই ফোরামের আগের রূপে সমন্বয়কের ভূমিকায় ছিল বিশ্বব্যাংক, তাই প্রশ্নে পরিচিত সমন্বয়কারী হিসেবে বিশ্বব্যাংকের নাম এসেছে। আইএমএফ, এডিবি বা জাইকা এ ধরনের সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান নয়, এগুলো নিজ নিজ ক্ষেত্রে সহায়তা দেয়।
    মনে রাখুন:
    বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি-তে।
    এডিবির সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলায়।
    জাইকা জাপানের উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা।
  5. ২০. বাংলাদেশের কোন নাগরিক সার্ক সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন?
    • ক. অধ্যাপক মঞ্জুরুল ইসলাম
    • খ. ড. জাফর ইকবাল
    • গ. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
    • ঘ. অধ্যাপক আবু সাইদ
    উত্তর: গ. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
    ২০১৯ সালে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার (SAARC Literary Award) পান জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এই পুরস্কার প্রদান করে। তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক ও লেখক ছিলেন। ২০২০ সালের মে মাসে তাঁর মৃত্যু হয়। অন্য ব্যক্তিরাও বিশিষ্ট, কিন্তু এই সার্ক সাহিত্য পুরস্কার তাঁদের জন্য প্রশ্নে সঠিক নয়। ড. জাফর ইকবাল জনপ্রিয় লেখক ও বিজ্ঞানী, তবে প্রশ্নের পুরস্কারপ্রাপ্ত হিসেবে আনিসুজ্জামানই সঠিক।
    মনে রাখুন:
    আনিসুজ্জামানের লেখা আত্মজীবনীর নাম ‘বিপুলা পৃথিবী’।
    তিনি ১৯৩৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
  6. ২২. সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
    • ক. কুমিল্লা
    • খ. ভোলা
    • গ. সিলেট
    • ঘ. বঙ্গোপসাগর
    উত্তর: ঘ. বঙ্গোপসাগর
    সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র বঙ্গোপসাগরে চট্টগ্রাম উপকূলের কাছে অবস্থিত। ১৯৯৬ সালে এখানে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়, আর এটিই বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবক্ষের গ্যাসক্ষেত্র, যেখান থেকে নিয়মিত গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছিল। মজুত ফুরিয়ে আসায় ২০১৩ সালের পর এখানে উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। অন্য অপশনের কুমিল্লা, ভোলা ও সিলেটে স্থলভাগের গ্যাসক্ষেত্র আছে, যেমন ভোলায় শাহবাজপুর এবং সিলেটে হরিপুর ও কৈলাসটিলা।
    মনে রাখুন: বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর (১৯৫৫)।
  7. ৪৩. 'কারাগারের রোজনামচা' বইটিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কত সালের বন্দি জীবনের অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে?
    • ক. ১৯৬০-১৯৬২ সাল
    • খ. ১৯৬২-১৯৬৪ সাল
    • গ. ১৯৬৩-১৯৬৫ সাল
    • ঘ. ১৯৬৬-১৯৬৯ সাল
    উত্তর: ঘ. ১৯৬৬-১৯৬৯ সাল
    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা দেওয়ার পর গ্রেপ্তার হন। এরপর ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় তাঁকে আবার আসামি করা হয়, আর ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মুখে তিনি মুক্তি পান। ‘কারাগারের রোজনামচা’ বইটিতে ১৯৬৬ থেকে শুরু হওয়া এই কারাজীবনের কথা আছে। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে এই সময়সীমার সঙ্গে মেলে একমাত্র ১৯৬৬-১৯৬৯।
    মনে রাখুন:
    বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে।
    এটি তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র পরের বই হিসেবে পরিচিত।
  8. ৪৬. 'আমার বন্ধু রাশেদ' চলচ্চিত্রের পটভূমি—
    • ক. মুক্তিযুদ্ধ
    • খ. ভাষা আন্দোলন
    • গ. মুক্তিযুদ্ধপরবর্তী অবস্থা
    • ঘ. গণআন্দোলন
    উত্তর: ক. মুক্তিযুদ্ধ
    ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখা একটি কিশোর উপন্যাস, যার ওপর ভিত্তি করে একই নামে চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে। চলচ্চিত্রটির পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম। গল্পটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের, যেখানে একটি মফস্বল শহরের কিছু কিশোরের চোখে যুদ্ধকে দেখানো হয়েছে। তাই চলচ্চিত্রের পটভূমি মুক্তিযুদ্ধ। ভাষা আন্দোলন বা গণআন্দোলনের সঙ্গে এর কাহিনির সম্পর্ক নেই।
    মনে রাখুন:
    জাফর ইকবালের আরেকটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই ‘একাত্তরের যিশু’।
    তাঁর অন্য কিশোর রচনা: দীপু নাম্বার টু, কপোট্রনিক সুখ দুঃখ।
  9. ৫০. 'রামসার এলাকা' ভুক্ত স্থান কোনটি?
    • ক. টাঙ্গুয়ার হাওর
    • খ. বনি বাওর
    • গ. লাউয়াছড়া
    • ঘ. বরাল চলন বিল
    উত্তর: ক. টাঙ্গুয়ার হাওর
    বাংলাদেশে রামসার সনদের (Ramsar Convention) আওতায় যে স্থানগুলো তালিকাভুক্ত, তাদের মধ্যে সিলেট অঞ্চলের টাঙ্গুয়ার হাওর অন্যতম। রামসার সনদ আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি রক্ষার একটি চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে সই হয়। টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এটি মাছ ও পরিযায়ী পাখির জন্য বিখ্যাত।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশের প্রথম রামসার এলাকা সুন্দরবন (১৯৯২), এরপর টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০)।
    বরাল চলন বিল, লাউয়াছড়া বা বনি বাওর এই তালিকায় ছিল না।
  10. ৫৩. কোন জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমান্ত আছে?
    • ক. কুমিল্লা
    • খ. ফেনী
    • গ. বান্দরবান
    • ঘ. চট্টগ্রাম
    উত্তর: গ. বান্দরবান
    বাংলাদেশের মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত আছে তিনটি জেলার: রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে বান্দরবান এর মধ্যে পড়ে। চট্টগ্রাম জেলার সীমান্ত মিয়ানমারের সঙ্গে নয়, আর কুমিল্লা ও ফেনীর সীমান্ত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সঙ্গে। এভাবে প্রতিটি সীমান্ত জেলা কোন প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যুক্ত, তা আলাদা করে মনে রাখা ভালো।
    মনে রাখুন:
    বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে নাফ নদী।
    বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সীমান্ত ভারতের সঙ্গে, মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত তুলনায় ছোট।
  11. ৫৪. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত ছাড়াও কোন দেশটি ব্যাপকভাবে সহযোগিতা করেছে?
    • ক. চীন
    • খ. রাশিয়া
    • গ. নেপাল
    • ঘ. শ্রীলংকা
    উত্তর: খ. রাশিয়া
    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের পাশাপাশি তখনকার সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) বাংলাদেশকে বড় সাহায্য করেছিল। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবগুলোতে তারা ভেটো (Veto) দেয়, ফলে ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সময় পায়। তাছাড়া ভারত মহাসাগরে মার্কিন নৌবহরের চাপ ঠেকাতে তারা নৌবহরও পাঠায়। নেপাল বা শ্রীলঙ্কা সরাসরি এমন ব্যাপক সাহায্য করেনি।
    মনে রাখুন:
    সে সময় চীন ও যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে ছিল।
    ভারত ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
  12. ৫৬. রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায়?
    • ক. কক্সবাজার
    • খ. বাগেরহাট
    • গ. ভোলা
    • ঘ. খুলনা
    উত্তর: খ. বাগেরহাট
    রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায়, পশুর নদীর তীরে অবস্থিত। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে এটি তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রটি সুন্দরবনের খুব কাছে হওয়ায় পরিবেশ নিয়ে অনেক তর্ক হয়েছে, কারণ কয়লা পোড়ানোর ফলে বাতাস ও পানির দূষণের ঝুঁকি থাকে।
    মনে রাখুন:
    এর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
    বাংলাদেশের সুন্দরবন বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় বিস্তৃত।

আরও পিএসসি নন-ক্যাডার পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান

বিসিএস আর চাকরির পরীক্ষার বিজ্ঞান এক বইয়ে, বিগত প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে লেখা: লিয়ানা বিসিএস বিজ্ঞান বই সম্পর্কে জানুন